বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৫৬ / ৩০৬ · ১৫,৫০১১৫,৬০০ / ৩০,৮৩২

১৫,৫০১.
সংবিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ বা গ্যারান্টি প্রদানের বিল
  2. সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা সংক্রান্ত বিল
  3. সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ সংক্রান্ত বিল
  4. স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল
ব্যাখ্যা

- স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে না। 

অর্থবিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- সরকার যদি দেশের উন্নয়নের জন্য কোন ঋণ গ্রহণ করেন এবং এই সম্পর্কিত কোন বিল সংসদে উত্থাপন করেন তাহলে সেই বিলকে অর্থবিল বলে। 

⇒ ৮১ (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলতে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝবে:
- (ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
- (খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টি দান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
- (গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
- (ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
- (ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
- (চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।

⇒ ৮১ (২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হয়েছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলে গণ্য হবে না।

⇒ ৮১ (৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁর নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫০২.
অলিম্পিক গেমসে স্থান পাওয়া ‘স্টেপস’ নামের ভাস্কর্যটি নির্মান করেন কে? 
  1. নভেরা আহমেদ
  2. হামিদুর রহমান খান
  3. হামিদুজ্জামান খান
  4. রশিদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা

• ‘স্টেপস’ ভাস্কর্য: 
- ‘স্টেপস’ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছেন হামিদুজ্জামান খান। 
- এর থিম হলো স্বাধীনতা ও অগ্রগতির ধাপ / steps to freedom and progress।
- ভাস্কর্যটি ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে Olympic Sculpture Park-এ স্থাপিত হয়েছে, যা ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে।

• হামিদুজ্জামান খান: 
- হামিদুজ্জামান খান বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যের পথিকৃৎদের একজন। 
- তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে 'পাখি পরিবার',
- ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে 'মুক্তিযোদ্ধা',
- ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় 'জাগ্রত বাংলা'এবং
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন। 
- ২০০৬ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। 
- ২০২৫ সালের ২০ জুলাই মারা যান।
 
তথ্যসূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ও প্রথম আলো।  

১৫,৫০৩.
মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর কোনটি?
  1. জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. উপজেলা নির্বাহী
  3. বিভাগীয় কমিশনার
  4. জেলা প্রশাসক
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় কমিশনার
ব্যাখ্যা

→ বিভাগীয় প্রশাসন:
- মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তরের - বিভাগ।
- প্রতিটি বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন বিভাগীয় কমিশনার।
- বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কাজ তদারক করেন।

→ জেলা প্রশাসন:
- জেলা প্রশাসন মাঠ বা স্থানীয় প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর।
- এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন জেলা প্রশাসক।
- জেলা প্রশাসক জেলার মুখ্য বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটক।
- দেশের সব জেলায় একজন করে জেলা প্রশাসক আছেন।

→ উপজেলা প্রশাসন:
- মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিন্ম স্তরের হল - উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলার প্রধান প্রশাসক হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
- তিনি উপজেলা উন্নয়ন কমিটির প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি৷

১৫,৫০৪.
সিমেন্ট শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়-
  1. ডিনামাইট
  2. চুনাপাথর 
  3. কয়লা
  4. চীনা মাটি
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর 
ব্যাখ্যা

• চুনাপাথর :
- চুনাপাথর (Limestone)  এক প্রকার পাললিক শিলা যা প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দ্বারা গঠিত।
- প্রকৃতিতে ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেট সহযোগে অথবা ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেটের উপস্থিতি ব্যতীত খনিজ ক্যালসাইট হিসেবে চুনাপাথর পাওয়া যায়। 
- বাংলাদেশে চুনাপাথরের ভূ-পৃষ্ঠীয় (surface) এবং অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠীয় (sub-surface) বা ভূগর্ভস্থ উভয় প্রকার মজুত রয়েছে। 
- কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিনস দ্বীপ এবং  সুনামগঞ্জ জেলার ভাঙ্গেরঘাট-লালঘাট-টাকেরঘাট এলাকায় চুনাপাথরের ভূ-পৃষ্ঠীয় ও ভূ-পৃষ্ঠের স্বল্পগভীরতায় মজুত রয়েছে।  
- জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাটে রয়েছে চুনাপাথরের অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠীয় বা ভূগর্ভস্থ মজুত।
- বাংলাদেশে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ১৯৫৭ সালে সর্বপ্রথম চুনাপাথরের মজুত আবিষ্কৃত হয়।
- সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে চুনাপাথর। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫০৫.
পাল শাসনামলে সংঘটিত কৈবর্ত বিদ্রোহের প্রধান নেতা কে ছিলেন?
  1. ভীম
  2. দিব্য
  3. হরি
  4. মহীপাল
সঠিক উত্তর:
দিব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিব্য
ব্যাখ্যা

কৈবর্ত বিদ্রোহ:
- কৈবর্ত বিদ্রোহকে বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশ এমনকি ভারতবর্ষের প্রথম সফল জনবিদ্রোহ।
- বরেন্দ্র বিদ্রোহ নামেও অভিহিত করা হয় একে।
- এ সময় পাল বংশের রাজা ছিলেন দ্বিতীয় মহীপাল, যাঁর রাজত্বকাল ধারণা করা হয় ১০৭৫ সাল থেকে ১০৮০ সালের মধ্যে।
- এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন দিব্যক বা দিব্য।
- তিনি খুব সম্ভব প্রথম দিকে পালদের একজন রাজকর্মচারী কিংবা সামন্ত ছিলেন।
- কৈবর্তদের একত্রিত করে একটি শক্তিশালী বাহিনী তৈরি করেন তিনি।
- কৈবর্ত বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয় ধর্মীয় কারণকে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৫০৬.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে স্বার্থকামী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেছেন কে?
  1. ক) অধ্যাপক ফাইনার
  2. খ) অধ্যাপক মাইরন উহনার
  3. গ) এলান পটার
  4. ঘ) অ্যালমন্ড ও পাওয়েল
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালমন্ড ও পাওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালমন্ড ও পাওয়েল
ব্যাখ্যা
- অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বার্থকামী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
অন্যদিকে,
- অধ্যাপক মাইরন উহনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
- অধ্যাপক ফাইনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে লবি হিসেবে অভিহিত করেন।
- এলান পটার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
(তথ্যসূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৩ : স্নাতক শ্রেণী : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৫,৫০৭.
বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন কে?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. এ.এন. সাহা
  3. রফিকুন্নবী
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- তিনি  ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

• কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে 
- 'রায়বেশে নৃত্য',
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে',
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন - জয়নুল আবেদীন।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার - এ.এন. সাহা।
- বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কার্টুনিস্ট হলেন - রফিকুন্নবী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া ।

১৫,৫০৮.
ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপিত হয় -
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৩
  2. খ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪০
  3. গ) ২৩ মার্চ, ১৯৪৩
  4. ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৪০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৪০
ব্যাখ্যা
১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সাধারণ সভায় শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

তার প্রস্তাবে বলা হয়,
ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব এলাকাসমূহের মতো যে সকল অঞ্চলে মুসলমানগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ, সে সব অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ’ (স্টেটস) গঠন করতে হবে যার মধ্যে গঠনকারী এককগুলি হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম।

২৪শে মার্চ লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়। এই প্রস্তাবে ভারতে একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়। ১৯৪৬ সালের এপ্রিলে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাব সংশোধন করে একাধিক রাষ্ট্রের (স্টেটস) পরিবর্তে কেবল একটি রাষ্ট্র (স্টেট) প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৫,৫০৯.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে কোন দলের বিপক্ষে?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. শ্রীলংকা
  4. কেনিয়া
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
১৫,৫১০.
বাংলাদেশ প্রথম অনলাইনভিত্তিক নিউজ এজেন্সি হলো -
  1. বিডি নিউজ
  2. বাংলাদেশ নিউজ সার্ভিস
  3. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
  4. প্রোব নিউজ এজেন্সি
সঠিক উত্তর:
বিডি নিউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিডি নিউজ
ব্যাখ্যা

সংবাদ সংস্থা:
- সংবাদ সংস্থা সংবাদ সংগ্রহ করে সংবাদপত্র, সাময়িকী ও ইলেট্রনিক্স সম্প্রচার কেন্দ্রগুলির মধ্যে বণ্টন করার প্রতিষ্ঠান।
- এদেশের সংবাদ সংস্থাগুলির কার্যক্রম শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের আগেই।

⇒ বিডিনিউজ বাংলাদেশের প্রথম অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম।
- Bdnews24.com বাংলাদেশে ভিত্তিক একটি ইংরেজি এবং বাংলা ভাষার নিউজ পোর্টাল। 
- ২০০৫ সালে ওয়েবভিত্তিক বার্তা সংস্থা হিসেবে এর যাত্রা শুরু।

উৎস: i) Bdnews24.com
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫১১.
হুমায়ুন ও শেরশাহের মধ্যে চৌসার যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?
  1. ১৫৩৯ সালে
  2. ১৫৪৩ সালে
  3. ১৫৭৭ সালে
  4. ১৫৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৫৩৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩৯ সালে
ব্যাখ্যা
চৌসার যুদ্ধ:
- ১৫৩৯ সালের ২৬ জুন বিহারের চৌসারে মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ও আফগান নেতা শের খান (পরে শের শাহ সূরি) এর মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে শের খান বিজয়ী হন এবং হুমায়ুন পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।
- এর মাধ্যমে মুঘল শাসনের পতন শুরু হয় এবং সূরি বংশের উত্থান ঘটে।

⇒ সম্রাট হুমায়ুন গৌড় পরিত্যাগ করার পূর্বে জাহাঙ্গীর কুলী বেগকে বাংলার শাসনভার অর্পণ করেন।
- হুমায়ুন তাঁর বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে আগ্রা অভিমুখে যাত্রা করলেন।
- কিন্তু দুভার্গ্যক্রমে পথিমধ্যে বক্সারের নিকটবর্তী চৌসা নামক স্থানে শেরখান ও তাঁর আফগান অনুচরেরা সম্রাট হুমায়ুনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।
- ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুন চৌসায় উভয়পক্ষের মধ্যে এক তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে চৌসার যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধে হুমায়ুন শোচনীয় ভাবে পরাজিত হয়।
- চৌসার যুদ্ধে শের খানের জয়লাভ ভারতীয় উপমহাদেশে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কেননা এর ফলে শের খানের রাজ্য পশ্চিম দিকে কনৌজ হতে পূর্বে আসাম ও চট্টগ্রাম এবং উত্তর দিকে রোটাস হতে দক্ষিণ দিকে বীরভূম পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে।
- এই যুদ্ধের পর শেরখান শেরশাহ উপাধি ধারণ করেন এবং নিজ নামে মুদ্রা প্রচলন ও পাঠের নির্দেশ প্রদান করেন।
- পক্ষান্তরে এই যুদ্ধে হুমায়ুনের পরাজয়ের মাধ্যমে মুঘলদের সামরিক ও কূটনৈতিক দুর্বলতা প্রস্ফুটিত হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫১২.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য কোথায় শুরু হয়?
  1. ঢাকা হাইকোর্ট
  2. লাহোর
  3. ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  4. ইসলামাবাদ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:

- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য"। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫১৩.
নিচের কোনটি শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) ডিপিই
  2. খ) ইউজিসি
  3. গ) নায়েম
  4. ঘ) ব্যান্সডক
সঠিক উত্তর:
গ) নায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নায়েম
ব্যাখ্যা
- National Academy for Educational Management (NAEM-নায়েম) হলো দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে স্থাপিত হয়।
- এর অবস্থান ঢাকার নিউমার্কেটে ঢাকা কলেজের পাশে।
- এখানে সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

অন্যদিকে,
- DPE (Directorate of Primary Education) হলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
- BANSDOC হলো বাংলাদেশ জাতীয় বিজ্ঞান ও কারিগরি তথ্য নথিকরণ কেন্দ্র।
- UGC (University Grant Commission) হলো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন।

(তথ্যসূত্র: নায়েম ও সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
১৫,৫১৪.
ঐতিহাসিক 'ছয় দফায়' যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না -
  1. ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  2. খ) ফেডারেল সরকার
  3. গ) মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
  4. ঘ) বিচারিক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিচারিক ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিচারিক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো। 
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৫১৫.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) কপোতাক্ষ
  2. খ) করতোয়া
  3. গ) মধুমতি
  4. ঘ) আত্রাই
সঠিক উত্তর:
খ) করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) করতোয়া
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড় -
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুন্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৫,৫১৬.
‘আমার দেখা নয়াচীন' কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ২০১২
  2. ২০১৭
  3. ২০২০
  4. ২০২২
সঠিক উত্তর:
২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২০
ব্যাখ্যা
আমার দেখা নয়াচীন:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা তৃতীয় বই আমার দেখা নয়াচীন।
- প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে।
- এই বইটিও কারাগারে রাজবন্দী থাকার সময়ে রচিত।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন।
- সে সময় নয়াচীন দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে বইটি রচিত।
--------------------
বঙ্গবন্ধুর লেখা বইসমূহ:
• অসমাপ্ত আত্মজীবনী:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের লেখা প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
- প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- বইটি লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। 
- বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
 
কারাগারের রোজনামচা:
- বঙ্গবন্ধুর লেখা দ্বিতীয় বই কারাগারের রোজনামচা।
- প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে।
- এই গ্রন্থের নামকরণ করেছেন শেখ রেহানা।
- এই বইও বঙ্গবন্ধু কারাগারে বসে রচনা করেন।

উৎস: ১৪ আগস্ট ২০২০,  প্রথম আলো। 
১৫,৫১৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. দিনাজপুর
  3. কুমিল্লা
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৫,৫১৮.
বাংলাদেশে রপ্তানিতে দ্বিতীয় শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. ভারত
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
- গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট আমদানির পরিমাণ ৫৫.৬৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এর মধ্যে পণ্য আমদানি ৪৮.৬৯৯ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা আমদানি ৬.৯৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
দেশ অনুযায়ী শীর্ষ আমদানি উৎস:
- প্রথম : চীন : ১১.৪৮৯ বি. ডলার
- দ্বিতীয় : ভারত : ৫.৭৯৩ বি. ডলার
- তৃতীয় : যুক্তরাষ্ট্র : ২.১২৬ বি. ডলার
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১৫,৫১৯.
কয়টি রাজনৈতিক দল মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেছিলো?
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৬ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের সভাপতি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

যুক্তফ্রন্টে রাজনৈতিক দল ছিল ৪ টি ।
এগুলো হলো -
১. আওয়ামী মুসলিম লীগ (মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী)
২. কৃষক প্রজাপার্টি (এ. কে. ফজলুল হক)
৩. নেজামে-ই-ইসলাম (মাওলানা আতাহার আলী)
৪. গণতন্ত্রী দল (হাজী মোহাম্মদ দানেশ)

- যুক্তফ্রন্টের প্রধান অফিস সদরঘাটের ৫৬, সিমসন রােডে।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫২০.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভায় অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন -
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
  3. এম মনসুর আলী
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য:
- মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ।
- মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন গণপরিষদের আওয়ামীলীগের হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত ও উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন- তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশপ্রধান মাহবুব উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আনসার, পুলিশ ও উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত ১২ সদস্যের একটি যৌথ দল।
- শপথগ্রহণের সময় শতাধিক ভারতীয় ও বিদেশি সাংবাদিক এবং প্রচার মাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
১৫,৫২১.
মুজিবনগর সরকার কত সদস্য বিশিষ্ট পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
- পরিকল্পনা কমিশন গঠন দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।
- সদস্য ছিলেন,
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ।
(২) ড. মোশাররফ হোসেন।
(৩) ড. এস. আর. বোস।
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫২২.
বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষের নাম কি?
  1. কাঁঠাল গাছ
  2. বট গাছ 
  3. আম গাছ 
  4. জাম গাছ
সঠিক উত্তর:
আম গাছ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম গাছ 
ব্যাখ্যা

আম গাছ বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয় সমূহ:
- জাতীয় ভাষা: বাংলা।
- জাতীয় সঙ্গীত: আমার সোনার বাংলা(প্রথম ১০ চরণ)।
- জাতীয় পাখি: দোয়েল।
- জাতীয় ফুল: শাপলা।
- জাতীয় পশু: রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
- জাতীয় বন: সুন্দরবন।
- জাতীয় ফল: কাঁঠাল।
- জাতীয় মাছ: ইলিশ।
- জাতীয় মসজিদ: বায়তুল মোকাররম।
- জাতীয় জাদুঘর: জাতীয় জাদুঘর শাহবাগ, ঢাকা।
- জাতীয় পতাকা: সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত।
- জাতীয় কবি: কাজী নজরুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৫,৫২৩.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী' এর পরিচালক কে?
  1. খান আতাউর রহমান 
  2. সুভাষ দত্ত 
  3. চাষী নজরুল ইসলাম 
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত 
ব্যাখ্যা

- অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী এর পরিচালক : সুভাষ দত্ত।
- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’- জনপ্রিয় এ গানটি ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ সিনেমার।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রায় এক বছর পরই ১৯৭২ সালের ১০ নভেম্বর মুক্তি পায় সিনেমাটি।

অন্যদিকে,
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র-

- Stop Genocide: জহির রায়হান,
- ওরা ১১ জন : চাষী নজরুল ইসলাম,
- আবার তোরা মানুষ হ : খান আতাউর রহমান,
- হাঙ্গর নদী গ্রেনেড : চাষী নজরুল ইসলাম,
- অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী : সুভাষ দত্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫২৪.
সিপাহী বিদ্রোহের সূচনাকারী কে ছিলেন?
  1. মঙ্গল পাণ্ডে
  2. কুনওয়ার সিং
  3. চাঙ্কি পান্ডে
  4. লক্ষ্মীবাঈ
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল পাণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল পাণ্ডে
ব্যাখ্যা
মঙ্গল পান্ডে:
- মঙ্গল পান্ডে ছিলেন একজন সিপাহি, যার নেতৃত্বে সিপাহি বিদ্রোহ শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সিপাহিদের একটি অংশ বিদ্রোহ করে।
- মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণার ব্যারাকপুরে এই বিদ্রোহ শুরু হয়।
- ‘সিপাহি বিদ্রোহ’ নামে খ্যাত এই বিদ্রোহের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইংরেজ শাসনকে হটিয়ে দিয়ে পুরো ভারতকে দখলদার মুক্ত করা।

⇒ সিপাহী বিদ্রোহ:
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫২৫.
জাতীয় সংসদে হুইপের দায়িত্ব -
  1. ক) শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  2. খ) অর্থ বিল পাস করা
  3. গ) রাষ্ট্রপতিকে সাহায্য করা
  4. ঘ) সংসদ আহ্বান করা
সঠিক উত্তর:
ক) শৃঙ্খলা রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শৃঙ্খলা রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদে হুইপের দায়িত্ব হলো শৃঙ্খলা রক্ষা করা।
- সংসদের হুইপকে ‘সচেতক’ বলা হয়।
- সরকারি ও বিরোধী উভয় দলেই একজন করে চীফ হুইপ থাকেন।
- তাঁদের সহায়তা করার জন্য আরও কয়েকজন হুইপ থাকেন।
- সরকারি ও বিরোধী দলের চীফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপদের পারস্পরিক সমঝোতা ও সুসম্পর্ক সংসদের সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
১৫,৫২৬.
বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে কোন উৎস থেকে?
  1. আয়কর
  2. আমদানী শুল্ক
  3. মূল্য সংযোজন কর
  4. রপ্তানী শুল্ক
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
সরকারের রাজস্বের উৎস:
- কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের অভ্যন্তরে প্রশাসন পরিচালনা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার কার্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়।
- এই কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।
- কেন্দ্রীয় সরকার তার এই প্রয়োজনীয় অর্থ মূলত কর এবং কর বহির্ভূত খাত থেকে আদায় করে থাকে। 
- বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের প্রধান উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।

সূত্র: ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
১৫,৫২৭.
NDF-এর স্বপ্নদ্রষ্টা ও মূল নেতা ছিলেন -
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) আবুল মনসুর আহমদ
  4. ঘ) কফিলউদ্দিন চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
• NDP গঠন:
- ১৯৬২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে আইয়ুব বিরোধী ও গণতন্ত্রের সপক্ষ শক্তিসমূহের একটি রাজনৈতিক ফ্রন্ট গঠিত হয়।
- এ ফ্রন্টের নামকরণ করা হয় National Democratic Front, যা সংক্ষেপে NDF নামেই সমধিক পরিচিতি অর্জন করে।
- NDF-এর সরকার বিরোধী তথা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত কর্মকাণ্ড রাজনীতি সচেতন মানুষকে আগ্রহী ও আশাবাদী করে তোলে। 
- NDF-এর স্বপ্নদ্রষ্টা ও মূল নেতা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী। 
- NDF গঠিত হলে প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান ভীত ও বিচলিত হয়ে পড়েন। 
- এজন্যই NDF গঠনের মাত্র এক সপ্তাহ পর করাচিতে সোহ্রাওয়ার্দীকে 'জননিরাপত্তা আইনে' গ্রেপ্তার করা হয়। 
- সোহরাওয়ার্দী এ সময় ছিলেন খুবই জনপ্রিয় নেতা।
- তাঁকে গ্রেপ্তার করায় সমগ্র পাকিস্তানে বিশেষ করে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। 
- এ সময় প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান ঢাকা সফরে এলে বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনতা তার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে।
- আইয়ুব খান 'জননিরাপত্তা অর্ডিন্যান্স' জারি করে নির্মমভাবে এ আন্দোলন দমনের চেষ্টা চালান। 
- শেখ মুজিবুর রহমান, আবুল মনসুর আহমদ, কফিলউদ্দিন চৌধুরী, সৈয়দ আলতাফ হোসেন, তাজউদ্দিন আহমদ, কোরবান আলী প্রমুখ প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রখ্যাত সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন (মানিক মিয়া), প্রখ্যাত ছাত্রনেতা কাজী জাফর আহমেদ প্রমুখ আইয়ুব খানের দমননীতির শিকার হন এবং বিনা বিচারে কারারুদ্ধ হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজ্জামেল হক।
১৫,৫২৮.
ভারত ছাড় আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন কে?
  1. জওহরলাল নেহরু
  2. সুভাষচন্দ্র বসু
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. বল্লভভাই প্যাটেল
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যা

- গান্ধীর নেতৃত্বেই কংগ্রেস অহিংস আন্দোলনের ডাক দেয়।

ভারত ছাড় আন্দোলন:
- ভারত ছাড় আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয় মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে।
- ১৯৪২ ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে শ্বেতাঙ্গ-বিরোধী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ প্রথম স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাপক আন্দোলন ভারত ছাড় আন্দোলন।
- ইংরেজ সরকার কোনোভাবেই ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে রাজি ছিল না।
- সরকার এই আন্দোলন দমনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিল।
- ঐ দিনই মধ্য রাতে কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ গান্ধীজি, আবুল কালাম আজাদ, জওহরলাল নেহরুসহ অনেকে গ্রেফতার হন।
- কংগ্রেসকে বেআইনি ঘোষণা করা হয় এবং এক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় সব নেতা কারাগারে বন্দি হন।
- নেতৃবৃন্দের গ্রেফতারের কারণে অহিংস আন্দোলন ভয়াবহ সহিংস আন্দোলনে পরিণত হয়।
- ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির (বোম্বাইর) অধিবেশনে বিখ্যাত ভারত ছাড় আন্দোলনের প্রস্তাব পাস হয় এবং পরপরই যতদূর সম্ভব ব্যাপকভাবে অহিংস পথে গান্ধীর নেতৃত্বে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫২৯.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ৬ নং সেক্টর কোন জেলা নিয়ে গঠিত হয়েছিল?
  1. রংপুর ও দিনাজপুর
  2. যশোর ও খুলনা
  3. ফরিদপুর ও পটুয়াখালী
  4. বগুড়া ও দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর ও দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর ও দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• ৬ নং সেক্টর
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। 
- প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। 
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার। 
- সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল পাটগ্রামের নিকটবর্তী বুড়ীমারিতে। 
- এটিই ছিল একমাত্র সেক্টর যার হেড কোয়ার্টার ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে। 

- এই সেক্টরের পাঁচটি সাব-সেক্টর (কমান্ডারদের নামসহ) হচ্ছে:
- ভজনপুর (ক্যাপ্টেন নজরুল এবং পরে স্কোয়াড্রন লীডার সদরউদ্দিন ও ক্যাপ্টেন শাহরিয়ার);
- পাটগ্রাম (প্রথমে কয়েকজন ই.পি.আর জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার কমান্ড করেন। পরে ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান;
- সাহেবগঞ্জ (ক্যাপ্টেন নওয়াজেশ উদ্দিন); 
- মোগলহাট (ক্যাপ্টেন দেলওয়ার); 
 - চিলাহাটি (ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ইকবাল)।

এই সেক্টরের বাহিনী রংপুর জেলার উত্তরাংশ নিজেদের দখলে রাখে।

অন্যদিকে,
- ৭ নং সেক্টর  রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- ৮ নং সেক্টর  এপ্রিল মাসে এই সেক্টর কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা নিয়ে গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৩০.
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭২
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৮৩
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
• ট্যারিফ কমিশন পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের পূর্ব পাকিস্তান শাখার উত্তরবর্তী।
•  বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নতুন নাম হয় ট্যারিফ কমিশন।
• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
•  ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে  পূর্ণগঠিত  হয়।
• বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।

সূত্র: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন ওয়েবসাইট।
১৫,৫৩১.
বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. হবিগঞ্জ
  2. নোয়াখালী
  3. মৌলভীবাজার
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৩২.
'সৌরভ' কোন ফসলের জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. কলা
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১৫,৫৩৩.
দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটান কে?
  1. ওয়াটসন
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. কার্টিয়ার
  4. কর্নওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা
- ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটান।

• দ্বৈত শাসন:
- দিল্লি কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে দেওয়ানি বা খাজনা ও কর আদায়ের ক্ষমতা প্রদানে সৃষ্টি হয় দ্বৈত শাসনের।
- এতে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, নবাব পরিণত হন ক্ষমতাহীন শাসকে।
- অথচ নবাবের দায়িত্ব থেকে যায় ষোলোআনা।
- ফলে বাংলায় এক অভূতপূর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়, যার চরম মাসুল দিতে হয় এদেশের সাধারণ জনগোষ্ঠীকে।
- ১৭৭০ সালে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) গ্রীষ্মকালে দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
- যা ইতিহাসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- দ্বৈতশাসন ব্যবস্থায় নবাবের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় প্রশাসন পরিচালনায় তিনি সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হন।
- সারা দেশে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা।
- এই পরিস্থিতিতে ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটান।

উল্লেখ,
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ইংরেজি -১৭৭০ সাল।

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি
১৫,৫৩৪.
বাংলাদেশে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ -
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রপ্তানি বাণিজ্যের দেশ:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে। 

• দেশ ভিত্তিক রপ্তানি আয়:
- যুক্তরাষ্ট্র: ৬,৪৩৯.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৭.৩৭%)।
- জার্মানি: ৪,৯০৬.১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩.২৩%)।
- যুক্তরাজ্য: ৩,৫৪৭.৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৯.৫৭%)।
- ফ্রান্স: ২,১০৭.৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৫.৬৮%)। 
- নেদারল্যান্ডস: ১,৪২১.৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৮৩%)। 
- ইতালি: ১,৬২৭.৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪.৩৯%)।
- জাপান: ১২৮৫.৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৪৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৫,৫৩৫.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. ক) এস.এ.রহমান
  2. খ) এস.আর.খান
  3. গ) মকসুদুল হাকিম
  4. ঘ) টি.এইচ.খান
সঠিক উত্তর:
ক) এস.এ.রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এস.এ.রহমান
ব্যাখ্যা
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন, রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- অন্যদিকে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন। তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়। এ সময় স্যার টমাস উইলিয়াম ট্রাইবুনালে উপস্থিত ছিলেন ।
- তিনি ৫ জুলাই বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বিশেষ ট্রাইবুনালের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫৩৬.
সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ–২০২৪ অনুযায়ী দেশের মোট শ্রমশক্তির কত শতাংশ নারী?
  1. ৩৯.২%
  2. ৪২.৬%
  3. ৪৪.২%
  4. ৪৬.৮% 
সঠিক উত্তর:
৪৪.২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪.২%
ব্যাখ্যা

নারী শ্রমশক্তি:
- সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ–২০২৪ অনুযায়ী দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৪.২ শতাংশ নারী।
- এর মধ্যে প্রায় ৯৬.৬ শতাংশ নারী অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত (বিশ্বব্যাংক, ২০২৪)। অর্থাৎ তাঁরা কৃষি, গৃহকর্ম, চা-বাগান, গৃহকেন্দ্রিক কাজ, দোকান বা ছোট উৎপাদন ইউনিটে কাজ করেন, যেগুলো শ্রম আইন বা সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসেনি।

⇒ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
- বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশ আসে তৈরি পোশাকশিল্প থেকে, যেখানে কাজ করেন প্রায় ৪০ লাখ নারী। 
- গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও কৃষিজমির মালিকানায় তাঁদের অংশ মাত্র ১২ শতাংশ (বিবিএস, ২০২৩)।
- বাংলাদেশে প্রায় ২০ লাখ নারী গৃহকর্মীর কাজ করেন (ডমেস্টিক ওয়ার্কার্স রাইটস নেটওয়ার্ক, ২০২৩)।
- চা-বাগানশ্রমিকদের মধ্যে ৭০ শতাংশ নারী।
- নির্মাণশিল্পে নারী শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু নিরাপত্তা ও মর্যাদা কমছে (আইএলও-বিজিএমইএ রিপোর্ট, ২০২৪ অনুযায়ী), নির্মাণ সাইটে নারী শ্রমিকদের মধ্যে ৬০ শতাংশ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম পান না। 

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
ii) প্রথম আলো।

১৫,৫৩৭.
জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক, ২০২৫ অনুযায়ী, কোন বিভাগে বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. রংপুর
  2. বরিশাল
  3. সিলেট
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক:
- ৩১ জুলাই ২০২৫ তারিখে পরিকল্পনা কমিশনে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) পক্ষ থেকে ‘বাংলাদেশের জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
-  বাংলাদেশের এ সূচকে তিনটি মাত্রা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যাতে জীবনযাত্রার মান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়েছে।
- এই মাত্রাগুলোকে ১১টি আলাদা সূচকে ভাগ করা হয়েছে। যেমন জীবনযাত্রার মানের মধ্যে রয়েছে—বিদ্যুৎ, স্যানিটেশন, খাওয়ার পানি, বাসস্থান, রান্নার জ্বালানি, সম্পদ এবং ইন্টারনেট সংযোগ।


উল্লেখ্য,
- এমপিআই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে ২৪.৫ শতাংশ মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্যে রয়েছে, যা সংখ্যায় প্রায় ৩ কোটি ৯৮ লাখ। 
- গ্রামীণ এলাকায় এই হার ২৬.৯৬ শতাংশ, আর শহরে ১৩.৪৮ শতাংশ। 
সিলেট বিভাগে এই দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ (৩৭.৭০ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম খুলনা বিভাগে।
- এই দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি বান্দরবানে (৬৫.৩৬ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম ঝিনাইদহে (৮.৬৬ শতাংশ)। 

উৎস: প্রথম আলো। [link]

১৫,৫৩৮.
নওগাঁর পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর মহাবিহার কে নির্মাণ করেন?
  1. গোপাল
  2. দেবপাল
  3. ধর্মপাল
  4. রামপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা

- পাল বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজা ধর্মপাল নওগাঁ জেলায় সুবিখ্যাত সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন, এটি তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বৌদ্ধবিহার ছিল।  

সোমপুর মহাবিহার:
- সোমপুর মহাবিহার প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- পাহাড়পুরএর উৎখননকৃত বিহার কমপ্লেক্সের সঙ্গে সোমপুর মহাবিহারকে অভিন্ন মনে করা হয়।
- পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল এ বিহার স্থাপন করেন।
- ধ্বংসাবশেষ হতে কিছু মাটির সিল পাওয়া গেছে। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৩৯.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠান কে পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন?
  1. এম এ আজিজ
  2. এম আর আখতার মুকুল
  3. কল্যাণ মিত্র
  4. আবু হেনা মোস্তফা কামাল
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- মুক্তিযুদ্ধ সময়কালে যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধাদের এবং অবরুদ্ধ এলাকার জনগণের মনোবল অক্ষুন্ন রাখার ক্ষেত্রে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নীতি নির্ধারণী ভাষণসহ জনগণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন নির্দেশাবলী প্রচারিত হয়।
- প্রতিদিনের সংবাদসহ যে সমস্ত অনুষ্ঠান জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল তার মধ্যে চরমপত্র ও জল্লাদের দরবার অন্যতম।
- যুদ্ধের ময়দানে অস্ত্রশস্ত্রে পিছিয়ে থাকলেও মনের জোরে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা।
- তাঁদের মনের জোর আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠানটি।
- বিদ্রূপ ও শ্লেষাত্মক অনুষ্ঠানটি রচনা ও উপস্থাপন করেছিলেন সাংবাদিক ও লেখক এম আর আখতার মুকুল।

⇒ স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’। জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো। এই ব্যঙ্গাত্মক সিরিজে তাকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রে চিত্রিত করা হয় এবং এই ভূমিকায় অভিনয় করেন রাজু আহমেদ।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান এবং স্থানীয় ঢাকাইয়া উপভাষায় এর স্ক্রিপ্ট তৈরি করেন এম.আর আখতার মুকুল, যিনি নিজেই এর উপস্থাপক ছিলেন। এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি জনগণের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়। এতে একইসঙ্গে ছিল তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ ও জাতীয়তা বোধের প্রকাশ যা জনগণের নৈতিক মনোবল দৃঢ়ীকরণে ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো

১৫,৫৪০.
নিচের কোনটি সবজি?
  1. ক) পেঁয়াজ
  2. খ) ক্যাপসিকাম
  3. গ) কাউন
  4. ঘ) মরিচ
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাপসিকাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাপসিকাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিভিন্ন সবজি -
- ঝিঙ্গা, মুলা, ঢেড়স
- বরবটি, লাউ, বাঁধাকপি
- শিম, করলা, বেগুন, মিষ্টি কুমড়া
- পটল, শসা, ক্যাপসিকাম
- গাজর, চিচিঙ্গা, ফুলকপি
অন্যদিকে, পেঁয়াজ ও মরিচ মসলাজাতীয় ফসল; 'কাউন' একটি দানাদার খাদ্যশস্য।
উৎসঃ বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS)

১৫,৫৪১.
যমুনা রেলসেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে কোন দেশ?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
যমুনা রেল সেতু:
- যমুনা সেতু যমুনার নদীর ওপর অবস্থিত রেল সেতু।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- যমুনা নদীত রেলসেতু নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে।
- প্রকল্পের নকশা প্রণয়নসহ সেতুর নির্মাণ ব্যয় প্রথমে ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা। পরে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
- এর মধ্যে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ দেশীয় অর্থায়ন এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) অর্থায়ন করছে ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ। 

উৎস:
i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৫,৫৪২.
কাকে পাল বংশের 'শেষ মুকুট' বলে অভিহিত করা হয়?
  1. দ্বিতীয় মহীপাল
  2. শূরপাল
  3. রামপাল
  4. তৃতীয় গোপাল
সঠিক উত্তর:
রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামপাল
ব্যাখ্যা
পাল বংশের পতন: 
- দ্বিতীয় মহীপাল (১০৭৫-১০৮০ খ্রি.) উত্তর বঙ্গের বরেন্দ্র বিদ্রোহ দমন করতে গিয়ে নিহত হন।
- তার মৃত্যুর পর তার ছোট ভাই শূরপাল দু'বছর (১০৮০-১০৮২ খ্রি.) রাজত্ব করেন।
- এরপর শূরপালের ছোট ভাই অর্থাৎ মহীপালের ছোটপুত্র রামপাল (১০৮২-১১২৪ খ্রি.) রাজা হয়ে বরেন্দ্র উদ্ধারে সর্বশক্তি নিয়োগ করেন।
- প্রবল যুদ্ধের পর পিতৃভূমি বরেন্দ্রভমি উদ্ধারের পর রামপাল রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন।
- তার রাজ্যের শেষ দিকে তিনি কামরুপ ও উড়িষ্যাতেও প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন।
- কবি সন্ধ্যাকর 'রামচরিত' নামে রামপালের জীবনী গ্রন্থ রচনা করেন।
- রামপালকেই পাল বংশের 'শেষ মুকুট' বলে অভিহিত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫৪৩.
ষাটগম্ভুজ মসজিদ নির্মাণ করেন কে?
  1. ক) হযরত শাহজালাল
  2. খ) পীর খান জাহান আলী
  3. গ) হযরত আমানত শাহ
  4. ঘ) বায়েজিদ বোস্তামী
সঠিক উত্তর:
খ) পীর খান জাহান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পীর খান জাহান আলী
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - পীর খান জাহান আলী।

• ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাটগম্ভুজ মসজিদ নির্মাণ করেন - পীর খান জাহান আলী।
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে অবস্থিত।
- ষাট গম্বুজ মসজিদটি বর্তমানে বাগেরহাট শহর থেকে তিন মাইল পশ্চিমে গড়াদীঘির পূর্ব পাড়ে অবস্থিত। এটি নির্মাণ করেন খান জাহান আলী।
- ষাট গম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত ষাট গম্বুজ মসজিদ, এটি বৃহত্তম মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত হয়।
- খান জাহান আলি (উলুঘ খান) এটি নির্মাণ করেন ১৫০০ শতাব্দীতে।
- মসজিদটির মোট গম্বুজ সংখ্যা ৮১ টি ।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৫৪৪.
যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের কোন আইনজীবীকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধুর আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন?
  1. রবার্ট হেনরি কেইন
  2. টমাস উইলিয়াম এমপি
  3. উইলয়াম গোল্ডিং লেসিং
  4. ফিলিপ পল অ্যান্ডারসন
সঠিক উত্তর:
টমাস উইলিয়াম এমপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমাস উইলিয়াম এমপি
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫৪৫.
পাট থেকে ঢেউটিনের আবিষ্কার করেন কে?
  1. ড. মোবারক আহমেদ খান
  2. ড. মাকসুদুল আলম
  3. ড .জাহিদ ফারুক
  4. ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
ড. মোবারক আহমেদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মোবারক আহমেদ খান
ব্যাখ্যা
জুটিন:
- পাট থেকে ঢেউটিনের আবিষ্কার করেন ড. মোবারক আহমেদ খান।
- পাট (Jute) দিয়ে তৈরী বলে এ টিনের নাম জুটিন (Jutin).
- তাঁর অন্যান্য আবিষ্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সোনালি ব্যাগ, হেলমেট ও টাইলস।
- তাঁর তৈরি সোনালি ব্যাগ বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হচ্ছে।

⇒ জুটন:
- জুটন হচ্ছে পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র।
- এর আবিষ্কারক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
- এখানে পাট ও সুতার অনুপাত ৭০ : ৩০।
- এ প্রক্রিয়ায় তুলার আঁশের তৈরি বস্ত্রের বিকল্প হিসেবে এক ধরনের নতুন বস্ত্র উদ্ভাবনের জন্য পাট ও তুলার আঁশ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশানো হয়।

উৎস: i) বাংলা পিডিয়া।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৫,৫৪৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, দেশে ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ -
  1. ৯.৬৩%
  2. ১০.৬৩%
  3. ১১.৬৩%
  4. ১২.৬৩%
সঠিক উত্তর:
১১.৬৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৬৩%
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন। এর মধ্যে -
• ইলিশ - ১১.৬৩%।
• চিংড়ি - ৫.৫২%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
• তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনেরপ পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৫,৫৪৭.
একাডেমি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন কোন বাঙ্গালি?
  1. সুস্মিতা সেন
  2. সত্যজিৎ রায়
  3. অমর্ত্য সেন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সত্যজিৎ রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যজিৎ রায়
ব্যাখ্যা

• সত্যজিৎ রায়: 
- সত্যজিৎ রায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি চলচ্চিত্রকার; আলোকচিত্রী, চিত্রকর, শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ হিসেবেও সুপরিচিত।
- ১৯২১ সালের ২ মে তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: বিষয় চলচ্চিত্র, একেই বলে শুটিং, আওয়ার ফিল্মস দেয়ার ফিল্মস, ফেলুদা সিরিজ, শঙ্কু সিরিজ, পিকুর ডায়েরী ইত্যাদি। 
- পথের পাঁচালী- এর জন্য ১৯৫৫ থেকে ১৯৬৬-এর মধ্যে ভারত ছাড়াও মোট ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার; অপরাজিত পেয়েছে ভেনিস, সানফ্রান্সিসকো, বার্লিন, ডেনমার্কসহ ৫টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার।
- তিনি ভারত সরকারের নিকট থেকে ৪০টি পুরস্কার এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ৬০টি পুরস্কার লাভ করেন।
- প্রথম বাঙালী ও দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে অস্কার লাভ করেন ১৯৯২ সালে।
- ১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল কলকাতায় সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- অস্কার পুরস্কারটির অন্য নাম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস।
- পুরস্কারটি প্রদান করা হয়- ২৪টি ক্যাটাগরিতে।
- পুরস্কারটি প্রথম প্রদান করা হয় ১৯২৯ সাল থেকে।
- অস্কার পুরস্কারের অনুষ্ঠানস্থল - লস অ্যাঞ্জেলস, ডলবি থিয়েটার হল, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রথম অস্কার বিজয়ী ভারতীয়- বানু আথাইয়া; ১৯৮২ সালে গান্ধী চলচ্চিত্রের জন্য।
- এককভাবে দুটি ক্যাটাগরিতে অস্কার বিজয়ী প্রথম ভারতীয়- এ. আর. রহমান। 
- প্রথম বাংলাদেশি অস্কার বিজয়ী- নাফিস বিন জাফর; ২০০৭ ও ২০১৫ সালে।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) Oscar 2023: From AR Rahman To Satyajit Ray, Here's A ., Indiatimes.com.

১৫,৫৪৮.
ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবী কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) লাহোরে
  3. গ) করাচিতে
  4. ঘ) দিল্লীতে
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোরে
ব্যাখ্যা
ছয় দফা আন্দোলন
- ১৯৯৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন।
- ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, ছয় লক্ষ বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ।
- ছয়দফা রচিত হয় লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে। 
- ২৩ মার্চ ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ছয় দফা দিবস পালিত হয়ে আসছে- ৭ জুন।

ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি:
১ম দফা: শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
২য় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩য় দফা: মুদ্রা ও অর্থ বিষয়ক ক্ষমতা।
৪র্থ দফা: কর বা রাজস্ব বিষয়ক ক্ষমতা।
৫ম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা।
৬ষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক মিলিশিয়া বাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫৪৯.
বীট জবা ও ঝুমকা যথাক্রমে উন্নত জাতের -
  1. বেগুন ও কলা
  2. তুলা ও ভুট্টা
  3. তামাক ও তুলা
  4. কলা ও টমেটো
সঠিক উত্তর:
কলা ও টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলা ও টমেটো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
→ ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র।
→ তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
→ ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
→ গম - অগ্রণী, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
→ টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
→ কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।
→ তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
→ বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১৫,৫৫০.
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সাবমেরিন কেবলস অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে কত দূরত্বের ব্যয় বহন করতে হবে? 
  1. ৭০০ কিমি
  2. ৫৭০ কিমি
  3. ৩০০ কিমি
  4. ১৭০ কিমি
সঠিক উত্তর:
১৭০ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭০ কিমি
ব্যাখ্যা
• চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সাবমেরিন কেবলস অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ১৭০ কিমি দূরত্বের ব্যয় বহন করতে হবে।

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি):
- বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি যা বাংলাদেশে সাবমেরিন ক্যাবল এর চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছে।
- এটি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক তথ্য সুপারহাইওয়ে এর সাথে সংযুক্ত রেখেছে।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক সাবমেরিন ক্যাবল অপারেটর।
- বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৮ এর ৫বি ধারাবলে কক্সবাজারস্থ ল্যান্ডিং স্টেশনসহ এসএমডব্লিউ-৪ সাবমেরিন ক্যাবলকে বিলুপ্ত বিটিটিবি থেকে আলাদা করে “বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)” নামক একটি নতুন কোম্পানি গঠন করা হয়।
- এটি গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে আরজেএসসি হতে ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে “বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)” এ পরিবর্তিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি ওয়েবসাইট, Submarine communication।
১৫,৫৫১.
শিল্পকলায় (চিত্রকলা) একুশে পদক ২০২৩ লাভ করেন -
  1. ক) মমতাজ উদ্দীন
  2. খ) ড. মো. আবদুল মজিদ
  3. গ) কনক চাঁপা চাকমা
  4. ঘ) মনোরঞ্জন ঘোষাল
সঠিক উত্তর:
গ) কনক চাঁপা চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কনক চাঁপা চাকমা
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৩
- এটি বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। 
- বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক প্রদান করা হচ্ছে। 
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য দেশের ১৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৩ সালের একুশে পদক প্রদান করা হয়। 
- খালেদা মনযুর-ই-খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম শামসুল হক (মরণোত্তর) ও হাজী মো. মজিবর রহমান: ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য।
- মাসুদ আলী খান ও শিমুল ইউসুফ: শিল্পকলায় (অভিনয)।
- মনোরঞ্জন ঘোষাল, গাজী আব্দুল হাকিম ও ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর): শিল্পকলায় (সংগীত)।
- জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়: শিল্পকলায় (আবৃত্তি)।
- নওয়াজীশ আলী খান: শিল্পকলায়।
- কনক চাঁপা চাকমা: শিল্পকলায় (চিত্রকলা)।
- মমতাজ উদ্দীন (মরণোত্তর): মুক্তিযুদ্ধে।
- মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর): সাংবাদিকতা।
- ড. মো. আবদুল মজিদ: গবেষণায়।
- প্রফেসর ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর): শিক্ষায়।
- মো. সাইদুল হক: সমাজসেবায়।
- অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম (মরণোত্তর) ও আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর): রাজনীতিতে।
- ড. মনিরুজ্জামান (মরণোত্তর): ভাষা ও সাহিত্যে
- দুটি প্রতিষ্ঠান হলো: শিক্ষায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও সমাজসেবায় অবদানের জন্য বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৫,৫৫২.
শাপলা চত্বরের স্থপতি?
  1. ক) আজিজুল জলিল পাশা
  2. খ) মোস্তফা মনোয়ার
  3. গ) শামীম শিকদার
  4. ঘ) নিতুন কুণ্ডু
সঠিক উত্তর:
ক) আজিজুল জলিল পাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আজিজুল জলিল পাশা
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - আজিজুল জলিল পাশা।

• স্থপতি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থিত 'শাপলা চত্ত্বর'- এর স্থপতি আজিজুল জলিল পাশা।
- বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এই শাপলা (জলপদ্ম প্রজাতির শালুক)।
- ভাস্কর্যটি একটি ঝরনা দ্বারা বেষ্টিত।
- আজিজুল জলিল পাশার আরেকটি বিখ্যাত কীর্তি হচ্ছে - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে অবস্থিত - 'দোয়েল চত্বর'।
- এটি ১৯৭৪ সালে নির্মিত হয়েছিল।

এছাড়াও
- ‘সাবাশ বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যের স্থপতি নিতুন কুণ্ডু।
- এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তাজউদ্দিন আহমদ সিনেট ভবন চত্বরে অবস্থিত।
- ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম সাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্যের উদ্বোধন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া 
১৫,৫৫৩.
বাংলাদেশে মোট কতটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ২টি
  2. ১টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• গণভোট, ১৯৭৭:
সামরিক শাসনকে বৈধ করার লক্ষ্যে ৩০ মে, ১৯৭৭ বাংলাদেশে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে ৮৭ শতাংশ ভোটার অংশ এবং জিয়াউর রহমানের পক্ষে ৯৯ শতাংশ ভোট পরে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়।

• গণভোট ১৯৮৫:
প্রশাসনিক গণভোট ১৯৮৫ সালে ।
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সমর্থন যাচাইয়ের লক্ষ্যে হ্যাঁ-না ভোট।

• তৃতীয় গণভোট
সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৫৫৪.
বাংলাদেশের বসবাসরত মাতৃতান্ত্রিক উপজাতিগুলো হলো -
  1. চাকমা-মারমা
  2. রাখাইন-মারমা
  3. গারো-খাসিয়া
  4. গারো-চাকমা
সঠিক উত্তর:
গারো-খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো-খাসিয়া
ব্যাখ্যা
মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা:
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজ হচ্ছে সেসব পরিবার বা জনগোষ্ঠী, যাদের পরিবারের দায়িত্ব থাকে একজন নারীর ওপর এবং বংশের ধারাও নির্ধারিত হয় নারীর দিক থেকে।
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজে বিয়ের পর পুরুষকে স্ত্রীর বাড়িতে চলে যেতে হয়।
- মায়ের পরিবার থেকেই উত্তরাধিকার ও বংশ-পদবি নির্ধারিত হয়। 
- মেয়েরাই পরিবারের সব সম্পত্তির উত্তরাধিকারিণী।
- বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের খাসিয়া ও গারো নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে।

অন্যদিকে,
- চাকমা, মারমা, রাখাইন-এদের সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
১৫,৫৫৫.
কোনো দ্রব্যের দামের পরিবর্তনের হার যদি চাহিদার পরিবর্তনের হার অপেক্ষা বেশি হয়, তাকে কী বলে?
  1. অস্থিতিস্থাপক চাহিদা
  2. স্থিতিস্থাপক চাহিদা
  3. শূন্য স্থিতিস্থাপক
  4. অসীম স্থিতিস্থাপক
সঠিক উত্তর:
অস্থিতিস্থাপক চাহিদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিতিস্থাপক চাহিদা
ব্যাখ্যা
স্থিতিস্থাপক চাহিদা:
⇒ দামের পরিবর্তনের হার অপেক্ষা চাহিদার পরিবর্তনের হার বেশি হলে তাকে স্থিতিস্থাপক চাহিদা বলে।
⇒ স্থিতিস্থাপক চাহিদার ক্ষেত্রে দ্রব্যের দাম বাড়লে মোটা ব্যয় হ্রাস পায় এবং দাম কমলে মোট ব্যয় বৃদ্ধি পায়।
⇒ সাধারণত বিলাস ও আরাম জাতীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রে চাহিদা স্থিতিস্থাপক হয়। যেমন- গাড়ি, ফ্রিজ, রঙিন টিভি ইত্যাদি।

অস্থিতিস্থাপক চাহিদা:
⇒ দামের পরিবর্তনের হার যদি চাহিদার পরিবর্তনের হার অপেক্ষা বেশি হয়, তাকে অস্থিতিস্থাপক চাহিদা বলে।
⇒ অস্থিতিস্থাপক চাহিদার ক্ষেত্রে দ্রব্যের দাম বাড়লে মোট ব্যয় বৃদ্ধি পায় এবং দাম কমলে মোট ব্যয় হ্রাস পায়।
⇒ সাধারণত: নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রে চাহিদা অস্থিতিস্থাপক হয়। যেমন- চাল, আটা, চিনি ইত্যাদি।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫৫৬.
কার প্রচেষ্টায় সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত হয়?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. দ্বারকানাথ ঠাকুর
  3. রাজা রামমোহন রায়
  4. সৈয়দ আমীর আলী
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায়: 
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- ১৭৭৪ সালে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- ১৮২৯ সালে রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টায়, সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত হয়। 
- বিশেষ করে ইংরেজি, বাংলা, আরবি, ফারসি, উর্দু, ল্যাটিন ও গ্রিক ভাষায় তিনি অসামান্য দক্ষতা অর্জন করেন।
- তিনি বেদান্তসূত্র ও বেদান্তসারসহ উপনিষদের অনুবাদ প্রকাশ-করেন।
- তাছাড়া তিনি সম্বাদ কৌমুদী, মিরাতুল আখবার ও ব্রাহ্মণিকাল ম্যাগাজিন নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশকও ছিলেন।

উল্লেখ্যে,
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রচেষ্টায় বিধবা বিবাহ প্রথা  চালু হয়।
- দ্বারকানাথ ঠাকুর ছিলেন রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা।
- সৈয়দ আমীর আলীর সবচেয়ে বিখ্যাত বই হল "দ্য স্পিরিট অফ ইসলাম"।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি।
১৫,৫৫৭.
১৯৭২ সালের ১২ই জানুয়ারি 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান' কার নিকট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন?
  1. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  3. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
♣ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:  
- ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি দেশে ফেরার আগে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি বাহিনীর বিশেষ বিমানে লন্ডন নিয়ে যাওয়া হয়।
- অতঃপর ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানে দিল্লি হয়ে তিনি ঢাকায় আসেন।   
- ঢাকায় মহান নেতাকে জানানো হয় অভূতপূর্ব অভিনন্দন। 

- মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরদিনই ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু মন্ত্রিসভায় দীর্ঘ আলোচনার পর ‘অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারির মাধ্যমে দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।

- ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি পদে ইস্তফা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হন। নতুন রাষ্ট্রপতি হন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।

ঘটনাপ্রবাহ:
বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাষ্ট্রপতি পদে ইস্তফা দেন। নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে শপথ করান প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। এরপর রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধু ও তাঁর মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে তাজউদ্দীন আহমদ নতুন রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্র গ্রহণকালে তাজউদ্দীন আহমদ ও তাঁর সহকর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন নতুন রাষ্ট্রপতি। এরপর তিনি বঙ্গবন্ধুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান এবং তাঁকে জাতির জনক হিসেবে অভিহিত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
১৫,৫৫৮.
আর্থিক প্রযুক্তি খাতে কোন প্রতিষ্ঠান ‘ফিনটেক পাইওনিয়ার ২০২৩' সম্মাননা পেয়েছে?
  1. নগদ
  2. বিকাশ
  3. রকেট
  4. উপায়
সঠিক উত্তর:
বিকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকাশ
ব্যাখ্যা
ফিনটেক পাইওনিয়ার-২০২৩:
- দেশের আর্থিক প্রযুক্তি বা ফিনটেক খাতে অগ্রগামী ভূমিকা রাখায় ‘ফিনটেক পাইওনিয়ার ২০২৩' সম্মাননা পেয়েছে মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশ।
- বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৩' অনুষ্ঠানে বিকাশকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এ বিষয়ক সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন বিকাশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কামাল কাদীর।
- বর্তমানে বিকাশের ৭ কোটি গ্রাহক, ৩ লাখ ৩০ হাজার এজেন্ট ও সাড়ে ৫ লাখ মার্চেন্ট রয়েছে।
- এখন পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানি ইন মোশন এলএলসি, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্তর্গত ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন, অ্যান্ট গ্রুপ ও সফট ব্যাংক ভিশন ফান্ড থেকে ৩৮১ মিলিয়ন বা ৩৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বিনিয়োগ এনেছে বিকাশ।
- ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ যেন ক্যাশবিহীন স্মার্ট বাংলাদেশ হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করছে বিকাশ।

উৎস: ২৯ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো। 
১৫,৫৫৯.
কোন দেশকে হারিয়ে সাফ অনুর্ধ-২০ নারী ফুটবলের বিজয়ী হয় বাংলাদেশ?
  1. ক) ভারত
  2. খ) ভুটান
  3. গ) নেপাল
  4. ঘ) পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
গ) নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নেপাল
ব্যাখ্যা
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল:
- সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন - বাংলাদেশ।
- কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সাফ অনুর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ৩-০ গোলে হারিয়ে অপরাজিত থেকে শিরোপা জয় করেছে বাংলাদেশের বয়স ভিত্তিক দলটি।
- এর আগে নেপালের দশরথ রঙ্গশালায় নেপালকে হারিয়ে সিনিয়র বিভাগের শিরোপা ঘরে তুলেছিল সাবিনা খাতুনের দল।
- এবার অনুর্ধ্ব ২০ চ্যাম্পিয়নশীপে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন শামসুন্নাহার জুনিয়র।
- টুর্নামেন্টে সেরা গোল রক্ষকের পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের গোল রক্ষক রূপনা চাকমা।
- সর্বোচ্চ গোলদাতা ৫ গোল করা বাংলাদেশ অধিনায়ক শামসুন্নাহার জুনিয়র।
- মোস্ট ভ্যাল্যুয়েবল খেলোয়াড়ের পুরস্কারও শামসুন্নাহারের হাতে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো ।
১৫,৫৬০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় কত মা. ডলার?
  1. ক) ১৬২০ মা. ডলার
  2. খ) ১৭৫২ মা. ডলার
  3. গ) ১৯০৯ মা. ডলার
  4. ঘ) ২২৪০ মা. ডলার
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯০৯ মা. ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯০৯ মা. ডলার
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশে মাথাপিছু জাতীয় আয় ১৯০৯ মার্কিন ডলার। জাতীয় প্রবৃদ্ধি হার ৮.১৩ শতাংশ। (সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০১৯)
১৫,৫৬১.
স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স-এর চেয়ারপারসন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
-‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এবার রূপ নিচ্ছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এ।
- এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে এ প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে।
- স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স কমিটির চেয়ারপারসন হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
- পাঁচজন মন্ত্রী, একজন প্রতিমন্ত্রীসহ সদস্য রয়েছেন ৩০ জন।
- দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও আর্থিক খাতের কার্যক্রম স্মার্ট পদ্ধতিতে রূপান্তরের জন্য কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনা দেবে এই 'টাস্কফোর্স'।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৫৬২.
মূল পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ৪.৮০ কিলোমিটার
  2. ৫.২১ কিলোমিটার
  3. ৬.১৫ কিলোমিটার
  4. ৬.৫২ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬.১৫ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.১৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
১৫,৫৬৩.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, দেশে প্রতি বর্গ কি.মি.-এ জনসংখ্যার ঘনত্ব -
  1. ১,১১৯ জন
  2. ১,১২৩ জন
  3. ১,১৫৬ জন
  4. ১,১৭১ জন
সঠিক উত্তর:
১,১৭১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,১৭১ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩
:
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।

এছাড়াও,
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল জন্মহার ১৯.৪।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল মৃত্যুহার ৬.১।
- পুরুষদের প্রথম বিবাহের গড় বয়স ২৪.২ বছর এবং নারীদের ১৮.৪ বছর।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পল্লিতে আগমনের হার ২০.৪ এবং শহরে আগমনের হার ৪৩.৪।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৫,৫৬৪.
কোন সম্রাটগণ উপমহাদেশে প্রথম স্বর্ণমুদ্রা চালু করেন?
  1. গুপ্ত সম্রাট
  2. মৌর্য সম্রাট
  3. কুষাণ সম্রাট
  4. শুঙ্গ সম্রাট
সঠিক উত্তর:
কুষাণ সম্রাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষাণ সম্রাট
ব্যাখ্যা
কুষাণ যুগ:
- উপমহাদেশে প্রথম স্বর্ণমুদ্রা চালু করেন কুষাণ সম্রাটগণ।
- কুষাণ সম্রাট বীম কদফিসেসই সম্ভবত সর্বপ্রথম স্বর্ণমুদ্রা প্রবর্তন করেন যেখানে মুদ্রার উপরিপৃষ্ঠে বেদিতে যজ্ঞরত রাজার প্রতিকৃতি উৎকীর্ণ রয়েছে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ মনে করেন, এই বিশেষ প্রতিকৃতি পার্থিয়ান রাজা গোটার্জেসের স্বর্ণমুদ্রার নকশা দ্বারা প্রভাবিত।
- তবে পরবর্তীকালের কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক ও হুবিষ্ক তাদের স্বর্ণমুদ্রায় বিভিন্ন ধরনের নকশা ও প্রতীক ব্যবহার করেছেন।

উল্লেখ্য,
- কুষাণ স্বর্ণমুদ্রা ভারতের অন্যান্য স্থানে কুষাণ শাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট মুদ্রা আর বাংলায় প্রাপ্ত কুষাণ মুদ্রার অবস্থানগত পার্থক্য রয়েছে।
- বিশেষত, বাংলা সরাসরি কুষাণ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
- তবুও বাংলা থেকে অগণিত কুষাণ-মুদ্রা আবিষ্কৃত হয়েছে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ বাংলার বিভিন্ন প্রত্নস্থান থেকে কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক, হুবিষ্ক ছাড়াও মহানাদ কুষাণ, প্রথম বাসুদেব ও দ্বিতীয় বাসুদেবের স্বর্ণমুদ্রা আবিষ্কার করেছেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫৬৫.
পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র কত সালে প্রবর্তিত হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র বিল:
- পাকিস্তান সৃষ্টির দীর্ঘ ৯ বছর পর শাসনতন্ত্র বিশেষজ্ঞগণ এ শাসনতন্ত্রটি প্রণয়ন করেছিলেন।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- মোট ১০৫ পৃষ্ঠার এ শাসনতন্ত্রে একটি প্রস্তাবনা, ১৩টি অংশ, ২৩৪টি বিধিএবং ৬টি তালিকা সন্নিবেশিত ছিল।
- এ শাসনতন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ছাড়াও প্রাদেশিক শাসন ব্যবস্থার উল্লেখ ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৫৬৬.
৭ই মার্চের ভাষণে মূলত কত দফা দাবি তোলা হয়?
  1. ১ দফা
  2. ২ দফা
  3. ৩ দফা
  4. ৪ দফা
সঠিক উত্তর:
৪ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ দফা
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ ১৯৭১-এ প্রদত্ত ১৮ মিনিটের ভাষণটি তাঁর স্বভাবসুলভ তাৎক্ষণিক বক্তব্য ছিল, পূর্বে তৈরি করা বক্তৃতা নয়।
- এটিকে অনেকেই রাজনীতির কবিতা বলে থাকেন।
- তাঁর এই ভাষণকে তুলনা করা হয় আব্রাহাম লিংকন, উইনস্টন চার্চিল, মার্টিন লুথার কিং ও পেরিক্লিসের মহতী যুগান্তকারী ভাষণগুলোর সাথে।
- এর মহত্ত্ব ও বিরাটত্বের কারণে ২০১৭ সনের অক্টোবরে জাতিসংঘের এডুকেশন, কালচার ও সাইন্টিফিক অর্গানাইজেশন, ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের অসাধারণ ভাষণটিকে পৃথিবীর অন্যতম ‘ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে স্বাধীনতাকামী বাঙালি জাতিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
- ভাষণে মূলত ৪ দফা দাবি তোলা হয়।
• মার্শাল ল প্রত্যাহার,
• সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
• রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
• জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৫,৫৬৭.
বাংলাদেশে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৪ সালে
  2. খ) ১৯৭৫ সালে
  3. গ) ১৯৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
• পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম:
- বাংলাদেশের পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর হচ্ছে সরকারি সংস্থা। পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় ১৯৭৬ সালে
- সরকার ১৯৬০ সালে সীমিত আকারে এবং ১৯৬৫ সালে সারা দেশে জাতীয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম শুরু করে।
- অর্থাৎ সরকারের আগেই পরিবার পরিকল্পনার কাজ শুরু করেছিল এফপিএবি।
- স্বাধীনতার পর প্রতিষ্ঠানের নাম হয় বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি।
- বাংলাদেশে ১৯৭৬ সালে প্রথম জনসংখ্যা নীতি প্রণয়নে ভূমিকা রাখে বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি।
- ১৯৯০-র দশকের গোড়ার দিকে মুক্তবাজার অর্থনীতিতে প্রবেশের পর সরকার পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিতে প্রজনন স্বাস্থ্য রক্ষার উপাদানগুলি অন্তর্ভুক্তির একটি পূর্ণাঙ্গ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৫,৫৬৮.
‘মোদের গরব’ ভাস্কর্যটি কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. শাহবাগে
  3. গাজীপুরের চৌরাস্তায়
  4. বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে
ব্যাখ্যা
মোদের গরব:
- মোদের গরব বাংলা একাডেমি ভবনের সামনে অবস্থিত একটি ভাস্কর্য।
- ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানো হয়।
- এই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদদের সম্মানে এই ভাস্কর্যটি তৈরী করা হয়।
- মোদের গরব ভাস্কর্যটির নকশা ও নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান ভাস্কর শিল্পী অখিল পাল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৬৯.
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে ছিলেন?
  1. আলীবর্দী খান
  2. সিরাজ-উ-দ্দৌলা
  3. মুর্শিদ কুলি খান
  4. মীর কাসিম
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
ব্যাখ্যা

নবাবী আমল:
- বাংলায় স্বাধীন নবাবী আমল ১৭০৭-১৭৫৭ সাল।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদকুলী খান ১৭০৭ সালে নবাবী শাসনের সূচনা করেন।
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদৌলার ইংরেজদের হাতে পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয় স্বাধীন নবাবী আমল।
- ১৭৬০ - ৬৩ সাল পর্যন্ত মীর কাসিম নবাব ছিলেন।
- ১৭৬৪ সালে তৎকালীন ক্ষমতাচ্যুত নবাব নবাব মীর কাসিম, মোঘল সম্রাট শাহ আলম ও অযোধ্যার নওয়াব সুজাউদ্দৌলা বাহিনীর সাথে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর যুদ্ধ হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- উক্ত যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলা সহ অন্যান্য অঞ্চলে নবাবী শাসন বিলুপ্ত হয় এবং ইংরেজ উপনেবেশিক যুগ চূড়ান্তভাবে শুরু হয়

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৭০.
এ কে ফজলুল হককে কারা ‘শের-ই-বাংলা’ উপাধি দেয়?
  1. লক্ষ্ণৌর জনগণ
  2. কলকাতার জনগণ
  3. বাংলার জনগণ
  4. পাঞ্জাবের জনগণ
সঠিক উত্তর:
পাঞ্জাবের জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঞ্জাবের জনগণ
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক:
- একে ফজলুল হকের পুরো নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক। 
- এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি ছিলেন কলকাতা করপোশনের প্রথম বাঙালি মুসলমান, বাংলার প্রধানমন্ত্রী, পূর্বপাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, পুর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- আবুল কাশেম ফজলুল হক বাগ্মী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য,
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯১৮ সালে ফজলুল হক লিখিত ভারত মুসলিম লীগের দিল্লী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

⇒ ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তার বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাকে ‘শের-ই-বঙ্গাল’ উপাধি দেয়। ‘শের-ই-বঙ্গাল’ অর্থ বাংলার বাঘ। সেই থেকে তিনি শেরে বাংলা নামে পরিচিত।

এছাড়াও,
- তিনি জীবনে আরো অনেক উপাধি পেয়েছেন।
- ১৯৫৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানী প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান তাকে ‘হিলাল-ই-পাকিস্তান’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: i) দেশ রুপান্তর।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৫৭১.
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে?
  1. ১৬টি
  2. ১৮টি
  3. ১৯টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮টি
ব্যাখ্যা

সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং - ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- সেখানে মোট অনুচ্ছেদ আছে ২২টি। এর মধ্যে ১৮টি মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদে যে ১৮টি অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে, সেগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে মৌলিক অধিকার।
- সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য। এই অধিকারগুলো ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র প্রতিকার প্রদানে বাধ্য থাকে।
- সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই অধিকারগুলোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো আইন বাতিল বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য,
- মৌলিক অধিকারগুলো হলো: আইনের দৃষ্টিতে সমতা, ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য, সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা, বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ, আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার, জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ, গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ, জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ, বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ, চলাফেরার স্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা, সংগঠনের স্বাধীনতা, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা, পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ, দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫,৫৭২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ৬ নং সেক্টরের সদরদপ্তর কোথায় ছিল?
  1. হরিণা 
  2. মেলাঘর 
  3. বাঁশতলা 
  4. বুড়িমারি 
সঠিক উত্তর:
বুড়িমারি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িমারি 
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
= ১নং সেক্টর:
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রব।
- সদরদপ্তর: হরিণা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, পরে মেজর রফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন। 

= ২নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এটিএম হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৩নং সেক্টর:
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: হেজামারা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ, পরে মেজর এএনএম নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন। 

= ৪ নং সেক্টর:
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: প্রথমে করিমগঞ্জে এবং পরে আসামের মাসিমপুর।
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরাজন দত্ত, পরে ক্যাপ্টেন এ রবের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৫নং সেক্টর:
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। 

= ৬নং সেক্টর:
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়িমাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার।

= ৭নং সেক্টর:
-রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর।
- সদরদপ্তর: তরঙ্গপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নজরুল হক, পরে সুবেদার মেজর এ রব এবং মেজর কাজী নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন। 

= ৮নং সেক্টর:
- কুষ্টিয়া, যশোর থেকে খুলনা, সাতক্ষীরা,
- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল,
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ।
- সদরদপ্তর: কল্যাণী।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৯নং সেক্টর:
- বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বশিরহাট।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম জলিল, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর এবং মেজর জয়নাল আবেদীনের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ১০নং সেক্টর:
- সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন।

= ১১নং সেক্টর:
- টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মহেন্দ্রগঞ্জ।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম আবু তাহের।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৭৩.
বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব স্যাটেলাইট কোনটি?
  1. ক) বিডি স্যাটেলাইট-১
  2. খ) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১
  3. গ) চন্দ্রতরী
  4. ঘ) বাংলাস্যাট-১
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব স্যাটেলাইট হলো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। ২০১৮ সালের ১১ মে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানভেরাল থেকে মার্কিন কোম্পানি স্পেসএক্স এর ফ্যালকন-৯ রকেটে করে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটির নির্মাতা ফ্রান্সের থ্যালেস এলিনিয়া। এটির কক্ষপথ হলো ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা।
বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
১৫,৫৭৪.
The Exclusive Economic Maritime Zone of Bangladesh -
  1. 322.51 km
  2. 343.14 km
  3. 367.64 km
  4. 370.40 km
সঠিক উত্তর:
370.40 km
উত্তর
সঠিক উত্তর:
370.40 km
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:

- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার। 
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫৭৫.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র 'ইনোসেন্ট মিলিয়নস’-এর পরিচালক কে?
  1. জহির রায়হান
  2. আলমগীর কবির
  3. তারেক মাসুদ
  4. বাবুল চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
বাবুল চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবুল চৌধুরী
ব্যাখ্যা
প্রামাণ্যচিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ১৯৭১ সালে চারটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়।
- এগুলো হলো জহির রায়হানের ‘স্টপ জেনোসাইড’, ‘আ স্টেট ইজ বর্ন’; আলমগীর কবিরের ‘লিবারেশন ফাইটার্স’ ও বাবুল চৌধুরীর ‘ইনোসেন্ট মিলিয়নস’।
- এসব প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানি মিলিটারির গণহত্যা ও নৃশংসতা সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে জানানো।
- এ ছাড়া শরণার্থীদের দেশত্যাগ ও আশ্রয়শিবিরের দুঃখ-যন্ত্রণার কথা উঠে এসেছে এসব প্রামাণ্যচিত্রে।
- জহির রায়হান চারটি প্রামাণ্যচিত্রের নাম দেন ‘জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র’।

⇒ তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ ‘মুক্তির গান’ (১৯৯৫) নামে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেন। এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি ভ্রাম্যমাণ গানের দলের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৭১ সালে মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা লিয়ার লেভিনের ধারণ করা ফুটেজ থেকে এটি তৈরি করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
১৫,৫৭৬.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য মুদ্রানীতিতে রেপো রেট বা নীতি সুদহার কত?
  1. ৮.২৫%
  2. ৮.৭৫%
  3. ৯.৫%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি (Monetary policy):
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নীতি গ্রহণ করা হয়, তাকে মুদ্রানীতি বলে।
- সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।
- এ জন্য দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে—এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য নীতি ঠিক করা হয়।
- বাজারে মুদ্রার সরবরাহ পরিস্থিতি দিয়েই মূলত এটি ঠিক করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

⇒ বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর—এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।
- ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম মুদ্রানীতি দেওয়া হয়। তখন বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করত বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ফজলে কবির বছরে একবার মুদ্রানীতি প্রণয়নের ঘোষণা দেন।  পরে ২০২৩ সাল থেকে আবার বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণার রীতিতে ফিরে যায় বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এতে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা আগের অর্ধবার্ষিকের ৯.৮ শতাংশ থেকে অনেকটা কমিয়ে ৭.২ শতাংশ করা হচ্ছে।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। [link]
১৫,৫৭৭.
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ এর আহ্বায়ক কে?
  1. এবাদুর রহমান
  2. মো. মাহফুজ আলম
  3. মো. নাহিদ ইসলাম
  4. সারজিস আলম
সঠিক উত্তর:
এবাদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবাদুর রহমান
ব্যাখ্যা
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর: 
- গণভবনে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’–এর কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
- কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে থাকবেন শিক্ষক ও লেখক এবাদুর রহমান।
- আর যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. মাহফুজ আলম।
- গত ১৬ বছরে বাংলাদেশে যে নিপীড়নের স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে, সেগুলো জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে।
- এর পাশাপাশি এই জাদুঘরে ছাত্র-জনতার বিজয়ের স্মৃতিচিহ্নও সংরক্ষণ করা হবে।
- জাদুঘরে ‘আয়নাঘর’-এর একটি রেপ্লিকা তৈরির কথাও ভাবা হচ্ছে। স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের পাশাপাশি গবেষণার ক্ষেত্র হিসেবেও এই জাদুঘরকে প্রতিষ্ঠা করা হবে।
- এই জাদুঘর শুধু বাংলাদেশের মানুষের জন্য নয়, সারা বিশ্বের মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

উৎস: প্রথম আলো (২ নভেম্বর ২০২৪)
১৫,৫৭৮.
মুঘল শাসন ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা -
  1. শিকদার
  2. পাদশাহ
  3. ফৌজদার
  4. সুবাহদার
সঠিক উত্তর:
ফৌজদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদার
ব্যাখ্যা
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা ও শিকদার ছিলেন পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫৭৯.
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ফলে কোন স্বৈরশাসকের পতন ঘটে? 
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. আইয়ুব খান
  3. ইস্কান্দার মির্জা
  4. জেনারেল নওয়াজ শরীফ
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা

আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের পতন:
- ১৯৬৯ সালে গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের পতন ঘটে।
- গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রভাব: ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ফলে পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন
- এর পূর্বে তিনি 'ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা' তুলে নেন।
- জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নতুন সামরিক সরকার বাধ্য হয় ১৯৭০ সালে পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন দিতে।
- গণঅভ্যুত্থানের ফলে পূর্ববাংলার জনগণের মধ্যে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনার বিকাশ ঘটে।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯৫৮ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন ও পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি করেন।
- ইস্কান্দার মির্জা জেনারেল আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন।
- এর মাত্র তিন সপ্তাহ পর, ২৭ অক্টোবর আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট মির্জাকে উৎখাত করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন।
- এর পরের দিন আইয়ুব খান এক আদেশ জারির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- আইয়ুব খান নিজের ক্ষমতা পাকাপাকি করার জন্য ১৩ জন জেনারেলকে বরখাস্ত করেন এবং নিজেকে ভূষিত করেন ফিল্ড মার্শাল উপাধিতে।
- তা ছাড়া রাজধানী করাচি থেকে প্রথমে স্থানাস্তর করেন রাওয়ালপিন্ডিতে, পরে ইসলামাবাদে।
- জেনারেল আইয়ুব ১৯৫৯ সালে ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ নামে নতুন একটা রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন।
- ১৯৬০ সালে এসব মৌলিক গণতন্ত্রীর আস্থা ভোটে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৮-১৯৬৯ প্রায় ১০ বছর আইয়ুব খানের সামরিক শাসন স্থায়ী হয়েছিল।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫,৫৮০.
”সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার”-সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১০১নং
  2. ১০৯নং
  3. ১০৩নং
  4. ১০৬নং
সঠিক উত্তর:
১০৬নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬নং
ব্যাখ্যা

• ”সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার”-সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের ১০৬নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

⇒ ১০৬নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

অন্যদিকে,
⇒ ১০১নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে- হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
⇒ ১০৩নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে- আপীল বিভাগের এখতিয়ার
⇒ ১০৯নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে- আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৫,৫৮১.
চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা সর্বাধিক কোথায়?
  1. রাঙ্গামাটি জেলায়
  2. খাগড়াছড়ি জেলায়
  3. বান্দরবান জেলায়
  4. সিলেট জেলায়
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি জেলায়
ব্যাখ্যা
- পরিসংখ্যান, পরিচিতি ও প্রভাবের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হচ্ছে চাকমা ।
- চাকমারা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে।
-  সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চাকমা বসবাস করে রাঙামাটি জেলায়। 
- পিতৃসূত্রীয় পরিবারে চাকমারা প্রধানত জুমচাষে অভ্যস্ত।
- গ্রামের হেডম্যান এবং সার্কেলের রাজা (চাকমা রাজা) তাদের রাজনৈতিক সংগঠনে নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- বৌদ্ধধর্মে বিশ্বাসী চাকমা সম্প্রদায়ে সাম্প্রতিককালে দৃশ্যমান সামাজিক পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে।

উৎস : সমাজ বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
১৫,৫৮২.
ইরানের কবি হাফিজের সাথে পত্রালাপ হয়েছিল বাংলার কোন সুলতানের?
  1. ক) গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ
  2. খ) আলাউদ্দীন হুসেন শাহ
  3. গ) ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ
  4. ঘ) ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
ক) গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ
ব্যাখ্যা
সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ নিজে বিদ্বান ও কবি ছিলেন। তিনি বিদ্বান লোকদের খুব সমাদর করতেন। মাঝে মাঝে তিনি আরবি ও ফারসি ভাষায় কবিতা লিখতেন। পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজের সঙ্গে তাঁর পত্রালাপ ছিল। একবার তিনি হাফিজের নিকট কবিতার একটি চরণ লিখে পাঠান এবং কবিতাটিকে পূর্ণ করার জন্য কবিকে অনুরোধ জানান। তিনি তাঁকে বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানান। হাফিজ দ্বিতীয় চরণটি রচনা করে কবিতাটি পূর্ণ করে পাঠান। তিনি সুলতানের নিকট একটি গজলও লিখে পাঠান। গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ বাংলা সাহিত্যের উন্নতির ক্ষেত্রেও যথেষ্ট অবদান রাখেন। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘ইউসুফ জোলেখা’ রচনা করেন। সম্ভবত সুলতান কৃত্তিবাসকেও বাংলায় রামায়ণ লেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
Source: Banglapedia
১৫,৫৮৩.
কোন অর্থ বছরে উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী প্রকল্প শুরু হয়?
  1. ১৯৯২-৯৩ অর্থ বছরে
  2. ১৯৯৪-৯৫ অর্থ বছরে
  3. ১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে
  4. ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে
ব্যাখ্যা
উপকূলীয় সবুজবেষ্টনী:
- একানববই’র ঘূর্ণিঝড়ের পরেই বাংলাদেশ সরকার উপকূলীয় সবুজবেষ্টনী তৈরীর প্রকল্প হাতে নেয়।
- প্রকল্পটি সূত্রবদ্ধকরণের কাজ চলে ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৯৪ সালের মার্চ পর্যন্ত এবং ১৯৯৫ সালের ২রা মার্চ এটি এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- ১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী প্রকল্প শুরু হয়।
- ২০০২ সনের ৩১ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত শেষ সময়সীমা নির্ধারণ করে ২৮ জুলাই থেকে প্রকল্পটি কার্যকর ঘোষণা করা হয়।

• এ প্রকল্পে মোট ১০টি বনবিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:
(১) পটুয়াখালী বনবিভাগ (বরগুনা এবং পটুয়াখালী জেলা নিয়ে গঠিত),
(২) চট্টগ্রাম বনবিভাগ (চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার নিয়ে গঠিত),
(৩) ভোলা বনবিভাগ,
(৪) লক্ষীপুর বনবিভাগ,
(৫) নোয়াখালী বনবিভাগ,
(৬) ফেনী বনবিভাগ,
(৭) পিরোজপুর বনবিভাগ,
(৮) বাগেরহাট বনবিভাগ,
(৯) বরিশাল বনবিভাগ, এবং
(১০) ঝালকাঠি বনবিভাগ। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
১৫,৫৮৪.
বাংলার শেষ স্বাধীন সুলতান কে ছিলেন?
  1. ক) গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  2. খ) আলীবর্দী খাঁ
  3. গ) বৈরাম খাঁ
  4. ঘ) গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর :  গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ 

গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ: 
- গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ (১৫৩৩-১৫৩৮)  বাংলার হোসেন শাহী বংশের শেষ সুলতান।
- তিনি তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র সুলতান আলাউদ্দীন ফিরুজকে হত্যা করে ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং পাঁচ বছর শাসন করেন।
- ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওয়ে যে স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেছিলেন ১৫৩৮ সালে গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার অবসান ঘটে।
- ১৫৩৮ সালে শেরশাহ গৌড় দখল করে বাংলায় আফগানি শাসনের সূত্রপাত করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের নবম-দশম শ্রেণী)
১৫,৫৮৫.
জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম কোন জেলায়? (মে ২০২৫)
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. বরিশাল
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ :
- বাংলাদেশের মোট আয়াতন-১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার।
- মোট জনসংখ্যা - ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার- ১.১২%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব - ১,১১৯ জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা জেলায়।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রাঙামাটি জেলায়।

 উৎস : জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২।

১৫,৫৮৬.
মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ দেয় কে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) জাতীয় সংসদ
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) সুপ্রিমকোর্ট
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৬ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদেরকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগদানের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারো পরামর্শ গ্রহণ না করলেও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ গ্রহণ করে থাকেন।

মন্ত্রীসভা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাধীন থাকে। মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ, দপ্তর বন্টন, নিয়োগ ও অব্যাহতি প্রভৃতি প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।

মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। মন্ত্রিসভার সদস্যগণ জাতীয় সংসদের সদস্যদের থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে মন্ত্রিসভার এক-দশমাংশ সদস্য সাংসদ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যায়।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৫,৫৮৭.
যুক্তফ্রন্ট এর ২১ দফার কত দফায় ‘পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন‘ এর কথা হয়েছে ?
  1. ক) ১ দফায়
  2. খ) ৯ দফায়
  3. গ) ১৯ দফায়
  4. ঘ) ১৫ দফায়
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯ দফায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯ দফায়
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্টের ইশতেহারের ২১ দফার গুরুত্বপূর্ণ দফা: 
• ১ নং দফা:  রাষ্ট্রভাষা বাংলা
 বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হবে।
• ৯ নং দফা: অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা ।
 দেশের সর্বত্র অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন এবং শিক্ষকদের ন্যায্য বেতন ও ভাতার ব্যবস্থা।
• ১৫ নং দফা : বিচার বিভাগের স্বাধীনতা 
বিচার বিভাগকে শাসন বিভাগ থেকে পৃথক করা।
• ১৬ নং দফা : বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা  
 বর্ধমান হাউসের পরিবর্তে কম বিলাসের বাড়িতে যুক্তফ্রন্টের প্রধান মন্ত্রীর অবস্থান করা এবং বর্ধমান হাউসকে প্রথমে ছাত্রাবাস ও পরে বাংলা ভাষার গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭ নং দফা: শহিদ মিনার নির্মাণ  
 রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে শহিদদের স্মৃতিচিহ্নস্বরূপ ঘটনাস্থলে শহিদ মিনার নির্মাণ করা এবং শহিদদের পরিবারবর্গকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
 • ১৯ নং দফা : পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন
 লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ববঙ্গের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন এবং দেশরক্ষা, পররাষ্ট্র ও মূদ্রা ব্যতীত সকল বিষয় পূর্ববঙ্গ সরকারের অধীনে আনয়ন, দেশরক্ষা ক্ষেত্রে স্থলবাহিনীর হেডকোয়ার্টার পশ্চিম পাকিস্তানে এবং নৌবাহিনীর হেডকোয়ার্টার পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন এবং পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্রনির্মাণ কারখানা স্থাপন ও আনসার বাহিনীকে সশস্ত্র বাহিনীতে পরিণত করা।

SOURCE: পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র ) ,প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক ।
১৫,৫৮৮.
'আকবর' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. বেগুন
  2. টমেটো
  3. গম
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা
• গম:
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী। 
এছাড়াও - 
- বেগুনের উন্নত জাত: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 
- আলুর উন্নত জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
১৫,৫৮৯.
'অলিভ টারটল' বাংলাদেশের কোন দ্বীপে পাওয়া যায়?
  1. সেন্টমার্টিন
  2. রাঙ্গাবালি
  3. চর আলেকজান্ডার
  4. ছেড়াদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
◉ অলিভ টারটল' বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন দ্বীপে পাওয়া যায়।

অলিভ টারটল:
- অলিভ টারটল হলো জলপাই রঙের কচ্ছপ।
- এই প্রজাতির কচ্ছপ প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগর এলাকার উষ্ণ পানিতে বাস করে।
- বাংলাদেশে এই প্রজাতির কচ্ছপের প্রধান আবাসস্থল হলো সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, সুন্দরবন এবং বঙ্গোপসাগরের অন্যান্য দ্বীপপুঞ্জ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।
- অলিভ টারটল' বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন দ্বীপে পাওয়া যায়।
- দেশের একমাত্র এই প্রবাল দ্বীপ সামুদ্রিক কাছিমের প্রজনন ক্ষেত্রও।
- বঙ্গোপসাগর উপকূল থেকে বিপন্নপ্রায় এসব কাছিম এখন বিলুপ্তির পথে।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ৫ জানুয়ারি ২০১৯, ইত্তেফাক।
১৫,৫৯০.
আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নওয়াব আবদুল গনি
  2. খাজা আহসানুল্লাহ
  3. নবাব গাজীউদ্দিন
  4. নবাব আব্দুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল গনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল গনি
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ঢাকার নওয়াব খাজা আবদুল গনি।
- ১৮৩০ সালে তিনি ফরাসিদের নিকট থেকে পুরনো কুঠিবাড়িটি কিনে সেটিকে নিজ বাসভবনে রূপান্তর করেন।
- এরপর ইউরোপীয় স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানিকে দিয়ে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করান, এর ভিত্তিতে নির্মিত হয় আহসান মঞ্জিল।

উল্লেখ্য, 
- এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং শেষ হয় ১৮৭২ সালে।
- প্রাসাদটির নামকরণ করা হয় খাজা আবদুল গনির পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ-র নামে।
- এই ভবনটি ছিল ঢাকার নবাব পরিবারের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। দীর্ঘ সময় ধরে এখান থেকেই পূর্ব বাংলার মুসলমানদের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে।  

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৯১.
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI)-এর প্রধান কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. মৌলভীবাজার 
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট
- মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) এর প্রধান কার্যালয়।
- ১৯৫৭ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউটটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।
- বৈজ্ঞানিক গবেষনার মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীলতা ও গুনগত মান বৃদ্ধি, চা শিল্পের উন্নয়ন ও উৎকর্ষে বিজ্ঞান ভিত্তিক পরামর্শ ও সহায়তা দান এবং গবেণালব্ধ প্রযুক্তি চা শিল্পে বিস্তার করাই এ প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।
- বর্তমানে এ ইনষ্টিটিউট ১২ টি জাতীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবেও পরিগনিত।
- এ ইনষ্টিটিউট এ যাবৎ উচ্চ ফলনশীল ও আকর্ষনীয় গুনগতমান সম্পন্ন ২৩ টি ক্লোন ও ৫টি বীজজাত উদ্ভাবন করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট।

১৫,৫৯২.
বক্সারের যুদ্ধ সংগঠিত হয় কোথায়?
  1. ক) উড়িষ্যা
  2. খ) বাংলা
  3. গ) বিহার
  4. ঘ) ঝাড়খন্ড
সঠিক উত্তর:
গ) বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিহার
ব্যাখ্যা
- বক্সারের যুদ্ধ সংগঠিত হয় বিহারে।

বক্সারের যুদ্ধ:
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে। 
- বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন। সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়। মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৯৩.
নিচের কোথায় বাংলাদেশের একমাত্র মেরিন একাডেমী?
  1. ক) ঢাকার সাভার
  2. খ) নারায়ণগঞ্জে
  3. গ) খুলনায়
  4. ঘ) চট্টগ্রামের জলদিয়ায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রামের জলদিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রামের জলদিয়ায়
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য জাহাজের জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়। এ একাডেমী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জাহাজের ক্যাডেট, ডেক অফিসার এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে। চট্টগ্রামের অদূরে, কর্ণফুলী এবং বঙ্গোপসাগরের মোহনায় গড়ে ওঠে এ মেরিন একাডেমী।
১৫,৫৯৪.
নিম্নের কোনটি উপকারী পোকা?
  1. জেসিড
  2. জাব পোকা
  3. লেডি বার্ড বিটল
  4. ক্যারাবিট বিটল
সঠিক উত্তর:
লেডি বার্ড বিটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেডি বার্ড বিটল
ব্যাখ্যা
⇒ 'লেডি বার্ড বিটল' উপকারী পোকা।

লেডি বার্ড বিটল:
- লেডি বার্ড বিটল পোকাটি কৃষকের বন্ধু।
- প্রকৃতির অলংকার যা লেডিবাগ বা লেডিবিটল নামেও পরিচিত।
- ছোট আকারের, উজ্জ্বল রঙের পতঙ্গ।
- এদের লাল বা কমলা রঙের ডানার উপর কালো রঙের ফোঁটা থাকে।
- এই সুন্দর পতঙ্গটি শুধু দেখতেই আকর্ষণীয় নয়, বরং কৃষিকাজেও অত্যন্ত উপকারী।
- পোকাটি কৃষকদের জন্য খুবই উপকারী।
- এরা ফসলের ক্ষতিকর পোকা খেয়ে ফসলকে রক্ষা করে।
- এদের একটি পূর্ণাঙ্গ বিটল প্রতিদিন প্রায় ৫০টি এফিড পোকা খেতে পারে।
- প্রাকৃতিক কীটনাশক: এই পোকা সংরক্ষণের মাধ্যমে ক্ষতিকর কীটনাশকের ব্যবহার কমানো যায়।
- সৌন্দর্য: পোকাটি তাদের সুন্দর রঙের জন্য পরিচিত। এরা বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১৫,৫৯৫.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. শামসুল হক
  2. গাজীউল হক
  3. আব্দুল মতিন
  4. কাজী গোলাম মাহবুব
সঠিক উত্তর:
গাজীউল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীউল হক
ব্যাখ্যা
একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হতে থাকে।
- সরকার ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে।
- বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়। সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক। 
- বক্তব্য রাখেন শামসুল হক, মোহাম্মদ তোয়াহা, কাজী গোলাম মাহবুব, খালেক নেওয়াজ ও আবদুল মতিন।
-  সভাপতি ১০ জন করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের নির্দেশ দেন।
- পুলিশ মিছিলকারীদের উপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে ছাত্ররা মেডিকেল হোস্টেলের প্রধান ফটকের কাছে জমায়েত হন।
- মেডিকেল হোস্টেলের নিকটেই ছিল জগন্নাথ হলের অডিটোরিয়াম যেখানে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সভা বসত।
- আন্দোলনকারী ছাত্রদের উদ্দেশ্য ছিল পূর্ববাংলা আইন পরিষদে যোগদানকারী সদস্যদের কাছে বাংলা ভাষার দাবির কথা পৌঁছে দেয়া যেন তাঁরা অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিষয়ে সুপারিশ গ্রহণ করেন।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক ইত্তেফাক, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
১৫,৫৯৬.
ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (ENA) কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. বাংলাদেশ
  3. পাকিস্তান
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (ENA):
- বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (ENA)।
- ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭০-৭১ সালের সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জননন্দিত হয়।
- এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় ঢাকায়।
- এনা শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা সংবাদপত্র সরবরাহ করে।
- অনলাইন ভিত্তিক দেশে প্রধান নিউজ সংস্থা হলো Bdnews24.com.

কয়েকটি সংবাদ সংস্থা:
- এপি: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, যুক্তরাষ্ট্র।
- সিনহুয়া: চীনের সংবাদ সংস্থা।
- রয়টার: যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা।
- পিটিআই: প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া, ভারত।
- পিপিআই: পাকিস্তান।
- তাস: রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৯৭.
'নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতি' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  3. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক: 
- ব্রিটিশ শাসন এবং অবাঙালি নেতৃত্বের বিরোধিতা ছিল তাঁর চেতনামূলে।
- কৃষক-প্রজা সাধারণ মানুষ ছিল তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতে।
- হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের কাছে সমান জনপ্রিয় ছিলেন এ কে ফজলুল হক।
- ১৯১৬ সালের হিন্দু-মুসলমান 'লক্ষ্ণৌ চুক্তি' সম্পাদনে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ১৯১৮-১৯ সালে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯২৯ সালে তিনি 'নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতি' প্রতিষ্ঠা করেন,
- ১৯৩৬ সালে যার নতুন নামকরণ হয় কৃষক-প্রজা পার্টি।

উল্লেখ্য
- ১৯৩৭ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আসীন ছিলেন।
- ১৯৪০ সালে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- এ প্রস্তাবে একাধিক স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়েছিল।
- ১৯৪২ সাল থেকেই শেরেবাংলা সাম্প্রদায়িক "দ্বিজাতি তত্ত্বের" জোরালো বিরোধীতা শুরু করেন।
-  তিনি সাধারণ মানুষের জন্য 'ডাল-ভাত' কর্মসূচি প্রবর্তন করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫৯৮.
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ক) ১৯৫৯ সালে
  2. খ) ১৯৬২ সালে
  3. গ) ১৯৬৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ হিসেবে পরিচিত হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর লেবাননের বৈরুত শহরে মারা যান।
তিনি ১৮৯২ সালে পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৬-৪৭ সালে তিনি অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৬-৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া বিভিন্ন সময় সময় তিনি ব্রিটিশ ভারত ও পাকিস্তান সরকারের কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৫,৫৯৯.
সংবিধানে জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ৬৪ অনুচ্ছেদে
  2. ৬৫ অনুচ্ছেদে
  3. ৬৭ অনুচ্ছেদে
  4. ৬৮ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৬৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- সংবিধানে জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে ৬৫ অনুচ্ছেদে।
- ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
১. বাংলাদেশের সংসদের নাম হবে “জাতীয় সংসদ”। দেশের আইন তৈরি করার দায়িত্ব এই সংসদের।
২. সংসদ চাইলে কোনো ব্যক্তি বা সংস্থাকে নিয়ম-কানুন বা আইন তৈরি করার ক্ষমতা দিতে পারবে।
৩. সংসদ গঠিত হয় ৩০০ জন নির্বাচিত সদস্য নিয়ে, যারা দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ সরাসরি ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন।
৪. আরও ৫০টি আসন শুধু নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এসব আসনে নারীরা নির্বাচিত হবেন সংসদের সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক পদ্ধতিতে।
তবে, নারীরা চাইলে সরাসরি ভোটেও (৩০০ আসনের মধ্যে) নির্বাচন করতে পারবেন।
৫. সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে সংসদে ৩০০ জন সাধারণ সদস্য + ৫০ জন নারী সদস্য, মোট ৩৫০ জন সদস্য রয়েছেন।
৬. রাজধানীতে সংসদের আসন থাকবে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৬০০.
'জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২২
  3. অনুচ্ছেদ ২১
  4. অনুচ্ছেদ ২৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৪
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- 'জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন' সংবিধানের ২৪নং অনুচ্ছেদে বলা আছে। 

অন্যদিকে,
- ২৩নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি। 
- ২১নং অনুচ্ছেদ : নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য।
- ২২নং অনুচ্ছেদ : নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।