বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অন্যান্য সমীক্ষা (কৃষি পরিসংখ্যান, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ইত্যাদি)

মোট প্রশ্ন৩০০এই পাতা৯৯প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অন্যান্য সমীক্ষা (কৃষি পরিসংখ্যান, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ইত্যাদি)

PrepBank · পাতা / · ২০১২৯৯ / ৩০০

২০১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
  1. মৌলভীবাজার
  2. সুনামগঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।

- চা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা হবিগঞ্জ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪। 
২০২.
বাংলাদেশের সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা কোনটি?
  1. বান্দরবান
  2. বাগেরহাট
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।

• সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২০৩.
PRSP হচ্ছে-
  1. বাজেট বিশ্লেষণ
  2. পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
  3. দারিদ্র্য বিমোচন সংক্রান্ত কৌশলপত্র
  4. স্বাস্থ্য নিরাপত্তা কৌশল
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন সংক্রান্ত কৌশলপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন সংক্রান্ত কৌশলপত্র
ব্যাখ্যা
PRSP:
- PRSP-এর পূর্ণরূপ হলো: Poverty Reduction Strategy Papers.
- PRSP হল আইএমএফের নির্দেশনায় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র।
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে মোট দুটি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন PRSP প্রণয়ন করে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২০৪.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় জাতীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য কত ধরা হয়েছে?
  1. ৮১ লক্ষ ৮০ হাজার
  2. ১৮ লক্ষ ৮০ হাজার
  3. ৮ লক্ষ ৮০ হাজার
  4. ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার
সঠিক উত্তর:
৮০ লক্ষ ৮০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ লক্ষ ৮০ হাজার
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা “ব-দ্বীপ পরিকল্পনা - ২১০০” বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।
- ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে ৫টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রথমটি হচ্ছে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশ ইতেমধ্যে নিম্ন মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে। 
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরণ ও এসডিসি বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে। 
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আগামী ৫ বছরে সর্বমোট ১১.৩৩ মিলিয়ন বা ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
- জাতীয় পর্যায়ে মোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে - ৮.০৮ মিলিয়ন বা ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার।
- প্রবাসী বা বৈদেশিক কর্মসংস্থান হবে - ৩.২৫ মিলিয়ন বা ৩২ লক্ষ ৫০ হাজার।

উৎস: অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
২০৫.
বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষি খাতের অবদান-
  1. নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  2. অনিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  3. ক্রমহ্রাসমান
  4. অপরিবর্তিত থাকছে
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে -
• অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.৫০%, 
• অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.০৭%, 
• অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.৪৪%। 

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- সেবা খাতের অবদান ৫১.২৪ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ।
- কৃষি খাতের অবদান ১১.২০ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।

সুতরাং,  
দেখা যাচ্ছে যে, জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২, ২০২৩, ২০২৪।
২০৬.
বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর
  2. ৮০,৪৩,০০০ হেক্টর
  3. ৪১,০৭,০০০ হেক্টর
  4. ৮২,৯০,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮০,৪৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০,৪৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা
মোট আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমির (Gross Cropped Area) পরিমাণ ১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির (Net Cropped Area) পরিমাণ ৮০,৪৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ২০,৫৭,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ৪১,০৭,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ১৮,৫৮,০০০ হেক্টর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২,৯০,০০০ হেক্টর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩
২০৭.
একক দেশ হিসেবে দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ কোনটি?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর- এ বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

২০৮.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপন্ন হয়  কোন জেলায়? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. রাজশাহী
  2. চুয়াডাঙ্গা
  3. দিনাজপুর
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, 

- মোট ভুট্টা উৎপাদন- ৪৫,৯২,৫০৭.৬৩ মে. টন।
- মোট ভুট্টা আবাদ হয়েছে- ১২,২৭,২৯৯.৩৭ একর।

- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপন্ন হয় - দিনাজপুর জেলা ((৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন))
- ঠাকুরগাঁও জেলা- ২০২৩-২৪ বছরে মোট  ১,৭২,৪৯৮ একর জমিতে ভুট্টার আবাদ হয়।

উল্লেখ্য,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

২০৯.
তুলা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. রাজবাড়ী
  2. ঝিনাইদহ
  3. কুষ্টিয়া
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

- ভুট্টা উৎপন্ন শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

২১০.
বর্তমানে দেশের কোন বিভাগে স্বাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি? [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২]
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঢাকা
  3. বরিশাল
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২১১.
'বাংলাদেশের দরিদ্র মানচিত্র- ২০২২' অনুযায়ী সবচেয়ে দরিদ্র জেলা কোনটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. কুড়িগ্রাম
  2. নোয়াখালী
  3. মাদারীপুর
  4. গাইবান্ধা
সঠিক উত্তর:
মাদারীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দারিদ্র মানচিত্র- ২০২২:
- বিবিএসের দারিদ্র্য ও জীবিকা পরিসংখ্যান (পিএলএস) সেল ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র, ২০২২’ শীর্ষক প্রতিবেদন তৈরি করে প্রকাশ করেছে।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি দরিদ্র মাদারীপুর জেলা।
- এ জেলায় দারিদ্র্যতার হার ৫৪ দশমিক ৪ শতাংশ।
- পৃথক উপজেলার দিক থেকে, মাদারীপুরের ডাসার সবচেয়ে দরিদ্র, সেখানে জনসংখ্যার ৬৩.২% দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে কম ৬ দশমিক ১ শতাংশ দরিদ্র নোয়াখালী জেলায়।
- এছাড়া, বিভাগের মধ্যে বরিশাল বিভাগে দারিদ্র্যতার হার সবচেয়ে বেশি এবং চট্টগ্রাম বিভাগে সবচেয়ে কম।

তথ্যসূত্র: বাসস। [Link]
২১২.
ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রংপুর
  3. রাজশাহী
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

সূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২১৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, নিচের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আমন ধান উৎপাদন হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২১৪.
বাংলাদেশে 'সয়াবিন' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (ফেব্রুয়ারি-২০২৬)
  1. বগুড়া
  2. লক্ষ্মীপুর
  3. দিনাজপুর
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মীপুর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে 'সয়াবিন' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- লক্ষ্মীপুর জেলায়।
-  দেশে মোট উৎপাদিত সয়াবিনের ৮০ শতাংশই মিলছে লক্ষ্মীপুর থেকে।
-  জেলায় এবার ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে সয়াবিন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে এর চেয়ে আরও ১ হাজার ৬৬০ হেক্টর বেশি জমিতে সয়াবিনের আবাদ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সমূহ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ এবং প্রথম আলো।

২১৫.
“কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪” প্রকাশ করেছে কোন সংস্থা?
  1. কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. কৃষি মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা কমিশন
  4. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা

⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ বাংলাদেশের কৃষি বিষয়ক সকল রকমের তথ্য নিয়ে পরিসংখ্যানব্যুরো (BBS) প্রতি বছর কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ প্রকাশ করে থাকে।
⇒ 'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪' প্রকাশিত হয় ২০২৫ সালের জুন মাসে।

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে,
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২১৬.
আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে - [মার্চ, ২০২০]
  1. ক) সপ্তম
  2. খ) অষ্টম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
ক) সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সপ্তম
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০১৮ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের সালতামামি (Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি ২০২০) অনুসারে
২১৭.
নিম্নোক্ত কোন সালে কৃষিশুমারী অনুষ্ঠিত হয়নি?
  1. ১৯৭৭
  2. ২০০৮
  3. ২০১৫
  4. ২০১৯
সঠিক উত্তর:
২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫
ব্যাখ্যা
• ২০১৫ সালে কোনো কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি। 

স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
• প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৭৭ সালে।
• দ্বিতীয় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৮৩-৮৪ সালে।
• তৃতীয় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৯৬ সালে।
• চতুর্থ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ২০০৮ সালে।
• পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ২০১৯ সালে।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২১৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, দেশে এক ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৫০,৮৪,০০০ একর
  2. ৫৩,৩৬,০০০ একর
  3. ৫৫,১৯,০০০ একর
  4. ৫৯,৬৪,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৫০,৮৪,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,৮৪,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২১৯.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৩০ হাজার কোটি টাকা
  2. ৩৮ হাজার কোটি টাকা
  3. ৪০ হাজার কোটি টাকা
  4. ৪৫ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৩৮ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৩৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 
- মোট লক্ষ্যমাত্রার ৬০ শতাংশ শস্য ও ফসল খাতে, ১৩ শতাংশ মৎস্য খাতে এবং ১৫ শতাংশ প্রাণিসম্পদ খাতে ঋণ বিতরণ করতে হবে। 
- গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যা প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ বেশি। 
- গত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৫ হাজার কোটি টাকা। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের কৃষিঋণ সম্পর্কিত নীতিমালা ঘোষণা করেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

সূত্র- বাংলাদেশ ব্যাংক।
২২০.
বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয় কত সালে? 
  1. ১৯৭৩ সালে 
  2. ১৯৭৪ সালে 
  3. ১৯৭৫ সালে 
  4. ১৯৭৬ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হলো একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট কৌশল, যা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সরকারের পরিকল্পনার ভিত্তিতে প্রণীত হয়।
- বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয় ১৯৭৩ সালে।
- ২০২০ সাল পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে।

- প্রথম পরিকল্পনা (১৯৭৩–১৯৭৮) ছিল স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ফলে দেশের অর্থনীতি, যোগাযোগব্যবস্থা, শিল্পকারখানা, কৃষি ও অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
- তাই এই পরিকল্পনায় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষি ও সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করা, যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং উদ্বাস্তু ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পুনর্বাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- মূলত এই পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ভিত্তি তৈরি করে দেশকে পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্যগুলো হলো-
• সম্পদের দক্ষ ব্যবহার, 
• অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার, 
• কৃষি ও শিল্প উন্নয়ন, 
• শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, 
• অবকাঠামো উন্নয়ন, 
• দারিদ্র্য বিমোচন, 
• কর্মসংস্থান সৃষ্টি, 
• টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি।

উৎস:
১. জাতীয় তথ্য বাতায়ন;
২. বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।

২২১.
বর্তমানে দেশে আবাদযোগ্য জমির পরিমান কত? [ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪]
  1. ৪,৫২,৯৬,০০০ একর
  2. ৩,৯২,৯৬,০০০ একর
  3. ৫,৯০,৯৬,০০০ একর
  4. ২,৪২,৯৬,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৩,৯২,৯৬,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৯২,৯৬,০০০ একর
ব্যাখ্যা

- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯২,৯৬,০০০ একর।
- পূর্বে ছিল ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদী জমি: ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর। 
- বাংলাদেশের বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চল: রাঙামাটি: ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর। [ সর্বাধিক বনাঞ্চল]
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২২২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, এক ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ১৭,৭৯,০০০ হেক্টর
  2. ২০,৪৪,০০০ হেক্টর
  3. ৪১,০৫,০০০ হেক্টর
  4. ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২২৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২২৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশে কোন ধান সবচেয়ে বেশি জমিতে চাষ করা হয়?
  1. আউশ
  2. আমন
  3. বোরো
  4. রবি
সঠিক উত্তর:
আমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে আমন ধান সবচেয়ে বেশি জমিতে চাষ করা হয়।
- আমন ধান চাষ হয়: ১,৪১,৪৩,২৮৬ একরে,
- আউশ ধান চাষ হয়: ২৬,২২,৪০৪ একরে,
- বোরো ধান চাষ হয়: ১,১৯,৮৯,১৭৪ একরে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩। 
২২৫.
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন করে কে?
  1. অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কমিশন
  2. জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল
  3. বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
  4. জাতীয় উন্নয়ন কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
২২৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
  1. ময়মনসিংহ
  2. দিনাজপুর
  3. রংপুর
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪:
• শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২২৭.
বিবিএস প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কোন খাতে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি হয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. শিল্প খাতে
  2. সেবা খাতে
  3. কৃষি খাতে
  4. রেমিট্যান্স খাতে
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাতে
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক খাত:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি, শিল্প ও সেবা- তিনটি প্রধান খাতেই প্রবৃদ্ধি কমেছে।
- এর মধ্যে সবচেয়ে কমেছে শিল্প খাতে।
- প্রকাশিত সংশোধিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৩.৫১ শতাংশে, যা আগের অর্থবছরের ৮.৩৭ শতাংশ থেকে ৪.৮৬ শতাংশীয় পয়েন্ট কম।
- বৃহৎ শিল্পের প্রবৃদ্ধি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নেমে এসেছে মাত্র ১.০২ শতাংশে, যা আগের বছরের ৮.৩৮ শতাংশ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
- ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রবৃদ্ধিও অর্ধেকে নেমে এসেছে- ৯.১৫ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৪.৬৬ শতাংশ।
- অন্যদিকে, কুটির শিল্পের প্রবৃদ্ধি ১০.০১ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৬.৯২ শতাংশে।

উল্লেখ্য,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে এই খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৯.৮৬ শতাংশ।

তথ্যসূত্র-
১. চূড়ান্ত প্রতিবেদন। [Link]
২. পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
২২৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. বরিশাল
  2. নওগাঁ
  3. ময়মনসিংহ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষে নওগাঁ জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ ও কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
২২৯.
কত সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।

⇒ অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২৫) স্থগিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।

২৩০.
বাংলাদেশে সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল কত সালে?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

• গণভোট, ১৯৭৭:
সামরিক শাসনকে বৈধ করার লক্ষ্যে ৩০ মে, ১৯৭৭ বাংলাদেশে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে ৮৭ শতাংশ ভোটার অংশ এবং জিয়াউর রহমানের পক্ষে ৯৯ শতাংশ ভোট পরে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়।

​• গণভোট ১৯৮৫:
প্রশাসনিক গণভোট ১৯৮৫ সালে ।
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সমর্থন যাচাইয়ের লক্ষ্যে হ্যাঁ-না ভোট।

• ​তৃতীয় গণভোট
সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩১.
নিচের কোনটি বেগুনের উন্নত জাত?
  1. নয়নতারা
  2. ঝুমকা
  3. সোনালিকা
  4. সিন্দুরী
সঠিক উত্তর:
নয়নতারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয়নতারা
ব্যাখ্যা
বেগুনের উন্নত জাত:-
• শুকতারা, তারাপুরী,ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, লাফফা, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়।
• শিংনাথ- একটি বারমাসী জাত। গাছ বেশ উঁচু, পাশেও অধিক, শাখা প্রশাখার সংখ্যা প্রচুর। পাতা সরু ধরনের। এর ফল সরু, লম্বায় প্রায় ৩০ সেমি. ও বেগুনী রংয়ের।

এছাড়াও,
• টমেটোর উন্নত জাত:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, শ্রাবণী, মহুয়া, রোমারিও, টিপু সুলতান, গ্রেট পেলে,  
• গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী   
• আলুর উন্নত জাত:- ডায়মন্ড , কার্ডিনাল, সিন্দুরী।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
২৩২.
দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
  1. ১,৫৯,৩৩,০০০ হেক্টর
  2. ২,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৭৯,০৩,০০০ হেক্টর
  4. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।

• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।

উৎস: বিবিএস।
২৩৩.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে -
  1. ৯.৩১%
  2. ৮.৫১%
  3. ৭.৯১%
  4. ৪.৬%
সঠিক উত্তর:
৮.৫১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮.৫১%
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮.৫১%।

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।
- ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

⇒ ৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%।
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
- ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।
- ২০৪১ এর মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের মর্যাদা লাভ করার রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
২৩৪.
আমন ধানের রোপনের সময়-
  1. মধ্য মার্চ - মধ্য এপ্রিল
  2. জুনের শেষ - সেপ্টেম্বরের শুরু
  3. মধ্য নভেম্বর - মধ্য জানুয়ারি
  4. মধ্য জুলাই - আগস্টের শুরু
সঠিক উত্তর:
জুনের শেষ - সেপ্টেম্বরের শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুনের শেষ - সেপ্টেম্বরের শুরু
ব্যাখ্যা
• ফসল রোপন ও উত্তলনের সময়সূচি: 
- আউশ ধান রোপনের সময় - মধ্য মার্চ থেকে মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তলনের সময় - মধ্য জুলাই থেকে আগস্টের শুরু।
- আমন ধান রোপনের সসময় - জুনের শেষ - সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তলনের সময় - ডিসেম্বার থেকে জানুয়ারির শুরু।
- বোর ধান রোপনের সময়- মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য জানুয়ারি।
- বোর ধান উত্তলনের সময় - এপ্রিল থেকে মে।

উৎস: কৃষি পরসিংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ ।
২৩৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, এক ফসলি আবাদি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৫০,৪২,০০০ হেক্টর
  2. ৩০,৫৪,০০০ হেক্টর
  3. ২০,৪৪,০০০ হেক্টর
  4. ৪০,৭৯,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে আবাদকৃত জমির পরিমান:

- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।


উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৩৬.
তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (মে - ২০২৫)
  1. ঝিনাইদহ
  2. ফরিদপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
• তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঝিনাইদহ।
• আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - নওগাঁ।
• তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - কুষ্টিয়া।
• পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ফরিদপুর।
• ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর।
• গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঠাকুরগাওঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩।
২৩৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, চার ফসলি জমির পরিমাণ কত হেক্টর?
  1. ১৯,০০০ হেক্টর
  2. ২৩,০০০ হেক্টর
  3. ২৭,০০০ হেক্টর
  4. ৩১,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১৯,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আবাদী ও অনাবাদী জমি:

- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৩৮.
বর্তমানে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. খুলনা
  2. রাজশাহী
  3. সিলেট
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪।

২৩৯.
বাংলাদেশে পেঁয়াজ এর ফলন উত্তোলনের আদর্শ সময়কাল কোনটি? [মার্চ, ২০২০]
  1. ক) মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য জানুয়ারি
  2. খ) এপ্রিলের শেষ থেকে জুনের মাঝামাঝি
  3. গ) মার্চের শুরু থেকে মধ্য এপ্রিল
  4. ঘ) সারা বছর
সঠিক উত্তর:
খ) এপ্রিলের শেষ থেকে জুনের মাঝামাঝি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এপ্রিলের শেষ থেকে জুনের মাঝামাঝি
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০১৮ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের সালতামামি (Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি ২০২০) অনুসারে
২৪০.
ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ময়মনসিংহ
  2. দিনাজপুর 
  3. কুষ্টিয়া
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

২৪১.
“বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১” এর মূল লক্ষ্য কী?
  1. ২০৪১ এর মধ্যে দেশের উন্নয়নশীল অর্থনীতিকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা।
  2. বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তর করা।
  3. ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বিশ্বমানের করা।
  4. ২০৪১ এর মধ্যে দেশের শিল্প ও রপ্তানি খাতকে আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নীত করা।
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তর করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তর করা।
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১:
- বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১-এর মূল লক্ষ্য হলো শিল্পায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তরিত করা।
- একটি স্মার্ট, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি ও সমাজ গঠন করা।
- এটি মূলত প্রযুক্তি-নির্ভর, যেখানে নাগরিক, সরকার, অর্থনীতি ও সমাজে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার উপর জোর দেয়া হচ্ছে।
• এর প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- উৎপাদন ক্ষমতা ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি,
- মানবসম্পদ উন্নয়ন,
- রপ্তানি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং
- চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুযোগ কাজে লাগানো।
•  “স্মার্ট বাংলাদেশ”-এর মূল চারটি স্তম্ভ আছে, তা হলো:
- স্মার্ট নাগরিক (প্রযুক্তিতে দক্ষ ও সচেতন মানুষ),
- স্মার্ট সরকার (স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক),
- স্মার্ট অর্থনীতি (উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তি-নির্ভর), 
- স্মার্ট সমাজ (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও বাণিজ্যে প্রযুক্তির ব্যবহার)।

উৎস:
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর;
কালবেলা;
দৈনিক যুগান্তর।

২৪২.
বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে?
  1. ১টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশ সরকারের “পরিকল্পনা কমিশন” এর ‘সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (General Economic Division)’ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (Fiveyear Plan) প্রণয়ন করে থাকে।
- এ পর্যন্ত মোট আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।
- আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণা এসেছে মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে।
- সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিন ১৯২৮ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চালু করেন।
- এটি শিল্পোন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছিল।
- পরে এই ধারণা বিভিন্ন দেশে যেমন ভারত ও চীন অবলম্বন করে।
- বাংলাদেশ একটি দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা ও আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

এগুলো হল:
(১) প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-৭৮)
(২) দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-৮০)
(৩) দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-৮৫)
(৪) তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-৯০)
(৫) চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-৯৫)
(৬) পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)
(৭) ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)
(৮) সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)
(৯) অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫): অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) কর্তৃক ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে অনুমোদিত হয়।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
Britannica.
২৪৩.
বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ৩,৯২,৯৬,০০০ একর
  2. ১,৯৮,২৯,০০০ একর
  3. ৪,৪৮,২৯,০০০ একর
  4. ৬৩,৬৩,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৩,৯২,৯৬,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৯২,৯৬,০০০ একর
ব্যাখ্যা

এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৪৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, কোন ধরনের ধান সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয়?
  1. আউশ ধান
  2. আমন ধান
  3. বোরো ধান
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪:
• উৎপাদনের পরিমাণ (মেট্রিক টন):
- আউশ ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ২৯.৭৩ লক্ষ।
- আমন ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ১৬৬.৫৬ লক্ষ।
- বোরো ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ২১০.৬৮ লক্ষ।

 • ধান উৎপাদনে আবাদকৃত জমির পরিমান:
- আমন ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১,৪২,১০,০০০ (একর)।
- বোরো ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১২,০৫,৩০০০ (একর)।
- আউশ ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ২৫,৫৭,০০০ (একর)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।

২৪৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. মৌলভীবাজার
  3. দিনাজপুর
  4. ঝিনাইদহ 
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- চা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা হবিগঞ্জ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪। 

২৪৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, কোন ধরনের ধানের উৎপাদন বেশি?
  1. আউশ ধান
  2. আমন ধান
  3. বোরো ধান
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে আবাদকৃত জমির পরিমান:

- আমন ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১,৪২,১০,০০০ (একর)।
- বোরো ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১২,০৫,৩০০০ (একর)।
- আউশ ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ২৫,৫৭,০০০ (একর)।

• উৎপাদনের পরিমাণ (মেট্রিক টন):

- আউশ ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ২৯.৭৩ লক্ষ।
- আমন ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ১৬৬.৫৬ লক্ষ।
- বোরো ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ২১০.৬৮ লক্ষ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।

২৪৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৪৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ফরিদপুর
  3. ঝিনাইদহ
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
• ধান - ময়মনসিংহ।
• গম - ঠাকুরগাঁও।
• চা - মৌলভীবাজার।
• তামাক - কুষ্টিয়া।
• পাট - ফরিদপুর।
• আলু - রংপুর।
• ভুট্টা - দিনাজপুর।
• তুলা - ঝিনাইদহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৪৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ এর রিপোর্ট অনুসারে সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. পাবনা
  2. নীলফামারী
  3. রংপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
⇒ তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
⇒ পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
⇒ আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
⇒ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
⇒ গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
⇒ ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
⇒ তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
⇒ চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২৫০.
আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, ২০২৪)
  1. বগুড়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

আলু উৎপাদন:
​• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- প্রথম: রংপুর জেলা।
- (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা।
- (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)

• আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ।
- (৪৩,৪৪,৫৪৬ মে. টন)
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ।
- (৩,৫৭৬,৮৯৬ মে. টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।

২৫১.
৫২-৫৯ পর্যন্ত জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯ অনুসারে উত্তর করুন।
জাতীয় জনসংখ্যা (প্রাক্কলিত, ১ জানুয়ারি ২০১৯):
  1. ক) ১৬৪.৪৫ মিলিয়ন
  2. খ) ১৬৫.৫৭ মিলিয়ন
  3. গ) ১৭০.১ মিলিয়ন
  4. ঘ) ১৬৫.৯২ মিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬৫.৫৭ মিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬৫.৫৭ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯
২৫২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী:

⇒ শীর্ষ জেলা:
• চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
• তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
• পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।
• ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
• গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
• ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
• তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২৫৩.
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [মার্চ - ২০২৫]
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী:

শীর্ষ জেলা:
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

সূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২৫৪.
এসডিজির মেয়াদকাল কত?
  1. ২০১০-২০২০
  2. ২০১৫-২০৩০
  3. ২০১৬-২০৩০
  4. ২০২০-২০৩৫
সঠিক উত্তর:
২০১৬-২০৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬-২০৩০
ব্যাখ্যা
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজি-এর মূলনীতি: 'Leaving no one behind'.
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
 ১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০. অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

তথ্যসূত্র: United Nations Sustainable Development Group ওয়েবসাইট।
২৫৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- 
  1. কুমিল্লা
  2. ময়মনসিংহ
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উল্লেখ্য, 
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৭০,৩৭,৬৬৪ মে. টন)।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,২৯,৯৪৩ মে. টন)।

 উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

২৫৬.
বাংলাদেশের সর্বাধিক বনাঞ্চাল রয়েছে কোন জেলায়? ( মে ২০২৫)
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. বাগেরহাট
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বনাঞ্চালের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর। ( মে ২০২৫)
- সর্বাধিক বনাঞ্চাল সম্পন্ন জেলা ৫ টি।
- রাঙামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
- বান্দরবান - ৭, ৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
- বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
- খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।


উৎস:
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৩।
২৫৭.
বাংলাদেশে কোন ধান সবচেয়ে বেশি জমিতে আবাদ করা হয়?
  1. আউশ
  2. আমন
  3. বোরো
  4. ইরি
সঠিক উত্তর:
আমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে আমন ধান সবচেয়ে বেশি জমিতে আবাদ করা হয়।

আমন ধান চাষ হয়: ১,৪১,৪৩,২৮৬ একরে
 
আউশ ধান চাষ হয়: ২৬,২২,৪০৪ একরে
বোরো ধান চাষ হয়: ১,১৯,৮৯,১৭৪ একরে

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩
২৫৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- [জুলাই, ২০২৫]
  1. রংপুর
  2. রাজশাহী
  3. ময়মনসিংহ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।

অন্যদিকে,
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪। 
২৫৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কোন ধানের চাষাবাদ হয়?
  1. আমন ধান
  2. বোরো ধান
  3. আউশ ধান
  4. ইরি ধান
সঠিক উত্তর:
আমন ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমন ধান
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে আবাদকৃত জমির পরিমান:

- আমন ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১,৪২,১০,০০০ (একর)
- বোরো ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১২,০৫,৩০০০ (একর)
- আউশ ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ২৫,৫৭,০০০ (একর)

এছাড়া ও
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উল্লেখ্য,
- উৎপাদনের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে উৎপন্ন হয় বোরো ধান।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৬০.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদিত হয়?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. রংপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ভুট্টা:
- ভুট্টা (বৈজ্ঞানিক নাম: Zea mays) একপ্রকারের খাদ্য শস্য।
- ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমান বেশী।
- এতে প্রায় ১১% আমিষ জাতীয় উপাদান রয়েছে।
- বেলে দোআশ ও দোআশ মাটি ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী।

⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
২৬১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ -
  1. ৮০.২৮ লক্ষ হেক্টর
  2. ৮২.৩২ লক্ষ হেক্টর
  3. ৮০.৪২ লক্ষ হেক্টর
  4. ৮২.৬৪ লক্ষ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮০.২৮ লক্ষ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০.২৮ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
২৬২.
দেশে আউশ ধান রোপনের সময় কখন?
  1. মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
  2. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
  3. মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  4. এপ্রিল – মে
সঠিক উত্তর:
মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়:মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময়: মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।
- আমন ধান রোপনের সময়:জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়: ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।
- বোরো ধান রোপনের সময়: মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময়: এপ্রিল – মে। 

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
২৬৩.
বিবিএসের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত? [জুন, ২০২৫]
  1. ২ হাজার ৫২০ মার্কিন ডলার
  2. ২ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার
  3. ৩ হাজার ১২০ মার্কিন ডলার
  4. ৩ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয়:
- দেশের অভ্যন্তরীণ আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়।
- সেই মোট জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার।
- গত অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২৭৩৮ ডলার। মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৮২ ডলার।
- চলতি অর্থবছরে টাকার অঙ্কে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২২১ টাকা।
- চলতি অর্থবছরের বিবিএসের মাথাপিছু আয় হিসাব করতে প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ধরা হয়েছে ১২০ টাকা ২৯ পয়সা।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
২৬৪.
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ অনুসারে, এক ফসলি জমির পরিমাণ কত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২০,৫৭,০০০ হেক্টর
  2. ২০,৮৭,০০০ হেক্টর
  3. ২২,৫৭,০০০ হেক্টর
  4. ২২,৮৭,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
২০,৫৭,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,৫৭,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩। 

মোট জমির পরিমাণ:

- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর (১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,৭৫,০০০ একর (৮০,৪৩,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৮৪,০০০ একর (২০,৫৭,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪৯,০০০ একর (৪১,০৭,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯২,০০০ একর (১৮,৫৮,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৫০,০০০ একর (২০,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation): ৮২,৯০,০০০ একর।
- বনাঞ্চল (Forest Area): ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৩৪,৯৩,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২৬৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- 
  1. শরীয়তপুর
  2. ফরিদপুর
  3. মাদারীপুর
  4. রাজবাড়ী
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

২৬৬.
বর্তমানে দেশের সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা কোনটি?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বাগেরহাট
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২৬৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে আমন ধান উৎপানে শীর্ষ জেলা- 
  1. ময়মনসিংহ
  2. দিনাজপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
​- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।

​অন্যদিকে, 
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

২৬৮.
বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রাণী সম্পদের অবদান কত? [মে, ২০২৫]
  1. ১.২৪%
  2. ১.৬৪%
  3. ১.৪২%
  4. ১.৮০%
সঠিক উত্তর:
১.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৮০%
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে প্রাণিসম্পদের অবদান:
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে, জিডিপিতে স্থিরমূল্যে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১.৮০%, প্রবৃদ্ধির হার ৩.১৫%।
- কৃষিজ জিডিপি'তে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১৬.৩৩%।

এছাড়াও,
- বর্তমানে মৎস্য সেক্টরে ১৪ লক্ষ নারীসহ প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে।
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম।
- জিডিপিতে ইলিশের অবদান শতকরা ১% এর বেশি।
- বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য পৃথিবীর ৫২টি'র অধিক দেশে রপ্তানি করছে।
- মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ চীনকে টপকে বিশ্বে ২য় অবস্থানে উঠে এসেছে।
- জনসংখ্যার প্রায় ২০% প্রত্যক্ষ এবং ৫০% পরোক্ষভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর।
২৬৯.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আখ জন্মায়? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. পাবনা
  2. নাটোর 
  3. রাজশাহী
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
নাটোর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোর 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

- মোট আখ উৎপাদন- ২,৯৩,৩৬,৯৪.৬৯ মে. টন
- মোট আখ আবাদ হয়েছে- ১,৬৭,৩৪৫.৩৪ একর। 

- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপন্ন হয় - নাটোর জেলা (৯৩২,০০৬.৪২ মে. টন)
- নাটোর জেলা- ২০২৩-২৪ বছরে মোট ৫১,৫০৬.১৩ একর জমিতে আখের আবাদ হয়।

এছাড়াও,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।  

২৭০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে, আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. নাটোর
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, 
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ। 

- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩। 
২৭১.
মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, ২০২৪)
  1. কুমিল্লা
  2. যশোর
  3. চট্টগ্রাম
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বিভাগ সারা দেশে শীর্ষস্থান দখল করে আছে।
- এ বিভাগের উৎপাদন পরিমাণ ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন, যা দেশের মোট মিঠাপানির মৎস্য উৎপাদনে সবচেয়ে বড় অবদান রাখে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনা বিভাগ, যার উৎপাদন ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
- তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজশাহী বিভাগ, যেখানে উৎপাদন হয়েছে ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

অন্যদিকে,
- জেলা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি মিঠাপানির মৎস্য উৎপাদন হয়েছে ময়মনসিংহ জেলায়।
- এ জেলার উৎপাদন পরিমাণ ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন, যা দেশের যেকোনো জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উৎপাদনকারী জেলা হলো কুমিল্লা, যেখানে উৎপাদন হয়েছে ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
- তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যশোর জেলা, যার উৎপাদন ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন। 

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, ২০২৪।

২৭২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ–২০২৪ অনুসারে, তুলা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. যশোর
  2. কুষ্টিয়া
  3. ঝিনাইদহ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ–২০২৪:
 • ফসলভিত্তিক শীর্ষ জেলা:

ধান উৎপাদনে – ময়মনসিংহ;
গম উৎপাদনে – ঠাকুরগাঁও;
ভুট্টা উৎপাদনে – দিনাজপুর;
তুলা উৎপাদনে – ঝিনাইদহ;
চা উৎপাদনে – মৌলভীবাজার;
তামাক উৎপাদনে – কুষ্টিয়া;
পাট উৎপাদনে – ফরিদপুর;
আলু উৎপাদনে – রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

২৭৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, মোট আবাদকৃত জমির শতকরা কত অংশে খাদ্যশস্যের চাষ হয়?
  1. প্রায় ৬৪%
  2. প্রায় ৬৮%
  3. প্রায় ৭০%
  4. প্রায় ৭৬%
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৭৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৭৬%
ব্যাখ্যা
এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উল্লেখ্য,
- মোট আবাদকৃত জমির ৭৬.১৭% অংশে খাদ্যশস্যের চাষ হয়।

এছাড়াও,
- আঁশ জাতীয় ফসলের চাষ হয় ৪.৭৫% অংশে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
২৭৪.
ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে - [মার্চ, ২০২০]
  1. ক) সপ্তম
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
খ) চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০১৮ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের সালতামামি (Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি ২০২০) অনুসারে
২৭৫.
’পেঁয়াজ’ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. পাবনা 
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. নাটোর
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
পাবনা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা 
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

’পেঁয়াজ’ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- পাবনা।

’পেঁয়াজ’ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ- রাজশাহী।

উল্লেখ্য,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

২৭৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.৫%
  2. ১.১২%
  3. ১.২৩%
  4. ১.১১%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন। (প্রতি বর্গ কিমিতে)
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

২৭৭.
ভুট্টা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি? (জুলাই-২০২৫)
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  2. দিনাজপুর
  3. ঠাকুরগাও
  4. চুয়াডাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৪ অনুসারে:
- মোট ভুট্টার উৎপাদন = ৪৫,৯২,৫০৭.৬৩ মে. টন
- ভুট্টার আবাদ করা হয়েছে =  ১২,২৭,২৯৯.৩৭ একর জমিতে।

- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন হয়েছে, রংপুর বিভাগে (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)।
- দ্বিতীয় – খুলনা বিভাগ (৯,৪২,২৯৩.৬৪ মে. টন)।

- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন হয়েছে,  দিনাজপুর জেলা (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)।
- দ্বিতীয় – চুয়াডাঙ্গা জেলা (৫,৫৫,১১৬ মে. টন)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৪।
২৭৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, ২০২৪ অনুসারে, চা উৎপাদনে শীর্ষে কোন জেলা কোনটি? 
  1. হবিগঞ্জ
  2. সিলেট
  3. মৌলভীবাজার
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে চা উৎপাদন:
মোট উৎপাদন: ১,০০,৬৬০ মে. টন।
মোট জমির পরিমাণ: ১,৪৫,১৮২ একর।
বিভাগ অনুযায়ী চা উৎপাদনে শীর্ষে: সিলেট বিভাগ (উৎপাদন: ৭৩,৩০০ মে. টন)।
জেলা অনুযায়ী চা উৎপাদনে শীর্ষে: মৌলভীবাজার জেলা (উৎপাদন: ৪৯,৭৭৯ মে. টন)।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৭৯.
বাংলাদেশে সর্বশেষ কত সালে কৃষি শুমারি হয়?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:

- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩ টি। যথা- শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় - ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

তথ্যসূত্র: কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বিবিএস।
২৮০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশে বনাঞ্চলের পরিমাণ কত?
  1. ৮০,৪৩,০০০ একর
  2. ৮২,৯০,০০০ একর
  3. ৬৩,৬৩,০০০ একর
  4. ১৮,৫৮,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৬৩,৬৩,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩,৬৩,০০০ একর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমির (Gross Cropped Area) পরিমাণ ১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির (Net Cropped Area) পরিমাণ ৮০,৪৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ২০,৫৭,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ৪১,০৭,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ১৮,৫৮,০০০ হেক্টর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২,৯০,০০০ হেক্টর।
- বাংলাদেশে বনাঞ্চলের পরিমাণ ৬৩,৬৩,০০০ একর। 
- মোট জমির পরিমাণ ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর। 

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩
২৮১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ -
  1. ০৭.৬৯%
  2. ১০.৫৫%
  3. ১৪.৩১%
  4. ১৭.৯৮%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৮২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ- 
  1. রংপুর 
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. ঢাকা 
সঠিক উত্তর:
রংপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর 
ব্যাখ্যা

আলু উৎপাদন:
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ।
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ।

​• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- প্রথম: রংপুর জেলা।
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা।

​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪

২৮৩.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদকাল কত?
  1. জুন ২০২০-জুলাই ২০২৫
  2. জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫
  3. জুন ২০২১-জুলাই ২০২৫
  4. জুলাই ২০২১-জুন ২০২৬
সঠিক উত্তর:
জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ মোট আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

এগুলো হল:
(১) প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-৭৮)
(২) দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-৮০)
(৩) দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-৮৫)
(৪) তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-৯০)
(৫) চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-৯৫)
(৬) পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)
(৭) ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)
(৮) সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)
(৯) অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫): অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) কর্তৃক ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে অনুমোদিত হয়।

উৎস: অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২৮৪.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত (সাময়িক ২০২৪-২০২৫ অর্থবছর)?
  1. ৩.৩০%
  2. ২.৭৯%
  3. ১.৭৯%
  4. ১.৫৬%
সঠিক উত্তর:
১.৭৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৭৯%
ব্যাখ্যা
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব:

• কৃষি (Agriculture) খাতঃ
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।

উল্লেখ্য,
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৩০%।
২০২৩- ২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ১.৫১
শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: বিবিএস।
২৮৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৮৬.
বাংলাদেশে আমন ধান রোপনের সময় -
  1. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  2. মধ্য মার্চ–মধ্য এপ্রিল
  3. মধ্য নভেম্বর–মধ্য জানুয়ারি
  4. মধ্য জুলাই–আগস্টের শুরু
সঠিক উত্তর:
জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।
- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।
- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২
২৮৭.
রূপকল্প-২০৪১ এর প্রত্যাশিত গড় আয়ু কত বছর?
  1. ৭৭ বছর
  2. ৮০ বছর
  3. ৮২ বছর
  4. ৮৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৮০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ বছর
ব্যাখ্যা
রূপকল্প-২০৪১:
- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেন কমিটির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- সুশাসন, জনগণের সক্ষমতা ও ক্ষমতায়ন হবে এই অগ্রযাত্রার মূলমন্ত্র।

রূপকল্প-২০৪১ এর উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
- দারিদ্র্য দূরীকরণ।
- ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৮০ বছর।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা বিভাগ ওয়েবসাইট।
২৮৮.
অর্থনৈতিক শুমারি- ২০২৪ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে অর্থনৈতিক ইউনিট সংখ্যা-
  1. ৫ কোটি ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪টি
  2. ৪ কোটি ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪টি
  3. ৩ কোটি ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪টি
  4. ১ কোটি ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪টি
সঠিক উত্তর:
১ কোটি ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪:
- চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি ১০-২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ সাল পর্যন্ত পরিচালিত হয়।
- প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, আয়-ব্যয়, কর্মী সংখ্যা, তাদের সুযোগ সুবিধা, আয়-ব্যয়, কর প্রদান ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। 
- শুমারির কার্যক্রম জিওগ্রাফিকস ইনফরমেশন সিস্টেম (জিআইএস) এবং জিওকোড সমন্বয় করে ডিজিটাল ম্যাপে করা হয়েছে। 
- দেশের ৪ কোটি পরিবারের মধ্যে ১ কোটি ২২ লাখ অর্থনৈতিক পরিবার বা ইউনিট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
- ২৯ জানুয়ারি,২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪’-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারির প্রাথমিক ফলাফল - ২০২৪:
অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা: ১ কোটি ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪।
স্থায়ী: ৬২ লাখ ৮৮ হাজার ২১৪টি।
অস্থায়ী: ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৬২১টি।
অর্থনৈতিক খানা: ৫০ লাখ ১২ হাজার ৫২৯টি।
শহরাঞ্চল: ৩৫ লাখ ৩১ হাজার ২০৩টি [২৯.৭৩%]।
গ্রামীণ: ৮৩ লাখ ৪৬ হাজার ১৬১টি [৭০.২৭%]।

তথ্যসূত্র: ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদন। [Link]
২৮৯.
PRSP-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Poverty Reduction Study Project
  2. Poverty Reduction Strategy Papers
  3. Power Reduction Scheme Papers
  4. Power Reproduction Strategy Programmed
সঠিক উত্তর:
Poverty Reduction Strategy Papers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Poverty Reduction Strategy Papers
ব্যাখ্যা
• PRSP:
- PRSP এর পূর্ণরূপ হলো - Poverty Reduction Strategy Papers.
- PRSP হলো আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র।
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে মোট দুটি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন PRSP প্রণয়ন করে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২৯০.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কয়বার কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়েছে?
  1. ৪ বার
  2. ৫ বার
  3. ৬ বার
  4. ৭ বার
সঠিক উত্তর:
৬ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বার
ব্যাখ্যা
কৃষিশুমারি:
- বাংলাদেশে ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ছয়বার (১৯৬০, ১৯৭৭, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৯) কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়েছে।
- সর্বশেষ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষিশুমারি হয় ৫ বার।
- ০৯ জুন হতে ২০ জুন, ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত সারা দেশে শহর ও পল্লী এলাকার সকল খানায় ও খামারে ৬ষ্ঠ বারের মত কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর World Programme for the Census of Agriculture 2020 (WCA 2020) গাইডলাইন মোতাবেক কৃষি শুমারি ২০১৯ পরিচালিত হয়।
- কৃষি শুমারি ২০১৯ এ Modular Approach পদ্ধতি অবলম্বন করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২৯১.
২০২৪ সালের কৃষি শুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের কোন জেলায় চা উৎপাদন সবচেয়ে বেশি?
  1. মৌলভীবাজার
  2. সুনামগঞ্জ
  3. পঞ্চগড়
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪ সালের কৃষি শুমারি:
- ২০২৪ সালের কৃষি শুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশে চা উৎপাদন দেশের গুরুত্বপূর্ণ কৃষি খাতের মধ্যে একটি।
- মোট উৎপাদন ৯৩,২০৮ মেট্রিক টন এবং চাষের ক্ষেত্রফল ১,৪১,৩৫৫ একর।

- বিভাগ অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয়েছে সিলেট বিভাগে (৬৫,১২০ মেট্রিক টন) এবং চাষের ক্ষেত্রফল ১,১৮,০৫২ একর।
- রংপুর বিভাগ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, উৎপাদন ১৭,১৮০ মেট্রিক টন।

- জেলা অনুযায়ী, মৌলভীবাজার জেলায় সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয়েছে (৪৪,৬৭৭ মেট্রিক টন) এবং চাষের ক্ষেত্রফল ৭৬,২৯৯ একর। 
- অন্যদিকে পঞ্চগড় জেলা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২৯২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ- 
  1. ঢাকা 
  2. চট্টগ্রাম 
  3. রাজশাহী
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ: 
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষবিভাগ ও জেলা:
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষবিভাগ চট্টগ্রাম।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে ২য় শীর্ষবিভাগ খুলনা।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে ২য় শীর্ষ জেলা:কুমিল্লা।

এছাড়াও,
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৯৩.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে কৃষি খাতে জিডিপির হার কত হবে?
  1. ১০.৫৬%
  2. ৪১.৮৬%
  3. ৪৭.৫৮%
  4. ৩০.২৩%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৬%
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- প্রাক্কলিত ব্যয় ৬,৪৯৫,৯৮০ কোটি টাকা।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে মাথাপিছু আয় হবে ৩০৫৯ মার্কিন ডলার।

মেয়াদান্তে অর্থনীতির বড় ৩টি ক্ষেত্রের অবদান হবে -
১. কৃষিখাত - ১০.৫৬%।
২. শিল্পখাত - ৪১.৮৬%।
৩. সেবাখাত - ৪৭.৫৮%।
৪. ম্যানুফ্যাকচারিং - ৩০.২৩%।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন।
২৯৪.
সর্বশেষ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ২০১৫ সাল
  2. ২০২২ সাল
  3. ২০১৭ সাল
  4. ২০১৯ সাল
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সাল
ব্যাখ্যা
• স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১৯৭৭ সালে।
• স্বাধীনতার পূর্বে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১৯৬০ সালে।
• দেশে এ পর্যন্ত মোট কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ৬ বার।
- যেমন:( ১৯৬০, ১৯৭৭, ১৯৮৩, ১৯৯৬,২০০৮, ২০১৯)।
• স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ৫ বার।
• সর্বশেষ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ৯ জুন থেকে ২০ জুন, ২০১৯সাল।

উৎস : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
২৯৫.
'কাবিখা' কী?
  1. খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
  2. পিছিয়ে পড়া মানুষদের কর্মসূচি
  3. অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের একটি কর্মসূচি
  4. নারীদের উন্নয়ন কর্মসূচি
সঠিক উত্তর:
খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
কাবিখা কর্মসূচি:
- কাজের বিনিময়ে খাদ্য বা কাবিখা হলো খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি।

⇒ কাবিখা কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
• প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ /পুননির্মাণ,
• স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন,
• গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি,
• গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি,
• দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
• দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্ট।

তথ্যসূত্র - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও বাংলাপিডিয়া।
২৯৬.
২০২২ সালে বাংলাদেশে কততম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৫ম
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৭ম
  4. ৮ম
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। 
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি। 
- বাংলাদেশে দ্বিতীয় আদমশুমারি হয় ১৯৮১ সালে।
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬ টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে আদমশুমারি হয়েছিল।
-  সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- ৬ষ্ঠ আদমশুমারি ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন জনশুমারি ও গৃহগণনা নামে অনুষ্ঠিত হয়।
- জনশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)। 

উল্লেখ্য, 
- লর্ড মেয়ো ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন এবং তার শাসনামলেই ১৮৭২ সালে উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
২৯৭.
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়নের অটোমেশন প্রক্রিয়া ADP/RADP Management System (AMS) কোন অর্থবছর হতে প্রচলন করা হয়েছে?
  1. ২০২০-২১ অর্থবছর
  2. ২০২১-২২ অর্থবছর
  3. ২০২২-২৩ অর্থবছর
  4. ২০২৩-২৪ অর্থবছর
সঠিক উত্তর:
২০২০-২১ অর্থবছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২০-২১ অর্থবছর
ব্যাখ্যা

ADP/RADP Management System (AMS):
- ADP/RADP Management System (AMS) শীর্ষক ওয়েববেইজ পদ্ধতি (ওয়েব-ভিত্তিক সিস্টেম) হলো বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক ব্যবহৃত একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) এবং সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (RADP) প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, এবং পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এখানে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো প্রকল্পের তথ্য, বরাদ্দ ও ব্যয় সংক্রান্ত ডেটা এই সিস্টেমের মাধ্যমে আপডেট করে, যা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে বাজেট ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে।
- ADP/RADP Management System (AMS) শীর্ষক ওয়েববেইজ পদ্ধতি ২০২০-২১ অর্থবছর হতে প্রচলন করা হয়েছে।
- এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, এডিপি'র ১৭টি সেক্টরের পরিবর্তে ১৫টি সেক্টরে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
- সে অনুযায়ী ২০২২-২৩,২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের এডিপি/আরএডিপি প্রণয়ন করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

২৯৮.
সাক্ষরতার হারঃ [মার্চ। ২০২০]
  1. ক) ৭৩.২%
  2. খ) ৭১.৮%
  3. গ) ৭৮%
  4. ঘ) ৭২.২%
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৩.২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৩.২%
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার - ৭৩.৯% (সূত্র : প্রধানমন্ত্রী)।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুসারে দেশের সাক্ষরতার হার ৭২.৩%।

তবে, জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯ অনুসারে উত্তর ৭৩.২%
২৯৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. দিনাজপুর
  2. বরিশাল
  3. রংপুর
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ধান উৎপাদন:

- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

উল্লেখ্য:
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।