বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৩৫ / ৩০৬ · ৩,৪০১৩,৫০০ / ৩০,৮৩২

৩,৪০১.
বাংলাদেশে ব্যাংক রেট নির্ধারণ করে কে?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. বাংলাদেশ সংসদ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক রেট:
- ব্যাংক রেট হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের (দীর্ঘমেয়াদি) গৃহীত ঋণের সুদ হার।
- বাংলাদেশ ব্যাংক মাসিক ভিত্তিতে ব্যাংক হার/রেট নির্ধারণ করে থাকে।
- বাংলাদেশে এই হার ব্যাংক হার নামেই পরিচিত।
- মুদ্রানীতির উপর ভিত্তি করে এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক এই হার পর্যালোচনা করে।
- ২০১৯ সালে ব্যাংক রেট ৫% ছিল।
- ২০২৩ সালের মুদ্রানীতিতে ব্যাংক রেট ৪% করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩,৪০২.
কোন ধারণার উপর ভিত্তি করে পুঁজিবাদী রাষ্ট্র পরিচালিত হয়?
  1. রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ
  2. মুক্ত বাজার অর্থনীতি
  3. নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতি
  4. সম্পদের সুষম বন্টন
সঠিক উত্তর:
মুক্ত বাজার অর্থনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্ত বাজার অর্থনীতি
ব্যাখ্যা
পুঁজিবাদী রাষ্ট্র:
- পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ব্যক্তিগতভাবে পুঁজি সংগ্রহ, বিনিয়োগ ও মুনাফা অর্জনের উপর রাষ্ট্রের কোনো হস্তক্ষেপ থাকে না।
- এক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যতা থাকে এবং অবাধ প্রতিযোগিতার সুযোগ বিদ্যমান।
- সাধারণত পুঁজিবাদী রাষ্ট্র মুক্ত বাজার অর্থনীতির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে।
- এক্ষেত্রে রাষ্ট্র বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করবে না বরং চাহিদা ও যোগান দ্বারা বাজার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয়।
- পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে পুঁজিপতিরা রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হয়।
- এ ধরনের রাষ্ট্রে জনকল্যাণমূলক ব্যয় কম হয় এবং সরকার পুঁজি বিনিয়োগের যাবতীয় কাঠামোগত ও নীতিগত সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪০৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে 'রাষ্ট্রধর্ম' সম্পর্কে উল্লেখ আছে-
  1. ক) ৪ক নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ৩ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ২ক নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ৪ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
গ) ২ক নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ক নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের,
- ২ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা, 
- ২ক অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক,
• ৪ক নং অনুচ্ছেদে জাতির পিতার প্রতিকৃতির কথা উল্লেখ আছে।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৪০৪.
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে গণপরিষদে প্রথম প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?
  1. মওলানা ভাসানী
  2. আবুল কাসেম
  3. মাওলানা আব্দুর রহমান তর্কবাগীশ
  4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে গণপরিষদে প্রথম প্রস্তাব উত্থাপন করেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।

⇒ ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের করাচিতে গণপরিষদের  প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।
- এই অধিবেশনে বিরোধী দল দুটি সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন।"
- "প্রথম প্রস্তাবটিতে বৎসরে অন্তত একবার ঢাকায় পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠানের দাবি জানানো হয়। দ্বিতীয় প্রস্তাবটি ছিল ভাষা বিষয়ক। এটিতে উর্দু ও ইংরেজির সাথে বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহার করার দাবি উত্থাপন করা হয়। প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন পূর্ব বাঙলার প্রতিনিধি ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।"
- পরে বিভিন্ন পর্যায়ে মি. দত্ত মোট তিনটি সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন গণপরিষদে, যার প্রতিটিতেই বাংলাকে সরকারি ভাষা করার প্রস্তাব ছিল।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রস্তাবটি উত্থাপনের একদিন পর ২৫শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদে তুমুল বিতর্ক হয়। প্রস্তাবটির তীব্র বিরোধিতা করেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান।
- মি. দত্তের প্রস্তাবটিই ছিল বাংলাকে সরকারি ভাষা হিসেবে গ্রহণের জন্য প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব।
- পরে পাকিস্তানের শাসকরা ১৯৫৬ সালে দেশটির প্রথম শাসনতন্ত্রে উর্দুর সাথে বাংলাকেও সরকারি ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য হয়েছিলো, যার মাধ্যমে বাংলা সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিলো।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC.
৩,৪০৫.
বর্তমানে দেশে পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. খুলনা
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- এটি একটি বর্ষাকালীন ফসল। 
- এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- পাটকে বাংলাদেশের সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে দুই ধরনের পাট দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।

⇒ পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, শাড়ি, জুতা, স্যান্ডেল, বিছানার চাদর, পর্দা সোফার কভার,কার্পেট এবং আরো নানা ধরনের পণ্য।
- দেশের ভেতরে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ নিষিদ্ধ করে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা হলে পাটের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে।

উল্লেখ্য,
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা।

উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩,৪০৬.
এ পর্যন্ত বাংলাদেশে কয়টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ১০ টি
  2. ১১ টি
  3. ১২ টি
  4. ১৭ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ০৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে।
- সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ সালে।
- অর্থাৎ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ১১টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উৎসঃ জাতীয় সংসদ ভবনের ওয়েবসাইট।

৩,৪০৭.
‘লাহোর প্রস্তাব’ কত সালে উত্থাপিত হয়?
  1. ক) ১৯৩৫
  2. খ) ১৯৪০
  3. গ) ১৮৪০
  4. ঘ) ১৯৪৫
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪০
ব্যাখ্যা

- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- ২৪ মার্চ প্রবল উৎসাহের মধ্য দিয়ে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাবের মূল দাবি ছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাসমূহে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করা।
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়।

- ১৯৩০ সালের ডিসেম্বর মাসে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে কবি ও দার্শনিক স্যার মুহাম্মদ ইকবাল দ্বিজাতিতত্ত্বের তাত্ত্বিক কাঠামো উপস্থাপন করেন।
- ১৯৪০ সালের ২২-২৩ মার্চ তারিখে লাহোরে বাংলাসহ ভারতের একাধিক প্রদেশে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের সম্মেলনের সভাপতির ভাষণে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তাঁর দ্বিজাতিতত্ত্বের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।

উৎস : বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ) এবং দৈনিক পত্রিকা

 
৩,৪০৮.
তিস্তা মহাপ্রকল্প কোন দেশের সহায়তায় বাস্তবায়িত হবে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. চীন
  2. ভারত
  3. নেপাল
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

তিস্তা প্রকল্প:
- ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে শুরু হচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ।
- বাংলাদেশ ও চীন সরকারের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়ন হবে এ প্রকল্প। 
- ১০ বছর মেয়াদে এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ১২ হাজার কোটি টাকা। 
- প্রথম ৫ বছরে সেচ, ভাঙন রোধ, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ গুরুত্ব পাবে।
- ইতোমধ্যে চীন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল তিস্তার মাঠ পর্যায়ের জরিপ করেছে।

উল্লেখ্য,
- রিভারাইন পিপলের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিবছর তিস্তার ভাঙন ও প্লাবনে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ক্ষতির মুখে পড়েন উত্তরের ৫ জেলার বাসিন্দা।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

৩,৪০৯.
বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) নেত্রকোনা
  3. গ) মৌলভীবাজার
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
- বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি হলো একটি সরকারি উপজাতি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান যা নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরিতে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিরিশিরি ব্যতীত কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও রাজশাহী জেলায় সরকারি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
৩,৪১০.
Who was the founder of the Pala Dynasty?
  1. Dharmapala
  2. Gopala
  3. Mahipala
  4. Devapala
  5. Madanapala
সঠিক উত্তর:
Gopala
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gopala
ব্যাখ্যা

পাল রাজবংশ ও গোপাল:
- বাংলায় অরাজকতার যুগের অবসান ঘটিয়ে গোপাল বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং পাল রাজ বংশের সূচনা করেন।
- গোপালের রাজত্বকাল সম্পর্কে সঠিকভাবে জানার উপায় নেই।
- অনুমান করা হয় গোপাল ৭৫৬ হতে ৭৮১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন।
- পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা - গোপাল।
- গোপাল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পাল রাজবংশের শাসন বাংলায় প্রায় 'চারশ' বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- গোপালের ক্ষমতা লাভ সম্পর্কে খালিমপুর তাম্রশাসন থেকেও জানা যায়।
- গোপালের উত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয় পাল রাজবংশ।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস প্রথম পত্র, (BA & BSS) প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪১১.
'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' আয়োজন করা হয়েছিল কোন স্থানে?
  1. নিউইয়র্কে
  2. জর্জিয়ায়
  3. লন্ডনে
  4. ক্যালিফোর্নিয়া
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যা
দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:

- মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের পাশে এসে দাঁড়ানোর অসাধারণ একটি উদ্যোগের নাম 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট রোববার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছিল সেই ঐতিহাসিক কনসার্টটি।
- ম্যনহাটনের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে হওয়া সেই কনসার্টের অন্যতম দুই উদ্যোক্তা ছিলেন ইংল্যান্ডের সাড়া জাগানো ব্যান্ড দল দ্য বিটলস ব্যান্ডখ্যাত পশ্চিমা সঙ্গীতের অগ্রগণ্য শিল্পী জর্জ হ্যারিসন ও ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য অংশ সেই কনসার্টের ৫০ বছর পূর্তিতে নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছে একটি উৎসবের।
- ৩১ জুলাই শনিবার বিকালে জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে 'ফ্রেন্ডস অব ফ্রিডম' নামে একটি সংগঠন এই উৎসবের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৬ জুলাই ২০২১।
৩,৪১২.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের আকার -
  1. ৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা
  2. ৭ লাখ ১৭ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা
  3. ৭ লাখ ৬১ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা
  4. ৭ লাখ ৬৪ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেট:
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সম্প্রতি চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বরাদ্দ চূড়ান্ত করেছে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের আকার ৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা।
- যেখানে মূল বাজেটের আকার ছিল ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। 

পরিচালন ব্যয়:
- অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দেনা পরিশোধ এবং সমন্বয় বাদে সরকারের পরিচালন ব্যয় হবে মোট ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪১০ কোটি টাকা। 
- মূল বাজেটে যা ছিল ৪ লাখ ৮৪ হাজার ২০২ কোটি টাকা।
- এক্ষেত্রে পরিচালন ব্যয় কমেছে ২৯ হাজার ৭৯২ কোটি টাকা।

উন্নয়ন ব্যয়:
- সংশোধিত বাজেটে মোট উন্নয়ন ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ৬ কোটি টাকা।
- যেখানে মূল বাজেটে এর পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা।
- সে হিসাবে উন্নয়ন ব্যয় কমেছে ১৭ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা।

রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চলতি অর্থবছরে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত ছিল।
- যদিও এটি সংশোধন করে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এডিপি:
- সংশোধিত এডিপি বা আরএডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৯১ কোটি টাকায়।
- এর আগে মূল এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা।
- যেখানে থোক বরাদ্দ ছিল ১১ হাজার ৩১৪ কোটি টাকার।
- সংশোধিত এডিপিতে থোক বরাদ্দ বাদ দেয়া হয়েছে।

উৎস: ২৬ মার্চ ২০২৪, বণিক বার্তা।
৩,৪১৩.
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ কত তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানের তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে?
  1. চতুর্দশ
  2. ত্রয়োদশ
  3. পঞ্চদশ
  4. দ্বাদশ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
• ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৩টি তফসিল ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তফসিল যুক্ত করা হয়।

৫ম তফসিল : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ।
৬ষ্ঠ তফসিল : ২৬শে মার্চ বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা।
৭ম তফসিল : ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- ভাষণটি ইতিহাসে ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ’ নামে অভিহিত হয়েছে। 

ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয় -
১/ মার্শাল ল প্রত্যাহার,
২/ সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া,
৩/ রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড গুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
৪/ জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।
 
সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ সংবিধান।
৩,৪১৪.
বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘ তিন কন্যা’ এর চিত্রকর কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. হাশেম খান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

কামরুল হাসান:
- বাংলাদেশের পটুয়া চিত্রশিল্পী;
- পূর্ণ নাম: আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান;
- জন্ম: ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর, কলকাতা, ভারত;
- মৃত্যু: ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা, বাংলাদেশ;
- প্রখ্যাত পরিচিতি: 'পটুয়া' নামে পরিচিত।
- বিখ্যাত শিল্পকর্ম ও স্মারক:
- তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম 'তিনকন্যা' ও 'নাইওর'।
- এই  চিত্রকর্ম অবলম্বনে যথাক্রমে যুগোস্লাভিয়া সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) দুটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের কভার ডিজাইনও করেছেন তিনি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- স্বাধীনতাযুদ্ধকালে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' পোস্টারটি খুব বিখ্যাত হয়।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৪১৫.
স্বরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. চিত্তরঞ্জন দাস
  2. সুভাষ চন্দ্র বসু
  3. মতিলাল নেহরু
  4. ক+গ
সঠিক উত্তর:
ক+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+গ
ব্যাখ্যা

স্বরাজ পার্টি:
- সময়কাল: ১৯২৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মতিলাল নেহরু (জওহরলাল নেহরুর পিতা) ও চিত্তরঞ্জন দাস। 
- মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের বিকল্প হিসেবে কম কঠোর হিন্দু মতাদর্শী এবং আরও ধর্মনিরপেক্ষ কংগ্রেস নেতারা ব্রিটিশদের প্রবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কারের সঙ্গে আংশিক সহযোগিতার পথে হাঁটেন।
- ১৯২৩ সালের কেন্দ্রীয় আইনসভা নির্বাচনে ৪০টির বেশি আসন জয়ী হয়।
- তবে ব্রিটিশদের জন্য প্রয়োজনীয় আইন পাস রোধ করার মতো যথেষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়।
- ১৯২৭ সালে স্বরাজ পার্টি ভেঙ্গে যায়।
- স্বরাজ পার্টি ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ভারতের রাজনৈতিক আন্দোলনে বিকল্প কৌশল তৈরি করেছিল।

উদ্দেশ্য:
- স্বরাজ (স্বশাসন) অর্জন, যা ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতার আন্দোলনে ব্যবহৃত শব্দ।
- ১৯২৩ সালে কেন্দ্রীয় আইনসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং ব্রিটিশ নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন পরিচালনা।
- আইনসভায় ব্রিটিশ নীতিকে ব্যাহত করা এবং সরকারী কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি।

উৎস: ব্রিটানিকা

৩,৪১৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় -
  1. নির্বাচন
  2. বিচার বিভাগ
  3. আইনসভা
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৪১৭.
ADB এর পূর্বাভাস অনুসারে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত শতাংশ হতে পারে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ৪ শতাংশ
  2. ৫ শতাংশ
  3. ৬ শতাংশ
  4. ৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা

জিডিপি প্রবৃদ্ধি:
- গত ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ প্রকাশিত এডিবির ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও)’ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ হতে পারে।
- গত অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন হলো ৪ শতাংশ।
- প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৭ শতাংশ।
- গত অর্থবছরের তা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিবি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন সাধনে কাজ করছে।
- সংস্থাটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬৯টি দেশ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৩,৪১৮.
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি কোন শাসনের অবসান ঘটান?
  1. পাল শাসন
  2. সেন শাসন
  3. মৌর্য শাসন
  4. গুপ্ত শাসন
সঠিক উত্তর:
সেন শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন শাসন
ব্যাখ্যা

• বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা:
- তেরো শতকের শুরুতে তুর্কিসেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি বাংলার উত্তর ও উত্তরপশ্চিমাংশে সেন শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুসলমান শাসনের সূচনা করেন। 
- বখতিয়ার খলজি ১১৯৫ খ্রিষ্টাব্দে জীবিকার অন্বেষণে গজনিতে আসেন। 
- সেখানকার শাসনকর্তা মালিক হিজবরউদ্দিন তাকে মাসিক বেতনে সৈন্য বিভাগেনিযুক্ত করেন। 
- বখতিয়ার অল্পসংখ্যক সৈন্য সংগ্রহ করে পার্শ্ববর্তী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্য আক্রমণ করতে শুরু করেন।
- এ সময়ে তার কথা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ভাগ্যান্বেষী মুসলমান তার সৈন্যদলে যোগদান করে।
- ফলে বখতিয়ারের সৈন্যসংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
- এভাবে পার্শ্ববর্তী এলাকায় আক্রমণ চালিয়ে তিনি দক্ষিণ বিহারে এক প্রাচীরঘেরা দুর্গের মতো স্থানে আসেন এবং আক্রমণ করেন।
- বিহার দখলের পর বখতিয়ার অনেক ধনরত্নসহ দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
- নদীয়ায় আক্রমন করে লক্ষণ সেন কে পরাজিত করে বাংলায় মুসলিম শাসন সূচনা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি। 

৩,৪১৯.
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৩নং সেক্টর
  4. ৪নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
১নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৪২০.
নিচের কোন পর্যটক সোনারগাঁও এসেছিলেন?
  1. ফা-হিয়েন
  2. ইবনে বতুতা
  3. মার্কো পোলো
  4. হিউয়েন সাং
সঠিক উত্তর:
ইবনে বতুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইবনে বতুতা
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- ১৩৩৫ থেকে ১৫৩৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সোনারগাঁও কখনো বাংলার রাজধানী আবার কখনো পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল।
- মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্র্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও ভ্রমণ করেন।
- পানামের জমিদারেরা ব্রিটিশ বিরোধী স্বদেশী-আন্দোলন ও মহাত্মা গান্ধীর অহিংস-আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৬৪ সালের সাম্প্রদায়িক মোহাজের সমস্যা সোনারগাঁওয়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৪২১.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় কত তারিখে?
  1. ক) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ৭ মার্চ, ১৯৭১
  3. গ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ঘ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী সেনারা ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যায় লিপ্ত হয়।
- নিরস্ত্র ঘুমন্ত বাঙ্গালির ওপর বিভৎস এ আক্রমণ অখন্ড পাকিস্তানের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়।
- আনুমানিক রাত দেড়টার দিকে গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৪২২.
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র-
  1. ক) একুশে সংকলন
  2. খ) সাপ্তাহিক জয়বাংলা
  3. গ) দৈনিক ইত্তেফাক
  4. ঘ) সাপ্তাহিক সৈনিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাপ্তাহিক সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাপ্তাহিক সৈনিক
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল - 'সৈনিক' পত্রিকা। এটি সাপ্তাহিক আকারে প্রকাশিত হত।
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' - এর উদ্যোক্তাগণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন। সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিশেরও মুখপত্র। এতে তৎকালীন বাংলা ভাষার প্রতিযশা সকল লেখকগণই লিখে বাংলা সপক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সহায়তা করেন।
সাপ্তাহিক সৈনিক - এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় - ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন - শাহেদ আলী। পরে এর সম্পাদক ছিলেন - আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।

উল্লেখ্য, তমুদ্দিন মজলিশের উদ্যোগে আরো একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হতো যার নাম - 'মাসিক দ্যুতি'
মাসিক দ্যুতি - ভাষা আন্দোলনের স্বপক্ষে কাজ করলেও সে অর্থে এটিকে ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র বলা যায় না।
এছাড়াও, 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকাও ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষার পক্ষে বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশ করতো।
বাংলা ভাষার পক্ষের আরো কয়েকটি পত্রিকা হচ্ছে - ইনসাফ, মিল্লাত, ইত্তেহাদ, ইত্তেফাক, ঢাকাপ্রকাশ, সীমান্ত ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 'মর্নিং নিউজ' উর্দুর পক্ষে নিউজ প্রকাশ করে বাংলা ভাষার তীব্র বিরোধিতা করতো।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও প্রথম আলো আর্কাইভ।

৩,৪২৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি কয়টি?
  1. ক) ১১ টি
  2. খ) ৭ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ১ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বলবৎ হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি,
- তফসিল আছে ৭টি,
- মূলনীতি আছে ৪টি,
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৪২৪.
মুসলিম ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী পাঙ্গনদের বসবাস মূলত কোন জেলায়?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাজশাহী
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

• পাঙ্গন জাতিসত্তা: 
• পাঙ্গন জাতিসত্তা মূলত মণিপুরি মুসলিম বা পাঙাল নামেও পরিচিত এবং তারা মণিপুরি জনগোষ্ঠীর একটি অংশ।
- তারা বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত।
- সপ্তদশ শতকের প্রথম দিকে খাজা ওসমানের সৈন্যাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সানীর নেতৃত্বে ইসলাম ধর্মের অনুসারী এক দল সৈন্যবাহিনী মণিপুর রাজ্যে অভিযান চালায়। 
- তখনকার মণিপুরের রাজা খাগোম্বার সাথে এক সন্ধির ফলে এই বাহিনী মণিপুরে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করে। 
- পরবর্তীকালে মোগল শাসক মীর জুমলা আসাম আক্রমণে বিপর্যস্ত হলে ঐ সৈন্যবাহিনীর অনেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্য মণিপুরে আশ্রয় নেয়।
- তারা মণিপুরের স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ইসলাম ধর্ম প্রচার করে। 
- মণিপুরের মুসলমান জনগোষ্ঠীরাই পাঙ্গান নামে পরিচিত।
- পাঙ্গানরা 'মেইতেইলোন' ভাষায় কথা বলে যা টিবেটো-বার্মান শাখার কুকি-চিন ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- এরা সবাই ইসলাম ধর্মের সুন্নী মতাবলম্বী। 
- নিজেদের সম্প্রদায়ের মধ্যেই সাধারণত বিয়ে হয়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ অংশে এদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

উৎস:  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি, ২০১৮ বোর্ড বই। 

৩,৪২৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নিহত মাদার মারিও ভেরেনজি কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. জার্মানি
  2. ইতালি
  3. অস্ট্রিয়া
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
মাদার মারিও ভেরেনজি:
- মাদার মারিও ভেরেনজি ইতালির নাগরিক ছিলেন।
- ফাদার ভেরেনজি যশোর ফাতিমা ক্যাথলিক হাসপাতালের চারজন ইতালীয় যাজকের একজন ছিলেন।
- সকলেই জাভেরিয়ান আদেশের সদস্য ছিলেন।
- বাংলাদেশের যশোর জেলায় স্থাপিত খ্রিস্টান চার্চের দায়িত্ব পালনকালে ৪ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনি নিহত হন।
- তাকে যশোর ক্যাথলিক হাসপাতালের মাঠে সমাহিত করা হয়।

এছাড়াও, 
ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৪২৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১৭টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০-১৭ জুলাই কলকাতায় তাজউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যুদ্ধাঞ্চলের অধিনায়কদের সম্মেলনে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। ১১টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
এগারোটি সেক্টর হলো:
১ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর জিয়াউর রহমান এবং মেজর রফিকুল ইসলাম
২ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশবিশেষ
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর খালেদ মোশাররফ এবং মেজর এ.টি.এম হায়দার
৩ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান
৪ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
৫ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর মীর শওকত আলী
৬ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা
- সেক্টর কমান্ডার : উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার
৭ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর নাজমুল হক এবং সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান
৮ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং মেজর এম.এ মঞ্জুর
৯ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর এম. এ জলিল এবং মেজর এম. এ মঞ্জুর
১০ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : সমুদ্র ও নৌ অঞ্চল
- সেক্টর কমান্ডার : নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিলো না
১১ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর এম. আবু তাহের এবং স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৩,৪২৭.
দেশের একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল শোধনাগার কোনটি?
  1. পদ্মা রিফাইনারি লিমিটেড 
  2. মেঘনা রিফাইনারি লিমিটেড 
  3. মডার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড 
  4. ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড 
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড 
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং  চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে। 
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৪২৮.
অর্থনৈতি সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে, চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ কত?
  1. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৬৭১ মার্কিন ডলার 
  3. ২,৭৯৩ মার্কিন ডলার 
  4. ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৬৭১ মার্কিন ডলার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৬৭১ মার্কিন ডলার 
ব্যাখ্যা

• চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP) = ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা।
• চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি = ২,৬৭১ মার্কিন ডলার বা ৩,২১,২৫৪ টাকা।
• স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP)=  ৩৪,৭৯,০০১ কোটি টাকা।
• স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার = ৩.৯৭%।
• চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI) = ৩,৩৯,২১১ কোটি টাকা।

উৎস:  অর্থনৈতি সমীক্ষা-২০২৫।

৩,৪২৯.
উন্নত মানের 'বিটুমিনাস কয়লা' কোথায় থেকে উত্তোলন করা হয়?
  1. মৌলভীবাজার
  2. সিলেট
  3. জামালপুর
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি:
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর বাজারের দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি।
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই খনি থেকে প্রতিবছর প্রায় ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়ে থাকে। 
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয় ।
- সেখানে উত্তোলিত কয়লা দ্বারা ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে ।

তথ্যসূত্র: পার্বতীপুর উপজেলা ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। (Link)

৩,৪৩০.
পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্ত্বশাসনের রূপরেখা ছয়-দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন-
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. আবুল মনসুর আহমদ
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৬ দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন এবং এই ছয় দফাকে আখ্যায়িত করেন ‘আমাদের (বাঙালিদের) মুক্তি সনদ’ রূপে।
এই ছয় দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের রূপরেখা।
মুজিবের ৬ দফার প্রতি জনগণের ব্যাপক সমর্থনে ভীত হয়ে তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার করে শেখ মুজিবকে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বাংলার সমস্ত জনগণ। জনরোষের কাছে নতি স্বীকার করে এক পর্যায়ে তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় শোষকগোষ্ঠী।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন]
৩,৪৩১.
কোন নেতা ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর জেলহত্যায় নিহত হন?
  1. মোশতাক আহমদ
  2. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. আব্দুর রব সেরনিয়াবাত
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
জেলহত্যা:
- জেলহত্যা ঘটনাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এই হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে 'জেলহত্যা' নামে পরিচিত।

⇒ হত্যাকাণ্ডের শিকার জাতীয় চার নেতা হলেন:
• সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
• তাজউদ্দীন আহমদ,
• ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং
• এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

উল্লেখ্য,
- তাদের এই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি স্মরণার্থে প্রতি বছর ৩রা নভেম্বর 'জেলহত্যা দিবস' পালিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা।
৩,৪৩২.
মুসলমানদের স্পেন বিজয়ে কোন সেনাপতি নেতৃত্ব দেন?
  1. ক) খালিদ বিন ওয়ালিদ
  2. খ) দিরিলিস আর্তুগুল
  3. গ) তারিক বিন যিয়াদ
  4. ঘ) আব্বাস উদ্দিন কুতাইবা
সঠিক উত্তর:
গ) তারিক বিন যিয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তারিক বিন যিয়াদ
ব্যাখ্যা
উত্তর আফ্রিকার মুসলিম গভর্নর মুসা বিন নুসাইর এর সেনাপতি তারিক বিন যিয়াদের নেতৃত্বে প্রায় ১২ হাজার মুসলিম সৈন্য ৭১১ সালে স্পেন আক্রমণ করে স্পেনের রাজা রডারিককে পরাজিত করে স্পেন দখল করেন।
পরবর্তীতে মুসা বিন নুসাইর আরও ১২ হাজার সৈন্য নিয়ে স্পেনে প্রবেশ করলে সমগ্র স্পেন মুসলমানদের দখলে আসে। মুসলমানরা প্রায় আটশ বছর স্পেন শাসন করে।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,৪৩৩.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা কোন ধরনের?
  1. রাজতন্ত্র
  2. সমাজতন্ত্র 
  3. এককেন্দ্রিক
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এককেন্দ্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এককেন্দ্রিক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি:
- বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক, এককেন্দ্রিক ও সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার রাষ্ট্র।
- এর সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ, জনগণের সর্বোচ্চ কল্যাণ ও অংশগ্রহণ নিশ্চিতের উদ্দেশ্যে সরকার কাঠামো কেন্দ্রিয় ও স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা কাঠামো ও কার্যগতভাবে কতগুলো বৈশিষ্ট্য ধারণ করেছে।
- সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক ও সংসদীয় কাঠামোর ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- অর্থাৎ এই সরকার কাঠামোয় একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারই রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল সূতিকাগার হিসেবে আইন প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিষয়ে ভূমিকা পালন করবে।
- সরকারের তিনটি অঙ্গ- আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ। প্রতিটি অঙ্গ 'নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য' নীতির মাধ্যমে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কার্যকরি। একটি বিভাগ কখনও অন্য বিভাগের কার্যে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- সংসদীয় সরকার কাঠামোর নিয়ম মেনে বাংলাদেশে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত সংসদকে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী বিভাগ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।
- আইন অনুযায়ী শাসন বিভাগের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ পদ হল রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
- এই সরকার ব্যবস্থায় একটি মন্ত্রিসভা থাকবে এবং বাংলাদেশ সংবিধানের ধারা ৫৫-র ৩ অনুসারে মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকবে।

উল্লেখ্য,
- এককেন্দ্রিক সরকার এক ধরনের একক, অখন্ড ও সুসংবদ্ধ সরকার ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রের ক্ষমতা সাংবিধানিকভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে। এ ধরনের শাসন ব্যবস্থায় কেন্দ্রই থাকে সকল ক্ষমতার উৎস। এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থায় আঞ্চলিক বা স্থানীয় সরকারের অস্তিত্ব থাকতে পারে, এ সরকারগুলো কিছু কিছু ক্ষমতা উপভোগ করতেও পারে। তবে তাদের ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে এ সরকারগুলো তাদের ক্ষমতা ব্যবহার করে। কেন্দ্রীয় সরকার ইচ্ছা করলে এ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, কমাতেও পারে।
- এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থায় স্থানীয় বা আঞ্চলিক সরকারগুলোর সাংবিধানিক কোন ক্ষমতা নেই। ব্রিটেন, ফ্রান্স, জাপান, বাংলাদেশ এ ধরনের সরকারের উদাহরণ।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার হলো এমন এক ধরনের সরকার ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সংবিধান অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে বন্টন করা হয়।এ ব্যবস্থায় ক্ষমতা বন্টন এমন প্রক্রিয়ায় হয়, যার ফলে কেন্দ্রীয় সরকার ও আঞ্চলিক সরকার প্রত্যেকেই নিজ নিজ এলাকায় স্বতন্ত্র ও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৩৪.
জিডিপির প্রধান খাত কোনটি?
  1. কৃষি
  2. শিল্প
  3. সেবা
  4. বৈদেশিক রেমিট্যান্স
সঠিক উত্তর:
সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩,৪৩৫.
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় কোন দেশ সাহায্য করছে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৩,৪৩৬.
'মুক্তিবেটি' নামে পরিচিত কে?
  1. ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম
  2. তারামন বিবি
  3. কাঁকন বিবি
  4. নীলিমা ইব্রাহিম
সঠিক উত্তর:
কাঁকন বিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁকন বিবি
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে নারী, শিশু ও ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী:
- দুজন মহিলাকে বীরত্বসূচক 'বীরপ্রতীক' খেতাব প্রদান করা হয় মুক্তিযুদ্ধে নারীদের বিশেষ অবদানের জন্য।
- তারা হলেন ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম এবং তারামন বিবি।
- সেতারা বেগম যুদ্ধ করেন ২নং সেক্টরে আর তারামন বিবি ১১নং সেক্টরে। 
- খেতাবহীন বীর মহিলা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সুনামগঞ্জের খাসিয়া সম্প্রদায়ের কাঁকন বিবি পরিচিত, যার আসল নাম ছিল কাঁকাত হেনিনচিতা।
- কাঁকন বিবি 'মুক্তিবেটি' নামেও পরিচিত।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক সেনা বাহিনী কর্তৃক ধর্ষিত হন প্রায় তিন লাখ নারী।
- এই নারীরা মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী হিসেবে ভূমিকা পালন করেন এবং তাদের ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রীয়ভাবে 'বীরাঙ্গনা' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি। 

৩,৪৩৭.
দেশে বর্তমানে কয়টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭), ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩) ও টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প (২০২৫)।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভারতের নয়াদিল্লির লালকেল্লায় এক অধিবেশনে ইউনেসকোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটিতে (আইসিএইচ) আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির নন্দনচর্চা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বুননে বিশেষ স্থান দখল করে থাকা টাঙ্গাইলের শাড়ি তার সূক্ষ্ম, দীপ্তিময় নকশা ও অপূর্ব কারুকাজের জন্য বিশ্বে পরিচিত। 
- বাংলাদেশের ষষ্ঠ আইসিএইচ উপাদান হিসেবে টাঙ্গাইল বয়নশিল্প চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত হলো।

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
ii) প্রথম আলো।

৩,৪৩৮.
বাংলাদেশের জাতীয় তহবিলের অভিভাবক কে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
সরকারি তহবিল নিয়ন্ত্রণ:
- জাতীয় সংসদ জাতীয় তহবিলের অভিভাবক।
- সংসদের অনুমতি ও কর্তৃত্ব ব্যতীত কোনো প্রাকর কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাবে না (অনুচ্ছেদ: ৮৩)।
- সরকার প্রতি বছর আয়-ব্যয়ের অনুমিত হিসাব সংবলিত একটি বাজেট সংসদে উপস্থাপিত করবেন [অনুচ্ছেদ ৮৭ (১)]।
- বাজেট সংযুক্ত তহবিলের ওপর ধার্য ব্যয়সমূহ সংসদে আলোচিত হবে, কিন্তু এর ওপর ভোট গ্রহণ করা যাবে না [অনুচ্ছেদ ৮৯ (১১)]।

⇒ এরূপ ব্যয়গুলো হলো রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, মহা-হিসাব নিয়ন্ত্রক, কর্মকমিশনের সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, এটর্নি জেনারেল, নির্বাচন কমিশনার ও কর্মচারীবৃন্দ, সরকারের আর্থিক ঋণ, সুদ, আদালত কর্তৃক আরোপিত ব্যয় ইত্যাদি।
- অন্যান্য বিষয় সম্পর্কিত ব্যয় মঞ্জুরি দাবির আকারে সংসদে উপস্থাপিত হবে এবং সংসদ এরূপ মঞ্জুরি দাবি অনুমোদন কিংবা প্রত্যাখ্যান করতে পারবে বা এতে নির্ধারিত অর্থ হ্রাস করতে পারবে [অনুচ্ছেদ ৮৯ (২)]।
- কিন্তু রাষ্ট্রপতির সুপারিশ ব্যতীত অর্থ ব্যয় সংক্রান্ত কোনো বিল বা মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করা যায় না [অনুচ্ছেদ ৮৯ (৩)]।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৩৯.
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম কে শহিদ হয়েছিলেন?
  1. মুন্সি আব্দুর র‍উফ
  2. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  3. সিপাহী মোস্তফা কামাল
  4. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
মুন্সি আব্দুর র‍উফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সি আব্দুর র‍উফ
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর র‍উফ:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা ও অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, মুন্সী আবদুর রউফ তাঁদের অন্যতম।
- তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে ১ম শহিদ।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তিনি ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়ে যুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে আবদুর রউফ ইপিআরের ১১ নম্বর উইং চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল রাঙামাটির নানিয়ারচরের বুড়িঘাটে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি লড়াই হয়। কৌশলগত কারণে সহযোদ্ধাদের পিছু হটতে বলে তিনি নিজেই শত্রুসেনাদের মোকাবেলা করেন, একপর্যায়ে শহীদ হন। সহযোদ্ধারা পরে তাঁর লাশ উদ্ধার করে নানিয়ারচরের চিংড়ি খালসংলগ্ন একটি টিলার ওপর সমাহিত করেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বীরত্ব ও আত্মদানের জন্য বাংলাদেশ রাইফেলস ১৯৭৩ সালে সিপাহি মুন্সী আবদুর রউফকে অনারারি ল্যান্স নায়েক পদে মরণোত্তর পদোন্নতি দান করে।

অন্যদিকে,
• ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর,
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ)।

• সিপাহী মোস্তফা কামাল,
- মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১।

• ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান,
- মৃত্যু: ২০ আগস্ট, ১৯৭১।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,৪৪০.
বাগেরহাটের মোংলা ঘষিয়াখালী নৌ-ক্যানেলের বর্তমান নাম কী?
  1. ক) শেখ হাসিনা মোংলা ঘষিয়াখালী ক্যানেল
  2. খ) শেখ রাসেল মোংলা ঘষিয়াখালী ক্যানেল
  3. গ) বঙ্গবন্ধু মোংলা ঘষিয়াখালী ক্যানেল
  4. ঘ) শেখ কামাল মোংলা ঘষিয়াখালী ক্যানেল
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু মোংলা ঘষিয়াখালী ক্যানেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু মোংলা ঘষিয়াখালী ক্যানেল
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু ক্যানেল:

৯ জানুয়ারি ২০২২ আন্তর্জাতিক নৌ-প্রটোকলভুক্ত রুট বাগেরহাটের মোংলা ঘষিয়াখালী নৌ-ক্যানেল এর নাম পরিবর্তন করে ‘বঙ্গবন্ধু মোংলা ঘষিয়াখালী ক্যানেল’ নামকরণ করে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়।

মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নৌ-পথে পণ্য পরিবহনের জন্য এই নৌ-রুটটি ব্যবহৃত হয়। ১৯৭৪ সালে মোংলা বন্দরের সঙ্গে সারা দেশের দূরত্ব কমানোর জন্য প্রায় ৬.৫ কিলোমিটার কৃত্রিম পথ খনন করে প্রায় ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এ নৌপথটি চালু করা হয়।

দেশের নদী পথের গুরুত্ব বিবেচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে মোংলা-ঘষিয়াখালী ক্যানেলটি খনন করেন। 

নাব্যতা সংকটে ক্যানেলটি ২০১০-২০১৫ সাল পর্যন্ত বন্ধ থাকার পর ৩ অক্টোবর ২০১৫ ক্যাপিটাল ড্রেজিং দিয়ে খনন শুরু করা হয় এবং  ২৭ অক্টোবর ২০১৬ নৌযান চলাচলে ক্যানেলটি পুনরায় উদ্বোধন করা হয়। তখন থেকে শুধু দিনের বেলা নৌযান চলাচল করলেও ২০ জানুয়ারি ২০২২ থেকে রাতেও নৌযান চলাচল শুরু হয় এই ক্যানেলটি দিয়ে।

সূত্রঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২
৩,৪৪১.
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সড়কদ্বীপে অবস্থিত। 
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার। 
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। 

উল্লেখ্য,
- শামীম শিকদার ২০০০ সালে একুশে পদক অর্জন করেন।

উৎস: ২১ মার্চ, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
৩,৪৪২.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে কোন শাসকের পতন ঘটে?
  1. টিক্কা খান
  2. ইয়াহিয়া খান
  3. আইয়ুব খান
  4. জুলফিকার আলি ভুট্টো
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম।
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।
- এ আন্দোলনের ফলে আগরতলা মামলা বাতিল হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৪৩.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার কতজন আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে?
  1. ২ জন
  2. ৪ জন
  3. ৬ জন
  4. ৮ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৪৪.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের সর্বমোট কতটি আসন ছিল?
  1. ৬২১টি
  2. ৩১৩টি
  3. ৩১০টি
  4. ৩০০টি
সঠিক উত্তর:
৩১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১৩টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচন:
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনী আসন সর্বমোট ৩১৩ টি।
- যেখানে ১৩ টি মহিলা আসন ছিল।
- পাঁচটি প্রাদেশিক পরিষদে ৬২১ টি আসনের বিপরীতে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
- পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ আসন ছিল ৩০০টি।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৪৫.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়-
  1. ক) ৩১-১০-২০০৭
  2. খ) ১১-০৯-২০০৭
  3. গ) ১১-১০-২০০৭
  4. ঘ) ০১-১১-২০০৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০১-১১-২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০১-১১-২০০৭
ব্যাখ্যা
- ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে 'রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।'

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৪৪৬.
নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন দল -
  1. বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
  2. বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
  3. বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
  4. বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
ব্যাখ্যা
- নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন রাজনৈতিক দল - বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
- প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি -আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন।
- সদর দপ্তর - বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ, ঢাকা
- সংবাদপত্র- উত্তরণ।
- ছাত্র শাখা - বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
- মতাদর্শ - বাঙালি জাতীয়তাবাদ,ধর্মনিরপেক্ষতা,গণতন্ত্র, মুজিববাদ, সমাজতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামী ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন এর নিবন্ধন বাতিল করে।
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয় - ২৫ জুলাই ১৯৫৭।
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠিত হয় -১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮।

উৎস: নির্বাচন কমিশন, দলের ওয়েবসাইট ও পত্রিকার রিপোর্ট।
৩,৪৪৭.
সংবিধানের কোন ভাগে শাসন বিভাগের গঠণ ও দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত সাংবিধানিক আইন লিপিবদ্ধ আছে?
  1. ক) ষষ্ঠ ভাগ
  2. খ) চতুর্থ ভাগ
  3. গ) অষ্টম ভাগ
  4. ঘ) সপ্তম ভাগ
সঠিক উত্তর:
খ) চতুর্থ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চতুর্থ ভাগ
ব্যাখ্যা
- চতুর্থ ভাগ : নির্বাহী বিভাগ তথা শাসন বিভাগ 
- ষষ্ঠ ভাগ : বিচার বিভাগ।
- সপ্তম ভাগ : নির্বাচন
- অষ্টম ভাগ : মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক

(সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
৩,৪৪৮.
'সাংলান' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব?
  1. বম
  2. খিয়াং
  3. চাক
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
খিয়াং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খিয়াং
ব্যাখ্যা

খিয়াং:
- খিয়াং পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি নৃজাতি গোষ্ঠী।আরাকান-ইয়োমা উপত্যকার অববাহিকা অঞ্চলে বসবাসরত নৃগোষ্ঠী থেকে খিয়াংদের আগমন।
- বর্তমানে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় এ জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- খিয়াংরা চীনা-তিববতীয় ভাষাগোষ্ঠীর তিববতি-ব্রহ্ম শাখার কুকি-চীন দলভুক্ত।
- খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ‘সাংলান’।
- তারা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেয়। তবে তাদের আদি দেব-দেবীদের পূজা করতেও দেখা যায়।
- বর্তমানে অনেকে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে।
- পাহাড়ের উপর খোলা জায়গায় এবং ছোট খাল বা ঝর্ণাধারার কাছে এদের গ্রামগুলি গড়ে উঠে।
- এরা ঘরকে বলে ‘ইম’ এবং গ্রামকে বলে ‘নাম’।
- খিয়াংদের সমাজব্যবস্থায় একজন নেতা থাকে যাকে বলা হয় কার্বারী।
- খিয়াংদের সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৩,৪৪৯.
টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান-
  1. লিটন দাসের
  2. তামিম ইকবালের
  3. মুমিনুল হকের
  4. মুশফিকুর রহিমের
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিমের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিমের
ব্যাখ্যা

- টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান মুশফিকুর রহিমের।
- তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে তাঁর সর্বোচ্চ ৩টি ডাবল সেঞ্চুরি রয়েছে।
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।
উৎসঃ বিসিবি ওয়েবসাইট।

৩,৪৫০.
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন্‌ তফসিলে আছে?
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. পঞ্চম তফসিল
  3. ষষ্ঠ তফসিল
  4. সপ্তম তফসিল
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম তফসিল
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে - ১১টি।
- তফসিল আছে - ৭টি; প্রস্তাবনা আছে ১টি এবং মূলনীতি আছে ৪টি।
----------------
সংবিধানের তফসিলসমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট - ৭টি তফসিল ও এর বিষয়বস্তু -

প্রথম তফসিল:
অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।

দ্বিতীয় তফসিল:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।

তৃতীয় তফসিল:
শপথ ও ঘোষণা।

চতুর্থ তফসিল:
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

পঞ্চম তফসিল:
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ।

ষষ্ঠ তফসিল:
২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা।

সপ্তম তফসিল:
মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান; বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাস - আরিফ খান ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৫১.
বাংলাদেশ কোন সালে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের পূর্ণ সদস্যপদ পায়?
  1. ক) ২০০৪
  2. খ) ১৯৯৬
  3. গ) ২০১০
  4. ঘ) ২০১৬
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৪
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের পূর্ণ সদস্যপদ পায়। 

•  ২০০৪ সালে গ্রিসে অনুষ্ঠিত ৪৫তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান যোগ দেন।
- বাংলাদেশ সেখানেই আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে।
- ২০০৫ সালে মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত ৪৬তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে প্রথম অংশ নেয়।

সূত্র: IMO ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। 
৩,৪৫২.
পাকিস্তানের শতকরা কত ভাগ মানুষের মাতৃভাষা ছিল বাংলা?
  1. ৪৬%
  2. ৫৬%
  3. ৭৬%
  4. ৫০%
সঠিক উত্তর:
৫৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬%
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের উপর ভিত্তিকরে ভারত উপমহাদেশ ভাগ হয়ে পাকিস্তান ।
- তৎকালীন পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় পরবর্তীকালে এর নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকালে পাকিস্তানের মোট জনগোষ্ঠীর ৫৬% বাংলা ভাষী এবং ৩.২৭% উর্দু ভাষী ছিল।
- তবুও শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।
- বাঙালি বুদ্ধিজীবী সমাজ প্রথমেই এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠেন।
তাঁরা এই অন্যায় ও বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান।
- এভাবেই পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত।
- ১৯৫২ সালে এ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ লাভ করে। ভাষার জন্য প্রতিবাদী আন্দোলনে পৃথিবীতে প্রথম শহিদ হন সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার, শফিউরসহ অনেকেই।
- ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সময়কালে বাঙালি জাতির স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পটভূমি রচনা করেছিল ভাষা আন্দোলন।
- ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত করে।
- যার প্রেরণায় দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,৪৫৩.
নিচের কোনটি মরিচের উন্নত জাত?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) ঝিটকা
  3. গ) রূপালি
  4. ঘ) বিজয়
সঠিক উত্তর:
ক) যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যমুনা
ব্যাখ্যা
- উন্নত জাতের মরিচ:- মেজর, চন্দ্রমুখী, সনিক, যমুনা
- উন্নত জাতের পেঁয়াজ:- তাহেরপুরী, ভাতি, ঝিটকা, কৈলাসনগর।
- উন্নত জাতের তুলা :- রূপালি ও ডেলফোজ।
- উন্নত জাতের গম:- অঘ্রানী, শতাব্দী, প্রদীপ, সুফী, বিজয়, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, সৌরভ, গৌরব, বরকত, জুপাটিকা-৭৩, ইনিয়া-৬৬ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৩,৪৫৪.
Name of the bank established under Bangladesh Police Welfare Trust is -
  1. Mutual Trust Bank
  2. Community Bank Bangladesh Ltd.
  3. IFIC Bank
  4. Trust Bank Bangladesh Ltd.
সঠিক উত্তর:
Community Bank Bangladesh Ltd.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Community Bank Bangladesh Ltd.
ব্যাখ্যা
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- ব্যাংকটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।
৩,৪৫৫.
জাতিসংঘ কবে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক বাঙালির অমর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করা হয়।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার বিষয়ে প্রাথমিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন কানাডাপ্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম।
- এবং কানাডার বহুভাষিক ও বহুজাতিক সংগঠন ‘মাতৃভাষা প্রেমিক গোষ্ঠী’।
- তৎকালীন সরকার ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৯ পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় ঘোষণা করেন।
- আন্তর্জাতিক ভাষা ইনস্টিটিউট সেগুন বাগিচা, ঢাকা।
- ১৫ মার্চ ২০০১ ঢাকার সেগুনবাগিচায় জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব কফি এ আনান এ ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

উৎস: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট।
৩,৪৫৬.
ঐতিহাসিক ছয় দফার সর্বশেষ দফা ছিলো কোনটি?
  1. ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. খ) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. গ) আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  4. ঘ) মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
গ) আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষিত হয় ১৯৬৬ সালে।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে '৬ দফা দাবি' পেশ করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, 
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, 
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং 
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
৩,৪৫৭.
ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র ছিলেন কে?
  1. ক) মোহাম্মদ হানিফ
  2. খ) ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত
  3. গ) মীর্জা আব্বাস
  4. ঘ) সাদেক হোসেন খোকা
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
• ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত। (৩১-১০-৭ থেকে ৮-১০-৭৮ পর্যন্ত)। 
• ১৯৭৮ সালে ঢাকা পৌরসভাকে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয় পৌরসভার চেয়ারম্যান ঢাকা মিউিনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র নামে অবিহিত হয়। এটা ছিল ঢাকা নগরবাসীদের বহুদিনের আশা আকাঙ্খার বাস্তব রূপায়ণ। এই সময় ৫০ জন নির্বাচিত কমিশনারসহ ৫ (পাঁচ) জন মনোনীত কমিশনার থাকার বিধান ছিল। এ করপোরেশনের মেয়র পদে ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত বহাল থাকেন ১৯৮২ সালের ৯ মে পর্যন্ত।
• গত ১৬ সেপ্টেম্বর লন্ডনে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।   

উল্লেখ্য, 
• ১৯৯৩ সালে ‘ঢাকা সিটি করপোরেশন (সংশোধনী) আইন, ১৯৯৩’ জারি করা হয়। এ আইনে মেয়র এবং কমিশনাররা প্রাপ্তবয়স্কদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হওয়ার বিধান হয়। নতুন আইনে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ। তিনি ২০০২ সালের ৪ এপ্রিল পর্যন্ত টানা আট বছর দায়িত্ব পালন করেন।    

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতি সমাচার, অক্টোবর ২০২২ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।    
৩,৪৫৮.
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের লোগো 'বলাকা' এর ডিজাইনার কে?
  1. হাশেম খান
  2. শামীম শিকদার
  3. নিতুন কুন্ডু
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক "বলাকা" ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

» শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক "বলাকা" ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

» কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বণিক বার্তা।

৩,৪৫৯.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ধারণার প্রবর্তক কে ছিলেন?
  1. ক) টিক্কা খান
  2. খ) ইয়াহিয়া খান
  3. গ) ইস্কাদার মির্জা
  4. ঘ) আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
• মৌলিক গণতন্ত্রের বর্ণনা:
- ১৯৫৯ সালের ২৭ অক্টোবর আইয়ুব খান তাঁর বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে গণতন্ত্র সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব চিন্তাধারা ও পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। 
- তাঁর উদ্ভাবিত পরিকল্পনা মৌলিক গণতন্ত্র নামে পরিচিত। 
- এর মাধ্যমে দেশে একটি চার স্তর বিশিষ্ট পিরামিড আকৃতির কাঠামো সৃষ্টি করা হয়।

• স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

 •  ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৬০.
সত্তরের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে কয়টি আসনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়েছে?
  1. ১৬৯টি
  2. ১৬৭টি
  3. ২৯০টি
  4. ৩১৩টি
সঠিক উত্তর:
১৬৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৭টি
ব্যাখ্যা
সত্তরের নির্বাচন ও আওয়ামী লীগ  
- বিচারপতি আব্দুস সাত্তার এর নেতৃত্বে গঠিত নির্বাচন কমিশনের অধীনে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রথম এবং শেষ সাধারণ নির্বাচন।
- নির্বাচনে মোট ২৪ টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।
- সমগ্র পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ছিল ৩১৩ টি, যার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের আসন সংখ্যা ছিল ১৬৯ টি ( ৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ )।
- এই নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে ১৬৯ টি আসনের মধ্যে ১৬৭ টি আসন লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে ২ টি আসনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়নি।
- ময়মনসিংহ ও রাঙ্গামাটিতে এই দুটি আসনে বিজয়ী হয় যথাক্রমে পিডিপি'র নূরুল আমিন এবং চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়। 
- এছাড়া , এই নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ ৩০০ টি আসনের মধ্যে ২৮৮ টিতে জয়লাভ করে।
- " ভোটের আগে ভাত চাই " স্লোগানে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল ন্যাপ ( ভাসানী ) এই নির্বাচন বর্জন করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৬১.
স্বাধীনতা পর বাংলাদেশ প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে?
  1. Commonwealth
  2. ILO
  3. OIC
  4. UNESCO
সঠিক উত্তর:
Commonwealth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Commonwealth
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ:
• বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থা কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।

অন্যদিকে: 
- বাংলাদেশ OIC এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে। 
- বাংলাদেশ UNESCO এর সদস্য পদ লাভ করে ২৭ অক্টোবর ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ ILO এর সদস্য পদ লাভ করে ২২ জুন ১৯৭২।

উৎস: স্ব স্ব ওয়েবসাইট।

৩,৪৬২.
মন্ত্রিসভার কত ভাগ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী রাখা যায়?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩,৪৬৩.
What is the percentage of value added tax on imports?
  1. 0%
  2. 5%
  3. 10%
  4. 15%
  5. 25%
সঠিক উত্তর:
15%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15%
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৬৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম?
  1. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
  2. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  3. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• বনভূমি:
- বাংলাদেশের মোট বনভূমির আয়তন প্রায় ২২.৫ লক্ষ হেক্টর।
- বনভূমির এ পরিমাণ দেশের মোট ভূমির শতকরা ১৭ ভাগ।
- এ বন সারাদেশে সমানভাবে বিস্তৃত নয়।
- অধিকাংশ বনভূমি দেশের পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম।

অবস্থান ও বিস্তৃতিভেদে বাংলাদেশের বনাঞ্চলকে প্রধানত পাঁচভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১। পাহাড়ি বন;
২। সমতলভূমির বন;
৩। ম্যানগ্রোভ বন;
৪। সামাজিক বন;
৫। কৃষি বন।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৬৫.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ’আফসার বাহিনী’ কোথায় গড়ে উঠে?
  1. টাঙ্গাইল
  2. ঝিনাইদহ
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

মুক্তিবাহিনী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যে বাহিনীটা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে সেটাকেই মুক্তিবাহিনী বলে।
- এটার কয়েকটা ভাগ ছিল।
- যেমন: একটা ভাগে ছিল সেনাবাহিনী, ইপিআর, পুলিশ, আনসার আর আরেকটা অংশে ছিল ছাত্র-জনতা।
- সবাইকে মিলিয়ে বলা হতো মুক্তিবাহিনী।

- এছাড়া, কতিপয় স্বতন্ত্র বাহিনীও  বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং অনেক এলাকা মুক্ত করে।

⇒ যেমন:
- ময়মনসিংহের আফসার বাহিনী।
- টাঙ্গাইলের কাদের সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনী।
- সিরাজগঞ্জে রফিক মির্জা বাহিনী।
- ফরিদপুরের হেমায়েত বাহিনী।
- ঝিনাইদহের আকবর বাহিনী।
- বরিশালের কুদ্দুস বাহিনী।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বিবিসি বাংলা।

৩,৪৬৬.
বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর কয়টি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর ৩টি।
- এগুলো হলো:
১. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর:
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।

২. মংলা সমুদ্র বন্দর:
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- এটা দেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর।
- বন্দরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে।
- এটি পশুর নদী ও মংলা নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত।

৩. পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর 'পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৪৬৭.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল -
  1. ক) ২০২১ থেকে ২০৩১ সাল
  2. খ) ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল
  3. গ) ২০৩১ থেকে ২০৪১ সাল
  4. ঘ) ২০১১ থেকে ২০৩১ সাল
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল
ব্যাখ্যা
• এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ২টি দীর্ঘমেয়াদি বা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

• প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল ছিল- ২০১০ থেকে ২০২১।
– এই পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সুষম ও সমন্বিত উন্নয়ন অর্জন।
- প্রধান লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত করা।

•  দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল- ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত।
- উদ্দেশ্য হচ্ছে দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুশাসন আরও সুসংহত করা এবং বাংলাদেশকে আধুনিক বিশ্বের দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
- প্রধান লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৩,৪৬৮.
দেশে সর্বশেষ কোন নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. নেটওয়ার্ক ফর সোসাল অ্যাকশন
  2. ন্যাশনাল কমিনিউকেশন পার্টি
  3. নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন
  4. বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট 
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন
ব্যাখ্যা

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ: 
- 'নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন' (এনপিএ) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।
- ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে এই প্ল্যাটফর্মটির যাত্রার ঘোষণা দেয়া হয়।
- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করা একটি অংশ এবং বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত অ্যাকটিভিস্টদের সমন্বয়ে এই নতুন প্ল্যাটফর্মটি গঠন করা হয়েছে।
- এ প্ল্যাটফর্মের মূলমন্ত্র- গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ সুরক্ষা।
- নতুন এই প্ল্যাটফর্মের ৩ জন মুখপাত্র ও ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়েছে।
- তিন মুখপাত্র হলেন ফেরদৌস আরা রুমী, মঈনুল ইসলাম তুহিন (তুহিন খান) ও নাজিফা জান্নাত।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।[লিঙ্ক]

৩,৪৬৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘অধস্তন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা’ বিষয়টি বর্ণিত আছে?
  1. ১১৪নং
  2. ৯৪নং
  3. ১০৮নং
  4. ১১৭নং
সঠিক উত্তর:
১১৪নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪নং
ব্যাখ্যা

→ সংবিধানের ১১৪নং অনুচ্ছেদ- ’‘অধস্তন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা’ বিষয়টি বর্ণিত আছে।

অন্যদিকে,

• সংবিধানের ৯৪নং অনুচ্ছেদ- ’সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা’ সম্পর্কিত।
• সংবিধানের ১০৮নং অনুচ্ছেদ-  "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট সম্পর্কিত।
• সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদ- ’প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ’ সম্পর্কিত।


উৎস: সংবিধান।

৩,৪৭০.
ঢাকা শহরে 'অপারেশন সার্চলাইট' পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা
  2. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  3. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  4. জেনারেল টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
জেনারেল রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্চলাইট:
- অপারেশন সার্চলাইট পাকিস্তানে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।
- অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় ২৫ মার্চ রাত সাড়ে এগারটা থেকে মধ্য মে পর্যন্ত বড় বড় শহরে অভিযান পরিচালিত হয়।
- অপারেশন সার্চলাইট  অভিযান শুরুর সময় নির্ধারিত ছিল ২৬ মার্চ রাত ১টা।
⇒ ২৫ মার্চ রাত ১টায় অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় অভিযানে ঢাকায় নেতৃত্ব দেয় জেনারেল রাও ফরমান আলী।
- দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নেতৃত্ব দেয় জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৭১.
বাংলাদেশ গণপরিষদে সংবিধান পাশ হয়-
  1. ক) ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. খ) ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. গ) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান খসড়া তৈরীর উদ্দেশ্যে গণপরিষদে ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ঠ সংবিধান প্রনয়ন কমিটি গঠন করা হয়। এর সভাপতি ছিলেন - ড. কামাল হোসেন।
- এই কমিটি ৭০টি বৈঠক করে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন করেন এবং ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ তারিখে গণপরিষদে উত্থাপন করা হয় সাধারন আলোচনার জন্য।
- গণপরিষদ সদস্যরা সাধারন আলোচনার পর ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর তা গণপরিষদে পাশ হয়। ৪ নভেম্বরকে তাই সংবিধান দিবস হিসাবে পালন করা হয়।
- সংবিধান ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাস।
৩,৪৭২.
বাংলাদেশে সর্বশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল 'গণসংহতি আন্দোলন' দলের প্রতীক কী? [নভেম্বর - ২০২৪]
  1. গামছা
  2. মাথাল
  3. ট্রাক
  4. কেটলি
সঠিক উত্তর:
মাথাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথাল
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক দল হলো গণতন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি।
- যখন কিছু সংখ্যক মানুষ মতাদর্শগতভাবে একমত পোষণ করে এবং ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় তখন তাকে রাজনৈতিক দল বলে।
- রাজনৈতিক দল গড়ে ওঠে নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে।
- রাজনৈতিক দলের একটি স্থায়ী সংগঠন থাকে এবং এ সংগঠনের মাধ্যমে এটি কাজ করে।
- একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যবৃন্দ একই মতাদর্শে বিশ্বাসী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা অর্জনের জন্য কাজ করে।
- রাজনৈতিক দল হচ্ছে মতাদর্শ ভিত্তিক সুসংবদ্ধ সংগঠন।
- এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ করা।
- রাজনৈতিক দলকে জনসমর্থন আদায়ের জন্য রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরেও, আর্থ-সামাজিক বিষয়াদি নিজ কর্মসূচিতে সন্নিবেশিত করতে হয়।
- বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৪৮টি।
- সর্বশেষ ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে 'গণসংহতি আন্দোলন' নামে একটি রাজনৈতিক দল নিবন্ধন লাভ করে।
- 'গণসংহতি আন্দোলন' দলের প্রতীক মাথাল।
- নিবন্ধন নং: ৫৩।
- প্রধান সমন্বয়কারী: জনাব জোনায়েদ সাকি।

উৎস: নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট ও পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭৩.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘রাজনীতির কবি’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন কে?
  1. মাওলানা আকরাম খান
  2. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. লোবেন জেঙ্কিন্স
সঠিক উত্তর:
লোবেন জেঙ্কিন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোবেন জেঙ্কিন্স
ব্যাখ্যা
Poet of Politics:
- রাজনীতির কবি ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’।
- তিনি শুধু বাঙালির বঙ্গবন্ধু নয়, বিশ্ববরেণ্য রাজনীতিক 'বিশ্ববন্ধু' উপাধিতেও বিশ্বনন্দিত।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা। 
- ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সাংবাদিক লোবেন জেঙ্কিন্স সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন Newsweek পত্রিকায় তার প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' বা Poet of Politics বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
-  সকল শ্রেণী ও আদর্শের অনুসারীদের একতাবদ্ধ করার জন্য সম্ভবত তাঁর 'স্টাইল' সবচেয়ে বেশি উপযোগী ছিল।
- এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ৭ মার্চের ভাষণকে এক অনবদ্য কবিতা এবং বঙ্গবন্ধুকে মহাকবি হিসেবে ভূষিত করার অবারিত যুক্তি রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নিউজউইক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন।
- ১৯৩৩ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।
          ii) ১৫ আগস্ট ২০১৮, দৈনিক জনকণ্ঠ।
৩,৪৭৪.
কাগমারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ময়মনসিংহে
  2. খ) টাঙ্গাইলে
  3. গ) মেহেরপুরে
  4. ঘ) শেরপুরে
সঠিক উত্তর:
খ) টাঙ্গাইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টাঙ্গাইলে
ব্যাখ্যা
আওয়ামীলীগের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে ১৯৫৭ সালের ৭-১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন।
এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও টাঙ্গাইল জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
৩,৪৭৫.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন
  2. খ) কম্পট্রোলার ও অডিটর জেনারেল
  3. গ) বাংলাদেশ কর কমিশন
  4. ঘ) এটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ কর কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ কর কমিশন
ব্যাখ্যা
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ:

- বাংলাদেশ কর কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়।
- সরকারী কর্মকমিশন (পিএসসি) বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় প্রতিষ্ঠিত একটি আধা বিচারিক সংস্থা। এটি সংবিধানের ১৩৭ ও ১৪০ অনুচ্ছেদ এবং আরও কিছু সরকারি বিধি-বিধান অনুসারে কাজ করে। 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কম্পট্রোলার ও অডিটর জেনারেল (সিএজি) এর কার্যালয়কে পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান করে। সিএজি কর্তৃপক্ষের অধীনে প্রজাতন্ত্রের সরকারি একাউন্টস, সরকারি এজেন্সি, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং পাবলিক কোম্পানিসমূহের অডিট পরিচালনা করা হয় এবং তা সংসদে উপস্থাপিত হয়। সিএজি কার্যালয় সরকারি সম্পদ ব্যবহারের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদকে সহায়তা দিয়ে থাকে।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি এটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন। সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে এটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উত্থাপিত যেকোনো রেফারেন্সের ক্ষেত্রে তাঁর নিজস্ব মত প্রকাশ করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
- সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও প্রয়োজন সাপেক্ষে কয়েকজন নির্বাচন কমিশনারদের নিয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রয়েছে। রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের (প্রয়োজন সাপেক্ষে) নিয়োগ দেবেন। নির্বাচন কমিশনের সদস্য সংখ্যা একের অধিক হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সংবিধান অনুসারে যেকোনো নির্বাচন কমিশনারের চাকরির মেয়াদকাল হবে তার প্রথম কার্য দিবস হতে পরবর্তী ৫ বছর কাল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৪৭৬.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনায় গণনা পদ্ধতি কী ছিল?
  1. De-jure
  2. Modified De-facto
  3. Pure De-facto
  4. Traditional
সঠিক উত্তর:
Modified De-facto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modified De-facto
ব্যাখ্যা

​ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-facto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।

​উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

৩,৪৭৭.
'কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে পারবেন না'-সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ৪৮ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৫০ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৫৩ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৫২ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৫০ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

'কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে পারবেন না'- এই বিধানটি বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(২) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ
⇒ ৫০(১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর মেয়াদে তাঁর পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন।
- তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।

⇒ ৫০(২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- একাদিক্রমে হোক বা না হোক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকবেন না।

⇒ ৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ ত্যাগ করতে পারবেন।

⇒ ৫০(৪) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁর কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে।

অন্যদিকে,
- ৪৮ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি।
- ৫৩ নং অনুচ্ছেদ: অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ। 
- ৫২ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩,৪৭৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫০নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  2. খ) শপথ ও ঘোষণা
  3. গ) রাষ্টপতি নির্বাচন
  4. ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের একাদশ ভাগ বিবিধ অংশে ১৫০নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী সম্পর্কে বলা আছে।
- অনুচ্ছেদ ১৫০(১) অনুযায়ী এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী হিসাবে কার্যকর থাকবে। 
 - অনুচ্ছেদ ১৫০(২) অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখ হতে ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তন হবার অব্যবহিত পূর্ব পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ, ষষ্ঠ তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার টেলিগ্রাম এবং সপ্তম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র হল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ঐতিহাসিক ভাষণ ও দলিল, যাহা উক্ত সময়কালের জন্য ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী বলে গণ্য হবে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
৩,৪৭৯.
ঈশ্বরচন্দ্র কত সালে, কোন প্রতিষ্ঠান থেকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি লাভ করেন?
  1. ১৮৩৫, হিন্দু কলেজ
  2. ১৮৩৯, সংস্কৃত কলেজ
  3. ১৮৪৫, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ১৮৫০, প্রেসিডেন্সি কলেজ
সঠিক উত্তর:
১৮৩৯, সংস্কৃত কলেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩৯, সংস্কৃত কলেজ
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- জন্ম: ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০, বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ।
- মৃত্যু: ২৯ জুলাই ১৮৯১, কলকাতা।
- পিতার নাম: ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, মাতার নাম: ভগবতী দেবী।
- উপাধি: “বিদ্যাসাগর”, ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ থেকে প্রাপ্ত।
- পেশা: শিক্ষাবিদ ও সমাজ সংস্কারক।

• সমাজ সংস্কার কার্যক্রম:
- বিধবা বিবাহ আইন (১৮৫৬) প্রবর্তনের অন্যতম উদ্যোক্তা।
- বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
- নারী শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন: নদিয়া, হুগলি, বর্ধমান, মেদিনীপুরে স্কুল স্থাপন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৪৮০.
সম্প্রতি, টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ-জার্মানির মধ্যে কত ইউরো ঋন চুক্তি সই হয়? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১ কোটি ৪৪ লাখ
  2. ২ কোটি ৩৪ লাখ
  3. ৩ কোটি ৪০ লাখ
  4. ৩ কোটি ৪৪ লাখ
সঠিক উত্তর:
১ কোটি ৪৪ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি ৪৪ লাখ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-জার্মানি ঋণ চুক্তি:
- টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ-জার্মানির মধ্যে ১ কোটি ৪৪ লাখ ইউরো দেওয়ার চুক্তি হয়েছে।
- বর্তমান বাজারে টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ১৮০ কোটি টাকা।
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও জার্মান সরকারের মধ্যে শেরে বাংলা নগরের ইআরডি সম্মেলনকক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তিনটি প্রকল্পে এই অর্থ দেওয়া হবে:
১/ বস্ত্র খাতে টেকসই কর্মসূচি-২ প্রকল্পে ৭৩ লাখ ইউরো;
২/ সাপোর্ট ফর দ্য লোকালাইজেশন অব ন্যাশনাল ক্লাইমেট অ্যাডাপটেশন টার্গেটসে ৩০ লাখ ইউরো ও
৩/ ট্রানজিশন টু সাসটেইনেবল ই-মবিলিটি প্রকল্পে সাড়ে ৪১ লাখ ইউরো দেবে জার্মানি।

- এসব প্রকল্পের মাধ্যমে বস্ত্র খাতের টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৪৮১.
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি কে?
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) শামীম শিকদার
  3. গ) আমিনুল ইসলাম
  4. ঘ) নিতুন কুণ্ডু
সঠিক উত্তর:
ক) হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি।
- তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়।
- এ নকশায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেলের সম্মুখভাগের বিস্তৃত এলাকা এর অন্তর্ভূক্ত ছিল।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৩,৪৮২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীরত্বসূচক খেতাব লাভ করেন কে?
  1. সাইমন ড্রিং
  2. ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড
  3. রবি শংকর
  4. অ্যালেন গিন্সবার্গ
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং
সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৪৮৩.
যুক্তফ্রন্ট কখন গঠিত হয়েছিলো?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।

• দলগুলো ছিল: 
– মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন- আওয়ামী মুসলিম লীগ
– শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন কৃষক- শ্রমিক পার্টি
– মওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন- নেজাম-ই-ইসলামী এবং
– হাজী দানেশের- বামপন্থী গণতন্ত্রী দল। 

• যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা। 
– ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
– ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
– ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
– যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
– যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবির প্রথম দফাটি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণী ও ইতিহাস প্রথম পত্র (এইচ এস সি) বাংলাদেশ ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৮৪.
প্রাচীন পুণ্ড্রনগর কোন নদীর তীরে অবস্থিত ছিল?
  1. গঙ্গা
  2. যমুনা
  3. করতোয়া
  4. মেঘনা
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
ব্যাখ্যা
পুন্ড্র:
- প্রাচীন পুন্ড্রনগর বাংলাদেশের প্রাচীনতম ও সমৃদ্ধ জনপদগুলোর একটি,
- এর অবস্থান ছিল করতোয়া নদীর তীরে।
- এটি বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে অবস্থিত এবং আজকের দিনে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত।
- করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ার ফলে এই জনপদে কৃষিভিত্তিক উন্নত নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল।
- নদীর পানির সহজলভ্যতা, সেচব্যবস্থা এবং পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করেছিল পুন্ড্রনগরকে, এর ফলে এটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- প্রাচীন কালে এই অঞ্চল ছিল মৌর্য এবং পরে গুপ্ত শাসকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাদেশিক রাজধানী। 

সূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৮৫.
নিচের কোন স্থলবন্দর কুড়িগ্রামে অবস্থিত?
  1. বেনাপোল স্থলবন্দর
  2. নাকুগাঁও স্থলবন্দর
  3. সোনাহাট স্থলবন্দর
  4. তামাবিল স্থলবন্দর
সঠিক উত্তর:
সোনাহাট স্থলবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনাহাট স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম। 

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:

- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।

সূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
৩,৪৮৬.
কুষাণ সম্রাট কনিষ্কের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. পাটলিপুত্র
  2. মথুরা
  3. পুরুষপুর 
  4. কাবুল 
সঠিক উত্তর:
পুরুষপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষপুর 
ব্যাখ্যা

কুষাণ সাম্রাজ্য:
- মধ্য এশিয়ার এক উপজাতি কুষাণগণ ধীরে ধীরে ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করে এবং কনিষ্কের সময়ে উত্তর ভারতব্যাপী এক বিশাল সাম্রাজ্য তারা স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- কুষাণদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রথম নায়ক হলেন কুজলা কদফিসিস। তিনিই প্রথম কুষাণদের ছড়ানো-ছিটানো পাঁচ-পাঁচটি শাখাকে নিজের অধীনে ঐক্যবদ্ধ করেন।
- তাঁর পুত্র দ্বিতীয় কদফিসিস ভারতে কুষাণ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

• কনিষ্ক:
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে কনিষ্ক একজন প্রসিদ্ধ নরপতি। তিনি 'কুষাণ শ্রেষ্ঠ' হিসেবে ইতিহাসে খ্যাত।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন এবং ১০২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন।
- তিনি পশ্চিমে খোরাসান থেকে পূর্বে বিহার পর্যন্ত এবং উত্তরে খোটান থেকে দক্ষিণে কোঙ্কন পর্যন্ত বিশাল এক সাম্রাজ্য স্থাপন করেন।
- তাঁর রাজধানী ছিল পুরুষপুর, বর্তমান পেশোয়ার।
- বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কনিষ্কের খ্যাতি সমধিক।
- তাঁর রাজত্বকালে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্য ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়।
- ব্যাপক বাণিজ্যের মাধ্যমে কুষাণ সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক ভিত্তি ছিল সবল।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৮৭.
সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান কীরূপ? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ক্রমহ্রাসমান
  2. ক্রমবৃদ্ধিমান
  3. একই রকম
  4. পরপর ক্রমহ্রাসমান ও ক্রমবৃদ্ধিমান
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান:
- কৃষিখাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।

⇒ স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান:
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে: ১৩.৬২ শতাংশ,
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে: ১৩.১৪ শতাংশ,
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে: ১২.৫৬ শতাংশ,
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে: ১২.৫২ শতাংশ,
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে: ১২.০৭ শতাংশ,
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে: ১১.৫০ শতাংশ।
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে: ১১.২০ শতাংশ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে: ১১.০২ শতাংশ।

• প্রতি অর্থবছরে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান হ্রাস পেতে থাকে, সুতরাং বলা যায়, সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩,৪৮৮.
বাংলার নওয়াব উপাধি প্রাপ্ত প্রথম বাঙালি মহিলা কে?
  1. ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী
  2. বেগম রোকেয়া
  3. নীলিমা ইব্রাহীম
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী
ব্যাখ্যা
• নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ছিলেন নারীশিক্ষার পথিকৃৎ।
- দানশীলতার জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ‘নওয়াব’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- তিনিই বাংলার প্রথম মহিলা যিনি এই উপাধি লাভ করেন।
- 'রুপজালাল' নওয়াব ফয়জুন্নেসা রচিত গদ্য ও কবিতায় আত্মজীবনী মূলক রচনা।
- গ্রন্থটি ১৮৭৬ খ্রিষ্টাব্দে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৮৯.
বাংলাদেশে কয়টি ওয়ার সিমেট্রি রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
ওয়ার সিমেট্রি:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে যে ৪৫০০০ কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন, তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মায়ানমার (তৎকালীন বার্মা), আসাম, এবং বাংলাদেশে ৯টি রণ সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধিক্ষেত্র আছে, যার একটি কুমিল্লায় এবং অপরটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।

⇒ ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি বাংলাদেশের কুমিল্লাতে অবস্থিত একটি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি। ময়নামতি রণ সমাধিক্ষেত্র মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯০৩-১৯৪৫) নিহত ভারতীয় (তৎকালীন) ও বৃটিশ সৈন্যদের কবরস্থান। এটি ১৯৪৬ সালে তৈরি হয়েছে। কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের খুব কাছেই এই যুদ্ধ সমাধির অবস্থান। এই সমাধিক্ষেত্রটি Commonwealth War Graves Commission (CWGC) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ও তারাই এ সমাধিক্ষেত্র পরিচালনা করেন। প্রতি বছর নভেম্বর মাসে সকল ধর্মের ধর্মগুরুদের সমন্বয়ে এখানে একটি বার্ষিক প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাধিক্ষেত্রটিতে ৭৩৬টি কবর আছে। এর মধ্যে অধিকাংশ কবর হল সে সময়কার হাসপাতালের মৃত সৈনিকগণের। তাছাড়াও যুদ্ধের পর বিভিন্ন স্থান থেকে কিছু লাশ স্থানান্তর করেও এখানে সমাহিত করা হয়। সর্বমোট ৭২৩ জন নিহতের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছিল।

⇒ চট্টগ্রাম রণ সমাধিক্ষেত্র ১৯৪৩-১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রামে তৎকালীন সময়ে ছিল অনেক বড় হাসপাতাল। এছাড়া চট্টগ্রাম ছিল যুদ্ধ-সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্র, গভীর সমুদ্র বন্দর যেখান থেকে মিত্র বাহিনী আরাকান এলাকায় তাঁদের সামরিক অভিযান পরিচালনা করতো। ব্রিটিশ সেনাবাহিনী দ্বারা নির্মিত এই সমাধিক্ষেত্রে প্রথম দিকে ৪০০টি কবর ছিল। বর্তমানেএই সমাধিক্ষেত্রের ৭৫৫টি কবর আছে। সর্বমোট ৭৩৮ জন নিহতের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৪৯০.
দিনাজপুরের দেবকোট-কে বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন কোন মুসলিম শাসক?
  1. মুহাম্মদ ঘুরি
  2. বখতিয়ার খলজি
  3. শিরান খলজি
  4. ঈশা খা
সঠিক উত্তর:
বখতিয়ার খলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বখতিয়ার খলজি
ব্যাখ্যা

দেবকোট: 
- বাংলার সুলতানি আমলের গোড়ারদিকে রাজ্যের উত্তর সীমান্তে দেবকোট একটি গুরুত্বপূর্ণ চৌকি ছিল।
- বস্ত্তত, বখতিয়ার খলজী ও পরবর্তী খলজী মালিকদের আমলে দেবকোট বিশিষ্ট নগরীর মর্যাদা লাভ করে।
- বখতিয়ার খলজী তিববত অভিযানের পূর্বে দেবকোটে রাজধানী স্থাপন করেন।
- এবং তিববত অভিযান হতে ফিরে এসে এখানেই তার মৃত্যু হয় এবং এ স্থানেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৪৯১.
How much production capacity of Teesta Solar Limited is?
  1. 200 MW
  2. 400 MW
  3. 600 MW
  4. 800 MW
সঠিক উত্তর:
200 MW
উত্তর
সঠিক উত্তর:
200 MW
ব্যাখ্যা
তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র যা তিস্তা সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের সবচেয়ে বড় সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- এটি ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- গাইবান্ধা জেলার, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নে ১ হাজার একর জমির ওপর তিস্তা সোলার নির্মাণ করা হয়।
- সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করেন বাংলাদেশের বেক্সিমকো কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- ২ আগস্ট, ২০২৩ তিস্তা সোলার লিমিটেডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এ কেন্দ্র থেকে দিনে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রিডে।

উৎস: ৩ আগস্ট ২০২৩, দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।
৩,৪৯২.
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা সেনানিবাস
  2. চট্টগ্রাম সেনানিবাস
  3. রাজশাহী সেনানিবাস
  4. ঢাকা সেনানিবাস
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাস
ব্যাখ্যা
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য:
- সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’।
- এর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থিত।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ সালে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়।
- ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যের সামনে ‘ফোয়ারা’ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
- ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’, যা দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্যসন্তান এবং তাঁরা সূর্যরশ্মির মতো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারি ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩।
৩,৪৯৩.
সম্প্রতি, কোথায় ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’ উদ্বোধন করা হয়? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদের আবাসনের জন্য নবনির্মিত ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’।
- ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে নবনির্মিত বর্ধিত জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবনের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সংগ্রামে শহিদদের স্মৃতি রক্ষার্থে নবনির্মিত এই ভবনের নামকরণ ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’ করা হয়েছে।
- আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন বর্ধিত ১১ তলা বিশিষ্ট এই ভবনে ২৫২টি কক্ষে ১০০৮ জন শিক্ষার্থী থাকতে পারবেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৩,৪৯৪.
ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে বাংলার কোন জনপদের কথা উল্লেখিত হয়েছে?
  1. বঙ্গ
  2. সমতট
  3. হরিকেল
  4. গৌড়
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
ব্যাখ্যা

• বঙ্গ:
- বঙ্গ বাংলার একটি সুপ্রাচীন মানব-বসতির স্থান বা জনপদ,
- চৌদ্দ শতকে মুসলমান শাসনামলে পরিবর্তিত রূপে বাঙ্গালাহ হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।
- ঐতরেয় আরণ্যক-এ সর্বপ্রথম মগধের সাথে বঙ্গ নামক একটি জনগোষ্ঠীর কথা উল্লিখিত হয়েছে।
- বৌধায়ন ধর্মসূত্রে একটি জনগোষ্ঠী হিসেবে বঙ্গ নামের উল্লেখ রয়েছে, যারা আর্যসভ্যতার সীমার বাইরে কলিঙ্গের পাশেই বসবাস করত।
- কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে বঙ্গ নামের উল্লেখ রয়েছে একটি সর্বপ্রাচীন ভৌগোলিক ইউনিট হিসেবে।
- প্রথম খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে প্রথম খ্রিস্টাব্দ কালে লিখিত জৈন উপাঙ্গ পন্যবণা (প্রজ্ঞাপনা)-তে কিছুটা বিস্তৃতভাবে বঙ্গ এর উল্লেখ পাওয়া যায়। এখানে তাম্রলিপ্তিকে (তমলুক, মেদিনীপুর জেলা) বঙ্গের অন্তর্গত হিসেবে দেখানো হয়েছে।
- সেন যুগের লিপি সাক্ষ্যে বঙ্গের ‘বিক্রমপুরভাগ’ ও ‘নাব্যভাগ’-এর উল্লেখ রয়েছে, যা বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর ঢাকা, ফরিদপুর ও বরিশাল এলাকা নির্দেশ করে।
- বর্তমান বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাংশের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় বঙ্গের অস্তিত্ব ছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৪৯৫.
মন্ত্রিসভা যৌথভাবে দায়ী থাকবেন কার নিকট?
  1. ক) মন্ত্রণালয়ের কাছে
  2. খ) রাষ্ট্রপতির কাছে
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর কাছে
  4. ঘ) জাতীয় সংসদের
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদের
ব্যাখ্যা
- মন্ত্রিসভা যৌথভাবে দায়ী থাকবেন জাতীয় সংসদের নিকট।
- মন্ত্রিসভার অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নির্বাচন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং অনুচ্ছেদের মতে মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩,৪৯৬.
E-TIN এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Electronic Taxpayer's Identification Note
  2. খ) Electronic Taxpayer's Identity Number
  3. গ) Electronic Taxpayer's Identity Note
  4. ঘ) Electronic Taxpayer's Identification Number
সঠিক উত্তর:
ঘ) Electronic Taxpayer's Identification Number
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Electronic Taxpayer's Identification Number
ব্যাখ্যা
• E-TIN এর পূর্ণরূপ - Electronic Taxpayer's Identification Number
- ই-টিআইএন মানে ইলেকট্রনকি ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নাম্বার, ইহা আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- ইহা ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর। একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই-টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
 
৩,৪৯৭.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে কত শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে? 
  1. ১২%
  2. ১১%
  3. ৯.০%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
৯.০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.০%
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
- প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন ২৩.৫%।
- দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি ১৪.০%।
- তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: সুদ।

উল্লেখ্য,
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

৩,৪৯৮.
বাগেরহাট খান জাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি কত গম্বুজ বিশিষ্ট?
  1. চৌষট্টি
  2. ষাট
  3. একাশি
  4. আশি
সঠিক উত্তর:
একাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাশি
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
• ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে অবস্থিত।
• ষাট গম্বুজ মসজিদটি বর্তমানে বাগেরহাট শহর থেকে তিন মাইল পশ্চিমে ঘোড়াদীঘির পূর্ব পাড়ে অবস্থিত। এটি নির্মাণ করেন খান জাহান আলী।
• ষাট গম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত ষাট গম্বুজ মসজিদ, এটি বৃহত্তম মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত হয়।
• খান জাহান আলি (উলুঘ খান) এটি নির্মাণ করেন ১৫০০ শতাব্দীতে।
• মসজিদটির মোট গম্বুজ সংখ্যা ৮১ টি ।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৩,৪৯৯.
নিচের কোনটি সরকার কাঠামোর অংশ নয় কিন্তু সরকারি নীতি নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে?
  1. ক) জাতীয় সংসদ
  2. খ) সুপ্রিম কোর্ট
  3. গ) সুশীল সমাজ
  4. ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
গ) সুশীল সমাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুশীল সমাজ
ব্যাখ্যা
সুশীল সমাজ বা সিভিল সোসাইটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার কাঠামোর অংশ নয়। এরা হলো বেসরকারি স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী।
কিন্তু তা সত্ত্বেও এই গোষ্ঠী সরকারি সিদ্ধান্ত ও নীতি নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। এদের মূল উদ্দেশ্যে হলো নিজেদের অনুকূলে সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
অন্যদিকে, জাতীয় সংসদ, সুপ্রিম কোর্ট ও বাংলাদেশ ব্যাংক সরকার কাঠামোর অংশ।
(সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক)
৩,৫০০.
রেমিট্যান্স আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. সপ্তম
  2. অষ্টম
  3. নবম
  4. দশম
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে ২০২০ সালে বিশ্বে রেমিট্যান্স আহরণে (বিলিয়ন মার্কিন ডলার):
- প্রথম : ভারত (৮৩ বি.)
- দ্বিতীয় : চীন (৫৯.৫ বি.)
- তৃতীয় : মেক্সিকো (৪২.৮ বি.)
- চতুর্থ : ফিলিপাইন (৩৪.৯ বি.)
- পঞ্চম : মিশর (২৯.৬ বি.)
- ষষ্ঠ : পাকিস্তান (২৬ বি.)
- সপ্তম : ফ্রান্স (২৪.৪ বি.)
- অষ্টম : বাংলাদেশ (২১ বি.)।
(তথ্যসূত্রঃ বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট)

উল্লেখ্য, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান - সপ্তম। এই তালিকাটিতে ফ্রান্স নেই।