বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অন্যান্য সমীক্ষা (কৃষি পরিসংখ্যান, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ইত্যাদি)

মোট প্রশ্ন৩০০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অন্যান্য সমীক্ষা (কৃষি পরিসংখ্যান, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ইত্যাদি)

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৩০০

১০১.
সর্বশেষ কতসালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল? (অক্টোবর-২০২৫)
  1. ২০১৮ সাল
  2. ২০১৫ সাল
  3. ২০১৯ সাল
  4. ২০২১ সাল
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সাল
ব্যাখ্যা

কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩টি।
- যথা: শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- দেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বিবিএস ওয়েবসাইট।

১০২.
এখন পর্যন্ত কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে?
  1. ৭টি 
  2. ৮টি 
  3. ৯টি 
  4. ১০টি 
সঠিক উত্তর:
৭টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি 
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হলো একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট কৌশল, যা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সরকারের পরিকল্পনার ভিত্তিতে প্রণীত হয়।
- বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয় ১৯৭৩ সালে।
- ২০২০ সাল পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে। 

- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্যগুলো হলো-
• সম্পদের দক্ষ ব্যবহার, 
• অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার, 
• কৃষি ও শিল্প উন্নয়ন, 
• শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, 
• অবকাঠামো উন্নয়ন, 
• দারিদ্র্য বিমোচন, 
• কর্মসংস্থান সৃষ্টি, 
• টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি।
----------------------
• বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাগুলো হলো:
- প্রথম (১৯৭৩-১৯৭৮): যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন, কৃষি ও শিল্প উন্নয়ন।
- দ্বিতীয় (১৯৮০-১৯৮৫): মৌলিক চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালীকরণ।
- তৃতীয় (১৯৮৫-১৯৯০): শিল্পায়ন ও মানবসম্পদ উন্নয়ন।
- চতুর্থ (১৯৯০-১৯৯৫): অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য হ্রাস।
- পঞ্চম (১৯৯৭-২০০২): ৭% প্রবৃদ্ধি অর্জন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
- ষষ্ঠ (২০১১-২০১৫): টেকসই প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক নিরাপত্তা।
- সপ্তম (২০১৬-২০২০): SDG লক্ষ্য অর্জন ও প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।

উৎস:
১. জাতীয় তথ্য বাতায়ন;
২. বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।

১০৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা কোনটি?
  1. বাগেরহাট
  2. খুলনা
  3. রাঙ্গামাটি 
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, 

• সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি)
- রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
- বান্দরবান = ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
- বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খাগড়াছড়ি = ৫৫৪,১১৬.২১ একর।
- খুলনা = ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

উৎস: বিবিএস (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)।

১০৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ফরিদপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, 

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১০৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ীি, বাংলাদেশের কোন বিভাগে তামাক উৎপন্ন হয় সবচেয়ে বেশি?
  1. বরিশাল 
  2. রংপুর 
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা 
সঠিক উত্তর:
খুলনা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা 
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

১০৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, দেশে মোট আবাদী জমির পরিমান কত একর?
  1. ২,৯৮,২৯,০০০ একর
  2. ১,৯৮,২৯,০০০ একর
  3.  ১,৯৮,২৭,০০০ একর
  4.  ১,৯৫,২৯,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
১,৯৮,২৯,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৯৮,২৯,০০০ একর
ব্যাখ্যা

 কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।

• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।

উৎস: বিবিএস।

১০৭.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপির অনুপাতে সরকারি বিনিয়োগ কত শতাংশ?
  1. ৭.৫১ শতাংশ
  2. ৬.৫১ শতাংশ
  3. ৯.০০ শতাংশ
  4. ৬.১২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৬.৫১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫১ শতাংশ
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপির অনুপাতে সরকারি বিনিয়োগ -৬.৫১ শতাংশ।

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপির অনুপাতে সরকারি বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৫১ শতাংশে,
- যা আগের বছর ছিল ৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এটি ২০১৩ সালের পর থেকে সর্বনিম্ন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ০৩ শতাংশে, যা গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা।

১০৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর
  2. ১,৮২,৯০,০০০ হেক্টর
  3. ৮০,৪৩,০০০ হেক্টর।
  4. ৪১,০৭,০০০ হেক্টর।
সঠিক উত্তর:
৮০,৪৩,০০০ হেক্টর।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০,৪৩,০০০ হেক্টর।
ব্যাখ্যা
মোট আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমির (Gross Cropped Area) পরিমাণ ১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির (Net Cropped Area) পরিমাণ ৮০,৪৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ২০,৫৭,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ৪১,০৭,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ১৮,৫৮,০০০ হেক্টর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২,৯০,০০০ হেক্টর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩
১০৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে সর্বাধিক বনাঞ্চল রয়েছে কোন জেলায়? 
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি 
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রীয় বনাঞ্চল:
- ​বাংলাদেশের বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চল : রাঙামাটি: ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর। [ সর্বাধিক বনাঞ্চল]
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।

এছাড়াও,
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯২,৯৬,০০০ একর।
- পূর্বে ছিল ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর। 

​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১১০.
দেশে 'লিচু' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. দিনাজপুর
  2. পাবনা 
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
পাবনা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা 
ব্যাখ্যা

- দেশে 'লিচু' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা পাবনা। (৮,৮৯০ মে. টন)।
- দেশে 'লিচু' উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা দিনাজপুর। (৮,৫২০.৪৯ মে. টন)।

অন্যদিকে,
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:রংপুর জেলা।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

১১১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪ অনুসারে, পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি? [জুলাই, ২০২৫]
  1. কুষ্টিয়া
  2. রংপুর
  3. ফরিদপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪:
মোট পাট উৎপাদন: ৯৫,৮১,৫৮০ বেল।
মোট আবাদকৃত জমি: ১৭,৮৮,১১৩ একর।

বিভাগভিত্তিক সর্বোচ্চ উৎপাদন:
প্রথম: ঢাকা বিভাগ: ৩৫,৭৮,৩৪২ বেল।
দ্বিতীয়: খুলনা বিভাগ: ২৬,২৮,৩৪৮ বেল।

জেলাভিত্তিক সর্বোচ্চ উৎপাদন:
প্রথম: ফরিদপুর জেলা: ১২,৩৭,৩২০ বেল।
দ্বিতীয়: রাজবাড়ী জেলা: ৬,২১,৮৯৯ বেল।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪।
১১২.
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল -
  1. ১৯৭২-১৯৭৭
  2. ১৯৭৪-১৯৭৯
  3. ১৯৭৩-১৯৭৭
  4. ১৯৭৩-১৯৭৮
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩-১৯৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩-১৯৭৮
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশের মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৬-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১১৩.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের কত শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস প্রদান করে?
  1. ৩.৬%
  2. ২.৬%
  3. ৪.৬%
  4. ৫.৬%
সঠিক উত্তর:
৪.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৬%
ব্যাখ্যা

- চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২০২৬) জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৬%, পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংক।
-  ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে।
- বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
- বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে ভুটানে। দেশটিতে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। 

এছাড়াও,
⇒ এদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক, অর্থাৎ গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির সাময়িক হিসাব দিয়েছে।
- বিবিএসের হিসাব অনুসারে, চলতি অর্থবছরে প্রথম প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাড়ে ৪ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

উৎস: প্রথম আলো।

১১৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জনসংখ্যার স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১২%
  2. ১.৩৩%
  3. ১.৩৭%
  4. ১.৩২%
সঠিক উত্তর:
১.৩৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩৩%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১৫.
২০২৪ সালের কৃষিশুমারি অনুযায়ী কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপন্ন হয়েছে?
  1. চট্টগ্রাম বিভাগ
  2. রাজশাহী বিভাগ
  3. খুলনা বিভাগ
  4. বরিশাল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বিভাগ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে আউশ ধান উৎপাদনের সামগ্রিক হিসাব ২০২৪ কৃষিশুমারি অনুযায়ী:

- বিভাগ অনুযায়ী:
- সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপাদন হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে (৬,১৭,৬০০ মেট্রিক টন)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে রাজশাহী বিভাগ (৫,৯৫,৮০১ মেট্রিক টন)।

- জেলা অনুযায়ী:
- সর্বোচ্চ উৎপাদন হয়েছে কুমিল্লা জেলায় (২,৩৪,৮৩৯ মেট্রিক টন),
- দ্বিতীয় অবস্থানে ভোলা জেলা (১,৯০,৭৮৪ মেট্রিক টন)।

- চট্টগ্রাম বিভাগের আউশ ধান চাষের ক্ষেত্রফল: ৫,৪৯,৮৯০ একর।
- কুমিল্লা জেলার আউশ ধান চাষের ক্ষেত্রফল: ১,৯৪,৩৪৬ একর। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১১৬.
দেশে বর্তমানে আবাদি জমির পরিমাণ কত? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ৮০,২৮,০০০ হেক্টর
  2. ৮০,৮২,০০০ হেক্টর
  3. ৮২,২৮,০০০ হেক্টর
  4. ৮২,৮২,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮০,২৮,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০,২৮,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১১৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুর হার (১ বছরের কম) কত?
  1. ২৫ জন 
  2. ২৬ জন 
  3. ২৭ জন 
  4. ২১ জন 
সঠিক উত্তর:
২৭ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ জন 
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫: 
- স্থূল জন্মহার (প্রতি হাজারে), ২০২৩ সাল অনুযায়ী,- ১৯.৪ জন।
- গ্রামে – ২০.২ ও শহরে ১৭.০ জন।
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে), ২০২৩ সাল অনুযায়ী ৬.১ জন।
- গ্রামে ৬.৪ ও শহরে ৫.২ জন।
- প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুর হার (প্রতি হাজারে) ২৭ জন (১ বছরের কম)। 
- ৫ বছরের কম – প্রতি হাজারে ৩৩ জন;
- চালু কমিউনিটি ক্লিনিক ১৪,২৯৭টি;
- EPI-এর টিকা গ্রহণের হার – ৯৭.৩%.

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১১৮.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত ধান কোনটি? [মার্চ, ২০২৫]
  1. আউশ
  2. আমন
  3. ইরি
  4. বোরো
সঠিক উত্তর:
বোরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য।
- বাংলাদেশে ধানের হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ৪.২ টন।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর ভিত্তি করে দেশের ধান উৎপাদনের তিনটি মৌসুম লক্ষ্য করা যায়। যথা: আউশ, আমন ও বোরো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত ধান হলো বোরো ধান।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের ১১৯৮০০০ একর জমিতে মোট ২,০৭,৬৮,০০০ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপন্ন হয়।

অন্যদিকে -
- উৎপাদনের পরিমাণ বিচারে বোরো ধান শীর্ষে এবং তারপরই রয়েছে আমন ও আউশ।

- আউশ ধান ২৬২২০০০ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ২৯০১০০০ মেট্রিক টন।
- আমন ধান ১৪১৪৩০০০ লক্ষ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ১৫৪২৬০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১১৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুযায়ী, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ-
  1. ৫০,৮৪,০০০ একর
  2. ৪৫,৯২,০০০ একর
  3. ৩,৯২,৫৮০০০ একর
  4. ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৩,৯৩,৫৮,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৯৩,৫৮,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১২০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুসারে, ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. নীলফামারী
  2. রংপুর
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
খাদ্য শস্য:
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।

• শীর্ষ বিভাগ:
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
 
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১২১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, এক ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ১৯,৩৪,০০০ হেক্টর
  2. ২০,৪৪,০০০ হেক্টর
  3. ২১,৬২,০০০ হেক্টর
  4. ২২,৭১,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
১২২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান-
  1. ২,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ৩,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  4. ৪,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।

• এক ফসলি জমি = ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
• দুই ফসলি জমি = ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
• তিন ফসলি জমি = ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
• চার ফসলি জমি = ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।

• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।

উৎস: বিবিএস ( কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪)।

১২৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী দুই ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৪৫,৯২,০০০ একর
  2. ৫০,০০০ একর
  3. ৫০,৮৪,০০০ একর
  4. ১,০১,৪৯,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
১,০১,৪৯,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০১,৪৯,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১২৪.
বর্তমানে দেশের মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার? (মার্চ-২০২৬)
  1. ২,৭২০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৬৯ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮৬৯ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮০০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৭৬৯ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৭৬৯ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু আয়:
- দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।

- দেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৭৬৯ মার্কিন ডলার।
- এটি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী প্রকাশ করা হয়েছে।
- এক বছরে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৩১ মার্কিন ডলার।

- এসংক্রান্ত বিবিএস ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করেছে।

⇒ বিবিএসের তথ্যমতে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৯৩ ডলার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়ায় ২,৭৪৯ ডলারে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২৭৩৮ ডলার।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) অর্থনৈতি সমীক্ষা-২০২৫।

১২৫.
'আউশ ধান' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. দিনাজপুর
  3. কুমিল্লা
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১২৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১২৭.
বর্তমানে ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. দিনাজপুর
  3. ঝিনাইদহ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
• কৃষি ফসল শীর্ষ জেলা সমূহ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১২৮.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকীর স্লোগান কোনটি?
  1. Smart service in building Sheikh Mujib's Bangladesh.
  2. Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness.
  3. Promoting Fostering and Prosperity Inclusiveness.
  4. Bangladesh will move forward with Sheikh Hasina's development.
সঠিক উত্তর:
Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness.
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
- “ সকলের সাথে সমৃদ্ধির পথে “ ইংরেজিতে “ Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness “ 
স্লোগানকে সামনে রেখে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সূচকে পিছিয়ে পড়া অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে লক্ষ্যভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে:-
-  কর্মসংস্থান তৈরিতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।
- জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।
- সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা নিশ্চিত করা।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা "ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০" বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আগামী ৫ বছরে সর্বমোট ১১.৩৩ মিলিয়ন বা ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তার মধ্যে -
- জাতীয় পর্যায়ে মোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ৮.০৮ মিলিয়ন বা ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার।
- প্রবাসী বা বৈদেশিক কর্মসংস্থান হবে - ৩.২৫ মিলিয়ন বা ৩২ লক্ষ ৫০ হাজার।

তথ্য:- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী রিপোর্ট।
১২৯.
"জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২" চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি?
  1. গাজীপুর
  2. ঢাকা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চুড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, 
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি  - গাজীপুর (৩.৮৭%)।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
-  সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

১৩০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে -
  1. ময়মনসিংহ জেলা
  2. দিনাজপুর জেলা
  3. কুমিল্লা জেলা
  4. রংপুর জেলা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ জেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ জেলা
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৩১.
কৃষি বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কোন ধান উৎপাদিত হয়?
  1. আমন ধান
  2. বোরো ধান
  3. আউশ ধান
  4. ইরি ধান
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
ব্যাখ্যা

- কৃষি বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বোরো ধান উৎপাদিত হয়।
- বোরো ধান (স্থানীয় অন্যান্য): ২১০.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
- মোট উৎপাদন: ৪০৬.৯৭ লক্ষ মেট্রিক টন।
- আউশ ধান (স্থানীয় অন্যান্য): ২৯.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
- আমন ধান (স্থানীয় অন্যান্য):১৬৬.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন।

• ধান উৎপাদন:

- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
• ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৩২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. ফরিদপুর
  3. হবিগঞ্জ
  4. কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
​- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।

​অন্যদিকে, 
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

১৩৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঝিনাইদহ
  2. দিনাজপুর
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৩৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্ত ২০২৪ অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে কোন জেলায়?
  1. বান্দারবান
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাঙ্গামাটি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্ত ২০২৪:
• মোট বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি)
- রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর;
- বান্দরবান = ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর;
- বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর;
- খাগড়াছড়ি = ৫৫৪,১১৬.২১ একর;
- খুলনা = ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৩৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের অবদান কত?
  1. ৮.১৯%
  2. ৯.৩২%
  3. ১০.৫৫%
  4. ১১.৭৩%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৩৬.
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের রিপোর্ট অনুসারে, মোট মাছ উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ কত শতাংশ? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ৯.৮২%
  2. ১০.৫৫%
  3. ১১.৯৬%
  4. ১২.৪৭%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

⇒ মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

⇒ ইলিশ: ১০.৫৫%।
⇒ চিংড়ি: ৫.১৯%।
⇒ মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল): ২২.৬৪%।
⇒ এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি): ১১.৩০%।
⇒ অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া): ৩.১৩%।
⇒ তেলাপিয়া: ৮.৭৬%।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

♠ শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ: ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা: ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর: ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

♠ শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম: ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা: ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী: ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৩৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. বগুড়া
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. রংপুর 
  4. জয়দেবপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুযায়ী ফসল উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:

১। আলু → রংপুর 
২। পেঁয়াজ → পাবনা 
৩। আলু → রংপুর 
৪। গম → ঠাকুরগাঁও 
৫। ধান → ময়মনসিংহ
৬। পাট → ফরিদপুর

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৩৮.
সর্বশেষ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে? [মে, ২০২৫]
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
কৃষিশুমারি: 
- বাংলাদেশে ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ছয়বার (১৯৬০, ১৯৭৭, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৯) কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়েছে।
- সর্বশেষ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষিশুমারি হয় ৫ বার।
- ০৯ জুন হতে ২০ জুন, ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত সারা দেশে শহর ও পল্লী এলাকার সকল খানায় ও খামারে ৬ষ্ঠ বারের মত কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর World Programme for the Census of Agriculture 2020 (WCA 2020) গাইডলাইন মোতাবেক কৃষি শুমারি ২০১৯ পরিচালিত হয়। 
- কৃষি শুমারি ২০১৯ এ Modular Approach পদ্ধতি অবলম্বন করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৩৯.
জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে): [মার্চ। ২০২০]
  1. ক) ১,১১৬ জন
  2. খ) ১০২৪ জন
  3. গ) ১১৬৩ জন
  4. ঘ) ১২০৮ জন
সঠিক উত্তর:
ক) ১,১১৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১,১১৬ জন
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯
১৪০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. দিনাজপুর
  3. কুমিল্লা
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৪১.
জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক, ২০২৫ অনুযায়ী, কোন বিভাগে বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. রংপুর
  2. বরিশাল
  3. সিলেট
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক:
- ৩১ জুলাই ২০২৫ তারিখে পরিকল্পনা কমিশনে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) পক্ষ থেকে ‘বাংলাদেশের জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
-  বাংলাদেশের এ সূচকে তিনটি মাত্রা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যাতে জীবনযাত্রার মান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়েছে।
- এই মাত্রাগুলোকে ১১টি আলাদা সূচকে ভাগ করা হয়েছে। যেমন জীবনযাত্রার মানের মধ্যে রয়েছে—বিদ্যুৎ, স্যানিটেশন, খাওয়ার পানি, বাসস্থান, রান্নার জ্বালানি, সম্পদ এবং ইন্টারনেট সংযোগ।


উল্লেখ্য,
- এমপিআই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে ২৪.৫ শতাংশ মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্যে রয়েছে, যা সংখ্যায় প্রায় ৩ কোটি ৯৮ লাখ। 
- গ্রামীণ এলাকায় এই হার ২৬.৯৬ শতাংশ, আর শহরে ১৩.৪৮ শতাংশ। 
সিলেট বিভাগে এই দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ (৩৭.৭০ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম খুলনা বিভাগে।
- এই দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি বান্দরবানে (৬৫.৩৬ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম ঝিনাইদহে (৮.৬৬ শতাংশ)। 

উৎস: প্রথম আলো। [link]

১৪২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, দেশে ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ -
  1. ৯.৬৩%
  2. ১০.৬৩%
  3. ১১.৬৩%
  4. ১২.৬৩%
সঠিক উত্তর:
১১.৬৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৬৩%
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন। এর মধ্যে -
• ইলিশ - ১১.৬৩%।
• চিংড়ি - ৫.৫২%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
• তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনেরপ পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৪৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি বোরো ধান উৎপাদন হয়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রংপুর
  3. পাবনা
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৪৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. খুলনা
  2. রাজশাহী
  3. সিলেট
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
খাদ্য শস্য:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৪৫.
দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ -
  1. ৭৮.৭৯ লক্ষ হেক্টর
  2. ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
  3. ৮১.২৬ লক্ষ হেক্টর
  4. ১৬০.৫৭ লক্ষ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট কৃষি পরিবার/খানা: ১,৬৮,৮১,৭৫৭,
- কৃষি বর্হিভূত পরিবার/খানা: ১,৮৬,৭০,৫৩৯,
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর,
- মোট সেচকৃত জমি: ৭৮.৭৯ লক্ষ হেক্টর,
- এক ফসলি জমি: ২১.১০ লক্ষ হেক্টর,
- দুই ফসলি জমি: ৪১.২৫ লক্ষ হেক্টর,
- তিন ফসলি জমি: ১৮.৬৭ লক্ষ হেক্টর,
- চার ফসলি জমি: ০.২৩ লক্ষ হেক্টর,
- নিট ফসলি জমি: ৮১.২৬ লক্ষ হেক্টর,
- মোট ফসলি জমি: ১৬০.৫৭ লক্ষ হেক্টর।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৪৬.
ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বাংলাদেশের ভূমিকে ২০টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
- সার্বিকভাবে কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের ভূমিকে প্রকৃতি অনুসারে ১৯টি মাটি এককে (Soil type units) ভাগ করেছেন।
- বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

যথা –
- খরিফ ফসল – বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
- রবি ফসল – শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের শুরুতে ফসল তোলা হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩।
১৪৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. নাটোর
  2. যশোর
  3. পাবনা
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৪৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের কোন জেলায় আখের উৎপাদন বেশি?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. বগুড়া
  3. যশোর
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

- মোট আখ উৎপাদন- ২,৯৩,৩৬,৯৪.৬৯ মে. টন
- মোট আখ আবাদ হয়েছে- ১,৬৭,৩৪৫.৩৪ একর। 

- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপন্ন হয় - নাটোর জেলা (৯৩২,০০৬.৪২ মে. টন)
- নাটোর জেলা- ২০২৩-২৪ বছরে মোট ৫১,৫০৬.১৩ একর জমিতে আখের আবাদ হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৪৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ–২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত?
  1. ৩ কোটি ৯২ লক্ষ ৯৬ হাজার একর
  2. ৮৩ লক্ষ ৫৮ হাজার একর
  3. ১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৯ হাজার একর
  4. ১ কোটি ০১ লক্ষ ৪০ হাজার একর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৯ হাজার একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৯ হাজার একর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৪ অনুযায়ী -
- মোট আবাদযোগ্য জমি- ৩ কোটি ৯২ লক্ষ ৯৬ হাজার একর।

- মোট আবাদী জমি- ১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৯ হাজার একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ- ৮৩ লক্ষ ৫৮ হাজার একর।
- বনাঞ্চল- ৬৩ হাজার ৬৩ লক্ষ ০০০ একর।

তার মধ্যে--
- এক ফসলি জমি - ৫০ লক্ষ ৪৯ হাজার একর।
- দুই ফসলি জমি - ১ কোটি ০১ লক্ষ ৪০ হাজার একর।
- তিন ফসলি জমি - ৪৫ লক্ষ ৯৩ হাজার একর।
- চার ফসলি জমি ৪৭ হাজার একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)

১৫০.
বর্তমানে বাংলাদেশের কোন জেলায় বেশি তুলা জন্মে? (আগস্ট, ২০২৪)
  1. লালমনিরহাট
  2. কুষ্টিয়া
  3. রংপুর
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
তুলা চাষ:
- ১৯৭৩-৭৪ সনে বাংলাদেশে সমভূমির তুলাচাষ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
- বর্তমানে সমতল এলাকার ৩৪টি জেলায় সমভূমির জাতের তুলার আবাদ হচ্ছে এবং অতি সম্প্রতি ৩টি পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের পাশাপাশি সমভূমির জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে।
- পাহাড়ি তুলা এপ্রিল-মে মাসে এবং সমভূমির তুলা জুলাই-আগস্ট মাসে বপন করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এবং সমভূমির তুলা জানুয়ারি-মার্চ মাসে উত্তোলন করা হয়।
- বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।

⇒ তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়।

⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ

উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৫১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, সার্বিকভাবে ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা?
  1. কুমিল্লা
  2. ময়মনসিংহ
  3. রংপুর
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৭০,৩৭,৬৬৪ মে. টন)।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,২৯,৯৪৩ মে. টন)।

উল্লেখ্য, 
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।
১৫২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৫৩.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪]
  1. ফরিদপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. জামালপুর
  4. শেরপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

১৫৪.
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল কোনটি?
  1. ১৯৭১ থেকে ১৯৭৬
  2. ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭
  3. ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮
  4. ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৯
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-৭৮),
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-৮৫),
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-৯০),
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-৯৫),
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২),
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫),
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০),
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ( ২০২১-২০২৫), বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- কিন্তু ৭ টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশনে ওয়েবসাইট।

১৫৫.
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল -
  1. ২০২০-২০২৫
  2. ২০২১-২০৪০
  3. ২০২০-২০৪১
  4. ২০২১-২০৪১
সঠিক উত্তর:
২০২১-২০৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১-২০৪১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল: ২০২১-২০৪১।

রূপকল্প ২০৪১:

- বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল: ২০২১-২০৪১।
- রূপকল্প ২০২১ এর ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৈরি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে রূপকল্প ২০৪১ ঘোষণা করেন।
- মূল লক্ষ্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করা।
- রূপকল্প-২০৪১ চারটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভ যথা: সুশাসন, গণতন্ত্র, বিকেন্দ্রীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
- ২০৪১ সালে বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা হবে ৫১ হাজার মেগাওয়াট।
- ২০৪১ অবধি ৯.৯০% জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা।
- বিনিয়োগ / জিডিপি অনুপাত ৪৬.৮৮ শতাংশে বৃদ্ধি করা।
- প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ বাস্তবায়নে রাজস্বনীতি সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ হবে কর-জিডিপির অনুপাত
জিডিপির ২০% এ উন্নীত করা।
- দারিদ্র্য নিরসনের অভীষ্ট হল: ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নির্মূল করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ৩% বা এর নিচে নিয়ে আসা
- গড় আয়ু বাড়িয়ে ৮০ বছর করা।
- মোট জনসংখ্যার ৭৫% কে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল: ২০১০-২০২১।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
১৫৬.
তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. ময়মনসিংহ
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, 

- মোট তুলা উৎপাদন- ৬৭,৩৪৫.২ মে.টন।
- মোট তুলা আবাদ হয়েছে- ২৮৪৪৩.৭৯ একর ।
- বিভাগ বিবেচনায়, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপন্ন হয় -  খুলনা বিভাগ (৫৭,০১৬.৯৩ বেল)

- জেলা বিবেচনায়, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপন্ন হয় - ঝিনাইদহ জেলায় (২৫,১১৮.৬০ বেল)) ।
- ঝিনাইদহ জেলা -৩,৯৮২ একর জমিতে তুলার চাষাবাদ হয়।

উল্লেখ্য,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৫৭.
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.৭৯%
  2. ১.৭৯%
  3. ৩.৭৯%
  4. ৫.৭৯%
সঠিক উত্তর:
১.৭৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৭৯%
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-২০২৫ অনুসারে, 
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৩০%। 
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ১.৫১ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: i) অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

১৫৮.
জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯ অনুসারে, নারী ও পুরুষের অনুপাতঃ [মার্চ। ২০২০]
  1. ক) ১০০ঃ১০০.২
  2. খ) ১০০.২ঃ১০০
  3. গ) ১০০ঃ১০১
  4. ঘ) ১০১ঃ১০০
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ঃ১০০.২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ঃ১০০.২
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯
১৫৯.
নিচের কোন সংস্থার নির্দেশনা অনুসারে কৃষি শুমারি পরিচালিত হয়?
  1. WB
  2. FAO
  3. WfP
  4. IFAD
সঠিক উত্তর:
FAO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FAO
ব্যাখ্যা

কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩ টি। যথা- শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় - ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
-  ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ কৃষি শুমারিতে পল্লি এবং শহর উভয় এলাকার সকল খানার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
- এই শুমারিতে প্রথম বারের মতো মৎস্য চাষে জমির ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি (FAO) সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

তথ্যসূত্র- কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বিবিএস ।

১৬০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে-
  1. ময়মনসিংহ জেলা 
  2. রংপুর জেলা
  3. দিনাজপুর জেলা
  4. রাজশাহী জেলা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ জেলা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ জেলা 
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৭০,৩৭,৬৬৪ মে. টন)।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,২৯,৯৪৩ মে. টন)।
উল্লেখ্য, 
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

১৬১.
বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা কোনটি? (এপ্রিল, ২০২৫)
  1. বান্দরবান
  2. বাগেরহাট
  3. খুলনা
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৬২.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের GDP প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৬.১০%
  2. ৫.০০%
  3. ৩.৯৭%
  4. ৪.৯০%
সঠিক উত্তর:
৩.৯৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৯৭%
ব্যাখ্যা

• সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%। 

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে GDP'র সাময়িক হিসাব: :

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

১৬৩.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৩.৮%
  2. ৫.৬%
  3. ৬.৫%
  4. ৮.৭%
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
ব্যাখ্যা
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
১৬৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ এর তথ্য অনুযায়ী মোট মৎস্য উৎপাদনের মধ্যে চিংড়ির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৪.৭৬%
  2. ৫.৫২%
  3. ৬.৪১%
  4. ৭.৩৯%
সঠিক উত্তর:
৫.৫২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৫২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:

• মোট মৎস্য উৎপাদন: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
• ইলিশ: ১১.৬৩%।
• চিংড়ি: ৫.৫২%।
• মেজরকার্প: ২২.০৬%।
• এক্সটিককার্প: ১১.০৯%।
• অন্যান্যকার্প: ২.৯৪%।
• তেলাপিয়া: ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
• মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৬৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদিত হয়?
  1. সিলেট
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৬৬.
দেশে এক ফসলি জমির পরিমাণ কত? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ–২০২৪)
  1. ৫০ লক্ষ ৪৯ হাজার একর
  2. ৪৫ লক্ষ ৯৩ হাজার একর
  3. ৪৭ হাজার একর
  4. ১ কোটি ০১ লক্ষ ৪০ হাজার একর
সঠিক উত্তর:
৫০ লক্ষ ৪৯ হাজার একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ লক্ষ ৪৯ হাজার একর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২২-২০২৩ অনুযায়ী -
- মোট আবাদযোগ্য জমি- ৩ কোটি ৯২ লক্ষ ৯৬ হাজার একর।

- মোট আবাদী জমি- ১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৯ হাজার একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ- ৮৩ লক্ষ ৫৮ হাজার একর।
- বনাঞ্চল- ৬৩ হাজার ৬৩ লক্ষ ০০০ একর।

তার মধ্যে--
- এক ফসলি জমি - ৫০ লক্ষ ৪৯ হাজার একর।
- দুই ফসলি জমি - ১ কোটি ০১ লক্ষ ৪০ হাজার একর।
- তিন ফসলি জমি - ৪৫ লক্ষ ৯৩ হাজার একর।
- চার ফসলি জমি ৪৭ হাজার একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)

১৬৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে দেশের শীর্ষ জেলা কোনটি? [মে,২০২৫]
  1. ফরিদপুর
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে দেশের শীর্ষ জেলা:
- ১ম ময়মনসিংহ : ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
- ২য় কুমিল্লা: ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
- ৩য় যশোর: ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে দেশের শীর্ষ বিভাগ:
- ১ম  চট্টগ্রাম: ৮,৫৩,০০৩ মেট্রিক টন।
- ২য় খুলনা: ৭,৮৫,৮৫৩ মেট্রিক টন।
- ৩য় রাজশাহী: ৫,৫১,৭৫৪ মেট্রিক টন।

উৎস:  কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৬৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশে চরম দারিদ্রের হার কত?
  1. ৫.৫%
  2. ৫.৬%
  3. ৫.৭%
  4. ৫.৮%
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন। (প্রতি বর্গ কিমিতে)
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৬৯.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপন্ন হয় -  (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. দিনাজপুর 
  3. নওগাঁ
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, 

- মোট ভুট্টা উৎপাদন- ৪৫,৯২,৫০৭.৬৩ মে. টন।
- মোট ভুট্টা আবাদ হয়েছে- ১২,২৭,২৯৯.৩৭ একর।

- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপন্ন হয় - দিনাজপুর জেলা ((৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন))
- ঠাকুরগাঁও জেলা- ২০২৩-২৪ বছরে মোট  ১,৭২,৪৯৮ একর জমিতে ভুট্টার আবাদ হয়।

উল্লেখ্য,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৭০.
সার্বিকভাবে বর্তমানে ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা? [ জুলাই, ২০২৫]
  1. রংপুর
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. বগুড়া
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৭০,৩৭,৬৬৪ মে. টন)।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,২৯,৯৪৩ মে. টন)।

এছাড়াও,
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।
১৭১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঝিনাইদহ
  2. কুষ্টিয়া
  3. খুলনা
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৭২.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২ অনুসারে, নিম্ন দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ -
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. চট্টগ্রাম
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
- ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ। 
- উচ্চ দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল (২৬.৯%)।
- নিম্ন দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা (১৪.৮%)।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
১৭৩.
বাংলাদেশে জিডিপি পরিমাপের জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়?
  1. উৎপাদন পদ্ধতি
  2. আয় পদ্ধতি
  3. ব্যয় পদ্ধতি
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
জিডিপি পরিমাপের জন্য তিনটি প্রধান পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়:
- উৎপাদন পদ্ধতি: মোট উৎপাদিত পণ্য ও সেবার মূল্যের যোগফল।
- আয় পদ্ধতি: উৎপাদনের প্রতিটি উপাদান থেকে অর্জিত আয়ের যোগফল।
- ব্যয় পদ্ধতি: চূড়ান্ত ভোক্তাদের মোট ব্যয়ের যোগফল।
- এই তিনটি পদ্ধতির মাধ্যমে জাতীয় আয়ের সঠিক পরিমাপ করা সম্ভব।

বাংলাদেশে ব্যবহৃত পদ্ধতি: 
- বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বিবিএসও জাতীয় হিসাব পরিসংখ্যান প্রাক্কলনের কাজ জাতিসংঘ কর্তৃক প্রণীত সিস্টেম অব ন্যাশনাল একাউন্টস (এসএনএ) ২০০৮ এর দিকনির্দেশনা অনুসরণপূর্বক ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইন্ডস্ট্রিয়াল ক্লাসিফিকেশন (আইএসআইসি) অনুযায়ী করা হয়।
- উক্ত এসএনএ অনুযায়ী উৎপাদন পদ্ধতি, ব্যয় পদ্ধতি এবং আয় পদ্ধতিতে জিডিপি প্রাক্কলন করা যায়।
- বিবিএস উৎপাদন এবং ব্যয় পদ্ধতিতে জিডিপি প্রাক্কলন করে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) কর্তৃক প্রকাশিত "National Accounts Statistics 2024" ।
১৭৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
  1. বগুড়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী- 
• ধান - ময়মনসিংহ।
• গম - ঠাকুরগাঁও।
• চা - মৌলভীবাজার।
• তামাক - কুষ্টিয়া।
• পাট - ফরিদপুর।
• আলু - রংপুর।
• ভুট্টা - দিনাজপুর।
• তুলা - ঝিনাইদহ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৭৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান কত?
  1. ১,৮৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ২,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  4. ১,৯৯,০৩,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৪ অনুযায়ী -
- মোট আবাদযোগ্য জমি:
- ৩ কোটি ৯২ লক্ষ ৯৬ হাজার একর।
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

- মোট আবাদী জমি- ১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৯ হাজার একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ- ৮৩ লক্ষ ৫৮ হাজার একর।
- বনাঞ্চল- ৬৩ হাজার ৬৩ লক্ষ ০০০ একর।

তার মধ্যে--
- এক ফসলি জমি - ৫০ লক্ষ ৪৯ হাজার একর।
- দুই ফসলি জমি - ১ কোটি ০১ লক্ষ ৪০ হাজার একর।
- তিন ফসলি জমি - ৪৫ লক্ষ ৯৩ হাজার একর।
- চার ফসলি জমি ৪৭ হাজার একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)

১৭৬.
রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়িত হলে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে -
  1. ৯.৬%
  2. ৯.৭%
  3. ৯.৮%
  4. ৯.৯%
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
ব্যাখ্যা
রূপকল্প-২০৪১:

- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯ শতাংশ।
- গড় মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৯৪ মার্কিন ডলার।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছর।
- এ সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ দাঁড়াবে ৪৬.৯ শতাংশ এবং রাজস্ব আদায়ের হার দাঁড়াবে ২৪.১শতাংশ।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেন কমিটির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- দারিদ্র্য নিরসন, আয়বৈষম্য হ্রাস, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্য ও লেনদেনে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, টেকসই বিদ্যুত ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মতো ইস্যুগুলোকে সামনে রেখে এই রূপকল্প প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
১৭৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৭৮.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. গাজীপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
কাঁঠাল উৎপাদন:  
• মোট উৎপাদন: ১০,৪৯,৮৯০ মেট্রিক টন। 
• আবাদযোগ্য জায়গা: ৬৯,১৬১ একর। 

• বিভাগ হিসেবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় 
- প্রথম ঢাকা বিভাগ (২,৭০,২৪৯ মেট্রিক টন) ও আবাদযোগ্য জায়গা: ১৫,০২৬ একর। 
- দ্বিতীয় চট্রগ্রাম বিভাগ (১,৯০,৪৫১ মেট্রিক টন) ।

• জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় 
- প্রথম গাজীপুর জেলা (১.০১৭৫১ মেট্রিক টন) ও আবাদযোগ্য জায়গা: ৬,৬৮৪ একর।
- দ্বিতীয় কুষ্টিয়া  জেলা (৭৫,১৩৪ মেট্রিক টন)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২। 
১৭৯.
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি? [মার্চ, ২০২৫]
  1. রাজশাহী
  2. রংপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে,  উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।

এছাড়াও,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৮০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ অনুযায়ী দেশে ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৮.৫৬%
  2. ১১.৯১%
  3. ২১.৩০%
  4. ৫.৪৯%
সঠিক উত্তর:
১১.৯১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৯১%
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন (২০২১ - ২২)
• মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৭,৫৮,৭৩১ মে.টন।
• মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪০,৫২,৭০১ মে.টন।
• লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৭,০৬,০৩০ মে.টন।

বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ ও শতকরা পরিমাণ:
• ইলিশ - ৫,৬৬,৫৯৩ মেট্রিক টন (১১.৯১%)
• চিংড়ি - ২,৬১,১৫৪ মেট্রিক টন (৫.৪৯%) 
• মেজর কার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ১০,১৩,৮১২ মেট্রিক টন (২১.৩০%) 
• এক্সটিক কার্প (সিলভার কার্প, গ্রাস কার্প, ইত্যাদি) -  ৫,২৮,৭৮৮ মেট্রিক টন (১১.১১%) 
• অন্যান্য কার্প (কালি বাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ১,৩৩,৪৬৫ মেট্রিক টন (২.৮০%) 
• তেলাপিয়া -  ৪,০৭,৩৫৯ মেট্রিক টন (৮.৫৬%) 
• পাঙ্গাস - ৪,০৬,১৮৫ (৮.৫৪%)। 

[বর্তমান সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনায় ইলিশের আহরণ বেড়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫ দশমিক ৭১ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।]

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১৮১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ কত?
  1. ৬৩ লক্ষ ৪১ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
  2. ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
  3. ৬২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
  4. ৬৫ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
সঠিক উত্তর:
৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
ব্যাখ্যা
- মোট বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা (৫টি)
এগুলো হল - 
- রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
- বান্দরবান - ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
- বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
- খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২
১৮২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা কোনটি?
  1. খুলনা
  2. বাগেরহাট
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৮৩.
বাংলাদেশের কোন জেলায় আলুর উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর 
  3. ঠাকুরগাঁও 
  4. পাবনা 
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৮৪.
বাংলাদেশের গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. দিনাজপুর
  3. রংপুর
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে-

- ভুট্টা উৎপন্ন শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৮৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী নিচের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপাদন হয়?
  1. রংপুর
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৮৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, দেশে তিন ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৪৫,৯২,০০০ একর
  2. ৪৬,৯২,০০০ একর
  3. ৪৭,৯২,০০০ একর
  4. ৪৮,৯২,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৪৫,৯২,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫,৯২,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৮৭.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সর্বাধিক তামাক উৎপাদন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. ফরিদপুর
  2. যশোর
  3. কুষ্টিয়া
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
তামাক:
- Solanaceae গোত্রের বড় পাতাবিশিষ্ট উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক নাম Nicotiana tabacum.
- তামাকের ইংরেজি ‘Tobacco’ এসেছে স্প্যানিশ ‘Tabaco’ শব্দ থেকে।
- তামাকগাছের শুকানো পাতাকে সাধারণত আমরা তামাক হিসেবে চিনি।
- এর শুকানো পাতা সাধারণত সিগারেট, বিড়ি, হুঁকা, পান খাওয়ার জর্দায় ও নস্যি হিসেবে গুলে ব্যবহৃত হয়।

⇒ তামাকের চাষ প্রায় সব ধরনের জমিতেই করা যায়।
- যেসব এলাকার গড় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মতো, সেসব অঞ্চলে এ গাছ ভালো জন্মে।
- বাংলাদেশে তামাক রবিশস্য হিসেবে চাষ করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান তামাক উৎপাদনকারী জেলা হচ্ছে রংপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালী।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলায় সর্বাধিক তামাক উৎপাদন হয় (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৮৮.
মোট আবাদি জমির কত শতাংশে ধান উৎপাদন করা হয়? [মার্চ, ২০২০]
  1. ক) ৫০.২৫%
  2. খ) ৭৪.৮৫%
  3. গ) ৪২.৩%
  4. ঘ) ২৪%
সঠিক উত্তর:
খ) ৭৪.৮৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭৪.৮৫%
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০১৮ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের সালতামামি (Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি ২০২০) অনুসারে
১৮৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. রংপুর
  3. নীলফামারী
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪:
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- সার্বিকভাবে ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।

উৎস:  কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
১৯০.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে,জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ? (মার্চ-২০২৬)
  1. ৩.৪৩%
  2. ২.৪৯%
  3. ৩.৩৯%
  4. ৩.৪৯%
সঠিক উত্তর:
৩.৪৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৪৯%
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব: 
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৪৯%। সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.৯৭%। 

- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার= ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

উল্লেখ্য,
→  সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ এবং সমসাময়িক জিডিপি সমীক্ষা।

১৯১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দানাজাতীয় কোন শস্যটি বেশি উৎপন্ন হয়?
  1. আউশ ধান
  2. ভুট্টা
  3. বোরো ধান
  4. গম
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
ব্যাখ্যা

দানা জাতীয় ফসলের উৎপাদন:
⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে,
• দেশের ২৮৮.২০ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪০৬.৯৭ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে আউশ ধান উৎপন্ন হয় ২৯.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ধান উৎপন্ন হয় ১৬৬.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ধান উৎপন্ন হয় ২১০.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
• দেশের ১২.৭২ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪৮.৭৬ লক্ষ মেট্রিক টন ভুট্টা উৎপন্ন হয়।
• দেশের ৭.৭০ লক্ষ একর জমিতে মোট ১১.৭২ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপন্ন হয়।
• দেশের ১১.৪৪ লক্ষ একর জমিতে মোট ৬.৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন সরিষা উৎপন্ন হয়। 
• দেশের ০.৩৯৮ লক্ষ একর জমিতে মোট ০.১৯৫ লক্ষ মেট্রিক টন যব উৎপন্ন হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৯২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, এক ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ২০,৪৪,০০০ হেক্টর
  2. ২৭,৩৯,০০০ হেক্টর
  3. ৩২,১৮,০০০ হেক্টর
  4. ৩৮,৬৩,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৯৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৯.৩১%
  2. ১০.৫৫%
  3. ১১.২৩%
  4. ১২.৭৯%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

​মৎস্য উৎপাদন:

- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।
• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৯৪.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ২০২৫ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার কত শতাংশে নামিয়ে আনতে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে?
  1. ১৫.৬ শতাংশে
  2. ১১ শতাংশে
  3. ১৮.৭ শতাংশে
  4. ৫.৬ শতাংশে
সঠিক উত্তর:
১৫.৬ শতাংশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫.৬ শতাংশে
ব্যাখ্যা
- ২০২৫ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১৫.৬ শতাংশে নামিয়ে আনতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০২০-২০২৫) লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।
- ২০২৮ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১১ শতাংশে, ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্যের অবসান এবং
- ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ২০১৬-২০২২ মেয়াদে জাতীয় পর্যায়ে আয় দারিদ্র্য ৫.৬ পার্সেন্টেজ পয়েন্টস হ্রাস পেয়েছে (২৪.৩% থেকে ১৮.৭%)।

এছাড়া, 
'খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২' অনুযায়ী:
- দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ 
- অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশ।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
১৯৫.
SDG মেয়াদ শেষ হবে—
  1. ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  2. ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০
  3. ৩১ ডিসেম্বর ২০৩৫
  4. ৩১ ডিসেম্বর ২০৪০
সঠিক উত্তর:
৩১ ডিসেম্বর ২০৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ ডিসেম্বর ২০৩০
ব্যাখ্যা

• সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
 ১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৯৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, সার্বিকভাবে ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা?
  1. দিনাজপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. রংপুর
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।

উল্লেখ্য,
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

১৯৭.
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. পাবনা
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৯৮.
৬০-৭০ পর্যন্ত কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০১৮ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের সালতামামি অনুসারে উত্তর করুন।
বাংলাদেশে কোন ধান সবচেয়ে বেশি জন্মে? [মার্চ। ২০২০]
  1. ক) আউশ
  2. খ) আমন
  3. গ) বোরো
  4. ঘ) ইরি
সঠিক উত্তর:
গ) বোরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বোরো
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০১৮ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের সালতামামি (Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি ২০২০) অনুসারে
১৯৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? 
  1. রাজশাহী
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. রংপুর 
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
রংপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর 
ব্যাখ্যা

আলু উৎপাদন:
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ।
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ।

​• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- প্রথম: রংপুর জেলা।
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা।

​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।

২০০.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি কত শতাংশ?
  1. ২.৬৩ %
  2. ৩.১৩ %
  3. ৩.৩০ %
  4. ৩.৩৯ %
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৩.৩০ %
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৩০ %
ব্যাখ্যা
• ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সামষ্টিক অর্থনীতির (Macro Economy) গতি-প্রকৃতি ও তথ্য উপাত্ত প্রধান খাতভিত্তিক সংক্ষিপ্তভাবে নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:

কৃষি (Agriculture) খাত:
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৩.৩০% প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৩.২১%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.০৭ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

উল্লেখ্য,
• শিল্প (Industry) খাত:
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ৩.৫১% প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৬.৬৬%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী শিল্প খাতের জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৮.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৪.৮৬ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।
- রপ্তানী আয়ের সংশোধিত হিসাব অনুযায়ী রপ্তানী নির্ভর শিল্প বিশেষভাবে তৈরি পোশাক শিল্পের উৎপাদনের নিম্নগতির কারণে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে।

• সেবা (Service) খাত:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি ৫.০৯% প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৫.৮০%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী সেবা খাতের জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.২৮ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো