বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০৪ / ৩০৬ · ১০,৩০১১০,৪০০ / ৩০,৮৩২

১০,৩০১.
'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসটি চলচ্চিত্রে রূপ দেন-
  1. ঋতুপর্ণ ঘোষ
  2. গৌতম ঘোষ
  3. অদ্বৈত মল্লবর্মণ
  4. ঋত্বিক ঘটক
সঠিক উত্তর:
ঋত্বিক ঘটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋত্বিক ঘটক
ব্যাখ্যা

- তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসটির রচয়িতা অদ্বৈত মল্লবর্মণ।
- উপন্যাসটি ৪ খণ্ডে বিভক্ত।
- উপন্যাসটি মৎস্যজীবী মানুষের জীবন কাহিনী বা ধীবর সমাজের নিষ্ঠুর জীবন সংগ্রামের দুঃখ-দুর্দশার সাধারণ কাহিনীকে তুলে ধরা হয়েছে‌।
- ঋত্বিক ঘটকের পরিচালনায় ১৯৭৩ সালে উপন্যাসটিকে চলচ্চিত্রে রূপায়িত করা হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১০,৩০২.
'মা ও মণি' হলো একটি -
  1. উপন্যাসের নাম
  2. চলচ্চিত্রের নাম
  3. মা ও মেয়ের গল্প
  4. ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম
সঠিক উত্তর:
ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম
ব্যাখ্যা
মা ও মণি গোল্ডকাপ:
- 'মা ও মণি' হলো একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম। 
- ঢাকায় ১৯৯২ সালে ক্লাবগুলোকে নিয়ে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- সেটির নাম ছিল 'মা মনি গোল্ডকাপ'।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩, দৈনিক জনকন্ঠ। 
১০,৩০৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার কাঠামো কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সরকার কাঠামো:
- নির্বাচনী বিভাগ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার কাঠামোর অংশ নয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার কাঠামো ৩টি। যথা-
• আইন বিভাগ।
• বিচার বিভাগ।
• শাসন বিভাগ।
- একটি বিভাগ কখনও অন্য বিভাগের কার্যে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।

আইন বিভাগ:
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করার অধিকার রাখে, যা সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় সংসদীয় পদ্ধতি গৃহীত হওয়ার দরুণ আইনসভাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলের হাতেই নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।

বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের সরকার কাঠামোতে বিচার বিভাগ সরকারের সকল প্রকার বিচারিক কার্য সম্পাদন করে থাকে।
- বিচারিক কার্যের অংশ হিসেবে এই বিভাগটি মূলত সংবিধান ও আইন অনুযায়ী অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে থাকে ও জনগণের অধিকার রক্ষা করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৩০৪.
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় দিল্লির সম্রাট কে ছিলেন?
  1. আওরঙ্গজেব
  2. দ্বিতীয় শাহ আলম
  3. দ্বিতীয় আলমগীর
  4. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় শাহ আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় শাহ আলম
ব্যাখ্যা

- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় দিল্লির সম্রাট ছিলেন দ্বিতীয় শাহ আলম।

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর: 
- দ্বিতীয় শাহ আলম,(১৭৬১-১৮০৫)  দিল্লির মুগল সম্রাট আজিজুদ্দীন দ্বিতীয় আলমগীরের পুত্র।
- তাঁর পূর্ব নাম আলী গওহর (পরবর্তী সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম)।
- দিউয়ানী ও দ্বৈত শাসনের পরিণাম ছিল বাংলায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ধ্বংসলীলা।
- এ দুর্ভিক্ষ 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' নামে পরিচিত।
- দ্বৈত শাসনের কুফলে বাংলার জনজীবন যখন চরম বিপর্যয়ের মুখে তখন পরপর দুবছর খরা ও অনাবৃষ্টির ফলে ১১৭৬ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় এক প্রচণ্ড দুর্ভিক্ষ ও মহামারী দেখা দেয়।
- এসময় খাদ্যের অভাবে মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ দ্বিতীয়বারের মতো গভর্নর জেনারেল হয়ে আসেন।
- দায়িত্ব নিয়েই তিনি বক্সারের যুদ্ধে পরাজিত নবাব সুজাউদ্দৌলা এবং সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে চুক্তি সম্পাদন করেন।
- সুজাউদ্দৌলাহ যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০ লক্ষ টাকা এবং কারা ও এলাহাবাদ নামক দুটি জেলা ইংরেজদের হাতে তুলে দেন।
- দ্বিতীয় শাহ্ আলমের সাথে সম্পাদিত চুক্তির নাম 'এলাহাবাদ চুক্তি'।
- ১৭৬৫ সালের ১২ আগস্ট সম্পাদিত এ চুক্তির মাধ্যমে ইংরেজরা কারা ও এলাহাবাদ জেলা দুটি এবং বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকা সম্রাট শাহ আলমকে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

উৎস: ¡)পৌরনীতি, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
¡¡)বাংলাডপিডিয়া।

১০,৩০৫.
তিস্তা সোলার কেন্দ্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা -
  1. ২০০ মেগাওয়াট
  2. ৪০০ মেগাওয়াট
  3. ৬০০ মেগাওয়াট
  4. ৮০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
২০০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র যা তিস্তা সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের সবচেয়ে বড় সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- এটি ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- গাইবান্ধা জেলার, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নে ১ হাজার একর জমির ওপর তিস্তা সোলার নির্মাণ করা হয়।
- সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করেন বাংলাদেশের বেক্সিমকো কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- ২ আগস্ট, ২০২৩ তিস্তা সোলার লিমিটেডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এ কেন্দ্র থেকে দিনে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রিডে।

উৎস: ৩ আগস্ট ২০২৩, দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।
১০,৩০৬.
‘ইয়াং বেঙ্গল’ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. রামমোহন রায়
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
ব্যাখ্যা

ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট:
- ‘ইয়াং বেঙ্গল’ আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও।
- ডিরোজিও ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ছিলেন পর্তুগিজ এবং মা ছিলেন বাঙালি।
- ডিরোজিও ইংরেজি শিক্ষার স্কুল ডেভিড ড্রামন্ডের ধর্মতলা একাডেমিতে পড়ালেখা শুরু করেন।
- ডেভিড ড্রামন্ডের আদর্শ ডিরোজিওকে শৈশব থেকে মৃত্যু পর্যন্ত গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
- বাঙালি যুব সমাজের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘ইয়াং বেঙ্গল’ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন ডিরোজিও।
- অল্প বয়সেই তিনি ইতিহাস, ইংরেজি, সাহিত্য ও দর্শনশাস্ত্রে গভীর জ্ঞানের অধিকারী হন।
- ডিরোজিওর উল্লেখযোগ্য অনুসারীদের মধ্যে ছিলেন রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র ও কৃষ্ণমোহন ব্যানার্জি।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর সরাসরি ছাত্র না হলেও ডিরোজিওর আদর্শ দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হন।
- ডিরোজিওর অনুসারীদের আন্দোলন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকেও প্রভাবিত করেছিল।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১০,৩০৭.
বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. হিমায়িত খাদ্য
  2. নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক
  3. পাটজাত পণ্য
  4. কৃষিজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি পণ্য নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক। 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: কৃষিজাত পণ্য (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য (০.৭১%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১০,৩০৮.
‘বিটিভি নিউজ’ এর সম্প্রচার শুরু হয় কবে?
  1. ৩১ আগস্ট ২০১৩
  2. ৩১ ডিসেম্বর ২০০৪
  3. ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪
  4. ০১ জানুয়ারি ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৩১ ডিসেম্বর ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ ডিসেম্বর ২০২৪
ব্যাখ্যা
→ ‘বিটিভি নিউজ’ এর সম্প্রচার শুরু হয়- ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪।

বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি):
বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি: ঢাকা ও চট্টগ্রাম। 
উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। 

উল্লেখ্য,
- ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ সাল থেকে সম্প্রচার শুরু করেছে ‘বিটিভি নিউজ’।
- এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভির ২৪ ঘণ্টার সংবাদ চ্যানেল। 

তথ্যসূত্র:- বিটিভি ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
১০,৩০৯.
নিচের কোনটি প্রথম 'Poverty Reduction Strategy Papers' এর মেয়াদকাল?
  1. ক) ২০০১-২০০৪
  2. খ) ২০০৫-২০০৮
  3. গ) ২০০৬-২০১০
  4. ঘ) ২০০৯-২০১১
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৫-২০০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৫-২০০৮
ব্যাখ্যা
- 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র)।
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP.
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
- উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র:- IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১০,৩১০.
অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কয়ভাগে বিভক্ত করেছেন?
  1. ক) চার ভাগে
  2. খ) ছয় ভাগে
  3. গ) তিন ভাগে
  4. ঘ) দুই ভাগে
সঠিক উত্তর:
ক) চার ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চার ভাগে
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী: (Pressure Group)
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী হল এমন এক দল ব্যক্তির সমষ্টি। যারা নির্দিষ্ট লক্ষ্যের
ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং নিজেদের লক্ষ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন থাকে। 
- অ্যালমন্ড গ্যাব্রিয়েল ও জি পাওয়েল বলেন, “স্বার্থগোষ্ঠী বলতে আমরা নির্দিষ্ট স্বার্থের বন্ধনে আবদ্ধ অথবা সুযোগ-সুবিধা দ্বারা সংযুক্ত এমন এক ব্যক্তিসমষ্টিকে বুঝি যারা এরূপ বন্ধন সম্পর্কে সচেতন।” 

অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বার্থকামী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন। তাদের মতে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী চার ভাগে বিভক্ত। এরা হলো:
- স্বতঃস্ফুর্ত স্বার্থকামী গোষ্ঠী
- সংগঠন ভিত্তিক স্বার্থকামী গোষ্ঠী
- অসংগঠিত স্বার্থকামী গোষ্ঠী
- প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থকামী গোষ্ঠী।

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যসমূহঃ

১। দলীয় সংগঠনবিহীন
২। দলীয় কর্মসূচিবিহীন 
৩। নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া
৪। সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা
৫। সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়
৬। সমজাতীয় মনোভাব
৭। বেসরকারি সংগঠন

রেফারেন্স:  রাষ্ট্রবিজ্ঞান : স্নাতক শ্রেণী।
১০,৩১১.
Who was the first female martyr of the July Movement?
  1. Meherun Nesa
  2. Nasima Sultana
  3. Naima Sultana
  4. Shahinur Begum
সঠিক উত্তর:
Naima Sultana
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Naima Sultana
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ প্রথম নারী:
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে এখন পর্যন্ত সরকার মোট ৮৪৪ জন শহীদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। 
-এর মধ্যে ৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ জন নারীর নাম রয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের করা পৃথক তালিকাতেও এই ১০ জনের নাম শহীদ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। 
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ প্রথম নারী নাঈমা সুলতানা
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর উত্তরার বাসার বারান্দায় শুকাতে দেওয়া কাপড় আনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় সে। 

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো (Link )

১০,৩১২.
কিসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
  1. সামাজিক চেতনা
  2. সাম্প্রদায়িকতা
  3. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
  4. দ্বি-জাতি তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ভিত্তি:
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এর ফলশ্রুতিতে পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে নিজস্ব জাতীয়তাবোধ তথা বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই জাতীয়তাবোধের ভিত্তি ছিলো বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্যের সূচনা হয় তাই পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিসংগ্রামের মুখ্য প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিলো।

এছাড়াও,
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বেই বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আলোচনার সূত্রপাত হয়।
- পাকিস্তান সরকার বাংলাভাষাকে উপেক্ষা করার নীতি অবলম্বন করলে ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়।
- রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে ছাত্র সমাজের উত্থান ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৩১৩.
সম্প্রতি কোন ফসলকে অনিয়ন্ত্রিত ফসল ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ক) পাট
  2. খ) ধান
  3. গ) আলু
  4. ঘ) পেঁয়াজ
সঠিক উত্তর:
গ) আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলু
ব্যাখ্যা
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য ‘আলু’ ফসলকে অনিয়ন্ত্রিত ফসল ঘোষণা করা হয়েছে। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
১০,৩১৪.
নূন্যতম সদস্য উপস্থিত না থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন?
  1. ৫০ জন
  2. ৬০ জন
  3. ৭০ জন
  4. ৮০ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১০,৩১৫.
৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) সেই মুজিব
  2. খ) রেডিও
  3. গ) বার্তা
  4. ঘ) ঐতিহাসিক মার্চ
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র 'রেডিও'। 
- অনন্য মামুন পরিচালিত এই চলচিত্রটি। 
- চ্যানেল আইয়ে 'রেডিও' চলচ্চিত্রের বিশ্ব প্রিমিয়ার হয়েছে।
- ‘রেডিও' চলচ্চিত্রের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াজ।
- ৭ মার্চ, ২০২৩ চ্যানেল আইয়ে প্রথম মুক্তি পায় এই চলচিত্র।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা ও Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার। 
১০,৩১৬.
কোন মুঘল সম্রাটের শাসনকালকে স্থাপত্য শিল্পের 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
সম্রাট শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট শাহজাহান
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- ১৬২৭ খ্রিস্টাব্দের ২৮ অক্টোবর সম্রাট জাহাঙ্গীর মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর শাহজাদা খুররম ও শাহরিয়ারের মধ্যে উত্তরাধিকার নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
- শাহজাদা খুররম ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি 'আবুল মুজাফফর শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ শাহজাহান বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- সমরকুশলী হিসেবে সম্রাট শাহজাহান দক্ষতার পরিচয় দেন।
- সুশাসন, ন্যায়বিচার ও বদান্যতার জন্য শাহজাহানের শাসনকাল উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে মোগল সম্রাটদের মধ্যে সম্রাট শাহজাহান ছিলেন অদ্বিতীয়।
- স্থাপত্য শিল্পে উৎকর্ষ সাধনের জন্য তাঁর সময়কালকে স্থাপত্য শিল্পের স্বর্ণযুগ বলা হয়।
- তিনি তাঁর স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর অবিনশ্বর প্রেমের এক অনিন্দ্য সুন্দর সৌধ তাজমহল নির্মাণ করেন।
- তাঁর আমলে আগ্রার মতি মসজিদ, দিল্লির জামে মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস নির্মিত হয়।
- মনি-মুক্তা, হীরা ও মূল্যবান পাথর দিয়ে তৈরি ময়ূর সিংহাসন সম্রাট শাহজাহানের শিল্পানুরাগের অন্যতম কীর্তি।
- তিনি 'শাহজাহানাবাদ' নামে একটি নতুন শহরও নির্মাণ করেন যা বর্তমানে নতুন দিল্লি নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৩১৭.
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের মোট সদস্য- 
  1. ক) ৪ জন
  2. খ) ৫ জন
  3. গ) ১০ জন
  4. ঘ) অনির্দিষ্ট
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ জন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ ও ১১৯ নম্বর ধারায় নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 
- সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।
- ১১৮(৩) ধারায় বলা হয়েছে, 'এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে কোনো নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বৎসর কাল হইবে'। 

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৩১৮.
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত কোনটি? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. পাট ও পাটজাত পণ্য
  2. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. হিমায়িত পণ্য
  4. কৃষি পণ্য
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) পরিসংখ্যান অনুসারে, বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক।
- এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত হলো চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে মোট রপ্তানির মধ্যে তৈরি পোশাকের হিস্যা ৮৩ শতাংশ। এই সময়ে রপ্তানি হয়েছে ৩৯৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক।
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- ৩য় শীর্ষ রপ্তানি খাত কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রপ্তানি ৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
ii) প্রথম আলো। 

১০,৩১৯.
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করছেন কে?
  1. ক) চঞ্চল চৌধুরী
  2. খ) আরেফিন শুভ
  3. গ) আহমেদ রুবেল
  4. ঘ) তারিক আনাম
সঠিক উত্তর:
খ) আরেফিন শুভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আরেফিন শুভ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ও ভারত সরকার যৌথ প্রযোজনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিক উপলক্ষ্যে তার জীবনী নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু’ নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করছে।
- গত ২১ জানুয়ারি ২০২১ ভারতের মুম্বাইয়ে চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হয়।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।
- চিত্রনাট্য রচয়িতা শ্যামা জাইদি।
অভিনয় শিল্পীবৃন্দ:
- বঙ্গবন্ধু চরিত্রে : আরেফিন শুভ
- বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব চরিত্রে : তিশা (বড়বেলা) এবং দিঘি (ছোটবেলা)
- বঙ্গবন্ধুর মায়ের চরিত্রে : দিলারা জামান
- বঙ্গবন্ধুর বাবার চরিত্রে : চঞ্চল চৌধুরী
- শেখ হাসিনা চরিত্রে : নুসরাত ফারিয়া (ছোটবেলা) এবং জান্নাতুল সুমাইয়া (বড়বেলা)
- আইয়ুব খান চরিত্রে : মিশা সওদাগর।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা এবং ঢাকা ট্রিবিউন)
১০,৩২০.
'আখ' উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. নাটোর
  2. পাবনা
  3. নওগাঁ
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোর
ব্যাখ্যা
 জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর জেলায় (১১,৮৪,২৩৩ মে.টন)  
-  দ্বিতীয় – রাজশাহী জেলা (৪,৭২,২২০ মে.টন)
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী বিভাগে (১৯,৮৬,৪৮৮ মে.টন)  
- দ্বিতীয় – রংপুর বিভাগ  (৫,৭০,১০৫ একর)
[সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০]
১০,৩২১.
বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয় নিয়ে প্রথম এনসাইক্লোপিডিয়া হলো -
  1. ক) বঙ্গবন্ধুপিডিয়া
  2. খ) মুক্তিপিডিয়া
  3. গ) মুজিবপিডিয়া
  4. ঘ) স্বাধীনপিডিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবপিডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবপিডিয়া
ব্যাখ্যা
মুজিবপিডিয়া

বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয় নিয়ে প্রথম এনসাইক্লোপিডিয়া হলো ‘মুজিবপিডিয়া’।

- এটি উপমহাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ এনসাইক্লোপিডিয়া বা জ্ঞানকোষ, যাতে অনুসরণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাপদ্ধতি।
- ১/৮ ডিমাই সাইজের দুই খণ্ডের এ বইটিতে রয়েছে ৫৯১টি ভুক্তি ও ৭৫০টি ঐতিহাসিক আলোকচিত্র।
- এর প্রধান সম্পাদক কবি ও গবেষক কামাল চৌধুরী এবং সম্পাদক ফরিদ কবির।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
১০,৩২২.
একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ প্রথম জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে?
  1. স্কটল্যান্ড
  2. কেনিয়া
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেট:

- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশ  আইসিসি ট্রফি জয় করে ১৯৯৭ সালে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ পর।
- কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট ২০২০।
১০,৩২৩.
বাংলাদেশে দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশের সাথে 'অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি' সম্পাদন করে? (আগস্ট-২০২৫)
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত
  3. নেপাল
  4. ভুটান
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা

Preferential Trade Agreement (PTA):
- বাংলাদেশের প্রথম 'অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি'।
- বাংলাদেশের সাথে PTA (Preferential Trade Agreement) সম্পাদনকারী দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ ভুটান।
-৬ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে ভুটানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়েছে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি অবশ্য পুরোপুরি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নয়, বরং বলা যায় এফটিএর আগের ধাপ বা আংশিক এফটিএ।
- এ চুক্তির আওতায় এখন বাংলাদেশ ভুটানে ১০০টি পণ্যে ও ভুটান বাংলাদেশে ৩৪টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১০,৩২৪.
কত সালে ২৫শে মার্চকে 'গণহত্যা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
২৫শে মার্চের নৃশংস গণহত্যা:

- ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় ঢাকা ত্যাগ করেন। 
- যাবার আগে সেনাবাহিনীকে পূর্বপাকিস্তানিদের উপর আক্রমণের নির্দেশ দিয়ে যান। 
- ইয়াহিয়া খানের নির্দেশ মোতাবেক গভর্নর টিক্কা খানের ঘাতক সৈন্যরা ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় গণহত্যার তাণ্ডবলীলা চালায়। 
- এই গণহত্যা চলেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়, পুরনো ঢাকায়, কচুক্ষেত, তেজগাঁও, ইন্দিরা রোড, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ঢাকা বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে, রায়ের বাজার, ধানমন্ডি, কলাবাগান, কাঁঠালবাগানসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে। 
- ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় গণহত্যা শুরু হলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং তা ওয়্যারলেসযোগে চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেন। 
- নৃশংস গণহত্যার সংবাদ যাতে বিদেশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২৫ জন বিদেশি সাংবাদিককে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য -
- ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস।
- ২০১৭ সালের ১১ই মার্চ তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে গৃহীত সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে প্রতিবছর ২৫শে মার্চ 'গণহত্যা দিবস' ঘোষণা করা হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ১১ মার্চ ২০১৭, বিবিসি বাংলা। 
১০,৩২৫.
জিডিপি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ভিত্তিবছর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে কোনটি?
  1. ২০০৫-২০০৬ সাল
  2. ২০১২-২০১৩ সাল
  3. ২০১৫-২০১৬ সাল
  4. ২০১৯-২০২০ সাল
সঠিক উত্তর:
২০১৫-২০১৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫-২০১৬ সাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জিডিপি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে নতুন ভিত্তিবছর নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরকে।

নতুন ভিত্তিবছর ২০১৫-২০১৬ অনুসারে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের:
- মোট জিডিপি : ৪১৬.২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
- মোট জাতীয় আয় : ৪৩৮.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট জিডিপি : ৩৫,৩০১,৮৪৮ কোটি টাকা
- মোট জাতীয় আয় : ৩৭,১৫৯,৯৬৬ কেটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি : ২,৪৬২ মার্কিন ডলার
- মোট জাতীয় আয় : ২,৫৯১ মার্কিন ডলার।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
১০,৩২৬.
‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ কত সালে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) ইংরেজি ১৯৫০ সালে
  2. খ) বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে
  3. গ) ইংরেজি ১৯৪৩ সালে
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষ ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ নামে পরিচিত।
• বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে এই দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হওয়ায় একে ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ বলা হয়।
• এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।
• এই দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।      

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম - ১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া। 
১০,৩২৭.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী সর্বশেষ দেশ কোনটি?
  1. পাকিস্তান
  2. যুক্তরাজ্য
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত।
- উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

⇒ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল, ১৯৭২।
- প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক ৮ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)।
ii) বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন)।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১০,৩২৮.
Which one of the following channels of remittance flows does not contribute to our Foreign Exchange Reserve?
  1. hundi
  2. banking
  3. draft
  4. online
সঠিক উত্তর:
hundi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
hundi
ব্যাখ্যা
হুন্ডি:
- মুদ্রা অর্থনীতিতে হুন্ডি একটি বহুল প্রচলিত অর্থ স্থানান্তর প্রক্রিয়া।
- যে প্রক্রিয়ায় বিদেশে কর্মরত একজন ব্যক্তি রেমিটেন্স বা অর্থ বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রেরণ না করে অন্যকোনো মধ্যস্বত্বভোগী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রেরণ করে।
- যারা ধনী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত, তারা অর্থ পাচার করে মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে।
- আর যাঁরা ঘুষ-দুর্নীতি, কর ফাঁকি, চোরাচালান বা অন্য কোনো উপায়ে অর্থ উপার্জন করেছেন, তাঁরা অর্থ পাচারের জন্য বেছে নেন হুন্ডিকেই।
- সাধারণত ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করা হয়।
- যার কারণে এটি আমাদের Foreign Exchange Reserve এ কোনো অবদান রাখে না।

উৎস: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১০,৩২৯.
সংবিধানের কোন সংশোধনীকে “First distortion of Constitution’’ হিসেবে অভিহিত করা হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. সপ্তম সংশোধনী
  3. একাদশ সংশোধনী
  4. দশম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয় এবং সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।

সূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।
১০,৩৩০.
বাংলাদেশ হরিণ প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বাগেরহাট 
  3. বান্দরবান
  4. চকোরিয়া
সঠিক উত্তর:
চকোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চকোরিয়া
ব্যাখ্যা

প্রজনন কেন্দ্র:
- প্রজনন কেন্দ্র হলো বিশেষভাবে গঠিত এমন একটি স্থান, যেখানে কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি বা পরিকল্পিত প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নত জাতের গবাদি পশু বা বিপন্ন বন্যপ্রাণীর প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি করা হয়। এছাড়া এখানে পশুর জাত উন্নয়ন, প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংরক্ষণমূলক কার্যক্রমও পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রাণীর প্রজনন কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। 
- বাংলাদেশে প্রধান কয়েকটি হরিণ প্রজনন কেন্দ্র রয়েছে।
- এর মধ্যে অন্যতম প্রজনন কেন্দ্র কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় অবস্থিত। 
---------------------------
• বাংলাদেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রাণীর প্রজনন কেন্দ্র:

• বন্যপ্রাণী প্রজননের জন্য ব্যবহৃত কেন্দ্র হলো ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
- কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক বন্যপ্রাণী প্রজনন ও সংরক্ষণের জন্য একটি অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
- এটি ১৯৮০-৮১ সালে একটি 'হরিণ প্রজনন কেন্দ্র' হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও, পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ সাফারি পার্কে রূপান্তরিত হয়

• গরু পালন ও প্রজননের জন্য সাভার, ঢাকা জেলা পরিচিত। 
• দেশি ছাগল প্রধানত টিলাগড়, সিলেট অঞ্চলে প্রজনিত হয়।
• মহিষ প্রজননের জন্য ফকিরহাট, বাগেরহাট অঞ্চল ব্যবহৃত হয়।
• কুমির প্রজননের কেন্দ্র হিসেবে খ্যাত করমজল, সুন্দরবন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১০,৩৩১.
রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোনটি?
  1. কোটিবর্ষ
  2. কর্ণসুবর্ণ
  3. বড়কামতা
  4. পানাম নগর
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
ব্যাখ্যা

রাঢ়:
- বিভিন্ন ঐতিহাসিক উৎস থেকে বলা যায় যে, রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- তবকত-ই-নাসিরীর বর্ণনায়ও গঙ্গার দক্ষিণে রাঢ়ের অবস্থান নির্দেশিত হয়েছে।
- এই জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
• দক্ষিণ রাঢ়।
• উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সুহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূহ্মদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৩৩২.
ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর কে ছিলেন?
  1. খাজা নাজিমউদ্দীন
  2. ফিরোজ খান নুন
  3. নুরুল আমিন
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
ফিরোজ খান নুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিরোজ খান নুন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। 
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।

১০,৩৩৩.
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
  1. জোছনা ও জননীর গল্প
  2. তিতাস একটি নদীর নাম
  3. নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি
  4. আর্তনাদ
সঠিক উত্তর:
জোছনা ও জননীর গল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা

জোছনা ও জননীর গল্প:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস জোছনা ও জননীর গল্প।
- জোছনা ও জননীর গল্প বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে হুমায়ুন আহমেদ রচিত একটি উপন্যাস।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক হুমায়ুন আহমেদ রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: শ্যামল ছায়া (১৯৭৪), আগুনের পরশমণি (১৯৮৬), অনিল বাগচীর একদিন (১৯৯২), ১৯৭১ (১৯৯৩), জোছনা ও জননীর গল্প (২০০৪) প্রভৃতি। 

অন্যদিকে,
- তিতাস একটি নদীর নাম অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস। এই উপন্যাসে গ্রামের দরিদ্র মালো শ্রেণীর লোকজনের দুঃখ-দুর্দশার কাহিনী ফুটিয়ে তুলেছেন।
- কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক উপন্যাস 'নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি'।
- শওকত ওসমান রচিত 'আর্তনাদ' উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো ভাষা আন্দোলন। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

১০,৩৩৪.
বাংলাদেশের প্রধান নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. বাঙালি
সঠিক উত্তর:
বাঙালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসমূহ: 
- প্রাচীন কাল থেকেই বাংলাদেশে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর বাস।
- বাংলাদেশের প্রধান নৃগোষ্ঠী হচ্ছে বাঙালি- যাদের ভাষা বাংলা এবং অধিকাংশই সমতল ভূমিতে বসবাস করে।
- এছাড়া বাংলাদেশে প্রায় ৫০টির মতো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী (Ethnic Grpoup) রয়েছে যাদের ভাষা, সংস্কৃতি, রীতিনীতি, আচার-অনুষ্ঠান বাঙালি নৃগোষ্ঠী থেকে পৃথক।
- কেবল বাঙালি নৃগোষ্ঠী নয়, প্রতিটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী অন্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী থেকেও আলাদা।
- এ অঞ্চলে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মধ্যে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, রাখাইন, সাঁওতাল, কুকি, তঞ্চঙ্গ্যা, কুমি, লুসাই, পাংখো, খুমি, খিয়াং, বনযোগী, মণিপুরী, খাসিয়া, গারো, হাজং, কোচ, ডালুই, রাজবংশী, মুন্ডা, ওঁরাও প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৩৩৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ২৭ নং
  2. ৪৯ নং
  3. ৫২ নং
  4. ৫৪ নং
সঠিক উত্তর:
৪৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯ নং
ব্যাখ্যা
• ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার:
→ সংবিধানের ৪৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।
===============
অপরদিকে, 
→ ২৭ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে - আইনের দৃষ্টিতে সমতা সর্ম্পকে।
→ ৫২ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে - রাষ্ট্রপতির অভিশংসন সর্ম্পকে।
→ ৫৪ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার সর্ম্পকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদের সংবিধান।
১০,৩৩৬.
জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনে বাধ্য নয় কোন প্রতিষ্ঠান ?
  1. ক) বাংলাদেশের দূতাবাস
  2. খ) ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
  3. গ) সরকারী ও আধা-সরকারী অফিস
  4. ঘ) সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ – ০৪(ক) : জাতির পিতার প্রতিকৃতি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সকল সরকারী ও আধা-সরকারী অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের প্রধান ও শাখা কার্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান
১০,৩৩৭.
পদ্মা সেতুর প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১৪০ মিটার
  2. ১৪৫ মিটার
  3. ১৫০ মিটার
  4. ১৫৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৫০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ মিটার
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
১০,৩৩৮.
ভিজিএফ কী?
  1. দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা
  2. খাদ্য ও অর্থ সহায়তা
  3. আবাসন সহায়তা
  4. আশ্রয়ন সহায়তা
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা
ব্যাখ্যা
মানবিক সহায়তা কর্মসূচি: 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এবং কৃষি ক্ষেত্রে কর্মহীন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে।
- এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
(১) দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)
(২) খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)

দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ): 
- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।
১০,৩৩৯.
বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় কবে?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। 
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি। 
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬ টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে আদমশুমারি হয়েছিল।
-  সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- ৬ষ্ঠ আদমশুমারি ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন জনশুমারি ও গৃহগণনা নামে অনুষ্ঠিত হয়।
- জনশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)। 

উল্লেখ্য, 
- লর্ড মেয়ো ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন এবং তার শাসনামলেই ১৮৭২ সালে উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১০,৩৪০.
অপারেশন সার্চ লাইট এর সার্বিক দায়িত্বে কে ছিল?
  1. জেনারেল টিক্কা খান
  2. জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  3. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  4. জেনারেল এএকে নিয়াজী
সঠিক উত্তর:
জেনারেল টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্চ লাইট:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে ভয়াবহ গণহত্যা অভিযান চালায়, তার নাম ছিল 'অপারেশন সার্চ লাইট'। যদিও হানাদার বাহিনী ২৫ মার্চ এ অভিযান শুরু করেছিল, তবে মূল পরিকল্পনা করা হয়েছিল মার্চ মাসের শুরু থেকেই।
- ১৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর সাথে আলোচনার জন্য বৈঠক শুরু হয়, কিন্তু অন্যদিকে পাকিস্তানি সরকার গোপনে আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণ করে এবং পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সৈন্য ও গোলাবারুদ এনে পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক প্রস্তুতি নেয়।
- ১৮ মার্চ টিক্কা খান এবং রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চ লাইট' এর নীলনকশা তৈরি করেন।
- ২৫ মার্চ রাতেই গণহত্যা শুরু করা হয়।
- এই পরিকল্পনার তত্ত্বাবধান করেন পাকিস্তানের গভর্নর লে. জেনারেল টিক্কা খান। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১০,৩৪১.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করাহ য়?
  1. আট
  2. দশ
  3. এগার
  4. পনের
সঠিক উত্তর:
এগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগার
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।

⇒ সেক্টরগুলো:
- ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পাবর্ত্য চট্টগ্রাম,
- ২নং সেক্টর: ঢাকা, নোয়াখালী, ফরিদপুর ও কুমিল্লার অংশবিশেষ,
- ৩নং সেক্টর: কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জ,
- ৪ নং সেক্টর: মৌলভীবাজার ও সিলেটের পূর্বাংশ,
- ৫নং সেক্টর: সিলেট ও সুনামগঞ্জ,
- ৬নং সেক্টর: রংপুর, দিনাজপুর,
- ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা,
- ৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর,
- ৯নং সেক্টর: খুলনা, বরিশাল,
- ১০নং সেক্টর: সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,৩৪২.
বাংলাদেশ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে-
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. চতুর্থ
  4. তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ যে ১৩ খাতে শীর্ষ তালিকায়:
- মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়।
- বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ।
- আম উৎপাদনে বিশ্বে সপ্তম।
- পাট উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয়।
- প্রবাসী আয় অর্জনে বিশ্বে অষ্টম ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সপ্তম।
- বাংলাদেশ ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম।
- কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয়।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়।
- আউটসোর্সিং এ বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ।
- সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়।
- ছাগলের দুধ উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয়।
- আলু উৎপাদনে বিশ্বে সপ্তম।
- পেয়ারা উৎপাদনে বিশ্বে অষ্টম।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

১০,৩৪৩.
জাতীয় সংসদের 'ট্রেজারি বেঞ্চ' কার আসন হিসেবে নির্ধারিত?
  1. স্পীকারের আসন
  2. হুইপের আসন
  3. সরকারি দলের মন্ত্রীর আসন
  4. বিরোধী দলের নেতার আসন
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলের মন্ত্রীর আসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলের মন্ত্রীর আসন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা।
- এককক্ষ বিশিষ্ট এ আইনসভার সদস্য সংখ্যা ৩৫০।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত।
- অবশিষ্ট ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
- জাতীয় সংসদের প্রধান হলেন স্পিকার।
- বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চমভাগে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আছে।

⇒ জাতীয় সংসদের প্রতীক শাপলা ফুল।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতীক দুপাশে ধানের শীষবেষ্টিত শাপলার দুপাশে দুটি করে চারটি তারকা এবং প্রতীকের অপরের দিকে 'বাংলাদেশ' ও নিচের দিকে 'জাতীয় সংসদ' লেখা।

উল্লেখ্য,
- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০,৩৪৪.
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. রংপুর
  3. পাবনা
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা
ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১০,৩৪৫.
খাসিয়াদের পুঞ্জি প্রধানকে বলা হয়-
  1. রাজা 
  2. সিয়েম 
  3. সর্দার
  4. নায়ব
সঠিক উত্তর:
সিয়েম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়েম 
ব্যাখ্যা

- খাসিয়াদের পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।

• খাসিয়া:

- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,৩৪৬.
নিচের কোনটি জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৬৪
  2. ব্রি ধান ৭২
  3. ব্রি ধান ৭৯
  4. ব্রি ধান ৮৩
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৭৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১০,৩৪৭.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
  2. শিবগঞ্জ, বগুড়া
  3. ঈশ্বরদী, পাবনা
  4. জয়দেবপুর, গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI):
- এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
১০,৩৪৮.
'জাতীয় শ্রমনীতি' কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০০২ সালে 
  2. ২০০৮ সালে 
  3. ২০১২ সালে 
  4. ২০১৩ সালে 
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার সুরক্ষা, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সরকার ২০১২ সালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় "জাতীয় শ্রমনীতি" ঘোষণা করে।

এ নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল:

- শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন অনুযায়ী আইন ও নীতি প্রণয়ন।
- নারী শ্রমিক ও শিশুশ্রম বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান।
- পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (Occupational Safety and Health) নিশ্চিত করা।
- শ্রমিকদের জন্য প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা।
- এর আগে বাংলাদেশে শ্রম সংক্রান্ত নানা আইন থাকলেও একটি একক ও সমন্বিত জাতীয় শ্রমনীতি ছিল না। ফলে ২০১২ সালের এই নীতি শ্রমক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২।

১০,৩৪৯.
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কোন বিভাগ বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক অর্থায়ন সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে?
  1. অর্থ বিভাগ
  2. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ
  3. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  4. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
ব্যাখ্যা
অর্থ মন্ত্রণালয় (Ministry of Finance):
- অর্থ মন্ত্রণালয় নিম্নে বর্ণিত চারটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত:
১. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি),
২. অর্থ বিভাগ (এফডি),
৩. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং
৪. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।

⇒ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (Economic Relations Division):
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম, নীতি প্রণয়ন, উক্ত বিষয়ে সুপারিশ প্রদান এবং দেশের উন্নয়ন কর্ম পরিকল্পনায় আর্থিক ঘাটতি পূরণের জন্য বৈদেশিক সহায়তা সংগ্রহের দায়িত্ব অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপর ন্যস্ত।
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ বৈদেশিক সম্পদ (অনুদান, ঋণ ও খাদ্য সাহায্য) আহরণের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে থাকে।
- এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বিভাগটি সরকার গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন সংস্থা এবং বিশ্বের বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থার মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে কাজ করে।
- এ সকল উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক অর্থ ছাড়করণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পসমূহ পরিবীক্ষণ এ বিভাগের অন্যতম দায়িত্ব।
- এ দায়িত্ব পালনের জন্য এ বিভাগের সমস্ত কার্যক্রমকে বিশ্বের ভৌগোলিক অবস্থানভেদে উন্নয়ন সহযোগী দেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার উপর ভিত্তি করে অনুবিভাগওয়ারি বিন্যস্ত করা হয়েছে।

উৎস: অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
১০,৩৫০.
রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে কী বলা হয়?
  1. উপ- অধ্যাদেশ
  2. অধ্যাদেশ বিল
  3. আইন
  4. অধ্যাদেশ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাদেশ
ব্যাখ্যা
অধ্যাদেশ -
- রাষ্ট্রপতির জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে। অধ্যাদেশে কোন নির্দিষ্ট তারিখের উল্লেখ না থাকলে রাষ্ট্রপতি যে তারিখে স্বাক্ষর করেন তখন থেকে অধ্যাদেশ কার্যকর হয়।
- রাষ্ট্রপতি কোন বিল পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করলে তা পুনরায় রাষ্ট্রপতির নিকট সম্মতির জন্যে প্রেরিত হলে তাতে রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়। অন্যথায় তিনি স্বাক্ষর বা সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর উক্ত বিল আইনে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ,প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০,৩৫১.
'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কি হবে? বাংলা নাকি উর্দু‌’ পুস্তিকা প্রকাশ করে কে?
  1. পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টি
  2. তমদ্দুন মজলিশ
  3. পাকিস্তান গণপরিষদ
  4. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

• তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কি হবে? বাংলা নাকি উর্দু‌’।

• ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম পরিচালিত হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন।
- তিনি ‘বাংলা’ ভাষাকেও অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।

• ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ দ্বিতীয়বারের মতো ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।

• ১৯৪৮ সালে ‘বাংলা ভাষা আরবি হরফে’ লেখার প্রস্তাব দিলে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ এর প্রতিবাদ করেন।

• ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি নতুন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পল্টন ময়দানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে এ ঘোষণা দেন।
- এর প্রতিবাদে নতুন করে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
১০,৩৫২.
রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন-
  1. ১০ এপ্রিল ১৯৭২
  2. ১৭  এপ্রিল ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল ১৯৭২
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ:
বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংবিধান অধিবেশন।
- রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন-১০ এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয়১২ অক্টোবর ১৯৭২
- গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর অক্টোবর ১৯৭২
- কার্যকর হয়-১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের ডেপুটি স্পিকার ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১০,৩৫৩.
ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান -
  1. রকেট
  2. বিকাশ
  3. নগদ
  4. শিওর ক্যাশ
সঠিক উত্তর:
বিকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকাশ
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশে মোবাইলের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় মার্চ ২০১১ সালে।
- বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং যাত্রা শুরু করে ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের মাধ্যমে।
- যার নাম এখন রকেট।
- ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- ২০১৯ সালের মার্চে চালু হয় ডাক বিভাগের সেবা নগদ।
- বর্তমানে বিকাশ,রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ,উপায়,শিওর ক্যাশসহ ১৫টি ব্যাংক এ সেবা দিচ্ছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ মার্চ ২০২১।
১০,৩৫৪.
খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন -
  1. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১১ অক্টোবর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ অক্টোবর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১০,৩৫৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বার্থে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে কোন দেশ ভেটো প্রদান করেছিল?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধকালীন বৃহৎশক্তি সমূহ:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়।
- এই প্রস্তাব তিনবার উত্থাপিত হয়।
- কিন্তু প্রতিবারই সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় সেই প্রস্তাবে ভেটো প্রদান করে।
- ফলে পাকিস্তানপন্থী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শেণি।

১০,৩৫৬.
বীরশ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্তদের সংখ্যা কত?
  1. সাত
  2. আট
  3. ছয়
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
সাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ৭ জনকে সর্বোচ্চ সামরিক পদবী 'বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করা হয়।

৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান, 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান, 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ, 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন,
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৩৫৭.
প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক হিসেবে কাকে নিযুক্ত করেন?
  1. আইয়ুব খান
  2. ফিরোজ খান
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. ওমরাও খান
সঠিক উত্তর:
ওমরাও খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওমরাও খান
ব্যাখ্যা

১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন
→ ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করেন।
→ তিনি দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
→ তিনি দেশের সংবিধান বাতিল করেন।
→ কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন পরিষদ ভেঙে দেন।
→ মন্ত্রিসভা বাতিল করেন।
→ রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
→ প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিয়োগ করা হয় সেনাপ্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে।
→ ‍তিনি মেজর জেনারেল ওমরাও খানকে পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত করেন।
→ এর কিছুদিনের মধ্যে ২৭শে অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে অপসারণ করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১০,৩৫৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বিচারপতিদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা নিয়ে বলা হয়েছে?
  1. ক) ৯১(১)
  2. খ) ৯৬(১)
  3. গ) ৯৬(৪)
  4. ঘ) ৯৮(২)
সঠিক উত্তর:
খ) ৯৬(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯৬(১)
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে সংবিধানের ৯৬(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসরগ্রহণের সময়সীমা ৬৭ বছর।
- ১৯৭২ সালের সংবিধানে এই সীমা ছিলো ৬২ বছর।
- ১৯৮৬ সালে সপ্তম সংশোধনীর দ্বারা ৬৫ বছর এবং ২০০৪ সালে ১৪তম সংশোধনী দ্বারা ৬৭ বছর করা হয়।

সোর্সঃ বাংলাদেশের সংবিধান এবং প্রথম আলো।

১০,৩৫৯.
জাতীয় সংসদ ভবনটি কার সৃষ্টিশীল ও কাব্যিক প্রকাশের নিদর্শন?
  1. হ্যারি এম পামবাম
  2. লুই আই কান
  3. হামিদুর রহমান
  4. এফ আর খান
সঠিক উত্তর:
লুই আই কান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুই আই কান
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ ভবন: 
- রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত এই জাতীয় সংসদ ভবন ।
- জাতীয় সংসদ ভবনটি আমেরিকার স্থাপতি লুই আই কান-এর সৃষ্টিশীল ও কাব্যিক প্রকাশের নিদর্শন।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯৬৪ সালে সংসদ ভবনের নকশা সম্পন্ন হয় এবং এর পরপরই  নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নির্মাণাধীন প্রধান অবকাঠামোটির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। 
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ভবনের মূল নকশায় কোনো রকম পরিবর্তন না এনে নির্মাণ সম্পন্ন করার কৃতিত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- এর মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত।
- এ ভবন কমপ্লেক্সটির সর্বমোট নির্মাণ ব্যয় ১২৮ কোটি টাকা।
- ১৯৮২ সালের প্রথম দিকে ভবনটির কাজ সম্পন্ন হয় 
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট জাস্টিস আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন। 
- ১৯৮২ সালের ১৫ ফের্রুয়ারি এ ভবনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০,৩৬০.
”তারিখ-ই-মুহাম্মদিয়া” কার নেতৃত্বে পরিচালিত হয়েছিলো?
  1. হাজী শরীয়ত উল্লাহ
  2. আহমেদ সৈয়দ খান
  3. মাওলানা আকরাম খাঁ
  4. মীর নিসার আলী
সঠিক উত্তর:
মীর নিসার আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর নিসার আলী
ব্যাখ্যা

• তিতুমীর:
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- উনিশ শতকে ভারতবর্ষে মুসলমান সমাজে এক ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল।
- বাংলায় তার দুইটি ধারা প্রবহমান ছিল।
- যার একটি ওয়াহাবি বা মুহাম্মদিয়া আন্দোলন, অপরটি ফরায়েজি আন্দোলন নামে খ্যাত।
- উভয় আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় কুসংস্কার দূর করে মুসলিম সমাজ সংস্কার করা।
- বাংলার ওয়াহাবিরা তিতুমিরের নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল।
- তিতুমিরের নেতৃত্বে পরিচালিত তারিখ-ই-মুহাম্মদিয়া বা ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বোর্ড বই, নবম ও দশম শ্রেণি।

১০,৩৬১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুযায়ী নারী ও পুরুষের অনুপাত কত?
  1. ৯৮:১০০
  2. ৯৫.৭:১০০
  3. ৯৬.৩:১০০
  4. ৯৮.৪:১০০
সঠিক উত্তর:
৯৬.৩:১০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬.৩:১০০
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা- ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১০,৩৬২.
বঙ্গবন্ধু কত সালে ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন?
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬৬ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।

একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।

৭ জুন ছয়দফা দিবস পালিত হয়।
ছয়দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১০,৩৬৩.
দেশের সর্ববৃহৎ পানি শোধনাগারের নাম কী?
  1. ক) সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার
  2. খ) কর্ণফুলী পানি শোধনাগার
  3. গ) পোস্তগোলা পানি শোধনাগার
  4. ঘ) পদ্মা-জশলদিয়া পানি শোধনাগার
সঠিক উত্তর:
ঘ) পদ্মা-জশলদিয়া পানি শোধনাগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পদ্মা-জশলদিয়া পানি শোধনাগার
ব্যাখ্যা
⇨ দেশের সর্ববৃহৎ এই পানি শোধনাগারের নাম - "পদ্মা-জশলদিয়া পানি শোধনাগার"
⇨ মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় অবস্থিত।
⇨ পদ্মা নদীর পানিকে এ শোধনাগারে ব্যবহার করা হচ্ছে। দৈনিক প্রায় ৪৫ কোটি লিটার পানি শোধিত হয় এই শোধনাগার দিয়ে।
⇨ চীনা সরকারের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা এটি বাস্তবায়িত হয়।
⇨ ২০১৫ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ২০১৯ সালে সমাপ্ত হয়।  

তথ্যসূত্র:- দৈনিক প্রথম আলো। 
১০,৩৬৪.
ছোট সোনা মসজিদ কে নির্মাণ করেন?
  1. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. মীর জুমলা
  3. শায়েস্তা খান
  4. শাহ সুজা
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ:
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
- তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত।
- তিনি বাংলার আকবর হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব “বৈষ্ণব ধর্ম” প্রচার করেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ছোট সোনা মসজিদ ‘সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন’ বলে আখ্যায়িত।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন।

⇒ তার শাসনামলে বাংলার সালতানাতের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটে।
- হুসেন শাহ কামরূপ ও কামতা জয় করেন।
- ঊড়িষ্যা এবং ত্রিপুরার কিছু অংশ তার শাসনাধীন আসে।
- এছাড়া তিনি আরাকানীদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে 'নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।

⇒ তিনি হিন্দু-মুসলমান সম্প্রতি স্থাপনের জন্য প্রচেষ্টা চালান, যা তৎকালীন সমাজজীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
- হুসেন শাহ সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তার শাসনামলে বাংলা সাহিত্যের ব্যাপক উন্নতি ঘটে।
- তার সময়ের বিখ্যাত কবিদের মধ্যে ছিলেন রূপ গোস্বামী, মালাধর বসু, বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, এবং পরাগল খান।

অন্যদিকে,
- লালবাগ কেল্লা নির্মাণ করেন শায়েস্তা খান।
- ঢাকায় ‘বড় কাটরা’ নির্মাণ করেন শাহ সুজা।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০,৩৬৫.
Which district is most suitable for cotton cultivation?
  1. ক) Jessore
  2. খ) Rangpur
  3. গ) Rajshahi
  4. ঘ) Faridpur
সঠিক উত্তর:
ক) Jessore
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Jessore
ব্যাখ্যা
তুলা চাষ:

- তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী যশোর।
- যশোর,রংপুর,ঢাকা ও চট্টগ্রাম এই ৪টি অঞ্চলে বর্তমানে তুলা চাষ হচ্ছে।
- যশোর ও রংপুর অঞ্চলের অধীনস্থ যশোর,ঝিনাইদহ,কুষ্টিয়া,চুয়াডাঙ্গা,রংপুর ও রাজশাহী এলাকায় সবচেয়ে বেশি তুলা চাষ হয়।

তথ্যসূত্র - তুলা উন্নয়ন বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০,৩৬৬.
রাজা রামমোহন রায় কী উদ্দেশ্যে 'আত্মীয় সভা' গঠন করেন?
  1. সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কার বৃদ্ধির জন্য
  2. ব্রাহ্মণসেবধি পারস্পারিক সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য
  3. নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের জন্য
  4. জনগণকে নিজের মত চাপিয়ে দেওয়ার জন্য
সঠিক উত্তর:
নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের জন্য
ব্যাখ্যা
•রাজা রামমোহন রায়:
- রাজা রামমোহন রায় ছিলেন সমাজ, শিক্ষা ও ধর্ম সংস্কারক।
- তিনি আধুনিক ভারতের রূপকার রাজা রামমোহন রায়।
- হিন্দুধর্মের সংস্কার তথা নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে ‘আত্মীয় সভা’ নামে একটি সমিতি গঠন করেন।
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্যস প্রথা, মূর্তিপূজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে ২০ আগস্ট তিনি ব্রাহ্মসমাজের উপাসনালয় স্থাপন করেন।
- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে প্রস্তাবিত সরকারি সংস্কৃত কলেজের প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেন।
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৩৬৭.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ কতদিন বিরতি থাকে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।

জাতীয় সংসদ:

- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০ টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি।
- সংবিধানে বর্ণিত কয়েকটি পরিস্থিতিতে যেমন রাষ্ট্রপতির অভিশংসন এর ক্ষেত্রে স্পিকার সংসদ আহ্বান করতে পারেন।
- প্রতিবছর সংসদের অন্যূন দুটি অধিবেশন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৩৬৮.
বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা কত?
  1. ৩,৫০,০০০ টাকা
  2. ৪,০০,০০০ টাকা
  3. ৪,৭৫,০০০ টাকা
  4. ৫,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩,৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪,০০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫,০০,০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।

উল্লেখ্য:
- ২০২৬-২৭ অর্থবছর ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর এ সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা হবে ৩৭৫০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

১০,৩৬৯.
জাতীয় সংসদের মন্ত্রীদের উত্থাপিত বিলকে কী বলে?
  1. রাজস্ব বিল
  2. বেসরকারি বিল
  3. সরকারি বিল
  4. উন্নয়ন বিল
সঠিক উত্তর:
সরকারি বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি বিল
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বিল বলে।
• বিল দুই প্রকার:
- যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০,৩৭০.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম নারী হুইপ কে?
  1. সাগুফতা ইয়াসমিন
  2. খালেদা খানম
  3. শিরিন শারমিন চৌধুরী
  4. মাহবুব আরা বেগম
সঠিক উত্তর:
খালেদা খানম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালেদা খানম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নারী হুইপ খালেদা খানম।
তিনি ১৯৯৬ সালে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে নির্বাচিত সদস্য। জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় নারী হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি।
২০০৯ সালে সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে প্রথম নারী হুইপ। আর জাতীয় সংসদের তৃতীয় নারী হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি। তিনি ২০১৯ সালে সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় নারী হুইপ।
উৎসঃ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
১০,৩৭১.
গাড়ি চলে না চলে না, চলে না রে.... গানটির গীতিকার কে?
  1. বাপ্পা মজুমদার
  2. সঞ্জীব চৌধুরী
  3. হাছন রাজা
  4. শাহ আবদুল করিম
সঠিক উত্তর:
শাহ আবদুল করিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ আবদুল করিম
ব্যাখ্যা
গানটির -
ধরন: ব্যান্ড।
গীতিকার: শাহ আবদুল করিম।
সুরকার: অজ্ঞাত।
গেয়েছেন: সঞ্জীব চৌধুরী।
অ্যালবাম: হৃদয়পুর।

তথ্যসূত্র: lyrics.khichuri.net
১০,৩৭২.
কোন জেলায় শালবনের বিস্তৃতি রয়েছে?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইল (মধুপুর), গাজীপুর (ভাওয়াল), ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলা জুড়ে শালবন বিস্তৃত। এছাড়া উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সামান্য পরিমাণে শালবন রয়েছে।
এই বনের মোট আয়তন প্রায় ১.২০ লক্ষ হেক্টর। এই বনের প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারী। এটি একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১০,৩৭৩.
নির্বাচন ব্যবস্থায় 'PR'-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Public Representation
  2. Proportional Representation
  3. Parliamentary Regulation
  4. Public Referendum
সঠিক উত্তর:
Proportional Representation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Proportional Representation
ব্যাখ্যা

পিআর নির্বাচন পদ্ধতি (PR):
- নির্বাচন ব্যবস্থায় 'PR'-এর পূর্ণরূপ: Proportional Representation.
- আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর হচ্ছে নির্বাচনি ব্যবস্থার এমন একটি পদ্ধতি যেখানে আসন বণ্টন হয় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে।
- এ পদ্ধতিতে একটি নির্বাচনে দেওয়া প্রত্যেকটি ভোট কাজে লাগে এবং প্রতিটি ভোট সংসদে সমানভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। তাছাড়া একটি নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ও হারের ভিত্তিতে সংসদে আসন বণ্টন হয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো দল যদি ১০% ভোট পায়, তাহলে সংসদে তাদের আসনও হবে প্রায় ১০% হারে।
- আনুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতিতে ভোটের আগে প্রতিটি দল ক্রম ভিত্তিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল তার প্রাপ্ত ভোটের হার অনুসারে আসন সংখ্যা পাবে।

⇒ পিআর পদ্ধতির ধরন:
১. মুক্ত তালিকা পদ্ধতি: দলগুলো ভোটের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের মধ্যে থেকে আসন পায়।
২. বদ্ধ তালিকা পদ্ধতি: দল ঠিক করে দেয় কে হবেন সংসদ সদস্য।
৩. মিশ্র পদ্ধতি: কিছু আসনে প্রতীকভিত্তিক, কিছু আসনে পিআর ভিত্তিতে নির্বাচন হয়।

⇒ বাংলাদেশসহ অনেক দেশে বর্তমানে প্রচলিত ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ (FPTP) পদ্ধতিতে যে দল বেশি আসনে জয় পায়, তারা সরকার গঠন করে, ভোটের মোট শতাংশ নয়।
- বর্তমান বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচন ব্যবস্থায় ৩০০টি আসনে আলাদা আলাদা প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে রাজনৈতিক দলগুলো।

উৎস: BBC.

১০,৩৭৪.
দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) পিরোজপুর
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা
ব্যাখ্যা
- খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র।
- বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
- তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।
(তথ্যসূত্র: খুলনা ও ময়মনসিংহ জেলা ওয়েবসাইট এবং বিডিনিউজ)
১০,৩৭৫.
১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে মুসলিম লীগ কতটি আসন লাভ করে?
  1. ক) ৯টি
  2. খ) ১৭টি
  3. গ) ২৭টি
  4. ঘ) ৩৬টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯টি
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ পূর্ব বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি। এর মধ্যে মুসলিম আসন ছিলো ২৩৭টি। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন লাভ করে। অন্যদিকে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে। এ নির্বাচনে তৎকালীন মুসলিম লীগ মুখ্যমন্ত্রী নুরুল আমিন সহ মুসলিম লীগের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা পরাজিত হন।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : প্রথমপত্র – উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১০,৩৭৬.
বাংলাদেশ সরকার গৃহীত প্রথম দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্রের মেয়াদ ছিল কোনটি?
  1. ক) ২০০৩-২০০৬
  2. খ) ২০০৪-২০০৭
  3. গ) ২০১০-২০১৩
  4. ঘ) ২০০৫-২০০৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৫-২০০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৫-২০০৮
ব্যাখ্যা
• 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র)।
• আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহীত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP।
• বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
• এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
• উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র:- IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১০,৩৭৭.
কোন সম্রাট ইংরেজদের প্রথম বাংলায় কুঠি নির্মাণের অনুমতি প্রদান করে?
  1. সম্রাট হুমায়ুন
  2. সম্রাট শাহজাহান
  3. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
সম্রাট শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট শাহজাহান
ব্যাখ্যা

- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে সনদপত্র নিয়ে একদল ইংরেজ বণিক কর্তৃক ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে তথা ভারতবর্ষে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৬৩৩ সালে সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে বাংলায় প্রথম হরিহরপুরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে। এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ,নবম-দশম শ্রেনি এবং বাংলাপিডিয়া।
১০,৩৭৮.
১৯১৬ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন -
  1. ক) লর্ড কার্জন
  2. খ) লর্ড মিন্টো
  3. গ) লর্ড চেমসফোর্ড
  4. ঘ) লর্ড হার্ডিঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড চেমসফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড চেমসফোর্ড
ব্যাখ্যা
চেমসফোর্ড, লর্ড (১৮৬৮-১৯৩৩) 
১৯১৬ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল। পুরো নাম ফ্রেডারিক জন থেসিয়ার (Frederic John Thesiger)। 
-  ১৯০৫ সালে তিনি ব্যারন হন, ১৯০৫ থেকে ১৯০৯ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড এবং ১৯০৯ থেকে ১৯১৩ সাল পর্যন্ত নিউ সাউথ ওয়েলসের গভর্নর হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। 
- ১৯১৬ সালে তিনি ভারতের ভাইসরয় হিসেবে লর্ড হার্ডিঞ্জ-এর স্থলাভিষিক্ত হন। মেসোপটেমিয়ায় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর পরাজয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধ যত এগোতে থাকে ভারতীয়দের তত পরিমাণ অসন্তোষ বৃদ্ধিকে অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হিসেবে সাথে নিয়ে ভারতে তাঁর শাসনকাল শুরু হয়। 
- ব্রিটিশদের যুদ্ধ প্রচেষ্টায় ভারতীয়দের আনুগত্যের ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভারতীয় বিষয়াদি দেখাশোনার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্রিটিশ রাজ্য সচিব এডউইন মন্টেগু হাউস অব কমন্সে ঘোষণা করেছিলেন যে, ভারতে ব্রিটিশ সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ‘ভারতে ক্রমান্বয়ে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সফলকাম হওয়া।
- ১৯১৮ সালে ভারত সচিব এডউইন মন্টেগু ও ভাইসরয় লর্ড চেমসফোর্ডের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয় যা মন্টেগু-চেমসফোর্ড রিপোর্ট নামে পরিচিত। 
- এই রিপোর্টে অভিমত ব্যক্ত করা হয় যে, প্রাদেশিক আইনসভায় পরোক্ষ নির্বাচনের পরিবর্তে যতদূর সম্ভব সম্প্রসারিত ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা উচিত। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
১০,৩৭৯.
বাংলাদেশের বীরত্বসূচক উপাধিগুলোর মধ্যে কোনটির স্থান মর্যাদার দিক থেকে দ্বিতীয়?
  1. ক) বীর উত্তম
  2. খ) বীর প্রতীক
  3. গ) বীর বিক্রম
  4. ঘ) বীরশ্রেষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
ক) বীর উত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বীর উত্তম
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম এবং বীরপ্রতীক।
এর মধ্যে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব হলো বীরশ্রেষ্ঠ। সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধি পান ৭ জন, দ্বিতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরউত্তম’ পান ৬৮ জন, তৃতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরবিক্রম’ পান ১৭৫ জন এবং চতুর্থ বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরপ্রতীক’ পান ৪২৬ জন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১০,৩৮০.
'লুকাস' ড্রোন কোন দেশের তৈরি? 
  1. ইসরায়েল
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইরান 
  4. ইউক্রেন 
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

- লুকাস ড্রোন যুক্তরাষ্ট্র দেশের তৈরি। 
- যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল জোটের সঙ্গে ইরানের সংঘাত আধুনিক যুদ্ধের নতুন একটি দিক লুকাস ড্রোন।
- যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, একটি লুকাস তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩৫ হাজার ডলার খরচ হয়।
- মার্কিন সমরাস্ত্রের ভান্ডারে নতুন সংযোজন এই লুকাস।
- ফোর্বস সাময়িকীর প্রতিবেদন অনুযায়ী, লুকাস সরাসরি ইরানের ড্রোনের নকশার অনুকরণ করে বানানো হয়েছে।
- লুকাস দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র হামলা শুরু করেছে সম্প্রতি। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ। [লিঙ্ক]

১০,৩৮১.
সম্প্রতি লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার জন্য কোন বিদেশি প্রতিষ্ঠান নিয়োজিত হয়েছে?  [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. APM Terminals
  2. DP World
  3. PSA International
  4. Hutchison Port Holdings
সঠিক উত্তর:
APM Terminals
উত্তর
সঠিক উত্তর:
APM Terminals
ব্যাখ্যা

• লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মানে ৩৩ বছরের চুক্তি: 
- চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ এবং ৩০ বছরের জন্য এটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে ডেনমার্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস। 
- এ প্রতিষ্ঠানটি এপি মোলার মার্সক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
 - সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় এ টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ৫৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে কোম্পানিটি।
- মূল কনসেশন চুক্তিটি ৩৩ বছরের। এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার।
 - শর্ত পূরণ হলে আরও ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।

তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও প্রথম আলো।

১০,৩৮২.
'স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স (SVRS) ২০২২' অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?
  1. ক) ১,১১৬ জন
  2. খ) ১,১৬১ জন
  3. গ) ১,১৬২ জন
  4. ঘ) ১,১৬৩ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১,১৬৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১,১৬৩ জন
ব্যাখ্যা
SVRS রিপোর্ট ২০২২:
- বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস (SVRS) ২০২২' অনুযায়ী প্রতি বর্গ কি.মি.তে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১৬৩ জন।



অন্যদিকে -
- বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমিতে) ১,১১৬ জন।

উৎস: SVRS রিপোর্ট ২০২২।
১০,৩৮৩.
কৃষিকাজের সুবিধার্থে বাংলা সনের প্রবর্তন হয় কবে?
  1. ক) ১৫৪৮ খ্রিস্টাব্দ
  2. খ) ১৫৬৪ খ্রিস্টাব্দ
  3. গ) ১৫৪৯ খ্রিস্টাব্দ
  4. ঘ) ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
- এটি প্রবর্তন করেন সম্রাট আকবর।
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

১০,৩৮৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৪(১) নং
  2. ৪(২) নং
  3. ৪(৩) নং
  4. ৪(৫) নং
সঠিক উত্তর:
৪(৩) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪(৩) নং
ব্যাখ্যা

• জাতীয় প্রতীক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে
- ডিজাইনার- কামরুল হাসান।
- ব্যবহারের অধিকার রয়েছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।
- এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।

১০,৩৮৫.
কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৮৮ কি.মি.
  2. খ) ৯২ কি. মি.
  3. গ) ১০৫ কি. মি.
  4. ঘ) ১২৮ কি. মি.
  5. ঙ) ১৪৪ কি. মি.
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২৮ কি. মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২৮ কি. মি.
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প শুরু হয় ২০১১ সালে। চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু-কক্সবাজার-ধুমধুমিয়া পর্যন্ত মোট দৈর্ঘ্য ১২৮ কিলোমিটার। এই পথে মোট ৯ টি রেলস্টেশন হবে। (সূত্রঃ রেলপথ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো)
১০,৩৮৬.
Bangladesh's only small-ethnic freedom fighters who received the title of which community?
  1. ক) Chakma
  2. খ) Hajong
  3. গ) Marma
  4. ঘ) Manipuri
সঠিক উত্তর:
গ) Marma
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Marma
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মুক্তিযোদ্ধা:

- ইউকে চিং (উক্য চিং মারমা) মুক্তিযুদ্ধে বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মুক্তিযোদ্ধা।
- তিনি মারমা সম্প্রদায়ের লোক।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ইপিআর-এর সদস্য হিসেবে ৬ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,৩৮৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, মোট দেশজ উৎপাদনে অর্থনীতির খাতসমূহের কোন অংশের অবদান সর্বাধিক?
  1. কৃষি ও বনজ
  2. শিল্প ও বাণিজ্য
  3. মৎস্য সম্পদ
  4. সেবা
সঠিক উত্তর:
সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপিতে) অর্থনীতির খাতসমূহের সেবা খাতের অবদান সর্বাধিক।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে,
⇒ বিভিন্ন খাতে মোট শ্রমশক্তির হার:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%, 
- শিল্প: ১৭.৩৭%, 
- সেবা: ৩৭.৯৬%।

⇒ জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
- কৃষি: ১০.৯৪%।
- শিল্প: ৩৭.৪৪%।
- সেবা: ৫১.৬২%।

⇒ খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার (স্থির মূল্যে):
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১০,৩৮৮.
রূপকল্প ২০২১ অনুযায়ী, ২০২১ সালে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান হবে-
  1. ক) ৩৫ শতাংশ
  2. খ) ৪৫ শতাংশ
  3. গ) ৩০ শতাংশ
  4. ঘ) ৪০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০২১ অনুযায়ী ২০২১ সালে একটি শক্তিশালী শিল্পখাত গড়ে উঠবে যেখানে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান হবে ৪০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে অবদান হবে ২৫ শতাংশ। সূত্র- অর্থনীতি নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৩৮৯.
বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় অর্থনীতিকে কয়টি খাতে ভাগ করা হয়?
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১৫
  4. ১৯
সঠিক উত্তর:
১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৬৯.৮৩ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩%।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৬৫ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৫৭ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৪,৯৬৬ মিলিয়ন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৬,৭৯৪ মিলিয়ন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.০৩%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.২৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +) ৭৬.৪%।
- দারিদ্র্যের হার ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
• কৃষি: ১১.২০%।
• শিল্প: ৩৭.৫৬%।
• সেবা: ৫১.২৪%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১০,৩৯০.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
  1. বিচারক-নিয়োগ
  2. সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ
  3. অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিচারক-নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক-নিয়োগ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯০ - নির্দিষ্টকরণ আইন।
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৩৯১.
সম্প্রতি 'আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার' লাভ করে - [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. এফ আর খান
  2. রফিক আজম
  3. আসিফ মোহাম্মদ আহসানুল হক
  4. মেরিনা তাবাশ্যুম
সঠিক উত্তর:
মেরিনা তাবাশ্যুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরিনা তাবাশ্যুম
ব্যাখ্যা

আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার:
- ২০২৫ সালে আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার লাভ করে মেরিনা তাবাশ্যুম।
- মেরিনা তাবাশ্যুম ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’–এর প্রধান পরামর্শক।

⇒ বাংলাদেশের খ্যাতিমান স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম দ্বিতীয় দফায় স্থাপত্যের সম্মানজনক স্বীকৃতি আগা খান পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- তাঁর নকশা করা ‘খুদি বাড়ি’ প্রকল্প আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫–এর জন্য মনোনীত হয়েছে।
- সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে এই পুরস্কারের জন্য মেরিনা তাবাশ্যুমসহ সাত বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপারসন মেরিনা তাবাশ্যুম প্রথম বাংলাদেশি স্থপতি, যিনি দ্বিতীয়বার এ পুরস্কার জিতেছেন। 
- মেরিনা তাবাশ্যুম এর আগে ২০১৬ সালে ঢাকার দক্ষিণখানে বাইতুর-রউফ মসজিদের নকশার জন্য আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার জিতেছিলেন। সুলতানি আমলের স্থাপত্যের আদলে নকশা করা এ মসজিদ ২০১২ সালে নির্মিত হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রয়াত প্রিন্স করিম আগা খান চতুর্থ ১৯৭৭ সালে আগা খান পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এ পুরস্কারের মাধ্যমে এমন নির্মাণশৈলী চিহ্নিত করে উৎসাহ দেওয়া হয়, যাতে মুসলিম অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে। 

উৎস: প্রথম আলো।

১০,৩৯২.
অধিদপ্তর এর প্রধান কে?
  1. সচিব
  2. মহাপরিচালক
  3. পরিচালক
  4. চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা
অধিদপ্তর:
- মন্ত্রণালয়ের অধীন এক বা একাধিক ইউনিটকে অধিদপ্তর বলে।
- যার প্রধান মহাপরিচালক বা Director General. 
- যিনি অতিরিক্ত সচিব পদ মর্যাদা সম্পন্ন। 

পরিদপ্তর:
- অধিদপ্তরের অধিনস্ত এক বা একাধিক প্রশাসনিক ইউনিটকে পরিদপ্তর বলে।
- যার প্রধান হলেন পরিচালক।
- যিনি যুগ্ম সচিব বা উপ-সচিব পদ মর্যাদা সম্পন্ন। 

কর্পোরেশন:
- যে অফিসের প্রধানের পরবর্তী চেয়ারম্যান অর্থাৎ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি সেই অফিসকে বলা হয় কর্পোরেশন।
- কর্পোরেশনগুলো সাধারণত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,৩৯৩.
'September on Jessore Road' কবিতাটির রচয়িতা-
  1. জর্জ হ্যারিসন 
  2. মাইকেল জ্যাকসন
  3. অ্যালেন গিন্সবার্গ
  4. বব ডিলান
সঠিক উত্তর:
অ্যালেন গিন্সবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালেন গিন্সবার্গ
ব্যাখ্যা

• 'September on Jessore Road' কবিতাটির রচয়িতা- অ্যালেন গিন্সবার্গ।

• September on Jessore Road:
- এটি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা ১৫২ লাইনের একটি long poem.
- এই patriotic poem টি রচনা করেন American poet ও activist Allen Ginsberg.
- কবিতাটিতে ১৫২টি লাইন থাকলেও এটি সেই সময়ের ২৬৬ দিনের যুদ্ধ ও হৃদয়বিদারক বেদনা তুলে ধরে।
- এই কবিতাটির শুরু এবং শেষ একই সুরে বেজে ওঠে, যা যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট একটি ভয়াবহ মানবিক সংকটের প্রতিধ্বনি করে।
- কবি নিজেই এখানে বর্ণনাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখেন, যিনি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের মাঝে সরেজমিনে পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করছেন।

• Allen Ginsberg (1926-1997):
- ছিলেন একজন মার্কিন কবি এবং বিট প্রজন্মের (Beat Generation) অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব।
- অ্যালেন গিন্সবার্গ আমেরিকার সাহিত্যে Beat Movement-এর অন্যতম কণ্ঠস্বর।
- তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা হলো “Howl” (1956), যেখানে তিনি আধুনিক সমাজের ভণ্ডামি, যুদ্ধ, ভোগবাদ, মানসিক অস্থিরতা ও যৌন স্বাধীনতা নিয়ে প্রতিবাদ করেন।
- তিনি কবিতার মাধ্যমে স্বাধীনতা, প্রতিবাদ এবং মুক্তচিন্তার প্রতীক হয়ে ওঠেন।

• Notable works:
- Howl (Epic poem),
- The Letters of Allen Ginsberg,
- Planet News,
- Reality Sandwiches,
- Wait Till I’m Dead: Uncollected Poems,
- The Fall of America: Poems of These States, 1965-1971, etc.

Source: Britannica.

১০,৩৯৪.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল-
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. গ) চীন
  4. ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।
উৎসঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,৩৯৫.
”বাংলাদেশ চা বোর্ড” কোন মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত?
  1. পরিকল্পনা
  2. শিল্প
  3. বাণিজ্য
  4. কৃষি
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ চা বোর্ড বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত।  

চা বোর্ড এর ইতিহাস: 

- বাংলাদেশ চা বোর্ড একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- পাকিস্তান টি অ্যাক্ট-১৯৫০ এর অধীনে ১৯৫১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান টি বোর্ড গঠন করা হয়।
- ১৯৫৯ সালের ০৮ আগস্ট পাকিস্তান টি অ্যাক্ট-১৯৫০ বাতিল করে টি বোর্ড পরিচালনার লক্ষ্যে চা অধ্যাদেশ ১৯৫৯ জারী করা হয়।
- ১৯৭৭ সালে চা অধ্যাদেশ-১৯৫৯ বাতিল করে চা অধ্যাদেশ -১৯৭৭ জারী করা হয় এবং এ অধ্যাদেশের অধীনে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ০১ আগস্ট ২০১৬ তারিখে এক গেজেটের মাধ্যমে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ রহিত করে সরকার চা আইন,২০১৬ জারী করেন।
- চা আইন, ২০১৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ চা বোর্ড পরিচালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের আওতাধীন দুটি প্রতিষ্ঠান হলো:
১। বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) এবং
২। প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিট (PDU)

এছাড়াও, 
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ১০টি দপ্তর/সংস্থা রয়েছে। [ডিসেম্বর- ২০২৫]
- এ দপ্তর/সংস্থা সমূহের প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রশাসন অনুবিভাগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এ ছাড়াও বিসিএস (ট্রেড) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সকল কার্যাদি এ অনুবিভাগের মাধ্যমে হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ নিম্নরূপ:
১) বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন, 
২) বাংলাদেশ ট্রেড এণ্ড ট্যারিফ কমিশন, 
৩) যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্ম সমূহের পরিদপ্তর, 
৪) বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট, 
৫) বাংলাদেশ চা বোর্ড, 
৬) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, 
৭) আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস, 
৮) রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো, 
৯) ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
১০) বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল। 

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 

১০,৩৯৬.
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ৬ নং
  2. ৭ নং
  3. ৮ নং
  4. ৯ নং
সঠিক উত্তর:
৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ নং
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- তিনি বরিশাল জেলায় ১৯৪৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি বিজয়ের মাত্র ২ দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ হন।
- বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর যুদ্ধ করেন ৭ নং সেক্টরে।
- তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বশেষ শহীদ হন।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গনে তার সমাধি রয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০,৩৯৭.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে ‘বীরোত্তম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ৬০ জন
  2. খ) ৬৮ জন
  3. গ) ৭২ জন
  4. ঘ) ৭৮ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৮ জন
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৬৮ জনকে ‘বীরোত্তম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়। 

• বীরত্বসূচক খেতাব  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন। 

- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
- বীর উত্তম - ৬৮ জন
- বীর বিক্রম- ১৭৫ জন
- বীর প্রতীক- ৪২৬ জন

• ১৯৯২ সালের ১৫ ডিসেম্বর জাতীয়ভাবে বীরত্বসূচক খেতাব প্রাপ্তদের পদক ও রিবন প্রদান করা হয়।
- ২০০১ সালের ৭ মার্চ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক পুরস্কার এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০,৩৯৮.
টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে কোন দেশ থেকে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ভারত
  3. গ) চীন
  4. ঘ) জার্মান
সঠিক উত্তর:
গ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চীন
ব্যাখ্যা
আমদানিকৃত দেশ:

- টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে। 
- উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে চীন বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে।
- পণ্যের হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে ভারত থেকে।
- বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক ঘাটতি সবচেয়ে বেশি চীনের এবং দ্বিতীয় ভারত।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে। তাই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- বাংলাদেশের জন্য সর্ববৃহৎ দ্বিপাক্ষিক দাতা জাপান।
- জাপান থেকে বাংলাদেশ দেশ হিসেবে বেশি সাহায্য পায়।

তথ্যসূত্র - রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
১০,৩৯৯.
চাকমারা প্রধানত কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. খ্রীষ্টান
  2. হিন্দু
  3. মানব পূজারি
  4. বৌদ্ধ
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- চাকমারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী
- তাদের অধিকাংশ গ্রামে ‘কিয়াং’ বা বৌদ্ধ মন্দির রয়েছে।
- চাকমারা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বাস করে। শিক্ষা-দীক্ষায়ও এরা সবচেয়ে অগ্রসর জনগোষ্ঠী।
- চাকমাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বৈশাখী পূর্ণিমা। গৌতম বুদ্ধের জন্ম, মৃত্যু ও বুদ্ধত্ব প্রাপ্তির দিন এটি।
- তাছাড়া ‘মাঘী পূর্ণিমার' রাতে কিয়াং বা প্যাগোডার প্রাঙ্গণে গৌতম বুদ্ধের সম্মানে ফানুস উড়ায়।
- চাকমা সমাজে মৃতদেহ দাহ করা অর্থাৎ পোড়ানো হয়।

উৎস:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
১০,৪০০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'বিচারকদের পদের মেয়াদ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৬
  2. অনুচ্ছেদ ৯৭
  3. অনুচ্ছেদ ৯৮
  4. অনুচ্ছেদ ৯৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৬
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯০ - নির্দিষ্টকরণ আইন।
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।