বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত

মোট প্রশ্ন২,৪০৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত

PrepBank · পাতা ২৩ / ২৪ · ২,২০১২,৩০০ / ২,৪০৪

২,২০১.
ভূপৃষ্ঠে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু কী পরিমাণে আছে?
  1. ক) ৩.৬%
  2. খ) ৫%
  3. গ) ৭.৮%
  4. ঘ) ৮.১%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮.১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮.১%
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%)। লোহার পরিমাণ ৫%, ক্যালসিয়াম ৩.৬%।
Source: space.com
২,২০২.
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা কমপক্ষে কত হতে হবে?
  1. ২৭° সেলসিয়াস
  2. ২০° সেলসিয়াস
  3. ১৭° সেলসিয়াস
  4. ১৫° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
২৭° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
• ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৭° সেলসিয়াস হতে হয়। এই উচ্চ তাপমাত্রা সমুদ্র থেকে প্রচুর পরিমাণে বাষ্পীভবন ঘটায়, যা বায়ুমণ্ডলে আদ্রতা বৃদ্ধি করে। আদ্র বায়ু উত্তোলিত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রীয় অংশে ঘনীভূত হয়ে শক্তিশালী বাতাসের সঞ্চার ঘটায়। যদি সমুদ্রের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের নিচে থাকে, তবে পর্যাপ্ত শক্তি সৃষ্টি হয় না এবং ঘূর্ণিঝড় গঠন কঠিন হয়। তাই ঘূর্ণিঝড়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হল সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াস বা তার বেশি হওয়া। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ২৭° সেলসিয়াস।

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস (Cyclone and Tidal Surge):

- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির একটি আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত।
- বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়সমূহের মধ্যে কোনো কোনোটি মারাত্মক ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করে।
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।
- ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্র পৃষ্ঠে সাধারণত ২৭° সেলসিয়াস বা এর বেশি তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- এসময় উচ্চচাপযুক্ত বায়ু প্রবলবেগে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগে যেখানে নিম্নচাপ থাকে সেদিকে ধাবিত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলে। এটি দেখতে অনেকটা মানুষের চোখের মতো।
- বিগত অর্ধশতাব্দীতে বেশ কয়েকটি বড় ধরনের ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশে আঘাত হানে।
- এর মধ্যে ১৯৭০, ১৯৮৮, ১৯৯১, ২০০৭, ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় অন্যতম।
- জীবনহানির দিকে থেকে সবচেয়ে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ১৯৭০, ১৯৮৮ এবং ১৯৯১ সালে সংঘটিত হয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২০৩.
পৃথিবীর ঘৃর্ণনের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়ি না-
  1. ক) মহাকর্ষ বলের জন্য
  2. খ) মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
  3. গ) আমরা স্থির থাকার জন্য
  4. ঘ) পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আবর্তনের জন্য
সঠিক উত্তর:
খ) মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
ব্যাখ্যা
পৃথিবী সবকিছুকে নিজের দিকে টানে। পৃথিবী সবকিছুকে নিজের দিকে টেনে রাখে বলেই কোনো কিছু উপরের দিকে না গিয়ে নিচের দিকে পড়ে এবং সবকিছু পৃথিবীর সাথে লেগে থাকে, ছিটকে যায় না। এজন্যই আমরা মাটিতে হেঁটে বেড়াতে পারি, শূন্যে ভেসে থাকি না। উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি - পদার্থ বিজ্ঞান বই।
২,২০৪.
মহাকাশযাত্রার প্রথম প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি? 
  1. ভস্টক-১
  2. স্পুটনিক-১
  3. এক্সপ্লোরার-১
  4. ইনটেলসেট-১
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক-১
ব্যাখ্যা

কৃত্রিম উপগ্রহ ও এর ইতিহাস: 
- মানুষের পাঠানো যেসব বস্তু বা মহাকাশযান পৃথিবীকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে তাদের বলা হয় কৃত্রিম উপগ্রহ। 
- রকেটের সাহায্যে এদের উৎক্ষেপণ করা হয়। 
- পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বলের প্রভাবে চাঁদের মতো এরা এদের নিজস্ব কক্ষপথে ঘুরে। 
- কৃত্রিম উপগ্রহ চাঁদের তুলনায় অনেক ছোট এবং চাঁদের তুলনায় অনেক নিচু দিয়ে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে। 
- নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরার জন্য এদের প্রয়োজনীয় দ্রুতি থাকতে হয়। পৃথিবী থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের উচ্চতা যত বেশি হবে তার দ্রুতি হবে তত কম। ফলে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে এরা বেশি সময় নেবে। 
- পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় এর নিজ অক্ষের চারদিকে একবার ঘুরে। সুতরাং, কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ যদি ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবীর চারদিকে একবার ঘুরে আসে, তাহলে একে পৃথিবী থেকে স্থির বলে মনে হবে। 

- মহাকাশযাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর। তারা স্পুটনিক-১ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে, স্পুটনিক শব্দের অর্থ হলো ভ্রমণসঙ্গী বা সহযাত্রী। একই বছর ২রা নভেম্বর স্পুটনিক-২ নামক আরেকটি কৃত্রিম উপগ্রহ তারা মহাকাশে পাঠান। 
- প্রথম মার্কিন কৃত্রিম উপগ্রহের নাম এক্সপ্লোরার-১, এই উপগ্রহ ১৯৫৮ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি মহাকাশে পাঠানো হয়। 
- ভস্টক-১ নামক সোভিয়েত কৃত্রিম উপগ্রহ মানুষ নিয়ে প্রথম পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। যে মানুষটি প্রথম মহাকাশে গিয়েছিলেন, তিনি হলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউরি গ্যাগারিন। তিনি ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল ভস্টক-১ কৃত্রিম উপগ্রহে চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন। 
- ভস্টক-৬ নামক কৃত্রিম উপগ্রহে (মহাকাশযান) চড়ে প্রথম সোভিয়েত নারী মহাকাশচারি ভেলেনটিনা তেরেসকোভা মহাকাশে ঘুরে আসেন ১৯৬৩ সালে। 
- ইনটেলসেট-১ কৃত্রিম উপগ্রহকে পাঠানো হয় বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য যোগাযোগ উপগ্রহ হিসেবে। 
- রিমোটসেনসিং বা দূর অনুধাবনের জন্য পাঠানো প্রথম উপগ্রহ হলো ল্যান্ডসেট-১, একে পাঠানো হয় ১৯৭২ সালে। 
- আন্তর্জাতিক যোগসূত্র স্থাপনের জন্য অ্যাপোলো-সয়োজ টেস্ট প্রজেক্ট নামে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে প্রথম পাঠানো হয় ১৯৭৫ সালে। 
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এ পর্যন্ত হাজার হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়েছে। কয়েক হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ বর্তমানে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং হাজার হাজার অব্যবহৃত কৃত্রিম উপগ্রহ বা তাদের অংশবিশেষ মহাকাশে ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

২,২০৫.
সুনামি নিচের কোন কারণে সৃষ্টি হতে পারে? 
  1. সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউ 
  2. আগ্নেয়গিরি
  3. বাতাসের নিম্ন চাপ 
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরি
ব্যাখ্যা

সুনামি (Tsunami): 
- সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ, জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'। 
- সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়, এটা সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বিশালাকৃতির। 
- অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠা জোয়ারের মতো, যা উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে। 
- সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা 'ওয়েভ ট্রেন' বলে। 
- সুনামি হলো পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে। 
- পানির নিচে কোনো পারমাণবিক বা অন্য কোনো বিস্ফোরণ, ভূপাত ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে। 
- সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এর আশেপাশে সুনামির ধ্বংসাত্মক লীলা সংঘটিত হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয় তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২০৬.
নিচের তত্ত্বগুলো বিবেচনা করুন
i. আলো গ্রাভিটি (Gravity) দ্বারা প্রভাবিত হয়।
ii. মহাবিশ্ব (Universe) ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে।
উপরের কোনটি আইনস্টানের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের ভবিষ্যতবাণী?
  1. শুধু i
  2. i ও ii উভয়
  3. শুধু ii
  4. i ও ii কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
i ও ii উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
i ও ii উভয়
ব্যাখ্যা
- উভয়ই আইনস্টানের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে, 
ক) আলো অভিকর্ষ দ্বারা প্রভাবিত হয়। অভিকর্ষ আলোর পথকে বক্র করে দেয়। 
খ) মহাবিশ্ব (Universe) ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং গতি ত্বরাবর্তিত হচ্ছে। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণকে আইনস্টাইন কসমোলজিক্যাল ঘনত্ব বা কসমোলজিক্যাল স্থিতিশীল দ্বারা ব্যাখ্যা করেছিলেন। 
 
আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব। এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন।
- আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান, কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয়, আপেক্ষিক।
- বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে।
- ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর, এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয়।
 
আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
- দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।
 
অতএব, আলো মাধ্যাকর্ষণ প্রভাব এবং মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ উভয়ই আইনস্টানের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)।
২,২০৭.
ট্রানজিস্টারে কয়টি p-n জাংশন থাকে?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
সঠিক উত্তর:
খ) দুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুটি
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টার একটি এক্টিভ সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা সেমিকন্ডাক্টর দ্বারা গঠিত। এর অভ্যন্তরে দুটি জাংশন রয়েছে। এটি হতে পারে n-p-n বা p-n-p জাংশন। এর তিনটি টার্মিনাল আছে।
২,২০৮.
কোনটি ঋনাত্মক চার্জ বহন করে?
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিটা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটা রশ্মি
ব্যাখ্যা
আলফা রশ্মিঃ ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমান 3.2×10-19 C
বিটা রশ্মিঃ এরা ঋণাত্নক চার্জ বহন করে। এই চার্জের মান 1.6×10-19 C
গামা রশ্মিঃ এর কোনো চার্জ ও ভর নাই।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২০৯.
গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি? 
  1. গ্রাডিমিটার
  2. ম্যানোমিটার
  3. ট্যাকোমিটার
  4. ক্রনোমিটার
সঠিক উত্তর:
ম্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যানোমিটার
ব্যাখ্যা

গুরুত্বপূর্ণ নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

২,২১০.
ইউরোপের ফিনল্যান্ড ও উত্তর আমেরিকার হাডসন উপসাগর তীরবর্তী সমভূমি কি ধরনের সমভূমির উদাহরণ? 
  1. ক্ষয়জাত সমভূমি
  2. কার্স্ট সমভূমি
  3. হৈমবাহিক সমভূমি 
  4. সঞ্চয়জাত সমভূমি
সঠিক উত্তর:
ক্ষয়জাত সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষয়জাত সমভূমি
ব্যাখ্যা
ক্ষয়জাত সমভূমি: 

• বায়ুপ্রবাহ, সৌরতাপ, বৃষ্টিপাত, পানিস্রোত, হিমবাহ প্রভৃতি দ্বারা ক্ষয় হয়ে ধীরে ধীরে অপেক্ষাকৃত নিম্নভূমিতে পরিণত হয়ে ক্ষয়জাত সমভূমি গঠিত হয়। 
• ইউরোপের ফিনল্যান্ড ও উত্তর আমেরিকার হাডসন উপসাগর তীরবর্তী সমভূমি ক্ষয়জাত সমভূমির উদাহরণ।
• সমভূমিতে সাধারণত কোনো উচ্চভূমি, নিম্নভূমি বা খাড়া ঢাল থাকে না। 
• সমভূমিসমূহ সাধারণত মহাদেশের সীমান্তে, মহাসাগরের তীরে অথবা মহাদেশীয় ভূ-ভাগের অভ্যন্তরে হতে পারে।
• হিমবাহের মাধ্যমে যে সমভূমি সৃষ্টি হয় তাদেরকে হৈমবাহিক সমভূমি বলে ।
• উত্তর-পশ্চিম ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার উত্তরাংশ, ফিনল্যান্ড, পূর্ব কানাডা এবং সুইডেনে  হৈমবাহিক সমভূমি দেখা যায়।
• যুগোশ্লোভিয়ার কার্স্ট অঞ্চলে কার্স্ট সমভূমি জাতীয় সমভূমি দেখা যায়।
• সমুদ্র সমতল থেকে প্রায় সম উচ্চতায় সুবিস্তৃত স্থলভাগকে সমভূমি বলা হয়। 
• কোনো কোনো ক্ষেত্রে কয়েকশ মিটার উঁচুতেও সমভূমি গঠিত হতে পারে।
• সমভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কয়েকশত ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় অবস্থিত হতে পারে।
• সমভূমিতে মৃদু ঢাল বিশিষ্ট ভূমি, ছোট ছোট টিলা, পাহাড় এবং নদী উপত্যকার উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। 
• পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় অর্ধেক সমভূমি। 

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২১১.
বারিমণ্ডলের কতভাগ পানি সমুদ্র ধারণ করে?
  1. ক) ৯৭.২৫%
  2. খ) ৯৫.৬০%
  3. গ) ৯৮.৩৫%
  4. ঘ) ৯৬.৭৫%
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৭.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৭.২৫%
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টনঃ
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,২১২.
কন্টিনেন্টাল ড্রিফট এর প্রবক্তা-
  1. ক্যালভিন
  2. আলফ্রেড ওয়েগেনার
  3. টলস্টয়
  4. হার্ভে যে অল্টার
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড ওয়েগেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড ওয়েগেনার
ব্যাখ্যা
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।
- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,২১৩.
জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ কী?
  1. সমুদ্র স্রোত
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. গ্রহের আকর্ষণ
  4. চাঁদের আকর্ষণ
সঠিক উত্তর:
চাঁদের আকর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদের আকর্ষণ
ব্যাখ্যা

◉ জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ হলো চাঁদের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ। চাঁদ পৃথিবীর উপর আকর্ষণ বল প্রয়োগ করে। এর ফলে সমুদ্রের পানিতে একটি উঁচু-নীচু ঢেউ তৈরি হয়।

​জোয়ার-ভাটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার (High Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা (Ebb or low Tide) বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়।
- অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু'বার জোয়ার ও দু'বার ভাঁটা হয়।
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়।
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে।

⇒ জোয়ার ভাঁটার কারণ:
- চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়। জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং,
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২১৪.
ভোর রাতে পূর্ব আকাশে 'শুকতারা' নামে পরিচিত?
  1. শনি
  2. মঙ্গল
  3. নেপচুন
  4. শুক্র
সঠিক উত্তর:
শুক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্র
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২১৫.
বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল ও দুর্বল নিউক্লিয় বলকে একত্রিত করলে যে বল পাওয়া যায়, তার নাম কী?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. চৌম্বকত্ব
  3. নিউক্লিয়ার বল 
  4. ইলেকট্রো উইক ফোর্স
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রো উইক ফোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রো উইক ফোর্স
ব্যাখ্যা

বিজ্ঞানের আবিষ্কার:
- প্রাচীনকালে চীন দেশে এক টুকরো লোড স্টোনকে সমজাতীয় অন্য একটি লোড স্টোনের টুকরোকে অদৃশ্য একটা শক্তি দিয়ে আকর্ষণ করতে দেখা গিয়েছিল, বিশেষ ধরনের এই পদার্থের বিশেষ এই ধর্মটির নাম দেওয়া হয়েছিল চৌম্বকত্ব (Magnetism) । 
- একইভাবে প্রাচীন গ্রিসে আম্বর নামের পদার্থকে পশম দিয়ে ঘষা হলে সেটি এই দুটি পদার্থকে একটি অদৃশ্য শক্তি দিয়ে আকর্ষণ করত। এই বিশেষ ধর্মের নাম দেওয়া হলো ইলেকট্রিসিটি বা বৈদ্যুতিক শক্তি (Electricity)। 
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে এটি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয় এবং বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন এটি একই বলের দুটি ভিন্ন রূপ এবং এই বলটির নাম দেওয়া হয় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (Electromagnetism)। 
- পরবর্তীতে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কৃত হওয়ার পর বিটা রশ্মি নামে একটা বিশেষ বিকিরণ ব্যাখ্যা করার সময় 'দুর্বল নিউক্লিয় বল' নামে নতুন এক ধরনের বল আবিষ্কৃত হয়। 
- পদার্থবিজ্ঞানীরা পরে দেখালেন বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল এবং দুর্বল নিউক্লিয় বল একই বলের ভিন্ন ভিন্ন রূপ, তাদেরকে একত্র করে সেই বলের নাম দেওয়া হলো ইলেকট্রো উইক ফোর্স। 
- পদার্থবিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, প্রকৃতিতে মহাকর্ষ বল এবং নিউক্লিয়ার বল নামে আরও যে দুটি বল রয়েছে ভবিষ্যতে সেগুলোও একই সূত্রের আওতায় আনা যাবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২১৬.
নিম্নের কোনটি পাললিক শিলা?
  1. ক) মার্বেল
  2. খ) কয়লা
  3. গ) গ্রানাইট
  4. ঘ) নিস
সঠিক উত্তর:
খ) কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কয়লা
ব্যাখ্যা
বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর, কেওলিন ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
২,২১৭.
Geography শব্দের পূর্ণ অর্থ কী?
  1. ভূ-চিত্র
  2. পৃথিবীর বর্ণনা 
  3. পৃথিবীর মানচিত্র
  4. ভূ-তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বর্ণনা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বর্ণনা 
ব্যাখ্যা

• ভূগোলের ধারণা (Concept of Geography):
- মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর বর্ণনা হলো ভূগোল।
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।
- 'Geo' ও 'graphy' শব্দ দু'টি মিলে হয়েছে 'Geography' 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
- বৃটিশ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp)মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল।
 কোনো কোনো ভূগোলবিদ ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিবরণ,কেউ বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

২,২১৮.
'জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা' কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

• জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১৫:
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১৫ (National Disaster Management Policy) হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যা দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (DRM) ও ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সমন্বিত, সক্রিয় এবং টেকসই কাঠামো প্রদান করে, যার লক্ষ্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা, যা মূলত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন-২০১২-এর আওতায় প্রণীত হয়েছে এবং দুর্যোগের প্রস্তুতি, প্রশমন, সাড়া ও পুনরুদ্ধার—এই চারটি মূল বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১৫।

২,২১৯.
কোনাে বস্তুকণা আলাের দ্রুতিতে চললে এর ভর হবে-
  1. ক) অর্ধেক হবে
  2. খ) শূন্য হবে
  3. গ) দ্বিগুণ হবে
  4. ঘ) অসীম হবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) অসীম হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অসীম হবে
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে বস্তুর ভর বেগের সাথে পরিবর্তিত হয়। গতিবেগ আলাের বেগের কাছাকাছি হলে ভর উল্লেখযােগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এজন্যই বস্তুর নিজস্ব ধর্ম হিসেবে ভরের উল্লেখ করতে হবে। স্থির অবস্থায় তার ভর নিতে হয়। একেই বস্তুর স্থির ভর বলা হয়। অর্থাৎ একটি বস্তুর স্থির অবস্থার ভরই হলাে এর স্থির ভর। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
২,২২০.
কোয়াসারের শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কোনটি মনে করা হয়? 
  1. সুপারনোভা বিস্ফোরণ 
  2. ব্ল্যাক হোল দ্বারা নক্ষত্রের গ্রাস 
  3. কোয়াসারের নিউক্লিয়ার ফিউশন 
  4. সৌরজগতের গ্রহসমূহের প্রতিফলন 
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক হোল দ্বারা নক্ষত্রের গ্রাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক হোল দ্বারা নক্ষত্রের গ্রাস 
ব্যাখ্যা

কোয়াসার (Quasar): 
- মহাবিশ্বে এ যাবৎ কালের আবিস্কৃত সবচেয়ে বিস্ময়কর বস্তু সম্ভবত কোয়াসার। 
- কোয়াসার হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু। 
- একটি কোয়াসারের মোট শক্তির পরিমাণ একটি সম্পূর্ণ গ্যালাক্সির শক্তির চেয়ে প্রায় 100 গুণ বেশি, অথচ একটি কোয়াসারের ব্যাপ্তি এই সৌরজগতের প্রায় দ্বিগুণের মতো। 
- বিজ্ঞানীদের অনেকেই মনে করেন, কোয়াসার হলো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত ঘূর্ণায়মান ব্ল্যাক হোল যা ক্রমাগত সন্নিকটবর্তী নক্ষত্রসমূহকে গ্রাস করে চলছে। 
অর্থাৎ, কোয়াসারের শক্তির উৎস ব্ল্যাক হোল কর্তৃক নক্ষত্র গলধঃকরণ হতে পারে। 
- কোয়াসার এখনও মহাবিশ্বের অতি রহস্যময় এক বস্তু।
- তবে কোয়াসারের যে বৈশিষ্ট্যগুলো এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে উলেখযোগ্য হলো- 
• কোয়াসার দেখতে নক্ষত্রের মতো, 
• কোয়াসারের রং নীলাভ, 
• কতকগুলো কোয়াসার তীব্র বেতার বিকিরণের উৎস এবং 
• কোয়াসারের লোহিত সরণ খুবই বেশি প্রভৃতি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২২১.
বাংলাদেশের একমাত্র ভূমিকম্পন মানমন্দিরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মাত্র একটি ভূমিকম্প রেকর্ড কেন্দ্র বা ভূমিকম্পন মানমন্দির রয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া বিভাগ চট্টগ্রাম শহরে ১৯৫৪ সালে কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করে।
২,২২২.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়?
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. এক্সোমণ্ডল
  3. তাপমণ্ডল
  4. আয়নমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
এক্সোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

এক্সোমণ্ডল (Exosphere): 
- তাপমণ্ডলের উপরে প্রায় ৯৬০ কিলােমিটার পর্যন্ত যে বায়ুস্তর আছে তাকে এক্সোমণ্ডল বলে। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়। 

এক্সোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: 
- এক্সোমণ্ডল, তাপমণ্ডল অতিক্রম করে ৯৬০ কিলােমিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয়। এটি ক্রমান্বয়ে ইন্টারপ্লানেটারি স্পেসে প্রবেশ করে। 
- এ স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। 
- এ স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে, কেননা মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলাে সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২২৩.
শান্ত সাগর কোথায় অবস্থিত?
  1. শনি গ্রহে
  2. বুধ গ্রহে
  3. চাঁদে
  4. পৃথিবীতে
সঠিক উত্তর:
চাঁদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদে
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ:

• সূর্য বিশ্বজগতের কোটি কোটি নক্ষত্রের মধ্যে একটি উজ্জ্বলতম নক্ষত্র।
• সূর্য ও এর চতুর্দিকে ঘূর্ণনরত জ্যোতিষ্কমন্ডলীকে একত্রে সৌরজগৎ (Solar System) বলে।
• সূর্য পৃথিবী অপেক্ষা ১৩ লক্ষ গুন বড় এবং চন্দ্র অপেক্ষা ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুন বড়।
• সৌরজগতে মোট ৮টি গ্রহ। যথা: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন।

অপরদিকে, 
• চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। 
• শান্ত সাগর চাঁদে অবস্থিত।
• Sea of Tranquility এর অপর নাম Mare Tranquillitatis.
• চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণকারী প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশযান অ্যাপোলো-১১
• অ্যাপোলো-১১ মহাকাশযান ২০ জুলাই, ১৯৬৯ সালে সর্বপ্রথম চাঁদে অবতরণ করে।
• মঙ্গলগ্রহে প্রেরিত নভযান নাসার প্রথম রোভার স্কাউট ‘পাথপাইন্ডার’ ১৯৯৭ সালে অবতরণ করে।
 

ছবির উৎস: কালের কণ্ঠ

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং নাসা ওয়েবসাইট। 
২,২২৪.
পাললিক শিলার কোন শিলাটি যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়?
  1. গ্রাফাইট
  2. মার্বেল
  3. নিস
  4. বেলেপাথর
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা: 
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাকে পাললিক শিলা বলে। 
যেমন: চুনাপাথর, বেলেপাথর, পাথুরিয়া কয়লা, সৈন্ধব লবণ, খড়িমাটি প্রভৃতি। 
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে। 
- এ শিলার পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়। আর স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে এ শিলাকে স্তরীভূত শিলাও বলা হয়। 
- পাললিক শিলা ভূ-ত্বকের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ। 
- তবে মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উন্মুক্ত অংশের প্রায় ৭৫ ভাগই পাললিক শিলায় গঠিত। 
- পাললিক শিলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্তরীভূত, জীবাশ্ম বিশিষ্ট, অকেলাসিত, তরঙ্গচিহ্ন ও কোমলতা ইত্যাদি। 
- মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পাললিক শিলা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। 

- পাললিক শিলা প্রধানত তিন প্রকার। 
যথা- 
১। যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বেলেপাথর। 
২। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- চুনাপাথর এবং 
৩। জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা ও গোপালগঞ্জের পিট কয়লা। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২২৫.
'আলোকবর্ষ' কী নির্দেশ করে?
  1. সূর্য ও পৃথিবীর গড় দূরত্ব
  2. আলোর এক বছরে অতিক্রান্ত দূরত্ব
  3. আলোর এক বছরের তীব্রতা
  4. আলোর এক সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব
সঠিক উত্তর:
আলোর এক বছরে অতিক্রান্ত দূরত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর এক বছরে অতিক্রান্ত দূরত্ব
ব্যাখ্যা
আলোকবর্ষ:
- আলো একবছর সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলে।
- এটি দূরত্বের একক।
- এক আলোকবর্ষ = 9.468 × 1012 km.

অন্যদিকে,
- সূর্য ও পৃথিবীর গড় দূরত্ব এক অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট = 1495 × 108 km.
- এক পারসেক বলতে বোঝায় ১ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল দৈর্ঘ্যের চাপ যে দূরত্বে এক সেকেন্ড কোণ উৎপন্ন করে।
- এক পারসেক = 3.0857 × 1013 km.

তথ্যসূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,২২৬.
n-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়-
  1. গ্যালিয়াম
  2. বোরন
  3. আর্সেনিক
  4. ইনডিয়াম
সঠিক উত্তর:
আর্সেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্সেনিক
ব্যাখ্যা
- যে সকল মৌলের (যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক বা অ্যান্টিমনি) বহির্খোলকে পাঁচটি ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম n-টাইপ বস্তুতে বা n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়। 

- যে সব মৌলের (যেমন- অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, গ্যালিয়াম বা ইনডিয়াম) তিনটি যোজন ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম P-টাইপ বস্তুতে বা P-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়। 

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
২,২২৭.
সমুদ্রস্রোত এবং বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যাওয়াটা কী নামে পরিচিত?
  1. বাইস ব্যালট সূত্র
  2. কোরিওলিস প্রভাব
  3. ফেরেলের সূত্র
  4. বয়েলের সূত্র
সঠিক উত্তর:
ফেরেলের সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরেলের সূত্র
ব্যাখ্যা
ফেরেলের সূত্রের সাহায্যে: 
- সমুদ্রস্রোত এবং বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।
- এই বেঁকে যাওয়াটা ফেরেলের সূত্র নামে পরিচিত।
- বায়ুপ্রবাহ এবং সমুদ্রস্রোতের এই গতিবেগ প্রমাণ করে যে, আহ্নিক গতিতে পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে। 

উল্লেখ্য,
- বাইস ব্যালট সূত্রানুযায়ী উত্তর গােলার্ধে বায়ুপ্রবাহের দিকে পিছন করে দাঁড়ালে ডানদিকের তুলনায় বামদিকে বায়ুর চাপ কম অনুভূত হয় এবং দক্ষিণ গােলার্ধে ঠিক এর বিপরীত অবস্থা দেখা যায়।
- কোরিওলিস প্রভাব বলতে বোঝায় পৃথিবীর পৃষ্ঠের সাপেক্ষে একটি সরল পথে চলমান বস্তুর (যেমন বিমান) আপাত বিচ্যুতি।
- বয়েলের সূত্র হল একটি গ্যাস আইন , যা বলে যে গ্যাসের চাপ এবং আয়তনের মধ্যে একটি বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,২২৮.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি শোষিত হয়?
  1. ট্রপােস্ফিয়ার
  2. স্ট্রাটেস্ফিয়ার
  3. ওজোনস্ফিয়ার
  4. আয়ােনােস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমন্ডল (Stratosphere): 
বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমন্ডল। 
যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। 
এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)। 
এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
 স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়। এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম।

স্ট্রাটোমন্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে। এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা। বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়। 
স্ট্রাটোমন্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে। 
 
স্ট্রাটোমন্ডলের উপরের দিকে ওজোন (Ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মন্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত। এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার। 
 
ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultral Violet Rays) শোষণ করে। জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর। তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌছাতে পারে না। এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় তাপমাত্রা (প্রায় ৭৬° সেলসিয়াস) অনেক বেশি।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,২২৯.
পরমাণুতে নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের মধ্যে কত ধরনের শক্তি বিদ্যমান থাকে?
  1. ক) দুই ধরনের
  2. খ) তিন ধরনের
  3. গ) চার ধরনের
  4. ঘ) এক ধরনের
সঠিক উত্তর:
ক) দুই ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই ধরনের
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন:
- সকল পদার্থই অতি ক্ষুদ্র কণিকা দ্বারা গঠিত। এদেরকে পরমাণু বলে।
- পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে ধনাত্মক আধানযুক্ত নিউক্লিয়াস।
- নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা ইলেকট্রন বিভিন্ন কক্ষপথে আবর্তন করে।
- ইলেকট্রন হলো ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা এবং এর ভর নগন্য।
- ইলেকট্রনের বৈশিষ্ট্য: 
(ক) ইলেকট্রনের আধান, e=1.602×10-19 C;
(খ) ইলেকট্রনের ভর, m = = 9.0×10-31 kg;
(গ) ইলেকট্রনের ব্যাসার্ধ, r =1.9×10-15 m এবং
(ঘ) ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান, e/m =1.77×1011 Ckg-1। 
- ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধানের মান থেকে দেখা যায় যে, ইলেকট্রনের আধানের তুলনায় এর ভর খুবই কম।
- ইলেকট্রনের এ ধর্মের কারণে এর গতিশীলতা অনেক বেশি এবং এটি তড়িৎক্ষেত্র অথবা চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়।
- পরমাণুতে নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের মধ্যে দুধরনের শক্তি বিদ্যমান থাকে
- এর গতির জন্য থাকে গতিশক্তি এবং নিউক্লিয়াসের আধানের জন্য থাকে বিভবশক্তি।
- ইলেকট্রনের মোট শক্তি এর গতিশক্তি ও বিভবশক্তির যোগফলের সমান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৩০.
জোয়ার-ভাটার সৃষ্টির প্রধান কারণ -
  1. ক) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব
  2. খ) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি
  3. গ) পৃথিবীর আহ্নিক গতি
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা

প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়। এগুলাে হলাে-
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব।
এবং (২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব: মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী মহাকাশে বিভিন্ন গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র প্রভৃতি প্রতিটি জ্যোতিষ্ক পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এর প্রভাবে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
কিন্তু পৃথিবীর উপর সূর্য অপেক্ষা চাঁদের আকর্ষণ বল বেশি হয়। কারণ সূর্যের ভর অপেক্ষা চাঁদের ভর অনেক কম হলেও চাঁদ সূর্য অপেক্ষা পৃথিবীর অনেক নিকটে অবস্থিত। তাই সমুদ্রের জল তরল বলে চাঁদের আকর্ষণেই প্রধানত সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে ও জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত জোরালাে হয় না।
চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থিত হলে চাঁদ ও সূর্য উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়।

২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি :
পৃথিবী নিজ মেরুরেখার চারদিকে অনবরত আবর্তন করে বলে কেন্দ্রাতিগ শক্তি বা বিকর্ষণ শক্তির সৃষ্টি হয়। এই কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে পৃথিবীর প্রতিটি অণুই মহাকর্ষ শক্তির বিপরীত দিকে বিকর্ষিত হয় বা ছিটকে যায়। তাই পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে যেখানে মহাশক্তির প্রভাবে জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তার বিপরীত দিকে জল বিক্ষিপ্ত হয়েও জোয়ারের সৃষ্টি করে।

উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ

২,২৩১.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরটি বিষমমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. তাপমণ্ডল
  3. স্ট্রাটোমণ্ডল
  4. মেসোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের স্তর বিন্যাস: 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন স্তরে স্তরে সজ্জিত। 
- বায়ুমণ্ডলের স্তরসমূহের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর থেকে উপরের দিকে ক্রমশ লঘু হয়। 
- উলম্বভাবে (Vertically) বায়ুর তাপমাত্রার বিন্যাসের ভিত্তিতে বায়ুমণ্ডলকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
১। ট্রপোমণ্ডল,  
২। স্ট্রাটোমণ্ডল, 
৩। মেসোমণ্ডল, 
৪। তাপমণ্ডল এবং  
৫। এক্সোমণ্ডল। 

- বায়ুমণ্ডলের উপরিউক্ত স্তরগুলোর মধ্যে প্রথম তিনটি (ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল ও মেসোমণ্ডল) সমমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত এবং শেষের দুইটি (তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল) বিষমমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,২৩২.
কৃষ্ণবিবরে আলোর কোন ধরণের আচরণ পরিলক্ষিত হয়?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিসরণ
  3. গ) শোষণ
  4. ঘ) বিচ্ছুরণ
সঠিক উত্তর:
গ) শোষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শোষণ
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Black Hole): 
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম এবং ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- কৃষ্ণ বিবর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তাড়িত চৌম্বক বিকিরণকেও (যেমন: আলো) নয়।
২,২৩৩.
মহাবিশ্ব সৃষ্টি এবং এর বিবর্তন সংক্রান্ত বিজ্ঞান-
  1. ক) Astronomy
  2. খ) Particle Physics
  3. গ) Cosmology
  4. ঘ) Astrology
সঠিক উত্তর:
গ) Cosmology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Cosmology
ব্যাখ্যা
Cosmology - the science of the origin and development of the universe. Modern cosmology is dominated by the Big Bang theory, which brings together observational astronomy and particle physics.
Source: Oxford
২,২৩৪.
লেজার রশ্মির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. একবর্ণী
  2. দশা সুসঙ্গত
  3. পানি দ্বারা শোষিত হয়
  4. তীব্রতা অনেক বেশি
সঠিক উত্তর:
পানি দ্বারা শোষিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি দ্বারা শোষিত হয়
ব্যাখ্যা

লেজার রশ্মির বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- একবর্ণী
- তীব্রতা খুব বেশি
- প্রায় নিখুঁতভাবে সমান্তরাল
- দশা সুসঙ্গত
- পানি দ্বারা শোষিত হয় না
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,২৩৫.
উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয়-
  1. সাইক্লোন
  2. হারিকেন
  3. টাইফুন
  4. সিভিয়ার ট্রপিক্যাল সাইক্লোন
সঠিক উত্তর:
টাইফুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইফুন
ব্যাখ্যা
সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়:
• সাইক্লোন, টাইফুন ও হারিকেন সবগুলোই সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়। 

⇒ হারিকেন:
- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চল, মধ্য এবং পূর্ব উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর এবং মেক্সিকো উপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে 'হারিকেন' বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে হারিকেন আঘাত করে।

⇒ টাইফুন: 
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় 'টাইফুন'।

- চীন, তাইওয়ান, ফাইলিপাইন ও জাপানে প্রায় প্রতি বছরই টাইফুনের কারণে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়।

⇒ সাইক্লোন: 
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় 'সাইক্লোন' হিসেবে পরিচিত।
- সাইক্লোনের কারণে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর জানমালের ক্ষতি হয়।

• এ ছাড়াও, দক্ষিণ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরের ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় সিভিয়ার ট্রপিক্যাল সাইক্লোন।
• আর দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত মহাসাগরে একে ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বলা হয়।

⇒ যেসব এলাকায় ঘূর্ণিঝড় হয় না: 
- পৃথিবীর বিষুব রেখা বরাবর সাগরে সাধারণত কোনো ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় না।
- বিষুব রেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়।
- অন্যদিকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরেও কোনো ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় না।

উল্লেখ্য, কোনো টাইফুন তার এলাকা থেকে সরে গিয়ে হারিকেন প্রবণ অঞ্চলে প্রবেশ করলে একে তখন একে হারিকেন হিসেবেই ডাকা হয়। একইভাবে কোনো হারিকেন দিক পরিবর্তন করে টাইফুনের এলাকায় চলে এলেও একে তখন টাইফুন বলা হয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড মেটেওরলজিক্যাল অর্গানাইজেনশনের ওয়েবসাইট এবং The Daily Star Bangla. 
২,২৩৬.
ফোটনের ধর্ম নয়-
  1. ক) এটি চার্জহীন
  2. খ) এর স্থিতি ভর শূন্য
  3. গ) এর ভরবেগ আছে
  4. ঘ) এটি সহজেই আয়নিত হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) এটি সহজেই আয়নিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এটি সহজেই আয়নিত হয়
ব্যাখ্যা
ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যঃ
পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি কোন বিকিরণের ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে, ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়, ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য, প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে, ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই, ফোটন এর কণা তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে, এদের আয়নিত করা যায় না।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র,
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,২৩৭.
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ
  1. ক) ৩৩৪ মি/সে
  2. খ) ১৪৯৩ মি/সে
  3. গ) ৫১৩০ মি/সে
  4. ঘ) কোনো বেগ নেই
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনো বেগ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনো বেগ নেই
ব্যাখ্যা
শব্দ মাধ্যম ছাড়া প্রবাহিত হতে পারে না। তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের কোনো বেগ নেই। শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ ০ মি/সে ও লেখা যাবে না৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,২৩৮.
কেন্দ্রাতিগ শক্তির ফলাফল -
  1. মূখ্য জোয়ার
  2. অমাবস্যা ও পূর্ণিমা
  3. গৌণ জোয়ার
  4. ভূ-পৃষ্ঠের জলরাশি কেন্দ্র থেকে বাইরে প্রবাহিত হওয়া
সঠিক উত্তর:
গৌণ জোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌণ জোয়ার
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব (Centrifugal Force):
- মহাকর্ষ শক্তির মত ঘূর্ণনশীল পৃথিবী পৃষ্ঠে যে কেন্দ্রাতিগ শক্তি উৎপন্ন হয় সেটিও জোয়ার ভাঁটা উৎপত্তির কারণ।
- কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে গৌণ জোয়ার সৃষ্টি হয়।
- পৃথিবী যখন তার অক্ষের উপর ঘুরতে থাকে তখন একটি বিপরীত শক্তি এর পৃষ্ঠ থেকে বিপরীত দিকে নিয়ে যেতে চায়।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বৃষ্টির পানিতে পূর্ণ কোনো রাস্তৃা দিয়ে কোনো যানবাহন যদি খুব দ্রুতগতিতে এগিয়ে যায়, তখন চাকার প্রভাবে ঐ পানি দূরে ছিটকে পরে।

অনুরূপভাবে,
- পৃথিবী শুধু নিজ অক্ষেই ঘুরছে না। সেই সাথে অভিকর্ষ শক্তির প্রভাবে পৃথিবীর প্রতিটি বস্তু নিজ অবস্থানে দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে।
- আবার আরেকটি শক্তি কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে যা সবকিছু বাইরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই শক্তিকেই বলা হয় কেন্দ্রাতিগ শক্তি বা বিকর্ষণ শক্তি।
- এই কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণেই ভূ-পৃষ্ঠের জলরাশি বাইরের দিকে প্রবাহিত হয় এবং জোয়ার ভাঁটার সৃষ্টি হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
২,২৩৯.
________ মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
  1. স্টিফেন হকিং
  2. জন হুইলার
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. আলবার্ট আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণগহব্বর (Black Hole):
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম। ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- একটি মিল্কীওয়েতে ১০০ মিলিয়নের বেশি ব্ল্যাকহোল থাকতে পারে।

- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন - আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর general theory of relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয় Event Horizon Telescope (EHT).

উৎস: নাসা ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
২,২৪০.
দক্ষিণ মহাসাগরের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যবর্তী
  2. খ) এন্টার্কটিকা ও ৬০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যবর্তী
  3. গ) পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে
  4. ঘ) আফ্রিকা, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া জুড়ে
সঠিক উত্তর:
খ) এন্টার্কটিকা ও ৬০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এন্টার্কটিকা ও ৬০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যবর্তী
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর মহাসাগরগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম মহাসাগর - দক্ষিণ মহাসাগরের (Antarctic Ocean) অবস্থান এন্টার্কটিকা ও ৬০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যবর্তী স্থানে। এর আয়তন - ২ কোটি ১৯ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
গড় গভীরতা - ৩,২০০ মিটার ও সর্বোচ্চ গভীরতা -৭,২৩৫ মিটার। এই মহাসাগরের গভীরতম স্থান - সাউথ স্যান্ডোইচ ট্রেঞ্চ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই ও Live MCQ Content (Upcoming)।

২,২৪১.
প্লুটো একটি-
  1. ক) নক্ষত্র
  2. খ) উপগ্রহ
  3. গ) গ্রহ
  4. ঘ) বামন গ্রহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বামন গ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বামন গ্রহ
ব্যাখ্যা
প্লুটো সহ সৌরজগতে এরিস, ম্যাকিম্যাকি ও সিরেস নামে আরো কয়েকটি বামন গ্রহ আছে৷ ২০০৬ সালে প্লুটো গ্রহের মর্যাদা হারায়, বর্তমানে এটাকে বামন গ্রহ (Dwarf Planet) বলা হয়ে থাকে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,২৪২.
জীবাশ্ম কঠিন ও তরল আকারে খনি থেকে তুলে কি রূপে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ধ্বংসাবশেষ হিসাবে
  2. খ) ফসল রূপে
  3. গ) জ্বালানি রূপে
  4. ঘ) বর্জ্য পদার্থরূপে
সঠিক উত্তর:
গ) জ্বালানি রূপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জ্বালানি রূপে
ব্যাখ্যা
• জীবাশ্ম কঠিন ও তরল আকারে খনি থেকে তুলে জ্বালানি রূপে ব্যবহার করা হয়।
• জীবাশ্ম জ্বালানি: কোটি কোটি বছর পূর্বে গাছ-পালা ও জীবজন্তু প্রচন্ড ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে বা অন্য কোনো কারণে মাটি চাপা পড়ে যায়। এদেরই দেহাবশেষ এ জীবাশ্ম কঠিন বা তরল আকারে খনি থেকে তুলে তাপ শক্তি উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এদেরকেই জীবাশ্ম জ্বালানি বলে।
- উদাহরণ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৪৩.
'পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে' ধারণাটি প্রথম প্রমাণ করেন কে? 
  1. নিকোলাস কোপার্নিকাস
  2. বিজ্ঞানী গ্যালিলিও
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. জোহান কেপলার
সঠিক উত্তর:
বিজ্ঞানী গ্যালিলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজ্ঞানী গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা

- বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘােরে। 
- বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমী জোরালােভাবে বলেন যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে। 
- কোপার্নিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ ব্যাক্ত করেন, তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের পরিবর্তে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। 
- তার সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের মূল কথা ছিল 'পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘােরে'। 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। 
- নিকোলাস কোপার্নিকাসই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। 
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী গ্যলিলিও প্রথম কোপার্নিকাসের মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৪৪.
CFC গ্যাস কোন স্তরের ক্ষতি করে?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. আয়নোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

◉ CFC (Chlorofluorocarbon) গ্যাস মূলত ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার ও স্প্রে ক্যান থেকে নির্গত হয়। CFC গ্যাস স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোন স্তরের ক্ষতি করে। 

CFC গ্যাস:
- CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
- সিএফসি বায়ুমন্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের ক্ষতি করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর।
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে।
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৪৫.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে?
  1. ক) ট্রপোস্ফিয়ার
  2. খ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
  3. গ) মেসোস্ফিয়ার 
  4. ঘ) থার্মোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
ঘ) থার্মোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) থার্মোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের থার্মোস্ফিয়ার স্তরটি প্রায় বায়ুশুন্য। এই স্তরে বায়ুর তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ে, তাই এর নাম তাপমণ্ডল। তাপমণ্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে। 

- ট্রপোস্ফিয়ার- বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নীচের স্তরটিকে ট্রপোস্ফিয়ার বলে। 
- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার- ট্রপোস্ফিয়ারের ওপরে বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটিকে বলা হয় স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার (Stratosphere)। 
- মেসোস্ফিয়ার- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওপরে বায়ুমণ্ডলের তৃতীয় স্তরটিকে বলা হয় মেসােস্ফিয়ার (Mesosphere)। 

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি
২,২৪৬.
কোনটি জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল হিসেবে বিবেচিত নয়?
  1. বনাঞ্চল ধ্বংস
  2. খরা বৃদ্ধি
  3. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
  4. সুপেয় পানি দূষণ
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু পরিবর্তন মূলত পরিবেশগত পরিবর্তন নিয়ে কাজ করে এবং এর ফলে বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব দেখা দেয়। বনাঞ্চল ধ্বংস, খরা বৃদ্ধি এবং সুপেয় পানি দূষণ—all these are direct or indirect consequences of changing climate patterns. জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বাড়তে পারে, বৃষ্টি কমে বা বেড়ে যেতে পারে, যা বনাঞ্চল ধ্বংস এবং খরার কারণ হয়। পানি দূষণও বৃদ্ধি পায় কারণ প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়। তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল নয়; এটি মানব সমাজের বৃদ্ধি এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক কারণে ঘটে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) জনসংখ্যা বৃদ্ধি।


• জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই বিশ্বের আবহাওয়ার ধরন দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে।
- সঠিকভাবে কোনো ঋতুতেই আমরা প্রকৃতির কাছ থেকে স্বাভাবিক আচরণ পাচ্ছি না।
বৃষ্টির সময় অনাবৃষ্টি, শীতের সময়ে গরম আবহাওয়া এবং গরমের ভিন্নধর্মী আবহাওয়া ইত্যাদিই জলবায়ু পরিবর্তনেরই নেতিবাচক প্রভাব।
- এছাড়াও এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠা, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা কমে যাওয়া, লোনা পানির প্রবেশ ঝুঁকি বৃদ্ধি, অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সুপেয় পানি দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, বাস্তুসংস্থানের উপর হুমকি, খরা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা দ্বারা ফসলি জমির ক্ষতি ইত্যাদি জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৪৭.
বাংলাদেশ ভূ-খন্ড সৃষ্টির আগে এখানে কী ছিল?
  1. ক) ডেল্টা বেসিন
  2. খ) বঙ্গ বেসিন
  3. গ) ভারত মহাসাগরীয় বেসিন
  4. ঘ) সাগর
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গ বেসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গ বেসিন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ (বঙ্গীয় বদ্বীপ) ← বঙ্গ বেসিন (বঙ্গীয় অববাহিকা) ← সাগর।
অর্থাৎ বাংলাদেশ ভূ-খন্ড সৃষ্টির পূর্বে এখানে বঙ্গ বেসিন (বঙ্গীয় অববাহিকা) অবস্থিত ছিল।
ভূত্বকীয় ভারতীয় প্লেট (Indian Plate) এবং এশিয়ান প্লেটের (Asian Plate) সংঘর্ষের ফলে বঙ্গীয় অববাহিকার উৎপত্তি হয়েছে। ইয়োসিন উপযুগের শেষাংশে এই সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে একদিকে টেথিস সাগরের বিলুপ্তি এবং অপরদিকে হিমালয় পর্বতের সৃষ্টি-এই দুটি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে বঙ্গীয় অববাহিকার জন্ম হয় এবং ক্রমাগতভাবে তা হিমালয় পর্বত থেকে আগত নদীধারা কর্তৃক বাহিত পলিমাটি দ্বারা ভরাট হয়ে বঙ্গীয় বদ্বীপের সৃষ্টি করে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

২,২৪৮.
কোয়াসার কী? 
  1. একটি গ্রহীয় নীহারিকা 
  2. একটি সুপারনোভা বিস্ফোরণের অবশেষ 
  3. মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু 
  4. সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ 
সঠিক উত্তর:
মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু 
ব্যাখ্যা

কোয়াসার (Quasar): 
- মহাবিশ্বে এ যাবৎ কালের আবিস্কৃত সবচেয়ে বিস্ময়কর বস্তু সম্ভবত কোয়সার। 
- কোয়াসার হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু। 
- একটি কোয়সারের মোট শক্তির পরিমাণ একটি সম্পূর্ণ গ্যালাক্সির শক্তির চেয়ে প্রায় 100 গুণ বেশি। অথচ একটি কোয়াসারের ব্যাপ্তি সৌরজগতের প্রায় দ্বিগুণের মতো। 
- বিজ্ঞানীদের অনেকেই মনে করেন কোয়াসার হলো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত ঘূর্ণায়মান ব্ল্যাক হোল যা ক্রমাগত সন্নিকটবর্তী নক্ষত্রসমূহকে গ্রাস করে চলছে। 
- সুতরাং কোয়াসারের শক্তির উৎস ব্ল্যাক হোল কর্তৃক নক্ষত্র গলধঃকরণ হতে পারে। 
- কোয়াসার এখনও মহাবিশ্বের অতি রহস্যময় এক বস্তু। 
- তবে কোয়াসারের যে বৈশিষ্ট্যগুলো এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে উলেখযোগ্য হলো কোয়াসার দেখতে নক্ষত্রের মতো, তাদের রং নীলাভ, কতকগুলো কোয়াসার তীব্র বেতার বিকিরণের উৎস, কোয়াসারের লোহিত সরণ খুবই বেশি প্রভৃতি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,২৪৯.
কোন তত্ত্ব মহাবিশ্বের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করে?
  1. বিগ ব্যাং থিওরি
  2. ইনফ্লেশন থিওরি
  3. বিগ রিপ থিওরি
  4. অসিলেটিং ইউনিভার্স থিওরি
সঠিক উত্তর:
বিগ ব্যাং থিওরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিগ ব্যাং থিওরি
ব্যাখ্যা
• বিগ ব্যাং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)।
- কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে।
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাং বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির 'শুরু' বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়।
- বিগ ব্যাং সিদ্ধান্ত অনুসারে, মহাবিশ্বের উৎপত্তি ঘটেছে প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে।
- এই সিদ্ধান্তে বলা হয় যে, মহাবিশ্ব একটি একটি সুপারনোভা বা মহাস্থির বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে গ্রহাণুগুলি আরম্ভিক অবস্থায় ছিল।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৫০.
পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্র স্রোত কোন দিকে প্রবাহিত হয়?
  1. পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে
  2. পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে
  3. উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে
  4. দক্ষিণ থেকে উত্তর দিকে
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে
ব্যাখ্যা
- মহাসাগর ও সাগরের পানির একস্থান থেকে অন্যস্থানে নির্দিষ্ট ও নিয়মিত প্রবাহকে মহাসাগরীয় স্রোত বা সমুদ্রস্রোত বলে।
- উষ্ণতার তারতম্য অনুযায়ী সমুদ্র স্রোতকে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. উষ্ণ স্রোত এবং
২. শীতল স্রোত।
- সমুদ্র স্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ।
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্র স্রোত পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়।
- পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্র স্রোত পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৫১.
নিচের কোন শিলা গ্রাফাইটে রূপান্তরিত হয়? 
  1. কয়লা
  2. গ্রানাইট
  3. বেলেপাথর
  4. চুনাপাথর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা

শিলা: 
- ভূত্বক যেসব উপাদান দ্বারা গঠিত তাদের সাধারণ নাম শিলা। 
- ভূতত্ত্ববিদগণের মতে দুই বা ততোধিক খনিজ দ্রব্যের সংমিশ্রণে এসব শিলার সৃষ্টি হয়। 
- ভূত্বক গঠনকারী সকল কঠিন ও কোমল পদার্থই শিলা। 
উদাহরণস্বরূপ নুড়ি, কাঁকর, গ্রানাইট, কাদা, বালি প্রভৃতি। 
- গঠনপ্রণালি অনুসারে শিলাকে তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- (১) আগ্নেয় শিলা, (২) পাললিক শিলা ও (৩) রূপান্তরিত শিলা। 

রূপান্তরিত শিলা: 
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। 
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে। 
যেমন- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়। 
- রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই শিলা স্ফটিকযুক্ত, খুব কঠিন হয়; এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না; কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২৫২.
পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে কী বলে? 
  1. ফিশন
  2. মেসন
  3. ফিউশন
  4. ডেটন
সঠিক উত্তর:
ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিশন
ব্যাখ্যা
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়।
- প্রক্রিয়া দুটি হল:
১.  নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন: 
- যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে। 
- উচ্চ শক্তিসম্পন্ন প্রোটন, নিউট্রন বা ডিউটেরনের আঘাতের ফলে ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াস ৩টি নিউট্রনসহ দুটি তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াসে ভেঙ্গে পড়ে। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ফিশন বলে। 

২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন: 
- যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 
- অত্যধিক উচ্চ তাপে ফিউশন সংঘটিত হয়। 
- চারটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস ফিউশন প্রক্রিয়াতে জড়িত হয়ে একটি করে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস গঠিত হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৫৩.
বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা বাড়লে বায়ুচাপের ক্ষেত্রে কী ধরনের পরিবর্তন হয়? 
  1. বায়ুচাপ কমে
  2. বায়ুচাপ বাড়ে
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. প্রথমে বাড়ে তারপর কমে
সঠিক উত্তর:
বায়ুচাপ কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুচাপ কমে
ব্যাখ্যা
- বায়ু তার ওজনের কারণে ভূ-পৃষ্ঠের উপর যে চাপ প্রয়োগ করে তাই বায়ুচাপ। 
- বায়ুচাপের একক হল প্যাসকেল। 
- তাপমাত্রা বাড়লে কোন বদ্ধ পাত্রে বায়বীয় পদার্থের চাপ বেড়ে যায় কিন্তু বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বাড়লে বায়ুচাপ কমে যায় এর কারণ বায়ুমণ্ডল পাত্র বদ্ধ নয়; এটি খোলা। 
- তাপ পেলে বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায় ফলে বায়ুর ঘনত্ব কমে যায় ফলে বায়ুচাপ কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২,২৫৪.
বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের উপাদান সমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
- আর্গন : ০.৮০ শতাংশ
- কার্বন ডাইঅক্সাইড : ০.০৩ শতাংশ
- জলীয়বাষ্প : ০.৪১ শতাংশ
- ধূলিকণা : ০.০১ শতাংশ
- অন্যান্য গ্যাস : ০.০২ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,২৫৫.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. থার্মোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
থার্মোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থার্মোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের চতুর্থ স্তর হলো থার্মোস্ফিয়ার।
- এটি ৫০০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এ স্তরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে সৌরবিকিরণ মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ৪২৭°C থেকে ১৭২৭° C এর মধ্যে পরিবর্তিত হয়।
- বায়ুমণ্ডলের এ স্তরেই তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,২৫৬.
এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন কণাগুলোর আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় -
  1. বিক্ষেপণ
  2. প্রতিসরণ
  3. অপবর্তন
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
বিক্ষেপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্ষেপণ
ব্যাখ্যা
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপন বলে। 
- এ আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। 
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়। 
- ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,২৫৭.
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু কেমন থাকে?
  1. ক) শীতল
  2. খ) শুষ্ক ও ঝড়ো
  3. গ) শীতল ও আর্দ্র
  4. ঘ) উষ্ণ ও আর্দ্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) উষ্ণ ও আর্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উষ্ণ ও আর্দ্র
ব্যাখ্যা
• ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে।

ঘূর্ণিঝড়ের গঠন: ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে হলে কিছু বৈশিষ্ট্য বা উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলো হলো-
১. সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
২. মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
৩. উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৫৮.
পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব কত?
  1. ৩,২০,০০০ কিমি
  2. ৪,২০,০০০ কিমি
  3. ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার
  4. ১,৫০,০০০ কিমি
সঠিক উত্তর:
৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• চাঁদ:
- পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার।
- চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে নিজ কক্ষপথে ২৯ দিনে একবার আবর্তন করে।
- চাঁদের ব্যাস ৩.৪৭৫ কিলোমিটার। ১৯৬৯ সালের ২১ শে জুলাই সর্বপ্রথম মানুষ চাঁদে অবতরণ করেন।
- চাঁদে পানি, বায়ু, উদ্ভিদ বা প্রাণী নেই। চাঁদে বহু সমতলভূমি, পাহাড় পর্বত ও বৃহদাকার গর্তের উপরিভাগ দেখা যায়।
- চাঁদের সবচেয়ে বড় গহ্বরটির নাম আইটকেন।
- চাঁদের আকাশ দিনে-রাতে একই রকম কালো।
- চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। সূর্যের আলোতে চাদ আলোকিত হয়।
- চাঁদের যে পৃষ্ঠে সূর্যালোক পড়ে সে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১০০" সেলসিয়াস এর ওপরে এবং অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১৫০ সেলসিয়াসের নীচে।

উৎস:
১. Baylor University Media Release. 
২. বাংলা ট্রিবিউন। [Link]
২,২৫৯.
চারিদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক জলরাশিকে বলা হয় -
  1. হ্রদ
  2. সাগর
  3. উপসাগর
  4. মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
ব্যাখ্যা
- আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমণ্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
১। মহাসাগর (Ocean), 
২। সাগর (Sea), 
৩। উপসাগর (Bay), 
৪। হ্রদ (Lake)। 
 
মহাসাগর (Ocean): 
- উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ জলরাশি বা পানি রাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে। 
- পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে। 
যথা: প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean), আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean), ভারত মহাসাগর (Indian Ocean), উত্তর মহাসাগর (North Ocean), দক্ষিণ মহাসাগর (South Ocean)। 
 
সাগর (Sea): 
- সাগর হচ্ছে মহাদেশের উপকূলভাগে মহাসাগরের প্রান্তে অবস্থিত জলভাগ যা প্রাকৃতিক ভূ-প্রকৃতি দ্বারা মহাসাগর থেকে আংশিকভাবে বিচ্ছিন্ন। 
- সংক্ষেপে মহাসাগর অপেক্ষা স্বল্প আয়তন বিশিষ্ট জলরাশিকে সাগর (Sea) বলে। 
যেমন- জাপান সাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর, লোহিত সাগর, ভূ-মধ্যসাগর। 
 
উপসাগর (Bay): 
- শুধুমাত্র একদিকে জল এবং বাকী তিনদিক স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত জলরাশিকে উপসাগর (Bay) বলে। 
যেমন- মেক্সিকো উপসাগর, পারস্য উপসাগর, বঙ্গোপসাগর। 
 
হ্রদ (Lake): 
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক জলরাশিকে হ্রদ (Lake) বলে। 
যেমন- রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ, আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ। 
- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে অবস্থিত সুপিরিয়র হ্রদ। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,২৬০.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. নাইট্রাস অক্সাইড
  3. হাইড্রোফ্লুরোকার্বন
  4. আর্গন
সঠিক উত্তর:
আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্গন
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউস গ্যাস (Greenhouse Gases):
সাধারণভাবে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রধান কারণ কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), যা অনেক ক্লাইমেট চেঞ্জ উদ্যোগের কেন্দ্রে রয়েছে। মিথেন (CH₄) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O) কিছুটা কম পরিমাণে, সাধারণত <20% অবদান রাখে।

Direct Greenhouse Gases:
প্যারিস চুক্তির অধীনে সাতটি ডাইরেক্ট গ্রিনহাউস গ্যাস রিপোর্ট করা হয়:
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), 
- মিথেন (CH₄), 
- নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), 
- হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs), 
- পেরফ্লুরোকার্বন (PFCs), 
- সালফার হেক্সাফ্লুরাইড (SF₆), 
- নাইট্রোজেন ট্রাইফ্লুরাইড (NF₃), 
এই গ্যাসগুলি তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা রেডিয়েটিভ ফরসিং প্রভাবের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাইমেট চেঞ্জে অবদান রাখে।
- HFCs, PFCs, SF₆ এবং NF₃ collectively "এফ-গ্যাস" নামে পরিচিত।

Indirect Greenhouse Gases:
এছাড়া আরও চারটি ইন্ডাইরেক্ট গ্রিনহাউস গ্যাস রয়েছে:
- নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx)
- কার্বন মনোক্সাইড (CO)
- নন-মিথেন ভলাটাইল অর্গানিক কম্পাউন্ড (NMVOC)
- সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂)
এই গ্যাসগুলি সরাসরি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে অবদান না রাখলেও, তারা অন্যান্য গ্যাসের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে গ্রিনহাউস গ্যাসের উৎপাদন ঘটাতে পারে এবং পরিবেশে অবদান রাখতে পারে।

উৎস:National Atmospheric Emissions Inventory,UK Website.
২,২৬১.
বিবর্তনবিদ্যার আলোচ্য বিষয় নয় কোনটি?
  1. ক) প্রাণের বিকাশ
  2. খ) জীবের বিবর্তন
  3. গ) কালের বিবর্তন
  4. ঘ) জীবের ক্রমবিকাশ
সঠিক উত্তর:
গ) কালের বিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কালের বিবর্তন
ব্যাখ্যা
বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবংক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলােচনা এ শাখার বিষয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,২৬২.
ভরা কটাল বা তেজ কটাল কখন ঘটে? 
  1. সমুদ্রের গভীরতার কারণে 
  2. চাঁদ পৃথিবীর নিকটবর্তী অংশে থাকলে 
  3. অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় থাকলে 
  4. চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থাকলে 
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় থাকলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় থাকলে 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হওয়ার কারণে পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। ফলে জোয়ার-ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৬৩.
পৃথিবীর পরিধি কত?
  1. ৪৫ ডিগ্রি
  2. ৯০ ডিগ্রি
  3. ১৮০ ডিগ্রি
  4. ৩৬০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
৩৬০ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
পৃথিবী:
- পৃথিবীর পরিধি ৩৬০ ডিগ্রি।
- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ।
- একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দুরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৬৪.
অপটিক্যাল ফাইবারের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. CaO
  2. MgO
  3. CuO
  4. SiO2
সঠিক উত্তর:
SiO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SiO2
ব্যাখ্যা

SiO2
অপটিক্যাল ফাইবার:
অপটিক্যাল ফাইবার হলো স্বচ্ছ, নমনীয় এবং খুব সূক্ষ্ম কাচ বা প্লাস্টিকের তন্তু, যা আলোক সঙ্কেত পরিবহন করে।
- আলো চলাচলের জন্য স্বচ্ছ মাধ্যমের প্রয়োজন।
- কাঁচের সংকেত সিলিকন-ডাই-অক্সাইড (SiO2)।
- এটি অত্যন্ত স্বচ্ছ, রাসায়নিকভাবে স্থিতিশীল, ও আলোক সংকেতকে খুব কম ক্ষয় সহ পরিবহন করতে পারে  এজন্য এটি অপটিক্যাল ফাইবারের মূল উপাদান।

অপটিক্যাল ফাইবার তিনটি অংশে গঠিত: 
১. Core (কোর): SiO₂ দ্বারা তৈরি, যেখানে আলো সঞ্চালিত হয়।
২. Cladding (ক্ল্যাডিং): কোরের চারপাশে থাকে, যার প্রতিসরণাঙ্ক কিছুটা কম থাকে, ফলে আলো সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে কোরে সীমাবদ্ধ থাকে।
৩. Jacket (জ্যাকেট): বাহ্যিক সুরক্ষামূলক স্তর।

অপরদিকে,
- CaO হল কুইক লাইম, যা চুনাপাথর থেকে পাওয়া যায়। এটি একধরনের ক্ষারীয় পদার্থ, আলোক পরিবাহিতা নেই, এবং স্বচ্ছ নয়
- MgO তাপ সহনশীল যা গাড়ীর ইঞ্জিন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
- CuO একটি ধাতব অক্সাইড যা বিদ্যুত পরিবহণে সক্ষম। 

তথ্যসূত্র: NCTB পদার্থবিজ্ঞান বই, Britannica: [লিংক]

২,২৬৫.
নিচের কোনটি মিঠা পানির উৎস নয়?
  1. ক) নদী
  2. খ) হ্রদ
  3. গ) ভূগর্ভস্থ পানি
  4. ঘ) সাগর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাগর
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,২৬৬.
যানবাহন থেকে নির্গত কালো বিষাক্ত গ্যাসটির নাম কী? 
  1. ফেরিক অক্সাইড
  2. মিথেন
  3. কার্বন মনোক্সাইড
  4. ইথেন
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
ব্যাখ্যা
- যানবাহন থেকে নির্গত কালো বিষাক্ত গ্যাসটির নাম হচ্ছে কার্বন মনোক্সাইড
- এই গ্যাসটি বায়ু দূষণের জন্য দায়ী। 
- যেসব সংক্রামক উপাদান বায়ু পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে সেইসব উপাদানকে বলা হয় দূষক। 
- পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে বলা হয় দূষণ।

বায়ু দূষণের ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ - 
১. কার্বন মনোক্সাইড এর প্রভাবে মাথাধরা, ঝিমুনি, শারীরিক শক্তি হ্রাস পায়। 
২. সালফার অক্সাইড-এর প্রভাবে শ্বাসনালির জ্বালা, হাঁপানি, কাশি, নাকজ্বালা। 
৩.  নাইট্রোজেন অক্সাইড-এর প্রভাবে শ্বাসনালির স্ফীতি ও ফুসফুসের জ্বালা। 
৪. সূক্ষ্মণার প্রভাবে চোখ, নাক ও গলার জ্বালা, রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা হ্রাস। 

উৎস: Texas Commission on Environmental Quality Website [লিঙ্ক]
২,২৬৭.
মার্বেল কোন ধরনের শিলা?
  1. ক) রূপান্তরিত শিলা
  2. খ) আগ্নেয় শিলা
  3. গ) পাললিক শিলা
  4. ঘ) মিশ্র শিলা
সঠিক উত্তর:
ক) রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা

আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক চাপ, তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন রূপ ধারণ করে তাকে ‘রূপান্তরিত শিলা’ বলে।

রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।
অন্যদিকে,
- ল্যাকোলিথ ও গ্রানাইট : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- কয়লা : পাললিক শিলা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি : পৃষ্ঠা: ৫০-৫১

২,২৬৮.
ঘূর্ণিঝড় হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য ন্যূনতম বাতাসের গতিবেগ কত কিমি/ঘণ্টা বা তার বেশি হতে হয়?
  1. ৩০ কিমি/ঘণ্টা
  2. ৬৫ কিমি/ঘণ্টা
  3. ৪৫ কিমি/ঘণ্টা
  4. ৮০ কিমি/ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৬৫ কিমি/ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫ কিমি/ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

- ঘূর্ণিঝড় হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য ন্যূনতম বাতাসের গতিবেগ প্রায় ৬৫ কিমি/ঘণ্টা (বা ৩৬ নট) হতে হয়, যা সাধারণত "ঘূর্ণিঝড়" (Cyclonic Storm) ক্যাটাগরির সর্বনিম্ন সীমা, তবে এর চেয়ে কম গতিতে গভীর নিম্নচাপ (Deep Depression) হয়। 

সাইক্লোন: 
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone, এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ। ঘূর্ণিঝড়ের বাতাস কুণ্ডলি পাকানো সাপের আকার ধারণ করে বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির একটি আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত। 

সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ: 
- এই দুর্যোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো উচ্চ তাপমাত্রা ও নিম্নচাপ। 
- সাইক্লোন সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে এবং আঘাত হানে উপকূলীয় এলাকায়। 
- সাধারণত এই তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হওয়া প্রয়োজন এবং ঝড়ের সময় বাযুপ্রবাহের গতিবেগ ৬৫ কিলোমিটার বা তারও বেশি হয়। 
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এইরূপ তাপমাত্রা বিদ্যমান। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। এ সময় উচ্চচাপযুক্ত বায়ু প্রবলবেগে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগে যেখানে নিম্নচাপ থাকে সেদিকে ধাবিত হয়। এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়। 
- এটি উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠে উৎপত্তি লাভ করে মহাদেশীয় মূলভাগের দিকে অগ্রসর হয়। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলে। 
- এছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৬৯.
পৃথিবী আপন কক্ষপথে কত ডিগ্রি কোণে হেলে আছে?
  1. ২৩.৫°
  2. ৫৫.৫°
  3. ৪৬.৫°
  4. ৬৬.৫°
সঠিক উত্তর:
৬৬.৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৬.৫°
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী আপন কক্ষপথে ৬৬.৫°কোণে হেলে আছে। 
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে আছে।
- আহ্নিক গতির ফলে দিবা-রাত্রির সংঘটন, বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি এবং তাপমাত্রার তারতম্য ঘটে। 
- বার্ষিক গতির ফলে দিবা-রাত্রির হ্রাস ও ঋতু পরিবর্তন সংঘটিত হয়। 
- ২১শে মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৭০.
নিচের কোনটি মৃত আগ্নেয়গিরি?
  1. ক) কোহি সুলতান
  2. খ) ফুজিয়ামা
  3. গ) কিলিমাঞ্জারো
  4. ঘ) স্ট্রম্ব্যালি
সঠিক উত্তর:
ক) কোহি সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোহি সুলতান
ব্যাখ্যা
- যেসব আগ্নেয়গিরি দীর্ঘকাল ধরে নিষ্ক্রীয় আছে এবং ভবিষ্যতেও অগ্ন্যূৎপাতের সম্ভাবনা নেই তাদের মৃত আগ্নেয়গিরি বলা হয়।
মৃত আগ্নেয়গিরি উদাহরণ:
- কোহি সুলতান (ইরান)
- বেন নেভিস (যুক্তরাজ্য) প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- ফুজিয়ামা (জাপান) : সুপ্ত আগ্নেয়গিরি
- কিলিমাঞ্জারো (তাঞ্জানিয়া) : সু্প্ত আগ্নেয়গিরি
- স্ট্রম্ব্যালি (ইতালি) : সক্রিয় আগ্নেয়গিরি
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং ব্রিটানিকা)
২,২৭১.
ভূ - ত্বকে কোন উপাদান সবচেয়ে কম থাকে?
  1. সোডিয়াম
  2. অ্যালুমিনিয়াম
  3. ক্যালসিয়াম
  4. লোহা
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
ভূ-ত্বক: 
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। 
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম। 
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন। 

ভূ-ত্বকে, 
অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%, 
সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%, 
অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%, 
লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%, 
ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%, 
সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%, 
পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং 
ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,২৭২.
ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে কোন অবস্থা বিরাজ করে? 
  1. শুষ্ক আবহাওয়া
  2. নিম্ন তাপ
  3. নিম্নচাপ
  4. উচ্চচাপ
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- বাংলাদেশে সংঘটিত প্রচন্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসকারী প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় উল্লেখযোগ্য। 
- স্থান অনুসারে ঘূর্ণিঝড়ের বিভিন্ন নামকরণ হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 
- বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে এ ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয় এবং একই ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে ফানেল আকৃতির কারণে এ দেশে অধিক সংখ্যক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় একটি সাময়িক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- গত তিন দশকে বাংলাদেশের পূর্বাংশে বেশি ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, টেকনাফ, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, উরিরচর, চর জব্বার, চর আলেকজান্ডার প্রভৃতি স্থানে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২৭৩.
তিন দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে কী বলে?
  1. সাগর
  2. হ্রদ
  3. উপসাগর
  4. মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসাগর
ব্যাখ্যা
- বারিমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere.
- আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমন্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- মহাসাগর, সাগর, উপসাগর এবং হ্রদ।
- পৃথিবীর মোট জলরাশির শতকরা ৯০ ভাগ রয়েছে সমুদ্রে।
- পৃথিবীতে মোট ৫টি মহাসাগর রয়েছে।
- আয়তন ও গভীরতার দিক দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগর সর্ববৃহৎ।
- তিন দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে উপসাগর বলে।
- চার দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে হ্রদ বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৭৪.
মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ কয়টি?
  1. ক) ১ টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৩ টি
  4. ঘ) ৫ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ টি
ব্যাখ্যা

মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি ।
এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ১৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
মঙ্গলে ফোবস ও ডিমােস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
উৎসঃ ভূগােল, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২৭৫.
নিচের কোন নামে নীহারিকা (Nebula) পরিচিত?
  1. Pillars of Solar System
  2. Pillars of Destruction
  3. Pillars of Creation
  4. Pillars of Black Hole
সঠিক উত্তর:
Pillars of Creation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pillars of Creation
ব্যাখ্যা
নীহারিকা (Nebula):
- সৃষ্টি জগতের সকল উপাদানকে একত্রে মহাবিশ্ব বলা হয়।
- মহাবিশ্বের মহাকাশে গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, নীহারিকা, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ও উল্কা ইত্যাদিকে জ্যোতিষ্ক বলে।
- নীহারিকা বা নেবুলা (Nebula) হলো ধুলা, হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও আয়নিত গ্যাসের আন্তর্মহাকাশীয় মেঘ।
- এগুলো আসলে হালকা গ্যাসের অতিকায় পিণ্ড।
- একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।
- নীহারিকার মেঘস্তম্ভকে নক্ষত্র সৃষ্টির আধার হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- তাই নাসার বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন "Pillars of Creation"। 
- আবার তারার সুপারনোভা বিস্ফোরণে নীহারিকা তৈরি হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৭৬.
ভরা কটাল কখন হয়?
  1. ক) সপ্তমী তিথিতে
  2. খ) অষ্টমী তিথিতে
  3. গ) অমাবস্যা তিথিতে
  4. ঘ) ক + খ
সঠিক উত্তর:
গ) অমাবস্যা তিথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অমাবস্যা তিথিতে
ব্যাখ্যা
তেজ কটাল বা ভরা কটাল (Spring Tide)
- চন্দ্রের মত সূর্যও জোয়ার ভাঁটা সৃষ্টিতে সাহায্য করে।
- যখন অমাবস্যার সৃষ্টি হয় তখন সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- অন্যদিকে পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অন্যপাশে চন্দ্র অবস্থান করে। এই সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- মূলত পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারের পানি ফুলে উঠে। এই জোয়ারকেই বলা হয় ভরা কটাল বা তেজ কটাল।
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী পৃষ্ঠের যে স্থানে চন্দ্রের প্রভাবে মুখ্য জোয়ার হয়, সে স্থানে সূর্যের প্রভাবে গৌণ জোয়ার হয়।
- আবার চন্দ্রের প্রভাবে যে স্থানে গৌণ জোয়ার হয় ঐ স্থানে সূর্যের আকষর্ণে মুখ্য জোয়ার হয়।

মরা কটাল (Neap Tide)
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে না।
- এ সময় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- এই সময় তারা পৃথিবীকে আড়াআড়ি আকর্ষণ করে এবং এই আকর্ষণ বেগ কম হয়।
- এ সময় চন্দ্রের আকর্ষণে চন্দ্র ও তার বিপরীত দিকে জোয়ার হয়।
- কিন্তু চন্দ্রের আকর্ষণ সূর্য হতে বেশি বলে সূর্য ও তার বিপরীত দিকে ভাঁটা হয়।
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে জোয়ারের তীব্রতা সবচেয়ে কম থাকায় এইরূপ জোয়ারকে বলা হয় মরা কটাল।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
২,২৭৭.
ব্ল্যাক হোলের-
  1. ক) আয়তন বেশি ও ভর কম
  2. খ) আয়তন ও ভর কম
  3. গ) আয়তন কম‌ ও ভর বেশি
  4. ঘ) আয়তন ও ভর বেশি
সঠিক উত্তর:
গ) আয়তন কম‌ ও ভর বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আয়তন কম‌ ও ভর বেশি
ব্যাখ্যা

কৃষ্ণগহ্বর বা কৃষ্ণ বিবর (ব্ল্যাক হােল নামেও পরিচিত) মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি বহুল প্রচলিত ধারণা।
এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণগহ্বর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তড়িৎচুম্বকীয়‌ বিকিরণকেও (যেমন: আলাে) নয়।
প্রকৃতপক্ষে এই স্থানে সাধারণ মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশি হয়ে যায় যে এটি মহাবিশ্বের অন্য সকল বলকে অতিক্রম করে। ফলে এ থেকে কোন কিছুই পালাতে পারে না।
অষ্টাদশ শতাব্দীতে প্রথম তৎকালীন মহাকর্ষের ধারণার ভিত্তিতে কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্বের বিষয়টি উত্থাপিত হয়।

২,২৭৮.
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ টেকনিশিয়াম-99 এর লাইফটাইম-
  1. ক) ৬ লক্ষ বছর
  2. খ) ৬ হাজার বছর
  3. গ) ৬ শত বছর
  4. ঘ) ৬ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ঘন্টা
ব্যাখ্যা
রোগাক্রান্ত স্থানের ছবি তোলার জন্য তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ টেকনিশিয়াম-99 ব্যবহার করা হয় যার লাইফটাইম ৬ ঘন্টা।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২,২৭৯.
ঝড়, কুয়াশা ও বজ্রপাত বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে সৃষ্টি হয়? 
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল 
  2. ট্রপোমণ্ডল 
  3. তাপমণ্ডল 
  4. মেসোমণ্ডল 
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল 
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল: 
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। 
যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল। 

ট্রপোমণ্ডল: 
- ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুস্তরকে বলে ট্রপোমণ্ডল। 
- আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত যাবতীয় প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ঘটে। 
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে সৃষ্টি হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

২,২৮০.
কোন পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি?
  1. ক) পুকুরের পানিতে
  2. খ) লেকের পানিতে
  3. গ) নদীর পানিতে
  4. ঘ) সাগরের পানিতে
সঠিক উত্তর:
গ) নদীর পানিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নদীর পানিতে
ব্যাখ্যা
আবদ্ধ পানির চেয়ে চলমান পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। এবং, সাগরের পানির চেয়ে মিঠা পানিতে অক্সিজেন বেশি থাকে।
Rapidly moving water, such as in a mountain stream or large river, tends to contain a lot of dissolved oxygen, whereas stagnant water contains less.
Source: USGS and others.
২,২৮১.
Endoscope যন্ত্রে আলোক পরিবহনের জন্য ভৌত বিজ্ঞানের কোন নীতি প্রয়োগ করা হয়?
  1. Echo
  2. Refraction
  3. Reflection
  4. Total internal reflection
সঠিক উত্তর:
Total internal reflection
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Total internal reflection
ব্যাখ্যা

◉ এন্ডোস্কোপ হলো একটি চিকিৎসা-যন্ত্র, যা শরীরের ভেতরের অংশ যেমন পাকস্থলী, অন্ত্র বা অন্যান্য অঙ্গ পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এতে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total internal reflection) ব্যবহৃত হয়। 

এন্ডোসকোপি: 
- এন্ডোসকোপি বলতে সাধারণভাবে কোনো কিছুর ভিতরে দেখাকে বুঝানো হয়। 
- আবার এন্ডোসকোপি বলতে চিকিৎসাজনিত কারণে বা প্রয়োজনে দেহের অভ্যন্তরস্থ কোনো অঙ্গ বা গহ্বরকে বাহির থেকে পর্যবেক্ষণ। 
- এন্ডোসকোপ যন্ত্রের মাধ্যমে শরীরের ফাঁকা অঙ্গসমূহের অভ্যন্তরভাগ পরীক্ষা করা হয়। 
- এন্ডোসকোপি যন্ত্রে দুটি নল থাকে। 
- এদের একটির মধ্য দিয়ে বাইরে থেকে রোগীর শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গে আলো প্রেরণ করা হয়। আলোক তন্তুর ভিতরের দেয়ালে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে উজ্জ্বল আলো রোগীর দেহ গহ্বরে প্রবেশ করে, এই আলো রোগাক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্থ অঙ্গকে আলোকিত করে। 
- দ্বিতীয় আলোক তন্তু নলের ভিতর দিয়ে আলোর প্রতিফলিত অংশ একইভাবে ফিরে আসে। প্রতিফলিত আলো অভিনেত্র লেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসকের চোখে প্রবেশ করে। ফলে চিকিৎসক পরীক্ষনীয় অঙ্গের অভ্যন্তরে কী ঘটছে বা হচ্ছে তা দেখতে পারেন। 

- এন্ডোসকোপির মাধ্যমে চিকিৎসকগণ শরীরের অভ্যন্তরে যে কোনো ধরণের অস্বস্তিবোধ, ক্ষত, প্রদাহ এবং অস্বাভাবিক কোষবৃদ্ধি পরীক্ষা করে থাকেন। 
- বিভিন্ন অঙ্গ পরীক্ষা করার জন্য এন্ডোসকোপি ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- 
ক. ফুসফুস, বুকের কেন্দ্রীয় বিভাজন অংশ; 
খ. পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র বা কোলন; 
গ. স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ; 
ঘ. উদর এবং পেলভিস; 
ঙ. মূত্রথলির অভ্যন্তরভাগ; 
চ. নাসাগহ্বর এবং নাকের চারপাশের সাইনাসসমূহ; 
ছ. কান ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৮২.
পৃথিবীর কোথায় আহ্নিক গতির বেগ সর্বাপেক্ষা বেশি?
  1. মেরুরেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. মকরক্রান্তি রেখা
  4. নিরক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী নিজ অক্ষের চারদিকে দিনে একবার নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে। পৃথিবীর এই আবর্তন গতিই দৈনিক গতি বা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত। নিজ অক্ষের চারদিকে আবর্তন করতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ এক দিন। এটিকে সৌর দিন বলে।

⇒ পৃথিবীর আহ্নিক গতি একেক জায়গায় একেক রকম হয়।
- পৃথিবীপৃষ্ঠ পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর পৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়।
- সে কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠের সব স্থানের আবর্তন বেগও সমান নয়।
- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি।
- এ জন্য নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগও সবচেয়ে বেশি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৮৩.
পৃথিবী থেকে নিকটতম নক্ষত্র Proxima Centauri এর দূরত্ব কত আলোকবর্ষ ?
  1. ৪.২
  2. ২.৪
  3. ৫.৬
  4. ৩.১
  5. ১.৯
সঠিক উত্তর:
৪.২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.২
ব্যাখ্যা
প্রক্সিমা সেন্টোরাই:
- সূর্যের নিকটতম বা পৃথিবী থেকে নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই।

⇒ ১৯১৫ সালে স্কটিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী রবার্ট আইনেস নক্ষত্রটি আবিষ্কার করেছিলেন।
- তিনি নক্ষত্রটি 'প্রক্সিমা সেন্টোরাই' নামকরণের প্রস্তাব দেন (মূলত প্রক্সিমা সেন্টারাস)।
- পৃথিবী থেকে এটির দূরত্ব ৪.২ কোটি আলোকবর্ষ।

উল্লেখ্য,
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো রয়েছে তাদের নক্ষত্র বলা হয়।
- সূর্য এরূপ একটি নক্ষত্র।
- অর্থাৎ সূর্য ব্যতীত পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Britannica.
২,২৮৪.
প্রাকৃতিক কোন উৎস হতে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায়?
  1. নদী
  2. সাগর
  3. হ্রদ
  4. বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
- মৃদু পানির সবচেয়ে বড় উৎস হলো বৃষ্টির পানি। 
- সাগরের পানিতে লবণ থাকে বলে এটি মৃদু বা মিষ্টি পানির উৎস নয়। 
- নদীর পানি ও বিলের পানি মৃদু হলেও এসব মূলত বৃষ্টিপাতের উপরে নির্ভরশীল। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,২৮৫.
রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে কতটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা করছে সরকার?
  1. ক) দেড়শো মেগাওয়াট
  2. খ) দেড় হাজার মেগাওয়াট
  3. গ) আড়াইশো মেগাওয়াট
  4. ঘ) দুই হাজার চারশো মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুই হাজার চারশো মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুই হাজার চারশো মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে দুই হাজার চারশো মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২,২৮৬.
টর্নেডো সৃষ্টির মূল কারণ কী? 
  1. উচ্চ চাপ 
  2. নিম্ন চাপ
  3. নিম্ন তাপমাত্রা
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
নিম্ন চাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্ন চাপ
ব্যাখ্যা

টর্নেডো (Tornado): 
- টর্নেডো শব্দটির উৎপত্তি স্প্যানিশ শব্দ 'Tornada' থেকে যার অর্থ Thunder storm বা শব্দ বজ্রঝড়। 
- সাইক্লোনের ন্যায় টর্নেডো সৃষ্টির মূল কারণ হলো বায়ুর নিম্ন চাপ ও উচ্চ তাপমাত্রা। 
- টর্নেডোর ক্ষেত্রে বাতাসের গতিবেগ অনেক বেশি হয়। এই সাধারণ গতিবেগ ঘন্টায় ৪৮০ থেকে ৮০০ কিলোমিটার হতে পারে। 
- টর্নেডোর সাথে সাইক্লোনের প্রধান পার্থক্য হলো সাইক্লোন সৃষ্টি হয় সাগরে এবং উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে। 
- অপরদিকে টর্নেডো যে কোনো স্থানেই সৃষ্টি হতে পারে এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার ক্ষতিসাধন করতে পারে। 
- বাংলাদেশে প্রলয়ংকরী টর্নেডো হয় ১৯৮৯ সালে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়াতে। 
- টর্নেডোর সাথে কালবৈশাখী ঝড়ের যথেষ্ট মিল রয়েছে। শুধু পার্থক্য হলো কালবৈশাখী ঝড় দুই ধরনের বিপরীতমুখী বায়ুপ্রবাহের দরুণ বছরের নির্দিষ্ট সময়ে হয় কিন্তু টর্নেডো যে কোনো সময় হতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৮৭.
২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কী বলা হয়?
  1. সুমেরুবৃত্ত
  2. নিরক্ষরেখা
  3. মকরক্রান্তি রেখা
  4. কর্কটক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা

নিরক্ষরেখা: 
- পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে। 
- নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো বিষুবরেখা (Equator), ০° অক্ষরেখা (০° Latitude), মহাবৃত্ত (Great circle)। 

কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে। 
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। 
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে। 

সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত: 
- উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২৮৮.
কোন যন্ত্রটি বায়ুমণ্ডলের চাপ নির্ণায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ব্যারােমিটার
  2. ম্যানােমিটার
  3. পাইরোমিটার 
  4. হাইগ্রোমিটার
সঠিক উত্তর:
ব্যারােমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যারােমিটার
ব্যাখ্যা

- ব্যারোমিটার হলো একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা বোঝার জন্য এই যন্ত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র: 

• ব্যারােমিটার- বায়ুমণ্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• সেক্সট্যান্ট- সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র।
• সিসমোগ্রাফ- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ম্যানােমিটার- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ফ্যাদোমিটার- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
• হাইগ্রোমিটার- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র।
• পাইরোমিটার- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র।
- ট্যাকোমিটার- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র। 
- অ্যালটিমিটার- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 
- ওডোমিটার মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র। 
- অডিওমিটার- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

২,২৮৯.
কোনটিকে আয়নোস্ফিয়ার বলা হয়ে থাকে?
  1. ক) তাপমন্ডল
  2. খ) ট্রপোমন্ডল
  3. গ) স্ট্রাটোমন্ডল
  4. ঘ) এক্সোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ক) তাপমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তাপমন্ডল
ব্যাখ্যা
তাপমন্ডল (Thermosphere) : মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে তাপমন্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার বলে। এই স্তরে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা অত্যন্ত দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এসে পোঁছায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই
২,২৯০.
নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ?
  1. জলোচ্ছ্বাস
  2. জলাবদ্ধতা সৃষ্টি
  3. তুষারপাত
  4. খরা
সঠিক উত্তর:
জলাবদ্ধতা সৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাবদ্ধতা সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
• মানবসৃষ্ট কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- রাসায়নিক দূষণ,
- যুদ্ধ,
- পারমাণবিক বিস্ফোরণ,
- মরুকরণ,
- অগ্নিকাণ্ড,
- জলাবদ্ধতা সৃষ্টি,
- বন উজারকরণ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
প্রাকৃতিক কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- ভূমিকম্প,
- অগ্ন্যুৎপাত,
- নদীভাঙন,
- তুষারপাত,
- ঘূর্ণিঝড়,
- খরা,
- জলোচ্ছ্বাস,
- বন্যা ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়: অষ্টম শ্রেণি।
২,২৯১.
শক্তির একক-
  1. ক) জুল
  2. খ) ওয়াট
  3. গ) মাসল
  4. ঘ) ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ক) জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জুল
ব্যাখ্যা
শক্তির একক হচ্ছে জুল, ক্ষমতার একক ওয়াট।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,২৯২.
বাংলাদেশে নিম্নের কোন অঞ্চলটিতে ভূমিকম্পের ঝুঁকির মাত্রা কম?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) খুলনা
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খুলনা
ব্যাখ্যা

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,
- ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে সিলেট, ময়মনসিংহ এবং রংপুর,ঢাকা, কুমিল্লা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের কিছু্ অংশ।
এর মধ্যে সিলেট বিভাগের চারটি জেলায় বড় মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে।
একইভাবে ময়মনসিংহ বিভাগের পাঁচটি জেলাও ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
ঢাকা বিভাগের মধ্যে টাঙ্গাইল,গাজীপুর, নরসিংদী জেলার অংশ বিশেষ, পুরাে কিশােরগঞ্জ জেলা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা উচ্চ মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে।
এ ছাড়া ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে আছে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলার উত্তরাংশ।
- মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে ঢাকা, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নােয়াখালী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের অংশ বিশেষ করে চট্টগ্রাম,বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলা।
- ভূমিকম্পের কম ঝুঁকিতে রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের পুরাে অঞ্চল।
সূত্র: প্রথম আলো আর্কাইভ।

২,২৯৩.
কৃষ্ণবিবরের ধারণাটি কে প্রবর্তন করেন? 
  1. জন হুইলার
  2. স্টিফেন হকিং
  3. আলবার্ট আইনস্টাইন
  4. গ্যালিলিও গ্যালিলি
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Black hole): 
- কৃষ্ণবিবর (Black Hole) হল এমন একটি সঞ্চালিত আকাশগঙ্গা বস্তু, যা অত্যন্ত ঘন ও সংকুচিত হয়ে গিয়ে অতিরিক্ত শক্তিশালী মহাকর্ষ ক্ষেত্র তৈরি করে। 
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার কৃষ্ণবিবরের ধারণা প্রবর্তন করেন। 
- সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর, তিন সৌর ভরের বা তার চেয়ে বেশি ভরের নক্ষত্রের কেন্দ্রের গঠন অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হয়, যার ফলে এর আয়তন শূন্যে পরিণত হয়ে মহাকর্ষ ক্ষেত্র এত প্রবল হয়ে ওঠে যে, আলোকরশ্মি কিংবা কোনো সংকেতও বের হতে পারে না। ফলে এটি এক ধরনের অদৃশ্য বস্তু হিসেবে থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৯৪.
আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ-
  1. ধূলিকণা
  2. বায়ুস্তর
  3. বৃষ্টির কণা
  4. অতি বেগুনী রশ্মি 
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টির কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টির কণা
ব্যাখ্যা

- আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ- বৃষ্টির কণা। 
- সূর্য থেকে যে আলোর রশ্মি পৃথিবীতে আসে তার রঙ মূলত সাদা। 
- এই সাদা রঙের ভেতরে বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি রং বিদ্যমান থাকে। 
- সাদা আলোর একটি বিশেষ ধর্ম আছে যা প্রিজমের মধ্য দিয়ে গমন করলে সাদা আলো সাতটি ভিন্ন রঙে বিশ্লেষিত হয়ে যায়। 
- আকাশে যখন বৃষ্টি পড়ে তখন বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ভাসমান প্রিজমের মতো কাজ করে। 
- সূর্য হতে আলো বৃষ্টির ফোঁটার একপাশ দিয়ে প্রবেশ করে বের হবার সময় সাত রঙের বর্ণালী সৃষ্টি করে। 
- বৃষ্টির ফোঁটা বা কণার প্রিজমসুলভ বৈশিষ্ট্যের কারণেই সৃষ্টি হয় রংধনু।  
- বৃষ্টির ফোঁটা হতে বের হওয়া সাত রঙের আলো আমাদের চোখে এসে পৌঁছায় বলেই আমরা রংধনুকে দেখতে পাই। 
- ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যাওয়ার সময় আলোকরশ্মি যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে মাধ্যম দুটির সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়, তবে ওই আপতিত রশ্মি, দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হওয়ার পর ওর সবটুকুই প্রতিফলিত হয়ে আবার ঘন মাধ্যমেই ফিরে আসে, এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ  প্রতিফলন বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২৯৫.
পরিবেশ রক্ষায় একটি দেশের কত শতাংশ বনভূমি প্রয়োজন?
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৩০%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা
- যে সকল স্থানে বিভিন্ন প্রকারের প্রচুর পরিমানে গাছপালা দেখা যায় তাকে বন ভূমি বলা হয়ে থাকে।
- এক সময় পৃথিবীর স্থল ভাগের প্রায় ৪০ ভাগ বনভূমি দ্বারা আবৃত ছিল।
- কিন্তু মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে বনভূমি থেকে গাছপালা কেটে ফেলে বর্তমানে তা প্রায় ২৪ ভাগে এসে দাড়িয়েছে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের তাপ, মাটি, আলো, জলবায়ু প্রভৃতির কারণে বনভূমির তারতম্য হয়ে থাকে। 
- দেশের অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনভূমি অপরিহার্য।
- একটি দেশের জন্য অন্তত ২৫% বনভূমির প্রয়োজন।
- বাংলাদেশে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৮ শতাংশ।

উৎস: বাণিজ্যিক ভূগোল, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৯৬.
জোয়ার অত্যন্ত প্রবাল হয় কখন?
  1. চন্দ্র ও সূর্য কৌণিকভাবে অবস্থান করলে
  2. পৃথিবী ও চন্দ্র একই সরলরেখায় অবস্থান করলে
  3. চন্দ্র ও সূর্য একই সরল রেখায় থাকলে
  4. সূর্য ও পৃথিবী এক সমকোণে অবস্থান করলে
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র ও সূর্য একই সরল রেখায় থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র ও সূর্য একই সরল রেখায় থাকলে
ব্যাখ্যা
প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি হয়৷ এগুলো হলো-
১. চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব এবং ২. পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি৷
সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত জোরালো হয় না।
তবে চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় থাকলে উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়।
অমাবস্যা এবং পূর্ণিমা তিথিতে অধিকমাত্রায় জোয়ারের ফলে নৌকা, লঞ্চ ডুবে যায় এবং জানমালের ক্ষতি হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল বোর্ড বই
২,২৯৭.
বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর অবক্ষয়ে কোন গ্যাসটির ভূমিকা সর্বোচ্চ?
  1. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  2. জলীয় বাষ্প
  3. CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
  4. নাইট্রিক অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
ব্যাখ্যা
- ওজনস্তর ক্ষয়ের জন্যে সবচেয়ে বেশি দায়ী ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বা সিএফসি গ্যাস। 
- এছাড়া ওজনস্তরের জন্যে ক্ষতিকর অন্যান্য গ্যাসসমূহের মধ্যে রয়েছে নাইট্রাস অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড, ব্রোমিন, মিথেন, মিথাইল ক্লোরাইড ইত্যাদি। 
- ওজনস্তর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত একটি আবরণ যা প্রাণীকুলকে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা করে। 

CFC গ্যাস: 
-  CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন। 
- সিএফসি বায়ুমন্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের ক্ষতি করে। 
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে। 
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর। 
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে। 
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে। 
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট। 

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২,২৯৮.
নিচের কোনটিকে মহাবিষুব বলা হয়?
  1. ক) ২১ মার্চ
  2. খ) ২১ জুন
  3. গ) ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ মার্চ
ব্যাখ্যা
- নিরক্ষরেখায় সূর্যের গমনকে বিষুব বলা হয়। সূর্যের উত্তরায়ণের সময় ২১শে মার্চ সূর্য নিরক্ষরেখায় অবস্থান করে। এতে করে ২১শে মার্চ পৃথিবীর দিন-রাত্রি সমান থাকে। এই দিনটিকে মহাবিষুব বলা হয়।
- আবার এইদিন (২১ মার্চ) থেকে উত্তর গোলার্ধে বসন্ত শুরু হয় বিধায় একে বাসন্ত বিষুব বলা হয়।
- ২৩শে সেপ্টেম্বর দক্ষিণায়নের অংশ হিসেবে সূর্য নিরক্ষরেখায় অবস্থান করে। এতে ২৩শে সেপ্টেম্বরও পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান হয়। এই দিনটিকে শারদ বিষুব বলা হয়।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং ব্রিটানিকা)
২,২৯৯.
সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় -
  1. প্রায় ১৮০ মিলিয়ন বছর
  2. প্রায় ২২০ মিলিয়ন বছর
  3. প্রায় ২৪০ মিলিয়ন বছর
  4. প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২৪০ মিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২৪০ মিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা
গ্যালাক্সি:
- সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আটটি গ্রহ তাদের নিজস্ব কক্ষপথে অবিরত আবর্তন করে।
- পৃথিবী, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালক্সি সবকিছু নিয়েই গঠিত হয় মহাবিশ্ব।
- গ্যালাক্সি মহাবিশ্বের অংশ।
- এখানে রয়েছে হাজার হাজার কোটি নক্ষত্র ও গ্রহ, উপগ্রহ।

⇒ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি:
- পৃথিবী যে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার নাম হলো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ।
- এটি মাত্র এক লাখ আলোকবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি একটি স্পাইরাল বা সর্পিল গ্যালাক্সি।
- আমাদের সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় প্রায় ২৪০ মিলিয়ন বছর।
- মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রটি আমাদের পৃথিবী থেকে প্রায় ২৫ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- অর্থাৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে পৃথিবীতে আলো এসে পৌঁছাতে সময় লাগে ২৫ হাজার বছর। 
- গ্যালাক্সির কেন্দ্রটি অত্যন্ত উজ্জ্বল।
- এর বেশির ভাগ অংশই ঢাকা পড়ে আছে হাইড্রোজেন গ্যাসে।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) NASA (.gov).
২,৩০০.
নিরক্ষরেখার উপর সূর্য কিভাবে কিরণ দেয়? 
  1. তির্যকভাবে
  2. লম্বভাবে
  3. কৌণিকভাবে
  4. আড়াআড়িভাবে
সঠিক উত্তর:
লম্বভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লম্বভাবে
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা: 
- সূর্যকিরণের মাত্রা অক্ষাংশভেদে বিভিন্ন রকম হয়। 
- নিরক্ষরেখার উপর সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়। 
- নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায়, সূর্যকিরণ তির্যকভাবে পড়তে থাকে। 
- এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় মেরুর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।