বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাক্য প্রকরণ

মোট প্রশ্ন৬,৯৫৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাক্য প্রকরণ

PrepBank · পাতা ১৫ / ৬৯ · ১,৪০১১,৫০০ / ৬,৯৫৩

১,৪০১.
"ছাগলে কী না খায়।" - বাক্যে "ছাগল' কোন কারক?
  1. কর্তা
  2. কর্ম
  3. অধিকরণ
  4. অপাদান
সঠিক উত্তর:
কর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তা
ব্যাখ্যা

কর্তৃকারক:
- বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক। ক্রিয়ার সঙ্গে 'কে' বা 'কারা' যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই কর্তৃকারক।

কর্তৃকারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ:
প্রথমা বিভক্তি: শিহাব বই পড়ে।
দ্বিতীয়া বিভক্তি: শিমুলকে যেতে হবে।
তৃতীয়া বিভক্তি: নজরুল কর্তৃক অগ্নিবীণা রচিত হয়েছে।
ষষ্ঠী বিভক্তি: আমার খাওয়া হয়নি।
সপ্তমী বিভক্তি: ছাগলে কী না খায়।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।

১,৪০২.
অশুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. কাপড়চোপড়
  2. অচিন্ত্যনীয়
  3. তদনুসারে
  4. অঙ্গীকার
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অচিন্ত্যনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অচিন্ত্যনীয়
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - 'অচিন্ত্যনীয়'

- শব্দটির শুদ্ধরূপ - 'অচিন্তনীয়'
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
এর অর্থ:
- অভাবনীয়, চিন্তার অতীত।

অন্যদিকে,
- অঙ্গীকার, তদনুসারে এবং কাপড়চোপড় - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪০৩.
"যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে, সেখানেই দিকচক্রবাল।" - এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. সরল
  2. জটিল
  3. যৌগিক
  4. ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় খণ্ডবাক্য
সঠিক উত্তর:
জটিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জটিল
ব্যাখ্যা

মিশ্র বা জটিল বাক্য:
- যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।

আশ্রিত খণ্ডবাক্য তিন প্রকার:
১) বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য,
২) বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য,
৩) ক্রিয়া বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য। 

ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় খণ্ডবাক্য:
- যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য ক্রিয়াপদের স্থান, কাল ও কারণ নির্দেশক অর্থে ব্যবহৃত হয় তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে। যেমন:
- ‘যতই করিবে দান, তত যাবে বেড়ে।’
- তুমি আসবে বলে আমি অপেক্ষা করছি।
- যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে, সেখানেই দিকচক্রবাল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১,৪০৪.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. অশরীরি
  2. নিরহঙ্কার
  3. পুঙ্খানুপুঙ্ক
  4. চূর্ণবিচূর্ণ
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চূর্ণবিচূর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূর্ণবিচূর্ণ
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান - চূর্ণবিচূর্ণ
- এটি একটি বিশেষণ পদ।

শব্দের অর্থ:
- সম্পূর্ণ চূর্ণিত,
- সম্পূর্ণ বিনষ্ট।

অন্যদিকে,
অশুদ্ধ বানানের শুদ্ধরূপ:
- অশরীরী, নিরহংকার এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১,৪০৫.
নিচের কোন বাক্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) ফেল কড়ি মাখ তেল
  2. খ) আদার ব্যাপারীর জাহাজের খবর
  3. গ) অন্ধ ছেলের নাম পদ্মলোচন
  4. ঘ) যেমন বুনো ওল তেমন বাঘা তেঁতুল
সঠিক উত্তর:
গ) অন্ধ ছেলের নাম পদ্মলোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অন্ধ ছেলের নাম পদ্মলোচন
ব্যাখ্যা
• 'অন্ধ ছেলের নাম পদ্মলোচন' বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
- এর শুদ্ধরূপ হচ্ছে 'কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন'।
- প্রবাদ-প্রবচনের বিকৃতি বা রূপের পরিবর্তনকে অশুদ্ধ বলে গণ্য করা হয়।

- ফেল কড়ি মাখ তেল।
- আদার ব্যাপারীর জাহাজের খবর।
- যেমন বুনো ওল তেমন বাঘা তেঁতুল।
উল্লেখিত অপশনগুলো সঠিক বা শুদ্ধ নিয়মে গঠিত।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ, ড. মোহাম্মদ আমীন।
১,৪০৬.
শুদ্ধ বানান -
  1. জ্বরাজীর্ণ
  2. কুটনীতি
  3. আইনজীবি
  4. অগ্নিমান্দ্য
সঠিক উত্তর:
অগ্নিমান্দ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিমান্দ্য
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - অগ্নিমান্দ্য

অন্যদিকে,
আইনজীবি – আইনজীবী, 
কুটনীতি – কূটনীতি, 
জ্বরাজীর্ণ – জরাজীর্ণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪০৭.
কোনটি বানানটি শুদ্ধ নয়?
  1. ক) প্রতিষেধক
  2. খ) সুষমা
  3. গ) অগ্নিষাৎ
  4. ঘ) অভিষেক
সঠিক উত্তর:
গ) অগ্নিষাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অগ্নিষাৎ
ব্যাখ্যা
সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদে কখনো ষ হয় না। যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।
১,৪০৮.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. কূপমন্ডূক
  2. কূপমণ্ডূক
  3. কুপমণ্ডূক
  4. কুপমন্ডূক
সঠিক উত্তর:
কূপমণ্ডূক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কূপমণ্ডূক
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• শুদ্ধ বানান - কূপমণ্ডূক।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত শব্দ।

শব্দের অর্থ:
- সীমাবদ্ধ জ্ঞানবিশিষ্ট।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১,৪০৯.
নিচের কোনটি বাক্যের অত্যাশব্যকীয় গুণ নয়?
  1. ক) আকাঙ্ক্ষা
  2. খ) যোগ্যতা
  3. গ) আসক্তি
  4. ঘ) আসত্তি
সঠিক উত্তর:
গ) আসক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আসক্তি
ব্যাখ্যা
বাক্যের অত্যাশব্যকীয় গুণ তিনটি। এগুলো হলো: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা হলো আকাঙ্ক্ষা। বাক্যে ব্যবহৃত পদসমূহের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস হলো আসত্তি। বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত ও ভাবগত মিলবন্ধনের নাম হলো যোগ্যতা।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৪১০.
‘গরুর শকট’ শব্দটির কি দোষ দেখা যায়?
  1. ক) গুরুচণ্ডালী দোষ
  2. খ) বাহুল্য দোষ
  3. গ) দ্বিত্বজনিত ভুল
  4. ঘ) বাচ্যজনিত দোষ
সঠিক উত্তর:
ক) গুরুচণ্ডালী দোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গুরুচণ্ডালী দোষ
ব্যাখ্যা
• সাধু ও চলিত ভাষারীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ। অর্থাৎ তৎসম শব্দের সাথে দেশীয় শব্দ কখনো কখনো গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায়।
যেমন-
অশুদ্ধ- গরুর শকট (দেশি + তৎসম)
শুদ্ধ- গরুর গাড়ি (দেশি + দেশি)

অশুদ্ধ- মড়াদাহ (দেশি + তৎসম)
শুদ্ধ- শবদাহ (তৎসম + তৎসম)
শুদ্ধ- মড়াপোড়া (দেশি + দেশি)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪১১.
'যাদের বুদ্ধি নেই তারাই একথা বিশ্বাস করবে।'- কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
  1. যৌগিক বাক্য
  2. জটিল বাক্য 
  3. সরল বাক্য
  4. খণ্ড বাক্য 
সঠিক উত্তর:
জটিল বাক্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জটিল বাক্য 
ব্যাখ্যা

• জটিল বাক্য:
একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল বাক্য তৈরি হয়।
যেমন:
- যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।

• যে-সে, যিনি-তিনি, যারা-তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যখন- তখন, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যােজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।
যেমন:
- যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে। 
- যদি কাব্য ম্যাজিক হয়, তবে সমালোচনা লজিক হতে বাধ্য।
- যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।
- যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
- যখন তিনি ভাত খাওয়া শেষ করলেন, তখন তিনি ঘুমিয়ে গেলেন।
- যাদের বুদ্ধি নেই, তারাই একথা বিশ্বাস করবে।
- যে সকল পশু মাংস ভোজন করে, তারা অত্যন্ত বলবান।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪১২.
কোন শব্দে সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. বুদ্ধিমান
  2. বিপন্মুক্তি
  3. প্রয়োজনীয়তা
  4. শুধু
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয়তা
ব্যাখ্যা
• 'প্রয়োজনীয়তা' সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ।
- এর শুদ্ধরূপ: প্রয়োজন।

অন্যদিকে,
- শুধু,
- বিপন্মুক্তি,
- বুদ্ধিমান।
শব্দগুলোর সঠিক প্রয়োগ হয়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪১৩.
'মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে' বাক্যে 'বৃষ্টি' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্তা কারকে সপ্তমী
  2. কর্ম কারকে শূন্য
  3. কর্তা কারকে শূন্য
  4. করণ কারকে শূন্য
সঠিক উত্তর:
কর্তা কারকে শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তা কারকে শূন্য
ব্যাখ্যা

• কর্তৃকারকের প্রকারভেদ:
কর্তৃকারক বাক্যের ক্রিয়া সম্পাদনের বৈচিত্র্য বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী চার প্রকারের হয়ে থাকে। যথা:

১. মুখ্য কর্তা: যে নিজে নিজেই ক্রিয়া সম্পাদন করে সে মুখ্য কর্তা।
যেমন:
- ছেলেরা ফুটবল খেলছে।
- মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে।

২. প্রযোজক কর্তা: মূল কর্তা যখন অন্যকে কোনো কাজে নিয়োজিত করে তা সম্পন্ন করায়, তখন তাকে প্রযোজক কর্তা বলে।
যেমন: শিক্ষক ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন।

৩. প্রযোজ্য কর্তা: মূল কর্তার করণীয় কার্য যাকে দিয়ে সম্পাদিত হয়, তাকে প্রযোজ্য কর্তা বলা হয়। ওপরের বাক্যে 'ছাত্র' প্রযোজ্য কর্তা।
তদ্রুপ - রাখাল (প্রযোজক) গরুকে (প্রযোজ্য কর্তা) ঘাস খাওয়ায়।

৪. ব্যতিহার কর্তা: কোনো বাক্যে যে দুটো কর্তা একত্রে একজাতীয় ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাদের ব্যতিহার কর্তা বলে।
যেমন:
- বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়।
- রাজায়-রাজায় লড়াই, উলুখাগড়ার প্রাণান্ত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

১,৪১৪.
বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- বাংলা ভাষায় যতি চিহ্ন প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- তাকে বাংলা গদ্যের জনক ও বলা হয়।
- বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থেই তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।
- বিদ্যাসাগরের আগে বাংলা গদ্য বা কবিতা কোথাও যতিচিহ্ন ব্যবহার হতো না।
- শুধু পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়িজ্ঞাপক চিহ্নটি ছিল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,৪১৫.
পুরুষকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় কোনটি?
  1. কল্যাণীয়েষু
  2. শ্রদ্ধাভাজনেষু
  3. কল্যাণীয়াসু
  4. সুচরিতেষু
সঠিক উত্তর:
কল্যাণীয়াসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কল্যাণীয়াসু
ব্যাখ্যা
শ্রদ্ধাভাজন, স্নেহভাজন পুরুষ ও বন্ধুদের লিখিত পত্রের সম্বোধন:
- শ্রদ্ধাভাজনেষু, শ্রদ্ধাস্পদেষু, সুচরিতেষু, প্রীতিভাজন ইত্যাদি।

শ্রদ্ধাভাজন, স্নেহভাজন নারীদের লিখিত পত্রের সম্বোধন:
- শ্রদ্ধাভাজনাসু, শ্রদ্ধাস্পদাসু, কল্যাণীয়াসু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪১৬.
'যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে' এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. আশ্রিত বাক্য
  2. জটিল বাক্য
  3. যৌগিক বাক্য
  4. সরল বাক্য
সঠিক উত্তর:
জটিল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জটিল বাক্য
ব্যাখ্যা

• যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ড বাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হয় তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
• যথা- যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে।
• এখানে আশ্রিত বাক্য‌ 'যে পরিশ্রম করে' এবং প্রধান খণ্ডবাক্য 'সে-ই সুখ লাভ করে।'
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪১৭.
প্রত্যক্ষ উক্তির 'আগামীকাল' পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তিত হয়ে কী হবে?
  1. সেদিন
  2. পরদিন
  3. তখন
  4. কাল
সঠিক উত্তর:
পরদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরদিন
ব্যাখ্যা
• প্রত্যক্ষ উক্তির 'আগামীকাল' পরোক্ষ উক্তিতে হবে- 'পরদিন'। 

উল্লেখ্য,
প্রত্যক্ষ উক্তির 'গতকল্য' পরোক্ষ উক্তিতে হবে- পূর্বদিন। 
প্রত্যক্ষ উক্তির 'আজ' পরোক্ষ উক্তিতে হবে- সেদিন। 
প্রত্যক্ষ উক্তির 'গতকাল' পরোক্ষ উক্তিতে হবে- আগেরদিন। 
--------------------------- 
যেমন - 
প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তন করার সময় কালবাচক এবং স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন হয়।
যেমন: 
প্রত্যক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন, 'আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব।'
পরোক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), উচ্চ মাধ্যমিক, বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ভাষাশিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ।
১,৪১৮.
'শহিদের মৃত্যু নেই।' এর অস্তিবাচক কোনটি?
  1. ক) শহিদেরা অমর
  2. খ) শহিদেরা মরণশীল
  3. গ) শহিদের মৃত্যু আছে
  4. ঘ) শহিদেরা আমৃত্যু
সঠিক উত্তর:
ক) শহিদেরা অমর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শহিদেরা অমর
ব্যাখ্যা
 মূলভাব বা অর্থ অপরিবর্তিত রেখে এক শ্রেণীর বাক্যকে অন্য শ্রেণীর বাক্যে পরিবর্তন কারার নামই হলো বাক্য রূপান্তর।
নেতিবাচক বাক্য থেকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর:
নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে মৌলিক অর্থ বা মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে নিচের সাধারণ সূত্রগুলো অবলম্বন করতে হবে।

সূত্র: ১
বাক্য পরিবর্তিত হলেও মূল অর্থ অপরিবর্তিত থাকবে।
যেমন -
নেতিবাচক: সেটা কখনোই সফল হতে পারে না।
নেতিবাচক: সেটা সর্বদাই অসফল হয়।

সূত্র: ২
'না', 'নয়', 'নি', 'নেই', 'নহে' ইত্যাদি নঞর্থক পদ তুলে দিতে হয় এবং শব্দের পরিবর্তন ঘটিয়ে হ্যা-বাচক ভাব ফুটিয়ে তুলতে হয়।
যেমন -
নেতিবাচক: কোথাও শান্তি ছিল না
অস্তিবাচক: সর্বত্র অশান্তি ছিলো।

সূত্র: ৩
প্রয়োজনমতো নেতিবাচক শব্দের বাক্যাংশকে অস্তিবাচক শব্দ দ্বারা অস্তিবাচকে রূপান্তর করতে হয়।
যেমন -
নেতিবাচক: শহিদের মৃত্যু নেই।
অস্তিবাচক: শহিদেরা অমর।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,৪১৯.
'পুকুরে মাছ আছে - এখানে পুকুরে কোন অধিকরণ কারক?
  1. বৈষয়িক অধিকরণ
  2. ভাবাধিকরণ
  3. অভিব্যাপক অধিকরণ
  4. ঐকদেশিক অধিকরণ
সঠিক উত্তর:
ঐকদেশিক অধিকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐকদেশিক অধিকরণ
ব্যাখ্যা
যে স্থানে বা যে সময়ে ক্রিয়া সম্পাদন হয় তাকে বলে অধিকরণ কারক।
অধিকরণ কারক তিন প্রকার।
যথা-
১. আধারাধিকরণ,
২. কালাধিকরণ এবং
৩. ভাবাধিকরণ।


আধারাধিকরণ:
আধারাধিকরণ বা স্থানাধিকরণ কোন কোন স্থানকে বুঝায়। যেমন: তিলে তৈল আছে। ছেলেটি অঙ্কে কাচা। নদীতে পানি আছে।
এটি তিন ভাগে বিভক্ত। যথা : - ১. ঐকদেশিক, ২. অভিব্যাপক এবং ৩. বৈষয়িক।

১. ঐকদেশিক:
বিশাল স্থানের যে কোনো এক অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে। যেমন-
পুকুরে মাছ আছে। (পুকুরের যে কোনো একস্থানে)
বনে বাঘ আছে। (বনের যে কোনো এক অংশে)
আকাশে চাঁদ উঠেছে। (আকাশের কোনো এক অংশে)


উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।
১,৪২০.
অশুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. প্রণয়ন
  2. শিরশ্ছেদ
  3. মূহুর্মুহু
  4. ভাগীরথী
সঠিক উত্তর:
মূহুর্মুহু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূহুর্মুহু
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - মূহুর্মুহু
- শুদ্ধ বানান - মুহুর্মুহু।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- বারবার, ঘনঘন।

অন্যদিকে,
- ভাগীরথী,
- শিরশ্ছেদ, 
- প্রণয়ন।
শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১,৪২১.
কোন শব্দ জোড়টি অশুদ্ধ?
  1. আকাঙ্ক্ষা, পূর্ণতা
  2. মরুদ্যান, আয়ত্ব
  3. পঞ্চনদ, শশিভূষণ
  4. বিঘূর্ণন, বিমর্দন
সঠিক উত্তর:
মরুদ্যান, আয়ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরুদ্যান, আয়ত্ব
ব্যাখ্যা

- অশুদ্ধ শব্দ জোড়টি হলো মরুদ্যান, আয়ত্ব।
- শব্দ জোড়টির শুদ্ধরূপ হচ্ছে মরূদ্যান, আয়ত্ত।
উৎসঃ বাংলা একাডেমির প্রতিম বাংলা বানানের নিয়ম।

১,৪২২.
'বুড়িকে পকেট থেকে কিছু পয়সা বার করে দিলাম'। গঠন অনুসারে বাক্যটি যে ধরনের
  1. সরল
  2. জটিল
  3. যৌগিক
  4. মিশ্র
সঠিক উত্তর:
সরল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল
ব্যাখ্যা
• গঠন অনুসারে বাক্যকে — তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 

১. সরল বাক্য:
একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে।
 যেমন- জেসমিন সবার জন্য চা বানিয়েছে।

এখানে,
• 'বুড়িকে পকেট থেকে কিছু পয়সা বার করে দিলাম'।
বাক্যটি সরল (Simple Sentence) কারণ:
বাক্যটিতে একটি মূল ক্রিয়া ("দিলাম") এবং একটি স্বাধীন বাক্য রয়েছে।
কোনো অধীন বাক্য (যেমন: কারণ, শর্ত, সময় ইত্যাদি) বা সংসরলযোজক শব্দ (যেমন: এবং, কিন্তু, কারণ) ব্যবহার করা হয়নি।

২. জটিল বাক্য:
একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল বাক্য তৈরি হয়।
 যেমন- যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।

৩. যৌগিক বাক্য:
এক বা একাধিক বাক্য বা বাক্যাংশ যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করে।
 যেমন- রহমত রাতে রুটি খায় আর রহিমা খায় ভাত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
১,৪২৩.
অশুদ্ধ বানান -
  1. মাতৃষ্বসা
  2. নিক্বণ
  3. অনূর্ধ্ব
  4. সূচগ্রমোদিনী
সঠিক উত্তর:
সূচগ্রমোদিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূচগ্রমোদিনী
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - সূচগ্রমোদিনী
এর শুদ্ধ বানান - সূচ্যগ্রমোদিনী।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ: 
- সুচের ডগায় ধরে এমন পরিমাণ ভূমি,
- সামান্য পরিমাণ জমি।

অন্যদিকে,
- অনূর্ধ্ব,
- নিক্বণ,
- মাতৃষ্বসা।
শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১,৪২৪.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. ক) গণিত খুব কঠিন
  2. খ) গণিত খুব জটিল
  3. গ) বানান ভুল দোষণীয়
  4. ঘ) বিধি লঙ্ঘন হয়েছে
সঠিক উত্তর:
খ) গণিত খুব জটিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গণিত খুব জটিল
ব্যাখ্যা

‘গণিত খুব কঠিন’-বাক্যটি ভুল। এর শুদ্ধরূপ-‘গণিত খুব জটিল’ ।
অন্যদিকে-
‘বানান ভুল দোষণীয়’ বাক্যটি ভুল। সঠিক রূপ - বানান ভুল দূষণীয়।
‘বিধি লঙ্ঘন হয়েছে’ বাক্যটি ভুল। সঠিক রূপ - বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।

উৎসঃ ভাষা শিক্ষা-হায়াৎ মামুদ।

১,৪২৫.
নিচের কোনটি শুদ্ধ?
  1. হাতে টাকা নেই, একারণেই চোখে সরষে ফুল দেখছ।
  2. অতিশয় দুঃখিত হলাম।
  3. গৃহস্থের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারবো না।
  4. তাহারা বাড়ি যাচ্ছে।
সঠিক উত্তর:
হাতে টাকা নেই, একারণেই চোখে সরষে ফুল দেখছ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতে টাকা নেই, একারণেই চোখে সরষে ফুল দেখছ।
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বাক্য: হাতে টাকা নেই, একারণেই চোখে হলদে ফুল দেখছ।
শুদ্ধ বাক্য: হাতে টাকা নেই, একারণেই চোখে সরষে ফুল দেখছ।

অন্যদিকে:
অশুদ্ধ বাক্য: অতিশয় দুঃখিত হলাম।
শুদ্ধ বাক্য: অত্যন্ত দুঃখিত হলাম।

অশুদ্ধ বাক্য: গৃহস্থের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারবো না।
শুদ্ধ বাক্য: ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারব না।

অশুদ্ধ বাক্য: তাহারা বাড়ি যাচ্ছে।
শুদ্ধ বাক্য: তারা বাড়ি যাচ্ছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,৪২৬.
বানানের ক্ষেত্রে নিচের কোন নিয়মটি সঠিক?
  1. বানানে যে বর্ণের উপর রেফ থাকবে সেই বর্ণে দ্বিত্ব হবে না।
  2. রেফ এর পর তৎসম ও অতৎসম কোনো শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণে ঈ-কার যুক্ত হবে।
  3. রেফ এর পর তৎসম ও অতৎসম শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণের পর ই-কার যুক্ত হবে।
  4. রেফ এর পর তৎসম ও অতৎসম শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হবে।
সঠিক উত্তর:
বানানে যে বর্ণের উপর রেফ থাকবে সেই বর্ণে দ্বিত্ব হবে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বানানে যে বর্ণের উপর রেফ থাকবে সেই বর্ণে দ্বিত্ব হবে না।
ব্যাখ্যা
বানানে যে বর্ণের উপর রেফ থাকবে সেই বর্ণে দ্বিত্ব হবে না।
যেমন:
- কার্য্যালয় হবে না, সঠিক বানান হবে কার্যালয়।
- নির্দ্দিষ্ট হবে না, সঠিক বানান নির্দিষ্ট।
- ধর্ম্মসভা বানানটি ভুল, সঠিক বানান হবে ধর্মসভা।
- তেমনি ভাবে পর্ব্বত হবে না, সঠিক বানান হবে পর্বত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,৪২৭.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারককে কোন কারকের অধিভুক্ত বলে মনে করেন?
  1. ক) কর্ম কারক
  2. খ) কর্তা কারক
  3. গ) অপাদান কারক
  4. ঘ) অধিকরণ কারক
সঠিক উত্তর:
ক) কর্ম কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কর্ম কারক
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারককে কর্ম কারকের অধিভুক্ত বলে মনে করেন।
• বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক বিতর্ক :
- ভাষাচার্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, সম্প্রদান কারককে গৌণ কর্ম ছাড়া অন্য কিছু বলার কোনো যুক্তি নেই।
- দান ক্রিয়ার মাহাত্ম্য বোঝানোর জন্যই এ কারকটিকে আলাদা করা হয়েছিল।
- দান করা যতই মহৎ কাজ হোক, এতে ক্রিয়ার সঙ্গে কারক পদের সম্পর্কটি বদলে যায় না।
- সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়মে স্বত্ব ত্যাগ করে দান করলেই দানগ্রহীতা সম্প্রদানরূপে গণ্য হয়, স্বত্ব ত্যাগ না করলে কর্ম হয়।
- এখানেই সম্প্রদান কারকের অন্তঃসারশূন্যতা ধরা পড়ে।
• তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারককে কর্ম কারকের অধিভুক্ত বলে মনে করেন।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
১,৪২৮.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. রিতীনিতী
  2. রিতীনীতি
  3. রীতিনিতি
  4. রীতিনীতি
সঠিক উত্তর:
রীতিনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রীতিনীতি
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - রীতিনীতি
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- আচার-আচরণ, প্রথা, রেওয়াজ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪২৯.
কোনটি শুদ্ধ?
  1. সহযোগী - সহযোগীতা
  2. দায়ী - দায়িত্ব
  3. কৃতী - কৃতীত্ব
  4. প্রতিযোগি - প্রতিযোগিতা
সঠিক উত্তর:
দায়ী - দায়িত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়ী - দায়িত্ব
ব্যাখ্যা
• বানানের নিয়ম:
তৎসম শব্দে ইন্-প্রত্যয়ান্ত শব্দের সঙ্গে ‘ত্ব’ ও ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত হলে ই-কার হবে।
যেমন:
কৃতী - কৃতিত্ব,
দায়ী - দায়িত্ব,
প্রতিযোগী - প্রতিযোগিতা,
মন্ত্রী - মন্ত্রিত্ব,
সহযোগী - সহযোগিতা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪৩০.
"আমার কথা বিশ্বাস কর, তোমার মঙ্গল হবে।" সরল বাক্যে রূপান্তর করুন -
  1. তুমি আমার কথা বিশ্বাস করলে তোমার মঙ্গল হবে।
  2. আমার কথা বিশ্বাস করলে তোমার মঙ্গল হবে।
  3. যদি তুমি আমার কথা বিশ্বাস কর, তবে তোমার মঙ্গল হবে।
  4. আমার কথা বিশ্বাস করলে, তবেই তোমার মঙ্গল হবে।
সঠিক উত্তর:
আমার কথা বিশ্বাস করলে তোমার মঙ্গল হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমার কথা বিশ্বাস করলে তোমার মঙ্গল হবে।
ব্যাখ্যা
যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্যে রূপান্তর:
- যৌগিক বাক্যে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে; অন্যদিকে সরল বাক্যে থাকে একটি সমাপিকা ক্রিয়া। তাই যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্যে রূপান্তরের সময়ে মাঝখানের সমাপিকা ক্রিয়াকে অসমাপিকা ক্রিয়ায় রূপান্তর করে নিতে হয়।

যৌগিক বাক্য: আমার কথা বিশ্বাস কর, তোমার মঙ্গল হবে।
সরল বাক্য: আমার কথা বিশ্বাস করলে তোমার মঙ্গাল হবে।

যৌগিক বাক্য: পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।
সরল বাক্য: পরিশ্রম করলে ফল পাবে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,৪৩১.
নিচের কোন শব্দে প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. আবশ্যক
  2. পূজ্য
  3. বাহ্য
  4. একত্রিত
সঠিক উত্তর:
একত্রিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একত্রিত
ব্যাখ্যা
• প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ-জনিত অশুদ্ধি:
প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগের ফলে শব্দগঠন বা বাক্যে পদ ব্যবহারের সময় বানানে যে সব ভুল হয় সেরকম কিছু শব্দের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

• অশুদ্ধ ⇒ শুদ্ধ
- আবশ্যকীয় ⇒ আবশ্যক;
- একত্রিত ⇒ একত্র;
- পুজ্য ⇒ পূজ্য;
- বাহ্যিক ⇒ বাহ্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,৪৩২.
কোনটিতে অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. আয়ত্তধীন
  2. অদ্যাপি
  3. কেবল
  4. কদাপি
সঠিক উত্তর:
আয়ত্তধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়ত্তধীন
ব্যাখ্যা
• ’আয়ত্তধীন’ সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধ।
- ’আয়ত্তধীন’ এর শুদ্ধরূপ - ’আয়ত্ত’

অন্যদিকে,
সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধ আরো কিছু শব্দ
• অশুদ্ধ  = শুদ্ধ।
- আরক্তিম = আরক্ত
- অদ্যাপিও = অদ্যাপি;
- কেবলমাত্র  = কেবল;
- বিবিধপ্রকার = বিবিধ;
- সমূলসহ = সমূল;
- সুস্বাগত = স্বাগত।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,৪৩৩.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1. নিরঞ্জণ
  2. শ্রীপর্ন
  3. বৈহাসিক
  4. শ্রেষ্ঠত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
বৈহাসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈহাসিক
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান- বৈহাসিক।
শব্দটির অর্থ : পরিহাসসম্বন্ধীয়,  যে ভাঁড়ামি করে।

অন্যদিকে,
’নিরঞ্জণ’ শব্দের শুদ্ধরূপ- নিরঞ্জন।
’শ্রীপর্ন’ শব্দের শুদ্ধরূপ- শ্রীপর্ণ।
’শ্রেষ্ঠত্ত্ব’ শব্দের শুদ্ধরূপ- শ্রেষ্ঠত্ব।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪৩৪.
'সে অনেক পড়েছে কিন্তু পাস করতে পারেনি।' এটা কোন ধরনের বাক্য?
  1. সাধারণ বাক্য
  2. সরল বাক্য
  3. মিশ্র বাক্য
  4. যৌগিক বাক্য
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা

• যৌগিক বাক্য:
- পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- জ্ঞাতব্য: যৌগিক বাক্যের অন্তর্গত নিরপেক্ষ বাক্যগুলো এবং, ও, কিন্তু, অথবা, অথচ, কিংবা, বরং, তথাপি প্রভৃতি অব্যয় যোগে সংযুক্ত বা সমন্বিত থাকে।
- যেমন- নেতা জনগণকে উৎসাহিত করলেন বটে, কিন্তু, কোনো পথ দেখাতে পারলেন না।
- "সে অনেক পড়েছে কিন্তু পাস করতে পারে নি।" বাক্যটি একটি যৌগিক বাক্য।

• সরল বাক্য:
- যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
- যথা: পুকুরে পদ্মফুল জন্মে।
- এখানে 'পদ্মফুল' উদ্দেশ্য এবং 'জন্মে' বিধেয়।

• মিশ্র বা জটিল বাক্য:
- যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
- যথা- "যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে।"
- এই বাক্যে 'যে পরিশ্রম করে' আশ্রিত বাক্য এবং 'সে-ই সুখ লাভ' করে প্রধান খণ্ডবাক্য।


উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম - ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১,৪৩৫.
প্রমিত বানান কোনটি?
  1. ইতপূর্বে
  2. ইতোপূর্বে
  3. ইতঃপূর্বে
  4. ইতোঃপূর্বে
  5. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
ইতঃপূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতঃপূর্বে
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
 প্রমিত বানান- ইতঃপূর্বে।
অর্থ- এর আগে।

অন্যদিকে,
• 'উন্মোচণ' এর শুদ্ধ রূপ- 'উন্মোচন'।
• 'ভাগীরথি' এর শুদ্ধ রূপ- 'ভাগীরথী '।
• 'বিভূতী' এর শুদ্ধ রূপ- 'বিভূতি'।
• 'ইতিমধ্য' এর শুদ্ধ রূপ- 'ইতিমধ্যে/ইতোমধ্যে'।
• 'প্রনয়ণ' এর শুদ্ধ রূপ- 'প্রণয়ন'।
•  'সংষ্করণ' এর শুদ্ধ রূপ- 'সংস্করণ'।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১,৪৩৬.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. একটা গোপন কথা বলি।
  2. এ কথা প্রমাণ হয়েছে।
  3. তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হয়েছি।
  4. বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়।
সঠিক উত্তর:
বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়

তাছাড়া,
অশুদ্ধ বাক্য: একটা গোপন কথা বলি।।
শুদ্ধ বাক্য: একটা গোপনীয় কথা বলি।

অশুদ্ধ বাক্য: এ কথা প্রমাণ হয়েছে।
শুদ্ধ বাক্য: এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।

অশুদ্ধ বাক্য: তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হয়েছি।
শুদ্ধ বাক্য: তার সৌজন্যে মুগ্ধ হয়েছি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,৪৩৭.
'সকল শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত।' বাক্যটি কোন দোষে দুষ্ট?
  1. গুরুচন্ডালী দোযে 
  2. দুর্বোধ্যতা দোষে
  3. উচ্চারণ দোষে 
  4.  বাহুল্য দোষে
সঠিক উত্তর:
 বাহুল্য দোষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 বাহুল্য দোষে
ব্যাখ্যা

- "সকল শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত"- বাক্যটিতে বাহুল্য দোষ রয়েছে।
শুদ্ধ বাক্যটি হবে: "সকল শিক্ষক আজ উপস্থিত" অথবা "শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত"।

বাহুল্য দোষ:
- প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং শব্দ তার যোগ্যতা গুণ হারিয়ে ফেলে।
যেমন:
- সকল শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত।
- বাংলা ভাষায় একই বাক্যে দুইবার বহুবচন ব্যবহৃত হয় না। দুইবার বহুবচন বাচক চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করলে শব্দ বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৩৮.
যেসব শব্দের শেষে কারচিহ্ন থাকে না, সেসব শব্দে কোন বিভক্তি যুক্ত হয়?
  1. ক) ‘এ’ বিভক্তি
  2. খ) ‘তে’ বিভক্তি
  3. গ) ‘য়’ বিভক্তি
  4. ঘ) ‘র’’ বিভক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) ‘এ’ বিভক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ‘এ’ বিভক্তি
ব্যাখ্যা

সাধারণত ক্রিয়ার স্থান, কাল ,ভাব বোঝাতে -এ, -তে, -য়, -য়ে, ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
কখনো কখনো বাক্যের সঙ্গেও এসব বিভক্তি বসে।

যেসব শব্দের শেষে কারচিহ্ন নেই, সেসব শব্দের সঙ্গে -'এ' বা 'এর' বিভক্তি যুক্ত হয়।
যেমন -
- এ বিভক্তি: সকালে, দিনাজপুরে, ই-মেইলে, তিলে ইত্যাদি।
- এর বিভক্তি: বলের, শব্দের, নজরুলের, সাতাশের ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪৩৯.
'ছাগল দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়।' এই বাক্যে' ছাগল দিয়ে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্তায় ৩য়া বিভক্তি
  2. কর্মে ৩য়া বিভক্তি
  3. কর্মে ৫মী বিভক্তি
  4. করণে ৩য়া বিভক্তি
সঠিক উত্তর:
করণে ৩য়া বিভক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করণে ৩য়া বিভক্তি
ব্যাখ্যা
• 'ছাগল দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়।' এই বাক্যে' ছাগল দিয়ে' করণে ৩য়া বিভক্তি।

• করণ কারক:

- যার দ্বারা বা যে উপায়ে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে।
- এই কারকে সাধারণত 'দ্বারা', 'দিয়ে', 'কর্তৃক' ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়।
যেমন:
- ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়।
- চাষিরা ধারালো কাস্তে দিয়ে ধান কাটছে।
- এখানে 'কাস্তে দিয়ে' ও 'ভেড়া দিয়ে' করণ কারকে ৩য়া বিভক্তি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২৪ সংস্করণ)।
১,৪৪০.
বাক্যে ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্ককে বলে-
  1. সমাস
  2. বিভক্তি
  3. কারক
  4. বচন
সঠিক উত্তর:
কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারক
ব্যাখ্যা
• কারক:
- বাক্যে ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্ককে কারক বলে।

আবার,
বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে যে পদ গঠন করে তাকে নামপদ বলে। মূলত ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ্য ও সর্বনামের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। অর্থ্যাৎ, বাক্যের ক্রিয়া পদের সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে।
কারক সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে সাধারণত বিভক্তি ও অনুসর্গ যুক্ত হয়ে থাকে।

(২০২১) সংস্করণের মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি বই অনুসারে, কারক ছয় প্রকার:
- কর্তা কারক
- কর্ম কাবক
- করণ কারক
- অপাদান কারক
- অধিকরণ কারক ও
- সম্বন্ধ কারক।

অন্যদিকে,
• বিভক্তি: যে সব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বা চিহ্ন দ্বারা বাক্যের এক পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্বন্ধ নির্ধারিত হয়, তাকে বলা বিভক্তি।

• সমাস: সমাসের মাধ্যমে নতুন শব্দ গঠিত হয়। বাক্যের মধ্যে পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক পদের এক শব্দে পরিণত হওয়ার নাম সমাস।

• বচন: বচন হলো সংখ্যার ধারণা। বচনের মাধ্যমে গণনাবাচক বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের সংখ্যা নির্দেশিত হয়। বাংলা ভাষায় বচন দুই প্রকার: একবচন ও বহুবচন। সাধারণত কিছু শব্দাংশ বা লগ্নক একবচন শব্দের পরে যুক্ত হয়ে বহুবচন শব্দ তৈরি করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১,৪৪১.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. মাতাহীন শিশুর কী দুঃখ।
  2. অতিলোভে তাতী নষ্ট।
  3. আমি সাক্ষী দিব না।
  4. আজকাল বিদুষী মেয়ের অভাব নেই।
সঠিক উত্তর:
আজকাল বিদুষী মেয়ের অভাব নেই।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজকাল বিদুষী মেয়ের অভাব নেই।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: আজকাল বিদুষী মেয়ের অভাব নেই।

এরূপ কিছু অশুদ্ধ ও শুদ্ধ বাক্য হলো:
• অশুদ্ধ বাক্য: দুর্বিসহ বানানটি অধিকাংশ ব্যক্তি ভূল করে৷
• শুদ্ধ বাক্য: দুর্বিষহ বানানটি অধিকাংশ ব্যক্তি ভুল করে৷

• অশুদ্ধ বাক্য: আমি সাক্ষী দিব না।
• শুদ্ধ বাক্য: আমি সাক্ষ্য দিব না।

• অশুদ্ধ বাক্য: প্রতিযোগীতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবেই।
• শুদ্ধ বাক্য: প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবেই।

• অশুদ্ধ বাক্য: অতিলোভে তাতী নষ্ট।
• শুদ্ধ বাক্য: অতিলোভে তাঁতি নষ্ট।

• অশুদ্ধ বাক্য: মাতাহীন শিশুর কী দুঃখ।
• শুদ্ধ বাক্য: মাতৃহীন শিশুর কী দুঃখ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,৪৪২.
নিচের কোন বাক্যে যতিচিহ্নের যথাযথ প্রয়োগ ঘটেনি?
  1. ক) মা বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
  2. খ) সুজন, দেখ তো কে এসেছে।
  3. গ) কাল তুমি যাকে দেখেছ, তিনি আমার বাবা।
  4. ঘ) গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত- বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।
সঠিক উত্তর:
ক) মা বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মা বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
- মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

• হাইফেন:
- বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
- হাইফেন মূলত পদসংযোজক চিহ্ন।
- সমাসে বিভক্তির বদলেও হাইফেন  ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করার সময়ে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
- স্কুল-পালানো ছেলে।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়েই গড়ে উঠেছে এই ক্লাব।

অন্যদিকে,
• কমা:
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। কমা পূর্ণযতি নয়, তাই কমা দিয়ে কোনো বাক্য শেষ হয় না।
- শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
- সম্বোধন পদের পরে কমা বসে।
যেমন:
- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত- বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।
- নিবিড় অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও সময়নিষ্ঠ থাকলে সাফল্য আসবে।
- সুজন, দেখ তো কে এসেছে।
- কাল তুমি যাকে দেখেছ, তিনি আমার বাবা।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, "পাপকে ঠেকাবার জন্যে কিছু না করাই তো পাপ"।

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১,৪৪৩.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. পীপিলিকা 
  2. পিঁপিলীকা 
  3. পিপীলিকা 
  4. পিঁপীলিকা 
সঠিক উত্তর:
পিপীলিকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিপীলিকা 
ব্যাখ্যা


শুদ্ধ বানান- পিপীলিকা। 
- শব্দটি বিশেষ্য পদ। 
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।  

এরূপ কিছু সগুদ্ধ বানান হলো- সমীচীন, আইনজীবী, শারীরিক, শিরশ্ছেদ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

১,৪৪৪.
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. এর একটা ব্যবস্থা কর।
  2. তাহাদের মধ্যে বেশ সখ্য দেখিতে পাই।
  3. শশান ঘাট কোথায়?
  4. প্রাতঃকালে লোকটি গাত্রোত্থান করে।
সঠিক উত্তর:
শশান ঘাট কোথায়?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশান ঘাট কোথায়?
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বাক্য: শশান ঘাট কোথায়?
শুদ্ধ বাক্য: শ্মশান ঘাট কোথায়?

অন্যদিকে,
- এর একটা ব্যবস্থা কর।
- তাহাদের মধ্যে বেশ সখ্য দেখিতে পাই।
- প্রাতঃকালে লোকটি গাত্রোত্থান করে।
• উপরিউক্ত বাক্যগুলোর প্রয়োগ শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,৪৪৫.
'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা সকিনা বিবির কপাল ভাঙল।' বাক্যটি কোন ধরনের?
  1. সরল বাক্য
  2. জটিল বাক্য
  3. যৌগিক বাক্য
  4. খণ্ড বাক্য
সঠিক উত্তর:
জটিল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জটিল বাক্য
ব্যাখ্যা
• 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা সকিনা বিবির কপাল ভাঙল।' বাক্যটি জটিল বাক্য।

• মিশ্র বা জটিল বাক্য:

- যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
আশ্রিত খণ্ডবাক্য তিন প্রকার:
১) বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য,
২) বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য,
৩) ক্রিয়া বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য।
ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় খণ্ডবাক্য (Adverbial clause ):
- যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য ক্রিয়াপদের স্থান, কাল ও কারণ নির্দেশক অর্থে ব্যবহৃত হয় তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে। যেমন:
- যতই করিবে দান, তত যাবে বেড়ে।
- তুমি আসবে বলে আমি অপেক্ষা করছি।
- যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে, সেখানেই দিকচক্রবাল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১,৪৪৬.
'৩১ তারিখ থেকে পরীক্ষা শুরু।' কোন কারক?
  1. কর্ম কারক
  2. করণ কারক
  3. অপাদান কারক
  4. অধিকরণ কারক
সঠিক উত্তর:
অপাদান কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপাদান কারক
ব্যাখ্যা

• "৩১ তারিখ থেকে পরীক্ষা শুরু।" এই বাক্যে '৩১ তারিখ' অপাদান কারক।
- এখানে ৩১ তারিখ থেকে পরীক্ষা আরম্ভ বুঝাচ্ছে তাই এটি অপাদান কারক।

• অপাদান কারক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।

- বিচ্যুত : গাছ থেকে পাতা পড়ে।
- গৃহীত : সুক্তি থেকে মুক্তো মেলে। 
- জাত : জমি থেকে ফসল পাই।
- বিরত : পাপে বিরত হও।
- দূরীভূত : দেশ থেকে পঙ্গপাল চলে গেছে।
- রক্ষিত : বিপদ থেকে বাঁচাও।
- আরম্ভ: সোমবার থেকে পরীক্ষা শুরু।
- ভীত : বাঘকে ভয় পায় না কে?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি(২০১৮ সংস্করণ)।

১,৪৪৭.
কোন কারকে মূলত ক্রিয়ার স্থান, সময় ইত্যাদি বোঝায়?
  1. কর্তাকারক
  2. অপাদান কারক
  3. করণ কারক
  4. অধিকরণ কারক
সঠিক উত্তর:
অধিকরণ কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকরণ কারক
ব্যাখ্যা
• অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। 
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ ‘এ’, 'য়', ‘তে’ ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
যথা -
→ আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই। 
→ কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে।

অধিকরণ কারক তিন প্রকার।
যথা:
১. আধারাধিকরণ,
২. কালাধিকরণ এবং 
৩. ভাবাধিকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১,৪৪৮.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. শশীভূষণ কি আসে নাই?
  2. হস্তীটি অপরিসীম স্থুল।
  3. মাদকাসক্তি ভালো নয়।
  4. কালীদাস বিখ্যাত কবি।
সঠিক উত্তর:
মাদকাসক্তি ভালো নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদকাসক্তি ভালো নয়।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: মাদকাসক্তি ভালো নয়।

তাছাড়া,
অশুদ্ধ বাক্য: কালীদাস বিখ্যাত কবি।
শুদ্ধ বাক্য: কালিদাস বিখ্যাত কবি।

অশুদ্ধ বাক্য: হস্তীটি অপরিসীম স্থুল।
শুদ্ধ বাক্য: হস্তীটি অত্যন্ত স্থূল।

অশুদ্ধ বাক্য: শশীভূষণ কি আসে নাই?
শুদ্ধ বাক্য: শশিভূষণ কি আসে নাই?

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,৪৪৯.
কোনটি শুদ্ধ বানান বিশিষ্ট শব্দ?
  1. বুদ্ধিজীবি
  2. বুদ্ধিজিবি
  3. বুদ্ধিজীবী
  4. বুদ্ধিজিবী
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধিজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধিজীবী
ব্যাখ্যা
- বুদ্ধিজীবি শব্দের শুদ্ধ বানান বুদ্ধিজীবী

কিছু শুদ্ধ বানান:
অপরাহ্ণ, মধ্যাহ্ন, পূর্বাহ্ণ, অনুর্বর, ঊর্ধ্বগামী, পিপীলিকা, শ্রদ্ধাঞ্জলি ও প্রোজ্জ্বল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
১,৪৫০.
দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে বলে -
  1. সরল বাক্য
  2. যৌগিক বাক্য
  3. জটিল বাক্য
  4. হ্যাঁ-বাচক বাক্য
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা
• যৌগিক বাক্য
- দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- কমা (,), সেমিকোলন (:), কোলন (:), ড্যাশ (-) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

যেমন -
- হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল ।
- অন্ধকার হয়ে এসেছে – বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল ।
- তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি – এতে দোষের কিছু নেই।

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১,৪৫১.
'পুরাতনে শ্রদ্ধা রাখ।'- এখানে পুরাতনে কোন কারক?
  1. অপাদান কারক
  2. কর্মকারক
  3. অধিকরণ কারক
  4. করণ কারক
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অধিকরণ কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকরণ কারক
ব্যাখ্যা
• অধিকরণ কারক:
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল, স্থান ও সময়কে অধিকরণ কারক বলে। অর্থাৎ যে স্থানে বা সময়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় সেটিই অধিকরণ কারক।

- অর্থাৎ ক্রিয়াপদকে কোথায়, কোন স্থানে, কখন, কোন সময়ে, কবে, কোন বিষয়ে বা ব্যাপারে এসব প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটিই অধিকরণ কারক। এই কারকে সাধারণত '-এ', '-য়', '-য়ে', '-তে' ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- বাবা বাড়িতে আছেন।
- বিকাল পাঁচটায় অফিস ছুটি হবে।

প্রশ্নের বাক্যটি,
• 'পুরাতনে শ্রদ্ধা রাখ।'- এখানে 'কোন বিষয়ে শ্রদ্ধা রাখ?', প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'পুরাতনে'। তাই 'পুরাতনে' অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,৪৫২.
অশুদ্ধ বাক্য কোনটি? 
  1. পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণীয়মান।
  2. এটা অপক্ক হাতের লেখা।
  3. সকল আলেমগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - সবগুলোই। অপশনে সবগুলো বাক্যই অশুদ্ধ।

অশুদ্ধ বাক্য: পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণীয়মান।
শুদ্ধ বাক্য: পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান।

অশুদ্ধ বাক্য: এটা অপক্ক হাতের লেখা।
শুদ্ধ বাক্য: এটা কাঁচা হাতের লেখা।

অশুদ্ধ বাক্য: সকল আলেমগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
শুদ্ধ বাক্য: সকল আলেম সভায় উপস্থিত ছিলেন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১,৪৫৩.
নিচের কোন বানানটি সঠিক নয়?
  1. ক) পৃথ্বীশ
  2. খ) প্রণয়
  3. গ) নির্ঝরিনী
  4. ঘ) পূষন
সঠিক উত্তর:
গ) নির্ঝরিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নির্ঝরিনী
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি বানান অভিধান অনুসারে, 
'নির্ঝরিনী' এর সঠিক বানান- 'নির্ঝরিণী'।
'নির্ঝরিনী' এর অর্থ- 'নদী'। 

তাছাড়া, 
পৃথ্বীশ- সম্রাট/ রাজা 
পূষন- সূর্য, আদিত্য 
প্রণয়- প্রেম,অনুরাগ, ভালবাসা, 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান।
১,৪৫৪.
নিচের কোন বাক্যটি সন্ধি জনিত ভুল?
  1. ক) জ্ঞানী মানুষ অবশ্যই যশোলাভ করেন
  2. খ) বাংলা ব্যাকরণ অত্যন্ত জটিল
  3. গ) তার দুরাবস্থা দেখে দুঃখ হয়
  4. ঘ) সে শিরঃপীড়ায় কষ্ট পাচ্ছে
সঠিক উত্তর:
গ) তার দুরাবস্থা দেখে দুঃখ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তার দুরাবস্থা দেখে দুঃখ হয়
ব্যাখ্যা
তার দুরাবস্থা দেখে দুঃখ হয় বাক্যটি সন্ধি জনিত ভুল। দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা হচ্ছে সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ। তাই শুদ্ধ বাক্যটি হবে তার দুরবস্থা দেখে দুঃখ হয়।
১,৪৫৫.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ? 
  1. বিদুষীত  
  2. বিদূষিত 
  3. বিদূষীত 
  4. বিদুষিত 
সঠিক উত্তর:
বিদূষিত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদূষিত 
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- বিদূষিত বানানটি শুদ্ধ।



উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 
১,৪৫৬.
পুরস্কার-বিতরণী অনুষ্ঠানের পরিবেশ এত অপরিস্কার”! - বাক্যটির নিম্নরেখ পদে স/ষ ব্যবহারে -
  1. ক) প্রথমটি অশুদ্ধ, দ্বিতীয়টি শুদ্ধ
  2. খ) প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ
  3. গ) দুটোই শুদ্ধ
  4. ঘ) দুটোই অশুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
খ) প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ
ব্যাখ্যা
র-ধ্বনির পরে যদি অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকে তবে তার পরে ‘ষ’ হয়। যথাঃ পরিষ্কার।
কিন্তু অ, আ স্বরধ্বনি থাকলে স হয়। যেমন পুরস্কার।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।
১,৪৫৭.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. বিদ্যান ব্যাক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন।
  2. সর্বদা পরিস্কার থাকবে।
  3. বিদ্যান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর।
  4. আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত।
সঠিক উত্তর:
আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত।
ব্যাখ্যা
• আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত। - বাক্যটি শুদ্ধ।

অন্যদিকে,
- অশুদ্ধ: বিদ্যান ব্যাক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন।
- শুদ্ধ: বিদ্বান ব্যাক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন।

- অশুদ্ধ: সর্বদা পরিস্কার থাকবে।
- শুদ্ধ: সর্বদা পরিষ্কার থা্কিবে।

- অশুদ্ধ: বিদ্যান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর।
- শুদ্ধ: বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,৪৫৮.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. পুনরূজ্জীবন
  2. পুনঃরূজ্জীবন
  3. পুনরুজ্জীবন
  4. পুনরুজ্জীবণ
সঠিক উত্তর:
পুনরুজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরুজ্জীবন
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান - পুনরুজ্জীবন।
- শব্দটি বিশেষ্য।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- অর্থ: নতুন জীবনলাভ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১,৪৫৯.
‘আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক’ বাক্যে 'বাংলাদেশের' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্তায় শূণ্য
  2. করণে শূণ্য
  3. কর্মে ৬ষ্ঠী
  4. অধিকরণে ৬ষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ৬ষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ৬ষ্ঠী
ব্যাখ্যা
অধিকরণ কারক:
- যে কারকে স্থান, কাল, বিষয় ও ভাব নির্দেশিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে।
- এই কারকে সাধারণত '-এ', '-য়', 'তে' ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- বাবা বাড়িতে আছেন।
- বিকাল পাঁচটায় অফিস ছুটি হবে।
- আজকে নগদ কালকে ধার।
- আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক। অধিকরণে ৬ষ্ঠী।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২) মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬০.
'সপ্তপুরুষ যেথায় মানুষ।' - বাক্যে 'সপ্তপুরুষ' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অপাদানে শূন্য
  2. কর্মে শূন্য
  3. কর্তায় শূন্য
  4. অধিকরণ কারক
সঠিক উত্তর:
কর্তায় শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তায় শূন্য
ব্যাখ্যা
কর্তা কারক:
- ক্রিয়া যার দ্বারা সম্পাদিত হয়, তাকে কর্তাকারক বলে। বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্যই কর্তা কারক। কর্তা কারকে সাধারণত বিভক্তি যুক্ত হয় না।

যেমন:
- চাঁদ বুঝি তা জানে।
- তোমার দ্বারা একাজ হবে না সাধন।
- বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কিসে।
- সপ্তপুরুষ যেথায় মানুষ। (কর্তায় শূন্য)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,৪৬১.
ভাবাধিকরণে সবসময় কোন বিভক্তি যুক্ত হয়?
  1. ক) ৫মী
  2. খ) ৬ষ্ঠী
  3. গ) ৭মী
  4. ঘ) ৩য়া
সঠিক উত্তর:
গ) ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭মী
ব্যাখ্যা

অধিকরণ কারকের প্রকারভেদ
অধিকরণ কারক তিন প্রকার। যথা-
১. কালাধিকরণ,
২. আধারাধিকরণ এবং
৩. ভাবাধিকরণ।

কালাধিকরণঃ
যে কালে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে কালাধিকরণ কারক বলে। উদাহরণ-
শরতে শাপলা ফোটে।
সকালে সে চলে যাবে।
প্রভাতে উঠিল রবি লোহিত বরণ।

ভাবাধিকরণঃ
যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনোরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তবে তাকে ভাবাধিকরণ বলে। ভাবাধিকরণে সর্বদাই সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয় বলে একে 'ভাবে সপ্তমী' বলা হয়। যেমন-
সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়।
কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়।
হাসিতে মুক্তা ঝরে।
জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ।

আধারাধিকরণঃ
আধারাধিকরণ বা স্থানাধিকরণ কোন কোন স্থানকে বুঝায়। এটি তিন ভাগে বিভক্ত। যথা:- ১. ঐকদেশিক, ২. অভিব্যাপক এবং ৩. বৈষয়িক।

১. ঐকদেশিকঃ
বিশাল স্থানের যে কোনো এক অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে। যেমন-
পুকুরে মাছ আছে। (পুকুরের যে কোনো একস্থানে)
বনে বাঘ আছে। (বনের যে কোনো এক অংশে)
আকাশে চাঁদ উঠেছে। (আকাশের কোনো এক অংশে)

সামীপ্য(নৈকট্য) অর্থেও ঐকদেশিক অধিকরণ হয়। যেমন-
ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে। (ঘাটের কাছে)
'দুয়ারে দাঁড়ায়ে প্রার্থী, ভিক্ষা দেহ তারে। (দুয়ারের কাছে)
রাজার দুয়ারে হাতি বাঁধা।

২. অভিব্যাপকঃ
উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলে। যেমন-
তিলে তৈল আছে। (তিলের সারা অংশব্যাপী)
নদীতে পানি আছে। (নদীর সমস্ত অংশ ব্যাপ্ত করে)

৩. বৈষয়িকঃ
বিষয় বিশেষে বা কোনো বিশেষ গুণে কারও কোনো দক্ষতা বা ক্ষমতা থাকলে সেখানে বৈষয়িক অধিকরণ হয়। যেমন-
রাকিব অঙ্কে কাঁচা, কিন্তু ব্যাকরণে ভালো।
আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয়।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি

 
১,৪৬২.
সনেটের শেষ ছয় পঙ্‌ক্তিকে কী বলা হয়?
  1. ষঠক
  2. ষট্ক 
  3. স্ঠক
  4. ষষ্ঠক
সঠিক উত্তর:
ষট্ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষট্ক 
ব্যাখ্যা

• সনেট (Sonnet): 
- গীতিকবিতার যে রূপটি চৌদ্দ চরণ এবং চৌদ্দ মাত্রার সমন্বয়ে গঠিত হয় তাকে চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট বলে ।
- কবিতাগুলো ১৪টি চরণে সংগঠিত হয়। 
- একটি আদর্শ সনেটের দুটি অংশ থাকে। যেমন: অষ্টক ও ষটক। 
-  প্রথম ৮ চরণকে অষ্টক (Octave) এবং শেষ ৬ চরণকে ষট্ক (Sestet) বলা হয়।
- সনেটের জনক - ইতালীয় কবি পেত্রার্ক। 
- বাংলা ভাষায় প্রথম সনেট রচনা করেন - মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১,৪৬৩.
শুদ্ধ বানান কোনটি ?
  1. ষ্টেশন
  2. রুগ্‌ণ
  3. বিপ্রকর্স
  4. সাধারন
সঠিক উত্তর:
রুগ্‌ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুগ্‌ণ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- রুগ্‌ণ বানানটি শুদ্ধ।
- এর অর্থ: অসুস্থ ও দুর্বল (রুগ্ণ স্বাস্থ)। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪৬৪.
বাক্যে ব্যবহৃত কোন যতিচিহ্নের ক্ষেত্রে 'এক সেকেন্ড’ বিরতির প্রয়োজন হয়?
  1. কমা
  2. সেমিকোলন
  3. হাইফেন
  4. ড্যাস
সঠিক উত্তর:
ড্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড্যাস
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ-
• কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলতে যে সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।

• সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

• হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্র্যাকেট থাকলে -
- থামার প্রয়োজন হয় না।

• দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে -
- 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১,৪৬৫.
"এক যে ছিলো রাজা।" - এখানে 'রাজা' কোন কারক?
  1. কর্মকারক
  2. কর্তৃকারক
  3. করণ কারক
  4. অপাদান কারক
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারক
ব্যাখ্যা

কর্তৃকারক:
- বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক। ক্রিয়ার সঙ্গে 'কে' বা 'কারা' যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই কর্তৃকারক।

​কর্তৃকারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার:
প্রথমা শূন্য বা অ বিভক্তি: এক যে ছিলো রাজা
দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি: বশিরকে যেতে হবে।
তৃতীয়া বা দ্বারা বিভক্তি: ফেরদৌসী কর্তৃক শাহনামা রচিত হয়েছে।
ষষ্ঠী বা র বিভক্তি: আমার যাওয়া হয়নি।
সপ্তমী বিভক্তি: চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনি।

​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।

১,৪৬৬.
তুমি আসবে বলে আমি অপেক্ষা করছি। - এটি কী ধরনের বাক্য?
  1. ক) সরল
  2. খ) যৌগিক
  3. গ) জটিল
  4. ঘ) মিশ্র
সঠিক উত্তর:
গ) জটিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জটিল
ব্যাখ্যা
সরল বাক্য + ক্রিয়াবাচক অনুসর্গ (বলে) + সরল বাক্য = জটিল বাক্য
বিশেষ দ্রষ্টব্য : জটিল বাক্যের সমার্থক হিসেবে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় মিশ্র বাক্য ব্যবহার করেছেন, কিন্তু এটি গ্রহণীয় নয়। কারণ, মিশ্র শব্দটি অনেকাংশে যৌগিক শব্দের সমার্থক হয়ে যায়। তাই পরীক্ষায় জটিল ও মিশ্র থাকলে আর সেটি যদি জটিল বাক্য হয় হবে জটিল উত্তর করবেন।

উৎস : বাংলা একাডেমির আধুনিক ব্যাকরণ। 
১,৪৬৭.
'সে কৌতুক করার কৌতূহল সংবরণ করতে পারল না।'- এই বাক্য কী কারণে ত্রুটিপূর্ণ?
  1. বানান ভুল আছে
  2. বাক্যের পদবিন্যাস যথাযথ নয়
  3. অর্থ অনুযায়ী শব্দের প্রয়োগ হয়নি
  4. বিশেষ্য-বিশেষণের অপপ্রয়োগ ঘটেছে
সঠিক উত্তর:
অর্থ অনুযায়ী শব্দের প্রয়োগ হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ অনুযায়ী শব্দের প্রয়োগ হয়নি
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: গ) অর্থ অনুযায়ী শব্দের প্রয়োগ হয়নি।

ব্যাখ্যা:
• বাক্যটিতে ব্যবহৃত "কৌতূহল" শব্দটি অর্থের দিক থেকে ত্রুটিপূর্ণ।

• "কৌতূহল" শব্দের অর্থ হলো কোনো বিষয়ে জানার আগ্রহ, অনুসন্ধিৎসা বা কুরিয়োসিটি (Curiosity)। এটি সাধারণত কোনো তথ্য, ঘটনা বা রহস্য বোঝার ইচ্ছাকে নির্দেশ করে।
• কিন্তু বাক্যে "কৌতুক করার কৌতূহল" বলতে বোঝানো হয়েছে "রসিকতা করার আগ্রহ", যা "কৌতূহল" শব্দের প্রকৃত অর্থের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। কারণ, কোনো কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশের জন্য "আগ্রহ", "ইচ্ছা" বা "প্রবৃত্তি" শব্দের ব্যবহার যথার্থ।

• সঠিক শব্দপ্রয়োগে বাক্যটি হবে:
"সে কৌতুক করার আগ্রহ সংবরণ করতে পারল না।"
অথবা
"সে কৌতুক করার ইচ্ছা দমন করতে পারল না।"

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) বানান ভুল আছে: "কৌতুক", "কৌতূহল", "সংবরণ" শব্দগুলির বানান সঠিক।

খ) বাক্যের পদবিন্যাস যথাযথ নয়: বাক্যের গঠন (কর্তা + ক্রিয়া) ও পদক্রমে কোনো ত্রুটি নেই। যেমন: "সে" (কর্তা), "কৌতুক করার কৌতূহল" (কর্ম), "সংবরণ করতে পারল না" (ক্রিয়া)।

ঘ) বিশেষ্য-বিশেষণের অপপ্রয়োগ ঘটেছে: "কৌতুক করার" বিশেষণটি "কৌতূহল" বিশেষ্যকে বিশেষিত করছে, যা ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য। তবে মূল সমস্যা শব্দের অর্থগত অসঙ্গতিতে, বিশেষ্য-বিশেষণের অপপ্রয়োগে নয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ); ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ; মাধ্যমিক ব্যাকরণ- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১,৪৬৮.
ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়। বাক্যে কোন কারকের প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) অপাদান কারক
  2. খ) কর্ম কারক
  3. গ) করণ কারক
  4. ঘ) অধিকরণ কারক
সঠিক উত্তর:
গ) করণ কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) করণ কারক
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত বাক্যে 'ভেড়া দিয়ে' করণ কারকের প্রয়োগ ঘটেছে।

• করণ কারক
- যার দ্বারা বা যে উপায়ে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে।
- এই কারকে সাধারণত ‘দ্বারা’, ‘দিয়ে’, ‘কর্তৃক’ ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়।
যেমন -
ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়।
চাষিরা ধারালো কাস্তে দিয়ে ধান কাটছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
১,৪৬৯.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. অধোগতি
  2. অদ্যপি
  3. সংকীর্ণমনা
  4. শুচিস্মিতা
সঠিক উত্তর:
অদ্যপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অদ্যপি
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - অদ্যপি
- শব্দটির শুদ্ধ বানান - অদ্যাপি।
- এটি একটি অব্যয় পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- এখনও; আজও; একাল পর্যন্ত।

অন্যদিকে,
- শুচিস্মিতা, অধোগতি এবং সংকীর্ণমনা - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১,৪৭০.
'ডাক্তার ডাক' এই বাক্যে 'ডাক্তার' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্তৃকারকে শূন্য
  2. কর্তৃকারকে ষষ্ঠী
  3. কর্ম কারকে শূন্য
  4. করণ কারকে শূন্য
সঠিক উত্তর:
কর্ম কারকে শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ম কারকে শূন্য
ব্যাখ্যা
• 'ডাক্তার ডাক' এই বাক্যে 'ডাক্তার' কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি। 
• কর্মকারক:

- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।

• কর্ম দুই প্রকার:
- মুখ্য কর্ম,
- গৌণ কর্ম।
যেমন- বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।
- সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে।
- এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণ কর্মে বিভক্তি যুক্ত হয়, মুখ্য কর্মে হয় না।

কর্মকারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার:
(ক) প্রথমা বা শূন্য বা অ বিভক্তি:
- ডাক্তার ডাক।
- আমাকে একখানা বই দাও (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার মুখ্য কর্ম)
- রবীন্দ্রনাথ পড়লাম, নজরুল পড়লাম, এর সুরাহা খুঁজে পেলাম না। (গ্রন্থ অর্থে বিশিষ্ট গ্রন্থকার প্রয়োগে)।

(খ) দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি, রে বিভক্তি :
- তাকে বল।
- 'আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা'।

গ) ষষ্ঠী বা র বিভক্তি :
- তোমার দেখা পেলাম না।

(ঘ) সপ্তমীর এ বিভক্তি :
- 'জিজ্ঞাসিবে জনে জনে'।(বীপ্সায়)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম- দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১,৪৭১.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) নীহারিকা
  2. খ) নিহারিকা
  3. গ) নিহারীকা
  4. ঘ) নিহরিকা
সঠিক উত্তর:
ক) নীহারিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নীহারিকা
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে “নীহারিকা” শব্দটি সঠিক৷
১,৪৭২.
'খুশি ক্রিকেট পছন্দ করে, কিন্তু অর্ণব ফুটবল পছন্দ করে'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. জটিল বাক্য
  2. সরল বাক্য
  3. যৌগিক বাক্য
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা

'খুশি ক্রিকেট পছন্দ করে, কিন্তু অর্ণব ফুটবল পছন্দ করে'- এটি যৌগিক বাক্য। 
----------------------------------------------
যৌগিক বাক্য:
- যৌগিক বাক্য হলো এমন একটি বাক্য যা দুই বা তার বেশি স্বাধীন বা স্বতন্ত্র বাক্যকে যোজক দিয়ে একত্রিত করে তৈরি করা হয়।
- এই যোজক হতে পারে ‘এবং’, ‘ও’, ‘আর’, ‘অথবা’, ‘বা’, ‘কিংবা’, ‘কিন্তু’, ‘অথচ’, ‘সেজন্য’, ‘ফলে’ ইত্যাদি।
- কখনো কখনো কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), বা ড্যাশ (−) চিহ্নও যোজকের কাজ করতে পারে।

- যৌগিক বাক্য গঠনের জন্য-
• কমপক্ষে দুটি স্বতন্ত্র বা স্বাধীন খণ্ডবাক্য থাকতে হবে।
• খণ্ডবাক্যগুলি পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল নয়।
• খণ্ডবাক্যগুলো যোজক বা কখনো উহ্য আকারে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।

- 'খুশি ক্রিকেট পছন্দ করে, কিন্তু অর্ণব ফুটবল পছন্দ করে'-  এটি যৌগিক বাক্য কারণ-
- বাক্যটিতে দুটি স্বতন্ত্র বা স্বাধীন খণ্ডবাক্য আছে।
- খণ্ডবাক্যগুলি পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল নয়।
-  খণ্ডবাক্যগুলো 'কিন্তু' যোজক আকারে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। 

- যৌগিক বাক্যের কিছু উদাহরণ:
• দোষ স্বীকার কর, তোমাকে শাস্তি দেয়া হবে না।
• হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
• তিনি সত্যের পূজারি, এজন্য তিনি জগতের সর্বত্র আদৃত।
• সে ভালো ফল করেছে তাই আমরা আনন্দিত হয়েছি।
• সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল।
• অন্ধকার হয়ে এসেছে অথচ সে বাসাই ফিরেনি।
• এখনই যাও, নচেৎ তার দেখা পাবে না।
• তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি এতে দোষের কিছু নেই।

উৎস:
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১,৪৭৩.
'এ দেহে প্রাণ নেই।' - বাক্যে 'দেহ' কোন কারক?
  1. অধিকরণ
  2. করণ
  3. কর্ম
  4. অপাদান
সঠিক উত্তর:
অধিকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকরণ
ব্যাখ্যা

অধিকরণ কারক:
- যে কারকে স্থান, কাল, বিষয় ও ভাব নির্দেশিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। এই কারকে সাধারণত এ, য়, য়ে, তে ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়।

​যেমন:
- বিকাল পাঁচটায় অফিস ছুটি হবে।
- রাজীব বাংলা ব্যাকরণে ভালো।
- কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল।
- দেহে প্রাণ নেই।

​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১,৪৭৪.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. যুলুম
  2. যোহর
  3. মুয়াজযিন
  4. হজরত
সঠিক উত্তর:
যোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোহর
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - যোহর

• জ ও য-এর ব্যবহার:
- বাংলায় প্রচলিত বিদেশি শব্দ সাধারণভাবে বাংলা ভাষার ধ্বনিপদ্ধতি-অনুযায়ী লিখতে হবে।
যেমন: কাগজ, জাদু, জাহাজ, জুলুম, জেব্রা, বাজার, হাজার।

- ইসলাম ধর্ম-সংক্রান্ত কয়েকটি শব্দে বিকল্পে 'য' লেখা যেতে পারে।
যেমন: আযান, ওযু, কাযা, নামায, মুয়াযযিন, যোহর, রমযান, হযরত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪৭৫.
খেজুর রসে গুড় হয়।” -বাক্যে নিম্নরেখ শব্দগুলো কোন কারক?
  1. করণ কারক
  2. অধিকরণ কারক
  3. কর্ম কারক
  4. অপাদান কারক
সঠিক উত্তর:
অপাদান কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপাদান কারক
ব্যাখ্যা
• অপাদান কারক: 
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
- অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তি ছাড়াও হইতে, হতে, থেকে, দিয়া, দিয়ে ইত্যাদি অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়।
যেমন-

• বিচ্যুত : গাছ থেকে পাতা পড়ে। মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
• গৃহীত : সুক্তি থেকে মুক্তো মেলে। দুধ থেকে দই হয়।
• জাত : জমি থেকে ফসল পাই। খেজুর রসে গুড় হয়।
• বিরত : পাপে বিরত হও।
• দূরীভূত : দেশ থেকে পঙ্গপাল চলে গেছে।
• রক্ষিত : বিপদ থেকে বাঁচাও।
• আরম্ভ : সোমবার থেকে পরীক্ষা শুরু।
• ভীত : বাঘকে ভয় পায় না কে?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি, ২০২১৯ সালের সংস্করণ।
১,৪৭৬.
পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোকে বলে-
  1. প্রত্যয়
  2. বলক
  3. লগ্নক
  4. বিভক্তি
সঠিক উত্তর:
লগ্নক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লগ্নক
ব্যাখ্যা
• লগ্নক:
শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তার নাম হয় পদ। পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোর নাম লগ্নক। লগ্নক চার ধরনের:

⇒ বিভক্তি: ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বােঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলােকে বিভক্তি বলে। বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি। করলাম ক্রিয়াপদের লাম’ শব্দাংশ হলাে ক্রিয়া-বিভক্তি এবং কৃষকের পদের ‘এর’ শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।

⇒ নির্দেশক: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলােকে নির্দেশক বলে। ‘লােকটি বা ভালােটুকু পদের টি’ বা ‘টুকু হলাে নির্দেশকের উদাহরণ।

⇒ বচন: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদের সংখ্যা বােঝায়, সেগুলােকে বচন বলে। ছেলেরা বা বইগুলাে পদের রা’ বা ‘গুলাে হলাে বচনের উদাহরণ।

⇒ বলক: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালাে হয়, সেগুলােকে বলক বলে। তখনই বা ‘এখনও পদের ই বা ‘ও’ হলাে বলকের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
১,৪৭৭.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. দুর্নাম
  2. ত্রিনয়ন
  3. লাবন্য
  4. সর্বনাম
সঠিক উত্তর:
লাবন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাবন্য
ব্যাখ্যা
ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক এগুলো সমাসবদ্ধ শব্দ। এগুলোর ক্ষেত্রে ণত্ব বিধান খাটে না।
অপরদিকে, চাণক্য, মাণিক্য, মণি, বণিক, শোণিত, লাবণ্য, পিণাক, গৌণ, বাণ, বাণিজ্য, লবণ, গণ ইত্যাদি শব্দে স্বভাবতই 'ণ' হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৭৮.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ধূতী
  2. অন্তরীক্ষ
  3. দিঙ্‌মণ্ডল
  4. কয়েদী
সঠিক উত্তর:
দিঙ্‌মণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিঙ্‌মণ্ডল
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
শুদ্ধ বানান - 'দিঙ্‌মণ্ডল'।

• 'দিঙ্‌মণ্ডল' শব্দের অর্থ:
- দিক্‌চক্রবাল, দিগ্‌বলয়।

অন্য অপশনের শুদ্ধ বানান:
• ধূতী - ধুতি, 
• অন্তরীক্ষ - অন্তরিক্ষ,
• কয়েদী - কয়েদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪৭৯.
"রাখাল গোরুর পাল লয়ে যায় মাঠে।" - এখানে 'রাখাল' কোন কারকের উদাহরণ?
  1. কর্তৃকারক
  2. কর্মকারক
  3. করণকারক
  4. অধিকরণ কারক
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারক
ব্যাখ্যা
• কর্তৃকারক:
বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
- ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
যেমন:
- খোকা বই পড়ে। (কে পড়ে? খোকা - কর্তৃকারক)।
- মেয়েরা ফুল তোলে। (কে তোলে? মেয়েরা - কর্তৃকারক)।

এরূপ-
- "রাখাল গোরুর পাল লয়ে যায় মাঠে।" - এই বাক্যে ‘রাখাল’ কর্তৃকারক।
[কারণ "কে" পাল লয়ে যায় মাঠে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় - 'রাখাল'। সুতরাং এখানে ‘রাখাল’ কর্তৃকারকের উদাহরণ।] 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১,৪৮০.
বাক্যে ব্যবহৃত ইলেক চিহ্নের ক্ষেত্রে থামার সময়কাল-
  1. এক সেকেন্ড
  2. এক বলার দ্বিগুণ সময়
  3. থামার প্রয়োজন নেই
  4. এক বলতে যে সময় লাগে
সঠিক উত্তর:
থামার প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থামার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ-
• কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে-
- 'এক' বলতে যে সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।

• সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে-
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

• হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্র্যাকেট থাকলে-
- থামার প্রয়োজন হয় না।

• দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে-
- 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১,৪৮১.
'উদয়াস্ত পরিশ্রম করব, তথাপি অন্যের দ্বারস্থ হব না।' - এটি কোন প্রকার বাক্যের উদাহরণ?
  1. যৌগিক 
  2. জটিল 
  3. সরল
  4. খণ্ড
সঠিক উত্তর:
যৌগিক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক 
ব্যাখ্যা

যৌগিক বাক্য:
- পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণবাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যৌগিক বাক্যের অন্তর্গত নিরপেক্ষ বাক্যগুলো এবং, ও, কিন্তু, অথবা, অথচ, কিংবা, বরং, প্রভৃতি অব্যয় যোগে সংযুক্ত বা সমন্বিত থাকে।

যেমন:
- নেতা জনগণকে উৎসাহিত করলেন বটে, কিন্তু, কোনো পথ দেখাতে পারলেন না।
- বস্ত্ৰ মলিন কেন, কেহ জিজ্ঞাসা করিলে সে ধোপাকে গালি পাড়ে, অথচ ধৌত বস্ত্রে তাহার গৃহ পরিপূর্ণ।
- উদয়াস্ত পরিশ্রম করব, তথাপি অন্যের দ্বারস্থ হব না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১,৪৮২.
সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করুন: 'পরিশ্রম করলে ফল পাবে'
  1. পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।
  2. ফল পাবে কিন্তু তার জন্য পরিশ্রম করতে হবে।
  3. পরিশ্রম না করলে ফল পাবে না।
  4. ফল পাবার জন্য পরিশ্রম করতে হবে।
সঠিক উত্তর:
পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।
ব্যাখ্যা
সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে পরিণত করতে: 
- যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।
- এজন্য সরলবাক্যকে যৌগিক বাক্য করতে হলে সরল বাক্যের মাঝখানের অসমাপিকা ক্রিয়াকে সমাপিকা ক্রিয়া রূপান্তর করতে হয়।
- সরল বাক্যে একটি মাত্র ক্রিয়া থাকলে যৌগিক বাক্য গঠনের সময়ে আরেকটি ক্রিয়া তৈরি করে নিতে হয়।
- সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে পরিণত করতে হলে সরল বাক্যের কোন অংশকে নিরপেক্ষ বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। 

যেমন:
সরল বাক্য: লােকটি অশিক্ষিত হলেও অভদ্র নয়।
যৌগিক বাক্য: লােকটি অশিক্ষিত, কিন্তু অভদ্র নয়।

সরল বাক্য: পরিশ্রম করলে ফল পাবে।
যৌগিক বাক্য: পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১,৪৮৩.
কোন বিরামচিহ্নের বিরতিকাল 'এক বলতে যে সময় লাগে'?
  1. ড্যাশ
  2. বিস্ময়চিহ্ন
  3. হাইফেন
  4. উদ্ধৃতিচিহ্ন
সঠিক উত্তর:
উদ্ধৃতিচিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্ধৃতিচিহ্ন
ব্যাখ্যা
• উদ্ধৃতিচিহ্নের বিরতিকাল - এক বলতে যে সময় লাগে।

উদ্ধরণ চিহ্ন / উদ্ধৃতিচিহ্ন (" "):
- বক্তার প্রত্যক্ষ উক্তিকে এই চিহ্নের অন্তর্ভুক্ত করতে হয়।
যথা-
- শিক্ষক বললেন, "গতকাল তুরস্কে ভয়ানক ভূমিকম্প হয়েছে।”

অন্যদিকে,
→ হাইফেন চিহ্নের বিরতিকাল - কোনোরূপ বিরতির প্রয়োজন নেই।
→ বিস্ময়চিহ্নের বিরতিকাল - এক সেকেন্ড কাল পরিমাণ।
→ ড্যাশ চিহ্নের বিরতিকাল - এক সেকেন্ড কাল পরিমাণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১,৪৮৪.
কোন বাক্যে ‘কি/কী’ এর ব্যবহারের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) পাগলে কী না বলে, ছাগলে কী না খায়!
  2. খ) তোমার বাড়ির কাজ কি শেষ হয়েছে?
  3. গ) কি লিখেছ, আমাকে একটু পড়ে শুনাও না।
  4. ঘ) কী কারণে দ্রব্যমূল্য বাড়ল?
সঠিক উত্তর:
গ) কি লিখেছ, আমাকে একটু পড়ে শুনাও না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কি লিখেছ, আমাকে একটু পড়ে শুনাও না।
ব্যাখ্যা

পদ ভেদে কি/কী এর ব্যবহার নিম্নরূপ-
কি - প্রশ্নবোধক, সমতাবিধায়, সংশয়সূচক এবং বিস্ময়বোধক অব্যয়।
কী - প্রশ্নবোধক সর্বনাম এবং বিস্ময়বোধক অব্যয়।

উপরোক্ত বাক্যের সঠিক প্রয়োগ - কী লিখেছ, আমাকে একটু পড়ে শুনাও না।
উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ

১,৪৮৫.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. অহোরাত্রি
  2. নির্দ্বিধ
  3. পরিস্রাবণ
  4. অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া
  5. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
অহোরাত্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অহোরাত্রি
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - 'অহোরাত্রি'
- এর শুদ্ধ বানান - 'অহোরাত্র'
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
এর অর্থ:
- এক সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত কালপর্ব।

অন্যদিকে,
- 'অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া, পরিস্রাবণ এবং নির্দ্বিধ - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪৮৬.
নিচের যেটি সম্বন্ধ পদের বিভক্তি নয়-
  1. ক) র
  2. খ) এর
  3. গ) রা
  4. ঘ) কার
সঠিক উত্তর:
গ) রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রা
ব্যাখ্যা

 -ক্রিয়াপদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে যে নামপদ বাক্যস্থিত অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়, তাকে সম্বন্ধ পদ বলে।
যেমন—মতিনের ভাই বাড়ি যাবে।

সম্বন্ধ পদের বিভক্তি:
- সম্বন্ধ পদে ‘র’ বা ‘এর’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে থাকে। যথা : আমি + র = আমার (ভাই), খালিদ + এর = খালিদের (বই)।

- সময়বাচক অর্থে সম্বন্ধ পদে কার > কের বিভক্তি যুক্ত হয়। যথা- আজি + কার = আজিকার > আজকের (কাগজ)।

সুতরাং 'রা' সম্বন্ধ পদের বিভক্তি নয়৷

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি

১,৪৮৭.
'ওগো আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।' এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. সংশয়বাচক
  2. অনুজ্ঞাবাচক
  3. প্রার্থনাসূচক
  4. বিস্ময়বোধক
সঠিক উত্তর:
অনুজ্ঞাবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুজ্ঞাবাচক
ব্যাখ্যা
যে বাক্যে আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ, নিষেধ ইত্যাদি নির্দেশ করা হয় তাকে অনুজ্ঞাসূচক বাক্য বলা হয়।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
১,৪৮৮.
কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. কায়েমি
  2. ধড়মড়
  3. নুরানি
  4. আষ্টেপৃস্টে
সঠিক উত্তর:
আষ্টেপৃস্টে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আষ্টেপৃস্টে
ব্যাখ্যা
•  অশুদ্ধ বানান - 'আষ্টেপৃস্টে'

- শুদ্ধ বানান - 'আষ্টেপৃষ্ঠে'
- এটি একটি ক্রিয়া বিশেষণ পদ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
এর অর্থ:
- সারাদেহ জুড়ে, সর্বাঙ্গে।

অন্যদিকে,
- নুরানি, ধড়মড়, এবং কায়েমি - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪৮৯.
‘যে সকল পশু মাংস ভোজন করে তারা অত্যন্ত বলবান।’- কোন ধরনের বাক্য?
  1. যৌগিক বাক্য
  2. জটিল বাক্য
  3. সরল বাক্য
  4. বিস্ময়বোধক বাক্য
সঠিক উত্তর:
জটিল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জটিল বাক্য
ব্যাখ্যা
• জটিল বাক্য:
একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল বাক্য তৈরি হয়।
যেমন:
- যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।

• যে-সে, যিনি-তিনি, যারা-তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যখনতখন, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যােজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।
যেমন:
- যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।
- যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
- যখন তিনি ভাত খাওয়া শেষ করলেন, তখন তিনি ঘুমিয়ে গেলেন।
- যাদের বুদ্ধি নেই, তারাই একথা বিশ্বাস করবে।
- যে সকল পশু মাংস ভোজন করে তারা অত্যন্ত বলবান।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৯০.
কোন চিহ্ন দৃষ্টান্ত এবং ব্যাখ্যার শুরুতে ব্যবহৃত হয়?
  1. সেমিকোলন ( ; )
  2. কোলন ( : )
  3. কমা ( , )
  4. দাঁড়ি ( । )
সঠিক উত্তর:
কোলন ( : )
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোলন ( : )
ব্যাখ্যা

কোলন বা দৃষ্টান্তচ্ছেদ (:) - দৃষ্টান্ত বা ব্যাখ্যা শুরুতে ব্যবহৃত হয়।

• কোলন (:) 
- কোলন (:) হলো একটি বিরামচিহ্ন, যা কোনো তালিকা, ব্যাখ্যা, স্পষ্টীকরণ, উদ্ধৃতি বা অতিরিক্ত তথ্য উপস্থাপনের আগে ব্যবহৃত হয়
- এটি মূল বাক্যকে পরবর্তী অংশের সঙ্গে যুক্ত করে আরও পরিষ্কারভাবে অর্থ প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
- কোলনের ব্যবহার:
• তালিকা দেখাতে: কোনো বিষয়ের উপাদান বা উদাহরণ সাজিয়ে উপস্থাপন করতে কোলন ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: “শ্রেণিতে পড়ানো হয়: বাংলা, ইংরেজি, গণিত।”
• স্পষ্টীকরণ বা ব্যাখ্যা দিতে: একটি সম্পূর্ণ ভাবের পর আরও ব্যাখ্যা বা উদ্দেশ্য প্রকাশ করতে কোলন ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: “তার একটাই লক্ষ্য: পরীক্ষায় ভালো ফল করা।”
• অপূর্ণ বা নির্দেশমূলক বাক্যের পরে সিদ্ধান্ত জানাতে কোলন ব্যবহৃত হয়জত
উদাহরণ: “সভায় সিদ্ধান্ত হলো : এক মাস পরে নতুন সভাপতি নির্বাচিত করা হবে।”

অন্যদিকে,
• সেমিকোলন ( ; ) হলো অর্ধচ্ছেদ, যা দুটি স্বাধীন বাক্য সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
• কমা বা পাদচ্ছেদ ( , )  ব্যবহার করা হয়:
- বাক্যের অংশ ভাঙতে;
- তালিকা বা সমতুল্য পদ আলাদা করতে;
- উদ্বোধক বা সম্বোধন চিহ্নিত করতে।
• দাঁড়ি( । ) বা পূর্ণচ্ছেদ - বাক্য শেষ করতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১,৪৯১.
'লোভ পরিত্যাগ কর, তুমি সুখে থাকবে।' বাকাটি -
  1. সরল বাক্য
  2. নির্দেশক বাক্য 
  3. যৌগিক বাক্য 
  4. জটিল বাক্য
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য 
ব্যাখ্যা

যৌগিক বাক্য:
- দুই বা তার অধিক সরল বা জটিল বাক্য মিলিত হয়ে যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তবে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

যেমন:
- ছেলেটি গরিব কিন্তু মেধাবী।
- দুঃখ এবং বিপদ এক সাথে আসে।
- এতক্ষণ অপেক্ষা করলাম কিন্তু গাড়ি পেলাম না।
- লোভ পরিত্যাগ কর, তুমি সুখে থাকবে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, অষ্টম শ্রেণি।

১,৪৯২.
হাইফেন কোথায় বসে?
  1. দুই বাক্যের সংযোগ দেখাতে।
  2. দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে।
  3. বাক্যে উদ্ধৃতি প্রয়োগ করতে।
  4. উক্তি বা প্রত্যুক্তি বোঝাতে।
সঠিক উত্তর:
দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে।
ব্যাখ্যা
• দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে- হাইফেন বসে। 
--------------- 
• যতিচিহ্ন:
- মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে যতিচিহ্ন বলে।
- বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।

• হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন (-):
- সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখানোর জন্য হাইফেনের ব্যবহার হয়।
- একাদিক শব্দ বা পদ সংযোগ দেবার জন্য হাইফেন ব্যবহার করা হয়। 
যেমন -
→ এ আমাদের শ্রদ্ধা-অভিনন্দন, আমাদের প্রীতি-উপহার।

অন্যদিকে,
• কমা ব্যবহৃত হয় - শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে।
• ড্যাস ব্যবহৃত হয় - যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে।
• বিন্দু ব্যবহৃত হয় - ক্রম নির্দেশের কাজে।
• একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একবাক্যে লিখতে মাঝখানে সেমিকোলন হয়। 
• উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে হলে কোলন এবং ড্যাশ চিহ্ন একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়। 
• প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার কথা উদ্ধরণ চিহ্ন (‘ ’/“ ”)-এর মধ্যে থাকে

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
১,৪৯৩.
নিম্নের কোন শব্দটি সঠিক?
  1. ক) ক্রিত্তিবাস
  2. খ) কৃত্বিবাস
  3. গ) কৃত্তিবাস
  4. ঘ) ক্রিত্তিবাশ
সঠিক উত্তর:
গ) কৃত্তিবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৃত্তিবাস
ব্যাখ্যা

কৃত্তিবাস হিন্দুদের দেবতা মহাদেব; শিব; যিনি বাঘের ছাল পরিধান করেন।
বাংলা ভাষায় রামায়ণ রচনাকারী কবি (কৃত্তিবাস নাম তার)
উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান

১,৪৯৪.
অশুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. ক) আনুতোশিক
  2. খ) আন্তরিক্ষ
  3. গ) আন্তর্জাতিক
  4. ঘ) আনুকূল্য
সঠিক উত্তর:
ক) আনুতোশিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আনুতোশিক
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে অশুদ্ধ বানান হচ্ছে আনুতোশিক। এর শুদ্ধ বানান- আনুতোষিক
- অপশনের বাকি বানানগুলো শুদ্ধ।

• আনুতোষিক:
- এর সঠিক উচ্চারণ আনুতোশিক্‌।
- এর ব্যুৎপত্তি শব্দ 'অনুতোষ+ইক।
- এর অর্থ হচ্ছে সাহায্য হিসেবে প্রদত্ত অর্থ, বৃত্তি।

উল্লেখ্য:
অন্তরিক্ষ - আকাশ
আন্তরিক্ষ - আকাশসম্বন্ধীয়।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১,৪৯৫.
নিম্নে কোন বাক্যটি সঠিক?
  1. দুর্বলবশত তিনি আসতে পারেননি।
  2. এটা লজ্জ্বাকর ব্যাপার।
  3. তাহার জীবন সংশয়ময়।
  4. তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর:
তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বাক্য- তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
• অশুদ্ধ বাক্য- দুর্বলবশত তিনি আসতে পারেননি।
• শুদ্ধ বাক্য- দুর্বলতাবশত তিনি আসতে পারেননি।

• অশুদ্ধ বাক্য- এটা লজ্জ্বাকর ব্যাপার।
• শুদ্ধ বাক্য- এটা লজ্জাকর ব্যাপার।

• অশুদ্ধ বাক্য-  তাহার জীবন সংশয়ময়।
• শুদ্ধ বাক্য- তাহার জীবন সংশয়পূর্ণ। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১,৪৯৬.
ব্যঞ্জনধ্বনি বা অর্ধস্বরধ্বনির মাধ্যমে যে সব অক্ষরের সমাপ্তি ঘটে তাকে কী বলে?
  1. বদ্ধাক্ষর
  2. যুক্তাক্ষর
  3. মুক্তাক্ষর
  4. একাক্ষর
সঠিক উত্তর:
বদ্ধাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদ্ধাক্ষর
ব্যাখ্যা
• অক্ষর (Syllable):
বাগ্‌যন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা শব্দাংশের নাম অক্ষর (Syllable)। অক্ষর দু প্রকার।
যথা:
১. মুক্তাক্ষর ও
২. বদ্ধাক্ষর।

• মুক্তাক্ষর:
যখন একটি অক্ষরে একটিই বর্ণ থাকে, তখন তাকে মুক্তাক্ষর বলে। অযুগ্ন বা মুক্ত স্বরান্ত ধ্বনিকে মুক্তাক্ষর বলে। একে স্বরান্ত অক্ষরও বলা হয়।
যেমন:
- ‘ভালোবাসো যদি বলিবে না কেন?’
এখানে (ভা) (লো) (বা) (সো) (য) (দি) (ব) (লি) (বে) (না) (কে) (ন) এই সবগুলোই (১২টি) মুক্তাক্ষর।

- মুক্তাক্ষর U চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়।
- মুক্তাক্ষর উচ্চারণের শেষে মুখ খোলা থাকে, ফলে অক্ষর উচ্চারণ করে ও তাকে প্রয়োজন মতো প্রলম্বিত করা চলে।
যেমন: অপরিচিত।

• বদ্ধাক্ষর:
ব্যঞ্জনধ্বনি বা অর্ধস্বরধ্বনির মাধ্যমে যে সব অক্ষরের সমাপ্তি ঘটে তাকে বদ্ধাক্ষর বলে।
বদ্ধ অর্থ্যাৎ যুগ্মাস্বরান্ত বা ব্যঞ্জনান্ত ধ্বনিকে বদ্ধাক্ষর বলে।
যেমন : 'সোম বার দিনরাত হরতাল।
[এখানে (সোম্) (বার্) (দিন্) (রাত) (হর্) (তাল্) এই সবগুলোই (৬টি) বদ্ধাক্ষর।]

বদ্ধাক্ষর ( - ) চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়।

উৎস: বাংলা কবিতার ছন্দ বিশ্লেষণ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর; লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,৪৯৭.
বিশেষণের বাহুল্য প্রয়োগজনিত ভুল ঘটেছে নিচের কোন বাক্যে?
  1. সে সম্ভ্রান্তশীল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
  2. অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
  3. বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
  4. আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দেহ।
সঠিক উত্তর:
সে সম্ভ্রান্তশীল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে সম্ভ্রান্তশীল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
ব্যাখ্যা

• বিশেষণের বাহুল্য প্রয়োগজনিত ভুল ঘটেছে- সে সম্ভ্রান্তশীল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে। 
• শুদ্ধ বাক্য: সে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।

-----------------------
• বিশেষ্যের জায়গায় বিশেষণের কিংবা বিশেষণের বাহুল্য প্রয়োগজনিত ভুল:
বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য পদকে বিশেষণ কিংবা বিশেষণ পদকে বিশেষ্য ভেবে পদ পরিবর্তন করে এ ধরনের ভুল করা হয়। যেমন : আবশ্যক শব্দটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর বদলে -ঈয় প্রত্যয় যোগ করে আবশ্যকীয় শব্দের ব্যবহার যথাযথ নয়।

প্রচলিত কিছু অশুদ্ধ বাক্যের শুদ্ধরূপ হলো-

• অশুদ্ধ : অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
• শুদ্ধ বাক্য: অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।

• অশুদ্ধ: আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দিহান।
• শুদ্ধ বাক্য: আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দেহ।

• অশুদ্ধ: বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ।
• শুদ্ধ বাক্য: বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১,৪৯৮.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. কান্ডারি
  2. ঠান্ডা
  3. মৃণ্ময়
  4. দরুন
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মৃণ্ময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃণ্ময়
ব্যাখ্যা
• মৃণ্ময় - অশুদ্ধ বানান।
এর শুদ্ধ বানান- 'মৃন্ময়'।

'মৃন্ময়' শব্দের অর্থ:
- মাটির তৈরি।

• আরো কিছু শুদ্ধ বানান:
- গুন্ডা, ক্ষুণ্ন, বিকর্ষণ, পাষাণ, মুমূর্ষু, পাণিনি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১,৪৯৯.
নিচের কোন বানানটি ভুল?
  1. ক) সংঘটন
  2. খ) আকাঙ্ক্ষা
  3. গ) অংক
  4. ঘ) হৃদয়ংগম
সঠিক উত্তর:
গ) অংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অংক
ব্যাখ্যা
সন্ধির ক্ষেত্রে ক খ গ ঘ পরে থাকলে পূর্বপদের অন্তস্থিত ম স্থানে অনুস্বার(ং) হবে।
যেমনঃ সংঘটন, হৃদয়ংগম, অহংকার, সংগীত ইত্যাদি।
সন্ধিবদ্ধ না হলে ঙ স্থানে ং হবে না।
যেমনঃ অঙ্ক, অঙ্গ, আকাঙ্ক্ষা, গঙ্গা, বঙ্কিম ইত্যাদি।
[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমী অভিধান]
১,৫০০.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত
  2. তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যাম্বিত হলাম
  3. তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ নই
  4. সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যায় না
সঠিক উত্তর:
তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ নই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ নই
ব্যাখ্যা

• তােমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ নই- বাক্যটি সঠিক কারণ পরশ্রীকাতরতায় কেউ মুগ্ধ হয় না।
• বাক্যটি অন্যভাবে বলা যায়: তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি বিরক্ত/ব্যাথিত।

অশুদ্ধ বাক্যগুলোর শুদ্ধ রূপ হলো:
• প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।’ বাক্যটি ভুল।
• বাক্যটির শুদ্ধরূপ হবে- আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।

• অশুদ্ধ: তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যাম্বিত হলাম।
• শুদ্ধ বাক্য: তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।

• অশুদ্ধ বাক্য: সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যায় না।
• শুদ্ধ বাক্য : তিনি সেদিন থেকে আর সেখানে যান না।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।