বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৫৭ / ৩০৬ · ১৫,৬০১১৫,৭০০ / ৩০,৮৩২

১৫,৬০১.
অর্থনীতিতে বাফার স্টক বলতে কী বোঝায়?
  1. বাজার স্থিতিশীলতার জন্য রিজার্ভ পরিমাণ পণ্য
  2. কৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশল
  3. শুধুমাত্র রপ্তানির জন্য সংরক্ষিত পণ্য
  4. পণ্যের দাম বৃদ্ধির জন্য সংরক্ষিত মজুত
সঠিক উত্তর:
বাজার স্থিতিশীলতার জন্য রিজার্ভ পরিমাণ পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজার স্থিতিশীলতার জন্য রিজার্ভ পরিমাণ পণ্য
ব্যাখ্যা
বাফার স্টক:
- বাজার স্থিতিশীল করার জন্য পণ্যদ্রব্য বা সংরক্ষণ করে রাখার কৌশলকে বলা হয় বাফার স্টক।
- অর্থনীতিতে যখন রাজস্ব ঘাটতি থাকে না, অর্থাৎ রাজস্ব উদ্বৃত্ত থাকে, তখন পণ্যদ্রব্য কেনা হয়। অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলে এই পণ্যদ্রব্য বিক্রি করে ফেলা হয়। এটাই হলো বাফার স্টক।

⇒ বাফার স্টক (Buffer Stock) হলো একটি অতিরিক্ত বা রিজার্ভ পরিমাণ পণ্য, যা একটি প্রতিষ্ঠানের বা সরকারের কাছে থাকে, যাতে জরুরি বা চাহিদা বৃদ্ধির পরিস্থিতিতে সরবরাহে ভারসাম্য বজায় রাখা যায়।
- এটি একটি "নিরাপত্তা মজুত" হিসেবে কাজ করে, যা পণ্যের দাম ওঠানামা বা সরবরাহে সমস্যার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- কৃষি পণ্যের উৎপাদন মৌসুমের বাইরের সময়ে বা বন্যা, খরা ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যদি সরবরাহ কমে যায়, তবে সরকার বাফার স্টক থেকে সেই পণ্যগুলি বাজারে সরবরাহ করতে পারে।
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য বিদেশী মুদ্রার বাফার স্টক রাখতে পারে।
- এটি মূলত অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং বাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Economics Help.
১৫,৬০২.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নয়? 
  1. আবার তোরা মানুষ হ
  2. ধীরে বহে মেঘনা
  3. নদীর নাম মধুমতি
  4. কখনো আসেনি
সঠিক উত্তর:
কখনো আসেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কখনো আসেনি
ব্যাখ্যা

- কখনো আসেনি ১৯৬১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি সামাজিক চলচ্চিত্র।
​- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন জহির রায়হান।
​- পরিচালক হিসেবে এটিই জহির রায়হানের প্রথম চলচ্চিত্র।
- তার কয়েকটি চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা। 

​অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র,
​- আবার তোরা মানুষ হ : চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান।
​- ধীরে বহে মেঘনা: পরিচালনা করেছেন আলমগীর কবির।
- নদীর নাম মধুমতি: তানভীর মোকাম্মেল।

​​উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ফিল্ম আর্কাইভ।

১৫,৬০৩.
In which year the Grameen Bank project started as a pilot in Bangladesh? 
  1. 1975
  2. 1976
  3. 1983
  4. 1985
সঠিক উত্তর:
1976
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1976
ব্যাখ্যা

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি মুদ্রাক্ষয়ী প্রণোদনাবাহী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এটি বাংলাদেশের তৈরি প্রথম মাইক্রোক্রেডিট (microcredit) প্রতিষ্ঠান।
- ভূমিহীন ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ছোট ছোট দলে সংগঠিত করে জামানতবিহীন ঋণ প্রদান করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার ‘জোবরা’ গ্রামে একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এটি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনে কাজ করে।
- বিশ্বের এককভাবে সবচেয়ে বড় ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী ব্যাংক।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যের জন্য ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৫,৬০৪.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামিকে গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. সার্জেন্ট শামসুল হককে
  2. সার্জেন্ট জহুরুল হককে
  3. মাহবুব উদ্দিন চৌধুরীকে
  4. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনকে
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হককে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হককে
ব্যাখ্যা
⇒ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামি করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণ অভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
 
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৬০৫.
বর্তমানে একনেক-এর বিকল্প চেয়ারম্যান কে? (মার্চ-২০২৬)
  1. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
  2. শেখ রবিউল ইসলাম
  3. সালাহউদ্দিন আহমদ
  4. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
ব্যাখ্যা

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) পুনর্গঠন:
• একনেক-এর চেয়ারম্যান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
• বিকল্প চেয়ারম্যান: স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
• সদস্যরা:
- অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী : আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী : সালাহউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র মন্ত্রী : খলিলুর রহমান।
- বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
- আইন মন্ত্রী : আসাদুজ্জামান।
- স্বাস্থ্যমন্ত্রী : সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
- সড়ক পরিবহন, সেতু, রেল, নৌপথ মন্ত্রী : শেখ রবিউল ।
- সংশ্লিষ্ট এজেন্ডাভুক্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীরাও সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১৫,৬০৬.
পূর্ব পাকিস্তানে 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি' গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয় -
  1. ১ মার্চ, ১৯৭১
  2. ২ মার্চ, ১৯৭১
  3. ৩ মার্চ, ১৯৭১
  4. ৭ মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
৩ মার্চ, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১৯৭১ এর অসহযোগ আন্দোলন:
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পর পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সরকার গঠনে মত দিতে অস্বীকার করেন।
- জাতীয় সংসদের নির্ধারিত অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু ১ মার্চ, ১৯৭১ দেশব্যাপী অসহযোগের আহবান জানান।
- সর্বস্তরের জনগণ একবাক্যে বঙ্গবন্ধুর এই আহবানে সাড়া দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের সমস্ত প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে অচল করে তোলে।
- ২রা মার্চ ১৯৭১ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা প্রদর্শিত হয়।
- ৩রা মার্চ ১৯৭১ এ রেসকোর্স ময়দানে 'স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ'-এর পক্ষ থেকে 'স্বাধীনতার ইশতেহার' পাঠ করা হয়।
- এই ইশতেহারে 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি' গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পাকিস্তান সামরিক বাহিনী পরিচালিত সরকার জাতীয় পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়ে কোন সমাধান না দেওয়ায়, ৭ই মার্চ ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু রহমান রেসকোর্স ময়দানে সমগ্র বাঙালি জাতিকে এক দিকনির্দেশনী ভাষণে সর্বপ্রকার পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত হতে আহবান জানান।
- এই ভাষণে তিনি বলেন, "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।"
- ২রা মার্চ ১৯৭১ থেকে পূর্ব বাংলার সমস্ত প্রশাসনিক কাজকর্ম চলতে থাকে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে।
- ২৩শে মার্চ ১৯৭১ সকালে পল্টন ময়দানে জয় বাংলা বাহিনীর এক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।
- অনুষ্ঠান শেষে এই বাহিনীর নেতৃবৃন্দ মিছিল সহকারে বাংলাদেশের পতাকাসহ বঙ্গবন্ধু ভবনে প্রবেশ করে আনুষ্ঠানিকভাবে বাড়িতে এই পতাকা উত্তোলন করেন।
- ২৩শে মার্চ, ১৯৭১ পূর্ব বাংলার প্রতিটি শহরে পাকিস্তান দিবসের অনুষ্ঠান বর্জিত হয় এবং পাকিস্তানের পতাকার পরিবর্তে বাংলাদেশের পতাকা উড়তে দেখা যায়।
- ২৪শে মার্চ ১৯৭১ সামরিক শাসকগণ হেলিকপ্টার যোগে সমস্ত সেনানিবাসে এই আক্রমণের পরিকল্পনা হস্তান্তর করে।
- ২৫শে মার্চ ১৯৭১ রাত ১১টায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী অতর্কিত আক্রমণ করে।
- সেনাবাহিনীর হাতে বঙ্গবন্ধু রাত ১২টা ৩০ মিনিটে ধানমন্ডি বাসভবন থেকে বন্দী হবার পূর্বে তিনি বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করেন। 

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৫,৬০৭.
মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা দল 'ক্র্যাক প্লাটুন' কোন শহরে সক্রিয় ছিল?
  1. চট্রগ্রাম
  2. খুলনা
  3. ঢাকা
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
• ক্র্যাক প্লাটুন:
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ক্র্যাক প্লাটুন দলটি গঠন করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন ২নং সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশাররফ, বীরউত্তম এবং এটিএম হায়দার বীরউত্তম।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ২নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল ছিল যারা আসলে গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত।

 - ক্র্যাক প্লাটুন ঢাকা শহরে ছোটো বড় মিলিয়ে মোট ৮২টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ।
১৫,৬০৮.
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ কোন তারিখে ইউনেস্কোর “মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল” রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ২০ অক্টোবর, ২০১৭
  2. ২৫ অক্টোবর, ২০১৭
  3. ৩১ অক্টোবর, ২০১৭
  4. ৩০ অক্টোবর, ২০১৭
সঠিক উত্তর:
৩০ অক্টোবর, ২০১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ অক্টোবর, ২০১৭
ব্যাখ্যা
- ৩০ অক্টোবর ২০১৭ খিস্টাব্দে ইউনেস্কো কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তিকরণে ওয়ার্ল্ড ডেমোক্রেসি হেরিটেজের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনন্য এবং অসাধারণ এই কারণে যে, এই ভাষণ সমগ্র বাঙালি জনগোষ্ঠীকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একতাবদ্ধ করেছিল।

Source: Jugantor
১৫,৬০৯.
ঐতিহাসিক পানাম নগর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়নামতি
  2. খ) মহাস্থানগড়
  3. গ) সোনারগাঁও
  4. ঘ) লালমাই
সঠিক উত্তর:
গ) সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
পানাম নগর:

- পানাম নগর সোনারগাঁয়ের একটি প্রাচীন এলাকা।
- বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার অন্তর্গত এ এলাকা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোগরাপাড়া ক্রসিং থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।
- তেরো শতকের শেষপাদে সোনারগাঁয়ে হিন্দু আমলের রাজধানী শহরটি এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তী সময়ে পুরনো রাজধানী শহরের দক্ষিণে যে মুসলিম রাজধানী শহর গড়ে ওঠে, তারও অংশ ছিল এ পানাম এলাকা। সম্ভবত এখানে তখন মুসলিম শাসনকর্তাদের আবাসস্থল ছিল।
- মুগলদের সোনারগাঁও অধিকারের (১৬১১) পর মহাসড়ক ও সেতু নির্মাণ করে রাজধানী শহরের সঙ্গে পানাম এলাকার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- পানামে এখনও মুগল আমলের তিনটি ইটনির্মিত সেতু রয়েছে। এগুলি হলো পানাম সেতু, দালালপুর পুল ও  পানামনগর সেতু।
- পানামনগর একটি একক বৈশিষ্ট্যমন্ডিত শহর। গড়ে ৫ মিটার প্রশস্ত ও ৬০০ মিটার দীর্ঘ একটিমাত্র সড়কের দুপাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে শহরটি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,৬১০.
সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই) সংগঠনটি বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. গণতন্ত্র রক্ষা পরিষদ
  2. নাগরিক অধিকার ফোরাম
  3. নাগরিক অধিকার আন্দোলন
  4. সুজন
সঠিক উত্তর:
সুজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুজন
ব্যাখ্যা

সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক):
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ১২ নভেম্বর ২০০২ তারিখে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে।
- এর ২১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি রয়েছে।
- সুজনের সভাপতি জনাব এম হাফিজউদ্দিন খান এবং সম্পাদক ড: বদিউল আলম মজুমদার।

উল্লেখ্য,
- প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।
- এটি একটি নির্দলীয় স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক উদ্যোগ।
- একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকেই এর সৃষ্টি।
- এই উদ্যোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে ও অর্থায়নেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

উৎস: সুজন ওয়েবসাইট।

১৫,৬১১.
বাংলাদেশের কোন ওষুধ কোম্পানিকে করোনার খাওয়ার ওষুধ "মলনুপিরাভির" বাজারজাত করার অনুমোদন দেওয়া হয়?
  1. ক) বেক্সিমকো
  2. খ) এসকেএফ
  3. গ) স্কয়ার
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বাজারে এসেছে কোভিড চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার প্রথম ঔষধ মলনুপিরাভির।
- বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এই ঔষধটি 'এমোরিভির ২০০' নামে বাজারে এনেছে ।
- এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ইতোমধ্যে ঔষধটি বাজারে নিয়ে আসার কাজ শুরু করেছে।
- তিনটি প্রতিষ্ঠানকেই মলনুপিরাভির উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের অনুমোদন এরই মধ্যে দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
- মোট ১০টি প্রতিষ্ঠান এই ঔষধটি প্রস্তুত ও বাজারজাত করার আবেদন করেছিল।
- বেক্সিমকো, স্কয়ার ও এসকেএফকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে, বাকী সাতটি প্রতিষ্ঠানও অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানায় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
উৎস : বিবিসি
১৫,৬১২.
দেশের সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

 - সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।

গণভোট:

- বাংলাদেশে ৩ বার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এর মধ্যে ২ বার অনুষ্ঠিত হয় প্রশাসনিক গণভোট।
- এবং ১ বার অনুষ্ঠিত হয় সাংবিধানিক গণভোট।

• প্রথম গণভোট:
- প্রশাসনিক গণভোট হয় ১৯৭৭ সালে।
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসন কার্যের বৈধতা দান।
- ফলাফল ৯৮.৮০% 'হ্যাঁ' ভোট।

• দ্বিতীয় গণভোট: 
- প্রশাসনিক গণভোট ১৯৮৫ সালে।
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সমর্থন যাচাইয়ের লক্ষ্যে হ্যাঁ-না ভোট।
- ফলাফল ৯৪.১৪% হ্যাঁ ভোট।

• তৃতীয় গণভোট:
- সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।
- এটি সর্বশেষ গনভোট।
- সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।
- ফলাফল ৮৪.৩৮% হ্যাঁ ভোট।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র,  এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৬১৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, দেশে প্রতি বর্গ কি.মি.তে কতজন লোক বাস করে?
  1. ১১১০ জন
  2. ১১১৯ জন
  3. ১১৩৫ জন
  4. ১১৫৩ জন
সঠিক উত্তর:
১১১৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১৯ জন
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.২২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.তে: ১১১৯ জন। 
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ: ৭৬.৫৬%।
- নারী: ৭২.৮২%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৫,৬১৪.
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. মুশফিকুর রহিম
  2. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  3. নাইমুর রহমান
  4. হাবিবুল বাশার
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল:
- ২০০০ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর।
- ২০০৫ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সালে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ম্যাচের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- দেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

উৎস: ESPNcricinfo ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।

১৫,৬১৫.
ঘোড়াশাল সার কারখানার উৎপাদিত সারের নাম-
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. এমওপি
  4. জিপসাম 
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

•ঘোড়াশাল সার কারখানা: 
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) নরসিংদী জেলায় অবস্থিত।
- পূর্বেকার ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (ইউএফএফএল) এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (পিইউএফএফএল) একীভূত হয়।
- একিভূত হয়: ০১-০৭-২০২১ খ্রি.।
-  ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) গঠিত হয়।
- উৎপাদিত সার: ইউরিয়া।

উল্লেখ্য,
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলায়।
- পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৫ সালে নরসিংদী জেলায়। 

উৎস: বিসিসিআই এবং প্রথম আলো।

১৫,৬১৬.
বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় (Per Capita Income) গণনায় কোন ভিত্তি বছর (Base Year) ব্যবহার করা হচ্ছে?
  1. ২০০৫-০৬
  2. ২০১০-১১
  3. ২০১৫-১৬
  4. ২০১৯-২০
সঠিক উত্তর:
২০১৫-১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫-১৬
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এবং মাথাপিছু আয় (Per Capita Income) গণনার ক্ষেত্রে ২০১৫-১৬ অর্থবছরকে ভিত্তি বছর (Base Year) হিসেবে ব্যবহার করছে।

ভিত্তি বছর পরিবর্তন: এর আগে বাংলাদেশ ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছর ব্যবহার করত।২০২১ সালের নভেম্বর মাসে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভিত্তি বছর পরিবর্তন করে ২০১৫-১৬ নির্ধারণ করে।
পরিবর্তনের কারণ: অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন এবং নতুন নতুন খাত (যেমন: লজিস্টিকস, নতুন ধরনের সেবা) অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর ভিত্তি বছর পরিবর্তন করা হয়।নতুন এই ভিত্তি বছর ব্যবহারের ফলে জিডিপির আকার এবং মাথাপিছু আয়ের সঠিক ও আধুনিক চিত্র পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
প্রভাব: ভিত্তি বছর ২০১৫-১৬ করার ফলে জিডিপি গণনায় খাতের সংখ্যা ১৫টি থেকে বাড়িয়ে ১৯টি করা হয়েছে, যার ফলে দেশের জিডিপির আকার এবং মাথাপিছু আয় আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।
- সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ তথ্যনুসারে এই ভিত্তি বছরের ভিত্তিতে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বর্তমানে ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও প্রথম আলো।

১৫,৬১৭.
মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা দল 'ক্র্যাক প্লাটুন' কোন শহরে সক্রিয় ছিল?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
ব্যাখ্যা
• ক্র্যাক প্লাটুন:
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ক্র্যাক প্লাটুন দলটি গঠন করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন ২নং সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশাররফ, বীরউত্তম এবং এটিএম হায়দার বীরউত্তম।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ২নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল ছিল যারা আসলে গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ।
১৫,৬১৮.
বাকস্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদবলে?
  1. ৩৮ অনুচ্ছেদ
  2. ৩৯ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৬ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৯ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা
৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।
২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার
নিশ্চয়তা দান করা হইল।

১৫,৬১৯.
নিম্নোক্ত কোন সালে কৃষিশুমারী অনুষ্ঠিত হয়নি?
  1. ক) ১৯৭৭
  2. খ) ২০০৮
  3. গ) ২০১৫
  4. ঘ) ২০১৯
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ৮ জুন থেকে ২০ জুন ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)- এর World Programme for the Census of Agriculture 2020 (WCA 2020) গাইডলাইন মোতাবেক কৃষিশুমারি পরিচালিত হয় স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারির ২০১৯ পরিচালিত হয়।

- তার আগে ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে কোনো কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় নি।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
১৫,৬২০.
স্বরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা নেতারা ছিলেন?
  1. মহাত্মা গান্ধী ও সুভাষ চন্দ্র বোস
  2. চিত্তরঞ্জন দাস ও মতিলাল নেহেরু
  3. লালা লাজপত রাই ও বাল গঙ্গাধর তিলক
  4. বীর সাভারকার ও মুজাফফর আহমদ
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাস ও মতিলাল নেহেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাস ও মতিলাল নেহেরু
ব্যাখ্যা
স্বরাজ পার্টি:
স্বরাজ পার্টি ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল ছিল, যা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় ১৯২০-এর দশকের গোড়ার দিকে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এটি বিশেষত ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের আকাঙ্ক্ষার প্রতিক্রিয়া হিসেবে গঠিত হয়েছিল। পার্টির নামটি স্বরাজ শব্দটি থেকে নেওয়া হয়েছে , যার অর্থ "স্ব-শাসন", যা ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের আন্দোলনে ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল।

প্রতিষ্ঠা:
- ১৯২৩ সালে এই দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: মতিলাল নেহেরু এবং চিত্তরঞ্জন দাস।

গঠনের পটভূমি:
- স্বরাজ পার্টির গঠন ছিল ১৯১৯ সালের মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কারের প্রতিক্রিয়া।
- এই সংস্কারের মাধ্যমে ভারতে সীমিত স্ব-শাসন প্রবর্তিত হয়েছিল, কিন্তু ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের আকাঙ্ক্ষা ছিল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা।
- মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার সীমিত স্ব-শাসন প্রদান করলেও, অনেক ভারতীয় নেতা এটিকে যথেষ্ট মনে করেননি, ফলে স্বরাজ পার্টির গঠন হয়েছিল।

স্বরাজ পার্টির উদ্দেশ্য:
- ১৯১৯ সালের মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কারের অধীনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ছিল প্রধান উদ্দেশ্য।
- ভারতের প্রথম কংগ্রেসের বিপরীতে, যারা এই সংস্কারের অধীনে আইন পরিষদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, স্বরাজ পার্টির লক্ষ্য ছিল আইন পরিষদে প্রবেশ করে বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসন এবং স্বশাসনের জন্য কাজ করা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ব্রিটানিকা।
১৫,৬২১.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি? 
  1. এডিবি
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. জাইকা 
  4. ব্রিকস
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম- বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম করা হয়- ২০০২ সালে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা: বিশ্বব্যাংক।
- বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য শীর্ষ- আইডিএ।
- জাইকা (JICA) জাপানের একটি সরকারি সংস্থা,
- যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা হিসাবে পরিচিত।
​- ব্রিকস নতুন অর্থনেতিক উদীয়মান দেশের জোট। 

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।

১৫,৬২২.
’নয়নতারা’ কোন ফসলের উন্নত জাত? 
  1.  মরিচ
  2. তুলা
  3. বেগুন
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা

- ’নয়নতারা’ বেগুন ফসলের উন্নত জাত। 
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

অন্যদিকে,
- উন্নত জাতের মরিচ: বাইন, যমুনা, বালিজুরি, সূর্যমুখী, চৌরা, বারিমরিচ, বাগুরা।
- উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
- উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
- উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।
- উন্নত জাতের হলুদ: ডিমলা, পাটনাই, খোচামুদি, দেবিপাট।
- উন্নত জাতের কলা: চিনি চম্পা, সবরি, কবরী, অগ্নীশ্বর, কানাই খালি, মোহনবাশি, গানা সুন্দরী, মেহের সাগর, জাহাজি, অমৃতসাগর, সিঙ্গাপুরী, জাপকাঠালী, বীটজবা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৫,৬২৩.
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কোনটি?
  1. ক) ফুটবল
  2. খ) ক্রিকেট
  3. গ) গোল্লাছুট
  4. ঘ) হা ডু ডু
সঠিক উত্তর:
ঘ) হা ডু ডু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হা ডু ডু
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হলো হা ডু ডু । একে ১৯৭২ সালে কাবাডি নামকরণ করা হয় এবং জাতীয় খেলার মর্যাদা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের পাঞ্জাব, বিহার, মহারাষ্ট্র, তামিলনাডু, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা রাজ্যে হা ডু ডু বা কাবাডি জাতীয় খেলা। (সূত্র: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাপিডিয়া)
১৫,৬২৪.
কোন আন্দোলন ব্রিটিশ বিরোধী নয়?
  1. অসহযোগ
  2. খেলাফত
  3. ফরায়েজী
  4. আলীগড়
সঠিক উত্তর:
আলীগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলীগড়
ব্যাখ্যা
• আলীগড় আন্দোলন 
- আলীগড় আন্দোলন হচ্ছে আলীগড়ভিত্তিক সমাজ সংস্কারমূলক আন্দোলন।

- ব্রিটিশ শাসিত ভারতীয় উপমহাদেশে যেসব মনীষী পশ্চাৎপদ মুসলমানদের অজ্ঞতা, অশিক্ষা, সামাজিক শোষণ, রাজনৈতিক বঞ্চনা এবং অথনৈতিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, তাঁদের মধ্যে স্যার সৈয়দ আহমদ খান অন্যতম।
- তিনি তৎকালীন ভারতীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের নবজাগরণের অন্যতম পথনির্দেশক ছিলেন।
- তাঁর পরিচালিত উত্তর ভারতের আলীগড়ভিত্তিক সংস্কার আন্দোলন ইতিহাসে আলীগড় আন্দোলন নামে পরিচিত।
- স্যার সৈয়দ আহমদ খান ব্রিটিশ শাসিত ভারতীয় মুসলমানদের শোষণ, রাজনৈতিক বঞ্চনা এবং অর্থনৈতিক দুর্দশা মোকাবেলা করে অধপতিত মুসলমানদের মর্যাদা সহকারে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে আলীগড় আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- এটি ছিল প্রত্যক্ষসংগ্রামের পরিবর্তে ব্রিটিশ শাসনের সঙ্গে সহযোগিতাধর্মী সম্পর্ক স্থাপনের সংস্কার আন্দোলন।
- ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কারের কারণে ভারতের মুসলমানরা সে সময় চরম দুর্দিনের মধ্যে জীবনযাপন করতে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৬২৫.
জীবনঢুলী কি?
  1. ক) একটি উপন্যাসের নাম
  2. খ) একটি কাব্যগ্রন্থের নাম
  3. গ) একটি আত্মজীবনীর নাম
  4. ঘ) একটি চলচ্চিত্রের নাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) একটি চলচ্চিত্রের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) একটি চলচ্চিত্রের নাম
ব্যাখ্যা
জীবনঢুলী:
- এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত একটি সাম্প্রতিক চলচ্চিত্র।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় নিম্নবর্ণের এক ঢাকি জীবনকৃষ্ণ দাস ও তাঁর পরিবারের অভিজ্ঞতার গল্প বলা হয়েছে ‘জীবনঢুলী’ চলচ্চিত্রে।
- বাংলাদেশ সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত ছবিটিতে চুকনগর গণহত্যাকে তুলে ধরা হয়েছে।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'জীবনঢুলী'র পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৫,৬২৬.
ম্রো ভাষার প্রথম ব্যাকরণ ততোং এর লেখক কে?
  1. ক) ক্রামাদি মেনলে
  2. খ) ইয়াংঙাং ম্রো
  3. গ) মেনেলে ম্রো
  4. ঘ) ক্যচমং ম্রো
সঠিক উত্তর:
খ) ইয়াংঙাং ম্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইয়াংঙাং ম্রো
ব্যাখ্যা
ম্রো ভাষার প্রথম ব্যাকরণ ততোং এর লেখক - ইয়াংঙাং ম্রো।
ম্রো বর্ণমালার আবিষ্কারক - ক্রামাদি মেনলে।

সূত্রঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২
১৫,৬২৭.
মৌলিক গণতন্ত্রের স্তর ছিল -
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্র:
- জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হয়েই নিজের ভবিষ্যৎ ক্ষমতার ভিত্তি সুদৃঢ় ও সুনিশ্চিত করার জন্য তিনি বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে প্রধান পদক্ষেপ হলো 'মৌলিক গণতন্ত্র' নামে এক নতুন পদ্ধতি চালু।
- তাঁর মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশে ৪ স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন গড়ে তোলার কথা বলা হয়।
- পূর্ব পাকিস্তানের ৪০ হাজার এবং পশ্চিম পাকিস্তানের ৪০ হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী সদস্য জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবেন বলে বিধান করা হয়।

[শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুকে মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু  পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে  মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫,৬২৮.
চৌসার যুদ্ধে কে পরাজিত হয়েছিলেন?
  1. শেরশাহ
  2. সম্রাট হুমায়ুন
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট বাবর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট হুমায়ুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট হুমায়ুন
ব্যাখ্যা

চৌসার যুদ্ধ (১৫৩৯): 
- সম্রাট হুমায়ুন গৌড় পরিত্যাগ করার পূর্বে জাহাঙ্গীর কুলী বেগকে বাংলার শাসনভার অর্পণ করেন।
- বক্সারের নিকটবর্তী চৌসা নামক স্থানে শেরখান ও তাঁর আফগান অনুচরেরা সম্রাট হুমায়ুনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।
- ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুন চৌসায় উভয়পক্ষের মধ্যে এক তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে চৌসার যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধে হুমায়ুন শোচনীয় ভাবে পরাজিত হয়।
- শেরখানের নেতৃত্বে আফগান বাহিনী মুঘল বাহিনীকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
- চৌসার যুদ্ধে শের খানের জয়লাভ ভারতীয় উপমহাদেশে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- কেননা এর ফলে শের খানের রাজ্য পশ্চিম দিকে কনৌজ হতে পূর্বে আসাম ও চট্টগ্রাম এবং উত্তর দিকে রোটাস হতে দক্ষিণ দিকে বীরভূম পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে।
- এই যুদ্ধের পর শেরখান শেরশাহ উপাধি ধারণ করেন এবং নিজ নামে মুদ্রা প্রচলন ও পাঠের নির্দেশ প্রদান করেন।
- পক্ষান্তরে এই যুদ্ধে হুমায়ুনের পরাজয়ের মাধ্যমে মুঘলদের সামরিক ও কূটনৈতিক দুর্বলতা প্রস্ফুটিত হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৬২৯.
মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) ভোলা
  2. খ) সাতক্ষীরা
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন:
- বর্তমানে বৈশ্বিক মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ।
- এক্ষেত্রে ময়মনসিংহ জেলার অবদান সবচেয়ে বেশি।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জেলাটিতে মাছ উৎপাদন হয়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার টন।

অন্যদিকে -
- নদীর মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ভোলা।
- চিংড়ি মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সাতক্ষীরা।
- পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১৫,৬৩০.
বঙ্গবন্ধুর 'স্বাধীনতার ঘোষণা' চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম কে প্রচার করেন?
  1. ক) এম এ হান্নান
  2. খ) হায়দার আলী
  3. গ) ফজলুল হক
  4. ঘ) আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
ক) এম এ হান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এম এ হান্নান
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতার ঘোষণা:
- গ্রেফতার হওয়ার পূর্ব মুহুর্তে ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
ঘোষণাটি ইংরেজিতে ছিলো যেন বিশ্ববাসী বুঝতে পারে।
- স্বাধীনতার এ ঘোষণা বাংলাদেশের সকল স্থানে তদানীন্তন ইপিআর এর ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে প্রচার করা হয়৷
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা এম. এ. হান্নান চট্টগ্রামের বেতার কেন্দ্র থেকে একবার এবং সন্ধ্যায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বার প্রচার করেন।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৬৩১.
নিম্নের কোন জেলায় চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে?
  1. পঞ্চগড়
  2. মৌলভীবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান: মালনীছড়া চা বাগান।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয় চট্টগ্রামে।
- দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
- দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ে অবস্থিত। চা-চাষিদের কাঁচা চা-পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হয়। এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১৫,৬৩২.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কোন খাতের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) কৃষিখাতে
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত - কৃষিখাত। 
আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত - শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%। 
অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। 
যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১৫,৬৩৩.
Who was the last Mughal Emperor?
  1. Bahadur Shah
  2. Humayun
  3. Shahjahan
  4. Akbar
সঠিক উত্তর:
Bahadur Shah
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bahadur Shah
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ:
- দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ছিলেন সর্বশেষ মুঘল সম্রাট।
- ১৮৩৭ সালে তিনি দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- তাই ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মুঘল বংশের পতনের যুগ বলা হয়। 
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন।
- বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৬৩৪.
ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে কোন বিভাগ?
  1. ময়মনসিংহ
  2. সিলেট
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
দেশে বসবাসকারী ভাসমান জনসংখ্যা:
- ভাসমান জনসংখ্যা বলতে সে সকল গৃহহীন মানুষকে বুঝায় যারা সাধারণত বিভিন্ন জায়গায় রাত্রি যাপন করে; যেমন রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনাল, মাজার, ফুটপাথ, সিঁড়ি/ফুটওভারব্রিজের নিচে, লঞ্চ টার্মিনাল/ফেরি, বাজারের বারান্দা ইত্যাদি।
-তারা ২০২২ সালের আদমশুমারিতে ভাসমান জনসংখ্যা হিসাবে বিবেচিত হয়।

• ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিভাগ (৯,৪৬২জন)।
• ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে- ময়মনসিংহ বিভাগ (৭০৩জন)।

উৎস:- জনশুমারি রিপোর্ট ২০২২। 
১৫,৬৩৫.
বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি কোনটি?
  1. ক) শৃঙ্খলা বোধ
  2. খ) ভাতৃত্ববোধ
  3. গ) ঐক্য ও সংহতি
  4. ঘ) ধর্মীয় ঐক্য
সঠিক উত্তর:
গ) ঐক্য ও সংহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঐক্য ও সংহতি
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
অনুচ্ছেদ - ৯: জাতীয়তাবাদ
"ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।"

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৬৩৬.
২০২৫ - ২০২৬ অর্থবছরের বাজেটের আকার কত?
  1. ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
  2. ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
  3. ৭ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
  4. ৭ লাখ ৯২ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬ অর্থ মন্ত্রণালয়।
১৫,৬৩৭.
ম্রো ভাষার প্রথম ব্যাকরণ এর নাম কী?
  1. ক) ততোং
  2. খ) রেংমিচটা
  3. গ) আচিক
  4. ঘ) রুরুখ
সঠিক উত্তর:
ক) ততোং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ততোং
ব্যাখ্যা

- ম্রো ভাষার প্রথম ব্যাকরণ বইয়ের নাম ‘ততোং’।
- বইটি লিখেছেন ম্রো ভাষার লেখক ইয়াংঙান ম্রো।
- বাংলা ব্যাকরণ ও ইংরেজি গ্রামারের অনুকরণে ম্রো ভাষার ‘ততোং’ লেখা হয়েছে।
- ১৯৮২ সালের ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর ক্রামাদি মেনলে ম্রো ভাষার বর্ণমালা প্রবর্তন করেন।
- এটি বাম থেকে ডানে লেখার একটি সহজ বর্ণমালা।

তথ্যসূত্র- Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২।

১৫,৬৩৮.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর কোনটি?
  1. বেনাপোল
  2. হিলি
  3. বুড়িমারী
  4. ভোমরা
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১৫,৬৩৯.
২০১৮ - ১৯ অর্থ বছরে বাংলাদেশে উৎপাদিত গম -
  1. ক) ১৩.৪৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ১৩.১২ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ১১.৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ১২.৮৭ লক্ষ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২.৮৭ লক্ষ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২.৮৭ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে বিভিন্ন অর্থ বছরে উৎপাদিত গমের পরিমাণ -
২০১৫ - ১৬ অর্থবছর - ১৩.৪৮ লক্ষ মেট্রিক টন
২০১৬ - ১৭ অর্থবছর - ১৩.১২ লক্ষ মেট্রিক টন
২০১৭ - ১৮ অর্থবছর - ১১.৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন
২০১৮ - ১৯ অর্থবছর - ১২.৮৭ লক্ষ মেট্রিক টন
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১৫,৬৪০.
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের হার কত (সাময়িক ২০২৪-২০২৫ অর্থবছর)?
  1. ৩.৩৪%
  2. ৫.৩৪%
  3. ৩.৮৪%
  4. ৪.৩৪%
সঠিক উত্তর:
৪.৩৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৩৪%
ব্যাখ্যা
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব:

• শিল্প (Industry) খাতঃ
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।

উল্লেখ্য,
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৫১%।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.৮৩ শতাংশীয় পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়াও, 

সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের হার ১.৭৯ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের হার ৪.৫১% শতাংশ।

উৎস: বিবিএস ।
১৫,৬৪১.
প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি গঠিত হয় -
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
• নিকার:
- কমিটি গঠনের তারিখ: ১৯৮২ সালের ২৮ এপ্রিল।
- কমিটির গঠনকারী: জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক সরকার।
- কমিটির সভাপতি: রিয়ার অ্যাডমিরাল এম.এ খান, তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক।
- কমিটির উদ্দেশ্য: ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি সুষ্ঠ ও কার্যকর শাসন পদ্ধতি সুপারিশ করা।
• কমিটি সদস্যবৃন্দ:
- চেয়ারম্যান,
- সদস্য-সচিব,
- ৩ জন কো-অপ্ট করা সদস্য,
- মোট নয় জন সদস্য।
• ১৯৮২ সালের ২২ জুন কমিটির চেয়ারম্যান চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। [লিংক]
১৫,৬৪২.
সম্প্রতি, যুক্তরাজ্যে 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি' পুরস্কারে ভূষিত হন কে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. রুবিনা হামিদ
  2. আবিদা ইসলাম
  3. শারমিন চৌধুরী
  4. শাহীন আনাম
সঠিক উত্তর:
আবিদা ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবিদা ইসলাম
ব্যাখ্যা

উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি পুরস্কার:
- যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি' পুরস্কারে ভূষিত হন। 
- ২৯ জুলাই ২০২৫ তাকে লন্ডনে কর্মরত নারী কূটনীতিকদের পেশাদারিত্ব ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়। 
- লন্ডনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে কর্মরত নারী কূটনীতিকদের বিশেষ ফোরাম 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি সেক্রেটারিয়েট' এই পুরস্কার প্রদান করে। 
- বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম 'চ্যাম্পিয়ন ফর উইমেন রাইটস রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুয়ালিটি' ক্যাটাগরিতে সম্মাননাটি পান।
- কূটনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি নেটওয়ার্ক গঠন করা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

১৫,৬৪৩.
ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় কে ছিলেন?
  1. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  2. জেনারেল ব্যামফিল্ড ফুলার
  3. লর্ড ক্লাইভ
  4. স্যার চার্লস স্টুয়ার্ট বেইলি
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যা

- লর্ড মাউন্টব্যাটেন তিনি ভারতের শেষ ভাইসরয়।

• ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় / গভর্নর:
- ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর: লর্ড ক্লাইভ।
- শেষ গভর্নর: লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
- প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিল- লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
-শেষ গভর্নর জেনারেল: লর্ড ক্যানিং।
- ব্রিটিশ ভারতের প্রথম ভাইসরয়: লর্ড ক্যানিং।
- শেষ ভাইসরয়: লর্ড মাউন্টব্যাটেন।
- লর্ড লিটন, বাংলার গভর্নর (১৯২২-১৯২৭) এবং স্বল্প সময়ের জন্য ভারতের অস্থায়ী ভাইসরয়।
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের ক্রমবিকাশের ক্ষেত্রে লর্ড রিপন উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।

এছাড়াও,
- পূর্ব বাংলার ও আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্যার জেনারেল ব্যামফিল্ড ফুলার।
- পূর্ব বাংলার ও আসামের শেষ লেফটেন্যান্ট জেনারেল- স্যার চার্লস স্টুয়ার্ট বেইলি।

উৎস: ইতিহাস, (প্রথম পত্র) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৬৪৪.
বাংলাদেশের বীমা কোম্পানীর নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি?
  1. IDRA
  2. BIA
  3. BSEC
  4. BB
সঠিক উত্তর:
IDRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IDRA
ব্যাখ্যা
ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA):
- বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA) ২৬ জানুয়ারি, ২০১১ সালে ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি অ্যাক্ট ২০১০ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার ইন্স্যুরেন্স অ্যাক্ট ২০১০ প্রণয়ন করে বীমা ব্যবসার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য।
- IDRA বীমা ব্যবসা তদারকি এবং পলিসি হোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IDRA জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের সুসংগঠিত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA বীমা শিল্পের টেকসই উন্নয়ন এবং গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: IDRA ওয়েবসাইট
১৫,৬৪৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কোন প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়?
  1. ক) আলোর মিছিল
  2. খ) একাত্তরের যীশু
  3. গ) ইনোসেন্ট মিলিয়নস
  4. ঘ) হাঙর নদী গ্রেনেড
সঠিক উত্তর:
গ) ইনোসেন্ট মিলিয়নস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইনোসেন্ট মিলিয়নস
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কলকাতায় মোট চারটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়।
এগুলো হলো:
- স্টপ জেনোসাইড (জহির রায়হান)
- এ স্টেট ইজ বর্ন (জহির রায়হান)
- লিবারেশন ফাইটার্স (আলমগীর কবির)
- ইনোসেন্ট মিলিয়নস (বাবুল চৌধুরী)।

পাকিস্তানী বাহিনী কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যাকে বিশ্বে তুলে ধরা এসব চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্দেশ্য ছিলো। জহির রায়হান এই চারটি চলচ্চিত্রের নামকরণ করেছিলেন জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র হিসেবে।

অন্যদিকে,

- একাত্তরের যীশু : ১৯৯৩ সালে
- হাঙর নদী গ্রেনেড : ১৯৯৭ সালে
- আলোর মিছিল : ১৯৭৪।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১৫,৬৪৬.
বিকল্প নীতি উত্থাপন করে -
  1. সরকারি দল
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সামরিক বাহিনী
  4. বিরোধী দল
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা

বিকল্প নীতি উত্থাপন:
- বিকল্প নীতি উত্থাপন করে বিরোধী দল।
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অতি আবশ্যক।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে, তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে।
- বিরোধী দলের অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে সরকারি নীতিমালাগুলো ভালোভাবে যাচাই বাছাই করা।
- এক্ষেত্রে যদি কোন নীতিমালা জন বান্ধব মনে না হয়, সেক্ষেত্রে বিরোধী দল দেশের স্বার্থে উন্নততর বিকল্প নীতি প্রস্তাব করতে পারে।
- এর মধ্য দিয়ে বিরোধী দল জনগণের নিকট তাদের অবস্থানও স্পষ্ট করতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৬৪৭.
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর যৌথবাহিনীর পক্ষ থেকে আত্মসমর্পণ দলিলে কে স্বাক্ষর করে?
  1. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
  2. মেজর জেনারেল রাও ফরমান
  3. কর্নেল ওসমানী
  4. লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ কে নিয়াজী
সঠিক উত্তর:
জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পূর্বাঞ্চলের কমান্ডার জেনারেল এ কে নিয়াজিকে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
- ১৫ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সংবরণ করে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান।
- ১৬ ডিসেম্বর সকাল সোয়া নয়টার সময় মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের জয়ী ও পরাজিত দুই পক্ষের মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক দলিল স্বাক্ষরিত হয়।
- যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, জিওসি এবং পূর্বাঞ্চলীয় ভারতীয় বাহিনী ও বাংলাদেশ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি ও প্রথম আলো।

১৫,৬৪৮.
বাংলাদেশের ২১ তম রাষ্ট্রপতির নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ১৮ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৮ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
দৈনিক পত্রিকাগুলোতে ২১ তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ হিসেবে কোথাও কোথাও ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং কোথাও কোথাও ১৯ ফেব্রুয়ারির উল্লেখ আছে। অপশনে ১৮ ফেব্রুয়ারি থাকায় এটাকেই উত্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
১৫,৬৪৯.
ময়মনসিংহ কত নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ৫ নং সেক্টর
  2. ৭ নং সেক্টর
  3. ৯ নং সেক্টর
  4. ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
১১ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১১ নং সেক্টর:  
- টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের।
- মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়।
- মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।
- এই সেক্টরে প্রায় ২৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করেছে।
- এই সেক্টরে আটটি সাব-সেক্টর।  
- এই সেক্টরে ব্যাপক গেরিলা অপারেশন পরিচালিত হয়।
- টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা কাদের সিদ্দিকী তার জেলায় ১৬০০০ গেরিলা যোদ্ধা সংগঠিত করেন এবং সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি সফল অভিযান পরিচালনা করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৬৫০.
The smallest administrative unit in the cities of Bangladesh is
  1. ক) Upazilla
  2. খ) Thana
  3. গ) Ward
  4. ঘ) none
সঠিক উত্তর:
গ) Ward
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Ward
ব্যাখ্যা
শহর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:

- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শহর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ১১ টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- এগুলো হল ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, রংপুর ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন।
- নগরায়নের প্রভাবে সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- প্রত্যেক সিটি কর্পোরেশনকে কতগুলো ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশের শহরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট প্রশাসনিক ইউনিট ওয়ার্ড।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একজন মেয়র সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত কাউন্সিলার এবং সর্বমোট কাউন্সিলরদের এক তৃতীয়াংশ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর সমন্বয়ে সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড হতে একজন কাউন্সিলর প্রাপ্তবয়স্কদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি অ নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৬৫১.
মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা সাইমন ড্রিং কোন পত্রিকায় বাংলাদেশের গণহত্যার প্রতিবেদন প্রকাশ করেন?   
  1. ডেইলি টেলিগ্রাফ
  2. ডেইলি মেইল
  3. নিউজ উইকস
  4. রয়টার্স
সঠিক উত্তর:
ডেইলি টেলিগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেইলি টেলিগ্রাফ
ব্যাখ্যা

• অপারেশন সার্চলাইট ও সাইমন ড্রিং:
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকবাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা চালায়।
- ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এ গোপনে অবস্থান করে এই ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন।
- পরে ৩০ মার্চ, ১৯৭১ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'ট্যাংকস ক্রাশ রিভোল্ড ইন পাকিস্তান' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে পাকবাহিনীর এর বর্বরতা বহির্বিশ্বে প্রকাশ করেন।
- ২০২১ সালের ১৬ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
ii) দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা।
iii) সংগ্রামের নোটবুক।

১৫,৬৫২.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. চমক
  2. কাঞ্চন
  3. ময়না
  4. কার্ডিনাল
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চন
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১৫,৬৫৩.
সুন্দরবন কোন ধরনের বন?
  1. ক) রেইন
  2. খ) ম্যানগ্রোভ
  3. গ) কনিয়ার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যানগ্রোভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যানগ্রোভ
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ বন:

- সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বন।
- ম্যানগ্রোভ বলতে উপকূলীয় বনভূমিকে বুঝায়।
- ম্যানগ্রোভ বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- ম্যানগ্রোভ বন জোয়ারভাটায় বিধৌত লবনাক্ত সমতলভূমি।
- উষ্ণমন্ডলীয় ও উপ-উষ্ণমন্ডলীয় অক্ষাংশের আন্তপ্লাবিত আবাসস্থলের সমন্বয়ে ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেম গঠিত।
- এ আন্তপ্লাবিত জলাভূমি বিভিন্ন স্তরের পারষ্পরিক নির্ভরশীল উপাদানসমূহ যেমন- পানি প্রবাহ, পলি, পুষ্টি উপাদান, জৈব পদার্থ এবং জীবজন্তুর সমন্বয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,৬৫৪.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'সোনালিকা' কোন জাতের ফসল?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) ভুট্টা
  4. ঘ) যব
সঠিক উত্তর:
খ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গমের জাত:
- আকরব
- কাঞ্চন
- দোয়েল
- বলাকা
- সোনালিকা
- সৌরভ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১৫,৬৫৫.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি কে ছিলেন?
  1. ক) এম. এ. জি. ওসমানী
  2. খ) তাজউদ্দিন আহমদ
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) এ.কে ফজলুুল হক
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারী। এতে বঙ্গবন্ধু সহ ৩৫ জনকে আসামী করা হয়। কিন্তু প্রবল গণ আন্দোলনের মুখে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী এ মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং আসামীদের মুক্তি দিতে পাক সরকার বাধ্য হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী বোর্ড বই
১৫,৬৫৬.
বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিক উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক কত টাকা মূল্যমানের নতুন নোট বাজারে ছাড়ে?
  1. ক) ২০০
  2. খ) ২৫০
  3. গ) ৩০০
  4. ঘ) ৪০০
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০
ব্যাখ্যা
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৮ মার্চ ২০২০ দুইশত (২০০) টাকা মূল্যমানের প্রচলিত ও স্মারক নোট ইস্যু করে। প্রচলতি নোটে 'মুজিব শতবর্ষ' কথাটি লেখা রয়েছে। তবে ২০২১ সালে থেকে বাজারে কেবল প্রচলিত নোট থাকবে এবং এতে মুজিব শতবর্ষ লেখা থাকবে না। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দৈনিক যুগান্তর)
১৫,৬৫৭.
কোনটি পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক শিল্পের শ্রেণী বিভাজন নয়?
  1. ক) সবুজ
  2. খ) হলুদ
  3. গ) কমলা
  4. ঘ) লাল
সঠিক উত্তর:
খ) হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হলুদ
ব্যাখ্যা
পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র
- ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ক্ষুদ্র, মাঝারি কিংবা বৃহৎ সব ধরনের ব্যবসায় কিংবা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করতে গেলে এই ছাড়পত্র অত্যাবশ্যক। 
- পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদানের উদ্দেশ্যে পরিবেশের উপর প্রভাব বিস্তার এবং অবস্থান অনুযায়ী শিল্প প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পসমূহ চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত হইবে:
ক) সবুজ।
খ) কমলা-ক।
গ) কমলা-খ।
ঘ) লাল।


উৎস: পরিবেশগত-ছাড়পত্রের-জন্য-প্রয়োজনীয়-কাগজপত্র, doe.gov.bd.
১৫,৬৫৮.
What is the growth target of the 8th-Five-Year-Plan?
  1. 7.40%
  2. 8.15%
  3. 8.51%
  4. 8.53%
সঠিক উত্তর:
8.51%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8.51%
ব্যাখ্যা
 ৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%। 
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- যেখানে অর্থবছর ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে (UMIC) উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।
- অর্থবছর ২০৪১ এর মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের (HIC) মর্যাদা লাভ করার রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়।

অন্যদিকে -
- ৭ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭.৪০% এবং অর্জিত প্রবৃদ্ধি ৮.৫১%। 

উৎস: ৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা, portal.gov.bd.
১৫,৬৫৯.
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে কয়টি অধিদপ্তর রয়েছে?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৪টি সংস্থা, ৬টি অধিদপ্তর, ১টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশন কাজ করে। 

৬টি অধিদপ্তর গুলো হলো: 
১.বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন-বিএসটিআই 
২.বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট-বিআইএম 
৩.বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র-বিটাক 
৪.ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন-এনপিও 
৫.পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর-ডিপিডিটি 
৬.প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১]
১৫,৬৬০.
১৯৫৬ সালের সংবিধান কত বছর চালু ছিল?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ সালের সংবিধান:

- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন দ্বারা নতুন রাষ্ট্র পরিচালিত হতে থাকে।
- ১৯৪৬ সালের নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে পাকিস্তান গণপরিষদ গঠিত হয়।
- এই গণপরিষদের দায়িত্ব ছিল একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা।
- ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে সংবিধান রচনার জন্য একটি মূলনীতি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ঘোষণা করা হয়।
- এটি ছিল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার সংবিধান।
- ১৯৫৬ সালে এ সংবিধানের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার নাম পরিবর্তন করে 'পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র' করা হয়।
- এই সংবিধান চালু ছিল মাত্র দু বছর।
- ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করলে সংবিধান স্থগিত করা হয়।
- সংবিধান স্থগিত করার সাথে সাথে পাকিস্তানে সাংবিধানিক শাসনের অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৬৬১.
সংবিধানের কোন তফসিলে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলীর উল্লেখ রয়েছে?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলীর উল্লেখ রয়েছে। 

তফসিলসমূহ: 
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন, 
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত), 
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা, 
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী, 
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭-ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ, 
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা, 
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
১৫,৬৬২.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য শুরু হয় কোথায়?
  1. ঢাকা দায়রা জজ আদালত
  2. ইসলামাবাদে
  3. লাহোরে
  4. ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'। 
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে। 
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫,৬৬৩.
বিবিএস SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল মৃত্যুহার কত?
  1. ক) ৪.৯
  2. খ) ৫.২
  3. গ) ৫.৫
  4. ঘ) ৮.৮
সঠিক উত্তর:
ক) ৪.৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪.৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল মৃত্যুহার ৪.৯। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে স্থূল মৃত্যুহার ৪.৪ এবং গ্রামাঞ্চলে স্থূল মৃত্যুহার ৫.৪। বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার ১৮.১।
(সূত্রঃ SVRS Report-2019, বিবিএস ওয়েবসাইট)
১৫,৬৬৪.
নোবেল পুরস্কার দেয়া হয় কোন দেশ থেকে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. ডেনমার্ক
  4. সুইডেন
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা
• নোবেল পুরস্কার:
- নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেল।
- ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- অর্থনীতিতে নোবেল প্রবর্তন করা হয় ১৯৬৮ সালে।
- শুরুতে পাঁচটি শাখায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হতো।
- ১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে  নোবেল পুরস্কার চালু করা হয়। 
- নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়  সুইডেন থেকে।
- সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর ৩০০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আলফ্রেড নোবেলের স্মরণে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• বর্তমানে মোট ছয়টি শাখায় নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় যথা- 
- চিকিৎসা।
- পদার্থবিদ্যা।
- রসায়ন।
- সাহিত্য।
- শান্তি।
- অর্থনীতি।

উল্লেখ্য,
- রাজনৈতিক ব্যক্তি কিন্তু সাহিত্য নোবেল পায় উইনস্টন চার্চিল।
- দার্শনিক কিন্তু সাহিত্য নোবেল পায় বার্ট্রান্ড রাসেল।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
১৫,৬৬৫.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল?
  1. ১১টি
  2. ২১টি
  3. ৫৪টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
ব্যাখ্যা
  ₻ মুক্তিযুদ্ধ
- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টর ও ৬৪ টি সাবসেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে নৌ সেক্টর ছিলো ১০নং সেক্টর।
- ঢাকা শহর ২নং সেক্টর এবং মুজিবনগর ৮নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
-সেক্টর প্রধানরা সেক্টর কমান্ডার নামে পরিচিত। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী। 
১৫,৬৬৬.
রবি শস্য কোনটি?
  1. ভুট্টা
  2. মিষ্টি কুমড়া
  3. গম
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। আশ্বিন থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম। মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, মতান্তরে মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে। গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আর্দ্রতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

⇒ খরিপ-১ মৌসুম:
- চৈত্র মাস থেকে আষাঢ় মাস (মধ্য মার্চ হতে মধ্য জুলাই) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ বলা হয়। এইসময়কে গ্রীষ্মকালও বলা হয়।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-১ শস্য বলে। যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি।

⇒ খরিপ-২ মৌসুম:
- শ্রাবণ মাস থেকে আশ্বিন মাস (মধ্য জুলাই হতে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ বলে। এই সময় বর্ষাকাল।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-২ শস্য বলে। যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়াও,
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।

উৎস: i) কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৫,৬৬৭.
ব্রিটিশ ভারতের শাসকদের মধ্যে সর্বাধিক সাম্রাজ্যবাদী বিবেচনা করা হয় কাকে?
  1. ক) ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. খ) লর্ড ক্যানিং
  3. গ) লর্ড ডালহৌসি
  4. ঘ) লর্ড হার্ডিঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা

- ব্রিটিশ ভারতের শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাম্রাজ্যবাদী বিবেচনা করা হয় লর্ড ডালহৌসিকে।
- তার শাসনের মূলনীতিই ছিলো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার ও সুদৃঢ়করণ। তিনি ১৮৪৮ সাল থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- তিনি স্বত্ববিলোপ নীতি প্রবর্তন করেন এবং এর মাধ্যমে ঝাঁসি, সাঁতারা, ছোট নাগপুর, উদয়পুর, সম্বলপুর, অযোধ্যা প্রভৃতি রাজ্য জোরপূর্বক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন।
- তবে তার সময়ে রেললাইন ও টেলিগ্রাফ চালু হয় এবং বিধবা বিবাহ আইন প্রণয়নের মতো অনেক উন্নয়ন ও সংস্কারও সাধিত হয়।
- ডালহৌসি ব্যতীত লর্ড ওয়েলেসলি এবং রবার্ট ক্লাইভকেও ঘোর সাম্রাজ্যবাদী বিবেচনা করা হয়।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

১৫,৬৬৮.
'আমি শেখ মুজিব' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. আনিসুর রহমান
  2. আনিসুল হক
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. ড. মযহারুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
আনিসুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনিসুর রহমান
ব্যাখ্যা
আমি শেখ মুজিব:
- 'আমি শেখ মুজিব' গ্রন্থটির রচয়িতা আনিসুর রহমান।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি জাতির আধুনিক রূপকার, একটি রাষ্ট্রের স্থপতি।
- প্রত্যন্ত জনপদ টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নিয়ে কিভাবে তিনি ধাপে ধাপে বাঙালির জাতিরাষ্ট্রের স্থপতি হলেন, দেশ ও দেশের মানুষকে মুক্তির পথ দেখালেন, তার অনেকটা নানাভাবে উঠে এসেছে।
- বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় তাঁর মনের কি অবস্থা, তা কিছুটা ঘটনা পরস্পরায়, কিছুটা কল্পনায়, গদ্যে পদ্যে মিলিয়ে লেখা এপিক মনোলগ ’আমি শেখ মুজিব।
- মহাকাব্য ও মঞ্চনাটকের বৈশিষ্ট্য অক্ষুন্ন রেখে স্বগতসংলাপটিতে ভারতবর্ষের বিশ শতকের ইতিহাসের ঘটনাক্রম এবং বাংলাদেশের জন্মের গল্প উপজীব্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন লেখক আনিসুর রহমান।
- তিনি জানান, মহাকাব্যের নায়ক বঙ্গবন্ধুর প্রয়াণের মধ্য দিয়ে স্বগতসংলাপটি শেষ হয়েছে।
- এপিক মনোলগটির মূল বাংলা ভাষ্য বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আর্টস বিভাগ ২০১৬ সালে প্রথম প্রকাশ করে।
- বাংলাদেশের অনন্যা প্রকাশনী পরে এটি বই আকারে প্রকাশ করে।
- ইতোমধ্যে ‘এপিক মনোলগটি কয়েকটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে, নাট্যকলার পাঠ্যসূচিত অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এবং মঞ্চায়িত হয়েছে।

উৎস: i) আমি শেখ মুজিব।
         ii) ১৪ ডিসেম্বর ২০২২, বাসস।
১৫,৬৬৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ সংশোধনী কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত ছিল?
  1. সামরিক শাসনের বৈধতা প্রদান
  2. স্থানীয় সরকারের গঠন
  3. প্রধান বিচারপতির নিয়োগ
  4. উপ-রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
উপ-রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপ-রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ সংশোধনী:
- ১৯৮১ সালের ১০ জুলাই। 
- উপ-রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচনযোগ্য পদের যোগ্যতাদান।
- উপরাষ্ট্রপতি নিয়োগযোগ্য হলেও তাকে প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত ব্যাক্তিরূপে নির্বাচনযোগ্য পদের যোগ্যতা হারাতে হবে না বলে বিধান করা হয়।

বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- ১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭ বার বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধিত হয়েছে।
- ১৯৭৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- সর্বশেষ ২০১৮ সালে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী গৃহিত হয়।
- সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৬৭০.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় কবে?
  1. ১৬ এপ্রিল ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯ এপ্রিল ১৯৬৮ সালে
  3. ২১ এপ্রিল ১৯৬৮ সালে
  4. ২৪ এপ্রিল ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২১ এপ্রিল ১৯৬৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ এপ্রিল ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:

- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য"। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ.রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫,৬৭১.
এসডিজি ৪ (SDG 4)–এর মূল লক্ষ্য কী?
  1. স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন
  2. মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা

♠ এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো:
-
SDG-এর পূর্ণরূপ হলো Sustainable Development Goals (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা)।
- এতে মোট ১৭টি লক্ষ্য রয়েছে।
- এটি জাতিসংঘের একটি বৈশ্বিক লক্ষ্য যা ২০৩০ সালের মধ্যে সকল মানুষের জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোর ৪ নম্বর লক্ষ্য হলো মানসম্মত শিক্ষা (Quality Education).
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো : সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সমতাভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা।

উল্লেখ্য, 
-  এই লক্ষ্যের মধ্যে প্রধান বিষয়গুলো হলো:
• ২০৩০ সালের মধ্যে সব ছেলে-মেয়ের জন্য বিনামূল্যে, সমান ও মানসম্মত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা।
•  শিশুর প্রাথমিক বিকাশ, যত্ন ও মানসম্মত প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষায় সকল শিশুর প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।
•  নারী-পুরুষ সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, যাতে তারা শিক্ষার মাধ্যমে উন্নত জীবন অর্জন করতে পারে।
• কর্মসংস্থান, ভালো চাকরি এবং উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক দক্ষতা অর্জনে যুবক ও প্রাপ্তবয়স্কদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।
• লিঙ্গ বৈষম্য ও প্রতিবন্ধী, আদিবাসী ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুসহ দুর্বল জনগোষ্ঠীর শিক্ষায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
• সব যুবক ও প্রাপ্তবয়স্ককে সাক্ষরতা এবং মৌলিক গণিত দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা।
•  মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা, শান্তি ও অহিংসা, বিশ্ব নাগরিকত্ব এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ধারণা সম্পর্কিত শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
• শিশু ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা এবং যোগ্য শিক্ষকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।
- এই সব লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে সবাই উন্নত জীবন লাভ করতে পারবে এবং দেশের টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি হবে।

উৎস: Sustainable Development Official Website.

১৫,৬৭২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণা করা হয় ১৯৭১ এর -
  1. ২ মার্চ
  2. ৪ মার্চ
  3. ৭ মার্চ
  4. ৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মার্চ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার:
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ঢাকার পল্টন ময়দানে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে বিকালে ছাত্রলীগ সভাপতি নুরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশাল ছাত্র জনসভা।
- এ সভায় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ বঙ্গবন্ধুর সামনে পাঠ করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার এবং সভার ঘোষণাপত্র ও প্রস্তাব পাঠ করেন এম এ রশিদ।
- এ ইশতেহারে বলা হয় ‘৫৪ হাজার ৫০৬ বর্গ মাইল বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকার সাত কোটি মানুষের জন্য আবাসভূমি হিসেবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাম বাংলাদেশ।

⇒  স্বাধীনতার ইশতেহারে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনের তিনটি লক্ষ্য চিহ্নিত করা হয়।
- লক্ষ্য তিনটি হলো:
১. স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন করে পৃথিবীর বুকে একটি বলিষ্ঠ বাঙালি জাতি সৃষ্টি করা হবে,
২. স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন করে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি চালু করা হবে এবং
৩. স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন করে ব্যক্তি, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাসহ নির্ভেজাল গণতন্ত্র কায়েম করা হবে।

উল্লেখ্য,
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয়।
- এ সভায় বঙ্গবন্ধু অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন।
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত নির্বাচিত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৬৭৩.
পাহাড়ের প্রধান উৎসব বৈসাবি পালিত হয়-
  1. ক) পৌষ মাসে
  2. খ) মাঘ মাসে
  3. গ) চৈত্র মাসে
  4. ঘ) বৈশাখ মাসে
সঠিক উত্তর:
গ) চৈত্র মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চৈত্র মাসে
ব্যাখ্যা
বৈসাবি উৎসব:
- পাহাড়ের প্রধান উৎসব বৈসাবি।
- পাহাড়ের প্রধান উৎসব বৈসাবি পালিত হয়- চৈত্র মাসে
- পাহাড়ের প্রধান তিন সম্প্রদায় ভিন্ন ভিন্ন নামে উৎসবটি পালন করে।
- পাহাড়ের এই উৎসবকে ত্রিপুরারা বলে ‘বৈসুক’, মারমারা বলে ‘সাংগ্রাই’ আর চাকমারা বলে ‘বিঝু’।
- ত্রিপুরাদের বৈসুক থেকে ‘বৈ’, মারমাদের সাংগ্রাই থেকে ‘সা’, আর চাকমাদের বিজু থেকে ‘বি’ একত্রে ‘বৈসাবি’ নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
১৫,৬৭৪.
বাংলাদেশ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জয়দেবপুর
  2. খ) ঈশ্বরদী
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
গ) সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাভার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকার সাভারে অবস্থিত।
প্রধান কার্যালয় ব্যতীত সিরাজগঞ্জ, বান্দরবান, রাজশাহী, যশোর ও ফরিদপুরে এর আরো ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে।
এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যা মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা প্রাণী ও পোল্ট্রিসম্পদ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা প্রাণী ও পোল্ট্রি সম্পদ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
(সূত্রঃ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
১৫,৬৭৫.
কোন ভাষা সৈনিক ১৯৫২ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়?
  1. বরকত
  2. সালাম
  3. রফিক
  4. শফিউর
সঠিক উত্তর:
শফিউর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শফিউর
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন: 
- ১৯৫২ সালের ২৬শে জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন জিন্নাহর অনুকরণে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার নতুন ঘোষণা প্রদান করেন।
- এর প্রতিবাদে ছাত্র সমাজ ৩০শে জানুয়ারি ধর্মঘট পালন করে।
- আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- ৩১শে জানুয়ারি কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে নতুনভাবে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। 
- ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্র বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়।

- ২১শে ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘট এবং ঐদিন রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- কারাবন্দি নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ২১শে ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি পালনে ছাত্র ও আওয়ামী মুসলিম লীগের নেতা-কর্মীদের ডেকে পরামর্শ দেন।
- ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সহবন্দি মহিউদ্দিন আহমেদকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ফরিদপুর জেলে স্থানান্তর করা হয়।

- সেখানে মহিউদ্দিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজবন্দিদের মুক্তি ও রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করলে আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে। 
- ২০শে ফেব্রুয়ারি সরকারি এক ঘোষণায় ২১শে ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
- আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

- ২১শে ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় (বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগের পাশে) একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। 
- একপর্যায়ে পুলিশ গুলি বর্ষণ করলে আবুল বরকত, জব্বার, রফিক, সালামসহ আরও অনেকে শহিদ হন।
- ২২শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিশাল শোক র‍্যালি বের হয়। সেখানে পুলিশের হামলায় শফিউর রহমান শহিদ হন।
- শহিদদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকায় ২৩শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতা মেডিকেল কলেজের সামনে একটি শহিদ মিনার নির্মাণ করে এবং শফিউরের পিতাকে দিয়ে ঐ দিনই তা উদ্বোধন করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৬৭৬.
মুজিবনগর স্মৃতি সৌধ কোন জায়গায় অবস্থিত?
  1. মেহেরপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. চুয়াডাঙ্গা
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর স্মৃতি সৌধ:

- মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।
-
স্থপতি - তানভীর কবির।
- ১৯৭১ সালে মুজিবনগরে প্রবাসী সরকারের শপথগ্রহণের স্মৃতি রক্ষার্থে এটি নির্মিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় এবং ১৯৮৭ সালের ১৭ এপ্রিল তা উদ্বোধন করা হয়।
- এই সৌধে ২৩টি ত্রিকোণাকৃতি স্তম্ভ রয়েছে যা পাকিস্তান আমলের ২৩ বছরকে নির্দেশ করে। সামগ্রিকভাবে এতে উদীয়মান সূর্যের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়কে বুঝানো হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৬৭৭.
‘শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ’ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি
সঠিক উত্তর:
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ:
- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের প্রথম নামকরণ করা হয়েছিল ‘বিজয় তোরণ’।
- গত বছরের ৩০ জুন ওই নামে নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনও করা হয়।
- ৫ আগস্টের পর নির্মাণাধীন ওই ফটকের নাম ‘শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ’ রাখেন শিক্ষার্থীরা।
- লাল রং দিয়ে দেয়ালে তাঁরা নামটি লিখেও রাখেন।
- সেই নামেই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক গতকাল রোববার দুপুরে উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় নিহত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমানের (মুগ্ধ) স্মৃতি রক্ষার্থে ‘শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ’ নামকরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ডিসিপ্লিনের ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন মীর মাহফুজুর রহমান (মুগ্ধ)।
- গত বছরের মার্চে স্নাতক শেষ করে তিনি খুলনা ছেড়ে ঢাকায় চলে যান।
- ১৮ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি।
- মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত তিনি আন্দোলনরত ক্লান্ত-শ্রান্ত শিক্ষার্থী-জনতাকে ‘ভাই, পানি লাগবে? পানি?’ বলছিলেন।

উৎস: প্রথম আলো।
১৫,৬৭৮.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশ পাওয়া ‘শেখ হাসিনা: অ্যা ট্রু লিজেন্ড' প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছেন -
  1. ক) নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  2. খ) রায়হান রাফি
  3. গ) দীপংকর দীপন
  4. ঘ) আয়শা এরিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়শা এরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়শা এরিন
ব্যাখ্যা
‘শেখ হাসিনা: অ্যা ট্রু লিজেন্ড' 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশ পাওয়া ‘শেখ হাসিনা: অ্যা ট্রু লিজেন্ড' প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছেন আয়শা এরিন।

প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটিতে বিদেশি গণমাধ্যম যেভাবে শেখ হাসিনার জীবন পরিক্রমাকে দেখে, তা স্থান পেয়েছে। একজন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব নিয়ে গবেষণা করে তাঁর রাজনীতিক হতে পারা এবং শাসক হতে পারার কী কী গুণাবলি-চরিত্র নিয়ে অদম্য সত্তা হতে পেরেছেন, তা জায়গা করে নিয়েছে। মূলত মাননীয় প্রধান্মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রজন্মের কাছে কিংবা অনাগত প্রজন্মের জন্য তুলে ধরার জন্যই এই প্রয়াস।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ ও দৈনিক ইত্তেফাক।
১৫,৬৭৯.
মন্ত্রিসভা কার নিকট যৌথভাবে দায়ী থাকেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জনগণ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী,
- মন্ত্রিসভা সংসদের নিকট যৌথভাবে দায়ী থাকে।
- অর্থাৎ, সরকারের নীতিমালা ও কার্যক্রমের জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সকল মন্ত্রী সংসদের কাছে সম্মিলিতভাবে জবাবদিহি করতে বাধ্য।
- যদি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করে, তবে পুরো মন্ত্রিসভাকেই পদত্যাগ করতে হয়।
- এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংসদ কার্যত সরকারের ওপর নজরদারির দায়িত্ব পালন করে।
- এই দায়বদ্ধতা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করে, যাতে জনগণের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরকার পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়।
- অতএব, মন্ত্রিসভার কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্তের জন্য তারা দলীয়ভাবে নয়, বরং সমগ্র মন্ত্রিসভা হিসেবে সংসদের প্রতি দায়বদ্ধ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৫,৬৮০.
প্রাচ্যের ডান্ডি নামে খ্যাত কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. টঙ্গী
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

নারায়ণগঞ্জ

⇒ ১৭৬৬ সালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা বিকন লাল পান্ডে (বেণুর ঠাকুর বা লক্ষীনারায়ণ ঠাকুর নামেও পরিচিত) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নিকট থেকে এ অঞ্চলের মালিকানা গ্রহণ করেন।

- তিনি প্রভু নারায়ণের সেবার ব্যয়ভার বহনের উদ্দেশ্যে একটি দলিল প্রণয়ন করেন।
- সেই দলিলের মাধ্যমে শীতলক্ষা নদীর তীরে অবস্থিত মার্কেটকে দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এর ফলেই পরবর্তীকালে এ স্থানের নাম হয় নারায়ণগঞ্জ।
- সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত প্রাচীন বাংলার মানচিত্রে নারায়ণগঞ্জ নামের কোনো নগরীর অস্তিত্ব পাওয়া যায় না।
- নারায়ণগঞ্জ নামকরণের পূর্বে সোনার গাঁ ছিল প্রাচীন বাংলার রাজধানী।
- মুসলিম আমলের সোনার গাঁ নামের উদ্ভব প্রাচীন সুবর্ণগ্রামকে কেন্দ্র করেই।
- বহু অঞ্চলে মুসলিম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ঢাকা নগরের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ববঙ্গের প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল সোনার গাঁ।

- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নারায়ণগঞ্জে আগমনের পর উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী নদীপথে নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে সমুদ্রপথের চট্টগ্রাম বন্দর ও কলকাতার যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- বিভিন্ন নদীপথে নৌ-পরিবহন ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- তখন কলকাতা ও আসাম থেকে যাত্রী ও মালামাল নিয়ে স্টিমার নারায়ণগঞ্জ নৌবন্দরে ভিড়ত।
- সে সময় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে ভ্রমণের একমাত্র প্রধান পথ ছিল নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর।
- এ কারণেই নারায়ণগঞ্জকে বাংলা ভ্রমণের প্রবেশদ্বার বলা হতো।
- প্রাচ্যের ড্যান্ডিখ্যাত নারায়ণগঞ্জে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছিল ব্রিটিশ আমল থেকেই।
- হাজার বছরের ব্যবসার ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ীরা।
- মসলিন কাপড় উৎপাদনের কারণে দুনিয়াজুড়ে নাম ছড়িয়ে পড়েছিল নারায়ণগঞ্জের।
- একসময় পাটের ব্যবসার আধিপত্য ছিল নারায়ণগঞ্জে।
- যে কারণে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম পাটকল আদমজী জুট মিল গড়ে উঠেছিল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বণিক বার্তা।

১৫,৬৮১.
১০০০ টাকার নোটে স্বাক্ষর থাকে-
  1. ক) অর্থ মন্ত্রীর
  2. খ) অর্থ সচিবের
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর
  4. ঘ) গভর্নরের
সঠিক উত্তর:
ঘ) গভর্নরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গভর্নরের
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট গুলো হলঃ ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংক নোটের সংখ্যা ৭ টি। এগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। সরকারি নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। সূত্র-প্রথম আলো পত্রিকা।
১৫,৬৮২.
AIIB কোন দেশগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করে?
  1. ইন্দোপ্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোর
  2. এশিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর
  3. আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর
  4. ব্রিকস ভুক্ত দেশগুলোর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর
ব্যাখ্যা

• AIIB:
- AIIB-এর পূর্ণরূপ: Asian Infrastructure Investment Bank বা এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো এশিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলির অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করা।
- এই ব্যাংকটি চীনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এবং চীন AIIB-এর প্রতিষ্ঠায় মূল ভূমিকা পালন করে।
- এই ব্যাংকটি জানুয়ারি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর বেইজিং, চীন-এ অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠার সময় এর সদস্য দেশ ছিল ৫৭টি, কিন্তু বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১১০টি। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: AIIB ওয়েবসাইট।

১৫,৬৮৩.
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ৬০০ মেগাওয়াট
  2. ৬২০ মেগাওয়াট
  3. ৬৪০ মেগাওয়াট
  4. ৬৬০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
৬৬০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৬০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে:
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)
- বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয় -২৪ অক্টোবর, ২০২৩।
- শুরুতে দ্বিতীয় ইউনিটে ৬৬০ মেগাওয়াটের মধ্যে ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।
- ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট রয়েছে।

→ তথ্যসূত্র: বিদ্যুৎ বিভাগ ও প্রথম আলো।
১৫,৬৮৪.
BITAC নিম্নের কোনটি নিয়ে কাজ করে?
  1. ক) ভোক্তার অধিকার প্রতিষ্ঠা
  2. খ) উৎপাদিত পণ্যের মান উন্নয়ন
  3. গ) ব্যবসা বাণিজ্যের সম্প্রসারণ
  4. ঘ) শিল্পক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরি
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিল্পক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিল্পক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র-বিটাক (Bangladesh Industrial and Technical Assistance Center-BITAC): 
দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করে আসছে বিটাক। এর ফলে শিল্পক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরিসহ গবেষণার মাধ্যমে আমদানি বিকল্প যন্ত্রাংশ তৈরি করার মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করে আসছে বিটাক।
 
-২৬-০৫-১৯৬২ তারিখের Resolution No. C & P-9 (11)/62 দ্বারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠিত Pakistan Industrial Technical Assistance Center (PITAC) কে স্বাধীনতাত্তোর ১৯৭২ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) হিসাবে নামকরণ করা হয় । 

- ২০১৯ সালের ১৯ নং আইন এর অধীন বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)/ Bangladesh Industrial Technical Assistance Center (BITAC)-কে মহান জাতীয় সংসদে সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। আইন এর ৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শিল্প সচিবের নেতৃত্বে ১১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ দ্বারা বিটাক পরিচালিত হচ্ছে। 

উৎস: বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র ওয়েবসাইট (bitac.gov.bd)
১৫,৬৮৫.
পাকিস্তানি বাহিনী কোথায় আত্মসমর্পণ করেছিল?
  1. ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  2. পিলখানায়
  3. রেসকোর্স ময়দানে
  4. রাজারবাগে
সঠিক উত্তর:
রেসকোর্স ময়দানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেসকোর্স ময়দানে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সকালে মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়।
- প্রতি বছর এই দিনটি "বিজয় দিবস" হিসাবে পালিত হয়।

এছাড়াও,
- এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৬৮৬.
বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয় - 
  1. ক) ২০১৩ সালে
  2. খ) ২০১৪ সালে
  3. গ) ২০১৫ সালে
  4. ঘ) ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
• ছিটমহল:
- একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় অবস্থিত অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকাই ছিটমহল নামে পরিচিত।
-  ২০১৫ সালের পূর্বে ভারত বাংলাদেশ এর মধ্যাকার সর্বমোট ১৬২ টি ছিটমহল ছিল।
- ০১ আগষ্ট, ২০১৫ সালের রাত ১২:০১ মিনিটে ভারত বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অংশ হিসাবে নিজেদের ছিটমহলগুলো পরস্পরের সাথে বিনিময় করে।
- ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল ভারতের অভ্যন্তরে।
- বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হন ভারতের ১১১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হন বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- দাশিয়ারছড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ১৬২টি বিলুপ্ত ছিটমহলের মধ্যে আয়তন ও লোকসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড়।

উৎস: প্রথম আলো এবং  বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
১৫,৬৮৭.
বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল আছে -
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৬৮৮.
ইউনেস্কো বাংলাদেশে মোট কতটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

◊ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে স্বীকৃতি দেয়া:
- ইউনেস্কো বাংলাদেশে মোট ৩টি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে স্বীকৃতি দিয়েছে:
- এর মধ্যে ২টি সাংস্কৃতিক ও ১টি প্রাকৃতিক ঐতিহ্য।
- এই তিনটি স্থান হলো: পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (সাংস্কৃতিক),
- বাগেরহাটের মসজিদ শহর (সাংস্কৃতিক) এবং
- সুন্দরবন (প্রাকৃতিক)।

উল্লেখ্য,
⇔ সোমপুর মহাবিহার:
- সোমপুর মহাবিহার, বা পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় ৩২২তম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৮৫ সালে এটি এই মর্যাদা লাভ করে।
 দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহার হিসেবে স্বীকৃত এই স্থাপনাটি অষ্টম শতাব্দীতে পাল সম্রাট ধর্মপাল নির্মাণ করেছিলেন।
⇔ মসজিদের শহর বাগেরহাট:
-১৯৮৫ সালে মসজিদের শহর বাগেরহাট ইউনেস্কোর “ঐতিহাসিক মসজিদের শহর” হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- শহরটির স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণেই এটি তালিকাভুক্ত হয়।
- একই বছরে ইউনেস্কো বাগেরহাটকে ৩২১তম বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
- এই শহরটি বিশেষভাবে বিখ্যাত প্রায় ৩৬০টিরও বেশি মসজিদ, পাশাপাশি বহু সরকারি স্থাপনা, সমাধি, সেতু, সড়ক ও জলাধারের জন্য - যার মধ্যে ষাটগম্বুজ মসজিদ সর্বাধিক পরিচিত।
⇔ সুন্দরবন:
- সুন্দরবন ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে তালিকায় ৭৯৮তম স্থান অর্জন করে। -বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, সমৃদ্ধ ও বিরল জীববৈচিত্র্য, এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রধান আবাসস্থল হওয়ার কারণে সুন্দরবনকে এই মর্যাদা প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।

১৫,৬৮৯.
Which of the following is the number one constituency in the National Parliament of Bangladesh?
  1. Kishoreganj
  2. Cox's Bazar
  3. Panchagarh
  4. Dhaka
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Panchagarh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Panchagarh
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা।
- এককক্ষ বিশিষ্ট এ আইনসভা।
- সদস্য সংখ্যা ৩৫০ জন।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন ৫০টি।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।
- জাতীয় সংসদের - ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- চট্রগ্রাম জেলায় সংসদীয় আসন ১৬টি।
- রাজশাহী জেলায় সংসদীয় আসন ৬টি।
- কুমিল্লা জেলায় সংসদীয় আসন ১১টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৬৯০.
২০১৮-১৯ অর্থবছরে সংশোধিত এডিপি’র আকার সর্বমোট-
  1. ক) ১,৮৬,৬১৯.৭১ কোটি টাকা
  2. খ) ১,৫৬,৬১৯.৭১ কোটি টাকা
  3. গ) ১,৭৬,৬১৯.৭১ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২,০২,৭২১.০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ১,৭৬,৬১৯.৭১ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১,৭৬,৬১৯.৭১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০১৮-১৯ অর্থবছরে সংশোধিত এডিপি’র আকার সর্বমোট ১,৭৬,৬১৯.৭১ কোটি টাকা।
১৫,৬৯১.
দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. ভোলা
  3. কক্সবাজার
  4. মুন্সিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মুন্সিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
ঔষধ পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানকার কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ দিয়েই দেশের বাজারে চাহিদা পূর্ণ করে রপ্তানিও করে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
- রাজধানীর অদূরে মেঘনা নদীর পার ঘেঁষে গড়ে ওঠা মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে দেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক।
- ঢাকা থেকে ৩৭ কিলোমিটার দূরত্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে উপজেলার বাউশিয়া মৌজায় ২০০ একর জমির ওপর বাস্তবায়ন হচ্ছে প্রকল্পটি।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় এপিআই শিল্প পার্কটির।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন।
১৫,৬৯২.
সুজন সংগঠনটি প্রথম কী নামে আত্মপ্রকাশ করে?
  1. ইএফই
  2. সিএফই
  3. পিএফই
  4. এসএফই
সঠিক উত্তর:
সিএফই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিএফই
ব্যাখ্যা
সুজন:
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ১২ নভেম্বর ২০০২ তারিখে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে।

উল্লেখ্য,
- প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।
- এটি একটি নির্দলীয় স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক উদ্যোগ।
- একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকেই এর সৃষ্টি।
- এই উদ্যোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে ও অর্থায়নেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

উৎস: সুজন ওয়েবসাইট।
১৫,৬৯৩.
নিচের কোনটি রবিশস্য?
  1. ক) কাঁঠাল
  2. খ) আমন ধান
  3. গ) পাট
  4. ঘ) বোরো ধান
সঠিক উত্তর:
ঘ) বোরো ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বোরো ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম বা শীতকালীন শস্য ধরা হয়।
রবি মৌসুমে উৎপন্ন ফসলের মধ্যে রয়েছে:
- বোরো ধান
- গম
- মসুর ডাল
- যব
- সরিষা
- পেঁয়াজ
- মটরশুঁটি প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- পাট ও কাঁঠাল : খরিপ-১ মৌসুম ফসল
- আমন ধান : খরিপ-২ মৌসুম ফসল।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১৫,৬৯৪.
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩ অনুযায়ী BPSC গঠিত হবে -
  1. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৫ জন ও অনূর্ধ্ব ১৫ সদস্যের সমন্বয়ে।
  2. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে।
  3. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৭ জন ও অনূর্ধ্ব ২১ সদস্যের সমন্বয়ে।
  4. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৮ জন ও অনূর্ধ্ব ২২ সদস্যের সমন্বয়ে।
সঠিক উত্তর:
১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে।
ব্যাখ্যা
কর্ম কমিশন আইন:
- জাতীয় সংসদে ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন-২০২৩ বিল’ পাস হয়েছে।
- কোনো পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায়ে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদন্ড এবং অর্থদন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
- ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে
- কমিশন প্রজাতন্ত্রের জনবল নিয়োগের উদ্দেশে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান সাপেক্ষে পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতি ও শর্তাবলি নির্ধারণ করতে পারবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।[লিঙ্ক]
১৫,৬৯৫.
“আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২২” পেয়েছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) BARD
  2. খ) BANI
  3. গ) BRDB
  4. ঘ) BPUD
সঠিক উত্তর:
ক) BARD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) BARD
ব্যাখ্যা
BARD: 
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে পল্লী উন্নয়ন বিষয়ে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও প্রায়োগিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে কুমিল্লা জেলার কোর্টবাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আখতার হামিদ খান ৷
- পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে অসামান্য অবদানের জন্য “আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২২” লাভ করেছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)।
- আন্তঃমহাদেশীয় আন্তর্জাতিক সংস্থা সিরডাপ ২০২১ সালে সংস্থাটির প্রথম প্রধান নির্বাহী জনাব আজিজ-উল-হকের সন্মানে “আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড” চালু করে।
- ২০২১ সালে উক্ত পদক লাভ করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: বার্ড এর ওয়েবসাইট।
১৫,৬৯৬.
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন:
- ১৯৭২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- শিপিং কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠার পরপরই বাংলার দূত এবং বাংলার সম্পদ নামের দুটো সমুদ্রগামী জাহাজ বিএসসিতে সংযোজিত হয়।
- তারপর থেকে বিএসসি এ যাবত সর্বমোট ৪৪টি জাহাজ সংগ্রহ করে।
- তবে জাহাজের স্বাভাবিক বয়সজনিত কারণে এবং বাণিজ্যিকভাবে অলাভজনক বিবেচিত হওয়ায় বিভিন্ন পর্যায়ে ৩৬টি জাহাজ বিক্রি বা স্ক্র্যাপ করা হয়।
- বর্তমানে ৮টি জাহাজের মিশ্র বহর নিয়ে বিএসসি সমুদ্রপথে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের পতাকা বহন করছে।

⇒ সাত সদস্যের একটি পরিচালনা পরিষদের মাধ্যমে বিএসসি পরিচালিত হয়।
- নৌপরিবহণ মন্ত্রী পদাধিকার বলে সংস্থাটির চেয়ারম্যান।
- বিএসসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এছাড়া ঢাকা ও খুলনায় দুটি সাব অফিস রয়েছে। 
- বহির্বিশ্বে মালামাল আনা-নেয়ার সুবিধার্থে সিঙ্গাপুর ও লন্ডনে দুটি আঞ্চলিক অফিস খোলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৫,৬৯৭.
পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয় কোথায়?
  1. রোজ গার্ডেন
  2. রেইসকোর্স
  3. আরমানিটোলা
  4. টিকাটুলি
সঠিক উত্তর:
আরমানিটোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরমানিটোলা
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ
- নতুন দল গঠনের তৎপরতা ও প্রস্তুতির পর ১৯৪৯ সালের ২৩-২৪শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেন নামের একটি বাড়িতে কর্মী সম্মেলন হয়।
- ৩০০ জন শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।
- সভায় সর্বসম্মতভাবে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- মাওলানা ভাসানীকে সভাপতি, শামসুল হককে সম্পাদক এবং শেখ মুজিবুর রহমান ও খন্দকার মোশতাক আহমদকে যুগ্ম সম্পাদক করে ৪০ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ঢাকার আরমানিটোলায় ২৪শে জুন সদ্য গঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। 
- ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করে দলের নাম ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’ করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই দলটি বাঙালিদের প্রধান রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৬৯৮.
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তিত নাম কী?  
  1. মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রণালয় 
  2. নারী ও শিশু কল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  3. নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়
  4. নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রণালয় 
সঠিক উত্তর:
নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন: 
- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। 

- ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ করা হলেও এর ইংরেজি নাম অপরিবর্তিত থাকছে।
- এ মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম (Ministry of Women and Children Affairs (MoWCA) অপরিবর্তিত থাকবে।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ। 

১৫,৬৯৯.
বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয় কোন যুদ্ধের মাধ্যমে?
  1. বক্সারের যুদ্ধ
  2. পলাশীর যুদ্ধ
  3. পানিপথের যুদ্ধ
  4. হলদিঘাটের যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
পলাশীর যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলাশীর যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
পলাশী যুদ্ধ:
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল।
- প্রধান সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন।
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক।
- এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- নবাবের পক্ষে সৈন্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫ হাজার।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষে ছিল মাত্র ৩ হাজার।
- জেতার সব ধরণের সুযোগ সুবিধার পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- ইংরেজরা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।
- অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে,
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে নবাব মীর কাসিম ও তাঁর মিত্রশক্তির সাথে ইংরেজদের এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে। এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।
- পানিপথের প্রথম যুদ্ধ ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে বাবর ও ইব্রাহিম লোদীর মধ্যে সংগঠিত হয়। যুদ্ধে লোদী পরাজিত হন এবং মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত করেন বাবর। 
- ১৫৭৬ সালের ১৮ জুন রাজস্থানের রাজসমন্দ জেলার হলদিঘাটিতে মেবার ও মোঘলদের মধ্যে হওয়া যুদ্ধটি ইতিহাসে হলদিঘাটের বা হলদিঘাটির যুদ্ধ নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৭০০.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্য মোট কতজনকে বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ১৭৫ জন
  2. ১৭৬ জন
  3. ১৭৭ জন
  4. ১৭৮ জন
সঠিক উত্তর:
১৭৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।