বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,৮৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা ১২ / ১৯ · ১,১০১১,২০০ / ১,৮৩৫

১,১০১.
ইউনিয়ন পরিষদ এর আয়ের উৎস কোনটি?
  1. ক) ঘর-বাড়ির উপর কর
  2. খ) প্রমোদকর
  3. গ) টোল সংগ্রহ
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদ যে সকল উৎস হতে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে তা’ হলো:
ক) সরকারী অনুদান
১) কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতন ভাতা, ২) উন্নয়ন খাতে অনুদান, ৩) পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচী অনুদান, ৪) প্রকল্প সাহায্য, ৫) থোক বরাদ্দ, ৬) ঘাটতি বাজেট অনুদান ইত্যাদি।
খ) স্থানীয় উৎস
১) ঘরবাড়ি, দালান-কোঠার উপর কর, ২) গ্রাম পুলিশ রেট, ৩) সিনেমা, নাটক, থিয়েটার, মেলা ও যাত্রার উপর প্রমোদকর, ৪) লাইসেন্স, পারমিট ফি, ৫) ইউনিয়ন পরিষদের সীমানার মধ্যে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হাটবাজার, জল মহাল এবং ফেরি হতে ইজারা ও টোল সংগ্রহ ইত্যাদি। [সূত্র: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর বই]

১,১০২.
মুজিবনগর সরকারের চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্বে ছিলেন-
  1. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  2. ক্যাপ্টেন এম.মনসুর আলী
  3. লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
  4. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার
সঠিক উত্তর:
লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ, অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম.মনসুর আলী, স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান, প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী, চিফ অব স্টাফ ছিলেন লে. কর্নেল(অব.) আবদুর রব এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি
১,১০৩.
রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থায় মন্ত্রীরা কার কাছে দায়ী থাকেন?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) স্পীকার
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) আইনসভা
সঠিক উত্তর:
গ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের বৈশিষ্ট্য:

- রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একাধারে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান।
- রাষ্ট্রপতিই প্রকৃত শাসক এবং আইনগত দিক থেকে তিনি প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী।
- রাষ্ট্রপতি আইনসভার সদস্য নন এবং আইন সভার নিকট দায়িত্বশীলও নন। তবে আইন সভার গৃহীত বিলে ভেটো দানের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
- সাধারণত: রাষ্ট্রপতি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি।
- কেবলমাত্র শাসনতন্ত্রের লঙ্ঘন, গুরুতর অসদাচরণের দায়ে কিংবা শারীরিক বা মানসিক অসামর্থের কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত (impeached) করা যায়।
- ব্যবস্থায় সংবিধান সাধারণত লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয় হয়ে থাকে।
- এ শাসন ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ রাষ্ট্রপতির বিশ্বস্ত কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাঁরা আইন সভার কাছে দায়ী নন।
- মন্ত্রীরা তাঁদের কাজ কর্মের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে দায়ী থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১০৪.
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতীক -
  1. ক) ক্রস চিহ্নিত ২ টি তরবারি ও উপরে কৌণিক অবস্থায় জাতীয় ফুল শাপলা
  2. খ) কাছি বেস্টিত নোঙ্গর ও এর উপরে শাপলা
  3. গ) উড়ন্ত ঈগল ও এর উপরে শাপলা
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রস চিহ্নিত ২ টি তরবারি ও উপরে কৌণিক অবস্থায় জাতীয় ফুল শাপলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রস চিহ্নিত ২ টি তরবারি ও উপরে কৌণিক অবস্থায় জাতীয় ফুল শাপলা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতীক হচ্ছে- ক্রস চিহ্নিত ২ টি তরবারি ও উপরে কৌণিক অবস্থায় জাতীয় ফুল শাপলা
- স্লোগান- সমরে আমরা শান্তিতে আমরা সর্বত্র আমরা দেশের তরে ।
- বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতীক কাছি বেস্টিত নোঙ্গর ও এর উপরে শাপলা । 
- বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রতীক উড়ন্ত ঈগল ও এর উপরে শাপলা । 

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া ।  
১,১০৫.
LGED-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Local Growth & Engineering Development
  2. Local Government Economic Division
  3. Local Government Engineering Department
  4. Local Governance & Education Directorate
সঠিক উত্তর:
Local Government Engineering Department
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Local Government Engineering Department
ব্যাখ্যা

LGED:
- LGED-এর পূর্ণরূপ: Local Government Engineering Department.
- স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা।
- ৬০ এর দশকে পল্লীপূর্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় এর পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে।
- দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে এলজিইডির বিশাল কর্মযজ্ঞ।
- স্থানীয় পর্যায়ে গ্রামীণ ও নগর অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি এসব অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে বিভিন্ন বিষয়ে কারিগরি সহায়তা প্রদান এলজিইডির কর্মতালিকার অংশ। একইসঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দিয়ে থাকে এলজিইডি।

⇒ এলজিইডি'র মিশন:
- কৃষি ও অকৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনা; কর্মসংস্থান সৃষ্টি; আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন; স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ; দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক পরিবর্তনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করা।

উৎস: LGED ওয়েবসাইট।

১,১০৬.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে কতজন নারী উপদেষ্টা রয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১,১০৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কবে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে?
  1. ক) ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
  2. খ) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
  3. গ) ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর। ১৭ই এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছিলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার।

সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া
১,১০৮.
কোন্‌টি স্থানীয় সরকার নয়?
  1. ক) পৌরসভা
  2. খ) পল্লী বিদ্যুৎ
  3. গ) সিটি কর্পোরেশন
  4. ঘ) উপজেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
খ) পল্লী বিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পল্লী বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা
⇨ বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
• বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও
• পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:- 

⇨ শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা-
- পৌরসভা এবং
- সিটি কর্পোরেশন।

⇨ গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা -
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

⇨ এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩টি জেলা নিয়ে আঞ্চলিক স্থানীয় প্রশাসন রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা। 
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ-
১. বান্দরবান পাহাড়ী জেলা পরিষদ
২. রাঙ্গামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ
৩. খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ
 
অপরদিকে,
পল্লী বিদ্যুৎ "বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড" এর অধীনে পরিচালিত বিদ্যুৎ বিতরণ বিষয়ক প্রতিষ্ঠান।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১০৯.
অর্থনৈতিক সঙ্কটময় সময়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে কোন বিভাগ?
  1. আইন বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
শাসন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাসন বিভাগ
ব্যাখ্যা
• সরকার ব্যবস্থা:
- রাষ্ট্রের নানাবিধ অর্থনৈতিক সংকট ও সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে সরকারের অন্য দুই বিভাগ থেকে শাসন বিভাগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
- যার জন্য শাসন বিভাগের সাথে সাধারণ জনগণের সংশ্লিষ্ট হওয়ার সুযোগ বেশি সৃষ্টি হয়।
- এছাড়া রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সংকট মুহূর্তে শাসন বিভাগ দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। 

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১০.
মুজিবনগর সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  2. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. এম. মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করেন। 

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী: এম. মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব,
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১১১.
নিচের কোনটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য?
  1. বেসরকারি সংগঠন
  2. দলীয় কর্মসূচিবিহীন
  3. দলীয় সংগঠনবিহীন
  4. ক , খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ক , খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক , খ ও গ
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে। 

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
• দলীয় সংগঠনবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
• দলীয় কর্মসূচিবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই।
• নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া: চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না। 
• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না। বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।
• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না। 
• সমজাতীয় মনোভাব: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা সাধারণত সমজাতীয় মনোভাব সম্পন্ন হয়ে থাকে।
• বেসরকারি সংগঠন: চাপসৃষ্টিকারী দলের সদস্যগণ বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি বিশেষ। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১২.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মোট কতটি আসন লাভ করেছিলো?
  1. ক) ১৬৬টি
  2. খ) ১৬৭টি
  3. গ) ১৬৯টি
  4. ঘ) ১৭০টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬৭টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে পুরো পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিলো ৩১৩টি।
- এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ছিলো ১৬৯টি। যার মধ্যে ৭টি ছিলো সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের ৭টি সংরক্ষিত নারী আসনসহ মোট ১৬৭টি আসন পেয়ে জয় লাভ করেছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,১১৩.
সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি কত দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন?
  1. ১৫ দিনের
  2. ৩০ দিনের
  3. ৯ দিনের
  4. ৭ দিনের
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইনবিভাগ সরকারের একটি অংশ।

• আইন প্রণয়ন ক্ষমতা:
- সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

• সরকার গঠনবিষয়ক ক্ষমতা:
- সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,১১৪.
দেশের ৪৯৫তম উপজেলা কোনটি?
  1. ক) শায়েস্তাগঞ্জ
  2. খ) দক্ষিণ সুরমা
  3. গ) ডাসার
  4. ঘ) শান্তিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) ডাসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডাসার
ব্যাখ্যা
- গত ২৬ জুলাই ২০২১ অনুষ্ঠিত নিকারের ১১৭তম সভায় নতুন তিনটি উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়।
এগুলো হলো:
- ৪৯৫তম : ডাসার, (মাদারীপুর)
- ৪৯৪তম : মধ্যনগর, (সুনামগঞ্জ)
- ৪৯৩তম : ঈদগাঁও (কক্সবাজার)।
- গত ১০ আগস্ট ২০২১ নতুন উপজেলাগুলোর গেজেট প্রকাশ করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রানালয় ওয়েবসাইট)
১,১১৫.
সুপ্রিম কোর্টের বিচারক কত বছর বয়স পর্যন্ত কর্মরত থাকতে পারেন?
  1. ৬০ বছর
  2. ৬২ বছর
  3. ৬৫ বছর
  4. ৬৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর
ব্যাখ্যা

• সুপ্রিম কোর্ট :
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিমকোর্ট।
- এর রয়েছে দুটি বিভাগ, যথা: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়। রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিযুক্ত করেন।
- প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট গঠিত।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিগণ বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হতে হলে তাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
- সুপ্রিম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা বাংলাদেশে বিচার বিভাগীয় পদে ১০ বছর বিচারক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
- সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশে ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,১১৬.
রাজনৈতিক দলকে পরামর্শ দিয়ে প্রভাবিত করে কে?
  1. ক) নির্বাচকমন্ডলী
  2. খ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  3. গ) সাধারণ জনগণ
  4. ঘ) নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
খ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলকে পরামর্শ দিয়ে প্রাভাবিত করে -  চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী।

• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:

- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক প্রচারকার্য পরিচালনার একটি সংগঠিত মাধ্যম।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীই কোন বা কোন ভাবে রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পর্কিত থাকে।

- নির্বাচনী রাজনীতিতে কোন চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীই স্বতন্ত্রভাবে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে না।
- সরকার গঠন তাদের লক্ষ্য নয়, তাদের মূল লক্ষ্য সরকারের নীতিকে প্রভাবিত করা।
- নির্বাচনী রাজনীতিতে বিভিন্ন চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করে।
- অনেক সময় রাজনৈতিক দল এবং গোষ্ঠীর কার্যকলাপ এমনভাবে জড়িয়ে থাকে যে, তাদের ভূমিকার পার্থক্য নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৭.
‘সৈয়দ রেফাত আহমেদ’ বাংলাদেশের কততম বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন?
  1. ২৩তম
  2. ২৪তম
  3. ২৫তম
  4. ২৬তম
সঠিক উত্তর:
২৫তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫তম
ব্যাখ্যা
সৈয়দ রেফাত আহমেদ: 
- দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ শপথ নিয়েছেন।
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। 

প্রধান বিচারপতি: 
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।   

উল্লেখ্য,                       
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম।

সূত্র - সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
১,১১৮.
রাষ্ট্রপতি কাদের শপথ বাক্য পাঠ করান?
  1. সকল সংসদ সদস্যদের
  2. প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের 
  3. সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের
  4. প্রতিমন্ত্রীদের
সঠিক উত্তর:
প্রতিমন্ত্রীদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিমন্ত্রীদের
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতি যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান-
১।প্রধানমন্ত্রী
২।মন্ত্রীগন
৩। উপমন্ত্রীদের
৪। প্রতিমন্ত্রীদের
৫। স্পীকার
৬। ডেপুটি স্পিকার
৭। প্রধান বিচারপতি 

প্রধানমন্ত্রী যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান-
১। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
২। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান

স্পিকার যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান-
১। রাষ্ট্রপতি
২। সকল সংসদ সদস্যদের

প্রধান বিচারপতি যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান-
১। সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের কোন বিচারককে
২। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের 
৩। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রন
৪। সরকারী কর্মকমিশনের সদস্যদেরকে

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১১৯.
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
  2. সফর রাজ হোসেন
  3. ড. ইফতেখারুজ্জামান
  4. অধ্যাপক আলী রিয়াজ
সঠিক উত্তর:
আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন:
- ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর আট সদস্যের জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়।
- পরে কমিশনের সদস্যসংখ্যা আরও তিনজন বাড়ানো হয়।
- এ কমিশনের প্রধান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।
- জনমুখী, জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন ব্যবস্থা করে তুলতে এ কমিশন গঠন করা হয়।
- ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১২টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

• অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কমিশনের নাম ও প্রধান কমিশনার: 
• নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন- ড. বদিউল আলম মজুমদার;
• পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন- সফর রাজ হোসেন;
• বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন- বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান;
• দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন- ড. ইফতেখারুজ্জামান;
• সংবিধান সংস্কার কমিশন- অধ্যাপক আলী রিয়াজ।

তথ্যসূত্র: সংস্কার কমিশনের ওয়েবসাইট বিবিসি প্রতিবেদন।  

১,১২০.
প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় 'বিকল্প সরকার' বলতে কী বােঝায়?
  1. ক) ক্যাবিনেট
  2. খ) বিরােধী দল
  3. গ) সুশীল সমাজ
  4. ঘ) লােকপ্রশাসন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
খ) বিরােধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিরােধী দল
ব্যাখ্যা
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে- ছায়া মন্ত্রিসভা।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- তবে বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,১২১.
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এডভোকেট বাংলাদেশের কততম রাষ্ট্রপতি?
  1. ক) ১৮ তম
  2. খ) ১৯ তম
  3. গ) ২০ তম
  4. ঘ) ২১ তম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ তম
ব্যাখ্যা
আবদুল হামিদ:
- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকাকালে ১৪ মার্চ ২০১৩ থেকে জনাব মোঃ আবদুল হামিদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। 
- ২০ মার্চ ২০১৩ তারিখে রাষ্ট্রপতি জনাব জিল্লুর রহমান মৃত্যুবরণ করলে তিনি সে দিন থেকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। 
- ২২ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং ২৪ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশের ২০ তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। 
- জনাব আবদুল হামিদ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয় মেয়াদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং ২৪ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে ২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। 
 
উৎস : রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের ওয়েবসাইট
১,১২২.
বাংলাদেশের একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোর
  2. খ) কোনাবাড়ি
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) কালুরঘাট
সঠিক উত্তর:
খ) কোনাবাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কোনাবাড়ি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের কোনাবাড়িতে অবস্থিত। বাংলাদেশের অস্ত্র কারখানাও গাজীপুরে অবস্থিত।
উৎসঃ গাজীপুর জেলার ওয়েবসাইট।
১,১২৩.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা কে? [জুন, ২০২৫]
  1. লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব:)
  2. শেখ বশিরউদ্দীন
  3. নূরজাহান বেগম
  4. ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
নূরজাহান বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নূরজাহান বেগম
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন।

⇒ মিজ্‌ নূরজাহান বেগম: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

অন্যদিকে,
- ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ: অর্থ মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
- লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব:): স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়।
- শেখ বশিরউদ্দীন: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১,১২৪.
মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান -
  1. সচিব
  2. মন্ত্রী
  3. অতিরিক্ত সচিব
  4. উপসচিব
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
ব্যাখ্যা

মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।

১,১২৫.
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. মুশতাক আহমেদ
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার:
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ সরকার 'মুজিবনগর সরকার' নামেই বেশি পরিচিত। 
- অনেকে একে প্রবাসী সরকার বলেন। 
- তবে এ সরকারকে বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার বলাই শ্রেয়। 
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল (১৯৭১) নতুন সরকার শপথ গ্রহণ করে কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায়। 
- নতুন সরকার বৈদ্যনাথতলার নাম পাল্টে রাখেন মুজিবনগর।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
• রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
• প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ। 
• অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: এম মনসুর আলী।
• স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: এএইচএম কামারুজ্জামান।
• পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খণ্ড।
১,১২৬.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
  2. সকলের প্রতি বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়
  3. অন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বর প্রতি সম্মান প্রদর্শন
  4. অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা

সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়। 

পররাষ্ট্রনীতি:

- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে। অন্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাকে তুলে ধরে।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত বহিঃশক্তির প্রভাব থেকে দেশের সাবভৌমত্ব ও ভূখন্ডকে রক্ষা করার মতো বিষয়েই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে।

⇒ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতিসমূহ পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কিছু মূলনীতি অনুসরণ করে থাকে।  
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান চারটি মূলনীতি হলো:

১. সকলের প্রতি বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়:
- যেহেতু বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীল, সেহেতু বাংলাদেশ বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে কোন একটির পক্ষাবলম্বন করে অন্যটির বিরাগভাজন হতে চায় না। এর চেয়েও বড় কথা হল যে, এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে অপ্রকাশের পর বাংলাদেশ চায় না যে, সে কোন বৃহৎ শক্তির খুঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

২. অন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখন্ডতার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা:
- এ মূলনীতিটি জাতিসংঘ সনদের ২(৪) ধারার সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।

৩. অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা:
- এ মূলনীতিটিও জাতিসংঘ সনদের ২(৭) ধারার উপর প্রতিষ্ঠিত। প্রকৃতপক্ষে ২ ও ৩ নম্বর মুলনীতি দুটি রাষ্ট্রীয় আচরণের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা আদর্শের বুনিয়াদের উপর প্রতিষ্ঠিত।

৪. বিশ্ব শান্তি: 
- প্রথমত: বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করে; দ্বিতীয়ত: বাংলাদেশ যে কোন বিবাদ শান্তিপূর্ণ উপায়ে মীমাংসার পক্ষপাতি; এবং তৃতীয়ত: বাংলাদেশ চায় যে, যে কোন আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন শান্তিপূর্ণ উপায়ে হবে। এই প্রসঙ্গে এ কথাও সবসময় মনে রাখতে হবে যে, বাংলাদেশ কখনও বিশ্বের কোন রাষ্ট্রের শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি হুমকি প্রদর্শন না করার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর।

⇒ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. আত্বরক্ষা,
২. অর্থনৈতিক অগ্রগতি,
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনবোধে বৃদ্ধি করা,
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা, ও
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১২৭.
নিচের কোন জেলায় মাত্র একটি সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. মেহেরপুর
  2. রাঙামাটি
  3. কক্সবাজার
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১,১২৮.
সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রের সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:

- শাসন বিভাগের কার্যক্রম মহামান্য রাষ্ট্রপতির নামে সম্পন্ন হয়।
- সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু থাকায় রাষ্ট্রপতি প্রকৃত অর্থে নামমাত্র শাসক।
- রাষ্ট্রের প্রকৃত প্রশাসনিক ক্ষমতা সরকার প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর উপর ন্যস্ত থাকে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসাবে রাষ্ট্রপতি সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের দ্বারা।
- রাষ্ট্রপতি মূলত অলঙ্কারিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১২৯.
বাংলাদেশে অ্যাটর্নি জেনারেলকে কে নিয়োগ করেন?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১,১৩০.
বাংলাদেশের নির্বাহীবিভাগের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল 
  3. মন্ত্রিপরিষদ 
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের নির্বাহীবিভাগের অন্তর্ভুক্ত নয়- ”বিশেষট্রাইব্যুনাল”।
- ”বিশেষট্রাইব্যুনাল” বিচার বিভাগের অর্তর্ভুক্ত ।

• বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন বিভাগ:
- পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সরকার ব্যবস্থার মতো বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ আছে।
সেগুলো হচ্ছে:
(১) নির্বাহীবিভাগ
(২) আইনবিভাগ ও
(৩) বিচারবিভাগ। 

• নির্বাহীবিভাগ:
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম। বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,১৩১.
নিচের কোনটি সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর নয়?
  1. জেলা প্রশাসন
  2. সিটি কর্পোরেশন
  3. সচিবালয়
  4. বিভাগীয় প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো কেন্দ্রীয় প্রশাসন ও মাঠ প্রশাসনে বিভক্ত।
- সচিবালয় হলো সর্বোচ্চ স্তর বা কেন্দ্রীয় প্রশাসন।
- বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে মাঠ প্রশাসন ধরা হয়।
- এছাড়া, প্রশাসন ব্যবস্থায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন বিভাগ, অধিদপ্তর ও দপ্তর রয়েছে।
অন্যদিকে,
- সিটি কর্পোরেশন হলো শহরাঞ্চলের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।
(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,১৩২.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, সংসদের নিম্নকক্ষে মোট কতটি আসন থাকবে? 
  1. ১০০
  2. ৩৫০
  3. ৪০০
  4. ৫০০
সঠিক উত্তর:
৪০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০
ব্যাখ্যা

• সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- এটি গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- এই কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- এতে মোট সদস্য- ৯ জন।

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- নিম্নকক্ষের ৪০০ আসনের মধ্যে ১০০ আসন নারীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে। 
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন ও ডেইলি স্টার। 

১,১৩৩.
প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের ফলে কী ঘটে?
  1. সংসদ ভেঙে যায়
  2. মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়
  3. নতুন নির্বাচন হয়
  4. রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হয়
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় দেশের সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
 - যে সংসদ-সদস্য জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান তাঁকে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধান মোতাবেক প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।
- তবে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয় কিংবা সংসদ ভেঙে দেবার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দান করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে তাঁর মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- তাই প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়।
- তিনি একইসাথে সংসদের নেতা ও সরকারপ্রধান।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,১৩৪.
সিটি কর্পোরেশনের আয়ের উৎস কোনটি?
  1. কর
  2. উপকর
  3. টোল ও ফিস
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন:
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শহর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে- সিটি কর্পোরেশন।
- প্রত্যেক সিটি কর্পোরেশনকে কতগুলো ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একজন মেয়র সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত কাউন্সিলার এবং সর্বমোট কাউন্সিলরদের এক তৃতীয়াংশ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর সমন্বয়ে সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়।
- মেয়র প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড হতে একজন কাউন্সিলর প্রাপ্তবয়স্কদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

সিটি কর্পোরেশনের আয়ের উৎস:
(ক) সরকার হতে প্রাপ্ত অনুদান।
(খ) কর্পোরেশনের উপর ন্যস্ত এবং তৎকর্তৃক পরিচালিত সকল সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত আয় বা মুনাফা।
(গ) সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আরোপিত যে-কোনো কর, উপকর, রেইট, টোল ও ফিস ইত্যাদি।
(ঘ) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক প্রদত্ত দান।
(ঙ) কর্পোরেশনের উপর ন্যস্ত সকল ট্রাস্ট হতে প্রাপ্ত আয়।
(চ) কর্পোরেশনের অর্থ বিনিয়োগ হতে প্রাপ্ত মুনাফা।
(জ) আইনের অধীন অর্থদন্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৫.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান তিনটি অঙ্গ কোনগুলো?
  1. পুলিশ, বিচার বিভাগ, সংসদ
  2. মন্ত্রিপরিষদ, সংসদ, রাষ্ট্রপতি
  3. আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ
  4. প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার: 
- সরকার যে কোন দেশের শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
- সরকারকে কেন্দ্র করে একটি রাষ্ট্রের শাসনতান্ত্রিক কার্যাবলি সম্পাদিত হয়।
- মূলত: রাষ্ট্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সাধিত হয় সরকারের মাধ্যমে।
- রাষ্ট্র গঠিত হয় চারটি মূল উপাদানের সমন্বয়ে যেমন, নির্দিষ্ট ভূ-খন্ড, জনগণ, সরকার ও সার্বভৌমত্ব।
- সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক ও সংসদীয় কাঠামোর ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- অর্থাৎ এই সরকার কাঠামোয় একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার থাকবে।
- কেন্দ্রীয় সরকারই রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল সূতিকাগার হিসেবে আইন প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিষয়ে ভূমিকা পালন করবে।
- সরকারের তিনটি অঙ্গ- আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৬.
জেলা প্রশাসকের প্রধান কাজ কী?
  1. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়
  2. আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  3. ভূমি ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করা
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

জেলা প্রশাসক:
- জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক বা ডেপুটি কমিশনার হিসাবে পরিচিত।
- তিনি একাধারে জেলা প্রশাসক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (District Magistrate), জেলা কালেক্টর (District Collector) ও ডেপুটি কমিশনার (Deputy Commissioner)।
- তিনি প্রশাসন, পরিকল্পনা, উন্নয়ন এবং সরকারি নিয়ম পদ্ধতির সমন্বয়কারী এবং প্রশাসন কাডারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
- ফলে তিনি একইসাথে আইনশৃঙ্খলা, ভূমি প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় এবং সাধারণ ও স্থানীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।
- জেলা প্রশাসক জেলাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রতিনিধি।
- তিনি সরাসরি রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগকারী ক্ষমতাপ্রাপ্ত জেলার একমাত্র কর্মকর্তা। জেলা প্রশাসক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশ ও তত্ত্বাবধানে কাজ করেন।
- ডেপুটি কমিশনার হিসাবে জেলায় পোস্টিং পাওয়ার আগে তিনি সহকারী কমিশনার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার পদে এবং সচিবালয়ে সহকারী সচিব ও উপসচিব পদে দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য,
- স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ইউনিটগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জেলা ইউনিট।
- প্রসঙ্গত, ডিসিদের জেলায় তিন ধরনের দায়িত্ব পালন করতে হয়। ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর, ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কমিশনার। অর্থাৎ রাজস্ব আদায়, বিচার সংক্রান্ত এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের সমন্বয়। প্রথম ও দ্বিতীয় দায়িত্বটি দুইশ বছরের বেশি সময় আগের, যা ব্রিটিশ কোম্পানি শাসনামলের। শেষোক্ত দায়িত্বটি যোগ হয়েছে পাকিস্তান আমলে। 
- ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের পর হলে ডিসিরা শুধু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেসির দায়িত্বে থাকেন।

উৎস: i) Comptroller and Auditor General of Bangladesh ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.

১,১৩৭.
একটি আধুনিক রাষ্ট্রে আইন প্রণয়ন করেন -
  1. ক) আমলাগণ
  2. খ) বিচারপতিগণ
  3. গ) সংসদ সদস্যগণ
  4. ঘ) মন্ত্রীবর্গ
সঠিক উত্তর:
গ) সংসদ সদস্যগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সংসদ সদস্যগণ
ব্যাখ্যা

আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত ক্ষমতা: 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(১) ধারায় বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে। 
-  সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলাে আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়ােজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশােধন বা রদবদল করে থাকে।
- আইন বিভাগের একটি অংশ হলাে আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে মনােনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়।
- আইন প্রণয়ন ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ সার্বভৌম। 

অতএব প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে: সংসদ সদস্যগণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান

১,১৩৮.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. কাজী হাবিবুল আউয়াল
  2. কে এম নুরুল হুদা
  3. এ এম এম নাসির উদ্দিন
  4. রকিবুদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দিন
ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১,১৩৯.
জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ (এনপিসি)-এর সভাপতি -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ:
- জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ (National Population Council) হচ্ছে জনসংখ্যা নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও পরিবীক্ষণ ইউনিট।
- পদাধিকারবলে এর প্রধান বা সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
- এই পরিষদের সচিবালয়ের দায়িত্ব পালন করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া এবং  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
১,১৪০.
নূন্যতম কত বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবেন না?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা:
- সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী যেকোন নাগরিক সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা রাখে।
- অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া, বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন, কোন অপরাধে ২ বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবেন না।
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর। তবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- অধিবেশন আরম্ভ করার জন্য ৬০ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হতে হয়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকারি দলের এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ী দল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। সংসদ সদস্যগণ অনেকে একই সাথে হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- কোন সংসদ সদস্য নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ দাখিল করলে অথবা একাধারে ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।
- তাছাড়া তিনি যে দল থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে সে দলের বিপক্ষে ভোট দান করলেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৪১.
পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিষদ কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ২৫ জন
  2. ২৩ জন
  3. ২০ জন
  4. ২১ জন
সঠিক উত্তর:
২৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ জন
ব্যাখ্যা

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ: 
- তিনটি পার্বত্য জেলায় কার্যক্রম সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে ঐ তিন জেলাধীন সমগ্র এলাকাজুড়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ আছে।
গঠন: 
- ১ জন চেয়ারম্যান,
- ১২জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য,
- ৬জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাইরের বা বাঙালি সদস্য,
- ২ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মহিলা সদস্য,
- ১ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাইরের বা বাঙালি মহিলা সদস্য এবং
- তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের ৩ চেয়ারম্যানসহ সর্বমোট ২৫ জন সদস্য নিয়ে আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হবে।

উল্লেখ্য, 
- চেয়ারম্যান অবশ্যই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর হবেন এবং তিনি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করবেন।
- ১২ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যের মধ্যে ৫ জন চাকমা, ৩ জন মারমা, ২জন ত্রিপুরা, ১জন মুরং ও তনচৈঙ্গা এবং ১জন লুসাই, বোম, পাংখো, খুমী, চক ও খিয়াং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হবেন।
- ৬ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যের মধ্যে প্রতিটি পার্বত্য জেলা হতে ২ জন করে থাকবে।
- ২ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মহিলা সদস্যের মধ্যে ১জন চাকমা এবং অপরজন অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। 
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাইরের বা বাঙালি মহিলা সদস্য তিন পার্বত্য জেলার বাঙালি মহিলাগণের মধ্য থেকে হবে। 
- আঞ্চলিক পরিষদের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৪২.
‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন’ কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৫
  3. ২০০৬
  4. ২০০৯
সঠিক উত্তর:
২০০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫
ব্যাখ্যা

• ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

- বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র:
i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫। 
ii) প্রথম আলো।

১,১৪৩.
কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) দুর্নীতি দমন কমিশন
  2. খ) বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন
  3. গ) তথ্য কমিশন
  4. ঘ) বাংলাদেশ এনার্জী রেগুলেটরী কমিশন
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক যে প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে রয়েছে:
- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়
- জাতীয় সংসদ
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় প্রভৃতি।

(সূত্রঃ রাষ্ট্রবিজ্ঞান : স্নাতক শ্রেণী এবং বাংলাদেশ সংবিধান)
১,১৪৪.
সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় আইনসভা ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন কে?
  1. ক) বিরোধী দল
  2. খ) নির্বাচন কমিশন
  3. গ) স্পীকার
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- আইনসভা ভেঙ্গে দেবার ক্ষেত্রে সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারে প্রধানমন্ত্রী আইনসভা ভেঙ্গে দেবার জন্য রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দান করতে পারেন।
- তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দিতে পারেন

- ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণের নীতির আলোকে বা শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের প্রকৃতি অনুসারে আধুনিক গণতান্ত্রিক সরকারসমূহকে দু’ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা− সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।
- সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় প্রকৃত প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ হল মন্ত্রিসভা। 
- মন্ত্রিসভার সকল সদস্য প্রত্যক্ষভাবে আইনসভার কাছে এবং পরোক্ষভাবে জনসাধারণের কাছে দায়িত্বশীল থাকে।
- সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক বা নামসর্বস্ব শাসক এবং প্রকৃত শাসক এই দু’ধরনের শাসক দেখা যায়।

উতস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,১৪৫.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির নাম কী?
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. এইচ এম ইব্রাহিম
  3. মোহাম্মদ ফজলুল করিম
  4. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- তিনি দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি।

⇒ প্রধান বিচারপতি:
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।


⇒ উল্লেখ্য:
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতিদের বয়স করা হয় ৬৭ বছর।
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

⇒ অন্যদিকে:
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম।
- তিনি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি ছিলেন।

তথ্যসূত্র - সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

১,১৪৬.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বর্তমান সভাপতি কে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
  3. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
  4. ড. আসিফ নজরুল
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বর্তমান সভাপতি ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

ECNEC:

- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

⇒ নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং,
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উল্লেখ্য,
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে চেয়ারপারসন করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) গঠন করা হয়েছে।
- এ পরিষদে সদস্য হিসেবে আছেন সরকারের বাকি সব উপদেষ্টা।
- ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে এই পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
- সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত নীতি ও কৌশল গ্রহণে দিক-নির্দেশনা দেওয়া; দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও কর্মপন্থা চূড়ান্তকরণ এবং অনুমোদন প্রদান; দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা; আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দিক-নির্দেশনা প্রদান এবং জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের দায়িত্ব পালনে সহায়ক বিবেচিত যে কোনো কমিটি গঠন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১,১৪৭.
বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি কোনটি?
  1. রাষ্ট্রপতিশাসিত
  2. এককেন্দ্রিক
  3. রাজতন্ত্র
  4. যুক্তরাষ্ট্রীয়
সঠিক উত্তর:
এককেন্দ্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এককেন্দ্রিক
ব্যাখ্যা
সরকার কাঠামো:
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক সরকার কাঠামোভিত্তিক রাষ্ট্র।
- কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার ধরণ - সংসদীয় গণতন্ত্র।
- রাজধানী ঢাকা থেকে সারাদেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে বিভিন্ন প্রশাসনিক এককে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।
- তবে সকল প্রশাসনিক কর্মকান্ড পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সচিবালয়।
- কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের সকল প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্রপতির নামে রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের কার্যকরি প্রধান হিসেবে সকল কার্য পরিচালনা করে থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪৮.
বাংলাদেশে বর্তমানে কয়স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার:
- স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বিভক্ত করা ক্ষুদ্রতর শাসন কাঠামো।
- এটি হল কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত ও সহায়ক অংশ।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্থানীয় প্রশাসন কেন্দ্রিয় সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে।

⇒ বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, এবং ইউনিয়ন পরিষদ।

• শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
• পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
• গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
• ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৪৯.
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ কার কাছে দায়বদ্ধ থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জাতীয় সংসদ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. কেন্দ্রীয় প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সরকার এবং মন্ত্রিসভার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।
- এজন্যে তাকে 'সরকারের স্তম্ভ' হিসেবে অভিহিত করা।
- তিনি জাতীয় সংসদের নেতা।
- তার নেতৃত্বে জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
- সংসদীয় সরকার আধুনিককালে জনপ্রিয় শাসন ব্যবস্থা।

⇒ এ সরকারের গুণাবলি:
১। দায়িত্বশীলতা:
- মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ আইনসভার নিকট দায়ী থাকে, ফলে সরকার দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে।

২। নমনীয়তা:
- সংসদীয় সরকার নমনীয় প্রকৃতির।
- কেননা প্রয়ােজনবােধে যে কোন সময় সরকার মন্ত্রিসভার পরিবর্তন করতে পারে।

৩। প্রতিনিধিত্ব মূলক শাসন ব্যবস্থা:
- মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার জন প্রতিনিধিত্ব মূলক শাসন ব্যবস্থা।
- নিবার্চিত প্রতিনিধিদের দ্বারা এটি গঠিত হয়।
- জনমতের উপর ভিত্তি করে শাসন পরিচালনা করে।

৪। শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক:
- সংসদীয় সরকারের শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
- মন্ত্রিসভা অতি সহজে আইন পরিষদে আইন পাস করে নিতে পারে।
- কেননা মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সদস্য।

৫। সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থা:
- শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযােগিতা থাকায় এ সরকার ব্যবস্থা সুষ্ঠু শাসন প্রতিষ্ঠায় সক্ষম।

৬। স্বেচ্ছাচার বিরােধী:
- সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভার ক্ষমতায় টিকে থাকা না থাকা নির্ভর করে আইন সভার আস্থা ও অনাস্থার ওপর।
- মন্ত্রীগণ সংসদের আস্থা অর্জনের জন্য শাসন কার্য পরিচালনায় মনােযােগী হয়।
- ফলে স্বেচ্ছাচারী সরকার প্রতিষ্ঠার আশংঙ্কা দূর হয়।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৫০.
স্থানীয় সরকারের সর্বোচ্চ স্তর কোনটি?
  1. ক) ইউনিয়ন পরিষদ
  2. খ) উপজেলা পরিষদ
  3. গ) জেলা পরিষদ
  4. ঘ) বিভাগীয় কমিশন
সঠিক উত্তর:
গ) জেলা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর জেলা পরিষদ। একজন চেয়ারম্যান ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের ৫ জন মহিলা সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়। জেলা পরিষদে মোট ২১ জন সদস্য। সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
১,১৫১.
বাংলাদেশে কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত আছে?
  1. ক) একনায়কতন্ত্র
  2. খ) সংসদীয়
  3. গ) নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি শাসিত
সঠিক উত্তর:
খ) সংসদীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংসদীয়
ব্যাখ্যা
-১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৯১ রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু ছিল।
- এ ধরনের ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। 
- এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান সংসদের নিকট দায়বদ্ধ থাকেন না।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এ ব্যবস্থা বলবৎ করা হয়। 
-কিন্তু ১৯৯১সালের ১০ আগস্ট দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাতিল করা হয়। 
-পুনরায় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা কার্যকর হয়।
- ফলে রাষ্ট্রপতি নামমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান কিন্তু সরকার প্রধান নন। 

উৎস:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৫২.
জাতীয় সংসদের কক্ষের সামনের সারিতে অবস্থিত আসন গুলোকে কী বলা হয়?
  1. ট্রেজারি বেঞ্চ
  2. সংরক্ষিত বেঞ্চ
  3. প্রেস বেঞ্চ
  4. পর্যবেক্ষক বেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
ট্রেজারি বেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রেজারি বেঞ্চ
ব্যাখ্যা

• ট্রেজারি বেঞ্চ:

- ট্রেজারি বেঞ্চ হলো সংসদের সামনের সারির আসন যেখানে সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ বসেন।
- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১,১৫৩.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কত শতাংশ ভোট পড়েছে?
  1. ৫২.৮১%
  2. ৫৬.২৫%
  3. ৫৯.৪৪%
  4. ৬২.৮৭%
সঠিক উত্তর:
৫৯.৪৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯.৪৪%
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।
- প্রতিদ্বন্দ্বী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কত শতাংশ ভোট পড়েছে?রাজনৈতিক দল ৫০টি (নিবন্ধিত ৬০টি)।
- প্রদত্ত ভোটের হার ৫৯.৪৪%।
- মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন।
- গণভোট পড়েছে ৬০.২৬%।
- তৃতীয়-লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন।
- পোস্টাল ব্যালটে ভোট নিবন্ধনকারী ভোটারের সংখ্যা ১৫ লাখ ২৮ হাজার ১৩১ জন।
- ভোট প্রদান ১২ লাখ ২৪ হাজার ১৮৮ জন (৮০.১১%)।
- মোট প্রার্থী ২২২৮ জন।
- স্বতন্ত্র ২৭৩ জন (নির্বাচিত ৭ জন)।
- নির্বাচিত নারী প্রার্থী ৭ জন,
- বিএনপি থেকে ৬ জন।
- স্বতন্ত্র ১ জন।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা এবং প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১,১৫৪.
সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী কোন শাস্তি দেওয়া যেতে পারে?
  1. তিরস্কার
  2. নিম্নপদে অবনমিতকরণ
  3. কেবলমাত্র জরিমানা
  4. অতিরিক্ত ভাতা বন্ধ
সঠিক উত্তর:
নিম্নপদে অবনমিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নপদে অবনমিতকরণ
ব্যাখ্যা

সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৩ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’  জারি করেছে সরকার।

⇒ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ সংশোধন করে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। 
- অধ্যাদেশে অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের চারটি বিষয়কে অপরাধের আওতাভুক্ত করা হয়। সেগুলো হলো-
• সরকারি কর্মচারী যদি এমন কোনো কাজে লিপ্ত হন, যা অনানুগত্যের শামিল বা যা অন্য যেকোনো সরকারি কর্মচারির মধ্যে অনানুগত্য সৃষ্টি করে বা শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধার সৃষ্টি করে; অন্যান্য কর্মচারির সঙ্গে সমবেতভাবে বা এককভাবে ছুটি ছাড়া বা কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া নিজ কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকেন বা বিরত থাকেন বা কর্তব্য সম্পাদনে ব্যর্থ হন; অন্য যেকোনো কর্মচারীকে তার কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকতে বা বিরত থাকতে বা তার কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দেন বা প্ররোচিত করেন এবং যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে তার কর্মে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করেন, তাহলে তিনি অসদাচরণের দায়ে দণ্ডিত হবেন।

- এসব অপরাধের শাস্তি হিসেবে বলা হয়েছে, দোষী কর্মচারীকে নিম্নপদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ বা চাকরি থেকে অপসারণ বা চাকরি থেকে বরখাস্ত দণ্ড প্রদান করা যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

১,১৫৫.
বাংলাদেশে কোন জেলায় সংসদীয় আসনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. নেত্রকোণা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন ৩০০টি।
- ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।
 - বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- বাংলাদেশে ঢাকা জেলায় সংসদীয় আসনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ঢাকা জেলায় সংসদীয় আসনের সংখ্যা- ২০ টি।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
১,১৫৬.
NILG এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. National Institute for Leadership and Governance
  2. National Institute of Local Government
  3. National International Learning Group
  4. National Institute of Learning Growth
সঠিক উত্তর:
National Institute of Local Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Institute of Local Government
ব্যাখ্যা
NILG:
- NILG এর পূর্ণরূপ: National Institute of Local Government.

- জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এনআইএলজি) বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সম্পৃক্ত মানব সম্পদের উন্নয়নে নিয়োজিত একটি স্বনামধন্য জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৯ সালের ১ জুলাই তৎকালীন East Pakistan Government Educational and Training Institutions Ordinance, 1961 অনুসারে স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এলজিআই) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এনআইএলজি)।
- প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এর স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত একমাত্র প্রশিক্ষণ ও গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান।
- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট আইন, ১৯৯২ দ্বারা পরিচালিত এবং এটি একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৫৭.
সংসদকে কার্যকর রাখার দায়িত্ব-
  1. ক) বিরোধী দলের
  2. খ) ক্ষমতাসীন দলের
  3. গ) স্বতন্ত্রপ্রার্থীর
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ের
ব্যাখ্যা
সংসদকে কার্যকর করার দায়িত্ব সরকার ও বিরোধী দল উভয়ের। বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল- দলীয় শাসন। প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধীদলকে। উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে- ছায়া মন্ত্রিসভা।
১,১৫৮.
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কত তারিখে প্রধানমন্ত্রীর পদ ত্যাগ করেন?
  1. ৪ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৫ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৬ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৭ আগস্ট, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা:
- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

⇒ ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেওয়া বিক্ষোভে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের ২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপন ৫ জুন, ২০২৪ হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করলে তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষের শুরু হয়।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে তাদের আন্দোলন শুরু হয়।
- ৪ অগাস্ট, ২০২৪ স্বাধীন বাংলাদেশে শতাধিক মানুষের প্রাণ ঝরলে ৫ আগস্ট, ২০২৪ ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসাবে লাখো ছাত্র-জনতা ঢাকায় আসেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- ২৮টি রাজনৈতিক দল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে।
- টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন ১০ জানুয়ারি, ২০২৪।

উৎস: ৬ অগাস্ট ২০২৪, BBC.
১,১৫৯.
জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয় কবে? 
  1. ২০ জানুয়ারি, ২০২৫
  2. ২২ জানুয়ারি, ২০২৫ 
  3. ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫
  4. ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৫ জানুয়ারি, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ জানুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬: 
- ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা প্রদান এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার।
- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬-এ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত হয়েছে।
- ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। 

- এই অধ্যাদেশ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে।
- সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ জারি করেন।
এই অধ্যাদেশটি ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং অন্য যেকোনো আইনের ওপর এটি প্রাধান্য পাবে।
- অধ্যাদেশে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে ‘গণঅভ্যুত্থানকারী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ ও ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার’-এর মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন। 

১,১৬০.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা কয়টি? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ২৬টি
  2. ২৭টি
  3. ২৮টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা

সিভিল সার্ভিস ক্যাডার:
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি।

তথ্যসূত্র - কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

১,১৬১.
'সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি' বাস্তবায়ন করছে কতটি মন্ত্রণালয়/বিভাগ?
  1. ক) ১৩টি
  2. খ) ১৬টি
  3. গ) ১৯টি
  4. ঘ) ২৫টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫টি
ব্যাখ্যা
- ২০১৫ সালে ‘জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল’ প্রণয়ন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত মোট ১২৬টি কার্যক্রম ২৫টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ বাস্তবায়ন করছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নিশ্চিত করেছে।
- সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি:
- বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম,
- বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুস্থ নারীদের জন্য ভাতা,
- অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের জন্য ভাতা,
- দরিদ্র মায়ের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা,
- অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী, পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও সম্মানী ভাতা,
- সরকারি শিশুপরিবার ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহে নিবাসীদের খোরাকি ভাতা,
- সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন,
- দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র কৃষক ও পোল্ট্রি খামারিদের সহায়তা তহবিল,
- স্বনির্ভর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, ইত্যাদি।

উৎস: প্রথম আলো প্রতিবেদন ও মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,১৬২.
প্রশাসনের অরাজনৈতিক অংশ কী নামে পরিচিত?
  1. জনতন্ত্র
  2. আমলাতন্ত্র 
  3. কর্মীতন্ত্র
  4. প্রশাসনতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
আমলাতন্ত্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলাতন্ত্র 
ব্যাখ্যা
• সরকার ব্যবস্থা:
- কেন্দ্রীয় প্রশাসন শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ আধার, যা উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক জনপ্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে।
- কেন্দ্রীয় প্রশাসন বাংলাদেশের স্তরভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তর।
- বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় কেন্দ্রীয় প্রশাসনের মূল অংশ।
- কেন্দ্রীয় প্রশাসনের দুটি অংশ। তা হল-রাজনৈতিক অংশ ও অরাজনৈতিক অংশ।
- অরাজনৈতিক অংশ আমলাতন্ত্র নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬৩.
জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনার জন্য সর্বনিম্ন কতজন সদস্য উপস্থিত থাকা প্রয়োজন?
  1. ৩০ জন
  2. ৫০ জন
  3. ৬০ জন
  4. ৬৫ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের আইনসভা:

- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০। 
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। 
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- এ সকল নির্বাচনী এলাকা থেকে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে একজন করে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন।
- নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যরা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর। 
- এর পূর্বেও রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- সংসদের একটি অধিবেশন সম্পন্ন হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে হয়।
- মোট সদস্য সংখ্যার মধ্যে কমপক্ষে ৬০ জন উপস্থিত থাকলে কোরাম হয় এবং সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করা যায়।
- প্রধানমন্ত্রী সাধারণত সংসদের নেতা
- আসনসংখ্যার দিক দিয়ে নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দলের প্রধান সংসদে বিরোধী দলের নেতাহিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,১৬৪.
বিভিন্ন প্রকল্প প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারক হলেন-
  1. মন্ত্রী
  2. সচিব
  3. বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় প্রশাসন:
- মন্ত্রণালয় হলো প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু।
- যে স্থানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়গুলো অবস্থিত তা সচিবালয় নামে পরিচিত।
- প্রতিটি মন্ত্রণালয় একজন মন্ত্রীর অধীনে ন্যস্ত।
- মন্ত্রীর প্রধান কাজ প্রকল্প প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণ।
- প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন সচিব।
- তিনি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে নীতি নির্ধারণে পরামর্শ প্রদান করেন।
- মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব সচিবের উপর ন্যস্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
১,১৬৫.
হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠন করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট:
- হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি।
- বর্তমানে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- দেশে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬৬.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয় -
  1. ১ নভেম্বর ২০০৭
  2. ১ সেপ্টেম্বর ২০০৭
  3. ১ আগস্ট ২০০৭
  4. ১ ডিসেম্বর ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর ২০০৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।

বিচার বিভাগ:

- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
        iii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
১,১৬৭.
দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন কে?
  1. ক) শেখ হাসিনা
  2. খ) জাফর আহমেদ
  3. গ) খালেদা জিয়া
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক (৪বার) প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ১৯৯৬ সালে প্রথম এবং ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে একনাগাড়ে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।
১,১৬৮.
মন্ত্রিসভার অন্যূন কত ভাগ সদস্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে নিযুক্ত হতে হবে?
  1. এক-চতুর্থাংশ
  2. এক-তৃতীয়াংশ
  3. নয়-দশমাংশ
  4. দুই-দশমাংশ
সঠিক উত্তর:
নয়-দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয়-দশমাংশ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী,
- মন্ত্রিসভার অন্যূন নয়-দশমাংশ (৯০%) সদস্যকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে নিযুক্ত হতে হবে।
- অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের মোট সংখ্যার অন্তত ৯০ শতাংশ অবশ্যই বর্তমান সংসদের নির্বাচিত সদস্য হতে হবে।
- বাকী অনধিক এক-দশমাংশ সদস্য সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে।
- এই বিধান গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত হন।
- একইসঙ্গে এটি নির্বাহী বিভাগের কার্যক্রমে সংসদের জবাবদিহিতা ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সহায়ক হয়। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১,১৬৯.
প্রতিমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী:

- রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ মন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৭০.
ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্স অনুযায়ী, স্পিকারের অবস্থান কততম?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা

জুলাই, ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত (সর্বশেষ সংশোধন) ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্স অনুযায়ী:

উল্লেখ্য:
১. রাষ্ট্রপতি।
২. প্রধানমন্ত্রী।
৩. সংসদের স্পিকার।
৪. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিগণ।
৫. কেবিনেট মন্ত্রিগণ; কেবিনেটের প্রধান হুইপ; সংসদের ডেপুটি স্পিকার; সংসদে বিরোধী দলের নেতা।
৬. কেবল পদমর্যাদা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সমমানের পদে থাকা ব্যক্তিরা।
৭. বিশেষ দূত ও কমনওয়েলথ দেশের হাইকমিশনারগণ, যারা বাংলাদেশে নিয়োগপ্রাপ্ত।
৮. প্রধান নির্বাচন কমিশনার; পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান; সংসদে বিরোধী দলের ডেপুটি নেতা; সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ (আপিল বিভাগ); রাষ্ট্রের রাজ্য মন্ত্রীগণ; হুইপ।

এছাড়াও,
- ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্সে মোট ২৫টি পদক্রম রয়েছে।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,১৭১.
অধিদপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন-
  1. ক) মহাপরিচালক
  2. খ) সচিব
  3. গ) পরিচালক
  4. ঘ) মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
ক) মহাপরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা
অধিদপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন মহাপরিচালক, দপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন পরিচালক, কোনো মন্ত্রণালয় বা তার বিভাগগুলোর প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলো- সচিব বা জ্যৈষ্ঠ সচিব এবং নির্বাহী প্রধান মন্ত্রী।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,১৭২.
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়: ৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- এই কমিশন মূলত বিভিন্ন সরকারি পদ ও চাকরি নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা ৷
- ৮ এপ্রিল সিভিল সার্ভিস দিবস হিসাবে পালিত হয় ৷
- বর্তমানে মোট ২৬ টি ক্যাডার রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি সাধারণ ও ১২টি পেশাগত/কারিগরি ক্যাডার।
- ১৯৭৭ সালের ২২ ডিসেম্বর এই কমিশনের নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

১,১৭৩.
কোন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাহাবুদ্দিন আহমদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা্র দায়িত্ব পালন করেন?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা

- ১৯৯০ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ছিলেন বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।
- তবে এটি সাংবিধানিক ভাবে স্বীকৃত ছিলো না।
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।
- এর ফলে ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন।

(সূত্র: আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)

১,১৭৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের উল্লেখ আছে?
  1. ৯১
  2. ৯৩
  3. ৯৬
  4. ৯৭
সঠিক উত্তর:
৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬
ব্যাখ্যা
বিচারপতি অপসারণ: সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ক্ষমতা ও দায়িত্ব

উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংক্রান্ত কাউন্সিল হচ্ছে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল’।
বাংলাদেশ সংবিধানের — ৯৬ অনুচ্ছেদের ৩ নম্বর দফায় বলা আছে,
"একটি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল থাকবে, যা এই অনুচ্ছেদে ‘কাউন্সিল’ বলে উল্লিখিত হবে এবং বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারকের মধ্যে পরবর্তী যে দুজন কর্মে প্রবীণ তাঁদের নিয়ে গঠিত হবে।"

গঠন:
• সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠিত হবে প্রধান বিচারপতি এবং পরবর্তী দুজন প্রবীণ বিচারপতি নিয়ে।
• যদি কোনো সদস্য অসামর্থ্য বা অনুপস্থিতির কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তাহলে পরবর্তী প্রবীণ বিচারক তার স্থলাভিষিক্ত হবেন।

দায়িত্ব:
• বিচারকদের জন্য আচরণবিধি প্রণয়ন এবং
• বিচারকগণের আচরণ ও সামর্থ্য সংক্রান্তে তদন্ত করা।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
১,১৭৫.
জেলা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১৫ জন
  2. ৫ জন
  3. ২০ জন
  4. ১২ জন
সঠিক উত্তর:
২০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ জন
ব্যাখ্যা

• জেলা পরিষদে:
- বাংলাদেশ সরকার ৬ জুলাই ২০০০ সালে 'জেলা পরিষদ আইন ২০০০' প্রবর্তন করে।
- আইনের বিধান অনুযায়ী খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা ও বান্দরবান পার্বত্য জেলাসমূহ ব্যতীত অন্য জেলায় জেলা পরিষদ গঠনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
 - একজন চেয়ারম্যান, পনেরো জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের পাঁচজন নারী সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত।
 - একটি জেলা পরিষদের মেয়াদ বা কার্যকাল থাকবে পাঁচ বছর। জেলা পরিষদ প্রধানত জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম, পাঠাগার ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা কর্তৃক গৃহীত প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,১৭৬.
পল্লী এলাকায় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কয় স্তর বিশিষ্ট?
  1. ১ স্তর
  2. ২ স্তর
  3. ৩ স্তর
  4. ৪ স্তর
সঠিক উত্তর:
৩ স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ স্তর
ব্যাখ্যা
সরকার ব্যবস্থা:
- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

পল্লী স্থানীয় সরকার:
- পল্লী এলাকায় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ৩ স্তর বিশিষ্ট।

- জেলা পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- ইউনিয়ন পরিষদ।
- জেলা পরিষদ এ তিনস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর।

শহরভিত্তিক স্থানীয় সরকার:
- সিটি কর্পোরেশন।
- পৌরসভা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৭৭.
মন্ত্রিসভার কত ভাগ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী রাখা যায়?
  1. ১ দশমাংশ
  2. ১ পঞ্চামাংশ
  3. ১ চতুর্থাংশ
  4. ১ তৃতীয়াংশ
সঠিক উত্তর:
১ দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ দশমাংশ
ব্যাখ্যা

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন।
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১৭৮.
মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে কার নিকট দায়ী থাকেন?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) জাতীয় সংসদ
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) সুপ্রিমকোর্ট
সঠিক উত্তর:
খ) জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
- তবে মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাধীন থাকে। মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ, দপ্তর বন্টন, নিয়োগ ও অব্যাহতি প্রভৃতি প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা দেশের প্রকৃত শাসক। প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশে রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগদান করে থাকেন।
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ জাতীয় সংসদের সদস্যদের থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে মন্ত্রিসভার এক-দশমাংশ সদস্য সাংসদ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যায়।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,১৭৯.
আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২৩ জুন ১৯৪৭
  2. খ) ২৩ জুন ১৯৪৮
  3. গ) ২৩ জুন ১৯৪৯
  4. ঘ) ২৩ জুলাই ১৯৪৯
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ জুন ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ জুন ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’ গঠিত হয়।
এর প্রথম কমিটিতে,
- সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫৩ সালে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬৬ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৫ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,১৮০.
কোন্ আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না?
  1. অর্থ ঋণ আদালত
  2. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল 
  3. সামরিক আদালত
  4. সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন
সঠিক উত্তর:
সামরিক আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক আদালত
ব্যাখ্যা

♦ বাংলাদেশে সামরিক আদালত:
- বাংলাদেশে সামরিক আদালত এর রায়ের বিরুদ্ধে সাধারণত কোনো সরাসরি আপিল করার সুযোগ নেই।
- বাংলাদেশ আর্মি এ্যাক্ট, ১৯৫২ এর ধারা ১৩৩ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো কোর্ট মার্শালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এই আইনের অধীনে যা দেওয়া আছে তা ছাড়া কোনো প্রতিকার নেই।
- এতে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কোনো প্রক্রিয়া বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আদালতে আপিল বা আবেদন করা যাবে না।
- এই বিধান সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা, দ্রুত বিচার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য রাখা হয়েছে।
- তবে আইনের মধ্যেই confirmation (নিশ্চিতকরণ) ও revision (পুনর্বিবেচনা) এর ব্যবস্থা রয়েছে।
- মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুসারে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা যেতে পারে।
- কিন্তু এটি কোনো আপিল নয়, বরং জুডিশিয়াল রিভিউ এর একটি সীমিত সুযোগ।
- এই ব্যবস্থা সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

♦ উল্লেখ্য:
- অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ অনুসারে এই আদালতের রায় বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল এ্যাক্ট, ১৯৭৩ এর ধারা ২১ অনুসারে ট্রাইবুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করা যায়।
- সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের রায়, আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করা যায়।




তথ্যসূত্র - সংবিধান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল এ্যাক্ট, ১৯৭৩ এবং আর্মি এ্যাক্ট-১৯৫২।

১,১৮১.
বাংলাদেশে বর্তমানে কয়টি পৌরসভা রয়েছে রয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৩৩০ টি
  2. ৩৩১টি
  3. ৩৫০টি
  4. ৩৫১টি
সঠিক উত্তর:
৩৩০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩০ টি
ব্যাখ্যা
• স্থানীয় সরকার বিভাগ:
- বাংলাদেশে বর্তমানে পৌরসভা রয়েছে ৩৩০টি।

উল্লেখ্য,
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।
- বিভাগ রয়েছে ৮টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৮২.
মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা কে?
  1. উপসচিব
  2. যুগ্ম সচিব
  3. সহকারি সচিব
  4. অতিরিক্ত সচিব
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সচিব
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় প্রশাসন:
- মন্ত্রণালয় হলো প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু।
- আর যে স্থানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়গুলো অবস্থিত তা সচিবালয় নামে পরিচিত।
- প্রতিটি মন্ত্রণালয় একজন মন্ত্রীর অধীনে ন্যস্ত।
- মন্ত্রীর প্রধান কাজ প্রকল্প প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণ
- প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন সচিব।
- অতিরিক্ত সচিব মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা। তিনি সচিবকে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করেন।
- কোনো মন্ত্রণালয়ে সচিব না থাকলে তিনি সচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,১৮৩.
আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন কোনটি?
  1. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
  2. রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে
  3. রংপুর সিটি কর্পোরেশন
  4. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন:
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের গাজীপুর জেলায় অবস্থিত স্থানীয় সরকার সংস্থা।
- এটি বাংলাদেশের একটি পৌর প্রশাসন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- গাজীপুর আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন।
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৩২৯.৫৩ বর্গকিলোমিটার।
- ৫৭ টি ওয়ার্ড নিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশন গঠিত।

 অন্যদিকে,
- রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৯৬.৭২ বর্গ কিমি।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ১৯৬.২২বর্গ কি.মি।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ১০৯.২৫১ বর্গ কি.মি।
- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ১৫৫.৪ বর্গ কিমি।
- কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৫৩.০৪ বর্গ কিমি।
- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৭২.৪৩ বর্গ কিমি।
- ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৯১.৩১৫ বর্গ কি.মি.।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৪৫ বর্গকিলোমিটার।
- সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৭৯.৫০ বর্গ কিমি।
- খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৪৫.৬৫ বর্গকিলোমিটার।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ২০৩.৬৩ বর্গকিলোমিটার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৮৪.
সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে কোন জেলায়?
  1. ময়মনসিংহ জেলা
  2. চট্টগ্রাম জেলা
  3. ঢাকা জেলা
  4. রাজশাহী জেলা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা জেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা জেলা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে।

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০টি আসন নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে ৩০০টি আসন সাধারণ নির্বাচন থেকে নির্বাচিত হয়।
- মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসন রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় মোট ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।  
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি এই তিন পার্বত্য জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- জাতীয় সংসদের সর্বশেষ ৩০০নং আসনটি বান্দরবান জেলার জন্য নির্ধারিত। 
- জাতীয় সংসদের ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- চট্টগ্রাম জেলায় মোট ১৬টি, রাজশাহী জেলায় ৬টি এবং কুমিল্লা জেলায় ১১টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৮৫.
গণতান্ত্রিক সরকারকে সঠিক পথে পরিচালিত করে -
  1. ক) জনমত
  2. খ) মন্ত্রিসভা
  3. গ) উপদেষ্টামণ্ডলী
  4. ঘ) রাজনৈতিক দল
সঠিক উত্তর:
ক) জনমত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জনমত
ব্যাখ্যা
জনমত ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি

- আধুনিক গণতন্ত্র হলো প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র।
- প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের প্রাণ হলো জনমত।
- সুষ্ঠু ও সচেতন জনমতের ওপর প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের সাফল্য নির্ভর করে।
- জনসম্মতির ভিত্তিতেই গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়।
- ক্ষমতা হারানোর ভয়ে সরকারি দল জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে বাধ্য হয়।
- গণতন্ত্রে সদাজাগ্রত জনমত সরকারের স্বেচ্ছাচার রোধ করে গণতন্ত্রের স্বরূপ বজায় রাখে।
- জনমত গণতান্ত্রিক সরকারকে সঠিক পথে পরিচালিত করে।
- জনমত সরকারকে গতিশীল হতে সাহায্য করে।
- জনমতের চাপে সরকার যুগোপযোগী, প্রগতিশীল ও জনকল্যাণের কর্মসূচি গ্রহণ করে।
- এভাবেই জনমতের চাপে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১,১৮৬.
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক কে?
  1. সেনাবাহিনী প্রধান
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি ।

সর্বাধিনায়কতা:

অনুচ্ছেদ ৬১। বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত হইবে এবং আইনের দ্বারা তাহার প্রয়োগ নিয়ন্ত্রিত হইবে

রাষ্ট্রপতি:
- শাসন বিভাগের কার্যক্রম মহামান্য রাষ্ট্রপতির নামে সম্পন্ন হয়।
- সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু থাকায় রাষ্ট্রপতি প্রকৃত অর্থে নামমাত্র শাসক।
- রাষ্ট্রের প্রকৃত প্রশাসনিক ক্ষমতা সরকার প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর উপর ন্যস্ত থাকে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসাবে রাষ্ট্রপতি সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের দ্বারা।
- এই সংসদই যে কোন বড় ধরনের ব্যর্থতার জন্য রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতি মূলতঃ অলঙ্কারিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।

উৎস: i) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮৭.
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কোনটি?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) শিবগঞ্জ
  4. ঘ) কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
ঘ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার, সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়, সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।
উৎসঃ কক্সবাজার জেলার ওয়েবসাইট।
১,১৮৮.
বিদেশি কূটনীতিকরা বাংলাদেশের কার নিকট তাদের পরিচয়পত্র পেশ করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. পররাষ্ট্রমন্ত্রী 
  4. প্রধান বিচারপতি 
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ :

• নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী নিয়োগ।
- শীর্ষ কর্মকর্তা (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগ।
- প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের নিয়োগ।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ (এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত)।

• সংসদ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত এবং ভেঙে দেওয়া (প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে)।
- সংসদে ভাষণ ও বাণী প্রদান।
- সংসদ কর্তৃক পাস হওয়া বিলে সম্মতি দিয়ে আইন কার্যকর করা।
- সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে অধ্যাদেশ জারি।

• বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা:
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ।
- আদালত বা ট্রাইব্যুনালের প্রদত্ত দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা।

• জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
- যুদ্ধ, বিদেশি আগ্রাসন বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের ক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা (প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতে)।

• অন্যান্য দায়িত্ব:
- জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব।
- খেতাব, পদক ও সম্মাননা প্রদান।
- নাগরিকদের বিদেশি উপাধি গ্রহণে অনুমতি প্রদান।
- রাষ্ট্রীয় চুক্তি ও দলিল সম্পাদন।
- বিদেশি কূটনীতিকদের পরিচয়পত্র গ্রহণ।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও বিচারপতিদের শপথ বাক্য পাঠ করানো।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি। 

১,১৮৯.
বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী সর্বপ্রথম কে অবস্থান করেন?
  1. স্পিকার
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

জুলাই, ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী:

উল্লেখ্য:
১. রাষ্ট্রপতি।
২. প্রধানমন্ত্রী।
৩. সংসদের স্পিকার।
৪. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিগণ।
৫. কেবিনেট মন্ত্রিগণ; কেবিনেটের প্রধান হুইপ; সংসদের ডেপুটি স্পিকার; সংসদে বিরোধী দলের নেতা।
৬. কেবল পদমর্যাদা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সমমানের পদে থাকা ব্যক্তিরা।
৭. বিশেষ দূত ও কমনওয়েলথ দেশের হাইকমিশনারগণ, যারা বাংলাদেশে নিয়োগপ্রাপ্ত।
৮. প্রধান নির্বাচন কমিশনার; পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান; সংসদে বিরোধী দলের ডেপুটি নেতা; সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ (আপিল বিভাগ); রাষ্ট্রের রাজ্য মন্ত্রীগণ; হুইপ।

এছাড়াও,
- ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্সে মোট ২৫টি পদক্রম রয়েছে।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,১৯০.
বাংলাদেশের গ্রাম অঞ্চলে কয় স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?
  1. দুই স্তর
  2. চার স্তর
  3. পাঁচ স্তর
  4. তিন স্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:

- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও
- গ্রামের জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

⇨ শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা-
- পৌরসভা এবং
- সিটি কর্পোরেশন।

⇨ গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা -
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

⇨ এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩টি জেলা নিয়ে আঞ্চলিক স্থানীয় প্রশাসন রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা। 
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ-
১. বান্দরবান পাহাড়ী জেলা পরিষদ,
২. রাঙ্গামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ,
৩. খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৯১.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ক) ৩৫ বছর
  2. খ) ২৫ বছর
  3. গ) ১৮ বছর
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৫ বছর
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর : ২৫ বছর। 

- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সদস্য হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হতে হয়। 
- সংবিধানের ৬৬(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ নির্বাচন করতে হলে ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর বয়স হতে হবে। 
- এছাড়া সরাসরি ভোটে নির্বাচিতদের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যের বয়স ১৮ বছর হতে হয়। 
- অন্যান্য সকলের বয়স হতে হয় ২৫ বছর।

উৎস : বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া। 
১,১৯২.
নিচের কোনটি গ্রামভিত্তিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্তর্গত?
  1. জেলা পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. গ্রাম পরিষদ
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও গ্রাম অঞ্চলের জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

⇨ শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- পৌরসভা এবং
- সিটি কর্পোরেশন।

⇨ গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৯৩.
আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা কোনটি?
  1. ক) নারায়ণগঞ্জ
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
খ) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা রাঙ্গামাটি এবং ক্ষুদ্রতম জেলা নারায়ণগঞ্জ। জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা ঢাকা এবং ক্ষুদ্রতম জেলা বান্দরবান।
উৎসঃ পঞ্চম আদমশুমারি।
১,১৯৪.
’তথ্য অধিকার আইন’ কত সালে পাস হয়?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা

• তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯।
- তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের নিমিত্ত বিধান করিবার লক্ষ্যে এ আইন প্রণীত হয়।
- আইনটি পাশ হয়- এপ্রিল ৬, ২০০৯।
-  এই আইন তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ নামে অভিহিত হইবে।
- এই আইনের -
(ক) ধারা ৮, ২৪ এবং ২৫ ব্যতিত অন্যান্য ধারা ২০ অক্টোবর, ২০০৮ তারিখে কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে; এবং
(খ) ৮, ২৪ এবং ২৫ ধারা ১লা জুলাই, ২০০৯ তারিখ হইতে কার্যকর হইবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,১৯৫.
শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান কে?
  1. চীফ হুইপ
  2. স্পিকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান।
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৯৬.
শাসন বিভাগের কয়টি অংশ?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
→ শাসন বিভাগের দুইটি অংশ।

• শাসন বিভাগ:

• সরকারের সর্ববৃহৎ বিভাগ হল শাসন বিভাগ।
- যা নির্বাহী বিভাগও বলা হয়।
- শাসন বিভাগ আইন প্রয়োগ ও আইনের আলোকে রাষ্ট্রের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- জনগণকে সেবা প্রদানের মূল দায়িত্বে থাকে শাসন বিভাগ।

• শাসন বিভাগের দুটি অংশ থাকে:

• একটি রাজনৈতিক অংশ
• অন্যটি অরাজনৈতিক অংশ।
- রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ শাসন বিভাগের রাজনৈতিক অংশ।
- রাজনৈতিক অংশ অস্থায়ী।
- তাঁরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচিত এবং নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন।
- আমলাগণ শাসন বিভাগের অরাজনৈতিক অংশ, স্থায়ী ও বেতনভূক্ত।
- শাসন বিভাগের ক্ষমতা বিভিন্ন ইউনিটে বিভক্ত থাকে।
- যা কেন্দ্রিয় ও মাঠ প্রশাসন হিসেবে পরিচিত।
- কেন্দ্রে থাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ।
- মাঠ প্রশাসনে জেলা-উপজেলা প্রশাসন সরকারি দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৯৭.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত কোনটি?
  1. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  2. অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল
  3. সুপ্রিম কোর্ট
  4. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট:
- সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রিম কোর্ট বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
- প্রধান বিচারপতি ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত নির্ধারিত সংখ্যক বিচারপতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- এসকল বিচারকবৃন্দ বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৯৮.
সর্বোচ্চ কত শতাংশ মন্ত্রী সংসদ সদস্য না হয়েও নিয়োগ পেতে পারেন?
  1. ৫%
  2. ৮%
  3. ১০%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা

- মন্ত্রিসভার কমপক্ষে নয়-দশমাংশ সদস্য সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের মধ্যে অন্তত ৯০% সংসদ সদস্য হতে হবে। অর্থাৎ, তাঁরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হবেন।
- বাকি সর্বোচ্চ ১০% মন্ত্রী হতে পারেন এমন ব্যক্তি, যাঁরা সরাসরি সংসদ সদস্য না হলেও সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১৯৯.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি দেশের কত তম বিচারপতি?(জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ২২তম 
  2. ২৩তম 
  3. ২৫তম 
  4. ২৬তম 
সঠিক উত্তর:
২৬তম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬তম 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (২৬তম)।

প্রধান বিচারপতি:
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।

• বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতিদের বয়স করা হয় ৬৭ বছর।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম।
- তিনি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি ছিলেন।

উৎস: সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

১,২০০.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা কে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ
  2. জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
  3. আদিলুর রহমান খান
  4. শেখ বশিরউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
শেখ বশিরউদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ বশিরউদ্দীন
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।

⇒ প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
- শেখ বশিরউদ্দীন: ১. বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২. বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, ৩. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। 

অন্যদিকে,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস: ১. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ২.  প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ৩.  সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, ৪.  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ৫. ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। 
- জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ: ১.অর্থ মন্ত্রণালয়, ২.  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
- আদিলুর রহমান খান: ১. শিল্প মন্ত্রণালয়, ২. গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
- জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান: ১. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, ২. সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, ৩.  রেলপথ মন্ত্রণালয়।

উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ওয়েবসাইট।