বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৪১ / ৩০৬ · ৪,০০১৪,১০০ / ৩০,৮৩২

৪,০০১.
জেনারেল ইয়াহিয়া খান আইনগত কাঠামো আদেশ জারি করেন-
  1. ক) ১৯৬৮ সালে
  2. খ) ১৯৬৯ সালে
  3. গ) ১৯৭০ সালে
  4. ঘ) ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের ২৮ নভেম্বর জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান একটি 'আইনগত কাঠামো আদেশ' জারির মাধ্যমে নির্বাচিত জনগণের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। ১৯৭০ সালের ৩০ মার্চ তিনি আইনগত কাঠামো আদেশ (Legal Frame-work Order- LFO) জারি করেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৪,০০২.
বাঙালির মুক্তির সনদ ‘ছয় দফা' কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘােষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪
  2. খ) ২২ মার্চ ১৯৫৮
  3. গ) ২০ এপ্রিল ১৯৬২
  4. ঘ) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
৪,০০৩.
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের গণহত্যার নীলনকশা করে কে?
  1. ক) টিক্কা খান
  2. খ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. গ) ইয়াহিয়া খান
  4. ঘ) আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
ক) টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
২৫শে মার্চের গণহত্যা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে বাঙালির তথা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়, যা 'কালরাত্রি' নামে পরিচিত।
- সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র, নিরহ, স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর হামলা করে এবং নির্বিচারে হত্যা চালায়।
- পাকিস্তান তাদের এ অভিমানের নাম দেয় অপারেশন সার্চলাইট।
১৮ই মার্চ টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চলাইট' বাঙালির ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ড পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০০৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপন্ন হয়?
  1. রাজশাহী
  2. নওগাঁ
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৪,০০৫.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী?
  1. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
নিহত আবু সাঈদ
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন যখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।  
৪,০০৬.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল-
  1. ক) ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে
  2. খ) ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে
  3. গ) ৬ মার্চ, ১৯৭১ সালে
  4. ঘ) ৭ মার্চ, ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন আ.স.ম আব্দুর রউফ।
উৎসঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
৪,০০৭.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম ওশেনিয়ার দেশ-
  1. ক) ফিজি
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) টোংগা
  4. ঘ) নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ) টোংগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টোংগা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী,
- প্রথম ওশেনিয়ার দেশ- টোংগা।
- প্রথম উত্তর আমেরিকার দেশ- বার্বাডোস।
- প্রথম সমাজতান্ত্রিক বা ইউরোপীয় দেশ- পূর্ব জার্মানি।
- প্রথম মুসলিম দেশ বা আফ্রিকান দেশ- সেনেগাল।
- প্রথম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ- ভেনেজুয়েলা।
- প্রথম আরব বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ- ইরাক।
- প্রথম উপসাগরীয় দেশ- কুয়েত।

৪,০০৮.
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সময়ে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন -
  1. ক) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. খ) খাজা নাজিমুদ্দীন
  3. গ) লিয়াকত আলী খান
  4. ঘ) নূরুল আমীন
সঠিক উত্তর:
খ) খাজা নাজিমুদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খাজা নাজিমুদ্দীন
ব্যাখ্যা
খাজা নাজিমুদ্দীন পূর্ব বাংলার প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীন ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা সফরে আসেন।
- ২৭ জানুয়ারি পল্টন ময়দানের জনসভায় তিনিও জিন্নাহর মতো ঘোষণা করেন, 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।'
- এর প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন নতুন করে শুরু হয়ে যায়। এবার প্রতিবাদে ফেটে পড়ে ছাত্র জনতা।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৩০ জানুয়ারি সভা ও ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করে।
- সংগ্রাম পরিষদ ৪ ফেব্রুয়ারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করে।
- ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ।

সূত্র: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, ৮ম শ্রেণি।
৪,০০৯.
বাফুফের বর্তমান সভাপতির নাম কী?
  1. কাজী সালাউদ্দিন
  2. ইমরান হোসেন
  3. আব্দুস সালাম মুর্শেদী
  4. কাজী নাবিল আহমেদ
সঠিক উত্তর:
কাজী সালাউদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী সালাউদ্দিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (Bangladesh Football Federation):

- সংক্ষেপে বিএফএফ এবং বাফুফে নামে পরিচিত।
- এটি হচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এই সংস্থাটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি প্রতিষ্ঠার ১৯৭৬ সালে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৩ সালে সংস্থাটি তাদের আঞ্চলিক সংস্থা এএফসির সদস্যপদ লাভ করে।
- এর বর্তমান সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও সাফ ফেডারেশন ওয়েবসাইট।
৪,০১০.
বাংলাদেশের কোন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
সপ্তম জাতীয় সংসদ:
- বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ হলো সপ্তম জাতীয় সংসদ।
- এই সংসদের ব্যাপ্তী ছিলো ১৯৯৬ সালের ১৪ জুলাই থেকে ২০০১ সালের ১৩ জুলাই পর্যন্ত।
- সপ্তম জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে সংসদ-সদস্যগণ প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং তিনি তার জবাব দিয়ে থাকেন।
- প্রথম দিকে এই প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য সময় বরাদ্দ ছিল ১৫ মিনিট।
- পরে তা বাড়িয়ে ৩০ মিনিট করা হয়।
- সরকারি দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট এবং বিরোধী দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট করে সময় ধার্য করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,০১১.
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন-
  1. ক) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
  2. খ) এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  3. গ) কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী
  4. ঘ) লে. কর্নেল(অব.) আবদুর রব
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৬-১৬ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়। ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন। পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
[সূত্রঃ বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)]
৪,০১২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে চিংড়ির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৫.৫২%
  2. ৮.৩৬%
  3. ১১.৭১%
  4. ১৪.৬৮%
সঠিক উত্তর:
৫.৫২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৫২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:

- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৫৩,০০৩ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৭,৮৫,৮৫৩ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৫১,৭৫৪ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৪,০১৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'কাদেরিয়া বাহিনী' কোন অঞ্চলে গঠিত হয়েছিল?
  1. টাঙ্গাইলে
  2. সিরাজগঞ্জে
  3. ফরিদপুরে
  4. বরিশালে
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইলে
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী:
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও অনেকে গেরিলা বাহিনী গঠন করেন। 
- যেমন:
- টাঙ্গাইলের কাদের সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনী।
- সিরাজগঞ্জে রফিক মির্জা বাহিনী। 
- ফরিদপুরের হেমায়েত বাহিনী। 
- ঝিনাইদহের আকবর বাহিনী।
- বরিশালের কুদ্দুস বাহিনী।
- ময়মনসিংহের আফসার বাহিনী।
- ভারতের বাহিনীর মেজর জেনারেল ওবানের অধীনে বঙ্গবন্ধুর নামে ‘মুজিব বাহিনী’ নামে একটি বাহিনী গঠিত হয়।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১৪.
'প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়' এর বর্তমান প্রতিমন্ত্রী কে?
  1. রুমানা আলী
  2. মোঃ জাকির হোসেন
  3. খাদিজা খাতুন
  4. মহিবুল হাসান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
রুমানা আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুমানা আলী
ব্যাখ্যা
                                         
- জনাব রুমানা আলী, এমপি বর্তমান সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওন করছেন। 
- জনাব রুমানা আলী, এমপি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৩ (সদর-শ্রীপুর-১৯৬) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।
- তিনি পেশায় একজন অধ্যাপক।
- রুমানা আলী একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 
- তাঁর রচিত ‘প্রাচীন কীর্তি ও ঐতিহাসিক স্থান’ গ্রন্থ বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে।

উৎস:- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রানালয়ের ওয়েবসাইট।
৪,০১৫.
অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভাগ কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভাগ: 
- অর্থ মন্ত্রনালয় নিম্নে বর্ণিত চারটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত:   
১. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি)
২. অর্থ বিভাগ (এফডি)
৩. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)  এবং
৪. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।

- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (FID) ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এর আগে এ সংক্রান্ত  কার্যাবলী অর্থ বিভাগের অন্তর্গত একটি উইং-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিলো।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,০১৬.
বিশ্বের পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের স্থান -
  1. ৪৭তম
  2. ৩৩তম
  3. ৫৭তম
  4. ৬৩তম
সঠিক উত্তর:
৩৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিশ্বের পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী ৩৩তম দেশ:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের কাছে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি ‘ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল’ বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করেছে রাশিয়া।
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হিসেবে বিশ্ব অঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- ওয়ার্ল্ড নিউক্লিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের মধ্যে রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, কানাডা, ইউক্রেন, জার্মানি, জাপান, স্পেন, সুইডেন, বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, ভারত, চেক প্রজাতন্ত্র, ফিনল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, বুলগেরিয়া, পাকিস্তান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, মেক্সিকো, রোমানিয়া, আর্জেন্টিনা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বেলারুশ, স্লোভেনিয়া, নেদারল্যান্ডস, ইরান ও আর্মেনিয়া। 

উৎস: i) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ৫ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৪,০১৭.
দেশের বৃহত্তম কৃষি খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) দত্তনগর
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) ঈশ্বরদী
সঠিক উত্তর:
খ) দত্তনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দত্তনগর
ব্যাখ্যা
- দেশের বৃহত্তম কৃষি খামার ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার দত্তনগরে অবস্থিত। এটি ১৯৪০ সালে হেমেন্দ্র নাথ দত্ত নামে এক ব্যক্তি স্থাপন করেন।
- ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকার এটি অধিগ্রহণ করে কৃষি বিভাগের উপর পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করে।
- বর্তমানে এটি BADC’র অধীনে বীজ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
(সূত্র: ঝিনাইদহ জেলা ওয়েবসাইট)
৪,০১৮.
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ সঞ্চালন ভোল্টেজ কত?
  1. ক) ৩৩ কেভি
  2. খ) ১৩২ কেভি
  3. গ) ২৩০ কেভি
  4. ঘ) ৪০০ কেভি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০০ কেভি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০০ কেভি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমীতি কতৃক ৩ ভাবে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হয়।

১। ৪০০ কিলো ভোল্ট লাইন - ১৯৭২ সার্কিট কিলোমিটার।
২। ২৩০ কিলো ভোল্ট লাইন - ৪২৩৬ সার্কিট কিলোমিটার।
৩। ১৩২ কিলো ভোল্ট লাইন - ৮৪৬৪ সার্কিট কিলোমিটার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [link]
৪,০১৯.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন কে?
  1. ক) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  2. খ) ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
  3. গ) এম মনসুর আলী
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
• স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
• মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন ইউসুফ আলী।
• ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
• ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং
• ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
• ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,০২০.
সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’ কোন ভাষার শব্দ?
  1. হিন্দি
  2. আরবি
  3. মান্দারিন
  4. উর্দু
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’:
-বঙ্গোপসাগর সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি বুধবার ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয় বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)।
-ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে এটি বঙ্গোপসাগরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।
-এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘ডানা’।
-ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করেছে কাতার।
-আরবি ভাষায় এই শব্দের অর্থ ‘সুন্দর এবং মূল্যবান মুক্তা’।

সূত্র- যুগান্তর।
৪,০২১.
বাংলাদেশের কোন পণ্য দ্বিতীয় হিসেবে ভৌগোলিক নির্দেশক (জি.আই ) সনদ পায়?
  1. ক) ইলিশ মাছ
  2. খ) জামদানি শাড়ি
  3. গ) পাট পণ্য
  4. ঘ) হিমসাগর আম
সঠিক উত্তর:
ক) ইলিশ মাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইলিশ মাছ
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাপী জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেটর (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি প্রদান করে আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ব সংস্থা (World Intellectual Property Organisation-WIPO). এ প্রক্রিয়ায় প্রথমে ওয়াইআইপিও অনুমোদিত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান (বাংলাদেশে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর-ডিপিডিটি) জিআই সনদ প্রকাশ করে। পরবর্তীতে ওয়াইআইপিও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। বাংলাদেশে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে ২০১৬ সালে জামদানি শাড়ি, ২০১৭ সালে ইলিশ এবং ২০১৯ সালে ক্ষীরসাপাত বা হিমসাগর আম স্বীকৃতি পায়। (সূত্রঃ ওয়াইআইপিও এবং ডিপিডিটি ওয়েবসাইট)
৪,০২২.
'সুমাত্রা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
তামাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাক
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪,০২৩.
ভারতীয়দের মধ্যে প্রথম কে লন্ডনের প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হন?
  1. ক) মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. খ) সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি
  3. গ) সৈয়দ আমির আলি
  4. ঘ) বাবা আম্বেদকার
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ আমির আলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ আমির আলি
ব্যাখ্যা
- সৈয়দ আমির আলি প্রথম ভারতীয় হিসেবে ১৯০৯ সালে লন্ডনের প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।
- তিনি ১৮৭৭ সালে কলকাতায় সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন। সৈয়দ আমির আলি ১৯১২ সালে মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- 'The Spirit of Islam' এবং 'A History of Saracens' তার রচিত দুটো বিখ্যাত বই।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,০২৪.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব- 
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীরপ্রতীক
  3. বীরবিক্রম
  4. বীরউত্তম
সঠিক উত্তর:
বীরউত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরউত্তম
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের বীরত্ব:
- মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ।
- মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব বীরউত্তম।
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
- সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব হলো বীরশ্রেষ্ঠ-৭ জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম- ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম- ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক- ৪২৬ জন।

উল্লেখ্য,
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে।
- বীরশ্রেষ্ঠ: ৭জন
- বীর উত্তম: ৬৭ জন
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন
- বীরপ্রতীক: ৪২৪ জন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো পত্রিকা।

৪,০২৫.
'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।

৪,০২৬.
বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. ক) ECNEC
  2. খ) NICAR
  3. গ) BSEC
  4. ঘ) NEC
সঠিক উত্তর:
ঘ) NEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) NEC
ব্যাখ্যা

- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় জাতীয় নীতি ও উদ্দেশ্য সম্বলিত উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ।
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরষিদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ যার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন বা অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র- পরিকল্পনা কমিশন ও বাংলাপিডিয়া।

৪,০২৭.
আইয়ুব খান বিরোধী 'ঘেরাও' কর্মসূচি কে চালু করেন?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. মওলানা ভাসানী
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
মওলানা ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
মওলানা ভাসানী:
- ১৯৬৮ সালের ডিসেম্বরে পল্টন ময়দানে জনসভা করে গণঅভ্যুত্থানের সূচনা করেছিলেন ন্যাপের সভাপতি মওলানা ভাসানী।
- পরে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীসহ সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ (ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন কমিটি) স্বতন্ত্রভাবে গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণা দিলে অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ভাসানী সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদে যোগ না দিয়ে ঘেরাও আন্দোলন চালাতে থাকেন।
- তার সঙ্গে ছিল পিকিংপন্থী বলে পরিচিত বামপন্থী দলগুলো এবং শ্রমিক ফেডারেশন ও কৃষক সমিতি।
- মস্কোপন্থী দলগুলো ক্রমে আওয়ামী লীগের সমর্থনে গিয়ে আন্দোলনে যুক্ত থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে মাওলানা ভাসানী বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামীদের মুক্তি দাবি করেন। ৮ মার্চ (১৯৬৯) পশ্চিম পাকিস্তানে গিয়ে সেখানে পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর সাথে সাক্ষাত করে গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র কায়েমের লক্ষ্যে একমত হন।
- ২৬শে ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খান কর্তৃক আহুত গোলটেবিল বৈঠক প্রত্যাখান করে শ্রমজীবীদের ঘেরাও কর্মসূচী পালনে উৎসাহ প্রদান করেন।

উৎস: i) The Daily Star Bangla,.
ii) বণিক বার্তা।
৪,০২৮.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাথমিক স্তরের শহর কোনটি?
  1. ক) পৌর শহর
  2. খ) থানা শহর
  3. গ) বিভাগীয় শহর
  4. ঘ) জেলা শহর
সঠিক উত্তর:
খ) থানা শহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) থানা শহর
ব্যাখ্যা
গুরুত্ব অনুযায়ী নগরীয় ভূমি ব্যবহারকে তিনটি স্তরে দেখানো যায়। যথা: থানা শহর, পৌর শহর ও জেলা/বিভাগীয় শহর।
-  থানা শহর হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাথমিক স্তরের শহর। 
- সাধারনতঃ পুলিশ প্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাট বাজার এর অন্তর্ভুক্ত। 
- থানার আওতাভূক্ত গ্রামগুলোতে বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক সেবা প্রদানই এর প্রধান কাজ। 
- গবেষণায় দেখা গেছে, থানা শহরে আবাসস্থল হিসাবে মোট ভূমির প্রায় ১৪ শতাংশ দখল করে আছে। 
 
উৎস: অর্থনৈতিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,০২৯.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান জল্লাদের দরবার পরিচালনা করতেন কে?
  1. এম.আর আখতার মুকুল
  2. রাজু আহমেদ
  3. কল্যাণ মিত্র
  4. কামাল লোহানী 
সঠিক উত্তর:
কল্যাণ মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কল্যাণ মিত্র
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- মুক্তিযুদ্ধ সময়কালে যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধাদের এবং অবরুদ্ধ এলাকার জনগণের মনোবল অক্ষুন্ন রাখার ক্ষেত্রে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নীতি নির্ধারণী ভাষণসহ জনগণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন নির্দেশাবলী প্রচারিত হয়।
- প্রতিদিনের সংবাদসহ যে সমস্ত অনুষ্ঠান জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল তার মধ্যে চরমপত্র ও জল্লাদের দরবার অন্যতম।
- যুদ্ধের ময়দানে অস্ত্রশস্ত্রে পিছিয়ে থাকলেও মনের জোরে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা।
- তাঁদের মনের জোর আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠানটি।
- বিদ্রূপ ও শ্লেষাত্মক অনুষ্ঠানটি রচনা ও উপস্থাপন করেছিলেন সাংবাদিক ও লেখক এম আর আখতার মুকুল।

⇒ স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’।
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো। এই ব্যঙ্গাত্মক সিরিজে তাকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রে চিত্রিত করা হয় এবং এই ভূমিকায় অভিনয় করেন রাজু আহমেদ। জল্লাদের দরবার পরিচালনা করতেন কল্যাণ মিত্র।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান এবং স্থানীয় ঢাকাইয়া উপভাষায় এর স্ক্রিপ্ট তৈরি করেন এম.আর আখতার মুকুল, যিনি নিজেই এর উপস্থাপক ছিলেন। এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি জনগণের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়। এতে একইসঙ্গে ছিল তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ ও জাতীয়তা বোধের প্রকাশ যা জনগণের নৈতিক মনোবল দৃঢ়ীকরণে ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো

৪,০৩০.
অপারেশন জ্যাকপট কবে পরিচালনা করা হয়েছিল?
  1. মার্চ, ১৯৭১
  2. আগস্ট, ১৯৭১
  3. জুন, ১৯৭১
  4. সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
আগস্ট, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগস্ট, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ-কমান্ডো বাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- ১৯৭১ সালের ১৬ই অগাস্ট প্রথম প্রহরে দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা, এবং দুইটি নদী বন্দর -চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- অপারেশন জ্যাকপটের আওতায় নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মোংলা, চাঁদপুর এবং নারায়ণগঞ্জ বন্দরে আক্রমণ করে পাকিস্তান বাহিনীর মোট ২৬টি পণ্য ও সমরাস্ত্রবাহী জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দিয়েছিলেন।
- এ অভিযানে অংশগ্রহণকারী কোন গেরিলা শত্রুপক্ষের হাতে ধরা পড়েননি।

উলেখ্য, 
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- অপারেশন জ্যাকপটের চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযানটি পরিচালিত হয় সেক্টর কমান্ডার রফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে।
- মুক্তিযুদ্ধে নৌ-অভিযানের সূত্রপাত হয়েছিল অপারেশন জ্যাকপটের মাধ্যমে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC. 

৪,০৩১.
আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার সম্পর্কে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ৩১ নং
  2. ৩২ নং
  3. ৩৩ নং
  4. ৩৪ নং
সঠিক উত্তর:
৩১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- সংবিধানের ৩১ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
- সংবিধানের ৩৩ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে, 'গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ'।
- সংবিধানের ৩৪ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,০৩২.
বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন — লর্ড কার্জন।
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

অন্যদিকে,
• লর্ড ওয়েলেসলি ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
• ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বশেষ ভাইসরয় বা রাজপ্রতিনিধি ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন। তাঁর সময় ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছিল।
• লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮ সালে স্বত্ব বিলোপ নীতির (ডকট্রিন অব ল্যাপ্স) প্রবর্তন করেন। তবে ডালহৌসির পূর্বেও ব্রিটিশ ভারতে এই নীতির প্রয়োগ ছিলো। ডালহৌসি এই নীতির সর্বাধিক প্রয়োগ করেন।
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহায়তায় ১৮৫৬ সালে লর্ড ডালহৌসি বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৩৩.
মুক্তিযুদ্ধে সাতজন বীরশ্রেষ্ঠর মধ্যে প্রথম শহীদ কে?
  1. ক) মোহাম্মদ রুহুল আমিন
  2. খ) মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
  3. গ) মোহাম্মদ হামিদুর রহমান
  4. ঘ) মতিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
ব্যাখ্যা
[মুন্সী আব্দুর রউফের শহীদ হওয়ার তারিখ ও স্থান নিয়ে বহু জায়গায় বিভ্রান্তিকর তথ্য রয়েছে। সরকারি–বেসরকারি নানা স্থানে সে তারিখ কোথাও ৮, কোথাও ১৮ এপ্রিল। ১৯৭১ সালে মুন্সী আব্দুর রউফকে নিয়ে লেখা মুজিবনগর সরকারের অভিজ্ঞানপত্র (সাইটেশন) সম্প্রতি প্রথম আলোর হাতে এসেছে। মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী, মীর শওকত আলী এবং চৌধুরী খালেকুজ্জামান স্বাক্ষরিত সে অভিজ্ঞানপত্রে মুন্সী আব্দুর রউফের শহীদ হওয়ার তারিখ ২০ এপ্রিল। যদিও নামের বানান তাতে ছিল মুন্সী আবদুর রব। কয়েক বছর পর সে ভুল সংশোধন করা হয়। সূত্র: প্রথম আলো।]

[যেহেতু অপশনে মুন্সি আব্দুর রউফ নেই, সে হিসেবে অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে মোস্তফা কামালকে নেওয়া হয়েছে।]

মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠদের শাহাদাতের তারিখ:
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ১৮ এপ্রিল ১৯৭১
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : ২০ আগস্ট ১৯৭১
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ২৮ অক্টোবর ১৯৭১
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন : ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
৪,০৩৪.
শশী লজ কোথায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুরে
  2. বগুড়ায়
  3. গাজীপুরে
  4. ময়মনসিংহে
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহে
ব্যাখ্যা
শশী লজ:
- বাংলার বিখ্যাত মহারাজা শশীকান্ত আচার্য্যের পরিবার বাংলা বিহার উড়িষ্যার নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ এর আমলে প্রথম জমিদারী লাভ করে এবং তারা মুক্তাগাছাকে কেন্দ্র করে জমিদারী পরিচালনা করতে থাকে। 
 - ক্রমান্বয়ে আঠারশ শতকে মহারাজা মুক্তাগাছার বাহিরে বর্তমান টিচার্স ট্রেনিং কলেজের স্থলে রাজবাড়ী তৈরী করেন, যা স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন হিসেবে এখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
- মহারাজা সূর্যকান্ত তার দত্তক পুত্র শশীকান্তের নামে অনেক যত্নে নির্মাণ করেছিলেন এ প্রাসাদ। 
- ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত এ রাজবাড়ীর প্রতিটি ইঞ্চিতে ছড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস। মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য্য নাম দিয়েছিলেন শশী লজ। 
- আর এ শশী লজ এবং তার সম্মুখস্থ গ্রীক সৌন্দয্যের দেবী ভেনাসের ভাস্কর্যটি আজ ময়মনসিংহ জেলার আইকনিক প্রতিনিধি হয়ে দাড়িয়েছে। 
- ৯ একর জমির উপর অনেক সবুজের সমারোহে অতীত ঐতিহ্য ধারণ করে শশী লজ মহাকালের সাক্ষীরূপে অম্লান হয়ে আছে। 
- ভবনের পেছনে অবস্থিত 'জলঘর' খ্যাত দোতলা পুকুর ঘাটলা। এই ভাস্করের পরিচয় জানা যায়নি। 

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৪,০৩৫.
বাংলাদেশে রোপা-আমন ধান কাটা হয় -
  1. আষাঢ়-শ্রাবন মাসে
  2. ভাদ্র-আশ্বিন মাসে
  3. অগ্রহায়ন-পৌষ মাসে
  4. মাঘ-ফাল্গুন মাসে
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ন-পৌষ মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ন-পৌষ মাসে
ব্যাখ্যা
আমন ধান:
- আমন ধান মূলত দুই প্রকার:
• রোপা আমন ও
• বোনা আমন।

উল্লেখ্য,
- রোপা আমন বলতে বুঝায় অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয়।
- রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয়।
- অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে রোপা-আমন ধান কাটা হয়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৪,০৩৬.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ কোথায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. নীলফামারী
  3. দিনাজপুর
  4. কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
ব্যাখ্যা

• সরকারি EPZ:
- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- এগুলোর অবস্থান হলো- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (খুলনা), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা, নীলফামারী।

তথ্যসূত্র: বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

৪,০৩৭.
"মোদের গরব" ভাস্কর্যটির নির্মাতা কে?
  1. রাফিকুল ইসলাম
  2. অখিল পাল 
  3. নূরুল ইসলাম
  4. নিতুন কুন্ড
সঠিক উত্তর:
অখিল পাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অখিল পাল 
ব্যাখ্যা

 মোদের গরব: 
- "মোদের গর্ব" স্থপতি অখিল পাল তৈরি করা একটি খ্যাতিমান ভাস্কর্য। 
- ‘মোদের গরব’ ভাস্কর্যটি ঢাকার বাংলা একাডেমি ভবনের সামনে অবস্থিত।
- এটি ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে নির্মিত হয়েছে এবং
- ২০০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে গ্রন্থমেলায় উদ্বোধন করা হয়।
- ভাস্কর্যটিতে ভাষা আন্দোলনের পাঁচ শহিদ রফিক, শফিউর, সালাম, বরকত এবং জব্বারের ধাতব অবয়ব রয়েছে।
- এর পেছনে একটি উঁচু দেয়াল এবং দেয়ালের নিচে ভাষা আন্দোলনের ঘটনাগুলো চিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- দেয়ালের দুই পাশে রয়েছে টেরাকোটার নকশা, যা ভাস্কর্যটিকে আরও দৃষ্টিনন্দন করেছে।  

উৎস: বাংলা একাডেমি ও প্রথম আলো।

৪,০৩৮.
মে মাসে বাংলাদেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কত ছিল? [জুন, ২০২৫]
  1. ৭.o৫ শতাংশ
  2. ৮.o৫ শতাংশ
  3. ৯.o৫ শতাংশ
  4. ১০.o৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৯.o৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.o৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
মূল্যস্ফীতি (মে, ২০২৫):
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, গত মে মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।
- এর আগে অর্থাৎ এপ্রিল মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ১৭।
- মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ।
- এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- গত প্রায় এক বছরে (২০২৪ সালের জুন থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত) গড় মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের বেশি।
- আগামী জুন মাসেই মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের কোটায় নেমে আসবে বলে প্রত্যাশা করছে সরকার।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
৪,০৩৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুসারে, চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
• সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে:
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৪,০৪০.
শহিদ আসাদ ১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসের কত তারিখে ছাত্র সংগ্রাম কমিটির মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন?
  1. ১২ জানুয়ারি
  2. ১৫ জানুয়ারি
  3. ২০ জানুয়ারি
  4. ২৩ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
২০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
শহিদ আসাদ:
- শহিদ আসাদ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শহিদ ছাত্রনেতা।
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা দাবির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- এই কারণে ২০ জানুয়ারি 'শহিদ আসাদ দিবস' হিসেবে পালিত হয়।
- ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’।
- তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,০৪১.
দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয় কবে?
  1. ২০২১ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
শুল্ক নীতি:
- ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে স্থানীয় কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা বৃদ্ধিতে প্রথমবারের মতো শুল্ক নীতি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ।
- ২০২৩ সালে দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- ১০ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় শুল্ক নীতিমালার গেজেট প্রকাশ করেছে।

⇒ জাতীয় শুল্ক নীতিমালার লক্ষ্য আমদানি শুল্ক কাঠামোকে যৌক্তিক করা, কারণ বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা পাবে না।
- এই শুল্ক নীতি দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতি বাড়াবে।
- এতে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
- ফলে, সরকার ধীরে ধীরে আমদানি শুল্কের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star Bangla.
৪,০৪২.
জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে ভারতবর্ষে মূল্য নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন কোন সুলতান?
  1. ক) কুতুবউদ্দিন আইবেক
  2. খ) ইব্রাহীম লোদি
  3. গ) মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  4. ঘ) সুলতান আলাউদ্দিন খলজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুলতান আলাউদ্দিন খলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুলতান আলাউদ্দিন খলজি
ব্যাখ্যা
• দিল্লি সালতানাতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক সুলতান আলাউদ্দিন খলজি পিতৃব্য ও শ্বশুর জালাল উদ্দিন ফিরোজ খলজি কে হত্যা করে ১২৯৬ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- রাজ্য বিজয়ের এক দুর্বার প্রত্যাশা নিয়ে ১২৯৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু করে ১৩০৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে উত্তর ভারতের গুজরাট, রণথম্ভোর, মেবার, মালব, উজ্জয়িনী, ধর, চান্দেরীসহ এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করেন।
- ১৩০৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু করে ১৩১২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে সুযোগ্য সেনাপতি মালিক কাফুরের নেতৃত্বে দেবগিরি, বরঙ্গল, দ্বারসমুদ্র, পান্ডরাজ্য এবং শংকরদেবের রাজ্যসহ রামেশ্বর সেতুবন্ধ পর্যন্ত দাক্ষিণাত্যের এক বিশাল অঞ্চলের উপর সুলতান আলাউদ্দিন খলজির কর্তৃত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- দাক্ষিণাত্য হতে আহরিত অগণিত ধন সম্পদ উত্তর ভারতে মুদ্রাস্ফীতির সূচনা করে, বাধ্য হয়ে সুলতান আলাউদ্দিন খলজি জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে মূল্য নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।

সূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৪৩.
UNESCO কত সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘােষণা করে?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

উৎস: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৪,০৪৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ক) ১৯নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ১৭নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ১৮নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ১৫নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ১৭ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার ‍মূলনীতি হিসেবে 'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাকে' সন্নিবেশিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে,
-  ১৫ নং অনুচ্ছেদ : মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- ১৮ নং অনুচ্ছেদ : জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
- ১৯ নং অনুচ্ছেদ : সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪,০৪৫.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) ২নং
  2. খ) ৬নং
  3. গ) ৮নং
  4. ঘ) ৫নং
সঠিক উত্তর:
গ) ৮নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮নং
ব্যাখ্যা
সেক্টর ও সাব সেক্টরসমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর ৮নং সেক্টরের অধীনে ছিল।
- এই সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ১১ টি সেক্টরের অধিনে ৬৪ টি সাবসেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে ১নং সেক্টর গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম। 
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে ২নং সেক্টর গঠিত। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে ৩নং সেক্টর গঠিত হয়।
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে ৪নং সেক্টর গঠিত।
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে ৫নং সেক্টর গঠিত।
- ৬ নং সেক্টর  সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত।
- ৭ নং সেক্টর  রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- ১০ নং সেক্টর  নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- ১১ নং সেক্টর  টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,০৪৬.
ইয়াংওয়ান কোম্পানি বাংলাদেশের কোন খাতে বিনিয়োগ করে থাকে?
  1. পোশাক
  2. সার
  3. ঔষধ
  4. জ্বালানি
সঠিক উত্তর:
পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোশাক
ব্যাখ্যা
ইয়াংওয়ান পোশাক রপ্তানিকারক শিল্পগোষ্ঠী:
- দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি ইয়াংওয়ান। 
- ২০২২–২৩ অর্থবছরে দক্ষিণ কোরিয়ান কোম্পানি ইয়াংওয়ান সর্বোচ্চ ১০০ কোটি ডলারের পোশাকপণ্য রপ্তানির মাইলফলক ছুঁয়ে চমক দেখিয়েছে।
- চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ২ হাজার ৪৯২ একর জমির ওপর কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (কেইপিজেড) নির্মাণের কাজ করছিল ইয়াংওয়ান।
- নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে ২০১১ সাল থেকে কেইপিজেডে কারখানা চালু হয়। 
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি রপ্তানি করেছে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার বা ৯ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকার পোশাক।
- এ শিল্পগোষ্ঠীই বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক।

উল্লেখ্য,
- পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে দ্বিতীয় শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী হচ্ছে স্থানীয় হা-মীম গ্রুপ।
- তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে মণ্ডল গ্রুপ ও ডিবিএল গ্রুপ। 
- পঞ্চম স্থানে আছে চট্টগ্রামের প্যাসিফিক জিনস গ্রুপ।

উৎস: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
৪,০৪৭.
মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দ
  2. খ) ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দ
  3. গ) ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দ
  4. ঘ) ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা
• নওয়াব আব্দুল লতিফ:
- কর্মজীবনে তাঁর কৃতিত্বের জন্য সরকার তাঁকে প্রথমে খান বাহাদুর পরে নওয়াব এবং নওয়াব বাহাদুর উপাধিতে ভূষিত করে।
- ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে ‘মুসলমান ছাত্রদের পক্ষে ইংরেজি শিক্ষার সুফল’ শীর্ষক এক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন।
- তাঁর প্রচেষ্টায় কোলকাতা মাদরাসায় এ্যাংলো পার্সিয়ান বিভাগ খোলা হয়।
- তাঁর প্রচেষ্টায় হিন্দু কলেজ প্রেসিডেন্সি কলেজে রূপান্তর করা হলে মুসলমান ছাত্ররা সেখানে পড়ালেখার সুযোগ পায়।
- ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি বা মুসলিম সাহিত্য সমাজ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,০৪৮.
ঐতিহাসিক “ছয় দফা দাবিতে” যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-
  1. ক) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  2. খ) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. গ) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  4. ঘ) বিচার ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিচার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮ - ১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।

ছয়দফা দাবিগুলো হচ্ছেঃ
প্রথম দফাঃ
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ হবে সার্বভৌম।
দ্বিতীয় দফাঃ
ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে।
তৃতীয় দফাঃ
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে।
চতুর্থ দফাঃ
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে।
পঞ্চম দফাঃ
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
ষষ্ঠ দফাঃ
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

- ''বিচার ব্যবস্থা'' সংক্রান্ত কোন দফা ছয়দফা দাবীর অন্তর্ভূক্ত ছিলো না।

৪,০৪৯.
৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুসারে, সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম কোন বিভাগে?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. বরিশাল
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা:
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
৪,০৫০.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় কবে?
  1. ০৪ জানুয়ারি ১৯৫২
  2. ২২ জানুয়ারি ১৯৫২
  3. ২৮ জানুয়ারি ১৯৫২
  4. ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় গঠিত হয় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।
- ৪০সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।

- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা হয় (এটি দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ নামেও পরিচিত) এবং আহ্বায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,০৫১.
রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে। - এটি সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ২৪
  2. অনুচ্ছেদ - ২৫
  3. অনুচ্ছেদ - ২৩ (ক)
  4. অনুচ্ছেদ - ২৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

• অনুচ্ছেদ - ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন:
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র-

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে৷

অন্যদিকে: 
অনুচ্ছেদ - ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি
অনুচ্ছেদ - ২৩ক: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
অনুচ্ছেদ - ২৪: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,০৫২.
ছয় দফার অন্তর্গত 'কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা' কোন দফার বিষয়বস্তু ছিলো?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে '৬ দফা দাবি' পেশ করেন।
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা।
- ষষ্ঠ দফা: প্রতিরক্ষা বিষয়ক।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৫৩.
বাংলাদেশ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়-
  1. সুতা
  2. চামড়া
  3. তুলা
  4. কাপড়
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – গম।

- মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়।
- আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৪.১৮%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩.৬৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

৪,০৫৪.
হিন্দু লেখকগণ কোন শাসকের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ‘নৃপতি তিলক' উপাধিতে ভূষিত করেন?
  1. আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  3. আলাউদ্দিন আলী শাহ
  4. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এক উজ্জল অধ্যায়ের সূচনা করেন।
- তিনি সামান্য অবস্থা থেকে নিজ যোগ্যতায় বাংলাদেশে হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে হোসেন শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি আরবদেশীয় ও সৈয়দ বংশের লোক ছিলেন।
- ১৪৯৩ সালে হোসেন শাহ 'আলাউদ্দীন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- একারণে আধুনিক ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ প্রজাদের কল্যাণের জন্য জনহিতকর প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ‘নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ একজন নিষ্ঠাবান মুসলমান ছিলেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- হোসেন শাহ বাংলা সাহিত্যেরও পৃষ্ঠপোষকতা করে বাংলা ভাষাকে রাজদরবারে স্থান দেন।
- তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বহু আরবি, ফার্সি ও সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলা ভাষায় অনুবাদ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৫৫.
নিচের কোন দুইজন খেতাবধারী মহিলা মুক্তিযোদ্ধা?
  1. ক্যাপ্টেন সুফিয়া বেগম ও পরিজন বিবি
  2. ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি
  3. ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও জাহানারা বেগম
  4. ক্যাপ্টেন হালিমা ও তারামন বিবি
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি
ব্যাখ্যা
তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম:
- বাংলাদেশের দুইজন 'বীরপ্রতীক' খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি।
- তারামন বিবির আসল নাম ছিল তারাবানু। 
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য 'বীরপ্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করে। 
- তিনি ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য অন্য আরেকজন মহিলা মুক্তিযুদ্ধাকে 'বীরপ্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তিনি হলেন-ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম।
- ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে ২নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন।


উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং ডেইলি স্টার পত্রিকা।
৪,০৫৬.
ন্যাপ-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. মাওলানা ভাসানী
  2. হাজী মুহাম্মদ দানেশ
  3. অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ
  4. মাহমুদুল হক ওসমানী
সঠিক উত্তর:
মাহমুদুল হক ওসমানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহমুদুল হক ওসমানী
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ):
- ১৯৫৭ সালের ২৪-২৫ জুলাই ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে আয়োজিত গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)’ গঠিত হয়।
- ন্যাপের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন মাওলানা ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী।
- এর আগে ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ‘কাগমারি সম্মেলনে’ পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি প্রশ্নে বিরোধের জের ধরে ১৮ই মার্চ ১৯৫৭ মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।
- ন্যাপের অন্যান্য নেতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন পূর্ববাংলা থেকে হাজী মুহাম্মদ দানেশ, অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ, মহিউদ্দিন আহমদ, মশিউর রহমান (যাদু মিয়া), পীর হাবিবুর রহমান, এস.এ আহাদ, আবদুল মতিন, আবদুল হক, আতাউর রহমান এবং পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ছিলেন ওয়ালি খান, আবদুল মজিদ সিন্ধী, মিয়া ইফতেখার প্রমুখ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,০৫৭.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘উত্তরণ’, ‘শুভ্রা’ ও ‘মোহর’ কোন ফসলের জাত?
  1. ক) উন্নত জাতের তুলা
  2. খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
  3. গ) উন্নত জাতের পাট
  4. ঘ) উন্নত জাতের ধান
সঠিক উত্তর:
খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
ব্যাখ্যা
ভুট্টা বাংলাদেশের অন্যতম দানাদার জাতীয় ফসল। এদেশে চাষকৃত ভুট্টার জাতসমূহ হলো: উত্তরণ, শুভ্রা, মোহর, বর্ণালী, খৈ ভুট্টা, বারি ভুট্টা-৫, বারি ভুট্টা-৬, বারি ভুট্টা-৭, বারি মিষ্টি ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-২, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৩ ইত্যাদি।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
৪,০৫৮.
TIN এর পূর্ণরূপ
  1. Tax Index Number
  2. Taxpayers Indentification Number
  3. Tax Information Number
  4. Taxpayers Information Number
সঠিক উত্তর:
Taxpayers Indentification Number
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Taxpayers Indentification Number
ব্যাখ্যা
• E-TIN এর পূর্ণরূপ - Electronic Taxpayer's Identification Number. 
- ই-টিআইএন মানে ইলেকট্রনকি ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নাম্বার, ইহা আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- ইহা ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর। একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই-টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
৪,০৫৯.
স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ায় পূর্বে ঢাকা বাংলার রাজধানী ছিল-
  1. ক) তিনবার
  2. খ) চারবার
  3. গ) দুইবার
  4. ঘ) একবার
সঠিক উত্তর:
খ) চারবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চারবার
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ায় পূর্বে ঢাকা বাংলার রাজধানী ছিল মোট চারবার- ১৬১০ সাল, ১৬৬০ সাল, ১৯০৫ সাল এবং ১৯৪৭ সাল।

১৬১০ সালের ১৬ জুলাই সুবাদার ইসলাম খান চিশতী সর্বপ্রথম ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করেন এবং নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। এই নাম সম্রাট জীবিত থাকা পর্যন্ত বহাল ছিল।
এরপর ১৬৫০ সালে সুবাদার শাহ সুজা পুনরায় বাংলার রাজধানী বিহারের রাজমহলে নিয়ে যান। কিন্তু ১৬৬০ সালে মীর জুমলা পুনরায় ঢাকায় রাজধানী স্থানান্তর করেন যা ১৭১৭ সাল পর্যন্ত বজায় ছিল।
১৭১৭ সালে মুর্শিদকুলি খান বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
পরবর্তীতে ১৯০৫ থেকে ১৯১১ এবং ১৯৪৭ সাল থেকে ঢাকা পূর্ব বাংলার (১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান নামকরণ করা হয়) রাজধানী হিসেবে ছিলো।
১৯৭১ সাল থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
সূত্রঃ ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।

৪,০৬০.
বাংলাদেশের বর্তমান স্থানীয় সরকার কাঠামো কতটি স্তরে বিভক্ত?
  1. দুই স্তর
  2. তিন স্তর
  3. চার স্তর
  4. পাঁচ স্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তর
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় সরকার কাঠামো:
- বাংলাদেশে বর্তমানে 'তিন স্তরবিশিষ্ট' স্থানীয় সরকার কাঠামো লক্ষ করা যায়। 
- যথা- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ। 
- এছাড়া শহরগুলোতে পৌরসভা, বড় শহরে সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি (খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি) স্থানীয় জেলা পরিষদ রয়েছে। 
- উল্লিখিত তিন স্তরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকেই নিচের দিকে সবচেয়ে কার্যকর ইউনিট বলে মনে করা হয়ে থাকে।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হচ্ছে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ। 
- শহর এলাকায় রয়েছে পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৮০ পৃষ্ঠা।

৪,০৬১.
The ‘Chhiattorer Monnontor’ occurred in which Bengali year?
  1. 1170
  2. 1176
  3. 1186
  4. 1770
  5. 1776
সঠিক উত্তর:
1176
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1176
ব্যাখ্যা

দুর্ভিক্ষ:
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলা ১১৭৬ সনে হয়েছিল।
- ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) গ্রীষ্মকালে দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
- যা ছিয়াত্তরের মতান্তর নামে পরিচিত। 
- ছিয়াত্তরের মতান্তর নামের এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ মৃত্যু বরণ করে।
- অথচ ইংরেজ সরকার বাংলার জনগণকে এই বিপর্যয় থেকে রক্ষার জন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
- ১৭৬৫-৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাৎসরিক রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ যা ছিল, দুর্ভিক্ষের বছরও রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ প্রায় তার কাছাকাছি ছিল। ফলে চরম শোষণ নির্যাতনে বাংলার মানুষ হত দরিদ্র ও অসহায় হয়ে পড়ে।
- দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় নবাবের হাতে প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকায় প্রশাসন পরিচালনায় তিনি সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হন।
- সারাদেশে শুরু হয় সীমাহীন বিশৃক্সখলা। 
- এই পরিস্থিতিতে ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৬২.
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
  2. খ) এম মনসুর আলী
  3. গ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
ক) আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।

এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী : আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৪,০৬৩.
বাংলাদেশে মন্ত্রিসভার মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
• সরকার ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে বর্তমানে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারও বলা হয়।
- শাসন বিভাগের স্তম্ভ হল মন্ত্রিপরিষদ।
- মন্ত্রিসভার মেয়াদ ৫ বছর। 

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৬৪.
কোন মুঘল সুবাদার চট্টগ্রাম দখল করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ?
  1. ইসলাম খান
  2. রাজা মানসিংহ
  3. মীর জুমলা
  4. শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
• বাংলার মুঘল সুবাদার — শায়েস্তা খান চট্টগ্রাম দখল করে এর নাম রাখেন — ইসলামাবাদ। 

• শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খান ছিলেন বাংলার মুঘল সুবাদার।
- ১৬৭৮-৭৯ খ্রিস্টাব্দে এক বছরের সামান্য বেশি সময়ের বিরতিসহ দীর্ঘ ২৪ বছর তিনি এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি ছিলেন মুঘল সম্রাট — আওরঙ্গজেবের মামা।
- তিনি যখন ঢাকায় পৌঁছেন তখন তাঁর বয়স ছিল ৬৩ বছর।
- ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হন।
- প্রধানত চট্টগ্রাম জয়ের জন্যই বাংলায় শায়েস্তা খানের বিশাল খ্যাতি।
- ১৬৬৬ সালে বাংলার মোঘল শাসক শায়েস্তা খান তাঁর পুত্র বুজুর্গ — ওমেদখানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিজয় সম্পন্ন করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম অঞ্চলের নাম রাখেন — ইসলামাবাদ।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
iii) ইতিহাস - চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, ccc.gov.bd.
৪,০৬৫.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে 'জাতীয় স্বাধীনতার ঐতিহাসিক যুদ্ধ' এর পরিবর্তে 'জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রাম' প্রতিস্থাপিত হয়?
  1. ক) সপ্তদশ
  2. খ) এয়োদশ
  3. গ) পঞ্চদশ
  4. ঘ) চতুর্দশ
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা
আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;
 
আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল -জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে। 
• ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ''জাতীয় স্বাধীনতার ঐতিহাসিক যুদ্ধ'' এর পরিবর্তে বাহাত্তরের সংবিধানের সাথে মিল রেখে ''জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রাম'' প্রতিস্থাপিত হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,০৬৬.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়- 
  1. ৩০ নভেম্বর, ২০০৭ সালে 
  2. ৩ নভেম্বর, ২০০৭ সালে 
  3. ১ নভেম্বর, ২০০৭ সালে 
  4. ২৭ নভেম্বর, ২০০৭ সালে 
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭ সালে 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- এটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত—উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট) এবং অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার নির্দেশনা দেয়া হয়।
- কিন্তু স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রায় ৩৬ বছর পর ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে কার্যকর হয়।
- ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৭ জারি করে।
- এই অধ্যাদেশ ২০০৯ সালে আইনে রূপান্তরিত হয়।
- ১ নভেম্বর ২০০৭ থেকে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে শুধুমাত্র বিচারিক দায়িত্ব পালন করতে শুরু করেন। - একই সময়ে, সিভিল সার্ভিসের প্রশাসনিক বিভাগের কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধ, লাইসেন্স প্রদান এবং ফৌজদারি কার্যক্রমে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।
- এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বাংলাদেশে স্বাধীন বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু হয়।

উৎস:
১. পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
৩. সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট। 

৪,০৬৭.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে বসবাস করে না?
  1. ক) মুন্ডা
  2. খ) নাগা
  3. গ) মাহাতো
  4. ঘ) খিয়াং
সঠিক উত্তর:
খ) নাগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাগা
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী:
- নাগা নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে বাস করে না। এরা উত্তর-পূর্ব ভারত এবং উত্তর-পশ্চিম মায়ানমারের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী।
- মুন্ডা, মাহাতো ও খিয়াং নৃগোষ্ঠীসহ বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ব্রিটানিকা।
৪,০৬৮.
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত কোনটি?
  1. চমক
  2. চান্দিনা
  3. কৈলাসনগর
  4. অগ্রদূত
সঠিক উত্তর:
কৈলাসনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৈলাসনগর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

অন্যদিকে:
- চমক: উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত। 
- অগ্রদূত: উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত। 
-  চান্দিনা: উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত। 

সূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৪,০৬৯.
'গণহত্যা জাদুঘর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
গণহত্যা জাদুঘর:
- এটি খুলনায় অবস্থিত।
- ২০১৪ সালের ১৭ মে খুলনা শহরে এই জাদুঘরের যাত্রা শুরু হয়।
- বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে জাদুঘর ট্রাস্টকে নগরীর সাউথ সেন্ট্রাল রোডে একখণ্ড জমি ও একটি বাড়ি উপহার দেন।
- সেটি সংস্কার করে নিজস্ব ভবনে গণহত্যা জাদুঘরের নবযাত্রা শুরু হয় ২০১৬ সালের ২৬ মার্চ।
- খুলনায় স্থাপিত এই জাদুঘরটি বাংলাদেশের এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র গণহত্যা জাদুঘর।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ২৭ মার্চ ২০২১।
৪,০৭০.
বাংলায় 'মাৎস্যন্যায়' নামক অরাজক পরিস্থিতি কোন সময়কালে বিদ্যমান ছিল?
  1. পাল শাসনের পূর্বে
  2. সেন শাসনের পতনের পর
  3. গুপ্ত শাসনের অবসানের পর
  4. সুলতানি শাসনের শুরুতে
সঠিক উত্তর:
পাল শাসনের পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল শাসনের পূর্বে
ব্যাখ্যা

- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর (আনুমানিক ৬৫০ থেকে ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ) বাংলায় এক শতাব্দীব্যাপী রাজনৈতিক অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়, যা 'মাৎস্যন্যায়' নামে পরিচিত। এ সময় বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, তেমনি শক্তিশালী শাসকেরা দুর্বলদের উপর অত্যাচার করত। এই অরাজক পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে গোপাল পাল বংশের প্রতিষ্ঠা করেন।

• পাল বংশ:
- শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়' নামে খ্যাত।
- পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ ছিলেন- গোপাল।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ।
- বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে খ্যাত।
- মাত্ন্যায় একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হল অরাজক পরিস্থিতি। অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পাল বংশের শাসন।
- শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হলেন ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৭১.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ কবে হয়?
  1. ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  2. ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  3. ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  4. ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও নতুন মন্ত্রিসভা:
- নির্বাচন অনুষ্ঠিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬। 
- একক সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজয়ী দল: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। 
- প্রাপ্ত আসন: নির্বাচিত ২০৯টি আসন বিএনপি ও মিত্র দল ২১২টি আসন। 
- মন্ত্রীসভার শপথ গ্রহণ: ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬। 
- প্রধানমন্ত্রীসহ নতুন মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ৫০ জন। 
- মন্ত্রী ২৫ জন; প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। 
- নারী মন্ত্রী: ১ জন; নারী প্রতিমন্ত্রী: ২ জন। 
- টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী: ২ জন; প্রতিমন্ত্রী: ১ জন। 

উৎস: বিবিসি বাংলা। [লিঙ্ক]

৪,০৭২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য কতজন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৪,০৭৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় কবে?
  1. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ১৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,০৭৪.
মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের কয়টি স্তর ছিল?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

মৌলিক গণতন্ত্র:
- 'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থাটি আইয়ুব খানের অভিনব উদ্ভাবন।
- এটি ছিল চারস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা।
- ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের ৪টি স্তর ছিল। যথা-
(১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়)।
(২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে)।
(৩) জেলা কাউন্সিল।
(৪) বিভাগীয় কাউন্সিল।

উল্লেখ্য যে, 
[শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুক ও বাংলাপিডিয়া মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু  পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে  মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৭৫.
Bangladesh claims to have found the 28th gas field in _____.
  1. ক) Sylhet
  2. খ) Pabna
  3. গ) Rajshahi
  4. ঘ) Rangpur
  5. ঙ) None
সঠিক উত্তর:
ক) Sylhet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Sylhet
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৮টি।
- সর্বশেষ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- ২০২১ সালের ৯ আগস্ট নতুন গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি (বাপেক্স) এটি আবিষ্কার করে।
- ক্ষেত্রটিতে ৬,৮০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- দৈনিক এই ক্ষেত্র থেকে ১ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
৪,০৭৬.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল-
  1. ক) ১৯৯৭
  2. খ) ১৯৯৯
  3. গ) ২০০১
  4. ঘ) ২০০৯
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১
ব্যাখ্যা

২৩ অক্টোবর, ২০০১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই মন্ত্রণালয়ের প্রথম মন্ত্রী ছিলেন রেদোয়ান আহমেদ। বর্তমানে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হলেন আ ক ম মোজাম্মেল হক।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ/সংগঠনসমূহঃ
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, স্বাধীনতা স্তম্ভ কমপ্লেক্স, মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স, মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ইত্যাদি।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৪,০৭৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় কোন সালের কত তারিখে?
  1. ক) ১৭ এপ্রিল, ২০০২
  2. খ) ৯ এপ্রিল, ২০০২
  3. গ) ১৮ মার্চ, ২০০২
  4. ঘ) ৩ এপ্রিল, ২০০২
সঠিক উত্তর:
খ) ৯ এপ্রিল, ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯ এপ্রিল, ২০০২
ব্যাখ্যা
রাস্তাঘাট এ বিশৃঙ্খলা, যানবাহন চলাচলপথ এ বাধা সৃষ্টিসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এ আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ৯ এপ্রিল ২০০২সালে জাতীয় সংসদে এই আইন পাশ হয়।

উৎসঃ আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৪,০৭৮.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য সংবিধানের যে সংশোধন বাতিল করতে হবে-
  1. পঞ্চদশ
  2. দ্বাদশ
  3. একাদশ
  4. ত্রয়োদশ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল।
→ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধন বাতিল করতে হবে।

♦ পঞ্চদশ সংশোধনী:
→ ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
→ রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।

♦ পঞ্চদশ (১৫তম) সংশোধনী এর বিষয়বস্তু:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• দলীয় সরকারের অধীন মেয়াদ শেষ হবার আগের ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• ৪৭ এর ৩ অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধ বা মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য "অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তিসমষ্টি বা সংগঠন" এর বিচার করার বিধান সংযুক্ত করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
→ বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধানের যে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিলো সেটিকে আংশিক বাতিল করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
→ এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
→ আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।

তথ্যসূত্র - ১৯ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা ও ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪, বিবিসি বাংলা।

৪,০৭৯.
Who was the president of the 21th February 1952 student movement?
  1. Abdul Matin
  2. Kaji Golam Mahabub
  3. Samsul Alam
  4. Gaziul Haque
সঠিক উত্তর:
Gaziul Haque
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gaziul Haque
ব্যাখ্যা
একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হতে থাকে।
- সরকার ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে।
- বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়। সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।
- বক্তব্য রাখেন শামসুল হক, মোহাম্মদ তোয়াহা, কাজী গোলাম মাহবুব, খালেক নেওয়াজ ও আবদুল মতিন।
- সভাপতি ১০ জন করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের নির্দেশ দেন।
- পুলিশ মিছিলকারীদের উপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে ছাত্ররা মেডিকেল হোস্টেলের প্রধান ফটকের কাছে জমায়েত হন।
- মেডিকেল হোস্টেলের নিকটেই ছিল জগন্নাথ হলের অডিটোরিয়াম যেখানে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সভা বসত।
- আন্দোলনকারী ছাত্রদের উদ্দেশ্য ছিল পূর্ববাংলা আইন পরিষদে যোগদানকারী সদস্যদের কাছে বাংলা ভাষার দাবির কথা পৌঁছে দেয়া যেন তাঁরা অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিষয়ে সুপারিশ গ্রহণ করেন।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক ইত্তেফাক, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
৪,০৮০.
‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্রটির বাংলাদেশের প্রযোজক কে?
  1. বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন
  2. জাজ মাল্টিমিডিয়া
  3. ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
মুজিব: একটি জাতির রূপকার:

- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৩ অক্টোবর ২০২৩ সালে।
- ১৯ মে ২০২২ সালে ফ্রান্সে ৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির প্রাথমিক ট্রেলার মুক্তি পায়।
- সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ভারতের খ্যাতিমান নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল।
- সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ‘বিএফডিসি’ (বাংলাদেশ) ও ভারতের ‘এনএফডিসি’।
- এর নির্মাণ ব্যয় ৮৩ কোটি টাকা। বাংলাদেশ মোট অর্থের ৫০ কোটি ও ভারত ৩৩ কোটি টাকা দিয়েছে।
- চলচ্চিত্রটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।
• খন্দকার মোশতাক আহমদের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু।
• কিশোর শেখ মুজিব চরিত্রে অভিনয় করেছেন দিব্য জ্যোতি।
• রেণু (শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব) চরিত্রে অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা।
• শেখ হাসিনা চরিত্রে নুসরাত ফারিয়া।
• শেখ রেহানা চরিত্রে সাবিলা নূর।
• মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী চরিত্রে রাইসুল ইসলাম আসাদ।
• তাজউদ্দীন আহমদ চরিত্রে রিয়াজ।
• এ কে ফজলুল হক চরিত্রে শহীদুল আলম সাচ্চু।
• টিক্কা খান চরিত্রে জায়েদ খান।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ, ১৫ অক্টোবর ২০২৩ ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,০৮১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের স্থান 'গোবরা ক্যাম্প' কোথায় অবস্থিত?
  1. কলকাতা
  2. চট্টগ্রাম
  3. আগরতলা
  4. আসাম
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের সময় নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের স্থান 'গোবরা ক্যাম্প' কলকাতায় অবস্থিত।

মুক্তিযুদ্ধে নারী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতার পার্ক সার্কাস ও পদ্মপুকুরের মাঝামাঝি গোবরা নামক স্থানে শুধু নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। 
- সেটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। 
- নারী যোদ্ধাদের জন্য অনুরূপ আরো তিনটি ক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে।
- গোবরা ক্যাম্পে মেয়েদের দেওয়া হতো তিন রকম ট্রেনিং: ১. সিভিল ডিফেন্স, ২. নার্সিং, ৩. অস্ত্র চালনা ও গেরিলা আক্রমণ।

এছাড়াও,
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখেন।
- আগরতলার লেম্বুচোরা ক্যাম্পে মহিলা গেরিলা স্কোয়াড-এর আধুনিক অস্ত্রের উচ্চতর ট্রেনিং হয়।
- রণাঙ্গনের যোদ্ধা তারামন বিবি বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।
- চিকিৎসার কাজে মহিলা চিকিৎসকগণের গৌরবময় দৃষ্টান্ত ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম। তিনিও বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) দৈনিক ইত্তেফাক।

৪,০৮২.
সিরডাপ - এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দিল্লি
  2. খ) কাঠমান্ডু
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) কুয়ালালামপুর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
ব্যাখ্যা

CIRDAP (Center on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific) ১৯৭৯ সালের বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পল্লী জনগণের দারিদ্র্য বিমোচন ও ভাগ্যোন্নয়নের লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির সদর দপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত। সিরডাপ কার্যালয় চামেলি হাউস নামে পরিচিত। এর সদস্য সংখ্যা ১৫।
উৎসঃ সিরডাপ ওয়েবসাইট।

৪,০৮৩.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন কোনটি?
  1. পদ্মা ভবন
  2. বঙ্গভবন
  3. গণভবন
  4. উত্তরা ভবন
সঠিক উত্তর:
গণভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণভবন
ব্যাখ্যা
♣♣ 
• বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী প্রধানমন্ত্রী।
• প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের নাম 'গণভবন'। 
• গণভবন অবস্থিত শেরেবাংলা নগর, ঢাকা।  

• প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইংরেজি নাম 'পিএমও'। 
• প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অবস্থান তেজগাঁও, ঢাকা।

• রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনের নাম 'বঙ্গভবন'।
• বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত বাসভবনের নাম 'সুধা সদন'। 
• এটি ধানমন্ডিতে অবস্থিত।

উৎস:
বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।
৪,০৮৪.
মুক্তিযুদ্ধকালীন হেমায়েত বাহিনী কোন অঞ্চলে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করে?
  1. টাঙ্গাইল
  2. ময়মনসিংহ
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. গোপালগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী গঠন ও কার্যক্রম:
- মুজিবনগর সরকার সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী।
- মুক্তিবাহিনী সরকারি পর্যায়ে দুটি শাখায় বিভক্ত ছিল ১. নিয়মিত বাহিনী ও ২. অনিয়মিত বাহিনী।

১. নিয়মিত বাহিনী: ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইউনিটগুলোর বাঙালি সৈনিকদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয়। সরকারিভাবে এদের নামকরণ করা হয় এম. এফ. (মুক্তিফৌজ)। মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ সরকার নিয়মিত বাহিনী হিসেবে সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীও গড়ে তোলে।

২. অনিয়মিত বাহিনী: ছাত্র, যুবক, শ্রমিক, কৃষক ও সকল পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বিভিন্ন সেক্টরের অধীনে অনিয়মিত বাহিনী গঠিত হয়। এই বাহিনীর সরকারি নামকরণ ছিল 'গণবাহিনী' বা এফ. এফ. (ফ্রিডম ফাইটার বা মুক্তিযোদ্ধা)। তাদের নিজ নিজ এলাকায় গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করার জন্য প্রেরণ করা হতো। এছাড়া ছাত্রলীগের বাছাইকৃত কর্মীদের নিয়ে গঠিত হয় 'মুজিববাহিনী'। কমিউনিস্ট পার্টি ন্যাপ (মোজাফফর), ন্যাপ (ভাসানী) ও ছাত্র ইউনিয়নের আলাদা গেরিলা দল ছিল।

⇒ আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে ওঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল), আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ), বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল), হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল), হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ), আকবর বাহিনী (মাগুরা), লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা) ও জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৪,০৮৫.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা কতটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ৬টি
  2. ২টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৬২টি।
• বাংলাদেশে অ-তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৫টি।
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

৪,০৮৬.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীরোত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ৬২ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ৫৮ জন
  4. ৪৪ জন
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৪,০৮৭.
BEPZA-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Export Production Zone Administration
  2. Bangladesh Enterprise Processing Zone Agency
  3. Bangladesh Economic Promotion Zone Association
  4. Bangladesh Export Processing Zone Authority
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Export Processing Zone Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Export Processing Zone Authority
ব্যাখ্যা

- BEPZA-এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Export Processing Zone Authority.

বেপজা:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- শিল্পায়ন, রপ্তানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- শিল্পায়ন, বিনিয়োগ প্রচার, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করা বেপজার মূল লক্ষ্য।
- বেপজার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।
- ২০২১ সালের ৭ই নভেম্বর তিনি নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

৪,০৮৮.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্মের নাম -
  1. উন্নত শির
  2. বিদ্রোহী দ্রোহ
  3. উন্নত মম শির
  4. বিদ্রোহী শহিদ
সঠিক উত্তর:
উন্নত মম শির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত মম শির
ব্যাখ্যা

- শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে ‘উন্নত মম শির’ শিরোনামে শিল্পকর্মটি অঙ্কন করেছেন শিল্পী শহীদ কবির।

‘উন্নত মম শির’:

- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ রংপুরের আবু সাঈদ।
- ১৬ই জুলাই, ২০২৪ আন্দোলন চলাকালে একজন পুলিশ সদস্যের গুলিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- তাকে কোটা আন্দোলনকারীরা আন্দোলনের প্রথম শহিদ বলে আখ্যায়িত করে।

সূত্র: প্রথম আলো। 

৪,০৮৯.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ (মরণোত্তর) ডিগ্রি প্রদান করেন -
  1. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  4. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুকে ‘ডক্টর অব লজ’ (মরণোত্তর) ডিগ্রি প্রদান:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২৯ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখ।
- এই সমাবর্তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ (মরণোত্তর) ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে এই ডিগ্রি গ্রহণ করেন।

উৎস: ২৯ অক্টোবর, ২০২৩, সমকাল।
৪,০৯০.
ভ্যাট একটি-
  1. প্রত্যক্ষ কর
  2. পরিপূরক কর
  3. উন্নয়ন কর
  4. পরোক্ষ কর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়। 
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।
 
উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৪,০৯১.
সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে বিশ্বে শীর্ষ দেশ -
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক মৎস পরিস্থিতি:
১ জুলাই ২০২২ ‘The State of World Fisheries and Aquaculture 2022’ নামক প্রতিবেদন প্রকাশ করে ‘খাদ্য ও কৃষি সংস্থা’ (FAO)। প্রতি ২বছর অন্তর প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন অনুসারে -

• স্বাদু বা মিঠা পানির মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ ৩ দেশ –
    প্রথম - ভারত (১.৮০ মিলিয়ন টন), যা বৈশ্বিক উৎপাদনের ১৬%।
    দ্বিতীয় - চীন (১.৪৬ মিলিয়ন টন), যা বৈশ্বিক উৎপাদনের ১৩%।
    তৃতীয় - বাংলাদেশ (১.২৫ মিলিয়ন টন), যা বৈশ্বিক উৎপাদনের ১১%।

• সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে শীর্ষ ২ দেশ –
    প্রথম - চীন (১১.৭৭ মিলিয়ন টন), যা বৈশ্বিক মোট আহরণের ১৫%
    দ্বিতীয় - ইন্দোনেশিয়া (৬.৪৩ মিলিয়ন টন), যা বৈশ্বিক মোট আহরণের ৮%।

• বিভিন্ন ক্যাটাগরির মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান -
    ইলিশ উৎপাদনে - প্রথম।
    স্বাদুপানির পাখনাযুক্ত মাছ (ফিনফিশ) উৎপাদনে - তৃতীয়।
    চাষের মাছ উৎপাদনে – তৃতীয়।
    সামুদ্রিক মৎস আহরণে – ২৫তম।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
৪,০৯২.
বাংলাদেশে ইসলামি ধারার ব্যাংক রয়েছে -
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ইসলামি ধারার ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ইসলামি ধারার ব্যাংক রয়েছে ১০টি।
- এগুলো হলো:
• ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড,
• আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেড,
• আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড,
• সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড,
• স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক,
• এক্সিম ব্যাংক,
• ফার্স্ট সিকিউরিটিজ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড,
• শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড,
• গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও
• ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড। 
- এ ছাড়া ১১টি ব্যাংকের ২৩টি শাখা ও প্রচলিত ব্যাংকের ৫৩৫টি শাখায় ইসলামি ব্যাংকিং সেবা পাওয়া যায়। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ১০টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে রপ্তানি প্রায় ৩৯% কমেছে।

উৎস: i) ২৫ মার্চ ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) ৪ ডিসেম্বর ২০২৩, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৪,০৯৩.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত চরমপত্র এর উপস্থাপক ছিলেন কে?
  1. ক) বেলাল আহমেদ
  2. খ) আলী জাকের
  3. গ) এম আর আখতার মুকুল
  4. ঘ) আবদুল মান্নান
সঠিক উত্তর:
গ) এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি অনুষ্ঠান ছিল চরমপত্র। এই অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান। স্থানীয় ঢাকাইয়া উপভাষায় এর স্ক্রিপ্ট তৈরি এবং উপস্থাপনা করেন এম আর আখতার মুকুল।
এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি জনগণের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয় এবং জনগণের নৈতিক মনোবল দৃঢ়করণে ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৪,০৯৪.
নিম্নের কোন জাতটিকে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়?
  1. ব্রি-৭৯
  2. ব্রি ধান-৫৭
  3. ব্রি-৩৪
  4. ব্রি-৩৩
সঠিক উত্তর:
ব্রি-৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি-৩৩
ব্যাখ্যা
ব্রি ধান-৩৩ কে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়।

মঙ্গার ধান:

ব্রি ধান-৩৩ আমন মৌসুমের ধান।
- ১৯৯৭ সালে এ জাতের উদ্ভাবন হয়।
- হেক্টরপ্রতি ফলন প্রায় ৪.৫ টন।
- জীবনকাল ১১৮ দিন।
- মঙ্গা এলাকায় এ ধান বেশ জনপ্রিয় বলে একে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫৫,
• ব্রি ধান-৫৬,
• ব্রি ধান-৫৭,
• ব্রি ধান-৬৬,

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫১,
• ব্রি ধান-৫২,
• ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৪,০৯৫.
অপরাধীদের দণ্ড হ্রাস করার ক্ষমতা রাখে কোন বিভাগ?
  1. ক) আইন বিভাগ
  2. খ) শাসন বিভাগ
  3. গ) বিচার বিভাগ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) শাসন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাসন বিভাগ
ব্যাখ্যা
সরকারের তিনটি বিভাগের কাজ: 

- আইন বিভাগ - সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন করে এবং
- বিচার বিভাগ - সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করে।
- শাসন বিভাগ: 
. শাসন বিভাগ বিচার বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মচারীদের নিয়োগ করেন ৷
. শাসন বিভাগের প্রধান অপরাধীদের দণ্ড হ্রাস করতে পারেন ও স্থগিত রাখতে পারেন।
. আবার কর নির্ধারণ নিয়োগ, পদোন্নতি, পদচ্যুতি প্রভৃতি - বিষয়ে আপত্তির নিষ্পত্তি শাসন বিভাগ করে থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (১ম) বোর্ড বই।
৪,০৯৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের উল্লেখ আছে?
  1. ১২৭ নং
  2. ১৩৭ নং
  3. ১৩৯ নং
  4. ১৪১ নং
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭ নং
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে 'সরকারি কর্ম কমিশন' গঠনের উল্লেখ করে বলা হয়েছে।

 ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ: কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- ‘আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে’।

অন্যদিকে,
১২৭। মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
১৩৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য পদের মেয়াদ।
১৪১। বার্ষিক রিপোর্ট।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,০৯৭.
বাংলাদেশের সংবিধান কী দিয়ে শুরু?
  1. তফসিল
  2. সংশোধনী
  3. প্রস্তাবনা
  4. মূলনীতি
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দলিল।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- এই সংবিধানে ৭টি তফসিলসহ ১১টি ভাগ ও ১টি প্রস্তাবনা আছে।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রস্তাবনা দিয়ে শুরু
- সংবিধানের প্রস্তাবনার উপরে লেখা আছে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
        ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 
৪,০৯৮.
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ 'বিজয় চেতন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাসে
  2. রংপুর সেনানিবাসে
  3. কুমিল্লা সেনানিবাসে
  4. সাভার সেনানিবাসে
সঠিক উত্তর:
সাভার সেনানিবাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা
বিজয় চেতন:
- মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ 'বিজয় চেতন' ঢাকার সাভার সেনানিবাসের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুল (সিএমপিসিঅ্যান্ডএস) চত্বরে -এ অবস্থিত।
- সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ স্মৃতিস্তম্ভটির উদ্বোধন করেন।
- কোর অব মিলিটারি পুলিশের (সিএমপি) ১৭ শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতির স্মরণে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম বিজয় কেতন।

উৎস: প্রথম আলো।
৪,০৯৯.
বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৮৪০ সালে
  2. ১৮৪৫ সালে
  3. ১৮৫৪ সালে
  4. ১৮৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:

- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৪,১০০.
আগরতলা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয় - 
  1. ১৮ এপ্রিল ১৯৬৮ 
  2. ১৯ জুন ১৯৬৮
  3. ১৮ জুন ১৯৬৮ 
  4. ১৮ ডিসেম্বর ১৯৬৮ 
সঠিক উত্তর:
১৯ জুন ১৯৬৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ জুন ১৯৬৮
ব্যাখ্যা
- ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে এক নম্বর আসামি করে মোট ৩৫ জন বাঙালি সেনা ও সি এস পি অফিসারের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ এনে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- আগরতলা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয় - ১৯ জুন ১৯৬৮
- বিচারের স্থান - ঢাকা সেনানিবাসের সিগন্যাল অফিসার মেস 
- মামলার ধারা - তাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান দন্ডবিধির ১২১ এবং ১৩১ ধারায় তদানীত্তন পূর্ব পাকিস্তানকে সশস্ত্র পন্থায় স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার অভিযোগ আনা হয় । 

 তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।