বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১১৮ / ৩০৬ · ১১,৭০১১১,৮০০ / ৩০,৮৩২

১১,৭০১.
বাংলাদেশের সংবিধানে কত ধরনের মালিকানার কথা বলা আছে?
  1. ১ ধরনের
  2. ২ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৪ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা
মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানে তিন ধরনের মালিকানার কথা বলা হয়েছে। 
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই মালিকানাগুলোর মধ্যে রয়েছে: রাষ্ট্রীয় মালিকানা, সমবায় মালিকানা এবং ব্যক্তিগত মালিকানা।

উল্লেখ্য,  
অনুচ্ছেদ-১৩ অনুযায়ী, উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীর মালিক বা নিয়ন্ত্রক হবে জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা তিনভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
- প্রথমত, রাষ্ট্রীয় মালিকানা, এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র রাষ্ট্রায়ত্ত করা হবে, যাতে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্র মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয়ত, সমবায় মালিকানা, যা আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়ের সদস্যদের পক্ষে মালিকানা প্রতিষ্ঠা করে।
- তৃতীয়ত, ব্যক্তিগত মালিকানা, যেখানে আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা স্বীকৃত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৭০২.
সুন্দরবনের আয়তন প্রায় কত বর্গ কিলোমিটার?
  1. ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  2. ৪১০০ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৫৮০০ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৬৯০০ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন: 
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। 
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। 

- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে। 
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো - সুন্দরী। 
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন। 
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট, ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
১১,৭০৩.
২০২২ সালের জনশুমারী অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান বার্ষিক গড় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.০৪ শতাংশ
  2. ১.২২ শতাংশ
  3. ১.৫০ শতাংশ
  4. ১.৪৪ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১.২২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.২২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- জনশুমারি ও গৃহগণনা প্রাথমিক রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের বার্ষিক গড় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১.২২%।
- কিন্তু চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান বার্ষিক গড় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।

জনশুমারি ও গৃহগণনা:   
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
 
উল্লেখ্য,
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%। 
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%। 
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%। 
 
উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
১১,৭০৪.
জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন কে?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) সেনাপ্রধান
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ক নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি ১২০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৭০৫.
নিচের কোনটি ৭ই মার্চের ভাষণে উত্থাপিত দাবির অর্ন্তগত নয়?
  1. সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে
  2. বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে
  3. গণহত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে
  4. সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে সমাবেশে উপস্থিত হয়ে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- এই ভাষণে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান এবং দেশকে মুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

- বঙ্গবন্ধু তার ৭ই মার্চের ১৮ মিনিটের ঐতিহাসিক ভাষণে ৪টি দাবি উত্থাপন করেন।  উত্থাপিত দফাগুলো হলো:-
১। সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
২। সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
৩। গণহত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে।
৪। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫ম তফসিল।
১১,৭০৬.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়?
  1. চতুর্থ সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়। 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়। 
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

⇒ উল্লেখ্য:
- চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১১,৭০৭.
প্রথম কোন জেলায় 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচী চালু করা হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. পঞ্চগড়
  3. রংপুর
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,৭০৮.
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা পর্যায়ে কোন কর্মকর্তার অধীনে কাজ করেন?
  1. ক) জেলা জজ
  2. খ) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. গ) দায়রা জজ
  4. ঘ) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা পর্যায়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে কাজ করেন।
Source: puthia.rajshahi.gov.bd
১১,৭০৯.
বাংলাদেশে তৈরী প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়-
  1. ১২ জুলাই, ২০১৭
  2. ০৪ জুন, ২০১৭
  3. ২৫ জানুয়ারি, ২০১৭
  4. ২৫ জানুয়ারি, ২০১৮
সঠিক উত্তর:
০৪ জুন, ২০১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৪ জুন, ২০১৭
ব্যাখ্যা
ব্র্যাক অন্বেষা:
- দেশের প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট 'ব্র্যাক অন্বেষা'.
- ২০১৭ সালের ৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে কক্ষপথের উদ্দেশে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল কাফি, রায়হানা শামস ইসলাম অন্তরা এবং মাইসুন ইবনে মনোয়ার জাপানের কিউশু ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিতে ন্যানো স্যাটেলাইটটি তৈরি করেছেন।
- ন্যানো স্যাটেলাইটির ওজন এক কেজি ও আকারে ১০ সেন্টিমিটার।
- এটি দুর্যোগের পূর্বাভাস ও উচ্চমানের ছবি পাঠাতে সক্ষম।

সূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, ৪ জুন, ২০১৭।
১১,৭১০.
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সর্ববৃহৎ যুদ্ধ বিমান ঘাঁটি -
  1. ক) বাহিনী ঘাঁটি মতিউর রহমান
  2. খ) বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু
  3. গ) বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক
  4. ঘ) উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু
ব্যাখ্যা
• বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু
» ০৪ ডিসেম্বর ২০১৬সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুকে মর্যাদাপূর্ণ ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করেন।
» বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের একটি প্রধান অপারেশনাল বিমান ঘাঁটি – যা Home of Fighters নামে পরিচিত।
» জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আকাশ প্রতিরক্ষায় এ ঘাঁটি বিশেষ ভূমিকা রাখে।
» শান্তিকালীন সময়ে অত্র ঘাঁটি হতে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন  দূর্যোগ মোকাবেলায় বেসামরিক প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হয় এবং এক্ষেত্রে বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুর পারদর্শিতা বিভিন্ন সময়ে প্রমাণিত ও প্রশংসিত হয়েছে।

 » এখানে উল্লেখ্য যে, বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় গত ০৯ এপ্রিল, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই ঘাঁটিটি তার পূর্ণাঙ্গ জনবল এবং যন্ত্রাংশসহ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধুর’ নামানুসারে “বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু” হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
» বর্তমানে এ ঘাঁটিটি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সর্ববৃহৎ যুদ্ধ বিমান ঘাঁটি এবং এক অপরিহার্য ঘাঁটি হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত।

সূত্র: ispr.gov.bd
১১,৭১১.
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট কতটি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট ৫টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এগুলো হলো:

- প্রথম কৃষিশুমারি : ১৯৭৭ সালে
- দ্বিতীয় কৃষিশুমারি : ১৯৮৩-৮৪ সালে
- তৃতীয় কৃষিশুমারি : ১৯৯৬ সালে
- চতুর্থ কৃষিশুমারি : ২০০৮ সালে
- পঞ্চম কৃষিশুমারি : ২০১৯ সালে।

⇨ বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
১১,৭১২.
সাধারণত কোন মাসে আউশ ধান কাটা হয়?
  1. মার্চ-এপ্রিল
  2. অক্টোবর-নভেম্বর
  3. জুলাই-আগস্ট
  4. নভেম্বর-জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
জুলাই-আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই-আগস্ট
ব্যাখ্যা

আউশ ধান: 
- আউশ কথাটি মূলত বাংলা ‘আশু’ শব্দ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে বলে ধারণা করা হয়।
- এ ধান বপন এবং ফসল কাটার মধ্যবর্তী সময় তুলনামূলক কম বলে একে আউশ ধান নামে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণত মার্চ-এপ্রিল মাসে এ ধান বপন করা হয় এবং জুলাই-আগস্ট মাসে কাটা হয়।
- এ ধানের একটি বিশেষ দিক বা বৈশিষ্ট্য হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগের দ্বারা বেশি আক্রান্ত হয়।
- যেমন- প্রায় সময়ে গাছ বৃদ্ধির সময় খরা এবং ফসল কাটার সময় বন্যা হওয়া। 
- অন্যান্য ধানের তুলনায় আউশ ধানের ফলন কম।
- পূর্বে আউশ ধানের যেসব জাত চাষ করা হতো সেগুলো এখন আর হয় না বললেই চলে।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীলজাত চান্দিনা, মালা, সুফলা, মোহিনী,
- আশা প্রভৃতি চাষ করলে অধিক ফলন পাওয়া যায়। 
- আউশ ধানের অধিকাংশ জাতের চাল মোটা এবং বাদামী।

উল্লেখ্য,
- বোরো ধান মার্চ-এপ্রিল মাসে কাটা হয়। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৭১৩.
সম্প্রতি কতজনকে ‘সেরা জয়িতা পুরস্কার-২০২৩’ প্রদান করা হয়?
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ৮ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
সেরা জয়িতা পুরস্কার-২০২৩:
- প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫ নারী জয়িতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- ৮ মার্চ, ২০২৪ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় পর্যায়ে ‘সেরা জয়িতা পুরস্কার-২০২৩’ প্রদান করেন।
- সেরা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন আনার কলি (অর্থনৈতিক), কল্যাণী মিঞ্জি (শিক্ষা ও কর্মসংস্থান), কমলি রবি দাশ (সফল মা), জাহানারা বেগম (নিপীড়ন প্রতিরোধ) এবং পাখি দত্ত হিজড়া (সামাজিক উন্নয়ন)।

উৎস: ৮ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
১১,৭১৪.
বাংলাদেশ কবে আইসিসি’র পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭৭ সালে
  2. খ) ১৯৮৬ সালে
  3. গ) ১৯৯৭ সালে
  4. ঘ) ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এর সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে
২০০০ সালের ২৬ জুন দশম দেশ হিসেবে আইসিসির টেস্ট স্ট্যাটাস লাভের মাধ্যমে সংস্থাটির পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে।
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০১১ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস এবং ২০২১ সালের ২ এপ্রিল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।

(তথ্যসূত্র: আইসিসি ও বিসিবি ওয়েবসাইট)
১১,৭১৫.
শাহ আমানত বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম-এর IATA কোড কী?
  1. CGP
  2. CTG
  3. SAC
  4. CSA
সঠিক উত্তর:
CGP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CGP
ব্যাখ্যা
শাহ আমানত বিমানবন্দর:
- ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম বিমানঘাঁটি নির্মাণ করা হয়।
- স্বাধীনতার পর এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাত্রীবাহী ফ্লাইট চলাচলের সাথে অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে পরিণত হয়।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর।
- বিমানবন্দরটি বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়।
- ১৯৯০ সালে এটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে ওঠে।
- এটি এম এ হান্নান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম নামে যাত্রা শুরু করে।
- ২০০৫ সালের এপ্রিলে এর নাম পরিবর্তন করে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম করা হয়।
• এর ICAO ID কোড - VGEG.
• এর IATA কোড - CGP.
• এর Latitude - 221525.28N.
• এর Longitude - 0914919.95E.

তথ্যসূত্র - শাহ আমানত বিমানবন্দর ওয়েবসাইট।
১১,৭১৬.
নিচের কোনটি জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি?
  1. ক) নেকটার
  2. খ) পিটিআই
  3. গ) নায়েম
  4. ঘ) নেপ
সঠিক উত্তর:
গ) নায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নায়েম
ব্যাখ্যা
- জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট কেন্দ্র এবং এটি শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে। 
- নায়েমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণকে জ্ঞান, পেশাগত দক্ষতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা সমৃদ্ধ করা। 
- শিক্ষাক্ষেত্রে পরিকল্পনা, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও গবেষণার উন্নয়নের ক্ষেত্রে নায়েম প্রধান ভূমিকা পালন করছে। 
- শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- একটি বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রূপান্তর করা হয়। 
 
অপরদিকে, 
NAPE (National Academy for Primary Education) হলো জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি।
NACTAR(National Computer Training and Research Academy) হলো জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি। 
PTI (Primary Teachers' Training Institute ) হলো প্রাথমিক  শিক্ষকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। 
 
(তথ্যসূত্র: নায়েম ও সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
১১,৭১৭.
'পাকিস্তানের জন্ম-মৃত্যু দর্শন' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক
  2. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  3. অধ্যাপক নজরুল ইসলাম
  4. অধ্যাপক যতীন সরকার
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক যতীন সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক যতীন সরকার
ব্যাখ্যা

অধ্যাপক যতীন সরকার:
- ​বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক যতীন সরকার ১৯৩৬ সালের ১৮ আগস্ট নেত্রকোনার কেন্দুয়ার চন্দপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
​- তিনি ৫৫টির বেশি গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন।
​- তার প্রথম গ্রন্থ 'সাহিত্যের কাছে প্রত্যাশা' প্রকাশিত হয় ১৯৮৫ সালে। 
​- ২০০৫ সালে প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনবদ্য আত্মজীবনী ‘পাকিস্তানের জন্ম মৃতু-দর্শন’ যতীন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত। 
​- সমাজ অর্থনীতি ও রাষ্ট্র নামে তত্ত্বমূলক ত্রৈমাসিক একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন তিনি।
​- তিনি দুই মেয়াদে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। 
​​- লেখক হিসেবে যতীন সরকার ২০১০ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার, ২০০৭ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পদক, ২০০৫ সালে পাকিস্তানের জন্ম-মৃত্যু দর্শন গ্রন্থের জন্য প্রথম আলো বর্ষসেরা গ্রন্থ পুরস্কার পান। 
​- এ ছাড়া তিনি ড. এনামুল হক স্বর্ণপদক, খালেকদাদ চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার, মনিরুদ্দীন ইউসুফ সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন।
​- গত ১৩ আগস্ট, ২০২৫ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

​​​তথ্যসূত্র- প্রথম আলো।

১১,৭১৮.
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন বসেছিলো কোথায়?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) মুম্বাই
  4. ঘ) লখনৌতি
সঠিক উত্তর:
গ) মুম্বাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুম্বাই
ব্যাখ্যা
১৮৮৫ সালের ডিসেম্বরে কংগ্র্রেসের প্রথম অধিবেশন বসে মুম্বাইয়ে। এতে সভাপতিত্ব করেছিলেন বাঙালি ব্যারিস্টার উমেশচন্দ্র ব্যানার্জি।

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস হলো সর্বভারতীয় প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন। এটি ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইংরেজ সিভিলিয়ান অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১১,৭১৯.
শেখ হাসিনা সেনানিবাস কোথায় অবস্থিত?
  1. বটেশ্বর, সিলেট
  2. ঘাটাইল, মানিকগঞ্জ
  3. লেবুখালী, পটুয়াখালী
  4. ভাটিয়ারি, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
লেবুখালী, পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেবুখালী, পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
- দেশের ৩১তম এবং দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম 'শেখ হাসিনা সেনানিবাস' এর অবস্থান পটুয়াখালী জেলার লেবুখালীতে
- সেনাবাহিনীর ৯টি ডিভিশনের আওতায় দেশে ৩০টি সেনানিবাস থাকলেও এতদিন দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কোনো সেনানিবাস ছিল না। দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি জেলায় বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ২০০ কিলোমিটার দূরের যশোর সেনানিবাসের সহায়তা নিতে হতো।

তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল।
১১,৭২০.
১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ স্বৈরাচারী আইয়ুব শাসনের অবসানের পর কে রাষ্ট্র প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন?
  1. জুলফিকার আলী ভূট্টো
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সূচনা:

- ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ স্বৈরাচারী আইয়ুব শাসনের অবসানের পর ইয়াহিয়া খান রাষ্ট্র প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- আইয়ুব খানের নিকট থেকে ক্ষমতা গ্রহণের সময় ইয়াহিয়া খান ১৯৬২ সালের সংবিধান বাতিল ঘোষণা করেছিলেন।
- স্বভাবতঃই নির্বাচন অনুষ্ঠান ও জাতীয় পরিষদ গঠন সম্পর্কিত বিষয়গুলো তিনি সামরিক আইনের অধীনে বিভিন্ন ঘোষণার মাধ্যমে জারি করেন।
- ১৯৬৯ সালের ২৮ নভেম্বর বেতার ভাষণে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে ইয়াহিয়া খান দুই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
• তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের এক ইউনিট ব্যবস্থা বাতিল করে সেখানে চারটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করেন।
• এক ব্যক্তি এক ভোট' এই নীতিতে ভোট হবে বলে ঘোষণা দেন। প্রথম সিদ্ধান্তটি পাকিস্তানের আঞ্চলিকতাবাদে বিশ্বাসী জনগণকে সন্তুষ্ট করে। দ্বিতীয় সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি মেনে নেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭২১.
বঙ্গবন্ধু প্রথম কত সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন?
  1. ক) ১৯৪৯ সালে
  2. খ) ১৯৫৩ সালে
  3. গ) ১৯৫৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের আওয়ামী মুসলিম লীগের তৃতীয় সম্মেলনে দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
আওয়ামীলীগের প্রথম কমিটি:
- সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- সহ সভাপতি : আতাউর রহমান খান
- সহ সভাপতি : আব্দুস সালাম খান
- যুগ্ম সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- যুগ্ম সম্পাদক : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
-------
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমবারের মতো দলটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
- তিনি টানা চারবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
-------
১৮-২০ মার্চ, ১৯৬৬ তারিখে আওয়ামীলীগের ষষ্ঠ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- এই কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন - তাজউদ্দিন আহমেদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।

১১,৭২২.
Which of the Bilateral Exercise commenced between the Indian Navy (IN) - Bangladesh Navy (BN) in the Northern Bay of Bengal?
  1. ক) Indra
  2. খ) Varuna
  3. গ) Bongosagar
  4. ঘ) Passex
সঠিক উত্তর:
গ) Bongosagar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Bongosagar
ব্যাখ্যা
The second edition of Indian Navy (IN) - Bangladesh Navy (BN) Bilateral Exercise Bongosagar commences in the Northern Bay of Bengal.
According to a press release issued by the Ministry of Defence, the exercise Bongosagar is aimed at developing interoperability and joint operational skills through the conduct of maritime exercises and operations.
Source: ddnews.gov.in
১১,৭২৩.
পাকিস্তানি বাহিনী কোথায় আত্মসমর্পন করেছিল?
  1. ক) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  2. খ) পিলখানায়
  3. গ) রাজারবাগে
  4. ঘ) রেসকোর্স ময়দানে
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেসকোর্স ময়দানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেসকোর্স ময়দানে
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৬-১৬ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়। ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন। পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন। সূত্র - বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৭২৪.
মেট্রোরেল পরিচালনার জন্য গঠিত সংস্থার নাম কী?
  1. ক) Japan International Cooperation Agency
  2. খ) Dhaka Mass Transport Company Limited
  3. গ) Dhaka Man Transit Company Limited
  4. ঘ) Dhaka Mass Transit Company Limited
সঠিক উত্তর:
ঘ) Dhaka Mass Transit Company Limited
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Dhaka Mass Transit Company Limited
ব্যাখ্যা

- উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল নির্মিত হচ্ছে যা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার।
- স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা : প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দৈনিক প্রায় ৫ লক্ষ।
- কাজের উদ্বোধন : ২৬ জুন ২০১৬ এবং কাজ শেষ হবে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
- অর্থায়ন : Japan International Cooperation Agency (JICA) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়ন।
- মেট্রোরেল পরিচালনার জন্যে গঠিত সংস্থা Dhaka Mass Transit Company Limited.

তথ্যসূত্র- DMTCL এবং দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট।

১১,৭২৫.
বিচার বিভাগের কাজ কোনটি?
  1. বিচার সংক্রান্ত কাজ
  2. সংবিধান সংরক্ষণ
  3. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭২৬.
প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রীসভার সদস্যদের কত অংশ সদস্য সংসদের বাইরে থেকে নিয়োগ করতে পারেন?
  1. ক) এক-দশমাংশ
  2. খ) এক-শতাংশ
  3. গ) দুই-দশমাংশ
  4. ঘ) কিয়দাংশ
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) এক-দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এক-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ। অর্থাৎ ১০% সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
১১,৭২৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের সরকারের চীফ অব স্টাফ কে ছিলেন?
  1. ক) কর্ণেল (অব) এম এ জি ওসমানী
  2. খ) মেজর খালেদ মোশারফ
  3. গ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খোন্দকার
  4. ঘ) কর্ণেল (অব) এম এ রব
সঠিক উত্তর:
ঘ) কর্ণেল (অব) এম এ রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কর্ণেল (অব) এম এ রব
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধের সময় কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- মুক্তিবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ছিলেন লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

(উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

১১,৭২৮.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে কত দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়? 
  1. ১১ দফা
  2. ১৬ দফা
  3. ২১ দফা
  4. ১২ দফা
সঠিক উত্তর:
২১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দফা
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার:
- ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবির প্রথম দাবি ছিল বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমদ।
- একুশ দফার প্রথম দাবীটি ছিলো বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৭২৯.
বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. রূপগঞ্জ
  2. হরিপুর
  3. মাধবগঞ্জ
  4. বিজয়পুর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা

হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র।
- ১৯৫৫ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এ পর্যন্ত এখানে সর্বমোট ৭টি গ্যাসকূপ খনন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,৭৩০.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কে ঘোষণা করেন?
  1. ক) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  2. খ) মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১১,৭৩১.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কোন সালে পেশ করা হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৬৭ সালে
  3. গ) ১৯৬৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন

১৯৯৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে চৌধুরী মোহাম্মদ আলীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন। ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, ছয় লক্ষ বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। ছয়দফা রচিত হয় লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে।

ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি

১ম দফাঃ শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
২য় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩য় দফাঃ মুদ্রা ও অর্থ বিষয়ক ক্ষমতা।
৪র্থ দফাঃ কর বা রাজস্ব বিষয়ক ক্ষমতা।
৫ম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা।
৬ষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক মিলিশিয়া বাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

এছাড়াও 

৬ দফা উত্থাপন করা হয় মোট ৩বার। উত্থাপনকারী- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
প্রথমবার ৫-৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরের বিরোধী দলীয় সম্মেলনে।
দ্বিতীয়বার ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ সালে অনানুষ্ঠানিকভাবে।
তৃতীয়বার ২৩ মার্চ ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা পূর্ব পাকিস্তানের ম্যাগনাকার্টা বলা হয়- ৬ দফাকে।
ছয় দফা দিবস পালিত হয়ে আসছে- ৭ জুন।
ছয় দফার অর্থনীতি বিষয়ক দাবি- ৩টি (৩য়, ৪র্থ, ৫ম)।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৩২.
নিচের কোনটি বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য ছিল?
  1. হরিকেল
  2. সমতট
  3. পুণ্ড্র
  4. বঙ্গ
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র জনপদ:
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য।
- পুণ্ড্র ‘জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে। ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১১,৭৩৩.
গত অর্থবছরে দেশে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপির শতকরা কত ভাগ?
  1. ক) ৩৫.৬০ ভাগ
  2. খ) ৩১.৭৫ ভাগ
  3. গ) ২৫.১১ ভাগ
  4. ঘ) ১৯.২০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১.৭৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১.৭৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপির ৩১.৭৫ ভাগ। এর মধ্যে বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২৩.৬৩ ভাগ এবং সরকারি বিনিয়োগ ৮.১২ ভাগ।
একই সময়ে মোট দেশজ সঞ্চয় ছিলো জিডিপির ২৫.৩১ ভাগ এবং জাতীয় সঞ্চয় ছিলো জিডিপির ৩০.১১ ভাগ।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
১১,৭৩৪.
মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় কাকে?
  1. ক) সম্রাট শাহজাহান
  2. খ) সম্রাট বাবর
  3. গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) সম্রাট আকবর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সম্রাট আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
• সম্রাট আকবরের মন্ত্রীসভার অর্থমন্ত্রী ছিলেন- টোডরমল।
সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা
• ১৫৫৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর উপাধি নিয়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।

আকবরের মন্ত্রীসভা
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন আবুল ফজল।
- অর্থমন্ত্রী ছিলেন টোডরমল।
- সেনাপ্রধান ছিলেন মান সিংহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১১,৭৩৫.
আসাদগেট নামের পটভূমির সাথে জড়িত কোন সন?
  1. ১৯৪৭ সন
  2. ১৯৫২ সন
  3. ১৯৬৯ সন
  4. ১৯৭১ সন
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সন
ব্যাখ্যা
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ১১ দফা দাবি আদায়ের প্রেক্ষিতে গণ-আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।
• গণ-আন্দোলনটি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে হওয়ায় ঢাকাবাসী আসাদের স্মৃতি রক্ষার্থে আইয়ুব গেটের নাম পরিবর্তন করে রাখেন আসাদগেট।
• প্রতিবছর ২০ জানুয়ারি আসাদ দিবস পালিত হয়।
১১,৭৩৬.
৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে দারিদ্র্যের হার হবে -
  1. ক) ৭.৪%
  2. খ) ৯.৫%
  3. গ) ১০.৫%
  4. ঘ) ১৫.৬%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫.৬%
ব্যাখ্যা
৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্যসমূহ: দারিদ্র দূরীকরণ ও বৈষম্য কমিয়ে আনতে মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা, শিশুদের জন্য পুষ্টির জোগান নিশ্চিত করা, দরিদ্র মানুষের হাতে সরকারের পক্ষ থেকে নগদ টাকা পৌঁছানো, গ্রামাঞ্চলের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিদ্যুতায়ন এবং আধুনিক কর ব্যবস্থা প্রবর্তনের নির্দেশনা রয়েছে নতুন পরিকল্পনায়।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪,৯৫,৯৮০ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%।
- গড় মূল্যস্ফীতি: ৪.৮%। 
- মেয়াদান্তে জাতীয় জিডিপির আকার: ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা।
- কর্মসংস্থান লক্ষ্যমাত্রা: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মেয়াদান্তে দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- মেয়াদান্তে চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।

উৎস: ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, portal.gov.bd.
১১,৭৩৭.
গিনি কোন ধরনের ঘাস?
  1. নাতিশীতোষ্ণ অস্থায়ী
  2. শীতমন্ডলীয় স্থায়ী
  3. গ্রীষ্মমন্ডলীয় স্থায়ী
  4. গ্রীষ্মমন্ডলীয় অস্থায়ী
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মমন্ডলীয় স্থায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মমন্ডলীয় স্থায়ী
ব্যাখ্যা

গিনি ঘাস:
- পশুপালনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘাসগুলোর মধ্যে রয়েছে- নেপিয়ার ঘাস, গিনি ঘাস এবং তাদের সংকর জাত যেমন সুপার নেপিয়ার ও ব্রাকিয়ারিয়া।
- বিশেষ করে এই ঘাসগুলো দুধ ও মাংস উৎপাদনে সাহায্য করে।

- গিনি ঘাস উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুতে ভালোভাবে জন্মায়;
- এবং একবার রোপণের পর দীর্ঘদিন উৎপাদন দেয়।
- তাই এটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় স্থায়ী ঘাস হিসেবে পরিচিত।
- গিনি ঘাস পশুপালনে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং উচ্চ ফলনশীল ঘাস।
- এটি গবাদি পশুর জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।
- সারা বছর সবুজ খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করে।
- গিনি ঘাস দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং বছরে একাধিকবার কাটা যায়, যা পশুর খাদ্যের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে।
- এছাড়াও, এটি সহজে চাষযোগ্য।
- বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রথম বৃষ্টির পর লাগালে ভালো ফলন পাওয়া যায়।
- গিনি ঘাসের জন্য বেশি যত্নের প্রয়োজন হয় না।


উল্লেখ্য,
- পশুপালনের জন্য জনপ্রিয় ঘাসগুলোর মধ্যে রয়েছে-
নেপিয়ার ঘাস:
- এই ঘাস শক্তপোক্ত, ভালো ফলন দেয় এবং দুগ্ধ খামারে প্রধান খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়।

সুপার নেপিয়ার বা গিনি-নেপিয়ার হাইব্রিড:
- এই ঘাস দ্রুত বৃদ্ধি পায়, ফলন বেশি এবং প্রোটিনের পরিমাণও বেশি (১২–১৪%), যা সারা বছর পাওয়া যায়।

পাকচং ঘাস:
- এটি স্থায়ী এবং উঁচু জমিতে চাষযোগ্য।
- এই ঘাস গবাদি পশুর জন্য পুষ্টিকর ও বটে । 

ব্রাকিয়ারিয়া ঘাস:
- এই ঘাস পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ;
- সহজে হজম হয় এবং
- দুধ ও মাংস উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক;
- এছাড়াও এটি খরা সহনশীল।

- এই ঘাসগুলো জনপ্রিয়, কারণ-
 • এদের প্রোটিন, ফাইবার ও খনিজ পদার্থ বেশি থাকে।
• এছাড়া, বছরের বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার কাটা যায় এবং প্রতি বিঘায় ভালো ফলন দেয়। 
• এগুলো সহজে বিভিন্ন ধরনের মাটিতে বা বিশেষ পরিবেশে চাষ করা যায়।
• কিছু ঘাস সরাসরি খাওয়ানো যায়, কিছু থেকে খড় তৈরি করা যায় বা সাইলেজ করা যায়।

উৎস: বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট। 

১১,৭৩৮.
কোন আমলে দেশে হুন্ডি প্রথার বিকাশ ঘটে?
  1. সেন আমলে
  2. সুলতানি আমলে
  3. মোঘল আমলে
  4. ব্রিটিশ আমলে
সঠিক উত্তর:
মোঘল আমলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোঘল আমলে
ব্যাখ্যা
ব্যাংকিং প্রথা:
- ব্যবসা বাণিজ্য প্রসার লাভ করার ঢাকা, হুগলী ও মুর্শিদাবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্রে অর্থ ব্যবসায়ীদের শাখা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে।
- মোঘল শাসকরাও এই সকল ঋণ প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করতো।
- এ সময়ে মোঘল সম্রাটগণ ভূমি, রাজস্ব ও খাজনা মুদ্রায় আদায় করতেন।
- শুধু তাই না জনগণ মোঘল টাকশালে সোনা-রুপা প্রভৃতি মূল্যবান বস্তু মুদ্রায় রূপান্তরিত করতে পারতো।
- হুন্ডি ও বিনিময় পত্র তখন থেকেই প্রচলিত ছিল।
- ১৭০০ সালের শেষ দিকে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ বেনিয়াদের উপস্থিতি ঘটে।
- ১৭২৪ সালে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর রেকর্ড পত্র থেকে জানা যায় যে, বাংলা অঞ্চলের রাজস্ব মুর্শিদাবাদে জগৎশেঠ পরিবারের মাধ্যমে হুন্ডি করে দিল্লীতে পাঠানো হতো।
 - অতএব বোঝা যায় যে, মোঘল আমলেই এদেশে গোষ্ঠী মালিকানাধীন ঋণ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয় এবং হুন্ডি ও বিনিময় পত্রের প্রচলন ঘটে।

উৎস: ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,৭৩৯.
ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষিত নারী সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত নারী সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়। 
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৭৪০.
বাংলাদেশ কবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে  উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হবে?
  1. ২২ নভেম্বর ২০২৬
  2. ২৩ নভেম্বর ২০২৬
  3. ২৪ নভেম্বর ২০২৬
  4. ২১ নভেম্বর ২০২৬
সঠিক উত্তর:
২৪ নভেম্বর ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ নভেম্বর ২০২৬
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে উত্তরণের সুপারিশ করে।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম বৈঠকের ৪০তম প্লেনারি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- The United Nations Committee for Development policy (CDP)  বাংলাদেশ কে উন্নয়নশীল দেশে তে যাওয়ার জন্যে সুপারিশ করে।
 CDP কোন দেশ কে ৩ টি সূচকের উপর ভিত্তি করে LDC  থেকে উত্তরণের সুপারিশ করেন।
- বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে উত্তরণের শর্ত পূরণ করে-  ২০১৮ সালে।
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য: 
-১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
-বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

উৎস: ডয়েছ লেভেল, প্রথম আলো।
১১,৭৪১.
ছয় দফা দিবস পালিত হয় -
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ২৩ মার্চ
  3. গ) ১৭ এপ্রিল
  4. ঘ) ৭ জুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ জুন
ব্যাখ্যা
ছয় দফা দিবস
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণ-আন্দোলনের সূচনা হয়।
- প্রতি বছর ৭ই জুন বাংলাদেশে '৬ দফা দিবস' পালন করা হয়।
- এই দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গী, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআরের গুলিতে মনু মিয়া , শফিক, শামসুল হক, মুজিবুল হকসহ মোট ১১ জন বাঙালি নিহত হন।

অন্যদিকে -
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উত্থাপন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।

উৎস: প্রথম আলো, ০৭ জুন, ২০২০।
১১,৭৪২.
কোন রোগনাশকের কার্যকরী উপাদান পারদ?
  1. বেনলেট
  2. এগ্রোসান
  3. ক্যাপটান
  4. হিনোসান
সঠিক উত্তর:
এগ্রোসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগ্রোসান
ব্যাখ্যা
- এগ্রোসান (Agrosan) একটি প্রাচীন ছত্রাকনাশক, এর প্রধান কার্যকরী উপাদান ছিল পারদ (Mercury) ভিত্তিক যৌগ।
- এটি এক সময় মূলত বীজ শোধনের কাজে ব্যবহার করা হতো এবং কৃষিক্ষেতে ছত্রাক দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত।
- তবে পারদ একটি অত্যন্ত বিষাক্ত ভারী ধাতু, যা মানুষের স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনির ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং পরিবেশের জন্যও মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে।
- পারদযুক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে জলজ প্রাণীর মৃত্যু, মাটি ও পানির দূষণ এবং মীনামাটা রোগের মতো ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে।
- এসব ক্ষতির কথা বিবেচনা করে আজ অনেক দেশেই এগ্রোসানসহ পারদ-ভিত্তিক ছত্রাকনাশকের ব্যবহার নিষিদ্ধ বা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।

অন্যদিকে,
- বেনলেট (Benlate)-এর উপাদান Benomyl, ক্যাপটান (Captan)-এর উপাদান Captan, এবং হিনোসান (Hinosan)-এর উপাদান Edifenphos.
- এই তিনটি রোগনাশকের কোনোটি পারদ-ভিত্তিক নয়।
- তাই স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে, উল্লেখিত চারটির মধ্যে শুধুমাত্র এগ্রোসানই পারদযুক্ত ছত্রাকনাশক হিসেবে চিহ্নিত।
১১,৭৪৩.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে কবে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়?
  1. ১ নভেম্বর, ২০০৭
  2. ৩ নভেম্বর, ২০০৭
  3. ১১ নভেম্বর, ২০০৭
  4. ১৩ নভেম্বর, ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে ১ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়।

বিচার বিভাগ:

- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
১১,৭৪৪.
কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে?
  1. ১১৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১২৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১২৮ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১২৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অষ্টম ভাগ - মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক: 
মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা: 
১২৭। (১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর "মহা হিসাব-নিরীক্ষক" নামে অভিহিত) থাকিবেন এবং তাঁহাকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন। 

মহা হিসাব-নিরীক্ষক: 
- ১২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। 

- মহা হিসাব-নিরীক্ষক রাষ্ট্রপতির দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- তাঁর কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি নির্ধারণ করেন।
- ১২৮ নং অনুচ্ছেদে মহা-হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে। 
- দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকবেন না।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ৫ বছর বা ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।
- অপসারণের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের মতো প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
- কর্মাবসানের পর তিনি সরকারি অন্য কোনো পদে নিযুক্ত হতে পারবেন না।
- পদ শূন্য বা অনুপস্থিত থাকলে রাষ্ট্রপতি অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক নিয়োগ দিতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে মহা হিসাব-নিরীক্ষক প্রজাতন্ত্রের হিসাবের আকার ও পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
- বর্তমান কন্ট্রোলার জেনারেল অব একাউন্টস: জনাব এস এম রেজভী

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৭৪৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. নিকোলাই পদগোর্নি
  2. লিওনিদ ব্রেজনেভ
  3. ইউরি আন্দ্রোপভ
  4. মিখাইল গর্বাচেভ
সঠিক উত্তর:
নিকোলাই পদগোর্নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাই পদগোর্নি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত ইউনিয়নের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিকোলাই পদগোর্নি। 

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বিশ্ব পরাশক্তিগুলোর ভূমিকা: 
- যুক্তরাষ্ট্র: পাকিস্তানকে কূটনৈতিকভাবে সমর্থন করেছিল।
- চীন: পাকিস্তানের প্রতি নৈতিক সমর্থন দিলেও সামরিক হস্তক্ষেপ করেনি।
- ভারত: সামরিক, কূটনৈতিক ও মানবিক সহায়তা প্রদান করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া): ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহায়তা দিয়েছিল।
- ২৫ মার্চ ১৯৭১: পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার পর সোভিয়েত ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করে।
- ২ এপ্রিল ১৯৭১: সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট পদগোর্নি ইয়াহিয়া খানকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পরামর্শ দেন।
- জুলাই ১৯৭১: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের গোপন চীন সফর, যা ভারতকে উদ্বিগ্ন করে তোলে।
- ৯ আগস্ট ১৯৭১: ভারত-সোভিয়েত মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ভারতকে কূটনৈতিক ও সামরিক নিরাপত্তা প্রদান করে।
- ডিসেম্বর ১৯৭১: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হলে, সোভিয়েত ইউনিয়ন কূটনৈতিকভাবে ভারতের পক্ষে শক্ত অবস্থান নেয়।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে, যেখানে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
- সোভিয়েত কূটনৈতিক শক্তি এবং ভারতীয় সামরিক সহায়তার ফলে পাকিস্তান পরাজিত হয়।

উৎস:  বিবিসি বাংলা (১৩ মার্চ ২০২২)
১১,৭৪৬.
জাতীয় অর্থ তহবিলের নিয়ন্ত্রক কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
আইনসভা বা জাতীয় সংসদের অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- জাতীয় সংসদ সরকারের অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। 
- সংসদের আইন বা উহার কর্তৃত্ব ব্যতীত কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যায় না (অনু: ৮৩)।
- সরকার প্রতি বছর আয়-ব্যয়ের অনুমিত হিসাব সংবলিত একটি বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবে এবং সংসদের অনুমোদন ব্যতীত উক্ত বাজেট কার্যকর হবে না (অনু: ৮৭)।
- সকল সরকারি অর্থের রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ সংসদের আইন দ্বারা করা হবে (অনু: ৮৫)। 
সুতরাং, জাতীয় সংসদ হচ্ছে জাতীয় অর্থের অভিভাবক ও নিয়ন্ত্রণকারী।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও বাংলাদেশ সংবিধান।
১১,৭৪৭.
পরীবিবি কে ছিলেন?
  1. আওরঙ্গজেবের কন্যা 
  2. শায়েস্তা খানের কন্যা
  3. মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
  4. আজিমুসশানের মাতা 
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খানের কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খানের কন্যা
ব্যাখ্যা

পরী বিবি:
- তিনি বাংলার মুগল সুবাহদার শায়েস্তা খান এর কন্যা।
- বাদশাহ আওরঙ্গজেব এর পুত্র মুহম্মদ আজম এর স্ত্রী।
- বাংলাদেশ সরকারের কাটরার ওয়াকফ পরিদপ্তরে সংরক্ষিত শায়েস্তা খানের নিজস্ব অছিয়তনামা থেকেই শায়েস্তা খানের কন্যা হিসেবে বিবি পরীকে (ইরান দুখত্ রহমত বানু) চিহ্নিত করা যায়।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে মসজিদের পূর্ব দিকে বিবি পরীকে সমাহিত করা হয়। শায়েস্তা খান কন্যার সমাধির উপর একটি সুদৃশ্য সৌধ নির্মাণ করেন।

তথ্যসুত্র- বাংলাপিডিয়া।

১১,৭৪৮.
নিচের কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিলো?
  1. অসহযোগ আন্দোলন
  2. মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন
  3. ভারত ছাড় আন্দোলন
  4. সিমলা ডেপুটেশন
সঠিক উত্তর:
সিমলা ডেপুটেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিমলা ডেপুটেশন
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ঘটনাসমূহের মধ্যে সিমলা ডেপুটেশন সবার আগে সংঘটিত হয়।

১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর ভারতীয় মুসলমানদের ৩৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আগা খানের নেতৃত্বে সিমলায় বড়লাট লর্ড মিন্টোর সাথে সাক্ষাত করেন।
তারা মুসলমানদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া বড়লাটের নিকট পেশ করে। এটিই সিমলা ডেপুটেশন নামে পরিচিত।
অন্যদিকে,
- মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন : ১৯০৯ সাল
- অসহযোগ আন্দোলন : ১৯২১ সাল
- ভারত ছাড় আন্দোলন : ১৯৪২ সাল।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১১,৭৪৯.
জিএসপি GSP কী?
  1. Generalized System of Preference
  2. Generalized System of Preferences
  3. Generalized System of Progress-in-Garments
  4. Generalized System of Preference-in-Garments
সঠিক উত্তর:
Generalized System of Preferences
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Generalized System of Preferences
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) এর উদ্যোগে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে বিশ্ব অর্থনীতিতে একীভূত করার প্রস্তাবের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন GSP সুবিধা প্রদান করে আসছে। 

Generalized System of Preferences (GSP) হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বৈদেশিক বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা (Trade Preference Program)।
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা হারায় ২৭ জুন, ২০১৩ সালে।

অপরদিকে,
Generalised Scheme of Preferences হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা (Trade Preference Program)। ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রদত্ত GSP সুবিধা মূলত নিম্নোক্ত তিনটির সমন্বয়ে গঠিত। যথা:
• Standard GSP
• GSP 
• EBA
- বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে ২০২৬ সালে।
- উন্নয়নশীল দেশ হিসেব উন্নীত হলে, বাংলাদেশ ইউরোপী ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।
- বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে।
- ২০২৯ সালের পর নতুন করে জিএসপি সুবিধা বাড়ানোর চিন্তা করছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

উৎস: ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওয়েবসাইট, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।
১১,৭৫০.
২০২২ সালে চিকিৎসাবিদ্যা বিভাগে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন -
  1. ক) সিরাজুল হক
  2. খ) আবদুল জলিল
  3. গ) কনক কান্তি বড়ুয়া
  4. ঘ) ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) কনক কান্তি বড়ুয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কনক কান্তি বড়ুয়া
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠান এ পুরস্কার লাভ করে।
সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।
এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান -

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ:
১. বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
২. শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
৩. আবদুল জলিল
৪. সিরাজ উদ্দীন আহমেদ
৫. মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
৬. মরহুম সিরাজুল হক।

চিকিৎসাবিদ্যা:
৭. অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া
৮. অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম
স্থাপত্য:
৯. মরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণ:
১০. গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই)
বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান ও শতভাগ বিদ্যুতায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ:
১১. বিদ্যুৎ বিভাগ

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল - ২০২২
১১,৭৫১.
কৃষিতে ’ঝুমকা’ কী জাতীয় ফসলের নাম?
  1. বেগুন
  2. টমেটো
  3. তরমুজ
  4. বাঁধাকপি
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফসলের জাত:
টমেটো:
- বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিদুর, শ্রাবণী, 

বেগুন:
- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, খটখটিয়া, লাফফা, উত্তরা, নয়নকাজল, শিংনাথ, কাজলা, বিজয়।

তরমুজ:
- পদ্মা, মধুবালা, সুইট ব্ল‍্যাক, সুইট ব্ল‍্যাক-২,সোনিয়া, কেনিয়া, কোবরা, সুগার কিং, চ্যাম্পিয়ন, ব্ল‍্যাক জেনারেল, জেসমিন।

বাঁধাকপি:
-গোল্ডেন ক্রস, কে ওয়ােই, ক্রস, ড্রাম হেড, ট্রপিক মার্কেট, লিডার, মহাবীর, সিটি ক্রস, , গ্রীণ স্টোন, গ্রীণ মাষ্টার।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয়।
১১,৭৫২.
কাকে হত্যা চেষ্টার জন্য বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসি হয়েছিল?
  1. কিংস ফোর্ড
  2. ব্যামফিল্ড ফুলার
  3. জেনারেল ডায়ার
  4. এন্ড্রু ফ্রেজার
সঠিক উত্তর:
কিংস ফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিংস ফোর্ড
ব্যাখ্যা
ক্ষুদিরাম বসু:

- তিনি ১৮৮৯ সালে মেদিনীপুর জেলার হাবিবপুর গ্রামে ক্ষুদিরামের জন্ম গ্রহণ করেন।
১৯০৩ সালে মেদিনীপুরের ‘কলেজিয়েট’ স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি শিক্ষা লাভ করেন।
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী ও স্বদেশী আন্দোলন ক্ষুদিরামের মতো স্কুলের ছাত্রদেরও প্রভাবিত করে এবং পরিণামে তিনি পড়াশোনা ছেড়ে সত্যেন বসুর নেতৃত্বে এক গুপ্ত সমিতিতে যোগ দেন।
১৯০৬ সালের মার্চে মেদিনীপুরের এক কৃষি ও শিল্পমেলায় রাজদ্রোহমূলক ইস্তেহার বণ্টনকালে ক্ষুদিরাম প্রথম পুলিশের হাতে ধরা পড়লেও পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
- পরবর্তী মাসে অনুরূপ এক দুঃসাহসী কর্মের জন্য তিনি পুলিশের হাতে ধরা পড়েন এবং আদালতে বিচারের সম্মুখীন হন।
১৯০৭ সালের ৬ ডিসেম্বর নারায়ণগড় রেল স্টেশনের কাছে বঙ্গের ছোটলাটের বিশেষ রেলগাড়িতে বোমা আক্রমণের ঘটনার সাথে তিনি জড়িত ছিলেন।
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী ও স্বদেশী আন্দোলনের কর্মীদের প্রয়োজনভিত্তিক কঠোর সাজা ও দমননীতির কারণে কলকাতার প্রধান প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড বাঙালিদের অত্যন্ত ঘৃণার পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন।
- বিপ্লবীদল ১৯০৮ সালে তাঁকে হত্যার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং প্রফুল্ল চাকী ও ক্ষুদিরামের উপর এ দায়িত্ব পড়ে।
কিংসফোর্ডের গাড়ির মতো অন্য একটি গাড়িতে ভুলবশত বোমা মারলে গাড়ির ভেতরে একজন ইংরেজ মহিলা ও তাঁর মেয়ে মারা যান। এ ঘটনার পর ক্ষুদিরাম ওয়ানি রেলস্টেশনে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন।
- তিনি বোমা নিক্ষেপের সমস্ত দায়িত্ব নিজের উপর নিয়ে নেন।
- তাঁকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য অনুসারে মুজফ্ফরপুর কারাগারে ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট ফাঁসিতে তাঁর মৃত্যৃ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১১,৭৫৩.
ঢাকার রায়ের বাজারে নির্মিত "বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ" এর স্থপতি -
  1. নিতুন কুন্ডু
  2. মাইনুল হোসেন
  3. শামীম শিকদার
  4. মোঃ জামী আল সাফী
সঠিক উত্তর:
মোঃ জামী আল সাফী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোঃ জামী আল সাফী
ব্যাখ্যা
রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ:
- শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ঢাকার রায়ের বাজার ইটখোলায় নির্মিত।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমাপ্তিলগ্নে পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের সহযোগীদের সহায়তায় দেশের যে-সকল শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবী এবং অন্যান্যদের হত্যা করেছিল তাঁদের শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ এটি নির্মাণ করা হয়।
- যে স্থানটিতে এ হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছিল সেখানেই এ স্মৃতিসৌধটি নির্মিত হয়।
- নিহত বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ছিলেন শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সাংবাদিক, লেখক, চলচ্চিত্র পরিচালক ও অন্যান্য পেশাজীবী।

⇒ ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার এ নৃশংস হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ার স্থানে স্মৃতিসৌধটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- বর্তমান আধুনিক বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধটি ১৪ ই ডিসেম্বর ১৯৯৯ইং সালে উদ্বোধন করা হয়।
- এর নকশাকার হলেন স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও মোঃ জামী আল সাফী

⇒ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানী হানাদানর বাহিনী কর্তৃক বুদ্ধজীবী হত্যা একটি ন্যাক্করজনক ঘটনা।
- পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর নির্দেশনা ও মদদে এদেশীয় একশ্রেনীর দালাল এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক, নাট্যকার, শিল্পী প্রভৃতি শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীদের বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় এবং এই হত্যাযজ্ঞ ঘটায়।
- তারা ড. গোবিন্দচন্দ্র দেব, মুনীর চৌধুরী, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, শহিদুল্লাহ কায়সার, ডাঃ ফজলে রাব্বীসহ এদেশের প্রথম সারির অনেক বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে।
- বিজয় লাভের কিছুদিন পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ রায়ের বাজারের উক্ত স্মৃতিসৌধের স্থানটিতে পাওয়া যায়।
- তাদের স্মৃতিকে স্মরনীয় করে রাখতে এই বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মান করা হয় যা রায়ের বাজার 'বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ” নামে পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৭৫৪.
বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রীর নাম কি?
  1. ফারুক খান
  2. দিলীপ বড়ুয়া
  3. সৈয়দ আবুল হোসেন
  4. দীপু মনি
সঠিক উত্তর:
দীপু মনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীপু মনি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী:
- শিক্ষামন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ।
- তিনি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অসীন দলের প্রধান কর্তৃক মনোনীত ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সেই মনোনয়ন গৃহীত হলে 'শিক্ষামন্ত্রী' হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
- ৭ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে তারিখ থেকে তিনি এই পদে রয়েছেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৭৫৫.
জলবায়ু সংকট মোকাবেলা ও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডক্টর অব লিটারেচার (ডি লিট) প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় -
  1. ক) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডি-লিট (ডক্টর অব লিটারেচার) ডিগ্রি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) কর্তৃপক্ষ।
- জলবায়ু সংকট মোকাবিলা, দারিদ্র্য বিমোচন, নারী ও দেশের উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য সম্মানসূচক এ ডিগ্রি দেওয়া হবে।
- 'উইটসা এমিনেন্ট পার্সনস অ্যাওয়ার্ড-২০২১' পুরস্কার ভূষিত, বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত সংকট মোকাবিলায় বিশ্বের প্রভাবশালী পাঁচ শীর্ষ নেতার স্বীকৃতি পাওয়ায় ও জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে যুগান্তকারী পদক্ষেপ তুলে ধরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডি-লিট ডিগ্রি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট
১১,৭৫৬.
'গ্রাম আদালত আইন' প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৯
  2. খ) ২০০৭
  3. গ) ২০০৪
  4. ঘ) ২০০৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৬
ব্যাখ্যা
গ্রাম আদালত আইন: 'গ্রাম আদালত আইন' প্রণীত হয় ৯ মে, ২০০৬ সালে। 

- দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের এখতিয়ারাধীন এলাকায় কতিপয় বিরোধ ও বিবাদের সহজ ও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালত গঠনকল্পে প্রণীত আইন।
- যেহেতু দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের এখতিয়ারাধীন এলাকায় কতিপয় বিরোধ ও বিবাদের সহজ ও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালত গঠন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১১,৭৫৭.
কত খ্রিস্টাব্দে দিনেমারগণ উপমহাদেশে বাণিজ্য করার জন্য ‘দিনেমার ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠন করে?
  1. ১৬১৬ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৬১৭ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৬১৮ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৬১৯ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৬১৬ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১৬ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
• দিনেমার:
→ ডেনমার্কের অধিবাসীদের দিনেমার বলা হয়।
১৬১৬ খ্রিস্টাব্দে দিনেমারগণ উপমহাদেশে বাণিজ্য করার জন্য ‘দিনেমার ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠন করে এবং দক্ষিণ ভারতের ত্রিবাঙ্কুরে ও কলকাতার শ্রীরামপুরে তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
→ অবশেষে দিনেমারগণ কোনো প্রকার বাণিজ্যিক সফলতা ছাড়াই এদেশ থেকে চিরতরে বিদায় নেয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৫৮.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ডেপুটি চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব কে পালন করেন?
  1. ক) খন্দকার মোশতাক আহমদ
  2. খ) লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
  3. গ) কর্নেল (অব.) এম. এ. জি ওসমানী
  4. ঘ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে খন্দকার।
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে খন্দকার।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে খন্দকার।
ব্যাখ্যা
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার তথা মুজিবনগর সরকার।

-    বাংলাদেশ সরকার(মুজিবনগর সরকার)

রাষ্ট্রপতি (সর্বাধিনায়ক) ⇒ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উপ-রাষ্ট্রপতি ⇒ সৈয়দ নজরুল ইসলাম
প্রধানমন্ত্রী ⇒ তাজউদ্দিন আহমদ
অর্থমন্ত্রী ⇒ ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন, কৃষি মন্ত্রী ⇒ এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ⇒ খন্দকার মোশতাক আহমদ
প্রধান সেনাপতি ⇒ কর্নেল (অব.) এম. এ. জি ওসমানী
চিফ অব স্টাফ ⇒ লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ⇒ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে খন্দকার

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৭৫৯.
সংবিধান কমিটি গঠন করা হয় কবে?
  1. ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  2. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে
  4. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ এবং অস্থায়ী সংবিধান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে। ঐদিন গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কমিটি গঠন করা হয় ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- শাসনতন্ত্র  কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছিলো - ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- কমিটির শেষ বৈঠক এবং খসড়া সংবিধান অনুমোদন - ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে খসড়া সংবিধান গৃহীত - ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধানে স্বাক্ষর - ১৪, ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কার্যকর, গণপরিষদ বিলুপ্ত - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৭৬০.
সংসদীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায় "আস্থা ভোট" বলতে নিম্নের কোনটি বোঝায়?
  1. জনগণের প্রতি আস্থা যাচাই
  2. রাষ্ট্রপতির প্রতি আস্থা যাচাই
  3. বিরোধীদলের সমর্থন যাচাই
  4. সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন যাচাই
সঠিক উত্তর:
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন যাচাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন যাচাই
ব্যাখ্যা

সংসদীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায় "আস্থা ভোট" বলতে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন যাচাই বোঝায়। 

আস্থা ভোট:
- সংসদীয় ব্যবস্থায় "আস্থা ভোট" (Vote of Confidence) বলতে বোঝায় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা সরকারের প্রতি তাদের আস্থা আছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য একটি প্রস্তাবের ওপর ভোট দিয়ে থাকেন।
- যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন, তাহলে সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকে; কিন্তু যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন, তবে সরকারকে পদত্যাগ করতে হয়।

⇒ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা (এমপি) নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন না। তাতে বলা আছে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি যদি ওই দল থেকে পদত্যাগ করেন বা সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো। 

১১,৭৬১.
'গজ্যাপজ্যা বিজু' পালিত হয় কোন দিন?
  1. চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন
  2. চৈত্র সংক্রান্তিতে
  3. বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন
  4. বাংলা নববর্ষের দ্বিতীয় দিন
সঠিক উত্তর:
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন
ব্যাখ্যা
বিজু উৎসব:
- নববর্ষ উপলক্ষে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা যে উৎসব করে তাকে বিজু বলে।
- এই উৎসবের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো পুরনো বছরকে বিদায় জানানো এবং নতুন বছরকে সাদরে গ্রহণ করা।
- চৈত্র মাসের শেষ দুই দিন এবং পহেলা বৈশাখ নিয়ে মোট তিন দিন ধরে বিজু উৎসব চলে।
- বিজু উৎসবে তিন দিনের আলাদা নামকরণ হয়েছে।
- প্রথম দিন ফুলবিজু, দ্বিতীয় দিন মূলবিজু এবং তৃতীয় দিন গজ্যাপজ্যা।
- ১২ এপ্রিল পালন করা হয় ফুলবিজু।
- চৈত্র মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ১৩ এপ্রিল পালন করা হয় মূলবিজু।
- বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল পালন করা হয় গজ্যাপজ্যা (গড়িয়ে পড়ার দিন)। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
          ii) ২৩ মার্চ, ২০২২, কালের কন্ঠ।
১১,৭৬২.
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদের নাম কী?
  1. ব্যবস্থাপনা পরিচালক
  2. গভর্নর
  3. চেয়ারম্যান
  4. নির্বাহী পরিচালক
সঠিক উত্তর:
গভর্নর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গভর্নর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বয়সসীমা ছিল সর্বোচ্চ ৬৭ বছর। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা নেই।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১১,৭৬৩.
’সংগ্রাম’ তেল চিত্র কে এঁকেছেন?
  1. আবু সাইদ
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. শিল্পি ডাইলাম
  4. রফিকুল বারি
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
⇒ ‘সংগ্রাম’ তেল চিত্রটি এঁকেছেন জয়নুল আবেদিন।

জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ তাঁর উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
১১,৭৬৪.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২১
  4. অনুচ্ছেদ ২২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।

⇒ বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।

⇒ সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
১১,৭৬৫.
দেশে প্রথমবারের মতো মৃত ব্যক্তির দান করা কিডনি প্রতিস্থাপনে অস্ত্রোপচারের নেতৃত্ব দেন -
  1. ক) অধ্যাপক তৌহিদ মো. সাইফুল হোসাইন
  2. খ) সহযোগী অধ্যাপক কার্তিক চন্দ্র ঘোষ
  3. গ) সহযোগী অধ্যাপক ফারুক হোসেন
  4. ঘ) অধ্যাপক হাবিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) অধ্যাপক হাবিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অধ্যাপক হাবিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• দেশে প্রথমবারের মতো মৃত ব্যক্তির দান করা কিডনি অন্য ব্যক্তির দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। 
• দুটি কিডনির একটি প্রতিস্থাপন করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ); অন্যটি প্রতিস্থাপন করা হয় কিডনি ফাউন্ডেশনে।
• সারাহ ইসলাম নামের (২০) এক তরুণীর দান করা কিডনি দুই নারীর দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। ওই তরুণী কর্নিয়াও দান করে গেছেন।
• প্রথম কিডনি প্রতিস্থাপনে অস্ত্রোপচারের নেতৃত্ব দেন বিএসএমএমইউর রেনাল ট্রান্সপ্লান্ট বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হাবিবুর রহমান

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার ফ্রেব্রুয়ারি, ২০২২ এবং প্রথম আলো।
১১,৭৬৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, সার্বিকভাবে জিডিপি কয়টি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৬টি
  2. ১৮টি
  3. ১৯টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
• কৃষি: ১১.০২%।
• শিল্প: ৩৭.৯৫%।
• সেবা: ৫১.০৮%।
- ৩টি বৃহৎ খাতে নিয়োজিত জনশক্তি -
• কৃষি:৪৫%।
• শিল্প: ১৭%।
• সেবা: ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১,৭৬৭.
‘মাল জামিনী’ রাজস্ব ব্যবস্থা প্রচলন করেন কে?
  1. ক) নবাব মুর্শিদকুলী খান
  2. খ) নবাব আলীবর্দী খান
  3. গ) সুবেদার ইসলাম খান
  4. ঘ) সুবেদার শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
ক) নবাব মুর্শিদকুলী খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নবাব মুর্শিদকুলী খান
ব্যাখ্যা
বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদকুলী খান। ১৭০৩ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে উড়িষ্যার নায়েব সুবাদার এবং পরের বছর বিহারের দেওয়ান নিযুক্ত করেন। ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে মুর্শিদকুলী বাংলার সুবাদার হন। কার্যত এ সময় থেকেই বাংলার নবাবী আমলের শুরু। তিনি বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন। মুর্শিদকুলী কর্তৃক প্রবর্তিত রাজস্ব ব্যবস্থার নাম ছিল ‘মাল জামিনী'। সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৬৮.
ঐতিহাসিক ছয় দফার শেষ দফাটি কী ছিল?
  1. প্রতিরক্ষা
  2. রাজস্ব
  3. বাণিজ্য
  4. বৈদেশিক মুদ্রা
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১১,৭৬৯.
উফশী কথাটি কিসের সাথে জড়িত?
  1. ফসল
  2. নদী
  3. সমুদ্র
  4. কয়লা
  5. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসল
ব্যাখ্যা
উফশী ও আধুনিক ধান:
- উফশী কথাটি ফসলের সাথে জড়িত।
- যে ধানগাছের সার গ্রহণ ক্ষমতা এবং ফলন বেশি তাকেই উফশী ধান বলা হয়।
- উফশী ধানগাছে দু'টি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়, যেমন গাছ মজবুত এবং পাতা খাড়া।
- আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো, ধান পেকে গেলেও গাছ সবুজ থাকে।
- অপরদিকে স্থানীয় সনাতন জাতের গাছ দুর্বল, পাতা হেলে পড়ে, সার গ্রহণ ক্ষমতা কম এবং ধান পাকার সাথে সাথে গাছ শুকিয়ে যায়। সঙ্গত কারণেই এর ফলন কম হয়।
- উফশী ধানে যখন প্রয়োজনীয় বিশেষ গুণ, যেমন রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা, স্বল্প জীবনকাল, খরা, লবণাক্ততা ও জলমগ্নতা সহিষ্ণু ইত্যাদি সংযোজিত হয় তখন তাকে আধুনিক ধান বলা হয়।
- তাই সকল উফশী ধান আধুনিক নয়, কিন্তু সকল আধুনিক ধানে উফশী গুণ বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৭৭০.
সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা বাংলাদেশে একজন নামমাত্র রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. চতুর্দশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এ সংশোধনীর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- ১৯৯১ সালের ৬ই আগস্ট ৩০৭-০ ভোটে এ সংশোধনী বিলটি গৃহীত হয়।

⇒ এ সংশোধনীর প্রধান প্রধান দিক:
(১) সংসদীয় সরকার: দ্বাদশ সংশোধনীর প্রধান দিক হল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।
(২) নামমাত্র রাষ্ট্রপতি: এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশে একজন নামমাত্র রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। তিনি আইনানুসারে সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবেন। তিনি যাবতীয় বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে কাজ করবেন।
(৩) রাষ্ট্রপতির মেয়াদ: এ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ নির্ধারিত হয়। রাষ্ট্রপতি ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। একাধিক্রমে তিনি ১০ বছরের বেশি মেয়াদে ক্ষমতায় থাকবেন না।
(৪) উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ: উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ দ্বাদ্বশ সংশোধনীর একটি উল্লেখযোগ্য দিক। দ্বাদশ সংশোধনীর দ্বারা উপ-রাষ্ট্রপতির পদটি বিলোপ করা হয়। এ সংশোধনীতে বলা হয়, কোন কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পীকার অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
(৫) মন্ত্রিসভা গঠন: মন্ত্রিসভা গঠন পদ্ধতি সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর একটি বিশেষ দিক। এ সংশোধনীতে বলা হয় বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থায় একটি মন্ত্রিসভা থাকবে। রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করবেন। তিনি হবেন এ মন্ত্রিসভার নেতা।
(৬) গণভোট পদ্ধতি: এ সংশোধনীতে গণভোট পদ্ধতির কথা বলা হয়। দ্বাদশ সংশোধনী দ্বারা কেবল প্রস্তাবনা, সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ৮, ৪৮, ৫৬ ও ১৪২ সংক্রান্ত কোন সংশোধনী বিল গণভোট আকারে পেশ করার বিধান রাখা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৭৭১.
সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে কত শতাংশ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়?
  1. ২ শতাংশ
  2. ১০ শতাংশ
  3. ১৩ শতাংশ
  4. ১৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন।
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৭৭২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তির কথা বলা হয়েছে?
  1. ১১নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৪নং অনুচ্ছেদে
  3. ২২নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৬নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৪নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- ১৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা।

অন্যদিকে, 
- সংবিধানের ১১নং অনুচ্ছেদে বলা আছে 'গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা'।
- সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে বলা আছে 'নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ'।
- সংবিধানের ১৬নং অনুচ্ছেদে গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লবের কথা বলা হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৭৭৩.
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় দেশে প্রথমবারের মতো কোন রোগ প্রতিরোধে টিকা দেবে সরকার? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ডেঙ্গু
  2. হেপাটাইটিস
  3. টাইফয়েড
  4. চিকুনগুনিয়া
সঠিক উত্তর:
টাইফয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইফয়েড
ব্যাখ্যা
টাইফয়েড টিকা:
- দেশে প্রথমবারের মতো টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা দেবে সরকার।
- ভ্যাকসিনটি এসেছে গ্যাভি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের সহায়তায়।
- সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)–এর আওতায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর ১১ মাস ২৯ দিন বয়সী প্রায় ৫ কোটি শিশুকে এই টিকা দেওয়া হবে।
- এক ডোজের ইনজেকটেবল এই টিকা ৩ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেবে। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, টাইফয়েড জ্বর হলো স্যালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট একটি সিস্টেমিক সংক্রমণ, যা সাধারণত দূষিত খাদ্য বা পানি গ্রহণের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
- এর উপসর্গ হলো—দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, মাথাব্যথা, বমিভাব, ক্ষুধামন্দা এবং কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য, আবার কখনো ডায়রিয়া।
- রোগের গুরুতর ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিতে পারে কিংবা মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। 
- বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর আনুমানিক ৯০ লাখ মানুষ টাইফয়েডে আক্রান্ত হয় এবং প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে এই রোগে।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]
১১,৭৭৪.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রদান করেন কবে?
  1. ক) ২১ জানুয়ারি ২০২২
  2. খ) ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  3. গ) ২১ মার্চ ২০২২
  4. ঘ) ২১ এপ্রিল ২০২২
সঠিক উত্তর:
গ) ২১ মার্চ ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২১ মার্চ ২০২২
ব্যাখ্যা
- ২১ মার্চ ২০২২ শতভাগ বিদ্যুতায়নের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- একই দিনে ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দেশের সবচেয়ে বড় ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সূত্র:- Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
১১,৭৭৫.
দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা কে ছিলেন?
  1. জুলফিকার আলী ভুট্টো 
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. গোলাম মোহাম্মদ 
  4. আইয়ুব খান 
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা

দ্বিজাতি তত্ত্ব:
- জাতিতত্ত্বের বিশ্লেষণে একটি জনগোষ্ঠীকে তখনই জাতি বলা যায়, যার ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, মনন, কৃষ্টি, ধর্ম এমনকি অর্থনীতি একটি একক সত্তায় পরিণতি লাভ করে।
- মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ভারতের হিন্দু ও মুসলমান এ দুটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে দুটি পৃথক জাতি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন।
- দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
- তিনি ১৯৪০ সালে পাকিস্তান আন্দোলনের মূল ভিত্তি হিসেবে এই তত্ত্বটি প্রস্তাব করেন।
- দ্বিজাতি তত্ত্ব অনুযায়ী, ভারতীয হিন্দু এবং মুসলিম সমাজ দুটি আলাদা জাতি, যার সাংস্কৃতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, এবং ঐতিহাসিক পার্থক্য রয়েছে।
- তিনি মনে করতেন যে, হিন্দু ও মুসলিমরা একত্রে একটি সাধারণ রাষ্ট্রের অধীনে বাস করতে সক্ষম নয়, কারণ তাদের মধ্যে মৌলিকভাবে ভিন্ন জাতিগত পরিচয় রয়েছে।
- জিন্নাহর মতে, মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্রের প্রয়োজন ছিল, যেখানে তারা নিজেদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা বজায় রাখতে পারবে।

⇒ ১৯৩৯ সালে জিন্নাহ্ তাঁর 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' ঘোষণা করেন।
- পরবর্তী বছর লাহোরে মুসলিম লীগের ঘোষণায় এরই প্রতিধ্বনি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।
- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্।
- এ অধিবেশনেই বাংলার নেতা ও প্রধানমন্ত্রী এ.কে. ফজলুল হক বিখ্যাত লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- এতে বলা হয় যে, কোনো শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনা এদেশে কার্যকর বা মুসলমানদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না যদি একটি নিম্নবর্ণিত মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত না হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৭৭৬.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় কত তারিখে?
  1. ১৯৭১ সালের, ৩ মার্চ
  2. ১৯৭১ সালের, ২ মার্চ
  3. ১৯৭১ সালের, ১ মার্চ
  4. ১৯৭১ সালের, ৪ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের, ২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের, ২ মার্চ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়- ১৯৭১ সালের, ২ মার্চ।

• জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন:
-  ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ছাত্র সংগঠনগুলো 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় একটি ছাত্রসভায় ডাকসু ভিপি আ.স.ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- এই ঘটনাটি স্মরণীয় হয়ে থাকে, তাই ২ মার্চ 'জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

• জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা  অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার।
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে। 


উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১,৭৭৭.
‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট- ২০২৫’ এর আয়োজক কোন প্রতিষ্ঠান? 
  1. বেজা 
  2. বেপজা
  3. বিইইডা
  4. বিডা
সঠিক উত্তর:
বিডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিডা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা।
- বিইডা নামে কোন প্রতিষ্ঠান নেই। সুতরাং সঠিক উত্তর কোনটিই নয়।

• ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট–২০২৫’:
- আয়োজক- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)
- অনুষ্ঠানের তারিখ: ৭ থেকে ১০ এপ্রিল ২০২৫।
- উদ্বোধন করেন- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
- অংশগ্রহণকারী দেশ-৫০টি
- অংশগ্রহণকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠান-২০০০+
- সম্মেলনে পুরস্কার পাওয়া ৪টি প্রতিষ্ঠান- বিকাশ, ফেব্রিক লাগবে, ওয়ালটন ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- সম্মেলনে 'সম্মানসূচক নাগরিকত্ব' প্রদান করা হয়- কিহাক সাং-কে। 
- কিহাক সাং চেয়ারম্যান- কোরিয়ার বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান কর্পোরেশন। 

উল্লেখ্য, 
- স্টারলিঙ্কের ইন্টারনেট পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু- ৯ এপ্রিল ২০২৫। 
- এ সম্মেলনে প্রথম ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে- স্টারলিঙ্ক।
- স্টারলিঙ্ককে বাংলাদেশে অনুমোদন দেয়া হয়- ২৯ মার্চ ২০২৫
- বিনিয়োগ সম্মেলনে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ চুক্তি করে-হানডা কোম্পানি, চীন (১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

উৎস: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

১১,৭৭৮.
ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট (BRRI) - কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৬৮
  2. খ) ১৯৭০
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৭৪
  5. ঙ) ১৯৭৬
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে। ঢাকা থেকে ৩৬ কিলোমিটার উত্তরে জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু । ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত।
BRRI website
১১,৭৭৯.
নিপোর্ট হচ্ছে -
  1. শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  2. শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান
  3. জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  4. একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ:
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- নিপোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়ন, গবেষণা এবং সার্ভে পরিচালনা করা এবং গবেষণার ফলাফলকে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করে কর্মসূচি উন্নয়নে কাজে লাগানো।

উৎস: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)।
১১,৭৮০.
একটি রাষ্ট্রের _________ থাকতেই হবে।
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) জাতীয় সংসদ
  4. ঘ) সার্বভৌমত্ব
সঠিক উত্তর:
ঘ) সার্বভৌমত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা
একটি রাষ্ট্রের চারটি মৌলিক উপাদান থাকবে।
নির্দিষ্ট ভূখন্ড, সার্বভৌমত্ব, জনগণ ও সরকার একটি রাষ্ট্রের এই চারটি উপাদান অবশ্যই থাকতে হবে।
১১,৭৮১.
সরকারি দল ও মন্ত্রিসভাকে চাপে রাখার জন্যে বিরোধী দল কর্তৃক গঠিত মন্ত্রিসভাকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) বিরোধীদলীয় মন্ত্রিসভা
  2. খ) ট্যাকনোক্রাট মন্ত্রিসভা
  3. গ) ছায়া মন্ত্রিসভা
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ছায়া মন্ত্রিসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছায়া মন্ত্রিসভা
ব্যাখ্যা
- প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের বিকল্প সরকার হলো বিরোধীদল।
- গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেওয়া হল বিরোধী দলের কাজ ।
- বিরোধী দলের সমালোচনার ভয়ে সরকার জনকল্যাণমুখী কাজে নিয়োজিত থাকে।
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সংসদে বিরোধী দল কর্তৃক গঠিত মন্ত্রিসভা ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ নামে পরিচিত।
- সরকারি দল ও মন্ত্রিসভাকে চাপে রাখার জন্যে বিরোধী দল কর্তৃক ছায়া মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- সরকারের মন্ত্রিসভার আদলে বিরোধী দলের বিভিন্ন সাংসদের সমন্বয়ে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন করা হয়।
- অধিকাংশ দেশে ছায়া মন্ত্রিসভার সদস্যকে ছায়া মন্ত্রী বলা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে এখনো এই ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠে নি।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১১,৭৮২.
ঢাকা কত সালে প্রথম বাংলার রাজধানী হিসেবে স্থাপিত হয়েছিল?
  1. ১৬০১ সালে 
  2. ১৬০২ সালে 
  3. ১৬১০ সালে 
  4. ১৬১২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৬১০ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১০ সালে 
ব্যাখ্যা

ঢাকা ১৬১০ সালে প্রথম বাংলার রাজধানী হিসেবে স্থাপিত হয়েছিল।

রাজধানী ঢাকা:
- রাজধানী ঢাকা বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়। সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।

⇒ মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ফরমান অনুযায়ী ১৬ জুলাই ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়। সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়। 
- এর আগে সম্রাট আকবরের আমলে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার প্রাদেশিক রাজধানী ছিলো বিহারের রাজমহল।
- বারো ভূইয়ার নিয়ন্ত্রণ থেকে বাংলাকে করতলগত করতে ১৫৭৬ থেকে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বারবার চেষ্টা চালানো হয়। এরপর সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান চিশতীকে রাজমহলের সুবেদার নিযুক্ত করেন। তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করে রাজধানী রাজমহল থেকে সরিয়ে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।

উল্লেখ্য,
- জনপদ হিসেবে ঢাকার গোড়াপত্তন হয় ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে।
- শহর হিসেবে এর গোড়াপত্তন হয় ১২২৯ খ্রিস্টাব্দে।
- ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) The Business Standard.

১১,৭৮৩.
বঙ্গবন্ধুর অনুরোধে ভারতীয় মিত্রবাহিনী কবে বাংলাদেশ ছেড়ে যায়?
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. ২০ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. ১৪ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ১২ মার্চ, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১২ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
ভারতীয় মিত্রবাহিনী:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানী বাহিনী ঢাকায় গণহত্যা চালানোর পর পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
- কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ থেকে প্রায় এক কোটি শরণার্থী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে অবস্থান নেয়।
- বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার ভারতের মাটিতে বসেই পরিচালিত হতো।
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা ভারতের মাটিতেই প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং ভারত তাদের অস্ত্র সরবরাহ করেছে।

উল্লেখ্য,
- পাকিস্তানের জেল থেকে মুক্তির পর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন।
- বাংলাদেশে আসার পূর্বে বাংলাদেশ থেকে মিত্রবাহিনী সদস্যদের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারতে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি চূড়ান্ত করতে বঙ্গবন্ধু দিল্লিতে যাত্রবিরতি করে।
- দিল্লির বিমানবন্দরে অর্ভ্যথনা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- সেদিন ভারতীয় সেনাদের দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন ইন্দিরা গান্ধী।
- ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে কলকাতায় ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গবন্ধুকে জানান- ইয়োর এক্সেলেন্সি, ১৭ মার্চের আগেই সর্বশেষ ভারতীয় সেনাটিও বাংলাদেশ থেকে ফিরে আসবে।
- এরপর, ১৯৭২ সালের ১২ মার্চ, ভারতীয় সৈন্যরা বাংলাদেশ থেকে ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে ওয়েবসাইট।
১১,৭৮৪.
দিল্লি সালতানাতের প্রথম স্বাধীন সুলতান কে?
  1. গিয়াস উদ্দিন খলজি
  2. শামসুদ্দিন মুজাফফর শাহ
  3. মুহাম্মাদ ঘুরি
  4. কুতুবুদ্দিন আইবেক
সঠিক উত্তর:
কুতুবুদ্দিন আইবেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুতুবুদ্দিন আইবেক
ব্যাখ্যা
কুতুবুদ্দিন আইবেক: 
- কুতুবুদ্দিন দিল্লি সালতানাতের প্রথম স্বাধীন সুলতান।
- মুহাম্মাদ ঘুরির প্রতিনিধি হিসেবে তিনি ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জয় করেন।
- সুলতান হওয়ার পর অবশ্য তিনি আর কোন নতুন অঞ্চল জয় করতে পারেন নি।
- তবে পূর্ব অধিকৃত অঞ্চলে তিনি শান্তি কায়েম করতে সক্ষম হন। তিনি সুশাসন প্রবর্তন করেন। বলা হয় তাঁর কঠোর শাসনে মেষ ও নেকড়ে বাঘ একঘাটে পানি পান করতো। দেশে চুরি-ডাকাতি ছিল না বললেই চলে। নব বিজিত দেশে এ'রকম আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা কম কৃতিত্বের কথা নয়।

উল্লেখ্য: 
- কুতুবউদ্দীন ছিলেন অত্যন্ত দানশীল। তাঁকে 'লাখ-বশ' বলা হতো। বিখ্যাত দাতা হাতেম তাঈ-র সাথে তাঁকে তুলনা করা হতো। তিনি ধর্মভীরু মুসলমান ছিলেন। কিন্তু ধর্মীয় কারণে কোন হিন্দুকে তিনি উৎপীড়ণ করেন নি। তিনি বহু হিন্দুকে রাজকাজে নিয়োগ করেন। জ্ঞানী-গুণীগণ তাঁর দ্বারা সমাদৃত হতো। তিনি বিদ্যোৎসাহী ছিলেন। তিনি স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।

- দিল্লীর "কুয়ত- উল-ইসলাম” এবং আজমীরের "আড়াই-দিনকা-ঝোঁপড়া” নামক মসজিদ দুটি তাঁর শাসনামলে নির্মিত হয়। বিখ্যাত কুতুব মিনারের নির্মাণ কাজও তাঁর সময়ই শুরু হয়। যদিও এটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় তাঁর জামাতা ইলতুতমিসের শাসনামলে। 

সূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৮৫.
বর্তমান প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক সরকারকে ‘দলীয় সরকার’ বলা হয় কেন?
  1. ক) নির্বাচন হয় জনমতের ভিত্তিতে
  2. খ) নির্বাচন হয় মতের ভিত্তিতে
  3. গ) নির্বাচন হয় দলীয় ভিত্তিতে
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) নির্বাচন হয় দলীয় ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নির্বাচন হয় দলীয় ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
দলীয় সরকার

- বর্তমান যুগ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার যুগ।
- আধুনিক গণতন্ত্র হলো পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতে জনগণ প্রতিনিধি নির্বাচন করে তাদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে শাসন কাজে অংশগ্রহণ করে।
- এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় দলীয় ভিত্তিতে
- বর্তমান প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রকে তাই 'দলীয় সরকার' বলা হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১১,৭৮৬.
জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়টি জোড়া ত্রিভুজাকার দেয়াল আছে?
  1. সাতটি
  2. ছয়টি
  3. আটটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
সাতটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতটি
ব্যাখ্যা

জাতীয়স্মৃতিসৌধ
- মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ নাম না-জানা শহিদের অমরস্মৃতির উদ্দেশে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ।
- এটি ঢাকা শহর থেকে ৩৫ কি.মি. উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত।
- স্থপতি মঈনুল হোসেনের নকশা অনুযায়ী জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- সাতটি জোড়া ত্রিভুজাকার দেয়ালের মাধ্যমে ছোট থেকে বড় হয়ে ধাপে ধাপে সৌধটি ১৫০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছেছে।
- মূল স্মৃতিসৌধে সাত জোড়া দেয়াল, মূলত বাঙালির গৌরবময় সংগ্রামের প্রতীক।
-  এই রাজনৈতিক ঘটনাগুলো হলো ১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৫৬, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১।
- বলার অপেক্ষা রাখে না, এই সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সালের মধ্যেই আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস নিহিত।
- ১৯৫২সালের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ঘটনার ফলেই পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙেবাঙালি স্বাধীনতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।

১১,৭৮৭.
বাংলাদেশ ভারত ছিটমহল বিনিময় চুক্তি কার্যকর হয় ২০১৫ সালের কোন তারিখে?
  1. ১ জুলাই
  2. ৩০ জুলাই
  3. ১ আগস্ট
  4. ৩১ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
১ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ আগস্ট
ব্যাখ্যা
ছিটমহল:

- একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় অবস্থিত অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকাই ছিটমহল নামে পরিচিত।
-  ২০১৫ সালের পূর্বে ভারত বাংলাদেশ এর মধ্যাকার সর্বমোট ১৬২ টি ছিটমহল ছিল।
- ০১ আগষ্ট, ২০১৫ সালের রাত ১২:০১ মিনিটে ভারত বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অংশ হিসাবে নিজেদের ছিটমহলগুলো পরস্পরের সাথে বিনিময় করে।
- ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল ভারতের অভ্যন্তরে।
- বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হন ভারতের ১১১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হন বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- দাশিয়ারছড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ১৬২টি বিলুপ্ত ছিটমহলের মধ্যে আয়তন ও লোকসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড়।

উৎস: প্রথম আলো এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
১১,৭৮৮.
"পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৭ সালে 
  2. ১৯৪৮ সালে 
  3. ১৯৪৯ সালে 
  4. ১৯৫১ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে 
ব্যাখ্যা

• তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

১১,৭৮৯.
বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজদের সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. ক্যাপ্টেন এলিস
  2. মেজর এডামস
  3. লর্ড ক্লাইভ
  4. মেজর মনরো
সঠিক উত্তর:
মেজর মনরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর মনরো
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধ:
-  ১৭৬৩ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতা কাউন্সিল নবাবের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। মেজর এডামসের নেতৃত্বে প্রেরিত ইংরেজ বাহিনীর কাছে গিরিয়া, কাটোয়া ও উদয়নালার যুদ্ধে নবাব শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন।
- ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে সম্মিলিত বাহিনীর সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজদের নেতৃত্ব দেন- মেজর মনরো।
- এই যুদ্ধে ইংরেজদের নিকট মীর কাশিমের সম্মিলিত বাহিনী শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।
- বক্সারের যুদ্ধকে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজদের নিকট হারানো বাংলার স্বাধীনতাকে পুনরুদ্ধারের শেষ প্রচেষ্টা বিবেচনা করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন - লর্ড ক্লাইভ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৯০.
সম্প্রতি বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারে কত সদস্য বিশিষ্ট সংস্কার কমিশন গঠন হয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৪]
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------------
নির্বাচন সংস্কার কমিশন গঠন:
- নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নে ৮ সদস্যের নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন গঠন করেছে সরকার। 
- এই কমিশনের প্রধান সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ও নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. বদিউল আলম মজুমদারের নেতৃত্বে কাজ করবেন কমিশনের সদস্যরা।
- কমিশনের সদস্যরা হলেন:
- স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিশেষজ্ঞ শিক্ষাবিদ ড. তোফায়েল আহমেদ,
- সাবেক অতিরিক্ত সচিব নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচন ব্যবস্থা, ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিশেষজ্ঞ জেসমিন টুলী,
- নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. মো. আব্দুল আলীম,
- রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ও ওপিনিয়ন মেকার ড. জাহেদ-উর রহমান,
- শাসন প্রক্রিয়া ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিশেষজ্ঞ মীর নাদিয়া নিভিন,
- ইলেকট্রনিক ভোটিং ও ব্লকচেইন বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ সাদেক ফেরদৌস এবং একজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।
১১,৭৯১.
৬ দফা কর্মসূচী উত্থাপন করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৬৪ সালে
  2. খ) ১৯৬৫ সালে
  3. গ) ১৯৬৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
- পাক-ভারত যুদ্ধ সমাপ্ত হলে ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে নিখিল পাকিস্তান জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- শেখ মুজিবুর রহমান সম্মেলনে যোগদানের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন।
- এতে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীকার আন্দোলনের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মোট ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন।

ঐতিহাসিক ছয় দফার দফাসমূহ
- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)
বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক
সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৭৯২.
বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. বাগেরহাট
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১১,৭৯৩.
একটি মাত্র সংসদীয় আসন রয়েছে-
  1. রাঙামাটি 
  2. ঝিনাইদহ
  3. মেহেরপুর
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি।
-  জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন ৩০০টি।
- মহিলাদের জন্যে সংরক্ষিত আসন - ৫০টি। (পরোক্ষভোটে নির্বাচিত)
- জাতীয় সংসদের ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

উৎস: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।

১১,৭৯৪.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অধীন ছিল?
  1. চার নম্বর সেক্টর
  2. তিন নম্বর সেক্টর
  3. দুই নম্বর সেক্টর
  4. এক নম্বর সেক্টর
সঠিক উত্তর:
দুই নম্বর সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই নম্বর সেক্টর
ব্যাখ্যা
২ নং সেক্টর:
- ২ নং সেক্টর  ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। 
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। 
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। 
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ টি এম হায়দার। 
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে।
- নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।
এছাড়া,
- ১ নং সেক্টর  চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং তৎকালীন নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
- ৩ নং সেক্টর  উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- ৪নং সেক্টর  উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
  
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৭৯৫.
কত সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গণচীনে অনুষ্ঠিত শান্তি সম্মেলনে অংশ নেন?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের পর পরই শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালে চীনে যান।
- পিস কনফারেন্স অব দ্য এশিয়ান এ্যান্ড প্যাসিফিক রিজিওন্স-এ পাকিস্তান প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে নয়াচীন সফর করেন।
- তিনি পাকিস্তান শান্তি প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে চীন যান।
- বিশ্বের মোট ৩৭টি দেশ তাতে অংশগ্রহণ করে।
- তার এই চীন ভ্রমণ সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় কারণ সম্মেলনে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করেন।
- সেখানে অনেকে ইংরেজীতে বক্তৃতা করলেও তিনি বাংলা ভাষায় বক্তৃতা করেন।
- এবং তাঁর বাংলা ভাষার এ ভাষণটি ছিল দেশের বাইরে অবাঙালী ভূখণ্ডে প্রথম কোন বাঙালীর বাংলা ভাষণ। 

সূত্র: দৈনিক জনকন্ঠ (লিঙ্ক)।
১১,৭৯৬.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি তফসিলি ব্যাংক কোনটি?
  1. সিটিব্যাংক এনএ
  2. এবি ব্যাংক পিএলসি
  3. কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
  4. উরি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
এবি ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবি ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
ব্যাংকিং ব্যবস্থা:
- যে ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত গ্রহণ ও ঋণদান করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনানুসারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।
- - বাংলাদেশে ৬টি রাষ্ট্রয়াত্ত, ৪৩টি বেসরকারি ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

⇒ এবি ব্যাংক পিএলসি:
- ১৯৮১ সালের ৩১ ডিসেম্বর আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড এর নামে লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি তফসিলি ব্যাংকের অনুমোদন প্রদানের সূচনা হয়।
- ১৯৮২ সালের ১২ এপ্রিল এ ব্যাংকের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাগণ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ব্যাংক লিমিটেডের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে এর প্রতিষ্ঠা।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।

উৎস: i) এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১১,৭৯৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, কোন জেলায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী,
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯। জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
• জেলার নিরিখে দেশে রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪।
- এরপরই আছে আরেক পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। এখানে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।
- বিভাগ অনুযায়ী, বরিশালে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী জনসংখ্যা ৪ হাজার ১৮১ জন, চট্টগ্রামে ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮৬০, ঢাকায় ৮২ হাজার ৩১১, খুলনায় ৩৮ হাজার ৯৯২, ময়মনসিংহে ৬১ হাজার ৫৫৯, রাজশাহীতে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৯২, রংপুরে ৯১ হাজার ৭০ ও সিলেটে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৪ জন।

- ৫০টি জাতিসত্তার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯।
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা।
- মারমাদের সংখ্যা ২ লাখ ২৪ হাজার ২৬২ আর ত্রিপুরাদের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭৮। চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল। তাঁদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

১১,৭৯৮.
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবনের কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলী স্থান পেয়েছে?
  1. ক) ১৯৫৫ সাল
  2. খ) ১৯৬২ সাল
  3. গ) ১৯৬৬ সাল
  4. ঘ) ১৯৬৯ সাল
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫৫ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫৫ সাল
ব্যাখ্যা
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। এটি ১৯৬৬-৬৯ সময়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকাবস্থায় তিনি লেখেন।
এই বইয়ে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত তার জীবনের ঘটনাবলী স্থান পেয়েছে।
বইটি ২০১২ সালে ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড প্রকাশ করে। এটির ভূমিকা লিখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমান সময় পর্যন্ত বইটি ১৪টি ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।
(সূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং প্রথম আলো)
১১,৭৯৯.
Which is the only coral island in Bangladesh?
  1. ক) Saint Martin
  2. খ) Hatiya
  3. গ) Kutubdia
  4. ঘ) Moheshkhali
সঠিক উত্তর:
ক) Saint Martin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Saint Martin
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
১১,৮০০.
বলধা গার্ডেন কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. কুমিল্লা
  4. ঢাকা
  5. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
বলধা গার্ডেন:
- বলধা গার্ডেন ঢাকা শহরের ওয়ারী এলাকায় অবস্থিত একটি বোটানিক্যাল গার্ডেন।
- ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বাংলার এ অঞ্চলের এটি অন্যতম প্রাচীন উদ্যান।
- ভাওয়াল জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ১৯০৯ সালে বাগানটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাগানের দুটি অংশ বৃহত্তর সিবিলি (Cybele) ও ক্ষুদ্রতর সাইকি (Psyche)।
- নরেন্দ্র নারায়ণ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে দুর্লভ প্রজাতির গাছপালা এনে বাগানটি ক্রমাগত সমৃদ্ধ করেছেন, কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর বাগানের উন্নয়ন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
- ১৯৬২ সালে এটি সাবেক পূর্ব পাকিস্তান সরকারের কাছে হস্তান্তরিত হয় এবং বন বিভাগের ওপর সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বর্তায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।