বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,৮৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা ১৫ / ১৯ · ১,৪০১১,৫০০ / ১,৮৩৫

১,৪০১.
বাংলাদেশে ‘গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থার প্রবক্তা কে ছিলেন? 
  1. জিয়াউর রহমান
  2. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
  3. তাজউদ্দিন আহমদ
  4. বিচারপতি আবদুস সাত্তার
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা

- গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থার প্রবক্তা ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।


• গ্রাম সরকার ব্যবস্থা: 
- লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান গঠন করেন গ্রাম সরকার।
- ব্রিটিশ চৌকিদার মডেলে গ্রাম পুলিশ গঠন করা হয়।   
- এজন্য তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন এবং তাদের নেতৃত্ব, সততা ও কর্মস্পৃহায় অনুপ্রাণিত হয়ে সিদ্ধান্ত নেন ‘স্বনির্ভর গ্রাম সরকার’ গঠনের।
- এই গ্রাম সরকার গঠনের মাধ্যমে জনগণ নিজেরাই তাদের সমস্যা নির্ধারণ, পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেত। এতে ১৪ জন সদস্য থাকতেন, এর মধ্যে ৬ জন নারী সদস্য থাকতেন।  
- ১৯৮২ সালে জেনারেল এরশাদ থানাগুলোকে উপজেলায় উন্নীত করে গঠন করেন উপজেলা পরিষদ।  


তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।

১,৪০২.
দেশের বর্তমান ২৬তম প্রধান বিচারপতি কে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. এ এফ এম আবদুর রহমান চৌধুরী
  3. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  4. হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
  5. শেখ আবদুর রশীদ
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

প্রধান বিচারপতি:
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি। প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ দেয়া হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর।
- দেশের বর্তমান ২৬তম প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- প্রজ্ঞাপনের তারিখ—২৩ ডিসেম্বর ২০২৫।
- প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফার ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম করেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। তিনি ১৯৮৫ সালে জজকোর্টে, ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হন। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হন। ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

অন্যদিকে,
- দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
- দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

উৎস: i) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,৪০৩.
জেলা প্রশাসনের প্রধান কে?
  1. কমিশনার
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার
  4. ইউএনও
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
ব্যাখ্যা
জেলা প্রশাসন:
- একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার দায়দায়িত্ব বর্তায় জেলা প্রশাসনের হাতে।
- একজন ডেপুটি কমিশনার জেলা প্রশাসনের প্রধান।
- ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক হল জেলা প্রশাসনের প্রাণ।

জেলা প্রশাসনের কার্যাবলি:
জেলার প্রধান হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যসমূহ নিম্নরূপ:
- প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ
- আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজ
- রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ
- উন্নয়নমূলক কাজ
- সমন্বয় সংক্রান্ত কাজ
- স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ
- বিচারিক কাজ

উল্লেখ্য,
- কমিশনার বিভাগীয় প্রশাসনের প্রধান।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) উপজেলা প্রশাসনের প্রধান।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪০৪.
জাতীয় শ্রমনীতি ঘোষণা করা হয় কত সালে?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২:
- বাংলাদেশে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার সুরক্ষা, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সরকার ২০১২ সালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় "জাতীয় শ্রমনীতি" ঘোষণা করে।

• এ নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল:
- শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন অনুযায়ী আইন ও নীতি প্রণয়ন।
- নারী শ্রমিক ও শিশুশ্রম বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান।
- পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (Occupational Safety and Health) নিশ্চিত করা।
- শ্রমিকদের জন্য প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা।
- এর আগে বাংলাদেশে শ্রম সংক্রান্ত নানা আইন থাকলেও একটি একক ও সমন্বিত জাতীয় শ্রমনীতি ছিল না। ফলে ২০১২ সালের এই নীতি শ্রমক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২।

১,৪০৫.
বর্তমানে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. পৌরসভা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান: 
- ১৮৭০ সালে বাংলার গ্রাম পর্যায়ে ঔপনিবেশিক শাসকদের দ্বারা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান চালু করা হয় তাদের প্রশাসনিক  নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে ।
- ১৮৮৫ সালে  ইউনিয়ন  কমিটিগুলি গ্রাম  পর্যায়ে, উপ-বিভাগীয়  স্তরে স্থানীয় বোর্ড এবং  জেলা স্তরে জেলা বোর্ড Bengal Local Self Government Act আইনের অধীনে  গঠিত হয়।  
- স্থানীয়  সংস্থাগুলির কোনও স্বায়ত্তশাসন ছিল না, যদিও পাকিস্তানি যুগে স্থানীয়   সরকার প্রতিষ্ঠানগুলির নাম পরিবর্তন করা হতো, তবে তাদের স্বায়ত্তশাসন খুব সামান্যই বৃদ্ধি পেত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপর তিনটি স্তরে  স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার এবং নারী সদস্যদের জন্য বিধি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- থানা পর্যায়ে নির্বাচিত স্থানীয়  সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৮২ সালে উপজেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরু থেকেই স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলিকে তাদের এলাকার মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও অবকাঠামো উন্নয়ন এবং তাদের রক্ষণাবেক্ষণ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ইত্যাদি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া  হয়েছিল।
- যদিও তাদের নিজস্ব আয়ের উৎস ছিল, তবুও তাদের কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য  তারা প্রধানত  সরকার থেকে প্রদত্ত  বিভিন্ন অনুদানের উপর নির্ভরশীল ছিল ।
- বর্তমানে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১,৪০৬.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোনটি?
  1. পঞ্চগড়-১
  2. সিলেট-১
  3. ঢাকা-১
  4. কক্সবাজার-১
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা: ৩৫০টি।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন: ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন সংখ্যা: ৩টি।
• বান্দরবান।
• রাঙ্গামাটি।
• খাগড়াছড়ি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যেক জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। 

- জাতীয় সংসদের ১ নং আসন: পঞ্চগড়-১।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন: বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪০৭.
বাংলাদেশের একমাত্র পুলিশ একাডেমিটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ক) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী পুলিশ অফিসারদের প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান। এটি রাজশাহী শহর থেকে ২০ মাইল দূরে পদ্মা নদীর পূর্ব পাড়ে সারদায় অবস্থিত। [সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন]
১,৪০৮.
বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ হল-
  1. ক) সমন্বিত গোষ্ঠী
  2. খ) রাজনৈতিক গোষ্ঠী
  3. গ) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠী
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক চাপসৃষ্টিকারি গোষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
ঘ) আন্তর্জাতিক চাপসৃষ্টিকারি গোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আন্তর্জাতিক চাপসৃষ্টিকারি গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
কোনো বিশিষ্ট লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করার জন্য কাজ করে এমন গোষ্ঠীকে বলা হয় চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অ-রাষ্ট্রীয় সংগঠনগুলো চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে ভূমিকা পালন করে। যেমন- আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংক ইত্যাদি। আবার সুশীল সমাজও কাজ করে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে। চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হলো গোষ্ঠীস্বার্থ উদ্ধার। [সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক]
১,৪০৯.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কে?
  1. জনাব আ, ক, ম, মোজাম্মেল হক
  2. ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী
  3. নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন
  4. শামসুল হক টুকু
সঠিক উত্তর:
শামসুল হক টুকু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুল হক টুকু
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ:
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু।
- মো. শামসুল হক টুকু এমপি একাদশের পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনেই তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী: জনাব আ, ক, ম, মোজাম্মেল হক।
- শিল্প মন্ত্রী: জনাব নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১,৪১০.
পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিষ্ঠানের প্রধান -
  1. ক) জাতীয় পর্যটন পরিষদ
  2. খ) প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি
  3. গ) জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর  -  উপরের সবগুলো। 

পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যেসকল প্রতিষ্ঠানের প্ৰধান:-
- ECNEC, NEC, BEZA, BEPZA।
- জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ।
- জাতীয় পর্যটন পরিষদ। 
- জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি।
- রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ।
- প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন ।
১,৪১১.
আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ কোনটি?
  1. সিলেট
  2. বরিশাল
  3. রাজশাহী
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• বিভাগ:
- বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ - ময়মনসিংহ।
- এর আয়তন ১০,৫৫২ বর্গ কিমি ।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ চট্টগ্রাম ৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি ।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় বিভাগ ঢাকা এবং সবচেয়ে ছোট বরিশাল বিভাগ।
- সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৩টি।
- সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
১,৪১২.
The chairman of 'Planning Commission' is -
  1. ক) President
  2. খ) Prime Minister
  3. গ) Planning Minister
  4. ঘ) Finance Ministere
সঠিক উত্তর:
খ) Prime Minister
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Prime Minister
ব্যাখ্যা
• পদাধিকারবলে পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

• পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী। 
- ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,৪১৩.
বাংলাদেশে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা কে প্রয়োগ করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

⇒ প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রযুক্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান।
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪১৪.
বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রীর নাম কী?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমদ
  3. গ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. ঘ) খন্দকার মোশতাক
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। তাজউদ্দিন আহমেদ প্রথম প্রধানমন্ত্রী। সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুজিবনগর সরকার তথা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। খন্দকার মোশতাক আহমেদ ছিলেন মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৪১৫.
কেন্দ্রিয় প্রশাসনের অতিগুরুত্বপূর্ণ কাঠামো কোনটি?
  1. দপ্তর
  2. সচিবালয়
  3. অধিদপ্তর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রিয় প্রশাসন:
- কেন্দ্রিয় প্রশাসনের অতিগুরুত্বপূর্ণ কাঠামোর নাম সচিবালয়।
- প্রশাসনিক সংগঠনের পদসোপানে সচিবালয়ের স্থান সর্বোচ্চ।
- সচিবালয় মন্ত্রীকে তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ ও পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রণালয়ের কাজকে এগিয়ে নিয়ে থাকে।
- এছাড়া মন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ, সংসদে তা উত্থাপন ও বক্তব্য প্রস্তুত করতে সহযোগিতা প্রদানসহ নানাবিধ প্রশাসনিক কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
- সচিবালয় মন্ত্রণালয় চালনার অন্যতম প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেব কাজ করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১৬.
সংসদে বেসরকারি বিল উত্থাপন করেন কারা?
  1. ক) বিরোধী দলীয় সদস্যবৃন্দ
  2. খ) সংসদ সদস্যবৃন্দ
  3. গ) টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীবর্গ
  4. ঘ) সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যবৃন্দ
সঠিক উত্তর:
খ) সংসদ সদস্যবৃন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংসদ সদস্যবৃন্দ
ব্যাখ্যা
- আইনের খসড়া বা আইনের পাশের জন্যে সংসদে উত্থাপিত প্রস্তাবকে বিল বলে।
- মন্ত্রীগণ উত্থাপিত বিলকে সরকারি বিল এবং মন্ত্রী ব্যতীত সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিলকে বেসরকারি বিল বলে। বিল পাশ হলে তা আইনে পরিণত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১,৪১৭.
ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য কতজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়। 
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪১৮.
কোন শব্দ থেকে 'Democracy' শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে?
  1. গ্রিক শব্দ
  2. রোমান শব্দ
  3. তুর্কি শব্দ
  4. ল্যাটিন শব্দ
সঠিক উত্তর:
গ্রিক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিক শব্দ
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্র:
- আধুনিক যুগে বিশ্ববাসীর নিকট সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য শাসন ব্যবস্থা হল গণতন্ত্র।
- বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা বিশ্বে অধিকাংশ দেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে থাকে।
- এ শতাব্দীর শেষ দশকে এসে গণতন্ত্র সারা দুনিয়াতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী শাসন ব্যবস্থায় পরিণত হয়।

গণতন্ত্রের সংজ্ঞা:
- গণতন্ত্র বলতে জনগণের শাসনকে বুঝায়।
- গণতন্ত্র বা Democracy শব্দটি গ্রিক শব্দ 'Demos' এবং 'Kratia' শব্দদ্বয় থেকে উদ্ভূত হয়েছে।
- Demos শব্দের অর্থ জনগণ এবং Kratia শব্দের অর্থ শাসন বা ক্ষমতা।
- সুতরাং শব্দগত বা উৎপত্তিগত অর্থে গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের শাসন বা ক্ষমতা।
- সাধারণভাবে গণতন্ত্র হচ্ছে এমন এক ধরনের সরকার ব্যবস্থা যেখানে শাসন ক্ষমতা রাষ্ট্রের জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকে।
- লর্ড ব্রাইস (Lord Bryce) তাঁর 'মডার্ণ ডেমোক্র্যাসি' গ্রন্থে গণতন্ত্র সম্পর্কে বলেন, 'গণতন্ত্র হল এমন এক ধরণের সরকার যাতে রাষ্ট্রের শাসন ক্ষমতা আইনগতভাবে কোন বিশেষ শ্রেণি বা শ্রেণি - মানুষের হাতে না থেকে সমাজের নাগরিকদের হাতে থাকে'।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১৯.
বাংলাদেশের কোন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের — সপ্তম জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়।

• জাতীয় সংসদ:
- ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে।
- এ সপ্তম জাতীয় সংসদে সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে সংসদ সদস্যগণ প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং তিনি তার জবাব দেন।
- প্রথম দিকে এ প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য সময় বরাদ্দ ছিল ১৫ মিনিট।
- পরে তা বাড়িয়ে ৩০ মিনিট করা হয়।
- সরকারি দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট এবং বিরোধী দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট ধার্য করা হয় ।

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
১,৪২০.
‘নির্ণায়ক ভোট’ প্রদান করেন কে?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) চীফ হুইপ
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
গ) স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্পিকার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের কোন প্রস্তাবে বা সিদ্ধান্তে সভাপতি হিসেবে স্পিকার প্রদত্ত ভোটকে ‘নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট’ বলে।
তবে স্পিকার সবক্ষেত্রে তার ভোটাধিকার প্রদান করতে পারে না। কোন প্রস্তাব পাশের ক্ষেত্রে যখন প্রস্তাবের পক্ষে ও বিপক্ষে সমান সংখ্যক ভোট পড়ে, কেবল সেক্ষেত্রেই স্পিকার ‘নির্ণায়ক ভোট’ প্রয়োগ করতে পারেন।
(সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১,৪২১.
বাংলাদেশে শহরের জন্য কয় স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে?
  1. ১ স্তর
  2. ২ স্তর 
  3. ৩ স্তর
  4. ৪ স্তর
সঠিক উত্তর:
২ স্তর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ স্তর 
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসন:
- স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় জনগণের ভোটে নির্বাচিত স্বশাসনের অধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে থাকে।
- স্থানীয় সরকারের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য থাকার কথা বলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে স্বায়ত্বশাসন।
- সুতরাং স্থানীয় সরকার বলতে মূলত স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকেই বোঝানো হয়।

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।
- শহুরে স্থানীয় সরকার: সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।
- পল্লী স্থানীয় সরকার: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪২২.
কাকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করতে হয়?
  1. টেকনোক্রেট মন্ত্রীকে
  2. স্পীকারকে
  3. প্রধানমন্ত্রীকে
  4. রাষ্ট্রপতিকে
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতিকে
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।
- রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে, রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল ব্যক্তির উপর অগ্রাধিকার দেবেন এবং এই সংবিধান এবং অন্য কোন আইন দ্বারা তার উপর অর্পিত ও আরোপিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং দায়িত্ব পালন করবেন।
- কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদ বেশি রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হবেন না, পদ পরপর থাকুক বা না থাকুক।
- রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য হতে পারবেন না, এবং যদি সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন, তবে তিনি যেদিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে তার পদে প্রবেশ করবেন সেদিন সংসদে তার আসন খালি করবেন।
- কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি তার বয়স পঁয়ত্রিশ বছরের কম হয়, সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন।
- সংবিধানের অধীনে অভিশংসন এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয়ে থাকে। (অনুচ্ছেদ-৫২)
- রাষ্ট্রপতি আইনসভার সদস্য নন এবং আইন সভার নিকট দায়িত্বশীলও নন। কেবলমাত্র শাসনতন্ত্রের লঙ্ঘন, গুরুতর অসদাচরণের দায়ে কিংবা শারীরিক বা মানসিক অসামর্থের কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত (impeached) করা যায়।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪২৩.
বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের (২০২৪) প্রধান উপদেষ্টা কে?
  1. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  2. ড. আসিফ নজরুল
  3. মো. তওফিক মাহবুব চৌধুরী
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
- অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার সহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
- ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট  বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে।

সূত্র- জনপ্রশাসন মন্ত্রাণালয়। 
১,৪২৪.
রাষ্ট্রের মুখ্য উপাদান কোনটি?
  1. জনসমষ্টি
  2. ভূখণ্ড
  3. সার্বভৌমত্ব
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রের উপাদান :
- রাষ্ট্রের চারটি 

• জনসমষ্টি :
-রাষ্ট্রের প্রাথমিক উপাদান হচ্ছে জনসমষ্টি।
- জনসমষ্টি বলতে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত জনগণকে বোঝায়। রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসমষ্টি একান্ত অপরিহার্য। 

• নির্দিষ্ট ভূখণ্ড :
- নির্দিষ্ট ভূখণ্ড হচ্ছে রাষ্ট্রের অপরিহার্য দ্বিতীয় উপাদান।
- প্রত্যেক রাষ্ট্রই একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখা দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- ভূখন্ড বলতে স্থলভাগ, সমুদ্রসীমা, আকাশসীমাও বোঝায়।
- রাষ্ট্রের জনগণের বসবাসের জন্য নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ আবশ্যক। 

• সরকার :
- রাষ্ট্রের অপরিহার্য তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার।
- সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখন্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে- আইনবিভাগ, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগ।
- এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়।

• সার্বভৌমত্ব:
- রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান সার্বভৌমত্ব বা সার্বভৌমিকতা।
- সার্বভৌম শব্দ দ্বারা চরম ও চূড়ান্ত ক্ষমতাকে বোঝায়।
- সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রের গঠন পূর্ণতা পায়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৪২৫.
বাংলাদেশে স্থানীয় শাসন অর্ডিন্যান্স জারি হয় -
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৪ সালে
  3. গ) ১৯৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালুর জন্য ১৯৭৬ সালের স্থানীয় শাসন অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়।
- উপজেলা পরিষদ স্থানীয় সরকারের একটি স্তর।
- বাংলাদেশে গ্রামাঞ্চলে তিন স্তর বিশিষ্ট (ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ )।
-  শহরাঞ্চলে ২ স্তরের (পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন)

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
১,৪২৬.
দুদক কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) স্বাধীন ও নিরপেক্ষ
  2. খ) সাংবিধানিক
  3. গ) স্বায়ত্তশাসিত
  4. ঘ) সরকারি
সঠিক উত্তর:
ক) স্বাধীন ও নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্বাধীন ও নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুসারে, দুদক একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান
- ২০০৪ সালের ৯ই মে থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন কার্যকর হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি মহামাণ্য রাষ্ট্রপতি এ আইনে সম্মতি প্রদান করেন। 
- দুর্নীতি দমন কমিশন ২০০৭ সালের ২৯শে মার্চ উক্ত আইনের ৩৪ - এ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদনক্রমে দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা - ২০০৭ এর প্রজ্ঞাপন জারি করে।
 
উৎস: দুদক ওয়েবসাইট, ti-bangladesh.org
১,৪২৭.
কোনটি বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. পৌরসভা
  2. ডিসি অফিস
  3. সিটি কর্পোরেশন
  4. পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি
সঠিক উত্তর:
ডিসি অফিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিসি অফিস
ব্যাখ্যা
• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন:
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।

• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
ক. আইনগত ভিত্তি,
খ. নির্বাচিত সংস্থা,
গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ,
ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের ক্ষমতা,
ঙ. পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন,
চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি।
এটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা সরকার পরিচালনা পদ্ধতির পরিশীলিত রূপ।

• বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ,
- পৌরসভা,
- সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৪২৮.
Sustainable and Renewable Energy Development Authority (SREDA) is formed in -
  1. ক) 2012
  2. খ) 2013
  3. গ) 2014
  4. ঘ) 2015
সঠিক উত্তর:
ক) 2012
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 2012
ব্যাখ্যা
Sustainable and Renewable Energy Development Authority (SREDA): বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণ, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি হ্রাস এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরশীলতা ক্রমান্বয়ে হ্রাস করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পখাতে জ্বালানি সাশ্রয়, সংরক্ষণ ও দক্ষ ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানির অপচয় রোধকল্পে ২০১২ সালে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) গঠিত হয়। অতঃপর ২০১৪ সালের ২২শে মে স্রেডার কার্যক্রম শুরু করা হয়।

» রূপকল্প (Vision): টেকসই জ্বালানি উন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে একটি জ্বালানি সচেতন সমাজ গঠন।

» অভিলক্ষ্য (Mission): জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়ন-প্রসার, জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার ও উন্নয়ন, জ্বালানি সাশ্রয়ী যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণ এবং নতুন সম্ভাবনাময় টেকসই জ্বালানির ক্রমাগত অনুসন্ধান।

সূত্র: SREDA এর ওয়েবসাইট। 
১,৪২৯.
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা বাংলাদেশে কার কর্তৃক প্রযুক্ত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. চিফ হুইপ
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

⇒ প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রযুক্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান।
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৩০.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. আইন মন্ত্রী
  4. এটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
এটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে এটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন এটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- এটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত এটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ এটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• এটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• এটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে এটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১,৪৩১.
রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিবেশন আহ্‌বান করেন সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ৭০
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ৭১
  3. গ) অনুচ্ছেদ - ৭২
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ৭৩
  5. ঙ) অনুচ্ছেদ - ৭৬
সঠিক উত্তর:
গ) অনুচ্ছেদ - ৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনুচ্ছেদ - ৭২
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ৭২ঃ সংসদের অধিবেশন
(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহ্বানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
[তবে শর্ত থাকে2[১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে]যে, সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।]
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।
১,৪৩২.
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান কে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
  2. ড. ইফতেখারুজ্জামান
  3. সফর রাজ হোসেন
  4. অধ্যাপক আলী রিয়াজ
সঠিক উত্তর:
আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন:
- ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর আট সদস্যের জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়।
- পরে কমিশনের সদস্যসংখ্যা আরও তিনজন বাড়ানো হয়।
- এ কমিশনের প্রধান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।
- জনমুখী, জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন ব্যবস্থা করে তুলতে এ কমিশন গঠন করা হয়।
- ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১২টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।
 
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কমিশনের নাম ও প্রধান কমিশনার -
• নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন- ড. বদিউল আলম মজুমদার; 
• পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন- সফর রাজ হোসেন; 
• বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন- বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান; 
• দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন- ড. ইফতেখারুজ্জামান; 
• সংবিধান সংস্কার কমিশন- অধ্যাপক আলী রিয়াজ।

তথ্যসূত্র: বিবিসি প্রতিবেদন।
১,৪৩৩.
বাংলাদেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় -
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে।

ঔষধ শিল্প:

- দেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের নীতিতে দেশি ওষুধশিল্পের বিকাশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- এই নীতির কারণে দেশে সহজ প্রযুক্তির ওষুধ আসা শুরু হয়।
- তালিকা করে দেড় হাজারের বেশি ওষুধ দেশে নিষিদ্ধ করা হয়।
- বলা হয়েছিল, যেসব ওষুধ দেশি কোম্পানিগুলো তৈরি করতে পারে সেসব ওষুধ আমদানি করা যাবে না।
- এগুলো ছিল ওষুধশিল্প পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পেছনের কারণ।
- বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়। 

এছাড়াও,
- বর্তমানে দেশে ২১৩ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আছে।
- এ শিল্পে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ।
- বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে প্রায় ১৫০ দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
- এ খাত থেকে গত অর্থবছরে ১৭ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার আয় হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।

উৎস: i) এপ্রিল ২৭, ২০২৪, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
       ii) ১৬ জুন ২০২১, প্রথম আলো।
১,৪৩৪.
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর পূর্ব নাম ছিল -
  1. প্রশাসন মন্ত্রণালয়
  2. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

→ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর পূর্ব নাম ছিল সংস্থাপন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:

- ১৯৮২ সালে Martial Law Committee on Reorganizational Set-up সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর/পরিদপ্তরসহ সকল স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- রূপকল্প:- দক্ষ ও কার্যকর জনপ্রশাসন।
- অভিলক্ষ্য:- প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি দক্ষ, সেবামুখী, কল্যাণধর্মী ও দায়বদ্ধ জনপ্রশাসন গড়ে তোলা।

তথ্যসূত্র - জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,৪৩৫.
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারিকৃত আইনকে বলা হয় -
  1. আইন
  2. অধ্যাদেশ বিল
  3. অধ্যাদেশ
  4. উপ- অধ্যাদেশ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাদেশ
ব্যাখ্যা
অধ্যাদেশ:
- রাষ্ট্রপতির জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- অধ্যাদেশে কোন নির্দিষ্ট তারিখের উল্লেখ না থাকলে রাষ্ট্রপতি যে তারিখে স্বাক্ষর করেন তখন থেকে অধ্যাদেশ কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য, 
- রাষ্ট্রপতি কোন বিল পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করলে তা পুনরায় রাষ্ট্রপতির নিকট সম্মতির জন্যে প্রেরিত হলে তাতে রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়।
- অন্যথায় তিনি স্বাক্ষর বা সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর উক্ত বিল আইনে পরিণত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ,প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৪৩৬.
বাংলাদেশে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে ছিলেন?
  1. ক) লতিফুর রহমান
  2. খ) শাহাবুদ্দিন আহম্মদ
  3. গ) হাবিবুর রহমান
  4. ঘ) ইয়াজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
খ) শাহাবুদ্দিন আহম্মদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাহাবুদ্দিন আহম্মদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনেক কারণে গুরুত্বপূর্ণ। 
- তীব্র গণআন্দোলনের মুখে এরশাদ সরকারের পতন হয়। 
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর নিকট উপ-রাষ্ট্রপতি মওদুদ আহমেদ পদত্যাগ করেন।
- তাঁর স্থলে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে উপ-রাষ্ট্রপতি পদে নিয়োগ করা হয়। 
- উপ-রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ এর নিকট রাষ্ট্রপতি এরশাদ পদত্যাগ করেন। 
- এরশাদ এর পদত্যাগের পর উপ-রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। -  তিন জোট কর্তৃক প্রস্তাবিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহম্মদ রাষ্ট্রপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন।

- সেই অনুসারে, বাংলাদেশে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হলেন বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহম্মদ। 
 
১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহিত হয়। এর অধীনে ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান।
বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে গঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হলেন বিচারপতি হাবিবুর রহমান। 
 
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাপিডিয়া।
১,৪৩৭.
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে? (ফেব্রুয়ারি -২০২৬)
  1. কাজী হাবিবুল আউয়াল
  2. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  3. বেগম তাহমিদা আহমদ
  4. আব্দুর রহমানেল মাছউদ
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন
- তিনি ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে সুপরিচিত। 

উল্লেখ্য,
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ১৯৫৩ সালের ১ জুলাই কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
- ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন এবং একই বিষয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। 

- এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ১৯৭৯ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিসিএস (কর) ক্যাডারে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন।
- বর্ণাঢ্য চাকুরি জীবনে তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তিনি ২০১০ সালের জুলাই মাসে সরকারি চাকরি হতে অবসর গ্রহণ করেন। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪৩৮.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৪ সালের ১৯ নভেম্বর
  2. ১৯৯৬ সালের ১৯ আগস্ট
  3. ১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর
  4. ১৯৯৭ সালের ১৯ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ:
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা করা হয় ১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর। 
- এই মামলাটি করেন তৎকালীন সাব জজ মাজদার হোসেন । 
- এই মামলাটি মাজদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ নামে পরিচিত। 
- মামলাটির বিচারক ছিলেন বিচারপতি মোস্তফা কামাল । 
- ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের লক্ষ্যে ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৭ জারি করে (২০০৯ সালে আইনে পরিণত)। 


সূত্র-Ministry of Finance Vs. Md. Masdar Hossain and others case.
১,৪৩৯.
The first parliamentary election in Bangladesh was held in-
  1. 1972
  2. 1973
  3. 1975
  4. 1976
সঠিক উত্তর:
1973
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1973
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- সে সময় ৩০০ আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়।
- সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ১৫টি।
- বিচারপতি এম ইদ্রিস কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করা হয়।
- নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি তে জয়লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু সে সময় ঢাকা-১২ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন।
- প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন মুহম্মদুল্লাহ।
- ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন বায়তুল্লাহ।
- পরে মুহম্মদুল্লাহ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে আবদুল মালেক উকিল স্পিকার নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৪০.
বিচার বিভাগের অংশ নয়-
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. আপিল বিভাগ
  3. জাতীয় সংসদ
  4. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদ, আইন বিভাগের অংশ।
---------------------------------
• বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:
• নির্বাহী বিভাগ: – 
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

• আইন বিভাগ: – 
- আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের দায়িত্বে। সাধারণত জাতীয় সংসদই এ কাজ করে।

• বিচার বিভাগ: – 
- ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে; সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৪৪১.
প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বাইরে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত কোন কাজ এককভাবে করতে পারেন?
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ
  2. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  3. অডিটর জেনারেল নিয়োগ
  4. পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বাইরে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত প্রধান বিচারপতি নিয়োগ এককভাবে করতে পারেন।

রাষ্ট্রপতি:

- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

⇒ বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

⇒ প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগ অংশে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা আছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৪৪২.
নূন্যতম কতজন সদস্য উপস্থিত না থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন?
  1. ৩০ জন
  2. ৪৫ জন
  3. ৬০ জন
  4. ৯০ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৪৪৩.
নীতি নির্ধারণ পরিচালনা করে সরকারের কোন বিভাগ ?
  1. আইন বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
নীতিনির্ধারণ ও সরকারের নির্বাহী বিভাগ:
নীতিনির্ধারণ বলতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বিভিন্ন আইন, বিধি এবং কার্যক্রমের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের কৌশল বোঝায়। এটি রাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে এবং ন্যায়নীতি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার একটি অপরিহার্য অংশ।

নির্বাহী বিভাগ:
- সরকারের নির্বাহী বিভাগ হলো সেই শাখা, যা দেশের আইনসমূহ কার্যকর করার দায়িত্ব পালন করে।
- তারা নীতিনির্ধারণ কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং নীতিগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে।

নির্বাহী বিভাগের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা:
- রাষ্ট্রের সাধারণ প্রয়োজন ও লক্ষ্য বুঝে পরিকল্পনা করা।
- মন্ত্রিসভার অধীনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো নীতির খসড়া তৈরি করে।
- মন্ত্রিসভা এবং প্রয়োজনে সংসদ এই নীতিগুলোর পর্যালোচনা ও অনুমোদন করে।
- প্রশাসনিক সংস্থা, বিভাগ, এবং মন্ত্রণালয়গুলো প্রণীত নীতির কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে।
- বাস্তবায়িত নীতির কার্যকারিতা মূল্যায়ন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক।
১,৪৪৪.
স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. সৈয়দ মনসুর আলী
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. তাজউদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন - শেখ মুজিবুর রহমান।
- সংসদ নেতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শাসক দলের নেতা, যিনি জাতীয় সংসদে সরকারের কার্যক্রম নির্ধারন ও পরিচালনার জন্য দায়ী থাকেন।
- সংসদ নেতা সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন।
- বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংসদ নেতার কার্যালয় অবস্থিত।
- বর্তমান সংসদ নেতা হলেন শেখ হাসিনা।

সূত্র:- সংসদ সচিবালয় ও আওয়ামী লীগ ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন।
১,৪৪৫.
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় অবস্থিত-
  1. ক) খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা
  2. খ) রাঙামাটি পার্বত্য জেলা
  3. গ) বান্দরবান পার্বত্য জেলা
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
খ) রাঙামাটি পার্বত্য জেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাঙামাটি পার্বত্য জেলা
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড
- প্রধান কার্যালয়: রাঙ্গামাটি।

ভিশন:
উন্নত সমৃদ্ধ পার্বত্য চট্টগ্রাম।

মিশন:
প্রকল্প ও প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে যোগাযোগ, শিক্ষা, কৃষি ও সেচ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, সামাজিক কল্যাণ ও সমন্বিত সম্প্রদায়ের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের উন্নয়ন ও প্রচার।

সূত্র: http://www.chtdb.gov.bd
 
১,৪৪৬.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) কোন মন্ত্রণালের অধীন?
  1. ক) গণপূর্ত বিভাগ
  2. খ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  3. গ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
গ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে পল্লী উন্নয়ন বিষয়ে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও প্রায়োগিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে কুমিল্লা জেলার কোর্টবাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আখতার হামিদ খান।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির কার্যক্রম একটি বোর্ড অব গভর্নর্স কর্তৃক পরিচালিত হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এ বোর্ডের চেয়ারম্যান।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১,৪৪৭.
‘Amnesty International’ কি ধরণের সংস্থা?
  1. ক) দুর্নীতি দমন সম্পর্কিত
  2. খ) মানবাধিকার সম্পর্কিত
  3. গ) আইন সম্পর্কিত
  4. ঘ) সুশাসন সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
খ) মানবাধিকার সম্পর্কিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মানবাধিকার সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল (ইংরেজি: Amnesty International) একটি মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবাধিকার বিষয়ের উত্তরণ ও মর্যাদা রক্ষায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত সার্বজনীন মানব অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নে সংস্থাটি একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থাটি ১৯৬১ সালে যুক্তরাজ্যে স্থাপিত হয়। এর সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠাতা: পিটার বেনেনসন। সংস্থাটিকে ১৯৭৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার এবং ১৯৭৮ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার পুরস্কার দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ Amnesty International এর ওয়েব সাইট)
১,৪৪৮.
সুনাগরিকের কমপক্ষে কয়টি গুণ থাকা বাঞ্চনীয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সুনাগরিক:
- সুনাগরিকের কমপক্ষে ৩টি গুণ থাকা বাঞ্চনীয়। যথা:
(১) বুদ্ধি।
(২) আত্মসংযম।
(৩) বিবেক থাকে।

বুদ্ধি (Intelligence):
- বুদ্ধিমান নাগরিক রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য। এটি সুনাগরিকের প্রথম ও প্রধান গুন। নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকেরই রাষ্ট্রের প্রতি অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। আধুনিক রাষ্ট্র নাগরিকদের অনেক সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে থাকে। একজন সচেতন ও বুদ্ধিমান নাগরিক এইসব সেবাগুলো কি, কোথা থেকে পাওয়া যায় ও কিভাবে পাওয়া যায় তা ভালোভাবে জানে। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালনের জন্যও একজন নাগরিককে প্রথমত বুদ্ধিমান হওয়া প্রয়োজন।

আত্মসংযম (Self-control):
- ব্যক্তিস্বার্থ ত্যাগ করা ও অন্যের মতামতের প্রতি সহিষ্ণুতাই হলো আত্মসংযম। আত্মসংযম ছাড়া কেউ সুনাগরিক হতে পারে না। এটি নাগরিককে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল করে। অনেক ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করতে উৎসাহ যোগায়। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় আত্মসংযম অপরিহার্য। অন্যকে মত প্রকাশের সুযোগ দেয়ার মধ্য দিয়ে প্রকৃত গণতান্ত্রিক চেতনার প্রকাশ ঘটে। আত্মসংযমী হয়ে কোন নাগরিক জীবনে সমৃদ্ধি, কল্যাণ ও সুনাম বয়ে নিয়ে আসে, তেমনি জাতির জীবনে আসে সফলতা। তাই সুনাগরিক হওয়ার জন্য তাকে অবশ্যই আত্মসংযমী হতে হবে।

বিবেক (Conscience):
- বিবেক আছে বলেই মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। তবে সকল মানুষের বিবেক এক রকমভাবে কাজ করে না। এটি স্বকীয় ও মৌলিক একটি সত্তা। এই বিবেকই মানুষকে ভাল-মন্দের মাঝে পার্থক্য করতে শেখায়। অর্থাৎ বিবেকসম্পন্ন মানুষ সাধারণত অন্যের ক্ষতি না করে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণ সাধনে কাজ করে। অন্যদিকে বিবেকহীন মানুষ অপরের ভালমন্দ চিন্তা না কওে নিজ স্বার্থে লিপ্ত থাকে। দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে। ব্যক্তিস্বাধীনতা ও জাতীয় স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সচেতন থাকা, শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতার প্রতি অনুরাগী হওয়া, সাধারণ জ্ঞান, প্রজ্ঞার অধিকারী হওয়া। নিজ সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত থাকাও সুনাগরিকের গুণ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৪৯.
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ অনুসারে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করলে অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে কত মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৫ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা

পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ :

- সন্তান কর্তৃক পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইনের ৩ ধারায় প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার ভরণ পোষণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
- ৪ ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক সন্তান তার পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে; এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে ধারা৩ এ বর্ণিত ভরণ-পোষণ প্রদানে বাধ্য থাকবে এবং এই ভরণ পোষণ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ হিসাবে গণ্য হবে।
- পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, এর ৫ ধারা অনুযায়ী পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করার দণ্ড:
-কোন সন্তান কর্তৃক ধারা ৩ এর যে কোন উপ-ধারার বিধান কিংবা ধারা ৪ এর বিধান লংঘন অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং
- উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে; বা
- উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৪৫০.
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন-এর চেয়ারম্যান কার দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- ব্রিটিশ শাসনের ঐতিহ্যবাহী অধিকাংশ দেশে ‘সিভিল’ বা ‘পাবলিক’ সার্ভিস কমিশন গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি চাকুরিতে নিয়োগ প্রদান এবং চাকুরি সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে সকল সিদ্ধান্ত যাতে মেধা ও সমদর্শিতার নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হয় তা নিশ্চিতকরণ।
- বাংলাদেশে এই সংস্থা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন নামে অভিহিত।

⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতালাভের পর ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৩৪ নং আদেশবলে ১৯৭২ সালের মে মাসে প্রাথমিক পর্যায়ে পাবলিক সার্ভিস কমিশন (প্রথম) ও পাবলিক সার্ভিস কমিশন (দ্বিতীয়) নামে দুটি আলাদা কমিশন গঠিত হয়। কিন্তু ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে গৃহীত সংবিধানে পাবলিক সার্ভিস কমিশন সংক্রান্ত ধারাসমূহ কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার নতুন একটি রাষ্ট্রপতি-আদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৫, ১৯৭৩) জারি করে যা কার্যত ১৯৭২ সালের মে মাস থেকে পাবলিক সার্ভিস কমিশন দুটির আনুষ্ঠানিক নিয়মিতকরণ সম্পন্ন করে। অবশ্য সরকার ১৯৭৭ সালের নভেম্বর মাসে দুটি কমিশনের স্থলে একটি কমিশন স্থাপন করার লক্ষ্যে আরেকটি অধ্যাদেশ জারি করে এবং ১৯৭৭ সালের ২২ ডিসেম্বর এই কমিশনের নামকরণ হয় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে (৯ম ভাগের ২য়) কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে।
- কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক (কার্যত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে) পাঁচ বছর মেয়াদে অথবা তাদের বয়স পঁয়ষট্টি বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত সময়ের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৪৫১.
হাইকোর্ট বিভাগে রীট দাখিল সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ১০১
  2. খ) অনুচ্ছেদ ১০২
  3. গ) অনুচ্ছেদ ১০৩
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ১০৫
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ ১০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ ১০২
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১০২ (২) দফায় যেকোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কর্তৃক হাইকোর্ট বিভাগে রীট দাখিল বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
১০১ নং অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার, ১০৩ নং অনুচ্ছেদে আপীল বিভাগের এখতিয়ার এবং ১০৫ নং অনুচ্ছেদে আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা বিষয়ে বলা হয়েছে।

(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
১,৪৫২.
বাংলাদেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন কোনটি? 
  1. ঢাকা উত্তর 
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।

♦ ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন:
- ময়মনসিংহ শহর প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৮১১ সালে।
- ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়: ২ এপ্রিল, ২০১৮ সালে।
- এর আয়তন ৯১ দশমিক ৩১৫ বর্গ কি.মি.।

♦ অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন:
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন: ২৪ আগস্ট, ১৯৮৩ সালে।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন: ২৪ আগস্ট, ১৯৮৩ সালে। 
- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮২ সালে।
- খুলনা সিটি কর্পোরেশন: ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৪ সালে।
- রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন: ১৩ আগস্ট ১৯৮৭ সালে। 
- সিলেট সিটি কর্পোরেশন: ৯ এপ্রিল, ২০০১ সালে।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশন: ২৫ জুলাই, ২০০২ সালে।
- কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন: ১০ জুলাই, ২০১১ সালে।
- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন: ৮ সেপ্টেম্বর, ১৮৭৬ সালে।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন: ২০১২ সালের ২৮ জুন।
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন: ২০১৩ সালের ৭ জানুয়ারি।

♦ উল্লেখ্য:
- আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন।
- আয়তনে দেশের ক্ষুদ্রতম সিটি কর্পোরেশন সিলেট।

তথ্যসূত্র - ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন৷

১,৪৫৩.
বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে কবে?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮০
  2. খ) ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১
  3. গ) ২৮ জানুয়ারি, ১৯৮২
  4. ঘ) ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম আইনসভা কমপ্লেক্স।
- এটির স্থপতি এস্তোনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক লুই আই কান।
- জাতীয় সংসদ ভবন ২১৫ একর জমির উপর অবস্থিত।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে এবং উদ্বোধন করা হয় ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি।
- এই ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয়)
১,৪৫৪.
বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত কয়টি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

আপিল বিভাগ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আপীল আদালত।
- এটি হল প্রথম স্তরের আপীল আদালত, যা হাইকোর্ট বিভাগের চূড়ান্ত বিচারিক রায় পর্যালোচনা করার কর্তৃত্ব রাখে।

⇒ ক্ষমতা ও কার্যাবলী:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানির ও তাহা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে। 
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে। 

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ২টি।
- প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মামলাসংক্রান্ত জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য ২০ জুলাই (আজ রোববার) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চেম্বার জজ–১ হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে এবং চেম্বার জজ–২ হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে মনোনীত করেছেন।
- চেম্বার জজ–১ আদালত দেওয়ানি ও ফৌজদারি প্রকৃতির মামলা থেকে উদ্ভূত মামলাগুলো রবি থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন বেলা সোয়া একটা থেকে শারীরিক উপস্থিতিতে যথারীতি শুনানি করবেন। চেম্বার জজ–২ আদালত হাইকোর্ট বিভাগের রিট ও আদিম অধিক্ষেত্রাধীন বিষয় থেকে উদ্ভূত মামলাগুলো প্রতি রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত শারীরিক উপস্থিতিতে যথারীতি শুনানি গ্রহণ করবেন।
-  দুটি চেম্বার আদালত সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসে প্রথম। দুটি আদালতের অধিক্ষেত্র আলাদা করে দেওয়া হয়েছে, খুবই ভালো হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারকের সংখ্যা ৭ জন।
- মোট বিচারক: প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ, বিচারপতি মোঃ আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব শপথ ।

উৎস: i) সুপ্রীম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,৪৫৫.
কাকে কেন্দ্র করে একটি জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়?
  1. ক) জেলা প্রশাসক
  2. খ) জেলা জজ
  3. গ) পুলিশ সুপার
  4. ঘ) জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
ক) জেলা প্রশাসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জেলা প্রশাসক
ব্যাখ্যা

জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামাের তৃতীয় স্তর।
প্রত্যেক বিভাগ কয়েকটি জেলায় বিভক্ত। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি জেলা রয়েছে।
জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি

১,৪৫৬.
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. উপজেলা পরিষদ
  2. পৌরসভা
  3. ইউনিয়ন পরিষদ
  4. গ্রাম সরকার
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার: 
- বাংলাদেশে গ্রাম ও শহরাঞ্চল উভয় ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার কাঠামো বিকশিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো চালু আছে।
- এর মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ।
- এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে আছে উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পর্যায়ে আছে জেলা পরিষদ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৪৫৭.
বর্তমানে মন্ত্রিসভার কত ভাগ টেকনোক্রেট মন্ত্রী রাখা যায়?
  1.  ৯%
  2. ৮%
  3.  ১০%
  4.  ১২%
সঠিক উত্তর:
 ১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১০%
ব্যাখ্যা

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৪৫৮.
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? 
  1. ঢাকার গুলশানে
  2. ঢাকার মহখালীতে
  3. ঢাকার কুর্মিটোলায়
  4. ঢাকার রামপুরায়
সঠিক উত্তর:
ঢাকার কুর্মিটোলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকার কুর্মিটোলায়
ব্যাখ্যা

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ:
- ১৯৮৫ সালে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৫ সালের অধ্যাদেশ নং XXXVIII এর মাধ্যমে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ (CAAB) গঠন করে, যার শিরোনাম বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, 1985। 
- সদর দপ্তর, কুর্মিটোলা, ঢাকা।

⇒ স্বাধীন বাংলাদেশে বিমান চলাচল কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর, বেসামরিক বিমান চলাচল বিভাগ (ডিসিএ) প্রায় প্রথম থেকেই যাত্রা শুরু করে। 
- এয়ারপোর্টস ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (এডিএ) নামে আরেকটি সংস্থা ছিল, যেটি পাকিস্তান আমল থেকে কাজ করছিল। এটি ১৯৬৫ সালে গঠিত হয়েছিল এবং এর কাজগুলি ছিল এরোড্রোম এবং বিমানবন্দর নির্মাণ করা এবং ডিসিএর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত বৈদ্যুতিক এবং যান্ত্রিক প্রকৌশল কাজ সম্পাদন করা।
- ১৯৮২ সালে, ডিসিএ এবং এডিএ একত্রিত হয়ে একটি কমপ্যাক্ট সংস্থা গঠন করে এবং সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অর্ডিন্যান্স-১৯৮২ শিরোনামের ১৯৮২ সালের অধ্যাদেশ নং XXVII অনুসারে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ নামে নামকরণ করা হয়।
- ১৯৮৫ সালে, বর্তমান সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ এর মাধ্যমে এটির কাছে অর্পিত, সাংগঠনিক এবং আর্থিক উভয় বিষয়ে সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনাগত ক্ষমতা সহ একটি সংস্থা হিসাবে অস্তিত্ব লাভ করে। 


⇒ রূপকল্প (Vision): বাংলাদেশকে একটি অন্যতম মুখ্য বিমান চলাচল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা।
⇒ অভিলক্ষ্য (Mission): আন্তর্জাতিক মানের নিরাপদ, নিরুপদ্রব ও দক্ষ বিমান চলাচল সেবা নিশ্চিতকরণ।

উৎস: বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

১,৪৫৯.
সংসদে কাস্টিং ভোট প্রদান করেন কে? 
  1. সংসদ নেতা
  2. স্পিকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. ডেপুটি স্পিকার
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা

কাস্টিং ভোট (Casting Vote): 
- কখনো কখনো সংসদে কোনো বিষয়ে হ্যাঁ ও না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এ ধরনের সমসংখ্যক ভোটের ফলে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়, তা নিরসনে স্পীকার তাঁর ভোট প্রয়োগ করেন।
- স্পীকারের এই ভোটকে 'নির্ণায়ক ভোট' বা 'কাস্টিং ভোট' বলা হয়।
- সাধারণত স্পীকার ভোট দেন না।
- তবে যখন ভোটাভুটিতে সমতা দেখা দেয়, তখনই কেবল তিনি তাঁর নির্ণায়ক ভোট প্রয়োগ করতে পারেন।
- অর্থাৎ, কোনো প্রস্তাবের পক্ষে ও বিপক্ষে সমানসংখ্যক ভোট পড়লে স্পীকার সংসদের সভাপতি হিসেবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ভোট দেন।
- এ ছাড়া অন্য কোনো পরিস্থিতিতে স্পীকারের ভোটাধিকার নেই।

• সংবিধানিক বিধান
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে:
- "উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পীকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।"

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,৪৬০.
'Rules of Business' প্রণয়ন করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. আইন মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ 'Rules of Business' প্রণয়ন করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৪৬১.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে? 
  1. ১৯৯৬ সালের ২ ডিসেম্বর
  2. ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর
  3. ১৯৯৭ সালের ১ ডিসেম্বর
  4. ১৯৯৮ সালের ২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, ১৯৯৭: 
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, ১৯৯৭  বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- পাহাড়ি জনগণের দাবি মেনে নিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে তাদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালের মার্চ মাসে  মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৪৬২.
বাংলাদেশে বর্তমানে কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে?
  1. সংসদীয় সরকার
  2. একনায়কতান্ত্রিক সরকার
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার
  4. যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার
সঠিক উত্তর:
সংসদীয় সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদীয় সরকার
ব্যাখ্যা

সরকার ব্যবস্থা: 
- মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারই বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- এটি রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ছিল।
- কিন্তু পরবর্তীতে সংসদীয় সরকার প্রবর্তন করা হয়।
- বর্তমানে দেশে সংসদীয় পদ্ধতির এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
- এই রাষ্ট্রের শাসন বিভাগ, বিচার ও আইন  বিভাগ নামে তিনটি বিভাগ রয়েছে।
- সরকার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য জাতীয় সংসদের নিকট দায়বদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- শাসন বিভাগের কেন্দ্রে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ (Cabinet)।
- প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান ও মন্ত্রিপরিষদের কেন্দ্রবিন্দু।
- তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ দেশের শাসনকার্য পরিচালনা করে।
- সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশে ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৯১ রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু ছিল।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৪৬৩.
কোনটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্টীর কাজ নয়?
  1. জাতীয় কল্যাণে কাজ করা
  2. সরকারের সিদ্ধান্তে প্রভাবিত করা
  3. নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
  4. নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা
সঠিক উত্তর:
নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
ব্যাখ্যা
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (Pressure Group), যারা সরাসরি রাজনৈতিক দল বা সরকার পরিচালনার অংশ না হয়েও নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। এ ধরনের গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক, পেশাগত কিংবা আদর্শগত স্বার্থ নিয়ে কাজ করে।

• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য :
- দলীয় সংগঠনবিহীন,
- দলীয় কর্মসূচিবিহীন,
- নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা,
- নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া;
- সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা,
- সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়,
- সমজাতীয় মনোভাব,
- বেসরকারি সংগঠন ।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬৪.
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর কোনটি?
  1. ক) উপজেলা পরিষদ
  2. খ) পৌরসভা
  3. গ) জেলা পরিষদ
  4. ঘ) ইউনিয়ন পরিষদ
সঠিক উত্তর:
গ) জেলা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
জেলা পরিষদ
জেলা পরিষদ বাংলাদেশের তিনস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর
⇨ ১৮৮৫ সালের বেঙ্গল লোকাল সেল্ফ গভর্মেন্ট এ্যাক্টের মাধ্যমে যে জেলা বোর্ড গঠন করা হয়েছিল তারই পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত রূপ আজকের এই জেলা পরিষদ।
⇨ ২০০০ সালে জেলা পরিষদ এ্যাক্ট প্রণয়ন করা হয় এবং ২০১৬ সালে এই আইনের কিছু সংশোধনী করা হয়। এই সংশোধিত আইনানুসারেই জেলা পরিষদ পরিচালিত হচ্ছে।
⇨ স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে প্রথমবারের মত এই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
⇨ একটি ইলেক্টোরাল কলেজের মাধ্যমে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ২১ জন সদস্যকে নির্বাচিত করা হয়।
⇨ একটি জেলার অন্তর্গত সকল সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের সকল নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এই ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটার।
⇨ আইনানুসারে প্রতি পাঁচ বছর পরপর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 
⇨ চেয়ারম্যান জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী।
⇨ জেলা পরিষদ তার কাজের সুবিধার্থে আইন-শৃঙ্খলা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা, সমাজকল্যাণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ ও অবকাঠামোর মত বিষয়ের উপর একটি করে স্ট্যান্ডিং কমিটি করে থাকে। জেলা পরিষদের সদস্যের একজন একটি স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে থাকে।
⇨ ২০২২ সালে দ্বিতীয় বারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬৫.
আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৪৬৬.
‘জাতীয় মঞ্চ’ বলে অভিহিত করা হয় কোন বিভাগকে?
  1. শাসন বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. আইন বিভাগ
  4. উপরের সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা
• আইন বিভাগ:
→ আইনসভা সরকারের তিনটি অঙ্গের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ।
→ বস্তুত: সংবিধান প্রণয়ন কিংবা আইন প্রণয়নের মত দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে বলতে গেলে আইন সভা থেকেই একটি রাষ্ট্রের কার্যক্রম সূচনা হয়।
 → জনগনের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আইনসভার সদস্য হন। যার জন্য আইনসভাকে গণতন্ত্রের প্রতীক বলা হয়।
→ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় আইনসভা সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। 
→ আইন প্রণয়নের কারণে সরকারের অন্য দুই বিভাগ থেকে এ বিভাগের মর্যাদা অধিকতর। আইনসভাকে অনেকে তাই ‘জাতীয় মঞ্চ’ বলে অভিহিত করেন। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬৭.
কার সুপারিশ ব্যতীত কোনো অর্থ বিল সংসদে পেশ করা যাবে না?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. অর্থ সচিব
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত।
- সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোন নতুন আইন প্রণয়ন এবং প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারবে।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পেশ করলে তিনি ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত বিলে সম্মতি দেবেন নতুবা পুনঃবিবেচনার জন্য সংসদে ফেরত পাঠাবেন।
- এই দুটির কোনটি না করলে এবং ১৫ দিন অতিবাহিত হলে ধরে নেওয়া হবে যে, রাষ্ট্রপতি বিলে সম্মতি দিয়েছেন।
- সংসদে ফেরত পাঠানো বিল পুনরায় পাস করে রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পেশ করলে তিনি ৭ দিনের মধ্যে বিলে সম্মতি দেবেন।
- ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিতে অসমর্থ হলে ধরে নেওয়া হবে যে, রাষ্ট্রপতি বিলে সম্মতি দিয়েছেন।
- রাষ্ট্রপতির সুপারিশ ব্যতীত কোনো অর্থ বিল সংসদে পেশ করা যাবে না।
- যখন একটি অর্থ বিল সংসদে পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা হয়, তখন তাকে ১৫ দিনের মধ্যে এটিতে সম্মতি দিতে হয়।

উৎস: Bangladesh Parliament ওয়েবসাইট।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬৮.
সিটি কর্পোরেশনের আয়ের উৎস -
  1. উপকর
  2. রেইট
  3. টোল
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন:
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শহর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে- সিটি কর্পোরেশন। 
- প্রত্যেক সিটি কর্পোরেশনকে কতগুলো ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একজন মেয়র সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত কাউন্সিলার এবং সর্বমোট কাউন্সিলরদের এক তৃতীয়াংশ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর সমন্বয়ে সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়।
- মেয়র প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড হতে একজন কাউন্সিলর প্রাপ্তবয়স্কদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

সিটি কর্পোরেশনের আয়ের উৎস:
(ক) সরকার হতে প্রাপ্ত অনুদান।
(খ) কর্পোরেশনের উপর ন্যস্ত এবং তৎকর্তৃক পরিচালিত সকল সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত আয় বা মুনাফা।
(গ) সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আরোপিত যে-কোনো কর, উপকর, রেইট, টোল ও ফিস ইত্যাদি।
(ঘ) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক প্রদত্ত দান।
(ঙ) কর্পোরেশনের উপর ন্যস্ত সকল ট্রাস্ট হতে প্রাপ্ত আয়।
(চ) কর্পোরেশনের অর্থ বিনিয়োগ হতে প্রাপ্ত মুনাফা।
(জ) আইনের অধীন অর্থদন্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬৯.
বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে?
  1. বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেন
  3. বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  4. বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- ২৩ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। 
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি তাকে এই নিয়োগ দেন। শপথ গ্রহণের দিন থেকেই তার এই নিয়োগ কার্যকর হবে।

⇒ প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী আইন পেশায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।
- তিনি ১৯৮৫ সালে জেলা জজ আদালতে এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
 - ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হন এবং দুই বছর পর স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। - ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

- শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্য থেকে আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৪৭০.
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচির আওতায় মাসিক ভাতার হার কত?
  1. ৬৫০ টাকা
  2. ৮৫০ টাকা
  3. ১০৫০ টাকা
  4. ১২৫০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৮৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী:
- মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি।
-  দরিদ্র মা,র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি ও মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি।
- এর উদ্দেশ্য মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু হ্রাস, শীর্ণকায় ও খর্বাকার শিশুর সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ।
- ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছর থেকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি শুরু করা হয়।
- বর্তমানে ৪২৬ টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান।
- ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় জুলাই/২০২৫ থেকে উপকারভোগীদের ভাতার পরিমাণ মাসে ৮০০/(আটশত) টাকার হতে ৮৫০/ (আটশত পঞ্চাশ) টাকা হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
- প্রতিমাসে ভাতা প্রদানের পাশাপাশি মা ও শিশুর পুষ্টি, শিশুর মনো-সামাজিক বিকাশ এবং বুদ্ধি বৃত্তিক বিকাশ বিষয়ে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে বছরে ৫ দিন অংশগ্রহন করছেন। 
- সরকারের জাতীয় সামজিক নিরাপত্তা কৌশল অনুযায়ী ২০২৬ সালের মধ্যে ০ থেকেক ৪  বছরের মোট শিশুর অর্ধেক অর্থাৎ ৫০% কে এই কর্মসূচির আওতায় সহায়তা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে যার সম্বব্য সংখ্যা ৬৫ লক্ষ শিশু।

• মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচিতে আবেদনের যোগ্যতা-
- বয়স ২০-৩৫ বছর।
- এন আই ডি কার্ড।
- প্রথম অথবা দ্বিতীয় গর্ভবস্থা।
- নিজ নামে পছন্দসই অনলাইন/মোবাইল ব্যাঙক একাউন্ট।
- পারিবারিক মাসিক আয় সর্বোচ্চ ৮০০০ টাকা।

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

১,৪৭১.
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি কে?
  1. সালমা মাসুদ চৌধুরী
  2. কৃষ্ণা দেবনাথ
  3. জিনাত আরা
  4. নাজমুন আরা সুলতানা
সঠিক উত্তর:
নাজমুন আরা সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাজমুন আরা সুলতানা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা। 

প্রথম নারী বিচারপতি:

- দেশের বিচার বিভাগের প্রথম নারী বিচারক হলেন নাজমুন আরা সুলতানা।
- সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি তিনি।

⇒ ১৯৭৫ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি সহকারী জজ হিসেবে বিচার বিভাগে যোগ দেন।
- দেশের প্রথম নারী জেলা জজ তিনি, হাইকোর্টেও প্রথম নারী বিচারপতি।
- ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
- ২০২১ সালের মে মাসে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের প্রথম মহাপরিচালক পদে নিয়োগ পান তিনি।

অন্যদিকে,
- আপিল বিভাগে নিয়োগ পাওয়া দ্বিতীয় নারী বিচারপতি হলেন বিচারপতি জিনাত আরা। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৮ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো।
১,৪৭২.
স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর কোনটি?
  1. ক) সিটি কর্পোরেশন
  2. খ) জেলা পরিষদ
  3. গ) বিভাগীয় প্রশাসন
  4. ঘ) পৌরসভা
সঠিক উত্তর:
খ) জেলা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার হলো এমন সরকার ব্যবস্থা যা ছোট ছোট এলাকার স্থানীয় প্রয়োজন মেটাবার জন্যে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত ও আইনের মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

বাংলাদেশে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।
স্থানীয় সরকারের স্তরসমূহ:
- ইউনিয়ন পরিষদ
- উপজেলা প্রশাসন
- জেলা পরিষদ।
এছাড়া, শহরাঞ্চলে পৌরসভা ও ১২টি শহরে সিটি কর্পোরেশন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি স্থানীয় পার্বত্য জেলা পরিষদ রয়েছে।

স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর হলো জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদ ১জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সাধারণ সদস্য ও পাঁচজন মহিলা সদস্যসহ মোট ২১জন সদস্য নিয়ে গঠিত।

স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন ও সবচেয়ে কার্যকরি ইউনিট হলো ইউনিয়ন পরিষদ।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৪৭৩.
সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের কাজ নয় কোনটি?
  1. সঠিক ভোটার তালিকা প্রণয়ন।
  2. রাজনৈতিক দলের সাথে মত বিনিময়।
  3. ভোটাদের সাথে মত বিনিময়।
  4. সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
সঠিক উত্তর:
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
ব্যাখ্যা

• সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়।
- সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন কেবল সকল রাজনৈতিক দলকে আহ্বান করতে পারে।
- কিন্তু তারা আসবে কী আসবে না সেটা রাজনৈতিক দলের ব্যাপার।

• সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা:

- সঠিক ভোটার তালিকা প্রণয়ন
- রাজনৈতিক দলের সাথে মত বিনিময় করা।
- স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যথাযথ সমন্বয় করা।
- ভোটাদের সাথে মত বিনিময় করা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,৪৭৪.
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার কত দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে হয়?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৪৭৫.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কে?
  1. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. বিচারপতি হামিদুর রহমান
  3. বিচারপতি এম ইদ্রিস
  4. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এম ইদ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এম ইদ্রিস
ব্যাখ্যা

 ইদ্রিস কমিশন :
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি এম ইদ্রিস।
- তাঁর কমিশনের মেয়াদ ছিল ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই থেকে ১৯৭৭ সালের ৭ জুলাই।
- ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে এই কমিশন।

• নুরুল ইসলাম কমিশন :
- বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ব পালন করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
- তিনি ১৯৭৭ সালের ৮ জুলাই দায়িত্ব নেন।
- অব্যাহতি নেন ১৯৮৫ সালের ১৭ ফ্রেব্রুয়ারি৷ আট বছর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

• রউফ কমিশন : 
- বিচারপতি সুলতান হোসেন খানের পর বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ সিইসি হিসেবে নিযু্ক্ত হন।
- গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা করে তাঁর কমিশন।
- তিনি ১৯৯৫ সালের ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৭৬.
সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয়- 
  1. স্পিকার বেঞ্চ
  2. ট্রেজারি বেঞ্চ
  3. গ্যালারি বেঞ্চ
  4. অপোজিশন বেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
ট্রেজারি বেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রেজারি বেঞ্চ
ব্যাখ্যা

ট্রেজারি বেঞ্চ:
- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
ট্রেজারি বেঞ্চকে 'ফ্রন্ট বেঞ্চ'ও বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিঙ্ক]

১,৪৭৭.
‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ অধ্যাদেশ জারি করা হয় কবে? 
  1. ১ অক্টোবর, ২০২৫
  2. ২ অক্টোবর, ২০২৫
  3. ৩ অক্টোবর, ২০২৫
  4. ৫ অক্টোবর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৫ অক্টোবর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ অক্টোবর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ অধ্যাদেশ:
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ৫ অক্টোবর, ২০২৫ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন, ২০০৯ সংশোধন করে একটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন।
- অধ্যাদেশটিতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন, ২০০৯ এর (২০০৯-এর) ২টি ধারা সংশোধন করা হয়েছে।
- এতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বে ‘জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডার প্রস্তুত ও সংরক্ষণ’ সংক্রান্ত বিধান সন্নিবেশ করা হয়েছে।
- এই সংশোধনীতে ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ নামে একটি পৃথক সার্ভিস চালুর বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের জন্য ব্যবহৃত হবে।
- তবে, আলাদা সার্ভিস প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত পুরনো বিধান বহাল থাকবে।
- এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার এই সংশোধনী আনতে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া প্রস্তাব অনুমোদন করেছিল।

​তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]

১,৪৭৮.
“সুশাসন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়”- উক্তিটি কার?
  1. ক) বিশ্বব্যাংক
  2. খ) ইউএনডিপি
  3. গ) ম্যাককরনী
  4. ঘ) জাতিসংঘ
সঠিক উত্তর:
ক) বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

উপর্যুক্ত সংজ্ঞাটি বিশ্বব্যাংক প্রদান করেছে।
UNDP এর মতে,
সুশাসন হল অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের বিধিবদ্ধ চর্চা যার মাধ্যমে একটি দেশের উন্নয়ন কার্যাবলি পরিচালনা করা হয়।
ম্যাককরনীর সুশাসন সম্পর্কে গ্রহনযোগ্য সংজ্ঞা প্রদান করেছেন। তা হলো
“সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বুঝায়”।
রেফারেন্সঃ পৌরনীতি ও সুশাসন – প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১,৪৭৯.
নূন্যতম কত বছর এডভোকেট থাকলে কেউ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্য হন?
  1. ১২ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ৯ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম হলো সুপ্রীম কোর্ট।
- এ আদালতের প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি।
- সুপ্রীম কোর্ট দুটি বিভাগে বিভক্ত—হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

এছাড়াও, 
- সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন।
- এরপর প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- কোনো বাংলাদেশি নাগরিক যদি ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে আইন পেশায় নিয়োজিত থাকেন অথবা বিচার বিভাগীয় কোনো পদে ১০ বছর চাকরি করেন, তবে তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮০.
স্থানীয় সরকার পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদে ভোটারদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা কত জন?
  1. ১২ জন
  2. ১৫ জন
  3. ১৬ জন
  4. ১৯ জন
সঠিক উত্তর:
১২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ জন
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদ:
- বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ।
- ১৮৭০ সালে "গ্রাম চৌকিদারী আইন" প্রবর্তনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের ভিত্তি রচিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯১৯ সালে "ইউনিয়ন বোর্ড” ১৯৫৯ সালে ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং ১৯৭২ সালে "ইউনিয়ন পরিষদ” রূপান্তরিত করা হয়।
- ১৯৯৭ সালে ইউনিয়ন পরিষদের কাঠামোগত পরিবর্তন করা হয়।
- বর্তমান প্রচলিত আইন অনুসারে ইউনিয়ন পরিষদ সর্বমোট ১৩ জন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত।
- ১ জন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্যের সমন্বয়ে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে এই পরিষদ গঠিত হয়।
- উল্লেখ্য যে, ৩ জন সদস্য হবেন অবশ্যই মহিলা।
- প্রতিটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- প্রতি ওয়ার্ড হতে ১ জন করে পুরুষ সদস্য এবং ৩টি ওয়ার্ড সমন্বয়ে একজন করে মহিলা সদস্য ওয়ার্ড বাসীর প্রত্যক্ষভোটে নির্বাচিত হন।
- ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাপ্তাহিক কাজ সম্পাদনের জন্য একজন সচিব রয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- ইউনিয়ন পরিষদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে গ্রামীণ উন্নয়ন ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত করা এবং শাসন ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ ও দায়িত্বশীলতার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮১.
সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা কার উপর ন্যস্ত?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. সেনাপ্রধান
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের স্বরূপ:
- বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। 
- এই রাষ্ট্রে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। 
- আমাদের দেশে সংসদীয় পদ্ধতির এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান।
 - এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করে থাকেন।
- সংসদীয় রীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার উপর ন্যস্ত।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম-১০ম শ্রেণি।

১,৪৮২.
বাংলাদেশে কত প্রকারের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. ক) ৪ প্রকারের
  2. খ) ৫ প্রকারের
  3. গ) ৬ প্রকারের
  4. ঘ) ৬ প্রকারের
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ প্রকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ প্রকারের
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার:
- স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বিভক্ত করা ক্ষুদ্রতর শাসন কাঠামো।
- এটি হলো কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত ও সহায়ক অংশ।
- কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে সম্পর্কের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার দুই রকমের হয়।
- যথা:
• স্থানীয় প্রশাসন ও
• স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত সরকার।
- স্থানীয় প্রশাসন সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে। 
- বাংলাদেশে পাঁচ প্রকারের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। 
- বাংলাদেশে স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত সরকারের উদাহরণ: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ, শহরাঞ্চলে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা।
- স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার সম্মিলিতভাবে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা , SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮৩.
ক্ষমতা বন্টন নীতির ভিত্তিতে সরকারের শ্রেণিবিভাগ কোনটি?
  1. এককেন্দ্রিক ও রাষ্ট্রপতি শাসিত
  2. যুক্তরাষ্ট্রীয় ও সংসদীয়
  3. এককেন্দ্রিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয়
  4. মন্ত্রিপরিষদ শাসিত ও রাষ্ট্রপতি শাসিত
সঠিক উত্তর:
এককেন্দ্রিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এককেন্দ্রিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয়
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা বণ্টনের নীতির উপর ভিত্তি করে সরকারকে দুই শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:
এককেন্দ্রিক সরকার (Unitary Government) এবং
যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার (Federal Government)।

এককেন্দ্রিক সরকার (Unitary Government):
এই সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্র সামগ্রিকভাবে কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হয়। এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থায় প্রাদেশিক সরকার থাকে না। তবে প্রাদেশিক প্রশাসন থাকতে পারে যা কোন প্রাদেশিক সরকার নয়। প্রাদেশিক প্রশাসন কেন্দ্রিয় প্রশাসনের সহায়ক হিসেবে ভূমিকা পালন করে। ফলে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টনের প্রয়োজন নেই। যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ, জাপান প্রভৃতি দেশে এককেন্দ্রিক সরকার রয়েছে।

এককেন্দ্রিক সরকারের সুবিধাসমূহ
১. জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা
২. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ
৩. সাংগঠনিক সহজবোধ্যতা
৪. সরকারি ব্যয় কম

যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার (Federal Government)
একাধিক স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশ মিলে যখন একটি সরকার গঠন করে তখন তাকে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার বলে।
বস্তুত এ ধরনের সরকার ব্যবস্থায় সংবিধানের মাধ্যমে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা আংশিকভাবে প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে এবং জাতীয় বিষয়গুলো কেন্দ্রিয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে।
প্রদেশ ও কেন্দ্র উভয়েই ক্ষমতা লাভ করে এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে স্বাধীনতা বজায় রেখে নিজ নিজ শাসন পরিচালনা করতে পারে।
তাই যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারকে দ্বৈত সরকারও বলা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ভারত প্রভৃতি দেশে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। 

যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সুবিধা বা গুণাবলিগুলো হল-
১. জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা 
২. স্থানীয় সমস্যা সমাধান 
৩. কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের চাপ হ্রাস পায় 
৪. শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনে উপযোগী 
৫. নেতৃত্বের বিকাশ 
৬. রাজনৈতিক চেতনা বৃদ্ধি 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮৪.
দেশে বর্তমান মন্ত্রীসভার সদস্য কত জন?
  1. ১৮
  2. ২৬
  3. ৩৭
  4. ৪৪
সঠিক উত্তর:
৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা গত ১১ জানুয়ারি টানা চতুর্থবারের মত সরকার গঠন করেন।
- প্রথমে গঠিত মন্ত্রিসভায় ৩৭ সদস্যের মধ্যে ২৬ জন মন্ত্রী ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
- এখন নতুনদের নিয়ে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের মোট সংখ্যা  ৪৪।
- বর্তমানে শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় ২৬ জন মন্ত্রী ও ১৮ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। 

সূত্র- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইট। 
১,৪৮৫.
বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি সর্বোচ্চ কত মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হওয়া যায়?
  1. ক) ২ মেয়াদ
  2. খ) ৩ মেয়াদ
  3. গ) ৪ মেয়াদ
  4. ঘ) অনির্দিষ্ট সংখ্যক বার
সঠিক উত্তর:
ক) ২ মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ মেয়াদ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৫০(২) অনুচ্ছেদে বলা আছে- “একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না”।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান
১,৪৮৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ অনুসরণ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়?
  1. ১১১নং অনুচ্ছেদ
  2. ১০৬নং অনুচ্ছেদ
  3. ১১০নং অনুচ্ছেদ
  4. ১০৯নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১০৬নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

- ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয় সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে। 

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ নং অনুচ্ছেদ:
• সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
- যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এমন কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয় বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দেয়, যা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করতে পারবেন।

অন্যদিকে -
- ১০৯নং অনুচ্ছেদ: আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধায়ন ও নিয়ন্ত্রণ।
- ১১০নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।
- ১১১নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক।

সূত্র: জুলাই ঘোষণাপত্র ও বাংলাদেশের সংবিধান। 

১,৪৮৭.
পল্লী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অংশ নয় কোনটি?
  1. জেলা পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. পৌরসভা
  4. ইউনিয়ন পরিষদ
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা
ব্যাখ্যা
সরকার ব্যবস্থা:
- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

পল্লী স্থানীয় সরকার:
- জেলা পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- ইউনিয়ন পরিষদ।
- পৌরসভা পল্লী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অংশ নয়।

শহরভিত্তিক স্থানীয় সরকার:
- সিটি কর্পোরেশন।
- পৌরসভা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮৮.
কোন জাতীয় সংসদে বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করা হয়?
  1. ক) নবম
  2. খ) দশম
  3. গ) একাদশ
  4. ঘ) অষ্টম
সঠিক উত্তর:
গ) একাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) একাদশ
ব্যাখ্যা

- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- বর্তমান একাদশ জাতীয় সংসদের দশম অধিবেশনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করা হয়।
- মুজিব বর্ষকে উদ্দেশ্য করে এই অধিবেশন আহ্বান করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

১,৪৮৯.
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা

NICAR:
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform বা প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত।
- ১৯৮২ সালের আগস্ট মাসে তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রিয়ার এডমিরাল এম.এ খানকে সভাপতি করে এ কমিটি গঠিত হয়। 
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির আহবায়ক।
- বর্তমান আহ্বায়ক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

উৎস: i) NICAR ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া। 

১,৪৯০.
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স কত হতে হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের বিবরণ:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর হতে হবে। (৪৮ এর ৪ নং অনুচ্ছেদ)
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়।

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।।
১,৪৯১.
সংসদ অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম কতজন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. ৩০ জন
  2. ৪৫ জন
  3. ৬০ জন
  4. ৮০ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৪৯২.
বাংলাদেশ আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়
  2. খ) বলধা গার্ডেনে
  3. গ) রেসকোর্স ময়দানে
  4. ঘ) রোজ গার্ডেনে
সঠিক উত্তর:
ঘ) রোজ গার্ডেনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রোজ গার্ডেনে
ব্যাখ্যা

- ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজগার্ডেনে এক কর্মী সম্মেলনে পূর্ব বাংলার বাঙালি প্রগতিশীল নেতা ও কর্মী ঢাকায় মিলিত হয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩জুন 'আওয়ামী মুসলিম লীগ' গঠন করেন।
- এ নবগঠিত দলের সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক এবং
- যুগ্ম সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৫৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর দলটির নাম থেকে 'মুসলিম' শব্দটি বর্জন করা হয়।

উৎসঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।

১,৪৯৩.
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) যাচাই করার গেটওয়ের নাম
  1. ক) পরিচয়
  2. খ) পিপীলিকা
  3. গ) আপন
  4. ঘ) আমার পরিচয়
সঠিক উত্তর:
ক) পরিচয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পরিচয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) যাচাই করার গেটওয়ের নাম- পরিচয় (Porichoy)। স্মার্টকার্ডের (NID) মেয়াদ- ১০ বছর। জাতীয় পরিচয়পত্র ( স্মার্টকার্ড) এর মাধ্যমে ২২ ধরনের সেবা পাওয়া যাবে।
উৎসঃ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৪৯৪.
সংসদ কর্তৃক গৃহীত কোন বিলে কে সম্মতি দান করলে বিলটি আইনে পরিণত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ: 
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- তিনি সংসদে ভাষণ দিতে ও বাণী পাঠাতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতি কিছু আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ করেন।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত কোনো বিলে তিনি সম্মতি দান করলে বা সম্মতি দান করেছেন বলে গণ্য হলে বিলটি আইনে পরিণত হয়।
- সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অথবা সংসদ অধিবেশনরত অবস্থায় না থাকলে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

১,৪৯৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রথম দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  3. গ) এএইচএম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
১৮ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের কেবিনেট মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত মন্ত্রিসভার দপ্তর বন্টন পত্র অনুযায়ী মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পিত হয় প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের উপর। পরবর্তীতে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যোগদান করায় তিনিই হয়ে যান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। উৎস: বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১, এইচ টি ইমাম, পৃষ্ঠা-১৪২,৩৫২,৩৭৯।
১,৪৯৬.
পিএসসির সদস্যবৃন্দকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. পিএসসির চেয়ারম্যান
  2. ডেপুটি স্পিকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৪৯৭.
একাদশ জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশন শুরু হয় কখন?
  1. ১৯ অক্টোবর, ২০২৩
  2. ২০ অক্টোবর, ২০২৩
  3. ২২ অক্টোবর, ২০২৩
  4. ৩০ অক্টোবর, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
২২ অক্টোবর, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ অক্টোবর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
২৫তম অধিবেশন:
- একাদশ জাতীয় সংসদে ২৫টি অধিবেশনে মোট কার্যদিবস ছিল ২৭২ দিন।
- বিল পাস হয়েছে ১৬৫টি।
- একাদশ সংসদে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য মোট প্রশ্ন পাওয়া যায় ১ হাজার ৩৩৬টি।
- এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী জবাব দিয়েছেন ৫৬৬টি প্রশ্নের।
- ২২ অক্টোবর, ২০২৩ সালে একাদশ সংসদের ২৫তম অধিবেশন শুর হয়েছিল।
- শেষ হয় ০২ নভেম্বর, ২০২৩ সালে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০২ নভেম্বর, ২০২৩ সালে।
১,৪৯৮.
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান কে?
  1. ক) প্রধান বিচারপতি
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে প্রধান- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক, পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ স্কাউট এবং এশিয়াটিক সোসাইটি।
১,৪৯৯.
কত সালে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৩ সাল
  3. ১৯৭৪ সাল
  4. ১৯৭৫ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
পুলিশ প্রশাসন ও নারী
১৯৭৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে পুলিশ বাহিনীতে সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়।
- সাদা পোশাকে স্পেশাল ব্রাঞ্চে ১২ জন মহিলা পুলিশ নিয়োগের মাধ্যমে এই যাত্রা শুরু হয়।
- ইউনিফর্মধারী নারী পুলিশের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৬ সালে।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকা মহানগর পুলিশে মহিলা পুলিশ নিয়োগ শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে ষষ্ঠ বিসিএস এর মাধ্যমে ক্যাডার সার্ভিসে ফাতেমা বেগম প্রথম নারী সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশে প্রথম পুলিশ সুপার হিসেবে মুন্সিগঞ্জ জেলায় পদায়ন পান রওশন আরা বেগম। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৫০০.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের প্রথম স্তর- 
  1. সচিবালয়
  2. মাঠ প্রশাসন
  3. মন্ত্রণালয় 
  4. সংসদ ভবন
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
ব্যাখ্যা

প্রশাসনিক কাঠামো: 
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো এর দুটি প্রধান স্তর আছে।
- প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বা সচিবালয় গঠিত।
- প্রতি মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত আছে বিভিন্ন বিভাগ বা অধিদপ্তর।
- অধিদপ্তরের/দপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক/পরিচালক।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬২ পৃষ্ঠা।