বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৩৪ / ৩০৬ · ৩,৩০১৩,৪০০ / ৩০,৮৩২

৩,৩০১.
ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রধানত-
  1. দারিদ্র হ্রাস করে
  2. ভিক্ষাবৃত্তি হ্রাস করে
  3. নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে
  4. নারীর অংশগ্রহণ হ্রাস করে
সঠিক উত্তর:
নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম:
- দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে দরিদ্র মহিলাদের মধ্যে গোষ্ঠীভিত্তিক ঋণ প্রদানের একটি কর্মসূচি হিসেবে প্রথমে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম আরম্ভ হয়।  - বর্তমানে  বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এবং  কর্মসংস্থান ব্যাংক-এর মতো বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৮০০-এর অধিক  এনজিও দেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

• ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য নিম্নরূপ:
১। উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ।
২। উদ্যোক্তা সৃষ্টি।
৩। নারীর ক্ষমতায়ন।

⇒ এখানে অপশন বিবেচনায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি অধিক গ্রহণযোগ্য। তার যৌক্তিকতা হল - 
• গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম মূলত নারীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।
• এ কার্যক্রম নারীর ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করে।
• স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নারীরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছে।
• এর ফলে সমাজে নারীর দৃঢ় অবস্থান প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।

⇒ তাই বলা যায় ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে নারীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আয়বর্ধক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ণ এবং অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি। [লিংক]

৩,৩০২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হবার নূন্যতম বয়স-
  1. ক) ৩০ বছর
  2. খ) ৩৫ বছর
  3. গ) ৪৫ বছর
  4. ঘ) ২৫ বছর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫ বছর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নূন্যতম বয়স ২৫ বছর
• বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) খ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
• সংবিধানের ১২২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে 'প্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটাধিকার- এই নীতির ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।'
• তাই ভোটার হওয়ার নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
• রাষ্ট্রপতি হওয়ার নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৩০৩.
বাংলাদেশে কোন তারিখে অর্থবছর শুরু হয়?
  1. ক) ১ জানুয়ারি
  2. খ) ১ জুলাই
  3. গ) ১ ফ্রেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
খ) ১ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ জুলাই
ব্যাখ্যা
বাজেট: 
- বাংলাদেশের আর্থিক বছর - জুলাই থেকে জুন। 
- অর্থবছর শুরু হয় - ১ জুলাই থেকে।
- বাংলাদেশের বাজেট - ঘাটতি বাজেট।
- সংসদে বাজেট পেশ করেন - অর্থমন্ত্রী।
- বর্তমান বাজেট - ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট বাদে)।
- ঘোষণা দেয় - ১ জুন, ২০২৩
- বাজেট পাশ হয় - ২৬ জুন, ২০২৩
- আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৫তম এবং মোট ২৫ তম বাজেট।

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৩
৩,৩০৪.
বঙ্গবন্ধুর চার খলিফা নামে পরিচিত নন কে?
  1. তোফায়েল আহমেদ
  2. শাহজাহান সিরাজ
  3. আবদুল কুদ্দুস মাখন
  4. নুরে আলম সিদ্দিকী
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল আহমেদ
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর চার খলিফা
-  বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুল আলোচিত পরিভাষা এটি। 
-  ১৯৭০-৭১ সালে ছাত্রলীগের চার প্রখ্যাত চার নেতাকে সবাই রসিকতা করেই শেখ মুজিবের চার খলিফা বলে চিহ্নিত করত। কারণ, তাঁরা বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও স্নেহভাজন ছিলেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সান্নিধ্য পাওয়া ওই নেতারা হলেন- আবদুল কুদ্দুস মাখন, শাহজাহান সিরাজ, আ স ম আবদুর রব ও নুরে আলম সিদ্দিকী।

- জানা যায়, চার ছাত্রনেতার মধ্যে আবদুল কুদ্দুস মাখন ছিলেন ছাত্রনেতাদের মধ্যে অন্যতম, যিনি সত্তরের দশকের শুরুতে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
- ১৯৭০ সালে মাখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়নের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের অন্যান্য নেতাসহ আবদুল কুদ্দুস মাখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন চত্বরে ২ মার্চ স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেন এবং পরদিন তিনি তাঁর সহকর্মীসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক’ বলে ঘোষণা দেন।
- আবদুল কুদ্দুস মাখন ১৯৭৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- তিনি আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন (১৯৯২-১৯৯৪)।
- ১৯৯৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।
- আরেক নেতা হলে শাহজাহান সিরাজ; 
- ১৯৬২ সালে হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হওয়ার মধ্যদিয়ে শাহজাহান সিরাজ ছাত্র-রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। 
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন আ স ম আবদুর রব।
- সেখান থেকেই পরদিন স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠের পরিকল্পনা করা হয়।
- সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে বিশাল এক ছাত্রসমাবেশে বঙ্গবন্ধুর সামনে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন শাহজাহান সিরাজ।
- এরপর যুদ্ধ শুরু হলে তিনি ‘বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স’ (বিএলএফ) বা মুজিব বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব নেন।
- আ.স.ম আব্দুর রব বর্তমানে বাংলাদশের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) এর নেতা।
- তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক।
- তার নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত যে পতাকা সেই পতাকা সর্ব প্রথম উত্তোলন করেন আ স ম আবদুর রব।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে বাংলাদেশের পতাকা তুলে দেন।
- ১৯৭১ ৩ মার্চ তিনি পল্টন ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক’ উপাধি প্রদান করেন। 

উৎস: প্রথম আলো, বিবিসি।
৩,৩০৫.
যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমন্স-এ বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত এম,পি -
  1. ক) আয়েশা হক
  2. খ) রূপা হক
  3. গ) আনোয়ারা হক
  4. ঘ) রেজওয়ানা হক
সঠিক উত্তর:
খ) রূপা হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রূপা হক
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমন্স-এ বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত এম,পি - রূপা হক

চার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি হলেন:
- রুশনারা আলী,
- রূপা হক,
- টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক
- আফসানা বেগম।

তথ্যসূত্র: ডয়চে ভেলে নিউজ।
৩,৩০৬.
স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নিয়ে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭০
  2. অনুচ্ছেদ ৭২
  3. অনুচ্ছেদ ৭৪
  4. অনুচ্ছেদ ৭৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৪
ব্যাখ্যা
•অনুচ্ছেদসমূহ:
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৩০৭.
মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো- 
  1. জেলা প্রশাসন
  2. বিভাগীয় প্রশাসন
  3. উপজেলা প্রশাসন
  4. পৌর প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দুটি স্তর আছে।
- প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমেসারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,৩০৮.
২০২২ সাফ অনূর্ধ্ব নারী ফুটবলের সর্বাধিক গোলদাতা কে?
  1. ক) সাবিনা খাতুন
  2. খ) ইয়াসমিন আক্তার
  3. গ) সাবিনা আক্তার
  4. ঘ) রেজিয়া খাতুন
সঠিক উত্তর:
ক) সাবিনা খাতুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাবিনা খাতুন
ব্যাখ্যা
২০২২ সাফ অনূর্ধ্ব নারী ফুটবল:

- সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোল ব্যবেধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপার স্বাদ পেল বাংলাদেশের মেয়েরা।
-  টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতা পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের দলনেতা সাবিনা খাতুন।
- টুর্নামেন্টে একাই দুটি হ্যাটট্রিক করার যোগ্যতা অর্জন করেন সাবিনা।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারটি করে গোল করেছেন বাংলাদেশের সিরাত জাহান স্বপ্না, ভারতের অ্যাঞ্জু মানং ও পাকিস্তানে নাদিয়া খান।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ তিন গোল করেছেন ভারতীয় তারকা ফুটবলার গ্রাস ডাংমেই।

উৎস: প্রথম আলো।
৩,৩০৯.
২০২৪ সালের পুরুষ "অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ" ক্রিকেটের চ্যাম্পিয়ন দল কোনটি?  
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. শ্রীলংকা
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 
------------------
• অনূর্ধ্ব–১৯ (পুরুষ ) এশিয়া কাপ-২০২৪: 
- ২০২৪ সালে প্রতিপক্ষ ভারতকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ।
- ফাইনালে ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার এশিয়া চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।

- ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়: সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- ভ্যানু - দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্সআপ: ভারত।
- ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ইকবাল হোসেন।
- ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট: ইকবাল হোসেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৩,৩১০.
কৃষি ক্ষেত্রে ইউরিয়া সার কীসের অভাব পূরণ করে?
  1. ক) পটাশিয়াম
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) ফসফেট
  4. ঘ) জিংক
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া সার হলো কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রধান রাসায়নিক সার। এটি নাইট্রোজেনের অভাব পূরণের লক্ষ্যে প্রয়োগ করা হয়। ইউরিয়া সার উৎপাদনে কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৩,৩১১.
‘বাংলাদেশের দরিদ্র মানচিত্র ২০২২’ অনুযায়ী দেশের সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা কোনটি?
  1. রাজৈর, মাদারীপুর
  2. ডাসার, মাদারীপুর
  3. কাউনিয়া, রংপুর
  4. হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ডাসার, মাদারীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাসার, মাদারীপুর
ব্যাখ্যা

‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২’ অনুযায়ী দেশের সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা হলো মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলা যেখানে দারিদ্র্যের হার ৬৩.২%।

বাংলাদেশের দরিদ্র মানচিত্র ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানুয়ারি, ২০২৫-এ 'বাংলাদেশের দারিদ্র্য ম্যাপ ২০২২' প্রকাশ করেছে।
- রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৯.২ শতাংশ।
- শহরে দারিদ্র্যের হার ১৬.৫ শতাংশ এবং গ্রামে দারিদ্র্যের হার ২০.৩ শতাংশ।

⇒ দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি বরিশাল বিভাগে ২৬.৬ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫.২ শতাংশ।
- দেশের সবচেয়ে দরিদ্র জেলা মাদারীপুর এবং সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা মাদারীপুরের ডাসার।
- অন্যদিকে, দেশের সবচেয়ে ধনী থানা ঢাকার পল্টন; জেলা হিসেবে সবচেয়ে ধনী নোয়াখালী।

উল্লেখ্য,
⇒ দেশের সবচেয়ে দরিদ্র ১০টি উপজেলা :
১) ডাসার, মাদারীপুর: দারিদ্র্য হার ৬৩.২%
২) হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ: দারিদ্র্য হার ৫৯.৬%
৩) কালকিনি, মাদারীপুর: দারিদ্র্য হার ৫৬.৩% -
৪) রাজৈর, মাদারীপুর: দারিদ্র্য হার ৫৬%
৫) শিবচর, মাদারীপুর: দারিদ্র্য হার ৫৫.১%
৬) নলছিটি, ঝালকাঠি: দারিদ্র্য হার ৫৩.৮% -
৭) গৌরীপুর, ময়মনসিংহ: দারিদ্র্য হার ৫২.৯%
৮) মাদারীপুর সদর: দারিদ্র্য হার ৫০%
৯) বেলাব, নরসিংদী: দারিদ্র্য হার ৪৯.৫%
১০) বোদা, পঞ্চগড়: দারিদ্র্য হার ৪৮.২%।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
ii) বণিক বার্তা।

৩,৩১২.
‘একতারা তুই দেশের কথা’-গানটির গীতিকার কে?
  1.  আপেল মাহমুদ 
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  4. নজরুল ইসলাম বাবু
সঠিক উত্তর:
গাজী মাজহারুল আনোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজী মাজহারুল আনোয়ার
ব্যাখ্যা

একতারা তুই দেশের কথা:
- একতারা তুই দেশের কথা গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- সুরকার: আনোয়ার পারভেজ।

এছাড়াও, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গান -
- জয় বাংলা, বাংলার জয় - গীতিকার: গাজী মাযহারুল আনোয়ার।
- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- এক সাগর রক্তের বিনিময়ে - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার। 
- জনতার সংগ্রাম চলবেই - গীতিকার: সিকান্দার আবু জাফর। 
- মুক্তির মন্দির সোপান তলে কতো প্রাণ হলো বলিদান  - গীতিকার: মোহিনী চৌধুরী।
- এক নদী রক্ত পেরিয়ে বাংলার আকাশে - গীতিকার: আতাউর রহমান। 
- পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল, রক্ত লাল, রক্ত লাল - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।

উৎস: প্রথম আলো।

৩,৩১৩.
সরকারের সকল কার্যাদি কার নামে সম্পাদিত হয়?
  1. আইন সভা
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির শাসন সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- রাষ্ট্রের প্রধান হওয়ায় সরকারের সকল কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও তিনি অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীকে নিয়োগ প্রদান করেন।
- এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে তিনি প্রধান বিচারপতি, এটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের নিয়োগ দান করে থাকেন।
- তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১৪.
ঢাকা শহরে 'অপারেশন সার্চলাইট' পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. ক) জেনারেল টিক্কা খান
  2. খ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
  3. গ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  4. ঘ) জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্চলাইট:
- অপারেশন সার্চলাইট পাকিস্তানে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।
- অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় ২৫ মার্চ রাত সাড়ে এগারটা থেকে মধ্য মে পর্যন্ত বড় বড় শহরে অভিযান পরিচালিত হয়।
- অপারেশন সার্চলাইট  অভিযান শুরুর সময় নির্ধারিত ছিল ২৬ মার্চ রাত ১টা।
- সিদ্ধান্ত হয়, ২৫ মার্চ রাত ১টায় অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় অভিযানে ঢাকায় নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল রাও ফরমান আলী।
- দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৩,৩১৫.
বাংলাদেশের যে জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে -
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
চা শিল্প:
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো।
- একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ টি রিসার্চ স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করেন।
- বর্তমানে তা বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) নামে পরিচিত।
- ২০২১ সাল থেকে ৪ জুন জাতীয় চা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে।
- ২০২৩ সালের ৪ জুন প্রথমবারের মত চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে মোট আটটি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৩ প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৬৮টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

অন্যদিকে,
- হবিগঞ্জ জেলায় ২৫ টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯ টি চাচা বাগান রয়েছে।
- চট্টগ্রাম জেলায় ২২ টি চাচা বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩,৩১৬.
'মারমারা' পূর্বে কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. মগ
  2. মান্দি
  3. বোডো
  4. ডাইংনেট
সঠিক উত্তর:
মগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মগ
ব্যাখ্যা

মারমা:
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তারা মূলত মায়ানমারের আরাকানিদের বংশধর।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- বহু পূর্বে মারমারা ‘‘মগ’’ নামেই পরিচিত ছিল।
- বর্তমানে তারা নিজেদের মারমা বলেই দাবী করে।
- মারমা শব্দটি মারমাজা বা ম্রাইমাচা নামক উপমহাদেশীয় প্রাচীন ব্রাহ্মী হস্তাক্ষর লিপি থেকে উদ্ভুত।
- স্বাধীনতা উত্তরা বাংলাদেশে সরকারিভাবে মারমা জনগোষ্টী স্বতন্ত্র উপজাতি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।
- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান হলেন একজন হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান হলেন রাজা।
- গ্রামের কারবারি মৌজার হেডম্যান এবং সার্কেল প্রধানের মূল দায়-দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।
- মারমাদের গ্রাম রোয়া।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৩১৭.
Which of the following historical place contains the tomb of 'Pari Bibi'?
  1. Star Mosque
  2. Sixty Dome Mosque
  3. Lalbagh Fort
  4. Ahsan Manzil
সঠিক উত্তর:
Lalbagh Fort
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lalbagh Fort
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খান লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করেন।
- তিনি ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
- এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।

উল্লেখ্য,
- পরী বিবির আসল নাম ইরান দুখত রেহমত বানু।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
৩,৩১৮.
১৮৫৭ সালের 'সিপাহি বিপ্লব' চলাকালে ভারতের ভাইসরয় ছিলেন-
  1. লর্ড বেন্টিংক
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. লর্ড ক্যানিং
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
লর্ড ক্যানিং:
- লর্ড ক্যানিং ১৮৫৬ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল।
- তিনি ভারতের প্রথম ভাইসরয়।
- তাঁর প্রশাসনের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লব-এর শুরু।
- লর্ড ক্যানিং বিদ্রোহটি দমন করেন এবং ১৮৫৮ সালে পার্লামেন্টারি আইন পাস হয়।
- ১৮৬০ সালের আগস্ট মাসে লর্ড ক্যানিং একটি পূর্ণাঙ্গ ও মিতব্যয়ী পুলিশবাহিনী গঠনের নিমিত্তে সুপারিশমালা প্রণয়নের জন্য এইচ.এম কোর্টকে চেয়ারম্যান করে একটি পুলিশ কমিশন গঠন করেন।
- ১৮৬১ সালে ভারতীয় কাউন্সিল আইন পাস যার দ্বারা বেসরকারি ভারতীয় সদস্যগণ ভাইসরয়ের আইনসভায় মনোনীত হতে পারতেন।
- ১৮৬১ সালে লর্ড ক্যানিং উপমহাদেশে পুলিশ সার্ভিস ও ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস চালু করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৩১৯.
উইলিয়াম হকিন্স কোন মুঘল সম্রাটের রাজত্বকালে ভারতবর্ষে এসেছিলেন?
  1. ক) হুমায়ুন
  2. খ) আকবর
  3. গ) বাবর
  4. ঘ) জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে উইলিয়াম হকিন্স ভারতবর্ষে এসেছিলেন। 

- জাহাঙ্গীর, সম্রাট (১৬০৫-১৬২৭)  মুগল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট।
- তিনি জয়পুরের রাজপুত রাজকন্যা ও সম্রাট আকবর এর প্রথম পুত্র এবং তাঁর নাম রাখা হয় সেলিম।
- তিনি তাঁর পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে নূরুদ্দীন মুহম্মদ জাহাঙ্গীর উপাধি গ্রহণ করে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনি জনকল্যাণমূলক বারোটি অনুজ্ঞা জারি করেন এবং বিখ্যাত ন্যায় বিচারের শিকল ঝুলিয়ে দেন।
- পিতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সময় যারা তাঁর বিরোধিতা করেছিল তাদের সবার প্রতি তিনি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন।
- জাহাঙ্গীরের প্রধান সামরিক অর্জন ছিল পূর্ব বাংলার বারো ভূঁইয়া ও আফগানদের দমন।
- ইসলাম খান বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত করেন এবং বাদশাহর নামে এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ১৬২৭ খ্রিস্টাব্দে কাশ্মীর থেকে ফিরে আসার পথে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয় এবং লাহোরের নিকটে শাহদারাতে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং ইতিহাস, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩২০.
বক্সারের যুদ্ধ কোন স্থানে সংঘটিত হয়?
  1. দিল্লি
  2. বিহার
  3. কানপুর
  4. জয়পুর
সঠিক উত্তর:
বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিহার
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় বিহারে।
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে। 
- বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন। সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়। মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৩,৩২১.
মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশকে কতটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করেছিলেন?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ১১টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১টি
ব্যাখ্যা
-মুজিবনগর সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জনাব রুহুল কুদ্দুস প্রধান সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন।
-সুষ্ঠু প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জুলাই মাসে (১৯৭১) বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- এগুলোর নাম দেয়া হয় জোনাল কাউন্সিল। মুজিবনগর সরকারের প্রতি আনুগত্য ঘোষণাকারী প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যদের প্রত্যক্ষভোটে ১১ জন আঞ্চলিক চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হয়। প্রতিটি অঞ্চলে কেন্দ্রীয় সরকারের
প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে একজন করে আঞ্চলিক প্রশাসক বা জোনাল এডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,   এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩২২.
কয়জন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ক) ২ জন
  2. খ) ৩ জন
  3. গ) ৫ জন
  4. ঘ) ৭ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ জন
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- ৫জন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন ৫ বছরের জন্য গঠিত হয়।
- দেশের সকল নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।
- নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় কার্যাবলি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনানুযায়ী সম্পন্ন হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্র প্রধান নিয়োগ দান করবেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করবেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (SSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩২৩.
কাগমারি সম্মেলনের মূল আলোচ্যসূচি ছিল কোনটি?
  1. ক) পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন
  2. খ) ক ও গ
  3. গ) জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক ও গ
ব্যাখ্যা
- কাগমারি সম্মেলন টাঙ্গাইল জেলার কাগমারিতে ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন।
-  ৭ ফেব্রুয়ারি কাউন্সিল অধিবেশনে মূল আলোচ্যসূচি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন এবং জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি। 
- কিন্তু সিয়াটো ও সেন্টোর সামরিক চুক্তির প্রতি আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী  হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করলে সম্মেলনে মতবিরোধের সৃষ্টি হয়। 
- ১৯৫৪ সালে  যুক্তফ্রণ্ট নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোর একুশ দফা প্রতিশ্রুতির অন্যতম ছিল জোটনিরপেক্ষ ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি। 
- সোহরাওয়ার্দীর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক বক্তব্য আওয়ামী লীগের বামপন্থি নেতৃবৃন্দ সমর্থন করেন নি। 
- এঁদের পুরোধা ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি (সম্মেলনেরও সভাপতি) মওলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানী। 
- আওয়ামী লীগের আইনসভার সদস্য ও নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে কাউন্সিল অধিবেশনে মওলানা ভাসানী সোহরাওয়ার্দীর অনুসৃত সামরিক জোটের সমালোচনা করেন। 
- ওই ভাষণে মওলানা প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তোলেন।
-  সোহরাওয়ার্দী সামরিক জোটের পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করেন। তিনি পাকিস্তান স্বাক্ষরিত সামরিক চুক্তি এবং কেন্দ্র কর্তৃক পূর্ব পাকিস্তানে আরোপিত অর্থনৈতিক নীতিমালার পক্ষেও রায় দেন।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৩,৩২৪.
‘বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)’ কোনটির নিয়ন্ত্রণাধীন-
  1. ক) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. খ) শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  4. ঘ) অর্থ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
দেশের ইপিজেডগুলো ব্যবস্থাপনাকারী কর্তৃপক্ষ হলো বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন। ইপিজেড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা গঠন করা হয়। বেপজা গঠনের পর শুরু হয় ইপিজেড প্রতিষ্ঠার কাজ। চট্টগ্রাম ইপিজেড দিয়েই সেটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। চট্টগ্রাম ইপিজেড প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পর ১৯৯৩ সালে এসে গড়ে ওঠে ঢাকা ইপিজেড। এরপর পর্যায়ক্রমে ১৯৯৯ সালে মংলা, ২০০০ সালে কুমিল্লা, ২০০১ সালে ঈশ্বরদী ও নীলফামারীতে উত্তরা, ২০০৬ সালে নারায়ণগঞ্জে আদমজী ও চট্টগ্রামে কর্ণফুলী ইপিজেডের যাত্রা শুরু হয়।
[সূত্রঃ বেপজা ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
৩,৩২৫.
সার্জেন্ট জহুরুল হক কবে শহিদ হন?
  1. ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮
  2. ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮
  3. ১৯ জুন, ১৯৬৮
  4. ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
♦ পটভূমি
- সামরিক বাহিনী ও আওয়ামী লীগের সদস্য মিলে ২৫০ জন বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করেন।
- সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯৬৭ সালের ১২-১৫ জুলাই ভারতের সহযোগিতা লাভে বঙ্গবন্ধু এবং আলী রেজা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা জেলায় ভারতীয় ব্রিগেডিয়ার মেনন এবং মেজর মিশ্রের সাথে বৈঠক করেন।
- পরিকল্পনাকারীদের একজন, আমির হোসেন ১৯৬৭ সালের অক্টোবর মাসে এই পরিকল্পনা ফাঁস করেন।

♦ ঘটনাপ্রবাহ
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি এই কারণে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়।
- আইয়ূব খান সরকার "রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য" নামে এই মামলা দায়ের করেছিল।
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- প্রধান আসামি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ মোট আসামি ছিলেন ৩৫জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন, ১৯৬৮ তারিখে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার ১৭ নং আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ তারিখে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।

♦ পরিসমাপ্তি
- গনঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহামেদ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন।

সূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
৩,৩২৬.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোথায় অবস্থিত?
  1. মিরপুর
  2. গাজীপুর
  3. কেরাণীগঞ্জ
  4. সাভার
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা
বিকেএসপি:

- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়। 
- বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
- সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানের ৪টি শাখা রয়েছে।প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং একাডেমিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৩২৭.
কোন সম্রাট ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার হিসাবে নিযুক্ত করেন?
  1. সম্রাট আকবর
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
সম্রাট জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতি:
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান চিশতিকে বাংলার সুবাদার হিসেবে নিযুক্ত করেন।

উল্লেখ্য,
- ইসলাম খান চিশতি (১৬০৮-১৬১৩)  পাঁচ বছরেরও বেশি সময়ের জন্য বাংলার মুগল সুবাহদার ছিলেন।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি। সম্রাট  জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- তাঁর বিখ্যাত পূর্বসূরিগণ যেখানে ব্যর্থ হয়েছিলেন সেখানে চট্টগ্রাম ছাড়া সমগ্র বাংলা জয় করে মুগলদের নিয়ন্ত্রণে আনার সাফল্য লাভ করায় বাংলার সুবাহদার হিসেবে ইসলাম খান খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- জাহাঙ্গীরের অধিনস্ত প্রথম কয়েকজন সুবাহদার বাংলা জয়ে সাফল্য অর্জণে ব্যর্থ হলে তরুণ ও উদ্যমী ইসলাম খানকে তিনি বাংলা জয়ের জন্য নির্বাচিত করেন ও সুবাহদার হিসেবে ১৬০৮ সালে বাংলায় প্রেরণ করেন।

• বাংলায় আসার আগে তিনি বিহারের সুবাহদার ছিলেন। নিয়োগ লাভ করে তিনি অনতিবিলম্বে বাংলার তদানীন্তন রাজধানী রাজমহলএ চলে আসেন। 
- ইসলাম খান সর্বপ্রথম ভাটি ও বারো ভূঁইয়াদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করেন। 
- তিনি ঢাকায় বালার রাজধানী স্থানান্তর করেন। 
- ইসলাম খান ঢাকা দখল করে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এ স্থানের নতুন নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান ঢাকাকে সুরক্ষিত করে তিনি ভূঁইয়াদের সব অবস্থানের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণ করেন এবং ১৬১১ খ্রিস্টাব্দেই মুসা খানসহ বারো ভূঁইয়াদের সবাই ইসলাম খানের নিকট বশ্যতা স্বীকার করেন। 
- ইসলাম খান সমগ্র বাংলা জয় করতে এবং সীমান্তরাজ্য কামরূপ দখল করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- ১৬১৩ খ্রিস্টাব্দের শেষ দিকে তিনি পরলোক গমন করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৩,৩২৮.
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে কোন গ্যাসক্ষেত্র থেকে সর্বপ্রথম শিল্পখাতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়?
  1. ক) তিতাস
  2. খ) ছাতক
  3. গ) ফেঞ্চুগঞ্জ
  4. ঘ) বিয়ানীবাজার
সঠিক উত্তর:
খ) ছাতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছাতক
ব্যাখ্যা
দেশে ১৯৫৯ সনে ছাতক গ্যাসক্ষেত্র থেকে সর্বপ্রথম শিল্পখাতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়।
শিল্পখাতে গ্যাসের প্রধান ব্যবহার হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে।
শিল্পখাতে অন্যান্য প্রধান প্রধান গ্যাস ব্যবহারকারী হলো: সার কারখানা, সিমেন্ট ফ্যাক্টরী, পাম্প ও পেপার মিল।
এই শিল্প কারখানাগুলো মূলত দেশের পূর্ব ও মধ্য অঞ্চলে অবস্থিত।

উৎস: বাংলা পিডিয়া
৩,৩২৯.
বাংলাদেশের ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার স্বাক্ষরতার হার কত শতাংশ?
  1. ৭২.৬ শতাংশ
  2. ৭৩.৩ শতাংশ
  3. ৭৪.৪ শতাংশ
  4. ৭৪.৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৭৪.৪ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশে ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার স্বাক্ষরতার হার ৭৪.৪ বছর।
এর মধ্যে,
- পুরুষদের হার : ৭৬.৫ বছর
- মহিলাদের হার : ৭২.৩ বছর।
- ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার স্বাক্ষরতার হার ৭৪.৭ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৩,৩৩০.
ECNEC-এর পূর্ণরূপ -
  1. The Executive Committee of the National Economic Council
  2. The Exclusive Committee of the National Economic Council
  3. The Executive Commission of the National Economic Council
  4. The Executive Committee of the National Economic Committee
সঠিক উত্তর:
The Executive Committee of the National Economic Council
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Executive Committee of the National Economic Council
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন। 
- নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৩,৩৩১.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক [অক্টোবর, ২০২৪] হলেন -
  1. নান্নু
  2. বুলবুল
  3. আকরাম
  4. শান্ত
সঠিক উত্তর:
শান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্ত
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:

- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
- তারা টাইগারস নামেও পরিচিত।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (সংক্ষেপে বিসিবি) এই দল পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশ আইসিসি’র টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেট স্ট্যাটাসপ্রাপ্ত স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর অন্তর্ভূক্ত।
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বপ্রথম আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

উৎস: i) Bangladesh Cricket Board।
ii) ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, বণিক বার্তা।
৩,৩৩২.
প্রথমবারের মতো ‘জলাভূমি নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করা হয়েছে নিচের কোনটিকে?
  1. বিলজোয়ানা ও বিলভালা জলাভূমি
  2. চলন বিল ও ডাকাতি বিল
  3. সেন্টমার্টিন ও শাহ পরীর দ্বীপ
  4. হাকালুকি হাওর ও টাঙ্গুয়ার হাওর
সঠিক উত্তর:
বিলজোয়ানা ও বিলভালা জলাভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলজোয়ানা ও বিলভালা জলাভূমি
ব্যাখ্যা
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা জলাভূমিকে প্রথমবারের মতো ‘জলাভূমি নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করা হয়েছে। 
- রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ি উপজেলার বিলভালা মৌজার ১৫.০৮ একর জলাভূমিকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়।
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা শীতকালে দেশি ও পরিযায়ী পাখির অন্যতম আশ্রয়স্থল।
- এসব বিলে কালেম, কোড়া, ডাহুক, গুড়গুড়ি, জলপিপি, জলময়ূরসহ দেশি জলচর পাখির পাশাপাশি বালি হাঁস, পাতি সরালি, বড় সরালি, পিয়াং হাঁস, খুন্তে হাঁস, ভূতি হাঁসসহ বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী হাঁস দেখা যায়।
- প্রায় শতাধিক পাখি ছাড়াও উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসবাস রয়েছে এসব জলাভূমিতে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও মানবসৃষ্ট চাপে এই জলাভূমির জীববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।

উৎস: THE BUSINESS STANDARD বাংলা (৭ মে, ২০২৫)
৩,৩৩৩.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সেবাখাতের অন্তর্গত সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত কোনটি?
  1. ক) পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত
  2. খ) রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম
  3. গ) স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
  4. ঘ) জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা
সঠিক উত্তর:
গ) স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান - ৫১.৫৩% এবং প্রবৃদ্ধির হার - ৫.৬১%। 
এতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৯.০%।
বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে ‘পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত' খাতটি সবচেয়ে বড়। 
সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে জিডিপিতে এই খাতের অবদান সবেচেয়ে বেশি- ১৪.০৮%। এর প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৫৪%।
 
বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত – ‘স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা' যার প্রবৃদ্ধির হার সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি – ৯.৯৪%।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৩,৩৩৪.
কোথায় সিন্ধু সভ্যতার নির্দশন পাওয়া গেছে?
  1. ক) আমেথি
  2. খ) হরপ্পা
  3. গ) আগ্রা
  4. ঘ) শিয়ালকোট
সঠিক উত্তর:
খ) হরপ্পা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হরপ্পা
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা। ঐতিহাসিকদের মতে আনুমানিক ৩৬০০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে ২৫০০ খ্রিস্টপূর্বে সিন্ধু নদীর তীরে এই সভ্যতার সূচনা হয়।
১৯২১ সালে পাঞ্জাবের হরপ্পা ও ১৯২২ সালে সিন্ধুর মহেঞ্জোদারো শহরে খননকার্যের মাধ্যমে সিন্ধু সভ্যতার নির্দশন উন্মোচিত হয়। সিন্ধু সভ্যতা ছিলো উন্নত নগর সভ্যতা।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৩৩৫.
Kazi Habibul Awal has been appointed as the ___ Chief Election Commissioner (CEC) of Bangladesh.
  1. 10th
  2. 11th
  3. 12th
  4. 13th
সঠিক উত্তর:
13th
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13th
ব্যাখ্যা

কাজী হাবিবুল আউয়াল:
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হলেন কাজী হাবিবুল আউয়াল।
- জনাব কাজী হাবিবুল আউয়াল ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। 
- তিনি দেশের ১৩তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। 

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

৩,৩৩৬.
বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর-এর নাম কী?
  1. ক) কলকাতা বন্দর
  2. খ) পেট্রাপোল
  3. গ) টেট্রাপোল
  4. ঘ) কৃষ্ণনগর
সঠিক উত্তর:
খ) পেট্রাপোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পেট্রাপোল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোর জেলার বেনাপোল সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর - পেট্রাপোল।
- চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর স্থলবন্দর।
- সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি স্থলবন্দর।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের মোহাদিপুর স্থলবন্দর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৩৩৭.
দেশের প্রথম একমাত্র বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র (WTC) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) খুলনা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) যশোর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র:
-  বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র (WTC)  চট্টগ্রাম এর আগ্রাবাদ-এ অবস্থিত বাণিজ্যিক ভবন।
- ২০০৪ সালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ পায় চট্টগ্রাম চেম্বার
- চিটাগং চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি কর্তৃক নির্মিত হয়েছে।
- ২১ তলা ভবনের শীর্ষস্থানীয় এই ভবনটির উচ্চতা ৯০,৭০ মিটার (২৯৮ ফুট)। 
- সব আধুনিক সুবিধার ব্যবস্থাসহ ট্রেড সেন্টারটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে আমদানির-রপ্তানিসহ দেশের সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সাহায্য করবে। 
- ২০১৬ সালে উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
৩,৩৩৮.
সংবিধানের প্রস্তাবনা অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য কী?
  1. পুঁজিবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা
  2. রাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
  3. সাম্রাজ্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা
  4. শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা: 
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধের চার মূল আদর্শ—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা—ঘোষণা করা হয়েছে।
- এই প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে একটি শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
- এ সমাজে প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত করা হবে।
- এর মাধ্যমে একটি সাম্যভিত্তিক, ন্যায়ভিত্তিক এবং মানবিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার প্রকাশ পায়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৩,৩৩৯.
অপারেশন সার্চ লাইটে ঢাকার বাইরে অঞ্চলের জন্য দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. মেজর রাও ফরমান আলী
  2. এ কে নিয়াজী
  3. মেজর খাদিম হোসেন রাজা
  4. টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
মেজর খাদিম হোসেন রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর খাদিম হোসেন রাজা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে।
- এই অপারেশনে ঢাকা শহর জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চালানো হয়।

- ১৮ মার্চ ১৯৭১ জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এই অপারেশন চালানো হয়।

- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন।
 - মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ও মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজাকে শীর্ষ কমান্ডারের দায়িত্ব দিয়ে ঢাকা ক্যান্টমেন্টে দুটি সদর দফতর স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে ‘অপারেশন সার্চ লাইট’-এর নীলনকশা তৈরি করা হয়।

- রাও ফরমান আলীকে ঢাকা শহর ও এর আশপাশের এলাকায় অভিযান চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজাকে দেওয়া হয় পূর্ব পাকিস্তানের বাদবাকি অঞ্চলের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেনি,  বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৩৪০.
এ পর্যন্ত দেশে কয়টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন দেয়া হয়?
  1. ক) ৯৭টি
  2. খ) ৯৫টি
  3. গ) ৮৯টি
  4. ঘ) ৯৩টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৭টি
ব্যাখ্যা
এ পর্যন্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন দেয়া হয়েছে ৯৭টি যার মধ্যে ২৮টির নির্মাণ কাজ চলছে।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩,৩৪১.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন কতটি?
  1. ৩৫১টি
  2. ৩৫০টি
  3. ৩৩০টি
  4. ৩০০টি
সঠিক উত্তর:
৩৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলায় আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- বাংলাদেশের সংসদ একটি এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা যা ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত।
- যার মধ্যে ৩০০টি আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার ৩০০ জন সদস্য যা প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে একজন করে।
- অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।
- ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য এই বিধান নবম সংসদের শুরু থেকে দশ বছর অব্যাহত থাকবে।
- ১৭তম সংশোধনী অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ দশম সংসদের শুরু থেকে আরও ২৫ বছরে বৃদ্ধি পাবে।

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ওয়েবসাইট।
৩,৩৪২.
বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল -
  1. এ আর হাওলাদার জুট মিলস লিঃ
  2. করিম জুট মিলস লিঃ
  3. আকিজ জুট মিলস
  4. যশোর জুট ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ
সঠিক উত্তর:
আকিজ জুট মিলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকিজ জুট মিলস
ব্যাখ্যা
আকিজ জুট মিল:
- বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- ৪৫০ বিঘা জুড়ে বিস্তৃত পাটকলটিতে ছয়টি কারখানা থাকবে। 
- আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের উদ্যোগী ছেলেরা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের পাট শিল্পে অর্থ ঢেলে যাচ্ছেন।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশের পাট শিল্প:
- বাংলাদেশে বছরে ১১-১২ লাখ টন পাট উৎপাদন হয়।
- যার মধ্যে দুই লাখ টন কাঁচা পাট সরাসরি রপ্তানি করা হয় এবং আরও দুই লাখ টন স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়।
- বাকি সাত লাখ টন ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন পণ্য বিশেষ করে বিশ্ববাজারে রপ্তানির জন্য সুতা তৈরিতে। 

উৎস: ১২ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard।
৩,৩৪৩.
কত সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন?
  1. ১৩৩৪ সালে
  2. ১৩৩৮ সালে
  3. ১৩৪২ সালে
  4. ১৩৪৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৩৩৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩৮ সালে
ব্যাখ্যা
• ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ:
- বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তার রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে।
- ১৩৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাহরাম খানের মৃত্যুর পর ফখরুদ্দীন সোনারগাঁয়ে শাসন ক্ষমতা করায়ত্ত করেন এবং স্বীয় অবস্থান সুদৃঢ় করে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে স্বাধীন সুলতান ঘোষণা করেন।
- স্বীয় মুদ্রায় ফখরুদ্দীন আল-সুলতানুল আযম ফখরুদ্দুনিয়া ওয়াদ-দ্বীন আবুল মুজাফফর মুবারক শাহ আল-সুলতান উপাধি গ্রহণ করেন।
- সোনারগাঁও দখল করে সাধীনতা ঘোষণা দেওয়ার মাধ্যমে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন ১৩৩৮ সালে।
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের রাজত্বকালে মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলায় সফর করেন (১৩৪৬)।
- তিনি বাংলায় তার ভ্রমণের এক মূল্যবান বিবরণ লিপিবদ্ধ করে যান।
- এ বিবরণে বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য, অধিবাসীদের জীবনের বিভিন্ন দিক এবং দেশের সমৃদ্ধির প্রাণবন্ত বর্ণনা পাওয়া যায়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৪৪.
বাংলাদেশের জিওলজিক্যাল সার্ভে অনুযায়ী সম্প্রতি কোন জেলায় লোহার খনি পাওয়া গেছে?
  1. ফরিদপুর
  2. দিনাজপুর
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:

- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

 তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৮ জুন ২০১৯।
৩,৩৪৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “রাষ্ট্রদ্রোহ” - এর শাস্তির কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ৭ক
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ৭খ
  3. গ) অনুচ্ছেদ - ৪৬
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ৪৭
সঠিক উত্তর:
ক) অনুচ্ছেদ - ৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অনুচ্ছেদ - ৭ক
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রদ্রোহের শাস্তি - বাংলাদেশের দন্ডবিধির সর্বোচ্চ দন্ডে দণ্ডিত হবে অর্থ্যাৎ মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে। সংবিধানের ৭ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে - সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ ইত্যাদি অপরাধঃ - “৭ক। (১) কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় -
(ক) এই সংবিধান বা ইহার কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে ; কিংবা
(খ) এই সংবিধান বা ইহার কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে-
তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি (১) দফায় বর্ণিত-
(ক) কোন কার্য করিতে সহযোগিতা বা উস্কানি প্রদান করিলে; কিংবা
(খ) কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন করিলে-
তাহার এইরুপ কার্যও একই অপরাধ হইবে।
(৩) এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধে দোষী ব্যক্তি প্রচলিত আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।”
৩,৩৪৬.
কবে থেকে বাংলাদেশে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার‘ প্রবর্তন করা হয়েছে?
  1. ক) ১৯৭৫ সাল
  2. খ) ১৯৭৬ সাল
  3. গ) ১৯৭৭ সাল
  4. ঘ) ১৯৮১ সাল
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৭ সাল
ব্যাখ্যা
১৯৭৭ সাল স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

• স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২:

- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২’ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের ‘মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ'।

• ২০২২ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন -
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
- শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
- জনাব আব্দুল জলিল
- জনাব সিরাজ উদদীন আহমেদ
- মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
- মরহুম সিরাজুল হক

• চিকিৎসাবিদ্যায় স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন-
- অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া
- অধ্যাপক ডাঃ মো. কামরুল ইসলাম

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার
৩,৩৪৭.
'বাংলা ভাষা প্রচলন আইন' প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৫৬ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৮৭ সালের 'বাংলা ভাষা প্রচলন আইন' এর ৩নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে - 

৩। (১) এই আইন প্রবর্তনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারী অফিস, আদালত, আধা-সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশের সাথে যোগাযোগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন আদালতের সওয়াল জবাব এবং অন্যান্য আইনানুগত কার্যাবলী অবশ্যই বাংলায় লিখিতে হইবে।
 
 (২) ৩(১) উপ-ধারায় উল্লেখিত কোন কর্ম স্থলে যদি কোন ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় আবেদন বা আপীল করেন তাহা হইলে উহা বেআইনী ও অকার্যকর বলিয়া গণ্য হইবে।
 
 (৩) যদি কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই আইন অমান্য করেন তাহা হইলে উক্ত কার্যের জন্য তিনি সরকারী কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপীল বিধির অধীনে অসদাচরণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তাহার বিরুদ্ধে সরকারী কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপীল বিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।

সূত্র: বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭। 
৩,৩৪৮.
পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল কোন দেশের?
  1. উত্তর কোরিয়া
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।
- মূল পরিকল্পনাটা ছিলো শামসুল হকের।
- জুন মাসে কলকাতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি এবং যারা সারা ভারতজুড়ে খেলে সমর্থন আদায় করবে আমাদের স্বাধীন বাংলার স্বীকৃতির জন্য।
- তার সাহায্যে এগিয়ে এলেন সমিতির প্রথম সেক্রেটারি লুতফর রহমান, কোচ আলী ইমাম ও ইস্ট এন্ড ক্লাবের সাবেক ফুটবলার সাঈদুর রহমান প্যাটেল।
- জাকারিয়া পিন্টু ছিলেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক।
- আর সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননি বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না। 
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যারা ছিলেন: 
- জাকারিয়া পিন্টু (অধিনায়ক), প্রতাপ শঙ্কর হাজরা (সহ-অধিনায়ক), আলী ইমাম, মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অমলেশ সেন, আইনুল হক, নিহার কান্তি দাস, শেখ আশরাফ আলী, বিমল কর, শাহজাহান আলম, মনসুর আলী লালু, কাজী সালাউদ্দিন, এনায়েতুর রহমান, সুভাষ সাহা, কে এম নওশেরুজ্জামান, ফজলে সাদাইন খোকন, আবুল হাকিম, তসলিমউদ্দিন শেখ, আমিনুল ইসলাম, আবদুল মমিন জোয়ারদার, মনিরুজ্জামান পেয়ারা, সাত্তার, প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু, মুজিবর রহমান, মেজর জেনারেল (অব.) খন্দকার নুরুন্নবী, লুৎফর রহমান, সাইদুর রহমান প্যাটেল, অনিরুদ্ধ চ্যাটার্জি, সনজিব কুমার দে, মাহমাদুর রশিদ, দেওয়ান মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিন, নিহার কান্তি দাস।

উৎস: ২৬ মার্চ ২০২২, সময় নিউজ।
৩,৩৪৯.
What was the former name of Bhasan Char?
  1. Char Piya
  2. Char Kodom
  3. Nijhum Dweem
  4. Thengar Char
সঠিক উত্তর:
Thengar Char
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thengar Char
ব্যাখ্যা
ভাসানচর:
- ভাসানচর বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় নোয়াখালী জেলায় হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত চর ঈশ্বর ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এর দৈর্ঘ্য ৮ কিলোমিটার ও প্রস্থ ৪.৫ কিমি।
- ভাসানচরের দূরত্ব সন্দ্বীপ উপজেলার পশ্চিম প্রান্ত থেকে ৫ কিমি এবং হাতিয়া সদর উপজেলা থেকে ২৫ কিমি।
- চরটির পূর্বনাম  ‘ঠেঙ্গারচর’ বা ‘জালিয়ারচর’।
- জেলেদের কাছে এই চর গাঙ্গুরিয়ারচর নামেও পরিচিত।

⇒ নোয়াখালী জেলার বন বিভাগের তথ্যানুযায়ী, ভাসানচরের মোট আয়তন ১৬ হাজার একর।
- এর মধ্যে জালিয়ারচরের আয়তন ছয় হাজার একর ও ঠেঙ্গারচরের আয়তন ১০ হাজার একর।

উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালের শেষের দিকে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করলে তারা আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে আসে।
- ভাসানচরকে রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুতদের আবাসনের স্থান হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ‘আশ্রায়ণ-৩’ নামে একটি প্রকল্প বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গাদের আবাসনসহ জীবন-জীবিকার জন্য আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
৩,৩৫০.
বাংলার কোন স্বাধীন সুলতান সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন?
  1. ক) আলাউদ্দিন আলি শাহ
  2. খ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. গ) ইলিয়াস শাহ
  4. ঘ) শিহাব উদ্দিন বায়াজিদ শাহ
সঠিক উত্তর:
খ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা
- সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যুর পর তার বর্মরক্ষক ‘ফখরা’ নামের একজন রাজকর্মচারী স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং ‘ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ’ নাম নিয়ে সোনারগাঁয়ের সিংহাসনে বসেন। এভাবেই সূচনা হয় বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের।
- তাঁর মুদ্রায় খোদিত তারিখ দেখে ধারণা করা যায়, তিনি ১৩৩৮ থেকে ১৩৪৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সোনারগাঁয়ে রাজত্ব করেন।
- তিনিই সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন এবং চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত একটি রাজপথ তৈরি করেছিলেন বলে জানা যায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৫১.
দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রথম নারী মহাপরিচালক কে?
  1. খোরশেদা ইয়াসমীন
  2. আছিয়া খাতুন
  3. শিরীন পারভীন
  4. নিগার সুলতানা
সঠিক উত্তর:
শিরীন পারভীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিরীন পারভীন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দুর্নীতি দমন কমিশন:

- দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ৯ মে দুদক আইন কার্যকরের মাধ্যমে পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- এর কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।

- দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি তিনজন কমিশনারের মধ্যে হতে একজনকে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করে থাকেন।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যানের নাম মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহ।
- প্রথম নারী মহাপরিচালক শিরীন পারভীন।

- দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার যথাক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন।

তথ্যসূত্র - দুর্নীতি দমন কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৩৫২.
ভারতের শাসনতন্ত্র প্রণয়ন বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের উদ্যোগে কোথায় গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়?
  1. কলকাতা
  2. সিমলা
  3. লন্ডন
  4. ম্যানচেস্টার
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
ব্যাখ্যা
ভারতের চলমান সংকট নিরসন এবং শাসনতন্ত্র প্রণয়ন ইস্যুতে আলোচনার জন্যে বৃটিশ সরকারের পক্ষ থেকে ১৯৩০-১৯৩২ সময়ে লন্ডনে গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
এই বৈঠকে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর মোট তিনটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
মুসলিম লীগ ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা গোলটেবিল বৈঠকে অংমগ্রহণ করলেও কংগ্রেস কেবল দ্বিতীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করে। তবে গোলটেবিল বৈঠক তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,৩৫৩.
জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী?
  1. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩১ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৯ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৬ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৪ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানে মৌলিক অধিকার: 
- অনুচ্ছেদ ৩৪ (১), ৩৪ (২ ক) অনুযায়ী সকল প্রকার জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ।
- এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হলে তা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। 
- তবে ফৌজদারি অপরাধের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

এছাড়া, 
- ৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার, 
- ২৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা, 
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৩,৩৫৪.
সংবিধান সংস্কার কমিটি নিম্নকক্ষের জন্য কয়টি আসনের সুপরিশ করেছেন?
  1. ৩০০টি
  2. ১০৫টি
  3. ৪০০টি
  4. ২০০টি
সঠিক উত্তর:
৪০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০টি
ব্যাখ্যা

- নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন। 

• সংবিধান সংস্কার কমিশন: 

- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। [লিঙ্ক]

৩,৩৫৫.
১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর বাংলাদেশের কয় জন জাতীয় নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. ক) ৩ জন
  2. খ) ৫ জন
  3. গ) ৪ জন
  4. ঘ) ২ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ জন
ব্যাখ্যা
১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর রাতে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে।
তাই প্রতিবছর ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস পালিত হয়।

হত্যাকাণ্ডের শিকার জাতীয় চার নেতা হলেন:
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- তাজউদ্দীন আহমদ
- এম মনসুর আলী এবং
- এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

এই হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে জেলহত্যা নামে পরিচিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা)
৩,৩৫৬.
'ফেবো' কোন সম্প্রদায়ের উপন্যাস?
  1. সাঁওতাল
  2. ত্রিপুরা
  3. চাকমা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
সম্পূর্ণ চাঙমা বর্ণমালা ও ভাষায় দেবাশীষ চাকমার উপন্যাস ফেবো প্রকাশ হয় ২০০৪ সালে।

বাংলাদেশের উপজাতি:

- বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি- চাকমা
- চাকমারা বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার অঞ্চলে বসবাস করে।
- তাদের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক । তারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- তাদের প্রধান ভাষা চাকমা বা চাঙমা। তারা গ্রামকে আদাম এবং গ্রামের প্রধানকে বলে কার্বরী।
- চাকমা সমাজের প্রধান হলো চাকমা রাজা।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা- ৫০ টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট উপজাতি বসবাস করে- ১১ টি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট। 
৩,৩৫৭.
কোন প্রেক্ষাপটে একুশ দফা প্রণীত হয়েছিলো?
  1. বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
  3. বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  4. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।

একুশ দফার দাবীসমূহ:
- বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৩৫৮.
জল্লাদের দরবার অনুষ্ঠানে 'কেল্লা ফতেহ খান' দ্বারা কোন চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে?
  1. আইয়ুব খান 
  2. ইয়াহিয়া খান
  3. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা

• স্বাধীন বাংলা বেতার:
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’।
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- এই ব্যঙ্গাত্মক সিরিজে তাকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রে চিত্রিত করা হয় এবং এই ভূমিকায় অভিনয় করেন রাজু আহমেদ।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান এবং স্থানীয় ঢাকাইয়া উপভাষায় এর স্ক্রিপ্ট তৈরি করেন এম.আর আখতার মুকুল, যিনি নিজেই এর উপস্থাপক ছিলেন।
- এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি জনগণের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়।
- এতে একইসঙ্গে ছিল তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ ও জাতীয়তা বোধের প্রকাশ যা জনগণের নৈতিক মনোবল দৃঢ়ীকরণে ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৩৫৯.
তেঁতুলিয়া কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) পঞ্চগড়
  3. গ) লালমনিরহাট
  4. ঘ) কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
তেঁতুলিয়া বাংলাদেশের সর্বউত্তরের উপজেলা। এটি পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।
সুত্রঃ tetulia.panchagarh.gov.bd ও বাংলাপিডিয়া
৩,৩৬০.
’সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৩
  2. অনুচ্ছেদ-২৭
  3. অনুচ্ছেদ-২৯
  4. অনুচ্ছেদ-২৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৯
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ২৯ নং অনুচ্ছেদ:
- প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
- কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হবেন না;
- কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁর প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না।

• সংবিধানের কয়েকটি  অনুচ্ছেদ:
- ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
- ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
- ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩,৩৬১.
চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি?
  1. ১৯০ টি
  2. ১০৯ টি
  3. ১৬০ টি
  4. ১৭০ টি
সঠিক উত্তর:
১৭০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭০ টি
ব্যাখ্যা
 চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগান - ১৭০ টি।
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত - ৯০ টি চা বাগান।
- হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত - ২৫টি চা বাগান।
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান।
-চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২ টি চা বাগান।
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান।
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ২ টি চা বাগান।
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড। লিংক
৩,৩৬২.
সমুদ্রগুপ্তের শাসনামলে বাংলার কোন অঞ্চলটি করদ রাজ্য ছিল?
  1. পুন্ড্রবর্ধন
  2. রাঢ়
  3. সমতট
  4. গৌড়
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা

সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা। তাঁকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ান বলা হয়।
- তার রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা জয় করা হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।

উল্লেখ্য,
- সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ প্রশস্তিলিপি সূত্রে জানা যায় যে, তিনি সমতট ব্যতীত বাংলার অন্য সব জনপদ তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত করেছিলেন।
- সমুদ্রগুপ্তের বিস্তীর্ণ সাম্রাজ্যের পূর্বতন প্রত্যন্ত রাজ্য ছিল নেপাল, কর্তৃপুর (শনাক্তকরণ বিতর্কিত), কামরূপ, ডবাক (আসাম অথবা ঢাকা), এবং সমতট (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা)। সমতট সম্ভবত গুপ্তদের করদ রাজ্য ছিল। তবে কালক্রমে এ অঞ্চলও গুপ্ত সাম্রাজ্যভুক্ত হয়ে পড়ে।

⇒ করদ রাজ্য:
- ইতিহাসে করদ রাজ্য বলতে সামন্ত রাজ্যকে বোঝানো হয়। দুই রাজ্যের রাজার মধ্যে যুদ্ধে যে হেরে যায় সেই রাজ্য জয়ী রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। যুদ্ধে পরাজিত রাজাকে সামন্ত রাজা বলা হয়। যুদ্ধেপরাজিত রাজা যুদ্ধে জয়ী রাজার সঙ্গে এক চুক্তির মাধ্যমে ক্ষমতায় আসীন থাকেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৬৩.
বাংলাদেশ বীমা কোম্পানীর নিয়ন্ত্রক সংস্থা-
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ
  3. বীমা সমিতি
  4. আই.ডি.আর.এ
সঠিক উত্তর:
আই.ডি.আর.এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আই.ডি.আর.এ
ব্যাখ্যা
আইডিআরএ: 
- বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
- এটি ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারি "বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১০" অনুযায়ী গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার "বীমা আইন, ২০১০" প্রণয়ন করে বীমা ব্যবসাকে উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে।
- আইডিআরএ গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো বীমা ব্যবসার তদারকি করা এবং বীমা গ্রহীতার স্বার্থ রক্ষা করা।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ  ওয়েবসাইট।
৩,৩৬৪.
বঙ্গবন্ধুর লেখা স্বাধীনতা ঘোষণাটি প্রথম যে বেতার মাধ্যমে প্রচারিত হয় সেটার নাম-
  1. ক) চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র
  2. খ) স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র
  3. গ) কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র
  4. ঘ) স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ঘোষণা
- গ্রেফতার হওয়ার পূর্বমুহূর্তে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে (২৫ মার্চ রাত ১২ টার পর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
- ঘোষণাটি ছিল ইংরেজিতে, যাতে বিশ্ববাসী ঘোষণাটি বুঝতে পারেন। 

- স্বাধীনতার এ ঘোষণা বাংলাদেশের সকল স্থানে তদানীন্তন ইপিআর এর ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে প্রচার করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা এম. এ. হান্নান চট্টগ্রামের বেতার কেন্দ্র থেকে একবার এবং সন্ধ্যায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বার প্রচার করেন।
- ২৭ মার্চ উক্ত বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান পুনরায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৬৫.
মুজিবনগর সরকার কত সদস্য বিশিষ্ট পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে?
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ৬ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
- পরিকল্পনা কমিশন গঠন দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।
- সদস্য ছিলেন,
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ।
(২) ড. মোশাররফ হোসেন।
(৩) ড. এস. আর. বোস।
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৬৬.
নবাব সিরাজউদ্দৌলা কত খ্রিস্টাব্দে মসনদে বসেন?
  1. ১৭৫৭ সালে
  2. ১৭৫৪ সালে
  3. ১৭৫৬ সালে
  4. ১৭৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
• সিরাজউদ্দৌলা:
- আলীবর্দী খানের কোনো পুত্র ছিল না।
- তার তিন কন্যা আমেনা, ময়মুনা ও ঘষেটি ।
- ময়মুনা ও আমেনার দুই পুত্র ছিল।
- কিন্তু ঘষেটি বেগমের কোনো পুত্র ছিল না।
- আলীবর্দী খান আমেনার পুত্র সিরাজউদ্দৌলাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন।
- এ কারণে তাঁকেই তাঁর জীবিতকালে বাংলার নবাব পদে মনোনীত করে যান।
- সিরাজ ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তাঁর পিতার নাম মির্জা মুহম্মদ হাসিম মইনুদ্দীন খান।
- ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যু হয়।
- তখন ১৭৫৬ সালে সিরাজউদ্দৌলা বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার মসনদে আরোহণ করেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৬৭.
‘ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ (Students Action Committee) এর সভাপতি ছিলেন কে?
  1. ক) নুরে আলম সিদ্দিকী
  2. খ) তোফায়েল আহমেদ
  3. গ) আবুল কাসেম
  4. ঘ) শাজাহান সিরাজ
সঠিক উত্তর:
খ) তোফায়েল আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তোফায়েল আহমেদ
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৮ সালের ডিসেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন এবং জাতীয় ফেডারেশনের একাংশ মিলিত হয়ে ‘ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ (Students Action Committee = SAC)  গঠন করে।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (DUCSU) এর সহ-সভাপতি তোফায়েল আহমেদ SAC এর সভাপতি নিযুক্ত হন।
• SAC বা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আইয়ুব বিরোধী গণ আন্দোলনে মূল ভূমিকা পালন করে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া। 
৩,৩৬৮.
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. উপজেলা পরিষদ
  2. জেলা পরিষদ
  3. সিটি কর্পোরেশন
  4. ইউনিয়ন পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার স্বরূপ :
⇒ বাংলাদেশে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো লক্ষ করা যায়।
 যথা- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ।
-  উল্লিখিত তিন স্তরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকেই নিচের দিকে সবচেয়ে কার্যকর ইউনিট বলে মনে করা হয়ে থাকে।

⇒ এছাড়া শহরগুলোতে পৌরসভা, বড় শহরে সিটি কর্পোরেশন,
⇒ পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি (খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি)

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,৩৬৯.
বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল কোনটি?
  1. আনোয়ার জুট মিলস
  2. আকিজ জুট মিলস
  3. আদমজী জুট মিলস
  4. এস আলম জুট মিলস
সঠিক উত্তর:
আকিজ জুট মিলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকিজ জুট মিলস
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আকিজ জুট মিল:

- বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- ৪৫০ বিঘা জুড়ে বিস্তৃত পাটকলটিতে ছয়টি কারখানা থাকবে। 
- আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের উদ্যোগী ছেলেরা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের পাট শিল্পে অর্থ ঢেলে যাচ্ছেন।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশের পাট শিল্প:
- বাংলাদেশে বছরে ১১-১২ লাখ টন পাট উৎপাদন হয়।
- যার মধ্যে দুই লাখ টন কাঁচা পাট সরাসরি রপ্তানি করা হয় এবং আরও দুই লাখ টন স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়।
- বাকি সাত লাখ টন ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন পণ্য বিশেষ করে বিশ্ববাজারে রপ্তানির জন্য সুতা তৈরিতে। 

উৎস: ১২ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard।
৩,৩৭০.
'সিটি অব জয়' চলচ্চিত্রে কোন নগরীর দীনতা প্রকাশ পেয়েছে?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) করাচি
  3. গ) দিল্লি
  4. ঘ) কোলকাতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোলকাতা
ব্যাখ্যা

রোলান্ড জোফ পরিচালিত ছবি 'সিটি অব জয়'। 
- এই ছবিতে কোলকাতা শহরের দীনতা প্রকাশ পেয়েছে। 
- এই চলচ্চিত্র একজন কৃষক, একজন আমেরিকান ডাক্তার এবং একজন ব্রিটিশ নার্সের ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। 

উৎসঃ রটেন টম্যাটোস, আইএমডিবি 

৩,৩৭১.
বাংলাদেশের সংবিধান কীসের মাধ্যমে রচিত হয়?
  1. সাধারণ আইন পরিষদের মাধ্যমে
  2. রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে
  3. গণপরিষদের মাধ্যমে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক বিধি-বিধানের সমষ্টি।
- পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নেও এমন একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- এই গণপরিষদের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয়।

⇒ ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি গণরিষদ গঠনের আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ সমগ্র বাংলাদেশের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য ছিল।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না।
- রাজনৈতিক দল থেকে বহিঃস্কৃত ব্যক্তি গণপরিষদ থেকে বহিঃস্কৃত হতেন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সংবিধান রচনার পবিত্র দায়িত্ব এ পরিষদের উপর ন্যস্ত ছিল।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৭২.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব ‘সাংগ্রাই’ নামে পরিচিত?
  1. চাকমা
  2. ত্রিপুরা
  3. মারমা
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা
ব্যাখ্যা

• মারমা জনগোষ্ঠী:
- মারমা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- তারা মিয়ানমারের আরাকান অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে এসে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেছে।
- মূলত বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি এলাকায় তাদের বসবাস।
- মারমারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- মারমাদের প্রধান বর্ষবরণ উৎসব হলো সাংগ্রাই।
- এটি প্রতি বছর এপ্রিলের ১৩ থেকে ১৫ তারিখে পালিত হয়।
- উৎসবটি বার্মিজ বর্ষপঞ্জি অনুসারে অনুষ্ঠিত হয়।
- তারা এই সময় জলকেলি, শোভাযাত্রা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে আনন্দ উদযাপন করে।
- মারমারা বর্ষবরণ উৎসবে একে অপরকে পানি ছিটিয়ে পুরনো বছরের সব দুঃখ, কষ্ট ও নেতিবাচক স্মৃতি ধুয়ে মুছে ফেলে;
- এবং খুশি ও আশা নিয়ে নতুন বছরকে স্বাগতম জানায়। 

অন্যদিকে,
• চাকমা জনগোষ্ঠীর প্রধান ও সবচেয়ে বড় উৎসব হলো বিজু।
- এটি তাদের বর্ষবরণ উৎসব।
• ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব হলো বৈসু বা বৈসুক।
- এই উৎসব নববর্ষ উপলক্ষে পালন করা হয়।
• খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব হলো খাসি সেং কুটস্নেম।
- এটি তাদের বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায় উৎসব।
- এই উৎসব সাধারণত নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

৩,৩৭৩.
বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ও বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ, উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা, উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর, উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ, উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়।
         ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩,৩৭৪.
What is the first incident of the Bengali national liberation struggle?
  1. Education movement
  2. Language movement
  3. Six point movement
  4. Liberation war
সঠিক উত্তর:
Language movement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Language movement
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৭৫.
জলকেলি কাদের উৎসব?
  1. রাখাইন
  2. খুমি
  3. তঞ্চঙ্গ্যা
  4. ম্রো
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
ব্যাখ্যা
রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- বর্তমানে বেশির ভাগ রাখাইনের বসবাস কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায়।
- এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও কিছু রাখাইন বাস করে।

⇒ রাখাইনরা মূলত কৃষিনির্ভর।
- রাখাইনদের ভাষা আঞ্চলিকভাবে ‘র‌্যামরা’ ও ‘মারৌও’ নামে পরিচিত।

⇒রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি (লেই খেখু)।
- রাখাইনদের আরও সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলো হচ্ছে: প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, নববর্ষ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৭৬.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ২১শে ফেব্রুয়ারী ইউনেস্কো কর্তৃক কবে স্বীকৃত হয়?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৮৯ সালে
  3. গ) ১৯৯৯ সালে
  4. ঘ) ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,৩৭৭.
'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালনা করে কে?
  1. নৌ বাহিনী
  2. মিত্র বাহিনী
  3. বিমান বাহিনী
  4. গেরিলা বাহিনী
সঠিক উত্তর:
নৌ বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌ বাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট ১৯৭১ সালে।
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
৩,৩৭৮.
প্রবাসী ভোটারদের জন্য কোন এ্যাপসটি চালু করা হয়েছে?
  1. Postal Vote BD
  2. Probashi voter app
  3. Foreign voter BD
  4. Postal ballot BD
সঠিক উত্তর:
Postal Vote BD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Postal Vote BD
ব্যাখ্যা

Postal Vote BD অ্যাপ:
- সম্প্রতি, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ সালে নির্বাচন কমিশন প্রবাসী ভোটার অ্যাপ Postal Vote BD উদ্বোধন করে।
- প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধনের জন্য ১৮ নভেম্বর 'পোস্টাল ভোেট বিডি' অ্যাপের উদ্বোধন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
- একই দিনে ইসি চূড়ান্ত ভোটার তালিকাও প্রকাশ করবে।

উল্লেখ্য
- এবার প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে ইসি।
- এ ছাড়া ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা এবং আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

৩,৩৭৯.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. কে এম নূরুল হুদা
  2. কে এম নজরুল ইসলাম
  3. কাজী হাবিবুল আউয়াল
  4. এ এম এম নাসির উদ্দীন
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

৩,৩৮০.
কার্পাস বিদ্রোহ অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. ক) সাঁওতাল বিদ্রোহ
  2. খ) চাকমা বিদ্রোহ
  3. গ) মুন্ডা বিদ্রোহ
  4. ঘ) নীল বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
খ) চাকমা বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাকমা বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা

- ১৭৭৬ সাল থেকে ১৭৮৭ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত চাকমাদের বিদ্রোহ ‘কার্পাস বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে তুলার চাষ হতো এবং কর হিসেবে চাকমারা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে তুলা প্রদান করতে হতো।
- মোট চারবার চাকমা বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। এসব বিদ্রোহে চাকমা রাজা সের দৌলত এবং তার সেনাপতি রুনু খান নেতৃত্ব দেন।
- ১৭৮৭ সালে চাকমা রাজা ও ইংরেজদের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির ফলে কার্পাস বিদ্রোহের অবসান হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস : সিরাজুল ইসলাম এবং দৈনিক প্রথম আলো)

৩,৩৮১.
ফারাক্কা চুক্তি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি হিসেবে কে অভিহিত করেছেন?
  1. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
  2. শামসুল হক হন
  3. আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
- মওলানা ভাসানী ফারাক্কা চুক্তিকে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি হিসেবে অভিহিত করেছেন।

 আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়।
- পরে তিনি টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে গিয়ে তথাকার অত্যাচারিত কৃষকদের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৩৭ সালে ভাসানী মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং অচিরেই দলের আসাম শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল জন্মলাভ করে।
- নবগঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন মাওলানা ভাসানী, এবং টাঙ্গাইলের শামসুল হক হন সাধারণ সম্পাদক।
- আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি হিসেবে ভাসানী তখনকার বিরোধী দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট নামে একটি মোর্চা গঠন করেন।
- এ মোর্চার অপরাপর নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ।
- মওলানা ভাসানী ফারাক্কা চুক্তিকে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি হিসেবে অভিহিত করেছেন।
- তিনি ১৯৭৬ সালের ১৬ মে রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে এক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৮২.
(আগস্ট, ২০২৩ পর্যন্ত) বাংলাদেশে সবুজ শিল্প কারখানার সংখ্যা -
  1. ১৬৭টি
  2. ১৮৭টি
  3. ২০০টি
  4. ১৯৩টি
সঠিক উত্তর:
২০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০টি
ব্যাখ্যা
পরিবেশসম্মত সবুজ কারখানা:
- পরিবেশসম্মত সবুজ কারখানার সনদ দেয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি)।
- দেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ নেতৃত্ব দেয় তৈরি পোশাক শিল্প।
- ১০ বছর আগে রপ্তানির প্রধান এ খাতে পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানার সংখ্যা ছিল মাত্র একটি।
- এখন সেই সংখ্যা বেড়ে ২০০ ছুঁয়েছে।
- পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তা সাজ্জাদুর রহমান মৃধার হাত ধরে ২০১২ সালে প্রথম পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানার যাত্রা শুরু দেশে।
- পাবনার ঈশ্বরদী ইপিজেডে স্থাপিত কারখানাটি হলো ‘ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও’।
- ২০০টি সবুজ কারখানার সনদ পেল দেশ।
- সবুজ কারখানায় তৈরি পণ্যের গায়ে গ্রিন ট্যাগ যুক্ত থাকে।
- অর্থাৎ এ পণ্যটি কোন সবুজ কারখানায় তৈরি।
- ইউএসজিবির সনদ পাওয়া সবুজ কারখানার মধ্যে রয়েছে প্লাটিনাম ৭৩টি, গোল্ড ১১৩টি, সিলভার ১০টি ও সার্টিফায়েড চারটি।
- বিশ্বের সেরা কিছু কারখানার আবাসস্থল বাংলাদেশ, বিশ্বের শীর্ষ ১৫টি লিড গ্রিন কারখানার মধ্যে ১৩টি বাংলাদেশে অবস্থিত।

উৎস: ১০ আগস্ট, ২০২৩, কালের কন্ঠ। [link]
৩,৩৮৩.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ (Executive Branch) এর সর্বোচ্চ ব্যক্তি কে?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
গ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ বা নির্বাহী বিভাগের (Executive Branch) সর্বোচ্চ ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি। 
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- তবে শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারি প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা।
- রাষ্ট্রপতি কয়েকটি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী তার কার্য সম্পাদন করে থাকেন।

(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৩৮৪.
২০২৫ সালে বাংলাদেশের কততম জাতীয় অ্যাথলেটিক্স অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৪৩তম
  2. ৪৫তম
  3. ৪৮তম
  4. ৫০তম
সঠিক উত্তর:
৪৮তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮তম
ব্যাখ্যা
৪৮তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্স:
- ৪৮তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্স ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত হয়।
- এই আসরে সারা দেশ থেকে মোট ৪৪৫জন অ্যাথলেট অংশগ্রহণ করেছেন।
- তিন দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় মোট ৪০টি ইভেন্ট সম্পন্ন হয়।
- বাংলাদেশ নৌবাহিনী ২১ সোনা, ১৭ রৌপ্য, ১২ ব্রোঞ্জসহ মোট ৫০টি পদক নিয়ে পদক তালিকার শীর্ষে ছিল।
- পদক তালিকার দুইয়ে ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
- এছাড়া, এই প্রতিযোগিতায় দেশের দ্রুততম মানব হিসেবে মোহাম্মদ ইসমাইল এবং দ্রুততম মানবী হিসেবে শিরিন আক্তার নির্বাচিত হয়েছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৩,৩৮৫.
কোন উপজাতির সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক নয়?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. হাজং
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি:
- চাকমা,
- সাঁওতাল,
- হাজং,
- মারমা।

মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি:

- গারো,
- খাসিয়া।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৮৬.
দেশে উপকূলীয় সামাজিক বনায়ন শুরু হয় কবে থেকে?
  1. ১৯৫৯ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ১৯৬৫/৬৬ সাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে উপকূলীয় সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম ‍শুরু হয়।
- উপকূলীয় সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী এবং পিরোজপুর জেলায় প্রায় ১.৯৬ লক্ষ হেক্টর জমিতে বনায়ন করা হয়েছে।
- এছাড়া আরো ৩ লক্ষ হেক্টর উপকূলীয় ভূমিতে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৩,৩৮৭.
নিচের কোন নদীর তলদেশে বাংলাদেশের প্রথম টানেল নির্মাণ কাজ চলছে?
  1. ক) মধুমতি
  2. খ) কর্ণফুলী
  3. গ) মেঘনা
  4. ঘ) সাঙ্গু
সঠিক উত্তর:
খ) কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে যার দৈর্ঘ্য - ৩.৪০ কিলোমিটার।
- এটি এশিয়ান হাইওয়ের সাথেও সংযুক্ত হবে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে টানেল বোরিং কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

• এটি নির্মাণের উদ্দেশ্য:
 – চট্টগ্রাম শহরের পশ্চিম অংশের সাথে পূর্ব অংশের সংযোগ স্থাপন।
–  যানজট নিরসন।
– ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ সহজীকরণ।
– চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর এবং প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দরের পণ্য পরিবহণ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৩,৩৮৮.
একাদশ জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৩৮টি
  2. খ) ৩৯টি
  3. গ) ৪১টি
  4. ঘ) ৪৩টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৯টি
ব্যাখ্যা
বর্তমান একাদশ জাতীয় সংসদে মোট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৫০টি।
এর মধ্যে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৩৯টি।
(সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
৩,৩৮৯.
বারো ভূঁইয়াদের অন্যতম ঈশা খাঁ-এর রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. ফরিদাবাদ
  2. জাহাঙ্গীরনগর
  3. ইসলামাবাদ
  4. সোনারগাঁও
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
বারো ভূঁইয়া:

• বারো ভূঁইয়া বাংলার স্থানীয় প্রধান ও জমিদার, যাঁরা আকবর ও জাহাঙ্গীর এর রাজত্বকালে মুগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। 
• বারো-ভূঁইয়া শব্দটির অর্থ বারোজন ভূঁইয়া। 
• প্রথমদিকে ঈসা খাঁ বারাে ভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন । 
• বারো ভূঁইয়াদের অন্যতম ঈশা খাঁ-এর রাজধানী ছিল সােনারগাঁও এ।  
• সম্রাট আকবরের সেনাপতিরা ঈসা খান ও অন্যান্য জমিদারের সাথে বহুবার যুদ্ধ করেছেন কিন্তু বারাে ভূঁইয়াদের নেতা ঈসা খাঁকে পরাজিত করা সম্ভব হয়নি। 
• ঈসা খাঁর মৃত্যুর পর বারাে ভূঁইয়াদের নেতা হন মুসাখান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 
৩,৩৯০.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় কত সালে?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান:
- ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খোর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে তিনি জম্ম গ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তিনি যোগ দেন সেনাবাহিনীতে।
- হামিদুর রহমানের পদবী ছিল সিপাহী।
- ১৯৭১ সালে হামিদুর রহমান মুক্তিবাহিনীর সাহসী সদস্য হিসেবে যুদ্ধ করছিলেন সিলেট শ্রীমঙ্গল এলাকায়।
- ১৯৭১ সালের ২৮শে অক্টোবর সম্মুখ যুদ্ধে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত হন।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর ১০ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৩৯১.
কত সালে পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র প্রণীত হয়?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন:
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- এটিকে বিলম্বিত শাসনতন্ত্র বলা চলে।
- সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর শাসনতন্ত্র প্রণেতাগণ এ শাসনতন্ত্রটি দিতে পেরেছিলেন।

⇒ ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠিত হয়। এর অগ্রভাগে ছিল তৎকালীন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ। ১৯৫৫ সালের ৭ই জুলাই এ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮০ জন।
- ১৯৫৬ সালের ৯ই জানুয়ারি গণপরিষদে শাসনতন্ত্র বিল উত্থাপিত হয়।
- এ বিলের উপর আলোচনা-সমালোচনা চলে।
- আলোচনার পর ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- অবশেষে ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে দ্বিতীয় গণপরিষদ কর্তৃক এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- পাকিস্তানের ইতিহাসে এ শাসনতন্ত্রটি ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯২.
সংবিধানের কোন ভাগে 'জাতীয় সংসদ' সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে?
  1. অষ্টম ভাগে
  2. সপ্তম ভাগে
  3. ষষ্ঠ ভাগে
  4. পঞ্চম ভাগে
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম ভাগে
ব্যাখ্যা
-জাতীয় সংসদ: 
- জাতীয় সংসদ সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে সংবিধানের পঞ্চম ভাগে।
- আইন অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হলো এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রত্যেক বয়স্কপ্রাপ্ত নাগরিক তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করে থাকে।
- প্রচলিত আইন মেনে বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক এই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে।
- এই সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর হতে হবে। 
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৩৯৩.
বাংলায় কররানি বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. বায়াজিদ কররানি
  2. তাজ খান কররানি
  3. দাউদ কররানি
  4. সুলেমান কররানি
সঠিক উত্তর:
তাজ খান কররানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজ খান কররানি
ব্যাখ্যা
কররানি শাসন:

- শেরখানের মৃত্যুর পর তাজখান কররানি বাংলায় কররানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৫৬৪ সালে বাংলায় কররানি শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তাজখান কররানি মৃত্যুর পর সুলেমান কররানি বাংলার শাসনকর্তা হন।
- তার আমলে বাংলা উত্তর-পূর্ব ভারতের শ্রেষ্ঠ শক্তিকে পরিণত হয়। বাংলায় তখন শান্তি বিরাজমান ছিল।
- সুলেমান কররানি উড়িষ্যা ও কুচবিহারে সফল অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী শাসকগণ বাংলার সিংহাসনের জন্য যোগ্য ছিলেন না।
- কররানি বংশের শেষ শাসনকর্তা দাউদ খান কররানি মোগলদের হাতে বন্দি ও নিহত হলে বাংলায় কররানি বংশের শাসনের অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯৪.
সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) দ্বিতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
ক) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
⇨ জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - অষ্টম।
⇨ সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৩য়
⇨ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৫ম।
উল্লেখ্য,
⇨ জনসংখ্যা - ১৬ কোটি ৭৯ লাখ। 
⇨ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ০.৯%।

তথ্যসূত্র:- বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২২।
৩,৩৯৫.
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের প্রথম দাবি ছিলো কোনটি?
  1. বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা
  2. মার্শাল ল প্রত্যাহার
  3. সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া
  4. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
সঠিক উত্তর:
মার্শাল ল প্রত্যাহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্শাল ল প্রত্যাহার
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- ভাষণটি ইতিহাসে ‘বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ’ নামে অভিহিত হয়েছে।
- মার্শাল ল প্রত্যাহার বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের প্রথম দাবি ছিলো। 

• ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয় -
১। মার্শাল ল প্রত্যাহার,
২। সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
৩। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
৪। জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

অন্যদিকে: 
- ২১ দফা দাবির প্রথম দফা: বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা
- ৬ দফা দাবির প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৯৬.
ভোমরা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. শেরপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. যশোর
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা

ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা এবং ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- রাজধানী হতে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিঃমিঃ।

​স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

৩,৩৯৭.
ইবনে বতুতা বাংলায় প্রথমে কোন শহরে প্রবেশ করেছিলেন?
  1. সোনারগাঁ
  2. ঢাকা
  3. চট্টগ্রাম 
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম 
ব্যাখ্যা

- ইবনে বতুতা (১৩০৪-১৩৭৮) মরক্কোর একজন পর্যটক ছিলেন।
- তার পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- তিনি ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে ২১ বছর বয়সে বিশ্বভ্রমণে বের হন।
- ৮ বছরের মধ্যে তিনি উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল ভ্রমণ করেন।
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুগলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন এবং প্রায় ৮ বছর তিনি এই পদে ছিলেন।
- ১৩৪২ সালে তাঁকে চীনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানো হয়, কিন্তু জাহাজডুবির কারণে চীনে যাওয়া হয়নি।
- এরপর তিনি মালয় দ্বীপপুঞ্জে গিয়ে এক বছর বিচারক হিসেবে কাজ করেন।
- ১৩৪৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহল এবং দক্ষিণ ভারতের মাদুরায় অবস্থানের পর তিনি বাংলার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
- বাংলায় প্রথমে ৯ জুলাই ১৩৪৬ সালে তিনি সাদকাঁও (চট্টগ্রাম) শহরে পৌঁছান।
- সেখানে থেকে সরাসরি কামরূপের পার্বত্য অঞ্চল অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন।
- সাদকাঁও থেকে কামরূপ এক মাসের পথ। কামরূপে সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের খানকায় তিন দিন অবস্থান করেন।
- এরপর আন-নহর উল-আয্রাক (নীল নদী) নদীর তীর ধরে ১৫ দিন নৌকায় ভ্রমণ করে সোনারগাঁ (সুনুরকাঁও) পৌঁছান ১৪ আগস্ট ১৩৪৬।
- সোনারগাঁ থেকে চীনা জাহাজে জাভার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
- বাংলায় তার মোট সফরের সময় দুই মাসেরও কম (জুলাই ও আগস্ট ১৩৪৬)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৩৯৮.
সাইমন ড্রিং কোন ঘটনা বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরেন?
  1. অপারেশন জ্যাকপট
  2. অপারেশন সার্চলাইট
  3. ক্র্যাক প্লাটুনের হিট এন্ড রান
  4. বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড
সঠিক উত্তর:
অপারেশন সার্চলাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন সার্চলাইট
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট ও সাইমন ড্রিং
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকবাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা চালায়।
- ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এ গোপনে অবস্থান করে এই ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন।
- পরে ৩০ মার্চ, ১৯৭১ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'ট্যাংকস ক্রাশ রিভোল্ড ইন পাকিস্তান' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে পাকবাহিনীর এর বর্বরতা বহির্বিশ্বে প্রকাশ করেন।
- ২০২১ সালের ১৬ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

অন্যদিকে,
অপারেশন জ্যাকপট
- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট ১০ নং সেক্টরে নৌবাহিনী পরিচালিত প্রথম অভিযান 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- এই রাতে নৌ-কমান্ডোরা পাকবাহিনীর ২৬ টি জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র- দৈনিক প্রথম আলো। বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৯৯.
ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি প্রণয়ন হয়েছিল-
  1. ক) ১৯৬২ সালে
  2. খ) ১৯৬৬ সালে
  3. গ) ১৯৬৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৭০ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলসমূহের সম্মেলেনে বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন সংবলিত ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন।
- পরবর্তীতে ১৮-২০ মার্চ ১৯৬৬ আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সভায় ৬ দফা গৃহিত হয়। পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
- ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়। এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
উৎসঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী

৩,৪০০.
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচী কোথায় ঘোষণা করেছিলেন?
  1. ইসলামাবাদ
  2. ঢাকা
  3. লাহোর
  4. করাচী
সঠিক উত্তর:
লাহোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর
ব্যাখ্যা
ছয়দফা কর্মসূচি: 
- পাকিস্তানের দু অংশের মধ্যকার বৈষম্য এবং পূর্ব বাংলায় পশ্চিম পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ উপনিবেশিক শাসনের অবসানের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ ঘোষিত কর্মসূচি।
- তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের অবসানের পর পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের চরম অবহেলা ও ঔদাসীন্যের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোচ্চার হন।
- এদিকে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরোধীদলীয় নেতারা তাসখন্দ-উত্তর রাজনীতির গতিধারা নিরূপণের উদ্দেশ্যে ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে এক জাতীয় সম্মেলন আহবান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান সম্মেলনে যোগদানের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন।
- পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারি সাবজেক্ট কমিটির সভায় তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দাবি হিসেবে ‘ছয়দফা’ প্রস্তাব পেশ করেন এবং তা সম্মেলনের আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
- কিন্তু সম্মেলনের উদ্যোক্তারা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং পরদিন পশ্চিম পাকিস্তানি পত্রপত্রিকায় ছয়দফার বিবরণ ছাপিয়ে শেখ মুজিবকে বিচ্ছিন্নতাবাদীরূপে চিত্রিত করা হয়।
- ফলে শেখ মুজিব ৬ ফেব্রুয়ারির সম্মেলন বর্জন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।