বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৩৮ / ৩০৬ · ৩,৭০১৩,৮০০ / ৩০,৮৩২

৩,৭০১.
কত সালে বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৫৭ সালে
  2. ১৭৬৪ সালে
  3. ১৭৭২ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ নবাব মীর কাসিম ও তাঁর মিত্রশক্তির সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ।
- পলাশীর যুদ্ধের পর ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- মেজর হেক্টর মুনরোর নেতৃত্বে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনী এবং মীর কাসিম, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা-এর সম্মিলিত সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- এই যুদ্ধের ফলে বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন।
- সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়।
- মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
          ii) Britannica.

৩,৭০২.
শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কোনটি?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. জেলা পরিষদ
  3. পৌরসভা
  4. উপজেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও
- পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

⇨ শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা-
- পৌরসভা এবং
- সিটি কর্পোরেশন।

⇨ গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা -
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

⇨ এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩টি জেলা নিয়ে আঞ্চলিক স্থানীয় প্রশাসন রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ-
১. বান্দরবান পাহাড়ী জেলা পরিষদ,
২. রাঙ্গামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ,
৩. খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ,

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৭০৩.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কত তম অধিবেশনে প্রথম সভাপতিত্ব করে?
  1. ৪০তম
  2. ৪১তম
  3. ৪২তম
  4. ৪৩তম
সঠিক উত্তর:
৪১তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে প্রথম সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৭০৪.
বাংলাদেশের সর্বাধিক শিল্পজাত আমদানি পণ্য কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. তুলা
  3. সার
  4. সুতা
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য:
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩,৭০৫.
BTRC-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Transport Regulatory Commission
  2. Bangladesh Telecom Research Centre
  3. Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
  4. Bangladesh Telecommunication Resource Council
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
ব্যাখ্যা

BTRC:
- BTRC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.
- Bangladesh Telecommunication Regulatory Act 2001 এর অধীনে ৩১ জানুয়ারি ২০০২ সালে Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হলো বাংলাদেশের একটি স্বাধীন কমিশন।
- এটি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ এবং টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- বিটিআরসি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত বিষয়াবলী যেমন, সেলুলার নেটওয়ার্ক, পিএসটিএন, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং ক্যাবল ইত্যাদির রক্ষণাবেক্ষন, উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড গঠিত হয়। অধ্যাদেশটি পরে ১৯৯৫ সালে সংশোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১, (২০০১ সালের আইন নং ১৮) এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন ১৬ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে অসাধারণভাবে প্রকাশিত হয়।
- এটি চালু হওয়ার সাথে সাথে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব, দায়িত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিটিআরসি-র উপর ন্যস্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র - BTRC ওয়েবসাইট।

৩,৭০৬.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. এগার
  2. দশ
  3. আট
  4. পনের
সঠিক উত্তর:
এগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগার
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।
৩,৭০৭.
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল কত নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৩নং সেক্টর
  4. ৪নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৭০৮.
কোন সুলতানের উপাধি ছিল 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ'?
  1. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  2. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
  3. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

• শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ: 
- ইলিয়াস শাহের রাজত্বকাল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যায়।
- একজন সামান্য শাসক থেকে একত্রিত বৃহৎ বাংলা প্রতিষ্ঠিত করে এখানে সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে জনকল্যাণমূলক শাসন প্রতিষ্ঠিত করায় ইলিয়াস শাহ বাংলার ইতিহাসে উচ্চ স্থান অধিকার করে আছেন।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয় এবং শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে শাহ-ই-বাঙ্গালাহ বলা হয়
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৭০৯.
স্বাধীনতা পদক ২০২৫-এ ‘শিক্ষা ও গবেষণা’ বিভাগে পদক প্রাপ্ত ব্যাক্তি কে?
  1. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)
  2. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)
  3. স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)
  4. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- মেজর মোঃ জিয়াউর রহমান এ পুরস্কার প্রবর্তন করেন । 

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্তরা হলেন-
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৩,৭১০.
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর করে অধ্যাদেশ জারি হয়-
  1. ১৫ নভেম্বর, ২০২৪
  2. ১৮ নভেম্বর, ২০২৪
  3. ২০ নভেম্বর, ২০২৪
  4. ২৫ নভেম্বর, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৮ নভেম্বর, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ নভেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
• সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর করে অধ্যাদেশ জারি হয়- ১৮ নভেম্বর, ২০২৪।

অধ্যাদেশ শিরোনাম:
'সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা- স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যানসিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, ২০২৪।'

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়,
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সকল ক্যাডারের চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের আওতাবহির্ভূত সকল সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা হইবে ৩২ বছর। এ ছাড়া প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ব স্ব নিয়োগ বিধিমালা বা ক্ষেত্রমতো প্রবিধানমালা বহাল থাকিবে।’

উল্লেখ্য,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করেন।
‘আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইন, বিধিমালা, প্রবিধানমালা, আদেশ, নির্দেশ বা আইনগত দলিলে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলি প্রাধান্য পাইবে।

তথ্যসূত্র: Laws of Bangladesh ওয়েবসাইট। [Link]
৩,৭১১.
"বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র" বলে উল্লেখ আছে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ২
  3. অনুচ্ছেদ ৬
  4. অনুচ্ছেদ ৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ:

- অনুচ্ছেদ ১: বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামে পরিচিতি।
- অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- অনুচ্ছেদ ৫: প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৮: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৭১২.
বিবিএস প্রকাশিত চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৪.২৫%
  2. ৩.৫১%
  3. ৫.৯০%
  4. ৪.২২%
সঠিক উত্তর:
৩.৫১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৫১%
ব্যাখ্যা
• জিডিপির চূড়ান্ত প্রতিবেদন:
- GDP প্রবৃদ্ধির হার: ৪.২২%।
- কৃষি: ৩.৩০%,
- শিল্প: ৩.৫১%,
- সেবা: ৫.০৯%।

• GDP তে অবদান:
- কৃষি: ১১.১৯%,
- শিল্প: ৩৭.৩৭%,
- সেবা: ৫১,৪৪%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩,৭১৩.
ডাক বিভাগের EPP সার্ভিস এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Electronic Parcel Post
  2. Excess Payment Parcel
  3. Express Parcel Payment
  4. Express Parcel Post
সঠিক উত্তর:
Express Parcel Post
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Express Parcel Post
ব্যাখ্যা
EPP:
- ডাক বিভাগের EPP সার্ভিস এর পূর্ণরূপ: Express Parcel Post.

উল্লেখ্য,
- ডাক অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন একটি সেবাধর্মী সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- দেশব্যাপী সুবিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠান বহুমুখী মৌলিক ডাক সেবা এবং আর্থিক ও তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক ডিজিটাল ডাক সেবা প্রদানের জন্য নিবেদিত।
- এই দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর সেবা প্রদানের জন্য ডাক অধিদপ্তরই একমাত্র সরকারি ডাক সেবা প্রদানকারী সংস্থা।
- শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সমাজের সকল স্তরের জনগণের জন্য দ্রুততার সাথে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী ডাক সেবা নিশ্চিতকরণে ডাক অধিদপ্তর অঙ্গীকারবদ্ধ।
- বাস্তবানুগ ও উদ্ভাবনী ধ্যান-ধারণার সুষ্ঠু প্রয়োগের মাধ্যমে জনজীবনে ডাক যোগাযোগে স্বাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি ডাক অধিদপ্তর লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে সর্বদা সচেষ্ট।

উৎস: ডাক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩,৭১৪.
কত সালে বাংলাদেশ International Monetary Fund এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• International Monetary Fund (IMF)
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা।
- এটি ১৯৪৪ সালে ব্রেটন উডস সম্মেলনে প্রতিষ্ঠইত হয়।
- IMF এর কার্যক্রম ১৯৪৭ সালের মার্চে শুরু হয়।
- বর্তমানে, IMF এর সদস্য সংখ্যা ১৯১টি। 
- এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
৩,৭১৫.
'ওয়ানগালা' কোন উপজাতির উৎসব?
  1. ক) রাখাইন
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) গারো
সঠিক উত্তর:
ঘ) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গারো
ব্যাখ্যা
- ওয়ানগালা হলো গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব। এটি তাদের প্রধান সামাজিক ও কৃষিকেন্দ্রিক উৎসব।
অন্যদিকে,
- সোহরাই হলো সাঁওতালদের প্রধান উসব।
- মুরংদের প্রধান উৎসব চিয়াৎসপয়
- ওরাঁওদের প্রধান উৎসব হলো কারাম উৎসব।

(তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণী)
৩,৭১৬.
নিচের কোন দফাটি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  2. প্রাদেশিক রাষ্ট্রভাষা সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক রাষ্ট্রভাষা সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক রাষ্ট্রভাষা সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা

সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭১৭.
প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন কে?
  1. আকরাম খান
  2. নাইমুর রহমান
  3. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  4. হাবিবুল বাশার
সঠিক উত্তর:
নাইমুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইমুর রহমান
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৩,৭১৮.
উচ্চ লবণসহিষ্ণু গমের জাত ‘জিএইউ গম ১’ উদ্ভাবন করেছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
গমের জাত ‘জিএইউ গম ১’:
- গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের গবেষণার মাধ্যমে ‘জিএইউ গম ১’–এর উদ্ভাবন হয়েছে।
- উচ্চ লবণাক্ততা সহনশীলতার দিক থেকে দেশে এটিই গমের প্রথম জাত।
- ২০২১ থেকে ২০২৩ সালে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে কৃষকের মাঠে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে লবণাক্ততা সহিষ্ণু ও উচ্চ ফলনশীল গম হিসেবে প্রমাণিত হয়।
- বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, উন্নতমানের গমের জাতটি লবণাক্ততা সহনশীল, উচ্চফলনশীল ও অধিক প্রোটিনসমৃদ্ধ।
- জাতীয় বীজ বোর্ড গত ১৭ জুন জিএইউ গম–১–এর ছাড়পত্র দেয়।
- এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট উদ্ভাবিত জাতের সংখ্যা মোট ৯১টি।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]
৩,৭১৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১০ম সংশোধনী
  2. ১১তম সংশোধনী
  3. ১২তম সংশোধনী
  4. ১৩তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
১২তম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

◉ ১২তম সংশোধনী (১৯৯১) এর মাধ্যমে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসনব্যবস্থা থেকে সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় ফিরে আসে। এই সংশোধনীর ফলেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র কার্যকরভাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- দ্বাদশ সংশোধনী আইন বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে খ্যাত এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
 
এই সংশোধনীর মাধ্যমে -
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন;
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী;
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়,
- জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।
 
তাছাড়া,
- সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে এই আইনে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যা দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৩,৭২০.
চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া চরে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য কোন দেশভিত্তিক কোম্পানির সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. তুরস্ক
  4. ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল চুক্তি:
- পতেঙ্গায় লালদিয়ার চরে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ডেনমার্কের মায়ের্সক গ্রুপের এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি সই হয়।
- মূল কনসেশন চুক্তিটি ৩৩ বছরের।
- এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার।
- সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় এ টার্মিনাল নির্মাণের জন্য কোম্পানিটি ৫৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের পরপরই ২৫০ কোটি টাকা ‘সাইনিং মানি’ হিসেবে পেয়েছে বাংলাদেশ।


তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

৩,৭২১.
২০২৫–২৬ অর্থবছরে এনবিআরের সংশোধিত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা কত? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা
  3. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫ লাখ ৭৪ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা:
- চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চার লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়।
- প্রায় পাঁচ মাসের মাথায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে পাঁচ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।
- নতুন লক্ষ্যমাত্রা বিদ্যমান টার্গেটের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ বেশি।
- এনবিআরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে রাজস্ব আদায়ের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ১৫ শতাংশ।

 তথ্যসূত্র- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [link]

৩,৭২২.
পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. গোলাম মোহাম্মদ
  3. ইস্কান্দার মীর্জা
  4. আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মীর্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মীর্জা
ব্যাখ্যা
ইস্কান্দার মীর্জা: 
- ইস্কান্দার মীর্জা পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। 

- ১৯৫৫ সালের ৫ আগস্ট অসুস্থতার জন্য গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ ছুটিতে গেলে তিনি প্রথমে পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত গভর্নর জেনারেল এবং পরে গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান (১৯৫৬) মোতাবেক গভর্নর জেনারেলের পদকে প্রেসিডেন্ট পদে রূপান্তর করা হয় এবং ইস্কান্দার মীর্জা জাতীয় পরিষদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে তিনি ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর সামরিক আইন জারি করেন। 
- পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত করেন।
- তিন সপ্তাহের মধ্যে আইয়ূব খান এক রক্তপাতহীন সামরিক ক্যুর মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
- তিনি ইস্কান্দার মীর্জাকে প্রথমে কোয়েটা এবং পরে লন্ডনে নির্বাসনে পাঠান।
- ১৯৬৯ সালের ১২ নভেম্বর মির্যা লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৭২৩.
Nijhum Island is located in the estuary of which river?
  1. Padma River
  2. Meghna River
  3. Jamuna River
  4. Pasur River
  5. Kirtankhola River
সঠিক উত্তর:
Meghna River
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Meghna River
ব্যাখ্যা
নিঝুম দ্বীপ:
- নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ।
- এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত।
- এর আয়তন ৯১ বর্গ কিলোমিটার।
- নিঝুম দ্বীপ হাতিয়ার মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে নিঝুম দ্বীপের অবস্থান।
- দ্বীপের তিন দিকে সাগর অন্যদিকে মেঘনার মোহনা।

উল্লেখ্য,
- প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একরের দ্বীপটি ১৯৪০ সালের দিকে জেগে ওঠে।
- ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তাঁর মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়েন।
- তখন তাঁর নামেই এই চরের নাম হয় ওসমান চর।
- এই দ্বীপে প্রচুর বালুর ঢিবি বা টিলা ছিল বলে স্থানীয় লোকজন এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চরও বলে ডাকত।
- আবার এ চরে প্রচুর ইচা মাছ (চিংড়ির স্থানীয় নাম) পাওয়া যেত বলে একে ইছামতীর চরও বলা হতো।
- বর্তমানে নিঝুম দ্বীপ হিসেবে পরিচিত হলেও স্থানীয় লোকজন এখনো এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চর বলেই সম্বোধন করে।
- বাংলাদেশের বন বিভাগ সত্তরের দশকে এই দ্বীপে কার্যক্রম শুরু করে।
- নিঝুম দ্বীপ এখন হরিণের অভয়ারণ্য।
- দ্বীপের বিশেষ আকর্ষণ উভচর প্রজাতির মাছ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৭২৪.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. গ) এম মনসুর আলী
  4. ঘ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
ঘ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।

এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী - এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণী।
৩,৭২৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, একক পণ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়?
  1. সুতা
  2. ভোজ্যতৈল
  3. তৈলবীজ
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে: 
- একক পণ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তুলা।

• শিল্পজাত পণ্য হিসাবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী (৩২৭১মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সার (২০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- তৃতীয় সর্বোচ্চ সুতা (২০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

• প্রাথমিক পণ্য হিসাবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তুলা  (২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গম (১১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- তৃতীয় সর্বোচ্চ তৈলবীজ (৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),

• সর্বমোট আমদানি করা হয় - ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩,৭২৬.
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ 'জয় বাংলা' কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারি করে -
  1. ক) ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  2. খ) ২ মার্চ ২০২২
  3. গ) ৩ মার্চ ২০২২
  4. ঘ) ৫ মার্চ ২০২২
সঠিক উত্তর:
খ) ২ মার্চ ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ মার্চ ২০২২
ব্যাখ্যা
- ২ মার্চ ২০২২ 'জয় বাংলা' কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এছাড়াও
 - আইন ও শাসন বিভাগের সম্পর্কের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক সরকার দুই ভাগে বিভক্ত।
- মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বা সংসদীয় সরকার এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।
- শাসন বিভাগ আইন বিভাগের নিকট দায়ী থাকলে তাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বলে। যেমন:  বাংলাদেশ ও ভারতের সরকার।
- আর আইন বিভাগের নিকট শাসন বিভাগ দায়ী না থাকলে তাকে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বলে। যেমন:  আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সরকার।
 - অর্থাৎ, বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ তাদের কাজকর্মের জন্য জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ। 


সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২
৩,৭২৭.
মোগল সম্রাটদের মধ্যে কে 'জিজিয়া কর' রহিত করেন?
  1. সম্রাট হুমায়ুন
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  4. সম্রাট শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবর:
- তৃতীয় মোগল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর।
- তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর।
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
- মোগল সম্রাট আকবর 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।
- তার দরবারে ভারতীয়, ইরানী তুরানী, কাশ্মীরি গায়ক ছিলেন।
- বিখ্যাত ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের তথ্য মতে, আকবরের দরবারে ৩৬ জন গায়ক ছিলেন।
- আইন-ই-আকবরী মুঘল সম্রাট আকবরের দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।
- ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ তানসেন সম্রাট আকবরের দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও  ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭২৮.
দেশের প্রথম সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কোথায়? [মার্চ, ২০২৬] 
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. কক্সবাজার
  4. রাজশাহী 
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

ডিফেন্স ইকোনমিক জোন’:
- সামরিক ও প্রতিরক্ষাশিল্পে সক্ষমতা বাড়াতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ‘ডিফেন্স ইকোনমিক জোন’ বা সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করবে সরকার।
- মিরসরাইয়ে বাতিল হওয়া ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রস্তাবিত জায়গায় এই সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হবে।
- ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ সালের  বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) গভর্নিং বোর্ডের সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- সভায় সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় প্রায় ৬০০ থেকে ৬৫০ একর জমির ওপর একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা। [লিঙ্ক]

৩,৭২৯.
মুঘল সম্রাট শাহজাহান কোন শতাব্দীতে ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন?
  1. ১৫শ শতাব্দী
  2. ১৬শ শতাব্দী
  3. ১৭শ শতাব্দী
  4. ১৮শ শতাব্দী
সঠিক উত্তর:
১৭শ শতাব্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭শ শতাব্দী
ব্যাখ্যা

ময়ূর সিংহাসন:
- ১৭শ শতাব্দীতে মুঘল সম্রাট শাহজাহান সোনার তৈরি ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন।
- সিংহাসনটিতে রূপার সিড়ি দিয়ে আরোহণ করা হতো। সিংহাসনের পেছনে দুটি ময়ূরের ছবি ছিল, যারা তাদের অনিন্দ্যসুন্দর পেখম ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আর এই পেখমগুলো খচিত ছিল নানা রকম দুষ্প্রাপ্য আর অতিমূল্যবান রত্নপাথর দিয়ে। এর মাঝে ছিল নীলকান্ত মণি, পান্না, চুনি কিংবা পদ্মরাগ মণি, মুক্তা ও অন্যান্য মূল্যবান পাথর। 

উল্লেখ্য,
- ১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট মোহাম্মদ শাহের শাসনামলে, পারস্য সম্রাট নাদির শাহ ভারতবর্ষ অভিযানকালে লুণ্ঠন করে নিয়ে যায় সিংহাসনটি।
- এর সৌন্দর্য দেখে পাগল হয়ে নাদির শাহ সিংহাসনটি সঙ্গে নিয়ে যান নিজ দেশ পারস্যে অর্থাৎ বর্তমান ইরানে।
- ১৭৪৭ সালে নাদির শাহ আততায়ীর হাতে নিহত হন। এরপরই আসল ময়ূর সিংহাসনটি হারিয়ে যায়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Britannica.

৩,৭৩০.
ড. জোহা দিবস পালিত হয়-
  1. ক) ২ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ১৮ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৮ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

- ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব জলাভূমি দিবস।
- ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও সুন্দরবন দিবস।
- ১৮ ফেব্রুয়ারি শহীদ ড. জোহা দিবস। -
- ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব শান্তি ও সমঝোতা দিবস।
- ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস।

৩,৭৩১.
গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. বিজয় গুপ্ত
  2. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  3. সমুদ্র গুপ্ত
  4. মহিপাল
সঠিক উত্তর:
প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- ভারতে সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে।
- তখন বাংলায় কিছু স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে ।
- প্রথম চন্দ্রগুপ্তকে বলা হয় গুপ্ত বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা। 
- গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই বাংলার উত্তরাংশের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা অধিকৃত হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলার উত্তরাংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি ‘প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবে পরিগণিত হতো ।
- মৌর্যদের মতো গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর ।
- হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
৩,৭৩২.
'সংবিধান সংস্কার কমিশন ' সংসদের নিম্নকক্ষে কতজন সংরক্ষিত মহিলা আসন রাখার কথা সুপারিশ করেছে?
  1. ৫০টি
  2. ৬০টি
  3. ৭৫টি
  4. ১০০টি
সঠিক উত্তর:
১০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০টি
ব্যাখ্যা

• 'সংবিধান সংস্কার কমিশন ' এর সুপারিশ:

নিম্নকক্ষ:
১। নিম্নকক্ষ গঠিত হবে সংখ্যগরিষ্ঠ ভোটে সরাসরি নির্বাচিত সদস্যদের সমন্বয়ে। ৪০০ (চারশো) আসন নিয়ে নিম্নকক্ষ গঠিত হবে। ৩০০ (তিনশো) জন সদস্য একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। আরো ১০০ জন নারী সদস্য সারা দেশের সকল জেলা থেকে এই মর্মে নির্ধারিত ১০০ (একশটি) নির্বাচনী এলাকা থেকে কেবল নারী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন।
২। রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষের মোট আসনের ন্যূনতম ১০% আসনে তরুণ-তরুণীদের মধ্য থেকে প্রার্থী মনোনীত করবে।
৩। সংসদীয নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ন্যূনতম বয়স কমিয়ে ২১ বছর করা হবে।
৪। ২ (দুই) জন ডেপুটি স্পিকার থাকবেন, যাদের মধ্যে একজন বিরোধী দল থেকে মনোনীত হবেন।
৫। একজন সংসদ সদস্য একই সাথে নিম্নলিখিত যেকোনো একটির বেশি পদে অধিষ্ঠিত হবেননা: (ক) প্রধানমন্ত্রী, (খ) সংসদনেতা, এবং (গ) রাজনৈতিক দলের প্রধান।
৬। অর্থবিল ব্যতীত নিম্নকক্ষের সদস্যরা তাদের মনোনয়নকারী দলের বিপক্ষে ভোট দেওযার পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে।
৭। আইনসভার স্থায়ী কমিটিগুলোর সভাপতি সবসময় বিরোধীদলীয় সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত হবেন।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন।

৩,৭৩৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ  বিভাগ কোনটি?
  1. রংপুর
  2. রাজশাহী
  3. বগুড়া
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
খাদ্য শস্য:
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ (৪১,১৩,৭০৭ মে. টন)।
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ (৩৬,৪১,০৫৮ মে. টন)।

• জেলা হিসেবে:
- প্রথম: রংপুর জেলা (১১,৯৩,৭৯৬ মে. টন)।
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা (১১,৪৬,২৮৮ মে. টন)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩।
৩,৭৩৪.
‘উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’- এ কথাটি প্রথম কে বলেছিলেন?
  1. নূরুল আমিন
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. লিয়াকত আলী খান
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৪৭ সালেই করাচিতে জাতীয় শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসাবে ব্যবহারের সুপারিশসহ প্রচার মাধ্যমে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেবল উর্দু ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়।
- ১৯৪৭ সালের ৮ ডিসেম্বর রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক সমাবেশ ও মিছিল হয়।
- ১৯৪৮ সালের ১৯ শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
- তিনি ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ২৪শে মার্চ কার্জন হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে ঘোষণা করেন-
"Urdu and only Urdu shall be the state language of Pakistan"
“উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”

- উভয় জায়গাতেই তার এই ঘোষণায় উপস্থিত জনতা ও ছাত্ররা 'না না' ধ্বনি দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা; নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৭৩৫.
শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির আসল নাম কী?
  1. মরিয়ম বেগম
  2. ইরান দুখত
  3. রহিমা খানম
  4. জাহানারা পারভীন
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখত
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
-  এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 

উল্লেখ্য,
- পরী বিবির আসল নাম ইরান দুখত রেহমত বানু। 

 উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
          ii) ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
৩,৭৩৬.
'ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ' কোথায় অবস্থিত ছিল?
  1. ঢাকা
  2. আগ্রা
  3. কলকাতা
  4. মুর্শিদাবাদ
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
• ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ
- ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের সর্বাধিক বিখ্যাত দুর্গ হলো ফোর্ট উইলিয়াম।
- ফোর্ট উইলিয়ামের মাধ্যমেই ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের ঘাঁটি নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- বিখ্যাত এই দুর্গটি কলকাতায় অবস্থিত।
- ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের সামরিক শক্তি প্রদর্শনের একটি বড় নিদর্শন এই দুর্গ।
- বাস্তবে দুটি ফোর্ট উইলিয়াম ছিল : একটি পুরনো, অন্যটি নতুন। পুরনো দুর্গটি ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির সূচনাকালের সৃষ্টি।
- স্যার চার্লস আইয়ার এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তাঁর উত্তরসূরি জন বিয়ার্ড ১৭০১ সালে ফোর্ট উইলিয়ামের উত্তর-পূর্বাংশের দুর্গপ্রাচীর সংযোজন করেন।
- ১৭০২ সালে তিনি দুর্গের মধ্যভাগে বাণিজ্যকুঠি বা 'গভর্নমেন্ট হাউস' নির্মাণ শুরু করেন, যা ১৭০৬ সালে শেষ হয়।
- এরপর ইংল্যান্ডের রাজার সম্মানে দুর্গটির নামকরণ করা হয় ফোর্ট উইলিয়াম।
- ১৯৫৬ সালে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতা আক্রমণ করে ফোর্ট উইলিয়াম দখল করেন এবং ইংরেজদের তাড়িয়ে দেন।
- পরে পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজরা জয়ী হলে উপমহাদেশে ইংরেজদের অবস্থান সংহত হতে থাকে।
- তারা ফোর্ট উইলিয়ামের স্থানে আরেকটি শক্তিশালী দুর্গ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৭৮০ সালের মধ্যে দুর্গটি নির্মাণের বেশির ভাগ কাজ শেষ হয়ে যায়।
- এর প্রায় এক শ বছর পরে দুর্গটিকে আধুনিকায়ন করা হয়।
- দুর্গটিকে অষ্টভুজাকৃতির রূপ দেওয়া হয়। দুর্গে প্রবেশের জন্য সাতটি প্রবেশদ্বার ছিল। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৭৩৭.
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ 'নওয়াব' উপাধি লাভ করেন-
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
  2. মুসলীম লীগ থেকে
  3. ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে
  4. ঢাকা কলেজ থেকে
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে
ব্যাখ্যা

নওয়াব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ: 
- জন্ম: ৭ জুন ১৮৭১, ঢাকা নবাববাড়ি।
- মৃত্যু: ১৬ জানুয়ারি ১৯১৫, কলকাতা।
- পিতার নাম: নবাব খাজা আহসানউল্লাহ।
- উপাধি: “নওয়াব” উপাধি পান ১৯০১ সালে ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে।
- সম্মাননা: ১৯০৬ সালে “Knight Commander of the Indian Empire (KCIE)” উপাধি লাভ করেন।

• শিক্ষা ও প্রশাসনিক জীবন: 
- কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা ও প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা।
- ১৮৯৫ সালে ঢাকা জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান।
- ১৯০১ সালে নবাব পদে অধিষ্ঠিত হন। 
- ১৯০৩ সালে বেঙ্গল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হন।
 
• রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অবদান
- ১৯০৬ সালে ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায় মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- ৩০ ডিসেম্বর ১৯০৬: মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা সভা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়, তাঁর সভাপতিত্বে।

 
• শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়ন: 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবনায় অগ্রণী ভূমিকা। 
- মুসলিমদের জন্য আলাদা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গঠনে উদ্যোগী ছিলেন
- ঢাকা কলেজ, জুবিলি স্কুল, নবাবপুর স্কুল, ইসলামিয়া হাইস্কুল তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠে।
- মুসলিম ছাত্রদের জন্য বৃত্তি ও আবাসন সুবিধা চালু করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৩,৭৩৮.
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে কী নামে প্রচারিত হয়?
  1. ক) জয় বাংলা
  2. খ) জয় বঙ্গবন্ধু
  3. গ) বজ্রকণ্ঠ
  4. ঘ) বাংলার দূত
সঠিক উত্তর:
গ) বজ্রকণ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বজ্রকণ্ঠ
ব্যাখ্যা
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের সমাবেশে লক্ষ লক্ষ জনতার ঢল নামে। 
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের এই ভাষণটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ‘বজ্রকণ্ঠ’ নামে প্রচারিত হয়। 
- তাঁর বক্তব্যের মধ্যে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ছিল।
 ক) চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার, 
 খ)  সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া, 
 গ)  গণহত্যার তদন্ত করা এবং
 ঘ) নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৩৯.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী 'অর্থ বিল' (Money Bill)-এর সংজ্ঞায় কোন ধরনের বিল অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারের হিসাব ও নিরীক্ষা
  2. জরিমানা বা লাইসেন্স ফি
  3. সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ
  4. প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি
সঠিক উত্তর:
জরিমানা বা লাইসেন্স ফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরিমানা বা লাইসেন্স ফি
ব্যাখ্যা

অর্থবিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- সরকার যদি দেশের উন্নয়নের জন্য কোন ঋণ গ্রহণ করেন এবং এই সম্পর্কিত কোন বিল সংসদে উত্থাপন করেন তাহলে সেই বিলকে অর্থবিল বলে। 
- প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়। সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়। অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদানে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের শেষে বিলটি আইনে পরিণত হয়।

⇒ ৮১ (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলতে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝবে:
- (ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
- (খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টি দান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
- (গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
- (ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
- (ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
- (চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।

⇒ ৮১ (২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হয়েছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলে গণ্য হবে না।

⇒ ৮১ (৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁর নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৩,৭৪০.
রাষ্ট্রে উপাদান নয় কোনটি?
  1. সার্বভৌমত্ব
  2. জনসমষ্টি
  3. সরকার 
  4. ঐক্য
সঠিক উত্তর:
ঐক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐক্য
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রে উপাদান নয়- ঐক্য।

- রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
- বিশ্বের সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।
- প্রতিটি রাষ্ট্রেরই আছে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড এবং জনসংখ্যা।
- এ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য আরও আছে সরকার এবং সার্বভৌমত্ব।
- মূলত এগুলো ছাড়া কোনো রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না। 

- অধ্যাপক গার্নার বলেন, 'সুনির্দিষ্ট ভুখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।' 

• রাষ্ট্রের চারটি উপাদান ।
যথা-
১।জনসমষ্টি,
২।নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
৩। সরকার ও
৪। সার্বভৌমত্ব।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,৭৪১.
বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে ______ এবং নাগরিকগণ ______ হিসেবে পরিচিত হবেন।
  1. বাংলাদেশি, বাঙালি
  2. বাঙালি, বাংলাভাষী
  3. বাঙালি, বাংলাদেশি
  4. বাংলাভাষী, বাংলাদেশি
সঠিক উত্তর:
বাঙালি, বাংলাদেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি, বাংলাদেশি
ব্যাখ্যা
নাগরিকত্ব:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।'
-বাংলাদেশের সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিকত্ব:
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে। 
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৭৪২.
বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ কোনটি?
  1. বান্দরবান
  2. মহেশখালী
  3. চকোরিয়া
  4. কাপ্তাই
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা

মহেশখালী দ্বীপ:
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী দ্বীপ।
- মহেশখালী দ্বীপ কক্সবাজার জেলায় শহর থেকে ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে সাগরের মাঝে অবস্থিত।
- মহেশখালী উপজেলায় সোনাদিয়া, মাতারবাড়ি, ধলঘাটা নামে ৩টি দ্বীপ রয়েছে।
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে।
- মূলত ছোট এক উপজেলা শহর মহেশখালী।
- দ্বীপটির প্রধান আকর্ষণ শুঁটকি মাছ ও মিঠা পানি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি।

৩,৭৪৩.
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীতে পাঞ্জাবি ও পাঠান বাদে বাংলাসহ অপরাপর জাতির চাকুরির জন্য শতকরা কতভাগ কোটা নির্ধারণ করা হয়?
  1. ৩%
  2. ৫%
  3. ৭%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য:
- পূর্ব পাকিস্তানের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যের প্রকাশ ঘটে সামরিক বাহিনীতে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে।
- সামরিক বাহিনীতে পশ্চিম পাকিস্তানিদের আধিপত্য ছিল।
- ক্ষমতার শীর্ষে ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সদস্যরা।
- তাদের এই বৈষম্যমূলক নীতি সামরিক বাহিনীতে নিয়োজিত বাঙালি সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য,
- সেনাবাহিনীতে পাঞ্জাবি আধিপত্য নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীতে প্রাদেশিক কোটা নির্ধারণ করা হয়।
• পাঞ্জাবি - ৬০%।
• পাঠান - ৩৫%।
• পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য এলাকা ও পূর্ব পাকিস্তান - ৫%।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৪৪.
বাঙালি মুসলমান সমাজে নারী স্বাধীনতার পক্ষে প্রথম প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর ছিলো-
  1. জাহানারা ইমাম
  2. সুফিয়া কামাল 
  3. সেলিনা হোসেন
  4. বেগম রোকেয়া
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া
ব্যাখ্যা

• রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন :
- রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন,  (১৮৮০-১৯৩২)  সাহিত্যিক, শিক্ষাব্রতী, সমাজসংস্কারক এবং নারী জাগরণ ও নারীর অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার অন্তর্গত পায়রাবন্দ ইউনিয়নে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জহীরুদ্দীন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের এবং মাতা রাহাতুন্নেসা সাবেরা চৌধুরানী।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- ১৮৯৮ সালে রোকেয়ার বিয়ে হয় বিহারের ভাগলপুর নিবাসী উর্দুভাষী সৈয়দ সাখাওয়াৎ হোসেনের সঙ্গে।
- তিনি ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট, তদুপরি সমাজসচেতন, কুসংস্কারমুক্ত এবং প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন।
- স্বামীর মৃত্যুর পর নিঃসঙ্গ রোকেয়া নারীশিক্ষা বিস্তার ও সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করেন।
- ১৯০৯ সালের ১ অক্টোবর স্বামীর প্রদত্ত অর্থে পাঁচটি ছাত্রী নিয়ে তিনি ভাগলপুরে ‘সাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল গার্লস’ স্কুল স্থাপন করেন।  
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম  বা মুসলিম মহিলা সমিতি। 
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন  নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land  বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।
- বাঙালি মুসলমান সমাজে নারীর স্বাতন্ত্র্য ও নারী স্বাধীনতার পক্ষে প্রথম প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর বেগম রোকেয়া।
- বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি মুসলমানদের নবজাগরণের সূচনালগ্নে নারীশিক্ষা ও নারী জাগরণে তিনিই প্রধান নেতৃত্ব দেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৭৪৫.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে খেতাবপ্রাপ্ত উইলিয়ম এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) অস্ট্রিয়া
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক হলেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
তিনি ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৩,৭৪৬.
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাণিজ্যের অংশীদার -
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
৩,৭৪৭.
দেশের কোন জেলায় শস্য নিবিড়তার পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) চুয়াডাঙ্গা
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
শস্য নিবিড়তা বলতে বুঝায় প্রকৃত চাষের জমির মধ্যে কতটুকু জমি চাষ করা হচ্ছে তার শতকরা আনুপাতিক হারকে। কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুসারে বাংলাদেশে শস্য নিবিড়তা হলো ১৯৮।

জেলা অনুসারে শস্য নিবিড়তা: প্রথম : মেহেরপুর (২৭৮) দ্বিতীয় : চুয়াডাঙ্গা (২৬৪) তৃতীয় : বগুড়া (২৪৩)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
৩,৭৪৮.
নীল কমিশন গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৫৯ সালে
  2. খ) ১৮৫৭ সালে
  3. গ) ১৮৬৩ সালে
  4. ঘ) ১৮৬১ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৬১ সালে
ব্যাখ্যা
নীল বিদ্রোহ
- ইংরেজরা এই উপমহাদেশে এসেছিল ব্যবসায়-বাণিজ্য করতে।
- ১৭৭০ থেকে ১৭৮০ সালের মধ্যে ইংরেজ আমলে বাংলাদেশে নীল চাষ শুরু হয় কারণ এ সময় নীল ব্যবসা ছিল খুবই লাভজনক।
- নীল চাষের জন্য কৃষকদের অগ্রিম অর্থ গ্রহণে ( দাদন ) বাধ্য করা হতো এবং পরে নীল চাষে রাজি না হলে কৃষকের উপরে চরম অত্যাচার চালানো হতো।
- ফরিদপুর, যশোর, ঢাকা, পাবনা, রাজশাহী, নদীয়া ও মুর্শিদাবাদে ব্যাপক নীল চাষ হতো। 
- জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নীল চাষের খরচও বৃদ্ধি পায় ফলে চাষীরা নীল চাষের প্রতি অনাগ্রহ প্রকাশ করলে তাদের ওপরে নির্যাতন চালানো হতো।
- নীল চাষীরা ১৮৫৯ সালে নীল চাষের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ গড়ে তোলেন। 
- এ নীল বিদ্রোহের অত্যাচারের কথা দীনবন্ধু মিত্রের লেখা ‘নীলদর্পণ’ নাটকের কাহিনীর মাধ্যমে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 

- যশোরের নীল বিদ্রোহের নেতা ছিলেন নবীন মাধব ও বেণী মাধব নামে দুই ভাই।
- হুগলিতে নেতৃত্ব দেন বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার।
- নদীয়ায় ছিলেন মেঘনা সর্দার এবং নদীয়ার চৌগাছায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস নামে দুই ভাই। 
- চাষীদের এ বিদ্রোহের কারণে ১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার ‘ইন্ডিগো কমিশন বা নীল কমিশন’ গঠন করে নীল চাষকে কৃষকদের ‘ইচ্ছাধীন’ বলে ঘোষণা দেয় যার পরিপ্রেক্ষিতে নীল বিদ্রোহের অবসান হয়।
- পরবর্তীতে কৃত্রিম নীল আবিষ্কৃত হওয়ায় ১৮৯২ সালে এদেশে নীল চাষ চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৭৪৯.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয় -
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
পুলিশ প্রশাসন:
- পুলিশ প্রশাসন অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা।
- মহিলাদের মধ্যে পেশাধারী প্রতারণা, দেশি ও আন্তর্জাতিক চোরাচালান, হোটেল ও বিত্তবানদের গৃহে প্রমোদবালাদের অসামাজিক তৎপরতা প্রতিরোধ সংক্রান্ত অপরাধের অনুসন্ধান ও তল্লাশীর ক্ষেত্রে পুরুষের জন্য কিছু আইনগত ও সামাজিক অসুবিধা থাকায় ১৯৭৪ সালে সর্বপ্রথম স্পেশাল ব্রাঞ্চ পুলিশে ১২ জন মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়। 

• ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী,
বাংলাদেশে নারী পুলিশের যাত্রা ১৯৭৪ সালে ৭ জন এসআই এবং ৭ জন কনস্টেবলের যোগদানের মধ্য দিয়ে।
প্রথমে সাদা পোশাকেই তারা ডিউটি করতেন। দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৬ সালে ইউনিফর্মধারী নারী পুলিশের যাত্রা হয়।

• গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সংস্কার:
- প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি গঠিত হয়- ১৯৮২ সালে,
- গ্রাম সরকার ব্যবস্থার' বিলুপ্তি সাধন হয়েছিল ১৯৮২ সালে।
- বাংলাদেশ সচিবালয় প্রথমে যাত্রা শুরু করে ইডেন বিল্ডিং-এ।
- সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় করা হয়- ২৮ এপ্রিল ২০১১।
- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ- ২টি ।
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পূর্ব নাম- সংস্থাপন মন্ত্রণালয়।
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়- ২৩ অক্টোবর, ২০০১।
- উপজেলা পরিষদ চালু হয়- ১৯৮৫ সালে ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
৩,৭৫০.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. চৌধুরী মোহাম্মদ আলী
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমুদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমুদ্দিন
ব্যাখ্যা

◉ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন। 

ভাষা আন্দোলন: 
- ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত এক গণআন্দোলন।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দু ঘোষণার বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে দাবি ওঠে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' শ্লোগানে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ গুলি চালায়, যার ফলে রফিক, জববার, বরকতসহ অনেকে শহীদ হন।
- আন্দোলন আরও তীব্র হয় এবং ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগকে স্মরণ করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। 

উল্লেখ্য, 
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- ১৯৫২ সালে গভর্নর ছিলেন গোলাম মুহাম্মদ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৩,৭৫১.
ইউনেস্কো কবে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ১১ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
  2. ১৫ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
  3. ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
  4. ২১ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,৭৫২.
বর্তমানে বাংলাদেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতি কত?
  1. ৬.১৭%
  2. ৬.৯৭%
  3. ৬.০৮%
  4. ৬.২২%
সঠিক উত্তর:
৬.২২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.২২%
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত বিবিএস রিপোর্ট অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৬.১৭%
- বাংলাদেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৬.২২%

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।
৩,৭৫৩.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কত টাকা?
  1. ২০,৫৮২কোটি টাকা
  2. ২৭,৫৮২কোটি টাকা
  3. ২৫,৫৩৩কোটি টাকা
  4. ১৭,৫৩৩কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
১৭,৫৩৩কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭,৫৩৩কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটের তথ্যঃ 
• বাজেটে মোট পরিচালন ব্যয় (সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও বিভিন্ন বিভাগের খরচ, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দেনা পরিশোধ ব্যতীত) ধরা হয়েছে- ৪,৮৪,২০৩ কোটি টাকা।
• বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে – ২,৭৭,৫৮২ কোটি।
• উল্লেখ্য, উন্নয়ন ব্যয়, পরিচালন ব্যয় মিলে মোট বাজেটের আকার পাওয়া যায় (২,৭৭,৫৮২ + ৪,৮৪,২০৩ = ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা)।
• পরিচালন ব্যয় থেকে সবচেয়ে বেশি ২০.৫% খরচ হয় ভুর্তুকি ও প্রণোদনা (মোট – ৯৯,২২৭ কোটি টাকা)।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯.৫% খরচ হয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুদ প্রদানের মাধ্যমে (৯৪,৩৭৬ কোটি টাকা)।
• কৃষি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ – ১৭,৫৩৩ কোটি টাকা।
• জনপ্রশাসন খাতে ভর্তুকি ও প্রণোদনা – ৬০,০৮৭ কোটি টাকা।
• বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের তুলনায় পরিচালন খরচ বেশি হলে এই ধরণের বাজেটকে 'অনুন্নয়ন বাজেট' নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস-  ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট।
৩,৭৫৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট অনুচ্ছেদ আছে -
  1. ১৫২টি
  2. ১৫৩টি
  3. ১৫৭টি
  4. ১৫৯টি
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।

⇒ সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।

এছাড়াও,
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৫৫.
বিচারপতি ওবায়দুল হাসান দেশের কততম প্রধান বিচারপতি?
  1. ২২তম
  2. ২৪তম
  3. ২৩তম
  4. ২৫তম
সঠিক উত্তর:
২৪তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪তম
ব্যাখ্যা
প্রধান বিচারপতি:
• দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

• উল্লেখ্য,
• রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে শপথবাক্য পাঠ করান।
• ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ দেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে।
• বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ১৯৫৯ সালের ১১ জানুয়ারি নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ থানাধীন ছয়াশী (হাটনাইয়া) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
• আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসএস (অনার্স), এমএসএস (অর্থনীতি) ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সনদ পেয়ে জেলা বার-কমিটিতে যোগদান করেন।
• তিনি সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে ৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন।
• তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে ২০০৯ সালের ৩০ জুন যোগদান করেন এবং ২০১১ সালের ৬ জুন একই বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - ডেইলী স্টার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
৩,৭৫৬.
বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম কত সালে শুরু হয়েছিল?
  1. ১৯৭৩
  2. ১৯৭৪
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭৬
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
ব্যাখ্যা
❐  স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালে।

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:
- BCS-এর পূর্ণরূপ: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (Bangladesh Civil Service)।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মকর্তা বা ক্যাডার নিয়োগের পরীক্ষাকে বলা হয় বিসিএস পরীক্ষা (BCS Examination)।
 বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission – BPSC) দ্বারা এই পরীক্ষা গৃহীত হয়ে থাকে।

⇒ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস যা ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন আমলের ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিস থেকে উদ্ভুত হয়েছে।
- জনগণের ভোটে নির্বাচিত নীতিনির্ধারকদের প্রণীত নীতি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ কর্ম কমিশন বা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) কতৃক নিয়োগকৃত যে বেসামরিক কর্মকর্তা বা কর্মচারিরা কাজ করেন, তাদেরকেই বিসিএস ক্যাডার (BCS Cadre) বলা হয়।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রণীত বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী বিসিএস-এর নিম্নোক্ত ২৬টি ক্যাডারে উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের উদ্দেশ্যে কমিশন কর্তৃক ৩ স্তরবিশিষ্ট পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। বাছাই পরীক্ষা হয় তিন ধাপে। ধাপগুলো হলো- প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা।

⇒ বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় ১৯৭৩ সালে। স্বাধীনতার পর সেই বছর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) প্রথমবারের মতো বিসিএস-এর মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে তখনকার পরীক্ষা ছিল শুধুমাত্র মৌখিক (viva-voce) ভিত্তিক। এরপর পর্যায়ক্রমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ বিসিএস পরীক্ষা চালু হয়। 
- বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস ক্যাডার মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবুল কালাম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশকে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়। তার ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের চাকরির প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যায়। সংবিধানে সিভিল সার্ভিস শব্দটা ব্যবহার করা হয় নি, তবে সকল শ্রেণীর সিভিল সার্ভেন্টকে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চাকরি সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক অধ্যায় (১৩৬ নং অনুচ্ছেদে) অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। প্রথম, এই অনুচ্ছেদে সিভিল সার্ভিসের সদস্যদের চাকরির শর্তাবলি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়, এতে সরকারকে সিভিল সার্ভিস পুনর্গঠন করার এবং সিভিল সার্ভিস সদস্যদের অসুবিধা ঘটতে পারে চাকরির এমন শর্তাবলি পরিবর্তন করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

⇒ পাকিস্তান আমল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার কাজেও সরকার হাত দেয়। এই লক্ষ্যে সরকার প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি, ১৯৭৩) নামে একটি কমিটি গঠন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম.এ চৌধুরী ছিলেন এই কমিটির প্রধান। চাকরি পুনর্গঠনে সরকারের ক্ষমতাকে কার্যকারিতা দেয়ার জন্য ১৯৭৫ সালে চাকরি (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) অধ্যাদেশ এবং এতদসংক্রান্ত একটা আইন জারি করা হয়। এই ক্যাডারের রিক্রুটমেন্ট করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, তবে বিধিবিধান প্রণীত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
iii) প্রথম আলো। [link]
৩,৭৫৭.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. ক) নির্বাচন কমিশনার
  2. খ) সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য
  3. গ) দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান
  4. ঘ) মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
সঠিক উত্তর:
গ) দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাংবিধানিক পদ
- রাষ্ট্রপতি,
- প্রধানমন্ত্রী,
- স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার,
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ,
- সংসদ সদস্য,
- নির্বাচন কমিশনার,
- সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য,
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি।

অপরদিকে, সাংবিধানিক পদ নয়
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান,
- দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইত্যাদি ।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৭৫৮.
‘ওরা এগারো জন’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন কে?
  1. আলমগীর কবির
  2. জহির রায়হান
  3. খান আতাউর রহমান
  4. চাষী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।

৩,৭৫৯.
কোয়াড (Quad) জোটের অন্তর্ভুক্ত দেশ নয়-
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ভারত
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

চীন বিরােধী সামরিক জোট কোয়াড্রালেটারাল সিকিউিরিটি ডায়ালগ যার সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে কোয়াড (Quad)।
- কোয়াডের সূচনা হয়েছিল ২০০৭ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত এর সদস্য৷
উৎসঃ বিবিসি নিউজ এবং এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মে-জুন, ২০২১।

৩,৭৬০.
’মহানন্দা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. তুলা
  2. পেয়ারা
  3. আম
  4. তরমুজ
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা
• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।

এছাড়া ও,
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।
৩,৭৬১.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ছিলেন- 
  1. অধ্যাপক জয়নুল আবেদীন
  2. অধ্যাপক রুহুল আমিন
  3. অধ্যাপক কামরুল হাসান
  4. অধ্যাপক আলী রিয়াজ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আলী রিয়াজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আলী রিয়াজ
ব্যাখ্যা

• সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ছিলেন অধ্যাপক আলী রিয়াজ। 
- কমিশনে মোট ৯ জন সদস্য ছিলেন।
- কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে:
• দেশের সাংবিধানিক নাম হবে জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ (People's Republic of Bangladesh),
• নাগরিকত্ব বাংলাদেশি হিসেবে ধার্য করা হবে।
• সংবিধানের মূলনীতি হবে চারটি – সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্র।
• এছাড়া, সংসদ হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট;
• যেখানে নিম্নকক্ষে ৪০০টি আসন এবং উচ্চকক্ষে ১০৫টি আসন থাকবে। 
• এবং সরকারের, সংসদের এবং রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ধার্য করা হবে ৪ বছর।
• সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স হবে ২১ বছর। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৩,৭৬২.
বাংলাদেশ সংবিধানে ’মালিকানার নীতি’ কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৮ নং
  2. ১২ নং
  3. ১৩ নং
  4. ১৪ নং
সঠিক উত্তর:
১৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ নং
ব্যাখ্যা
• মালিকানার নীতি সংবিধানের ১৩ নং অনুচ্ছেদে রয়েছে।

অন্যদিকে, 
৮৷ মূলনীতিসমূহ;
৯। জাতীয়তাবাদ;;
১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
১১৷ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা;
১৩৷ মালিকানার নীতি;
১৪৷ কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি;
১৫৷ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা;
১৬৷ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব;
১৭৷ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা;
১৮৷ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা;
১৮ক। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 
৩,৭৬৩.
মৃত্যুঞ্জয়’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. বিজয় সরণি
  2. ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয়
  3. ঢাকা মেডিক্যাল
  4. বনানী
সঠিক উত্তর:
বিজয় সরণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয় সরণি
ব্যাখ্যা
মৃত্যুঞ্জয়ী:

- ঢাকার বিজয় সরণিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ঘিরে তৈরি 'মৃত্যুঞ্জয়ী' ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ১০ নভেম্বর ২০২৩ সালে ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন।
- এই প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'মৃত্যুঞ্জয়' নামে একটি ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে, যা ২০২১ ও ২০২২ সালে বিজয় দিবসের প্যারেডে প্রদর্শিত হয়েছিল।
- এই চত্বরের কেন্দ্রস্থলে স্থাপন করা হয়েছে ভাস্কর্যটি। এর দেয়ালে ম্যুরালও স্থান পেয়েছে।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্মিত এই চত্বরের সাতটি দেয়ালে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে অন্যান্য আন্দোলন ও বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে জাতির পিতার নেতৃত্ব ও অবদান চিত্রিত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, ১০ নভেম্বর ২০২৩।
৩,৭৬৪.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট কতটি শিক্ষাবোর্ড রয়েছে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১১টি শিক্ষাবোর্ড রয়েছে - 
১। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
২। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড
৩। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা
৪। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম
৫। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা
৬। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী 
৭। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর 
৮। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল 
৯। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট 
১০। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর।
১১। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৭৬৫.
সর্বপ্রথম কোন আইনে বাংলায় নতুন আইন সভার বিধান রাখা হয়?
  1. ক) রেগুলেটিং অ্যাক্ট
  2. খ) ভারতীয় কাউন্সিল আইন
  3. গ) ভারত শাসন আইন
  4. ঘ) পিটের ইন্ডিয়া অ্যাক্ট
সঠিক উত্তর:
খ) ভারতীয় কাউন্সিল আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভারতীয় কাউন্সিল আইন
ব্যাখ্যা
- ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের মাধ্যমে একশ বছরের অবসান ঘটে কোম্পানি শাসনের এবং ব্রিটিশ রাজ এ অঞ্চলের শাসনভার স্বহস্তে তুলে নেয়। 
- এ সময় ভারতবর্ষে ব্রিটেনের অনুকরণে আইন সভার উদ্ভব হয় ধাপে ধাপে।
-  বস্তুত ১৮৫৮ সালের পরবর্তী বিভিন্ন ভারত শাসন আইনের মধ্যেমেই এ দেশে শাসনতান্ত্রিক বিকাশ ঘটে। 
- এ ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয়দের শাসনকার্যের সাথে সংশ্লিষ্ট করা। 
- ১৮৬১ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইন ভারতের সাংবিধানিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। 
 
================
 
এ আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নে আলোচনা করা হল :
১. গভর্ণর জেনারেলের নির্বাহী পরিষদ ৫ জন সাধারণ সদস্য নিয়ে গঠিত হয়।
২. আইন সভা গভর্ণর জেনারেলের নির্বাহী পরিষদের ৫ জন সাধারণ সদস্য ছাড়াও ন্যূনতম আরো ৬ জন এবং অনধিক ১২ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়। অতিরিক্ত সদস্যগণ গভর্ণর জেনারেল কর্তৃক দুই বছরের জন্য মনোনীত হন এবং এই সদস্যদের অর্ধেক বেসরকারি সদস্য।
৩. গভর্ণর জেনারেল নির্বাহী ও আইন উভয় পরিষদের সভাপতি।
৪. আইনসভা কর্তৃক পাসকৃত যে কোন বিলে সম্মতি প্রদান, ভেটো প্রদান বা ব্রিটিশ রাণীর জন্য সংরক্ষিত রাখার অধিকার গভর্ণর জেনারেলকে প্রদান করা হয়।
৫. গভর্ণর জেনারেলের পূর্বানুমতি ছাড়া সরকারি ঋণ, সেনাবাহিনী, বৈদেশিক সম্পর্ক ইত্যাদি বিষযে কোন বিল আইন সভায় উত্থাপন করা যেত না।
৬. আইন সভার সদস্যগণ আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক উত্থাপিত কোন বিষযে অংশগ্রহণ ও পরামর্শ দান করতে পারত। তবে কোনরূপ প্রশ্ন করার অধিকার ছিল না।
৭. এ আইন দ্বারা বোম্বে ও মাদ্রাজের প্রাদেশিক আইন সভা পুনর্গঠনও সম্প্রসারণ করা হয়।
৮. এ আইন দ্বারা বাংলা, পাঞ্জাব ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের জন্য নতুন আইন সভার বিধান করা হয় ।
 
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৭৬৬.
বঙ্গবন্ধু বিষয়ক গবেষণা ক্যাটাগরিতে বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০২৩ পেয়েছেন -
  1. মৃত্তিকা চাকমা
  2. আফরোজা পারভীন
  3. আসাদুজ্জামান আসাদ
  4. মো. মজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
মো. মজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মো. মজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩
- ১১টি ক্যাটাগরিতে মোট ১৬ গুণীজন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ পেয়েছেন।

- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ প্রাপ্তরা হলেন:
১. কবিতা: শামীম আজাদ
২. কথাসাহিত্য: নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর, সালমা বাণী
৩. প্রবন্ধ/গবেষণা: জুলফিকার মতিন
৪. অনুবাদ: সালেহা চৌধুরী
৫. নাটক ও নাট্যসাহিত্য : মৃত্তিকা চাকমা, মাসুদ পথিক
৬. শিশুসাহিত্য: তপংকর চক্রবর্তী
৭. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা: আফরোজা পারভীন, আসাদুজ্জামান আসাদ
৮. বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণা: সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, মো. মজিবুর রহমান
৯. বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞান: ইনাম আল হক
১০. আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনি/মুক্তগদ্য: ইসহাক খান
১১. ফোকলোর: তপন বাগচী, সুমনকুমার দাশ

উল্লেখ্য,
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক লেখকদের মৌলিক কাজের স্বীকৃতি দান ও শিক্ষা-সংস্কৃতিতে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রতি বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৯৬০ সাল থেকে এই পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - ১. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২. ডেইলি স্টার।
৩,৭৬৭.
বাংলাদেশের প্রথম মডেল থানা -
  1. ক) শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. খ) ভালুকা, ময়মনসিংহ
  3. গ) হাজিগঞ্জ, চাঁদপুর
  4. ঘ) ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
খ) ভালুকা, ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভালুকা, ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• ভালুকা থানা:
-  ভালুকা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম মডেল থানা এবং দেশের অন্যতম বিসিক শিল্প নগরী।
 -
এ উপজেলায় বর্তমানে ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়ন রয়েছে।
- এ উপজেলায় ৮৭টি মৌজা ও ১১০টি গ্রাম রয়েছে।
- মূলতঃ ভালুকা গ্রাম ও ভালুকা বাজারকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী সময়ে ভালুকা থানা ও ভালুকা উপজেলার নামকরণ করা হয়েছে। 
 - ১৯১৭ সালে গফরগাঁও থানাকে বিভক্ত করে ভালুকা থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। 

তথ্যসূত্র: ভালুকা উপজেলার ওয়েবসাইট।
৩,৭৬৮.
নিচের কোন শাসনকর্তা বাংলায় দুবার সুবাদার হয়েছিলেন?
  1. শায়েস্তা খাঁ
  2. ফিদাই খান
  3. আজম খান
  4. মীর জুমলা
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খাঁ
ব্যাখ্যা
• সুবাহদার: 
- সুবাহদার  মুগল সাম্রাজ্যের যেকোন সুবাহ-র গভর্নর বা ভাইসরয়।
- শাসনকার্য পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র মুগল সাম্রাজ্য কয়েকটি সুবাহ-য় (প্রদেশ) বিভক্ত ছিল।
- সুবাহ প্রধানকে সুবাহদার, নাজিম, সাহিব-ই-সুবাহ, ফৌজদার-ই-সুবাহ প্রভৃতি নামে আখ্যায়িত করা হতো।
- বাংলা সুবাহ-র গভর্নরকে বলা হতো সুবাহদার।
- এছাড়া কখনওবা তিনি নাজিম নামেও অভিহিত হতেন।
- কখনও কখনও গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশসমূহে মুগল শাহজাদাদেরও সুবাহদার নিয়োগ করা হতো।
- শায়েস্তা খাঁ দুইবার সাবাদার নিয়োগ পান।
- প্রথম পর্যায় ১৬৬৩-১৬৭৮।
- ২য় পর্যায় ১৬৮০-১৬৮৮। 

উল্লেখ্য, 
- ১৬৭৮-৭৯ খ্রিস্টাব্দে এক বছরের সামান্য বেশি সময়ের বিরতিসহ দীর্ঘ ২৪ বছর তিনি এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- বাংলায় সুবাহদার হিসেবে তাঁর কার্যকালের মেয়াদই দীর্ঘতম। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
৩,৭৬৯.
মুক্তিযুদ্ধের সর্বপ্রথম স্মারক ভাস্কর্য “জাগ্রত চৌরঙ্গী” কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সাভার
  2. খ) জয়পুরহাট
  3. গ) জয়দেবপুর
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গ) জয়দেবপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জয়দেবপুর
ব্যাখ্যা

জাগ্রত চৌরঙ্গী
- জয়দেবপুর চান্দনা চৌরাস্তা, গাজীপুর-এ অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বপ্রথম স্মারক ভাস্কর্য হলো জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ১৯৭১ সালে ১৯ শে মার্চ গাজীপুরে সংঘটিত প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগ্রামের চেতনার আলোকে ও শহীদ হুরমত আলীসহ অন্যান্য শহীদদের স্মরনে নির্মিত হয় জাগ্রত চৌরঙ্গী। - ভাস্কর্যটির উচ্চতা মাটি থেকে ১০০ (একশত) ফুট। দুপাশে ১৬ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১১ নং সেক্টরের ১০৭ জন এবং ৩নং সেক্টরের ১০০ জন শহীদ সৈনিকের নাম খোদাই করা রয়েছে।
- ভাস্কর্যটি ১৯৭৩ সালে নির্মাণ করেন শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক।

তথ্যসূত্র- গাজীপুর সদর উপজেলার ওয়েবসাইট।

৩,৭৭০.
বিটিভি কোন সাল থেকে রঙিন সম্প্রচার শুরু করে?
  1. ১৯৭৯ সাল
  2. ১৯৮০ সাল
  3. ১৯৮১ সাল
  4. ১৯৮২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিটিভি ওয়ার্ন্ড চ্যানেল বন্ধ হয়ে বিটিভি নিউজ নামে যাত্রা শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।

৩,৭৭১.
বিবিএস-এর শ্রমশক্তি জরিপ-২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির কত শতাংশ নারী?
  1. ৩৩.৪ শতাংশ
  2. ৪৪.২ শতাংশ
  3. ৪৮.৪ শতাংশ
  4. ৫৫.৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৪৪.২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪.২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

নারী শ্রমশক্তি:
- ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
- বিবিএস-এর শ্রমশক্তি জরিপ-২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৪.২ শতাংশ নারী।
- তবে এই ৪৪ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে প্রায় ৯৬.৬ শতাংশ নারী অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত (বিশ্বব্যাংক, ২০২৪)। অর্থাৎ তাঁরা কৃষি, গৃহকর্ম, চা-বাগান, গৃহকেন্দ্রিক কাজ, দোকান বা ছোট উৎপাদন ইউনিটে কাজ করেন, যেগুলো শ্রম আইন বা সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসেনি।
- বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশ আসে তৈরি পোশাকশিল্প থেকে, যেখানে কাজ করেন প্রায় ৪০ লাখ নারী। 
- গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও কৃষিজমির মালিকানায় তাঁদের অংশ মাত্র ১২ শতাংশ (বিবিএস, ২০২৩)।
- বাংলাদেশে প্রায় ২০ লাখ নারী গৃহকর্মীর কাজ করেন (ডমেস্টিক ওয়ার্কার্স রাইটস নেটওয়ার্ক, ২০২৩)।
- চা-বাগানশ্রমিকদের মধ্যে ৭০ শতাংশ নারী।
- নির্মাণশিল্পে নারী শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু নিরাপত্তা ও মর্যাদা কমছে (আইএলও-বিজিএমইএ রিপোর্ট, ২০২৪ অনুযায়ী), নির্মাণ সাইটে নারী শ্রমিকদের মধ্যে ৬০ শতাংশ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম পান না। 

⇒ শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুসারে,
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪৪.৬৭%।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.৩৭%।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৭.৯৬%।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
ii) প্রথম আলো।

৩,৭৭২.
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশের সুপ্রিম পার্টি
  2. বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
  3. বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি
  4. জাসদ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সুপ্রিম পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সুপ্রিম পার্টি
ব্যাখ্যা
সমাজতান্ত্রিক দল:
- বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল নয় বাংলাদেশের সুপ্রিম পার্টি।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ):
- ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ থেকে পৃথক হয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর যাত্রা শুরু হয়।
- দলটির লক্ষ্য হল বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র এবং কৃষক-শ্রমিকদের নেতৃত্বে বিপ্লব সংঘটিত করার মাধ্যমে একটি শোষণমুক্ত শ্রেণিহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। 

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি:
- এটি একটি সমাজতান্ত্রিক দল। বাংলাদেশে সমাজতান্ত্রিক দলের দুটি ধারা।
- একটি মার্কসবাদী-লেনিনবাদী বা চীনপন্থী অন্যটি সোভিয়েতপন্থী।
- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটি মূলত লেনিনবাদী সমাজতান্ত্রিক দল।
- ১৯৮০ সালে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি:
- সমাজতন্ত্রের প্রবর্তক কার্ল মার্কস এর অনুসারী একটি দল।
- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নিখিল ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির উত্তরাধিকারী সংগঠন।
- ১৯৬৮ সালে পূর্ব পাকিস্তানে কমিউনিস্ট ইউনিট গঠন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এ দলটি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৭৩.
প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল কত বছর?
  1. ক) ৩ বছর
  2. খ) ৪ বছর
  3. গ) ৫ বছর
  4. ঘ) ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ বছর
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ পাঁচ বছর। রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদও ৫ বছর। বাংলাদেশের সকল জনপ্রতিনিধির পদের মেয়াদ ৫ বছর। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৭নং তে প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা আছে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
৩,৭৭৪.
বাংলাদেশে রপ্তানী আয়ের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. জনশক্তি রপ্তানী 
  2. তৈরি পোশাক রপ্তানী
  3. জাতিসংঘ শান্তি মিশনে শান্তিরক্ষী প্রেরণ
  4. চামড়া জাতীয় পণ্য রপ্তানী
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক রপ্তানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক রপ্তানী
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশে রপ্তানী আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক।

♦ রপ্তানি আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৩.৮১% বা ২১,১৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.৬৫%।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.৫৮%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৭৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

♦ উল্লেখ্য:
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৭৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৯২%)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: কাচাপাট (০.৩১%)।

♦ দেশ ভিত্তিক রপ্তানি:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।

● এশিয়া:
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৩,৭৭৫.
১৯৫৪ সালে কতটি আসনে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন হয়েছিল?
  1. ২৩৭ টি
  2. ২৯৭ টি
  3. ৩০৯ টি
  4. ৩১০ টি
সঠিক উত্তর:
৩০৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৯ টি
ব্যাখ্যা
 ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন ও ফলাফল:
→ ১৯৫৪ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রধানত স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে।
→ ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন।
→ ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়।
→ মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২২৩টি আসন।
ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় ৯টি আসন, পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস ২৪টি, তফসিল ফেডারেশন ২৭টি, খেলাফতে রব্বানী ২টি, খ্রিস্টান ১টি, বৌদ্ধ ১টি, কম্যুনিস্ট পার্টি ৪টি আসন লাভ করে।

তথ্যসূত্র: ইহিতাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৭৬.
একদিনে ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস কার?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. তামিম ইকবাল
  3. লিটন দাস
  4. মুশফিকুর রহিম
সঠিক উত্তর:
লিটন দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিটন দাস
ব্যাখ্যা
লিটন দাস:
- বাংলাদেশের হয়ে একদিনের ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেন লিটন দাস।
- ২০২০ সালের ৬ মার্চ সিলেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি ১৪৩ বলে ১৭৬ রান করেন যা বাংলাদেশের যেকোন ব্যাটসম্যানের পক্ষে সর্বাধিক।

উল্লেখ্য,
- লিটন দাস বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে একজন উইকেট কিপার এবং ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
- তিনি ২০১৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করেন।
- তিনি ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর করেছেন (১৭৬)।
- তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২য় সবচেয়ে কম বলে অর্ধশতক রান করেন (১৮ বলে) যা ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে কম বলে অর্ধ শতক রান করার রেকর্ড।
- তিনি বর্তামানে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের শ্রেষ্ঠ ওপেনার।

অন্যদিকে -
- এর আগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিলো তামিম ইকবালের (১৫৮ রান)।

উৎস: ESPN Cricinfo.
৩,৭৭৭.
বঙ্গবন্ধুর গ্রামটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) মধুমতি
  2. খ) বাইগার
  3. গ) ভৈরব
  4. ঘ) কুমার
সঠিক উত্তর:
খ) বাইগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাইগার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গােপালগঞ্জ মহকুমার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমান গােপালগঞ্জ জেলা সদরের দক্ষিণে ও পশ্চিমে মধুমতি নদী। আর 'বাইগার' নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত টুঙ্গিপাড়া গ্রাম। মধুমতীর অসংখ্য শাখা নদীর একটি বাইগার নদী।
৩,৭৭৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি লিপিবদ্ধ হয়েছে?
  1. ক) ১২ নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ১৩ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ১৪ নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ১৫ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৩নং অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি লিপিবদ্ধ হয়েছে।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৩:
মালিকানার নীতি -- “উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷”

এছাড়া, 
১২ নং অনুচ্ছেদে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা,
১৪ নং অনুচ্ছেদে কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি, এবং
১৫ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান
৩,৭৭৯.
কোন সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে পরিচিত?
  1. শশাঙ্ক পূর্ববর্তী
  2. গোপাল পূর্ববর্তী
  3. সেন পূর্ববর্তী
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গোপাল পূর্ববর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল পূর্ববর্তী
ব্যাখ্যা
• মাৎস্যন্যায়:
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপাল নামে অনেক পাল রাজারা বাংলা শাসন করেছেন ।

- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার শশাঙ্ক পরবর্তী সময়কে নির্দেশ করে।
- মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে খ্যাত।
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পাল বংশের শাসন।
- শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হন।
- তাই বলা যায় ‘মাৎস্যন্যায়’ গোপাল পূর্ববর্তী সময়কে নির্দেশ করে। 

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৮০.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিক শিক্ষার সাথে জড়িত?
  1. NAPE
  2. NICAR
  3. NIPORT
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
NAPE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAPE
ব্যাখ্যা
• National Academy for Primary Education (NAPE):
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)
- ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ও
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)"

- অন্যদিকে:
• National Institute of Population Research and Training (NIPORT):
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)
- ১৯৭৭ সালে নিপোর্ট প্রতিষ্ঠিত।

• National Implementation Committee for Administrative Reform (NICAR):
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির আহবায়ক।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩,৭৮১.
বর্তমানে বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ৬৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ৬৯ জন
  4. ৭০ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৭৮২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
  1. ১১টি
  2. ২১টি
  3. ৬০টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর এবং সাব সেক্টর:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল এবং সুবিধার জন্য হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য সেক্টরগুলোকে আবার ৬৪ টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- এই বিভাজনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের কার্যক্রম ও সামরিক অপারেশন সমন্বিতভাবে পরিচালনা করা সহজ হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৮৩.
ঢাকায় প্রথম বাংলার রাজধানী স্থাপন করা হয় কোন মুঘল সম্রাটের আমলে?
  1. ক) সম্রাট আকবর
  2. খ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. গ) সম্রাট হুমায়ুন
  4. ঘ) সম্রাট বাবর
সঠিক উত্তর:
খ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
মুঘল সুবাদার ইসলাম খান চিশতি বারোভূঁইয়াদের দমন করার সহজার্থে ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। তৎকালীন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে তিনি ঢাকার নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। ইসলাম খান চিশতি ১৬১১ সালে বারোভূঁইয়াদের চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে সমগ্র বাংলা মুঘল শাসনের অধীনে আনেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
৩,৭৮৪.
পাকিস্তান সরকার ছয় দফাকে কি বলে প্রচার করেছিল?
  1. পাকিস্তানের জাতীয় ঐক্যের বিরোধী
  2. রাষ্ট্রদ্রোহী তৎপরতা
  3. পাকিস্তান ভাঙ্গার দলিল
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
ছয় দফার প্রতিক্রিয়া

• ঐতিহাসিক ছয় দফার ধারাগুলো ছিল পূর্ব-পাকিস্তানের দীর্ঘ দিনের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এবং শোষণ ও নির্যাতন থেকে মুক্তির মহাসনদ।
• পূর্ব-পাকিস্তানের জনগণ এটির প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন জানায়।
• তৎকালীন সরকার ও পশ্চিম পাকিস্তানি নেতৃবৃন্দ ছয় দফার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
• তারা এটিকে 'পাকিস্তানের জাতীয় ঐক্যের বিরোধী' এবং 'রাষ্ট্রদ্রোহী তৎপরতা' বলে প্রচার করতে থাকে।
• তারা ছয় দফাকে নানাভাবে অপব্যাখ্যা করে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখে।
• পশ্চিম পাকিস্তানে এটি তেমন একটা আলোড়ন ফেলতে না পারলেও পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টিতে সক্ষম হয়।
• একারণে পশ্চিম পাকিস্তানি সরকার দমননীতি আরম্ভ করে।
• পূর্ববঙ্গের তৎকালীন গভর্নর মোনায়েম খানের নির্দেশে শেখ মুজিবর রহমানসহ বহু নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ ওপেন স্কুল।
৩,৭৮৫.
বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায়?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটঃ
নদী মাতৃক এ বাংলাদেশ একটি অতি জটিল পলিভরণকৃত ব-দ্বীপ।
- অসংখ্য বিনুনি শাখা প্রশাখা সহ গঙ্গা-পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও মেঘনা এ ৩টি অন্যতম প্রধান ও সুবৃহৎ আন্তর্জাতিক নদীমালা কর্তৃক বাহিত পলিতে গঠিত এ বাংলাদেশ।
- এতদবিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার ১৯৪৮ সালে ঢাকার গ্রীণরোডে প্রায় ১২ একর জমির উপর ‘‘হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী’’ নামে একটি গবেষণাগার স্থাপন করে।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে ব্যাপক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৮ সালে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে এবং ‘‘হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী’’ প্রতিষ্ঠানটি ইহার সহিত একীভূত করে।
- ১৯৮৯ সালে ফরিদপুর শহরের উপকন্ঠে ৮৬ একর জমির উপর এক মনোরম পরিবেশে নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে পানি সম্পদ সেক্টরে বহুমুখী গবেষণা কার্যক্রম উত্তরোত্তর বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৯০ সনের ৫৩নং আইন বলে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কেএকটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্ব-শাসিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন হতে আলাদা করে সরাসরি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করে।

উৎসঃ বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ফরিদপুর জেলা ওয়েবসাইট।

৩,৭৮৬.
BCIC-এর অধীনে সার কারখানার সংখ্যা কতটি?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

• BCIC-এর অধীনে সার কারখানার সংখ্যা -৭টি

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি  শিল্প কারখানা চালু রয়েছে।

• চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট। 

৩,৭৮৭.
কত সালে সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস হয়?
  1. ১৭৭১ সালে
  2. ১৭৭৩ সালে
  3. ১৮৬১ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
রেগুলেটিং এ্যাক্ট (১৭৭৩ খ্রি:):
- ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হওয়ার পর ১৭৭৩ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থের সরকার সর্বপ্রথম বাংলা তথা ভারত শাসন বিষয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস করে।
- ১৭৭৩ সালে প্রণীত রেগুলেটিং অ্যাক্ট ভারতীয় উপমহাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ১৭৭৩ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৭৭৩ সালে রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস হলে বাংলার গভর্নরকে গভর্নর জেনারেল হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। 

উৎস: i) ইতিহাস, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৮৮.
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান অনুযায়ী কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয়?
  1. রাজশাহী
  2. ঢাকা
  3. খুলনা
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
তুলা:
- ১৯৭৩-৭৪ সনে বাংলাদেশে সমভূমির তুলাচাষ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
- বর্তমানে সমতল এলাকার পাশাপাশি ৩টি পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে।
- বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।

তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়।

⇒ সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।

উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৩,৭৮৯.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, ২০২৩-২৪ সালে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে কত আয় হয়? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪৬ বিলিয়ন ডলার
  2. ৪০ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩৬ বিলিয়ন ডলার
  4. ৫০ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
৩৬ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে,
- বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা তৈরি পোশাক থেকে আসে। 
- ২০২৩-২৪ সালে তৈরি পোশাক রপ্তানি ৩৬১৫১ মিলিয়ন ডলার বা ৩৬.১৫১ বিলিয়ন ডলার।
- এর মধ্যে নিটওয়্যার ১৯২৮২ মিলিয়ন ডলার বা ১৯.২৮২ বিলিয়ন ডলার।
- ওভেন ওয়্যার ১৬৮৬৯ মিলিয়ন ডলার বা ১৬.৮৬৯ বিলিয়ন ডলার।

এছাড়া,
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি আয় ১০৩৯ মিলিয়ন ডলার বা ১.০৩৯ বিলিয়ন ডলার। 
- কৃষি পণ্যের আয় ৯৬৪ মিলিয়ন ডলার বা ০.৯৬৪ বিলিয়ন ডলার

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট।
৩,৭৯০.
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব কে?
  1. মীর জাফর
  2. আলীবর্দী খান
  3. সিরাজউদ্দৌলা
  4. মুর্শিদকুলি খান
সঠিক উত্তর:
সিরাজউদ্দৌলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা
• সিরাজউদ্দৌলা:
- সিরাজউদ্দৌলা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব।
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে সিরাজ পরাজিত ও নিহত হওয়ার পর ইংরেজরা বাংলার নওয়াবদেরকে তাদের হাতের পুতুলে পরিণত করে এবং নিজেরাই বাংলার প্রকৃত শাসকে পরিণত হয়।
- মির্জা মুহম্মদ সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন আলীবর্দী খানের দৌহিত্র এবং জৈনুদ্দীন আহমদ খান ও আমিনা বেগমের পুত্র।
- ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর জন্মের পরপরই আলীবর্দী খান বিহারের ডেপুটি গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত হন।
- এ কারণে পরিবারে সিরাজ ‘সৌভাগ্য সূচক সন্তান’ হিসেবে বিবেচিত হন। সিরাজের প্রতি তাঁর পিতামহের ছিল বিশেষ স্নেহ ও পক্ষপাত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩,৭৯১.
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার কোন স্থান আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন?
  1. পাহাড়তলী সানশাইন একাডেমি
  2. পাহাড়তলী খ্রিস্টান ক্লাব
  3. পাহাড়তলী মহামুনি বৌদ্ধ বিহার
  4. পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব
সঠিক উত্তর:
পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব
ব্যাখ্যা
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার:
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহীদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।
- ১৯১১ সালের ৫ মে চট্টগ্রামের বর্তমান পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ইডেন কলেজে ছাত্রী থাকাকালে প্রীতিলতা লীলা নাগের নেতৃত্বাধীন দীপালি সংঘের অন্তর্ভুক্ত শ্রীসংঘের সদস্য ছিলেন।
- ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে।
- প্রথম মহিলা সদস্য হিসেবে প্রীতিলতা যোগ দেন সূর্যসেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
- প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে।
- ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাত্ক্ষণিকভাবে পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন।
- তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরো উজ্জীবিত করে তোলে।
- পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবটি এখন ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা জাদুঘর’ নামে পরিচিত।

উৎস: ৩ নভেম্বর, ২০২১, কালের কন্ঠ।
৩,৭৯২.
বিধবা পুনর্বিবাহ আইন পাশ হয় কার চেষ্টায়?
  1. ভাদারাম পোদ্দার
  2. সতীনাথ ভাদুড়ী
  3. অখিলেশ সাহানী
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
 
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।১৮২৮ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁকে কলকাতার একটি পাঠশালায় এবং ১৮২৯ সালের জুন মাসে সংস্কৃত কলেজে ভর্তি করানো হয়।
- ১৮৪১ সালের ডিসেম্বর মাসে সংস্কৃত কলেজ ত্যাগ করার অল্প পরেই তিনি ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের বাংলা ভাষার প্রধান পন্ডিতের পদ লাভ করেন।
- ১৮৫০ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি সংস্কৃত কলেজের সাহিত্যের অধ্যাপক পদ লাভ করেন এবং পরের মাসে ওই কলেজের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
- বাল্যবিয়ের কুফল এবং বিধবাদের করুণ জীবন ঈশ্বরচন্দ্রকে ব্যাথিত করে। 
- ঈশ্বরচন্দ্রের চেষ্টায় ভারত সরকার এগিয়ে আসে। অবশেষে ১৮৫৬ সালে বিধবা পুনর্বিবাহ আইন পাশ হয়। 
- ১৮৯১ সালের ২৯ জুলাই তিনি মৃত্যু বরণ করেন।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া  ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৯৩.
আসাদ গেট কোন স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত হয়?
  1. ক) ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  2. খ) ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
  3. গ) ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) ১৯৬৬ সালের ছয় দফা
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
- আসাদ, শহীদ (১৯৪২-১৯৬৯)  উনিশশত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা। 
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। 
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’। তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৩,৭৯৪.
বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা কতটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪৮টি
  2. ৪৯টি
  3. ৫০টি
  4. ৫১টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- বাংলাদেশে ৫০টি আদিবাসী বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।  এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।
৩,৭৯৫.
উপমহাদেশের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৯১৯ সালে
  2. ১৯২০ সালে
  3. ১৯২১ সালে
  4. ১৯২২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২০ সালে
ব্যাখ্যা
•অসহযোগ আন্দোলন:
- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর ভারতে জন্ম নেন তিনি।
- ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলন করা এবং ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে বিদায় করতে তাঁর ভূমিকা অগ্রগণ্য।
- তিনি ছিলেন সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা।
- ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির মাধ্যমে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে।
- মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন সংঘঠিত হয় ১৯২০ সালে।
- ১৯২১-২২ খ্রিস্টাব্দে এই আন্দোলন সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা নামক স্থানে অহিংস অসহযোগ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে হঠাৎ করে এই আন্দোলন বন্ধের ডাক দেন।
- ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়ে যায়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৯৬.
’ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের’- এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. উমেশচন্দ্র ব্যানার্জি
  2. মহাত্মা গান্ধী
  3. সুরেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম
সঠিক উত্তর:
অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম
ব্যাখ্যা
• ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস:
- সর্বভারতীয় প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন হলো ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
- ১৮৮৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইংরেজ সিভিলিয়ান অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।
- ব্রিটিশ সরকারের নিকট শান্তিপূর্ণ উপায়ে ভারতীয়দের দাবী-দাওয়া পেশের মাধ্যম হিসেবে কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১৮৮৫ সালের ডিসেম্বরে কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন বসে মুম্বাইয়ে।
- এতে সভাপতিত্ব করেন বাঙালি ব্যারিস্টার উমেশচন্দ্র ব্যানার্জি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৭৯৭.
রাষ্ট্রীয় কার্যাবলি পরিচালনার জন্য প্রণীত Rules of Business কার দ্বারা অনুমোদিত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• Rules of Business:
- যে আইনের মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা করা হয় তাকেই সরকারী কার্যপ্রণালী বিধি বা Rules of Business বলা হয়ে থাকে।
- রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল যা সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রণীত।
- সরকারের ‘রুলস অব বিজনেস’ বা কার্যবিধিমালার বিষয়বস্তু হচ্ছে মূলত নির্বাহী বিভাগের কর্মবণ্টন ও কর্মপদ্ধতি। 
- বলা হয়ে থাকে রাষ্ট্রের সংবিধান যেমন সব নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি কার্যবিধিমালা নির্বাহী বিভাগের সবার জন্য প্রযোজ্য।
- এই বিধিমালার উদ্দেশ্য হলো সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যাবলী বন্টন করা এবং তাদের দায়িত্ব ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা। 
- সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি Rules of Business প্রণয়ন করেন। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম কার্যবিধিমালা প্রণীত হয়েছিল ১ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে। তখন রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ছিল বিধায় সেটি সে আদলেই করা হয়েছিল।
- ১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত হয় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার উপযোগী নতুন কার্যবিধিমালা। 
- বিধিমালাটি ইংরেজিতে প্রণীত।
- কার্যবিধিমালাতে পাঁচটি অধ্যায়ে ৩৩টি বিধি এবং সাতটি তফসিল রয়েছে। 

তথ্যসূত্র: i) বণিক বার্তা।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান। 
iii) বাংলাপিডিয়া। 

৩,৭৯৮.
মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়া হয় কেন?
  1. জনসমর্থন না থাকায়
  2. দাবি মেনে নেয়ায়
  3. প্রশাসনের অনুরোধে
  4. সহিংসতায় রূপ নেয়ায়
সঠিক উত্তর:
সহিংসতায় রূপ নেয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহিংসতায় রূপ নেয়ায়
ব্যাখ্যা
অসহযোগ আন্দোলন:
- ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির মাধ্যমে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে।
- মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯২০ সালে।
- ১৯২১-২২ খ্রিস্টাব্দে এই আন্দোলন সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা নামক স্থানে অহিংস অসহযোগ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে হঠাৎ করে এই আন্দোলন বন্ধের ডাক দেন।
- ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়ে যায়।

উল্লেখ্য,
⇒ মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী:
- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর ভারতে জন্ম নেন তিনি।
- ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলন করা এবং ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে বিদায় করতে তাঁর ভূমিকা অগ্রগণ্য।
- তিনি ছিলেন সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা।
- মহাত্মা গান্ধীকে ১৯৪৮ সালের ৩০শে জানুয়ারি নতুন দিল্লির একটি সুবৃহৎ প্রাসাদ বিড়লা হাউসের প্রাঙ্গনে হত্যা করা হয়েছিল।
- তাঁর ঘাতক ছিলেন নাথুরাম গডসে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৩,৭৯৯.
‘আইয়ুব বিরোধী মোর্চা বা এন. ডি. এফ’ গঠনের উদ্যোগ নেন কে?
  1. ক) এ.কে. ফজলুল হক
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
আইয়ুব খান ‘কনভেনশন মুসলিম লীগ’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এসময়ে সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নূরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে আইয়ুব বিরোধী মোর্চা বা ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এন. ডি. এফ গঠিত হয়। এই ফ্রন্টের উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ফিরে যাওয়া। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮০০.
সংবিধানের ৭৭নং অনুচ্ছেদে কোন বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে?
  1. ন্যায়পাল
  2. সংসদের অধিবেশন
  3. সংসদ-সচিবালয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
ব্যাখ্যা
•অনুচ্ছেদসমূহ:
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।