বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৫৮ / ৩০৬ · ১৫,৭০১১৫,৮০০ / ৩০,৮৩২

১৫,৭০১.
ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম -
  1. ওয়ানগালা
  2. বৈসু
  3. চাপচারকূত
  4. সাংলান
সঠিক উত্তর:
বৈসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসু
ব্যাখ্যা
ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
১৫,৭০২.
আই.সি.ডি.ডি.আর.বি (iccdr,b) এর বর্তমান নির্বাহী পরিচালক কে?
  1. জন ডি ক্লেমেন্স
  2. রিচার্ড ফাউসি
  3. ড. তাহমিদ আহমেদ
  4. ড. আবু ইউসুফ ফকির
সঠিক উত্তর:
ড. তাহমিদ আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. তাহমিদ আহমেদ
ব্যাখ্যা
প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ এর নির্বাহী পরিচালক পদে কোন বাংলাদেশি নিয়োগ পেলেন।
আইসিডিডিআরবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ড. তাহমিদ আহমেদ সংস্থাটির নতুন নির্বাহী পরিচালক পদে নিয়োগ লাভ করেন।
বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
(সূত্রঃ প্রথম আলো আর্কাইভ)
১৫,৭০৩.
মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজধানী ছিল-
  1. মহাস্থানগড়
  2. গৌড়
  3. সোনারগাঁও
  4. ময়নামতি
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা

• পুন্ড্রবর্ধন জনপদ:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রবর্ধন অন্যতম।
- এ জনপদের রাজধানী ছিলো বর্তমান বগুড়া জেলায় অবস্থিত পুন্ড্রনগর বা মহাস্থানগড়।
- পরবর্তীতে মৌর্য এবং গুপ্ত শাসনামলেও বাংলার রাজধানী ছিলো মহাস্থানগড় বা পুন্ড্রনগর।
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রনগর ছিলো সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং এখানে প্রাপ্ত শিলালিপি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো বলে স্বীকৃত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫,৭০৪.
উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বাতিলের বিধান সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে কার্যকর হয়?
  1. দশম
  2. একাদশ
  3. দ্বাদশ
  4. ত্রয়োদশ
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- দ্বাদশ সংশোধনী আইন বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে খ্যাত এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

⇒ এই সংশোধনীর মাধ্যমে -
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন;
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী;
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়,
- জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।

তথ্যসূত্র: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

১৫,৭০৫.
মেসোপটেমিয়া সভ্যতায় যে লিপির উদ্ভব হয় তার নাম কী?
  1. ক) হায়ারোগ্লিফিক
  2. খ) ইউনিফর্ম
  3. গ) কিউনিফর্ম
  4. ঘ) আরামীয়
সঠিক উত্তর:
গ) কিউনিফর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কিউনিফর্ম
ব্যাখ্যা
মেসােপটেমীয় সভ্যতা:
- ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরের উর্বর ভূমিতে মেসােপটেমীয় সভ্যতার জন্ম হয়েছিল।
- 'মেসােপটেমিয়া' শব্দের অর্থ হচ্ছে দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।
- এই অঞ্চলে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকটি সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল।
- মেসসাপটেমিয়াতে একটি বিশেষ ধরনের লিপির উদ্ভব হয়। এর নাম কিউনিফর্ম।
- মিশরের মতাে পিরামিড তৈরি না হলেও চমৎকার ধর্মমন্দির তৈরি হয়েছিল। একে বলা হয় জিরাত।
- মেসােপটেমিয়ার সবকটি সভ্যতাই নানা ক্ষেত্রে অবদান রেখেছিল। এর মধ্যে পুরাতন ব্যাবিলনের রাজা হাম্মুরাবি প্রণীত আইন সংকলন ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
- এশেরীয়রা যুদ্ধবিদ্যায় ছিল খুবই পারদর্শী ছিল।
- নতুন ব্যাবিলন নগরটি ছিল ৫৬ মাইল দীর্ঘ দেয়াল দিয়ে ঘেরা। সম্পূর্ণ দেয়ালের উপর বাগান করা হয়েছিল।
- ইতিহাসে তা ব্যাবিলনের শূন্যউদ্যান নামে পরিচিত।
- এছাড়াও দালানকোঠা নির্মাণ, মূর্তি তৈরি, বিজ্ঞান চর্চা ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে মেসােপটেমীয় সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১৫,৭০৬.
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে কবে সাংবিধানিক বৈধতা প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৭৯ সালে
  3. গ) ১৯৮০ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মুশতাক আহমেদ কুখ্যাত ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করেন।
- এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৫ আগস্টের বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে না মর্মে ঘোষণা দেয় হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদে গৃহিত সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে জিয়াউর রহমান সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা প্রদান করে।
- পরবর্তীতে, ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে। যার ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার করা সম্ভব হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৫,৭০৭.
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা কার উপর ন্যস্ত?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সংসদ
  4. সচিবালয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি: 
- পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে।
- সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সবার ঊর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন।
- সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাঁকে প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন।
- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেন।
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান।
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়। তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।
- দেশের সরকার গঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং অর্থ, বিচার, প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কাজ তিনি সম্পাদন করেন।
- বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত।
- তিনি বহিরাক্রমণ মোকাবিলার জন্য যে কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৫,৭০৮.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাক টিকেটে কোন ছবি ছিল?
  1. জাতীয় স্মৃতি সৌধ
  2. লালবাগের কেল্লা
  3. সোনা মসজিদ
  4. শহীদ মিনার
সঠিক উত্তর:
শহীদ মিনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ মিনার
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিট:
- ২৯ জুলাই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাময়িক সরকার ৮টি ডাকটিকিটের একটি সেট আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের জন্য প্রকাশ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ এর পর প্রথম স্মারক ডাকটিকিট ২১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২, প্রকাশিত হয়।
- প্রকাশিত প্রথম ডাকটিকিটে ছিল ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি।
- তারপর বাংলাদেশ ডাকবিভাগ অবিরাম নির্দিষ্ট স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে চলছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা, উত্তরাধিকার ও সংস্কৃতির উপর।
- বাংলাদেশ ডাকবিভাগ ৭৩২ প্রকার ডাকটিকিট এবং ২৮টি সুভ্যেনির প্রকাশ করেছে।

সূত্র - ডাক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। (লিঙ্ক)
১৫,৭০৯.
বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ তাদের কাজকর্মের জন্য কার কাছে দায়ী?
  1. রাষ্ট্রপতির কাছে
  2. জনগণের কাছে
  3. জাতীয় সংসদের কাছে
  4. এর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের কাছে
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা:
- বাংলাদেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান। 
- আইন সভায় মূলত জাতীয় সংসদের সদস্যরাই উপস্থিত থাকে এবং তাদের নিয়েই সরকার গঠিত হয়।
- শাসন বিভাগের আইন বাস্তবায়নকারী অংশ অর্থাৎ মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসনের কাজ করে থাকে।
- এ কারণে তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৭১০.
বর্তমানে বীর উত্তম খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত জন?
  1. ক) ৭৫ জন
  2. খ) ৭৪ জন
  3. গ) ১৭৪ জন
  4. ঘ) ৬৭ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৭ জন
ব্যাখ্যা
• বীরত্বসূচক খেতাব:
- বীরত্বসূচক খেতাব  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।

- এ পরিকল্পে চার পর্যায়ের খেতাব প্রদানের বিধান ছিল:
(ক) সর্বোচ্চ পদ,
(খ) উচ্চ পদ,
(গ) প্রশংসনীয় পদ,
(ঘ) বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্র।

- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
- বীর উত্তম - ৬৮ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন
- বীর প্রতীক- ৪২৬ জন। 

• এছাড়াও,
- তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।

• এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

• বর্তমানে (২০২১ সালের পরবর্তীতে) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
বীর উত্তম - ৬৭ জন। 
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন। 
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
১৫,৭১১.
আফ্রিকার কোন দেশ বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?
  1. গাম্বিয়া
  2. গ্যাবন
  3. সিয়েরা লিওন
  4. সেনেগাল
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বীকৃত লাভ:
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
১৫,৭১২.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ক) ইক্ষু
  2. খ) পাট
  3. গ) আলু
  4. ঘ) তামাক
সঠিক উত্তর:
গ) আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলু
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে।
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল সমূহের মধ্যে রয়েছে:
- পাট
- চা
- ইক্ষু
- তামাক
- তুলা
- রাবার
- ফুল প্রভৃতি।
অন্যদিকে আলু, ধান, গম, ভুট্টা, তেলবীজ প্রভৃতি হলো খাদ্যশস্য।
(সূত্রঃ ‍ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৫,৭১৩.
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী কোথায় গঠিত হয়?
  1. আগরতলা
  2. কলকাতা
  3. আসাম
  4. নাগাল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
নাগাল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী: 
- নাগাল্যান্ডের দিমাপুরে ১৯৭১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ বিমানবাহিনী গঠিত হয়।
- এর সংগঠক ছিলেন এয়ার কমোডর এ.কে খন্দকার।
- স্কোয়াড্রন লিডার সুলতান মাহমুদ, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট বদরুল আলম, ক্যাপ্টেন খালেক, সাত্তার, শাহাবুদ্দিন, মুকিত, আকরাম, শরফুদ্দিন এবং ৬৭ জন বিমানসেনা নিয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যাত্রা শুরু হয়।
- তাদের সম্বল ছিল মাত্র কয়েকটি ডাকোটা, অটার টাইপ বিমান এবং অ্যালুভেট হেলিকপ্টার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৭১৪.
২০০৪ সাল পর্যন্ত সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে-
  1. ৫ বার
  2. ৭ বার
  3. ৮ বার
  4. ১৪ বার
সঠিক উত্তর:
১৪ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান সর্বমোট ১৭বার সংশোধন হয়েছে। 

১ম সংশোধনী: সংবিধানের প্রথম সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৩ সালের জুলাই মাসে।
২য় সংশোধনী: ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় সংশোধনী আনা হয়।
৩য় সংশোধনী: মূলত ভারত ও বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারণী একটি চুক্তি বাস্তবায়ন করার জন্য ১৯৭৪ সালের ২৩ নভেম্বর এ সংশোধনী আনা হয়।
৪র্থ সংশোধনী: ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি এ সংশোধনীর মাধ্যমেই বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়।
৫ম সংশোধনী: জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল।
৬ষ্ঠ সংশোধনী: ১৯৮১ সালের ১০ জুলাই এ সংশোধনী আনা হয়।
৭ম সংশোধনী: ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর জাতীয় সংসদে সপ্তম সংশোধনী আনা হয়।
৮ম সংশোধনী: ১৯৮৮ সালের ৯ জুন সংবিধানে অষ্টম সংশোধনী আনা হয়।
৯ম সংশোধনী: নবম সংশোধনী আনা হয় ১৯৮৯ সালের ১১ জুলাই। 
১০ম সংশোধনী: ১৯৯০ সালের ১২ জুন দশম সংশোধনী বিল পাস হয়।
১১তম সংশোধনী: ১৯৯১ সালে এ সংশোধনী পাস হয়।
১২তম সংশোধনী: ১৯৯১ সালের ৬ আগস্টের এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর দেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৩তম সংশোধনী: ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ এ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
১৪তম সংশোধনী: ২০০৪ সালের ১৬ মে এ সংশোধনী আনা হয়।
১৫তম সংশোধনী: ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
১৬তম সংশোধনী: উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা আইন প্রণেতাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধন পাস হয় ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।
১৭তম সংশোধনী: ২০১৮ সালের ২৯ জানুয়ারি আনা হয় সপ্তদশ সংশোধনী।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৫,৭১৫.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী নির্বাচনি অপরাধ কোনটি?
  1. অসঙ্গত প্রভাব খাটানো
  2. ছদ্মবেশ ধারণ
  3. ঘুষ গ্রহণ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ:
- বাংলাদেশের নির্বাচন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে সংবিধানের আওতায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত মূল আইন হলো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।

⇒ নির্বাচনের মূল ভিত্তি সংবিধান।
- সেই সংবিধানের অধীনেই করা হয়েছিলো গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (রিপ্রেজেন্টেটিভ পিপলস অর্ডার ১৯৭২) , যা এ পর্যন্ত অনেকবার সংস্কার হয়েছে।
- বিশেষ করে বাংলাদেশে ২০০৭ সালের সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই বছরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছিলো এ আইনে।
- রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন, প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতার বিষয় নিরূপণ কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোর কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারীকে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো সে সময়ে সংযোজিত হয়েছে।
- সবশেষ ২০২৩ সালে সংসদে পাশ হয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন ২০২৩।
- নির্বাচনের জন্য দেশের মানুষের গণঅধিকার কোনগুলো এবং এ অধিকার রক্ষায় নির্বাচন কমিশন কী করবে সেটিই বলা হয়েছে আরপিওতে।
- “এর ১৪৫টি ধারার মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত সব বিষয় বর্ণনা করা আছে।
- এর মাধ্যমে বলা আছে যে কীভাবে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে।

⇒ আরপিওর ৭৩ থেকে ৯০ ধারা পর্যন্ত নির্বাচনী বিভিন্ন অপরাধের জন্য কি কি শাস্তি আছে তার উল্লেখ আছে। 
- আদেশের ৭৩ ধারায় ৪৪-ক ও ৪৪-খ এর বিধান লঙ্ঘন, ঘুষ গ্রহণ, ছদ্মবেশ ধারণ, নির্বাচনে অসঙ্গত প্রভাব খাটানো, কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী সাফল্যে বিঘ্ন সৃষ্টি বা তার নিজস্ব বা আত্মীয়স্বজনের ব্যক্তিগত চরিত্র সম্পর্কে মিথ্যা বিবৃতিদান, কোনো প্রার্থীর প্রতীক বা প্রার্থিতা প্রত্যাহার সম্পর্কে মিথ্যা বিবৃতিদান, কোনো প্রার্থীর বিশেষ সামাজিক বা ধর্মীয় অবস্থানের পক্ষে বা বিপক্ষে ভোটদানের আহবান বা প্ররোচিতকরণ, ভোটার উপস্থিতিতে বা ভোটদানে বাধা দান এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ঘুষ গ্রহণকে দুর্নীতিমূলক অপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। [link]
ii) BBC.
১৫,৭১৬.
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাণিজ্যের অংশীদার -
  1. চীন
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
⇒ দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
১৫,৭১৭.
সম্প্রতি, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে? 
  1. অধ্যাপক ড. শাহ আলম সিরাজ
  2. ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব
  3. অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল
  4. অধ্যাপক ড. এম এ মালেক
সঠিক উত্তর:
ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব
ব্যাখ্যা

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম উপাচার্য: 
- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্নাতকোত্তর অধ্যয়ন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিবকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
- সময়:  ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
- রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর ১১ (১) ধারা অনুযায়ী আবদুল হাছিবকে উপাচার্য পদে নিয়োগ দেয়া হয় বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।লিঙ্ক

১৫,৭১৮.
নিচের কোনটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. ত্রিপুরা
  2. গারো
  3. মারমা
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো:

- গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিববতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,৭১৯.
সংবিধানের তৃতীয় তফসিলের বিষয়বস্তু-
  1. অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  2. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি
  3. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  4. শপথ ও ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
শপথ ও ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শপথ ও ঘোষণা
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তফসিল: 
- প্রথম তফসিল- অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল- রাষ্ট্রপতি নির্বাচন [বিলুপ্ত]
- তৃতীয় তফসিল- শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল- ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি।
- পঞ্চম তফসিল- ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষন।
- ষষ্ঠ তফসিল- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ এ মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১৫,৭২০.
বাংলা ভাষাকে দেশের সর্বস্তরে ব্যবহার নিশ্চিত করতে আইন পাশ করা হয় কোন সালে? 
  1. ১৯৭৩ সালে 
  2. ১৯৮০ সালে 
  3. ১৯৮৭ সালে 
  4. ১৯৯০ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে 
ব্যাখ্যা

• বাংলা ভাষাকে সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাশ: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে তৃতীয় অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা'।
বাংলাদেশে বাংলা ভাষাকে সর্বস্তরে (সরকারি অফিস, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আইনানুগ কার্যক্রম ইত্যাদি) ব্যবহারের জন্য "বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭" পাস করা হয়েছে ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ।
- এই আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘এ আইন প্রবর্তনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারি অফিস-আদালত, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশিদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন আদালতের সোয়াল- জওয়াব এবং অন্যান্য আইনানুগত কার্যাবলী অবশ্যই বাংলায় লিখিতে হবে।
- ' ৩(২) ধারায় আরও বলা হয়েছে, উল্লেখিত কোনো কর্মস্থলে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় আবেদন বা আপিল করেন, তাহলে তা বেআইনি ও অকার্যকর বলে গণ্য হবে।'
- ধারা ৩ ( বলছে, ‘যদি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই আইন অমান্য করেন তাহলে উক্ত কার্যের জন্য তিনি সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধির অধীনে অসদাচরণ করেছেন বলে গণ্য হবে এবং তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং প্রথম আলো ।

১৫,৭২১.
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কে?
  1. ক) মিজানুর রহমান শেলী
  2. খ) প্রফেসর মিজানুর রহমান
  3. গ) নাসিমা বেগম
  4. ঘ) কাজী রিয়াজুল হক
সঠিক উত্তর:
গ) নাসিমা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাসিমা বেগম
ব্যাখ্যা

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান - নাসিমা বেগম।
তাঁর পূর্বে চেয়েরম্যান ছিলেন অধ্যাপক মিজানুর রহমান।

উৎসঃ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওয়েবসাইট।

N.B: We've updated the info based on the main question.

১৫,৭২২.
প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের জিআই পণ্য কোনটি?
  1. ইলিশ 
  2. মসলিন 
  3. জামদানি শাড়ি
  4. বাগদা চিংড়ি
সঠিক উত্তর:
জামদানি শাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামদানি শাড়ি
ব্যাখ্যা

জিআই পণ্য:
- জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক। 
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- অর্থাৎ সেই পণ্য শুধু ওই এলাকা ছাড়া অন্য কোথাও উৎপাদন করা সম্ভব নয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।

⇒ দেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি।
- ২০১৬ সালে দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৫,৭২৩.
নিচের কোন সালটি অধিবর্ষ ( Leap Year) না?
  1. ক) ১৮০০
  2. খ) ২০০৪
  3. গ) ২০১৬
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮০০
ব্যাখ্যা

অধিবর্ষ বের করার নিয়মঃ

শর্ত-১ঃ সালটি যদি ৪ দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য হয় এবং ১০০ দিয়ে না হয় তাহলে অধিবর্ষ। যেমন, ২০১৬, ২০২০ এবং ২০২৪ ।

অথবা, শর্ত-২ঃ সালটি যদি ৪, ১০০ এবং ৪০০ সবগুলো দিয়েই নিঃশেষে বিভাজ্য হয় তাহলে অধিবর্ষ। যেমন, ১৬০০, ২০০০ এবং ২৪০০।

শর্ত-২ মানতে না পারায় কিছু সাল অধিবর্ষ নয়। যেমন- ১৭০০, ১৮০০, ১৯০০, ২১০০, ২২০০, ২৩০০ ইত্যাদি।
আমরা ছোটবেলা থেকেই জানি, শুধু ৪ দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য হলেই কোন সাল অধিবর্ষ হয়। আসলে শুধু ৪ নয়, অধিবর্ষের সাথে ১০০ এবং ৪০০ সংখ্যাগুলোও জড়িত।

এখন আমরা এর “Behind the scene” জানবোঃ
আমরা সবাই জানি ৩৬৫ দিনে এক বছর ধরা হলেও, আরো ৫ ঘণ্টা ৪৯ মিনিট ১২ সেকেন্ড অবশিষ্ট থেকে যায়। এই অতিরিক্ত সময় যোগ হয়ে হয়ে ৪ বছর পর পর ফেব্রুয়ারি মাসের সাথে এক দিন যোগ হয়ে ২৯ দিন হয়।
এই ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৯ মিনিট ১২ সেকেন্ডকে যদি দশমিকে প্রকাশ করি তা হয় ৩৬৫.২৪২৫ দিন।
অর্থাৎ, ৩৬৫.২৪২৫ = ৩৬৫ + (১/৪) – (১/১০০) + (১/৪০০) ।
তাই দেখা গেছে যে, চার বছর পর পর লিপ-ইয়ার ধরলে প্রতি চারশ বছরে ৩ দিন (প্রায় ৭২ ঘন্টা) সময় বেশি ধরা হয়ে যায়। এই সমস্যার সমাধানের জন্য যেসব বছর ১০০ দ্বারা বিভাজ্য, কিন্তু ৪০০ দ্বারা নয় তাদের লিপ-ইয়ার বা অধিবর্ষের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়।
উৎসঃ নাসা, মাইক্রোসফট, ব্রিটানিকা ইত্যাদি।

১৫,৭২৪.
Under which Sector Dhaka was during our Liberation War in 1971?
  1. ক) 3
  2. খ) 2
  3. গ) 4
  4. ঘ) 1
সঠিক উত্তর:
খ) 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 2
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।

- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর
- ঢাকা-২ নং সেক্টর
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর
- মুজিব নগর-৮ নং সেক্টর
- সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
-১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট।
১৫,৭২৫.
‘ফাগুয়া’ উৎসব পালন করে কোন নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়?
  1. ওঁরাওরা
  2. সাঁওতালরা
  3. চাকমারা
  4. মারমারা
সঠিক উত্তর:
ওঁরাওরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওঁরাওরা
ব্যাখ্যা
ওঁরাওরা ফাল্গুন মাস থেকে বছর গণনা শুরু করে। নববর্ষকে বরণ করতে তারা পালন করে ‘ফাগুয়া’।
গারোদের প্রধান সামাজিক ও কৃষি উৎসব হলো ‘ওয়ানগালা’।
সাঁওতালদের নিজস্ব উৎসবাদির মধ্যে ‘সোহরাই’ ও ‘বাহা’ উল্লেখযোগ্য।
সাংগ্রাই’, ‘বৈসুক’ ও ‘বিজু’ বাঙালিদের পহেলা বৈশাখের ন্যায় যথাক্রমে মারমা, ত্রিপুরা এবং চাকমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণী]
১৫,৭২৬.
জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

সংসদ আহবান:
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সংসদের এক অধিবেশনের শেষ এবং পরবর্তী অধিবেশনের শুরুর মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতি হবে ৬০ দিন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এস এস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫,৭২৭.
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) পারমাণবিক শক্তি কমিশন
  2. খ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  3. গ) বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ড
  4. ঘ) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ সরকারের আইনি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ:-  
- জাতীয় সংসদ।
- সুপ্রিম কোর্ট। 
-নির্বাচন কমিশন।
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ।

উৎস:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৭২৮.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫। 
ii) প্রথম আলো।

১৫,৭২৯.
মুক্তিযুদ্ধকালে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান কে ছিলেন?
  1. ক) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. খ) বিচারপতি এ এস এম সায়েম
  3. গ) এম আর সিদ্দিকী
  4. ঘ) রবি শংকর ঘোষ
সঠিক উত্তর:
গ) এম আর সিদ্দিকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এম আর সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা

- ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ছিলেন এম আর সিদ্দিকী।

এম.আর সিদ্দিকী (১৯২৬-১৯৯২)  শিল্পপতি, রাজনীতিক।
- এম.আর সিদ্দিকী ১৯৬২ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- তিনি ১৯৬৪ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন।
- এ ছাড়া ১৯৬৪-১৯৭২ সাল পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।
- তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭১ সালে তিনি চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম জেলা সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ছিলেন। চট্টগ্রামের প্রতিরোধ যুদ্ধে তিনি সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হলে তাঁকে পূর্বাঞ্চলীয় জোনাল কম্যান্ডের চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়।
- বিদেশে প্রবাসী সরকারের পক্ষে জনমত গঠনের জন্য মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি জুলাই মাসে আমেরিকা সফর করেন।

- বিদেশে অন্যান্য বাংলাদেশ মিশনগুলোর প্রধান ছিলেন কলকাতায় হোসেন আলী, দিল্লিতে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, যুক্তরাজ্যে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫,৭৩০.
Who was the Governor General of India at the time of the Sepoy Mutiny?
  1. Lord Canning
  2. Lord Ripon
  3. Lord Dalhousie
  4. Lord Hardings
  5. Lord Lytton
সঠিক উত্তর:
Lord Canning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Canning
ব্যাখ্যা
সিপাহী বিদ্রোহ:
- সিপাহী বিদ্রোহের সময় ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড ক্যানিং।


উল্লেখ্য,
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

⇒ এ সংগ্রামের কারণকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ এ দু শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
• পরোক্ষ কারণ:
- রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।
• প্রত্যক্ষ কারণ:
- ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়।
- এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো।
- গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে।
- এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু-মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে।

⇔ লর্ড ক্যানিং:
- ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং।
- লর্ড ক্যানিং ১৮৫৬ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল এবং ১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর থেকে ভারতে প্রথম ভাইসরয় ছিলেন।
- তাঁর প্রশাসনের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লব-এর শুরু।
- লর্ড ক্যানিং বিদ্রোহটি দমন করেন এবং এ ঘটনার পর ১৮৫৮ সালে পার্লামেন্টারি আইন পাস হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৫,৭৩১.
পবিত্র কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ কে করেন?
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. ফররুখ আহমদ
  3. ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
  4. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফের সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন — ভাই গিরীশচন্দ্র সেন।

• গিরিশচন্দ্র সেন:
- নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ধর্মবেত্তা ও অনুবাদক।
- তিনি 'সুলভ সমাচার' ও 'বঙ্গবন্ধু' পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক এবং 'মাসিক মহিলা' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কেশবচন্দ্র সেন ও বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর প্রভাবে ১৮৭১ সালে তিনি ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত হন।
- কুরআনের বঙ্গানুবাদ বাংলা সাহিত্যে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- সকলের নিকট তিনি ‘ভাই গিরিশচন্দ্র’ নামে পরিচিত ছিলেন।

• তাঁর রচিত কিছু গ্রন্থ:

তাপসমালা:

- গিরিশচন্দ্রের বিখ্যাত গ্রন্থ তাপসমালা।
- এটি ৯৬ জন ওলি-আউলিয়ার জীবনচরিত, যা শেখ ফরীদুদ্দীন আত্তারের ফারসি ভাষায় রচিত তায্কেরাতুল আত্তলিয়ার ভাবাদর্শে রচিত।

তত্ত্বরত্নমালা:
- গিরিশচন্দ্রের উল্লেখযোগ্য আরেকটি গ্রন্থ হলো তত্ত্বরত্নমালা।
- এটি শেখ ফরীদুদ্দীন আত্তারের মানতেকুত্তায়েব ও মওলানা জালালউদ্দীন রূমীর মসনবী শরীফ নামক প্রখ্যাত ফারসি গ্রন্থদ্বয় থেকে সংকলিত।
- এতে নীতিকথা ও শিক্ষণীয় বিষয় ছোট ছোট গল্পের আকারে রসাত্মকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

 এছাড়াও,
তিনি হাদিস-পূর্ব বিভাগ শিরোনামে মিশ্কাত শরীফের প্রায় অর্ধাংশের অনুবাদ প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৭৩২.
জাতীয় সংসদের সংসদ নেতা কে?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. ডেপুটি স্পীকার
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কাজ:
⇒ সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।

⇒  প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন। মন্ত্রীদের কাজ তদারক করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের মধ্যে সমন্বয় করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মন্ত্রীগণ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও অনুমোদন নিয়ে কাজ করেন। তিনি যেকোনো মন্ত্রীকে তার পদ থেকে অপসারণের পরামর্শ দিতে পারেন।

⇒  প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা। তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। যেমন- সংসদ অধিবেশনে নির্ধারিত দিনে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব প্রদান করেন, সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি ও কার্যক্রম তুলে ধরে সংসদে বক্তৃতা প্রদান করেন। এছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন।

⇒ সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। এভাবে তিনি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।

⇒ পররাষ্ট্র বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

১৫,৭৩৩.
পদ্মা সেতুতে মোট পিলারের সংখ্যা -
  1. ক) ৪১টি
  2. খ) ৪২টি
  3. গ) ৪৩টি
  4. ঘ) ৪৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪২টি
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। 
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। 
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। 
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
-পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। 
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮ দশমিক ৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: জুন ২৫, ২০২২, The Daily Star বাংলা।
১৫,৭৩৪.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নিকাশ ঘরের কার্যক্রম পরিচালনা করে?
  1. সোনালী ব্যাংক
  2. জনতা ব্যাংক
  3. অগ্রণী ব্যাংক
  4. রূপালী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নিকাশ ঘরের কার্যক্রম পরিচালনা করে।

নিকাশ ঘর:

- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি সমাধা করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হয়ে নেতা ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একে অন্যের উপর আদিষ্ট চেক, ড্রাফট ইত্যাদি দলিলসমূহ বিনিময় করেন।

⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬টি জেলা শহরে নিকাশ ঘর ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।

⇒ সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৭৩৫.
ঢাকায় নিচের কোন সংস্থাটির সদরদপ্তর অবস্থিত?
  1. ক) SAARC
  2. খ) ESCAP
  3. গ) BIMSTEC
  4. ঘ) ACU
সঠিক উত্তর:
গ) BIMSTEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) BIMSTEC
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- IJSG
- CIRDAP
- BIMSTEC
- SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- SAARC সদরদপ্তর : কাঠমুণ্ডু, নেপাল
- ESCAP সদরদপ্তর : ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
- ACU সদরদপ্তর : তেহরান, ইরান।

(তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
১৫,৭৩৬.
উডের ডেসপ্যাচ কবে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৮৫৩ সালে
  2. ১৮৫৪ সালে
  3. ১৮৫৫ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
ব্যাখ্যা

উডের ডেসপ্যাস: 
- উডের শিক্ষা ডেসপ্যাস ইংরেজ আমলের শিক্ষা ক্ষেত্রের একটি দলিল।
- উপমহাদেশে শিক্ষা বিস্তারের জন্য এই ডেসপ্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৫৪ সালে।
- এই ডেসপ্যাসের সুবাদে ১৮৫৫ সালে এদেশে ৫টি বিভাগে শিক্ষা বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এ শিক্ষা বিভাগের প্রধান ছিলেন জন শিক্ষা পরিচালক, ইংরেজিতে বলা হতো Director of Public Instruction (DPI)।
- এ পদটি ১৯৮০ সন পর্যন্ত বাংলাদেশেও চলে আসছিল।
- এর অধীনে ছিলেন কিছু পরিদর্শক।
- এ ডেসপ্যাসে প্রাথমিক শিক্ষার উপর বেশি জোর দেওয়া হয়।
- ফলে পরবর্তীতে বহু প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর পাশাপাশি শিক্ষা প্রশিক্ষণের জন্য ১৮৫৭ সালে ঢাকায় এবং ১৮৬৯ সালে চট্টগ্রামে নরমাল স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয় যা বর্তমানে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৭৩৭.
তালিবাবাদ উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্রটি চালু হয়?
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮১ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি। বেতবুনিয়া (রাঙ্গামাটি), ১৯৭৫; তালিবাবাদ (গাজীপুর), ১৯৮২; মহাখালী (ঢাকা), ১৯৯৫ এবং সিলেট, ১৯৯৭।
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন
১৫,৭৩৮.
এস ফোর্স ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন-
  1. মেজর খালেদ মোশাররফের
  2. মেজর জিয়াউর রহমান
  3. মেজর জেনারেল চিত্ত রঞ্জন দত্ত
  4. মেজর কেএম সফিউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মেজর কেএম সফিউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর কেএম সফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
• জেড ফোর্স : 
• ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় এবং ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।
- এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান।

• এস ফোর্স :
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
- এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন মেজর কেএম সফিউল্লাহ।

• কে ফোর্স :
- ৪র্থ, ৯ম এবং ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে কে ফোর্স গঠিত।
- মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয়।

উৎস : বাংলাপিডিয়া।
১৫,৭৩৯.
কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মঙ্গোলীয়দের বংশধর-
  1. খুমি
  2. হাজং
  3. পাংখোয়া
  4. লুসাই
সঠিক উত্তর:
লুসাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুসাই
ব্যাখ্যা

লুসাই একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- তারা পূর্ব বাংলাদেশ, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং মায়ানমারে বসবাস করে। তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়। 
- তাদের অধিকাংশই পাহাড়ে জুম চাষ করে। লুসাই পাহাড়ের নামেই তাদের নামকরণ হয়েছে।
- লুসাইদের চাকমারা ‘কুগী’, মারমারা ‘লাঙ্গী’ ও ত্রিপুরারা ‘শিকাম’ নামে অভিহিত করে।

উৎস: nrigostisanad.gov.bd

১৫,৭৪০.
‘রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
গ) হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত।
এটির আয়তন প্রায় ১,৭৯৬ হেক্টর। ১৯৯৬ সালে এটিকে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এ বন্যপ্রাণী অভয়াশ্রমে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, সাত প্রজাতির উভচর, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ১৬৭ প্রজাতির পাখি এবং ৬৩৮ প্রজাতির গাছপালা ও লতাগুল্ম রয়েছে।
রেমা-কালেঙ্গাসহ বন বিভাগের অধীনে দেশে বর্তমানে ২৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে।
(সূত্র: বনবিভাগ ও হবিগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট)
১৫,৭৪১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয় কোন ব্রিগেড ফোর্স?
  1. কে ফোর্স
  2. এস ফোর্স
  3. জেড ফোর্স
  4. এল ফোর্স
সঠিক উত্তর:
জেড ফোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেড ফোর্স
ব্যাখ্যা

ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।

⇒ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

⇒ কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

⇒ খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৭৪২.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে প্রসিকিউটর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন কে?
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. স্যার টমাস উইলিয়াম
  3. উইলিয়াম হান্টার
  4. উইলিয়াম জোন্স
সঠিক উত্তর:
স্যার টমাস উইলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার টমাস উইলিয়াম
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে প্রসিকিউটর হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৭৪৩.
FID- এর পূর্ণাঙ্গ রূপ কি?
  1. Financial Institutions Division
  2. Foreign Investor Department
  3. Fire Investigation Department
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Financial Institutions Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Financial Institutions Division
ব্যাখ্যা
FID:
- FID-এর পূর্ণরূপ: Financial Institutions Division.
- FID বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ হলো একটি বাংলাদেশ সরকারী বিভাগ যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (FID) ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ক্যাপিটাল মার্কেট, বীমা খাত এবং মাইক্রোক্রেডিট খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত আইন ও নীতি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে। 
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থা যেমন: বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA)-এর সাথে সমন্বয়মূলক কার্যাবলী সম্পাদন করে।

উৎস: আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৫,৭৪৪.
‘পাঁচসালা বন্দোবস্ত' কে চালু করেন?
  1. লর্ড ক্লাইভ
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড কার্জন
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

ওয়ারেন হেস্টিংস:
- উপমহাদেশে বৃটিশ শক্তিকে সুদৃঢ় করার পেছনে হেস্টিংসের অবদান অনস্বীকার্য।
- ক্লাইভের শাসন ব্যবস্থার ফলে যখন বাংলার সামাজিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত করুণ, ঠিক সে মুহূর্তে হেস্টিংস এদেশের শাসনভার গ্রহণ
করেন।
- ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস ‘পাঁচসালা বন্দোবস্ত' এবং ‘একসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।
- কিন্তু এ দুটি বন্দোবস্ত রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়নি।
- রাজস্ব বিভাগের দুর্নীতি দূর করতে ও এর সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য রাজকোষ মুর্শিদাবাদ হতে কলকাতায় স্থানান্তর করে একটি রাজস্ব
বোর্ড গঠন করেন।
- রাজস্ব খাতে আয় বৃদ্ধির জন্য তিনি পাঁচ বছর মেয়াদে সর্বোচ্চ মূল্যে জমিদারী ইজারা দেয়ার নিয়ম প্রবর্তন করেন। যা ‘পাঁচসালা বন্দোবস্তু’ নামে পরিচিত।
- এ ব্যবস্থার মাধ্যমে জমিদারগণ প্রজাদের উপর জোর জুলুম করে অর্থ আদায় করতো। ফলে প্রজাদের দু:খ দুর্দশার সীমা ছাড়িয়ে যায়। 

উল্লেখ্য,
- গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে ১৭৯৩ সালে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন। ইতিহাসে এটি ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' নামে পরিচিত।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতা লাভ করলেও এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ কৃষক এমনকি অনেক সম্ভ্রান্ত বনেদি জমিদার সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
- অন্যদিকে নগদ টাকার মালিক ও পুঁজিপতি মহাজনরা রাতারাতি জমিদারে পরিণত হয়।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয় ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
          ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৭৪৫.
সাম্প্রতিক মৎস্যসম্পদ জরিপে, দেশের সমুদ্রসীমায় নতুন কত প্রজাতির মাছের সন্ধান পাওয়া গেছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৫৫ প্রজাতির
  2. ৬০ প্রজাতির
  3. ৬৫ প্রজাতির
  4. ৬৮ প্রজাতির
সঠিক উত্তর:
৬৫ প্রজাতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫ প্রজাতির
ব্যাখ্যা

মৎস্যসম্পদ জরিপ, ২০২৫:
- সম্প্রতি, মৎস্য অধিদপ্তর এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)-এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ জরিপে বঙ্গোপসাগরে নতুন আরও ৬৫ প্রজাতির মাছ শনাক্ত হয়েছে।
- এর ফলে সাগরে মাছের মোট প্রজাতির সংখ্যা ৪৭৫ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪০-এ। 
- জাতিসংঘের গবেষণা জাহাজ ব্যবহার করে ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত জরিপটি পরিচালিত হয়।
- এই মাসব্যাপী জরিপে ৮টি দেশের ২৪ জন বিজ্ঞানী অংশ নেন।
- জরিপ চলাকালে বঙ্গোপসাগরের ৬৮টি স্টেশন থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

১৫,৭৪৬.
মুক্তিযুদ্ধে ২ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন-
  1. খালেদ মোশাররফ
  2. জিয়াউর রহমান
  3. ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
  4. মেজর কেএম সফিউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
খালেদ মোশাররফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা

• ২ নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে।
- নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।
- এই সেক্টরে ছয়টি সাব-সেক্টর ছিল। যথা: গঙ্গাসাগর, মন্দভাগ, সালদা নদী, মতিনগর, নির্ভয়পুর, রাজনগর।
- এই সেক্টরের বাহিনীর অভিযানের ফলে কুমিল্লা ও ফেনীর মধ্যবর্তী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে পাক-বাহিনী সম্পূর্ণ বিতাড়িত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিককালে এই এলাকা মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকারে থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১৫,৭৪৭.
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর:
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- ২০০৯ সালের ২৮ জুন ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর অধীনে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার কারওয়ান বাজারে অবস্থিত।
- ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই অধিদপ্তর বাজার তদারকি, পণ্যের গুণাগুণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, জনসচেতনা সৃষ্টি প্রভৃতি কর্মকাণ্ড করে থাকে।
- 'ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯', ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ, ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্য প্রতিরোধ ও তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে বিধান করিবার লক্ষ্যে প্রণীত আইন।
- ন্যায্য মূল্যে ন্যায্য সেবা ও পণ্য পাওয়া ভোক্তাদের একটি অধিকার।
- এ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে প্রতিদিনই বাজার তদারকি করে অপরাধ দমনের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে এবং ভোক্তাগণ তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হলে এই আইন অনুযায়ী অভিযোগ দায়েরের সুযোগ পাচ্ছেন।
- এই আইন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় ভোক্তা ও ব্যবসায়ীগণ সচেতন হতে শুরু করেছেন।

⇒ কার্যাবলি:
১. বাজার তদারকির মাধ্যমে ভোক্তা-স্বার্থ সংরক্ষণ;
২. ভোক্তাদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং
৩. জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক সভা, সেমিনার ও ওয়ার্কসপ আয়োজনসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন সেবা (নম্বর: ১৬১২১)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৫,৭৪৮.
ভোটার হওয়ার যোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে-
  1. ক) ১১৮ নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ১২০ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ১২২ নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ১২৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
গ) ১২২ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচনের কথা উল্লেখ আছে। ১১৮ নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রাখা হয়েছে, ১২২ নং অনুচ্ছেদে ভোটার হওয়ার যোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে। ১২৭ নং অনুচ্ছেদে মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৭৪৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয়?
  1. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয়- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক।
- এটি একটি অ-তফসিল ভুক্ত ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না


অন্যদিকে,
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬১ টি।
 - অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।
- ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১৫,৭৫০.
সম্প্রতি, নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশের কোন জেলায় প্রথম মৃত্যু হয়? 
  1. নওগাঁ
  2. রাজশাহী
  3. চাপাইনবাবগঞ্জ
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা

- নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নওগাঁ জেলায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
- ২৮ জানুয়ার ওই নারী মারা গেলেও তাঁর নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি ৭ ফেব্রুয়ারি নিশ্চিত করেছেন রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর)।
- চলতি বছর দেশে নিপাহ ভাইরাসে এটি প্রথম মৃত্যু।
- নিপাহ ভাইরাসের প্রধান বাহক ‘টেরোপাস’ প্রজাতির ফলাহারি বাদুড়। 
- শীতকালে বাদুড় যখন খেজুরের রস সংগ্রহের হাঁড়ি থেকে রস খাওয়ার চেষ্টা করে, তখন তাদের লালা বা মলমূত্রের মাধ্যমে হাঁড়ির রসে ভাইরাস মিশে যায়। সেই কাঁচা রস মানুষ পান করলে সরাসরি ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

১৫,৭৫১.
’গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ’ প্রণয়ন করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৪ সাল
  2. ১৯৭৩ সাল
  3. ১৯৭৫ সাল
  4. ১৯৭২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সাল
ব্যাখ্যা

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ:
- বাংলাদেশের নির্বাচন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে সংবিধানের আওতায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত মূল আইন হলো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।

⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এর সবচাইতে আলোচিত পরিবর্তন আনা হয় আদেশ এর Chapter-VI-এ এর মাধ্যমে।
- নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়।
- নিবন্ধনের শর্তগুলোতে মহিলা নেতৃত্ব এবং রাজনীতিতে মহিলাদের উৎসাহিত করার জন্য প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের তৃণমূল হতে কেন্দ্রীয় কমিটিগুলোতে ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারীদের অন্তর্ভুুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্য ছিল গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও)। ২০০৮ সালে নিবন্ধন নেওয়ার সময় দলগুলো তা পূরণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পূরণ করতে পারেনি নিবন্ধিত দলগুলো। বর্তমান কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে দলের সব স্তরের কমিটিতে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার সময়সীমা ২০২০ এর পরিবর্তে ২০৩০ সাল করার প্রস্তাব দিয়েছে।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১৫,৭৫২.
দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু' হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি অর্জন করেন কে?
  1. আছিয়া খাতুন
  2. মেরিনা খাতুন
  3. ফরিদা খাতুন
  4. নূরজাহান বেগম
সঠিক উত্তর:
মেরিনা খাতুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরিনা খাতুন
ব্যাখ্যা
‘যুদ্ধশিশু’
- সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার মেরিনা খাতুনকে ‘যুদ্ধশিশু’ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- যুদ্ধশিশু মেরিনার কোথাও পিতার নাম লেখার প্রয়োজন হবে না।
- পিতার নাম ছাড়াই তিনি রাষ্ট্রের সব সুবিধা বা অধিকার ভোগ করতে পারবেন।
- বীরাঙ্গনার সন্তানেরাই এখন থেকে যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাবেন।

সূত্র- মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রাণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৫,৭৫৩.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) কখনো আসেনি
  2. খ) আবার তোরা মানুষ হ
  3. গ) সঙ্গম
  4. ঘ) জীবন থেকে নেওয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) জীবন থেকে নেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জীবন থেকে নেওয়া
ব্যাখ্যা

• কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক।
• তাঁর আসল নাম ছিল মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।
• তাঁর রচিত উপন্যাসঃ
- শেষ বিকেলের মেয়ে (প্রথম উপন্যাস),
- আরেক ফাল্গুন (ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক),
- বরফ গলা নদী,
- আর কতদিন (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক),
- কয়েকটি মৃত,
- তৃষ্ণা,
- একুশে ফেব্রুয়ারি।
• তাঁর বিখ্যাত চলচ্চিত্র-
- কখনো আসেনি (প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র),
- সঙ্গম (বাংলাদেশের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র),
- কাঁচের দেয়াল,
- জীবন থেকে নেওয়া (বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র),
- বেহুলা,
- সোনার কাজল,
- আনোয়ারা,
- বাহানা ইত্যাদি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১৫,৭৫৪.
BWMRI কোন ফসল নিয়ে গবেষণা করে?
  1. ধান ও পাট
  2. তুলা ও আখ
  3. চা ও তামাক
  4. গম ও ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
গম ও ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম ও ভুট্টা
ব্যাখ্যা

BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৫,৭৫৫.
কার ঘোষণার মাধ্যমে বঙ্গ ভঙ্গ ঘটে?
  1. রাজা পঞ্চম জর্জ
  2. লর্ড ক্লাইভ
  3. লর্ড ব্যামফিল্ড ফুলার
  4. লর্ড কার্জন
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ :
- বঙ্গভঙ্গ অবিভক্ত বাংলায় তথা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ১৯০৫ সালের পূর্বে 'বাংলা প্রেসিডেন্সি' ছিল ভারতের সর্ববৃহৎ প্রদেশ।
- ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- ঘোষনা করেন বড় লাট লর্ড কার্জন। 

- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ'।
- ঢাকায় এ নতুন প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয়।
- পশ্চিম বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় ‘পশ্চিমবঙ্গ’ প্রদেশ। এর রাজধানী হয় কলিকাতা । 

- বঙ্গভঙ্গের পর নবগঠিত ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম’ প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার এবং ‘পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের' গভর্নর নিযুক্ত হন এনডু ফ্রেজার।
- নবাব স্যার সলিমুল্লাহ্ বঙ্গভঙ্গের সমর্থনে পূর্ববঙ্গের মুসলমান জনগণকে সংগঠিত করেন। 

- ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ রহিত করে।
- রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লী দরবারে এ ঘোষণা দেন।  

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং
           ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৭৫৬.
রক্তদহ বিল কোথায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. নওগাঁ
  3. ভোলা
  4. সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
রক্তদহ বিল:
- রক্তদহ বিল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি অন্যতম বৃহৎ বিল।
- এটি নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলায় অবস্থিত।
- বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায়ও পড়েছে বিলটির অংশবিশেষ।
- নওগাঁর রানীনগর ও বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার যেকোনো অংশ থেকে নৌকা নিয়ে ভেসে যাওয়া যায় বিলের গভীরে।

উল্লেখ্য,
- কোনো এক ব্রিটিশ সাহেব ও স্থানীয় জমিদারের অত্যাচারে কৃষকেরা ফুঁসে উঠেছিলেন।
- কৃষক বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ফকির মজনু শাহ।
- জমিদার ব্রিটিশ সাহেবকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্রোহ দমনে নওগাঁর রানীনগর ও বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার বিল ভোমরা এলাকার কড়ইল জঙ্গলে অভিযান চালান।
- ব্রিটিশ শাসক ও জমিদারের বাহিনী ধরে ফেলে বিদ্রোহীদের।
- তারপর এই বিলের ধারে নিয়ে একে একে হত্যা করা হয় তাঁদের।
- বিদ্রোহী মানুষদের তাজা রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল বিলের পানি।
- বিলের সেই রক্তরাঙা পানির কারণে লোকমুখে এই বিলের নাম হয়ে গিয়েছিল ‘রক্তদহ বিল’।

উৎস: ১৩ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
১৫,৭৫৭.
মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দিন আহমদ
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:

• রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
• প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ। 
• অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: এম মনসুর আলী।
• স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খণ্ড।
১৫,৭৫৮.
বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয় কাকে ?
  1. ক) ইসলাম খান চিশতি
  2. খ) শাহ সুজা
  3. গ) মীর জুমলা
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
ক) ইসলাম খান চিশতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইসলাম খান চিশতি
ব্যাখ্যা
- সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয়।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি। 
-  ১৬০৮ সালে সুবাদার জাহাঙ্গীর কুলি খানের মৃত্যুর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর বিখ্যাত সুফি সেলিম চিশতীর দৌহিত্র ইসলাম খান চিশতী বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেন । 
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং  ঢাকাকে সুবাহ বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে এর নাম করেন  জাহাঙ্গীরনগর। 
- সম্রাট  জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- তিনি লোহার পুল নির্মান করেন এবং দোলাই খাল খনন করেন।
- বাংলার রাজধানী  ঢাকা থেকে  রাজমহলে স্থানান্তরিত করেন শাহ সুজা । 
- মুগল সম্রাটের কাছ থেকে মীর জুমলা  মুয়াজ্জম খান, খান-ই-খানান, সিপাহ সালার এবং ইয়ার-ই-ওয়াফাদারের মতো বিভিন্ন উপাধি লাভ করেছিলেন।
- বাংলায় সুবাহদার হিসেবে শায়েস্তা খানের কার্যকালের মেয়াদই দীর্ঘতম।

উৎস- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেনি এবং বাংলাপিডিয়া । 
১৫,৭৫৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ঠ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. বিচার বিভাগ
  2. আইনসভা
  3. নির্বাচন
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৭৬০.
কোনটি স্থানীয় সরকারের অংশ নয়?
  1. ক) গ্রাম পরিষদ
  2. খ) ইউনিয়ন পরিষদ
  3. গ) থানা পরিষদ
  4. ঘ) জেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা

- স্থানীয় সরকার নিম্নতম পর্যায়ের বা স্থানীয়ভাবে সংগঠিত সরকার ব্যবস্থা।
- ১৯৭৬ সালে জেনারেল জিয়াউর রহমানের নতুন সরকার স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ জারি করে। এতে তিন ধরনের গ্রামীণ স্থানীয় সরকার গঠনের বিধান রাখা হয়।
যথাঃ
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- থানা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া।

১৫,৭৬১.
”শুভলং ঝর্ণা” কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
শুভলং ঝর্ণা
- রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় শুভলং ঝর্ণা অবস্থিত।
- মূল ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু ।
- গরম পানির ঝর্ণা এবং শীতল পানির ঝর্ণা বান্দরবানে রয়েছে

এছাড়াও,
- হামহাম ঝর্ণা মৌলভীবাজারে অবস্থিত। 
- বান্দরবান জেলায় পরিচিত জলপ্রপাত শৈলপ্রপাত ঝর্ণা।
- খাগড়াছড়ি জেলায় তৈদুছড়া ঝর্ণা এবং রিসাং ঝর্ণা। 

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর।
১৫,৭৬২.
Which of the following is a Literature Award by the government of Bangladesh?
  1. ক) Ekushey Padak
  2. খ) Shilpakala Padak
  3. গ) Shishu Academy Award
  4. ঘ) Independence Day Award
  5. ঙ) None of these
সঠিক উত্তর:
ক) Ekushey Padak
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Ekushey Padak
ব্যাখ্যা
- একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক। 
- ১৯৭৬ সাল থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় একুশে পদক প্রদান করে আসছে।
- ভাষা আন্দোলন, শিল্পকলা, মুক্তিযুদ্ধ, সাংবাদিকতা, গবেষণা, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, অর্থনীতি, সমাজসেবা, রাজনীতি, ভাষা ও সাহিত্য এবং সরকার নির্ধারিত অন্য যেকোন ক্ষেত্রে জীবিত/মৃত কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে এই পদক প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র:  সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৫,৭৬৩.
কত সালে বাংলাকে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাকে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি: 
- বাংলাকে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি ১৯৫৬ সালে দেয়া হয়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয়, বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এর আগে, ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি প্রদান করে।
- এরপর, ১৯৫৬ সালে জাতীয় পরিষদে বাংলা ও উর্দু উভয়কে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।  

উল্লেখ্য, 
 - বাংলা ভাষাকে জাতীয় জীবনে সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাস করা হয় ১৯৮৭ সালে।  

ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন, এটি ১৯৪৭ সালে শুরু হয়ে ১৯৫২ সালে চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্কের সূত্রপাত হয়।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুকে মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে প্রস্তাব দিলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন ছিলো এবং তাদের প্রকাশিত পুস্তিকায় আন্দোলনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। 

১৫,৭৬৪.
’রাসা নৃত্য’ কোন নৃগোষ্ঠীর সাথে সম্পৃক্ত?
  1. সাঁওতাল
  2. মণিপুরী
  3. খাসিয়া
  4. ওঁরাও
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা
মণিপুরী: 
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।
- মহারাজ গরীব নেওয়াজের শাসনামলে সিলেট থেকে আগত মিশনারিগণ এই স্থানকে মহাভারতে বর্ণিত একটি স্থান মনে করে এই ভূখণ্ডের নাম দেন মণিপুর। 
- এভাবেই এখানকার প্রধান অধিবাসী মেইতেইদের নাম হয়ে যায় মণিপুরী।
- সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জে ও সুনামগঞ্জের  বসবাস করে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে  রাসা (Rasa) নৃত্য।
- চৈতন্য ধারার সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী।
- এছাড়া অনেক মণিপুরী আছে যারা একইসঙ্গে আগের বিশ্বাস এবং ইসলাম ধর্ম পালন করে।
- এদের বলা হয় মেইতেই পানগন (Meitei Pangon) বা মণিপুরী মুসলমান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১৫,৭৬৫.
প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক, সর্বজনীন ও বাধ্যতামূলক করার জন্য সুপারিশ করে -
  1. ক) শরীফ কমিশন
  2. খ) সার্জেন্ট কমিশন
  3. গ) কুদরত-ই-খুদা কমিশন
  4. ঘ) স্যাডলার কমিশন
সঠিক উত্তর:
গ) কুদরত-ই-খুদা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুদরত-ই-খুদা কমিশন
ব্যাখ্যা
• কুদরাত-ই-খুদা কমিশন:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করে।
- ১৯৭৪ সালে কুদরাত-ই-খুদা প্রণীত ‘বাংলাদেশ শিক্ষা কমিশন’ ১৯৮৩ সালের মধ্যে প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে সর্বজনীন, বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষার সুপারিশ করে।

- ১৯৮১ সালে পৃথক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয়।
- অন্যদিকে এ আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণের জন্য প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ২১ আগস্ট, ১৯৯০ইং ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কোস/সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়।

- পরবর্তীতে ৩১ নভেম্বর, ১৯৯২ ইং তারিখে এর নামকরণ করা হয় ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট’।
- ১ জানুয়ারী, ১৯৯৩ থেকে সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কার্যকর হয়।
- তার পূর্বে ১ জানুয়ারি, ১৯৯২ সালে প্রাথমিকভাবে - ৬৮ টি উপজেলায় এই আইন চালু হয়।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
১৫,৭৬৬.
স্বাধীন বাংলাদেশে সর্বশেষ কততম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম, ১৯৮৩-৮৪ সালে দ্বিতীয়, ১৯৯৬ সালে তৃতীয়, ২০০৮ সালে চতুর্থ এবং ২০১৯ সালের ৯-২০ জুন সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়৷
পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ সালে প্রথম নমুনা আকারে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
উৎসঃ বিবিএস ওয়েবসাইট এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা।
১৫,৭৬৭.
বর্তমানে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান কত শতাংশ? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ১২.৯৪%
  2. ১০.৯৪%
  3. ১১.৯৪%
  4. ১০.৫৪%
সঠিক উত্তর:
১০.৯৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৯৪%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
• জিডিপিতে কৃষির সার্বিক অবস্থান: 
- কৃষি খাতের অবদান ১০.৯৪%।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ১.৭৯%।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৪.৬৭%।

অন্যদিকে,
-  শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৪৪%।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.৬২%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৫,৭৬৮.
খাসিয়ারা তাদের গ্রামকে কী বলে?
  1. মৌজা
  2. টং
  3. পুঞ্জি
  4. পাড়া
সঠিক উত্তর:
পুঞ্জি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঞ্জি
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৫,৭৬৯.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আইসিসি ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয় কত সালে?
  1. ২০০৩ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
- তারা টাইগারস নামেও পরিচিত।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (সংক্ষেপে বিসিবি) এই দল পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশ আইসিসি’র টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেট স্ট্যাটাসপ্রাপ্ত স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর অন্তর্ভূক্ত।

⇒ ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ প্রথমবার সুযোগ পায় আইসিসি ট্রফি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের।
- ১৯৯৭ সালের ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল মালয়েশিয়ায় নিজেদের প্রথম আইসিসি ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কেনিয়ার বিপক্ষে। 
- ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি জয়ের পরপরই বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এরপর ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও ২০০০ সালে হয় টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তি। 

উৎস: i) ESPNcricinfo.
ii) প্রথম আলো।
১৫,৭৭০.
বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে কত সাল থেকে অমর একুশে গ্রন্থমেলা আয়োজিত হয়ে আসছে?
  1. ক) ১৯৬১ সাল
  2. খ) ১৯৭২ সাল
  3. গ) ১৯৮৪ সাল
  4. ঘ) ১৯৮৯ সাল
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৪ সাল
ব্যাখ্যা
- ১৯৮৪ সাল থেকে বাংলা একাডেমীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটির প্রাঙ্গনে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’ আয়োজিত হয়ে আসছে।
- প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে এই গ্রন্থমেলা আয়োজিত হয়। এটি দেশের বৃহত্তম বইমেলা।
- ২০১৪ সাল থেকে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গন ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জুড়ে অমর একুশে গ্রন্থমেলা আয়োজিত হয়ে আসছে।
- বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রথম ১৯৬৫ সালে কথা সাহিত্যিক সরদার জয়েনউদ্দীনের উদ্যোগে তৎকালীন পাবলিক লাইব্রেরির (বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি) নীচতলায় প্রথম বইমেলা আয়োজিত হয়।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১৫,৭৭১.
মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারী রাজনৈতিক দল কোনটি?
  1. ক) পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি (তোয়াহা)
  2. খ) পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (মতিন)
  3. গ) জামায়াতে ইসলামী
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক দল মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো। এগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি (তোয়াহা)
- পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (মতিন)
- জামায়াতে ইসলামী
- মুসলিম লীগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি। 
১৫,৭৭২.
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হয়েছিলেন কে?
  1. জেহাদ হোসেন
  2. নূর হোসেন
  3. ডা. মিলন
  4. মতিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
মতিউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস।
- পাকিস্তানি সামরিক শাসন উৎখাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন ও সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের করে।
- মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে নিহত হন নবকুমার ইনস্টিটিউশনের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান।
- জনতার রুদ্ররোষ এবং গণ-অভ্যুত্থানের জোয়ারে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান অভিযুক্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সবাইকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
- পতন ঘটে আইয়ুবের স্বৈরতন্ত্রের। অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামে তাই ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান আজও দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। 
- ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং
- ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন। 

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক ও প্রথম আলো।
১৫,৭৭৩.
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর কোন স্বাধীন রাজ্যের উদ্ভব ঘটে?
  1. বঙ্গ
  2. রাঢ়
  3. গৌড়
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
ব্যাখ্যা
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর বঙ্গ ও গৌড় স্বাধীন রাজ্যের উদ্ভব ঘটে।

গুপ্ত সাম্রাজ্য:

- ভারতে সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে।
- শ্রীগুপ্ত হচ্ছেন গুপ্ত বংশের আদি পুরুষ।
- এল্যানের মতে, পাটলীপুত্র (মগধের অভ্যন্তরে) নগরের অদূরে শ্রীগুপ্তের রাজত্ব ছিল।
- তখন বাংলায় কিছু স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে ।
- এগুলোর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার সমতট রাজ্য ও পশ্চিম বাংলার পুষ্করণ রাজ্য উল্লেখযোগ্য।

⇒ প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কুমারগুপ্তের সময় (৪৩২-৪৪৮ খ্রি.) থেকে উত্তর বাংলা গুপ্ত সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে গড়ে ওঠে।
- এটির নাম ছিল তখন ‘পুন্ড্রবর্ধন ভুক্তি’।
- গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই বাংলার উত্তরাংশের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।

⇒ সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা অধিকৃত হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলার উত্তরাংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি ‘প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবে পরিগণিত হতো।

⇒ মৌর্যদের মতো গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর।
- হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

উল্লেখ্য,
⇒ বঙ্গ ও গৌড়:
- ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বিশাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
- সেই অস্থিতিশীল পরিবেশে বাংলাদেশে দুটো স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে।
- এর একটি হচ্ছে স্বাধীন ‘বঙ্গ রাজ্য’, অপরটি ‘গৌড় রাজ্য।
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সমগ্র দক্ষিণ ও পূর্ব বঙ্গে একটি স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে।
- স্বাধীন বঙ্গ রাষ্ট্রের রাজারা তামার পাতে খোদাই করা রাজ নির্দেশ জারি করতেন।
- এগুলোকে তাম্রশাসন বলা হতো।
- এ রকম ৭টি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে।
- স্বাধীন বঙ্গরাজ্যে চন্দ্রগুপ্ত, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব নামের তিনজন রাজার নাম জানা যায়।
- তারা ৫২৫ থেকে ৬০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোট ৭৫ বছর রাজত্ব করেন।
- সম্ভবত চন্দ্ৰগুপ্ত একাই ৩৩ বছর শাসন করেছেন বলে জানা যায়।
- বঙ্গের রাজাগণ ‘মহাধিরাজ’ উপাধি ধারণ করতেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
১৫,৭৭৪.
বাংলাদেশে ন্যায়পাল আইন প্রণীত হয় কবে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
- ন্যায়পাল হচ্ছে রাষ্ট্র কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা যিনি সরকারি প্রতিষ্ঠান বা কর্মকর্তা-কর্মচারির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করতে পারেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পালের বিধান রয়েছে।
- সেই বিধান অনুসারে ১৯৮০ সালে ন্যায়পাল আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু এ যাবৎ কখনো ন্যায়পাল নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১৫,৭৭৫.
IDRA এর পূর্ণরূপ কি?
  1. International Development Regulation Authority
  2. Insurance Development and Regulatory Authority
  3. Insurance Dealing Research Authority
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Insurance Development and Regulatory Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Insurance Development and Regulatory Authority
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority. 
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১৫,৭৭৬.
সর্বশেষ জনশুমারি অনুসারে পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে। তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য। 

⇒ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪। 
- জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- এর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস। এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।
- সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।

১৫,৭৭৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ কোনটি?
  1. মহাস্থানগড়
  2. পাহাড়পুর
  3. ময়নামতি
  4. উয়ারী বটেশ্বর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হলাে পুণ্ড্র।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরেরসুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।

অন্যদিকে -
পাহাড়পুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৭৭৮.
আওয়ামী লীগের ছয় দফার প্রথম দফা কোনটি?
  1. ক) প্রতিরক্ষা বিষয়ক
  2. খ) রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  3. গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  4. ঘ) মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয় দফার দফাসমূহ:

- আওয়ামী লীগের ছয় দফার প্রথম দফা প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
 - দ্বিতীয় দফা ( কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৭৭৯.
বিবিএস পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জত জন মানুষ বাস করে?
  1. ক) ১০৭৭ জন
  2. খ) ১১১৬ জন
  3. গ) ১১৯০ জন
  4. ঘ) ১২১৫ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ১১১৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১১৬ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশ প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১১৬ জন। মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫৬ লক্ষ। খানা প্রতি জনসংখ্যা ৪.২ জন। সাক্ষরতার হার ৭৩.২ শতাংশ। গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর। বেকারত্বের পরিমাণ ৪.২ শতাংশ। (সূত্রঃ বিবিএস ওয়েবসাইট)
১৫,৭৮০.
বিকল্প নীতি উত্থাপন করে -
  1. শাসক দল
  2. স্পিকার
  3. বিরোধী দল
  4. সুশীল সমাজ
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা

বিকল্প নীতি উত্থাপন:
- বিকল্প নীতি উত্থাপন করে বিরোধী দল।
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অতি আবশ্যক।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে, তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে।
- বিরোধী দলের অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে সরকারি নীতিমালাগুলো ভালোভাবে যাচাই বাছাই করা।
- এক্ষেত্রে যদি কোন নীতিমালা জন বান্ধব মনে না হয়, সেক্ষেত্রে বিরোধী দল দেশের স্বার্থে উন্নততর বিকল্প নীতি প্রস্তাব করতে পারে।
- এর মধ্য দিয়ে বিরোধী দল জনগণের নিকট তাদের অবস্থানও স্পষ্ট করতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৭৮১.
BDF এর সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে কে?
  1. ক) IMF
  2. খ) ADB
  3. গ) World Bank
  4. ঘ) JICA
সঠিক উত্তর:
গ) World Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) World Bank
ব্যাখ্যা
• BDF এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Development Forum.
• বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম ১ যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে। 

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
১৫,৭৮২.
অনুচ্ছেদ ৭০ অনুযায়ী, কোন সংসদ সদস্য তাঁর দলের বিপক্ষে ভোট দিলে ফলাফল কী হবে?
  1. জরিমানা দিতে হবে
  2. তার আসন শূন্য হবে
  3. পুনরায় শপথ নিতে হবে
  4. পরবর্তী নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবে
সঠিক উত্তর:
তার আসন শূন্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার আসন শূন্য হবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭০: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,

তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।

⇒ অনুচ্ছেদ ৭০ অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তি একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তাহলে তিনি সেই দলের প্রতি অনুগত থাকতে হবে। যদি তিনি:
১. দল থেকে পদত্যাগ করেন, অথবা
২. সংসদে নিজের দলের বিপক্ষে ভোট দেন,
তাহলে তাঁর সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হয়ে যাবে (অর্থাৎ, তিনি আর সংসদ সদস্য থাকবেন না)। তবে, তিনি পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৭৮৩.
যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল কয়টি দল নিয়ে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা।
- এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত ৪টি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
- এ চারটি দল হল আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১ দফা।

[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি  দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র।
১৫,৭৮৪.
১৯৬৯ সালে নিম্নের কোন সংঘঠন ১১দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?
  1. ক) সর্বদলীয় ঐক্য পরিষদ
  2. খ) সম্মিলিত রাজনৈতিক দল
  3. গ) ছাত্র সংগ্রাম কমিটি
  4. ঘ) সম্মিলিত বিরোধী জোট
সঠিক উত্তর:
গ) ছাত্র সংগ্রাম কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছাত্র সংগ্রাম কমিটি
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন গ্রুপ), পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ও পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া গ্রুপ)-এর নেতৃবৃন্দ ‘ছাত্র সংগ্রাম কমিটি’ গঠন করে এবং তাদের ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
-  ১১ দফার মধ্যে ১৯৬৬ সালে  শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন সম্পর্কিত ৬ দফার সাথে ছাত্র সমস্যাকেন্দ্রিক দাবি দাওয়ার পাশাপাশি কৃষক ও শ্রমিকদের স্বার্থ সংক্রান্ত দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 
- বস্ত্তত ১১ দফা কর্মসূচীর মাধ্যমে ছাত্র নেতৃবৃন্দ যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তা ছিল অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী দলগুলোর মধ্যে একটি আন্দোলনগত ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- তাছাড়া এসময় থেকেই শেখ মুজিবের মুক্তি ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি প্রাধান্য পেতে শুরু করে। 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-সহ ছাত্র সংগ্রাম কমিটির পূর্ব বাংলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ঊনসত্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
১৫,৭৮৫.
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু পরবর্তী আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য কতদফা কর্মসূচির ঘোষণা দেন?
  1. ক) ৬ দফা
  2. খ) ৪ দফা
  3. গ) ৭ দফা
  4. ঘ) ১০ দফা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ দফা
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ
⇨ ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙ্গালির ইতিহাসের এক মহেন্দ্রক্ষণ। সকাল থেকেই ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ছাত্র-জনতা-অবাল-বৃদ্ধ-বণিতা-দলে দলে সমবেত হতে থাকে।
⇨ বিকাল ৩ঃ২০ মিনিট নাগাদ প্রায় ১০ লাখ জনতা ময়দানে সমবেত হয়।
⇨ এই ভাষণের শব্দসংখ্যা ছিল ১১০৫ টি ।
⇨ ভাষণের সময় বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে রেখেছিল সিরাজুল আলম খান, আ স ম আবদুর রব, তোফায়েল আহমেদ, মহিউদ্দিন, শেখ ফজলুল হক মনি। 

⇨ বঙ্গবন্ধু তার ১৮ মিনিটের ঐতিহাসিক ভাষণে ৪টি দাবি উত্থাপন করেন। যথা−
(ক) সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
(খ) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
(৩) গণহত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে।
(৪) নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

⇨ ৭ মার্চ ভিন্ন এক ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু পরবর্তী সাতদিন আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য দশদফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। দফাগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো:-

১. কর না দেওয়ার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে,
২. সকল অফিস ও আদালতে ধর্মঘট চলতে থাকবে,
৩. রেল ও বন্দরসমূহ চালু থাকবে। তবে সেনাবাহিনী চলাচলের কাজে শ্রমিক-কর্মচারীরা সহযোগিতা করবে না,
৪. রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে গণআন্দোলনের সংবাদ গোপন রাখা যাবে না,
৫. কেবল স্থানীয় এবং আন্তঃজেলার মধ্যে ট্রাঙ্ক ও টেলিফোন যোগাযোগ চালু থাকবে,
৬. সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে,
৭. কোন মাধ্যমেই ব্যাংক পশ্চিম পাকিস্তানে টাকা পাঠাবে না,
৮. প্রতিদিন সব ভবনের উপর কালো পতাকা ওড়ানো হবে,
৯. অন্য সব ক্ষেত্রে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হল, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে ধর্মঘট আহŸান করা হলে তা পালন করতে হবে,
১০. প্রতিটি মহল্লা, ইউনিয়ন, থানা, মহকুমা এবং জেলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ইউনিটের নেতৃত্বে একটি করে সংগ্রাম
পরিষদ গঠন করা হবে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৭৮৬.
শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন কে?
  1. তোফায়েল আহমেদ
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. খন্দকার মোস্তফা হারুন
  4. মাওলানা ভাষানী
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল আহমেদ
ব্যাখ্যা
• শেখ মুজিবুর রহমান:
- ১৯৬৯ সালে ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সকল বন্দীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
- ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে লাখো শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে তোফায়েল আহমেদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৭৮৭.
Who was the first Home Minister of Mujibnagar Government of Bangladesh?
  1. Syed Nazrul Islam
  2. Tajuddin Ahmad
  3. M. Mansoor Ali
  4. AHM Kamruzzaman
সঠিক উত্তর:
AHM Kamruzzaman
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AHM Kamruzzaman
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিব নগর সরকার গঠিত হয় -  ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- সরকার শপথ গ্রহন করে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যপক ইউসুফ আলী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি।
- তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রীএবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী।
- এম মনসুর আলী- অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান- স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,৭৮৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কোন তারিখে যৌথ বাহিনী গঠিত হয়েছিল?
  1. ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
  2. ২৫ নভেম্বর, ১৯৭১
  3. ৩০ নভেম্বর, ১৯৭১
  4. ১ ডিসেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

◉ মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারতের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী মিলে একত্রে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য একটি যৌথ কমান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২১ নভেম্বর, ১৯৭১ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে যৌথ বাহিনী গঠিত হয়।

যৌথ কমান্ড গঠন:
- মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ কমান্ড' গঠন করে।
- সময়: ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর।
- লেফটেন্যান্ট জেনারেন জগজিৎ সিং অরোরার নেতৃত্বে এই বাহিনী গঠিত হয়।
- ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান ভারতে আক্রমণ করলে ভারত সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।
- ৬ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ভারতীয় বাহিনী মুক্তিবাহিনীর সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই যৌথ কমান্ড এর নিকট পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। বাংলাপিডিয়া।

১৫,৭৮৯.
নিচের কোনটি যুক্তফ্রন্টের অন্তর্ভূক্ত রাজনৈতিক দল?
  1. ক) নেজামে-ই-ইসলাম
  2. খ) মুসলিম লীগ
  3. গ) কংগ্রেস
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) নেজামে-ই-ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নেজামে-ই-ইসলাম
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের সভাপতি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- যুক্তফ্রন্টে রাজনৈতিক দল ছিল ৪ টি । এগুলো হলো -
১। আওয়ামী মুসলিম লীগ (মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী)
২। কৃষক প্রজাপার্টি (এ. কে. ফজলুল হক)
৩। নেজামে-ই-ইসলাম (মাওলানা আতাহার আলী)
৪। গণতন্ত্রী দল (হাজী মোহাম্মদ দানেশ)

- যুক্তফ্রন্টের প্রধান অফিস সদরঘাটের ৫৬, সিমসন রােডে।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৭৯০.
কোন জনপদের কথা "ঐতরেয় আরণ্যক" গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. রাঢ়
  2. বঙ্গ
  3. গৌড়
  4. সমতট
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
ব্যাখ্যা
⇒ বঙ্গ জনপদের কথা "ঐতরেয় আরণ্যক" গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে।

বঙ্গ জনপদ:
- বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে, যেখানে এটি একটি উপজাতি হিসেবে উল্লেখিত।
- বঙ্গ ছিল একটি প্রাচীন জনপদ।
- ভাগীরথী ও পদ্মা নদীর মধ্যবর্তী ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ অঞ্চলই ছিল বঙ্গ।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চল উল্লেখ আছে: বিক্রমপুর বঙ্গ ও নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা, ফরিদপুর ও বরিশাল ছিল নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলায় মুসলিম শাসনের শুরুর দিকে 'বঙ্গ' বলতে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল বোঝানো হতো।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৭৯১.
নিম্নে যার সাথে একনেক (ECNEC)-এর সম্পর্ক নেই -
  1. ক) অর্থমন্ত্রী
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) পরিকল্পনামন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্পিকার
ব্যাখ্যা
- স্পিকারের সাথে একনেক (ECNEC)-এর সম্পর্ক নেই।

• ECNEC:
- ECNEC ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- একনেক (ECNEC)-এর প্রধান- প্রধানমন্ত্রী।
- একনেক (Executive Committee of the National Economic Council) 1982 সালে গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৭৯২.
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) বাংলা একাডেমি
  4. ঘ) মুজিবনগর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সড়ক দ্বীপে অবস্থিত। এটির স্থপতি শামীম শিকদার
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি ১৯৮৮ সালে স্থাপিত হয়।

(তথ্যসূত্র: দৈনিক ভোরের কাগজ)
১৫,৭৯৩.
বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল কোনটি?
  1. জজ কোর্ট
  2. আপিল বিভাগ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সুপ্রীম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
আপিল বিভাগ:
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়।
- এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।

আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ও তা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৭৯৪.
জাতীয় সংসদের নেতা কে?
  1. চীফ হুইপ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদের নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
- তিনি বাংলাদেশের সরকার এবং মন্ত্রিসভার প্রধান। তার নেতৃত্বে সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়। এজন্যে তাকে ‘সরকারের স্তম্ভ’ হিসেবে অভিহিত করা।
অন্যদিকে,
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাদেশ সংবিধান)
১৫,৭৯৫.
How many economic points were there in the historical six points?
  1. ক) 2
  2. খ) 3
  3. গ) 4
  4. ঘ) 5
সঠিক উত্তর:
খ) 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 3
ব্যাখ্যা
–পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ থেকে পূর্ব বংলার জনগণকে মুক্ত করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী লাহোরে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
 -- ছয় দফার অর্থনীতি বিষয়ক দফা ছিল ৩ টি
দফাগুলো নিম্নরুপ:

১. দেশের দুই অংশে সহজেই বিনিময়যোগ্য অথচ পৃথক দুটো মুদ্রা থাকবে। অথবা ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই দেশের দুটি রিজার্ভ ব্যাংক ব্যবস্থাসহ একই ধরনের মুদ্রা চালু থাকবে।
২. আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া হবে।
৩. দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা আলাদা হিসেব থাকবে। প্রয়োজনে দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে অথবা সংবিধানে নির্ধারিত হারে কেন্দ্র বৈদেশিক মুদ্রা পাবে।

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণী।
১৫,৭৯৬.
ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান করেন কে কে?
  1. নবীন মাধব ও বেণী মাধব
  2. মজনু শাহ ও ভবানী পাঠক
  3. তিতুমীর ও গোলাম রসুল 
  4. শরীয়তউল্লাহ ও দুদু মিয়া
সঠিক উত্তর:
মজনু শাহ ও ভবানী পাঠক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মজনু শাহ ও ভবানী পাঠক
ব্যাখ্যা

ফকির মজনু শাহ:
- বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম বিদ্রোহ।
- বিদ্রোহী ফকির দলের নেতার নাম ছিল মজনু শাহ। আর সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল ভবানী পাঠক।
- ঐতিহাসিক ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রধান নেতা ছিলেন মজনু শাহ।
- তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের মাদারিয়া তরিকার সুফি সাধক।
- ফকির মজনু শাহ ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করেন।
- বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম বিদ্রোহ।
- ইংরেজ সরকার তীর্থস্থান দর্শনের উপর করারোপ করে, ভিক্ষা ও মুষ্টি সংগ্রহকে বেআইনি ঘোষণা করে। তাছাড়া তাদেরকে ডাকাত-দস্যু বলে আখ্যায়িত করতে থাকে। ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে ফকির সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনে অবতীর্ণ হয়।
- তাদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল সরকারি কুঠি, জমিদারদের কাছারি ও নায়েব-গোমস্তার বাড়ি।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এই সব অঞ্চলে ইংরেজদের সঙ্গে বিদ্রোহী ফকির-সন্ন্যাসীদের বহু সংঘর্ষ সংঘটিত হয়।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে ।
- ফকির মজনু শাহ ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- এই নেতারা কয়েক বছর ইংরেজ প্রশাসনকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৭৯৭.
নবনির্মিত ডাক ভবনের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) গুলিস্তান
  2. খ) মহাখালী
  3. গ) আগারগাঁও
  4. ঘ) মতিঝিল
সঠিক উত্তর:
গ) আগারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আগারগাঁও
ব্যাখ্যা
- ডাক অধিদফতরের সদর দপ্তর হিসেবে গত ২৭ মে ২০২১ ঢাকার আগারগাঁওয়ে ডাক বক্সের আদলে ১৪ তলা বিশিষ্ট নতুন ডাক ভবন উদ্বোধন করা হয়।
- এটির স্থপতি কৌশিক বিশ্বাস।
- এর পূর্বে ডাক অধিদফতরের সদর দপ্তর ছিলো গুলিস্তানের জিপিও ভবনে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১৫,৭৯৮.
চেতনা- ৭১ স্থাপত্যটির অবস্থান-
  1. কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
  2. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-
  3. পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
ব্যাখ্যা
চেতনা '৭১' মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য যা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

- এটি বৃহত্তর সিলেটের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভাস্কর্য।
- ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ২০০৯ সালের ২৬ মার্চ মিনি অডিটোরিয়ামের পশ্চিম পাশে চেতনা ’৭১ নামে একটি অস্থায়ী ভাস্কর্য নির্মাণ করেন।
- অস্থায়ী ভাস্কর্যটি স্থায়ী ভাস্কর্যে পুনঃস্থাপনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠন করা হয় “ভাস্কর্য পুনঃস্থাপন কমিটি”।
- পরবর্তীতে স্থায়ী ভাস্কর্য নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়, আর তারই প্রতিফলিত রূপ চেতনা '৭১'।
১৫,৭৯৯.
বাংলাদেশের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মোট কয়টি উচ্চ ফলনশীল ধানের উদ্ভাবন করেছে? 
  1. ১৩৩ টি
  2. ১২৬ টি
  3. ১২১ টি 
  4. ১০১ টি
সঠিক উত্তর:
১২১ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১ টি 
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মোট ১২১ টি উচ্চ ফলনশীল ধানের উদ্ভাবন করেছে।
- নতুন উদ্ভাবিত তিনটি জাত হল; লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-১১২, উচ্চফলনশীল বোরো ব্রি-১১৩ ও ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী ব্রি-১১৪।
- গতকাল বুধবার জাতীয় বীজ বোর্ডের (এনএসবি) ১১৪তম সভায় নতুন এ তিনটি জাত অনুমোদন করা হয়।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত।
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ০৬টি স্যাটেলাইট চ্যানেল, তিনটি সাধারণ সেবা এবং আটটি প্রশাসনিক শাখা রয়েছে।
- নতুন ধান জাত উদ্ভাবনের গবেষক এবং উৎপাদন  অন্যান্য প্রকৌশলীরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্রি সদর দপ্তরে কাজ করছে। এ
- দেশের কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, দিনাজপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, সুনামগ কক্সবাজার এবং খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৫,৮০০.
কে বাংলা একাডেমী পুরস্কার ১৯৭২ ও স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রত্যাখ্যান করেন?
  1. আনোয়ার হোসেন
  2. বদরুদ্দীন উমর
  3. যতীন সরকার
  4. সিরাজুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
ব্যাখ্যা

বদরুদ্দীন উমর:
- বদরুদ্দীন উমর একজন লেখক, গবেষক ও রাজনীতিক। 
- তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার ১৯৭২ ও স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রত্যাখ্যান করেন।

⇒ ২০২৫ সালে বদরুদ্দীন উমর স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রত্যাখ্যান করেন।
- ১৯৭৩ সাল থেকে তাকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। 
- এর আগে ১৯৭২ সালে বদরুদ্দীন উমরকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার দেওয়া হয়, তবে তিনি তা তাৎক্ষণিক প্রত্যাখ্যান করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি ইতিহাস পরিষদের পুরস্কার পান এবং তা প্রত্যাখ্যান করেন।

উল্লেখ্য,
- বদরুদ্দীন উমর ১৯৩১ সালের ২০ ডিসেম্বর ব্রিটিশ ভারতের বর্ধমান শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতার নাম আবুল হাশিম ও মাতার নাম মাহমুদা আখতার মেহেরবানু বেগম।
- তার পিতা আবুল হাশিম একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৩ সালে স্নাতক সম্মান ডিগ্রি অর্জন করেন। দর্শন বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন ১৯৫৫ সালে। ১৯৬১ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিলোসফি, পলিটিক্স অ্যান্ড ইকোনমিক্স (পিপিই) ডিগ্রি লাভ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।