বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অন্যান্য সমীক্ষা (কৃষি পরিসংখ্যান, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ইত্যাদি)

মোট প্রশ্ন৩০০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অন্যান্য সমীক্ষা (কৃষি পরিসংখ্যান, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ইত্যাদি)

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৩০০

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:

- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৫৩,০০৩ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৭,৮৫,৮৫৩ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৫১,৭৫৪ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
.
কৃষি পরসিংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুসারে, দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান- ( মে ২০২৫)
  1. ১,৮০,৪৩,০০০ হেক্টর
  2. ১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর
  3. ১,৫৯,৭৫,০০০ হেক্টর
  4. ১,৯৯,৭২,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরসিংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ 
- বাংলাদেশের ভূমিকে ২০ টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০ টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়।
-  ২০২১-২২ বছরের বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান - ১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর। 
- ২০২১-২২ বছরের বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির পরিমান - ৮০,৪৩,০০০ হেক্টর।
- বনাঞ্চলের পরিমাণ- ৬৩,৬৩,০০০ একর।

উৎস: কৃষি পরসিংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ ।
.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. কুষ্টিয়া
  2. ঝিনাইদহ
  3. ফরিদপুর
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪:
উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- ধান: ময়মনসিংহ।
- গম: ঠাকুরগাঁও।
- চা: মৌলভীবাজার।
- তামাক: কুষ্টিয়া।
- পাট: ফরিদপুর।
- আলু: রংপুর।
- ভুট্টা: দিনাজপুর।
- তুলা: ঝিনাইদহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
  1. ১,৩৭,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৭৩,০৩,০০০ হেক্টর
  4. ১,৮৭,০৩,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে প্রথম কৃষি শুমারি কখন হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি হয়।
- ২০১৯ সালে সর্বশেষ কৃষি শুমারি হয়
- ১৯৮৬ সালে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি ও গৃহগণনা হয়। 
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছয়টি আদম শুমারি ও গৃহগণনা শুমারি পরিচালিত হয় যার সর্বশেষটি হয় ২০২২ সালে।
- ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত?
  1. প্রায় ৮০ লক্ষ হেক্টর
  2. প্রায় ৮৩ লক্ষ হেক্টর
  3. প্রায় ৮৫ লক্ষ হেক্টর
  4. প্রায় ৮৯ লক্ষ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮০ লক্ষ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮০ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে,
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- 
  1. কুমিল্লা
  2. চাঁদপুর
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪: 
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষবিভাগ ও জেলা:
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষবিভাগ চট্টগ্রাম।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে ২য় শীর্ষবিভাগ খুলনা।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে ২য় শীর্ষ জেলা:কুমিল্লা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
গড় আয়ুষ্কালঃ [মার্চ। ২০২০]
  1. ক) ৭২.৩ বছর
  2. খ) ৭১.৭ বছর
  3. গ) ৭৩.৭ বছর
  4. ঘ) ৭১.৩ বছর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭২.৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭২.৩ বছর
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯
.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম ধরা হয় -
  1. চৈত্র - আষাঢ়
  2. কার্তিক - ফাল্গুন
  3. শ্রাবণ - আশ্বিন
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
কার্তিক - ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্তিক - ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত রবি মৌসুম।

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
- যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।

ii) খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুয়ায়ী, তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. যশোর
  2. কুষ্টিয়া
  3. রংপুর
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
তামাক:
- তামাকগাছের আদি নিবাস উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায়।
- এর শুকানো পাতা সাধারণত সিগারেট, বিড়ি, হুঁকা, পান খাওয়ার জর্দায় ও নস্যি হিসেবে গুলে ব্যবহৃত হয়।
- তামাকের ইংরেজি ‘Tobacco’ এসেছে স্প্যানিশ ‘Tabaco’ শব্দ থেকে।
- তামাকের চাষ প্রায় সব ধরনের জমিতেই করা যায়।
- যেসব এলাকার গড় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মতো, সেসব অঞ্চলে এ গাছ ভালো জন্মে।
- বাংলাদেশে তামাক রবিশস্য হিসেবে চাষ করা হয়। 
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান তামাক উৎপাদনকারী জেলা হচ্ছে রংপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালী।

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুয়ায়ী, তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১১.
কোন দেশের সহযোগিতায় ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. আয়ারল্যান্ড
  2. আইসল্যান্ড 
  3. ডেনমার্ক 
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- নেদারল্যান্ডস ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে উচ্চতর পর্যায়ের ৩টি জাতীয় অভীষ্ট এবং ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট ৬টি নির্দিষ্ট অভীষ্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট অভীষ্টসমূহ উচ্চতর পর্যায়ের অভীষ্ট অর্জনে অবদান রাখবে।

উচ্চ পর্যায়ের অভীষ্ট:
- অভীষ্ট ১: ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ;
- অভীষ্ট ২: ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন; এবং
- অভীষ্ট ৩: ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন।

উৎস: বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা (সরকারি ওয়েবসাইট)।
১২.
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [মে,২০২৫]
  1. ফরিদপুর
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. ময়মনসিংহ
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন:
- প্রথম: ফরিদপুর জেলা (৯,৯১,৮৭৫ মে. টন)
- দ্বিতীয় – পাবনা জেলা (৫,৬৯,১৩৭ মে. টন)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,০২,৮৫৯ মে. টন)
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৬৭,০৬,৯৫৫ মে. টন)
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: দিনাজপুর জেলা (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: রাজশাহী বিভাগ (৪,৩৮,৩৩০ মে. টন)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: ঠাকুরগাও জেলা (১,৬৫,২৬৪ মে. টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩
১৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ কত?
  1. ১০.৫৫%
  2. ১১.৩৯%
  3. ১২.৭৪%
  4. ১৩.৪৮%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৪.
বাংলাদেশে বছরে কী পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. ২৯৮.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. ৪১৪.৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. ২৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ৪৩৪.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
৪৩৪.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩৪.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
মোট জমির পরিমাণ:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর (১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,৭৫,০০০ একর (৮০,৪৩,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৮৪,০০০ একর (২০,৫৭,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪৯,০০০ একর (৪১,০৭,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯২,০০০ একর (১৮,৫৮,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৫০,০০০ একর (২০,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation): ৮২,৯০,০০০ একর।
- বনাঞ্চল (Forest Area): ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৩৪,৯৩,০০০ মেট্রিক টন বা ৪৩৪.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৫.
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ৫.১৪%
  2. ৪.৩৪%
  3. ৩.৩৩%
  4. ৬.৭৪%
সঠিক উত্তর:
৪.৩৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৩৪%
ব্যাখ্যা

• সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%। 

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে GDP'র সাময়িক হিসাব: :

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

১৬.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০১৮-১৯ চূড়ান্ত হিসাব মতে, GDP প্রবৃদ্ধির হার -
  1. ক) ৮.১৫%
  2. খ) ৮.২৫%
  3. গ) ৮.৮১%
  4. ঘ) ৭.৬%
সঠিক উত্তর:
ক) ৮.১৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮.১৫%
ব্যাখ্যা
Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি ২০২০
১৭.
বর্তমানে দেশে সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা- [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা 
  3. রাঙামাটি
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- মোট বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর। 
- সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি): 
- রাঙামাটি: ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর। [ সর্বাধিক বনাঞ্চল]
- বান্দরবান:  ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর। 
- বাগেরহাট: ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খাগড়াছড়ি: ৫৫৪,১১৬.২১ একর।
- খুলনা:  ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর। 

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, বাংলাদেশে উৎপাদিত মৎসের কত শতাংশ ইলিশ থেকে আসে?
  1. ১০.৪৮%
  2. ১১.৬৩%
  3. ১২.৩৯%
  4. ১৫.৮১%
সঠিক উত্তর:
১১.৬৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৬৩%
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৯.
বাংলাদেশে কোন জেলায় সর্বাধিক বনাঞ্চল রয়েছে? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. বান্দরবান
  2. রাঙ্গামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২০.
মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (আগস্ট, ২০২৪)
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুমিল্লা
  3. খুলনা
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনেরপ রিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৫৩,০০৩ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৭,৮৫,৮৫৩ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৫১,৭৫৪ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২১.
বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ও বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ, উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা, উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর, উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ, উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়।
         ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২২.
বর্তমানে দেশে পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. খুলনা
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- এটি একটি বর্ষাকালীন ফসল। 
- এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- পাটকে বাংলাদেশের সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে দুই ধরনের পাট দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।

⇒ পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, শাড়ি, জুতা, স্যান্ডেল, বিছানার চাদর, পর্দা সোফার কভার,কার্পেট এবং আরো নানা ধরনের পণ্য।
- দেশের ভেতরে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ নিষিদ্ধ করে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা হলে পাটের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে।

উল্লেখ্য,
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা।

উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২৩.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান -
  1. ক্রমহ্রাসমান
  2. ক্রমবর্ধমান
  3. স্থিতিশীল
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান:
- কৃষিখাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষিখাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

⇒ স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান:
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে: ১৩.৬২ শতাংশ,
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে: ১৩.১৪ শতাংশ,
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে: ১২.৫৬ শতাংশ,
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে: ১২.৫২ শতাংশ,
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে: ১২.০৭ শতাংশ,
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে: ১১.৫০ শতাংশ।
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে: ১১.২০ শতাংশ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে: ১১.০২ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- জিডিপিতে সবচেয়ে ছোট খাত কৃষিখাত।
- আবার কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ  বিভাগ কোনটি?
  1. রংপুর
  2. রাজশাহী
  3. বগুড়া
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
খাদ্য শস্য:
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ (৪১,১৩,৭০৭ মে. টন)।
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ (৩৬,৪১,০৫৮ মে. টন)।

• জেলা হিসেবে:
- প্রথম: রংপুর জেলা (১১,৯৩,৭৯৬ মে. টন)।
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা (১১,৪৬,২৮৮ মে. টন)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩।
২৫.
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান অনুযায়ী কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয়?
  1. রাজশাহী
  2. ঢাকা
  3. খুলনা
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
তুলা:
- ১৯৭৩-৭৪ সনে বাংলাদেশে সমভূমির তুলাচাষ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
- বর্তমানে সমতল এলাকার পাশাপাশি ৩টি পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে।
- বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।

তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়।

⇒ সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।

উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঝিনাইদহ 
  2. যশোর
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ 
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে,
- মোট তুলা উৎপাদন: ৬৭,৩৪৫.২ মে.টন
- আবাদকৃত জমির পরিমাণ: ২৮৪৪৩.৭৯ একর

বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
- প্রথম: খুলনা বিভাগ (৫৭,০১৬.৯৩ বেল)
- দ্বিতীয়: রংপুর বিভাগ (৪,৪০৩.৬৪ বেল)

জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
- প্রথম: ঝিনাইদহ জেলা (২৫,১১৮.৬০ বেল)
- দ্বিতীয়- যশোর জেলা (১০,৮৭৯.৮৭ বেল)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা কোনটি?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, চার ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ১৮,০০০ হেক্টর
  2. ১৯,০০০ হেক্টর
  3. ২০,০০০ হেক্টর
  4. ২১,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১৯,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপন্ন হয়?
  1. রাজশাহী
  2. নওগাঁ
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৩০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে চিংড়ির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৫.৫২%
  2. ৮.৩৬%
  3. ১১.৭১%
  4. ১৪.৬৮%
সঠিক উত্তর:
৫.৫২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৫২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:

- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৫৩,০০৩ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৭,৮৫,৮৫৩ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৫১,৭৫৪ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৩১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুসারে, চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
• সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে:
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৩২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ -
  1. ৮০,৪১,০৭০ একর
  2. ৮৩,৫৮,০০০ একর
  3. ৮৫,৭৯,৩২১ একর
  4. ৮৯,২৮,৬৯২ একর
সঠিক উত্তর:
৮৩,৫৮,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩,৫৮,০০০ একর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩৩.
বর্তমানে চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- [আগস্ট, ২০২৫]
  1. সিলেট
  2. হবিগঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- চা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা হবিগঞ্জ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

৩৪.
কোন প্রতিষ্ঠান 'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ' প্রকাশ করে থাকে?
  1. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  3. বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  4. আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন ফাউন্ডেশন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ:
- বাংলাদেশের কৃষি বিষয়ক সকল রকমের তথ্য নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) প্রতিবছর কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ প্রকাশ করে থাকে।

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
• বাংলাদেশের ভূমিকে ২০টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০টি এগ্রো- ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
• সার্বিকভাবে কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের ভূমিকে প্রকৃতি অনুসারে ১৯টি মাটি এককে (Soil type units) ভাগ করেছেন।
• বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
• ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা- 
- খরিফ ফসল বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
- রবি ফসল শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের শুরুতে ফসল তোলা হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ।
৩৫.
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে ২০৩০ সালের মধ্যে নিচের কোন লক্ষ্য অর্জনের কথা বলা হয়নি?
  1. উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন
  2. চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ
  3. সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্খিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার 'বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণসহ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাংলাদেশের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয় করবে।
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রাথমিকভাবে ২০৫০ পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি ডেল্টা এজেন্ডা ঘিরে প্রণীত হলেও, তাতে ২০৫০ পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি এজেন্ডার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।
- নেদারল্যান্ডসের ডেল্টা ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতার আলোকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত উত্তম চর্চা (Best Practice) অনুসরণে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়নে নেদারল্যান্ডস্ সরকারের সার্বিক সহায়তা গ্রহণ করা হয়েছে।
- নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

উৎস: ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০
৩৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ফরিদপুর
  2. বগুড়া
  3. ঝিনাইদহ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী,

- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - খুলনা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঝিনাইদহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঠাকুরগাঁও।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ময়মনসিংহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - বগুড়া।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
৩৭.
মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. খুলনা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম= ৮,৮০,৭৯৭ (মেট্রিকটন);
২. খুলনা= ৮,২২,৩৬১ (মেট্রিকটন);
৩. রাজশাহী= ৫,৭৬,৮৩০ (মেট্রিকটন);

• মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
১. ময়মনসিংহ= ৩,৪৫,০০১ (মেট্রিকটন);
২. কুমিল্লা= ৩,১৫,৪৫৭ (মেট্রিকটন);
৩. যশোর= ২,৪৮,০৮৯ (মেট্রিকটন)।

উৎস: বিবিএস (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)।

৩৮.
বাংলাদেশে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ঝিনাইদহ
  3. মৌলভীবাজার
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:

⇒ শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

⇒ শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩৯.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?  (নভেম্বর-২০২৫)
  1. কুষ্টিয়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৪০.
জনসংখ্যার স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার: [মার্চ, ২০২০]
  1. ক) ১.৩৩%
  2. খ) ২.৩৩%
  3. গ) ১.০৩%
  4. ঘ) ১.৪৫%
সঠিক উত্তর:
ক) ১.৩৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১.৩৩%
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯
৪১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে মোট উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৯.৩১%
  2. ১০.৫৫%
  3. ১১.৭৪%
  4. ১২.৪৯%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪২.
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয়? [জুন, ২০২৫]
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ফরিদপুর
  3. সাতক্ষীরা
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
তুলা:
- বস্ত্র শিল্পের মূল ও প্রধান উপাদান তুলা।
- তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল এবং আন্তর্জাতিক শিল্প ফসল, যা বিশ্বব্যাপী ‘সাদা সোনা’ হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি শিল্প বস্ত্রশিল্পের প্রধান কাঁচামাল তুলা।

⇒ তুলা থেকে আঁশ ছাড়াও ভোজ্য তেল, খৈল, জ্বালানি উপজাত হিসাবে পাওয়া যায়।
- খৈল গবাদি পশু ও মাছের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- তুলা উৎপাদন, জিনিং, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ভোজ্য তেল এবং সাবান শিল্প ইত্যাদির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ লোকের জীবিকা নির্বাহ করে।
- তুলা বিশ্বের অন্যতম টেক্সটাইল তন্ত্র এবং তুলা অর্থনৈতিক ও সামাজিক কল্যাণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- বর্তমানে বস্ত্র এবং গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

উল্লেখ্য,
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
৪৩.
বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান কত বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. ৩০ বছর
  2. ৫০ বছর
  3. ৭০ বছর
  4. ১০০ বছর
সঠিক উত্তর:
১০০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে:
• বন্যা,
• নদী ভাঙন,
• নদী ব্যবস্থাপনা,
• নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ,
• বর্জ্য ব্যবস্থাপনা,
• বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৪৪.
বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ৬ (ছয়) টি
  2. ৭ (সাত) টি
  3. ৮ (আট) টি
  4. ৯ (নয়) টি
সঠিক উত্তর:
৮ (আট) টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ (আট) টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------------------- 
• পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
-  পাকিস্তান থাকাকালীন সর্বপ্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৫৫ - ৬০ সাল।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৪৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা -খাগড়াছড়ি
  1. বাগেরহাট

  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪৬.
জনশুমারি ২০২২-এ কোন গণনা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়?
  1. De-jure
  2. Classical Defecto
  3. Modified De-fecto
  4. Household Count
সঠিক উত্তর:
Modified De-fecto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modified De-fecto
ব্যাখ্যা

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

৪৭.
কোন পঞ্চবার্ষিকীর সাথে 'ভিশন - ২০৪১' সম্পর্কিত?
  1. ষষ্ট পঞ্চবার্ষিকী
  2. পঞ্চম পঞ্চবার্ষিকী
  3. সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী
  4. অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
সঠিক উত্তর:
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী 
• সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতির জন্য সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ আগেই শেষ হলেও অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কার্যকর হতে দেরি হয়। ২০২০ সালের ২৩ ডিসেম্বর এটি জাতীয় অর্থনীতিক কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) - এর সভায় উত্থাপন করা হয়। ২৯ ডিসেম্বর একনেক তা অনুমোদন করে। পরিকল্পনাটি ২০২০ সালের জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে:-
-  কর্মসংস্থান তৈরিতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।
- জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।
- সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা নিশ্চিত করা।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা "ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০" বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

ভিশন - ২০৪১ বাস্তবায়নে ৫টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রথমটি হচ্ছে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। বাংলাদেশ ইতেমধ্যে নিম্ন মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে। ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরন ও এসডিসি বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আগামী ৫ বছরে সর্বমোট ১১.৩৩ মিলিয়ন বা ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তার মধ্যে -
- জাতীয় পর্যায়ে মোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ৮.০৮ মিলিয়ন বা ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার।
- প্রবাসী বা বৈদেশিক কর্মসংস্থান হবে - ৩.২৫ মিলিয়ন বা ৩২ লক্ষ ৫০ হাজার।

তথ্য:- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী রিপোর্ট।
৪৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. বরিশাল
  2. কুমিল্লা
  3. দিনাজপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪৯.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-৮০):
- ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ এ দু বছরের জন্য একটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা রচনা করা হয়।
-  বাংলাদেশের একটিমাত্র দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা।
- কারণ হিসেবে বলা হয় প্রথম পরিকল্পনার অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো শেষ করা।
- প্রথম পরিকল্পনার ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা, বৈদেশিক সাহায্যের সম্ভবনা যাচাই প্রভৃতির জন্য দুৎবছর মেয়াদী একটি অন্তর্বতীকালীন পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০.
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা: 
ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ হলো ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত একটি ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বর্ধিত জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
- নেদারল্যান্ডস কে অনুসরণ করে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের চাবিকাঠি হিসেবে শতবর্ষী ডেল্টা প্ল্যান তথা ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ প্রণয়ন করা হয়েছে।
- বন্যা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল হিসেবে ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের অনুমোদন পায়।
- এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প গ্ৰহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৬৫টি ভৌত অবকাঠামো প্রকল্প এবং ১৫টি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও গবেষণা বিষয়ক প্রকল্প।
- এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ১৪৫ বিলিয়ন টাকা
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।

উৎস: বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড
৫১.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হলো—
  1. কুষ্টিয়া
  2. রাজশাহী
  3. দিনাজপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

- ভুট্টা উৎপন্ন শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৫২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঝিনাইদহ
  2. রংপুর
  3. ফরিদপুর
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
৫৩.
সর্বশেষ কৃষি শুমারি কোন সালে অনুষ্ঠিত হয়? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা

 কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩ টি। যথা- শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় - ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বিবিএস ।

৫৪.
'বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি' এর প্রধান কে? [ডিসেম্বর- ২০২৪]
  1. আহসান এইচ মনসুর
  2. হুসনে আরা শিখা
  3. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  4. সালেহউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি ও প্রতিবেদন: 
- দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা তুলে ধরতে গত ২৯ আগস্ট বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- কমিটির আনুষ্ঠানিক নাম ‘বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি’।
- শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে প্রধান উপদেষ্টার কাছে ১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে প্রতিবেদনটি জমা দেয়।

⇒ প্রস্তাবিত শ্বেতপত্রে যেসব বিষয়াদি নিয়ে আলোকপাত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলো হলো-
- সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা- অভ্যন্তরীণ সম্পদ, সরকারি ব্যয় (সরকারি বিনিয়োগ, এডিপি, ভর্তুকি এবং ঋণ), বাজেট ঘাটতির অর্থায়ন।
-  মুদ্রাস্ফীতি এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা- উৎপাদন, সরকারি সংগ্রহ এবং খাদ্য বণ্টন।
 - রপ্তানি, আমদানি, রেমিটেন্স, এফডিআই, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বৈদেশিক অর্থ প্রবাহ এবং ঋণ।
-  চাহিদা, সরবরাহ, মূল্য নির্ধারণ, খরচ এবং ক্রয় চুক্তি।
 - ব্যক্তিগত বিনিয়োগ- ক্রেডিট, বিদ্যুৎ, সংযোগ এবং লজিস্টিকসে অ্যাক্সেস।
 - দেশে এবং বিদেশে কর্মসংস্থান, আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক মজুরি; যুব কর্মসংস্থান।

⇒ প্রতিবেদনটি থেকে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য:
- অবৈধ অর্থ পাচার: ১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ২৮ উপায়ে পাচার। প্রতিবছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার তছরূপ ও পাচার হয়েছে।
- উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয়: প্রকল্প খরচ গড়ে ৭০% বেড়েছে। প্রকল্প সম্পন্ন হতে গড়ে ৫ বছরের বেশি সময় লেগেছে। এডিপি বিনিয়োগের ১৪-২৪ বিলিয়ন ডলার দুর্নীতিতে অপচয়।
- ব্যাংকিং খাতের ক্ষতি: মন্দ ঋণের কারণে ব্যাংক খাতে বিপুল আর্থিক সংকট।
- দুর্নীতির কেন্দ্র: সামরিক ও বেসামরিক আমলারা প্রধান দুর্নীতিবাজ হিসেবে চিহ্নিত।

⇒ এছাড়াও প্রতিবেদনে সুপারিশ স্বরুপ বলা হয়েছে:
- স্বল্পমেয়াদী (২-৩ বছর) পরিকল্পনা গ্রহণের প্রস্তাব।
- অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক খাতে বিদেশি সাহায্যের বরাদ্দ নিশ্চিতকরণ।
- বাজেটের পূর্বাভাসযোগ্যতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সুসম্পর্ক জোরদার করা।

তথ্যসূত্র: শ্বেতপত্র প্রতিবেদন ও প্রথম আলো নিউজ।[লিঙ্ক]
৫৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ময়মনসিংহ
  3. দিনাজপুর
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৫৬.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জাতীয় সঞ্চয়ের হার জিডিপির কত শতাংশ হবে?
  1. ৩০.১১ শতাংশ
  2. ৩২.২২ শতাংশ
  3. ৩৪.৪২ শতাংশ
  4. ৩৬.৫৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩৪.৪২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪.৪২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জাতীয় সঞ্চয়ের হার হবে জিডিপির - ৩৪.৪২%
- বর্তমান সঞ্চয়ের হার জিডিপির ৩০.১১%

- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে স্থূল বিনিয়োগের হার জিডিপির - ৩৬.৫৯%
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে দারিদ্র্যের হার হবে উচ্চমাত্রা - ১৫.৬% এবং নিম্নমাত্রা - ৭.৪%

উৎস: অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
৫৭.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪]
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. ফরিদপুুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় - ফরিদপুুর জেলায়।
- ফরিদপুর জেলায় ২০২৩-২৪ বছরে মোট ১৪.১৮৪ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়।
- এবং মোট পাটের আবাদ হয়- ১২,৩৭৩২০ মে.ট.

​এছাড়াও,
​- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
-গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
-চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

​​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৫৮.
চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?   (নভেম্বর-২০২৫)
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৫৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ -
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৬০.
বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা নীতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম অঙ্গীকার হলো সকল নাগরিকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
- ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সকল নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (১৯৭৩-১৯৭৮) জনসংখ্যা সমস্যাকে এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে ১৯৭৬ সালে একটি জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয়।

⇒ বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট দুটি জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়েছে -
• প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
- ২০০৪ সালের জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্য ছিল ২০১০ সালের মধ্যে নিট প্রজনন হার-১ অর্জন করা।
- কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ায় কর্মসূচিতে গতিশীলতা আনার জন্য জনসংখ্যানীতিকে হালনাগাদ করা একান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

• ২য় ও সর্বশেষ জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- এই জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্যে ছিলো ২০১৫ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৭২ শতাংশ উন্নীত করে নিট প্রজনন হার ১ অর্জন করা।
- এর মাধ্যমে ২০৭০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যার স্থিতিশীলতা অর্জন করা।

উৎস: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬১.
কোন পদ্ধতিতে অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ এর তথ্য সংগ্রহ করা হবে?
  1. CATI
  2. CAPI
  3. PAPI
  4. Online Surveys
সঠিক উত্তর:
CAPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAPI
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

⇒ চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪:
- আগামী ১০ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ দিনব্যাপী ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হবে।
- অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এ তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হবে "ক্যাপি" (CAPI) পদ্ধতি।
- এতে দেশে প্রথমবারের মতো যুক্ত হচ্ছে ই-কমার্স তথ্য।
-এই অর্থনৈতিক শুমারিতে ৬৫টি প্রশ্ন উঠে আসবে।
- দেশের প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়েছিল ১৯৮৬ সালে।
- রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সম্মেলন কক্ষে শুমারির সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিতে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
- কর্মশালায় জানানো হয়, ৯৫ হাজার তথ্য সংগ্রহকারী এবারের শুমারিতে তথ্য সংগ্রহ করবেন।

উল্লেখ্য,
⇒ CAPI (Computer-Assisted Personal Interviewing) হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে তথ্য সংগ্রহকারীরা সরাসরি মাঠ পর্যায়ে গিয়ে ডিজিটাল ডিভাইস, যেমন ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করে। এতে সময় বাঁচে এবং তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত হয়।
⇒ Online Surveys- অনলাইন সার্ভে একটি তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি, যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
⇒ পেন অ্যান্ড পেপার ইন্টারভিউ- Pen and Paper Interview (PAPI) পদ্ধতিতে প্রশ্নাবলীর মাধ্যমে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়, যেখানে তথ্য সংগ্রহকারী মাঠে গিয়ে হাতে লেখা রেকর্ডে বা কাগজে তথ্য সংগ্রহ করেন।
⇒ টেলিফোন সাক্ষাৎকার-Computer Assisted Telephone Interviewing (CATI) হলো একটি তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি, যেখানে ইন্টারভিউয়াররা ফোনে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন এবং একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন

তথ্যসূত্র: কালবেলা ও বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৬২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে নিচের কোন জেলায় বনাঞ্চলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. বান্দরবান
  2. বাগেরহাট
  3. রাঙ্গামাটি
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
• রাঙ্গামাটি: ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
• বান্দরবান: ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
• বাগেরহাট: ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
• খাগড়াছড়ি: ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
• খুলনা: ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৬৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান-
  1. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ৩,৫১,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ৩,৯২,৯৬,০০০ হেক্টর
  4. ১,৯৮,২৯,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।

• এক ফসলি জমি = ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
• দুই ফসলি জমি = ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
• তিন ফসলি জমি = ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
• চার ফসলি জমি = ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।

• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।

উৎস: বিবিএস কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪।

৬৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪' অনুযায়ী, বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি বনাঞ্চল রয়েছে?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খুলনা
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪' অনুযায়ী, 
মোট বনাঞ্চল পরিমাণ - ৬৩,৬৮,৮৫৯.১৭ একর বা ৯,৯৫১.৩৪ বর্গমাইল

• সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি)
- রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
- বান্দরবান= ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
- বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খুলনা = ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।
- খাগড়াছড়ি = ৫৫৪,১১৬.২১ একর।

উৎস: বিবিএস।

৬৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. বগুড়া
  2. দিনাজপুর
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

খাদ্য শস্য:
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ।
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ।

​• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- প্রথম: রংপুর জেলা।
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা।

​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।

৬৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. খুলনা বিভাগ
  2. রাজশাহী বিভাগ
  3. রংপুর বিভাগ
  4. ময়মনসিংহ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
রংপুর বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর বিভাগ
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ ‍বিভাগ রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)।
- ভুট্টা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ বিভাগ ‍খুলনা বিভাগ (৯,৪২,২৯৩.৬৪ মে. টন)।

অন্যদিকে,
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর। (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)।
- ভুট্টা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা চুয়াডাঙ্গা জেলা (৫,৫৫,১১৬ মে. টন)।

এছাড়াও,
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

৬৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- 
  1. রংপুর
  2. মুন্সীগঞ্জ
  3. বগুড়া
  4. নীলফামারী
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

আলু উৎপাদন:
​• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- প্রথম: রংপুর জেলা।
- (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা।
- (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ।
- (৪৩,৪৪,৫৪৬ মে. টন)
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ।
- (৩,৫৭৬,৮৯৬ মে. টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।

৬৮.
বাংলাদেশের কোন জেলাসর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৬৯.
দেশে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ- [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ৩,৬৫,৯৬,০০০ একর
  2. ৩,৫২,৯৬,০০০ একর
  3. ৩,৯২,৯৬,০০০ একর
  4. ৪,৯২,৯৬,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৩,৯২,৯৬,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৯২,৯৬,০০০ একর
ব্যাখ্যা

- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯২,৯৬,০০০ একর।
 - পূর্বে ছিল ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর। 

অন্যদিকে,
- ​বাংলাদেশের বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর। 
- সর্বাধিক বনাঞ্চল : রাঙামাটি: ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর। [ সর্বাধিক বনাঞ্চল]
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।

​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৭০.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ফরিদপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঝিনাইদহ
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপন্ন হয় - ঝিনাইদহ।
- ঝিনাইদহ জেলায় ২০২৩-২৪ বছরে মোট ৩,৯৮২ একর জমিতে পাটের আবাদ হয় উৎপাদন হয়- ২৫,১১৮.৬০ বেল।
- এবং মোট তুলার আবাদ হয়- ৬৭,৩৪৫.২ মে.টন

​এছাড়াও,
​- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
-পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

​​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৭১.
চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. মৌলভীবাজার 
  2. চট্টগ্রাম
  3. হবিগঞ্জ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে,

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৭২.
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ অনুযায়ী নিচের কোনটি উচ্চ পর্যায়ের অভীষ্ট?
  1. ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ
  2. ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন
  3. ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন
  4. সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে উচ্চতর পর্যায়ের ৩টি জাতীয় অভীষ্ট এবং ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট ৬টি নির্দিষ্ট অভীষ্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট অভীষ্টসমূহ উচ্চতর পর্যায়ের অভীষ্ট অর্জনে অবদান রাখবে।

উচ্চ পর্যায়ের অভীষ্ট:
- অভীষ্ট ১: ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ;
- অভীষ্ট ২: ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন; এবং
- অভীষ্ট ৩: ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন।

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০'র নির্দিষ্ট অভীষ্টসমূহ:
- অভীষ্ট ১: বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিপর্যয় থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- অভীষ্ট ২: পানির নিরাপত্তা এবং পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা বৃদ্ধি করা;
- অভীষ্ট ৩: সমন্বিত ও টেকসই নদী অঞ্চল এবং মোহনা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা;
- অভীষ্ট ৪: জলাভূমি এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং তাদের যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা;
- অভীষ্ট ৫: অন্তঃ ও আন্তঃদেশীয় পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও ন্যায়সঙ্গত সুশাসন গড়ে তোলা; এবং
- অভীষ্ট ৬: ভূমি ও পানি সম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উৎস: বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা (সরকারি ওয়েবসাইট)।
৭৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. রংপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৭৪.
সর্বশেষ প্রকাশিত কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ অনুসারে, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
  1. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ১,৬৩,২৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৬৭,১৭,০০০ হেক্টর
  4. ১,৭২,৫৯,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- বনাঞ্চলের পরিমাণ: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

⇒ উল্লেখ্য:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৭৫.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আলু উৎপন্ন হয়? (ফেব্রুয়ারি-২০২৬)
  1. রংপুর 
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. বগুড়া 
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
রংপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর 
ব্যাখ্যা

- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আলুর  উৎপাদন -  রংপুর জেলা (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে: বগুড়া জেলা (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)।

এছাড়াও
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৭৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আমন ধান উৎপাদিত হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. রংপুর
  3. মানিকগঞ্জ
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।

⇒ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৭৭.
মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ কত শতাংশ? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ৯.৫৫%
  2. ১০.৩২%
  3. ৮.৩৪%
  4. ১০.৫৫%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ ও শতকরা পরিমাণ:

• ইলিশ=  ৫,২৯,৪৮৭ (১০.৫৫%)।
• চিংড়ি= ২,৬০,৪৮৬ (৫.১৯%)।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল)= ১১,৩৬,০৯৫ (২২.৬৪%)।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি)= ৫,৬৭,২৪২ (১১.৩০%)।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) = ১,৫৬,৯৯৮ (৩.১৩%)।
• তেলাপিয়া= ৪,৩৯,৬৭৮ (৮.৭৬%)।
• পাঙ্গাস = ৪,১৮,৬২৯ (৮.৩৪%)।

উৎস: বিবিএস (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)।

৭৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. বগুড়া
  3. নওগাঁ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, 
আলু (মিষ্টি আলু বাদে) মোট উৎপাদন: ১০,৬০,১১,৮২ মে. টন
আবাদকৃত জমির পরিমাণ: ১১,৩৩,০০৫ একর

বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
প্রথম: রংপুর বিভাগ (৪৩,৪৪,৫৪৬ মে. টন)
দ্বিতীয় – রাজশাহী বিভাগ (৩,৫৭৬,৮৯৬ মে. টন)

জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
প্রথম: রংপুর জেলা (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)
দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)
রংপুর জেলা-১,২৯,৬৭৫ একর

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৭৯.
বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক কোন জেলায়?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. পিরোজপুর
  4. বরগুনা
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উল্লেখ্য, 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৮০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. কিশোরগঞ্জ
  3. ফরিদপুর
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
​- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।

​অন্যদিকে, 
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

৮১.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপন্ন হয়?
  1. রাজশাহী
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. ঝিনাইদহ
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৮২.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপন্ন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. রংপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।

৮৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুসারে, ধান উৎপাদনে শীর্ষজেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রংপুর
  3. বগুড়া
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,০২,৮৫৯ মে. টন)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৬৭,০৬,৯৫৫ মে. টন)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: দিনাজপুর জেলা (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: রাজশাহী বিভাগ (৪,৩৮,৩৩০ মে. টন)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: ঠাকুরগাও জেলা (১,৬৫,২৬৪ মে. টন)।

• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন:
- প্রথম: ফরিদপুর জেলা (৯,৯১,৮৭৫ মে. টন)।
- দ্বিতীয়: পাবনা জেলা (৫,৬৯,১৩৭ মে. টন)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৮৪.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদিত হয়? [মে, ২০২৫]
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদিত হয় ফরিদপুর জেলায় (৯,৯১,৮৭৫ মে. টন)। 

এছাড়া,
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,০২,৮৫৯ মে. টন)। 
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৬৭,০৬,৯৫৫ মে. টন)।

- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)। 
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: দিনাজপুর জেলা (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)। 

- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: রাজশাহী বিভাগ (৪,৩৮,৩৩০ মে. টন)। 
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: ঠাকুরগাও জেলা (১,৬৫,২৬৪ মে. টন)। 

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩।
৮৫.
সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় কোন জেলায়? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ 
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, 

- বাংলাদেশে মোট ধানের (আউশ + আমন বোরো) উৎপাদন- ৪,০৬,৯৭,৪৬৯ মে. টন। 
- মোট ধানের আবাদ হয়েছে- ২৮,৮১,৯৮,০৮ একর।

- জেলা হিসেবে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে - ময়মনসিংহ জেলা (১৮,২৯,৯৪৩ মে. টন)।
- বিভাগ হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে- রংপুর বিভাগে।

উল্লেখ্য,
-  লিচু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-পাবনা জেলা।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৮৬.
বাংলাদেশের GDP'র সাময়িক হিসাব (২০২৪-২৫) অনুসারে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.৭৯%
  2.  ১.৫৯%
  3.  ১.৭৭%
  4.  ১.৭৯%
সঠিক উত্তর:
 ১.৭৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১.৭৯%
ব্যাখ্যা

• GDP'র সাময়িক হিসাব: ২০২৪-২৫:

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৮৭.
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল কত?
  1. ১৯৭২-৭৭
  2. ১৯৭৩-৭৮
  3. ১৯৭৫-৮০
  4. ১৯৭০-৭৫
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩-৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩-৭৮
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। 
• বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
• বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
• বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন।

৮৮.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট আবাদী জমির পরিমাণ -
  1. ৮০.২৮ লক্ষ হেক্টর
  2. ৮০.৮২ লক্ষ হেক্টর
  3. ৮২.৪৯ লক্ষ হেক্টর
  4. ৮২.৯৪ লক্ষ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮০.২৮ লক্ষ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০.২৮ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
৮৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. দিনাজপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৯০.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় কয়টি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা

- 'সকলের সাথে সমৃদ্ধির পথে' ইংরেজিতে 'Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness'
স্লোগানকে সামনে রেখে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সূচকে পিছিয়ে পড়া অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে লক্ষ্যভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে।
- গত ৩০জুন ২০২০ সপ্তম পঞ্চম বার্ষিকী পরিকল্পনা শেষ হয়েছে।
- এর পর থেকে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু হয়েছে; যার মেয়াদকাল : জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫।
- কোভিট- ১৯ মহামারীর প্রভাব মূল্যায়নে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন একটি স্টাডি সম্পূর্ণ করেছে; ওই স্টাডির ফলগুলো ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় প্রতিফলিত হবে।
- সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের 'আমার গ্রাম, আমার শহর' অঙ্গিকার অনুযায়ী ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে গ্রামীণ রূপান্তর। 

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয় : - 
১। কর্মসংস্থান তৈরিতে প্রবৃদ্ধি বা জিডিপি গ্রোথ।
২। সবার সমান সুবিধা নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা।
৩। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যসমূহ: 
১. নতুন করে ১ কোটি ১৩লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি।(৮০ লাখ ৫০ হাজার দেশে, ৩২ লাখ ৫০ হাজার বিদেশে)
২. দেশের অগ্রগতি সাধনে ৬৪.৯৫ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ। 
৩. ডেল্টা ২১০০ প্ল্যানের কার্যক্রম শুরু। 
৪. ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.৫১% অর্জন।
৫. বিনিয়োগের লক্ষ্য মোট জিডিপির ৩৭.৪%
৬. কর-জিডিপি অনুপার হবে ১২.৩০% 
৭. মূল্যস্ফীতি হবে ৪.৮%
৮. দারিদ্রতার হার ১৫.৬% এ নামিয়ে আনা, চরম দারিদ্র্যের হার ৭.৪% এ নামিয়ে আনা। 
৯. বিদ্যুৎ উতপাদন ৩০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীতকরন। 
১০.প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে ৭৪ বছর। 
 
- ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে ৫টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রথমটি হচ্ছে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশ ইতেমধ্যে নিম্ম মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরন ও এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকি পরিকল্পনা জুলাই ১৯৭৩ থেকে জুন ১৯৭৮, গ্রহন করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে।

উৎস: ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা রিপোর্ট।
৯১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. রংপুর
  2. ঝিনাইদহ
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৯২.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কয়টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট ৫টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রথম কৃষিশুমারি – ১৯৭৭ সালে
দ্বিতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৮৩-৮৪ সালে
তৃতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৯৬ সালে
চতুর্থ কৃষিশুমারি – ২০০৮ সালে
সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি - ৯-২০ জুন ২০১৯।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।
৯৩.
বিবিএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির কত শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত?
  1. ৪৫ শতাংশ
  2. ৪১ শতাংশ
  3. ৩৭ শতাংশ
  4. ৪৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৪৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিবিএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত।

খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇔ কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত এবং ছোট খাত শিল্পখাত।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯৪.
বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ এর হটস্পট কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ • বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ এর হটস্পট ৬টি:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৯৫.
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চালু করেন?
  1. কার্ল মার্ক্স
  2. ভ্লাদিমির লেনিন
  3. জোসেফ স্ট্যালিন
  4. ম্যাক্স ওয়েবার
সঠিক উত্তর:
জোসেফ স্ট্যালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোসেফ স্ট্যালিন
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণা:
- আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণা এসেছে মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে।
- সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিন ১৯২৮ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চালু করেন।
- এটি শিল্পোন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছিল।
- পরে এই ধারণা বিভিন্ন দেশে যেমন ভারত ও চীন অবলম্বন করে।

উৎস: Britannica.
৯৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৯৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪ অনুযায়ী, পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. রংপুর
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

উল্লেখ্য,
বিভাগ অনুযায়ী পাট সর্বাধিক উৎপাদন:
১. ঢাকা বিভাগ- উৎপাদন: ৩৫,৭৮,৩৪২ বেল;
২. খুলনা বিভাগ- উৎপাদন: ২৬,২৮,৩৪৮ বেল।
 
জেলা অনুযায়ী পাট সর্বাধিক উৎপাদন:
১. ফরিদপুর জেলা- উৎপাদন: ১২,৩৭,৩২০ বেল;
২. রাজবাড়ী জেলা- উৎপাদন: ৬,২১,৮৯৯ বেল।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৯৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ- 
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর 
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষবিভাগ ও জেলা:
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষবিভাগ চট্টগ্রাম।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে ২য় শীর্ষবিভাগ খুলনা।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে ২য় শীর্ষ জেলা:কুমিল্লা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৯৯.
বাংলাদেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে মাথাপিছু আয় কত হবে?
  1. ৩০৫৯ মার্কিন ডলার
  2. ৩০৪০ মার্কিন ডলার
  3. ৩৮৪০ মার্কিন ডলার
  4. ৩২৫০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
৩০৫৯ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৫৯ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- প্রাক্কলিত ব্যয় ৬,৪৯৫,৯৮০ কোটি টাকা।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে মাথাপিছু আয় হবে ৩০৫৯ মার্কিন ডলার।

• মেয়াদান্তে অর্থনীতির বড় ৩টি ক্ষেত্রের অবদান হবে:
১. কৃষিখাত - ১০.৫৬%।
২. শিল্পখাত - ৪১.৮৬%।
৩. সেবাখাত - ৪৭.৫৮%।
৪. ম্যানুফ্যাকচারিং - ৩০.২৩%।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন।
১০০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে,

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।