বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৩৭ / ৩০৬ · ৩,৬০১৩,৭০০ / ৩০,৮৩২

৩,৬০১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ১৫৬টি 
  2. ১৫৩টি
  3. ১৫২টি
  4. ১৫১টি
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:
- সংবিধানের ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- সংবিধানের ৭টি তফসিল রয়েছে।
- সংবিধান ১৭ বার সংশোধনী হয়েছে।
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩,৬০২.
'বঙ্গবঙ্গ' কি ধরণের সংস্কার ছিল?
  1. ক) প্রশাসনিক সংস্কার
  2. খ) সামাজিক সংস্কার
  3. গ) অর্থনৈতিক সংস্কার
  4. ঘ) কাঠামোগত সংস্কার
সঠিক উত্তর:
ক) প্রশাসনিক সংস্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রশাসনিক সংস্কার
ব্যাখ্যা

১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশ।
এ প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয় ঢাকায়।
পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।
এ প্রদেশের রাজধানী হয় কলকাতা।
সুতরাং, 'বঙ্গবঙ্গ' প্রশাসনিক সংস্কার সংস্কার ছিল।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৩,৬০৩.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালকে কোথায় সমাহিত করা হয়?
  1. যশোর
  2. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. বরিশাল
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালে বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- ১৯৬৮ সালে তিনি পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কয়েকদিন পূর্বে বক্সার হিসাবে সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা অবৈতনিক ল্যান্স নায়েক হিসাবে পদোন্নতি পান।
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোতায়েন করে।
- বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ১৮ এপ্রিল অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দরুইন গ্রামের জনগণ মোস্তফা কামালকে তাঁর শাহাদাতের স্থানের পাশেই সমাহিত করে।
- মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,৬০৪.
পাকিস্তান কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  2. ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  3. ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  4. ২৪ আগস্ট, ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে পাকিস্তানের স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত।
- উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- একই বছর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ পায়।

⇒ নানা বাধা-বিপত্তির পরও দেখা যায় স্বাধীন হবার মাত্র চার বছরেরও কম সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হয়েছিল আর শতাধিক দেশের স্বীকৃতি আদায় করতে সক্ষম হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্যসহ সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া নেদাল্যান্ডস এবং জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- বিজয়ের পর পরই ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৩,৬০৫.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট কতটি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে? [নভেম্বর- ২০২৪]
  1. ৯ টি
  2. ১০ টি
  3. ১১ টি
  4. ১২ টি
সঠিক উত্তর:
১২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজ: 
- বাংলাদেশ এ বর্তমানে ক্যাডেট কলেজের সংখ্যা ১২ টি।
- যার মধ্যে মহিলা ক্যাডেট কলেজ সংখ্যা ৩ টি।
- ময়মনসিংহ, জয়পুরহাট, ফেনী জেলায় ১ টি করে গার্লস ক্যাডেট কলেজ অবস্থিত।
- বাংলাদেশ এর প্রথম ক্যাডেট কলেজ- ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ।
- প্রথম মহিলা ক্যাডেট কলেজ- ময়মনসিংহ মহিলা ক্যাডেট কলেজ।

বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজের তালিকা: 
- ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ,
- ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ,
- মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ,
- রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ,
- বরিশাল ক্যাডেট কলেজ,
- পাবনা ক্যাডেট কলেজ,
- সিলেট ক্যাডেট কলেজ,
- রংপুর ক্যাডেট কলেজ,
- কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ,
- ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ,
- ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ,
- জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ।

- এগুলোর মধ্যে প্রথম নয়টি ছেলেদের, পরের তিনটি মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৩,৬০৬.
নিচের কোন পত্রিকাটি মুজিবনগর সরকারের একটি প্রচার মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছিলো?
  1. ক) মুক্তির ডাক
  2. খ) জয় বাংলা
  3. গ) একাত্তর
  4. ঘ) নয়া আলো
সঠিক উত্তর:
খ) জয় বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জয় বাংলা
ব্যাখ্যা

- সাপ্তাহিক 'জয়বাংলা', ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র।
- পত্রিকাটি মূলত ছিল মুজিবনগরে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রচার মাধ্যম।
- এর লক্ষ্য ছিল একদিকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং অন্যদিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভসাপ্তাহিক জয়বাংলা
- প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ১১ মে (২৭ বৈশাখ ১৩৭৮)।
- বঙ্গবন্ধুর প্রথম তর্জনী ভাস্কর্য “মুক্তির ডাক” নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ মোড়ে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।    

৩,৬০৭.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান -
  1. ক্রমহ্রাসমান
  2. ক্রমবর্ধমান
  3. স্থিতিশীল
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান:
- কৃষিখাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষিখাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

⇒ স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান:
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে: ১৩.৬২ শতাংশ,
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে: ১৩.১৪ শতাংশ,
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে: ১২.৫৬ শতাংশ,
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে: ১২.৫২ শতাংশ,
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে: ১২.০৭ শতাংশ,
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে: ১১.৫০ শতাংশ।
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে: ১১.২০ শতাংশ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে: ১১.০২ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- জিডিপিতে সবচেয়ে ছোট খাত কৃষিখাত।
- আবার কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩,৬০৮.
দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. এ কে ফজলুল হক
  2. জওহরলাল নেহরু
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্ব: 
- জাতিতত্ত্বের বিশ্লেষণে একটি জনগোষ্ঠীকে তখনই জাতি বলা যায়, যার ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, মনন, কৃষ্টি, ধর্ম এমনকি অর্থনীতি একটি একক সত্তায় পরিণতি লাভ করে।
- তবে মুসলিম লীগ সভাপতি এবং পরবর্তীতে পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ভারতের হিন্দু ও মুসলমান এ দুটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে দুটি পৃথক জাতি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। এটিই মূলত জিন্নাহর ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ বা 'Two Nations Theory' র মূলকথা।
- জিন্নাহর ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ ছিল ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব বা পাকিস্তান প্রস্তাবের মূলভিত্তি। যদিও লাহোর প্রস্তাবে ‘পাকিস্তান’ কিংবা ‘দ্বিজাতি তত্ত্বের’ কথা উল্লেখ ছিল না।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬০৯.
বাংলাদেশে প্রথম কত টাকার নোট চালু হয়?
  1. ১০ টাকার
  2. ২ টাকার
  3. ১ টাকার
  4. ১০০ টাকার
সঠিক উত্তর:
১ টাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টাকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:
- বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব কাগজের মুদ্রা চালু হয় ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ।
- বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত ১ টাকার নোট ছিল সেটি।
- সেই সঙ্গে চালু হয় ১০০ টাকার নোট।
- এতে তখনকার অর্থসচিব কে এ জামানের স্বাক্ষর সংযুক্ত ছিলো।
- এ নোট বাজারে ছাড়া হয় সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের মুদ্রার নাম দেয়া হয় টাকা।
- এটি ছাপা হয়েছিলো ভারতীয় সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে।
- এর পরের সিরিজের টাকা ছাপানো হয়েছিলো যুক্তরাজ্য থেকে।
- তখনই একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা হয়েছিলো যাতে ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, পটুয়া কামরুল হাসান ও শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী।
- এর আগ পর্যন্ত লেনদেনে পাকিস্তানি রুপি ব্যবহার করা হতো।
- কেউ কেউ ভারতীয় রুপিও গ্রহণ করতেন।
- স্বাধীন দেশের মুদ্রার নামকরণ করা হয় টাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২ মে ১০ টাকা মূল্যমানের নোট এবং ২ জুন বাজারে আসে ৫ টাকা মূল্যমানের নোট।
- বাংলা সিরিয়াল নম্বর দিয়ে নোট চালু হয় ১৯৭৩ সালে।
- দেশে ২ টাকার নোট চালু হয় ১৯৮৮ সালে।
- ৫০ ও ৫০০ টাকার নোট প্রচলন করা হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০ টাকার নোট প্রথম বাজারে আসে ১৯৭৯ সালে।
- ২০০৯ সালের ১৭ই জুলাই বাজারে আনা হয় ১০০০ টাকার নোট।
- ২০২০ সালে বাজারে আসে ২০০ টাকার নোট।

উৎস: i) ২০ এপ্রিল ২০২২, বিবিসি বাংলা।
ii) ২৩ মে ২০২৩, প্রথম আলো।
৩,৬১০.
সংবিধানের ২১নং অনুচ্ছেদে অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য কী?
  1. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  2. ভোটাধিকার প্রয়োগ করা
  3. দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা
  4. দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খলা রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খলা রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৬১১.
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হয় -
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) রংপুর
  3. গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
ক) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন - রাজশাহী বিভাগ (৫,৬৫,৮৬৯ মে.টন)। 
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন - রাজশাহী জেলা (২,৪৫,৯৭২ মে.টন)। 

অন্যদিকে, 
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন - খুলনা বিভাগ (২৫,৯৫,৭৮১ মে.টন)। 
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট  উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (৬২,৩৭৩.৬৫ মে.টন)। 
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন - সিলেট বিভাগ (৬৮,৪৭৯.৬৯ মে.টন)। 

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১।
৩,৬১২.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য মোট কতজন মুক্তিযোদ্ধাকে ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রীয় খেতাব দেয়া হয়?
  1. ক) ৬৬৮ জন
  2. খ) ৬৭১ জন
  3. গ) ৬৭৬ জন
  4. ঘ) ৬৮০ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৭৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৭৬ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মোট ৬৭৬ জন কে মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় খেতাব দেয়া হয়। 

• রাষ্ট্রীয় খেতাব :

- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
- বীর উত্তম - ৬৮ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন
- বীর প্রতীক- ৪২৬ জন। 

এছাড়াও,
- ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

উৎস:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৬১৩.
মোট কতজন সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়?
  1. ৯ জন
  2. ১১ জন
  3. ১৩ জন
  4. ১৫ জন
সঠিক উত্তর:
১৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ জন
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬১৪.
নিচের কোনটি বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ছয় দফা আন্দোলন
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
সংগ্রাম:
- বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
- ভারত এবং পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভের মাত্র ৭ মাস পরে, ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের গভর্নর মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল্যের বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা।
- এই ঘোষণা করলে সদ্য জাত রাষ্ট্রে ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রকাশ্য রূপ ধারণ করে।

অন্যদিকে,
- শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
- ছয়দফা আন্দোলন আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬৬-৬৮ সালে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬১৫.
ভারতের স্বাধীনতা লাভের প্রশ্নে সশ্বস্ত্র সংগ্রামের পক্ষপাতি ছিলেন-
  1. ক) জওহরলাল নেহরু
  2. খ) সুভাষচন্দ্র বসু
  3. গ) আবুল কালাম আজাদ
  4. ঘ) মহাত্মা গান্ধী
সঠিক উত্তর:
খ) সুভাষচন্দ্র বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুভাষচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা
ভারতের স্বাধীনতা লাভের প্রশ্নে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু সশ্বস্ত্র সংগ্রামের পক্ষপাতি ছিলেন। এরূপ মনোভাবের জন্যে তিনি কংগ্রেসের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ফরোয়ার্ড ব্লক প্রতিষ্ঠা করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি গোপনে জার্মানি ও জাপান যান এবং সেখানে আজাদ হিন্দ ফোর্স বা ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি প্রতিষ্ঠা করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানি বাহিনীর সাথে এই বাহিনী ভারতের পূর্বাঞ্চলে লড়াই করে। কিন্তু বিশ্বযুদ্ধে জাপানের ব্যর্থতার পর সুভাষ বসু অন্তর্ধান হয়ে যান। তার শেষ পরিণতি সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং আমি সুভাষ বলছি : প্রথম খণ্ড)
৩,৬১৬.
বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কখন?
  1. ক) ৭ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ২ মার্চ, ১৯৭১
  3. গ) ১ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ৩ মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
খ) ২ মার্চ, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
২ মার্চ সকাল ১১ টায় হরতল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ছাত্র সমাবেশে ডাকসু ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
• পতাকাটি উত্তোলন করেন আ স ম আবদুর রব। তখন তার সঙ্গে ছিলেন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা তোফারেল আহমদ, আবদুল কুদ্দুস মাখন এবং নূরে আলম সিদ্দিকী। 
• দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সচিবালয়ে পাকিস্তানি পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র আঁকা পতাকা উড়ানো হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,৬১৭.
লালবাগের কেল্লা কোন আমলে প্রতিষ্ঠিত?
  1. সুলতানী আমল
  2. প্রাচীন কাল
  3. বৃটিশ আমল
  4. মোগল আমল
সঠিক উত্তর:
মোগল আমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোগল আমল
ব্যাখ্যা
লালবাগের কেল্লা মোগল আমলে প্রতিষ্ঠিত।

লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
-  এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 
 
উল্লেখ্য,
- পরী বিবির আসল নাম ইরান দুখত রেহমত বানু। 
 
 উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
          ii) ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
৩,৬১৮.
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. জিয়াউর রহমান
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি:
- বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- এর উদ্দেশ্য দেশের শিশুদের শারীরিক, মানসিক, সাংস্কৃতিক এবং সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে সহায়তা করা।
- ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমানে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, দোয়েল চত্বর সড়ক, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০ কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এর কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।
- শিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

উৎস: i) বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) দেশ রুপান্তর।
৩,৬১৯.
সংবিধান রচনাকালীন এর ভাষাগত ত্রুটি দূর করার জন্য গঠিত কমিটির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন কে?
  1. ড. মুহম্মদ আবদুল হাই
  2. ড. মযহারুল ইসলাম
  3. এম মনসুর আলী
  4. শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন
সঠিক উত্তর:
ড. মযহারুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মযহারুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- ড. মযহারুল ইসলাম সংবিধান রচনাকালীন এর ভাষাগত ত্রুটি দূর করার জন্য গঠিত কমিটির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। 

খসড়া সংবিধান প্রস্তুতকরণ:
- বিভিন্ন সুপারিশ ও ব্যাপক আলোচনার পর ১৯৭২ সালের ১০ জুন খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের একটি প্রাথমিক খসড়া অনুমোদন করেন।
- পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সংবিধান সম্পর্কে অভিজ্ঞতা লাভের উদ্দেশ্যে কমিটির সভাপতি (আহবায়ক) ড. কামাল হোসেন ভারত ও ইংল্যান্ড সফর করেন।
- সংবিধানের আইনি ভাষা ও কারিগরি বিভিন্ন দিক পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ব্রিটিশ আইনি খসড়া প্রণয়ন বিশেষজ্ঞ জন গাথরিকের পরামর্শ গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- সংবিধানের ভাষাগত সংস্থান ও ব্যাকরণগত ভুলত্রুটি পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির সদস্যরা হলেন
→ আহবায়ক - অধ্যাপক আনিসুজ্জামান (তৎকালীন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান)
→ সদস্য - ড. মযহারুল ইসলাম (বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক)
→ সদস্য - সৈয়দ আলী আহসান (তৎকালীন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য)

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৩,৬২০.
কিশোরগঞ্জ জেলার কাস্তলে ঈসা খানের সাথে কাদের যুদ্ধ হয়?
  1. ক) পর্তুগিজদের
  2. খ) মোগলদের
  3. গ) ইংরেজদের
  4. ঘ) ফরাসিদের 
সঠিক উত্তর:
খ) মোগলদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোগলদের
ব্যাখ্যা
কিশোরগঞ্জ জেলার কাস্তলে ঈসা খানের সাথে মোগলদের যুদ্ধ হয়

• ঈসা খান (১৫২৯-১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দ):

- সরাইলের জমিদার, ভাটি অঞ্চলের শাসক এবং বারো ভূঁইয়াদের নেতা।
- ইসা খানের জন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে।
- ১৫৭৮ সালে বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার কাস্তলে ঈসা খানের সাথে মোগলদের যুদ্ধ হয়।
- প্রাথমিক প্রর্যায়ে ঈসা খান হেরে গেলেও পরবর্তীতে সম্মিলিত শক্তির কাছে মোগলরা পরাজিত হয়।

- ১৫৮৩ ও ১৫৮৪ খিস্টাব্দেও ঈসাখান আগ্রাসী সৈন্যবাহিনীকে যথাক্রমে বাজিতপুরে ও কাত্রাবোতে পরাস্ত করেন।
- ১৫৮৬ সালেও মোগলরা ঈসাখানকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হন।
- ঈসাখানের সাথে মোঘল বাহিনীর শেষ যুদ্ধ হয় রাজা মানসিংহের নেতৃত্বে। এই যুদ্ধেও মোগলরা তাঁর কাছে পরাজিত হন এবং অনেক মোগল সৈন্য বন্দি হন।
- ১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দে ঈসাখান মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬২১.
বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে বর্তমানে মোট কতটি চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ১৫৯টি
  2. খ) ১৬২টি
  3. গ) ১৬৭টি
  4. ঘ) ১৬৯টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে দেশে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
এর মধ্যে,

- মৌলভীবাজারে : ৯১টি
- হবিগঞ্জে : ২৫টি
- চট্টগ্রামে : ২১টি
- সিলেটে : ১৯টি
- পঞ্চগড়ে : ৮টি
- রাঙামাটিতে : ২টি
- ঠাকুরগাঁওয়ে : ১টি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট)
৩,৬২২.
রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে কী বলে?
  1. দলিল
  2. বিল
  3. অধ্যাদেশ
  4. আইন
সঠিক উত্তর:
অধ্যাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাদেশ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৬২৩.
পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা -
  1. ক) মহীপাল
  2. খ) ভূপাল
  3. গ) গোপাল
  4. ঘ) ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
গ) গোপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গোপাল
ব্যাখ্যা
পাল বংশের মাধ্যমে বাংলায় বংশানুক্রমিক শাসনের সূত্রপাত হয়। গোপাল প্রতিষ্ঠিত এ বংশের শাসন চলে নানা ধরনের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে আঠারো পুরুষ ধরে। উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৩,৬২৪.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়নে অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহায়তাকারী দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
- অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহায়তাকারী দেশ: রাশিয়া।
- অবস্থান: ঈশ্বরদী, পাবনা।
- ক্ষমতা: ১,২০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট।
- মোট খরচ: প্রায় ১,১৪,০০০ কোটি টাকা।
- প্রধান ঠিকাদার: রাশিয়ার রোসাটমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান - অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট।
- মূল মেয়াদ: জুলাই ২০১৬ - ডিসেম্বর ২০২৫।
- মেয়াদ বৃদ্ধিঃ প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।

৩,৬২৫.
'ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট'-এর প্রবক্তা -
  1. প্যারিচাঁদ মিত্র
  2. হেনরি লুইস ডিরোজিও
  3. ক্ষুদিরাম বসু
  4. উইলিয়াম কেরি
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুইস ডিরোজিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুইস ডিরোজিও
ব্যাখ্যা
ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট:
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধ জুড়ে ছিল রাজা রামমোহন রায়ের আন্দোলনের ধারা। দৃঢ়ভাবে সে ধারাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল হিন্দু কলেজের প্রতিভাবান ছাত্রবৃন্দ ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের মাধ্যমে । যার নেতৃত্বে ছিলেন হিন্দু কলেজের তরুণ অধ্যাপক হেনরি লুইস ডিরোজিও।
- তিনি তাঁর ছাত্র-অনুসারীদের স্বাধীন মতামত ব্যক্ত করার শিক্ষা দেন।
- ডিরোজিও ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ডিরোজিও তাঁর স্কুল শিক্ষক ডেভিড ড্রামন্ডের প্রগতিবাদী, সংস্কারমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমৃদ্ধ মানবতাবাদী চিন্তাধারা দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন।
- বাংলার ‘রেনেসাঁস’ যুগের এই প্রতিভাবান তরুণ মাত্র তেইশ বছর বয়সে ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর হাতে গড়া অনুসারী, ছাত্ররা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখতে থাকেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র, কৃষ্ণমোহন ব্যনার্জি প্রমুখ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬২৬.
বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার কখন পঠিত হয়?
  1. ০৮ আগস্ট ২০২৪
  2. ১০ আগস্ট ২০২৪
  3. ১২ আগস্ট ২০২৪
  4. ০৫ আগস্ট ২০২৪
সঠিক উত্তর:
০৮ আগস্ট ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৮ আগস্ট ২০২৪
ব্যাখ্যা
❐  বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকার পদত্যাগের পরে ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের তিন দিন পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।

উল্লেখ্য,
- শেখ হাসিনা সরকার পদত্যাগের পরে সংসদ ভেঙে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। ফলে দেশ পরিচালনার জন্য সাংবিধানিক সরকার কাঠামো দরকার হয়।
- বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার’ নামে কোন ব্যবস্থার উল্লেখ নেই। তবে কাছাকাছি ধরনের একটি ব্যবস্থার কথা আগে বলা ছিল, যেটি ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থা নামে পরিচিত।
- সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ব্যাপারে মতামত দেয় সুপ্রিমকোর্ট। সংবিধানের ওই অনুচ্ছেদে বলা বলা আছে,"যদি কোনো সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে আইনের এইরূপ কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপিল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানির পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।''
- সর্বোচ্চ আদালত 'সুপ্রিম কোর্ট' সংবিধানের আলোকে এই সরকারের বৈধতা দিয়েছেন।

উৎস: i) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
iii) DW.
৩,৬২৭.
‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক কে ছিলেন?
  1. কল্যাণ মিত্র
  2. এম আর আখতার মুকুল
  3. বেলাল মোহাম্মদ
  4. আবদুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- বস্তুত, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল:
• 'চরমপত্র',
• 'জল্লাদের দরবার',
• 'মীর জাফরের রোজনামচা'।

⇒ 'চরমপত্র':
- চরমপত্র ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান।
- এটি ছিল ব্যঙ্গাত্মক ও শ্লেষাত্মক মন্তব্যে ভরপুর একটি অনুষ্ঠান, যা মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
- রচনা ও উপস্থাপনা: এম আর আখতার মুকুল।
- চরমপত্র প্রচারের পরিকল্পনা করেছিলেন: এমএ মান্নান [গণপরিষদ সদস্য]।

⇒ 'জল্লাদের দরবার':
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- এই ব্যঙ্গাত্মক সিরিজে তাকে 'কেল্লা ফতেহ খান' চরিত্রে চিত্রিত করা হয় এবং এই ভূমিকায় অভিনয় করেন রাজু আহমেদ। এটি মূলত ছিল রূপকধর্মী সিরিজ নাটক।
- 'জল্লাদের দরবার' নাটক রচনা ও প্রযোজনা করেন কল্যাণ মিত্র।
- এছাড়াও তিনি 'মীর জাফরের রোজনামচা' নামক আরেকটি নাটক রচনা করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক রিপোর্ট।

৩,৬২৮.
"অসমাপ্ত আত্মজীবনী" এর রচনাকাল -
  1. ১৯৫৪-১৯৫৭
  2. ১৯৬৪-১৯৬৬
  3. ১৯৫০-১৯৫২
  4. ১৯৬৬-১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬-১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬-১৯৬৯
ব্যাখ্যা
অসমাপ্ত আত্মজীবনী:
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বই।
- বঙ্গবন্ধুর প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির ভূমিকা লিখেছেন শেখ হাসিনা।
- এই প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ, সাহিত্যিক এবং সাংবাদিকদের একটি দল।
- বাংলা ভাষা ছাড়াও ইংরেজি ভাষায়ও এই বইয়ের অনুবাদ হয়েছে। বাংলাদেশে এই বই প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
- এছাড়া ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে ভারতে পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া থেকে এবং পাকিস্তানে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস পাকিস্তান থেকে। এছাড়া পাকিস্তানে উর্দু ভাষাতেও এর অনুবাদ বের হবার কথা রয়েছে।
- ইংরেজিতে এই বইয়ের ভাষান্তর করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ফকরুল আলম।

[অপশন বিবেচনায় ১৯৬৬-১৯৬৯ অধিক গ্রহণযোগ্য।]

উৎসঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
৩,৬২৯.
বাংলাদেশ সরকার সর্বশেষ দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে কবে? (আগষ্ট-২০২৫)
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র:
- দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র(পিআরএসপি) দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা। 
- মার্চ ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- এর শিরোনাম ছিল ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নের কৌশল’। 
- বাংলাদেশ সরকার সর্বশেষ দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে- ২০১৫ সালে।
- বাংলাদেশ সরকার এ পর্যন্ত মোট ৪ টি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৬৩০.
জিডিপিতে সর্বাধিক নিয়োজিত জনশক্তি রয়েছে কোন খাতে?
  1. ক) কৃষি
  2. খ) শিল্প
  3. গ) বাণিজ্য
  4. ঘ) সেবা
সঠিক উত্তর:
ক) কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কৃষি
ব্যাখ্যা
কৃষিখাত
• অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.৫০%। 
- এই খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪০.৬%

সেবাখাত
• অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.৪৪%। 
- এই খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৯.০%। 

শিল্পখাত
• অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.০৭%।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ২০.৪%। 

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
৩,৬৩১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে মোট সিটি কর্পোরেশন কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:-
- দেশে মোট সিটি কর্পোরেশন আছে - ১২টি।
- দেশে মোট উপজেলা আছে - ৪৯৫টি।
- মেট্রো থানা আছে - ১০৫টি।
- ইউনিয়নের সংখ্যা - ৪৫৯৬টি।
- মোট গ্রামের সংখ্যা - ৯০০৪৯টি।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৩,৬৩২.
মুজিবনগর সরকারের সচিবালয়ে প্রধান সচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন কে?
  1. রুহুল কুদ্দুস
  2. মোশাররফ হোসেন
  3. এস. আর. বোস
  4. খান সরওয়ার মুর্শেদ
সঠিক উত্তর:
রুহুল কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুহুল কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো:
- মুজিবনগর সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জনাব রুহুল কুদ্দুস প্রধান সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন।
- সুষ্ঠু প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জুলাই মাসে (১৯৭১) বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- এগুলোর নাম দেয়া হয় জোনাল কাউন্সিল।
- মুজিবনগর সরকারের প্রতি আনুগত্য ঘোষণাকারী প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যদের প্রত্যক্ষভোটে ১১ জন আঞ্চলিক চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে একজন করে আঞ্চলিক প্রশাসক বা জোনাল এডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগ করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ত্রাণ, প্রকৌশল, পুলিশ, তথ্য ও হিসাব কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৩৩.
বর্তমানে বাংলদেশে মাতৃত্বকালীন ছুটি কত মাস?
  1. ক) ৩ মাস
  2. খ) ৪ মাস
  3. গ) ৫ মাস
  4. ঘ) ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ মাস
ব্যাখ্যা
• ২০১১ সালের ৯ জানুয়ারি ১৯৭ ধারার উপধারা-১ সংশোধন করে মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ বেতনসহ চার মাস থেকে ছয় মাসে উন্নীত করা হয়েছিল।
• ছয় মাসের কম বয়সী শিশুসন্তান নিয়ে প্রথম সরকারি চাকরিতে যোগ দিলে পূর্ণ বেতনে মাতৃত্বকালীন ছুটি পাবেন নারীরা।
- ২০২১ সালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
৩,৬৩৪.
কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের কত চরণ বাজানো হয়?
  1. প্রথম ১০টি
  2. প্রথম ৪টি
  3. প্রথম ৬টি
  4. প্রথম ৫টি
সঠিক উত্তর:
প্রথম ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম ৪টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় সঙ্গীত:
• রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রথম ৪ চরণ বাজানো হয়।
• বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আমার সোনার বাংলা 'কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তা গৃহীত  হয় ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি।
• ১৯০৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
• জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের বিধান অনুযায়ী কণ্ঠে গাইতে গেলে দশ চরণ আর যন্ত্র সঙ্গীতে বাজাতে গেলে চার চরণ পর্যন্ত বাজাতে হবে।
• বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" এর রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

এছাড়াও
• ১৩১২ বঙ্গাব্দে 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যায় গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
• এটি রবীন্দ্রনাথের 'গীতবিতান' গ্রন্থের স্বরবিতান অংশভুক্ত।
• বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষিতে গানটি রচিত হয়েছিল।
• গানটিতে প্রধানত স্থান পেয়েছে বাংলার মনোরম প্রকৃতির কথা।
• চলচিত্রকার জহির রায়হান ১৯৭০ সালে তার বিখ্যাত "জীবন থেকে নেওয়া” সিনামাতে গানটির চিত্রায়ন করেন।
• পল্টন ময়দানে ঘোষিত স্বাধীনতার ইসতেহারে (১৯৭১ সালের ৩ মার্চ) জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
• ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ গানটির প্রথম দশ লাইন জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।
• সংবিধানের ৪ (১) অনুচ্ছেদে 'আমার সোনার বাংলা' গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রূপে ঘোষিত হয়েছে।
• এটি মূলত ২৫ চরণ বিশিষ্ট একটি কবিতা। এ কবিতার প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৬৩৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের জন্য স্থান 'গোবরা ক্যাম্প' কোথায় অবস্থিত?
  1. আসাম
  2. ত্রিপুরা
  3. কলকাতায়
  4. মেঘালয়
সঠিক উত্তর:
কলকাতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতায়
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নারী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতার পার্ক সার্কাস ও পদ্মপুকুরের মাঝামাঝি গোবরা নামের স্থানে শুধু নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। 
- সেটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। 
- নারী যোদ্ধাদের জন্য অনুরূপ আরো তিনটি ক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে।
- গোবরা ক্যাম্পে মেয়েদের দেওয়া হতো তিন রকম ট্রেনিং: ১. সিভিল ডিফেন্স, ২. নার্সিং, ৩. অস্ত্র চালনা ও গেরিলা আক্রমণ।

এছাড়াও,
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখেন।
- আগরতলার লেম্বুচোরা ক্যাম্পে মহিলা গেরিলা স্কোয়াড-এর আধুনিক অস্ত্রের উচ্চতর ট্রেনিং হয়।
- রণাঙ্গনের যোদ্ধা তারামন বিবি বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।
- চিকিৎসার কাজে মহিলা চিকিৎসকগণের গৌরবময় দৃষ্টান্ত ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম। তিনিও বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০২১, ইত্তেফাক।
৩,৬৩৬.
'ঝুমুর গান' কোন সম্প্রদায়ের পার্বণ?
  1. সাঁওতাল
  2. গারো
  3. মণিপুরী
  4. লুসাই
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে।
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই। সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য সূর্য।
- সাঁওতাল সমাজ প্রধানত কৃষিনির্ভর।
- সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত। সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই।
- সাঁওতালদের মধ্যে এখনও ১২টি গোত্রবিভাগ রয়েছে।
- সাঁওতাল গ্রামগুলো দিশাম নামে পরিচিত।

⇒ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে:
- সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মাঝে প্রচলিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাঝে অন্যতম হলো ঝুমুর গান ও নাচ।
- সাধারণত বিয়ের উৎসব ও করম উসবে সাঁওতালরা ঝুমুর গান ও নাচ পরিবেশন করে থাকে।
- এছাড়া মুন্ডা, ওঁরাও এবং বর্তমানে বাঙালি হিন্দু-মুসলমানদের মাঝেও এই গান ও নাচ জনপ্রিয়।
- ঝুমুর নাচ রংপুর এবং রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৩,৬৩৭.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, কুটির শিল্পে সর্বোচ্চ জনবল কত হতে পারে?
  1. ১০ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৫ জন
  4. ২০ জন
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ কুটির শিল্প (Cottage Industry):
- ‘কুটির শিল্প’ (Cottage Industry) বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যভুক্ত সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে এবং যা পারিবারিক সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য সমন্বয়ে গঠিত এবং সর্বোচ্চ জনবল ১৫ এর অধিক নয়।

অন্যদিকে, 
⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries): উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাঝারি শিল্প (Medium scale industries): ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।

⇒ ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries): ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

৩,৬৩৮.
পাকিস্তান শাসনতান্ত্রিক পরিষদের (Constituent Assembly) ধারা বিবরণীতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি কে প্রথম করেছিলেন?
  1. ক) আবুল হাশেম
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ঘ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৮৮৬-১৯৭১) আইনজীবী, সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ।
১৯৪৭ সালের পর একজন অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিক হিসেবে পাকিস্তানের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
১৯৪৮ সালের ২৫ আগস্ট পাকিস্তান গণপরিষদে তিনি অধিবেশনের সকল কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাও অন্তর্ভুক্ত রাখার দাবি উত্থাপন করেন।
Source: Banglapedia
৩,৬৩৯.
জেনারেল এরশাদের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন কে?
  1. বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদ
  2. বিচারপতি হাবিবুর রহমান
  3. বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরী 
  4. বিচারপতি লতিফুর রহমান
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
- জেনারেল এরশাদের পতনের পর বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
 
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতিষ্ঠা:
- এরশাদ বিরোধী আন্দোলন প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।
- সারাদেশে আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করলে সরকার ২৭ নভেম্বর ১৯৯০ জরুরি অবস্থা জারি ও রাজনৈতিক তৎপরতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- জরুরি অবস্থা উপেক্ষা করে জনগণ রাস্তায় নেমে এরশাদের পদত্যাগ দাবি করে।
- সামরিক বাহিনী এরশাদকে সমর্থন প্রত্যাহার করলে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়।
- ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর এরশাদ পদত্যাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ।
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে উপ-রাষ্ট্রপতি মওদুদ আহমেদ পদত্যাগ করেন।
- তিন-জোটের মনোনীত প্রার্থী, প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমেদকে উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়া হয়।
- এরশাদ পদত্যাগ করে বিচারপতি শাহাবুদ্দীনের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
- এর মাধ্যমে এরশাদের শাসনের অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের প্রথম অসামরিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের উদাহরণ।

সূত্র - রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৪০.
১৯৪৭-এর দেশভাগ নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র- 
  1. মাটির ময়না
  2. নদীর নাম মধুমতি
  3. আবার তোরা মানুষ হ
  4. চিত্রা নদীর পাড়ে
সঠিক উত্তর:
চিত্রা নদীর পাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্রা নদীর পাড়ে
ব্যাখ্যা

- ’চিত্রা নদীর পাড়ে’ চলচ্চিত্রটি দেশ ভাগ নিয়ে নির্মিত হয়েছে।
- ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের জীবনী।
- চিত্রা নদীর পাড়ে তানভীর মোকাম্মেল ১৯৯৮ সালের নির্মিত চলচ্চিত্র।
- এটি ১৯৯৯ সালে ৭টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
• তানভীর মোকাম্মেল বিখ্যাত কয়েকটি চলচ্চিত্র:
- নদীর নাম মধুমতী, লালসালু, লালন, রাবেয়া, জীবনঢুলী ও রূপসা নদীর বাঁকে।

অন্যদিকে,
- মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের নির্মাতা হলেন তারেক মাসুদ।
- প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঠিক আগের সময়ের পরিস্থিতি এবং এর পটভূমিতে পরিচালকের ছেলেবেলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। 

• নদীর নাম মধুমতী" চলচ্চিত্রের পরিচালক হলেন তানভীর মোকাম্মেল।
- এটি একটি বাংলাদেশী বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র যা ১৯৯৫ সালে মুক্তি পায়। 
- পরিচালক: তানভীর মোকাম্মেল।
- বিষয়বস্তু: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।

• 'আবার তোরা মানুষ হ' এটি হচ্ছে ১৯৭৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান কলেজ প্রিন্সিপাল হিসেবে অভিনয় করেছিলেন।
- এই সিনেমার মূল উদ্দেশ্য হলো- মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা যুদ্ধ করেনি, পরে তারাই বিভিন্ন কাজে বেশি সুবিধা নিয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো। 

৩,৬৪১.
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল কোনটি?
  1. ১৯৭২-১৯৭৭
  2. ১৯৭৩-১৯৭৮
  3. ১৯৭৪-১৯৭৯
  4. ১৯৭৫-১৯৮০
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩-১৯৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩-১৯৭৮
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হলো একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট কৌশল, যা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সরকারের পরিকল্পনার ভিত্তিতে প্রণীত হয়।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয় ১৯৭৩ সালে।
- ২০২০ সাল পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে।

→ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)। (বাতিল করা হয়েছে)

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৩,৬৪২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন দেশ থেকে 'বাংলাদেশ স্ফুলিঙ্গ' নামক সংবাদপত্র প্রকাশিত হত?
  1. আমেরিকা
  2. যুক্তরাজ্য
  3. কানাডা
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যম:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন দেশে সংবাদপত্রে মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা, বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম ও নির্দেশাবলী, নেত্রবৃন্দের বিবৃতি ও তৎপরতা, প্রবাসী বাঙ্গালীদের আন্দোলনের খবর ইত্যাদি প্রকাশিত হত।
- এদের মধ্যে মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত জয় বাংলা, বাংলাদেশ, বঙ্গবাণী, স্বদেশ, রণাঙ্গন, স্বাধীন বাংলা, মুক্তিযুদ্ধ, সোনার বাংলা, বিপ্লবী বাংলাদেশ, জন্মভূমি, বাংলার বাণী, নতুন বাংলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

এছাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত হতো বাংলাদেশ নিউজ লেটার, বাংলাদেশ সংবাদ পরিক্রমা।
- আমেরিকা থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ নিউজ লেটার, বাংলাদেশ নিউজ বুলেটিন, শিক্ষা উল্লেখযোগ্য।
- কানাডা থেকে বাংলাদেশ স্ফুলিঙ্গ নামক সংবাদপত্র প্রকাশিত হত।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,৬৪৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন কার কাছে বার্ষিক প্রতিবেদন দাখিল করে?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন:
- দুর্নীতি দমন কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৯(১) ধারা অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি সমীপে উপস্থাপন করা হয়।

⇒ বাংলাদেশে দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধ, দমন ও নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সমাজে সততা, ন্যায় ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টির জন্য উপযুক্ত কার্যক্রম পরিচালনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ২০০৪ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করা হয়।
- দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতার নীতি বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী সনদ (UNCAC)-এর অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী সাধারণ জনগণের অংশীদারিত্ব ও অন্তর্ভুক্তকরণ, নাগরিক সমর্থন, গণমাধ্যমসহ সকল অংশীজনের সম্পৃক্তকরণে কমিশন সদা তৎপর। 
- দুর্নীতির ঘটনা তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের লক্ষ্যে কমিশন ২০১৭ সালের ২৭ শে জুলাই দুদক অভিযোগ কেন্দ্রের টোল ফ্রি হটলাইন ১০৬ এর কার্যক্রম শুরু করে।
- দুর্নীতি সংঘটিত হবার পূর্বেই তা প্রতিরোধ ও তাৎক্ষণিক প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ব্রত নিয়ে ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট যাত্রা শুরু করে। 

⇒  দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর মাধ্যমে কমিশন তার কার্যাবলি, ক্ষমতা এবং সাংগঠনিক কাঠামোর যাত্রা শুরু করে। এর সাথে সম্পৃক্ত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য আইনসমূহ হচ্ছে:
১। দণ্ডবিধি, ১৮৬০
২। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
৩। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
৪। দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭
৫। দি ক্রিমিনাল ল এ্যামেন্ডমেন্ট এ্যাক্ট, ১৯৫৮
৬। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং এর সংশোধনীসমূহ।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

৩,৬৪৪.
When did Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman take oath as the Prime Minister of Bangladesh?
  1. 10 January 1972
  2. 11 January 1972
  3. 12 January 1972
  4. 13 January 1972
সঠিক উত্তর:
12 January 1972
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 January 1972
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস:
- ১০ জানুয়ারি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
- পাকিস্তানের বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এদিন বেলা ১টা ৪১ মিনিটে জাতির অবিসংবাদিত নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে নয় মাস যুদ্ধের পর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে জাতি বিজয়ের পূর্ণ স্বাদ গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষনে, বঙ্গবন্ধু যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, সে অনুসারে স্বাধীন বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ, সমতাভিত্তিক এবং মানবিক রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে মান্যবর রাষ্ট্রদূত উপস্থিত সবাইকে এক যোগে কাজ করবার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে,
- মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের পর পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক চাপে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দানে বাধ্য হয়।
- বঙ্গবন্ধু ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন গমন করেন।
- সেখান থেকে দিল্লিতে কিছু সময় অবস্থান করে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ঢাকায় আসেন।
- ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৬৪৫.
গত অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে মোট চিংড়ি রপ্তানি হয়-
  1. ক) ৪০৩.৩৬ মিলিয়ন ডলার
  2. খ) ৩৩২.৬৫ মিলিয়ন ডলার
  3. গ) ৩৭২.৪৮ মিলিয়ন ডলার
  4. ঘ) ২৯৫.৭৫ মিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৩২.৬৫ মিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৩২.৬৫ মিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট চিংড়ি রপ্তানির পরিমাণ ৩৩২.৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর আগের ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ৩৬১.১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
গত অর্থবছরে চিংড়িসহ হিমায়িত মাছ রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ৪৫৬.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
৩,৬৪৬.
সভ্যতার ইতিহাসে কারা শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) ক্যালডীয়রা
  2. খ) গ্রিকরা
  3. গ) ফিনিশিয়রা
  4. ঘ) মিশরীয়রা
সঠিক উত্তর:
গ) ফিনিশিয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফিনিশিয়রা
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টপূর্ব ৩ হাজার বছর পূর্বে ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী লেবানন, ইসরাইল ও ফিলিস্তিনে ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে উঠে। সাগর তীরবর্তী হওয়ায় ফিনিশীয়রা নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে খুবই প্রসিদ্ধ ছিলো। তাদের মূল পেশাও ছিলো নৌবাণিজ্য।
টায়ার ও সিডন ফিনিশিয়ার দুটো বিখ্যাত বন্দর। ফিনিশীয়রা ২২টি ব্যাঞ্জনবর্ণ সম্বলিত বর্ণমালা উদ্ভাবন করে যা থেকে আধুনিক বর্ণমালার উদ্ভব হয়।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,৬৪৭.
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার কত দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৩,৬৪৮.
শেওলা স্থলবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. বিরল, দিনাজপুর
  2. শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
  4. বিয়ানীবাজার, সিলেট
সঠিক উত্তর:
বিয়ানীবাজার, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিয়ানীবাজার, সিলেট
ব্যাখ্যা
• শেওলা স্থলবন্দর: 
- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- শেওলা স্থলবন্দর সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের কোনাগ্রাম সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার সুতারকান্দি আইসিপি।
- ৩০ জুন ২০১৫ তারিখ শেওলা শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০৭ জুন ২০২৩ তারিখ বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- রাজধানী ঢাকা হতে শেওলা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৯০ কি.মি.।

→ কয়েকটি বিখ্যাত স্থলবন্দর:
- বেনাপোল: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- টেকনাফ: টেকনাফ, কক্সবাজার;
- বুড়িমারী: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট;
- আখাউড়া: আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া;
- ভোমরা: ভোমরা, সাতক্ষীরা;
- দর্শনা: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা;
- বাংলাবান্ধা: তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়;
- সোনামসজিদ: শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ;
- হিলি: হাকিমপুর, দিনাজপুর;
- বিরল: বিরল, দিনাজপুর;
- তামাবিল: গোয়াইনঘাট, সিলেট:
- বিলোনিয়া: বিলোনিয়া, ফেনী;
- নাকুগাঁও: নালিতাবাড়ী, শেরপুর;
- শেওলা: বিয়ানীবাজার, সিলেট।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
৩,৬৪৯.
বিজয় সেন প্রথমে কোন পাল রাজার অধীনে সামন্তরাজা ছিলেন?
  1. ধর্মপাল 
  2. রামপাল
  3. দেবপাল
  4. মহীপাল
সঠিক উত্তর:
রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামপাল
ব্যাখ্যা

বিজয় সেন:
- বাংলাদেশে বিজয় সেনের সময়ই সেনবংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন ১০৯৮ সাল থেকে ১১৬০ সাল পর্যন্ত বাংলায় রাজত্ব করেন।
- বিজয় সেন সম্ভবত পালরাজা রামপালের রাজত্বকালে রাঢ় অঞ্চলে প্রথমে সামন্তরাজা ছিলেন।
- পরবর্তীকালে পাল শক্তি দুর্বল হয়ে পড়লে তিনি ১০৯৭ খ্রিষ্টাব্দের আশেপাশে প্রায় সমগ্র বাংলা জয় করে সেনদের ক্ষুদ্র রাজ্যটিকে একটি বড় রাজ্যে পরিণত করেন।
- এভাবে বিজয় সেন তাঁর সুদীর্ঘ ৬২ বছরের রাজত্বকালে বহু যুদ্ধে জয়লাভ করে প্রায় সমগ্র বাংলাদেশে একক রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- তিনি বেশ কিছু উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। যেমন- 'পরম মাহেশ্বর, পরম ভট্টারক, মহারাজাধিরাজ, অরিরাজ নিশঙ্ক শঙ্কর' ইত্যাদি।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৫০.
২০২৬ সালে নিচের কোন সংগীত ব্যান্ড একুশে পদক লাভ করেছে?
  1. মাইলস
  2. ওয়ারফেজ
  3. আর্টসেল
  4. সোলস
সঠিক উত্তর:
ওয়ারফেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারফেজ
ব্যাখ্যা

- ২০২৬ সালের একুশে পদক:
- এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মোট ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ১টি সংগীত ব্যান্ডকে (প্রতিষ্ঠান হিসেবে) এই মর্যাদাপূর্ণ পদক প্রদান করা হয়েছে।

• ২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রাপ্তদের তালিকা:
- চলচ্চিত্র ও অভিনয় ফরিদা আক্তার ববিতা। 
- সংগীত আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর)। 
- ব্যান্ড সংগীত ওয়ারফেজ (প্রথমবার কোনো ব্যান্ড দল হিসেবে)। 
- সাংবাদিকতা শফিক রেহমান। 
- স্থাপত্য মেরিনা তাবাসসুম। 
- চারুকলা অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার। 
- শিক্ষা অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার। 
- লোকজ সংস্কৃতি (পালাগান) ইসলাম উদ্দিন পালাকার। 
- ভাস্কর্য তেজস হালদার জস। 
- নৃত্যকলা অর্থী আহমেদ

 •কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- পুরস্কার বিতরণ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এই পদকগুলো তুলে দেন।
- পুরস্কারের মান: পদকপ্রাপ্ত প্রত্যেকে একটি স্বর্ণপদক (১৮ ক্যারেট মানের ৩৫ গ্রাম), সম্মাননা সনদ এবং ৪ লক্ষ টাকা করে পেয়েছেন।
- বিশেষত্ব: বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ব্যান্ড দল হিসেবে 'ওয়ারফেজ' একুশে পদক লাভ করেছে।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

৩,৬৫১.
ইউনেস্কোর ৪৩তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে কোন দেশ নির্বাচিত হয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. বাংলাদেশ
  4. শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

• ইউনেস্কো: 
- ইউনেস্কোর ৪৩-তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- ইউনেস্কোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা ইউনেস্কোর ৪৩-তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
- প্যারিস-ভিত্তিক জাতিসংঘ সংস্থার নির্বাহী পর্ষদ মঙ্গলবার পরিষদের ২২২তম অধিবেশনে অনুষ্ঠিত ভোটে রাষ্ট্রদূত তালহাকে নির্বাচিত করেছে।
 - সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশ, জাপান, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। 

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রদূত তালহা প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইউনেস্কোতে দেশের ৫৩ বছরের সদস্যপদের ইতিহাসে শীর্ষ এই পদের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- তিনি অক্টোবরের শেষের দিকে উজবেকিস্তানের সমরকন্দে অনুষ্ঠেয় সাধারণ পরিষদের আসন্ন ৪৩তম সভায় রোমানিয়ার রাষ্ট্রদূত সিমোনা মিরেলা মিকুলেস্কুর স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং আগামী দুই বছর মেয়াদে এই শীর্ষ পদ অলংকৃত করবেন। 

তথ্যসূত্র: সমকাল। (Link)

৩,৬৫২.
বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন সুলতানি আমল:
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যু হয়।
- বাহরাম খানের বর্মরক্ষক ছিলেন 'ফখরা' নামের একজন রাজকর্মচারী।
- প্রভুর মৃত্যুর পর তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং 'ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ' নাম নিয়ে সোনারগাঁওয়ের সিংহাসনে বসেন।
- এভাবেই সূচনা হয় বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের।

উল্লেখ্য,
- একজন স্বাধীন সুলতান হিসেবে ফখরুদ্দিন নিজ নামে মুদ্রা প্রচলন করেছিলেন।
- তাঁর মুদ্রায় খোদিত তারিখ দেখে ধারণা করা যায়, তিনি ১৩৩৮ থেকে ১৩৪৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সোনারগাঁওয়ে রাজত্ব করেন।
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন। তিনি চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত একটি রাজপথ তৈরি করিয়েছিলেন বলে জানা যায়।
- ১৩৪৯ খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁও টাকশাল থেকে ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহ নামাঙ্কিত মুদ্রা প্রচলন করা হয়।
- গাজি শাহের নামাঙ্কিত মুদ্রায় ১৩৫২ খিষ্টাব্দ পর্যন্ত তারিখ পাওয়া যায়।
- ফখরুদ্দিন পুত্র গাজি শাহ পিতার মৃত্যুর পর সোনারগাঁওয়ের স্বাধীন সুলতান হিসেবে সিংহাসনে বসেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৫৩.
'জোরজবরদস্তিমূলক শ্রম নিষিদ্ধ' কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ২৭ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩৯ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৬ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৪ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
জোরজবরদস্তিমূলক শ্রম নিষিদ্ধ - ৩৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী

• সংবিধান:
- আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান বলা আছে - ২৭ নং অনুচ্ছেদে।
- সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারের উল্লেখ আছে - ৩১ নং অনুচ্ছেদে।
- সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে “চলাফেরার স্বাধীনতা” উল্লেখ রয়েছে - ৩৬ নং অনুচ্ছেদে।
- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে -৩৯ নং অনুচ্ছেদে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৬৫৪.
২০২৪ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে এসএমই খাতের অবদান কত শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে?
  1. ক) ৩০%
  2. খ) ২৯%
  3. গ) ৩২%
  4. ঘ) ২৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ৩২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩২%
ব্যাখ্যা
- ২০১৯ সালে "এসএমই নীতিমালা ২০১৯" প্রণীত হয়। 
- দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত সুরক্ষার মাধ্যমে সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬ এ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে শিল্প উন্নয়নের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ঘোষণা করেছে। 
- দেশের ও বৈশ্বিক বিভিন্ন নীতি ও পরিকল্পনা দলিল যেমনঃ জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬, সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, রূপকল্প ২০২১, ২০২৪ সাল নাগাদ সফলভাবে এলডিসি উত্তরণ, এসডিজি ২০৩০ এবং রূপকল্প ২০৪১-এ প্রবৃদ্ধি অর্জনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অর্জনে এসএমই খাতের উন্নয়ন সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
 
এসএমই নীতিমালা ২০১৯ 
রূপকল্প (ভিশন)
এসএমই খাতকে শক্তিশালীকরণ।

অভিলক্ষ্য (মিশন)
দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন, সুলভ অর্থায়ন, বাজার সুবিধা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনগত সামর্থ্য বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে এসএমই খাতকে শক্তিশালীকরণ।

লক্ষ্য
সরকারের উন্নয়ন রূপকল্পসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৪ এর মধ্যে জাতীয় আয়ে (জিডিপি) এসএমই খাতের অবদান বিদ্যমান ২৫ শতাংশ থেকে ৩২ শতাংশে উন্নীতকরণ।
 
উৎস: বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর ওয়েবসাইট
 
 
৩,৬৫৫.
জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়টি ফলক আছে
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৫ টি
  3. গ) ৭ টি
  4. ঘ) ৮ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ টি
ব্যাখ্যা
• জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত।
- এই জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক সাতটি
- স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়ের জন্য স্মৃতিসৌধে ফলক সংখ্যা ৭টি রাখা হয়েছে। 

এর পর্যায় গুলো হলো:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন;
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন;
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন;
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন;
- ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন;
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং
- ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।

জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৩,৬৫৬.
চাকমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব কোনটি?
  1. বৈসু
  2. ওয়ানগালা
  3. সাংগ্রাই
  4. বিজু
সঠিক উত্তর:
বিজু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজু
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
৩,৬৫৭.
খাদ্য অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. কৃষি
  2. অর্থ
  3. খাদ্য ও দুর্যোগ
  4. স্থানীয় সরকার
সঠিক উত্তর:
খাদ্য ও দুর্যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাদ্য ও দুর্যোগ
ব্যাখ্যা
খাদ্য অধিদপ্তর:
- খাদ্য অধিদপ্তর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একমাত্র সংস্থা।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিস্থিতিতে অবিভক্ত বাংলায় উদ্ভূত ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ মোকাবেলায় বর্তমানের খাদ্য অধিদপ্তর ঐ সময়ে  সিভিল সাপ্লাই বিভাগ নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- ১৯৮৪ সালে প্রশাসনিক সংস্কার কার্যক্রমের ফলে ৬টি পরিদপ্তর একীভূত হয়ে পুনর্গঠিত খাদ্য অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- মহাপরিচালক খাদ্য অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী হিসেবে সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: খাদ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৩,৬৫৮.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৪ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
• জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৯৮২ সালে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির গঠন কাঠামো ও কার্যাবলি নিরূপণ করা হয়। ওই  প্রস্তাবের ফলে এ সম্পর্কিত পূর্ববর্তী সকল আদেশ বাতিল হয়ে যায়। ১৯৮২ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীকে আহবায়ক করে এ কমিটি গঠিত হয়।

• সর্বশেষ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী একনেকের সভাপতি এবং অর্থমন্ত্রী বিকল্প সভাপতি। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, পানিসম্পদ মন্ত্রী, শিল্পমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী। 

• মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, বৈদেশিক সম্পদ বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা সচিব, বাস্তবায়ন মনিটরিং ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট সদস্যবর্গ ও সচিবগণকে একনেকের কাজে সহায়তা করতে হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৬৫৯.
When the stock prices are persistently on the rise, it is known as _________ market.
  1. ক) lucrative
  2. খ) prospective
  3. গ) bullish
  4. ঘ) bearish
সঠিক উত্তর:
গ) bullish
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) bullish
ব্যাখ্যা
- যখন শেয়ারের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে, তখন এটিকে তেজি বা bullish বাজার বলা হয়।

- শেয়ার বাজার বলতে কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা কোম্পানির মালিকানার নির্দিষ্ট অংশ ক্রয়-বিক্রয়কে বোঝায়।
যেকোনো প্রতিষ্ঠান শেয়ার বাজারে প্রবেশ করে তাদের মালিকানার কিছু অংশ বিক্রি করে আর এই শেয়ার কিনে নেয় কোনো ব্যক্তি কিংবা ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।

তথ্যসূত্র: Progress Bangladesh
৩,৬৬০.
বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী অঞ্চল নিয়ে গঠিত জনপদ-
  1. ক) সমতট
  2. খ) পুন্ড্র
  3. গ) বঙ্গ
  4. ঘ) হরিকেল
সঠিক উত্তর:
খ) পুন্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পুন্ড্র
ব্যাখ্যা
প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক থেকে পুন্ড্রুই সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ। বাংলাদেশে প্রাপ্ত জনপদ গুলোর মধ্যে এটি প্রাচীনতমও। বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো। এর রাজধানী ছিলো-পুন্ড্রনগর।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই ও বাংলাপিডিয়া
৩,৬৬১.
শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. সার
  2. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  3. মূলধন যন্ত্রসামগ্রী
  4. সূতা
সঠিক উত্তর:
সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার
ব্যাখ্যা
আমদানি পরিস্থিতি:
২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, 

→ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
→ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী এবং
→ তৃতীয় সর্বোচ্চ – মূলধন যন্ত্রসামগ্রী। 

→ শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
→ প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
→ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

উৎস: পরিসংখ্যান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
৩,৬৬২.
সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ বানিজ্য চুক্তির পর পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ কত শতাংশ শুল্ক দিতে হবে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ৩৪ শতাংশ
  2. ১৫ শতাংশ
  3. ২০ শতাংশ
  4. ২৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩৪ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে  ৯ ফেব্রুয়ারি,২০২৬ বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় বাণিজ্যচুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।
- এই চুক্তির পর বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশটির আরোপিত পাল্টা শুল্কহার ১ শতাংশীয় পয়েন্ট কমানো হয়েছে।
-  যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশর শুল্ক দিতে হয় ৩৪  শতাংশ।

- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল ১০০টি দেশের ওপর বিভিন্ন হারে পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। - - ২০২৫ সালের ৭ জুলাই বাংলাদেশের ওপর আরোপিত শুল্ক ৩৭ থেকে ৩৫ শতাংশে নামানোর ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
- আরও দর-কষাকষির পর ৯ ফেব্রুয়ারি,২০২৬ এ হার ১৯ শতাংশে নেমে আসে।
- এ হার কার্যকর হয় গত বছরের ৭ আগস্ট। আগে থেকেই বাংলাদেশি পণ্যে ছিল ১৫ শতাংশ শুল্ক।
- সব মিলিয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক দাঁড়ায় ৩৪ শতাংশে।

উৎস: প্রথম আলো। [লিঙ্ক] [link]

৩,৬৬৩.
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে মূলত কয় দফা দাবি তোলা হয়?
  1. ৪ দফা
  2. ৫ দফা
  3. ৬ দফা
  4. ৭ দফা
সঠিক উত্তর:
৪ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ দফা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ ১৯৭১-এ প্রদত্ত ১৮ মিনিটের ভাষণটি তাঁর স্বভাবসুলভ তাৎক্ষণিক বক্তব্য ছিল, পূর্বে তৈরি করা বক্তৃতা নয়।
- এটিকে অনেকেই রাজনীতির কবিতা বলে থাকেন।
- তাঁর এই ভাষণকে তুলনা করা হয় আব্রাহাম লিংকন, উইনস্টন চার্চিল, মার্টিন লুথার কিং ও পেরিক্লিসের মহতী যুগান্তকারী ভাষণগুলোর সাথে।
- এর মহত্ত্ব ও বিরাটত্বের কারণে ২০১৭ সনের অক্টোবরে জাতিসংঘের এডুকেশন, কালচার ও সাইন্টিফিক অর্গানাইজেশন, ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের অসাধারণ ভাষণটিকে পৃথিবীর অন্যতম ‘ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে স্বাধীনতাকামী বাঙালি জাতিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
- ভাষণে মূলত ৪ দফা দাবি তোলা হয়।
• মার্শাল ল প্রত্যাহার,
• সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
• রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
• জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,৬৬৪.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কে?
  1. আব্দুল্লাহ আবু সায়িদ
  2. এম. ইউসুফ আলী
  3. শাহজাহান সিরাজ
  4. আবদুল মান্নান
সঠিক উত্তর:
এম. ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

- এর আগে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং একইদিন প্রবাসী সরকারের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৩,৬৬৫.
বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনের জৈবিক উপাদানের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত-
  1. গড় আয়ু ও জীবনযাত্রার মান
  2. অতিবৃষ্টি ও অনাবৃষ্টি
  3. নদী ভাঙন ও টর্নেডো
  4. জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা
সঠিক উত্তর:
গড় আয়ু ও জীবনযাত্রার মান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গড় আয়ু ও জীবনযাত্রার মান
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তন:
- বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তন নির্ভর করে নানা উপাদানের উপর, যেমন-
- আর্থসামাজিক, প্রাকৃতিক, জৈবিক, রাজনৈতিক, শিক্ষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি, যোগাযোগ, প্রযুক্তি এবং শিল্পায়ন-নগরায়ণ।

 
• প্রাকৃতিক উপাদানসমূহ
১) জলবায়ু পরিবর্তন
২) বৈশ্বিক উষ্ণতা
৩) ভৌগোলিক পরিবর্তন
৪) নদী ভাঙন
৫) অতিবৃষ্টি
৬) অনাবৃষ্টি
৭) টর্নেডো ইত্যাদি
 
• জৈবিক উপাদানসমূহ
জন্ম ও মৃত্যুহার
জনসংখ্যার ঘনত্ব
গড় আয়ু
জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম দশম শ্রেণি।

৩,৬৬৬.
জাতীয় পতাকার লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের কত শতাংশ হতে হবে?
  1. এক-তৃতীয়াংশ
  2. এক-চতুর্থাংশ
  3. এক-পঞ্চমাংশ
  4. এক-ষষ্ঠাংশ
সঠিক উত্তর:
এক-পঞ্চমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-পঞ্চমাংশ
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পতাকা উত্তোলন করেন। সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২।
৩,৬৬৭.
’বালিশ মিষ্টি’ কোন এলাকার ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য?
  1. ফুলবাড়ীয়া
  2. নেত্রকোণা
  3. মেহেরপুর
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোণা
ব্যাখ্যা

- নেত্রকোণার ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য- ’বালিশ মিষ্টি’ (৫৭তম)

- ফুলবাড়ীয়ার ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য-  লাল চিনি(৫৮তম)।
- মেহেরপুরের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য- সাবিত্রী মিষ্টি (৬১)।
- ফরিদপুরের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য- পাট  (৬০ তম)।
 
• জিআই (GI):

- জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য- জামদানি শাড়ি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৬৬৮.
দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বেসরকারি মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. খ) শিবপুর, নরসিংদী
  3. গ) কাপাসিয়া, গাজীপুর
  4. ঘ) চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক) শ্রীপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শ্রীপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• দেশের প্রথম বেসরকারি পূর্ণাঙ্গ মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে গাজীপুরের শ্রীপুরে
• পুরো জায়গাটি প্রায় ৮০ বিঘা।
• ডমরেটরি, অ্যাস্ট্রো অবজারভেটরি, অ্যাস্ট্রো উঠানসহ এটি হয়ে উঠেছে অনন্য এক স্থাপনা।
• ব্যক্তি উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠা করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চার অন্যতম পথিকৃৎ বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান মৃধা বেনু।  

তথ্যসূত্র:- সমকাল এবং Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর ২০২২।
৩,৬৬৯.
হাজং জনগোষ্ঠীর বসবাস কোন জেলায়?
  1. ক) নেত্রকোনা
  2. খ) শেরপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• হাজং জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস ময়মনসিংহ জেলায়।
• এছাড়া নেত্রকোনা, শেরপুরসিলেট জেলাতেও হাজংদের বসবাস রয়েছে।
• হাজংদের আদি নিবাস উত্তর বার্মায়।
• এদের সমাজ কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
• হাজং শব্দের অর্থ ‘মাটির পোকা’।
• হাজংরা ধর্মীয় বিশ্বাসে হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
• তবে তাদের কিছু নিজস্ব আদি বিশ্বাস আছে। উপাসানাভেদে হাজংদের কেউ কেউ শক্তির উপাসক। আবার কেউ কেউ বৈষ্ণবপন্থি।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৩,৬৭০.
ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) ১৬ নভেম্বর, ১৯৯৯
  2. খ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
  3. গ) ১৮ নভেম্বর, ১৯৯৯
  4. ঘ) ১৯ নভেম্বর, ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম আন্দোলন।
- মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রাখতে শহীদ হন রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত ও সফিউররা। 
- ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' বিশ্বজুড়ে বিশাল জাতীয় গৌরব ও সম্মানের।
-  ২০০০ সাল থেকে UNESCO এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ দিবসটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করে।
- ২০১০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের ৬৫তম সাধারণ অধিবেশনে ৪র্থ কমিটিতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাবটি উত্থাপন করে এবং প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। 
- আর এভাবেই বাংলা ভাষার বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া চলমান।

উৎস: i) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, portal.gov.bd.
          ii) যুগান্তর, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮।
৩,৬৭১.
সুমাত্রা ও ম্যানিলা কিসের উন্নতজাত?
  1. ক) তামাক
  2. খ) ধান
  3. গ) গম
  4. ঘ) কলা
সঠিক উত্তর:
ক) তামাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তামাক
ব্যাখ্যা
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৩,৬৭২.
গৌড় রাজ্যের প্রাচীন নাম কী?
  1. বঙ্গ
  2. লক্ষণাবতী
  3. সমতট
  4. তাম্রলিপ্ত
সঠিক উত্তর:
লক্ষণাবতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষণাবতী
ব্যাখ্যা
গৌড়:
- 'গৌড়' নামটি সুপরিচিত হলেও প্রাচীনকালে ঠিক কোথায় গৌড় জনপদটি গড়ে উঠেছিল তা জানা যায়নি।
- তবে ষষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় মুসলমানদের বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৭৩.
বাংলাদেশের জাতীয় ফুল-
  1. পদ্ম
  2. শাপলা
  3. গোলাপ
  4. চামেলী
সঠিক উত্তর:
শাপলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাপলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয়:
- বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ: আম গাছ।
- জাতীয় পাখি: দোয়েল,
- জাতীয় ফল: কাঁঠাল,
- জাতীয় ফুল: শাপলা,
- জাতীয় মাছ: ইলিশ,
- জাতীয় পশু: রয়েল বেঙ্গল টাইগার,
- জাতীয় খেলা: কাবাডি,
- জাতীয় সঙ্গীত: আমার সোনার বাংলা,
- জাতীয় জাদুঘর: ঢাকা জাদুঘর,
- জাতীয় শিশুপার্ক: ঢাকা শিশু পার্ক,
- জাতীয় মসজিদ: বায়তুল মোকাররম মসজিদ,
- জাতীয় প্রতীক: উভয় পাশে ধানের শীষ বেষ্টিত পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল,
- জাতীয় মনোগ্রাম: লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র, বৃত্তের উপরে লেখা ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এবং নিচে লেখা ‘সরকার’। বৃত্তের দু’পাশে দুটি করে চারটি তারকা।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৬৭৪.
সাহিত্যে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২০ লাভ করেন-
  1. ক) এস এম রইজ উদ্দিন
  2. খ) কালীপদ দাস
  3. গ) ফেরদৌসী মজুমদার
  4. ঘ) ভারতেশ্বরী হোমস
সঠিক উত্তর:
ক) এস এম রইজ উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এস এম রইজ উদ্দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২০’ দিচ্ছে সরকার। পুরস্কারের জন্য মনোনীত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হলেন স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের জন্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, অবসরপ্রাপ্ত কমান্ডার আবদুর রউফ (মরণোত্তর), আনোয়ার পাশা (মরণোত্তর) ও আজিজুর রহমান। চিকিৎসাবিদ্যায় অধ্যাপক ডা. মো. উবায়দুল কবীর চৌধুরী ও অধ্যাপক ডা. এ কে এম এ মুক্ তাদির।‌ সাহিত্যে মুক্তিযোদ্ধা এস এম রইজ উদ্দিন আহম্মদ এবং সংস্কৃতিতে কালীপদ দাস ও ফেরদৌসী মজুমদার। শিক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ভারতেশ্বরী হোমস্ এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে।
৩,৬৭৫.
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ-১৯৭১ এর প্রধান শিল্পী কে?
  1. ক) রুনা লায়লা
  2. খ) বাপ্পি লাহিরি
  3. গ) মার্ক এন্থনি
  4. ঘ) জর্জ হ্যারিসন
সঠিক উত্তর:
ঘ) জর্জ হ্যারিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জর্জ হ্যারিসন
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশের শরণার্থীদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে জর্জ হ্যারিসনের তত্ত্বাবধানে নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- জর্জ হ্যারিসনকে অনুষ্ঠানটি করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন বিখ্যাত সেতার বাদক পণ্ডিত রবি শঙ্কর।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৩,৬৭৬.
আলমগীর কবির পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র কোনটি?
  1. ইনোসেন্ট মিলিয়নস
  2. স্টপ জেনোসাইড
  3. লিবারেশন ফাইটার্স
  4. ডেডলাইন বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
লিবারেশন ফাইটার্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিবারেশন ফাইটার্স
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র:
- লিবারেশন ফাইটার্স : আলমগীর কবির
- স্টপ জেনোসাইড এবং এ স্টেট ইজ বর্ন : জহির রায়হান
- ইনোসেন্ট মিলিয়নস : বাবুল চৌধুরী
- ডেডলাইন বাংলাদেশ : গীতা মেহতা
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও ভোরের কাগজ)
৩,৬৭৭.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কত সদস্যের সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করে?
  1. ৭ সদস্য 
  2. ১১ সদস্য
  3. ৫ সদস্য
  4. ৯ সদস্য
সঠিক উত্তর:
৯ সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ সদস্য
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- ৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ৯ সদস্যের সংবিধান সংস্কার কমিশন (Constitution Reform Commission) গঠন করে।

• কমিশনের উদ্দেশ্য ছিল -
1️. সংবিধানের প্রয়োজনীয় ধারা ও অনুচ্ছেদসমূহ পুনর্মূল্যায়ন করা।
2️. গণতন্ত্র ও প্রশাসনিক ভারসাম্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
3️. নির্বাচন কমিশন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

• কমিশনের সদস্যবৃন্দ:
- চেয়ারম্যান: প্রফেসর আলী রিয়াজ। 

- অন্যান্য ৮ জন সদস্য:
- ড. সুমাইয়া খায়ের,
- ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক, 
- অধ্যাপক মুহাম্মদ একরামুল হক, 
- ড. শরীফ ভুইয়া, 
- ড. এম. মঈন আলম ফিরোজি, 
- ড. ফিরোজ আহমেদ, 
- ড. মোস্তাইন বিল্লাহ, 
- মাহফুজ আলম। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

৩,৬৭৮.
'সোহরাই' বাংলাদেশর কোন উপজাতির ঐতিহ্যবাহী উৎসব?
  1. খাসিয়া
  2. মারমা
  3. সাঁওতাল
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:

- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য তবু পর্বত দেবতাও (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৬৭৯.
এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB) এর সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ক) সান ম্যারিনো
  2. খ) পেরু
  3. গ) চিলি
  4. ঘ) উরুগুয়ে
সঠিক উত্তর:
খ) পেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পেরু
ব্যাখ্যা
১৪ জানুয়ারি ২০২২ সালে,  এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB) এর ৮৯তম সদস্য পদ লাভ করে - পেরু।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৬৮০.
Which of the following has recently been included UNESCO intangible Cultural Heritage of Humanity list?
  1. Lalon Dol Purnima Utshob
  2. Nobanno Utshob
  3. Boshonto Utshob
  4. Mongol Shovajatra
সঠিক উত্তর:
Mongol Shovajatra
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mongol Shovajatra
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। 
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)। 

উল্লেখ্য,
- ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আন্তসরকার কমিটির ১৮তম অধিবেশনে বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের  পর পঞ্চম বিমূর্ত ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেসকোর ‘ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় স্থান পেল রিকশা ও রিকশাচিত্র।

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
         ii) ৬ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
৩,৬৮১.
জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ অনুযায়ী কিশোর কারা?
  1. ১১ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
  2. ১২ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
  3. ১৩ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
  4. ১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিশু নীতি ২০১১:
- শিশুদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত হয় শিশু আইন ১৯৭৪, যা যুগোপযোগীকরণের মাধ্যমে শিশু আইন ২০১১ রূপে প্রণয়ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রাসঙ্গিক সকল ক্ষেত্রে শিশুর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা একান্ত আবশ্যক।
- শিশুর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা ও অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে একটি সৎ, দেশপ্রেমিক ও কর্মক্ষম ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার যত্নশীল ও সক্রিয়।

সংজ্ঞা:
• কিশোর কিশোরী:
কিশোর-কিশোরী বলতে ১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদেরকে বুঝাবে।

শিশু: শিশু বলতে আঠারো বছরের কম বয়সী বাংলাদেশের সকল ব্যক্তিকে বুঝাবে। দেশের প্রচলিত কোনো আইনে এর ভিন্নতা থাকলে এই নীতির আলোকে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে সামঞ্জস্যবিধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা
হবে।

উৎস: জাতীয় শিশু নীতি - ২০১১।

৩,৬৮২.
ব্রিটিশ ভারতের প্রথম ভাইসরয় ছিলেন কে?
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
  3. লর্ড ক্লাইভ
  4. লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় / গভর্নর:
- ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর: লর্ড ক্লাইভ।
- শেষ গভর্নর: লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
- প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিল- লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
- শেষ গভর্নর জেনারেল: লর্ড ক্যানিং।
- ব্রিটিশ ভারতের প্রথম ভাইসরয়: লর্ড ক্যানিং।
- শেষ ভাইসরয়: লর্ড মাউন্টব্যাটেন। 

এছাড়াও,
- পূর্ব বাংলার ও আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট জেনারেল - স্যার জেনারেল ব্যামফিল্ড ফুলার।
- পূর্ব বাংলার ও আসামের শেষ লেফটেন্যান্ট জেনারেল- স্যার চার্লস স্টুয়ার্ট বেইলি।

উৎস: ¡) ইতিহাস, (প্রথম পত্র) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ¡¡) বাংলাপিডিয়া।
৩,৬৮৩.
পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু করা হয় কবে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর ৩টি।
- এগুলো হলো:
১. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর:
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।

২. মংলা সমুদ্র বন্দর:
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- এটা দেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর।
- বন্দরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে।
- এটি পশুর নদী ও মংলা নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত।

৩. পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর 'পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর।
- ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে সমুদ্র বন্দরটি চালু করা হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৬৮৪.
রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে -
  1. নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
  2. অর্থনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতে
  3. স্বজাতিবোধের ভিত্তিতে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

⇒ রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের সমস্যাবলী:
- বাংলাদেশ একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- গণতন্ত্রের আদর্শকে সফলভাবে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশে বহুদলীয় ব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- যেকোনো ধরনের মত, পথ ও আদর্শের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠতে পারে।
- যেকোনো গোষ্ঠী বা দল প্রচলিত বিধির আওতায় নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যেকোনো রাজনৈতিক দল গঠন করতে পারে।
- বর্তমানে বিরাজমান এত অধিকসংখ্যক রাজনৈতিক দল কোন দেশের জন্য সুস্থ রাজনীতির লক্ষণ হতে পারে না।
- বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে এ দলগুলো বিভিন্ন রকম।
- রক্ষণশীল, উদারনৈতিক, প্রগতিশীল, প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিক দল আছে যারা কোন পরিবর্তন চায় না।
- ধনিক শ্রেণি নিয়ে তাদের দল গঠিত। তারা পুরোমাত্রায় রক্ষণশীল। এই দল গুলোর সমর্থকগণ রক্ষণশীল।
- আবার কতগুলো দল আছে যারা বর্তমান সমাজ ভেঙ্গে নতুন সমাজ গড়তে চায়।
- এই দলের সমর্থকগণ প্রগতিশীল হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৮৫.
‘মঙ্গল পাণ্ডে' নিচের কোন বিদ্রোহের সাথে জড়িত?
  1. সাঁওতাল বিদ্রোহ
  2. কৃষক বিদ্রোহ
  3. নাচোল বিদ্রোহ
  4. সিপাহি বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
সিপাহি বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহি বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
মঙ্গল পাণ্ডে:
- মঙ্গল পাণ্ডে ছিলেন একজন সিপাহি, যার নেতৃত্বে সিপাহি বিদ্রোহ শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সিপাহিদের একটি অংশ বিদ্রোহ করে।
- মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণার ব্যারাকপুরে এই বিদ্রোহ শুরু হয়।
- ‘সিপাহি বিদ্রোহ’ নামে খ্যাত এই বিদ্রোহের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইংরেজ শাসনকে হটিয়ে দিয়ে পুরো ভারতকে দখলদার মুক্ত করা।

সিপাহী বিদ্রোহ:
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৮৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নিম্নের কোন দেশ থেকে 'বাংলাদেশ স্ফুলিঙ্গ' নামক সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়েছে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভারত
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যম:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন দেশে সংবাদপত্রে মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা, বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম ও নির্দেশাবলী, নেত্রবৃন্দের বিবৃতি ও তৎপরতা, প্রবাসী বাঙ্গালীদের আন্দোলনের খবর ইত্যাদি প্রকাশিত হত।
- এদের মধ্যে মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত জয় বাংলা, বাংলাদেশ, বঙ্গবাণী, স্বদেশ, রণাঙ্গন, স্বাধীন বাংলা, মুক্তিযুদ্ধ, সোনার বাংলা, বিপ্লবী বাংলাদেশ, জন্মভূমি, বাংলার বাণী, নতুন বাংলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

এছাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত হতো বাংলাদেশ নিউজ লেটার, বাংলাদেশ সংবাদ পরিক্রমা।
- আমেরিকা থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ নিউজ লেটার, বাংলাদেশ নিউজ বুলেটিন, শিক্ষা উল্লেখযোগ্য।
- কানাডা থেকে বাংলাদেশ স্ফুলিঙ্গ নামক সংবাদপত্র প্রকাশিত হত।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,৬৮৭.
নিচের কোন ব্যান্ড সংগীতের দলকে একুশে পদক ২০২৬ প্রদান করা হয়?
  1. আর্টসেল
  2. শিরোনামহীন
  3. ওয়ারফেজ
  4. দলছুট
সঠিক উত্তর:
ওয়ারফেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারফেজ
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৬:
- দেশের ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক’ দেওয়া হয়েছে। 
-  ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ সম্মাননা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

→ একুশে পদক ২০২৬ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
- প্রতিষ্ঠান: ব্যান্ড সংগীতের দল ওয়ারফেজ।
- চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদা আক্তার ববিতা,
- চারুকলায় অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার,
- স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
- সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু,
- নৃত্যে অর্থি আহমেদ,
- নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
- সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
- শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও
- ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।

৩,৬৮৮.
নিচের কোন ফসল রাইজোমের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে?
  1. ধান
  2. পাট
  3. গম
  4. আদা
সঠিক উত্তর:
আদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদা
ব্যাখ্যা
রাইজোম:
- রাইজোম হলো এক ধরণের ভূগর্ভস্থ কাণ্ড যা অনুভূমিকভাবে, মাটির ঠিক নীচে বা স্তরে বৃদ্ধি পায়।।
- শোভাময়, পুষ্টিকর এবং ঔষধি মূল্য সম্পন্ন অনেক উদ্ভিদ রাইজোমের মাধ্যমে বিকশিত হয় এবং বংশবৃদ্ধি করে।
- রাইজোমগুলি প্রধানত হিসাবে কাজ করে পুষ্টি সংরক্ষণকারী অঙ্গবিশেষ করে কার্বোহাইড্রেট এবং অন্যান্য সংরক্ষিত পদার্থ, যা শীত বা খরার মতো প্রতিকূল সময়ে বেঁচে থাকার জন্য উদ্ভিদের জন্য অপরিহার্য।
- রাইজোমগুলি বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করে যা অনেক উদ্ভিদ প্রজাতির বিকাশ এবং বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- রাইজোমের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে কলা, আদা, হলুদ, বাঁশ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৬৮৯.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. নাইমুর রহমান
  3. হাবিবুল বাশার
  4. এনামুল হক জুনিয়র
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:

- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৩,৬৯০.
বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে কোন দেশ সহযোগিতা করেছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য ৫.৩৫ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করেছে। 
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
        iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৩,৬৯১.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালকে কোথায় সমাহিত করা হয়?
  1. হবিগঞ্জ
  2. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. সিলেট
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালে বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- ১৯৬৮ সালে তিনি পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কয়েকদিন পূর্বে বক্সার হিসাবে সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা অবৈতনিক ল্যান্স নায়েক হিসাবে পদোন্নতি পান।
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোতায়েন করে।
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ১৮ এপ্রিল অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দরুইন গ্রামের জনগণ মোস্তফা কামালকে তাঁর শাহাদাতের স্থানের পাশেই সমাহিত করে।
- মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৩,৬৯২.
বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার কোনটি? 
  1. চীন
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র :
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য

• জার্মানী:
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের জার্মানীতে মোট  ৫২৯২.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা মোট রপ্তানি আয়ের 10.96% এবং বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানীকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৩,৬৯৩.
বর্তমানে দেশে নদী বন্দর কতটি?
  1. ক) ৩৪টি
  2. খ) ৩৩টি
  3. গ) ৩২টি
  4. ঘ) ৩৫টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট নদী বন্দর ৩৫টি। সর্বশেষ নদীবন্দর- বালাগঞ্জ, সিলেট।
৩৪তম নদী বন্দর-মীরসরাই-রাসমনি নদী বন্দর, চট্টগ্রাম।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।
৩,৬৯৪.
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ১০ তম
  2. ১১ তম
  3. ১২ তম
  4. ১৩ তম
  5. ১৪ তম
সঠিক উত্তর:
১২ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ তম
ব্যাখ্যা

দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।

দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।

৩,৬৯৫.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক কোন প্রতিষ্ঠান প্রদান করে?
  1. ইউনেস্কো
  2. বাংলা একাডেমি
  3. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক:
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে এই পদক দেওয়া হয়।
- ২০২১ সাল থেকে প্রতি দুই বছর পরপর 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক' দিয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা জাতীয় পদক' এবং 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা আন্তর্জাতিক পদক' এ দুটি শ্রেণিতে এ পদক প্রদান করা হয়।
- ২০২৫ সালে জাতীয় পদকের জন্য মনোনীত হন ভাষাবিজ্ঞানী ও ভাষা গবেষক অধ্যাপক আবুল মনসুর মুহম্মদ আবু মুসা।
- আন্তর্জাতিক পদকের জন্য মনোনীত হন ইংল্যান্ডের জোসেফ ডেভিড উইন্টার ও প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্যারিসের বাংলাদেশ দূতাবাস।

উল্লেখ্য,
- মাতৃভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন ও বিকাশে ভূমিকা রাখায় জাতীয় পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন ভাষাবিজ্ঞানী ও ভাষাগবেষক অধ্যাপক আবুল মনসুর মুহম্মদ আবু মুসা।
- আন্তর্জাতিক পদকের জন্য মনোনীত জোসেফ ডেভিড উইন্টার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জীবনানন্দ দাশের রচনাবলি অনুবাদ, বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিকীকরণ ও প্রসারে ভূমিকা রেখেছেন।
- এ ছাড়া প্যারিসে বাংলাদেশ দূতাবাস মহান ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে কেন্দ্র করে ইউনেসকোর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
৩,৬৯৬.
বাংলাদেশ আইএলও এর কোন কনভেনশন অনুসমর্থন করেছে?
  1. ILO Convention - 128
  2. ILO Convention - 138
  3. ILO Convention - 140
  4. ILO Convention - 148
সঠিক উত্তর:
ILO Convention - 138
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ILO Convention - 138
ব্যাখ্যা
- কাজে যোগদানের ন্যূনতম বয়স সম্পর্কিত আইএলও কনভেনশন ১৩৮ (ILO Convention - 138)।
- সম্প্রতি এই কনভেনশন অনুসমর্থন করেছে বাংলাদেশ।
- এ কনভেনশন অনুসমর্থনের মাধ্যমে সবকয়টি মৌলিক কনভেনশন অনুসমর্থনের মাইলফলক স্পর্শ করলো বাংলাদেশ।
- ১৮৯ দেশের মধ্যে ১৭৩টি দেশ এই চুক্তি সই করেছে।

এখানে তিনটা বিষয় আছে:-
১. ১৫ বছরের কম কোনো শিশুকে কাজে লাগানো যাবে না।
২. আর্থ সামাজিক অবস্থা বিশেষ বিবেচনার পরিপ্রেক্ষিতে কোনো দেশ বয়স এক বছর কমাতে পারবে (১৪ বছর পর্যন্ত)।
৩. ১৪ বছর হোক বা ১৫ বছর হোক শিশুদের কোনো অবস্থাতেই কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োগ করা যাবে না।

সূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২
৩,৬৯৭.
কোন সমাজ সংস্কারক 'ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন’ পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন?
  1. রামমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
  3. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  4. রাজা রামমোহন রায়
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- রাজা রামমোহন রায়‘সম্বাদ কৌমুদী’, ‘মিরাত-উল-আখবার’ ও ‘ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন’ নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- রাজা রামমোহন ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘এ্যাংলো হিন্দু কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বেদান্তসূত্র বেদান্তসারসহ উপনিষদের অনুবাদ প্রকাশ করেন।
- অন্যান্য রচনার মধ্যে আছে ‘তুহফাত-উল-মোয়াহিদ্দীন’ (একেশ্বরবাদ সৌরভ) ‘মানাজারাতুল আদিয়ান’ (বিভিন্ন ধর্মের উপর আলোচনা) ও হিন্দুদিগের পৌত্তলিক ধর্মপ্রণালি ইত্যাদি।
- হিন্দুধর্মের সংস্কার তথা নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে ‘আত্মীয় সভা’ নামে একটি সমিতি গঠন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৯৮.
১৩০১ থেকে ১৩২২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলায় রাজত্ব করেছিলেন -
  1. ক) নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. খ) শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহ
  3. গ) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  4. ঘ) রুকনুদ্দিন কায়কাউস
সঠিক উত্তর:
খ) শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহ
ব্যাখ্যা
- শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহ ছিলেন লখনৌতির মুসলিম রাজ্যের সুলতান।
- সুলতান শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহ ১৩০১ থেকে ১৩২২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলায় রাজত্ব করেছিলেন এবং চারদিকেই তাঁর রাজ্য বিস্তার করেছিলেন। 
- শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহের রাজত্বকালে সিলেট বিজয় এবং এর সঙ্গে শাহ জালাল (রঃ)-এর সংশ্লিষ্টতার ঐতিহাসিকতা লিপিগত এবং সাহিত্যিক উৎসগুলি দ্বারাও সমর্থিত।
- ফিরুজ শাহের সময়ে সোনারগাঁও অঞ্চল (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা) মুসলিম সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। তিনি সোনারগাঁও-এ একটি টাকশাল স্থাপন করেন।
- বাংলার সালতানাত সুলতান শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহের আমলে কমপক্ষে পশ্চিমে শোন ও গোগরা নদী হতে পূর্বে সিলেট পর্যন্ত এবং উত্তরে দিনাজপুর-রংপুর হতে দক্ষিণে হুগলি ও সুন্দরবন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহের মৃত্যু হয় ৭২২ হিজরিতে (১৩২২ খ্রি.)। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
৩,৬৯৯.
নজরুল পুরস্কার চালু করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  2. বাংলা একাডেমি
  3. শিল্পকলা একাডেমি
  4. নজরুল স্মৃতি রক্ষা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
নজরুল পুরস্কার:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- নজরুল পুরস্কার ২০২৪-এ ভূষিত করা হয় ১ জনকে।
- ‘নজরুল পদক-২০২৪’ পেয়েছেন,
• রাজিয়া সুলতানা।

তথ্যসূত্র - বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ২৩ মে ২০২৪।
৩,৭০০.
'ভাওয়াইয়া' কোন অঞ্চলের গান?
  1. চট্টগ্রাম
  2. কুষ্টিয়া
  3. সিলেট
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

ভাওয়াইয়া:
- ভাওয়াইয়া উত্তরবঙ্গে প্রচলিত এক প্রকার  লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গান ভাবসমৃদ্ধ বিধায় ‘ভাব’ থেকে ‘ভাওয়াইয়া’ কথাটির উৎপত্তি বলে অনুমিত হয়।
- এ গানের মূল সুর নর-নারীর প্রণয়। প্রণয়ের বিচ্ছেদ জ্বালাই এতে অধিক রূপায়িত হয়।
- ভাওয়াইয়া গান দুই প্রকার- দীর্ঘ সুরবিশিষ্ট ও চটকা সুরবিশিষ্ট।
- প্রথম শ্রেণীর গানে নর-নারীর, বিশেষত নবযৌবনাদের অনুরাগ, প্রেমপ্রীতি ও ভালোবাসার আবেদন ব্যক্ত হয়।
- এরূপ গানের মধ্যে ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’, ‘যে জন প্রেমের ভাব জানে না’, ‘কোন দ্যাশে যান মইশাল বন্দুরে’, ‘নউতোন পিরিতির বড় জ্বালা’ ইত্যাদি অধিক জনপ্রিয়।
- অপরপক্ষে চটকা এক প্রকার রঙ্গগীতি।
- এ গান চটুল ও দ্রুত তালের।
- গ্রাম্য ‘চট’ (অর্থ তাড়াতাড়ি) শব্দটির স্ত্রীলিঙ্গান্তর করে ‘চটকা’ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- এ শ্রেণীর গানে যথেষ্ট হাস্যরসের উপাদান থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।