বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত

মোট প্রশ্ন২,৪০৪এই পাতা৯৯প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত

PrepBank · পাতা ২৪ / ২৪ · ২,৩০১২,৩৯৯ / ২,৪০৪

২,৩০১.
স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্বের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) একজন শিশুর এই দূরত্ব ৫ সেন্টিমিটারের কাছাকাছি
  2. খ) একজন স্বাভাবিক বয়স্ক লােকের এই দূরত্ব ২৫ সেমি পর্যন্ত হতে পারে
  3. গ) এই দূরত্ব মানুষের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে অপরিবর্তিত থাকে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) এই দূরত্ব মানুষের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে অপরিবর্তিত থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এই দূরত্ব মানুষের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে অপরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা
স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্বঃ মানুষ তার চোখের সবচেয়ে কাছে যে বিন্দু পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুকে খালি চোখে স্পষ্ট দেখা যায়, তাকে স্পষ্ট দৃষ্টির নিকট বিন্দু বলে এবং চোখ থেকে বিন্দুর দূরত্বকে স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব ধরে নেওয়া হয়। এই দূরত্ব মানুষের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। একজন শিশুর এই দূরত্ব ৫ সেন্টিমিটারের কাছাকাছি এবং একজন স্বাভাবিক বয়স্ক লােকের এই দূরত্ব ২৫ সেমি পর্যন্ত হতে পারে। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
২,৩০২.
কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশে যে অঞ্চলটি আলোকে আটকায়, তাকে কী বলা হয়?
  1. Spacetime
  2. Gravitational Wave
  3. Event Horizon
  4. Singularity
সঠিক উত্তর:
Event Horizon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Event Horizon
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশে যে অঞ্চলটি আলোসহ সবকিছুকে আটকায়, তাকে Event Horizon বলা হয়। এটি এমন একটি সীমানা, যার বাইরে কিছুই, এমনকি আলোও, কৃষ্ণ গহ্বরের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি থেকে পালাতে পারে না। Event Horizon হলো সেই বিন্দু, যেখানে স্থান ও সময়ের গতি এতটাই বিকৃত হয়ে যায় যে, কোনো বস্তুর জন্য ফিরে আসা অসম্ভব হয়। এটি কৃষ্ণ গহ্বরকে দৃশ্যমানভাবে বিচ্ছিন্ন করে তোলে এবং আমাদের পক্ষে তার অভ্যন্তরের কোনো তথ্য জানা সম্ভব হয় না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) Event Horizon.

• কৃষ্ণ গহ্বর:

- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশে যে অঞ্চলটি আলোকে আটকায়, তাকে বলা হয় ইভেন্ট হরিজন।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৩০৩.
আপেক্ষিক তত্ত্বের (Theory of Relativity) প্রবক্তা কে?
  1. স্যার আইজ্যাক নিউটন
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. ম্যাক্স প্ল্যাংক
  4. নিলস বোর
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
◉ আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (Special Theory of Relativity) এবং ১৯১৫ সালে সার্বিক আপেক্ষিক তত্ত্ব (General Theory of Relativity) প্রবর্তন করেন।

আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব Einstein's Theory of Relativity:
- চিরায়ত বলবিজ্ঞানের মতে স্থান, কাল এবং ভর ধ্রুব।
- আইনস্টাইন এগুলো সম্পর্কে চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, স্থান, কাল এবং ভর এগুলো পরম কিছু নয়; এগুলো আপেক্ষিক। আইনস্টাইনের এ তত্ত্বকে বলা হয় আপেক্ষিকতা তত্ত্ব।

আপেক্ষিকতা তত্ত্বটি দুটো ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো:
ক. আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (Special theory of relativity) এবং
খ. আপেক্ষিকতার সার্বিক তত্ত্ব (General theory of relativity)।

- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। যথা-
১. প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 
২. দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 
- তার ভর শক্তির সম্পর্ক সূত্রটি হলো
E = mc2
যেখানে,
E = শক্তি,
m = ভর,
c = আলাের বেগ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)। 
২,৩০৪.
বায়ুমন্ডলে অক্সিজেনের দ্রাবক হিসাবে কাজ করে কোনটি?
  1. জলীয়বাষ্প
  2. নাইট্রোজেন
  3. ওজোন
  4. নাইট্রাস অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

নাইট্রোজেন (Nitrogen) : নাইট্রোজেন বায়ুমন্ডলে নিস্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে অবস্থান করে। এটি ধ্রুব (Constant) গ্যাস যা অপরিবর্তনীয়।
বায়ুমন্ডলের নাইট্রোজেন অক্সিজেনের দ্রাবক হিসেবে কাজ করে। এর দ্বারা বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়া পরিবর্তিত এবং যৌগ গঠিত হয়, যা খাদ্য উৎপাদন ও অঙ্গজ গঠনে উদ্ভিদজগতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া জীবজগতের প্রোটিন জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করতে সাহায্য করে। নাইট্রোজেন সরাসরি কোনো প্রাণি কিংবা উদ্ভিদকে বাঁচিয়ে রাখে না। তবে নাইট্রোজেন ছাড়া কোনো প্রাণি কিংবা উদ্ভিদ বাঁচতে পারে না।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।

২,৩০৫.
সূর্যগ্রহণ কোন সময় ঘটে?
  1. চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর উল্টো পাশে অবস্থান করলে
  2. চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় হলে
  3. চাঁদ পূর্ণিমার অবস্থায় থাকলে 
  4. চাঁদ নতুন চাঁদের অবস্থায় থাকলে কিন্তু পৃথিবী আলোর উৎসে না থাকলে
সঠিক উত্তর:
চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় হলে
ব্যাখ্যা

- সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী যখন একই সরলরেখায় আসে এবং চাঁদ মাঝখানে থাকে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর কিছু অংশে পড়ে এবং সেই অংশ থেকে সূর্যকে আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে দেখা যায় না 

অমাবস্যা: 

- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে তখন চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

পূর্ণিমা: 
- যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে তখনই পূর্ণিমা হয়। 

চন্দ্ৰগ্ৰহণ: 
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান। 
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়। 
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া। 

সূর্যগ্রহণ: 
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ সরলরেখায় অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। 
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। 
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। 
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে।

উৎস: বিবিসি বাংলা, ৪ ডিসেম্বর, ২০২১ [লিঙ্ক]।

২,৩০৬.
জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ কোনটি? 
  1. সমুদ্রের তাপমাত্রা 
  2. বাতাসের চাপ 
  3. সমুদ্রের নীচের ঢেউ 
  4. চন্দ্র-সূর্যের মহাকর্ষ ও পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি 
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র-সূর্যের মহাকর্ষ ও পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র-সূর্যের মহাকর্ষ ও পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার (Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা (Ebb or Low Tide) বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার-ভাটার প্রধান দুটি কারণ হলো- চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি। 

জোয়ার-ভাটার শ্রেণিবিভাগ: 
- জোয়ার-ভাটাকে নিম্নলিখিত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
 যথা- 
১. মুখ্য জোয়ার (Primary Tide): 
- প্রধানত চন্দ্রের আকর্ষণেই জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হয়। চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে সর্বদা ঘুরছে। আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। ফলে চারদিক হতে পানি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বা Primary Tide বলে। 

২. গৌণ জোয়ার (Secondary Tide): 
- পৃথিবীর যে পাশে চন্দ্র আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকে পৃথিবীকে চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তির প্রভাব অপেক্ষাকৃত কম। আবার পানির নিম্নের কঠিন স্থলভাগ যা পৃথিবীর সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ। ফলে তার ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ কেন্দ্র স্থলের আকর্ষণেরই সমান এবং বিপরীত দিকের জলরাশি অপেক্ষা স্থলভাগ চন্দ্রের দিকে বেশি আকৃষ্ট হয়। এই সময় চন্দ্রের বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক হতে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চন্দ্রের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বা Secondary Tide বলে। 

৩. ভরা কটাল (Spring Tide): 
- অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে সমান্তরালভাবে অবস্থান করে এবং উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ প্রবল হয় এবং পানি বেশি ফুলে ওঠে। এই ধরনের জোয়ারকে ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide) বলে। অপরদিকে পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর একদিকে সূর্য এবং অন্যদিকে চন্দ্র একই সমান্তরালে অবস্থান করে এবং চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে মুখ্য জোয়ার হয়, সেখানেই সূর্যের আকর্ষণে গৌণ জোয়ার হয়। আবার চন্দ্রের বিপরীত দিকে যেখানে তার আকর্ষণে গৌণ জোয়ার হয়। অর্থাৎ পূর্ণিমা তিথিতে উভয় বিপরীত স্থানেই জোয়ারের বেগ সর্বাধিক হয়। একেও ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide) বলে। 

৪. মরা কটাল (Neap Tide): 
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না। এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল (Neap Tide) বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৩০৭.
গ্যালাক্সির অংশ বিশেষ কী নামে পরিচিত?
  1. গ্রহ
  2. নক্ষত্র
  3. নীহারিকা
  4. ছায়াপথ
সঠিক উত্তর:
ছায়াপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়াপথ
ব্যাখ্যা
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি ও সৌরজগত (Milkyway Galaxy & Solar System):

- গ্যালাক্সির অংশ বিশেষ ছায়াপথ নামে পরিচিত
- সুদুর আকাশে বায়বীয় পদার্থ ও গ্যাসপূর্ণ স্বপ্নালোকিত মেঘের মত আস্তরণকে গ্যালাক্সি বলা হয় ।
- আমাদের সৌরজগত মিল্কিওয়ে (Milkyway) গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশবিশেষ, যা বাংলায় ছায়াপথ নামে অভিহিত।
- এই ছায়াপথটি অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্রের সমন্বয়ে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩০৮.
আলোর গতিতে কোন বস্তু পৃথিবী থেকে চাঁদে যেতে কত সময় লাগবে?
  1. প্রায় ২.৩ মিনিট
  2. প্রায় ১.৩ সেকেন্ড
  3. প্রায় ২৩ সেকেন্ড
  4. প্রায় ২.৩ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১.৩ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১.৩ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব  ৩,৮৪,৪০০ কিমি কিলোমিটার।
- আলোর গতি - ৩০০০০০ Kms-1.
- সুতরাং আলোর গতিতে কোন বস্তু পৃথিবী থেকে চাঁদে যেতে সময় লাগবে:
- আমরা জানি, সময় = দূরত্ব ÷ বেগ
∴ ৩,৮৪,৪০০ ÷ ৩০০০০০ = ১.২৮ সেকেন্ড।
- আলোর গতিতে কোন বস্তু পৃথিবী থেকে চাঁদে যেতে ১.২৮ সেকেন্ড বা প্রায় ১.৩ সেকেন্ড সময় লাগবে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি ও নাসা ওয়েবসাইট।
২,৩০৯.
পরিবাহীতে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি ব্যবধান -
  1. ক) অসীম
  2. খ) নেগেটিভ
  3. গ) শূন্য
  4. ঘ) পজিটিভ
সঠিক উত্তর:
গ) শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শূন্য
ব্যাখ্যা
পরিবাহী : যে সব পদার্থের মধ্যে যথেষ্ট মুক্ত ইলেকট্রন থাকে এবং যেগুলোর মধ্য দিয়ে খুব সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলাচল করতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। যেমন : তামা, অ্যালুমিনিয়াম, রূপা, লোহা ইত্যাদি পরিবাহী।

পরিবাহীতে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মাঝে কোন শক্তি ব্যবধান থাকে না। অর্থাৎ Ep এর মান শূন্য হয়। 
এক্ষেত্রে পরিবাহীর যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ড এর মধ্যে আংশিক উপরিলেপন ঘটে , কাজেই যোজন ইলেকট্রন খুব সহজেই পরিবহন ইলেকট্রনে পরিণত হতে পারে। এই উপরিলেপনের জন্য, পরিবাহীর দুই প্রান্ডে খুব সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকার ফলে এদের রোধ খুব কম হয় অর্থাৎ তড়িৎ পরিবাহিতা বেশি হয়।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩১০.
'ওয়ার্ম হোল' নামটির প্রচলন করেন কে?
  1. ক) স্টিফেন হকিং
  2. খ) জন আর্চিবল্ড হুইলার
  3. গ) আলবার্ট আইনস্টাইন
  4. ঘ) জন নিউটন
সঠিক উত্তর:
খ) জন আর্চিবল্ড হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জন আর্চিবল্ড হুইলার
ব্যাখ্যা
জন আর্চিবল্ড হুইলার প্রখ্যাত মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্ব নিয়ে আইনস্টাইনের সাথে কাজ করেছিলেন । তিনি ব্ল্যাক হোল, ওয়ার্ম হোল এবং It from Bit নামগুলোর প্রণেতা হিসেবে পরিচিত।

ওয়ার্মহোল হল তাত্ত্বিকভাবে মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি স্থানের বা স্থান-কালের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করার জন্য তৈরি একটি টানেল স্বরূপ। এটির মাধ্যমে মহাবিশ্বের একটি স্থান থেকে অন্য একটি স্থানে কম সময়ের মাঝেই ভ্রমণ করা যায়। কেননা এটি প্রায় কয়েক বিলিয়ন আলোকবর্ষের পার্থক্যে থাকা মহাবিশ্বের দুটি বিন্দুকে মাত্র কয়েক মিটারের একটি টানেলের মাধ্যমে সংযুক্ত করে দিতে পারে!
২,৩১১.
কার্বন সবচেয়ে বেশি আছে কোন কয়লায়?
  1. ক) লিগনাইট
  2. খ) বিটুমিনাস
  3. গ) অ্যানথ্রাসাইট
  4. ঘ) পিট
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যানথ্রাসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যানথ্রাসাইট
ব্যাখ্যা
- কয়লা হলো জীবাশ্ম জ্বালানি।
- কয়লায় কার্বন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, গন্ধক, ফসফরাস, অ্যামোনিয়া, বেঞ্জিন এবং জলীয় ও বায়বীয় পদার্থ আছে।
- কার্বোনাইজেশনের মাত্রা অনুযায়ী লিগলাইট ও অ্যানথ্রাসাইট জাতীয় কয়লা তৈরি হয়।
- অ্যান্থ্রাসাইট সর্বাধিক ভালো মানের কয়লা।
- বাংলাদেশে প্রধানত তিন ধরনের কয়লা পাওয়া যায় যথা- বিটুমিনাস, লিগনাইট ও পিট।
- কয়লা সাধারণত মাটির নিচে ৩ মিটার থেকে ১৮০০ মিটার গভীর পর্যন্ত অবস্থান করে। 

উৎস : পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩১২.
প্লেগ রোগের জীবাণু কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) Susumu Hotta
  2. খ) Erwin Popper
  3. গ) Alexandre Yersin
  4. ঘ) Hippocrates
সঠিক উত্তর:
গ) Alexandre Yersin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Alexandre Yersin
ব্যাখ্যা
প্লেগ রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন Alexandre Yersin. 

- প্লেগ (Plague) Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়াঘটিত মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ রোগ মহামারী আকারে দেখা দেয় তাই ব্যাপক প্রাণসংহারকারী বা অনিস্টকর কোন পরিস্তিতি বর্ণনায় ‘প্লেগ’ শব্দের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।
- প্লেগ অতি প্রাচীনকালীন এক ব্যাধি, প্রায় ৩০০০ বছর পূর্বে এর অস্তিত্ব ধরা পড়েছে।
- ইতিহাস সূত্রে জানা যায় মধ্য যুগে বহু রাজ্য এ রোগ দ্বারা ধ্বংসাত্মক পরিণতির শিকার হয়েছে।
- Y. pestis একটি গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া যা ইঁদুরের ফ্লি Xenopsylla chaeopis নামক পতঙ্গের অন্ত্রে বাস করে।
- ফ্লি ইঁদুর ও ইঁদুরজাতীয় প্রাণীর বহিঃপরজীবী এবং পোষকের ত্বকে দংশনের মাধ্যমে এর অন্ত্র থেকে ব্যাকটেরিয়াকে পোষকের দেহে চালান করে।
- ফ্লি ইঁদুর থেকে ইঁদুরে, কখনও কখনও ইঁদুর থেকে মানুষে প্লেগ জীবাণু স্থানান্তরের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে এবং রোগের উপসর্গ সৃষ্টি করে। একজন নিউমোনিক প্লেগে সংক্রমিত মানুষ অন্য মানুষে রোগ ছড়ায় এবং এভাবে প্লেগ মহামারীর আকার পায়।

সূত্র: National Library of Medicine [লিঙ্ক]
২,৩১৩.
বিজ্ঞানী হাবল মহাবিশ্ব সম্পর্কে বলেন-
  1. ক) মহাবিশ্ব ভেঙ্গে নতুন মহাবিশ্ব হচ্ছে
  2. খ) মহাবিশ্বের ছায়াপথগুলো ক্রমেই নিকটে আসছে
  3. গ) মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে
  4. ঘ) মহাবিশ্ব স্থির এর কোনো পরিবর্তন নাই
সঠিক উত্তর:
গ) মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে
ব্যাখ্যা
১৯২৯ সালে বিজ্ঞানী এডউইন হাবল মহাবিশ্বের প্রসারণ আবিষ্কার করেন। তিনি মহাবিশ্ব সম্পর্কে বলেন- 'মহাবিশ্ব প্রতিনিয়তই সম্প্রসারিত হচ্ছে'।
২,৩১৪.
পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফলে মূলত কোন তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়?
  1. অতিবেগুনি রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. বিটা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
Nuclear bombs release their energy in the form of a blast, a fireball, visible light and radioactive ionising rays. For a small bomb, 50% of its energy release comes from the blast, 35% through heat, and the remaining 15% in the form of radiation.

During the explosion and a few seconds after, the effects of neutrons and gamma rays, which are long range, is very intensive. Gamma radiation prevails for powerful bombs. Neutrons dominate the small bombs and neutron bombs.

Source:radioactivity.eu.com
২,৩১৫.
ভূমিকম্পের সময় নিচের কোনটি করা সমীচীন?
  1. ক) ফাঁকা ও উন্মুক্ত স্থানে আশ্রয় নিবেন।
  2. খ) ভূমিকম্পের সময় গাড়িতে থাকলে গাড়ি খোলা জায়গায় থামিয়ে গাড়িতেই থাকবেন।
  3. গ) গ্যাস এবং বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে দূরে অবস্থান নিবেন।
  4. ঘ) সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো 
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্পের সময় যা করবেন:

- ভূমিকম্প হচ্ছে টের পেলে বা খবর পেলে সঙ্গে সঙ্গে ফাঁকা ও উন্মুক্ত স্থানে আশ্রয় নিন।
- উঁচু ভবনে থাকলে এবং বের হতে না পারলে জানালা বা দেয়ালের পাশে অবস্থান না নিয়ে শক্ত কোনো বীম, টেবিলের নিচে অবস্থান নিন।
- হতবিহ্বল না হয়ে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন।
- বহুতল ভবনে একই জায়গায় অনেক মানুষ একসঙ্গে না থেকে ভাগ হয়ে আশ্রয় নিন। 
- আপনার মুঠোফোনে ফায়ার সাভির্স এবং দরকারি মোবাইল নম্বরগুলো আগাম সতর্কতা হিসেবে আগেই রেখে দিন। বিপদের সময় আপনার কাজে লাগবে।
- দ্রুত নামার জন্য ভবন থেকে লাফিয়ে পড়বেন না।
- ভূমিকম্পের সময় সম্ভব হলে মাথার ওপর শক্তকরে বালিশ অথবা অন্য কোনো শক্ত বস্তু [কাঠবোর্ড, নরম কাপড় চোপড়ের কুণ্ডলি] ধরে রাখুন।
- গ্যাস এবং বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে দূরে অবস্থান নিন।
- উচু ভবন থেকে দ্রুত নামার জন্য লিফট ব্যবহার করবেন না।
- ভূমিকম্পের সময় গাড়িতে থাকলে গাড়ি খোলা জায়গায় থামিয়ে গাড়িতেই থাকুন।
- একবার ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যাকে আফটার শক’ বলে। নিজেকে বিপদমুক্ত ভাবতে অন্তত একঘণ্টা সময় নিন। 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
২,৩১৬.
গ্রিনিচে যখন রবিবার সকাল ৬টা তখন ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমায় সময় যথাক্রমে-
  1. রবিবার দুপুর ১২টা ও শনিবার সকাল ৬টা
  2. রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ও শনিবার দুপুর ১২টা
  3. রবিবার ১২টা ও শনিবার রাত ১২টা
  4. রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ও শনিবার সন্ধ্যা ৬টা
সঠিক উত্তর:
রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ও শনিবার সন্ধ্যা ৬টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ও শনিবার সন্ধ্যা ৬টা
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
∴ ১৮০ ডিগ্রি = ১৮০ × ৪ = ৭২০ মিনিট 
= ১২ ঘন্টা।
- কোন স্থান থেকে পূর্বে গেলে সময় বাড়বে আর পশ্চিমে গেলে সময় কমবে। 
- কোন স্থানে সময় যখন রবিবার সকাল ৬টা তখন - 
∴ ১৮০ ডিগ্রি পূর্বে সময় হবে রবিবার সন্ধ্যা ৬ টা এবং ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিমে সময় হবে শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা। 
২,৩১৭.
উত্তল লেন্সের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হলাে:
  1. ক) এটির ক্ষমতা ধনাত্মক
  2. খ) লেন্সের মধ্যভাগ সরু ও প্রান্ত মােটা
  3. গ) সমান্তরাল রশ্মিগুলােকে একটি বিন্দুতে মিলিত করে
  4. ঘ) ক+গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক+গ
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২,৩১৮.
নিচের কোনটি ট্রানজিস্টরের অংশ নয়?
  1. ক) নিঃসারক
  2. খ) পীঠ
  3. গ) সংগ্রাহক
  4. ঘ) বহির্মুখ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বহির্মুখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বহির্মুখ
ব্যাখ্যা

p-n-p or n-p-n ট্রানজিস্টরে সজ্জিত কেলাসের প্রথমটিকে নিঃসারক, মাঝেরটিকে পীঠ এবং অন্য পাশেরটিকে সংগ্রাহক বলা হয়। ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক সার্কিট বা বর্তনীতে বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।

২,৩১৯.
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ - 
  1. সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
  2. বায়ু প্রবাহের প্রভাব
  3. সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
  4. সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালনা
সঠিক উত্তর:
বায়ু প্রবাহের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু প্রবাহের প্রভাব
ব্যাখ্যা
- সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ- বায়ু প্রবাহের প্রভাব। 

বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রভাব। 
- প্রধান বায়ুপ্রবাহের গতি অনুসরণ করে সমুদ্রের প্রধান শ্রোতগুলো প্রবাহিত হয়। 
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্রস্রোত পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে এবং প্রত্যয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ুর চলাচল নিয়ত পরিবর্তনশীল। 
- বায়ু সবসময়ই একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরাল অর্থাৎ আনুভূমিকভাবে বায়ুর এ সঞ্চালনকে বলা হয় বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ। 
- বায়ু সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়- 
(১) নিম্নচাপমন্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন বায়ুমন্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। ফলে উচ্চ তাপমন্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সবর্দা নিম্নচাপমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
(২) পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩২০.
আগ্নেয় শিলার প্রধান উপাদান কী?
  1. ক) খনিজ
  2. খ) আগুন
  3. গ) লবণ
  4. ঘ) ম্যাগমা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যাগমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যাগমা
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় শিলার প্রধান উপাদান ম্যাগমা
• আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় উত্তপ্ত গলিত পদার্থ ভূ-অভ্যন্তরের গভীর তলদেশ থেকে (প্রায় ২০০ কি.মি.) ভূ-ত্বকের অভ্যন্তরেই জমাটবদ্ধ হয় যা ম্যাগমা নামে পরিচিত।
• এই ম্যাগমা যখন ভূ-ত্বকের গভীর থেকে ফাঁটল বরাবর সজোরে ভূ-পৃষ্ঠে উঠে এসে প্রবাহিত হয় তখন তাকে লাভা বলে।
• শিলার বুনট এই ম্যাগমা বা লাভার বৈশিষ্ট্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। শিলার বুনট বলতে এর গঠনকারী খনিজ উপাদানের আকার, আকৃতি, বিন্যাস বুঝায়।
• আগ্নেয় শিলায় প্রধানত ৫ ধরনের বুনট দেখা যায়।     

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩২১.
এমআরআই যন্ত্রে কোন তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ইনফ্রারেড
  2. খ) রেডিও ওয়েব
  3. গ) এক্সরে
  4. ঘ) মাইক্রোওয়েভ
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও ওয়েব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও ওয়েব
ব্যাখ্যা
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।

এমআরআই
:
- এমআরআই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)। 
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। 
- নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্র কাজ করে। 
- এই নীতি ব্যবহার করে কোনো অণুর প্রকৃতি সম্পর্কে তথ্য জানা যায়।

- এমআরআই একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি।
- এই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না। 
- শরীরের যে অংশের এমআরআই স্ক্যান করা হয় সেখান থেকে প্রাপ্ত সংকেতকে একটি কম্পিউটারের সাহায্যে পরিবর্তিত করে সেই অংশের অত্যন্ত স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়।

- প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে।
-এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে। 
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়।
- ব্রেণ এবং মেরু রুজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩২২.
ইউরেনাসের উপগ্রহ কোনটি?
  1. ক্যাপিটাস
  2. গ্যানিমেড
  3. অ্যারিয়েল
  4. নেরাইড
সঠিক উত্তর:
অ্যারিয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যারিয়েল
ব্যাখ্যা
♦ ইউরেনাস:
- ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল।
- এই গ্রহের বায়ুতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস উপস্থিত হওয়ায় এটিকে সবুজ রঙের দেখা যায়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলা হয়।
- এটি সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ।
- এটিতে শনির মতো একটি বলয় রয়েছে।
- উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮১ সালে গ্রহটি আবিষ্কার করেছিলেন।
- ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ ২৭টি।
- এগুলো হলো: অ্যামব্রিয়েল, অ্যারিয়েল, ওফেলিয়া, ওবেরন, কর্ডেলিয়া, কিউপিড, ক্যালিবান, ক্রেসিডা, জুলিয়েট, টাইটানিয়া, ট্রিকুলো, ডেসডিমোনা, প্যাদ্রিতা, পুক, পোর্শিয়া, প্রোসপেরা, ফ্রান্সিসকো, ফার্ডিনান্দ, বিয়াঙ্কা, বেলিন্দা, মার্গারেট, মিরান্ডা, ম্যাব, রোসালিন্ড, সাইকোরাক্স, সেটেবস, স্টেফানো।

উৎস:
i)ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) NASA ওয়েবসাইট
২,৩২৩.
নিচের কোনটি মডারেটর হিসেবে ব্যবহার করা হয়? 
  1. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  2. ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
  3. হাইড্রোজেন পার অক্সাইড
  4. ডাইহাইড্রোজেন মনোঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর: 
- নিউক্লিয় বিভাজন থেকে উৎপন্ন তাপশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, যাতে অতি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং যাতে দীর্ঘ সময় ধরে সমহারে শক্তির সরবরাহ পাওয়া যায়। একে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বা নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বলা হয়। 
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরকে এই নিয়ন্ত্রিত বিভাজনের উপযোগী করে তৈরি করা হয়। 

মডারেটর (Moderator): 
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন। 
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন। 
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়। 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর। 
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো - 
১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং 
২। গ্রাফাইট। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩২৪.
'গ্যালিলিও' কি?
  1. ক) মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ
  2. খ) বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ
  3. গ) শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ
  4. ঘ) পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতিরএকটি কৃত্রিম উপগ্রহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতিরএকটি কৃত্রিম উপগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতিরএকটি কৃত্রিম উপগ্রহ
ব্যাখ্যা
গ্যালিলিও পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ।

বৃহস্পতি গ্রহে কৃত্রিম উপগ্রহ গ্যালিলিও অবতরণ করে- ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে। এর মিশন শেষ হয় ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা, নাসা
২,৩২৫.
কৃষ্ণগহবর হতে এমনকি আলোও বের হতে পারে না। কারণ-
  1. ক) এর মধ্যাকর্ষণ শক্তি খুবই বেশি
  2. খ) এতে ভাসমান ধুলিকণা খুবই বেশি
  3. গ) এর মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি
  4. ঘ) এদের কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) এর মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এর মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি
ব্যাখ্যা

কৃষ্ণবিবর (Blackhole)
তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Blackhole)। বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না।
১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।
সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৩২৬.
Light year is related-
  1. Energy
  2. Speed
  3. Distance
  4. Intensity
সঠিক উত্তর:
Distance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Distance
ব্যাখ্যা
আলোক বর্ষ:
- Light year বা আলোক বর্ষ হলো একটি দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক, যা দিয়ে জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কিত দূরত্ব মাপা হয়।
- এক বছরে আলো যতদূর যায়, তা ই আলোক বর্ষ।
- এক আলোক বর্ষ = ৯.৪৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার বা ৫.৮৮ ট্রিলিয়ন মাইল।

তথ্যসূত্র - NASA ওয়েবসাইট।
২,৩২৭.
কোন রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষতা বেশি?
  1. ক) কালো
  2. খ) লাল
  3. গ) বেগুনি
  4. ঘ) সাদা
সঠিক উত্তর:
ক) কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কালো
ব্যাখ্যা
সাদা রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। এজন্যই গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের জামা অধিক আরামদায়ক। অন্যদিকে, কালো রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, সেজন্য তা গ্রীষ্মকালে ততটা আরামদায়ক হয় না।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,৩২৮.
পার্থিব গ্রহের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৯টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
ব্যাখ্যা

টেরেস্ট্রিয়াল গ্রহ বা পার্থিব গ্রহ: 

বুধ, শুক্র, পৃথিবী এবং মঙ্গল এই চারটি গ্রহকে পার্থিব গ্রহ বলা হয় কারণ তাদের পৃথিবীর টেরা ফার্মের মতো একটি কম্প্যাক্ট, পাথুরে পৃষ্ঠ রয়েছে।
পার্থিব গ্রহগুলি হচ্ছে সৌরজগতে সূর্যের সবচেয়ে কাছের চারটি গ্রহ।
এই গ্রহগুলোর কোনোটিরই রিং নেই।

জোভিয়ান গ্রহ: 
বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুনকে জোভিয়ান (বৃহস্পতির মতো) গ্রহ হিসাবে পরিচিত, কারণ তারা পৃথিবীর তুলনায় বিশাল, এবং তাদের বৃহস্পতির মতো বায়বীয় প্রকৃতি রয়েছে।
জোভিয়ান গ্রহগুলিকে "গ্যাস জায়ান্টস" হিসাবে উল্লেখ করা হয় কারণ তারা বেশিরভাগই গ্যাস দিয়ে তৈরি, যদিও তাদের ছোট শক্ত কোর রয়েছে।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট [লিংক]

২,৩২৯.
কোনটি পারমানবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. রেডিয়াম
  2. গ্রাফাইট
  3. সোডিয়াম
  4. সীসা
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
• মডারেটর:
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন।
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন।
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়।
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর।
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো:
১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D₂O) এবং
২। গ্রাফাইট।
- পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসাবে ব্যবহৃত হয় গ্রাফাইট।
- পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
২,৩৩০.
নিকোলাস কোপার্নিকাস ছিলেন মূলত একজন -
  1. গণিতবিদ
  2. দার্শনিক
  3. রসায়নবিদ
  4. জ্যোর্তিবিজ্ঞানী
সঠিক উত্তর:
জ্যোর্তিবিজ্ঞানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যোর্তিবিজ্ঞানী
ব্যাখ্যা
নিকোলাস কোপার্নিকাস: 
- তিনি ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৪৭৩ সালে পোল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন
- তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে।
- তিনি ২৪ মে, ১৫৪৩ সালে ইতালির রোমে মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে,
- পরবর্তীতে জোহান কেপলার গ্রহের গতি সম্পর্কিত সূত্র আবিস্কার করেন যা কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত।
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
২,৩৩১.
গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring forties) বলা হয় কোন অঞ্চলকে?
  1. ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ
  2. ৪০° থেকে ৪৭° উত্তর অক্ষাংশ
  3. ৪০° থেকে ৪৭° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
  4. ৪০° থেকে ৪৭° পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ
সঠিক উত্তর:
৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
পশ্চিমা বায়ু (The Westerlies):
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে।
- কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
- এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু (Brave west winds) বলে। ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি।
- এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring forties) বলে।
- নিরক্ষীয় শান্ত বলয়ের ন্যায় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়েও দুটি শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়।
- ৩০° থেকে ৩৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় দুটি অবস্থিত।
- বায়ু নিম্নগামী বলে এই অঞ্চলে অনুভূমিক বায়ুপ্রবাহ অনুভব করা যায় না।
- প্রাচীনকালে যখন আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে জাহাজযোগে ইউরোপ থেকে আমেরিকায় অশ্ব ও অন্যান্য পশু রপ্তানি করা হতো, তখন এ অঞ্চলে পৌঁছলে বায়ুপ্রবাহের অভাবে পালচালিত জাহাজের গতি মন্থর বা প্রায় নিশ্চল হয়ে পড়ত।
- এ অবস্থায় নাবিকগণ খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে অনেক সময় তাদের অশ্বগুলো সমুদ্রে ফেলে দিত।
- এজন্য আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse latitude) বলে।
- নিরক্ষীয় শান্তবলয় এর অপর নাম ডোলড্রাম।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৩৩২.
বাংলাদেশের স্যাটেলাইট পরিচালনা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান নাম কি?
  1. BSCL
  2. BCSL
  3. BCSCL
  4. BCISL
সঠিক উত্তর:
BSCL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSCL
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের স্যাটেলাইট পরিচালনা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান নাম - বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (BSCL)।
- এটি একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ (BS-1) এর উৎক্ষেপণ পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা, স্থল স্টেশন থেকে উপগ্রহকে নিয়ন্ত্রণ করা, বিপনন ও বিক্রয় সেবা ইত্যাদির জন্য BSCL কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এর নাম ছিল বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (BCSCL)।
- ১৬ আগস্ট ২০২০ কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (BSCL) করা হয়।
২,৩৩৩.
মহাবিশ্বের উৎপত্তি ঘটেছে -
  1. প্রায় ১২.২ বিলিয়ন বছর আগে
  2. প্রায় ১২.৮ বিলিয়ন বছর আগে
  3. প্রায় ১৩.২ বিলিয়ন বছর আগে
  4. প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে
ব্যাখ্যা
বিগ ব্যাং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)।
- কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে।
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাং বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির 'শুরু' বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়।
- বিগ ব্যাং সিদ্ধান্ত অনুসারে, মহাবিশ্বের উৎপত্তি ঘটেছে প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে
- এই সিদ্ধান্তে বলা হয় যে, মহাবিশ্ব একটি একটি সুপারনোভা বা মহাস্থির বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে গ্রহাণুগুলি আরম্ভিক অবস্থায় ছিল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৩৪.
গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করে?
  1. মাইক্রোওয়েভ দ্বারা
  2. স্যাটেলাইট দ্বারা
  3. ফাইবার দ্বারা
  4. লেজার দ্বারা
সঠিক উত্তর:
স্যাটেলাইট দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যাটেলাইট দ্বারা
ব্যাখ্যা

• GPS (Global Positioning System) হলো এমন একটি উপগ্রহভিত্তিক ন্যাভিগেশন ব্যবস্থা, যা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে ব্যবহারকারীর অবস্থান (Location), বেগ (Velocity) ও সময় (Time) নির্ণয় করে।

- এটি মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ (U.S. Department of Defense) দ্বারা তৈরি ও নিয়ন্ত্রিত একটি ব্যবস্থা।

GPS কীভাবে কাজ করে:
- পৃথিবীর চারপাশে ২৪টি উপগ্রহ (Satellite) নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরছে।
- প্রতিটি স্যাটেলাইট থেকে নির্দিষ্ট সময় ও অবস্থানের রেডিও সিগন্যাল (Radio Signal) পাঠানো হয়।
- পৃথিবীতে থাকা GPS রিসিভার (যেমন মোবাইল, গাড়ির ন্যাভিগেশন ডিভাইস ইত্যাদি) অন্তত চারটি স্যাটেলাইটের সিগন্যাল গ্রহণ করে।
- এই সিগন্যালের সময়ের পার্থক্য বিশ্লেষণ করে রিসিভার তার অবস্থান, উচ্চতা ও সময় নির্ণয় করে। এ প্রক্রিয়াকে বলে Trilateration।

GPS-এর মূল উপাদান:
- Space Segment: কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটগুলো (২৪ বা তার বেশি)।
- Control Segment: পৃথিবীতে থাকা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, যা স্যাটেলাইটগুলোর সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করে।
- User Segment: ব্যবহারকারীর ডিভাইস বা GPS রিসিভার।
 
ব্যবহার:
- মোবাইল ও গাড়ির ন্যাভিগেশন সিস্টেমে অবস্থান নির্ধারণে।
- জাহাজ, বিমান ও সামরিক বাহিনীতে দিকনির্দেশে।
- ভূগোল, কৃষি, সার্ভে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও উদ্ধার অভিযানে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]

২,৩৩৫.
টলেমি ছিলেন-
  1. চিকিৎসক
  2. দার্শনিক
  3. ঐতিহাসিক
  4. জ্যোতির্বিদ
সঠিক উত্তর:
জ্যোতির্বিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যোতির্বিদ
ব্যাখ্যা
টলেমি:
- ক্লডিয়াস টলেমি ছিলেন একজন গ্রিকো-মিশরীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং গণিতবিদ।
- তিনি রোমান শাসিত মিশরের ইজিপ্টাস প্রদেশে বসবাস করতেন এবং আলেকজান্দ্রিয়ার কাছাকাছি একটি মানমন্দিরে কাজ করতেন।

তাঁর অবদান:
১. টলেমি মহাবিশ্বের একটি মডেল তৈরি করেন, যেখানে পৃথিবীকে কেন্দ্রস্থলে রেখে ধারাবাহিকভাবে চাঁদ, বুধ, শুক্র, সূর্য, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং শনিকে অবস্থান করানো হয়েছে।
২. তিনি চতুর্ভুজ সম্পর্কিত একটি উপপাদ্য প্রণয়ন করেন, যা জ্যামিতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
৩. এই উপপাদ্যটি ত্রিকোণমিতিক ছক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বিটানিকা।
২,৩৩৬.
বন-জঙ্গল ধ্বংস করার ফলে বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে
  1. CO
  2. CO2
  3. S2O
  4. CFC
সঠিক উত্তর:
CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO2
ব্যাখ্যা
জলবাযু পরিবর্তনের প্রভাব: 
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই বিশ্বের আবহাওয়ার ধরণ দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে। 
- সঠিকভাবে কোনো ঋতুতেই আমরা প্রকৃতির কাছ থেকে স্বাভাবিক আচরণ পাচ্ছি না। 
- বৃষ্টির সময় অনাবৃষ্টি, শীতের সময়ে গরম আবহাওয়া এবং গরমের ভিন্নধর্মী আবহাওয়া ইত্যাদিই জলবায়ু পরিবর্তনেরই নেতিবাচক প্রভাব। 
- এছাড়াও এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠা, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা কমে যাওয়া, লোনা পানির প্রবেশ ঝুঁকি বৃদ্ধি, অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সুপেয় পানি দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, বাস্তুসংস্থানের উপর হুমকি, খরা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা দ্বারা ফসলি জমির ক্ষতি ইত্যাদি জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব। 

বনাঞ্চল: 
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি ও ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা বেড়ে গেলে বনভূমির উপরও প্রভাব পড়বে। 
- গবেষণায় দেখা গেছে যে, সমুদ্রের পানির উচ্চতা যদি ৪৫ সেন্টিমিটার বাড়ে, তাহলে একমাত্র ম্যানগ্রোভ বনের ৭৫% পানির নিচে তলিয়ে যাবে। 
- আর যদি সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বৃদ্ধি পায় তাহলে প্রায় পুরো সুন্দরবন ও এর জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখোমুখি হবে। 
- এছাড়া অধিক হারে বন-জঙ্গল ধ্বংস করার ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড এর পরিমাণ বেড়ে যাবে এবং তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৩৭.
কসমিক রে মূলত কী দ্বারা গঠিত?
  1. আলো বহনকারী ফোটন
  2. উচ্চ শক্তিসম্পন্ন চার্জযুক্ত কণা
  3. শব্দ তরঙ্গ
  4. চৌম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
উচ্চ শক্তিসম্পন্ন চার্জযুক্ত কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ শক্তিসম্পন্ন চার্জযুক্ত কণা
ব্যাখ্যা
◉  কসমিক রে হল মহাকাশ থেকে আগত উচ্চ গতির কণা।
- এগুলোর বেশিরভাগই প্রোটন (হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস), কিছু আলফা কণা (হিলিয়াম নিউক্লিয়াস) এবং সামান্য ইলেকট্রন ও ভারী নিউক্লিয়াস নিয়ে গঠিত। এগুলো আলোর কণা নয়, কারণ আলো ফোটন দিয়ে গঠিত এবং বৈদ্যুতিক চার্জ বহন করে না।

মহাজাগতিক রশ্মি: 
- মহাজাগতিক রশ্মি হল উচ্চ-গতির কণা, যা পারমাণবিক নিউক্লিয়াস বা ইলেকট্রন হতে পারে।
- এগুলো মহাকাশে ভ্রমণ করে এবং প্রধানত গ্যালাকটিক মহাজাগতিক রশ্মি (GCRs) নামে পরিচিত।
- বেশিরভাগ GCR আসে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি থেকে। কিছু আসে সূর্য থেকে (সৌর মহাজাগতিক রশ্মি)। সর্বোচ্চ শক্তিসম্পন্ন কণাগুলি সম্ভবত মিল্কিওয়ের বাইরের উৎস থেকে আসে।
- প্রাথমিক মহাজাগতিক রশ্মি সরাসরি পৃথিবীর পৃষ্ঠে দেখা যায় না। প্রাথমিক কণা পর্যবেক্ষণ করতে উচ্চ-উচ্চতার বেলুন বা মহাকাশযান ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,৩৩৮.
নিচের কোনটিকে গ্রহরাজ বলা হয়?
  1. সূর্য
  2. পৃথিবী
  3. বৃহস্পতি
  4. শনি
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি (Jupiter):
- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- একে গ্রহরাজ বলে।
- এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার।
- আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়।
- এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- বায়ুমন্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯টি। এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৩৩৯.
মহাবিশ্বের সকল পদার্থ কোন কণিকা দ্বারা গঠিত?
  1. ক) বোসন
  2. খ) ফার্মিওন
  3. গ) গ্রাভিটন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) ফার্মিওন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফার্মিওন
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের সকল পদার্থ ফার্মিওন নামক কণিকা দ্বারা গঠিত হয়। 

- ফার্মিওন কণা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে।
- ফার্মিওন কণাসমূহের প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিকণা আছে। 
- ফার্মিওন কণা আবার দুইরকমের হয়ে থাকে। 
যথা-
- Quark- এই ধরনের কণা পদার্থ গঠনের অন্যতম মৌলিক কণা। সকল বস্তু প্রোটন ও নিউট্রন দ্বারা গঠিত। 
- Lepton- ছয় প্রকারের লেপটন কণিকা রয়েছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইলেকট্রন।

সূত্র- ৪২১ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৩৪০.
ভূ-গোলকে কতটি অক্ষাংশ রেখা আছে?
  1. ৯০
  2. ৯১
  3. ১৮০
  4. ১৮১
সঠিক উত্তর:
১৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮১
ব্যাখ্যা

- পৃথিবী সৌরজগতে অভিগত গোলক আকৃতির মাঝারি একটি গ্রহ।
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যম একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে ।
- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষবরেখা নামে অভিহিত।
- নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখাটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।
- ভূ-গোলকে ১৮১ টি অক্ষাংশ রেখা আছে। 
- নিরক্ষরেখার (০°) উত্তর ও দক্ষিণে এই অক্ষরেখা সমূহের আকার ক্রমশ ছোট হতে হতে দুই মেরুতে একেবারে বিন্দুতে পরিণত হয়।
- ২৩.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও কুমেরু বৃত্ত নামে অভিহিত হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 

২,৩৪১.
সূক্ষ্ম রক্তনালিকার ব্লকেজ পরীক্ষা করার প্রযুক্তি কোনটি?
  1. ইটিটি
  2. ইসিজি
  3. এনজিওগ্রাফি
  4. সিটিস্ক্যান
সঠিক উত্তর:
এনজিওগ্রাফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনজিওগ্রাফি
ব্যাখ্যা
এনজিওগ্রাফি: 
- এনজিওগ্রাফি হলো এমন একটি প্রতিবিম্ব তৈরির পরীক্ষা যেখানে শরীরের রক্তনালিকাসমূহ দেখার জন্য এক্সরে ব্যবহার করা হয়। 
- এই পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তবাহী শিরা বা ধমনীগুলো সরু, ব্লক ও প্রসারিত হয়েছে কী না তা নির্ণয় করা যায়। 
- রক্তনালিতে ব্লক এবং রক্তনালি সরু এবং অপ্রসস্থ হলে শরীরে রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘ্নিত হয়। 
- এনজিওগ্রাম করার সময় চিকিৎসক রোগীর দেহে একটি তরল পদার্থ একটি সরু ও নমনীয় নলের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করিয়ে দেন। 
- তরল পদার্থটিকে 'ডাই' এবং নলটিকে ক্যাথেটার বলে। 
- এই ডাই ব্যবহারের ফলে রক্তবাহী নালিকাগুলো এক্সরের সাহায্যে দৃশ্যমান হয়। 
- এই ডাই পরে কিডনী এবং মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। 
- একটি নির্দিষ্ট প্রবেশ বিন্দুর মধ্য দিয়ে ক্যাথেটারটিকে নির্দিষ্ট ধমনী বা শিরার মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। 
- প্রবেশ বিন্দুটি শরীরের যে কোনো স্থানের রক্তনালিতে হতে পারে। 
- ব্যবহৃত ডাইটিকে কখনো কখনো বৈসাদৃশ্য বা Contrast হিসেবে অভিহিত করা হয়। 

- সাধারণত যে সকল কারণে চিকিৎসকগণ এনজিওগ্রাম করার পরামর্শ দেন, এগুলো হলো - 
ক. হৃৎপিণ্ডের বাহিরে ধমনীতে ব্লকেজ হলে
খ. ধমনী প্রসারিত হলে, 
গ. কিডনির ধমনীর অবস্থা বুঝার জন্য, 
ঘ. শিরার যে কোনো সমস্যা হলে। 
- কখনো কখনো চিকিসকগণ এনজিওগ্রাম করার সময় একই সময়ে সার্জারী ছাড়াই রক্তনালির ব্লকের চিকিৎসা করে থাকেন। 
- যে কৌশলে বা প্রক্রিয়ায় এনজিওগ্রাম করার সময় ধমনীর ব্লক মুক্ত করা হয়, তাকে এনজিওপ্লাষ্টি বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদালয়।
২,৩৪২.
পৃথিবীর মোট পানির প্রায় কত শতাংশ সমুদ্রে বিদ্যমান?
  1. ৭০%
  2. ৯০%
  3. ৯৭%
  4. ৫০%
সঠিক উত্তর:
৯৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৭%
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর মোট পানির প্রায় ৯৭% মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরে সংরক্ষিত থাকে, যা লবণাক্ত পানি।

• বারিমণ্ডলের ধারণা (Concept of Hydrosphere):
- ‘Hydrosphere’ শব্দটি গ্রিক শব্দ Hydro (পানি) ও Sphere (মণ্ডল) থেকে উদ্ভূত।
- পৃথিবীতে বিদ্যমান সকল প্রকার পানির সমষ্টিকে বারিমণ্ডল বলা হয়।
- পৃথিবীর পানি বিভিন্ন অবস্থায় বিদ্যমান—কঠিন (বরফ), তরল (পানি) ও গ্যাসীয় (জলীয় বাষ্প)।
- বায়ুমণ্ডলে পানি জলীয় বাষ্প হিসেবে থাকে, ভূ-পৃষ্ঠে ও ভূ-গর্ভে পানি তরল ও কঠিন অবস্থায় বিদ্যমান।
- পৃথিবীর সকল জলাশয়ের অবস্থানগত বিস্তৃতিকেই বারিমণ্ডল বলা হয়।
- পৃথিবীর মোট পানির প্রায় ৯৭% রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরে)।
- অবশিষ্ট প্রায় ৩% পানি নদী, হ্রদ, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ পানি, মাটি ও বায়ুমণ্ডলে বিদ্যমান।
- পৃথিবীর পানি মূলত দুই প্রকার—লবণাক্ত পানি ও মিঠা পানি।
- মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের পানি লবণাক্ত, আর নদী, হ্রদ, হিমবাহ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস।

উৎস: ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

২,৩৪৩.
পৃথিবীর প্রথম মানুষ হিসেবে মহাকাশ ভ্রমণ করেন-
  1. ক) বাজ আলড্রিন
  2. খ) জন প্লেন
  3. গ) ইউরি গ্যাগারিন
  4. ঘ) নীল আর্মস্ট্রং
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরি গ্যাগারিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরি গ্যাগারিন
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম মানুষ বহনকারী মহাকাশ যান হচ্ছে ভস্টক - ১। এতে করে রাশিয়ার ইউরি গ্যাগারিন পৃথিবীর প্রথম মানুষ হিসেবে মহাকাশ ভ্রমণ করেন। এপোলো-১১ এ করে নীল আর্মস্ট্রং ও এডউইন আলড্রিন চাঁদে অবতরণ করেন।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,৩৪৪.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ইলেকট্রনিক্স বর্তনী হলো একটি-
  1. ক) অতি সাধারণ বর্তনী
  2. খ) অতি সস্তা দামের বর্তনী
  3. গ) অতি সহজ বর্তনী
  4. ঘ) অতি ছোট টুকরা সিলিকনের টুকরার উপর তৈরি অতি ক্ষুদ্র বর্তনী
সঠিক উত্তর:
ঘ) অতি ছোট টুকরা সিলিকনের টুকরার উপর তৈরি অতি ক্ষুদ্র বর্তনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অতি ছোট টুকরা সিলিকনের টুকরার উপর তৈরি অতি ক্ষুদ্র বর্তনী
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট হলো সে বর্তনী যাতে বর্তনীর উপাংশগুলো একটি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহক চিপে বিশেষ প্রক্রিয়ায় গঠন করা হয় যারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঐ চিপের অংশ। সাধারণভাবে মাইক্রো সার্কিট হলো ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের ক্ষুদ্রতম সমাবেশ। আইসি হলো এক ধরনের মাইক্রো সার্কিট। ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহক চিপে সাধারণত থাকে- রোধক, ধারক, ডায়োড, ট্রানজিস্টর ইত্যাদি।
২,৩৪৫.
টেকটনিক প্লেট ধারণাটির প্রবক্তা কে?
  1. ক) আলফ্রেড নোবেল
  2. খ) রবার্ট টেকটিউনস
  3. গ) আলফ্রেড ওয়েগেনার
  4. ঘ) এডওয়ার্ড স্নোডেন
সঠিক উত্তর:
গ) আলফ্রেড ওয়েগেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলফ্রেড ওয়েগেনার
ব্যাখ্যা

- সর্বপ্রথম ১৯১২ সালে জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব থেকেই টেকটনিক প্লেট ধারণাটির জন্ম হয়।
- ওয়েগেনারের মতে, বহুকাল আগে পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একত্রে একটি মহাদেশ ছিল (প্যানজিয়া), কালের আবর্তে যা টেকটনিক প্লেট নামক প্লেটগুলোর নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- এই তত্ত্বটিকে বলা হয় মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব।

২,৩৪৬.
মহাজাগতিক রশ্মির অন্য নাম কী?
  1. ইউনিভার্সাল রে
  2. কসমিক রে
  3. এটারনাল রে
  4. কসমপলিটন রে
সঠিক উত্তর:
কসমিক রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসমিক রে
ব্যাখ্যা
• মহাজগতিক রশ্মি:
- মহাজগতিক রশ্মির অন্যনাম কসমিক রে (Cosmic rays)।
- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- এগুলো মূলত প্রোটন, হেলিয়াম নিউক্লিয়াস এবং অন্যান্য ভারী উপাদানের আয়নযুক্ত কণা নিয়ে গঠিত।
- অস্ট্রিয়ান পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস (Victor Hess) প্রথম মহাজাগতিক রশ্মির অস্তিত্ব নিশ্চিত করেন।
- ১৯১২ সালে, তিনি বেলুনে বসে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পরিবর্তন হয় কি না তা পরীক্ষা করছিলেন।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
২,৩৪৭.
ভূপৃষ্ঠের সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা কোনটি?
  1. ক) আইসোহেলাইন
  2. খ) আইসোথার্ম
  3. গ) আইসোহাইট
  4. ঘ) আইসোবার
সঠিক উত্তর:
খ) আইসোথার্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আইসোথার্ম
ব্যাখ্যা
- আইসোথার্ম : সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোবার : সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোহেলাইন : সমুদ্রের সমলবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা
- আইসোহাইট : সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখা।
(তথ্যসূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : উন্মুক্ত বিশ্ব. এবং সায়েন্সডিরেক্ট ওয়েবসাইট)
২,৩৪৮.
নিচের কোন বিষয়টি প্লেট টেকটোনিক তত্ত্বের সাথে জড়িত?
  1. খরা
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. আগ্নেয়গিরির উদগীরণ
  4. সুনামি
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরির উদগীরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরির উদগীরণ
ব্যাখ্যা
প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব:
- এই তত্ত্বের মূল ধারণা হলো, ভূ-পৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত। এগুলোকে প্লেট বলা হয়। 
- এই প্লেটগুলো গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের উপরে ভাসমান অবস্থায় আছে। 
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছরে কয়েক সেন্টিমিটার কোনো একদিকে সরে যায়।
- প্লেটগুলো কখনও একটি থেকে আরেকটি দূরে সরে যায়। আবার কখনও কখনও একে অন্যের দিকে আসে।
- কখনও কখনও প্লেটগুলো বছরে কয়েক মিলিমিটার উপরে ওঠে বা নিচে নামে।
- প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব দ্বারা ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণ ব্যাখ্যা করা যায়। 
- একটি প্লেটের সাথে আরেকটি প্লেট যেখানে মেশে সেখানেই বেশি ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা ঘটে।
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে উঁচু পর্বত থাকলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা আরও বাড়ে।
- ধারণা করা হয়, প্লেটগুলো একটি আরেকটির সাথে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয় ।
- তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে।
- বেরিয়ে আসা গলিত তরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত।
- একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সাথে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে। একেই ভূমিকম্প বলে।
- আজকাল বাংলাদেশেও ভূমিকম্প সংঘটিত হচ্ছে।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২,৩৪৯.
জীববিজ্ঞানে কী ধরনের তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. বায়োইনফরমেটিক্স
  2. বায়োমেট্রিক্স
  3. বায়োকেমিস্ট্রি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বায়োইনফরমেটিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োইনফরমেটিক্স
ব্যাখ্যা
◉ জীববিজ্ঞানে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ হলো 'বায়োইনফরমেটিক্স'।
 
বায়োইনফরমেটিক্স: 
 - বায়োইনফরমেটিক্স জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত ও পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিষয়। 
 - জীববিজ্ঞানের বিশাল পরিমাণ ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং সঠিকভাবে প্রক্রিয়া করে সেগুলো ব্যাখ্যা করার জন্য মূলত এই বিষয়টির জন্ম হয়েছে। 
 অর্থাৎ, জীববিজ্ঞানে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ হলো বায়োইনফরমেটিক্স। 
 - জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলো যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল ব্যবহার করে সমাধান করা হয়, তখন সেটাকে বলা হয় বায়োইনফরমেটিক্স। 
- জিন ফাইন্ডিং গবেষণায় বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়। 
 
 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
২,৩৫০.
কোন বিজ্ঞানী ইউরেনিয়াম লবণ অধ্যয়ন করে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন?
  1. James Clerk Maxwell
  2. Henri Becquerel
  3. Niels Bohr
  4. Lise Meitner
সঠিক উত্তর:
Henri Becquerel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Henri Becquerel
ব্যাখ্যা
• তেজষ্ক্রিয়তা:
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত স্বীয় বিচ্ছিন্নকারী প্রক্রিয়া।
- ১৮৯৬ খিস্টাব্দে বিখ্যাত বিজ্ঞানী হেনরী বেকরেল সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- তিনি লক্ষ্য করেন যে, ইউরেনিয়াম এবং তাদের যৌগ হতে আপনা আপনি এক প্রকার রহস্যজনক কণা এবং রশ্মি নির্গত হতে থাকে।
- এর পরে পিয়েরে কুরী এবং তাঁর স্ত্রী মাদাম কুরী থোরিয়ামের মধ্যে একই গুণ আবিষ্কার করেন।
- ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে তিনি এটি আবিষ্কার করেন।
- তেজস্ক্রিয়তার একক বেকরেল।
- তাছাড়া, কুরি এবং রাদারফোর্ড ও তেজষ্ক্রিয়তার ২ টি একক। 

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই, (শাহাজাহান তপন)।
২,৩৫১.
২১ মার্চ উত্তর গােলার্ধে কোন ঋতু চলে?
  1. গ্রীষ্মকাল
  2. শরৎকাল
  3. শীতকাল
  4. বসন্তকাল
সঠিক উত্তর:
বসন্তকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসন্তকাল
ব্যাখ্যা
মহাবিষুব:
- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য ঠিক পূর্বদিকে ওঠে এবং ঠিক পশ্চিমদিকে অস্ত যায়।
- বছরে মাত্র এই দুটি দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১ শে মার্চ দিনটিকে উত্তর গোলার্ধে মহাবিষুব বলে।
- ২৩ শে সেপ্টেম্বর দিনটিকে বলে জলবিষুব।

⇒ ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।
- ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩৫২.
গ্রহগুলোর গতিপথ উপবৃত্তাকার- এ সূত্রটি কোন বিজ্ঞানীর ?
  1. ক) টমেলি
  2. খ) কেপলার
  3. গ) পিথাগোরাস
  4. ঘ) গ্যালিলিও
সঠিক উত্তর:
খ) কেপলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কেপলার
ব্যাখ্যা
গ্রহের গতি সম্পর্কে কেপলার ৩ টি সূত্র প্রদান করেন।
এগুলোকে কেপলারের সুত্র বলে।
২,৩৫৩.
সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম-
  1. ক্রোনোমিটার
  2. কম্পাস
  3. সিসমোগ্রাফ
  4. সেক্সট্যান্ট
সঠিক উত্তর:
ক্রোনোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোনোমিটার
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র: 
• অ্যানিমোমিটার - বায়ু প্রবাহের গতিবেগ নির্ণয়ের যন্ত্র। 
• ব্যারােমিটার - বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• সেক্সট্যান্ট - সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র। 
• সিসমোগ্রাফ - ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• ম্যানােমিটার - গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• ফ্যাদোমিটার - সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• জাইরাে কম্পাস - জাহাজের দিক নির্ণয়ের যন্ত্র। 
• ক্রোনােমিটার - সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয়ের যন্ত্র বা সূক্ষ্মভাবে সময় পরিমাপ করার যন্ত্র। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং উচ্চ-মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান।
২,৩৫৪.
সৌরজগতের গ্রহ সংখ্যা কতটি?
  1. সাতটি
  2. আটটি
  3. নয়টি
  4. এগারোটি
সঠিক উত্তর:
আটটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটটি
ব্যাখ্যা
• গ্রহ (Planet):
- মহাকাশে কতকগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পথে পরিক্রমণ করে।
- এদের নিজেদের কোনো আলো বা তাপ নেই।
- মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এরা সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
- এরা সূর্য থেকে আলো ও তাপ পায়।
- এই তাপেই উত্তপ্ত হয়।
- এরা তারার মতো মিটমিট করে জ্বলে না।
- এসব জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে।
- আমাদের সৌরজগতের আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি এবং নাসা।
২,৩৫৫.
আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যার জনক হিসেবে পরিচিত কোন বিজ্ঞানী?
  1. আর্কিমিডিস
  2. নিউটন
  3. গ্যালিলিও গ্যালিলি
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও গ্যালিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও গ্যালিলি
ব্যাখ্যা
আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যা: 

• গ্যালিলিও গ্যালিলিকে 'আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যার জনক' হিসেবে অভিহিত করা হয়।

• গ্যালিলিও গ্যালিলি একটি প্রতিসরণকারী টেলিস্কোপ আবিষ্ককার করেন।
• আইনস্টাইন গ্যালিলিও গ্যালিলিকে আধুনিক বিজ্ঞানের জনক হিসেবে অভিহিত করেন।
• জন্ম: ১৫ই ফেব্রুয়ারী, ১৫৬৪ সালে ইতালির পিসাতে। 
• তার পিতা ছিলেন ভিনসেঞ্জো গ্যালিলি, একজন দক্ষ ফ্লোরেনটাইন গণিতবিদ এবং সঙ্গীতজ্ঞ।
• গ্যালিলিও ১৫৮১ থেকে ১৫৮৫ সাল পর্যন্ত পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন বিভাগে অধ্যয়ন করেছিলেন কিন্তু কোনো ডিগ্রি ছাড়াই ফ্লোরেন্সে গণিতের শিক্ষকে ফিরে আসেন।
• তিনি ১৫৮৯ সালে পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে যান তারপর জ্যামিতি, বলবিদ্যা এবং জ্যোতির্বিদ্যা শেখানোর জন্য ১৫৯২ সালে পাড়ুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান।

উৎস: New Mexico Museum of Space History Website.
২,৩৫৬.
নিম্নের কোন শিলায় জীবাশ্ম নেই?
  1. ক) আগ্নেয় শিলা
  2. খ) পাললিক শিলা
  3. গ) স্তরীভূত শিলা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলাতে জীবাশ্ম দেখা যায় না। শুধুমাত্র পাললিক/স্তরীভূত শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায়।

আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
(ক) স্ফটিকাকার
(খ) অস্তরীভূত,
(গ) কঠিন ও কম ভঙ্গুর,
(ঘ) জীবাশ্ম দেখা যায় না এবং
(ঙ) অপেক্ষাকৃত ভারী।

রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
১। পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়;
২। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়;
৩। পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়;
৪। পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির ভূগোল বোর্ড বই এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য বই।
২,৩৫৭.
নিচের কোনটি পরিবেশের ভৌত উপাদান? 
  1. ক্যালসিয়াম
  2. জলবায়ু
  3. মাটি
  4. ইউরিয়া
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে পরিবেশের ভৌত উপাদান হচ্ছে জলবায়ু। 

• পরিবেশে বাস্তুসংস্থানের উপাদান মূলত দুটি। 
যথা- 
ক. সজীব উপাদান এবং 
খ. জড় উপাদান। 

ক. সজীব উপাদান: 
- সজীব সম্প্রদায় হলো বাস্তুসংস্থানের জীব উপাদান। সজীব উপাদান আবার তিন প্রকার। 
যথা- 
১. উৎপাদক:
- সবুজ উদ্ভিদ পরিবেশ থেকে পানি, কার্বন ডাই-অক্সাইড, খনিজ লবণ প্রভৃতি জীব উপাদান গ্রহণ করে সৌরশক্তির মাধ্যমে নিজেদের শর্করা জাতীয় খাদ্য নিজেরা তৈরি করে। এ সবুজ উদ্ভিদই উৎপাদক। 

২. খাদক: 
- ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়ায় উৎপাদক কর্তৃক তৈরি খাদ্যের উপর নির্ভরশীল জীবগোষ্ঠিকে বলে খাদক। খাদক তিন প্রকার। 
যথা- প্রথম স্তরের খাদক, দ্বিতীয় স্তরের খাদক এবং তৃতীয় স্তরের খাদক। 

৩. বিয়োজক: 
- ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়ায় উৎপাদক ও খাদকের মৃতদেহ মাটিতে মিশে ব্যাকটেরিয়া, ক্ষুদ্র পোকামাকড় ইত্যাদির দ্বারা বিয়োজক স্তর গড়ে উঠে। পরিশেষে উৎপাদক জীবগোষ্ঠি পুনরায় বিয়োজক স্তর হতে খাদ্য গ্রহণ করে দেহে পুষ্টি জোগায়। 

খ. জড় উপাদান: 
- পরিবেশের সকল অজৈব ও জৈব উপাদান হলো বাস্তুসংস্থানের জড় উপাদান। 
- জড় উপাদান আবার তিন প্রকার। 
যথা- 
১. অজৈব উপাদান: মাটি, পানি, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, খনিজ লবণ ইত্যাদি হচ্ছে বাস্তুসংস্থানের অজৈব উপাদান। 
২. জৈব উপাদান: উদ্ভিদ ও প্রাণির মৃতদেহ হতে তৈরি হিউমাস ও ইউরিয়া হলো মাটির জৈব উপাদান। 
৩. ভৌত উপাদান: আবহাওয়া, জলবায়ু, মাটির গুণাগুণ বাস্তুসংস্থানের ভৌত উপাদান। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৩৫৮.
কৃষ্ণবিবর বা ব্ল্যাকহোল হচ্ছে এক প্রকার -
  1. ক) মৃত বা সংকুচিত তারকা
  2. খ) নক্ষত্রমণ্ডলী
  3. গ) ছায়াপথ
  4. ঘ) সম্প্রসারিত তারকা
সঠিক উত্তর:
ক) মৃত বা সংকুচিত তারকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মৃত বা সংকুচিত তারকা
ব্যাখ্যা

কৃষ্ণবিবর (Blackhole)
তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Blackhole)। বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না।
১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।
সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৩৫৯.
পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়াম
  2. ইউরেনিয়াম
  3. হিলিয়াম
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
- পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে, পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।
Liquid sodium is used as a coolant in fast breeder reactors on account of its excellent heat transfer properties.
It must, however, be in the pure form to be compatible with structural materials.

উৎস: ব্রিটানিকা
২,৩৬০.
পৃথিবীতে একজন লোকের ভর ৭০ কেজি। চাঁদে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ পৃথিবীর ১/৬ গুণ। চাঁদে তার ভর কত কেজি?
  1. ১১৪.৩৩ কেজি
  2. ৭০ কেজি
  3. ১১.৬৭ কেজি
  4. ৪২০ কেজি
সঠিক উত্তর:
৭০ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ কেজি
ব্যাখ্যা
- স্থানভেদে কোনো বস্তুর ভরের কোনো পরিবর্তন হয় না।
- অর্থাৎ, পৃথিবীতে একজন লোকের ভর ৭০ কেজি হলে চাঁদে তার ভর হবে ৭০ কেজি।

- কিন্তু স্থানভেদে কোনো বস্তুর ওজনের তারতম্য হতে পারে।
আমরা জানি,
ওজন= ভর x অভিকর্ষজ ত্বরণ
পৃথিবীতে গড় অভিকর্ষজ ত্বরণ ধরা হয় ৯.৮ মি/সেকেন্ড
তাহলে পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৯.৮ নিউটন হলে তার ভর হবে ১ কেজি।
সুতরাং চাঁদেও সেই বস্তুর ভর হবে ১ কেজি।

কিন্তু চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ।
তাই চাঁদে ঐ বস্তুর ওজন হবে ১.৬৩ নিউটন।

উৎস: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
২,৩৬১.
রিকটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপ করা যায়-
  1. ক) ০ থেকে ৭ মাত্রার
  2. খ) ০ থেকে ১১ মাত্রার
  3. গ) ০ থেকে ৬ মাত্রার
  4. ঘ) ০ থেকে ১০ মাত্রার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০ থেকে ১০ মাত্রার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০ থেকে ১০ মাত্রার
ব্যাখ্যা

- রিখটার স্কেলের মাধ্যমে ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপ করা হয়।
- এই স্কেলের সাহায্যে ০-১০ মাত্রার তীব্রতা পরিমাপ করা যায়।
- ১৯৩৫ সালে মার্কিন ভূকম্প ও পদার্থবিদ চার্লস এবং রিখটার ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপের এই স্কেল আবিস্কার করেন।
- তাঁর নামানুসারে এই স্কেলের নামকরণ করা হয়েছে রিখটার স্কেল।

২,৩৬২.
তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়-
  1. ক) বৈদ্যুতিক মোটর
  2. খ) জেনারেটর
  3. গ) ট্রান্সফর্মার
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
তাড়িতচৌম্বক আবেশঃ একটি তারের কুণ্ডিলীতে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করার সময় কুন্ডলীর ভেতর ভোল্টেজ এবং বিদ্যুৎ সৃষ্টি করাকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলে। তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় বৈদ্যুতিক মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩৬৩.
ওজোনস্তরের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে কোন গ্যাস?
  1. ক্লোরিন
  2. ফ্লোরিন
  3. ব্রোমিন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা
• ক্লোরিন (Cl) ওজোনস্তর ধ্বংসের মূল কারণ।
- ওজোনস্তর (O₃) আমাদের বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত, যা ক্ষতিকর অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করে আমাদের রক্ষা করে।
- কিছু নির্দিষ্ট গ্যাস ওজোনস্তর ধ্বংস করতে পারে, যার মধ্যে ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFCs) অন্যতম।
- CFCs-এর প্রধান উপাদান ক্লোরিন। 
- ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) যৌগগুলোর মধ্যে ক্লোরিন থাকে, যা যখন স্ট্রাটোস্ফিয়ারে পৌঁছে UV রশ্মির কারণে ভেঙে যায়, তখন ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত হয়।
- মুক্ত Cl (ক্লোরিন পরমাণু) ওজোনের (O₃) সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনস্তর ক্ষয় করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৩৬৪.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের কারণ নয়?
  1. হিমাবাহ এর প্রভাব
  2. বৃষ্টিপাত
  3. ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস
  4. আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্প:
• ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিকম্প বলে।
• ভূ-অভ্যন্তরস্থ শিলারাশিতে সঞ্চিত শক্তির আকস্মিক অবমুক্তির কারণে সৃষ্ট এই স্পন্দনের মাত্রা মৃদু কম্পন থেকে প্রচন্ড ঘূর্ণনের মধ্যে হতে পারে। তাই ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

• ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলো:
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।

• ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ:
- শিলাচ্যুতি,
- তাপ বিকিরণ,
- ভূগর্ভস্থ বাষ্প,
- ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস,
- হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
২,৩৬৫.
ওজোন স্তরের প্রধান কাজ কী? 
  1. সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করা
  2. বাতাসে তাপমাত্রা বৃদ্ধি করা
  3. বৃষ্টিপাত সৃষ্টি করা
  4. ভূমিকম্প প্রতিরোধ করা
সঠিক উত্তর:
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করা
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere):  
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমণ্ডল। 
- যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)। এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। 
- স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়। এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম। 
- স্ট্রাটোমণ্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে। 
- এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা। বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়। 
- স্ট্রাটোমণ্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে। 
- স্ট্রাটোমণ্ডলের উপরের দিকে ওজোন (ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মণ্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত। 
- এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার। 
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultral Violet Rays) শোষণ করে। 
- জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর। তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে না। এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় তাপমাত্রা (প্রায় ৭৬০ সেলসিয়াস) অনেক বেশি। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৬৬.
পৃথিবীর ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে কী বলা হয়?
  1. বিষুবরেখা
  2. মহাবৃত্ত
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি ট্রপিক অব ক্যান্সার নামেও পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে (চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।

মকরক্রান্তি রেখা:
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৬৭.
কোনটির গতিবেগ সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) আলো
  2. খ) শব্দ
  3. গ) বুলেটের গতি
  4. ঘ) রকেটের গতি
সঠিক উত্তর:
ক) আলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলো
ব্যাখ্যা

আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুসারে কোনো বস্তুই আলোর গতির সমান বা অধিক গতিবেগ নিয়ে চলতে পারে না।
আলোর গতি শূন্যমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি এবং তা প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,৩৬৮.
কৃত্রিম সূর্য হিসেবে পরিচিত 'ইএএসটি’ চুল্লি কোন দেশ তৈরি করেছে?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম সূর্য:
- এক্সপেরিমেন্টাল অ্যাডভান্সড সুপারকন্ডাক্টিং টোকামাক (ইএএসটি) নামের চুল্লি তৈরি করেছে চীন, যা কৃত্রিম সূর্য নামে পরিচিত।
- এ ধরনের গবেষণাগারকে কৃত্রিম সূর্য বলার কারণ সেখানে মূল সূর্যের নিউক্লীয় ফিউশনের প্রক্রিয়া অনুকরণ করা হয়।
- অর্থাৎ সূর্যের শক্তি উৎপন্নের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। এমন বিক্রিয়ায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় হাইড্রোজেন ও ডিউটেরিয়াম গ্যাস।
- এই চুল্লিতে সম্প্রতি ১ হাজার ৬৬ সেকেন্ডের জন্য প্লাজমার একটি অবিচ্ছিন্ন লুপ তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা।
- নতুন এই রেকর্ডকে পারমাণবিক ফিউশন তৈরির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এতে নিউক্লিয়ার ফিউশন বা কেন্দ্রকীয় সংযোজন প্রক্রিয়া কাজে লাগিয়ে পরিবেশবান্ধব বিপুল শক্তি উৎপন্ন করা সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
২,৩৬৯.
সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতি গ্রহের সময় লাগে -
  1. ৮ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি (Jupiter) গ্রহ:
- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি।
- একে গ্রহরাজ বলা হয়।
- পৃথিবীর তুলনায় বৃহস্পতি প্রায় ১০০০ গুণ বড়।
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৭৭ কোটি কিলোমিটার।
- এটি নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে মাত্র সময় নেয় ১০ ঘন্টা।
- বৃহস্পতির সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ১২ বছর।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৯৫টি।

⇒ বৃহস্পতির বায়ুমন্ডলে হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, মিথেন এবং হিলিয়াম রয়েছে।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৭০.
কেউ খালি পায়ে দেয়ালে প্রচন্ড জোরে লাথি মারলে নিজের পায়ে ব্যাথা পাবে কেন?
  1. ক) দেয়াল শক্ত বলে
  2. খ) পা নরম বলে
  3. গ) আমি ব্যাথা পাবো না, আমি আয়রনম্যান
  4. ঘ) দেয়ালের সমান এবং বিপরীতমুখ প্রতিক্রিয়ার জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেয়ালের সমান এবং বিপরীতমুখ প্রতিক্রিয়ার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেয়ালের সমান এবং বিপরীতমুখ প্রতিক্রিয়ার জন্য
ব্যাখ্যা
এটার ব্যাখ্যা দেয় নিউটনের তৃতীয় সূত্র। একটি বস্তু অন্য একটির উপর কোনো ধরনের বল প্রয়োগ করল, সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুর উপর সমান এবং বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৩৭১.
ট্রপোমণ্ডলের বিস্তৃতি কোথায় সর্বাধিক?
  1. কর্কটক্রান্তি অঞ্চল
  2. নিরক্ষীয় অঞ্চল
  3. মকরক্রান্তি অঞ্চল
  4. মেরু অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চল
ব্যাখ্যা
- যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে বায়ুমণ্ডল বলে। বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিকটবর্তী স্তর হলো ট্রপোমণ্ডল।
- ট্রপোমণ্ডলের বিস্তৃতি সবচেয়ে বেশি নিরক্ষীয় অঞ্চলে (১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার)।
- ট্রপোমণ্ডলের বিস্তৃতি সবচেয়ে কম মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার। মেরু অঞ্চল থেকে নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে ট্রপোমণ্ডলের বিস্তৃতি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৩৭২.
নিচের কোনটি পাললিক শিলার উদাহরণ?
  1. ক) নিস ও গ্রাফাইট
  2. খ) জিপসাম ও চক
  3. গ) গ্রাফাইট ও মার্বেল
  4. ঘ) চক ও নিস
সঠিক উত্তর:
খ) জিপসাম ও চক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জিপসাম ও চক
ব্যাখ্যা
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তা পাললিক শিলা।
- এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- পাললিক শিলা নরম ও হালকা যা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। পাললিক শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।

• পাললিক শিলার উদাহরণ:
- চুনাপাথর,
- কয়লা,
- নুড়িপাথর,
- বেলেপাথর,
- পলিপাথর,
- কর্দমপাথর,
- চক,
- কোকিনা,
- লবণ,
- জিপসাম,
- ডায়াটম,
- ডোলোমাইট ইত্যাদি।

• কিছু রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- গ্রাফাইট (কয়লার রূপান্তরিত রূপ),
- মার্বেল (চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ),
- নিস (গ্রানাইটের রূপান্তরিত রূপ) ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩৭৩.
ত্বকের স্তর-
  1. ক) ১ টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ টি
ব্যাখ্যা
ত্বকের দুইটি স্তর। অন্তঃত্বক এবং বহিঃত্বক।
উৎসঃ ষষ্ঠ শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৩৭৪.
সাইক্লোন সৃষ্টিতে কোনটি প্রধান ভূমিকা রাখে?
  1. নিম্নচাপ
  2. সমুদ্রস্রোত
  3. নিম্ন তাপমাত্রা
  4. উচ্চচাপ
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা

• সাইক্লোন সৃষ্টিতে প্রধান ভূমিকা রাখে নিম্নচাপ। যখন কোনো অঞ্চলে বাতাসের চাপ অন্যান্য এলাকাগুলোর চেয়ে কম থাকে, তখন আশেপাশের উচ্চচাপযুক্ত বাতাস সেই অঞ্চলের দিকে চলে আসে। এই বাতাসের প্রবাহ ঘূর্ণায়মানভাবে আবর্তিত হয়ে শক্তিশালী বাতাস ও মেঘ তৈরি করে, যা সাইক্লোনের রূপ নেয়। সাধারণত উষ্ণ সমুদ্রের উপরে বাতাসের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং বাতাসের ঘূর্ণন বৃদ্ধি পায়। তাই, সাইক্লোনের মূল কারণ হলো নিম্নচাপ এবং তার সঙ্গে যুক্ত বাতাসের ঘূর্ণন।
 
 সাইক্লোন: 
- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা। 
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়। 
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। 
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৩৭৫.
এসিড বৃষ্টির জন্য প্রধানত দায়ী গ্যাস কোনটি?
  1. নাইট্রাস অক্সাইড
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. কার্বন মনোক্সাইড 
  4. সালফার ডাই-অক্সাইড 
সঠিক উত্তর:
সালফার ডাই-অক্সাইড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার ডাই-অক্সাইড 
ব্যাখ্যা

এসিড বৃষ্টি: 
- বায়ুমণ্ডলে অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিতে pH এর মান 5.6 এর কম হলেই ঐ অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে। 
- এসিড বৃষ্টির কারণ হচ্ছে মনুষ্যসৃষ্ট বায়ু দূষণ ক্রিয়া। 
- সাধারণত কলকারখানা অঞ্চলের এসিড বৃষ্টির পানির pH এর মান 5.6 থেকে 3.5 এর মধ্যে থাকে। 
- এই এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস বা এসিড বৃষ্টির কারণ মূলত সালফার ডাই অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (যেমন: NO, NO2) । 

এসিড বৃষ্টির ক্ষতিকর প্রভাব: 
- বর্তমানে রিপোর্টে প্রকাশিত ভারতের 'মথুরা অয়েল রিফাইনারি' থেকে নির্গত SO2 বৃষ্টির পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এসিড বৃষ্টি ঘটাচ্ছে। এ এসিড বৃষ্টি থেকে 'তাজমহল'-এর মার্বেল পাথর আক্রান্ত হচ্ছে। এসিড বৃষ্টিতে বিভিন্ন ধাতুর তৈরি ব্রিজ ও অট্টালিকার ক্ষতি হয়। 
- এসিড বৃষ্টির ফলে জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ আক্রান্ত হয়। কম pH এর পানিতে মাছের ডিম হ্যাচিং (hatching) বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। অধিক অম্লত্বের কারণে জলাশয়ে সমগ্র বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হয়ে জলাশয় বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে।
- এসিড বৃষ্টির প্রভাবে বৃষ্টি অরণ্য (rain forest)- এর বিশেষ ক্ষতি হতে পারে। বীজের অঙ্কুরোদ্গম এসিড বৃষ্টিতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। 
- মাটির উপাদান ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, জিংক ধাতুর ফসফরাস যৌগ এসিড বৃষ্টি ধুয়ে নিয়ে মাটিকে অনুর্বর করে দেয়। 

এসিড বৃষ্টির প্রতিকার: 
- এসিড বৃষ্টি হওয়ার পরে পুকুর ও হ্রদের পানিতে এবং কৃষি জমিতে চুন বা লাইম অথবা চুনাপাথর গুঁড়া ছিটানো দরকার। তখন অতিরিক্ত এসিড ক্যালসিয়াম লবণে পরিণত হয়। এরূপ লাইমিং কাজে অর্থ ব্যয় খুব বেশি। 
- দ্বিতীয় পদ্ধতি হলো ট্রপোস্ফিয়ারকে SO2 গ্যাস ও নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) মুক্ত রাখার ব্যবস্থা করা। 
- এজন্য শিল্পক্ষেত্রে FGD প্ল্যান্ট ও মোটর-কারে ক্যাটালাইটিক কনভার্টার ব্যবহার করে NOx গ্যাসকে বিজারিত করে N2 গ্যাসে পরিণত করা। 

অন্যদিকে, 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), কার্বন মনোঅক্সাইড (CO) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) এসিড বৃষ্টির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয় বা এসিড বৃষ্টির কারণ নয়। 
যেমন- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) দূর্বল কার্বনিক এসিড (H2CO3) তৈরি করে যা এসিড বৃষ্টি তৈরি করতে পারে না। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।

২,৩৭৬.
বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা কে প্রদান করেন?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. ম্যাক্স প্লাঙ্ক
  3. হাইগেনবার্গ
  4. আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ বসু
ব্যাখ্যা
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন।
- এই তত্ত্ব ব্যবহার করে পরবর্তীতে পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিলো।
- বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দেন প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসু৷

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩৭৭.
৬৬.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখাকে কী বলা হয়?
  1. সুমেরু বৃত্ত
  2. কুমেরু বৃত্ত
  3. নিরক্ষীয় সমান্তরাল রেখা
  4. কোনটিই নাই
সঠিক উত্তর:
সুমেরু বৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমেরু বৃত্ত
ব্যাখ্যা
সুমেরু বৃত্ত:
- নিরক্ষরেখা থেকে ৯০° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরু এবং ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু।
- এছাড়া ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রামে কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে বলা হয় মকরক্রান্তি।

⇒ ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু বৃত্ত।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি (ঘন্টা প্রতি ১৭০০ কি.মি. প্রায়)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৭৮.
জোয়ারের কত সময় পর ভাঁটার সৃষ্টি হয়? 
  1. ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
  2. ১২ ঘণ্টা ২০ মিনিট
  3. ৮ ঘণ্টা ১২ মিনিট
  4. ১৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাঁটা: 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা হয়। 
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাঁটা হয়। 
- উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাঁটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। 
অর্থাৎ, সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাঁটা হয়। 
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়। 
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে। 
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাঁটা বলে না। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৭৯.
বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহের উপস্থিতির ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্যটি ভুল?
  1. আরগন : ০.৫০ শতাংশ
  2. অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
  3. জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ
  4. ধূলিকণা ও কণিকা: ০.০১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
আরগন : ০.৫০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরগন : ০.৫০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডলে আরগনের পরিমাণ ০.৮০ শতাংশ।

• বায়ুমন্ডল:

- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলের উপাদান বলতে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণকে বুঝায়।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ
- জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ
- কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.০৩ শতাংশ
- অন্যান্য গ্যাস: ০.০২ শতাংশ
- ধূলিকণা ও কণিকা: ০.০১ শতাংশ

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
২,৩৮০.
ভারত মহাসাগরের উপকূলে ঘূর্ণিঝড় কী নামে পরিচিত?
  1. বাগুই
  2. টাইফুন
  3. উইলি উইলি
  4. সাইক্লোন
সঠিক উত্তর:
সাইক্লোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইক্লোন
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে পরিচিত।
- ঘূর্ণিঝড় ভারত মহাসাগরের উপকূলে সাইক্লোন, চীন ও জাপানের উপকূলে টাইফুন, ফিলিপাইনের উপকূলে বাগুই, অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে উইলি উইলি, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও মেক্সিকো উপসাগর অঞ্চলে হারিকেন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশে প্রতিবছর মার্চ ও নভেম্বর মাসে উপকূলবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড় হয়।
- ২৯ শে এপ্রিল ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের গতিবেগ ছিল ২২৫ কি.মি/ঘণ্টা এবং জলোচ্ছাসের উচ্চতা ছিল ৬.০-৭.৬ মিটার (আবহাওয়া অধিদপ্তর ২০০৯)।
- এছাড়াও ১৯ মে ১৯৯৭, ১৫ নভেম্বর ২০০৭ সালের সিডর এবং ২৫ মে ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় আইলা নামে পরিচিত।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৩৮১.
ট্রপোমন্ডলে বায়ুর তাপ হ্রাস হার প্রতি কিলোমিটারে কত?
  1. ৩.৫° সে.
  2. ৪.৫° সে.
  3. ৫.৫° সে.
  4. ৬.৫° সে.
সঠিক উত্তর:
৬.৫° সে.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫° সে.
ব্যাখ্যা
ট্রপোমন্ডল (Troposphere):

- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার।
- এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে।
- এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৮২.
মরা কটাল কখন দেখা যায়?
  1. অমাবস্যা তিথিতে
  2. পূর্ণিমা তিথিতে
  3. প্রতিপাদে
  4. অষ্টমী তিথিতে
সঠিক উত্তর:
অষ্টমী তিথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টমী তিথিতে
ব্যাখ্যা

- মরা কটালে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- চন্দ্র পৃথিবীর নিকটে থাকায় তার কার্যকর শক্তি সূর্য অপেক্ষা বেশি হয়।
- চন্দ্রের আকর্ষণে যে জোয়ার হয়, সূর্যের আকর্ষণে তা খুব বেশি স্ফীত হতে পারে না। ফলে মরাকটাল হয়।
- অষ্টমী তিথিতে এরকম ঘটনা পরিলক্ষিত করা যায়।

- ভরা কটালে বা তেজ কটালে পৃথিবী, সূর্য এবং চন্দ্র প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- তাই পৃথিবীর উপর চন্দ্রের আকর্ষণকে সহায়তা করে সূর্য।
- পূর্ণিমা বা অমাবস্যা তিথিতে এরকম ঘটনা দেখা যায়। এই দুই সময়ে তাই জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে ওঠে।
- প্রতিমাসে দুইবার ভরা কটাল এবং দুইবার মরা কটাল হয়ে থাকে।

সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২,৩৮৩.
ফোটনের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) ফোটনের শক্তিশালী ভরবেগ আছে
  2. খ) ফোটন ভরহীন
  3. গ) ফোটন কণা ও তরঙ্গ ধর্ম প্রদর্শন করে
  4. ঘ) ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ
সঠিক উত্তর:
ক) ফোটনের শক্তিশালী ভরবেগ আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফোটনের শক্তিশালী ভরবেগ আছে
ব্যাখ্যা
আলোক শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। প্রত্যেক রং এর আলোর জন্য এই শক্তি প্যাকেটের শক্তির একটা সর্বনিম্ন মান আছে। এই সর্ব নিম্নমানের শক্তিসম্পন্ন কণিকাকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটন ভরহীন ও তড়িৎ নিরপেক্ষ। এটি কণা এবং তরঙ্গ উভয় ধর্ম প্রদর্শন করতে পারে।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩৮৪.
​ধূমকেতু কী? 
  1. একটি উপগ্রহ 
  2. এক ধরনের নক্ষত্র 
  3. এক ধরনের জ্যোতিষ্ক
  4. এক ধরনের গ্রহ
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের জ্যোতিষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের জ্যোতিষ্ক
ব্যাখ্যা

ধূমকেতু (Comet): 
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। 
- ধূমকেতুর দুইটি অংশ রয়েছে। 
যেমন: মস্তক (Head) বা কেন্দ্র ও পুচ্ছ (Tail)। 
- কোনো কোনো ধূমকেতুর মস্তক বা কেন্দ্র গ্রহ অপেক্ষা বড় হয়ে থাকে। 
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ। 
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে। 
- হ্যালির ধূমকেতু (Hally's Comet) প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টিগোচরীভূত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৩৮৫.
পৃথিবীর মোট পানির মধ্যে সবচেয়ে বড় উৎস কোনটি?
  1. পুকুর
  2. হিমবাহ 
  3. নদী
  4. সমুদ্র
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর মোট পানির প্রায় ৯৭ শতাংশ জলরাশি সমুদ্রে (মহাসাগর) অবস্থিত, যা একে পৃথিবীর বৃহত্তম পানির উৎসে পরিণত করেছে। তবে সমুদ্রের পানি লবণাক্ত হওয়ায় এটি সরাসরি পানযোগ্য নয়। 

পানির উৎস ও গুরুত্ব: 
- পৃথিবীপৃষ্ঠের শতকরা ৭৫ ভাগই হচ্ছে পানি। 
- মানুষের বেঁচে থাকার জন্য পানি অপরিহার্য, তাই পানির অপর নাম হচ্ছে জীবন। 
- পানির সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে সাগর, মহাসাগর বা সমুদ্র। 
- পৃথিবীতে যত পানি আছে, তার প্রায় শতকরা ৯০ ভাগেরই উৎস হচ্ছে সমুদ্র। 
- সমুদ্রের পানিতে প্রচুর লবণ থাকে এজন্য সমুদ্রের পানিকে লোনা পানিও (Marine water) বলে। 
- লবণের কারণে সমুদ্রের পানি পানের অনুপযোগী, এমনকি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অন্য কাজেও সমুদ্রের পানি ব্যবহার করা যায় না। 
- পানির আরেকটি বড় উৎস হলো হিমবাহ তুষার স্রোত, যেখানে পানি মূলত বরফ আকারে থাকে, এই উৎসে প্রায় শতকরা ২ ভাগের মতো পানি আছে। 
- পৃথিবীতে ব্যবহারের উপযোগী পানি মাত্র শতকরা ১ ভাগ। 
- ব্যবহার উপযোগী মিঠা পানির উৎস হলো নদ-নদী, খাল-বিল, হ্রদ, পুকুর কিংবা ভূগর্ভস্থ পানি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৩৮৬.
নিচের কোন নিষ্ক্রিয় গ্যাসটি বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান?
  1. ক) আর্গন
  2. খ) ক্রিপ্টন
  3. গ) নিয়ন
  4. ঘ) হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আর্গন
ব্যাখ্যা
-  বায়ুমণ্ডলে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসাবে আর্গনের পরিমাণ (০.৮০%) সবচেয়ে বেশি।
- বায়ুমণ্ডলের দুটি প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন  (২০.৭১%)।
- এছাড়াও বায়ুতে- 
  কার্বন ডাই-অক্সাইড (০.০৩)
  ওজোন (০.০০০১)
  জলীয়বাষ্প (০.৪১)
  ধূলিকণা ও কনিক্স (০.০১)
  অন্যান্য গ্যাস (যেমন- নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, নাইট্রাস অক্সাইড)- ০.০১৯৯
  প্রভৃতি গ্যাস বিদ্যমান।

উৎস:- ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি।
২,৩৮৭.
অক্ষাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতি কোনটি?
  1. সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে
  2. ধ্রুবতারার সাহায্যে
  3. গ্রিনিচের সময় দ্বারা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ (Latitude) ও দ্রাঘিমাংশ (longitude) নির্ণয়ের পদ্ধতি:
অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়:-(উন্নতি কোণ ব্যবহার করে)
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ৯০° – (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি +/- বিষুবলম্ব)]
২। ধ্রুবতারার সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ধ্রুবতারার উন্নতি (নিরক্ষরেখায় ০° ও মেরুতে ৯০°)]

দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়:-(সময়ের পার্থক্য ব্যবহার করে)
১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা;
২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা।
সূত্র: প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য = ১° দ্রাঘিমার পার্থক্য। সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের পূর্বদিকের দেশগুলো এগিয়ে থাকে এবং পশ্চিম দিকের দেশগুলো পিছিয়ে থাকে।
[বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে তাই বাংলাদেশে সময় ৬ ঘন্টা এগিয়ে]

তথ্যসূত্র: Live MCQ ক্লাস লেকচার এবং ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৮৮.
শীতকালে বাংলাদেশে বাতাসের গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা কত?
  1. ক) ৭৩% থেকে ৮৪%
  2. খ) ৮৫% থেকে ৮৯%
  3. গ) ৮৩% থেকে ৮৯%
  4. ঘ) ৭৩% থেকে ৮৯%
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৩% থেকে ৮৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৩% থেকে ৮৪%
ব্যাখ্যা
▪ ঋতুভেদে আর্দ্রতার বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। বাংলাদেশে শীতকালে বাতাসের গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭৩% থেকে ৮৪% হয়ে থাকে।
▪ অপরদিকে গ্রীষ্ম বা বর্ষাকালে গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা প্রায় ৮৩% থেকে ৮৯% পর্যন্ত হয়ে থাকে।
▪ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বছরের বিভিন্ন সময়ে বায়ুপ্রবাহের বৈচিত্র্যতা লক্ষ্য করা যায়। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে অধিকাংশ বায়ু অপেক্ষাকৃত শান্ত থাকে। এ বেগ সাধারণত মার্চ থেকে আগস্ট মাসে বৃদ্ধি পায়।
▪ গ্রীষ্মকালের বৃষ্টির সাথে প্রবাহিত হওয়া ঝড়ো হাওয়া বাতাসের গড় বেগকে প্রভাবিত করে।
▪ বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৮৯.
ডিসি প্রবাহের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) জেনারেটর
  2. খ) শুষ্ক কোষ
  3. গ) রেগুলেটর
  4. ঘ) বিদ্যুৎ কোষ
সঠিক উত্তর:
খ) শুষ্ক কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শুষ্ক কোষ
ব্যাখ্যা
ডিসি:
- আমাদের দৈনন্দিন কাজে ডিসি (DC) সরবরাহের অসংখ্য প্রয়োগ রয়েছে।
- বিশেষ করে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বা বর্তনী পরিচালনার জন্য নিরবচ্ছিন্ন একমুখী প্রবাহ বা ডিসি প্রবাহ (Direct Current) প্রয়োজন হয়।
- ব্যাটারি বা শুষ্ক কোষ হলো ডিসি প্রবাহের প্রধান উৎস
- কিন্তু এদের ভোল্টেজ বেশ কম এবং এগুলো প্রায়ই পরিবর্তন করতে হয় বলে বেশ ব্যয়বহুল।
- ব্যাটারি দ্বারা আমাদের সব প্রয়োজন মিটানো সম্বব নয়।
- তাই আমাদের প্রয়োজন, বৈদ্যুতিক সরবরাহ লাইনের দিক পরিবর্তী তথা এসি ভোল্টেজকে একমুখী তথা ডিসি ভোল্টেজ রূপান্তরিত করা।  
-  যে প্রক্রিয়ায় এই রূপান্তরের কাজটি সম্পন্ন করা হয় তাকে বলে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৩৯০.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব হতে পারে? 
  1. ক) কয়েক সেকেন্ড 
  2. খ) কয়েক মিনিট 
  3. গ) কয়েক ঘণ্টা 
  4. ঘ) কয়েক দিন 
সঠিক উত্তর:
ক) কয়েক সেকেন্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কয়েক সেকেন্ড 
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব সাধারণত কয়েক সেকেন্ড হয়ে থাকে। কিন্তু এই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে হয়ে যেতে পারে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ। ভূমিকম্পের মাত্রা অনুযায়ী ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণয়ের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহৃত হয় তার নাম রিখটার স্কেল। 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
২,৩৯১.
নক্ষত্রের ভর কত সৌর ভরের কম হলে নক্ষত্রটি শ্বেত বামনে হবে?
  1. ১.৪
  2. ১.৮
  3. ২.৪
  4. ২.৮
সঠিক উত্তর:
১.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৪
ব্যাখ্যা
শ্বেত বামন:
- শ্বেত বামন (White dwarf) এক ধরনের ছোট তারা।
- কোন ক্ষুদ্রাকার তারকার জ্বালানি ফুরিয়ে অনুজ্জ্বল সাদা রঙের তারকায় পরিণত হলে তাকে শ্বেত বামন (White dwarf) বলা হয়।
- যদি কোনো নক্ষত্রের মোট ভর সূর্যের ১.৪ গুণের সমান বা তার চেয়ে কম হয়, তাহলে ওই নক্ষত্র শ্বেত বামন (white dwarf) তারায় পরিণতি হয়। 

উল্লেখ্য,
- মহাবিশ্বের অধিকাংশ তারারই শেষ দশা হচ্ছে শ্বেত বামন।
- কারণ অধিকাংশ তারার ভর সূর্যের সমান বা তার কাছাকাছি হয়।
- আর এই ভরের তারাদের মৃত্যু ঘটে শ্বেত বামন সৃষ্টির মাধ্যমে।

উৎস: Britannica.
২,৩৯২.
বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি? 
  1. ব্যারােমিটার 
  2. হাইগ্রোমিটার 
  3. ফ্যাদোমিটার 
  4. ম্যানােমিটার 
সঠিক উত্তর:
ব্যারােমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যারােমিটার 
ব্যাখ্যা

ব্যারােমিটার- বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। 

অন্যদিকে, 
• ম্যানােমিটার- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• ফ্যাদোমিটার- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• হাইগ্রোমিটার- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

২,৩৯৩.
গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা আলফা কণার চেয়ে কত গুণ বেশি? 
  1. ১০ গুণ
  2. ১০০ গুণ
  3. ১০০০ গুণ
  4. ১০০০০ গুণ
সঠিক উত্তর:
১০০০০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০০ গুণ
ব্যাখ্যা
- একটি সরু ছিদ্রযুক্ত লেড বা সীসার পাত্রে রেডিয়াম রেখে দিলে তা থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় রশ্মি ছিদ্র দিয়ে সরলরেখায় বের হয়। 
- এ রশ্মিকে চৌম্বক বা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত করলে তা তিন ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এদেরকে যথাক্রমে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি বলা হয়। 
- এদের মধ্যে আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জযুক্ত, বিটা রশ্মি ঋনাত্মক চার্জযুক্ত এবং গামা রশ্মি হচ্ছে চার্জবিহীন বা চার্জনিরপেক্ষ। 

গামা রশ্মি (γ-রশ্মি): 
প্রকৃতি: 
- গামা রশ্মি সাধারণ অর্থে কোন কণিকা নয়, এটি সাধারণ আলোকের ন্যায় তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ। 
- α-কণা বা β-কণা বিচ্ছুরণের পর নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে শক্তির পূর্ণবিন্যাসের ফলে γ-রশ্মির উদ্ভব ঘটে। 
- এদের তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য খুবই কম, এমনকি রঞ্জন রশ্মি অপেক্ষাও কম হয়। 

ছেদন ক্ষমতা: 
- গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 10,000 গুণ বেশি। 
- রঞ্জন রশ্মির ন্যায় তা বিভিন্ন পদার্থের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে পারে। 
- গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) বিকিরণের ফলে মৌলের নিউক্লিয়াসের কোন পরিবর্তন ঘটে না। কারণ গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। 
- গামা রশ্মির (γ-রশ্মি) কোন ভর বা চার্জ নেই। 
- বিটা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 1000 গুণ বেশি। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
২,৩৯৪.
নিরক্ষরেখার উপর সূর্য কিভাবে কিরণ দেয়?
  1. কৌণিকভাবে
  2. লম্বভাবে
  3. আড়াআড়িভাবে
  4. তির্যকভাবে
সঠিক উত্তর:
লম্বভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লম্বভাবে
ব্যাখ্যা

নিরক্ষরেখা:
- সূর্যকিরণের মাত্রা অক্ষাংশভেদে বিভিন্ন রকম হয়।
- নিরক্ষরেখার উপর সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়
- নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায়, সূর্যকিরণ তির্যকভাবে পড়তে থাকে।
- এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় মেরুর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

২,৩৯৫.
সম্প্রতি আবিষ্কৃত 'সুপার আর্থ' গ্রহটির সন্ধান পেয়েছে কোন মহাকাশ সংস্থা?
  1. ক) European Space Agency
  2. খ) NASA
  3. গ) Italian Space Agency
  4. ঘ) SpaceX
সঠিক উত্তর:
খ) NASA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) NASA
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি আবিষ্কৃত 'সুপার আর্থ' গ্রহটির সন্ধান পেয়েছেন নাসা মহাকাশ সংস্থা। 

- সুপার আর্থ গ্রহ পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৪০ ভাগ বড় আয়তনে। 
- ‘সুপার’ আর্থের আমাদের পৃথিবী থেকে ৩৬.২ আলোকবর্ষ দূরে। 
- নাসা ২০২১ সালে এই গ্রহটির সন্ধান পায়।
- পৃথিবীতে এক বছর যেমন ৩৬৫ দিনে হয়, এই গ্রহটিতে কিন্তু হয় মাত্র আড়াই দিনে।
- GJ-740 গ্রহটি সুপার আর্থ নামে পরিচিত। 

সূত্র- NPR Website [লিঙ্ক]
২,৩৯৬.
Which planet is often referred to as the "Red Planet"?
  1. Saturn
  2. Mercury
  3. Jupiter
  4. Venus
  5. Mars
সঠিক উত্তর:
Mars
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mars
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ এবং গ্রহসমূহ: 
- মহাকাশের অসংখ্য জ্যোতিষ্ক নিয়ে যে জগতের সৃষ্টি হয়েছে তাকে বিশ্বজগৎ বা বিশ্বভ্রহ্মান্ড বলে। 
- সূর্য বিশ্বজগতের কোটি কোটি নক্ষত্রের মধ্যে একটি উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। 
- সূর্য ও এর চতুর্দিকে ঘূর্ণনরত জ্যোতিষ্কমন্ডলীকে একত্রে সৌরজগৎ (Solar System) বলে। 
- মহাকাশে সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট গতিতে, নির্দিষ্ট দূরত্বে, একই সমতলে একইদিকে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘূনর্ণরত সকল গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধুমকেতু ও উল্কাপিন্ডের সমন্বয়ে সৌরজগত গঠিত হয়েছে। 

মঙ্গল গ্রহ: 
- মঙ্গলগ্রহ  হলো সূর্য থেকে চতুর্থ দূরবর্তী গ্রহ। 
- বুধের পরেই সৌরজগতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহ। 
- মঙ্গল গ্রহটিকে ‘লালগ্রহ’ নামে অভিহিত করা হয়। 
- সূর্য থেকে মঙ্গল গ্রহের দূরত্ব ২২.৮ কিলোমিটার। 
- এটি একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ৬৮৭ দিন সময় লাগে। 
- মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা দুইটি। 
যথা- ফোবোস ও ডিমোস। 

অন্যদিকে, 
- ইউরেনাসকে সবুজগ্রহ, 
- বুধকে ক্ষুদ্রগ্রহ, 
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩৯৭.
সমুদ্রবায়ু কোন সময় সবচেয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়? 
  1. মধ্যাহ্নে 
  2. দুপুরে 
  3. অপরাহ্নে 
  4. সকালে 
সঠিক উত্তর:
অপরাহ্নে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাহ্নে 
ব্যাখ্যা

সমুদ্রবায়ু: 
- দিনের বেলায় স্থলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় বলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়, কিন্তু জলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় না বলে সেখানকার বায়ু উচ্চচাপ যুক্ত হয়। ফলে এ সময় জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়, একে সমুদ্রবায়ু বলে। 
- সমুদ্রবায়ু সকাল ১০টা থেকে প্রবাহিত হতে থাকে। 
- বিকালে অর্থাৎ অপরাহ্নে সমুদ্রবায়ু প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়। 
- আবার রাত ৩টায় স্থলবায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৩৯৮.
পারস্পরিক আবেশের নীতি ব্যবহৃত হয় -
  1. ট্রানজিস্টরে
  2. অ্যামপ্লিফায়ারে
  3. ট্রায়্ডে
  4. ট্রান্সফর্মারে
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফর্মারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফর্মারে
ব্যাখ্যা

পারস্পারিক আবেশ: 
- পাশাপাশি স্থাপিত দুটি কুন্ডলীর মধ্যে একটিতে তড়িৎ প্রবাহ মাত্রার পরিবর্তনের ফলে অপর কুন্ডলীতে যে তড়িৎচালক বল আবিষ্ট হয় তাকে পারস্পারিক আবেশ বলে।
- জেনারেট, মোটর ও ট্রান্সফরমারে পারস্পারিক আবেশ ব্যবহৃত হয়। 

ট্রান্সফরমার: 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে পরিবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রুপান্তর করা হয়, তাকে ট্রান্সফর্মার বলে। 
- ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার।

যথা- 
১. স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং
২. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার।

- ট্রান্সফরমারে মুখ্য কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী হলে সেটি স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার হয়। 
- ট্রান্সফরমারের গৌণ কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী হলে সেটি স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার হয়। 

উৎস:
১. সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৩৯৯.
'বেকরেল' নিচের কোনটির একক?
  1. লেন্সের ক্ষমতা
  2. এক্সরে
  3. দীপন ক্ষমতা
  4. তেজস্ক্রিয়তা
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয়তা
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপ করার জন্য যে একক ধরা হয় তাকে বলা হয় বেকেরেল।
- তেজস্ক্রিয়তা হলো যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি, তাদের নিউক্লিয়াস দ্রুত গতির নিউটন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ভেদন সম্পূর্ণ বিকিরণ নির্গত হওয়ার ঘটনা।
- ফরাসি বিজ্ঞানী অঁতোয়ান অঁরি বেকেরেল ১৮৯৬ সালে এক্সরে নিয়ে গবেষণা করার সময় এমন একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রাকৃতিক ঘটনা আবিষ্কার করে ফেলেন যা সারা বিশ্বের বিজ্ঞান জগতে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- তিনি দেখতে পান যে, ইউরেনিয়াম ধাতুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত বিশেষ ভেদন শক্তি সম্পন্ন রশ্মি বা বিকিরণ নির্গত হয়।
- তার নামানুসারে এই রশ্মির নাম দেওয়া হয় বেকারেল রশ্মি।
- ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) বলে।

উৎস: Britannica.com