বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৩৫ / ৩০৬ · ১৩,৪০১১৩,৫০০ / ৩০,৮৩২

১৩,৪০১.
স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. মেয়াদ ভিত্তিক বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা
  2. দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা
  3. আর্থ-সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও কর্মসূজির দ্রুত বাস্তবায়ন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা:
- যখন সুনির্দিষ্ট কতগুলো আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য স্বল্প সময়, যেমন পাঁচ বছর বা তার চেয়ে কম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তখন স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলে।
- এ পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন।
- কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, বাণিজ্যের প্রসার, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্যগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য ফেলে রাখা যায় না। সামাজিক স্বার্থে এগুলো স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন দরকার।
- স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য হল -
• আর্থ-সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও কর্মসূজির দ্রুত বাস্তবায়ন।
• মেয়াদ ভিত্তিক বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
• বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতা ও বিফলতা মুল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
• দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
• কখনও কখনও দেশে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মত একটি স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
• পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করা।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৪০২.
একনেক (ECNEC)-এর প্রধান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বাণিজ্যমন্ত্রী
  3. অর্থমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি 
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

একনেক (ECNEC)
- ECNEC এর পূর্ণরূপ- Executive Committee of the National Economic Council.
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

১৩,৪০৩.
ভ্যাট (VAT) -এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Value And Tax
  2. Value As Tax
  3. Value Added Tax
  4. Value And Taxation
সঠিক উত্তর:
Value Added Tax
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Value Added Tax
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- ভ্যাট (VAT) এর পূর্ণরূপ - Value Added Tax.
- এতে ব্যবসায়ীরা নিট অংশটুকু কর কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করে।
- বর্তমানে ভ্যাট হলো বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বড় রাজস্ব উৎস।
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো VAT ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই।

উল্লেখ্য,
- VAT ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন জার্মান শিল্পপতি উইলহেল্ম ফন সিমেন্স ১৯১৮ সালে।
- ভ্যাট (Value Added Tax বা VAT) প্রথম চালু হয়েছিল ফ্রান্সে। 
- এটি ১৯৫৪ সালে ফ্রান্সে প্রবর্তিত হয়।
- আধুনিক ভ্যাট সিস্টেমের উদ্ভাবক ফরাসি কর কর্মকর্তা মরিস লরে (Maurice Lauré)।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

১৩,৪০৪.
বাংলার কোন নবাবের উপাধি ছিল 'করতলব খান'?
  1. সরফরাজ খানের
  2. মুর্শিদকুলি খানের
  3. আলীবর্দী খানের
  4. সুজাউদ্দিন খানের
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলি খানের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলি খানের
ব্যাখ্যা
মুর্শিদকুলি খান:
- মুর্শিদকুলি খান দক্ষিণ ভারতের একটি দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন।
-  হাজী শফী ইস্পাহানী ছিলেন দাক্ষিণাত্যে শায়েস্তা খানের দিওয়ান।
- তিনি অল্প বয়সী মুর্শিদ কুলিকে কিনে নিয়ে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেন।
- প্রথমে তার নাম রাখা হয় মুহাম্মদ হাদী।
- রাজস্ব আদায়ের কাজে তাঁর অভিজ্ঞতা শেষ পর্যন্ত সম্রাট আওরঙ্গজেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- কর্মদক্ষতার গুণে আপ্লুত আওরঙ্গজেব তাঁকে হায়দারাবাদের দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে "করতলব খান" উপাধি প্রদান করেন।
- মুর্শিদকুলি খানের উপাধি "করতলব খান"।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র,  এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৪০৫.
অপারেশন জ্যাকপট পরিচালিত হয় কবে?
  1. ০১ আগস্ট ১৯৭১
  2. ১৫ আগস্ট ১৯৭১
  3. ২০ আগস্ট ১৯৭১
  4. ৩১ আগস্ট ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১৫ আগস্ট ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ আগস্ট ১৯৭১
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের দ্বারা পরিচালিত প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
- এদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়।
- মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে এ অপারেশনে অংশ নেয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)

১৩,৪০৬.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে কত তারিখ?
  1. ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  2. ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  3. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  4. ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট:
- ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট আয়োজনেরও ঘোষণা দিয়েছেন সিইসি।
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
- জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা, আর গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি।
- এবার নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায়, ভোটগ্রহণের সময় একঘণ্টা বাড়িয়ে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৩,৪০৭.
'বিলিয়ন ডলার হেইস্ট' তথ্যচিত্রটির পরিচালক -
  1. ক) ব্রেন্ডন ডনোভান
  2. খ) ব্রায়ান ইভানস
  3. গ) ড্যানিয়েল গর্ডন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
তথ্যচিত্র:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হলিউড তথ্যচিত্র ‘বিলিয়ন ডলার হেইস্ট’।
- ইউনিভার্সাল পিকচার্স হোম এন্টারটেইনমেন্টের ওয়েবসাইটে তথ্যচিত্রটির মুক্তির বিষয় জানানো হয়েছে।
 -তথ্যচিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন ড্যানিয়েল গর্ডন, ব্রেন্ডন ডনোভান ও ব্রায়ান ইভানস

উল্লেখ্য যে,
- ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ কোটি ১০ লাখ ১ হাজার ৬২৩ ডলার চুরি হয়।সেখান থেকে টাকা চুরি করে ফিলিপাইনে নিয়ে যাওয়া হয়।

উৎস: বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,৪০৮.
বাংলাদেশে কখন প্রথম প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার গঠিত হয়?
  1. ১৯৭১
  2. ১৯৭২
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৮০
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
ব্যাখ্যা
❐ বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে প্রথম প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার গঠিত হয়।

বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর এক মাসের মধ্যেই ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রথম মন্ত্রিসভায় বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়। এটি মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- শেখ মুজিবর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। উল্লেখ্য, শেখ মুজিবর রহমান পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার কারণে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- অন্যান্য মন্ত্রিসভায় মোট ৮ জন সদস্য ছিল।
- তাঁরা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
- এই সরকার দক্ষতার সহিত মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে এবং পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটায়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশের দ্বারা রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- সে অনুযায়ী ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। এ মন্ত্রিসভা ১৯৭৩ সালের ১৬ মার্চ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- বাঙালিদের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে স্বল্পতম সময়ে একটি সংবিধান প্রণয়ন করা হয়।

এছাড়াও,
♠ রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের বৈশিষ্ট্য:
- এই শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একাধারে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান। রাষ্ট্রপতিই প্রকৃত শাসক এবং আইনগত দিক থেকে তিনি প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী।
- রাষ্ট্রপতি আইনসভার সদস্য নন এবং আইন সভার নিকট দায়িত্বশীলও নন। তবে আইন সভার গৃহীত বিলে ভেটো দানের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
- সাধারণত: রাষ্ট্রপতি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি। তিনি জনগণের কাছেই দায়ী থাকেন। এ ব্যবস্থায় মূলত: রাষ্ট্রপতি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত হন। কেবলমাত্র শাসনতন্ত্রের লঙ্ঘন, গুরুতর অসদাচরণের দায়ে কিংবা শারীরিক বা মানসিক অসামর্থের কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত (impeached) করা যায়।
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ক্ষমতার মূলত: স্বতন্ত্রীকরণ নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগ তাদের পৃথক পৃথক অস্তিত্ব বজায় রাখে।
- এ ব্যবস্থায় সংবিধান সাধারণত লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয় হয়ে থাকে।
- এ শাসন ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ রাষ্ট্রপতির বিশ্বস্ত কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাঁরা আইন সভার কাছে দায়ী নন। মন্ত্রীরা তাঁদের কাজ কর্মের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে দায়ী থাকেন।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাজনৈতিক সংগঠন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
iii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১৩,৪০৯.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ক) ১৪ নভেম্বর
  2. খ) ১৪ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ২৩ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের এদেশীয় দোসররা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
- সব শহীদ বুদ্ধিজীবীর প্রকৃত সংখ্যা অদ্যাবধি নিরূপণ করা সম্ভব হয় নি। প্রাপ্ত তথ্যসূত্র থেকে শহীদদের মোটামুটি একটা সংখ্যা দাঁড় করানো যায়। এঁদের মধ্যে ছিলেন ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ, ১৩ জন সাংবাদিক, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী, ৯ জন সাহিত্যিক ও শিল্পী, ৫ জন প্রকৌশলী,এবং অন্যান্য ২ জন।
- শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি অমর করে রাখতে ১৯৭২ সালে ঢাকার মিরপুরে মোস্তফা আলী কুদ্দুসের নকশায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৪১০.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ১৭৫ জন
  2. ৬৯ জন
  3. ৪২৬ জন
  4. ৬৮ জন
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
ব্যাখ্যা
১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
১. বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
২. বীর উত্তম ৬৮ জন (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
৩. বীর বিক্রম ১৭৫ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
৪. বীর প্রতীক ৪২৬ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৪১১.
তমদ্দুন মজলিশ কবে গঠিত হয়?
  1. ক) ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮
  2. খ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  3. গ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮
  4. ঘ) ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
সঠিক উত্তর:
খ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১৩,৪১২.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কে?
  1. বিচারপতি এম. ইদ্রিস
  2. বিচারপতি এ. কে. এম. নুরুল ইসলাম
  3. বিচারপতি চৌধুরী এ. টি. এম. মাসুদ
  4. বিচারপতি চৌধুরী এ. টি. এম. সাদেক
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এম. ইদ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এম. ইদ্রিস
ব্যাখ্যা

প্রথম জাতীয় নির্বাচন:
- ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ সংসদ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।
- ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি এম. ইদ্রিস।
- এ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পূর্বে মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত মুজিবনগর সরকার কর্তৃক রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে প্রত্যাবর্তন করেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গঠনের কার্যক্রম গ্রহণ করেন।
- নয় মাসের প্রচেষ্টায় ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারন আসন ও ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৮টি আসনে জয়লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট, পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১৩,৪১৩.
শীতল ও উষ্ণ বায়ুর মুখোমুখিতে কোন ধরনের বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে?
  1. পরিচলন বৃষ্টি 
  2. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত 
  3. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত
  4. সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা

• বৃষ্টিপাতের প্রকারভেদ: 
- মোট ৪টি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু উর্ধ্বাকাশে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে বৃষ্টিপাত প্রধানত ৪টি ভাগে বিভক্ত।
- এই ৪টি প্রকারভেদ হলো:
১. পরিচলন বৃষ্টিপাত
২. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত
৩. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত এবং
৪. সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত।

• সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত:
- শীতল ও উষ্ণ বায়ুপুঞ্জ যখন মুখোমুখি হয় তখন শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং শিশিরাঙ্কে পৌঁছায়।
- আরও ঘনীভূত হয়ে বায়ুপুঞ্জের সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এই প্রকার বৃষ্টি নাতিশীতোষ্ণ বৃষ্টিপাত নামে পরিচিত।
- এই ধরনের বৃষ্টি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়।

তথ্যসূত্র: ভুগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৪১৪.
রাজা রামমোহন রায়ের প্রকাশিত পত্রিকা নয় কোনটি?
  1. সম্বাদ কৌমুদী
  2. সম্বাদ প্রভাকর
  3. মিরাত-উল-আখবার
  4. ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন
সঠিক উত্তর:
সম্বাদ প্রভাকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্বাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা
- সম্বাদ প্রভাকর রাজা রামমোহন রায়ের প্রকাশিত পত্রিকা নয়।

রাজা রামমোহন রায়:

- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা, ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহন করেন।
- অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী রামমোহন, বিশেষ করে আরবি, ফারসি, উর্দু, ল্যাটিন ও গ্রিক ভাষায় অসামান্য দক্ষতা অর্জন করেন।
- তিনি 'সম্বাদ কৌমুদী', ‘মিরাত-উল-আখবার' ও 'ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন' নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্য প্রথা, মূর্তিপূজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- রাজা রামমোহন ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘এ্যাংলো হিন্দু কলেজ' প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে এই মহাপুরুষ, ভারতীয় নবজাগরণের স্রষ্টা, রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৪১৫.
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরে কত মানুষের প্রাণহানি ঘটে?
  1. প্রায় ১০ লক্ষ
  2. প্রায় ৫০ লক্ষ
  3. প্রায় ৩০ লক্ষ
  4. প্রায় ১ কোটি
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১ কোটি
ব্যাখ্যা
বাংলায় ছিয়াত্তরের মন্বন্তর, ব্রিটেনে শিল্পবিপ্লব : একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ

- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত।
- ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৭৭০ সাল) এই দুর্ভিক্ষ হয় বলে একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়।
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর ছিলেন জন কার্টিয়ার।
- জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ, প্রায় ১ কোটি মানুষ এই দুর্ভিক্ষে মারা যায়।

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর প্রেক্ষাপট :
- ১৭৫৭ সালে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হন।
- তখন থেকেই এ দেশে ব্যাপক সম্পদ লুণ্ঠন করতে থাকে ইংরেজরা।
১. দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
- ১৭৬৫ সালে ইংরেজরা দিল্লির সম্রাট শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা-বিহার-ওড়িশার দেওয়ানি লাভ করে।
- বাংলার নবাবের হাতে থাকে নামে মাত্র প্রশাসনিক ক্ষমতা। রাজস্ব আদায় ও আয়-ব্যয়ের হিসাব থাকে ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির কাছে।
- ফলে ইতিহাসে দ্বৈত শাসন নামে শাসনব্যবস্থার সৃষ্টি হয়।
- দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় নবাবের হাতে থাকে প্রশাসনিক দায়িত্ব, আর রাজস্ব আদায় ও ব্যয়ের পূর্ণ কর্তৃত্ব পায় কোম্পানি।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি খাজনা আদায়ের নামে সীমাহীন শোষণ আর লুণ্ঠন করে পাচার করতে থাকে।
২. অনাবৃষ্টি ও খরা
- পাশাপাশি সেই সময় (১৭৬৮-১৭৬৯) অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়।
- কিন্তু অব্যহত থাকে ইংরেজদের খাজনা আদায়।
৩. শিল্পবিপ্লব
- ১৭৬৫-১৭৮৪ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অপেক্ষা বেশি দুর্নীতিপূর্ণ, বেশি অত্যাচারী ও লুণ্ঠন প্রবৃত্তির তথাকথিত সভ্য সরকার পৃথিবীর বুকে আর দেখা যায়নি।
- অন্যদিকে, ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লবের উড্ডয়নকাল ১৭৬০-১৭৮০ খ্রি. ধার্য করেন।
- ১৭৬৫ সালে বাংলার দেওয়ানি প্রকৃত অর্থে ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লবের ক্ষেত্র রচনা করে।
- আটলান্টিক তীরে পশ্চিমের সেই শিল্পবিপ্লবের রসদ যোগাতে গিয়ে ব্রিটিশ শাসনাধীন বাংলায় নেমে আসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর।

- সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় -এর ‘আনন্দমঠ‘ উপন্যাস থেকে এই মন্বন্তরের ভয়াবহতার এক সকরুণ চিত্র পাওয়া যায়।
- এই সময় এই অঞ্চলের জনগন তাদের নিজ মাতৃভূমিতেই সব ধরণের মৌলিক বা মানবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে একে একে জীবন সংগ্রামে পরাজিত হতে থাকে।
- খাদ্যভাবে শীর্ণ লোকরা দলে দলে মারা যায়। অন্নহীন কঙ্কালসার মৃত্যু দেহগুলো রাস্তাঘাটে পড়ে থাকে।
- গ্রামবাংলায় যখন এই মৃত্যুর মিছিল চলছিল, তখন কলকাতায় শেতাঙ্গ সমাজে আমোদণ্ডপ্রমোদ, বিলাসিতা, নাচ, সুরাপানে আনন্দণ্ডউচ্ছল জীবনযাপনে রত ছিল।
- অথচ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবনকে পঙ্গু করে দেয়।

তথ্যসূত্র - ১. বাংলাপিডিয়া।
২. বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণী।
৩. বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪. ব্রিটানিকা।
৫. জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৪১৬.
পদ্মা সেতু নির্মাণকারী কোম্পানির নাম কী?
  1. এসমেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড
  2. ক্লিভল্যান্ড ব্রিজ অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি
  3. চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি
  4. এইসিওম
সঠিক উত্তর:
চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- দ্বিতল পদ্মা সেতুর এক অংশ মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায়, আরেক অংশ শরীয়তপুরের জাজিরায়।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

⇒ মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়। 
- পদ্মা সেতু ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের  ২১টি জেলার সংযোগ স্থাপন করেছে।
উল্লেখ্য,
- পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক : মোঃ শফিকুল ইসলাম।
- পদ্মা সেতুর নকশার দায়িত্ব ছিল নিউজিল্যান্ড ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এইসিওম (AECOM)।
- পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজের তদারকি দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের নাগরিক রবার্ট জন এভস।
- পদ্মা সেতুর পুরো নির্মাণ কাজ তদারকির কাজ পেয়েছিল কোরিয়ান কোম্পানি কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশন (কেইসি)।
- পদ্মা সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম : চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কো. লি.।
- পদ্মা সেতু নির্মাণে একমাত্র বাংলাদেশীর নারী প্রকৌশলী – ইশরাত জাহান। =
- পদ্মা নদীর দুই পাড়ের সংযোগ সড়ক আর সার্ভিস এরিয়া তৈরির দায়িত্ব পেয়েছিল বাংলাদেশি কোম্পানি আব্দুল মোনেম লিমিটেড।
- পদ্মা সেতু নির্মাণের সঙ্গে অন্তত ২০টি দেশের নাগরিকরা জড়িত ছিলেন। 
- পদ্মা সেতুর সমীক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নাম JICA (জাপান)।

উৎস: i) বিবিসি।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৩,৪১৭.
ঐতিহাসিক ৬ দফা কত সালে পেশ করা হয়?
  1. ১৯৬৬
  2. ১৯৭০
  3. ১৯৬৫
  4. ১৯৬৭
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- ৭ জুন ছয় দফা দিবস। 
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত। 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩,৪১৮.
ঐতিহাসিক ‘নাচোল বিদ্রোহ’ সংঘটিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৭
  2. ১৯৫০
  3. ১৯৪৮
  4. ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
১৯৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০
ব্যাখ্যা

• নাচোল বিদ্রোহ :
- নাচোল বিদ্রোহ  ১৯৪৯-৫০ সালে বৃহত্তর রাজশাহী জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহকুমার অন্তর্গত নাচোল উপজেলার  সাঁওতাল কৃষকদের বিদ্রোহ।

- সে সময়কার তেভাগা, নানকার এবং টঙ্ক আন্দোলনের মতোই নাচোল বিদ্রোহটিও সংগঠিত করেন কম্যুনিস্ট পার্টির কর্মীরা।
- তাঁরা বাংলায় সমাজ বিপ্লব সাধনের লক্ষ্যে নাচোলের সাঁওতাল কৃষকদের বৈপ্লবিক সংঘটনার একটি জনগোষ্ঠি হিসেবে চিহ্নিত করেন। - একই জমি বংশপরম্পরায় চাষাবাদ করা সত্ত্বেও অধিকাংশ সাঁওতালের ঐ জমির ওপর কখনও কোন স্বত্বাধিকার স্বীকৃত হয় নি।
- জোতদারগণ ফসলের মাধ্যমে খাজনা আদায় করত। 
- স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী ফসল কাটার সময় ক্ষেতে কর্মরত প্রতিটি সাঁওতাল কৃষক প্রতি কুড়ি আড়ি ফসল কাটার বিনিময়ে তার ভাগ  অনুযায়ী তিন আড়ি ধান পেত, যা তাদের নিজেদের অথবা কামলাদের মাধ্যমে পরে মাড়াই করতে হতো।

- আধিয়ার (ভাগ চাষি) উপজাতসহ তাদের উৎপাদিত ফসলের অর্ধেক জোতদারদের দিতে হতো। কম্যুনিস্ট কর্মীরা এই শোষণ ও চাষিদের অধিকার সম্পর্কে তাদের সচেতন করে তোলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩,৪১৯.
বাংলাদেশে কত সালে গৃহহীনদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে 'আশ্রয়ণ প্রকল্প' শুরু হয়?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
আশ্রয়ণ প্রকল্প:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন নোয়াখালী বর্তমান লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা গ্রামে ভূমিহীন-গৃহহীন, অসহায় ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা সারাদেশের গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে শুরু করেন 'আশ্রয়ণ প্রকল্প'।
- ১৯৯৭ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সমগ্র দেশে শুরু করেন আশ্রয়ণ প্রকল্প।
প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
 ১। ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন।
২। প্রশিক্ষণ ও ঋণ প্রদানের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহে সক্ষম করে তোলা।
৩। আয়বর্ধক কার্যক্রম সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র দূরীকরণ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৪২০.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন কে?
  1. জন কাটিয়ের
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. রবার্ট ক্লাইভ
  4. কর্নওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
কর্নওয়ালিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা

 চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
⇒ চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত  ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ও বাংলার ভূমি মালিকদের (সকল শ্রেণির জমিদার ও স্বতন্ত্র তালুকদারদের) মধ্যে সম্পাদিত একটি স্থায়ী চুক্তি। 

- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে কৃষক জমির উপর তাদের অধিকার হারায়।
- বিপরীতে জমির উপর জমিদারদের স্থায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইনের ফলশ্রুতিতে জমিদারি প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটে।

উৎস:
i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৩,৪২১.
মুক্তিযুদ্ধকালে কোলকাতার ৮, থিয়েটার রােডে “বাংলাদেশ বাহিনী” কখন গঠন করা হয়?
  1. ক) এপ্রিল ১০, ১৯৭১
  2. খ) এপ্রিল ১১, ১৯৭১
  3. গ) এপ্রিল ১২, ১৯৭১
  4. ঘ) এপ্রিল ১৩, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
খ) এপ্রিল ১১, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এপ্রিল ১১, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাক বাহিনীর বর্বোরোচিত হামলার পর বাঙ্গালি অনেক সেনা অফিসার বিদ্রোহ করেন। বিদ্রোহী অফিসারদের অনেকেই (খালেদ মোশাররফ, শাফায়াত জামিল, জিয়াউর রহমান, এস এম রেজা, কে এম সফিউল্লাহ প্রমুখ এম.এ.জি ওসমানীর উপস্থিতি বৈঠক করেন। তেলিয়াপাড়া তখন ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গলের অস্থায়ী হেডকোয়ার্টার। সেখান থেকে পূর্ব যোগাযোগের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় তেলিয়াপাড়া বিওপি-এর কাছে ভারতীয় বিএসএফ-এর পূর্বাঞ্চলীয় মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার ভি সি পান্ডের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হয়।
- উভয় পক্ষের আলোচনায় ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোতে বিদ্রোহী সেনা কর্মকর্তাদের একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়।

৪ এপ্রিল সকালের মধ্যেই সেনা কর্মকর্তাদের সকলে তেলিয়াপাড়া বাংলোতে উপস্থিত হন। ১০টার দিকে ভারতীয় বিএসএফ-এর পূর্বাঞ্চলীয় মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার ভি সি পান্ডে ও আগরতলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ওমেস সায়গল বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানীকে সঙ্গে নিয়ে তেলিয়াপাড়াস্থ সেনা সদরে এসে উপস্থিত হন। ৭ সকাল ১১টায় সভার কার্যক্রম শুরু হয়।

এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, বিদ্রোহী অফিসাররা যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন। এখানেই প্রথম বিদ্রোহী সকল ইউনিটের সমন্বয়ে 'মুক্তিফৌজ' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়
এই বৈঠকের স্থানের নাম অনুসারে এখানে গৃহীত যুদ্ধকৌশলকে ''তেলিয়াপাড়া রণকৌশল'' নামে অভিহিত করা হয়। এটাই মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্যে গৃহীত প্রথম রণকৌশল হিসাবে পরিগণিত।

তেলিয়াপাড়া সেনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ সরকার গঠনের আগে। তাই নিকট অতীতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার উদাহরণ বিশ্লেষণ করে সভার লিখিতাকারে কোনো সিদ্ধান্ত সংরক্ষণ করা হয়নি।
- ‘মৌখিকভাবে বাহিনীর সংগঠন, নেতৃত্ব ও যুদ্ধ পরিচালনার যে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা পরবর্তী সময়ে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন পায়।
- ১১ এপ্রিল নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বেতার ভাষণে এই সভার সিদ্ধান্তের কিছু অংশ উচ্চারিত হয়েছিল। উক্ত ভাষণে 'মুক্তিফৌজ' গঠনের কথাও বলা হয়।
পরে এই সভার সিদ্ধান্তগুলোকে পরিবর্ধন, পরিমার্জন, সংশোধন, সংযোজনের মাধ্যমে আরও সময়োপযোগী করে তোলা হয়’।
- সভা শেষে কর্নেল ওসমানী তাঁর রিভলভার থেকে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।’
- ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তানুযায়ী ১০ এপ্রিল তেলিয়াপাড়ায় ২য় সেনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উৎসঃ মূলধারা ৭১, বাংলাপিডিয়া ও তেলিয়াপাড়া উপজেলা ওয়েবসাইট

সুতরাং, এটা বলা যায় যে, তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিদ্রোহী বাঙ্গালি ইউনিটগুলোকে সমন্বয় করে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রথম বাহিনী গঠনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায় - ১১ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে

১৩,৪২২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ২নং
  2. ৪নং
  3. ৮নং
  4. ১১নং
সঠিক উত্তর:
৮নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,৪২৩.
‘ওরাঁও’ নৃ-গোষ্ঠী কোন অঞ্চলে বাস করে?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. শেরপুর
  3. মৌলভীবাজার
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা

- ‘ওরাঁও’ নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া।
- কুঁড়ুখ ও সাদরি ভাষা : ওঁরাও নৃ-গোষ্ঠী।
- এরা আদি-অস্ট্রেলীয়।
- এরা পিতৃতান্ত্রিক।
- এরা প্রকৃতি উপাসক।
- গারোদের বসবাস ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও টাঙ্গাইলের নলিতাবাড়ি।
- মণিপুরীদের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে।

তথ্যসূত্র- সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।

১৩,৪২৪.
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে কোন জোটটি গঠিত হয়েছিলো?
  1. কম্বাইন্ড অপজিশন কমিটি
  2. ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি
  3. ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স
  4. অল পাকিস্তান ফ্রন্ট
সঠিক উত্তর:
ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি
ব্যাখ্যা
- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের বিরোধীদলগুলোর সমন্বয়ে ‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক)’ গঠিত হয়।
- এই জোটে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, মোজাফফর ন্যাপসহ আটটি রাজনৈতিক দল যুক্ত ছিলো।
- পাকিস্তানে ফেডারেল পার্লামেন্টারি পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন, প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচন, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং শেখ মুজিবুর রহমান, খান আবদুল ওয়ালী খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি দাবিতে এই জোট গণআন্দোলনের ডাক দিয়েছিলো।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৩,৪২৫.
’জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ১১
  2. অনুচ্ছেদ- ১৮
  3. অনুচ্ছেদ- ১৭
  4. অনুচ্ছেদ- ১৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১৮
ব্যাখ্যা

সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ:
- অনুচ্ছেদ - ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- (১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

- (২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩,৪২৬.
কোন নভোকাশ কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয়?
  1. ওয়াল্প আইল্যান্ড ফ্লাইট
  2. মোহাভে স্পেস এন্ড এয়ারপোর্ট
  3. থেলিস এলেনিয়া
  4. কেনেডি স্পেস সেন্টার
সঠিক উত্তর:
কেনেডি স্পেস সেন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেনেডি স্পেস সেন্টার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে। 
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
১৩,৪২৭.
দেশের প্রথম স্যাটেলাইট এখন আনুষ্ঠানিকভাবে কী নামে পরিচিত হবে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. জাতীয় স্যাটেলাইট-১
  2. বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১
  3. বিপ্লব-১ 
  4. বিএসসিএল-১ 
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ (বিএস-১): 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ (বিএস-১) এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ (বিএস-১) করা হয়েছে।
- উপদেষ্টা পরিষদের সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে স্যাটেলাইটের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- প্রধান উপদেষ্টা এই প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন।
- এর ফলে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট এখন আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ নামে পরিচিত হবে। 
- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৮ সালে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
- ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি এর মালিকানা হস্তান্তর করা হয় নতুন কোম্পানি বিএসসিএলের কাছে।
- এই কোম্পানি গঠন করা হয় স্যাটেলাইটটির পরিচালনার জন্য।
- বিএসসিএল ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট তৈরি করেছে ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
- ২০১৮ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট–১ উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এর মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের ক্লাবে যুক্ত হয় বাংলাদেশের নাম।

উৎস: প্রথম আলো (৩ মার্চ ২০২৫)
The Daily Star বাংলা (৩ মার্চ ২০২৫)
১৩,৪২৮.
কত তারিখে 'দ্বাদশ জাতীয় সংসদ' বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়?
  1. ৫ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৬ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৭ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৮ আগস্ট, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৬ আগস্ট, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ:
- বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- ২৮টি রাজনৈতিক দল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে।
- দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২২৪টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ।
- ক্ষমতাসীনদের পর সবচেয়ে বেশি জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য শপথ নেন ১০ জানুয়ারি, ২০২৪।

উল্লেখ্য,
⇒ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা:
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন।
- রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
১৩,৪২৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. তিন নম্বর সেক্টর
  2. দুই নম্বর সেক্টর
  3. চার নম্বর সেক্টর
  4. এক নম্বর সেক্টর
সঠিক উত্তর:
দুই নম্বর সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই নম্বর সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
-১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না

• গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সেক্টর:
- চট্টগ্রাম - ১নং সেক্টর।
- ঢাকা - ২ নং সেক্টর।
- রাজশাহী- ৭ নং সেক্টর।
- মুজিব নগর- ৮ নং সেক্টর।
- সুন্দরবন - ৯ নং সেক্টর।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট।
১৩,৪৩০.
BSTI এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Science and Technology Institute
  2. Bangladesh Standardization and Testing Institute
  3. Bangladesh Standards and Testing Institution
  4. Bureau of Standards and Testing Institute
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
ব্যাখ্যা
BSTI:
- BSTI-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Standards and Testing Institution.
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
- শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BSTI বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণসহ মান নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
 
সূত্র - BSTI ওয়েবসাইট।
১৩,৪৩১.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হারে শীর্ষ বিভাগ- 
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. বরিশাল
  4. রাজশাহী 
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। 
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১৩,৪৩২.
How many points are related to monetary economics in the 'Six-Point Demands'?
  1. ক) 2
  2. খ) 3
  3. গ) 4
  4. ঘ) 5
সঠিক উত্তর:
খ) 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 3
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো। 
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৪৩৩.
ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯১২ সালে
  2. খ) ১৯১৩ সালে
  3. গ) ১৯১৪ সালে
  4. ঘ) ১৯১১ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯১২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জের অভিষেক অনুষ্ঠানে রাজা জর্জ ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের ঘোষণা দেন।
- এলক্ষ্যে ১৯১২ সালে দিল্লিতে সরকারের অস্থায়ী দপ্তর নির্মাণ করা হয় এবং দিল্লিকে রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ সমাপ্ত হয় ১৯৩১ সালে।
- তার আগে পর্যন্ত কলকাতাই ছিলো ব্রিটিশদের রাজধানী।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা।
১৩,৪৩৪.
শহীদ বুদ্ধিজীবী সেলিনা পারভীন পেশায় একজন-
  1. শিক্ষিকা
  2. ডাক্তার
  3. আইনজীবী
  4. সাংবাদিক
সঠিক উত্তর:
সাংবাদিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংবাদিক
ব্যাখ্যা
• সেলিনা পারভীন,(১৯৩১-১৯৭১):
- সাংবাদিক, শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- জন্ম ১৯৩১ সালের ৩১ মার্চ লক্ষিপুর রামগঞ্জ উপজেলার ছোট কল্যাণনগর গ্রামে।
- পিতা মৌলভী আবিদুর রহমান এবং মাতা মোসাম্মৎ সাজেদা খাতুন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মনোয়ারা বেগম।
- ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে সিদ্ধেশ্বরীর বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়।
- ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনী যে বিপুল সংখ্যক বুদ্ধিজীবীকে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে হত্যা করে সেলিনা পারভীন তাঁদের একজন।
- ওই বধ্যভূমিতে চোখবাঁধা অবস্থায় পড়েছিল তাঁর মরদেহ।
- ১৮ ডিসেম্বর তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাকবিভাগ সেলিনা পারভীনের নামে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৪৩৫.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে 'আফসার ব্যাটালিয়ন' কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করে?
  1. ভালুকা
  2. সুন্দরবন
  3. মাগুরা
  4. টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
ভালুকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভালুকা
ব্যাখ্যা
আফসার ব্যাটালিয়ন
-ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানার নিভৃত পল্লী মল্লিকবাড়ী গ্রামে একটি মাত্র রাইফেল নিয়ে মেজর আফসার উদ্দিন আহমেদ পার্টি গঠন করেন।
- পাকবাহিনী ও দুষ্কৃতিকারীগণের সাথে লড়াই করে মেজর আফছার শত্রুদেরকে সমুচিত শিক্ষা দিয়েছেন।
- এবং তিনি তার পার্টি নিয়ে শত্রুপক্ষের নিকট থেকে আড়াই হাজারেরও অধিক রাইফেল, ব্রেটাগান, রকেট লান্সার, স্টেনগান, এমএমজি ইত্যাদি উদ্ধার করেন।
- তার দ্বারা পরিচালিত বাহিনীতে সর্বমোট প্রায় সাড়ে চার হাজার মুক্তিযোদ্ধা ছিল।
- মেজর আফছারের পৃষ্ঠপোষকতায় আফছার ব্যাটালিয়নের তরফ থেকে সাপ্তাহিক জাগ্রত বাংলা পত্রিকা যাবতীয় সংবাদ পরিবেশন করে মুক্তিকামী মানব মনে প্রেরণা জুগিয়েছে।

আঞ্চলিক বাহিনী:
সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
১৩,৪৩৬.
যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর ২০২৫ এ প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যক্তি-
  1. আসিফ নজরুল ইসলাম
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. নাহিদ ইসলাম
  4. বেগম খালেদা জিয়া
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর করা ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় আছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
 - ‘টাইম–১০০’ শীর্ষক এই তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসকে ‘লিডার বা নেতা’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।
- ৬টি ক্যাটাগরিতে মোট ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম প্রকাশ করে মার্কিন এই সাময়িকী।
- নেতাদের তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ‘লৌহমানবী’ খ্যাত ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো, মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কসহ ২১ জন।

উৎস: প্রথম আলো লিংক।
১৩,৪৩৭.
বাংলা একাডেমি ভবনের পুরাতন নাম কী?
  1. চামেলি হাউজ
  2. রোজ গার্ডেন
  3. বর্ধমান হাউজ
  4. বাংলা হাউজ
সঠিক উত্তর:
বর্ধমান হাউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ধমান হাউজ
ব্যাখ্যা
বর্ধমান হাউজ 
- ১৯৫২ সালে বর্ধমান হাউস ছিল পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী নূরুল আমিনের বাসভবন।
- একুশে ফেব্রুয়ারি বিকেলে সেখান থেকেই নির্দেশ আসে ছাত্রদের ওপর গুলিবর্ষণের।
- পরবর্তী সময়ে এখানে জনদাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্থাপন করা হয় বাংলা ভাষা গবেষণাগার বাংলা একাডেমি।
- ভাষাশহীদদের রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র প্রতিষ্ঠান।
- বর্ধমান হাউসে দাপ্তরিক কাজ না হলেও বাংলা একাডেমির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ভবনটি।
- সেখানে স্থাপন করা হয়েছে দুটি জাদুঘর; ভাষা আন্দোলন জাদুঘর ও লেখক জাদুঘর।
- একুশের অন্যতম স্মারক বর্ধমান হাউস।
- পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন হওয়ায় রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের প্রতিটি অধ্যায়ে এ ভবনটি জড়িয়ে আছে ওতপ্রোতভাবে।
- ১৯৪৭ সালের ৫ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকরা মিছিল সহকারে এ ভবনে এসে মুসলিম লীগ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকের সময় বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি পেশ করেন।
- ১৯৪৮ সালের ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বর্ধমান হাউসে প্রধানমন্ত্রী নাজিমুদ্দিনের সঙ্গে ভাষা আন্দোলনের নেতারা সাক্ষাৎ করেন।
- সাক্ষাতের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি এবং ভাষা আন্দোলন কর্মীদের গ্রেফতার ও নির্যাতনের প্রতিবাদ করা।
- ১৯৪৮ সালের ১৫ মার্চ সম্পাদিত রাষ্ট্রভাষা চুক্তির আগে এখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের সঙ্গে তৎকালীন গভর্নর খাজা নাজিমুদ্দিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৬ মার্চ চুক্তি বাতিলের দাবিতে বর্ধমান হাউস অভিমুখে মিছিল বের হয়। এদিন পুলিশি নির্যাতনে ছাত্ররা আহত হন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল নূরুল আমিন এই ভবনেই বাস করতেন।
- এই ভবন থেকেই গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ফলে ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে বর্ধমান হাউস জনতার রোষের মুখে পড়ে।
- রক্তাক্ত একুশে ফেব্রুয়ারির পরপরই বর্ধমান হাউসকে বাংলা ভাষাচর্চার কেন্দ্রে পরিণত করার দাবি ওঠে।
- এটি আনুষ্ঠানিক রূপ পায় ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার দাবিতে।
- যাতে বলা হয়, 'যুক্তফ্রন্টের প্রধানমন্ত্রী বর্ধমান হাউসের বদলে অপেক্ষাকৃত কম-বিলাসের বাড়িতে বাসস্থান নির্দিষ্ট করিবেন এবং বর্ধমান হাউসকে আপাতত ছাত্রাবাস ও পরে বাংলা ভাষার গবেষণাগারে পরিণত করা হইবে।'
- এ দাবি পূরণ হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর। বর্ধমান হাউসে বাংলা একাডেমির উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার।
- গবেষণা-প্রকাশনার মননশীল চর্চার পাশাপাশি বাংলা একাডেমি একুশের চেতনাকে প্রবাহিত রেখেছে। প্রতি ফেব্রুয়ারি মাসে ভাষাশহীদদের স্মৃতিতে আয়োজন করে আসছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা।

-  বর্ধমান হাউসের দ্বিতীয় তলায় স্থাপন করা হয়েছে ভাষা আন্দোলন জাদুঘর।
- ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন জাদুঘর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই জাদুঘরে ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক আলোকচিত্র, সংবাদপত্র, স্মারকপত্র, ব্যঙ্গচিত্র, চিঠি, প্রচারপত্র, পা ুলিপি, পুস্তক-পুস্তিকার প্রচ্ছদ এবং ভাষাশহীদদের স্মারকচিহ্ন সংরক্ষণ করা হয়েছে।

-  বর্ধমান হাউসের নিচতলায় রয়েছে জাতীয় সাহিত্য ও লেখক জাদুঘর।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এই জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন।
- বর্তমানে ছয়টি কক্ষ নিয়ে জাতীয় সাহিত্য ও লেখক জাদুঘর পরিচালিত হচ্ছে।

- বর্ধমান হাউসের তৃতীয় তলায় শেষ পর্যায়ের নির্মাণ কাজ চলছে লোকঐতিহ্য জাদুঘরের।
- সেইসঙ্গে তৃতীয় তলায় আরও রয়েছে বাংলা একাডেমির আর্কাইভস।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সমকাল পত্রিকা (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)।
১৩,৪৩৮.
মধ্যযুগে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস বলতে কোন সময়কে নির্দেশ করে?
  1. ক) ১২০৪-১৭৫৭
  2. খ) ১২০০-১৫০০
  3. গ) ১২০০-১৬০০
  4. ঘ) ১২০১-১৮০০
সঠিক উত্তর:
ক) ১২০৪-১৭৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১২০৪-১৭৫৭
ব্যাখ্যা

- বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনাকালকে বাংলায় মধ্যযুগের শুরু বলা হয়।
- মধ্যযুগের বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস বলতে ১২০৪ থেকে ১৭৫৭ পর্যন্ত সময়কে বুঝানো হয় ।
- যার প্রায় পুরোটা সময় জুড়ে ছিল মুসলমানদের আধিপত্য অর্থাৎ ১২০৪-১৭৬৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫৫০ বছর ।
- বাংলার প্রথম মুসলিম শাসক তুর্কী বীর ইখতিয়ারউদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০৪)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

১৩,৪৩৯.
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় কত দফা প্রণয়ন করা হয়েছিল?
  1. ক) ৭ দফা
  2. খ) ৯ দফা
  3. গ) ১১ দফা
  4. ঘ) ১৩ দফা
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ দফা
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম।
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।
- আগরতলা মামলা বাতিল হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৪৪০.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. বর্ণালি
  2. কাঞ্চন
  3. গোল্ডেন ক্রস
  4. মরিনী
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চন
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১৩,৪৪১.
নিচের কোনটি জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম?
  1. ক) দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র
  2. খ) তিন কন্যা
  3. গ) হত্যাযজ্ঞ
  4. ঘ) চরদখল
সঠিক উত্তর:
ক) দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র
ব্যাখ্যা
• জয়নুল আবেদিন (১৯১৪-১৯৭৬)  আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী। 
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা। 
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান  চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। 

• ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে জয়নুল আবেদিন ধারাবাহিকভাবে একাধিক চিত্র স্কেচ করেন।
- সস্তা প্যাকিং পেপারে চাইনিজ ইঙ্ক ও তুলির আচরে ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’ নামে পরিচিত জয়নুলের এ চিত্রকর্মে ফুটে উঠেছে শব-সওদাগরদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিক কলুষতা, সে সাথে নিপীড়িতের অমানবিক দুর্দশা। চিত্রকর্মগুলি জয়নুলকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
- ‘দ্য রেবেল ক্রো’ (জলরং, ১৯৫১) এ ধারার সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে ভিত্তি করে আঁকা ৬৫ ফুট দীর্ঘ স্ক্রল পেইন্টিং (চাইনিজ ইঙ্ক, জলরঙ ও মোম) ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আঁকা ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা’ পেইন্টিংটির মাঝে তাঁর কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৪৪২.
আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২৩ জুন ১৯৪৮
  2. খ) ১৩ মার্চ ১৯৪৯
  3. গ) ২৩ জুন ১৯৪৯
  4. ঘ) ২৩ জুলাই ১৯৪৯
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ জুন ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ জুন ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
এর প্রথম কমিটির সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শামসুল হক এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
বঙ্গবন্ধু ১৯৫৩ সালে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬৬ সালের ১৯ মার্চ সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৫৫ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩,৪৪৩.
দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার স্বাধীন রাজ্য হিসেবে দেব বংশের উত্থান ঘটে কোন শতকে?
  1. নবম শতক
  2. অষ্টম শতক
  3. দশম শতক
  4. সপ্তম শতক
সঠিক উত্তর:
অষ্টম শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম শতক
ব্যাখ্যা
• দেব বংশ:
- অষ্টম শতকের শুরুতে  দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার স্বাধীন রাজ্য হিসেবে বৌদ্ধধর্মালম্বী দেব বংশের উত্থান ঘটে।
- এ বংশের চারজন রাজার নাম পাওয়াযার।
- এরা হলেন শ্রী শান্তিদেব, শ্রী বীরদেব, শ্রী আনন্দদেব ও শ্রী ভবদেব।
- দেব রাজারা শক্তিধর ছিলেন। তাঁদের নামের সাথে যুক্ত থাকতো বড় বড় উপাধি। যেমন- পরম সৌগত, পরম ভট্টারক, পরমেশ্বর, মহারাজাধিরাজ ইত্যাদি।
- তাঁদের রাজধানী ছিল দেবপর্বতে।
- কুমিল্লার নিকট ময়নামতীর কাছে ছিল এ দেবপর্বত।
- দেবদের রাজত্ব বিস্তৃত ছিল সমগ্র সমতট এলাকায়। আনুমানিক ৭৪০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত দেব রাজারা শাসন করেন।
- পাল রাজাদের মতো দেব রাজারাও ছিলেন বৌদ্ধ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম শ্রেণি।
১৩,৪৪৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন -
  1. খালেদ মোশাররফ
  2. কে.এম শফিউল্লাহ
  3. এ.টি.এম হায়দার
  4. আবু ওসমান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
কে.এম শফিউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কে.এম শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,৪৪৫.
বরিশালের পূর্ব নাম কি ছিল ?
  1. চন্দ্রদ্বীপ
  2. বাকলা
  3. ইসমাইলপুর
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

প্রাচীনকালে বরিশাল পরিচিত ছিল চন্দ্রদ্বীপ, বাকলা, ইসমাইলপুর নামে।

- চন্দ্রদ্বীপ মুগল-পূর্ব যুগের একটি ক্ষুদ্র রাজ্য এবং মুগল যুগের একটি বড় জমিদারি। 
- মধ্যযুগের শেষ দিকে বাখরগঞ্জ জেলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ব্যাপী চন্দ্রদ্বীপ জমিদারি বিস্তৃত ছিল।
- ''সরকার বাকলার'' নামানুসারে অনেক সময় একে বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ বলা হতো।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৩,৪৪৬.
কোন সুবেদার ঢাকাকে সুবাহ বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেন?
  1. ক) ইসলাম খান চিশতি
  2. খ) শায়েস্তা খান
  3. গ) মুহাম্মদ আজম শাহ
  4. ঘ) শাহ সুজা
সঠিক উত্তর:
ক) ইসলাম খান চিশতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইসলাম খান চিশতি
ব্যাখ্যা
জাহাঙ্গীরনগর:

- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে  ইসলাম খান চিশতি বাংলার সুবাহ্দার নিযুক্ত করেন।
- তাঁর প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কৌশল বাংলার জন্য যথার্থভাবে কার্যকর হয় এবং সুবাহ্ বাংলার সীমানা বৃদ্ধি পায়।
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং  ঢাকাকে সুবাহ বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে এর নাম করেন  জাহাঙ্গীরনগর। 
- এ শহরে ছিল প্রশাসনিক সদর দফতর এবং  সুবাহদার ও অন্যান্য কর্মচারীদের বাসস্থান।
- মুর্শিদকুলী খান কর্তৃক ত্রিপুরা, বিহারের ভাগলপুর এবং পূর্ণিয়ার কিছু অংশ সুবাহ্ বাংলার অন্তর্ভুক্ত হয় এবং আঠারো শতকে মেদেনীপুর বাংলার সঙ্গে সংযুক্ত হলে মুগল সুবাহ্ বাংলার সীমানা পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করে।
- যেমন, উত্তরে পর্বতমালা, উত্তর-পূর্বে আসামের হাজো, পূর্বে ত্রিপুরা, দক্ষিণে সমুদ্র, দক্ষিণ-পূর্বে  আরাকান, দক্ষিণ-পশ্চিমে উড়িষ্যা এবং পশ্চিমে বিহার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,৪৪৭.
Who was the first Governor General of Pakistan?
  1. Iskander Mirza
  2. Khawaja Nazimuddin
  3. Nurul Amin
  4. Mohammed Ali Jinnah
  5. Liaquat Ali Khan
সঠিক উত্তর:
Mohammed Ali Jinnah
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mohammed Ali Jinnah
ব্যাখ্যা
প্রথম গভর্নর:
- পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

উল্লেখ্য,
- মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লিয়াকত আলী খানকে নিযুক্ত করেন। 
- ব্রিটিশ আমলে বাংলা নামক যে প্রদেশ ছিল তা ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম বাংলা নামক দুটি অংশে বিভক্ত করে।
- পশ্চিম বাংলাকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত এবং পূর্ববাংলাকে পাকিস্তানের অংশ বলে ঘোষণা করে। 
- পূর্ববাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- পূর্ববাংলার প্রথম গভর্নর নিযুক্ত হন স্যার ফ্রেডারিক বোর্ণ।
- ১৯৪৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মৃত্যুবরণ করলে পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দিন গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। 
- তখন নূরুল আমিনকে পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৪৪৮.
আওয়ামী ‍মুসলিম লীগের কততম সম্মেলনে দলটির নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়?
  1. দ্বিতীয় সম্মেলন
  2. তৃতীয় সম্মেলন
  3. চতুর্থ সম্মেলন
  4. পঞ্চম সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় সম্মেলন
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’ গঠিত হয়।
এর প্রথম কমিটিতে,
- সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৫৩ সালের ১৪-১৬ নভেম্বর আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৫ সালের ২১-২৩ সেপ্টেম্বর দলটির তৃতীয় সম্মেলনে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
- ১৯৬৬ সালের ১৮-২০ মার্চ আওয়ামী লীগের ষষ্ঠ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু সভাপতি নির্বাচিত হন সভাপতি নির্বাচিত হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলা ট্রিবিউন)
১৩,৪৪৯.
বিচারক নিয়োগ করেন -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৪৫০.
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ কত সালে শেষ হবে?
  1. ২০২৫ সালে
  2. ২০২৬ সালে
  3. ২০২৮ সালে
  4. ২০৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা পানি চুক্তি:
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।
- চুক্তি অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি - ৩১শে মে পর্যন্ত দুই দেশ চুক্তিতে উল্লেখিত ফর্মুলা অনুযায়ী পানি ভাগাভাগি করে নেবে।
- চুক্তিতে বলা হয়েছে, নদীতে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানি থাকলে দুই দেশ সমান সমান পানি ভাগ করে নেবে।
- পানির পরিমাণ ৭০ হাজার কিউসেক থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে ৪০ হাজার কিউসেক পাবে বাংলাদেশ, অবশিষ্ট প্রবাহিত হবে ভারতে।
- আবার নদীর পানির প্রবাহ যদি ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি হয় তাহলে ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে ভারত, অবশিষ্ট পানি প্রবাহিত হবে বাংলাদেশে।

⇒ ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উল্লেখ্য,
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
১৩,৪৫১.
The most ancient historical place of Bangladesh is-
  1. ক) Paharpur
  2. খ) Mohasthangarh
  3. গ) Sonar Gaon
  4. ঘ) Moynamoti
সঠিক উত্তর:
খ) Mohasthangarh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Mohasthangarh
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:

- বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান হল মহাস্থানগড়।
- করতোয়া নদীর তীরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুন্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৩,৪৫২.
প্রজাস্বত্ব আইন কবে প্রণীত হয়?
  1. ক) ১৯৫০ সালে
  2. খ) ১৯৪৫ সালে
  3. গ) ১৯৪৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৩৯ সালে ফ্রান্সিস ফ্লাউড-কে চেয়ারম্যান করে ভূমি রাজস্ব কমিশন নিয়োগ দেওয়া হয়। রাজস্ব আয়কারী সকল সম্পত্তি সরকার কর্তৃক হুকুমদখলের সুপারিশসহ এই কমিশন ১৯৪০ সালে তার প্রতিবেদন পেশ করে। এই কমিশনের সুপারিশমালার ওপর ভিত্তি করেই পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ পাশ হয়। এভাবেই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আইনের ১৬৩ বছর পর সকল রাজস্ব আয়কারী বিষয়াদিসহ জমিদারি প্রথা বাতিলপূর্বক ভূমি ব্যবস্থা সরাসরি সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন চলে যায়। [Source: Banglapedia]
১৩,৪৫৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ কোন পদক প্রদান করা হয়?
  1. জনপ্রশাসন পদক
  2. বঙ্গবন্ধু পদক
  3. বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক
  4. জনপ্রশাসন সৃজনশীল পদক
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক প্রদান করা হয়।

 উল্লেখ্য,
⇒  প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় “বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক” চালু করে। পূর্বে এটি 'জনপ্রশাসন পদক' নামে ছিল।
- ১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ 'জনপ্রশাসন পদক নীতিমালা ২০১৫ (২০১৬ সালে সংশোধিত)' বাতিল করে “বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক নীতিমালা, ২০২২” জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

⇒ পদক প্রবর্তনের উদ্দেশ্য:
• জনপ্রশাসনের কর্মচারীদের দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলা।
• সেবাপ্রত্যাশীদের চাহিদা পূরণে কর্মচারীদের সৃজনশীলতা ও অভিযোজন সক্ষমতা মূল্যায়ন করা।
• জনসেবা প্রদান পদ্ধতিতে সংস্কার ও ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে আস্থাশীল জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।

পুরস্কার:
• ব্যক্তি, দল ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদকের সংখ্যা হবে - ১২টি।
• পুরস্কার হিসেবে একটি স্বর্ণপদক (২১ ক্যারেট মানের ১৫ গ্রাম ওজনের) এবং রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম সংবলিত সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।
• ব্যক্তিগত অবদানের জন্য ২ লাখ টাকা, দলগত অবদানের জন্য ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে। 
• দলগত অবদানের ক্ষেত্রে দলের সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা হবে পাঁচজন। দলের প্রত্যেক সদস্যকে স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও ক্রেস্ট দেওয়া হবে এবং নগদ পুরস্কারের ৫ লাখ টাকা সদস্যদের মধ্যে সমভাবে বণ্টন করা হবে।
• প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে স্বর্ণপদক, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।
• বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ডোসিয়ারে বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
• সরকার নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ হ্রাস-বৃদ্ধি করতে পারবে।

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
১৩,৪৫৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ’তেলিয়াপাড়া রণকৌশল’ কোন জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. হবিগঞ্জ
  3. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. ফেনী
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• তেলিয়াপাড়া রণকৌশল:
 - তেলিয়াপাড়া বাংলোয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার গঠনের পূর্বে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তৎকালীন সিলেট জেলার (বর্তমান হবিগঞ্জ জেলা) তেলিয়াপাড়ায় এক চা বাগানের ব্যবস্থাপকের বাংলোতে কর্নেল ওসমানীর নেতৃত্বে ২৭ জন সেনা কর্মকর্তা, আনসার, পুলিশ, সিএসপি অফিসার এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যদের নিয়ে যে যুদ্ধ কৌশল প্রস্তুত করা হয়েছিল, সেটি 'তেলিয়াপাড়া রণকৌশল' নামে পরিচিত।

উৎস: মাধবপুর উপজেলা ওয়েবসাইট।
১৩,৪৫৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১২২
  2. অনুচ্ছেদ ১২৩
  3. অনুচ্ছেদ ১২৪
  4. অনুচ্ছেদ ১২৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২৩
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১১৬ - অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা।
- অনুচ্ছেদ ১১৬(ক) - বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন।
- অনুচ্ছেদ ১১৭ - প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১১৯ - নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- অনুচ্ছেদ ১২১ - প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
- অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৬ - নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩,৪৫৬.
কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ২০২১-২০২২ অর্থবছরে জরুরি প্রয়োজন মেটাতে থোক বরাদ্দের পরিমাণ কত?
  1. ক) ৭,৭০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৮,৫০০ কোটি টাকা
  3. গ) ৯,২০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ১০,০০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০,০০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
- কোভিড-১৯ মোকাবেলায় জরুরি চাহিদা মেটানোর জন্যে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে থোক বরাদ্দের পরিমাণ ১০,০০০ কোটি টাকা।
(তথ্যসূত্র: বাজেট বক্তৃতা : ২০২১-২০২২ অর্থবছর)
১৩,৪৫৭.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থলসীমান্ত চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

স্থলসীমান্ত চুক্তি:
- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে স্থলসীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অমীমাংসিত স্থল সীমানা চূড়ান্ত করা।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ভেতরে থাকা দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের দখলে চলে যায় এবং দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অধিকারে আসে।
- ছিটমহল দুটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় পানবাড়ি মৌজার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য তিনবিঘা জমি ভারত বাংলাদেশের অনুকূলে স্থায়ী ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- চুক্তি সইয়ের পরপরই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এটি অনুমোদন করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি বাংলা।

১৩,৪৫৮.
একটি রাজনৈতিক দল মূলত কাদের মধ্যে 'সেতুবন্ধন' হিসেবে কাজ করে?
  1. শুধুমাত্র বিভিন্ন ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে
  2. বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে
  3. জনগণ ও সরকার
  4. শুধুমাত্র সেনাবাহিনী ও আমলাতন্ত্রের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
জনগণ ও সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণ ও সরকার
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল:
- জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে রাজনৈতিক দল।
- রাজনৈতিক দলের একটি স্থায়ী সংগঠন থাকে এবং এ সংগঠনের মাধ্যমে এটি কাজ করে।
- একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যবৃন্দ একই মতাদর্শে বিশ্বাসী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা অর্জনের জন্য কাজ করে।
- সমমতাদর্শে অনুপ্রাণিত, ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত ব্যক্তিদের নিয়ে রাজনৈতিক দল গঠিত হয়।

এছাড়াও, 
- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকে।
- এই কর্মসূচিকে বাস্তবে রূপায়িত করার জন্য দলগুলো নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত পদ্ধতিতে অগ্রসর হয়।
- রাজনৈতিক দল মাত্রই জাতীয় স্বার্থের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়।
- প্রত্যেক দল সমগ্র জাতির সাধারণ স্বার্থ সাধনে আত্মনিয়োগ করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৪৫৯.
৬ দফা দাবি কোথায় উত্থাপিত হয়?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) লাহোর
  3. গ) ইসলামাবাদ
  4. ঘ) কাহমারী
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোর
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলসমূহের সম্মেলেনে বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন সংবলিত ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন।
- পরবর্তীতে ১৮-২০ মার্চ ১৯৬৬ আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সভায় ৬ দফা গৃহিত হয়। পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
- ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়। এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
উৎসঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১৩,৪৬০.
নিচের কোনটি নৌ সেক্টর ছিলো?
  1. ক) ৮ নং সেক্টর
  2. খ) ৯ নং সেক্টর
  3. গ) ১০ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে ‍মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর। দেশের সমুদ্র অঞ্চল ও নদীপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- এই সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৩,৪৬১.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কোন দেশ বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল?
  1. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. ভুটান
  3. সেনেগাল
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি

- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধকালীন ১৯ টি জেলার মধ্যে যশোর প্রথম স্বাধীন হয়।
- এই দিনই (৬ ডিসেম্বর) ভুটান প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- একই দিনে দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ভুটান এবং ভারত; মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এই দুই দেশই শুধুমাত্র বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরেই বঙ্গবন্ধু বহির্বিশ্বের স্বীকৃতি ও দেশ গঠনে তাদের সহযোগিতা লাভের জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেন।
- ৩য় ও ৪র্থ দেশ হিসেবে যথাক্রমে পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়া ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭২ সালে ১ ফেব্রুয়ারি প্রথম মুসলিম দেশ হিসাবে সেনেগাল বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা।
১৩,৪৬২.
বর্তমানে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রেরণকারী শীর্ষ দেশ কোনটি? [মার্চ, ২০২৫]
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. কাতার
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রেরণকারী শীর্ষ দেশ:
- বর্তমানে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রেরণকারী শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ প্রবাসী আয় প্রেরণের শীর্ষস্থানীয় উৎসগুলোর জানুয়ারি মাসভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
- ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স এসেছে দুই দশমিক নয় বিলিয়ন ডলার।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.
১৩,৪৬৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম?
  1. খুলনা
  2. সিলেট
  3. চট্টগ্রাম
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারী (৫বছর ও তদূর্ধ্ব),
- মোট ব্যবহারকারী - ৩০.৬৯%।
- পুরুষ ব্যবহারকারী - ৩৮.০৪%।
- নারী ব্যবহারকারী - ২৩.৫২%।
- ঢাকা বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ৪০.৪২%।
- রংপুর বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম - ২৩.৫২%।
• শহর -৪১.৩০%।
• গ্রাম - ২৫.৭৩%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১৩,৪৬৪.
বাংলাদেশে মোট আয়তনের শতকরা কত ভাগ বনভূমি বিদ্যমান?
  1. ১২.৪০
  2. ১৪.১৫
  3. ১৭.২৬
  4. ২৩.৮০
সঠিক উত্তর:
১৭.২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭.২৬
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদে পরিবেশ ও বন মন্ত্রী প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে ২৫৪৭৫ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি রয়েছে যা দেশের মোট আয়তনের ১৭.২৬ শতাংশ।
মাধ্যমিক ভূগোল বইয়ের তথ্যমতে বনভূমির পরিমাণ ১৭ শতাংশ।
(সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ এবং মাধ্যমিক ভূগোল)
১৩,৪৬৫.
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. আইনগত ভিত্তি
  2. নির্বাচিত সংস্থা
  3. পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন: 
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।
- এটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা সরকার পরিচালনা পদ্ধতির পরিশীলিত রূপ।
- বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
ক. আইনগত ভিত্তি,
খ. নির্বাচিত সংস্থা,
গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ,
ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সগ্রহের ক্ষমতা,
ঙ. পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন,
চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩,৪৬৬.
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয় কোনটি?
  1. ধানশালিকের দেশ
  2. উত্তরাধিকার
  3. প্রগতি
  4. বাংলা একাডেমি জার্নাল
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
ব্যাখ্যা
- 'প্রগতি' বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয়।

- বাংলা একাডেমি থেকে ছয়টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
• বাংলা একাডেমি পত্রিকা:
- গবেষণামূলক ত্রৈমাসিক।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উপর বিশেষ গুরুত্বসহ অন্যান্য বিষয়েও বাংলায় রচিত গবেষণামূলক প্রবন্ধ এতে প্রকাশিত হয়।

• উত্তরাধিকার:
- মাসিক পত্রিকা।
- এতে সৃজনশীল রচনা, যথা: গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, গ্রন্থ-সমালোচনা ইত্যাদি মুদ্রিত হয়।

• ধানশালিকের দেশ:
- ত্রৈমাসিক কিশোর পত্রিকা।
- কিশোরোপযোগী গল্প, কবিতা, ছড়া ইত্যাদি এই পত্রিকায় মুদ্রিত হয়।

• বাংলা একাডেমি বিজ্ঞান পত্রিকা:
- ষাণ্মাসিক এই পত্রিকাটি বিজ্ঞান বিষয়ক রচনার সমন্বয়ে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বাংলা একাডেমি জার্নাল:
- ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত ষাণ্মাসিক পত্রিকা।
- বাংলা সাহিত্যের নির্বাচিত রচনা ইংরেজির অনুবাদ এবং বাংলা সাহিত্য ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইংরেজি ভাষায় রচিত মৌলিক রচনা এতে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বার্তা:
- একাডেমির কার্যক্রম ও যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বিবরণ এতে উপস্থাপিত হয়ে থাকে।
- বর্তমানে এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

সূত্র: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,৪৬৭.
কোন বছরে সংসদ ভবন, সংসদ অধিবেশনের জন্য প্রথম ব্যবহৃত হয়?
  1. ১৯৭৯
  2. ১৯৮০
  3. ১৯৮১
  4. ১৯৮২
সঠিক উত্তর:
১৯৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ :
- জাতীয় সংসদ হলো বাংলাদেশের আইন প্রণয়নের প্রধান বিভাগ।
- সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি, যার মধ্যে ৫০টি নারী আসন রয়েছে।
- ১৭তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে এই নারী আসন পরবর্তী ২৫ বছর পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখার বিধান প্রণীত হয়েছে।
- জাতীয় সংসদের স্থপতি লুইস আই কান।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল।
- এটি ছিল দেশের প্রথম সংসদের সূচনা।

- ১৯৬১ সালে বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি এটি উদ্বোধন করা হয়।
- তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার সংসদ ভবনের উদ্বোধন করেন।
- একই বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশে দ্বিতীয় সংসদের অষ্টম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হলে এই ভবনটি প্রথম সংসদ ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
 
উৎস : বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১৩,৪৬৮.
‘পাকিস্তান’ নামের উদ্ভাবক কে?
  1. ক) আল্লামা ইকবাল
  2. খ) মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. গ) চৌধুরী রহমত আলী
  4. ঘ) খাজা নাজিমুদ্দিন
সঠিক উত্তর:
গ) চৌধুরী রহমত আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চৌধুরী রহমত আলী
ব্যাখ্যা
চৌধুরী রহমত আলী ১৯৩৩ সালে ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ৫টি ‍মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকার জন্যে পাকিস্তান নামটি উদ্ভাবন করেন। পরবর্তীতে ভারতের মুসলমানদের জন্যে পৃথক রাষ্ট্রের নাম হিসেবে পাকিস্তান গৃহিত হয়। মুহম্মদ আলী জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৩,৪৬৯.
হাজী শরীয়তউল্লাহর 'ফরায়েজি আন্দোলন' কোন ধরনের আন্দোলন ছিল?
  1. রাজনৈতিক আন্দোলন 
  2. অর্থনৈতিক আন্দোলন 
  3. ধর্মীয় আন্দোলন 
  4. সাংস্কৃতিক আন্দোলন 
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় আন্দোলন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় আন্দোলন 
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন: 
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লাহ বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলার শাসশাইল গ্রামে ১৭৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি দীর্ঘ বিশ বছর মক্কায় অবস্থান করেন।
- সেখানে তিনি ইসলাম ধর্মের ওপর লেখাপড়া করে অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জন করেন।
- দেশে ফিরে তিনি বুঝতে পারেন যে, বাংলার মুসলমানরা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।
- তাদের মধ্যে অনৈসলামিক রীতিনীতি, কুসংস্কার, অনাচার প্রবেশ করেছে।
- ইসলাম ধর্মকে কুসংস্কার আর অনাচারমুক্ত করতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন।
- এই প্রতিজ্ঞার বশবর্তী হয়ে উনিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি এক ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- হাজী শরীয়তউল্লাহর এই ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের নামই 'ফরায়েজি আন্দোলন'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩,৪৭০.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতটি কোন সুরে গাওয়া হয়?
  1. ভাটিয়ালি গান
  2. কাওয়ালি গান
  3. বাউল গান
  4. কবিগান
সঠিক উত্তর:
বাউল গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাউল গান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রচনার ইতিহাস:
- ১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- এই সঙ্গীত বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
- বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫) বিরোধী রাজনীতিক, স্বদেশী কর্মী ও বিপ্লবীরা বাঙালি জনগণকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যম হিসেবে এ গান প্রচার করেন।
- গানটি সুর করার ক্ষেত্রে গগন হরকরা রচিত কালজয়ী বাউল গান ‘আমি কোথায় পাবো তারে’ এর প্রভাব রয়েছে।

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের গগন হরকরার প্রভাব পড়ে যেভাবে:
- তৎকালীন ভারত উপমহাদেশের নদীয়ার (বর্তমান কুষ্টিয়া) একটি ছোট গ্রামে গগনের বাস।
- ভূ-খন্ডের এই অংশে তখন প্রতিনিধিত্ব লালন সাঁই, গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃত কাঙাল হরিনাথ, সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের মতো কালজয়ী প্রতিভাদের। শিলাহদহ এস্টেটে ঠাকুরবাড়ির জমিদারি দেখাশোনার জন্য আসতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

- শিলাইদহ পোস্ট অফিসে ডাকহরকরার কাজের ফাঁকে গান রচনা ও গাইতেন গগন। তিনি বাউল সম্রাট ফকির লালনের অনুসারী ছিলেন।
- রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে এলে চিঠিপত্রাদি দিতে জমিদার কাচারিতে যাওয়া হতো গগনের।
- তার রচিত ও সুরারোপিত ‘আমি কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ যে রে’ গানটি শুনে মুগ্ধ হন রবীন্দ্রনাথ।

রবীন্দ্রনাথ গগণের নাম ও তার গানের বিষয়ে তার প্রবন্ধ “An Indian Folk Religion” এ উল্লেখ করেন।
- সেখানে ‘আমি কোথায় পাবো তারে’—গানটির উল্লেখ করে রবীন্দ্রনাথ বলেন, “The first Baul song, which I chanced to hear with any attention, profoundly stirred my mind.”

এই গান রবীন্দ্রনাথকে এতোটাই প্রভাবিত করে যে, তিনি এর সুরে রচনা করেন ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’।
---------------
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ডাকঘর নাটকটি গগন হরকরার জীবন থেকে প্রভাবিত হয়ে লিখেছিলেন।
- নাটকের গগেন্দ্রনাথ ঠাকুর চরিত্রটি তা প্রমাণ করে।

উৎস: ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট ও বিডি নিউজ ২৪.কম আর্কাইভ।
১৩,৪৭১.
What was the capital of Shashank?
  1. Bakla
  2. Tomluk
  3. Borkamta
  4. Karna-Suborno
সঠিক উত্তর:
Karna-Suborno
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Karna-Suborno
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৪৭২.
শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য প্রয়োজন হয়-
  1. ব্যায়াম
  2. শারীরিক ও মানসিক শিক্ষা
  3. গতিবিদ্যা
  4. জীববিদ্যা
সঠিক উত্তর:
শারীরিক ও মানসিক শিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শারীরিক ও মানসিক শিক্ষা
ব্যাখ্যা
শারীরিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা:

- শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য প্রয়োজন হয় শারীরিক ও মানসিক শিক্ষা।
- শারীরিক শিক্ষা দেহ ও মনের সামঞ্জস্য উন্নয়ন সাধন করে।
- শারীরিক শিক্ষা ছাড়া শিক্ষার পূর্ণতা আসে না।
- যে সব গুণ থাকলে দেশের প্রতিটি নাগরিক সুস্থ ও সবল ও দায়িত্বজ্ঞান সম্পন্ন হয়ে গড়ে ওঠে এবং নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়, শারীরিক শিক্ষা সেই গুণাবলি অর্জনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
- আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা দৈহিক ও মানসিক বিকাশের উপর সমান গুরুত্ব আরোপ করছে।
- বিভিন্ন  চিন্তাবিদদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মতামত বিবেচনা করে শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্যকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
• শারীরিক সুস্থতা অর্জন।
• মানসিক বিকাশ সাধন।
• চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন।
• সামাজিক গুণাবলি অর্জন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় শিক্ষক বাতায়ন।
১৩,৪৭৩.
মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপি কোন জনপদের নিদর্শন?
  1. বঙ্গ
  2. পুণ্ড্র
  3. হরিকেল
  4. তাম্রলিপ্ত
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপি:
- মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপি প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্র জনপদের নিদর্শন। 
- মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপি (আনু. ৩য় খ্রি.পূ.)  ব্রাহ্মী রীতিতে উৎকীর্ণ একটি খন্ডিত শিলালিপি।
- এ শিলালিপি বাংলাদেশের বগুড়া জেলার মহাস্থানে পাওয়া গেছে। এটি হচ্ছে বাংলার প্রাচীনতম লিপিতাত্ত্বিক দলিল।
- এ শিলালিপিতে ‘পুডনগল’-এ (বাংলাদশের উত্তরাঞ্চলের পুন্ড্রনগর> মহাস্থান) কর্তব্যরত মহামাত্রের নিকট জারিকৃত জনৈক শাসকের একটি আদেশ লিপিবদ্ধ করা হয়। এতে সংবঙ্গীয় নামে পরিচিত শহর ও শহরতলীর অধিবাসীদের দুর্দশা দূর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- এ শিলালিপির ঐতিহাসিক গুরুত্ব এখানে যে, এটি পুন্ড্রবর্ধন অঞ্চলে মৌর্য শাসনের প্রাচীনতম সাক্ষ্য বহন করছে। এ শিলালিপি বাংলার যে কোন অঞ্চলের মধ্যে প্রথম নগরায়ণের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেয়।

• পুন্ড্র:
- বাংলার প্রাচীনতম স্থান বা নগরকেন্দ্র হলো বগুড়া জেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড় যা প্রাচীনকালে 'পুণ্ড্রনগর' বা 'পুন্ড্রবর্ধন' নামে পরিচিত ছিল। - বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তীকালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল। পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- গুপ্ত যুগে পুন্ড্রনগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৪৭৪.
বাংলাদেশ সরকার কয় বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে?
  1. ক) ৩০ বছর
  2. খ) ১০ বছর
  3. গ) ২০ বছর
  4. ঘ) ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০ বছর
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০৪১
- রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে পরিকল্পনা কমিশন ২০ বছর মেয়াদী দেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এর মেয়াদকাল ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সাল।
- ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
- এই সময়ে গড় প্রবৃদ্ধির হার হবে ৯.৯ শতাংশ।
- ২০৪১ সাল নাগাদ চরম দারিদ্র্য হার ০.৬৮ শতাংশে এবং দারিদ্র্য হার ৩ শতাংশের নিচে নামিয়ে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন
১৩,৪৭৫.
বিবিএসের সাময়িক হিসাবে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি কত ছিলো?
  1. ৫.৪০ শতাংশ
  2. ৫.৫৬ শতাংশ
  3. ৫.৬৫ শতাংশ
  4. ৫.৭২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৫.৫৬ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৫৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাময়িক হিসাবে গত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে দেশের গড় মূল্যস্ফিতি ছিলো ৫.৫৬ শতাংশ।
- তবে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে অনুমিত গড় মূল্যস্ফিতি নির্ধারণ করা হয়েছিলো ৫.৪ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
১৩,৪৭৬.
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কে ছিলেন?
  1. মাহমুদুল হক ওসমানী
  2. মোজাফফর আহমেদ
  3. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. মশিউর রহমান যাদু মিয়া
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ):
- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) বাংলাদেশের একটি বামপন্থী রাজনৈতিক দল।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ১৯৫৭ সালের জুলাই মাসে এই দলটি গঠিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের কাগমারিতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে আওয়ামী লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মধ্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে মতবিরোধ দেখা দেয়।
- এ প্রশ্নে দলের ডানপন্থী নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দীর পক্ষাবলম্বন করেন এবং বামপন্থী অংশ মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে স্বাধীন ও জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি এবং পূর্ব-পাকিস্তানের সর্বাধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তোলেন।
- ফলে আওয়ামী লীগ আদর্শিক কারণে বিভক্ত হয়ে পড়ে। ঐ বছর ১৮ মার্চ মওলানা ভাসানী পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ ত্যাগ করেন।
- আওয়ামী লীগের বামপন্থী অংশের উদ্যোগে ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে ২৪-২৫ জুলাই গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ সম্মেলনে পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠিত হয়।

এছাড়াও,
ন্যাপের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী।
- অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন হাজী মুহাম্মদ দানেশ, অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ, মশিউর রহমান যাদু মিয়া, আবদুল মতিন, ওয়ালি খান প্রমুখ।
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাগমারি সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র নীতি প্রশ্নে বিরোধের জের ধরে ১৮ই মার্চ মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৪৭৭.
মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় বাহিনী ও মুক্তিবাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে-
  1. ক) নভেম্বর ২১, ১৯৭১
  2. খ) নভেম্বর ২৭, ১৯৭১
  3. গ) ডিসেম্বর ৩, ১৯৭১
  4. ঘ) ডিসেম্বর ৬, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) নভেম্বর ২১, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নভেম্বর ২১, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করেছিল।
- পাকিস্তান ৩রা ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায় এবং ভারতীয় বাহিনী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে।
- ৬-১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যােগ দেয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)।

১৩,৪৭৮.
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে নিচের কোন দাবিটি ছিলো না?
  1. ক) সামরিক আইন প্রত্যাহার
  2. খ) শাসনতন্ত্র কার্যকর করা
  3. গ) গণহত্যার তদন্ত করা
  4. ঘ) নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাসনতন্ত্র কার্যকর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাসনতন্ত্র কার্যকর করা
ব্যাখ্যা
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে বঙ্গবন্ধু এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন।
এ ভাষণে তিনি চারটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হলোঃ
চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার
সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া
গণহত্যার তদন্ত করা এবং
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
১৩,৪৭৯.
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কতসালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
বিসিবি:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বাংলাদেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- বিসিবি মূলত ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকায় এর প্রধান সদর দপ্তর।
- বিসিবি সর্বপ্রথম ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সহযোগী সদস্য এবং ২৬শে জুন ২০০০-এ পূর্ণ সদস্য হন।
- বর্তমানে বিসিবি’র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ফারুক আহমেদ।

উৎস: বিসিবি ওয়েবসাইট।
১৩,৪৮০.
প্রাচীন প্রত্নস্থল ’ওয়ারী বটেশ্বর’ এর অবস্থান কোথায়?
  1. বগুড়া
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. নওগাঁ
  4. নরসিংদী 
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী 
ব্যাখ্যা

ওয়ারী বটেশ্বর       

উয়ারী- বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল। নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবিস্থত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম

- হানিফ পাঠান উয়ারী-বটেশ্বর প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসংগ্রহের  সূচনা করে গেছেন।
- সেই পথ ধরেই বর্তমানে তাঁর বংশধর সকল প্রত্নতাত্ত্বিক উপকরণ সংরক্ষন করেছেন।
- সে জন্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের কথা বললেই ঠিকানা বলা হয় ‘‘ হানিফ পাঠানের বাড়ি’’।
- বেলাব সদর উপজেলা থেকে উয়ারী-বটেশ্বর প্রত্নস্থলটি ৪ কিলোমিটার দূরে। প্রথমে হানিফ পাঠান এই গ্রামগুলোতে কিছু প্রাচীন ছাপাংকিত রৌপ্য মুদ্রা খুজে পান এবং সন্দেহ করেন তা মৌর্য সভ্যতার সময়কার খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে  খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী পর্যন্ত।

- হানিফ পাঠান ও হাবিবুলস্না পাঠান এই কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন বছরের পর বছর ধরে।
- ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি মিউজিয়াম গড়ে তুলেছেন। বশত বাড়ীর একটি ঘরের এক পাশে কাচ দিয়ে ঘেরা কতগুলো প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশন রয়েছে যথাক্রমে: ছাপাংকিত রৌপ্য মুদ্রা, ১৯৯৭ সালে প্রাপ্ত ১৫-১৬ শতক আগের ব্রেঞ্জ মূর্তি, ১৯৯৭ সালের পুকুর খননকালে প্রাপ্ত খ্রিস্টপূর্ব ১-২ শক আগের প্রাচীন মৃৎপাত্র, ১৯৮৮ সালের প্রাপ্ত ১৯ শতক আগের ব্রোঞ্জের ১০০০ শতকের লৌহ-কুঠার ও প্রসত্মরীভূত কাঠ ইত্যাদি, ১৭ শতকের মনসা মঙ্গল কাব্য, ১৯ শতকের হসত্ম লিখিত সবচেয়ে ক্ষুদ্র কোরআন শরীফ, মিশরের প্যাপিরাস (সংযুক্ত প্যাপিরাস শিল্পকর্মটি প্রাচীন মিশরীয়গন যে পদ্ধতিতে প্যাপিরাস তৈরি করতো সেই পদ্ধতিতে তৈরি)। ২/১ টি ছড়া বেশিরভাগ প্রত্নবসত্মই, এই উয়ারী-বটেশ্বর থেকে প্রাপ্ত।

- মূলত ২০০০ সালের এপ্রিল মাসেই প্রথমবারের মতো খনন কাজ করা হয়।
- তখন থেকেই নগর বৈশিষ্ট্যের ধারণাটি নিশ্চিত হতে থাকে।
- নেদারল্যান্ডে কার্ব-১৪ টেষ্টে তারিখ নির্ধারণের মাধ্যমে উয়ারী-বটেশ্বর গ্রাম দুটি দেশের সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাচীনস্থান।
- এতে যে সকল নিদর্শন পাওয়া গিয়াছে সেগুলো ২৪৫০ বছর  আগের অর্থাৎ খিস্টের জন্মের ৪৫০ বছর আগের বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তখন ছিল মৌর্যবংশের রাজত্বকাল।

- এরপর ২০০২ সালের জুন মাসে দ্বিতীয়বারের মতো  খনন কাজ করা হয়। প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ছাড়াই এ অঞ্চল থেকে ভূ-পৃষ্ট সংগ্রহ হিসেবে উয়ারী বটেশ্বর অঞ্চল থেকে এক হাজার লৌহ নিদর্শন, কয়েক হাজার ছাপাঙ্কিত রৌপ্য মুদ্রা এবং প্রচুর সংখ্য স্বল্পমূল্যবান প্রসত্মরের পূজি সংগৃহীত হয়েছে। 

- হাবিবুল্লা পাঠানের মতে এখানে নব্যপ্রস্তর যুগ ও মৌর্য যুগের  নির্দশন পাওয়া গেলেও একটা দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানের পর শুধু পাল সময়কার নিদর্শন পাওয়া যায়।
- কিন্তু মাঝামাঝি সময়টাতে আসলে কি ঘটেছিল, সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানতে পারা যায় নি।
- তরে তাঁর মতে এই এলাকার সাথে রোম কিংবা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ারও তখন জলপথে যোগাযোগ ছিল।
- কারণ বর্তমানে গ্রামের পাশের যে শুকিয়ে যাওয়া কয়ড়া নদীটি আছে, এটা একসময় ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত ছিল।
- আর অতীতেই শুধু নয় এখনও নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে বাণিজ্য এলাবা গড়ে উঠে। উয়ারী-বটেশ্বরের ক্ষেত্রেও হয়তো তাই ঘটেছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩,৪৮১.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
  1. ১২৪
  2. ১১৮
  3. ১৩৬
  4. ১৪৮
সঠিক উত্তর:
১৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৬
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- স্বাধীনতার পর ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে। স্থায়ী সদস্য হওয়ার পর এটি ছিল চীনের প্রথম ভেটো।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে।
- একই অধিবেশনে একই দিন ১৩৭তম সদস্য হিসেবে গ্রানাডা এবং ১৩৮তম সদস্য হিসেবে গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৩,৪৮২.
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত ২০২০ সালে ২রা ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত গ্রন্থটির নাম -----
  1. ক) আমার দেখা নয়াচীন
  2. খ) অসমাপ্ত আত্মজীবনী
  3. গ) কারাগারের রোজনামচা
  4. ঘ) মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
সঠিক উত্তর:
ক) আমার দেখা নয়াচীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আমার দেখা নয়াচীন
ব্যাখ্যা
• “আমার দেখা নয়াচীন” জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর চীন ভ্রমণের উপর লেখা গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থটি তার প্রকাশিত তৃতীয় গ্রন্থ।
- ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২০ বাংলা একাডেমি এটি প্রকাশ করে।
- ১৯৫২ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে নয়া চীন যান বঙ্গবন্ধু।
- তার এ সফরের অভিজ্ঞতাই এ গ্রন্থে বর্ণনা করা হয়েছে।

সূত্র: আমার দেখা নয়াচীন : বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান। 
১৩,৪৮৩.
'তত্ত্বাবধায়ক সরকার' ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় কততম সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ক) পঞ্চদশ
  2. খ) সপ্তদশ
  3. গ) চতুর্দশ
  4. ঘ) ত্রয়োদশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার' ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

 • ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- এর অধীনে ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান।
- ৩ এপ্রিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এর আগে ১৯৯০ সালে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও এর সাংবিধানিক ভিত্তি ছিলো না।
- ফখরুদ্দিন আহমেদ সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন।
- তবে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে ৩০ জুন, ২০১১ সালে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৩,৪৮৪.
প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয় -
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২
  2. খ) ৪ নভেম্বর, ২০২১
  3. গ) ১২ অক্টোবর, ২০২২
  4. ঘ) ৪ নভেম্বর, ২০২২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ নভেম্বর, ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ নভেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংবিধান দিবস:
- ৪ নভেম্বর, ২০২২ প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয়।
- স্বাধীনতার ৫০ বছর পর দেশে প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে জাতীয় সংবিধান দিবস।
- ১৯৭২ সালে ৪ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়।
- এটি কার্যকর হয় ১৯৭২ এর ১৬ ডিসেম্বর।
- গত ৫০ বছরে ১৭ বার সংশোধন হয়েছে সংবিধান।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২ ও প্রথম আলো নিউজ।
১৩,৪৮৫.
মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বের জন্য কয়জনকে সর্বোচ্চ সম্মান 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাব দেয়া হয়?
  1. ক) ৯ জন
  2. খ) ৭ জন
  3. গ) ৮ জন
  4. ঘ) ১০ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭ জন
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,বীর উত্তম - ৬৮ জন,বীর বিক্রম- ১৭৫ জন,বীর প্রতীক- ৪২৬ জন। উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১৩,৪৮৬.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে দ্বিতীয় শীর্ষ পণ্য কোনটি?
  1. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. হোম টেক্সটাইল
  3. কৃষিপণ্য
  4. পাট ও পাটজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
পাট ও পাটজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ৩৮.৭৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
রপ্তানি আয়ে বিভিন্ন পণ্যের অবদান:
- প্রথম : তৈরি পোশাক (৩১.৪৫ বিলিয়ন ডলার)
- দ্বিতীয় : পাট ও পাটজাত পণ্য (১১৬১.৪৮ মিলিয়ন ডলার)
- তৃতীয় : হোম টেক্সটাইল (১১৩২ মিলিয়ন ডলার)
- চতুর্থ : কৃষিপণ্য (১০২৮.১৪ মিলিয়ন ডলার)
- পঞ্চম : চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (৯৪১.৬৭ মিলিয়ন ডলার)।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১৩,৪৮৭.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ কোথায় সংগঠিত হয়েছিল?
  1. যশোর
  2. গাজীপুর
  3. টাঙ্গাইল
  4. মেহেরপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

◉ মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসেই গাজীপুরের জয়দেবপুর এলাকায় প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠে।

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ:
- ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে ঢাকার উত্তরে জয়দেবপুরে (বর্তমান গাজীপুর) অকুতোভয় মুক্তিকামী বাঙালিরা পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।
- ১৯ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈন্যদের সতর্কতা ও রাস্তায় আন্দোলনকারীদের দেখে অস্ত্র জমা নেওয়ার আশা ত্যাগ করে ঢাকায় ফিরছিলেন।
- এ সময় ছাত্র-জনতা জয়দেবপুরের রেলক্রসিং এলাকা ও চান্দনা চৌরাস্তায় তাদের বাধা দেন।
- এ সময় পাকিস্তনি বাহিনী গুলি ছুড়লে ছাত্র-জনতা সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
- পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন হুরমত, নিয়ামত, কানু মিয়া ও মনু খলিফা। আহত হন আরও অনেকে।
- এরই ধারাবাহিকতায় শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রাম। তখন স্লোগান ওঠে ‘জয়দেবপুরের পথ ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো’।
- পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে ওটাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ।

বিশেষ তথ্য:
- ১৯ মার্চের বীরত্বকে অমর করে রাখতে ১৯৭২-১৯৭৩ সালে গাজীপুরের চৌরাস্তায় একটি ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়।
- ‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’ নামের এই ভাস্কর্য মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৪৮৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা হচ্ছে -
  1. পিরোজপুর
  2. জামালপুর
  3. ঢাকা
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।

সূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১৩,৪৮৯.
শ্রীকর নন্দী কোন সুলতানের আদেশে মহাভারত অনুবাদ করেন?
  1. ক) নুসরত শাহ
  2. খ) ইলিয়াস শাহ
  3. গ) ফিরুজ শাহ
  4. ঘ) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
ক) নুসরত শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নুসরত শাহ
ব্যাখ্যা
শ্রীকর নন্দী নুসরত শাহের আদেশে মহাভারত অনুবাদ করেন। 

নাসিরউদ্দিন নুসরত শাহ (শাসনকাল ১৫১৯-১৫৩২খ্রি.) ছিলেন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পুত্র। তাঁর সময়ে ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

তাঁর আমলের কীর্তি: 
-গৌড়ের বারদুয়ারি বা বড় সোনা মসজিদ তাঁর আমলের কীর্তি।
-তিনি বাগেরহাটের মিঠাপুকুর এর নির্মাতা।
-তাঁর আদেশে কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের কিয়দংশ বাংলায় অনুবাদ করেন।
-শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অশ্বমেধপর্বের বঙ্গানুবাদ করেন
- জ্ঞান ও শিক্ষা প্রসারের জন্য নুসরত শাহ দেশের বিভিন্ন স্থানে লাইব্রেরি স্থাপন করেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩,৪৯০.
জেনানা মিশনের মুখ্য উদ্দেশ্য কি ছিল?
  1. ইংরেজিতে উচ্চশিক্ষা প্রণয়ন
  2. নারীদের খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত করা
  3. পুরুষদের খ্রিস্ট ধর্মে ধর্মান্তরিত করা
  4. মুসলিম দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
নারীদের খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারীদের খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত করা
ব্যাখ্যা

জেনানা মিশন বাঙালি ও ভারতীয়দের খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিতকরণের লক্ষ্যে ব্রিটেনে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্দোলন।
- এ আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল জেনানা অর্থাৎ অন্তপুরে গিয়ে নারী কর্তৃক নারীদের পাশ্চাত্য শিক্ষা দেওয়া এবং ওই শিক্ষার মাধ্যমে নারীর সনাতন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটানো।
- বাংলা ও ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে পাঠদান এবং পরিশেষে নারীদেরকে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করাই ছিল জেনানা মিশনের মুখ্য উদ্দেশ্য।
- মেরী জেইন কেনার্ড ছিলেন একজন খ্রিস্টান মিশনারি। ব্রিটিশ সরকারের সমর্থন ও সহযোগিতায় ১৮৫২ সালে তিনি ’জেনানা মিশন’ নামে নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ভারতে মহিলাদের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে জেনানা মিশনই প্রথম ভারতে মহিলা ধর্মপ্রচারক প্রেরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- জেনানা মিশন চার্চ মিশনারি সোসাইটি (প্রতিষ্ঠিত. ১৭৯৯ সাল)-এর অঙ্গ সংস্থারূপে ভারতে ধর্মপ্রচার পরিচালনা করে।
- ১৮৬৪ সালে ভারতে জেনানা মিশনের নতুন নাম হয় Indian Female Normal and Instruction Society।
- ১৮৮০ সালে ইংল্যান্ডে জেনানা মিশন নতুন কর্মকান্ড হিসেবে পাশ্চাত্য চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং এর সঙ্গে মিশনের নতুন নামও দেওয়া হয় Zenana Bible and Medical Mission।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৩,৪৯১.
পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কোথায় অবস্থিত?
  1. হা লং বে
  2. মিয়ামি
  3. কক্সবাজার
  4. কেপটাউন
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
- ইংরেজ ক্যাপ্টেন মি. হেরাম কক্স (Captain Hiram Coxs)-এর নামানুসারে এ জায়গার নামকরণ হয় কক্সবাজার।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার।
- সমুদ্রের তীর ঘেঁষে গড়ে উঠা সংরক্ষিত বনভূমি সমৃদ্ধ ৯৬ কিলোমিটার পাহাড়ের সারি এখানকার অন্যতম বিরল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য বলে বিবেচিত।
- সমুদ্র সৈকতের পথ ধরে ১০-১২ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলে হিমছড়ি পিকনিক স্পট।
- এখানকার ঝর্ণা, ঝাউবন, পাহাড় আর বনানীর সৌন্দর্য্য চিত্তাকর্ষক। কক্সবাজারের সন্নিকটেই বৌদ্ধ তীর্থস্থান রামু।
- কক্সবাজারের উত্তর-পশ্চিমে সমুদ্র মাঝে রয়েছে মহেশখালী দ্বীপ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৪৯২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, এক ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ১৯,৩৪,০০০ হেক্টর
  2. ২০,৪৪,০০০ হেক্টর
  3. ২১,৬২,০০০ হেক্টর
  4. ২২,৭১,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
১৩,৪৯৩.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  3. এম এনায়েতুর রহিম
  4. এ এম এম নাসির উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

প্রধান বিচারপতি:
- দেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- তিনি দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি।
- ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

⇒ প্রজ্ঞাপনের তারিখ—২৩ ডিসেম্বর ২০২৫।
- প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফার ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম করেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। তিনি ১৯৮৫ সালে জজকোর্টে, ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হন। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হন। ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

উৎস: i) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৩,৪৯৪.
আগরতলা মামলার বিচারকার্যে ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন -
  1. এম.আর.খান
  2. মকসুমুল হাকিম
  3. এস.এ.রহমান
  4. আতাউর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৪৯৫.
সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদে কোন বিষয় সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়
  2. নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা
  3. ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
  4. নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান
সঠিক উত্তর:
ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
১. প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
২. কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষণা বহাল না থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ - ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
অনুচ্ছেদ - ১২৫: নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
অনুচ্ছেদ - ১২৬: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৪৯৬.
দেশের প্রথম কোন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল সনদ প্রদানের উদ্যোগ নেয়?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

- দেশের প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিজিটাল সনদের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
- স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল সনদপত্র প্রদানের এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
- ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ নিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ।
- দেশের একমাত্র ডিজিটাল সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষ ‘রিলিফ ভ্যালিডেশন লিমিটেড সার্টিফায়িং অথরিটির (আরভিএল সিএ)’ সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়।
- এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল সনদের জন্য অনলাইনে আবেদন, উত্তোলন, ডিজিটাল স্বাক্ষরিত অনন্য পরিচয় বহনকারী সনদ পাবেন
- আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা এই ই-সাইন সনদের আওতায় আসবে।

উৎস:- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। 
১৩,৪৯৭.
আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করা হয় কবে?
  1. ক) ২৬ মার্চ ১৯৭১
  2. খ) ৭ মার্চ ১৯৭১
  3. গ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১৩,৪৯৮.
'হাকালুকি হাওর' কোথায় অবস্থিত?
  1. হবিগঞ্জ ও সিলেট
  2. সিলেট ও সুনামগঞ্জ
  3. ঢাকা ও মুন্সিগঞ্জ
  4. মৌলভীবাজার ও সিলেট
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার ও সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার ও সিলেট
ব্যাখ্যা

• হাকালুকি হাওর:
- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ২৪°৩৫´-২৪°৪৪´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২°০১´-৯২°০৯´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত।
- হাওরের ৪০% বড়লেখা, ৩০% কুলাউড়া, ১৫% ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০% গোলাপগঞ্জ এবং ৫% বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তর্গত।
- হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী।
- হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে।
- জীববিজ্ঞানীদের মতে, হাকালুকি হাওরে ১৫০ প্রজাতির মিঠা পানির মাছ, ১২০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ বিলুপ্ত প্রায়। 
- এখানে প্রতি বছর শীতকালে প্রায় ২০০ বিরল প্রজাতির অতিথি পাখির সমাগম ঘটে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩,৪৯৯.
ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত সবচেয়ে পুরনো গির্জা কোনটি?
  1. হলি রোজারি চার্চ
  2. অক্সফোর্ড মিশন চার্চ
  3. সেন্ট থমাস চার্চ
  4. আর্মেনিয়ান চার্চ
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়ান চার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়ান চার্চ
ব্যাখ্যা
আর্মেনীয় গির্জা:
- আর্মেনীয় গির্জা পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন খ্রিস্টধর্মীয় উপাসনালয়।
- এটি ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গির্জা নির্মাণের পূর্বে ওই স্থানে ছিল আর্মেনীয়দের একটি কবরস্থান।
- গীর্জা নির্মাণের জন্য গোরস্থানের আশেপাশে যে বিস্তৃত জমি তা দান করেছিলেন আগা মিনাস ক্যাটচিক নামের এক আর্মেনীয়।
- আর লোকশ্রুতি অনুযায়ী গীর্জাটি নির্মাণে সাহায্য করেছিলেন চারজন আর্মেনীয়।
- এরা হলেন মাইকেল সার্কিস, অকোটাভাটা সেতুর সিভর্গ, আগা এমনিয়াস এবং মার্কার পোগজ।

⇒ গীর্জাটি লম্বায় সাড়ে সাতশো ফুট, দরজা চারটি, জানালা সাতটি।
- এর পাশেই ছিলো একটি ঘড়িঘর। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে ঘড়িঘরটি ভেঙে গিয়েছিলো বলে জানা যায়।
- গীর্জায় বৃহৎ আকারের একটি ঘণ্টা ছিলো। এই ঘণ্টা বাজার শব্দ নগরের প্রায় সব স্থান থেকে শুনা যেত বলে সাক্ষ্য পাওয়া যায়। এই ঘণ্টার শব্দ শুনেই নাকি অধিকাংশ ঢাকাবাসী নিজ নিজ সময়ঘড়ি ঠিক করে নিতেন। ১৮৮০ সালের দিকে আর্মেনী গীর্জার এই বিখ্যাত ঘণ্টাটি স্তব্ধ হয়ে যায়, যা আর কখনো বাজেনি।

অন্যদিকে,
- সেন্ট থমাস চার্চ বাহাদুর শাহ পার্কের উত্তরে শাঁখারীবাজারের পূর্ব পাশে জনসন রোডে অবস্থিত, ১৮১৯ সালে ঢাকা জেলের কয়েদিদের শ্রমে এই গির্জা নির্মিত হয়েছিল।
- অক্সফোর্ড মিশন চার্চ স্থানীয় মানুষের কাছে ‘লাল গির্জা’ নামে পরিচিত। অক্সফোর্ড মিশন গির্জার প্রাতিষ্ঠানিক নাম ‘এপিফানি গির্জা’। ১৯০৩ সালের ২৬ জানুয়ারি এটির উদ্বোধন করা হয়। ওই দিনই ‘এপিফানি গির্জা ভগ্নী সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১১৪ বছরের প্রাচীন এই স্থাপনা বরিশাল নগরীর ঐতিহ্যের স্মারক।
- হলি রোজারি চার্চ পর্তুগিজ মিশনারিদের দ্বারা নির্মিত একটি গির্জা। ঢাকার তেজগাঁওয়ে  তেজকুনী পাড়ায়, বর্তমান হলিক্রস গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের পূর্বদিকে এটি অবস্থিত। ইতিহাসবিদ জেমস টেলর বলেন, ঢাকার সন্নিকটে তেজগাঁও এর গির্জাটি ১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে স্থাপিত। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৫০০.
দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার সবচেয়ে শক্তিশালী রাজবংশ ছিলো কোনটি?
  1. ক) খড়গ বংশ
  2. খ) দেব বংশ
  3. গ) চন্দ্র বংশ
  4. ঘ) বর্ম বংশ
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্র বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্র বংশ
ব্যাখ্যা
- সপ্তম থেকে এগারো শতক সময়ের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা একাধিক স্বাধীন রাজবংশের অধীনে ছিলো।
এ সময়ের রাজবংশসমূহ হলো:
- খড়গ বংশশ (সপ্তম শতক)
- দেব বংশ (অষ্টম শতক)
- কান্তিদেব বংশ (নবম শতক)
- চন্দ্র বংশ (দশম শতক)
- বর্ম বংশ (এগারো শতক)।
- এদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী রাজবংশ ছিলো চন্দ্র বংশ। দশম শতকের শুরু থেকে এগারো শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় দেড়শ বছর চন্দ্র বংশের রাজত্ব বিদ্যমান ছিলো।
- চন্দ্র বংশের প্রথম স্বাধীন নৃপতি ত্রৈলোক্যচন্দ্র। শ্রেষ্ঠ নৃপতি ছিলো শ্রীচন্দ্র।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)