বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২৯ / ৩৯ · ২,৮০১২,৯০০ / ৩,৮৭৯

২,৮০১.
নিচের কোন রোগ নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়? 
  1. চোখের ছানি
  2. নিউমোনিয়া
  3. ডায়াবেটিস
  4. ম্যালেরিয়া
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউমোনিয়া
ব্যাখ্যা
এক্সরে (X-ray): 
- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম, এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন, তাই এক্সরে রঞ্জন রশ্মি নামেও পরিচিত। 
- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিম্নে দেওয়া হলো- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। 
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্তথলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। 
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়, এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮০২.
সূর্য পৃথিবী হতে কত কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে?
  1. ক) ১২০ মিলিয়ন
  2. খ) ১৩০ মিলিয়ন
  3. গ) ১৪০ মিলিয়ন
  4. ঘ) ১৫০ মিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫০ মিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫০ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা
সূর্য পৃথিবী হতে ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে।

সূর্যের বয়স প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন বছর, একটি নক্ষত্র যা হাইড্রোজেন এবং হিলিয়ামের সমন্বয়ে গঠিত। সূর্যের আকারটি কার্যত গোলাকৃতির। মহাবিশ্বের অন্যান্য নক্ষত্রের মতো, সূর্য প্রায় সম্পূর্ণ আকারে গোলাকার। আমরা যদি আমাদের গ্রহ থেকে দেখি তবে আমরা একটি নিখুঁতভাবে বিজ্ঞপ্তি ডিস্ক দেখতে পারি। বিজ্ঞানীদের মতে, সূর্যের অভ্যন্তরে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার ফলে এর থেকে তাপ ও আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে। এই বিক্রিয়ায় জ্বালানি হিসেবে কাজ করে হাইড্রোজেন। 

সূত্র: নাসা ওয়েবসাইট। 
২,৮০৩.
বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় কত হলে তা সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়? 
  1. ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
  2. ৫০ কিলোমিটার বা তার বেশি
  3. ৪৫ কিলোমিটার বা তার বেশি
  4. ৫৮ কিলোমিটার বা তার বেশি
সঠিক উত্তর:
৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
ব্যাখ্যা

সাইক্লোন: 
- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা। 
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়। 
- বঙ্গোসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। 
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৮০৪.
‘ইলিয়াম’ নিচের কোনটির অংশ?
  1. ব্রংকাস
  2. শ্বসনতন্ত্র
  3. ক্ষুদ্রান্ত
  4. বৃহদন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রান্ত
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্রান্ত্র:
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশই হচ্ছে ক্ষুদ্রান্ত্র। 
- এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। যথা:
(i) ডিওডেনাম,
(ii) জেজুনাম ও 
(iii) ইলিয়াম
- ডিওডেনামে মূলত অগ্ন্যাশয়িক রসের এনজাইমের ক্রিয়া ঘটে।
- জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে।
- ডিওডেনামে মূলত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে।

বৃহদন্ত্র:
- পৌষ্টিকনালির শেষোক্ত বৃহৎ নলাকার অংশ যা ক্ষুদ্রান্ত্রের পর থেকে প্রায় ২ মিটার লম্বা মলাশয় পর্যন্ত বিস্তৃত। - বৃহদন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা:
(i) সিকাম,
(ii) কোলন ও 
(iii) মলাশয়।

শ্বসনতন্ত্র:
- ফুসফুস হচ্ছে শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ ৷
- যে সকল অঙ্গ শ্বসনকার্য চালানোর কাজে অংশ নেয় তাদের একসাথে শ্বসনতন্ত্র বলে।
- নাসিকা, গলবিল, স্বরযন্ত্র, শ্বাসনালি, ব্রংকাস, ফুসফুস ও মধ্যচ্ছদা এগুলো নিয়ে শ্বসনতন্ত্র গঠিত।
- এটি দুই খণ্ডে বিভক্ত এবং প্লুরা নাম পর্দা দ্বারা আবৃত। বাতাসের সঙ্গে অক্সিজেন ফুসফুসে প্রবেশ করে। পরে তা রক্তের মাধ্যমে পরিবহন হয়ে দেহের সব অঙ্গে পৌঁছায়।
- ব্রংকাস শ্বসনতন্ত্রের একটি অংশ।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮০৫.
হৃদপিন্ডের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) হৃদপিন্ডের প্রসারনকে বলা হয় ডায়াস্টোল।
  2. খ) হৃদপিণ্ড যখন প্রসারিত হয় তখন রক্ত চাপের ফলে ধমনীতে প্রবেশ করে।
  3. গ) হৃদপিণ্ড অনবরত সংকোচন-প্রসারনের মাধ্যমে রক্ত প্রবাহকে ক্রমাগত সঞ্চালন করে।
  4. ঘ) হৃদপিণ্ড প্রসারিত হলে রক্ত ধমনী থেকে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
সঠিক উত্তর:
খ) হৃদপিণ্ড যখন প্রসারিত হয় তখন রক্ত চাপের ফলে ধমনীতে প্রবেশ করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হৃদপিণ্ড যখন প্রসারিত হয় তখন রক্ত চাপের ফলে ধমনীতে প্রবেশ করে।
ব্যাখ্যা
হৃৎপিন্ড:

- সিস্টোলিক চাপ বলতে বোঝায় হৃৎপিন্ডের সংকোচন চাপ।
- হৃদপিন্ডের প্রসারনকে বলা হয় ডায়াস্টোল এবং সংকোচন কে বলা হয় সিস্টোল।
- হৃদপিণ্ড অনবরত সংকোচন-প্রসারনের মাধ্যমে রক্ত প্রবাহকে ক্রমাগত সঞ্চালন করে।
- হৃদপিণ্ড যখন সংকুচিত হয় তখন রক্ত চাপের ফলে ধমনীতে প্রবেশ করে।
- আবার প্রসারিত হলে রক্ত ধমনী থেকে হৃদপিন্ডে ফিরে আসে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮০৬.
মানবদেহের স্বাভাবিক রক্তচাপ কত?
  1. ১২০/৮০ মি.মি. (পারদ)
  2. ১৫০/৯০ মি.মি. (পারদ)
  3. ১২০/৬০ মি.মি. (পারদ)
  4. ১৪০/৮০ মি.মি. (পারদ)
সঠিক উত্তর:
১২০/৮০ মি.মি. (পারদ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০/৮০ মি.মি. (পারদ)
ব্যাখ্যা
রক্তচাপ: 
- হৃৎপিণ্ডের সংকোচন এবং প্রসারণের ফলে হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত ধর্মনির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় ধমনিপ্রাচীরে যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয়, সেটাকে রক্তচাপ বলে। 
- রক্তচাপ বলতে সাধারণভাবে ধমনীতে রক্তচাপকে বুঝায়। 
- নিলয়ের সিস্টোল অবস্থায় ধর্মনিতে যে চাপ থাকে, তাকে সিস্টোলিক রক্তচাপ এবং ডায়াস্টোল অবস্থায় যে চাপ থাকে, তাকে ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ বলে। 
- স্বাভাবিক এবং সুস্থ একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সিস্টোলিক রক্তচাপ পারদ স্তম্ভের ১১০-১৪০ মিলিমিটার (mm Hg) এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ পারদ স্তম্ভের ৬০-৯০ মিলিমিটার (mm Hg)। 
- মানবদেহের স্বাভাবিক রক্তচাপকে ১২০/৮০ (mm Hg) এভাবে প্রকাশ করা হয়। 
- স্ফিগমোম্যানোমিটার নামক যন্ত্রের সাহায্যে রক্তচাপ নির্ণয় করা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮০৭.
পোলিও রোগের টিকা আবিষ্কৃত হয়-
  1. ক) ১৯৫৪ সালে
  2. খ) ১৯৬০ সালে
  3. গ) ১৯৬৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী জোনাস স্যাক পোলিও রোগের টিকা আবিষ্কার করেন। ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লা জোলা শহরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
২,৮০৮.
মোমের জ্বলনে আমরা মোমের কোন অবস্থা দেখতে পাই?
  1. ক) কঠিন
  2. খ) তরল
  3. গ) গ্যাসীয়
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
মোমের জ্বলনে আমরা মোমের কঠিন, তরল, ও বায়বীয় অবস্থা দেখতে পাই৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২,৮০৯.
'কৃষ্ণ গহ্বর' আবিষ্কার করেন-
  1. লেমেটার
  2. আইনস্টাইন
  3. জন হুইলার
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- বৃহদাকার নক্ষত্রের মৃত্যুতে একটি ব্ল্যাক হোল তৈরি হতে পারে। 
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- ব্ল্যাক হোল থেকে এমনকি আলোও বের হতে পারেনা।
- ব্ল্যাক হোলের কেন্দ্রে সিঙ্গুলারিটি প্রচণ্ড তাপ সৃষ্টি করে, যা থেকে অতি উজ্জ্বল বিকিরণ ছড়ায়।
- ব্ল্যাক হোলের গঠনের বিশদ বিবরণ আলবার্ট আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব থেকে গণনা করা হয়।


ছবির উৎস: ব্রিটানিকা 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বিবিসি বাংলা। 
২,৮১০.
ডিনামাইট আবিষ্কার করেন কে?
  1. মাদাম কুরি
  2. আলফ্রেড নোবেল
  3. ওপেনহাইমার
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড নোবেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড নোবেল
ব্যাখ্যা

• আলফ্রেড নোবেল:
- জন্ম: ২১ অক্টোবর, ১৮৩৩ (স্টকহোম, সুইডেন)
- মৃত্যু: ১০ ডিসেম্বর, ১৮৯৬ (সান রেমো, ইতালি)
- তিনি ছিলেন একজন সুইডিশ রসায়নবিদ, প্রকৌশলী ও শিল্পপতি।
- তিনি ডিনামাইট ও আরও শক্তিশালী বিস্ফোরক আবিষ্কার করেন।
- তার বিপ্লবী আবিষ্কার বিশ্বব্যাপী নির্মাণ ও খনিশিল্পে প্রভাব ফেলে।
- আলফ্রেড নোবেল তার উপার্জিত অর্থের বড় অংশ একটি তহবিলে রেখে যান, যার ভিত্তিতে শুরু হয় নোবেল পুরস্কার প্রদান।
- এই পুরস্কার বিশ্বব্যাপী শান্তি, সাহিত্য, বিজ্ঞান ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়।

উৎস: Britannica.

২,৮১১.
বায়ুর উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে জলীয় বাষ্পের পরিমান-
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা
- বায়ুর উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে জলীয়বাষ্পের পরিমান বাড়ে।
- যদিও বায়ু নিদির্ষ্ট পরিমাণ জলীয়বাষ্পে ধারণ করতে পারে।
- কোন নিদির্ষ্ট উষ্ণতায় বায়ু যে পরিমাণ জলীয়বাষ্পে ধারণ করতে পারে, সেই পরিমাণ জলীয়বাষ্পে বায়ুতে থাকলে বায়ু আর অধিক জলীয়বাষ্পে গ্রহণ করতে পারে না, তখন তাকে সম্পৃক্ত বা পরিপৃক্ত বায়ু বলে।
- বায়ু যে উষ্ণতায় জলীয়বাষ্পে ঘনীভূত হয় তাকে শিশিরাঙ্ক বলে।
- তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা হিমাঙ্কের নিচে নেমে গেলে তখন ঘণীভূত জলীয়বাষ্পে কঠিন আকার ধারণ করে এবং তুষার ও বরফ ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণী। 
২,৮১২.
শিশুদের জন্মের ১ মাসের মধ্যে কোন টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়?
  1. ডিটি
  2. ডিপিটি
  3. বিসিজি
  4. টিটি
সঠিক উত্তর:
বিসিজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসিজি
ব্যাখ্যা

- শিশুদের জন্মের ১ মাসের মধ্যে 'বিসিজি ও ওপিভি-ও' টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expanded Program on Immunization-EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়রকটি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম-ইত্যাদি রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮১৩.
মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে প্রাচীনকালে পৃথিবীর সমস্ত মহাদেশ মিলিত হয়ে একটি মহাদেশ গঠন করেছিল, যার নাম-
  1. ইউরেশিয়া
  2. গন্ডোয়ানা
  3. প্যানজিয়া
  4. অ্যামাজন
সঠিক উত্তর:
প্যানজিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যানজিয়া
ব্যাখ্যা
• টেকটোনিক প্লেট:
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।
- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।
- প্লেটগুলো হলো:
• ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
• উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
• দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate),
• আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
• অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
• ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
• প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate)

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৮১৪.
পয়েন্ট মিউটেশনের ফলে কোন রোগ সৃষ্টি হয়?
  1. ক) সিকেল সেল
  2. খ) টার্নার্স সিনড্রোম
  3. গ) ক্লিন ফেল্টার্স সিনড্রোম
  4. ঘ) হিমোফিলিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) সিকেল সেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিকেল সেল
ব্যাখ্যা
পয়েন্ট মিউটশনের ফলে হান্টিংটনস রোগ (Huntington’s Disease) হয়। এই রোগ হলে মস্তিষ্ক ঠিকমত কাজ করে না। শরীরের পেশীগুলোর মধ্যে সমন্বয় করার ক্ষমতা লোপ পায় এবং পরে মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে মৃত্যও ঘটে। সাধারণত চল্লিশ বছরের আগে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। পয়েন্ট মিউটশনের ফলে সিকেল সেল নামে রক্তকনিকার আরেকটি রোগ হয়। এই রোগে শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৮১৫.
জাতীয় টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় ১৫-৪৯ বছর বয়সী মহিলাদের কোন রোগের বিরুদ্ধে ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়?
  1. ক) ধনুষ্টংকার
  2. খ) পোলিও
  3. গ) হেপাটাইটিস-বি
  4. ঘ) মেনিনজাইটিস
সঠিক উত্তর:
ক) ধনুষ্টংকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধনুষ্টংকার
ব্যাখ্যা

জাতীয় টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় ধনুষ্টংকার প্রতিরোধে মেয়েদের ১৫ বছর বয়স হলেই যথা শিগগির প্রথম ডোজ টিটেনাস টক্সয়েড টিকা নিতে হবে। তবে সরকারিভাবেই ৪৯ বছর বয়স পর্যন্ত এ টিকা প্রদান করা হয়। প্রথম ডোজের চার সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ, তার ছয় মাস পর তৃতীয় ডোজ, এর এক বছর পর চতুর্থ ডোজ এবং শেষোক্ত ডোজের এক বছর পর পঞ্চম ডোজ বা শেষ ডোজ টিটেনাস টক্সয়েড টিকা নিতে হবে। গর্ভধারণের আগেই এই পাঁচ ডোজ টিকা নেওয়া থাকলে গর্ভকালীন আর টিটি টিকা নেওয়ার দরকার পড়ে না। গর্ভধারণের আগে দুই ডোজ নেওয়া থাকলে গর্ভকালীন তৃতীয় ডোজ এবং সন্তান প্রসবের পর চতুর্থ ও পঞ্চম ডোজ নিতে হবে। গর্ভধারণের আগে তিন ডোজ নেওয়া থাকলে এবং গর্ভকালীন এক বছর অতিক্রান্ত না হলে এ সময় চতুর্থ ডোজ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। সন্তান প্রসবের পর চতুর্থ ও পঞ্চম ডোজ নিতে হবে। তবে আগে টিটি টিকা নেওয়া না থাকলে গর্ভকালীন দুই ডোজ টিকা নিতে হবে। এর মধ্যে শেষ ডোজটি সন্তান প্রসবের অন্তত এক মাস আগে নিতে হবে।

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সরকার এর dghs.gov.bd ওয়েবসাইট

২,৮১৬.
খাদ্য পরিপাক প্রক্রিয়ার কোথায় শর্করা পরিপাককারী কোনো এনজাইম থাকে না?
  1. লালা রসে
  2. অগ্ন্যাশয় রসে
  3. পাকস্থলি রসে
  4. আন্ত্রিক রসে
সঠিক উত্তর:
পাকস্থলি রসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকস্থলি রসে
ব্যাখ্যা
খাদ্য পরিপাকে বিভিন্ন তন্ত্রের গ্রন্থির ভূমিকা: 
- মানুষের মুখবিবরে কেবলমাত্র শর্করার পরিপাক ঘটে। 
- মুখবিবরে লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারস খাদ্য পরিপাকের রাসায়নিক কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করে। 
- মূলতঃ তিন ধরনের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারসের সাথে খাদ্যবস্তু মিশ্রিত হয়। 
- লালারসে মিউসিন এবং দু’প্রকারের পরিপাকীয় এনজাইম যথা- টায়ালিন ও মলটেজ থাকে। 

- যে সকল এনজাইম পরিপাকে অংশ নেয় সেগুলো হচ্ছে- 
১. লালা রসে: টায়ালিন ও মলটেজ। 
২. পাকস্থলি রসে: শর্করা পরিপাককারী কোন এনজাইম নেই। 
৩. অগ্ন্যাশয় রসে: অ্যামাইলেজ ও মলটেজ। 
৪. আন্ত্রিক রসে: অ্যামাইলেজ, মলটেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, আইসোমলটেজ। 

মিউসিন: 
- মিউসিন খাদ্য বস্তুর সাথে মিশ্রিত হয়ে খাদ্য বস্তুকে নরম ও পিচ্ছিল করে। 

টায়ালিন: 
- টায়ালিন এনজাইম প্রধানত সিদ্ধ বা রন্ধণকৃত স্টার্চ, গ্লাইকোজেন ও ডেক্সট্রিন অণুকে হাইড্রোলাইসিস করে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন, মলটোজ ও আইসোমলটোজে পরিণত করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮১৭.
পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘন্টায় কত মাইল বেগে ঘুরে?
  1. ৫২,০০০ মাইল
  2. ৫৭,০০০ মাইল
  3. ৬২,০০০ মাইল
  4. ৬৭,০০০ মাইল
সঠিক উত্তর:
৬৭,০০০ মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭,০০০ মাইল
ব্যাখ্যা
পৃথিবী:
- পৃথিবীর সুর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
- একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার ।
- এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।
- পৃথিবী সূর্যের চারপাশে প্রায় ৬৭,০০০ মাইল (১,০৭,০০০ কিলোমিটার) বেগে প্রতি ঘন্টায় ঘুরতে থাকে।

উৎস: i) NASA (.gov).
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮১৮.
নিচের কোনটির জন্য একটি রােধের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ হলে সব সময়ই তাপ উৎপন্ন হয়?
  1. ক) ফিউজ
  2. খ) লোডশেডিং
  3. গ) সার্কিট ব্রেকার
  4. ঘ) তড়িতের সিস্টেম লস
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িতের সিস্টেম লস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িতের সিস্টেম লস
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ শক্তিকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিতরণ করার জন্য যে পরিবাহী তার ব্যবহার করা হয় কম হলেও তাদের এক ধরনের রােধ থাকে। একটা রােধের (R) ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ (I) হলে সব সময়ই (IR) তাপ উৎপন্ন হয় এবং সেটি বিদ্যুৎ শক্তির লস বা ক্ষয়। এই লসকে বলা হয় সিস্টেম লস। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
২,৮১৯.
বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাসটি হলো-
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
- বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাস হলো হাইড্রোজেন
- পক্ষান্তরে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে নাইট্রোজেন গ্যাস।
- হাইড্রোজেন গ্যাস মহাবিশ্বের মৌলিক গঠনের প্রায় 75% (ভর) তৈরি করে।
- এটি আমাদের সূর্য সহ নক্ষত্রগুলিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং এটি পারমাণবিক ফিউশন প্রতিক্রিয়াগুলির জন্য প্রাথমিক জ্বালানী উৎস।
- হাইড্রোজেন আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশেও প্রচুর পরিমাণে উপস্থিত থাকে এবং এটি আণবিক মেঘের একটি মূল উপাদান যেখানে নতুন তারকা গঠি হয়।
- মহাবিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান হচ্ছে হিলিয়াম। হাইড্রোজেন ও হিলিমায় যৌথভাবে মহাবিশ্বের ৯৯.৯% উপাদান গঠন করেছে।
- এই সারিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে অক্সিজেন।

Source: The University of Texas; LiveScience and Nature Journal.

অন্যদিকে,
- পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের শতকরা হার: 
• নাইট্রোজেন ৭৮.০২%, 
• অক্সিজেন - ২০.৭১%, 
• আর্গন - ০.৮০%, 
• কার্বন ডাই অক্সাইড - ০.০৩%, 
• জলীয় বাষ্প - ০.৪১%, 
• অন্যান্য গ্যাসসমূহ - ০.০২% এবং 
• ধূলিকণা ও কণিকা - ০.০১%। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮২০.
পরিবাহিতা বৃদ্ধির জন্য সেমিকন্ডাক্টরে অপদ্রব্য মেশানোকে কী বলে? 
  1. জাংশন
  2. রিবোক
  3. ডোপিং
  4. ক্যাপিং
সঠিক উত্তর:
ডোপিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোপিং
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping): 
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে। 
অর্থাৎ, পরিবাহিতা বৃদ্ধির জন্য সেমিকন্ডাক্টরে অপদ্রব্য মেশানোকে ডোপিং বা ডোপায়ন বলে। 
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। 
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। 
যথা - 
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮২১.
দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ী হ্রাস এবং দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতিকে বলা হয় -
  1. উন্নয়ন
  2. সাড়াদান
  3. পুনরুদ্ধার
  4. প্রশমন 
সঠিক উত্তর:
প্রশমন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশমন 
ব্যাখ্যা

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster Management)
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় পড়ে- যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ,দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম।

• প্রশমন (Mitigation)
⇒ দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ীহ্রাস এবং দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে।

⇒ মজবুত পাকা ভবন নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল নির্ধারণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শক্ত অবকাঠামো নির্মাণ, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর; প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত।

⇒  দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৮২২.
নিচের কোন যুগটি 'ডায়নোসর যুগ' নামে পরিচিত?
  1. ক) প্যালিয়জোয়িক 
  2. খ) মেসোজোয়িক
  3. গ) সেনোজোয়িক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মেসোজোয়িক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেসোজোয়িক
ব্যাখ্যা

মেসোজোয়িক যুগটি 'ডায়নোসর যুগ' নামে পরিচিত। 

মেসোজোয়িক মহাযুগ আজ থেকে সাড়ে ২৪ কোটি বছর থেকে প্রায় ৬ কোটি ৬০ লক্ষ বছর আগে পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। তিনটি যুগে এই মহাযুগ বিভক্ত। এগুলো হচ্ছে ট্রায়াসিক (Triassic), জুরাসিক (Jurassic) ও ক্রিটেসিয়াস (Cretaceous)। ডায়নোসর যুগ নামে পরিচিত এই মহাযুগেই ডায়নোসররা পৃথিবী জুড়ে রাজত্ব করতো। ট্রায়াসিক শিলা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে পাওয়া যায়নি। জুরাসিক-প্রবীণ ক্রিটেসিয়াস যুগে অদূরবর্তী এলাকায় আগ্নেয়গিরির ব্যাপক অগ্ন্যুৎপাতের কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বিশেষ করে জামালগঞ্জ, শিবগঞ্জ এবং বগুড়া গ্রস্ত উপত্যকা এলাকায় আগ্নেয় শিলাস্তর গঠিত হয়। এই শিলারাশিকে রাজমহল শিলাসোপান (ট্র্যাপ) বলে। ভূগর্ভে প্রাপ্ত কৃষ্ণবর্ণের ব্যাসল্টে এই শিলাসোপান গঠিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
২,৮২৩.
কোন ভূগোলবিদ ভূগোলকে 'পৃথিবীর বিজ্ঞান' বলেছেন? 
  1. কার্ল রিটার 
  2. প্লেটো 
  3. হিপোক্রেটিস 
  4. ডাডলি স্ট্যাম্প 
সঠিক উত্তর:
কার্ল রিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্ল রিটার 
ব্যাখ্যা

ভূগোলের ধারণা: 
- ভূগোল হলো এমন একটি বিষয়/শাস্ত্র যেখানে স্থানীক ও কালীক পর্যায়ে মানুষ ও পরিবেশের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা হয়। 
- সংক্ষেপে মানুষের বাসভূমি হিসাবে পৃথিবীর বর্ণনা হলো ভূগোল। 
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দটির উৎপত্তি। 
- 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা। সুতরাং Geography শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা। 
- 'Geography' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটসথেনিস। 
- কোনো কোনো ভূগোলবিদ ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিবরণ, কেউ কেউ বলেছেন 'পৃথিবীর বিজ্ঞান'। 
- অধ্যাপক কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান। 
- অধ্যাপক ডাডলি স্ট্যাম্প (Professor Dudley Stamp) আরও সহজভাবে বলেছেন, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল। 
- মূলত সময় ও স্থানের আলোকে প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে মানুষের কর্মকান্ডের এই সম্পর্কই ভূগোলের মুখ্য বিষয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮২৪.
ডায়াবেটিস রোগের সাথে কোন গ্রন্থিটি জড়িত?
  1. অগ্ন্যাশয়
  2. প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি
  3. পিনিয়াল গ্রন্থি
  4. যকৃত
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
ব্যাখ্যা

- অগ্ন্যাশয় একটি মিশ্র গ্রন্থি। অগ্ন্যাশয়ের অন্তঃক্ষরা অংশে উপস্থিত বিটা কোষ থেকে ক্ষরিত হয় ইনসুলিন।
- ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। তাই বিটা কোষ কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হলে ইনসুলিন নিঃসরণ কমে যায় এবং ফলশ্রুতিতে ডায়াবেটিস রোগ হয়ে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,৮২৫.
এক ন্যানো সমান-
  1. ক) ১০-৬
  2. খ) ১০-৯
  3. গ) ১০-১২
  4. ঘ) ১০-১৫
সঠিক উত্তর:
খ) ১০-৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০-৯
ব্যাখ্যা
এক ন্যানো সমান ১০-৯; এক মাইক্রো সমান ১০-৬; এক পিকো সমান ১০-১২ এবং এক ফেমটো সমান ১০-১৫। সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮২৬.
পৃথিবীর মূল মধ্যরেখা হতে পূর্ব বা পশ্চিমে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে বলা হয়—
  1. ক) অক্ষাংশ
  2. খ) সুমেরু
  3. গ) কুমেরু
  4. ঘ) দ্রাঘিমাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্রাঘিমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্রাঘিমাংশ
ব্যাখ্যা
- ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থানে মূল মধ্যরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে দ্রাঘিমাংশ বলে। 
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমা রেখা বলে । 
- অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমা রেখা (Latitude)। - প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা একেকটি অর্ধবৃত্ত। 
- দ্রাঘিমা রেখাসমূহ পরস্পরের সাথে সমদূরত্বে অবস্থিত নয়, অর্থাৎ মেরুদ্বয়ে এই রেখাগুলো পরস্পরের সর্বাপেক্ষা নিকটে অবস্থান করে এবং নিরক্ষরেখা বরাবর সর্বাপেক্ষা দূরে অবস্থান করে।
 
উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৮২৭.
মহাবিশ্বের অর্ধেক কণা কোন বাঙালি বিজ্ঞানীর নামে?
  1. Subrahmanyan Chandrasekhar
  2. Jagadish Chandra Bose
  3. Homi Bhabha
  4. Satyendra Nath Bose
সঠিক উত্তর:
Satyendra Nath Bose
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Satyendra Nath Bose
ব্যাখ্যা
• মহাবিশ্বে মৌলিক কণাগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়: ফার্মিয়ন এবং বোসন।
- "বোসন" নামটি এসেছে সত্যেন্দ্র নাথ বোসের নাম থেকে।
- বোসন কণাগুলো ফোর্স ক্যারিয়ার হিসেবে কাজ করে এবং এগুলোর ধর্ম বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান দিয়ে বর্ণিত।
- তাই সত্যেন্দ্র নাথ বোস মহাবিশ্বের অর্ধেক কণার নামের ভিত্তি।

অপশন আলোচনা:
ক) Subrahmanyan Chandrasekhar
- এই বিজ্ঞানী বিখ্যাত তাঁর চন্দ্রশেখর সীমা (Chandrasekhar Limit) সংক্রান্ত গবেষণার জন্য, যা তারার পতন এবং কৃষ্ণগহ্বরের গঠন নিয়ে কাজ করে।
- তবে তাঁর নামের সাথে মহাবিশ্বের অর্ধেক কণার কোনো সংযোগ নেই।

খ) Jagadish Chandra Bose
- জগদীশ চন্দ্র বসু বিখ্যাত তাঁর উদ্ভিদ বিজ্ঞানের গবেষণা এবং রেডিও প্রযুক্তির অগ্রদূত হিসেবে।
- কিন্তু তাঁর নাম মহাবিশ্বের কণার কোনো শ্রেণির সঙ্গে যুক্ত নয়।

গ) Homi Bhabha
- হোমি ভাবা ভারতের পারমাণবিক শক্তি কর্মসূচির জনক হিসেবে পরিচিত।
- তবে মহাবিশ্বের কণার নাম তাঁর নামে নয়।

ঘ) Satyendra Nath Bose
- সত্যেন্দ্র নাথ বোস কোয়ান্টাম মেকানিক্সে তাঁর অবদানের জন্য বিখ্যাত।
- তাঁর নাম থেকেই "বোসন" কণার নামকরণ করা হয়েছে।
- বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান এবং বোসন কণাগুলো মহাবিশ্বের অর্ধেক কণার শ্রেণি হিসেবে পরিচিত।
২,৮২৮.
নিচের কোন উক্তিটি সত্য?
  1. এক্স-রশ্মি চার্জিত কোন কণার প্রবাহ নয়।
  2. এক্স-রশ্ম উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
  3. এক্স-রশ্ম তড়িৎচুম্বকীয় আড়তরঙ্গ।
  4. উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
- এক্স-রশ্মি চার্জিত কোন কণার প্রবাহ নয়।
- ইহা তড়িৎচুম্বকীয় আড়তরঙ্গ।
- দৃশ্যমান আলো ও এক্স-রশ্মির প্রধান পার্থক্য এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যে।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 7×10-7m  4 ×10-7m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10×10-8m থেকে 10-13m  পর্যন্ত।
- সাধারণ আলো বা দৃশ্যমান আলো অস্বচ্ছ পদার্থ ভেদ করতে পারে না।
- কিন্তু, এক্স-রশ্ম উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। এটি চামড়া, মাংস ইত্যাদি ভেদ করে যেতে পারে।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮২৯.
বাংলাদেশ কত ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত?
  1. ক) ২০°৩৯´ থেকে ২৬°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  2. খ) ২০°৩৪´ থেকে ২৬°৩৮´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  3. গ) ৮৬°০২´ থেকে ৮৯°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  4. ঘ) ৮৮°০১´ থেকে ৯২°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৮°০১´ থেকে ৯২°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৮°০১´ থেকে ৯২°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ ৮৮°০১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা এবং 
২০°৩৪´ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮´ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত।

বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) এবং ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৮৩০.
পৃথিবীর বায়বীয় আবরণ প্রধানত -
  1. ৩ স্তরবিশিষ্ট
  2. ৪ স্তরবিশিষ্ট
  3. ৫স্তরবিশিষ্ট
  4. স্তরবিহীন
সঠিক উত্তর:
৫স্তরবিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫স্তরবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
- বায়ুমণ্ডলের গঠনকারী উপাদানসমূহের প্রকৃতি, উষ্ণতার পার্থক্য ও অন্যান্য গ্যাসীয় উপাদানের তারতম্যের জন্য বায়ুমণ্ডলকে ৫টি স্তরে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
১। ট্রপোমণ্ডল, 
২। স্ট্রাটোমণ্ডল, 
৩। মেসোমণ্ডল, 
৪। তাপমণ্ডল এবং 
৫। এক্সোমণ্ডল। 

অন্যদিকে, 
- বায়ুমণ্ডলের গঠনকারী উপাদানের বৈশিষ্টের (যেমন - চাপ, ঘনত্ব, উষ্ণতা) উপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে চারটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
১. ট্রপোমণ্ডল, 
২. স্ট্র্যাটোমণ্ডল, 
৩. মেসোমণ্ডল ও 
৪. তাপমণ্ডল। 

[অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর ৫টি স্তরে ভাগ' কে নেয়া হয়েছে। কারণ, অধিকাংশ বইয়ের মধ্যে ৫টি স্তর দেওয়া আছে]। 
  
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৩১.
থার্মোমিটারে কি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) পানি
  2. খ) কেরোসিন
  3. গ) পারদ
  4. ঘ) পেট্রোল
সঠিক উত্তর:
গ) পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পারদ
ব্যাখ্যা

পারদ একটি তরল ধাতু। তাপে পারদের সুষম এবং দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে, যা তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য একটি প্রয়ােজনীয় বৈশিষ্ট্য।
এছাড়া পারদের গলনাঙ্ক পানির গলনাঙ্কের অনেক কম এবং স্ফুটনাঙ্ক পানির স্ফুটনাঙ্কের অনেক বেশি।
এজন্য সাধারণত জীবদেহের তাপমাত্রা মাপতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পারদ থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়।

২,৮৩২.
চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের কোন ধাপে ক্রোমিয়াম তরল বর্জ্যে যুক্ত হয়?
  1. কালারিং
  2. ট্যানিং
  3. লাইমিং
  4. ডিলাইমিং
সঠিক উত্তর:
ট্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যানিং
ব্যাখ্যা
- রাসায়নিক শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়। 
- ব্যাপক শিল্পায়ন পরিবেশ দুষণের অন্যতম একটি কারণ। 
- শিল্পোৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কঠিন, তরল, বায়ুবীয় অবস্থার অনেক পদার্থ পরিবেশে দূষক হিসেবে কাজ করে। 
- দূষক হচ্ছে সে সকল পদার্থ যার উপস্থিতি পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে মানুষ তথা প্রাণিকূলের স্বাভাবিক জীবন যাপন হুমকি হয়ে উঠে। 
- প্রতিটি শিল্প কারখানায় কম বেশি ক্ষতিকারক বিভিন্ন গ্যাসীয়, তরল ও কঠিন দূষক নির্গত হয়। 

চামড়া শিল্পের দূষকসমূহ: 
- সবচেয়ে বেশি পরিবেশ দূষণকারী শিল্প কারখানার মধ্যে চামড়া শিল্প অন্যতম।
- চামড়া শিল্পের বিভিন্ন ধাপে উৎপন্ন দূষক পদার্থ সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো- 
১। সিক্তকরণ (Soaking): 
- এ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন তরল বর্জ্যে প্রচুর পরিমাণ NaCl, দ্রবীভুত প্রোটিন, জৈব পদার্থ, ধূলা-বালি, ময়লা, গোবর ইত্যাদি মিশ্রিত থাকে। 
- এগুলো পঁচে দূর্গন্ধ সৃষ্টি করে ফলে বায়ু দূষণ ঘটে। 
- অধিকন্তু বর্জ্যে বিদ্যমান NaCl ও রাসায়নিক দ্রব্য পানি ও মাটির দূষণ ঘটায়। 

২। লাইমিং (Liming): 
- এ ধাপে বর্জ্যে ক্ষার, সালফাইড, CaCO3 প্রোটিন, কতিপয় ধাতব আয়ন উপস্থিত থাকে এবং পানিকে দূষিত করে। 

৩। ডিলাইমিং (Deliming): 
- এ ধাপে বর্জ্যে অ্যামোনিয়াম দ্রবণের আধিক্যের ফলে পানি দূষণ ঘটে। 

৪। ট্যানিং (Tanning): 
- বর্জ্য অম্লীয় প্রকৃতির হয় এবং Cr এর পরিমান বৃদ্ধি পায় ফলে পানি দূষণ ঘটে। 

৫। রংকরণ (Colouring): 
- বর্জ্যে বিভিন্ন প্রকার রঞ্জক পদার্থ, তৈল, গ্রিজ ইত্যাদি বিদ্যমান থাকে ফলে মাটি দূষণ ও পানি দূষণ ঘটে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৩৩.
আকাশ নীল দেখায় কেন?
  1. ক) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
  2. খ) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত কম বলে
  3. গ) নীল আলোর বিচ্ছুরণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
  4. ঘ) নীল আলোর বিচ্ছুরণ অপেক্ষাকৃত কম বলে
সঠিক উত্তর:
ক) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
ব্যাখ্যা
নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম বলে নীল আলো্র বিক্ষেপণ বেশি হয়, মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক বেশি হয়, ন্যূনতম বিচ্যুতি বেশি হয়। উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
২,৮৩৪.
নিচের কোনটি ছোঁয়াচে রোগ?
  1. ক) হুপিংকাশি
  2. খ) ধনুষ্টংকার
  3. গ) জলবসন্ত
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
যে সকল রোগের বিস্তার রোগীর সংস্পর্শে বা ছোঁয়ায় বিস্তার লাভ করে তাদেরকে ছোঁয়াচে রোগ বলে। ছোঁয়াচে রোগের উদাহরণ হলো- জলবসন্ত, হুপিংকাশি, কলেরা, ধনুষ্টংকার, যক্ষ্মা, মাম্পস, ফাইলেরিয়া ইত্যাদি।
২,৮৩৫.
পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন কে?
  1. ক) থমাস হান্ট মর্গান
  2. খ) থিওডোর সোয়ান
  3. গ) স্ট্যানলি বি. প্রুজিনার
  4. ঘ) লুই পাস্তুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লুই পাস্তুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা

- লুই পাস্তুর মুরগির কলেরা, গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স, জলাতঙ্কের ভ্যাক্সিন, পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি প্রভৃতি উদ্ভাবন করেন।
- থমাস হান্ট মর্গান বংশগতির সঞ্চারণে ক্রোমোজোমের ভূমিকা আবিষ্কার করেন।
- স্ট্যানলি বি. প্রুজিনার প্রথম প্রিয়ন আবিষ্কার করেন।
- থিওডোর সোয়ান কোষ মতবাদ বর্ণনা করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,৮৩৬.
মেরুরেখার উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে কী বলে?
  1. সুমেরু
  2. নিরক্ষবৃত্ত
  3. কুমেরু
  4. কর্কটক্রান্তি
সঠিক উত্তর:
সুমেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমেরু
ব্যাখ্যা
অক্ষরেখা (Latitude):
- পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ (Axis) বা মেরুরেখা বলে।
- এই অক্ষের উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বলে।
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে। একে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
- নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলে।
- এই নিরক্ষরেখাকে ০০ ধরে উত্তর দিকে ও দক্ষিণ দিকে দুই মেরু পর্যন্ত ৯০° বা এক সমকোণ ধরা হয়।
- পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৮৩৭.
নিচের কোনটি উদ্ভিদদেহে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস নয়?
  1. পেপিলোমা
  2. বানচি টপ
  3. টোবাকো মোজাইক
  4. বুশিস্টান্ট
সঠিক উত্তর:
পেপিলোমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেপিলোমা
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদদেহে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস এবং সৃষ্ট রোগের নাম:
• টোবাকো মোজাইক ভাইরাস - তামাকের মোজাইক রোগ।
• বীন মোজাইক ভাইরাস - সিমের মোজাইক রোগ।
• বুশিস্টান্ট ভাইরাস - টমেটোর বুশিস্টান্ট রোগ।
• টুংরো ভাইরাস - ধানের টুংরো রোগ।
• বানচি টপ ভাইরাস - কলার বানচি টপ রোগ।
• পট্যাটো মোজাইক ভাইরাস - গোলালুর মোজাইক রোগ।

- পেপিলোমা ভাইরাস প্রানীদেহে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস।
-  পেপিলোমা ভাইরাসের কারণে মানুষের এনোজেনিটাল ক্যান্সার হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২,৮৩৮.
নিচের কোন পরীক্ষাটি TB রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রযোজ্য নয়?
  1. MT test
  2. Xene-xpert test
  3. X - ray chest
  4. CRP
সঠিক উত্তর:
CRP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CRP
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা (টিবি) সংক্রমণ শনাক্ত করার জন্য বেশ কিছু পরীক্ষা করা যায়। কোন পরীক্ষাটি ব্যবহার করতে হবে তার পছন্দটি প্রায়শই ক্লিনিকাল পরিস্থিতি এবং উপলব্ধ সংস্থানগুলির উপর নির্ভর করে। এখানে টিবি সনাক্ত করতে ব্যবহৃত কিছু সাধারণ পরীক্ষা তুলে ধরা হল:
- Tuberculin Skin Test (TST) or Mantoux Test.
- Interferon-Gamma Release Assays (IGRAs).
- Chest X-ray.
- Sputum Smear Microscopy.
- Xene-Xpert MTB/RIF Assay.
- Bronchoscopy and Bronchoalveolar Lavage (BAL).
- Molecular Tests (Nucleic Acid Amplification Tests).

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,৮৩৯.
সূর্যের রশ্মি কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানাের কৌশল জানতেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) থমাস ইয়ং
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) আর্কিমিডিস
  4. ঘ) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
গ) আর্কিমিডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আর্কিমিডিস
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিস ধাতুর ভেজাল নির্ণয় করতে সক্ষম হন। তিনি লিভারের নীতি আবিষ্কার করেন। এ ছাড়া তিনি গােলীয় দর্পণের সাহায্যে সূর্যরশ্মি কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানার কৌশল জানতেন। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
২,৮৪০.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়?
  1. ট্রপোমন্ডল
  2. স্ট্রাটোমন্ডল
  3. এক্সোমন্ডল
  4. আয়নমন্ডল
সঠিক উত্তর:
আয়নমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নমন্ডল
ব্যাখ্যা

বায়ুমন্ডলের স্তরবিন্যাস: 
- পৃথিবীর চতুর্দিকের গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলা হয়। এর বিস্তার উপরের দিকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
- বায়ুমণ্ডল পাঁচটি স্তরে বিভক্ত।
এগুলো হলো:
১. ট্রপোমণ্ডল
২. স্ট্রাটোমণ্ডল
৩. মেসোমণ্ডল
৪. তাপমণ্ডল
৫. এক্সোমণ্ডল।

তাপমণ্ডল (Thermosphere):
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ৮০ কিলোমিটার ঊর্ধ্বসীমা থেকে অর্থাৎ মেসোবিরতি থেকে তাপমন্ডলের শুরু।
- এ স্তরের উপরের সীমা ৫০০ কি.মি পর্যন্ত। এখানে বায়ুমন্ডল অত্যন্ত হালকা এবং বায়ুচাপ ক্ষীণ।
- তাপমন্ডলের ১০০ থেকে ৩০০ কি.মি উচ্চতায় অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন পরমাণু অত্যন্ত ছোট তরঙ্গমাপের সৌরশক্তি শোষণ করায় উষ্ণতা প্রায় ১০০০° সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। তাপমন্ডলে আয়নিত এ অংশ আয়নমন্ডল (Ionosphere) নামে পরিচিত।
- আয়নমন্ডল মূলত মেসোমন্ডলের ঊর্ধ্বাংশ থেকে তাপমন্ডলের নিম্নাংশ (৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার) পর্যন্ত সম্প্রসারিত।
- আয়নমন্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৮৪১.
বাংলাদেশের কোন প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা রয়েছে?
  1. ইন্ডিয়ান প্লেট ও সুন্দা প্লেট 
  2. ইন্ডিয়ান প্লেট ও আফ্রিকান প্লেট 
  3. ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার সাব-প্লেট
  4. ইন্ডিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেট 
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার সাব-প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার সাব-প্লেট
ব্যাখ্যা

টেকটোনিক প্লেট:
- বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়ে থাকে টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে। 
- ভূস্তরের ভূমিকম্প প্রবণ ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার সাব-প্লেটের মাঝখানে বাংলাদেশ অবস্থিত। 
- ভূ-তত্ত্ব বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ভারতীয় ও ইউরেশীয় প্লেট দু'টি (১৯৩৪ খ্রীষ্টাব্দের পর থেকে) দীর্ঘদিন ধরে হিমালয়ের পাদদেশে আটকা পড়ে আছে। 
- কিন্তু বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ভূ-তাত্ত্বিক চ্যুতি এলাকা বা ফল্ট জোন সচল অবস্থায় রয়েছে।

- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।
- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।
যেমন- 
• ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate), 
• উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate), 
• দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate), 
• আফ্রিকান প্লেট (African Plate), 
• অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate), 
• ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও 
• প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate)। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

২,৮৪২.
পৃথিবীর উপরিভাগের যে বড় বড় টুকরোগুলো ভাসমান অবস্থায় আছে তাদেরকে কী বলে?
  1. টেকটনিক প্লেট
  2. জিওলজিক্যাল স্ট্র্যাটা
  3. ম্যান্টল
  4. ম্যাগমা
সঠিক উত্তর:
টেকটনিক প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকটনিক প্লেট
ব্যাখ্যা

◉ পৃথিবীর উপরিভাগের বড় বড় টুকরোগুলো ভাসমান অবস্থায় আছে এবং এগুলোকে টেকটনিক প্লেট বলা হয়। এই প্লেটগুলো পৃথিবীর লিথোস্ফিয়ারের অংশ এবং এগুলো ক্রমাগত নড়াচড়া করে, যা ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং পর্বত গঠনের মতো ভূতাত্ত্বিক ঘটনাগুলোর কারণ হয়ে থাকে।

টেকটনিক প্লেট: 
- ভূ-পৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত এগুলোকে প্লেট বলা হয়।
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছরে কয়েক সেন্টিমিটার কোনো একদিকে সরে যায়। প্লেটগুলো কখনও একটি থেকে আরেকটি দূরে সরে যায়। আবার কখনও কখনও একে অন্যের দিকে আসে। কখনও কখনও প্লেটগুলো বছরে কয়েক মিলিমিটার উপরে ওঠে বা নিচে নামে। একটি প্লেটের সাথে আরেকটি প্লেট যেখানে মেশে সেখানেই বেশি ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা ঘটে।
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে উঁচু পর্বত থাকলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা আরও বাড়ে।
- প্লেটগুলো একটি আরেকটির সাথে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর ভাগ সৃষ্টি হয়।
- তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে।
- বেরিয়ে আসা গলিত ভরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত ।
- একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সাথে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে একেই ভুমিকম্প বলে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) জিওলজিক্যাল স্ট্র্যাটা: জিওলজিক্যাল স্ট্র্যাটা বলতে পৃথিবীর ভূত্বকের স্তরগুলোকে বোঝায়, যা বিভিন্ন প্রকার শিলা এবং মাটির স্তর দ্বারা গঠিত। এই স্তরগুলো সময়ের সাথে সাথে জমা হয়ে তৈরি হয় এবং ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসের তথ্য ধারণ করে।

গ) ম্যান্টল: ম্যান্টল হলো পৃথিবীর ভূত্বক এবং কোরের মধ্যবর্তী স্তর। এটি একটি অর্ধ-কঠিন স্তর, যা প্রধানত সিলিকেট খনিজ দ্বারা গঠিত। ম্যান্টল টেকটনিক প্লেটের নিচে অবস্থান করে এবং এর গতিশীলতা প্লেটগুলোর নড়াচড়ার জন্য দায়ী।

ঘ) ম্যাগমা: ম্যাগমা হলো গলিত শিলা, যা পৃথিবীর ভূত্বক এবং ম্যান্টলে পাওয়া যায়। এটি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় লাভা হিসেবে বেরিয়ে আসে। ম্যাগমা টেকটনিক প্লেট গঠন করে না, বরং এটি প্লেটগুলোর নড়াচড়া এবং ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে।

উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

২,৮৪৩.
কোনটি ভরহীন ও তড়িৎ নিরপেক্ষ কণা?
  1. ক) ইলেকট্রন
  2. খ) প্রোটন
  3. গ) নিউট্রন
  4. ঘ) ফোটন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফোটন
ব্যাখ্যা

- আলোক শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। প্রত্যেক রং এর আলোর জন্য এই শক্তি প্যাকেটের শক্তির একটা সর্বনিম্ন মান আছে। এই সর্ব নিম্নমানের শক্তিসম্পন্ন কণিকাকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
- ফোটন ভরহীন ও তড়িৎ নিরপেক্ষ কণা।
- এটি কণা ও তরঙ্গ উভয়ই ধর্ম প্রদর্শন করতে পারে।

২,৮৪৪.
পোলিও রোগের প্রতিষেধক টিকা কী দিয়ে তৈরি হয়?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. সায়ানো ব্যাকটেরিয়া
  3. ভাইরাস
  4. ছত্রাক
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা

পোলিও: 
- পোলিও একটি ভাইরাসজনিত রোগ। 
- পোলিও ভাইরাসে RNA থাকে। 
- এ রোগের নাম পোলিওমাইলিটিস। 
- পোলিও রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়। 
- এছাড়াও, বসন্ত, জন্ডিস ও জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকাও ভাইরাস দিয়ে তৈরি করা হয়। 

তথ্যসূত্র: উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৮৪৫.
মানবদেহের অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্তকরণে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) এক্স রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) এক্স রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এক্স রশ্মি
ব্যাখ্যা
মানবদেহের অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্তকরণে এক্স রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়।
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয় ।
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায় ।
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায় ।
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়।
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়।

এক্সরের অপ্রয়োজনীয় বিকিরণ সম্পাত যাতে রোগীর ক্ষতি করতে না পারে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এজন্য এক্সরে নেওয়ার সময় রোগীকে সীসা নির্মিত এপ্রোন দ্বারা যথাসম্ভব আচ্ছাদিত করতে হবে। অতি জরুরী না হলে গর্ভবতী মহিলাদের উদর এবং পেলভিক অঞ্চলের এক্সরে করা উচিত নয়। অন্য কোনো এক্সরে পরীক্ষা প্রয়োজন হলে সীসা নির্মিত এপ্রোন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।

সূত্র: ৩৪১ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৪৬.
মানবদেহে শতকরা কত ভাগ খনিজ লবণ থাকে?
  1. ক) ১৫%
  2. খ) ১%
  3. গ) ২%
  4. ঘ) ৪%
সঠিক উত্তর:
খ) ১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১%
ব্যাখ্যা

ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই ২০২১ অনুসারে উত্তর ধরা হলো -
বিতর্ক থাকতে পারে। তাই, পরবর্তীতে অ্যাপ আপডেটের পরে তথ্যকল্পদ্রুম সিরিজে/ফিচারে আলোচনা করা হবে।

 

২,৮৪৭.
গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশের সময় কত ঘণ্টা আগে?
  1. ৬ ঘণ্টা
  2. ৫ ঘণ্টা
  3. ৪ ঘণ্টা
  4. ৩ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।  
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৪৮.
সেরিকালচার কী?
  1. ক) মৌমাছি পালনকে
  2. খ) রেশমপোকা পালনকে
  3. গ) মৎস্যচাষ পালনকে
  4. ঘ) সমন্বিত হাঁস-মুরগি পালনকে
সঠিক উত্তর:
খ) রেশমপোকা পালনকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেশমপোকা পালনকে
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিকভিত্তিতে রেশমপোকার পালনকে সেরিকালচার বলে। 

রেশমপোকা (Silkworm)  বাণিজ্যিকভাবে মূল্যবান প্রাকৃতিক রেশম উৎপাদন করে, Lepidoptera বর্গের এমন কতক লার্ভার সাধারণ নাম। এরা হতে পারে Bombycidae গোত্রের তুঁতগাছের রেশমপোকা (Mulberry silkworm, Bombyx mori) ও অন্য গাছের রেশমপোকা, যেমন Saturniidae গোত্রের এরি রেশমপোকা (Eri silkworm, Samia cynthia ricini), মুগা রেশমপোকা (Muga silkworm, Antheraea assama), তসর রেশমপোকা (Tasar silkworm, A. mylitta ও A. paphia) ইত্যাদি। 

বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে B. mori চাষ হয়। বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য লোকে তুঁতগাছের রেশমপোকা multivoltine জাতগুলি প্রায় এককভাবে চাষ করে। অবশ্য পরীক্ষামূলকভাবে কিছু bivoltine জাতের রেশমপোকার চাষও হচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ ও ইনস্টিটিউট অব ফুড অ্যান্ড রেডিয়েশন বায়োলজি সাভার, ঢাকা পরীক্ষামূলকভাবে S. c. ricini নামক রেশমপোকা প্রতিপালন করছে। বর্তমানে দেশের রেশমচাষিদের কাছে এরি রেশমপোকা চাষের বাণিজ্যিক গুরুত্ব নেই।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
২,৮৪৯.
চাঁদ ও সূর্য যখন একই সরলরেখায় থাকে, তখন- 
  1. ভাটা সৃষ্টি হয়
  2. জোয়ার দুর্বল হয়
  3. জোয়ার হয় না
  4. জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়
সঠিক উত্তর:
জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়
ব্যাখ্যা
জোয়ার ও ভাটা: 
- সমুদ্র এবং উপকূলবর্তী নদীর জলরাশি প্রতিদিনই কোনো একটি সময়ে ঐ জলরাশি ধীরে ধীরে ফুলে উঠছে এবং কিছুক্ষণ পরে আবার তা ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে। জলরাশির এরকম নিয়মিত স্ফীতি এবং ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 

জোয়ার-ভাটার কারণ: 
- প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়। 
যেমন- 
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব: 
- মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী মহাকাশে বিভিন্ন গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র প্রভৃতি প্রতিটি জ্যোতিষ্ক পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এর প্রভাবে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। কিন্তু পৃথিবীর উপর সূর্য অপেক্ষা চাঁদের আকর্ষণ বল বেশি হয়। কারণ সূর্যের ভর অপেক্ষা চাঁদের ভর অনেক কম হলেও চাঁদ সূর্য অপেক্ষা পৃথিবীর অনেক নিকটে অবস্থিত। তাই সমুদ্রের জল তরল বলে চাঁদের আকর্ষণেই প্রধানত সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে ও জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত জোরালো হয় না। চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থিত হলে চাঁদ ও সূর্য উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়। 

(২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি: 
- পৃথিবী নিজ মেরুরেখার চারদিকে অনবরত আবর্তন করে বলে কেন্দ্রাতিগ শক্তি বা বিকর্ষণ শক্তির সৃষ্টি হয়। এই কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে পৃথিবীর প্রতিটি অণুই মহাকর্ষ শক্তির বিপরীত দিকে বিকর্ষিত হয় বা ছিটকে যায়। তাই পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে যেখানে মহাশক্তির প্রভাবে জল বিক্ষিপ্ত হয়েও জোয়ারের সৃষ্টি করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৫০.
ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং রিয়াদের দ্রাঘিমা ৪৫° পূর্ব। ঢাকার স্থানীয় সময় দুপুর ২.২০ টা হলে সেই সময় রিয়াদের স্থানীয় সময় কত?
  1. সকাল ১০.৪০ টা
  2. বিকাল ৫.২০ টা
  3. সকাল ১১.২০ টা
  4. দুপুর ১২.২০ টা
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১.২০ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১.২০ টা
ব্যাখ্যা
সমাধান:
আমরা জানি, প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট

ঢাকা ও রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০°- ৪৫° = ৪৫°
সময়ের পার্থক্য হবে ৪৫ × ৪ = ১৮০ মিনিট অর্থাৎ ৩ ঘণ্টা
প্রশ্নে উল্লিখিত ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা দেখে আমরা বুঝতে পারি, রিয়াদ ঢাকার পশ্চিমে অবস্থিত। তাই ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে এই ৩ ঘণ্টা বাদ যাবে।

প্রশ্নেমতে,
⇒ রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে
= দুপুর ২.২০টা – ৩ ঘণ্টা। [এখানে দুপুর ২.২০টা বলতে ১৪.২০টা হবে।]
= ১৪.২০টা – ৩ ঘণ্টা
= ১১.২০টা

উত্তর: রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে সকাল ১১.২০টা।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৫১.
নিয়ত বায়ু নিচের কোন শর্ত মেনে প্রবাহিত হয়?
  1. স্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে
  2. সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে
  3. উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে
  4. নিম্নচাপ থেকে উচ্চচাপ অঞ্চলের দিকে
সঠিক উত্তর:
উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে
ব্যাখ্যা

- বায়ুর ধর্মই হলো উচ্চচাপ এলাকা থেকে নিম্নচাপ এলাকার দিকে প্রবাহিত হওয়া। নিয়ত বায়ু পৃথিবীর স্থায়ী উচ্চচাপ বলয়গুলো থেকে স্থায়ী নিম্নচাপ বলয়গুলোর দিকে সারা বছর ধরে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়। বায়ুচাপের এই পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের প্রধান কারণ। 

বায়ুপ্রবাহ: 

- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৫২.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে স্ট্রাটোমণ্ডলের অবস্থান?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল।
এই স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নেয়।
এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনো রকম জলীয়বাষ্প থাকে না।
ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
ঝড়-বৃষ্টি থাকেনা বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
২,৮৫৩.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে গাড়ীর গতি পরিমাপ করা হয়?
  1. ওডোমিটার
  2. স্পিডোমিটার
  3. ট্যাকোমিটার
  4. ক্রনোমিটার
সঠিক উত্তর:
স্পিডোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিডোমিটার
ব্যাখ্যা
ওডোমিটার: 
- এটি গাড়ী যতক্ষণ চালিয়ে যাওয়া হয়েছে, তার মোট দৈর্ঘ্য পরিমাপ করে। 
অর্থাৎ, এটি গাড়ীর মোট চলাচল পরিমাপ করে। 

স্পিডোমিটার: 
- এটি গাড়ীর তাৎক্ষণিক গতি পরিমাপ করে। 
যেমন- কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বা মাইল প্রতি ঘণ্টা। 

তাহলে, 
- যদি প্রশ্ন করা হয়, "গাড়ীর গতি পরিমাপ করা হয় কোন যন্ত্রের সাহায্যে"? তাহলে উত্তর হবে "স্পিডোমিটার"। 
কারণ, এটি তাৎক্ষণিক গতি পরিমাপ করে। 
- আবার যদি প্রশ্ন করা হয়, "গাড়ী মোট কতক্ষণ চলেছে তা পরিমাপ করা হয় কোন যন্ত্রের সাহায্যে"? তাহলে উত্তর হবে "ওডোমিটার"। 

উল্লেখ্য যে,
- স্পিডোমিটার দ্বারা একটি গাড়ির তাৎক্ষণিক গতি পরিমাপ করে কিন্তু ওডোমিটার দ্বারা যতক্ষণ চালিয়ে যাওয়া হয়েছে, তার মোট দৈর্ঘ্য বা দূরত্ব পরিমাপ করা হয়। এই দূরত্বকে সময় দ্বারা ভাগ করে গতি নির্ণয় করা যায়।

তাই, অপশনে স্পিডোমিটার ও ওডোমিটার দুইটাই থাকলে সঠিক উত্তর হবে স্পিডোমিটার। আর অপশনে স্পিডোমিটার না থাকলে ওডোমিটার উত্তর করা যেতে পারে।

----------------------------
অন্যদিকে, 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র হলো ক্রনোমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র হলো ট্যাকোমিটার। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
স্পিডোমিটার সম্পর্কিত লিঙ্ক.
ওডোমিটার সম্পর্কিত লিঙ্ক.
২,৮৫৪.
Earthquakes are caused by -
  1. Tectonics plate movement
  2. Denudation
  3. Earth revolution
  4. Earth's rotation
সঠিক উত্তর:
Tectonics plate movement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tectonics plate movement
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প: 
- ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, এগুলোকে বলা হয় পাত সঞ্চালন বা প্লেট টেকোনিক। 
- ভূঅভ্যন্তরে পাত সঞ্চালন বা প্লেট টেকোনিকের আকম্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিকম্প বলে। 
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে। 
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে। 
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরতৃ বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়। 
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে। 
- যে যন্ত্রের সাহাযে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ। 
 
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৫৫.
টেকটনিক প্লেট ও সাব প্লেটের মধ্যবর্তী স্থানকে কি বলে?
  1. ক) রেড লাইন
  2. খ) ফল্ট লাইন
  3. গ) রিস্ক লাইন
  4. ঘ) ইয়েলো লাইন
সঠিক উত্তর:
খ) ফল্ট লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফল্ট লাইন
ব্যাখ্যা

ভূবিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবী প্লেট ও সাব-প্লেট দিয়ে গঠিত। এ রকম দু'টি প্লেটের মাঝখানে যে ফাঁক থাকে তাকে বলা হয় ফল্ট লাইন।
প্লেটগুলাে গতিশীল। দু'টি চলন্ত প্লেটের ফল্ট লাইনে পরস্পর সংঘর্ষ হলে অথবা হঠাৎ ফল্ট লাইনে শূন্য অবস্থার সৃষ্টি হলে ভূমিকম্প হয়।
বাংলাদেশ অবস্থান করছে ভারতীয়, ইউরেশীয় ও মিয়ানমারের টেকটনিক প্লেটের মধ্যে।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম

২,৮৫৬.
দাঁতের কেভিটি চিকিৎসায় কোন ধরণের রশ্মি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) গামা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) এক্স রশ্মি
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স রশ্মি
ব্যাখ্যা

রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।

তীব্র গতি সম্পন্ন ইলেকট্রন প্রবাহ তথা ক্যাথোড রশ্মি যখন উচ্চ গলনাংক বিশিষ্ট কোন কঠিন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে, তখন ওই কঠিন বস্তু থেকে উচ্চভেদন শক্তি সম্পন্ন এবং আলোক রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট হচ্ছে অদৃশ্য রশ্মি নির্গত হয়, তাকে এক্স রশ্মি বলে বা এক্স-রে বলে।
চিকিৎসায় এক্স-রে ব্যবহার:
১. স্থানচ্যুত হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় খুব সহজেই শনাক্ত করা যায়।
২. দাঁতের কেভিটি এবং অন্যান্য ক্ষয় বের করবার জন্য এই রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
৩. পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
৪. কিডনি ও পিত্তথলিতে পাথরের অস্তিত্ব ব্যবহার করা যায়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

২,৮৫৭.
নিম্নের কোনটি লবণাক্ত পানির উৎস? 
  1. নদী
  2. উপসাগর
  3. হ্রদ
  4. ভূগর্ভস্থ পানি
সঠিক উত্তর:
উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসাগর
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডল: 
- 'Hydrosphere'-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। 
- 'Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি, এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। 
- বারিমণ্ডল বলতে বোঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ। 
- পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর) এবং মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। 
- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। 
- পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। 

- জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ ও শতকরা হার হচ্ছে- 
• সমুদ্র = ৯৭.২৫, 
• হিমবাহ = ২.০৫, 
• ভূগর্ভস্থ পানি = ০.৬৮, 
• হ্রদ = ০.০১, 
• মাটির আর্দ্রতা = ০.০০৫, 
• বায়ুমণ্ডল = ০.০০১, 
• নদী = ০.০০০১ এবং 
• জীবমণ্ডল = ০.০০০০৪ ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৫৮.
ছায়াপথ (Milky Way) কী? 
  1. একটি গ্রহ
  2. একটি নীহারিকা
  3. একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশ
  4. একটি ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশ
ব্যাখ্যা
ধূমকেতু (Comet): 
- মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে। এদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে। এসব জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলে। 
- ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক। 
- সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উদয় হয়ে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে। সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায়। এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এদের লেজ লম্বা হতে থাকে। 
- অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে এরা অনেক বছর পর পর আবির্ভূত হয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত। 
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়। হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে। 

ছায়াপথ (Milky Way): 
- কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বা আকাশ গঙ্গা বলে। 
- অন্ধকার আকাশে এদের উজ্জ্বল দীপ্তি দীর্ঘপথের মতো দেখায়। একটি ছায়াপথ লক্ষ কোটি নক্ষত্রের সমষ্টি। 
- শীতকালে রাত্রিবেলা পরিষ্কার আকাশে লক্ষ করলে উত্তর-দক্ষিণে বেশ বড় পরিসরযুক্ত তেজোদ্দীপ্ত স্বচ্ছ দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়। তারকা খচিত এই আলোর পথই হলো ছায়াপথ। 
- বিজ্ঞানীরা একে বিরাট চক্রাকার মণ্ডল বলে অনুমান করেন। সৌরজগৎ এরকম একটি ছায়াপথের অন্তর্গত। 

নীহারিকা (Nebula): 
- নীহারিকা হলো মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ। এদের আকার বিচিত্র। কিছু নীহারিকার দেহ গ্যাসীয় পদার্থে পূর্ণ। এদেরকে গ্যাসীয় নীহারিকা বলে। এক একটি নীহারিকার মধ্যবর্তী দূরত্ব ব্যাপক। 
- এক একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে। এরা যেহেতু পৃথিবী থেকে কোটি কোটি আলোক বর্ষ দূরে রয়েছে, তাই এদের মাঝে যেসব নক্ষত্র রয়েছে তাদের পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায় না। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৫৯.
নিপাহ্‌ ভাইরাস একটি ______ বাহিত ভাইরাস।
  1. ক) পানি
  2. খ) বাদুড়
  3. গ) বায়ু
  4. ঘ) উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) বাদুড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাদুড়
ব্যাখ্যা

নিপাহ্‌ ভাইরাস (NiV) মানুষের কাছ থেকে ছড়াতে পারে কিংবা সংক্রামিত প্রাণীর সাথে সরাসরি যোগাযোগ যেমন বাদুড় বা শুয়োরের মাধ্যমেও ছড়ায়।
সোর্স: www.news-medical.net

২,৮৬০.
শ্বেত বামন কী?
  1. ক্ষীণ উজ্জ্বলতার তারকা
  2. বিশালাকার গ্যাসীয় গ্রহ
  3. অত্যন্ত উজ্জ্বল নক্ষত্র
  4. অতি বৃহৎ গ্যালাক্সি
সঠিক উত্তর:
ক্ষীণ উজ্জ্বলতার তারকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষীণ উজ্জ্বলতার তারকা
ব্যাখ্যা

- শ্বেত বামন (White Dwarf) হলো এক ধরনের ক্ষুদ্র, অত্যন্ত ঘন এবং ক্ষীণ উজ্জ্বলতার তারকা।
-
এটি সূর্যের মতো মাঝারি আকারের তারকার জীবনের শেষ পর্যায়ে উৎপন্ন হয়।
- যখন তারকার কেন্দ্রে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম জ্বালানি শেষ হয়ে যায়, তখন তার বাইরের স্তরগুলো ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে কেবল একটি ছোট, ঘন কোর বেঁচে থাকে।
- এর আকার পৃথিবীর সমান হলেও ভর সূর্যের সমান বা তার চেয়ে বেশি হয়।
- ফলে এটি খুবই কম আলো বিকিরণ করে—অর্থাৎ ক্ষীণ উজ্জ্বলতার তারকা।

নক্ষত্রের জীবনচক্র :

- নক্ষত্র বা তারাদের জীবনের প্রথম পর্যায় হলো বামন নক্ষত্র বা Dwarf star।
- মোট নক্ষত্রের ৯০% হলো বামন নক্ষত্র এবং বর্তমানে সূর্য এ অবস্থায় আছে।
- হাইড্রোজেন জ্বালানি শেষ হয়ে গেলে তারাটি লোহিত দানব বা অতি দানব নক্ষত্রে (Super giant star) পরিণত হয়।
- এখন থেকে ৫ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) বছর পর সূর্য দানব নক্ষত্রে পরিণত হবে।
- মহাবিশ্বের অধিকাংশ নক্ষত্র সূর্যের ভরের কাছাকাছি (দুই সৌর ভরের কম) তারা উজ্জ্বল হয়ে নোভা স্টারে পরিণত হয় এবং বিস্ফোরিত হয়ে শ্বেত বামনে (White dwarf) পরিণত হয়।
- এদের জীবনকাল প্রায় ১,৫০০ কোটি বছর হয় যা মহাবিশ্বের বর্তমান বয়সেরও বেশি।
- সাধারণত ৯৭% নক্ষত্র শ্বেতবামন হিসেবে মৃত্যুবরণ করে, তাই এদেরকে মৃত তারা বলে।
- শ্বেতবামন ঠান্ডা হয়ে যখন কোনো আলো বা তাপ নির্গত করতে পারে না তখন তাকে কৃষ্ণ বামন বা কালো বামন (Black dwarf) বলে।
- নক্ষত্রের ভর ১.৪ সৌর ভরের বেশি হলে সেটি শ্বেতবামন না হয়ে নিউট্রন স্টার বা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হবে।
- যে সব তারার ভর সূর্যের চেয়ে বেশি (১.৪ থেকে ৩ সৌর ভর) তারা সুপারনোভাতে পরিণত হয় এবং এর বিস্ফোরণে নিউট্রন স্টারে পরিণত হয়। নিউট্রন স্টার রেডিয়ো পালস বিকিরণ করে বলে একে পালসার বলে।
- আবার নিউটন স্টারের চেয়েও বেশি ভরের (৩.২ সৌর ভরের বেশি) তারাগুলো শেষ পর্যায়ে কৃষ্ণগহ্বর বা কোয়ার্ক নক্ষত্রে পরিণত হয়।

উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং NASA Science - Universe Glossary.

২,৮৬১.
কোন তারিখে সূর্য বিষুবরেখার উপর খাড়াভাবে কিরণ দেয়?
  1. ২১ জুন
  2. ২২ মার্চ 
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

- সূর্য প্রতি বছর ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখে বিষুবরেখার উপর খাড়াভাবে কিরণ দেয়। এই দুটি দিনকে বিষুব বা Equinox বলা হয় এবং এই দিনগুলোতে পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়। 

পৃথিবীর বার্ষিক গতি: 

- পৃথিবী সূর্যের চারপাশে কিছুটা হেলে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। তবে পৃথিবী বছরের বিভিন্ন সময়ে তার হেলানো অবস্থান পরিবর্তন করে। তাই পৃথিবীর একটা নির্দিষ্ট অংশ একটি নির্দিষ্ট সময় সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে। 
- পৃথিবীর একটি নির্দিষ্ট অংশ যখন সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে, তখন সেই অংশটি বেশিক্ষণ ধরে এবং খাড়াভাবে সূর্যের তাপ পায়। পৃথিবীর সেই অংশে তখন গ্রীষ্মকাল। পৃথিবীর বিষুবরেখার দুই পার্শ্বকে দুটি গোলার্ধে ভাগ করা হয়। উত্তর অংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণ অংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয় এবং আমরা উত্তর গোলার্ধে বাস করি। 

২১ শে জুন:
- ২১ জুন পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে দূরে অবস্থান করে। তাই দক্ষিণ গোলার্ধে তখন রাত বড় হয়, দিন ছোট হয় এবং ওখানে সূর্যের তাপ তির্যক বা হেলানোভাবে পড়ে। ফলে দক্ষিণ গোলার্ধ এ সময় সূর্যের তাপ কম পায়। ওখানে তখন শীতকাল। যেমন- অস্ট্রেলিয়ায় জুন, জুলাই ও আগস্ট এই তিন মাস শীতকাল। 

২৩ শে সেপ্টেম্বর: 
- সেপ্টেম্বরের ২৩ তারিখে পৃথিবীর বিষুব অঞ্চল সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে এবং উত্তর ও দক্ষিণ মেরু ঐ সময়ে সূর্য থেকে সমান দূরত্বে থাকে। 
- সেপ্টেম্বর ২৩ তারিখে সূর্য থেকে সমান দূরত্বে থাকার ফলে পৃথিবীর উভয় গোলার্ধে দিনরাত সমান হয়। বিষুবীয় অঞ্চলে তখন সূর্য মাথার উপরে অবস্থান করে খাড়াভাবে কিরণ দেয়, তখন বিষুবীয় অঞ্চলে বেশ গরম পড়ে। 
- বাংলাদেশে তখন দিনরাত সমান বলে তখন শীতও নয় আবার খুব গরমও নয়। দক্ষিণ গোলার্ধেও তখন শীত চলে গিয়ে গ্রীষ্মকাল আসতে থাকে, অর্থাৎ সেখানে তখন বসন্ত। 

২২ শে ডিসেম্বর: 
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধের একটি অংশ সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে। আর তখন বাংলাদেশ সূর্য থেকে দূরে অবস্থান করে। তাই তখন বাংলাদেশে দিন ছোট হয় এবং রাত বড় হয়। সূর্যকে দেখা যায় দক্ষিণ দিকে হেলে কিরণ দিতে। কম সময় এবং তির্যকভাবে কিরণ পায় বলে বাংলাদেশে তখন শীত পড়ে। পক্ষান্তরে, দক্ষিণ গোলার্ধের অস্ট্রেলিয়ায় তখন দিন বড়ো এবং রাত ছোটো হয়। সূর্য তখন দক্ষিণ গোলার্ধে খাড়াভাবে কিরণ দেয়। তাই দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল। 

২১ শে  মার্চ: 
- পৃথিবী ২১ মার্চ সূর্যের দিকে মুখ করে হেলে থাকে। তখন পৃথিবীর সকল স্থানে দিনরাত সমান হয়। এজন্য এই সময়ে বাংলাদেশেও দিনরাত সমান হয়। 
- এই সময়ে শীতও বেশি থাকে না আবার গরমও বেশি পড়ে না। এই সময়ে দেশে বসন্তকাল। ২১ মার্চের পরে পৃথিবী আবার ঘুরতে ঘুরতে ২১ জুন তারিখে আগের বছরের অবস্থানে ফিরে আসে। এভাবে সূর্যের দিকে পৃথিবীর অবস্থানের তারতম্যের কারণে দিনরাত ছোটো বা বড়ো হয় এবং ঋতু পরিবর্তিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

২,৮৬২.
মানবদেহের প্রাথমিক প্রতিরক্ষা স্তর কোনটি?
  1. ক) ফ্যাগোসাইট
  2. খ) সিরুমেন
  3. গ) লিম্ফোসাইট
  4. ঘ) টি - সেল
সঠিক উত্তর:
খ) সিরুমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিরুমেন
ব্যাখ্যা
মানবদেহের প্রথম প্রতিরক্ষা স্তরের অংশগুলো হচ্ছে ত্বক, লোম, অশ্রু ও লালা, সিরুমেন, পোষ্টিক নালীর এসিড এবং রেচন-জননতন্ত্রের এসিড৷
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৮৬৩.
বাংলাদেশে ইপিআই (EPI) কর্মসূচীতে কয়টি রোগের বিরুদ্ধে ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়?
  1. ১০
  2. ১২
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
 শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানোর লক্ষ্যে ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে সম্প্র্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) চালু হয়।
- শুরুতে ছয়টি রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হলেও বর্তমানে ১০টি রোগের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
এগুলো হলো:
- শিশুদের যক্ষ্মা
- পোলিও মাইলাইটিস
- ডিফথেরিয়া
- হুপিং কাশি
- মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার
- হেপাটাইটিস-বি
- হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ
- হাম
- রুবেলা
- নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।

উৎসঃ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ICDDR,B ওয়েবসাইট।
২,৮৬৪.
পার্বত্য এলাকায় অত্যধিক বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যাকে কী বলা হয়? 
  1. মৌসুমি বন্যা
  2. স্বাভাবিক বন্যা
  3. আকস্মিক বন্যা
  4. জোয়ার-ভাঁটাজনিত বন্যা
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য এলাকায় অত্যধিক বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যাকে বলা হয়- আকস্মিক বন্যা। 

বন্যা (Flood): 

- নদীমাতৃক ও বৃষ্টিবহুল বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে বর্ষা মৌসুমে সংঘটিত বন্যা অন্যতম। 
- ব্যাপকতার ভিত্তিতে বাংলাদেশে সাধারণ ও ভয়াবহ এই দুই ধরনের বন্যা হয়ে থাকে। 
- বন্যায় প্লাবিত এলাকার জন-জীবন ও সম্পদের বিপুল ক্ষতি সাধিত হয়। 

বন্যার প্রাকৃতিক কারণ: 
- বর্ষাকালে উত্তরাঞ্চলে নদীর উজানে প্রচুর বৃষ্টি। 
- মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব। 
- মূল নদীসমূহের গভীরতা হ্রাস পাওয়া। 
- শাখা নদীগুলো পলি দ্বারা ভরাট হয়ে যাওয়া। 
- হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ। 
- বঙ্গোপসাগরে ভরা জোয়ার। 

বন্যার মানব সৃষ্ট কারণ: 
- গঙ্গা নদীর উপর ফারাক্কা ও তিস্তা নদীর উপর নির্মিত বাঁধের প্রভাব। 
- বালু ভরাট করে নদীসমূহের স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা দান। 
- অপরিকল্পিত নগরায়ন ও জলাধার ভরাট করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘ্ন করা। 
- অপরিকল্পিত রাস্তাঘাট নির্মাণ। 


উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৬৫.
রক্তশূন্যতা বলতে বোঝায় -
  1. রক্তের পরিমাণ কমে যাওয়া
  2. রক্তরসের পরিমাণ কমে যাওয়া
  3. হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যাওয়া
  4. অণুচক্রিকার পরিমাণ কমে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যাওয়া
ব্যাখ্যা
রক্তশূন্যতা (Anemia): 
- রক্তাশূন্যতার প্রধান কারণ রক্তে হিমোগ্লোবিনের ঘনত্ব স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া
- খাদ্যের প্রধান উপাদান ভিটামিন বি১২ এর অভাবে এ রোগ দেখা যায়। 
- বাংলাদেশ সাধারণত লৌহ ঘটিত আমিষের অভাবে এ রোগ দেখা যায়। 
- শিশুদের ও গর্ভধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন মহিলাদের ক্ষেত্রে এ রোগ বেশি সংঘটিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৬৬.
বায়ুপ্রবাহের প্রধান কারণ কী? 
  1. বায়ুচাপের পার্থক্য
  2. জলীয়বাষ্পের পরিমাণ
  3. সূর্যের আলো
  4. পৃথিবীর ঘূর্ণন
সঠিক উত্তর:
বায়ুচাপের পার্থক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুচাপের পার্থক্য
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রভাব। 
- প্রধান বায়ুপ্রবাহের গতি অনুসরণ করে সমুদ্রের প্রধান শ্রোতগুলো প্রবাহিত হয়। 
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্রস্রোত পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে এবং প্রত্যয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ুর চলাচল নিয়ত পরিবর্তনশীল। 
- বায়ু সবসময়ই একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরাল অর্থাৎ আনুভূমিকভাবে বায়ুর এ সঞ্চালনকে বলা হয় বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ। 
- বায়ু সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়- 
• নিম্নচাপমন্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন বায়ুমন্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। ফলে উচ্চ তাপমন্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সবর্দা নিম্নচাপমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
• পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী, বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৬৭.
কোন ধরনের বায়ু পুরো বছর একই পথে প্রবাহিত হয়?
  1. স্থানীয় বায়ু
  2. সাময়িক বায়ু
  3. অনিয়মিত বায়ু
  4. নিয়ত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 

- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। যথা- 
• নিয়ত বায়ু, 
• সাময়িক বায়ু, 
• স্থানীয় বায়ু ও 
• অনিয়মিত বায়ু। 
 
নিয়ত বায়ু (Planatary Winds): 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 

- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- 
- অয়ন বায়ু, 
- পশ্চিমা বায়ু ও 
- মেরু বায়ু। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৬৮.
'BNT116' কোন রোগের ভ্যাকসিন?
  1. জলাতঙ্ক
  2. ফুসফুস ক্যান্সার
  3. মাম্প্‌স
  4. এমপক্স
সঠিক উত্তর:
ফুসফুস ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুসফুস ক্যান্সার
ব্যাখ্যা
বিশ্বে প্রথম ফুসফুস ক্যান্সারের টিকার নাম:
- রোগীদের মধ্যে বিশ্বের প্রথম ফুসফুস ক্যানসারে এমআরএনএ টিকার পরীক্ষা শুরু করেছেন চিকিৎসকরা।
- বিএনটি১১৬ নামের এই টিকা বানিয়েছে বায়োএনটেক।
- নন-স্মল সেল লাং ক্যানসারের (এনএসসিএলসি) চিকিৎসার জন্য এই টিকা বানানো হয়েছে। ফুসফুসের এই ধরনের ক্যানসারেই সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়।
- বিএনটি ১১৬-এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রথম ধাপের ক্লিনিকাল ট্রায়াল ৭টি দেশের ৩৪টি গবেষণা কেন্দ্রে চালানো হবে।

সূত্র- বিবিসি রিপোর্ট।  
২,৮৬৯.
ক্যান্সার নির্ণয়ে ব্যবহৃত তেজস্ক্রিয় গামা রশ্মির বিকিরণের উৎস কোনটি?
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোবার
  3. আইসোটোন
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সব শাখায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
যেমন- 
খাদ্য দ্রব্য সংরক্ষণে: 
- বিভিন্ন কৃষিজাত ও অন্যান্য পচনশীল খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে ব্যাপকভাবে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- খাদ্যদ্রব্য বেশি দিন ঘরে বা গুদামে রাখলে তা বিভিন্ন পোকামাকড় বা জীবাণুর আক্রমণে নষ্ট হতে পারে। 
- তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রয়োগ করলে এ সকল আক্রমণ থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা যায়। 
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা হয়।

চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে। 
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 

অন্যদিকে,
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে ফসফরাস-৩২ (32P) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32, C-14, DNA, RNA) এবং কার্বন ব্যবহার করে ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড এর গঠনের হার পর্যালোচনা করে মানুষের জীবন রহস্য সম্পর্কে অনেক তথ্য উদঘাটনে সক্ষম হয়েছে। 
- শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৭০.
যক্ষার টিকা আবিষ্কারক-
  1. ক) ক্যালসাট ও গুয়েচিন
  2. খ) ক্যালসাট ও ফ্লেমিং
  3. গ) গুয়েচিন ও জোনাস
  4. ঘ) মারটিনি ও কত
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসাট ও গুয়েচিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসাট ও গুয়েচিন
ব্যাখ্যা
যক্ষা রোগের টিকার নাম বিসিজি। টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন। ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়।
২,৮৭১.
নিম্নের কোনটি বংশগত রোগ?
  1. ক) যক্ষ্মা
  2. খ) পোলিও
  3. গ) এপিলেপসি
  4. ঘ) হাঁপানি
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাঁপানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাঁপানি
ব্যাখ্যা
হাঁপানি একটি বংশগত রোগ। 

- হাঁপানি একটি শ্বাসকষ্ট সম্বলিত রোগ। যার মূল লক্ষণ হলো শ্বাস কষ্ট ও সাঁসাঁ শব্দে নিঃশ্বাস ফেলা।
- হাঁপানি আক্রমণের সময় শ্বাসনালীর আস্তরণ ফুলে যায়, যার ফলে শ্বাসনালী এতটাই সংকীর্ণ হয়ে যায় যে প্রশ্বাস ও নি:শ্বাসে শ্বাসবায়ুর গতি অনেকটাই কমে যায়। 

হাঁপানির কারণসমূহ-
১. ঘরের বিছানা, কার্পেট, আসবাবে জমে থাকা ধুলো। 
২. ধূমপান এবং তামাকের ধোঁয়ার সংস্পর্শ পরিহার করতে হবে।
৩. অফিসে ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্য। 
৪. ঠাণ্ডা বাতাস হাঁপানির তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়। এ সময় ওষুধের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে হবে।
৫. অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেও উঠতে পারে হাঁপানির টান।

হাঁপানির লক্ষণসমূহ-
১. কাশি-রাতে বা সকালে ঘুম থেকে উঠে অনবরত কাশির সমস্যা।
২. নাকে সোঁ সোঁ শব্দ হওয়া-শ্বাস-প্রশ্বাসে সোঁ সোঁ শব্দ হওয়া। বিশেষ করে ঘুমের মধ্যে বাড়ে এই আওয়াজ।
৩. বুক শক্ত হয়ে ওঠা-বুকের মধ্যে চাপ বা ভারী ভাব অনুভব করা। 
৪. শ্বাস-প্রশ্বাস ছোট হয়ে আসা- অনেক সময় মনে হয় শ্বাস-প্রশ্বাস ছোট হয়ে আসছে বা ফুসফুস প্রয়োজনমতো অক্সিজেন ভরতে পারছে না।

চিকিৎসা-
- স্টেরয়েড, অ্যামাইনোফাইলিন, ক্রোমগ্লাইকেট ইত্যাদি প্রতিরোধক ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
- হাঁপানির চিকিৎসায় ইনহেলার সবচেয়ে উপকারী এবং আধুনিক পদ্ধতি। এতে খুব অল্প মাত্রার ওষুধ প্রয়োগ করেই ভালো ফল পাওয়া যায়। খুব একটা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও হয় না।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২,৮৭২.
বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য _____ মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মিশিয়ে p- টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরি করা হয়।
  1. পঞ্চযোজী
  2. দ্বিযোজী
  3. ত্রিযোজী
  4. অষ্টযোজী
সঠিক উত্তর:
ত্রিযোজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিযোজী
ব্যাখ্যা
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৮৭৩.
নিচের কোনটি পরিবর্তী প্রবাহ (A.C) কে একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে?
  1. ক) অ্যামপ্লিফায়ার
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) রেকটিফায়ার
  4. ঘ) ডায়োড
সঠিক উত্তর:
গ) রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা
রেকটিফায়ার হলো একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ (AC) কে একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহ (DC) এ রূপান্তরিত করে।

যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে।
এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)।

একমুখীকারক দু'প্রকারের। যথা- (ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং (খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
২,৮৭৪.
ভারত মহাসাগরে ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী সুনামি আঘাত হানে কত সালে?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
• ২০০৪ সালের সুনামি:
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরের উপকূলবর্তী ১৪টি দেশে হানা দিয়েছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী সুনামি।
- ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুমাত্রা থেকে ১০০ মাইল পশ্চিমে সমুদ্রগর্ভের প্রায় ১৯ মাইল নিচে উৎপন্ন হয় ৯ দশমিক ৩ মাত্রার ভূকম্পন।
- ভূকম্পনটি ৮ থেকে ১০ মিনিট স্থায়ী হয়।
- সুনামি ঢেউয়ের গতি ছিল ঘণ্টায় ৭০০-৮০০ কি.মি।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমায় ফেলা পারমাণবিক বোমার চেয়ে ২৩ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল ভূকম্পনটি।
- দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে সুদূর আফ্রিকা পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের উপকূলে আঘাত করে এই ভয়াবহ সুনামি।
- কোথাও কোথাও প্রায় ১০০ ফুট উঁচু ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৮৭৫.
২১শে জুন সূর্য কোন অক্ষাংশে বরাবর লম্বভাবে কিরণ দেয়?
  1. ০° অক্ষাংশে
  2. ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ
  3. ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ
  4. ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফল ও দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি:
⇒ পৃথিবী নিজ কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে ২১শে জুন তারিখে এমন অবস্থানে আসে যে, ঐ দিন উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর সূর্য রশ্মি লম্বভাবে পতিত হয়।
- অর্থাৎ সূর্য ২১শে জুন তারিখে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- ২১ শে জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে সর্বাপেক্ষা বড় দিন (১৪ ঘণ্টা) ও সর্বাপেক্ষা ছোট (১০ ঘণ্টা) রাত হয়ে থাকে।
- সূর্যের এই অবস্থানকে সূর্যের উত্তরায়ণ বলে।
- এ সময়ে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে হেলে থাকায় দীর্ঘ দিবাভাগ ও অপেক্ষাকৃত কম দীর্ঘ রাত্রি সংঘটিত হয়।
- এ সময়ে সূর্যের কিরণ দীর্ঘ সময় যাবৎ ভূ-পৃষ্ঠ ও তৎসংলগ্ন বায়ুস্তরকে অত্যন্ত উত্তপ্ত করে তোলে।
- ফলে এপ্রিল মাসের প্রথম ভাগ থেকে জুন মাসের শেষ ভাগ পর্যন্ত উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।
- অপরদিকে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে অধিক দূরত্বে অবস্থান করায় সে সময়ে ঐ গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করে।
- সূর্য উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা পর্যন্ত লম্বভাবে কিরণ দিতে পারে।
- অতএব ২১ শে জুন ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখায় সূর্যের উত্তরায়ণকে কর্কট সংক্রান্তি বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৭৬.
ঘূর্ণিঝড়ের সময় সমুদ্রের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পানি স্থলভাগে ঢুকে পড়লে সেটিকে কী বলা হয়? 
  1. বর্ষা
  2. প্লাবন
  3. জলোচ্ছ্বাস
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস: 
- বাংলাদেশে প্রায় প্রতি বছরই ঘূর্ণিঝড় হয়ে থাকে। 
- দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সমুদ্রোপকূল এলাকায় এর তীব্রতা বেশি। 
- সমুদ্রে যখন নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় তখন তা সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের আকারে স্থলভাগের দিকে আসে। এর ফলে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি উঁচু হয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই স্থলভাগে ঢুকে পড়ে। তখন তাকে জলোচ্ছ্বাস বলা হয়। 
- তীব্রতা ও স্থানভেদে এই জলোচ্ছ্বাসকে কখনও বলা হয় টর্নেডো কখনও বা হারিকেন বা সাইক্লোন। জলোচ্ছ্বাসের মাত্রা কেমন তার উপর নির্ভর করে বিভিন্ন দেশে এবং বিভিন্ন সময়ে এই নাম দেওয়া হয়। 
- বাংলাদেশের মাটির লবণাক্ততার প্রধান কারণ সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে ভূমি প্লাবিত হওয়া। জলোচ্ছ্বাসজনিত কারণে লবণাক্ত পানি ফসলি জমিতে ঢুকে পড়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং পরবর্তীকালের জন্য তা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। 
- দেশের দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব এবং পূর্ব-মধ্যাঞ্চলের ফসল ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক-ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘূণিঝড়ের গতিবেগ ঘন্টায় এমনকি ১৫০ কিলোমিটারেরও বেশি হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশে প্রধানত বৈশাখ (মধ্য এপ্রিল) থেকে আরম্ভ করে আশ্বিন-কর্তিক (নভেম্বর) মাসে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হয়। 
- বৈশাখ মাসে হলে তাকে প্রাক-খরিফ আর আশ্বিন-কর্তিক মাসে হলে তাকে প্রাক-রবি জলোচ্ছ্বাস বলা যায়। এই উভয় সময়েই কম-বেশি মাত্রায় তীব্র জোয়ারসহ জলোচ্ছ্বাসে কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। 
- জলোচ্ছ্বাসের ফলে সাধারণত ৬-১২ ঘন্টা পর্যন্ত সমুদ্র বা নদীর অতিরিক্ত পানি জমির উপরে থাকে। তবে পানি সরে যাওয়ার পরও ক্ষতির প্রভাব থেকে যায় অনেকদিন পর্যন্ত। 

উৎস: কৃষিশিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৭৭.
তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয় -
  1. রক্তস্বল্পতার চিকিৎসায়
  2. থাইরয়েড গ্রন্থির চিকিৎসায়
  3. দেহের হাড়ের চিকিৎসায়
  4. ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করতে
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড গ্রন্থির চিকিৎসায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড গ্রন্থির চিকিৎসায়
ব্যাখ্যা
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
-  আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 ব্যবহৃত হয়।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনিশিয়াম-99 আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
২,৮৭৮.
Origin of Species by Means of Natural Selection গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৫৩
  2. খ) ১৮৫৯
  3. গ) ১৮৫৮
  4. ঘ) ১৮৫২
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৫৯
ব্যাখ্যা
চার্লস ডারউইন বিবর্তনবাদ ধারণার জন্য প্রসিদ্ধ। তার বিখ্যাত গ্রন্থ Origin of Species by Means of Natural Selection প্রকাশিত হয় ১৮৫৯ সালের ২৪ নভেম্বর।
সোর্সঃ history.com
২,৮৭৯.
মঙ্গল গ্রহের আকার পৃথিবীর প্রায়-
  1. এক তৃতীয়াংশ
  2.  অর্ধেক
  3. দ্বিগুণ
  4. সমান
সঠিক উত্তর:
 অর্ধেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 অর্ধেক
ব্যাখ্যা

• মঙ্গল (Mars):
- মঙ্গল গ্রহ সৌরজগতের সবচেয়ে অন্বেষণযোগ্য বস্তুগুলির মধ্যে একটি।
- প্রাচীন রোমানরা তাদের যুদ্ধের দেবতার নামানুসারে মঙ্গল গ্রহের নামকরণ করেছিল
- এটিকে প্রায়শই "লাল গ্রহ" বলা হয় কারণ মঙ্গল গ্রহের মাটিতে থাকা লোহার খনিজগুলি জারিত হয় বা মরিচা পড়ে, যার ফলে পৃষ্ঠটি লাল দেখায়।
- মঙ্গল গ্রহ সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণ করার সময়, প্রতি ২৪.৬ ঘন্টা অন্তর একটি আবর্তন সম্পন্ন করে
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার এবং আকার পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গলে ফোবস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস: NASA.

২,৮৮০.
ওজোন গ্যাস বায়ুমণ্ডলের কোন কাজ সম্পন্ন করে? 
  1. এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি 
  2. অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ 
  3. তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ 
  4. বাতাসের চাপ বৃদ্ধি 
সঠিক উত্তর:
অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ 
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের গঠন উপাদান: 
- জীবন ধারণের জন্য পৃথিবীর জীবকুলের কাছে যেসব জিনিস অপরিহার্য বায়ুমণ্ডল তাদের মধ্যে অন্যতম। 
- যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে বলে বায়ুমণ্ডল। 
- পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে বায়ুমণ্ডলও ভূপৃষ্ঠের চারদিকে জড়িয়ে থেকে অনবরত আবর্তন করছে। 
- বায়ুমণ্ডলের বর্ণ, গন্ধ, আকার কিছুই নেই, তাই একে খালি চোখে দেখা যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 
- বায়ুমণ্ডলের ব্যাপ্তি যত বিশাল হোক না কেন, এর প্রায় ৯৭ ভাগ উপাদানই ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। 
- তাই মানুষ, উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর উপর এর প্রভাব অত্যন্ত বেশি। 
- বায়ুমণ্ডল প্রধানত বিভিন্ন প্রকার উপাদান দ্বারা গঠিত। 
যেমন- 
• নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন (Ar) ⇒ ০.৮০, 
• কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ⇒ ০.০৩, 
• অন্য গ্যাসসমূহ (নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, ওজোন, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড) ⇒ ০.০২, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১, 
• ধূলিকণা ও কণিকা ⇒ ০.০১ । 

- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুটি- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। 
- বায়ুমণ্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ এবং বাকি শতকরা ১.২৭ ভাগ অন্যান্য গ্যাস, জলীয়বাষ্প ও কণিকাসমূহ জায়গা জুড়ে আছে। 
- জীবজগৎ পরস্পর অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের গ্রহণ ও ত্যাগের মাধ্যমে বেঁচে আছে। 
- ওজোন গ্যাসের স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে জীবজগৎকে রক্ষা করে। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৮৮১.
ইনসুলিন নিঃসৃত হয় কোথায় থেকে?
  1. লিভার হতে
  2. পিটুইটারী গ্ল্যান্ড হতে
  3. প্যানক্রিয়াস হতে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্যানক্রিয়াস হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যানক্রিয়াস হতে
ব্যাখ্যা
অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়। ইনসুলিনের অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়।
অগ্ন্যাশয়ের ইংরেজি হচ্ছে প্যানক্রিয়াস।
প্যানক্রিয়াস(pancrea) হল মানুষের একটি অংগ যা একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। পাকস্থলী যেখানে শেষ হয়, ডিওডেনাম সেখানে শুরু হয়। আর ডিওডেনামের পিছনেই এটির অবস্থান।

এটা মূলত দুই ধরনের কাজ করে।
১) খাদ্য হজমের জন্য পাচক রস বা ডাইজেস্টিভ জুস তৈরি করে পাকস্থলীতে সরবরাহ করে।
২) ইন্সুলিন ও গ্লুকাগন নিঃসরণ করে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৮৮২.
মঙ্গলগ্রহে প্রেরিত নভোযান কোনটি?
  1. সরুজ
  2. এপোলা
  3. ভয়েজার
  4. ভাইকিং
সঠিক উত্তর:
ভাইকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইকিং
ব্যাখ্যা
- মার্কিন মহাকাশযান সফলভাবে মঙ্গল গ্রহে উড়েছে (মেরিনার্স 4, 6 এবং 7), 
- গ্রহকে প্রদক্ষিণ করেছে (মেরিনার 9 এবং ভাইকিংস 1 এবং 2), এবং 
- এর পৃষ্ঠে ল্যান্ডে মডিউল স্থাপন করেছে (ভাইকিংস 1 এবং 2)। 

U.S. spacecraft successfully flew by Mars (Mariners 4, 6, and 7), orbited the planet (Mariner 9 and Vikings 1 and 2), and placed lander modules on its surface (Vikings 1 and 2).
উৎস: Britannica Encyclopedia. 
২,৮৮৩.
উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কী বলা হয়?
  1. সুমেরুবৃত্ত
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. কুমেরুবৃত্ত 
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা

- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer) বলা হয়। এই রেখাটি পৃথিবীর মানচিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাল্পনিক রেখা এবং কর্কট সংক্রান্তির সময় (উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালীন অয়নান্ত) সূর্য এই রেখার ঠিক উপরে লম্বভাবে কিরণ দেয়। 

কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে। 
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। 
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে। 

নিরক্ষরেখা: 
- পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে। 
- নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো- বিষুবরেখা (Equator), ০° অক্ষরেখা (০° Latitude), মহাবৃত্ত (Great circle)।

সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত: 
- উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

২,৮৮৪.
কোনটি উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে?
  1. বিষন্নতা
  2. বংশগত কারণে
  3. নিদ্রাহীনতা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
উচ্চ রক্তচাপ: 
- উচ্চ রক্তচাপকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন (Hypertension) বলে। 
- শরীর ও মনের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ যদি বয়সের জন্য নির্ধারিত মাত্রার উপরে অবস্থান করতে থাকে, তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে। 
- রক্তের চাপ যদি কম থাকে তা হলে তাকে নিম্ন রক্তচাপ বলে। 
- হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে হৃদপিণ্ড থেকে ধমনির মাধ্যমে রক্ত প্রবাহকালে ধমিন গাত্রে কোনো ব্যক্তির সিস্টোলিক রক্তচাপ যদি হয় সব সময় ১৬০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি এবং ডায়াস্টোলিক সব সময় ৯৫ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি থাকে, তবে তার উচ্চ রক্তচাপ আছে বলা যায়। 
- উত্তেজনা, চিন্তা, বিষন্নতা, নিদ্রাহীনতা বা অন্য কোনো কারণে যদি রক্তচাপ সাময়িকভাবে নির্দিষ্ট সীমানা অতিক্রম করে, তবে তাকে হাইপারটেনশন বলা যাবে না এবং এ অবস্থায় কোনো ওষুধরেও প্রয়োজন হয় না। 
- উচ্চ রক্তচাপ বংশগত (Genetic High blood presere) হতে পারে। 
- উচ্চরক্তচাপ ভীতির কোনো কারণ নয় তবে নিয়মিত ঔষধ সেবনে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। 

- হৃদপিণ্ড থেকে রক্তনালীর মাধ্যমে রক্ত প্রবাহকালে ধমনি প্রাচীরে যে চাপের সৃষ্টি করে তাকে রক্তচাপ বলে।
- হৃদপিণ্ড একটা নির্দিষ্ট নিয়মে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়।
- হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণকে যথাক্রমে সিস্টোল (Systole) এবং ডায়াস্টোল (Diastole) বলে। 
- মানুষের রক্তচাপ প্রধানত অ্যাসকালটেটরি (Auscultatory) পদ্ধতিতে নির্ণয় করা হয়।
- অ্যাসকালটেটরি বা শ্রুতি নির্ভর পদ্ধতি (Auscultatory Method)। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৮৫.
বিজ্ঞানের কোন শাখায় মহাবিশ্বের সৃষ্টির রহস্য নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. কসমোলজি
  2. আর্কিওলজি
  3. প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা
  4. নৃবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
কসমোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসমোলজি
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য:
- মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য এবং পরিণতি সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণা এবং বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিজ্ঞানের একটি শাখা সৃষ্টি হয়েছে, যা কসমোলজি (Cosmology) বা ‘মহাজাগতিক বিজ্ঞান' নামে পরিচিত।
- বিংশ শতাব্দীতে দুই জন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিকের দ্বারা দুটি পরীক্ষা সংঘটিত হয়, যেগুলোর মাধ্যমে মহাবিশ্ব সম্পর্কে একটি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণা প্রায় সকল পদার্থ বিজ্ঞানীদের মাঝে গৃহীত হয়েছে। পরীক্ষা দুটি হলো-
• মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ।
• মহাজাগতিক পশ্চাৎপট বিকিরণ।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৮৬.
ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির সংকেতকে কী বলা হয়?
  1. অক্টাল
  2. ডেসিমাল
  3. বাইনারি
  4. হেক্সাডেসিমাল
সঠিক উত্তর:
বাইনারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইনারি
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system), 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system) । 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়। 
- ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়। 
- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়। 
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। 
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে 0 এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৮৭.
বায়ুমন্ডলের তৃতীয় স্তরটির নাম কী?
  1. ক) ট্রপোমন্ডল
  2. খ) স্ট্র্যাটোমন্ডল
  3. গ) আয়নমণ্ডল
  4. ঘ) এক্সোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
গ) আয়নমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আয়নমণ্ডল
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের স্তরবিন্যাসঃ ভূপৃষ্ঠ > ট্রপোস্ফিয়ার > স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার > থার্মোস্ফিয়ার/আয়নোস্ফিয়ার > এক্সোস্ফিয়ার > ম্যাগনেটোস্ফিয়ার।
উৎসঃভূগোল ও পরিবেশঃনবম -দশম শ্রেণী
২,৮৮৮.
উপগ্রহের সংখ্যার দিক থেকে কোন গ্রহ শীর্ষে?
  1. মঙ্গলের
  2. বৃহস্পতির
  3. নেপচুনের
  4. বুধের
  5. শনির
সঠিক উত্তর:
শনির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শনির
ব্যাখ্যা

• উপগ্রহের সংখ্যার দিক থেকে শনির শীর্ষে অবস্থান। আমাদের সৌরজগতে প্রতিটি গ্রহের নিজস্ব উপগ্রহ বা চাঁদ রয়েছে। তবে উপগ্রহের সংখ্যা অনুযায়ী পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। মঙ্গল এবং পৃথিবীর মতো গ্রহের কয়েকটি মাত্র উপগ্রহ আছে, যেমন মঙ্গলের দুইটি ছোট চাঁদ। বৃহস্পতির বহু উপগ্রহ রয়েছে, তবে শনির উপগ্রহের সংখ্যা বৃহস্পতির চেয়ে বেশি। শনির বৃহৎ এবং সুপরিচিত রিং সিস্টেমের পাশাপাশি অনেক ছোট ও বড় চাঁদ রয়েছে। নেপচুনেরও কয়েকটি উপগ্রহ আছে, কিন্তু শনির উপগ্রহের তুলনায় তা কম। সুতরাং, উপগ্রহের সংখ্যার দিক থেকে শনিই শীর্ষে।

গ্রহ: 
- সৌরজগতের গ্রহ ৮টি।
- মঙ্গলের উপগ্রহ দুইটি (ফোবস ও ডিমোস)।
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ শনির।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপগ্রহ বৃহস্পতির।
- ইউরেনাসকে সবুজগ্রহ বলা হয়। 
- বুধকে ক্ষুদ্রগ্রহ বলা হয়। 
- মঙ্গলকে লালগ্রহ বলা হয়। 
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলা হয়। 
- পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি (চাঁদ)। 
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের। 
- শনি গ্রহের উপগ্রহের্ সংখ্যা  ৮৩টি। 
- বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৮০টি।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

২,৮৮৯.
যে সকল পরমাণুর ভরসংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে বলে-
  1. আইসোবার
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোটোন
  4. পারমাণবিক সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা
- যে সকল পরমাণুর ভরসংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোবার বলে। ভরসংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়।
- যে সকল পরমাণুতে সমান সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাদের পরস্পরকে আইসোটোন বলে।
- একই মৌলের একাধিক ভরসংখ্যা বিশিষ্ট পরমাণু থাকলে সেগুলোকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটন সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯০.
ব্যাসল্ট কী ধরনের শিলা?
  1. পাললিক শিলা
  2. বহিঃজ আগ্নেয় শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
সঠিক উত্তর:
বহিঃজ আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহিঃজ আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা
- ভূঅভ্যন্তরের উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাহিরে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে যে আগ্নেয় শিলা তৈরি তা বহিঃজ আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত।
এরূপ শিলার মধ্যে রয়েছে:
- ব্যাসল্ট
- অ্যান্ডিসাইট
- রায়োলাইট প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- ভূঅভ্যন্তরের উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাহিরে না এসে ভূগর্ভে জমাটবদ্ধ হয়ে যে আগ্নেয় শিলা তৈরি তা অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত।
এরূপ শিলার মধ্যে রয়েছে:
- গ্রানাইট
- গ্যাব্রো
- ডলোরাইট
- ল্যাকোলিথ
- ব্যাথোলিথ
- ডাইক
- সিল প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৫০)
২,৮৯১.
আমব্রিয়েল, টাইটানিয়া এবং ওবেরন কোন গ্রহের উপগ্রহ?
  1. মঙ্গল
  2. ইউরেনাস
  3. শনি
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইউরেনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনাস
ব্যাখ্যা
ইউরেনাস:
- ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল।
- এই গ্রহের বায়ুতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস উপস্থিত হওয়ায় এটিকে সবুজ রঙের দেখা যায়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলা হয়।
- এটি সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ।
- ইউরেনাসে একদিন সময় লাগে প্রায় ১৭ ঘন্টা।
- উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮১ সালে গ্রহটি আবিষ্কার করেছিলেন।
- ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ ২৮টি।
- এর মধ্যে প্রধান পাঁচটি চাঁদ: মিরান্ডা, এরিয়েল, আমব্রিয়েল, টাইটানিয়া এবং ওবেরন

অন্যদিকে -
- মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ দুইটি: ডিমোস ও ফোবোস।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) NASA ওয়েবসাইট।
২,৮৯২.
স্নায়ুকোষ বা নিউরনের ক্ষেত্রে সঠিক নয়-
  1. ক) এর কোষে সেন্ট্রিওল থাকে না
  2. খ) এটি মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ
  3. গ) এর কোষদেহে সাইট্রোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস থাকে
  4. ঘ) অন্যান্য কোষের মতো বিভাজিত হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) অন্যান্য কোষের মতো বিভাজিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অন্যান্য কোষের মতো বিভাজিত হয়
ব্যাখ্যা
স্নায়তন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একককে স্নায়ুকোষ বা নিউরন বলে। নিউরন মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ। নিউরন দুইটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত।
যথা- ক) কোষদেহ এবং খ) প্রলম্বিত অংশ।
কোষদেহ : কোষদেহ নিউরনের প্রধান অংশ। কোষদেহ বিভিন্ন আকৃতির হয়, যেমন-গোলাকার, ডিম্বাকার বা নক্ষত্রাকার। কোষদেহ কোষ আবরণী, সাইট্রোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস দ্বারা গঠিত। এই কোষে সেন্ট্রিওল থাকে না। তাই এরা অন্যান্য কোষের মতো বিভাজিত হয় না।
প্রলম্বিত অংশ : কোষদেহ থেকে উৎপন্ন শাখা-প্রশাখাকে প্রলম্বিত অংশ বলে। প্রলম্বিত অংশ দুই প্রকার। যথা- ১) অ্যাক্সন এবং ২) ডেনড্রন।
[সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি]
২,৮৯৩.
কোনো পদার্থ কতটুকু অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝতে কোন বিজ্ঞানী pH স্কেল ব্যবহার করেন?
  1. জে. জে. থমসন
  2. জেমস চ্যাডউইক
  3. আইনস্টাইন
  4. সোরেনসেন
সঠিক উত্তর:
সোরেনসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোরেনসেন
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়।
- কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+

- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯৪.
নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে কোন সার প্রস্তুত করা হয়?
  1. ক) টিএসপি
  2. খ) সবুজ সার
  3. গ) পটাশ
  4. ঘ) ইউরিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে ইউরিয়া সার প্রস্তুত করা হয়। 

- ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সংবলিত রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%।
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে।
- গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে।
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে।
- গাছের কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে।
- এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে।

সূত্র: কৃষি বাতায়ন ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
২,৮৯৫.
বস্তুর ভর সৃষ্টি করে কোন কণা?
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) নিউট্রন
  3. গ) হিগ-বোসন
  4. ঘ) মেসন
সঠিক উত্তর:
গ) হিগ-বোসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিগ-বোসন
ব্যাখ্যা
- পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে শক্তি হিসেবে এমন একটি কণার ধারণা দেন যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং যার ফলে এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে এ কণাটিই হলো হিগের কণা।
- হিগের কণা সৃষ্টিতে অবদান রাখেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর 'কণা পরিসংখ্যান তত্ত্ব'।
- বিজ্ঞানী হিগের সাথে সতেন্দ্রনাথকে জড়িয়ে হিগের কণার নাম দেন- হিগস বোসন কণা।
- হিগস বোসন কণার অপর নাম- ঈশ্বর কণা।
- হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে।
- হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান - পিটার ডব্লিউ হিগস ও ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট।
২,৮৯৬.
রোগীর জন্ডিস শরীরের কোন স্থানে ভালোভাবে ফুটে ওঠে?
  1. হাতের তালু
  2. চোখের sclera
  3. চোখের Conjunctiva
  4. জিহ্বার তলদেশ
সঠিক উত্তর:
চোখের Conjunctiva
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোখের Conjunctiva
ব্যাখ্যা
জন্ডিস হল এমন একটি অবস্থা যা শরীরে অতিরিক্ত বিলিরুবিন জমার কারণে ত্বক, চোখ এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লি হলুদ হয়ে যায়।
- বিলিরুবিন হল একটি হলুদ রঙ্গক যা লাল রক্তকণিকা ভাঙ্গনের সময় গঠিত হয়। জন্ডিসের উপস্থিতি লিভার, গলব্লাডার বা লোহিত রক্তকণিকা ভাঙ্গনের সাথে একটি অন্তর্নিহিত সমস্যা নির্দেশ করে। 

- ত্বক এবং চোখের হলুদ হওয়া

- গাঢ় প্রস্রাব: জন্ডিস গাঢ় রঙের প্রস্রাব হতে পারে, যা প্রস্রাবে অতিরিক্ত বিলিরুবিনের উপস্থিতির ফলস্বরূপ।

- ফ্যাকাশে মল: অন্ত্রে বিলিরুবিনের অভাবের কারণে মল ফ্যাকাশে বা মাটির রঙের হয়ে যেতে পারে।

- চুলকানি (প্রুরিটাস): জন্ডিস ত্বকে তীব্র চুলকানির কারণ হতে পারে, যা কিছু ব্যক্তির জন্য বিরক্তিকর হতে পারে।

- ক্লান্তি এবং দুর্বলতা: জন্ডিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ক্লান্তি এবং দুর্বলতা অনুভব করতে পারেন, কারণ অন্তর্নিহিত লিভার বা গলব্লাডার সমস্যা শরীরের পুষ্টি প্রক্রিয়াকরণ এবং শক্তি উত্পাদন করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

পেটে ব্যথা: পিত্তথলি-সম্পর্কিত জন্ডিসের ক্ষেত্রে, পেটে ব্যথা, বিশেষ করে উপরের ডান চতুর্ভুজ অংশে হতে পারে।

- ক্ষুধা হ্রাস: জন্ডিস ক্ষুধা হ্রাস এবং অনিচ্ছাকৃত ওজন হ্রাস হতে পারে।

- বমি বমি ভাব এবং বমি: জন্ডিসে আক্রান্ত কিছু ব্যক্তির বমি বমি ভাব এবং বমি হতে পারে।

- মানসিক বিভ্রান্তি (হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি): গুরুতর ক্ষেত্রে, যকৃতের কর্মহীনতার সাথে সম্পর্কিত জন্ডিস মানসিক বিভ্রান্তি, স্মৃতির সমস্যা এবং পরিবর্তিত চেতনা হতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৮৯৭.
নিম্নলিখিত কোনটির উপর বাংলাদেশ অবস্থিত?
  1. ক) ট্রপিক অব ক্যাপ্রিকন
  2. খ) ইকুয়েটর
  3. গ) আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
  4. ঘ) ট্রপিক অব ক্যানসার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ট্রপিক অব ক্যানসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ট্রপিক অব ক্যানসার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত। সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।

- এছাড়া বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
২,৮৯৮.
কোন বলের কারণে সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে? 
  1. অভিকর্ষ বল
  2. সবল নিউক্লীয় বল
  3. মহাকর্ষ বল
  4. তড়িৎচৌম্বকীয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
বল: 
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। 
- বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে। 
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। যথা- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তাড়িতচৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, 
৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং 
৪। সবল নিউক্লীয় বল। 

মহাকর্ষ বল: 
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
- এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে। 
- এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই। 
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৯৯.
প্রবল জোয়ারের কারণ, যখন-
  1. সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে
  2. চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে
  3. পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
  4. সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
সঠিক উত্তর:
সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
ব্যাখ্যা
• প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময় সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করে।

• জোয়ার-ভাটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আর্ষণ শক্তি পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। সমুদ্র পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং. নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিক শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাটা হয়।- জোয়ার ভাটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।
- সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়।
- অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করে। এর ফলে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি একই দিক হতে একই সাথে কার্যকরী হয়। সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণের কম হলেও এ সময় উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ আর ও প্রবল হয়।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯০০.
সুর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র কোনটি?
  1. ক) আলফা সেন্টুরাই
  2. খ) সিরিয়াস
  3. গ) বার্নার্ড’স স্টার
  4. ঘ) লাকাইল ৯৩৫২
সঠিক উত্তর:
ক) আলফা সেন্টুরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলফা সেন্টুরাই
ব্যাখ্যা
সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র হচ্ছে আলফা সেন্টুরাই নক্ষত্র। এটি পৃথিবী থেকে চার আলোক বর্ষ দূরে অবস্থিত। আলফা সেঞ্চুরাই আসলে একটি ত্রিপল স্টার সিস্টেম।
Source: NASA