বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১১৭ / ৩০৬ · ১১,৬০১১১,৭০০ / ৩০,৮৩২

১১,৬০১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদে ‘চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা’ নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ৩১ নম্বর
  2. ৩৫ নম্বর
  3. ৩৯ নম্বর
  4. ৪১ নম্বর
সঠিক উত্তর:
৩৯ নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ নম্বর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:

- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৬০২.
সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদের মূল বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
  1. নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
  2. মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিল
  3. উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২২৷ নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ:
রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে৷

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা:
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদলত 'সুপ্রিম কোর্ট' নামে অভিহিত হবে।
- আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্টে বিভাগ নিয়ে গঠিত এই সুপ্রিম কোর্ট শাসন বিভাগ থেকে কার্যকরভাবে পৃথক থাকবে।
- সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী অর্থাৎ প্রশাসনিক অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়া,
- অনুচ্ছেদ ২৩।ক: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
- অনুচ্ছেদ ২৬: মৌলিক অধিকারের সাথে অসমঞ্জস আইন বাতিল

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৬০৩.
নিচের কোন জেলায় খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. কক্সবাজার
  2. বান্দরবান
  3. সিলেট
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৬০৪.
বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. গোলাম মোহাম্মদ কাদের
  2. জিয়াউর রহমান
  3. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
  4. আন্দালিভ রহমান
সঠিক উত্তর:
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় পার্টি: 
- তৎকালীন সেনাশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন।
- মূলত সামরিক ক্ষমতার বেসামরিকীকরণের অংশ হিসেবে তিনি দলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি দুই বার (১৯৮৬ ও ১৯৮৮) সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এ দু'টি নির্বাচনই বর্জন করে।
- ১৯৯০ সালে অন্যান্য রাজনৈতিকগুলোর সম্মিলিত আন্দোলনে জাতীয় পার্টি ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়।
- জাতীয় পার্টির নেতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ স্বৈরাচার হিসেবে আখ্যায়িত হন।
- ২০০০ সালে নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে জাতীয় পার্টি তিনটি অংশে ভাগ হয়ে যায়।

জাতীয় পার্টি:
প্রতীকের নাম: লাঙ্গল
চেয়ারম্যান: গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি

জাতীয় পার্টি - জেপি:
প্রতীকের নাম:  বাইসাইকেল
চেয়ারম্যান: আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এম.পি

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি:
প্রতীকের নাম: গরুরগাড়ী
চেয়ারম্যান: ব্যারিষ্টার আন্দালিভ রহমান

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। 
১১,৬০৫.
গ্রাম অঞ্চলে স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. জেলা পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. ইউনিয়ন পরিষদ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এ স্তরগুলো হল-
• জেলা পরিষদ।
• উপজেলা পরিষদ।
• ইউনিয়ন পরিষদ।

ইউনিয়ন পরিষদ:
- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে নিচের স্তর ইউনিয়ন পরিষদ।
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- ইউনিয়ন পরিষদ ১ জন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে যাদের ৯ জন সাধারণ আসনের সদস্য ও ৩ জন সংরক্ষিত আসনের সদস্য হবেন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে ১ জন করে ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন সাধারণ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬০৬.
বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে 'সেভেন সামিট' জয় করেন কে?
  1. মুসা ইব্রাহিম
  2. এম এ মুহিত
  3. নিশাত মজুমদার
  4. ওয়াসফিয়া নাজরীন
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা

ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ২০১২ সালের ২৬ মে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন।
- আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী গ্রুপ কেয়ার (CARE) এর হয়ে ওয়াসফিয়া নাজরীন কাজ করেছেন।
- তিনি ২০১৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব পেয়েছেন।

• এভারেস্ট জয়ী বাংলাদেশি:
১ম: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
২য়: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
৩য়: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
৪র্থ: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
৫ম: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
৬ষ্ঠ: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
উল্লেখ্য:
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১১,৬০৭.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট (প্রস্তাবিত) উত্থাপন করেন কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. আহসান এইচ মনসুর
  3. ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  4. ড. আতিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট:
• বাজেটের শিরোনাম ➝ 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
• ঘোষণা হয় ➝ ২ জুন, ২০২৫ সাল [টেলিভিশন]।
• বাজেট কার্যকর➝ ১ জুলাই, ২০২৫ সাল (সম্ভাব্য)।
• কততম বাজেট➝ দেশের ৫৪তম বাজেট (অন্তর্বর্তীকালীন সহ ৫৫তম বাজেট)।
• বাজেট উত্থাপনকারী➝ ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (বর্তমান অর্থ উপদেষ্টা)।
• বাজেটের আকার➝ মোট ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা (জিডিপির ১২.৭০%) 
• বাজেট ঘাটতি➝ ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৬২%)।
• রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ➝ ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৯%)।
• জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারের লক্ষ্যমাত্রা➝ ৫.৫ শতাংশ।
• মূল্যস্ফীতির হারের লক্ষ্যমাত্রা➝ ৬.৫ শতাংশ।
• বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP)➝ ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
১১,৬০৮.
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. জাকারিয়া পিন্টু
  2. শংকর হাজরা
  3. কাজী সালাউদ্দিন
  4. লুৎফর রহমান
  5. মনসুর আলী লালু
সঠিক উত্তর:
জাকারিয়া পিন্টু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাকারিয়া পিন্টু
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।
- মূল পরিকল্পনাটা ছিলো শামসুল হকের।
- জুন মাসে কলকাতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি এবং যারা সারা ভারতজুড়ে খেলে সমর্থন আদায় করবে আমাদের স্বাধীন বাংলার স্বীকৃতির জন্য।
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু।
- আর সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননি বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না। 
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যারা ছিলেন:
- জাকারিয়া পিন্টু (অধিনায়ক), প্রতাপ শঙ্কর হাজরা (সহ-অধিনায়ক), আলী ইমাম, মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অমলেশ সেন, আইনুল হক, নিহার কান্তি দাস, শেখ আশরাফ আলী, বিমল কর, শাহজাহান আলম, মনসুর আলী লালু, কাজী সালাউদ্দিন, এনায়েতুর রহমান, সুভাষ সাহা, কে এম নওশেরুজ্জামান, ফজলে সাদাইন খোকন, আবুল হাকিম, তসলিমউদ্দিন শেখ, আমিনুল ইসলাম, আবদুল মমিন জোয়ারদার, মনিরুজ্জামান পেয়ারা, সাত্তার, প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু, মুজিবর রহমান, মেজর জেনারেল (অব.) খন্দকার নুরুন্নবী, লুৎফর রহমান, সাইদুর রহমান প্যাটেল, অনিরুদ্ধ চ্যাটার্জি, সনজিব কুমার দে, মাহমাদুর রশিদ, দেওয়ান মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিন, নিহার কান্তি দাস।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ২৬ মার্চ ২০২২, সময় নিউজ।

১১,৬০৯.
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমদ
  4. ঘ) এএইচএম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকারের সদস্যবৃন্দ:

রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য-প্রতিরক্ষামন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।


(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১১,৬১০.
BTRC- কোন মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন?
  1. তথ্য মন্ত্রণালয়
  2. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  3. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

⇒ BTRC- ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।

BTRC:
- BTRC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.
- Bangladesh Telecommunication Regulatory Act 2001 এর অধীনে ৩১ জানুয়ারি ২০০২ সালে Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হলো বাংলাদেশের একটি স্বাধীন কমিশন।
- এটি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ এবং টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- বিটিআরসি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত বিষয়াবলী যেমন, সেলুলার নেটওয়ার্ক, পিএসটিএন, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং ক্যাবল ইত্যাদির রক্ষণাবেক্ষন, উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড গঠিত হয়। অধ্যাদেশটি পরে ১৯৯৫ সালে সংশোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১, (২০০১ সালের আইন নং ১৮) এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন ১৬ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে অসাধারণভাবে প্রকাশিত হয়।
- এটি চালু হওয়ার সাথে সাথে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব, দায়িত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিটিআরসি-র উপর ন্যস্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র - BTRC ওয়েবসাইট।

১১,৬১১.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (BARD) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) রংপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- BARD (Bangladesh Academy for Rural Development) বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান।
- এটির অবস্থান কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে।
- বার্ড বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

সোর্সঃ বার্ড ওয়েবসাইট।

১১,৬১২.
বাংলাদেশের রাজধানী কোথায়?
  1. ঢাকা উত্তর
  2. ঢাকা দক্ষিণ
  3. ঢাকা
  4. শেরে বাংলা নগর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
রাজধানী ঢাকা:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ ৫ অনুসারে, প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা।

⇒ এটি বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।

উল্লেখ্য,
- জনপদ হিসেবে ঢাকার গোড়াপত্তন হয় ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে।
- শহর হিসেবে এর গোড়াপত্তন হয় ১২২৯ খ্রিস্টাব্দে।
- ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন। বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৬১৩.
Who is the composer of the song 'Joy Bangla, Banglar Joy'?
  1. ক) Gazi Mazharul Anwar
  2. খ) Anwar Parvez
  3. গ) Salil Chowdhury
  4. ঘ) Sudhin Dasgupta
সঠিক উত্তর:
খ) Anwar Parvez
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Anwar Parvez
ব্যাখ্যা
জয় বাংলা বাংলার জয়
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে এই গানকে আরাধ্য করেই মুক্তির পথে এগিয়ে যায় সমগ্র বাঙালি।
- এই গান স্বাধীন বাংলা বেতারের সূচনা সংগীত; জাতীয় স্লোগানও বটে।
- এই গানের সুরস্রষ্টা আনোয়ার পারভেজ।
- গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- আনোয়ার পারভেজ ২০০৬ সালের ১৭ জুন মারা গেছেন।
- এক সাক্ষাৎকারে গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, ‘আমার কথার আনোয়ার পারভেজ যে সুরের অলংকার পরিয়ে দিয়েছিলেন, তা মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছে।
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটি মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয়টা মাস মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।
- এ গান একটি যুদ্ধ, এ গান একটি স্বপ্ন, এ গান একটি বাস্তবতা।
- এ গানেই দেশের সব চাওয়ার কথা, মুক্তির স্বপ্নের কথা বলা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
১৬ ডিসেম্বর ২০২০।
১১,৬১৪.
Who was the captain of Bangladesh's first test cricket team?
  1. Aminul Islam
  2. Khaled Masud
  3. Akram Khan
  4. Naimul Islam
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
None of these
উত্তর
সঠিক উত্তর:
None of these
ব্যাখ্যা
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে: ২০০০ সালে।
- সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে।
- প্রথম অধিনায়ক: নাইমুর রহমান।
- প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

উৎস: i) ESPNcricinfo.
         ii) ৬ আগস্ট, ২০২০, প্রথম আলো।
১১,৬১৫.
পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিপক্ষে ছিল কে?
  1. মোহনলাল
  2. মীরমদন
  3. জগতশেঠ
  4. সিনফ্রে
সঠিক উত্তর:
জগতশেঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জগতশেঠ
ব্যাখ্যা

পলাশীর যুদ্ধ (১৭৫৭):
- সংঘটিত হয়: ২৩ জুন ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দ।
- স্থান: ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগান।
- পক্ষসমূহ: নবাব সিরাজউদ্দৌলা বনাম ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
- ইংরেজ বাহিনীর নেতৃত্ব: রবার্ট ক্লাইভ।
- নবাবের পক্ষে ছিলেন: মীরমদন, মোহনলাল, ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- নবাবের পরাজয়ের প্রধান কারণ: মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতা।
- ফলাফল: সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু।
- বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম হয়।
- মীরজাফর বাংলার নবাব নিযুক্ত হন।
- ক্ষমতা থাকে রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- ইংরেজরা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- জগৎ শেঠ বাংলার অত্যন্ত ধনী ব্যাংকার ফতেহ চাঁদকে আঠারো শতকের প্রথমার্ধে ‘জগৎ শেঠ’ বা বিশ্বের ব্যাংকার উপাধি প্রদান করা হয়।
- তিনি ও তার সম্পর্কিত ভাই মহারাজা স্বরূপ চাঁদ নওয়াব আলীবর্দী খান এর সময়ে অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন।
- আলীবর্দীর উত্তরাধিকারী সিরাজউদ্দৌলা এ পরিবারের দুভাইকে বৈরী করে তোলেন।
- ফলে তারা তার বিরুদ্ধে ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন এবং পলাশীর যুদ্ধ এর আগে ও পরে তাদেরকে বিপুল অর্থ দিয়ে সাহায্য করেন।
- বাংলার জনগণ বিশ্বাস করে যে, জগৎ শেঠের অর্থ আর ইংরেজদের তলোয়ার মিলে বাংলায় মুসলিম শাসনের পতন ঘটিয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১১,৬১৬.
বাংলাদেশের সাথে জলবিদ্যুৎ খাতে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দেশ কোনগুলো?
  1. রাশিয়া ও চীন
  2. জাপান ও ভারত
  3. দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান
  4. ভারত ও ভুটান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও ভুটান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানে মধ্যে জলবিদ্যুৎ নিয়ে সমঝোতা চুক্তি হয়।
- ভারতের সহযোগিতায় ভুটানে এক হাজার ২২৫ মেগাওয়াটের একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
- সমবিনিয়োগের এই প্রকল্পে অংশীদার হয় বাংলাদেশ।

- প্রথমত, তিন দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।
- এরপর তিন দেশ নির্ধারণ করে তাদের কোন কোন কোম্পানি এখানে কাজ করবে।
- সেই তিনটি কোম্পানি মিলে যৌথ মূলধনি কোম্পানি গঠন করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।’
- ২০১৮ সালে এই চুক্তি হয়।’

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭)।
১১,৬১৭.
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- ২০২৬ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত 
  3. ইংল্যান্ড
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত 
ব্যাখ্যা

• টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- ২০২৬:
- ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ।
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে ২০টি দল।
- এরই মধ্যে ১৫টি দল নিশ্চিত।
- বাকি ৫টি দল আসবে বাছাইপর্ব থেকে- আফ্রিকা থেকে ২টি এবং এশিয়া ও পূর্ব এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগর থেকে ৩টি। 
- ২০টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটি গ্রুপে থাকবে পাঁচটি করে দল।
- প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সুপার এইট পর্বে যাবে।
- সেখানে আবারও আটটি দলকে চারটি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে।
- সুপার এইটে প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালে উঠবে।

উৎস: প্রথম আলো।

১১,৬১৮.
নিচের কোন জেলায় শালবনের বিস্তৃতি নেই?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) কিশোরগঞ্জ
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) কিশোরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলা জুড়ে শালবন বিস্তৃত। এছাড়া উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সামান্য পরিমাণে শালবন রয়েছে।
এই বনের মোট আয়তন প্রায় ১.২০ লক্ষ হেক্টর। প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারী। এটি একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। কিশোরগঞ্জ জেলায় শালবনের বিস্তৃতি নেই।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১১,৬১৯.
'তবকত-ই-নাসিরীর' বর্ণনায় গঙ্গার দক্ষিণে কোন জনপদের অবস্থান নির্দেশিত হয়েছে?
  1. সমতট
  2. বঙ্গ
  3. রাঢ়
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
ব্যাখ্যা
রাঢ়:
- বিভিন্ন ঐতিহাসিক উৎস থেকে বলা যায় যে, রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- তবকত-ই-নাসিরীর বর্ণনায়ও গঙ্গার দক্ষিণে রাঢ়ের অবস্থান নির্দেশিত হয়েছে।
- এই জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
• দক্ষিণ রাঢ়।
• উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূহ্মদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬২০.
নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রদান করা হয় কাকে?
  1. ড. রুভানা রাকিব
  2. কল্পনা আক্তার
  3. ঋতুপর্ণা চাকমা
  4. উপরের সবাই 
সঠিক উত্তর:
ঋতুপর্ণা চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋতুপর্ণা চাকমা
ব্যাখ্যা

বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫:
- ২০২৫ সালে ৪ জন নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রদান করা হয়।

⇒ নারী শিক্ষা ও অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী ও ৯৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবার চার নারীকে রোকেয়া পদক ২০২৫ দেওয়া হচ্ছে।
- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত বেগম রোকেয়া দিবসের অনুষ্ঠানে এই পদক তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

 ⇒ ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রাপ্ত চার নারী হচ্ছেন:
- নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব,
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার,
- মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস,
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।

১১,৬২১.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম সংসদ নেতা কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- সংসদ নেতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শাসক দলের নেতা, যিনি জাতীয় সংসদে সরকারের কার্যক্রম নির্ধারন ও পরিচালনার জন্য দায়ী থাকেন।
- সংসদ নেতা সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন।
- বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংসদ নেতার কার্যালয় অবস্থিত।

- বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।
- মোহাম্মদ উল্লাহ জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার এবং গণপরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার।
- মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ জাতীয় সংসদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার।
- আব্দুল মালেক উকিল জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় স্পিকার।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বর্তমান স্পীকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী।

- জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধীদলীয় নেতা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আসাদুজ্জামান খান।  
- বর্তমান সংসদ নেতা হলেন শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র: সংসদ সচিবালয়, আওয়ামী লীগ ওয়েবসাইট, বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
১১,৬২২.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয় কোনটি?
  1. আসাম
  2. বিহার
  3. ত্রিপুরা
  4. মেঘালয়
সঠিক উত্তর:
বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিহার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত:

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি। যথা- আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয়- বিহার।
- উত্তরে- ভারতের পশ্চিবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ।
- পুবে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ এবং মিয়ানমার।
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত), মিয়ানমার।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি।
 
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৬২৩.
‘ওকি গাড়িয়াল ভাই কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়ারে’ - কোন প্রকারের গান?
  1. ক) ভাটিয়ালি
  2. খ) জারি
  3. গ) ভাওয়াইয়া
  4. ঘ) সারি
সঠিক উত্তর:
গ) ভাওয়াইয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাওয়াইয়া
ব্যাখ্যা
‘ওকি গাড়িয়াল ভাই কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়ারে’ - ভাওয়াইয়া গানের উদাহরণ- 
- ভাওয়াইয়া  উত্তরবঙ্গে প্রচলিত এক প্রকার  লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গান সুরলালিত্যে ভরপুর এবং এর একটি নিজস্ব গীতরীতি আছে।
- এ গানের মূল সুর নর-নারীর প্রণয়। প্রণয়ের বিচ্ছেদ জ্বালাই এতে অধিক রূপায়িত হয়।
- মৈশাল, গাড়োয়ান, মাহুত প্রমুখ এই প্রণয়গীতির নায়ক।
- আধ্যাত্মিক চেতনাসমৃদ্ধ ভাওয়াইয়া গানও পরিলক্ষিত হয়।
যেমন: ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’, ‘ছাড় রে মন ভবের খ্যালা’ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১,৬২৪.
ফ্লাউড কমিশন কিসের সাথে সম্পর্কৃত?
  1. ক) দুই বাংলার সীমানা নির্ধারণ
  2. খ) জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ
  3. গ) শরনার্থী পুনর্বাসন
  4. ঘ) শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার
সঠিক উত্তর:
খ) জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
১৯৩৮ সালে তৎকালীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক সরকার কর্তৃক ভূমি রাজস্ব সংস্কারের জন্যে স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউড এর নেতৃত্ব একটি কমিশন গঠন করেন। কমিশন ১৯৪০ সালের ২ মার্চ তার রিপোর্ট পেশ করে। এই রিপোর্টের সুপারিশের আলোকেই ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হয় যার মাধ্যমে ১৯৫১ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা উচ্ছেদ হয়। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১১,৬২৫.
শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিং এর শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বিয়াম
  2. নায়েম
  3. ইউ.জি.সি
  4. কে.টি.সি
সঠিক উত্তর:
নায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নায়েম
ব্যাখ্যা

নায়েম:
- দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান - নায়েম।
- পূর্ণরূপ - National Academy for Educational Management (NAEM)
- এটি ১৯৫৯ সালে স্থাপিত হয়।
- এটির অবস্থান ঢাকার নিউমার্কেটে ঢাকা কলেজের পাশে।
- এখানে সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - নায়েম ওয়েবসাইট।

১১,৬২৬.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৪.৮%
  2. ৫.২%
  3. ৫.৬%
  4. ৬.১%
  5. ৬.৭%
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

১১,৬২৭.
Who was awarded the Bangladesh Independence Award for his contribution in the Liberation War?
  1. ক) Pranab Mukherjee
  2. খ) William A. S. Ouderland
  3. গ) Nikolai Podgorny
  4. ঘ) Indira Gandhi
সঠিক উত্তর:
ঘ) Indira Gandhi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Indira Gandhi
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অবদান:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ সরকার তিন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করে। 
- এর মধ্যে সর্বোচ্চ সম্মাননা হিসেবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা প্রদান করা হয় ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে।
- এছাড়া ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রনব মুখার্জি সহ মোট ১৫ জনকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা প্রদান করা হয় ৩১২ জন ব্যক্তি ও ১০টি সংগঠনকে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট
১১,৬২৮.
বাংলার প্রাচীন আদি ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যে কোন নরগোষ্ঠীর প্রভাব সবচেয়ে বেশি ছিল?
  1. ককেশীয়
  2. নিগ্রীয়
  3. মঙ্গোলীয়
  4. অষ্ট্রেলীয় 
সঠিক উত্তর:
অষ্ট্রেলীয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্ট্রেলীয় 
ব্যাখ্যা

• বাঙালি জাতি:
- বাঙালি জাতি একটি মিশ্রিত জাতি, যা নানা যুগে বিভিন্ন নরগোষ্ঠীর মেলবন্ধনের ফলে গঠিত হয়েছে। 
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, বাংলায় পৃথিবীর চারটি প্রধান নরগোষ্ঠীর (নিগ্রীয়, মঙ্গোলীয়, ককেশীয় ও অষ্ট্রেলীয়) শাখার আগমন ঘটেছে।
- বাংলার প্রাচীন জনগুলির মধ্যে অষ্ট্রিক ভাষীরাই সবচেয়ে বেশি। 
- প্রাচীন সময়ে আদি অষ্ট্রেলীয় জনগোষ্ঠী—যেমন সাঁওতাল, বাঁশফোড়, রাজবংশী—এ অঞ্চলে বাস করত। 
- পরবর্তীতে আর্য, পারস্য-তুর্কিস্তান, গুপ্ত, সেন, বর্মণ, তুর্কি, আফগান, মুগল, ইংরেজ, আর্মেনীয় প্রভৃতি বহু জাতির আগমন বাঙালি রক্তে নতুন মিশ্রণ ঘটায়।
- এমনকি পাকিস্তান যুগ ও বর্তমান বিশ্বায়নের সময়েও এই শংকর প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
- সুতরাং, বাঙালি জাতি ইতিহাসভিত্তিক ও বৈচিত্র্যময় রক্তের মিশ্রণের ফলশ্রুতিতে একটি শংকর জাতি হিসেবে পরিচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া [লিংক]।

১১,৬২৯.
কুতুবদিয়া বাতিঘর নির্মাণ করা হয় কোন সালে?
  1. ১৮৫০
  2. ১৮৪৮
  3. ১৮৪০
  4. ১৮৪৬
সঠিক উত্তর:
১৮৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৪৬
ব্যাখ্যা
বাতিঘর:

- বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত কুতুবদিয়া দ্বীপ।
- কুতুবদিয়া কক্সবাজার জেলায় একটি দ্বীপ উপজেলা।
- চান্স এন্ড ব্রাদার্স কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃক মনোনীত স্থপতি নেয়ার বার্মিংহাম এর তত্ত্বাবধানে ১৮৪৬ সালের দিকে কুতুবদিয়ায় আটতলা তথা আটকক্ষ বিশিষ্ট বাতিঘরটি নির্মাণ করা হয়।
- ১২০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট গোলাকৃতি আলোক স্তম্ভের প্রতিটি কক্ষে মূল্যবান কাঁচ খচিত জানালা ছিল।
- কক্ষের চারদিকে রেলিং ছিল।
- সর্বোচ্চ কক্ষে বাতিঘরটি প্রজ্জ্বলন করা হতো।
- ১৯ মাইল দূর থেকে নাবিকরা এ বাতিঘর থেকে আলো প্রত্যক্ষ করে দিক চিহ্নিত করতো।
- শংখ নদীর তীব্র স্রোতের তোড়ে বাতিঘরটি ধ্বংস হতে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে বাতিঘরটি পুরোপুরি ধ্বংস হলে গভীর সমুদ্রে চলাচলরত নাবিক ও মাঝিমাল্লাদের কথা মাথায় রেখে তদানীন্তন সরকার ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে একই এলাকায় অর্থাৎ এর দু’কিলোমিটার পূর্বে বাঁধের ভেতরে প্রায় সাত একর জমিতে আরো একটি বাতিঘর নির্মাণ করে।
- ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পুনঃ নির্মিত বাতিঘরটি সাগরে বিলীন হয়ে যায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৬৩০.
জেনারেল এরশাদ কার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন?
  1. হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
  2. শাহাবুদ্দীন আহমেদ
  3. মওদুদ আহমেদ
  4. সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
সঠিক উত্তর:
শাহাবুদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহাবুদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতিষ্ঠা:
- এরশাদ বিরোধী আন্দোলন প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।
- সারাদেশে আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করলে সরকার ২৭ নভেম্বর ১৯৯০ জরুরি অবস্থা জারি ও রাজনৈতিক তৎপরতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- তবে দমনমূলক ব্যবস্থায় আন্দোলন দমানো সম্ভব হয়নি। বরং বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবীসহ জনগণ আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
- জরুরি অবস্থা উপেক্ষা করে জনগণ রাস্তায় নেমে এরশাদের পদত্যাগ দাবি করে।
- সামরিক বাহিনী এরশাদকে সমর্থন প্রত্যাহার করলে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হন।
• ৩ ডিসেম্বর ১৯৯০: এরশাদ একই দিনে রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দেন। আন্দোলনরত দলগুলো এরশাদের এই ঘোষণাকে অপকৌশল হিসেবে প্রত্যাখ্যান করে।
• ৪ ডিসেম্বর ১৯৯০: এরশাদ পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।
• ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০: উপ-রাষ্ট্রপতি মওদুদ আহমেদ পদত্যাগ করেন।
- তিন-জোটের মনোনীত প্রার্থী, প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমেদকে উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়া হয়।
- এরশাদ জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে বিচারপতি শাহাবুদ্দীনের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
- এর মাধ্যমে এরশাদের শাসনের অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের প্রথম অসামরিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের উদাহরণ।

তথ্যসূত্র - রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৩১.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. ড. আকতার হামিদ খান
  2. শফিউর রহমান
  3. ফজলে হাসান আবেদ
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

১১,৬৩২.
'প্রতিরক্ষা' ঐতিহাসিক ছয় দফার কততম দফায় অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ৩য়
  2. ৪র্থ
  3. ৫ম
  4. ৬ষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১১,৬৩৩.
বাংলাদেশের সাথে কয়টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে?
  1. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৬৩৪.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. মো. সফিকুল হক চৌধুরী
  2. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া। সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে। প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে। এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

⇒ বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না।
- ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি বাংলা। 
১১,৬৩৫.
বাংলাদেশ প্রথম কবে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
  5. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ অলিম্পিক গেমস:
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সাল থেকে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করছে।
- সর্বোচ্চ তিনবার অলিম্পিকে অংশ নিয়েছেন সাঁতারু ডলি আক্তার।
- ১৯৮৪ লস অ্যাঞ্জেলেস বাংলাদেশের প্রতিযোগী হলো:
- প্রতিযোগী: ১ সাইদুর রহমান ডন অ্যাথলেটিকস।
- ১০০ মিটার: নিজের হিটে অষ্টম (১১.২৫ সে.), মোট প্রতিযোগী ৮।
- ২০০ মিটার: নিজের হিটে সপ্তম (২২.৫৯ সে.) মোট প্রতিযোগী ৮।

উল্লেখ্য, 
- সর্বশেষ অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয় ফ্রান্স।

উৎস: প্রথম আলো।
১১,৬৩৬.
শফিউর রহমান কবে শহীদ হন?
  1. ১৯৫২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি
  2. ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
  3. ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
- মাতৃভাষার দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন- আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার এবং আহত হন কয়েকজন ছাত্রীসহ অনেকে।
- সে সময়ে গণপরিষদের অধিবেশন চলছিল।
- গুলির খবর পেয়ে আবদুর রশীদ তর্কবাগীশসহ আইন পরিষদের কয়েকজন সদস্য অধিবেশন ত্যাগ করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
- ২১ ফেব্রুয়ারির ঘটনা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
- ২২ ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতা শহীদদের জন্য শোক মিছিল বের করে।
- আবারও মিছিলের ওপর পুলিশ ও মিলিটারি লাঠি, গুলি ও বেয়োনেট ব্যবহার করে।
- ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি শফিউর রহমানসহ আরও কয়েকজন শহীদ হন।
- যে স্থানে ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল সেই স্থানে ছাত্ররা সারারাত জেগে ২৩ ফেব্রুয়ারিতে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করে।
- পুলিশ শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে দেয়।
- ২১ ফেব্রুয়ারির হত্যাকাণ্ড ও নিপীড়নের প্রতিবাদে ঢাকা শহরে ২৩ ফেব্রুয়ারি হরতাল পালিত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ফুলার রোডে একজন কিশোর নিহত হয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৩৭.
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে 'RTC' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Round Table Conference
  2. Round and Transport Corporation
  3. Royal Technical Committee
  4. Rawalpindi Technical Committee
সঠিক উত্তর:
Round Table Conference
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Round Table Conference
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে 'RTC' এর পূর্ণরূপ Round Table Conference।

৭ই মার্চের ভাষণ:
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেয়।
- উক্ত ভাষণ ১৮ মিনিট স্থায়ী হয়।
- এই ভাষণে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান।
- ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয়:
১। মার্শাল ল প্রত্যাহার,
২। সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
৩। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
৪। জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর ।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণে বলেছেন - 'আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ১০ তারিখে রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স ডাকব।

⇒ বিশ্ব ইতিহাসে যে ভাষণগুলো বিখ্যাত হয়ে আছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক এই ভাষণটি সেগুলোর অন্যতম।
- বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ Jacob F. Field এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা 'We shall Fight on the beaches: The Speeches that Inspired History' শীর্ষক গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি স্থান পেয়েছে।
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে 'World's Documentary Heritage' এর মর্যাদা দিয়ে 'International Memory of the World Register'- এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।
- বঙ্গবন্ধুর সেই অমর ভাষণকে ইউনেস্কো ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) ১৬ ডিসেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
          ii) সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৩৮.
নিম্নের কোন স্থাপত্যটির সাথে এহসান খান যুক্ত ছিলেন?
  1. মোদের গরব
  2. বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ
  3. কমলাপুর রেলস্টেশন
  4. হাতির ঝিল
সঠিক উত্তর:
হাতির ঝিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতির ঝিল
ব্যাখ্যা
হাতির ঝিল:
- 'হাতির ঝিল‘- এর নকশার পরিকল্পনা করেন স্থপতি এহসান খান।
- তিনি ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে গ্র্যাজুয়েশন করেন।
- তিনি ভিত্তি স্থপতিবৃন্দ লিমিটেড-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

অন্যদিকে,
⇒ মোদের গরব:
- এর অবস্থান বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে।
- মোদের গরব স্থাপত্য'র নকশা করেন শিল্পী অখিল পাল।
- এটি উদ্বোধন হয় ২০০৭ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানোর আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহিদদের সম্মানে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

⇒ বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ:
- বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ ঢাকার রায়ের বাজার ইটখোলায় নির্মিত।
- বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেকটস্ যৌথভাবে স্মৃতিসৌধের নকশা প্রণয়নের জন্য জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা আহবান করে।
- ২২টি নকশার মধ্যে স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও স্থপতি জামি-আল-শফি প্রণীত নকশাটি নির্বাচিত হয়।

⇒ কমলাপুর রেলস্টেশন:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুই মার্কিন নাগরিক।
- তারা ছিলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৬৩৯.
টিসিবি কোন মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিচালিত হয়?
  1. খাদ্য মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. কৃষি মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) 'বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের' অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।

⇒  ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮নং আদেশের মাধ্যমে টিসিবি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি।
- টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
- উদ্দেশ্য কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা।
- বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি।

তথ্যসূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।

১১,৬৪০.
বাংলার রাজধানী হিসাবে 'সোনারগাঁও' এর গোড়াপত্তন কে করেছিলেন?
  1. ক) ঈশা খাঁ
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) মানসিংহ
সঠিক উত্তর:
ক) ঈশা খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঈশা খাঁ
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও

- সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী।
- বর্তমান ঢাকা থেকে ২৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সোনারগাঁও বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল। 
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে। 
- বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের পত্তন করেন ঈসা খাঁ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়। 
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্যন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী। 
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।

উৎস: সোনারগাঁও---বাংলার-প্রাচীন-রাজধানী, parjatan.gov.bd.
১১,৬৪১.
সুশীল সমাজের কাজ কোনটি?
  1. সরকারের বিরোধিতা করা
  2. সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
  3. বিতর্ক সৃষ্টি করা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
ব্যাখ্যা
সুশীল সমাজ:
- সুশীল সমাজ চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অংশ।
- বর্তমানে সুশীল সমাজ মানব পুঁজি গঠন, সমাজসেবা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সুশীল সমাজ সরকারের দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে সচেষ্ট।
- সুশীল সমাজ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং সরকার সুশীল সমাজের বক্তব্য বা সুপারিশসমূহকে উপেক্ষা করতে পারে না।
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করা ও মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া সুশীল সমাজের দায়িত্ব।
- সরকার বা কোন কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ প্রচার করা সুশীল সমাজের কাজ নয়।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১১,৬৪২.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) মেহেরপুর
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) চুয়াডাঙ্গা
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ক) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। এর নকশাকার তানভীর কবির। ১৯৭১ সালে মুজিবনগরে অস্থায়ী মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণের স্মৃতি রক্ষার্থে এটি নির্মিত হয়। ১৯৭৪ সালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় এবং ১৯৮৭ সালের ১৭ এপ্রিল তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এটি উদ্বোধন করেন। এই সৌধে ২৩টি ত্রিকোণাকৃতি স্তম্ভ রয়েছে পাকিস্তান আমলের ২৩ বছরকে নির্দেশ করে। সামগ্রিকভাবে এতে উদীয়মান সূর্যের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়কে বুঝানো হয়।
Source: Banglapedia
১১,৬৪৩.
কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. ক) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
  2. খ) পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  3. গ) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  4. ঘ) নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
ক) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গুলো হলো- নির্বাচন কমিশন, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, সরকারি কর্ম কমিশন, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পাবলিক সার্ভিস কমিশন ইত্যাদি। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১১,৬৪৪.
বাংলাদেশে নিযুক্ত বর্তমান মার্কিন রাষ্ট্রদূত কে?
  1. পিটার ডি হাস
  2. নিকোলাস ডিন
  3. ড্যান মজিনা
  4. আর্ল আর মিলার
সঠিক উত্তর:
পিটার ডি হাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিটার ডি হাস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রেররাষ্ট্রদূত হিসাবে পিটার ডি হাস। 
- মার্কিন কংগ্রেসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী- পিটার ডি হাস ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা।
- ১৯৮৮ সালে তিনি ইলিনয় ওয়েসলিয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ ও জার্মানে স্নাতক সম্পন্ন করেন।
- লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসে তিনি একজন মার্শাল স্কলার হিসাবে যোগদান করেন।
- যেখানে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি এবং তুলনামূলক সরকার উভয় ক্ষেত্রেই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
- পররাষ্ট্র দপ্তরের একাধিক পারফরম্যান্স পুরস্কারও তিনি পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে- জেমস ক্লিমেন্ট ডান অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ও কর্ডেল হুল অ্যাওয়ার্ড ফর ইকোনমিক অ্যাচিভমেন্ট।
- ইংরেজি ছাড়াও জার্মান ও ফরাসি ভাষায় তিনি সাবলীল।
- ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি।
- ২০১৮ সালের নভেম্বরে মিলার রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নেন। তিনি রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।

উৎস:- মার্কিন কংগ্রেসের ওয়েবসাইট। 
১১,৬৪৫.
সার্বিকভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় -
  1. ক) নোয়াখালী
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• সার্বিকভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন ময়মনসিংহ জেলা (১৭,৭৬,৪০৬ মে.টন)।
• দ্বিতীয় – দিনাজপুর জেলা (১৪,৩২,৪২৬ মে.টন)।

সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
১১,৬৪৬.
১৯৪৮ সালের ১৫ মার্চ খাজা নাজিমুদ্দিন সংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে কত দফা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন?
  1. ক) ৫ দফা
  2. খ) ৬ দফা
  3. গ) ৮ দফা
  4. ঘ) ৯ দফা
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ দফা
ব্যাখ্যা
- আন্দোলনের তীব্রতার প্রেক্ষিতে ১৫ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী নাজিমুদ্দিন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে ৮ দফা চুক্তিতে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি, তদন্ত কমিটি গঠন, শিক্ষার মাধ্যম বাংলা ও ব্যবস্থাপক সভায় রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত বিষয় উত্থাপনে রাজি হন।

- চুক্তিগুলো ছিল-
- ভাষার প্রশ্নে গ্রেপ্তার করা সবাইকে মুক্তি প্রদান করা হবে।
- পুলিশি অত্যাচারের বিষয়ে তদন্ত করে একটি বিবৃতি প্রদান করা হবে।
- বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্র ভাষা করার জন্য পূর্ব বাংলার আইন পরিষদে একটি বিশেষ প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে।
- সংবাদপত্রের উপর হতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।
- আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না।
- ২৯ ফেব্রুয়ারি হতে জারিকৃত ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করতে হবে।
- পূর্ব বাংলার সরকারি ভাষা হিসাবে ইংরেজি উঠে যাবার পর বাংলাকে সরকারি ভাষা হিসাবে প্রবর্তন করা হবে।
- রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলন " রাষ্ট্রের দুশমনদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয় নাই" এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রী ভুল স্বীকার করে বক্তব্য দিবেন।
 
- তড়িঘড়ি করে তাঁর চুক্তি সম্পাদনের মূল উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল জিন্নাহর আসন্ন ঢাকা
সফর যেন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।

উৎস: ইতিহাস, এইচএসএল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৪৭.
হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. কাইয়ুম চৌধুরী
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. এস এম সুলতান
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি। 

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১১,৬৪৮.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান [অক্টোবর, ২০২৪] ভাইস চ্যান্সেলর একজন -
  1. পদার্থ বিজ্ঞানী
  2. রসায়নবিদ
  3. ফার্মেসি বিজ্ঞানী
  4. লোক প্রশাসক
সঠিক উত্তর:
লোক প্রশাসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোক প্রশাসক
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।
- নিয়াজ আহমেদ খান একজন শিক্ষাবিদ, লোক প্রশাসক ও অধ্যাপক।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান উপাচার্য।
- এ পদে নিয়োগ লাভের আগে তিনি ঢাবির উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সভাপতি এবং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (আইইউবি) উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: i) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১১,৬৪৯.
যুক্তফ্রন্টের সভাপতি ছিলেন কে?
  1. এ. কে. ফজলুল হক
  2. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
⇒ যুক্তফ্রন্টের সভাপতি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 
- যুক্তফ্রন্ট গঠন  - ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান অফিস - সদরঘাটের ৫৬, সিমসন রােডে।
- যুক্তফ্রন্টে রাজনৈতিক দল ছিল ৪ টি। এগুলো হলো - 

১। আওয়ামী মুসলিম লীগ (মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী)
২। কৃষক-শ্রমিক পার্টি (এ. কে. ফজলুল হক) 
৩। নেজামে-ই-ইসলাম (মাওলানা আতাহার আলী) 
৪। গণতন্ত্রী দল (হাজী মোহাম্মদ দানেশ)

- যুক্তফ্রন্টের সভাপতি - হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- পার্লামেন্টারি বাের্ডের সদস্য - এ.কে. ফজলুল হক, হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দী ও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক - নৌকা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৫০.
What was the previous name of Janata Bank?
  1. ক) Janata Multipurpose Bank
  2. খ) United Bank
  3. গ) Janata Commerce Bank
  4. ঘ) Cooperative Bank
সঠিক উত্তর:
খ) United Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) United Bank
ব্যাখ্যা
জনতা ব্যাংক:

- জনতা ব্যাংকের পূর্বের নাম ছিলো ইউনাইটেড ব্যাংক। 
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড  বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক
- ২০০৪-০৫ সালে গৃহীত Enterprise Growth and Bank Modernization Project (EGBMP). শীর্ষক রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক সংস্কার কর্মসূচির ভিত্তিতে এবং বিদ্যমান কোম্পানি আইন মোতাবেক ‘জনতা ব্যাংক লিমিটেড’ গঠন করা হয়। 
- ১৫ নভেম্বর ২০০৭ তারিখ থেকে জনতা ব্যাংক লিমিটেড-এর কার্যক্রম শুরু হয়।
-  ঢাকায় একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে ২৭টি বিভাগ রয়েছে।

অন্যদিকে,
- অবিভক্ত বাংলায় সমবায় সমিতি ও কৃষক পর্যায়ে ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে সরকারী উদ্যোগে ১৯২২ সালে সমবায় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়

উৎস - বাংলাপিডিয়া।
১১,৬৫১.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুসারে ২০২৫ সালে বাংলাদেশের নিম্ন দারিদ্র হার হবে-
  1. ৩.৫ শতাংশ
  2. ৫.২ শতাংশ
  3. ৬.৩ শতাংশ
  4. ৭.৪ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৭.৪ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭.৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন প্রণীত অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল হলো জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা দেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার (২০২১-২০৪১) অধীন চারটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রথমটি। এটির মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ছয়টি মূল লক্ষ্যের একটি হলো দারিদ্র্য দূরীকরণ। এই পরিকল্পনা অনুসারে ২০২৫ সাল নাগাদ নিম্ন দারিদ্র্য হার হবে ৭.৪ শতাংশে এবং উচ্চ দারিদ্র্য হার ১৫.৬ শতাংশ। এর মাধ্যমে ২০৩১ সাল নাগাদ দেশে থেকে নিম্ন দারিদ্র্য হার দূর করা হবে।

(তথ্যসূত্র: অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা)
১১,৬৫২.
আইলসা ও চমক কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. বেগুন
  2. টমেটো
  3. আলু
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা
আইলসা ও চমক আলুর উন্নত জাত।

আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

এছাড়াও,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১১,৬৫৩.
চৌসার যুদ্ধ কাদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. শের খান ও বাবর
  2. হুমায়ুন ও শের খান
  3. শের শাহ ও আকবর
  4. হুমায়ুন ও জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন ও শের খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন ও শের খান
ব্যাখ্যা
চৌসার যুদ্ধ:
- ১৫৩৯ সালের ২৬ জুন বিহারের চৌসারে মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ও আফগান নেতা শের খান (পরে শের শাহ সূরি) এর মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে শের খান বিজয়ী হন এবং হুমায়ুন পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।
- এর মাধ্যমে মুঘল শাসনের পতন শুরু হয় এবং সূরি বংশের উত্থান ঘটে।

⇒ সম্রাট হুমায়ুন গৌড় পরিত্যাগ করার পূর্বে জাহাঙ্গীর কুলী বেগকে বাংলার শাসনভার অর্পণ করেন।
- হুমায়ুন তাঁর বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে আগ্রা অভিমুখে যাত্রা করলেন।
- কিন্তু দুভার্গ্যক্রমে পথিমধ্যে বক্সারের নিকটবর্তী চৌসা নামক স্থানে শেরখান ও তাঁর আফগান অনুচরেরা সম্রাট হুমায়ুনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।
- ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুন চৌসায় উভয়পক্ষের মধ্যে এক তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে চৌসার যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধে হুমায়ুন শোচনীয় ভাবে পরাজিত হয়।
- চৌসার যুদ্ধে শের খানের জয়লাভ ভারতীয় উপমহাদেশে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কেননা এর ফলে শের খানের রাজ্য পশ্চিম দিকে কনৌজ হতে পূর্বে আসাম ও চট্টগ্রাম এবং উত্তর দিকে রোটাস হতে দক্ষিণ দিকে বীরভূম পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে।
- এই যুদ্ধের পর শেরখান শেরশাহ উপাধি ধারণ করেন এবং নিজ নামে মুদ্রা প্রচলন ও পাঠের নির্দেশ প্রদান করেন।
- পক্ষান্তরে এই যুদ্ধে হুমায়ুনের পরাজয়ের মাধ্যমে মুঘলদের সামরিক ও কূটনৈতিক দুর্বলতা প্রস্ফুটিত হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৫৪.
বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ২,৭২০ ডলার
  2. ২,৮০০ ডলার
  3. ২,৩২০ ডলার
  4. ২,৮২০ ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ ডলার
ব্যাখ্যা

 ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 
- পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)। 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৫,১০৯ টাকা (৮২ ইউএস ডলার)।

উৎস: বিবিএস।

১১,৬৫৫.
'তারা মসজিদ'-এর নির্মাতা কে?
  1. নবাব আব্দুল গণি 
  2. শায়েস্তা খান 
  3. মির্জা আহমদ জান
  4. শেখ এনায়েত উল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মির্জা আহমদ জান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা আহমদ জান
ব্যাখ্যা

তারা মসজিদ:
- বাংলাদশের পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা-র আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত ‘তারা মসজিদ’।
- খ্রিষ্টীয় আঠারো শতকে ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- তারা মসজিদের আরও কিছু প্রচলিত নাম আছে, যেমন, মির্জা গোলাম পীরের মসজিদ বা সিতারা মসজিদ।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

⇒ সতের শতকে দিল্লি, আগ্রা ও লাহোরে নির্মিত মোঘল স্থাপত্য শৈলী অনুসরণে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
- মসজিদের কোথায়ও এর তৈরির সময় উল্লেখ নেই বলে কবে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়, তার সুস্পষ্ট কোনো নথি পাওয়া যায়নি।
- তবে, মসজিদটি তৈরির পর ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে মির্জা গোলাম পীর মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন।
- এই সময় মসজিদটির আকার বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটির পুনরায় সংস্কার করা হয়।
- এই সময় পুরনো একটি মেহরাব ভেঙে দুটো গম্বুজ আর তিনটি নতুন মেহরাব বানানো হয়।
- সব মিলিয়ে বর্তমানে এর গম্বুজ সংখ্যা পাঁচটিতে দাঁড়িয়েছে।
- এর ফলে মসজিদের জায়গা সম্প্রসারিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১১,৬৫৬.
ইউনেস্কো কবে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ১৯৯৭ সালের ৭ নভেম্বর
  2. ১৯৯৭ সালের ১৭ নভেম্বর
  3. ১৯৯৯ সালের ৭ নভেম্বর
  4. ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: 
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ভাষা আন্দোলন ও ভাষাশহীদদের স্মরণে পালিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার দাবিতে ঢাকায় কয়েকজন ছাত্র-জনতা শহীদ হন।
- তাঁদের স্মরণে ২০০০ সাল থেকে এ দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রস্তাবে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করা হয়।
- এ প্রস্তাবে মাতৃভাষার উন্নয়ন ও ভাষাগত বৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। 
- ইউনেস্কো সদস্য দেশগুলো এ দিনে ভাষাবিষয়ক প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি পালন করে।
- এটি ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত ঐতিহ্যের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংহতি জাগ্রত করে।
- দিবসটি ১৯৫২ সালের ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি বিশ্বমানবতার শ্রদ্ধা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১১,৬৫৭.
বাংলাদেশের প্রথম আর্টিলারি ইউনিট বা ভারী অস্ত্র-সংবলিত ইউনিট হলো -
  1. ক) মায়া ক্র‍্যাক প্লাটুন
  2. খ) মুজিব বাহিনী
  3. গ) মুজিব ব্যাটারি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিব ব্যাটারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিব ব্যাটারি
ব্যাখ্যা
মুজিব ব্যাটারি

মুজিব ব্যাটারি হলো বাংলাদেশের প্রথম আর্টিলারি ইউনিট বা ভারী অস্ত্র-সংবলিত ইউনিট, যাকে ফার্স্ট ফিল্ড রেজিমেন্ট বলা হয়। 

১৯৭১ সালের ২২ জুলাই ৬টি কামান নিয়ে ভারতের কোনাবান অঞ্চলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কে ফোর্সের অধীনে ইউনিট প্রথম প্রতিষ্ঠা লাভ করে, যাকে মেজর খালেদ মোশাররফ মুজিব ব্যাটারি নামে নামকরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন আগস্টের প্রথম সপ্তাহে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসা গোলন্দাজ বাহিনীর ৮০ জন বাঙালি সদস্যকে নিয়ে ত্রিপুরায় এই বাহিনী গঠিত হয়। 

মুক্তিযুদ্ধকালে এই ইউনিটটি কাইয়ুমপুর, কসবা, সালদা নদী, আখাউড়া, নাজিরহাট ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে লক্ষ্যভেদী ফায়ারের মাধ্যমে মুক্তিবাহিনীর বিজয়কে ত্বরান্বিত করে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১১,৬৫৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কাদেরিয়া বাহিনী কোন অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল?
  1. টাঙ্গাইলে
  2. নড়াইলে
  3. বরিশালে
  4. চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইলে
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী: 
- মুক্তিযুদ্ধে সরকারের অধীন বিভিন্ন বাহিনী ছাড়াও বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে উঠেছিল।
- এসব সংগঠন স্থানীয়ভাবে পাকিস্তানি বাহিনী এবং রাজাকার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।
- যেমন: টাঙ্গাইলে কাদেরিয়া বাহিনী, মাগুরার আকবর বাহিনী ইত্যাদির কথা স্মরণীয় হয়ে আছে।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে দেশকে পাকিস্তানিদের দখলমুক্ত করার জন্য রণক্ষেত্রে যুদ্ধ করেছেন, অনেকে আহত হয়েছেন, অনেকে দেশের জন্যে প্রাণ দিয়েছেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১,৬৫৯.
কোনটি পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক শিল্পের শ্রেণী বিভাজন?
  1. ক) হলুদ
  2. খ) কমলা
  3. গ) নীল
  4. ঘ) সাদা
সঠিক উত্তর:
খ) কমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কমলা
ব্যাখ্যা
পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র
- বাংলাদেশের সামগ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ প্রতিরোধে পরিবেশ অধিদপ্তর জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সহযোগিতার মাধ্যমে পরিবেশ বান্ধব প্রকল্প/কারখানা/শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছে।
- অন্যদিকে পরিবেশ দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
- ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ক্ষুদ্র, মাঝারি কিংবা বৃহৎ সব ধরনের ব্যবসায় কিংবা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করতে গেলে এই ছাড়পত্র অত্যাবশ্যক। 
- পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদানের উদ্দেশ্যে পরিবেশের উপর প্রভাব বিস্তার এবং অবস্থান অনুযায়ী শিল্প প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পসমূহ চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত:
ক) সবুজ।
খ) কমলা-ক।
গ) কমলা-খ।
ঘ) লাল।

উৎস: পরিবেশগত-ছাড়পত্রের-জন্য-প্রয়োজনীয়-কাগজপত্র, doe.gov.bd.
১১,৬৬০.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১১৮নং
  2. ১১৭নং
  3. ১২০নং
  4. ১১৪নং
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের কথা উল্লেখ আছে।

বিচারবিভাগ:

- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বিচারবিভাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ষষ্ঠ ভাগে মোট ৩টি পরিচ্ছদ রয়েছে।
- যথা:
১ম পরিচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্ট [অনুচ্ছেদ: ৯৪ - ১১৩];
২য় পরিচ্ছেদ: অধস্তন আদালত [অনুচ্ছেদ: ১১৪ থেকে ১১৬];
৩য় পরিচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল [অনুচ্ছেদ: ১১৭]।

অন্যদিকে,
- ১১৪ নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত প্রতিষ্ঠা।
- ১১৮ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- ১২০ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৬৬১.
বাংলা ভাগের জন্য সীমানা নির্ধারণ কমিশনের প্রধান ছিলেন -
  1. ক) সি.সি. বিশ্বাস
  2. খ) এস.এ. রহমান
  3. গ) আবু সালেহ মোহাম্মদ আকরাম
  4. ঘ) সিরিল রেডক্লিফ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিরিল রেডক্লিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিরিল রেডক্লিফ
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৭ সালের ৩০ জুন পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের সীমানা নির্ধারণের জন্যে বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন গঠিত হয়। এই কমিশনের সদস্য ছিলো পাঁচজন। এরা হলেন-
- সিরিল রেডক্লিফ (চেয়ারম্যান)
- বিচারপতি বিজন কুমার মুখার্জী
- বিচারপতি সি.সি. বিশ্বাস
- বিচারপতি আবু সালেহ মোহাম্মদ আকরাম
- বিচারপতি এস.এ. রহমান।

• কমিশনের চেয়ারম্যান সিরিল র‌্যাডক্লিফের নামানুসারে এই কমিশন রেডক্লিফ কমিশন নামে অধিক পরিচিত।
১২ আগস্ট ১৯৪৭ রেডক্লিফ কমিশন ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার উপর গুরুত্ব প্রদান করে তাদের প্রস্তুতকৃত রিপোর্ট প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড।
১১,৬৬২.
How many seats were secured by Juktofront in 1954?
  1. 167
  2. 213
  3. 223
  4. 309
সঠিক উত্তর:
223
উত্তর
সঠিক উত্তর:
223
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে মূলত ৪টি দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'হারিকেন'।
- নির্বাচনে মোট আসন ছিল ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৬৩.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৪৪২৭ কি.মি.
  2. খ) ২৭১১ কি.মি.
  3. গ) ৫১৩৮ কি.মি.
  4. ঘ) ৪১৫৬ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪১৫৬ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪১৫৬ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট ৫১৩৮ কিলোমিটার সীমারেখা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট স্থলসীমা ৪৪২৭ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমানা ২৭১ কিলোমিটার (২৮০ কিলোমিটার মাধ্যমিক ভূগোল)।
- বাংলাদেশের উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ ও ভারতের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার।

উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
১১,৬৬৪.
মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টরের হেডকোয়ার্টার কোথায় ছিল? 
  1. তিনকোনা
  2. আগরতলা
  3. করিমগঞ্জ
  4. হরিনা
সঠিক উত্তর:
হরিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিনা
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল- হরিনা।

• ১নং সেক্টর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে।
- এই সেক্টরে প্রায় দশ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করেন।
- সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
- এদের মধ্যে ছিলেন ই.পি.আর, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রায় দুই হাজার নিয়মিত সৈন্য এবং গণবাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় আট হাজার।
- এই বাহিনীর গেরিলাদের ১৩৭টি গ্রুপে দেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১১,৬৬৫.
মুজিবনগর সরকারের অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী মন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  4. এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে এবং এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ-
রাষ্ট্রপতিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান;
উপরাষ্ট্রপতিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম;
প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীঃ তাজউদ্দীন আহমদ;
অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীঃ এম মনসুর আলী;
স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীঃ এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান,
পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ;
প্রধান সেনাপতিঃ কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী;
চিফ অব স্টাফঃ কর্নেল (অব.) আব্দুর রব এবং
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এবং বিমান বাহিনীর প্রধানঃ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১১,৬৬৬.
বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে কয়টি সংস্থা/কর্পোরেশন রয়েছে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
ক) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বোর্ডঃ ১টি
- বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড
উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১১,৬৬৭.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য শুরু হয় কোথায়?
  1. লাহোর সুপ্রিম কোর্ট
  2. ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  3. ঢাকা দায়রা জজ আদালত
  4. ইসলামাবাদ হাইকোর্ট
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”।
- তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া। 
১১,৬৬৮.
How many people are awarded Ekushey Padak 2025?
  1. 15
  2. 17
  3. 19
  4. 21
  5. 23
সঠিক উত্তর:
17
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পাচ্ছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ ব্যক্তিত্ব ও ১ প্রতিষ্ঠান।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৭ নাগরিককে একুশে পদক ২০২৫ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- এ বছর ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।
১১,৬৬৯.
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানকে সাহায্য করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরের দিকে কোন নৌবহর প্রেরণ করে?
  1. ৮ম নৌবহর
  2. ৬ষ্ঠ নৌবহর
  3. ৫ম নৌবহর
  4. ৭ম নৌবহর
সঠিক উত্তর:
৭ম নৌবহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম নৌবহর
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানকে সাহায্য করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরের দিকে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।

মুক্তিযুদ্ধে ভেটো প্রদান:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। 
- বর্তমানে সোভিয়েত ইউনিয়ন নাম রাশিয়া।
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো দেয় রাশিয়া।
- যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে।
- এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিন বার ই ভেটো দেয়।

উল্লেখ্য, 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।
- তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র তখন বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল তখন ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।

উৎস: ¡)বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ¡¡)প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১১,৬৭০.
'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের কাহিনী ও চিত্রনাট্য রচনা করেছেন কে?
  1. মিশুক মুনীর
  2. তারেক মাসুদ
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা
মাটির ময়না:
- মাটির ময়না বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত একটি বাংলাদেশী ফিচার চলচ্চিত্র।
- এটি ২০০২ সালে বাংলাদেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পায়।
- 'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের কাহিনী ও চিত্রনাট্য রচনা এবং পরিচালনা করেছেন তারেক মাসুদ।
- চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে মাসুদের ছেলেবেলার অভিজ্ঞতা ফুটে উঠেছে।
- এই চলচ্চিত্রের মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নুরুল ইসলাম বাবলু, রাসেল ফরাজী, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, রোকেয়া প্রাচী, শোয়েব ইসলাম এবং লামিসা আর রিমঝিম।
- ২০০২ সালের ১৫ মে ৫৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে চলচ্চিত্রটির আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সময় নিউজ, ১৩ এপ্রিল ২০২২।
১১,৬৭১.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কোথায় অবস্থিত?
  1. সোনারগাঁও
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. ঢাকা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন
ii) বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন
১১,৬৭২.
জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. সীতাকুণ্ড
  2. মীরসরাই
  3. আনােয়ারা
  4. আড়াইহাজার
সঠিক উত্তর:
আড়াইহাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আড়াইহাজার
ব্যাখ্যা
SEZ:
- SEZ-এর পূর্ণরূপ: Special Economic Zone.
- এসইজেড (SEZ) একটি বিশেষ ভৌগলিক অঞ্চল যা শুল্কমুক্ত ছিটমহল হিসাবে বিবেচিত হয়।
- ​​বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ইপিজেড বা স্পেশাল ইকোনমিক জোন (Special Economic Zone) বা এসইজেড (SEZ) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‌
- যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক মানের আর্থিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এস ই জেডের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, যা জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল নামেও পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণ করা হচ্ছে।
- ১,০০০ একর জমিতে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ করা হচ্ছে।

উৎস: i) BSEZ ওয়েবসাইট।
ii) The Business Standard.
১১,৬৭৩.
পাংখোয়া সমাজে সবচেয়ে বড় উৎসব হিসেবে বিবেচিত পূজা কোনটি?
  1. পত্যেন পূজা
  2. খোজিং পূজা
  3. লুসেই পূজা
  4. পুথিয়ান পূজা
সঠিক উত্তর:
খোজিং পূজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খোজিং পূজা
ব্যাখ্যা

⇒ পাংখোয়া সমাজে সবচেয়ে বড় উৎসব হিসেবে বিবেচিত খোজিং পূজা।

পাংখোয়া:
- পাংখোয়া বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাংখোয়া অন্যতম।
- পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী নিজেদের ধর্মবিশ্বাসে বৌদ্ধ।
- প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত।
- তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’।
- তাদের প্রধান উপাস্য দেবতার নাম ‘খোজিং’।
- খোজিং পূজা শ্রাবণ মাসে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
- এই পূজা পাংখোয়া সমাজে সবচেয়ে বড় উৎসব হিসেবে বিবেচিত হয়।
- পাংখোয়া সমাজে পিতাই পরিবারের প্রধান।
- পিতার মৃত্যুর পর পুত্রসন্তানরা পারিবারিক বিষয়-আশয়ের উত্তরাধিকারী হয়ে থাকে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী দুটো গোত্রে বিভক্ত পাংখোয়া ও ভানজাঙ।
- ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান ও পূজাপার্বণ নিয়ে পাংখোয়াদের নিজস্ব সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠীতেই মৃতদেহ কবর দেওয়ার রীতি প্রচলিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১১,৬৭৪.
সংসদ কর্তৃক গৃহীত কোন বিলে কে সম্মতি দান করলে বিলটি আইনে পরিণত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. ডেপুটি স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদ: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি অনুসারে, সংসদ কর্তৃক প্রেরিত বিলে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি দিবেন অথবা সংসদের বিবেচনার জন্য পাঠাবেন।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হলে তা আইনে পরিণত হবে এবং সংসদের আইন বলে অভিহিত হবে।

উল্লেখ্য,
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলে সম্মতির জন্য তাঁর নিকট প্রেরণ করা হয়।
- ১৫ দিনের মধ্যে তিনি ঐ বিলে সম্মতি দিয়ে থাকেন।
- ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি না দিলে এ বিলে তাঁর সম্মতি রয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়।
- রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তা পুনর্বিবেচনা করবে; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করলে সম্মতির জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের ৭ দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করলে বা তিনি সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হলে তা আইনে পরিণত হবে এবং সংসদের আইন বলে অভিহিত হবে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,৬৭৫.
সুন্দরবনে বাঘ গনণায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ফুটমার্ক
  2. ক্যামেরা ট্র্যাপিং
  3. স্পিড মার্ক
  4. কোয়ার্ড ট্র্যাপিং
সঠিক উত্তর:
ক্যামেরা ট্র্যাপিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যামেরা ট্র্যাপিং
ব্যাখ্যা
বাঘ গণনা:
- ২০২২ সালে সুন্দরবনের বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হচ্ছে ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতি
- এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ কোটি ৯৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এর আওতায় সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণ ও সুরক্ষার কাজও করা হবে।
- এর মধ্যে ৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা খরচ করা হবে বাঘ গণনায়। প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত।
- বন বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করে ২০২৪ সালে বাঘ গণনার তথ্য প্রকাশ করা হবে।
- ২০১৮ সালের জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের সুন্দরবনে বাঘ রয়েছে ১১৪টি।
- ২০১৫ সালের জরিপে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল ১০৬টি।
 
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১১,৬৭৬.
জেন-জি নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের পর বিশ্বে প্রথম নির্বাচন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?  [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. নেপাল
  2. শ্রীলংকা
  3. বাংলাদেশ
  4. মরক্কো
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

- জেন-জি নেতৃত্বাধীন ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সময়: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।
- এবার জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে ২ হাজারের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন; তাদের মধ্যে অনেকেই স্বতন্ত্র।
- একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় একটি আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।
- নির্বাচনে অংশ নিয়েছে  অন্তত ৫১টি দল; যা জাতীয় রেকর্ড।

উৎস: পত্রিকার নিউজ।লিঙ্ক

১১,৬৭৭.
ভারতীয় উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কে?
  1. কর্নওয়ালিস
  2. রবার্ট ক্লাইভ
  3. কার্টিয়ার
  4. ওয়াটসন
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা

রবার্ট ক্লাইভ:
- উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট ক্লাইভ।
- উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাসে রবার্ট ক্লাইভের স্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
- তরুণ বয়সে মাদ্রাজে (বর্তমান চেন্নাই) ঈস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চাকুরী গ্রহণ করে স্বীয় কর্ম প্রচেষ্টার দ্বারা উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন।
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে রবার্ট ক্লাইভ সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষর করলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করে।
- রবার্ট ক্লাইভের চারিত্রিক দোষ থাকা সত্বেও উপমহাদেশে ইংরেজ শক্তির গোড়াপত্তনে তাঁর অবদান অস্বীকার করা যায় না।
- উপমহাদেশের ইতিহাসে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের স্থপতি ও প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে লর্ড ক্লাইভের নাম অবিস্মরণীয়।
- কেননা প্রথম পর্যায়ে তিনি দাক্ষিণাত্যে কোম্পানিকে রক্ষা করেন।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে তিনি বাংলা জয় করেন। তৃতীয় পর্যায়ে তিনি নবাব ও সম্রাটকে নিয়ন্ত্রণ করে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী হন এবং ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৭৮.
বাংলাদেশের একমাত্র 'সোয়াম্প ফরেস্ট' কোথায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. খুলনা
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট:
- রাতারগুল জলাবন বা রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট এবং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য।
- সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত।
- বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর।
- বনের ৫০৪ একরকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- সারা পৃথিবীতে স্বাদুপানির জলাবন আছে মাত্র ২২টি। 
- ভারতীয় উপমহাদেশে আছে দুটি।
- একটি শ্রীলংকায়, আরেকটি বাংলাদেশের রাতারগুল। 
- সুন্দর বিশাল এ বনের তুলনা চলে একমাত্র আমাজনের সঙ্গে। 
- আমাজনের মতো এখানকার গাছ বছরে ৪ থেকে ৭ মাস পানির নিচে থাকে।
- এই বন মূলত প্রাকৃতিক বন হলেও পরবর্তিতে বাংলাদেশ বন বিভাগ, বেত, কদম, হিজল, মুর্তাসহ নানা জাতের জলসহিষ্ণু গাছ লাগিয়েছে। 
- এছাড়া জলমগ্ন এই বনে রয়েছে হিজল, করচ আর বরুণ গাছ, আছে পিঠালি, অর্জুন, ছাতিম, গুটি জাম, আছে বট গাছও।
- এই বনে সাপের আবাস অনেক বেশি।
- এছাড়া রয়েছে বানর, গুঁইসাপ, সাদা বক, কানা বক, মাছরাঙ্গা, টিয়া, বুলবুলি, পানকৌড়ি, ঢুপি, ঘুঘু, চিল এবং বাজপাখি।
 
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৬৭৯.
কোন দুটি দেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রয়েছে?
  1. ক) কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) বাংলাদেশ ও কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত
  4. ঘ) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর দুটি দেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রয়েছে। একটি বাংলাদেশ এবং অপরটি যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৭৭৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন জর্জ ওয়াশিংটন।
১১,৬৮০.
পাট কোন দেশের প্রধান শিল্প?
  1. ক) ভারত
  2. খ) মিশর
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - বাংলাদেশ।

•পাট:
- যেসব ফসল প্রধানত বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- পাট বাংলাদেশের দেশের প্রধান শিল্প।
- পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
- একক দ্রব্য হিসেবে পাট ও পাটজাত পণ্য দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি খাত।
- গত অর্থবছরে এ খাত থেকে প্রায় ৮২ কোটি মা. ডলার আয় হয়।
- বাংলাদেশের অন্যান্য অর্থকরী ফসলের মধ্যে রয়েছে চা, আখ, তামাক, তুলা, রাবার ইত্যাদি৷
- ধান আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, গ্লোবাল ট্রেড ও বাংলাদেশ পাট গবেষণা কেন্দ্র ওয়েবসাইট।
১১,৬৮১.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের কোন পদে নির্বাচিত হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. চেয়ারম্যান
  2. প্রেসিডেন্ট
  3. ভাইস প্রেসিডেন্ট
  4. সেক্রেটারি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
ভাইস প্রেসিডেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইস প্রেসিডেন্ট
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে- বাংলাদেশ।

- মানবাধিকার কাউন্সিলের কার্যালয়ে একজন প্রেসিডেন্ট এবং চারজন ভাইস প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘের পাঁচটি আঞ্চলিক গ্রুপের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেনেভায় জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মানবাধিকার কাউন্সিলের ব্যুরোতে কাজ করবেন।
- ২০০৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের এই মর্যাদাপূর্ণ মানবাধিকার সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- UNHRC জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের অফিস (UN Human Rights) মানবাধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা।
- মানবাধিকার পরিষদ ২০০৬ সালে রেজোলিউশন ৬০/২৫১ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহযোগী সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- এটি ১৯৪৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পরিচালিত প্রাক্তন মানবাধিকার কমিশনের স্থলাভিষিক্ত হয়।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার হাইকমিশনারের অফিস প্রতিষ্ঠা করে।

তথ্যসূত্র: UNHRC ওয়েবসাইট, প্রথম আলো নিউজ।
১১,৬৮২.
কোনটিকে সোনালি আঁশ বলা হয়?
  1. ক) রেশম
  2. খ) পাট
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) ইলিশ
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
ব্যাখ্যা
পাট কে সোনালি আঁশ বলা হয়। এটি দেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এক সময় দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী পণ্য ছিলো। এজন্যে পাট কে সোনালি আঁশ নামে ডাকা হয়। পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম এবং উৎপাদনে দ্বিতীয়।
(সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১১,৬৮৩.
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর স্লোগান কী?
  1. আকাশে শান্তির পায়রা
  2. আকাশে শান্তির ডানা
  3. বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত
  4. বাংলার আকাশে সদা জাগ্রত
সঠিক উত্তর:
বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত
ব্যাখ্যা

- ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর শ্লোগান।

• বাংলাদেশ বিমান বাহিনী: 

- ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।
- সচিবালয় থেকে ১৯৭২ সালে এ মন্ত্রণালয়টি হাইকোর্ট ভবনে এবং ১৯৯৩ সালে শের-ই-বাংলা নগরের গণভবন কমপ্লেক্সে বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে গঠিত হলেও বর্তমানে ২৫টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় পরিচালিত হচ্ছে।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।
- দেশের আকাশসীমা রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে কিলো ফ্লাইট গঠনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।
- ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর শ্লোগান।
- বর্তমান বিমান বাহিনীর প্রধান Hasan Mahmood Khan.

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

১১,৬৮৪.
রাষ্ট্রপতির 'ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার' সংবিধানের কততম অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ৫০
  2. খ) অনুচ্ছেদ ৫২
  3. গ) অনুচ্ছেদ ৪৮
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ৪৯
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুচ্ছেদ ৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুচ্ছেদ ৪৯
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৪৯ : ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করার এবং যেকোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকবে।

অন্যদিকে, 
অনুচ্ছেদ ৫০:রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৪৮ : রাষ্ট্রপতি।
অনুচ্ছেদ ৫২ : রাষ্ট্রপতির অভিশংসন। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।  
১১,৬৮৫.
'লাইন অব ক্রেডিট' বলতে বোঝায় -
  1. ঋণের সীমা
  2. দুই দেশের সীমানা
  3. আমদানি-রপ্তানি
  4. সম্পদ হ্রাস
সঠিক উত্তর:
ঋণের সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণের সীমা
ব্যাখ্যা
লাইন অব ক্রেডিট:
- একটি লাইন অফ ক্রেডিট হল একটি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে একটি নমনীয় ঋণ বা ঋণের সীমা।
- একটি ঋণের সীমা হলো সেই সর্বোচ্চ পরিমাণ যা চলমান ভিত্তিতে একজন গ্রাহক একটি ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারে।

উল্লেখ্য,
- ভারতের সঙ্গে ২০১০ সালের আগস্ট মাসে বাংলাদেশের প্রথম ঋণচুক্তি হয়, যা প্রথম লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) নামে পরিচিত।
- এই এলওসির পরিমাণ ছিল ৮৬ কোটি মার্কিন ডলার।
- এ ছাড়া ২০১৬ সালে ২০০ কোটি ডলার ও ২০১৭ সালে ৪৫০ কোটি ডলারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় এলওসি তথা ঋণচুক্তি হয়।
- তিন এলওসি মিলিয়ে বাংলাদেশকে ৭৩৬ কোটি ডলার ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয় ভারত।
- তিনটি এলওসিতে ৪০টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে ১৫টি শেষ হয়েছে, চলমান আটটি।
- বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন।

উৎস: i) Investopedia.
         ii) ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো।
১১,৬৮৬.
বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ক) ৬ (ছয়) টি
  2. খ) ৭ (সাত) টি
  3. গ) ৮ (আট) টি
  4. ঘ) ৯ (নয়) টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ (আট) টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ (আট) টি
ব্যাখ্যা
• পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
-  পাকিস্তান থাকাকালীন সর্বপ্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৫৫ - ৬০ সাল।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
১১,৬৮৭.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থায় বেসিক ডেমোক্র্যাট কত ছিল?
  1. মোট ৫০ হাজার
  2. মোট ৬০ হাজার
  3. মোট ৭০ হাজার
  4. মোট ৮০ হাজার
সঠিক উত্তর:
মোট ৮০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট ৮০ হাজার
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্রের স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

• ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৮৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারকারীর হার কত?
  1. ক) ৭২.৪ শতাংশ
  2. খ) ৭৭.১ শতাংশ
  3. গ) ৮১.৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৮৯.৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৮১.৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮১.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে দেশে,
- স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারকারী : ৮১.৫ শতাংশ
- সুপেয় পানি গ্রহণকারী : ৯৮.১ শতাংশ
- ডাক্তার ও জনসংখ্যার অনুপাত – ১:১৭২৪।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
১১,৬৮৯.
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি):
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে গঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তম হল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
- তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন জাতীয়তাবাদী শরিক দল সমন্বয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন।
- ঢাকার রমনা গ্রীনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
- বিএনপি'র দলীয় সংবিধান অনুযায়ী তাদের রাজনীতির মূলনীতি হল- সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র (অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার অর্থে)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৯০.
শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত। এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৯১.
সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নিচের কোনটির কথা বলা হয়েছে?
  1. মৌলিক অধিকার
  2. নির্বাচন
  3. বিচার বিভাগ
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১১,৬৯২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ১২০নং
  2. খ) ১২১নং
  3. গ) ১২২নং
  4. ঘ) ১২৩নং
সঠিক উত্তর:
খ) ১২১নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২১নং
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ১২১ : প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা
সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার জন্য একটি করে ভোটার-তালিকা থাকবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করে কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাবে না।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
১১,৬৯৩.
'বাহাদুর শাহ পার্ক' নিচের কোন ঘটনার স্মৃতি বহন করে?
  1. আলীগড় আন্দোলন
  2. সিপাহি বিদ্রোহ
  3. নীল বিদ্রোহ
  4. ভারত ছাড় আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
সিপাহি বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহি বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ পার্ক:
- বাহাদুর শাহ পার্ক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত।
- ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে এই স্থানের নামকরণ হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’।
- পার্কটি আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে।
- তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে।
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।
- সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য।
- তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৬৯৪.
’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৬
  2. অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
  3. অনুচ্ছেদ-৩৯(১)
  4. অনুচ্ছেদ-৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
ব্যাখ্যা

 - ’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান: 

- অনুচ্ছেদ:৩৯:  চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- ৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

• ৩৯।(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
- (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ: ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
- অনুচ্ছেদ: ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১১,৬৯৫.
কোন খাত থেকে বাংলাদেশ সরকার সবচেয়ে বেশি আয় করে?
  1. আয়কর
  2. সম্পূরক শুল্ক
  3. মূল্য সংযোজন কর
  4. আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ (২০২১-২০২২ অর্থবছর):
- প্রথম : মূ্ল্য সংযোজন কর (৩৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : আয়কর (৩১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (১৬.৫ শতাংশ)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (১১.৫ শতাংশ)
- অন্যান্য : ১.৫ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)
১১,৬৯৬.
হিন্দু ও মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচনের বিধান কোন আইনে করা হয়েছিল?
  1. মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন-১৯০৯
  2. মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার আইন, ১৯১৯
  3. বেঙ্গল প্যাক্ট, ১৯২২
  4. ভারত শাসন আইন, ১৯৩৫
সঠিক উত্তর:
মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন-১৯০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন-১৯০৯
ব্যাখ্যা
মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন-১৯০৯:
- ভারতবর্ষের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে ১৯০৯ সালের ভারত শাসন আইন যা মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন নামে পরিচিত।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ক্রমাগত ভারতীয়দের প্রতিনিধিত্ব বিধানের দাবি উত্থাপন করতে থাকে। কংগ্রেসের নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলন জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনার উম্মেষ ঘটায়।
- অন্যদিকে, ভারতের মুসলমান সম্প্রদায়ও রাজনৈতিকভাবে নিজেদের সংগঠিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠা করে 'নিখিল ভারত মুসলিম লীগ'। এমনই এক পটভূমিতে ব্রিটিশ সরকারের ভারত সচিব লর্ড মর্লি এবং ভাইসরয় লর্ড মিন্টোর উদ্যোগে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৯০৯ সালের মর্লি-মিন্টো আইন পাশ হয়।

⇒ মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. এ আইন দ্বারা কেন্দ্রীয় আইনসভার সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়। গভর্ণর জেনারেল ও তাঁর নির্বাহী পরিষদের ৭ জন সদস্য ছাড়াও সর্বাধিক ৬০ জন অতিরিক্ত সদস্য এতে অন্তর্ভুক্ত হন।
২. প্রাদেশিক আইনসভাসমূহেরও সম্প্রসারণ করা হয়। বড় প্রদেশের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ৫০ জন এবং ছোট প্রদেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০ জন সদস্য থাকার বিধান করা হয়।
৩. এ আইন দ্বারা কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক উভয় আইনসভার ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়। সদস্যরা বাজেট বা অর্থ বিল নিয়ে আলোচনা করার অধিকার লাভ করে।
৪. এ আইনে মুসলমান সম্প্রদায়ের দাবী অনুযায়ী তাদের জন্য 'পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা' প্রবর্তন করা হয়।
৫. কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন সভাগুলোতে নির্বাচনের মাধ্যমে ভারতীয় বেসরকারি সদস্যগণ নির্বাচনের বিধান করা হয়। তবে অধিকাংশ সদস্যই নির্বাচিত হতেন পরোক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে।
৬. এই প্রথমবার প্রাদেশিক আইনসভাসমূহে সরকারি সদস্যদের স্থলে বেসরকারি সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা হয়।
৭. এ আইনের মাধ্যমে প্রথমবারের মত গভর্ণর জেনারেল ও গভর্ণরের নির্বাহী পরিষদে ভারতীয়দের অন্তর্ভুক্ত করার বিধান করা হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৯৭.
‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’ চলচ্চিত্রটির নির্মাতা কে?
  1. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
  2. তারেক মাসুদ
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. মান্নান হীরা
সঠিক উত্তর:
মান্নান হীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মান্নান হীরা
ব্যাখ্যা

একাত্তরের ক্ষুদিরাম:
- ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’ চলচ্চিত্রটির নির্মাতা মান্নান হীরা। 

⇒ মান্নান হীরা রচিত ও পরিচালিত শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’। 
- মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে নির্মিত এই পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্র।
- এতে অভিনয় করবেন মামুনুর রশীদ, ফজলুর রহমান বাবু, ড. ইনামুল হক, মোমেনা চৌধুরী, ছবি, ফিরোজ আল মামুন, সাজু প্রমুখ। শিশু শিল্পী চরিত্রে অভিনয় করবেন স্বচ্ছ, রুদ্র, শাকিল, অন্তরা, মধুমনি প্রমুখ।
- ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে সরকারি অনুদানে চলচ্চিত্রটির নির্মাণ শুরু হয়। 

উৎস: প্রথম আলো।

১১,৬৯৮.
বাংলাদেশ সরকার ADP ঘোষণা করে কত বছরের কর্মসূচি হিসেবে?
  1. ক) ২ বছর
  2. খ) ১ বছর
  3. গ) ৩ বছর
  4. ঘ) ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ বছর
ব্যাখ্যা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি): কোন একটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রক্ষেপিত সরকারি খাতের উন্নয়ন নীতিমালা,  কর্মসূচি, বিনিয়োগ এবং লক্ষ্যমাত্রাসমূহ পরিচালনা ও অর্জনের জন্য ঐ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কোন একটি নির্দিষ্ট বছরে বাস্তবায়নযোগ্য বিভিন্ন খাতের প্রকল্পসমূহের তালিকা এবং তাদের জন্য আর্থিক বরাদ্দসহ প্রণীত কর্মসূচি।
• প্রচলিত নিয়মানুযায়ী প্রতিটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে লক্ষ্য অর্জনের সুবিধার্থে পাঁচটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিভক্ত করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১১,৬৯৯.
'পাঙন' উপজাতির মূল বসবাস কোথায়?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
খ) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র মুসলিম উপজাতি গোষ্ঠী পাঙন।
- এদের বসবাস মৌলভীবাজার জেলায়।
উৎসঃ মৌলভীবাজার জেলার ওয়েবসাইট।
১১,৭০০.
পূর্ববঙ্গ জমিদারি প্রথা কবে উচ্ছেদ করা হয়?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
পূর্ববঙ্গ জমিদারি প্রথা ১৯৫০ সালে উচ্ছেদ করা হয়।

পূর্ববঙ্গ জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ ১৯৫০:

- ১৯৩৯ সালে ফ্রান্সিস ফ্লাউড-কে চেয়ারম্যান করে ভূমি রাজস্ব কমিশন নিয়োগ দেওয়া হয়।
- রাজস্ব আয়কারী সকল সম্পত্তি সরকার কর্তৃক হুকুমদখলের সুপারিশসহ এই কমিশন ১৯৪০ সালে তার প্রতিবেদন পেশ করে।
- দেশ বিভাগের পর পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব বিল প্রণয়ন করে ১৯৪৮ সালের ৩১ মার্চ তা প্রকাশ করা হয়।
- এই কমিশনের সুপারিশমালার ওপর ভিত্তি করেই পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ পাশ হয়।
- তারপর এই বিলটিকে আইন পরিষদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।
- এই পরিপ্রেক্ষিতে বিলটি পাস হওয়ার পর ১৬ মে ১৯৫১ সালে বিলে প্রয়োজনীয় অনুমোদনমূলক সম্মতি পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
- ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস ‘পাঁচসালা বন্দোবস্ত এবং ‘একসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।
- কিন্তু এ দুটি বন্দোবস্ত রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়নি।
- এমতাবস্থায় গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে ১৭৯৩ সালে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন।
- ইতিহাসে এটি ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' নামে পরিচিত।
- এটি ছিল ইংরেজদের একটি সাম্রাজ্যবাদী বিধিব্যবস্থা।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
⇒ ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।