বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৩৬ / ৩০৬ · ৩,৫০১৩,৬০০ / ৩০,৮৩২

৩,৫০১.
বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. সমাজতন্ত্র
  2. প্রজাতন্ত্র
  3. গণতন্ত্র
  4. জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
সংবিধানের মূলনীতি:

- প্রজাতন্ত্র - বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে।
- ৮ নং অনুচ্ছেদে ১ নং দফানুসারে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হলো চারটি।
এগুলো হলো:
• জাতীয়তাবাদ,
• সমাজতন্ত্র,
• গণতন্ত্র ও
• ধর্মনিরপেক্ষতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৫০২.
কোন মুঘল সুবাদার চট্টগ্রাম অঞ্চলের নাম রাখেন ইসলামাবাদ?
  1. শায়েস্তা খান
  2. ইসলাম খান
  3. মীর জুমলা
  4. ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খান ছিলেন বাংলার মুঘল সুবাদার।
- তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবু তালিব।
- মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে শায়েস্তা খান নাম দেন।
- তিনি ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা।
- শায়েস্তা খান ৬৩ বছর বয়সে প্রথম বাংলায় আসেন।
- ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাহদার নিযুক্ত হন।
- তাঁর শাসনামলে তিনি কুচবিহার বিদ্রোহ দমন করেন, চট্টগ্রাম জয় ও মগ দস্যুদের বিতাড়িত করেন (১৬৬৬ সালে)।
- তিনি চট্টগ্রাম অঞ্চলের নাম রাখেন ইসলামাবাদ।
- তাঁর শাসনামলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত।
- তিনি লালবাগ কেল্লা, শায়েস্তা খান মসজিদ, ছোট কাটরা, সাত গম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।
- ১৬৯৪ সালে তিনি ৯৪ বছর বয়সে মারা যান।

উল্লেখ্য,
- ১৫১৭ সালে প্রথম পর্তুগিজ বণিকদের আগমন ঘটে এই বন্দর চট্টগ্রামে।
- ১৭৬১ সাল পর্যন্ত ৩২ জন নবাব বা শাসনকর্তা চট্টগ্রাম শাসন করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫০৩.
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত কোন দুটি নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. মন্ত্রী ও সচিব
  2. সচিব ও মহাপরিচালক
  3. প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

→ প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি পদে রাষ্ট্রপতি সরাসরি নিয়োগ দেন।

৪৮ অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি 

- বাংলাদেশে একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন যিনি আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান ব্যক্তি হিসেবে সকলের ঊর্ধ্বে অবস্থান করবেন এবং সংবিধান ও অন্যান্য আইনে যে ক্ষমতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা পালন করবেন।
- রাষ্ট্রপতি তাঁর অধিকাংশ দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী পালন করবেন। তবে, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে তিনি সরাসরি দায়িত্ব পালন করতে পারেন।  
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির কমপক্ষে ৩৫ বছর বয়স হতে হবে, সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য হতে হবে, এবং তিনি যদি কখনও সংবিধান অনুযায়ী অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকেন, তবে তিনি আর রাষ্ট্রপতি হওয়ার যোগ্য নন।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে দেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতিমালা সম্পর্কে নিয়মিতভাবে অবহিত করবেন। রাষ্ট্রপতি চাইলে যে কোনো বিষয় মন্ত্রিসভায় আলোচনা করার জন্য তোলা যাবে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৩,৫০৪.
নিচের কে ''চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর পরিবর্তে সংগঠিত গোষ্ঠী" দুটি শব্দ ব্যবহারের পক্ষে ছিলেন?
  1. অ্যালেন পটার
  2. জেইন এ্যাডামস
  3. এইচ জিগলার 
  4. রেমন্ড এ্যারন
সঠিক উত্তর:
অ্যালেন পটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালেন পটার
ব্যাখ্যা
সংগঠিত গোষ্ঠী:
- অ্যালেন পটার চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর পরিবর্তে ‘সংগঠিত গোষ্ঠী’ (Organized group) দুটি শব্দ ব্যবহারের পক্ষে ছিলেন। কারণ এ ধারণার মাধ্যমে গোষ্ঠীর সংগঠনের ব্যাপকতাকে আরো যথার্থভাবে অনুধাবন করা সম্ভব।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী হল এমন এক দল ব্যক্তির সমষ্টি। যারা নির্দিষ্ট লক্ষ্যের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং নিজেদের লক্ষ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন থাকে।

এছাড়াও,
-  এইচ জিগলার এর মতে, চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে এমন একটি সংগঠিত ব্যক্তি সমষ্টি যার সদস্যগণ সরকারি ক্ষমতা প্রয়োগে অংশগ্রহণ করে না। বরং তাদের লক্ষ্য হল সরকারি সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫০৫.
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ আর্থিক সেবা প্ল্যাটফর্মের নাম - [মার্চ, ২০২৫]
  1. বীর
  2. তোরণ
  3. আশা
  4. প্রত্যাশা
সঠিক উত্তর:
বীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ফাইন্যান্স বীর:
- প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ আর্থিক সেবা প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাদেশ ফাইন্যান্স বীর’ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল।
- এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গ্রাহকেরা বিশেষ সঞ্চয় ও বিনিয়োগ সুবিধা পাবেন, যা কনভেনশনাল ও শরিয়াহভিত্তিক উভয় মডেলে গ্রহণ করা যাবে। এ ছাড়া, গ্রাহক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য হোম লোন, এসএমই লোন, নারী উদ্যোক্তা ঋণ ও কৃষি ঋণ গ্রহণের সুযোগ থাকবে।

উল্লেখ্য,
- ‘বীর’-এর বিশেষ সুবিধার মধ্যে রয়েছে সারা দেশ থেকে বিমানবন্দর পিকআপ ও ড্রপ-অফ পরিষেবা, বিমানবন্দরে লাউঞ্জ অ্যাকসেস ও মিট অ্যান্ড গ্রিট পরিষেবা এবং স্বাস্থ্য ও জীবন বীমা কাভারেজ।

উৎস: বণিক বার্তা।
৩,৫০৬.
কার সম্পাদনায় ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটি প্রকাশিত হয়?
  1. ক) এম আকতার মুকুল
  2. খ) আবুল মনসুর আহমদ
  3. গ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  4. ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
• পুস্তিকার নাম - ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’। 
• প্রকাশ - ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। 
সম্পাদক -  অধ্যাপক আবুল কাশেম
• অন্যান্য লেখক - কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ।  
• ‘তমদ্দুন মজলিশ’ এর প্রথম সভাপতি - দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ। 

বিঃদ্রঃ - যদি কোথাও তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠার তারিখ ২ সেপ্টেম্বর না থেকে ১ সেপ্টেম্বর থাকে তাহলে ১ সেপ্টেম্বর উত্তর করতে হবে । অনুরুপ ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটি কখন প্রকাশিত হয় জানতে চাইলে ১৬ সেপ্টেম্বর উত্তর হবে । আর যদি ১৬ সেপ্টেম্বর না থাকে তাহলে হবে ১৫ সেপ্টেম্বর । 

তথ্যসূত্র:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৫০৭.
কোন মোগল সুবেদার পর্তুগীজদের এ দেশ থেকে বিতাড়িত করেন?
  1. ক) আকবর 
  2. খ) জাহাঙ্গীর 
  3. গ) শাহজাহান 
  4. ঘ) শায়েস্তা খান 
সঠিক উত্তর:
ঘ) শায়েস্তা খান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শায়েস্তা খান 
ব্যাখ্যা
পর্তুগীজ:
-  পর্তুগীজরা প্রথম  বাংলাদেশের চট্টগ্রামে তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং কুঠিগুলোকে দুর্গে পরিণত।
- সুলতান মাহমুদ শাহ তাদের এই অনুমতি দেন।
- পর্তুগিজরাই প্রথম ইউরোপীয় যাঁরা ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য কাজে এদেশে সুদূরপ্রসারী ও স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে। তাদের জলদস্যুদের বলা হতো হার্মাদ।
- পর্তুগিজরা কেবল ব্যবসা-বাণিজ্যই করত না, তারা এদেশের জমিদার ও প্রতাপশালী বার ভূঁইয়াদের সেনাবাহিনীতেও চাকরী করত।
- তাদের অপরাধের মাত্রা বেড়ে গেলে সম্রাট শাহজাহান পর্তুগিজদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করেন
- সর্বশেষ বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান তাদের চট্টগ্রাম ও সনদ্বীপ ঘাঁটি দখল করে চিরতরে এ দেশ থেকে উচ্ছেদ করেন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫০৮.
দেশে বর্তমানে উপজেলার সংখ্যা কতটি?
  1. ৪৯৩টি
  2. ৪৯৪টি
  3. ৪৯৫টি
  4. ৪৯৬টি
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
ব্যাখ্যা
দেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বিভাগ - ৮টি।
- জেলা - ৬৪টি।
- সিটি কর্পোরেশন - ১২টি।
- উপজেলা - ৪৯৫টি।
- ইউনিয়ন - ৪,৫৯৬টি।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন।
৩,৫০৯.
যুক্তফ্রন্টের সভাপতি কে ছিলেন?
  1. ক) এ.কে. ফজলুল হক
  2. খ) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) মাওলানা আতাহার আলী
সঠিক উত্তর:
গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 
• যুক্তফ্রন্ট গঠন  - ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর।
• যুক্তফ্রন্টের প্রধান অফিস - সদরঘাটের ৫৬, সিমসন রােডে।
• যুক্তফ্রন্টে রাজনৈতিক দল ছিল ৪ টি। এগুলো হলো - 
১। আওয়ামী মুসলিম লীগ (মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী)
২। কৃষক-শ্রমিক পার্টি (এ. কে. ফজলুল হক) 
৩। নেজামে-ই-ইসলাম (মাওলানা আতাহার আলী) 
৪। গণতন্ত্রী দল (হাজী মোহাম্মদ দানেশ)
• যুক্তফ্রন্টের সভাপতি - হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
• পার্লামেন্টারি বাের্ডের সদস্য - এ.কে. ফজলুল হক, হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দী ও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
• যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক - নৌকা।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,৫১০.
পর্তুগীজদের মধ্যে কে প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের কালিকট বন্দরে এসেছিলেন?
  1. বার্থলমিউ দিয়াজ
  2. রাজা দ্বিতীয় জন
  3. ভাস্কো-দ্য-গামা
  4. আলবুকার্ক
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-দ্য-গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-দ্য-গামা
ব্যাখ্যা
বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন: 
- ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
- পর্তুগীজদের মধ্যে যে দুঃসাহসী নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন, তিনি ভাস্কো-দ্য-গামা।
- ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে তার এ উপমহাদেশে আগমন ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।

⇒ পর্তুগিজরা ব্যবসায়-বাণিজ্যকে মূলধন করে এদেশে এলেও ক্রমে ক্রমে তারা সাম্রাজ্য বিস্তারের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি অঞ্চলে কুঠি স্থাপন এবং ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল হলেও তাদের অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপের ঘাঁটি দখল করে, তাদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করেন।
- তাছাড়া পর্তুগিজরা এদেশে আগত ইউরোপীয় অন্যন্য শক্তির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়ে এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।

উল্লেখ্য,
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- কলম্বাস এবং ম্যাজিলানও বিখ্যাত পর্তুগিজ নাবিক ছিলেন।

এছাড়াও,
- ১৪৭৭ খ্রিস্টাব্দে বার্থলমিউ দিয়াজ নামে এক পর্তুগিজ নাবিক আফ্রিকার সর্ব দক্ষিণের বিন্দুতে পৌঁছাতে পেরেছিলেন।
- তিনি যখন ওখানে পৌঁছেন তখন প্রচন্ড ঝড়ের কবলে পড়েন, তাই ঐ স্থানের নাম দিয়েছিলেন "ঝড়ের অন্তরীপ"।
- পর্তুগালের রাজা দ্বিতীয় জন এর মধ্যে আশার আলো দেখতে পান এবং এর নাম রাখেন "উত্তমাশা অন্তরীপ"।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫১১.
বিবিএস প্রকাশিত, বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপির পরিমান কত? [ আগস্ট, ২০২৫]
  1. ২,৮৫০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭২০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৬৭১ মার্কিন ডলার
  4. ২,৬৬০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৬৭১ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৬৭১ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)সর্বশেষ রিপোর্ট:
- মাথাপিছু আয়- ২,৮২০ ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭১ মার্কন ডলার।
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১.৮৫ মিলিয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩,৫১২.
কত সালে স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে জোরদার করার জন্য লক্ষ্ণৌ চুক্তি সম্পাদন করা হয়?
  1. ১৯০৬ সালে
  2. ১৯১৪ সালে
  3. ১৯১৬ সালে
  4. ১৯১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৬ সালে
ব্যাখ্যা
লক্ষ্ণৌ চুক্তি: 
- ১৯০৬ সালে মুসলমানদের স্বার্থরক্ষার লক্ষ্যে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- ১৯১৪ সালে প্রথম মহাযুদ্ধে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের সঙ্গে পরামর্শ না করেই ভারতকে যুদ্ধে সম্পৃক্ত করে।
- এর প্রতিবাদে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ নেতারা একাত্মতা বোধ করেন এবং ১৯১৬ সালে স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে জোরদার করার জন্য লক্ষ্ণৌ চুক্তি সম্পাদন করেন।
- অ্যানি বেসান্ত এবং বি. জি তিলক পরিচালিত হোম রুল লীগের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং লক্ষ্ণৌ চুক্তির ফলে ব্রিটিশ সরকার ১৯১৭ সালে ভারতে ক্রমান্বয়ে স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তনের অঙ্গীকার করে।
- কিন্তু ১৯১৯ সালে অমৃতসর শহরের জালিয়ানওয়ালা বাগে শত শত লোককে গুলি করে হত্যার ফলে হঠাৎ করেই রাজনীতি কঠিন সংকটের দিকে মোড় নেয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৫১৩.
আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনটি সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী?
  1. ক) শাসন বিভাগ
  2. খ) বিচার বিভাগ
  3. গ) আইন বিভাগ
  4. ঘ) নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
গ) আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা

- আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ বা আইন বিভাগ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
- বাংলাদেশ সংবিধানের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন করা হয়।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'।
- সংবিধান বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদে ওপর ন্যস্ত হবে
- রাজধানী ঢাকায় জাতীয় সংসদের স্থায়ী আসন রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যকাল ৫ বছর হবে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৩,৫১৪.
দেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) হিসেবে নিয়োগ পান কে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. কে এম নুরুল হুদা
  2. কাজী হাবিবুল আউয়াল
  3. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  4. কাজী রকিবুদ্দিন আহমদ
  5. ডঃ এ.টি.এম. শামসুল হুদা
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন: 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ এর আওতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন স্থাপিত হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- দেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) হিসেবে নিয়োগ পান এ এম এম নাসির উদ্দীন।

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হল -
- রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা,
- নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ,
- নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ,
- আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং
- আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
৩,৫১৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা - ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশে বর্তমান সাক্ষরতার হার-
  1. ৭৪.৮%
  2. ৭৬.৮%
  3. ৭৬.৪%
  4. ৭৩.২%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮: ১০০,৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
৩,৫১৬.
দেশের সবচেয়ে বেশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে কোন বিভাগে?
  1. রাজশাহী বিভাগ
  2. চট্টগ্রাম বিভাগ
  3. ঢাকা বিভাগ
  4. বরিশাল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিভাগ
ব্যাখ্যা
দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হার:
- দেশে বর্তমানে ২২ লাখ ৬৫ হাজার ২০১ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার ১.৩৭ শতাংশ।
- পুরুষ প্রতিবন্ধী ১২ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯১ জন।
- নারী প্রতিবন্ধী ৯ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৯ জন।
- তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ৫৪১ জন।
- সবচেয়ে বেশি ৪,৫৮,৬৮৩ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বাস ঢাকা বিভাগে।
- চট্টগ্রাম বিভাগে ৪,১৬,১৫৮ জনের বাস।
- রাজশাহী বিভাগে রয়েছে ৩,২৭,৪৫২ জন। 
- সবচেয়ে কম ১,৪২,০৯৬ জন বরিশাল বিভাগে।
- দেশে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা সর্বাধিক যা মোট প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ৩৩.৩৮%। 

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
৩,৫১৭.
বাংলায় প্রথম তুর্কি শাসক কে ছিলেন?
  1. ইলতুতমিশ
  2. নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
  3. গিয়াসউদ্দিন তুঘলক
  4. মুহাম্মদ বিন তুঘলক
সঠিক উত্তর:
নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
ব্যাখ্যা

তুর্কি শাসন:
- ১২২৭ থেকে ১২৮১ সাল পর্যন্ত তেমন ১৫ জন তুর্কি শাসক বাংলা শাসন করেছিলেন।
- বাংলায় প্রথম তুর্কি শাসক ছিলেন নাসিরুদ্দিন মাহমুদ।
- এ সময় থেকে বাংলার শাসনকর্তারা দিল্লির সুলতানদের কাছ থেকে নিয়োগ লাভ করে এখানকার শাসক হতেন।
- বাংলায় দিল্লির অনুগত কোনো শাসনই প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং দিল্লির মনোনীত তুর্কি শাসকরাই একের পর এক বিরোধিতা অব্যাহত রাখেন।
- দিল্লির শাসকরা যেমন, ইলতুতমিশ, বলবন, গিয়াসউদ্দিন তুঘলক ও মুহাম্মদ বিন তুঘলক বাংলার শাসকদেরকে প্রতিহত করতে একের এর এক অভিযান চালিয়ে বিদ্রোহ দমন করেন।
- দিল্লির শাসনকালে বাংলায় বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগ লেগেই ছিল।
- দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন বাংলার তৎকালীন স্বাধীন শাসক তুগ্রিল খানকে দমনের জন্য নিজেই আক্রমণ করেন।যুদ্ধে তুগ্রিল খান নিহত হন। ফলে বাংলা দিল্লির শাসনাধীন হয়।
- ১২৮৭ সালে সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন মারা গেলে বঘরা খান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ নাম ধারণ করে ১২৯০ সাল পর্যন্ত বাংলার স্বাধীন সুলতান হিসেবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৩২৫ সালে দিল্লির শাসক গিয়াসউদ্দিন তুঘলক বাংলা অধিকার করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৫১৮.
কততম সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়েছিল?
  1. ১২শ সংশোধনী
  2. ১৩শ সংশোধনী
  3. ১৪শ সংশোধনী
  4. ১৫শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
১৩শ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩শ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- সংবিধান আইন, ১৯৯৬ (ত্রয়োদশ সংশোধনী) পাস হয় ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ।
- এর দ্বারা একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়, যা একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন হিসেবে কাজ করবে। 
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সর্বতোভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করবে।
- একজন প্রধান উপদেষ্টা ও অনূর্ধ্ব ১০ জন উপদেষ্টার সমন্বয়ে গঠিতব্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার সমষ্টিগতভাবে রাষ্ট্রপতির নিকট দায়বদ্ধ থাকবে।
- নতুন সংসদ গঠনের পর নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের তারিখে বিলুপ্ত হবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৫১৯.
স্বৈরাচারী আইয়ুব শাসনের অবসানের পর ক্ষমতায় আসে-
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  3. মোনায়েম খান
  4. মুজাফফর আলি খান
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সূচনা:

- ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ স্বৈরাচারী আইয়ুব শাসনের অবসানের পর ইয়াহিয়া খান রাষ্ট্র প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- আইয়ুব খানের নিকট থেকে ক্ষমতা গ্রহণের সময় ইয়াহিয়া খান ১৯৬২ সালের সংবিধান বাতিল ঘোষণা করেছিলেন।
- স্বভাবতঃই নির্বাচন অনুষ্ঠান ও জাতীয় পরিষদ গঠন সম্পর্কিত বিষয়গুলো তিনি সামরিক আইনের অধীনে বিভিন্ন ঘোষণার মাধ্যমে জারি করেন।
- ১৯৬৯ সালের ২৮ নভেম্বর বেতার ভাষণে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে ইয়াহিয়া খান দুই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
• তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের এক ইউনিট ব্যবস্থা বাতিল করে সেখানে চারটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করেন।
• এক ব্যক্তি এক ভোট' এই নীতিতে ভোট হবে বলে ঘোষণা দেন। প্রথম সিদ্ধান্তটি পাকিস্তানের আঞ্চলিকতাবাদে বিশ্বাসী জনগণকে সন্তুষ্ট করে। দ্বিতীয় সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি মেনে নেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫২০.
পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে কার সংশোধনী প্রস্তাব অনুযায়ী বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. আদেলউদ্দিন আহমদ
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
আদেলউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেলউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা

- গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাস করে।
- ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলন অব্যাহত ছিল।
- পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অনুমোদনের মাধ্যমে এই আন্দোলন তার লক্ষ্য অর্জন করে।
- জাতীয় পরিষদে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬) এক পর্যায়ে এর সদস্য ফরিদপুরের আদেলউদ্দিন আহমদের (১৯১৩-১৯৮১) দেওয়া সংশোধনী প্রস্তাব অনুযায়ী বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৩,৫২১.
পাকিস্তানের দাবীতে মুসলিম লীগ ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস’ পালন করে কত তারিখে?
  1. ক) ১০ জুলাই
  2. খ) ১২ আগস্ট
  3. গ) ১৬ আগস্ট
  4. ঘ) ১৫ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬ আগস্ট
ব্যাখ্যা
১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট মুসলিম লীগ পাকিস্তানের দাবীতে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস পালন করে।
এদিন সারা ভারতবর্ষে বিশেষত বাংলায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় বহু লোক প্রাণ হারায়। এ ঘটনায় ব্রিটিশ সরকার বিচলিত হয়ে ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে তৎপর হয়ে উঠে এবং এতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার দাবী আরও জোড়ালো হয়।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস – উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,৫২২.
'বর্ণালী' এবং 'শুভ্রা' কী?
  1. উন্নত জাতের চাল
  2. উন্নত জাতের টমেটো
  3. উন্নত জাতের আম
  4. উন্নত জাতের ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ভুট্টা
ব্যাখ্যা
'বর্ণালী' এবং 'শুভ্রা' হলো উন্নত জাতের ভুট্টা।

উন্নত জাতের ভুট্টা:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।

এছাড়াও,
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা।
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার।
• :উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৩,৫২৩.
দেশে প্রথমবারের মতো পিতৃত্বকালীন ছুটি চালু করে কোন বিশ্ববিদ্যালয়?
  1. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়
  2. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
পিতৃত্বকালীন ছুটি:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে প্রতিষ্ঠিত সিরাজগঞ্জের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় মাতৃত্বকালীন ছুটির পাশাপাশি পিতৃত্বকালীন ছুটি চালু করেছে।
- ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪তম সিন্ডিকেট সভায় পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
- নিয়ম অনুযায়ী, একজন শিক্ষক ১৫ দিনের পিতৃত্বকালীন ছুটি পাবেন।
- সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য পিতৃত্বকালীন ছুটি পাওয়া যাবে।
- শিক্ষা ছুটিতে থাকাকালীন যেসব সুবিধা পাওয়া যায়, পিতৃত্বকালীন ছুটিতেও সেসব সুবিধা পাওয়া যাবে।

উৎস: ২ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৩,৫২৪.
বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন কাকে বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদ ঘোষণা করে?
  1. ক) সাকিব‌‌ আল হাসান
  2. খ) সিদ্দিকুর রহমান
  3. গ) কাজী সালাউদ্দিন
  4. ঘ) মাশরাফি বিন মর্তুজা
সঠিক উত্তর:
ক) সাকিব‌‌ আল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাকিব‌‌ আল হাসান
ব্যাখ্যা
- দেশের ক্রীড়া সাংবাদিক ও লেখকদের সংগঠন‌ বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ)।
- সাকিবকেই বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদ হিসেবে বাছাই করেছে বিএসপিএ

- বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত করেছে বিএসপিএ। ক্রম অনুসারে তাঁরা হলেন সাকিব আল হাসান, ফুটবলার কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, দাবাড়ু নিয়াজ মোর্শেদ, ফুটবলার মোনেম মুন্না, বক্সার মোশাররফ হোসেন, ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা, শুটার আসিফ হোসেন খান, স্প্রিন্টার শাহ আলম, সাঁতারু মোশাররফ হোসেন খান ও গলফার সিদ্দিকুর রহমান।

- রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিএসপিএর ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাকিবকে বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা ক্রীড়াবিদের সম্মাননা তুলে দেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৩,৫২৫.
ভাস্কো-ডা-গামা কত সালে ভারতের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন?
  1. ১৪৫৩ সালে 
  2. ১৪৯৮ সালে 
  3. ১৫৩৮ সালে 
  4. ১৫৭৯ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৪৯৮ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯৮ সালে 
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজদের উপমহাদেশে আগমন: 
- পর্তুগিজদের মধ্যে যে দুঃসাহসী নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে এদেশে আসেন, তাঁর নাম ভাস্কো-ডা-গামা।
- ভাস্কো-ডা-গামা ১৪৯৮ সালের ২৭শে মে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন
- উপমহাদেশে তাঁর এ আগমন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- পর্তুগিজরা ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এদেশে আসে কিন্তু ক্রমে তারা সাম্রাজ্য বিস্তারের দিকে মনোনিবেশ করে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা উপমহাদেশের পশ্চিম উপকূলের কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি বন্দরে কুঠি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,৫২৬.
উৎপাদনের দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র -
  1. ক) বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. খ) পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. গ) রামপাল পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. ঘ) চট্টগ্রাম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
খ) পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- দেশের প্রথম কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়ায় অবস্থিত।
- উৎপাদন প্রায় ৪৫০ মেগাওয়াট।

পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- দেশের দ্বিতীয় কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- পটুয়াখালীর জেলার কলাপাড়ায় উপজেলার ধানখালীতে অবস্থিত।
- উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১৩২০ মেগাওয়াট।

তাই উৎপাদনের দিক থেকে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের বৃহত্তম কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

উৎস: বিবিসি, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫২৭.
কোন জেলায় ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. টাঙ্গাইল
  2. পাবনা
  3. ময়মনসিংহ
  4. সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- কাগমারী সম্মেলন পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সম্মেলনে রূপ নেয়।
- কাগমারী সম্মেলনের মাত্র স্বল্প সময়ের মাথায় আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৫২৮.
'বিক্রমাদিত্য' প্রাচীন ভারতের কোন শাসকের অপর নাম?
  1. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  2. অশোক
  3. হর্ষবর্ধন
  4. শশাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত:
- দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই গুপ্ত সাম্রাজ্য উন্নতি ও গৌরবের চরম শিখরে পৌঁছেছিল।
- সমুদ্রগুপ্তকে যদি গুপ্ত সাম্রাজ্যের বিস্তারকর্তা বলা যায় তবে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তকে এই সাম্রাজ্যের সংগঠক বলা চলে।
- তিনি ছিলেন একজন বীরযোদ্ধা ও সুদক্ষ শাসক।
- সামরিক প্রতিভার পাশাপাশি সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতিও তাঁর ছিল প্রগাঢ় অনুরাগ।
- বিদ্যোৎসাহী সম্রাট হিসেবে তিনি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- মহাকবি কালিদাস ছিলেন তাঁর সমকালীন।
- নব-রত্নের বেশ কয়েকজন তাঁর সভা অলংকৃত করতেন।
- তিনি 'বিক্রমাদিত্য' বা 'শক্তির সূর্য' উপাধী গ্রহণ করেন।
- এই উপাধীর কারণে অনেকেই দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তকে 'কিংবদন্তীর বিক্রমাদিত্য' হিসেবে মনে করেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫২৯.
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯১০ সালে
  2. ১৯০৫ সালে
  3. ১৯০৩ সালে
  4. ১৯০১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১০ সালে
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর:
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থল হাতেম খাঁন মহল্লায় অবস্থিত।
- এই জাদুঘর প্রত্ন সংগ্রহে সমৃদ্ধ।
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজন্যবর্গ, সমসাময়িক জ্ঞানী, গুণী ও পন্ডিতজন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।
- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে প্রদর্শিত সুষমামন্ডিত শত শত মূর্তি, রাজ্যপালের ভাতুরিয়া লিপি, প্রথম মহিপালের রাজভিটালিপি, দেওপাড়া প্রশস্তি এবং লক্ষণ সেনের বাগবাড়ী প্রশস্তিতে বরেন্দ্রের নিজস্ব শিল্প ঘরানার যথার্থতা উন্মোচিত হয়েছে।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে রয়েছে সমৃদ্ধশালী একটি পুঁথি সংগ্রহশালা।
- এছাড়াও রয়েছে প্রায় পনেরো হাজার দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থ ও পত্রিকা সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থাগার।
- বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫৩০.
মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হবে - 
  1. ২০২৭ সালে
  2. ২০২৬ সালে
  3. ২০২৫ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর:
- ২০২৬ সালে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হবে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১ নভেম্বর মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল উদ্বোধন ও প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চট্টগ্রাম বন্দর অর্থনীতির লাইফ লাইন, মাতারবাড়ি বন্দরও হবে প্যারালাল অর্থনীতির লাইফ লাইন।
- এই বন্দর ঘিরে যে ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ হবে তা দেশের অর্থনীতি তথা জিডিপিতে ২-৩ শতাংশ অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়।

উৎস:- ঢাকা পোস্ট ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৫৩১.
নিচের কোন জেলায় একটি মাত্র সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. ক) মেহেরপুর
  2. খ) বরগুনা
  3. গ) নারায়ণগঞ্জ
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি। এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি। এর মধ্যে বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
(সূত্র: নির্বাচন কমিশন)
৩,৫৩২.
মুজিবনগর সরকারের মূখ্য সচিব কে ছিলেন?
  1. আমিনুল ইসলাম
  2. রুহুল কুদ্দুস
  3. ইউসুফ আলী
  4. কামাল হোসেন
সঠিক উত্তর:
রুহুল কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুহুল কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো:

- মুজিবনগর সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জনাব রুহুল কুদ্দুস প্রধান সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন।
- সুষ্ঠু প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জুলাই মাসে (১৯৭১) বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- এগুলোর নাম দেয়া হয় জোনাল কাউন্সিল।
- মুজিবনগর সরকারের প্রতি আনুগত্য ঘোষণাকারী প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যদের প্রত্যক্ষভোটে ১১ জন আঞ্চলিক চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে একজন করে আঞ্চলিক প্রশাসক বা জোনাল এডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগ করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ত্রাণ, প্রকৌশল, পুলিশ, তথ্য ও হিসাব কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৩৩.
’মুক্ত বাংলা’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. কুষ্টিয়া
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
‘মুক্ত বাংলা’:
- কুষ্টিয়া জেলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অবস্থিত স্মারক ভাস্কর্য ‘মুক্ত বাংলা’।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকতেই ডানে তাকালে চোখে পড়বে দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্যটি। 
- ১৯৯৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ ইনাম উল হক স্মারক ভাস্কর্য মুক্ত বাংলার উদ্বোধন করেন।
- খ্যাতিমান স্থপতি রশিদ আহমেদের নকশার ভিত্তিতে স্থাপিত হয় অপরূপ শিল্পকর্মটি।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।
৩,৫৩৪.
বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) দেবপ্রিয় ভট্রাচার্য
  2. খ) রেহমান সোবহান
  3. গ) অর্মত্য সেন
  4. ঘ) আকবর আলি খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকবর আলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকবর আলি খান
ব্যাখ্যা
• সাবেক তত্ত্ববধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান মারা গেছেন ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে।
• তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য বই -
- দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ,
- পরার্থপরতার অর্থনীতি, আজব ও জবর আজব অর্থনীতি,
- অবাক বাংলাদেশ;
- বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি,
- বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি,
- পুরানো সেই দিনের কথা (আত্নজীবনী)।  

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।
৩,৫৩৫.
সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ চালিত বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৫ এর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ২০.১০ কিলোমিটার
  2. খ) ১৭.৪০ কিলোমিটার
  3. গ) ২১.০২ কিলোমিটার
  4. ঘ) ২৩.১০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭.৪০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭.৪০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
MRT Line-5: Southern Route বা ঢাকা মহানগরীর দ্বিতীয় পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোরেলে ২০৩০ সালে প্রতিদিন ৯ লক্ষ ২৪ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন।
প্রতিটি একমুখী মেট্রো ট্রেন ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড পরপর ১৬ টি স্টেশনে থেমে ৩০ মিনিটে গাবতলী থেকে বালুরপাড় পর্যন্ত যাতায়াত করবে।
ট্রেনটির সর্বোচ্চ যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৩০৮৮ জন। 
মোট  দৈর্ঘ্য : ১৭.৪০ কিলোমিটার। উড়াল : ৪.৬০ কিলোমিটার, পাতাল : ১২.৮০ কিলোমিটার। 

উৎস: https://dmtcl.portal.gov.bd/
৩,৫৩৬.
প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় -
  1. ২২শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে
  2. ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে
  3. ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে
  4. ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে
সঠিক উত্তর:
২৩শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম শহীদ মিনার:

- ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ- পূর্ব পাশে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।
- ঐ দিন বিকেলবেলা পুলিশ এটি ভেঙে ফেলে।
- এরপর ১৯৬৩ সালে হামিদুর রহমানের নকশায় নির্মিত শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৫৩৭.
১৯৫৬ সালের সংবিধান কত বছর কার্যকর ছিল?
  1. ৩ বছর
  2. ১ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৬ সালের সংবিধান:
- সংবিধান একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন, যার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকেই একটি কার্যকর সংবিধান প্রণয়নের দাবি ওঠে।
- নতুন রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান শুরুতে ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী পরিচালিত হতো।
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৪৬ সালের নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয় পাকিস্তান গণপরিষদ।
- এই গণপরিষদের দায়িত্ব ছিল কেন্দ্রীয় আইনসভা হিসেবে কাজ করা এবং একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা।
- কিন্তু শাসকগোষ্ঠীর অসহযোগিতা ও অনীহার কারণে গণপরিষদের কার্যক্রম বিঘ্নিত হতে থাকে।
- ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে গণপরিষদ একটি মূলনীতি কমিটি গঠন করে।
- তবে এই কমিটিতে পূর্ব বাংলার প্রতিনিধিত্ব ছিল খুবই কম।
- দীর্ঘ ১৮ মাস পর কমিটি তাদের প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যা পূর্ব বাংলার জনগণকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে বঞ্চিত করে।
- ফলস্বরূপ, ১৯৫০ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হলে পূর্ব বাংলায় তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয় এবং জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করে।
- পরবর্তী সময়ে মূলনীতি কমিটি ১৯৫২ সালে দ্বিতীয় ও ১৯৫৩ সালে তৃতীয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে, কিন্তু সংবিধান প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন হয়নি।
- অবশেষে ১৯৫৫ সালের মার্চ মাসে গভর্নর জেনারেল নতুন করে সংবিধান প্রণয়নের উদ্যোগ নেন।
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের নেতারা এক চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হন এবং তারই ভিত্তিতে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান রচিত হয়। এই সংবিধানটি দুই বছর কার্যকর ছিল।
- তবে ১৯৫৮ সালে প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইসকান্দর মির্জা সামরিক শাসন জারি করলে সংবিধান স্থগিত হয়ে যায়।
- এর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানে সাংবিধানিক শাসনের অবসান ঘটে এবং দেশটি আবার সামরিক ও স্বৈরশাসনের পথে অগ্রসর হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,৫৩৮.
বাংলা একাডেমি কত সালে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা

রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি ২০১০ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীতের চর্চা এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারের মান নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা।
- নগদ পুরস্কারের সঙ্গে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৩,৫৩৯.
বর্তমান কোন অঞ্চল হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. সিলেট 
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
সিলেট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট 
ব্যাখ্যা

হরিকেল:
- সপ্তম ও অষ্টম শতক হতে দশম ও একাদশ শতক পর্যন্ত হরিকেল নামে একটি স্বতন্ত্র জনপদ ছিলো বলে
- এ জনপদের অবস্থান ছিল বাংলার পূর্ব প্রান্তে।
- আধুনিক সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই জনপদ বিস্তৃত ছিল।

অন্যদিকে,
বরেন্দ্র:
- বরেন্দ্রী, বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রভূমি নামে প্রাচীন বাংলায় অপর একটি জনপদের কথা জানা যায়।
- এটিও উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ।
- অনুমান করা হয়, পুঞ্জের একটি অংশ জুড়ে বরেন্দ্রর অবস্থান ছিল।
- বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলার অনেক এলাকা এবং সম্ভবত পাবনা জেলাজুড়ে বরেন্দ্র বিস্তৃত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,৫৪০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. তুলা
  3. সার
  4. সুতা
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা

-বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী      
• বাংলাদেশের আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য:

ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য:

১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ:
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৩,৫৪১.
মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কোথায় ছিল?
  1. মেহেরপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. কলকাতা
  4. আগরতলা
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার
- বাংলাদেশের প্রথম সরকার "মুজিবনগর সরকার"।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল এই সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল, তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমায় মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন -- আব্দুল মান্নান।
- সেই অনুষ্ঠানে নবগঠিত মন্ত্রীসভাকে শপথবাক্য পাঠ করান -- অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন -- অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন -- মাহবুব উদ্দিন আহমেদ এর নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি দল। 
- এই সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে।

উল্লেখ্য,
- মুজিবনগর সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় সহ মোট ১৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ছিল।
- রাষ্ট্রপতি -- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি -- সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী -- তাজউদ্দিন আহমদ।
- প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, তথ্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী -- তাজউদ্দিন আহমদ।
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী -- এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান।
- অর্থমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী -- মোহাম্মদ মনসুর আলী।

তথ্য- পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো মোজাম্মেল হোক।
৩,৫৪২.
সম্রাট শাহ আলম কোন চুক্তি অনুসারে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দীউয়ানি প্রদান করেন?
  1. কারা চুক্তি
  2. এলাহাবাদ চুক্তি
  3. পাটনা চুক্তি
  4. দিল্লী চুক্তি
সঠিক উত্তর:
এলাহাবাদ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এলাহাবাদ চুক্তি
ব্যাখ্যা
এলাহাবাদ চুক্তি: 
- দ্বিতীয় শাহ আলম (১৭৬১-১৮০৫) দিল্লির মুঘল সম্রাট আজিজুদ্দীন দ্বিতীয় আলমগীরের পুত্র।
- বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম মীর কাসিমকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার সুবাহদার হিসেবে অভিষিক্ত করেন এবং বিনিময়ে নওয়াব কর্তৃক বার্ষিক ২৪ লক্ষ টাকা কর প্রদানের প্রতিশ্রুতি আদায় করেন।
- ১৭৫১ সাল থেকে ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধ পর্যন্ত বাদশাহ শাহ আলম অযোদ্ধার নওয়াব  সুজাউদ্দৌলার আশ্রয়ে ছিলেন।
- বক্সারের যুদ্ধের পর সম্রাট শাহ আলম এলাহাবাদ চুক্তি অনুসারে (১৭৬৫) বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা বা দীউয়ানি প্রদান করেন।
- কোম্পানি কারা ও এলাহাবাদকে বাদশাহর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্মত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৩,৫৪৩.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়?
  1. অনুচ্ছেদ - ২
  2. অনুচ্ছেদ -৩
  3. অনুচ্ছেদ - ৪
  4. অনুচ্ছেদ - ৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২
ব্যাখ্যা
তৃতীয় সংশোধনী: 
- তৃতীয় সংশোধনী আইন সংবিধান (তৃতীয় সংশোধনী) আইন, ১৯৭৪ বলবৎ হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর। এর দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কতিপয় ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে একটি চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের ২ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়।

অনুচ্ছেদ - ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত হবে

(ক) ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা-ঘোষণার অব্যবহিত পূর্বে যে সকল এলাকা নিয়ে পূর্ব পাকিস্তান গঠিত ছিল [এবং সংবিধান (তৃতীয় সংশোধন) আইন, ১৯৭৪-এ অন্তর্ভুক্ত এলাকা বলে উল্লিখিত এলাকা, কিন্তু উক্ত আইনে বহির্ভূত এলাকা বলে উল্লিখিত এলাকা তদ্‌বহির্ভূত; এবং]
(খ) যে সকল এলাকা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের সীমানাভুক্ত হতে পারে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৩,৫৪৪.
Who was the Last Viceroy of British India?
  1. Lord Lytton
  2. Lord Canning
  3. Lord Curzon
  4. Lord Mountbatten
  5. Lord Hardinge II
সঠিক উত্তর:
Lord Mountbatten
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Mountbatten
ব্যাখ্যা
লর্ড মাউন্টব্যাটেন:
- তিনি ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় ছিলেন।
- ভাইসরয় হিসেবে তাঁর কার্যকাল সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়ে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- সেসব সিদ্ধান্তের মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ভারত ও পাকিস্তানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর।

উল্লেখ্য,
- তিনি গভর্নর জেনারেল হিসেবে ১৯৪৭ সালের আগস্ট থেকে ১৯৪৮ সালের জুন পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- মাউন্টব্যাটেন কর্মজীবন থেকে অবসর নেওয়ার পরও ভারত বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহী ছিলেন।
- মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালে ‘আর্ল’ উপাধি প্রাপ্ত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৫৪৫.
পেট্রোবাংলার তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা কত মিলিয়ন ঘনফুট?
  1. তিন হাজার মিলিয়ন ঘনফুট
  2. চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট
  3. পাঁচ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট
  4. ছয় হাজার মিলিয়ন ঘনফুট
সঠিক উত্তর:
চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট
ব্যাখ্যা
দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা:
- পেট্রোবাংলার তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। 
- এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ করা হয় দুই হাজার ৮৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
- বাকিটা আমদানীকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মেটাতে ২০২৫ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে স্থলভাগে আরো ৫০ থেকে ৬০টি কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
- ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।
- বিভিন্ন সিসমিক সার্ভের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ১১৬টি লিডের (কূপ খননের জায়গা) তালিকা এর মধ্যে পেট্রোবাংলার কাছে পাঠিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রডাকশন কম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
-  ১১৬টি গ্যাসকূপ খননের জায়গার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সিলেট, ভোলা, কুমিল্লা ও ফেনীর অঞ্চলগুলো রয়েছে।’

উৎস: ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
৩,৫৪৬.
সম্প্রতি, আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা থেয়ারওয়ার্ল্ডের ‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন কে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  2. ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. মোঃ তৌহিদ হোসেন
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড:
- সম্প্রতি, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস থেয়ারওয়ার্ল্ডের ‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন।
- স্থানীয় সময় ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ নিউইয়র্কে থেয়ারওয়ার্ল্ডের বার্ষিক উচ্চপর্যায়ের গ্লোবাল এডুকেশন ডিনার-এ মুহাম্মদ ইউনূসকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- শিক্ষা ও সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাঁর পথপ্রদর্শক ভূমিকা এবং মানবকল্যাণে আজীবন প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা পেলেন তিনি।
- মুহাম্মদ ইউনূসের পাশাপাশি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডিকেও সম্মাননা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- শিশুদের জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা থেয়ারওয়ার্ল্ড বিশ্বব্যাপী শিক্ষার সংকট নিরসন এবং নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনা বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৩,৫৪৭.
২০১৫-২০১৬ ভিত্তি বছর অনুসারে বাংলাদেশের মোট জিডিপি কত বিলিয়ন মার্কিন ডলার?
  1. ক) ৩৫৩ বিলিয়ন
  2. খ) ৩৭১ বিলিয়ন
  3. গ) ৪১৬ বিলিয়ন
  4. ঘ) ৪৩৮ বিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
গ) ৪১৬ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪১৬ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা
নতুন ভিত্তিবছর ২০১৫-২০১৬ অনুসারে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের:
- মোট জিডিপি : ৪১৬.২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
- মোট জাতীয় আয় : ৪৩৮.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট জিডিপি : ৩৫,৩০১,৮৪৮ কোটি টাকা
- মোট জাতীয় আয় : ৩৭,১৫৯,৯৬৬ কেটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি : ২,৪৬২ মার্কিন ডলার
- মোট জাতীয় আয় : ২,৫৯১ মার্কিন ডলার।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৩,৫৪৮.
'দারিদ্র্য বিলোপ' SDG-এর কত নং অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রার বিষয়বস্তু?
  1. ১২ নং
  2. ৬ নং
  3. ৮ নং
  4. ১ নং
সঠিক উত্তর:
১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নং
ব্যাখ্যা
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
 ১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫৪৯.
বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ-
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো BSEC (Bangladesh Security Exchange Commission)। এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত। বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ দুটো। বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ। এগুলো হলো DSE (Dhaka Stock Exchange) এবং CSE (Chittagong Stock Exchange)।
[সূত্রঃ BSEC ওয়েবসাইট]
৩,৫৫০.
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কোন বিভাগের অধীন?
  1. ক) আইন বিভাগ
  2. খ) বিচার বিভাগ
  3. গ) প্রতিরক্ষা বিভাগ
  4. ঘ) শাসন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
খ) বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
সুপ্রিমকোর্ট, অধস্তন আদালত এবং প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল নিয়ে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ গঠিত। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে স্থাপিত আদালত। যেমনঃ শ্রম আদালত, ভাড়া নিয়ন্ত্রক আদালত। (সূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)।
৩,৫৫১.
চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্রের পটভূমি কী?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. দেশভাগ
  3. বঙ্গভঙ্গ
  4. ছিয়াত্বরের মন্বন্তর
সঠিক উত্তর:
দেশভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশভাগ
ব্যাখ্যা
- 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত।
- এটির পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- ছবিটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায়।
- শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ মোট সাতটি ক্যাটাগরিতে এটি ১৯৯৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন এবং চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র)
৩,৫৫২.
মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশকে কত বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দিচ্ছে জাপান?
  1. ক) ৩.৫৭ বিলিয়ন ডলার
  2. খ) ২.৬৭ বিলিয়ন ডলার
  3. গ) ৪.৭১ বিলিয়ন ডলার
  4. ঘ) ১.৯৭ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৬৭ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৬৭ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
- মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে বাজেট সহায়তাসহ কয়েকটি মেগা প্রকল্পে বাংলাদেশকে ২.৬৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দিচ্ছে জাপান।
- ২২ নভেম্বর, ঢাকায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে দুই দেশের মধ্যে ঋণচুক্তি সই হয়েছে।
উৎস : দ্যা ডেইলি ষ্টার 
৩,৫৫৩.
পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. নওগাঁ
  3. ভোলা
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এই মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- পাহাড়পুরএর উৎখননকৃত বিহার কমপ্লেক্সের সঙ্গে সোমপুর মহাবিহারকে অভিন্ন মনে করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫৫৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ৩.৩৫%
  2. ৪.৩৪%
  3. ৫.৩২%
  4. ৪.৫৪%
সঠিক উত্তর:
৪.৩৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৩৪%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
• খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার:
- কৃষি: ১.৭৯%.
- শিল্প: ৪.৩৪%.
- সেবা: ৪.৫১%.

• স্বাক্ষরতার হার (৭ বছর+):
- মোট: ৭৭.৯%
- পুরুষ: ৮০.১%
- মহিলা: ৭৫.৮%

• প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল:
- মোট: ৭২.৩ বছর
- পুরুষ: ৭০.৮ বছর
- মহিলা: ৭৩.৮ বছর

• খাত ভিত্তিক শ্রমশক্তি নিয়োজিত:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%
- শিল্প: ১৭.৩৭%
- সেবা: ৩৭.৯৬%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৩,৫৫৫.
বাংলার ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের ওপর ছবি এঁকে বিখ্যাত হন কোন শিল্পী?
  1. শফি উদ্দীন আহমেদ
  2. কামরুল হাসান
  3. এস এম সুলতান
  4. জয়নুল আবেদিন
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ২৯ ডিসেম্বর তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহকুমার কেন্দুয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ে ১৯৪৩ সালে মহামারী দুর্ভিক্ষ আঘাত হানে বাংলায়।
- এই দুর্ভিক্ষই জয়নুল আবেদিনকে প্রকৃতি আর নিসর্গ শিল্পী থেকে রূপান্তরিত করে এক বিদ্রোহী শিল্পীতে।
- বাংলার দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে তুলির টানে এঁকে গেছেন একের পর এক দুর্দান্ত ছবি।
- চিত্রকর্মগুলি জয়নুলকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
- কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা এগুলি মানুষের দুর্দশা, কষ্ট ও প্রতিবাদকে সামনে এনে বাস্তবধর্মী চিত্র অঙ্কনে তাঁর স্বকীয়তাকে বিকশিত করে।
- ‘দুর্ভিক্ষ’ শিরোনামের সেই চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত হন এই পথকৃৎ শিল্পী।
- ১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁও এ একটি লোকশিল্প জাদুঘর এবং ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর অংকিত কিছু চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৩,৫৫৬.
রাজনৈতিক দল কিসের ভিত্তিতে কর্মসূচি প্রণয়ন করে?
  1. ক) নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত  পদ্ধতিতে
  2. খ) ব্যক্তিস্বার্থের ভিত্তিতে
  3. গ) আন্তর্জাতিক চাপের ভিত্তিতে
  4. ঘ) সরকারি নীতির ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
ক) নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত  পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত  পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক দল কর্মসূচি প্রণয়ন: 
- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকে। এই কর্মসূচিকে বাস্তবে রূপায়িত করার জন্য দলগুলো নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত পদ্ধতিতে অগ্রসর হয়।
- রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কর্মকান্ড আঞ্চলিক অথবা জাতীয় ভিত্তিতে পরিচালিত হতে পারে।
- রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য হল রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন। লক্ষ্য পূরণের জন্য রাজনৈতিক দলের প্রধান কাজ থাকে সদস্য নিয়োগ, নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরকার গঠন ও পরিচালনা,সরকারের কর্মসূচি নির্ধারণ ও প্রয়োগ। 
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রাভাবিত করা। 

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৫৫৭.
একমাত্র কোন মুসলিম কবি সুলতানি আমলে বাংলায় কাব্য রচনা করেন?
  1. ক) শাহ মুহাম্মদ সগীর
  2. খ) শেখ আলাউল হক
  3. গ) সারিবদ্ধ খা
  4. ঘ) সৈয়দ আশরাফ সিমনানী
সঠিক উত্তর:
ক) শাহ মুহাম্মদ সগীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শাহ মুহাম্মদ সগীর
ব্যাখ্যা
• মধ্যযুগ ও মুসলিম শাসন:
- মুসলিম শাসকগণ বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতাও করেন। এই সময়ে বাংলা ভাষা সাহিত্যের মর্যাদা পায় এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সুলতানদের দরবারে প্রবেশ করে।

- প্রথমে সুলতানরা ও তাঁদের আমাত্যেরা হিন্দু কবিদের উৎসাহ দেন ও পৃষ্ঠপোষকতা করেন। অর্থাৎ মুসলিম সুলতানরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বাংলা সাহিত্যের উৎপত্তি ও বিকাশে সহায়তা দান করেন। পরে মুসলিম কবিরাও বাংলা ভাষায় কাব্য রচনা করেন।
- শাহ মুহাম্মদ সগীর একমাত্র মুসলিম কবি যিনি সুলতানি আমলে কাব্য রচনা করেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৫৮.
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের কয়টি বিভাগ রয়েছে?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ২ টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
• বিচার বিভাগ:
- সুপ্রিমকোর্টের রয়েছে দুইটি বিভাগ।
• আপিল বিভাগ, 
• হাইকোর্ট বিভাগ।
- সরকারের যে অঙ্গ বা বিভাগ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য সংবিধান ও আইন অনুযায়ী বিচার কাজ পরিচালনা করে থাকে তাকে বলা হয় বিচারবিভাগ।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন বিচারালয়ের বিচারকদের নিয়ে এ বিভাগ গঠিত।
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ স্তর হলো সুপ্রিমকোর্ট।
- এর প্রধানকে 'বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি' বলা হয়।
- রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিয়োগ দেন।
- এই দুটি বিভাগের বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হনG
- দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে বিচার কাজ পরিচালনা করে থাকেন।

এছাড়াও,
• নিম্নস্তর আদালত:
- যে আদালতে নাগরিকদের অধিকার, অপরাধ, বিরোধ সংক্রান্ত মামলা সম্পন্ন হয় তাকে নিম্নস্তর আদালত বা অধঃস্তন আদালত বলে।
- নিম্নস্তরের আদালতকে অপরাধের প্রকৃতি অনুসারে দু'টি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা

• ফৌজদারি আদালত।
-  জনগণের বিভিন্ন প্রকার অপরাধ সংক্রান্ত মামলার বিচার করা হয় ফৌজদারি আদালতে।

• দেওয়ানি আদালত।
- নাগরিকদের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলার বিচার করা হয় দেওয়ানি আদালতে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৫৯.
Who was the first Governor General of India?
  1. Warren Hastings
  2. William Bentick
  3. Lord Delhousie
  4. Lord Canning
সঠিক উত্তর:
William Bentick
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Bentick
ব্যাখ্যা
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক:
- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৮ -৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- বেন্টিংক মাদ্রাজের গভর্নর হিসেবে ১৮০৩ সালে প্রথম ভারতে আসেন।
- ১৮৩৩ সালের সনদ আইন দ্বারা পরে তাঁর পদবিকে ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে পুনরাখ্যায়িত করা হয়।
⇒ ১৮৩৩ সালের সনদ আইন দ্বারা বাংলার গভর্নর জেনারেলকে ভারতের গভর্নর জেনারেলে উন্নীত করা হয়।
- ফলে বাংলার তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।
উল্লেখ্য,
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক সাধারণত হস্তক্ষেপ না করা এবং অনাক্রমণের নীতি অনুসরণ করেছিলেন।
- ১৮৩১ সালে মহিশূরে অনেকদিন যাবৎ চলতে থাকা কুশাসন ঐ রাজ্যটিকে ব্রিটিশ প্রশাসনে আনতে তাঁকে বাধ্য করে।
- বেন্টিঙ্ক উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন এবং সেখানে রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন।
- সতীদাহ নিবারণ ও ঠগী দমন হলো বেন্টিঙ্কের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- তিনি সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন করেন।

রেগুলেটিং এ্যাক্ট (১৭৭৩ খ্রি:):
- উপমহাদেশে কোম্পানির যাবতীয় কাজ প্রথমে ইংল্যান্ডের বোর্ড অব ডাইরেক্টরস পরিচালনা করত।
- কালক্রমে এদেশে রাজ্য বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে শাসন কাজেও নানা বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
- এ বিশৃংখলা দূর করার জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সর্বপ্রথম উপমহাদেশের শাসন কাজে হস্তক্ষেপ করে।
- তদানীন্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থ ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে শাসন আইন নামে একটি আইন পাস করেন যা 'রেগুলেটিং এ্যাক্ট' নামে ইতিহাসে বিখ্যাত।
- রেগুিলেটিং এ্যাক্ট এর দ্বারা বোর্ড অব ডাইরেকট্রসকে ব্রিটিশ সরকারের নিকট কোম্পানির শাসন ও রাজস্ব সম্পর্কে সকল তথ্য পাঠাতে হতো।
- বাংলার গভর্নরকে গভর্নর জেনারেল আখ্যা দেয়া হয়।
- গভর্নর জেনারেলকে সাহায্য করার জন্য ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি 'কাউন্সিল' গঠিত হয় এবং সবার সমান অধিকার দেয়া হয়।
- এই রেগুলেটিং এ্যাক্ট অনুসারে বাংলার গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- এ রেগুলেটিং এ্যাক্ট এর দোষ-ত্রুটি থাকলেও তা উপমহাদেশের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। 

অন্যদিকে,
- স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৮ -৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড ক্যানিং।
- লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮-১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৬০.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাজেট -এর মোট পরিমাণ কত টাকা?
  1. ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
  2. ৬ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
  3. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা
  4. ৮ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

৩,৫৬১.
'উফশী' কি?
  1. ক) উন্নতজাতের আধুনিক ধান চাষ
  2. খ) উচ্চফলনশীল এক জাতের গম
  3. গ) উচ্চফলনশীল এক জাতের পাট
  4. ঘ) উচ্চফলনশীল এক জাতের আখ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঙ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
উফশী শব্দের পূর্ণরূপ উচ্চফলনশীল।
৩,৫৬২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য কতজন নারীকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৩,৫৬৩.
পাকিস্তানের গণপরিষদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবী কে জানিয়েছিলেন?
  1. ক) শামসুল হক
  2. খ) মনোরঞ্জন ধর
  3. গ) ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ঘ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
 গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা দাবী:

- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন।
- কিন্তু প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানসহ অন্যান্য মুসলিম লীগ সদস্যরা এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে। এতে করে প্রস্তাবটি বাতিল ঘোষিত হয়।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়। 
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
-  ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। 
-  গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
 
৩,৫৬৪.
হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত চলচ্চিত্র -
  1. দীপু নাম্বার টু
  2. জয়যাত্রা
  3. দুই দুয়ারী
  4. দারুচিনি দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
দুই দুয়ারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই দুয়ারী
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলা।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা পরিচালিত চলচ্চিত্র গুলো হলো - 
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।

অন্যদিকে,
- দারুচিনি দ্বীপ ও জয়যাত্রা পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ।
- দীপু নাম্বার টু চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন মোরশেদুল ইসলাম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৫৬৫.
পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি কে ছিলেন?
  1. ড. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল
  2. অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী
  3. অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী
  4. ড. মোহাম্মদ ইব্রাহীম
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
৩,৫৬৬.
'বরকত' কোন ফসলের জাত?
  1. পাট
  2. ধান
  3. ভুট্টা
  4. গম
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

• উন্নত জাতের গম:
- আনন্দ, কাঞ্চন, আকবর, বরকত, অঘ্রাণী, সোনালিকা
- কল্যাণসোনা, প্রতিভা, গৌরব, শতাব্দী, বলাকা, দোয়েল
- সনোরা-৬৪, , ইনিয়া-৬৬, জুপাটিকা-৭৩,  সওগাত, সৌরভ
-  নুরী-৭০, , টেনোরী-৭১, নরটেনো-৬৭, প্যাভন-৭৬ 
- বারিগম-১৭ , বারিগম-১৮ , , বারিগম-১৯ 
- বারিগম-২০ , বারিগম-২১, 

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৫৬৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৬
  2. অনুচ্ছেদ ১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১৮ক
  4. অনুচ্ছেদ ১৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ক
ব্যাখ্যা
পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন:
-বাংলাদেশ সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদের বিধান: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন:
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।\

- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদে পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন নিয়ে যে বিধান রয়েছে, তা আসলে রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং ভবিষ্যৎ নাগরিকদের স্বার্থে প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে।
- মূল উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশের ভারসাম্য এবং জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা, যাতে তারা সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশে বাস করতে পারে।

এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ-১৬ এর বিধান → গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
অনুচ্ছেদ-১৮ এর বিধান → জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা। 
অনুচ্ছেদ-১৯ এর বিধান→ সুযোগের সমতা।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৫৬৮.
রাজস্ব নীতি (Fiscal Policy) এর প্রধান দুটি উপাদান কী কী?
  1. মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হার
  2.  আমদানি - রপ্তানি ও রিজার্ভ অনুপাত
  3. মুদ্রার বিনিময় হার ও বৈদেশিক ঋণ 
  4.  সরকারি আয় এবং সরকারি ব্যয়
সঠিক উত্তর:
 সরকারি আয় এবং সরকারি ব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 সরকারি আয় এবং সরকারি ব্যয়
ব্যাখ্যা

• রাজস্ব নীতি (Fiscal Policy) এর প্রধান দুটি উপাদান-  সরকারি আয় এবং সরকারি ব্যয়

• রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহ:
- রাজস্ব নীতির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য যে সকল পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় সেগুলোকে রাজস্ব নীতির উপকরণ বা হাতিয়ার বলা হয়। - নিম্নে রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহ:
১. সরকারি ব্যয়।
২. সরকারি ঋণ।
৩. ভর্তুকি।
৪. কর (আয়)।
৫. হস্তান্তর ব্যয়।
৬. বাধ্যতামূলক সঞ্চয়।

• রাজস্ব নীতি (Fiscal Policy):
→ সরকারি অর্থব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাজস্ব নীতি। সরকার বিভিন্ন অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে সকল নীতি গ্রহণ করে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো রাজস্ব নীতি।
- সংক্ষেপে সরকারের রাজকোষ পরিচালনা নীতি হলো রাজস্ব নীতি। 

• আর্থিক নীতির হাতিয়ার (Instruments of Monetary Policy):
একটি দেশে পূর্ণ নিয়োগ অর্জন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য আর্থিক নীতির কতগুলো হাতিয়ার ব্যবহার করা হয়। আর্থিক নীতির হাতিয়ার সমূহ :
১. অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ: 
২. ন্যূনতম রিজার্ভ অনুপাত: 
৩. ব্যাংক হারের পরিবর্তন:
৪. খোলাবাজারে ঋণপত্র ক্রয়-বিক্রয়: 
৫. নৈতিক চাপ প্রয়োগ: 
৬. প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ: 

উৎস: সামষ্টিক অর্থনীতি, বাংলাদেশ ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৫৬৯.
বাংলাদেশের ৪র্থ বৃহত্তম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম ইপিজেড
  2. ঢাকা ইপিজেড
  3. উত্তরা ইপিজেড
  4. কুমিল্লা ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা ইপিজেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা ইপিজেড
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড: কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম।

সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩,
• ঢাকা ইপিজেড: ১৯৯৩,
• মংলা, খুলনা ইপিজেড: ১৯৯৮,
• কুমিল্লা ইপিজেড: ২০০০,
• উত্তরা, নীলফামারী ইপিজেড: ২০০১,
• ঈশ্বরদী, পাবনা ইপিজেড: ২০০১,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ ইপিজেড: ২০০৬, 
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম ইপিজেড: ২০০৬।
- এর বাইরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রয়েছে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল। 

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
৩,৫৭০.
২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে _____ ।
  1. ক) ১৬ কোটি ২৮ লাখ
  2. খ) ১৭ কোটি ৩৬ লক্ষ
  3. গ) ১৮ কোটি ৫০ লক্ষ
  4. ঘ) ১৯ কোটি ৬৮ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ কোটি ৩৬ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ কোটি ৩৬ লক্ষ
ব্যাখ্যা
UNFPA এর তথ্য অনুসারে ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে সর্বোচ্চ ১৭ কোটি ৩৬ লক্ষ এবং ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে সর্বোচ্চ ২২ কোটি ৩৫ লক্ষ।
Source: BANGLADESH BUREAU OF STATISTICS (BBS), STATISTICS AND INFORMATICS DIVISION (SID), MINISTRY OF PLANNING.
৩,৫৭১.
তমুদ্দিন মজলিসের মুখপাত্র হিসেবে কোন পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো?
  1. ক) জ্ঞানাঙ্কুর
  2. খ) শিখা
  3. গ) সৈনিক
  4. ঘ) মিল্লাত
সঠিক উত্তর:
গ) সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৈনিক
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন হলো তমুদ্দিন মজলিস। এটি ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেম এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর তমুদ্দিন মজলিসের মুখপাত্র হিসেবে সাপ্তাহিক ‘সৈনিক’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার জন্যে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়। এর আহবায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৩,৫৭২.
কখন ব্রিটিশ মন্ত্রী মিশন ভারতে আসে?
  1. ১৯৪৬ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৩ সালে
  4. ১৯৪২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৬ সালে
ব্যাখ্যা
মন্ত্রী মিশন: 
- ভারতের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি মিশন এ দেশে প্রেরণ করা হয়, যা মন্ত্রী মিশন নামে পরিচিত।
- ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার তিনজন প্রভাবশালী মন্ত্রি যথা, ভারত সচিব লর্ড লরেন্স, বাণিজ্য বোর্ডের সভাপতি স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রীপস এবং নৌ-বিভাগের প্রথম লর্ড এ.ভি. আলেকজান্ডারকে নিয়ে গঠিত একটি মিশন ভারতে প্রেরণ করা হয়।
- অনেক আলাপ-আলোচনা শেষে ১৯৪৬ সালের ১৬ মে মিশন একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করে।
- এটি 'মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা' নামে অভিহিত।
- এর প্রস্তাবগুলো দু'ভাগে বিভক্ত ছিল যথা, স্বল্প মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী।
- প্রথমটির অংশ হিসেবে কংগ্রেস, মুসলিম লীগ ও অন্যদের নিয়ে কেন্দ্রে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের কথা বলা হয়।
- দ্বিতীয় ভাগে ভারত বিভক্তির পরিবর্তে খুবই শিথিল একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় ঐক্যবদ্ধ রাখার সুপারিশ করা হয়।
- সে মতে পরিকল্পনাটি অনেক ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব অর্পণ করে ভারতের প্রদেশগুলোকে "A", "B" I "C" এই তিনটি গ্রুপে বিভক্ত করা হয়।
- মুসলিম লীগ ও এর নেতা জিন্নাহ মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করেন।
- কিন্তু কংগ্রেস ও এর সভাপতি পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু এটি পুরোপুরি গ্রহণে অসম্মতি জানান।
- ফলে মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৭৩.
বর্তমানে বাংলাদেশে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ২৬টি
  2. খ) ২৪টি
  3. গ) ২৩টি
  4. ঘ) ২৭টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৪টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৪টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৫ টি।
- চালুকৃত ১৫টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। 

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
৩,৫৭৪.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  3. অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
  4. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
• পূবালী ব্যাংক পিএলসি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

ব্যাংক:

- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) - ৩৫টি।

রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি।
- রূপালী ব্যাংক পিএলসি।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩,৫৭৫.
বাংলাদেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. কাউখালী
  2. কাপ্তাই
  3. বাঘাইছড়ি
  4. লংগদু
সঠিক উত্তর:
কাপ্তাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাপ্তাই
ব্যাখ্যা
পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:

- বাংলাদেশে পানিশক্তি দ্বারা পরিচালিত একমাত্র বিদ্যুৎ স্থাপনা হলো কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৯৬২ সালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু করা হয়।
- কর্ণফুলি নদীর নির্ধারিত স্থানে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলাধার সৃষ্টি এবং পানির এই শক্তিকে গতিশক্তিতে রুপান্তর করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- এজন্য ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উঁচু বাঁধ তৈরি করা হয়।
- এই বাধেঁর পাশে ১৬ টি জলকপাট সংযুক্ত ৭৪৫ ফুট দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট একটি জল নির্গমনপথ বা স্পীলওয়ে রয়েছ।

তথ্যসূত্র - রাঙ্গামাটি জেলা ওয়েবসাইট।
৩,৫৭৬.
"বাংলাদেশ চা বোর্ড" কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. গ) কৃষি মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) শিল্প মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
খ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ এর মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ চা বোর্ড চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- চা বোর্ডের অধীনে দেশে বর্তমানে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।

উৎসঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩,৫৭৭.
‘মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা’ সম্পর্কে বলা আছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১৭নং
  2. ২৭নং
  3. ১৫নং
  4. ২০নং
সঠিক উত্তর:
১৫নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫নং
ব্যাখ্যা

• ১৫ নং অনুচ্ছেদ ‘মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা’ সম্পর্কিত।

অন্যদিকে,
• ১৭নং অনুচ্ছেদ ‘অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা’ সম্পর্কিত।
• ২৭নং অনুচ্ছেদ ‘আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ সম্পর্কিত।
• ২০নং অনুচ্ছেদ ’অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম’ সংবলিত।

৩,৫৭৮.
মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে শপথ পাঠ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান যাদের:
- প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান যাদের:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান যাদের:
- রাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্যবৃন্দ।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৩,৫৭৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো সম্পর্কে কোনটি সঠিক নয়?
  1. আইন প্রণয়নকালে প্রয়োগ হবে
  2. দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক সূত্র বলে গণ্য হবে
  3. রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে
  4. আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি:
সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদের বিধান মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো 'আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবে' কথাটি সঠিক নয়।

উল্লেখ্য,
সংবিধানের ৮(২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো কোন কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হবে তা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে;
ক. দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক সূত্র বলে গণ্য হবে;
খ. আইন প্রণয়নকালে প্রয়োগ হবে;
গ. সংবিধান ও অন্যান্য আইনের ক্ষেত্রে এই নীতিগুলো দিশারী, নির্দেশক তথা মানদন্ড হিসেবে ব্যবহৃত হবে; এবং
ঘ. রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে সব নীতি।

তথ্যসূত্র -i) বাংলাদেশের সংবিধান।
              ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৮০.
পায়রা সমুদ্র বন্দর দেশের কততম সমুদ্র বন্দর?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. চতুর্থ
  4. তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা
• পায়রা বন্দর: 
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রা।
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত।
- ১৩ আগস্ট ২০১৬ সালে সীমিত পরিসরে পায়রা বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে নিয়মিতভাবে কয়লা ও অন্যান্য পণ্যবাহী জাহাজ এই বন্দরে আগমন করছে।
- নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রয়েল হাসকনিংডিএইচভি এর মাধ্যমে বন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রস্তুত হয়েছে।
- রাবনাবাদ চ্যানেলে মূল খনন (ক্যাপিটাল ড্রেজিং) চলছে।

উল্লেখ্য, 
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- ইংরেজ শাসনের প্রথম দিকে ইংরেজ ও দেশীয় ব্যবসায়ীরা বার্ষিক এক টাকা সেলামির বিনিময়ে নিজ ব্যয়ে কর্ণফুলি নদীতে কাঠের জেটি নির্মাণ করেন।
- ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম দুটি অস্থায়ী জেটি নির্মিত হয়।
- ১৯৫৪ সালের ২০শে জুন মোংলা বন্দর নামকরন করা হয়।
- ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটি নাম পরিবর্তনপূর্বক "মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ” হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫৮১.
Bangladesh has discovered its first-ever iron mine in -
  1. Jhenaidah
  2. Panchagarh
  3. Pabna
  4. Dinajpur
  5. Rangpur
সঠিক উত্তর:
Dinajpur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dinajpur
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনি।

উৎস: ১৮ জুন ২০১৯, প্রথম আলো।
৩,৫৮২.
বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ধানমন্ডির বাসভবনকে কত সালে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়?
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্মৃতি জাদুঘর:
- বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর  রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ৩২ নম্বর সড়কে এটি অবস্থিত।
- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের বাড়িটিই স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে।
- ১৯৬১ সালের ১লা অক্টোবর থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের এই  বাড়িতে বসবাস করতে শুরু করেন। 
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এ বাড়িটিতে বঙ্গবন্ধুসহ তাঁর পরিবারের অন্য সকল সদস্যকে হত্যা করা হয়।
- এখানে তাঁর সারা জীবনের বিভিন্ন দুর্লভ ছবি এবং শেষ সময়ের অনেক স্মৃতি চিহ্ন রয়েছে।
- বাড়িটিতে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত নানা জিনিসপত্র।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের বীভৎস ঘটনার সাক্ষী বহন করছে দেয়াল এবং সিঁড়িতে গুলির চিহ্ন।
- তিনতলা ভবনটিকে বলা হয় বঙ্গবন্ধু ভবন।
- ১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কাছে বাড়িটি হস্তান্তর করা হয়। 
- শেখ হাসিনা বাড়িটিকে জাদুঘরে রুপান্তরের জন্য বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তর করেন।
- বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট বাড়িটিকে জাদুঘরে রুপান্তরিত করে এবং নাম দেয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর।
- ১৯৯৭ সালে এই বাড়িটি জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৫৮৩.
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে বিচারক নিয়োগ দেয়—
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আইনমন্ত্রী
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• সুপ্রিম কোর্ট:
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিমকোর্ট।
- এর রয়েছে দুটি বিভাগ, যথা: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়।
- রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিযুক্ত করেন। প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট গঠিত।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিগণ বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন। 
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হতে হলে তাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। 
- সুপ্রিম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা বাংলাদেশে বিচার বিভাগীয় পদে ১০ বছর বিচারক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
- সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,৫৮৪.
'ওয়ার্ল্ড মনুমেন্টস ওয়াচ' প্রকাশিত বিশ্ববিখ্যাত ২৫টি ঐতিহ্যের তালিকায় বাংলাদেশের কোন জেলা স্থান পেয়েছে?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) বাগেরহাট
  4. ঘ) কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
গ) বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
বিশ্ববিখ্যাত ২৫টি ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে বাগেরহাট:

প্রাচীন স্থাপনার জন্য বিশ্ববিখ্যাত ২৫টি ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদের শহর বাগেরহাট। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হুমকির মুখে থাকা সাংস্কৃতিকভাবে উল্লেখযোগ্য এসব স্থানের তালিকা করেছে ‘ওয়ার্ল্ড মনুমেন্টস ওয়াচ’।

ওয়ার্ল্ড মনুমেন্টস ওয়াচ মূলত ওয়ার্ল্ড মনুমেন্টস ফান্ড (ডব্লিউএমএফ) দিয়ে পরিচালিত একটি প্রকল্প। বিশ্বজুড়ে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ যেসব স্থান জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, ভারসাম্যহীন পর্যটন ও কম প্রচারের কারণে পিছিয়ে পড়ছে; সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ, সংরক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য তহবিল সংগ্রহ করতে সহায়তা দেওয়া এবং এসব বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করে ডব্লিউএমএফ।

 সম্প্রতি ডব্লিউএমএফ ২০২২ সালের এ তালিকা প্রকাশ করেছে। ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতি দুই বছর পরপর তারা এ তালিকা প্রকাশ করে আসছে। ডব্লিউএমএফের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে। ডব্লিউএমএফ বলছে, এবারের তালিকায় অসাধারণ তাৎপর্যপূর্ণ যে ২৫টি ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে, তা ১২ হাজার বছরের ইতিহাসের প্রতিনিধিত্ব করে।

এবারের তালিকা তৈরির জন্য ২২৫টির বেশি স্থানের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো থেকে যাচাই-বাছাই করে ২৫টি স্থানকে ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ওয়ার্ল্ড মনুমেন্টস ওয়াচ। মসজিদের শহর বাগেরহাট এ তালিকায় স্থান পাওয়া বাংলাদেশের একমাত্র স্থান।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২
৩,৫৮৫.
ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন কে?
  1. খাজা নাজিমউদ্দীন
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের লাহোরে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
- ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।
- ৬ দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য-পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র।
- ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে এই ফেডারেল রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসন দিতে হবে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃমোজাম্মেল হক।
৩,৫৮৬.
বর্তমান কোন জেলার অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. বগুড়া
  3. রাজশাহী
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
• পুন্ড্রনগর:

⇒ প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
⇒ পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
⇒ বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
⇒ পরবর্তীকালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
⇒ সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
⇒ এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
⇒ পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
⇒ রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
⇒ গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুন্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
⇒ পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
⇒ প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৮৭.
টার্ণওভার করে মোট টার্ণওভারের উপর কত শতাংশ হারে কর প্রদান করতে হয়?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
চার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার
ব্যাখ্যা

টার্নওভার কর আরোপ ও আদায়:
- কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময়ে করযোগ্য পণ্য বা সেবা সরবরাহ থেকে যে পরিমাণ অর্থ প্রাপ্ত হন সে পরিমাণ অর্থ ঐ সময়ের জন্য তার টার্ণওভার। 
- করযোগ্য কোনো পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহকারী বা সেবা প্রদানকারীর (বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের আওতাভুক্ত পণ্য/সেবা ব্যতীত) বার্ষিক টার্ণওভার ষাট লক্ষ টাকার নিম্নে হলে তাকে টার্ণওভার কর তালিকাভুক্ত হয়ে মোট টার্ণওভারের উপর চার শতাংশ হারে কর প্রদান করতে হয়। এই করকেই টার্ণওভার কর বলা হয়।

• মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর অনুসারে, টার্নওভার কর আরোপ ও আদায় সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ- 
৬৩। (১) তালিকাভুক্ত বা তালিকাভুক্তিযোগ্য ব্যক্তি তাহার অর্থনৈতিক কার্যক্রমের টার্নওভারের উপর 1[৪ (চার)] শতাংশ হারে টার্নওভার কর প্রদান করিবেন: 
2[***] 
(২) কোন তালিকাভুক্ত ব্যক্তির কোন কর মেয়াদে প্রদেয় টার্নওভার কর, উক্ত কর মেয়াদের দাখিলপত্র পেশ করিবার পূর্বে পরিশোধ করিতে হইবে।
(৩) প্রদেয় টার্নওভার কর নিরূপণ ও আদায় পদ্ধতি, হিসাবরক্ষণ, টার্নওভার কর প্রত্যর্পণ, ন্যায়-নির্ণয়ন এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয় বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

3[(৪) তালিকাভুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক ক্রয়কৃত উপকরণের উপর পরিশোধিত মূল্য সংযোজন কর বা টার্নওভার কর রেয়াত গ্রহণ কিংবা হ্রাসকারী সমন্বয় করা যাইবে না।]

উৎস: NBR ওয়েবসাইট ও আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।

৩,৫৮৮.
সোনার বাংলা-১ কী?
  1. ধান
  2. গম
  3. পাট
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র;
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৩,৫৮৯.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নয় কোনটি?
  1. আগামী
  2. জয়যাত্রা
  3. নদীর নাম মধুমতি
  4. বাঙলা
সঠিক উত্তর:
বাঙলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙলা
ব্যাখ্যা
আগামী:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আগামী।
- চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন মোরশেদুল ইসলাম।
- এটি ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হয়।

জয়যাত্রা:

- মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত চলচ্চিত্র জয়যাত্রা।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- জয়যাত্রা সিনেমায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সম্পৃক্ততা ছিল।
- ২০০৪ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়।

নদীর নাম মধুমতি:
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘নদীর নাম মধুমতি’।
- 'নদীর নাম মধুমতি' এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে।
- এতে অভিনয় করেছেন তৌকীর আহমেদ, আফসানা মিমি, আলী যাকের, সারা যাকের, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ঝুনা চৌধুরী প্রমুখ।

অন্যদিকে,
⇒ বাঙলা:
- ভাষা আন্দোলনের দ্বিতীয় সিনেমা বাঙলা।
- ২০০৬ সালে প্রয়াত নির্মাতা শহীদুল ইসলাম খোকন এটি নির্মাণ করেন।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আহমদ ছফার লেখা উপন্যাস ‘ওংকার’ অবলম্বনে নির্মিত হয় সিনেমাটি। 
- প্রয়াত অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদি, মাহফুজ আহমেদ ও শাবনূর অভিনয় করেন এ সিনেমায়।

উৎস: প্রথম আলো।
৩,৫৯০.
মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধানের দায়িত্ব কে পালন করেন?
  1. সচিব
  2. মন্ত্রী
  3. উপ সচিব
  4. মহাপরিচালক
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসন এর দুইটি প্রধান শাখা হচ্ছে সচিবালয় এবং মন্ত্রণালয়।

সচিবালয়ঃ 
⇒ সকল মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় অফিসকে বলা হয় সচিবালয়। 
⇒ সচিবালয়ের অধীনস্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয়ের জন্য পৃথক যে Unit আছে তাকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলা হয় এবং এর প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। 
⇒ রাষ্ট্রপতি সচিবালয়, কর্মকমিশন সচিবালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়।

মন্ত্রণালয়ঃ 
⇒ সচিবালয়ের অধীন একটি প্রশাসনিক ইউনিট হলো মন্ত্রণালয়।
যার নির্বাহী প্রধান হলেন মন্ত্রী এবং প্রশাসনিক প্রধান সচিব। 
⇒ মন্ত্রীপরিষদের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সরকারের প্রধান। 
⇒ মন্ত্রীপরিষদ তাদের কাজকর্মের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।

তথ্যসূত্র- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
৩,৫৯১.
মহাস্থানগড় কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. সারিয়াকান্দি
  2. শিবগঞ্জ
  3. ধুনট
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
শিবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

মহাস্থানগড় :
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হলো পুণ্ড্র।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- মহাস্থানগড়ের অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরের। 
- সুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৫৯২.
বারোভূঁইয়াদের চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে সমগ্র বাংলা মুঘল শাসনের অধীনে আনেন কে?
  1. ক) শায়েস্তা খান
  2. খ) মীর জুমলা
  3. গ) ইসলাম খান
  4. ঘ) যুবরাজ আযম শাহ
সঠিক উত্তর:
গ) ইসলাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইসলাম খান
ব্যাখ্যা

- মুঘল সুবাদার ইসলাম খান চিশতি বারোভূঁইয়াদের দমন করার সহজ করার উদ্দেশ্যে ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে তিনি ঢাকার নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান চিশতি ১৬১১ সালে বারোভূঁইয়াদের চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে সমগ্র বাংলা মুঘল শাসনের অধীনে আনেন।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী

৩,৫৯৩.
নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানটি জনসংখ্যা বিষয়ে গবেষণা করে?
  1. NAPE
  2. NICAR
  3. NAEM
  4. NIPORT
সঠিক উত্তর:
NIPORT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NIPORT
ব্যাখ্যা
NIPORT:
- NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়‌।
- নিপোর্ট এই মন্ত্রণায়লের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

অন্যদিকে,
• NAPE:
- NAPE-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Primary Education.
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি।

• NAEM:
- NAEM-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Educational Management.
- জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি।

• NICAR:
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform.
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩,৫৯৪.
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় শব্দের তীব্রতা কত ডেসিবেল?
  1. ক) ১১৯ ডেসিবেল
  2. খ) ১০৩ ডেসিবেল
  3. গ) ১০১ ডেসিবেল
  4. ঘ) ৯৫ ডেসিবেল
সঠিক উত্তর:
ক) ১১৯ ডেসিবেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১১৯ ডেসিবেল
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক শব্দদূষণ: ২৭ মার্চ ২০২২ জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) ৬১টি শহরকে অন্তর্ভুক্ত করে “Frontiers 2022 : Noise, Blazes and Mismatches!” শিরােনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ১৯৯৯ সালের গাইডলাইন অনুযায়ী, আবাসিক এলাকায় শব্দের গ্রহণযােগ্য সর্বোচ্চ মাত্রা ৫৫ ডেসিবল এবং বাণিজ্যিক এলাকায় ৭০ ডেসিবল নির্ধারিত ছিল।
- ২০১৮ সালের হালনাগাদকৃত গাইডলাইনে সড়কে শব্দের তীব্রতা ৫৩ ডেসিবলের মধ্যে সীমিত রাখার সুপারিশ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুসারে
- সবচেয়ে কম শব্দদূষণ হয় অস্ট্রেলিয়ার মেলবাের্নে, শব্দের তীব্রতা - ২০ ডেসিবল;
- দ্বিতীয় স্পেনের বার্সেলােনা - ২২ ডেসিবল।
- সবচেয়ে বেশি শব্দদূষণ হয় ঢাকায় (১১৯ ডেসিবেল)।
- তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী (১০৩ ডেসিবেল)।
- বাংলাদেশের আরেক শহর টাঙ্গাইলে শব্দের তীব্রতা ৭৫ ডেসিবল।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে-জুন ২০২২।
৩,৫৯৫.
বাংলাদেশে বাস নেই এমন উপজাতির নাম-
  1. সাঁওতাল
  2. মাওরি
  3. মুরং
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
মাওরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওরি
ব্যাখ্যা
• মাওরি — নিউজিল্যান্ডের উপজাতি সম্প্রদায়ের নাম।
- বাংলাদেশে এদের অবস্থান নেই।
- বাংলাদেশে মোট ৫০ টি উপজাতি রয়ছে।
- বাংলাদেশ সরকার ৫০ টি উপজাতির নাম উল্লখে করে গেজেট প্রকাশ করে।

• অন্যদিকে,
 সাঁওতাল, মুরং, গারো সম্প্রদায় বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। 

উল্লেখ্য, 
- সাঁওতাল জনগোষ্ঠী রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া প্রভৃতি জেলায় বসবাস করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলায় মুরং উপজাতি বাস করে।
- গারোদের বসবাস ময়মনসিংহ অঞ্চলে।
 
সুত্র: বাংলাপিডিয়া, ব্রিটানিকা, সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
৩,৫৯৬.
মুজিবনগর সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন -
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমদ
  3. গ) এম মনসুর আলী
  4. ঘ) এএইচএম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
গ) এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রথম সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল।
এটি ‘অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার’ নামেও পরিচিত। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

৩,৫৯৭.
৬ দফা কর্মসূচীর প্রথম দফা কোনটি?
  1. মুদ্রাব্যবস্থা
  2. আধা-সামরিক বাহিনী গঠন
  3. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলসমূহের এক সম্মেলনে  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা কর্মসূচী উত্থাপন করেন । ৬ দফা কর্মসূচীর প্রথম দফা হলো- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে অর্থাৎ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
অন্যান্য দফাগুলো হলো -
২। ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে
৩। মুদ্রাব্যবস্থা
৪। দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে
৫।বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত 
৬। আধা-সামরিক বাহিনী গঠন সংক্রান্ত

সোর্স: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং  বাংলাপিডিয়া ।
৩,৫৯৮.
মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী দেশ নিচের কোনটি?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা:
- মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে।
- তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড এম নিক্সন।
- তার আস্থাভাজন ব্যক্তি ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার।
- নিক্সন-কিসিঞ্জার নিয়ন্ত্রিত মার্কিন নীতি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে পরিচালিত হয়।
- যুদ্ধচলাকালীন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে রাজনৈতিক ও বস্তুগত উভয়ভাবেই সহায়তা করে।
- নিক্সন মুক্তিযুদ্ধকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে।
- পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের কিছুই করার নেই বলে জানান।

উল্লেখ্য,
- মধ্য-পঞ্চাশের দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান সিয়াটো ও সেন্টো নামে দুটি প্রতিরক্ষা চুক্তি তথা মৈত্রী জোট গঠন করে।
- ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্র তার বিশ্বস্ত মিত্রকে রক্ষা করতেই মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পক্ষে সমর্থন দেয়।

উৎস: উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৯৯.
১৯৬২ সালে কোন শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয়?
  1. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
  2. আতাউর রহমান খান শিক্ষা কমিশন
  3. শরীফ শিক্ষা কমিশন
  4. হামুদুর রহমান কমিশন
সঠিক উত্তর:
শরীফ শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীফ শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২-এর সেপ্টেম্বরে আরেকটি আন্দোলন হয়, যা বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে অভিহিত।
- শরীফ শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়।
- 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' সংঘটিত হয় শরীফ শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে।
- ১৫ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে বাবুল, গোলাম মোস্তফা, ওয়াজিউল্লাহ প্রমুখ নিহত হন এবং আহত হয় প্রায় আড়াইশ জন।
- এ আন্দোলনের ফলে সরকার শরীফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত রাখে।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৬০০.
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. চীন
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ: 

- বাংলাদেশ চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (২০২৪-২৫ অর্থবছর) ৮৪৬.১২ মিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক সহায়তা পেয়েছে।
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, গত অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে প্রাপ্ত ১.২৮ বিলিয়ন ডলার।

⇒ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে নেট বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছে ১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সর্বাধিক ৪৩৬ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে টেক্সটাইল ও পোশাক খাতে।
- তারপর, ব্যাংকিং খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে।
- অন্যান্য খাতের মধ্যে ওষুধ ও রাসায়নিক, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম এবং খাদ্য খাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগ দেখা গেছে।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ সালে বাংলাদেশে বিনিয়োগে শীর্ষ ৫ দেশ:
১। যুক্তরাজ্য,
২। নেদারল্যান্ডস,
৩। যুক্তরাষ্ট্র,
৪। চীন,
৫। দক্ষিণ কোরিয়া।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) The Business Standard. [link]