বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩১ / ৩৯ · ৩,০০১৩,১০০ / ৩,৮৭৯

৩,০০১.
চারদিকে স্থলবেষ্টিত জলভাগকে কী বলা হয়?
  1. হ্রদ
  2. নদী
  3. উপসাগর
  4. সাগর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
ব্যাখ্যা
মহাসাগর: 
- বারিমণ্ডলের উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ বিশাল লবণাক্ত জলরাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে। 
- পৃথিবীতে পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে। যেমন- প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, উত্তর মহাসাগর এবং দক্ষিণ মহাসাগর। 
- এর মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগর বৃহত্তম ও গভীরতম। 
- আটলান্টিক মহাসাগর ভগ্ন উপকূলবিশিষ্ট এবং এটি অনেক আবদ্ধ সাগরের (Enclosed sea) সৃষ্টি করেছে। 
- ভারত মহাসাগর এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ দ্বারা পরিবেষ্টিত। 
- ৬০° দক্ষিণ অক্ষাংশ থেকে এন্টার্কটিকার হিমভাগ পর্যন্ত দক্ষিণ মহাসাগরের অবস্থান। দক্ষিণ মহাসাগরের দক্ষিণে এন্টার্কটিকা মহাদেশ বছরের সকল সময় বরফে আচ্ছন্ন থাকে। 
- উত্তর গোলার্ধের উত্তর প্রান্তে উত্তর মহাসাগর অবস্থিত এবং এর চারদিক স্থলবেষ্টিত। 

সাগর: 
- মহাসাগর অপেক্ষা স্বল্প আয়তনবিশিষ্ট জলরাশিকে সাগর (Sea) বলে। 
যথা- ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, ক্যরিবিয়ান সাগর, জাপান সাগর ইত্যাদি। 

উপসাগর: 
- তিনদিকে স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং একদিকে জল তাকে উপসাগর (Bay) বলে। 
যথা- বঙ্গোপসাগর, পারস্য উপসাগর ও মেক্সিকো উপসাগর ইত্যাদি। 

হ্রদ: 
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলভাগকে হ্রদ (Lake) বলে। 
যথা- রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে অবস্থিত সুপিরিয়র হ্রদ ও আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০০২.
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের জিনগত উপাদান কী?
  1. DNA
  2. RNA
  3. প্রোটিন
  4. লিপিড
সঠিক উত্তর:
RNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RNA
ব্যাখ্যা

• ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস একটি RNA ভাইরাস, যার জিনগত উপাদান হলো একক-সুতোয় (single-stranded) RNA।

- এটি Orthomyxoviridae পরিবারভুক্ত।
- ভাইরাসটির RNA আটটি অংশে বিভক্ত থাকে, যা বিভিন্ন প্রোটিন কোড করে।
- এই RNA গঠন ভাইরাসকে দ্রুত মিউটেশন বা পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম করে, ফলে নতুন স্ট্রেইন তৈরি হয় (যেমন: H1N1, H3N2)।
- DNA ভাইরাসের মতো এটি DNA ব্যবহার করে না, বরং RNA থেকেই প্রোটিন তৈরি করে প্রতিলিপি (replication) সম্পন্ন করে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB জীববিজ্ঞান বই, নবম-দশম শ্রেণি।
- Britannica [লিংক]।

৩,০০৩.
জলবায়ু কী?
  1. শুধুমাত্র বাতাসের আর্দ্রতা
  2. শুধুমাত্র বৃষ্টিপাতের পরিমাণ
  3. কোনো স্থানের বহু বছরের আবহাওয়ার গড় ফল
  4. স্বল্প সময়ের জন্য বায়ুর অবস্থার সামগ্রিক চিত্র
সঠিক উত্তর:
কোনো স্থানের বহু বছরের আবহাওয়ার গড় ফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো স্থানের বহু বছরের আবহাওয়ার গড় ফল
ব্যাখ্যা

- জলবায়ু (Climate) বলতে সাধারণত একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের দীর্ঘ সময়ের (সাধারণত ৩০ বছর বা তার বেশি) আবহাওয়ার গড় অবস্থাকে বোঝায়। এটি তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহের মতো আবহাওয়ার উপাদানগুলোর দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতা এবং গড় অবস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করে। 

আবহাওয়া: 

- আবহাওয়া বলতে স্বল্প সময়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুমণ্ডলের অবস্থাকে বোঝায়। 
- বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ, বায়ু কোন দিক থেকে কত জোরে প্রবাহিত হচ্ছে, বায়ুর আর্দ্রতা বা বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ, মেঘ, কুয়াশা ও বৃষ্টিপাত- এই অবস্থাগুলোকে একত্রে আবহাওয়া বলা হয়। 
যেমন- কোনো দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বোঝা যায় আবহাওয়া বেশ গরম, আবার কোনো দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বোঝা যায় আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা। আবার আকাশ মেঘলা অথবা কুয়াশাচ্ছন্ন- এরকম অবস্থাও স্বল্প সময়ের আবহাওয়া নির্দেশ করে। 

জলবায়ু: 
- জলবায়ু সহসা বদলায় না, জলবায়ু হলো কোনো স্থানের অনেক বছরের আবহাওয়ার একটি সামগ্রিক বা গড় ফল। 
যেমন- বাংলাদেশের জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র- থেকে বোঝা যায় বাংলাদেশে বেশ গরম পড়ে এবং বায়ু ভেজা বা আর্দ্র থাকে। আবার রাশিয়ার জলবায়ু শীতপ্রধান; এ থেকে বুঝা যায় রাশিয়ায় সাধারণত খুব শীত পড়ে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৩,০০৪.
মহাবিশ্বের নক্ষত্রগুলোকে আলোর তীব্রতা অনুসারে কোন কোন বর্নে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) লাল, সবুজ,বেগুনি
  2. খ) লাল, হলুদ, সবুজ
  3. গ) লাল, নীল, বেগুনি
  4. ঘ) লাল, হলুদ, নীল
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাল, হলুদ, নীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাল, হলুদ, নীল
ব্যাখ্যা
নক্ষত্রগুলোর প্রত্যেকে এক একটি জলন্ত গ্যাসপিণ্ড বলে এদের সবারই আলো ও উত্তাপ রয়েছে।
মহাবিশ্বের নক্ষত্রগুলোকে তাদের আলোর তীব্রতা অনুসারে লাল, হলুদ, নীল এই তিন বর্নে ভাগ করা হয়েছে। অতি বৃহৎ নক্ষত্রের রং লাল, মাঝারি নক্ষত্রের রং হলুদ এবং ছোট নক্ষত্রের রং নীল হয়ে থাকে।
উৎসঃ ৮ম শ্রেণি, বিজ্ঞান।
৩,০০৫.
স্বাভাবিক সিস্টোলিক ব্লাড প্রেসার হলো -
  1. < 150 mmHg
  2. < 130 mmHg
  3. < 140 - 159 mmHg
  4. < 160 mmHg
সঠিক উত্তর:
< 130 mmHg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
< 130 mmHg
ব্যাখ্যা
- স্বাভাবিক সিস্টোলিক ব্লাড প্রেসার - ১৩০ এর কম থাকে।
- সর্বোত্তম সিস্টোলিক ব্লাড প্রেসার হলো - ১২০ এর কম।
- ১৩০ - ১৩৯ হলে সেটা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ধরা হয়।

৩,০০৬.
রেলওয়ে ইঞ্জিন কে আবিষ্কার করেন?
  1. জেমস ওয়াট
  2. নিকলাস অটো
  3. জেমস হ্যারিসন
  4. স্টিফেনসন
সঠিক উত্তর:
স্টিফেনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেনসন
ব্যাখ্যা
• স্টিফেনসন (George Stephenson):
- তিনি  প্রথম কার্যকর বাষ্পচালিত রেল ইঞ্জিন তৈরি করেন। 
- এরপর ১৮২৫ সালে "Locomotion No.1" এবং ১৮২৯ সালে "The Rocket"  যা ছিল তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে উন্নত রেল ইঞ্জিন।
- তাঁকে “রেলওয়ের জনক (Father of Railways)” বলা হয়।

অন্যদিকে,
- নিকলাস অটো: তিনি অটো ইঞ্জিন বা আভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন (Internal Combustion Engine) উদ্ভাবন করেন।
- জেমস ওয়াট: তিনি বাষ্প ইঞ্জিন (Steam Engine) উন্নত করেন।
- জেমস হ্যারিসন: তিনি ফ্রিজিং সিস্টেম বা রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তিতে কাজ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,০০৭.
ডায়োড হচ্ছে -
  1. ক) এক ধরনের ভ্যাকুয়াম টিউব
  2. খ) p ও n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি জাংশন
  3. গ) npn ও pnp ট্রানজিস্টর দিয়ে তৈরি ডিভাইস
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) p ও n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি জাংশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) p ও n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি জাংশন
ব্যাখ্যা
p ও n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি জাংশনকে বলে ডায়োড।
৩,০০৮.
ভূমিকম্পের তরঙ্গ প্রধানত কয় প্রকার?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ২ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প তরঙ্গ:

• ভূমিকম্পের তরঙ্গগুলো ভূ-অভ্যন্তরে ভূ-কম্পন তরঙ্গের মূল উৎস যা কেন্দ্র হতে সবদিকে সমভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
• ভূমিকম্পের তরঙ্গ প্রধানত তিন প্রকার। যথা-
১. প্রাথমিক তরঙ্গ;
২. গৌণ তরঙ্গ বা দ্বিতীয় তরঙ্গ এবং
৩. পৃষ্ঠ তরঙ্গ। 


• প্রাথমিক তরঙ্গ (Primary Wave):
সংক্ষেপে প্রাথমিক তরঙ্গকে P Wave বা P তরঙ্গ বলে। সর্বপ্রথম P তরঙ্গ ভূমিকম্প কেন্দ্র হতে ভূ-কম্পলেখ যন্ত্রে এসে পৌঁছে বলে একে প্রাথমিক তরঙ্গ বলে। এটি মাটির মধ্য দিয়ে সোজা পথে গমন করে এবং তরঙ্গের গতিবেগ ঘনত্বের সাথে সমানুপাতিক। মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উপরিভাগে এর গতিবেগ ৬.১ কি.মি/সেকেন্ড, মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের নিম্নভাগে এর গতিবেগ ৬.৯ কি.মি/সেকেন্ড এবং সামুদ্রিক ভূ-ত্বকে এর গতিবেগ ৮ কি.মি/সেকেন্ড। অপরদিকে পৃথিবীর কেন্দ্রে অর্থাৎ ম্যান্টল এ এর গতিবেগ ১১ কি.মি/সেকেন্ড। প্রাথমিক তরঙ্গ সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে বস্তুকে আন্দোলিত করে এবং শিলায় সামান্য পরিমাণে স্থান পরিবর্তন হয়।

• গৌণ তরঙ্গ (Secondary Wave): গৌণ তরঙ্গকে S Wave বা দ্বিতীয় পর্যায়ের তরঙ্গ বলে। প্রাথমিক তরঙ্গের পরে দ্বিতীয় পর্যায়ের তরঙ্গ ভূমিকম্প তরঙ্গ কেন্দ্র হতে ভূ-কম্পলেখ যন্ত্রে এসে পৌঁছে। প্রাথমিক তরঙ্গ হতে এর পার্থক্য হলো এটি প্রাথমিক তরঙ্গের তুলনায় ধীরগতি সম্পন্ন এবং এটি তরল মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যেতে পারে না। S তরঙ্গ বস্তুকে সামনে পিছনে সমকোণে দোলাতে থাকে এবং দালানের কাঠামোর জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতির কারণ হয়।

• পৃষ্ঠ তরঙ্গ (Surface Wave): পৃষ্ঠ তরঙ্গকে দীর্ঘ তরঙ্গ বা Long Wave বলে। এই তরঙ্গ সবচেয়ে কম গতিবেগ সম্পন্ন। Long Wave বা পৃষ্ঠ তরঙ্গের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পৃষ্ঠ তরঙ্গ শুধুমাত্র পৃথিবীর উপরিভাগ বা বহিরাবরণ দিয়ে চলতে পারে। এর গতিবেগ অত্যন্ত কম মাত্র ৪.৮-৬.২ কি.মি/সেকেন্ড। এই তরঙ্গও গৌণ তরঙ্গ বা S তরঙ্গের ন্যায় তরল মাধ্যমে চলাচল করতে পারে না।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০০৯.
সূর্য কী?
  1. একটি নক্ষত্র
  2. একটি গ্রহ
  3. একটি উপগ্রহ
  4. একটি ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
একটি নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি নক্ষত্র
ব্যাখ্যা

সূর্য (Sun): 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- সূর্যের পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস। 
- এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড। 
- হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের। 
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,০১০.
কোন পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে?
  1. ক) সমুদ্রের পানিতে
  2. খ) ঝরনার পানিতে
  3. গ) পুকুরের পানিতে
  4. ঘ) টিউবওয়েলের পানিতে
সঠিক উত্তর:
খ) ঝরনার পানিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঝরনার পানিতে
ব্যাখ্যা

আবদ্ধ পানির চেয়ে চলমান পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
এবং, সাগরের পানির চেয়ে মিঠা পানিতে অক্সিজেন বেশি থাকে।
Rapidly moving water, such as in a mountain stream or large river, tends to contain a lot of dissolved oxygen, whereas stagnant water contains less.
Source: USGS and others.

৩,০১১.
কলেরা রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব কোনটি?
  1. ভাইরাস
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ফাঙ্গাস
  4. প্রোটোজোয়া
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
• কলেরা রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব হলো ব্যাকটেরিয়া। 

• কলেরা:
- কলেরা (Cholera) একটি পানিবাহিত সংক্রামক রোগ, যার প্রধান লক্ষণ হলো অতিরিক্ত ডায়রিয়া এবং পানি শূন্যতা (dehydration)।

• রোগের কারণ:
- এই রোগের কারণ হলো Vibrio cholerae নামক একটি ব্যাকটেরিয়া।
- এই ব্যাকটেরিয়া দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এবং অন্ত্রে সংক্রমণ সৃষ্টি করে।

• রোগের লক্ষণ:
- হঠাৎ পানির মতো পাতলা ডায়রিয়া। 
- বমি।
- শরীরের পানি ও লবণ ঘাটতি।
- চোখ বসে যাওয়া, দুর্বলতা, ও যদি দ্রুত চিকিৎসা না হয়, মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে ।

• প্রতিকারের উপায়:
- বিশুদ্ধ পানি পান করা। 
- সঠিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা।
- ভ্যাকসিন (Oral Cholera Vaccine – OCV) গ্রহণ। 
- ORS (Oral Rehydration Salts) দ্রুত প্রয়োগ। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ।
- World Health Organization (WHO).
৩,০১২.
মা ও শিশুকে টিটেনাস রোগ থেকে রক্ষার জন্য কোন ভ্যাকসিন দেওয়া হয়?
  1. Tetanus toxoid
  2. Measles vaccine
  3. Oral Polio Vaccine
  4. Bacillus Calmette Guerin
সঠিক উত্তর:
Tetanus toxoid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tetanus toxoid
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization - WHO) এর (Expended Programe on Immunization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কিছু রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদি রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
- মা ও শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- ভ্যাকসিনেশনের জাতীয় কর্ম সূচিতে নিচের ছক অনুযায়ী টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে - 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,০১৩.
আবহাওয়া সংক্রান্ত বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান কোনটি? 
  1. ক) WMO
  2. খ) WHO
  3. গ) ICDDR 
  4. ঘ) CDC
সঠিক উত্তর:
ক) WMO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) WMO
ব্যাখ্যা
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা ( World Meteorological Organization -WMO):
এটি ১৯১ সদস্য রাষ্ট্র ও রাজ্যেগুলোর আন্তঃসরকারি প্রতিষ্ঠানের একটি সদস্যপদ। ১৮৭৩ সালে,আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা থেকে এর উত্‍পত্তি হয়। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা ১৯৫০ সালের ২৩ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
৩,০১৪.
মহাবিশ্বের বয়স প্রায়-
  1. ১২ বিলিয়ন বছর
  2. ১৪ বিলিয়ন বছর
  3. ১৭ বিলিয়ন বছর
  4. ১১ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা

- মহাবিশ্বের বয়স ১৩.৭ বিলিয়ন প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর। 
- আমাদের সৌরজগৎ ৪.৬ বিলিয়ন বছর, পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন বছর ধরে, এবং মানুষ মাত্র কয়েক লক্ষ বছর ধরে অস্তিত্বে রয়েছে।
- অন্য কথায়, মহাবিশ্ব আমাদের প্রজাতির চেয়ে প্রায় ৫৬,০০০ গুণ বেশি সময় ধরে অস্তিত্বে রয়েছে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট [লিংক]।

৩,০১৫.
স্পারসো কী?
  1. ক) ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র
  2. খ) মহাকাশ গবেষণাকারী বেসরকারি সংস্থা
  3. গ) একটি আধুনিক মহাকাশ প্রযুক্তি
  4. ঘ) মহাকাশ গবেষণাকারী স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহাকাশ গবেষণাকারী স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহাকাশ গবেষণাকারী স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা
ব্যাখ্যা
- স্পারসো (Space Research and Remote Sensing Organisation-SPARRSO)  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা দেশের মহাকাশ বিজ্ঞান এবং দূর অনুধাবন প্রযুক্তি গবেষণার সঙ্গে জড়িত।
- পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, ঢাকা-র ক্যাম্পাসে ১৯৬৮ সালে একটি অটোমেটিক পিকচার ট্রান্সমিশন-এপিটি (Automatic Picture Transmission-APT) গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশ মহাকাশ প্রযুক্তির জগতে প্রবেশ করে। 
- এই গ্রাউন্ড স্টেশনের মাধ্যমে আবহাওয়া উপগ্রহ থেকে সরাসরি প্রকৃত আবহাওয়া চিত্র লাভ করা হতো।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০১৬.
Vit-A এর অভাবে-
  1. ক) রাতকানা
  2. খ) এনিমিয়া
  3. গ) ক্ষুধামন্দা
  4. ঘ) মানষিক হতাশা
সঠিক উত্তর:
ক) রাতকানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাতকানা
ব্যাখ্যা

ভিটামিন-বি১(B1) এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়। এছাড়া ভিটামিন-সি(C) এর অভাবে স্কার্ভি; ভিটামিন-ডি(D) এর অভাবে রিকেটস; এবং ভিটামিন-এ(A) এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৩,০১৭.
আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা হিসাবে চিহ্নিত কোনটি?
  1. ৯০° দ্রাঘিমারেখা
  2. ১২০° দ্রাঘিমারেখা
  3. ১৬০° দ্রাঘিমারেখা
  4. ১৮০° দ্রাঘিমারেখা
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা

১৮০° দ্রাঘিমারেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।
- পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমারেখা।
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের নিকটবর্তী গ্রীনিচ নামক স্থানে একটি মান মন্দির বরাবর যে দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল দ্রাঘিমারেখা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- এই মূল মধ্যরেখাটির মান ০° ধরে নেয়া হয় এবং প্রতি ১০ অন্তর অন্তর একটি করে দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা বরাবর সমস্ত পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে দুইভাগে বিভক্ত করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- অপরদিকে মূল মধ্য রেখা থেকে পশ্চিমে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- পৃথিবী পৃষ্ঠে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত মোট দ্রাঘিমারেখার সংখ্যা ৩৬০টি।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ার ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা মূলত একই মধ্যরেখার পড়ে।
- এই ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা হিসাবে চিহ্নিত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০১৮.
দুর্বলতম মৌলিক বল কোনটি?
  1. ক) মহাকর্ষ বল
  2. খ) তাড়িতচৌম্বক বল
  3. গ) দুর্বল নিউক্লীয় বল
  4. ঘ) সবল নিউক্লীয় বল
সঠিক উত্তর:
ক) মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।
- মৌলিক বল হলো চারটি- মহাকর্ষ বল, তাড়িতচৌম্বক বল, সবল নিউক্লিয় বল, দুর্বল নিউক্লিয় বল।
- ভরের কারণে মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বলে।
- মহাকর্ষ একটি সার্বজনীন বল৷ চারটি মৌলিক বলের মধ্যে মহাকর্ষ হলো দুর্বলতম বল।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি;
৩,০১৯.
বাংলাদেশে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন কবে চালু হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন ২০২০ সালে চালু হয়। 
- ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেনে ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৮ কেজি আম পরিবহন করা হয়েছে।
- ট্রেন ভাড়া পেয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা।
- ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চার বছরে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেনে ৩ হাজার ৯৯৫ টন আম পরিবহন করা হয়েছে।
- এ থেকে রেলের আয় হয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা।
- গত চার বছরে ট্রেনটি চলাচলে তেল খরচ হয়েছে ৯২ লাখ ৯১ হাজার টাকা।
- ফলে এই কয়েক বছরে রেলওয়ের লোকসান হয়েছে ৪৬ লাখ ৬১ হাজার ৮৬০ টাকা।
- ২০২৪ সালে রাজশাহী থেকে সর্বনিম্ন খরচে ঢাকায় আম পরিবহনের জন্য আগামী ১০ জুন থেকে চালু হচ্ছে 'ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন'।
- এ ট্রেনে রাজশাহী থেকে ঢাকায় আম পরিবহনে প্রতি কেজিতে খরচ পড়বে এক টাকা ৪৩ পয়সা।

সূত্র- রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।  
৩,০২০.
অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর আদর্শমান কত?
  1. 9.78 ms-2
  2. 9.81 ms-2
  3. 9.83 ms-2
  4. 9.84 ms-2
সঠিক উত্তর:
9.81 ms-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.81 ms-2
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ:

- পৃথিবীর আহ্নিক গতির জন্য বিষুব রেখা অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি।
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে যত মেরু অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া যায় g-এর মান তত বাড়তে থাকে।
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g -এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g -এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2. 

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০২১.
পেট্রোল ইঞ্জিন সফলতার সাথে কে চালু করেন? 
  1. জেমস ওয়াট 
  2. ড. অটো
  3. কার্নো
  4. কেলভিন 
সঠিক উত্তর:
ড. অটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. অটো
ব্যাখ্যা

- ড. নিকোলাস অটো প্রথম পেট্রোল ইঞ্জিন তৈরি করেন। 

অন্যদিকে,
- জেমস ওয়াট বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের আবিষ্কার করেন। 
- তাপ গতিবিদ্যার জনক লর্ড কেলভিন, তিনি ১৮৫০ সালে তাপ গতিবিজ্ঞানের (থার্মোডিনামিক্সের) দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিয়েছিলেন। 
- তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য 'সাদী কার্নো' সকল দোষ-ত্রুটি মুক্ত যে আদর্শ যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন তাকে কার্নো ইঞ্জিন বলে। 
- কার্নো ইঞ্জিন একটি আদর্শ ইঞ্জিনের ধারণামাত্র, বাস্তবে এর রূপান্তর সম্ভব হয়নি। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,০২২.
কোন দ্রবণের pH মান 7 এর কম হলে লিটমাস পেপার কোন রং ধারণ করে?
  1. ক) নীল
  2. খ) হলুদ
  3. গ) সাদা
  4. ঘ) লাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাল
ব্যাখ্যা
pH মান জানার জন্য সাধারণত ইউনিভার্সাল ইন্ডিকেটর, pH পেপার বা pH মিটার ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৩,০২৩.
ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস বেরিয়ে যাবার সঙ্গে বেলুনটি ছুটে যায়। কোন ইঞ্জিনের নীতির সঙ্গে এর মিল আছে?
  1. ক) বাষ্পীয় ইঞ্জিন
  2. খ) অন্তর্দহন ইঞ্জিন
  3. গ) স্টারলিং ইঞ্জিন
  4. ঘ) রকেট ইঞ্জিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) রকেট ইঞ্জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রকেট ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা
রকেটের পেছনের অংশ হতে গ্যাস প্রচন্ড বেগে নির্গত হয় এবং প্রতিক্রিয়া বল অনুযায়ী প্রচন্ড বেগে সামনের দিকে এগিয়ে যায় রকেট।
একই নীতি ফুলানো বেলুনের বেলায়ও কার্যকর।

উৎসঃ মাধ্যমিক বিজ্ঞান বই
৩,০২৪.
এইচআইভি সংক্রমণে মানবদেহের কোন কোষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
  1. প্লেটলেট
  2. RBC
  3. T4 লিম্ফোসাইট
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
T4 লিম্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T4 লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা

• এইচআইভি (HIV) সংক্রমণে মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি নির্দিষ্ট কোষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেটি হলো T4 লিম্ফোসাইট, যাকে CD4 টি-হেলপার সেলও বলা হয়। এই ভাইরাসটি মূলত এই কোষের গায়ে থাকা CD4 রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কোষের ভেতরে প্রবেশ করে এবং ধীরে ধীরে কোষটিকে ধ্বংস করে দেয়। T4 লিম্ফোসাইট শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই কোষের সংখ্যা কমে গেলে রোগীর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে যায় এবং AIDS-এর মতো জটিল অবস্থার সৃষ্টি হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) T4 লিম্ফোসাইট।
 
• AIDS:
- AIDS হলো Acquired (অর্জিত) Immune (ইমিউন বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) Deficiency (ডেফিসিয়েন্সি বা হ্রাস) Syndrome (সিনড্রোম বা অবস্থা) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। অর্থাৎ, বিশেষ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াকে এইডস (AIDS) বলে।

• HIV:
- Human Immunodeficiency Virus (HIV) নামক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়।
- HIV ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের শ্বেত রক্তকণিকার ম্যাক্রোফেজ ও T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- এতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যায়।
- বর্তমান বিশ্বে AIDS একটি মারাত্মক রোগ। এইডস বিশ্বব্যাপি বিস্তৃত (pandemic) একটি ভয়াবহ যৌন রোগ যা প্রতিনিয়ত আরো বিস্তৃত হচ্ছে।

• আক্রমণের পর্যায়:
- HIV ভাইরাসের envelope এ থাকা gp120 প্রোটিনের মাধ্যমে এটি CD4 receptor-এর সাথে যুক্ত হয়।
- ভাইরাস কোষে প্রবেশ করে এবং নিজের প্রতিলিপন করে।
- ধীরে ধীরে T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংস হয়ে যায়।
- রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে, এর ফলে চূড়ান্ত অবস্থায় সাধারণ রোগেও মৃত্যু হতে পারে। 

• প্রতিরোধ: 
- নিরাপদ যৌনমিলন করা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক বিধি-বিধান মেনে চলা।
- যৌনমিলনের সময় কনডম ব্যবহার করা।
- অস্বাভাবিক যৌনমিলন, বহুগামিতা, সহকামিতা এবং পতিতাগামিতা পরিহার করা।
- যৌনসঙ্গী নির্বাচনে সতর্ক থাকা।
- HIV আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে যৌনমিলন থেকে বিরত থাকা।
- এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান ধারণ অথবা সন্তানকে বুকের দুগ্ধ পান করানো থেকে বিরত রাখা।
-  রক্ত গ্রহণের আগে HIV সংক্রমিত কিনা তা পরীক্ষা করা।
- ইনজেকশন গ্রহণের সময় পরিশোধিত বা নতুন সিরিঞ্জ ও সুঁই ব্যবহার করা।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।

৩,০২৫.
ভূমিকম্প নির্দেশক যন্ত্রের নাম কী?
  1. ক) ব্যারোমিটার
  2. খ) সিসমোমিটার
  3. গ) ল্যাকটোমিটার
  4. ঘ) থার্মোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) সিসমোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিসমোমিটার
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ।
- এ যন্ত্রে মিটারস্কেল ব্যবহার করা হয় বলে একে সিসমোমিটারও বলা হয়।
- সিসমোগ্রাফ ভূ-পৃষ্ঠের আন্দোলন পরিমাপনের এবং ভূমিকম্পের উৎস খুঁজে বের করার যন্ত্র।
- এর সাহায্যে অন্যান্য বিস্ফোরণ, প্রচন্ড ঝড় ইত্যাদির খোঁজ পাওয়া যায়। 
- ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপের জন্য রিখটার স্কেল ব্যবহার করা হয়।

এছাড়াও,
- সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম ক্রেস্কোগ্রাফ।
- ক্রোনোমিটার (Chronometer) - সূক্ষ্ম সময় মাপার যন্ত্রের নাম।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,০২৬.
'আলোর কণা' তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. অ্যালো হ্যাজেন
  3. গ্যালিলিও
  4. রামফোর্ড
সঠিক উত্তর:
আইজ্যাক নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইজ্যাক নিউটন
ব্যাখ্যা
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০২৭.
বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি এবং হিটারে ব্যবহৃত হয়-
  1. নাইক্রোম তার
  2. টাংস্টেন তার
  3. কপার তার
  4. এন্টিমনি তার
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম তার
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি এবং হিটারে নাইক্রোম তার ব্যবহৃত হয়।
- নাইক্রোম তার হচ্ছে নিকেল ও ক্রোমিয়াম ঘটিত সংকর ধাতু নির্মিত এক ধরনের তার।
- এর আপেক্ষিক রোধ বেশি এবং উষ্ণতার হ্রাস বৃদ্ধিতে রোধের পরিবর্তন কম।
- টাংস্টেন তার বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম- দশম শ্রেণী।
৩,০২৮.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত তেজস্ক্রিয় মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা সাধারণত কত হয়?
  1. ১০২ এর বেশি
  2. ৮২ এর বেশি
  3. ৯৪ এর বেশি
  4. ৬৮ এর বেশি
সঠিক উত্তর:
৮২ এর বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২ এর বেশি
ব্যাখ্যা
- কোনো প্রাকৃতিক পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গমনের ঘটনা ঘটলে সেসব পদার্থকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলে।
- যেমন- ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম, থোরিয়াম ইত্যাদি হলো প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় মৌল।
- এসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা সাধারণত ৮২ বা তার থেকে বেশি হয়ে থাকে। 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৩,০২৯.
সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?
  1. ৪০০ মিলিমিটার
  2. ৭৬০ মিলিমিটার
  3. ৫৪০ মিলিমিটার
  4. ৮৯০ মিলিমিটার
সঠিক উত্তর:
৭৬০ মিলিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬০ মিলিমিটার
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠের প্রতি একক জায়গায় বায়ুর গ্যাসের অনুগুলোর সংঘর্ষের ফলে প্রদত্ত বলই হলো বায়ুর চাপ।
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ ৭৬ সেন্টিমিটার বা ৭৬০ মিলিমিটার বা ২৯.৯২ ইঞ্চি পারদ স্তম্ভের সমান। 
- আদর্শ অবস্থায় বায়ুমণ্ডলের চাপ ১০১৩.২৫ মিলিবার (১০১,৩২৫ প্যাসকেল) বা ৭৬০ পারদ মি.মি., ২৯.৯২ পারদ ইঞ্চি, বা ১৪.৬৯৬ পাউন্ড/ইঞ্চি২।
- এটিএম (atm) এককটি পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সমতুল্য অর্থাৎ পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলীয় চাপ প্রায় ১ এটিএম। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩,০৩০.
প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যালসিয়ামের অভাবে কোন রোগ হয়?
  1. রক্তশূন্যতা 
  2. অস্টিওম্যালেসিয়া
  3. রাতকানা 
  4. স্কার্ভি 
সঠিক উত্তর:
অস্টিওম্যালেসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্টিওম্যালেসিয়া
ব্যাখ্যা

ক্যালসিয়াম (Ca): 
- এটি প্রাণীদের হাড় এবং দাঁতের একটি প্রধান উপাদান।
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম।
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে।
- রক্তে এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি লক্ষণীয়।
- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, পালংশাক, কচুশাক, লালশাক, কলমিশাক, বাঁধাকপি এবং ফল।
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি।
- ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিন্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে।
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়।
- এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,০৩১.
'রিং স্পট (Ring spot)' রোগটি কোন ফলে দেখা যায়?
  1. ক) আম
  2. খ) পেঁপে
  3. গ) কলা
  4. ঘ) লিচু
সঠিক উত্তর:
খ) পেঁপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পেঁপে
ব্যাখ্যা
রিং স্পট রোগটি পেঁপের মাঝে দেখা যায়।

- রিং স্পট ভাইরাস দ্বারা পেঁপের রিংস্পট রোগ হয়।
- ভাইরাস টি সাধারণত পাপায়য়া রিংস্পট ভাইরাস নাম পরিচিত।
- এটি ৭৬০-৮০০ নেনোমিটার লম্বা এবং এর ব্যাস ১২ নেনোমিটার।
- পেঁপে ছাড়াও এ ভাইরাস কুমড়া জাতীয় উদ্ভিদে মোজাইক রোগের সৃষ্টি করে।
- ক্যাপসিডের বাইরে এর কোন আবরণ নেই।এটি একটি আর.এন.এ ভাইরাস। 

রোগের লক্ষণসমূহ- 
১) উদ্ভিদ জন্মের সাথে সাথে এ রোগের সংক্রমণ ঘটতে পারে । সংক্রমণের ৩০-৪০ দিন এর মধ্যেই প্রথম রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় ।
2) ক্লোরপ্লাস্ট নষ্ট হয়ে পাতায় হলদে-সবুজ মোজাইকের মতো দাগ পড়ে ।
৩) কান্ড পাতার বোঁটা ও ফলে তৈলাক্ত বা পানি সিক্ত গাঢ় সবুজ দাগ সৃষ্টি হয়।
৪) অপেক্ষাকৃতো কম বয়সের পাতায়ই রোগের লক্ষণ প্রথম প্রকাশ পায় ।
৫) আক্রমণ বেশী হলে পাতায় বহুল পরিমানে মোজায়িক সৃষ্টি হয়,পাতা আকৃতিতে ছোট ও কুকড়ে যায়,গাছের মাথায় বিকৃত আকৃতির ক্ষুদ্রাকায় কিছু পাতা লক্ষ্য করা যায়।অন্যান্য পাতা ঝরে পড়ে।কখনো কখনো পাতার কেবল শিরাগুলো থাকে।
৬) আক্রান্ত ফলের উপর পানি ভেজা গোলাকার দাগ পড়ে এবং দাগের মধ্যবর্তী স্থান শক্ত হয়ে যায়।
৭) পেঁপে হলুদ হয়ে যায়,রিংস্পট লক্ষণ প্রকাশিত হয়,আকর ছোট হয়ে যায়।অনেক সময় পুষ্ট হবার আগেই ঝরে যায় ।
৮) পেঁপের মিষ্টতা ও পেপেইন হ্রাস পায় ।
৯) ফলন শতকরা ৯০ ভাগ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে ।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩২.
রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ এনজাইম ব্যবহার করা হয় -
  1. স্মল পক্স এর ভ্যাকসিন তৈরিতে
  2. DNA অণুকে কাঁটতে
  3. DNA অণু জোড়াদানে
  4. সব ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
DNA অণুকে কাঁটতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNA অণুকে কাঁটতে
ব্যাখ্যা
রিকম্বিনেট ডিএনএ টেকনলজি
-জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ - প্রত্যাশিত DNA অনুকে ছেদন।
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে কেটে আলাদা করা হয়।
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ এনজাইম ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে। যথা- Eco RI, Hind III, Bam HI ইত্যাদি।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজান অংশকে অসমভাবে কেঁটে দেয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
৩,০৩৩.
প্রোটিন সংশ্লেষণ করা কোনটির প্রধান কাজ?
  1. ক) ক্লোরোপ্লাস্ট
  2. খ) লাইসোজোম
  3. গ) নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) রাইবোজোম
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাইবোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাইবোজোম
ব্যাখ্যা
রাইবোজোমের প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ করা। এজন্য রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৩৪.
বাংলাদেশের উপর দিয়ে যে ভৌগোলিক কাল্পনিক রেখা গেছে তার নাম কি?
  1. ক) দ্রাঘিমা রেখা
  2. খ) বিষুব রেখা
  3. গ) কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. ঘ) মকর রেখা
সঠিক উত্তর:
গ) কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:

- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
-বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৩,০৩৫.
কোন রশ্মির সাহায্যে আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি নির্ণয় করা যায়? 
  1. বিটা রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. রঞ্জন রশ্মি
  4. গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্সরে (X-ray): 
- নলের যে অংশে ক্যাথোড রশ্মি আপতিত হয় সে অংশ থেকে সবুজাভ হলুদ রং-এর আলোর আভা ছাড়াও এক প্রকার অদৃশ্য রশ্মি বিকিরিত হচ্ছে। 
- এই অদৃশ্য রশ্মির প্রকৃত নাম না জানা থাকায় প্রফেসর রঞ্জন এর নামকরণ করেন এক্সরে (X-Rays)। একে রঞ্জন রশ্মিও বলে। 
- ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনিত হন যে, অধিক গতিসম্পন্ন ইলেকট্রনগুলো কোনো ধাতুর প্রতিবন্ধকে বাধা পেলে গতিশক্তি হারায় এবং এই গতিশক্তি এক্সরেতে রূপান্তরিত হয়। 
- এক্সরের একক হলো রন্টজেন। 
- যে পরিমাণ বিকিরণের জন্য স্বাভাবিক চাপ ও তাপমাত্রায় এক মিলিলিটার বায়ুতে এক কুলম্ব আধান উৎপন্ন করতে পারে তাকে এক রন্টজেন বলে। 

এক্সরের ধর্ম: 
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
৪ । এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
৫। এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108ms-1 বেগে গমন করে। 
৬। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

শিল্প ক্ষেত্রে: 
- শিল্প ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
যেমন- 
• আসল ও নকল রত্নের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়, 
• ঢালাই করা ধাতুর ভিতরের ত্রুটি নির্ণয়, 
আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি নির্ণয়
• ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার সন্ধান করা, 
• ঝালাই-এর ত্রুটি নির্ণয়, 
• মূল্যবান ধাতুর বিশুদ্ধতা নির্ণয় ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়, 
• টফি, লজেন্সে কোনো ক্ষতিকর বস্তু আছে কিনা তা সনাক্ত করার জন্য এবং টফি, লজেন্স, সিগারেট ইত্যাদির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের জন্যও এক্সরে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩৬.
এক ফ্যারাডে = ________ C তড়িৎ চার্জ।
  1. 69500
  2. 96500
  3. 98500
  4. 89500
সঠিক উত্তর:
96500
উত্তর
সঠিক উত্তর:
96500
ব্যাখ্যা
ফ্যারাডে (Faraday): 
- এক মোল পরিমাণ ইলেকট্রনের চার্জকে 96500 কুলম্ব ধরা হয়। 
- মোল পরিমাণ তড়িৎ চার্জকে এক ফ্যারাডে বলা হয়। 
- ফ্যারাডের প্রতীক হলো F. 
- এক ফ্যারাডে = 96500 C তড়িৎ চার্জ। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৩,০৩৭.
বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের অবস্থানের কারণে কোন ধরনের বায়ু নিয়মিত প্রবাহিত হয়?
  1. ক) সমুদ্র বায়ু
  2. খ) মৌসুমি বায়ু
  3. গ) স্থল বায়ু
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের অবস্থানের কারণে সমুদ্র ও স্থলবায়ু নিয়মিত প্রবাহিত হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই
৩,০৩৮.
পাখি পালন সংক্রান্ত বিদ্যা কী নামে পরিচিত?
  1. এভিকালচার
  2. সেরিকালচার 
  3. এপিকালচার
  4. পিসিকালচার
সঠিক উত্তর:
এভিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এভিকালচার
ব্যাখ্যা

- পাখি পালন সংক্রান্ত বিদ্যাকে এভিকালচার (Aviculture) বলা হয়, এটি বন্দী অবস্থায় পাখি পালন এবং প্রজননের অনুশীলনকে বোঝায় 

আধুনিক চাষ সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতিসমূহ: 

• মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার।
• রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
• পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
• উদ্যান পালন (ফল, ফুল ও শাকসবজি চাষ) বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 
• সামুদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 

৩,০৩৯.
গর্ভাবস্থায় আয়রন এবং ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট কখন থেকে নিয়মিত গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়?
  1. প্রথম মাস থেকে
  2. পঞ্চম মাস থেকে 
  3. দ্বিতীয় মাস থেকে 
  4. তৃতীয় মাস থেকে
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় মাস থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় মাস থেকে
ব্যাখ্যা

গর্ভকালীন বিভিন্ন সমস্যা ও সচেতনতা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন জটিলতায় অনেক নারী মৃত্যুবরণ করেন। 
- গর্ভকালীন সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাব মা ও শিশুর উভয়ের জন্য জীবনঘাতী হতে পারে। 
- তাই সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

গর্ভকালীন রক্তস্বল্পতা: 
- গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহ ও পুষ্টির ঘাটতির কারণে রক্তস্বল্পতা হতে পারে।
- গর্ভকালীন সময় রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে ডাক্তারের নিচের পরামর্শগুলো মেনে চলার পরামর্শ দেন- 
• প্রথম মাস থেকে ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট গ্রহণ করতে হয়। 
তৃতীয় মাস থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 
• আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন: কচুশাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি। 
• ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেলে আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি পায়। যেমন: আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস, কাঁচা ফলমূল ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৪০.
জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলার সূর্যের চারপাশে গ্রহগুলোর গতি সম্পর্কিত কতটি মৌলিক সূত্র উপস্থাপন করেন?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
• কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়। যথা

• প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
• দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):
- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
• তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র):
- সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং LIVE MCQ লেকচার।
৩,০৪১.
মানবদেহের ভারসাম্য রক্ষাকারী অঙ্গ কোনটি?
  1. ক) চোখ
  2. খ) কান
  3. গ) নাক
  4. ঘ) জিহ্বা
সঠিক উত্তর:
খ) কান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কান
ব্যাখ্যা

কানের অংশ হলো তিনটি- বহিঃকর্ণ, মধ্যকর্ণ এবং অন্তঃকর্ণ। অন্তঃকর্ণের স্যাকুলাস ও ইউট্রিকুলাস শরীরের ভারসাম্য রক্ষার সাথে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।
এটি দেহের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে মস্তিষ্ককে সাহায্য করে এবং দেহ অবস্থানের অনুভূতির উদ্রেক করে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,০৪২.
লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত কোন এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে?
  1. পেপসিন
  2. লাইপেজ
  3. টায়ালিন
  4. ট্রিপসিন
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
ব্যাখ্যা
মুখবিবর: 
- মুখ পরবর্তী অংশটি মুখবিবর। 
- মুখ বিবরের ঊর্ধ্ব প্রাচীর তালুর অস্থি ও পেশি দিয়ে, সামনের প্রাচীর ঠোঁটের পেশি দিয়ে এবং পার্শ্ব প্রাচীর গালের পেশি দিয়ে গঠিত। 
- তালুর অগ্রভাগ অস্থিনির্মিত এবং শক্ত, পেছনের অংশ মাংসল ও নরম। 
- তালুর পেছনের অংশের মধ্যভাগ থেকে একটি অপেক্ষাকৃত সরু আলজিহবা মুখবিবরে ঝুলে থাকে। 
- মানুষের ঊর্ধ্ব ও নিম্ন চোয়াল দাঁতযুক্ত। 
- এছাড়া মুখবিবরে তিন জোড়া লালাগ্রন্থি থাকে।  
- নিম্নে চোয়ালের অস্থির সাথে জিহ্বাযুক্ত থাকে। 
- পৃষ্ঠতলের উপর থাকে স্বাদকোরক এগুলো বিভিন্ন রাসায়নিক বস্তুর প্রতি সংবেদনশীল। 
- জিহ্বার অগ্রভাগ মিষ্টি, দুই পার্শ্ব নোনা, পশ্চাৎ ভাগের দুই পার্শ্ব টক এবং পেছনের দিক তিক্ত স্বাদ গ্রহণ করে। 

কাজ: 
- দাঁত খাদ্য দ্রব্যকে কাটা, ছেঁড়া ও পেষণে সাহায্য করে। 
- জিহ্বা খাদ্য দ্রব্যের স্বাদ গ্রহণ করে এবং পেষণের সময় লালারস মিশ্রিত করে খাদ্য দ্রব্যকে পিচ্ছিল করে পেছনে ঠেলে দেয়। 
- লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত “মিউসিন” খাদ্যকে পিচ্ছিল করে। 
- আর লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত টায়ালিন ও মল্টেজ এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৪৩.
নিচের কোনটি ভুমিকম্প সৃষ্টির জন্য দায়ী?
  1. ক) ট্রপোমন্ডল
  2. খ) স্ট্রাটোমন্ডল
  3. গ) তাপমন্ডল 
  4. ঘ) টেকটোনিক প্লেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) টেকটোনিক প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টেকটোনিক প্লেট
ব্যাখ্যা
টেকটোনিক প্লেট ভুমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরি উদগীরনের জন্য দায়ী। 

প্লেট টেকটোনিক হচ্ছে একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব। এই তত্ত্বে পৃথিবীর অশ্বমণ্ডল—অর্থাৎ একে অপরের দিকে চলাচল করতে সক্ষম এমন অনমনীয় খণ্ডের সমন্বয়ে তৈরি ভূত্বক বা পৃথিবীর উপরিতলের বর্ণনা করা হয়েছে। সর্বপ্রথম ১৯১২ সালে জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগনার ‘কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ নামে একটি তত্ত্ব প্রদান করেন। তাঁর এই তত্ত্বে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে ‘বহুকাল আগে সবগুলো মহাদেশ পরস্পর সংযুক্ত ছিল।
একত্রে এদের প্যানজিয়া বা সুপারকন্টিনেন্ট বলা হতো। পরে কালের আবর্তে ভূত্বকীয় পাতের নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে যায়। ’ পরবর্তী বিজ্ঞানীরা তাঁর এই তত্ত্বটির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন গবেষণা ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আধুনিকতম তত্ত্ব বের করেন, যা সবার কাছে প্লেট টেকটোনিক হিসেবে পরিচিত। এই তত্ত্বের মূল ধারণা হলো, ভূপৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত। এগুলোকে প্লেট বলে। এই প্লেটগুলো গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের ওপরে ভাসমান অবস্থায় আছে। ভূত্বকীয় প্লেটগুলোকে মূলত সাত ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যেমন—আফ্রিকান প্লেট, এন্টার্কটিক প্লেট, ইউরেশিয়ান প্লেট, ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেট, উত্তর আমেরিকান প্লেট, প্যাসিফিক প্লেট, দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট। এই প্লেটগুলো প্রতিবছর কয়েক সেন্টিমিটার কোনো এক দিকে সরে যায়। কখনো একে অন্যের দিকে আসে, কখনো আবার কয়েক মিলিমিটার ওপরে ওঠে বা নিচে নামে। যখন একটি প্লেটের সঙ্গে আরেকটি প্লেট ঘষা বা ধাক্কা খায় তখন ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগিরণের ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হয়, প্লেটগুলো একটি আরেকটির সঙ্গে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয়। তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগিরণ বলে। বেরিয়ে আসা গলিত তরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত। একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সঙ্গে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে। একেই ভূমিকম্প বলে। এ ছাড়া বিজ্ঞানীরা এ তত্ত্ব ব্যবহার করে পর্বত সৃষ্টি এবং মহাসাগর ও মহাদেশ সৃষ্টির ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
৩,০৪৪.
যে সকল জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদেরকে কী বলে?
  1. গ্রহ
  2. উপগ্রহ
  3. নক্ষত্র
  4. চাঁদ
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ ও ভূ-মন্ডল:
⇒মহাবিশ্বের মহাকাশে গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, নীহারিকা, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ও উল্কা ইত্যাদিকে জ্যোতিষ্ক বলে।
-যে সকল জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদেরকে নক্ষত্র বলে। যেমন সূর্য।
-আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে। যেমন-পৃথিবী, সূর্যের আলোতে আলোকিত হয়।
- গ্রহসমূহের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান নিজস্ব আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে উপগ্রহ বলে। যেমন- চাঁদ, পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
- মহাকাশে কখনও কখনও কোন জ্যোতিষ্ক কিছু দিনের জন্য দেখা যায় আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। এসব জ্যোতিষ্ক কে ধূমকেতু বলে। যেমন- হ্যালির ধূমকেতু।
- সুদূর আকাশে স্বল্প আলোকিত মেঘের মত আস্তরণকে নীহারিকা বলে। এগুলো আসলে হালকা গ্যাসের অতিকায় পিণ্ড।
- একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।
- মেঘমুক্ত রাতের আকাশে কোটি কোটি নক্ষত্রকে উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত দীপ্তমান পথের মত দেখায় বলে একে ছায়াপথ বলে।
- মহাশূন্যের কোটি কোটি নক্ষত্র, ধূলিকণা ও বিশাল বাষ্পকুন্ডসহ নীহারিকার এক একটি দলকে বলা হয় গ্যালাক্সি।
- একটিমাত্র গ্যালাক্সিতেই প্রায় ত্রিশ হাজার কোটি নক্ষত্র রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন।
- বিজ্ঞানীরা বিশ্বভ্রহ্মান্ডে কয়েক হাজার কোটি গ্যালাক্সির আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৪৫.
Which of the following planets has no moon?
  1. Saturn
  2. Mars
  3. Earth
  4. Mercury
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
Mercury
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mercury
ব্যাখ্যা
- বুধ (Mercury) ও শুক্র (Venus) গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই। 

বুধ গ্রহ: 
- সৌরজগতের গ্রহ ৮টি। 
- সূর্যের নিকটতম ও ক্ষুদ্রতম গ্রহ হলো বুধ। 
- সূর্য থেকে বুধ গ্রহের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার। 
- বুধ গ্রহের ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার। 
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন। 
- বুধ গ্রহে মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস বা পানি কোনো কিছু নেই। 

অন্যদিকে, 
- পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি (চাঁদ)। 
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের। 
- শনি গ্রহের উপগ্রহের্ সংখ্যা ৮৩টি। 
- বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৮০টি। 

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৪৬.
সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তনশীল গ্রহের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৭
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ৯
সঠিক উত্তর:
গ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮
ব্যাখ্যা

- সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তনশীল গ্রহের সংখ্যা আটটি।
যথা: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

৩,০৪৭.
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশবিশেষকে বাংলায় কী বলা হয়? 
  1. ছায়াপথ
  2. ধূমকেতু
  3. উল্কাপিন্ড
  4. নক্ষত্রমালা
সঠিক উত্তর:
ছায়াপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়াপথ
ব্যাখ্যা
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি ও সৌরজগত: 
- সুদূর আকাশে বায়বীয় পদার্থ ও গ্যাসপূর্ণ স্বল্পালোকিত মেঘের মত আস্তরণকে গ্যালাক্সি বলা হয়। 
- সৌরজগত মিল্কিওয়ে (Milkyway) গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশবিশেষ, যা বাংলায় ছায়াপথ নামে অভিহিত। 
- এই ছায়াপথটি অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্রের সমন্বয়ে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত। 

ধূমকেতু (Comet): 
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। 
- ধূমকেতুর দুইটি অংশ রয়েছে। 
যেমন- মস্তক (Head) বা কেন্দ্র ও পুচ্ছ (Tail)। 
- কোনো কোনো ধূমকেতুর মস্তক বা কেন্দ্র গ্রহ অপেক্ষা বড় হয়ে থাকে। 
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ। 
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে। 
- হ্যালির ধূমকেতু (Hally's Comet) প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টিগোচরীভূত হয়। 

উল্কা ও উল্কাপিন্ড (Meteors & Meteoroids): 
- উল্কা মহাশূন্যে বিচরণরত ক্ষুদ্রাকৃতি বিশিষ্ট কঠিন বস্তু। 
- ক্ষুদ্রায়তনের এই উল্কাপিন্ড একত্রে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে বাতাসের সাথে সংঘর্ষে প্রজ্জ্বলিত হয়ে তুষারপাতের মতো ঝরে পড়তে থাকে, একে উল্কাবৃষ্টি বলে। 
- উল্কা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠে পতিত হলে, তাকে উল্কাপিন্ড বলে। 
- ১৯০৮ সালে সাইবেরিয়ায় পতিত উল্কাপিন্ডর আঘাতে বনভূমির ব্যাপক এলাকা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৪৮.
কোনটি গ্রিনহাউজ ইফেক্ট সৃষ্টির সহায়ক?
  1. ক) সিএনজি
  2. খ) নিওন
  3. গ) হিলিয়াম
  4. ঘ) সিএফসি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিএফসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিএফসি
ব্যাখ্যা

বায়ুমন্ডলে বিদ্যমান নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন ব্যতীত অন্যান্য গৌণ গ্যাসসমূহ গ্রিনহাউজ গ্যাস নামে পরিচিত।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ওজন প্রভৃতি।
এছাড়া ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) এবং হাইড্রো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (এইচসিএফসি) গ্যাসও গ্রিনহাউজ গ্যাস।
এসব গ্যাস পৃথিবী থেকে সূর্যের বিকরিত আলো আটকে রাখে।
এতে পৃথিবী উষ্ণ থাকে।
কিন্তু শিল্পায়ন, নগরায়ন প্রভৃতির কারণে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে এসব গ্রিনহাউজ গ্যাসের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় পৃথিবীর তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
একেই গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং নামে অভিহিত করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি এবং দুর্যোগকোষ)

৩,০৪৯.
মানবদেহের ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি ব্যাহত করে -
  1. ক) B-লিস্ফোসাইট
  2. খ) T-লিস্ফোসাইট
  3. গ) ইন্টারফেরন
  4. ঘ) লাইসোজাইম
সঠিক উত্তর:
গ) ইন্টারফেরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইন্টারফেরন
ব্যাখ্যা
মানবদেহের প্রতিরক্ষা
- মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ, কলা ও কোষ নিয়মতান্ত্রিকভাবে একত্রে দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনায় কোন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, পরজীবী ও অন্যান্য জীবাণুর আক্রমণ থেকে মানুষকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে বলা হয় ইমিউনিটি।
- দেহের বিভিন্ন অঙ্গ, কলা ও কোষ সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্রদেহকে রোগাক্রমণের হাত থেকে এবং রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে রক্ষা করে তাকে ইমিউন তন্ত্র বলা হয়।

- রোগ প্রতিরোধে ইমিউনিটির প্রধান উদ্দেশ্য তিন প্রকারের। যথা-
১। অণুজীবদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা,
২। দেহের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে শনাক্ত করা ও প্রতিস্থাপিত করা
৩। পরিত্যক্ত বা নষ্ট কোষগুলোকে শনাক্ত করা এবং তাদের ধ্বংস করা।

- B-লিস্ফোসাইট: কোষ অ্যান্টিবডির মাধ্যমে রস নির্ভর প্রতিরক্ষা সৃষ্টি করে।
- T-লিস্ফোসাইট: অ্যান্টিবডির মাধ্যমে কোষ নির্ভর প্রতিরক্ষা দিয়ে থাকে।
- কমপ্লিমেন্ট: ১১টির বেশী সিরাম প্রোটিনের সমন্বয়ে জীবাণু সংক্রমন রোধে কাজ করে।
- লাইসোজাইম: ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ধবংস করে।
- ইন্টারফেরন: এক ধরনের প্রোটিন যা ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি ব্যাহত করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (প্রাণিবিজ্ঞান), এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,০৫০.
Which of the following is not a contagious disease?
  1. Mumps
  2. Small Pox
  3. Typhoid
  4. Tuberculosis
সঠিক উত্তর:
Typhoid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Typhoid
ব্যাখ্যা
- মাম্পস, স্মলপক্স এবং যক্ষ্মা ছোঁয়াচে রোগ।
- এগুলি সংক্রামিত ব্যক্তি থেকে বিভিন্ন উপায়ে যেমন সরাসরি সংস্পর্শ বা দূষিত বস্তুর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

অন্যদিকে, টাইফয়েড প্রাথমিকভাবে  Salmonella typhi ব্যাকটেরিয়া দ্বারা দূষিত খাবার বা পানি খাওয়ার মাধ্যমে ছড়ায়।
- টাইফয়েড সাধারণত ছোঁয়াচের মাধ্যমে সরাসরি ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়ে না। 

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা। 
৩,০৫১.
ভূমিকম্পের কোন তরঙ্গ সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন এবং কঠিন ও নরম উভয় পদার্থে প্রবাহিত হতে পারে?
  1. P তরঙ্গ
  2. T তরঙ্গ
  3. L তরঙ্গ
  4. S তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
P তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্পের তরঙ্গ (Earthquake Waves): 
- পুকুরের ঠিক মধ্যে কোনো পাথর নিক্ষেপ করলে যেমন পানির তরঙ্গগুলো পুকুরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, ঠিক সেরূপে ভূমিকম্পের তরঙ্গগুলো তার মূল উৎস হতে সবদিকে সমভাবে ছড়িয়ে পড়ে। 
- সাধারণত ভূমিকম্পের তরঙ্গ তিন প্রকারের, এরা উৎস হতে গন্তব্য স্থানের দিকে তিনটি ভিন্ন পথে গমন করে। 
যেমন- 
(ক) প্রাথমিক বা P তরঙ্গ (Primary wave): 
- এটি সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন তরঙ্গ। 
- এর গতি প্রতি সেকেন্ডে ৫ থেকে ৮ কি.মি.। 
- এ জাতীয় তরঙ্গ কেবলমাত্র কঠিন বস্তু নয়, নরম বস্তুর মধ্য দিয়েও প্রবাহিত হতে পারে
অর্থাৎ, এ তরঙ্গ সরাসরি পৃথিবীর কেন্দ্র ভেদ করেও অপর প্রান্তে যেতে পারে। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগের গঠন সম্পর্কে এই P-তরঙ্গের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি জানা সম্ভব। 

(খ) দ্বিতীয় বা S তরঙ্গ (Secondary wave): 
- এই S-তরঙ্গের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ থেকে ৫ কি. মি. হয়। 
- এটি প্রধানত সমকোণে প্রবাহিত হয় এবং পৃথিবীর অভ্যন্তরে বেশি দূর যেতে পারে না, কারণ এ তরঙ্গ তরল পদার্থের মধ্য দিয়ে চলতে পারে না। 

(গ) পৃষ্ঠ বা L তরঙ্গ (Longitudinal wave): 
- পৃষ্ঠ তরঙ্গকে L তরঙ্গ বলা হয়। 
- প্রাথমিক ও দ্বিতীয় তরঙ্গ ভূত্বকের ওপরে পৌঁছবার পর যে তরঙ্গটি খুব মৃদুগতিতে পৃথিবীর উপরিভাগ দিয়ে চলে, তাকে পৃষ্ঠ বা L তরঙ্গ বলে । কারণ, এ তরঙ্গটি পৃথিবীর পৃষ্ঠ দিয়ে সর্বাপেক্ষা দীর্ঘপথ অতিক্রম করে। এ কারণে দূরবর্তী ভূমিকম্পে প্রথম ও দ্বিতীয় তরঙ্গ ভূত্বকের অভ্যন্তর দিয়ে সর্বপ্রথম যে স্থানে পৌছে, তার কিছু সময় পর পৃষ্ঠ তরঙ্গও সে স্থানে পৌছে। 
- তরঙ্গের এ গতির দ্বারাই ভূমিকম্পের কেন্দ্র নিরূপণ করা যায়। 
- এ তরঙ্গের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ থেকে ৪ কি. মি.। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।

৩,০৫২.
নিচের কোনটি তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ?
  1. ক) কার্বন - ১১
  2. খ) কার্বন - ১২
  3. গ) কার্বন - ১৩
  4. ঘ) কার্বন - ১৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বন - ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বন - ১৪
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা:
ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়।
যেমন- ইউরেনিয়াম-৯২, নেপচুনিয়াম-৯৩, প্লুটোনিয়াম-৯৪, পোলোনিয়াম-৮৪ ইত্যাদি।

• কার্বন মৌলের ৬ টি প্রােটন ও তিনটি আইসােটোপ রয়েছে। যথা -
i) কার্বন-১২,
ii) কার্বন-১৩ ও
iii) কার্বন-১৪

এই তিনটির মধ্যে কার্বন-১৪ অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়। এতে ৬টি প্রােটন ও ৮টি নিউট্রন রয়েছে।
কার্বন-১৪ ব্যবহৃত হয় মৃত প্রাণি বা উদ্ভিদের বয়স হিসাব করতে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই এবং নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)
৩,০৫৩.
The full form of LASER is -
  1. ক) Light Amplitude by Simultaneous Emission of Radiation
  2. খ) Light Amplification by Simultaneous Emission of Radiation
  3. গ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
  4. ঘ) Light Anode by Series Emission of Radioactivity
সঠিক উত্তর:
গ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation. 
- ১৯৬০ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ থিওডর মাইম্যান প্রথম লেজার তৈরী করেন।
- কাটা, ড্রিলিং/খনন, ঝালাই, উপগ্রহ ট্র্যাকিং, চিকিৎসা ও জীববিজ্ঞান গবেষণা, কমপ্যাক্ট ডিস্ক ও বার কোড পঠন, সার্জারি ইত্যাদি কর্মকান্ডে লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- লেজারের সবচেয়ে ব্যাপক ব্যবহার তথ্য সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধারকরণ কাজে।
- উদাহরণস্বরূপ সিডি (কমপ্যাক্ট ডিস্ক) রাইটার-এর মাধ্যমে সিডি-তে (আলোক সংবেদনশীল রং সম্পন্ন একটি ডিস্ক) ডাটা লিখতে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন লেজার ব্যবহার করা হয়।

উৎস : ব্রিটানিকা, বাংলাপিডিয়া
৩,০৫৪.
কোন ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে যক্ষ্মা হয়?
  1. ক) Streptococcus
  2. খ) Armatimonadetes
  3. গ) Mycobacterium Tuberculosis
  4. ঘ) Chlamydiae
সঠিক উত্তর:
গ) Mycobacterium Tuberculosis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Mycobacterium Tuberculosis
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা সাধারণত Mycobacterium Tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয় যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করলে অতি সহজে দেহে রোগ জীবাণুর বিস্তার ঘটে। যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ এই ধারণাটা সঠিক নয়। যক্ষ্মা অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস এরকম দেহের প্রায় যেকোনো জায়গায় হতে পারে। সংক্রমিত গরুর দুধ খেয়েও যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩,০৫৫.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি কেমন হয়?
  1. হালকা
  2. ভারী
  3. শীতল
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হালকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালকা
ব্যাখ্যা
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি থাকায় জলরাশি গরম থাকে আর তাপমাত্রা বাড়লে পানির ঘনত্ব কমে যায়, ফলে জলরাশি তুলনামূলক হালকা হয়। 
- গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় কম ঘনত্ববিশিষ্ট হওয়ায় উপরের দিকে অবস্থান করে, আর ঠান্ডা পানি নিচে অবস্থান করে। 

সমুদ্রস্রোত: 

- সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন তৈরি করে। 
- সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে। 
- সমুদ্রস্রোতকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) উষ্ণ স্রোত: 
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি হালকা হয় ও হালকা জলরাশি সমুদ্রের উপরিভাগ দিয়ে পৃষ্ঠপ্রবাহরূপে শীতল মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। এরূপ স্রোতকে উষ্ণ স্রোত বলে। 

(খ) শীতল স্রোত: 
- মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জলরাশি জলের নিচের অংশ দিয়ে অন্তঃপ্রবাহরূপে নিরক্ষীয় উষ্ণমণ্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। এরূপ স্রোতকে শীতল স্রোত বলে। 

সমুদ্রস্রোতের কারণ: 
১। নিয়ত বায়ুপ্রবাহ: 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহই সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ। 
- এসব বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের দিক ও গতি নিয়ন্ত্রণ করে। 
- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ুর প্রবাহ অনুযায়ী প্রধান সমুদ্রস্রোতগুলোর সৃষ্টি হয়। 

২। পৃথিবীর আহ্নিক গতি: 
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে ফেরেলের সূত্র অনুসারে বায়ুপ্রবাহের মতো সমুদ্রজলও উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। এর ফলে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 

৩। সমুদ্রের গভীরতার তারতম্য: 
- সমুদ্রের গভীরতার তারতম্য অনুসারে তাপমাত্রার পার্থক্য হয়। 
- অগভীর সমুদ্রের জল দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উপরে ওঠে। তখন গভীরতর অংশের শীতল জল নিচে নেমে আসে। এজন্য ঊর্ধ্বগামী ও নিম্নগামী সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 
- সমুদ্রের পৃষ্ঠে গতি সবচেয়ে বেশি। 
- সমুদ্রের ১০০ মিটার নিচ থেকে গতি কমতে থাকে। 

৪। সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য: 
- সমুদ্রজলে লবণের পরিমাণ সর্বত্র সমান নয়। 
- অধিক লবণাক্ত জল বেশি ভারী বলে তার ঘনত্বও বেশি। 
- বেশি ঘনত্বের জল কম ঘনত্বের দিকে নিম্ন প্রবাহরূপে প্রবাহিত হয় ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি করে। 

৫। সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য: 
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে উষ্ণমণ্ডলের সমুদ্রের জল বেশি উষ্ণ বলে তা জলের উপরের অংশ দিয়ে পৃষ্ঠপ্রবাহ বা বহিঃস্রোতরূপে মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- অন্যদিকে মেরু অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী জলরাশি জলের নিচের অংশ দিয়ে অন্তঃপ্রবাহ বা অন্তঃস্রোতরূপে নিরক্ষীয় উষ্ণমণ্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। এইভাবে উষ্ণ ও শীতল সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 

৬। মেরু অঞ্চলের সমুদ্রে বরফের গলন: 
- মেরু অঞ্চলের সমুদ্রে বরফ কিছু পরিমাণ গলে গেলে জলরাশি স্ফীত হয় ও সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পরিমাণ হ্রাস পায়। এর ফলে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 

৭। ভূখন্ডের অবস্থান: 
- সমুদ্রস্রোতের প্রবাহপথে কোনো মহাদেশ, দ্বীপ প্রভৃতি ভূখণ্ড অবস্থান করলে সমুদ্রস্রোত তাতে বাধা পেয়ে দিক ও গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। 
- অনেক সময় এর প্রভাবে সমুদ্রস্রোত একাধিক শাখায় বিভক্ত হয়। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৫৬.
নাসার পুনরায় চাঁদে মানুষ পাঠানোর মিশনের নাম কী?
  1. ক) পারসিভারেন্স
  2. খ) আর্টেমিস
  3. গ) অ্যাস্ট্রো
  4. ঘ) জেমস ওয়েব
সঠিক উত্তর:
খ) আর্টেমিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আর্টেমিস
ব্যাখ্যা
- নাসা পুনরায় চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।
- নাসার এ মিশনের নাম আর্টেমিস।
- এ মিশনের প্রথম ধাপ ‘আর্টেমিস ১’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
- চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিল নাসার যাত্রীবিহীন মহাকাশযান ‘ওরিয়ন’।
-  এর পূর্বে ১৬ জুলাই ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ চন্দ্রযানের মাধ্যমে মহাশূন্যচারী নীল আমস্ট্রং চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথম পা রাখেন।

উৎস: নাসার ওয়েবসাইট
৩,০৫৭.
কোন রোগের চিকিৎসায় অ্যাসপিরিন ব্যবহৃত হয়? 
  1. মানসিক
  2. হৃদরোগ
  3. ক্যান্সার
  4. জন্ডিস
সঠিক উত্তর:
হৃদরোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃদরোগ
ব্যাখ্যা
অ্যাসপিরিন: 
- অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, ওজন বৃদ্ধি, কায়িক শ্রমের অভাব, ধূমপান ও তামাকের ব্যবহারসহ নানা কারণে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো অসংক্রামক ব্যাধি বাড়ছে।
- এসব অভ্যাসে রক্তনালিতে চর্বি জমা হওয়ায় রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়, এতে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।
- আবার মস্তিষ্কের রক্তনালিতে চর্বি জমলে হয় স্ট্রোক, বয়স্ক ব্যক্তিদের রক্তনালিতে চর্বি জমার ঝুঁকি বেশি।
- ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপায়ীদের এ ঝুঁকি আরও বেশি।
- হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই রক্ত পাতলা করার ওষুধ অ্যাসপিরিন সেবন করেন।
- স্বল্পমাত্রার অ্যাসপিরিন (৭৫-১৫০ মিলিগ্রাম) রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়, ফলে হৃদরোগ বা স্ট্রোক প্রতিরোধে অ্যাসপিরিন ব্যবহৃত হয়। 
- অ্যাসপিরিন ব্যথা ও জ্বর নিরাময়ের জন্যও ব্যবহৃত হয়। 
- তবে এর একটি বড় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো রক্তক্ষরণ।
- পেপটিক আলসার বা রক্তপাতের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য এই ঝুঁকি প্রবল, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণেরও ঝুঁকি রয়েছে।
- তাই ওষুধটি সেবনে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
যেমন- 
১। ইতিমধ্যে যাঁরা হৃদরোগ বা স্ট্রোকে আক্রান্ত বা বাইপাস সার্জারি হয়েছেন, তাঁদের আজীবন স্বল্পমাত্রার অ্যাসপিরিন সেবন করতে বলা হয়। এটি ভবিষ্যতে আবার হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। তবে রক্তক্ষরণজনিত স্ট্রোকে অ্যাসপিরিন দেওয়া হয় না। 
২। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা উচ্চ কোলেস্টেরলের রোগী, ধূমপায়ী, পরিবারে হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ইতিহাস রয়েছে, চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রাথমিকভাবে প্রতিরোধে অ্যাসপিরিন সেবন করা উচিত কি না, তা নিয়ে গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যাসপিরিন সেবনে বাড়তি লাভ তো হয়নি, বরং রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়েছে। 
- আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, হৃদরোগ বা স্ট্রোক হয়নি, কেবল ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপসহ অন্যান্য ঝুঁকি আছে, এমন সত্তরোর্ধ্ব ব্যক্তিদের ঝুঁকি কমাতে অ্যাসপিরিন সেবনের দরকার নেই। 
- যেকোনো বয়সী ব্যক্তির যদি রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বা ইতিহাস থাকে, তাহলে অ্যাসপিরিন সেবনের দরকার নেই। ৪০-৭০ বছর বয়স্ক ব্যক্তিদের যদি হৃদরোগের উচ্চ ঝুঁকি থাকে, তবে রক্তক্ষরণের তেমন ঝুঁকি না থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যাসপিরিন শুরু করা যেতে পারে।
- ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদরোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের পরামর্শ হলো, ডায়াবেটিসের রোগীর যদি হৃদরোগের উচ্চ ঝুঁকি থাকে, তাহলে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে অ্যাসপিরিন সেবনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা।
৩,০৫৮.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম জিআইএস প্রযুক্তি চালু হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
• জিআইএস (GIS):
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Geographic information systems.
- Geographical Information System (GIS) বা ভৌগোলিক তথ্য পদ্ধতি হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়। অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।
==============
 → ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান — The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।  → সত্তরের দশকে নগর পরিকল্পনায় প্রথম কম্পিউটারভিত্তিক জিআইএস ব্যবহার করা হয়।
 → ১৯৮০ সালের পর জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
 → বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।

• জিআইএসের উপাদান (Elements of GIS):
 → জিআইএস পাঁচটি উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে থাকে।
 →  এগুলো হলো-
১. হার্ডওয়্যার ২. সফট্ওয়্যার ৩. উপাত্ত ৪. উপাত্ত ভিত্তি এবং ৫. প্রশিক্ষিত ও দক্ষ মানুষ৷

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৫৯.
'সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে' এটি গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের কত নম্বর সূত্র?
  1. প্রথম সূত্র
  2. দ্বিতীয় সূত্র
  3. তৃতীয় সূত্র
  4. চতুর্থ সূত্র
সঠিক উত্তর:
প্রথম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সূত্র
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- কেপলারের প্রথম সূত্র - সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
- কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র - প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
- কেপলারের তৃতীয় সূত্র - সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।
- মহাকর্ষ - যে বল মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণাকে পরস্পরের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র - মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সামানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
- বিশ্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, G-এর মান 6.673×10-11 Nm2kg2 এবং G-এর মাত্রা LMT-2 ।
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G-এর একক Nm2kg2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৬০.
কাকে GIS  এর জনক বলা হয়?
  1. Otto Schmid
  2. Kuiper
  3. Rossgun
  4. Roger Tomlinson
সঠিক উত্তর:
Roger Tomlinson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Roger Tomlinson
ব্যাখ্যা

• GIS  এর জনক বলা হয় Roger Tomlinson কে।

GIS:
- GIS এর পূর্ণরূপ - Geographic Information System.
- ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলে।
- এটি কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা যার মধ্য দিয়ে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারিসরিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করে থাকে।
- ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম এই কৌশলের ব্যবহার আরম্ভ হয়।
- ১৯৮০ সালের দিক থেকে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

৩,০৬১.
আমিষ পরিপাকে সহায়তা করে কোন এনজাইম?
  1. ক) ট্রিপসিন
  2. খ) রেনিন
  3. গ) টাইরোসিন
  4. ঘ) এমাইলেজ
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রিপসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রিপসিন
ব্যাখ্যা
নির্দিষ্ট এনজাইম নির্দিষ্ট কাজ করে। যেমনঃ আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে ট্রিপসিন এনজাইম। ট্রিপসিন এনজাইম শুধু আমিষের উপর কাজ করে৷
উৎসঃ বিজ্ঞানঃসপ্তম শ্রেণী
৩,০৬২.
পৃথিবীর প্রায় কত শতাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. চার-ষষ্ঠাংশ
  2. এক-চতুর্থাংশ
  3. চার-অষ্টমাংশ
  4. ছয়-অষ্টমাংশ
সঠিক উত্তর:
ছয়-অষ্টমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়-অষ্টমাংশ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বা  ছয়-অষ্টমাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- বারিমন্ডল হলো ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশি।
- এই বিশাল পানিরাশির সবচেয়ে বড় আধার মহাসাগর এবং সাগর।
- এছাড়া রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, হ্রদ, খাল, বিল ও জলাশয়। 

বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন:
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎস: 
১. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২. ভূগোল প্রথম পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৬৩.
জিআইএস-এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Global Information System
  2. Geographic Internet Setup
  3. Geographic Information System
  4. General Integrated Software
সঠিক উত্তর:
Geographic Information System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Geographic Information System
ব্যাখ্যা
জিআইএস: 
- জিআইএস এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Geographic Information System
- ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলে। 
- এটি একটি কম্পিউটার হিসাবে সফ্টওয়ারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা যার মধ্য দিয়ে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারস্পরিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করে থাকে। 
- ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম এই কৌশলের ব্যবহার আরম্ভ হয়। 
- ১৯৮০ সালের দিক থেকে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে। 
- বর্তমানে ভূমি ব্যবস্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ উন্নয়ন, পানি গবেষণা, আঞ্চলিক গবেষণা, নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা, জনসংখ্যা বিশ্লেষণ, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশ্লেষণ প্রভৃতি বহুবিধ কাজে জিআইএস ব্যবহার হয়। 
- জিআইএস-এর মাধ্যমে একটি মানচিত্রের মধ্যে অনেক ধরনের উপাত্ত উপস্থাপন করে সেই উপাত্তগুলোকে মানচিত্রের মধ্যে বিশ্লেষণ করে মানচিত্রটির উপযোগিতা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। 
যেমন- একটা মানচিত্রের মধ্যে পানি ব্যবস্থাপনা, টপোগ্রাফি, ভূমি ব্যবহার, যোগাযোগ, মৃত্তিকা ও রাস্তা এই সবগুলো জিনিস দেখিয়ে তার মধ্য দিয়ে সেই নির্দিষ্ট অঞ্চলের পুরো চিত্র সম্বন্ধে জানা যায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৩,০৬৪.
একজন সুস্থ মানুষের হৃৎস্পন্দন প্রতি মিনিটে-
  1. ক) ৬০ - ৮০ বার
  2. খ) ৬০ - ১০০ বার
  3. গ) ৮০ - ১০০ বার
  4. ঘ) ১০০ - ১২০ বার
সঠিক উত্তর:
খ) ৬০ - ১০০ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬০ - ১০০ বার
ব্যাখ্যা
হৃৎস্পন্দন
- একটি সিস্টোল ও একটি ডায়াস্টোলের সমন্বয়ে একটি হৃৎস্পন্দন সম্পন্ন হয় এবং
- একটি হৃৎস্পন্দনে সময় লাগে প্রায় ০.৮ সেকেন্ড।
- একজন সুস্থ মানুষের হৃৎস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৬০-১০০ বার হয়। এটাকে হার্ট-বিট বলা হয়।
- মানুষের হৃৎস্পন্দন শোনা যায় স্টেথোস্কোপ যন্ত্রের মাধ্যমে।

সূত্র: ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
৩,০৬৫.
নিষেকের পরে ডিম্বক পরিবর্তিত হয়ে কোনটি গঠন করে?
  1. ক) ভ্রূণ
  2. খ) বীজ
  3. গ) ফল
  4. ঘ) ফলত্বক
সঠিক উত্তর:
খ) বীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বীজ
ব্যাখ্যা

- নিষেকের পরে ডিম্বক পরিবর্তিত হয়ে বীজ গঠন করে।
- নিষেকের পরে ডিম্বাণু পরিবর্তিত হয়ে ভ্রূণ গঠন করে।
- নিষেকের পরে গর্ভাশয় পরিবর্তিত হয়ে ফল গঠন করে।
- নিষেকের পরে গর্ভাশয় প্রাচীর পরিবর্তিত হয়ে ফলত্বক গঠন করে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,০৬৬.
ভরা কটাল কখন সংঘটিত হয়? 
  1. সপ্তমী তিথিতে
  2. অষ্টমী তিথিতে
  3. নবমী তিথিতে
  4. পূর্ণিমা তিথিতে
সঠিক উত্তর:
পূর্ণিমা তিথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণিমা তিথিতে
ব্যাখ্যা
তেজ কটাল বা ভরা কটাল (Spring Tide): 
- চন্দ্রের মত সূর্যও জোয়ার ভাঁটা সৃষ্টিতে সাহায্য করে। 
- যখন অমাবস্যার সৃষ্টি হয় তখন সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- অন্যদিকে পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অন্যপাশে চন্দ্র অবস্থান করে। এই সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- এ সময় সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণকে সাহায্য করে। 
- মূলত পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারের পানি ফুলে উঠে। এই জোয়ারকেই বলা হয় ভরা কটাল বা তেজ কটাল। 
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী পৃষ্ঠের যে স্থানে চন্দ্রের প্রভাবে মুখ্য জোয়ার হয়, সে স্থানে সূর্যের প্রভাবে গৌণ জোয়ার হয়। 
- আবার চন্দ্রের প্রভাবে যে স্থানে গৌণ জোয়ার হয় ঐ স্থানে সূর্যের আকষর্ণে মুখ্য জোয়ার হয়। 
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে মরা কটাল সংগঠিত হয়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৬৭.
কোনটি স্থানীয় বায়ু?
  1. ক) মৌসুমী বায়ু
  2. খ) খামসিন বায়ু
  3. গ) নিয়ত বায়ু
  4. ঘ) মেরু বায়ু
সঠিক উত্তর:
খ) খামসিন বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খামসিন বায়ু
ব্যাখ্যা
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও তাপমাত্রার তারতম্যের ফলে সৃষ্ট বায়ু স্থানীয় বায়ু নামে পরিচিত।
স্থানীয় বায়ুসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সায়মুম বায়ু : আরব মালভূমির স্থানীয় বায়ু
- খামসিন বায়ু : মিশর
- চিনুক বায়ু : রকি পর্বত
- সিরক্কো বায়ু : উ. আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালি
- মিস্ট্রাল বায়ু : ফ্রান্সের মালভূমি
- পাম্পেরু বায়ু : আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে
- লু বায়ু : ভারত প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,০৬৮.
নিচের কোনটি পরিবেশের ১ম স্তরের খাদক?
  1. হরিণ
  2. সাপ
  3. শিয়াল
  4. বাঘ
সঠিক উত্তর:
হরিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিণ
ব্যাখ্যা
♦ খাদক (Consumer):

- কোনো প্রাণীই পরিবেশের জড় পদার্থ থেকে খাদ্য তৈরি করতে পারে না।
- তারা খাদ্যের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সবুজ উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল।
- তাই এদের বলা হয় পরভোজী জীব।

প্রথম শ্রেণির খাদক: 
• যেসব প্রাণী সরাসরি উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে, তাদেরকে বলা হয় তৃণভোজী প্রাণী। এদের অপর নাম প্রথম শ্রেণির খাদক।
• যেমন- ঘাস ফড়িং, মুরগি, গরু, ছাগল, হরিণ ইত্যাদি প্রথম শ্রেণির খাদক।


Image Source: পঞ্চম শ্রেণি বিজ্ঞান বই 

দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক:
• যেসব প্রাণী তৃণভোজী প্রাণীদের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তাদের বলা হয় গৌণ খাদক বা দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক।
• এরা এক ধরনের মাংসাশী প্রাণী।
• যেমন- শিয়াল, বাঘ ইত্যাদি দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক।

তৃতীয় শ্রেণির খাদক:
• যেসব প্রাণী পৌণ খাদকদের খেয়ে বাঁচে তারা ও মাংসাশী প্রাণি (carnivorous)।
• এদের বলা যায় তৃতীয় শ্রেণির বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ খাদক।
• যেমন- সাপ, ময়ূর, বাঘ ইত্যাদি তৃতীয় শ্রেণির খাদক। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৬৯.
ইনসুলিন কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
  2. খ) অ্যাড ওয়ার্ড জেনার
  3. গ) গেরহার্ড ডোমাক
  4. ঘ) ফ্রেডরিক গ্র্যান্ড ব্যানটিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফ্রেডরিক গ্র্যান্ড ব্যানটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফ্রেডরিক গ্র্যান্ড ব্যানটিং
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন:
- ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of Langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
- ইনসুলিন আবিষ্কার করেন ফ্রেডরিক গ্র্যান্ড ব্যানটিং (Frederick G. Banting)
- তিনি একজন কানাডিয়ান চিকিৎসক, চিকিৎসাবিজ্ঞানী এবং ইনসুলিনের আবিষ্কারক।
- তিনি বিজ্ঞানী Charles H. Best এবং রোমানিয়ান ফিজিওলজিস্ট Nicolas C. Paulescu এর সঙ্গে ১৯২১ সালে ইনসুলিন আবিষ্কার করেছিলেন।
- অপরদিকে স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৯ সালে পেনিসিলিন নামক জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৭০.
কে প্রথম ঈশ্বর কণার ধারণা প্রদান করেন?
  1. ক) পিটার হিগস
  2. খ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  3. গ) জগদীশচন্দ্র বসু
  4. ঘ) ডঃ মরিস বুকাইলি
সঠিক উত্তর:
খ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
ব্যাখ্যা

হিগস বা ঈশ্বর কনার সর্বপ্রথম ধারণা দেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১৯২৪ সালে। তিনি এই বিষয় নিয়ে গবেষণা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা ল্যাবে।
২য় ধারণা দেন পিটার হিগজ ১৯৬৪ সালে।
২০১২সালে এই কণার অস্ত্বিত্ব আবিষ্কৃত হয়।

৩,০৭১.
প্রবল জোয়ারের কারণ কী?
  1. পৃথিবীর আহ্নিক গতি
  2. সমুদ্রের পানির লবণাক্ততা
  3. চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে
  4. বায়ুমণ্ডলের চাপের পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে
ব্যাখ্যা

◉ প্রবল জোয়ার (Spring Tide) ঘটে যখন চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে (পূর্ণিমা বা অমাবস্যায়)। এতে চন্দ্র ও সূর্যের সম্মিলিত মহাকর্ষীয় টানে জোয়ারের উচ্চতা সর্বোচ্চ হয়।

জোয়ার-ভাটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আর্ষণ শক্তি পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। সমুদ্র পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং. নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিক শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাটা হয়।- জোয়ার ভাটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

যথা-
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

- সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়।
- অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করে। এর ফলে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি একই দিক হতে একই সাথে কার্যকরী হয়। সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণের কম হলেও এ সময় উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ আর ও প্রবল হয়।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৭২.
ধনুষ্টংকার টিকা কোনটি?
  1. ক) ওপিভি
  2. খ) ওডিভি
  3. গ) বিসিজি
  4. ঘ) ডিপিটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডিপিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডিপিটি
ব্যাখ্যা
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয় ৯টি টিকা।
যক্ষ্মার টিকার নাম হলো- বিসিজি টিকা (Bacillus Calmette–Guérin vaccine)।
ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি ও ধনুষ্টংকার রোগের টিকা ডিপিটি।
৩,০৭৩.
টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) আইসোটোপ
  2. খ) আইসোটোন
  3. গ) আইসোবার
  4. ঘ) আইসোমার
সঠিক উত্তর:
ক) আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ।
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলা হয়।
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় সাধারনত কোবাল্ট-৬০ (60Co) আইসোটোপটি ব্যবহৃত হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 60Co ব্যবহার করা হয়
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষ কলাকে ধ্বংস করে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও রসায়ন বিজ্ঞান, নবম শ্রেণি। 
৩,০৭৪.
সোলার প্যানেলে ব্যবহৃত ফটোভোল্টাইক এফেক্টের আবিষ্কারক কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. বেকেরেল
  3. টেসলা
  4. এডিসন
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল
ব্যাখ্যা

◉ ফটোভোল্টাইক এফেক্ট (Photovoltaic Effect) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আলোর প্রভাবে কোনো পদার্থে বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি হয়। ফরাসি পদার্থবিদ Alexandre Edmond Becquerel ১৮৩৯ সালে প্রথম এই প্রক্রিয়াটি আবিষ্কার করেন।
- পরে আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে এর তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেন এবং এজন্য তিনি ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান (photoelectric effect নিয়ে কাজের জন্য)।

ফটোভোল্টাইক এফেক্ট ও সোলার প্যানেল: 
- ফটোভোল্টাইক এফেক্ট হলো এমন প্রক্রিয়া, যেখানে আলোর শক্তি সেমিকন্ডাক্টর পদার্থে পড়ে ইলেকট্রন মুক্ত করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।
- এই প্রভাব ব্যবহার করে তৈরি যন্ত্রকেই সোলার সেল বলে।
- সোলার সেলগুলো একত্রে সাজিয়ে সোলার প্যানেল তৈরি করা হয়, যা সূর্যের আলোকে সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- এগুলো বাড়ি, শিল্প, মহাকাশযান ও বিভিন্ন ডিভাইসে বিকল্প ও পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও EBSCO ওয়েবসাইট। 

৩,০৭৫.
Which of the following is not used in organic farming?
  1. Vermicompost
  2. Green manure
  3. Compost
  4. Chemical fertilizer
  5. Cow dung fertilizer
সঠিক উত্তর:
Chemical fertilizer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chemical fertilizer
ব্যাখ্যা
• জৈব কৃষিতে রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয় না। 

• জৈব কৃষি:
- জৈব কৃষি (Organic Farming) হলো একটি সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা যা প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে এবং পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করে।

• জৈব কৃষির বৈশিষ্ট্য:
→ প্রকৃতির ভারসাম্য: জৈব কৃষি প্রকৃতির নিয়ম মেনে কাজ করে, যেখানে মাটি, জল, এবং জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় থাকে।
→ প্রাকৃতিক উপাদান: জৈব সার, জৈব কীটনাশক, এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার করা হয়।
→ মাটির স্বাস্থ্য: জৈব সার ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করা হয় এবং মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করা হয়।
→ জৈব বৈচিত্র্য: বিভিন্ন ধরনের ফসল এবং পশুপাখি পালন করে জৈব বৈচিত্র্য বজায় রাখা হয়।
→ পরিবেশ সুরক্ষা: রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশ দূষণ কমানো হয়।
→ খাদ্য নিরাপত্তা: নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা হয়।
→ অর্থনৈতিক লাভ: জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত খাদ্য পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে এবং ভালো দামে বিক্রি করা যায়।

• জৈব কৃষিতে ব্যবহৃত উপাদান:
→ কেঁচো সার (Vermicompost):
- কেঁচোর সাহায্যে জৈব বর্জ্য পচিয়ে তৈরি করা হয়।
- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং উপকারী অনুজীবের সংখ্যা বাড়ায়।
→ কম্পোস্ট (Compost):
গোবর, পাতা, খড় ইত্যাদি পচিয়ে তৈরি করা হয়।
মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়।
→ সবুজ সার (Green Manure):
ধইঞ্চা, সেসবানিয়া ইত্যাদি ফসল মাটিতে চাষ করে পুঁতে দেওয়া হয়।
নাইট্রোজেন স্থিরকরণ ও মাটির গঠন উন্নত করে।
→ গোবর সার (Cow dung fertilizer):
- এটি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও ফসলের স্বাস্থ্য উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকর।

• জৈব কৃষিতে অব্যবহৃত উপাদান:
→ রাসায়নিক সার (Chemical Fertilizers):
- ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ইত্যাদি কৃত্রিম সার জৈব কৃষিতে নিষিদ্ধ।
- এগুলো মাটির স্বাস্থ্য নষ্ট করে এবং পরিবেশ দূষণ ঘটায়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
৩,০৭৬.
নিম্নের কোনটির প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহ আবর্তিত হয়?
  1. অভিকর্ষ বল
  2. মহাকর্ষীয় বল
  3. কেন্দ্রাতিগ বল
  4. বৈদ্যুতিক বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষীয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষীয় বল
ব্যাখ্যা

• গ্রহ (Planet):
- মহাকাশে কতকগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পথে পরিক্রমণ করে।
- এদের নিজেদের কোনো আলো বা তাপ নেই।
- মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
- এরা সূর্য থেকে আলো ও তাপ পায়।
- এই তাপেই উত্তপ্ত হয়।
- এরা তারার মতো মিটমিট করে জ্বলে না।
- এসব জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে।
- আমাদের সৌরজগতের আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,০৭৭.
তড়িতের সিস্টেম লস রোধ করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) ট্রান্সফর্মার
  3. গ) সার্কিট ব্রেকার
  4. ঘ) ইলেকট্রিক লস রিমোভার
সঠিক উত্তর:
খ) ট্রান্সফর্মার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ট্রান্সফর্মার
ব্যাখ্যা

একটা নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভােল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রােধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। সে জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজে রূপান্তর করা হয়।
গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ শক্তিকে বিতরণ করার আগে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করে সেটিকে আবার ব্যবহারযােগ্য ভােল্টেজ নামিয়ে আনা হয়। (উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

৩,০৭৮.
ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগ স্থলকে কী বলে?
  1. ছায়াবৃত্ত
  2. গুরুবৃত্ত
  3. ঊষা
  4. গোধূলি
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
ব্যাখ্যা
• ছায়াবৃত্ত:
- পৃথিবীর আলোকিত এবং অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার অংশকে ছায়াবৃত্ত বলে।
- আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশ পৌঁছায় সেখানে প্রভাত হয়।
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা এবং সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৭৯.
শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে যাওয়াকে বলে-
  1. ক) অ্যানিমিয়া
  2. খ) লিউকেমিয়া
  3. গ) থ্যালাসেমিয়া
  4. ঘ) পলিসাইথিমিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) লিউকেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিউকেমিয়া
ব্যাখ্যা
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। যেমন:

পলিসাইথিমিয়া: লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।

অ্যানিমিয়া: লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া।

লিউকেমিয়া: নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়।
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে

লিউকোসাইটোসিস: শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়।

থ্রম্বোসাইটোসিস: এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে।

পারপুরা: ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়।

থ্যালাসেমিয়া: থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।

- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। এ রোগের জন্য রোগিকে প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমে যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,০৮০.
মানবদেহে আমিষ পরিপাক হয়ে কোন এসিডে পরিণত হয় ?
  1. অ্যামাইনো এসিড
  2. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  3. ফ্যাটি এসিড
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো এসিড
ব্যাখ্যা

কার্বন, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন এবং নাইট্রোজেন এই চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়।
শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
অ্যামাইনো এসিড আমিষ গঠনের একক।
[উৎস: ৯ম- ১০ম শ্রেণি বিজ্ঞান ,পৃষ্ঠা -৫]

৩,০৮১.
শনি গ্রহ প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
  2. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  3. লোহা ও সিলিকন
  4. তামা ও দস্তা
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
ব্যাখ্যা

• শনি:
- শনি গ্রহ সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- শনি গ্রহটি বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। ।
-এই গ্রহের নামকরণ করা হয়েছে কৃষি ও সম্পদের রোমান দেবতার নামে, যিনি বৃহস্পতিরও পিতা ছিলেন।
- নিরক্ষীয় ব্যাস প্রায় ৭৪,৮৯৭ মাইল (১২০,৫০০ কিলোমিটার) হওয়ায়, শনি গ্রহ পৃথিবীর চেয়ে ৯ গুণ প্রশস্ত। 
-  শনির একদিন মাত্র ১০.৭ ঘন্টা সময় নেয় (শনির একবার ঘুরতে বা ঘুরতে যে সময় লাগে),
- শনি সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে (শনির সময়ে এক বছর) প্রায় ২৯.৪ পৃথিবী বছরে (১০,৭৫৬ পৃথিবী দিন) পূর্ণ করে।
- ৮ জুন, ২০২৩ পর্যন্ত, শনির কক্ষপথে ১৪৬টি উপগ্রহ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) কর্তৃক তাদের আবিষ্কার

তথ্যসূত্র: NASA. 

৩,০৮২.
কোন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না?
  1. বোসন কণা
  2. প্রোটন কণা
  3. ইলেকট্রন কণা
  4. নিউট্রন কণা
সঠিক উত্তর:
বোসন কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোসন কণা
ব্যাখ্যা
বোসন: 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি। 
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। 
যথা: গেজ বোসন ও হিগস বোসন। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৮৩.
P-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরিতে কয়টি যোজন ইলেকট্রন প্রয়োজন?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
যে সব মৌলের (যেমন- অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, গ্যালিয়াম বা ইনডিয়াম) তিনটি যোজন ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম P-টাইপ বস্তুতে বা P-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়। যে সকল মৌলের (যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক বা অ্যান্টিমনি) বহির্খোলকে পাঁচটি ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম n-টাইপ বস্তুতে বা n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়। উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
৩,০৮৪.
ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে একবারপূর্ণ পরিক্রমণ করতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. সৌর বছর
  2. গ্যালাক্টিক ইয়ার
  3. আলোক বর্ষ
  4. অ্যাস্ট্রোনমিক সাইকেল
সঠিক উত্তর:
গ্যালাক্টিক ইয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালাক্টিক ইয়ার
ব্যাখ্যা
• গ্যালাকটিক ইয়ার (Galactic Year) বা কসমিক ইয়ার (Cosmic Year):
- একটি ছায়াপথ (যেমন, আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি) তার কেন্দ্রকে ঘিরে একবার পূর্ণ পরিক্রমণ করতে যে সময় নেয়, তাকে গ্যালাকটিক ইয়ার (Galactic Year) বা কসমিক ইয়ার (Cosmic Year) বলা হয়।
- সৌরজগতের গ্রহসমূহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে আর সূর্য মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির মধ্যবিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
- আমাদের সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে ঘূর্ণন করছে।
- গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে একবার ঘূর্ণন সম্পূর্ণ করতে প্রায় ২২৫ থেকে ২৫০ মিলিয়ন বছর (২২.৫ থেকে ২৫ কোটি বছর) লাগে!

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,০৮৫.
'কেপলার-৪৫২বি' কী?
  1. একটি মহাকাশযান
  2. পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
  3. সূর্যের মতো একটি নক্ষত্র
  4. NASA-এর অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
ব্যাখ্যা
- 'কেপলার-৪৫২ বি' পৃথিবীর মত একটি গ্রহ। 
- নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ দিয়ে এই গ্রহটিতে খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। 
- এটির নাম দিয়েছেন ‘কেপলার ৪৫২ বি’। 
- ২০০৯ সাল থেকে জীবনধারণের উপযোগী পৃথিবী সদৃশ গ্রহ শনাক্ত করতে কাজ করছে কেপলার। 
- এক বিবৃতিতে নাসার গবেষকরা দাবি করেন, কেপলার ৪৫২ বি আমাদের সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, কিন্তু ওই নক্ষত্রটি ১৫০ কোটি বছরের পুরনো যা সূর্যের চেয়ে চার শতাংশ বড় ও ১০ শতাংশ উজ্জ্বল। 

উৎস: NASA Website.
৩,০৮৬.
মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে কী বলা হয়? 
  1. হর্টিকালচার 
  2. প্রণকালচার 
  3. এপিকালচার 
  4. পিসিকালচার 
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার 
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ বিষয়ক বিভিন্ন পদ্ধতি: 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- চিংডি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৩,০৮৭.
হাড় ও দাঁত গঠনে সহায়তা করে কোনটি?
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) ফসফরাস
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
- ক্যালসিয়াম প্রাণীদের হাড় এবং দাতের একটি প্রধান উপাদান।
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুইভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। অস্থি এবং দাতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে।
- হাড় ও দাতের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতি প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ।
- দেহে পরিমাণের দিক দিয়ে খনিজ লবণগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরপরই ফসফরাসের স্থান।
- ক্যালসিয়ামের মত হাড় এবং দাত গঠন করা ফসফরাসের প্রধান কাজ।
- ফসফরাসের অভাবে রিকেটস, অস্থিক্ষয়তা, দন্তক্ষয় এসব রোগ দেখা দেয়।
 
উৎসঃ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি
৩,০৮৮.
ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে কী ব্যবহার করা হয়?
  1. ছত্রাক
  2. শৈবাল
  3. ভাইরাস
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের উপকারিতা: 
- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। 
যথা- 
১। বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতংক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়। 
২। ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
৩। ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশল এ বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
৪। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। 
৫। কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হয়েছে। 
৬। জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
৭। লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৮৯.
আয়োডিন পাওয়া যায়-
  1. ক) এগারিকাসে
  2. খ) মিউকরে
  3. গ) লাইকেনের
  4. ঘ) শৈবালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) শৈবালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শৈবালে
ব্যাখ্যা

- সামুদ্রিক শৈবালে আয়োডিন পাওয়া যায়।
- হ্যালোজেন হলো সামুদ্রিক লবণ উৎপাদক।
- হ্যালোজেন বলতে ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন ও আয়োডিন এই ৪ টি মৌলকেই বুঝায়।
- তাই আয়োডিনের প্রধান উৎস সামুদ্রিক শৈবাল।

৩,০৯০.
Which of the following COVID-19 vaccines was invented in Russia?
  1. Sputnik V
  2. Senopharm
  3. BinCorid
  4. Russ Vas
সঠিক উত্তর:
Sputnik V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sputnik V
ব্যাখ্যা
স্পুটনিক-ফাইভ টিকা:

- রাশিয়া 'স্পুটনিক ফাইভ বা স্পুটনিক ভি' করোনা টিকা আবিষ্কার করে।
- ২০২০ সালের ১১ই আগস্ট রাশিয়া টিকা আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়।
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে এবং কোনরকম তথ্য প্রকাশ না করেই অগাস্ট মাসে স্থানীয়ভাবে ব্যবহারের জন্য টিকার লাইসেন্স দেয় রাশিয়া।
- এই টিকা দুই থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াস (সবচেয়ে ভালো ৩-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় রাখা যায়। ফলে এটি পরিবহন ও সংরক্ষণ করা সহজ।
- ফাইজার, অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মর্ডানার মতো টিকাগুলোর মতো এটিও করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সক্ষমতার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ২৭ এপ্রিল ২০২১।
৩,০৯১.
পেপটিক আলসার নির্ণয়ের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি কোনটি?
  1. ইসিজি
  2. এমআরআই
  3. আল্ট্রাসনোগ্রাফি
  4. এন্ডোসকপি 
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি 
ব্যাখ্যা

- পেপটিক আলসার নির্ণয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলো এন্ডোস্কোপি, কারণ এটি সরাসরি খাদ্যনালী, পাকস্থলী ও ডিওডেনামের ভেতরের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে এবং বায়োপসি নিতে সাহায্য করে, যা আলসারের সঠিক কারণ ও ধরন (যেমন H. pylori সংক্রমণ) শনাক্ত করতে সবচেয়ে কার্যকর। যদিও আল্ট্রাসাউন্ড বা এক্স-রে সহায়ক হতে পারে, এন্ডোস্কোপিই "গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য" পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়। 

গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার: 
- আলসার বলতে যেকোনো এপিথেলিয়াম বা আবরণী টিস্যুর একধরনের ক্ষত বোঝায়। 
- পেপটিক আলসার বলতে খাদ্যনালির কোনো অংশের আলসার বোঝায়, সেটি যদি পাকস্থলীতে হয় তাহলে তাকে গ্যাস্ট্রিক আলসার, ডিওডেনামে হলে ডিওডেনাল আলসার বলা হয়। 
- দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যগ্রহণে অনিয়ম হলে পাকস্থলীতে অম্লের আধিক্য ঘটে এবং অনেক দিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে এই অম্ল বা এসিড দিয়ে পাকস্থলী বা অন্ত্রে ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে পেপটিক আলসার হতে পারে। 
- তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন ও ব্যারি মার্শালের গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া, বিষণ্ণতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া। এজন্য তাঁরা ২০০৫ সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।  
- আগে ভাবা হতো পাকস্থলীর তীব্র হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে (pH 1.5-3.5) কোনো ব্যাকটেরিয়া টিকতে পারে না। নিজের ধারণা প্রমাণ করার জন্য ব্যারি মার্শাল H. pylori ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত দ্রবণ পান করে পেপটিক আলসারে ভুগেছিলেন। 
(উল্লেখ্য, এই ব্যাকটেরিয়া যে শুধু আলসারের জন্য দায়ী তাই নয়, এ থেকে পাকস্থলীর ক্যান্সারও হতে পারে। মার্শাল তাঁর নিজের জীবনের উপর মারাত্মক ঝুঁকি নিয়েছিলেন, যা অনুসরণীয় নয়)। 

- পেপটিক আলসার রোগে সাধারণত পেটের ঠিক মাঝ বরাবর, নাভির একটু উপরে একঘেয়ে ব্যথা অনুভূত হয়। খালি পেটে বা অতিরিক্ত তেলজাতীয় খাদ্য খেলে ব্যথা বাড়ে। আলসার মারাত্মক হলে বমি হতে পারে, কখনো কখনো বমি এবং মলের সাথে রক্ত নির্গত হয়। 
- এন্ডোসকপি (Endoscopy) বা বেরিয়াম এক্স-রের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়। 
- এই রোগ থেকে দূরে থাকতে হলে যা করতে হবে তা হলো- 
• নিয়মিত সহজপাচ্য খাদ্য গ্রহণ করা। 
• অধিক তেল এবং মশলাযুক্ত গুরুপাক খাদ্য পরিহার করা। 
• ফুটানো দুধ, পনির এবং কলা খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। 
• নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ করে, কফি, সিগারেট ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে ইত্যাদি। 
- প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিয়ে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,০৯২.
মানবদেহে লোহিত কণিকার আয়ুস্কাল কত দিন?
  1. ১২০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ৭৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
- লোহিত রক্তকণিকার আয়ু ১২০ দিন। লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়। লোহিত রক্তকণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (০₂) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণী।
৩,০৯৩.
Hepatitis - B virus এর জন্য নিচের কোন কোন পরীক্ষাটি করা হয়?
  1. HbsAg
  2. Anti-HbsAg
  3. Anti-HCV
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
HbsAg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HbsAg
ব্যাখ্যা
- হেপাটাইটিস বি সারফেস অ্যান্টিজেন (HBsAg) হল একটি প্রোটিন যা হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের (HBV) পৃষ্ঠে পাওয়া যায়।
- HBsAg-এর পরীক্ষা হল হেপাটাইটিস বি সংক্রমণের জন্য একটি সাধারণ ডায়গনিস্টিক টুল। 

ডায়াগনস্টিক টেস্ট:
HBsAg-এর পরীক্ষা হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ নির্ণয়ের একটি মৌলিক অংশ। এটি একটি সাধারণ রক্ত ​​​​পরীক্ষার মাধ্যমে করা যেতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৩,০৯৪.
টিবি রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন কে? 
  1. লুই পাস্তুর
  2. এডওয়ার্ড জেনার
  3. রবার্ট কোচ
  4. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
সঠিক উত্তর:
রবার্ট কোচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট কোচ
ব্যাখ্যা

• রবার্ট কোচ (Robert Koch) হলেন একজন জার্মান চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও মাইক্রোবায়োলজিস্ট। ১৮৮২ সালে তিনি প্রথমবার Mycobacterium tuberculosis ব্যাকটেরিয়াকে আলাদা ও পরিচিত করেন।

- টিউবারকুলোসিস (Tuberculosis বা TB) হলো একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ, যা প্রধানত ফুসফুসকে প্রভাবিত করে। 
- এটি বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা, বিশেষ করে যেখানে জনসংখ্যা ঘন ও স্বাস্থ্যসেবা সীমিত। 
- TB রোগের জীবাণু হলো Mycobacterium tuberculosis, যা ধীরে ধীরে শরীরের টিস্যুতে ক্ষতি করে।

আবিষ্কার ও রবার্ট কোচের অবদান:
- তার গবেষণা দেখায় যে, TB একটি নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়ার কারণে সংক্রমিত হয়।
- এটি সংক্রামক রোগের কারণ নির্ধারণে বিপ্লব ঘটায় এবং রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দেয়।
- কোচের এই আবিষ্কারের জন্য তাকে ১৯০৫ সালে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়, যা তার বৈজ্ঞানিক অবদানের স্বীকৃতি।

TB ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য:
- ব্যাকটেরিয়াটি দীর্ঘ, স্লিম, অল্প সরু রূপের।
- এটি অ্যাকিড-ফাস্ট ব্যাকটেরিয়া, অর্থাৎ বিশেষ রং ধরে রাখতে সক্ষম।
- সংক্রমণ সাধারণত শ্বাসনালী ও ফুসফুসের মাধ্যমে ছড়ায়।
- TB রোগ ধীরে ধীরে ফুসফুসের টিস্যু নষ্ট করে এবং শ্বাসকষ্ট, জ্বর, ও ওজন হ্রাসের মতো লক্ষণ সৃষ্টি করে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

৩,০৯৫.
আলোর ক্ষুদ্রতম একক -
  1. ক) গ্রাভিটন
  2. খ) ফোটন
  3. গ) ইলেক্ট্রন
  4. ঘ) চির
সঠিক উত্তর:
খ) ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফোটন
ব্যাখ্যা
ফোটন হচ্ছে আলোর কণা বা ক্ষুদ্রতম একক।
প্লাঙ্কের তত্ত্ব অনুসারে - আলোকরশ্মি কোন শক্তি হতে অনবরত বের না হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন প্যাকেট বা শক্তি বের হয়। প্রত্যেক বর্ণের আলোর জন্য এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটের শক্তির নির্দিষ্ট মান রয়েছে। এই এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো-
১. পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
২. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
৩. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
৪. প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
৫. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
৬. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৩,০৯৬.
গোয়েন্দা বিভাগে কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. বেকেরেল রশ্মি
  2. এক্স রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
এক্স রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্স রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্সরে (রঞ্জন রশ্মি): 
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়। 
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। 
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m পর্যন্ত। 
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। 

এক্সরে এর ব্যবহার: 

- হীরক সনাক্তকরণ, 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা, 
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়, 
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৯৭.
ভ্রূণ অবস্থায় মাতৃগর্ভে হৃদস্পন্দন শুরু হয় কত সপ্তাহ থেকে?
  1. ক) চার সপ্তাহ
  2. খ) ছয় সপ্তাহ
  3. গ) আটাশ সপ্তাহ
  4. ঘ) আঠারো সপ্তাহ
সঠিক উত্তর:
খ) ছয় সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছয় সপ্তাহ
ব্যাখ্যা

ভ্রূণ অবস্থায় মাতৃগর্ভে হৃদস্পন্দন শুরু হয় ছয় সপ্তাহ থেকে এবং আমৃত্যু এ স্পন্দন চলতে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,০৯৮.
নাসা প্রথম কত সালে ব্ল্যাক হোলের ছবি প্রকাশ করে?
  1. ক) ২০১২
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১৯
  4. ঘ) ২০২১
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৯
ব্যাখ্যা
নাসা ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক হোলের ছবি প্রকাশ করে।

একটি কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল হল মহাকাশের এমন একটি স্থান যেখানে মধ্যাকর্ষণ বল এতটাই শক্তিশালী যে সেখান থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না। এমনকি আলোর মত তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণও এই প্রচন্ড আকর্ষণ বল ভেদ করে বের হয়ে আসতে পারে না। ব্ল্যাক হোলে পদার্থের অত্যাধিক ঘনত্বের কারণে এটি এর চার দিকে এই অস্বাভাবিক মধ্যাকর্ষণ বল তৈরি করতে পারে। 

সূত্র: NASA Website. 
৩,০৯৯.
স্ট্রোক নিচের কোন শারিরিক সমস্যার জন্য দায়ী?
  1. ক) এপিলেপসি
  2. খ) পারকিনসন
  3. গ) প্যারালাইসিস
  4. ঘ) ডায়াবেটিস
সঠিক উত্তর:
গ) প্যারালাইসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্যারালাইসিস
ব্যাখ্যা
প্যারালাইসিস নামক স্নায়ুবিক শারীরিক সমস্যাটি স্ট্রোকের জন্য হয়ে থাকে সাধারণত। 

প্যারালাইসিস মূলত রোগ নয় বরং রোগের ফলে সৃষ্ট এমন একটি অবস্থা যার ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অথবা নির্দিষ্ট কোন অঙ্গ ধীরে ধীরে অথবা হঠাৎ করেই অবশ হয়ে যায় এবং সে অংশের মাংসপেশিও তাদের কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। প্যারালাইসিসের দরুন এবং এর সুচিকিৎসার অভাবে বা অপচিকিৎসার ফলে ধীরে ধীরে রোগীর অবস্থা আরও ভয়ানক আকার ধারণ করে এবং কালক্রমে তা পঙ্গুত্ব থেকে রোগীকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।

প্যারালাইসিস বিষয়টি মূলত নিউরোমাসকুলার অর্থাৎ নার্ভ ও মাংসপেশির সঙ্গে সম্পর্কিত। সুতরাং নার্ভের ইনজুরি বা অস্বাভাবিকতার কারণে মাংসপেশির পরিবর্তন বা দুর্বলতা বা অক্ষমতাই প্যারালাসিস হওয়ার জন্য প্রাথমিক সূচক। প্যারালাইসিসের দরুন মাংসপেশির শক্তি কমে যাওয়া,
হঠাৎ মাংশপেশীর টান বেড়ে যাওয়া বা শক্ত হয়ে যাওয়া, মাংসপেশি শুকিয়ে যাওয়া, থলথলে হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হতে পারে। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১০০.
নিচের কোনটি একোয়াকালচারের উদাহরণ নয়?
  1. মৌমাছি চাষ
  2. চিংড়ি চাষ
  3.  শামুক চাষ
  4. ওয়েস্টার চাষ 
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি চাষ
ব্যাখ্যা

- মৌমাছি চাষ বা এপিকালচার (Apiculture) একোয়াকালচারের (জলজ চাষ) উদাহরণ নয়। এটি হলো মৌমাছি প্রতিপালন এবং তাদের থেকে মধু, মোম ও অন্যান্য পণ্য সংগ্রহের পদ্ধতি। এটি একটি ভূমি-ভিত্তিক কৃষি কার্যক্রম
অন্যদিকে,
- ওয়েস্টার চাষ, চিংড়ি চাষ, এবং শামুক চাষ- এই সবই হলো একোয়াকালচারের উদাহরণ, কারণ এই প্রাণীগুলোকে জলজ পরিবেশে (সমুদ্রের পানি, স্বাদু পানি বা লবণাক্ত পানির মিশ্রণে) চাষ করা হয়। 
 
মৎস্যবিজ্ঞান: 
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় মাছের বিভিন্ন দিক যেমন- শ্রেনীবিন্যাস, মাছ চাষ ও ব্যবস্থাপনা, মাছের প্রজনন, প্রতিপালন, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিপণন, রোগতত্ত্ব তথা মাছ সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মৎস্যবিজ্ঞান বলে। 
- বর্তমানে মাছ চাষের সাথে অন্যান্য অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন জলজ প্রাণি যেমন- চিংড়ি, কাঁকড়া, শামুক, ঝিনুক, কচ্ছপ, ব্যাঙ ইত্যাদি চাষ করা হয়। 
- বিজ্ঞানের ভাষায় মাছ চাষকে একোয়াকালচার (Aquaculture) বলা হয়। 
- Aquaculture শব্দটি Latin শব্দ 'Aqua' যার অর্থ “পানি” এবং English শব্দ 'Culture' যার অর্থ "চাষ” নামক দু'টি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। অর্থাৎ, Aquaculture অর্থ পানিতে চাষ অথবা মাছ চাষকে বুঝায়। 
- অন্যভাবে, নিয়ন্ত্রিত বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন জলজ জীবের চাষকে একোয়াকালচার বলে। একে আবার Aquafarming বলা হয়। যেমন- মাছ চাষ (Fish farming/culture), চিংড়ি চাষ (Shrimp farming/culture), ওয়েস্টার চাষ (Oyster farming/culture), সীউঈড চাষ (Seaweed farming/culture) ইত্যাদি। 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।