বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৪০ / ৩০৬ · ৩,৯০১৪,০০০ / ৩০,৮৩২

৩,৯০১.
বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো হাইড্রোজেন জ্বালানি উৎপাদন করতে যাচ্ছে?
  1. ক) BCIC
  2. খ) BFIDC
  3. গ) BCSIR
  4. ঘ) BSEC
সঠিক উত্তর:
গ) BCSIR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) BCSIR
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো হাইড্রোজেন জ্বালানি উৎপাদন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)।
- একটি প্রকল্পের আওতায় আগামী বছরের জুন থেকে পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য এই জ্বালানি উৎপাদনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
- বিসিএসআইআরের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গৃহস্থালি আবর্জনা ও পানিকে যথাক্রমে বায়োমাস গ্যাসিফিকেশন এবং তড়িৎ বিশ্লেষণ (ইলেক্ট্রোলাইসিস) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জ্বালানিতে রূপান্তর করা হবে।
- এর জন্য বিসিএসআইআর ইতোমধ্যে একটি ইউনিট স্থাপন করেছে। আরেকটি ইউনিট স্থাপনের কাজ পূর্ণোদ্দমে চলছে।
- ইউনিট দুটি উৎপাদন শুরু করলে দৈনিক ৫ কেজি ৮০০ গ্রাম হাইড্রোজেন জ্বালানি উৎপাদিত হবে। ২৪ ঘণ্টা চালানো হলে উৎপাদন ২৯ কেজিতে পৌঁছাতে পারে।
- স্থানীয় ভাবে উচ্চ পর্যায়ের টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব হাইড্রোজেন জ্বালানি উৎপাদনের জন্য বিসিএসআইআর ৫৪ কোটি টাকার একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
- চট্টগ্রামে ২০১৮ সালের অক্টোবরে এই প্রকল্পের উদ্বোধন হয়।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম হাইড্রোজেন উৎপাদন কেন্দ্র। 

উৎস: দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা
৩,৯০২.
বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয় কোন মাসে?
  1. চৈত্র-বৈশাখ মাসে
  2. ফালগুন-চৈত্র মাসে
  3. অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
  4. বৈশাখ-জৈষ্ঠ মাসে
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
ব্যাখ্যা
রোপা আমন ধান:
- আমন ধান মূলত দুই প্রকার।
- রোপা আমন ও বোনা আমন।
- রোপা আমন আষাঢ় মাসে  বীজতলায় বীজ বোনা হয়।
- শ্রবণ ভাদ্র মাসে  মূল জমিতে রোপণ করা হয়।
- অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে রোপা-আমন ধান কাটা হয়।

কয়েকটি জাতের নাম :
- লবণাক্ততা  সহিষ্ণু  জাত: ব্রি ধান৪০,  ব্রি ধান৪১, ব্রি ধান৫৩, ব্রি ধান৫৪, ব্রি ধান৭৩।
- বন্যা: ব্রি  ধান৫১, ব্রি ধান৫২, ব্রি ধান৭৯ ।
- খরা: ব্রি ধান৫৬,  ব্রি ধান৫৭, ব্রি ধান৬৬, ব্রি ধান৭১) ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৩,৯০৩.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন তার বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতিকে জমা দেয়?
  1. ১৩৮ নং 
  2. ১৩৯ নং 
  3. ১৪০ নং 
  4. ১৪১ নং 
সঠিক উত্তর:
১৪১ নং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১ নং 
ব্যাখ্যা

সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- এগুলো হলো: ১৩৭ - ১৪১ নং।

• বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন তার বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতিকে জমা দেয়।

উল্লেখ্য, সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে -
- প্রত্যেক কমিশনকে প্রতি বছর মার্চ মাসের শুরুর দিনে বা তার আগেই, আগের বছরের (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) সব কাজকর্মের একটা রিপোর্ট তৈরি করে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিতে হবে।
(২) এই রিপোর্টের সঙ্গে একটা ছোট নোট (মেমো) থাকবে, যেখানে লেখা থাকবে—
(ক) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের পরামর্শ মানা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন মানা হলো না, তার কারণ;
(খ) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল, কিন্তু করা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন আলোচনা করা হলো না, তার কারণ;
কমিশন যতটা জানে, ততটা সব লিখে রাখবে।
(৩) যে বছর এই রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে, সেই বছর ৩১ মার্চের পর সংসদের যে প্রথম বৈঠক হবে, সেখানে রাষ্ট্রপতি এই রিপোর্ট আর সেই নোটটা সংসদে উপস্থাপন করবেন।

অন্যদিকে,
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

৩,৯০৪.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি? 
  1. আগুনের পরশমণি
  2. ওরা এগারো জন
  3. গেরিলা
  4. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
সঠিক উত্তর:
ওরা এগারো জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা এগারো জন
ব্যাখ্যা

• ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম। 
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো। 

৩,৯০৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭২
  2. অনুচ্ছেদ ৭৫
  3. অনুচ্ছেদ ৭৭
  4. অনুচ্ছেদ ৭৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।
- অনুচ্ছেদ ৮০ - আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৩,৯০৬.
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকালে ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ শিরোনামের পোস্টারটি কে এঁকেছিলেন?
  1. ক) ভিনসেন্ট ভ্যানগগ
  2. খ) পাবলো পিকাসো
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
সঠিক উত্তর:
গ) কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে নিরীহ বাঙালির উপর পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর নৃশংস হামলাকে কেন্দ্র করে কামরুল হাসানের ইয়াহিয়ার মুখচ্ছবি দিয়ে আঁকা পোস্টার ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ / 'ANNIHILATE THESE DEMONS' দেশেবিদেশে বিপুলভাবে সাড়া জাগায় এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে সাধারণ মানুষকেও উদ্বুদ্ধ করে।
মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণামূলক পোস্টার আঁকায় নিতুন কুন্ডু (১৯৩৬-২০০৭), প্রাণেশ মন্ডল প্রমুখ শিল্পী বিশেষ অবদান রাখেন।
স্বাধীনতার পরও অব্যাহত ছিল রাজনৈতিক পোস্টার শিল্পের বিকাশ।
কামরুল হাসান-এর দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে, কাজী হাসান হাবীব (১৯৪৮-১৯৮৮)-এর বাংলাদেশ বনপোড়া হরিণীর মতো আর্তনাদ করে, কাউয়ুম চৌধুরীর আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি প্রভৃতি পোস্টার বাংলাদেশের কতকগুলি রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের সাক্ষী হয়ে আছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৩,৯০৭.
উপমহাদেশে প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম কখন সংঘটিত হয়?
  1. ১৮৫৭ সালে
  2. ১৭৫৭ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৮৪৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
উপমহাদেশে প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম:

- ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসে ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের স্বাধীনতা সংগ্রাম এক যুগান্তকারী ঘটনা।
- ভারতের রাজনৈতিক, আর্থ- সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক ক্ষেত্রে কোম্পানি সরকারের গৃহীত ব্যবস্থা, অনুসৃত নীতি বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে অসন্তোষ আর ক্ষোভের সৃষ্টি করে, তারই বহিঃপ্রকাশ এই সংগ্রাম।
- নানা কারণে এ সংগ্রাম ব্যর্থ হয়। তবে এর ফলে ভারতে একশ বছরের কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে।
- উপমহাদেশের শাসনভার ব্রিটিশ রাজ ও পার্লামেন্টের হাতে অর্পিত হয়।
- এটি ভারতের ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯০৮.
বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের ফাঁদে (Middle-Income Trap) পড়ার ঝুঁকি মূলত কোন্ কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে যুক্ত?
  1. কৃষি রপ্তানি হ্রাস 
  2. নগর জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্ব
  3. প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি
  4. পুঁজি বৃদ্ধি সত্ত্বেও মোট উৎপাদনশীলতার (Total Factor Productivity) বৃদ্ধি ধীর গতির হওয়া
সঠিক উত্তর:
পুঁজি বৃদ্ধি সত্ত্বেও মোট উৎপাদনশীলতার (Total Factor Productivity) বৃদ্ধি ধীর গতির হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঁজি বৃদ্ধি সত্ত্বেও মোট উৎপাদনশীলতার (Total Factor Productivity) বৃদ্ধি ধীর গতির হওয়া
ব্যাখ্যা

→ পুঁজি বৃদ্ধি সত্ত্বেও মোট উৎপাদনশীলতার বৃদ্ধি ধীর গতির হওয়া বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত।

♦ মধ্যম আয়ের ফাঁদ:
- 'মধ্যম আয়ের ফাঁদ' শব্দটি এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে একটি দেশ দ্রুত আয় বৃদ্ধির অভিজ্ঞতা লাভ করে।
- নিম্ন-আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পর তার জন্য উচ্চ-আয়ের অবস্থানে যাওয়া কঠিন হয়ে পরে।
- বিশ্বব্যাংক ২০০৭ সালে একটি প্রতিবেদনে 'মধ্যম আয়ের ফাঁদ' ধারণাটি দেয়।
- সেই সময়ে এই শব্দটি মূলত ল্যাটিন আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিকে বর্ণনা করার জন্য ব্যবহৃত হত।

♦ বাংলাদেশ ও মধ্যম আয়ের ফাঁদ:

- বাংলাদেশ ২০১৫ সালে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে।
- বর্তমানে মাথাপিছু আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- সম্প্রতি শ্বেতপত্র কমিটি -এর প্রতিবেদন অনুযায়ী অর্থনীতিতে ছয়টি লক্ষণ দেখা যায় যা বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশের ফাঁদে ফেলে দিয়েছে।

→ লক্ষণসমূহ:
• শিল্প খাতে কর্মসংস্থান ও উৎপাদনের বিপরীতমুখী সম্পর্ক তৈরী হলে।
• শিল্প খাতে উৎপাদন স্থবিরতা কিংবা হ্রাস হলে।
• মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) রপ্তানি খাতের অপর্যাপ্ত অবদান।
• বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা দেখা দিলে।
• শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগের অপ্রতুলতা দেখা দিলে।
• সুশাসনের অভাব হলে।

→  ফাঁদ এড়ানোর উপায়:
• প্রযুক্তি, দক্ষতা, উদ্ভাবনের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো।
• বৈচিত্র্যময় রপ্তানি ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি করে।
• মানবসম্পদ উন্নয়ন (শিক্ষা, স্বাস্থ্য) করা।
• সুশাসন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করা।

তথ্যসূত্র - বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট, প্রথম আলো ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার রিপোর্ট।

৩,৯০৯.
পদ্ম সেতুতে পরীক্ষামূলক ETC কার্যক্রম চালু হয় ২০২৩ সালের-
  1. ক) ৫ জুলাই
  2. খ) ৭ জুলাই
  3. গ) ৬ জুলাই
  4. ঘ) ১০ জুলাই
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ জুলাই
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর পর এবার সকালে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের টোল প্লাজায় তৈরি স্মার্ট বুথে পরীক্ষামূলকভাবে ইলেকট্রনিক টোল সিস্টেম (ইটিসি) চালু হয়েছে।
- ৫ জুলাই, ২০২৩ থেকে এ কার্যক্রম চালু হয়।
- যমুনা সেতুতে এই সিস্টেম চালু হয়েছিল ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর।
- এতে সেতুর দুই প্রান্তে একটি করে লেনে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশনের (আরএফআইডি) মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে টোল আদায় হবে।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ (৬ জুলাই, ২০২৩)।
৩,৯১০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'জল্লাদের দরবার' অনুষ্ঠানটি কোথায় থেকে প্রচারিত হয়েছিল?
  1. বিটিভি
  2. পাকিস্তান বেতার
  3. এনটিভি
  4. স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
• স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- বস্ত্তত, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের দুটি জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল 'চরমপত্র' এবং 'জল্লাদের দরবার'।
- 'জল্লাদের দরবার' অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র এবং পাশবিক আচরণকে 'কেল্লা ফতেহ খান' চরিত্রের মাধ্যমে চিত্রিত করা হয়েছিল। '
- চরমপত্র' সিরিজটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদের সদস্য আবদুল মান্নান এবং এর স্ক্রিপ্ট লেখা ও উপস্থাপনা করেন এম আর আখতার মুকুল। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৯১১.
১৯৭২ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৬) এর অধীনে কোন দুটি ব্যাংক একত্রিত করে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়?
  1. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড এবং ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড
  2. ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  3. ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  4. ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
জনতা ব্যাংক পিএলসি:
- ১৯৭১ সালে যুদ্ধের পর স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সাথে সাথে, রক্ত, অশ্রু, বেদনা এবং আমাদের লক্ষ লক্ষ প্রিয়জনের বেদনায় ভরা একটি যুদ্ধ, দেশের ইতিমধ্যেই ভাঙা আর্থিক ভিত্তি পুনর্নির্মাণের উত্তরাধিকারকে একটি নবজাত রাষ্ট্রের ধসে পড়া অর্থনৈতিক বাস্তবতার বিরুদ্ধে দিনের একটি জরুরি আহ্বান হিসেবে অনুভূত হয়েছিল।
- এই পটভূমিতে, দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য, এই অঞ্চলে পূর্বে পরিচালিত বেশ কয়েকটি ব্যাংককে একীভূত করে নতুন ব্যাংক তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং এই উদ্যোগের ফলে ১৯৭২ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৬) এর অধীনে পূর্ববর্তী ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডকে একত্রিত করে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়।

⇒ ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর জনতা ব্যাংক জয়েন্ট স্টক অফ রেজিস্ট্রারদের সাথে নিবন্ধিত হয় এবং জনতা ব্যাংক লিমিটেড নামে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে পুনর্গঠন করে।
- কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ২০২০ সংশোধনীর আওতায়, ব্যাংকটির নামকরণ করা হয় জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- চেয়ারম্যান: জনাব এম. ফজলুর রহমান।

উৎস: Janata Bank PLC ওয়েবসাইট।
৩,৯১২.
বাংলাদেশে বীমা কোম্পানিগুলোর তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. এনবিআর
  3. ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন
  4. আইডিআরএ
সঠিক উত্তর:
আইডিআরএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইডিআরএ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে বীমা কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA)।

• Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA)

» প্রতিষ্ঠা:
- IDRA গঠিত হয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১০ অনুযায়ী।
- আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২৬ জানুয়ারি ২০১১-এ।

» উদ্দেশ্য:
- বাংলাদেশের বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করা।
পলিসি ধারকদের স্বার্থ রক্ষা করা।
- জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪ কার্যকর করার মাধ্যমে বীমা শিল্পের বিন্যস্ত উন্নয়ন ও তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা।

» গঠন:
- নেতৃত্বে একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্য।
- বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য কিছু নির্বাহী পরিচালক ও পরিচালক রয়েছেন।

» প্রধান কার্যক্রম ও দায়িত্ব:
- বীমা ও পুনর্বীমা প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান করা।
- বীমা, পুনর্বীমা, মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) রেজিস্ট্রেশন ও সার্টিফিকেট প্রদান, নবায়ন, পরিবর্তন বা বাতিল করা।
- বীমা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, অনুসন্ধান ও তদন্ত করা।
- নতুন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
- তহবিল ও বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ, সলভেন্সি মার্জিন রক্ষা।
- প্রিমিয়াম হার নির্ধারণ ও বীমাকারীর সুবিধা নিশ্চিতকরণ।
- বিরোধ বা দাবি সমাধান এবং অ্যাকচুয়ারিয়াল রিপোর্ট প্রস্তুতির প্রক্রিয়া নির্ধারণ।

তথ্যসূত্র: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট।  

৩,৯১৩.
মুক্তিযুদ্ধের ২নং সেক্টরের সদরদপ্তর কোথায় ছিল?
  1. মেলাঘর
  2. বাঁশতলা
  3. হেজামারা
  4. হরিণা
সঠিক উত্তর:
মেলাঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেলাঘর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
=১নং সেক্টর:
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রব।
- সদরদপ্তর: হরিণা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, পরে মেজর রফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ২নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এটিএম হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৩নং সেক্টর:
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: হেজামারা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ, পরে মেজর এএনএম নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৪ নং সেক্টর:
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: প্রথমে করিমগঞ্জে এবং পরে আসামের মাসিমপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরাজন দত্ত, পরে ক্যাপ্টেন এ রবের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৫নং সেক্টর:
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।

= ৬নং সেক্টর:
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়ি মাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার।

= ৭নং সেক্টর:
-রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর।
- সদরদপ্তর: তরঙ্গপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নজরুল হক, পরে সুবেদার মেজর এ রব এবং মেজর কাজী নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৮নং সেক্টর:
- কুষ্টিয়া, যশোর থেকে খুলনা, সাতক্ষীরা,
- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল,
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ।
- সদরদপ্তর: কল্যাণী।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৯নং সেক্টর:
- বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বশিরহাট।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম জলিল, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর এবং মেজর জয়নাল আবেদীনের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ১০নং সেক্টর:
- সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন।

= ১১নং সেক্টর:
- টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মহেন্দ্রগঞ্জ।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম আবু তাহের।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৯১৪.
ইলবার্ট বিলের প্রস্তাব অনুযায়ী, কোন পরিবর্তনটি ঘটানো হয়েছিল?
  1. ভারতীয়দের অস্ত্র বহনের অধিকার প্রদান
  2. ভারতীয়দের জন্য পৃথক নির্বাচনী ব্যবস্থা প্রবর্তন
  3. ভারতীয়দের জন্য উচ্চশিক্ষা বাধ্যতামূলক করা
  4. ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয়দের বিচার করার অধিকার প্রদান
সঠিক উত্তর:
ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয়দের বিচার করার অধিকার প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয়দের বিচার করার অধিকার প্রদান
ব্যাখ্যা
ইলবার্ট বিল:
- লর্ড রিপন তার শাসনামলে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেন এবং নতুন নতুন সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
- তার শাসনকালীন সময়ের অন্যতম কীর্তি হলো ইলবার্ট বিল নামে একটি আইনের পরিকল্পনা।
- এ বিলের উদ্দেশ্য ছিল বিচার ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে ভারতীয় ও ইউরোপীয়দের মধ্যে যে বৈষম্য ছিল তা দূর করা।
- লর্ড রিপন বিচার বিভাগের বৈষম্য দূরীকরণের জন্য সচিব ইলবার্টকে একটি বিল প্রণয়নের দায়িত্ব দেন।
- যার কারণে স্যার ইলবার্ট এর নামানুসারে এ বিলটি ইলবার্ট বিল নামে পরিচিত।
- এ বিলে ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয় অপরাধীদের বিচার করার ক্ষমতা দেয়া হয়।
- এ বিলটি ১৮৮৩ সালে পাস হয়।

⇒ লর্ড রিপন ভারতে আসার আগে কোন ভারতীয় বিচারকরা কোন অভিযুক্ত ইংরেজের বিচার করতে পারত না।
- এই বৈষম্য দূর করতে লর্ড রিপনের পরামর্শে তার আইন সচিব ইলবাট একটি বিলের খসড়া রচনা করেন।
- এই খসড়া বিলে ভারতীয় বিচারকদের ইংরেজ অভিযুক্তের বিচার করার অধিকার দেওয়া হয়।
- এই খসড়া বিলই ইলবার্ট বিল (১৮৮৩) নামে পরিচিত।

⇒ ইলবার্ট বিল বিতর্ক ভারতের বিশেষত বাংলার শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির মনে গভীর প্রভাব ফেলে।
- তারা প্রথমবারের মতো নিজেদের অধিকার সংরক্ষণ ও প্রতিষ্ঠার জন্য শক্তিশালী ও সার্বজনীন রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।
- ইলবার্ট বল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রথমে ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন (১৮৮৩) এবং পরে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস (১৮৮৫) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাপিডিয়া।
৩,৯১৫.
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব-এর ভাষণ’ বইটি সংকলন করেছেন কে?
  1. আদনান মোহাম্মদ
  2. আল ইমরান
  3. শওকত জামান
  4. আকরাম-আল-হোসেন
সঠিক উত্তর:
আকরাম-আল-হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকরাম-আল-হোসেন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব-এর ভাষণ:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫৮টি ভাষণের সংকলন ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব-এর ভাষণ’ শীর্ষক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন।
- বইটির ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী।
- এতে প্রতিটি বক্তৃতার সম্পূর্ণ অডিও সংস্করণের কিউআর কোড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- বইটি প্রকাশ করেছে মাওলা ব্রাদার্স।
- বইটি সংকলন করেছেন আকরাম-আল-হোসেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক বলিষ্ঠ ভাষণের ফলে দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
- ঐতিহাসিক ভাষণের কারণে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‘রাজনীতির কবি’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- ইউনেস্কো ভাষণটিকে ‘ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসাবে স্বীকৃতি দেয় এবং এটিকে মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে (এমওডব্লিউ) অন্তর্ভুক্ত করে।
- এই বইয়ে অন্তর্ভুক্ত তাঁর ভাষণসমূহ শুধু বাংলাদেশের জনগণের নয়, সমগ্র বিশ্বের মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার পথ দেখাবে।

উৎস: ২০ নভেম্বর ২০২৩, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। [link]
৩,৯১৬.
ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. গৌড়
  2. ঢাকা
  3. সোনারগাঁও
  4. পাণ্ডুয়া
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা

• ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ :
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ (১৩৩৮-১৩৪৯) বাংলার সুলতান।
- বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তাঁর রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে। 
- ফখরুদ্দীন ছিলেন জাতিতে তুর্কি এবং খুব সম্ভবত তুর্কিদের কারাউনা গোত্রীয়।
- তিনি ছিলেন দিল্লির তুগলক সুলতানের অধীনে সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা (ওয়ালি) বাহরাম খানের সিলাহদার (অস্ত্রাগারের তত্ত্বাবধায়ক)।
- ১৩৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাহরাম খানের মৃত্যুর পর ফখরুদ্দীন সোনারগাঁয়ে শাসন ক্ষমতা করায়ত্ত করেন এবং স্বীয় অবস্থান সুদৃঢ় করে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে স্বাধীন সুলতান ঘোষণা করেন।
- স্বীয় মুদ্রায় ফখরুদ্দীন আল-সুলতানুল আযম ফখরুদ্দুনিয়া ওয়াদ-দ্বীন আবুল মুজাফফর মুবারক শাহ আল-সুলতান উপাধি গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৯১৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজশাহী জেলা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) ছয়
  2. খ) সাত
  3. গ) আট
  4. ঘ) নয়
সঠিক উত্তর:
খ) সাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাত
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে ১১ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব- সেক্টরে বিভক্ত ছিল।
- সেক্টরগুলোর পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো-
এক নম্বর সেক্টর: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী পর্যন্ত এলাকা।
দুই নম্বর সেক্টর: নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত, কুমিল্লা জেলা, সিলেট জেলার হবিগঞ্জ (বর্তমানে জেলা), ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ।
তিন নম্বর সেক্টর: আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলা, সিলেট, ঢাকা জেলার অংশবিশেষ ও কিশোরগঞ্জ।
চার নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল, খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন ছাড়াও পূর্ব ও উত্তর দিকে ডাউকি সড়ক পর্যন্ত অঞ্চল।
পাঁচ নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল, সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
ছয় নম্বর সেক্টর: রংপুর জেলা, দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহকুমা (বর্তমানে জেলা)।
সাত নম্বর সেক্টর: দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা
আট নম্বর সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরের অধিকাংশ এবং খুলনা জেলার দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
নয় নম্বর সেক্টর: দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনা জেলার দক্ষিণাঞ্চল, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা।
দশ নম্বর সেক্টর: দশ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথ।
এগার নম্বর সেক্টর: কিশোরগঞ্জ ছাড়া ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
৩,৯১৮.
ইস্কান্দার মির্জা কোন শাসককে উৎখাত করে পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন?
  1. মালিক ফিরোজ খান
  2. ওমরাও খান
  3. নুরুল আমিন
  4. ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
মালিক ফিরোজ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালিক ফিরোজ খান
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:
- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্থানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯১৯.
ওঁরাও জাতিগোষ্ঠীর প্রধান বসতিস্থল কোনটি?
  1. বরেন্দ্র অঞ্চল
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  3. সিলেট অঞ্চল
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র অঞ্চল
ব্যাখ্যা

ওঁরাও:
- ওঁরাও দক্ষিণ এশিয়ার একটি বড় নৃগোষ্ঠী।
- ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে এদের বাস।
- ওঁরাওদের প্রধান বসতিস্থল হলো বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চল। বাংলাদেশে বর্তমানে গাজীপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা ওঁরাওদের প্রধান বসতিস্থল।

⇒ ওঁরাওদের ভাষার নাম কুরুখ ও সাদ্রি।
- এই ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই।
- ওঁরাও আদিবাসীরা নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তরপুরুষ।
- ওঁরাও সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

⇒ এদের গ্রামপ্রধানকে বলা হয় মাহাতো।
- এদের নিজস্ব আঞ্চলিক পরিষদ আছে, যা পাহতো নামে পরিচিত।
- এই পরিষদে কয়েকটি গ্রামের প্রতিনিধিরা থাকে।
- অন্যান্য আদিবাসী জাতির মতো ওঁরাও সমাজও সর্বপ্রাণবাদী প্রকৃতি উপাসক, তবে এদের ধর্মবিশ্বাসে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে সর্বশক্তিমান ‘ধরমী’ বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’ স্বীকৃত।
- এদের প্রধান উৎসবের নাম কারাম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৯২০.
'আলীনগর সন্ধি' বলতে নিচের কোনটি কে বোঝায়?
  1. ক) সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ফরাসিদের সন্ধি
  2. খ) সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরজেদের সন্ধি
  3. গ) সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে পর্তুগিজদের সন্ধি
  4. ঘ) ফরাসিদের সাথে পর্তুগিজদের সন্ধি
সঠিক উত্তর:
খ) সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরজেদের সন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরজেদের সন্ধি
ব্যাখ্যা
- পলাশি যুদ্ধের পূর্ববর্তী সময়ে সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরজেদের যে সন্ধি হয়েছিল সেটিই 'আলীনগরের সন্ধি' আন্মকে পরিচিত ছিল।

আলীনগরের সন্ধি

- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতা অধিকার করার পর সেনাপতি মানিক চাঁদকে কলকাতা রক্ষার দায়িত্বে রেখে রাজধানী মুর্শিদাবাদ ফিরে যান।
- ইতোমধ্যে অন্ধকূপ হত্যা কাহিনী এবং নবাব কর্তৃক কলকাতা দখলের সংবাদ মাদ্রাজে পৌঁছলে ইংরেজ সেনাপতি ওয়াটসন ও রবার্ট ক্লাইভ মানিক চাঁদের নামমাত্র প্রতিরোধ ভেঙে কলকাতা পুনরায় দখল করেন।
- নবাব চারদিকে ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল লক্ষ করে ইংরেজদের সাথে এ অবস্থায় এক অপমানজনক সন্ধি করতে বাধ্য হন।
- এ সন্ধিই বিখ্যাত ‘আলীনগরের সন্ধি' নামে খ্যাত।
- এ সন্ধির শর্তানুসারে নবাব দিল্লির সম্রাট কর্তৃক ইংরেজদের প্রদত্ত সকল বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধা, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি প্রদান, টাকশাল নির্মাণ এবং দুর্গ সংস্কার করার অনুমতি প্রদান করতে বাধ্য হন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তাফা।
৩,৯২১.
মহাত্মা গান্ধী কত সালে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন?
  1. ১৯২৩ সালে
  2. ১৯২০ সালে
  3. ১৯২৮ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২০ সালে
ব্যাখ্যা
মহাত্মা গান্ধী: 
- অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা ও ভারত রাষ্ট্রের জনক মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- তিনি ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর গুজরাটের পোরবন্দ নামক স্থানে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী বা মহাত্মা এই উপাধিটি রবীন্দ্রনাথ প্রদান করেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় নাটাল ইন্ডিয়ান কংগ্রেস নামক দল গঠন করেন।
-  দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের উপর বর্ণবাদী আচরনের বিরুদ্ধে তিনি সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেন।
- তিনি সেখানে ১৯১০ সালে একটি আশ্রম গড়ে তুলেন যার নাম ছিল - তলস্তয় ফার্ম (Tolstoy Farm)।
- এই আশ্রম থেকেই আন্দোলন পরিচালিত হত এবং সেখানে তিনি একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন যার নাম “দ্যা ক্রনিকাল”। 

উল্লেখ্য, 
- ভারতে ব্রিটিশদের অত্যাচার ও ১৯১৯ সালে জালিয়ালওয়ালাগের হত্যাকান্ডের প্রেক্ষিতে তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ১৯২০ সালে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৯৪২ সালে মহাত্মাগান্ধী ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ‘ভারত ছাড় আন্দোলন' (Quit India Movement) শুরু করেন। 
- ১৯৪৬ সালে তিনি নোয়াখালীর সোনাইমুরী ভ্রমন করেন দাঙ্গা থামানোর লক্ষ্যে এবং সোনাইমুরীতে তার নামে একটি জাদুঘর আছে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,৯২২.
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর যৌথবাহিনীর পক্ষ থেকে আত্মসমর্পণ দলিলে কার স্বাক্ষর ছিল?
  1. কর্নেল ওসমানী
  2. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
  3. লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ কে নিয়াজী
  4. মেজর জেনারেল রাও ফরমান
সঠিক উত্তর:
জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পূর্বাঞ্চলের কমান্ডার জেনারেল এ কে নিয়াজিকে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
- ১৫ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সংবরণ করে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান।
- ১৬ ডিসেম্বর সকাল সোয়া নয়টার সময় মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের জয়ী ও পরাজিত দুই পক্ষের মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক দলিল স্বাক্ষরিত হয়।
- যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, জিওসি এবং পূর্বাঞ্চলীয় ভারতীয় বাহিনী ও বাংলাদেশ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি ও প্রথম আলো।
৩,৯২৩.
রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন কত সালে যাত্রা শুরু করেছিলো?
  1. ১৭৬০ সাল
  2. ১৭৯৫ সাল
  3. ১৮১৫ সাল
  4. ১৮২৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৭৯৫ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯৫ সাল
ব্যাখ্যা
- ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে ১৭৯৫ সালের ২৯ জুন রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন যাত্রা শুরু করে। এটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর পূর্বসূরী প্রতিষ্ঠান।

রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়নের ক্রমবিবর্তন:
- রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন : ২৯ জুন ১৭৯৫
- ফ্রন্টিয়ার গার্ডস : ১৮৬১ সালে
- বেঙ্গল মিলিটারি পুলিশ : ১৮৯১ সালে
- ইস্টার্ণ ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস : ১৯২০ সালে
- ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস : ১৯৪৭ সালে
- বাংলাদেশ রাইফেলস : ১৯৭১ সালে
- বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ : ২০ ডিসেম্বর ২০১০।

(তথ্যসূত্র: বিজিবি ওয়েবসাইট)
৩,৯২৪.
BTRC -এর ইংরেজি পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Bangladesh Telephone Regulatory Commission
  2. খ) Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
  3. গ) Bangladesh Telecom Regulatory Commission
  4. ঘ) Bangladesh Telephone and Telegraph Regulatory Commission
সঠিক উত্তর:
খ) Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
ব্যাখ্যা
BTRC- Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.
Source: btrc.gov.bd
৩,৯২৫.
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য কে ছিলেন?
  1. সুলতানা বেগম
  2. রওশন আরা বাচ্চু
  3. জাহানারা ইমাম
  4. বেগম রাজিয়া বানু
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- কমিটির মোট সদস্য: ৩৪ জন।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন: ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৩,৯২৬.
অসহযোগ আন্দোলনের প্রধান নেতৃত্ব দানকারী কংগ্রেস নেতার নাম কী?
  1. জহরলাল নেহেরু
  2. আবুল কালাম আযাদ
  3. মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী
  4. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী
ব্যাখ্যা

অসহযোগ আন্দোলন: 
- প্রাদেশিক স্বায়ত্বশাসন প্রদানের আশ্বাসের ওপর নির্ভর করে ভারতীয়রা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ সরকারকে সাহায্য প্রদান করেন।
- কিন্তু ১৯১৯ সালে প্রণীত মন্টেগু-চেমসফোর্ড আইন ভারতের স্বায়ত্তশাসনকে প্রত্যাখান করে।
- ফলে এ আইন ভারতবাসীকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। বরং এই বছরই ব্রিটিশ সরকার কুখ্যাত 'রাউলাট অ্যাক্ট' পাস করে।
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল এই আইনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত পাঞ্জাবের জালিওয়ানওয়ালা বাগের শান্তিপূর্ণ সভায় ব্রিটিশ সরকার গুলি চালায়।
- এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ অসহযোগ আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- কংগ্রেস নেতা মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী (মহাত্মা গান্ধী) এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯২৭.
বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে রােহিঙ্গাদের প্রধান দাবি কোনটি?
  1. ক) ঘরবাড়ি পুননির্মাণ
  2. খ) জানমালের নিরাপত্তা
  3. গ) গণহত্যার বিচার
  4. ঘ) নাগরিকত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাগরিকত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাগরিকত্ত্ব
ব্যাখ্যা
রোহিঙ্গা সমস্যা:
- বাংলাদেশে এখন যে এগারো লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আছে, তার বড় অংশই বাংলাদেশে প্রবেশ করা শুরু করেছিলো ২০১৭ সালের ২৫শে অগাস্ট।
- বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে রােহিঙ্গাদের প্রধান দাবি নাগরিকত্ত্ব।
- রোহিঙ্গা মুসলমানদের আগে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে মিয়ানমারকে।
- এরপর বাংলাদেশে আশ্রিত ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা একসঙ্গেই ঘরে (রাখাইনে) ফিরে যাবে। 

উৎস: ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, প্রথম আলো।
৩,৯২৮.
বাংলাদেশ ক্রিকেটে ওয়ানডে মর্যাদা পায় কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
 ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে। 
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় লাভ করে ২০০৫ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ৬ জানুয়ারি ২০১৭, প্রথম আলো।
        iii) ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, প্রথম আলো।
        iv)  ১৪ জুন ২০২৩, সময় নিউজ।
৩,৯২৯.
পাকিস্তানের গণপরিষদে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কবে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবি উত্থাপন কর?
  1. ১৯৪৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  2. ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  3. ১৯৪৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৫১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ও ধীরেন্দনাথ দত্ত:
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদের অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার দাবিতে প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- তবে মুসলিম লীগের সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে তা প্রত্যাখ্যান করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রামরাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তিনি কুমিল্লা শহরে বাস করতেন।
- ১৯৪৬ সালে তিনি কংগ্রেস থেকে বঙ্গীয় বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি আতাউর রহমান খানের মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ পাকবাহিনী তাকে কুমিল্লার বাসা থেকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯৩০.
বাংলাদেশ এ পর্যন্ত কতটি শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করেছে? [জুলাই, ২০২৪]
  1. ৪৪টি
  2. ৫৫টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬০টি
সঠিক উত্তর:
৬৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩টি
ব্যাখ্যা
শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শান্তিরক্ষা বাহিনী এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- জাতিসংঘের নিজস্ব কোন শান্তিরক্ষা বাহিনী নেই।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে শান্তিরক্ষা বাহিনীর জন্য সদস্য সংগ্রহ করা হয়।
- বাংলাদেশের সেনাবাহিনীও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসাবে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।
- বিগত চার দশক ধরে শান্তিরক্ষা মিশনে বিশেষ অবদান রাখছে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৪০টি দেশে ৬৩টি মিশনে অংশ গ্রহণ করেছে।

উৎস: i) United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট।
         ii) ARMED FORCES DIVISION ওয়েবসাইট। [link]
৩,৯৩১.
দেব রাজবংশ কোন অঞ্চলে শাসন করত?
  1. বরেন্দ্র
  2. রাঢ়
  3. সমতট
  4. গৌড়
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা

দেব রাজবংশ:
- খড়গ রাজবংশের পতনের পর দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় দেব রাজবংশের উত্থান ঘটে।
- দেব রাজবংশ সমতট অঞ্চলে শাসনকারী রাজবংশ।
- দেব রাজবংশের চারজন বিখ্যাত রাজার নাম শ্রী শান্তিদেব, শ্রী বীরদেব, শ্রী আনন্দদেব ও শ্রী ভবদেব।
- সাত শতকের শেষ ভাগ থেকে আট শতকের প্রথমার্ধে (৭৫০-৮০০খ্রি.) দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গ দেব রাজবংশের অধীনে শক্তিশালী রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- তাদের রাজধানী ছিল বর্তমান লালমাই-ময়নামতি অঞ্চলের দেবপর্বত।
- ময়নামতির শালবন বিহার খনন করে এই রাজবংশের চারটি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে।

⇒ দেববংশের রাজারা প্রাথমিক যুগের পাল রাজাদের সমসাময়িক ছিলেন। পাল রাজারা ময়নামতি অঞ্চলকে কেন্দ্র করে বৌদ্ধধর্মের বিকাশ ঘটিয়েছিলেন। এর নিদর্শন শালবন বিহার, আনন্দ বিহার, ভোজ বিহার প্রভৃতির কথা বলা যায়। দেবরাজাদের মুদ্রা ও নামের সঙ্গে পরমসৌগত, পরমভট্টারক, পরমেশ্বর, মহারাজাধিরাজ প্রভৃতি প্রত্যয় সংযুক্তি থেকে তাদের সার্বভৌমত্ব সম্পর্কে ধারণা করা যায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৩,৯৩২.
বাংলাদেশে কয়টি চিনিকল রয়েছে?
  1. ১২টি
  2. ১৩টি
  3. ১৫টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):
- BSFIC এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
- চিনিকলগুলোতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫২,৯৪৫ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২১,৩১৩ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৩,৯৩৩.
বারো ভূঁইয়াদের নেতা কে ছিলেন?
  1. ঈসা খান
  2. শেরশাহ
  3. শায়েস্তা খান
  4. ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
ঈসা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈসা খান
ব্যাখ্যা
বারো ভূঁইয়া:
- বারো ভূঁইয়া বাংলার স্থানীয় প্রধান ও জমিদার, যাঁরা আকবর ও জাহাঙ্গীর এর রাজত্বকালে মুগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
- বারো-ভূঁইয়া শব্দটির অর্থ বারোজন ভূঁইয়া।
-  প্রকৃতপক্ষে বাংলায় আফগান শাসনামল ও মুগল শক্তির উত্থানের মধ্যবর্তী সময়ে এদেশের বিভিন্ন এলাকা বহু সামরিক প্রধান, ভূঁইয়া এবং জমিদারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
- তারা কখনও যৌথভাবে এবং বেশিরভাগ সময় পৃথকভাবে মুগল আগ্রাসন প্রতিহত করেছিলেন এবং স্বাধীন বা অর্ধ-স্বাধীন শাসকরূপে তাঁদের নিজ নিজ এলাকা শাসন করেছিলেন।
- ঈসা খান সরাইলের জমিদার, ভাটি অঞ্চলের শাসক এবং বারো ভূঁইয়াদের নেতা।

আকবরনামা’য় প্রাপ্ত ভাটিতে মুগলদের যুদ্ধবিগ্রহের বিবরণ অনুযায়ী ভূঁইয়াদের তালিকা:
(১) ঈসা খান মসনদ-ই-আলা,
(২) ইবরাহিম নরল,
(৩) করিমদাদ মুসাজাই,
(৪) মজলিস দিলওয়ার,
(৫) মজলিস প্রতাপ,

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৯৩৪.
নিচের কোন উপজাতীয় ভাষাদ্বয়ের নিজস্ব বর্ণমালা আছে?
  1. চাকমা ও মগ
  2. হাজং ও সাওতালী
  3. চাকমা ও মণিপুরী
  4. হাজং ও চাকমা
সঠিক উত্তর:
চাকমা ও মগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা ও মগ
ব্যাখ্যা
উপজাতি:
- বাংলাদেশে ৫০ টি উপজাতি বসবাস করলেও এদের সকলের নিজস্ব ভাষা নেই।
- কোচ, রাজবংশী, হাড়ি, পাতোর, বেদে সহ অনেকগুলো উপজাতীরই নিজস্ব ভাষা নেই।
- এরা বাংলা ভাষায় কথা বলে। বাংলাদেশে উপজাতী ভাষার সংখ্যা ত্রিশটির অধিক।
- এদের মধ্যে একমাত্র চাকমা এবং মগ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট ১১ টি উপজাতি বসবাস করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
৩,৯৩৫.
ফার্সি ভাষায় কাব্যচর্চা করতেন বাংলার কোন শাসক?
  1. ক) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. খ) গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  3. গ) নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. ঘ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
খ) গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
ব্যাখ্যা
গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ ছিলেন বঙ্গের শ্রেষ্ঠ সুলতানদের মধ্যে অন্যতম এবং ইলিয়াস শাহী বংশের শেষ সুলতান।
তিনি ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবেও প্রসিদ্ধি লাভ করেন। গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ নিজে বিদ্বান ছিলেন। তিনি বিদ্বান, কবি ও সাহিত্যিকদের সমাদর ও শ্রদ্ধা করতেন।
তিনি ফার্সি ভাষায় কবিতা লিখতেন। পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজের সঙ্গে তাঁর পত্রালাপ ছিল। তিনি হাফিজকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানান।
গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ বাংলা সাহিত্যেরও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তাঁর রাজত্বকালেই প্রথম বাঙালি মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর কাব্য ‘ইউসুফ জোলেখা’ রচনা করেন।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৩,৯৩৬.
কোন বৌদ্ধ বিহারটি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত?
  1. ভাসু বিহার
  2. শালবন বিহার
  3. সীতাকোট বিহার
  4. আনন্দ বিহার
সঠিক উত্তর:
সীতাকোট বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীতাকোট বিহার
ব্যাখ্যা
সীতাকোট বিহার:
- সীতাকোট বিহার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সীতাকোট বিহার অবস্থিত।
- ১৯৬৮ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে আবিষ্কৃত হয়েছিল এ বৌদ্ধ বিহারটি।
- নির্মাণশৈলী দেখে গবেষকরা অনুমান করেন, এ বিহার পঞ্চম শতাব্দী বা এর কিছু আগে নির্মিত।
- বিহারটিতে মোট ৪১টি প্রায় সমআয়তনের কক্ষ ছিল।
- এখানে পাহাড়পুর, শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায় না।
- তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সাথে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহারের অনেক মিল রয়েছে।
- ব্রোঞ্জনির্মিত একটি বোধিসত্ত্ব পদ্মপাণি এবং বোধিসত্ত্ব মঞ্জুশ্রী মূর্তি সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্ননিদর্শন।

উল্লেখ্য,
- শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহার কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত।
- ভাসু বিহার বগুড়া জেলায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
৩,৯৩৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কতটি সাব - সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ১৯ টি
  2. ৫১ টি
  3. ৬১ টি
  4. ৬৪ টি
সঠিক উত্তর:
৬৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ টি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। এই সরকার ১১ই এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না। এটি ছিলো নৌ সেক্টর।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৯৩৮.
মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা দল 'ক্র্যাক প্লাটুন' কোন শহরে সক্রিয় ছিল?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
• ক্র্যাক প্লাটুন:
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ক্র্যাক প্লাটুন দলটি গঠন করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন ২নং সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশাররফ, বীরউত্তম এবং এটিএম হায়দার বীরউত্তম।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ২নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল ছিল যারা আসলে গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত।

 - ক্র্যাক প্লাটুন ঢাকা শহরে ছোটো বড় মিলিয়ে মোট ৮২টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।


তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ।
৩,৯৩৯.
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে?
  1. ক) জনাব তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) এএইচএম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) জেনারেল এমএজি ওসমানী
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত (অস্থায়ী) রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম। অর্থাৎ, তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমদ
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামারুজ্জামান (পুরো নাম - আবুল হাসানাত মুহাম্মদ কামারুজ্জান)
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

৩,৯৪০.
আসাদকে কত তারিখে হত্যা করা হয়?
  1. ক) ১৯ জানুয়ারি, ১৯৬৯
  2. খ) ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯
  3. গ) ২১ জানুয়ারি, ১৯৬৯
  4. ঘ) ২২ জানুয়ারি, ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
খ) ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
• ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থান:
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নামে ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের
নেতার একজন নেতার মৃত্যু হলে আন্দোলন প্রকট আকার ধারণ করে।
আসাদ হত্যার পরিণতিতে পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায়।
- এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড: সামসুজ্জোহা সেনাবাহিনীর বেয়নেট চার্জে মৃত্যুবরণ করেন।
- পাকিস্তান সরকার নির্যাতন-নিপীড়নের মাধ্যমে আন্দোলন রুদ্ধ করতে গিয়ে এর গতি আরো তীব্র করে তোলে। ফলে গণঅভ্যূত্থান হয়ে পড়ে অবধারিত। 

- ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থান ছিল বাঙালির স্বাধিকার আদায়ের চূড়ান্ত পরিণতির একটি ধাপ।
- এই আন্দোলনের চাপে আইয়ুব খান ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।
- শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তি লাভ করলে ২৩ ফেব্রুয়ারি এক সংবর্ধনা সভায় তাঁকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের ফলে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।
- আইয়ুব খানের দমন-পীড়ন বাঙালিকে স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতার আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করে।
- ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ এই গণঅভ্যুত্থানের ধারাবহিকতারই সর্বোচ্চ প্রকাশ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৪১.
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) কিশোরগঞ্জ
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে মোট ৪৭.৫৪ লক্ষ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়।
- মোট ধান উৎপাদনের পরিমাণ ২০১.৮১ লক্ষ মেট্রিক টন।
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ তিন জেলা:
- প্রথম : ময়মনসিংহ (১০.৮৬ লক্ষ মে. টন)
- দ্বিতীয় : সুনামগঞ্চ (৮.৬৩ লক্ষ মে. টন)
- তৃতীয় : বগুড়া (৮.০২ লক্ষ মে. টন)।
(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)
৩,৯৪২.
'মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচি পালিত হয় কবে?
  1. ২০২৪ সালের ১ আগস্ট
  2. ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট
  3. ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট
  4. ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা
জুলাই বিপ্লব: 
- জুলাই বিপ্লব নামে পরিচিত ছাত্র-জনতার আন্দোলন হচ্ছে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক গণঅভ্যুত্থান যা ২০২৪ সালের ৫ জুন থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অগণিত প্রাণ বিসর্জন দেয়ার মধ্য দিয়ে বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে।
- ঐতিহাসিক এই বিপ্লবের বিজয়ের ধারার সূচনা হয়েছিল সরকারি চাকুরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবির আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।
- এটি পরে সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে আরো প্রবল হয়ে উঠেছিল যা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।
- পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এক জরুরি সিদ্ধান্তে 'মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচি ৬ আগস্ট থেকে পরিবর্তন করে ৫ আগস্ট করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪)
প্রথম আলো (৫ আগস্ট ২০২৪)
৩,৯৪৩.
কোনটি আমের জাত নয়?
  1. ক) গোপালভোগ
  2. খ) বীটজবা
  3. গ) ক্ষীরষাপাতি
  4. ঘ) গৌড়মতি
সঠিক উত্তর:
খ) বীটজবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বীটজবা
ব্যাখ্যা

• কয়েকটি বিখ্যাত উন্নত জাতের আমের নামঃ
- গোপালভোগ,
- মহানন্দা,
- মোহনভোগ,
- হাড়িয়াভাঙ্গা,
- ল্যাংড়া,
- গৌড়মতি,
- ক্ষীরষাপাতি ইত্যাদি।
• উন্নত জাতের কলার নামঃ
- অগ্নিশ্বর,
- কানাইবাশি,
- মোহনবাঁশি,
- বীটজবা ইত্যাদি‌।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

৩,৯৪৪.
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের সময় মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব কে করেছিলেন?
  1. মেজর ‍জিয়াউর রহমান
  2. ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
  3. মেজর কর্ণেল রশিদ হায়দার
  4. জেনারেল আতাউল গণি উসমানি
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা

- দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতি পায় কাঙ্ক্ষিত ও বহু প্রত্যাশিত বিজয়।
- এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে পূর্ববঙ্গের আপামর জনতা পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম দেয় বাংলাদেশ নামের নতুন এক রাষ্ট্রের। 
- পরাজিত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর সমন্বয়ে গড়া যৌথ বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে অস্ত্র ও সেনা সমর্পণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন। 
- মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন বাংলাদেশ বাহিনীর উপপ্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- বাংলাদেশ বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর পক্ষে আরও ছিলেন এস ফোর্সের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার, কাদের সিদ্দিকীসহ অনেকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া প্রথম আলো।

৩,৯৪৫.
মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান -
  1. মন্ত্রী
  2. সচিব
  3. উপসচিব
  4. যুগ্ম-সচিব
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
৩,৯৪৬.
বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

- UNESCO- এর পূর্ণরুপ -United Nations Educational Scientific and Cultural Organization 
- এর প্রধান কাজ হলো– বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
- ইউনেস্কোর সংবিধান গৃহীত হয় - ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে - ১৯৪৬ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান- লন্ডন, যুক্তরাজ্য।

- সদর দপ্তর– প্যারিস, ফ্রান্স।
- সদস্য সংখ্যা– ১৯৩ টি  এবং সহযোগী সদস্য -১১ টি।
- UNESCO- এর বর্তমান বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা– ১১৫৪ টি।
- বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে - ১৯৭২ সালে।
- UNESCO ঘোষিত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য - ৩ টি।

উৎস: UNESCO Official website.

৩,৯৪৭.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়?
  1. ক) নাটোর
  2. খ) পাবনা
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
খ) পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাবনা
ব্যাখ্যা
মে ২০২২-এ প্রকাশিত কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১ অনুসারে বিভিন্ন কৃষিজ পন্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমুহ:
• ধান - ময়মনসিংহ 
• আউশ ধান - হবিগঞ্জ 
• বোরো ধান - ময়মনসিংহ 
• আমন ধান - দিনাজপুর 
• গম - ঠাকুরগাঁও 
• পাট - ফরিদপুর
• ভুট্টা - দিনাজপুর
• আলু - মুন্সীগঞ্জ 
• চা - মৌলভীবাজার 
• মসুর - ফরিদপুর
• মুগ - ভোলা 
• খেসারী - বরিশাল
 পেঁয়াজ - পাবনা
• রসুন - নাটোর 
• সয়াবিন - লক্ষ্মীপুর 
• আম - রাজশাহী 
• লিচু - দিনাজপুর
• আনারস - টাঙ্গাইল
• তুলা - বিনাইদহ 
• তামাক - কুষ্টিয়া 
• জাম্বুরা/বাতাবিলেবু - চট্টগ্রাম 
• তিল - পাবনা 
• চিনাবাদাম - পঞ্চগড় 
• পেয়ারা - চট্টগ্রাম 
• কাঁঠাল - গাজীপুর 
• কমলা - রাঙামাটি

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২
৩,৯৪৮.
প্রথম বাংলাদেশি অধিনায়ক হিসেবে একই টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছেন কে?
  1. লিটন দাস
  2. মমিনুল হক
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. নাজমুল হোসেন শান্ত
সঠিক উত্তর:
নাজমুল হোসেন শান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাজমুল হোসেন শান্ত
ব্যাখ্যা
নাজমুল হোসেন শান্ত:
- বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে টেস্টের দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
- সম্প্রতি, গল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শেষ হওয়া শ্রীলংকার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১৪৮ ও দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ১২৫ রান করেন তিনি।
- অধিনায়ক হিসেবে টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি করা ১৬তম ব্যাটার তিনি এবং এটি টেস্ট ক্রিকেটের ৯৬তম জোড়া সেঞ্চুরি।
- এছাড়া, বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি তার। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে প্রথম এক টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন মুমিনুল হক।
- ২০১৮ সালে চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে জোড়া সেঞ্চুরি করেছিলেন মুমিনুল।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৩,৯৪৯.
জুলাই-মে, ২০২১ পর্যন্ত এশিয়ার কোন দেশটিতে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. মালয়শিয়া
  2. চীন
  3. ভারত
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - জাপানে।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২১।
৩,৯৫০.
বাংলাদেশে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়-
  1. ক) ১২ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৪ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৮ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
 - বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের এদেশীয় দোসররা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
- সব শহীদ বুদ্ধিজীবীর প্রকৃত সংখ্যা অদ্যাবধি নিরূপণ করা সম্ভব হয় নি। প্রাপ্ত তথ্যসূত্র থেকে শহীদদের মোটামুটি একটা সংখ্যা দাঁড় করানো যায়। এঁদের মধ্যে ছিলেন ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ, ১৩ জন সাংবাদিক, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী, ৯ জন সাহিত্যিক ও শিল্পী, ৫ জন প্রকৌশলী,এবং অন্যান্য ২ জন।
- শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি অমর করে রাখতে ১৯৭২ সালে ঢাকার মিরপুরে মোস্তফা আলী কুদ্দুসের নকশায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯৫১.
'পোড়ামাটি-নীতি' কোন বাহিনীর জন্য প্রযোজ্য ছিল?
  1. ক) পাকিস্তান বিমানবাহিনী
  2. খ) ভারত সেনাবাহিনী
  3. গ) পাক-ভারত বাহিনী
  4. ঘ) পাকিস্তান সেনাবাহিনী
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাকিস্তান সেনাবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাকিস্তান সেনাবাহিনী
ব্যাখ্যা

'পোড়ামাটি-নীতি' পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর জন্য প্রযোজ্য ছিল।
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পোড়া মাটি নীতি নিয়েই ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ চুড়ান্তভাবে গনহত্যায় নেমেছিলো।
এই নীতিতে টিক্কা খান তার সৈন্যদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, “আমি পূর্ব বাংলার মাটি চাই, মানুষ নয়”।
উৎসঃ জেনারেল নিয়াজীর আত্মজীবনীমূলক বই-The betrayal of East Pakistan, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।

৩,৯৫২.
'গৌড়ের রত্ন’ বলা হয় -
  1. ছোট সোনা মসজিদ
  2. কান্তনগর মন্দির
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. শ্রীকৃষ্ণ মন্দির
সঠিক উত্তর:
ছোট সোনা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোট সোনা মসজিদ
ব্যাখ্যা
ছোট সোনা মসজিদ: 
- প্রাচীন বাংলার গৌড়ের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় সেন বংশের রাজাদের স্মৃতিচিহ্ন ও সুলতানী আমলে নির্মিত মসজিদই এ এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এই স্থাপনাগুলোর মধ্যে সুলতানী স্থাপত্যের ছোট সোনা মসজিদ অন্যতম।
- ছোট সোনা মসজিদ ১৪৯৩ সালে নির্মাণ করা হয়।
- ওয়ালি মোহাম্মদ মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বলে শিলালিপি থেকে জানা যায়।
- উত্তর-দক্ষিণে ৮২ ফুট লম্বা ও পূর্ব-পশ্চিমে ৫২.৫ ফুট চওড়া মসজিদটি সম্পূর্ন সোনালী রঙে ঢাকা ছিল তাই একে ‘গৌড়ের রত্ন’ বলা হত

উৎস: ট্রাভেল নিউজ.গভ.বিডি এবং কালের কণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৯৫৩.
সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
  2. কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
  3. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
  4. ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগে ১৫ নং অনুচ্ছেদে 'মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৫৷ রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়:
(ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা;
(খ) কর্মের অধিকার,
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার৷
 
অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- সংবিধানের ১৪ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৯৫৪.
কোন প্রেক্ষাপটে ‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি’ গঠিত হয়?
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. ঘ) ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন জারি
সঠিক উত্তর:
গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা

- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের বিরোধীদলগুলোর সমন্বয়ে ‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক)’ গঠিত হয়।
- এই জোটে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, মোজাফফর ন্যাপসহ আটটি রাজনৈতিক দল যুক্ত ছিলো।
- পাকিস্তানে ফেডারেল পার্লামেন্টারি পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন, প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচন, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং শেখ মুজিবুর রহমান, খান আবদুল ওয়ালী খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি দাবিতে এই জোট গণআন্দোলনের ডাক দিয়েছিলো।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)।

৩,৯৫৫.
ভারতবর্ষে মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন -
  1. জালাল উদ্দীন মুহম্মদ
  2. আজহার উদ্দীন মুহম্মদ
  3. জামির উদ্দীন মুহম্মদ
  4. জহির উদ্দীন মুহম্মদ
সঠিক উত্তর:
জহির উদ্দীন মুহম্মদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির উদ্দীন মুহম্মদ
ব্যাখ্যা
বাবর:

- জহির উদ্দীন মুহম্মদ বাবর ভারতবর্ষে মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- পিতার দিক থেকে বাবর ছিলেন বিখ্যাত তুর্কি তৈমুর লং-এর অধস্তন পঞ্চম পুরুষ এবং মায়ের দিক থেকে তাঁর পূর্বপুরুষ ছিলেন বিখ্যাত মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খান।
- উপমহাদেশে বাবরের প্রতিষ্ঠিত রাজবংশ মোগল বংশ নামে পরিচিত হয়েছে মোঙ্গলদের সাথে তাঁর সম্পর্ক থাকার কারণেই।
- বাবর ১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দে মধ্য এশিয়ার ফারগানায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ওমর মির্জা ফারগনার শাসনকর্তা ছিলেন।
- পিতার মৃত্যুর পর বাবর বার বছর বয়সে ফারগানার অধিপতি হন।
- ১৫০৪ খ্রিস্টাব্দে উজবেক শাসনের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে প্রথম বারের মতো বাবর কাবুল জয় করেন।
- কাবুল বিজয়ের পরও বাবর পিতৃসিংহাসন পুনরুদ্ধার ও রক্ষায় ব্যর্থ হয়ে ভারতবর্ষের দিকে দৃষ্টি নিবন্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৫৬.
বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? (জুলাই-২০২৫)
  1. ২,৮৫০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭২০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৯২০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
-  এটি ৫৪-তম, (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫-তম) বাজেট।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১ম বাজেট।
- বাজেটের স্লোগান/শিরোনাম :'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'
- বাজেট উত্থাপনকারী ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)
- বাজেট অনুমোদন ও কার্যকর :অনুমোদন ২২ জুন, ২০২৫ কার্যকর ১ জুলাই, ২০২৫
- জিডিপির আকার:  ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা
- অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫.৫ শতাংশ
- বাজেটের আকার : মোট ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- মাথাপিছু আয় -২,৮২০ মার্কিন ডলার [বিবিএস]

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২০২৬।
৩,৯৫৭.
লালবাগ কেল্লা কোন শতকে নির্মিত হয়?
  1. ক) ষোল শতকে
  2. খ) সতের শতকে
  3. গ) আঠারো শতকে
  4. ঘ) পনের শতকে
সঠিক উত্তর:
খ) সতের শতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সতের শতকে
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত। সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খা পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন। এর অভ্যন্তরে শায়েস্তা খা কন্যা পরীবিবির মাজার অবস্থিত। ১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা কে প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ। লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা। (সূত্রঃ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৩,৯৫৮.
বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  2. ৬ দফা দাবি
  3. ৭ মার্চের ভাষণ
  4. বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
৬ দফা দাবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দফা দাবি
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৯৫৯.
বাংলাদেশের কোন ব্যাংক নোট প্রচলন করতে পারে?
  1. ক) সোনালী ব্যাংক
  2. খ) জনতা ব্যাংক
  3. গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. ঘ) অগ্রণী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট বের করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সই থাকে। আর সরকারি নোট বের করে অর্থ মন্ত্রণালয়। এতে থাকে অর্থসচিবের সই। ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট এখন ব্যাংক নোট। আর সরকারি নোট হচ্ছে ১, ২ ও ৫ টাকা।
সূত্রঃ প্রথম আলো
৩,৯৬০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, নারী সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭২.৮০%
  2. ৭২.৯৪%
  3. ৭৪.৮০%
  4. ৭৪.৯৪%
সঠিক উত্তর:
৭২.৯৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২.৯৪%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।

⇒ সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%। 
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%। 
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%। 
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

৩,৯৬১.
বাংলাদেশে বর্তমানে ৫ বছরের নিচে প্রতি হাজারে জীবিত জন্মে শিশু মৃত্যুহার কত?
  1. ক) ৩১
  2. খ) ২৯
  3. গ) ২৮
  4. ঘ) ২৫
সঠিক উত্তর:
গ) ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৮
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে জীবিত জন্মে বিভিন্ন বয়সী শিশু মৃত্যুহার: ৫ বছরে নীচে : ২৮
- ১ বছরের নিচে : ২১
- ১ মাসের কম বয়সী : ১৫।
(সূত্রঃ বিবিএস SVRS Report-2019)
৩,৯৬২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা কোনটি?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩,৯৬৩.
শশাঙ্ক কোন ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন?
  1. বৌদ্ধ
  2. জৈন
  3. শৈব
  4. হিন্দু
সঠিক উত্তর:
হিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিন্দু
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক:

- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। 
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৬৪.
সংবিধান সংস্কার কমিটি উচ্চকক্ষের জন্য কতটি আসনের সুপারিশ করেছে?
  1. ১০০টি
  2. ১০৫টি
  3. ১১০টি
  4. ১১৫টি
সঠিক উত্তর:
১০৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫টি
ব্যাখ্যা

- নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন। 

• সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

তথ্যসূত্র: সংবিধান সংস্কার কমিশন। (Link)

৩,৯৬৫.
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকটি কার?
  1. ক) মুনীর চৌধুরী
  2. খ) রণেশ দাশগুপ্ত
  3. গ) সৈয়দ শামসুল হক
  4. ঘ) মমতাজুদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক: 
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক।
- 'কী চাহ শঙ্খচিল' ও 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা' মমতাজুদ্দীন আহমদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।
- জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় অন্য রাজবন্দি বামপন্থী লেখক রণেশ দাশগুপ্ত মুনীর চৌধুরীকে নাটক লিখতে বলেন।
- মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত Bury The Dead নাটকের অনুসরণে ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ‘কবর' নাটকটি রচিত হয়েছে।
- রাজবন্দিরা এই নাটকটি জেলেই মঞ্চস্থ করেন। 
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক। 
- কবর মুনীর চৌধুরীর একাঙ্ক বিশিষ্ট নাটক। বাংলা ভাষা আন্দোলনের পক্ষে কাজ করার অভিযোগে মুনীর চৌধুরীকে আটক করা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩,৯৬৬.
২০২২ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি?
  1. ক) ৭ জন
  2. খ) ১১ জন
  3. গ) ৯ জন
  4. ঘ) ১২ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠান এ পুরস্কার লাভ করে।
সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।
এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান -

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ:
১. বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
২. শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
৩. আবদুল জলিল
৪. সিরাজ উদ্দীন আহমেদ
৫. মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
৬. মরহুম সিরাজুল হক।

চিকিৎসাবিদ্যা:
৭. অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া
৮. অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম
স্থাপত্য:
৯. মরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।

গবেষণা ও প্রশিক্ষণ:
১০. গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই)
বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান ও শতভাগ বিদ্যুতায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ:
১১. বিদ্যুৎ বিভাগ

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল - ২০২২
৩,৯৬৭.
'বাংলার সুয়েজখাল' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) গাবখান চ্যানেল
  2. খ) চর ফ্যাশন
  3. গ) মুহুরীর চর
  4. ঘ) নিঝুম দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ক) গাবখান চ্যানেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গাবখান চ্যানেল
ব্যাখ্যা
• গাবখান চ্যানেল:
- ৫ম বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সেতু। যেটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে গাবখান চ্যানেলের উপর দিয়ে।
- এ সেতুর নির্মাণশৈলী একে দেশের অন্যান্য সেতু থেকে আলাদা করেছে।
- গাবখান চ্যানেলটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম নৌপথ যা বাংলার সুয়েজখাল নামে পরিচিত।
- এ জেলার মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা গাবখান নদীর উপর নির্মিত এই সেতু টি ৫ম বাংলাদেশ-চীনমৈত্রী সেতু হিসেবে পরিচিত। যেটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে গাবখান চ্যানেলের উপর দিয়ে।

তথ্যসূত্র: ঝালকাঠি জেলার ওয়েবসাইট।
৩,৯৬৮.
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরে বাংলায় কত লোক মারা যায়?
  1. এক চতুর্থাংশ
  2. এক তৃতীয়াংশ
  3. এক পঞ্চমাংশ
  4. দুই তৃতীয়াংশ
সঠিক উত্তর:
এক তৃতীয়াংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক তৃতীয়াংশ
ব্যাখ্যা
- এক-তৃতীয়াংশ লোক মারা  যায়।

• 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- দিউয়ানি ও দ্বৈত শাসনের চূড়ান্ত পরিণাম ছিল বাংলায় 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের' ধ্বংসলীলা।
- একদিকে দ্বৈত শাসনের দায়িত্বহীনতার ফলে বাংলার জনজীবনে অরাজকতা নেমে আসে।
- অন্যদিকে অবাধ লুণ্ঠন ও যথেচ্ছভাবে রাজস্ব আদায়ের ফলে গ্রাম্যজীবন ধ্বংস হয়।
- পরপর দু'বছর অনাবৃষ্টি ও খরার ফলে ১১৭৬ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় এক প্রচণ্ড দুর্ভিক্ষ ও মহামারী দেখা দেয়।
- টাকায় একমণ হতে চাউলের মূল্য বাড়তে বাড়তে টাকায় তিন সেরে এসে দাঁড়ালো।
- খোলাবাজারের খাদ্যশস্য বেশি লাভের আশায় কোম্পানির কর্মচারীরা মজুদ করা শুরু করে।
- খাদ্যের অভাবে মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছিল।
- এই সময়েও খাজনা মওকুফ করা হয় নি।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৬৯.
বাংলাদেশের গ্রামীণ স্থানীয় সরকার কাঠামোর মধ্যম স্তর কোনটি?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. জেলা পরিষদ
  3. উপজেলা পরিষদ
  4. সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
উপজেলা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপজেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা

উপজেলা পরিষদ:
- বাংলাদেশের তিন স্তর বিশিষ্ট গ্রামীন স্থানীয় সরকার কাঠামোর মধ্যম স্তর হল উপজেলা পরিষদ।
- ১৯৮২ সালে স্থানীয় সরকার অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে থানা পরিষদ নামক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- পরবর্তী বছরে অর্থাৎ ১৯৮৩ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নামকরণ করা হয়।
- এই স্থানীয় সরকার উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- ঐতিহাসিকভাবে দেখতে গেলে ১৮৮৫ সালের ব্রিটিশ বেঙ্গল লোকাল সেল্ফ গভর্মেন্ট এ্যাক্ট-র মাধ্যমে যে লোকাল বোর্ডগঠন করা হয় তারই পরিবর্তিত রূপ এই উপজেলা পরিষদ।
- উপজেলা পরিষদ সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের মানুষের শাসন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
- ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পরে সামরিক শাসন আমলে গঠিত উপজেলা পরিষদের সকল কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
- নানান পরিবর্তনের পরে ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদে উপজেলা পরিষদ আইনটি পাশ হয় এবং স্থানীয় সরকারের এই স্তরটি চালু হয়। দীর্ঘ বিরতির পর ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে উপজেলা পরিষদে প্রধানত দুই ধরনের প্রতিনিধি দেখা যায়। যথা: নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সরকারি প্রতিনিধি।
- নির্বাচিত প্রতিনিধির একাংশ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত।
- অন্যরা পরোক্ষভাবে অর্থাৎ একটি উপজেলা পরিষদের আওতাধীন সকল ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার চেয়ারম্যান ও মেয়র এবং
সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের মধ্য থেকে নিজেদের দ্বারা নির্বাচিত এক-তৃতীয়াংশ নারী সদস্য।
- এই পরিষদের কার্যকাল ৫ বছর।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ.এন.ও.) পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৭০.
নির্বাচন কমিশনারগণকে নিয়োগ প্রদান করেন কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। (জুলাই, ২০২৫)
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
৩,৯৭১.
Which party won the first general election of Pakistan in 1970 election as the majority party?
  1. Awami League
  2. Muslim League
  3. Pakistan People's Party
  4. National Awami Party
সঠিক উত্তর:
Awami League
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Awami League
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে।

১৯৭০ সালের নির্বাচন:
- ১৯৬২ সালে মৌলিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জাতীয় পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জনগণ সর্বপ্রথম দেশের কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ লাভ করে।
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
- ফলে সেদিন থেকেই নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু হয়।
- ১৯৭০ সালের ৫ অক্টোবর জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
- কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তানে বন্যা হয়।
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচন হয় ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর।
- এবং প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ নির্দিষ্ট হয় ১৭ ডিসেম্বর।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ এর পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করে।
- আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'নৌকা' প্রতীক নিয়ে ঐতিহাসিক ছয় দফার পক্ষে প্রচারাভিযানে নামেন।
- জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসন লাভ করে।

অন্যদিকে -
- পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৪৪টি আসনের মধ্যে জুলফিকার আলী ভূট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি ন্যাপ৮৮টি আসন লাভ করে।
- পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০টি (১০টি মহিলা সংরক্ষিত আসন ছাড়া) আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৮৮ টি আসনে জয়লাভ করে।
- এভাবে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে।
- নির্বাচনে জয়লাভ করলেও আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি ছিলেন না পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯৭২.
কোনটি বোরো ধান উত্তোলনের সময়?
  1. ক) মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
  2. খ) ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
  3. গ) মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
  4. ঘ) এপ্রিল – মে
সঠিক উত্তর:
ঘ) এপ্রিল – মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এপ্রিল – মে
ব্যাখ্যা
বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে

আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু

আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১
৩,৯৭৩.
সম্প্রতি যে দুটি মন্ত্রণালয়কে একীভূত করে একটি একক মন্ত্রণালয় গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে-
  1. ক) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রণালয়
  2. খ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য মন্ত্রণালয়
  3. গ) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রণালয় দুটিকে একীভূত করে একটি একক মন্ত্রণালয় গঠনের সুপারিশ করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
৩,৯৭৪.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা কীরূপ?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্রীয়
  2. খ) সংসদীয়
  3. গ) এককেন্দ্রিক
  4. ঘ) খ + গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ + গ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা হলো এককেন্দ্রিক এবং সংসদীয়।
এই ব্যবস্থায় দেশে কেবল কেন্দ্রিয় সরকার বিদ্যমান এবং দেশের শাসনভার প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার উপর ন্যস্ত।
আইন ও শাসন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। আইনসভা সরকারের সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারি।
(সূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৯৭৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, চার ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ১৮,০০০ হেক্টর
  2. ১৯,০০০ হেক্টর
  3. ২০,০০০ হেক্টর
  4. ২১,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১৯,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩,৯৭৬.
মুজিবনগর সরকারের 'অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী' ছিলেন-
  1. এম মনসুর আলী
  2. মোশতাক আহমেদ
  3. কামরুজ্জামান
  4. তাজউদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে এবং এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ-
রাষ্ট্রপতিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান;
উপরাষ্ট্রপতিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম;
প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীঃ তাজউদ্দীন আহমদ;
অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীঃ এম মনসুর আলী;
স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীঃ এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান,
পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ;
প্রধান সেনাপতিঃ কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী;
চিফ অব স্টাফঃ কর্নেল (অব.) আব্দুর রব এবং
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এবং বিমান বাহিনীর প্রধানঃ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩,৯৭৭.
মারমা ভাষার প্রথম চলচ্চিত্র 'তংস্মাসে' এর প্রযোজক ও কাহিনিকার কে?
  1. ক) প্রদিপ ঘোষ
  2. খ) মং উষা থোয়াই
  3. গ) সৌম্য জ্যোতি
  4. ঘ) অং সাইন মারমা
সঠিক উত্তর:
খ) মং উষা থোয়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মং উষা থোয়াই
ব্যাখ্যা
মারমা ভাষার প্রথম চলচ্চিত্র:
- মারমা ভাষার প্রতম চলচ্চিত্র - তংস্মাসে।
- তংস্মাসে এর বাংলা অর্থ - গিরিকন্যা।
- চলচ্চিত্রটির প্রযোজক ও কাহিনিকার - ডা. মং উষা থোয়াই।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক - প্রদিপ ঘোষ।


সূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২
৩,৯৭৮.
ষাট গম্বুজ মসজিদে কয়টি গম্বুজ আছে?
  1. ক) ৬০ টি
  2. খ) ৭০ টি
  3. গ) ৬১ টি
  4. ঘ) উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর: উপরের কোনটি নয়। 

•  যদিও ইহা ষাটগম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত, কিন্তু প্রকৃত পক্ষে চতুস্কোনের উপর চারটি গম্বুজসহ এতে মোট ৭৪টি গুম্বজ আছে এবং মধ্যের সারির বাংলা চালের অনুরূপ ৭টি চৌচালা গম্বুজসহ এতে মোট ৮১টি গম্বুজ আছে। বিশেষভাবে লক্ষনীয় যে, এর প্রার্থনা কক্ষের চৌচালা ছাদ ও গম্বুজগুলি ইট ও পাথরের ষাটটি খাম্বার দ্বারা সমর্থিত খিলানের উপর নির্মিত।
প্রশ্নে অপশনে ৮১ উল্লেখ না থাকায় 'কোনটি নয়' উত্তর হবে।  

[সূত্র: bagerhat.gov.bd]
৩,৯৭৯.
ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয় কখন?
  1. ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. খ) ১৫ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. গ) ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন। এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
• সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
• ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
• ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
• ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
• সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।   

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৩,৯৮০.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশকে পোলিওমুক্ত ঘোষণা করে কত সালে?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০১২ সালে 
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা

পোলিও:
- ২৪ অক্টোবর বিশ্ব পোলিও দিবস-২০২৫।
- এবারের প্রতিপাদ্য 'পোলিও নির্মূল করুন: প্রতিটি শিশু, প্রতিটি টিকা, সর্বত্র'।
- রোটারি বাংলাদেশ পোলিও প্লাস কমিটির তথ্যমতে, দেশে পোলিও টিকা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৭৯ সালে।
- তবে পোলিও নির্মূলের জন্য নিরবচ্ছিন্নভাবে আন্তর্জাতিক, জাতীয়, আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক টিকা দিবস ধারাবাহিকভাবে পালন শুরু হয় ১৯৯৫ সালে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৪ সালে বাংলাদেশকে পোলিওমুক্ত ঘোষণা করে।

উৎস: যুগান্তর।

৩,৯৮১.
হাজংদের বাস নেই কোন জেলায়?
  1. শেরপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. নেত্রকোনা
  4. জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
ব্যাখ্যা
হাজংদের বাস নেই - জয়পুরহাটে।

• হাজং:
- হাজং  বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।

- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এটি তারা নিজেদের মধ্যেই ব্যবহার করে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩,৯৮২.
পাহাড়পুরের ’বৌদ্ধ বিহার’ নির্মাণ করেছেন কে? 
  1. গোপাল
  2. রামপাল
  3. ধর্মপাল
  4. মহিপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, 
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়) এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। 

উৎস: বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।

৩,৯৮৩.
ইসলামভীতি মোকাবেলায় জাতিসংঘের সাধঅরণ পরিষদে প্রস্তাব পাস হয় করে?
  1. ১৩ মার্চ, ২০২৪
  2. ১৫ মার্চ, ২০২৪
  3. ১৭ মার্চ, ২০২৪
  4. ২৩ মার্চ, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৫ মার্চ, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ মার্চ, ২০২৪
ব্যাখ্যা
- মুসলমানদের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতা বন্ধ ও ইসলামবিদ্বেষ (ইসলামোফবিয়া) প্রতিহতের জন্য বিশেষ দূত নিয়োগের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নতুন একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ১৫ মার্চ, ২০২৪ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষে পাকিস্তান প্রস্তাবটি উত্থাপন করে।
- প্রস্তাবের পক্ষে সৌদি আরব, তুরস্ক, ইরান, কাতার, কুয়েত, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীনসহ ১১৫টি দেশ ভোট দিয়েছে।
- ভোটদানে বিরত থেকেছে ভারত, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্সসহ ৪৪টি দেশ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
৩,৯৮৪.
'এগারসিন্ধুর গ্রাম'- এর নামকরণের কারণ হলো, পূর্বে সেখানে-
  1. এগারটি দূর্গ ছিল
  2. ঈসা খানের ১১ কক্ষবিশিষ্ট দালানবাড়ী ছিল
  3. এগারটি নদীর সংযোগস্থল ছিল
  4. এগারটি দীঘি ছিল
সঠিক উত্তর:
এগারটি নদীর সংযোগস্থল ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগারটি নদীর সংযোগস্থল ছিল
ব্যাখ্যা
• এগারসিন্ধুর একটি ঐতিহ্যমন্ডিত গ্রাম।
- গ্রামটি কিশোরগঞ্জ জেলায়, ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্ব তীরে এবং পাকুন্দিয়া উপজেলা সদর থেকে সাড়ে নয় মাইল পশ্চিমে অবস্থিত।
- আবুল ফজলের আকবরনামা গ্রন্থে ’এগারসিন্ধুর’ নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। স্থানটির নামকরণ নিয়ে মতভেদ আছে।
- ১১টি নদীর মোহনায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে উঁচু শক্ত এঁটেল লাল মাটির এলাকা ব্যবসা-বাণিজ্য ও বসবাসের স্থান হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় গঞ্জের হাট নামে প্রসিদ্ধ ছিল।
- গঞ্জের হাট ১১টি নদীর সংযোগস্থলে বিধায় তখনকার জ্ঞানী-গুণীজন ঐ ১১টি নদীকে সিন্দু নদ নামে আখ্যায়িত করে স্থানটির নামকরণ করা হয় 'এগারসিন্দুর'।
- এটি ইতিহাস সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
৩,৯৮৫.
নিচের কোনটি প্রত্যক্ষ কর?
  1. ক) মূল্য সংযোজন কর
  2. খ) আমদানী শুল্ক
  3. গ) ভূমি রাজস্ব
  4. ঘ) বিক্রয় কর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূমি রাজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূমি রাজস্ব
ব্যাখ্যা
কর:
- কর সরকারি রাজস্বের প্রধান উৎস।
প্রত্যক্ষ কর:
- যে কর প্রথমে যার উপর ধার্য করা হয় চূড়ান্তভাবে তাকেই পরিশোধ করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
- অর্থাৎ এ কর কোনোভাবেই অন্যের উপর চাপানো যায় না।
- যেমন: আয়কর, ভূমি রাজস্ব, সম্পদ কর প্রভৃতি। 
পরোক্ষ কর:
- কোনো ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হলে সে যদি করের ভার অন্যের উপর চাপাতে পারে তাকে বলা হয় পরোক্ষ কর।
- এরূপ করের বোঝা প্রাথমিকভাবে একজন বহন করলেও পরে তা অন্যের উপর চাপাতে পারে।
- যেমন: ভ্যাট, বিক্রয় কর, আমদানী শুল্ক প্রভৃতি।

উৎস: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৮৬.
দেশের প্রথম বেসরকারি পূর্ণাঙ্গ মানমন্দির কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) টাঙ্গাইল
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম বেসরকারি পূর্ণাঙ্গ মানমন্দির:
- মহাকাশ বিষয়ে আগ্রহীদের জন্য বেসরকারি উদ্যোগে দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মানমন্দির বা অ্যাস্ট্রো-অবজারভেটরি স্থাপিত হয়েছে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বিন্দুবাড়িতে।

উৎস: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৩,৯৮৭.
বাংলাদেশের মাঠ প্রশাসন দ্বিতীয় স্তরটি-
  1. ইউনিয়ন প্রশাসন
  2. জেলা প্রশাসন
  3. উপজেলা প্রশাসন
  4. বিভাগীয় প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
জেলা প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
 - বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো স্তরভিত্তিক।
- এর দুটি প্রধান স্তর আছে।

• প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।

-  মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বা সচিবালয় গঠিত। প্রতি মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত আছে বিভিন্ন বিভাগ বা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের/দপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক/পরিচালক। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৩,৯৮৮.
'Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment' শীর্ষক গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. ক) আনিসুর রহমান
  2. খ) রেহমান সােবহান
  3. গ) নুরুল ইসলাম
  4. ঘ) রওনক জাহান
সঠিক উত্তর:
খ) রেহমান সােবহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেহমান সােবহান
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক রেহমান সোবহান বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ৬০ এর দশকে বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
- তিনি সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
- তিনি ১৯৯১ সালে তত্ত্ববধায়ক সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন।
- Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment বইটি তার রচিত। বইটি ২০১৫ সালে প্রকাশিত।

তথ্যসূত্র: সিপিডি ওয়েবসাইট।
৩,৯৮৯.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে -
  1. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
  2. ছাত্র ইউনিয়ন
  3. আওয়ামী লীগ
  4. ছাত্রলীগ
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:
- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩,৯৯০.
এলাহাবাদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কারা ?
  1. ক) সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম ও রবার্ট ক্লাইভ
  2. খ) ফররুখ শিয়ার ও রবার্ট ক্লাইভ
  3. গ) সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম ও হেস্টিংস
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম ও রবার্ট ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম ও রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা
- ভারতের উত্তর প্রদেশে অবস্থিত যেখানে ১২ আগস্ট, ১৭৬৫ সালে এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে স্বাক্ষর করেন মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম ও ইংরেজ প্রতিনিধি রবার্ট ক্লাইভ । 
- এই চুক্তির লেখক ছিলেন ইতিশাম উদ-দ্বীন । 
- এই চুক্তিতে অযোধ্যার নবাব সুজা-উল-দৌলা স্বাক্ষর প্রদান করেন ১৬ আগস্ট, ১৭৬৫ সালে । 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ।
৩,৯৯১.
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সর্বপ্রথম কোথায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন?
  1. আগ্রা
  2. সুরাট
  3. আহমেদাবাদ
  4. কলকাতা
সঠিক উত্তর:
সুরাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরাট
ব্যাখ্যা
- ইংল্যান্ডের একদল বণিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নামে একটি বণিক সংঘ গড়ে তোলে।
- ১৬০০ সালে রানি এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদি প্রাচ্যে একচেটিয়া বাণিজ্য করার সনদপত্র লাভ করে।
- এই সনদপত্র নিয়ে কোম্পানির প্রতিনিধি বাণিজ্যিক সুবিধা লাভের আশায় আকবরের দরবারে হাজির হন।
- ক্যাপ্টেন হকিন্স ১৬০৮ সালে রাজা প্রথম জেমসের সুপারিশপত্র নিয়ে বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্রাট জাহাঙ্গীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। 
-তাঁর অনুমতি নিয়ে সর্বপ্রথম ১৬১২ সালে সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন।
- পরবর্তীকালে ১৬১৫ সালে প্রথম জেমসের দূত হয়ে জাহাঙ্গীরের দরবারে আসেন স্যার টমাস রো। সম্রাটের কাছ থেকে তিনি ইংরেজদের জন্য বাণিজ্যিক সুবিধা আদায় করে নেন।
- কোম্পানি সুরাট, আগ্রা, আহমেদাবাদ প্রভৃতি স্থানে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে তাদের ভিত্তি মজবুত করে।

উৎস : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩,৯৯২.
বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র কোনটি?
  1. পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র
  2. রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র
  3. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
  4. তিস্তা সোলার লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র হলো পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- এটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।

⇒ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে।
- ২০১৪ সালে এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- নির্মাণের কাজ করেছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- আড়াইশো কোটি ডলার ব্যয়ে এই কেন্দ্র নির্মাণের সিংহভাগ অর্থায়ন করেছে চীন।
- ২০১৬ সালের অক্টোবরে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছিল।
- এর কাছেই রয়েছে পায়রা বন্দর।
- যেখান থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি কয়লা আমদানি সহজ হবে বলে সরকার আশা করছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারীদের মধ্যে আদানি গ্রুপই সবচেয়ে বড়।
- এরপর যথাক্রমে রয়েছে পায়রা (১ হাজার ২৪৪ মেগাওয়াট), রামপাল (১ হাজার ২৩৪ মেগাওয়াট) এবং এসএস পাওয়ার (১ হাজার ২২৪ মেগাওয়াট)।
- বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রে দেশীয় কয়লা ব্যবহার হলেও তিনটি ইউনিটের মধ্যে দুটি উৎপাদনে আছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৪৪৪ মেগাওয়াট।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star Bangla.
৩,৯৯৩.
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের কতটি বিভাগ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

• সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে।
১। হাইকোর্ট বিভাগ
২। আপিল বিভাগ।

• সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীম কোট।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান হল প্রধান বিচারপতি।
- এ আদালতের দু’টি বিভাগ রয়েছে যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন।
- প্রধান বিচারপতির পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশী কোন নাগরিক ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকলে বা ১০ বছর বিচার বিভাগীয় কোন পদে চাকুরি করলে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৯৪.
‘স্বাধীনতা পুরস্কার‘ প্রদান করা হয় কখন থেকে?
  1. ক) ১৯৭৫ সাল
  2. খ) ১৯৭৬ সাল
  3. গ) ১৯৭৭ সাল
  4. ঘ) ১৯৭৮ সাল
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৭ সাল
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা পুরস্কার :
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
• স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২:
- ২০২২সালে ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২’ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের ‘মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ'।

• ২০২২ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন:
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে পান -
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
- শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
- জনাব আব্দুল জলিল
- জনাব সিরাজ উদদীন আহমেদ
- মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
- মরহুম সিরাজুল হক

• চিকিৎসাবিদ্যায় পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন-
- অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া
- অধ্যাপক ডাঃ মো. কামরুল ইসলাম
• স্থাপত্যে পান - মরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার
৩,৯৯৫.
জাতিসংঘের বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি কে?
  1. কে এম কায়সার
  2. আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
  3. এএইচএস আতাউল করিম
  4. সৈয়দ আনোয়ারুল করিম
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আনোয়ারুল করিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আনোয়ারুল করিম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
 স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।

⇒ জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ:
- ১ম :স্থায়ী প্রতিনিধি সৈয়দ আনোয়ারুল করিম (এস এ করিম) (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪),
- ২য় স্থায়ী প্রতিনিধি: কে এম কায়সার,
- ১০ম স্থায়ী প্রতিনিধি: আনোয়ারুল করিম চৌধুরী।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,৯৯৬.
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কত তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে? 
  1. ১৪ জানুযারি ২০২৫
  2. ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  3. ৮ মে ২০২৫
  4. ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
ব্যাখ্যা

 National Citizen Party (NCP):
- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল।
- এটি  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে গঠিত হয়েছে।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
 - নাহিদ ইসলামকে দলটির  আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- এটি দেশের প্রথম রাজনৈতিক দল, যা সম্পূর্ণভাবে ছাত্র নেতৃত্বের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
- দলটির সৃষ্টি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের একটি সফল পরিণতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দলটি তাদের প্রথম প্রতিষ্ঠিতা বার্ষিকী পালন করে।

উৎস: NCP ওয়েবসাইট।

৩,৯৯৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ২৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩১ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৩২ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৩ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩২ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদে জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়,
“আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।”
অন্যদিকে,
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ : আইনের দৃষ্টিতে সমতা
- ৩১ নং অনুচ্ছেদ : আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
- ৩৩ নং অনুচ্ছেদ : গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৩,৯৯৮.
সার্জেন্ট জহুরুল হক কেন বিখ্যাত?
  1. সেক্টর কমান্ডার হিসেবে
  2. খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে
  3. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী হিসেবে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী হিসেবে
ব্যাখ্যা
• সার্জেন্ট জহুরুল হক:
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সঙ্গে সার্জেন্ট জহুরুল হকের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।

- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৭ নম্বর আসামি করা হয়েছিল।
- কারাবন্দী থাকা অবস্থায় ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ তারিখে সেলের হাবিলদার মঞ্জুর শাহ তাকে গুলি করে।
- তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রাতে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
- সার্জেন্ট জহুরুল হক হত্যাকাণ্ডের ফলে আইয়ুববিরোধী গণঅভ্যুত্থান আন্দোলন তুঙ্গে উঠে।
- গণআন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত ২২ ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খানের সামরিক সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,৯৯৯.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য কোন নারী মুক্তিযোদ্ধাদের বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হয়?
  1. ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি
  2. ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং কাঁকন বিবি
  3. ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং কাকঁন মণি
  4. কোনোটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:
- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ।
- নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।
- মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন।
- বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন।
- ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ওয়েবসাইট।
৪,০০০.
সৈয়দপুর বিমানবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. নীলফামারী
  3. সিলেট
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
ব্যাখ্যা
সৈয়দপুর বিমানবন্দর:
অবস্থান: সৈয়দপুর, নীলফামারী জেলা, রংপুর বিভাগ
আয়তন: ১৩৬.৫৯ একর
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ২৪ এপ্রিল, ১৯৭৮
উদ্বোধন: ২১ জুলাই, ১৯৭৯
রানওয়ের দৈর্ঘ্য: ৬০০০ ফুট

উল্লেখ্য, 
- নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
- এ জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
- বরাদ্দ পেলে আগামী ৫ বছরের মধ্যে এটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত হবে।
- ভারত, নেপাল, ভুটানের পাশাপাশি বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগে আসবে নতুন গতি।
- উত্তরাঞ্চলের একমাত্র বিমানবন্দরটি দেশের অন্যতম এভিয়েশন হাব হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তথ্যসূত্র: নীলফামারী জেলা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]ও সমকাল নিউজ।