বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০৬ / ৩০৬ · ১০,৫০১১০,৬০০ / ৩০,৮৩২

১০,৫০১.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১০,৫০২.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার খসড়া কে প্রণয়ন করেন?
  1. আবুল কাশেম
  2. আবুল মনসুর আহমেদ
  3. ফজলুল হক
  4. মওলানা ভাসানী
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমেদ
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি:
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের প্রাক্কালে বিভিন্ন দল ও জোট নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো ঘোষণা করে।
- যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছিল।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগ বিরোধী যুক্তফ্রন্টের প্রেরণাশক্তি ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
- তাই যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ২১ ফিগারটিকে চিরস্মরণীয় করার জন্য ২১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
- আবুল মনসুর আহমেদ ২১ দফার খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ২১ দফার দাবিগুলো ভোটারদের মন জয় করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৫০৩.
'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন কে?
  1. মোস্তফা মনোয়ার
  2. সালেহ চৌধুরী
  3. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  4. শামীম শিকদার
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
১০,৫০৪.
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে?
  1. ছয়টি
  2. সাতটি
  3. আটটি
  4. নয়টি
সঠিক উত্তর:
আটটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- ১৯৭৩-১৯৭৮ সময়ে দেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়।
- বর্তমান অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ছিলো জুলাই ২০১৫ থেকে জুন ২০২০ পর্যন্ত।
- পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
(তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট)
১০,৫০৫.
মৌলিক গণতন্ত্রের প্রথম স্তর ছিল-
  1. জেলা পরিষদ
  2. বিভাগীয় পরিষদ
  3. ইউনিয়ন পরিষদ 
  4. থানা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ 
ব্যাখ্যা

আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র :
→ জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার পর পাকিস্তানের শাসন ও রাজনৈতিক কাঠামোরআমুল  পরিবর্তন করার উদ্যোগ নেন। তিনি প্রচলিত গণতান্ত্রিক পদ্ধতি পরিত্যাগ করে এক অদ্ভুত ও নতুন নির্বাচন কাঠামো প্রবর্তন করেন। তার এই নির্বাচনের মূলভিত্তি ছিল 'মৌলিক গণতন্ত্র'।

→ মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে একধরনের সীমিত গণতন্ত্র।
→ যাতে কেবল নির্দিষ্টসংখ্যক লোকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অধিকার ছিল।
→ ১৯৫৯ সালে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করা হয়।
→ প্রাথমিক অবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র ছিল একটি চার স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা।
যথা:
(১) ইউনিয়ন পরিষদ (গ্রামে) এবং টাউন ও ইউনিয়ন কমিটি (শহরে),
(২)থানা পরিষদ (পূর্ব পাকিস্তানে), তহসিল পরিষদ (পশ্চিম পাকিস্তানে),
(৩) জেলা পরিষদ,
(৪)বিভাগীয় পরিষদ।

→ এই পরিষদগুলোতে নির্বাচিত ও মনোনীত উভয় ধরনের সদস্য থাকত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা।

১০,৫০৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর কত নং সেক্টরের অধীন ছিলো?
  1. ক) ৬ নং সেক্টর
  2. খ) ৭ নং সেক্টর
  3. গ) ৮ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৯ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।

এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়। মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
৮নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
- ঢাকা শহর ২নং সেক্টরের অধীন ছিলো।

(তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)
১০,৫০৭.
রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী কোনটি ছিল?
  1. কর্ণসুবর্ণ
  2. কোটিবর্ষ
  3. মহাস্থানগড়
  4. ময়নামতি
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
ব্যাখ্যা

রাঢ় জনপদ:
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো। এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- রাঢ় জনপদটি ২টি অংশে বিভক্ত ছিল। দক্ষিণ রাঢ় এবং উত্তর রাঢ় নিয়ে ছিল রাঢ় জনপদ। এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।

• অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
- বৌদ্ধ পুঁথি ও বিদেশী পর্যটকদের বর্ণনা থেকে জানা যায় যে, তৎকালে তাম্রলিপ্তি একটি বিখ্যাত নৌ-বাণিজ্য বন্দর ছিল।
- শুধু বাংলা নয় এটি প্রাচীন ভারতেরও পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বন্দর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৫০৮.
নিচের কোন সালে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়নি?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
২০২১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়নি। 

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এ 'মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto)' পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।

⇒ জনশুমারি নিয়ে কিছু তথ্য:
- ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৮৭২ সালে।
- পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে।
- বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সেগুলো হলো: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে।
- কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে একবছর পিছিয়ে যায়।
- ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
          i) ১৫ জুন ২০২২, প্রথম আলো।
১০,৫০৯.
‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে কবে?
  1. ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
  2. ১৯৬৯ সালের ১৫ জানুয়ারি 
  3. ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি 
  4. ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী 
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ:
-  ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি গঠিত হয় ‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’।  
-  এর লক্ষ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবির বাস্তবায়ন।
- ও প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান। 
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান সংগঠন ও সুসংবদ্ধকরণ এবং নেতৃত্ব প্রদানে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ মূখ্য ভূমিকা পালন করে।
উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহাকে হত্যা করা হয় ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হককে গুলি করে হত্যা করা হয়।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া। 

১০,৫১০.
জাতিসংঘ বাংলাদেশের উদ্বাস্তর সাহায্যকল্পে কবে থেকে মানবিক তৎপরতা শুরু করে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময়  জাতিসংঘের মানবিক সহযোগিতা প্রদান
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে সরাসরি সমর্থন প্রদান না করলেও ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী লাখ লাখ শরণার্থী বাঙালিকে জাতিসংঘ খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছিল।
- মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠনেও জাতিসংঘ সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করেছিল।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর দেশের বিপুল সংখ্যক উদ্বাস্তর সাহায্যকল্পে ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে জাতিসংঘ মানবিক তৎপরতা শুরু করে।
- সরকারি ও বেসরকারি সাহায্য সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশে জাতিসংঘের উদ্বাস্তু কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০,৫১১.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য কতজন?
  1. ক) ৬৭
  2. খ) ৪৮
  3. গ) ৬৮
  4. ঘ) ৫০
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৮
ব্যাখ্যা

১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
- বীর উত্তম - ৬৮ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

এবার আমাদের প্রশ্নে আসা যাক,
বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদক প্রাপ্ত -
সেনাবাহিনী - ৪৮ [লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিমকে বাদ দিয়ে]
নৌ বাহিনী - ৮
বিমান বাহিনী - ৬
গণবাহিনী - ৫

এছাড়া, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে শহীদ হন কর্ণেল জামিল। তিনি ২০০৯ সালে বীর উত্তম উপাধি পান।
অর্থাৎ, শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদকপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী থেকে - ৪৮ জন
এবং কর্ণেল জামিলসহ ‘বীর উত্তম’ পদকপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী থেকে - ৪৯ জন

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।

১০,৫১২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ৩৬%
  2. ৩৭%
  3. ৩৮%
  4. ৩৯%
সঠিক উত্তর:
৩৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১০,৫১৩.
দেশের বাহিরে বঙ্গবন্ধুর প্রথম স্থায়ী প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়েছে কোথায়?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ইতালি
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) কানাডা
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
দেশের বাহিরে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হ্যামট্র্যাম্যাক শহরে বঙ্গবন্ধুর স্থায়ী প্রতিকৃতি (ম্যুরাল) স্থাপন করা হয়েছে। গত ১৬ আগস্ট ২০২০ এটি উদ্বোধন করা হয়।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১০,৫১৪.
বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সর্বাধিক তুলা আমদানি করে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. চীন
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

• বর্তমান বাংলাদেশ ব্রাজিল থেকে সর্বাধিক তুলা আমদানি করে।

• শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ:
- বিশ্বের শীর্ষ তুলা আমদানিকারক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে তুলা সরবরাহে প্রতিবেশী ভারতকে পেছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্রাজিল।
- মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ বিপণনবর্ষে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন বেল কাঁচা তুলা আমদানি করেছে।
- এর মধ্যে ব্রাজিল প্রায় ১ দশমিক ৯ মিলিয়ন বেল তুলা সরবরাহ করেছে, যা মোট আমদানির ২৩ শতাংশ।
- ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন বেল নিয়ে সরবরাহকারী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত।
- এরপর যথাক্রমে বেনিন, ক্যামেরুন ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান।

উৎস: দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।

১০,৫১৫.
কোন অধিদপ্তরকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ক্লাস্টারে লিডিং অধিদপ্তর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে?
  1. সমাজসেবা অধিদপ্তর
  2. স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর
  3. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর
  4. পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
সঠিক উত্তর:
সমাজসেবা অধিদপ্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাজসেবা অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়:
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের পিছিয়েপড়া এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মানবসম্পদ উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কল্যাণ, উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন সাথে সংশ্লিষ্ট একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়।
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, এসিডদগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় একইসাথে দেশব্যাপী গ্রামীণ এবং শহুরে উভয় এলাকায় সমাজের পিছিয়েপড়া, অনগ্রসর অংশ, বেকার, ভূমিহীন, অনাথ, দুঃস্থ, ভবঘুরে, নিরাশ্রয়, সামাজিক, বুদ্ধিমত্তা এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দরিদ্র, অসহায় রোগী, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের কল্যাণ ও উন্নয়নে বহুমাত্রিক এবং নিবিড় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত দপ্তর ও সংস্থাসমূহের মাধ্যমে এ সকল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর:
- সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিসমূহ বাস্তবায়নে যে সকল মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর কাজ করে থাকে তার মধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর অন্যতম।
- সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল (NSSS) -২০১৫ এ সমাজসেবা অধিদপ্তরকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ক্লাস্টারে লিডিং অধিদপ্তর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। 

উৎস: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১০,৫১৬.
SLR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Standard Liquidity Reserve
  2. Statutory Liquidity Ratio
  3. Systemic Liquidity Ratio
  4. Statutory Liquidity Requirement
  5. System Liquidity Reserve
সঠিক উত্তর:
Statutory Liquidity Ratio
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Statutory Liquidity Ratio
ব্যাখ্যা

SLR:
- SLR-এর পূর্ণরূপ: Statutory Liquidity Ratio.
- সংবিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত (SLR) আমানতের ন্যূনতম শতাংশকে বোঝায় যা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে তাদের নিজস্ব ভল্টে সোনার সম্পদ, নগদ বা সরকার- অনুমোদিত সিকিউরিটি হিসাবে বজায় রাখার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়।
- CRR (Cash Reserve Ratio) হচ্ছে তফসিলি ব্যাংকগুলো কর্তৃক বাংলাদেশ ব্যাংক বাধ্যতামূলক নগদ জমার হার।
- এই অনুপাত বৃদ্ধির ফলে ব্যাংকের অর্থনীতিতে অর্থ ইনজেক্ট করার ক্ষমতা হ্রাস পায়।
- SLR (সংবিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত) RBI দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- SLR ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ আইন, 1949 এর ধারা 24 (2A) দ্বারা নির্ধারিত হয়েছিল।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) Business Standard.

১০,৫১৭.
পাকিস্তানের গণপরিষদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি কে জানিয়েছিলেন?
  1. আবদুল মতিন
  2. তমিজউদ্দিন খান
  3. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. নুরুল হক
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৮৮৬-১৯৭১):
- ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
-  ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।

- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভার সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ অনুসরণে তিনি মুক্তি সংঘ নামে একটি সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা গঠন করেন। 
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারেরও প্রস্তাব পেশ করেন। 

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৫১৮.
দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলে -
  1. রংপুরে
  2. পঞ্চগড়ে
  3. দিনাজপুরে
  4. চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুরে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,৫১৯.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে কবে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা

নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

উৎস: ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।

১০,৫২০.
বাংলায় প্রথম তুর্কি শাসক কে ছিলেন?
  1. গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ
  2. নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
  3. জালালউদ্দিন মাহমুদ
  4. সিরাজউদ্দিন মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
ব্যাখ্যা
তুর্কি শাসন:
- ১২২৭ থেকে ১২৮১ সাল পর্যন্ত তেমন ১৫ জন তুর্কি শাসক বাংলা শাসন করেছিলেন।
- বাংলায় প্রথম তুর্কি শাসক ছিলেন নাসিরুদ্দিন মাহমুদ।
- এ সময় থেকে বাংলার শাসনকর্তারা দিল্লির সুলতানদের কাছ থেকে নিয়োগ লাভ করে এখানকার শাসক হতেন।
- বাংলায় দিল্লির অনুগত কোনো শাসনই প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং দিল্লির মনোনীত তুর্কি শাসকরাই একের পর এক বিরোধিতা অব্যাহত রাখেন।
- দিল্লির শাসকরা যেমন, ইলতুতমিশ, বলবন, গিয়াসউদ্দিন তুঘলক ও মুহাম্মদ বিন তুঘলক বাংলার শাসকদেরকে প্রতিহত করতে একের এর এক অভিযান চালিয়ে বিদ্রোহ দমন করেন।
- দিল্লির শাসনকালে বাংলায় বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগ লেগেই ছিল।
- দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন বাংলার তৎকালীন স্বাধীন শাসক তুগ্রিল খানকে দমনের জন্য নিজেই আক্রমণ করেন।যুদ্ধে তুগ্রিল খান নিহত হন। ফলে বাংলা দিল্লির শাসনাধীন হয়।
- ১২৮৭ সালে সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন মারা গেলে বঘরা খান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ নাম ধারণ করে ১২৯০ সাল পর্যন্ত বাংলার স্বাধীন সুলতান হিসেবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৩২৫ সালে দিল্লির শাসক গিয়াসউদ্দিন তুঘলক বাংলা অধিকার করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৫২১.
একটি দেশের নাগরিকদের দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অর্জিত আয়কে বিবেচনা করা হয় -
  1. নীট দেশজ উৎপাদন (NDP)
  2. মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
  3. নীট জাতীয় উৎপাদন (NNP)
  4. মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
ব্যাখ্যা
⇒ মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross national income or GNP):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের জনগণ দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অবস্থান করে উৎপাদন কাজ করতে পারে।
- তাই বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP-তে অন্তর্ভূক্ত হয়।

• দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হল রপ্তানী আর বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয় ।

অন্যদিকে -
⇒ মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product or GDP):
- GDP হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।

⇒ নীট জাতীয় উৎপাদন (Net National Prduct or NNP):
- NNP হলো মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।

⇒ নীট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product or NDP):
- NDP হলো নীট দেশজ উৎপাদন মোট দেশজ উৎপাদনের একটি অংশ।
- মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন ।

উৎস: i) অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৫২২.
যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৪৭ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
১. মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
২. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
৩. মওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি এবং
৪. হাজী দানেশের বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।

উল্লেখ্য,
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- আওয়ামী মুসলিম লীগের নির্বাচনী কর্মসূচির ৪২ দফার প্রধান প্রধান দাবি নিয়ে।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।

নোট: [বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খণ্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র অধিক গ্রহণযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৫২৩.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য কয়জনকে সর্বোচ্চ সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাব দেয়া হয়?
  1. ৮ জন
  2. ৭ জন
  3. ১০ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৫২৪.
বাংলাদেশের সরকারি নোটে কার স্বাক্ষর থাকে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
  2. অর্থসচিব
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. বাণিজ্য মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থসচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থসচিব
ব্যাখ্যা
⇒ ব্যাংক নোট:
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেসব নোট বের করে থাকে তাদের ব্যাংক নোট বলা হয়। এসব নোটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাংক নোটের সংখ্যা ৭টি। এগুলো হলো:
• ১০ টাকা,
• ২০ টাকা,
• ৫০ টাকা,
• ১০০ টাকা,
• ২০০ টাকা,
• ৫০০ টাকা,
• ১০০০ টাকা।

⇒ সরকারি নোট:
- ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোটে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে। এসব নোট বের করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১০,৫২৫.
বৈশ্বিক অভিবাসনে বাংলাদেশের অবস্থান কত তম?
  1. ক) ৪র্থ
  2. খ) ৬ষ্ঠ
  3. গ) ৭ম
  4. ঘ) ৮ম
  5. ঙ) ১২ তম
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ বৈশ্বিক অভিবাসন বিষয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ হালনাগাদকৃত তালিকা প্রকাশ করে। এতে বাংলাদেশের অবস্থান ৬ষ্ঠ। বাংলাদেশের ৭৮ লক্ষ মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে। তালিকায় শীর্ষদেশ ভারতের ১.৭৫ কোটি মানুষ অভিবাসী। গন্তব্যের দিক থেকে আমেরিকা প্রথম যেখানে অভিবাসী মানুষের সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি ১০ লক্ষ। (সূত্রঃ ইকোসোক ওয়েবসাইট)
১০,৫২৬.
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম "ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী" এর ভাস্কর কে?
  1. অখিল পাল
  2. আবদুর রাজ্জাক
  3. শামীম শিকদার
  4. শ্যামল চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
আবদুর রাজ্জাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা
'জাগ্রত চৌরঙ্গী' ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন ভাস্কর্য শিল্পী আবদুর রাজ্জাক। এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য।

জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- ডান হাতে গ্রেনেড, বাঁ হাতে রাইফেল, লুঙ্গি পরা, খোলা শরীর, দৃপ্ত পায়ে পেশিবহুল মুক্তিযোদ্ধার ভাস্কর্যটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে দাঁড়ানো।
- এটিই দেশে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগ স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- ভাস্কর: আবদুর রাজ্জাক।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা আর্ট কলেজের সেই সময়ের অধ্যক্ষ দেশের খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাকের হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হয়েছিল এই দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যকর্ম।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পত্রিকা রিপোর্ট।
১০,৫২৭.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থায় বেসিক ডেমোক্র্যাট কত ছিল?
  1. ৬০ হাজার
  2. ৭০ হাজার
  3. ৮০ হাজার
  4. ৯০ হাজার
সঠিক উত্তর:
৮০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ হাজার
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্রের স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

• ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৫২৮.
শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা
শেখ হাসিনা:
- গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
- শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোটবোন শেখ রেহানা সে সময় পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় বেঁচে যান।
- ১৯৮০ সালে ইংল্যান্ডে থেকে তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
- ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষ করে অবশেষে তিনি ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন।
- তিনি এখন পর্যন্ত (২০২৪) ৫ বার প্রধানমন্ত্রী ও ৮ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- এখন পর্যন্ত (২০২৪) শেখ হাসিনা টানা ৪ বার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন।
- ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন।
- ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
 
তথ্যসূত্র - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও দৈনিক যুগান্তর।
১০,৫২৯.
‘অরুণ আলো‘ ও ‘রাঙা প্রভাত‘ কী?
  1. ক) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধ জাহাজ
  2. খ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজ
  3. গ) নতুন দুটি পিকনিক স্পট
  4. ঘ) দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ
সঠিক উত্তর:
খ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজ
ব্যাখ্যা
- ‘অরুণ আলো‘ ও ‘রাঙা প্রভাত‘ হলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজ। 

- বিমানের ১০টি বোয়িংয়ের মধ্যে আকাশবীণা, হংসবলাকা, গাঙচিল ও রাজহংস নামে চারটি ড্রিমলাইনারের নাম পছন্দ ও বাছাই করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এর আগে পালকি, অরুণ আলো, আকাশপ্রদীপ, রাঙা প্রভাত নামে চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর এবং মেঘদূত ও ময়ূরপঙ্খী নামে দুটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এর নামও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

উৎস : প্রথম আলো 
১০,৫৩০.
বাংলাদেশের আবাদী জমির কতটুকুতে ধানের চাষ হয়?
  1. ৫০%
  2. ৬০%
  3. ৭০%
  4. ৮০%
সঠিক উত্তর:
৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০%
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষে নওগাঁ জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ ও কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
১০,৫৩১.
'প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা' কত নং অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ৩ নং
  2. ৪ নং
  3. ৫ নং
  4. ৬ নং
সঠিক উত্তর:
৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ নং
ব্যাখ্যা

• ৫) রাজধানী:
(১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 
(২) রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

উল্লেখ্য,
২৷ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা
২(ক)৷ রাষ্ট্রধর্ম।
৩৷ রাষ্ট্রভাষা।
৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
৫৷ রাজধানী।
৬৷ নাগরিকত্ব।
৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১০,৫৩২.
‘অলাতচক্র’ চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু কোন জাতীয় ইতিহাসকে তুলে ধরে?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. দেশ ভাগ 
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা

অলাতচক্র:
- দেশের প্রথম থ্রিডি সিনেমা ‘অলাতচক্র’।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আহমদ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে।
- এটি পরিচালনা করেছেন হাবিবুর রহমান।

⇒ ‘অলাতচক্র’ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমা।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ ছবিতে তায়েবা চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান ও দানিয়েল চরিত্রে আহমেদ রুবেল।

উৎস: i) The Daily Star Bangla.
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।

১০,৫৩৩.
সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নাগরিকদের কোন মৌলিক উপকরণগুলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে?
  1. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
  2. অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা
  3. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
  4. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
সঠিক উত্তর:
অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত মৌলিক প্রয়োজনসমূহ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে:
- অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা
- কর্মের অধিকার ও ন্যায্য মজুরীর ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা।
- যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার।
- সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, যা বেকারত্ব, ব্যাধি, বার্ধক্য, এবং অনুরূপ পরিস্থিতিতে সরকারি সাহায্য লাভের নিশ্চয়তা প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৫৩৪.
ড. মুহম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কোন অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন?
  1. ৭৮তম অধিবেশন
  2. ৭৯তম অধিবেশন
  3. ৮০তম অধিবেশন
  4. ৮১তম অধিবেশন
সঠিক উত্তর:
৭৯তম অধিবেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৯তম অধিবেশন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তার ৭৯তম অধিবেশন:
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
- নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে ভাষণ প্রদান করেন তিনি।
- বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য, 
- সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের সভাপতি ফিলেমন ইয়াং।
- ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
১০,৫৩৫.
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারে কত দফা ছিল?
  1. ৬ দফা
  2. ১১ দফা
  3. ১৮ দফা
  4. ২১ দফা
সঠিক উত্তর:
২১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দফা
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৪ সালের পাকিস্তানের পূর্ববঙ্গ প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে পরাজিত করার লক্ষ্যে গঠিত বিরোধী দলগুলোর একটি ঐতিহাসিক নির্বাচনী জোট হলো যুক্তফ্রন্ট। 
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। দলগুলো ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল। 
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা। ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- মাওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে এটি 'একুশ দফা' কর্মসূচির ভিত্তিতে বিশাল জয় লাভ করে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৫৩৬.
বাংলাদেশের সর্বশেষ উপকূলীয় নদীবন্দর কোনটি? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. মোংলা
  2. সন্ধীপ
  3. হাতিয়া
  4. ভোলাগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
ব্যাখ্যা
দেশের উপকূলীয় নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপকে দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- দেশের সর্বশেষ উপকূলীয় নদীবন্দর হলো হাতিয়া। নোয়াখালীর হাতিয়াকে দেশের ২য় উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।

⇒ ৩ জুন ২০২৫ তারিখে বিষয়টি নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
- এই গেজেট অনুযায়ী, হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের চানন্দি চ্যানেলের একটি নির্দিষ্ট অংশকে নদী বন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বন্দর সংক্রান্ত ১৯০৮ সালের একটি আইনের আওতায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।
১০,৫৩৭.
BNFE-এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Bangladesh National Formal Education.
  2. Bureau of National Formal Education.
  3. Bangladesh Non-Formal Examination.
  4. Bureau of Non-Formal Education.
সঠিক উত্তর:
Bureau of Non-Formal Education.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bureau of Non-Formal Education.
ব্যাখ্যা

• উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো,(Bureau of Non-Formal Education-BNFE)
- ২০০৫ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিলুপ্ত হয় এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো গঠন করা হয়।
- সবার জন্য শিক্ষা-র জাতীয় ও আন্তর্জাতিক লক্ষ্য পূরণের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০০৬ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে। - এ শিক্ষানীতির সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্যাবলির মধ্যে রয়েছে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সাব-সেক্টর তৈরি, শিক্ষাকে জাতীয় উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিতকরণ এবং চাহিদামূলক, অর্থ উপার্জনোপযোগী ও  যথার্থ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি অংশীদারি এবং সহযোগিতাপূর্ণ কর্মপদ্ধতি তৈরি করা।
- বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালের মধ্যে দেশে শতভাগ সাক্ষরতা অর্জনের লক্ষ্য ঘোষণা করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো বেশ কয়েকটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,৫৩৮.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ছিল-
  1. ৪৫ টি
  2. ৩০ টি
  3. ১৫ টি
  4. ১০ টি
সঠিক উত্তর:
১৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৩ সালে অর্থাৎ প্রথম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ছিল ১৫টি।
- তখন সংসদের মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩১৫টি।
- ১৯৭৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৩০ টি।
- তখন মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩৩০ টি।
- পরবর্তীতে ২০০১ সালে সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৪৫ টি।
- সর্বশেষ ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৫০ টি।
- ফলে বর্তমানে জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
উৎসঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

১০,৫৩৯.
মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাব প্রাপ্ত কাঁকন বিবি কোন নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ছিলেন?
  1. খাসিয়া
  2. চাকমা
  3. মারমা
  4. গারো 
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা

কাঁকন বিবি: 
- কাঁকন বিবির মূল নাম- কাঁকাত হেনিনচিতা।
- কাঁকন বিবি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর কাঁকন ওরফে নূরজাহান নামে পরিচিত হন।
- কাঁকন বিবি ছিলেন খাসিয়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের একজন বাঙালি নারী মুক্তিযোদ্ধা।
- তিনি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া পল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সুনামগঞ্জের খাসিয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি ‘মুক্তিবেটি’ নামে পরিচিত ছিলেন।
- কাঁকন বিবি প্রায় ২০টি যুদ্ধে অংশ নেন। 
- তিনি মুক্তিবাহিনীর হয়ে ৫ নং সেক্টরে গুপ্তচরের কাজ করেছেন।
- স্বাধীনতার ২৫ বছর পর, ১৯৯৬ সালে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাকে বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত করেন।
- জীবদ্দশায় তিনি বীরপ্রতীক খেতাবের সুবিধা পুরোপুরি ভোগ করতে পারেননি।
- তিনি ১০৩ বছর বয়সে ২১ মার্চ, ২০১৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা [ লিঙ্ক]। 

১০,৫৪০.
What is the national game of Bangladesh?
  1. ক) Football
  2. খ) Cricket
  3. গ) Baseball
  4. ঘ) Kabaddi
সঠিক উত্তর:
ঘ) Kabaddi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Kabaddi
ব্যাখ্যা
কাবাডি:

- বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি।
- বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে এশিয়ান অ্যামেচার কাবাডি ফেডারেশন গঠন করা হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয় এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,৫৪১.
"মনপুরা ৭০" কী?
  1. একটি উপন্যাস
  2. একটি গান
  3. একটি চিত্রকর্ম
  4. একটি স্থানের নাম
সঠিক উত্তর:
একটি চিত্রকর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি চিত্রকর্ম
ব্যাখ্যা
"মনপুরা ৭০" শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের এক অসামান্য চিত্রকর্ম।

মনপুরা-৭০:
- 'মনপুরা-৭০' একটি চিত্রকর্ম।
- সারি সারি লাশের পাশে স্বজনহারা এক মানুষের বিলাপের ছবি ‘মনপুরা ৭০'।
- জয়নুল আবেদিন এই বিখ্যাত ছবি আঁকেন দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর।
- এ ঝড়ে প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ।
- জয়নুল আবেদিনের এই ছবি শোভা পাচ্ছে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের ৩৫ নম্বর গ্যালারিতে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১০,৫৪২.
চট্টগ্রাম ও স্বন্দীপ থেকে পর্তুগীজদের উচ্ছেদ করেন বাংলার কোন শাসক?
  1. ক) ইসলাম খান
  2. খ) শাহ সুজা
  3. গ) কাসেম খান জুয়েনী
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
  5. ঙ) মীর জুমলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
পর্তুগীজরা আরও নানা প্রকার অপরাধমূলক কাজ করত। তাঁরা জোর করে এদেশেরই অসহায় বালক-বালিকাদের খ্রিস্টান বানাত। এদেশের মানুষকে ধরে নিয়ে দাস দাসীরূপে বিক্রি করতো বিদেশের বাজারে। পর্তুগীজ সৈন্যরা জোর করে এদেশের মেয়ে বিয়ে করত। তাদের এ অপরাধের মাত্রা বেড়ে গেলে সম্রাট শাহজাহান পর্তুগীজদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করেন। সম্রাটের নির্দেশে কাসিম খান তাদের হুগলী কুঠি থেকে বিতাড়িত করেন। সর্বশেষ বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান তাদের চট্টগ্রাম ও স›দ্বীপ ঘাঁটি দখল করে চিরতরে এ দেশ থেকে উচ্ছেদ করেন।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস -২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
১০,৫৪৩.
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রাপ্ত এর সংখ্যা কতজন?
  1. ক) ১১
  2. খ) ৭
  3. গ) ২২
  4. ঘ) ১৭৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ৭ জনকে সর্বোচ্চ সামরিক পদবী ''বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করা হয়।
৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ
উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,৫৪৪.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হন?
  1. জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে
  2. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক
  3. জনগনের সরাসরি ভোটে
  4. প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

⇒ রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে, রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল ব্যক্তির উপর অগ্রাধিকার দেবেন এবং এই সংবিধান এবং অন্য কোন আইন দ্বারা তার উপর অর্পিত ও আরোপিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং দায়িত্ব পালন করবেন।
- কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদ বেশি রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হবেন না, পদ পরপর থাকুক বা না থাকুক।
- রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য হতে পারবেন না, এবং যদি সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন, তবে তিনি যেদিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে তার পদে প্রবেশ করবেন সেদিন সংসদে তার আসন খালি করবেন।
- কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি তার বয়স পঁয়ত্রিশ বছরের কম হয়, সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন।
- এই সংবিধানের অধীনে অভিশংসন মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয়ে থাকে।

⇒ প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগ অংশে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা আছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৫৪৫.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এখন পর্যন্ত কতজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ভাষণ দেন?
  1. ক) ১ জন
  2. খ) ২ জন
  3. গ) ৩ জন
  4. ঘ) ৪ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ জন
ব্যাখ্যা

- ৩১ জানুয়ারি ১৯৭৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো জাতীয় সংসদে কোন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রথম ভাষণ দেন।
- ১৮ জুন ১৯৭৪ সালে ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিভি গিরি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ভাষণ দেন।
উল্লেখ্য,
২০১৩ সালে ভারতের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জী বাংলাদেশ সফরকালে জাতীয় সংসদে ভাষণ দেওয়ার কথা থাকলে শেষ পর্যন্ত তা বাতিল হয়।
উৎসঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও বিবিসি বাংলা প্রতিবেদন।

১০,৫৪৬.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
  2. পরিকল্পনা কমিশন
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

১০,৫৪৭.
পাকিস্তানের ২য় সংবিধান ঘোষণা করেন কে?
  1. ইস্কান্দার আলী মির্জা
  2. আইয়ুব খান
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. জুলফিকার আলী ভুট্টো
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের ২য় সংবিধান:
- ১৯৬২ সালের মার্চ মাসে আইয়ুব খান পাকিস্তানের নতুন সংবিধান ঘোষণা করেন।
- ১৯৬২ সালের ১ মার্চ সংবিধান ঘোষণা করা হলে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ বিক্ষোভ, সমাবেশ এবং ক্লাশ বর্জন শুরু করে।
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- ঐদিন সামরিক আইন তুলে নেয়া হয়।
- এর ফলে রাজনীতিবিদগণ ও ছাত্র সংগঠনগুলো প্রকাশ্যে রাজনীতি করার সুযোগ পায়।
- এ সংবিধানটি ছিল এক ব্যক্তি কেন্দ্রিক।
- এই সংবিধানে কেন্দ্র ও প্রদেশের আইনসভা মন্ত্ৰী পরিষদ ও গভর্নরের ক্ষমতাকে সংকুচিত করে প্রেসিডেন্টের হাতে সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা হয়।
- এতে বিচার বিভাগের ক্ষমতাও খর্ব করা হয়।
- ঢাকাকে নাম মাত্র দ্বিতীয় রাজধানীর মর্যাদা দেওয়া হয়।
- এটি পাকিস্তানের ২য় সংবিধান।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৫৪৮.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা আছে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ২টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এতে বলা হয় -
• বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা
• পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।
• এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
• তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৫৪৯.
'পানিপথ প্রান্তর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মুলতানের অদূরে
  2. খ) দিল্লির অদূরে
  3. গ) পেশোয়ারের অদূরে
  4. ঘ) তুর্কির অদুরে
সঠিক উত্তর:
খ) দিল্লির অদূরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দিল্লির অদূরে
ব্যাখ্যা
- ভারতবর্ষে বাবুরের প্রাথমিক বিজয় তাঁকে দিল্লীর সিংহাসন দখলের জন্য উৎসাহিত করে।
- সে লক্ষে তিনি দিল্লীর অদূরে ঐতিহাসিক পানিপথ প্রান্তরে ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে ১২ এপ্রিল দিল্লীর লোদী বংশের শেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদীর সাথে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হন।
- বাবুর তাঁর আজীবনী তুযুক-ই-বাবুরী গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, এ সময়ে তাঁর সাথে বার হাজার সৈন্য ছিল।
- তাঁর জ্যৈষ্ঠপুত্র হুমায়ুনও তাঁর সাথে যোগদান করেন।
- এ যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ।
- পানিপথ প্রান্তরে বাবুর প্রতিরক্ষা কৌশল হিসেবে পরিখা খনন করেন এবং কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন।
- এ যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী প্রাণপণ যুদ্ধ করেও পরাজিত ও নিহত হন।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৫৫০.
NCTB এর পূর্ণাঙ্গ রূপ কী?
  1. National Cricketers Training Board
  2. National Curriculum and Text Book Board
  3. National Curriculum and Training Board
  4. National Communication and Training Board
সঠিক উত্তর:
National Curriculum and Text Book Board
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Curriculum and Text Book Board
ব্যাখ্যা
 NCTB:
- NCTB এর পূর্ণরূপ হলো - National Curriculum and Textbook Board।
- ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড কর্তৃক ১ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণির সকল পাঠ্যপুস্তক সংশোধন, পরিমার্জন ও পুনর্লিখন এবং সেই সাথে একটি নবজাত রাষ্ট্রের জনসাধারণের প্রয়োজনীয় জ্ঞাতব্য বিষয় আধুনিক ধ্যান-ধারণার আলোকে পাঠ্যপুস্তকে সন্নিবেশ করা হয়।

- ১৯৭৮-৭৯ সালে টেক্সটবুক বোর্ড নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং ১৯৮৩ সালের মধ্যে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রচলিত পাঠ্যপুস্তকের স্থলে মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও বিতরণের কাজ সম্পন্ন করে।
- ১৯৮৩ সালে “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 (Ordinance no. LVII of 1983)”  মাধ্যমে স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড ও জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্রকে একীভূতকরণের  মাধ্যমে বর্তমান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।

- সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন ২০১১ অনুযায়ী বোর্ডের কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও  যুগপোযোগী করার  জন্য গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মহান জাতীয় সংসদে “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 (Ordinance no. LVII of 1983)”  সংশোধন ও রহিতক্রমে ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন ২০১৮’ বিলটি পাশ হয়।

- বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সরকার কর্তৃক নিযুক্ত চেয়ারম্যান।
- বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে ৪ টি উইং যথাক্রমে শিক্ষাক্রম, প্রাথমিক শিক্ষাক্রম, পাঠ্যপুস্তক ও অর্থ যা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ৪ জন সদস্য দ্বারা পরিচালিত হয়।
- তাছাড়া একজন সচিব বোর্ডের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ও বোর্ডের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেন। 

উৎস: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ওয়েবসাইট।
১০,৫৫১.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশে সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. পাকিস্তান
  4. কুয়েত
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে মোট চা রপ্তানি হয় ৩.৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
দেশ অনুসারে চায়ের রপ্তানি:
- প্রথম : পাকিস্তান ( ১৪.২৮ লক্ষ ডলার)
- দ্বিতীয় : সংযুক্ত আরব আমিরাত (১২.৯ লক্ষ ডলার)
- তৃতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৫ লক্ষ ডলার)।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১০,৫৫২.
তিতুমীর বাঁশের কেল্লা কোথায় নির্মাণ করেন?
  1. কলকাতা
  2. নদীয়া
  3. নারিকেলবাড়িয়া
  4. সরফরাজপুর
সঠিক উত্তর:
নারিকেলবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারিকেলবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
• তিতুমীরের কৃষক বিদ্রোহ: 
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর (১৭৮২-১৮৩১) পশ্চিম বাংলার চব্বিশ পরগনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- নদীয়া জেলার জমিদারের লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান হিসেবে কাজ করেন।
-  ওহাবী আন্দোলনের নেতা সৈয়দ আহমদ বেরেলভির সান্নিধ্য লাভ করেন। 
-  জমিদার, নীলকর ও ব্রিটিশ বাহিনীর নির্মম অত্যাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে জনগণকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেন।
- শীঘ্রই পশ্চিম বাংলার বিশাল অঞ্চল জুড়ে তিতুমীরের নেতৃত্বে কৃষক বিদ্রোহ দেখা দেয়।
- অত্যাচারী নীলকর, জমিদার ও ব্রিটিশ বাহিনীর সঙ্গে একাধিক জায়গায় তিতুমীরের বাহিনীর সংঘর্ষ হয়।
- চূড়ান্ত সংঘর্ষ বাঁধে বারাসাতের অদূরে নারিকেলবাড়িয়া নামক স্থানে।
- নারিকেলবাড়িয়া বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে শাসকগোষ্ঠির আক্রমণের বিরুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

অপরদিকে,
- আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত কর্ণেল সুয়ার্টের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ বাহিনী।
- কামানের গোলার আঘাতে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- ১৮৩১ সালের ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এ সম্মুখ যুদ্ধে ৫০ জন সহযোদ্ধাসহ তিতুমীর শহীদ হন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,৫৫৩.
ইতিহাসের জনক বলা হয় -
  1. ক) হেরোডোটাস
  2. খ) ইরাটথেনিস
  3. গ) এরিস্টটল
  4. ঘ) টলেমি
সঠিক উত্তর:
ক) হেরোডোটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হেরোডোটাস
ব্যাখ্যা
• ইতিহাসের জনক:
- প্রাচীন গ্রিসের ঐতিহাসিক হেরোডোটাসকে ‘ইতিহাসের জনক’ বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম গ্রিক হিস্টরিয়া (Historia) শব্দটি ব্যবহার করেন। তার মতে ইতিহাস হলো যা সত্যিকার অর্থে ছিলো বা সংঘটিত হয়েছিলো তা অনুসন্ধান করা ও লেখা।
- খুকুভাইডিসকে ‘বৈজ্ঞানিক ইতিহাসের জনক’ বলা হয়।
- জার্মান ঐতিহাসিক লিওপোল্ড ফন র‌্যাংককে ‘আধুনিক ইতিহাসের জনক’ বলা হয়।

উৎস: , নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা।
১০,৫৫৪.
সম্প্রতি, ৪৯তম জাতীয় দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. সুব্রত বিশ্বাস
  2. নিয়াজ মোরশেদ
  3. ফাহাদ রহমান
  4. মনন রেজা নীড়
সঠিক উত্তর:
নিয়াজ মোরশেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়াজ মোরশেদ
ব্যাখ্যা

৪৯তম জাতীয় দাবার প্রতিযোগিতা:
- ৪৯তম জাতীয় দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।
- শেষ রাউন্ডে নিয়াজ ফিদে মাস্টার সুব্রত বিশ্বাসকে হারান আর ফাহাদ সাকের উল্লাহ’র বিপক্ষে হেরে যান।
- এতে নিয়াজ সাড়ে দশ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন ও ফাহাদ সাড়ে নয় পয়েন্টে রানার আপ হন।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় দাবায় এটি নিয়াজের সপ্তম শিরোপা।
- উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ ১৯৭৯-৮২ পর্যন্ত টানা চারবার চ্যাম্পিয়ন ছিলেন জাতীয় দাবায়। এরপর ২০১২ ও ২০১৯ সালে শিরোপা জিতেছেন।
- প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ১৯৭৯ সালে মাত্র ১২ বছর ১১ মাস বয়সে। 
- সবচেয়ে কম বয়সে জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড এখনো নিয়াজেরই।
- সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন হন ২০১৯ সালে। সবচেয়ে বেশি বয়সে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ডও তাঁর।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১০,৫৫৫.
২০ টাকার নোটে কোন মসজিদের ছবি দেয়া আছে?
  1. বাইতুল মোকাররম
  2. কুসুম্বা মসজিদ
  3. তারা মসজিদ
  4. ষাট গম্বুজ মসজিদ
সঠিক উত্তর:
ষাট গম্বুজ মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষাট গম্বুজ মসজিদ
ব্যাখ্যা
 ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়। 
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন। 
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়। 
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি। 
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। 
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। 
- ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- ২০ টাকার নোটে  ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি দেয়া আছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
         ii) ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, প্রথম আলো।
১০,৫৫৬.
বর্তমানে বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব কারখানার সংখ্যা কয়টি? [৩০ জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২৩০টি
  2. ২৩২টি
  3. ২৩৫টি
  4. ২৩৭টি
সঠিক উত্তর:
২৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩৫টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

পরিবেশবান্ধব কারখানা:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) 'লিড' সনদ দেয়।
- লিডের পূর্ণরূপ: লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন।
- ২০১২ সালে পাবনার ঈশ্বরদী ইপিজেডে স্থাপনের মাধ্যমে প্রথম পরিবেশবান্ধব কারখানার যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশে।
- বর্তমানে দেশে তৈরি পোশাক খাতে লিড সবুজ কারখানা ২৩৫টি।

সম্প্রতি,
- বাংলাদেশে দুটি নতুন কারখানা ‘লিড’ (লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভারমেন্টাল ডিজাইন) সনদ পেয়েছে।
- কারখানা দুটি হল: গাজীপুরের টিএম জিন্স লিমিটেড এবং ঢাকার দক্ষিণ খানের আজমেরি কম্পোজিট নিট লিমিটেড।
- ২০২৫ সালের প্রথম ২৫ দিনে বাংলাদেশের মোট তিনটি পোশাক কারখানা গুরুত্বপূর্ণ এই সনদ পেল।
- এর আগে গত ৭ জানুয়ারি, ২০২৫ স্বীকৃতি পায় গাজীপুরের কনসিস্ট অ্যাপারেলস লিমিটেড।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১০,৫৫৭.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল আদর্শ কী?
  1. বাণিজ্যিক সম্পর্ক
  2. সামরিক জোটে অংশগ্রহণ
  3. ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’
  4. কূটনৈতিক দূরত্ব
সঠিক উত্তর:
‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি: 
- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়" নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
- সংবিধানের ২৫ নং অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিসমূহ নিম্নে উপস্থাপন করা হল-
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা- এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
- রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে।
- প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে।
- সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণ বৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে রাষ্ট্র সমর্থন করবে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৫৫৮.
বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থা কীরূপ?
  1. ক) ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা
  2. খ) সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা
  3. গ) ইসলামী অর্থব্যবস্থা
  4. ঘ) মিশ্র অর্থব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশ্র অর্থব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশ্র অর্থব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হলো মিশ্র অর্থব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় সম্পদের উপর সরকারি ও বেসরকারি মালিকানা পাশাপাশি বিদ্যমান।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয়, সমবায় ও ব্যক্তিগত মালিকানার উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে মুক্ত বাজার অর্থনীতি চালু হয়।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ও বাংলাদেশ সংবিধান)
১০,৫৫৯.
ভাষা আন্দোলনের সময়কালে পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) খাজা নাজিমুদ্দিন
  2. খ) লিয়াকত আলী খান
  3. গ) নূরুল আমীন
  4. ঘ) আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
গ) নূরুল আমীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নূরুল আমীন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের সময়কালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন এবং মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নূরুল আমীন। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
১০,৫৬০.
নিচের কোনটির অধীনে পরিচালিত হয় 'বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ'?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)
- রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানাদি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ এলাকা।
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- দ্বিতীয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এর দশ বছর পর, ১৯৯৩ সালে ঢাকার সাভারে।
- এছাড়া মংলা, উত্তরা, ঈশ্বরদী, কুমিল্লা, কর্ণফুলী ও আদমজী আরও ছয়টি ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,৫৬১.
জনশুমারি-২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল কত? (মে ২০২৫)
  1. ৭২.৩ বছর
  2. ৭০.২ বছর
  3. ৭২.০ বছর
  4. ৭১.৭২ বছর
সঠিক উত্তর:
৭২.৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২.৩ বছর
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর ভিত্তিতে প্রাক্কলিত: 
- বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা- ১৭২.০০ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.১২%।
-  স্থুল জন্মহার (প্রতি হাজারে) - ১৯.৪ জন।
- স্থুল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে) - ৬.১ জন।
- মোট প্রজনন হার- ২.১৭ ।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল- ৭২.৩ বছর (মে ২০২৫)

উৎস : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১০,৫৬২.
ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল?
  1. ১৩শ শতাব্দী
  2. ১৫শ শতাব্দী
  3. ১৪শ শতাব্দী
  4. ১৭শ শতাব্দী
সঠিক উত্তর:
১৫শ শতাব্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫শ শতাব্দী
ব্যাখ্যা
• ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- তবে নির্মাণশৈলী দেখে ধারণা করা হয় এটি ১৫শ শতাব্দীতে খান জাহানের আমলে তৈরি।
- এটি বাংলার সুলতানি স্থাপত্যশৈলীর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- নাম ষাট গম্বুজ হলেও বাস্তবে মসজিদটির ছাদে ৭৭টি ছোট গম্বুজ এবং কেন্দ্রে চারটি বৃহৎ গম্বুজসহ মোট ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে।
- ৬০টি পাথরের স্তম্ভের উপর এ মসজিদটি স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে।
- ষাট গম্বুজ মসজিদের পাশেই রয়েছে 'ঘোড়া দীঘি' ।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো ষাট গম্বুজ মসজিদকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
- প্রাচীন খলিফাতাবাদ রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হযরত খান জাহান (র) এর মাজারটি ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে আড়াই কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাসস ওয়েবসাইট।
১০,৫৬৩.
যুক্তফ্রন্টে মাওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন দল কোনটি ছিল?
  1. নিজাম-ই-ইসলামী
  2. কৃষক-শ্রমিক পার্টি
  3. বামপন্থী গণতন্ত্রী দল
  4. আওয়ামী মুসলিম লীগ
সঠিক উত্তর:
নিজাম-ই-ইসলামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজাম-ই-ইসলামী
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে পাকিস্তানের মুসলিম লীগ বিরোধী পূর্ব পাকিস্তানের কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনী মোর্চা বা জোট গঠন করে।
- এই জোট 'যুক্তফ্রন্ট' নামে পরিচিত।
- ১৯৫৩ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- যুক্তফ্রন্টে মূলত চারটি রাজনৈতিক দল ছিল।

⇒ এগুলো হলো:
- মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন: আওয়ামী মুসলিম লীগ,
- ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন: কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
- মাওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন: নিজাম-ই-ইসলামী এবং
- হাজী দানেশের নেতৃত্বাধীন: বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৫৬৪.
ক্র্যাক প্লাটুন কী?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধত্তোর অস্ত্র উদ্ধার অভিযান
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ অভিযান
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
ব্যাখ্যা

- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ২নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশারফের উদ্যোগে এই গেরিলা বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন:
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ।

তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল।

১০,৫৬৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় দুর্ধর্ষ গেরিলা দল ‘হেমায়েত বাহিনী’ কোন এলাকায় গড়ে উঠেছিল?
  1. মৌলভীবাজার
  2. বরিশাল
  3. টাঙ্গাইল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা

মুক্তিবাহিনী গঠন ও কার্যক্রম:
- মুজিবনগর সরকার সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী। 

⇒ নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী:
- মুক্তিবাহিনী সরকারি পর্যায়ে দুটি শাখায় বিভক্ত ছিল ১. নিয়মিত বাহিনী ও ২. অনিয়মিত বাহিনী।
১. নিয়মিত বাহিনী:
- ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইউনিটগুলোর বাঙালি সৈনিকদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয়। সরকারিভাবে এদের নামকরণ করা হয় এম. এফ. (মুক্তিফৌজ)। মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ সরকার নিয়মিত বাহিনী হিসেবে সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীও গড়ে তোলে।
২. অনিয়মিত বাহিনী:
- ছাত্র, যুবক, শ্রমিক, কৃষক ও সকল পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বিভিন্ন সেক্টরের অধীনে অনিয়মিত বাহিনী গঠিত হয়। এই বাহিনীর সরকারি নামকরণ ছিল 'গণবাহিনী' বা এফ. এফ. (ফ্রিডম ফাইটার বা মুক্তিযোদ্ধা)। তাদের নিজ নিজ এলাকায় গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করার জন্য প্রেরণ করা হতো। এছাড়া ছাত্রলীগের বাছাইকৃত কর্মীদের নিয়ে গঠিত হয় 'মুজিববাহিনী'। কমিউনিস্ট পার্টি ন্যাপ (মোজাফফর), ন্যাপ (ভাসানী) ও ছাত্র ইউনিয়নের আলাদা গেরিলা দল ছিল।

⇒ আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে ওঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল), আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ), বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল), হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল), হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ), আকবর বাহিনী (মাগুরা), লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা) ও জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

১০,৫৬৬.
পদ্মা ও ভাগিরথী নদীর মধ্যবর্তী স্থানে কোন রাজ্যের অবস্থান ছিলো?
  1. ক) সমতট
  2. খ) বরেন্দ্র
  3. গ) হরিকেল
  4. ঘ) গঙ্গারিডি
সঠিক উত্তর:
ঘ) গঙ্গারিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গঙ্গারিডি
ব্যাখ্যা
পদ্মা ও ভাগীরথী নদীর মধ্যবর্তী স্থানে গঙ্গারিডই নামক রাজ্যের অবস্থান ছিলো। আলেকজান্ডার কর্তৃক ভারত আক্রমণের সময় এ রাজ্য অস্তিত্বশীল ছিলো বলে অনুমান করা হয়। একই সময়ে প্রাসিয়র নামে আরেকটি রাজ্যেরও অস্তিত্ব ছিলো। হরিকেল জনপদ সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত, সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল এবং বরেন্দ্র জনপদ বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০,৫৬৭.
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব-
  1. মুর্শিদ কুলি খান
  2. আব্বাস আলী মীর্জা
  3. মীর কাসিম
  4. সিরাজউদ্দৌলা
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
ব্যাখ্যা
নবাব মুর্শিদকুলি খান: 
- ১৭০০ সালে বাংলায় আসেন মুর্শিদ কুলি খান।
- তিনি ১৭২৭ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।
- প্রথমে তাঁকে বাংলার দেওয়ান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- দেওয়ানের কাজ ছিল সুবার রাজস্ব আদায় ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা।
- সম্রাট ফররুখ শিয়ারের রাজত্বকালে ১৭১৬ খ্রিস্টাব্দে মুর্শিদ কুলি খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হন।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর দুর্বল মুঘল সম্রাটগণ দূরবর্তী সুবাগুলোর দিকে তেমন দৃষ্টি দিতে পারেননি।
- আঠারো শতকের বাংলায় মুঘল শাসনের ইতিহাস নিজামত বা নবাবি আমলরূপে পরিচিত।
- আর প্রায় স্বাধীন শাসকগণ পরিচিত হন 'নবাব' হিসেবে।
- মুর্শিদ কুলি খান বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব। 
- তিনি ঢাকা থেকে বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।

উল্লেখ্য,
-  বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৫৬৮.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নয়? 
  1. ওরা ১১ জন
  2. গেরিলা
  3. মুখ ও মুখোশ
  4. জয়যাত্রা
সঠিক উত্তর:
মুখ ও মুখোশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুখ ও মুখোশ
ব্যাখ্যা

• চলচ্চিত্র:
- 'মুখ ও মুখোশ' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নয়।
- ‘মুখ ও মুখোশ’ হলো বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) প্রথম নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র।
- এটি ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট মুক্তি পায়।
- ছবিটির পরিচালক ছিলেন আব্দুল জব্বার খান।
- তিনি একাধারে একজন দক্ষ অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার এবং বাংলা চলচ্চিত্রের পথপ্রদর্শক ছিলেন।
- তিনি ১৯১৬ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার উত্তর মসদগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- এবং ১৯৯৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে,
• স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র হলো ‘ওরা ১১ জন’।
- চলচ্চিত্রটি ১৯৭২ সালে মুক্তি পায়।
- এটি মহান মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে নির্মাণ করা হয়েছে।
- ছবিটির পরিচালক হচ্ছে- চাষি নজরুল ইসলাম।

• ‘গেরিলা’ একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- ছবিটি সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছিল।
- ছবিটির পরিচালক- নাসির উদ্দীন ইউসুফ।
 
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের ধারাবাহিকতায় ‘জয়যাত্রা’ ২০০৪ সালে নির্মিত হয়।
- এই ছবিটি নির্মাণ করেন তৌকির আহমেদ। 
- ‘জয়যাত্রা’ মুক্তিযুদ্ধকালে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ, মৃত্যু এবং বেঁচে থাকার সংগ্রামের গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ। 

১০,৫৬৯.
পাঙ্গন জাতিসত্তা কোন নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত? 
  1. খিয়াং
  2. খাসিয়া 
  3. মণিপুরী
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

• পাঙ্গন জাতিসত্তা মূলত মণিপুরি মুসলিম বা পাঙাল নামেও পরিচিত এবং তারা মণিপুরি জনগোষ্ঠীর একটি অংশ।

পাঙ্গন জাতিসত্তা: 
- সপ্তদশ শতকের প্রথম দিকে খাজা ওসমানের সৈন্যাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সানীর নেতৃত্বে ইসলাম ধর্মের অনুসারী এক দল সৈন্যবাহিনী মণিপুর রাজ্যে অভিযান চালায়। 
- তখনকার মণিপুরের রাজা খাগোম্বার সাথে এক সন্ধির ফলে এই বাহিনী মণিপুরে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করে। 
- পরবর্তীকালে মোগল শাসক মীর জুমলা আসাম আক্রমণে বিপর্যস্ত হলে ঐ সৈন্যবাহিনীর অনেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্য মণিপুরে আশ্রয় নেয়।
- তারা মণিপুরের স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ইসলাম ধর্ম প্রচার করে। 
- মণিপুরের মুসলমান জনগোষ্ঠীরাই পাঙ্গান নামে পরিচিত।
- পাঙ্গানরা 'মেইতেইলোন' ভাষায় কথা বলে যা টিবেটো-বার্মান শাখার কুকি-চিন ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- এরা সবাই ইসলাম ধর্মের সুন্নী মতাবলম্বী। 
- নিজেদের সম্প্রদায়ের মধ্যেই সাধারণত বিয়ে হয়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ অংশে এদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি, ২০১৮ বোর্ড বই। 

১০,৫৭০.
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে নির্মিতব্য চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) দয়াল নিহালানি
  2. খ) অতুল তিওয়ারি
  3. গ) শ্যাম বেনেগাল
  4. ঘ) শ্যামা জায়েদী
সঠিক উত্তর:
গ) শ্যাম বেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শ্যাম বেনেগাল
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ প্রযোজনায় প্রায় ৩৫ কোটি টাকার বাজেটে নির্মিত হচ্ছে বায়োপিক বঙ্গবন্ধু। এর পরিচালক ভারতের শ্যাম বেনেগাল। সহযোগী পরিচালক দয়াল নিহালানি। চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন অতুল তিওয়ারি এবং শ্যামা জায়েদী।
এতে বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করবেন আরিফিন শুভ। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে আরও ৪৯ জন বাংলাদেশি তারকা অভিনয় করবেন। ১৮ মার্চ থেকে ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করোনার জন্যে তা স্থগিত করা হয়।
(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
১০,৫৭১.
বিবিএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির কত শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত?
  1. ৪৫ শতাংশ
  2. ৪১ শতাংশ
  3. ৩৭ শতাংশ
  4. ৪৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৪৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিবিএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত।

খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇔ কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত এবং ছোট খাত শিল্পখাত।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১০,৫৭২.
মূল্য সংযোজন কর বা (VAT) কোন ধরণের কর?
  1. ক) প্রত্যক্ষ কর
  2. খ) পরোক্ষ কর
  3. গ) পরিপূরক কর
  4. ঘ) সম্পূরক কর
সঠিক উত্তর:
খ) পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট):
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

• বাংলাদেশের সরকারি রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত সমূহ:
→ প্রথম - মূল্য সংযোজন কর।
→ দ্বিতীয় - আয়কর।
→ তৃতীয় - সম্পূরক শুল্ক।
→ চতুর্থ - আমদানি শুল্ক।
→ পঞ্চম - আবগারি শুল্ক।
→ ষষ্ঠ - রপ্তানি শুল্ক।
→ উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে কর প্রদানকারীর সংখ্যা – ৮৮ লক্ষ প্রায়।

উৎস: বাজেট ২০২৩-২৪
১০,৫৭৩.
পাখি ছাড়া দোয়েল কোনটির উন্নতজাত -
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) ভূট্টা
সঠিক উত্তর:
খ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র।
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১০,৫৭৪.
১৯৬৯ সালে ২০ জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে কে নিহত হন?
  1. আসাদুজ্জামান
  2. ড: শামসুজ্জোহা
  3. জহুরুল হক
  4. মতিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
আসাদুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসাদুজ্জামান
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ:
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্ব পাকিস্তানি নিহত হয়েছিলেন।
- এর মধ্যে শিল্প-কারখানার শ্রমিক ৩৪ জন, ছাত্র ২০ জন, সরকারি কর্মচারী ৭ জন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ৫ জন, স্কুল শিক্ষক ১ জন, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের  ১ শিক্ষক নিহত হয়েছিলেন। 
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হোন। 
- তিনি গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
- আসাদ দিবস: ২০ জানুয়ারি।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের এমএ শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তাঁর নামানুসারে আইয়ুব গেইটের নামকরণ করা হয় আসাদ গেইট । 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৫৭৫.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুসারে, কোন দেশে সবচেয়ে বেশি আলু রপ্তানি হয়? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. জাপান 
  2. ভুটান 
  3. সিঙ্গাপুর 
  4. মালয়েশিয়া 
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া 
ব্যাখ্যা

আলু রপ্তানি:
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি আলু রপ্তানি হয় মালয়েশিয়ায়।

⇒ ২৬ বছর ধরে আলু রপ্তানি করছে বাংলাদেশ। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি আলু রপ্তানি হয় মালয়েশিয়ায়। মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশ যায় দেশটিতে। 
- এ ছাড়া সিঙ্গাপুর, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে রপ্তানি হচ্ছে আলু। বেশ আগে রাশিয়ায় আলু রপ্তানি হতো, তবে এখন সেভাবে ওই দেশে আলু যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১৪টি দেশে রপ্তানি হয়েছে বাংলাদেশের আলু।
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৬২ হাজার ১৩৫ টন আলু রপ্তানি হয়েছে। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আলু চাষ হয়েছে রেকর্ড ৫.২৪ লাখ হেক্টর জমিতে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। 
- রপ্তানিযোগ্য আলুর জাত হিসেবে ‘গ্রানোলা’, ‘ডায়মন্ড-৭’ এবং ‘ম্যাজেস্টিক’ উল্লেখযোগ্য।

উৎস: i) কালের কণ্ঠ।
ii) বাংলাদেশ প্রতিদিন।

১০,৫৭৬.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের স্পিকার কে ছিলেন?
  1. ক) শাহ আব্দুল হামিদ
  2. খ) মোহাম্মদ করিম উল্লাহ
  3. গ) মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  4. ঘ) আব্দুল মালেক উকিল
সঠিক উত্তর:
ক) শাহ আব্দুল হামিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শাহ আব্দুল হামিদ
ব্যাখ্যা
• শাহ আব্দুল হামিদ  ছিলেন বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ।
• গণপরিষদের প্রথম স্পীকার শাহ আব্দুল হামিদ
• কাজের মেয়াদ১০ এপ্রিল ১৯৭২ – ১ মে ১৯৭২।
•  রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
•  প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান।
• ডেপুটি স্পিকার মোহাম্মদ উল্লাহ। 
• ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২-অস্থায়ী সাংবিধানিক আদেশ জারি করেন বঙ্গবন্ধু ।
• ২৩ মার্চ, ১৯৭২ - গণপরিষদের আদেশ জারি করা হয়।
• মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ-প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

উৎস:- বাংলাদেশ সংবিধান।
১০,৫৭৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের একটি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান?
  1. বিশ্ববিদ্যালয়
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. সুপ্রিমকোর্ট
  4. পৌরসভা
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন:
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়। 
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। 

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
ক. আইনগত ভিত্তি,
খ. নির্বাচিত সংস্থা,
গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ,
ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের ক্ষমতা,
ঙ.পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন,
চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি।

• বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- 
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ, 
- জেলা পরিষদ, 
- পৌরসভা,
- সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৫৭৮.
নিচের কোনটি নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. বগুড়া
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৫৭৯.
চৈনিক সভ্যতা কোন নদীর তীরে গড়ে উঠে?
  1. ক) হোয়াংহো
  2. খ) দিহাঙ
  3. গ) ইয়াংসিকিয়াং
  4. ঘ) ক + গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + গ
ব্যাখ্যা
চীনে হোয়াংহো ও ইয়াংসিকিয়াং নদীকে কেন্দ্র করে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২ হাজার অব্দে চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠে। এছাড়া দক্ষিণ চীনেও আরেকটি চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠে৷ চৈনিক সভ্যতা এখনো তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রেখে বিরাজমান রয়েছে। চৈনিক সভ্যতা বিকাশে শাং এবং চৌ রাজবংশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : ষষ্ঠ শ্রেণী এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১০,৫৮০.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বেগুনের একটি জাত-
  1. ক) উত্তরা
  2. খ) ডেলফোজ
  3. গ) অগ্নিশ্বর
  4. ঘ) ড্রামহেড
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তরা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বেগুনের কিছু জাত উদ্ভাবিত হয়েছে।
সেগুলো হলো, বারি বেগুন-১ (উত্তরা), বারি বেগুন-২ (তারাপুরী), বারি বেগুন-৪ (কাজলা), বারি বেগুন-৫ (নয়নতারা), বারি বেগুন-৬, বারি বেগুন-৭, বারি বেগুন-৮, বারি বেগুন-৯, বারি বেগুন-১০।
এছাড়াও খটখটিয়া, ইসলামপুরী, মুক্তকেশী, চিত্রা, পুরাক্রান্তি, শিংনাথ বিভিন্ন জাতের বেগুন রয়েছে। কলার একটি জাতের নাম অগ্নিশ্বর। রূপালি ও ডেলফোজ উন্নতজাতের তুলাবীজ। ড্রামহেড উন্নতজাতের বাঁধাকপি।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
১০,৫৮১.
বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) ঠাকুরগাঁও
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি:
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নে ভবানীপুর বাজার হইতে দক্ষিনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি অবস্থিত।
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই কয়লা খনি থেকে বার্ষিক ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়। 
- কিন্তু গত ১৩-১৪ অর্থ বছরে এই খনি থেকে ৯৩৩০০০ মেট্রিন টন বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলিত হয়  এবং সেগুলো বিক্রয় করে ৮৯৮ কোটি টাকা আয় হয়।
- উত্তোলিত কয়লা দেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানী করার পর স্থানীয় বিভিন্ন শিল্প কারখানায় বিক্রয় করা হয়।
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়।
- সেখানে উত্তোলিত কয়লা দ্বারা ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে প্রায় দুইশত'র অধিক কর্মকর্তা/কর্মচারী রয়েছে। 
- বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার  একটি প্রসিদ্ধ স্থান।

উৎস: বড়পুকুরিয়া-কয়লা-খনি, dinajpur.gov.bd
১০,৫৮২.
সংবিধানের সপ্তম তফসিলে কী বর্ণিত রয়েছে?
  1. স্বাধীনতার ঘোষণা
  2. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  3. শপথ ও ঘোষণা
  4. ৭ই মার্চের ভাষণ
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৫৮৩.
রবি মৌসুমের প্রধান শস্য কোনটি?
  1. আমন ধান
  2. আউশ ধান
  3. বোরো ধান
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
ব্যাখ্যা

রবি মৌসুমের প্রধান শস্য বোরো ধান। 
অন্যদিকে আমন ধান, আউশ ধান ও পাট খরিপ মৌসুমের প্রধান শস্য।

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:

- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। আশ্বিন থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম। মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, মতান্তরে মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে। গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আর্দ্রতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

⇒ খরিপ-১ মৌসুম:
- চৈত্র মাস থেকে আষাঢ় মাস (মধ্য মার্চ হতে মধ্য জুলাই) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ বলা হয়। এইসময়কে গ্রীষ্মকালও বলা হয়। এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-১ শস্য বলে। যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি।

⇒ খরিপ-২ মৌসুম:
- শ্রাবণ মাস থেকে আশ্বিন মাস (মধ্য জুলাই হতে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ বলে। এই সময় বর্ষাকাল। এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-২ শস্য বলে। যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়াও,
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।

উৎস: i) কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,৫৮৪.
ঐতিহাসিক '৬ দফায়' যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-
  1. বৈদেশিক বাণিজ্য
  2. বিচার ব্যবস্থা
  3. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  4. স্বতন্ত্র মুদ্রাব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

• বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ১৯৬৬ সালের ছয় দফার প্রথম দফা ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
• ৬ দফার বাকি দফাগুলো হলো- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১০,৫৮৫.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম তারিখ কোনটি?
  1. ক) ১ মার্চ, ১৯১৯
  2. খ) ১৭ মার্চ, ১৯২০
  3. গ) ১৪ আগস্ট, ১৯৪৭
  4. ঘ) ২১ জুন, ১৯৪১
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ মার্চ, ১৯২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ মার্চ, ১৯২০
ব্যাখ্যা
• শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার (বর্তমানে জেলা) টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবা শেখ লুৎফর রহমান এবং মা শেখ সায়েরা খাতুন।
- ৪ কন্যা এবং ২ পুত্র সন্তানের মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন তৃতীয়।
- মা-বাবা তাঁকে ‘খোকা’ বলে ডাকতেন।
 
• ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্টের ভোরে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে নিজ বাসভবনে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী ও উচ্চাভিলাষী বিশ্বাসঘাতক অফিসারদের হাতে সপরিবারে নিহত হন।
- দুই কন্যা শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা বিদেশে অবস্থান করায় সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যান।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ইতিহাসে অন্ধকারতম দিন।
- বাঙালি জাতি এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করে এবং সাথে সাথে স্মরণ করে বিশাল হৃদয়ের সেই মহাপ্রাণ মানুষটিকে যিনি তাঁর সাহস, শৌর্য, আদর্শের মধ্য দিয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন বাঙালি জাতির অন্তরে।

তথ্যসূত্র: mujib100.gov.bd
১০,৫৮৬.
জুলাই গণঅভুত্থান অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  2. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৩০ নং অধ্যাদেশ) অনুযায়ী, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ তারিখের প্রজ্ঞাপন নং ৪৮.০০.০০০০.০০১.৩৮. ০০৪.২০২৫.১৯২ দ্বারা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠিত হয় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনসহ গণ-অভ্যুত্থানের মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করা এবং ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশে প্রণীত হয়েছে এ অধ্যাদেশ।
- এই অধ্যাদেশের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা ও এর কার্যাবলীসহ নানাবিধ বিষয় অর্ন্তভূক্ত রয়েছে।
- এই অধিদপ্তর গণঅভ্যুত্থানে আজীবন শহিদ পরিবারকে সহায়তা ও আহতদের পুনর্বাসন করবে।
- অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থাকবে ঢাকায়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১০,৫৮৭.
সংবিধানের কোন তফসিলে শপথ ও ঘোষণা বিষয়ক বিধানাবলীর উল্লেখ আছে? 
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা

- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা বিষয়ক বিধান।

অন্যদিকে,
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধানের সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানসমূহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১০,৫৮৮.
নিচের কোনটি বিনিয়োগের একটি মূল্যায়ন প্রক্রিয়া?
  1. অর্থের সময়মূল্য
  2. বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ মূল্য
  3. মূলধন বাজেটিং
  4. বাট্টার হার নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
মূলধন বাজেটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূলধন বাজেটিং
ব্যাখ্যা
মূলধন বাজেটিং
মূলধন বাজেটিং হলো কোন ফার্মের দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত। সংকীর্ণ অর্থে, ফার্মের দালানকোঠা, জমি, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয়ের মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে মূলধন বাজেটিং বলে। ব্যাপক অর্থে, দীর্ঘদিন ধরে ভবিষ্যতে প্রত্যাশিত নগদ প্রবাহ পাবার আশায় যদি কোন ফার্ম তার তহবিল ১ বছরের বেশি সময়ের জন্য বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তবে তাকে মূলধন বাজেটিং বলে।

⇒ নগদ প্রবাহ দু'ধরনের হতে পারে (ক) আয় বৃদ্ধি ও (খ) ব্যয় হ্রাস।

সাধারণত কোন ফার্ম এর মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্তে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদী সম্পদের সংযোজন, বিয়োজন, আধুনিকায়ন এবং প্রতিস্থাপন প্রভৃতি বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ, মূলধন বাজেটিং হচ্ছে একটি বিনিয়োগ মূল্যায়ন প্রক্রিয়া, যে প্রক্রিয়ায় একটি ফার্ম তার দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগযোগ্য তহবিল বিভিন্ন লাভজনক দীর্ঘমেয়াদী সম্পদ ও প্রকল্পে বিনিয়োগ করে থাকে । তাই দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের পরিকল্পনা থেকে আরম্ভ করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটাই মূলধন বাজেটিং এর আওতাভুক্ত। মূলধন বাজেটিং এর বিকল্পরূপে মূলধন ব্যয় সিদ্ধান্ত, মূলধন খরচ ব্যবস্থাপনা, দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত, স্থায়ী সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি নামগুলোকে ব্যবহার করা যায়।

মূলধন বাজেটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- দীর্ঘমেয়াদের ভিত্তিতে তহবিলের বিনিয়োগ।
- ভবিষ্যত নগদ প্রবাহের সম্ভাবনায় বর্তমান তহবিল বিনিয়োগ।
- ভবিষ্যত নগদ প্রবাহ অব্যাহতভাবে অনেক বৎসর ধরে ঘটবে।
- তুলনামূলকভাবে অধিক ঝুঁকি নিতে হয়।
- ভবিষ্যত প্রাপ্তির সাথে চলতি বা বর্তমান তহবিলের বিনিময়।

উৎস: আর্থিক ব্যবস্থাপনা, OSBBA Program, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৫৮৯.
‘লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড’ সিমেন্ট কারখানাটির অবস্থান-
  1. ক) নারায়ণগঞ্জ
  2. খ) ছাতক
  3. গ) মংলা
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) ছাতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছাতক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে অবস্থিত সিমেন্ট শিল্পের বহুজাতিক কোম্পানি লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড। বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত এই সিমেন্ট কারখানাটি। সিমেন্টের প্রধান কাঁচামাল ক্লিংকার উৎপাদন করে সেখান থেকে সিমেন্ট তৈরি করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। দেশের বেসরকারি সিমেন্ট কারখানাগুলোর মধ্যে লাফার্জই হচ্ছে একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ কারখানা।
[সূত্রঃ lafargeholcim.com.bd এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
১০,৫৯০.
সংবিধান রচনা কমিটি গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২৩ মার্চ ১৯৭২
  2. খ) ১১ এপ্রিল ১৯৭২
  3. গ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭২
  4. ঘ) ১২ অক্টোবর ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ এপ্রিল ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ এপ্রিল ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ এবং ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
- এর ধারাবাহিকতায় ১১ই এপ্রিল ১৯৭২ তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটি ১৭ই এপ্রিল তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১০,৫৯১.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিচের কোন বইটির জন্য 'FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার' লাভ করেন?
  1. আমার দেখা নয়াচীন
  2. অসমাপ্ত আত্মজীবনী
  3. কারাগারের রোজনামচা ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার:
- সার্ক সাহিত্য পুরস্কার হলো ২০০১ সাল থেকে এফওএসডব্লিউএএল প্রদত্ত একটি বার্ষিক পুরস্কার।
- ২৬-২৮ মার্চ, ২০২৩ ভারতের নয়াদিল্লীতে Foundation of SAARC Writers and Literature (FOSWAL) এর সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
-  ২৬ মার্চ, ২০২৩ তারিখে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন ১৯৫২’- এই তিনটি বইয়ের জন্য বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই বিশেষ সাহিত্য পুরস্কার দিয়েছে ফাউন্ডেশন অফ সার্ক রাইটার্স অ্যান্ড লিটারেচার।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অসামান্য সাহিত্যিক শ্রেষ্ঠত্বের জন্য ৬৩তম সাহিত্য উৎসবে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩ প্রদান করতে পেরে ফসওয়াল সম্মানিত বোধ করছে।

উৎস: ৩ এপ্রিল, ২০২৩, প্রথম আলো।
১০,৫৯২.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য 'সিতারা বেগম' কোন উপাধিতে ভূষিত হন?
  1. ক) বীর উত্তম
  2. খ) বীর বিক্রম
  3. গ) বীর প্রতীক
  4. ঘ) বীরশ্রেষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
গ) বীর প্রতীক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম ও
- তারামন বিবি।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট
১০,৫৯৩.
বাংলাদেশের কোথায় প্লায়িস্টোসিন কালের সােপান দেখা যায়?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
গ) কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
আজ থেকে প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়। ঐ সময়ে গঠিত ভূমিরূপ প্লাইস্টোসিন কালের ভূমি নামে পরিচিত।
বাংলাদেশে অবস্থিত প্লাইস্টোসিন কালের ভূমিরূপগুলো হলো:
- রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর ও জয়পুরহাট জেলার বরেন্দ্রভূমি
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলায় অবস্থিত মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
- কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়।
- দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৮ শতাংশ হলো প্লাইস্টোসিন কালে গঠিত ভূমিরূপ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
১০,৫৯৪.
"অপারেশন কিলো ফ্লাইট" হলো-
  1. সামরিক বিমান অভিযান
  2. সামরিক স্থল অভিযান
  3. সামরিক নৌ অভিযান
  4. সামরিক অস্ত্রাগার লুট অভিযান
সঠিক উত্তর:
সামরিক বিমান অভিযান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক বিমান অভিযান
ব্যাখ্যা
• অপারেশন কিলো ফ্লাইট:
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট ছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম ও ঐতিহাসিক সামরিক বিমান অভিযান।
- ভারত সরকারের দেওয়া তিনটি সিভিলিয়ান বিমানকে যুদ্ধবিমানে রূপান্তর করে এই অভিযান চালানো হয়।
- স্কোয়াড্রন লিডার বদরুল আলমসহ মুক্তিযোদ্ধা পাইলটরা চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জে পাকিস্তানি তেলের ডিপোতে সফল হামলা পরিচালনা করেন।
- এই আক্রমণ পাকিস্তানি বাহিনীর যোগাযোগ ও রসদ সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান হামলা হিসেবে এটি ছিল এক অনন্য মাইলফলক।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বিবিসি নিউজ।
১০,৫৯৫.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত একর?
  1. ক) ১ কোটি ৯৯ লক্ষ একর
  2. খ) ২ কোটি ১০ লক্ষ একর
  3. গ) ১ কোটি ৯৭ লক্ষ একর
  4. ঘ) ১ কোটি ৭৯ লক্ষ একর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ কোটি ৯৯ লক্ষ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ কোটি ৯৯ লক্ষ একর
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯ অনুযায়ী দেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ ১ কোটি ৯৯ লক্ষ ৭৩ হাজার একর। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবাদী জমি বিদ্যমান রাজশাহী বিভাগে ৩২ লক্ষ ৯৮ হাজর একর।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
১০,৫৯৬.
কোন আদিবাসী জনগোষ্ঠী নিজেদেরকে 'আচিক মান্দি' হিসেবে পরিচয় দেন?
  1. চাকমা
  2. গারো
  3. সাঁওতাল
  4. মারমা
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
•গারো:
-'গারো' শব্দের সুনির্দিষ্ট কোন নেতিবাচক অর্থ নাই।
- তাঁদের অনেকেই অধুনা নিজেদের 'মান্দি' নামেই পরিচয় দেন।
- আক্ষরিক অর্থে 'মান্দি' অর্থ 'মানুষ'।
- নিজেদের ভাষায় অভিহিত করেন 'আচিক মান্দি' বা 'পাহাড়ের মানুষ' হিসাবে।
-  সে সূত্রে সংক্ষেপে শুধু 'মান্দি' নামেই গারোদের আধুনিক পরিচিতি গড়ে উঠেছে।
- বাংলাদেশে বৃহত্তর ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল অঞ্চলে গারো বা মান্দি জনগোষ্ঠীর বসবাস।
- এছাড়া সিলেটসহ অন্যান্য জায়গায়ও কিছু সংখ্যক গারো রয়েছে।
- ঢাকা বিভাগের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, শেরপুর ও নেত্রকোণা এবং সিলেট বিভাগের সিলেট সুনামগঞ্জ ও মৌলভী বাজার।

উৎস: সাংস্কৃতিক নৃবিজ্ঞান, এইচ এস এস এল, উন্মুক্তবিশ্বদ্যালয়।
১০,৫৯৭.
বাংলাদেশ কত সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
  2. খ) ১৫ জানুয়ারি ১৯৯২
  3. গ) ০১ জানুয়ারি ১৯৯৫
  4. ঘ) ৩০ ডিসেম্বর ১৯৯৬
সঠিক উত্তর:
গ) ০১ জানুয়ারি ১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ০১ জানুয়ারি ১৯৯৫
ব্যাখ্যা

- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য জোট। ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি GATT (General Agreement on Tariffs and Trade) এর উত্তরসূরী সংস্থা হিসেবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ GATT এর সদস্যপদ লাভ করে। যার কারণে ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যপদ লাভ করে।
(তথ্যসূত্রঃ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ওয়েবসাইট)

১০,৫৯৮.
কোনো বিল অর্থবিল কিনা তাতে কার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গৃহীত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
অর্থবিল:
- অর্থবিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল।
- কোনো বিল অর্থবিল কিনা এ প্রশ্নে স্পিকারের দেওয়া সার্টিফিকেট চূড়ান্ত মত বলে গৃহীত হয়।
- অর্থবিল বা অর্থব্যয় সংক্রান্ত বিলের উদ্যোক্তা সরকার।

⇒ প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়।
- সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন।
- রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদানে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের শেষে বিলটি আইনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০,৫৯৯.
খাসিয়া পুঞ্জির প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. মণ্ডল
  2. রাজা
  3. হেডম্যান
  4. সিয়েম
সঠিক উত্তর:
সিয়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়েম
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- খাসিয়ারা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাসস্থান: সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক।
- প্রধান উৎসব: খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,৬০০.
ইউনেস্কোর কততম সাধারণ সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়?
  1. ক) ২৯তম
  2. খ) ৩০তম
  3. গ) ৩২তম
  4. ঘ) ২৮তম
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০তম
ব্যাখ্যা
- ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে ২০০০ সাল থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হতে শুরু করে।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

(সূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)