বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩০ / ৩৯ · ২,৯০১৩,০০০ / ৩,৮৭৯

২,৯০১.
পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্ট শিলাকে কী বলা হয়? 
  1. জীবাশ্ম শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. আগ্নেয় শিলা
  4. রূপান্তরিত শিলা
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা
শিলা: 
- ভূত্বক যেসব উপাদান দ্বারা গঠিত তাদের সাধারণ নাম শিলা। 
- ভূতত্ত্ববিদগণের মতে দুই বা ততোধিক খনিজ দ্রব্যের সংমিশ্রণে এসব শিলার সৃষ্টি হয়। 
- ভূত্বক গঠনকারী সকল কঠিন ও কোমল পদার্থই শিলা। 
যেমন- নুড়ি, কাঁকর, গ্রানাইট, কাদা, বালি প্রভৃতি। 
- গঠনপ্রণালি অনুসারে শিলাকে তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- (১) আগ্নেয় শিলা, (২) পাললিক শিলা ও (৩) রূপান্তরিত শিলা। 

আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks): 
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড ছিল। এই গ্যাসপিণ্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়। পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে। এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে। 
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয় তাই এই শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলে। 
- এ শিলায় কোনো স্তর নেই, তাই আগ্নেয় শিলার অপর নাম অস্তরীভূত শিলা। 
- এই শিলায় জীবাশ্ম নেই। এই শিলার বৈশিষ্ট্য হলো- (ক) স্ফটিকাকার, (খ) অস্তরীভূত, (গ) কঠিন ও কম ভঙ্গুর, (ঘ) জীবাশ্ম দেখা যায় না এবং (ঙ) অপেক্ষাকৃত ভারী। 
- আগ্নেয়গিরি বা ভূমিকম্পের ফলে অনেক সময় ভূত্বকের দুর্বল অংশে ফাটলের সৃষ্টি হয়। তখন পৃথিবীর অভ্যন্তর থেকে উত্তপ্ত গলিত লাভা নির্গত হয়ে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। এভাবে ব্যাসল্ট ও গ্রানাইট শিলার সৃষ্টি হয়। 

- আগ্নেয় শিলাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা (Extrusive Igneous Rocks): 
- ভূগর্ভের উত্তপ্ত তরল পদার্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা অন্য কোনো কারণে বেরিয়ে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে বহিঃজ আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়, এদের দানা খুব সূক্ষ্ম এবং রং গাঢ়। এই শিলার উদাহরণ হলো ব্যাসল্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি। 

(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা (Intrusive Igneous Rocks): 
- উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূগর্ভে জমাট বাঁধলে তৈরি হয় অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা। এর দানাগুলো স্থূল ও হালকা রঙের হয়। গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯০২.
উড়োজাহাজের গতি পরিমাপক যন্ত্র কোনটি?
  1. ওডোমিটার
  2. অ্যালটিমিটার 
  3. ম্যানোমিটার
  4. ট্যাকোমিটার
সঠিক উত্তর:
ট্যাকোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যাকোমিটার
ব্যাখ্যা

- উড়োজাহাজের গতি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রের নাম হলো ট্যাকোমিটার (Tachometer)। আধুনিক বিমানে বায়ুর গতির সাপেক্ষে গতি মাপতে 'এয়ার স্পিড ইন্ডিকেটর' ব্যবহৃত হয়। 

অন্যদিকে, 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

২,৯০৩.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়গুলো সাধারণত কোন মাসে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) মার্চ
  2. খ) অগাস্ট
  3. গ) সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নভেম্বর
ব্যাখ্যা



উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ।

২,৯০৪.
নিচের কোনটি সুনামির প্রধান কারণ নয়? 
  1. ভূমিকম্প 
  2. নদীভাঙন 
  3. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত 
  4. নভোজাগতিক ঘটনা 
সঠিক উত্তর:
নদীভাঙন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীভাঙন 
ব্যাখ্যা

- সুনামির প্রধান কারণ নয়- নদীভাঙন। 

সুনামি: 

- Tsunami একটি জাপানি শব্দ, যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ, সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। 
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 

- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্মরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল টেকটোনিক ভূমিকম্প। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

২,৯০৫.
মেঘ বিস্ফোরণের (Cloudburst) ক্ষেত্রে কোন ঘটনাটি সত্য? 
  1. এক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  2. সাধারণত পাহাড়ি অঞ্চলে ঘটে
  3. এর ফলে আকস্মিক বন্যা ও নদীর পানি বৃদ্ধি হয়
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

মেঘ বিস্ফোরণ (Cloudburst): 
- মূলত, মেঘ বিস্ফোরণ এক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণত পাহাড়ি অঞ্চলে ঘটে এটি।

কারণ
- এটি সাধারণত বর্ষার সময় পাহাড়ি অঞ্চলে ঘটে থাকে।
- হিমালয়ের পাদদেশে আরব সাগর থেকে আসা আর্দ্র বাতাস পাহাড়ের কারণে ওপরে উঠে যায়, যা 'অরোগ্রাফিক লিফট' নামে পরিচিত।
- এর ফলে বিশাল কিউমুলোনিম্বাস মেঘ (উলম্ব মেঘ) তৈরি হয়, যা বড় আকারের বৃষ্টির ফোঁটা ধারণ করতে পারে।
- এই মেঘ ভারী হয়ে ফেটে গেলে অল্প সময়ে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত ঘটে।

প্রভাব
- আকস্মিক বন্যা ও নদীর পানি বৃদ্ধি;
- সেতু, রাস্তা, ঘরবাড়ি ধ্বংস;
- কৃষি জমি ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত;
- বহু মানুষের মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা।

• ভারতের জম্মু ও কাশ্মিরের চাশোটি এলাকায় গত ১৪ আগস্ট ২০২৫ সালে ভয়াবহ মেঘ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

উৎস: দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।[লিঙ্ক]

২,৯০৬.
করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি কোন দেশ হতে?
  1. ইতালি
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. চীন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
- ১১ মার্চ ২০২০ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। 
- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে। 
- ১১ জানুয়ারি ২০২০ চীনের উহানে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী মারা যায়। 
- ভাইরাসটির অফিসিয়াল নাম - Severe Acute Respiratory Syndrome Coronavirus 2 (SARS-CoV-2)। 
- এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যে রোগটি হয়, তার অফিসিয়াল নাম - Coronavirus Disease (COVID-19)। 

উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট।
২,৯০৭.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি?
  1. ক) স্টেথোস্কোপ
  2. খ) কার্ডিওগ্রাফ
  3. গ) ক্রেস্কোগ্রাফ
  4. ঘ) স্ফিগমোম্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রেস্কোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রেস্কোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র ক্রেস্কোগ্রাফ। এছাড়া হৃৎপিন্ড ও ফুসফুসের শব্দ নির্ণায়ক যন্ত্র স্টেথোস্কোপ; হৃৎপিন্ডের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র কার্ডিওগ্রাফ; এবং মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র স্ফিগমোম্যানোমিটার। সূত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯০৮.
ভূত্বকীয় প্লেটগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে? 
  1. ক) সাত
  2. খ) পাঁচ 
  3. গ) তিন 
  4. ঘ) দুই 
সঠিক উত্তর:
ক) সাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাত
ব্যাখ্যা
ভূত্বকীয় প্লেটগুলোকে মূলত সাত ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যেমন—আফ্রিকান প্লেট, এন্টার্কটিক প্লেট, ইউরেশিয়ান প্লেট, ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেট, উত্তর আমেরিকান প্লেট, প্যাসিফিক প্লেট, দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট। 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
২,৯০৯.
অর্ধপরিবাহী অন্তরকের ন্যায় কাজ করে কোন তাপমাত্রায়?
  1. ক) 0K
  2. খ) 273K
  3. গ) -273K
  4. ঘ) 100°C
সঠিক উত্তর:
ক) 0K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 0K
ব্যাখ্যা
- অর্ধপরিবাহী অন্তরকের ন্যায় কাজ করে পরম শূন্য তাপমাত্রায় বা (0K) তাপমাত্রায়। 

অর্ধপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে।
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্ধ্রকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি।
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের। 
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না। কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়।

অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য:
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে। 
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm  এর মধ্যে থাকে। 
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়।
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পোঁছা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়। 
৫। এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম।
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯১০.
মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে- এ মতবাদটির প্রবক্তা কে?
  1. এডউইন হাবল
  2. আইনস্টাইন
  3. টলেমি
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
এডউইন হাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডউইন হাবল
ব্যাখ্যা
• মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে- এ মতবাদটি এডউইন হাবল সর্বপ্রথম প্রদান করেন।

- সর্বপ্রথম ১৯২০ সালে আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল পর্যবেক্ষণ করেন যে, পৃথিবী থেকে দূরবর্তী নক্ষত্র এবং ছায়াপথগুলি ক্রমশই সরে যাচ্ছে।
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার তত্ত্ব মতবাদ প্রদান করেন।
- স্টিফেন হকিং আধুনিক বিগ ব্যাঙ মতবাদের প্রবক্তা।
- কোপার্নিকাস সর্বপ্রথম প্রমাণ করেন যে, সূর্য নয়, পৃথিবীই সূর্যের চারদিকে ঘোরে, যে পথে পৃথিবী ঘোরে সেটা পৃথিবীর কক্ষপথ আর এই কক্ষপথ বৃত্তাকার।
- ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ জর্জ লেমাইটার প্রসারণশীল বিশ্ব সংক্রান্ত তত্ত্ব প্রদান করেন, যা হাবলের সাথে মিলে যায়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার সূত্র বা Theory of Relativity আবিষ্কার করেন।
- টলেমি ছিলেন প্রাচীন গণিতজ্ঞ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, জ্যোতিষী, ভূগোল-বিশারদ।
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯১১.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুতকেন্দ্র হতে বিদ্যুত উৎপাদন পদ্ধতি কোনটি?
  1. নিউক্লিয়ার ফিউশন
  2. নিউক্লিয়ার ফিশন
  3. সৌরবিদ্যুত
  4. জলবিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিশন
ব্যাখ্যা

নিউক্লিয়ার ফিশন: নিউক্লিয়ার ফিশনে ভারী পারমাণবিক যেমন ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম ভেঙে ছোট পারমাণবিকে বিভক্ত করা হয়। এই বিভাজনের ফলে প্রচুর তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়, যা বাষ্প তৈরি করে এবং টারবাইন ঘূর্ণন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশে স্থাপিত একটি ফিশন ভিত্তিক নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট।
- এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় নিউক্লিয়ার ফিশন (Nuclear fission) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

অপরদিকে,
- নিউক্লিয়ার ফিউশন: হালকা পরমাণুর মিলনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়, এখনও বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়নি।
- সৌরবিদ্যুত: সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে।
- জলবিদ্যুৎ: জলপ্রবাহ বা জলাধার থেকে টারবাইন ঘূর্ণন করে বিদ্যুৎ তৈরি করে।

তথ্যসূত্র: NCTB পদার্থবিজ্ঞান, World Nuclear Association: [লিংক] 

২,৯১২.
'Cosmic Ray' কে বাংলায় বলা হয়-
  1. ক) ক্যাথোড রশ্মি
  2. খ) রনজেন রশ্মি
  3. গ) মহাজাগতিক রশ্মি
  4. ঘ) তেজস্ক্রিয় রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
'Cosmic Ray' কে বাংলায় বলা হয় মহাজাগতিক রশ্মি। এই রশ্মি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী হেস ১৯১৩-১৪ সালে। এই রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে নোবেল পুরস্কার পান এবং এই রশ্মি বিদ্যুৎ চার্জযুক্ত।
২,৯১৩.
রেডিও সংকেত শনাক্তকরণে সর্বপ্রথম কে অর্ধপরিবাহী জাংশন ব্যবহার করেন?
  1. আইনস্টাইন
  2. রবার্ট হুক
  3. অ্যালেকজান্ডার ফ্লেমিং
  4. জগদীশচন্দ্র বসু
সঠিক উত্তর:
জগদীশচন্দ্র বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জগদীশচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা
জগদীশচন্দ্র বসু: 
- ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপনা এবং গবেষণা শুরু করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসু প্ৰথম বিনা তারে দুরবর্তী স্থানে সংকেত পাঠানো বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং সফল হন। 
- ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বারের মত দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। 
- তিনিই প্রথম তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে মিলিমিটার (৫মিলিমিটার) পর্যায়ে পরিমাপের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসুই সর্বপ্রথম রেডিও সংকেত শনাক্ত করার কাজে অর্ধপরিবাহী জাংশন ব্যবহার করেন। 
- এই আবিষ্কারকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে জগদীশচন্দ্র বসু তাঁর আবিষ্কারকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন। 

- জীব পদার্থবিজ্ঞানে জগদীশচন্দ্র বসু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। 
- তিনি উদ্ভিদের শারীরিতত্বের উপর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হচ্ছে উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ। 
- তিনি উদ্ভিদের উদ্দীপকে সাড়া দেওয়ার কারণ ও প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করেন। 
- তিনি দেখান যে বিভিন্ন উদ্দীপনায় উদ্ভিদেও সাড়া দেওয়ার প্রকৃতি রাসায়নিক নয় বৈদ্যুতিক। 
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের একটি হচ্ছে ‘Response in the living and non-living'। 
- ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে উদ্ভিদ-শরীরিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার জন্য কলকাতায় বসু মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জগদীশচন্দ্র বসু পরলোকে গমন করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৯১৪.
আদর্শ মাটিতে কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকে?
  1. ৫%
  2. ৯%
  3. ১১%
  4. ২১%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিশাল প্রাকৃতিক শোধনাগার হচ্ছে মাটি। সাধারণত আদর্শ মাটিতে ৫% জৈব পদার্থ থাকে।
মাটির গঠন, বর্ণ, পানি ধারণক্ষমতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে মাটিকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়;
যথা-
(ক) বালু মাটি,
(খ) পলি মাটি,
(গ) কাদামাটি এবং
(ঘ) দো-আঁশ মাটি।

সূত্র - ষষ্ঠ শ্রেণি, কৃষি শিক্ষা, বোর্ড বই
২,৯১৫.
HPLC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) High pressure liquid chromatography
  2. খ) High power liquid chromatography
  3. গ) High plant liquid chromatography
  4. ঘ) High performance liquid chromatography
সঠিক উত্তর:
ঘ) High performance liquid chromatography
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) High performance liquid chromatography
ব্যাখ্যা
HPLC এর পূর্ণরূপ - High performance liquid chromatography.

- হাই-পারফরম্যান্স লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি (HPLC) হলো বিশ্লেষণাত্মক রসায়নের একটি কৌশল।
- কোন মিশ্রণের উপাদানগুলিকে আলাদা করতে এবং প্রতিটি উপাদানকে চিহ্নিত করতে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া মিশ্রণের উপাদানগুলো পরিমাপ করতেও এটি ব্যবহৃত হয়। 
- এটি প্রাথমিকভাবে বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে একটি বিশ্লেষণাত্মক কৌশল হিসাবে আবিষ্কৃত হয়েছিল এবং প্রথমে রঙিন যৌগগুলিকে আলাদা করতে ব্যবহৃত হতো।

HPLC এর প্রধান দুইটি রূপ হচ্ছে -
1. Normal-Phase HPLC
2. Reversed-Phase HPLC


সূত্র: LibreTexts Chemistry and Chemistry Views.
২,৯১৬.
নিচের কোনটি ভাইরাসের দেহে বিদ্যমান?
  1. রাইবােসােম
  2. নিউক্লিয়াস
  3. সাইটোপ্লাজম
  4. নিউক্লিক অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে, আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। 
- তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 

ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
- পােষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
- নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 

ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস অকোষীয়। এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবােসােম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
- জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯১৭.
এপিকালচার কী?
  1. রেশম চাষ বিদ্যা
  2. মৎস্য চাষ বিদ্যা
  3. মৌমাছি চাষ বিদ্যা
  4. পাখি পালন বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি চাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি চাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা

• এপিকালচার (Apiculture):
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে। বর্তমানে কৃতিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

• সেরিকালচার (Sericulture):
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার। তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

• পিসিকালচার (Pisciculture):
- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে। মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

• এভিকালচার (Aviculture):
- পাখি পালন বিষয়াদি বিদ্যাকে এভিকালচার বলে। যে বিদ্যায় পাখিদের সমস্ত শ্রেণী ও বাসস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে এভিকালচার বলে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৯১৮.
টলেমি ছিলেন একজন -
  1. দার্শনিক
  2. জ্যোতির্বিদ
  3. চিকিৎসক
  4. সৈনিক
সঠিক উত্তর:
জ্যোতির্বিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যোতির্বিদ
ব্যাখ্যা
টলেমি:
- টলেমি ছিলেন প্রাচীন গণিতজ্ঞ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, জ্যোতিষী, ভূগোল-বিশারদ।
- তিনি ছিলেন গ্রিক-রোমান শাসিত মিশরের অধিবাসী।
- ১৪৫ সালে বিখ্যাত বই ‘আলমাজেস্ট’-এ তিনি মহাবিশ্বের একটি মডেল দাঁড় করান। 
- তাঁর তৈরি করা মহাবিশ্বের মডেলে ধারাবাহিকভাবে পৃথিবী, চাঁদ, বুধ, শুক্র, সূর্য, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনিকে রাখা হয়েছে।
- এগুলোর কেন্দ্রে পৃথিবীকে দেখানো হয়েছে।
- তিনি ঈশ্বর বিশ্বাসী ছিলেন।
- তাঁর মডেল অনুসারে পুরোহিতরা মনে করেছিলেন যে, স্বর্গ নরক রয়েছে বাইরের গোলকের ঊর্ধ্বে।
- সেই কারণে ধর্মের সাথে তিনি সংঘাত এড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- পরবর্তী সময়ে যে সকল বিজ্ঞানীরা মনে করতেন টলেমির এই ধারণা ঠিক নয়, তাঁরা পুরোহিতদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবার সাহস পান নি।
- এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো বিজ্ঞানী কোপার্নিকাস ।

উল্লেখ্য,
- সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী ঘুরছে এই সত্যকে প্রমাণসহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গ্যালিলিও, কিন্তু তার জন্য তাকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল।

উৎস: i) ২৩ নভেম্বর, ২০১৭, কালের কন্ঠ।
          ii) Britannica.
২,৯১৯.
বাংলাদেশ রেশম বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) সিলেট 
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) যশোর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম বোর্ড রাজশাহীতে অবস্থিত। 

রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশে ১৯৭৮ সালে (অধ্যাদেশ ১৯৭৭ সাল) প্রতিষ্ঠিত। রেশম উৎপাদনে উৎসাহ দান ও রেশম শিল্পে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চার জন সার্বক্ষণিক ও ৭ জন খন্ডকালীন সদস্য নিয়ে এই বোর্ড গঠিত। বোর্ডের প্রধান নির্বাহী হলেন চেয়ারম্যান। বোর্ডের কার্যাবলি নিম্নোক্ত প্রধান বিভাগসমূহে বিভক্ত: ১. অর্থসংস্থান ও পরিকল্পনা; ২. সম্প্রসারণ ও উদ্বুদ্ধকরণ; ৩. উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ এবং ৪. প্রশাসন।

বোর্ডের প্রধান লক্ষ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে: ১. রেশম উৎপাদন ও রেশম শিল্পের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন; ২. রেশম উৎপাদনে বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক গবেষণা ও প্রশিক্ষণে উদ্যোগ, সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান; এবং ৩. তুঁত, ভেরেন্ডা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট উদ্ভিদের উন্নত চাষপদ্ধতি উদ্ভাবন।

দেশের বিভিন্ন অংশে বোর্ডের ১৪টি নার্সারি, ৩৯টি কেন্দ্র ও ১৫৯টি উপকেন্দ্র রয়েছে। বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ রেশম বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
২,৯২০.
মানুষের ক্রোমোজোম এ মোট কত জোড়া অটোজোম থাকে?
  1. ২৩ জোড়া
  2. ২২ জোড়া
  3. ২ জোড়া
  4. ২১ জোড়া
সঠিক উত্তর:
২২ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ জোড়া
ব্যাখ্যা
মানুষের ক্রোমোজোমের মোট 23 জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম এবং 22 জোড়া অটোজোম থাকে।
উৎস: নবম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।
২,৯২১.
সূর্যের নিকটতম গ্রহের নাম কি?
  1. ক) জুপিটার
  2. খ) ভেনাস
  3. গ) মার্কারী
  4. ঘ) মঙ্গল
সঠিক উত্তর:
গ) মার্কারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মার্কারী
ব্যাখ্যা
বুধ বা মার্কারি হলো সূর্যের নিকটতম এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ।
- সূর্যের নিকটতম ও ক্ষুদ্রতম গ্রহ হলো বুধ।
- সূর্য থেকে বুধ গ্রহের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার।
- বুধ গ্রহের ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
- বুধের কোন উপগ্রহ নেই।
- বুধ গ্রহে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস বা পানি।

- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ হলো জুপিটার। 
- পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ হলো ভেনাস। 

সূত্র: উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই
২,৯২২.
জীন প্রকৌশলের মূল ভিত্তি কোনটি?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) প্রোটোজোয়া
  4. ঘ) ফানজাই
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
জীন প্রকৌশলের মূল ভিত্তি হলো ব্যাকটেরিয়া।

ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা
- মৃত জীবদেহ ও আবর্জনা পঁচাতে সাহায্য করে। 
- একমাত্র ব্যাকটেরিয়াই প্রকৃতি থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন সংরক্ষণ করে।
- পাট থেকে আঁশ ছাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে ৷
- দই তৈরি করতে ও ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য নিতে হয়।
- বিভিন্ন জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি হয়।
- ব্যাকটেরিয়া জীন প্রকৌশলের মূল ভিত্তি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে জীবের কাঙ্খিত বৈশিষ্ট্য পাওয়ার জন্য জীনগত পরিবর্তনের কাজে ব্যাকটেরিয়াকে ব্যবহার করা হয় ৷

সূত্র- ৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
২,৯২৩.
IC হল-
  1. ক) জার্মেনিয়া‌‌মের চিপ
  2. খ) আর্সেনাইডের চিপ
  3. গ) সিলিকনের চিপ
  4. ঘ) ম্যাঙ্গানিজের চিপ
সঠিক উত্তর:
গ) সিলিকনের চিপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিলিকনের চিপ
ব্যাখ্যা
আই.সি. এর পূর্ণ নাম ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট। আই.সি. কে সিলিকন চিপ বা চিপ বলা হয়। এটি এক ধরনের মাইক্রো ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, যাতে অনেকগুলাে ট্রানজিস্টর, ডায়ােড, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি কম্পােনেন্ট সিলিকন চিপের উপর নির্মান করে জোড়া লাগানাে হয়। এটি দেখতে চ্যাপটা, ছােট, কালাে বা ধুসর রঙের হয়।
২,৯২৪.
জোয়ার-ভাটায় মরা কটাল কখন হয়?
  1. অমাবস্যায়
  2. সপ্তমীতে
  3. পঞ্চমীতে
  4. অষ্টমীতে
সঠিক উত্তর:
অষ্টমীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টমীতে
ব্যাখ্যা
জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

মরা কটাল (Neap Tide):
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়।
- সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না।
- এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল (Neap Tide) বলে। 
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে জোয়ার-ভাটায় মরা কটাল হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৯২৫.
মহাকাশ গবেষণায় খাদ্য ও অক্সিজেন উৎপাদনের জন্য কোন উৎস ব্যবহার করা হয়?
  1. Fern
  2. Yeast
  3. Mucor
  4. Chlorella
সঠিক উত্তর:
Chlorella
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chlorella
ব্যাখ্যা
• মহাকাশ গবেষণায় খাদ্য ও অক্সিজেন উৎপাদনের জন্য প্রধানত Chlorella ব্যবহার করা হয়। Chlorella একটি নলাকার এককোষী শৈবাল, যা সূর্যালোকের সাহায্যে ফটোসিন্থেসিস করে খাদ্য এবং অক্সিজেন উৎপাদন করে। মহাকাশযানে দীর্ঘ সময় থাকার সময় মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাসে সৃষ্ট কার্বন ডাইঅক্সাইড শৈবাল গ্রহণ করে অক্সিজেনে রূপান্তরিত করে, যা পরিবেশকে বিশুদ্ধ রাখে। এছাড়া, Chlorella প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলে সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি খাদ্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে Fern, Yeast ও Mucor মহাকাশে খাদ্য ও অক্সিজেন উৎপাদনের জন্য কম ব্যবহার হয়। তাই মহাকাশ গবেষণায় Chlorella একটি কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব উৎস হিসেবে বিবেচিত।

• শৈবাল:

- শৈবালের সত্যিকার মূল, কান্ড ও পাতা নেই, তবে ক্লোরোফিল আছে।
- শৈবাল সালোকসংশ্লেষণকারী স্বভোজী অপুষ্পক উদ্ভিদ এবং আলো ছাড়া জন্মাতে পারে না।
- শৈবালের কোষ-প্রাচীর প্রধানত সেলুলোজ নির্মিত।
- শৈবাল এককোষী এবং বহুকোষী হতে পারে।
- মহাকাশ গবেষণায় খাদ্য ও অক্সিজেন উৎপাদনের উৎস হিসেবে ক্লোরেলা উদ্ভিদ ব্যবহৃত হয়।
- ক্লোরেলা এক প্রকার সবুজ এককোষী শৈবাল যা প্রোটিন খাদ্যের আদর্শ উৎস।
- ক্লোরেলা হল ক্লোরোফাইটা বিভাগের এককোষী সবুজ শৈবালের প্রায় তেরো প্রজাতির একটি প্রজাতি।
- অন্যদিকে, ঈস্ট এবং মিউকর হলো ছত্রাক।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
২,৯২৬.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলা?
  1. কোয়ার্টজাইট
  2. কেওলিন
  3. চুনাপাথর
  4. গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজাইট
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক চাপ, তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন রূপ ধারণ করে তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
যেমন:
- বেলপাথরের রূপান্তরিত রূপ কোয়ার্টজাইট
- কয়লার রূপান্তরিত রূপ গ্রাফাইট
- চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ মার্বেল
- গ্রানাইটের রূপান্তরিত রূপ নিস।

অন্যদিকে
- চুনাপাথর ও কেওলিন : পাললিক শিলা
- গ্রানাইট : আগ্নেয় শিলা।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৯২৭.
শিশুর বয়স কত হলে হাম ও রুবেলার টিকা দিতে হয়?
  1. ১২ মাস
  2. ৬ সপ্তাহ
  3. ৯ মাস
  4. ১৫ মাস
সঠিক উত্তর:
৯ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ মাস
ব্যাখ্যা
রোগের নাম টিকার নাম ডোজের সংখ্যা টিকা শুরু করার সঠিক সময়
যক্ষা বিসিজি জন্মের পর থেকে
ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি পেন্টাভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন (ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব) ৬ সপ্তাহ
নিউমোকক্কাল নিঊমোনিয়া পিসিভি ভ্যাকসিন ৬ সপ্তাহ
পোলিওমাইলাইটিস ওপিভি ৪* ৬ সপ্তাহ
হাম ও রুবেলা এমআর টিকা ৯ মাস বয়স পূর্ণ হলে
       
উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
২,৯২৮.
নিচের কোনটি অপ্রধান টেকটোনিক প্লেটের উদাহরণ?
  1. এন্টার্কটিক প্লেট
  2. এরাবিয়ান প্লেট
  3. প্যাসিফিক প্লেট
  4. ইউরেশিয়ান প্লেট
সঠিক উত্তর:
এরাবিয়ান প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরাবিয়ান প্লেট
ব্যাখ্যা

Tectonic plates are gigantic segments or pieces of the Earth's crust and uppermost mantle that together constitute the Lithosphere. Tectonic Plates are of two types, namely oceanic crust and continental crust that differ in composition. Tectonic plates are not fixed but move above the molten mantle below them.Tectonic plates form either divergent, transform, or convergent boundaries when they come in contact. Such boundaries are highly susceptible to earthquakes and volcanic eruptions. Orogeny also takes place at such boundaries. Tectonic plates are defined as major and minor plates depending on their size. There are a total of seven major tectonic plates which cover nearly 95% of the Earth's surface.

Major Tectonic Plates By Size-
- Pacific Plate - 103,300,000 Sq Km
- North American Plate - 75,900,000 Sq Km
- Eurasian Plate - 67,800,000 Sq Km
- African Plate - 61,300,000 Sq Km
- Antarctic Plate - 60,900,000 Sq Km
- Indo-Australian Plate - 58,900,000 Sq Km
- South American Plate - 43,600,000 Sq Km

Minor Tectonic Plates By Size-
- Somali Plate - 16,700,000 Sq Km
- Nazca Plate - 15,600,000 Sq Km
- Philippine Sea Plate - 5,500,000 Sq Km
- Arabian Plate - 5,000,000 Sq Km
- Caribbean Plate - 3,300,000 Sq Km
- Scotia Plate - 1,600,000 Sq Km
সূত্র: www.worldatlas.com ওয়েবসাইট

২,৯২৯.
ল্যামার্কের লেখা বইয়ের নাম কী যেখানে তিনি বিবর্তন নিয়ে আলোচনা করেন?
  1. ন্যাচারাল হিস্ট্রি
  2. থিওরি অফ রেভোলিউশন
  3. অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিজ
  4. ফিলােসােফিক জুওলজিক
সঠিক উত্তর:
ফিলােসােফিক জুওলজিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলােসােফিক জুওলজিক
ব্যাখ্যা
• বিবর্তন (Evolution):
- বিবর্তন বা অভিব্যক্তি হলো এমন একটি জীববৈজ্ঞানিক ধারণা যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবের গাঠনিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ক্রমপরির্তনকে বুঝায়।
- কোনো জীবের বংশধরদের মাঝে যে জিনরাশি ছড়িয়ে পড়ে তারাই বংশপ্রবাহে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করে।
- ল্যামার্ক বায়োলজি’ শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন ৰা অভিব্যক্তির ওপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
- এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর লেখা 'ফিলােসােফিক জুওলজিক' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন।
- সর্বপ্রথম জেনোফেন সময়ের সাথে সাথে জীবদেহের আকার পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আনেন।
- তারপর, এরিস্টটল বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনা করেন।
- হার্বার্ট স্পেন্সার সর্বপ্রথম Evolution শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
- ল্যামার্ক বায়োলজি’ শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন ৰা অভিব্যক্তির ওপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
- এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর লেখা 'ফিলােসােফিক জুওলজিক' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন।
- জৈব বিবর্তনের জনক বলা হয় চার্লস ডারউইনকে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৩০.
ডিজিটাল ঘড়িতে কালচে অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে ওঠে তা কিসের ভিত্তিতে তৈরি?
  1. ক) এলইডি
  2. খ) সিলিকন চিপ
  3. গ) এলসিডি
  4. ঘ) আইসি
সঠিক উত্তর:
গ) এলসিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এলসিডি
ব্যাখ্যা
আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিগুলি সব সূক্ষ্ম সিলিকন চিপ-এর ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে।
- সিলিকন চিপ এক প্রকার অতি পাতলা বিস্কুটের মতো ক্রিস্টালের ফালি/স্লাইস যা অন্তত ১০ হাজার ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট ধারণ করে।
- বর্তমানে জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে, যেমন কম্পিউটার, টেলিফোন, গাড়ি, রুটি সেঁকার যন্ত্র বা টোস্টার, বাসাবাড়ির বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে ও বিপুল সংখ্যায় সমন্বিত বর্তনী ব্যবহৃত হয়।

সিলিকন চিপের উপর resistors, capacitors, transistors etc বসিয়ে IC তৈরি হয় এবং আইসি এর কাজ শুধু ডিসপ্লের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- ক্যল্কুলেটরের ডিসপ্লেতে সিলিকন চিপ নেই এবং সেটা থাকার কোন সুযোগও নেই।
- সহজ কথায়, যে ডিজিট দেখা যায় সেটা LCD display এর মাধ্যমে আর LCD Display তে যা দেখাচ্ছে তা আসছে অনেকগুলো কম্পোনেন্টের Combined Effort থেকে।
২,৯৩১.
'Ebola' has not spread out in epidemic form in which of the following countries?
  1. Nigeria
  2. Sierra Leon
  3. Guinea
  4. Liberia
সঠিক উত্তর:
Nigeria
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nigeria
ব্যাখ্যা
ইবোলা:

- নিরক্ষীয় আফ্রিকার দেশগুলো প্রায় চার দশক ধরে ইবোলা প্রাদুর্ভাবের সম্মুখীন হয়েছে।
- ২৩ মার্চ ২০১৪ এর মধ্যে যা এই প্রধানত গিনি, লাইবেরিয়া এবং সিয়েরা লিওনে ব্যাপক প্রাণহানি এবং আর্থ-সামাজিক ব্যাঘাত ঘটায়।
- ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে গিনিতে প্রথম মামলা রেকর্ড করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে, রোগটি প্রতিবেশী লাইবেরিয়া এবং সিয়েরা লিওনে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে অন্যত্র সামান্য প্রাদুর্ভাব ঘটে।
- 'ইবোলা' নাইজেরিয়াতে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েনি।

তথ্যসূত্র - WHO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৯৩২.
কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম নয়?
  1. স্ফোনোডন
  2. তেলাপোকা
  3. রাজকাঁকড়া
  4. ইকুইজিটাম
সঠিক উত্তর:
তেলাপোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেলাপোকা
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- কতগুলো জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছে, অথচ তাদের সমগোত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটেছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। 
যেমন:
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী,
- স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী,
- প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী। 

অন্যদিকে,
- ইকুইজিটাম,
- নিটাম ও
- পিঙ্কো বাইলোবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্ম। 

- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগের লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আর্থ্রোপোডাগুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৩৩.
লেজার রশ্মির আবিষ্কারক কে?
  1. ওপেন হেইমার
  2. ইগর সিজরস্কি
  3. থিওডর মাইম্যান
  4. লিউয়েন হুক
সঠিক উত্তর:
থিওডর মাইম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থিওডর মাইম্যান
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ - Light Amplification by Stimulated Emission Radiation. অর্থাৎ উত্তেজিত বিকিরণের সাহায্যে আলোক বিবর্ধক।

১৯৬০ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ থিওডর মাইম্যান প্রথম লেজার তৈরী করেন। লেজারের বিবিধ ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে মৃদু শল্যচিকিৎসা এবং পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব পরিমাপ করা।

Source: Britannica
২,৯৩৪.
শিশুর হাম ও রুবেলার এমআর টিকা প্রদানের সময় কোনটি?
  1. ৬ মাস বয়সে
  2. ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে
  3. ৬ মাস এবং ৫ বছর বয়সে
  4. ৩ মাস এবং ৬ মাস বয়সে
সঠিক উত্তর:
৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে
ব্যাখ্যা
- শিশুর জন্মের ৬, ১০ ও ১৪ সপ্তাহে এসব টিকার একটি করে ডোজ অর্থাত চার সপ্তাহ বিরতিতে একেকটি টিকার তিন ডোজ সম্পন্ন করা হয়।
- পেন্টাভ্যালেন্ট হল ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশ (পারটুসিস), ধনুষ্টংকার (টিটেনাস), হিমোফিলিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি এবং হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ থেকে শিশুদের রক্ষা করতে সমবেত একটি টিকা।
- শিশুর বয়স নয় মাস এবং ১৫ মাস বয়সে যথাক্রমে হাম ও রুবেলার প্রতিষেধক এমআর টিকা দেয়া হয়। 
- শিশুর ৬ মাস থেকে ৫ বছরের মধ্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হয়।

- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের ফ্যাক্ট-শিট অনুযায়ী শিশু জন্মের পরপরই যক্ষ্মা বা টিবি প্রতিরোধে বিসিজি টিকা দেয়া হয়। 
- শিশু জন্মের ছয় সপ্তাহের মধ্যে আরও তিনটি টিকা দিতে হয়। যথা-
• পোলিওর প্রতিষেধক ওরাল পোলিও ভ্যাকসিন-ওপিভি,
• নিউমোনিয়ার প্রতিষেধক নিউমোককাল কনজুগেট ভ্যাকসিন-পিসিভি এবং
• পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা।

উৎস: bbc
২,৯৩৫.
আবহাওয়া ও জলবায়ুর মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী? 
  1. আবহাওয়া দীর্ঘমেয়াদী, জলবায়ু স্বল্পমেয়াদী 
  2. আবহাওয়া স্বল্পমেয়াদী, জলবায়ু দীর্ঘমেয়াদী 
  3. আবহাওয়া ও জলবায়ুর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই 
  4. আবহাওয়া কেবল তাপমাত্রা বোঝায়, জলবায়ু কেবল বৃষ্টিপাত বোঝায় 
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়া স্বল্পমেয়াদী, জলবায়ু দীর্ঘমেয়াদী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়া স্বল্পমেয়াদী, জলবায়ু দীর্ঘমেয়াদী 
ব্যাখ্যা

আবহাওয়া: 
- কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পকালীন সময়ের বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহের অবস্থাকে বলা হয় আবহাওয়া। 
- আবহাওয়া নিয়ত পরিবর্তনশীল এবং এটি একটি ক্ষুদ্র এলাকার বায়ুমণ্ডলের স্বল্পমেয়াদী অবস্থাকে তুলে ধরে। 
- বিশ্বের প্রতিটি দেশের আবহাওয়া অফিস এ সংক্রান্ত উপাত্ত ও তথ্য প্রচার করে প্রতিদিন সরবরাহ করে। তাই আবহাওয়া সম্পর্কিত যে কোনো তথ্য সংগ্রহ করা যায় "আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র” থেকে। 
- সাধারণত আবহাওয়া প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বলেই প্রতিঘন্টা বা প্রতি দিনের আবহাওয়া পর্যালোচনা করে আবহাওয়ার গড় বের করা হয়। 

জলবায়ু: 
- পৃথিবীর প্রতিটি স্থানের বৈচিত্র্যময় আবহাওয়া লক্ষ্য করা যায়, সে কারণেই পৃথিবীর সকল স্থানের জলবায়ু এক রকম নয়। 
- আবহাওয়ার মত জলবায়ুরও প্রধান উপাদান হলো বায়ুর চাপ, তাপ, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুর আর্দ্রতা, বারিপাত ইত্যাদি। 
- আর এই সব উপাদানের ক্ষেত্রে নানা রকম বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায় বিভিন্ন নিয়ামকের উপর ভিত্তি করে। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহের দিক, ভূ-পৃষ্ঠের উচ্চতা, অক্ষাংশ ইত্যাদি। 
- আবহাওয়া যেমন কোনো নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুমণ্ডলের দৈনন্দিন অবস্থাকে বুঝায় তেমনি জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থা। 
অর্থাৎ, জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের অনেক বছরের বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক গড় অবস্থা। 
- জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হলো এটি নিয়ত পরিবর্তনশীল নয়। 
- আবহাওয়ার থেকে জলবায়ুর পার্থক্য হলো আবহাওয়া কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়। কিন্তু জলবায়ু বলতে কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৩৬.
৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কী বলে?
  1. কুমেরুবৃত্ত
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. সুমেরুবৃত্ত
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
কুমেরুবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমেরুবৃত্ত
ব্যাখ্যা
সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত: 
- উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত বলে।
- দক্ষিণ গোলার্ধে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে।

কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে।
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৯৩৭.
খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদের একসঙ্গে কী বলে?
  1. ক) পুষ্টি
  2. খ) ভিটামিন
  3. গ) পরিপোষক
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) পরিপোষক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরিপোষক
ব্যাখ্যা

পুষ্টি হলো পরিবেশ থেকে প্রয়ােজনীয় খাদ্যবস্তু আহরণ করে খাদ্যবস্তুকে পরিপাক ও শোষণ করা এবং আত্তীকরণ দ্বারা দেহের শক্তির চাহিদা পুরণ, রোগ প্রতিরোধ, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করা। পুষ্টির ইংরেজি প্রতিশব্দ Nutrition.
অপরদিকে খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদের একসঙ্গে পরিপোষক বা নিউট্রিয়েন্টস বলে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

২,৯৩৮.
কোনটি মহাবিশ্বের মৌলিক বলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) মহাকর্ষ বল
  2. খ) তড়িৎ চৌম্বকীয় বল
  3. গ) দুর্বল নিউক্লীয় বল
  4. ঘ) ঘাত বল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঘাত বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঘাত বল
ব্যাখ্যা

মহাবিশ্বের মৌলিক বলগুলো হলোঃ
১) মহাকর্ষ বল
২) তড়িৎ চৌম্বকীয় বল
৩) দুর্বল নিউক্লীয় বল
৪) সবল নিউক্লীয় বল
(উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান)

২,৯৩৯.
'O' ব্লাড গ্রুপ বিশিষ্ট রক্তে কোন অ্যান্টিবডি থাকে?
  1. ক) A
  2. খ) a
  3. গ) B
  4. ঘ) a ও b
সঠিক উত্তর:
ঘ) a ও b
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) a ও b
ব্যাখ্যা
রক্তের গ্রুপ:
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমা মেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে রক্ত গ্রুপ বলে।
- রক্ত কণিকায় অ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত।
- মানুষের রক্তে A ও B এ দু'ধরনের অ্যান্টিজেন থাকে এবং a, b দুইটি অ্যান্টিবডি থাকে।
- A অ্যান্টিজেন ও a অ্যান্টিবডি একসাথে থাকলে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। একই ভাবে B অ্যান্টিজেন ও b অ্যান্টিবডির ক্ষেত্রেও একই।
- মানুষের রক্তের গ্রুপকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায় । যথা- O, A, B এবং AB।

0 রক্তের গ্রুপ:
- O গ্রুপের রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোন অ্যান্টিজেন নাই কিন্তু a, b দুইটি অ্যান্টিবডি থাকে।
- O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে।

AB রক্তের গ্রুপ:
- AB রক্তের গ্রুপে A ও B দুটি অ্যান্টিজেন থাকে কিন্তু কোন অ্যান্টিবডি থাকে না।
- AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারণ সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহণ করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত দান করতে পারে।

A রক্তের গ্রুপ:
- A রক্তের গ্রুপে A অ্যান্টিজেন থাকে এবং b অ্যান্টিবডি থাকে।
- A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে।

B রক্তের গ্রুপ:
- B রক্তের গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে a অ্যান্টিবডি থাকে।
- B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত দান করতে পারে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম।
২,৯৪০.
বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থা কোন ধরনের?
  1. শিল্প ভিত্তিক
  2. ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
  3. ধান-প্রধান নিবিড় বাণিজ্যিক
  4. যান্ত্রিক কৃষি
সঠিক উত্তর:
ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কৃষি ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী ধরনের।

• ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী:
- শুধুমাত্র মানুষ নিজ নিজ প্রয়োজন মেটানোর জন্য যে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে তাকে স্বয়ংভোগী চাষাবাদ বলে।
- আদ্র মৌসুমী ভাবাপন্ন ঘনবসিতপূর্ণ এশিয়ার ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, চীন, জাপানে ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি ব্যবস্থা চালু আছে। 

• বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ক্ষুদ্রায়তন জমি।
- নিবিড় চাষাবাদ।
- ধানের প্রাধান্য।
- কায়িক শ্রম নির্ভর।
- একাদিক্রমে চাষাবাদ।
- চাষাবাদ প্রকৃতির উপর বেশী নির্ভরশীল।

• বাংলাদেশের কৃষি ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী বলার কারণ: 
- আমাদের দেশের কৃষির প্রধান উপখাত হলো- শস্য (ধান) উৎপাদন।
- বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাবার ভাত, আর তাই এই দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতেই ধান উৎপাদন হয়। 
- এছাড়াও গম, ভুট্টা, সহ শাকসবজি উৎপাদন প্রচুর পরিমানে হয়।
- এজন্যই বাংলাদেশকে কৃষি ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী বলা হয়। 
--------------------- 
বাংলাদেশের জাতীয় কৃ‌ষি:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- উৎপাদনশীলতা, আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধির জন্য কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১লা অগ্রহায়ণ 'জাতীয় কৃ‌ষি দিবস ও নবান্ন উৎসব' পালিত হয়।
- কৃষিই সমৃদ্ধি এ শ্লোগানকে ধারণ করে ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর বা '১লা অগ্রহায়ণ, ১৪১৫' সালে প্রথম জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয়। 
- সেই থেকে প্রতিবছর কৃষি দিবস পালিত হয়ে আসছে।
 
উৎস:
জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর অর্থনীতি (২য় পত্র) -মোস্তাফিজুর রহমান,  একাদশ শ্রেণির ভূগোল- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৪১.
Which is the smallest planet in the solar system?
  1. ক) Mercury
  2. খ) Mars
  3. গ) Saturn
  4. ঘ) Venus
সঠিক উত্তর:
ক) Mercury
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Mercury
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ:

- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি।
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ বুধ।
- সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- সৌরজগতের দ্রুততম গ্রহ বুধ।
- পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র।
- সৌরজগতের বুধ ও শুক্র গ্রহের উপগ্রহ নেই।
- সৌরজগতের শনি গ্রহের উপগ্রহ সবচেয়ে বেশি।
- বুধ ৮৮ দিনে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮।
২,৯৪২.
সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় -
  1. ১০ কোটি কিলোমিটার
  2. ১৩ কোটি কিলোমিটার
  3. ১৫ কোটি কিলোমিটার
  4. ১৭ কোটি কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

পৃথিবী:
- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ।
- কারণ একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৪৩.
নিচের কোনটি লেপ্টন কণা?
  1. ক) ইলেকট্রন
  2. খ) প্রোটন
  3. গ) নিউট্রন
  4. ঘ) মেসন
সঠিক উত্তর:
ক) ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের বিভিন ধরনের কণা:
মহাবিশ্বের সকল কণাকে দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা: (ক) ফার্মিওন ও (খ) বোসন।

⇒ ফার্মিওন (Fermion):
- মহাবিশ্বের সকল পদার্থ এই কণিকা দ্বারা গঠিত। এদের স্পিন 1/2.
- ফার্মিওন কণা আবার দু'রকমের (১) কোয়ার্ক ও (২) লেপ্টন।

কোয়ার্ক (Quark):
- কোয়ার্ক দিয়ে প্রোটন ও নিউট্রন গঠিত।
- দুটি আপ কোয়ার্ক ও একটি ডাউন কোয়ার্ক নিয়ে প্রোটন; এবং দুটি ডাউন ও একটি আপ কোয়ার্ক নিয়ে নিউট্রন গঠিত।
- কোয়ার্ক মূলত ৬ টি। এগুলো হলো আপ (u) ও ডাউন (d), চার্ম (c) ও স্ট্রেঞ্জ (s) এবং টপ (t) ও বটম (b)। 
- কোয়ার্ক সব সময় দলবদ্ধ অবস্থায় থাকে।
- কোয়ার্কের এক একটি দলকে বলে হ্যাড্রন (Hadron)।

- তিনটি কোয়ার্ক নিয়ে যে হ্যাড্রন গঠিত হয় তাদেরকে বলা হয় বেরিয়ন (Baryon)। যেমন- প্রোটন, নিউট্রন হলো বেরিয়ন কণা।
- একটি কোয়ার্ক ও তার এন্টিকোয়ার্ক নিয়ে যে হ্যাড্রন হয় তাদের বলা হয় মেসন (Meson )।

লেপ্টন (Lepton):
- ছয় প্রকার লেপ্টন কণিকা রয়েছে।
- তাদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইলেকট্রন ও মিউওন। 
- ইলেকট্রনের স্পিন 1/2.
- ইলেকট্রনের বিপরীত কণা পজিট্রন।

⇒ বোসন (Boson):
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না।
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দু'ধরনের। (i) গেজ বোসন ও (ii) হিগস বোসন

গেজ বোসন (Gauge Boson):
- এদের স্পিন হলো 1.
- ফোটন এক ধরণের গেজ বোসন কণা।
- ফোটনের নিশ্চল ভর শূন্য।

হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে।
- হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

গ্র্যাভিটন (Graviton):
- কোয়ান্টাম তত্ত্ব মতে, গ্র্যাভিটন নামক এক ধরনের বোসন কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে মহাকর্ষ বল কাজ করে।
- গ্র্যাভিটনের প্রতিকণা সে নিজেই এবং স্পিন 2।
- এটি ভরশূন্য এবং চার্জ নিরপেক্ষ এই কণা এখনও স্ট্যান্ডার্ড মডেলে স্থান পায়নি।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৪৪.
সমুদ্র থেকে শীতল ও উচ্চচাপ বায়ু মূলভাগের দিকে প্রবাহিত, কারণ এটি-
  1. ক) সমুদ্র বায়ু
  2. খ) মৌসুমি বায়ু
  3. গ) স্থলবায়ু
  4. ঘ) স্থানীয় বায়ু
সঠিক উত্তর:
ক) সমুদ্র বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সমুদ্র বায়ু
ব্যাখ্যা
• সমুদ্র থেকে শীতল ও উচ্চচাপ বায়ু মূলভাগের দিকে প্রবাহিত, কারণ এটি সমুদ্র বায়ু।
- সূর্যাস্তের পর সমুদ্রের চেয়ে স্থলভাগ দ্রুত শীতল হয়।
- এ সময় স্থলভাগে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- স্থলভাগের এই উচ্চচাপ থেকে তখন বায়ু সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয় এবং এই বায়ুপ্রবাহকে বলা হয় স্থলবায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৪৫.
কোনটি ছোঁয়াচে রোগ নয়?
  1. ক) মাম্পস
  2. খ) যক্ষা
  3. গ) স্ক্যাবিস
  4. ঘ) এইডস
সঠিক উত্তর:
ঘ) এইডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এইডস
ব্যাখ্যা
ছোয়াচে রোগগুলো হলঃ মাম্পস, স্ক্যাবিস, হার্পিস, যক্ষা।
এইডস রোগটি রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়।
২,৯৪৬.
বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
• ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্ৰ:
- বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি।

- সেগুলো হলো:
- রাঙামাটির বেতবুনিয়া (১৯৭৫),
- গাজীপুরের তালিবাবাগ (১৯৮২),
- ঢাকার মহাখালী (১৯৯৫),
- সিলেট (১৯৯৭)।

- ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ জুন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাঙামাটির বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহটি কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেছিলেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাসস।
২,৯৪৭.
আমরা যে গ্যালাক্সিতে বাস করি তার নাম -
  1. ক) নেবুলা
  2. খ) আকাশ গঙ্গা
  3. গ) পেলিকান নিহারীকা
  4. ঘ) কোয়াসার
সঠিক উত্তর:
খ) আকাশ গঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আকাশ গঙ্গা
ব্যাখ্যা
আমরা যে গ্যালাক্সিতে বাস করি তার নাম Milky Way বা আকাশ গঙ্গা। এই ছায়াপথে প্রায়
1011 সংখ্যক নক্ষত্র রয়েছে৷
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৯৪৮.
কোন রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়?
  1. ক) সাদা
  2. খ) কালো
  3. গ) হলুদ
  4. ঘ) লাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাল
ব্যাখ্যা
আলাের বিক্ষেপণ নির্ভর করে এর রং ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর।
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ তত কম হয়।
লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম। তাই লাল আলো অনেক দূর থেকে দেখা যায়। সে জন্য উঁচু টাওয়ার বা বিল্ডিং এর উপর লাল রঙের বাতি জ্বালানো হয় যাতে বিমান বা হেলিকপ্টার নিচ দিয়ে উড়ে যাবার সময় অনেক দূর থেকে দেখে সতর্ক হতে পারে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রােগ্রাম, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৪৯.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ কোনটি?
  1. ক) জাপান
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবঃ
মানবসৃষ্ট নানা রকম কাজকর্ম যা পরিবেশের ক্ষতি করছে সেগুলোই বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী।
এই সমস্ত কার্যক্রম যেমন শিল্পায়ন, বনাঞ্চল উজাড়, পারমানবিক পরীক্ষা, কৃষির সম্প্রসারণ, যানবাহনের কালো ধোঁয়া, কাঠ-কয়লা পোড়ানো ইত্যাদি দ্বারা নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস গ্যাসই বিশ্ব উষ্ণায়নের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
দিন দিন জলবায়ুপরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে এদেশের প্রাকৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ইত্যাদি ঝুঁকি বাড়বে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলেই এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা যাবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
ইন্টারগভার্মেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেন্ট চেঞ্জ (আইপিসিসি) এর তথ্যানুযায়ী, ২০৩০ সালের পর এদেশের নদীর প্রবাহ অনেক কমে যাবে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বই (উন্মুক্ত)।

২,৯৫০.
উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কী?
  1. ওডোমিটার
  2. স্পিডোমিটার
  3. অ্যালটিমিটার
  4. ট্যাকোমিটার
সঠিক উত্তর:
ট্যাকোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যাকোমিটার
ব্যাখ্যা

- উড়োজাহাজ বা বিমানের গতি নির্ণয় করার জন্য ট্যাকোমিটার (Tachometer) নামক যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়। এই যন্ত্রটি মূলত বিমানের ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি (RPM - Revolutions Per Minute) পরিমাপ করে যা গতি নির্ধারণে সহায়তা করে। 

বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র: 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তাপ পরিমাপক যন্ত্র- ক্যালরিমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র- ম্যানোমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েসাইট।

২,৯৫১.
মানুষ নিয়ে চাঁদে অবতরণকারী প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
  1. অ্যাপোলো-১০
  2. অ্যাপোলো- ১১
  3. স্পুটনিক - ১
  4. স্পুটনিক - ২
সঠিক উত্তর:
অ্যাপোলো- ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাপোলো- ১১
ব্যাখ্যা
অ্যাপোলো-১১:
- ১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা চাঁদের উদ্দেশ্যে অ্যাপোলো-১১ মিশন প্রেরণ করে। এই মিশনে নভোচারী ছিলো তিনজন। এটিই চাঁদে অবতরণকারী প্রথম মহাকাশযান। নভোচারী ৩ জন হলেন:
- নীল আর্মস্ট্রং
- বাজ অলড্রিন এবং
- মাইকেল কলিন্স।
- ২০ জুলাই নীল আর্মস্ট্রং ও বাজ অলড্রিন চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করেন।
- চাঁদের যে স্থানে অবতরণ করে তার নাম - শান্ত সমুদ্র।
- মাইকেল কলিন্স কমান্ড মডিউল কলম্বিয়ায় অবস্থান করছিলেন।
- ২৪ জুলাই এরা পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

উল্লেখ্য,
- মহাশূণ্যে পাঠানো প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ হলো স্পুটনিক - ১
- জীবন্ত প্রাণী বহনকারী প্রথম উপগ্রহ স্পুটনিক - ২। লাইকা নামে কুকুর বহন করেছিল।

উৎস: প্রথম আলো, Britannica.
২,৯৫২.
মানুষের মস্তিষ্কের আয়তন কত?
  1. ক) ১৫০০ ঘন সেমি
  2. খ) ১৮০০ ঘন সেমি
  3. গ) ২০০০ ঘন সেমি
  4. ঘ) ১০০০ ঘন সেমি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫০০ ঘন সেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫০০ ঘন সেমি
ব্যাখ্যা
- মস্তিস্ক হলো স্নায়ুতন্ত্র অঙ্গ।
- মানুষের মস্তিষ্কের আয়তন ১৫০০ ঘন সেমি।
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যকরী একককে নিউরন বলে।
- মস্তিষ্কে নিউরন থাকে ১০ বিলিয়ন।
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি।
- মস্তিষ্ক আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৫৩.
'তল্লাশি ও উদ্ধার' কোনটির আওতাভুক্ত?
  1. সাড়া দান
  2. উন্নয়ন
  3. প্রতিরোধ
  4. পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
সাড়া দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়া দান
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে। দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

• সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম -১০ম শ্রেনি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৫৪.
বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাস সর্বাধিক পরিমাণে পাওয়া যায় ?
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন,২০.৯৫% অক্সিজেন, ০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে।
বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে যার গড় প্রায় ১%।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান।
২,৯৫৫.
কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিরাজমান জীবের ভৌত ও পারিবেশগত ভিন্নতাকে বলে-
  1. প্রজাতিগত জীববৈচিত্র্য
  2. বাস্তুতান্ত্রিক জীববৈচিত্র্য
  3. জীনগত জীববৈচিত্র্য
  4. জলবায়ুগত জীববৈচিত্র্য
সঠিক উত্তর:
বাস্তুতান্ত্রিক জীববৈচিত্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তুতান্ত্রিক জীববৈচিত্র্য
ব্যাখ্যা
• জীববৈচিত্র্যের প্রকারভেদ:
- জীববৈচিত্র্যকে প্রধানত তিনভাগে ভাগ করা যায়।
১. বাস্তুতান্ত্রিক জীববৈচিত্র্য: কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিরাজমান জীবের ভৌত ও পারিবেশগত বিভিন্নতাকে বাস্তুতান্ত্রিক জীববৈচিত্র্য বলে। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের জলবায়ু ও প্রাকৃতিক পরিবেশ বিরাজমান। প্রত্যেকটি বাস্তুতন্ত্রে নিজস্ব বৈশিষ্ট্যমন্ডিত বৈচিত্র্যময় জীবজগতের সৃষ্টি হয়।

২. প্রজাতিগত জীববৈচিত্র্য: ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে যে বৈচিত্র্যতা বিদ্যমান তাকে প্রজাতিগত জীববৈচিত্র্য বলা হয়। এরূপ বৈচিত্র্য কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় বিরাজমান মোট প্রজাতির সংখ্যা দ্বারা পরিমাপিত হয়।

৩. জীনগত জীববৈচিত্র্য: উদ্ভিদ ও প্রাণির প্রতিটি সদস্যই তাদের জীনগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে পরস্পর আলাদা। জীবগোষ্ঠির এই জীনগত বৈশিষ্ট্য ও বৈচিত্র্যতাই জীনগত জীববৈচিত্র্য। জীনগত ভিন্নতার কারণেই আমেরিকান শ্বেতাঙ্গ ও আফ্রিকান কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের গায়ের রং, চুলের প্রকৃতি, নাক ও ঠোঁটের আকৃতি, উচ্চতা ইত্যাদির অনেক পার্থক্য বিদ্যমান।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৫৬.
একটি অণু বা পরমানুর সম্মিলিত চার্জ-
  1. ক) ধণাত্মক
  2. খ) ঋণাত্মক
  3. গ) শূন্য
  4. ঘ) অশূন্য
সঠিক উত্তর:
গ) শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শূন্য
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয়াসের ভেতরে ধণাত্মক চার্জ যুক্ত প্রোটন এবং এর বাইরে ঋণাত্মক চার্জ যুক্ত ইলেকট্রন থাকে বলে একটি অণু বা পরমানুর সম্মিলিত চার্জ শূন্য হয়৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৯৫৭.
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- এটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় লন্ডনে অবস্থিত।
- এর বর্তমান মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড।
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রথম নারী ও এশীয় মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আইরিন খান।
- সংস্থাটি ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
(তথ্যসূত্রঃ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট)
২,৯৫৮.
গ্রাফাইট মূলত ____ এর একটি রুপ।
  1. ক) কার্বন
  2. খ) আর্গন
  3. গ) হ্যালোজেন
  4. ঘ) জার্মেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন
ব্যাখ্যা
কার্বন একটি অধাতু। কিন্তু কার্বন এরই অন্য একটি রুপ গ্রাফাইট যা বিদ্যুৎ পরিবাহী।
উৎসঃ সপ্তম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৯৫৯.
কোন গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজন স্তরকে ক্ষতি করে?
  1. ক) কার্বন মনোক্সাইড
  2. খ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
  3. গ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
  4. ঘ) মিথেন
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর।
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগগুলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে।
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৬০.
মানবদেহের স্বাভাবিক রক্তচাপ কত মিলিমিটার অব মার্কারি?
  1. ক) ১০০/৫০
  2. খ) ১৪০/৭০
  3. গ) ১২০/৮০
  4. ঘ) ১৫০/৯০
সঠিক উত্তর:
গ) ১২০/৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২০/৮০
ব্যাখ্যা
রক্তনালির ভিতর দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার সময় প্রাচীর গাত্রে যে পার্শ্বচাপ প্রয়োগ করে তাকে রক্তচাপ বলে।
- হৃদপিণ্ডের নিলয়ের সংকোচন অবস্থায় রক্তচাপ বেশি থাকে এবং এ চাপকে সিস্টোলিক চাপ বলে।
- অপরদিকে ভেন্ট্রিকলের প্রসারণ অবস্থায় রক্তচাপ সর্বনিম্ন অবস্থায় নেমে আসে। একে বলা হয় ডায়াস্টোলিক চাপ।
- একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক সিস্টোলিক চাপ হলো ১১০-১২০ মি.মি. (পারদ) এবং স্বাভাবিক ডায়াস্টোলিক চাপ ৭০-৮০ মি.মি. (পারদ)।
- এজন্য মানবদেহের স্বাভাবিক রক্তচাপ গড়ে ১২০/৮০ মি.মি. (পারদ)।
২,৯৬১.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সে.মি.-এ কত?
  1. ১০ নিউটন
  2. ১১.৫ নিউটন
  3. ১০ মেট্রিক টন
  4. ৫ মেট্রিকটন
সঠিক উত্তর:
১০ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নিউটন
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে- ১০ নিউটন। 
- গড় সমুদ্রপৃষ্ঠীয় চাপ হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ। 
- পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলের শীর্ষ পর্যন্ত গড়ে ১ বর্গ সেন্টিমিটার প্রস্থচ্ছেদের বায়ুর কলামের ভর ১.০৩ কিলোগ্রাম এবং এটি ১০.১ নিউটন ওজন প্রয়োগ করে। 
- যার ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠে ১০.১নিউটন চাপের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ওয়েবসাইট।
২,৯৬২.
পৃথিবীর ওপর কোন মহাজাগতিক বস্তুর আকর্ষণ জোয়ার-ভাটায় বেশি প্রভাব ফেলে?
  1. নক্ষত্র 
  2. সূর্য 
  3. চন্দ্র 
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- এই কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি, ফলে জোয়ার-ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 

- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৬৩.
কোনটি বাস্তুতন্ত্রের জড় উপাদান?
  1. খাদক
  2. হিউমাস
  3. বিয়োজক
  4. উৎপাদক
সঠিক উত্তর:
হিউমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিউমাস
ব্যাখ্যা
বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem): 
- বাস্তুতন্ত্র বলতে ভূপৃষ্ঠের এমন কোনো একককে বোঝায় যেখানে জড়, খাদ্য উৎপাদনকারী সবুজ উদ্ভিদ, খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল কিছু প্রাণী এবং মৃত জীবদেহকে পরিবেশে মিশিয়ে দেওয়ার জন্য অণুজীব রয়েছে এবং এসব উপাদানের মধ্যে যথাযথ আন্তঃসম্পর্ক বর্তমান। 
- জীবজগতের পুষ্টি এবং অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার বিভিন্ন উপাদানের উৎস হিসেবে মাটি, পানি ও বায়ুর প্রয়োজন হয়। 

বাস্তুতন্ত্রের উপাদানসমূহ: 
- জীব সম্প্রদায়, পরিবেশের জড় পদার্থ এবং ভৌত পরিবেশ মিলেই কোনো স্থানের বাস্তুতন্ত্র গড়ে ওঠে। 
- এই তিনটি প্রধান উপাদানের প্রত্যেকটিতে রয়েছে আবার অনেক ধরনের ছোট ছোট উপাদান এবং জীব উপাদানগুলো সবচেয়ে বৈচিত্র্যময়। 
জড় উপাদান: 
- পরিবেশের জড় পদার্থগুলো জীব উপাদানের জন্য বাসস্থান নির্মাণ করে, শ্বসনের জন্য অক্সিজেন যোগায় এবং বেশ কিছু পুষ্টি উপাদানও সরবরাহ করে। 
- বাস্তুতন্ত্রের সকল জড় উপাদানকে আবার অজৈব এবং জৈব এই দুভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১।  অজৈব বস্তু (Inorganic matters): 
- পানি, বায়ু, ও মাটিতে অবস্থিত খনিজ পদার্থ অর্থাৎ যেসব পদার্থ কোনো জীবদেহ থেকে আসেনি, বরং জীবের উদ্ভবের আগেই পরিবেশে ছিল, সেগুলো বাস্তুতন্ত্রের অজৈব উপাদান। 
যেমন- ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, লৌহ, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি। 

২। জৈব বস্তু (Organic matters): 
- উদ্ভিদ এবং প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ বা এসব জীবের মৃতদেহ থেকে যেসব জড় বস্তু বাস্তুতন্ত্রে যোগ হয়, তাদের বলা হয় জৈব উপাদান। 
- এগুলো সচরাচর হিউমাস নামে পরিচিত। 
- হিউমাসের উপাদানের মধ্যে আছে ইউরিয়া, উদ্ভিদ এবং প্রাণীর বিভিন্ন কোষ, টিস্যু, অঙ্গ ইত্যাদি। 
- জৈব বস্তু উদ্ভিদের জন্য বেশি পুষ্টিকর। তাই উদ্ভিদ চাষে বেশি করে জৈব সার দিতে হয়। বহু প্রাণীও হিউমাসসমৃদ্ধ মাটি বেশি পছন্দ করে। 

ভৌত উপাদান: 
- পরিবেশে সূর্যালোকের পরিমাণ, তাপমাত্রা, বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ, বায়ুর চাপ এবং বায়ুপ্রবাহ, ভূপৃষ্ঠ বা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গভীরতা (মাটির নিচে বা পানির নিচে) এবং উচ্চতা ইত্যাদি বহু উপাদান বাস্তুতন্ত্রকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। 
- এসব উপাদান মিলে গড়ে ওঠে কোনো অঞ্চলের আবহাওয়া ও জলবায়ু। এসবই হচ্ছে কোনো বাস্তুতন্ত্রের ভৌত উপাদান। 

জীবজ উপাদান: 
- জীবকুল বাস্তুতন্ত্রের সক্রিয় উপাদান। 
- এরাই তাদের কাজের মাধ্যমে পরিবেশে বিভিন্ন পরিবর্তন আনে। 
- পরিবেশের জীবজ উপাদানগুলো প্রধানত তিন প্রকার। 
যথা- উৎপাদক, খাদক ও বিয়োজক। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৬৪.
শিশুদের মেরাসমাস ও কোয়াশিয়রকর রোগ হয়-
  1. ক) আমিষের অভাবে
  2. খ) ক্যালসিয়ামের অভাবে
  3. গ) ভিটামিন-সি এর অভাবে
  4. ঘ) লৌহের অভাবে
সঠিক উত্তর:
ক) আমিষের অভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আমিষের অভাবে
ব্যাখ্যা
শিশুদের মেরাসমাস ও কোয়াশিয়রকর রোগ হয় আমিষ বা প্রোটিনের অভাবে। এর ফলে দেখা দেয় রক্তস্বল্পতা। উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৬৫.
বিষুবীয় অঞ্চলে বস্তুর ওজন
  1. সবচেয়ে কম
  2. সবচেয়ে বেশি
  3. শূন্য
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে কম
ব্যাখ্যা
• বিষুবীয় অঞ্চলে বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম ও মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি। 
• বিষুবীয় অঞ্চল থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দূরত্ব বেশি হওয়ায় বস্তুর ওজন কম হয়ে থাকে। 
• পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য। 

সূত্র - নিম্ন মাধ্যমিক বিজ্ঞান/মাধ্যমিক পদার্থ বিজ্ঞান, বোর্ড বই।
২,৯৬৬.
ব্ল্যাক হোল শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন কে?
  1. জন হুইলার
  2. আইনস্টাইন
  3. স্টিফেন হকিং
  4. জর্জ ল্যামেটার
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর শব্দটি ব্যবহার করেন।
- একটি কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল হল মহাকাশের এমন একটি স্থান যেখানে মধ্যাকর্ষণ বল এতটাই শক্তিশালী যে সেখান থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না। এমনকি আলোর মত তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণও এই প্রচন্ড আকর্ষণ বল ভেদ করে বের হয়ে আসতে পারে না
- গ্যালাক্সির কেন্দ্রে থাকা Sagittarius A হলো পৃথিবীর নিকটতম ব্ল্যাক হোল। 
- আইনস্টাইনের বিখ্যাত সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব ভবিষ্যদ্বাণী করে যে, মহাশূন্যে ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব থাকতে পারে। 
- ব্ল্যাক হোলে পদার্থের অত্যাধিক ঘনত্বের কারণে এটি এর চার দিকে এই অস্বাভাবিক মধ্যাকর্ষণ বল তৈরি করতে পারে।

উৎস: নাসা এবং ব্রিটানিকা।
২,৯৬৭.
নিচের কোন ডিভাইস এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করে?
  1. ক) ভােল্টমিটার
  2. খ) ডায়ােড
  3. গ) অ্যামিটার
  4. ঘ) ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়ােড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়ােড
ব্যাখ্যা
যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A. C.) একমুখী প্রবাহে (D. C.) পরিবর্তন করা হয় তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (rectification) বলে এবং যে বর্তনী এই কাজে ব্যবহার করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (rectifier)। জাংশন ডায়োডের বৈশিষ্ট্য থেকে জানা যায়- ডায়ােড একটা বিশেষ দিকে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে। কিন্তু বিপরীত দিকে কোনাে তড়িৎ প্রবাহ হয় না। জাংশন ডায়াডের এ বিশেষ ধর্মকে প্রবাহ একমুখীকরণ কাজে ব্যবহার করা হয়। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
২,৯৬৮.
সূর্যকে পরিভ্রমণের জন্য পৃথিবীর কক্ষপথটি _____।
  1. উপবৃত্তাকার
  2. বৃত্তাকার
  3. অর্ধ-বৃত্তাকার
  4. উল্লম্বাকার
সঠিক উত্তর:
উপবৃত্তাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপবৃত্তাকার
ব্যাখ্যা
• বার্ষিক গতি:
- পৃথিবী আপন অক্ষের চারিদিকে ২৪ ঘণ্টায় একবার আবর্তন করার পাশাপাশি পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ও নির্দিষ্ট কক্ষপথে সূর্যের চারিদিকে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড একবার আবর্তন করে। পৃথিবীর এইরূপ আবর্তন কে বার্ষিক গতি বলে। এবং আবর্তনের সময়কে সৌরবছর বলে।
- ৩৬৫ দিনে এক বছর গণনা করা হয় বলে প্রতি চার বছরে একদিন বাড়িয়ে ৩৬৬ দিনে বছর গণনা করা হয়। সেই বছর ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৯ দিনে ধরা হয়। 

• বার্ষিক গতির কারণসমূহ নিম্নরূপ:
১. পৃথিবীর আকার অভিগত গোলকের ন্যায়।
২. সূর্যকে পরিভ্রমণের জন্য পৃথিবীর কক্ষপথটি উপবৃত্তাকার।
৩ পৃথিবী নিজ কক্ষপথে (Orbit) ৬৬.৫° কোণে হেলে অবস্থান করছে।
৪. পৃথিবী নিজ অক্ষে (Axis) ২৩.৫° কোণে হেলে অবস্থান করছে। 

• বার্ষিক গতির ফলাফল:
- ঋতু পরিবর্তন ও
- দিন-রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৬৯.
ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ কোন দুটি প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশ অবস্থিত?
  1. ইন্ডিয়ান প্লেট ও আফ্রিকান প্লেট
  2. ইন্ডিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেট
  3. ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার প্লেট
  4. কোনোটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার প্লেট
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ একটি অঞ্চলে অবস্থিত কারণ এটি ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার প্লেটের সংযোগস্থলে পড়ে। এই দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ ও আন্দোলনের কারণে বাংলাদেশের উত্তরের ও পূর্বের অংশে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা থাকে। ইন্ডিয়ান প্লেট উত্তর-পূর্ব দিকে মায়ানমার প্লেটের সাথে ধাক্কা খায়, যা ভূ-তলীয় চাপ সৃষ্টি করে এবং ফলে ভূমিকম্প হতে পারে। অন্যদিকে, আফ্রিকান ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেট বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে, তাই সেগুলো এই অঞ্চলে ভূমিকম্প সৃষ্টি করে না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার প্লেট।


- বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়ে থাকে টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে।
- ভূস্তরের ভূমিকম্প প্রবণ ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার সাব-প্লেটের মাঝখানে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- ভূ-তত্ত্ব বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ভারতীয় ও ইউরেশীয় প্লেট দু'টি (১৯৩৪ খ্রীষ্টাব্দের পর থেকে) দীর্ঘদিন ধরে হিমালয়ের পাদদেশে আটকা পড়ে আছে।
- কিন্তু বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ভূ-তাত্ত্বিক চ্যুতি এলাকা বা ফল্ট জোন সচল অবস্থায় রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৭০.
এইডসের ক্ষেত্রে সত্য নয় কোনটি?
  1. হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস এই রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী।
  2. এটি যক্ষ্ম এবং কিছু ক্যান্সারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়া সহজ করে তোলে।
  3. এটি চুম্বন ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়।
  4. এইচআইভি অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি প্রতিরোধ করা যেতে পারে।
সঠিক উত্তর:
এটি চুম্বন ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি চুম্বন ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়।
ব্যাখ্যা
এইডস:
- এইচআইভি নামক ভাইরাস এই রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী।
- এইচআইভি এর পূর্ণরূপ হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস।
- এ ভাইরাস মানুষের শরীরে অনুপ্রবেশ করার পর তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়।
- এটি যক্ষ্মা, সংক্রমণ এবং কিছু ক্যান্সারের মতো রোগে অসুস্থ হওয়া সহজ করে তোলে।
- রক্ত, বুকের দুধ, বীর্য এবং যোনিপথের তরল সহ সংক্রামিত ব্যক্তির শরীরের তরল থেকে এইচআইভি ছড়ায়।
- এটি চুম্বন, আলিঙ্গন বা খাবার ভাগ করে ছড়ায় না।
- এটি একজন মা থেকে তার শিশুর মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
- এইচআইভি অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (এআরটি) দিয়ে চিকিত্সা এবং প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

এইচআইভির লক্ষণ:
- ১০ দিনের বেশি সময় ধরে জ্বর।
- দীর্ঘমেয়াদে ডায়রিয়া।
- মুখে বা জরায়ুমুখে ছত্রাকের সংক্রমণ (মুখে বা জিহ্বায় পুরু, সাদাটে স্তর কিংবা জরায়ুমুখ থেকে সাদাটে তরল নিঃসরণ এবং জরায়ুমুখে চুলকানি)।
- মুখ, গলা, যৌনাঙ্গ বা মলদ্বারে ঘা।
- কোনো কারণ ছাড়াই ওজন হ্রাস।
- ঘাড় বা কুঁচকিতে গোটা গোটা, ফোলা।
- কোনো কারণ ছাড়াই শরীরের কোনো স্থান থেকে রক্তক্ষরণ।
- অকারণে সব সময় অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ।

তথ্যসূত্র - WHO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ০১ ডিসেম্বর ২০২২।
২,৯৭১.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ কোনটি? 
  1. রেডিও
  2. ক্যালকুলেটর
  3. টেলিভিশন
  4. টেপ রেকর্ডার
সঠিক উত্তর:
ক্যালকুলেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালকুলেটর
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিক্স বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিক্স ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system), 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system) । 

এনালগ পদ্ধতি: 
- এনালগ সংকেত হলো অবিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- এনালগ সংকেত অনেকটা শব্দ তরঙ্গের মত সময়ের সাথে সাথে অবিচ্ছিন্ন ভাবে মান বাড়তে বাড়তে সর্বোচ্চ মানে পৌঁছিয়ে আবার অবিচ্ছিন্ন ভাবে কমতে কমতে সর্বনিম্ন মানে পৌঁছায়। এই সংকেতকে সাইন তরঙ্গের (sine wave) সাথে তুলনা করা যায়। 
- এনালগ পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল (analogue) সংকেতের বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করা হয়। 
- তাপমাত্রা, চাপ, প্রবাহ হলো ক্রমাগত পরিবর্তনশীল কয়েকটি এনালগ সংকেতের উদাহরণ। এসব সংকেতকে ভোল্টেজে রূপান্তরিত করলে যে ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, তাই হলো এনালগ সংকেতের। 
- এ ধরণের প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিবর্ধক, ফিল্টার প্রভৃতি এনালগ বর্তনী ব্যবহার করা হয়। 
- রেডিও, টেপ রেকর্ডার, টিভি ইত্যাদি এনালগ ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ। 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়। এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়। 
- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়। 
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। 
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে 0 এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

মিশ্র পদ্ধতি: 
- এনালগ ও ডিজিটাল বর্তনীর সংমিশ্রণে তৈরি পদ্ধতিকে মিশ্র ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বলে। 
- শিল্প-কারখানায় প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে, চিকিৎসা ক্ষেত্রে মিশ্র ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। 
- চাপ, তাপমাত্রা, রক্তচাপ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া, তরল পদার্থের স্তর ইত্যাদি ক্রম-পরিবর্তনশীল বিষয় সংগৃহীত উপাত্ত এনালগ ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি গ্রহণ করে। এই উপাত্তগুলিকে ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে যথা যোগ্য সংখ্যা ও সংকেতে রূপান্তর করে পাঠ নেয়া হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৭২.
নিম্নলিখিত কোন ভ্যাকসিন মৃত জীবাণু ব্যবহার করে তৈরি হয়?
  1. BCG ভ্যাকসিন
  2. হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন
  3. ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন
  4. ডিএনএ টিকা
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন
ব্যাখ্যা

টিকা: 
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। 
- টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে।

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবন্ত টিকা: 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
যেমন- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
যেমন- ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্ত: 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
যেমন- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়।


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৭৩.
হাইড্রোজেন পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াসের প্রকৃত ভর কত?
  1. ক) ১.৬৭ x ১০-২৮ গ্রাম
  2. খ) ০
  3. গ) ১.৬৭ x ১০-২৪ গ্রাম
  4. ঘ) ১
সঠিক উত্তর:
গ) ১.৬৭ x ১০-২৪ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১.৬৭ x ১০-২৪ গ্রাম
ব্যাখ্যা

হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ১। একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত নিউক্লিয়াসে তাই প্রোটন থাকে ১টি এবং কোনো নিউট্রন থাকে না।
তাই হাইড্রোজেন পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াসের ভর হলো একটি প্রোটনের ভর। প্রোটনের ভর তথা প্রকৃত ভর হলো ১.৬৭ x ১০-২৪ গ্রাম। প্রোটনের আপেক্ষিক ভর ১।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২,৯৭৪.
'পোলিওমাইলাইটিস' রোগের বিরুদ্ধে কোন টিকা দেওয়া হয়?
  1. ক) বিসিজি
  2. খ) ডিপিটি
  3. গ) পিসিভি
  4. ঘ) ওপিভি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওপিভি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওপিভি
ব্যাখ্যা
রোগের নাম - পোলিওমাইলাইটিস
টিকার নাম - ওপিভি
ডোজের সংখ্যা - ৪*
টিকা শুরু করার সঠিক সময় - ৬ সপ্তাহ

রোগের নাম - যক্ষা
টিকার নাম - বিসিজি
ডোজের সংখ্যা - ১
টিকা শুরু করার সঠিক সময় - জন্মের পর থেকে

রোগের নাম - ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি
টিকার নাম - পেন্টাভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন (ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব)
ডোজের সংখ্যা - ৩
টিকা শুরু করার সঠিক সময় - ৬ সপ্তাহ

রোগের নাম - নিউমোকক্কাল নিঊমোনিয়া
টিকার নাম - পিসিভি ভ্যাকসিন
ডোজের সংখ্যা - ৩
টিকা শুরু করার সঠিক সময় - ৬ সপ্তাহ

রোগের নাম - হাম ও রুবেলা
টিকার নাম - এমআর টিকা
ডোজের সংখ্যা - ১
টিকা শুরু করার সঠিক সময় - ৯ মাস বয়স পূর্ণ হলে

রোগের নাম - হাম
টিকার নাম - হামের টিকা
ডোজের সংখ্যা - ১
টিকা শুরু করার সঠিক সময় - ১৫ মাস বয়স পূর্ণ হলে

উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
২,৯৭৫.
পৃথিবী সৌরজগতের কত নম্বর গ্রহ?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
পৃথিবী সৌরজগতের ৩ নম্বর গ্রহ। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। পৃথিবী একমাত্র গ্রহ যার বায়ুমণ্ডলের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে যা উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী। সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব আছে।
উৎসঃ‌ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৭৬.
সমুদ্রতীরে বা বিশাল মাঠে দাঁড়ালে আকাশ ও ভূমি যে বৃত্তাকার রেখায় মিলিত হয় বলে মনে হয়, তার নাম কী?
  1. নিরক্ষরেখা
  2. দ্রাঘিমারেখা
  3. সমোচ্চ রেখা
  4. দিগন্তরেখা
সঠিক উত্তর:
দিগন্তরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিগন্তরেখা
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আকৃতি:
- দিগন্ত রেখার সাহায্যে বিশাল খোলা মাঠে বা সমুদ্রের তীরে দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকালে মনে হয় আকাশ ও ভূ-পৃষ্ঠ একটি বৃত্তাকার রেখায় মিশে গেছে।
- এ বৃত্ত রেখার নাম দিগন্তরেখা। পর্বতের উপরে বা প্লেনে যত উপরে উঠা যায়, ততই দিগন্ত রেখার পরিধি বৃদ্ধি পেলেও এর আকার বৃত্তাকার থাকে।
- পৃথিবী গোলাকৃতির না হলে এরূপ হতো না।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৭৭.
নিয়ত বায়ু সম্পর্কে কোনটি সঠিক? 
  1. শুধুমাত্র উষ্ণ অঞ্চলে থাকে
  2. স্থানীয় প্রভাব দ্বারা পরিবর্তিত হয়
  3. সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়
  4. যেকোন সময় যেকোন দিক থেকে প্রবাহিত হয়
সঠিক উত্তর:
সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৭৮.
কাস্টম কর্মকর্তারা চোরাচালানের দ্রব্যাদি খুঁজে বের করতে ব্যবহার করেন-
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) এক্স রে
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক্স রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক্স রে
ব্যাখ্যা

• এক্স-রের গােয়েন্দা বিভাগে ব্যবহার:
- কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখলে তা খুঁজে বের করতে ব্যবহার করা হয়।
- কাস্টম কর্মকর্তারা চোরাচালানের দ্রব্যাদি খুঁজে বের করতে ব্যবহার করেন। কোনাে নিষিদ্ধ পণ্য কোনো কাঠের বাক্স বা ধাতুর বাক্সে থাকলে এদের মধ্য দিয়ে এক্স-রে প্রবেশ করিয়ে তা জানা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন।

২,৯৭৯.
সিটি স্ক্যান পরীক্ষায় আলোর কোন ধর্ম ব্যবহার করা হয়?
  1. বিচ্যুতি
  2. প্রতিসরণ
  3. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. বিক্ষেপণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা
সিটিস্ক্যান (CT Scan):
- সিটিস্ক্যান এর অর্থ ((C → Computed, T→ Tomography Scan) চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া।
- আলোর প্রতিসরণের সাথে জ্যামিতিক হিসেবের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক করা হয়, এতে কোনো বস্তুর অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়।

এম.আর.আই (MRI):
- এম.আর.আই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)।
- এম.আর.আই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়।
- নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিকনীতির উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র কাজ করে থাকে।
- এম.আর.আই হলো একটি কৌশল যা শরীরের যে কোনো অঙ্গের (পরম ও সংবেদনশীল) পরিষ্কার ও বিস্তারিত ছবি তুলতে পারে।
- এটি শরীরের যে কোনো অঙ্গের জন্য ব্যবহার করা হলেও মস্তিষ্ক, পেশি এবং টিউমার শনাক্ত করার ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।

ই.সি.জি (ECG):
- ইসিজি শব্দের সম্প্রসারিত অর্থ হলো ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (Electrocariogram)। ইসিজি হলো সবচেয়ে সহজ, ব্যাথাহীন, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন একটি পরীক্ষা।
- ইসিজি বা ইলেট্রোকার্ডিওগ্রাম পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদপিন্ডের বর্তমান ও পূর্বের সমস্যা বোঝা যায়।
- হৃদপিন্ড সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা, হৃদকম্পেনের বিকশিত হার বেশি, কম বা অনিয়মিত কিনা। শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গে রক্ত চলাচল সঠিক আছে কিনা তাও এর মাধ্যমে বুঝা যায়।

উৎস: মাধ্যমিক বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৮০.
পোলিও রোগের টিকার নাম কী?
  1. ওপিভি
  2. বিসিজি
  3. ডিপিটি
  4. পিভিসি
সঠিক উত্তর:
ওপিভি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপিভি
ব্যাখ্যা
• পোলিও রোগের টিকার নাম ওপিভি।

• ওপিভি (Oral Polio Vaccine):
- ‘পোলিওমাইটিলিজ’ এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা ‘পোলিও’ নামে অধিক পরিচিত।
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন।
- ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।
- ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌ পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন।
- ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন।
- বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
- পোলিও একটি সংক্রামক রোগ।
- এটি দূষিত খাদ্য, পানি দ্বারা দেহে প্রবেশ করে।
- বাংলাদেশ পোলিও মুক্ত হয় ২০০৬ সালে।

• পোলিও রোগের লক্ষণসমূহ:
- মাথা ব্যাথা করে, ঘাড় শক্ত হয়ে যায়।
- জ্বর থাকে।
- শিশুর হাত অথবা পা অবশ হয়ে যায়।
- শিশু দাঁড়াতে চায় না।
- উঁচু করে ধরলে আক্রান্ত পায়ের পাতা ঝুলে পড়ে।
- দাঁড়া করাতে চাইলে শিশু কান্নাকাটি করে এবং নাড়াচড়া করতে পারে না।
- শিশুর আক্রান্ত অঙ্গ ক্রমশ দুর্বল হয় এবং পরে স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে যেতে পারে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- যক্ষা রোগের টিকার নাম বিসিজি।
- ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কারের টিকার নাম ডিপিটি।

উৎস:
১. প্রাণীবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. বাংলাপিডিয়া।
২,৯৮১.
মেডিক্যাল আল্ট্রাসাউন্ড ইমেজিংয়ে কত ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ প্রয়োগ করা হয়?
  1. ০.০১-০১ মেগাহার্জ
  2. ১-১০ মেগাহার্জ
  3. ১০-২০ মেগাহার্জ
  4. ২০-৩০ মেগাহার্জ
সঠিক উত্তর:
১-১০ মেগাহার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১-১০ মেগাহার্জ
ব্যাখ্যা

◉ আল্ট্রাসনোগ্রাফি (Ultrasonography)–তে ব্যবহৃত শব্দ তরঙ্গ হলো Ultrasound, যার কম্পাঙ্ক সাধারণত ১-১০ মেগাহার্জ। 

আল্ট্রাসনোগ্রাফি: 
– আল্ট্রাসনোগ্রাফি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দের প্রতিফলনের উপর নির্ভরশীল। 
– উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়। 
– রোগ নির্ণয়ের জন্য যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাঙ্ক 1-10 মেগাহার্টজ হয়ে থাকে। 
– আট্রাসনোগ্রাফির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার স্ত্রীরোগ এবং প্রসূতিবিজ্ঞানে লক্ষ্য করা যায়। 
– এর সাহায্যে ভ্রুণের আকার, পূর্ণতা, ভ্রুণের স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক অবস্থান জানা যায়। 
– প্রসূতিবিদ্যায় এটি একটি দ্রুত, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য কৌশল। 
– আল্ট্রাসনোগ্রাফির সাহায্যে পিত্তপাথর, জড়ায়ুর টিউমার এবং অন্যান্য পেলভিক মাসের উপস্থিতিও শনাক্ত করা যায়। 
– এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি, তবুও আল্ট্রাসাউন্ড খুব সীমিত সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

২,৯৮২.
নিচের কোনটি জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির কারণ?
  1. ক) পৃথিবীর কেন্দ্রমুখী বল।
  2. খ) বৃষ্টিপাত
  3. গ) পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল
ব্যাখ্যা

টাইড (জোয়ার-ভাটা) এর কারণ প্রধানত ২টি।
১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব, এবং
২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৯৮৩.
বিজ্ঞানী হেনরি বেকরেল তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন কোন মৌল থেকে?
  1. পোলোনিয়াম
  2. ইউরোনিয়াম
  3. থোরিয়াম
  4. রেডিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইউরোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোনিয়াম
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি বেকরেল ১৮৯৬ সালে প্রথম ইউরোনিয়াম থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন।
পরবর্তীকালে রাদারফোর্ড, মেরি কুরি, পিয়ারে কুরি এবং অন্যান্য বিজ্ঞানীরা ব্যাপক গবেষণা চালিয়ে অন্যান্য মৌলের তেজষ্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।

[উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি]
২,৯৮৪.
কোন ভাষা থেকে 'সাইক্লোন' শব্দটির উৎপত্তি?
  1. ক) গ্রিক
  2. খ) ল্যাটিন
  3. গ) ইংরেজি
  4. ঘ) জাপানিজ
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রিক
ব্যাখ্যা
গ্রিক শব্দ ‘Kyklos’, থেকে সাইক্লোন শব্দটির উৎপত্তি।
যার অর্থ Coil of Snakes বা সাপের কুন্ডলী।
সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় বিভিন্ন নামে পরিচিত।
যেমন-চীন ও জাপানের উপকূলে টাইফুন,
দক্ষিণ এশিয়াতে সাইক্লোন,
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাতে হারিকেন,
দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোতে টাইফুন, ফিলিপাইনের উপকূলে বাগুই এবং অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে উইলি উইলি বলা হয়।
বাংলাদেশে এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-নভেম্বর মাসে সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড় বেশি দেখা যায়।
১৯৯১, ২০০৭ ও ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় ছিল সবচাইতে প্রলয়ংকরী।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
২,৯৮৫.
গর্ভবর্তী মায়ের খিচুনী হলে নিচের কোন medicine দিবেন?
  1. Inj-MagSO4
  2. Inj-Phenytonin
  3. Inj-Diazepam
  4. Inj-Ceftrioxene
সঠিক উত্তর:
Inj-MagSO4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inj-MagSO4
ব্যাখ্যা
সংক্ষেপে "Inj-MagSO4" ম্যাগনেসিয়াম সালফেট নামে পরিচিত একটি ইনজেকশনযোগ্য ওষুধকে বোঝায়।
- ম্যাগনেসিয়াম সালফেট বিভিন্ন থেরাপিউটিক উদ্দেশ্যে ওষুধের ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যবহৃত ওষুধ।


খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ:
এটি একলাম্পসিয়া বা ব্যক্তিদের নির্দিষ্ট ধরণের খিঁচুনি  নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

Preeclampsia and Eclampsia: 
ম্যাগনেসিয়াম সালফেট গর্ভবতী ব্যক্তিদের দেওয়া হয় যাদের প্রিক্ল্যাম্পসিয়া (উচ্চ রক্তচাপ এবং অন্যান্য উপসর্গ দ্বারা চিহ্নিত একটি অবস্থা) বা এক্লাম্পসিয়া (যাতে প্রিক্ল্যাম্পসিয়ার লক্ষণ ছাড়াও খিঁচুনি অন্তর্ভুক্ত) হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বা রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,৯৮৬.
পারদ তাপ____
  1. ক) অপরিবাহী
  2. খ) সুপরিবাহী
  3. গ) পরিবাহী
  4. ঘ) কুপরিবাহী
সঠিক উত্তর:
খ) সুপরিবাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুপরিবাহী
ব্যাখ্যা
যে সমস্ত পদার্থের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে পরিবাহিত হয় তাকে পরিবাহী বলে।
যেমন রূপা, লোহা, তামা, পারদ ইত্যাদি ধাতু বা গলিত ধাতু, লবণ, ক্ষার, এসিড বা এদের দ্রবণ।
সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবহনের পদ্ধতি এক নয়।

তড়িৎ পরিবহণের পদ্ধতির ভিত্তিতে মাধ্যমকে দু'ভাগে ভাগ করা যায় ।
ক) ইলেকট্রোনীয় বা ধাতব পরিবাহী (তড়িৎ অবিশ্লেষ্য)
খ) ইলেকট্রোলাইটিক বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী

উৎস : রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৮৭.
হেপাটাইটিস এ কোনটির সাহায্যে লিভারের সংক্রমণ ঘটায়?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. ভাইরাস
  3. অ্যামিবা
  4. প্রটোজোয়া
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
তরুণদের জন্ডিসের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হেপাটাইটিস এ ভাইরাস দ্বারা লিভারের সংক্রমণ ঘটায়। এটি দূষিত খাবার ও পানি খাওয়ার মাধ্যমে বা সংক্রামক ব্যক্তির সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়ায়।
২,৯৮৮.
কোন রশ্মির সাহায্যে ফুসফুসের ক্যান্সার নির্ণয় করা যায়?
  1. ক) বিটা রশ্মি
  2. খ) গামা রশ্মি
  3. গ) এক্সরে রশ্মি
  4. ঘ) আলফা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) এক্সরে রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক্সরে রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্সরে রশ্মি
- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম। 
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন। 
- এক্সরে রঞ্জনরশ্মি নামেও পরিচিত। 

- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিচে বর্ণনা করা হল- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। 
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। 
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়। 
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৮৯.
পৃথিবীর বারিমণ্ডলের জলরাশির শতকরা কতভাগ জল নদী ধারণ করে?
  1. ০.০০১%
  2. ০.০০০১%
  3. ০.০১%
  4. ০.০০০০১%
সঠিক উত্তর:
০.০০০১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০০০১%
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টনঃ
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৯০.
কোন পদার্থের বর্জ্য শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি ও নদীর নাব্যতা কমানোর জন্য বহুলাংশে দায়ী?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম
  2. খ) প্লাস্টিক
  3. গ) কাঁচ
  4. ঘ) পেপার
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাস্টিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাস্টিক
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিকের বর্জ্য শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি ও নদীর নাব্যতা কমানোর জন্য বহুলাংশে দায়ী।
- দামে সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ায় বর্তমানে প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বাস্তবতা হল প্লাস্টিক সামগ্রী পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।
- পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য অনুজীব দ্বারা আক্রান্ত হয় না বলে অপরিবর্তিত অবস্থায় বছরের পর বছর ধরে মাটিতে থেকে যায়।
- ফলে বর্জ্য প্লাস্টিক মাটির উর্বরতা নষ্ট করে, নদীর নিচে তলানী হিসেবে জমা হয়ে নদীর নাব্যতা কমিয়ে দেয়, জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় ও পানি দূষণ ঘটায়।
- তাই বলা যায় ব্যবহার অনুপোযোগী প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর। 

উৎস: রসায়ন-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৯১.
অর্ধপরিবাহীর কোন বৈশিষ্ট্যটি সত্য নয়?
  1. তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি থাকে।
  2. পরম শূন্য তাপমাত্রায় এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে।
  3. অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্য যোগে এর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়।
  4. সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্য যোগে এর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্য যোগে এর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়।
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী: 
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ। 
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্ধ্রকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি। এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের। 
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না। কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু ও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়। 

অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য: 
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0 K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে। 
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm  এর মধ্যে থাকে। 
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পোঁছা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়। 
৫। এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম। 
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৯২.
ভাঙ্গা হাড় নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় -
  1. গামা রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্সরে (রঞ্জন রশ্মি): 
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়। 
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। 
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m পর্যন্ত। 
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। 

এক্সরে এর ব্যবহার: 
- হীরক সনাক্তকরণ, 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়, 
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৯৩.
কাচ পরিষ্কার করার জন্য কি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) এমোনিয়াম হাইড্রক্সাইড
  2. খ) সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড
  3. গ) ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) এমোনিয়াম হাইড্রক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এমোনিয়াম হাইড্রক্সাইড
ব্যাখ্যা
এমোনিয়াম হাইড্রক্সাইড কাচ পরিষ্কার,সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড টয়লেট ক্লিন এবং ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড পান খাওয়ার চুন বা দেওয়ালে চুনকাম করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২,৯৯৪.
নিচের কোন বায়ুকে বাণিজ্য বায়ু বলা হয়? 
  1. পশ্চিমা বায়ু
  2. মেরু বায়ু
  3. অয়ন বায়ু
  4. স্থানীয় বায়ু
সঠিক উত্তর:
অয়ন বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অয়ন বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

অয়ন বায়ু: 
- বিষুবীয় অঞ্চলে সূর্যকিরণ লম্বভাবে পতিত হয় বলে বায়ুর চাপ কম থাকে তাতে বায়ু উপরে উঠে ছড়িয়ে যায়। এই বায়ু ক্রমাগত শীতল হয়ে নিচে নামতে না পেরে উত্তর ও দক্ষিণে ছড়িয়ে যায়। 
- প্রায় ৩০০ অক্ষাংশ বরাবর এই বায়ু নিচে নেমে তা আবার বিষুবীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে এই বায়ু প্রবাহিত হয়, এই বায়ুকেই বলা হয় অয়ন বায়ু। 
- উত্তর গোলার্ধের অয়ন বায়ুকে উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু ও দক্ষিণ গোলার্ধের অয়ন বায়ুকে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু বলা হয়। 
- প্রাচীনকালে বাণিজ্য জাহাজগুলো এই বায়ুপ্রবাহ অনুসরণ করতো বলে একে বাণিজ্য বায়ুও বলা হয়। 
- সাধারণত উচ্চচাপ সম্পন্ন এলাকায় অয়ন বায়ু প্রবাহিত হয় বলেই এইসব স্থানে আবহাওয়া উষ্ণ, শুষ্ক ও মেঘমুক্ত প্রকৃতির হয়। 
- পৃথিবীর বড় বড় মরুভূমি যেমন-সাহারা, কালাহারি মরুভূমিতে এই বায়ুপ্রবাহের প্রভাব দেখা যায়। 
- উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখার কাছাকাছি এসে অত্যধিক তাপে হালকা বায়ু হিসাবে উপরে উঠে যায়। এই সময় নিরক্ষীয় রেখার উভয় দিকে ৫০ অক্ষাংশ পর্যন্ত একটি শান্ত বলয় তৈরি হয় যার নাম নিরক্ষীয় শান্ত বলয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৯৫.
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় কোনটি?
  1. ক) High Density Lipoprotein
  2. খ) Low Density Lipoprotein
  3. গ) Triglyceride
  4. ঘ) Very Low Density Lipoprotein
সঠিক উত্তর:
ক) High Density Lipoprotein
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) High Density Lipoprotein
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের প্রায় প্রত্যেক কোষ ও টিস্যুতে কোলেস্টেরল থাকে।
- LDL (Low Density Lipoprotein)-কে খারাপ কোলেস্টেরল বলা হয়, কারণ এটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
- সাধারণত মানুষের রক্তে ৭০% LDL থাকে।
- HDL (High Density Lipoprotein)-কে ভালো কোলেস্টেরল বলা হয়। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
- আর ট্রাই-গ্লিসারাইড চর্বি হিসেবে রক্তের প্লাজমায় অবস্থান করে।
- ট্রাই-গ্লিসারাইড মানুষের খাদ্যের প্রাণিজ চর্বি অথবা কার্বোহাইড্রেট থেকে তৈরি হয়ে থাকে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
২,৯৯৬.
জীব ও জড় এর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে -
  1. ক) ফাঙ্গাস
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) ব্যাকটেরিয়া
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য: ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে, আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে।
তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 

ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে।
- পােষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে।
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়।
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম।
নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে।

ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাস অকোষীয়। এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবােসােম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না।
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত।
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না।
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়।
জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে।

প্রাণ-রসায়নবিদগণ ভাইরাসের জড়-বৈশিষ্ট্যসমূহকে প্রাধান্য দেন, আর অনুজীব বিজ্ঞানিগণ ভাইরাসের জীব-বৈশিষ্ট্যসমূহকে প্রাধান্য দেন। এজন্য ভাইরাসকে জীব ও জড়ের সেতুবন্ধন বলে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)
২,৯৯৭.
যখন চাঁদ ও সূর্যের মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে তখন নিচের কোনটি সংঘটিত হয়?
  1. সূর্যগ্রহণ
  2. চন্দ্ৰগ্ৰহণ
  3. অমাবস্যা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চন্দ্ৰগ্ৰহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্ৰগ্ৰহণ
ব্যাখ্যা
চন্দ্ৰগ্ৰহণ: 
- যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে পৃথিবীর অবস্থান থাকে তখন চন্দ্রগ্রহণ হয়। 
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়। 
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া। 

সূর্যগ্রহণ: 
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। 
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। 
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। 
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে। 

অমাবস্যা: 
- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি বাংলা [লিঙ্ক]।
২,৯৯৮.
'রবিশস্য বলতে কি বুঝায়?
  1. ক) বর্ষাকালীন শস্য
  2. খ) যে কোনো সময়ের শস্য
  3. গ) গ্রীষ্মকালীন শস্য
  4. ঘ) শীতকালীন শস্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) শীতকালীন শস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শীতকালীন শস্য
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে আশ্বিন থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়ে উৎপন্ন ফসলকে রবিশস্য বা শীতকালীন শস্য ধরা হয়।

রবি মৌসুমে উৎপন্ন ফসলের মধ্যে রয়েছে:
- বোরো ধান
- গম
- মসুর ডাল
- যব
- সরিষা
- পেঁয়াজ
- মটরশুঁটি প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্রঃ কৃষিশিক্ষা : সপ্তম শ্রেণী)
২,৯৯৯.
কীসের স্রোতে নদীখাত গভীর হয়?
  1. সমুদ্রস্রোত
  2. নদীস্রোত
  3. বানের স্রোত
  4. জোয়ার-ভাঁটার স্রোত
সঠিক উত্তর:
জোয়ার-ভাঁটার স্রোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোয়ার-ভাঁটার স্রোত
ব্যাখ্যা
নদীখাত (Channel): 
- নদীখাত হল প্রবাহিত পানির শক্তির ফলে গঠিত একটি সরু বা চওড়া, গভীর বা অগভীর, সোজা বা বাঁকা সুষম ঢাল বিশিষ্ট প্রাকৃতিক পথ যার মধ্য দিয়ে ধীর বা প্রবলবেগে সারা বছর বা স্বল্প সময়ে পানি প্রবাহিত হয়। 
- জোয়ার-ভাঁটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে এই নদীখাত গভীর হয়। 
- গঠনপ্রকৃতি ভেদে নদীখাত বা প্রণালী তিন ধরনের হতে পারে। 
যথা- 
ক) নদী গর্ভ, 
খ) সমুদ্রের প্রশস্ত দুটি অংশকে সংযোগকারী দুপাশ থেকে ভূখন্ড দিয়ে আবদ্ধ সমুদ্রের তুলনামূলক সরু অংশবিশেষ এবং 
গ) উপসাগরের নৌচলাচলযোগ্য গভীর অংশ, পোতাশ্রয় ইত্যাদি। 

- প্রথম ধরনের প্রণালী সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে বিস্তর দেখা যায়। 
- উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের নদী প্রণালীকে বিভিন্ন ভিত্তিতে শ্রেণিবিভাগ করা যায়। 
যেমন- জালিকার অঙ্গসংস্থানিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত, নদীগর্ভ ও তীরের বৈশিষ্ট্যগত সম্পর্ক, পাললিক ও জলজ প্রক্রিয়া, অঙ্গসংস্থান প্রণালী বা এর ধারা, অথবা প্রণালীর স্থিতিশীলতা। 
- নদীখাত বা প্রণালী বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশের নদীগুলিকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
ক) সর্পিল (পদ্মা ও মেঘনা সর্পিলাকার), 
খ) চরোৎপাদী (যমুনা হলো চরোৎপাদী) এবং 
গ) বিন্ধনি নদী (বদ্বীপ সৃষ্টিকারী নদীর মোহনা)। 
- বাংলাদেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকূলবর্তী নদীখাত বা প্রণালী হলো- মহেশখালী, কুতুবদিয়া, হাতিয়া, তেঁতুলিয়া এবং সন্দ্বীপ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাগোনিউজ।
৩,০০০.
খাদ্যকে মুখবিবর থেকে অন্ননালিতে পৌঁছে দেয় কোনটি? 
  1. মুখবিবর
  2. গলবিল
  3. ক্ষুদ্রান্ত্র
  4. বৃহদন্ত্র
সঠিক উত্তর:
গলবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলবিল
ব্যাখ্যা
গলবিল: 
- মুখবিবরের ঠিক পেছনে প্রায় ১০ সে.মি. দীর্ঘ চওড়া অংশকে গলবিল বলে। 
- গলবিল খাদ্যকে মুখবিবর থেকে অন্ননালিতে পৌঁছে দেয়। 

অন্ননালি: 
- গলবিলের ঠিক পেছনে প্রায় ২৫ সে.মি. লম্বা নলাকার অংশই অন্ননালি যা, শ্বাসনালির পেছন ও বক্ষ গহ্বরের মধ্যে দিয়ে উদরে অবস্থিত পাকস্থলিতে শেষ হয়। 
- অন্ননালির পেশির সংকোচনে খাদ্যদ্রব্য নালি পথে পাকস্থলিতে প্রবেশ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।