বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৫৯ / ৩০৬ · ১৫,৮০১১৫,৯০০ / ৩০,৮৩২

১৫,৮০১.
চাকমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব -
  1. ওয়ানগালা
  2. বৈসু
  3. বিজু
  4. সাংগ্রাই
সঠিক উত্তর:
বিজু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজু
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
১৫,৮০২.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৪নং
  2. ২৭নং
  3. ২৫নং
  4. ২৮নং
সঠিক উত্তর:
২৫নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদ: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তি।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২৪ নং: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৭ নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা।।
- অনুচ্ছেদ ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৮০৩.
‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. তারেক মাসুদ
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. সেলিনা হোসেন
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
হাঙর নদী গ্রেনেড:
- সেলিনা হোসেনের গল্প অবলম্বনে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র হাঙর নদী গ্রেনেড।
- এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম।
- এর কাহিনিতে দেখা যায়, মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে একজন মা তার বাক্প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেয় পাকিস্তানি মিলিটারির হাতে।

উৎস: প্রথম আলো।
১৫,৮০৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় কবে?
  1. ১ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৮০৫.
প্রাচীন বাংলার 'হরিকেল' জনপদ অঞ্চলভুক্ত এলাকা -
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ঐতিহাসিকদের মতে, পূর্ববঙ্গের এই (হরিকেল) জনপদটি বর্তমানের চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, সিলেট ও ত্রিপুরা (ভারত) নিয়েই গঠিত ছিল।
• হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।
- খ্রিস্টীয় সাত শতকের প্রাচীন ভারতীয় লেখকগণ পূর্বভারতীয় একটি অঞ্চলকে হরিকেল বলে উলে­খ করেন।
- এটি পূর্ববঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য।
- সাত শতকের চৈনিক পরিব্রাজক  ইৎ সিঙ্ হরিকেলের অবস্থানকে ‘পূর্বভারতের পূর্বসীমা’য় নির্দেশ করেন।
- নয় শতকের সাহিত্য কর্ম কর্পূরমঞ্জরীতে এ বক্তব্যের সমর্থন পাওয়া যায়।
- এতে হরিকেলের রমণীগণকে পূর্ব বঙ্গীয় নারীাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- চট্টগ্রাম নগরের নাসিরাবাদ এলাকার একটি প্রাচীন মন্দিরে প্রাপ্ত তাম্রলিপি হরিকেল সম্পর্কে সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য দলিল।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮০৬.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত? 
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
• জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত। 
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা — খুলনায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের ২০০শ'র মতো জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
- বর্তমানে দেশে নৌপথে ছোট-বড় ১২৫০০ অধিক সংখ্যক জলযান মালামাল ও যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
- এই সকল নৌযান তৈরিতে ২০টি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও ১০০টি স্থানীয় মানের শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ড রয়েছে। 
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিপইয়ার্ডগুলো বছরে গড়ে ১০০টি জাহাজ নির্মাণে সক্ষম।
- দেশে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০০০০ DWT ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ নির্মাণ হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরের একটি দীর্ঘ উপকূলীয় সীমারেখা ছাড়াও প্রায় ৭০০টি ছোট-বড় নদী রয়েছে। 
- দেশের তিন-চতুর্থাংশ মালামাল নৌপথে পরিবহন হয়।
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানি শুরু করে। 
- বিগত কয়েক বছরে দেশের শিপইয়ার্ডগুলো ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশে ৪০টি জাহাজ রপ্তানি করে ১৮০ মিলিয়ন ডলার আয়ের মাধ্যমে দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অবদান রেখেছে। 

উৎস: বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৫,৮০৭.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটিতে আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  3. তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৮০৮.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা কতটি?
  1. ৬০টি
  2. ৫৯টি
  3. ৫৮টি
  4. ৬১টি
সঠিক উত্তর:
৫৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৮টি
ব্যাখ্যা

• মোট তফসিলি ব্যাংক: 
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৭টি, (সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর) 
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৩৮টি, 
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি 
- স্থানীয় বেসরকারি ডিজিটাল  ব্যাংক: ১টি। (নগদ ডিজিটাল ব্যাংক)
- সর্বমোট (৭+৩+৩৮+৯+১) = ৫৮টি। 

অতএব,
- দেশে বর্তমানে মোট তফসিলি ব্যাংক ৫৮টি। 
- অ-তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা -৫টি।

উল্লেখ্য, 
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।

উৎস: বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং প্রথম আলো।

১৫,৮০৯.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মেয়াদ কত বছর?
  1. ক) ১০ বছর
  2. খ) ১২ বছর
  3. গ) ১৩ বছর
  4. ঘ) ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ বছর
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট  - ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
- মন্ত্রণালয়/বিভাগঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)।
- বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
- আয়ুষ্কাল:- ১৫ বছর ধরা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
১৫,৮১০.
'Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment' শীর্ষক গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. আনিসুর রহমান
  2. রেহমান সােবহান
  3. নুরুল ইসলাম
  4. রওনক জাহান
সঠিক উত্তর:
রেহমান সােবহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেহমান সােবহান
ব্যাখ্যা
রেহমান সােবহান:
- অধ্যাপক রেহমান সোবহান বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ৬০ এর দশকে বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
- তিনি সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
- তিনি ১৯৯১ সালে তত্ত্ববধায়ক সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন।
- Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment বইটি তাঁর রচিত।
- বইটি ২০১৫ সালে প্রকাশিত।
- - ১৯৬১ থেকে ১৯৭১ এই ১০ বছরে লেখা অধ্যাপক রেহমান সোবহানের নিবন্ধ, কলাম ও সম্পাদকীয় ইত্যাদি নিয়ে গ্রন্থিত বই “ফ্রম টু ইকোনমিস টু টু নেশনস: মাই জার্নি টু বাংলাদেশ”। 

উৎস: সিপিডি ওয়েবসাইট & কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট ।
১৫,৮১১.
সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে কোন কোম্পানি?
  1. বার্মা অয়েল কোম্পানি
  2. শেল অয়েল কোম্পানি
  3. টার্নার মরিসন অ্যান্ড কোম্পানি
  4. হোয়াইট হল পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
বার্মা অয়েল কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্মা অয়েল কোম্পানি
ব্যাখ্যা
সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র: 
-  বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা অয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯ টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজ তেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, 
-সম্প্রতি সিলেটের হরিপুরে পুরোনো গ্যাসকূপ (সিলেট-৭) সংস্কার করতে গিয়ে নতুন করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
-এ কূপ থেকে প্রতিদিন অন্তত ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো , চানেল২৪।
১৫,৮১২.
BIDS-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও, ঢাকা
  2. মিরপুর, ঢাকা
  3. মতিঝিল, ঢাকা
  4. সেগুনবাগিচা, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
ব্যাখ্যা

BIDS:
- BIDS-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Institute of Development Studies বা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত পাবলিক মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি সংস্থা যা বাংলাদেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলির মুখোমুখি উন্নয়ন সমস্যাগুলির উপর নীতি-ভিত্তিক গবেষণা পরিচালনা করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: জুন, ১৯৪৭ সাল (পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স (পিআইডিই) নামে)।
- প্রধান কার্যালয়: আগারগাঁও , ঢাকা।

উলেখ্য,
- ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর, ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অর্থনীতি ইনস্টিটিউট (BIDE)।
- পরবর্তীতে, ১৯৭৪ সালে একটি সংসদীয় সনদ প্রদান করা হয় এবং উন্নয়ন গবেষণার বহুমুখী কেন্দ্রবিন্দু প্রতিফলিত করার জন্য ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অধ্যয়ন ইনস্টিটিউট (BIDS)। 

⇒ লক্ষ্য: নির্ভরযোগ্য গবেষণা পরিচালনা, নীতি সংলাপ প্রচার, নীতিগত বিকল্পগুলি প্রচার এবং তথ্যবহুল নীতি নির্ধারণের জন্য জোট তৈরির মাধ্যমে উন্নয়ন সমাধানগুলিতে শেখার সুবিধা প্রদান করা।
- ইনস্টিটিউট গবেষণা পদ্ধতির উপর প্রশিক্ষণও পরিচালনা করে এবং উন্নয়নমূলক হস্তক্ষেপের মূল্যায়নও করে।
- এই লক্ষ্যে, বিআইডিএস বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যাগুলির উপর বিশ্লেষণাত্মক এবং নীতিনির্ধারিত গবেষণা পরিচালনার জন্য আর্থ-সামাজিক তথ্য সংগ্রহ এবং তৈরিতে জড়িত এবং নীতি নির্ধারণে সহায়তা করার জন্য উন্নয়নমূলক উদ্বেগের উপর গবেষণার ফলাফল এবং জ্ঞান প্রচার করে।

উৎস: BIDS ওয়েবসাইট।

১৫,৮১৩.
কোন দিনটিকে বাংলাদেশে ‘ঐতিহাসিক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ৭ মার্চ
  3. গ) ২৬ মার্চ
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭ মার্চ
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। এই প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে ৭ মার্চকে ‘ঐতিহাসিক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
১৫,৮১৪.
১৯৭১ সালে 'The Concert for Bangladesh' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) লন্ডন
  2. খ) নয়াদিল্লি
  3. গ) ওয়াশিংটন ডিসি
  4. ঘ) নিউইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তহবিল সংগ্রহে নিউইয়র্কে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ আয়োজন হয়েছিল।
- এই সঙ্গীতানুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন পণ্ডিত রবি শঙ্কর। 
- তিনি ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক প্রচারণা শুরু করেন। 
- এই সময় তিনি ব্রিটিশ সঙ্গীত শিল্পী এবং বিটলের অন্যতম সদস্য জর্জ হ্যারিসনকে এই বিষয়ে উৎসাহী করে তোলেন। 
- এই আয়োজনে তিনি ভারতবর্ষ এবং পাশ্চাত্য অন্যান্য আরও বহু বিখ্যাত শিল্পীদের একত্রিত করেন।
- এঁদের মধ্যে ছিলেন উল্লেখযোগ্য সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব ছিলেন বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রেস্টন, জোয়ান বায়েজ, আল্লা রাখা খাঁ ও ওস্তাদ আলী আকবর খান।
- ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১ আগষ্ট, তাঁর প্রধান সহযোগী এবং বন্ধু জর্জ হ্যারিসনকে সঙ্গে নিয়ে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ারে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ নামে ঐতিহাসিক কনসার্টের আয়োজন করেন। 


উৎস: Concert for Bangladesh, George Harrison.
১৫,৮১৫.
বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান কোথায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. পাবনা
  3. ঢাকা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৫,৮১৬.
স্বপ্নের পদ্মা সেতু কত তারিখে উদ্ধোধন করা হয়?
  1. ক) ২৩ জুন, ২০২২
  2. খ) ২৪ জুন, ২০২২
  3. গ) ২৫ জুন, ২০২২
  4. ঘ) ২৬ জুন, ২০২২
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ জুন, ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ জুন, ২০২২
ব্যাখ্যা
২৫ জুন ২০২২ মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী ফলক ও বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল-১ উন্মোচনের মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২
১৫,৮১৭.
‘রেইডার’ শব্দটি কোন খেলার সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ব্যাডমিন্টন
  2. কাবাডি
  3. ফুটবল
  4. রাগবি
সঠিক উত্তর:
কাবাডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাবাডি
ব্যাখ্যা
• কাবাডি:
- পাক ভারত উপমহাদেশে কাবাডি খেলা অতি প্রাচীন।
- বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জে হাডুডু নামে এই খেলা অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- আঞ্চলিক খেলা হওয়ার কারণে এই খেলার তেমন কোনো বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন ছিল না।
- খেলাধুলার উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশে বিভিন্ন ফেডারেশন গঠিত হয়।
- কাবাডি খেলায় দম নিয়ে যে বিপক্ষ খেলোয়ার কোর্টে হানা দেয় তাকে রেইডার বলে।
- তারই প্রেক্ষিতে ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮১৮.
বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন কতবার? [জুন, ২০২৫]
  1. ১ বার
  2. ৩ বার
  3. ২ বার
  4. ৫ বার
সঠিক উত্তর:
২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বার
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা: ৬টি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (জুন, ২০২৫)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (জুন, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

বাংলাদেশ কর্তৃক পালনকৃত দায়িত্ব:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন ২ বার।

- প্রথম মেয়াদ (১৯৭৯-১৯৮০)।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকার উপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
- দ্বিতীয় মেয়াদ (২০০০-২০০১)।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৫,৮১৯.
মুক্তিযুদ্ধে ‘ক্র্যাক প্লাটুন’ কোন শহরে সক্রিয় ছিল?
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. ঢাকা
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
ক্র্যাক প্লাটুন:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা ছিল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ২নং সেক্টরের অধীন।
- সে সময়ে ঢাকার সম্ভাবনাময় তরুণরা এই সেক্টরে গেরিলা ট্রেনিং নিয়ে পাকিস্তান বাহিনীর সুদৃঢ় শক্তি কেন্দ্র ঢাকায় নানা অপারেশন শুরু করে।
- ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে ভারতে প্রশিক্ষণ নেয়া তরুণ গেরিলারা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনসহ ঢাকায় বিভিন্ন জায়গায় সফল অভিযান চালায়।
- ক্র্যাক প্লাটুন নামে পরিচিত এই গেরিলাদের একের পর এক অপারেশনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী।
- আবু বকর, হাফিজ, জুয়েল, আজাদ, বদি, রুমিসহ তরুণ গেরিলাদের এ সব অভিযান আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সে সময় তুলেছিল তুমুল আলোড়ন।
- ক্র্যাক প্লাটুন দলটি গঠন করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন ২নং সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশাররফ, বীরউত্তম এবং এটিএম হায়দার বীরউত্তম।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ২নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল ছিল যারা আসলে গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত।
- এই বাহিনীর সদস্যরা ভারতের ‘মেলাঘর’ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
- এই প্রশিক্ষণে গ্রেনেড ছোড়া, আত্মগোপন করা, অতর্কিত হামলা প্রভৃতি শেখানো হয়েছে।
- ক্র্যাক প্লাটুন ঢাকা শহরে ছোটো বড় মিলিয়ে মোট ৮২টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- যার বেশির ভাগই চরম দুঃসাহসী এবং অচিন্তনীয় ছিল।
- তারা মূলত ৫-৬ জনের একেকটা দলে থাকত এবং অভিযান পরিচালনা করত।
- কয়েকটা অপারেশন ছাড়া তাদের প্রায় প্রতিটা অভিযানে কোন পূর্বপরিকল্পিত প্লান থাকত না।
- ক্র্যাক প্লাটুনের কয়েকটি বড় অপারেশন হলো- অপারেশন ফ্লায়িং ফ্ল্যাগস, অপারেশন হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, স্টেট ব্যাংক অপারেশন, ডেস্টিনেশন আননোন, অপারেশন তোপখানা রোড ইউএস ইনফরমেশন সেন্টার, অপারেশন গ্যানিজ পেট্রলপাম্প, অপারেশন যাত্রাবাড়ী পাওয়ার স্টেশন, অপারেশন সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন, অপারেশন আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন, অপারেশন ফার্মগেট চেক পয়েন্ট, অপারেশন দাউদ পেট্রলপাম্প, অপারেশন উলন পাওয়ার স্টেশন।

উৎস: দৈনিক জনকণ্ঠ। [লিঙ্ক]
১৫,৮২০.
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের নাগরিক কর্তৃক দাবিকৃত দেশীয় ও বৈদেশিক উৎস হতে সংগৃহীত মূল্য সংযোজনকে কী বলে?
  1. মোট দেশজ উৎপাদন
  2. নিট জাতীয় আয়
  3. নিট দেশজ উৎপাদন
  4. মোট জাতীয় আয়
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় আয়
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় আয় (Gross National Income: GNI):
- মোট জাতীয় আয় ও মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাণগতভাবে একই অর্থ প্রকাশ করে।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের নাগরিক কর্তৃক দাবিকৃত দেশীয় ও বৈদেশিক উৎস হতে সংগৃহীত মূল্য সংযোজনকে মোট জাতীয় আয় (GNI) বলা যায়।
- GNI মোট দেশজ উৎপাদন এবং বৈদেশিক উৎস হতে প্রাপ্ত প্রাথমিক আয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

নিট জাতীয় আয় (Net National Income বা NNI):
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো অর্থনীতিতে চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্য (GNI) থেকে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় (Capital Consumption Allowance-CCA) বা অবচয় ব্যয় (Depreciation Cost) বাদ দিলে যা থাকে তাকে নিট জাতীয় আয় বলে।

মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product বা GDP):
- GDP জাতীয় আয় নির্ধারণ, সামষ্টিক বিশ্লেষণ ও উন্নয়ন নীতি নির্ধারণের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সূচক। GDP ধারণাটি GNP ধারণার সাথে সমজাতীয় হলেও উভয়ের মধ্যে কিছুটা তাৎপর্যপূর্ণ পার্থক্য লক্ষ করা যায়।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারমূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয়-এর সমষ্টি (includes) থেকে দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ থেকে বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বলা হয়।

নিট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product বা NDP):
- মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) হতে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় (CCA) বা অবচয় ব্যয় (DC) বাদ দেওয়ার পর যা পাওয়া যায়, তাকে নিট দেশজ উৎপাদন বলে।

উৎস: Macroeconomics, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৮২১.
‘পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রূপগগঞ্জে
  2. খ) মিরসরাইয়ে
  3. গ) কেরানীগঞ্জে
  4. ঘ) আশুগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
গ) কেরানীগঞ্জে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কেরানীগঞ্জে
ব্যাখ্যা
• ২০১৩ সালের ৭ নভেম্বর বুড়িগঙ্গার তীরে কেরানীগঞ্জে চালু করা হয়েছিল ‘পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল’। 
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এটি নির্মাণ করে চালু করে।
- টার্মিনালে বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। 

• দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৯০ শতাংশের বেশি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- এরমধ্যে ৭০ শতাংশ কন্টেইনারজাত পণ্য ঢাকায় আসে।
- যার মধ্যে অধিকাংশই আবার সড়ক ও রেলপথে চলাচল করে।
- নৌপথে কন্টেইনারজাত পণ্য পরিবহনের কোন ব্যবস্থা এতদিন ছিল না।
- এ কারণে নৌপথে কন্টেইনারজাত পণ্য পরিবহনের জন্য  পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করে সরকার। 
- পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল চালু হওয়ার ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর যানবাহনের চাপ হ্রাস পাবে।
- সড়কপথের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- পরিবহন ব্যয় হ্রাসের ফলে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যমূল্যও কমে যাবে।
- নৌপথে পণ্য পরিবহন হবে সাশ্রয়ী, হরতাল, অবরোধ ও যানজটমুক্ত।
- বিশেষ করে পোশাকশিল্প মালিকগণ এ টার্মিনালটি ব্যবহার করে সর্বাধিক লাভবান হবেন।

সূত্র: Prime Minister Office ও প্রথম আলো।
১৫,৮২২.
শিশু কিশোর বিকাশ ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র 'নন্দন কানন' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. অতীশ দিপঙ্কর
  3. শাহ আব্দুল করিম
  4. ফকির লালন শাহ
  5. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
'নন্দন কানন' এর প্রতিষ্ঠাতা - এস এম সুলতান।

এস এম সুলতান: 
- এস এম সুলতান ১০ আগস্ট, ১৯২৩ সালে নড়াইলে জন্মগ্রহন করেন।
- 'শিশুস্বর্গ ও চারুপীঠ' এবং 'নন্দন কানন' এর প্রতিষ্ঠাতা তিনি।
- উল্লেখযোগ্য চিত্রশিল্প: হত্যাযজ্ঞ, চর দখল, ধান কাটা।
- তিনি ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পান।
- তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক 'ম্যান অব দ্য ইয়ার' পদকে ভূষিত হন।
- এশিয়া উইক পত্রিকা তাকে 'ম্যান অব এশিয়া' খেতাব দেয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮২৩.
সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগ বা বিচারবিভাগ সম্পর্কে কয়টি পরিচ্ছদ রয়েছে?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. পাঁচটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে ১১টি ভাগে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- এছাড়া তফসিল আছে - ৭টি; প্রস্তাবনা আছে ১টি এবং মূলনীতি আছে ৪টি।
সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগ বা অধ্যায়ে বিচারবিভাগ সম্পর্কে বলে হয়েছে।
ষষ্ঠ ভাগে মোট ৩টি পরিচ্ছদ রয়েছে। যথা -
• ১ম পরিচ্ছেদ - সুপ্রীম কোর্ট [অনুচ্ছেদ - ৯৪ থেকে ১১৩];
• ২য় পরিচ্ছেদ - অধস্তন আদালত [অনুচ্ছেদ - ১১৪ থেকে ১১৬];
• ৩য় পরিচ্ছেদ - প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল [অনুচ্ছেদ - ১১৭]।
--------------
ষষ্ঠ ভাগের প্রথম পরিচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্ট গঠন, বিচারপতি নিয়োগ ও দায়িত্ব, সুপ্রিম কোর্টের দায়িত্ব ও কার্যাবলি ইত্যাদি বর্ণনা করা হয়েছে।
সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে -
"কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট:
"সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।"

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট। 
১৫,৮২৪.
দেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. ক) যমুনা সার কারখানা, জামালপুর
  2. খ) ঘোড়াশাল সার কারখানা, নরসিংদী
  3. গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
  4. ঘ) চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

 শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড দেশের বৃহত্তম সার কারখানা । 

-গণপ্রজাতীয় বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রীজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর নিয়ন্ত্রানাধীন সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১২ সালের মার্চ মাসে শাহাজলাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের কন্সট্রাকশন কাজের শুভ উদ্ধোধন করেন।

-২০১৬সালে. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চীন সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি শিং জিং পিং যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে কারখানাটির শুভ উদ্বোধন করেন।

- কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৮০,৮০০ মে.টন।

উৎস:sfcl.gov.bd(শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড)

১৫,৮২৫.
কোন জনগোষ্ঠীর মূল আবাস পার্বত্য চট্টগ্রামে নয়?
  1. চাক 
  2. খুমি 
  3. বম
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- খাসিয়াদের গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।
- তারা প্রচুর পান ও মধুর চাষ করে।

অন্যদিকে,
- খুমি: খুমি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী। আদিতে এরা পার্শ্ববর্তী দেশ মায়ানমার থেকে এসে বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাসমূহে বসবাস শুরু করে। খুমি জনগোষ্ঠী মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- চাক: চাক বাংলাদেশের ক্ষুদ্র আদিবাসী জনগোষ্ঠী। পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থানার বাইশারি, নাইক্ষ্যংছড়ি, কামিছড়া, ক্রোক্ষং, বাকখালি, আলেখ্যং, ক্রোয়াংঝিড়ি ও ডুছড়ি এলাকায় চাকদের বসবাস।
- বম: বমরা কুকি-চিন ভাষাভাষী মঙ্গোলীয় গােষ্ঠীভুক্ত। বম জনগােষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে বান্দরবান জেলায়। এ জেলায় রুমা, থানচি, রােয়াংছড়ি ও বান্দরবান সদর থানায় তারা বসবাস করেন। এছাড়া রাঙামাটি জেলায় বিলাইছড়ি থানায়ও এদের আবাস আছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৮২৬.
নৃতাত্তিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ প্রধানত কোন নরগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) মঙ্গোলীয়
  2. খ) অ্যালপাইন
  3. গ) আদি-অস্ট্রেলীয়
  4. ঘ) নার্কিড
সঠিক উত্তর:
গ) আদি-অস্ট্রেলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আদি-অস্ট্রেলীয়
ব্যাখ্যা

- অস্ট্রোলয়েড প্রাচীন বাংলায় একটি নৃ-গোষ্ঠী। নৃতত্ত্ববিদগণ এদেরকে আদি অস্ট্রেলীয় বলে মনে করেন। এ জনগোষ্ঠীকে অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশীয়ও বলা হয়। প্রাচীন সাহিত্যে এরা নিষাদ নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জাতি হলো দ্রাবিড়।
- বাংলার আদি জনগণের অধিবাসিরা নিষাদ জাতির অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা আদি অধিবাসীগণ অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির বড় অংশ হলো মঙ্গোলয়েড।

১৫,৮২৭.
জমিদারি প্রথা রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. কাজী মোতাহার হোসেন
  2. শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. একে ফজলুল হক
  4. খাজা নাজিমুদ্দিন
সঠিক উত্তর:
একে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
একে ফজলুল হক:
 - জমিদারি প্রথা (১৯৫০) রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ১৮৭৩ সালে বরিশাল জেলার রাজাপুর থানার সাতুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কলকাতার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-৪৩) ছিলেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮২৮.
প্রথমবারের মতো দেশের কয়টি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করা হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য:
- দেশে প্রথমবারের মতো রাজশাহী জেলার দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার।
- অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ী উপজেলার বিলভালা ১৫.০৮ একর জলাভূমিকে।
- ৭ মে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই ঘোষণা কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা শীতকালে দেশি ও পরিযায়ী পাখির অন্যতম আশ্রয়স্থল।
- এসব বিলে কালেম, কোড়া, ডাহুক, গুড়গুড়ি, জলপিপি, জলময়ূরসহ দেশি জলচর পাখির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী হাঁস দেখা যায়।
- প্রায় শতাধিক পাখি ছাড়াও উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসবাস রয়েছে এসব জলাভূমিতে।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১৫,৮২৯.
কোন ছোট দানা বিশিষ্ট শস্যটি বাংলাদেশে গরীবের খাদ্য হিসাবে পরিচিত?
  1. ক) কাউন
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) তিল
  4. ঘ) ধান
সঠিক উত্তর:
ক) কাউন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাউন
ব্যাখ্যা

কাউনঃ
ব্যবহারঃ
ছোট দানা বিশিষ্ট শস্যটি এ দেশে গরীবদের খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
উপযুক্ত জমি ও মাটিঃ
প্রায় সব ধরনের মাটিতে কাউনের চাষ করা যায়। তবে পানি দাঁড়ায় না এমন বেলে দোঁআশ মাটিতে এর ফলন ভাল হয়।
জাতঃ তিতাস
বপনের সময়ঃ
দেশের উত্তরাঞ্চলে অগ্রহায়ণ থেকে মাঘ মাস (মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য ফেব্রুয়ারী) পর্যন্ত বীজ বোনা যায়। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সাধারণত অগ্রহায়ণ মাসে বীজ বোনা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS)

১৫,৮৩০.
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে রচিত 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ক) জহির রায়হান
  2. খ) ড. মুনীর চৌধুরী
  3. গ) আবদুল লতিফ
  4. ঘ) হুমায়ূন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ক) জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিত রচিত সাহিত্যকর্ম:

- আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচনা করেন ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'।
- সঙ্গীতশিল্পী আবদুল লতিফ রচনা ও সুর করেন 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' এবং ‘তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি'র মতো সঙ্গীত।
- ড. মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন 'কবর' নাটক।
- জহির রায়হান রচনা করেন ‘আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি।
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলায় শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৮৩১.
মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন কবে?
  1. ২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে
  2. ৪ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
  3. ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
  4. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮৩২.
চাকমা বিদ্রোহ কোন সমকালের মধ্যে সংঘটিত হয়?
  1. ক) ১৭৭৭ - ১৭৮৭ সাল
  2. খ) ১৭৬৫ - ১৭৭৫ সাল
  3. গ) ১৭৮৩ - ১৭৯৩ সাল
  4. ঘ) ১৭৯৯ - ১৮০৯ সাল
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭৭৭ - ১৭৮৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭৭৭ - ১৭৮৭ সাল
ব্যাখ্যা
১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যভাগে চাকমারা প্রথমবার বিদ্রোহ ঘোষণা করে। এই বিদ্রোহের নায়ক ছিলেন চাকমা দলপতি রাজা সের দৌলত ও তাঁর সেনাপতি রামু খাঁ। প্রথম বিদ্রোহের পর রামু খাঁর পুত্র জানবকস খাঁর নেতৃত্বে ১৭৮২ সালে ও ১৭৮৪ সালে দুটি বিদ্রোহ হয়। এরপর দ্বিতীয় শের দৌলত খাঁর নেতৃত্বে ১৭৮৭ সালে আরেকটি বিদ্রোহ হয়। [সূত্র: কালের কণ্ঠ]
১৫,৮৩৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৭ নং
  2. ১৮ নং
  3. ১৯ নং
  4. ২১ নং
সঠিক উত্তর:
১৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ১৯ নং অনুচ্ছেদে '‘সুযোগের সমতা’' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• ১৯ নং অনুচ্ছেদ:
- ১৯ (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
- ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২১ নং: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫,৮৩৪.
গৌড়ের 'আদিনা মসজিদ' নির্মাণ করেন কোন শাসক?
  1. সিকান্দর শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. ফিরোজ শাহ তুঘলক
সঠিক উত্তর:
সিকান্দর শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিকান্দর শাহ
ব্যাখ্যা
সিকান্দর শাহ:
- ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সিকান্দর শাহ ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি প্রায় ৩৪ বছর রাজত্ব করেন।
- তাঁর এ সুদীর্ঘ রাজত্বকালে বাংলাদেশে মুসলিম শাসন সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সিকান্দর শাহ সুশাসক ও বিদ্যানুরাগী ছিলেন।
- সুফি শেখ আলাউল হক ও শেখ শরফউদ্দীন ইয়াহিয়ার সাথে সিকান্দর শাহের সৌহার্দ্য ও পত্রালাপ ছিল।
- তাঁর রাজত্বকালে স্থাপত্যশিল্পের যথেষ্ট উন্নতি হয়।
- তাঁর সময় তৈরি আদিনা মসজিদ মধ্যযুগের বাংলার স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৮৩৫.
বাংলা একাডেমি কত বঙ্গাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৩৬১ বঙ্গাব্দে
  2. ১৩৬২ বঙ্গাব্দে
  3. ১৩৬৩ বঙ্গাব্দে
  4. ১৩৬৪ বঙ্গাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৩৬২ বঙ্গাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৬২ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমীর মুল ভবনের নাম ছিল বর্ধমান হাউস।
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন সেলিনা হোসেন।
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৫,৮৩৬.
বাংলাদেশের হয়ে দুইবার এভারেস্ট জয় করেন কে?
  1. ক) মুসা ইব্রাহীম
  2. খ) এম এ মুহিত
  3. গ) নিশাত মজুমদার
  4. ঘ) লোকমান হোসেন
সঠিক উত্তর:
খ) এম এ মুহিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এম এ মুহিত
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট বিজয়ে বাংলাদেশ: 
- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহীম (২৩মে, ২০১০ সালে)। ৬৭তম এভারেস্টজয়ী।
- বাংলাদেশের হয়ে দুই বার এভারেস্টের চূড়ায় আরোহন করেছেন- এম এ মুহিত।
- প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন- নিশাত মজুমদার (১৯ মে, ২০১২)।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
১৫,৮৩৭.
বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? [বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা–২০২৫]
  1. ২৭২৩ মার্কিন ডলার
  2. ২৮২০ মার্কিন ডলার
  3. ২৮২৬ মার্কিন ডলার
  4. ২৮৯০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৫,৮৩৮.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান সূত্রপাত হয় কী বিষয়কে কেন্দ্র করে? 
  1. ছাত্রসমাজের অসন্তোষকে
  2. সামরিক বাহিনীর অসন্তোষকে
  3. রাজনৈতিক নেতাদের অসন্তোষকে
  4. সরকারি কর্মকর্তাদের অসন্তোষকে
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসমাজের অসন্তোষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসমাজের অসন্তোষকে
ব্যাখ্যা

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
১৯৬৮ সালের নভেম্বরে ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে যে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়, তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে শহর এবং গ্রামের শ্রমিক-কৃষক ও নিম্ন-আয়ের পেশাজীবীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষের মধ্যে, ইতিহাসে তা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান নামে পরিচিত। 
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ছিল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা-পরবর্তীকালের সর্ববৃহৎ গণজাগরণ।
- আটষট্টির ছাত্র অসন্তোষ গণআন্দোলনে রূপান্তরিত হয় মওলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানী ঘোষিত গভর্নর হাউস ঘেরাও ও পরবর্তী দিনগুলোর কর্মসূচির মাধ্যমে।
- ৬ ডিসেম্বর ‘জুলুম প্রতিরোধ দিবস’ পালনের জন্য মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন  ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), তোয়াহার নেতৃত্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান শ্রমিক ফেডারেশন এবং আবদুল হকের নেতৃত্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান কৃষক সমিতি যৌথ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পল্টন ময়দানে এক জনসভার আয়োজন করে।
- এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই ঊনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- আসাদউজ্জামান বা শহীদ আসাদ ছিলো ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহীদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং শেখ মুজিবর রহমান সহ সকল আসামিকে মুক্তি বাধ্য হয়।
- এই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে আইয়ুব সরকারের পতন ঘটে এবং আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৮৩৯.
চাকমা শাসন ব্যবস্থায় ‘কারবারি’ বলতে কী বুঝানো হয়?
  1. ক) গ্রাম প্রধান
  2. খ) গোত্র প্রধান
  3. গ) বংশ প্রধান
  4. ঘ) মৌজা প্রধান
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রাম প্রধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রাম প্রধান
ব্যাখ্যা

- চাকমা শাসন ব্যবস্থায় গ্রাম প্রধানকে বলা হয় কারবারি।
- কারবারির কাজ হলো রাজার পক্ষ গ্রামের বিভিন্ন বিরোধের নিষ্পত্তি করা ।
- এদের রাজার সুপারিশে সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- কয়েকটি গ্রাম নিয়ে একটি মৌজা গঠিত হয়।
- মৌজার প্রধান হলো হেডম্যান।

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি , সপ্তম শ্রেণি।

১৫,৮৪০.
কোন করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়?
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. আয়কর
  3. আবগারি শুল্ক
  4. মূসক
সঠিক উত্তর:
আয়কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়কর
ব্যাখ্যা
- যে করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় সাধারণত তাকে প্রত্যক্ষ কর বলে।
যেমনঃ
- আয়কর
- ভূমি উন্নয়ন কর
- দানকর ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সম্পূরক শুল্ক, আমদানি কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক), আবগারি শুল্ক ইত্যাদি হলো পরোক্ষ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না৷
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি)
১৫,৮৪১.
ন্যাশনাল কার্ড স্কিম 'টাকা পে' উদ্বোধন করা হয় -
  1. ৬ নভেম্বর, ২০২৩
  2. ৩ নভেম্বর, ২০২৩
  3. ৫ নভেম্বর, ২০২৩
  4. ১ নভেম্বর, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
পে কার্ড:
- ১ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে এই ডেবিট কার্ডের উদ্বোধন হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে চালু হয়েছে ‘টাকা পে’ কার্ড।
- এটি ভিসা, মাস্টারকার্ড ও অ্যামেক্সের মতো আন্তর্জাতিক কার্ড সেবার একটি স্থানীয় বিকল্প।
- প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক, বেসরকারি খাতের দি সিটি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক টাকা পে কার্ড সেবা চালু করেছে।
- টাকা পে কার্ডের লেনদেন নিষ্পত্তি হবে শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ অব বাংলাদেশ (এনপিএসবি)–এর মাধ্যমে। 
- ভবিষ্যতে টাকা পে কার্ড ভারতেও ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
- শুরু থেকেই দেশের সব এটিএম, পয়েন্টস অব সেলস ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৫,৮৪২.
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে কত টাকার স্মারক নোট মুদ্রণ করা হয়?
  1. ক) ১০০ টাকা
  2. খ) ৫০ টাকা
  3. গ) ৭৫ টাকা
  4. ঘ) ৪০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সময়ের কিছু স্মারক নোট: 
- মেট্রোরেলের উদ্বোধন উপলক্ষে ৫০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক নোট মুদ্রণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ২০১২ সালে ভাষা আন্দোলনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ৬০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী উপলক্ষ্যে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করে।
- ২০১১ সালে বিজয়ের ৪০ বছর উপলক্ষ্যে ৪০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ২০১৩ সালে দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন লিমিটেড এর রজত জয়ন্তী উপলক্ষ্যে ২৫ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ২০১৩ সালে জাতীয় জাদুঘরের ১০০ বছর পূর্তিতে ১০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ২০১৮ সালে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণের মুহূর্তকে স্মরণীয় রাখতে ৭০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, প্রথম আলো, the daily star, news24.
১৫,৮৪৩.
মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর-
  1. ক) বিভাগীয় প্রশাসন
  2. খ) জেলা প্রশাসন
  3. গ) উপজেলা প্রশাসন
  4. ঘ) সচিবালয়
সঠিক উত্তর:
ক) বিভাগীয় প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিভাগীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর তিনটি। যথা-
• বিভাগীয় প্রশাসন,
• জেলা প্রশাসন ও
• উপজেলা প্রশাসন।
- মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর-
বিভাগীয় প্রশাসন‌।
- মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর উপজেলা প্রশাসন।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৫,৮৪৪.
নিচের কোন উপজাতিটি বাংলাদেশে বাস করে না?
  1. ক) চাক
  2. খ) কুর্দি
  3. গ) গুর্খা
  4. ঘ) মুন্ডা
সঠিক উত্তর:
খ) কুর্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুর্দি
ব্যাখ্যা
কুর্দি উপজাতি বাংলাদেশে বসবাস করে না। এরা মধ্যপ্রাচ্যের সিরিয়া, ইরান, ইরাক, তুরস্ক, আর্মেনিয়া ও জর্ডানে বসবাসকারী একটি অনারব জাতিগোষ্ঠী।

অন্যদিকে,
চাক, গুর্খা এবং মুন্ডা নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে বসবাস করে।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং বাংলাপিডিয়া)
১৫,৮৪৫.
'ব্রুনাই কিং' কোন জাতের ফলের নাম?
  1. ক) কলা
  2. খ) তরমুজ
  3. গ) লিচু
  4. ঘ) আম
সঠিক উত্তর:
ঘ) আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আম
ব্যাখ্যা
- ব্রুনাই কিং ( Brunei King ) হলো চার থেকে সাড়ে চার কেজি ওজনের আম।
- যা শ্রাবণ মাসের শেষ দিকে পাওয়া যায়।

অন্যদিকে,
• কয়েকটি বিখ্যাত উন্নত জাতের আমের নামঃ
- গোপালভোগ,
- মহানন্দা,
- মোহনভোগ,
- হাড়িয়াভাঙ্গা,
- ল্যাংড়া,
- গৌড়মতি,
- ক্ষীরষাপাতি ইত্যাদি।

• উন্নত জাতের কলার নামঃ
- অগ্নিশ্বর,
- কানাইবাশি,
- মোহনবাঁশি,
- বীটজবা ইত্যাদি‌।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
১৫,৮৪৬.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৭তম অধিবেশন
  2. ২৯তম অধিবেশন
  3. ৩০তম অধিবেশন
  4. ৩১তম অধিবেশন
সঠিক উত্তর:
২৯তম অধিবেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯তম অধিবেশন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

সূত্র - জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১৫,৮৪৭.
মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব কোনটি?
  1. সাংগ্রাই
  2. ওয়ানগালা
  3. সোহরাই
  4. মহা রাসলীলা
সঠিক উত্তর:
মহা রাসলীলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহা রাসলীলা
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।

⇒ মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙান।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

⇒ মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব 'মহা রাসলীলা'।

অন্যদিকে,
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই।
- গারোদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে ত্রিপুরা সম্প্রদায় ‘বৈসুক’, মারমারা ‘সাংগ্রাই’ এবং চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা ‘বিজু’ উৎসব পালন করে। তিন উৎসবের আদ্যক্ষর নিয়ে এই উৎসবকে বলা হয় ‘বৈসাবি’।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৮৪৮.
আয়তনে দেশের ক্ষুদ্রতম জেলা কোনটি?
  1. মেহেরপুর
  2. ঝালকাঠি
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে মোট ৬৪টি জেলা রয়েছে।
আয়তনে ক্ষুদ্রতম জেলাসমূহ:
- ৬৪তম : নারায়ণগঞ্জ (৬৮৪ বর্গ কি.মি.)
- ৬৩তম : মেহেরপুর (৭১৬ বর্গ কি.মি.)
- ৬২তম : ঝালকাঠি (৭৫৮ বর্গ কি.মি.)
আয়তনে বৃহত্তম জেলাসমূহ:
- প্রথম : রাঙামাটি
- দ্বিতীয় : চট্টগ্রাম
- তৃতীয় : বান্দরবান।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিএস ওয়েবসাইট)
১৫,৮৪৯.
ইবনে বতুতা রচিত কোন গ্রন্থে চতুর্দশ শতকে বাংলার আর্থ সামাজিক অবস্থার চিত্র পাওয়া যায়?
  1. ইবনে জুযাই
  2. আল রিহানুল
  3. আন-নহর আম্রাতক
  4. কিতাবুল রেহালা
সঠিক উত্তর:
কিতাবুল রেহালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিতাবুল রেহালা
ব্যাখ্যা
- ইবনে বতুতা মরোক্কোর পর্যটক ছিলেন।
- তিনি ১৩৩৪ সালে ভারতে ও ১৩৪৬ সালে বাংলায় ভ্রমণ করেন।
- তাঁর লিখিত বিখ্যাত গ্রন্থ কিতাবুল রেহালা বা সফরনামা
- তাঁর ‘কিতাবুল রেহালা’ নামক গ্রন্থে সমসাময়িক বাংলায় আর্থ-সামাজিক অবস্থার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
-  ইবনে বতুতা সিলেটের প্রখ্যাত সাধক হযরত শাহজালালের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
- তিনি বাংলার নামকরণ করেন ‘দোযখ-ই-পুর নিয়ামত’ বা প্রাচুর্যপূর্ণ নরক।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮৫০.
৬৫০-৭৫০ সময়কাল নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) মাৎস্যন্যায়
  2. খ) অন্ধকার যুগ
  3. গ) কৈবর্ত্য বিদ্রোহ
  4. ঘ) ধর্মীয় স্বর্ণ যুগ
সঠিক উত্তর:
ক) মাৎস্যন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাৎস্যন্যায়
ব্যাখ্যা
• শশাঙ্কের মৃত্যুর পরবর্তী একশ বছর (৬৫০-৭৫০) বাংলায় কোনো স্থায়ী সরকার ছিলো না বললেই চলে।
• সমগ্র দেশ অভ্যন্তরীণ কলহ- কোন্দলে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন এবং বৈদেশিক আক্রমণে পর্যুদস্ত হয়েছে।
• গোপাল-এর উত্থানের আগে খ্রিস্টীয় আট শতকের মাঝামাঝি সময়ের রাজনৈতিক অবস্থাকে পাল আমলের একটি লিপিতে (খালিমপুর তাম্রশাসন) 'মাৎস্যন্যায়' বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 
• ৭ম-৮ম শতকের পাল তাম্র শাসনের নৈরাজ্যকর অবস্থাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলে উল্লেখ করা হয়।
• এ অরাজকতা ও নৈরাজ্যের মধ্য দিয়ে পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের আবির্ভাব হয়।
• পাল তাম্রশাসনে উল্লেখ পাওয়া যায় যে, গোপাল উল্লিখিত অরাজক অবস্থার (মাৎস্যন্যায়ম) অবসান ঘটান।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮৫১.
'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়েছিল-
  1. ক) ওয়াশিংটনে
  2. খ) ব্রাসেলসে
  3. গ) নিউইয়র্কে
  4. ঘ) লন্ডনে
সঠিক উত্তর:
গ) নিউইয়র্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশের শরণার্থীদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে জর্জ হ্যারিসনের তত্ত্বাবধানে নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- জর্জ হ্যারিসনকে অনুষ্ঠানটি করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন বিখ্যাত সেতার বাদক পণ্ডিত রবি শঙ্কর।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১৫,৮৫২.
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী 'ন্যাপ' নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন কত সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা

মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:

- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ছিলেন হাজী শরাফত আলী খান।
- ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়।
- পরে তিনি টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে গিয়ে তথাকার অত্যাচারিত কৃষকদের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৩৭ সালে ভাসানী মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং অচিরেই দলের আসাম শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল জন্মলাভ করে।
- নবগঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন মাওলানা ভাসানী, এবং টাঙ্গাইলের শামসুল হক হন সাধারণ সম্পাদক।
- আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি হিসেবে ভাসানী তখনকার বিরোধী দল নিয়ে  যুক্তফ্রন্ট নামে একটি মোর্চা গঠন করেন।
- এ মোর্চার অপরাপর নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ।
- ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে এবং মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৭টি আসন।
- তিনি ১৯৫৭ সালে আওয়ামী লীগ ত্যাগ করেন এবং ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- মওলানা ভাসানী ফারাক্কা চুক্তিকে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি বলে মনে করেন।
- তিনি ১৯৭৬ সালের ১৬ মে রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে এক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৫,৮৫৩.
‘আর্মস অ্যাক্ট’ ভারতীয় উপমহাদেশে জারি করেছিলেন কে?
  1. লর্ড রিপন
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড লিটন 
  4. লর্ড ডালহৌসি
সঠিক উত্তর:
লর্ড লিটন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড লিটন 
ব্যাখ্যা

• লর্ড লিটন:
- লর্ড লিটন (এডওয়ার্ড রবার্ট লিটন) ১৮৭৬ হতে ১৮৮০ পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল ছিলেন। 
- ১৮৮০ সালে গ্ল্যাডস্টোন ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পদত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য,
- লর্ড লিটন কর্তৃক প্রবর্তিত দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইন হলো ১৮৭৮ সালের দেশীয় সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act) এবং ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন (Arms Act)।

⇒ দেশীয় সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act):
- এই আইনটি ভারতীয়দের দেশীয় ভাষায় (Vernacular) সংবাদপত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে।
- এর উদ্দেশ্য ছিল সরকারের সমালোচনামূলক লেখা দমন করা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করা। 

⇒ অস্ত্র আইন (Arms Act):
- এই আইনের মাধ্যমে লাইসেন্স ছাড়া কোনো ভারতীয়র অস্ত্র বহন করা একটি ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য করা হয়।
- তবে, এই আইনটি ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য ছিল না। 

এছাড়াও,
- তার শাসনামলে দ্বিতীয় ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধ সংঘটিত হয়। 

তথ্যসূত্র:
i) অস্ত্র আইন, ১৮৭৮।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৫,৮৫৪.
বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী অঞ্চলে কোন জনপদে অবস্থিত ছিল?
  1. চন্দ্রদ্বীপ
  2. তাম্রলিপ্ত
  3. রাঢ়
  4. বরেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রদ্বীপ
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।
- চন্দ্রদ্বীপ নামের আগে এ অঞ্চলটির নাম ছিল ‘বাকলা’। 
- চন্দ্রদ্বীপের রাজধানী ছিল কচুয়া।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৮৫৫.
ব্রিটিশ ভারতে প্রথম ভাইসরয় কে ছিলেন?
  1. লর্ড বেন্টিঙ্ক
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  4. লর্ড কার্জন
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
লর্ড ক্যানিং:
- ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং।
- লর্ড ক্যানিং ১৮৫৬ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল এবং ১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর থেকে ভারতে প্রথম ভাইসরয় ছিলেন।
- তাঁর প্রশাসনের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লব-এর শুরু।
- লর্ড ক্যানিং বিদ্রোহটি দমন করেন এবং এ ঘটনার পর ১৮৫৮ সালে পার্লামেন্টারি আইন পাস হয়।

⇒ লর্ড ক্যানিং ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।
- এর আগে মুদ্রা হিসেবে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা ব্যবহৃত হতো।
- লর্ড ক্যানিং উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন।
- ১৮৬১ সালে লর্ড ক্যানিং পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮৫৬.
কোন সালে কেনিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথম আর্ন্তজাতিক ক্রিকেট ম্যাচ জিতে?
  1. ক) ১৯৯৭
  2. খ) ১৯৯৮
  3. গ) ১৯৯৯
  4. ঘ) ২০০০
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
১৯৯৭ সাল পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট:

১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় ৬ষ্ঠ আই সি সি ট্রফি। পুরো প্রতিযোগিতা কৃত্রিম টার্ফ বসানো পীচে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে তৎকালীন অধিনায়ক আকরাম খানের অসামান্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় হল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেটে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ( সেরা ৩টি দল এই সুযোগ পায় )।
- বৃষ্টি বিঘ্নিত ফাইনালে কেনিয়াকে ১ উইকেটে পরাজিত করে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়।
- একই বছরে (১৯৯৭ সালে) বাংলাদেশকে আই সি সি ওয়ানডে স্ট্যাটাস প্রদান করে।

- ১৯৯৮ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত একটি ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতায় কেনিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের প্রথম জয় লাভ করে।
- ঐ বছরের অক্টোবর মাসে সব টেস্ট খেলুড়ে দেশকে নিয়ে বাংলাদেশে আয়োজিত হয় নকআউট ধাঁচের মিনি বিশ্বকাপ।

- ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে আয়োজিত হয় ৭ম বিশ্বকাপ ক্রিকেট।
- এতে বাংলাদেশে ২৪ মে স্কটল্যান্ডকে ২২ রানে এবং ৩১ মে ৩১ মে নর্দাম্পটনে পাকিস্তানকে ৬২ রানে পরাজিত করে।

- ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে এদেশে প্রথম শ্রেণীর জাতীয় ক্রিকেট লীগ শুরু হয়, যাতে অংশ নেয় সকল বিভাগীয় দল।
- ২৬ জুন, ২০০০-এ বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।
- সেই বছরের ১০ থেকে ১৪ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ তাদের অভিষেক টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।

উৎস: প্রথম আলো আর্কাইভ ও শিক্ষক বাতায়ন।
১৫,৮৫৭.
কোনটি জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার রক্ষাকবচ?
  1. বিচার বিভাগ
  2. আইন বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. প্রতিরক্ষা বিভাগ
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের মত বিচার বিভাগও আধুনিক সরকার ব্যবস্থার অপরিহার্য অঙ্গ।
- সরকারের যে বিভাগ প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল বিচারকার্য সম্পন্ন করে তাকে বিচার বিভাগ বলে।
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হচ্ছে বিচার বিভাগ।
- বিচার বিভাগ হল সরকারের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ যা জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করে এবং এ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রকার রিট জারি করে।
- বিচার বিভাগ রাষ্ট্র ও সরকারের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

⇒ বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।

⇒ সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ঠ বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- বিচার বিভাগ বলতে সরকারের সেই অঙ্গকে বুঝায় যা মামলার ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগ করে, অপরাধের প্রকৃতি নির্ণয় করে এবং আইন অনুযায়ী শাস্তি বিধান করে।
- এছাড়াও বিচার বিভাগ আইনের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করে।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৮৫৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি বোরো ধান উৎপাদন হয়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রংপুর
  3. পাবনা
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৫,৮৫৯.
'গ্রাম সরকার' ব্যবস্থার প্রবক্তা কে ছিলেন?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. বিচারপতি আবদুস সাত্তার
  4. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা

গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থার প্রবক্তা ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

গ্রাম সরকার ব্যবস্থা:
- লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান গঠন করেন গ্রাম সরকার। ব্রিটিশ চৌকিদার মডেলে গ্রাম পুলিশ গঠন করা হয়।
- এজন্য তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন এবং তাদের নেতৃত্ব, সততা ও কর্মস্পৃহায় অনুপ্রাণিত হয়ে সিদ্ধান্ত নেন ‘স্বনির্ভর গ্রাম সরকার’ গঠনের।
- এই গ্রাম সরকার গঠনের মাধ্যমে জনগণ নিজেরাই তাদের সমস্যা নির্ধারণ, পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেত। এতে ১৪ জন সদস্য থাকতেন, এর মধ্যে ৬ জন নারী সদস্য থাকতেন।
- ১৯৮২ সালে জেনারেল এরশাদ থানাগুলোকে উপজেলায় উন্নীত করে গঠন করেন উপজেলা পরিষদ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৫,৮৬০.
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন কোন বাংলাদেশী?
  1. ক) এস এ করিম
  2. খ) ইসমাত জাহান
  3. গ) আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
  4. ঘ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৭৯-৮০ এবং ২০০০-২০০১ মেয়াদে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়। এর মধ্যে ২০০০ সালের মার্চ মাসে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে। তখন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আনোয়ারুল করিম চৌধুরী নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে ৪১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। (সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১৫,৮৬১.
জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (NAEM) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৯ সাল
  2. ১৯৬০ সাল
  3. ১৯৫৭ সাল
  4. ১৯৭২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সাল
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (NAEM):
- নায়েম বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট কেন্দ্র এবং এটি শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে।
- NAEM- এর পূর্ণরুপ: National Academy for Educational Management.
- শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একটি বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রূপান্তর করা হয়।
- নায়েমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণকে জ্ঞান, পেশাগত দক্ষতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা সমৃদ্ধ করা।

উৎস: NAEM ওয়েবসাইট।

১৫,৮৬২.
'বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন' এটি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১০৬ নং
  2. ১১২ নং
  3. ১১৬ নং
  4. ১১৬ক নং
সঠিক উত্তর:
১১৬ক নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৬ক নং
ব্যাখ্যা

বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন:
- সংবিধানের ১১৬ক নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন। 
- অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।
- ১১২ নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা। 
- সংবিধানের ১১৬ নং অনুচ্ছেদে বর্ণনা করা হয়েছে, অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫,৮৬৩.
উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকে গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপনকারী ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কোন রাজনৈতিক সদস্য ছিলেন?
  1. মুসলিম লীগ
  2. কৃষক প্রজা পার্টি
  3. স্বরাজ দল
  4. কংগ্রেস
সঠিক উত্তর:
কংগ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কংগ্রেস
ব্যাখ্যা

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।

১৫,৮৬৪.
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের প্রথম লক্ষ্যের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) বৈষম্য হ্রাস
  2. খ) ক্ষুধা দূরীকরণ
  3. গ) দারিদ্র্য নির্মূলকরণ
  4. ঘ) মানসম্মত শিক্ষা
সঠিক উত্তর:
গ) দারিদ্র্য নির্মূলকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দারিদ্র্য নির্মূলকরণ
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ কর্তৃক ২০১৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।
- তার মধ্যে প্রথম লক্ষ্যটি হলো দারিদ্র্য দূর করা। এতে ২০৩০ সালের মধ্যে সকল প্রকার দারিদ্র্য দূর করার কথা বলা হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ও সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ)
১৫,৮৬৫.
'ছয় দফা' কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. খ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  3. গ) ২৬ মার্চ ১৯৬৬
  4. ঘ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮৬৬.
বঙ্গবন্ধুকে ‘Poet of Politics' হিসেবে আখ্যায়িত করেন -
  1. লোবেন জেঙ্কিন্স
  2. ব্রিটন হেডেন
  3. হেনরি রবিনসন লুস
  4. মুরাত সাবুনজো
সঠিক উত্তর:
লোবেন জেঙ্কিন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোবেন জেঙ্কিন্স
ব্যাখ্যা
Poet of Politics:
- রাজনীতির কবি ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’।
- তিনি শুধু বাঙালির বঙ্গবন্ধু নয়, বিশ্ববরেণ্য রাজনীতিক 'বিশ্ববন্ধু' উপাধিতেও বিশ্বনন্দিত।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা। 
- ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সাংবাদিক লোবেন জেঙ্কিন্স সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন Newsweek পত্রিকায় তার প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' বা Poet of Politics বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
-  সকল শ্রেণী ও আদর্শের অনুসারীদের একতাবদ্ধ করার জন্য সম্ভবত তাঁর 'স্টাইল' সবচেয়ে বেশি উপযোগী ছিল।
- এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ৭ মার্চের ভাষণকে এক অনবদ্য কবিতা এবং বঙ্গবন্ধুকে মহাকবি হিসেবে ভূষিত করার অবারিত যুক্তি রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নিউজউইক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন।
- ১৯৩৩ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।
          ii) ১৫ আগস্ট ২০১৮, দৈনিক জনকণ্ঠ।
১৫,৮৬৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. খুলনা
  2. রাজশাহী
  3. সিলেট
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
খাদ্য শস্য:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৫,৮৬৮.
বরেন্দ্র কোন রাজাদের পিতৃভূমি ছিলো?
  1. মৌর্য রাজা
  2. পাল রাজা
  3. খড়গ রাজা
  4. সেন রাজা
সঠিক উত্তর:
পাল রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল রাজা
ব্যাখ্যা
• পাল বংশ:
- শশাঙ্ক পরবর্তী বাংলায় অরাজকতার যুগের অবসান ঘটিয়ে গোপাল বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং পালবংশের শাসনের সূচনা করেন।
- গোপালের ক্ষমতা লাভ সম্বন্ধে খালিমপুর তাম্রশাসন থেকে জানা যায়।
- বরেন্দ্র পাল রাজাদের পিতৃভূমি ছিলো।
- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- গোপাল প্রতিষ্ঠিত এ বংশের শাসন চলে নানা ধরনের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে আঠারো পুরুষ ধরে।
- গোপালের রাজত্বকাল সম্পর্কে সঠিকভাবে জানার উপায় নেই। আর্যমঞ্জুশ্রীমূলকল্পে উল্লেখ আছে যে, তিনি ২৭ বছর রাজত্ব করেন। অনুমান করা হয় গোপাল ৭৫৬ হতে ৭৮১ খিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৮৬৯.
কোন অনুচ্ছেদের জন্য বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ৮
  2. খ) অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
  3. গ) অনুচ্ছেদ ৭ (ক)
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ৭
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ - ৭(খ)  সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

অন্যদিকে,
- ৭নং অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধানের প্রাধান্য
- ৭ক অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ এবং
- ৮নং অনুচ্ছেদে ''রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ'' উল্লেখিত রয়েছে।
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৮৭০.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ঢাকা কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) ২ নং
  2. খ) ৩ নং
  3. গ) ১১ নং
  4. ঘ) ৭ নং
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ নং
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করে। ফেনী নদী থেকে আখাউড়া-ভৈরব রেললাইনের পশ্চিমপ্রান্ত এবং ঢাকা শহর ও ফরিদপুরের অংশবিশেষ নিয়ে ২নং সেক্টর গঠিত হয়। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২নং সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত হন মেজর খালেদ মোশারফ। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর এ টি এম হায়দার ২নং সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত হন।(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৫,৮৭১.
বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয় কবে থেকে?
  1. ১৮৫৪ সাল
  2. ১৯০১ সাল
  3. ১৯৬০ সাল
  4. ১৯৬৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সাল
ব্যাখ্যা
- ১৯৬০ সালে বনবিভাগের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলার রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে ১০ একর জমিতে প্রথম রাবার বাগান গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে রাবার চাষ শুরু হয়।
- বর্তমানে চট্টগ্রাম, সিলেট ও টাঙ্গাইল-শেরপুর অঞ্চলে মোট ১৮টি রাবার বাগান রয়েছে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
১৫,৮৭২.
Export Promotion Bureau কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- Export Promotion Bureau (EPB) বা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা।
- ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ১৯৭৭ সালে ও ২০১৫ সালে পুনর্গঠিত হয়ে বর্তমান ‘রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’তে রূপান্তরিত হয়।
- EPB প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো।
(তথ্যসূত্র: Export Promotion Bureau)
১৫,৮৭৩.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। যথা-
• ১৯৭৪ সালে,
• ১৯৮১ সালে,
• ১৯৯১ সালে,
• ২০০১ সালে,
• ২০১১ সালে,
• ২০২২ সালে।

⇒ উল্লেখ্য:
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে:  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে:  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৫,৮৭৪.
ইপিজেডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ হয় কোন ইপিজেডে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. আদমজী
  2. চট্টগ্রাম
  3. ঈশ্বরদী
  4. কর্ণফুলি
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
সর্বোচ্চ বিনিয়োগ:
- ইপিজেডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ হয় চট্টগ্রাম ইপিজেডে।

উল্লেখ্য,
- ইপিজেডসমূহে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪৫০ টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে: ১০৩টি।
- সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টি।
- সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৮৮টি।
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে ঈশ্বরদী ইপিজেডের; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ২২টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৫,৮৭৫.
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ কত সালে জারি হয়?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স:
- পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ।
- ১৯৮৫ সালে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

- ইসলামী আইন, হিন্দু আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন, অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ প্রভৃতি সমন্বয়ে পারিবারিক আদালতের বিচার্য বিষয়ের আইন সংকলিত হয়েছে। 
- এ আইন রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও পার্বত্য এলাকার জেলাসমূহ ছাড়া সারা দেশে প্রযোজ্য। 
- এ আইন বলে দেশের সকল মুন্সেফ আদালত পারিবারিক আদালত হিসেবে গণ্য হবে এবং মুন্সেফগণ এ আদালতের বিচারক হবেন।
- পারিবারিক আদালত মূলত পাঁচটি বিষয়ে বিচারকার্য নিষ্পন্ন করে থাকে। এগুলি হচ্ছে বিবাহ বিচ্ছেদ, দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার, মোহরানা, ভরণপোষণ ও অভিভাবকত্ব।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮৭৬.
ঢাকার ঐতিহাসিক বড় কাটরা নির্মাণ করেন কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. ইসলাম খান
  3. শাহজাদা সুজা
  4. মীর আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
শাহজাদা সুজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজাদা সুজা
ব্যাখ্যা
বড় কাটরা:
- বড় কাটরা, ঢাকা মুগল রাজধানী ঢাকার চক বাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে অবস্থিত।
- মধ্য এশিয়ার ক্যারাভান সরাই-এর ঐতিহ্য অনুসরণে নির্মিত।
- বড় কাটরা দারুণভাবে সুরক্ষিত এবং মুগল রাজকীয় স্থাপত্য-রীতির সকল বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি বিদ্যমান।
- বড় কাটরায় ফারসি ছন্দোবদ্ধ পংক্তিযুক্ত দুটি শিলালিপি আছে।
- এর একটিতে উৎকীর্ণ আছে যে, ইমারতটি ১০৫৩ হিজরিতে (১৬৪৩-৪৪ খ্রি) নির্মিত এবং অন্যটিতে আছে ১০৫৫ হিজরিতে (১৬৪৫-৪৬ খ্রি) নির্মিত।
- শাহজাদা সুজা বড় কাটড়া নির্মাণ করেন।

অন্যদিকে,
- ছোট কাটড়া নির্মাণ করেন শায়েস্তা খান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮৭৭.
বাঙালির দৈহিক গড়নে সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে কোন জাতিগোষ্ঠীর সাথে?
  1. মোঙ্গলয়েড
  2. অস্ট্রালয়েড
  3. ককেশয়েড
  4. নিগ্রয়েড
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রালয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রালয়েড
ব্যাখ্যা
অস্ট্রোলয়েড
- অস্ট্রোলয়েড  প্রাচীন বাংলায় একটি নৃ-গোষ্ঠী। নৃতত্ত্ববিদগণ এদেরকে আদি অস্ট্রেলীয় বলে  মনে করেন। এ জনগোষ্ঠীকে অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশীয়ও বলা হয়।
- প্রাচীন সাহিত্যে এরা নিষাদ নামে পরিচিত। পন্ডিতদের মতে, অস্ট্রোলয়েডদের আদি বাসস্থান মধ্য ভারত থেকে শুরু করে দক্ষিণ ভারত এবং সিংহল থেকে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কাল পরিক্রমায় তাদের একটি দল আদি বাসস্থান ত্যাগ করে বাংলায় অভিবাসন করে। 
এছাড়াও,
-  নেগ্রিটো: প্রস্তরযুগে প্রাচীন ভারতের আদিম মানুষ। বাংলার প্রাচীনতম বং জনগোষ্ঠীর পরবর্তীতে আসে নেগ্রিটো জনগোষ্ঠী।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির বড় অংশ হলো মঙ্গোলয়েড।
- প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো- অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, নেগ্রিটো ও ভোটচীনীয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮৭৮.
বাংলাদেশের কত টাকার নোটে কুসুম্বা মসজিদের ছবি রয়েছে?
  1. ২ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ১০ টাকা
  4. ২০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ:
- নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান।
- মসজিদটি ধরে রেখেছে সুলতানি আমলের অনন্য নিদর্শন।
- এর মিহরাবের ওপর সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহর নাম লিপিবদ্ধ করা।
- ধারণা করা হয়, তাঁর শাসনামলে মসজিদটি নির্মিত।
- এটি চারকোনাবিশিষ্ট। কালো ও ধূসর রঙের পাথর আর পোড়ামাটির ইটে গড়া এই মসজিদ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ৫ টাকার নোটে কুসুম্বা মসজিদের ছবি ছাপানো আছে।

উৎস: ২৩ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
১৫,৮৭৯.
দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. নোয়াখালী
  4. ভোলা
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা

 • গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ হচ্ছে দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

১৫,৮৮০.
মাস্টারদা সূর্যসেনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছিল কোথায়?
  1. দিল্লী
  2. ঢাকা
  3. চট্টগ্রাম
  4. কলকাতা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্য সেন:
- তার পুরো নাম সূর্যকুমার সেন।
- মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।

⇒ বিএ পড়ার সময় তিনি তাঁর এক শিক্ষক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন।
- অধ্যাপক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী যুগান্তর নামে বিপ্লবী দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- সূর্য সেন ১৯১৮ সালে চট্টগ্রামে ফিরে বিপ্লবী যুগান্তর দলকে পুনরুজ্জীবিত করেন।
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে 'মাস্টারদা' আখ্যা পান।

⇒ সূর্যসেন যখন নোয়াপাড়া উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ের ছাত্র তখন বঙ্গভঙ্গকে (১৯০৫) কেন্দ্র করে বাংলায় স্বদেশী আন্দোলন শুরু হয়।
- ক্রমে এই আন্দোলন বিশেষ করে চট্টগ্রাম এলাকায় বিপ্লবী আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ১৯১৬ সালে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে বি.এ. শ্রেণিতে পড়াকালীন শিক্ষক শতীশচন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন সূর্যসেন।
- সূর্যসেন চট্টগ্রামে ফিরে গিয়ে ব্রিটিশ বিরোধী একটি বিপ্লবী দল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।
- সূর্য সেন ১৯১৮ সালে চট্টগ্রামে ফিরে বিপ্লবী যুগান্তর দলকে পুনরুজ্জীবিত করেন।

⇒ ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের প্রধান সংগঠক মাস্টারদা সূর্যসেন।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮৮১.
সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

প্রাথমিক শিক্ষা আইন:
- বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয় ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৯২ সালে ১ জানুয়ারি থেকে সারা দেশের ৬৮টি থানায় বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং আইন মন্ত্রণালয়।

১৫,৮৮২.
'প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে'- সংবিধানের কোন ধারায় বর্ণণা করা হয়েছে?
  1. ৪১ নং
  2. ৩৮ নং
  3. ৪৮ (১) নং
  4. ৬৫ (১) নং
সঠিক উত্তর:
৪১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ নং
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ ৪১ নং অনুযায়ী,

⇒ ধর্মীয় স্বাধীনতা,
১। আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে,
- প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে;
- প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।
২। কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না।

অন্যদিকে -
- অনুচ্ছেদ ৩৮: জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ গঠন করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।
- অনুচ্ছেদ ৬৫ (১): "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হবে:
- অনুচ্ছেদ ৪৮(১): বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৮৮৩.
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ কত খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও-এ স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন?
  1. ১৩৩৬ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৩৪২ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৩৫৬ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন সুলতানি যুগ: 
- ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির মাধ্যমে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হলে বাংলার ইতিহাসে এক নবযুগের সূচনা হয়।
- কেননা এরপর থেকে রাজা গণেশের স্বল্পকালীন শাসনামল ব্যতীত ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা মুসলিম শাসনাধীনে ছিল।
- বখতিয়ারের বাংলা বিজয়ের পর থেকে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত যেসব খলজি মালিক, তুর্কি শাসক ও বলবনী শাসকগণ বাংলা শাসন করেছেন তাদের অনেকেই পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন না, বরং তাঁরা দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হতেন।
- কিন্তু দিল্লি থেকে বাংলা দূরবর্তী স্থানে হওয়ায় তাঁদের অনেকেই সুযোগ পেলেই স্বাধীনতার জন্য দিল্লির সুলতানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন।
- এজন্য বাংলাকে বুলগাকপুর বা বিদ্রোহের নগরীও বলা হত।
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও-এ স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন
- তখন থেকে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় দু'শ বছর ধরে বাংলাদেশ অবিচ্ছিন্নভাবে স্বাধীনতা ভোগ করেছিল।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৫,৮৮৪.
ঐতিহাসিক ছয় দফার তৃতীয় দফা ছিল কী ছিল?
  1. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি
  2. মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
  3. রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. প্রতিরক্ষা বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮৮৫.
বাংলাদেশে জেলার সংখ্যা-
  1. ৬০টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৪টি
  4. ৬৬টি
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার বিভাগ:
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- পৌরসভা রয়েছে ৩৩০টি।
- উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।
- ইউনিয়ন পরিষদ ৪৫৯৬টি।
- গ্রাম ৯০০৪৯টি।

উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
১৫,৮৮৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম সংশোধনী কবে আনা হয়?
  1. ১৫ জুলাই, ১৯৭৩
  2. ২২ জুলাই, ১৯৭৩
  3. ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
  4. ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
১৫ জুলাই, ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ জুলাই, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- সংবিধান সর্বমোট ১৭বার সংশোধন হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম সংশোধনী:
- ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই বাংলাদেশ সংবিধানে প্রথম সংশোধনী আনা হয়।
- এ সংশোধনীতে বাংলাদশ সংবিধানের ৪৭নং অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করা হয়।
- ৪৭ অনুচ্ছেদে দুটি নতুন উপধারা সংযোজন করা হয়।
- উক্ত সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৭-(ক) নামে একটি নতুন অনুচ্ছেদ সন্নিবেশিত হয়েছে।
- প্রথম সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল 'গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনে অন্যান্য অপরাধ' এর বিচার ও শাস্তি অনুমোদন।
- এ সংশোধনীর ফলে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী ও গণহত্যার অভিযোগে বন্দিদের বিচারের পথ সহজ হয়।

অন্যদিকে,
⇒ দ্বিতীয় সংশোধনী:
- এই সংশোধনীর দ্বারা দেশে 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এটি পাস হয়।
- এই সংশোধনীতে সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বিনা বিচারে যে কাউকে আটকের বিধান করা হয়।
- মূলত এ সংশোধনীর মাধ্যমে শাসন বিভাগ তথা নিরাপত্তা বাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- এটি সংবিধানের নবম ভাগে সন্নিবেশিত হয়েছে।

• এ সশোধনীর মূল কথা হলো "যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ অথবা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ দ্বারা বাংলাদেশ বা এর যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপন্ন হবার আশঙ্কা দেখা দিলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন।
- এ ধরনের ঘোষণার বৈধতার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে।
- জরুরি অবস্থা ঘোষণা পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা হবে অথবা জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত হবে কিংবা ১২০ দিন অতিবাহিত হবার পূর্বে সংসদের প্রস্তাব দ্বারা অনুমোদিত না হলে তা কার্যকর হবে না।
- জরুরি অবস্থা চলাকালীন নাগরিকদের মৌলিক অধিকার স্থগিত থাকবে।
- এ সংবিধানে আরো উল্লেখ করা হয়, এ জরুরি অবিস্থায় গ্রেফতার ও আটকাদেশ সম্পর্কিত বিধানের অবসান ঘটবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৫,৮৮৭.
বাংলাদেশের মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, কত সেন্টিমিটার-এর ছোট ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধ?
  1. ২০
  2. ২২
  3. ২৪
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
জাটকা ইলিশ:
- বাংলাদেশের মৎস্য আইন অনুযায়ী, ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটার আকৃতির ইলিশ জাটকা হিসেবে গণ্য হবে।
- ১লা নভেম্বর থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের অভ্যন্তরের যেকোন নদ-নদীসহ সাগরে ১০ ইঞ্চির (২৫ সেন্টিমিটার) কম সাইজের ইলিশ মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ, পরিবহন সম্পুর্ণরুপে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে। 
- এই আইন অমান্য করা হলে ন্যূনতম এক বছর থেকে দুই বছরের জেল অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

⇒ মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০:
- দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট-১৯৫০; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত।
- নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সলে এ আইন প্রণয়ন করে।
- পরবর্তীতে বাস্তব প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আইনটি উলেস্নখযোগ্য সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয়।

⇒ এই আইন অনুসারে,
- প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস ,ঘনিয়া;
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে মাস পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের (১০ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা জাটকা নামে পরিচিত);
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস;
- প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী হতে জুন মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের ( ১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের আকারের সিলন, বোল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহন বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ।
- বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে মাছ মারা যাবে না । অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে বিষ প্রয়োগ , পরিবেশ দূষণ , বাণিজ্যিক বর্জ্য বা অন্যবিধ উপায়ে মাছ ধংসের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।
- মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেন্টিমিটার বা তদপেক্ষা কম ব্যাস বা দৈর্ঘ্যের ফাঁস বিশিষ্ট ফাঁসজাল এর ব্যবহার নিষিদ্ধ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
১৫,৮৮৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সংসদের অধিবেশন' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭২
  2. অনুচ্ছেদ ৭৩
  3. অনুচ্ছেদ ৭৪
  4. অনুচ্ছেদ ৭৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭২
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬৭ - সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮ - সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯ - শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫,৮৮৯.
বিমসটেক -এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? 
  1. ঢাকা
  2. থিম্পু
  3. কাঠমান্ডু
  4. কলম্বো
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

বিমসটেক (BIMSTEC):
- এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- এর প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- এর প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- এর সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ।[ডিসেম্বর,২০২৫]
- এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি।
- এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।
- BIMSTEC দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্ত করে।
- এটি একটি আঞ্চলিক সংস্থা যা উভয় অঞ্চলের দেশগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে,
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং একীকরণের লক্ষ্যে।


উল্লেখ্য,
- Myanmar যোগ হওয়ার পর (২২ ডিসেম্বর ১৯৯৭) সংগঠনটি BIMST-EC (Bangladesh, India, Myanmar, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation) নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
- ৬ষ্ঠ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে (জুলাই ২০০৪, থাইল্যান্ড) Bhutan ও Nepal যোগ হওয়ার পর, ৩১ জুলাই ২০০৪-এ প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে (Bangkok) সংস্থার চূড়ান্ত নাম রাখা হয় BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation)।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।

১৫,৮৯০.
Who established Permanent settlement in India?
  1. Lord Ripon
  2. Lord Cornwallis
  3. Lord Wellesley
  4. Lord canning
সঠিক উত্তর:
Lord Cornwallis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Cornwallis
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- ১৭৯৩ সালের ২২মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে কৃষক জমির উপর তাদের অধিকার হারায়।
- বিপরীতে জমির উপর জমিদারদের স্থায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইনের ফলশ্রুতিতে জমিদারি প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৮৯১.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে -
  1. ছাত্রলীগ
  2. ছাত্র ইউনিয়ন
  3. আওয়ামী লীগ
  4. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:
- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫,৮৯২.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫২ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি
  2. ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি
  3. ১৯৫৭ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রথম শহীদ মিনার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি  শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রথম শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে ফেলে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৮৯৩.
CPD-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. আতিউর রহমান
  2. রেহমান সোবহান
  3. মুহিত কামাল
  4. উপরের কেউ নন 
সঠিক উত্তর:
রেহমান সোবহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেহমান সোবহান
ব্যাখ্যা
- প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান CPD প্রতিষ্ঠা করেন।

CPD:
- CPD-এর পূর্ণরূপ: Center for Policy Dialogue.
- CPD হলো বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা যা সরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক পদক্ষেপের বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৩ সালে অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এর সদর দপ্তর ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত।
- সিপিডির লক্ষ্য বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য একটি চাহিদা-চালিত এবং জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, তথ্যবহুল বিতর্ক উদ্দীপিত করা, জ্ঞান তৈরি করা এবং গবেষণা, সংলাপ, প্রচার এবং সমর্থনের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণকে প্রভাবিত করা। 

সূত্র: CPD ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা।
১৫,৮৯৪.
পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান কত সালে সামরিক শাসন প্রত্যাহার করেন?
  1. ১৯৫৯ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা
• আইয়ুব খানের সামরিক শাসন:
- পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন।
- ২৭ অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে সড়িয়ে ক্ষমতা দখল করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন আইয়ুব খান সামরিক শাসন প্রত্যাহার করেন।
- ইয়াহিয়া খান ২৫ মার্চ ১৯৬৯ সালে দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮৯৫.
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ২০১২
  2. ২০১৪
  3. ২০১৬
  4. ২০১৮
সঠিক উত্তর:
২০১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৪
ব্যাখ্যা
- ‘জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন, ২০১৩’ -এর আওতায় জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৪ সালের ৫ আগস্ট।
- নদীর অবৈধ দখল, পানি ও পরিবেশ দূষণ, অবৈধ কাঠামো নির্মাণ ও নানাবিধ অনিয়ম রোধকল্পে এবং
- নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধার, নদীর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ এবং
- নৌপরিবহনযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলাসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নদীর বহুমাত্রিক ব্যবহার নিশ্চিত করার দায়িত্ব কমিশনের উপর অর্পণ করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
১৫,৮৯৬.
পুণ্ড্র নগর কাদের প্রাদেশিক রাজধানী ছিল?
  1. সেন
  2. গুপ্ত
  3. পাল
  4. কুষাণ
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র জনপদ:
- বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হলাে পুণ্ড্র।
- বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ।
- প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।ং
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।

⇒ পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।

⇒ সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুণ্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম।
১৫,৮৯৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলােকে বাংলাদেশে বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৩
  3. অনুচ্ছেদ ২৪
  4. অনুচ্ছেদ ২৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫ নং অনুচ্ছেদে — বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ২৫: 
- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন, 
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
- অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা,
এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র -

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২২: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৫,৮৯৮.
বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. মনসুর আলী
  3. তাজউদ্দীন আহমদ
  4. তাহেরুদ্দিন ঠাকুর
  5. এএইচএম কামারুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এটিই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- এই সরকার ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যার নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর।
- এ সরকার গঠনের মাত্র ২ ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বিমান বাহিনী মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- পরে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তর করা হয়।

সরকার গঠন:
• রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• উপরাষ্ট্রপতি বা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
• প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমেদ।
• স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী: এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
• অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী: এম মনসুর আলী।
• পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৮৯৯.
মুক্তিযোদ্ধের সময় চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. ক) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে খন্দকার
  2. খ) লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
  3. গ) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান 
  4. ঘ) কর্নেল (অব.) এম. এ. জি ওসমানী  
সঠিক উত্তর:
খ) লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
ব্যাখ্যা
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার তথা মুজিবনগর সরকার এবং এই সরকার ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে। 
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যার নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকারও পরিচিতি লাভ করে মুজিবনগর সরকার নামে।
- এ সরকার গঠনের মাত্র ২ ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বিমান বাহিনী মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে মেহেরপুর দখল করে নেয় ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তর করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকার( মুজিবনগর সরকার)
রাষ্ট্রপতি (সর্বাধিনায়ক)- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উপ-রাষ্ট্রপতি- সৈয়দ নজরুল ইসলাম
প্রধানমন্ত্রী- তাজউদ্দিন আহমদ
অর্থমন্ত্রী- ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন, কৃষি মন্ত্রী- এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী- খন্দকার মোশতাক আহমদ
প্রধান সেনাপতি- কর্নেল (অব.) এম. এ. জি ওসমানী
চিফ অব স্টাফ- লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ- গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে খন্দকার।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৫,৯০০.
দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ -
  1. ৭৮.৭৯ লক্ষ হেক্টর
  2. ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
  3. ৮১.২৬ লক্ষ হেক্টর
  4. ১৬০.৫৭ লক্ষ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট কৃষি পরিবার/খানা: ১,৬৮,৮১,৭৫৭,
- কৃষি বর্হিভূত পরিবার/খানা: ১,৮৬,৭০,৫৩৯,
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর,
- মোট সেচকৃত জমি: ৭৮.৭৯ লক্ষ হেক্টর,
- এক ফসলি জমি: ২১.১০ লক্ষ হেক্টর,
- দুই ফসলি জমি: ৪১.২৫ লক্ষ হেক্টর,
- তিন ফসলি জমি: ১৮.৬৭ লক্ষ হেক্টর,
- চার ফসলি জমি: ০.২৩ লক্ষ হেক্টর,
- নিট ফসলি জমি: ৮১.২৬ লক্ষ হেক্টর,
- মোট ফসলি জমি: ১৬০.৫৭ লক্ষ হেক্টর।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।