বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৪২ / ৩০৬ · ৪,১০১৪,২০০ / ৩০,৮৩২

৪,১০১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কততম অনুচ্ছেদে 'জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার' দেওয়া হয়েছে?
  1. ২৬ নং
  2. ২৮ নং
  3. ৩২ নং
  4. ৩৮ নং
সঠিক উত্তর:
৩২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
• আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাবে না।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ২৬ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: মৌলিক অধিকারের অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- সংবিধানের ২৮ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: সংগঠনের স্বাধীনতা। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,১০২.
নিচের কোনটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. খাসিয়া
  2. চাকমা
  3. মারমা
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:

- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,১০৩.
নিচের কোনটি কর বহির্ভূত রাজস্বের উৎস?
  1. যানবাহন কর
  2. সুদ
  3. আবগারি শুল্ক
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
সুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদ
ব্যাখ্যা
আয়ের উৎস:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

⇒ কর রাজস্ব:
- কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মুল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

⇒ কর বহির্ভূত রাজস্বের প্রধান:
১। লভ্যাংশ ও মুনাফা,
২। সুদ,
৩। প্রশাসনিক রাজস্ব,
৪। রেলওয়ে,
৫। ডাক বিভাগ,
৬। সেবা বাবদ প্রাপ্তি,

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১০৪.
সুপ্রিম কোর্টের ব্রেঞ্চ কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ২ টি
  3. ৪টি
  4. ১ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
• সুপ্রিম কোর্ট:
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিমকোর্ট।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়।
- প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট গঠিত। 
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন। 

• সুপ্রিমকোর্টের এর রয়েছে দুটি বিভাগ,

যথা:
- আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
 
উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৪,১০৫.
মুসলিম শিক্ষা প্রসারে অগাধ সম্পত্তি দান করেন কে?
  1. ফকির মজনু শাহ
  2. হাজী মুহম্মদ মুহসীন
  3. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  4. হাজী শরীয়তউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
হাজী মুহম্মদ মুহসীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজী মুহম্মদ মুহসীন
ব্যাখ্যা
হাজী মুহম্মদ মুহসীন:
- হাজী মুহম্মদ মুহসীন ছিলেন বাংলার একজন জনহিতৈষী, দানবীর।
- দানশীলতার জন্য তিনি দানবীর খেতাব পেয়েছিলেন। পেয়েছিলেন।
- তিনি ১৭৩২ সালে হুগলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- শিক্ষানুরাগী এ দানবীর তার অর্থ দিয়ে বহু বিদ্যাপিঠ স্থাপন করে গেছেন।
- হুগলিতে 'হুগলি মহসিন কলেজ' ও 'চট্টগ্রামের সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ' প্রতিষ্ঠার সময় মহসিনের ওয়াকফকৃত অর্থ ব্যবহৃত হয়।
- ১৭৬৯-৭০ সালের সরকারি দলিল অনুযায়ী তৎকালীন দুর্ভিক্ষের সময় তিনি অনেক লঙ্গরখানা স্থাপন করেন।
- ১৮০৬ সালে তিনি 'মহসিন ফান্ড নামক তহবিল প্রতিষ্ঠা করেন।
- এ তহবিল ধর্মীয় কর্মকাণ্ড, পেনশন, বৃত্তি ও দাতব্য কর্মকাণ্ডের জন্য বরাদ্দ করা হয়।
- বঙ্গের হাতেম তাই নামে খ্যাত মুহসিন তাঁর অগাধ সম্পত্তি জনকল্যাণে দান করে যান।

তথ্যসূত্র - সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১০৬.
তিতুমীর কত সালে তার ঐতিহাসিক বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন?
  1. ১৮২৭ সালের
  2. ১৮২৯ সালের
  3. ১৮৩১ সালের
  4. ১৮৩৩ সালের
সঠিক উত্তর:
১৮৩১ সালের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩১ সালের
ব্যাখ্যা
তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা:
- ১৮৩১ সালের ২৩ অক্টোবর ভারতের কলকাতার বারাসাতের কাছে নারিকেলবাড়িয়া নামক গ্রামে একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করা হয়।
- ইতিহাসে এটিই ‘বাঁশের কেল্লা’ বা ‘নারিকেলবাড়িয়া বাঁশের কেল্লা’ নামে চিহ্নিত হয়ে আছে।
- ব্রিটিশ শক্তিকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে একটি বিপ্লবী কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য বাংলার সন্তান মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর ও তাঁর অনুসারীরা এই কেল্লা নির্মাণ করেন।
- বাঁশের কেল্লায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিরাট বাহিনী ছিল স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও সংগ্রামী চেতনায় উদ্দীপ্ত।
- তারা তিতুমীরের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা স্থাপন করে।
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে ১০০ অশ্বারোহী, ৩০০ স্থানীয় পদাতিক, দুটি কামানসহ গোলন্দাজ সৈন্যের এক নিয়মিত বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর ইংরেজ বাহিনী মুজাহিদদের উপর আক্রমণ চালায়।
- তাঁদের সাধারণ তলোয়ার ও হালকা অস্ত্র নিয়ে তিতুমীর ও তাঁর সেনারা ব্রিটিশ সেনাদের আধুনিক অস্ত্রের সামনে দাঁড়াতে পারেননি।
- সেই যুদ্ধে তিতুমীর শহীদ হন।
- পাশাপাশি ১৮৩১ সালের ১৭ নভেম্বর বাঁশের কেল্লাটিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,১০৭.
কখন 'আমাদের বাঁচার দাবি' ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক পুস্তিকাটি প্রকাশ পায়?
  1. ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. ৪ মার্চ, ১৯৬৬
  3. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  4. ৬ মার্চ, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌছান।
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন৷ বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
- ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১০৮.
মর্যাদা অনুসারে মুক্তিযোদ্ধাদের ২য় বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. বীরপ্রতীক
  2. বীরশ্রেষ্ঠ
  3. বীরউত্তম
  4. বীরবিক্রম
সঠিক উত্তর:
বীরউত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরউত্তম
ব্যাখ্যা

• ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে — সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।

• মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
যথা-
- বীরশ্রেষ্ঠ (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর উত্তম (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর বিক্রম (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
- বীর প্রতীক (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
----------------
বিশেষ তথ্য- খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা:
• ১ম উপাধি: বীরশ্রেষ্ঠ, ৭ জন,
• ২য় উপাধি: বীর উত্তম, ৬৮ জন,
• ৩য় উপাধি: বীর বিক্রম, ১৭৫ জন এবং
• ৪র্থ উপাধি: বীর প্রতীক, ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।

- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,১০৯.
তিতুমীরের প্রধান সেনাপতি ছিলেন কে?
  1. সৈয়দ আলী
  2. গোলাম মাসুদ
  3. মীর হাসান আলী
  4. মোহাম্মদী বেগ
সঠিক উত্তর:
গোলাম মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাম মাসুদ
ব্যাখ্যা
• তিতুমীর
- তিতুমীর ১৭৮২ সালের ২৭ জানুয়ারি (১৪ মাঘ ১১৮২ বঙ্গাব্দ) ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার চাঁদপুর (মতান্তরে হায়দরপুর) গ্রামে একটি সুন্নী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতার নাম সৈয়দ মীর হাসান আলী এবং মাতার নাম আবিদা রুকাইয়া খাতুন।
- ১৮২২ সালে তিতুমীর মক্কায় হজ্জব্রত পালনের উদ্দেশ্যে যান।
- তিনি সেখানে আরবের স্বাধীনতার অন্যতম পথপ্রদর্শক সৈয়দ আহমেদ শহীদের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন ও ওয়াহাবী মতবাদে অনুপ্রাণিত হন।
- সেখান থেকে এসে (১৮২৭) তিতুমীর তার গ্রামের দরিদ্র কৃষকদের সাথে নিয়ে জমিদার এবং ব্রিটিশ নীলকদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হয়ে আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৮৩১ সালের ২৩শে অক্টোবর বারাসতের কাছে বাদুড়িয়ার ১০ কিলোমিটার দূরে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তারা বাঁশের কেল্লা তৈরি করেন।
- বাঁশ এবং কাদা দিয়ে তারা দ্বি-স্তর বিশিষ্ট এই কেল্লা নির্মাণ করেন।
- তিতুমীর বর্তমান চব্বিশ পরগনা, নদীয়া এবং ফরিদপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের অধিকার নিয়ে সেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। 
- তার বাহিনীর প্রধান সেনাপতি মাসুম খাঁ বা গোলাম মাসুমকে ফাঁসি দেয়া হয়। বাশেঁর কেল্লা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
- ইতিহাসে এ কেল্লাই নারিকেলবাড়িয়া বাঁশের কেল্লা নামে বিখ্যাত।
- তিতুমীর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণার উৎস হিসাবে কাজ করেছে।
- ১৯৭১ সালে মুহাম্মদ জিন্নাহ কলেজ কে তার নাম অনুসারে সরকারী তিতুমীর কলেজ নামকরণ করা হয়।
- তার নামে বুয়েট এ একটি ছাত্র হলের নামকরণ করা হয় তিতুমীর হল।
- বিবিসির জরিপে তিনি ১১ তম শ্রেষ্ঠ বাঙালি।
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে তিতুমীরের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ১০ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খুলনা শহরে রূপসা নদীর তীরে 'বানৌজা তিতুমীর' নামে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি ঘাঁটি কমিশন করেন ও ‘নেভাল এনসাইন’ প্রদান করেন।
- এছাড়া বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি জাহাজের নামকরণ করা হয় বিএনএস তিতুমীর।
- রাজশাহী ও নীলফামারী জেলার চিলাহাটি স্টেশনের মধ্যে 'তিতুমীর এক্সপ্রেস' নামে একটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।  
৪,১১০.
ফরায়েজী আন্দোলন কোন শতকে গড়ে ওঠা একটি সংস্কার আন্দোলন?
  1. ক) আঠারো শতকে
  2. খ) ঊনিশ শতকে
  3. গ) সতেরো শতকে
  4. ঘ) বিংশ শতকে
সঠিক উত্তর:
খ) ঊনিশ শতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঊনিশ শতকে
ব্যাখ্যা
- ফরায়েজী আন্দোলন  ঊনিশ শতকে বাংলায় গড়ে ওঠা একটি সংস্কার আন্দোলন।
- প্রাথমিক পর্যায়ে এ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল ধর্ম সংস্কার। কিন্তু পরবর্তী সময়ে এই আন্দোলনে আর্থ-সামাজিক সংস্কারের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
- ফরায়েজী শব্দটি ‘ফরজ’ থেকে উদ্ভূত। এর অর্থ হচ্ছে আল্লাহ কর্তৃক নির্দেশিত অবশ্য পালনীয় কর্তব্য। কাজেই ফরায়েজী বলতে তাদেরকেই বোঝায় যাদের লক্ষ্য হচ্ছে অবশ্য পালনীয় ধর্মীয় কর্তব্যসমূহ কার্যকর করা।
- এ আন্দোলনের প্রবক্তা হাজী শরীয়তউল্লাহ।
- তিনি অবশ্য শব্দটিকে ব্যাপক অর্থে ব্যাখ্যা করেন। তাঁর মতে, অবশ্য পালনীয়ই হোক বা ঐচ্ছিকই হোক, কুরআন ও সুন্নাহ নির্দেশিত সকল ধর্মীয় কর্তব্যই এর অন্তর্ভুক্ত।
- শরীয়তউল্লাহ হজ্ব পালনের জন্য মক্কায় যান এবং সেখানে বিশ বছর অবস্থান করে হানাফি শাস্ত্রজ্ঞ শেখ তাহির সোম্বলের নিকট ধর্মশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন।
- দেশে ফিরে তিনি দেখতে পান যে, বাংলার মুসলমানদের একটি অংশ বহুবিধ স্থানীয় লোকাচার ও পর্ব-উৎসব পালনে উৎসাহী হয়ে ইসলামের মৌলিক শিক্ষার প্রতি চরম উদাসীন হয়ে উঠেছেন।
- সে কারণেই তিনি ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন এবং কালক্রমে এ আন্দোলন সমগ্র পূর্ববঙ্গে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৪,১১১.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়?
  1. ৪৪টি
  2. ৪১টি
  3. ৩৩টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
২৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮টি
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৮টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:

- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন ⎯ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
- নির্বাচনের জন্য ৬৬ জন রিটার্নিং অফিসার ও ৫৯২ জন সহকারি রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়।
- ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় - ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২২৩টি আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিজয়ী হয়।
- প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টি জিতেছে ১১টি আসনে।
- পরবর্তীতে ২টি আসনের উপনির্বাচনেও আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়লাভ করে।

• বিশেষ তথ্য:
- ২৮টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে।
- টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ⎯ বঙ্গবন্ধুকন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য শপথ নেন ⎯ ১০ জানুয়ারি, ২০২৪।
- নতুন এমপিদের শপথ বাক্য পাঠ করান ⎯ বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
         ii) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
         ii) ১১ জানুয়ারি, ২০২৪, কালের কন্ঠ।
৪,১১২.
মহাকবি কালিদাসের 'রঘুবংশ' কাব্য অনুযায়ী প্রাচীন বঙ্গ জনপদটি কোন দুটি নদীর মধ্যবর্তী ব-দ্বীপ ছিল?
  1. গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র
  2. ভাগীরথী ও পদ্মা
  3. মেঘনা ও যমুনা
  4. তিস্তা ও ধরলা
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী ও পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী ও পদ্মা
ব্যাখ্যা

বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- মহাভারত, রামায়ণ ও হরিবংশেও রয়েছে বঙ্গ প্রসঙ্গ।
- মহাকবি কালীদাসের রঘুবংশ কাব্যে তিনি ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলেছেন।
- আর এ অঞ্চলই সম্ভবত টলেমির ‘গঙ্গরিডাই’।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গে দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর আর অন্যটি নাব্য। 
- অনুমান করা যায় ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো। 
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল।
- কারণ এ দেশের প্রাচীন রাজাগণ সারাদেশে চওড়া 'আল' নির্মাণ করতেন।
- সেজন্যে 'বঙ্গ' ও 'আল' শব্দ দুটির যোগে 'বঙ্গাল' নামের উৎপত্তি হয়েছে।
- এ থেকে ধারণা করা হয় যে পানি থেকে শস্যক্ষেত রক্ষার জন্য বড় বড় 'আল' বাঁধা হতো এবং তার ফলে এ অঞ্চলটি 'বঙ্গাল' নামে পরিচিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১১৩.
গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে বাংলাদেশ কত তারিখে স্বাক্ষর করে?
  1. ২০ আগস্ট ২০২৪
  2. ২৯ আগস্ট ২০২৪
  3. ৩০ আগস্ট ২০২৪
  4. ৩১ আগস্ট ২০২৪
সঠিক উত্তর:
২৯ আগস্ট ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ আগস্ট ২০২৪
ব্যাখ্যা

আগস্ট ২৯, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে। 

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (ICPPED):
- ICPPED-এর পূর্ণরূপ: International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ ডিসেম্বর, ২০০৬। 
- কার্যকর হয়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০। 
- ICPPED জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন যা এনফোর্স ডিসএপিয়ান্সকে কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।
- সনদে মোট ৪৫টি অনুচ্ছেদ আছে।

⇒ আগস্ট ২৯, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে। 
- অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই সনদে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য যে,
- UNTC ওয়েবসাইট অনুসারে, বাংলাদেশ ৩০ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে। যেহেতু আমাদের পত্র পত্রিকা ও সরকারি ওয়েবসাইটে ২৯ আগস্ট রয়েছে সেই অনুসারে ২৯ আগস্ট, ২০২৪ উত্তর নেওয়া হয়েছে।

উৎস: i) OHCHR ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৪,১১৪.
শেরশাহ বাংলাকে কয়টি সরকারে বিভক্ত করেছিলেন?
  1. ১৮টি
  2. ১৯টি
  3. ২০টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
শেরশাহ:

- সম্রাট হুমায়ুনের কাছ থেকে দিল্লি ও আগ্রা অধিকারের পর শেরশাহ পাঞ্জাব, সিন্ধু ও মুলতান জয় করেন।
- ১৫৪১ খ্রিস্টাব্দে শেরশাহ বাংলা আক্রমণ করে বাংলার সুলতান খিজির খানকে পরাজিত ও বিতাড়িত করেন।
- বাংলায় যাতে বিদ্রোহ সংঘটিত হতে না পারে সে জন্য শেরশাহ বাংলাকে ১৯টি সরকারে বিভক্ত করে প্রত্যেকটির শাসনভার একজন আমিনের উপর ন্যস্ত করেন।
- তিনি ১৫৪২ খ্রিস্টাব্দে মালব জয় করে গোয়ালিওর দুর্গ অবরোধ করেন।
- বুন্দেলখণ্ডের কালিঞ্জর দুর্গ অবরোধের সময় তিনি বারুদের বিস্ফোরণে মৃত্যু বরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১১৫.
স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ার পূর্বে ঢাকা বাংলার রাজধানীর মর্যাদা পায় কয়বার?
  1. ৩ বার
  2. ৪ বার
  3. ৫ বার
  4. ৬ বার
সঠিক উত্তর:
৪ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বার
ব্যাখ্যা
• রাজধানী ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ায় পূর্বে ঢাকা বাংলার রাজধানী ছিল চারবার।
- স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ার পূর্বে ঢাকা ১৬১০, ১৬৬০, ১৯০৫ ও ১৯৪৭ সালে মোট চারবার বাংলার রাজধানীর মর্যাদা পায়।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন। বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,১১৬.
'আদম সুরত' চলচ্চিত্রের পরিচালক-
  1. ক) তৌকির আহমেদ
  2. খ) তারেক মাসুদ
  3. গ) নাসির উদ্দিন ইউসুফ
  4. ঘ) মোস্তফা সরোয়ার
সঠিক উত্তর:
খ) তারেক মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা

- শিল্পী এস এম সুলতানের জীবন কাহিনী অবলম্বনে তারেক মাসুদ পরিচালিত চলচ্চিত্র আদম সুরত।
- অজ্ঞাতনামা চলচ্চিত্রের পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- ২০১৯ সালে অস্কারে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আলফা। এর পরিচালক নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু।
- ডুব, টেলিভিশন, থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ইত্যাদি চলচ্চিত্রের পরিচালক মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী।

উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৪,১১৭.
বাংলাদেশের সরকারি আয়ের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) আয়কর
  2. খ) রেমিট্যান্স
  3. গ) মূল্য সংযোজন কর
  4. ঘ) আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
গ) মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
• মূ্ল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূ্ল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- সরকারি আয়ের দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর
- তৃতীয় সম্পূরক শুল্ক এবং চতুর্থ আমদানি শুল্ক।

উৎসঃ এনবিআরের ওয়েবসাইট।
৪,১১৮.
সর্বশেষ প্রকাশিত জাতীয় হিসাব পরিসংখ্যান গ্রন্থ অনুসারে, ২০২০-২১ অর্থবছরে কর-জিডিপি এর অনুপাত -
  1. ক) ৮.৫৯%
  2. খ) ১০.৫১%
  3. গ) ৯.০৬%
  4. ঘ) ৭.৬৪%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭.৬৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭.৬৪%
ব্যাখ্যা
- কর-জিডিপি অনুপাত দ্বারা একটি দেশের কর রাজস্বকে তার অর্থনীতির আকারে প্রতিফলিত করে, যা এক্ষেত্রে জিডিপি দ্বারা পরিমাপ করা হয়। 
- অনুপাত যত বেশি হবে, সরকারি কোষাগারে জমাকৃত অর্থের অনুপাত তত বেশি হবে। এটি একটি দেশের কর নীতির সামগ্রিক দিকনির্দেশের পাশাপাশি দেশগুলোর মধ্যে কর আয়ের আন্তর্জাতিক তুলনা করা সম্ভব হয়।
- এটি প্রকাশ করা হয়েছে যে কর-জিডিপি এর অনুপাত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পুরনো ভিত্তি ( ২০০৫-০৬) বছরে ৮.৭৬ শতাংশ থেকে কমে নতুন ভিত্তি (২০১৫-১৬) বছরে ৭.৩২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা থেকে বুঝা যায় যে, কর জিডিপি অনুপাত কমেছে।
- ২০২০-২১ অর্থবছরে কর-জিডিপি এর অনুপাত ৭.৬৪% (নতুন ভিত্তি বছর অনুসারে)
 
 
উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় হিসাব পরিসংখ্যান গ্রন্থ 
৪,১১৯.
২০৩০ সালের মধ্যে BEZA দেশে কতটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য স্থির করেছে?
  1. ক) ৫০টি
  2. খ) ৮০টি
  3. গ) ১০০টি
  4. ঘ) ১২০টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০০টি
ব্যাখ্যা
BEZA (Bangladesh Economic Zones Authority) ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য স্থির করেছে।
যার মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বর্তমান পর্যন্ত ৯৩টি (BEZA ওয়েবসাইট মতে ৮৮টি) অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
(সূত্র: BEZA ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট, ২০ আগস্ট ২০২০)
৪,১২০.
রাজাকার বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নিযুক্ত হয়েছিলো কে?
  1. মতিউর রহমান নিজামী
  2. গোলাম আযম
  3. মোঃ ইউসুফ
  4. ফজলুল কাদের চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
মোঃ ইউসুফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোঃ ইউসুফ
ব্যাখ্যা
রাজাকার বাহিনী:
- লেফট্যানেন্ট জেনারেল টিক্কা খান ১৯৭১ সালের জুন মাসে 'পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স ১৯৭১' জারি করেন।
- তার পূর্বেই ১৯৭১ এর মে মাসে মওলানা এ.কে.এম ইউসুফ ৯৬ জন জামায়াত কর্মীর সমন্বয়ে খুলনায় আনসার ক্যাম্পে 'রাজাকার বাহিনী' গঠন করেন। 
- পরবর্তীকালে অর্ডিন্যান্সে এই নাম গ্রহণ করা হয়। 
- ইসলামী ছাত্র সংঘের প্রধান মোঃ ইউসুফ রাজাকার বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নিযুক্ত হন।
- রাজাকার বাহিনী পাকিস্তান রক্ষার সংগ্রামের চাইতে লুটপাট, ছিনতাই, নারী ধর্ষণ এসব কাজে মগ্ন থেকেছে। 
- মুক্তিযোদ্ধার সন্ধান দেওয়া, হানাদার বাহিনীকে তাদের বাড়িঘর চিনিয়ে দেওয়া, গ্রাম থেকে গরু, ছাগল, মুরগি ধরে এনে পাকিস্তানী বাহিনীর ক্যাম্পে সরবরাহ করা, গ্রাম থেকে যুবতী নারী ধরে এনে আর্মি ক্যাম্পে সরবরাহ করা ইত্যাদি অপকর্মে রাজাকারদের নিয়োজিত রাখা হয়েছে।
এছাড়া,
- মতিউর রহমান নিজামী আলবদর বাহিনীর প্রধান ছিলেন।
- গোলাম আযম, ফজলুল কাদের চৌধুরী আল শামস বাহিনীর নেতা ছিলেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১২১.
বাংলাদেশ কখন কমনওয়েলথ এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. খ) ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২
  3. গ) ২৫ মার্চ, ১৯৭২
  4. ঘ) ১১ মার্চ, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• Commonwealth:
- ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে আধুনিক কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়।
- লন্ডন ঘোষণার দিনটিকে অর্থাৎ মার্চের দ্বিতীয় সোমবারকে প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়।
- এর সচিবালয় অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।

- কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ গ্যাবন ও টোগো।- কমনওয়েলথের বর্তমান - প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস।
- কমনওয়েলথের বর্তমান মহাসচিব - Rt Hon Patricia, স্কটল্যান্ড।
- ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ কমনওয়েলথ এর সদস্যপদ লাভ করে। 

বাংলাদেশ ও কমনওয়েলথ: 
- বাংলাদেশ যোগ দেয়ার আগে ৩৩টি দেশ কমনওয়েলথের সদস্য ছিলো।
- ১৯৬১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায়।
- কমনওয়েলথের সদস্য রাষ্ট্র করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
- অর্থ্যাৎ তখন কমনওয়েলথের সদস্য সংখ্যা দাড়ায় - ৩১টি।
- আর তাই বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল ৩২ তম সদস্য হিসাবে কনওয়েলথে যোগদান করে।
- তবে, যেহেতু এর আগেও দুটি দেশ সদস্য হিসাবে ছিলো, তাই দেশের ক্রম হিসাবে বাংলাদেশ কমনওয়েলথে ৩৪তম দেশ হিসাবে যোগদান করে।

উৎস: কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,১২২.
কোন ঘটনার ফলে ভারতের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে?
  1. ক) নীল বিদ্রোহ
  2. খ) বঙ্গভঙ্গ
  3. গ) সিপাহি বিদ্রোহ
  4. ঘ) কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
গ) সিপাহি বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিপাহি বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে। ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,১২৩.
Who was the Finance Minister of Akbar's Ministry?
  1. Man Singh
  2. Tansen
  3. Todormol
  4. Abul Fozol
সঠিক উত্তর:
Todormol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Todormol
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবরের শাসনকাল:
- সম্রাট আকবর ভারতে মোগল শাসন বিস্তার ও সুদৃঢ় করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।
- এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে তার রাজপুত নীতি, ভূমি ব্যবস্থা তথা মনসবদারী প্রথা ইত্যাদি।
- ভারতে মোগল রাজ্য বিস্তারের বিরুদ্ধে অন্যতম প্রধান শক্তি ছিল রাজপুত জাতি।
- জাতিগতভাবে রাজপুতরা ছিল বীর ও স্বজাত্যবোধে সচেতন যোদ্ধা।
- তিনি রাজা টোডরমল, রাজা বিহারী মল, ভগবান দাস এবং মানসিংহকে প্রশাসনের উচ্চ পদে নিযুক্ত করেন।
- তিনি কবি পণ্ডিত ও চিত্রশিল্পীদের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- আকবরের রাজপুত নীতি মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।
- সম্রাট আকবরের ভূমি শাসন ব্যবস্থা অনন্য কৃতিত্বের দাবীদার।
- রাজা টোডরমল সম্রাট আকবরের অর্থমন্ত্রী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১২৪.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংগীত হিসেবে 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটি গ্রহন করা হয়েছে?
  1. ৪(১) নং
  2. ৪(২) নং
  3. ৪(৩) নং
  4. ৪(৪) নং
সঠিক উত্তর:
৪(১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪(১) নং
ব্যাখ্যা
৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
৪(১): প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা"র প্রথম দশ চরণ। 
৪(২) ‘প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।’
৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীকের কথা বলা হয়েছে। 

জাতীয় সংগীত: 
- 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' এই গানটির প্রথম ১০ চরন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত।
- ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে এটিকে জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহন করা হয়।
- ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে সরকারি ভাবে তা গৃহীত হয়।
- এটি প্রথম ১৯০৫ (১৩১২ বঙ্গাব্দ) সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এই গানের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং এবং এতে বাউল গগন হরকরার সুরের প্রভাব রয়েছে।
- গানটির ইংরেজি অনুবাদ করেছেন সৈয়দ আলী আহসান

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,১২৫.
শহর এলাকায় স্থানীয় সরকারের প্রথম ধাপ কোনটি?
  1. পৌরসভা
  2. ইউনিয়ন পরিষদ
  3. জেলা পরিষদ
  4. সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বিভক্ত করা ক্ষুদ্রতর শাসন কাঠামো।
- এটি হলো কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত ও সহায়ক অংশ।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে সম্পর্কের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার দুই রকমের হয় যথা:স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত সরকার।

⇒ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা দুই ধরনের।
(ক) শহর বা পৌর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা,
(খ) গ্রামীণ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা।

⇒ বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও গ্রামে তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।
• শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- পৌরসভা,
- সিটি কর্পোরেশন।

• গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ।

• পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩টি জেলা নিয়ে আঞ্চলিক স্থানীয় প্রশাসন রয়েছে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ-
১. বান্দরবান পাহাড়ী জেলা পরিষদ,
২. রাঙ্গামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ,
৩. খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১২৬.
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি মোহাম্মদ হামিদুর রহমান কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ক) ২ নং সেক্টর
  2. খ) ৩ নং সেক্টর
  3. গ) ৪ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৭ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
২৫ মার্চ রাতে পাকবাহিনীর আক্রমণের মুখে সিপাহি মোহাম্মদ হামিদুর রহমান সেনানিবাস ত্যাগ করে গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন। পরে তিনি বর্তমান মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানার দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তে ধলই নামক স্থানে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এ জেলা ৪ নং সেক্টরের অধীন ছিল। [সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
৪,১২৭.
ওডিআই ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. ফারজানা হক পিংকিং
  2. রুমানা আহমেদ
  3. নিগার সুলতানা জুতি
  4. সুবর্ণা মোস্তফা
সঠিক উত্তর:
ফারজানা হক পিংকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারজানা হক পিংকিং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে নাম লেখালেন ফারজানা হক পিংকিং।
- ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতে ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন ফারজানা।

উল্লেখ্য, 
- বর্তমান নারী ক্রিকেটের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জুতি।
-  ২০১১ সালে ওয়ানডে ও ২০১২ সালে টি২০ ক্রিকেটে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: প্রথম আলো।
৪,১২৮.
বাংলাদেশের কোন অরাজনৈতিক সংগঠন 'গণতন্ত্র অলিম্পিয়াড' কার্যক্রম পরিচালনা করে?
  1. টিআইবি
  2. সুজন
  3. ব্র্যাক
  4. অধিকার
সঠিক উত্তর:
সুজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুজন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন স্তরের মানুষের মাঝে গণতান্ত্রিক ধারণাকে প্রচারের লক্ষ্যে সুজনের একটি কার্যক্রম হলো গণতন্ত্র অলিম্পিয়াড।
উৎস: shujan.org
৪,১২৯.
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয় কার নেতৃত্বে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) ক্যাবিনেট সচিব
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এই পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতির নামে দেশের শাসন পরিচালিত হলেও প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারি প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি বাংলাদেশের সরকার প্রধান এবং প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা তার নেতৃত্বে প্রযুক্ত হয়।
- মন্ত্রিসভা তার ইচ্ছাধীন থাকে। তার নেতৃত্বেই সংসদে আইন প্রণীত হয়। জরুরি অবস্থার সময় তিনি মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত ছাড়াই যেকোন নির্দেশনা দিতে পারেন।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,১৩০.
পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে কোথায় ?
  1. ক) লাহোরে
  2. খ) ঢাকায়
  3. গ) করাচিতে
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) করাচিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) করাচিতে
ব্যাখ্যা

- পাকিস্তান গণপরিষদ পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট করাচিতে।
- ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যাক্ট ১৯৪৭-এর শর্তানুযায়ী দুটি গণপরিষদের একটি স্থাপিত হয় ভারতে এবং অপরটি পাকিস্তানে।
- ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তান গণপরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন।
-ভারতের স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী গণপরিষদের দুটি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ছিল: দেশের সংবিধান প্রণয়ন এবং তা কার্যকর করার পূর্ব পর্যন্ত একটি ফেডারেল আইনসভা (সংসদ) হিসেবে কাজ করা।

সোর্স: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রফেসর মোঃ মজাম্মেল হক) এবং বাংলাপিডিয়া।

৪,১৩১.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. মালয়েশিয়া
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট ২৪.৭৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।
দেশ অনুযায়ী রেমিট্যান্স প্রবাহের শীর্ষ উৎস:
- প্রথম : সৌদি আরব (৫৭২.১৪ কোটি মা. ডলার)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৩৪৬.১৬ কোটি মা. ডলার)
- তৃতীয় : সংযুক্ত আরব আমিরাত (২৪৩.৯৯ কোটি মা. ডলার)
- চতুর্থ : যুক্তরাজ্য (২০২.৩৬ কোটি মা. ডলার)
- পঞ্চম : মালয়েশিয়া (২০০.২৩ কোটি মা. ডলার)।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
৪,১৩২.
কোথায় থেকে বাংলাপিডিয়া প্রকাশিত হয়?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বাংলা একাডেমি
  3. এশিয়াটিক সোসাইটি
  4. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
এশিয়াটিক সোসাইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়াটিক সোসাইটি
ব্যাখ্যা

বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
-  বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক বাংলাপিডিয়া প্রকাশিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির উদ্যোগে ২০০৩ সালে প্রথম প্রকাশ করা হয়।
- এরপর ২০১২ সালে এর দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়।
- ১৪৫০ জন পণ্ডিত বাংলাদেশের প্রাচীন থেকে বর্তমান - পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি এতে সংযোজন করেছেন।


উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,১৩৩.
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ এর কমিটির আহ্বায়ক কে?
  1. মো. নাহিদ ইসলাম
  2. ড. এবাদুর রহমান
  3. মো. মাহফুজ আলম
  4. নুরুল মোমেন ভূঁইয়া
সঠিক উত্তর:
ড. এবাদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. এবাদুর রহমান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------------
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’:
- গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপ দিতে কমিটি গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- জুলাই স্মৃতি জাদুঘর কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে কিউরেটর, শিক্ষক, লেখক ও ফিল্ম মেকার ড. এবাদুর রহমানকে।
- যুগ্ম-আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. মাহফুজ আলম।
- শনিবার (০২ নভেম্বর ২০২৪) গণভবনের ফটকে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই কমিটির ঘোষণা দেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।

উল্লেখ্য, 
- কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন লেখক ও মানবাধিকারকর্মী মুসতাইন বিল্লাহ,
-জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক জাহিদ সবুজ,
-জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের শিক্ষক নুরুল মোমেন ভূঁইয়া,
-শিল্পকলা একাডেমির গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক তানজিম ওয়াহাব,
-লেখক ও গবেষক সহুল আহমেদ,
-স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম,
-স্থাপত্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া,
-নকশাবিদ আর্কিটেক্টসের লিড আর্কিটেক্ট বায়েজিদ মাহবুব খন্দকার,
-ডিজাইন ওয়ার্কস গ্রুপের আর্কিটেক্ট তানজিম হাসান সেলিম,
-বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক,
-আরকাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক,
-প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক,
-স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি,
-গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী,
-ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশের সভাপতি বা উপযুক্ত প্রতিনিধি। 
-এছাড়া কমিটিতে এক বা দুজন ছাত্র প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত হবেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
৪,১৩৪.
সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান -
  1. ক) ক্রমহ্রাসমান
  2. খ) ক্রমবর্ধমান
  3. গ) বর্ধনশীল
  4. ঘ) দ্রুত বর্ধনশীল
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
• জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত - কৃষিখাত। 
• আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত - শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%। 
• অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। 
• যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
 
তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৪,১৩৫.
কাগমারী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. রেসকোর্সে
  2. সন্তোষে
  3. বুড়িচং
  4. ছাগলনাইয়া
সঠিক উত্তর:
সন্তোষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্তোষে
ব্যাখ্যা
কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারি সম্মেলন।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- মাওলানা ভাসানী পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের 'আসসালামুআলাইকুম' বলে সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘন্টা বাজিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া। 
৪,১৩৬.
সুশীল সমাজের কাজ কোনটি?
  1. দুর্নীতি সমর্থন করা
  2. নাগরিকদের স্বাধীনতা কুক্ষিত করা
  3. সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
  4. বিতর্ক সৃষ্টি করা
সঠিক উত্তর:
সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
ব্যাখ্যা

- সুশীল সমাজ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে - এটি সুশীল সমাজের কাজ। 

সুশীল সমাজ:

- সুশীল সমাজ চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অংশ।
- বর্তমানে সুশীল সমাজ মানব পুঁজি গঠন, সমাজসেবা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সুশীল সমাজ সরকারের দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে সচেষ্ট।
- সুশীল সমাজ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং সরকার সুশীল সমাজের বক্তব্য বা সুপারিশসমূহকে উপেক্ষা করতে পারে না।

উল্লেখ্য, 
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করা ও মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া সুশীল সমাজের দায়িত্ব।
- সরকার বা কোন কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ প্রচার করা সুশীল সমাজের কাজ নয়।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৪,১৩৭.
প্রতাপ আদিত্য কে ছিলেন?
  1. বাংলার বারো ভূঁইয়াদের একজন
  2. রাজপুত রাজা
  3. বাংলার শাসক
  4. মোগল সেনাপতি
সঠিক উত্তর:
বাংলার বারো ভূঁইয়াদের একজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলার বারো ভূঁইয়াদের একজন
ব্যাখ্যা
• বারো ভুঁইয়া:
বাংলার স্থানীয় প্রধান ও জমিদার, যাঁরা আকবর ও জাহাঙ্গীর এর রাজত্বকালে মুগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।

বাংলার ইতিহাসে ষোড়শ শতক থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলায় যেসব বড় বড় জমিদার মুঘলদের অধীনতা মেনে নেননি এবং শক্তিশালী সৈন্য ও নৌ-বহর নিয়ে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একজোট হয়ে মুঘল সেনাপতির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেন তারাই বাংলার ইতিহাসে 'বারো ভুঁইয়া' নামে পরিচিত। 

- যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য বারো ভুঁইয়াদের মধ্যে সর্বাধিক সম্পদশালী ও প্রভাবশালী ছিলেন।
- ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতাপের ক্ষমতা ও খ্যাতি পুরো ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছিল।

- বারো ভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন সোনার গাঁয়ের জমিদার ঈসা খাঁ।
- তার মৃত্যুর পর মোগলদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ স্তিমিত হয়ে যায়।

আকবরনামা’য় প্রাপ্ত ভাটিতে মুগলদের যুদ্ধবিগ্রহের বিবরণ অনুযায়ী ভূঁইয়াদের নিম্নলিখিত তালিকা প্রস্ত্তত করা যেতে পারে:
(১) ঈসা খান মসনদ-ই-আলা, (২) ইবরাহিম নরল, (৩) করিমদাদ মুসাজাই, (৪) মজলিস দিলওয়ার, (৫) মজলিস প্রতাপ, (৬) কেদার রায়, (৭) শের খান, (৮) বাহাদুর গাজী, (৯) তিলা গাজী, (১০) চাঁদ গাজী, (১১) সুলতান গাজী, (১২) সেলিম গাজী, (১৩) কাসিম গাজী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,১৩৮.
কোনটি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব?
  1. Victoria Cross
  2. Medal of Honor
  3. Legion of Honor
  4. The Cross of Honour for Valour
সঠিক উত্তর:
Medal of Honor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Medal of Honor
ব্যাখ্যা

⇒ Medal of Honor:
- মেডাল অব অনার (Medal of Honor) যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার।
- এটি প্রথম কংগ্রেসের অনুমোদনে নৌবাহিনীর জন্য ১৮৬১ সালে এবং সেনাবাহিনীর জন্য ১৮৬২ সালে প্রবর্তিত হয়।
- শুরুতে এটি শুধুমাত্র সৈনিকদের জন্য ছিল, তবে পরবর্তীতে অফিসাররাও এটি পেতে শুরু করেন।
- এটি তাদের প্রদান করা হয় যারা "অসামান্য সাহসিকতা এবং আত্মত্যাগ" প্রদর্শন করেন।

⇒ সেনাবাহিনীর মেডাল: এটি শুধুমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য প্রদান করা হয়।

⇒ নৌবাহিনীর মেডাল: এটি যুদ্ধ এবং অযুদ্ধক্ষেত্র উভয়ের জন্য প্রদান করা হতো।
- ১৯৪২ সালের পর থেকে এটি শুধুমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য সীমাবদ্ধ।

⇒ মেডালের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি নীল ফিতার সঙ্গে ঝুলানো থাকে।
- ফিতার কেন্দ্রে ১৩টি সাদা তারা রয়েছে।
- প্রতিটি মেডালের পেছনে "The Congress to…" খোদাই করা থাকে।
- বিজয়ীর নাম মেডালে উল্লেখ করা হয়।

⇒ উল্লেখযোগ্যতা: এটি আত্মত্যাগ, বীরত্ব এবং নিষ্ঠার সর্বোচ্চ প্রতীক।

⇒ এছাড়াও,
- ব্রিটেনের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Victoria Cross (ভিক্টোরিয়া ক্রস)।
- ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Legion of Honor (লিজিয়ন অব অনার)।
- জার্মানির সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: The Cross of Honour for Valour (দ্য ক্রস অব অনার ফর ভ্যালোর)।
- ভারতের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Param Vir Chakra (পরম বীর চক্র)।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

৪,১৩৯.
সম্প্রতি কোন মোবাইল অপারেটর বাণিজ্যিকভাবে ৫-জি সেবা চালু করেছে? [সেপ্টেম্বর-২০২৫]
  1. বাংলালিংক
  2. গ্রামীণফোন 
  3. টেলিটক
  4. এয়ারটেল
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণফোন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণফোন 
ব্যাখ্যা

৫-জি সেবা:
- ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ দেশের দুই শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি বাণিজ্যিকভাবে ৫-জি সেবা চালু করেছে।
- প্রথম পর্যায়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের সাতটি জায়গায় রবির ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে।
পর্যায়ক্রমে দেশের বাকি অঞ্চলে এই সেবা চালু হবে।
-অন্যদিকে, গ্রামীণফোন রাজধানীসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোর বিভিন্ন জায়গায় তারা ফাইভ-জি চালু করেছে।
-পর্যায়ক্রমে টাওয়ার নামে পরিচিত বেজ ট্রান্সসিভার স্টেশনগুলো (বিটিএস) ফাইভ-জির আওতায় আনা হচ্ছে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে আশির দশকের শেষ দিকে এসে প্রথম প্রজন্মের, অর্থাৎ ওয়ান-জি প্রযুক্তি আসে সিটিসেলের মাধ্যমে।
-এরপর ১৯৯৬ সালে আসে টু-জি প্রযুক্তি। এর প্রায় ১৭ বছর পর চালু হয় থ্রি-জি।
-অন্যদিকে ফোর-জি চালু হয় ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে।
-সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক ২০২১ সালে দেশে প্রথম ফাইভ-জির পরীক্ষা করেছিল।

উৎস: প্রথম আলো [লিংক]

৪,১৪০.
‘চরমপত্র’ সিরিজের পরিকল্পনা করেন কে?
  1. এম আর আখতার মুকুল
  2. আবদুল মান্নান 
  3. গাজি মাজহারুল ইসলাম
  4. আব্দুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
আবদুল মান্নান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মান্নান 
ব্যাখ্যা

• স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- বস্ত্তত, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের দুটি জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল 'চরমপত্র' এবং 'জল্লাদের দরবার'।
- 'জল্লাদের দরবার' অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র এবং পাশবিক আচরণকে 'কেল্লা ফতেহ খান' চরিত্রের মাধ্যমে চিত্রিত করা হয়েছিল। '
- চরমপত্র' সিরিজটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদের সদস্য আবদুল মান্নান এবং এর স্ক্রিপ্ট লেখা ও উপস্থাপনা করেন এম আর আখতার মুকুল। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,১৪১.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান স্মৃথি রক্ষার্থে নির্মিত হয়-
  1. অপরাজেয় বাংলা
  2. আসাদ গেট
  3. মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ
  4. শিখা চিরন্তন
সঠিক উত্তর:
আসাদ গেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসাদ গেট
ব্যাখ্যা
• শহীদ আসাদ:
- শহীদ আসাদ (১৯৪২-১৯৬৯) উনিশশত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- আসাদ ছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন গ্রুপ)-এর ঢাকা হল শাখার সভাপতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান সংগঠক।
- আসাদের মৃত্যুতে ঊনসত্তরের গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- অনেক জায়গায় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে।
- এভাবে 'আইয়ুব গেট' হয়ে যায় 'আসাদ গেট', 'আইয়ুব এভিনিউ' নামান্তরিত হয়ে হয় 'আসাদ এভিনিউ'।
- তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,১৪২.
বাংলাদেশের সংবিধানকে কতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধান লিখিত এবং গ্রন্থীত।
- সংবিধানের ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ এবং একটি প্রস্তাবনাসহ ৭টি তফসিল রয়েছে।
- সংবিধানে সরকারের তিনটি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ পদের অধিকারী যেমন- রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, অ্যার্টনি জেনারেলসহ অন্যান্যদের ক্ষমতা, কার্যাবলি সুষ্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৪৩.
বাংলাদেশে কোন জেলায় আর্সেনিক দুষণীয় মাত্রায় পাওয়া গিয়েছে?
  1. কিশোরগঞ্জ
  2. চাঁদপুর
  3. সুনামগঞ্জ
  4. নীলফামারী
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে, গাঙ্গেয় পললভূমির ভূগর্ভস্থ জলস্তর জনগণের জন্য পানি সরবরাহে ব্যবহূত হচ্ছে। 
- প্রাকৃতিকভাবে এ পানিতে আর্সেনিক দূষণ ঘটছে, যা লক্ষলক্ষ মানুষের স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।
- বাংলাদেশে আর্সেনিক দুষণীয় মাত্রায় পাওয়া গেছে এমন এলাকাসমূহ প্রধানত দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চল (লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, চাঁদপুর) দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল (কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর) এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় অংশে (নবাবগঞ্জ) সীমাবদ্ধ, যা গঙ্গা ব-দ্বীপ সমভূমির অন্তর্ভুক্ত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৪,১৪৪.
Which is not a part of local administration?
  1. ক) Upazila
  2. খ) District
  3. গ) Union
  4. ঘ) Division
সঠিক উত্তর:
গ) Union
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Union
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসন:
- স্থানীয় প্রশাসন তিন স্তর বিশিষ্ট যথা: 
১. বিভাগীয় প্রশাসন। ২. জেলা প্রশাসন। ৩. উপজেলা প্রশাসন।

- বাংলাদেশের স্তরভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তরটি  হচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন।
- স্থানীয় প্রশাসনের প্রথম ও সর্বোচ্চ ধাপ হচ্ছে বিভাগীয় প্রশাসন।
- এর দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন এবং
- তৃতীয় বা সর্বনিম্ন ধাপে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। 

• বিভাগীয় প্রশাসনের গঠন:
- বিভাগীয় প্রশাসনের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে একজন বিভাগীয় কমিশনার দায়িত্ব পালন করেন। তাঁকে সাহায্য করার জন্য
কয়েক জন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ও অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ রয়েছেন।
- বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- তাঁর পদ মর্যাদা জেলা প্রশাসকের উপরে এবং রাজস্ব বোর্ডের সদস্যদের নিচে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিভাগীয় কমিশনার যুগ্ম সচিবের পদমর্যাদা সম্পন্ন। 

• জেলা প্রশাসনের গঠন:
- স্থানীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন। ডেপুটি কমিশনার (উঈ) বা জেলা প্রশাসক এ প্রশাসনের প্রধান।
- জেলা প্রশাসনিক কাঠামোতে একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক থাকেন।
- একাধিক সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও সহকারী কমিশনার এবং অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারির থাকেন।
- বাংলাদেশে বর্তমানে জেলা প্রশাসক উপসচিব পদমর্যাদা সম্পন্ন।

• উপজেলা প্রশাসনের গঠন:
- স্থানীয় প্রশাসনের সর্বশেষ স্তর হল উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলা প্রশাসনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেন্দ্রীয় প্রশাসন কর্তৃক নিয়োজিত হয়ে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ যাবতীয় কাজে সহযোগিতা করে
থাকেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৪৫.
Name of the saree made from banana tree?
  1. ক) Leelabati Saree
  2. খ) Ramabati Saree
  3. গ) Kalabati Saree
  4. ঘ) Radhabati Saree
সঠিক উত্তর:
গ) Kalabati Saree
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Kalabati Saree
ব্যাখ্যা
কলাবতী শাড়ি:
- কলাগাছের সুতা দিয়ে বোনা হলো ‘কলাবতী’ শাড়ি।
- মৌলভীবাজারে ১৯৯২ সাল থেকে মণিপুরি শাড়ি বানাচ্ছেন কারিগর রাধাবতী দেবী।
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কলাগাছের তন্তু থেকে মণিপুরী নকশার এই শাড়ি তৈরি করেন মৌলভীবাজারের তাঁতশিল্পী রাধাবতী দেবী। 
- দৃষ্টিনন্দন শাড়ির নাম রাখা হয়েছে ‘কলাবতী’।

উৎস: ২ এপ্রিল, ২০২৩, প্রথম আলো।
৪,১৪৬.
নিম্নোক্ত কোন সালে বাংলাদেশে আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশে আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি। 

জনশুমারি:

- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম জনশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ জনশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪,১৪৭.
ভাষা আন্দোলনের ফলে প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. বর্ধমান হাউজ
  2. বাংলা একাডেমি
  3. বাংলা মঞ্চ
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠা:
ভাষা আন্দোলনের ফলে ১৯৫৫-তে কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড (বাংলা ভাষায় পাঠ্য পুস্তুক রচনার উদ্দেশ্যে) ও বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত (বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে) হয়।

বাংলা একাডেমী: 
- বাংলা একাডেমী  বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ সালে ঢাকার বর্ধমান হাউজে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের  ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
- ১৯৫৩ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
- যুক্তফ্রন্ট পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ গ্রহণ করে, কিন্তু অল্পদিনেই তাদের পতন হওয়ায় সে প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
- দ্বিতীয়বার যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউজে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- এভাবে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৪৮.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত কোন দলের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন?
  1. ক) বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি
  2. খ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ - মোজাফফর)
  3. গ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ - ভাসানী)
  4. ঘ) ন্যাশনাল কংগ্রেস
সঠিক উত্তর:
খ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ - মোজাফফর)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ - মোজাফফর)
ব্যাখ্যা
খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তিনি ছিলেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ - মোজাফফর) - এর সদস্য। তিনি ছাড়া সব সদস্য ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের। সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাস
৪,১৪৯.
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' কোন কমিশনের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়?
  1. শরিফ শিক্ষা কমিশন
  2. আকরাম খান শিক্ষা কমিশন
  3. কুদরাত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
  4. জাতীয় শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
শরিফ শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরিফ শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের মূলে ছিল 'শরিফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট'।
- এই কমিশন গঠিত হয়েছিল আইয়ুবের সামরিক শাসন জারির পরপর, ৩০ ডিসেম্বর ১৯৫৮।
- কমিশনের প্রধান ছিলেন তৎকালীন শিক্ষাসচিব ড. এস এম শরিফ।
- এই কারণে রিপোর্টটি শরিফ কমিশন রিপোর্ট নামেই পরিচিতি পেয়েছে।
- কমিশন রিপোর্ট দাখিল করেছিল আট মাসের মাথায় ২৬ আগস্ট ১৯৫৯।
- ১৯৬০ সালের প্রথম দিকে শরিফ কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
- ১৯৬২ সালে সামরিক আইন প্রত্যাহার হওয়ায় শিক্ষা কমিশন রিপোর্টবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করে।
- আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে ১৪৪ ধারার মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর প্রদেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করা হয়। 
- বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে, এ শিক্ষা আন্দোলন নিঃসন্দেহে ইতিহাসের বাঁক ফেরানো ঘটনা।
- বস্তুত এ আন্দোলনের পর থেকে ছাত্রসমাজ কখনো চুপচাপ থাকেনি।
- তারা বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন করেছে এবং সরকারবিরোধী চেতনাকে বেগবান করেছে।

উৎস: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, প্রথম আলো।
৪,১৫০.
'বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. গম
  3. আম
  4. ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা।
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার।
• :উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪,১৫১.
সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) নাটোর
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
খ) নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাটোর
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী (১৬,১০,২৩৭ মে.টন)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় ঢাকা  (২,80,15২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় রাজশাহী (৪,১৭,৫৬২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাও  (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা  উৎপাদন রংপুর  (২১,৬৯,৩০৮ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় দিনাজপুর (৫,৮৪,৯৮০ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় রংপুর (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
৪,১৫২.
নিচের কোনটি প্রত্যক্ষ কর?
  1. ক) সম্পূরক শুল্ক
  2. খ) আবগারি শুল্ক
  3. গ) ভ্যাট
  4. ঘ) ভূমি উন্নয়ন কর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভূমি উন্নয়ন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভূমি উন্নয়ন কর
ব্যাখ্যা
- যেসব করের যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
আমাদের দেশের প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- আয়কর
- ভূমি উন্নয়ন কর
- দানকর ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- যেসব করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না তাদের পরোক্ষ কর বলে।
পরোক্ষ করসমূহ হলো:
- ভ্যাট বা মূসক
- আমদানি শুল্ক
- আবগারি শুল্ক
- সম্পূরক শুল্ক ইত্যাদি৷
(তথ্যসূত্রঃ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট)
৪,১৫৩.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় -
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৬৯ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালে।
- বাংলাদেশে রঙিন টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮০ সালে।
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের ওয়েবসাইট।
৪,১৫৪.
চাকমা সমাজে পাড়ার প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. মৌজা
  2. আদাম
  3. কার্বারি
  4. হেডম্যান
সঠিক উত্তর:
কার্বারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বারি
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- বাংলাদেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- নৃতাত্ত্বিক বিচারে চাকমারা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর লোক।
- তাদের মুখমণ্ডল গোলাকার, নাক চ্যাপ্টা, চুল সোজা এবং কালো, গায়ের রং ঈষৎ হলদেটে।
- বাংলাদেশের বাইরেও চাকমারা ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও অরুণাচলে বসবাস করে।

সামাজিক জীবন:
- চাকমা সমাজে মূল অংশ পরিবার।
- কয়েকটি চাকমা পরিবার নিয়ে গঠিত হয় ‘আদাম’ বা ‘পাড়া’।
- পাড়ার প্রধানকে বলা হয় কার্বারি।
- কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- মৌজার প্রধানকে বলা হয় হেডম্যান।
- কার্বারি ও হেডম্যান মিলে যথাক্রমে পাড়া ও মৌজার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে।
- কয়েকটি মৌজা মিলে চাকমা সার্কেল গঠিত হয় এবং এর প্রধান হলেন চাকমা রাজা।
- চাকমা সমাজে রাজার পদটি বংশানুক্রমিক।
- চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। চাকমা পরিবারে পিতাই প্রধান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৪,১৫৫.
বাংলাদেশ কোন বহুপাক্ষিক উৎস থেকে সর্বাধিক আর্থিক সহযোগিতা পায়?
  1. ক) IDB
  2. খ) ADB
  3. গ) AIIB
  4. ঘ) IDA
সঠিক উত্তর:
ঘ) IDA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) IDA
ব্যাখ্যা
International Development Association (IDA) থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আর্থিক সহযোগিতা পেয়ে থাকে।
গত অর্থবছরে বাংলাদেশ IDA থেকে ২,২৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থ সহায়তা লাভ করে। যা পরিমাণের দিকে IDA এর দ্বিতীয় বৃহৎ গ্রহীতা।
বাংলাদেশের প্রধান দ্বিপাক্ষিক সাহায্যদাতা হলো জাপান।
(সূত্র: IDA এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ওয়েবসাইট)
৪,১৫৬.
বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হয়?
  1. IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
  2.  IDA credit-এর মাধ্যমে
  3. বিশ্ব ব্যাংকের budgetary support-এর মাধ্যমে
  4. প্রবাসীদের পাঠানাে remittance-এর মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ও বাণিজ্য ঘাটতি :
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) অন্যতম কাজ - সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ঘাটতি দূর করণে ব্যবস্থা করা।
- বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার জন্য IMF তার সদস্য দেশগুলোকে বড় আকারের ঋণ প্রদান করে থাকে (Bailout Package - এর মাধ্যমে)।
- বাংলাদেশও IMF এর সদস্য হিসাবে Bailout Package - এর মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করে বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- প্রবাসীদের পাঠানো remittance বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সহায়তা করে, কিন্তু পুরোপুরি ভারসাম্য আনতে পারে না।

উৎস: ব্রিটানিকা, OSMBA প্রোগ্রাম- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৫৭.
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি বাংলা জয় করেন কোন শতাব্দীতে?
  1. ক) একাদশ
  2. খ) দ্বাদশ
  3. গ) ত্রয়োদশ
  4. ঘ) চতুর্দশ
সঠিক উত্তর:
গ) ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি:
- বখতিয়ার খলজী ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি ছিলেন একজন তুর্কি সেনাপতি।
- তিনি আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি তুর্কীদের খিলজী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন।
- ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি দ্বাদশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষে আসেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- উল্লেখ্য, পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।
- ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।
- তিনি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- তিনি স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
-  বাংলা জয় করেন ১৩ শতকে।
- ১২০৬ সালে বখতিয়ার খিলজী ইহলোক ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলার ইতিহাস; সুলতানি আমল: আব্দুল করিম।
৪,১৫৮.
অপারেশন জ্যাকপট কী?
  1. ক) ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী পরিচালিত অভিযান
  2. খ) বঙ্গোপসাগরে মার্কিন সামরিক টাস্কফোর্স
  3. গ) মুক্তিবাহিনীর নৌকমান্ডোরা পরিচালিত অভিযান
  4. ঘ) ভারতের স্বর্ণমন্দিরে পরিচালিত অভিযান
সঠিক উত্তর:
গ) মুক্তিবাহিনীর নৌকমান্ডোরা পরিচালিত অভিযান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুক্তিবাহিনীর নৌকমান্ডোরা পরিচালিত অভিযান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোরা পরিচালিত প্রথম অভিযান অপারেশন জ্যাকপট নামে পরিচিত। এদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়। মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে এ অপারেশনে অংশ নেয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৪,১৫৯.
ঐতিহাসিক ছয় দফার সর্বশেষ দফা কি ছিল?
  1. ক) বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  2. খ) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. গ) রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  4. ঘ) আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।
• ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
৬ দফার দাবিসমূহ
প্রস্তাব - এক : শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি
প্রস্তাব - দুই : কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
প্রস্তাব - তিন : মুদ্রা ও অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
প্রস্তাব - চার : রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
প্রস্তাব - পাঁচ : বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
প্রস্তাব - ছয় : আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা

SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র ) ,প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক । 
৪,১৬০.
ইউরিয়া সারের কার্যকারিতা বাড়াতে প্রলেপ বা কোটিং কারখানা স্থাপন করা হবে কোথায়?
  1. ক) আশুগঞ্জ
  2. খ) ফেঞ্চুগঞ্জ
  3. গ) পতেঙ্গা
  4. ঘ) জামালপুর
সঠিক উত্তর:
খ) ফেঞ্চুগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফেঞ্চুগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- ইউরিয়া সারের কার্যকারিতা বাড়াতে প্রলেপ বা কোটিং কারখানা স্থাপন করা হবে - সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে। 
- বছরে উৎপাদন হবে ২৯ হাজার টন কোটেড ইউরিয়া সার।
- অর্থাৎ চাহিদার পুরোটাই যোগান দেওয়া যাবে এখান থেকে।
- প্রথমবারের মতো দেশে এ ধরনের কারখানা তৈরির কাজ শেষ হলে আগামী দুই বছরের মাথায় কৃষকের হাতে এই সার পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উৎস: samakal.com
৪,১৬১.
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে মোট পাট উৎপাদনের পরিমাণ?
  1. ৫৯.০২ লক্ষ বেল
  2. ৬৪.৭২ লক্ষ বেল
  3. ৬৮.১৯ লক্ষ বেল
  4. ৭৭.১২ লক্ষ বেল
সঠিক উত্তর:
৬৮.১৯ লক্ষ বেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮.১৯ লক্ষ বেল
ব্যাখ্যা
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে মোট পাট উৎপাদন : ৬৮.১৯ লক্ষ বেল।
পাট উৎপাদনে শীর্ষ তিন জেলা:
- প্রথম : ফরিদপুর
- দ্বিতীয় : কুষ্টিয়া
- তৃতীয় : পাবনা।
(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯ এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৪,১৬২.
বাংলাদেশের কোন বনাঞ্চল বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সুন্দরবন
  2. পার্বত্য চট্রগ্রামের বনাঞ্চল
  3. সিলেটের পাহাড়ি বনভূমি
  4. রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
• ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাদেশের ৩টি স্থানকে বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এগুলো হলো -
১) বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ - ১৯৮৫ সালে ঘোষিত ৩২১ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।
২) নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার - ১৯৮৫ সালে ঘোষিত ৩২২ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।
৩) সুন্দরবন - ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র: বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
৪,১৬৩.
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. জহির রায়হান
  4. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ 
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ 
ব্যাখ্যা

• বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র: 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৮ সালে।
- এর কার্যালয়: বাংলা মোটর। 
- এটির প্রতিষ্ঠাতা: অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
- ধরন: সামাজিক সংগঠন।
- এর লক্ষ্য: কিশোর ও যুব সমাজকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।
• “আলোকিত মানুষ চাই” বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান।

উল্লেখ্য,
- নজরুল ইনস্টিটিউট: সংগীত  ও সাহিত্য কর্মে উৎসাহিত করা।
- বেঙ্গল ফাউন্ডেশন: উচ্চাঙ্গ সংগীতের আয়োজক।
- জাতীয় নাগরিক কমিটি: বর্তমান নতুন একটি রাজনৈতিক দল।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র।

৪,১৬৪.
পার্বত্য তিন জেলার আয়তন -
  1. ক) ৯২৯৫ বর্গ কি.মি
  2. খ) ১৩২৯৫ বর্গ কি.মি
  3. গ) ২৩৮৯১ বর্গ কি.মি
  4. ঘ) ১৭৭২৫ বর্গ কি.মি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩২৯৫ বর্গ কি.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩২৯৫ বর্গ কি.মি
ব্যাখ্যা

পার্বত্য তিনটি জেলার মোট আয়তন ১৩,২৯৫ বর্গ কিলোমিটার।
- ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী এ অঞ্চলের মোট জনসংখ্যা ১৫,৮৭,০০০ জন।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও জাতিসত্তা সমূহের অধিবাসীদের মধ্যে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চংগ্যা, ম্রো, লুসাই, বোম, পাংখো, খুমি, চাক, খেয়াং প্রভৃতি উপজাতি রয়েছে।
- অ-উপজাতীয়দের মধ্যে ৪৮ ভাগ মুসলমান এবং বাকীরা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী|

উৎস: mochta.gov.bd(পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়)

৪,১৬৫.
কত সালে ওলন্দাজ বণিকরা ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করে?
  1. ১৬০২ সালে
  2. ১৬০৫ সালে
  3. ১৬২২ সালে
  4. ১৬৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৬০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০২ সালে
ব্যাখ্যা

ওলন্দাজ বা ডাচ:
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা জলপথে উপমহাদেশে আসে।
- প্রাচ্য বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে হল্যান্ডের একদল বণিক 'ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে।
- তারা কালিকট, নাগাপট্টম, বাংলার চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- এছাড়া বালেশ্বর, কাশিমবাজার এবং বরানগরেও তাদের কুঠি ছিল।
- প্রথমে ওলন্দাজগণ ইংরেজদের সাথে রেশমী সূতা, সুতি কাপড় চাল, ডাল সোরা ও তামাক এদেশ থেকে রপ্তানি করত এবং অন্যদেশ থেকে এদেশে মসলা আমদানি করত।
- ইংরেজদের সাথে তাদের যে বাণিজ্য চুক্তি হয় তা দু'বছরের মধ্যে ভেঙ্গে গিয়ে বিরোধ দেখা দেয়।
- অন্যদিকে বাংলার শাসনকর্তাদের সাথেও তাদের প্রবল বিরোধ দেখা দেয়।
- এ বিরোধ বেশি বেড়ে গেলে ইংরেজগণ ওলন্দাজ কুঠিগুলো দখল করে ফেলে।
- আর এভাবে ওলন্দাজদের বাণিজ্যিক সুবিধা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং তাঁরা উপমহাদেশ ছেড়ে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় চলে যায়।
- সেখানে তাঁরা উপনিবেশ স্থাপন করে।
- ফলে এদেশে ইংরেজদের শক্তি বেড়ে যায়।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৬৬.
বাংলাদেশে প্রথম শুল্ক নীতি কখন প্রণয়ন করা হয়?
  1. ২০২৩ সাল
  2. ২০২১ সাল
  3. ২০২০ সাল
  4. ২০২২ সাল
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সাল
ব্যাখ্যা

• শুল্ক নীতি:
- ২০১৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে স্থানীয় কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা বৃদ্ধিতে প্রথমবারের মতো শুল্ক নীতি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ।
- ২০২৩ সালে দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- ১০ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় শুল্ক নীতিমালার গেজেট প্রকাশ করেছে।

⇒ জাতীয় শুল্ক নীতিমালার লক্ষ্য আমদানি শুল্ক কাঠামোকে যৌক্তিক করা, কারণ বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা পাবে না।
- এই শুল্ক নীতি দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতি বাড়াবে।
- এতে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
- ফলে, সরকার ধীরে ধীরে আমদানি শুল্কের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে।

তথ্যসূত্র:
 i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star Bangla.

৪,১৬৭.
৭ই মার্চের ভাষণে কোন দাবিটি ছিলো না-
  1. ক) চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার
  2. খ) গণহত্যার তদন্ত করা
  3. গ) নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভা সমাবেশে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। এ ভাষণে তিনি চারটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হলোঃ চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার, সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া, গণহত্যার তদন্ত করা এবং নির্বাচত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। ৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড এ অন্তর্ভুক্ত করে। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
৪,১৬৮.
নাগরিকের অধিকার ও স্বাধীনতার রক্ষাকর্তা হিসেবে কাজ করে কোন বিভাগ?
  1. আইন বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. সংস্থাপন মন্ত্রণালয় 
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
→ আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিচার বিভাগ নাগরিকদের অধিকার ও স্বাধীনতার রক্ষাকর্তা হিসেবে কাজ করে।
→ যে দেশে লিখিত সংবিধান রয়েছে সেখানে আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগকে সংবিধানের গন্ডির মধ্যে থেকে কাজ করতে হয় সরকার যদি সংবিধানে লিপিবদ্ধ নাগরিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করে তাহলে বিচার বিভাগ সেই অধিকার পুন:প্রতিষ্ঠার কাজে অগ্রসর হয়। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৬৯.
আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশের সবচেয় বড় বিভাগ কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. বরিশাল
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বিভাগ সমূহ:
- বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ- চট্টগ্রাম (৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি)।
- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ- ময়মনসিংহ ( ১০,৫৫২ বর্গ কিমি)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় বিভাগ ঢাকা এবং সবচেয়ে ছোট বরিশাল বিভাগ।
- সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৩টি।
- সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৪,১৭০.
সম্প্রতি, চীনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক এআই অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ দল কোন পদক জিতেছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. রৌপ্য পদক
  2. স্বর্ণ পদক
  3. ব্রোঞ্জ পদক
  4. চ্যাম্পিয়ন পদক
সঠিক উত্তর:
ব্রোঞ্জ পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রোঞ্জ পদক
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক এআই অলিম্পিয়াড:
- চীনের বেইজিংয়ে আন্তর্জাতিক এআই অলিম্পিয়াড ২ আগস্ট থেকে ৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এই অলিম্পিয়াডে বিশ্বের ৭৩টি দেশের ৮৬টি দল অংশ নেয়।
- আন্তর্জাতিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অলিম্পিয়াডের এই আসরে দুটি ব্রোঞ্জপদক জিতেছে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ দলের হয়ে ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. রিয়াসাত ইসলাম ও সেন্ট যোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আরেফিন আনোয়ার। 
- নটর ডেম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মিসবাহ উদ্দিন পেয়েছে ‘অনারেবল মেনশন’। 
- চার সদস্যের দলের অপর সদস্য নটর ডেম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আবরার শহীদ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

৪,১৭১.
নিচের কোনটি 'বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন' এর কাজ নয়?
  1. ধানের জাত উন্নয়ন
  2. সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন
  3. বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ
  4. কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ
সঠিক উত্তর:
ধানের জাত উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধানের জাত উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থি
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
BADC এর কার্যাবলি সমূহ:
- বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ
- সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন
- কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ প্রভৃতি।

- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট ধানের জাত উন্নয়নে কাজ করে।

তথ্যসূত্র:- BADC ওয়েবসাইট।
৪,১৭২.
কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ঘাটতি নেই?
  1. ক) মিয়ানমার
  2. খ) ভারত
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৪,১৭৩.
‘৩৬ জুলাই: স্টেটস ভার্সেস পিপল’ তথ্যচিত্রের নির্মাতা কে?
  1. গীতা মেহতা
  2. সৌমিত্র দস্তিদার
  3. মীর সাব্বির
  4. জাহিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
সৌমিত্র দস্তিদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌমিত্র দস্তিদার
ব্যাখ্যা

• ৩৬ জুলাই: স্টেটস ভার্সেস পিপল:
- বাংলাদেশে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত হয়েছে তথ্যচিত্র '৩৬ জুলাই: স্টেটস ভার্সেস পিপলস'।
- তথ্যচিত্র তৈরি করেছেন কলকাতার তথ্যচিত্র নির্মাতা সৌমিত্র দস্তিদার।
- এই তথ্যচিত্রটি গত ৪ আগস্ট, ২০২৫ বাংলাদেশে প্রথম প্রদর্শিত হয়।
- ৪৪ মিনিটের এই তথ্যচিত্রটিতে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী ও অধিকারকর্মী বদরুদ্দীন উমর, সাংবাদিক তাসনিম খলিল, অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ, তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা শারমিন আহমদের সাক্ষাৎকার রয়েছে।
- সম্প্রতি, ‘জাতীয় নিরাপত্তা’র কারণ দেখিয়ে এই তথ্যচিত্র ভারতে নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: পত্রিকা প্রতিবেদন।link

৪,১৭৪.
কর্মসংস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় খাত কোনটি?
  1. কৃষিখাত
  2. শিল্পখাত
  3. সেবাখাত
  4. প্রবাসী
সঠিক উত্তর:
কৃষিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষিখাত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ,
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ,
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
সুতরাং, কর্মসংস্থানের দিক থেকে সবচেয়ে বড় খাত - কৃষিখাত।

৪,১৭৫.
বর্তমানে দেশে কয়টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৩৫টি
  2. ৩৬টি
  3. ৪৫টি
  4. ৪৬টি
সঠিক উত্তর:
৪৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬টি
ব্যাখ্যা

বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- - দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট। [link]
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।

৪,১৭৬.
বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের 'ব্লাক বেঙ্গল' ছাগলের চামড়া কী নামে পরিচিত?
  1. মেহেরপুর গ্রেড
  2. চুয়াডাঙ্গা গ্রেড
  3. ঝিনাইদহ গ্রেড
  4. কুষ্টিয়া গ্রেড
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া গ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া গ্রেড
ব্যাখ্যা

- বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের 'ব্লাক বেঙ্গল' ছাগলের চামড়া 'কুষ্টিয়া গ্রেড' নামে পরিচিত।

• কুষ্টিয়া গ্রেড:
- বাংলাদেশে পালিত ছাগলের প্রায় নব্বই ভাগই হলো ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল।
- এই জাতের ছাগলের চামড়া অত্যন্ত উন্নত মানের এবং মাংস অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ব্যতীত ছাগলের অন্যান্য জাতের মধ্যে যমুনাপারি বা রামছাগল, কাশ্মিরী, বারবারি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
- দেশের সর্বত্রই এই জাতের ছাগল দেখা যায়।
- তবে কৃষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চলে এই ছাগলের পালন সর্বাধিক হয়।
- যার কারণে বিশ্ববাজারে ব্ল্যাকবেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 

৪,১৭৭.
স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রভাবে রচিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) রক্তাক্ত বাংলা
  2. খ) আবার তোরা মানুষ হ
  3. গ) একাত্তরের যীশু
  4. ঘ) আগুনের পরশমণি
সঠিক উত্তর:
ক) রক্তাক্ত বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রক্তাক্ত বাংলা
ব্যাখ্যা
রক্তাক্ত বাংলা- ১৯৭২ সাল
আবার তোরা মানুষ হ- ১৯৭৩ সাল
একাত্তরের যীশু- ১৯৯৩
এবং আগুনের পরশমণি- ১৯৯৫ সাল।
সূত্রঃ প্রথম আলো।
৪,১৭৮.
‘রূপকল্প - ২০২১’ - অনুসারে বাংলাদেশ কত সালে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে?
  1. ক) ২০১০
  2. খ) ২০১৩
  3. গ) ২০১৪
  4. ঘ) ২০১৬
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৩
ব্যাখ্যা
সরকার ঘোষিত ‘রূপকল্প - ২০২১’ অনুসারে বাংলাদেশকে ২০১৩ সালের মধ্যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিলো। জনসংখ্যা বৃদ্ধি স্বত্ত্বেও সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই লক্ষ্য অর্জিত হয়।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯
৪,১৭৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, দেশের চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়? 
  1. প্রায় ৯৯ শতাংশ
  2. প্রায় ৯৮ শতাংশ
  3. প্রায় ৯৬ শতাংশ
  4. প্রায় ৯৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৯৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৯৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বর্তমানে শুধু মাত্র কিছু হাইটেক প্রোডাক্ট (ব্লাড বায়োসিমিলার প্রোডাক্ট, এন্টিক্যান্সার ড্রাগ, ভ্যাকসিন ইত্যাদি) আমদানি করা হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- সারা বিশ্বে বাংলাদেশের মানসম্পন্ন ঔষধ সুনাম অর্জন করেছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ ১৫৭টি দেশে রপ্তানি করছে এবং ঔষধ রপ্তানির পরিমাণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৪,১৮০.
কাকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ান বলা হয়?
  1. সমুদ্রগুপ্ত
  2. বিজয়গুপ্ত
  3. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  4. হর্ষবর্ধন
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- চন্দ্রগুপ্তের মৃত্যুর পর সমুদ্রগুপ্ত পাটালিপুত্রের সিংহাসনে বসেন।
- তাঁকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ান বলা হয়।
- তার রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা জয় করা হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৮১.
মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা:
- ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক, বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- ১০ই এপ্রিল সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এছাড়া বেশ কিছু সাব-সেক্টর এবং তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।
- এসব সেক্টরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা, সেনাসদস্য, পুলিশ, ইপিআর, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যগণ যোগদান করেন।
- প্রতিটি সেক্টরেই নিয়মিত সেনা, গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধা ছিল।
- এরা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল।
- এসব বাহিনীতে দেশের ছাত্র, যুবক, নারী, কৃষক, রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিল।
- ভারতের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ শেষে যোদ্ধাগণ দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে পাকিস্তানি সামরিক ছাউনি বা আস্তানায় হামলা চালায়।
- মুক্তিযুদ্ধে সরকারের অধীন বিভিন্ন বাহিনী ছাড়াও বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে উঠেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৮২.
The term 'Amicus Curiae' is related to
  1. ক) Medical Science
  2. খ) Mathematics
  3. গ) Judiciary
  4. ঘ) Physics
সঠিক উত্তর:
গ) Judiciary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Judiciary
ব্যাখ্যা
'Amicus Curiae' is related to Judiciary

- Amicus Curiae হল আদালতের বন্ধু।
- অনেক সময় দেখা যায় বিজ্ঞ আদালত কোন জটিল মামলার রায়ের ব্যাপারে আইন বিষয়ে সদ্ধিান্ত নিতে সমস্যায় পড়েন। সে ক্ষেত্রে উক্ত বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালত এক বা একাধীক অভিজ্ঞ এ্যাডভোকেট মহোদয়কে নিয়োগ প্রদান করতে পারেন। উক্ত ব্যক্তিগণ ঐ সমস্যার সমাধান তাদের নিজের অভিজ্ঞতা ও আইনের মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করেন অতঃপর তাদের সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত বিজ্ঞ আদালতের নিকট অবহিত করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৪,১৮৩.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৪৪ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৪৫ক নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৪৬ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৪৫ক নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫ক নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৫ক নং অনুচ্ছেদে 'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ ১৪৫ক। নং অনুচ্ছেদ:
- বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে, এবং রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে।

অন্যদিকে,
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪৪ নং অনুচ্ছেদে 'সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪৬ নং অনুচ্ছেদে 'বাংলাদেশের নামে মামলা' সম্পর্কে বলা হয়েছে। 
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,১৮৪.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'OIC' এর কততম সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ক) পঞ্চম সম্মেলন
  2. খ) চতুর্থ সম্মেলন
  3. গ) তৃতীয় সম্মেলন
  4. ঘ) দ্বিতীয় সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্বিতীয় সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্বিতীয় সম্মেলন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত 'OIC' এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

• ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC:
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- OIC এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ.ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-তিন বছর পর পর।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
৪,১৮৫.
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২ জানুয়ারি, ১৯৭২
  2. ৩ জানুয়ারি, ১৯৭২
  3. ৪ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ৫ জানুয়ারি, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ জানুয়ারি, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স:
- ১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি বিমান বাংলাদেশ এয়ালাইন্সের যাত্রা শুরু হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- সরকারের দেওয়া বিমানবাহিনীর একটি ডিসি-৩ এয়ারক্রাফটের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ যাত্রা।
- বিশ্বব্যাপী ভ্রমণবিলাসী সম্মানিত যাত্রীগণের এ প্রত্যাশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ০৬টি ব্রান্ড নিউ বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৩ টি ড্যাশ ৮-৪০০ সহ বিমানের বহরে উড়োজাহাজ সংখ্যা ২১ টি। 

উল্লেখ্য,
- ৪ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

 উৎস: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ওয়েবসাইট।
৪,১৮৬.
নিচের কোন জনপদ মুসলিম যুগে 'লক্ষ্মণাবতী' নামে পরিচিত ছিল?
  1. গৌড়
  2. রাঢ়
  3. বঙ্গ
  4. সমতট
সঠিক উত্তর:
গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়
ব্যাখ্যা
গৌড়:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- পূর্ব ভারতীয় দেশসমূহের সামগ্রিক নাম হিসেবে এমনকি উত্তর ভারতের আর্যাবর্তের নাম হিসেবেও কখনো কখনো গৌড়ের ব্যবহার দেখা যায়।
- সর্বপ্রথম পাণিনির গ্রন্থে গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- ব্যাপক অর্থে ‘গৌড়' বলতে অনেক সময় বাংলা ভাষাভাষী সমগ্র অঞ্চলকে বুঝাত।
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়' আবার কখনো লক্ষ্মণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৮৭.
'সাগর কন্যা' হিসেবে খ্যাত-
  1. ইনানী
  2. পতেঙ্গা
  3. কুয়াকাটা
  4. সেন্ট মার্টিন
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত:
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত।
- ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত।
- বাংলাদেশের একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উভয়ই দেখা যায়।
- সূর্যোদয় গঙ্গামতির বাঁক থেকে সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যায় ও সূর্যাস্ত পশ্চিম সৈকত থেকে উপভোগ্য।
- সৈকতের পাশেই "নারিকেল কুঞ্জ" নামে পরিচিত দেড় শতাধিক একরের নারিকেল বাগান।
- দর্শনীয় স্থান ফাতরার বন (ম্যানগ্রোভ বন), সীমা বৌদ্ধ মন্দির (৩৭ মণের বুদ্ধ মূর্তি), কুয়াটারা কুয়া (ঐতিহাসিক কূপ), গঙ্গামতির জঙ্গল, আলীপুর বন্দর (মাছ ব্যবসা কেন্দ্র)।

অন্যদিকে,
- পতেঙ্গা ও পারকি সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- ইনানী, লাবনী, হিমছড়ি, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে অবস্থিত।
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি নারকেল জিঞ্জিরা হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এবং পটুয়াখালী জেলা।
৪,১৮৮.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. চীন
  4. জাপান 
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

• প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI): 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) এসেছে নেদারল্যান্ডস থেকে। 
- নেদারল্যান্ডস এই অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রায় ৪৫৪ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা আগের বছরের ২৩.২ মিলিয়ন ডলার (FY24) এবং তার আগের বছরের ৭২.১১ মিলিয়ন ডলার (FY23) থেকে অনেক বেশি।

- অন্যান্য বড় বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৩০০ মিলিয়ন ডলার), চীন (২৭৪ মিলিয়ন ডলার) এবং সিঙ্গাপুর (১৬১ মিলিয়ন ডলার)।
- যুক্তরাজ্য এবং চীনের বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় কমেছে, কিন্তু সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগ ৭১.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে।



তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। (Link) 

৪,১৮৯.
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ উপজাতি-
  1. ক) খাসিয়া
  2. খ) হাজং
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) গারো
সঠিক উত্তর:
গ) সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ উপজাতি সাঁওতাল
- এদের বসবাস দিনাজপুর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় প্রভৃতি জেলায়।
- এদের ধর্ম সনাতন ও খ্রিস্টান।
- এদের উৎসব সোহরাই।
- এদের ভাষা অস্ট্রিক।
- ঝুমুর, দোন ও ঝিকা হলো সাঁওতাল নাচ।
- সাঁওতাল সমাজের মূল ভিত্তি হলো গ্রাম-পঞ্চায়েত।
৪,১৯০.
According to Economic Survey 2024, what is the amount of GDP per capita?
  1. 2,563 USD
  2. 2,675 USD
  3. 2,725 USD
  4. 2,821 USD
  5. 2,976 USD
সঠিক উত্তর:
2,675 USD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2,675 USD
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪,১৯১.
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক কোনটি?
  1. স্বাধীনতা পদক
  2. একুশে পদক
  3. বাংলা একাডেমী পুরস্কার
  4. জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা পদক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক।
- ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে :অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),।
- সাহিত্যে: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), ।
- সংস্কৃতিতে: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),।
- সমাজসেবায়: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),।
- শিক্ষা ও গবেষণায় : বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর ।
- প্রতিবাদী তারুণ্যের : আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)। 

উৎস: মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ। 
৪,১৯২.
বাংলাদেশের শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা কার উপর ন্যস্ত থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতি 
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

শাসন বিভাগ:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত।
- এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৯৩.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও আধুনিক আন্ডারপাস 'সুরসপ্তক' কোথায়?
  1. ক) চট্রগ্রাম
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও আধুনিক আন্ডারপাস 'সুরসপ্তক'।
- রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের এমইএস মোড়ে এটির অবস্থান।
- আন্ডারপাস নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এবং প্রথম আলো।
৪,১৯৪.
কোন আন্দোলনভিত্তিক ঐক্য বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি রচনা করে?
  1. সিপাহি বিদ্রোহ
  2. বঙ্গভঙ্গ রদ
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে ভাষা আন্দোলন সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে।

পাকিস্তানের প্রতি আগে যে মােহ ছিল তা দ্রুত কেটে যেতে থাকে। নিজস্ব জাতিসত্তা সৃষ্টিতে ভাষা ও সংস্কৃতির সম্পর্ক এবং গুরুত্ব পূর্ব বাংলার মানুষের কাছে অধিকতর স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বাঙালি হিসেবে নিজেদের আত্মপরিচয়ে রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি গড়ে তােলার গুরুত্ব উপলব্ধি করতে থাকে।

ভাষাকেন্দ্রিক এই ঐক্যই জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি রচনা করে, যা পরবর্তী সময়ে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি

৪,১৯৫.
বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  2. খ) চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট
  3. গ) আগারগাঁও
  4. ঘ) বিজয় সরণী
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিজয় সরণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিজয় সরণী
ব্যাখ্যা
- ১০ জানুয়ারি ২০২২ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি 'টুঙ্গিপাড়া: হৃদয়ে পিতৃভূমি' শিরোনামে একটি পোস্টার প্রকাশ করে। 
- ৬ জানুয়ারি ২০২২ রাজধানীর বিজয় সরণীতে ‘বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর’ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর মিরপুর সেনানিবাসে প্রতিষ্ঠিত হয়। যা পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে ঢাকার বিজয় স্মরণী রোডের পাশে স্থানান্তরিত হয়। বর্তমানে এর নামকরণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর।

উৎস: বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো রিপোর্ট।
৪,১৯৬.
নিচের কোন শাসক 'অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন?
  1. হেমন্ত সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. লক্ষণ সেন
  4. মল্লিক সেন
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা

কৌলিন্য প্রথা ও বল্লাল সেন:
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় যে, কৌলিন্য প্রথার সাথে বল্লাল সেনের সম্পর্কের তেমন কোনো যুক্তিযুক্ত ভিত্তি নেই।
- বাংলাদেশে কৌলিন্য প্রথার বহুল প্রচলন দেখা যায় আঠারো ও উনিশ শতকে।
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন।
- ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে 'অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৯৭.
২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের অবস্থান কততম?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
- সদ্যসমাপ্ত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে দেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ৩৮.৭৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এর মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ১১৬১.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- আয়ের দিক থেকে রপ্তানি তালিকায় পাট ও পাটজাত পণ্যের অবস্থান ছিলো দ্বিতীয়।
- পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১১৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৪,১৯৮.
জেনারেল আইয়ুব খান কত সালে রাজনীতি নিষিদ্ধ করে PODO ও EBDO নামক দুটি আদেশ জারি করে?
  1. ক) ১৯৫৮ সালে
  2. খ) ১৯৬১ সালে
  3. গ) ১৯৫৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
- জেনারেল আইয়ুব খান ক্ষমতা কুক্ষিগত করার পর পাকিস্তানের শাসন ও রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন করার উদ্যোগ নেন। 
- তিনি কঠোর হস্তে দূর্নীতি দমন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করেন। 
- অতঃপর তিনি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। 
- ১৯৫৯ সালে ‘পোডো' (Public Office Disqualification Order, PODO) এবং ‘এবডো (Elective Bodies Disqualification Order, EBDO) নামক দুটি আদেশ জারি করে রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপ ও নির্বাচনে রাজনীতিবিদদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেন।
 
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৯৯.
পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন কবে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৫৯ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা

পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০: 
- এই আইনের আওতায় সরকার দেশের একমাত্র জমিদারে পরিণত হয় এবং সরকার পর্যায়ক্রমে জমিতে সকল খাজনা-আদায়ি স্বার্থ অধিগ্রহণ করে।
- ১৯৫১ ইং সনের ১৬ মে, এই আইন পাস এর মাধ্যমে এদেশ থেকে জমিদারি প্রথার বিলোপ ঘটে।
- এই আইনে ১৫২টি ধারা রয়েছে।
- এগুলি পাঁচটি অংশ ও উনিশটি অধ্যায়ে বিভক্ত।
- ১৯৫০ সালের পূর্ববঙ্গ জমিদারি বিলোপ ও প্রজাস্বত্ব আইনের মাধ্যমে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা উচ্ছেদ হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

৪,২০০.
মুগল আমলে প্রদেশ শাসনের জন্য কোন দু'টি সমপর্যায় পদের বিধান ছিল?
  1. ক) সুবাদারী ও নবাবী
  2. খ) নবাবী ও দিউয়ানি
  3. গ) নিযামত ও নবাবী
  4. ঘ) সুবাদারী ও দিউয়ানি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুবাদারী ও দিউয়ানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুবাদারী ও দিউয়ানি
ব্যাখ্যা
মুগল শাসনতন্ত্রে প্রদেশ শাসনের জন্য দু'টি সমপর্যায়ের পদের বিধান ছিল। 
একটি সুবাদারী, আরেকটি দিউয়ানি। 
সুবাদার ও দিউয়ান উভয় ব্যক্তিই সরাসরি দিল্লির সম্রাটের নিকট ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহি করতে বাধ্য ছিলেন। 
তাঁরা একে অপরকে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতেন, কিন্তু একে অন্যকে তাঁর অধীন করতে পারতেন না। 
 
সুবাদারের দায়িত্ব ছিল বিচার, প্রতিরক্ষা ও সাধারণ প্রশাসন পরিচালনা, আর দিউয়ানের দায়িত্ব ছিল মূলত রাজস্ব (খাজনা) শাসন। 
তাই দিওয়ানী লাভের অর্থ রাজস্ব আদায়ের কর্তৃত্ব লাভ করা। 
 
কোনো প্রাদেশিক শাসনকর্তা যেন স্বেচ্ছাচারী ও স্বাধীনতাকামী হয়ে না পড়ে সে উদ্দেশ্যেই এ ক্ষমতা বিভাজনের ব্যবস্থা ছিল । প্রশাসনিক দক্ষতা অর্জনও ছিল এই ব্যবস্থার আর এক লক্ষ্য। 
 
উৎস : ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়