বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,৮৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা ১৪ / ১৯ · ১,৩০১১,৪০০ / ১,৮৩৫

১,৩০১.
সুনাগরিকের প্রধান গুণ কোনটি? 
  1. দায়িত্ববোধ
  2. অর্থ
  3. সুশিক্ষা
  4. বিবেক
সঠিক উত্তর:
বিবেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেক
ব্যাখ্যা
সুনাগরিকের প্রধান গুণ তিনটি। যথা- বুদ্ধি, বিবেক এবং আত্মসংযম। 

- বুদ্ধি- একজন সুনাগরিকের অন্যতম মৌলিক গুণ হচ্ছে বুদ্ধি। বুদ্ধির পর্যাপ্ত ব্যবহারের মাধ্যমে সে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে সহযোগিতা করতে পারে।
- বিচার- একজন সুনাগরিকের শুধু বুদ্ধিমানও আত্মসংযমী হলেই হয় না তাকে অবশ্যই বিচারের সঠিক ব্যবহার জানতে হয়। বিবেক বিচার হলো ভালো-মন্দের জ্ঞান ও দায়িত্ব কর্তব্যের জ্ঞান।
- আত্মসংযম: একজন সুনাগরিকের আরেকটি অন্যতম গুণ হচ্ছে আত্মসংযম। ‌ নাগরিককে অসৎ কার্যাবলী যেমন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, স্বার্থপরতা, পক্ষপাতিত্ব ইত্যাদি ও অনৈতিক কাজ থেকে বিরত রাখে।

- রাষ্ট্রের যে নাগরিক সকল সমস্যা অতি সহজে সমাধান করে, যার বিবেক আছে সে ন্যায়-অন্যায়, সৎ-অসৎ বুঝতে পারে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকে, আর যে আত্মসংযমী সে বৃহত্তর স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে। এসব গুণসম্পন্ন নাগরিকদের বলা হয় সুনাগরিক।

সূত্র- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
১,৩০২.
আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন কোনটি?
  1. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
  2. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
  3. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
  4. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
• গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন:
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের গাজীপুর জেলায় অবস্থিত স্থানীয় সরকার সংস্থা।
- এটি বাংলাদেশের একটি পৌর প্রশাসন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- গাজীপুর আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন।
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৩২৯.৫৩ বর্গকিলোমিটার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩০৩.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোতে মাঠ পর্যায়ের অংশ কোনটি?
  1. ক) উপজেলা প্রশাসন
  2. খ) বিভাগীয় প্রশাসন
  3. গ) জেলা প্রশাসন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো কেন্দ্রিয় প্রশাসন ও মাঠ প্রশাসনে বিভক্ত।
- সচিবালয় হলো সর্বোচ্চ বা কেন্দ্রীয় প্রশাসন।
- বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে মাঠ প্রশাসন ধরা হয়।

প্রশাসন ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হলো - উপজেলা প্রশাসন।

সূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী
১,৩০৪.
সরকারের নির্বাহী বিভাগের অন্তর্গত নয়-
  1. উপমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পীকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
• সরকারের নির্বাহী বিভাগের অন্তর্গত নয়- স্পীকার।

• স্পীকার:
- স্পীকার আইন সভা তথা জাতীয় সংসদের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন।
• সংবিধান অনুসারে,
- ৭৪ (১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।
--------------------------------------------------------------
• বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:
যথা:
- নির্বাহীবিভাগ
- আইনবিভাগ ও
- বিচারবিভাগ।

• নির্বাহী বিভাগ:
- রাষ্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দান্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে নির্বাহী বা শাসনবিভাগ বলে।
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে।
- এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

• বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচর ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই এবং।
১,৩০৫.
বান্দরবান জেলার সংসদীয় আসন সংখ্যা কতটি?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
একটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের আসন: 
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিনটি জেলা—বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি—প্রতিটি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- এর মধ্যে বান্দরবান জেলার জন্য নির্ধারিত আসনটি জাতীয় সংসদের ৩০০ নম্বর আসন হিসেবে চিহ্নিত।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে ৩০০টি আসনে সরাসরি জনগণের ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, আর বাকি ৫০টি আসন সংরক্ষিত থাকে নারী প্রতিনিধিদের জন্য। 

এছাড়াও, 
- জাতীয় সংসদের ১ নম্বর আসন হিসেবে চিহ্নিত হলো পঞ্চগড়-১ আসন।
- দেশের রাজধানী ঢাকা জেলা সর্বাধিক ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে। 

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১,৩০৬.
ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা কত জন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
- ইউনিয়ন পরিষদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন চালু হয় ১৯৯৭ সাল থেকে।
- এর আগে ১৯৭৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদে দুজন মনোনীত নারী সদস্য নিয়োগের বিধান করা হয় যা ১৯৮৩ সালে তিনজনে উন্নীত করা হয়৷
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সর্বনিম্ন ইউনিট।
- মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় ।
- একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ৯ জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও ৩ জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত ।
- ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে এবং ২০২১ সালে দশম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

সূত্র :- স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৩০৭.
মন্ত্রিসভা কার নিকট যৌথভাবে দায়ী থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতির নিকট
  2. প্রধানমন্ত্রীর নিকট
  3. জনগণের নিকট
  4. সংসদের নিকট
সঠিক উত্তর:
সংসদের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদের নিকট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদের ৩ নম্বর উপধারায় বলা হয়েছে যে,
- মন্ত্রিসভা যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকিবে।
- অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রীসহ সকল মন্ত্রী সংসদের প্রতি দায়বদ্ধ থাকেন এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে সংসদকে জবাবদিহি করতে হয়।
- এটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, যেখানে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরকারের কর্মকাণ্ড তদারকি করা হয়।
- সংসদে যদি মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করা হয় এবং তা গৃহীত হয়, তাহলে মন্ত্রিসভাকে পদত্যাগ করতে হয়।
- এই যৌথ দায়বদ্ধতা সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এবং নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ রাখে।
- ফলে সংসদ কর্তৃক নিয়ন্ত্রণের এই ব্যবস্থা কার্যত জনগণের অধিকার ও মতামতের প্রতিফলন ঘটায়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১,৩০৮.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কে? (মার্চ, ২০২৬)
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. ওবায়দুল হাসান
  3. হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
  4. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (২৬তম)।

প্রধান বিচারপতি:
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।

⇒ বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতিদের বয়স করা হয় ৬৭ বছর।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম।
- তিনি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি ছিলেন।

তথ্যসূত্র - সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

১,৩০৯.
সম্প্রতি দুদকের প্রথম নারী কমিশনার হিসেবে কে নিয়োগ পেয়েছেন?
  1. আমিনা খাতুন
  2. আছিয়া খাতুন
  3. রাজিয়া খাতুন
  4. রায়সা খাতুন
সঠিক উত্তর:
আছিয়া খাতুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আছিয়া খাতুন
ব্যাখ্যা
দুদকের প্রথম নারী কমিশনার:
- দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রথম নারী কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব মোছা: আছিয়া খাতুন।
- ‘দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪’ এর ৬(১) ধারার বিধান মতে তিনি এই নিয়োগ পেয়েছেন।
- আইনের ১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী কমিশনার হিসেবে আছিয়া খাতুনের বেতন-ভাতা, অনন্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতির সমান নির্ধারণ করা হয়েছে।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারের মেয়াদ পাঁচ বছর।

উৎস: ১৩ জুন ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৩১০.
নিচের কোন দেশে এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা রয়েছে?
  1. কানাডা
  2. ভারত
  3. বাংলাদেশ
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা বন্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকার:

- এককেন্দ্রিক সরকার: যে শাসন ব্যবস্থায় সাংবিধানিকভাবে সকল ক্ষমতা কেন্দীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং একটি কেন্দ্র থেকে সকল ক্ষমতা পরিচালিত হয়
তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে। যেমন: ফ্রান্স, বাংলাদেশ, জাপান, ইতালি।

- যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার: যখন কতিপয় স্বাধীন রাষ্ট্র পরস্পর বিচ্ছিন না থেকে পারস্পারিক চুক্তির মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম কর্তৃত্বের অধীনে ঐক্যবদ্ধ ভাবে নতুন রাষ্ট্র গঠন করে তাকে যুক্তরাষ্ট্র বলে। যুক্তরাষ্টড়ীয় সরকার একটি দ্বৈত সরকার। একাহ্নে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার বিদ্যমান। যেমন: ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা।

তথ্যসূত্র - একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর পৌরনীতি ও সুসাশন বই, ব্রিটানিকা।
১,৩১১.
প্রধানমন্ত্রী পদাধিকারবলে কোনটির প্রধান নন?
  1. জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ
  2. জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি
  3. বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
  4. বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
ব্যাখ্যা
• জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন কমিটি (NCECC):
- জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন কমিটি (NCECC) হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী কমিটি, যা পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সমন্বিত নীতি প্রণয়নের জন্য দায়বদ্ধ।
- এটি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এর অধীনে কাজ করে।
- বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গঠিত, বিশেষত জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়। 
- প্রধান লক্ষ্য: পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত নীতি ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন।
- সভাপতি: প্রধানমন্ত্রী।

• বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ:
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান।
- এর নিয়ন্ত্রক প্রধানমন্ত্রী/ প্রধান উপদেষ্টা।
- গঠিত হয়: ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

• জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ:
- জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ (National Population Council) হচ্ছে জনসংখ্যা নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও পরিবীক্ষণ ইউনিট।
- পদাধিকারবলে এর প্রধান বা সভাপতি হলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
- এই পরিষদের সচিবালয়ের দায়িত্ব পালন করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হলেন পদাধিকারবলে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সভাপতি।

উৎস: i) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১,৩১২.
বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি কী ধরনের?
  1. রাষ্ট্রপতি শাসিত
  2. যুক্তরাষ্ট্রীয়
  3. রাজতন্ত্র 
  4. এককেন্দ্রিক
সঠিক উত্তর:
এককেন্দ্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এককেন্দ্রিক
ব্যাখ্যা

• এককেন্দ্রিক ব্যবস্থা:
- এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রে সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সকল শাসনতান্ত্রিক ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত করা হয়।
- ফলে কেন্দ্র থেকে দেশ পরিচালনা করা হয়।
- শাসনকার্যের সুবিধার জন্য দেশকে বিভিন্ন প্রদেশে বা অঞ্চলে ভাগ করে কিছু ক্ষমতা তাদের হাতে অর্পণ করা হয়।
- তবে প্রয়োজনবোধে কেন্দ্রীয় সরকার সে ক্ষমতা ফিরিয়ে নিতে পারে। 
- এ ধরনের সরকার ব্যবস্থায় প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারগুলো কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে থেকে কেন্দ্রের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
-  বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য প্রভৃতি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রের উদাহরণ।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

১,৩১৩.
মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা-
  1. সচিব
  2. মন্ত্রী
  3. উপমন্ত্রী
  4. উপসচিব
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা

• কেন্দ্রীয় প্রশাসন :
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ। 
- সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়।
- সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান। 
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।
- সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন।
- মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় কাজের ভার সচিবের ওপর ন্যস্ত থাকে।
- তিনি মন্ত্রীকে যাবতীয় কাজে সহায়তা করেন।
- মন্ত্রণালয় পরিচালনার ব্যাপারে মন্ত্রী সচিবের নিকট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ করেন।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে সচিব মন্ত্রীর সহচর হিসেবে কাজ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৩১৪.
প্রধানমন্ত্রী কার নিকট জবাবদিহি করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জাতীয় সংসদ
  3. সুপ্রিমকোর্ট
  4. বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
 প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কাজ:
 যেমন
• সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।

• প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যেদপ্তর বণ্টন করেন। 
• প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা। তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। 

• সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। এভাবে তিনি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।

• পররাষ্ট্র বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।
- প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না।
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।
• দেশের জরুরি অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত ছাড়া যেকোনো নির্দেশ দিতে পারেন।
• তবে প্রধানমন্ত্রী সংসদের কাছে জবাবদিহি করবেন। সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জবাবদিহি চালু রাখতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
১,৩১৫.
বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী?
  1. ক) House of the Nations
  2. খ) House of the Nation
  3. গ) National Parliament
  4. ঘ) House of the Parliament
সঠিক উত্তর:
খ) House of the Nation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) House of the Nation
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ (House of the Nation)।
• এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
• জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা ৩৫০।
• ৩০০টি আসনে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অন্য ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
• নারী সংসদ সদস্যগণ ৩০০ জন সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
• সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ রাজধানীতে অবস্থিত।
• সরকারি বিজ্ঞপত্তি দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান করেন।
• অধিবেশন পরিচালনার জন্য স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
• স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

১,৩১৬.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত নয়?  
  1. সরকারি কর্ম কমিশন
  2. রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
সঠিক উত্তর:
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা

- জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়। 

- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ সরকারের আইনি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
• সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ:
- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়,
- জাতীয় সংসদ,
- ন্যায়পাল,
- সুপ্রিম কোর্ট,
- প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল,
- নির্বাচন কমিশন,
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়,
- সরকারি কর্ম কমিশন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৩১৭.
স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে কে নিয়োগ পেয়েছেন? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  2. তোফায়েল আহমেদ
  3. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার
  4. আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল আহমেদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন:
সরকার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য আট সদস্যের একটি কমিশন গঠন করেছে।
প্রধান: -অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ (স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান)।
অন্যান্য সদস্য:
- অধ্যাপক ফেরদৌস আরফিনা ওসমান (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)।
- সাবেক সচিব এ এম এম নাসির উদ্দিন।
- আইনজীবী আব্দুর রহমান।
- মাহফুজ কবির (বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের পরিচালক)।
- মাসুদা খাতুন (নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক)।
- অধ্যাপক মো. তারিকুল ইসলাম (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)।
- শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।

উল্লেখ্য,
- প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনায় এটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।
- কমিশনকে ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
১,৩১৮.
জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ অনুসারে কিশোরদের বয়স সীমা কত?
  1. ১১ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
  2. ১২ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
  3. ১৩ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
  4. ১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
ব্যাখ্যা

• জাতীয় শিশু নীতি ২০১১:
- শিশুদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত হয় শিশু আইন ১৯৭৪, যা যুগোপযোগীকরণের মাধ্যমে শিশু আইন ২০১১ রূপে প্রণয়ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। 
- পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রাসঙ্গিক সকল ক্ষেত্রে শিশুর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা একান্ত আবশ্যক। 
- শিশুর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা ও অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে একটি সৎ, দেশপ্রেমিক ও কর্মক্ষম ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার যত্নশীল ও সক্রিয়। 

» সংজ্ঞা:
• কিশোর কিশোরী: কিশোর-কিশোরী বলতে ১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদেরকে বুঝাবে।

• শিশু: শিশু বলতে আঠারো বছরের কম বয়সী বাংলাদেশের সকল ব্যক্তিকে বুঝাবে। দেশের প্রচলিত কোনো আইনে এর ভিন্নতা থাকলে এই নীতির আলোকে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে সামঞ্জস্যবিধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা
হবে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় শিশু নীতি - ২০১১।

১,৩১৯.
সৈয়দ মাহমুদ হোসেন দেশের কততম প্রধান বিচারপতি?
  1. ক) ১৯তম
  2. খ) ২০তম
  3. গ) ২১তম
  4. ঘ) ২২তম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২২তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২২তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ দেশের ২২তম প্রধান ‍বিচারপতি হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
অন্যদিকে,
- ২১তম প্রধান বিচারপতি : এস কে সিনহা
- ২০তম প্রধান বিচারপতি : মো. মোজাম্মেল হোসেন
- ১৯তম প্রধান বিচারপতি : এবিএম খায়রুল হক।
(সূত্রঃ সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো)
১,৩২০.
জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়টি ফলক আছে?
  1. ৪ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. ৭ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা
• জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত।
- এই জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক সাতটি।
- স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়ের জন্য স্মৃতিসৌধে ফলক সংখ্যা ৭টি রাখা হয়েছে। 

এর পর্যায় গুলো হলো:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন;
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন;
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন;
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন;
- ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন;
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং
- ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।

জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১,৩২১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১১৮ নং
  2. ১১৯ নং
  3. ১২০ নং
  4. ১১৭ নং
সঠিক উত্তর:
১১৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৯ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন।
- দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১২০নং অনুচ্ছেদ- নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদ- প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১,৩২২.
বিচারবিভাগের কাজ নয়-
  1. নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা করা
  2. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা,
  3. সংবিধান-সংশোধন
  4. দেশের সংবিধানকে অক্ষুণ্ণ রাখা
সঠিক উত্তর:
সংবিধান-সংশোধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান-সংশোধন
ব্যাখ্যা
- সংবিধান-সংশোধন আইন বিভাগ তথা জাতীয় সংসদের কাজ।

• বাংলাদেশের বিচারবিভাগ:
- বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগের একটি বিচারবিভাগ।

• বিচারবিভাগের কাজ:
- নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা,
- ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা,
- অপরাধীর শাস্তিবিধান এবং দুর্বলকে সবলের হাত থেকে রক্ষা করা।
 - নিরপেক্ষ স্বাধীন বিচারিক কার্য  সম্পাদন করা ।
-  আইনের অনুশাসন ও দেশের সংবিধানকে অক্ষুণ্ণ রাখে।
- সংবিধান রক্ষা করে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।

• বিচারবিভাগের গঠন:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৩২৩.
অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়োগ দেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১,৩২৪.
‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী গুমের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি কোনটি?
  1. অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়।
- গুমের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে অধ্যাদেশ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি।

⇒ গুমকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী বা শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিজ পরিচয়ের বলে অথবা সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, সমর্থন বা সম্মতির ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, আটক, অপহরণ বা অন্য যেকোনোভাবে স্বাধীনতা হরণ করলে এবং পরে সেই ঘটনা অস্বীকার করলে বা ব্যক্তির অবস্থান, অবস্থা বা পরিণতি গোপন রাখলে—এটি ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে।
- এখানে ‘স্বাধীনতা হরণ’ বলতে কোনো ব্যক্তিকে তাঁর সম্মতি ছাড়া নির্দিষ্ট স্থানে আবদ্ধ রাখাকে বোঝাবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ভুক্তভোগী আইনগত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হলে দায়ী ব্যক্তি যাবজ্জীবন বা সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশ অনুযায়ী, গুমের ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে, লাশ পাওয়া গেলে বা গুমের পাঁচ বছর পরও তাঁকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হলে—দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্য কোনো মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড আরোপ করা যাবে।
- গুমের সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করলেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে। গুম-সংক্রান্ত কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ ইচ্ছাকৃতভাবে বিনষ্ট, গোপন, বিকৃত বা পরিবর্তন করলে আইনে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে। 

উৎস: i) গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫। 
ii) প্রথম আলো।

১,৩২৫.
বাংলাদেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ হয় -
  1. ক) ২০০১ সালে
  2. খ) ২০০২ সালে
  3. গ) ২০০৩ সালে
  4. ঘ) ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
- ২০০২ সালে প্রণীত বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন অনুযায়ী দেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০০২ অনুযায়ী -
- সকল বা যে কোন প্রকার পলিথিন শপিং ব্যাগ, বা পলিইথাইলিন বা পলিপ্রপাইলিনের তৈরী অন্য কোন সামগ্রী বা অন্য যে কোন সামগ্রী পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, তাহা হইলে, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, সমগ্র দেশে বা কোন নির্দিষ্ট এলাকায় এইরূপ সামগ্রীর উৎপাদন, আমদানী, বাজারজাতকরণ, বিক্রয়, বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন, মজুদ, বিতরণ, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিবহন বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করিবার বা প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত শতাধীনে ঐ সকল কার্যক্রম পরিচালনা বা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে নির্দেশ জারী করিতে পারিবে এবং উক্ত নির্দেশ পালনে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি বাধ্য থাকিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০০২।
১,৩২৬.
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স কত বছর হতে হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩৫ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের বিবরণ: 
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
- রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর হতে হবে। (৪৮ এর ৬ নং অনুচ্ছেদ) 
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়। 

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৩২৭.
ন্যায়পাল কার সমান ক্ষমতার অধিকারী?
  1. ক) অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) সুপ্রিম কোর্টের বিচারক
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
গ) সুপ্রিম কোর্টের বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুপ্রিম কোর্টের বিচারক
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত হয়। এ সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৭৭ এ ন্যায়পাল সৃষ্টি করা হয়। বাংলাদেশ সংবিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো ন্যায়পাল পদ সৃষ্টি। জাতীয় সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পাল পদ প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন। ন্যায়পাল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের সমান ক্ষমতার অধিকারী হবেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৩২৮.
রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি 
  2. স্পিকার
  3. প্রধানমন্ত্রী 
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী 
ব্যাখ্যা

- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি:

• শাসন বিষয়ক ও নির্বাহী ক্ষমতা:
- প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থায় নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন।
- সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• আইনসংক্রান্ত ক্ষমতা:
- আইন প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- প্রধানমন্ত্রীকেকেন্দ্র করে সংসদের আইন প্রণয়ন বিষয়ক কার্যাবলি পরিচালিত হয়।

• সংসদ পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা:
- প্রধানমন্ত্রী সংসদের নেতা।
- তিনি সংসদের সাফল্যজনক সুষ্ঠ চালনায় কার্যকর ভূমিকা পালন করেন।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর রামর্শক্রমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৩২৯.
জেলার প্রধান কে?
  1. ক) জেলা প্রশাসক
  2. খ) সহকারি কমিশনার
  3. গ) জেলা কমিশনার
  4. ঘ) সিনিয়র সহকারি কমিশনার
সঠিক উত্তর:
ক) জেলা প্রশাসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জেলা প্রশাসক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর বা একক হচ্ছে জেলা। ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক এ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক স্তর বা এককের মধ্যমণি। জেলা প্রশাসনের চাবিকাঠি হচ্ছেন জেলা প্রশাসক। জেলা প্রশাসকের পদকে কেন্দ্র করে জেলার সমস্ত প্রশাসন পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৩৩০.
মুজিবনগর সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের আহবায়ক ছিলেন-
  1. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা

একাত্তরের ৯ সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান করার জন্য আওয়ামী লীগসহ পাঁচটি দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয় ৮ সদস্যের 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ'
- এই পরিষদের নেতৃবৃন্দ মূলত মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর একাত্তরের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত মুজিবনগর সরকারকেই সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছিল।
- আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করায় বিশ্বব্যাপী মুজিবনগর সরকার একটিই বার্তা দিয়েছিল, মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবি বাঙালির সর্বজনীন; কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক কোনো বিষয় নয়।
- ভারতের কলকাতায় গঠন করা হয় 'জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি', যা 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ' নামে পরিচিতি লাভ করে।

৮ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটিতে ছিলেন -
- আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন-
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)

উৎস- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং নবম - দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৩১.
কার কাছে শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. স্পিকার
  4. আইন মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত। এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৩২.
বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

উপজেলা পরিষদ:
- প্রশাসনিক সংস্কার ও পুনর্গঠন কমিটির (সিএআরআর) সুপারিশমালা থেকে উপজেলা পরিষদের ঐতিহাসিক পটভূমি রচিত।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর হলো উপজেলা পরিষদ।
- ১৯৮২ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- ১৯৯০ সালে দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- উপজেলা পরিষদে একজন চেয়ারম্যান, দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান, অধিভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, পৌরসভার মেয়র (যদি থাকে) এবং তিনজন মহিলা সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকেন।
- এ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট এলাকার জাতীয় সংসদ সদস্য উপজেলা পরিষদের পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদের মূল দায়িত্ব হলো ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করা, যাতে করে স্থানীয় উন্নয়ন ও সেবা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১,৩৩৩.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নেতা কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা:
​​- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান। 
- রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। 
- প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থায় নেতৃত্ব প্রদান করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন। 
​- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন।
​​- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে।

​উল্লেখ্য,
​​- প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান।
- তিনি সংসদের সাফল্যজনক সুষ্ঠু পরিচালনায় কার্যকর ভূমিকা পালন করেন। 
​- বিরোধী দলের আস্থা অর্জন ও সহযোগিতা পেতে তিনি নেতৃত্বদান করেন।
​- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেন।
- প্রধানমন্ত্রী জাতির মুখপাত্র হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।

​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১,৩৩৪.
কোনটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কাজ নয়?
  1. আইন সভার সদস্যেদের প্রভাবিত করা
  2. নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা
  3. জাতীয় কল্যাণে কাজ করা
  4. সরকারের সিদ্ধান্তে প্রভাবিত করা
সঠিক উত্তর:
নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য : 
- দলীয় সংগঠনবিহীন,
- দলীয় কর্মসূচিবিহীন,
- নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা,
- সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা,
- সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়, 
- সমজাতীয় মনোভাব, 
- বেসরকারি সংগঠন ।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৩৫.
বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী সর্বপ্রথম কে অবস্থান করেন?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. আইনমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

- জুলাই, ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী: সর্বপ্রথম রাষ্ট্রপতি।
উল্লেখ্য:
১. রাষ্ট্রপতি।
২. প্রধানমন্ত্রী।
৩. সংসদের স্পিকার।
৪. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিগণ।
৫. কেবিনেট মন্ত্রিগণ; কেবিনেটের প্রধান হুইপ; সংসদের ডেপুটি স্পিকার; সংসদে বিরোধী দলের নেতা।
৬. কেবল পদমর্যাদা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সমমানের পদে থাকা ব্যক্তিরা।
৭. বিশেষ দূত ও কমনওয়েলথ দেশের হাইকমিশনারগণ, যারা বাংলাদেশে নিয়োগপ্রাপ্ত।
৮. প্রধান নির্বাচন কমিশনার; পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান; সংসদে বিরোধী দলের ডেপুটি নেতা; সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ (আপিল বিভাগ); রাষ্ট্রের রাজ্য মন্ত্রীগণ; হুইপ।

এছাড়াও,
- ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্সে মোট ২৫টি পদক্রম রয়েছে।
- বাংলাদেশের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান রাষ্ট্রপতি।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,৩৩৬.
বাকশাল সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) এম. মনসুর আলী
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
গ) এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একক জাতীয় দল হিসেবে ‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ বা বাকশাল’ গঠিত হয়৷
একইসাথে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
বাকশাল সরকারের,
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমান
- প্রধানমন্ত্রী : ক্যাপ্টেন (অব.) এম. মনসুর আলী।
- বাকশাল সভাপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
বাকশাল সাধারণ সম্পাদক : ক্যাপ্টেন (অব.) এম. মনসুর আলী৷
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১,৩৩৭.
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. আহসানুল করিম
  3. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  4. মোবাশ্বের হোসেন
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (২৬তম)।

প্রধান বিচারপতি:
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।
- বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- বর্তমানে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬৭ বছর।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

তথ্যসূত্র - সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

১,৩৩৮.
জাতীয় সংসদ ভবন কত একর জমির ওপর নির্মিত?
  1. ৩২০ একর
  2. ২১৫ একর
  3. ১৮৫ একর
  4. ১২২ একর
সঠিক উত্তর:
২১৫ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১৫ একর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা।
- আইন অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- জাতীয় সংসদ সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে সংবিধানের পঞ্চম ভাগে।

⇒ জাতীয় সংসদ ভবন:
- এটি ঢাকার শেরে-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত।
- প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান এটির মূল স্থপতি।
- ছাদ ও দেয়ালের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার হ্যারি পাম ব্লুম।
- সংসদ এলাকার আয়তন: ২১৫ একর,
- সংসদ ভবনের আয়তন: ৩.৪৪ একর,
- সংসদ ভবনের উচ্চতা: ১৫৫ ফুট।
- জাতীয় সংসদের আসন ৩৫০টি।
- ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৩৯.
বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার ধরন -
  1. পার্লামেন্টারি
  2. প্রেসিডেন্সিয়াল
  3. রাজতান্ত্রিক
  4. কোনোটাই নয়
সঠিক উত্তর:
পার্লামেন্টারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্লামেন্টারি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থা:
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- সংবিধানে জনগণকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে বলা হয় রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
- জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র এই চারটি মূলনীতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র ও সরকার পরিচালিত হয়।
- সঙ্গত কারণেই গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা বেছে নেয়া হয়েছে।
- শাসন কাঠামোর দিক থেকে বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
- এর কোন প্রদেশ নাই।
- রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ধরণ অনুযায়ী সরকারের কার্যাবলিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 

⇒ সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত।
- তিনি সংসদের নিকট দায়বদ্ধ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৪০.
২০২৪ সালে বাংলাদেশে কততম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. দশম
  2. একাদশ
  3. দ্বাদশ
  4. ত্রয়োদশ
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে।
- টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য শপথ নেন ১০ জানুয়ারি, ২০২৪।
- নতুন এমপিদের শপথ বাক্য পাঠ করান বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী। 

উৎস: ১১ জানুয়ারি, ২০২৪, কালের কন্ঠ।
১,৩৪১.
১৯৯০ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি লতিফুর রহমান
  2. বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ
  3. বিচারপতি হাবিবুর রহমান
  4. বিচারপতি রুহুল আমিন
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার (Caretaker Government) একটি অস্থায়ী ও বিশেষধরণের সরকার পদ্ধতি।
- বিশেষ রাজনৈতিক সংকটজনক পরিস্থিতিতে এ ধরণের সরকার দায়িত্ব পালন করে।
- এই সরকারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সম্পূর্ণ অস্থায়ী ও নির্দলীয় সরকার যার মূল দায়িত্ব ও উদ্দেশ্য একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনা করে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে ক্ষমতা অর্পন করা।

• তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন:
- ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতন ও পদত্যাগের সময় যে সাংবিধানিক সংকট সৃস্টি হয়-তা নিরসনে এইরূপ একটি অস্থায়ী সরকার গঠন অনিবার্য হয়ে ওঠে।
- তৎকালীন সরকার বিরোধী জোটের রূপরেখা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়েছিল।
- ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তখনকার মতো এই সরকারের পর্ব সমাপ্ত হয়ে যায়।
- কিন্তু খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন (১৯৯১-৯৫) বিরোধী দল কতকগুলি দাবীকে সামনে রেখে সরকারের পদত্যাগ দাবি করে এবং একই সঙ্গে পরবর্তী নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরিচালনার দাবি জানায়।
- কিন্তু সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবী অসাংবিধানিক বলে অগ্রাহ্য করে এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘোষণা করে।
- কিন্তু সকল দল নির্বাচন বর্জনের পাশাপাশি তা প্রতিহত করারও ঘোষণা দেয়।
- কিন্তু সরকার বিরোধীদল ছাড়াই একতরফাভাবে সম্পন্ন করে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
- বিরোধী দল নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করায় এই নির্বাচন জনগণের নিকট গ্রহণ যোগ্যতা অর্জন করেনি।
- ফলে উদ্ভুত গণ আন্দোলনের চাপে সরকার ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে "তত্ত্বাবধায়ক সরকার" গঠন আইন পাশ করে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৪২.
বর্তমান জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্যে সংরক্ষিত আসন রয়েছে কতটি?
  1. ৪৫টি
  2. ৫০টি
  3. ৪০টি
  4. নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা ৩৫০।
- ৩০০টি আসনে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অন্য ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
- নারী সংসদ সদস্যগণ ৩০০ জন সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৪৩.
'যিনি প্রশাসন তিনিই বিচারক।' এমন উদাহরণ-
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) জেলা প্রশাসক
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেলা জজ
ব্যাখ্যা
জেলা জজ একদিকে যেমন একজন প্রশাসনের ভূমিকা পালন করেন অন্যদিকে তিনি বিচারকের ভূমিকাও পালন করেন। এজন্য জেলা জজকে বলা হয়- যিনি প্রশাসন তিনিই বিচারক। জেলার সকল দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তির জন্য সর্বোচ্চ আদালত হলো জেলার প্রধান বিচারকের আদালত এবং ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির জন্য দায়রা জজ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশ ক্রমে রাষ্ট্রপতি জেলা বিচারক নিয়োগ দান করবেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৩৪৪.
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনটি জাতীয় সংসদে কবে পাস করা হয়?
  1. ২১ জানুয়ারি ১৯৯১
  2. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২
  3. ২৭ মার্চ ১৯৯৬
  4. ২৮ এপ্রিল ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
২৭ মার্চ ১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ মার্চ ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- একটি সরকারের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় থেকে নতুন একটি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনায় নিয়োজিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।

⇒ ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- ২২ জানুয়ারি, ২০০৭ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ধার্য্য হলে দেশব্যাপী রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংঘাত ব্যাপক আকার ধারণ করে।
- ১ জানুয়ারি ২০০৭ রাষ্ট্রপতি জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেন।
- ড. ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে পুনরায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়।
- এ সরকার ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের রোডম্যাপ ঘোষণা করে।
- ৩ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত ড. ফখরুদ্দীন আহমেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব পালন করে।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৪৫.
আইএসপিআর (ISPR) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  4. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

ISPR:
- ISPR-এর পূর্ণরপ: Inter-Services Public Relations বা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান। 

⇒ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে ১৯৭২ সালে সশস্ত্র বাহিনী এবং অন্যান্য আন্তঃবাহিনী সংস্থার প্রচার ও জনসংযোগ কাজ পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতির আদেশবলে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- আইএসপিআর অফিস ভবন: পুরাতন লগ এরিয়া সদর দপ্তর ভবন, ঢাকা সেনানিবাস।
- এর প্রধান কাজ:  সশস্ত্র বাহিনী এবং অন্যান্য সংস্থার কার্যক্রম বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম যেমন সংবাদপত্র, বেতার এবং টেলিভিশনে সঠিকভাবে উপস্থাপন এবং প্রচারণার উদ্দেশ্যে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা এবং বাস্তবায়ন  নিশ্চিত করা।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,৩৪৬.
PGR এর পূর্ণরূপ কী?
  1. President Group Regiment
  2. President Guard Resident
  3. President Guard Regiment
  4. Persistent Guard Regiment
সঠিক উত্তর:
President Guard Regiment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
President Guard Regiment
ব্যাখ্যা
পি জি আর: 
- পূর্ণরূপ: President Guard Regiment.
- প্রতিষ্ঠা: ৫ জুলাই, ১৯৭৫।
- সদর দপ্তর: ঢাকা সেনানিবাস।
- প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট দেশ এবং বিদেশ হতে আগত রাষ্ট্রে প্রধান ও সরকার প্রধান এবং রাষ্ট্র ঘোষিত যেকোন অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের দৈহিক নিরাপত্তা প্রদানের কাজ করে থাকে।

উৎস: রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
১,৩৪৭.
বাংলাদেশের সর্বশেষ পৌরসভা কোনটি?
  1. ক) শায়েস্তাগঞ্জ,হবিগঞ্জ
  2. খ) মাধবদী, নরসিংদী
  3. গ) ঈদ্গাঁও, কক্সবাজার
  4. ঘ) শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
ঘ) শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট পৌরসভা ৩৩০টি।
- সর্বশেষ পৌরসভা - শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।

তথ্যসূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
১,৩৪৮.
রাষ্ট্রের উপাদান নয় কোনটি?
  1. জাতীয়তাবাদ
  2. জনসমষ্টি
  3. সার্বভৌমত্ব
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
• জাতীয়তাবাদ রাষ্ট্রের উপাদান নয়।

রাষ্ট্রের উপাদান:
- রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়।
যথা:
• জনসমষ্টি।
• নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট ভূখন্ড।
• সরকার।
• সার্বভৌমত্ব।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও
সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৪৯.
বাংলাদেশের ১৩তম প্রস্তাবিত সিটি কর্পোরেশন কোনটি? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ফেনী
  2. বগুড়া
  3. যশোর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন:
- বাংলাদেশের প্রধান শহর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন।
- বাংলাদেশের মোট ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- এগুলো হলো: ঢাকায় দুটি (ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ), চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, গাজীপুর এবং ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।
- বাংলাদেশে ১৩তম সিটি করপোরেশন হতে যাচ্ছে বগুড়া। [জুলাই, ২০২৫]
- ১০ এপ্রিল, ২০২৫ বগুড়া পৌরসভা এলাকার ২১ টি ওয়ার্ডের মৌজাসমূহকে নিয়ে বগুড়া সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বগুড়া জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ১৮৭৬ সালে বগুড়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮১ সালে এই পৌরসভা প্রথম শ্রেণির মর্যাদা পায়।
- ২০০০ সালে এর আয়তন ছিল ১৪ দশমিক ৭৬ বর্গ কিলোমিটার।
- ২০০৪ সালে বর্ধিত করে ৬৯ দশমিক ৫৬ বর্গকিলোমিটার করা হয়।
- ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌরসভায় জনসংখ্যা প্রায় ১০ লাখ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১,৩৫০.
'ইউনিয়ন পরিষদ' সম্পর্কে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় ১১ জন সদস্য নিয়ে
  2. ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর
  3. একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত
  4. ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য সরাসরি ভোটে নির্বাচিত
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় ১১ জন সদস্য নিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় ১১ জন সদস্য নিয়ে
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:

- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল-
• জেলা পরিষদ।
• উপজেলা পরিষদ।
• ইউনিয়ন পরিষদ।

ইউনিয়ন পরিষদ:
- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে নিচের ইউনিট ইউনিয়ন পরিষদ।
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে এক জন করে ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন সাধারণ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।
- একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ৯ জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও তিন জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) রয়েছে।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৫১.
দুর্নীতি দমন কমিশনের সদস্যগণ কার সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশনের সদস্যগণ রাষ্ট্রপতির সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ৯ মে দুদক আইন কার্যকরের মাধ্যমে পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- কার্যালয়: সেগুনবাগিচা, ঢাকা।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৬(১) ধারার বিধানমতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ হলেন -
(১) জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন;
(২) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী; এবং
(৩) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ।

উল্লেখ্য,
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৫(১) ধারার বিধানমতে জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনকে কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করা হয়।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার যথাক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৩৫২.
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক কে?
  1. সৈয়দ আলী আহসান
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. সৈয়দ হাফিজুর রহমান
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
জাতীয় সঙ্গীত:
- ১৯৭৮ সালে ‘জাতীয় সঙ্গীত বিধিমালা’ অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের একটি ইংরেজী অনুবাদ প্রণয়ন করা হয়।  
- ইংরেজি অনুবাদটি করেছিলেন সৈয়দ আলী আহসান
- জাতীয় সঙ্গীতের মোট চরণ সংখ্যা পঁচিশটি (২৫)।
- এর মধ্যে গানের প্রথম ১০ ছত্র কণ্ঠসঙ্গীত এবং
- প্রথম ৪ ছত্র যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৫৩.
দেশের ১২তম সিটি কর্পোরেশন কোনটি?
  1. ক) ঢাকা উত্তর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) ঢাকা দক্ষিণ
  4. ঘ) গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- দেশের সর্বশেষ ১২তম সিটি কর্পোরেশন হলো ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।
- ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহ কে দেশের ১২তম সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশিত হয়।
- ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন আয়তন ৯১.৩১৫ বর্গ কি.মি।
- ওয়ার্ড সংখ্যা ৩৩টি।
- ২০১৯ সালের ৫ মে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট এবং দৈনিক যুগান্তর।
১,৩৫৪.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের 'যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়'-এর দায়িত্বে রয়েছেন -
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. আসিফ নজরুল
  3. আসিফ মাহমুদ
  4. মোঃ নাহিদ ইসলাম
সঠিক উত্তর:
আসিফ মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসিফ মাহমুদ
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- এই সরকারে প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট উপদেষ্টা ১৭ জন।

উল্লেখ্য,
⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ১. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ; ২. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়; ৩. সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ; ৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়; ৫. সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; ৬. খাদ্য মন্ত্রণালয়; ৭. গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; ৮. ভূমি মন্ত্রণালয়; ৯. বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; ১০. কৃষি মন্ত্রণালয়; ১১. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; ১২. রেলপথ মন্ত্রণালয়; ১৩. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; ১৪. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; ১৫. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়; ১৬. পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়; ১৭. মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; ১৮. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়; ১৯. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; ২০. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ২১. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; ২২. শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; ২৩. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়; ২৪. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; ২৫. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ:
- ১. অর্থ মন্ত্রণালয়; ২. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

⇒ ড. আসিফ নজরুল:
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব আদিলুর রহমান খান:
- শিল্প মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব হাসান আরিফ:
- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব মোঃ তৌহিদ হোসেন:
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

⇒ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান:
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। 

⇒ মিজ শারমীন এস মুরশিদ:
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

⇒ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন:
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

⇒ ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন:
- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ ফরিদা আখতার:
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

⇒ নূর জাহান বেগম:
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম:
- ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া:
- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

⇒ সুপ্রদীপ চাকমা:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ ডা. বিধান রঞ্জন রায়:
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১,৩৫৫.
দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল আইনে বিচার হয় কোন অপরাধের?
  1. ক) ধর্ষণ
  2. খ) মাদকদ্রব্য
  3. গ) বিস্ফোরক দ্রব্য
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন, ২০০২ এর ষষ্ঠ ধারায় বলা হয়েছে-
সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, জনস্বার্থে, হত্যা, ধর্ষণ, আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য এবং মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের বিচারাধীন কোন মামলা উহার যে কোন পর্যায়ে ক্ষেত্রমত, দায়রা আদালত বা বিশেষ আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত হইতে বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করিতে পারিবে৷
সূত্রঃ bdlaws.minlaw.gov.bd
১,৩৫৬.
হাইকোর্ট প্রকৃতির কোন উপাদানকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করে?
  1. ক) আগুন
  2. খ) মাটি
  3. গ) নদ-নদী
  4. ঘ) বায়ু
সঠিক উত্তর:
গ) নদ-নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নদ-নদী
ব্যাখ্যা
- হাইকোর্ট তুরাগসহ নদ-নদী উপাদানকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে ঘোষণা করে।
• জীবন্ত-সত্তা:

- নদ-নদীগুলো এখন থেকে মানুষ বা প্রাণী যেমন কিছু আইনি অধিকার পায় তেমনি অধিকার পাবে। এই অধিকার পাওয়ার নিশ্চয়তাকে জীবন্ত-সত্তা বলে।
- বাংলাদেশের তুরাগ নদীকে আদালত কর্তৃক জীবন্ত-সত্তা (Legal Person) ঘোষণা করা হয়েছে।
- বিশ্বব্যাপী জীবন্ত-সত্তার ধারণার সূচনা হয়েছে কলম্বিয়া থেকে ২০১৭ সালে।
- দেশটির সাংবিধানিক আদালত 'রিয়ো এট্রাটো' নামক একটি নদীকে এ অধিকার দেয়।

উৎস:বিবিসি বাংলা নিউজ।
১,৩৫৭.
বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণ মেয়াদকালীন জাতীয় সংসদ কোনটি?
  1. ক) ১ম সংসদ
  2. খ) ৩য় সংসদ
  3. গ) ৬ষ্ঠ সংসদ
  4. ঘ) ৭ম সংসদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ম সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ম সংসদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণ মেয়াদকালীন জাতীয় সংসদ ৭ম জাতীয় সংসদ। 

- বাংলাদেশের সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ হলো ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ মার্চ থেকে ৩০শে মার্চ পর্যন্ত এই সংসদের মেয়াদ ছিলো মাত্র ১২ দিন ।
- সপ্তম সংসদ হলো দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ।
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- চতুর্থ সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত কোন আসন ছিলো না।

সূত্র : দৈনিক প্রথম আলো। 
১,৩৫৮.
সুপ্রীম কোর্ট কয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্ট:
- সুপ্রীম কোর্ট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রীম কোর্ট দুটি বিভাগ নিয়ে গঠিত। যেমন:
(ক) আপীল বিভাগ ও
(খ) হাইকোর্ট বিভাগ।
- প্রধান বিচারপতি এবং উভয় বিভাগের আসন গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যক বিচারক সমন্বয়ে সুপ্রীম কোর্ট গঠিত।
- প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ আপীল বিভাগে আসন গ্রহণ করেন।
- অন্যান্য বিচারকগণ হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করেন।
- তাঁরা বিচারকার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে তত্ত্বগতভাবে স্বাধীন। রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিযুক্ত করেন।
- রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারকদেরও নিয়োগ করেন।
- রাজধানীতে সুপ্রীম কোর্টের স্থায়ী আসন থাকবে।
-তবে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে প্রধান বিচারপতি যে কোনো স্থানে সুপ্রীমকোর্টের অধিবেশন অনুষ্ঠান করতে পারবেন।
- প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকদের নিয়ে আপিল বিভাগ গঠিত হবে এবং অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ এবং স্থায়ী বেঞ্চ গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ কোন কারণে শূন্য হলে আপীল বিভাগের প্রবীনতম বিচারক অস্থায়ী ভাবে প্রধান বিচারপতির কার্যভার গ্রহণ করবেন।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৫৯.
বাংলাদেশের প্রথম সরকার ব্যবস্থা ছিল -
  1. একনায়কতন্ত্র
  2. নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র
  3. সংসদীয়
  4. রাষ্ট্রপতি শাসিত
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারই বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- এটি রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ছিল।
- কিন্তু পরবর্তীতে সংসদীয় সরকার প্রবর্তন করা হয়।
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রের শাসন বিভাগ, বিচার ও আইন বিভাগ নামে তিনটি বিভাগ রয়েছে।
- সরকার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য জাতীয় সংসদের নিকট দায়বদ্ধ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৬০.
'কাস্টিং ভোট' প্রদান করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. চিফ হুইপ
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা

⇒ জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো স্পিকারের ভোট।

কাস্টিং ভোট:
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,৩৬১.
'কাস্টিং ভোট' প্রদান করেন কে?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. চিফ হুইপ
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা

⇒ জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো স্পিকারের ভোট।

কাস্টিং ভোট:
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,৩৬২.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা কয়টি?
  1. ২৫টি
  2. ২৬টি
  3. ২৭টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা
সিভিল সার্ভিস ক্যাডার:
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি।

তথ্যসূত্র - কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৩৬৩.
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় কে আলংকারিক বা আনুষ্ঠানিক প্রধান?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি একজন নিয়মতান্ত্রিক প্রধান (Constitutional Head)। সংবিধান অনুযায়ী দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রচলিত থাকায় রাষ্ট্রপতি নাম-সর্বস্ব রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি মূলত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তবে সংবিধান অনুযায়ী তিনি দেশের সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী। এর ফলে তিনি দেশের সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন।

অর্থাৎ, সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি -
- আলংকারিক বা আনুষ্ঠানিক প্রধান
- নামসর্বস্ব রাষ্ট্রপ্রধান
- সাংবিধানিক প্রধান
- নিয়মতান্ত্রিক প্রধান

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৩৬৪.
জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন-
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) চিফ হুইপ
  4. ঘ) স্পিকার
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:

- চিফ হুইপ সংসদ সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বিধানের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় স্পিকার যথাক্রমে জাতীয় সংসদের নেতা ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৩৬৫.
সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয় -
  1. ১৩ ডিসেম্বর
  2. ১৪ ডিসেম্বর
  3. ১৬ ডিসেম্বর
  4. ১৮ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৮ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

⇒ ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়।
- ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায় প্রতি বছর ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,৩৬৬.
বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি কোনটি?
  1. রাষ্ট্রপতিশাসিত
  2. এককেন্দ্রিক
  3. যুক্তরাষ্ট্রীয়
  4. বহুকেন্দ্রিক
সঠিক উত্তর:
এককেন্দ্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এককেন্দ্রিক
ব্যাখ্যা

• সরকার কাঠামো:
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক সরকার কাঠামোভিত্তিক রাষ্ট্র।
- কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার ধরণ - সংসদীয় গণতন্ত্র।
- রাজধানী ঢাকা থেকে সারাদেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে বিভিন্ন প্রশাসনিক এককে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।
- তবে সকল প্রশাসনিক কর্মকান্ড পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সচিবালয়।
- কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের সকল প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্রপতির নামে রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের কার্যকরি প্রধান হিসেবে সকল কার্য পরিচালনা করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৬৭.
'যৌতুক নিরোধ আইন-২০১৮' অনুসারে কোনটি যৌতুক হিসেবে গণ্য হবে?
  1. দেনমোহর
  2. নিজের ইচ্ছায় উপহার প্রদান
  3. বিয়ের পরে দাবি করা অর্থসামগ্রী বা অন্য কোনো সম্পদ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিয়ের পরে দাবি করা অর্থসামগ্রী বা অন্য কোনো সম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিয়ের পরে দাবি করা অর্থসামগ্রী বা অন্য কোনো সম্পদ
ব্যাখ্যা
• যৌতুক নিরোধ আইন-২০১৮:
- যৌতুক বন্ধে বাংলাদেশে ‘যৌতুক নিরোধ আইন-২০১৮’ রয়েছে।
- সেখানে যৌতুকের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যৌতুক হচ্ছে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের পূর্বশর্ত হিসেবে এক পক্ষ কর্তৃক অন্য পক্ষের কাছে দাবি করা অর্থসামগ্রী বা অন্য কোনো সম্পদ।
- এ দাবি বিয়ের আগে, পরে বা বিয়ের সময় যখনই হোক না কেন, তা যৌতুক হিসেবে গণ্য হবে।
- তবে মুসলমানদের ক্ষেত্রে দেনমোহর যৌতুক বলে গণ্য হবে না।
- আবার বিয়ের আসরে অতিথিরা নিজের ইচ্ছায় উপহার প্রদান করলেও তা যৌতুক নয়।

• যৌতুকের সাজা:
- যেহেতু যৌতুক দেওয়া-নেওয়া ও দাবি করা গুরুতর অপরাধ, সেহেতু আইনে এ অপরাধের জন্য সাজা বা দণ্ডের উল্লেখ আছে।
- ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ও ৪ ধারা পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে যৌতুক দাবি, প্রদান ও গ্রহণ করার দণ্ড হচ্ছে অনধিক পাঁচ (৫) বছর; কিন্তু অন্যূন এক (১) বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।
- যে ব্যক্তি যৌতুক দেওয়া বা গ্রহণ করার ব্যাপারে সহায়তা করবেন, তিনিও একই দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

উৎস: যৌতুক নিরোধ আইন-২০১৮ ও  প্রথম আলো।
১,৩৬৮.
বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর কোথায় চালু করা হবে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. সিলেট
  2. রাজশাহী
  3. চট্টগ্রাম
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর:
স্বাধীনতার পাঁচ দশক পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে একটি কনস্যুলার দপ্তর পরিচালনা করতে যাচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- জুলাই মাসে সরকারের উচ্চপর্যায়ে চট্টগ্রামে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার দপ্তর চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- প্রস্তাবিত আঞ্চলিক দপ্তরটিতে বিদেশে কর্মরত ও বিদেশগামী নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সব কনস্যুলার সেবা দেওয়া হবে।
- পাশাপাশি দপ্তরটি আঞ্চলিক পর্যায়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফর, প্রতিনিধিদলের সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এই মুহূর্তে ভারত ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নাগরিকদের কনস্যুলার সেবা দিতে আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে।
- এসব অফিস কনস্যুলার সেবা দেওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড সমন্বয়ের কাজও করে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

১,৩৬৯.
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে কে?
  1. সুপ্রীম কোর্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. হাইকোর্ট
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
• জাতীয় আইনসভার ক্ষমতা ও কার্যবলী :
- বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।
- সংবিধান লঙ্ঘন, গুরুতর অপরাধ, দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন বা অপসারণ করতে পারে।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, ন্যায়পাল ইত্যাদি পদের নির্বাচনি ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৩৭০.
Which is the lowest level of local government in Bangladesh?
  1. ক) Union Parishad
  2. খ) Upazila
  3. গ) District
  4. ঘ) Division
সঠিক উত্তর:
ক) Union Parishad
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Union Parishad
ব্যাখ্যা
স্থানীয় প্রশাসন:

- স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর - ইউনিয়ন পরিষদ।
- বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর হলো উপজেলা প্রশাসন।
- বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসন একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা যা সরকারের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো ৩টি স্তরে বিভক্ত।
• বিভাগীয় প্রশাসন।
• জেলা প্রশাসন।
• উপজেলা প্রশাসন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৭১.
জেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১৫ জন
  2. ১৬ জন
  3. ২০ জন
  4. ২১ জন
সঠিক উত্তর:
২১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জন
ব্যাখ্যা
- জেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা মোট ২১ জন।

জেলা পরিষদ:

জেলা পরিষদ আইন,২০০০ এ পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে ০১ (এক) জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের ০৫ (পাঁচ) জন মহিলা সদস্য সমন্বয়ে পরিষদ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

- ২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী জেলা পরিষদ গঠিত 
- ১জন চেয়ারম্যান, ১৫জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ৫ জন মহিলা সদস্য 
- এরা সবাই পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হবেন একটি নির্দিষ্ট জেলার অধীনে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, কমিশনারবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের ভোটে।
- এই পরিষদের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

উৎস: সরকারি পোর্টাল ও জেলা পরিষদের ওয়েবসাইটসমূহ।
১,৩৭২.
পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়ে থাকেন কে?
  1. ক) ইউপি সংরক্ষিত মহিলা সদস্যবৃন্দ
  2. খ) জাতীয় সংসদের সদস্যবৃন্দ
  3. গ) উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
  4. ঘ) জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
নির্বাচন:

- নির্বাচন দুই ভাবে হয়ে থাকে।
• প্রত্যক্ষ ব্যবস্থা।
•পরোক্ষ ব্যবস্থা।
- প্রত্যক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থায় জনগণ বা ভোটাররা তাদের ভোটের মাধ্যমে সরাসরি প্রতিনিধি নির্বাচিত করে। বাংলাদেশে এরূপ নির্বাচনের মধ্যে রয়েছে: জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা নির্বাচন প্রভৃতি
- পরোক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থায় জনগণ বা ভোটাররা তাদের ভোটাধিকারের মাধ্যমে প্রথমে নির্বাচকমণ্ডলী তৈরি করে এবং নির্বাচকমণ্ডলীরা পরবর্তীতে তাদের ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করে। বাংলাদেশে এরূপ নির্বাচন হলো - জেলা পরিষদ নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন প্রভৃতি।
- পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়ে থাকেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।
- জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট জেলার সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাদের ভোটাধিকারের মাধ্যমে জেলা পরিষদের সদস্যদের নির্বাচন করে থাকে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৭৩.
সরকারের নির্বাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন পদ কোনটি? 
  1. উপমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পীকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা

• সরকারের নির্বাহী বিভাগের অন্তর্গত নয়- স্পীকার।

• স্পীকার:
- স্পীকার আইন সভা তথা জাতীয় সংসদের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন।

• বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:
যথা:
- নির্বাহীবিভাগ
- আইনবিভাগ ও
- বিচারবিভাগ।

• নির্বাহী বিভাগ:
- রাষ্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দান্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে নির্বাহী বা শাসনবিভাগ বলে।
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে।
- এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

• বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচর ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই ।

১,৩৭৪.
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর পূর্বনাম কী ছিল?
  1. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  2. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  3. সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:

⇒ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি মন্ত্রণালয়।
সংস্থাপন মন্ত্রণালয় হলো 'জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়' এর পূর্ব নাম।
⇒ ১৯৮২ সালে Martial Law Committee on Reorganizational Set-up সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর/পরিদপ্তরসহ সকল স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
⇒ সময়ের আবর্তনে কার্যসম্পৃক্ত নামকরণের চাহিদা অনুভূত হওয়ায় ২৮/০৪/১১ সালে তারিখে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (Ministry of Public Administration) করা হয়।

সাংগঠনিক কাঠামো:
- এ মন্ত্রণালয়ে ৯টি অনুবিভাগ, ২৬টি অধিশাখা ও ৭৩টি শাখা/ইউনিট/কোষ রয়েছে।
- তাছাড়া বাংলাদেশ সচিবালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এবং লোক-প্রশাসন কম্পিউটার কেন্দ্র এ মন্ত্রণালয়ের অধীন।

উৎস: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৩৭৫.
বাংলাদেশের নাগরিকতা নির্ণয়ের প্রধান উপায় কোনটি?
  1. অনুমোদনসূত্রে
  2. জন্মসূত্রে
  3. উভয়টি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জন্মসূত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মসূত্রে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের নাগরিকতা প্রধানত জন্মসূত্রে নির্ণয় করা হয়। 
- বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। 
- নাগরিকত্ব  সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর  সংবিধান বলবৎ হওয়ার পূর্বে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব (অস্থায়ী বিধান) আদেশ ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের ১৪৯ নং আদেশ) জারি করেন এবং এই আদেশ দ্বারা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে দেশের নাগরিকত্ব নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

- আদেশটির দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বলা হয় যে, এমন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক বলে গণ্য হবেন:
(১) যিনি বা যার পিতা বা পিতামহ বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এমন এলাকায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং যিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ এ এলাকার কোনো স্থানের স্থায়ী বাশিন্দা ছিলেন এবং এখনও বাশিন্দা আছেন;
অথবা (২) যিনি বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্ভুক্ত এলাকায় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ স্থায়ী বাশিন্দা ছিলেন, এখনও আছেন এবং দেশে বলবৎ কোনো আইনের দ্বারা নাগরিক হওয়ার অযোগ্য ঘোষিত হন নি।

সূত্র- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৩৭৬.
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কত সালে বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

ভারত-বাংলাদেশ বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি:
- ২০১৩ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• ২৮ জানুয়ারি, ২০১৩ তারিখে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- তৎকালীন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার শিন্ডে এবং বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন যা পরে ২০১৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।
- উদ্দেশ্য: দুই দেশের মধ্যে অপরাধী, সন্ত্রাসী ও পলাতক আসামিদের হস্তান্তর করা।

উৎস: i) BBC.
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১,৩৭৭.
আইন ও সালিশ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৮৬ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি মানবাধিকার এবং আইন সহায়তাকারী বেসরকারি সংস্থা। এটি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
১,৩৭৮.
ইউনিয়ন পরিষদ কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত?  
  1. ৯ জন 
  2. ১২ জন 
  3. ১৩ জন 
  4. ১৫ জন 
সঠিক উত্তর:
১৩ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ জন 
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এ স্তরগুলো হল-
• জেলা পরিষদ।
• উপজেলা পরিষদ।
• ইউনিয়ন পরিষদ।

• ইউনিয়ন পরিষদ:
- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে নিচের স্তর ইউনিয়ন পরিষদ।
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- ইউনিয়ন পরিষদ ১ জন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্যসহ মোট ১৩ জন নিয়ে গঠিত হবে যাদের ৯ জন সাধারণ আসনের সদস্য ও ৩ জন সংরক্ষিত আসনের সদস্য হবেন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে ১ জন করে ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন সাধারণ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৩৭৯.
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
  2. খ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  3. গ) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) ধর্ম মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
খ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
 - বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। 
- এটি সংবিধানের বিধান অনুসারে, ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই জন্য ৮ এপ্রিলকে - বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন দিবস হিসাবে পালন করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের বর্তমানে ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান, সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৩৮০.
পিএসসির চেয়ারম্যান ও নির্বাচন কমিশনারবৃন্দের শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. ডেপুটি স্পিকার 
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি 
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

সূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৩৮১.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো কত স্তর বিশিষ্ট?
  1. ২ স্তর
  2. ৩ স্তর
  3. ৪ স্তর
  4. ৫ স্তর
সঠিক উত্তর:
২ স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ স্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো মূলত দুই স্তর বিশিষ্ট।
- এগুলো হলো- কেন্দ্রীয় প্রশাসন এবং মাঠ প্রশাসন।
- একইভাবে সরকার কাঠামোও কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয়- এ দু'টি স্তরে বিন্যস্ত।
- কেন্দ্রীয় সরকার মূলত নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করে থাকে।
- অপরদিকে স্থানীয় সরকার বা মাঠ প্রশাসন মূলত সমন্বিতভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি, আদর্শ, সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে।
- স্থানীয় উন্নয় কর্মকাণ্ড পরিচালনায়ও এদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- আইনের শাসন, সুষম উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার নিশ্চয়তা বিধানের জন্য কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সাথে পারস্পরিক সমন্বয় এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ অপরিহার্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিঙ্ক]
১,৩৮২.
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট কতটি মন্ত্রণালয় রয়েছে?
  1. ক) ৪১ টি
  2. খ) ৪২ টি
  3. গ) ৪৩ টি
  4. ঘ) ৪৪ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৩ টি
ব্যাখ্যা

বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা – ৪৩টি (রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়, সশস্ত্র বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাদে ৩৯টি।)।
- ৪৩টি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ৩৯টি মন্ত্রণালয়ের নামের শেষে ‘মন্ত্রণালয়’ শব্দটি রয়েছে।
উৎসঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,৩৮৩.
'সরকারি চাকরি আইন' কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮:
- 'সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮' প্রণীত হয় ২০১৮ সালে। 

⇒ ভারতে ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের আওতায় সরকারি চাকুরিসমূহের একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। এই ব্যবস্থা ১৯৪৭-এর পর ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশেরই সরকার কাঠামোতে অব্যাহত ছিল এবং তা ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বজায় ছিল। 
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৬ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রকে চাকুরি সৃষ্টি, চাকুরিসমূহ যুক্তকরণ অথবা সরকারি কর্মকর্তাদের সেবা একীভূতকরণের মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের চাকুরিসমূহ পুনর্গঠন করার জন্য আইন প্রনয়ণের অধিকার দিয়েছে। 
- চাকুরিসমূহ পুনর্গগঠিত করার জন্য ১৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সরকার ‘চাকুরিসমূহ (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) অধ্যাদেশ, ১৯৭৩’ নামে একটি অধ্যাদেশ জারি করে। পরে এ আইনটি ‘চাকুরিসমূহ (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) আইন, ১৯৭৫’ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। 
- পরবর্তীতে ২০১৮ সালে 'সরকারি চাকরি আইন- ২০১৮’ প্রণয়ন করা হয়।
- ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর সরকারি চাকরি আইনের গেজেট জারি হয়।
- সরকারি চাকুরি আইন, ২০১৮ (৫৭ নং আইন) এর ধারা ১ এর উপ-ধারা (৫) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এই আইন প্রণয়ন করেন।
- আইনটি এস.আর.ও নং ৩০৫ সংশ্লিষ্টট আইন যা ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ দ্বারা জারি করা হয়।
- প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের জন্য আইন প্রণয়নে বাধ্যবাধকতা থাকলেও ইতোপূর্বে কোনো সরকারই এ আইন প্রণয়ন করেনি। 

উল্লেখ্য,
- সরকারি চাকরি আইনে ৬২টি ধারা সংবলিত ১৩টি অধ্যায় আছে।
- এ আইনে সরকারি কর্মচারীদের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে।
- আইনে সরাসরি জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার বিধান রাখা হয়েছে।
- মেধা, দক্ষতা, জ্যেষ্ঠতা, প্রশিক্ষণ ও সন্তোষজনক চাকরি বিবেচনাক্রমে পদোন্নতি প্রদানের বিধানও রাখা হয়েছে।

উৎস: i) সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৩৮৪.
প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল -
  1. ক) আগরতলায়
  2. খ) নয়াদিল্লিতে
  3. গ) মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলায়
  4. ঘ) ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতায়
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড

মুজিবনগর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার তথা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। 
- এই সরকারকে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার নামেও অভিহিত করা হয়। 
- এই সরকার ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে। 
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যার নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকারও পরিচিতি লাভ করে মুজিবনগর সরকার নামে।
- এ সরকার গঠনের মাত্র ২ ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বিমান বাহিনী মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তর করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৮৫.
‘Bangladesh Code’ বলতে কী বোঝায়?
  1. বাংলাদেশে প্রচলিত সব আইন সম্বলিত বই
  2. বাংলাদেশের মোবাইল ফোনের কোড
  3. বাংলাদেশের সরকারী ভবনের কোড
  4. বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কোড
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে প্রচলিত সব আইন সম্বলিত বই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে প্রচলিত সব আইন সম্বলিত বই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কোড:
- বাংলাদেশ লজ (রিভিশন অ্যান্ড ডিক্লারেশন) অ্যাক্ট-১৯৭৩ অনুযায়ী দেশে প্রচলিত সব আইন একত্র করে বই আকারে প্রকাশের বাধ্য বাধকতা রয়েছে।
- এই বইটি ‘বাংলাদেশ কোড’।
- আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের উদ্যোগে মোট ৪৭ খণ্ডে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কোডের মোড়ক উন্মোচন করেন।
-  লাল-সবুজের প্রচ্ছদে ‘বাংলাদেশ কোড’।

অন্যদিকে,
- ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রচলিত সব আইন নিয়ে সর্বশেষ ২০১৬ সালে ৪২ খণ্ডে বাংলাদেশ কোড প্রকাশ করা হয়েছিল।
-  বাংলাদেশ কোডে ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রণয়ন হওয়া ১ হাজার ১৭৭টি আইন যুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
১,৩৮৬.
স্বাধীন বাংলাদেশে কতটি রাজনৈতিক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
ব্যাখ্যা
সরকার গঠন:
• স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত তিনটি রাজনৈতিক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। 
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।
- জাতীয় পার্টি।

উৎস: বিবিসি বাংলা নিউজ।
১,৩৮৭.
বেসরকারি বিল উত্থাপনকারী কে?
  1. সংসদ সদস্য
  2. স্পিকার
  3. সংসদ উপনেতা
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
সংসদ সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ সদস্য
ব্যাখ্যা
বিল:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- বিল দুই প্রকার।

যথা
- সরকারি বিল ও
- বেসরকারি বিল।

বেসরকারি বিল
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

সরকারি বিল
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১,৩৮৮.
আইন প্রণয়নের সর্বোচ্চ সংস্থার নাম কি?
  1. রাজনৈতিক দল
  2. আইন বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. সুপ্রীম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা
• আইনসভার গঠন:
→ আইন প্রণয়নের সর্বোচ্চ সংস্থা হচ্ছে আইনসভা বা আইন বিভাগ।
→ আইন সভা কর্তৃক প্রণীত আইন দ্বারা দেশ শাসিত হয়।
→ সরকারের যে তিনটি বিভাগ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম বিভাগ হচ্ছে আইন বিভাগ বা আইনসভা।
→ সাংগঠনিক দিক থেকে আইনসভাকে দু’টি ভাগে ভাগ করা যায়।

যথা: 
- এক কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা ও
- দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা। 

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৮৯.
ইউনিয়ন পরিষদ মোট কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ১০ জন
  2. ১১ জন
  3. ১২ জন
  4. ১৩ জন
সঠিক উত্তর:
১৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ জন
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়। 
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৯০.
নিম্নোক্ত কোনটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির দায়িত্ব পালন করে?
  1. ECNEC
  2. PSC
  3. NICAR
  4. NIPORT
সঠিক উত্তর:
NICAR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NICAR
ব্যাখ্যা
NICAR:
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform.
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো নিকার।
- ১৯৮২ সালের প্রশাসনিক পুনর্গঠন/সংস্কার কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গঠিত একটি স্থায়ী কমিটি।
- ১৯৮২ সালের আগস্ট মাসে তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রিয়ার এডমিরাল এম.এ খানকে সভাপতি করে এ কমিটি গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৯১.
সংবিধান অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাপ্রধান
  4. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
- সংবিধানের ১৪২ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা তার অংশবিশেষে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে;
- বা অর্থনৈতিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হবার বা সংকটের সম্মুখিন হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- জরুরি অবস্থা ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর প্রয়োজন।
- জরুরি অবস্থার মৌলিক অধিকারের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৯২.
'আইন ও সালিশ কেন্দ্র' কী ধরনের সংস্থা?
  1. ক) সাংস্কৃতিক
  2. খ) মানবাধিকার
  3. গ) খেলাধুলা 
  4. ঘ) অর্থনৈতিক
সঠিক উত্তর:
খ) মানবাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মানবাধিকার
ব্যাখ্যা
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসাক) বাংলাদেশের একটি মানবাধিকার এবং আইন সহায়তাকারী বেসরকারি সংগঠন। 
- এটি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল ৯ জন। 
- আসকের মূল লক্ষ্য সমানাধিকার, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার এবং লিঙ্গভিত্তিক সমতার ভিত্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।

উৎসঃ আসকের ওয়েবসাইট।
১,৩৯৩.
জাতীয় সংসদের ১নং আসনটি কোন জেলায়?
  1. বান্দরবান
  2. পঞ্চগড়
  3. ঢাকা
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের আসন বিন্যাস: 
- বাংলাদেশকে ৩০০টি একক নির্বাচনী অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।
- জাতীয় সংসদের প্রথম আসনটি পঞ্চগড় জেলায়।
- ৩০০তম আসনটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি (২০টি) সংসদীয় আসন রয়েছে।
- ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জাতীয় সংসদের ১৫টি আসন রয়েছে,
- যার মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ৮টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ৭টি।
- সবচেয়ে কম সংসদীয় আসন রয়েছে রাঙ্গামাটি (১টি), খাগড়াছড়ি (১টি) এবং বান্দরবান (১টি) জেলায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১,৩৯৪.
কার নিকট মন্ত্রিসভা যৌথভাবে দায়ী থাকে?
  1. ক) মন্ত্রণালয়ের কাছে
  2. খ) রাষ্ট্রপতির কাছে
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর কাছে
  4. ঘ) জাতীয় সংসদের
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদের
ব্যাখ্যা

- মন্ত্রিসভা যৌথভাবে দায়ী থাকবেন জাতীয় সংসদের নিকট।
- মন্ত্রিসভার অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নির্বাচন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং অনুচ্ছেদের মতে মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১,৩৯৫.
পদাধিকারবলে এশিয়াটিক সোসাইটির প্রধান -
  1. ক) জাতীয় সংসদ
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) পরিকল্পনামন্ত্রী
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হয়।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- রাষ্ট্রপতির অনুমতি ছাড়া দেশের কোনো নাগরিক অন্য কোনো দেশের দেওয়া কোন সন্মান বা পদবি গ্রহণ করতে পারবে না।
- তবে বাংলাদেশের সংবিধান দ্বারা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা অনেক সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়াও,
- পদাধিকারবলে রাষ্ট্রপতি যেসব সংস্থার প্রধান:
- এশিয়াটিক সোসাইটি,
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক,
- পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর,
- বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও
- বাংলাদেশ স্কাউট ইত্যাদি।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণি ।
১,৩৯৬.
বাংলাদেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব কে?
  1. নীলুফার আহমেদ
  2. রোকেয়া কবির
  3. রেহানা পারভীন
  4. নাজমা আক্তার
সঠিক উত্তর:
রেহানা পারভীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেহানা পারভীন
ব্যাখ্যা

- দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হলেন রেহানা পারভীন।
- স্বাধীনতার পর এই প্রথম শিক্ষা মন্ত্রণালয় / মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে কোনো নারী সচিবের দায়িত্ব পাওয়া যায়।
- এ তথ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
- রেহানা পারভীন বিসিএস ১৩তম ব্যাচের কর্মকর্তা।
- ১৯৭২–২০১৬ পর্যন্ত একীভূত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন ৩২ জন সচিব।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন ৬ জন সচিব।
- সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৩৮ জন শিক্ষা সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৩৯৭.
সংসদে বাজেট পাশ করা হয় কখন?
  1. ক) জুন মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার
  2. খ) জুন মাসের শেষ রবিবারে
  3. গ) জুন মাসের শেষ মঙ্গলবারে
  4. ঘ) জুন মাসের শেষ সোমবার
সঠিক উত্তর:
খ) জুন মাসের শেষ রবিবারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জুন মাসের শেষ রবিবারে
ব্যাখ্যা

- জুন মাসের শেষ রবিবারে সংসদে বাজেট পাশ করা হয়
- মন্ত্রীসভার নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় সোমবার।
- পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক ( ECNEC , NEC ) অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবারে।
- ক্রয়সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বুধবারে।
- জুন মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার সংসদে বাজেট পেশ করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং দৈনিক প্রথম আলো।

১,৩৯৮.
রাষ্ট্রপতি অনধিক কত দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন?
  1. ৬০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির জরুরি ক্ষমতা:
'সংবিধানের ১৪১ এর ক (১) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরি অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বাংলাদেশ বা যে কোনো অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি [অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য]জরুরি অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।'
--------------------------------------------------------
• রাষ্ট্রপতির কার্যাবলি -
-  সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন নেতাকে প্রবানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন।
-  রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন।
- তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারকবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।
-  রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান করেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৩৯৯.
বিভাগীয় প্রশাসনের মূল নিয়ন্ত্রক কে?
  1. কমিশনার
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার
  4. বিভাগীয় চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশনার
ব্যাখ্যা
বিভাগীয় কমিশনার:
- বিভাগীয় কমিশনার বিভাগীয় প্রশাসনের মূল নিয়ন্ত্রক।
- কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কার্যাবলী বিভাগীয় পর্যায়ের বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিভাগীয় কমিশনার তত্ত্বাবধান করেন।

সাধারণ দায়িত্ব:
১। প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি:
২। বদলি, পদায়ন সংক্রান্ত:
৩। পরিদর্শন সংক্রান্ত:
৪। মাসিক সভা সংক্রান্ত:
৫। প্রটোকল সংক্রান্ত:
৬। আপিল আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত:
৭। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত:
৮। প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত:
৯। ক্রীড়া সংক্রান্ত:
১০। অভিযোগ তদন্ত বিষয়ক:
১১। ত্রাণ ও দুর্যোগ সংক্রান্ত:
১২। শিক্ষা সংক্রান্ত:
১৩। গোপনীয় অনুবেদন সংক্রান্ত:
১৪। বিভাগীয় নির্বাচনী বোর্ড সংক্রান্ত:

উল্লেখ্য:
- ডেপুটি কমিশনার জেলা প্রশাসনের প্রধান।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) উপজেলা প্রশাসনের প্রধান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪০০.
কাস্টিং ভোট কখন প্রয়োগ করা হয়?
  1. যখন সংসদে কোনো বিল পাশ হয়
  2. যখন সংসদে কোনো বিল প্রত্যাখ্যাত হয়
  3. যখন সংসদে পক্ষে-বিপক্ষে সমান ভোট পড়ে
  4. যখন স্পিকার সংসদে উপস্থিত থাকেন না
সঠিক উত্তর:
যখন সংসদে পক্ষে-বিপক্ষে সমান ভোট পড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সংসদে পক্ষে-বিপক্ষে সমান ভোট পড়ে
ব্যাখ্যা

কাস্টিং ভোট:
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।