বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০৫ / ৩০৬ · ১০,৪০১১০,৫০০ / ৩০,৮৩২

১০,৪০১.
‘Bhatiali’ songs represent which regions of Bangladesh?
  1. Rajshahi and Rangpur
  2. Mymensingh and Sylhet
  3. Dhaka and Sylhet
  4. Mymensingh and Rangpur
সঠিক উত্তর:
Mymensingh and Sylhet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mymensingh and Sylhet
ব্যাখ্যা

• ভাটিয়ালি গান:
-  ভাটিয়ালি এক ধারার  লোকগীতি।
-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য সুরের দীর্ঘ টান ও লয়।
- প্রচলিত মতে মাঝিমাল্লাদের গান থেকে ভাটিয়ালি সুরের উৎপত্তি।
- নিকট অতীতে নদীবিধৌত বাংলাদেশে সাধারণত নদীর ভাটির স্রোতে নৌকা বাইতে মাঝিদের তেমন বেগ পেতে হতো না।
- তাই সেই অবসর ও আনন্দে তারা লম্বা টানে গলা ছেড়ে গান গাইত। কালক্রমে এই গানই ভাটিয়ালি গান নামে পরিচিতি লাভ করে।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ও সিলেট জেলায় এই গান বিশেষভাবে প্রচলিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১০,৪০২.
নৃশংস ঐতিহাসিক জেলহত্যার ঘটনা ঘটে কোন সালের কত তারিখে?
  1. ১৯৭১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর
  2. ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
  3. ১৯৭১ সারের ৩ নভেম্বর
  4. ১৯৭৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক নৃশংস জেলহত্যা:
- ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর এক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী জাতীয় চার নেতা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে।
- দিনটি জাতির ইতিহাসে একটি কলঙ্কময় ও বেদনাবিধুর দিন।
- এই নির্মম ঘটনার ঠিক আগে একই বছরের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর তাঁর ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
- ঘটনার পরদিনই ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। 
- বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রী সভার সবচাইতে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ ও বঙ্গবন্ধুর ২ খুনি কর্নেল (বহিষ্কৃত) সৈয়দ ফারুক রহমান এবং লে. কর্নেল (বহিষ্কৃত) খন্দকার আব্দুর রশীদ জেলখানায় জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

উল্লেখ্য,
- প্রতিবছর ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: ৩ নভেম্বর ২০১৩, প্রথম আলো।
১০,৪০৩.
বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' মুক্তি পায় কত সালে?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
মুখ ও মুখোশ:
- পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।
- ছবিটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
- বাংলাদেশের প্রথম এই সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' এর সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস।
- ১৯৫৫ সালের ৩০ অক্টোবর শেষ হয় 'মুখ ও মুখোশ 'চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হয় ।
- মুখ ও মুখোশ মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
- চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।

উল্লেখ্য,
- অমরেন্দ্রনাথ চৌধুরী পরিচালিত ‘জামাই ষষ্ঠী’ হলো উপমহাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র।
- হীরালাল সেন পরিচালিত ‘আলী বাবা ও চল্লিশ চোর’ হলো উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
১০,৪০৪.
উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) মুখ ও মুখোশ
  2. খ) জামাই ষষ্ঠী
  3. গ) আলি বাবা ও চল্লিশ চোর
  4. ঘ) ধ্রুব
সঠিক উত্তর:
গ) আলি বাবা ও চল্লিশ চোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলি বাবা ও চল্লিশ চোর
ব্যাখ্যা
আলিবাবা ও চল্লিশ চোর
- ‘আলী বাবা ও চল্লিশ চোর’ হলো উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র
- চলচ্চিত্রটি হীরালাল সেন পরিচালিত।
- ১৯০০ সাল থেকে ১৯১৭ সাল পর্যন্ত হীরালাল সেন নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির সংখ্যা ৪০টি।
- তিনি ১৯০৪ সালে উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক ছবি আলীবাবা ও চল্লিশ চোর নির্মাণ করেন। 

অন্যদিকে,
- অমরেন্দ্রনাথ চৌধুরী পরিচালিত ‘জামাই ষষ্ঠী’ হলো উপমহাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র।
- পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
১০,৪০৫.
নিপাের্ট (NIPORT) কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
  1. জনসংখ্যা গবেষণা
  2. নদী গবেষণা
  3. মিঠাপানি গবেষণা
  4. বন্দর গবেষণা
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা গবেষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা গবেষণা
ব্যাখ্যা
NIPORT:
- এটি হচ্ছে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এর পূর্ণরুপ - National Institute of Population Research and Training.
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - NIPORT ওয়েবসাইট।
১০,৪০৬.
কোন সালে বাংলাদেশে বীমা জাতীয়করণ করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
বীমা জাতীয়করণ:
- বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে বীমা ব্যবসা জাতীয়করণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২৬শে মার্চ Bangladesh Insurance (Emergancy Provision) Order, 1972 জারি করা হয়।
- এতে ১৯৩৮ সালের বীমা আইনটি বাংলাদেশের বীমা আইন বলে বিবেচিত হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।
- পরবর্তীতে একই সালের ৮ই আগস্ট রাষ্ট্রপতির ৯৫ নং আদেশ বলে তৎকালিন ৭৫টি বীমা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করে প্রথমে ৫টি সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যথা- ১. বাংলাদেশ জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, ২. কর্ণফুলী বীমা কর্পোরেশন, ৩. তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, ৪. সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং ৫. রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- অতপর ১৯৭৩ সালের ১৪ই মে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (Insurance Corporation Ordinance, 1973) ঘোষণার মধ্য দিয়ে ৫টি বীমা সংস্থাকে ২টি সংস্থার অধীনে আনা হয়, যথা- ১। জীবন বীমা কর্পোরেশন ও ২। সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
- ১৯৮৩ সালে রাষ্ট্রায়ত্ব বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানায় বীমা ব্যবসার অনুমতি দেয়া হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচুর বেসরকারী বীমা ব্যবসা চালু আছে।

উৎস: ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪০৭.
বর্তমানে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বীরাঙ্গনার সংখ্যা-
  1. ৪১৭ জন
  2. ৪৩৮ জন
  3. ৪৫৩ জন
  4. ৪৭৬ জন
সঠিক উত্তর:
৪৩৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩৮ জন
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের পাক-হানাদার বাহিনীর হাতে নির্যাতিত আরো ২১জন বীরাঙ্গনাকে নারী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- ২৪ আগস্ট ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ স্বীকৃতি প্রদান করে গ্যাজেট প্রকাশ করে।
- এ পর্যন্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া মোট বীরাঙ্গণার সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৩৮ জন।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

১০,৪০৮.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ-২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ১৪.৭%
  2. ১৬.২%
  3. ১৯.৪%
  4. ২৩.৬%
সঠিক উত্তর:
১৪.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪.৭%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

১০,৪০৯.
পাকিস্তানের গণপরিষদে বাংলা ভাষার দাবি প্রথম উত্থাপন করেন কে?
  1. আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
  2. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. আবুল কালাম শামসুদ্দিন
  4. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের বাংলা ভাষা প্রস্তাব:
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- উক্ত অধিবেশনে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন কুমিল্লা থেকে নির্বাচিত গণপরিষদ সদস্য।
- তিনি গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি পেশ করেন।
- প্রস্তাবটির মূল উদ্দেশ্য ছিল রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে বাংলার স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।
- প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান এ প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেন।
- মুসলিম লীগের অন্যান্য সদস্যরাও প্রস্তাবটির বিরোধিতা করে।
- প্রবল বিরোধিতার কারণে বাংলা ভাষা সংক্রান্ত প্রস্তাবটি বাতিল ঘোষিত হয়।
- এই ঘটনা ভাষা আন্দোলনের প্রাতিষ্ঠানিক সূচনাবিন্দু হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (নবম–দশম শ্রেণি)।

১০,৪১০.
সংবিধান অনুযায়ী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয় কোনটি? 
  1. সরকারি কর্ম কমিশন
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন
  4. মহাহিসাব নিরীক্ষক
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা

- দুর্নীতি দমন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়।

• সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
- যেসব প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- বাংলাদেশে এ ধরণের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা সাংবিধানিক উপায়ে প্রতিষ্ঠিত।
- এরূপ প্রতিষ্ঠান হল-
- এটর্নি জেনারেল
- নির্বাচন কমিশন
- মহাহিসাব নিরীক্ষক
- সরকারি কর্ম কমিশন

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। [লিঙ্ক]

১০,৪১১.
"বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪" পেয়েছেন কতজন?
  1. দুইজন
  2. তিনজন
  3. চারজন
  4. পাঁচজন
সঠিক উত্তর:
চারজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারজন
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪:
- বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ সমাজ, নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য চারজন বিশিষ্ট নারীকে প্রদান করা হয়।
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই পদক প্রদান করেন।

এই বছর বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ প্রাপ্তরা হলেন:
পারভীন হাসান - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের চেয়ারপার্সন এবং কেন্দ্রীয় মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
তাসলিমা আখতার - বাংলাদেশি শ্রমিক ও নারী অধিকারকর্মী এবং আলোকচিত্রী।
রাণী হামিদ - বাংলাদেশী দাবাড়ু।
শিরিন পারভিন হক - নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা।

সূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
১০,৪১২.
রাজনৈতিক দল এবং চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উভয়েই কী প্রক্রিয়ায় জড়িত?
  1. সাংস্কৃতিক
  2. সামাজিক
  3. অর্থনৈতিক
  4. রাজনৈতিক 
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক 
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী :

- রাজনৈতিক ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারকরূপে রাজনৈতিক দল এবং চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য রয়েছে। 
- তবে সংগঠন, সদস্য সংখ্যা, সাংগঠনিক নীতি ও শৃঙ্খলা, কার্য-পরিচালনা পদ্ধতি, লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যের বিচারে রাজনৈতিক দল এবং চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মধ্যে সাদৃশ্যের তুলনায় বৈসাদৃশ্যই বেশি লক্ষ্যণীয়।

• সাদৃশ্য:
- রাজনৈতিক দল এবং চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উভয়েই রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত।
- উভয়েই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নির্ধারক।
- উভয়েই রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে নিজেদের দাবি ও মনোভাব ব্যক্ত করে।
- রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী উভয়ই স্বার্থের সংহতি সাধনের সাথে জড়িত।
- উভয়েই রাজনৈতিক নিয়োগ বা রাজনৈতিক ভূমিকায় নাগরিকদের অবতীর্ণ করানোর দায়িত্ব বহন করে।
- রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারা উভয়ের মাধ্যমেই প্রকাশিত হয়।
- বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংরক্ষণ বা পরিবর্তন, গণ-সংযোগ সাধন, তথ্য সরবরাহ, জনমত গঠন, সরকারের সমালোচনা ইত্যাদির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কার্যক্রমে সাদৃশ্য দেখা যেতে পারে।
- রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কর্মকান্ড আঞ্চলিক অথবা জাতীয় ভিত্তিতে পরিচালিত হতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৪১৩.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না?
  1. ৭ নং
  2. ৯ নং
  3. ১০ নং
  4. ১১ নং
সঠিক উত্তর:
১০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নং
ব্যাখ্যা
১০ নং সেক্টর: 
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে ১০নং সেক্টর গঠিত হয়।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।
- ১০ নং সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো, সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০,৪১৪.
বাংলাদেশ CSocD এর সদস্য নির্বাচিত হয়েছে যে মেয়াদে -
  1. ক) ২০২৩-২৫ সাল
  2. খ) ২০২৩-২৭ সাল
  3. গ) ২০২৩-২৬ সাল
  4. ঘ) ২০২২-২৬ সাল
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২৩-২৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২৩-২৭ সাল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ‘জাতিসংঘ সামাজিক উন্নয়ন কমিশন’ (CSocD) এর সদস্য নির্বাচিত হয়েছে যে মেয়াদে - ২০২৩-২৭ সাল।
- বাংলাদেশ ছাড়াও এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে যে দুটি দেশ CSocD’র সদস্য নির্বাচিত হয়েছে - ভারত ও সৌদি আরব।

সূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২
১০,৪১৫.
‘কাটারীভোগ’ সুগন্ধি চাল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত জায়গা-
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বিশেষ জাতের ধান থেকে সুগন্ধি চাল তৈরি হয়। সুগন্ধি ধান/চাল উৎপাদনে দিনাজপুর জেলা অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এ জেলার ‘কাটারিভোগ’ সুগন্ধি চাল দেশি-বিদেশি অতিথি আপ্যায়নে সুনাম বজায় রেখেছে। এছাড়া ব্রিধান-৩৪, কাটারী, জিরা কাটারী (চিনি গুড়া), ফিলিপিন কাটারী, চল্লিশাজিরা, বাদশা ভোগ, কালোজিরা, জটা কাটারী, চিনি কাটারী, বেগুন বিচি ও ব্রিধান-৫০ এই জেলার উল্লেখযোগ্য সুগন্ধি চাল।
[সুত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং dinajpur.gov.bd]
১০,৪১৬.
শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের নাম ‘বাংলাদেশ’ রাখেন কবে?
  1. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
  3. ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯
  4. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু:
- ১৯৬৯ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী ছাত্র গণআন্দোলন শুরু হয়। 
- গণআন্দোলনের মুখে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল বন্দীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। 
- ১৯৬৯ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে লাখো শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে। 
- এ অনুষ্ঠানে তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ ডাকসু'র পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আওয়ামী লীগের এক জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের নাম রাখেন ‘বাংলাদেশ’।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৪১৭.
২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে 'শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র' কোনটি নির্বাচিত হয়েছে?
  1. সুড়ঙ্গ
  2. ওরা সাত জন
  3. প্রিয়তমা
  4. সাঁতাও
সঠিক উত্তর:
সাঁতাও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁতাও
ব্যাখ্যা

২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (৪৮তম আসর):
- এর বিজয়ীদের তালিকা গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঘোষণা করেছে।
- এ বছর ২৮টি বিভাগে মোট ৩০ জন শিল্পী ও কলাকুশলীকে এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

• নিচে গুরুত্বপূর্ণ বিজয়ীদের তালিকা দেওয়া হলো:
• শীর্ষ সম্মাননা
- আজীবন সম্মাননা (যৌথভাবে): তারেক মাসুদ (মরণোত্তর) এবং আব্দুল লতিফ বাচ্চু (মরণোত্তর)।
- শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র: সাঁতাও (প্রযোজক: খন্দকার সুমন)।
-  পরিচালক: খন্দকার সুমন (চলচ্চিত্র: সাঁতাও)।
- অভিনয় শিল্পী:
- শ্রেষ্ঠ অভিনেতা (প্রধান চরিত্র): আফরান নিশো (চলচ্চিত্র: সুড়ঙ্গ)।
- শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (প্রধান চরিত্র): আইনুন পুতুল (চলচ্চিত্র: সাঁতাও)।
- শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা: মনির আহমেদ শাকিল (চলচ্চিত্র: সুড়ঙ্গ)।
- শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী: নাজিয়া হক অর্ষা (চলচ্চিত্র: ওরা সাত জন)।

উৎস: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। 

১০,৪১৮.
বাংলাদেশে মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কারা?
  1. মারমা
  2. সাঁওতাল
  3. হাজং
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা

• মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী :
• গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
• খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরাও মাতৃতান্ত্রিক। 

অন্যদিকে,
• চাকমাদের পরিবার পিতৃতান্ত্রিক।
• সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
• হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
• মারমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০,৪১৯.
(তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। অনুগ্রহ করে বর্তমান তথ্য জেনে নিন) ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদে প্রতিবছর বাংলাদেশের গড় প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা -
  1. ৭.০০%
  2. ৭.১২%
  3. ৭.৩০%
  4. ৭.৪০%
সঠিক উত্তর:
৭.৪০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭.৪০%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------- 
• সপ্তম পরিকল্পনা মেয়াদে গড় প্রবৃদ্ধি হার ৭.৪% প্রক্ষেপণ করা হয়েছে।


• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা: 
- মেয়াদ : জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।

⇒ মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%। 
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার। 
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%। 
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%। 
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%। 
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর। 
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%। 
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট। 

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১০,৪২০.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়?
  1. ক) ১২ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৪ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৫ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৮ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস:
- শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ১৪ ডিসেম্বর পালন করা হয়।
- বুদ্ধিজীবী হত্যা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ।
- ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকায় দুইশর বেশি বুদ্ধিজীবীকে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে নেয়া হয়।
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির উদ্দেশে বাংলাদেশে শোকাবহ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,৪২১.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুষ্টিয়া
  2. যশোর
  3. বাগেরহাট
  4. মেহেরপুর
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ:

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য পরবর্তী সময়ে সেখানে নির্মিত হয় একটি স্মৃতিসৌধ।
- মুক্তিযুদ্ধের অব্যবহিত পরেই বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগরকে স্মরণীয় করে রাখার উদ্যোগ নেয়।
- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।
- ১৯৭৩ সালের ৩১ আগস্ট সরকার মুজিবনগরে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের নির্দেশ দেয়।
- ১৯৭৪ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবসে মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এ প্রকল্পের কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- ২০.১০ একর জমির উপর স্মৃতিসৌধটি স্থাপিত।
- ২৩টি কংক্রিটের ত্রিকোণাকার স্তম্ভ সমন্বয়ে এ স্মৃতিসৌধ নির্মিত।
- স্থপতি তানভীর কবিরের নকশায় এ সৌধটিকে উদীয়মান সূর্যের প্রতীক বলে মনে হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও মেহেরপুর জেলা ওয়েবসাইট।
১০,৪২২.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫৬
  2. ব্রি ধান ৬২
  3. ব্রি ধান ৬৬
  4. ব্রি ধান ৭৯
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২, ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১০,৪২৩.
বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ কোনটি?
  1. কয়লা
  2. চুনাপাথর
  3. সাদামাটি
  4. গ্যাস
সঠিক উত্তর:
গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাস
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো — প্রাকৃতিক গ্যাস।

অন্যদিকে, 
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো।
১০,৪২৪.
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র 'সৈনিক' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. মহিউদ্দিন আহমদ
  2. শাহেদ আলী
  3. আ.ব.ম. সফিউল্লাহ
  4. মোহাম্মদ আব্দুল হাই
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র: 
- ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র 'সৈনিক' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন শাহেদ আলী।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর 'সৈনিক' পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।
- এটি 'তমুদ্দিন মজলিশ' সংগঠনের উদ্যোগে প্রকাশিত হতো, এর লক্ষ্য ছিল বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা।
- পত্রিকাটি বাংলা ভাষার পক্ষে জনমত গঠন করতে লেখকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- পরে, এর সম্পাদক হিসেবে আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী দায়িত্ব পালন করেন।
- 'সৈনিক' পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
১০,৪২৫.
সোনালী আঁশের দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. পাকিস্তান
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
সোনালী আঁশের দেশ:
- সোনালী আঁশের দেশ বলা হয় বাংলাদেশকে।

পাট:
- পাট এক প্রকার সোনালী আঁশ।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- এজন্য বাংলাদেশে পাটকে ‘সোনালী আঁশ’ বলা হয়।

⇒ পাটকে সোনালি আঁশ বলার চারটি কারণ নিচে দেওয়া হলো:
১. কৃষিদ্রব্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে এদেশের রপ্তানি আয়ের একটা বড় অংশ আসে বলে এদেশের মনুষের অর্থনৈতিক জীবনের বড় অংশ পাটের ওপর নির্ভরশীল।
২. বাংলাদেশের মাটি ও জলবায়ু পাট চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
৩. বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ পাট চাষ ও ব্যবসার সাথে যুক্ত।
৪. ভারতের পরে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি পাট উত্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য,
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- পাট একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, শাড়ি, জুতা, স্যান্ডেল, বিছানার চাদর, পর্দা সোফার কভার,কার্পেট এবং আরো নানা ধরনের পণ্য।
- দেশের ভেতরে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ নিষিদ্ধ করে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা হলে পাটের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে।

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১০,৪২৬.
সংবিধান অনুসারে ডেপুটি স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।
১০,৪২৭.
কার নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়?
  1. চৌধুরী খালেকুজ্জামান
  2. ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ
  3. ড. মুহাম্মদ এনামুল
  4. অধ্যাপক আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
• আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।

তমদ্দুন মজলিশ:
- এটি ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম পুস্তিকা প্রকাশিত হয়।
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
- এর আহ্বায়ক মনোনিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

অধ্যাপক আবুল কাশেম:
- আবুল কাশেম (১৯২০-১৯৯১) শিক্ষাবিদ, ভাষা আন্দোলনের পথিকৃৎ, লেখক।
- তিনি ১৯৪৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে বিএসসি (অনার্স) এবং ১৯৪৫ সালে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। 
- আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।
- তিনি ছিলেন এর সাধারণ সম্পাদক। এই সংগঠনের মাধ্যমেই সর্বপ্রথম তিনি বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতিদানের দাবি উত্থাপন করেন।

উৎস: ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১০,৪২৮.
ষাটগম্বুজ মসজিদ কত সালে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়। সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন। খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়। তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি। মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।

⇒ এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত। বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

উল্লেখ্য, ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের তিনটি স্থান ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে:
১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (১৯৮৫ সালে),
২. বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে),
৩. সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

উল্লেখ্য,
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য,
- পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার ইউনেস্কো ঘোষিত ৩২২তম বিশ্ব ঐতিহ্য,
- ষাটগম্বুজ মসজিদ ইউনেস্কো ঘোষিত ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii)  প্রথম আলো।
১০,৪২৯.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কয়টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট ৫টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রথম কৃষিশুমারি – ১৯৭৭ সালে
দ্বিতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৮৩-৮৪ সালে
তৃতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৯৬ সালে
চতুর্থ কৃষিশুমারি – ২০০৮ সালে
সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি - ৯-২০ জুন ২০১৯।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।
১০,৪৩০.
ভারতীয় বাহিনী ও মুক্তিবাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে - 
  1. ক) ১৯৭১ সালের ২১শে জুলাই
  2. খ) ১৯৭১ সালের ২১শে সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৭১ সালের ২১শে অক্টোবর
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ: 
- বাংলাদেশ হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের প্রথম দেশ, যে দেশ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে।
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত আমাদের নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে।
- বিশেষভাবে ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে।
- পাকিস্তান ৩রা ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।
- ৬-১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেয় ৷

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম - দশম শ্রেণি। 
১০,৪৩১.
নিচের কোন রাজনৈতিক দলটি যুক্তফ্রন্টের অন্তর্ভুক্ত ছিলো না?
  1. ক) কৃষক শ্রমিক পার্টি
  2. খ) নেজামে ইসলাম
  3. গ) খেলাফত রাব্বানী
  4. ঘ) গণতন্ত্রী দল
সঠিক উত্তর:
গ) খেলাফত রাব্বানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খেলাফত রাব্বানী
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলার চারটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট নামে নির্বাচনি জোট গঠিত হয়।
দলগুলো হলো:
- আওয়ামী মুসলিম লীগ
- কৃষক শ্রমিক পার্টি
- নেজামে ইসলাম
- গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিলো নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ১৯৫৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জোট ২৩৭টি ‍মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন লাভ করে।
- আবুল হাশিম নেতৃত্বাধীন খেলাফত রাব্বানী পার্টি যুক্তফ্রন্ট জোটের অন্তর্ভুক্ত ছিলো না।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১০,৪৩২.
কোন আফ্রিকান দেশ বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?
  1. সিয়েরা লিওন
  2. গাম্বিয়া
  3. গ্যাবন
  4. সেনেগাল
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বীকৃত লাভ:

- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
১০,৪৩৩.
প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পদক কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্যে প্রদান করা হয়?
  1. ক) সাহিত্য
  2. খ) বৃক্ষরোপণ
  3. গ) কৃষিক্ষেত্রে
  4. ঘ) ক্রীড়া
সঠিক উত্তর:
খ) বৃক্ষরোপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বৃক্ষরোপণ
ব্যাখ্যা
বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণে অবদানের জন্যে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়। ১৯৯৩ সালে এ পুরস্কার চালু হয়। বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এই পুরস্কার প্রদান করে থাকে।
(সূত্র: বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট)
১০,৪৩৪.
নিচের কোনটি গমের উন্নত জাত?
  1. ক) মানিক
  2. খ) বর্ণালি
  3. গ) চান্দিনা
  4. ঘ) অগ্রণী
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্রণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্রণী
ব্যাখ্যা
উন্নত জাতের গম:- দোয়েল, আনন্দ, আকবর, বরকত, অগ্রণী, বলাকা।
▪ উন্নত জাতের ধান:- ময়না, হীরা, মালা, ইরাটম, চান্দিনা, ব্রিশাইল, সুফলা, হরিধান।
▪ উন্নত জাতের ভুট্টা:- বর্ণালি, শুভ্র, উত্তরণ।
▪ উন্নত জাতের টমেটো:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১০,৪৩৫.
বাংলাদেশের কয়টি জেলার সাথে 'সুন্দরবন' সংযুক্ত আছে?
  1. ৪ (চার) টি
  2. ৫ (পাঁচ) টি
  3. ৬ (ছয়) টি
  4. ৭ (সাত) টি
সঠিক উত্তর:
৫ (পাঁচ) টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ (পাঁচ) টি
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের ৫টি জেলার সাথে 'সুন্দরবন' সংযুক্ত আছে।
- সুন্দরবনের সাথে যুক্ত জেলাগুলো হলো: খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালি, বরগুনা।

- সুন্দরবন বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বনভূমি।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

উল্লেখ্য,
যে বাংলাপিডিয়া বা নবম দশম শ্রেণীর পাঠ্য বইয়ে সুন্দরবন বাংলাদেশের তিনটি জেলায় বিস্তৃত এমনটি বলা আছে।
তবে যেহেতু অপশনে ০৩ (তিন)টি না থাকার কারণে মানচিত্র এবং অন্যান্য উৎস বিবেচনায় এনে, অধিকতর উপযুক্ত উত্তর হিসেবে ০৫ (পাঁচটি) জেলা নেয়া হয়েছে।  

তথ্যসূত্র: বাগেরহাট জেলার ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৪৩৬.
কর্ণফুলী কাগজকলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়-
  1. ক) বাঁশ
  2. খ) আখের ছোবড়া
  3. গ) পাটকাঠি
  4. ঘ) ধানের খড়
সঠিক উত্তর:
ক) বাঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাঁশ
ব্যাখ্যা

বর্তমানে বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার অধীনে দেশে একটিমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজকল চালু রয়েছে।
এটি হলো রাঙামাটির চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিল।
কাঁচামাল হিসেবে এতে বাঁশ ব্যবহার করা হয়।
সূত্রঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট, দৈনিক প্রথম আলো এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।

১০,৪৩৭.
শেখ রাসেল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গাজিপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
গ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিলেট
ব্যাখ্যা
শেখ রাসেল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ অবস্থিত - সিলেটে। 

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে-জুন ২০২২।
১০,৪৩৮.
বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) ৬ দফাকে
  2. খ) ২১ দফাকে
  3. গ) ১১ দফাকে
  4. ঘ) ৩৫ দফাকে
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ দফাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ দফাকে
ব্যাখ্যা
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ অবসানের পর পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানি সরকারের চরম অবহেলা এবং সীমাহীন বৈষম্যের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সোচ্চার হন। তিনি ১৯৬৬ সালে ঘোষণা করেন পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ছয় দফা। তিনি ছয় দফাকে ‘আমাদের বাঁচার দাবি’ বলে আখ্যায়িত করেন। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
১০,৪৩৯.
ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ফরিদপুর
  2. দিনাজপুর
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯ অনুযায়ী,
ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ,
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর,
ভূট্টা ও লিচু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
১০,৪৪০.
হাজংদের বাস নেই -
  1. শেরপুর
  2. সিলেট
  3. নেত্রকোনা
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে। তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিনিবাস উত্তর বার্মায়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে হাজংদের পূর্বপুরুষের দলটি তাদের আদিনিবাস ত্যাগ করে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় প্রথমে প্রবেশ করে।
- সপ্তদশ শতকে মুগলদের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে হাজংরা গারো পাহাড়ে আশ্রয় নেয় এবং পরে সমতলভূমিতে বসতি স্থাপন করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- হাজং নারীরা যে কাপড় পরিধান করে সেটিকে তারা ‘পাথিন’ বলে।
- তিটি হাজং বাড়িতে ছোট করে হলেও সৃষ্টিকর্তাকে প্রণাম জানানোর জন্য আলাদা একটি ঘর নির্মাণ করে। হাজংরা সেটিকে ‘দেওঘর’ বলে।
- নবজাত শিশুর মঙ্গল কামনায় হাজংরা ময়লাদেওয়ের পূজা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,৪৪১.
Bangladesh's first elevated expressway was inaugurated on -
  1. 1 September 2023
  2. 2 September 2023
  3. 3 September 2023
  4. 4 September 2023
সঠিক উত্তর:
2 September 2023
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2 September 2023
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:

- দ্রুতগতির এই উড়ালসড়কের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কিলোমিটার। 
- এক্সপ্রেসওয়ের ১১.৫ কিলোমিটার অর্থাৎ বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করা হয়।  
- ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয়।
-  বিদেশি বিনিয়োগে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় পরিবহন খাতে এটাই প্রথম প্রকল্প।
- সম্পূর্ণ এক্সপ্রেসওয়ে অর্থাৎ তেজগাঁও থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত আগামী বছরের জুনে চালু করার লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার।
- পুরো উড়ালসড়কে ৩১টি স্থান দিয়ে যানবাহন ওঠানামা (র‌্যাম্প) করার ব্যবস্থা থাকছে।
- কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশে ওঠা নামার জন্য মোট ১৫ টি র‍্যাম্প থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি র‍্যাম্প আগামীকাল যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩।
১০,৪৪২.
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৩নং সেক্টর
  4. ৪নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
১নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০,৪৪৩.
ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৫৬ সালে
  2. ১৭৫৭ সালে
  3. ১৮৫৭ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা সংগ্রাম: 
- পলাশি যুদ্ধের এক'শ বছর পর ১৮৫৭ সালে ভারতের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে প্রধানত সিপাহিদের নেতৃত্বে যে সশস্ত্র বিদ্রোহ সংঘটিত হয়, তাকেই ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক শোষণ, সামাজিকভাবে হেয় করা, সর্বোপরি ভারতীয় সৈনিকদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ এসবই এই সংগ্রামের প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে।
- বিদ্রোহের আগুন প্রথমে জ্বলে ওঠে পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ বন্দুকের গুলি ছুড়ে বিদ্রোহের সূচনা করেন মঙ্গল পাণ্ডে নামে এক সিপাহি।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
- বর্তমান বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০,৪৪৪.
তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয় সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ষষ্ঠদশ সংশোধনী
  2. চতুর্থ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল বাংলাদেশ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- পঞ্চদশ সংশোধনী আইন  সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন।
- এই সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্টীয় মুলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেয়া হয়।
 - এই পঞ্চদশ সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্টীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়। 

উৎস:- বাংলাপিডিয়া। 
১০,৪৪৫.
বাংলাদেশ সরকারের অর্থবৎসর সময়কাল কোনটি?
  1. ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ
  2. ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন
  3. ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর
  4. ১ অক্টোবর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই থেকে ৩০ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই থেকে ৩০ জুন
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট:
- বাজেট (সরকারি) একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবৎসর, যা একটি বৎসরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সরকারি বাজেটে কর ও মুদ্রাসংক্রান্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি অর্থের আহরণ, আবণ্টন ও বিতরণ করা হয়।
- বাজেট দলিল চূড়ান্তকরণের সকল স্তরে অর্থাৎ সংগ্রহ, মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ।
- অর্থবিভাগের বাজেট উইং ও উন্নয়ন উইং যথাক্রমে রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের তদারকি করে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর ব্যবস্থার প্রস্তাবসমূহ প্রস্ত্তত করে।
- অর্থমন্ত্রী জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১০,৪৪৬.
বরেন্দ্র বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল কোন রাজার সময়ে?
  1. ক) বল্লাল সেন
  2. খ) ধর্মপাল
  3. গ) দ্বিতীয় মহিপাল
  4. ঘ) হেমন্ত সেন
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় মহিপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় মহিপাল
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্র বিদ্রোহ পালরাজা দ্বিতীয় মহীপালের (আনু. ১০৭৫-১০৮০ খ্রি.) রাজত্বকালে সংঘটিত হয়। এই বিদ্রোহ কৈবর্ত বিদ্রোহ নামে পরিচিত । 
- এ বিদ্রোহের ফলে দ্বিতীয় মহীপালের মৃত্যু ঘটে এবং কৈবর্ত প্রধান দিব্যের হাতে বরেন্দ্রের (উত্তর বাংলা) অধিকার চলে যায়। বরেন্দ্র বিদ্রোহ সম্পর্কে জানার একমাত্র উৎস হচ্ছে সন্ধ্যাকর নন্দীর বিখ্যাত কাব্যরামচরিতম। 
- এ কাব্যের প্রধান বিষয় হলো বরেন্দ্রের পতন এবং রামপাল কর্তৃক তা পুনরুদ্ধার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১০,৪৪৭.
বাংলাদেশে বর্তমানে জি টু জি অর্থনৈতিক অঞ্চল কয়টি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

উৎস: BEZA Website
১০,৪৪৮.
বলিহার রাজবাড়ি কোথায় অবস্থিত?
  1. নওগাঁ
  2. নাটোর
  3. রংপুর
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা

বলিহার রাজবাড়ি:
- বলিহার রাজবাড়ি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।
- নওগাঁ জেলা শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের সনদ বলে বলিহারের এক জমিদার জায়গীর লাভ করেন।
- বলিহারের জমিদারদের মধ্যে অনেকেই উচ্চ শিক্ষিত ছিলেন।
- রাজা কৃষ্ণেন্দ্রনাথ রায় একজন লেখক ছিলেন।
- বলিহারের নয় চাকার রথ প্রসিদ্ধ ছিল।
- বলিহারের জমিদার রাজেন্দ্র ১৮২৩ খিস্টাব্দে লোকান্তরিত হবার পূর্বে এখানকার বিখ্যাত দূর্গামন্দিরে রাজরাজেশ্বরী দেবীর অপরূপা পিতলের মুর্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। 

তথ্যসূত্র - নওগাঁ জেলা ওয়েবসাইট।

১০,৪৪৯.
ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্র কোথায় ?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের গম ও ভুট্টার চাহিদা পূরণ, উচ্চ ফলনশীল গম ও ভুট্টার জাত উদ্ভাবন এবং টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে আলাদা হয়ে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। 

- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরে অবস্থিত।
- বর্তমানে ১১টি গবেষণা বিভাগ এবং ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ১টি বীজ উৎপাদন কেন্দ্র ও ১টি বীজ উৎপাদন উপ-কেন্দ্র রয়েছে। 

- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সহযোগিতায় এ পর্যন্ত গমের ৩৩টি ও ভুট্টার ২৬টি (বারি হাইব্রিড ভুট্টা ১৭টি, বারি ভুট্টা ৬টি, খই ভুট্টা ১টি, বেবি ভুট্টা ১টি ও মিষ্টি ভুট্টা ১টি ) জাত এবং নুতন ইনস্টিটিউট হতে ডব্লিউএমআরআই গম ১ নামে গমের ১টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।

১০,৪৫০.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ.কে. ফজলুল হক
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. মোহাম্মদ আলী
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

এ.কে. ফজলুল হক:
- আবুল কাশেম ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি ছিলেন কলকাতা করপোশনের প্রথম বাঙালি মুসলমান, বাংলার প্রধানমন্ত্রী, পূর্বপাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, পুর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- আবুল কাশেম ফজলুল হক বাগ্মী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯১৮ সালে ফজলুল হক লিখিত ভারত মুসলিম লীগের দিল্লী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন। তার বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাকে ‘শের-ই-বঙ্গাল’ উপাধি দেয়। ‘শের-ই-বঙ্গাল’ অর্থ বাংলার বাঘ। সেই থেকে তিনি শেরে বাংলা নামে পরিচিত।
- ১৯১২ সালে ফজলুল হক কলকাতায় "কেন্দ্রীয় জাতীয় মুসলিম শিক্ষা সমিতি" (Central Muslim Educational Association) গঠন করেন। এই শিক্ষা সমিতির মাধ্যমে তিনি মুসলমানদের শিক্ষাকে স্তরে স্তরে এগিয়ে নিয়েছিলেন।
- আবুল কাশেম ফজলুল হকের প্রচেষ্টায় ১৯১৬ সালে কলকাতায় 'বেকার হোস্টেল' ও 'কারমাইকেল হোস্টেল' প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৪৫১.
ধর্মপাল কত বছর রাজত্ব করেন?
  1. ক) ৩৫ বছর
  2. খ) ৩৭ বছর
  3. গ) ৪০ বছর
  4. ঘ) ৪৪ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
ধর্মপাল:

- ধর্মপাল হচ্ছেন পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- তিনি প্রায় ৪০ বছর রাজত্ব করেন।
- বাংলার ইতিহাসে ধর্মপালই প্রথম রাজা যিনি সর্বপ্রথম উত্তর ভারতীয় রাজনীতিতে স্বল্পকালের জন্য হলেও কিছু সাফল্য অর্জন করেন। ধর্মপালের সময়ে বাংলা নতুন শক্তি ও উদ্দীপনার প্রতীক হয়েছিল।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ছিলেন এবং তিনি অনেক বিহারের প্রতিষ্ঠাতা।
- সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন ধর্মপাল
- রাজশাহী বিভাগের বর্তমান নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন।বরেন্দ্র অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে প্রতিষ্ঠিত এই বৌদ্ধ ধর্ম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সমগ্র ভারতবর্ষের মধ্যে সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ বিহার। এই জন্যে এটি মহাবিহার নামে পরিচিত। 
- পালবংশের অন্যতম রাজা দেবপাল ছিলেন ধর্মপালের পুত্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৫২.
প্রতাপ আদিত্য কে ছিলেন?
  1. ক) বাংলার বারো ভুঁঞাদের একজন
  2. খ) রাজপুত রাজা
  3. গ) বাংলার শাসক
  4. ঘ) মোগল সেনাপতি
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলার বারো ভুঁঞাদের একজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলার বারো ভুঁঞাদের একজন
ব্যাখ্যা
বাংলার ইতিহাসে ষোড়শ শতক থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলায় যেসব বড় বড় জমিদার মুঘলদের অধীনতা মেনে নেননি এবং শক্তিশালী সৈন্য ও নৌ-বহর নিয়ে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একজোট হয়ে মুঘল সেনাপতির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেন তারাই বাংলার ইতিহাসে 'বারো ভুঁইয়া' নামে পরিচিত।

যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য বারো ভুঁইয়াদের মধ্যে সর্বাধিক সম্পদশালী ও প্রভাবশালী ছিলেন।

১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতাপের ক্ষমতা ও খ্যাতি পুরো ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছিল।
বারো ভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন সোনার গাঁয়ের জমিদার ঈসা খাঁ।
তার মৃত্যুর পর মোগলদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ স্তিমিত হয়ে যায়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১০,৪৫৩.
মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন কত খ্রিস্টাব্দে?
  1. ১৫৭৯ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৪৮৪ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
- ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- 'বাংলা নববর্ষ' পহেলা বৈশাখ চালু করেন সম্রাট আকবর
- ৫ নভেম্বর ১৫৫৬ তার সিংহাসন আরোহনের দিন হতে তা কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি, প্রোগ্রাম। 
১০,৪৫৪.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পিআইএ-এর বিমান ছিনতাইয়ের ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে নির্মিত সিনেমাটির নাম কি? 
  1. ফ্লাইট হাইজ্যাক ১৯৭১
  2. জেঁ কে ১৯৭১
  3. এ জে ৭১ 
  4. রানওয়ে ৭১
সঠিক উত্তর:
জেঁ কে ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেঁ কে ১৯৭১
ব্যাখ্যা

• 'জেঁ কে ১৯৭১': 
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র, যা ১৯৭১ সালে ফরাসি তরুণ জঁ ক্যুয়ে (Jean Kay) কর্তৃক পিআইএ-এর বিমান ছিনতাইয়ের সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত।
- তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে এই পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।  
- এটি ২০২৩ সালে মুক্তি পায়।
- পরিচালক: ফখরুল আরেফিন খান।
- প্রযোজনা: চলচ্চিত্রটির শুটিং হয়েছে ভারতের কলকাতার পার্পল স্টুডিওতে।

- ফরাসি নাগরিক জাঁ কে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের (PIA) একটি ৭০৭ বোয়িং বিমান হাইজ্যাক করেন। তিনি ২০ টন মেডিকেল সাপ্লাই এবং রিলিফ সামগ্রী লোড করার দাবি করেন, যাতে এগুলো বাংলাদেশের শরণার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পৌঁছানো যায়। গল্পে যুদ্ধের মানবিক সংকট, সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, হাইজ্যাকের সময়ের টেনশন এবং ফ্ল্যাশব্যাকের মাধ্যমে জাঁ কে-এর উদ্দেশ্য দেখানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: 
i) The Daily star. (Link)
ii) The Daily Observer. (Link) 
iii) Times of India. 

১০,৪৫৫.
এশিয়ার নোবেল খ্যাত ম্যাগসাইসাইয়ের ২০১২ সালে বাংলাদেশ থেকে পুরষ্কৃত হয়েছেন-
  1. ক) অধ্যাপক কবির চৌধুরী
  2. খ) হুমায়ূন আহমেদ
  3. গ) সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  4. ঘ) অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে পুরস্কারটি পান।
- নিরাপদ পরিবেশের তাগিদে আইনি সহযোগিতার ক্ষেত্রে তাঁর অদম্য সাহস ও নেতৃত্বের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

অন্যদিকে-
- বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম ম্যাগসাইসাই পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ।
- তিনি ম্যাগসাইসাই পান ১৯৭৮ সালে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো নিউজ।
১০,৪৫৬.
‘ময়ূর সিংহাসন’ কে নির্মাণ করেছিলেন?
  1. সম্রাট আকবর
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
সম্রাট শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট শাহজাহান
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- সম্রাট শাহজাহান হলেন মুগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের পুত্র।
- তিনি  ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন জাহাঙ্গীরের উত্তরাধিকারী হিসেবে।
- তিনি পৃথিবীর স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ সমাধিসৌধ 'আগ্রার তাজমহল' নির্মাণ করেন।
- তিনি আগ্রায় মতি মসজিদ, দিল্লিতে লাল কেল্লা ও জামে মসজিদও নির্মাণ করেন; শাহজাহানাবাদ নামে একটি শহর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সম্রাট শাহজাহান ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন।
- তিনি ইংরেজদের বঙ্গদেশে কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন।
- ১৬৫৮ সালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পুত্র আওরঙ্গজেব তাকে বন্দী করেন এবং বন্দী অবস্থায় ১৬৬৬ সালে আগ্রা দূর্গে তার মৃত্যু হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
          ii) ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৪৫৭.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কতজন নারী উপদেষ্টা রয়েছে?
  1. ২ জন 
  2. ৩ জন 
  3. ৪ জন 
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন 
ব্যাখ্যা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন। এরা হলেন: ফরিদা আখতার, নূরজাহান বেগম, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শারমীন এস মুরশিদ।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১০,৪৫৮.
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম নিম্নের কোন আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত?
  1. পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ
  2. পাট থেকে সবুজ চা
  3. পাটের জিনোম সিকোয়েন্স
  4. পঞ্চব্রীহি ধান
সঠিক উত্তর:
পাটের জিনোম সিকোয়েন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটের জিনোম সিকোয়েন্স
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম:
- বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম-এর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য।

⇒ ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন মাকসুদুল আলম।
- জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
- তিনি যখন বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের জুট জেনোম সিকোয়েন্সিং প্রকল্পের প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন তখন তার নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালে তোষা পাটের জিন নকশা আবিস্কৃত হয়।
- বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম পাট ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবারসহ মোট আটটি উদ্ভিদের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।
- তিনি ২০১৬ সালে স্বাধীনতা পদক প্রদান লাভ করেন।
- ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে -
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করেছেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
- পঞ্চব্রীহি ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
১০,৪৫৯.
মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের ধারণক্ষমতা কত?
  1. ক) ২৯২ টন
  2. খ) ২২০ টন
  3. গ) ২০০ টন
  4. ঘ) ১২০ টন
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০ টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০ টন
ব্যাখ্যা
মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের ধারণক্ষমতা ২০০ টন। এর স্থায়িত্বকাল ধরা হয়েছে ১০০ বছর৷
উৎসঃ দৈনিক ইত্তেফাক
১০,৪৬০.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার কে ছিলেন?
  1. মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ
  2. শাহ আবদুল হামিদ
  3. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
শাহ আবদুল হামিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ আবদুল হামিদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের স্পিকার:
- সভাধ্যক্ষ বা স্পিকার হলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভা পরিচালক বা প্রিসাইডিং অফিসার
- স্পিকার সংসদ অধিবেশনের কাজকর্ম পরিচালনা করেন।
- তিনি সভার নিয়মশৃঙ্খলা রক্ষা করেন।
- কোনো সদস্য নিয়মবহির্ভূত আচরণ করলে তাকে সভাধ্যক্ষবরখাস্ত করতে পারেন।
- তিনি অনাস্থা প্রস্তাব, মুলতুবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব ও নিয়মানুযায়ী দৃষ্টি-আকর্ষণী বিজ্ঞপ্তি সহ বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপনের অনুমতি দেন।
- অধিবেশনে কোন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে তাও স্পিকার স্থির করেন।
- বর্তমানে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আবদুল হামিদ।

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ওয়েবসাইট।
১০,৪৬১.
Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman University is located in which district?
  1. ক) Gopalganj
  2. খ) Kishoreganj
  3. গ) Gazipur
  4. ঘ) Lalmonirhat
সঠিক উত্তর:
খ) Kishoreganj
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Kishoreganj
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ’ আইন গেজেট আকারে জারি করা হয়। এটির প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জেড এম পারভেজ সাদ্দাদ।
অন্যদিকে,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত গোপালগঞ্জে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত ঢাকার রোকেয়ার স্মরণীতে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত গাজীপুরের কালিয়াকৈরে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত গাজীপুরের সালনায়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন ও অ্যারো স্পেস বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত লালমনিরহাটে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত ঢাকার শাহবাগে।
(তথ্যসূত্র: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ওয়েবসাইট)
১০,৪৬২.
মুজিবনগর- এর পূর্বনাম কী ছিল?
  1. মেহেরপুর
  2. চন্দ্রনাথ
  3. স্বরূপকাঠি
  4. বৈদ্যনাথ তলা
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যনাথ তলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যনাথ তলা
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার গঠন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের জন্য এই দিনটির তাৎপর্য অপরিসীম, কেননা এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- এদিন (১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১০ এপ্রিল দেশের 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামকরণ করে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহযোগী আওয়ামী লীগ নেতা তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মন্ত্রীসভা ঘোষণা করা হয়।
- মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসাবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়- মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিলো- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
১০,৪৬৩.
সর্বজনীন পেনশন বিল ২০২৩ জাতীয় সংসদে পাস হয় কবে?
  1. ১৭ আগস্ট, ২০২৩
  2. ১৪ আগস্ট, ২০২৩
  3. ২৪ জানুয়ারি ২০২৩
  4. ২৫ জুন, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
২৪ জানুয়ারি ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ জানুয়ারি ২০২৩
ব্যাখ্যা
♦ সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম):
- ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩ জাতীয় সংসদে ‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল ২০২৩’ পাস হয়।
- দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনতে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।
- চাঁদাদাতার বয়স ৬০ বছর হওয়ার পর তার ব্যাংক হিসাবে অথবা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে মাসিক পেনশন দেওয়া হবে।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৪টি স্কিম রাখা হয়েছে।
- এগুলো হলো যথাক্রমে প্রবাস স্কিম, প্রগতি স্কিম, সুরক্ষা ও সমতা স্কিম।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- জাতীয় পরিচয়পত্র ভিত্তি ধরে ১৮ বছরে থেকে শুরু করে ৫০ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রণ করতে পারবে।
- পেনশনে থাকাকালে ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মৃত্যুবরণ করলে পেনশনারের নমিনি বাকি সময়ের (মূল পেনশনারের বয়স ৭৫ বছর পর্যন্ত) জন্য মাসিক পেনশন পাবেন।

উৎস:
১. ১৭ আগস্ট, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
২. বাসস। [[Link}
১০,৪৬৪.
মুশফিকুর রহিম কয়টি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন? [মে, ২০২৫]
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
- মুশফিকুর রহিম তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করা একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার।
- ২০১৩ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকুর রহিম একটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন, যা বাংলাদেশ দলের ৬৩৮ রানের সর্বোচ্চ ইনিংসের অংশ ছিল।
- ২০১৮ এবং ২০২০ সালে মিরপুরে তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরপর দুটি টেস্টে ১৫ মাসের ব্যবধানে ডাবল সেঞ্চুরি করেন।
- এর মধ্যে প্রথমটি তাকে প্রথম উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসেবে দুটি টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি করার গৌরব এনে দেয়।
- ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১৯ রানের ইনিংস এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের টেস্টে সর্বোচ্চ ইনিংস।

উৎস: ESPNcricinfo.
১০,৪৬৫.
'পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল' গানের গীতিকার কে?
  1. আপেল মাহমুদ
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আব্দুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

গানসমূহ:
⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম:
- গীতিকার: ফজলে খোদা।
- সুরকার: আব্দুল জব্বার।
- শিল্পী: আব্দুল জব্বার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১০,৪৬৬.
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হাজংদের বসবাস কোথায়?
  1. ফরিদপুর ও মাদারীপুর
  2. কক্সবাজার ও রামু
  3. ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
  4. রংপুর ও দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলায় বসবাস করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হাজং।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিনিবাস উত্তর বার্মায়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে হাজংদের পূর্বপুরুষের দলটি তাদের আদিনিবাস ত্যাগ করে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় প্রথমে প্রবেশ করে।
- সপ্তদশ শতকে মুগলদের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে হাজংরা গারো পাহাড়ে আশ্রয় নেয় এবং পরে সমতলভূমিতে বসতি স্থাপন করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- হাজং নারীরা যে কাপড় পরিধান করে সেটিকে তারা 'পাথিন' বলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,৪৬৭.
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয় কখন?
  1. ক) ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫
  2. খ) ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩
  3. গ) ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
  4. ঘ) ১৯ ডিসেম্বর ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মুশতাক আহমেদ কুখ্যাত ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করেন।
এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৫ আগস্টের বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে না মর্মে ঘোষণা দেয় হয়।

১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদে গৃহীত সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে জিয়াউর রহমান সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা প্রদান করে।

পরবর্তীতে, ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে। যার ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার করা সম্ভব হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১০,৪৬৮.
বর্তমানে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) কততম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ১০ম
  2. ১১তম
  3. ১২তম
  4. ১৩তম
সঠিক উত্তর:
১২তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২তম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল):
- গত ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ শুরু হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসর।
- টুর্নামেন্টের প্রথম পর্ব হবে সিলেটে।
- সিলেট, চট্টগ্রাম ও ঢাকা- এই তিন ভেন্যুতে হবে টুর্নামেন্টের মোট ৩৪টি ম্যাচ।
- ফাইনাল হবে আগামী ২৩ জানুয়ারি ঢাকায়।
- এবারের বিপিএল অংশ নিচ্ছে ৬টি দল- ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট টাইটানস, চট্টগ্রাম রয়্যালস, রংপুর রাইডার্স, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও নোয়াখালী এক্সপ্রেস।

তথ্যসূত্র- ডেইলি স্টার।

১০,৪৬৯.
নোয়াখালী জেলার পূর্ব নাম কি?
  1. ক) সুর্বণ গ্রাম
  2. খ) সুধারাম
  3. গ) লাকসাম
  4. ঘ) পাটগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) সুধারাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুধারাম
ব্যাখ্যা

নোয়াখালীর নামকরণ: ১৭৬০ এর দশকের শেষের দিকে নোয়াখালীর নামের উৎপত্তি হয়।তখন আওরঙ্গজেব ছিলেন দিল্লির সম্রাট। পার্বত্য ত্রিপুরার পাহাড় থেকে উৎসারিত ডাকাতিয়া নদীর বন্যায় ঘন ঘন প্লাবিত হতো ভুলুয়ার উত্তর এবং পূর্বাঞ্চল। বন্যার হাত থেকে এখানকার কৃষি অঞ্চলকে রক্ষা করার জন্য কুমিল্লার ফৌজদারের তত্ত্বাবধানে ডাকাতিয়া থেকে রামগঞ্জ, সোনাইমুড়ী, চৌমুহনীর মধ্য দিয়ে একটি নতুন খাল কেটে বন্যার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলো মেঘনা ও ফেণী নদীর সঙ্গমস্থলে।
সুদীর্ঘ এই খালটি খননের পর ভুলুয়া ভূখন্ডের নতুন নাম হলো নোয়াখালী, অর্থাৎ নতুন খালের দেশ। ‘নতুন’ শব্দের স্থানীয় লোকজ নাম ‘নোয়া’ থেকেই মোঘল যুগে কাটা খালটি ‘নোয়াখাল’ লোকমুখে এই অঞ্চলটিকে অভিহিত করেছে নোয়াখালী নামে।
১৮২১ সালে নোয়াখালীকে পৃথক জেলা গঠন করলেও ভুলুয়া নামেই এ জেলার পরিচিতি ছিল। ১৮২২ সালের ২৯ মার্চ গভর্ণর দ্বিতীয় হেস্টিংস স্বপরিষদে নোয়াখালীকে একটি পৃথক জেলার মর্যাদা দান করেন। কিন্তু ভুলুয়া রাজ্যের ঐতিহ্য রক্ষার জন্য নবঘোষিত জেলার নামকরণ করা হয় ভুলুয়া।
১৮৬৮ সাল হতে সরাসরি এ অঞ্চলের নামকরণ করা হয় নোয়াখালী। ১৯৮৪ সালে নোয়াখালী জেলা ভেঙ্গে লক্ষীপুর ও ফেণী নামে আলাদা দুটি জেলা গঠিত ।
সুধারাম (সদর) থানা: আয়তন এবং জনসংখ্যার দিক থেকে সদর থানাটি নোয়াখালী জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম থানা হিসেবে পরিচিত। ১৮৬১ সালে এটি একটি থানা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- এ থানাটির পূর্বে ‘সুধারাম’ থানা হিসেবে পরিচিতি ছিল।
- ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বর মাসে এ থানা নোয়াখালী সদর থানা হিসেবে পুন:নামকরণ করা হয়।
উৎসঃ সরকারী তথ্য বাতায়ন 

১০,৪৭০.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির প্রধান কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. খ) অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ
  3. গ) আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
গ) আবদুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৭১.
মুজিবনগর সরকারের ‘ক্যাবিনেট সচিব’ ছিলেন -
  1. ক) এইচ টি ইমাম
  2. খ) খন্দকার আসাদুজ্জামান
  3. গ) আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. ঘ) লুৎফর রহমান
সঠিক উত্তর:
ক) এইচ টি ইমাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এইচ টি ইমাম
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের ‘ক্যাবিনেট সচিব’ ছিলেন - এইচ টি ইমাম।

• মুজিবনগর সরকার:

- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 

- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলের - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৭২.
বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কোন সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তন করা হয়?
  1. পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  3. দশম সংশোধনী
  4. ষোড়শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ সংশোধনী: 
- শিরোনাম: সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬
- পাস হয়: ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ।
- বিষয়বস্তু: একটি নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করে, যা অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল।
- সংবিধানে ৫৮(ক), ৫৮(খ), ৫৮(কগ), ৫৮(ঘ), ৫৮(ঙ), এই ৫টি অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়।
-  জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করা হয়। 

উল্লেখ্য,
গত ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। 


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও পত্রিকা।

১০,৪৭৩.
'অবৈতনিক শিক্ষার ধারণা বস্তুত অবাস্তব কল্পনা মাত্র' কোন শিক্ষা কমিশন এই রিপোর্ট পেশ করে?
  1. নূর শিক্ষা কমিশন
  2. হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন
  3. আজাদ শিক্ষা কমিশন
  4. শরিফ শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
শরিফ শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরিফ শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের মূলে ছিল শরিফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট।
- 'অবৈতনিক শিক্ষার ধারণা বস্তুত অবাস্তব কল্পনা মাত্র' শরিফ শিক্ষা কমিশন এই রিপোর্ট পেশ করে।

উল্লেখ্য,
- এই কমিশন গঠিত হয়েছিল আইয়ুবের সামরিক শাসন জারির পরপর, ৩০ ডিসেম্বর ১৯৫৮।
- কমিশনের প্রধান ছিলেন তৎকালীন শিক্ষাসচিব ড. এস এম শরিফ।
- এই কারণে রিপোর্টটি শরিফ কমিশন রিপোর্ট নামেই পরিচিতি পেয়েছে।
- কমিশন রিপোর্ট দাখিল করেছিল আট মাসের মাথায় ২৬ আগস্ট ১৯৫৯।
- ১৯৫৯ সালের প্রথম দিকে শরিফ কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
- ১৯৬২ সালে সামরিক আইন প্রত্যাহার হওয়ায় শিক্ষা কমিশন রিপোর্টবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করে।
- আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে ১৪৪ ধারার মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর প্রদেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করা হয়। 
- বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে, এ শিক্ষা আন্দোলন নিঃসন্দেহে ইতিহাসের বাঁক ফেরানো ঘটনা।
- বস্তুত এ আন্দোলনের পর থেকে ছাত্রসমাজ কখনো চুপচাপ থাকেনি।
- তারা বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন করেছে এবং সরকারবিরোধী চেতনাকে বেগবান করেছে।

উৎস: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, প্রথম আলো। [link]
১০,৪৭৪.
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি-
  1. কামরুল ইসলাম
  2. হামিদুর রহমান
  3. মঈনুল ইসলাম
  4. শামীম শিকদার
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

স্থাপত্য নকশা: 
- যুক্তফ্রন্ট সরকার কর্তৃক ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্তভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হয়।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি।
- ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়।
- এ নকশায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেলের সম্মুখভাগের বিস্তৃত এলাকা এর অন্তর্ভূক্ত ছিল।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: ঢাকা জেলা অফিস ওয়েবসাইট।

১০,৪৭৫.
পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিষ্ঠানের প্ৰধান -
  1. ক) জাতীয় পর্যটন পরিষদ
  2. খ) জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ
  3. গ) রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি
  4. ঘ) উপরের সবগুলোর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোর
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর সবগুলোই 

পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যেসকল প্রতিষ্ঠানের প্ৰধান:-
- ECNEC, NEC, BEZA, BEPZA।
- জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ।
- জাতীয় পর্যটন পরিষদ। 
- জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি।
- রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ।
- প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)।

তথ্যসূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ।
১০,৪৭৬.
বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. তুরাগ নদীর তীরে
  2. শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে
  3. পদ্মা নদীর তীরে
  4. বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে
ব্যাখ্যা
বাকল্যান্ড বাঁধ: 
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ।
- ১৮৬৪ সনে তৎকালীন নগর কমিশনার সি.টি বাকল্যান্ড এই বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেন।
- কার্গো ও যাত্রীবাহী স্টিমার চলাচল সুগম করার জন্য পাড়ের নিম্নভাগে পলি প্রতিরোধ করা এবং প্লাবন ও ভাঙন থেকে ঢাকা শহর রক্ষা প্রকল্পের অধীনে এই বাঁধ নির্মিত হয়।
- এ প্রকল্পের জন্য প্রথম চাঁদা দাতাদের মধ্যে ছিলেন খাজা আব্দুল গণি এবং ভাওয়াল জমিদার কালীনারায়ণ রায়।
- প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এই বাঁধ নির্মিত হয়।

এছাড়াও,
- ভারত টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ করেছে বরাক নদীতে।
- টিপাইমুখ বাঁধ মণিপুর রাজ্য।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প তিস্তা সেচ প্রকল্প।
- দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প।
- ডিএনডি প্রকল্প - ঢাকা - নারায়ণগঞ্জ - ডেমরা প্রকল্প।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,৪৭৭.
পরী বিবি কে ছিলেন?
  1. শায়েস্তা খানের কন্যা
  2. আওরঙ্গজেবের কন্যা
  3. মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
  4. শায়স্তা খানের স্ত্রী
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খানের কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খানের কন্যা
ব্যাখ্যা
♠ পরী বিবি:
- তিনি বাংলার মুগল সুবাহদার শায়েস্তা খান এর কন্যা।
- বাদশাহ আওরঙ্গজেব এর পুত্র মুহম্মদ আজম এর স্ত্রী।
- বাংলাদেশ সরকারের কাটরার ওয়াকফ পরিদপ্তরে সংরক্ষিত শায়েস্তা খানের নিজস্ব অছিয়তনামা থেকেই শায়েস্তা খানের কন্যা হিসেবে বিবি পরীকে (ইরান দু রহমত বানু) চিহ্নিত করা যায়।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে মসজিদের পূর্ব দিকে বিবি পরীকে সমাহিত করা হয়। শায়েস্তা খান কন্যার সমাধির উপর একটি সুদৃশ্য সৌধ নির্মাণ করেন।

তথ্যসুত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,৪৭৮.
জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে কোনটি?
  1. রাজনৈতিক দল
  2. সুশীল সমাজ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. আদালত
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল:
- জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে রাজনৈতিক দল।
- রাজনৈতিক দলের একটি স্থায়ী সংগঠন থাকে এবং এ সংগঠনের মাধ্যমে এটি কাজ করে।
- একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যবৃন্দ একই মতাদর্শে বিশ্বাসী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা অর্জনের জন্য কাজ করে। 
- সমমতাদর্শে অনুপ্রাণিত, ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত ব্যক্তিদের নিয়ে রাজনৈতিক দল গঠিত হয়।
- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকে।
- এই কর্মসূচিকে বাস্তবে রূপায়িত করার জন্য দলগুলো নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত পদ্ধতিতে অগ্রসর হয়।
- রাজনৈতিক দল মাত্রই জাতীয় স্বার্থের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়।
- প্রত্যেক দল সমগ্র জাতির সাধারণ স্বার্থ সাধনে আত্মনিয়োগ করে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, মোজাম্মেল হক।

১০,৪৭৯.
বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার স্থাপিত হয় ______ ।
  1. যুক্তরাজ্যে
  2. যুক্তরাষ্ট্রে
  3. ভারতে
  4. পাকিস্তানে
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্যে
ব্যাখ্যা

♦ শহীদ মিনার:
- বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহিদ মিনার স্থাপিত হয় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে।
- গ্রেট মেনচেস্টারের ওল্ডহ্যামের ওয়েস্টহুড নেবারহুডে নির্মাণ করা হয় এই শহীদ মিনার।
- ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর সেখানকার ‘বাংলাদেশি কালচারাল অ্যান্ড হিস্ট্রি ইন ওল্ডহ্যাম' সে দেশে শহীদ মিনার নির্মাণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

♦ উল্লেখ্য:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়।
- জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর বৈশাখি মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার সূত্র ধরে বাংলাদেশ সরকার এই শহীদ মিনারটি
নির্মাণ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১০,৪৮০.
কোনটি অর্থনৈতিক কাজ নয়?
  1. ডাক্তারি পেশা
  2. আইনজীবীর পেশা
  3. পণ্য ক্রয়-বিক্রয়
  4. একজন ছাত্রের কলেজ টিমে ক্রিকেট খেলা
সঠিক উত্তর:
একজন ছাত্রের কলেজ টিমে ক্রিকেট খেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন ছাত্রের কলেজ টিমে ক্রিকেট খেলা
ব্যাখ্যা
 অর্থনৈতিক কাজ:
- অর্থনৈতিক কাজ হলো যেকোনো ধরনের কাজ যা মূলত অর্থনৈতিক উপকারিতা বা আয় সৃষ্টির লক্ষ্যে করা হয়।
- যেমন - কোনো পণ্য বা সেবা উৎপাদন ও বিক্রয়, চাকরি, ব্যবসা ইত্যাদি।
- কিন্তু একজন কলেজ ছাত্রের ক্রিকেট খেলা তার ব্যক্তিগত আগ্রহের কাজ। এতে তার কোনো অর্থনৈতিক লাভ হয় না। সুতরাং এটি অর্থনৈতিক কাজ নয়।

অন্যদিকে,
- ডাক্তারি পেশা, আইনজীবীর পেশা এবং পণ্য ক্রয়-বিক্রয় সবগুলোই অর্থনৈতিক কাজ।

উৎস: Investopedia Website.
১০,৪৮১.
বাংলাদেশের বাজেট সাধারণত কার্যকর হয়-
  1. ক) ৩০ জুন
  2. খ) ৩০ জুলাই
  3. গ) ১ জুন
  4. ঘ) ১ জুলাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১ জুলাই
ব্যাখ্যা

২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা ৩ জুন ২০২১ এবং বাজেট পাশ ৩০ জুন ২০২১।
- বাজেট কার্যকর হয় ১ জুলাই ২০২১।
- বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম. মুস্তফা কামাল।
- বাজেটের আকার ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা (জিডিপির ১৭.৫%)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জাতীয় আয় ২৪৬২ মার্কিন ডলার।
- দরিদ্র জনসংখ্যার হার ২০.৫%।
- অতি দরিদ্র জনসংখ্যার হার ১০.৫%।
- মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৩ ভাগ।

উৎস: জাতীয় বাজেট, ২০২১-২২ অর্থবছর।

১০,৪৮২.
পদ্মা সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেনের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয় কবে?
  1. ৪ এপ্রিল ২০২৩ সালে
  2. ৬ জুন ২০২৩ সালে
  3. ৯ অক্টোবর ২০২৩ সালে
  4. ১ নভেম্বর ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর ২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতুতে রেল চলাচল:
- পদ্মা সেতুর সড়কপথ চালুর ১০ মাসের মাথায় ৪ এপ্রিল ২০২৩ সালে পদ্মা সেতু দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
- এদিন ৪১ কিলোমিটার রেলপথে পরীক্ষামূলকভাবে চলাচল করে ৭ বগি বিশেষ ট্রেনটি।
- ১ নভেম্বর ২০২৩ সালে পদ্মা সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেনের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয়।

পদ্মা সেতু:
- পদ্মা সেতু প্রকল্পতে চীনের একটি কোম্পানী কাজ করে।
- মূল সেতুর কাজ করেছে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড।
- পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণ পশ্চিম প্রান্ত উত্তর পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মাওয়া প্রান্তের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৬১৭ কিলোমিটার।
- জাজিরা প্রান্তের দৈর্ঘ্য ১০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - দ্যা ডেইলী স্টার, ২৫ জুন ২০২২, দৈনিক ইত্তেফাক, ৪ এপ্রিল ২০২৩ ও নয়া দিগন্ত, ০২ নভেম্বর ২০২৩।
১০,৪৮৩.
ঢাকার প্রাচীন নাম কি?
  1. জাহাঙ্গীরনগর
  2. ইসলামপুর
  3. সোনারগাঁ
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীরনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীরনগর
ব্যাখ্যা
রাজধানী ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- ঢাকার প্রাচীন নাম জাহাঙ্গীরনগর।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের জীবিতকাল পর্যন্ত এ নাম বজায় ছিলো।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,৪৮৪.
ইস্কান্দার মির্জাকে ক্ষমতাচ্যুত করে কে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন?
  1. ফিরোজ খান নুন
  2. আইয়ুব খান
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. লিয়াকত আলী খান
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
সামরিক শাসন জারি:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন।
- সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।

উল্লেখ্য,
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৪৮৫.
নিচের কোন জেলায় চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. খ) সুনামগঞ্জ
  3. গ) ঠাকুরগাঁও
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
গ) ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে বর্তমানে দেশে ৭টি জেলায় মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
জেলা অনুসারে চা বাগানের অবস্থান:
মৌলভীবাজার - ৯১টি
হবিগঞ্জ - ২৫টি
চট্টগ্রাম - ২১টি
সিলেট - ১৯টি
পঞ্চগড় - ৮টি
রাঙামাটি - ২টি
ঠাকুরগাঁও - ১টি।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট)
১০,৪৮৬.
৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত ব্রিগেড ফোর্স কোনটি?
  1. এম ফোর্স
  2. কে ফোর্স
  3. এস ফোর্স
  4. আর ফোর্স
  5. জেড ফোর্স
সঠিক উত্তর:
জেড ফোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেড ফোর্স
ব্যাখ্যা

ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।

⇒ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

⇒ কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

⇒ খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৪৮৭.
সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজি অনুলিপিতে স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ ও গণপরিষদ সদস্যগণ স্বাক্ষর প্রদান করেন-
  1. ক) ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর
  2. খ) ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৯৭২ সালের ১৫ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭২ সালের ১৫ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭২ সালের ১৫ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ ও গণপরিষদ সদস্যগণ সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজি অনুলিপিতে (৩৯৯ জন) স্বাক্ষর দান করেন।
- সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- এরপর স্বাক্ষর করেন সৈয়দ নজরুল ইসলয়াম এবং তাজউদ্দীন আহমদ। 
- তবে একমাত্র বিরােধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধান বইতে স্বাক্ষরদানে বিরত থাকেন।

- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন। 
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়। 
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
১০,৪৮৮.
'আওয়ামী মুসলিম লীগ' থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করেন -
  1. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. শামসুল হক
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী:
 
- তিনি ১৮৯২ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- সোহ্‌রাওয়ার্দী অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস.সি (সম্মান) ও বি.সি.এল ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরে লন্ডনের গ্রেইজ ইন থেকে ব্যরিস্টার-এট-ল সম্পন্ন করেন।
- ১৯২০ সালে ইংল্যান্ড থেকে ভারতে ফিরেই তিনি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯২৪ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র, ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রী, ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে খাজা নাজিমউদ্দীন মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী, ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পাকিস্তানের প্রথম ও প্রধান বিরোধীদল আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও সোহ্‌রাওয়ার্দীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- ১৯৫৫ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দী দলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করলে সর্ব সম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়।
- পাকিস্তানে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এন.ডি.এফ) গঠন করে তিনি ১৯৬২-৬৩ সালের আইয়ুব-বিরোধী সম্মিলিত জোটের আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।
১০,৪৮৯.
'কবি জসীমউদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার' এর জন্য কে মনোনীত হন?
  1. ক) সালমা খাতুন
  2. খ) মোহাম্মদ রফিক
  3. গ) নাসির উদ্দিন
  4. ঘ) জামাল আহমেদ
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ রফিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ রফিক
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত ২০২৩ সালের 'কবি জসীমউদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার' এর জন্য মনোনীত হন কবি মোহাম্মদ রফিক
- ১ জানুয়ারী ২০২৩ বাংলা একাডেমি তাঁর নাম ঘোষণা করে। 
- ২০১৯ সাল থেকে শুরু করে প্রতি দুই বছর পরপর 'কবি জসীমউদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার' দিয়ে আসছে বাংলা একাডেমি।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার ফেব্রুয়ারি, ২০২৩। 
১০,৪৯০.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ১১৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১৭ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১১৯ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১১৮ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।

⇒ নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৪৯১.
বাংলাদেশের কোথায় সর্বপ্রথম সামাজিক বনায়ন শুরু হয়?
  1. লাউয়াছড়া 
  2. ভাওয়াল 
  3. চন্দ্রঘোনা
  4. বেতাগী ও পোমরা
সঠিক উত্তর:
বেতাগী ও পোমরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেতাগী ও পোমরা
ব্যাখ্যা

বন ব্যবস্থাপনার ক্রমবিকাশ :
 - বন বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও বন ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম শুরু হয় ১৮৬২ সালে। স্যার ডায়েট্রিচ ব্রান্ডিস নামক একজন জার্মান ফরেস্টারকে ১৮৬২ সালে প্রথম ইন্সপেক্টর জেনারেল অব ফরেস্টস নিয়োগ করা হয়।
- ১৮৬৫ সালে বন আইন প্রণীত হয়।
- মাইনি হেড ওয়াটার সংরক্ষিত বন গঠিত হয় ১৮৭৫ সালে।
- প্রথম ১৮৭১ সালে বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়।
- বৈজ্ঞানিকভাবে বন ব্যবস্থাপনার জন্য সর্বপ্রথম সুন্দরবনের ওয়ার্কিং প্লান তৈরি হয় ১৮৯২ সালে।
- বন নীতি প্রণীত হয় ১৮৯৪ সালে।
- জুমিয়াদের অংশগ্রহণে টংগিয়া পদ্ধতিতে বনায়ন শুরু হয় ১৯১২ সালে। যা বাংলাদেশে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্তকরণে বন ব্যবস্থাপনার প্রথম কার্যকরী  উদ্যোগ।
- সর্বপ্রথম ফরেস্ট ইনভেন্টরি করা হয় পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৯৬১ সালে। 
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম বন সম্প্রসারণ শুরু হয়।
- ১৯৬৬ সালে উপকূলীয় বনায়ন শুরু হয়।
- চট্টগ্রামের বেতাগী ও পোমরাতে ১৯৭৯ সালে সর্বপ্রথম সামাজিক বনায়ন শুরু হয়।
 -বন্যপ্রাণি অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে সুন্দরবনে।
- ১৯৯৪ সালে বৃক্ষমেলা শুরু হয়।
- সহ-ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে ২০০৪ সালে বন ব্যবস্থাপনা শুরু হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।

১০,৪৯২.
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি কে?
  1. প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  2. অধ্যাপক আলী রিয়াজ
  3. আব্দুল মুমিন চৌধুরী
  4. ড. বদিউল আলম মজুমদার
সঠিক উত্তর:
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

 জাতীয় ঐকমত্য কমিশন:
- ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- ছয় সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো বিবেচনা ও গ্রহণের জন্য এই কমিশন গঠন করা হয়েছে।
- কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন, সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক ও দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান।

⇒ জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, আর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- কমিশনের মেয়াদ ছয় মাস।
- কমিশন নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশের কার্যক্রমসহ, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং দুর্নীতি দমন বিষয়ে সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনগুলোর সুপারিশ বিবেচনা ও গ্রহণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপের সুপারিশ করবে।
- এই কমিশনের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট। 

১০,৪৯৩.
পদ্মা সেতুর কোন কোন পিলারের উপর প্রথম স্প্যানটি বসানো হয়েছে?
  1. ক) ৩৪ ও ৩৫
  2. খ) ৩৫ ও ৩৬
  3. গ) ৩৬ ও ৩৭
  4. ঘ) ৩৭ ও ৩৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৭ ও ৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৭ ও ৩৮
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ৪১টি স্টিলের স্প্যান ব্যবহৃত হয়েছে।
খুঁটির সংখ্যা ৪২টি। প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটির উপর প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
সর্বশেষ স্প্যানটি বসানো হয় চলতি বছরের ১০ ডিসেম্বর ১২ ও ১৩ নম্বর খুঁটির উপর।
মূল পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।

(সূত্র: প্রথম আলো)
১০,৪৯৪.
সংবিধানের কোন অধ্যায় ’রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি’ সংবলিত?
  1. প্রথম অধ্যায় 
  2. পঞ্চম অধ্যায়
  3. ষষ্ঠ অধ্যায়
  4. দ্বিতীয় অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় অধ্যায়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
- চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায়  - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
- দশম অধ্যায়  - সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়  - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১০,৪৯৫.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) সিলেটের বনভূমি
  2. খ) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  3. গ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
  4. ঘ) খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি
সঠিক উত্তর:
গ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি, ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি ও গরান বা স্রোতজ বনভূমি (সুন্দরবন) এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
- মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্ভুক্ত। এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গ কিলোমিটার। শাল জাতীয় এক ধরনের গজারী এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি।
- উপকূলীয় অঞ্চল যেমন -  খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলাদেশ বন বিভাগের ওয়েবসাইট।
১০,৪৯৬.
The Bank for International Settlement (BIS) is in -
  1. ক) Frankfurt
  2. খ) New York
  3. গ) London
  4. ঘ) Basel
সঠিক উত্তর:
ঘ) Basel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Basel
ব্যাখ্যা
• BIS:
- প্রাচীনতম আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান - BIS
- BIS এর পূর্ণরুপ - the Bank for International Settlement
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৩০ সালে (হেগ সম্মেলনের মাধ্যমে)।
- সুইজারল্যান্ড শহরের ব্যাসেল শহরে Bank for International Settlements অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: BIS ওয়েবসাইট।
১০,৪৯৭.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী চলতি মূল্যে জিডিপির আকার কত?
  1. ৫৪০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  2. ৪৮০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  3. ৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  4. ৪২০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
সঠিক উত্তর:
৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
ব্যাখ্যা
জিডিপির আকার: 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী চলতি মূল্যে জিডিপির আকার ৫০,০২,৬৫৪ কোটি টাকা (৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার)। 
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপির আকার ছিল ৪৪,৯০,৮৪২ কোটি টাকা (৪৫২ বিলিয়ন ইউএস ডলার)।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১০,৪৯৮.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য কে?
  1. রাজিয়া বানু
  2. ক্ষিতীশ চন্দ্র
  3. মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনজুর
  4. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয় ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে ।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- বিরোধী দলীয় একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে সংবিধান কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১০,৪৯৯.
খিলাফত আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. মুসলিম লীগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা
  2. ব্রিটিশদের ভারত থেকে বিতাড়ন করা
  3. মদিনায় নতুন খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা
  4. খলিফার মর্যাদা ও তুরস্কের অখণ্ডতা রক্ষা করা
সঠিক উত্তর:
খলিফার মর্যাদা ও তুরস্কের অখণ্ডতা রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খলিফার মর্যাদা ও তুরস্কের অখণ্ডতা রক্ষা করা
ব্যাখ্যা

- খলিফার মর্যাদা ও তুরস্কের অখণ্ডতা রক্ষা করা খিলাফত আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ।

খিলাফত আন্দোলন: 

- খিলাফত ইসলামের একটি ধর্মীয় রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। মদীনায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম।
- খিলাফত রাজনৈতিক বিবর্তনের ধারায় দামেস্ক, বাগদাদ, কায়রো ও কর্ডোভা হয়ে তুরস্কের অটোমান সুলতানদের অধিকার যায়।
- এ মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের অধিকারী হওয়ায় বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের মুসলমানদের মত তুরস্কের সুলতান খলিফার প্রতি ভারতীয় মুসলমানদের আনুগত্য ও সম্মানবোধ অনেক দিন থেকেই ছিল।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) শুরু হলে তুরস্ক নিজের স্বার্থে মিত্র শক্তির (ব্রিটেন, ফ্রান্স ও রাশিয়া ইত্যাদি) বিরুদ্ধে অক্ষ শক্তির (জার্মানী, ইটালী ইত্যাদি) পক্ষে যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ায় ভারতীয় মুসলমানরা রাজনৈতিকভাবে হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে।
- এমতাবস্থায় চতুর ব্রিটিশদের প্ররোচনায় ভারতীয় মুসলমানগণ এ শর্তে যুদ্ধে যোগদান করেন যে, যুদ্ধ শেষে ব্রিটিশরা তুরস্কের খিলাফতের মর্যাদা রক্ষা করবে, এর কোন ক্ষতি করবে না।
- কিন্তু যুদ্ধে অক্ষ শক্তি তথা তুরস্ক পরাজিত হলে এবং ব্রিটিশদের মারমুখি অবস্থানের কারণে মুসলমানগণ খলিফার মর্যাদা রক্ষা ও তুরস্কের অখণ্ডতা রক্ষার ব্যাপারে শংকিত হয়ে পড়েন।
- এমতাস্থায় খলিফার মর্যাদা ও খিলাফত রক্ষার দাবীতে ভারতীয় মুসলমানগণ যে আন্দোলন গড়ে তোলে, ইতিহসে এ আন্দোলন 'খিলাফত আন্দোলন' নামে পরিতি।
- আলী ভ্রাতৃদ্বয় (মাওলানা মুহাম্মদ আলী ও মাওলানা শওকত আলী), মওলানা আবুল কালাম আযাদ, ড. এম.এ. আনসারী, হযরত মোহানী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক প্রমুখের নেতৃত্বে এ আন্দোলন পরিচালিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৫০০.
বাংলাদেশ NAM-এর কততম শীর্ষ সম্মেলনে প্রথম অংশগ্রহণ করে?
  1. ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলন
  2. ৫ম শীর্ষ সম্মেলন
  3. ৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন
  4. ৭ম শীর্ষ সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
৪র্থ শীর্ষ সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা
NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড-এ জন্ম হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের।
- প্রথম কনফারেন্স হয় বেলগ্রেড, ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।
- ন্যামের প্রথম প্রেসিডেন্ট: ইয়োসিপ ব্রোজ টিটো (মার্শাল টিটো)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালের ৫ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- এতে প্রথমবারের মতো যোগ দিয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।
- সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য এ সম্মেলনটি ছিল নানা কারণেই গুরুত্বপূর্ণ।
- জাতিসংঘের সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে এই সম্মেলন শেষে ঘোষণাপত্রে জোটনিরপেক্ষ দেশগুলো তাদের সমর্থন দেয় বাংলাদেশকে।
- ১৯৭৩ সালের সেই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর সফরসঙ্গী ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও অমর একুশের ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।