বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০৩ / ৩০৬ · ১০,২০১১০,৩০০ / ৩০,৮৩২

১০,২০১.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের কোন নারী ক্রিকেটার 'আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ' স্বীকৃতি পেয়েছেন? (মার্চ-২০২৬)
  1. ফারজানা হক
  2. খাদিজা তুল কুবরা
  3. সোবহানা মোস্তারি
  4. জাহানারা আলম
সঠিক উত্তর:
সোবহানা মোস্তারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোবহানা মোস্তারি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় নারী ক্রিকেটার হিসেবে 'আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ' স্বীকৃতি পেয়েছেন সোবহানা মোস্তারি।
- আইসিসির ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের সেরা নারী ক্রিকেটার হয়েছেন তিনি।
- টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
- এই টুর্নামেন্টের পারফরম্যান্সের জন্য মাসসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন সোবহানা।

উল্লেখ্য
- ২০২৩ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে এই স্বীকৃতি পেয়েছিলেন নাহিদা আক্তার।

উৎস: প্রথম আলো।

১০,২০২.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের পরিমাণ -
  1. ক) ৫১.১৫ বিলিয়ন ডলার
  2. খ) ৫২.০৫ বিলিয়ন ডলার
  3. গ) ৫৩.৪৫ বিলিয়ন ডলার
  4. ঘ) ৫৫.৫৫ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৫.৫৫ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৫.৫৫ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২–২৩ অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছে ৫৫.৫৫ বিলিয়ন ডলার।
- এই রপ্তানি তার আগের অর্থবছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি।
- গত ২০২১-২২ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
- ২০২১-২২ অর্থবছরের রপ্তানি আয় ছিল ৫২.০৮ বিলিয়ন ডলার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুনে রপ্তানি আয় ২.৫১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫.০৩ বিলিয়ন ডলারে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে,
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি, রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ৩৭,০৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩৭ বিলিয়ন ডলার (প্রায়)।

উৎস: জুলাই ৩, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১০,২০৩.
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত কোনটি?
  1. ক) শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  2. খ) জনপ্রশাসন
  3. গ) স্বাস্থ্য
  4. ঘ) কৃষি
সঠিক উত্তর:
খ) জনপ্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জনপ্রশাসন
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত হলো জনপ্রশাসন খাত। এই খাতে বরাদ্দের পরিমাণ মোট বাজেটের শতকরা ১৯.৯ শতাংশ। শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ ১৫.১ শতাংশ। স্বাস্থ্যখাতে ৫.১ শতাংশ। কৃষিখাতে ৫.৩ শতাংশ।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার : জুলাই)
১০,২০৪.
খসড়া সংবিধান প্রণয়ণ কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য কে ছিলেন?
  1. ক) সুজিত চন্দ্র গুপ্ত
  2. খ) সুরন্জিত সেন গুপ্ত
  3. গ) সুকুমার সেন গুপ্ত
  4. ঘ) শেখর গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
খ) সুরন্জিত সেন গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুরন্জিত সেন গুপ্ত
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- এখানে ৩৪ জনের ভিতর ৩৩ জন ছিলেন আওয়ামী লীগের, আর ১ জন ছিলেন ন্যাপের (সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত)
- সংবিধান লেখার পর এর বাংলা ভাষারূপ পর্যালোচনার জন্য ড. আনিসুজ্জামানকে আহবায়ক, সৈয়দ আলী আহসান এবং মযহারুল ইসলামকে ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি কমিটি গঠন করে পর্যালোচনার ভার দেয়া হয়।
- গণপরিষদ ভবন, যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন, সেখানে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির বৈঠকে সহযোগিতা করেন ব্রিটিশ আইনসভার খসড়া আইন-প্রণেতা আই গাথরি।
- সংবিধান ছাপাতে ১৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছিলো। শিল্পী হাশেম খান অলংকরণের দায়িত্বে ছিলেন।
- ১৯৪৮ সালে তৈরী ক্র্যাবটি ব্রান্ডের দুটি অফসেট মেশিনে সংবিধানটি ছাপা হয়।
- মূল সংবিধানের কপিটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,২০৫.
'সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য' বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং ধারায় বলা হয়েছে? 
  1. ২১ (১) নং
  2. ২১ (২) নং
  3. ২২ নং
  4. ২৩ নং
সঠিক উত্তর:
২১ (২) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ (২) নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের -
- ২১ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 'নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২১ (১) নং: সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
- ২১ (২) নং: সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

উল্লেখ্য,
- ২২ নং অনুচ্ছেদ নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা আছে।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ জাতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১০,২০৬.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন-
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. এম. মনসুর আলী
  3. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
  4. তাজউদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা

• ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে।
• এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপঃ
- রাষ্ট্রপতিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান;
- উপরাষ্ট্রপতিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম;
- প্রধানমন্ত্রীঃ তাজউদ্দীন আহমদ;
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীঃ এম মনসুর আলী;
- স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীঃ এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান;
- পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ;
- প্রধান সেনাপতিঃ কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী;
- চিফ অব স্টাফঃ কর্নেল (অব.) আব্দুর রব;
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও বিমান বাহিনীর প্রধানঃ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১০,২০৭.
চীনের নতুন ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের নাম কী? [মার্চ - ২০২৫]
  1. জে-৩১
  2. জে-৩৬
  3. জে-৩৮
  4. জে-৩৯
সঠিক উত্তর:
জে-৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জে-৩৬
ব্যাখ্যা
জে-৩৬ যুদ্ধবিমান:
- চীনের নতুন ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান জে-৩৬.
- এটি স্টেলথ প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যা রাডারের চোখ ফাঁকি দিতে সক্ষম।
- বি-২১ রাইডার বোমারু বিমানের মতো এটি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- জে-৩৬ বিমানটি ৪৫ হাজার কেজি পর্যন্ত ভার বহন করতে সক্ষম।
- এটি আকাশ, মাটি এবং বিমানবাহী রণতরির শত্রু লক্ষ্যবস্তুকে আক্রমণ করতে সক্ষম।
- এর রাডার প্রযুক্তি অত্যাধুনিক, যা স্টেলথ যুদ্ধবিমানগুলোকেও শনাক্ত করতে পারে।
- এছাড়া, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনসহ এটি একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করবে, যা যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যাপক সুবিধা দেবে।
- চীনের বিমানবাহিনীর শক্তি বাড়াতে জে-৩৬ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং প্রতিরক্ষা খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

সূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
১০,২০৮.
বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটের শততম ম্যাচে কোন দেশকে পরাজিত করে?
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
- ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে ভারতের বিপক্ষে ওই ম্যাচে হাবিবুল বাশার সুমনের নেতৃত্বে ১০০তম ওয়ানডে ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ দল। 
- বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২২৯ রান সংগ্রহ করে সৌরভ গাঙ্গুলীর ভারতের বিপক্ষে ১৫ রানে জয় পায় স্বাগতিকরা।

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম জয়। 
- ১৯৯৮ সালে ভারতের হায়দ্রাবাদে কেনিয়ার বিপক্ষে পাওয়া বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয়ে অধিনায়ক ছিলেন আকরাম খান। - ৫০তম জয়টা এসেছে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বুলাওয়েতে।   

- ২০১৭ সালের ১৫ থেকে ১৯ মার্চ শ্রীলংকার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-শ্রীলংকার টেস্ট ক্রিকেট ম্যাচটি ছিল বাংলাদেশ দলের ১০০তম টেস্ট ম্যাচ। এই ম্যাচে বাংলাদেশ দল শ্রীলংকাকে চার উইকেটে পরাজিত করে। 
 
উৎস: প্রথম আলো, যুগান্তর ।
১০,২০৯.
কততম অনুচ্ছেদ দ্বারা সংবিধানের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে?
  1. ৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৯ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১১ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৭ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
- ৭ নং অনুচ্ছেদ দ্বারা সংবিধানের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

সংবিধানের প্রাধান্য:

৭৷ (১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 
 
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷

৭ক। সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ

৭খ। সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য

- সংবিধানের প্রাধান্য (Supremacy of the Constitution) বলতে বুঝায় সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- অর্থাৎ অন্য সকল আইন সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
- অন্যথায় আইনের সস্পূর্ণ অংশ বা যতটুকু অংশ অসমঞ্জস্যপূর্ণ ততটুকু অংশ বাতিল বলে বিবেচিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
১০,২১০.
What is the first incident of Bengali national liberation struggle?
  1. Education Movement
  2. Language Movement
  3. Six point Movement
  4. Lahore Proposal
সঠিক উত্তর:
Language Movement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Language Movement
ব্যাখ্যা
সংগ্রাম:
- বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

অন্যদিকে,
- শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
- ছয়দফা আন্দোলন আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬৬-৬৮ সালে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,২১১.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেড থেকে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় আসে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ঢাকা ইপিজেড
  2. কর্ণফুলী ইপিজেড
  3. কুমিল্লা ইপিজেড
  4. চট্টগ্রাম ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ইপিজেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ইপিজেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টি। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১০,২১২.
বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর নাম কি?
  1. ক) প্রেসিডেন্টস গার্ড ব্যাটালিয়ন
  2. খ) প্রেসিডেন্ট গার্ড ফোর্স
  3. গ) প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট
  4. ঘ) প্রেসিডেন্ট সিকিউরিটি ফোর্স
সঠিক উত্তর:
গ) প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর নাম  প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) ।
- প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) (ইংরেজি: President Guard Regiment) বঙ্গভবনে অবস্থিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির নির্বাহী অফিসের একটি সত্তা, রাষ্ট্রপতির বিদেশ ভ্রমণ, রাষ্ট্রপতির সাধারণ যাতায়াত, চিকিৎসা সহায়তা ও জরুরি চিকিৎসা সেবা, এবং আতিথেয়তা পরিষেবা সহ সকল ধরনের নিরাপত্তা, সামরিক সহায়তা নিশ্চিত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১০,২১৩.
রোপা আমন ধান কখন কাটা হয়?
  1. আষাঢ়-শ্রাবণে
  2. ভাদ্র-আশ্বিনে
  3. কার্তিক-অগ্রহায়ণে
  4. অগ্রহায়ণ-পৌষে
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ণ-পৌষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ণ-পৌষে
ব্যাখ্যা

আমন ধান:
- আমন ধান মূলত দুই প্রকার: রোপা আমন ও বোনা আমন।

⇒ রোপা আমন বলতে বুঝায় অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয়।
- রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয়।
- অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে রোপা-আমন ধান কাটা হয়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

১০,২১৪.
যুক্তফ্রন্টের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা কত সদস্য বিশিষ্ট ছিল?
  1. ৪ জন
  2. ১১ জন
  3. ১৪ জন
  4. ১৭ জন
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা:
- ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র- এ কে ফজলুল হক।
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার- আবু হোসেন সরকার।
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী- আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
৪. শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প - সৈয়দ আজিজুল হক।
- পরবর্তীতে ১৫ মে,১৯৫৪ সালে ১৪ জন সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হয়।
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন।
- ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।

১০,২১৫.
কত সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে পালন শুরু হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কো ও বাংলা ভাষা:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিছিল নিয়ে রাজপথে নেমে আসেন।
- সেই উত্তাল মিছিলে পুলিশ নির্বিচার গুলি চালালে সালাম, বরকত, রফিক, শফিক, জব্বারসহ নাম না–জানা অনেকে শহীদ হন।

⇒ মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা বাংলা মায়ের সাহসী সন্তানদের অনন্য আত্মত্যাগের এই দিনকে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন শুরু হয়।
- তারপর থেকে সারা বিশ্বেই নিজ নিজ মাতৃভাষা নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির ভেতর দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে।

• বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০,২১৬.
বাংলাদেশে শিক্ষাবোর্ড রয়েছে কতটি? ( মার্চ ২০২৫)
  1. ১০ টি
  2. ১১ টি
  3. ১২ টি
  4. ৯ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড রয়েছে।
- দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ ও পরীক্ষা গ্রহণের দায়িত্ব পালন করে।
- বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাবোর্ড- ঢাকা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়- ৭মে ১৯২১ সালে।
- বাংলাদেশের সর্বশেষ শিক্ষাবোর্ড - মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়- ২৪শে আগস্ট ২০১৭ ।

⇒ এই বোর্ডগুলো নিম্নরূপ:
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা,
• মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা, 
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী,
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম,
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর,
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল,
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট,
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর,
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ,
• বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড,
• বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,২১৭.
ত্রয়োদশ সংশোধনী অনুযায়ী প্রদান উপদেষ্টাসহ তত্ত্ববাধয়ক সরকারের উপদেষ্টা সংখ্যা কতজন হতে পারে-
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১৩
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ত্রয়োদশ সংশোধনী আইন সংবিধান আইন,পাস হয় ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ।
- এর দ্বারা একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়।
- যা একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন হিসেবে কাজ করবে এবং সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সর্বতোভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করবে।
- একজন প্রধান উপদেষ্টা ও অনূর্ধ্ব ১০ জন উপদেষ্টার সমন্বয়ে গঠিতব্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার সমষ্টিগতভাবে রাষ্ট্রপতির নিকট দায়বদ্ধ থাকবে এবং নতুন সংসদ গঠনের পর নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের তারিখে বিলুপ্ত হবে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 

১০,২১৮.
বাংলাদেশে চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. কক্সবাজার
  3. বাগেরহাট
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র বাগেরহাটে অবস্থিত। 

এছাড়াও, 
→ স্বাদুপানি কেন্দ্র – ময়মনসিংহে অবস্থিত। 
→ নদী কেন্দ্র – চাঁদপুরে অবস্থিত। 
→ লোনাপানি কেন্দ্র – পাইকগাছা, খুলনায় অবস্থিত। 
→ সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র – কক্সবাজারে অবস্থিত। 

সূত্র: চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের ওয়েবসাইট। 

১০,২১৯.
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী গঠিত হয় কবে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ৩ ডিসেম্বর ১৯৭১
  3. ২১ নভেম্বর ১৯৭১
  4. ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
যৌথ কমান্ড গঠন:
- মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ কমান্ড' গঠন করে।
- সময়: ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর।
- লেফটেন্যান্ট জেনারেন জগজিৎ সিং অরোরার নেতৃত্বে এই বাহিনী গঠিত হয়।
- ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান ভারতে আক্রমণ করলে ভারত সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।
- ৬ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ভারতীয় বাহিনী মুক্তিবাহিনীর সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই যৌথ কমান্ড এর নিকট পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। বাংলাপিডিয়া।
১০,২২০.
'আসামীর হাজতবাস কারাদণ্ড ভোগের সময় থেকে বাদ দেওয়ার' সাম্প্রতিক নির্দেশটি দিয়েছেন-
  1. আপিল বিভাগ
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
- আসামির হাজতবাস কারাদণ্ড ভোগের সময় থেকে বাদ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 
- সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

তথ্যসূত্র - যুগান্তর, ০১ নভেম্বর, ২০২১।
১০,২২১.
বাংলাদেশ রেলওয়েকে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে কয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ১টি
  2. ৪টি 
  3. ২টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ রেলওয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

- বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারি মালিকানাধীন ও পরিচালিত দেশের প্রধান স্থল পরিবহন সংস্থা।
- মোট রুট দৈর্ঘ্য প্রায় ২৯৫৫.৫৩ কিমি এবং প্রায় ২৫,০৮৩ জন নিয়মিত কর্মচারী রয়েছে।
- দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত সংযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে রেলপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ২ জুন ১৯৮২ পর্যন্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়ে রেলওয়ে বোর্ড রেলপথ পরিচালনা করত।
- ৩ জুন ১৯৮২ রেলওয়ে বোর্ড বিলুপ্ত হয়ে কার্যক্রম যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের রেলওয়ে ডিভিশনে ন্যস্ত হয়।
- তখন সচিব বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করতেন।

- প্রশাসনিক সুবিধার্থে রেলওয়েকে পূর্ব ও পশ্চিম দুই অঞ্চলে ভাগ করা হয়।
- দুই অঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মহাপরিচালকের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।
- বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (DRM) বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
- পাহাড়তলী ও সৈয়দপুরে বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়কের অধীনে কারখানা রয়েছে।
- পার্বতীপুরে লোকোমোটিভ জেনারেল ওভারহলিং কারখানা আছে।
- রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি, পরিকল্পনা কোষ, সরঞ্জাম শাখা ও হিসাব বিভাগ কার্যক্রম সহায়তা করে।
- রেল পরিবহন নিরাপত্তা তদারকিতে পৃথক রেলপথ বিভাগ ও পরে রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,২২২.
সংবিধানের চতুর্থ ভাগের বিষয়বস্তু কী?
  1. আইনসভা
  2. মৌলিক অধিকার
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. বিচার বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১টি ভাগের বিষয়াবলি:
- সংবিধানের প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা ,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২২৩.
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি হিসেবে কে নির্বাচিত হয়েছেন?
  1. ফারহান আলী
  2. সফিউল্লাহ চৌধুরী
  3. সোমা সাঈদ
  4. ফারহানা হক
সঠিক উত্তর:
সোমা সাঈদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমা সাঈদ
ব্যাখ্যা

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং নিউইয়র্কের কুইন্সের প্রথম মুসলিম বিচারপতি হিসেবে নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নির্বাচিত হয়েছেন সোমা এস সাঈদ।

- সোমা সাঈদ বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবা আফতাব উদ্দিন সাঈদ ছিলেন একজন ম্যাজিস্ট্রেট এবং মা ছিলেন একজন প্রধান শিক্ষিকা।

- ২০২১ সালে তিনি নিউ ইয়র্ক সিটির কুইন্স কাউন্টি থেকে সিভিল কোর্টের বিচারক হিসেবে নির্বাচিত হন। এরপর থেকে তিনি আইনি ও নাগরিক সমাজে একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।

১০,২২৪.
'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটির সুরকার কে?
  1. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. আনোয়ার পারভেজ
  4. নজরুল ইসলাম বাবু
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পারভেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পারভেজ
ব্যাখ্যা
জয় বাংলা বাংলার জয়:
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এই গানের সুরকার আনোয়ার পারভেজ।
- গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।

উল্লেখ্য,
- এক সাক্ষাৎকারে গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, 'আমার কথার আনোয়ার পারভেজ যে সুরের অলংকার পরিয়ে দিয়েছিলেন, তা মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছে।
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটি মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয়টা মাস মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।

উৎস: ১৬ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম আলো। 
১০,২২৫.
সংবিধানে 'প্রজাতন্ত্রের হিসাব রক্ষার আকার ও পদ্ধতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে -
  1. ১২৯ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৩০ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৩১ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৩২ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৩১ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩১ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ১৩১ নং অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্রের হিসাব রক্ষার আকার ও পদ্ধতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

⇒ ১৩১ নং অনুচ্ছেদ:
- রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে মহা হিসাব-নিরীক্ষক যেমন নির্ধারণ করবেন, তেমন আকার ও পদ্ধতিতে প্রজাতন্ত্রের হিসাব রক্ষিত হবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১২৯ নং: মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ১৩০ নং: অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক।
- অনুচ্ছেদ ১৩২ নং: সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,২২৬.
বাংলাদেশে রাজবংশীদের প্রধান বসবাসস্থল কোন জেলাগুলো?
  1. চট্টগ্রাম, কক্সবাজার
  2. রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী
  3. খুলনা, যশোর
  4. সিলেট, মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী
ব্যাখ্যা

রাজবংশী:
- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা। মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১০,২২৭.
বাংলাদেশের বৃহৎ শিল্পখাতের মোট কয়টি উপখাত রয়েছে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪
ব্যাখ্যা

বৃহৎ শিল্পের ৪টি খাত -
১. নির্মাণ খাত
২. খনিজ ও খনন
৩. ম্যানুফ্যাকচারিং এবং
৪. বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

১০,২২৮.
বিটাক কি ?
  1. ক) লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ
  2. খ) ব্যবস্থা কোন উন্নয়ন কেন্দ্র
  3. গ) শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
  4. ঘ) কুটির শিল্প সংস্থা
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

বিটাক শিল্পকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে থাকে।

- এটি শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র ।

- ক্রমবর্ধমান বিশ্বায়নের গুরুত্ব অনুধাবন করে উন্নতর প্রযুক্তিতে কারিগরি দক্ষতা সম্পন্ন জনবল তৈরিতে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলছে। দেশের শিল্প খাতের সম্প্রসারণ এবং নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনে সহযোগিতা করাই বিটাক এর মূল দায়িত্বে। 

-২৬-০৫-১৯৬২ তারিখের Resolution No. C & P-9 (11)/62 দ্বারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠিত Pakistan Industrial Technical Assistance Center (PITAC) কে স্বাধীনতাত্তোর ১৯৭২ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) হিসাবে নামকরণ করা হয় । 

-২০১৯ সালের ১৯ নং আইন এর অধীন বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)/ Bangladesh Industrial Technical Assistance Center (BITAC)-কে মহান জাতীয় সংসদে সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। আইন এর ৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শিল্প সচিবের নেতৃত্বে ১১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ দ্বারা বিটাক পরিচালিত হচ্ছে। 

উৎস:bitac.gov.bd( বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র)

১০,২২৯.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামী কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) সার্জেন্ট জহুরুল
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করে। ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় প্রধান আসামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়। এই মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে আন্দোলন আরো তীব্র আকার ধারণ করে। যার কারণে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

১০,২৩০.
এডিবি মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত শতাংশ? (সেপ্টেম্বর,২০২৪)
  1. ৪.১ শতাংশ
  2. ৫.১ শতাংশ
  3. ৬.১ শতাংশ
  4. ৬.৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৫.১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি: 
- ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) সেপ্টেম্বর ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদনে, 
- রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি পরিবেশগত বিপর্যয়ের ফলে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৫.১ শতাংশ।
- এপ্রিলের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৬ শতাংশ।

সূত্র- এডিবি ওয়েবসাইট।
১০,২৩১.
বাংলার আদি অধিবাসী কোন ভাষী ছিল?
  1. সংস্কৃত
  2. বাংলা
  3. অষ্ট্রিক
  4. হিন্দি
সঠিক উত্তর:
অষ্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্ট্রিক
ব্যাখ্যা
বাংলার আদি অধিবাসী:

- বাংলার আদি অধিবাসীদের অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিলেন।
- বাংলাদেশের সাঁওতাল, বাঁশফোড়, রাজবংশী প্রভৃতি আদি অষ্ট্রেলীয়দের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
- এই আদি জনগোষ্ঠীগুলি দ্বারা নির্মিত সমাজ ও সামাজিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটে আর্যদের আগমনের পর।
- বাংলাদেশের জনপ্রবাহে মঙ্গোলীয় রক্তেরও পরিচয় পাওয়া যায়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,২৩২.
নিচের কোন লালন শাহ কর্তৃক রচিত গান?
  1. গাড়ি চলে না চলে না
  2. আসি বলে গেল বন্ধু আইল না
  3. সময় গেলে সাধন হবে না
  4. কেমনে ভুলিব আমি, বাঁচি না তারে ছাড়া
সঠিক উত্তর:
সময় গেলে সাধন হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময় গেলে সাধন হবে না
ব্যাখ্যা
লালন শাহ:
- ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭৭২) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। মতান্তরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রণ করেন।
- লালনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না, কিন্তু নিজ সাধনাবলে তিনি হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মের শাস্ত্র সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভ করেন। তাঁর রচিত গানে সেই জ্ঞানের পরিচয় পাওয়া যায়।
- আধ্যাত্মিক ভাবধারায় তিনি প্রায় দুহাজার গান রচনা করেন।
- তাঁর গান মরমি ব্যঞ্জনা ও শিল্পগুণে সমৃদ্ধ।
- সহজ-সরল শব্দময় অথচ গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্মস্পর্শী তাঁর গানে মানব জীবনের আদর্শ, মানবতাবাদ ও অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে।
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’, ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’, ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’, 'আমার মনের মানুষেরই সনে', 'সময় গেলে সাধন হবে না' ইত্যাদি তাঁর বিখ্যাত গান।
- ১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭ অক্টোবর, ১৮৯০) ছেউড়িয়ায় লালন পরলোক গমন করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,২৩৩.
পলাশীর যুদ্ধে কোন ফরাসি সেনাপতি সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে যুদ্ধ করেন?
  1. কাউন্ট শ্যালী
  2. সিনফ্রে
  3. মার্কুইস সি
  4. দুপ্লেই
সঠিক উত্তর:
সিনফ্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনফ্রে
ব্যাখ্যা

পলাশীর যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২৩৪.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার -
  1. দুরন্ত
  2. মোজাইক
  3. তর্জনী
  4. দোয়েল
সঠিক উত্তর:
তর্জনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তর্জনী
ব্যাখ্যা
তর্জনী:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার ‘তর্জনী’।
- বাংলায় সহজে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দিতে জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার (ওয়েবসাইট দেখার অ্যাপ) ‘তর্জনী’ চালু করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ।
- আইসিটি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) ‘বাংলাদেশ সরকারের জন্য নিরাপদ ই-মেইল ও ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় তর্জনী ব্রাউজারটি তৈরি করা হয়েছে। 
- ২০২৩ সালের ৭ মার্চে চালু হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দরাজ কণ্ঠের সাতই মার্চের ভাষণই বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- সেদিন তার তর্জনী আঙ্গুল এর শক্তি দেখেছিলো পাক হানাদার বাহিনী আর উজ্জীবিত করেছিল বাঙালি জাতিকে। 
- সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এই বাংলা ব্রাউজারের নামকরণ করা হয়েছে ‘তর্জনী’। 
- ৩০ লক্ষ শহীদ এর বিনিময়ে অর্জন করতে হয়েছে লাল সবুজ এর স্বাধীন দেশ এর পতাকা; তাই এই ব্রাউজারটি করা হয়েছে লাল সবুজের মিশ্রণে ।

অন্যদিকে -
- প্রথম ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হচ্ছে 'মোজাইক'।
- ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রয়ারী ভাষার মাসে যাত্রা শুরু করল দেশের প্রথম বাংলা ভাষাভিত্তিক ব্রাউজার ‘দুরন্ত’।

উৎস: ৭ মার্চ, ২০২৩, প্রথম আলো।
১০,২৩৫.
বাংলাদেশের কোন শিল্প ইউনেস্কোর ‘অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’-এর তালিকায় সর্বশেষ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. জামদানি বুনন শিল্প
  2. শীতলপাটি বুনন শিল্প
  3. বাউল গান
  4. টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্প 
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্প 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্প 
ব্যাখ্যা

ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকা:
- বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্প ইউনেসকোর 'অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের' তালিকায় স্থান পেয়েছে।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ভারতের নয়াদিল্লিতে ইউনেস্কো ২০০৩ কনভেনশনের চলমান ২০-তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- যা এই কনভেনশনের অধীনে বাংলাদেশের জন্য ষষ্ঠ স্বীকৃতি।

উল্লেখ্য,
- এর আগে ২০০৮ সালে বাংলাদেশের বাউল গান, ২০১৩ সালে জামদানি বুনন শিল্প, ২০১৬ সালে মঙ্গল শোভাযাত্রা, ২০১৭ সালে শীতলপাটি বুনন শিল্প এবং ২০২৩ সালে ‘ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র’ ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়।

উৎস: প্রথম আলো।

১০,২৩৬.
বাংলাদেশের জনসংখ্যায় নারী ও পুরুষের অনুপাত কত?
  1. ক) ১০০ : ৯৯.৮
  2. খ) ১০০ : ৯৮
  3. গ) ১০০ : ১০০.৭
  4. ঘ) ১০০ : ১০১
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০ : ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০ : ৯৮
ব্যাখ্যা
• ৬ষ্ঠ আদমশুমারির তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের:
•মোট জনসংখ্যা (প্রাথমিক হিসাবে) : ১৬,৫১,৫৮,৬১৬
- পুরুষ জনসংখ্যা : ৮.১৭ কোটি
- নারী জনসংখ্যা : ৮.৩৩ কোটি।

• চূড়ান্ত হিসাবে মোট জনসংখ্যা : ১৬,৯৮,২৮,৯১১)
- পুরুষ জনসংখ্যা : ৮.৪০ কোটি
- নারী জনসংখ্যা : ৮.৫৬ কোটি।
- নারী-পুরুষ জনসংখ্যার অনুপাত বা লিঙ্গানুপাত : ১০০ : ৯৮
- অর্থাৎ প্রতি ১০০ জন নারীর তুলনায় পুরষের সংখ্যা ৯৮ জন। 

তথ্যসূত্র: ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা প্রাথমিক প্রতিবেদন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
১০,২৩৭.
পাকিস্তানে সৈয়দ ইস্কান্দার আলী মির্জা পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতা লাভ করেন -
  1. ক) ১৯৫৭ সালের ৭ অক্টোবর
  2. খ) ১৯৫৭ সালের ৮ অক্টোবর
  3. গ) ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৯৫৮ সালের ৮ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
• পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান (১৯৫৬) মোতাবেক গভর্নর জেনারেলের পদকে প্রেসিডেন্ট পদে রূপান্তর করা হয় এবং সৈয়দ ইস্কান্দার আলী মির্যা জাতীয় পরিষদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে তিনি ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর সামরিক আইন জারি করেন এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত করেন।
- তিন সপ্তাহের মধ্যে আইয়ূব খান এক রক্তপাতহীন সামরিক ক্যুর মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
- তিনি ইস্কান্দার মীর্যাকে প্রথমে কোয়েটা এবং পরে লন্ডনে নির্বাসনে পাঠান।
- ১৯৬৯ সালের ১২ নভেম্বর মির্যা লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন। জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সামরিক সরকার তাঁর মরদেহ পাকিস্তানে সমাহিত করতে অনুমতি দেয়নি।
- সে কারণে তাঁর মৃতদেহ সমাহিত করার জন্য তেহরানে (ইরান) নিয়ে যাওয়া হয়।
- ইরানের শাহ একজন রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদায় তাঁর মৃতদেহ রাষ্ট্রীয়ভাবে সমাহিত করার ব্যবস্থা করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০,২৩৮.
বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল ভিত্তি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ২২নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৩নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৫নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৭নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৫নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি:
- আধুনিক বিশ্বে প্রত্যেক রাষ্ট্র একে অপরের উপর নির্ভরশীল।
- প্রতিটি রাষ্ট্র অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য অপর রাষ্ট্রের সাথে অনুরূপ সম্পর্ক স্থাপন করে।
- রাষ্ট্র প্রকৃত পক্ষে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য বৈদেশিক নীতি প্রণয়ন করে। এজন্য অটো ভন বিসমার্ক বলেন, ‘‘অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণই হল পররাষ্ট্র নীতি।”
- পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের ন্যায় বাংলাদেশেরও নিজস্ব বৈদেশিক নীতি রয়েছে।
- সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিসমূহ নিম্নে উপস্থাপন করা হল-

i. জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা- এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
ii. রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে।
iii. প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে।
iv. সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণ বৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে রাষ্ট্র সমর্থন করবে।

পরিশেষে বলা যায়, বৈদেশিক নীতি হল রাষ্ট্রের সে সকল কার‌্যাবলির বিবরণী, যার মাধ্যমে রাষ্ট্র তার স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে। অন্যান্য রাষ্ট্রের ন্যায় বাংলাদেশ জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

১০,২৩৯.
কোন মডেলের জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে খ্যাতি অর্জন করে?
  1. রাজশাহী মডেল
  2. চট্টগ্রাম মডেল
  3. ঢাকা মডেল
  4. কুমিল্লা মডেল
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা মডেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা মডেল
ব্যাখ্যা

• বার্ডের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
-  বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) -এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খান ।
- একাডেমি কর্তৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের ‘কুমিল্লা মডেল’ এর জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করে। 
- পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে। 
- এছাড়াও পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য বার্ড জাতীয় পল্লী উন্নয়ন পদক-২০১৩ অর্জন করে এবং ২০২২ সালে বার্ড আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২২ পাওয়ার গৌরব অর্জন করে।

উৎস: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)।

১০,২৪০.
কোন সংগঠনটি আগে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
  2. বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
  3. বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
  4. আওয়ামী যুবলীগ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
ব্যাখ্যা

- ৪ জানুয়ারি, ১৯৪৮ সালে পূর্ব বাংলা মুসলিম ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকার কে.এম. দাস লেনের রোজগার্ডেনে এক কর্মী সম্মেলনে পূর্ব বাংলার বাঙালি প্রগতিশীল নেতা ও কর্মী ঢাকায় মিলিত হয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন 'আওয়ামী মুসলিম লীগ' গঠন করেন।
- আওয়ামী যুবলীগ গঠিত হয় ১৯৭২ সালে।
- আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ গঠিত হয় ১৯৯৪ সালে।
- বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন গঠিত হয় ১৯৫২ সালে।


উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের ওয়েবসাইট।

১০,২৪১.
কোন বনাঞ্চলে শাল বৃক্ষের আধিক্য দেখা যায়?
  1. ক) রাতারগুল
  2. খ) সুন্দরবন
  3. গ) ভাওয়াল গড়
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) ভাওয়াল গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাওয়াল গড়
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি শালবন নামে পরিচিত। শাল বা গজারি বৃক্ষের আধিক্যের কারণে এই বনভূমিকে শালবন বলা হয়।

শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১০,২৪২.
Exclusive Economic Zone (EEZ) এর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১০০ নটিকেল মাইল
  2. ২০০ নটিকেল মাইল
  3. ৪০০ নটিকেল মাইল
  4. ৩০০ নটিকেল মাইল
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিকেল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিকেল মাইল
ব্যাখ্যা
- ১৯৮২ সালে সম্পাদিত জাতিসংঘের সমুদ্র বিষয়ক কনভেনশন অনুযায়ী উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০ কিলোমিটার ) পর্যন্ত Exclusive Economic Zone হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এ সীমার মধ্যে উপকূলবর্তী দেশগুলো মাছ ধরা , বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একচেটিয়া অধিকার লাভ করে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। [লিঙ্ক]
১০,২৪৩.
কোন মৌর্য সম্রাটের সময়ে উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. সম্রাট বিন্দুসার
  3. সম্রাট অশোক
  4. সম্রাট দশরথ
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
ব্যাখ্যা
মৌর্য সাম্রাজ্য:
- আলেকজান্ডারের ভারত ত্যাগের মাত্র দুই বছর পর ৩২১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ভারতের এক বিশাল অঞ্চলের ওপর মৌর্য বংশের প্রভুত্ব স্থাপন করেন।
- উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (২৬৯-২৩২ খ্রিষ্টপূর্ব)।
- অঞ্চলটি মৌর্যদের একটি প্রদেশে পরিণত হয়েছিল।
- প্রাচীন পুণ্ড্রনগর ছিল এ প্রদেশের রাজধানী।
- উত্তর বঙ্গ ছাড়াও মৌর্য শাসন কর্ণসুবর্ণ (মুর্শিদাবাদ), তাম্রলিপ্ত, (হুগলী) ও সমতট (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা) অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০,২৪৪.
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন করে কে?
  1. জাতীয় উন্নয়ন কাউন্সিল
  2. বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
  3. জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল
  4. অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কমিশন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
ব্যাখ্যা

পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

১০,২৪৫.
'মহাস্থানগড়' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. তিস্তা
  2. কপোতাক্ষ
  3. মহানন্দা
  4. করতোয়া
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
ব্যাখ্যা

• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০,২৪৬.
মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের কয়টি স্তর ছিল?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্র:
- 'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থাটি আইয়ুব খানের অভিনব উদ্ভাবন।
- এটি ছিল চারস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা।
- ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের চারটি স্তর ছিল। যথা-
(১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়)।
(২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে)।
(৩) জেলা কাউন্সিল।
(৪) বিভাগীয় কাউন্সিল।

উল্লেখ্য যে, 
[শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুক ও বাংলাপিডিয়া মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু  পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে  মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৪৭.
বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণের বৈধ মাধ্যম নয় কোনটি?
  1. ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন
  2. বাণিজ্যিক ব্যাংক
  3. হুন্ডি
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
হুন্ডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুন্ডি
ব্যাখ্যা
বিদেশ থেকে বাংলাদেশে অর্থ প্রেরণের বৈধ পন্থা: 
- প্রাপকের অনুকূলে রেমিট্যান্স/চেক/ড্রাফট/টিটি/এমটি ইত্যাদি শুধুমাত্র বাংলাদেশে ব্যবসারত কোন ব্যাংকের মাধ্যমে সংগ্রহ বৈধ।
- প্রবাসী আয় ব্যাংকিং ব্যবস্থার পাশাপাশি এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমেও বাংলাদেশে রেমিট্যান্স করা যায়।
- গ্লোবাল এক্সচেঞ্জ হাউস:
i) Western Union Money Transfer
ii) Transfast Remittance L.L.C. Global
iii) Moneygram International 
iv) RIA Finanacial Services LTD
- বাংলাদেশে ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা সংগৃহীত হবে না এমন কোন পন্থার (যেমন অবৈধ হুন্ডি কার্যক্রম) অবলম্বন Foreign Exchange Regulation Act, 1947 (সেপ্টেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত সংশোধিত) এর আওতায় দন্ডনীয় এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় দন্ডনীয় অপরাধ।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক। 
সোনালী ব্যাংক।
১০,২৪৮.
"জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি’’ উক্তিটি কে বলেছেন? 
  1. দুদু মিয়া
  2. হাজী শরীয়তুল্লাহ
  3. সৈয়দ আমীর আলী
  4. মীর নিসার আলী
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা

দুদু মিয়া:
- হাজী শরীয়তুল্লাহ ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে মাদারীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর জেলায় এবং তার নেতৃত্বে এটি শুরু হয়।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর পুত্র দুদু মিয়া।
- তিনি ধর্মীয় সংস্কারমূলক এ আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেন।
- দুদু মিয়া ঘোষণা করেন, "জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি”।

​উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রথমপত্র, মো. মোজাম্মেল হক।

১০,২৪৯.
আফ্রিকান কোন দেশটি বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?
  1. সেনেগাল
  2. ঘানা
  3. নাইজেরিয়া
  4. উগান্ডা
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বীকৃতি লাভ:
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
১০,২৫০.
এ.কে. ফজলুল হক কত সালে 'শেরে বাংলা' উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন?
  1. ১৯৩৭ সালে
  2. ১৯৩৮ সালে
  3. ১৯৩৯ সালে
  4. ১৯৪০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালে
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক:
- একে ফজলুল হকের পুরো নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক।
- ্তিনি ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি ছিলেন কলকাতা করপোশনের প্রথম বাঙালি মুসলমান, বাংলার প্রধানমন্ত্রী, পূর্বপাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, পুর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- তিনি বাগ্মী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯১৮ সালে ফজলুল হক লিখিত ভারত মুসলিম লীগের দিল্লী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন। তার বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাকে ‘শের-ই-বঙ্গাল’ উপাধি দেয়। ‘শের-ই-বঙ্গাল’ অর্থ বাংলার বাঘ। সেই থেকে তিনি শেরে বাংলা নামে পরিচিত।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,২৫১.
দেশের বর্তমান সর্বোচ্চ জাতীয় পতাকা-স্তম্ভ কোথায় অবস্থিত? 
  1. পঞ্চগড় 
  2. চট্টগ্রাম
  3. গাজীপুর
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

• চির উন্নত বিজয় নিশান:
- 'চির উন্নত বিজয় নিশান' গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুরে অবস্থিত।
- এটি বর্তমানে দেশের সর্বোচ্চ পতাকা-স্তম্ভ (ফ্ল্যাগ পোল)।
- উচ্চতা: ১২০ ফুট। 
- এতে উত্তোলিত জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ২৮ ফুট এবং প্রস্থ ১৬.৮ ফুট। ‘চির উন্নত বিজয় নিশান’ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চিরন্তন প্রতীক হিসেবে জাতির গৌরবগাথাকে বহন করছে।

- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে কালিয়াকৈরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে নবনির্মিত এ পতাকা-স্তম্ভের উদ্বোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ এ পতাকা-স্তম্ভের উদ্বোধন করেন। 

উল্লেখ্য,
এর পূর্বে সর্বোচ্চ পতাকা-স্তম্ভ ছিল পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর সীমান্তে অবস্থিত পতাকা-স্তম্ভ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

১০,২৫২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার -
  1. ১.১২%
  2. ১.১৭%
  3. ১.২১%
  4. ১.৩২%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১০,২৫৩.
‘একাত্তরের যিশু’ এর রচয়িতা কে?
  1. ক) এম আর আখতার মুকুল
  2. খ) জাহানারা ইমাম
  3. গ) সুফিয়া কামাল
  4. ঘ) শাহরিয়ার কবির
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাহরিয়ার কবির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাহরিয়ার কবির
ব্যাখ্যা
- একাত্তরের যিশু : শাহরিয়ার কবির রচিত গ্রন্থ।
অন্যদিকে,
- একাত্তরের বর্ণমালা : এম আর আখতার মুকুল
- একাত্তরের দিনগুলি : জাহানারা ইমাম
- একাত্তরের ডায়রি : সুফিয়া কামাল।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১০,২৫৪.
ভারতবর্ষে প্রথম প্রতিষ্ঠিত সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দল কোনটি?
  1. ক) নিখিল ভারত মুসলিম লীগ
  2. খ) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
  3. গ) ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি
  4. ঘ) ভারতীয় জনতা পার্টি
সঠিক উত্তর:
খ) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
ব্যাখ্যা
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠিত সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দল হলো ‘ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস’৷
এটি ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইংরেজ সিভিলিয়ান অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।
অন্যদিকে,
- মুসলিম লীগ : ১৯০৬ সালে
- ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি : ১৯২৫ সালে
- ভারতীয় জনতা পার্টি : ১৯৮০ সালে।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১০,২৫৫.
কাবিখা কর্মসূচি কোন ধরনের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত?
  1. শিক্ষা উন্নয়ন
  2. দারিদ্র্য বিমোচন
  3. স্বাস্থ্যসেবা
  4. শিল্পায়ন
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,২৫৬.
ছয় দফা কর্মসূচি ১৯৬৬ সালের কত তারিখে পেশ করা হয়?
  1. ক) ৫ ফ্রেব্রুয়ারি
  2. খ) ৮ ফ্রেব্রুয়ারি
  3. গ) ১২ ফ্রেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ ফ্রেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ ফ্রেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ছয় দফা বাঙালি জাতির জীবনে এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। ধর্মগত ঐক্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র তৈরি হলেও, পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে বাঙালিদের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামরিক-বেসামরিক চাকরি, শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাঙালীদের প্রতি ক্রমবর্ধমান বৈষম্য দেখানো হয়।
• শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মেলনে যোগ দেয়ার জন্য আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন।
• পরদিন অর্থাৎ ৫ ফেব্রুয়ারি সাবজেক্ট কমিটির সভায় তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দাবি হিসেবে ‘ছয়দফা’ প্রস্তাব পেশ করেন এবং তা সম্মেলনের আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। কিন্তু সম্মেলনের উদ্যোক্তারা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। 
• পরদিন অর্থাৎ ৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানি পত্রপত্রিকায় ছয়দফার বিবরণ ছাপিয়ে শেখ মুজিবকে বিচ্ছিন্নতাবাদীরূপে চিত্রিত করা হয়। ফলে শেখ মুজিব ৬ ফেব্রুয়ারির সম্মেলন বর্জন করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।
• ১৯৬৬ সালের ৭ জুন হরতালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আওয়ামী লীগের মনু মিয়া, মজিবুল্লাহ, শফিক, শামসুল হকসহ ১১ জন।
• বর্তমানে ৭ জুন ছয় দফা দিবস হিসেবে পালিত হয়।  

নোট:- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৬ ফেবু্রয়ারি ঐতিহাসিক মুক্তির বাণী তথা ‘ছয় দফা’ কর্মসূচি পেশ করেন। (পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)। যদি প্রশ্নে ৫ ফ্রেব্রুয়ারি না থাকে তাহলে ৬ ফ্রেব্রুয়ারি উত্তর করতে হবে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৫৭.
দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সার কারখানা হচ্ছে -
  1. ঘোড়াশাল সার কারখানা
  2. ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
  3. আশুগঞ্জ সার কারখানা
  4. যমুনা সার কারখানা
সঠিক উত্তর:
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
ব্যাখ্যা
• ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা:
- সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা) এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ০১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

এছাড়াও,
- দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা। [বিস্তারিত]
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।
- এই কারখানাটিতে ১৯৬৯ সালে এ্যামোনিয়াম সালফেট প্ল্যান্টটি স্থাপন করা হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ১,০৬,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ওয়েবসাইট।
১০,২৫৮.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা কে ছিলেন?
  1. কামরুল ইসলাম
  2. আব্দুল কাদের
  3. শহীদুল ইসলাম লালু
  4. মোহাম্মদ আজিজ
  5. নূর মােহাম্মদ শেখ
সঠিক উত্তর:
শহীদুল ইসলাম লালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদুল ইসলাম লালু
ব্যাখ্যা

শহীদুল ইসলাম লালু:
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন শহীদুল ইসলাম লালু।
- তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে মহান স্বাধনীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ন অবদান রেখে বীর প্রতীক খেতাব পেয়ে ছিলেন।
- শহিদুল ইসলাম লালু বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিবাহিনী ছাড়াও দেশের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় কয়েকটি সশস্ত্র আঞ্চলিক বাহিনী গড়ে ওঠে।
- এর মধ্যে কাদেরিয়া বাহিনী অন্যতম।
- এ বাহিনীর একটি দলের সঙ্গে ছিলেন শহীদুল ইসলাম।
- শহীদুল ইসলামের গ্রামের বাড়ী ছিলো সুখী পলাশপাড়া, গোপালপুর, টাঙ্গাইল।
- শুরুতে তিনি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য- সহযোগিতা, অস্ত্র-গোলাবারুদ বহন ও সংবাদ সংগ্রহের কাজ করতেন।
- পরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরায় অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,২৫৯.
সাধারণত ১ বছরের বেশি কিন্তু ৫ বছরের কম সময়কালের জন্য প্রণীত পরিকল্পনাকে বলা হয়-
  1. স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা
  2. দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা
  3. মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা
  4. প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
সঠিক উত্তর:
মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনার ধারণা:
- পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের অগ্রিম সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি প্রক্রিয়া। 
- পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার প্রথম ও প্রধান ধাপ।
- পূর্ব এবং বর্তমান অভিজ্ঞতা, পরিসংখ্যানিক তথ্যাদি এবং যুক্তিসঙ্গত কারণের উপর ভিত্তি করেই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। 

⇒ মেয়াদভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ (Classification on the basis of time):
১. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা (Short-term plan): এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর মেয়াদি বা আরও কম মেয়াদি হয়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দুই প্রকারের হয়; যথা-এ্যাকশন প্লান ও রি-এ্যাকশন প্লান।
২. মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (Medium-term plan): মধ্যম মেয়াদের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর থেকে ৫ বছর মেয়াদী হয়ে থাকে। মধ্যম ও প্রথম স্তরের ব্যবস্থাপকদের জন্য এরূপ পরিকল্পনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (Long-term plan): এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ৫ বছরের বেশী সময়ের জন্য হয়ে থাকে। কোন কোন কোম্পানী ১৫/২০ বছরের জন্যও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরি করে থাকে।

উৎস: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৬০.
বর্তমানে বাংলাদেশে কয়টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন ১২টি। যথা: 
১. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন 
২. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন 
৩. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন 
8. খুলনা সিটি কর্পোরেশন 
৫. রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন 
৬. বরিশাল সিটি কর্পোরেশন 
৭. সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সবচেয়ে ছোট)
৮. নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন 
৯. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
১০. রংপুর সিটি কর্পোরেশন 
১১. 16 গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন (সবচেয়ে বড়) 
১২. ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন 

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাস:
১৮৬৪ সালের ১ আগস্ট ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি'র সৃষ্টি হয় এবং ঢাকার তৎকালীন ম্যাজিষ্ট্রেট মিঃ স্কিনার পদাধিকার বলে ঢাকার চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন।
১৮৮৫ সালে সর্বপ্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান হন আনন্দ চন্দ্র রায়।
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর হতে সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিই চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৭৭ সালের পৌরসভা অধ্যাদেশ জারি হবার পর হতেই চেয়ারম্যানের সাথে সাথে ওয়ার্ড কমিশানার নির্বাচিত হবার পদ্ধতি চালু হয়।
ঐ অধ্যাদেশ বলে ১৯৭৮ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে পরিবর্তিত হয়।

উৎস: স্থানীয় সরকার বিভাগ।
১০,২৬১.
দেশের সর্ববৃহৎ বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ১২ অক্টোবর, ২০২৩ সালে
  2. ১৪ অক্টোবর, ২০২৩ সালে
  3. ১৬ অক্টোবর, ২০২৩ সালে
  4. ১৮ অক্টোবর, ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
কক্সবাজারের খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র:

- দেশের সবচেয়ে বড় বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কক্সবাজারের খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- কক্সবাজারের ৬০ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।
- ১২ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে দেশের সবচেয়ে বড় এই বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
- ডিসেম্বর, ২০২৩-এ কেন্দ্রটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করা হবে।
- দেশের সবচেয়ে বড় এই বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের ৩১ মার্চ।
- বেসরকারি উদ্যোগে বাস্তবায়িত হওয়া এই প্রকল্পে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়েছে চীন।
- বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মুকিত আলম।
- বায়ুবিদ্যুতে দেশের প্রথম কোনো বড় প্রকল্প কক্সবাজারের খুরুশকুলে ৬০ মেগাওয়াট কেন্দ্র।
- চীনের অর্থায়নে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯০০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ১৩ অক্টোবর,, ২০২৩।
১০,২৬২.
প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কতটি দল অংশগ্রহন করে?
  1. ১৬টি
  2. ১০টি
  3. ৫টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা
প্রথম নির্বাচন: 
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৭৩ সালে।
- নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ঃ ৭ই মার্চ ১৯৭৩ সালে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনারঃ বিচারপতি এম ইদ্রিস।
- স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের এটিই ছিল সর্বপ্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
- এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে।
- মোট ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৩টি আসন লাভ করে।
- এই নির্বাচনের সূত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।
- তিনি ঢাকা-১২ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন।
- মোট আসন: ৩০০।
- সংরক্ষিত মহিলা আসন: ১৫ টি।
- অংশগ্রহণকারী মোট দল: ১৪ টি।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ আর্কাইভ।
১০,২৬৩.
মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারীর সংখ্যা কত?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১০,২৬৪.
দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাদুঘর স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. সেগুনবাগিচা
  2. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজারবাগ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাদুঘর হলো ‘শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা’। এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত যা ১৯৭৬ সালে স্থাপিত হয়।
- ১৯৯০ সালে জাদুঘরটি স্থায়ী ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- আগারগাঁওয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ১৯৯৬ সালের ২২শে মার্চ বেসরকারি উদ্যোগে সেগুনবাগিচায় যাত্রা শুরু করে যা ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আগারগাঁওয়ে নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)
১০,২৬৫.
একক দেশ হিসেবে, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডাব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ : কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে,
- শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চীন। বর্তমানে তাদের বাজার হিস্যা ৩১.৬৪ শতাংশ।
- একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
- বিশ্বের তৈরি পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা ছিল ৭.৩৮ শতাংশ।
- ২০২২ সালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৫ বিলিয়ন বা সাড়ে চার হাজার কোটি ডলার।
- ভিয়েতনাম বাংলাদেশের চেয়ে ৭০০ কোটি ডলার কম মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
১০,২৬৬.
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬৯ সাল
  2. ১৯৭০ সাল
  3. ১৯৭১ সাল
  4. ১৯৭৩ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা:
- ০৬ এপ্রিল ১৯৭০ সালে কারখানাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
-  ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কারণে নির্মাণকাজ ব্যাহত হয় এবং চীনা দল কারখানা ত্যাগ করে।
-  ১৯৭৬ সালে একটি ৪৫ সদস্যের কারিগরি দল চীন থেকে আসে এবং বাকি কাজগুলি যেমন যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম, গেজ, ফিক্সচার ইত্যাদির ব্যবস্থা করা সম্পন্ন করে।
-  ১৯৭৭ সালে কারখানাটি নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু হয়।
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানাটি গাজিপুর সেনানিবাস, গাজিপুরে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা ওয়েবসাইট।
১০,২৬৭.
গম চাষের জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা কত ডিগ্রী?
  1. ১২° থেকে ২২° সেলসিয়াস
  2. ১৫° থেকে ২০° সেলসিয়াস
  3. ১৩° থেকে ১৮° সেলসিয়াস
  4. ১৬° থেকে ৩২° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
১৫° থেকে ২০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫° থেকে ২০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
• গম (Wheat):
- গম মাঝারি তাপমাত্রায় এবং কম আর্দ্র  থেকে আধা-শুষ্ক অবস্থায় ভালো জন্মে।
 - ইহার চারা গজানো, বৃদ্ধি,দানা গঠন,পরিপক্কতা এবং পুষ্টিগুণের ব্যপকতা পরিবেশগত অবস্থার উপর নির্ভর করে।
- গম  একটি  নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার ফসল। ইহা  নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে  গ্রীষ্মকালে এবং অব-উষ্ণঅঞ্চলে শীতকালে বা রবি মৌসুমে জন্মে।
 - ইহার  বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য  দৈনিক পরিমিত গড় তাপমাত্রা ১৫° - ২০° সেন্টিগ্রেড।
- ৩০-৩৫° সে. থেকে অধিক  তাপমাত্রা ফসলের  সাধারণ কার্যক্রমে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ইহা  তীব্র ঠান্ডা অবস্থা সহ্য করতে পারে।  গমের বীজ অংকুরোদগমের সময় ঠান্ডা সহ্য করতে পারে, তবে  অংগজ বৃদ্ধির জন্য ১৫-২০° সেন্টিগ্রেড  তাপমাত্রা সর্বোত্তম  ।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি আবহাওয়া তথ্য সেবা (বামিস) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ। [লিংক]
১০,২৬৮.
চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন কোন বংশের শাসনামলে বাংলায় আগমন করেন?
  1. মৌর্য বংশ
  2. গুপ্ত বংশ
  3. শাহী বংশ
  4. সেন বংশ
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত বংশ
ব্যাখ্যা
ফা-হিয়েন:
- ফা-হিয়েন ভারতে চৈনিক তীর্থ-ভ্রমণকারীদের মধ্যে সর্বপ্রথম যাঁর বিবরণী পাওয়া যায়, তিনি হচ্ছেন ফা-হিয়েন।
- পাঁচ শতকের সূচনায় তিনি ভারত ভ্রমণ করেন।
- এ সময় গুপ্ত বংশীয়রা বাংলার অংশবিশেষসহ ভারত শাসন করছিলেন।
- ফা-হিয়েন ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন এবং ১৪ বছর পর আবার চীনে ফিরে যান।
- ভারত ভ্রমণের শেষ পর্যায়ে তিনি সীমান্ত রাজ্য চম্পার মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেন।
- তাঁর গন্তব্যস্থল ছিল সে সময়ের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বন্দর তাম্রলিপ্তি (তমলুক, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত)।
- সেখান থেকেই সমুদ্রপথে তিনি অপর বৌদ্ধপ্রধান অঞ্চল শ্রীলঙ্কায় যেতে চেয়েছিলেন।
- শ্রীলঙ্কা যাওয়ার পূর্বে ফা-হিয়েন দীর্ঘ দুবছর তাম্রলিপ্তিতে বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের অনুলিপি তৈরি ও বৌদ্ধ মূর্তির ছবি আঁকেন।
- তাঁর বিবরণী থেকে জানা যায়, এ সময় তাম্রলিপ্তিতে চবিবশটি বৌদ্ধ মঠ ও অনেক বৌদ্ধ সন্ন্যাসী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,২৬৯.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের দেশ কোনটি?
  1. আর্জেন্টিনা
  2. ব্রাাজিল
  3. ভেনিজুয়েলা
  4. কলম্বিয়া
  5. উরুগুয়ে
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে স্বীকৃতি:
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে ভেনিজুয়েলা প্রথম  স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভেনিজুয়েলা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে: ২ মে ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে: ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে: ২৫ মে ১৯৭২।

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়: ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়: ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।
১০,২৭০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. ত্রিপুরা
  2. গারো
  3. চাকমা
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
• চাকমা - ৪,৮৩,৩৬৫।
• মারমা - ২,২৪,২৯৯।
• ত্রিপুরা - ১,৫৬,৬২০।
• সাঁওতাল - ১,২৯,০৫৬।
• ওরাওঁ - ৮৫,৮৫৮।
• গারো - ৭৬,৮৫৪।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১০,২৭১.
২০২২ সালে দেশের কততম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
গ) ষষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের ১৫ থেকে ২১ জুন বাংলাদেশের ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হবে। এটি ২০২১ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে একাধিকবার এটির তারিখ পেছানো হয়।

স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আদমশুমারি সমূহ:
- প্রথম : ১৯৭৪ সালে
- দ্বিতীয় : ১৯৮১ সালে
- তৃতীয় : ১৯৯১ সালে
- চতুর্থ : ২০০১ সালে
- পঞ্চম : ২০১১ সালে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১০,২৭২.
'পাট্টা ও কবুলিয়ত' প্রথার প্রবর্তক কে?
  1. হুমায়ুন
  2. আকবর
  3. শাহজাহান
  4. শের শাহ
সঠিক উত্তর:
শের শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শের শাহ
ব্যাখ্যা
• 'পাট্টা ও কবুলিয়ত' প্রথার প্রবর্তক শের শাহ।
- পাট্টা - ভূমি স্বত্বের দলিল; কবুলিয়াত -  চুক্তি দলিল
• শের শাহ:
- শূর শাসনের সূত্রপাত করেন আফগান শাসক শের শাহ।
- বিহারের শাসনকর্তা সুলতান মুহম্মদের মৃত্যুর পর শের শাহ বিহারের শাসন করেন।
- ১৫৩৮ সালে তিনি বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- শের শাহ বাংলায় 'ঘোড়ার ডাক' ব্যবস্থার প্রচলন করেন।
- তিনি ‘দাম’ নামক মুদ্রার প্রচলন করেন।
- সড়ক-ই-আজম বা বিখ্যাত গ্রান্ড ট্রাংক রোডের নির্মাতা তিনি।
- পাট্টা ও কাবুলিয়াত প্রথা চালু করেন শের শাহ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,২৭৩.
“সাঁকো দিলাম, স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতায় উন্নীত হওয়ার জন্য।” - উক্তিটি কার?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) এ.কে. ফজলুল হক
  3. গ) মাওলানা ভাসানী
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই কথা বলেন। তিনি প্রায় বলতেন, ‘ছয় দফার সাঁকো দিলাম স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতায় উন্নীত হওয়ার জন্য।’

ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' (Charter of Freedom) বা 'ম্যাগনা কার্টা' (Magna Carta) হিসাবে পরিচিত। 

প্রকৃত অর্থে শেখ মুজিবের নেতৃত্বেই পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শোষণ-বিরোধী আন্দোলন গড়ে ওঠে। এরই এক পর্যায়ে ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ লাহোরে বিরোধী দলগুলোর কনভেনশনে বঙ্গবন্ধু ‘ছয় দফা দাবি' উত্থাপন করেন।

ছয় দফা কর্মসূচি সমগ্র বাঙালির চেতনার মূলে অগ্নস্ফুিলিঙ্গ ঘটায়। এই দাবির পক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে। ১৯৭১ সালে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং দৈনিক যুগান্তর।
১০,২৭৪.
১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম
  2. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  3. বিচারপতি এন এম হামিদুল্লাহ
  4. বিচারপতি আবু সায়েম চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা
• সত্তরের নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রথম এবং শেষ সাধারণ নির্বাচন।
- নির্বাচনে মোট ২৪টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
- ফলে সেদিন থেকেই নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু হয়। 
- সমগ্র পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ছিল ৩১৩টি, যার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের আসন সংখ্যা ছিল ১৬৯টি (৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ)।
- এই নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন লাভকরে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- এছাড়া, এই নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে জয়লাভ করেতসঃ

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০,২৭৫.
সংবিধানে 'অর্থবিল'-এর কথা উল্লেখ আছে-
  1. অনুচ্ছেদ ৭৯
  2. অনুচ্ছেদ ৮০
  3. অনুচ্ছেদ ৮২
  4. অনুচ্ছেদ ৮১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৮১
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।
- অনুচ্ছেদ ৮০ - আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৮১ - অর্থবিল।
- অনুচ্ছেদ ৮২ - আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১০,২৭৬.
বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কত ধরনের নিরাপত্তা ফিচার সংযুক্ত করা হয়েছে?
  1. ৪০
  2. ৩৫
  3. ৩৮
  4. ৪১
সঠিক উত্তর:
৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮
ব্যাখ্যা
ই-পাসপোর্ট:

- সাধারণ পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্টের পার্থক্য হলো, এতে মোবাইল ফোনের সিমের মতো ছোট ও পাতলা আকারের ইলেকট্রনিক মাইক্রোপ্রসেসর চিপ যুক্ত থাকবে।
- এই চিপ পাসপোর্টের একটি বিশেষ পাতার ভেতরে থাকবে।
- এই পাতা সাধারণ পাতার চেয়ে মোটা হবে।
- চিপে সংরক্ষিত বায়োমেট্রিক তথ্য বিশ্লেষণ করে পাসপোর্ট বহনকারীর পরিচয় শনাক্ত করা যাবে।
- এতে করে একজনের নাম-পরিচয় দিয়ে অন্য নামে পাসপোর্ট কেউ করতে পারবে না।
- এই পাসপোর্ট নকল হওয়ার আশঙ্কাও থাকবে না।
- সাধারণ পাসপোর্টের তুলনায় ই-পাসপোর্টে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যও থাকছে বেশি।
- এতে ৩৮ ধরনের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকবে, যার অনেক বৈশিষ্ট্য থাকবে লুকানো অবস্থায়।
- ই-পাসপোর্ট করার সময় মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) ডেটাবেইসে পাওয়া তথ্যগুলো ই-পাসপোর্টে স্থানান্তর করা হবে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
১০,২৭৭.
জাতীয় কর্মসংস্থান নীতি ২০২২ এর উদ্দেশ্য হচ্ছে -
  1. ক) কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ ও নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি।
  2. খ) কর্মমুখী শিক্ষা প্রবর্তন ও আত্মকর্মসংস্থান উৎসাহিত করা।
  3. গ) কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিদের মধ্যে সেবার মানসিকতা সৃষ্টি করা ।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
জাতীয় কর্মসংস্থান নীতি ২০২২:
চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলায় আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে ৫৬ লাখ মানুষকে দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্দেশে ৬ এপ্রিল ২০২২ “জাতীয় কর্মসংস্থান নীতি-২০২২” এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এরপর ১৪ জুলাই ২০২২ তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

মূলনীতি ও লক্ষ্য: 
১. কর্মসংস্থান নীতির মূল লক্ষ্য হবে জাতীয় উন্নয়নে সহায়ক যুগোপযোগী, বৈষম্যহীন, অধিকারভিত্তিক, স্ব-উদ্যোগী ও উৎপাদনশীল পূর্ণ কর্মসংস্থান উৎসাহিত করা। 
২. দেশের সকল কর্মক্ষম কর্মসংস্থান প্রত্যাশী মানুষের কর্মের সুযোগ সৃষ্টি ও কর্মে নিয়োগের উপায় নির্ধারণ, কর্মসংস্থান এবং কর্মের জন্য জনশক্তিকে উপযুক্ত ও দক্ষ করে তোলার মাধ্যমে বেকারত্বহীন দারিদ্রমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা এ নীতির লক্ষ্য।

নীতি-উদ্দেশ্য:
১) বাংলাদেশের সকল নারী-পুরুষের অবাধ ও পছন্দমাফিক উৎপাদনশীল পূর্ণ কর্মসংস্থান উৎসাহিত করা।
২) বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সক্ষম বহুমাত্রিক দক্ষতা সম্পন্ন উৎপাদনমূখী শ্রমশক্তি গড়ে তোলা।
৩) কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ ও নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি।
৪) কর্মমুখী শিক্ষা প্রবর্তন ও আত্মকর্মসংস্থান উৎসাহিত করা।
৫) প্রতিটি নারী-পুরুষের নিজ নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী বৈষম্যহীনভাবে উপযুক্ত কর্মে নিযুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা।
৬) অনুসমর্থিত আন্তর্জাতিক দলিলের আলোকে দেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শোভন কর্মপরিবেশ ও কর্মে নিয়োজিত সকল ব্যক্তির অধিকার নিশ্চিত করা। 
৭) কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিদের মধ্যে সেবার মানসিকতা সৃষ্টি করা ।


সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
১০,২৭৮.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ভারত
  3. গ) চীন
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
ক) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাপান
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্বৃত্ত রয়েছে। তবে বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
•  অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
• ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
• এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে; রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানির ২.৬৪%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত।
১০,২৭৯.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের রেপো রেট কত শতাংশ? (অক্টোবর, ২০২৪)
  1. ৯%
  2. ৯.৫০%
  3. ১১.৫০%
  4. ১১%
সঠিক উত্তর:
৯.৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৫০%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ ব্যাংকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার বৃদ্ধি: 

- মূল্যস্ফীতি কমাতে বিদ্যমান নীতি সুদহার শতকরা ৯ শতাংশ হতে ৫০ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি করে ৯.৫০ শতাংশে পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

ব্যাংক রেট (Bank Rate)
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে মুদ হারে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দেয় বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলোকে তাকে ব্যাংক রেট বা হার বলে।
- বর্তমানে Bank Rate ৪%।

রেপোরেট (Repo Rate)
- বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে স্বল্পমেয়াদী ঋণ গ্রহণ করে, তাকে Repo rate বলে।
- বর্তমান রেপোরেট ৯.৫০% (বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ)।
- সর্বনিম্ন রেপো নেট  ৪.৫০% (২০১০ সালে)। 

রিভার্স রেপোরেট (Reverse Repo Rate)
- বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উদ্ধৃত অর্থ যেহারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে তাকে রিভার্স রেপো নেট বলে। 

Standing Lending Facility (SLF)
- স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটিকেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকে ব্যাংককে ওভার নাইট ঋন দিতে ব্যবহার করে এটি। 
- বর্তমান রেট  ১১%। 

Standing Deposit facilities (SDF) 
- বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এটি ব্যবহার করে।
- অর্থাৎ সে রেটে বাণিজ্যিক ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে  টাকা ডিপোজিট করতে পারে তাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে SDF বলে।
 - বর্তমানে এসডিএফ রেট ৮%।

সূত্র- বাংলাদেশ ব্যাংক।
১০,২৮০.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ কত দিন বিরতি থাকে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০ টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি।
- সংবিধানে বর্ণিত কয়েকটি পরিস্থিতিতে যেমন রাষ্ট্রপতির অভিশংসন এর ক্ষেত্রে স্পিকার সংসদ আহ্বান করতে পারেন।
- প্রতিবছর সংসদের অন্যূন দুটি অধিবেশন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,২৮১.
সম্প্রতি, বিনিয়োগ-সংক্রান্ত কয়টি সংস্থা একীভূত করে 'সিঙ্গেল উইন্ডো' কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

• ছয় সংস্থাকে একীভূত করে একটি 'সিঙ্গেল উইন্ডো' বা কেন্দ্রীয় কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার।
- দেশে বর্তমানে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে এরকম শীর্ষ ছয় প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডা,
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা),
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা),
- বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ,
- পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ
- ও বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।
- এই ছয় সংস্থাকে একীভূত করে একটি 'সিঙ্গেল উইন্ডো' বা কেন্দ্রীয় কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১০,২৮২.
'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' কবে গঠন করা হয়?
  1. ১৯৪৭ সাল
  2. ১৯৪৮ সাল
  3. ১৯৫১ সাল
  4. ১৯৫২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সাল
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ কামরুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- সংগ্রাম পরিষদ রাষ্ট্রভাষার ক্ষেত্রে সরকারের ষড়যন্ত্র রোধ করার জন্য ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ থেকে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়। ঐদিন ঢাকায় বহু ছাত্র আহত এবং বঙ্গবন্ধুসহ অনেকে গ্রেফতার হন।
- ১৯৪৮-৫২ সালে ১১ মার্চ ভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হতো।

অন্যদিকে,
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় -৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
১০,২৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ৫৪-ধারা কী ?
  1. ক) ২৪ ঘন্টার বেশী আটক রাখা যাবে না
  2. খ) বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করার ক্ষমতা
  3. গ) এজাহার রেকর্ড করা
  4. ঘ) পুলিশ কর্তৃক জবানবন্দী গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
খ) বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, `যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা পরোয়ানা ছাড়াই যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেন।’
- ১৮৯৮ সালে ইংরেজরা সর্বপ্রথম এই আইন তৈরি করে। 
- ২৪ ঘন্টার বেশী আটক রাখা যাবে না - ৬১ ধারা ।
- এজাহার রেকর্ড করা - ১৫৪ ।
- পুলিশ কর্তৃক জবানবন্দী গ্রহণ- ১৬১ ।   
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এনং BLAST ।
১০,২৮৪.
বাংলার আকবর বলা হয় কাকে?
  1. মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  2. মুহাম্মদ ঘুরি
  3. কুতুব উদ্দিন আইবেক
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা

আলাউদ্দিন হুসেন শাহ:
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
- তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত।
- তিনি 'বাংলার আকবর' হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব "বৈষ্ণব ধর্ম" প্রচার করেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে 'নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
          ii) বাংলাপিডিয়া।

১০,২৮৫.
প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. গেরিলা
  2. ওরা এগারো জন
  3. আগামী
  4. সংগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ওরা এগারো জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা এগারো জন
ব্যাখ্যা

ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।

১০,২৮৬.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. ময়মনসিংহ
  3. গাজীপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট :
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা ২০৫ টির ও বেশি কৃষি বিষয়ক ফসলের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- জয়দেবপুরের কেন্দ্রীয় স্টেশন ছাড়াও কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৬টি আঞ্চলিক কেন্দ্র এবং ২৪টি উপকেন্দ্র আছে।

⇒ বহুবিষয়ক কার্যক্রম নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইনস্টিটিউটের ৬টি ফসলভিত্তিক গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে -
- কন্দ-ফসল গবেষণা কেন্দ্র,
- গম গবেষণা কেন্দ্র,
- উদ্যান গবেষণা কেন্দ্র,
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র,
- তৈলশস্য গবেষণা কেন্দ্র,
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- ময়মনসিংহ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,২৮৭.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন কত তারিখ শুরু হয়?
  1. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  2. ২৩ মার্চ, ১৯৭২
  3. ২৩ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ২৩ মে, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় - ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন - শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে (আদেশটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় ২৩ মার্চ, ১৯৭২)।
- সংবিধানে স্বাক্ষরের সময় গণপরিষদের মোট সদস্য - ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,২৮৮.
হেনরি লুই ডিরোজিও কোন আন্দোলনের প্রবক্তা?
  1. নিউ ক্যালকাটা আন্দোলন
  2. জাগো কলকাতা
  3. ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলন
  4. রিক্লেম দ্য নাইট
সঠিক উত্তর:
ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট: 
- হেনরি লুই ডিরোজিও ১৮০৯ সালের ১৮ই এপ্রিল কোলকাতা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ছিলেন পর্তুগিজ এবং মা ছিলেন বাঙালি।
- ডিরোজিও ইংরেজি শিক্ষার স্কুল ডেভিড ড্রামন্ডের ধর্মতলা একাডেমিতে পড়ালেখা শুরু করেন।
- এই শিক্ষকের আদর্শ ডিরোজিওকে তাঁর শিশুকাল থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রভাবিত করে রেখেছিল।
- তিনি বাঙালি যুব সমাজের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী 'ইয়াং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা।
- বয়সে তরুণ হলেও তিনি ইতিহাস, ইংরেজি, সাহিত্য, দর্শন শাস্ত্রে গভীর জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন।
- তাঁর দূরদৃষ্টি, বাগ্মিতা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা তৎকালীন তরুণ সমাজকে ব্যাপক প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০,২৮৯.
জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয় কখন?
  1. ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫
  2. ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫
  3. ১ নভেম্বর, ১৯৭৫
  4. ৩ নেভেম্বর, ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
৩ নেভেম্বর, ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ নেভেম্বর, ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
জাতীয় চার নেতা:
- ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতা- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হয়েছিল।
- তাদের এই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি স্মরণার্থে এ দিবস পালন করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব যখন অনেকটা দিশেহারা, সে সময় দলের গুরুত্বপূর্ণ এই চার নেতাসহ অনেককে বন্দি করা হয়েছিল।
- শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীরা দেশ থেকে নির্বাসিত হওয়ার পূর্বে পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটকরত চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- কতিপয় সেনা কর্মকর্তা পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে আটক এই চার নেতাকে গুলি করে এবং বেয়নেট দিয়ে বিদ্ধ করে হত্যা করে।

সূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৯০.
অবচয় কোন ধরনের ব্যয়?
  1. দৃশ্যমান ব্যয়
  2. নগদ ব্যয়
  3. বাকি ব্যয়
  4. অনগদ ব্যয়
সঠিক উত্তর:
অনগদ ব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনগদ ব্যয়
ব্যাখ্যা
অবচয়:
- কোন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত স্থায়ী সম্পত্তি ব্যবহার, কালের আবর্তন, অপ্রচলন, সরাসরি ভোগ, বাজার মূল্যের স্থায়ী পতন ইত্যাদি দৃশ্যমান বা অদৃশ্য কারনে সম্পত্তির গুণ, পরিমাণ ও মূল্যের যে হ্রাস ঘটে তাকে অবচয় বলা হয়।
- অবচয়ের ইংরেজী প্রতিশব্দ Depreciation ল্যাটিন শব্দ Depretium হতে উদ্ভূত হয়েছে।
- Depretium শব্দের অর্থ মূল্য হ্রাস।
- অর্থাৎ সম্পত্তি ব্যবহারের ফলে যে পরিমাণ মূল্য হ্রাস ঘটে তাকে অবচয় বলে।
- আধুনিক হিসাববিজ্ঞানে অবচয়কে একটি বণ্টন প্রক্রিয়া বলা হয়।
- অন্যান্য খরচের মত অবচয়ও একটি খরচ এবং প্রতিষ্ঠানের লাভ-লোকসান হিসাবে ডেবিট করা হয়। 

⇒ অবচয়ের বৈশিষ্ট্য:
১. সম্পত্তির ব্যবহারজনিত ব্যয় (Expenditure due to uses of assets): মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য অর্জিত সম্পত্তি ব্যবহারের জন্য যে ব্যয় নির্ধারিত হয় তাই অবচয়। মুনাফা নির্ণয়ের জন্য অবচয় অন্যান্য ব্যয়ের মত লাভ-লোকসান হিসাবে ডেবিট করা হয়।
২. মূলধনজাতীয় ব্যয়ের মুনাফাজাতীয় ব্যয়ে রূপান্তর (Transformation of capital expenditure into revenue expenditure): সম্পত্তি অর্জন ব্যয় একটি মূলধনজাতীয় ব্যয়। ইহার অংশ বিশেষ অবচয় হিসাবে মুনাফাজাতীয় ব্যয়ে রূপান্তর করা হয়।
৩. অনগদ ব্যয় (Non-cash expenditure): অবচয় একটি মুনাফাজাতীয় ব্যয় কিন্তু মূলধনজাতীয় ব্যয়ের অংশ বিশেষ। অবচয়ের জন্য চলতি বছরের কোন অর্থ ব্যয় করতে হয় না। তাই অবচয়কে একটি অনগদ ব্যয় বলা হয়।
৪. আনুমানিক ব্যয় (Estimated expense): অভিজ্ঞতা ও সম্পত্তির আনুমানিক কার্যকর জীবনকালের ভিত্তিতে অবচয় নির্ণয় করা হয়। তাই অবচয় একটি আনুমানিক ব্যয়।
৫. অদৃশ্য ব্যয় (Non-visible expense) : প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ব্যয়ের মত অবচয় দৃশ্যমান নয়। তবে সম্পত্তির কার্যক্ষমতার হ্রাস পাওয়া বুঝা যায়।
৬. তহবিলের উৎস (Sources of fund): অবচয় সরাসরি কোন তহবিল সৃষ্টি না করলেও অবচয় অনগদ ব্যয় বিধায় প্রতিষ্ঠান ঐ পরিমাণ নগদ অর্থ ধরে রাখার সুযোগ পায়। এই যুক্তিতে অনেক হিসাববিজ্ঞানী অবচয়কে তহবিলের উৎস বলে থাকেন।

উৎস: হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,২৯১.
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ৪র্থ সংশোধনী
  2. পঞ্চম সংশোধনী
  3. দ্বাদশ সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।

দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১০,২৯২.
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো - 
  1. মোমবাতি
  2. নৌকা
  3. দাঁড়িপাল্লা
  4. হাতপাখা
সঠিক উত্তর:
নৌকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌকা
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো 'নৌকা'।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।

• এই দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হলো:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসায় জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা।
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা।
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা।
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনোভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,২৯৩.
বাংলাদেশের সাঁওতালরা প্রধানত বাস করে কোথায়?
  1. রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রাম
  2. ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল
  3. বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি
  4. রাজশাহী ও দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী ও দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী ও দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:
- সাঁওতালদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে।
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য সূর্য।
- সাঁওতাল সমাজ প্রধানত কৃষিনির্ভর।
- সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত।
- সাঁওতাল গ্রামগুলো দিশাম নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি।
১০,২৯৪.
মুক্তিযুদ্ধে মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত কয় নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) ৫ নং
  2. খ) ৭ নং
  3. গ) ৪ নং
  4. ঘ) ৯ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নং
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার কতগুলো সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।

মুক্তিকালীন ১১টি সেক্টরের কমান্ডারগণ:
১ নং সেক্টর: মেজর জিয়াউর রহমান ও মেজর রফিকুল ইসলাম।
২ নং সেক্টর- মেজর খালেদ মোশাররফ ও মেজর এ.টি.এম হায়দার।
৩ নং সেক্টর:মেজর কে. এম শফিউল্লাহ ও মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।
৪ নং সেক্টর: মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত ও ক্যাপ্টেন এ রব।
৫ নং সেক্টর: মেজর মীর শওকত আলী।
৬ নং সেক্টর: উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
৭ নং সেক্টর: মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।
৮ নং সেক্টর: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ও মেজর এম.এ মঞ্জুর।
৯ নং সেক্টর: মেজর এম.এ জলিল ও মেজর জয়নাল আবেদীন।
১০ নং সেক্টর: কোন নিয়মিত সেক্টর ছিলো না।
১১ নং সেক্টর: মেজর এম. আবু তাহের ও স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০,২৯৫.
ওরস্যালাইন-এর আবিষ্কার কোন সংস্থার অবদান?
  1. ব্র্যাক
  2. আইসিডিডিআর,বি
  3. স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ
  4. ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস
সঠিক উত্তর:
আইসিডিডিআর,বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসিডিডিআর,বি
ব্যাখ্যা
ওরস্যালাইন:
- ওআরএস অর্থাৎ ওরাল রিহাইড্রেশন সল্ট, যাকে আমরা খাওয়ার স্যালাইন বা ওরস্যালাইন বলে জানি।
- এর উদ্ভাবন ও গবেষণা করেছেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) বিজ্ঞানীরা।
- সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (এসএমসি) ১৯৮৫ সাল থেকে ওআরএস বাজারজাত করছে।
- ২০১২ সালের জুন মাসে দ্য ল্যানসেট খাওয়ার স্যালাইনকে ‘বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাসংক্রান্ত আবিষ্কার’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

⇒ ICDDR,B:
- ICDDR,B-এর পূর্ণরূপ: International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh বা আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কলেরা রিসার্চ ল্যাবরেটরি (CRL) শীঘ্রই ডায়রিয়া রোগ গবেষণায় আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করে।
- এ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় অবদান ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Solution/ORS) উদ্ভাবন।
- লবণ ও গুড় অথবা চিনির সংমিশ্রণে তৈরী এ দ্রবণ তীব্র উদরাময় রোগে আক্রান্ত রোগীর দেহ থেকে দ্রুত বের হয়ে যাওয়া দেহ রসের পুনঃযোগান দেয়।
- দেহের শুষ্কতারোধে ORS গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং আজ পর্যন্ত বহু রোগীর জীবন বাঁচাতে সহায়ক হয়েছে।

উৎস: i) ICDDR,B ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০,২৯৬.
স্বৈরাচার এরশাদ পতন আন্দোলনে নিহত শহীদ কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. নূর হোসেন
  3. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা
  4. রফিক
সঠিক উত্তর:
নূর হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নূর হোসেন
ব্যাখ্যা

শহীদ নূর হোসেন:
- গণআন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয় ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৯০ সালে।
- এই আন্দোলনের কারণে বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদের ৯ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে।
- এর তিন বছর আগে আরেকটি গণআন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা হলেও সেটি ব্যর্থ হয়।।
- সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নুর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- নূর হোসেনের বুকে-পিঠে লেখা শ্লোগান 'স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহীদ হন।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা।

১০,২৯৭.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
সঠিক উত্তর:
খ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
-১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না

- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর
- ঢাকা-২ নং সেক্টর
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর
- মুজিব নগর-৮ নং সেক্টর
- সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট
১০,২৯৮.
বরেন্দ্র মিউজিয়াম কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. ময়নামতি
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্র জাদুঘর:
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- এটি রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থল হাতেম খাঁন মহল্লায় অবস্থিত। 
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজন্যবর্গ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ১৯১০ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন। 
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে প্রদর্শিত সুষমামন্ডিত শত শত মূর্তি, রাজ্যপালের ভাতুরিয়া লিপি, প্রথম মহিপালের রাজভিটালিপি, দেওপাড়া প্রশস্তি এবং লক্ষণ সেনের বাগবাড়ী প্রশস্তিতে বরেন্দ্রের নিজস্ব শিল্প ঘরানার যথার্থতা উন্মোচিত হয়েছে।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে রয়েছে সমৃদ্ধশালী একটি পুঁথি সংগ্রহশালা।
- এছাড়াও রয়েছে প্রায় পনেরো হাজার দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থ ও পত্রিকা সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থাগার।
- বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,২৯৯.
দেশের কোন জেলায় সর্বাধিক গম উৎপন্ন হয়?
  1. চাপাইনবাবগঞ্জ
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মোট ১০.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপাদিত হয়।
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : ঠাকুরগাঁও (১.৭৫ লক্ষ মে.টন)
- দ্বিতীয় : চাপাইনবাবগঞ্জ (৮৯.৩৬ হাজার মে. টন)
- তৃতীয় : রাজশাহী (৮১ হাজার মে. টন)।
(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০)
১০,৩০০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান কত?
  1. ৩৭.৩৫ শতাংশ
  2. ৩৮.৭৫ শতাংশ
  3. ৩৭.৭৫ শতাংশ
  4. ৩৭.৯৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP:
⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇔ কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত এবং ছোট খাত শিল্পখাত।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।