বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৩৭ / ৩০৬ · ১৩,৬০১১৩,৭০০ / ৩০,৮৩২

১৩,৬০১.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কত নম্বর সেক্টরের অধীন ছিল?
  1. ক) ১ নং
  2. খ) ৩ নং
  3. গ) ২ নং
  4. ঘ) ১০ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
-১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না

- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর
- ঢাকা-২ নং সেক্টর
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর
- মুজিব নগর-৮ নং সেক্টর
- সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট
১৩,৬০২.
'বাকশাল' কবে গঠন করা হয়?
  1. ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭৫
  2. ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৫
  3. ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫
  4. ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
বাকশাল:
- বাকশাল ব্যবস্থা ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা।

⇒ ১৯৭৪ সালের জুন মাসে জাসদ 'বিপ্লবী গণবাহিনী' নামে একটি সশস্ত্র অঙ্গসংগঠন ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে 'বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা' নামে একটি সেল গঠন করে।
- এসকল কারণে ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদল সমূহের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহ অবস্থান বিঘ্নিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে সরকার দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।
- ১৯৭৫ সালে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা 'বাকশাল' গঠন করা হয়।
- বাকশাল গঠনের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হয়।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৬০৩.
ভারত শাসন আইন -১৯৩৫ এর বৈশিষ্ট নয় কোনটি?
  1. ভারতীয় প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান
  2. ভারতে প্রথম বারের জন্য সরাসরি নির্বাচন উপস্থাপন
  3. ভারত থেকে মায়ানমার এর পৃথকীকরণ
  4. এই আইনের আলোকে সাইমন কমিশন গঠন করা হয়
সঠিক উত্তর:
এই আইনের আলোকে সাইমন কমিশন গঠন করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই আইনের আলোকে সাইমন কমিশন গঠন করা হয়
ব্যাখ্যা
ভারত শাসন আইন:
- সাইমন কমিশনের রিপোর্ট এবং উক্ত শ্বেতপত্রের আলোকে পরের বছর ভারতের জন্য একটা নতুন সংবিধানের খসড়া প্রকাশিত হয়।
- এ খসড়ার ভিত্তিতেই ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে বৃটিশ পার্লামেন্টের উভয় হাউসে ভারতের শাসনকার্যের জন্য একটা নতুন শাসনতন্ত্র গৃহীত হয়।
- এটাই ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দের বিখ্যাত ভারত শাসন আইন।

- ভারত শাসন আইন ১৯৩৫ ছিল ব্রিটিশ সরকার রাজের পরাধীন ভারতের শেষ সংবিধান। 
- এই আইনটি ছিল একটি সুবৃহৎ দলিল।
- ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারত বিভক্তির সময়ও এ আইন কার্যকরী ছিল।

এই আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দিক :
- এইটি ভারতীয় প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান করল এবং ভারত শাসন আইন ১৯৪৭ শেষ হল।
- এইটি ফলে সমস্ত ভারতীয় প্রাদেশিক রাজ্য গুলি ভারত ফেডারেশনের জন্য যোগ দিল।
- প্রথম বারের জন্য সরাসরি নির্বাচন উপস্থাপন করা হল। ভোট দেবার অধিকার বৃদ্ধি কর হল।
- সিন্ধু বোম্বে থেকে পৃথকী করণ হল। উড়িষ্যা বিহার থেকে আলাদা করা হল।
- বর্মা বা মায়ানমার ভারত থেকে আলাদা করা হল।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩,৬০৪.
'Amar bhaiyer rakte rabgano ekushey february ami ki bhulite pari' who is the first composer of the song?
  1. ক) Abdul Ghaffar Chowdhury
  2. খ) Abdul Jabbar
  3. গ) Abdul Latif
  4. ঘ) Altaf Mahmud
সঠিক উত্তর:
গ) Abdul Latif
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Abdul Latif
ব্যাখ্যা

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি 
– গানটির রচয়িতা লেখক ও সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী।
– গানটির ১ম সুরকার–আবদুল লতিফ।
– বর্তমান সুরকার– আলতাফ মাহমুদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৬০৫.
২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রধান পণ্য কোনটি?
  1. ক) তৈরি পোশাক
  2. খ) নীটওয়্যার
  3. গ) পাটজাত পণ্য
  4. ঘ) চামড়া
সঠিক উত্তর:
ক) তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়ের শতকরা ভাগ- তৈরি পোশাক - ৪২.২১%, নীট ওয়্যার - ৪১.৭০%, পাটজাত পণ্য- ১.৭২%, চামড়া- ০.৪২% ।
১৩,৬০৬.
সেকেন্ডারী মার্কেট কীসের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. শ্রমবাজার
  2. চাকরি বাজার
  3. স্টক মার্কেট
  4. কৃষি বাজার
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেট
ব্যাখ্যা

• BSEC: 
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি।
- যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

তথ্যসূত্র: BSEC ওয়েবসাইট।  

১৩,৬০৭.
বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন কে?
  1. ইন্দিরা গান্ধী
  2. জন এলেন
  3. লুইসি ফ্রেশেট
  4. রমেশ চন্দ্র
সঠিক উত্তর:
রমেশ চন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রমেশ চন্দ্র
ব্যাখ্যা
জুলিও কুরি পদক:
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' কর্তৃক 'জুলিও কুরি' শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ২৩ মে, ১৯৭৩ সালে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

উল্লেখ্য,
- তিনি ‘বঙ্গবন্ধু’ হয়েছিলেন, সেই ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ তাঁকে করেছে বাঙালির ‘অবিসংবাদিত নেতা’।
-  বিশ্বশান্তি পরিষদের প্রেসিডেনশিয়াল কমিটির সভায় ১৪০টি দেশের প্রায় ২০০ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। 

উৎস: i) কারাগারের রোজনামচা।
         ii) আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
১৩,৬০৮.
'বৈসু' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব?
  1. লুসাই
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা

ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

১৩,৬০৯.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য কি?
  1. সরকারি স্বার্থ উদ্ধার
  2. ব্যাক্তি স্বার্থ উদ্ধার
  3. গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার
ব্যাখ্যা

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়।
- আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- শ্রমিক সংগঠন, কৃষক সংগঠন, ব্যবসায়ী সমিতি, শিল্পপতিদের সমিতি এবং অন্যান্য পেশাজীবী এ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, সুশাসনের জন্যে নাগরিক, এফবিসিসিআই প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- আইন পরিষদ, আমলাতন্ত্র, সেনাবাহিনী প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হলো গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার।

- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী দেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৩,৬১০.
সম্প্রতি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বব্যাংকের ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক’ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে?
  1. শানজিদা খানম
  2. শরিফা খান
  3. মেহেরুন্নেছা
  4. জাকিয়া সুলতানা
সঠিক উত্তর:
শরিফা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরিফা খান
ব্যাখ্যা
• শরিফা খান:
→ বিশ্বব্যাংকের ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক’ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অবসর–উত্তর ছুটিতে থাকা অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব শরিফা খান।
→ তাঁকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিকে নিয়োগ দিয়েছে।
→ তিনিই প্রথম বাংলাদেশি নারী, যিনি বিশ্বব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ পেলেন।
→ শরিফা খানের আগে বিশ্বব্যাংকে এই পদে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
১৩,৬১১.
ছয় দফা আন্দোলনের তৃতীয় দফা কোন বিষয় সংক্রান্ত ছিল?
  1. প্রতিরক্ষা বিষয়ক
  2. মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
  3. রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
ব্যাখ্যা

ছয় দফা:
⇒ প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি):
→ পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো পরিবর্তন করে একটি ফেডারেল শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার দাবি। পূর্ব পাকিস্তানকে সমানভাবে ক্ষমতা দেওয়া হবে।
⇒ দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা):
→ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত করার এবং প্রাদেশিক সরকারের হাতে অধিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব।
⇒ তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক):
→ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নিজস্ব মুদ্রা, অর্থনৈতিক নীতি ও বাজেট ব্যবস্থা গঠনের দাবি।
⇒ চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক):
→ পূর্ব পাকিস্তানে রাজস্ব ও শুল্ক নীতি নির্ধারণের অধিকার প্রদান, যাতে স্থানীয় অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হতে পারে।
⇒ পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য):
→ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য নীতি স্বাধীনভাবে পরিচালনা করার দাবি।
⇒ ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক):
→ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পৃথক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গঠন ও দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে সমান অংশগ্রহণের দাবি।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।

১৩,৬১২.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারী' প্রকাশিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫২
  2. খ) ১৯৫৩
  3. গ) ১৯৫৪
  4. ঘ) ১৯৫৫
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৩
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের উপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ এর সম্পাদনা করেন হাসান হাফিজুর রহমান।
- এর প্রকাশক ছিলেন মোহাম্মদ সুলতান।
- সংলনটির প্রথম প্রকাশ মার্চ ১৯৫৩।
- বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতীক 'ভাষা আন্দোলন' পরবর্তী সময়ে ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিল 'একুশে ফেব্রুয়ারী' নামের এই ঐতিহাসিক সংকলনটি; যা বাংলাদেশ তথা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের এক অসামান্য দলিল।
- এতে ৬টি বিভাগে ২২ জন লেখকের লেখা আছে। বিভাগগুলো হলো - কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প, গান, নকশা, ইতিহাস।
- সংকলনটি প্রকাশিত হয়েছিলো পুথিপত্র প্রকাশনী থেকে।
- এই সংকলনেই প্রথম প্রকাশিত হয় আব্দুল গাফ্‌ফার চৌধুরী রচিত 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' গানটি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া। 
১৩,৬১৩.
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ এর সংগীত শিল্পীর নাম?
  1. ক) জর্জ রবার্ট
  2. খ) জর্জ ওয়াকার
  3. গ) জর্জ হারছুন
  4. ঘ) জর্জ হ্যারিসন
সঠিক উত্তর:
ঘ) জর্জ হ্যারিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জর্জ হ্যারিসন
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ এর সংগীত শিল্পীর নাম - জর্জ হ্যারিসন।

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:

- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- পণ্ডিত রবিশংকর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁর শিষ্য-বন্ধু বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটল্সের শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এই অবিস্মরণীয় কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন।
- তাতে মোট ৪০,০০০ দর্শক উপস্থিত হয়েছিলেন। কনসার্টটির নাম দেওয়া হয়েছিল ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।

- কনসার্ট ফর বাংলাদেশে আয়োজক দুই তারকা ছাড়াও অংশ নেন বিটলসের রিংগো স্টার, বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রেসটন, লিয়ন রাসেল। রবি শঙ্কর ছাড়াও সরোদ শিল্পী আলী আকবর খান অংশ নিয়েছিলেন এই কনসার্টে।
- এই কনসার্টটি পরিচালনা করেন পল সুইমার। 

- রবি শঙ্কর শুরুতে উদ্যোগটি থেকে বাংলাদেশের জন্য মাত্র ২৫,০০০ ডলার সংগ্রহের আশা করেছিলেন। তবে কনসার্টের টিকিট বিক্রি থেকেই সে সময়ে প্রায় আড়াই লক্ষ ডলারের কাছাকাছি আয় হয়েছিল।
- পরবর্তীতে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ লাইভ' নামে একটি অ্যালবামও প্রকাশ করা হয়।
- সংগৃহীত অর্থ ইউনিসেফের মাধ্যমে শরণার্থীদের প্রদান করা হয়। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং বিবিসি।
১৩,৬১৪.
একটি দেশের মোট ভূখণ্ডের কত ভাগ বনাঞ্চল থাকা প্রয়োজন?
  1. ক) ২৫ ভাগ
  2. খ) ৩০ ভাগ
  3. গ) ১৫ ভাগ
  4. ঘ) ১৭ ভাগ
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
• পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়।
• বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৬১৫.
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত নয় কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫১
  2. ব্রি ধান ৫২
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. ব্রি ধান ৭৯
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৩,৬১৬.
'দশসালা বন্দোবস্ত' চালু করেন কে? 
  1. লর্ড কার্জন 
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
সঠিক উত্তর:
লর্ড কর্নওয়ালিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা

দশসালা বন্দোবস্তো:
- ইংরেজ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি ছিল একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এমতাবস্থায় লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংসকে কোম্পানির গভর্নর জেনারেল করে পাঠানো হয়।
- তিনি বাংলায় দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটান।
- অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য জমিদারদের সাথে 'পাঁচসালা ভূমি বন্দোবস্ত করেন।
- তিনি ১৭৭৭ সালে 'একসালা বন্দোবস্ত' করেন।
- ১৭৮৬ সালে লর্ড কর্নওয়ালিশকে গভর্নর জেনারেল নিয়োগ করা হয়।
- 'দশসালা বন্দোবস্ত' করেন লর্ড কর্নওয়ালিশ।১৭৯০ সালে তিনি 'দশসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।

- কর্নওয়াশি ১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ 'দশসালা বন্দোবস্ত'কে 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' বলে ঘোষণা করেন।

অপরদিকে,
- ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- পাঁচসালা বন্দোবস্তের মূল লক্ষ্য ছিল রাজস্ব আদায় করা।
- জমি বন্দোবস্তের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকায় জমিদাররা অর্থ আদায়ের জন্য কৃষকদের প্রতি চরম নির্যাতন মূলক ব্যবস্থা নিতো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৬১৭.
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা কার কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রী
  4. সচিব
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ।
২য় পরিচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা। 

অনুচ্ছেদ-৫৫: মন্ত্রিসভা: 
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
১৩,৬১৮.
শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ইউজিসি
  2. নেপ
  3. ডিপিই
  4. নায়েম
সঠিক উত্তর:
নায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নায়েম
ব্যাখ্যা
♦নায়েমঃ 
• ন্যাশনাল একাডেমি ফর এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট (নায়েম) দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান।
• এটি ১৯৫৯ সালে স্থাপিত হয়।
• এটির অবস্থান ঢাকার নিউমার্কেটে ঢাকা কলেজের পাশে।
• এখানে সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র: নায়েম ওয়েবসাইট।
১৩,৬১৯.
বাংলাদেশ টেলিভিশন কত সালে রামপুরায় স্থানান্তর করা হয়?
  1. ক) ১৯৬৪ সালে
  2. খ) ১৯৭২ সালে
  3. গ) ১৯৭৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন। ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।

১৯৭৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এটিকে রামপুরায় নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয় এবং ৬ মার্চ থেকে পুনরায় সম্প্রচার শুরু করে।

১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে। ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রামকেন্দ্র চালু হয়। ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।

২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়। ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।

বিটিভি তার ১৪টি উপ/রিলে কেন্দ্রের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৯৫ ভাগ এলাকায় টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচার বজায় রেখেছে।

(তথ্যসূত্র: বিটিভি ওয়েবসাইট)
১৩,৬২০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) সত্য মামলা আগরতলা
  2. খ) অবরুদ্ধ নয় মাস
  3. গ) অসমাপ্ত আত্মজীবনী
  4. ঘ) বাংলাদেশ কথা কয়
সঠিক উত্তর:
গ) অসমাপ্ত আত্মজীবনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' হলো শেখ মুজিবুর রহমানে রচিত একটি আত্মজীবনী সংকলন।
- ২০১২ সালের জুনে এ বইটি প্রকাশিত হয়।
- ২০০৪ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা চারটি খাতা আকস্মিকভাবে তাঁর কন্যা বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তগত হয়।
- খাতাগুলি অতি পুরানো, পাতাগুলি জীর্ণ এবং লেখা প্রায়শ অস্পষ্ট।
- মূল্যবান সেই বাতাগুলি পাঠ করে জানা গেল এটি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, যা তিনি ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে অন্তরীণ অবস্থায় লেখা শুরু করেছিলেন, কিন্তু শেষ করতে পারেননি। 
- এই লেখাগুলোকে বঙ্গবন্ধু হারিয়ে যাওয়া পূর্বোক্ত আত্মজীবনী হিসেবে সুনিশ্চিত করা হয়।
- পরে এগুলো বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খানের সম্পাদনায় গ্রন্থাকারে অসমাপ্ত আত্মজীবনী নামে ২০১২ সালের জুনে প্রকাশ করা হয়।
- 'দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড'-এর পক্ষে এ গ্রন্থটি প্রকাশ করেন মহিউদ্দিন আহমেদ।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান।
১৩,৬২১.
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ক্রিকেট দল কততম আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়?
  1. ক) ১০ম
  2. খ) ১৪তম
  3. গ) ১২তম
  4. ঘ) ১৩তম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩তম
ব্যাখ্যা
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ-২০২০:

- ১৭ জানুয়ারী ২০২০ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হয় ১৩তম আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ-২০২০।
- এতে ফাইনালে ভারতকে ৩ উইকেটে পরাজিত করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ক্রিকেট দল প্রথম বারের মতো শিরোপা লাভ করে।
- ম্যান অব দ্য ফাইনাল হন বাংলাদেশের অধিনায়ক আকবর আলী।
- ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হন ভারতের যশস্বী জয়সওয়াল।
- ১৮ জানুয়ারী ২০২০ বাংলাদেশ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের মোকাবেলা করে।

তথ্যসূত্র - ক্রিকইনফো ডটকম।
১৩,৬২২.
কোন সংশোধনীর মূল কারণ ছিল গণহত্যাজনিত অপরাধের জন্য আইন তৈরি এবং তা কার্যকর করা?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
১ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান সর্বমোট ১৭বার সংশোধন হয়েছে।

⇒ প্রথম সংশোধনী:
- সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই ।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৭ অনুচ্ছেদে দুটি নতুন উপধারা সংযোজন করা হয়।
- এ সংশোধনীর মূল কারণ ছিল গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য আইন তৈরি এবং তা কার্যকর করা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৬২৩.
e-TIN নম্বর কত ডিজিটের হয়? 
  1. ৮ ডিজিট
  2. ১০ ডিজিট
  3. ১২ ডিজিট
  4. ১৪ ডিজিট
সঠিক উত্তর:
১২ ডিজিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ডিজিট
ব্যাখ্যা

 e-TIN:-
 E-TIN এর পূর্ণরূপ - Electronic Taxpayer's Identification Number. 

- করদাতা  হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত  ও সহজতর করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই-টিআইএন  (e-TIN) রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি  প্রবর্তন করেছিল।
-  'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
 - এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- e-TIN করদাতার পরিচিতি নম্বর। 
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরে বসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।

১৩,৬২৪.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ সাল নাগাদ দেশের গড় প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৯.৯%
  2. ৯.৫%
  3. ৯.২%
  4. ৯.১%
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা:
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে চরম দারিদ্র সীমা হবে ১%এর কম।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
১৩,৬২৫.
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দিন আহমদ
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. এম. এ. জি. ওসমানী
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন।
- সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত) সদস্যদের শপথ পাঠ করান।
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

⇒ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ মন্ত্রণালয়: এম. মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব,
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৬২৬.
নিচের কোন শিক্ষা কমিশন 'অবৈতনিক শিক্ষার ধারণা বস্তুত অবাস্তব কল্পনা মাত্র' রিপোর্ট পেশ করে?
  1. এস. এম. শরীফ শিক্ষা কমিশন
  2. নজরুল শিক্ষা কমিশন
  3. এস. এম. হামিদুর শিক্ষা কমিশন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
এস. এম. শরীফ শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস. এম. শরীফ শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬২:
- ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৫৮ আইয়ুব খান পাকিস্তানের শিক্ষা সচিব এস. এম. শরীফকে চেয়ারম্যান করে ১১ সদস্যবিশিষ্ট শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট দেয় যে "অবৈতনিক শিক্ষার ধারণা বস্তুত অবাস্তব কল্পনা মাত্র"।
- এর ফলে ছাত্ররা গণতান্ত্রিক শিক্ষার দাবিতে শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায় যা শিক্ষা আন্দোলন নামে পরিচিত।
- ছাত্রসমাজের দেশব্যাপী দুর্বার আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে সরকার হামিদুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৬২ সালে নতুন শিক্ষা কমিশন গঠন করে।

উল্লেখ্য যে,
- ১৯৬২ সালের ছাত্র আন্দোলনকে তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত করে আলোচনা করা যায় - 
১ম পর্ব: সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন।
২য় পর্ব: সংবিধান বিরোধী আন্দোলন।
৩য় পৰ্ব: আইয়ুব প্রবর্তিত শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলন ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৬২৭.
সম্রাট অশোক কোন যুদ্ধের পর যুদ্ধবিজয় নীতি পরিত্যাগ করেন?
  1. কলিঙ্গ যুদ্ধ
  2. তক্ষশীলা যুদ্ধ
  3. মগধ যুদ্ধ 
  4. উজ্জয়িনী যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
কলিঙ্গ যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলিঙ্গ যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

সম্রাট অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন।
- তিনি পাটলীপুত্র হতে তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য শাসন করতেন।

উল্লেখ্য,
- রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে তিনি কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- রক্তক্ষয়ী কলিঙ্গ যুদ্ধের পর অশোকের রাজনৈতিক ও নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গীতে আমূল পরিবর্তন আসে।
- তিনি মৌর্য সম্রাটদের চিরাচরিত দ্বিগ্বিজয় নীতি পরিত্যাগ করে ঘোষণা করেন তাঁর পুত্র, প্রপৌত্র কেউই ভবিষ্যতে আর যুদ্ধ করবে না।
- তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করার পর দেবনামপিয় পিয়দসি (পিয়দসি, অর্থাৎ দেবতাদের প্রিয়জন) শীর্ষক ধর্ম- রাজকীয় উপাধি গ্রহণ করেন এবং নিজেকে শান্তি ও মানবজাতির কল্যাণের কাজে নিবেদিত করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধের রক্তবন্যা তাঁকে একজন নীতিবান ব্যক্তিতে পরিণত করেছে। ওই সময় থেকেই তিনি জীবনের সর্বক্ষেত্রে বিশ্বশান্তি ও ন্যায়নিষ্ঠ শাসন প্রতিষ্ঠায় নিজেকে নিয়োজিত করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৬২৮.
কোনটি সমন্বিত চাষ?
  1. ক) হাঁস ও মাছ
  2. খ) মুরগি ও মাছ
  3. গ) হাঁস, ধান ও মাছ
  4. ঘ) a, b, c সবগুলি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) a, b, c সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) a, b, c সবগুলি
ব্যাখ্যা
সমন্বিত চাষ হচ্ছে একই জমিতে একই সময়ে একাধিক ফসল উৎপাদন করা, যেমন—পুকুরে মাছ ও হাঁস-মুরগি চাষ এবং ধানক্ষেতে মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ।
উৎসঃ কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৬২৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী জনসংখ্যা কত শতাংশ?
  1. ১.৪৪%
  2. ১.৩৭%
  3. ১.৪৯%
  4. ১.২৪%
সঠিক উত্তর:
১.৩৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩৭%
ব্যাখ্যা

দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হার:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, দেশে বর্তমানে ২২ লাখ ৬৫ হাজার ২০১ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে। এটি মোট জনসংখ্যার ১.৩৭ শতাংশ অর্থাৎ দেশে প্রতিবন্ধীর হার শতকরা ১.৩৭ শতাংশ।

⇒ দেশে পুরুষ প্রতিবন্ধী ১২ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯১ জন ও নারী প্রতিবন্ধী ৯ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৯ জন।
- তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ৫৪১ জন।
- সবচেয়ে বেশি ৪,৫৮,৬৮৩ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বাস ঢাকা বিভাগে। চট্টগ্রাম বিভাগে ৪,১৬,১৫৮ জন, রাজশাহী বিভাগে রয়েছে ৩,২৭,৪৫২ জন এবং সবচেয়ে কম ১,৪২,০৯৬ জন বরিশাল বিভাগে।
- দেশে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা সর্বাধিক যা মোট প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ৩৩.৩৮%।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

১৩,৬৩০.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৬.২ শতাংশ
  2. ৭.৫ শতাংশ
  3. ৩.৫ শতাংশ
  4. ৬.৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৬.৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা এবং পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

১৩,৬৩১.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ কার কাছে দায়বদ্ধ?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জাতীয় সংসদ 
  3. প্রধান বিচারপতি 
  4. জনগণ 
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ 
ব্যাখ্যা

• সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সরকার এবং মন্ত্রিসভার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।
- এজন্যে তাকে 'সরকারের স্তম্ভ' হিসেবে অভিহিত করা।
- তিনি জাতীয় সংসদের নেতা।
- তার নেতৃত্বে জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
-  আইন সভায় মূলত জাতীয় সংসদের সদস্যরাই উপস্থিত থাকে এবং তাদের নিয়েই সরকার গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে। 
- অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়।
- জবাবদিহিতার এই বিষয়টি বিদ্যমান থাকায় সরকারকে সদা জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হয়।
- অনেকক্ষেত্রে, সরকারের ভুল-ত্রুটি শুধরে দিতেও জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

তথ্যসূত্র:
i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৬৩২.
জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে- 
  1. গণমাধ্যম
  2. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  3. রাজনৈতিক দল
  4. সামরিক বাহিনী
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা

• জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে রাজনৈতিক দল।

রাজনৈতিক দল:
- প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হল রাজনৈতিক দল।
- নির্ধারিত নীতি ও কর্মসূচির স্বপক্ষে জনমত গঠন করা রাজনৈতিক দলের উল্লেখযোগ্য কাজ।
- প্রতিটি দল সভা-সমিতি, পত্র-পত্রিকা, পুস্তক-পুস্তিকা, রেডিও-টিভি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রভৃতির মাধ্যমে প্রচারকার্য চালিয়ে নিজস্ব নীতি ও কর্মসূচির সমর্থনে জনমত গঠনের চেষ্টা করে।
- রাজনৈতিক দলের একটি স্থায়ী সংগঠন থাকে এবং এ সংগঠনের মাধ্যমে এটি কাজ করে।
- একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যবৃন্দ একই মতাদর্শে বিশ্বাসী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা অর্জনের জন্য কাজ করে। 
- সমমতাদর্শে অনুপ্রাণিত, ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত ব্যক্তিদের নিয়ে রাজনৈতিক দল গঠিত হয়।
- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকে।
- এই কর্মসূচিকে বাস্তবে রূপায়িত করার জন্য দলগুলো নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত পদ্ধতিতে অগ্রসর হয়।
- রাজনৈতিক দল মাত্রই জাতীয় স্বার্থের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়।
- প্রত্যেক দল সমগ্র জাতির সাধারণ স্বার্থ সাধনে আত্মনিয়োগ করে। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, মোজাম্মেল হক।

১৩,৬৩৩.
'উয়ারী বটেশ্বর' কী?
  1.  প্রাচীন বৃক্ষ
  2. প্রাচীন গ্রন্থ
  3. প্রাচীন মন্দির
  4. প্রাচীন জনপদ
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন জনপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন জনপদ
ব্যাখ্যা

→ 'উয়ারী বটেশ্বর' প্রাচীন জনপদ।

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩,৬৩৪.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ -
  1. ক) NEC
  2. খ) NICAR
  3. গ) ECNEC
  4. ঘ) BSEC
সঠিক উত্তর:
গ) ECNEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ECNEC
ব্যাখ্যা

• জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ যার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
• জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় জাতীয় নীতি ও উদ্দেশ্য সম্বলিত উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ।
• বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন বা অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন ও বাংলাপিডিয়া।

১৩,৬৩৫.
’মেঘের অনেক রং’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে? 
  1. শেখ নিয়ামত আলী
  2. হারুনর রশীদ
  3. জহির রায়হান
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
হারুনর রশীদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হারুনর রশীদ
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের কাহিনিনির্ভর অন্যতম সিনেমা ‘মেঘের অনেক রং’–এর পরিচালক হারুনর রশীদ।
​- তার কয়েকটি চলচ্চিত্র: 
​- “মেঘের অনেক রং”, “আমরা তোমাদের ভুলব না”, “গৌরব”, “রঙিন গুনাই বিবি”, “ধনবান”, “অসতী”।
​-’ সহকারী পরিচালক হিসেবে হারুনর রশীদ কাজ করেছেন ‘সুয়োরানী দুয়োরানী’, ‘কাঞ্চনমালা’ ও ‘রূপবান’ ছবিতে।

কয়েকটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র: 
​- অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী: পরিচালক সুভাষ দত্ত।
​​- ধীরে বহে মেঘনা: আলমগীর কবির।
​- ওরা এগারো জন: চাষী নজরুল ইসলাম।
​- সূর্য-দীঘল বাড়ী: শেখ নিয়ামত আলী ও মসিহউদ্দিন শাকের।
​- চিত্রা নদীর পাড়ে: তানভীর মোকাম্মেল।
​- জীবন থেকে নেয়া: জহির রায়হান।

​উৎস:  বাংলাপিডিয়া। 

১৩,৬৩৬.
বান্দরবান বোমাং সার্কেলের বোমাং রাজপুস্তিকায় ‘মিঙসাক’ নামে তালিকাভুক্ত আছে কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. মুরং
  2. মুন্ডি
  3. চাক
  4. বম
সঠিক উত্তর:
চাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাক
ব্যাখ্যা
চাক:
- চাক বাংলাদেশের ক্ষুদ্র আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- বাসস্থান: পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থানার বাইশারি, নাইক্ষ্যংছড়ি, কামিছড়া, ক্রোক্ষং, বাকখালি, আলেখ্যং, ক্রোয়াংঝিড়ি ও ডুছড়ি।
- বান্দরবান বোমাং সার্কেলের বোমাং রাজপুস্তিকায় ও রাজ্য অভিষেক অনুষ্ঠানে চাকরা ‘মিঙসাক’ নামে তালিকাভুক্ত আছে।
- চাক সমাজ প্রধানত ২টি গোত্রে বিভক্ত।
- ১৯৫৯ সালে চাক ধর্মগুরু মহাথেরো গন্ধর্ব ওয়েংসারের প্রচেষ্টায় চাক সমাজে শিক্ষার বিস্তার ঘটে।
- চাকরা দুই ধারায় বৌদ্ধ ধর্মীয় রীতি ও বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা (লক্ষ্মীপূজা বা ওয়াইগ্যা, ফুলপূজা, প্রদীপপূজা) করে।
- পিতৃতান্ত্রিক পরিবার কাঠামোতে চাকদের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী শুধু ছেলেরা।
- চাকরা বাড়িকে ‘কিং’ এবং গ্রামকে ‘ঠি’ বলে।
- তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনেক সমৃদ্ধ।

⇒ শিশুর জন্ম ও নামকরণ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানাদি রয়েছে। যেমন -
• নাইংছাঙাহাং,
• পুতরংবুওয়ে (জন্মপরবর্তী অনুষ্ঠান),
• ভেগলুংশাত পো (চুংবংলংউচ্ছেং ছাহেকা) উল্লেখযোগ্য।

⇒ বিবাহ সংক্রান্ত প্রথার মধ্যে রয়েছে,
• আচাংগায়ুগা (কনে দেখা),
• চাঁগায়ুগা (কোষ্ঠী বিচার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,৬৩৭.
পালপূর্ব যুগে বাংলায় অরাজক পরিস্থিতি কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. কৈবর্ত বিদ্রোহ
  2. মাৎস্যন্যায়
  3. বর্গী হানা
  4. শতবর্ষের যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
মাৎস্যন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাৎস্যন্যায়
ব্যাখ্যা

- পালপূর্ব যুগে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় এক অরাজক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যেখানে বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, তেমনি শক্তিশালীরা দুর্বলদের উপর অত্যাচার করত। এই অবস্থাকে 'মাৎস্যন্যায়' বলা হয়। 

পাল বংশ:
- শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়' নামে খ্যাত।
- পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ ছিলেন- গোপাল।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ।
- বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে খ্যাত।
- মাত্ন্যায় একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হল অরাজক পরিস্থিতি। অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পাল বংশের শাসন।
- শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হলেন ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৬৩৮.
জুলাই জাতীয় সনদে কতটি সংস্কার প্রস্তাব উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২৮টি
  2. ৩০টি
  3. ৮৪টি 
  4. ৯০টি 
সঠিক উত্তর:
৮৪টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৪টি 
ব্যাখ্যা

• জুলাই জাতীয় সনদ:
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- জুলাই জাতীয় সনদকে চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে জনগণের ত্যাগ ও রক্তদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রণীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
- এই সনদ বাস্তবায়নে মোট সাত দফা অঙ্গীকার করা হয়েছে।

- জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ২৪টি রাজনৈতিক দলের ৪৮ জন প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সনদে সই করেন।
- এরপর সই করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ কমিশনের সদস্যরা। 
- সাত দফা অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতে প্রণীত ৪০ পৃষ্ঠার এই সনদের তিনটি ভাগের মধ্যে প্রথম ভাগে পটভূমি, দ্বিতীয় ভাগে ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব ও তৃতীয় ভাগে সনদ বাস্তবায়নের সাত দফা অঙ্গীকার রয়েছে।

 এই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৭টি বিষয়কে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’ এবং বাকি ৩৭টি বিষয়কে ‘আইন বা অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ঐকমত্য কমিশন। জুলাই সনদের পটভূমি ব্যাখ্যা করে সংস্কারযজ্ঞ নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমসহ সংস্কারের ৮৪ দফা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো কী অঙ্গীকার করছে, তা উল্লেখ করার পর স্বাক্ষরের জায়গা রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।

১৩,৬৩৯.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. মৌলভীবাজার
  3. সুনামগঞ্জ
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

রামসার সাইট: 
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর।
- এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরকে সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

- সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলাধীন ১০ টি মৌজা জুড়ে ছোট বড় ১২০ টি বিলের সমন্বয়ে টাঙ্গুয়ার হাওড়ের অবস্থান।
- ৬৪ টি গ্রামসহ পুরো হাওড় এলাকার আয়াতন প্রায় ১০০ বর্গ মিটার তন্মধ্যে ২৮০২৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
- পরিবেশগত ঐতিহ্য ও গুরুত্বের বিষয়টি বিবেচনা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট  হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবনকে রামসার সাইট (রামসার কনভেনশন কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জলাভূমি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১৩,৬৪০.
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে কে কাকে পরাজিত করেন?
  1. ক) আকবর হিমুকে
  2. খ) বাবর ইব্রাহিম লোদীকে
  3. গ) আহমেদ শাহ আবদালি মারাঠাদিগকে
  4. ঘ) আকবর রানা প্রতাপকে
সঠিক উত্তর:
গ) আহমেদ শাহ আবদালি মারাঠাদিগকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আহমেদ শাহ আবদালি মারাঠাদিগকে
ব্যাখ্যা

- পানিপথের (বর্তমানে হরিয়ানা, ভারত) তৃতীয় যুদ্ধ ১৪ই জানুয়ারি ১৭৬১ সালে দিল্লির ৯৭ কিলোমিটার উত্তরে পানিপথ নামক স্থানে মারাঠাদের সাথে দোয়াবের আফগান রোহিলা ও আয়ুব এর সম্রাট সুজা-উদ-দৌল্লার যৌথ সমর্থনে আফগানিস্থানের সম্রাট আহমেদ শাহ আবদালির মধ্যে সংঘটিত হয়।

- এছাড়া ১৫২৬ সালে বাবুর ও ইব্রাহিম লোদীর মধ্যে পানিপথের প্রথম যুদ্ধ । এবং
- ১৫৫৬ সালে আকবরের সেনাপতি বৈরাম খান ও আফগান নেতা হিমুর মধ্যে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ সংগঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

১৩,৬৪১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ ‘ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা’ সংক্রান্ত? 
  1. অনুচ্ছেদ - ১২৩
  2. অনুচ্ছেদ - ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ - ১২২
  4. অনুচ্ছেদ - ১২১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১২২
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদ ‘ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা’ সংক্রান্ত। 

ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা: 

- সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার যোগ্য হবেন, যদি তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন এবং তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়। এছাড়াও, যোগ্য আদালত কর্তৃক তিনি অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষিত না হয়ে থাকেন এবং ঘোষণাটি বহাল না থাকে। সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী হিসেবে তার বসবাস থাকতে হবে বা আইনের দৃষ্টিতে তিনি ঐ এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হতে হবে। উপরন্তু, তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে না থাকলে, তিনি ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ - ১২১ : প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ - ১১৮ : নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা। 
- অনুচ্ছেদ - ১২৩ : নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।

সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৬৪২.
বাংলাদেশে প্রথম প্রাকৃতিক তেলক্ষেত্র কোথায় পাওয়া যায়?
  1. সিলেট
  2. চট্টগ্রাম
  3. মৌলভীবাজার
  4. সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

খনিজ তেলক্ষেত্র (Petroleum):
- বাংলাদেশের সিলেট জেলার হরিপুরে ১৯৮৬ সালে প্রাকৃতিক গ্যাসের সপ্তম কূপে তেল পাওয়া গেছে
- এ কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৬০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উত্তোলন করা হয়।
- অপরিশোধিত তেল চট্টগ্রামের তেল শোধনাগারে পরিশোধন করা হয়। পরিশোধিত তেল থেকে কোরোসিন, বিটুমিন, পেট্রোল ও অন্যান্য দ্রব্য পাওয়া যায়। 
- মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
- দৈনিক প্রায় ১,২০০ ব্যারেল তেল উত্তোলিত হয় এই তেলক্ষেত্রটি থেকে।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সমগ্র বাংলাদেশের জ্বালানি তেল মজুদ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সম্প্রসারণ, বিপনন ও জ্বালানি তেল আমদানি ও মজুদ করে থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৬৪৩.
সম্প্রতি কোন শহরে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হয়?
  1. বেলগ্রেড
  2. আঙ্কারা
  3. ইস্তান্বুল
  4. আলজিয়ার্স
সঠিক উত্তর:
আঙ্কারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঙ্কারা
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিক উদযাপনের অংশ হিসেবে গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২১ তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুর একটি আবক্ষ ভাস্কর্য এবং বঙ্গবন্ধুর নামে একটি পার্কের নামকরণ করা হয়।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার)
১৩,৬৪৪.
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র:
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৮ সাল।

- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র শিক্ষা ও সংস্কৃতিমূলক একটি প্রতিষ্ঠান।
- মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন বিষয়ক জ্ঞান ও রুচিশীল সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানো এর উদ্দেশ্য।
- ঢাকার কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান - 'আলোকিত মানুষ চাই' ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৬৪৫.
বাংলাদেশের প্রথম ‘মিয়াওয়াকি ফরেস্ট’ অবস্থিত -
  1. চকরিয়া, কক্সবাজার
  2. ভাওয়ালন হাজীপুর
  3. চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ
  4. মিরসরাই, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই, চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
‘মিয়াওয়াকি ফরেস্ট’:
- দেশের প্রথম ‘মিয়াওয়াকি ফরেস্ট’ চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে  অবস্থিত।
- উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপাহাড় এলাকায় ‘প্রকল্প সোনা পাহাড়' নামের একটি ব্যক্তি উদ্যোগের প্রকল্পে এই কৃত্রিম বন তৈরি করা হয়েছে ।
- কৃত্রিম বন তৈরির প্রকল্পটির পরামর্শক ছিলেন প্রাকৃতিক কৃষিকেন্দ্রের উদ্যোক্তা ও পরিচালক দেলোয়ার জাহান এবং প্রকল্পের উদ্যোক্তা হচ্ছেন আমজাদ হোসেন।
- পরিবেশ সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে পাহাড়ের কোলে টিলা শ্রেণির জায়গাটির ৪ হাজার ৪০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে সুপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে "মিয়া ওয়াকি ফরেস্ট' ।

উল্লেখ্য,
- জাপানের বিখ্যাত উদ্ভিদবিদ আকিরা মিয়াওয়াকি হচ্ছেন এই ধারণার প্রবক্তা।
- এ পদ্ধতিতে ছোট ছোট জায়গায় অল্প সময়ে বয়স্ক বনের আদল তৈরি করা যায়।
- তাঁর উদ্ভাবিত এই পদ্ধতি অনুসরণ করে মাত্র ৩০ বর্গফুটের মধ্যেও বন তৈরি করা সম্ভব।
- এ পদ্ধতিতে লাগানো গাছ সাধারণ বনের গাছের চেয়ে ১০ গুণ দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পায়।
- বছরে অন্তত এক মিটার বাড়ে।
- মিয়াওয়াকি উদ্ভাবিত এই বন তৈরির পদ্ধতি ব্যবহার করে কোনো স্থানে ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে গভীর বন তৈরি করা সম্ভব।
- আর এ বনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অন্য সাধারণ বন থেকে এই বন ৩০ গুণ বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করতে পারে।

উৎস: প্রথম আলো।
১৩,৬৪৬.
ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান- [মার্চ, ২০২৬]
  1. ১ম 
  2. ২য় 
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ 
সঠিক উত্তর:
১ম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম 
ব্যাখ্যা

ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ইলিশ মাছ উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষে রয়েছে।
- মোট ইলিশের প্রায় ৮৬ শতাংশই দেশে উৎপাদিত হয়। 
- দেশের বিভিন্ন নদী ও অভয়াশ্রমে মা ও জাটকা ইলিশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা, অভয়াশ্রম সম্প্রসারণ এবং সঠিক জাল ব্যবহারের কারণে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বিশেষ করে প্রতি বছর ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ধরা নিষিদ্ধ থাকায় ইলিশের বৃদ্ধি হয়েছে।
- বর্তমানে দেশে ১২৫-১৩০টি উপজেলায় ইলিশ পাওয়া যায়।
- এবং প্রায় ৭ হাজার বর্গকিলোমিটারের অভয়াশ্রমে মাছ ধরা আইনত নিষিদ্ধ।
- এই সাফল্যের কারণে বাংলাদেশকে ইলিশ উৎপাদনের রোল মডেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
------------------- 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্যে বিশ্বে উৎপাদন ও অবস্থান –
- বাংলাদেশ মৎস্য ও কৃষিক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।

• জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) তথ্য অনুযায়ী, বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ (Aquaculture) উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।
• এছাড়া অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ আহরণে বাংলাদেশ তৃতীয়।

• বাংলাদেশ আলু উৎপাদনে বিশ্বের মধ্যে সপ্তম অবস্থানে আছে।
- এশিয়ায় আলু উৎপাদনের ক্ষেত্রে দেশটি তৃতীয় স্থানে রয়েছে। 

• বাংলাদেশ তেলাপিয়া উৎপাদনে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। 

• বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে তৃতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে।

উৎস:
১) বনিক বার্তা,
২) দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা, 
৩) প্রথম আলো পত্রিকা [ লিঙ্ক], 
৪) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১৩,৬৪৭.
সংবিধানে নির্বাহী বিভাগের কোন পরিচ্ছেদে প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগের উল্লেখ রয়েছে?
  1. দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
  2. চতুর্থ পরিচ্ছেদ
  3. তৃতীয় পরিচ্ছেদ
  4. প্রথম পরিচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ পরিচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

- ৪র্থ পরিচ্ছেদ:  প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ।

• চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ। 
- ১ম পরিচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি।
- ২য় পরিচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা।
- ৪র্থ পরিচ্ছেদ:  প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ।
- ৩য় পরিচ্ছেদ: স্থানীয় শাসন।
- ৫ম পরিচ্ছেদ: অ্যাটর্নি-জেনারেল।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৩,৬৪৮.
When was the first constitution of Pakistan announced?
  1. 1948
  2. 1950
  3. 1953
  4. 1956
  5. 1959
সঠিক উত্তর:
1956
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1956
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ সালের সংবিধান:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন দ্বারা নতুন রাষ্ট্র পরিচালিত হতে থাকে।
- ১৯৪৬ সালের নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে পাকিস্তান গণপরিষদ গঠিত হয়।
- এই গণপরিষদের দায়িত্ব ছিল একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা।
- ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে সংবিধান রচনার জন্য একটি মূলনীতি কমিটি গঠন করা হয়।
- পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ঘোষণা করা হয় ১৯৫৬ সালে।
- এটি ছিল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার সংবিধান।
- এই সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার সংবিধান চালু ছিল মাত্র দু বছর।
- এই সংবিধানের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার নাম পরিবর্তন করে 'পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র' করা হয় ১৯৫৬ সালে।
- ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করলে সংবিধান স্থগিত করা হয়।
- সংবিধান স্থগিত করার সাথে সাথে পাকিস্তানে সাংবিধানিক শাসনের অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৬৪৯.
মুক্তিযুদ্ধে ৪নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন কে?
  1. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  2. সিপাহি হামিদুর রহমান
  3. সিপাহি মোস্তফা কামাল
  4. ল্যান্স নায়েক নুর মুহাম্মদ শেখ
সঠিক উত্তর:
সিপাহি হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহি হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমান:
- জন্মস্থান বর্তমান ঝিনাইদহ জেলা মহেশপুর উপজেলার খোরদা খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- অংশরত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর: ৪নং সেক্টর।
- মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর ১৯৭১ সাল।
- সমাধি স্থান: মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।

অপরদিকে,
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর মুক্তিযুদ্ধের ৭ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যার খবর পেয়ে তিনি দেশত্যাগ করে ভারতে যান এবং মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন।
- ৭ নম্বর সেক্টরের, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি মোস্তফা কামাল:
- জন্মস্থান ভোলা জেলার দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজিপুর গ্রামে।
- অংশরত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর: ২ নং সেক্টর।
- মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ সাল।
- সমাধি স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।

• বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নুর মুহাম্মদ শেখ:
- জন্মস্থান নড়াইল জেলার মহেষ খোলা গ্রামে।
- অংশরত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:৮ নং সেক্টর।
- মৃত্যু: ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সাল।
- সমাধি স্থান: যশোরের কাশিপুর নামক স্থানে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ওয়েবসাইট।
১৩,৬৫০.
কার নেতৃত্বে 'তমদ্দুন মজলিস' গঠিত হয়?
  1. ক) আবদুস সালাম
  2. খ) আবুল কাশেম
  3. গ) হামিদুর রহমান
  4. ঘ) গোলাম মাহবুব
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১৩,৬৫১.
‘বঙ্গবন্ধু লাইভ ম্যাংগো মিউজিয়াম’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  2. খ) কাউনিয়া, রংপুর
  3. গ) গোদাগাড়ি, রাজশাহী
  4. ঘ) বদলগাছি, নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
ক) শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু লাইভ ম্যাংগো মিউজিয়াম

আমের জাত সংরক্ষণ ও আমকেন্দ্রিক পর্যটন শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে (শিবগঞ্জ) গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের প্রথম “বঙ্গবন্ধু লাইভ ম্যাংগো মিউজিয়াম”। জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাটে রাজার বাগান নামে পরিচিত আম বাগানটিকে “বঙ্গবন্ধু লাইভ ম্যাংগো মিউজিয়াম” হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। 

আমের জাত সংরক্ষণ ও আমকেন্দ্রিক পর্যটন শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় কানসাটে প্রায় ১০০ বিঘা জমির উপর থাকা ‘কুজ্জা রাজার বাগান’ নামে পরিচিত সরকারি আম বাগানটিকে ‘বঙ্গবন্ধু লাইভ ম্যাংগো মিউজিয়াম’ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। 
২০টি জোনে ভাগ করে ৩০০ জাতের আমগাছ এ বাগানে সংরক্ষণ করা হবে। ২০২২ সালেই এর নির্মাণকাজ শেষ হবে। 

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে ম্যাংগোপিডিয়া নামে ১০০টি প্রচলিত ও জনপ্রিয় আমের একটি প্রকাশনা অ্যালবামও প্রকাশ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন। দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে প্রায় ৮০০ জাতের আম। এর মধ্যে আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জেই রয়েছে ৩৫০ জাতের আম।

তথ্যসূত্র:- Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২।
১৩,৬৫২.
'খাঁচা' চলচ্চিত্রের পরিচালক-
  1. ক) আকরাম খান
  2. খ) তৌকির আহমেদ
  3. গ) তারেক মাসুদ
  4. ঘ) আবু শাহেদ ইমন
সঠিক উত্তর:
ক) আকরাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আকরাম খান
ব্যাখ্যা

• ২০১৭ সালে ৯০ তম অস্কারে যাওয়া বাংলাদেশী চলচ্চিত্র খাঁচা।
• এর পরিচালক আকরাম খান।
• তৌকির আহমেদ অজ্ঞাতনামা চলচ্চিত্র পরিচালক।
• জালালের গল্প চলচ্চিত্রের পরিচালক আবু শাহেদ ইমন।
• মাটির ময়না চলচ্চিত্রের পরিচালক তারেক মাসুদ।

১৩,৬৫৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) জনাব এ এইচ কামরুজ্জামান
  2. খ) ক্যাপ্টন (অব.) এম মুনসুর আলী
  3. গ) জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
গ) জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন এম মনসুর আলী। স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন এএইচএম কামরুজ্জামান এবং পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩,৬৫৪.
ভ্রমণ সংক্রান্ত বিখ্যাত গ্রন্থ 'কিতাবুল রেহালা'র রচয়িতা -
  1. ক) মা হুয়ান
  2. খ) মেগাস্থিনিস
  3. গ) ইবনে বতুতা
  4. ঘ) হিউয়েন-সাং
সঠিক উত্তর:
গ) ইবনে বতুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইবনে বতুতা
ব্যাখ্যা
ইবনে বতুতা (মরক্কো)
• ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে ২১ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
• তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
• ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন। সুলতান মুহাম্মদ বিন তুগলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।
• ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের আমলে।
• বাংলার যে শহরে ইবনে বতুতা প্রথম পৌঁছেন (৯ জুলাই ১৩৪৬) তার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন সাদকাঁও (চাটগাঁও)।
• গ্রন্থ- ইবনে জুযাই, কিতাবুল রেহালা

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,৬৫৫.
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ এ ঢাকার রেসকোর্সে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন-
  1. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা ও জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী
  2. জেনারেল জেকব সিং ও জেনারেল নিয়াজী
  3. জেনারেল বলবীর সিং অরোরা ও জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী
  4. জেনারেল মানেকশ ও জেনারেল নিয়াজী
সঠিক উত্তর:
জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা ও জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা ও জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।
- ১৫ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সংবরণ করে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। 
- ১৬ ডিসেম্বর সকাল সোয়া নয়টার সময় মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের জয়ী ও পরাজিত দুই পক্ষের মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক দলিল স্বাক্ষরিত হয়। 
- শেষ পর্যন্ত জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্সের যে স্থানে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে ৯৩ হাজার সৈন্য ও অফিসারসহ আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, জিওসি এবং পূর্বাঞ্চলীয় ভারতীয় বাহিনী ও বাংলাদেশ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি এবং  প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,৬৫৬.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'ফেন্সিনা' ও 'ক্যারেজ' কোন জাতের ফসল?
  1. তামাক
  2. বাধাকপি
  3. আলু 
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
আলু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু 
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কৃষিতে 'ফেন্সিনা' ও 'ক্যারেজ' আলুর জাত।  
- আলুর আরো কিছু উন্নতজাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, ফেন্সিনা, ক্যারেজ, লেডিরোজ।  

• উন্নতজাতের আরো কিছু ফসলের জাত:

- উন্নত জাতের ধান হলো ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা ইত্যাদি।
- সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
- সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
- বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ: উন্নত জাতের ভুট্টা।
- মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
- বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
- যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

সূত্র: বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও কৃষি তথ্য সার্ভিস। 
১৩,৬৫৭.
২০১৮ সালে মহিলা T-20 এশিয়া কাপ ক্রিকেটে কোন দেশ শিরোপা জিতেছে?
  1. পাকিস্তান
  2. বাংলাদেশ
  3. ভারত
  4. শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, বর্তমানে এটি আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।]

২০২২ নারী টি-২০ এশিয়া কাপ:
- শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মত নারী এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে শ্রীলংকা।
- টুর্নামেন্টের নবম আসরের ফাইনালে শ্রীলংকা ৮ উইকেটে হারিয়েছে ভারতকে।
- ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট মিলিয়ে প্রথমবারের মত নারী এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হলো শ্রীলংকা।
- দুই ফরম্যাট মিলিয়ে রেকর্ড সাতবার নারী এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে ভারত।

তথ্যসূত্র - ক্রিকইনফো, বাসস।
১৩,৬৫৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়- 
  1. সার 
  2. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য
  3. চামড়াজাত পণ্য 
  4. কৃষিজাত পন্য
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

একক পণ্য আমদানি:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়- তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - সুতা।

প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তৈলবীজ।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১৩,৬৫৯.
’অদম্য বাংলা’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

• অদম্য বাংলা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য।
- এর স্থপতি শিল্পী গোপাল চন্দ্র পাল।
- ২০১১ সালে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১২ সালের জানুয়ারিতে তা শেষ হয়।
- অদম্য বাংলা’, ভাস্কর্যটি মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ ও গৌরবময় ইতিহাসের এক জীবন্ত প্রতীক।
- ২৩ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্যে পুরুষের পাশাপাশি এক নারীর বলিষ্ঠ ভঙ্গিমা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এই যুদ্ধ ছিল সবার।

উৎস: প্রথম আলো।

১৩,৬৬০.
ভাষা ও সাহিত্যে 'একুশে পদক-২০২৪'(মরণোত্তর) লাভ করেন কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. সুফিয়া কামাল
  3. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
  4. সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

একুশে পদক-২০২৪:
- একুশে পদক দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা।
- ১৯৭৬ সাল থেকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ভাষা আন্দোলন, শিল্পকলা, ভাষা ও সাহিত্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পদক দেয়া হয়।
- এই বছর ২১ জন গুণী ব্যক্তিকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে।

পদকপ্রাপ্তরা হলেন -
• ভাষা আন্দোলনে- মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়া (মরণোত্তর)।
• ভাষা ও সাহিত্যে- মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর ও রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (মরণোত্তর)।
• শিক্ষায়- প্রফেসর ড. জিনবোধি।
• সঙ্গীতে- জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও শুভ্র দেব।
• অভিনয়ে- ডলি জহুর ও এমএ আলমগীর।
• নৃত্যকলায়- শিবলী মোহাম্মদ।
• চিত্রকলায়- শাহজাহান আহমেদ বিকাশ।
• আবৃতিতে- খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী।
• সমাজসেবায়- মো. জিয়াউল হক ও আলহাজ রফিক আহামদ।
• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিংয়ে- কাওসার চৌধুরী।

তথ্যসূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৩,৬৬১.
মুক্তিযুদ্ধে ক্র্যাক প্লাটুনের অন্যতম সদস্য ছিলেন- 
  1. শহীদ রুমি ইমাম
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. পপ সম্রাট আজম খান
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা

'ক্র্যাক প্লাটুন':
- মুক্তিযুদ্ধে স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ।
- এই বাহিনী স্বাধীনতা যুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীন অংশ নেয়।
- ক্র্যাক প্লাটুন গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটিএম হায়দার।
- ঢাকা শহরে এটি ৮২ টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- এরা "হিট এন্ড রান" পদ্ধতিতে তাঁদের অপারেশন পরিচালনা করতো।
- এই প্লাটুনের অন্যতম সদস্য ছিলেন:
- শহীদ জননী জাহানার ইমাম, শহীদ রুমি ইমাম, আলতাফ মাহমুদ, পপ সম্রাট আজম খান প্রমুখ।
 
 উৎস:  বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভস, দ্যা দেইলি স্টার বাংলা।

১৩,৬৬২.
কাকে আহবায়ক করে ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়?
  1. ক) অধ্যাপক নুরুল হক ভূইয়া
  2. খ) আবদুল মতিন
  3. গ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  4. ঘ) কাজী গোলাম মাহবুব
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাজী গোলাম মাহবুব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাজী গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- এর আহবায়ক মনোনীত হন কাজী গোলাম মাহবুব।
- ২০শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগের কার্যালয়ে এই পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখের জোরালো ভূমিকায় পরদিন ২১শে ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দিন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা (দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’) হলে এর আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, বাংলাপিডিয়া এবং ভাষা আন্দোলনে ঢাকা : আহমদ রফিক)
১৩,৬৬৩.
পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ সংঘটিত হয় কবে?
  1. ক) ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯
  2. খ) ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১০
  3. গ) ২১ আগস্ট, ২০০৯
  4. ঘ) ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১০
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯
ব্যাখ্যা
• বিডিআর বিদ্রোহ:
- বিডিআর বিদ্রোহ হলো ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালিন বিডিআরদের একটি গ্রুপ দ্বারা সংগঠিত বিদ্রোহ।
- বিদ্রোহের পর সংস্থাটির নাম পরিবর্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা সংক্ষেপে বিজিবি করা হয়।
- বর্তমানে বিজিবি নামে সংস্থাটি পরিচিত।
- এটি একটি আধা-সামরিক বাহিনী যার প্রধান কাজ বাংলাদেশের সীমানা পাহারা দেয়া।

তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা।
১৩,৬৬৪.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে কোনটি প্রণীত হয়?
  1. এক দফা
  2. ছয় দফা
  3. এগারো দফা
  4. একুশ দফা
সঠিক উত্তর:
এগারো দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগারো দফা
ব্যাখ্যা

→ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ১১ দফা প্রণীত হয়।

১১ দফা কর্মসূচি:
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে 'এগারো দফা' প্রণীত হয়।
- ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ।
- ১৯৬৮ সালের শেষের দিকে মওলানা ভাসানী বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে 'ঘেরাও কর্মসূচি' নামে নতুন এক আন্দোলনের ডাক দেন।
- এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই ঊনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৬৬৫.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ৬১টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
- পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৬৬৬.
ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা কে?
  1. রুহুল কুদ্দুস
  2. আবুল মনসুর আহম্মেদ
  3. আবদুল কুদ্দুস
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
রুহুল কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুহুল কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।
• ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস। তিনি একজন পাকিস্তান সিএসপি কর্মকর্তা ছিলেন। 

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
১৩,৬৬৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. বগুড়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

- উৎপাদনে অন্যান্য শীর্ষ জেলা:
• ধান - ময়মনসিংহ।
• গম - ঠাকুরগাঁও।
• চা - মৌলভীবাজার।
• তামাক - কুষ্টিয়া।
• পাট - ফরিদপুর।
• ভুট্টা - দিনাজপুর।
• তুলা - ঝিনাইদহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৩,৬৬৮.
মুজিবনগর সরকারের অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন -
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. এএইচএম কামরুজ্জামান
  4. এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

• মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: এএইচএম কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খণ্ড।
১৩,৬৬৯.
বাংলাদেশে প্রথম দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত পৃথক করে প্রজ্ঞাপন জারি হয় কবে?
  1. ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  2. ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  3. ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  4. ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত:
- গত ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ প্রজ্ঞাপন জারি করে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতকে সম্পূর্ণভাবে পৃথক করা হয়েছে।
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মামলাজট কমাতে এই পৃথককীরণ করা হয়েছে।
- এর ফলে মামলা পরিচালনার সময় বাঁচবে এবং মামলার নিষ্পত্তি বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

উল্লেখ্য,
- দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে বর্তমানে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলার সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ এবং ফৌজদারি মামলা প্রায় ২৩ লাখ।
- ফৌজদারি মামলা দেওয়ানি মামলার তুলনায় বেশি হওয়া সত্ত্বেও ফৌজদারি বিচারককে উভয় ধরনের মামলা পরিচালনা করতে হয়। এর ফলে মামলা নিষ্পত্তির গতি হ্রাস পায় এবং মামলাজট বৃদ্ধি পায়।
- এই বাস্তবতা বিবেচনায় পৃথক ২০৩টি অতিরিক্ত দায়রা আদালত এবং ৩৬৭টি যুগ্ম দায়রা আদালত প্রতিষ্ঠা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
- এই আদালতগুলোতে বিচারকেরা কেবল ফৌজদারি মামলার বিচার করবেন।

উৎস: পত্রিকা প্রতিবেদন।

১৩,৬৭০.
বাংলাদেশের আইন কমিশনের প্রথম নারী চেয়ারম্যান কে?
  1. বিচারপতি জিনাত আরা
  2. বিচারপতি তাসনিম রেজা
  3. বিচারপতি নাঈমা হায়দার
  4. বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি জিনাত আরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি জিনাত আরা
ব্যাখ্যা
আইন কমিশনের প্রথম নারী চেয়ারম্যান:
- আইন কমিশনের প্রথম নারী চেয়ারম্যান হন বিচারপতি জিনাত আরা।
- ২ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
- প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‌‘আইন কমিশন আইন, ১৯৯৬ (১৯৯৬ সনের ১৯ নং আইন) এর ধারা ৫ এর উপ-ধারা (১) ও (২)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, সরকার, সাবেক বিচারপতি জিনাত আরাকে নিয়োগের তারিখ হইতে পরবর্তী ০৩ (তিন) বৎসরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করেছে।

উল্লেখ্য,
- বিচারপতি জিনাত আরা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দ্বিতীয় নারী বিচারপতি ছিলেন। 
- ২০০৩ সালে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্টে নিয়োগ পান।
- ২০০৫ সালে তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন।
- এরপর ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ শেষে ২০২০ সালে অবসরে যান বিচারপতি জিনাত আরা।
- অন্যদিকে, আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি নাজমুল আরা সুলতানা।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১৩,৬৭১.
'বাহার' কৃষিতে কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. টমেটো
  3. বেগুন
  4. গম
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
টমেটোর উন্নত জাত:
- বাহার টমেটোর উন্নত জাত।
- উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৩,৬৭২.
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তির মেয়াদকাল কত?
  1. ক) .২০ বছর
  2. খ) ২৫ বছর
  3. গ) ৩০ বছর
  4. ঘ) ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মেয়াদকাল ৩০ বছর।
- চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি প্রাপ্তির বিধান থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি৷

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৬৭৩.
”সততার সাথে ভোট দান” নাগরিকের কী ধরনের কর্তব্য?
  1. আইনগত কর্তব্য
  2. মৌলিক কর্তব্য
  3. নৈতিক কর্তব্য
  4. বিবিধ কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
নৈতিক কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৈতিক কর্তব্য
ব্যাখ্যা

• অধিকার ভোগ করতে গিয়ে নাগরিকরা যেসব দায়িত্ব পালন করে, তাকে কর্তব্য বলে।
- নাগরিকের কর্তব্যকে দুভাগে ভাগ করা যায়।

• নৈতিক কর্তব্য:
- নৈতিক কর্তব্য মানুষের বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে আসে এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে সৃষ্টি হওয়ায় এগুলোকে নৈতিক কর্তব্য বলে।
-যেমন-
- নিজে শিক্ষিত হওয়া 
- সন্তানদের শিক্ষিত করা,
- সততার সাথে ভোট দান,
- রাষ্ট্রের সেবা করা, 
- বিশ্বমানবতার সাহায্যে এগিয়ে আসা। 

• আইনগত কর্তব্য:
- রাষ্ট্রের আইন দ্বারা আরোপিত কর্তব্যকে আইনগত কর্তব্য বলে।
যেমন-
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য,
- আইন মানা,
- কর প্রদান করা,

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৩,৬৭৪.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. হাবিবুল বাশার সুমন
  2. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  3. মেহরাব হোসেন অপি
  4. মোহাম্মদ আশরাফুল
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা

টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

১৩,৬৭৫.
বাংলাদেশে কর নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) একনেক
  2. খ) এনইসি
  3. গ) এনবিআর
  4. ঘ) অর্থ মন্ত্রনালয়
সঠিক উত্তর:
গ) এনবিআর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এনবিআর
ব্যাখ্যা
- সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের আওতাধীন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বাংলাদেশের কর নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের সাথে জড়িত।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সরকারের সামগ্রিক রাজস্ব ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত অর্থ মন্ত্রণালয়াধীন একটি সংস্থা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্জিত রাজস্ব দেশের বাজেট বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ সম্পদের অন্যতম উৎস এবং দেশ ও অর্থনীতির স্বয়ম্ভরতা অর্জনের অন্যতম নিয়ামক।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭৬ (The National Board of Revenue Order, 1972) এর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। 

তথ্যসূত্র:- nbr.gov.bd
১৩,৬৭৬.
'ইরাটম-২৪' নামক উন্নত জাতের ধান উদ্ভাবন করে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি গবষেণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
'ইরাটম-২৪’ ধানের উন্নতজাত উদ্ভাবনকারী প্রতিষ্ঠান- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।

এই জাতের ধানের বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি মধ্যম স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন জাত।
- জীবনকাল বোরো মৌসুমে ১৪০-১৫০ দিন ও আউশ মৌসুমে ১২৫-১৩০ দিন।
- গাছ মাঝারী আকারের লম্বা(৮০-৮৫ সেমি)।
- জাতটি পাতা পোড়া রোগ প্রতিরোধী।
- চাল মাঝারী সরু ও লম্বা।
- চালে এ্যামাইলোজের পরিমাণ ২৬-২৮% ও আমিষের পরিমাণ ৮.২১-৮.৩৮%।
- ভাত সহজে নষ্ট হয় না।
- বেলে দো-আঁশ এবং এটেল দো-আঁশ জমি ইরাটম-২৪ চাষের উপযোগী।

সূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
১৩,৬৭৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি?
  1. তথ্য মন্ত্রণালয়
  2. প্রেস কাউন্সিল
  3. বিটিআরসি
  4. বাংলাদেশ টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
প্রেস কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেস কাউন্সিল
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রেস কাউন্সিল।

♦ প্রেস কাউন্সিল:
→ প্রেসের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার মানোন্নয়ন ও মান সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৭৪ সালে প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট প্রণয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল গঠিত হয়।
→ প্রেস কাউন্সিল একটি আধা-বিচারিক সংস্থা।
→ প্রেস কাউন্সিলের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশে সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থাগুলোর স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং তাদের মান উন্নত ও বজায় রাখা।

♦ প্রেস কাউন্সিলের কার্যাবলী:
• সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থাগুলোর স্বাধীনতা বজায় রাখতে সহায়তা করা।
• উচ্চ পেশাগত মান অনুযায়ী সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা এবং সাংবাদিকদের জন্য আচরণবিধি প্রণয়ন করা।
• সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা ও সাংবাদিকদের দ্বারা জনসাধারণের উচ্চমানের রুচি বজায় রাখা এবং নাগরিকের অধিকার ও দায়িত্বের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
• সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত সকলের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও জনসেবার মনোভাব বৃদ্ধি করা।
• জনস্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সরবরাহ ও প্রচারে বাধা সৃষ্টিকারী যেকোনো উন্নয়ন পর্যালোচনা করা।
• সাংবাদিকতা পেশায় ব্যক্তিদের জন্য সঠিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুবিধা প্রদান করা।

 

তথ্যসূত্র -
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ওয়েবসাইট।
Media Landscapes

১৩,৬৭৮.
Which is the main export product of Bangladesh?
  1. ক) Fish, Shrimps, and Prawns
  2. খ) Readymade Garments
  3. গ) Jute and Jute Manufacture
  4. ঘ) Leather and Leather Manufactures
সঠিক উত্তর:
খ) Readymade Garments
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Readymade Garments
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%। 
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৩,৬৭৯.
নিচের কোনটি আলুর উন্নত জাত?
  1. ক) লেডিরোজ
  2. খ) ডায়মন্ড
  3. গ) ক্যারেজ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• আলু: গ্রানূলা, মাল্টা, পেট্রোনিজ, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, ক্যারেজ, লেডিরোজ 
• হলুদ: ডিমলা, দেবিপাট, পাটনাই, খোচামুদি
• ধান: হীরা, টিয়া, ময়না, ঝলক, সোনার বাংলা, বিজলি, আফতাব, মধুমতি
• গাজর: রয়েল ক্রস, কোরেল ক্রস, কিনকো সানটিনে রয়েল ও স্কারলেট নান্টেস

সূত্র: বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৬৮০.
সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য অন্তত ২৫ বছর বয়সী হতে হবে- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ক) ৬৬(৩)
  2. খ) ৬৬(২)
  3. গ) ৬৬(১)
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৬(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৬(১)
ব্যাখ্যা
৬৬। (১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইলে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন।
------------------------------------------------- 
৬৬- 
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি 
 
(ক) কোন উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন; 
 
(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন; 
 
(গ) তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন; 
 
(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অনূ্যন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে; 
 
সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৬৮১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, দেশে আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ কোনটি? 
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ দেশে আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।

⇒ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২%

⇒ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণা: ৪.৫১%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩,৬৮২.
যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বাতিল করেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. ইস্কান্দার মির্জা 
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
সঠিক উত্তর:
জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠন: 
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভার মুখ্যমন্ত্রী হন।
- তিনি নিজে মুখ্যমন্ত্রির দায়িত্ব ছাড়াও অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্ব নেন।
- মে মাসে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়।
- মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের আবু হোসেন সরকার বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার, সৈয়দ আজিজুল হক শিক্ষা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্ব লাভ করেন।
- যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করে পাকিস্তানের গভর্ণর জেনারেল গোলাম মুহাম্মদ।
- কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করে। 
- ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রের শাসন বলবৎ ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৬৮৩.
'Poverty and Famines: An Essay on Entitlement and Deprivation' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. ড. কুদরত-ই-খুদা
  4. অমর্ত্য সেন
সঠিক উত্তর:
অমর্ত্য সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যা
অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন বিশ্বখ্যাত ভারতীয় অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক, যিনি কল্যাণমূলক অর্থনীতি, দারিদ্র্য নিরসন, এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- তিনি 1998 সালে এশিয়ার প্রথম ব্যাক্তি হিসেবে  অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- অমর্ত্য সেনকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় তাঁর কল্যাণমূলক অর্থনীতি, দারিদ্র্য বিশ্লেষণ, এবং সামাজিক ন্যায়বিচার সংক্রান্ত গবেষণার জন্য।
- বিশেষভাবে, তিনি দারিদ্র্য পরিমাপের নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন এবং দেখান যে দুর্ভিক্ষ কেবল খাদ্যের অভাবের কারণে ঘটে না, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণেও ঘটে।
- গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ: Development as Freedom, The Idea of Justice, Poverty and Famines: An Essay on Entitlement and Deprivation।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩,৬৮৪.
”শশাঙ্ক” প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের রাজা ছিলেন?
  1. গৌড়
  2. বঙ্গ
  3. সমতট
  4. পুণ্ড্র
সঠিক উত্তর:
গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়
ব্যাখ্যা

• গৌড়: 
- ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়। 
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। 
- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান। 
- বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৩,৬৮৫.
'বঙ্গবন্ধু মানমন্দির' কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও, ঢাকা
  2. ভাঙ্গা, ফরিদপুর
  3. ঝিলংজা, কক্সবাজার
  4. জয়দেবপুর, গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু মান মন্দির:
- ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা ও কর্কটক্রান্তি রেখার ছেদবিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়।
- এই স্থানেই বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম মান মন্দির।
- যেটা বঙ্গবন্ধু মানমন্দির বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্পেস অবজারভেটরি সেন্টার।
- অর্থাৎ 'বঙ্গবন্ধু মানমন্দির' ভাঙ্গা, ফরিদপুর নির্মিত হচ্ছে। 
- ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ‘একটি স্বপ্ন’ প্রবন্ধে মানমন্দির নির্মাণের কথা বলেন।
- বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষ উদ্‌যাপন কমিটির সভায় ড. জাফর ইকবাল ভাঙ্গারদিয়া গ্রামে বঙ্গবন্ধু মানমন্দির প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
- ১০০ মিটার উচ্চতার এই সেন্টার মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে।

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর।
১৩,৬৮৬.
The Emancipation Charter of the Bengali Nation is -
  1. ক) March seven
  2. খ) eleven points
  3. গ) election of seventy
  4. ঘ) Six points
সঠিক উত্তর:
ঘ) Six points
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Six points
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধিদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে, যা আইয়ুব খান কর্তৃক তাসখন্ড চুক্তি স্বাক্ষরের বিরোধিতা করার জন্য আয়োজন করা হয়েছিল, সেখানে (৬.৬.১৯৬৬ তারিখে) শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয়দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন। 
- ছয়দফার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ছয়দফা দাবিকে বাঙালির ‘মুক্তির সনদ’ বলা হয়।
- কিন্তু ছয়দফার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিলেন বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর সংগঠন আওয়ামী লীগ।
- বঙ্গবন্ধু এ আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে দেন।
- এ আন্দোলনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জাতীয় নেতায় পরিণত হন। 
-  ফলে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতার আন্দোলনে পরিণত হয়।
- তাই বলা যায় যে, ছয় দফা আন্দোলনে স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয়দফা দাবিকে ‘বাঙালির বাচাঁর দাবি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
- ছয়দফার মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের নিজস্ব অর্থনৈতিক সম্পদ, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয় ও বৈদেশিক আয়ের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করা হয়।
- সর্বোপরি পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষমতাও দাবি করা হয়।
- ছয়দফা দাবিকে বাঙালির ‘মুক্তিসনদ’ বলা হয়।
- ছয়দফা আন্দোলনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় শাসক গোষ্ঠীর শোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হয়।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৬৮৭.
আগরতলা মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে কে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে রিট করেন? 
  1. আব্দুস সাত্তার
  2. এস.এ. রহমান
  3. ডব্লিউ এস ওডারল্যান্ড 
  4. টমাস উইলিয়াম
সঠিক উত্তর:
টমাস উইলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমাস উইলিয়াম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আইনজীবী:

• যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আইনজীবী প্রেরণ করেন।
• প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে রিট করেন। 
• তিনি ৫ আগস্ট, ১৯৬৮ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন।
• তিনি ব্রিটেনের বাসিন্দা ছিলেন। 
• তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ। 
• পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান আইনজীবী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান। 
• ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ. রহমান। অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম। 
• প্রথম শুনানি শুরু হয় ১৯ জুন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে আইনজীবী নিয়োগের পর ২৯ জুলাই পুনরায় শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়।

তথ্যসূত্র: তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৬৮৮.
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) কোন বিভাগের অধীন?
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ
  2. ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ
  3. সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ
  4. পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ
সঠিক উত্তর:
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি):
- বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি।
- এটি ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর হতে দেশে সাবমেরিন ক্যাবল এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছে।
- এটি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক তথ্য সুপারহাইওয়ে এর সাথে সংযুক্ত রেখেছে।
- বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৮ এর ৫বি ধারাবলে কক্সবাজারস্থ ল্যান্ডিং স্টেশনসহ এসএমডব্লিউ-৪ সাবমেরিন ক্যাবলকে বিলুপ্ত বিটিটিবি থেকে আলাদা করে "বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)" নামক একটি নতুন কোম্পানি গঠন করা হয়।
- এটি গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে আরজেএসসি হতে ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে "বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)" এ পরিবর্তিত হয়।
- এর লক্ষ্য দেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথের চাহিদার সাথে সংগতি রেখে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে পর্যাপ্ত ব্যান্ডউইডথের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।

উৎস: বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি ওয়েবসাইট।
১৩,৬৮৯.
মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট সদস্য সংখ্যা সর্বাধিক কত সংখ্যক হতে পারে?
  1. ক) এক-পঞ্চমাংশ
  2. খ) এক-দশমাংশ
  3. গ) এক-তৃতীয়াংশ
  4. ঘ) এক-চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) এক-দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এক-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
- সংবিধান অনুসারে জাতীয় সংসদের সদস্যদের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়ে থাকে। তবে সংসদ সদস্য নয় এমন ব্যক্তিরাও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন।
- মন্ত্রিসভায় সংসদ সদস্য নয় এমন ব্যক্তিদের সংখ্যা এক-দশমাংশের বেশি হতে পারবে না। এরা ‘টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী’ নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩,৬৯০.
বাংলাপিডিয়ার প্রধান সম্পাদক কে?
  1. স্যার উইলিয়াম জোন্স
  2. অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
  3. ড. আহমদ হাসান দানী
  4. আব্দুল হামিদ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- প্রধান সম্পাদক: অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।

- স্যার উইলিয়াম জোন্স ছিলেন এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সভাপতি ছিলেন আব্দুল হামিদ।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সম্পাদক ছিলেন ড. আহমদ হাসান দানী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১৩,৬৯১.
বাংলাদেশে দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP) প্রণয়নে নির্দেশনা প্রদান করে -
  1. ক) আইএমএফ
  2. খ) বিশ্বব্যাংক
  3. গ) জাইকা
  4. ঘ) এডিবি
সঠিক উত্তর:
ক) আইএমএফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইএমএফ
ব্যাখ্যা
- 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Proverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র).
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP.
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
- উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

উৎসঃ IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১৩,৬৯২.
'হান্টার কমিশন' কার শাসনামলে গঠিত হয়?
  1. লর্ড মেয়ো
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড মিন্টো
  4. লর্ড রিপন
সঠিক উত্তর:
লর্ড রিপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা
• 'হান্টার কমিশন' লর্ড রিপনের শাসনামলে গঠিত হয়।

• হান্টার কমিশন গঠন:

- তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড রিপন ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দের ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০ জন সদস্য নিয়ে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- এটি প্রথম "ভারতীয় শিক্ষা কমিশন” নামে পরিচিত।
- এই কমিশন স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টারের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল বলে একে "হান্টার কমিশন” বলা হয়।
- স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টার ছিলেন এই কমিশনের সভাপতি।
- অন্যান্য সদস্যরা হলেন আনন্দমোহন বসু, কে.টি. তেলাং, ভূদেব মুখোপাধ্যায়, স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রমুখ।
- প্রাথমিক শিক্ষা ও নিরক্ষরতা বিষয়ে এই কমিশনকে বিশেষভাবে বিচার করার কথা বলা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৬৯৩.
বর্তমানে বাংলাদেশের চালু সমুদ্র বন্দর কয়টি?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশের চালু সমুদ্র বন্দর ৩টি। এগুলো হলোঃ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, মোংলা সমুদ্রবন্দর, পায়রা সমুদ্রবন্দর।
অপরদিকে মাতারবাড়ি সমুদ্র বন্দর নির্মানাধীন রয়েছে।

- বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর - মোংলা সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - পায়রা সমুদ্রবন্দর। 
- এটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে।

- স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর - মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ২০২৫ সালে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট বন্দর ওয়েবসাইট।
১৩,৬৯৪.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কত শতাংশ?
  1. ৮ শতাংশ
  2. ৫ শতাংশ
  3. ৬ শতাংশ
  4. ৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা

⇒ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
-  আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বাস্তবায়ন শুরু হবে। 

• জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:

- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬ এবং বাসস [লিংক]। 

১৩,৬৯৫.
ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র (মনোনীত) হিসেবে দায়িত্ব পান কে?
  1. আবুল হাসনাত
  2. মোহাম্মদ হানিফ
  3. অলিউল ইসলাম
  4. সাদেক হোসেন খোকা
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসনাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসনাত
ব্যাখ্যা
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।
- ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র (মনোনীত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 
- ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ।
- অবিভক্ত ঢাকা সিটিতে ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে দ্বিতীয় মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন সাদেক হোসেন খোকা।
- ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন যাত্রা শুরু করে।
- বিভক্ত দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল।
- এই ভোটে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৩,৬৯৬.
Which is the only exceptional sector in the liberation war of Bangladesh?
  1. ক) 2
  2. খ) 8
  3. গ) 11
  4. ঘ) 10
সঠিক উত্তর:
ঘ) 10
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 10
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধের সময় একমাত্র ব্যতিক্রমধর্মী সেক্টর হল ১০নং সেক্টর।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং  সেক্টরের অধিনে
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- মুজিব নগর কত ৮নং সেক্টরের অধিনে ছিল।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধিনে ছিল।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,৬৯৭.
ভারত বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় কত তারিখে?
  1. ১ ডিসেম্বর
  2. ৩ ডিসেম্বর
  3. ৬ ডিসেম্বর
  4. ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
৬ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনী গঠন:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে দেশ হিসেবে ভারতের ভূমিকা অপরিসীম এবং অনস্বীকার্য ছিল।
- ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনী গঠিত হলে যুদ্ধের মোড় দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।
- পাকিস্তানি বাহিনী ৩ ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করার ঘোষণা দিয়ে বিশ্ববাসীর নজর কাড়ার অপচেষ্টা চালায়।
- এদেশীয় মুক্তিবাহিনী এবং ভারতীয় মিত্রবাহিনীকে যৌথ কমান্ডের অধীনে আনা হয়।
- ৬ ডিসেম্বর তারিখে ভারত বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়।
- যৌথ বাহিনীর সরাসরি আক্রমণে বাংলাদেশের প্রথম জেলা হিসেবে যশোর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নিকট থেকে মুক্ত করা হয়।
- এরপর একে একে সাতক্ষীরা, টঙ্গী, জামালপুর, সিলেট জেলা মুক্ত হতে থাকে।
- ময়নামতি সেনানিবাস অধিকারে এনে পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী শহর ঢাকা অবরোধের চেষ্টা চালানো হয়।
- ভারতের স্বীকৃতির পরই অস্থায়ী সরকারের উপ- রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ বেতার কেন্দ্র থেকে দেশের অভ্যন্তরে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রদান করেন।
- ৯ ডিসেম্বরের মধ্যেই মাগুরা, ঝিনাইদাহ এবং নড়াইল যৌথ বাহিনীর অধিকারে আসে।
- ঢাকা আক্রমণের পূর্ব প্রস্তুতি স্বরূপ ১০ ডিসেম্বর সকল প্রকার বিমান হামলা বন্ধ রেখে বিদেশি নাগরিকদেরকে ঢাকা ত্যাগ করার নির্দেশনা জারি করা হয়।
- ঢাকায় আক্রমণ চালানোর মুল পরিকল্পনা করা হয় ভৈরব দখল করার পর এবং সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, এখান থেকেই ঢাকায় আক্রমণ চালানো হবে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩,৬৯৮.
মুজিব নগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চুয়াডাঙ্গা
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা

- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। যা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া।

১৩,৬৯৯.
বান্দরবানে কয়টি সংসদীয় আসন রয়েছে? 
  1. ১টি 
  2. ২টি 
  3. ৩টি 
  4. ৪টি 
সঠিক উত্তর:
১টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি 
ব্যাখ্যা
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১৩,৭০০.
সংবিধানের কোন ভাগে মৌলিক অধিকারগুলো লিপিবদ্ধ আছে?
  1. দ্বিতীয় ভাগ
  2. পঞ্চম ভাগ
  3. তৃতীয় ভাগ
  4. চতুর্থ ভাগ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা
সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- বাংলাদেশ সংবিধানের — তৃতীয় ভাগে ২৬ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
---------------------------- 
• মৌলিক অধিকার:
- মৌলিক অধিকার বলতে বুঝায় নাগরিক জীবনের বিকাশ ও ব্যক্তির জন্য সে সমস্ত অপরিহার্য শর্তাবলি, যা সার্বভৌম রাষ্ট্রের সংবিধান হতে প্রাপ্ত এবং অলঙ্ঘনীয়।
- নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলো রাষ্ট্রের সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকলে তা সাংবিধানিক আইনের মর্যাদা লাভ করে।

• মৌলিক অধিকার রক্ষা:
মৌলিক অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কোন ব্যক্তির যদি মৌলিক অধিকার খর্ব হয় এবং তিনি যদি আইনের আশ্রয় নেন তাহলে বিচার বিভাগ তাঁর মৌলিক অধিকার রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। এভাবে বিচার বিভাগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।