বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৩৬ / ৩০৬ · ১৩,৫০১১৩,৬০০ / ৩০,৮৩২

১৩,৫০১.
বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯১
  2. ১৯৯০
  3. ১৯৯২
  4. ১৯৯৩
সঠিক উত্তর:
১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১
ব্যাখ্যা
• সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন:
- বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরু হয়েছিল পাকিস্তানি সামরিক-আমলাতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির দৃঢ় প্রতিরোধের মাধ্যমে।
- এই প্রতিরোধের চূড়ান্ত পরিণতি ছিল ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ,  যার মাধ্যমে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
- তবে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সময়কালে দেশে সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সংসদীয় গণতন্ত্র সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়।

- তবে বাঙালি জনগণ কখনোই গণতন্ত্রহীনতাকে মেনে নেয়নি। তারা পূর্বের ঐতিহ্য অনুযায়ী বারবার আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এই রাজনৈতিক সচেতনতা এবং গণতন্ত্রের প্রতি দায়বদ্ধতাই ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনে রূপ নেয়, যার মাধ্যমে সামরিক শাসনের অবসান ঘটে এবং দেশে পুনরায় সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয়।

- আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও সে সময় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। স্নায়ুযুদ্ধের অবসান, সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার পতন এবং তৃতীয় বিশ্বের দেশে সামরিক শাসনের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস পাওয়ায় বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদী-উদারনৈতিক গণতন্ত্রের প্রতি একটি প্রবণতা তৈরি হয়। বাংলাদেশও এই পরিবর্তনের প্রভাব থেকে বাদ যায়নি।

- ১৯৯০ সালের আন্দোলনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এক বিরল ঐকমত্য দেখা যায়। ডান, বাম ও ধর্মভিত্তিক দলগুলো একমত হয় যে, একটি নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনই হবে সামরিক শাসনের শান্তিপূর্ণ পরিসমাপ্তির একমাত্র পথ।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯১ সালে দেশে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

- ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সময়ে দেশে তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যদিও ১৯৯৬ সালের নির্বাচন ছিল বিতর্কিত, তবে এই সংসদেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে সংযোজিত হয়, যা ছিল গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৫০২.
'আচিক' কোন নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার নাম?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মারমা
  3. গ) ওঁরাও
  4. ঘ) গারো
সঠিক উত্তর:
ঘ) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গারো
ব্যাখ্যা
গারোরা ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলের মধুপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও গাজীপুরের শ্রীপুরে বাস করে।  বৃহত্তর সিলেট জেলায়ও কিছু সংখ্যক গারো রয়েছে। বাংলাদেশের গারোরা সাধারণত সমতলের বাসিন্দা৷

- গারোদের ভাষা 'আচিক'।
- এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- গারো ভাষা তিব্বতীয়-বর্মি ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।


তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি।
১৩,৫০৩.
নিচের কোন ক্ষেত্রে উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক অবদান রাখেন?
  1. সতীদাহ প্রথা বিলোপ
  2. ঠগী দমন
  3. 'ইন্ডিয়ান পেনাল কোড’ তৈরি
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক বাংলার সর্বশেষ ( ১৮২৮-১৮৩৩) এবং ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ( ১৮৩৩-১৮৩৫) ছিলেন।
তার অবদানসমূহ-
- তিনি বাংলায় সর্বপ্রথম ‘জুরী ব্যবস্থার’ প্রবর্তন করেন।
- বেন্টিঙ্ক লর্ড মেকলের সহায়তায় আইন কমিশন গঠন করে ‘ইন্ডিয়ান পেনাল কোড’ তৈরি করেন।
- সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরন আইন ( ১৮২৯ ) - রাজা রামমোহন রায় ও প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সমর্থন ও সহায়তা লাভ করেন।
- সতীদাহ নিবারণ ও ঠগী দমন হলো বেন্টিঙ্কের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- এছাড়া তৎকালীন হিন্দু রীতি অনুযায়ী দেবতাকে খুশি করার জন্য নিজের প্রথম সন্তানকে গঙ্গা নদীতে নিক্ষেপ ও বিবাহ দেয়ার অক্ষমতাহেতু নিজ শিশু কন্যাকে গলাটিপে হত্যা করার নিয়মও বেন্টিঙ্ক চিরতরে বন্ধ করে দেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেনি এবং ইতিহাস প্রথম পত্র - এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৫০৪.
'আসাদ গেট' কোন আন্দোলনের স্মৃতি বহন করে?
  1. ছয় দফা আন্দোলন
  2. বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. অসহযোগ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
শহীদ আসাদ:
- শহীদ আসাদ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- তাই ২০ জানুয়ারি 'শহীদ আসাদ দিবস' পালিত হয়।
- অনেক জায়গায় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে।
- এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’।
- তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৫০৫.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
  2. শাহরিয়ার কবির শিক্ষা কমিশন
  3. আবদুল কাইয়ুম শিক্ষা কমিশন
  4. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।

কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:

- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৩,৫০৬.
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে: ২৮ জুলাই ১৯৭৩ সালে।
- বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- ট্যারিফ কমিশন এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।

⇒ কমিশন ৩টি শাখায় বিভক্ত। যথা:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।

- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত।
- এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৩,৫০৭.
বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন -
  1. ক) আইন সচিব
  2. খ) এটর্নি জেনারেল
  3. গ) প্রধান বিচারপতি
  4. ঘ) আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) এটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
এটর্নি জেনারেল:

- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন এটর্নি জেনারেল।
- এটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রাথমিক আইনজীবী।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদবলে রাষ্ট্রপতি তাকে নিয়োগদান করেন।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগের প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি।
- জাতীয় সংসদের সভাপতি হলেন মাননীয় স্পিকার।
- বাংলাদেশের আইন মন্ত্রণালয়ে নির্বাহী প্রধান হলেন আইনমনন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৫০৮.
সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয় কবে?
  1. ক) ১০ এপ্রিল
  2. খ) ১১ এপ্রিল
  3. গ) ১৭ এপ্রিল
  4. ঘ) ১০ মে
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার প্রথমে ১০ এপ্রিল সমগ্র দেশকে ৪ টি সেক্টরে ভাগ করে। ১১ এপ্রিল তা পুর্নগঠন করে ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১ টি সেক্টরকে ৬৪ টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। (সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩,৫০৯.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে
  2. কোন দলীয় সংগঠন নেই
  3. রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ করা
  4. নিজেদের স্বার্থ বা দাবি আদায় করা
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
- এদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ নয়।
- সরকারের উপরে চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের স্বার্থ বা দাবি আদায় করা হচ্ছে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৫১০.
‘চরগোলা এক্সোডাস’ বা ‘মুলুক চলো’ আন্দোলন কিসের সাথে সর্ম্পকিত?
  1. ক) পোষাক শ্রমিকদের সাথে
  2. খ) চা শ্রমিকদের সাথে
  3. গ) ভাষা আন্দোলনের সাথে
  4. ঘ) ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সাথে
সঠিক উত্তর:
খ) চা শ্রমিকদের সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চা শ্রমিকদের সাথে
ব্যাখ্যা
• ‘মুলুক চলো’ আন্দোলন:
- ১৯২০ সালে বাংলার চা–শ্রমিকেরা ‘মুলুক চলো’ নামে একটি আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- চা–শিল্পের ইতিহাসে এই আন্দোলনের তাৎপর্য অনেক। 
- চা–শিল্পের এক রক্তাক্ত অধ্যায় হলো ‘চরগোলা এক্সোডাস’। যাকে বাংলায় বলে ‘মুলুক চলো আন্দোলন’। 

- ১৯২০ সালে রাউলাট আইন বাতিলের দাবিতে এবং খিলাফত আন্দোলনের সমর্থনে ভারতীয় কংগ্রেস অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়। এতে লোকজন দলে দলে ব্রিটিশের চাকরি ও পণ্য পরিত্যাগ করা শুরু করেন। এ সময় মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে দালালের মাধ্যমে ছোটনাগপুর, সাঁওতাল পরগনা, বিহার, ওডিশা, যুক্ত প্রদেশ (উত্তর প্রদেশ), অন্ধ্র প্রদেশ থেকে হাজার হাজার শ্রমিক আনা হয় জনবিরল আসামে। তাঁদের প্রথমে আনা হয় তিন বছরের চুক্তিতে।
- কিন্তু বছরের পর বছর কেটে যাওয়ার পরও তাঁদের মুক্তির অনুমতি মেলে না।

- এই বাস্তবতায় ব্রাহ্মসমাজের মিশনারি ও কংগ্রেসের কর্মীদের গোপন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শ্রমিকদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হয়।
- এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন সিলেটের বিপিনচন্দ্র পাল।

- ৩ মে প্রথম আনিপুর চা–বাগানের ৭৫০ জন শ্রমিক স্ত্রী–পুত্রের হাত ধরে বেরিয়ে পড়েন কর্তৃপক্ষের বাধা উপেক্ষা করে।
- শুরু হয় চা–শ্রমিকদের মহানিষ্ক্রমণ অধ্যায়, যা ভারতের ইতিহাসের ‘চরগোলা এক্সোডাস’ নামে পরিচিত।
- শ্রমিকেরা এর নাম দিয়েছিল ‘মুলুক চলো’ আন্দোলন। অর্থাৎ চা–বাগানের বন্দিত্ব ঘুচিয়ে নিজের দেশে ফিরে যাওয়ার আন্দোলন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (৪ জুন, ২০২৩)।
১৩,৫১১.
'বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি' প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ২ জানুয়ারি, ১৯৫২
  2. ৩ জানুয়ারি, ১৯৫২
  3. ৪ জানুয়ারি, ১৯৫২
  4. ৫ জানুয়ারি, ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
৩ জানুয়ারি, ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জানুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি একটি অরাজনৈতিক, বেসরকারি ও অলাভজনক সংস্থা।
- ১৯৫২ সালের ৩ জানুয়ারি এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি বিষয়ে গবেষণার লক্ষ্যে বাংলাদেশে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটি কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির (স্থাপিত ১৭৮৪) উত্তরসূরী।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এ সোসাইটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক।
- ঢাকা মহানগরে ৫ পুরাতন সচিবালয় রোডে (নিমতলী) সোসাইটির কার্যালয় স্থাপিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৫১২.
নিচের কোনজন একজন সশ্বস্ত্র ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী?
  1. ক) জওহরলাল নেহরু
  2. খ) মাস্টার দা সূর্যসেন
  3. গ) সর্দার বল্লবভাই প্যাটেল
  4. ঘ) চিত্তরঞ্জন দাস
সঠিক উত্তর:
খ) মাস্টার দা সূর্যসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাস্টার দা সূর্যসেন
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে মাস্টার দা সূর্যসেন ছিলেন একজন ব্রিটিশবিরোধী সশ্বস্ত্র বিপ্লবী। তিনি ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজানে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরোনাম সূর্যকুমার সেন। ডাকনাম ছিলো কালু।

১৯১৬ সালে বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে অধ্যয়নকালে সূর্যসেন শিক্ষক শতীশচন্দ্র চক্রবর্তীর মাধ্যমে বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন এবং যুগান্তর দলের সাথে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তীতে চট্টগ্রামে ফিরে এসে তিনি যুগান্তর দলকে উজ্জীবিত করেন।

তিনি ছিলেন যুগান্তর দলের চট্টগ্রাম শাখার প্রধান। এছাড়া চট্টগ্রাম রিপাবলিকান আর্মি নামে একটি সশ্বস্ত্র সংগঠন গড়ে তোলেন।

তার নেতৃত্বে ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রামে সরকারি অস্ত্রগার লুন্ঠন সংঘটিত হয় যা সারা ভারতবর্ষে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলো। মাস্টার দা স্বাধীন চিটাগাং সরকারের ঘোষণা দেন। তবে শেষ পর্যন্ত ইংরেজ বাহিনীর সাথে যুদ্ধে মাস্টার দা ও তার বিপ্লবীরা পরাজিত হয়।

১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে সূর্যসেনকে ফাসি দেওয়া হয়। তার সহচরদের মধ্যে ছিলেন অম্বিকা চক্রবর্তী, লোকনাথবল, নির্মল সেন, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার প্রমুখ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৩,৫১৩.
পাকিস্তান গণপরিষদে 'বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি' প্রথম কে উত্থাপন করেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. আবুল কাসেম
  4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৪৮ সালের প্রথম থেকেই শিক্ষিত বাঙালি সমাজ বাংলা ভাষার দাবি নিয়ে সোচ্চার হয়ে ওঠে।
- ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হয়।
- পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলাকেও অধিবেশনের অন্যতম ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
- কিন্তু, মুসলিম লীগের সকল সদস্য এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে।
- ২৬ ও ২৯শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে ঢাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয়।
- ২রা মার্চ দেশের ছাত্রসমাজ বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৫১৪.
জুলাই সনদ ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করা হয় কবে?[ আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৪ ই আগস্ট, ২০২৫
  2. ৫ ই আগস্ট, ২০২৫
  3. ৬ ই আগস্ট,২০২৫
  4. ৭ ই আগস্ট, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৫ ই আগস্ট, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ই আগস্ট, ২০২৫
ব্যাখ্যা

জুলাই সনদ ঘোষণাপত্র:
- তারিখ : ৫ ই আগস্ট ২০২৫ সাল।
- স্থান: রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ।
- প্রধান ব্যক্তিত্ব: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- অনুষ্ঠানের নাম:‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’।
- উদ্দেশ্য: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উদযাপন।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া।
- আয়োজক: সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- মূল কার্যক্রম: অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও ছাত্র-জনতা উপস্থিত ছিলেন।
- জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল।

​উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[ লিঙ্ক]

১৩,৫১৫.
জাহাঙ্গীর 'দস্তর-উল-আমল' নামে কয়টি আইন প্রণয়ন করেন?
  1. ১১টি
  2. ১২টি
  3. ১৩টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
সম্রাট জাহাঙ্গীর:

- আকবরের মৃত্যুর পর যুবরাজ সেলিম 'নুরউদ্দীন মুহম্মদ জাহাঙ্গীর বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি ১৬০৫- ১৬২৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন।
- তিনি মোগল সাম্রাজ্যের সংহতি বাংলার বার ভূঁইয়াদের দমন এবং মেবার বিজয় করেন।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন।
- তিনি ছিলেন একাধারে আকর্ষণীয়, প্রজ্ঞাবান, দয়ালু ও বুদ্ধিমান শাসক।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁর পিতার সময়ের বেশকিছু নির্যাতনমূলক আইন বাতিল করেন।
- তিনি 'দস্তুর-উল-আমল' নামে ১২টি আইন প্রণয়ন করে দয়া ও উদারতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।
- একজন সাধারণ প্রজাও সরাসরি সম্রাটের বিচারপ্রার্থী হতে পারতেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৫১৬.
বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার কমপক্ষে কত শতাংশ সদস্য সংসদ সদস্য হতে হবে?
  1. ১০%
  2. ৫০%
  3. ৯০%
  4. ৭৫%
সঠিক উত্তর:
৯০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০%
ব্যাখ্যা

- মন্ত্রিসভার কমপক্ষে নয়-দশমাংশ সদস্য সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে হয়।

- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের মধ্যে অন্তত ৯০% সংসদ সদস্য হতে হবে। অর্থাৎ, তাঁরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হবেন।
- বাকি সর্বোচ্চ ১০% মন্ত্রী হতে পারেন এমন ব্যক্তি, যাঁরা সরাসরি সংসদ সদস্য না হলেও সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৩,৫১৭.
নিম্নের কোন মন্ত্রণালয়ের পূর্ব নাম 'সংস্থাপন মন্ত্রণালয়' ছিল?
  1. ভূমি মন্ত্রণালয়
  2. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:

⇒ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি মন্ত্রণালয়।
⇒ সংস্থাপন মন্ত্রণালয় হলো 'জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়' এর পূর্ব নাম।
⇒ ১৯৮২ সালে Martial Law Committee on Reorganizational Set-up সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর/পরিদপ্তরসহ সকল স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
⇒ সময়ের আবর্তনে কার্যসম্পৃক্ত নামকরণের চাহিদা অনুভূত হওয়ায় ২৮/০৪/১১ সালে তারিখে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (Ministry of Public Administration) করা হয়।

সাংগঠনিক কাঠামো:
- এ মন্ত্রণালয়ে ৯টি অনুবিভাগ, ২৬টি অধিশাখা ও ৭৩টি শাখা/ইউনিট/কোষ রয়েছে।
- তাছাড়া বাংলাদেশ সচিবালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এবং লোক-প্রশাসন কম্পিউটার কেন্দ্র এ মন্ত্রণালয়ের অধীন।

তথ্যসূত্র: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৩,৫১৮.
রাষ্ট্রপতি কত দিনের জন্য কোন সংশ্লিষ্ট তহবিল হতে অর্থ মঞ্জুর করতে পারেন?
  1. ৩০দিন
  2. ৬০দিন
  3. ৯০দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০দিন
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ:

-  রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
- রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগের দায়িত্বও রাষ্ট্রপতির।
- তিন বাহিনীর (সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী) প্রধানদের তিনিই নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতিত রাষ্ট্রপতি তাঁর সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য পরিচালনা করেন।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
-  সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অথবা সংসদ অধিবেশনরত অবস্থায় না থাকলে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া কোনো অর্থ বিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না।
- কোনো কারণে সংসদ কোনো ক্ষেত্রে অর্থ মঞ্জুর করতে অসমর্থ হলে রাষ্ট্রপতি ৬০দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট তহবিল হতে অর্থ মঞ্জুর করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগদান করেন।
- তিনি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
১৩,৫১৯.
পাকবাহিনীর গণহত্যার খবর বহির্বিশ্বে প্রথম কে তুলে ধরেন?
  1. ক) সাইমন ড্রিং
  2. খ) অ্যান্থনি মাসকারেনহাস
  3. গ) ডেভিট ফ্রস্ট
  4. ঘ) অ্যালেন গিন্সবার্গ
সঠিক উত্তর:
ক) সাইমন ড্রিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাইমন ড্রিং
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ অপারেশন সার্চলাইটের সময় ব্রিটেনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার সাংবাদিক সাইমন ড্রিং ঢাকা ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে গোপনে অবস্থান করে পাকবাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন। পরবর্তীতে ৩০শে মার্চ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ড ইন পাকিস্তান' শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে সর্বপ্রথম পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের খবর বহির্বিশ্বে প্রচার করেন। এ ঘটনার পর তাকে ঢাকা ছাড়তে হয়। পরবর্তীতে ১৬ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর ট্যাংকে চড়ে তিনি ঢাকায় প্রবেশ করেন।
(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
১৩,৫২০.
'সম্পত্তির অধিকার' বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখিত আছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ৪১
  2. খ) অনুচ্ছেদ ৪২
  3. গ) অনুচ্ছেদ ৪৩
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ৪৪
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ ৪২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের  ৪২নং অনুচ্ছেদে সম্পত্তির অধিকারের কথা বলা হয়েছে।
সম্পত্তির অধিকার:
অনুচ্ছেদ ৪২(১) - আইনের দ্বারা আরোপিত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের সম্পত্তি অর্জন, ধারণ, হস্তান্তর বা অন্যভাবে বিলি-ব্যবস্থা করার অধিকার থাকবে এবং আইনের কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ, রাষ্ট্রায়ত্ত বা দখল করা যাবে না। 
 অনুচ্ছেদ ৪২ (২) - এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত আইনে ক্ষতিপূরণসহ বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ, রাষ্ট্রায়ত্তকরণ বা দখলের বিধান করা হবে এবং ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ কিংবা ক্ষতিপূরণ নির্ণয় ও প্রদানের নীতি ও পদ্ধতি নির্দিষ্ট করা হবে; তবে অনুরূপ কোন আইনে ক্ষতিপূরণের বিধান অপর্যাপ্ত হয়েছে বলে সেই আইন সম্পর্কে কোন আদালতে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
 অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৫২১.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. শ্রীমঙ্গল
  3. পঞ্চগড়
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
• চা নিলাম কেন্দ্র:
-  দেশে বর্তমানে চা নিলাম কেন্দ্র আছে ৩টি।
- চট্টগ্রাম ও শ্রীমঙ্গলের পর পঞ্চগড়ে হলো দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র।
- ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কর হয়।
-  চাষীদের কাঁচা চা পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হলো। 
- উৎপাদনের দিক দিয়ে দেশের দ্বিতীয় চা অঞ্চল পঞ্চগড়।
-  দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড়ে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বাসস (২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩)।
১৩,৫২২.
কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রিতে কোন যুদ্ধে নিহত সৈনিকদের সমাহিত করা হয়?
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধ
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  3. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
  4. ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
২য় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি:
- কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের ৭৩৭ জন সৈনিককে এখানে সমাহিত করা হয়।
- সম্প্রতি নিহত ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ ৮১ বছর পর জাপানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
- কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম পাশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার এ যুদ্ধসমাধি ঐতিহাসিক স্থান।

উল্লেখ্য,
- কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রিতে ১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ৭৩৮ জন সেনাকে সমাহিত করা হয়।
- ১৩টি দেশের ৭৩৭ জন যোদ্ধার মধ্যে ইসলাম ধর্মের ১৭২ জন, বৌদ্ধধর্মের ২৪ জন, হিন্দুধর্মের ২ জন ও বাকিরা খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী।
- এর মধ্যে যুক্তরাজ্যের ৩৫৭ জন, কানাডার ১২, অস্ট্রেলিয়ার ১২, নিউজিল্যান্ডের ৪, দক্ষিণ আফ্রিকার ১, অবিভক্ত ভারতের ১৭১, রোডেশিয়ার ৩, পূর্ব আফ্রিকার ৫৬, পশ্চিম আফ্রিকার ৮৬, বার্মার (বর্তমান মিয়ানমার) ১, বেলজিয়ামের ১, জাপানের ২৪ জন এবং পোল্যান্ডের ১ জনের সমাধি আছে।
- প্রতি বছরের নভেম্বর মাসে কমনওয়েলথভুক্ত দেশের হাইকমিশনারসহ তাঁদের প্রতিনিধিরা এই সমাধিস্থলে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহতদের স্মরণ করেন।
- সে ধারাবাহিকতায় এ বছরের ৯ নভেম্বর ১৩ দেশের কূটনীতিকেরা সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
১৩,৫২৩.
Which one is the mobile banking service of postal department?
  1. ক) Bkash
  2. খ) Nagad
  3. গ) Rocket
  4. ঘ) Upay
সঠিক উত্তর:
খ) Nagad
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Nagad
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:

- ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হচ্ছে নগদ
- বাংলাদেশে মোবাইলের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় মার্চ ২০১১ সালে
- ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম সেবাটি চালু করে, যার নাম এখন রকেট
- ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- ২০১৯ সালের মার্চে চালু হয় ডাক বিভাগের সেবা নগদ।
- বর্তমানে বিকাশ,রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ,উপায়,শিওর ক্যাশসহ ১৫টি ব্যাংক এ সেবা দিচ্ছে

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো,২৯ মার্চ ২০২১।
১৩,৫২৪.
সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়?
  1. পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. অষ্টম সংশোধনী
  4. একাদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী:
- চতুর্দশ সংশোধনী আইন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আইন ২০০৪ সালের ১৬ মে সংসদে পাস হয়।

• এ সংশেোধনীর মাধ্যমে বিভিন্ন বিধান সংবিধানে যুক্ত হয়। 
যেমন-
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫ এ উন্নীত করা হয়, যা পরবর্তী দশ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়।
- এর পাশাপাশি এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তাদের স্ব স্ব কার্যলয়সহ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়।

উৎস: সংবিধান।

১৩,৫২৫.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১ম 
  2. ২য়
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার ইইউ। বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির অর্ধেকের গন্তব্য হচ্ছে ইইউভুক্ত দেশগুলো। এই বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দুই অবস্থানে রয়েছে চীন ও বাংলাদেশ।
- ১ম স্থানে রয়েছে চীন এবং ২য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
- ইইউর বাজারে তৃতীয় শীর্ষ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ তুরস্ক।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রপ্তানির রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

উৎস: i) BIDA ওয়েবসাইট।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো। [link]

১৩,৫২৬.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ধারণার প্রবর্তক কে ছিলেন?
  1. ক) ইস্কাদার মির্জা
  2. খ) টিক্কা খান
  3. গ) ইয়াহিয়া খান
  4. ঘ) আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্রের বর্ণনা:
- ১৯৫৯ সালের ২৭ অক্টোবর আইয়ুব খান তাঁর বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে গণতন্ত্র সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব চিন্তাধারা ও পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। 
- তাঁর উদ্ভাবিত পরিকল্পনা মৌলিক গণতন্ত্র নামে পরিচিত। 
- এর মাধ্যমে দেশে একটি চার স্তর বিশিষ্ট পিরামিড আকৃতির কাঠামো সৃষ্টি করা হয়।

• স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

 •  ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩,৫২৭.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রামে
  2. পঞ্চগড়ে
  3. হবিগঞ্জে
  4. মৌলভীবাজারে
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়ে
ব্যাখ্যা
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র:
- দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ে অবস্থিত।
- চা-চাষিদের কাঁচা চা-পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হয়।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- ‘সমতলে চায়ের ভূবন, পঞ্চগড়ে স্বাগতম’ স্লোগানে স্মল টি গার্ডেন ওনার্স অ্যান্ড টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এই নিলাম কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

উৎস: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১৩,৫২৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশে মোট কয়টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে -
  1. ক) ৫৮
  2. খ) ৫৯
  3. গ) ৬১
  4. ঘ) ৬০
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৯
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে সঠিক উত্তর - ৫৯।

নতুন তফসিলি ব্যাংকের অনুমোদনঃ
- ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বাংলাদেশ ব্যাংক এর ৪০২ তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় দেশের ৬০ তম তফসিলি ব্যাংক হিসেবে চুড়ান্তভাবে অনুমোদন পায় বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড। এর প্রধান উদ্যোক্তা হলেন বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন।
- বর্তমানে দেশে ৬০টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণীজ্যিক ব্যাংক, ৩টি সরকারি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বাকি ৫১টি বেসরকারি ব্যাংক যার মধ্য়ে ৯টি বিদেশি মালিকানাধীন। [মার্চ, ২০২০]
১৩,৫২৯.
ভাষা শহিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কে?
  1. ক) রফিকউদ্দিন আহমেদ
  2. খ) আবদুস সালাম
  3. গ) আবদুল জব্বার
  4. ঘ) আবুল বরকত
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবুল বরকত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবুল বরকত
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন আবুল বরকত। যার ডাক নাম ছিল আবাই। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন।
২১ ফেব্রুয়ারির মিছিলে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
অন্য ভাষা শহিদদের মধ্যে রফিকউদ্দিন আহমেদ ছিলেন মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্রপুর কলেজের ছাত্র।
আব্দুস সালাম ছিলেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি।
সূত্র- বাংলাপিডিয়া এবং একুশ থেকে একাত্তর-আহমেদ রফিক।
১৩,৫৩০.
ফ্রিডম হাউসের ইন্টারনেট স্বাধীনতা সূচক- ২০২৫ এ বাংলাদেশের স্কোর কত?
  1. ৪৫
  2. ৪৬
  3. ৪৭
  4. ৪৮
সঠিক উত্তর:
৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫
ব্যাখ্যা

ফ্রিডম অন দ্য নেট ২০২৫:
- ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফ্রিডম হাউসের প্রকাশিত 'ফ্রিডম অন দ্য নেট ২০২৫' প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৪৫।
- যা গত বছর ছিল ৪০।
- এই প্রতিবেদনে বিশ্বের ৭২টি দেশের ইন্টারনেট স্বাধীনতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া (৪৮), ভারত (৫১) ও শ্রীলঙ্কা (৫৩)।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্কোর যত বেশি হবে, সেই দেশ ইন্টারনেট স্বাধীনতার দিক থেকে তত স্বাধীন।
- কোনো দেশের স্কোর ৭০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে সেটিকে ইন্টারনেটে স্বাধীন, ৪০ থেকে ৬৯-এর মধ্যে থাকলে সেটিকে আংশিক স্বাধীন এবং শূন্য থেকে ৩৯-এর মধ্যে থাকলে দেশটি স্বাধীন নয় বলে বিবেচনা করা হয়।
- সেই হিসাবে বাংলাদেশে ইন্টারনেটে নাগরিকদের আংশিক স্বাধীনতা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৩,৫৩১.
মেট্রোরেলের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ১৮.২০ কি.মি.
  2. খ) ২০.০০ কি.মি.
  3. গ) ২০.১০ কি.মি.
  4. ঘ) ২১.১৮ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
গ) ২০.১০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০.১০ কি.মি.
ব্যাখ্যা

- ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত এম আর লাইন-৬ মানে একটি মেট্রোরেল পথ তৈরি হচ্ছে যার দৈর্ঘ্য ২০.১০ কি মি।
- ২৯ আগস্ট ২০২১ প্রথম পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়।
- ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে যাত্রী চলাচল শুরু হবে।

১৩,৫৩২.
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক কে?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. মোঃ আব্দুল হান্নান
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৮ সালে ‘জাতীয় সঙ্গীত বিধিমালা’ অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের একটি ইংরেজী অনুবাদ প্রণয়ন করা হয়।  
- ইংরেজি অনুবাদটি করেছিলেন সৈয়দ আলী আহসান।
- জাতীয় সঙ্গীতের মোট চরণ সংখ্যা পঁচিশটি (২৫)।
- এর মধ্যে গানের প্রথম ১০ ছত্র কণ্ঠসঙ্গীত এবং
- প্রথম ৪ ছত্র যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৫৩৩.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর আরোপিত কর হলো-
  1. ক) মূল্য সংযোজন কর
  2. খ) বিক্রয় কর
  3. গ) আবগারি শুল্ক
  4. ঘ) বাণিজ্য শুল্ক
সঠিক উত্তর:
গ) আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত পণ্য-দ্রব্যের উপর আরোপিত করকে বলা হয় আবগারি শুল্ক। রাজস্ব সংগ্রহের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক আরোপ করা হয়।
বাংলাদেশে চা, চিনি, সিগারেট, তামাক, ঔষধ, দিয়াশলাই, মদ, স্পিরিট, গাঁজা, আফিম প্রভৃতির উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী।
১৩,৫৩৪.
মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য নয় কে?
  1. খান সরওয়ার মুর্শেদ
  2. মোশাররফ হোসেন
  3. আতাউর রহমান
  4. আনিসুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
আতাউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আতাউর রহমান
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
- পরিকল্পনা কমিশন গঠন দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।
- সদস্য ছিলেন,
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ।
(২) ড. মোশাররফ হোসেন।
(৩) ড. এস. আর. বোস।
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।

অন্যদিকে,
- আতাউর রহমান মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য নয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৫৩৫.
বাংলাদেশের কাছ থেকে ভারত কয়টি ছিটমহল লাভ করে?
  1. ১১১টি
  2. ৫১টি
  3. ৫৭টি
  4. ১১৪টি
সঠিক উত্তর:
৫১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১টি
ব্যাখ্যা
স্থল সীমান্ত চুক্তি:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিটমহলগুলো বিশ্বের দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা বিরোধগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- ২০১৫ এর ৬ জুন ঢাকায় এই সমস্যার একটি ঐতিহাসিক সমাধান হয়।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্থল সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করলেন।
- এর মাধ্যমে ভারতের কাছ থেকে ১১১টি ছিটমহল বুঝে নেয় বাংলাদেশ, যার আয়তন ১৭,১৬০.৬৩ একর।
- বাংলাদেশের কাছ থেকে ভারত পেয়েছে ৫১টি ছিটমহল, যার আয়তন ৭,১১০.০২ একর।
- এই স্থল চুক্তি ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিলো, কিন্তু বাস্তবায়িত হয় ২০১৫ সালের ৬ ও ৭ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের মাধ্যমে।
- সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ১১১টি ছিটমহল ও বাংলাদেশের মধ্যে থাকা ৫১টি ছিটমহলের বাসিন্দারা নাগরিকত্বের অধিকার পায়।
- ৬৮ বছর দেশহীন থাকার পর ছিটমহলের ৫১,০০০ বাসিন্দার কাছে ২০১৫ সালের ১ আগস্ট ছিলো আনন্দ অশ্রু মিশ্রিত একটি দিন। 

উৎস: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ২০০৯-২০১৮।  
১৩,৫৩৬.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলায় ভোটারদের ভোটদানের হার ছিল—
  1. ৩৬.১৯ ভাগ
  2. ৩৭.৩৯ ভাগ
  3. ৩৮.১৯ ভাগ
  4. ৩৭.১৯ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৩৭.১৯ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.১৯ ভাগ
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের ফলাফল :
- ১৯৫৪ সালের ৮ই মার্চ পূর্ব বাংলায় প্রথমবারের মতো অবাধ ও সর্বজনীন নির্বাচনে শতকরা ৩৭.১৯ ভাগ ভোটার ভোট প্রদান করে।
- ২রা এপ্রিল ঘোষিত ফলাফলে যুক্তফ্রন্ট ৩০৯টি আসনের মধ্যে ২২৩টি আসনে জয়লাভ করে, আর শাসক দল মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন পায়।
- এ ফলাফল বাঙালির মধ্যে মুসলিম লীগ ও অবাঙালি নেতৃত্বের প্রতি গভীর অনাস্থা প্রকাশ করে এবং স্বায়ত্তশাসনের প্রতি বাঙালি জাতির সমর্থনকে দৃঢ় করে তোলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
১৩,৫৩৭.
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের সদস্য কতজন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল’: 
উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংক্রান্ত কাউন্সিল হচ্ছে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল’।
বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ৩ নম্বর দফায় বলা আছে,
"একটি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল থাকবে, যা এই অনুচ্ছেদে ‘কাউন্সিল’ বলে উল্লিখিত হবে এবং বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারকের মধ্যে পরবর্তী যে দুজন কর্মে প্রবীণ তাঁদের (মোট ৩জন সদস্য) নিয়ে গঠিত হবে।"

গঠন:
• সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠিত হবে প্রধান বিচারপতি এবং পরবর্তী দুজন প্রবীণ বিচারপতি নিয়ে।
• যদি কোনো সদস্য অসামর্থ্য বা অনুপস্থিতির কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তাহলে পরবর্তী প্রবীণ বিচারক তার স্থলাভিষিক্ত হবেন।

দায়িত্ব:
• বিচারকদের জন্য আচরণবিধি প্রণয়ন এবং
• বিচারকগণের আচরণ ও সামর্থ্য সংক্রান্তে তদন্ত করা।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান, প্রথম আলো (২১ অক্টোবর ২০২৪)।
১৩,৫৩৮.
পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বৃহত্তম অপ্রচলিত বাজার কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. চীন
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানি ২০২৪-২৫:
- চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) অপ্রচলিত বা নতুন বাজারে ৫১২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে অপ্রচলিত সবচেয়ে বড় বাজার জাপান।
- জাপানে রপ্তানি হয়েছে ৯৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। এ রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি।
- দ্বিতীয় বড় বাজার অস্ট্রেলিয়ায় চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে ৬৫ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- ভারত বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের তৃতীয় শীর্ষ নতুন বাজার।
- নতুন বাজারের মধ্যে রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে।

উল্লেখ্য,
- অপ্রচলিত বা নতুন বাজার বলতে এমন দেশ বা অঞ্চলকে বোঝানো হয়, যেগুলো প্রচলিতভাবে কোনো দেশের পণ্য বা সেবার প্রধান ক্রেতা ছিল না, কিন্তু বর্তমানে যেসব দেশে রপ্তানি বাড়ছে বা রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
- প্রচলিত বাজার হিসেবে ২৭ জাতির জোট ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে গণ্য করা হয়।
- এর বাইরে সব দেশকে অপ্রচলিত বাজার হিসেবে গণ্য করা হয়। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত ও তুরস্ক অপ্রচলিত শ্রেণিতে উল্লেখযোগ্য নাম।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১৩,৫৩৯.
জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিসমূহের সংগঠন কোনটি?
  1. ক) REHAB
  2. খ) BAIRA
  3. গ) BKMEA
  4. ঘ) ATCO
সঠিক উত্তর:
খ) BAIRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) BAIRA
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিগুলোর জাতীয় পর্যায়ের সংগঠন হলো BAIRA (Bangladesh Association of International Recruiting Agencies)। এটি ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করে। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৩০০। অন্যদিকে, REHAB হলো রিয়েল এস্টেট কোম্পানিসমূহ, BKMEA হলো নিটওয়্যার রপ্তানিকারক এবং ATCO হলো টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন। (সূত্রঃ BAIRA ওয়েবসাইট)
১৩,৫৪০.
সম্প্রতি বাংলাদেশে কত তারিখকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে? [মার্চ - ২০২৫]
  1. ২৫ ফেব্রুয়ারি
  2. ২২ ফেব্রুয়ারি
  3. ২০ ফেব্রুয়ারি
  4. ২৮ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
২৫ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

জাতীয় শহীদ সেনা দিবস: 
- বাংলাদেশ সরকার ২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারিকে এই দিবস হিসেবে পালনের পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
- এই দিনটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে,
- তবে এটি সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হবে না।  

সূত্র: প্রথম আলো। 

১৩,৫৪১.
কোনটিকে ‘সেকেন্ডারি মার্কেট’ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে?
  1. পুঁজি বাজার
  2. শ্রম বাজার
  3. মুদ্রা বাজার
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পুঁজি বাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঁজি বাজার
ব্যাখ্যা
BSEC: 
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বর্তমান চেয়ারম্যান মাশরুর রিয়াজ।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি।
- যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উল্লেখ্য,
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- ডিএসসি হচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।
- সিএসই হচ্ছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট। 
১৩,৫৪২.
বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্পোরেশন কোনটি?
  1. ক) বিসিআইসি
  2. খ) বিএসটিআই
  3. গ) এনপিও
  4. ঘ) বিটাক
সঠিক উত্তর:
ক) বিসিআইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিসিআইসি
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৪টি সংস্থা, ৬টি অধিদপ্তর, ১টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশন কাজ করে।

বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বোর্ডঃ ১টি
- বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফাউন্ডেশন: ২টি 
- ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমই ফাউন্ডেশন (Small and Medium Enterprise Foundation-SME Foundation)
- ক্ষুদ্র, মাইক্রো ও কুটির শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমসিআইএফ (Small, Micro and Cottage Industries Foundation-SMCIF)


উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১।
১৩,৫৪৩.
আলু - উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) অষ্টম
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তম
ব্যাখ্যা

আলু ও আম উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - সপ্তম। পেয়ারা উৎপাদনে - অষ্টম।
এবছর আলু উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৯ লাখ মেট্রিক টন এবং আম উৎপাদন প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।
উৎসঃ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯

১৩,৫৪৪.
প্রথম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলজি
  2. মুহম্মদ ঘুরী
  3. সুলতান মাহমুদ
  4. মুহাম্মদ বিন কাসিম
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ বিন কাসিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ বিন কাসিম
ব্যাখ্যা
সিন্ধু বিজয়:
- আরবদের সিন্ধু বিজয় উপমহাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এটিকে দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলমানদের আগমনের সূচনালগ্ন ধরা হয়।
- এ ঐতিহাসিক ঘটনার প্রধান কুশীলব ছিলেন আরব সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম ও সিন্ধুর তৎকালীন রাজা দাহির।
- প্রথম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি ছিলেন মুহাম্মদ বিন কাসিম।

উল্লেখ্য,
- খলিফা প্রথম ওয়ালিদের সময় মুসলমানগণ সিন্ধু অভিযান করে।
- খলিফার অনুমতি নিয়ে ইরাকের গভর্ণর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এই অভিযান পাঠান।
- সিন্ধু বিজয়ের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাম্রাজ্যের বিস্তার সাধন এবং অর্থ সম্পদ লাভ।
- মুহম্মদ বিন কাসিম এক শক্তিশালী বাহিনী নিয়ে সিন্ধুদেশ আক্রমণ করেন।
- তিনি দাইবুল, নীরুন, সিওয়ান ও সিসাম দখল করে আরও উত্তরে অগ্রসর হন।
- সিন্ধুরাজ দাহির রাওয়ার দুর্গ রক্ষার চেষ্টা করেন।
- কিন্তু তিনি যুদ্ধে নিহত হন।
- রাওয়ার দখলের পর মুহম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুর রাজধানী আলোর জয় করেন।
- এরপর মুলতানও মুসলমানদের দখলে আসে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৫৪৫.
১৯৭১ সালে বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে প্রেরিত মার্কিন নৌবহর-
  1. টাস্কফোর্স - ৭১
  2. টাস্কফোর্স - ১৭
  3. টাস্কফোর্স - ৭৪
  4. টাস্কফোর্স - ৭৮
সঠিক উত্তর:
টাস্কফোর্স - ৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাস্কফোর্স - ৭৪
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানকে রক্ষার্থে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে উদ্দেশ্যে টাস্কফোর্স-৭৪ প্রেরণ করে।
মার্কিন সপ্তম নৌবহরের কয়েকটি জাহাজের সমন্বয়ে টাস্কফোর্স-৭৪ গঠন করা হয়। এতে ছিলো তৎকালীন সময়ে বিশ্বের সর্ববৃহৎ যুদ্ধজাহাজ বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস এন্টারপ্রাইজ।
কিন্তু ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের কঠিন অবস্থানের কারণে তা শেষ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করতে পারেনি।
(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার)
১৩,৫৪৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ক) ৬৫ নং
  2. খ) ১২২ নং
  3. গ) ৭১ নং
  4. ঘ) ৬৬ নং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৬ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৬ নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
এই বিধান অনুসারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা সমূহ হলো:
- বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া
- বয়স ২৫ বৎসর পূর্ণ হওয়া
আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত না হওয়া
- দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ার পর দায় থেকে অব্যাহতি না পাওয়া
- বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন বা আনুগত্য ঘোষণা
- ১৯৭২ সালের যোগসাজশকারী আদেশের অধীন কোন অপরাধে দণ্ডিত না হওয়া
- আইনে উল্লিখিত নির্দিষ্ট পদাধিকারী না হওয়া
- নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে অন্যূন দুই বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবার পর পাঁচ বৎসর অতিবাহিত না হওয়া।
অন্যদিকে,
• ৬৫ নং অনুচ্ছেদ : সংসদ প্রতিষ্ঠা
• ৭১ নং অনুচ্ছেদ : দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা
• ১২২ নং অনুচ্ছেদ : ভোটার তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৫৪৭.
২৬তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ দল মোট কয়টি পদক অর্জন করেছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ১৪টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
২৬তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড:
- ১৭-২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরে ২৬তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়।
- এ বছর থিম ছিল ‘সাগরতলের ভবিষ্যৎ বুসান শহর: শিল্প, পর্যটন ও সংস্কৃতি।’
- এই আসরে অলিম্পিয়াডে ২৬টি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেন।
- বাংলাদেশের ১০ সদস্যের রোবট অলিম্পিয়াড দল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে অংশ নেয়।
- বাংলাদেশ দল দুটি স্বর্ণপদক, চারটি রৌপ্যপদক ও চারটি ব্রোঞ্জপদকসহ মোট দশটি পদক লাভ করে।
- বাংলাদেশ দলের পক্ষে স্বর্ণপদক অর্জন করেছে ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি জুনিয়র গ্রুপে আরিয়েত্তি ইসলাম ও ক্রিয়েটিভ মুভি ক্যাটাগরির সিনিয়র গ্রুপে নামিয়া রওজাত নুবালা।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১৩,৫৪৮.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. মেহেরাব হোসেন অপি
  2. এনামুল হক
  3. আকরাম খান
  4. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা

টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

১৩,৫৪৯.
'কবর' নাটকটি কে রচনা করেছেন?
  1. জসীম উদ্‌দীন
  2. জহির রায়হান
  3. আনিস চৌধুরী
  4. মুনীর চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
মুনীর চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী ও শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটক - কবর।
- 'কবর' নাটকের পটভূমি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন।
- এটি এক অঙ্ক বিশিষ্ট নাটক।
- এটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক।
- কবর নাটকটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩,৫৫০.
বাংলাদেশ সম্প্রতি কোন সংস্থাটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে?
  1. জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশন
  2. বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি
  3. ক + খ
  4. জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল
সঠিক উত্তর:
ক + খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + খ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সম্প্রতি ২০২২ সালের জন্যে জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশন ও নারী বিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা ইউএন উইমেন এর নির্বাহী বোর্ডের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা সংস্থা দুটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।

- এছাড়া ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শামিম আহসান ২০২২ মেয়াদে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে,
- জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের নির্বাহী বোর্ডের বর্তমান প্রেসিডেন্ট নেদারল্যান্ডসের ইয়োকা ব্র্যান্ডিট।

(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১৩,৫৫১.
রাখাইন জনগোষ্ঠী কী নামে পরিচিত?
  1. মারমা
  2. মগ
  3. মাইজু
  4. পাঙ্গাল
সঠিক উত্তর:
মগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মগ
ব্যাখ্যা

রাখাইন জাতিসত্তা: 
- রাখাইন বাংলাদেশের ও মায়ানমারের একটি জনগোষ্ঠী।
- তারা মগ নামেও পরিচিত।
- এরা আঠারো শতকের শেষের দিকে আরাকান (বর্তমান রাখাইন রাজ্য, মায়ানমার) থেকে বাংলাদেশে আসেন।
- বাংলাদেশে তারা কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসতি স্থাপন করে।
- রাখাইনরা রাখাইন ভাষা বা ম্রো ভাষায় কথা বলে।
- রাখাইন ভাষা মিয়ানমারের বর্মী ভাষা পরিবারভুক্ত।
- রাখাইনরা প্রধানত কৃষিকাজে নিয়োজিত।
- তারা জুমচাষ বা পাহাড়ি চাষাবাদ পদ্ধতি ব্যবহার করে।
- ধর্ম: মূলত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী, তবে কিছু হিন্দু ও মুসলিম রাখাইনও আছে।

অন্যদিকে,
- পাঙ্গাল মুসলিম জাতিসত্তা।
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর নৃগোষ্ঠী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১৩,৫৫২.
ঘুমধুম সীমান্ত কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. কুমিল্লা
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
ঘুমধুম সীমান্ত:
- ঘুমধুম সীমান্ত বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার অন্তর্গত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
- এর উত্তরে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন ও সোনাইছড়ি ইউনিয়ন; পশ্চিমে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়ন, উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন, রত্নাপালং ইউনিয়ন, রাজাপালং ইউনিয়ন ও পালংখালী ইউনিয়ন এবং দক্ষিণে ও পূর্বে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ অবস্থিত।
- মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৩ কিলোমিটার।
- এর বড় অংশ পড়েছে বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায়।
- সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত–সংলগ্ন এলাকায় যুদ্ধ জোরালো করেছে আরাকান আর্মিসহ কয়েকটি গোষ্ঠী। 
- তুমব্রু ও ঘুমধুমের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা আতঙ্কে এলাকা ছেড়েছেন।  

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
১৩,৫৫৩.
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কোনটি অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ তালপট্টি
  2. সেন্টমার্টিন
  3. নিঝুম দ্বীপ
  4. ভোলা
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অঞ্চল:
→ বাংলাদেশের সর্বপূর্বের স্থান - আখাইনঠং।
→ বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান - বাংলাবান্ধা।
→ সর্ব দক্ষিণের স্থান - ছেঁড়া দ্বীপ/সেন্টমার্টিন।
→ সর্ব পশ্চিমের স্থান - মনাকষা।

উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,৫৫৪.
ঢাকা রিকশা ও রিকশাচিত্রকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে কোন সংস্থা?
  1. ইউনেস্কো
  2. ইউনিসেফ
  3. সার্ক
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইউনেস্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর স্বীকৃতি ঢাকার রিকশাচিত্র:
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’।
- ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আন্তসরকার কমিটির ১৮তম অধিবেশনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) পর পঞ্চম বিমূর্ত ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেসকোর ‘ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় স্থান পেল রিকশা ও রিকশাচিত্র।

উল্লেখ্য,
- আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানার কাসান শহরে অনুষ্ঠিত হয় ইউনেস্কোর আন্তসরকার কমিটির ওই অধিবেশন।

উৎস: ৬ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
১৩,৫৫৫.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৫ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা
  3. ৫ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

সংশোধিত বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।
- সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী তা ২৪ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি করে চলতি অর্থবছরের জন্য মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আর সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হবে।

• বাজেট ২০২৫-২৬:

- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬  ও প্রথম আলো।

১৩,৫৫৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘রাজনৈতিক দল থেকে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়ার বিধানটি বর্ণিত আছে?
  1. ৬৬ নং
  2. ৬৭ নং
  3. ৭০ নং
  4. ৭১ নং
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে সেই দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান বা সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে বলা হয় ফ্লোর ক্রসিং৷

⇒ ৭০ নং অনুচ্ছেদ: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া -
- সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি -
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
- তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না।

অন্যদিকে,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদ: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা,
- ৬৭ নং অনুচ্ছেদ: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া,
- ৭১ নং অনুচ্ছেদ: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩,৫৫৭.
কোনটি লর্ড কার্জন করেছিলেন?
  1. ক) সীমান্ত নীতি চালু করেন
  2. খ) ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল নির্মাণ
  3. গ) ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
লর্ড কার্জন
- কার্জন, লর্ড (১৮৫৯-১৯২৫) ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয়।
- তাঁর পুরো নাম জর্জ নাথানিয়েল কার্জন।
- লর্ড কার্জন পর পর দু'বার ভারত সাম্রাজ্যের অধিকর্তা ছিলেন। 

সীমান্ত নীতি  
- কার্জনের গৃহীত প্রথম পদক্ষেপ ছিল চিত্রল, খাইবার ও খুর্রম উপত্যকা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার।
- কারণ, এগুলি সরাসরি ব্রিটিশ শাসিত ছিল না।
- প্রয়োজনে ব্রিটিশ সাহায্য নিয়ে উক্ত অঞ্চলের উপজাতীয়রা নিজেদেরকে রক্ষা করবে- এটিই ছিল লর্ড কার্জনের নীতি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যন্ত এ নীতির গুণেই সীমান্ত অঞ্চল শান্ত ছিল।
- এ নীতির সম্পূরক হিসেবেই উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়।
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল  
- কলকাতার বিখ্যাত গড়ের মাঠের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত স্মৃতিভবন।
- ১৯০১ সালে ৯৪ বছর বয়সে মহারানী ভিক্টোরিয়া মারা যাওয়ার পর তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে সাদা মার্বেল পাথরের এই ভবনটি নির্মিত হয়।
- লর্ড কার্জন এই স্মৃতিসৌধটি নির্মাণের পরিকল্পনা করেন।
ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরি
- ব্রিটিশ মিউজিয়াম আর অক্সফোর্ডের বোদলেইয়ান লাইব্রেরির আদলে স্থাপন করেন ‘ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরি’।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৫৫৮.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় কবে?
  1. ১২ মার্চ ১৯৪৮
  2. ৩০ ডিসেম্বর ১৯৫০
  3. ১ জানুয়ারি ১৯৫২
  4. ৩০ জানুয়ারি ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
৩০ জানুয়ারি ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জানুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ৩০শে জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- এর আহবায়ক মনোনীত হন কাজী গোলাম মাহবুব।
- ২০শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগের কার্যালয়ে এই পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখের জোরালো ভূমিকায় পরদিন ২১শে ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩,৫৫৯.
বাংলাদেশে নিচের কোন খাদ্যশস্যটির চাহিদা আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হয়?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) আলু
  4. ঘ) সবজি
সঠিক উত্তর:
খ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ গম উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।
- ২০১৮-২০১৯ সালে দেশে গমের উৎপাদন ছিলো ১০ লক্ষ মেট্রিক টন। তাই অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে গম আমদানি করতে হয়।
- ২০১৯ সালে বাংলাদেশ বিশ্ববাজার থেকে মোট ৬৭ লক্ষ মেট্রিক টন গম আমদানি করে।
- গম ব্যতীত ভুট্টা, সয়াবিন, পেঁয়াজ প্রভৃতি উৎপাদনেও বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।
(সূত্র: FAO এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
১৩,৫৬০.
বঙ্গবন্ধু কবে আতাউর রহমান খানের মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন?
  1. ১৯৫৬ সালের ৩১ আগস্ট
  2. ১৯৫৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর
  3. ১৯৫৭ সালের ৩০ মে
  4. ১৯৫৭ সালে ১১ জুলাই
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালের ৩০ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালের ৩০ মে
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তানে আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- বঙ্গবন্ধু ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ এই মন্ত্রিসভায় শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন।
- কিন্তু ১৯৫৭ সালের ৩০ মে দলীয় কাজে মনোনিবেশের জন্যে স্বেচ্ছায় তিনি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
১৩,৫৬১.
পূর্ণ প্রতিযোগীতামূলক বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারিত হয়-
  1. বিক্রেতার ইচ্ছানুযায়ী
  2. পণ্যের যোগান দ্বারা
  3. চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য দ্বারা
  4. সরকারী আইন দ্বারা
সঠিক উত্তর:
চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য দ্বারা
ব্যাখ্যা
পূর্ণ প্রতিযোগীতামূলক বাজার:

- পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক বাজার এমন এক বাজার যেখানে অসংখ্য ক্রেতা ও বিক্রেতা একটি সমজাতীয় পণ্য নির্দিষ্ট দামে ক্রয়-বিক্রয় করে।
- পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক বাজারে একটি ফার্মকে দাম মান্যকারী বা দাম গ্রহনকারী (Price Taker) বলা হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে বা বাজারে চাহিদা ও যোগানের মাধ্যমে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।

তথ্যসূত্র - ব্যষ্টিক অর্থনীতি, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৫৬২.
প্রধান আমদানি পণ্য কোনটি?
  1. ক) খাদ্যশস্য
  2. খ) টেক্সটাইল পণ্য
  3. গ) মূলধনী দ্রব্যাদি
  4. ঘ) পরিশোধিত তেল
সঠিক উত্তর:
গ) মূলধনী দ্রব্যাদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মূলধনী দ্রব্যাদি
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের মোট আমদানির পরিমাণ ছিলো ৫০.৬৯ বিলিয়ন মা. ডলার। এর মধ্যে সর্বাধিক আমদানি হয় মূলধনী দ্রব্যাদি প্রায় ১১১০.৮৯ কোটি ডলার।
টেক্সটাইল পণ্য ৬৩৮.০২ কোটি ডলার। পরিশোধিত তেল আমদানি হয় ৪৬২.৬৬ কোটি ডলার। খাদ্যশস্য ১৬৭.২ কোটি ডলার।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
১৩,৫৬৩.
জাতীয় পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর (DPDT) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
ডিপিডিটি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর। 
- সাবেক ‘পেটেন্ট অফিস’ এবং ‘ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রি’ অফিস দুটি একীভূত করে ২০০৩ সালে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর হিসাবে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
- এই অধিদপ্তরের মূল কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে মেধা সম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন সত্ত্ব মঞ্জুর করা, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্ক ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করা।
- এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি বিভাগ।

সূত্র: পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর।
১৩,৫৬৪.
অখণ্ড বাংলা রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব কবে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হয়?
  1. ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট
  2. ১৯৪৫ সালের ২৬ জানুয়ারি
  3. ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট
  4. ১৯৪৭ সালের ২৭ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালের ২৭ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালের ২৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• অখণ্ড বাংলার উদ্যোগ:
- ১৯৪৭ সালে হিন্দু-মুসলমান সম্পর্ক ভয়াবহ রূপ ধারণ করে এবং রক্তক্ষয়ী দাঙ্গায় পরিণত হয়।
- এই জটিল পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়ে ব্রিটিশ সরকার ক্ষমতা ভারতীয়দের হাতে তুলে দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
- এমন এক সংকটময় সময়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী "যুক্ত বাংলা" গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- এই প্রস্তাবের পক্ষে দৃঢ় সমর্থন দেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ভাই শরৎচন্দ্র বসু।
- এই প্রস্তাবটি ইতিহাসে "বসু-সোহরাওয়ার্দী প্রস্তাব" নামে পরিচিত।
- ১৯৪৭ সালের ২৭ এপ্রিল দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সোহরাওয়ার্দী স্বাধীন ও সার্বভৌম অখণ্ড বাংলা রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।
- মুসলিম লীগ নেতা আবুল হাশিম বৃহত্তর বাংলার একটি রাজনৈতিক রূপরেখা প্রণয়ন করেন।
- পরে শরৎচন্দ্র বসু একটি ‘সোস্যালিস্ট রিপাবলিক’ হিসেবে অখণ্ড বাংলাকে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩,৫৬৫.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষিখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১৫.৪৫ শতাংশ
  2. খ) ১৫.৪৭ শতাংশ
  3. গ) ১৩.৪৭ শতাংশ
  4. ঘ) ১৪.৭৪শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩.৪৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩.৪৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষিখাতের অবদান ১৩.৪৭ শতাংশ। 
 - ২০২০-২১ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে – 
কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৩.৪৫ শতাংশ, যা পূর্ববর্তী ২০১৯-২০ অর্থবছরে ছিল ৪.৫৯ শতাংশ। 

[উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২১]
১৩,৫৬৬.
কোন চাকমা নেতা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন?
  1. জুয়ান বক্স খান
  2. আজিয়ান বক্স খান
  3. জিয়ান বক্স খান
  4. জুম্মন বক্স খান
সঠিক উত্তর:
জুয়ান বক্স খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুয়ান বক্স খান
ব্যাখ্যা
• চাকমা বিদ্রোহ (১৭৭৬-১৭৮৯):
- চাকমা বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয় চাকমা রাজা জুয়ান বক্স খান ।
- কারণ চাকমা রাজা জুয়ান বক্স মুদ্রার রাজস্ব দিতে বাধ্য করা হয় ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মুদ্রা অর্থনীতি প্রচলনের ব্যবস্থা করায় চাকমা বিদ্রোহ সংঘঠিত হয়।
- সরকারি নথিপত্র থেকে জানা যায় যে, জুয়ান বক্স ও রানু খান সম্পূর্ণ পাহাড়ি এলাকা ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীন করেছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৫৬৭.
সর্বপ্রথম কে সমগ্র বাংলাকে একত্রিত করে একক শাসনাধীনে নিয়ে আসেন?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ: 
- ইলিয়াস শাহের রাজত্বকাল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যায়।
- ১৩৫২ সালে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ সোনারগাঁ দখলের মাধ্যমে সমগ্র বাংলা একত্রিত করে এক রাজ্যে পরিনত করেন।
- তাই তাকে বাংলায় সুলতানি শাসনের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।
- একজন সামান্য শাসক থেকে একত্রিত বৃহৎ বাংলা প্রতিষ্ঠিত করে এখানে সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে জনকল্যাণমূলক শাসন প্রতিষ্ঠিত করায় ইলিয়াস শাহ বাংলার ইতিহাসে উচ্চ স্থান অধিকার করে আছেন।
- দুই বাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয় এবং সামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে শাহ-ই-বাঙ্গালাহ বলা হয়।
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৫৬৮.
স্বাধীন বাংলাদেশকে কখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দান করে?
  1. ক) ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  2. খ) ৪ মার্চ, ১৯৭২ সালে
  3. গ) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  4. ঘ) ৪ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
১৩,৫৬৯.
সর্বপ্রথম কোন গ্রন্থে ‘বঙ্গ’ জনগোষ্ঠীর উল্লেখ পাওয়া যায়?
  1. ক) বাঙালির ইতিহাস
  2. খ) ঐতরেয় আরণ্যক
  3. গ) আইন-ই-আকবরী
  4. ঘ) রঘুবংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ঐতরেয় আরণ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঐতরেয় আরণ্যক
ব্যাখ্যা
- ‘বঙ্গ’ হলো প্রাচীন বাংলায় বসবাসকারী একটি জনগোষ্ঠী ও জনপদের নাম।
- ‘বঙ্গ’ জনগোষ্ঠীর প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় বেদের শাখা হিসেবে রচিত ‘ঐতরেয় আরণ্যক’ গ্রন্থে।
- তবে বঙ্গের অবস্থান সম্পর্কে প্রথম ধারণা পাওয়া যায় কালিদাস রচিত ‘রঘুবংশ’ গ্রন্থে।
- ‘বঙ্গ’ শব্দ থেকেই বর্তমান ‘বাংলাদেশ’ নামের উদ্ভব হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৩,৫৭০.
বাংলাদেশকে 'বুলগাকপুর' নামে অভিহিত করেন কে?
  1. আবুল ফজল
  2. ইবনে বতুতা
  3. জিয়াউদ্দিন বারানী
  4. তানসেন
সঠিক উত্তর:
জিয়াউদ্দিন বারানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউদ্দিন বারানী
ব্যাখ্যা

বাংলায় তুর্কি শাসন: 
- বাংলায় মুসলমান শাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা করেন বখতিয়ার খলজি।
- এ পর্বের প্রথম পর্যায় ছিল ১২০৪ থেকে ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত।
- এ যুগের শাসনকর্তাদের পুরোপুরি স্বাধীন বলা যাবে না।
- তাঁদের কেউ ছিলেন বখতিয়ারের সহযোদ্ধা খলজি মালিক,
- আবার কেউ কেউ তুর্কি বংশের শাসক।
- শাসকদের সকলেই দিল্লির সুলতানদের অধীনে বাংলার শাসনকর্তা হয়ে এসেছিলেন।
- পরবর্তীকালে অনেক শাসনকর্তাই দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বাধীন হতে চেয়েছেন।
- মুসলিম শাসনের এ যুগ ছিল বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ।
- তাই ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলাদেশের নাম দিয়েছিলেন 'বুলগাকপুর'।
- এর অর্থ 'বিদ্রোহের নগরী'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৫৭১.
সাত গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন কে?
  1. ইসলাম খান
  2. শায়েস্তা খাঁ
  3. উমিদ খাঁ
  4. মীর জুমলা
সঠিক উত্তর:
উমিদ খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উমিদ খাঁ
ব্যাখ্যা

সাত গম্বুজ মসজিদ: 
- অবস্থান: ঢাকা, মোহাম্মদপুর (কাটাসুর-বাঁশবাড়ী সড়কের পাশে)।
- নির্মাণকাল: ১৬৮০ খ্রিষ্টাব্দ।
- নির্মাতা: উমিদ খাঁ (মোগল সুবাদার শায়েস্তা খাঁর পুত্র)।
- গম্বুজ সংখ্যা: ৭টি (৩টি বড় গম্বুজ ও ৪টি অনু গম্বুজ)।
- মিনার সংখ্যা: ৪টি (চার কোণায়)।
- মসজিদটি লালবাগ কেল্লার মসজিদ ও খাজা আম্বর মসজিদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

১৩,৫৭২.
বাংলাদেশের কোন নারী 'উইমেন ইন প্ল্যান্ট মিউটেশন ব্রিডিং অ্যাওয়ার্ড' পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন?
  1. নাজমুন আরা সুলতানা
  2. ফেরদৌসী কাদরী
  3. শামছুন্নাহার বেগম
  4. আনোয়ারা সৈয়দ হক
সঠিক উত্তর:
শামছুন্নাহার বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামছুন্নাহার বেগম
ব্যাখ্যা
- আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) ও ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শামছুন্নাহার বেগম।
- মিউটেশন ব্রিডিংয়ে অবদানের জন্য 'অসাধারণ সফলতা' ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে বিনা।
- এ ছাড়া, প্ল্যান্ট মিউটেশন ব্রিডিং ও রিলেটেড বায়োটেকনোলজিতে অবদানের জন্য বিনা'র উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শামছুন্নাহার বেগম 'উইমেন ইন প্ল্যান্ট মিউটেশন ব্রিডিং অ্যাওয়ার্ড' পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
উৎস : ডেইলি ষ্টার।
১৩,৫৭৩.
সরকারি কর্মচারীদের চাকুরি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কোন আইন প্রণীত হয়েছে?
  1. প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৬
  2. প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৮
  3. প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৯
  4. প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৮০
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৮০
ব্যাখ্যা

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল:
- প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল হলো প্রজাতন্ত্রের কোন বিষয় অথবা কোন সংবিধিবদ্ধ সংস্থায় উদ্ভূত বিষয় নিষ্পত্তি বা বিচারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সালিস-সভা।
- একদিকে রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রতিষ্ঠান ও আমলাদের এবং অন্যদিকে বেসরকারি সংস্থা ও নাগরিকদের মধ্যকার সৃষ্ট বিরোধ প্রশাসনিকভাবে বিচার-নিষ্পত্তির অনুশীলনের ধারণা থেকেই প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের উদ্ভব।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের বিধান রাখা হয়েছে।
- অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালস অ্যাক্ট ১৯৮০/প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৮০ (১৯৮১ সালের অ্যাক্ট-৭) বলে বাংলাদেশে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়।
- এ আইনের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য হলো প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিয়োজিত ব্যক্তির চাকুরির শর্ত সম্পর্কিত বিষয়ে বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করা।
- এ আইনে বলা হয়েছে, সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ দানের দিন থেকে এই ট্রাইব্যুনাল কার্যকর হবে।
- এ চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সরকার বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা দেয় যে, ১৯৮১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত আইন কার্যকর হবে।
- এ আইনে আরও বলা হয় যে, যখন সরকার এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করবে, তখন প্রত্যেকটি ট্রাইব্যুনালের সুনির্দিষ্ট আওতা নির্ধারণ করে দিতে হবে।
- এক সদস্যবিশিষ্ট এই ট্রাইব্যুনালের সদস্য সরকার কর্তৃক জেলা জজদের মধ্য থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন। ট্রাইব্যুনালের সদস্যের নিয়োগের শর্তাবলি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হবে।

⇒ প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিয়োজিত কোন ব্যক্তির চাকুরির শর্তাবলি পেনশনের অধিকার সংক্রান্ত আবেদন গ্রহণ ও তৎসম্পর্কে সিদ্ধান্ত দেওয়ার সুস্পষ্ট এখতিয়ার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের রয়েছে। প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিয়োজিত কোনো ব্যাক্তি সম্পর্কে তার কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত যেকোন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তার আবেদনও ট্রাইব্যুনাল বিবেচনা করতে পারে। 
- এডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল আক্টে একটি প্রশাসনিক আপীল ট্রাইব্যুনালেরও বিধান রাখা হয়েছে। সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত একজন চেয়ারম্যান ও অপর দুজন সদস্য নিয়ে আপীল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে।
- প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ বা সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আপীল শুনানী এবং সিদ্ধান্ত প্রদানের বিষয় আপীল ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারভুক্ত। কোন ব্যক্তি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত যেকোন আদেশ বা সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে এ ধরনের আদেশ বা সিদ্ধান্ত দেওয়ার দিন থেকে পরবর্তী দুইমাসের মধ্যে আপীল দাখিল করার সুযোগ পাবেন। আপীল ট্রাইব্যুনাল প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের যেকোন আদেশ বা সিদ্ধান্ত বহাল রাখা, বাতিল, দ্বিমত পোষণ অথবা পরিবর্তন করতে পারেন। আপীল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ ওয়েবসাইট।

১৩,৫৭৪.
এলডিসি উত্তরণের পর জাপান বাংলাদেশকে কত বছর শুল্ক মুক্ত সুবিধা দিবে? 
  1. ৪ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

- এলডিসি উত্তরণের পর জাপান বাংলাদেশকে ৩ বছর শুল্ক মুক্ত সুবিধা দিবে।
- বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বাণিজ্য ও উন্নয়ন-বিষয়ক কমিটি ৭ নভেম্বর এক নোটিশে জাপানের পক্ষ থেকে তিন বছরের জন্য এলডিসি ও এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া দেশগুলোকে জিএসপি দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
- এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশও এ সুবিধা পাবে। এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ হওয়ার কথা ২০২৬ সালে।
- অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকারমূলক শুল্কসুবিধা বা জিএসপি পাবে বাংলাদেশ

উৎস: প্রথম আলো[লিঙ্ক]

১৩,৫৭৫.
দূষণ ও দখলের হাত থেকে রক্ষা করতে আদালত সম্প্রতি কোন নদীটিকে জীবন্ত সত্তা’ ঘােষণা করে রায় দিয়েছে?
  1. ক) বুড়িগঙ্গা
  2. খ) তুরাগ
  3. গ) পদ্মা
  4. ঘ) মেঘনা
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) তুরাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তুরাগ
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি বাংলাদেশের তুরাগ নদীকে আদালত কর্তৃক জীবন্ত-সত্তা (Legal Person) ঘোষণা করা হয়েছে। উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
১৩,৫৭৬.
নূন্যতম সদস্য উপস্থিত না থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন?
  1. ৪৫ জন
  2. ৫০ জন
  3. ৬০ জন
  4. ৯০ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ  গণপ্রজাতন্ত্রী  বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৫৭৭.
রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- ১৯৭৮ সালের ৩ জুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটিই ছিল রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন।
- এর আগে সংসদ দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল।
- সরাসরি ভোটের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান বিজয়ী হয়েছিলেন।
- তিনি জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের ব্যানারে অংশ নিয়ে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।
- তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমএজি ওসমানী গণতান্ত্রিক ঐক্যজোটের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ২২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।
- জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি।
- তিনি ২১ এপ্রিল ১৯৭৭ থেকে ৩০ মে ১৯৮১ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

১৩,৫৭৮.
ওরাঁও জনগোষ্ঠী কোন ভাষায় কথা বলে?
  1. ক) সাদরি
  2. খ) মুন্ডারি
  3. গ) কুঁড়ুখ
  4. ঘ) ক + গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + গ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাসকারী ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁড়ুখ ও সাদরি ভাষায় কথা বলে।
এর মধ্যে কুঁড়ুখ হলো দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা। এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- মুন্ডারি ভাষায় কথা বলে মুন্ডা জনগোষ্ঠী।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)
১৩,৫৭৯.
পূর্ব পাকিস্তান রেনেসাঁ সোসাইটি গঠিত হয় কবে?
  1. ১৯২৭ সালে
  2. ১৯৪২ সালে
  3. ১৯৪৭ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪২ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৪২ সালের ৩০ আগস্ট কলকাতায় পূর্ব পাকিস্তান রেনেসাঁ সোসাইটি গঠিত হয়।
- এটির সভাপতি ছিলেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন এবং আহবায়ক ছিলেন মুজিবুর রহমান খাঁ।
- সোসাইটির অন্যতম মূলনীতি ছিল পাকিস্তানি চেতনার সাহিত্যিক রূপায়ণ। এ উদ্দেশ্যে বৈঠক, বক্তৃতা, বিতর্ক, রচনাপাঠ, আলোচনা, গবেষণা, পুস্তকাদি প্রচার প্রভৃতির আয়োজন করা হতো। মুসলমানদের ধর্ম, সমাজ, ঐতিহ্য ও জীবনকে উপাদান হিসেবে গ্রহণ করে এবং আরবি-ফারসি-উর্দু শব্দ মিশ্রিত বাংলা ভাষাকে মাধ্যম করে সাহিত্য রচনা করা হতো।
- রেনেসাঁ সোসাইটির প্রবক্তারা পূর্ব পাকিস্তানকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান জন্মের মাধ্যমে বাংলা ভাগের ফলে পূর্ব পাকিস্তান রেনেসাঁ সোসাইটির অস্তিত্বও ফুরিয়ে যায়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৩,৫৮০.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় -
  1. ক) ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
  2. খ) ১১ মার্চ, ১৯৫০
  3. গ) ২ মার্চ, ১৯৪৮
  4. ঘ) ১ অক্টোবর, ১৯৪৭
সঠিক উত্তর:
ক) ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যা

• ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
• কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
• রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ১ অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া।
• দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ২ মার্চ, ১৯৪৮ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন শামসুল আলম।
• ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহবায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি , বাংলাপিডিয়া। 

১৩,৫৮১.
দেশের রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত ৪৯তম জেলা হিসেবে কোনটি যুক্ত হয়েছে?
  1. নাটোর
  2. মাগুরা
  3. নওগাঁ
  4. নড়াইল
সঠিক উত্তর:
নড়াইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নড়াইল
ব্যাখ্যা
রেল নেটওয়ার্ক:
- বর্তমান দেশে মোট ৪৯ জেলা রেল নেটওয়ার্কর অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
- ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে দেশের ৪৯তম জেলা হিসেবে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় নড়াইল।
- পদ্মা সেতু রেল সেতু প্রকল্পের আওতায় ২৮ কিলোমিটার রেলপথ পড়েছে নড়াইলে।
- এই দিন থেকেই খুলনা-ঢাকা এবং বেনাপোল-ঢাকা রুটে জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ও রূপালী এক্সপ্রেস নামের আন্তঃনগর ট্রেন নড়াইল-লোহাগড়ার মধ্য দিয়ে চলাচল শুরু হয়েছে।
- এরই প্রেক্ষিতে, নড়াইল শহর ও লোহাগড়া উপজেলায় একটি করে রেলস্টেশনও নির্মাণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
এ দেশে প্রথম রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা- জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: রেলপথ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট এবং পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,৫৮২.
’দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য’ বিখ্যাত বইটি কার লেখা?
  1. ড.মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. রেহমান সোবহান
  3. অমর্ত্য সেন
  4. আকবর আলী খান
সঠিক উত্তর:
ড.মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড.মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
• ড.মুহাম্মদ ইউনূস:
- দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য, বইটি ড.মুহাম্মদ ইউনূসের।
- মুহাম্মদ ইউনূসের প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ: 
• Banker to the Poor:Micro-lending and The battle against World Poverty. 
• Three Farmers of Jobra; Department of Economics, Chittagong University.
• Creating a World Without Poverty.
• দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে: আত্মজীবনী মূলক বই
• গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন,
• পথের বাধা সরিয়ে নিন, মানুষকে এগুতে দিন।

উল্লেখ্য,
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উৎস: ইউনূস সেন্টার।
১৩,৫৮৩.
সংবিধানের কত নং সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়?
  1. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. ষোড়শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও  প্রথম আলো।
১৩,৫৮৪.
শীতকালে কোন বনভূমির পাতা ঝড়ে যায়?
  1. চকোরিয়া বনাঞ্চল
  2. সুন্দরবন
  3. শালবন
  4. উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বনভূমি
সঠিক উত্তর:
শালবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালবন
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১৩,৫৮৫.
সম্প্রতি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাংলাদেশের সাথে চুক্তি সই করেছে -
  1. জার্মানি
  2. ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন
  3. ভারত
  4. আফ্রিকান ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
ইইউ ও বাংলাদেশ:
• গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে ইইউ ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে নতুন অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

• বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের টেকসই সবুজ রূপান্তরে অবদান রাখতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের জন্য ৪০০ মিলিয়ন ইউরোর চুক্তি সই করেছে ইইউ’র  ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (ইআইবি) ও বাংলাদেশ। এটি দেশের জলবায়ু প্রশমন লক্ষ্যমাত্রা পূরণের লক্ষ্যেও করা হয়েছে।

• শিক্ষা সহায়তা, নিরাপদ কাজ, সবুজায়ন, ই-গভর্নেন্স ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সহায়তার জন্য ৭০ কোটি ইউরো মূল্যের পাঁচটি অতিরিক্ত সহযোগিতামূলক পদক্ষেপও চালু করা হয়েছে।

• ২০২৩ সালে ইইউ-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী। এই সময়ে ইইউ বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন, বাণিজ্য ও মানবিক অংশীদার হয়েছে।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,৫৮৬.
ইন্টারনেট ব্যবহারের শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষ দেশ - চীন।

এছাড়াও ইন্টারনেট ব্যবহারে - 
- দ্বিতীয় দেশ ভারত।
- তৃতীয় দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- চতুর্থ দেশ - ইন্দোনেশিয়া।
- পঞ্চম দেশ - ব্রাজিল।
- ষষ্ঠ দেশ - নাইজেরিয়া।
- সপ্তম দেশ - বাংলাদেশ।
- অষ্টম দেশ - রাশিয়া।
- নবম দেশ- জাপান।
- দশম দেশ - পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ। [ লিংক]
১৩,৫৮৭.
ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়—
  1. ১৮ জুলাই ১৯৪৭
  2. ১৪ আগস্ট ১৯৪৭
  3. ১৫ আগস্ট ১৯৪৭
  4. ৩ জুন ১৯৪৭
সঠিক উত্তর:
১৮ জুলাই ১৯৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ জুলাই ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
• ভারত বিভাগের পটভূমি ও স্বাধীনতা (১৯৪৭):
- ১৯৪৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ঘোষণা করেন, ১৯৪৮ সালের জুনের মধ্যে ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়া হবে। এ দায়িত্ব পালনের জন্য লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে ভারতের শেষ ভাইসরয় করে পাঠানো হয়।

- তিনি কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের সঙ্গে আলোচনা করে ভারত বিভাজনের সিদ্ধান্ত নেন। ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঠেকাতে নেতারা দেশ বিভাগের পক্ষে সম্মত হন। ৩ জুন ১৯৪৭ মাউন্টব্যাটেন বিভাজন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। পাকিস্তান গঠনের সিদ্ধান্তে মুসলিম লীগ সন্তুষ্টি প্রকাশ করে।

- ১৫ জুলাই লন্ডনের কমন্স সভায় ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। সীমানা নির্ধারণের জন্য র‍্যাডক্লিফের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠিত হয়। তিনি ৯ আগস্ট প্রতিবেদন জমা দেন, তবে তা তখনই প্রকাশ করা হয়নি।

- ১৮ জুলাই ১৯৪৭ "ভারত স্বাধীনতা আইন" পাস হয়, যার মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে।
- এরপর ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
১৩,৫৮৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান-
  1. ২,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ৩,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  4. ৪,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।

• এক ফসলি জমি = ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
• দুই ফসলি জমি = ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
• তিন ফসলি জমি = ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
• চার ফসলি জমি = ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।

• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।

উৎস: বিবিএস ( কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪)।

১৩,৫৮৯.
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নয় কোনটি?
  1. পৌরসভা
  2. ইউনিয়ন পরিষদ
  3. উপজেলা পরিষদ
  4. জেলা প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
জেলা প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা
⇒ জেলা প্রশাসন স্থানীয় সরকার নয়।

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও
- পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

⇨ শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা-
- পৌরসভা এবং
- সিটি কর্পোরেশন।

⇨ গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা -
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

⇨ এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩টি জেলা নিয়ে আঞ্চলিক স্থানীয় প্রশাসন রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ-
১. বান্দরবান পাহাড়ী জেলা পরিষদ
২. রাঙ্গামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ
৩. খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৫৯০.
কে বর্তমানে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে আছেন? [মে, ২০২৫]
  1. বিচারপতি শামীম হাসনাইন
  2. বিচারপতি জিনাত আরা
  3. বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ
  4. বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি জিনাত আরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি জিনাত আরা
ব্যাখ্যা
জিনাত আরা:
- আপিল বিভাগে নিয়োগ পাওয়া দ্বিতীয় নারী বিচারপতি হলেন বিচারপতি জিনাত আরা।
- বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৭৮ সালের ৩ নভেম্বর মুনসেফ (সহকারী জজ) হিসেবে বিচার বিভাগে যোগদান করেন তিনি।
- একে একে সব ধাপ পেরিয়ে ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
- ৪১ বছরের বেশি সময়ের কর্মজীবনের ইতি টেনে ২০২০ সালের ১৪ মার্চ অবসরে যান তিনি।
- বর্তমানে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে আছেন।

উল্লেখ্য,
- আপিল বিভাগে তৃতীয় নারী বিচারক বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ।
- দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রথম নারী বিচারক হলেন নাজমুন আরা সুলতানা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
আইন কমিশন, বাংলাদেশ।
১৩,৫৯১.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সংগঠিত সশস্ত্রবাহিনী কী নামে যুদ্ধ শুরু করে?
  1. মুক্তিফৌজ
  2. মুক্তিকামী
  3. মুক্তফৌজ
  4. স্বাধীন ফৌজ
সঠিক উত্তর:
মুক্তিফৌজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিফৌজ
ব্যাখ্যা
• মুক্তিবাহিনী:
- মুক্তিবাহিনী  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সংগঠিত সশস্ত্রবাহিনী।
- শুরুতে এর নাম ছিল মুক্তিফৌজ।
১৯৭১ সালের মার্চের শুরু থেকে দেশের শহর ও গ্রাম এলাকায় ছাত্র ও যুব নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে গঠিত সংগ্রাম পরিষদের কর্মীরাই পরবর্তী সময়ে সংগঠিত হয়ে মুক্তিফৌজ ও মুক্তিবাহিনী গঠন করে।
তবে কখন কিভাবে এর সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে ওঠে এবং কিভাবে এর নাম মুক্তিবাহিনী হয়, সেসব বিষয়ে সুস্পষ্ট দালিলিক তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের মূলত দুই শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:
প্রথম শ্রেণীর সদস্যরা ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয়তাবাদী সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ, অন্যভাগ আসে ইতিপূর্বে শহর ও গ্রামে সংগঠিত সংগ্রাম পরিষদের বিভিন্ন শাখার সদস্য ও তাদের অনুসারী বেসামরিক জনগণ থেকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৫৯২.
জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. আগ্রাবাদ
  2. পাহাড়পুর
  3. সোনারগাঁও
  4. ময়নামতি
সঠিক উত্তর:
আগ্রাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্রাবাদ
ব্যাখ্যা
• জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর:
- বাংলাদেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক বা নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬৫ সালে।
- জনসাধারণের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় ১৯৭৪ সালের ৯ জানুয়ারি। 
- এই জাদুঘরে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জাতি তাত্ত্বিক সামগ্রী প্রদর্শিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীতে অবস্থিত বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর (১৯১০)।

তথ্যসূত্র: জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩,৫৯৩.
আলুর একটি জাত-
  1. রূপালী
  2. ড্রামহেড
  3. কার্ডিনাল
  4. রতন
সঠিক উত্তর:
কার্ডিনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্ডিনাল
ব্যাখ্যা

• উচ্চ ফলনশীল আলুর কয়েকটি জাত:
- হীরা,
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক,
- সুন্দরী,
- কুফরী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'রূপালী' - উন্নত জাতের তুলা শস্যের নাম।
• ড্রামহেড- উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত।
• টমেটোর বিভিন্ন জাত - মানিক, রতন, বাহার, মিন্টু, চৈতী, টিপু সুলতান, বারি টমেটো, সিঁদুর ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই।

১৩,৫৯৪.
ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট এর প্রবক্তা কে?
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. ক্ষুদিরাম বসু
  3. হেনরি লুইস ডিরোজিও
  4. প্যারিচাঁদ মিত্র
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুইস ডিরোজিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুইস ডিরোজিও
ব্যাখ্যা

ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট:
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধ জুড়ে ছিল রাজা রামমোহন রায়ের আন্দোলনের ধারা। দৃঢ়ভাবে সে ধারাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল হিন্দু কলেজের প্রতিভাবান ছাত্রবৃন্দ ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের মাধ্যমে । যার নেতৃত্বে ছিলেন হিন্দু কলেজের তরুণ অধ্যাপক হেনরি লুইস ডিরোজিও।
- তিনি তাঁর ছাত্র-অনুসারীদের স্বাধীন মতামত ব্যক্ত করার শিক্ষা দেন।
- ডিরোজিও ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ডিরোজিও তাঁর স্কুল শিক্ষক ডেভিড ড্রামন্ডের প্রগতিবাদী, সংস্কারমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমৃদ্ধ মানবতাবাদী চিন্তাধারা দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন।
- বাংলার ‘রেনেসাঁস’ যুগের এই প্রতিভাবান তরুণ মাত্র তেইশ বছর বয়সে ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর হাতে গড়া অনুসারী, ছাত্ররা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখতে থাকেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র, কৃষ্ণমোহন ব্যনার্জি প্রমুখ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৫৯৫.
বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত?
  1. হরিকেল
  2. সমতট
  3. বঙ্গ
  4. গৌড় 
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা

• প্রাচীন জনপদ: 
- প্রাচীন বাংলায় কোন কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা ছিলো না। বাংলা তখন ছোট ছোট কতগুলো অঞ্চলে বিভক্ত ছিলো। এসব অঞ্চল জনপদ নামে পরিচিত। বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাচীন বাংলায় মোট ১৬টি জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- এদের মধ্যে বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল প্রাচীন সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
- সমতটের রাজধানী ছিলো বড়কামতা।

অপরদিকে,
- বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর ও ঢাকা অঞ্চল।
- হরিকেল জনপদের অন্তর্গত ছিলো বৃহত্তর সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল
- বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহীর অংশবিশেষ নিয়ে প্রাচীন গৌড় জনপদ গঠিত ছিলো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

১৩,৫৯৬.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সভাপতি কে?
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এই কমিটির সভাপতি দেশের প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১৩,৫৯৭.
মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় কবে থেকে?
  1. ক) ১৭ মার্চ ২০১৯
  2. খ) ১ জানুয়ারি ২০২০
  3. গ) ১০ জানুয়ারি ২০২০
  4. ঘ) ২ ফেব্রুয়ারি ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ জানুয়ারি ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ জানুয়ারি ২০২০
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।
সরকার বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ সময়কে ‍মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১৩,৫৯৮.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে ‘রূপসী বাংলাদেশ’ বলে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. সোনারগাঁয়ের জাদুঘর এলাকা
  2. নেত্রকোনার বিরিশিরি অঞ্চল
  3. সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
  4. সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওড়
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁয়ের জাদুঘর এলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁয়ের জাদুঘর এলাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর:
- রাজধানী ঢাকা থেকে অদূরে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর অবস্থিত। 
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের 'বড়সর্দারবাড়ি' নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।
- সোনার গাঁয়ের যাদুঘর এলাকাকে রূপসী বাংলাদেশ হিসাব ঘোষণা করা হয়েছে। 

⇒ সোনারগাঁয়ের প্রাচীন নাম ছিল সুবর্ণবীথি বা সুবর্ণগ্রাম। এই সুবর্ণগ্রাম থেকেই মুসলিম আমলের সোনারগাঁও নামের উদ্ভব।
- বার ভূঁইয়া প্রধান ঈসা খাঁর স্ত্রী সোনাবিবির নামানুসারে এর নাম হয়েছে সোনারগাঁও।
- সোনারগাঁও বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জল প্রাচীন জনপদ।
- সোনারগাঁও জাতির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও শিল্পকলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
- সোনারগাঁও মধ্যযুগে ছিল মুসলিম সুলতানদের রাজধানী।

⇒ সোনারগাঁয়ের পূর্বে মেঘনা নদী, পশ্চিমে শীতলক্ষ্যা, দক্ষিণে ধলেশ্বরী এবং উত্তরে ব্রষ্মপুত্র দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকায় এলাকাটি উন্নত ছিল। সেজন্য রাজা-বাদশাগণ সানন্দে সোনারগাঁয়ে বাংলার রাজধানী গড়ে তুলেছিলেন। বৌদ্ধ আমল থেকেই সুবর্ণগ্রাম শুর, পাল এবং দেব প্রভৃতি রাজার রাজধানী হিসেবে মর্যাদা পেয়েছিল। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৫৯৯.
Which is the highest state award of Bangladesh?
  1. ক) Ekushey Padak
  2. খ) Independence Day Award
  3. গ) Bangla Academy Literary Award
  4. ঘ) Nazrul Award
সঠিক উত্তর:
খ) Independence Day Award
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Independence Day Award
ব্যাখ্যা
পুরষ্কারসমূহ:

- স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।

  স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারঃ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে। জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান এবং শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান। এ ছাড়া জাতীয় জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও এ পুরস্কারে ভূষিত করার বিধান রয়েছে। প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ। পুরস্কারের নগদ অর্থের পরিমান সূচনালগ্নে ছিল বিশ হাজার টাকা। ২০০৪ সালে তা এক লক্ষ টাকায় উন্নীত হয়। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• একুশে পদকঃ ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়। জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে। এ পুরস্কারের জন্য বিবেচ্য ক্ষেত্রগুলি হলো সাহিত্য, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, গবেষণা, অর্থনীতি ও দারিদ্য বিমোচন, শিল্প-সংস্কৃতি, সঙ্গীত, নৃত্য, চারুকলা, নাট্যাভিনয়, ভাস্কর্য, এবং ভাষা আন্দোলনে অবদান। প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ। শুরুতে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ ছিল পঁচিশ হাজার টাকা। পরবর্তী সময়ে এ অর্থের পরিমাণ চল্লিশ হাজার টাকায় উন্নীত হয়। সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী  আবুল বরকত  রফিক উদ্দিন আহমদ,  আবদুস সালাম ও  আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

নজরুল পুরস্কারঃ নজরুল ইনস্টিটিউট সম্প্রতি নজরুল পুরস্কার প্রবর্তন করেছে। কবি নজরুল ইসলাম সম্পর্কে গবেষণা এবং নজরুলগীতির বিকাশে অবদানের জন্য প্রতিবছর ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এই পুরস্কারের মান নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা। নগদ পুরস্কারের সঙ্গে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,৬০০.
ধান চাষের জন্যে কত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উপযোগী?
  1. ক) ১৪°-২৬° সেলসিয়াস
  2. খ) ২২°-৩৬° সেলসিয়াস
  3. গ) ১৬°-৩০° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ২০°-৩৫° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬°-৩০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬°-৩০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য। ধান চাষের জন্যে ১৬°-৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ১০০ থেকে ২০০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত সবচেয়ে উপযোগী।
নদী অববাহিকার পলিমাটিতে ধানের ফলন সবচেয়ে ভালো হয়।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)