বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩২ / ৩৯ · ৩,১০১৩,২০০ / ৩,৮৭৯

৩,১০১.
গঠন প্রক্রিয়া অনুযায়ী শিলা কয় প্রকার?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. আট
সঠিক উত্তর:
তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা

- ভূত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত
- গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার। যথা:-
১। আগ্নেয় শিলা,
২। পাললিক শিলা ও
৩। রূপান্তরিত শিলা ।

আগ্নেয় শিলা:
- পৃথিবী সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ের উত্তপ্ত ও গলিত অবস্থা হতে ক্রমান্বয়ে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তা আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত।
- আগ্নেয় শিলা দুপ্রকার। যথা: অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা এবং বহিঃজ আগ্নেয় শিলা।

অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা:
- গ্রানাইট
- গ্যাব্রো
- ডলোরাইট
- ল্যাকোলিথ
- ব্যাথোলিথ
- ডাইক
- সিল প্রভৃতি।

বহিঃজ আগ্নেয় শিলা:
- ব্যাসল্ট
- রায়োলাইট
- অ্যান্ডিসাইট।

পাললিক শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে পাললিক শিলা বলে।
- পাললিক শিলায় জীবাশ্ম ও স্তর লক্ষ্য করা যায় ।
- পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর ও সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ৷
- বেলেপাথর, চুনাপাথর, কাঁদাপাথর, কয়লা, কেওলিন, শেল প্রভৃতি পাললিক শিলার উদাহরণ।

রূপান্তরিত শিলা: 
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে রূপান্তরিত শিলা গঠন করে।
- রূপান্তরিত শিলা স্ফটিকযুক্ত এবং খুব কঠিন হয়।
- এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না।
- গ্রানাইট থেকে নিস বা নাইস, কয়লা থেকে গ্রাফাইট, চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট ইত্যাদি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি ৷

৩,১০২.
হাইপারটেনশন হওয়ার প্রকৃত কারণ-
  1. ক) আজও জানা যায়নি
  2. খ) রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য
  3. গ) অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
  4. ঘ) পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম
সঠিক উত্তর:
ক) আজও জানা যায়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আজও জানা যায়নি
ব্যাখ্যা
হাইপারটেনশন হওয়ার প্রকৃত কারণ আজও জানা যায় নি। তবে অতিরিক্ত শারীরিক ওজন, মেদবহুল শরীর, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া, ডায়াবেটিস, অস্থিরচিত্ত, মানসিক চাপ, রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য আছে এরকম ব্যক্তিদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩,১০৩.
'প্রিয়ন' কী?
  1. ক) এক ধরনের আলোক যন্ত্র
  2. খ) একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা
  3. গ) একপ্রকার সামুদ্রিক প্রাণি
  4. ঘ) এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস
সঠিক উত্তর:
খ) একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা
ব্যাখ্যা
- 'প্রিয়ন' হলো ভাইরাসের মতোই একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা যা PrP (Prion Protein) নামক প্রোটিন বা আমিষ দিয়ে তৈরি ।
- এটিকে 'transmissible spongiform encephalopathies' নামক স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতার জন্য দায়ী করা হয়।
- প্রিয়ন গবাদি পশুর 'Mad cow disease' ও 'scrapie' , মানুষের 'Creutzfeldt–Jakob disease' (CJD), 'Gerstmann–Sträussler–Scheinker syndrome', fatal familial insomnia, এবং 'kuru' - এসব ভয়ানক মারণব্যাধির কারণ।
৩,১০৪.
গামা রশ্মির উৎস কোনটি?
  1. ইলেকট্রন
  2. প্রোটন
  3. পরমাণুর নিউক্লিয়াস
  4. নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা

• গামা রশ্মি উৎপন্ন হয় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের (Atomic Nucleus) ভিতরে।

- যখন কোনো নিউক্লিয়াস তেজস্ক্রিয় (radioactive) হয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, তখন এটি তার অতিরিক্ত শক্তি নির্গত করে গামা রশ্মির আকারে।
- এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Gamma Decay বা গামা ক্ষয়।
- গামা রশ্মি হলো তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের (Electromagnetic Wave) একটি অত্যন্ত উচ্চ-শক্তির রূপ, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুবই ক্ষুদ্র 10-12 মিটার।
- এটি দৃশ্যমান আলোর চেয়ে কোটি গুণ বেশি শক্তিধর।

গামা রশ্মির বৈশিষ্ট্য:
- কোনো ভর বা চার্জ নেই।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য অতি ক্ষুদ্র, ফলে অনুপ্রবেশ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি।
- বায়ু, কাগজ বা মানুষের ত্বক ভেদ করতে সক্ষম।
- সীসা (lead) বা কংক্রিটের মোটা স্তর দ্বারা শোষিত বা প্রতিরোধ করা যায়।
- এর বেগ আলোর সমান (3 × 108 m/s)।

গামা রশ্মির ব্যবহার:
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে: ক্যানসার কোষ ধ্বংসে (Radiation therapy)।
- শিল্পক্ষেত্রে: ধাতুর ফাটল শনাক্তে।
- বিজ্ঞান গবেষণায়: তেজস্ক্রিয় পদার্থ সনাক্তে।
- জীবাণুনাশে: খাবার বা চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করতে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]

৩,১০৫.
কীসের সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়?
  1. সেক্সট্যান্ট
  2. মাল্টিমিটার
  3. ওডোমিটার
  4. ওহমমিটার
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
ব্যাখ্যা
• অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude)
- একজন ভূগোলবিদের জন্য অক্ষাংশ নির্ণয় করতে জানা খুবই জরুরি।
- আমরা জানি পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ ৩৬০০।
- অক্ষাংশ নির্ণয় করার জন্য গ্লোবটিকে আমরা যদিমাঝখান দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে কেটে নেই, তাহলে এর মধ্যে আমরা পৃথিবীর ঠিক মধ্যকিন্দু পাব। এখন যদি আমরা কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করতে চাই, তাহলে সেই মধ্যবিন্দুর সঙ্গে নির্ণেয় স্থানটির নিরক্ষরেখার (০°) পরিপ্রেক্ষিতে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা নির্ণয় করতে হবে। এই কোণই হলো সেই স্থানের অক্ষাংশ।

অক্ষাংশ নির্ণয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে।
সেগুলো হলো –

•  সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে:
যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
কোনো স্থানের অক্ষাংশ = ৯০০– (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি বিযুবলম্ব)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩,১০৬.
বায়ুদূষণের কারণে কোন রোগটি হয়ে থাকে?
  1. ক) নিউমোনিয়া 
  2. খ) হাঁপানি
  3. গ) যক্ষ্মা
  4. ঘ) ফুসফুসের ক্যান্সার
সঠিক উত্তর:
খ) হাঁপানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাঁপানি
ব্যাখ্যা
বায়ুদূষণের কারণে হাঁপানি রোগটি হয়ে থাকে। 

হাঁপানি (Asthma)  শ্বাসনালীর এক ধরনের বৈকল্য, যে কারনে শ্বাসপ্রশ্বাসে অসুবিধা হয়। অধিকাংশ হাঁপানির আক্রমণ মৃদু, তবে উপযুক্ত চিকিৎসা না হলে অবস্থা মারাত্মক হতে পারে। অনেক সময়ে রোগটিতে সাঁ সাঁ শব্দসহ মারাত্মক রকমের শ্বাসকষ্ট হয়।

হাঁপানির দুটি প্রধান ধরন চিহ্নিত করা গেছে। প্রথমটিতে নাক, গলা, সাইনাস, এমনকি ফুসফুসেরও সংক্রমণ ঘটে, যাকে প্রায়শই ক্লোমনালি প্রদাহ বা ব্রংকাইটিস বলা হয়। দ্বিতীয়টি ব্যাপকতর। এটি একটি অ্যালার্জিক বিক্রিয়া যা বংশগত হতে পারে। অ্যালার্জিঘটিত হাঁপানিতে রোগী ফুলের রেণু, গৃহস্থালির ধুলাবালি, ছত্রাক, পশুর লোম, নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্তর গন্ধ, কীটনাশক, বিশেষ খাবার অথবা ঔষধের প্রতি সংবেদনশীল হতে পারে। উভয় ধরনের হাঁপানিতে ক্লোমনালির অভ্যন্তরীণ পথের মিউকাস আবরণী স্ফীত হওয়ার দরুন নালিগুলি সরু হয়ে যায় এবং মিউকাস রোধক তৈরি হয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,১০৭.
পেপটিক আলসার রোগ নির্ণয় করার জন্য কোন পরিক্ষাটি করা হয়?
  1. এন্ডোসকপি
  2. আলট্রাসনোগ্রাফি
  3. এক্সরে
  4. পি সি আর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি
ব্যাখ্যা
• এন্ডোস্কোপি:
- চিকিৎসার কারণে দেহের ভেতরের কোনো অঙ্গকে বাইরে থেকে সরাসরি দেখার প্রক্রিয়ার নাম এন্ডোস্কোপি।
- এন্ডোস্কোপি যন্ত্রে অপটিকাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়।
- পেপটিক আলসার (Peptic Ulcer) মূলত পাকস্থলী বা ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাথমিক অংশ এ ঘটে।
- এটি হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি (Helicobacter pylori) ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণ, বা ব্যথানাশক ওষুধ (NSAIDs) গ্রহণের কারণে হতে পারে।
- এন্ডোস্কোপ (Endoscope) নামে ক্যামেরাযুক্ত একটি ছোট টিউব মুখের মাধ্যমে পাকস্থলীতে প্রবেশ করিয়ে সরাসরি আলসার দেখা যায়।
- আলসারের আকার, অবস্থান ও অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।
- যদি ক্যান্সারের সন্দেহ থাকে, তবে আলসারের টিস্যু সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
- H. pylori সংক্রমণ আছে কিনা তা পরীক্ষা করা যায়।

অন্যদিকে,
- আলট্রাসনোগ্রাফি - এটি মূলত নরম টিস্যু ও অন্তঃপ্রবাহী তরল পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা আলসার নির্ণয়ে কার্যকর নয়।
- এক্স-রে - সাধারণ এক্স-রে পেপটিক আলসার সরাসরি সনাক্ত করতে পারে না, তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যারিয়াম এক্স-রে (Barium X-ray) করা হতে পারে, যা তুলনামূলক কম কার্যকর।
- পি সি আর (PCR) -  ভুল, কারণ পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (PCR) মূলত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার জিনগত উপাদান শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যা আলসার নির্ণয়ের জন্য সাধারণত করা হয় না।

উৎস: ব্রিটানিকা ও National Institutes of Health।
৩,১০৮.
অর্ধপরিবাহীর যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তির পার্থক্য কোনটি?
  1. ক) প্রায় 1.1 eV
  2. খ) প্রায় 15.0 eV
  3. গ) প্রায় 25.1 eV
  4. ঘ) প্রায় 50.1 eV
সঠিক উত্তর:
ক) প্রায় 1.1 eV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রায় 1.1 eV
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। যেমন— জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ ।
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি।
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের।
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না।
- কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু ও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়।

অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য:
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0 K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে।  
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm এর মধ্যে থাকে। 
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার উঠা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়।  
৫। অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তির পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম।  
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,১০৯.
বর্তমান বৈজ্ঞানিক হিসেবে মহাবিশ্বের আনুমানিক বয়স কত?
  1. ৫.৭৫ বিলিয়ন বছর
  2. ১০.৫০ বিলিয়ন বছর
  3. ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
  4. ২০.৫০ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা

• বিগ ব্যাং প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) আগে সংঘটিত হয়েছিল।

• মহাবিশ্বের উৎপত্তি:

- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সম্পর্কে যেসব তত্ত্ব প্রচলিত আছে, তার মধ্যে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য হলো বিগ ব্যাং তত্ত্ব—বাংলায় যাকে মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বলা হয়।

 
• বিগ ব্যাং তত্ত্বের মূল ধারণা:

- এই তত্ত্ব অনুযায়ী, মহাবিশ্ব একসময় ছিল অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত এবং অসীম ঘনত্বের (Infinitely Dense) অবস্থায়।
পরবর্তীতে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্ব অত্যন্ত দ্রুত প্রসারিত হতে শুরু করে।

- এই দ্রুত প্রসারণের ফলেই—

- মহাবিশ্ব ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়,
- এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়।
 
• সময়কাল ও বয়স:

- আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুযায়ী,

- বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) আগে।
- এটিকেই বর্তমানে মহাবিশ্বের আনুমানিক বয়স হিসেবে ধরা হয়।
 
• বৈজ্ঞানিক গ্রহণযোগ্যতা:

- বিগ ব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব।
- জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষণে প্রাপ্ত প্রায় সব তথ্য এই তত্ত্বকে সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম।

- বর্তমান সময়ে অধিকাংশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী—

- এই তত্ত্বের পক্ষে ঐকমত্য প্রকাশ করেছেন,
- এবং মহাবিশ্বের উৎপত্তি ব্যাখ্যায় এটিকেই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মডেল হিসেবে মান্যতা দিয়েছেন।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

৩,১১০.
ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণ সবচেয়ে বেশি ঘটে কোথায়?
  1. টেকটোনিক প্লেটের মধ্যভাগে 
  2. সমুদ্রের গভীরে 
  3. মেরু অঞ্চলে 
  4. টেকটোনিক প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে 
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে 
ব্যাখ্যা

প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব: 
- প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব অনুসারে, পৃথিবীর শিলামণ্ডল কয়েকটি পৃথক প্লেটে বিভক্ত, যা গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের ওপরে ভাসমান অবস্থায় থাকে।
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছর কয়েক সেন্টিমিটার করে সরে যায়, কখনো একে অপরের থেকে দূরে সরে, আবার কখনো পরস্পরের দিকে আসে বা পরস্পরের সঙ্গে ঘষা খায়। 
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলেই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা বেশি ঘটে, বিশেষত যেখানে উঁচু পর্বতশ্রেণী বিদ্যমান। 
- প্লেটগুলোর সংঘর্ষ ও ঘর্ষণের ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়, যা ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলিয়ে ফেলে। 
- এই গলিত পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত এবং চাপের ফলে ভূপৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে এলে তা লাভা নামে পরিচিত হয় এবং এই প্রক্রিয়াকে আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলা হয়। 
- প্লেটগুলোর সংঘর্ষের ফলে যখন পৃথিবী কেঁপে ওঠে, তখন ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৩,১১১.
কোন অঙ্গানু ব্যাকটেরিয়ার সালোকসংশ্লেষণে সাহায্য করে?
  1. ক) ফ্ল্যাজেলা
  2. খ) ক্যাপসিউল
  3. গ) ক্রোম্যাটোফোর
  4. ঘ) ভলিউটিন
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রোম্যাটোফোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রোম্যাটোফোর
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজম
- সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন দিয়ে পরিবেষ্টিত অবস্থায় সাইটোপ্লাজম থাকে।
- এটি সাধারণত বর্ণহীন।
- এতে কোষগহ্বর, চর্বি, শর্করা জাতীয় খাদ্য, প্রোটিন যার অধিকাংশই এনজাইম, বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থ যেমন- ফসফরাস, লৌহ ও সালফার ইত্যাদি বিদ্যমান থাকে।
- ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে কিছু পদার্থ বিক্ষিপ্ত অবস্থায় দেখা যায়। যেমন
১। রাইবোসোম (70S),
২। ক্রোম্যাটোফোর,
৩। কোষ কোষগহ্বর এবং
৪। ভলিউটিন।

রাইবোসোম- প্রতিটি রাইবোসোম RNA ও প্রোটিন সহযোগে গঠিত। প্রোটিন সংশ্লেষণ করাই রাইবোসোমের প্রধান কাজ।
ক্রোম্যাটোফোর- কতক ব্যাকটেরিয়াতে ক্রোম্যাটোফোর থাকে। এসব রঞ্জক পদার্থ ব্যাকটেরিয়ার সালোকসংশ্লেষণে সাহায্য করে।
কোষগহ্বর- ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে অত্যন্ত ছোট ছোট কোষ গহবর থাকে।
ভলিউটিন- তরুণ ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে এবং পুরাতন কোষের কোষগহ্বরে ভলিউটিন থাকে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১১২.
কোনটি রক্ত আমাশয়ের জীবাণু?
  1. সিগেলা
  2. জিয়ার ডিয়া
  3. ক্যামপাইলোব্যাকটার
  4. সালমোনলা
সঠিক উত্তর:
সিগেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিগেলা
ব্যাখ্যা
- রক্ত আমাশয়ের প্রধান কারণ হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া যার নাম শিগেলা। 
- এই শিগেলা নামক ব্যাকটেরিয়াও দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। 

রক্ত আমাশয়ের লক্ষণ হলো - 
- পেটে তীব্র মোচড় দিয়ে ব্যথা হওয়া, 
- অল্প অল্প করে বার বার পায়খানা, 
- পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া এবং মলস্বারে তীব্র ব্যথা হওয়া। 

Dysentery is an infection of the intestines that causes diarrhoea containing blood or mucus.
- There are 2 main types of dysentery:
• bacillary dysentery or shigellosis, which is caused by shigella bacteria; this is the most common type of dysentery in the UK
• amoebic dysentery or amoebiasis, which is caused by an amoeba (single celled parasite) called Entamoeba histolytica

Source: NHS
৩,১১৩.
গ্রীণ হাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীতে কী ঘটছে?
  1. ক) পৃথিবীতে বনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  2. খ) ওজন স্তর ধ্বংস হচ্ছে।
  3. গ) বিলুপ্ত প্রাণীর প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  4. ঘ) শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়া।
সঠিক উত্তর:
খ) ওজন স্তর ধ্বংস হচ্ছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওজন স্তর ধ্বংস হচ্ছে।
ব্যাখ্যা
গ্রীণ হাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীতে ওজন স্তর ধ্বংস হচ্ছে

বাংলাদেশে সম্ভাব্য গ্রীণ হাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলাফল-
১. ভূপৃষ্ঠের নিচু এলাকায় প্লাবন
২. প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতি
৩. লবণাক্ততার বিস্তার
৪. বন্যা ঝড় জলােচ্ছাস
৫. আবহাওয়াগত বিপর্যয়
৬. এসিড বৃষ্টি

সূত্র: NASA Website [লিঙ্ক]
৩,১১৪.
নিচের কোনটি অগ্রমস্তিষ্কের অংশ?
  1. ক) সেরেবেলাম
  2. খ) হাইপোথ্যালামাস
  3. গ) কর্পোরা কোয়াড্রিজেমিনা
  4. ঘ) সেরেব্রাল পেডাঙ্কল
সঠিক উত্তর:
খ) হাইপোথ্যালামাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাইপোথ্যালামাস
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- সেরেব্রাম, থ্যালামাস, হাইপোথ্যালামাস হলো অগ্রমস্তিষ্কের অংশ।
- সেরেব্রাল পেডাঙ্কল, কর্পোরা কোয়াড্রিজেমিনা, সেরেব্রাল অ্যাকুইডাক্ট হলো মধ্যমস্তিষ্কের অংশ।
- সেরেবেলাম, মেডুলা অবলংটা, পনস হলো পশ্চাৎমস্তিষ্কের অংশ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,১১৫.
কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়? 
  1. এমআরআই
  2. কেমোথেরাপি
  3. এনজিওগ্রাফি
  4. আলট্রাসনোগ্রাফি
সঠিক উত্তর:
কেমোথেরাপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেমোথেরাপি
ব্যাখ্যা
- 'কেমোথারেপি' প্রযুক্তির মাধ্যমে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়। 

কেমোথেরাপি: 
- ক্যান্সারে শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। 
- কেমোথেরাপি হলো এমন এক চিকিৎসা, যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়। 
- কেমোথেরাপি হলো ক্যান্সারের চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি। 
- প্রতিটি জীবদেহ কোষ দ্বারা গঠিত যে কোষ বৃদ্ধি পায় বা বিভাজিত হয়। 
 - জীবদেহের এই কোষ বিভাজনের ওপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি গঠিত হয়েছে। 
- কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নির্দিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়। 
- কোষ বিভাজনের কোন ধাপে কী প্রয়োগ করা হবে তার ওপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধগুলো ঠিক করা হয়। 
- এটি একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে থাকে। যেমন: প্রতিদিনে ১ বার, সপ্তাহে ১ বার বা মাসে ১ বার ইত্যাদি। সাধারণত এভাবে প্রায় ৬ বার ঔষধ প্রয়োগ করা হয়। 
- কেমোথেরাপির বিশেষ ঔষধ ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট অন্য কোষও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। 

অন্যদিকে, 
- এমআরআই, এনজিওগ্রাফি, আলট্রাসনোগ্রাফি হলো বিভিন্ন ধরনের ইমেজিং পদ্ধতি যেগুলো রোগের নির্ণয় বা নিদান করতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১১৬.
দেহ গঠনে কোন উপাদানের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) শ্বেতসার
  2. খ) আমিষ
  3. গ) ভিটামিন
  4. ঘ) পানি
সঠিক উত্তর:
খ) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আমিষ
ব্যাখ্যা

- আমিষ বা প্রোটিন ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধিসাধন ও দেহ গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- শর্করা বা শ্বেতসার শক্তি উৎপাদন করে।
- চর্বি বা স্নেহ তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১১৭.
পৃথিবী কোন দিক থেকে কোন দিকে আবর্তন করে?
  1. পশ্চিম থেকে পূর্ব
  2. পূর্ব থেকে পশ্চিম
  3. দক্ষিণ থেকে উত্তর 
  4. উত্তর থেকে দক্ষিণ
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব
ব্যাখ্যা

পৃথিবী (Earth) :
- পৃথিবী আমাদের বাসভূমি। এটি সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
- পৃথিবী পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে।
- অর্থাৎ, পৃথিবী তার নিজস্ব অক্ষে পশ্চিম → পূর্ব দিকে ঘুরে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার।
- পৃথিবী একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
- তাই এখানে ৩৬৫ দিনে এক বছর। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
- পৃথিবী একমাত্র গ্রহ যার বায়ুমণ্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে যা উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী।
- সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের অস্তিত্ব আছে।

উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং NASA ওয়েবসাইট। 

৩,১১৮.
অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ কী?
  1. ক) ভাইরাস ধ্বংস করা
  2. খ) জীবাণু বহন করা
  3. গ) জীবাণু ধ্বংস করা
  4. ঘ) ক ও গ 
সঠিক উত্তর:
গ) জীবাণু ধ্বংস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জীবাণু ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ হচ্ছে জীবাণু ধ্বংস করা। 

এন্টিবায়োটিক হলো এমন একটা উপাদান যা ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস থেকে সংগ্রহ করে অন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস কে ধ্বংস জন্য বা তার বংশবৃদ্ধি রোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এন্টিবায়োটিক ভাইরাসের ক্ষেত্রে অকার্যকর।  

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিকগুলো:
১. এন্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহারে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শারীরিক স্থূলতার ঝুঁকি থাকে।
২. এন্টিবায়োটিক অন্ত্রের অনেক উপকারী ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে যাতে অগ্ন্যাশয়ের কার্যক্ষমতা কমে গিয়ে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিক রোধে করণীয়- 
১) ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সাধারন রোগে ভুগলেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা।
২) ডাক্তারের পরামর্শ মত ডোজ ও সময় অনুসারে এন্টিবায়োটিক সেবন করা।
৩) ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্রে দেয়া ঔষধের ব্যাপারে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করা, কোন ঔষধ কেন দেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে ধারনা নেয়া।
৪) মেয়াদ উত্তীর্ণ এন্টিবায়োটিক সেবন না করা।

সূত্র: https://www.nhs.uk/conditions/antibiotics/
৩,১১৯.
মানবদেহে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন সরবরাহ করে -
  1. ক) কার্বহাইড্রেট
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) ভিটামিন
  4. ঘ) লবণ
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
ব্যাখ্যা
আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দ্বারা গঠিত। আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। সালফার, ফসফরাস ও আয়রন সামান্য পরিমাণে থাকে।
শুধু আমিষ জাতীয় খাদ্যই দেহে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টি বিজ্ঞানে আমিষ একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৩,১২০.
প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশ অভিযান -
  1. ক) CALIPSO
  2. খ) Apollo 11
  3. গ) CALIPSO
  4. ঘ) Dawn
সঠিক উত্তর:
খ) Apollo 11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Apollo 11
ব্যাখ্যা
প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশ অভিযানটির নাম হচ্ছে  Apollo 11

- এপোলো-১১ , মহাকাশ অভিযানের এক মাইলফলক।
- ১৯৬৯ সালের ২১শে জুলাই নেইল আর্মস্ট্রং প্রথম মানব হিসেবে চাঁদে পদার্পণ করেন, তার প্রায় ২০ মিনিট পর বাজ অল্ড্রিন চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করেন। - তাদের আরেক সঙ্গী মাইকেল কলিন্স তখন চাঁদের কক্ষপথে সার্ভিস মডিওল (Service Module) “কলাম্বিয়া”  পরিচালনা করছিলেন।
- নভোচারীরা চাঁদের মাটিতে প্রায় ২১ ঘণ্টা ছিলেন ।
- অতঃপর অভিযান শেষে সকল নভিচারিরা ২৪শে জুলাই নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

সূত্র: NASA Website [লিঙ্ক]
৩,১২১.
মানব ইউরিন খড় বর্ণ হওয়ার জন্য দায়ী -
  1. ক) ত্রিয়েটিনিন
  2. খ) বিলিরুবিন
  3. গ) ইউরোক্রোম
  4. ঘ) ইউরিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোক্রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোক্রোম
ব্যাখ্যা
Components of Urine
- নেফ্রনের বৃক্কীয় নালিকায় গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট এর নির্বাচিত পুনঃশোষণের পর যে খড় বর্ণের, তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত ও অম্লধর্মী তরল রেচন বর্জ্য মূত্রথলিতে জমা হয় তাকে মূত্র (urine) বলে ।
- একজন সুস্থ্য মানুষ দৈনিক গড়ে ১.৫ লিটার মূত্র ত্যাগ করে। 
- ইউরোক্রোম (urochrome) নামক পদার্থ থাকায় মূত্র খড় বর্ণের হয় ।
- মূত্র সামান্য অম্লীয়, এর pH মান ৬.৫
- মূত্রের আপেক্ষিক গুরুত্ব ১.০১ - ১.৫০

সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, আজমল ও আসমত।
৩,১২২.
সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন স্তর
  2. ট্রপোস্ফিয়ার
  3. ওজোন স্তর
  4. জলীয়বাষ্প
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর
ব্যাখ্যা

• সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে ওজোন স্তর রক্ষা করে।

• বায়ুমণ্ডলের ধারণা:
- পৃথিবীকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখা বায়বীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলা হয়।
- বায়ুমণ্ডল মূলত নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন দিয়ে গঠিত।
- এছাড়াও এতে জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা, আর্গন, কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য গ্যাস থাকে।
 
• বায়ুমণ্ডলের গুরুত্ব:
- বায়ুমণ্ডলের গ্যাসসমূহ পৃথিবীর পৃষ্ঠে ভারসাম্য বজায় রাখে।
- পৃথিবীর সকল বস্তু ও প্রাণকে বায়ুমণ্ডল নিজের দিকে ধরে রাখে।
- বায়ুমণ্ডল না থাকলে পৃথিবীতে কোনো কিছুই স্থির থাকত না এবং জীবন সম্ভব হতো না।
 
• উচ্চতার সাথে বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তন:
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে গেলে বায়ুমণ্ডল ক্রমশ পাতলা হয়।
- উচ্চতার সাথে সাথে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়।
- পাহাড়ের চূড়ায় উঠলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, কারণ সেখানে অক্সিজেন কম থাকে।
 
• বায়ুমণ্ডলের স্তরসমূহ:
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত অংশকে ট্রপোস্ফিয়ার বলা হয়।
- ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুমণ্ডলের অধিকাংশ গ্যাস ও মেঘ অবস্থান করে।
- ট্রপোস্ফিয়ারের ওপরের স্তরকে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার বলা হয়।
- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে রয়েছে ওজোন গ্যাস।
 
• ওজোন স্তরের ভূমিকা:
- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করে।
- এর ফলে পৃথিবীর মানুষ, প্রাণী ও উদ্ভিদ ক্ষতিকারক রশ্মির প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।
- ওজোন স্তর না থাকলে পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ত।
  
• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- নাইট্রোজেন স্তর → বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি (৭৮%) নাইট্রোজেন আছে।
- ট্রপোস্ফিয়ার → এটি বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তর (যেখানে আমরা বাস করি)।
- জলীয়বাষ্প → পানির বাষ্প আবহাওয়া ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
 
উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

৩,১২৩.
শিশুদের জন্মের ৯ মাস বয়সে কোন টিকা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়? 
  1. Measles Vaccine
  2. BCG Vaccine
  3. Oral Polio Vaccine
  4. Diphtheria and Tetanus Vaccine
সঠিক উত্তর:
Measles Vaccine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Measles Vaccine
ব্যাখ্যা
- শিশুদের জন্মের ৯ মাস বয়সে 'Measles Vaccine' টিকা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১২৪.
২৫শে ডিসেম্বর, ২০২১ইং তারিখে NASA মহাশূন্যে যে স্পেস টেলিস্কোপ প্রেরণ করেছে তার নাম কী?
  1. ক) Kapler Space Telescope
  2. খ) James Webb Space Telescope
  3. গ) Habble Space Telescope
  4. ঘ) Neil Armstrong Space Telescope
সঠিক উত্তর:
খ) James Webb Space Telescope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) James Webb Space Telescope
ব্যাখ্যা
জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ:
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (NASA) মহাকাশে ইতিহাসের বৃহত্তম টেলিস্কোপ পাঠায় (২২ ডিসেম্বর, ২০২১)। 

- টেলিস্কোপটির নাম ‘দ্য জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ' (James Webb Space Telescope)। 
- নাসার সঙ্গে টেলিস্কোপটি তৈরিতে সাহায্য করেছে ইউরোপিয়ান এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি। 
- ১৯৯৭ সালে প্রথম টেলিস্কোপটির ওপর কাজ শুরু হয়। 
- পৃথিবী থেকে ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে এ অবলোহিত রশ্মির টেলিস্কোপটিকে বসানো হবে।

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
৩,১২৫.
হিগস্-বোসন কণা কত সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
• হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে। 
- সুইজারল্যান্ডের ইউরোপীয় কণা পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগার CERN-এ অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কণা ত্বরক 'লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার' (LHC)-এর গবেষকদের দ্বারা।
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

• হিগস বোসন কণার বৈশিষ্ট্য:
- হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও  Space.com website।
৩,১২৬.
কে আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সূচনা করেন?
  1. নিউটন
  2. আইনস্টাইন
  3. গ্যালিলিও
  4. কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা
গ্যালিলিও:
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলি একজন ইতালিয়ান পদার্থবিজ্ঞানী,জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং দার্শনিক।
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গাণিতিক সূত্র দেওয়ার পর পরীক্ষা করে সেই সূত্রটি প্রমাণ করার বৈজ্ঞানিক ধারার সূচনা করেন।
- গ্যালিলিওকে আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- তিনি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সূচনা করেন।
- ১৬০৯ সালে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও একটি উন্নত ধরণের দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- গ্যালিলিও মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর জন্য তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- সূত্রগুলো স্থির অবস্থান থেকে মুক্তভাবে পড়ন্ত যেকোনো বস্তুর পরিমাপের বেলায় ব্যবহার করা যায়।

অন্যদিকে -
- ১৫৪৩ সালে কোপার্নিকাস সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন।
- নিউটন বলবিদ্যা ও গতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার সূত্র প্রদান করেন।

উৎস: i) পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।  
          ii) Britannica.
৩,১২৭.
পানির তলায় শব্দ নির্ধারণের যন্ত্র-
  1. ক) অডিওমিটার
  2. খ) অডিওফোন
  3. গ) ফ্যাদোমিটার
  4. ঘ) হাইড্রোফোন
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাইড্রোফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাইড্রোফোন
ব্যাখ্যা
• পানির তলায় শব্দ নির্ধারণের যন্ত্র হাইড্রোফোন
- হাইড্রোফোন হল একটি পানির নিচের যন্ত্র যা সমস্ত দিক থেকে সমুদ্রের শব্দ সনাক্ত করে এবং রেকর্ড করে।
- অসংখ্য সামুদ্রিক জীব যোগাযোগ, প্রজনন এবং শিকার খোঁজার জন্য শব্দ ব্যবহার করে। যা হাইড্রোফোনের মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,১২৮.
কোথায় আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণ হয়না কিন্তু আলোর শোষণ হয়?
  1. পৃথিবী
  2. ব্লাক হোল
  3. চাঁদ
  4. নক্ষত্র
সঠিক উত্তর:
ব্লাক হোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্লাক হোল
ব্যাখ্যা
ব্লাক হোল বা কৃষ্ণবিবর মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি বহুল প্রচলিত ধারণা। এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণ বিবর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তাড়িত চৌম্বক বিকিরণকেও (যেমন: আলো) নয়। প্রকৃতপক্ষে এই স্থানে সাধারণ মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশী হয়ে যায় যে এটি মহাবিশ্বের অন্য সকল বলকে অতিক্রম করে। ফলে এ থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না। মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার ১৯৬৯ সালে ব্লাক হোল আবিষ্কার করেন।
৩,১২৯.
রিখটার স্কেল কোন বিষয় পরিমাপে ব্যবহৃত হয়? 
  1. ভূমিকম্পের মাত্রা
  2. আগ্নেয়গিরির তাপমাত্রা
  3. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ
  4. বাতাসের চাপ
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্পের মাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্পের মাত্রা
ব্যাখ্যা
রিখটার স্কেল: 
- ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে। 
- 1935 সালে আমেরিকার ভূকম্প বিশারদ চার্লস ফ্রান্সিস রিখটার ভূমিকম্পের যে মাত্রামাপক স্কেল প্রণয়ন করেন সেই স্কেলকে রিখটার স্কেল বলে। 
- রিখটার পরিমাপক স্কেল হলো কোন ভূমিকম্পের প্রাবল্যকে সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা, এটি একটি 10 মাত্রা ভিত্তিক লগারিদম পরিমাপ। 
অর্থাৎ এই পরিমাপে যে কোন সংখ্যার ভূমিকম্প- পূর্ববর্তী সংখ্যার চাইতে 10 গুণ বেশি শক্তিশালী।যেমন তিন মাত্রার ভূমিকম্পের চেয়ে চার মাত্রার ভূমিকম্প দশগুণ বেশি শক্তিশালী। 

ভূমিকম্প: 
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। 
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। 
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৩,১৩০.
কৃষ্ণ বিবরের ভর -
  1. ক) শূন্য
  2. খ) প্রায় শূন্য
  3. গ) প্রায় অসীম
  4. ঘ) সসীম
সঠিক উত্তর:
গ) প্রায় অসীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রায় অসীম
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
৩,১৩১.
নীহারিকা কী? 
  1. সূর্যের কাছাকাছি এক ধূমকেতু
  2. মহাকাশে গ্রহ ও উপগ্রহের সমষ্টি
  3. মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ 
  4. পৃথিবীর নিকটে আলো উৎপন্ন করা জ্যোতিষ্ক
সঠিক উত্তর:
মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ 
ব্যাখ্যা

- নীহারিকা (nebula) হলো ধূলিকণা, হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস এবং প্লাজমা দ্বারা গঠিত এক ধরনের বিশাল আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘ। দূরবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে এদেরকে মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ বা মেঘের মতো দেখায়। 

নীহারিকা (Nebula): 
- নীহারিকা হলো মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ। 
- এদের আকার বিচিত্র। কিছু নীহারিকার দেহ গ্যাসীয় পদার্থে পূর্ণ, তাই এদেরকে গ্যাসীয় নীহারিকা বলে। 
- এক একটি নীহারিকার মধ্যবর্তী দূরত্ব ব্যাপক। 
- এক একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে। 
- এরা যেহেতু পৃথিবী থেকে কোটি কোটি আলোক বর্ষ দূরে রয়েছে, তাই এদের মাঝে যেসব নক্ষত্র রয়েছে তাদের পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায় না। 

ছায়াপথ (Milky Way): 
- কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বা আকাশ গঙ্গা বলে। 
- অন্ধকার আকাশে এদের উজ্জ্বল দীপ্তি দীর্ঘপথের মতো দেখায়। একটি ছায়াপথ লক্ষ কোটি নক্ষত্রের সমষ্টি। 
- শীতকালে রাত্রিবেলা পরিষ্কার আকাশে লক্ষ্য করলে উত্তর-দক্ষিণে বেশ বড় পরিসরযুক্ত তেজোদ্দীপ্ত স্বচ্ছ দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়, তারকা খচিত এই আলোর পথই হলো ছায়াপথ। 
- বিজ্ঞানীরা একে বিরাট চক্রাকার মণ্ডল বলে অনুমান করেন। 
- সৌরজগৎ এরকম একটি ছায়াপথের অন্তর্গত। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১৩২.
একটি নবজাতকের স্বাভাবিক ওজন কত?
  1. ১.৫-২.০ কেজি
  2. ২.৫-৩.০ কেজি
  3. ৩.৫-৫.০ কেজি
  4. ৫.৫-৬.০ কেজি
সঠিক উত্তর:
২.৫-৩.০ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.৫-৩.০ কেজি
ব্যাখ্যা
শিশুর বিকাশ: 
- শিশুর বর্ধন ও বিকাশ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। 
- শিশুর বয়স বাড়ার সাথে তার ওজন ও উচ্চতা যেমন বৃদ্ধি পায় তেমনি তার অঙ্গ সঞ্চালন, শক্তি, সামর্থ্যও বৃদ্ধি পায়। 
- তার দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রতঙ্গ এবং মাথার আকার ও গঠনের যথেষ্ট পরিবর্তন হয়। 
- মাথার (মগজ) বর্ধনের ফলে শিশুর শিক্ষণ ক্ষমতা বেড়ে যায় এবং সেই সাথে সাথে তার স্মৃতিশক্তি ও যুক্তির ক্ষমতাও বাড়ে। 
- এই ভাবেই শিশুরা শারীরিক ও মানসিকভাবে বেড়ে উঠে। 
- একজন পূর্ণদেহী মানুষ হতে একটি শিশুকে অনেক ধাপ অতিক্রম করতে হয়। 
- একেক ধাপের পরিণতি পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতি ও সুস্থ বিকাশের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন- 
১। জন্মপূর্বকাল (Prenatal Period): 
- সূচনামুহূর্ত থেকে জন্মগ্রহণ পর্যন্ত সময়কাল। 
- মাতৃগর্ভের অর্থাৎ যখন থেকে মানব সন্তানের জন্ম হয় তখন থেকে ৯ মাস বা ২৮০ দিন পর্যন্ত এই ধাপ বিস্তৃত। 
- এই সময়কাল বেশ সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এই সময়ের বর্ধন খুব দ্রুত। কারণ এই সময়ের মধ্যে স্পষ্ট হয় মানব কাঠামো এবং তার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য। 
- নবজাতকের স্বাভাবিক ওজন ২.৫-৩.০ কেজি। 
- একটি সুস্থ সদ্যজাত শিশু জন্মের পরই চিৎকার করে কাঁদে। 
- তারা দিনে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রায় ২০ ঘন্টাই ঘুমায়। 
- কান্নাই তাদের একমাত্র অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম। 

২। নবজাতকাল (Neonatal Period): 
- শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার সাথে সাথে নবজাতকাল শুরু হয় এবং শেষ হয় ২ সপ্তাহ বা ১৪ দিন পর। 
- কাজেই অন্যান্য বিকাশমূলক স্তরের চেয়ে নবজাতকাল বেশ সংক্ষিপ্ত। 
- এই ধাপে শিশু নতুন পরিবেশের সাথে পরিচিত হয় এবং খাপ খাইয়ে চলার প্রচেষ্টা শুরু হয়। 
- একটি ভিন্নতর পরিবেশের সাথে সঙ্গতি বিধান করার সময় নবজাত শিশুর অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৩৩.
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ও মহাজাগতিক পশ্চাৎপট বিকিরণ কোন বৈজ্ঞানিক শাখার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক্রিপ্টোলজি 
  2. কসমোলজি
  3. জ্যোতির্বিজ্ঞান
  4. অ্যাস্ট্রোফিজিক্স
সঠিক উত্তর:
কসমোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসমোলজি
ব্যাখ্যা

- কসমোলজি মহাবিশ্বের উৎপত্তি, বিকাশ, ইতিহাস, ভবিষ্যৎ এবং বৃহৎ আকারের গঠন ও বিবর্তন নিয়ে অধ্যয়ন করে। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ (expansion) এবং মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণের মতো বিষয়গুলো কসমোলজির মূল আলোচ্য বিষয়।

মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য: 

- মহাবিশ্ব কেন সৃষ্টি হলো, কিভাবে সৃষ্টি হলো, কেনইবা এটি টিকে আছে এ সম্পর্কে আমাদের কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই। তবে এটি কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে এর বিবর্তনের ধারা সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা হয়েছে। 
- রাতের আকাশে অসংখ্য তারা বা নক্ষত্র দেখতে পাওয়া যায়, এমন অসংখ্য নক্ষত্র নিয়ে গঠিত হয়েছে একটি গ্যালাক্সি। 
- সপ্তদশ শতাব্দীতে টেলিস্কোপের ব্যবহার থেকে জানা যায়, সূর্য ছায়াপথ গ্যালাক্সির (Milky way) অন্যান্য নক্ষত্রের মতোই একটি সাধারণ নক্ষত্র, তখন মনে করা হতো, সূর্য হচ্ছে গ্যালাক্সির কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু বিংশ শতাব্দীতে এসে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন, সূর্যের অবস্থান গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে অনেক অনেক দূরে। এরূপ কোটি কোটি গ্যালাক্সি নিয়ে গঠিত হয়েছে এই মহাবিশ্ব। 
- ছায়াপথ গ্যালাক্সিতে নক্ষত্রের সংখ্যা প্রায় 1011 । মহাবিশ্বে এরকম প্রায় 1011 সংখ্যক গ্যালাক্সি রয়েছে আর প্রত্যেকটি গ্যালাক্সিতে রয়েছে গ্যালাক্সির প্রায় সমসংখ্যক নক্ষত্র। 

- পৃথিবী মহাবিশ্বের তুলনায় অতি অতি ক্ষুদ্র। পৃথিবী থেকে মহাকাশে নক্ষত্রদের দেখতে কাছাকাছি মনে হলেও এদের পরস্পরের মধ্যে রয়েছে অনেক আলোক বর্ষের ব্যবধান। 
- সভ্যতার সেই শুরু হতেই বিজ্ঞানীগণ এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য এবং পরিণতি সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণা পোষণ করে আসছেন। এসব ধারণা এবং বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিজ্ঞানের একটি শাখা সৃষ্টি হয়েছে, যা কসমোলজি (Cosmology) বা 'মহাজাগতিক বিজ্ঞান' নামে পরিচিত। 
- বিংশ শতাব্দীতে দুই জন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিকের দ্বারা দুটি পরীক্ষা সংঘটিত হয়, যেগুলোর মাধ্যমে মহাবিশ্ব সম্পর্কে একটি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণা প্রায় সকল পদার্থ বিজ্ঞানীদের মাঝে গৃহীত হয়েছে।
- পরীক্ষা দুটি হলো- ১। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ এবং ২। মহাজাগতিক পশ্চাৎপট বিকিরণ। 

অন্যদিকে, 
- ক্রিপ্টোলজি (Cryptology): এটি গোপন তথ্য বা বার্তা সংরক্ষণ এবং নিরাপদ প্রেরণের বিজ্ঞান।
- জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy): এটি মহাকাশের বস্তু (গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ) এবং তাদের ঘটনা নিয়ে অধ্যয়ন করে, তবে কসমোলজি মহাবিশ্বের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট নিয়ে কাজ করে। 
- অ্যাস্ট্রোফিজিক্স (Astrophysics): এটি মহাজাগতিক বস্তু ও ঘটনার ভৌত প্রক্রিয়াগুলো ব্যাখ্যা করে, যা কসমোলজির একটি অংশ হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৩৪.
সূর্য কী?
  1. গ্রহ
  2. নক্ষত্র
  3. উপগ্রহ
  4. ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
সূর্য (Sun): 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- সূর্যের পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস। 
- এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড। 
- হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের। 
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৩৫.
ডেঙ্গু রোগের কারণ -
  1. Male Aedes
  2. Female Aedes
  3. Female Anopheles
  4. Male Anopheles
সঠিক উত্তর:
Female Aedes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Female Aedes
ব্যাখ্যা
- ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ডেঙ্গু রোগ হয়।
- ডেঙ্গুর ভাইরাস এডিস ইজিপ্টি নামক স্ত্রী মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
 
Dengue virus is transmitted by female mosquitoes mainly of the species Aedes aegypti and, to a lesser extent, Ae. albopictus. These mosquitoes are also vectors of chikungunya, yellow fever and Zika viruses.
 
উৎস: who.int
৩,১৩৬.
পেপটিক আলসার সৃষ্টি করে কোন ব্যাকটেরিয়া?
  1. ক) Providencia spp.
  2. খ) Acinetobacter baumannii
  3. গ) Flavobacterium spp.
  4. ঘ) Helicobacter pylori
সঠিক উত্তর:
ঘ) Helicobacter pylori
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Helicobacter pylori
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন (1951-বর্তমান) ও ব্যারি মার্শালের (1937-বর্তমান) গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপােড়া খাবার খাওয়া, বিষন্নতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া।

এজন্য তাঁরা 2005 সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নােবেল পুরস্কার লাভ করেন। আগে ভাবা হতাে, পাকস্থলীর তীব্র হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে (pH 1.5-3.5) কোনাে ব্যাকটেরিয়া টিকতে পারে না। তাঁর ধারণা প্রমাণ করার জন্য ব্যারি মার্শাল নিজে H. pylori ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত দ্রবণ পান করে পেপটিক আলসারে ভুগেছিলেন!

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।
৩,১৩৭.
রিখটার স্কেল ব্যবহার করা হয় কী পরিমাপের জন্য?
  1. ক) সুনামি
  2. খ) ভূমিকম্প
  3. গ) টর্নেডো
  4. ঘ) সাইক্লোন
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা

- রিকটার স্কেল ও সিসমোগ্রাফ দুটাই ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয় রিকটার স্কেলে মাধ্যমে।
- অপরদিকে, সিসমােগ্রাফ ভূপৃষ্ঠের আন্দোলন পরিমাপনের এবং ভূমিকম্পের উৎস খুঁজে বের করার যন্ত্র। এর সাহায্যে অন্যান্য বিস্ফোরণ, প্রচণ্ড ঝড় ইত্যাদির খোঁজ পাওয়া যায়। এছাড়া মেরু অঞ্চলের বরফের গভীরতা, খনিজ তেল ভাণ্ডার ইত্যাদিও এর সাহায্যে বের করা সম্ভব।

তথ্যসূত্র : ব্রিটানিকা

৩,১৩৮.
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে উপরের স্তর কোনটি?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. এক্সোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
এক্সোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডল:
- যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে বায়ুমণ্ডল বল হয়। 

• বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
যথা-
- ট্রপোমণ্ডল,
- স্ট্রাটোমণ্ডল,
- মেসোমণ্ডল,
- তাপমণ্ডল ও
- এক্সোমণ্ডল।

এর মধ্যে ট্রপোমণ্ডল হলো বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর এবং এক্সোমণ্ডল হলো সবচেয়ে উপরের স্তর। 

• এক্সোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Exosphere:
-  এক্সোমণ্ডল, তাপমন্ডল অতিক্রম করে ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি ক্রমান্বয়ে আন্ত:গ্রহ স্থান (Interplanetary Space) এ প্রবেশ করে। 
-  এ স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
-  এ স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে, কেননা মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলো সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৩,১৩৯.
মুখ্য জোয়ার পৃথিবীর কোন অংশে সংঘটিত হয়?
  1. পৃথিবীর যে পাশে সূর্য অবস্থান করে
  2. সূর্যের বিপরীত পার্শ্বে অবস্থিত পৃথিবীর অংশে
  3. পৃথিবীর যে পাশে চন্দ্র অবস্থান করে
  4. চন্দ্রের বিপরীত পার্শ্বে অবস্থিত পৃথিবীর অংশে
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর যে পাশে চন্দ্র অবস্থান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর যে পাশে চন্দ্র অবস্থান করে
ব্যাখ্যা

• জোয়ার-ভাঁটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে  ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৪০.
সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. মহীসোপান ও মহীঢালের অবস্থান
  2. সূর্যরশ্মি
  3. চন্দ্রকিরণ
  4. বায়ু প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
বায়ু প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু প্রবাহ
ব্যাখ্যা
• সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ হলো বায়ু প্রবাহ। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বায়ুর চাপ ও তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু এক স্থান থেকে আরেক স্থানে প্রবাহিত হয়। এই বায়ু যখন সমুদ্রের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন তা জলপৃষ্ঠকে ঠেলে দিয়ে একটি নির্দিষ্ট দিকে স্রোত সৃষ্টি করে। বিশেষ করে, বাণিজ্যিক বায়ু ও পশ্চিমlies বায়ু সমুদ্রস্রোতের গঠনে মুখ্য ভূমিকা রাখে। যদিও সূর্যরশ্মি ও চন্দ্রের আকর্ষণ কিছুটা প্রভাব ফেলে, মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে বায়ু প্রবাহ।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) বায়ু প্রবাহ।


বায়ুপ্রবাহ (Wind Movement ):

- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ।
- প্রধান বায়ুপ্রবাহের গতি অনুসরণ করে সমুদ্রের প্রধান স্রোতগুলো প্রবাহিত হয়।
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্রস্রোত পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে এবং প্রত্যয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।
- মৌসুমী বায়ুপ্রবাহের গতিপথ অনুসরণ করে ভারত মহাসাগরের স্রোতসমূহ প্রবাহিত হয়।
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে মৌসুমী বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হলে সমুদ্রস্রোতের গতি ও দিক পরিবর্তিত হয়।
- যেমন: উত্তর পূর্ব অয়ন বায়ু ও দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে নিরক্ষীয় অঞ্চলে যথাক্রমে উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত এবং দক্ষিণ নিরীক্ষীয় স্রোতের উৎপত্তি হয়।
- অপরদিকে দক্ষিণ পশ্চিম প্রত্যয়ন বায়ুর প্রভাবে উত্তর আটলান্টিক ও প্রশান্তমহাসাগরে যথাক্রমে উপসাগরীয় স্রোত ও কুরোশিও স্রোত উত্তর-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪১.
রেশম পোকা পালনকে কী বলা হয়?
  1. এপিকালচার
  2. সেরিকালচার
  3. পিসিকালচার
  4. ভিটিকালচার
সঠিক উত্তর:
সেরিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেরিকালচার
ব্যাখ্যা

◉ রেশম পোকা পালন ও রেশম সুতো উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে সেরিকালচার (Sericulture বলে। 

​সেরিকালচার:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- রেশম পকার ইংরেজি নাম Silk Worm.
- বৈজ্ঞানিক নাম: Bombyx Mori.
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​এপিকালচার (Apiculture): মৌমাছি পালনকে বোঝায়, মূলত মধু সংগ্রহের জন্য।
পিসিকালচার (Pisciculture): মাছ চাষ বা পালনকে বোঝায়।
ভিটিকালচার (Viticulture): মদ তৈরীর জন্য আঙ্গুর চাষ করার প্রক্রিয়া।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,১৪২.
বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক হিসেবে কাকে অভিহিত করা হয়? 
  1. জর্জ গ্যামো 
  2. স্টিফেন হকিং 
  3. এডউইন হাবল 
  4. জর্জ লেমাইটার 
সঠিক উত্তর:
জর্জ লেমাইটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ লেমাইটার 
ব্যাখ্যা

বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব (Big Bang Theory): 
- ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ জর্জ লেমাইটার (George Lemaitre) প্রসারণশীল বিশ্ব সংক্রান্ত তত্ত্ব প্রদান করেন যা হাবলের সূত্রের সাথে মিলে যায়। 
- ১৯৩১ সালে তিনি আরো প্রস্তাব করেন যে, প্রসারণশীল বিশ্বকে যদি সময়ের সাথে পিছিয়ে নেয়া হয়, তাহলে একটা বিন্দুতে উপনীত হতে পারা যায়, যেখানে মহাবিশ্বের সমস্ত ভর পুঞ্জীভূত ছিল, যাকে আদিম পরমাণু বলা যেতে পারে এবং এখান থেকেই স্থান-কালের উদ্ভব। 
- তাই জর্জ লেমাইটারকে বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক বলা হয়ে থাকে
- জর্জ গ্যামো মহাবিশ্বের প্রসারণ সম্পর্কে ধারণা করেছিলেন যে, যেহেতু গ্যালাক্সিসমূহ পরষ্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে তাই সুদূর অতীতে নিশ্চয়ই তারা পরষ্পরের খুব কাছাকাছি ছিল। 
অর্থাৎ, কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এই তত্ত্বের নাম মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বা বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব। 

- বিগ ব্যাংগ বা মহাবিস্ফোরণ পরিচিতি বিস্ফোরণ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক একটি ঘটনা। সাধারণ বিস্ফোরণ একটি নির্দিষ্ট স্থান বা কেন্দ্র থেকে শুর করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু বিগ ব্যাংগের বিস্ফোরণ একই সময় সকল স্থানে অর্থাৎ সর্বত্র ঘটেছিল। 
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাংগ বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরু বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়। অর্থাৎ, বিগ ব্যাংগের পূর্বে কিছুই ছিল না। 
- বিগ ব্যাগ-এর পর 10-43 s পর্যন্ত কী ঘটেছিল তা কেউ জানতে পারেনি, কিছুটা ধারণা পেয়েছে মাত্র। 
- মহাবিশ্ব শুরু হয়েছিল একটি অপরিমেয় ক্ষুদ্র, অসীম তাপ ও অসীম ঘনত্ববিশিষ্ট শক্তির উৎস থেকে। একে বলা হয় অনন্যতা বা অদ্বৈত বিন্দু (Singularity)। এতে সব মৌলিক বলগুলো একত্রে একীভূত বল হিসেবে ছিল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৪৩.
হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান কে?
  1. স্টিফেন হকিং
  2. আইনস্টাইন
  3. ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট
  4. জি. লেমেটার
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট
ব্যাখ্যা
• হিগের কণা:
- ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে এমন একটি কণার ধারনা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং এর ফলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। এই কণাটিকে হিগের কণা বলা হয়।
- হিগস কণা একটি বোসন কণা।
- হিগস বোসন কণাটি ঈশ্বর কণা (God particle) নামে পরিচিত।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওর লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা নামে চিহ্নিত করেন।
- ৪ই জুলাই ২০১২ সালে এই বোসন কণাটি আবিষ্কৃত হয়।
- হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান 'পিটার ডব্লিউ হিগস ও ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট'।
- হিগের কণা সৃষ্টিতে অবদান রাখেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর 'কণা পরিসংখ্যান তত্ত্ব'।
- বিজ্ঞানী হিগের সাথে সতেন্দ্রনাথকে জড়িয়ে হিগের কণার নাম দেন- হিগস বোসন কণা।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. দার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩. CERN ওয়েবসাইট।
৩,১৪৪.
চন্দ্রে অবতরণকারী প্রথম চন্দ্রযানের নাম-
  1. ক) ভয়েজার-১
  2. খ) অ্যাপোলো-১১
  3. গ) ভয়েজার-২
  4. ঘ) চ্যালেঞ্জার
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাপোলো-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাপোলো-১১
ব্যাখ্যা
মানুষ প্রথম চাঁদে পা রাখে ২০ জুলাই, ১৯৬৯ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র চন্দ্রবিজয়ী বিশ্বের প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র দেশ।
- এপোলো-১১ নামক চন্দ্রযানে করে নীল আর্মস্ট্রং ও এডউইন অলড্রিন চাঁদে অবতরণ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম
৩,১৪৫.
বেলে বুনটের মাটিতে এমপি সার কত কিস্তিতে দিতে হয়?
  1. ২ কিস্তি
  2. ৩ কিস্তি
  3. ৪ কিস্তি
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২ কিস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ কিস্তি
ব্যাখ্যা
জমি চাষ:
- জাত ও মৌসুম ছাড়া সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরও কিছু কিছু নীতিমালা মেনে চলতে হয়। যেমন:
১। পাহাড়ের পাদভূমির মাটি ও লাল বেলে মাটিতে এমপি সার দেড়গুণ দিতে হয়।
২। গঙ্গাবাহিত পলিমাটি ও সেচ প্রকল্প এলাকার মাটিতে দস্তা সার বেশি পরিমাণে দিতে হয়।
৩। হাওড় এলাকার মাটিতে সার কম পরিমাণে দিতে হয়।
৪। স্থানীয় জাতের ধানে সারের পরিমাণ অর্ধেক দিলেই চলে।
৫। পূর্ববর্তী ফসলে প্রতিটি সার সঠিক পরিমাণে প্রয়োগ হয়ে থাকলে উপস্থিত ফসলে প্রতিটি সারের অর্ধেক পরিমাণ ব্যবহার করলেই চলে।
৬। পূর্ববর্তী ফসলে দস্তা সার ব্যবহার হয়ে থাকলে পরবর্তী ২টি ফসলে আর এ সার ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না।
৭। বেলে মাটিতে এম পি সার ২ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হয়।
৮। কোন জমিতে সবুজ সার ফসলের চাষ হলে পরবর্তী ফসলে ইউরিয়া সার ৪০-৫০% কমিয়ে ব্যবহার করলেও চলে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪৬.
বায়ুমণ্ডলে শতকরা কতভাগ আর্গন বিদ্যমান?
  1. ৭৮.০
  2. ০.৮
  3. ০.৪১
  4. ০.৩
সঠিক উত্তর:
০.৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৮
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere। বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। 
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। 
- বায়ুমণ্ডল ভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত। 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%। অবশিষ্ট ১% অন্যান্য উপাদান। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমণ্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত। 
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমণ্ডল (Heterosphere) বলে। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদান ও এর শতকরা সংযুক্তি: 
১. নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২%, 
২. অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১%, 
৩. আর্গন ⇒ o.৮০%, 
৪. কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩%, 
৫. ওজোন ⇒ ০.০০০১%, 
৬. অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯%, 
৭. জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১% এবং 
৮. ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১%। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪৭.
গর্ভাবস্থায় নিচের কোনটি স্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি?
  1. ক) ৫০ পাউণ্ড
  2. খ) ২৮ পাউণ্ড
  3. গ) ৪০ পাউণ্ড
  4. ঘ) ১৫ পাউণ্ড
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮ পাউণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮ পাউণ্ড
ব্যাখ্যা

স্বাভাবিক উচ্চতা ও ওজনের একজন গর্ভবতী মহিলার জন্য আদর্শ ওজন বৃদ্ধি হলো গড়ে ২৮ পাউণ্ড।
কিন্তু ওজন বৃদ্ধি 25 থেকে 40 পাউন্ড পর্যন্ত হতে পারে।

সোর্স: https://www.urmc.rochester.edu/

৩,১৪৮.
GPRS এর Full Meaning কী?
  1. ক) General Packet Radio Services
  2. খ) Global Packet Radio Services
  3. গ) Global Package Radio Services
  4. ঘ) General Package Radio Services
সঠিক উত্তর:
ক) General Packet Radio Services
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) General Packet Radio Services
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত GPRS প্রযুক্তির পূর্ণরূপ General Packet Radio Service। ইন্টারনেটের জন্য প্রথমে GPRS এবং পরে EDGE প্রযুক্তি চালু হয়। GPRS এর স্পিড 50Kbit/s এবং EDGE এর স্পিড 250Kbit/s।
৩,১৪৯.
মহাবিশ্ব নিজে নিজে সম্প্রসারিত হচ্ছে- এই উক্তিটি সর্বপ্রথম কে করেন?
  1. ক) স্টিফেন হকিং
  2. খ) টলেমী
  3. গ) নিউটন
  4. ঘ) হাবল
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাবল
ব্যাখ্যা
এডউইন হাবল বলেন, 'মহাবিশ্ব নিজে নিজে সম্প্রসারিত হচ্ছে'।

- তার পুরো নাম হচ্ছে এডউইন পাওয়েল হাবল।
- তিনি ছিলেন ২০ শতকের একজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী। 
- সৃষ্টির প্রথমাবস্থায় মহাবিশ্ব সুষম এবং সমতাপীয়রূপে একটি অতি উচ্চ শক্তি ঘনত্ব এবং উচ্চ তাপমাত্রা ও চাপবিশিষ্ট বিন্দুবৎ পদার্থ ছিল।
- মহাবিশ্ব সৃষ্টির ১০৪৩ সেকেন্ড পর পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো কার্যকারিতা লাভ করে, তাই এই সময়কে প্ল্যাংকের সময় বলা হয়।
- প্ল্যাংকের সময়ের প্রায় ১০৩৫ সেকেন্ড পর একটি অবস্থান্তর অবস্থার সূচনা ঘটে যার ফলে মহাজাগতিক স্ফীতি শুরু হয়, এই সময় মহাবিশ্ব সম্প্র্রসারিত হতে শুরু করে।

সূত্র: নাসা ওয়েবসাইট।
৩,১৫০.
মহাবিশ্বের বর্তমান বয়স কত?
  1. প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন বছর
  2. প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর
  3. প্রায় ৮ বিলিয়ন বছর
  4. প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা

• মহাবিশ্ব:
- মহাবিশ্বের বয়স ১৩.৭ বিলিয়ন প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর। 
- আমাদের সৌরজগৎ ৪.৬ বিলিয়ন বছর, পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন বছর ধরে, এবং মানুষ মাত্র কয়েক লক্ষ বছর ধরে অস্তিত্বে রয়েছে।
- অন্য কথায়, মহাবিশ্ব আমাদের প্রজাতির চেয়ে প্রায় ৫৬,০০০ গুণ বেশি সময় ধরে অস্তিত্বে রয়েছে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট

৩,১৫১.
অস্থি বা হাড়ে কত ভাগ ক্যালসিয়াম ফসফেট থাকে?
  1. ক) ৪০
  2. খ) ৫০
  3. গ) ৬০
  4. ঘ) ৭০
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০
ব্যাখ্যা
মানবদেহে হাড় ও দাঁত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম। অস্থির বা হাড়ের প্রায় ৬০% ক্যালসিয়াম ফসফেট। এছাড়া প্রাণীদেহে ফসফোপ্রোটিন বা ফসফোলিপিড হিসেবেও ফসফরাস থাকে। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৫২.
স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবােজাহাজ থেকে দেখার জন্য কী ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) টেলিস্কোপ
  2. খ) পেরিস্কোপ
  3. গ) নভোবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) আল্ট্রাসাউন্ড
সঠিক উত্তর:
খ) পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা সট্রিপ স্থাপন করে। দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলাের বিসরণঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবােজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৩,১৫৩.
Magsulph দেওয়ার আগে নিচের কোন জিনিস দেখে নেওয়া সবচেয়ে জরুরি?
  1. Urine output
  2. Temperatue
  3. Blood pressure
  4. Pulse
সঠিক উত্তর:
Urine output
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Urine output
ব্যাখ্যা
চিকিৎসা বা থেরাপিউটিক উদ্দেশ্যে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (ম্যাগসাল্ফ) পরিচালনা করার আগে, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের ওষুধের নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি পরীক্ষা এবং মূল্যায়ন করা উচিত। ম্যাগনেসিয়াম সালফেট ব্যবহার করার আগে এখানে মূল বিবেচ্য বিষয়গুলি রয়েছে:

রোগীর মূল্যায়ন:
- যেকোনো অ্যালার্জি, ওষুধের প্রতি পূর্ববর্তী প্রতিক্রিয়া এবং বর্তমান ওষুধ বা সম্পূরক সহ রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস পর্যালোচনা করুন।
- গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ (রক্তচাপ, হৃদস্পন্দন, এবং শ্বাসযন্ত্রের হার) সহ রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্যের মূল্যায়ন করুন।
- রোগীর রেনাল (কিডনি) ফাংশন এবং ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রা নির্ধারণ করুন, কারণ ম্যাগনেসিয়াম প্রাথমিকভাবে কিডনি দ্বারা নির্গত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৩,১৫৪.
ভূ-ত্বক গঠনকারী প্রধান ধাতু কোনটি?
  1. অক্সিজেন
  2. ম্যাগনেসিয়াম
  3. আয়রন
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

ভূ-ত্বক গঠনকারী প্রধান উপাদান হলো অক্সিজেন। এটি হলো অধাতু।
ভূ-ত্বক গঠনকারী প্রধান ধাতু হলো অ্যালুমিনিয়াম। এর পরে পরিমাণের দিক দিয়ে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,১৫৫.
নিচের কোনটি মানবদেহের রাসয়নিক দূত হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) উৎসেচক
  2. খ) হরমোন
  3. গ) স্নায়ুতন্ত্র
  4. ঘ) পেশী
সঠিক উত্তর:
খ) হরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হরমোন
ব্যাখ্যা

যে জৈব-রাসায়নিক তরল শরীরের কোনো কোষ বা গ্রন্থি থেকে শরীরের একটি নির্দিষ্ট অংশে নিঃসরিত হয়ে রক্তরস বা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় উৎপত্তিস্থল থেকে দূরে বাহিত হয়ে দেহের বিভিন্ন বিপাকীয় ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং ক্রিয়ার পর ধ্বংস প্রাপ্ত হয় তাদের হরমোন বলে।

সে হিসেবে হরমোনকে রাসায়নিক দূত বলা যায়।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৩,১৫৬.
বাণিজ্যিকভাবে ফুল, ফল ও সবজি উৎপাদন করাকে কী বলে?
  1. ক) হর্টিকালচার
  2. খ) পিসিকালচার
  3. গ) সেরিকালচার
  4. ঘ) এপিকালচার
সঠিক উত্তর:
ক) হর্টিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হর্টিকালচার
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিকভাবে ফুল, ফল ও সবজি উৎপাদন করাকে হর্টিকালচার বলে। 

উদ্যানতত্ত্ব  উদ্যানতত্ত্ব হচ্ছে সমন্বিত একটি বিষয়, মাটি থেকে বিভিন্ন প্রকার উৎপাদন এর অন্তর্ভূক্ত। সাধারণভাবে উদ্যানতত্ত্ব বলতে বাণিজ্যিক ভিত্তিক বাগান করা বুঝায় যাতে লাভের জন্য ফুল, ফল ও সবজি উৎপাদন করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
৩,১৫৭.
নিচের কোনটি গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে?
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) ফসফরাস
  3. গ) সোডিয়াম
  4. ঘ) আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়োডিন
ব্যাখ্যা
আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়ে থাকে। 

গলগণ্ড বা ঘ্যাগ হলো অস্বাভাবিক বৃদ্ধিপ্রাপ্ত থাইরয়েড গ্রন্থি। থাইরয়েড গন্থিটি গলার সামনের দিকের নিচের অংশে থাকে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় এটির অবস্থান দৃশ্যমান নয়। থাইরয়েড গ্রন্থির আকার অনেকটা প্রজাপতির মতো।

লক্ষণ-
গলগন্ডের প্রাথমিক লক্ষণ হল সাধারণত ঘাড়ে একটি লক্ষণীয় ফোলাভাব। 

আরও অন্যান্য উপসর্গগুলো হল- 
১.  বা শ্বাস নিতে অসুবিধা হওয়া
২. কাশি 
৩. মাথার উপরে হাত বাড়ালে মাথা ঘোরা
৪. কণ্ঠে কর্কশতা অনুভব হয়। 

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
৩,১৫৮.
রঙিন টেলিভিশনের মৌলিক রং কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• রঙিন টেলিভিশন: 
- টেলিভিশন এমন একটি যন্ত্র, যেখানে দূরবর্তী কোনো টেলিভিশন সম্প্রচার স্টেশন থেকে শব্দের সাথে সাথে ভিডিও বা চলমান ছবিও দেখা যায়। 
- ১৯২৬ সালে জন লজি বেয়ার্ড প্রথম টেলিভিশনের মাধ্যমে ভিডিও বা চলমান ছবি পাঠিয়েছিলেন। 
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি আলাদা সিগন্যাল হিসেবে পাঠানো হয়। 
- চলমান ছবি বা ভিডিও পাঠাতে হলে প্রতি সেকেন্ডে ২৫টি স্থিরচিত্র পাঠাতে হয় এবং আমাদের চোখে তখন সেগুলোকে আলাদা আলাদা স্থিরচিত্র মনে না হয়ে একটি চলমান ছবি বলে মনে হয়। 
- টেলভিশনে রঙিন ছবি পাঠানোর জন্য টেলিভিশন ক্যামেরা প্রতিটি ছবিকে লাল, সবুজ ও নীল (RGB) এই তিনটি মৌলিক রং -এ ভাগ করে তিনটি আলাদা ছবি তুলে দেয়। 

- টেলিভিশন ক্যামেরার ভেতরে আলো CCD ( Charge Coupled Device) ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয়। এই বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গ ব্যবহার করে এন্টেনার ভেতর দিয়ে পাঠানো হয়। 
- বর্তমানে ইলেকট্রন গান দিয়ে স্ক্রিনে ছবি তৈরি না করে লাল, সবুজ ও নীল রংয়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলইডি ( Light Emitting Diode) -তে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে ছবি তৈরি করা হয়। এলইডি টেলিভিশনের ছবির ঔজ্জ্বল্য অনেক বেশি এবং গুণগত মানও অনেক ভালো। 
- এন্টেনার সাহায্যে টেলিভিশনের সিগন্যাল পাঠানো ছাড়াও কো-এক্সিয়াল ক্যাবল দিয়েও সিগন্যাল পাঠানো যায়। এই ধরনের সম্প্রচার ক্যাবল টিভি নামে পরিচিত।  এছাড়াও স্যাটেলাইট টিভি নামে এক ধরনের টিভি অনুষ্ঠানের সম্প্রচার করা হয়, এটি মহাকাশে পাঠানো উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট থেকে সরাসরি পৃথিবীতে পাঠানো হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৫৯.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর অবস্থান করে?
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. থার্মোমণ্ডল
  3. স্ট্র্যাটোমণ্ডল
  4. মেসোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
স্ট্র্যাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্র্যাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

◉ বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোমণ্ডলে ওজোন গ্যাসের স্তর অবস্থান করে।

• স্ট্রাটোমণ্ডল: 

- ট্রপোমণ্ডলের ঠিক উপরেই শুরু হয়েছে স্ট্রাটোমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তর ট্রপোমণ্ডল থেকে শুরু করে প্রায় ৫০ কিলোমিটার বিস্তৃত। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ওজোন নামের একটি গ্যাসের স্তর রয়েছে, এই গ্যাস সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তর এবং এর উপরের দিকে বায়ুমণ্ডলের অন্যান্য গ্যাস খুব কম পরিমাণে আছে। 

• ট্রপোমণ্ডল: 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে বারো কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলকে বলা হয় ট্রপোমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে বায়ুর বেশির ভাগ প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প থাকে। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে মানুষ ও অন্যান্য জীবের জীবনকে প্রভাবিত করে এমন সব ঘটনা ঘটে। 
যেমন- এই স্তরে মেঘ, বৃষ্টি, বায়ু প্রবাহ, ঝড়, কুয়াশা এসব হয়; তাই ট্রপোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর। 

• মেসোমণ্ডল: 
- স্ট্রাটোমণ্ডল শেষ হয়ে বায়ুমণ্ডলের এই স্তর শুরু হয়। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তর প্রায় ৮০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরের উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বায়ুর তাপমাত্রা কমতে থাকে। 

• তাপমণ্ডল: 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তর প্রায় বায়ুশুন্য। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে বায়ুর তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ে, তাই এর নাম তাপমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৩,১৬০.
চাঁদে প্রথম অবতরণ করে কোন মিশন?
  1. ভোস্টক-১
  2. অ্যাপোলো-১১
  3. লুনা-২
  4. চন্দ্রযান
সঠিক উত্তর:
অ্যাপোলো-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাপোলো-১১
ব্যাখ্যা

• অ্যাপোলো-১১ (Apollo-11) ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা NASA পরিচালিত একটি ঐতিহাসিক মিশন, যার মাধ্যমে মানবজাতি প্রথমবার চাঁদে অবতরণ করে।

সময় ও উদ্দেশ্য:
- প্রেরণ তারিখ: ১৬ জুলাই, ১৯৬৯।
- চাঁদে অবতরণ: ২০ জুলাই, ১৯৬৯। 
- ফেরত আসে: ২৪ জুলাই, ১৯৬৯। 
- উদ্দেশ্য: মানুষকে চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করানো এবং নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা।
 
প্রধান নভোচারী:
- নিল আর্মস্ট্রং (Neil Armstrong)- প্রথম ব্যক্তি যিনি চাঁদে পদার্পণ করেন।
- বাজ অলড্রিন (Buzz Aldrin)- দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি চাঁদের মাটিতে হাঁটেন।
- মাইকেল কলিন্স (Michael Collins)- চাঁদের কক্ষপথে কমান্ড মডিউল পরিচালনা করেন।

ঐতিহাসিক উক্তি:
- চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রেখে নিল আর্মস্ট্রং বলেন “That's one small step for man, one giant leap for mankind.”
- (বাংলা অনুবাদ: “মানুষের জন্য এটি এক ক্ষুদ্র পদক্ষেপ, কিন্তু মানবজাতির জন্য এক বিশাল অগ্রগতি।”)
 
মিশনের মূল সাফল্য:
- প্রথমবার চাঁদের মাটিতে মানুষের পদচিহ্ন।
- প্রায় ২১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট চাঁদের পৃষ্ঠে অবস্থান।
- প্রায় ২১.৫ কেজি চাঁদের শিলা ও ধুলা সংগ্রহ।
- পৃথিবীতে ফিরে এসে নিরাপদ অবতরণ।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]
- নাসা অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

৩,১৬১.
সালফার-ট্রাই-অক্সাইড এর সংকেত কোনটি?
  1. ক) H2O
  2. খ) SO3
  3. গ) H2SO4
  4. ঘ) O2
সঠিক উত্তর:
খ) SO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) SO3
ব্যাখ্যা
H2O-পানি, SO3-সালফার-ট্রাই-অক্সাইড, H2SO42-অক্সিজেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৩,১৬২.
কোন মৌল থেকে প্রথম তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করা হয়েছিল? 
  1. থোরিয়াম
  2.  প্লুটোনিয়াম
  3. রেডন
  4. ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা: 
- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে সেটাকে স্থিতিশীল রাখার জন্য নিউট্রনের সংখ্যাও বেড়ে যেতে থাকে, কিন্তু তারপরও নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা 82 অতিক্রম করার পর থেকে নিউক্লিয়াসগুলো অস্থিতিশীল হতে শুরু করে। এই অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াসগুলো কোনো এক ধরনের বিকিরণ করে স্থিতিশীল হওয়ার চেষ্টা করে এবং এই প্রক্রিয়াটাকে বলা হয় তেজস্ক্রিয়তা। 
- নিউক্লিয়াসের ভেতর থেকে যে বিকিরণ বের হয়ে আসে তাকে বলে তেজস্ক্রিয় রশ্মি। 
- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা 82 অতিক্রম করলেই (পারমাণবিক সংখ্যা ৪2 থেকে বেশি) যে নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় হয়ে থাকে তা নয়, অন্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসও তেজস্ক্রিয় হতে পারে। 
- একটি মৌলের বাহ্যিক ধর্ম, প্রকৃতি, এবং রাসায়নিক গুণাগুণ নির্ভর করে বাইরের ইলেকট্রনের শ্রেণিবিন্যাসের ওপর। 
- 1896 সালে হেনরি বেকেরেল (Henri Becquerel) প্রথম ইউরেনিয়াম থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। 
- পরবর্তীতে আরনেস্ট রাদারফোর্ড, পিয়ারে কুরি, মেরি কুরি এবং অন্যা বিজ্ঞানীরা অন্যান্য মৌলের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- এটি বাইরের চাপ, তাপ, বৈদ্যুতিক বা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে কোনোভাবে প্রভাবিত বা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, কাজেই এটি একটি নিউক্লী ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তার কারণে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়ে নিউক্লিয়াসের গঠন পরিবর্তিত হয়ে সেটিও ভিন্ন একটি মৌলে রূপান্তরিত হয়ে যেতে পারে। 
- নিউক্লিয়াস থেকে যে তিনটি প্রধান তেজস্ক্রিয় রশ্মি বের হয়, সেগুলো হচ্ছে আলফা, বিটা এবং গামা রশ্মি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১৬৩.
লা নিনা বলতে বুঝায়? 
  1. ক) বালক 
  2. খ) বালিকা 
  3. গ) পুরুষ 
  4. ঘ) কন্যা 
সঠিক উত্তর:
খ) বালিকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বালিকা 
ব্যাখ্যা
এল নিনো একটি স্পেনিশ শব্দ যার অর্থ বালক। বিষুবরেখার অপরপাশ থেকে নেমে আসা উষ্ণ পানির স্রোতের কারণে সৃষ্ট জলবায়ুর প্রতিক্রিয়াকে ব্যক্ত করার জন্য ইকুয়েটর ও পেরুর জেলেরা এল নিনো শব্দের ব্যবহারের প্রচলন করে।

লা নিনো শব্দটিও স্পেনিশ যার অর্থ বালিকা। এল নিনো প্রভাবে সাগরে উষ্ণ পানির স্রোত প্রবাহিত হবার পর পরবর্তীতে সাগরের পানির উষ্ণতা কমে আসে। সাগরের পানির এ উষ্ণতা কমে আসাই লা নিনো নামে পরিচিত। লা নিনোর প্রভাবে অতিবৃষ্টি ও বন্যা হয়। 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
৩,১৬৪.
মহাবিশ্বের সকল কণাকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের সকল কণাকে দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যথাঃ (ক) ফার্মিওন ও (খ) বোসন।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)
৩,১৬৫.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি? 
  1. পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা
  2. ত্রাণ ও পূর্ণবাসন নিশ্চিত করা
  3. ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্ৰান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি।

- এগুলো হলো:
(ক) দুর্যোগকালিন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূর্ণবাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৬৬.
নিম্নের কোন ভ্যাকসিন নিষ্ক্রিয়কৃত জীবন্ত টিকা নয়?
  1. কলেরা 
  2. হাম 
  3. পোলিও 
  4. যক্ষ্মা
সঠিক উত্তর:
কলেরা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলেরা 
ব্যাখ্যা

- কলেরা ভ্যাকসিন সাধারণত মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ ভ্যাকসিন, তাই এটি নিষ্ক্রিয়কৃত জীবন্ত টিকার মধ্যে পড়ে না।

টিকার প্রকারভেদ: 

- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
- কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিকার প্রকারভেদ নিম্নরূপ: 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবন্ত টিকা: 
- এতে কালচার করা জীবাণুদের ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করা হয়। 
উদাহরণ: BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এ ধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ: ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি এই টিকা। 
উদাহরণ: ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু: 
- সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ: হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৬৭.
বারিমন্ডলে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ২.০৫%
  2. খ) ০.৬৮%
  3. গ) ৫.৫০%
  4. ঘ) ০.০৩%
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৬৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৬৮%
ব্যাখ্যা
বারিমন্ডলের পানির প্রধান উৎসসমূহ:
সমুদ্র - ৯৭.২৫%
হিমবাহ - ২.০৫%
ভূগর্ভস্থ পানি - ০.৬৮%
হ্রদ - ০.০১%
নদী - ০.০০০১%

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৬৮.
পৃথিবীর প্রায় কত শতাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) এক-চতুর্থাংশ
  2. খ) দুই-চতুর্থাংশ
  3. গ) দুই-তৃতীয়াংশ
  4. ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- বারিমন্ডল হলো ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশি।
- এই বিশাল পানিরাশির সবচেয়ে বড় আধার মহাসাগর এবং সাগর।
- এছাড়া রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, হ্রদ, খাল, বিল ও জলাশয়। 

বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন:
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

সূত্র:
১. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২. ভূগোল প্রথম পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৬৯.
নক্ষত্রের ব্যাপারে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. এরা জ্বলন্ত গ্যাসপিণ্ড
  2. এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাসে তৈরি
  3. এরা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বলছে
  4. দিনের বেলায় নক্ষত্রগুলোর অস্তিত্ব থাকে না
সঠিক উত্তর:
দিনের বেলায় নক্ষত্রগুলোর অস্তিত্ব থাকে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনের বেলায় নক্ষত্রগুলোর অস্তিত্ব থাকে না
ব্যাখ্যা
যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে৷ নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাস পিণ্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি৷ এই গ্যাস অতি উচ্চ তাপমাত্রায় (৬০০০° সেলসিয়াস) জ্বলছে৷ সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি
৩,১৭০.
জমিতে নাইট্রোজেন ও ফসফরাসের পরিমাণ নির্ণয়ের জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. কীটনাশক
  2. তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ
  3. রাসায়নিক সার
  4. গাইগার মুলার কাউন্টার
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- কিছু কিছু আইসোটোপ আছে যাদের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে (নিজে নিজেই) ভেঙে আলফা, বিটা, গামা ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত করে। 
- একটি মৌলের যে সকল আইসোটোপ তেজস্ক্রিয় রশ্মি নিঃশরণ করে তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে। 
- এখন পর্যন্ত এ ধরনের আইসোটোপের সংখ্যা ৩০০০ থেকে বেশি। এদের মধ্যে কিছু প্রকৃতিতে পাওয়া গেছে, অন্যগুলো গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে। 
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ এর নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার দিয়ে মানুষ অনেক কিছু করতে পারে যেটি অন্যভাবে করা দুঃসাধ্য ছিল। 
- বর্তমানে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ চিকিৎসাক্ষেত্রে, কৃষিক্ষেত্রে, খাদ্য ও বীজ সংরক্ষণে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে, কোনো কিছুর বয়স নির্ণয়সহ আরও অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 

কৃষিক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 
১। ফসলের পুষ্টিতে: 
- ফসলের পুষ্টির জন্য জমিতে পরিমাণমতো সার ব্যবহার করতে হয়। 
- সার মূল্যবান বস্তু, তাই অতিরিক্ত ব্যবহার করা আর্থিক ক্ষতির কারণ। 
- একদিকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সার ব্যবহার পরিবেশের ক্ষতির কারণ, অপরদিকে প্রয়োজনের চেয়ে কম পরিমাণ সার ব্যবহার করা হলে ফসলের উৎপাদন কম হয়। 
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করে জমিতে কী পরিমাণ নাইট্রোজেন ও ফসফরাস আছে তা জানা যায়। আর তা জেনে জমিতে আরও কী পরিমাণ নাইট্রোজেন ও ফসফরাস দিতে হবে তারও হিসাব করা যায়। 
- উদ্ভিদ মূলের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয় নাইট্রোজেন ও তেজস্ক্রিয় ফসফরাস গ্রহণ করে এবং তা উদ্ভিদের শরীরের বিভিন্ন অংশে শোষিত হয়। এসব তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। গাইগার মুলার কাউন্টার ব্যবহার করে এ তেজস্ক্রিয় রশ্মি শনাক্ত ও পরিমাপ করা হয়। 

২। ক্ষতিকারক পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ করতে: 
- ফসলের জন্য ক্ষতিকারক পোকামাকড় সব সময়ই মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। এগুলো যেমন ফসলের উৎপাদন কমায় তেমনই এদের মাধ্যমে রোগজীবাণুও উদ্ভিদে প্রবেশ করে। 
- এসব পোকামাকড় ধ্বংস করার জন্য ফসলে এবং জমিতে কীটনাশক দেওয়া হয়। এ কীটনাশক পরিবেশ ও আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 
- শুধু তাই নয়, এ কীটনাশক ক্ষতিকারক পোকামাকড়ের সাথে সাথে অনেক উপকারী পোকামাকড়ও ধ্বংস করে। 
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপসমৃদ্ধ কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে জানা সম্ভব হয়েছে সর্বনিম্ন কতটুকু পরিমাণ কীটনাশক একটি ফসলের জন্য ব্যবহার করা যাবে। 

৩। ফসলের মানোন্নয়নে: 
- বিভিন্ন ধরনের তেজস্ক্রিয় রশ্মির নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে উদ্ভিদ কোষের জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে উন্নত মানের ফসল উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৭১.
‘টেডারক্স’ কী?
  1. যুদ্ধ বিমান
  2. শক্তিশালী মাদক
  3. ক্যানসারের ঔষধ
  4. মারাত্মক রোগ ইবোলার টিকা
সঠিক উত্তর:
ক্যানসারের ঔষধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যানসারের ঔষধ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ক্যানসারের ঔষধ-টেডারক্স:
- ক্যানসারের ঔষধ ‘টেডারক্স’ এর সর্বশেষ সংস্করণ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন ইরানি গবেষকরা।
- দাবি করা হচ্ছে, ঔষধের সর্বশেষ এই সংস্করণটি ক্যানসার রোগীদের দীর্ঘজীবি হতে সাহায্য করে।
- ইরানের একটি ফার্মাসিউটিক্যাল জ্ঞান-ভিত্তিক কোম্পানি ঔষধটি উৎপাদন করেছে।
- ৩ থেকে ৬ নভেম্বর তেহরানে অনুষ্ঠিত ‘ইরান ন্যানো ২০২৪’ প্রদর্শনীতে এটি উন্মোচন করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ক্যান্সার এমন একটি জটিল রোগ যা বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- নিয়ন্ত্রণহীনভাবে শরীরের কোনও অংশে কোষের অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়াকে ক্যান্সার বলা হয়।
- সাধারণত প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে এবং সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করলে রোগীর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
- ক্যান্সার কতটা দ্রুত ছড়াবে সেটি সুনির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন।
- এটি কতটা প্রাণঘাতী হতে পারে তা কোন স্টেজে ধরা পড়ছে তার পাশাপাশি এর লক্ষণ কতটা ধরা পড়ে এর উপরেও নির্ভর করে।

তথ্যসূত্র:- বিবিসি বাংলা ও দৈনিক ইনকিলাব।
৩,১৭২.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা -
  1. ০.০১ মিলিগ্রাম
  2. ০.৩ মিলিগ্রাম
  3. ০.১ মিলিগ্রাম
  4. ০.০৩ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
০.০১ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০১ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা

আর্সেনিক:
- বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।
- ধূসর আভাযুক্ত সাদা রংবিশিষ্ট ভঙ্গুর প্রকৃতির একটি অর্ধধাতু বা উপধাতু হচ্ছে আর্সেনিক (Arsenic)।
- প্রকৃতিতে আর্সেনিক বিভিন্ন যৌগ আকারে পাওয়া যায়।
- ৩৩ আণবিক সংখ্যাবিশিষ্ট আর্সেনিকের আণবিক ভর ৭৪.৯২।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত আর্সেনিক একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম।
- তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে।
- চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৯৩ সালে চাপাইনবাবগঞ্জে দেশে প্রথম নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়।

উৎস: ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

৩,১৭৩.
গর্ভাবস্থার লক্ষণ-
  1. ক) Pelvic infection
  2. খ) মাসিক বন্ধ থাকা
  3. গ) ডিসমেনোরিয়া
  4. ঘ) যোনিপথে স্রাব
সঠিক উত্তর:
খ) মাসিক বন্ধ থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাসিক বন্ধ থাকা
ব্যাখ্যা
নারীদের প্রতি মাসের একটি নির্দিষ্ট সময়ে পিরিয়ড হয়ে থাকে (সাধারণত ২৮ দিন পর পর)। এটি বন্ধ হয়ে যাওয়া গর্ভাবস্থার অন্যতম একটি প্রধান লক্ষণ। এছাড়াও গর্ভাবস্থায় আরো কিছু লক্ষণ দেখা যেতে পারে যেমন, দূর্বলতা, মাথা ঘোরানো, বমি বমি ভাব, হজমে সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্য, স্তনের পরিবর্তন ইত্যাদি।
৩,১৭৪.
হৃৎস্পন্দন লিপিবদ্ধের যন্ত্র-
  1. ক) স্টেথোস্কোপ
  2. খ) ক্রেস্কোগ্রাফ
  3. গ) কার্ডিওগ্রাফ
  4. ঘ) স্ফিগমােম্যানােমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ডিওগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ডিওগ্রাফ
ব্যাখ্যা
হৃৎস্পন্দন লিপিবদ্ধের যন্ত্র-কার্ডিওগ্রাফ; মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র-স্ফিগমােম্যানােমিটার; হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের শব্দ নির্ণায়ক যন্ত্র-স্টেথোস্কোপ এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র-ক্রেস্কোগ্রাফ।
[সূত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি]
৩,১৭৫.
গঠনের দিক থেকে ভাইরাস কতটি অংশে বিভক্ত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের গঠনঃ
বিভিন্ন প্রকার ভাইরাসের গঠন বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে।
সাধারণভাবে প্রতিটি ভাইরাস প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত।
যথা -
- প্রােটিন আবরণ তথা ক্যাপসিড ও
- নিউক্লিক এসিড।

ক্যাপসিড (Capsid):
অপেক্ষাকৃত জটিল ভাইরাসে নিউক্লিক এসিডের বাইরে একে ঘিরে অবস্থিত প্রােটিন আবরণটি হলাে ক্যাপসিড। এ প্রােটিন আবরণটি অসংখ্য প্রােটিন অণু দ্বারা গঠিত। ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রােটিন অণুকে ক্যাপসােমিয়ার (capsomere) বলে।
এ ক্যাপসােমিয়ার অণুসমূহ নির্দিষ্ট ভাইরাস নির্দিষ্ট ধরণের।
কোনাে কোনাে প্রাণি ভাইরাসের ক্যাপসিডের বাহিরে একটি লিপােপ্রােটিনের স্তর থাকে এবং এর একককে পেপলােমার (peplomer) বলে। এ ধরনের ভাইরাসকে লিপপাভাইরাস (lipovirus) বলে।

নিউক্লিক এসিড (Nucleic Acid):
প্রতিটি ভাইরাস দেহের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক এসিড।
নিউক্লিক এসিড ভাইরাসের বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। নিউক্লিক এসিড দু'ধরনের তথা DNA (ডি অক্সিরাইবাে নিউক্লিক এসিড) ও RNA (রাইবাে নিউক্লিক এসিড)।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)
৩,১৭৬.
‘গ্রীন হাউজ ইফেক্ট’ বলতে বুঝায়- 
  1. তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
  2. সূর্যালোকের অভাবে সালোকসংশ্লেষণে ঘাটতি।
  3. উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূ-মণ্ডলের অবলোকন।
  4. প্রাকৃতিক চাষের বদলে ক্রমবর্ধমানভাবে কৃত্রিম চাষের প্রয়োজনীয়তা।
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউস ইফেক্ট: 
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রীন হাউস ইফেক্ট বলে। 
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যেসব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাঁধা দেয় এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে। 
- পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে, ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- গ্রীন-হাউজ ইফেক্ট এর ফলে তাপ আটকে পড়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৭৭.
এক্সরের (x-ray) আবিষ্কারক-
  1. ক) আলফ্রেড নোবেল
  2. খ) মাইকেল ফ্যারাডে
  3. গ) উইলিয়াম রন্টজেন
  4. ঘ) হেনরি বেকেরেল
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম রন্টজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম রন্টজেন
ব্যাখ্যা

- ক্যাথোড রশ্মি হচ্ছে এক রাশি ইলেকট্রন।
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্সরে উৎপন্ন হয়।
- এক্সরের একক রন্টজেন।
- এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন।
- তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন হেনরি বেকেরেল।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১৭৮.
‘গ্রীন হাউজ ইফেক্ট’ বলতে কী বুঝায়?
  1. বৃষ্টিপাতের হ্রাসের প্রক্রিয়া
  2. পৃথিবীর চারপাশে ওজোন স্তর গঠনের প্রক্রিয়া
  3. সূর্যালোকের অভাবে সালোকসংশ্লেষণে ঘাটতি
  4. তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউস ইফেক্ট: 
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রীন হাউস ইফেক্ট বলে। 
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যেসব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাঁধা দেয় এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে। 
- পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে, ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- গ্রীন-হাউজ ইফেক্ট এর ফলে তাপ আটকে পড়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৭৯.
কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত কোন বিকিরণ ক্যান্সার কোষ দূর করতে সহায়ক?
  1. আলফা রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. বিটা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা

• কোবাল্ট-৬০ থেকে প্রধানত গামা রশ্মি নির্গত হয়, যা গভীর টিস্যু পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারে। এই রশ্মি ক্যান্সার কোষের DNA ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং তাদের বিভাজন প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়। ফলে কোষগুলো ধ্বংস হয় এবং টিউমারের আকার কমতে থাকে। আলফা বা বিটা রশ্মি ত্বক বা পৃষ্ঠের কোষে প্রভাব ফেলে, কিন্তু গভীর টিস্যুতে প্রবেশ করতে পারে না। রঞ্জন রশ্মিও কিছু চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, তবে কোবাল্ট-৬০ মূলত গামা রশ্মি ব্যবহার করে ক্যান্সার থেরাপিতে কার্যকর।

- সঠিক উত্তর: গ) গামা রশ্মি।

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। 
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেশিয়াম-৯৯ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১৮০.
বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড 
  3. আর্গন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

- বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হচ্ছে- নাইট্রোজেন। 

বায়ুমণ্ডল: 

- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere; বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। 
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। 
- বায়ুমণ্ডলভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ: 
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন ⇒ o.৮০, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩, 
• ওজোন ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৮১.
মানুষের রক্তের শ্রেনিবিন্যাস করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) কার্ল লেন্ড স্টেইনার
  2. খ) কার্ল লিনিয়াস
  3. গ) লিউয়েন হুক
  4. ঘ) জগদীশ চন্দ্র বসু
সঠিক উত্তর:
ক) কার্ল লেন্ড স্টেইনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্ল লেন্ড স্টেইনার
ব্যাখ্যা
১৯০১ সালে বিজ্ঞানী কার্ল লেন্ড স্টেইনার মানুষের রক্তের শ্রেনিবিন্যাস করে তা 'A', 'B', 'O', এবং 'AB' এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই
৩,১৮২.
গ্রীনহাউস এফেক্টের প্রভাবে নিচের কোনটি ঘটে না? 
  1. সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়া
  2. আবহাওয়ার পরিবর্তন হওয়া
  3. ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা বেড়ে যাওয়া
  4. সমুদ্রের পানির উচ্চতা কমে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের পানির উচ্চতা কমে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের পানির উচ্চতা কমে যাওয়া
ব্যাখ্যা
গ্রীনহাউস এফেক্ট: 
- পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো যেমন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, ঔষধ, জ্বালানি, পানিসহ প্রয়োজনীয় উপকরণাদি পরিবেশ থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে পাওয়া যাবে। 
- পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশেষ করে বনাঞ্চল ধ্বংস হলে বৃষ্টিপাতের হার কমে যায়, চাষাবাদের যথেষ্ট ক্ষতি হয়। 
- গ্রীনহাউস গ্যাস (যেমন- CO2, CO, CH4, N2O ইত্যাদি) বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তাপমাত্রা বেড়ে যায়, যাকে গ্রীনহাউস এফেক্ট (Green house effect) বলে। 

গ্রীনহাউস এফেক্টের কারণে- 
সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাবে এবং উপকূল অঞ্চল তলিয়ে যাবে, 
আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে
• বনাঞ্চল ধবংস হবে, 
• বিভিন্ন রোগবালাইয়ের প্রভাবে ফসলের ক্ষতি হবে, 
• মানুষের মধ্যে নতুন সব রোগের প্রকোপ দেখা দিবে, 
ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা বেড়ে যাবে। 
- পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে গ্রীনহাউস এফেক্ট থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তাই এখন থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৮৩.
ট্রানজিস্টারের টার্মিনাল নয়-
  1. ক) কালেক্টর
  2. খ) ট্যাপ
  3. গ) বেস
  4. ঘ) অ্যাামিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ট্যাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ট্যাপ
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টারের টার্মিনাল ৩ টি। যথা- কালেক্টর, বেস এবং অ্যামিটার।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৮৪.
মানব দেহের মেরুদন্ডে রক্ত সঞ্চালন করে কোন ধমনী?
  1. সার্ভিক্যাল ধমনী
  2. ভার্টিব্রাল ধমনী
  3. সিলিয়াক ধমনী
  4. থাইরোসার্ভিকাল ধমনী
সঠিক উত্তর:
ভার্টিব্রাল ধমনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্টিব্রাল ধমনী
ব্যাখ্যা

সাবক্লেভিয়াল ধমনিঃ -
দেহের প্রতিপাশে ফুসফুসের উপর দিয়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে।
যেমন -
১. আন্তঃম্যামারি ধমনি: স্তনগ্রন্থি, বক্ষীয় প্রাচীর ও পেরিকার্ডিয়ামে রক্ত বহন করে।
২. থাইরোসার্ভিকাল ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স ও ঘাড়ের পেশিতে রক্ত বহন করে।
৩. সার্ভিকাল ধমনি: অক্সিপুটের পেশিতে রক্ত বহন করে।
৪. ভার্টিব্রাল ধমনি: মেরুদন্ডের রক্ত সরবরাহ করে।
৫. সিলিয়াক ধমনি: পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে।
৬. ফ্রেনিক ধমনি: ডায়াফ্রামে রক্ত সরবরাহ করে।
৭. বৃক্কীয় ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে।
৮. মেসেন্টেরিক ধমনি: অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে।
৯. জনন ধমনি: গোনাডে রক্ত সরবরাহ করে।
১০. ইলিয়াক ধমনি: পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।

৩,১৮৫.
বাংলাদেশের অবস্থান গ্রিনিচের কত ডিগ্রি পূর্বে?
  1. ৯০°
  2. ৭৫°
  3. ৪৫°
  4. ৬০° 
সঠিক উত্তর:
৯০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০°
ব্যাখ্যা

• গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় — ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১৮৬.
চাঁদ, সূর্য এবং পৃথিবী কখন একে অপরের সাথে সমকোণে থাকে?
  1. ভরা কটালের সময়
  2. মরা কটালের সময়
  3. পূর্ণিমার সময়
  4. মুখ্য জোয়ারের সময়
সঠিক উত্তর:
মরা কটালের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরা কটালের সময়
ব্যাখ্যা
• জোয়ার-ভাঁটা: 
- সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। 
- এর কারণ মূলত দুটি যা চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি। 
- সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 

জোয়ার-ভাঁটার কারণ: 
- জোয়ার-ভাটার প্রধান দুটি কারণ হলো- 
(ক) মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব এবং 
(খ) কেন্দ্রাতিগ/বহির্মুখী শক্তি। 

জোয়ার-ভাঁটার শ্রেণিবিভাগ: 
- জোয়ার-ভাঁটাকে নিম্নলিখিত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১. মুখ্য জোয়ার, 
২. গৌণ জোয়ার, 
৩. ভরা কটাল এবং 
৪. মরা কটাল। 

মরা কটাল: 
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাঁটা হয়।
- সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না, এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল বলে। 
- অর্থাৎ, এই মরা কটালের সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী সমকোণে অবস্থান করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৮৭.
কোন সালের বন্যা সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ও বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল? 
  1. ১৯৭৪ সালে 
  2. ১৯৮৪ সালে 
  3. ১৯৯৮ সালে 
  4. ২০০৪ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে 
ব্যাখ্যা

বন্যা (Flood): 
- নদীমাতৃক ও বৃষ্টিবহুল বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে বর্ষা মৌসুমে সংঘটিত বন্যা অন্যতম। 
- ব্যাপকতার ভিত্তিতে বাংলাদেশে সাধারণ ও ভয়াবহ-এই দুই ধরনের বন্যা হয়ে থাকে। 
- বন্যায় প্লাবিত এলাকার জন-জীবন ও সম্পদের বিপুল ক্ষতি সাধিত হয়। 

বন্যার প্রভাব: 
- বাংলাদেশের বন্যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক। 
- অধিক বৃষ্টিপাতের দরুণ ২০১২ সালে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে আকষ্মিক বন্যায় ১০০ মানুষ নিহত হয় ও প্রায় ২,৫০,০০০ লোক পানিবন্দী হয়ে পড়ে। 
- ২০০৭ সালের বন্যায় বাংলাদেশের ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটসহ দেশের সকল বিভাগে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়। ফলে, বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদসহ মোট ৫০০ লোকের প্রাণহানি হয়। 
- বন্যার পানিতে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়ে বিপুল পরিমাণ ফসলের ক্ষতি, মানুষসহ অন্যান্য প্রাণির প্রাণহানি, অর্থ-সম্পদ ধ্বংস এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে। 
- বাংলাদেশে বিগত শতাব্দীতে বড় ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়েছে। 
- ১৯৫৪ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ২০০৪ সালের বন্যা ছিল ভয়াবহ। এর মধ্যে ১৯৯৮ সালের দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৮৮.
কোন যন্ত্র বা পদ্ধতিতে অক্ষাংশ নির্ণয় করা সম্ভব?
  1. ওহমমিটার
  2. সেক্সট্যান্ট
  3. ওডোমিটার
  4. মাল্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
ব্যাখ্যা

• অক্ষাংশ নির্ণয়ের জন্য সেক্সট্যান্ট (খ) ব্যবহার করা হয়। সেক্সট্যান্ট একটি নৌযানের বা নক্ষত্র পর্যবেক্ষণের যন্ত্র, যা সূর্য, চাঁদ বা তারা থেকে কোনো বস্তুর কোণ পরিমাপ করতে সক্ষম। মূলত এটি জ্যোতির্বিদ্যা ও নৌপথ নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়। সমুদ্রপথে অবস্থান নির্ধারণের জন্য সেক্সট্যান্ট দিয়ে সূর্য বা তারা এবং দিগন্তের মধ্যে কোণ পরিমাপ করে ভৌগোলিক অক্ষাংশ নির্ধারণ করা যায়। অন্যদিকে, ওহমমিটার, ওডোমিটার ও মাল্টিমিটার  যথাক্রমে বিদ্যুৎ বা গাড়ির দূরত্ব মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়; এগুলি অক্ষাংশ নির্ণয়ের কাজে আসে না। তাই অক্ষাংশ নির্ণয়ের জন্য সঠিক যন্ত্র হলো সেক্সট্যান্ট।

• অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude):
- একজন ভূগোলবিদের জন্য অক্ষাংশ নির্ণয় করতে জানা খুবই জরুরি।
- আমরা জানি পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ ৩৬০০।
- অক্ষাংশ নির্ণয় করার জন্য গ্লোবটিকে আমরা যদিমাঝখান দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে কেটে নেই, তাহলে এর মধ্যে আমরা পৃথিবীর ঠিক মধ্যকিন্দু পাব। এখন যদি আমরা কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করতে চাই, তাহলে সেই মধ্যবিন্দুর সঙ্গে নির্ণেয় স্থানটির নিরক্ষরেখার (০°) পরিপ্রেক্ষিতে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা নির্ণয় করতে হবে। এই কোণই হলো সেই স্থানের অক্ষাংশ।

- অক্ষাংশ নির্ণয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে।
সেগুলো হলো –

• সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে:
যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
কোনো স্থানের অক্ষাংশ = ৯০০– (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি বিযুবলম্ব)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,১৮৯.
মেরাসমাস রোগের ফলে কী হয়?
  1. ক) পেশী ও মেদ ক্ষয় হয়
  2. খ) দেহের ওজন বৃদ্ধি পায়
  3. গ) দেহের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে
  4. ঘ) রক্তনালী সরু হয়ে পড়ে
সঠিক উত্তর:
ক) পেশী ও মেদ ক্ষয় হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেশী ও মেদ ক্ষয় হয়
ব্যাখ্যা
ম্যারাসমাস
- ম্যারাসমাস  নবজাতক এবং কম বয়সী শিশুদের অপুষ্টি ও দুর্বলতাজনিত ব্যাধি।
- বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে দুই বছরের কম বয়সী দরিদ্র শিশুদের মধ্যে এটি একটি সাধারণ ব্যাধি।
- অপর্যাপ্ত খাদ্যগ্রহণ, পুষ্টিকর খাদ্যের অভাব ও ক্যালরি ঘাটতি এই অসুখের কারণ।
- ম্যারাসমাসের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে অত্যধিক দুর্বলতা, দৈহিক ওজন বৃদ্ধিতে বাধা এবং ওজনহানি।
- এ ব্যাধিতে শরীরে পানি জমে না বা যকৃতের আকার বৃদ্ধি পায় না; তবে মস্তিষ্ক ও করোটির বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, ফলে দেহ হয় দীর্ঘ ও চর্মসার, ওজনের আনুপাতিক হিসাবে মাথা হয় বড়।
- ত্বকের নিচে চর্বি জমে খুব কম, চোখ কোটরাগত ও ত্বক ঢিলে দেখায়।
- শিশু হয়নিষ্ক্রিয় স্বভাবের, মাংসপেশী হয় শিথিল ও নিস্তেজ, ব্যাপকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত।
- শিশুর কান্নার শব্দ হয় ক্ষীণ ও কর্কশ।
- আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৪০ শতাংশ মারা যায়।
- ১৯৯৫ সালে বিশ্ব ব্যাংক ও ইউনিসেফের সহায়তায় সরকার বাংলাদেশ সমন্বিত পুষ্টি প্রকল্প শুরু করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,১৯০.
’সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র‘  কোথায় অবস্থিত? 
  1. কাঠমান্ডু, নেপাল
  2. ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
  3. গান্ধীনগর, ভারত
  4. কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান

​​SAARC:

- এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- এটি প্রতিষ্ঠত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে ঢাকায়।
- SAARC ৮টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। যথা:
- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তান।
- সার্ক এর মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা দ্বীপ রাষ্ট্র।
- SAARC এর সচিবালয় কাঠমান্ডু, নেপালে অবস্থিত।
- সচিবালয়: ১৯৮৭ সালের ১৭ জানুয়ারী নেপালের কাঠমান্ডু-তে।
- এর সর্বশেষ সদস্য হলো আফগানিস্তান।

​• SAARC এর আঞ্চলিক কেন্দ্র:
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: গুজরাট, গান্ধীনগর, ভারত।
- সার্ক কৃষি কেন্দ্র: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক যক্ষা ও এইডস কেন্দ্র: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলঙ্কা।
- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।

৩,১৯১.
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন করে-
  1. দক্ষিণ হতে উত্তর দিকে
  2. পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে
  3. উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে
  4. পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন:
- পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তনের দিক পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে। 
- সৌরজগতের মাঝারী আকারের একটি গ্রহ। 
- পৃথিবী নিজ কক্ষপথটি ডিম্বাকৃতি ও মোট ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড বা এক বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে থাকে।
- পৃথিবী নিজ অক্ষে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড সময়ে আবর্তন করে।
- পৃথিবীর একটি মাত্র উপগ্রহ হলো চন্দ্র।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৯২.
আয়োডিনের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) লবণ
  2. খ) সামুদ্রিক শৈবাল
  3. গ) এগারিকাস
  4. ঘ) লাইকেন
সঠিক উত্তর:
খ) সামুদ্রিক শৈবাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সামুদ্রিক শৈবাল
ব্যাখ্যা
সামুদ্রিক শৈবালে আয়োডিন পাওয়া যায়।
হ্যালোজেন হলো সামুদ্রিক লবণ উৎপাদক।
হ্যালোজেন বলতে ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন ও আয়োডিন এই ৪ টি মৌলকেই বুঝায়।
তাই আয়োডিনের প্রধান উৎস সামুদ্রিক শৈবাল।
৩,১৯৩.
কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাস নয়?
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. ওজোন
  4. মিথেন
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা

- অক্সিজেন গ্রীন হাউস গ্যাস নয়। 

গ্রীন হাউস গ্যাস: 
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে- 
• জলীয় বাষ্প, 
• কার্বন ডাই অক্সাইড, 
• নাইট্রাস অক্সাইড, 
• মিথেন, 
• ওজোন, 
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry.

৩,১৯৪.
নিচের কোনটি কৃত্রিম গ্রিনহাউস গ্যাস?
  1. মিথেন
  2. নাইট্রাস অক্সাইড
  3. ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
ব্যাখ্যা

◉ সঠিক উত্তরটি হলো গ) ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCs), এটি সম্পূর্ণ কৃত্রিম গ্যাস, মানুষের তৈরি। ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার, অ্যারোসল স্প্রে ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

​গ্রিনহাউস গ্যাস:
- যেসব গ্যাস পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থেকে তাপ শোষণ করে এবং তা পুনরায় বিকিরণ করে, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় সেসব গ্যাস কে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়।

​কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) হলো অন্যতম প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস।
- জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। প্রতি বছর জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে ২১.৩ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়।
- এছাড়া এটি বন উজাড়ের কারণে ও শিল্পকারখানা থেকে নির্গত গ্যাসের কারণেও সৃষ্টি হয়।

​কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়া অন্য গ্রিনহাউস গ্যাস গুলো হলো -
- মিথেন (CH4),
- নাইট্রাস অক্সাইড (N2O),
- জলীয় বাষ্প (H2O vapor),
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCs)।

উৎস:
১। মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
২। ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৩,১৯৫.
নিচের কোনটি বারিমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. পর্বত
  2. নদী
  3. সাগর
  4. মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বত
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডল: 
- আমরা জানি, পৃথিবীর আকৃতি বর্তুলাকার। 
- এই ভূ-ভাগের উপরিভাগকে দুইটি অংশে বিভক্ত করা যায়। 
যথা- স্থলভাগ এবং জলভাগ। 
- পৃথিবীর জলভাগই হলো বারিমণ্ডল। 
- বারিমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere। Hydro অর্থ পানি এবং Sphere অর্থ ক্ষেত্র। অর্থাৎ আভিধানিক অর্থে Hydrosphere এর অর্থ পানির ক্ষেত্র বা আধার। 
- সুতরাং বারিমণ্ডল বলতে ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত যে বিশাল পানিরাশি রয়েছে তাকে বুঝায়। 
- পানি একটি যৌগিক পদার্থ। অক্সিজেন (O) এবং হাইড্রোজেন (H) এর সমন্বয়ে পানি (H2O) গঠিত। 
- মহাসাগর, সাগর, উপসাগর, হ্রদ, নদীসহ অন্যান্য জলাধার নিয়ে বারিমণ্ডল গঠিত। 
- নিম্নে বারিমণ্ডলের অর্ন্তভুক্ত আধারগুলোর সংজ্ঞা উল্লেখ করা হলো- 
• মহাসাগর (Ocean): 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর অবস্থিত বিশাল আকৃতির পানির আধারকে মহাসাগর বলে। যেমন- প্রশান্ত মহাসাগর। 

• সাগর (Sea): 
- স্বল্প আয়তনবিশিষ্ট উন্মুক্ত পানিরাশিকে সাগর বলে। এগুলো মহাসাগর অপেক্ষা ছোট। যেমন- আরব সাগর। 

• উপসাগর (Bay or Gulf): 
- তিনদিকে স্থল দ্বারা বেষ্টিত পানিরাশিকে উপসাগর বলে। যেমন- বঙ্গোপসাগর। 

• হ্রদ (Lake): 
- চারদিকে স্থল দ্বারা বেষ্টিত পানিরাশিকে হ্রদ বলে। যেমন- বৈকাল হ্রদ। 

• নদী (River): 
- উঁচু পর্বত বা মালভূমি থেকে হিমবাহ, প্রস্রবণ, বরফগলা পানি বা বৃষ্টির পানিতে সৃষ্ট কোনো জলধারা যখন মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ভূমির ঢাল বরাবর অগ্রসর হয়ে সমভূমি ও নিম্নভূমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিশাল জলাশয়, হ্রদ বা সমুদ্রে গিয়ে পতিত হয় তখন তাকে নদী বলে। যেমন-পদ্মা নদী। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৯৬.
'অ্যানিমিয়া' রোগের ফলে মানবদেহে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. লোহিত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়
  2. লোহিত কণিকার সংখ্যা হ্রাস পায়
  3. শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়
  4. হিমোগ্লোবিনের সংখ্যা বেড়ে যায়
সঠিক উত্তর:
লোহিত কণিকার সংখ্যা হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত কণিকার সংখ্যা হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন- 

১। পলিসাইথিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। 

২। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

৩। লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

৪। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

৫। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- থ্রম্বোসাইটোসিস রোগে অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

৬। পারপুরা: 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। 
- এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৭। থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। 
- এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। 
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 
- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। 
- এ রোগের জন্য রোগিকে প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। 
- তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৯৭.
সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স নয় কোনটি? 
  1. বর্ণান্ধতা
  2. হিমোফিলিয়া
  3. জন্ডিস
  4. মায়োপিয়া
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: গ) জন্ডিস এবং ঘ) মায়োপিয়া। 
তবে যদি একটি উত্তর বেছে নিতে হয়, তাহলে গ) জন্ডিস বেশি স্পষ্ট উত্তর।

• সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স (Sex-linked Inheritance):
- সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স হলো সেই জেনেটিক প্যাটার্ন যেখানে জিন কোনো ক্রোমোজোমের মাধ্যমে পিতামাতা থেকে সন্তানদের কাছে যায়, বিশেষ করে X বা Y ক্রোমোজোমের মাধ্যমে।
- সাধারণত পুরুষ এবং মহিলা ভিন্নভাবে প্রভাবিত হয়, কারণ পুরুষের একটি একক X ক্রোমোজোম থাকে এবং মহিলার দুটি X ক্রোমোজোম থাকে।
- উদাহরণস্বরূপ, বর্ণান্ধতা এবং হিমোফিলিয়া প্রায়শই X-linked রেসেসিভ রোগ হিসেবে দেখা যায়।  

• বর্ণান্ধতা (Color Blindness):
- বর্ণান্ধতা হলো X-linked রেসেসিভ জিন দ্বারা প্রভাবিত রোগ।
- এটি চোখের রঙ শনাক্ত করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।  
- পুরুষরা সাধারণত বেশি প্রভাবিত হন কারণ তাদের একটি একক X ক্রোমোজোম থাকে।  

• হিমোফিলিয়া (Hemophilia):
- হিমোফিলিয়া হলো রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা, যা X-linked রেসেসিভ জিন দ্বারা ঘটে।  
- পুরুষরা এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, মহিলারা সাধারণত ক্যারিয়ার।  

• জন্ডিস (Jaundice):
- জন্ডিস হলো লিভারের রোগ বা বাইল সমস্যা সম্পর্কিত অবস্থা।  
- এটি কোনো সেক্স-লিংকড জেনেটিক রোগ নয়, বরং অ্যানিমিয়া, লিভার ইনফেকশন বা গলব্লাডারের সমস্যা থেকে হতে পারে।  

• মায়োপিয়া (Myopia):
- মায়োপিয়া বা নিকটদৃষ্টি হলো চক্ষু সমস্যা।  
- এটি সাধারণত জেনেটিক এবং পরিবেশগত কারণে হয়, কিন্তু X বা Y ক্রোমোজোমের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।  

সুতরাং, সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স নয় এমন রোগ হলো - গ) জন্ডিস।  
সঠিক উত্তর: গ) জন্ডিস। 

সূত্র: NIH.

৩,১৯৮.
ফোটন কণার ধর্ম কী?
  1. তড়িৎ নিরপেক্ষ
  2. ঋণাত্মক চার্জযুক্ত
  3. ধনাত্মক চার্জযুক্ত 
  4. তড়িৎ চার্জযুক্ত
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা

- ফোটন হলো আলোর মৌলিক কণা এবং এটি তড়িৎ নিরপেক্ষ, অর্থাৎ এর কোনো বৈদ্যুতিক চার্জ নেই। এই কারণে এটি তড়িৎ ক্ষেত্র বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত বা বিচ্যুত হয় না। 

ফোটন কণা: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টাম আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 

ফোটন কণার ধর্মসমূহ: 
১। প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
২। শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C = 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না। ৩। প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf (যেখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক)। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশি হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশি হয়, ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৯৯.
কোনটি নিউট্রন তারার বৈশিষ্ট্য?
  1. অতি উচ্চ ঘনত্ব
  2. নিম্ন তাপমাত্রা
  3. নিম্ন চৌম্বকক্ষেত্র
  4. গ্যাসীয় অবস্থা
সঠিক উত্তর:
অতি উচ্চ ঘনত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতি উচ্চ ঘনত্ব
ব্যাখ্যা
• নিউট্রন তারা:
- নিউট্রন তারা (Neutron Star) হলো একটি অত্যন্ত ঘন, মৃত তারা যা একটি সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর সৃষ্টি হয়।

• নক্ষত্রটি যখন সুপারনোভা হিসেবে বিস্ফোরিত হয়, তখন এর কোর বা মূলবস্তুর চাপ এত বেশি হয় যে, প্রোটন ও ইলেকট্রন একত্রিত হয়ে নিউট্রন গঠন করে। একে তাই বলা হয় নিউট্রন স্টার বা নিউট্রন নক্ষত্র।
• একটি ঘূর্ণায়মান নক্ষত্র যখন চুপসে গিয়ে নিউট্রন নক্ষত্রে পরিণত হয়, তখন কৌণিক ভরবেগ সংরক্ষণ করার জন্যে নক্ষত্রের কৌণিক বেগ অনেক বৃদ্ধি পায়। 

• মূল বৈশিষ্ট্য:
⇒  ঘনত্ব:
- একটি নিউট্রন তারার ঘনত্ব অনেক বেশি হয়ে থাকে। 
⇒ আয়তন:
- সাধারণত আয়তন খুব কম, অথচ এর ভর প্রায় সূর্যের সমান।
⇒ চৌম্বক ক্ষেত্র:
- এদের শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র থাকে।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি; ড. শাহজাহান তপন।
৩,২০০.
বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ধারণে মূল ভূমিকা কার?
  1. বায়ুর আর্দ্রতা
  2. বায়ুর প্রকৃতি
  3. বায়ুর ঘনত্ব
  4. বায়ুর চাপ
সঠিক উত্তর:
বায়ুর আর্দ্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর আর্দ্রতা
ব্যাখ্যা
• বায়ুর আর্দ্রতা:
- বায়ুতে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিকে বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না।
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুর আর্দ্রতার উপর বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে।
- বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম।

- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে।
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। যথা- পরম আর্দ্রতা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা।
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা।
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা হলো কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।