বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১১৬ / ৩০৬ · ১১,৫০১১১,৬০০ / ৩০,৮৩২

১১,৫০১.
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (TI) কর্তৃক প্রকাশিত দুর্নীতি সূচক ২০২৪ অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ১৪৫ তম
  2. ১৪৭ তম
  3. ১৪৯ তম
  4. ১৫২ তম
সঠিক উত্তর:
১৪৯ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯ তম
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি সূচক ২০২৪:
- ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে জার্মানির বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (TI) কর্তৃক প্রকাশিত দুর্নীতি সূচক প্রকাশ করে।
- বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯ তম।

কম দুর্নীতির দেশ:
• প্রথম - ডেনমার্ক।
• দ্বিতীয় - ফিনল্যান্ড।
• তৃতীয় - নিউজিল্যান্ড।

সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির দেশ:
• প্রথম - সোমালিয়া।
• দ্বিতীয় - ভেনেজুয়েলা, সিরিয়া ও দক্ষিণ সুদান।
• তৃতীয় - ইয়েমেন।

তথ্যসূত্র - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট।
১১,৫০২.
'ঢাকা গেট' কে নির্মাণ করেন?
  1. শায়েস্তা খান
  2. মীর জুমলা
  3. ইসলাম খান
  4. আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা
ব্যাখ্যা
• 'ঢাকা গেট' 
- মীর জুমলার গেট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার একটি ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এই গেটটি ঢাকা গেট, ময়মনসিংহ গেট নামেও পরিচিত।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার কার্জন হল ছাড়িয়ে দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির পথে নজরে আসে হলুদ রঙের মীর জুমলার তোরণ। এ গেটের তিনটি অংশের একটি রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবায়নযোগ্য শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের দিকে, মাঝখানের অংশ পড়েছে রোড ডিভাইডারের মাঝে এবং অপর অংশটি রয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে তিন নেতার সমাধিসৌধের পাশে।
- মোগল আমলে বুড়িগঙ্গা নদী হয়ে ঢাকায় ঢোকার প্রবেশমুখ ছিল এ তোরণ। বলা হতো মীর জুমলার গেট। পরে কখনো ময়মনসিংহ গেট, কখনো ঢাকা গেট, কখনো রমনা গেট।
- মুগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে বাংলার সুবাদার মীর জুমলা  ঢাকার সীমানা চিহ্নিত করার পাশাপাশি শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ১৬৬০ সালের দিকে নির্মাণ করেছিলেন এই গেটটি।

উৎস: প্রথম আলো।
১১,৫০৩.
'বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নবম নিরাপত্তা সংলাপ' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. নয়াদিল্লি
  2. কুয়ালালামপুর
  3. ওয়াশিংটন ডি.সি.
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা সংলাপ:
- বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নবম নিরাপত্তা সংলাপ ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩-এ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। 
- এতে বেসামরিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার, প্রতিরক্ষা, সন্ত্রাসবাদ দমন ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহায়তার বিষয়টি স্থান পায়।
- একই সঙ্গে অবাধ, উন্মুক্ত ও নিরাপদ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠা নিয়ে দুই দেশের বেসামরিক পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।
- বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক খন্দকার মাসুদুল আলম।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিল দেশটির রাজনৈতিক সামরিক বিষয়ক দপ্তরের উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিরা রেজনিক। 
- যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের নিরাপত্তাবিষয়ক অংশীদারত্ব অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দুটি দেশের স্বার্থ অভিন্ন। 

উৎস: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
১১,৫০৪.
অন্ধকূপ হত্যার কাহিনী মূলত কার বিবরণের ওপর ভিত্তি করে রচিত?
  1. রবার্ট ক্লাইভ
  2. সিরাজউদ্দৌলা
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. জে.জেড. হলওয়েল
সঠিক উত্তর:
জে.জেড. হলওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জে.জেড. হলওয়েল
ব্যাখ্যা

অন্ধকূপ হত্যা:
- অন্ধকূপ হত্যার কাহিনী মূলত ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারী ও কলকাতা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত সেনাপতি জে.জেড. হলওয়েলের বিবরণের ওপর ভিত্তি করে রচিত।

উলেখ্য,
- অন্ধকূপ হত্যা ১৭৫৬ সালের ২০ জুন বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা কর্তৃক কলকাতা দখলের সময় সংঘটিত হওয়া কথিত ঘটনা।
- নবাব কর্তৃক ১৭৫৬ সালে জুন মাসে কলকাতার ইংরেজ দুর্গ দখলের পর ১৪৬ জন ইংরেজ বন্দিকে অবিশ্বাস্য রকম ক্ষুদ্র একটি কক্ষে আবদ্ধ রেখে হত্যা করা হয় বলে এই উপাখ্যানে দাবি করা হয়।

⇒ ১৭৫৬ সালে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কর্তৃক কলকাতা দখলের পর, হলওয়েল দাবি করেন যে, ১৪৬ জন ইংরেজ বন্দিকে একটি ছোট ঘরে আটকে রাখায় শ্বাসরোধ হয়ে ১২৩ জন মারা গেছেন ।
- জীবিতদের মধ্যে একজন ছিলেন হলওয়েল। তিনি এই শোকাবহ ঘটনার বিস্তৃত বর্ণনা দেন এবং এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার জন্য নবাবকে দায়ী করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫০৫.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরপ্রতীক খেতাব দেওয়া হয়?
  1. ৬৮
  2. ৪২৬
  3. ১৭৫
  4. ৪২৪
সঠিক উত্তর:
৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা যুদ্ধে খেতাব:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ৪৩ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরত্বসূচক খেতাবের জন্য নির্বাচন করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৬ মার্চ পূর্বের ৪৩ জনসহ মোট ৫৪৬ জন মুক্তিযোদ্ধা খেতাবের জন্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়। যথা:

• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১১,৫০৬.
ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের সময় “সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” গঠিত হয়েছিলো কত তারিখে?
  1. ক) ১৯৬৯ সালে ২ জানুয়ারি
  2. খ) ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
  3. গ) ১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি
  5. ঙ) ১৯৬৯ সালের ৩১ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ও ডাকসুর নেতৃবৃন্দ মিলে ‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করেন। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার সাথে মিলিয়ে আরও কয়েকটি দাবি নিয়ে ১১দফা দাবি পেশ করে। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়। ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের ৮টি রাজনৈতিক দল মিলে ‘গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ’ (ডাক) নামক একটি মোর্চা গঠন করে ৮ দফা দাবি পেশ করে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস -২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)
১১,৫০৭.
বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেট রিপোর্ট- ২০২৫ অনুসারে, গত ৫ বছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ কত শতাংশ বেড়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ২২ শতাংশ
  2. ৩২ শতাংশ
  3. ৪২ শতাংশ
  4. ৫২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৪২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ:
- বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেট রিপোর্ট ২০২৫ অনুসারে, গত ৫ বছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৪২ শতাংশ।
- পাঁচ বছরে আগে অর্থাৎ ২০২০ সালে এর পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ৩৫৫ কোটি ডলার।
- ২০২৪ সাল শেষে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ১০ হাজার ৪৪৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। 
- এই হিসাব সরকারি ও বেসরকারি- দুই ধরনের ঋণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করেছে বিশ্বব্যাংক।
- এছাড়া, বৈদেশিক ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের পরিমাণ গত পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ঋণ পায়।
- মোট ঋণের প্রায় ২৬ শতাংশই বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে পেয়েছে বাংলাদেশ।
- এরপর আছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাপান।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [link]

১১,৫০৮.
মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত সামাজিক ব্যবসার মূল লক্ষ্য কী?
  1. ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জন
  2. সামাজিক সমস্যার সমাধান
  3. বৈশ্বিক বাজার দখল
  4. প্রযুক্তি উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
সামাজিক সমস্যার সমাধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক সমস্যার সমাধান
ব্যাখ্যা
সামাজিক ব্যবসা: 
- মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত সামাজিক ব্যবসা হলো একটি নতুন ব্যবসার ধারণা, যেখানে মূল লক্ষ্য মুনাফা নয়, বরং সামাজিক সমস্যার সমাধান।
- এ ধরনের ব্যবসা মুনাফা অর্জন করে, কিন্তু মালিক সেই মুনাফা গ্রহণ করে না; বরং বিনিয়োগ ফেরত পেলে বাকি মুনাফা ব্যবহার হয় সামাজিক কল্যাণে।
- সামাজিক ব্যবসা প্রচলিত পুঁজিবাদের একমাত্র মুনাফাকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করে।
- এটি মানবপ্রকৃতির নিঃস্বার্থ দিকটিকে সামনে এনে সমস্যার টেকসই সমাধানের পথ তৈরি করে।
- বিশ্বজুড়ে সামাজিক ব্যবসার প্রসার ঘটছে, যেমন: বাংলাদেশ, চীন, জার্মানি, ভারতসহ বহু দেশে।
- ইউনূস সেন্টার ‘সোশ্যাল বিজনেস ডিজাইন ল্যাব’ আয়োজনের মাধ্যমে সামাজিক ব্যবসার প্রকল্প তৈরি ও বাস্তবায়নে কাজ করছে।
- ড. ইউনূস বলেন, ক্ষুদ্রঋণ নিজেই একটি সামাজিক ব্যবসা। তিনি বিশ্বাস করেন, সফল সামাজিক ব্যবসা টিকে থাকবে এবং ভবিষ্যতে এর প্রসার ঘটবে।
- ড. ইউনূসের মতে, সামাজিক ব্যবসা এমন একটি মডেল যেখানে ব্যবসা লোকসান ছাড়াই মুনাফা অর্জন করে, তবে সেই মুনাফা সমাজের উন্নয়নে ব্যয় হয়।
- উদাহরণ: গ্রামীণ ড্যানোন—ফরাসি প্রতিষ্ঠান ড্যানোনের সঙ্গে গ্রামীনের যৌথ উদ্যোগ। এটি গ্রামের দুগ্ধ খামারিদের কাছ থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে, গ্রামীণ নারীদের মাধ্যমে বাজারজাত করে এবং কম মূল্যে দই বিক্রি করে।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
- মূল লক্ষ্য: দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও অন্যান্য সামাজিক সমস্যা সমাধান।
- মুনাফার ব্যবহার: সেবার মান উন্নয়ন ও বিস্তারে।
- টেকসই পদ্ধতি: দানের পরিবর্তে পুনর্ব্যবহারযোগ্য বিনিয়োগ।

সামাজিক ব্যবসা দিবস উদযাপন: 
- ২৮ জুন ২০১১ তারিখে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ইউনূস সেন্টারের উদ্যোগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সামাজিক ব্যবসা দিবস পালিত হয়।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
প্রথম আলো।
১১,৫০৯.
সম্রাট আকবরের শাসনব্যবস্থার কোন দিকগুলো 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
  1. ক) সরকার ব্যবস্থা
  2. খ) বিভিন্ন প্রশাসনিক পদ
  3. গ) বহুবিধ প্রশাসনিক বিভাগ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
আইন-ই-আকবরী
• আইন-ই-আকবরী মুগল সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড।
• সুষ্ঠু প্রশাসন প্রবর্তন ও কার্যকর করার জন্য সম্রাট আকবর যে আইন ও নীতি প্রবর্তন করেন তা আইন-ই-আকবরীতে উল্লিখিত হয়েছে।
• এটি একটি প্রবিধানপূর্ণ প্রশাসনিক সারগ্রন্থ এবং একটি আধুনিক গেজেটিয়ার এর সমতুল্য।
• আকবরনামার অংশবিশেষ হলেও আইন-ই-আকবরী এককভাবেই এক পূর্ণাঙ্গ প্রন্থ।
• আইন-ই-আকবরীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সম্রাট আকবরের সরকার ব্যবস্থা, এর বহুবিধ প্রশাসনিক বিভাগ, বিভিন্ন প্রশাসনিক পদ প্রভৃতি।
• আইন-ই-আকবরীর আরেকটি তাৎপর্যতম অধ্যায় হল মুগল সাম্রাজ্যের ভৌগোলিক সমীক্ষা এবং বাংলাসহ প্রতিটি প্রদেশের পরিসংখ্যানগত বিবরণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১১,৫১০.
কোন মৌর্য সম্রাটের রাজত্বকালে প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য তার স্বাধীন সত্তা হারায়?
  1. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. সমুদ্র গুপ্ত
  3. সম্রাট অশোক
  4. বিন্দুসার
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
ব্যাখ্যা

পুন্ড্র:
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তীকালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুন্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫১১.
বর্তমান বরিশাল জেলা প্রাচীন কোন জনপদের অন্তর্গত ছিল?
  1. হরিকেল
  2. সমতট
  3. বরেন্দ্র
  4. চন্দ্রদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রদ্বীপ
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।
- চন্দ্রদ্বীপ নামের আগে এ অঞ্চলটির নাম ছিল ‘বাকলা’।
- চন্দ্রদ্বীপের রাজধানী ছিল কচুয়া।

অন্যদিকে -
• বঙ্গ জনপদ: বৃহত্তম ঢাকা ও ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, ফরিদপুর আগে বঙ্গ জনপদের অধীনে ছিল।
• বরেন্দ্র জনপদ: রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ, দার্জিলিং ও কোচবিহার এক সময় এ জনপদের আওতায় ছিল।
• পুণ্ড্র জনপদ: এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।
• গৌঢ় জনপদ: ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বর্ধমানের কিছু অংশ আগে গৌঢ়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
• সমতট জনপদ: বর্তমানের কুমিল্লা ও নোয়াখালী একসময় সমতট নামে পরিচিত ছিল।
• হরিকেল জনপদ: শ্রীহট্ট (সিলেট) থেকে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার পর্যন্ত হরিকেল জনপদের সীমানা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫১২.
কত দৈর্ঘের কম রুই মাছের পোনা ধরা নিষেধ?
  1. ২১ সেমি.
  2. ২৩ সেমি.
  3. ২৫ সেমি.
  4. ২৬ সেমি.
সঠিক উত্তর:
২৩ সেমি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ সেমি.
ব্যাখ্যা
মৎস্য সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০: 
দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট-১৯৫০; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত।
নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধিতে বিরাট অন্তরায়।
এ সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সালে এ আইন প্রণয়ন করে। পরবর্তীতে বাস্তব প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আইনটি উলেস্নখযোগ্য সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয়।
এ আইনের উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো নিম্নরূপ-
১. চাষের উদ্দেশ্য ব্যতীত কোন ব্যক্তি কর্তৃক -
(ক) প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর (আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি হতে পৌষ মাসের মাঝামাঝি) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস, ঘনিয়া;
(খ) প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে (কার্তিক মাসের মাঝামাঝি হতে জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝিামাঝি) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা জাটকা নামে পরিচিত);
(গ) প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল (কার্তিক মাসের মাঝামাঝি হতে বৈশাখ মাসের মাঝিামাঝি) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস;
(ঘ) প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী হতে জুন (মাঘ মাসের মাঝামাঝি হতে আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি) মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের (১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের আকারের সিলন, বোল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহন বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৫১৩.
সোমপুর বিহার কোন আমলে নির্মিত হয়?
  1. ক) গুপ্ত
  2. খ) মৌর্য
  3. গ) পাল
  4. ঘ) প্রাক-মৌর্য
সঠিক উত্তর:
গ) পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাল
ব্যাখ্যা
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বৌদ্ধ বিহার পাল আমলের স্থাপত্য। পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষদিকে মতান্তরে নবম শতকের প্রথমদিকে বৌদ্ধধর্মের প্রসারের লক্ষ্যে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোমপুর বিহার অদ্যাবধি নির্মিত ভারতবর্ষের বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহার হিসেবে স্বীকৃত।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো সোমপুর বিহারকে ৩২২তম বিশ্ব ঐহিত্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৫১৪.
বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান সীমা সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য জাতিসংঘে উত্থাপন করে কত তারিখে?
  1. ক) ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  2. খ) ২ মার্চ ২০২২
  3. গ) ৫ মার্চ ২০২২
  4. ঘ) ৭ মার্চ ২০২২
সঠিক উত্তর:
খ) ২ মার্চ ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ মার্চ ২০২২
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান সীমা সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য জাতিসংঘে উত্থাপন:

বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান সীমা সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য জাতিসংঘে উত্থাপন করেছে বাংলাদেশ। গত ২ মার্চ ২০২২ নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে ২১ সদস্যের ‘কমিশন অন দ্য লিমিটস অব দ্য কন্টিনেন্টাল শেল্ফের (সিএলসিএস)’ ৫৪তম অধিবেশনে মহীসোপান সীমা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পেশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন।

২০২০ সালের ২২ অক্টোবর সিএলসিএসে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের মহীসোপানের সংশোধিত তথ্য দাখিলের পর এ সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যাদি উপস্থাপন করা হলো।

বাংলাদেশ সরকার এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই দলিলাদির উপস্থাপন নিয়ে কাজ করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, পেট্রোবাংলা, বাপেক্স, জিওলজিক্যাল সার্ভে অব বাংলাদেশ, স্পারসো ও বিআইডব্লিউটিএর একটি বিশেষজ্ঞ দল এই দাখিল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। কমনওয়েলথ সচিবালয় এবং জাতিসংঘের ট্রাস্ট ফান্ড থেকে বাংলাদেশ এ সংক্রান্ত আইনি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পেয়েছে।


সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২
১১,৫১৫.
প্রাচীন সমতট জনপদের অবস্থান বাংলাদেশের বর্তমান কোন জেলায় বিস্তৃতি ছিল?
  1. নোয়াখালী
  2. সিলেট 
  3. চট্টগ্রাম
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা

সমতট:
- দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
- বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- মেঘনা পূর্ববর্তী এলাকায় কুমিল্লা-নোয়াখালীর সমতল অঞ্চলে ছিল সমতটের অবস্থান।
- তবে ত্রিপুরাকে সমতটের প্রধান কেন্দ্র বলা হতো।
- রাজা রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল বড়োকামতা।

⇒ সমুদ্রগুপ্তের সময় থেকে (চতুর্থ শতাব্দী) এর স্বতন্ত্র অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়।
- লালমাই-ময়নামতীকে কেন্দ্র করে এ অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- চন্দ্রবংশীয় রাজা ভবদেবের আমলে (সপ্তম শতাব্দী) ময়নামতীতে শালবন বিহার তৈরি হয়।
- বিভিন্ন সময় উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন লিপিতে ‘দেবপর্বত’কে সমতটের রাজধানী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 
- সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন হিউয়েন সাঙ।
- সাত শতকে সমতটের রাজধানী ছিল বড়কামতা। 

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১১,৫১৬.
বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম কী?
  1. হাতি
  2. রাজ কাঁকড়া
  3. স্লো লোরিস
  4. চিত্রা হরিণ
সঠিক উত্তর:
রাজ কাঁকড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজ কাঁকড়া
ব্যাখ্যা
রাজ কাঁকড়া:

- বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম রাজ কাঁকড়া।
- রাজ কাঁকড়া (অশ্বখুরাকৃতির কাকড়া বা সাগর কাঁকড়া) প্রকৃত পক্ষে কাঁকড়া নয় তবে কাঁকড়ার সহিত সাদৃশ্যযুক্ত সামুদ্রিক অ্যারাকনিড।
- এরা Xiphosura (গ্রীক, xiphos, তলোয়ার এবং uros, লেজ) বর্গের অর্ন্তভুক্ত।
- পৃথিবীব্যাপী ৩টি গনের অধীনে এদের ৪টি জীবিত প্রজাতি রয়েছে।
- প্রাগৈতিহাসিক এই প্রাণীকে "জীবন্ত জীবাশ্ম" বলা হয় যা প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন বা ৫৫ কোটি বছর পূর্বে ট্রাইলোবাইট থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১১,৫১৭.
নিচের কোন ব্যাক্তি মুজিবনগর মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন না?
  1. অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
  2. এএইচএম কামরুজ্জামান
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন না - অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী।

• মুজিবনগর সরকার: 
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশে প্রথম সরকার গঠিত হয়।
- এটি ‘অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার’ নামে পরিচিত। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- রাষ্ট্রপতি শাসিত মুজিবনগর সরকারের সদস্য সংখ্যা ছিলো ছয়জন।

• এরা হলেন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, 
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ, 
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী,  
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫১৮.
কোন সংস্থা ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ইউনিসেফ
  2. ইউনেস্কো
  3. ইউএনডিপি
  4. ইউএনইপি
সঠিক উত্তর:
ইউনেস্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ভাষা আন্দোলন ও ভাষাশহীদদের স্মরণে পালিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার দাবিতে ঢাকায় কয়েকজন ছাত্র-জনতা শহীদ হন।
- তাঁদের স্মরণে ২০০০ সাল থেকে এ দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রস্তাবে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করা হয়।
- এ প্রস্তাবে মাতৃভাষার উন্নয়ন ও ভাষাগত বৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
- ইউনেস্কো সদস্য দেশগুলো এ দিনে ভাষাবিষয়ক প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি পালন করে।
- এটি ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত ঐতিহ্যের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংহতি জাগ্রত করে।
- দিবসটি ১৯৫২ সালের ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি বিশ্বমানবতার শ্রদ্ধা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৫১৯.
পর্বতশৃঙ্গ 'কে-টু' জয় করা প্রথম বাঙালি -
  1. ক) মুসা ইব্রাহীম
  2. খ) নিসাত মজুমদার
  3. গ) ওয়াসফিয়া নাজরীন
  4. ঘ) এম এ মুহিত
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়াসফিয়া নাজরীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ 'কে-টু'র চূড়ায় পা রাখেন এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- কারাকোরাম পর্বতমালার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে-টু। এভারেস্টের পর বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত এটি। 
- ওয়াসফিয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ২৬ মে এভারেস্ট জয় করেন। এরপর বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গও জয় (সেভেন সামিট) করেন তিনি।  

উৎস: The Daily Star, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
১১,৫২০.
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (Rural Development Academy বা RDA) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
খ) বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (ইংরেজি: Rural Development Academy বা RDA) বাংলাদেশের বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় অবস্থিত প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং গবেষণা কর্মের একটি বিশেষায়িত পল্লি উন্নয়ন সংস্থা।
- এটি ১৯শে জুন, ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রতিষ্ঠানটি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডিসি) সাথে যুক্ত থেকে কাজ পরিচালনা করে।
- ১৯৯০ সালে ১০নং আইনের দ্বারা পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, বগুড়া একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। 

তথ্যসূত্র:- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) ওয়েবসাইট।
১১,৫২১.
২০১৭ সালে দুদক কোন প্রতিপাদ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়? 
  1. দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ি
  2. আসুন, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হই
  3. ন্যায় ও সততার পথে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ 
  4. দুর্নীতি দমন করি, দেশ গড়ি
সঠিক উত্তর:
আসুন, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসুন, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হই
ব্যাখ্যা

দুর্নীতিবিরোধী দিবস ও দুদক সংক্রান্ত তথ্য:
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হলো বাংলাদেশের একটি স্বতন্ত্র, স্বশাসিত ও সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা।
- এটি ২০০৪ সালের আইনের মাধ্যমে গঠিত।
- এটি মূলত দুর্নীতি প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও তদন্তের দায়িত্ব পালন করে।
- ২০১৭ সালে দুদক “আসুন, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হই” প্রতিপাদ্য নিয়ে ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।
- জাতিসংঘ ২০০৩ সালে ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছিল। 
- যদিও ২০০৭ সাল থেকে দুদক দিবস পালন শুরু করেছিল, সরকারিভাবে তা কার্যকর হতো না।
- পরে ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই সরকার দিনটিকে সরকারিভাবে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
--------------------- 
উল্লেখ্য,
- দুদক দুর্নীতির অভিযোগ গ্রহণ, অনুসন্ধান, মামলা দায়ের এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ করে।
- যেকোনো ব্যক্তি সরাসরি ১০৬ হটলাইনের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারেন, অথবা লিখিত ও অনলাইনের মাধ্যমে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।
- দুদকের প্রধান কার্যালয় ১ সেগুন বাগিচা, ঢাকায় অবস্থিত।
- দুদক শুধু তদন্ত ও মামলা নয়, নিজস্ব বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এবং কনস্টেবল পদে নিয়োগের মাধ্যমে সংস্থার কার্যক্রম নির্বাহ করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১১,৫২২.
'জুলাই শহিদ দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
  1. ৫ জুলাই
  2. ১৬ জুলাই
  3. ১৮ জুলাই
  4. ২১ জুলাই
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই
ব্যাখ্যা
'জুলাই শহিদ দিবস':
- ১৬ জুলাই 'জুলাই শহিদ দিবস' হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- গত ২৯ শে, ২০২৫ জুন উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
- ১৬ জুলাই 'শহীদ আবু সাঈদ দিবস' এবং ৫ আগস্ট 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস' ঘোষণা করে পরিপত্র জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

উল্লেখ্য:
- ৫ আগস্ট 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস'।
- ১৮ জুলাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস।
- ৮ আগস্ট 'নতুন বাংলাদেশ দিবস' উদ্যাপন বা পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে আরেক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১১,৫২৩.
বাংলাদেশের সর্বাধিক চা বাগান রয়েছে কোন জেলায়? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. শ্রীমঙ্গল
  2. সিলেট
  3. হবিগঞ্জ 
  4. মৌলভীবাজার 
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার 
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।

⇒ দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
- দেশের দ্বিতীয় সর্বাধিক চা বাগান রয়েছে হবিগঞ্জ জেলায়। হবিগঞ্জ জেলায় ২৫ টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯ টি চা বাগান রয়েছে।
- চট্টগ্রাম জেলায় ২২ টি চা  বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১১,৫২৪.
দেশের অনুমোদিত প্রথম জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (GM) খাদ্য ফসল কোনটি?
  1. বিটি (Bt) ধান
  2. বিটি (Bt) গম
  3. বিটি (Bt) বেগুন
  4. বিটি (Bt) তুলা
সঠিক উত্তর:
বিটি (Bt) বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটি (Bt) বেগুন
ব্যাখ্যা

প্রথম Genetically Modified (GM) খাদ্য ফসল:
- বাংলাদেশে সরকার অনুমোদিত প্রথম জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (GM) খাদ্য ফসল হলো বিটি বেগুন (Bt Brinjal)।
- এটি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের মাঝে বিতরণের জন্য অনুমোদন দেয়।

⇒ Bacillus thuringiensis নামক একটি সয়েল ব্যাকটেরিয়া থেকে ক্রিস্টাল প্রোটিন জিন বেগুনের জিনোমে অন্তর্ভুক্ত করে উৎপন্ন বেগুনের নাম দেয়া হয়েছে Bt-বেগুন। সাধারণ বেগুন ও Bt-বেগুনের মধ্যে পার্থক্য হলো এক প্রকার পোকা সাধারণ বেগুন গাছের কচি ডগা ও ফল ছিদ্র করে নষ্ট করে ফেলে যার ফলে ফলন দারুণভাবে হ্রাস পায়। পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করার জন্য কৃষককে প্রতি সিজনে ৬০-১৮০ বার পোকানাশক ওষুধ স্প্রে করতে হয়। Bt-বেগুনে ঐ পোকার আক্রমণ হবে না, তাই পোকানাশক ওষুধও স্প্রে করতে হবে না।

⇒ Bt-বেগুন চাষের গুরুত্ব:
১। পোকানাশক ওষুধ কিনতে হবে না এবং স্প্রে করতে হবে না। এতে লক্ষ লক্ষ টাকা উৎপাদন খরচ কম হবে।
২। যারা বেগুন খান তারাও ঐ বিষ দ্বারা বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হবেন না এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে বেঁচে যাবেন।
৩। মাটি ও পরিবেশ বিষমুক্ত থাকবে।
৪। আশেপাশের জলাশয় বিষমুক্ত থাকবে এবং জলজ পরিবেশের স্বাভাবিক উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
৫। উৎপাদন বাড়বে।

উল্লেখ্য, 
- জি. এম. বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড হলো উদ্ভিদের বা ফসলের জিনকে মডিফাই বা পরিবর্তন করে ঐ ফসলের ফলন বাড়ানো। আর এভাবে উৎপাদিত ফসলকে জি.এম. ফসল বলা হয়। 
- হাইব্রিড সব ফসলই জি.এম. ফসল। তবে এই ধরনের ফসল প্রাকৃতিক প্রতিরূপ ফসলের তুলনায় বিষাক্ত বা কম পুষ্টি হতে পারে।- বর্তমানে জেনেটিক মডিফিকেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের রোগ বালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও উৎপাদনে উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব হয়েছে।

উৎস: i) উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট। 

১১,৫২৫.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য 'বীরপ্রতীক' উপাধি লাভ করে কতজন?
  1. ৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন
সঠিক উত্তর:
৪২৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট — ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।

এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।
==================
উল্লেখ্য,
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)।

অর্থ্যাৎ, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে।
এর মধ্য,
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- বীর উত্তম: ৬৭ জন
- বীরবিক্রম : ১৭৪ জন
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)।
১১,৫২৬.
নিচের কোন সংস্থাটির সদরদপ্তর ঢাকায় অবস্থিত?
  1. ক) এসকাপ
  2. খ) সার্ক
  3. গ) বিমসটেক
  4. ঘ) ডি-৮
সঠিক উত্তর:
গ) বিমসটেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিমসটেক
ব্যাখ্যা
ঢাকায় যেসব আন্তর্জাতিক সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- BIMSTEC
- IJSG
- CIRDAP
- SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
ESCAP : সদরদপ্তর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে
ডি-৮ সদরদপ্তর : ইস্তানবুল (তুরস্ক)
সার্ক সদরদপ্তর : কাঠমুণ্ডু (নেপাল)।

(তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
১১,৫২৭.
খালেদ মোশাররফ মুক্তিযুদ্ধে কোন ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন?
  1. কে ফোর্সের
  2. জেড ফোর্সের
  3. এস ফোর্সের
  4. বি এম ফোর্সের
সঠিক উত্তর:
কে ফোর্সের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কে ফোর্সের
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স:
- মুজিবনগর সরকার পরিকল্পিত উপায়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য সামরিক ও বেসামরিক সকল জনগণকে নিয়ে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করে।
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল।
- নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী।
- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর বিভিন্ন সেক্টরে গণবাহিনীতে নিয়োগ করা হতো।গণবাহিনীর সদস্যদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শত্রুর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পাঠানো হয়।
- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
- এই বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্রবাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে নিয়োজিত ছিলেন।
- ১৪ এপ্রিল কর্নেল এম. এ. জি. ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ বাহিনীর হেড কোয়ার্টার স্থাপিত হয় কোলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে।

⇒ মে ও জুন মাসে মুক্তিবাহিনীকে তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে ভাগ করা হয়েছিল।
- ব্রিগেড ফোর্সগুলোর নাম হলো:
(ক) 'কে' ফোর্স (অধিনায়ক: মেজর খালেদ মোশাররফ),
(খ) 'এস' ফোর্স (অধিনায়ক: মেজর কে. এম সফিউল্লাহ),
(গ) 'জেড' ফোর্স (অধিনায়ক: মেজর জিয়াউর রহমান)।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫২৮.
স্যার হার্বার্ট রিজলে ভারত উপমহাদেশের জনসমষ্টিকে কয়টি ভাগে ভাগ করেন?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
স্যার হার্বার্ট রিজলে (Sir Herbert Risley) ভারতীয় উপমহাদেশের জনসমষ্টিকে সাতটি উপবিভাগে বিভক্ত করেন। এগুলো হচ্ছে:
১. তুর্কীয়-ইরানীয় (Turko-Iranian);
২. ভারতীয় আর্য (Indo-Aryan);
৩. শক-দ্রাবিড় (Scytho-Dravidian);
৪. আর্য-দ্রাবিড় (Aryo-Dravidian);
৫. মঙ্গোল-দ্রাবিড় (Mongolo-Dravidian);
৬. মঙ্গোলীয় (Mongoloid) এবং
৭. দ্রাবিড়ীয় (Dravidian) ।

জে. হুটন (J. Hutton) ভারতীয় উপমহাদেশের জনসমষ্টিকে মোট আটটি ভাগে বিভক্ত করেছেন। এগুলো হলো:
১. নেগ্রিটো বা নিগ্রোবটু (Negrito);
২. আদি-অস্ট্রেলীয় (Proto-Australoid);
৩. আদি-মেডিটেরিয়ান (Early Meditarrinian);
৪. সভ্য-মেডিটেরিয়ান (Civilized Meditarrinian);
৫. আর্মানীয় (Armanoid);
৬. আলপাইন (Alpine);
৭. বৈদিক-আর্য (Vedic-Aryan) এবং
৮. মঙ্গোলীয় (Mongoloid) ।

এছাড়া,
- পন্ডিত বিরজাসংকর গুহ ভারত উপমহাদেশের জনসমষ্টিকে ছয়টি নৃতাত্ত্বিক ধারায় ভাগ করেছেন।
- নৃতত্ত্ববিদ ভন আইকস্টেট্ট (Von Eickstedt) ভারতীয় উপমহাদেশের মানবগোষ্ঠীকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করেন।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫২৯.
খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। 
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান, বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।

১১,৫৩০.
বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ কত বছর পর্যন্ত গৃহীত হয়েছে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৮ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়:
- 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০' অনুসারে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল বিগত সরকার।
- তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই।
- রয়েছে শিক্ষক সংকট। নানান সংকটের মুখে সেই উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- এজন্য আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে প্রাথমিক শিক্ষা।
- প্রাথমিকে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। 
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা উপযোগী নয় বলে আপাতত প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ ৫ বছরেই রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক ইত্তেকাফ।
১১,৫৩১.
মাতৃতান্ত্রিক পরিবার দেখা যায় কোন সম্প্রদায়ের সাথে?
  1. গারো
  2. সাঁওতাল
  3. মণিপুরি
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

• পিতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থা:
- ত্রিপুরাদের পিতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থায় পিতাই পরিবারের প্রধান।
- সাঁওতালদের মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রচলিত। পিতাই পরিবারের প্রধান।
- মণিপুরিদের মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক এবং পিতৃসূত্রীয় পরিবার ব্যবস্থা প্রচলিত। 
- রাখাইনদের পরিবারব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

• মাতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থা:
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজ হচ্ছে সেসব পরিবার বা জনগোষ্ঠী, যাদের পরিবারের দায়িত্ব থাকে একজন নারীর ওপর এবং বংশের ধারাও নির্ধারিত হয় নারীর দিক থেকে।
- মায়ের পরিবার থেকেই উত্তরাধিকার ও বংশ-পদবি নির্ধারিত হয়। 
- বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের খাসিয়া ও গারো নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,৫৩২.
১৯৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে বঙ্গবন্ধু ‘নৌকা’ পছন্দ করেন কবে?
  1. ১৩ অক্টোবর ১৯৭০
  2. ১৭ অক্টোবর ১৯৭০
  3. ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৭০
  4. ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭০
সঠিক উত্তর:
১৭ অক্টোবর ১৯৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ অক্টোবর ১৯৭০
ব্যাখ্যা
১৯৭০ এর নির্বাচন:
- ১৯৬২ সালে মৌলিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জাতীয় পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জনগণ সর্বপ্রথম দেশের কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ লাভ করে।
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ এর পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করে।
- আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'নৌকা' প্রতীক নিয়ে ঐতিহাসিক ছয় দফার পক্ষে প্রচারাভিযানে নামেন।
- ১ এপ্রিল ১৯৭০ আওয়ামীলীগের সভায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ১৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু আওয়ামীলীগের দলীয় নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে ‘নৌকা’ পছন্দ করেন।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫৩৩.
ইউনেস্কো বাংলাদেশের কয়টি স্থানকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে? [জানুয়ারি,২০২৬] 
  1. ৪টি 
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

- ইউনেস্কো বাংলাদেশের ৩টি স্থান ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে।
- বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ ষাট গম্বুজ মসজিদ  (সাংস্কৃতিক, ১৯৮৫)।
- পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ (সাংস্কৃতিক, ১৯৮৫), 
- এবং সুন্দরবন (প্রাকৃতিক, ১৯৯৭)। 
- এই সাইটগুলি উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক অর্জন এবং অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতিনিধিত্ব করে।

• UNESCO:

- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO).
- UNESCO- এর পূর্ণরূপ United Nations Educational Scientific and Cultural Organization.
- এর প্রধান কাজ হলো বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
- ইউনেস্কোর সংবিধান গৃহীত হয় ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৬ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সদর দপ্তর প্যারিস, ফ্রান্স।
- বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭২ সালে।

উৎস: UNESCO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১১,৫৩৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কত নং সেক্টরের হেড কোয়ার্টার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত ছিল?
  1. ক) ২ নং
  2. খ) ৫ নং সেক্টর
  3. গ) ৬ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৮ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
২ নং সেক্টর
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- হেডকোয়ার্টার: মেলাঘর ( আগরতলা থেকে ২০ মাইল দক্ষিণে )
- সেক্টর কমান্ডার:
মেজর খালেদ মোশাররফ ( এপ্রিল-সেপ্টেম্বর )
মেজর এ.টি.এম হায়দার ( সেপ্টেম্ব-ডিসেম্বর ) 

৫ নং সেক্টর
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- হেডকোয়ার্টার: বাঁশতলাতে
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর মীর শওকত আলী (এপ্রিল-ডিসেম্বর)

৬ নং সেক্টর
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত।
- হেডকোয়ার্টার: পাটগ্রামের নিকটবর্তী বুড়ীমারিতে। এটিই ছিল একমাত্র সেক্টর যার হেড কোয়ার্টার ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।
- সেক্টর কমান্ডার: উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

৮ নং সেক্টর
- কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। 
- হেডকোয়ার্টার: কল্যানীতে
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী (এপ্রিল-আগস্ট) এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর (জুলাই-ডিসেম্বর)।

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস , এস এস এইচ এল , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র , প্রফেসর মো; মোজাম্মেল হক। 
১১,৫৩৫.
গৌড়ের সুবিখ্যাত ‘বড় মসজিদ’ কোন শাসকের স্থাপত্য-কীর্তি?
  1. ক) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  2. খ) গিয়াস উদ্দিন বাহাদুর শাহ
  3. গ) ঈসা খান
  4. ঘ) সুলতান নুসরত শাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুলতান নুসরত শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুলতান নুসরত শাহ
ব্যাখ্যা
- সুলতান নুসরত শাহ ‘নাসিরউদ্দিন আবুল মুজাফফর নুসরত শাহ’ উপাধি নিয়ে (১৫১৯-১৫৩২ খ্রিষ্টাব্দ) বাংলার সিংহাসনে বসেন।
- সুলতান নুসরত শাহ তাঁর শাসনকালে বহু স্থাপত্য-কীর্তি শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে উৎসহ ও পৃষ্ঠপোষকতার পরিচয় রেখেছেন।
- গৌড়ের সুবিখ্যাত ‘বড় সোনামসজিদ’ বা ‘বারোদুয়ারি মসজিদ’ তাঁর আমলের কীর্তি। 
- এছাড়াও তিনি গৌড়েরর বিখ্যাত ‘কদম রসুল’ ভবনের প্রকোষ্ঠে একটি মঞ্চ নির্মাণ করেন। বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট নগর এবং রাজশাহী জেলার বাঘা নামক স্থানে তিনি দুইটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন।


উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫৩৬.
ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ক) ০৪ বছর
  2. খ) ০৫ বছর
  3. গ) ০৩ বছর
  4. ঘ) ০২ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ০৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০৫ বছর
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদ
- বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ।
- এর মেয়াদকাল পাঁচবছর।

ইউনিয়ন পরিষদ মোট ১৩জন নির্বাচিত প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত। এরা হলেন:
-  ১ জন চেয়ারম্যান।
- ৯ জন সাধারণ সদস্য।
- ৩ জন সংরক্ষিত নির্বাচিত নারী সদস্য।

এছাড়াও,  ইউনিয়ন পরিষদে একজন সরকারি বেতনভুক্ত সচিব থাকেন।

উৎসঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী
১১,৫৩৭.
বাংলাদেশ সংবিধানে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে সন্নিবেশ হয়েছে?
  1. ১১৪ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১১৫ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১১৬ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১১৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১১৭ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
 - সংবিধানের ১১৭ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত বিধান অনুসারে জাতীয় সংসদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করে থাকে।
ট্রাইব্যুনাল হলো কোন বিশেষ উদ্দেশ্যে স্থাপিত আদালত যা সাধারণত জনকল্যাণমূলক এবং নিয়ন্ত্রণমূলক বিভিন্ন কাজের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়। যেমনঃ শ্রম আদালত, ভাড়া নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৫৩৮.
কোনটি আমের একটি জাত?
  1. ক) ডায়মন্ড
  2. খ) কাঞ্চন
  3. গ) ক্ষীরসাপাত
  4. ঘ) সোনালি
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষীরসাপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষীরসাপাত
ব্যাখ্যা
ক্ষীরসাপাত হলো বাংলাদেশের চাপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের একটি বিখ্যাত আম। এটি হিমসাগর আম নামেও পরিচিত। গত বছর ক্ষীরসাপাত আম দেশের তৃতীয় পণ্য হিসেবে ভৌগোলিক নির্দেশক সনদ লাভ করে। ক্ষীরসাপাত ব্যতীত আমের অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙা, আম রূপালি, মহানন্দা ইত্যাদি। ডায়মন্ড, কাঞ্চন এবং সোনালি যথাক্রমে আলু, গম ও সরিষার জাত। (সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং দৈনিক প্রথম আলো)
১১,৫৩৯.
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক কত টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট প্রকাশ করে?
  1. ক) ৫০ টাকা
  2. খ) ২০০ টাকা
  3. গ) ৫০০ টাকা
  4. ঘ) ১০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇨ ২৩ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
⇨ ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী ফলক ও বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল-১ উন্মোচনের মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
⇨ পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ টাকা মূল্যমানের একটি ডাকটিকিট, ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম, ৫০ টাকা মূল্যমানের চারটি স্মারকপত্র এবং ৫ টাকার একটি ডাটা কার্ড অবমুক্ত করেন।
⇨ ২৬ জুন, ২০২২ তারিখে সকাল ৬টা থেকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় পদ্মা সেতু।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২।
১১,৫৪০.
নিচের কোনটি ভাষা আন্দোলনের কারণ ছিল না?
  1. ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান
  2. খাজা নাজিমুদ্দিনের বিশ্বাসঘাতকতা
  3. আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাব
  4. বাঙালি নেতাদের হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীয়করণ
সঠিক উত্তর:
বাঙালি নেতাদের হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীয়করণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি নেতাদের হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীয়করণ
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রধান কারণসমূহঃ
• অবাঙালি নেতাদের হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীয়করণ,
• শুরুতেই বাঙ্গালীদের প্রতি অবহেলা,
• ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান,
• লেখক সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবীদের লেখনি,
• আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাব,
• জিন্নাহর দম্ভোক্তি,
• খাজা নাজিমউদ্দিনের বিশ্বাসঘাতকতা,
• লিয়াকত আলী খানের ঘোষণা ইত্যাদি।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১১,৫৪১.
বাংলাদেশ থেকে কোন দেশে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী প্রেরণ করা হয়?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. ঘ) সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ থেকে ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (২৭,৪৭০ জন)।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১১,৫৪২.
পরিবেশবান্ধব চামড়া শিল্পনগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. গাজীপুর
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

• চামড়া শিল্পনগরী:
- পরিবেশবান্ধব পরিকল্পিত চামড়া শিল্পনগরী সাভারের হেমায়েতপুরে অবস্থিত।
- ঢাকার চামড়া শিল্পনগরীকে পরিবেশবান্ধব করার উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হলেও, বাস্তবে এটি এখনও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন।
- সেন্ট্রাল এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিইটিপি) সম্পূর্ণ কার্যকর না হওয়ায়, বর্জ্য পরিশোধন না করে সরাসরি ধলেশ্বরী নদীতে ফেলা হচ্ছে, যা পরিবেশ দূষণের একটি বড় কারণ।

উল্লেখ্য,
- উদ্যোক্তারা দীর্ঘদিন ধরে বিসিকের গড়িমসি ও অদক্ষতার অভিযোগ করে আসছেন। 
- এসব কারণে সরকার শিল্পনগরীটি বিসিকের কাছ থেকে নিয়ে বেপজার হাতে হস্তান্তর করার পরিকল্পনা করেছে—যাতে সমন্বয়হীনতা কমে, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা উন্নত হয় এবং রপ্তানিযোগ্য প্রতিযোগিতা বাড়ে।

উৎস: প্রথম আলো।

১১,৫৪৩.
কয়টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক-
  1. ১৫২
  2. ১৩৬
  3. ১৫৪
  4. ১৫৫
সঠিক উত্তর:
১৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৫
ব্যাখ্যা
গত ২৫ নভেম্বর, ২০২০ তারিখে বাংলাদেশের সাথে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ ‘ডোমিনিকা’ (Commonwealth of Dominica) এর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। এই নিয়ে বর্তমানে বিশ্বের (জাতিসংঘভুক্ত) ১৫৫টি দেশের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হল। এর আগে ৩১ আগস্ট, ২০২০ তারিখে ক্যারিবিয়ান আরেক দেশ - সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস - এর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
১১,৫৪৪.
আসাদুজ্জামান আসাদ কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে শহীদ হন?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. অসহযোগ আন্দোলন
  4. নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
- শহীদ আসাদুজ্জামান আসাদ (১৯৪২-১৯৬৯) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে তিনি শহীদ হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- আসাদের স্মরণে শেরে বাংলা নগরের ‘আইয়ুব গেট’ ও ‘আইয়ুব এভিনিউ’ এর নাম পাল্টে যথাক্রমে ‘আসাদ গেট’ এবং ‘আসাদ এভিনিউ’ করা হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১১,৫৪৫.
বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর সদর দফতর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা

Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত। উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ BRRI ওয়েবসাইট।

১১,৫৪৬.
চন্দ্রবংশের প্রথম শক্তিধর রাজা কে ছিলেন?
  1. শ্রীচন্দ্র
  2. কল্যাণচন্দ্র
  3. ত্রৈলোক্যচন্দ্র
  4. গৌবিন্দচন্দ্র
সঠিক উত্তর:
ত্রৈলোক্যচন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রৈলোক্যচন্দ্র
ব্যাখ্যা

চন্দ্র রাজবংশ:
- খ্রিস্টীয় দশম শতকের শুরুতেই চন্দ্রবংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রায় দেড়শ বছর এই বংশ শাসনকার্য পরিচালনা করে।
- চন্দ্র রাজাদের মূল কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার লালমাই পাহাড়।
- চন্দ্রবংশের রাজাদের ধর্মও ছিল বৌদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- এই বংশের প্রথম শক্তিধর রাজার নাম ত্রৈলোক্যচন্দ্র। তিনি মহারাজাধিরাজ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। শক্তিধর ত্রৈলোক্যচন্দ্র হরিকেল ও চন্দ্রদ্বীপ দখল করেছিলেন। একে একে তাঁর অধিকারে আসে বঙ্গ ও সমতট। ত্রৈলোক্যচন্দ্র প্রায় ত্রিশ বছর শাসন করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর রাজা হন শ্রীচন্দ্র। তিনি বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে রাজধানী গড়ে তোলেন। তাঁর উপাধি ছিল 'পরমেশ্বর' 'পরম ভট্টারক' 'মহারাজাধিরাজ'। শ্রীচন্দ্র প্রায় পয়তাল্লিশ বছর রাজত্ব করেন।
- এর পর সিংহাসনে বসেন শ্রীচন্দ্রের পুত্র কল্যাণচন্দ্র। কল্যাণচন্দ্রের পুত্র লড়হচন্দ্রের রাজত্বকালেও এই গৌরব ম্লান হয়নি।
- শেষ চন্দ্ররাজা ছিলেন গৌবিন্দচন্দ্র।
- চোল সম্রাট রাজেন্দ্রচোল ও কলচুরিরাজ কর্ণ বঙ্গ আক্রমণ করলে চন্দ্রবংশের পতন হয়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৪৭.
বর্তমানে বাংলাদেশে কোন খাতে সবচেয়ে বেশি জনশক্তি নিয়োজিত আছে? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. সেবা 
  2. কৃষি
  3. শিল্প
  4. পরিবহন 
সঠিক উত্তর:
কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি
ব্যাখ্যা

খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:
• বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%। (সেপ্টেম্বর-২০২৫)

• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

• কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত এবং ছোট খাত শিল্পখাত।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১১,৫৪৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? 
  1. ফরিদপুর 
  2. বগুড়া
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর 
ব্যাখ্যা

• উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশে পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হিসেবে ফরিদপুরকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, এই জেলায় প্রতি বছর পাটের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ক্রমবর্ধমান। 
- এইজন্য ফরিদপুরকে “সোনালি আঁশে ভরপুর” নামে অভিহিত করা হয়।
------------------- 
উল্লেখ্য, 
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
• ধান - ময়মনসিংহ।
• আলু - রংপুর।
• গম - ঠাকুরগাঁও।
• চা - মৌলভীবাজার।
• তামাক - কুষ্টিয়া।
পাট - ফরিদপুর।
• ভুট্টা - দিনাজপুর।
• তুলা - ঝিনাইদহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১১,৫৪৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা - ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা -
  1. ৫১টি
  2. ৫০টি
  3. ৫২টি
  4. ৪৮টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা- ৫০ টি।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

উল্লেখ্য:
-  চাকমারা বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার অঞ্চলে বসবাস করে।
- তাদের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক। তারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- তাদের প্রধান ভাষা চাকমা বা চাঙমা। তারা গ্রামকে আদাম এবং গ্রামের প্রধানকে বলে কার্বরী।
- চাকমা সমাজের প্রধান হলো চাকমা রাজা।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট এবং বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
১১,৫৫০.
বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ নিচের কোনটি ?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন  
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
খ) চীন  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন  
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে— চীনের।
বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ— চীন।
♦ বাংলাদেশের জন্য সর্ববৃহৎ দ্বিপাক্ষিক দাতা দেশ— জাপান।
♦ বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ঋণ প্রদানকারী সংস্থা— আইডিএ (IDA)।
♦ বাংলাদেশে বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ— চীন।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
১১,৫৫১.
পাল রাজবংশের উত্থান ঘটে কোন শতকে?
  1. ষষ্ঠ শতক
  2. সপ্তম শতক
  3. অষ্টম শতক
  4. নবম শতক
সঠিক উত্তর:
অষ্টম শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম শতক
ব্যাখ্যা

পাল রাজবংশ:
- পাল রাজবংশের উত্থান ঘটে ৮ম শতকের মাঝামাঝি সময়ে (আনুমানিক ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দে)।
- রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় দীর্ঘ একশ বছরের (মাৎস্যন্যায়) অরাজকতা দূর করতে গোপাল এই বংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই রাজবংশ ৮ম থেকে ১২শ শতক পর্যন্ত বাংলা ও বিহার শাসন করেছিল। 
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- এযুগে বাংলা একটি স্থিতিশীল ও ঐশ্বর্যশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

⇒ গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন। তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল শাসনের অবসান ঘটে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৫২.
'৩৬ ডেইজ অব জুলাই: স্যালুটিং দ্য ব্রেভহার্টস' কী?
  1. জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে চলচ্চিত্র
  2. জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে লিখা বই
  3. জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি প্রদর্শনী
  4. জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর
সঠিক উত্তর:
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি প্রদর্শনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি প্রদর্শনী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ ৩৬ ডেইজ অব জুলাই: স্যালুটিং দ্য ব্রেভহার্টস:

- দেশের শীর্ষ ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার সাহস, দৃঢ়তা ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজধানী ফার্মগেটে প্রদর্শনী আয়োজন করেছে।
- প্রদর্শনীতে ২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কিত আলোকচিত্র, স্লোগান, গ্রাফিতি ও সংবাদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
- "৩৬ ডেইজ অব জুলাই: স্যালুটিং দ্য ব্রেভহার্টস" প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ১-৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত, ডেইলি স্টার সেন্টারে।
- এটি ছাত্র-জনতার সাহসিকতা ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আয়োজিত।
- আলোচনায় মিলান কুন্ডেরার "বিস্মৃতির বিরুদ্ধে স্মৃতির লড়াই" উদ্ধৃত করা হয়।
- অংশগ্রহণকারীরা স্মৃতি সংরক্ষণের গুরুত্ব ও ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, 
- গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ কমিটির আহ্বায়ক: ড. এবাদুর রহমান।
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও আত্মত্যাগ নিয়ে নির্মিত ভিডিওচিত্র: ‘জুলাই অনির্বাণ’।
- জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক: সারজিস আলম।
- জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা: মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা নিউজ ও প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
১১,৫৫৩.
ওআইসির কততম শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করেন?
  1. প্রথম
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. দ্বিতীয়
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা

- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা- OIC (Organization of Islamic Co-operation) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে।
- এর সদরদপ্তর অবস্থিত সৌদি আরবের জেদ্দায়। ওআইসির বর্তমান সদস্য দেশ ৫৭ টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসির দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
উৎসঃ ওআইসি ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।

১১,৫৫৪.
বেসরকারি বিল কে উত্থাপন করতে পারে?
  1. মন্ত্রী
  2. সাধারণ সংসদ সদস্য
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
সাধারণ সংসদ সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ সংসদ সদস্য
ব্যাখ্যা
- বেসরকারি বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয়।

বিল:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- বিল দুই প্রকার।

যথা
- সরকারি বিল ও
- বেসরকারি বিল।

সরকারি বিল
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

বেসরকারি বিল
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১১,৫৫৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ফরিদপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, 

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১১,৫৫৬.
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার- 
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

♦ দেশ ভিত্তিক রপ্তানি:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%

♦ রপ্তানি আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৩.৮১% বা ২১,১৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.৬৫%।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.৫৮%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৭৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

♦ উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৭৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৯২%)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: কাচাপাট (০.৩১%)।

● এশিয়া:
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১১,৫৫৭.
১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটান কে?
  1. লর্ড ক্লাইভ
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. লর্ড বেন্টিংক
  4. কর্নওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা
দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা:
- ১৭৬৫ সালে রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- দ্বৈতশাসন অনুসারে রাজস্ব প্রশাসন ও দেশ রক্ষার ভার থাকে কোম্পানির হাতে।
- নিয়ামত বা প্রশাসন ও বিচার বিভাগের দায়িত্ব অর্পিত হয় নবাবের হাতে।
- দ্বৈত শাসনের দায়িত্বহীনতার ফলে বাংলার জনজীবনে অরাজকতা নেমে আসে।
- অবাধ লুন্ঠন ও যথেচ্ছভাবে রাজস্ব আদায়ের ফলে গ্রাম্যজীবন ধ্বংস হয়ে যায়।
- নবাবের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় প্রশাসন পরিচালনায় ব্যর্থ হন।
- সারাদেশে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা।
- এই পরিস্থিতিতে ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫৫৮.
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ কত বছরব্যাপী হয়েছিল?
  1. ক) ১৭৬০ থেকে ১৭৭১ সাল পর্যন্ত
  2. খ) ১৭৬০ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত
  3. গ) ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত
  4. ঘ) ১৭৮৭ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭৬০ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭৬০ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
- তবে এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে।

- ফকির মজনু শাহের যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি, অর্থাৎ অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া।
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
- ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ১৭৬০ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। 
- অপরদিকে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ভবানী-পাঠক ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে লেফটেন্যান্ট ব্রেনানের নেতৃত্বে একদল ব্রিটিশ সৈন্যের আক্রমণে দুই সহকারীসহ নিহত হন।
- সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রধান নেতা ছিলেন ভবানী-পাঠক।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৫৯.
একুশ দফার মুখ্য রচয়িতা ছিলেন -
  1. ক) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) আবুল মনসুর আহমেদ
  4. ঘ) ড. এস এম হোসাইন
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল মনসুর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল মনসুর আহমেদ
ব্যাখ্যা
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল মনসুর আহমদ।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার ছিল ২১ দফা।

• একুশ দফা:

- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ‘একুশ দফা’ নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমদ।
- একুশ দফার প্রথম দাবীটি ছিলো বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
- এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা।
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫৬০.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগের প্রতীক কী ছিল?
  1. হারিকেন
  2. নৌকা
  3. চাঁদ
  4. তারকা
সঠিক উত্তর:
হারিকেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হারিকেন
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচন: 
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের ব্যালট বাক্সে ব্যবহারের জন্য সরকার চূড়ান্তরূপে মোট ২৪টি প্রতীক নির্দিষ্ট করেন।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ 'হারিকেন' প্রতীক এবং যুক্তফ্রন্ট 'নৌকা' প্রতীক গ্রহণ করে।
- ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারকে পাঁচ মাইলের বেশি হাঁটতে না হয় সেদিকে লক্ষ রেখে বুথ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- গেজেটেড অফিসার, কলেজের প্রফেসর, হাই স্কুল ও হাইমাদরাসার প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের প্রিসাইডিং অফিসার নিযুক্ত করা হয়।
- কোনো ভোটার যাতে একবারের বেশি ভোট দিতে না পারে সেজন্য ভোটদান কালে তার আঙুলে অমোচনীয় (যা সহজে ওঠেনা) কালির ছাপ দেওয়ার বিধান করা হয়।
- ভোটগ্রহণ ৮ মার্চ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ৫ দিনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- নির্বাচন কমিশনার ছিলেন মো. আজফার।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৬১.
রাসা নৃত্য কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন?
  1. লুসাই
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

মণিপুরী:
- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাস (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১১,৫৬২.
৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা কত?
  1. ১৪ কোটি ৯৮ লাখ
  2. ১৫ কোটি ৯৮ লাখ
  3. ১৬ কোটি ৯৮ লাখ
  4. ১৭ কোটি ৯৮ লাখ
সঠিক উত্তর:
১৬ কোটি ৯৮ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ কোটি ৯৮ লাখ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন, ২০২২।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- স্বাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।

তথ্যসূত্র: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১১,৫৬৩.
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী, মহিলা বা ৬৫ তদূর্ধ্ব ব্যক্তির জন্য বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা কত?
  1. ৩,৫০,০০০ টাকা
  2. ৫,০০,০০০ টাকা
  3. ৪,০০,০০০ টাকা
  4. ৪,৭৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৪,০০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪,০০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫০০০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।

​উল্লেখ্য:
২০২৬-২৭ অর্থবছর ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা হবে ৪,২৫,০০০ টাকা।

​ উৎস: ২০২৫-২৬ অর্থবছর বাজেট।

১১,৫৬৪.
দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান পাওয়া যায় কোন জেলায়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. দিনাজপুর
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

 তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,৫৬৫.
বাংলাদেশে প্রচলিত উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত কোনটি?
  1. ইরাটম
  2. চমক
  3. ড্রামহেড
  4. প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
চমক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চমক
ব্যাখ্যা

⇒ উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উল্লেখ্য:
⇒ উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত: গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
⇒ উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত: সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।
⇒ উচ্চ ফলনশীল কলার জাত: সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।
⇒ উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
⇒ উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত: বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।
⇒ উচ্চ ফলনশীল আমের জাত: মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।
⇒ উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত: বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১১,৫৬৬.
"Bangladesh Academy for Rural Development" কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. কুড়িগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

BARD:
- BARD-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Academy for Rural Development বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি। 
- এটি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ী এলাকায় অবস্থিত।
- ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি যাত্রা শুরু করে।
- এটি স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- BARD-এর প্রতিষ্ঠাতা আখতার হামিদ খান।

উৎস: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ওয়েবসাইট।

১১,৫৬৭.
নিচের কোনটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ?
  1. ক) তেলসুর
  2. খ) গরান
  3. গ) আকাশি
  4. ঘ) গজারি
সঠিক উত্তর:
খ) গরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গরান
ব্যাখ্যা
- ম্যানগ্রোভ হলো সমুদ্র উপকূলের লোনা পানিতে জন্মানো উদ্ভিদ। এসব উদ্ভিদের শ্বাসমূল থাকে।
- বাংলাদেশের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
এ বনে জন্মানো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সুন্দরী
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- গোলপাতা ইত্যাদি।
-অন্যদিকে,
- গজারী বা শাল, তেলসুর ও আকাশি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ নয়।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
১১,৫৬৮.
বাংলাদেশে বসবাসকারী দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নাম-
  1. ক) চাকমা
  2. খ) হাজং
  3. গ) গারো
  4. ঘ) সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাসকারী ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে বৃহত্তম নৃ-গোষ্ঠীর নাম চাকমা। দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নাম সাঁওতাল। রাজশাহী রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস রয়েছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১১,৫৬৯.
বারো ভূঁইয়া কাদের বলা হত?
  1. দিল্লীর ১২জন বাদশাহ
  2. সুলতানী আমলের ১২ জন সেনাপতি
  3. মোগল আমলের ১২ জন সেনাপতি
  4. বড় বড় স্বাধীন জমিদার
সঠিক উত্তর:
বড় বড় স্বাধীন জমিদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড় বড় স্বাধীন জমিদার
ব্যাখ্যা
বারো ভূঁইয়া:
- সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে বাংলার স্থানীয় প্রধান ও জমিদার মুগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। 
- প্রকৃতপক্ষে বাংলায় আফগান শাসনামল ও মুগল শক্তির উত্থানের মধ্যবর্তী সময়ে এদেশের বিভিন্ন এলাকা বহু সামরিক প্রধান, ভূঁইয়া এবং জমিদারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
- তারা কখনও যৌথভাবে এবং বেশিরভাগ সময় পৃথকভাবে মুগল আগ্রাসন প্রতিহত করেছিলেন এবং স্বাধীন বা অর্ধ-স্বাধীন শাসকরূপে তাঁদের নিজ নিজ এলাকা শাসন করেছিলেন।
- বারো ভূঁইয়া বলা হত বাংলার বড় বড় স্বাধীন জমিদারকে।
- বারো ভূঁইয়া বলতে বারজন প্রসিদ্ধ ভূ-স্বামী বুঝালেও আসলে এসব জমিদারদের সংখ্যা ছিল অনেক।

এছাড়াও,
- তাঁরা সম্মিলিতভাবে মুঘল আধিপত্যের বিরুদ্ধে সম্রাট আকবরের খ্যাতনামা সমর নায়কদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হন।
- মুসলমান এবং হিন্দু উভয় সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন এ জমিদারগণ।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএএস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
১১,৫৭০.
স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে বহুদলের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
- ১৯৭৫-এর নভেম্বরের উন্মাতাল রাজপথে অভিষেক ঘটে তাঁর। তিনি স্বাধীনতার ঘোষক ও যোদ্ধা।
- রমনা বটমূলের খোলা চত্ত্বরে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবদী দল (বিএনপি)’ নামে এই নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা - শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
- ১৯৭৮-এর ৩০ নভেম্বর সরকার ১৯৭৯ সালের ২৭ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে এই প্রথম সকল রাজনৈতিক দল ও জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
- নির্বাচনে বিএনপি ২০৭টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে 
- বিএনপির প্রথম সরকার গঠন করে ১৯৭৯ সালে।

উৎস : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি'

১১,৫৭১.
আলফাজ একজন কৃতি -
  1. ফুটবলার
  2. ক্রিকেটার
  3. হকি প্লেয়ার
  4. সাঁতারু
সঠিক উত্তর:
ফুটবলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুটবলার
ব্যাখ্যা
মোহাম্মদ আলফাজ আহমেদ:
- মোহাম্মদ আলফাজ আহমেদ হলেন একজন বাংলাদেশী সাবেক পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় এবং ম্যানেজার।
- আলফাজ তার খেলোয়াড়ি জীবনের অধিকাংশ সময় ঢাকা মোহামেডান এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে একজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেছেন।

⇒ ১৯৯৬ এশিয়ার মাসসেরা ফুটবলার হয়েছিলেন মোহামেডানের আলফাজ।
- আলফাজের পর আর কোনো ফুটবলার এই গৌরব অর্জন করতে পারেননি।

⇒ ২০১৩ সালে অবসরে যান সাবেক জাতীয় তারকা আলফাজ আহমেদ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৫৭২.
'Let There Be Light' ছবিটি কে পরিচালনা করেন?
  1. তারেক মাসুদ
  2. জহির রায়হান
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. আব্দুল জব্বার খান
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- জহির রায়হান (১৯ আগস্ট ১৯৩৫ — ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।
- তাঁর আসল নাম ছিল জহিরুল্লাহ।
- পরবর্তী সময়ে তিনি জহির রায়হান নামে পরিচিত হন।
- ১৯৫২ সালে তিনি ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি যে  ১০ জন প্রথম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেন তিনি তাঁদের অন্যতম।
- তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ সূর্যগ্রহণ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনও আসেনি মুক্তি পায়।
- তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।
- জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।
- ১৯৭১ সালের ৩০ ডিসেম্বর তিনি খবর পান যে, শহীদুল্লা কায়সারকে ঢাকার মিরপুরে রাখা হয়েছে। তিনি তাঁকে উদ্ধারের জন্য সেখানে যান। কিন্তু তিনি আর ফিরে আসেননি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৫৭৩.
প্রাচীন মিশরের প্রথম নরপতি কে?
  1. ক) মেনেস
  2. খ) নেকতাবেনো
  3. গ) খুফু
  4. ঘ) আখেমেনিডস
সঠিক উত্তর:
ক) মেনেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেনেস
ব্যাখ্যা
প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশ যা আমাদের কাছে পরিচিত ইজিপ্ট বা মিশর নামে।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে মিশরে প্রথম সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে।
- যার একটি ছিল উত্তর মিশর (নিম্ন মিশর) অপরটি ছিল দক্ষিণ মিশর (উচ্চ মিশর)।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে ৩২০০ খ্রিস্টপূর্ব পর্যন্ত সময়ে নীলনদের অববাহিকায় একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- সে সময়টা প্রাচীন মিশরের ইতিহাসে প্রাক-রাজবংশীয় যুগ বলে পরিচিত।
- এ সময় থেকে মিশর প্রাচীন সভ্যতায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে শুরু করে।
- প্রথম রাজবংশের শাসন আমল শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব ৩২০০ অব্দ থেকে। তখন থেকে মিশরের ঐতিহাসিক যুগের শুরু।
- একই সময়ে নিম্ন ও উচ্চ মিশরকে একত্রিত করে ‘নারমার’ বা ‘মেনেস’ একাধারে মিশরের প্রথম নরপতি এবং পুরােহিত হন।
- তিনি প্রথম ফারাও এর মর্যাদাও লাভ করেন। এরপর থেকে ফারওদের অধীনে মিশর প্রাচীন বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতিতে একের পর এক উল্লেখযােগ্য অবদান রাখতে শুরু করে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৭৪.
'তমুদ্দিন মজলিস' এর মুখপত্র 'সৈনিক' পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ছিলেন -
  1. কামরুদ্দীন আহমদ
  2. আবুল কালাম
  3. শাহেদ আলী
  4. আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

১১,৫৭৫.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘মোহর’ কীসের নাম?
  1. ক) উন্নত জাতের তুলা
  2. খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
  3. গ) উন্নত জাতের পাট
  4. ঘ) উন্নত জাতের ধান
সঠিক উত্তর:
খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট এ পর্যন্ত ভুট্টার বেশ কিছু উন্নত জাত ও হাইব্রিড ভুট্টার জাত উদ্ভাবন করেছে।
এগুলো হলো শুভ্রা, বর্ণালী, মোহর, খই ভুট্টা, বারি ভুট্টা-৫, বারি ভুট্টা-৬, বারি ভুট্টা-৭, বারি মিষ্টি ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-২, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৩, বারি টপ ক্রস হাইব্রিড ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৫, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৬, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৭, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৮, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৯, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১০, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১১, বারি বেবি কর্ন-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১২, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১৩।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
১১,৫৭৬.
বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো কয়টি স্তরে বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের "স্থানীয় প্রশাসন" একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা যা সরকারের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো ৩টি স্তরে বিভক্ত।

যথা:-
১। বিভাগীয় প্রশাসন, 
২। জেলা প্রশাসন এবং
৩। উপজেলা প্রশাসন। 

এছাড়াও,
→ স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর - ইউনিয়ন পরিষদ।
→ স্থানীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর হলো উপজেলা প্রশাসন ৷ 

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৭৭.
নিচের কোনটি লবণাক্ত সহিষ্ণু ধানের জাত নয়?
  1. ক) ব্রি ধান ৬৭
  2. খ) ব্রি ধান ৬৯
  3. গ) বিনা ধান ১০
  4. ঘ) ব্রি ধান ৫২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রি ধান ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রি ধান ৫২
ব্যাখ্যা
লবণাক্ত সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৬৭।
- ব্রি ধান ৬.৯।
- বিনা ধান ১০।

অন্যদিকে,
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত ব্রি ধান ৫২।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত ব্রি ধান ৫৫।
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত ব্রি ধান ৬২।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১১,৫৭৮.
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন -
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) স্পীকার
  3. গ) প্রধান বিচারপতি
  4. ঘ) ডেপুটি স্পীকার
সঠিক উত্তর:
খ) স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্পীকার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার সর্বোচ্চ ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর রাষ্ট্রপ্রধান। 
- সংবিধানে ৫৪নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-  রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি। এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
১১,৫৭৯.
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনে কে শহিদ হয়েছিলেন?
  1. মোস্তফা
  2. বাবুল
  3. ওয়াজিউল্লাহ
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের মূলে ছিল শরিফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট।
- এই কমিশন গঠিত হয়েছিল আইয়ুবের সামরিক শাসন জারির পরপর, ৩০ ডিসেম্বর ১৯৫৮।
- কমিশনের প্রধান ছিলেন তৎকালীন শিক্ষাসচিব ড. এস এম শরিফ।
- এই কারণে রিপোর্টটি শরিফ কমিশন রিপোর্ট নামেই পরিচিতি পেয়েছে।
- কমিশন রিপোর্ট দাখিল করেছিল আট মাসের মাথায় ২৬ আগস্ট ১৯৫৯।

⇒ ক্ষমতায় এসেই আইয়ুব খান (অক্টোবর ১৯৫৮) সামরিক শাসন জারি করেছিলেন, এ সময় সব ধরনের রাজনীতি ছিল নিষিদ্ধ।
- ছাত্ররাজনীতি স্থায়ীভাবে নিষেধ করার মধ্যে সবাই আইয়ুবের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার মতলব আঁচ করেছিলেন।

 উল্লেখ্য,
- কমিশনের চেয়ারম্যান ড. শরিফ আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে আইয়ুবের শিক্ষক ছিলেন।
- ১৯৫৯ সালে শরিফ কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
- তবে সামরিক আইন জারি থাকায় তখন আন্দোলন তেমন জোরদার হতে পারেনি।
- ১৯৬২ সালে সামরিক আইন প্রত্যাহার হওয়ায় শিক্ষা কমিশন রিপোর্টবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করে।
- আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে ১৪৪ ধারার মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর প্রদেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করা হয়।
- এদিন ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে, পুলিশের বাধার মুখেও ছাত্রদের মিছিল এগিয়ে গেলে পুলিশ গুলি চালায়।
- এতে মোস্তফা ও বাবুল নামের দুজন ঘটনাস্থলে নিহত হন এবং পরদিন গুলিবিদ্ধ ওয়াজিউল্লাহ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকার শেষ পর্যন্ত শরিফ কমিশন রিপোর্টের বাস্তবায়ন স্থগিত ঘোষণা করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।
১১,৫৮০.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামিকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. ক) ক্যাপ্টেন শওকত আলীকে
  2. খ) ফ্লাইট সার্জেন্ট মফিজুল্লাহকে
  3. গ) সার্জেন্ট জহুরুল হককে
  4. ঘ) ফ্লাইট সার্জেন্ট ফজলুল হককে
সঠিক উত্তর:
গ) সার্জেন্ট জহুরুল হককে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সার্জেন্ট জহুরুল হককে
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ১৭ নং আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়। এতে করে গণআন্দোলন আরো প্রবল হয় এবং ফলশ্রুতিতে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাপিডিয়া]
১১,৫৮১.
অ্যাটর্নি জেনারেল কোন বিভাগের কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত? 
  1. আইন বিভাগ   
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ আছে। 

- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাহী বিভাগের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

- বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

তথ্যসূত্র: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট। 
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১১,৫৮২.
বাংলাদেশ পুলিশ দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক কোনটি?
  1. কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
  2. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
  3. সীমান্ত ব্যাংক
  4. ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
ব্যাখ্যা

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- এটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আইন ১৯৯৫-এর অধীনে সৃষ্ট সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি বিশেষায়িত ব্যাংক।
- বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক সীমান্ত ব্যাংক।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।

১১,৫৮৩.
হাজং জনগোষ্ঠীর আদিনিবাস ছিলো কোথায়?
  1. ক) চীনের তিব্বত
  2. খ) ভারতের বিহার রাজ্য
  3. গ) উত্তর বার্মা
  4. ঘ) ভারতের মণিপুর রাজ্য
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর বার্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর বার্মা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের আদিনিবাস ছিলো উত্তর বার্মায়।
- হাজং জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস ময়মনসিংহ জেলায়। এছাড়া নেত্রকোনা, শেরপুর ও সিলেট জেলাতেও হাজংদের বসবাস রয়েছে।
- হাজংরা ধর্মীয় বিশ্বাসে হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
- সমাজ কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- হাজং শব্দের অর্থ ‘মাটির পোকা’।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১১,৫৮৪.
বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল -
  1. জজ কোর্ট
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আপিল বিভাগ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা

আপিল বিভাগ:
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়।
- এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।

আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ও তা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৮৫.
বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. জুয়েল গার্মেন্টস
  2. ইয়াংওয়ান গার্মেন্টস
  3. স্টাইলক্রাফট লিমিটেড
  4. রিয়াজ গার্মেন্টস
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ গার্মেন্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ গার্মেন্টস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান 'রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড'।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ২৮ জুলাই, ১৯৭৮ সালে রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১১,৫৮৬.
অ্যাসোসিও লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২১ লাভ করেন কে?
  1. মোস্তফা জব্বার
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. সজিব ওয়াজেদ জয়
  4. ড. আতিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
সজিব ওয়াজেদ জয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সজিব ওয়াজেদ জয়
ব্যাখ্যা
- ‘অ্যাসোসিও লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২১’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
- দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও অবদানের জন্য তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশন (অ্যাসোসিও) এই পদক প্রদান করে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে অ্যাসোসিও লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছিলেন।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর)
১১,৫৮৭.
"Bangladesh Fisheries Research Institute" is located in -
  1. ক) Cox-Bazar
  2. খ) Mymensingh
  3. গ) Chandpur
  4. ঘ) Khulna
সঠিক উত্তর:
খ) Mymensingh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Mymensingh
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:

- ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' অবস্থিত। পূর্বে এটি ছিল চাঁদপুরে।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাঁচটি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এবং ১৯৮৪ সালে এটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বিডব্লিউডিবি) হাইড্রলিক গবেষণাগার হিসেবে পরিবৃদ্ধি লাভ করে। 
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট অবস্থিত চাঁদপুরে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাপিডিয়া।
১১,৫৮৮.
বাংলাদেশের মোট সমুদ্রসীমা কত?
  1. ক) ১৪৩৪৩৭ বর্গ কিমি
  2. খ) ১১৮৮১৩ বর্গ কিমি
  3. গ) ১৪৩৮১৩ বর্গ কিমি
  4. ঘ) ১৮৮৮১৩ বর্গ কিমি
সঠিক উত্তর:
খ) ১১৮৮১৩ বর্গ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১৮৮১৩ বর্গ কিমি
ব্যাখ্যা
- মিয়ানমার ও ভারতের সাথে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় বাংলাদেশ ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটার টেরিটোরিয়াল সমুদ্র,
- ১২ নটিক্যাল মাইল রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা,
- ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল,
- চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করতে পেরেছে।
১১,৫৮৯.
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন কখন পাস হয়?
  1. ক) ২১ জানুয়ারি, ১৯৯১
  2. খ) ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫
  3. গ) ২৭ মার্চ, ১৯৯৬
  4. ঘ) ১০ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
গ) ২৭ মার্চ, ১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৭ মার্চ, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার মূলত অবাধ ও নিরপেক্ষ সাধারণ নির্বাচনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধী দলগুলির প্রবল আন্দোলনের মুখেই জন্ম নিয়েছিল।
- ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি বৈধকরণের ফলে বাংলাদেশ বর্তমান সংসদীয় ব্যবস্থায় একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
- ১৯৯৬ সালের ২১ মার্চ ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বিলটি জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয় এবং ২৬ মার্চ ২৬৮-০ ভোটে বিলটি পাস হয়।

সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া।

- নিকটতম হিসাবে ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ কে সঠিক উত্তর ধরা হলো।
- অপশনে ২৬ মার্চ, ১৯৯৬ থাকলে সেটিই উত্তর হবে।

১১,৫৯০.
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের কোন অংশের কর্মকর্তা?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১১,৫৯১.
'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয় কখন?
  1. ক) ১ জুলাই, ১৯৭১
  2. খ) ১ আগস্ট, ১৯৭১
  3. গ) ২০ আগস্ট, ১৯৭১
  4. ঘ) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
খ) ১ আগস্ট, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ আগস্ট, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
• একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
• পণ্ডিত রবিশংকর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁর শিষ্য-বন্ধু বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটল্সের শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এই অবিস্মরণীয় কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন। তাতে মোট ৪০,০০০ দর্শক উপস্থিত হয়েছিলেন। কনসার্টটির নাম দেওয়া হয়েছিল ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
• কনসার্ট ফর বাংলাদেশে আয়োজক দুই তারকা ছাড়াও অংশ নেন বিটলসের রিংগো স্টার, বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রেসটন, লিয়ন রাসেল। রবি শঙ্কর ছাড়াও সরোদ শিল্পী আলী আকবর খান অংশ নিয়েছিলেন এই কনসার্টে।
• এই কনসার্টটি পরিচালনা করেন পল সুইমার। 

তথ্যসূত্র:- চিরন্তন ৭১, প্রথম আলো এবং বিবিসি বাংলা।
১১,৫৯২.
নিম্নের কোন ব্যক্তি মানাসলু পর্বত জয় করেছেন? 
  1. বাবর আলী
  2. তানভীর আহমেদ
  3. তৌফিক আহমেদ
  4. বর্ণিত সবাই 
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই 
ব্যাখ্যা

মানাসলু পর্বত জয়:
- মানাসলু পর্বত পশ্চিম-মধ্য নেপালের নেপালি হিমালয়ের অংশ মানসিরি হিমালে অবস্থিত।
- উচ্চতায় ৮ম হলেও বিশ্বের প্রাণঘাতী পর্বতগুলোর মধ্যে এর অবস্থান চতুর্থ।
- এটি পৃথিবীর অষ্টম উচ্চতম পর্বত যার উচ্চতা ৮,১৬৩ মিটার/ ২৬,৭৮১ ফুট। 

⇒ সম্প্রতি বাবর আলী মানাসলু  পর্বতশৃঙ্গ জয় করেছেন কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়াই। এটিই প্রথম কোনো বাংলাদেশির শৃঙ্গ জয় অতিরিক্ত অক্সিজেন ছাড়াই। ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন বাবর। শিখরে বাবরের সঙ্গে ছিল দীর্ঘদিনের পর্বতসাথী বীরে তামাং।
- বাবর আলীর পাশপাশি এদিন ‘মানাসলু’ জয় করেছেন বাংলাদেশের আরেক পর্বতারোহী তানভীর আহমেদ। বাবর আলী ও তানভীর আহমেদ দুজনই পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের সদস্য। তাদের এই যৌথ অভিযানের নাম  ‘মানাসলু অ্যাসেন্ট: ভার্টিক্যাল ডুয়ো’।
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভোর ৪টায় তৌফিক আহমেদ তমাল মানাসলু পর্বত জয় করেন।
- ২০১১ সালের ১২ অক্টোবর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গে ওঠেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী এম এম মুহিত।

উৎস: প্রথম আলো।

১১,৫৯৩.
মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
  3. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
ব্যাখ্যা
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী:
- জেনারেল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।
- ১৯১৮ সালের ১ নভেম্বর সুনামগঞ্জে তাঁর জন্ম।
- তিনি ১৯৩৪ সালে সিলেট সরকারি হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ১৯৩৮ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ১৯৩৯ সালের জুলাই মাসে দেরাদুনে ব্রিটিশ ভারতীয় সামরিক একাডেমী থেকে সামরিক কোর্স সম্পন্ন করে রাজকীয় বাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে যোগ দেন (অক্টোবর ১৯৪০)।
- ১৯৪১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত হন।
- ১৯৪৭ সালে সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসার কোর্স সম্পন্ন করার পর ওসমানী লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে নিয়োগের জন্য মনোনীত হন।
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৭ সালের ৭ অক্টোবর তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং পরদিনই লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত হন।
- আতাউল গণি ওসমানী ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। সত্তরের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১১,৫৯৪.
বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় কোন হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হয়?
  1. ক) GDP
  2. খ) GNP
  3. গ) Both
  4. ঘ) None
সঠিক উত্তর:
খ) GNP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) GNP
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের জনগণ দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অবস্থান করে উৎপাদন কাজ করতে পারে।
- তাই বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP তে অন্তর্ভূক্ত হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হলো রপ্তানী আর বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয়।


উৎস: অর্থনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৯৫.
যুদ্ধ কৌশলগত কারণে মুক্তিবাহিনীতে গঠিত ‘জেড ফোর্স’ ব্রিগেডের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. লে. কর্নেল জিয়াউর রহমান
  2. লে. কর্নেল খালেদ মোশাররফ
  3. লে. কর্নেল কে. এম. শফিউল্লাহ
  4. মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
লে. কর্নেল জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লে. কর্নেল জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা

ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিবাহিনীতে Z, S, K ফোর্স নামে তিনটি ব্রিগেড ফোর্স ছিল।
- এগুলো তেলিয়াপাড়া রণকৌশল অনুযায়ী গঠিত হয়েছিল।
- তেলিয়াপাড়া রণকৌশল হল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পরিকল্পনা;
- যেখানে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মিলিত আক্রমণের কৌশল তৈরি করা হয়।

Z ফোর্স-
- Z ফোর্স গঠিত হয় ৭ জুলাই ১৯৭১।
- এর অধিনায়ক ছিলেন লে. কর্নেল জিয়াউর রহমান। 
- সদর দপ্তর ছিল তেলঢালায়।
- জিয়াউর রহমানের নামের প্রথম অক্ষর অনুযায়ী এই ফোর্স এর নাম Z ফোর্স রাখা হয়। 
- Z ফোর্স প্রধানত পূর্বাঞ্চলে সামরিক নেতৃত্ব দেয়; 
- এবং সেক্টর ২, ৩ ও ৪ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করত।
- ফোর্সটি মুক্তিযুদ্ধে নিয়মিত ব্রিগেড গঠন এবং সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধ পরিচালনার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
---------------------------------------------- 
অন্যদিকে, 
S ফোর্স-
- লে. কর্নেল কে. এম. শফিউল্লাহ- S ফোর্স এর অধিনায়ক ছিলেন। 
- S ফোর্স গঠিত হয় সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে।
- এর সদর দপ্তর ছিল হাজামারায়।
- S ফোর্স উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনা করত এবং সেক্টর ৫, ৬ ও ৭ তত্ত্বাবধান করত।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের কাঠামোগত নেতৃত্ব প্রদান এবং সেক্টরভিত্তিক লড়াইকে সুসংগঠিত করা।

K ফোর্স-
- K ফোর্স এর অধিনায়ক ছিলেন লে. কর্নেল খালেদ মোশাররফ। 
- K ফোর্স গঠিত হয় ১৪ অক্টোবর ১৯৭১।
- এর সদর দপ্তর ছিল আগরতলায়।
- K ফোর্স দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনা করত এবং সেক্টর ৮, ৯ ও ১১ এর দায়িত্ব পালন করত।
- ফোর্সটি মুক্তিযুদ্ধের জন্য নিয়মিত ব্রিগেড গঠন ও কার্যকর নেতৃত্ব প্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস: বনিক বার্তা ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা। 

১১,৫৯৬.
বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ কী ছিল?
  1. ঢাকা রেডিও সেন্টার
  2. ঢাকা ব্রডকাস্টিং
  3. ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  4. রেডিও পাকিস্তান ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বেতার:
- বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ করা হয় 'ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র'।
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১১,৫৯৭.
কাস্টিং ভোট প্রদান করে কে?
  1. সংসদ নেতা
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. চীফ হুইফ
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
সংসদ নিয়ম, কোরাম ইত্যাদি (অনুচ্ছেদ ৭৫):
১. সংবিধানের আওতায়:
(ক) সংসদের কার্যপ্রণালী সংসদ নিজেই প্রণীত নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হবে। যদি নিয়ম তৈরি না হয়, তাহলে তা রাষ্ট্রপতির প্রণীত নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
(খ) সংসদে যে কোনো সিদ্ধান্ত সংসদ সদস্যদের উপস্থিত এবং ভোটদানকারী সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়া হবে।
সভাপতির (স্পিকার) ভোট দেওয়ার অধিকার থাকবে না, তবে ভোট সমান হলে তিনি ফল নির্ধারণে একটি ভোট (কাস্টিং ভোট) দিতে পারবেন।

- কাস্টিং ভোট: কোনো বিষয়ে ভোটের সংখ্যা সমান হলে, সভার সভাপতির দ্বারা প্রদত্ত একটি সিদ্ধান্তমূলক ভোট, যা বিষয়টির নিষ্পত্তি নিশ্চিত করে। (Cambridge Dictionary)
- জাতীয় সংসদের সভাপতি: স্পিকার ।
- কাস্টিং ভোট প্রদান করে: স্পিকার । 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৫৯৮.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ কে ছিলেন?
  1. শঙ্কু সমজদার
  2. শহীদুল ইসলাম লালু
  3. মনুমিয়া
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
শহীদুল ইসলাম লালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদুল ইসলাম লালু
ব্যাখ্যা
শহীদুল ইসলাম লালু:
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন শহীদুল ইসলাম লালু।
- তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে মহান স্বাধনীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ন অবদান রেখে বীর প্রতীক খেতাব পেয়ে ছিলেন।
- শহিদুল ইসলাম লালু বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিবাহিনী ছাড়াও দেশের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় কয়েকটি সশস্ত্র আঞ্চলিক বাহিনী গড়ে ওঠে।
- এর মধ্যে কাদেরিয়া বাহিনী অন্যতম।
- এ বাহিনীর একটি দলের সঙ্গে ছিলেন শহীদুল ইসলাম।
- শহীদুল ইসলামের গ্রামের বাড়ী ছিলো সুখী পলাশপাড়া, গোপালপুর, টাঙ্গাইল।
- শুরুতে তিনি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য- সহযোগিতা, অস্ত্র-গোলাবারুদ বহন ও সংবাদ সংগ্রহের কাজ করতেন।
- পরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরায় অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নেন।

অন্যদিকে -
- ছয়দফা আন্দোলনের প্রথম শহীদ মনুমিয়া।
- মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শহীদ হন শঙ্কু সমজদার।
- বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ হামিদুর রহমান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৫৯৯.
পদ্মা সেতুর মোট স্প্যানের সংখ্যা -
  1. ক) ৪০টি
  2. খ) ৪১টি
  3. গ) ৪২টি
  4. ঘ) ৪৩টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪১টি
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। 
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। 
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। 
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। 
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮ দশমিক ৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: The Daily Star বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
১১,৬০০.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ”বিকল্প নীতি উত্থাপন” করে কে?
  1. বিরোধী দল
  2. সুশীল সমাজ
  3. সরকারি দল
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা

• গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের ভূমিকা :
- গঠনমূলক সমালোচনা: 
- অধিকার বাস্তবায়ন: 
- গণতন্ত্র রক্ষা: 
- বিকল্প নীতি উত্থাপন,
- সমস্যা চিহ্নিত করা: 
- জনমত গঠন
- প্রার্থী মনোনয়ন,
- পারস্পরিক সম্পর্ক
- রাজনৈতিক সংযোগ সাধন;
 - রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ;
- জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা;

উৎস : উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়