বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,৮৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা ১৩ / ১৯ · ১,২০১১,৩০০ / ১,৮৩৫

১,২০১.
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে কোনটি সঠিক? 
  1. শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার জন্য ব্যবহৃত হয়
  2. সংসদ আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় না
  3. সুপ্রিমকোর্ট সরাসরি গঠন করে
  4. সংসদ আইন দ্বারা বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
সংসদ আইন দ্বারা বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ আইন দ্বারা বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে
ব্যাখ্যা

বিশেষ ট্রাইব্যুনাল: 
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ আইন দ্বারা এক বা একাধিক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে। 
- প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের অন্তর্ভুক্ত কোনো বিষয়ে অন্য কোনো আদালতে বিচারকার্য অনুষ্ঠিত হয় না।

উল্লেখ্য, 
- অধস্তন আদালত সুপ্রিমকোর্টের অধীনে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় বিচারবিভাগের অধস্তন আদালত আছে। 
- অধস্তন আদালতগুলো ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা পরিচালনা করে।
- জেলা ও দায়রা জজ আদালত স্থানীয় পর্যায়ে দেওয়ানি (জমিজমাসংক্রান্ত, ঋণচুক্তি ইত্যাদি) ও ফৌজদারি (সংঘাত, সংঘর্ষ সংক্রান্ত) বিচারকার্য পরিচালনা করার জন্য সুপ্রিমকোর্টের অধীনে জেলা ও দায়রা জজ রয়েছে।
- এ আদালতের প্রধান হলেন জেলা জজ। অতিরিক্ত জেলা জজ, যুগ্ম জজ ও সহকারী জজ আলাদা আলাদাভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করেন।
- এ সকল আদালতের রায় নিয়ে জেলা জজের কাছে আপিল করা হয়। তবে আপিল ছাড়াও জেলা জজ মৌলিক মামলা পরিচালনা করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২০২.
কে বাংলাদেশের আদালত কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড মার্জনার ক্ষমতা রাখেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রপতি দণ্ড মার্জনার ক্ষমতা রাখেন।

৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকবে।

এছাড়াও, 
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা:
কেউ রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না, যদি:
- তাঁর বয়স ৩৫ বছরের কম হয়,
- তিনি সংসদ-সদস্য হওয়ার যোগ্য না হন, অথবা
- তাঁকে কোনো সময় সংবিধান অনুযায়ী অভিশংসন (অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে অপসারণ) করা হয়ে থাকে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১,২০৩.
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ কত সালে জারি হয়?
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮১ সালে
  3. গ) ১৯৮৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স:
- পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ।
- ১৯৮৫ সালে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

- ইসলামী আইন, হিন্দু আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন, অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ প্রভৃতি সমন্বয়ে পারিবারিক আদালতের বিচার্য বিষয়ের আইন সংকলিত হয়েছে। 
- এ আইন রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও পার্বত্য এলাকার জেলাসমূহ ছাড়া সারা দেশে প্রযোজ্য। 
- এ আইন বলে দেশের সকল মুন্সেফ আদালত পারিবারিক আদালত হিসেবে গণ্য হবে এবং মুন্সেফগণ এ আদালতের বিচারক হবেন।
- পারিবারিক আদালত মূলত পাঁচটি বিষয়ে বিচারকার্য নিষ্পন্ন করে থাকে। এগুলি হচ্ছে বিবাহ বিচ্ছেদ, দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার, মোহরানা, ভরণপোষণ ও অভিভাবকত্ব।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,২০৪.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ২৮ জানুয়ারি, ২০২৪
  2. ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪
  3. ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪
  4. ৩১ জানুয়ারি, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৩০ জানুয়ারি, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জানুয়ারি, ২০২৪
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন:
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য সেদিন শপথ নেন ১০ জানুয়ারি।
- নতুন এমপিদের শপথ বাক্য পাঠ করান বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী।
- শপথ নেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অধিবেশন বসার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- সেই অনুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে আগামী ৩০ জানুয়ারি।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধান অনুযায়ী অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

উৎস: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।  
১,২০৫.
বাংলাদেশ শাসনব্যবস্থার 'স্নায়ুকেন্দ্র' হিসাবে বিবেচিত কোনটি?
  1. সংসদ ভবন 
  2. সচিবালয় 
  3. বঙ্গভবন 
  4. গণভবন
সঠিক উত্তর:
সচিবালয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয় 
ব্যাখ্যা

• কেন্দ্রীয় প্রশাসন:
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ।
- সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়।
- সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাতথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তাহিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।

অন্যদিকে, 
• সংসদ ভবন - এটি জাতীয় সংসদের (পার্লামেন্ট) প্রধান ভবন। এখানে আইন প্রণয়ন, সংসদ অধিবেশন, ও বিতর্ক হয়।
• বঙ্গভবন - এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। এখানে রাষ্ট্রপ্রধানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম, বিদেশি অতিথি আপ্যায়ন, ক্ষমা প্রদান ইত্যাদি হয়ে থাকে।
• গণভবন - এটি ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন ছিল। বর্তনামে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,২০৬.
নিচের কোন জেলায় জাতীয় সংসদের কেবল একটি আসন রয়েছে?
  1. ক) বরগুনা
  2. খ) মুন্সিগঞ্জ
  3. গ) মেহেরপুর
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি। এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।

বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

জাতীয় সংসদের ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১ এবং ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
১,২০৭.
Who appoints the Chief Justice in Bangladesh?
  1. ক) Prime Minister
  2. খ) Parliament
  3. গ) President
  4. ঘ) None
সঠিক উত্তর:
গ) President
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) President
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শপূর্বক অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।
- বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,২০৮.
এ পর্যন্ত বাংলাদেশে কতটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ১১টি
  4. ঘ) ১২টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১টি
ব্যাখ্যা
সংসদ নির্বাচন:

- সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলো একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
- যা ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে।
- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ২২ জন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সব নির্বাচনের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
১,২০৯.
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তি সিআরপিসি’র কোন ধারায় রেকর্ড করা হয়?
  1. ১৬৪ ধারা
  2. ৬৪ ধারা
  3. ১৫৪ ধারা
  4. ৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৪ ধারা
ব্যাখ্যা
- ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তি সিআরপিসি’র  ১৬৪ ধারা জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

এছাড়াও বিভিন্ন ধারা:
- ৫৪ ধারা বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করার ক্ষমতা।
- ১৪৪ ধারা মানুষের চলাচল, আচরণ অর্থাৎ মৌলিক কর্মকাণ্ডের উপর নিষেধাজ্ঞা।
- ১৫৪ ধারা ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা।
- ১৭৩ ধারা এই ধারায় চার্জশিট দাখিল করা হয়।
- ৪২০ ধারা বাংলাদেশ পেনাল কোডের একটি ধারা যেখানে প্রতারণার জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,২১০.
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের অন্তর্ভুক্ত নয় কোন জেলা?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বান্দরবান
  3. কক্সবাজার
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- কক্সবাজার পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের গঠন:

- বাংলাদেশে মোট ৬৪টি জেলার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩টি জেলার (বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি) উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের দেখভাল ও সমন্বয় সাধন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৯৮ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইনানুসারে, ১৯৯৯ সালের ২৭শে মে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার পুরো এলাকার স্থানীয় শাসনের কাজকর্ম তদারকি করার জন্য এই বিশেষ ধরনের আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্য, ৬ জন অ- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্য, ২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী সদস্য, ১ জন অ- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী সদস্য এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের ৩ চেয়ারম্যানসহ সর্বমোট ২৫ জন সদস্য সমন্বয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হবে।
- চেয়ারম্যান হবেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে।
- তিন পার্বত্য জেলার চেয়ারম্যানগণ পদাধিকার বলে এর সদস্য হবেন এবং তাদের ভোটাধিকার থাকবে।
- আঞ্চলিক পরিষদে সরকারের যুগাসচিব পদমর্যাদার একজন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা থাকবেন।
- আঞ্চলিক পরিষদের মেয়াদ হবে ৫ বছর।

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ওয়েবসাইট।
১,২১১.
নিম্নের কোনটি পরোক্ষ কর নয়?
  1. মূল্য সংযোজন কর
  2. আবগারি শুল্ক
  3. আয়কর
  4. সম্পূরক শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আয়কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়কর
ব্যাখ্যা

পরোক্ষ কর:
- যেসব করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না তাদের পরোক্ষ কর বলা হয়।
পরোক্ষ করের মধ্যে রয়েছে:
- সম্পূরক শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক),
- আমদানি শুল্ক,
- আবগারি শুল্ক প্রভৃতি।

প্রত্যক্ষ কর:
- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।

প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- দানকর,
- ভূমি উন্নয়ন কর,
- আয়কর,
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

উৎস: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২১২.
অধিদপ্তরের প্রধান হলেন-
  1. কালেক্টর
  2. কমিশনার
  3. মহাপরিচালক
  4. প্রশাসক
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা

• অধিদপ্তর :
- অধিদপ্তর বাংলাদেশ সরকারের কার্যবিধিতে (১৯৯৬) অধিদপ্তরকে এমন দপ্তররূপে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে যা প্রত্যক্ষভাবে কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং যে দপ্তরকে সরকার কর্তৃক অধিদপ্তর ঘোষণা করা হয়েছে। 
- আকার ও গুরুত্ব অনুসারে সাধারণত অধিদপ্তরের প্রধান থাকেন একজন মহাপরিচালক। 
- অধিদপ্তর মূলত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের নির্বাহী শাখা বা দপ্তর হিসেবে কাজ করে।
- মন্ত্রণালয় বা বিভাগের গৃহীত নীতিমালা, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন প্রকল্প অধিদপ্তর কর্তৃক মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,২১৩.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি মূলত -
  1. প্রধান বিচারক
  2. অলঙ্কারিক প্রধান
  3. প্রধান আইন প্রণেতা
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অলঙ্কারিক প্রধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলঙ্কারিক প্রধান
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- বাংলাদেশ সরকারের যাবতীয় কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে।
- রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান নির্বাহী; কিন্তু অলঙ্কারিক প্রধান।
- রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্ব পালনের অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করতে হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের জন্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রবিরুদ্ধ কর্মকান্ডের জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের মুখোমুখি করতে পারে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ (৪) অনুসারে পঁয়ত্রিশ বছর বয়স্ক বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক নির্দিষ্ট আইনের আওতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন।
- তাঁকে অবশ্যই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।
- এছাড়া এই সংবিধানের আওতায় তিনি কখনও এই পদ থেকে অপসারিত হননি এই শর্তটিও পূরণ করতে হবে।
- উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময়ে তিনি কখনই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান রাষ্ট্রপতিকে নানাবিধ ক্ষমতা প্রদান করেছে -
- শাসন সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- সংসদ ও আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- বিচার সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৪.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট কতটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫টি
ব্যাখ্যা

- এ পর্যন্ত মোট ৫টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৮২ সালে। এর অধীনে ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম ৪৫টি থানাকে এবং পরবর্তীতে ৪৬০টি থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এরপর ১৯৯০, ২০০৯, ২০১৪ এবং সর্বশেষ ২০১৯ সালে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১,২১৫.
অ্যাটর্নি জেনারেল পদ হলো -
  1. ক) সাংবিধানিক
  2. খ) ক্যাডারভিত্তিক
  3. গ) আইনপ্রণেতা
  4. ঘ) সংসদীয়
সঠিক উত্তর:
ক) সাংবিধানিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাংবিধানিক
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল পদ হলো - সাংবিধানিক।

• অ্যাটর্নি জেনারেল:

- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। 
- রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। 
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রাথমিক আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সম্মানিত জেষ্ঠ আইনানুজ্ঞদের মধ্য থেকে শাসিত সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ সরকারের আইনি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ:-  
- জাতীয় সংসদ।
- সুপ্রিম কোর্ট। 
- নির্বাচন কমিশন।
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
- অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২১৬.
কে সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সংসদ
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীম কোট।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান হল প্রধান বিচারপতি।
- এ আদালতের দু’টি বিভাগ রয়েছে যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন।
- প্রধান বিচারপতির পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশী কোন নাগরিক ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকলে বা ১০ বছর বিচার বিভাগীয় কোন পদে চাকুরি করলে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৭.
কাকে 'ক্যাবিনেট তোরণের প্রধান স্তম্ভ' বলা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- সংসদীয় গণতন্ত্রে নির্বাহী বিভাগ ও সংসদের মধ্যমনি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি কেবল মন্ত্রীসভার প্রধান নন; তার উপরই নির্ভর করবে সংসদের মেয়াদ।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে কার্যত সংসদ ভেঙে যায়।
- প্রধানমন্ত্রীই অন্যান্য মন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা বিচার করে তিনি মন্ত্রীদের কার্যত পদত্যাগে বাধ্য করেন।
- সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির তথা মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়েছে।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী একাধারে সরকার প্রধান, জাতীয় সংসদের নেতা এবং শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
- তার নেতৃত্বে সরকার পরিচালিত হয়।
- তিনি দেশ পরিচালনায় মন্ত্রীপরিষদকে নেতৃত্ব দেন। 
- এছাড়াও মন্ত্রীসভার অধিবেশন আহ্বান, কার্যসূচী নির্ধারন, অধিবেশন সভা পরিচালনা, মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বন্টন, মন্ত্রীসভার কাজ তত্ত্বাবধান প্রভৃতি দায়িত্ব মূলত প্রধানমন্ত্রীর উপর ন্যস্ত।
- এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে 'ক্যাবিনেট তোরণের স্তম্ভ' (Keystone of the Cabinet arch) বলা হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৮.
স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. তাজউদ্দীন আহমদ
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. সৈয়দ মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন - শেখ মুজিবুর রহমান।
- সংসদ নেতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শাসক দলের নেতা, যিনি জাতীয় সংসদে সরকারের কার্যক্রম নির্ধারন ও পরিচালনার জন্য দায়ী থাকেন।
- সংসদ নেতা সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন।
- বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংসদ নেতার কার্যালয় অবস্থিত।
- বর্তমান সংসদ নেতা হলেন শেখ হাসিনা।

সূত্র:- সংসদ সচিবালয় ও আওয়ামী লীগ ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন।
১,২১৯.
সংসদের এক অধিবেশনের শেষ এবং পরবর্তী অধিবেশনের শুরুর মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতি হবে -
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
সংসদ আহবান:
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সংসদের এক অধিবেশনের শেষ এবং পরবর্তী অধিবেশনের শুরুর মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতি হবে ৬০ দিন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এস এস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
১,২২০.
জাতীয় সংসদের কাজ নয় কোনটি?
  1. আইন প্রণয়ন
  2. মন্ত্রিসভা গঠন
  3. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
  4. সংবিধান সংশোধন
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিসভা গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিসভা গঠন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা।
- এককক্ষ বিশিষ্ট এ আইনসভা।
- সদস্য সংখ্যা ৩৫০ জন।

জাতীয় সংসদের কার্যাবলি:
- আইন প্রণয়ন,
- সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন,
- শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ,
- অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি,
- শাসন সংক্রান্ত কার্যাবলি,
- নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যাবলি,
- প্রতিনিধিত্বশীল কার্যাবলি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২২১.
কত সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন হয়?
  1. ২০১৪
  2. ২০১৮
  3. ২০২২
  4. ২০০৪
সঠিক উত্তর:
২০১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮
ব্যাখ্যা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন:
- ১৯৮৯ সন পর্যন্ত নারকটিকস এন্ড লিকার পরিদপ্তরের মূল লক্ষ্য ছিল দেশে উৎপাদিত মাদকদ্রব্য থেকে রাজস্ব আদায় করা।
- আশির দশকে সারা বিশ্বে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- বাংলাদেশে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকল্পে ১৯৮৯ সনের শেষের দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ, ১৯৮৯ জারী করা হয়। - ২ জানুয়ারী, ১৯৯০ তারিখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,১৯৯০ প্রণয়ন করা হয়G
- এরপর ৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯১ তারিখ এ অধিদপ্তরকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাস্ত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০১৮ সালে মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদার হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রেিতরাধ এবং মাদকাসক্তদের চিকৎসা ও পুনর্বাসনকেল্প বিধান প্রণয়েনর জন্য প্রণীত আইন করা হয়।

উৎস: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন।লিঙ্ক]

১,২২২.
নিম্নে উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারো পরামর্শ গ্রহণে বাধ্য নয়?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. সংসদ ভেঙে দেওয়া
  3. জরুরি অবস্থা ঘোষণা
  4. বর্ণিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

অপশনে সঠিক উত্তর হওয়ার কথা ছিল -  প্রধান বিচারপতি নিয়োগ প্রদান করা। অন্য অপশন বিবেচনায় সঠিক উত্তর হিসেবে 'প্রধান বিচারপতি' উত্তর নেওয়া হয়েছে। 

রাষ্ট্রপতি:

- রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি।
- কিন্তু সাংবিধানিকভাবে তার ক্ষমতা খুবই সীমিত।
- তিনি প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করে থাকেন।
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারি প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের  ৫১ (১) এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং সংবিধান।

১,২২৩.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা কত?
  1. ৫৫০
  2. ৩৫০
  3. ৩০০
  4. ৩৩০
সঠিক উত্তর:
৩৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
১,২২৪.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তর -
  1. সচিবালয়
  2. পরিদপ্তর
  3. অধিদপ্তর
  4. দপ্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তর হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো (সচিবালয়) যা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর/অধিদপ্তর নিয়ে গঠিত।
- সচিবালয় হলো প্রশাসনিক কার্যাবলি এবং সমস্ত সরকারি কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র।
- সংবিধানের ৫৫ (৬) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত Rules of Business এর নিয়ম অনুসারে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের কার্যাদি নির্ধারণ করা হয়।
- এছাড়াও সচিবালয়ের নির্দেশাবলী (Secretariate Instructions) নামে আলাদা একটি ডকুমেন্টও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কার্যাবলি নির্ধারণ করে থাকে।
- সচিবালয় মূলত প্রশাসনিক নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, পরিকল্পনার মূল্যায়ন, সংসদে মন্ত্রীদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা, শীর্ষ স্তরের প্রশাসন পরিচালনা, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য বিষয়াদি সম্পাদন করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২২৫.
বাংলাদেশে নিযুক্ত ১৪টি দাতা দেশের রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার সংগঠনের নাম কী?
  1. ক) ওয়ার্ল্ড গ্রুপ
  2. খ) সেয়ান্তি
  3. গ) টুয়েসডে গ্রুপ
  4. ঘ) গ্রুপ অফ ফোরটিন
সঠিক উত্তর:
গ) টুয়েসডে গ্রুপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টুয়েসডে গ্রুপ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে নিযুক্ত ১৪টি দাতা দেশের রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার সংগঠনের নাম টুয়েসডে গ্রুপ
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাপানের রাষ্ট্রদূতগণের সমন্বয়ে এই সংগঠনটি গঠিত।
- টুয়েসডে গ্রুপের সব সদস্য দেশই বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সাহায্যদানকারী রাষ্ট্র।
- বাংলাদেশের রাজনীতিতে কূটনীতিকদের প্রভাব বিবেচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট।
- ২০০৭ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ মদদে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে অন্যতম অনুঘটক ছিল টুয়েসডে গ্রুপ। 

উৎস:বিডিনিউজ ২৪
১,২২৬.
সংসদীয় ব্যবস্থায় কাকে ‘সরকারের স্তম্ভ' বলা হয়?
  1. মন্ত্রিসভা
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. সচিবালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ‘সরকারের স্তম্ভ' হিসেবে অভিহিত।

- তিনি একাধারে সরকার প্রধান, সংসদ নেতা এবং মন্ত্রিসভার প্রধান। 
- তার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা পরিচালিত হয় এবং সংসদে আইন প্রণীত হয়।
- তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
- জরুরি অবস্থার সময় তিনি মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ছাড়াই এককভাবে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের সাথে সাথে মন্ত্রিসভাও বিলুপ্ত হয়ে যায়।

সূত্র : পৌরনীতি ও নাগরিকতা: নবম-দশম শ্ৰেণি।
১,২২৭.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত কোনটি?
  1. আপিল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
আপিল বিভাগ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- এটি হল প্রথম স্তরের আপীল আদালত, যা হাইকোর্ট বিভাগের চূড়ান্ত বিচারিক রায় পর্যালোচনা করার কর্তৃত্ব রাখে।

⇒ ক্ষমতা ও কার্যাবলী:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানির ও তাহা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে।

⇒ এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে তিনজন বিচারপতি নিয়ে আপিল বিভাগে বিচারকাজ শুরু হয়।
- ২০০৯ সালে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ১১ জনে উন্নীত করে সরকার।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারকের সংখ্যা ৭ জন।
- মোট বিচারক: প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ, বিচারপতি মোঃ আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

উৎস: i) সুপ্রীম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২২৮.
বাংলাদেশে ‘গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন কে?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
  3. আবদুস সাত্তার
  4. তাজউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা

- গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন জিয়াউর রহমান। 

• গ্রাম সরকার ব্যবস্থা: 
-  জিয়াউর রহমান গঠন করেন গ্রাম সরকার।
 - তার মধ্যে এই বোধ ও প্রতীতি বিশেষভাবে জাগ্রত হয় যে, গ্রামকে ভিত্তি করেই নিশ্চিত করতে হবে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। একটি সাংগঠনিক কাঠামোর আওতায় গ্রামগুলোকে আনতে হবে। 
১৯৮০ সালের ১৯ মে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব এক স্মারকে স্বনির্ভর গ্রাম সরকার’ গঠনের বিস্তারিত নির্দেশাবলী জারি করেন। 
- ব্রিটিশ চৌকিদার মডেলে গ্রাম পুলিশ গঠন করা হয়।   
- এজন্য তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন এবং তাদের নেতৃত্ব, সততা ও কর্মস্পৃহায় অনুপ্রাণিত হয়ে সিদ্ধান্ত নেন ‘স্বনির্ভর গ্রাম সরকার’ গঠনের।
- এই গ্রাম সরকার গঠনের মাধ্যমে জনগণ নিজেরাই তাদের সমস্যা নির্ধারণ, পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেত। এতে ১৪ জন সদস্য থাকতেন, এর মধ্যে ৬ জন নারী সদস্য থাকতেন।  
- ১৯৮২ সালে জেনারেল এরশাদ থানাগুলোকে উপজেলায় উন্নীত করে গঠন করেন উপজেলা পরিষদ।  

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।

১,২২৯.
জাতীয় সংসদ উদ্ভোধনের পর সংসদ অধিবেশন কোথায় বসত?
  1. কার্জন হল
  2. জগন্নাথ হল
  3. শহিদুল্লাহ হল
  4. কলাভবন
সঠিক উত্তর:
জগন্নাথ হল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জগন্নাথ হল
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ হলো বাংলাদেশের আইন প্রণয়নের প্রধান বিভাগ।
- সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি, যার মধ্যে ৫০টি নারী আসন রয়েছে।
- ১৭তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে এই নারী আসন পরবর্তী ২৫ বছর পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখার বিধান প্রণীত হয়েছে।
- জাতীয় সংসদের স্থপতি লুইস আই কান।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল। এটি ছিল দেশের প্রথম সংসদের সূচনা।
- জাতীয় সংসদ প্রথমবার ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।
- পরবর্তীতে শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবন উদ্বোধনের পরে সেখানে প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২ সালে।
- উদ্বোধনের পর ২য় অধিবেশন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে সংসদ অধিবেশন বসত।
 
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১,২৩০.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির উদ্দেশ্যের অন্তর্ভুক্ত নয় কোন বিষয়টি?
  1. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি
  2. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় শক্তি বৃদ্ধি
  3. অর্থনৈতিক অগ্রগতি
  4. অন্য রাষ্ট্রের স্বার্থ সংরক্ষণ 
সঠিক উত্তর:
অন্য রাষ্ট্রের স্বার্থ সংরক্ষণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য রাষ্ট্রের স্বার্থ সংরক্ষণ 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির উদ্দেশ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়: অন্য রাষ্ট্রের স্বার্থ সংরক্ষণ 

• বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:

- যে কোন দেশ বহির্বিশ্বের কাছ থেকে তার উদ্দেশ্যাবলি অর্জনের জন্য তার পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়ন করে থাকে।
- বাংলাদেশও এই প্রচলিত রাষ্ট্রীয় নিয়মের বাইরে নয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলিকে আমরা বর্ণনা করতে পারি:
১. আত্বরক্ষা,
২. অর্থনৈতিক অগ্রগতি,
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনবোধে বৃদ্ধি করা,
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা, ও
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

তথ্যসূত্র: সিভিক এডুকেশন-২, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৩১.
"বাংলাদেশের শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত" হয় কোনটি দ্বারা?
  1. বিচার বিভাগ
  2. পুলিশ বিভাগ
  3. জাতীয় সংসদ
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত হয় জাতীয় সংসদ দ্বারা।

⇒ জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- আইন প্রণয়নের ক্ষমতা একমাত্র জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত হওয়ায় বাংলাদেশের সংবিধান কর্তৃক জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলিকে বিস্তৃত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চমভাগে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আছে।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়। 

• শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি:
- তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে। তবে রাষ্ট্রভেদে তা ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করতে দেখা যায়। বাংলাদেশের আইন সভা সার্বভৌম হওয়ার দরুণ আইন বিভাগের এ ধরনের ভূমিকা রাখার কথা থাকলেও, ভারসাম্যপূর্ণ শাসন ও প্রশাসনের তাগিদে শাসন বিভাগ আইন বিভাগের হস্তক্ষেপ মুক্ত থাকে। তবে আইন সভা কর্তৃক প্রণীত সাংবিধানিক আইন নির্বাহী বা শাসন বিভাগ মেনে চলতে বাধ্য থাকে। আইন সভা কর্তৃক প্রণীত আইন অমান্য করার অর্থ হল সংবিধানকে অগ্রাহ্য করা।

উল্লেখ্য,
⇒ সরকারের সর্ববৃহৎ বিভাগ হল শাসন বিভাগ যাকে নির্বাহী বিভাগও বলা হয়। শাসন বিভাগ আইন প্রয়োগ ও আইনের আলোকে রাষ্ট্রের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। জনগণকে সেবা প্রদানের মূল দায়িত্বে থাকে শাসন বিভাগ। শাসন বিভাগের দুটি অংশ থাকে। একটি রাজনৈতিক অংশ ও অন্যটি অরাজনৈতিক অংশ। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ শাসন বিভাগের রাজনৈতিক অংশ। রাজনৈতিক অংশ অস্থায়ী। তাঁরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচিত এবং নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন। আমলাগণ শাসন বিভাগের অরাজনৈতিক অংশ, স্থায়ী ও বেতনভূক্ত। শাসন বিভাগের ক্ষমতা বিভিন্ন ইউনিটে বিভক্ত থাকে। যা কেন্দ্রিয় ও মাঠ প্রশাসন হিসেবে পরিচিত। কেন্দ্রে থাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। মাঠ প্রশাসনে জেলা-উপজেলা প্রশাসন সরকারি দায়িত্ব পালন করে। শাসন বিভাগ আইন প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন, প্রতিরক্ষা, অর্থ সংক্রান্ত কাজ থেকে শুরু কওে সরকারের প্রয়োজনীয় সকল কাজই করে থাকে। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত 'রুলস অব বিজনেস' অনুযায়ী শাসন বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সরকারের সফলতা ও স্থায়িত্ব শাসন বিভাগের দক্ষতার উপর নির্ভর করে।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৩২.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে মোট কতজন নারী উপদেষ্টা রয়েছেন?
  1. ৪ জন
  2. ৬ জন
  3. ৫ জন
  4. ৩ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৪:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- মোট উপদেষ্টা: ২১ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন। 
১.  সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান,
২. মিজ নূরজাহান বেগম,
৩. মিজ ফরিদা আখতার,
৪. মিজ্ শারমীন এস মুরশিদ।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১,২৩৩.
বাংলাদেশে কার উপর আদালতের এখতিয়ার নেই?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান উপদেষ্টা
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

⇒ রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে, রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল ব্যক্তির উপর অগ্রাধিকার দেবেন এবং এই সংবিধান এবং অন্য কোন আইন দ্বারা তার উপর অর্পিত ও আরোপিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং দায়িত্ব পালন করবেন।
- কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদ বেশি রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হবেন না, পদ পরপর থাকুক বা না থাকুক।
- রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য হতে পারবেন না, এবং যদি সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন, তবে তিনি যেদিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে তার পদে প্রবেশ করবেন সেদিন সংসদে তার আসন খালি করবেন।
- কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি তার বয়স পঁয়ত্রিশ বছরের কম হয়, সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন।
- এই সংবিধানের অধীনে অভিশংসন মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয়ে থাকে।

⇒ প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগ অংশে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা আছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ৫১ (১) অনুযায়ী এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালন কতে গিয়ে কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করে থাকলে তাঁকে কোন আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করবে না।
- অনুচ্ছেদ ৫১ (২) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁর বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা যাবে না এবং তাঁর গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হতে পরোয়ানা জারী করা যাবে না।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,২৩৪.
আইন ও সালিশ কেন্দ্র কোন ধরণের সংস্থা হিসেবে পরিচিত?
  1. অর্থনীতি
  2. সংস্কৃতি
  3. রাজনীতি
  4. মানবাধিকার
সঠিক উত্তর:
মানবাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানবাধিকার
ব্যাখ্যা

• আইন ও সালিশ কেন্দ্র:
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি মানবাধিকার এবং আইন সহায়তাকারী বেসরকারি সংস্থা। 
- ১৯৮৬ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৯ জন।
- শুরুতে আসক ঢাকা শহরের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র নারী, কর্মজীবী শিশু এবং শ্রমিকদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করে। 
- এর মূল লক্ষ্য সমানাধিকার, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার এবং লিঙ্গভিত্তিক সমতার ভিত্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।

উৎস: আইন ও সালিশ কেন্দ্র ওয়েবসাইট।

১,২৩৫.
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারের স্তর নয় কোনটি?
  1. বিভাগীয় পরিষদ
  2. জেলা পরিষদ
  3. উপজেলা পরিষদ
  4. ইউনিয়ন পরিষদ
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় পরিষদ
ব্যাখ্যা
- বিভাগীয় পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারের স্তর নয়। 

স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসন:
- স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় জনগণের ভোটে নির্বাচিত স্বশাসনের অধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে থাকে।
- স্থানীয় সরকারের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য থাকার কথা বলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে স্বায়ত্বশাসন।
- সুতরাং স্থানীয় সরকার বলতে মূলত স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকেই বোঝানো হয়।
- বর্তমানে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। 

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
স্থানীয় সরকার বিভাগ

শহুরে স্থানীয় সরকার: সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।
পল্লী স্থানীয় সরকার: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
বিশেষ স্থানীয় সরকার বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ।

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,২৩৬.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মোট কতটি আসন ছিলো?
  1. ক) ১৬৭টি
  2. খ) ১৬৯টি
  3. গ) ৩১০টি
  4. ঘ) ৩১৩টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬৯টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে পুরো পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিলো ৩১৩টি।
- এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ছিলো ১৬৯টি। যার মধ্যে ৭টি ছিলো সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের ৭টি সংরক্ষিত নারী আসনসহ মোট ১৬৭টি আসন পেয়ে জয় লাভ করেছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,২৩৭.
প্রধান বিচারপতি নির্বাচন করা কার দায়িত্ব?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) আইন মন্ত্রী
  4. ঘ) জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সুপ্রিম কোর্ট : 

- হাইকোর্টের ব্রেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- দেশে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: GKPedia, Live MCQ লেকচার।
১,২৩৮.
কেন্দ্রিয় প্রশাসনিক কাঠামোর পদসোপান অনুযায়ী সর্বনিম্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন-
  1. সিনিয়র সহকারী সচিব
  2. উপসচিব
  3. সহকারী সচিব
  4. যুগ্ম সচিব
সঠিক উত্তর:
সহকারী সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী সচিব
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রশাসনের দুটি স্তর রয়েছে।
যেমন:
-কেন্দ্রীয় প্রশাসন
- মাঠ প্রশাসন।

কেন্দ্রিয় প্রশাসনিক কাঠামোর পদসোপান অনুযায়ী সর্বনিম্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন সহকারী সচিব।
---------------------------------------------
- ধাপের ক্রমানুসারে কর্মকর্তাদের পদবি
যথাক্রমে
- সিনিয়র সচিব,
- সচিব,
- অতিরিক্ত সচিব,
- যুগ্ম সচিব,
- উপসচিব,
- সিনিয়র সহকারী সচিব,
- সহকারী সচিব
- এবং সবার উপরে মন্ত্রী অবস্থান করেন।
-  প্রশাসনিক কর্মকান্ড এই কাঠামো স্তরের মধ্য দিয়েই বাস্তবায়িত হয়।
- সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ উপর থেকে নিচের দিকে যায়।
- সচিবের পরামর্শ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কোনো বিভাগীয় প্রধান, সরাসরি মন্ত্রীর কাছে কোনো প্রস্তাব বা সুপারিশ পাঠাতে পারেন না।
- একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব বা অধস্তন কর্মকর্তা থাকতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়-৯ম-১০ম শ্রেণি।
১,২৩৯.
জাতীয় সংসদের কার্যাবলী নয় কোনটি?
  1. আইন প্রণয়ন
  2. সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন
  3. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের কার্যাবলী:
- বাংলাদেশের আইনসভাকে জাতীয় সংসদ বলে আখ্যা দেয়া হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মূলত: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সংসদীয় গণতন্ত্রের মূলনীতি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী হলেন প্রধান নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের কার্যাবলি সংবিধান প্রণীত নীতি অনুযায়ী সংঘটিত হয়। আইন প্রণয়ন হলো জাতীয় সংসদের প্রধান কাজ।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের আইনসভার কার্যাবলিসমূহ সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।

• আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলি: আইন প্রণয়ন করার কাজটি আইন সভার প্রধান কাজ। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইন বিভাগ এই কাজটি করে থাকে। এই বিভাগটি নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরাতন আইন বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

• সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন: বাংলাদেশের আইন সভা সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। দেশের সংবিধান উল্লিখিত দুইটি ক্ষমতাই আইন সভাকে প্রদান করেছে। এক্ষেত্রে আইন সভা সংবিধান সংশোধনকল্পে বিভিন্ন সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ ও প্রয়োজনে গণভোটের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

• বিচার সংক্রান্ত কার্যাবলি: প্রয়োজনের নিরীখে কখনও বাংলাদেশের আইন সভা বিচার সম্পর্কিত কার্যাদিও সম্পাদন করে থাকে। এমনকি রাষ্ট্রপতিও যদি কোন গুরুতর অসদাচরণ করেন তাহলে সংবিধানের ৫২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ তাঁর অভিশংসন অর্থাৎ বিচারিক কাজটি করতে পারবে। নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের বিচার সংক্রান্ত ব্যাপারেও বাংলাদেশের আইনসভা ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

• শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি: তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে। তবে রাষ্ট্রভেদে তা ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করতে দেখা যায়।

• অর্থ-সংক্রান্ত কার্যাবলি: বাংলাদেশের আইন সভা নানাবিধ অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। বিশেষ করে অর্থের অপচয় রোধে আইন সভা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চা করে তা নিয়ন্ত্রণ করে। বাজেট পেশসহ সরকারি আয়-ব্যয়ের পর্যালোচনা, পরবর্তী বছরের ব্যয় বরাদ্দের কাজ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কার্যকর করে তোলে। বাংলাদেশের আইন সভার অনুমতি ছাড়া কর ধার্য বা পুরাতন কর ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস সম্ভব হয় না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪০.
সুপ্রিম কোর্টকে কী বলা হয়?
  1. সংবিধান আদালত
  2. কোর্ট অব রেকর্ড
  3. কোর্ট অব জাস্টিস
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোর্ট অব রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোর্ট অব রেকর্ড
ব্যাখ্যা

⇒ সুপ্রিম কোর্টকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলা হয়।

সুপ্রিম কোর্ট:
- সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রিম কোর্ট বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
- প্রধান বিচারপতি ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত নির্ধারিত সংখ্যক বিচারপতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- এসকল বিচারকবৃন্দ বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৪১.
বাংলাদেশে বিশেষ ক্ষমতা আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৪
  2. ১৯৭৯
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭৭
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
ব্যাখ্যা

বিশেষ ক্ষমতা আইন:
- ১৯৭৪ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কিছু কার্যকলাপ প্রতিহত করা এবং কিছু গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা।
- আইনটি নিরাপত্তা আইন ১৯৫২, জননিরাপত্তা অর্ডিন্যান্স ১৯৫৮ এবং বাংলাদেশ তফসিলী অপরাধ (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশ ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৫০) এর ধারাবাহিকতায় প্রণীত হয়।
- ১৯৯১ সালের সংশোধনীতে আইনটির ১৬, ১৭ ও ১৮ ধারা রদ করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

১,২৪২.
বাংলাদেশে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করা হয় কত সালে?
  1. ২০০৭ সালে 
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে 
ব্যাখ্যা

নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:

- ১৯৯৪ সালে সাবেক জেলা জজ মাসদার  হোসেন পৃথকীকরণের জন্যে হাইকোর্টে রিট করলে আপিল বিভাগ ১৯৯৯ সালে এর চূড়ান্ত রায়ে ১২ দফা নির্দেশনা প্রদান করে।
- এর ভিত্তিতেই ১ নভেম্বর ২০০৭ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হয়।
- এ দিন সংশোধিত ফৌজদারি কার্যবিধি কার্যকরের মাধ্যমে স্বাধীন বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তবে এ প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণতা লাভ করেনি।
- বর্তমানে অধস্তন আদালত সমূহে বিচারক নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি জুডিশিয়াল সার্ভিস কাউন্সিল দেখভাল করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা। 

১,২৪৩.
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনারদের নিয়োগ প্রদান করেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. সেনাপ্রধান
  5. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ প্রদান করেন।

⇒ বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দীন।
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- অন্য চার নির্বাচন কমিশনার হলেন অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, জেলা ও দায়রা জজ (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুর রহমানেল মাসুদ, যুগ্ম সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) বেগম তহমিদা আহমদ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।

১,২৪৪.
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জবাবদিহি করতে হয় -
  1. ক) জাতীয় সংসদের নিকট
  2. খ) বিচার বিভাগের নিকট
  3. গ) নির্বাচন কমিশনের নিকট
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতির নিকট
সঠিক উত্তর:
ক) জাতীয় সংসদের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাতীয় সংসদের নিকট
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা:
- বাংলাদেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকায় আইন সভা বা জাতীয় সংসদের ভূমিকা ও কার্যাবলি বিস্তৃত হয়েছে।
- আর এ কারণে জাতীয় সংসদ রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আইন সভায় মূলত: জাতীয় সংসদের সদস্যরাই উপস্থিত থাকে এবং তাদের নিয়েই সরকার গঠিত হয়।
- শাসন বিভাগের আইন বাস্তবায়নকারী অংশ অর্থাৎ মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসনের কাজ করে থাকে।
- এ কারণে তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হয়ে থাকেন। তবে বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
- অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়। জবাবদিহিতার এই বিষয়টি বিদ্যমান থাকায় সরকারকে সদা জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হয় ।
- শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা হল বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ অন্যান্য কর্মকতারা তাঁদের ওপর অর্পিত কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন করছেন কিনা সে ব্যাপারে সংসদ বা আইন সভায় অবহিত করা।
- মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের ওপর অর্পিত কার্যক্রম যদি জনগণের প্রতিকূলে যায়, সেক্ষেত্রে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ জাতীয় সংসদ করে থাকে।
- এছাড়া শাসন বিভাগকে সদা সতর্ক রাখার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে শাসন বিভাগকে জবাবদিহি করে থাকে ।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪৫.
জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পিকার
  3. চিফ হুইপ
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

সংসদ আহবান:
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সংসদের এক অধিবেশনের শেষ এবং পরবর্তী অধিবেশনের শুরুর মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতি হবে ৬০ দিন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এস এস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান।

১,২৪৬.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নয় -
  1. অর্থনৈতিক অগ্রগতি
  2. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
  3. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ়
  4. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
পররাষ্ট্রনীতি:
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে।
- অন্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাকে তুলে ধরে।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত বহিঃশক্তির প্রভাব থেকে দেশের সাবভৌমত্ব ও ভূখন্ডকে রক্ষা করার মতো বিষয়েই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে।

⇒ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. আত্বরক্ষা,
২. অর্থনৈতিক অগ্রগতি,
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনবোধে বৃদ্ধি করা,
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা, ও
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

অন্যদিকে,
- সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নয়।

উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪৭.
‘বাংলাদেশ কোড’ কী?
  1. বাংলাদেশে প্রচলিত সব আইন সম্বলিত
  2. বাংলাদেশের সব আইন সম্বলিত সরকারি মোবাইল অ্যাপ
  3. একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের তালিকা সম্বলিত বই
  4. বাংলাদেশের একটি নতুন আইন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে প্রচলিত সব আইন সম্বলিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে প্রচলিত সব আইন সম্বলিত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কোড:
• বাংলাদেশ লজ (রিভিশন অ্যান্ড ডিক্লারেশন) অ্যাক্ট-১৯৭৩ অনুযায়ী দেশে প্রচলিত সব আইন একত্র করে বই আকারে প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
• এই বই-ই ‘বাংলাদেশ কোড’।

উল্লেখ্য,
• আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের উদ্যোগে মোট ৪৭ খণ্ডে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
• প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কোডের মোড়ক উন্মোচন করেন।
•  লাল-সবুজের প্রচ্ছদে ‘বাংলাদেশ কোড’।
• ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রচলিত সব আইন নিয়ে সর্বশেষ ২০১৬ সালে ৪২ খণ্ডে বাংলাদেশ কোড প্রকাশ করা হয়েছিল।
• এবার প্রকাশিত বাংলাদেশ কোডে ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রণয়ন হওয়া ১ হাজার ১৭৭টি আইন যুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র -Live MCQ সালতামামি ২০২৩, ২৩ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
১,২৪৮.
’ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড’ কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. শ্রম মন্ত্রণালয়
  2. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
  3. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
  4. পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত দপ্তর/সংস্থা।
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)।
- ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড।
- বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট এন্ড সার্ভিসেস লিঃ (বোয়েসেল)।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

• ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড:
- প্রবাসী কর্মী  এবং তাদের পরিবার পরিজনকে সাহায্য সহযোগিতা কিংবা উদ্ভূত সমস্যার সমাধান কল্পে তথা সার্বিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে সরকার Emigration Ordinance-1982 এর ১৯(১) ধারার ক্ষমতাবলে ১৯৯০ সালে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল” গঠন করে।
- “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আইন,২০১৮” এর মাধ্যমে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড” একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১,২৪৯.
‘সচেতক’ বলা হয় কাকে?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) ডেপুটি স্পিকার
  3. গ) হুইপ
  4. ঘ) সংসদ উপনেতা
সঠিক উত্তর:
গ) হুইপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হুইপ
ব্যাখ্যা

সচেতক (বিশেষ্য):
অর্থ - হুইপ (whip); আইন সভায় দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখার ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি; চেতনাদানকারী।
সংসদের হুইপকে ‘সচেতক’ বলা হয়।

হুইপের দায়িত্ব সমূহ:-
১. নিজ নিজ দলের পক্ষে ভোট দিতে সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করা।
২. দলীয় সদস্যদের প্রয়োজনীয় দলিল, কাগজ ও তথ্য সরবরাহ করা।
৩. সংসদে সংঘটিত ঘটনাবলি সম্পর্কে দলীয় নেতাদের অবহিত করা।
৪. দলনেতার কাজে সহায়তা করা।
৫. সংসদ সদস্যদের আচরণ ও উপস্থিতি নিয়ন্ত্রনে কাজ করে হুইপ।
৬. কোনো বিষয়ে সমস্যা ও বিতর্ক দেখা দিলে চীফ হুইপগণ তা নিরসনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারেন।

এজন্য হুইপকে ‘সচেতক’ বলা হয়।


- জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পীকার সভাপতিত্ব করেন।
- স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব এবং অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।
- জাতীয় সংসদে সংসদ উপনেতা হলো সংসদ নেতার পরের গুরুত্বপূর্ণ পদ।


তথ্যসূত্র- জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও বাংলা একাডেমি অভিধান।

১,২৫০.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রন করে কে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) সুশীল সমাজ
  3. গ) জনগণ
  4. ঘ) সংসদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংসদ
ব্যাখ্যা
আইন বিভাগ বা সংসদের কাছে শাসন বিভাগ যৌথভাবে দায়বদ্ধ এবং জবাবদিহি করতে হয়। আইন বিভাগের কাজ - আইন প্রণয়ন করে; আইন সংশোধন, পরিমার্জন ও পরিবর্ধন করে; সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন করে; সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রন করে; কিছু কিছু নির্বাচনমূলক কাজ করে ইত্যাদি।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (১ম) বোর্ড বই।
১,২৫১.
বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা কে?
  1. মোস্তফা জব্বার
  2. সজীব ওয়াজেদ জয়
  3. মনির হোসেন
  4. এন আই খান
সঠিক উত্তর:
সজীব ওয়াজেদ জয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সজীব ওয়াজেদ জয়
ব্যাখ্যা
তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা:
- জনাব সজীব ওয়াজেদ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
- তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তনয় এবং বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্র্রপতি ও হাজার বছরের শেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ দৌহিত্র।
- তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের “ভিশন ২০২১” ইশতেহার প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- বর্তমানে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।
১,২৫২.
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
সংসদীয় ব্যবস্থা:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট পঞ্চম জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী পাশ হয়।  এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়।
- এতে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- এ লক্ষ্যে ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত গণভোটে জনগণ সংশোধনীর পক্ষে রায় দিলে, ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি সংশোধনী বিলে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,২৫৩.
ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (SFDF) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. কৃষি মন্ত্রণালয়
  2. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ):
- দেশের পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র কৃষক ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন তথা দারিদ্র্য বিমোচনই ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ) এর প্রধান লক্ষ্য।
- ফাউন্ডেশনের কর্ম এলাকা দেশের দারিদ্র্য ম্যাপ অনুযায়ী (বিবিএস) কর্তৃক নির্ধারিত হয়।
- সে মোতাবেক দেশের ৮টি বিভাগের ৩৬টি জেলার 200টি উপজেলার ৭৫৪টি ইউনিয়নে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম বিদ্যমান রয়েছে।
- ফাউন্ডেশনের সুফলভোগীদের শতকরা ৯৪ ভাগই মহিলা।

• এসএফডিএফ গঠনের প্রেক্ষাপট:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) কর্তৃক ১৯৭২ সালে এশিয়া অঞ্চলের ৮টি দেশে ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমিহীনদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তাদের সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও উন্নয়নের জন্য সুপারিশমালা প্রণয়নের উদ্দেশ্যে “Asian Survey on Agrarian Reforms and Rural Development (ASARRD) ” শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়।

• ফাউন্ডেশনে রূপান্তর:
- প্রকল্পটি সমাপ্তির পর  Small Farmers Development Foundation (SFDF) নামে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতায় ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২৮ ধারার বিধানমতে ২৭ জুলাই ২০০৫ সালে সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন একটি ফাউন্ডেশনে রূপান্তরিত হয় এবং ফেব্রুয়ারি ২০০৭ সালে মাঠ কার্যক্রম শুরু হয়।

• ফাউন্ডেশনের উদ্দেশ্য:
১. পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে জামানতবিহীন ঋণ প্রদান;
২. দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি; এবং
৩. বসতভিটা ছাড়া সর্বোচ্চ ০.০৫- ২.৪৯  একর চাষযোগ্য জমির স্বত্বাধিকারী কৃষকদের ঋণ প্রদান।

উৎস: ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ) (link)।

১,২৫৪.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সরকারি ই পি জেড কোনটি?
  1. ক) উত্তরা ইপিজেড
  2. খ) আদমজী ইপিজেড
  3. গ) কুমিল্লা ইপিজেড
  4. ঘ) চট্টগ্রাম ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম ইপিজেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম ইপিজেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এর সরকারি ইপিজেড সংখ্যা ৮ টি।
-চট্টগ্রাম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রথম এবং বৃহত্তম ইপিজেড।
-  ঢাকা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ২য় বৃহত্তম।
- ঈশ্বরদী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৩য় বৃহত্তম৷
- কুমিল্লা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৪র্থ বৃহত্তম।
- মংলা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল। ৫ম বৃহত্তম।
- আদমজী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৬ষ্ঠ বৃহত্তম।
-  উত্তরা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৭ম বৃহত্তম।
- কর্ণফুলী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৮ম বৃহত্তম ৷ 
- নতুন ৩টি অনুমোদন হয়েছে পটুয়াখালি, যশোর, গাইবান্ধা।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
১,২৫৫.
স্থানীয় সরকার কাঠামোর কোন প্রতিষ্ঠানটিতে পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. জেলা পরিষদ
  3. পৌরসভা
  4. সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
জেলা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার শাসন ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ স্তর হলো জেলা পরিষদ।
- জেলা পরিষদের সদস্যবৃন্দ পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়ে থাকে। জেলা পরিষদ আইন-২০০০ অনুযায়ী প্রত্যেক জেলার অন্তর্ভুক্ত সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরবৃন্দ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানগণ, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরগণ এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ সমন্বয়ে গঠিত নির্বাচক মণ্ডলীর ভোটে জেলার পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ নির্বাচিত হয়ে থাকে।
- জেলা পরিষদের প্রধান হলেন চেয়ারম্যান।
- একজন চেয়ারম্যান, পনের জন সাধারণ সদস্য এবং পাঁচজন সংরক্ষিত নারী সদস্যসহ মোট একুশজনের সমন্বয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- জেলা পরিষদের মেয়াদ পাঁচ বছর।
- জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সচিবের দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)।
- ২০১৬ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,২৫৬.
স্বাধীনতা লগ্নে বাংলাদেশে কতটি জেলা ছিল?
  1. ১৮টি
  2. ১৯টি
  3. ২০টি 
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা লগ্নে বাংলাদেশের জেলা:
- স্বাধীনতা লগ্নে বাংলাদেশে ১৯টি জেলা ছিল।

⇒ জেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ইউনিট বা একক। 
- ভারত ভাগ হয়ে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পর পূর্ববঙ্গ তথা পাকিস্তান আমলে আমাদের দেশে জেলা ছিল প্রথমে ১৭টি।
- ১৯৬৮ সালে পটুয়াখালী ও ১৯৬৯ সালে টাঙ্গাইল জেলা গঠনের ফলে জেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯টিতে।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে মোট ১৯টি জেলা নিয়ে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা শুরু হয়।
- পরে ২০তম জেলা হিসাবে তালিকায় যুক্ত হয় জামালপুর (১৯৭৮)। 
- সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে বিভাগ ৮টি, জেলা ৬৪টি, সিটি করপোরেশন (ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ) ১২টি, উপজেলা ৪৯৫টি এবং পৌরসভা ৩৩০টি।

উৎস: i) যুগান্তর। 
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৫৭.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসন লাভ করে?
  1. ক) ১৬৯টি
  2. খ) ২৯৩ টি
  3. গ) ১৬২ টি
  4. ঘ) ১৬৭ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৯৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৯৩ টি
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৭ই মার্চ ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসনে জয় লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং সরকার গঠন করে।
- এই নির্বাচনে এগারোটি আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
- ১৯৭০ সালের ৭ ও ১৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের যথাক্রমে জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- আওয়ামী লীগ প্রত্যক্ষ নির্বাচনে ১৬০টি আসনে বিজয়ী হয় এবং ৭টি সংরক্ষিত আসন সহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করেছিলো।

(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

১,২৫৮.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:
- মূলত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য ১৯৯৪ সালে একটি রিট মামলা করেছিলেন জেলা জজ ও জুডিশিয়াল এসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মাসদার হোসেন।
- সেই মামলাটি 'মাসদার হোসন মামলা' নামে পরিচিত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে যার চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
- রায়ের আট বছর পর ২০০৭ সালে মূল নির্দেশনাটি বাস্তবায়ন করে বিচার বিভাগকে আলাদা করা হয়েছিল।
- নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা ও বাংলাপিডিয়া।
১,২৫৯.
কখন প্রথম বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দেওয়া হয়?
  1. ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭৫ সালে
  2. ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫ সালে
  3. ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে
  4. ১৭ জুলাই, ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাকশাল:
- বাকশাল ব্যবস্থা ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা।
- ১৯৭৪ সালের জুন মাসে জাসদ 'বিপ্লবী গণবাহিনী' নামে একটি সশস্ত্র অঙ্গসংগঠন ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে 'বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা' নামে একটি সেল গঠন করে।
- এসকল কারণে ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদল সমূহের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহ অবস্থান বিঘ্নিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে সরকার দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।
- ১৯৭৫ সালে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা 'বাকশাল' গঠন করা হয়।
- বাকশাল গঠনের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাকশাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
- এর সভাপতি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
- এর আগে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৬০.
গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন কে?
  1. শাহ আব্দুল হামিদ
  2. মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. শামসুল হুদা চৌধুরী
  4. মির্জা গোলাম হাফিজ
সঠিক উত্তর:
শাহ আব্দুল হামিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ আব্দুল হামিদ
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের অধিবেশন: 
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার মাত্র ১১৬ দিন পর গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ অধিবেশনে গণপরিষদের স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হয়।
- শাহ আব্দুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন।
- তাঁর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ উল্লাহ।
- এ অধিবেশনে সংবিধান কমিটি গঠন করা হয়। 
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- এ কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৩৪ জন।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬১.
বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠক বসে -
  1. ক) রবিবার
  2. খ) বুধবার
  3. গ) সোমবার
  4. ঘ) বৃহস্পতিবার
সঠিক উত্তর:
গ) সোমবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোমবার
ব্যাখ্যা
 • মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠক বসে - সোমবার।

- তবে কোনো বিশেষ কারণে এ বৈঠক অন্য দিনও হতে পারে।
এছাড়াও
- সাধারণত নির্বাহী প্রধান যদি রাষ্ট্রপতি হয় তবে তা রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার নির্বাহী প্রধান প্রধানমন্ত্রী হলে তা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার।
- তাই শাসন কাঠামোর দিক থেকে বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ধরণ অনুযায়ী সরকারের কার্যাবলিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যেমন- শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।
- শাসন বিভাগের কেন্দ্রে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ।
- প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান ও মন্ত্রিপরিষদের কেন্দ্রবিন্দু।

উৎস : মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। 
১,২৬২.
আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে-
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. বিচার বিভাগ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- সরকারের তিনটি বিভাগের একটি আইন বিভাগ। 
​- আইনবিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। 
​- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।
- জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০জন সদস্য নিয়ে গঠিত। 
​- এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন। ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে। 
​- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে। 
​- সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

​​​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১,২৬৩.
Which of the following is the last level of the administrative structure of Bangladesh?
  1. ক) District administration
  2. খ) Upazila administration
  3. গ) Divisional Office
  4. ঘ) Union Parishad
সঠিক উত্তর:
খ) Upazila administration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Upazila administration
ব্যাখ্যা
- উপজেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ স্তর
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা প্রশাসনের মধ্যমণি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- ২০০৮ সালের জারিকৃত অধ্যাদেশ অনুযায়ী তিনি উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- জেলা প্রশাসন এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন জেলা প্রশাসক।
- দেশের সব জেলায় একজন করে জেলা প্রশাসক আছেন। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে একজন অভিজ্ঞ সদস্য। তাকে কেন্দ্র করে জেলার সকল সরকারি কাজ পরিচালিত হয়।
- একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ৯ জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও ৩ জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,২৬৪.
মন্ত্রণালয়ের মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক - 
  1. মন্ত্রী
  2. সচিব
  3. অতিরিক্ত সচিব
  4. যুগ্ম-সচিব
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা

মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।

১,২৬৫.
জাতীয় সংসদের ১নং আসনটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. গোপালগঞ্জ 
  3. ঢাকা 
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ৩৫০টি আসন নিয়ে গঠিত।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন ৫০টি।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় সংসদের ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
-  এর মধ্যে পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী উপজেলা নিয়ে পঞ্চগড়-১ আসন।

এছারাও,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়। ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৬৬.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  2. ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৮
  3. ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭
  4. ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
ব্যাখ্যা

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি হলো বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন: বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।

• পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রায় এক-দশমাংশ এলাকা পার্বত্য চট্টগ্রামে দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা সশস্ত্র লড়াইয়ের অবসান হয়।
- চুক্তির মাধ্যমে তিনটি জেলা পরিষদ এবং আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়।

• এই শান্তিচুক্তির আওতায় তিন পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ সমন্বয়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
অস্ত্র সমর্পণের পর শান্তিবাহিনীর প্রায় দুই হাজার সদস্যের প্রত্যেককে সরকার ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিল।
- এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।

- পাহাড়ি জনগণের দাবি মেনে নিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে তাদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালের মার্চ মাসে লারমার নেতৃত্বে
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে।
- পরবর্তী সময়ে এর সঙ্গে যোগ হয় শান্তি বাহিনী নামে একটি সামরিক শাখা।

উৎস: ⅰ) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,২৬৭.
মেধাসম্পদ রক্ষা করার কাজ কার আওতাধীন?
  1. NPO
  2. DPDT
  3. BSTI
  4. BTMC
সঠিক উত্তর:
DPDT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DPDT
ব্যাখ্যা
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT):
- ‘পেটেন্ট অফিস’ এবং ‘ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রি’ অফিস দুটি একীভূত করে ২০০৩ সালে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর হিসাবে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
- এই অধিদপ্তরের মূল কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে মেধা সম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন সত্ত্ব মঞ্জুর করা, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্ক ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করা।

• রূপকল্প (Vision): মেধাসম্পদ সুরক্ষায় বিশ্বমানের সেবা।
• অভিলক্ষ্য(Mission): মেধাসম্পদ সংরক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সৃষ্টিশীলতায় (Innovation) গতি আনয়নসহ কার্যকর ও যুগপোযোগী সেবা নিশ্চিতকরণ।

উৎস: পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,২৬৮.
আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থার মূল চালিকা শক্তি−
  1. ক) রাজতন্ত্র
  2. খ) গণতন্ত্র
  3. গ) সমাজতন্ত্র
  4. ঘ) প্রজাতন্ত্র 
সঠিক উত্তর:
খ) গণতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গণতন্ত্র
ব্যাখ্যা
- আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থার মূল চালিকা শক্তিই হচ্ছে গণতন্ত্র।
- আদর্শ শাসন ব্যবস্থা হিসাবে গণতন্ত্র প্রাচীনকাল থেকেই রাষ্ট্র পরিচালনায় বিভিন্ন ধরনের শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত রয়েছে।
- নানা ধরনের শাসন ব্যবস্থার মধ্যে গণতন্ত্র অন্যতম।
- বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার পতনের পর থেকে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা সারা বিশ্বে অন্যান্য শাসন ব্যবস্থা থেকে বেশি জনপ্রিয়।
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা হচ্ছে জনগণের সম্মতিভিত্তিক জনকল্যাণমুখী একটি শাসন ব্যবস্থা।
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে জনগণের শাসন বলে অভিহিত করা হয়। 
- সরকার পরিচালনার বহু পদ্ধতি রয়েছে। তবে সকল পদ্ধতি অপেক্ষা গণতন্ত্রকে বলা হয় আদর্শ শাসন ব্যবস্থা।
- গণতন্ত্রপন্থীদের মতে গণতন্ত্রে জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন হয়ে থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এস এস, সি, প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬৯.
LGED-এর পূর্ণরূপ - 
  1. Local Growth & Engineering Development
  2. Local Government Economic Division 
  3. Local Government Engineering Department 
  4. Local Governance & Education Directorate
সঠিক উত্তর:
Local Government Engineering Department 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Local Government Engineering Department 
ব্যাখ্যা

• LGED:
- LGED-এর পূর্ণরূপ: Local Government Engineering Department.
- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা।

- স্থানীয় পর্যায়ে গ্রামীণ ও নগর অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি এসব অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে বিভিন্ন বিষয়ে কারিগরি সহায়তা প্রদান এলজিইডির কর্মতালিকার অংশ।
- একইসঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দিয়ে থাকে এলজিইডি।

⇒ এলজিইডি'র মিশন:
- কৃষি ও অকৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনা; কর্মসংস্থান সৃষ্টি; আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন; স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ; দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক পরিবর্তনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করা।

তথ্যসূত্র: LGED ওয়েবসাইট। 

১,২৭০.
'সরকার' রাষ্ট্রের কততম উপাদান?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র:
- আদিম মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক বসবাস করতো। সময়ের বিবর্তনে একসময় রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়।
- রাষ্ট্রের সৃষ্টিকারী মূলত মানুষই।
- রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে রাষ্ট্রের নাগরিক বলা হয়।
- প্রত্যেক নাগরিককে রাষ্ট্রের সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

রাষ্ট্রের উপাদান:
- রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়। যথাঃ
(ক) জনসমষ্টি,
(খ) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
(গ) সরকার,
(ঘ) সার্বভৌমত্ব।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭১.
জাতীয় সংসদে সরকারি দলের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন কে?
  1. সাধারণ সম্পাদক
  2. স্পিকার
  3. চিফ হুইপ
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
চিফ হুইপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিফ হুইপ
ব্যাখ্যা
চিফ হুইপ:
- চিফ হুইপ হলেন সংসদে সরকারি দলের মুখপাত্র।
- চিফ হুইপের সঙ্গে কয়েকজন হুইপ থাকেন।
- তারা সবাই সংসদ সদস্য।
- চিফ হুইপ ও হুইপের প্রধান কাজ সংসদে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা।

⇒ হুইপের দায়িত্বের মধ্যে আরও রয়েছে- নিজ দলের সদস্যদের পার্লামেন্ট বা আইনসভায় নিয়মিত হাজির করার ব্যবস্থা করা।
- সংসদে কোনো বিল উত্থাপিত হলে দলীয় সব সদস্যরা যেন দলের পক্ষে ভোট দেন তা নিশ্চিত করা ইত্যাদি।
- রাষ্ট্রীয় মর্যাদাক্রম অনুযায়ী, চিফ হুইপ পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদা ভোগ করেন।
- আর হুইপ ভোগ করেন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা।

⇒ সরকারি দল ও বিরোধী দল উভয়েই হুইপ নিয়োগ করে।
- তারা মূলত সংসদ অধিবেশন সুশৃঙ্খলভাবে চলতে স্পিকারকে সহযোগিতা করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) যুগান্তর। 
১,২৭২.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে কে নিয়োগ করেন? 
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জনগণের সরাসরি ভোটে
  4. বিচার বিভাগ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ:
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করেন।  
- যেই সংসদ সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হিসেবে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করবেন।
- প্রধানমন্ত্রী হলো সরকারপ্রধান এবং সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- তিনি সংসদের নেতা এবং মন্ত্রিসভার প্রধান, যার মাধ্যমে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হলে বয়স ন্যূনতম ২৫ বছর হতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকার জন্য তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বা নেত্রী হতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে। 
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলস্তম্ভ এবং সংবিধান অনুযায়ী তিনি সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি। 

১,২৭৩.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. ক) চেয়ারম্যান, সরকারি কর্ম কমিশন
  2. খ) প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  3. গ) মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. ঘ) চেয়ারম্যান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) চেয়ারম্যান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চেয়ারম্যান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সরকারি কর্ম কমিশন ইত্যাদি বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। চেয়ারম্যান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এটি সাংবিধানিক পদ নয়। চেয়ারম্যান, সরকারি কর্ম কমিশন; প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি বাংলাদেশের সাংবিধানিক পদ।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১,২৭৪.
একজন জেলা প্রশাসক প্রাশাসনের কোন পদমর্যাদার কর্মকর্তা?
  1. ক) সচিব
  2. খ) সহকারি সচিব
  3. গ) উপসচিব
  4. ঘ) অতিরিক্ত সচিব
সঠিক উত্তর:
গ) উপসচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উপসচিব
ব্যাখ্যা

জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামাের তৃতীয় স্তর।
জেলা প্রশাসক বা ডেপুটি কমিশনার হলেন জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য। তিনি প্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনারের পরই তার স্থান।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি

১,২৭৫.
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০২৪ সালের কত তারিখ দায়িত্ব গ্রহণ করেন?
  1. ৫ আগস্ট
  2. ৬ আগস্ট
  3. ৭ আগস্ট
  4. ৮ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট
ব্যাখ্যা

• অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- মোট উপদেষ্টা: ২১ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন।

উল্লেখ্য,
⇒ প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এছাড়াও,
⇒ অন্যান্য উপদেষ্টাগণ:
১. জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ
২. জনাব ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
৩. ড. আসিফ নজরুল
৪. জনাব হাসান আরিফ
৫. জনাব মোঃ তৌহিদ হোসেন
৬. লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গ আলম চৌধুরী (অব:)
৭. জনাব আদিলুর রহমান খান
৮. জনাব আলী ইমাম মজুমদার
৯. জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
১০. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
১১. জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম
১২. জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া
১৩. জনাব ফারুক ই আজম, বীর প্রতীক
১৪. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন
১৫. মিজ নূরজাহান বেগম
১৬. অধ্যাপক ডাঃ বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার
১৭. মিজ ফরিদা আখতার
১৭. মিজ্ শারমীন এস মুরশিদ
১৯. ড. আফম খালিদ হাসান
২০. জনাব সুপ্রদীপ চাকমা।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১,২৭৬.
বর্তমান মুজিবনগরের পূর্ব নাম কি?
  1. চন্দ্রবাড়ি
  2. ভবেরপাড়া
  3. টুংগীপাড়া
  4. শিমুলিয়া
সঠিক উত্তর:
ভবেরপাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবেরপাড়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার:
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ সরকার 'মুজিবনগর সরকার' নামেই বেশি পরিচিত। 
- অনেকে একে প্রবাসী সরকার বলেন। 
- তবে এ সরকারকে বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার বলাই শ্রেয়। 
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল (১৯৭১) নতুন সরকার শপথ গ্রহণ করে কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায়। 
- নতুন সরকার বৈদ্যনাথতলার নাম পাল্টে রাখেন মুজিবনগর।
- বাংলাদেশ সরকার কখনই মুজিবনগরে অবস্থান করেননি। 
- কিন্তু 'মুজিবনগর' নামটি প্রতিকী তাৎপর্য বহন করতে থাকে। 
- সরকারের প্রকৃত কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় কোলকাতায়।
- এ সরকারের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৭৭.
”কর প্রদান” নাগরিকের কী ধরনের কর্তব্য?
  1. নৈতিক কর্তব্য
  2. ধর্মীয় কর্তব্য
  3. আইনগত কর্তব্য
  4. অর্থনৈতিক কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আইনগত কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত কর্তব্য
ব্যাখ্যা

• অধিকার ভোগ করতে গিয়ে নাগরিকরা যেসব দায়িত্ব পালন করে, তাকে কর্তব্য বলে।
- নাগরিকের কর্তব্যকে দুভাগে ভাগ করা যায়।

• নৈতিক কর্তব্য:
- নৈতিক কর্তব্য মানুষের বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে আসে এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে সৃষ্টি হওয়ায় এগুলোকে নৈতিক কর্তব্য বলে।
-যেমন-
- নিজে শিক্ষিত হওয়া 
- সন্তানদের শিক্ষিত করা,
-সততার সাথে ভোট দান,
- রাষ্ট্রের সেবা করা, 
- বিশ্বমানবতার সাহায্যে এগিয়ে আসা। 

• আইনগত কর্তব্য:
- রাষ্ট্রের আইন দ্বারা আরোপিত কর্তব্যকে আইনগত কর্তব্য বলে।
যেমন-
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য,
- আইন মানা,
- কর প্রদান করা,

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,২৭৮.
কত সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯৯ সালে
  2. খ) ২০০০ সালে
  3. গ) ২০০১ সালে
  4. ঘ) ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
 • মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
- ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- এই মন্ত্রণালয়ের প্রথম মন্ত্রী ছিলেন রেদোয়ান আহমেদ।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- ২০০২ সালে বিআরটিবি ভবন, এলেনবাড়ী, তেজগাঁও-এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হয়।
- পরবর্তীতে কাজের কলেবর ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান ঠিকানা সচিবালয় লিংক রোড, ঢাকার সরকারি পরিবহন পুলভবনের ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায়  ১০-১০- ২০০৬ তারিখ হতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এই মন্ত্রণালয়ের অধীন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,২৭৯.
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. আইনমন্ত্রী
  2. আইন উপদেষ্টা
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। 
- রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। 
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রাথমিক আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সম্মানিত জেষ্ঠ আইনানুজ্ঞদের মধ্য থেকে শাসিত সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ সরকারের আইনি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ:-  
- জাতীয় সংসদ।
- সুপ্রিম কোর্ট। 
- নির্বাচন কমিশন।
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
- অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।। 

১,২৮০.
'মাজদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ' বলতে কী বোঝায়?
  1. যুদ্ধপরাধীর মামলা
  2. নির্বাচন বাতিল সংক্রান্ত মামলা
  3. বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের মামলা
  4. তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলুপ্তি মামলা
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের মামলা
ব্যাখ্যা
মাজদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ:
- 'মাজদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ' হলো বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের মামলা।

⇒ মূলত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য ১৯৯৪ সালে একটি রিট মামলা করেছিলেন জেলা জজ ও জুডিশিয়াল এসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মাসদার হোসেন।
- সেই মামলাটি 'মাসদার হোসন মামলা' নামে পরিচিত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে যার চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
- রায়ের আট বছর পর ২০০৭ সালে মূল নির্দেশনাটি বাস্তবায়ন করে বিচার বিভাগকে আলাদা করা হয়েছিল।

⇒ বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার রিট মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
- ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাজদার হোসেনের মামলায় (বিচার বিভাগ পৃথককরণ) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়।
- ওই রায়ের ভিত্তিতে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।
- এখন বিচার বিভাগ রাষ্ট্রের একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপ্রীম কোর্টের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা হওয়ার মাধ্যমে বিচার বিভাগ রাজনৈতিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রভাব মুক্ত হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে এমন লক্ষ্য ছিল।

উৎস: BBC.
১,২৮১.
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. মন্ত্রীপরিষদ সচিব
  4. রাষ্ট্রপতি 
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি 
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলি :

• অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা:
⇒ সংসদ ভেঙ্গে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে কোনো বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। এ অধ্যাদেশ সংসদ প্রণীত আইনের মতো ক্ষমতাসম্পন্ন।

• প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারসংক্রান্ত কাজ:
রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না। সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

• ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা:
⇒  রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা রয়েছে যে কোনো দন্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করবার। কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত যে কোনো দন্ড তিনি মার্জনা করতে পারেন।

• অর্থসংক্রান্ত ক্ষমতা ও কাজ: 
⇒ সরকারি ব্যয়সংক্রান্ত কোনো বিল সংসদে উথাপন করতে হলে তাতে রাষ্ট্রপতির সুপারিশ সাগে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি সংযুক্ত তহবিল থেকে ব্যয় নির্বাহের ব্যবস্থা করতে পারেন।

• প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত ক্ষমতা: 
⇒ বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কত্ব রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত। তিনি বহিআক্রমণ মোকাবিলার জন্য যে কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশে ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,২৮২.
কারা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করেন?
  1. সরকারি দল
  2. সামরিক বাহিনী
  3. বিরোধী দল
  4. সুশীল সমাজ
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা
বিরোধী দল ও ছায়া মন্ত্রিসভা
- প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যাবস্থায় বিরোধী দলকে বিকল্প সরকার বলা হয়।
- বিরোধী দল ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- ক্ষমতাসীন সরকার এর স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতি রোধে বিরোধী দল ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে।
- বর্তমানে গণতান্ত্রিক শাসনের অপর নাম দলীয় শাসন।
- গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রক্ষায় শক্তিশালী বিরোধী দল অপরিহার্য।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ বর্তমান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি।
- ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ এ বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২২৩ টি আসনে জয়ী হয়ে টানা চতুর্থবারের মত সরকার গঠন করে। 
- জাতীয় পার্টি পায় ১১টি আসন।

তথ্যসূত্র - ১.পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস.এস.সি প্রোগ্রাম, বাউবি।
২. বাসস।
১,২৮৩.
বাংলাদেশে “বিশেষ ক্ষমতা আইন” কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে 
  3. ১৯৭৩ সালে 
  4. ১৯৭৯ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে 
ব্যাখ্যা

• বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪: 
- ১৯৭৪ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কিছু কার্যকলাপ প্রতিহত করা এবং কিছু গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা। 
- আইনটি নিরাপত্তা আইন ১৯৫২, জননিরাপত্তা অর্ডিন্যান্স ১৯৫৮ এবং বাংলাদেশ তফসিলী অপরাধ (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশ ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৫০) এর ধারাবাহিকতায় প্রণীত হয়।
- ১৯৯১ সালের সংশোধনীতে আইনটির ১৬, ১৭ ও ১৮ ধারা রদ করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

১,২৮৪.
বাংলাদেশের উপজেলার সংখ্যা কত?
  1. ৪৯১
  2. ৪৯৩
  3. ৪৯৫
  4. ৪৯৭
সঠিক উত্তর:
৪৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৫
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার বিভাগ:
- বাংলাদেশে বর্তমানে পৌরসভা রয়েছে ৩৩০টি।
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- বিভাগ রয়েছে ৮টি।
- উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৮৫.
বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী?
  1. বাংলাদেশ পার্লামেন্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. বাংলাদেশ সংসদ
  4. জাতীয় সংসদ ভবন
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের আইনসভা:
- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন
- এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
 - সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর।
- এর পূর্বেও রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- সংসদের একটি অধিবেশন সম্পন্ন হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী সাধারণত সংসদের নেতা।
- আসনসংখ্যার দিক দিয়ে নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দলের প্রধান সংসদে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- সংসদের অনুমতি ছাড়া একনাগাড়ে ৯০ বৈঠক দিবস সংসদ অধিবেশনে অনুপস্থিত থাকলে সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
১,২৮৬.
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রশাসনিক প্রধান কে?
  1. মন্ত্রীপরিষদ সচিব
  2. মুখ্য সচিব
  3. একান্ত সচিব
  4. প্রশাসক
সঠিক উত্তর:
মুখ্য সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুখ্য সচিব
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রশাসন:
- বাংলাদেশ স্থানীয় শাসন অর্ডিন্যান্স জারি হয় ১৯৭৬ সালে। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রশাসনিক স্তরগুলো হলো:
• কেন্দ্রীয় প্রশাসন
• স্থানীয় প্রশাসন (বিভাগ, জেলা ও উপজেলা)
• বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ।

কেন্দ্রীয় প্রশাসন:
- বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র সচিবালয় বা সেক্রেটারিয়েট।
- সরকারি সকল কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত সচিবালয়ে গৃহীত হয়।
- সচিবালয় হলো বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার অধিনস্ত বিভাগসমূহের অফিসগুলোর সমষ্টি।
- সকল বিভাগ, দপ্তর এবং সংস্থাসমূহ প্রত্যক্ষভাবে সচিবালয়ের নিকট দায়ী।
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি মন্ত্রণালয় এবং ২টি বিভাগ (মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ মোট ৪১টি বিভাগ) রয়েছে। ও

→ মন্ত্রণালয়ের প্রধান- মন্ত্রী।
→ মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা- সচিব/জ্যেষ্ঠ সচিব।
→ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রধান- মুখ্য সচিব।
→ অধিদপ্তরের প্রধান- মহাপরিচালক।

উৎস: মন্ত্রীপরিষদের ওয়েবসাইট।

১,২৮৭.
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের স্তর নয় কোনটি?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. জেলা পরিষদ
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- সবগুলোই বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের স্তর।

স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসন: 

- স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় জনগণের ভোটে নির্বাচিত স্বশাসনের অধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে থাকে।
- স্থানীয় সরকারের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য থাকার কথা বলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে স্বায়ত্বশাসন।
- সুতরাং স্থানীয় সরকার বলতে মূলত স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকেই বোঝানো হয়।

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
স্থানীয় সরকার বিভাগ

শহুরে স্থানীয় সরকার: সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।
পল্লী স্থানীয় সরকার: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
বিশেষ স্থানীয় সরকার বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৮৮.
দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে-
  1. ক) নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  2. খ) আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  3. গ) সংশ্লিষ্ট দলীয় নেতার অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  4. ঘ) কোনোক্রমেই তিনি নির্বাচনের প্রার্থী হতে পারবেন না
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনোক্রমেই তিনি নির্বাচনের প্রার্থী হতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনোক্রমেই তিনি নির্বাচনের প্রার্থী হতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে কোনক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না। কারণ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বা The representation of the peoples Order (RPO) এ বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার না হলে সে জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। উক্ত বিধিমালার ১২(১) ধারায় বর্ণিত জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার কিছু উল্লেখযোগ্য যোগ্যতা হলো- দেশের যে কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে হবে এবং কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের অথবা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেতে হবে।
উৎসঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,২৮৯.
সুপ্রীম কোর্টের কয়টি বিভাগ রয়েছে?
  1. একটি
  2. তিনটি
  3. দুইটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
→ হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ—এই দুটি বিভাগ রয়েছে।

সুপ্রীম কোর্টের গঠন:

- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীম কোট।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান হল প্রধান বিচারপতি।
- এ আদালতের দু’টি বিভাগ রয়েছে যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন।
- প্রধান বিচারপতির পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশী কোন নাগরিক ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকলে বা ১০ বছর বিচার বিভাগীয় কোন পদে চাকুরি করলে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯০.
উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ কত সালে কার্যকর করা হয়?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
উপজেলা পরিষদ:
- ১৯৮২ সালে বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়। 
- উপজেলা পরিষদ গঠিত হয় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একজন চেয়ারম্যান, দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান (এদের মধ্যে একজন হবেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা) এবং কিছু সংখ্যক সদস্য নিয়ে।
- সংশ্লিষ্ট উপজেলার এলাকাভুক্ত প্রত্যেক পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি এই পরিষদের সদস্য হবেন।
- এ ছাড়া উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত পদে তিনজন নারী সদস্য মনোনীত হয়ে থাকেন।
- ২০০৯ সালের উপজেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যগণ পরিষদের পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- এই পরিষদের কার্যকাল ৫ বছর।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ.এন.ও.) পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৪ সালে কার্যকর করা হয়।

উপজেলা পরিষদ সংক্রান্ত আইনসমূহ:
- উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮
- উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পূনপ্রচলন ও সংশোধন) আইন, ২০০৯
- উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ( ২০২৪ সনের ০৩ নং অধ্যাদেশ ) [ ১৭ আগস্ট, ২০২৪ ]

উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর উল্লেখযোগ্য ধারা: 
- ১৩ঘ। বিশেষ পরিস্থিতিতে চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের অপসারণের ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা।
- ১৩ঙ। বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রশাসক নিয়োগ ও কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা।

উৎস: Laws of Bangladesh Website. 
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯১.
জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি 
  2. খাগড়াছড়ি 
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন:
-  বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে ৩০০টি আসন সাধারণ নির্বাচনি এলাকার মাধ্যমে সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত। অবশিষ্ট ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত, যা নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে বণ্টন করা হয়। 

• বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিনটি সংসদীয় আসনের মাত্র ১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। জেলাগুলো হলো: রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান।
- জাতীয় সংসদের ২৯৯ নং আসন হলো রাঙামাটি।
- জাতীয় সংসদের ২৯৮ নং আসন হলো খাগড়াছড়ি।
- জাতীয় সংসদের ২৯৭ নং আসন হলো কক্সবাজার।

এছাড়াও,
- জাতীয় সংসদের - ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৯২.
কোন ব্যক্তি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্য বিবেচিত হন?
  1. ১২ বছর এডভোকেট হলে
  2. ৮ বছর এডভোকেট হলে
  3. ১০ বছর এডভোকেট হলে
  4. ১৫ বছর এডভোকেট হলে
সঠিক উত্তর:
১০ বছর এডভোকেট হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর এডভোকেট হলে
ব্যাখ্যা
- ১০ বছর এডভোকেট বা বিচার বিভাগীয় পদে চাকুরির অভিজ্ঞতা থাকলে যোগ্য বিবেচিত হন।

• সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীম কোট।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান হল প্রধান বিচারপতি।
- এ আদালতের দু’টি বিভাগ রয়েছে যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন।
- প্রধান বিচারপতির পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশী কোন নাগরিক ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকলে বা ১০ বছর বিচার বিভাগীয় কোন পদে চাকুরি করলে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯৩.
রাষ্ট্র চূড়ান্ত ক্ষমতা প্রকাশ পায় কোন উপাদানের মাধ্যমে?
  1. জনসমষ্টি
  2. সার্বভৌমত্ব
  3. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রের উপাদান:

• জনসমষ্টি:
- রাষ্ট্রের প্রাথমিক উপাদান হচ্ছে জনসমষ্টি।
- জনসমষ্টি বলতে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত জনগণকে বোঝায়।
- রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসমষ্টি একান্ত অপরিহার্য।
- জনসমষ্টির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ইচ্ছা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক থেকে রাষ্ট্র ধারণার উদ্ভব হয়েছে।

• নির্দিষ্ট ভূখণ্ড:
- নির্দিষ্ট ভূখণ্ড হচ্ছে রাষ্ট্রের অপরিহার্য দ্বিতীয় উপাদান। প্রত্যেক রাষ্ট্রই একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখা দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- ভূখন্ড বলতে স্থলভাগ, সমুদ্রসীমা, আকাশসীমাও বোঝায়।
- রাষ্ট্রের জনগণের বসবাসের জন্য নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ আবশ্যক।


• সরকার:
- রাষ্ট্রের অপরিহার্য তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার। সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মাধ্যমে রাষ্ট্র গঠন আংশিকভাবে সম্পন্ন হয়। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে- আইনবিভাগ, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগ।
- এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়।

•সার্বভৌমত্ব:
- রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান সার্বভৌমত্ব বা সার্বভৌমিকতা।
- সার্বভৌম শব্দদ্বারা চরম ও চূড়ান্ত ক্ষমতাকে বোঝায়।
- সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেরাষ্ট্রের গঠন পূর্ণতা পায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,২৯৪.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে 
  2. ১৯৮৩ সালে 
  3. ১৯৮৭ সালে 
  4. ১৯৮২ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে 
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

⇒ নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং,
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১,২৯৫.
অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে কার প্রতিনিধিত্ব করেন?
  1. সংসদের
  2. সুপ্রিম কোর্টের
  3. প্রধানমন্ত্রীর
  4. রাষ্ট্র ও সরকারের
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র ও সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র ও সরকারের
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১,২৯৬.
রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন -
  1. স্পীকার
  2. ডেপুটি স্পীকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. গভর্নর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- স্পীকার সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পীকার সভাপতিত্ব করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
- স্পীকারের প্রধান দায়িত্ব সংসদে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এর মর্যাদা সংরক্ষণ করা।
- স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হয় এবং সংসদে সংখ্যালঘিষ্ঠ দলের সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পীকারের সিদ্ধান্ত ও রুলিং অবশ্য পালনীয়।
- সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে স্পীকার যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- স্পীকার সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২৯৭.
আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনে রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী 
  2. বাণিজ্যমন্ত্রী
  3. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী 
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্তম্ভ।
- তাঁর নেতৃত্বেই সরকার পরিচালিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনি তাঁর প্রয়োজন অনুসারে মন্ত্রি নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেন এবং দপ্তর বন্টন করেন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি মন্ত্রীদেও পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তিনি মন্ত্রণালয়ের কাজের সমন্বয় করেন।
- প্রধানমন্ত্রী যেকোন সময়ে যেকোন মন্ত্রীকে পদত্যাগের অনুরোধ করতে পারেন। এ অনুরোধ এক ধরনের নির্দেশের মত কাজ করে। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভার অস্তিত্ব থাকে না।
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ নেতা। সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত বা ভেঙ্গে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন। তার নেতৃত্বে সংসদে আইন প্রণীত হয়।
- আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন।
- বিভিন্ন সাংবিধানিক পদে নিয়োগ রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার হলেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। তিনি একটি দলের প্রধান হলেও প্রধানমন্ত্রী সকল নাগরিকের। জাতীয় ঐক্য ও স্বার্থ রক্ষায় প্রধামন্ত্রী সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ বা প্রতি-স্বাক্ষরে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এক্ষেত্রে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হয় না।
- মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে এককভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তাছাড়া মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে থাকায় মন্ত্রিগণ তাঁর নির্দেশনা ছাড়া কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

⇒ পরিশেষে বলা যায় মন্ত্রিপরিষদ বা সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীই সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী। তিনি আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের মধ্যমনি।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৯৮.
স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা সর্বোচ্চ কত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা

স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা:
- যখন সুনির্দিষ্ট কতগুলো আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য স্বল্প সময়, যেমন পাঁচ বছর বা তার চেয়ে কম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তখন স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলে।
- এ পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন। 
- প্রচলিত অর্থে বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক ও দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনাগুলোকে স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলা যায়।
- কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, বাণিজ্যের প্রসার, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্যগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য ফেলে রাখা যায় না।
- সামাজিক স্বার্থে এগুলো স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন দরকার। তাই এসব লক্ষ্য স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত হয়।

• স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য হল-
- (ক) আর্থ-সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও কর্মসূজির দ্রুত বাস্তবায়ন।
- (খ) মেয়াদ ভিত্তিক বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- (গ) বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতা ও বিফলতা মুল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
- (ঘ) দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
- (ঙ) কখনও কখনও দেশে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মত একটি স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
- (চ) পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করা।

উল্লেখ্য,
- কোন দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিশেষ পর্যায় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী এবং নানা ধরনের আর্থ-সামাজিক প্রয়োজন পূরণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রকার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা হয়।
- উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রকারভেদেও মধ্যে নির্দেশভিত্তিক ও প্ররোচিত পরিকল্পনা, কেন্দ্রীয় ও বিকেন্দ্রিক পরিকল্পনা, বস্তুভিত্তিক ও আর্থিক পরিকল্পনা, স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রভৃতি প্রধান।

 উৎস: অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৯৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হবার ন্যূনতম বয়স -
  1. ৩০ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ৪৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হবার ন্যূনতম বয়স - ৩৫ বছর।

• জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা।
- জাতীয় সংসদ সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে সংবিধানের পঞ্চম ভাগে।
- আইন অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রচলিত আইন মেনে বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক এই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে।
- এই সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর হতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।

রাষ্ট্রপতি:
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।
- রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে, রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল ব্যক্তির উপর অগ্রাধিকার দেবেন এবং এই সংবিধান এবং অন্য কোন আইন দ্বারা তার উপর অর্পিত ও আরোপিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং দায়িত্ব পালন করবেন।
- কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদ বেশি রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হবেন না, পদ পরপর থাকুক বা না থাকুক।
- রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য হতে পারবেন না, এবং যদি সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন, তবে তিনি যেদিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে তার পদে প্রবেশ করবেন সেদিন সংসদে তার আসন খালি করবেন।
- কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি তার বয়স পঁয়ত্রিশ বছরের কম হয়, সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন।
- এই সংবিধানের অধীনে অভিশংসন মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয়ে থাকে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, অনুচ্ছেদ-৪৮।
         ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩০০.
সংসদের নেতা কে?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. চিপ হুইপ
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানই প্রধানমন্ত্রী। 
- সংসদ সদস্য পদের যোগ্যতা ও প্রধানমন্ত্রী পদের যোগ্যতা একই।
- ২৫ বছর বয়স্ক যে কোন বাংলাদেশী নাগরিক সংসদ সদস্য থাকা সাপেক্ষে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ পেতে পারেন।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি বা রাষ্ট্রপ্রধান সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী।
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ নেতা।
- সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত বা ভেঙ্গে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন।
- তার নেতৃত্বে সংসদে আইন প্রণীত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।