বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৫৮ / ৭২ · ৫,৭০১৫,৮০০ / ৭,১৯১

৫,৭০১.
ঋতু আশ্রয়ী বায়ু কোনটি?
  1. মৌসুমি বায়ু
  2. স্থানীয় বায়ু
  3. ভূমধ্যসাগরীয় বায়ু
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ঋতু আশ্রয়ী বায়ু: 
- ঋতুর সঙ্গে সঙ্গে দিক পরিবর্তন করে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে বলে ঋতু আশ্রয়ী বায়ু।
- এর মধ্যে রয়েছে মৌসুমি বায়ু। আরও রয়েছে ভূমধ্যসাগরীয় বায়ু।

স্থানীয় বায়ু (Local Wind):
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কিংবা তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূপৃষ্ঠের স্থানে স্থানে স্থানীয় বায়ুর উৎপত্তি হয়।
- রকি পর্বতের চিনুক (Chinook), ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল (Mistral), আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু (Pampero), আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা (Bora), উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো (Sirocco), আরব মালভূমির সাইমুম (Simoom), মিসরের খামসিন (Khamsin) ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু (Loo) কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৭০২.
বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা বিশ্বের কততম দীর্ঘতম সীমান্ত?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
সঠিক উত্তর:
৫ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম
ব্যাখ্যা
ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্ত:
- বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা বিশ্বের ৫ম দীর্ঘতম সীমান্ত।
- সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৪১৪২ কিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
পৃথিবীর দীর্ঘতম সীমান্ত:
১. আমেরিকা ও কানাডা: দৈর্ঘ্য ৮৮৯৩ কিলোমিটার।
২. কাজাকিস্তান ও রাশিয়া: দৈর্ঘ্য ৭৬৪৪ কিলোমিটার।
৩. আর্জেন্টিনা ও চিলি: দৈর্ঘ্য ৬৬৯১ কিলোমিটার।
৪. চীন ও মঙ্গোলিয়া: দৈর্ঘ্য ৪৬৩০ কিলোমিটার।
৫. ভারত ও বাংলাদেশ: দৈর্ঘ্য ৪১৪২ কিলোমিটার।

উৎস: World Atlas.
৫,৭০৩.
নিম্নের কোনটি জলবায়ুর উপাদান নয়?
  1. বায়ুর আর্দ্রতা
  2. সমুদ্রস্রোত
  3. বৃষ্টিপাত
  4. বায়ুর উষ্ণতা
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রস্রোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রস্রোত
ব্যাখ্যা
জলবায়ু:
- কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে।
- কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
- কাজেই জলবায়ু কোন একটি অঞ্চলের অনেক দিনের বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তর বা ট্রপোমন্ডলের সামগ্রিক অবস্থা।

⇒ আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো -
- বায়ুর তাপ/উষ্ণতা,
- বায়ুর চাপ,
- বায়ুর আর্দ্রতা ও
- বারিপাত।

এছাড়া,
- সমুদ্রস্রোত আবহাওয়ার বা জলবায়ুর উপাদান নয় এটি জলবায়ুর নিয়ামক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৭০৪.
আয়তনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বিশ্বের অবস্থান কত?
  1. ৯০তম
  2. ৯৪তম
  3. ৯৮তম
  4. ১০৫তম
সঠিক উত্তর:
৯৪তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪তম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আয়তন:
- আয়তনের ভিত্তিতে পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৪তম।
- স্বাধীন ও সার্বভৌম এদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার বা ৫৬,৯৭৭বর্গমাইল।
- ভূমি পুনরম্নদ্ধার ও সমুদ্রসীমার সম্প্রসারণের ফলে বর্তমানে আয়তন দাড়িয়েছে ১,৪৮,৪৬০ বর্গকিলোমিটার (৮৯০ বর্গকিলোমিটার ভূমি নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে)।
- এদেশে একদিকে যেমন প্রতিনিয়ত কিছু ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি একইসাথে জেগে উঠছে নতুন নতুন চর।
- এই ভাঙাগড়ার ফলস্বরূপ প্রতিবছর গড়ে প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার নতুন ভূমি বাংলাদেশের মানচিত্রে যুক্ত হচ্ছে।
- ধারণা করা হচ্ছে, নতুন চর জাগার এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ প্রায় ১০০০-১৫০০ বর্গকিলোমিটার ভূমি মূল ভূখন সাথে যুক্ত হবে। 
- যা আয়তনের দিক থেকে প্রায় ঢাকা জেলার সমান।
- এর ফলে বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা। 

৫,৭০৫.
সুয়েজ খাল খননের ফলে এশিয়ায় সাথে যাতায়ত সহজ হয়েছে-
  1. ক) আফ্রিকার
  2. খ) অস্ট্রেলিয়ার
  3. গ) ইউরোপের
  4. ঘ) আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোপের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোপের
ব্যাখ্যা

- লোহিত সাগরের সঙ্গে ভূমধ্যসাগরের সংযোগ স্থাপনের উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য নিয়ে ১৮৫৯ থেকে ১৮৬৯ সালের মধ্যে এক দশকে খালটি খনন করা হয়।
- ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর ১৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটিতে প্রথম জাহাজ ভাসে। খালটির বিষয়ে ওই সময় বলা হয়, সাগরে বাতাস অনুকূলে থাকলে বিপজ্জনক কঠিন পথ এড়িয়ে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল হয়ে দ্রুত এশিয়ায় যাতায়াত করা যাবে।
- লোহিত সাগর এবং ভূমধ্যসাগরের মধ্যে সংযোগকারী এই খাল দিয়ে বিশ্ব বাণিজ্যের ১২ শতাংশ পণ্য পরিবহণ হয়। বিশেষ করে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সাথে ইউরোপের বাণিজ্যের একটি লাইফ-লাইন হলো মিশরের এই খালটি।

সোর্সঃ বিবিসি এবং সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

৫,৭০৬.
কোন সংস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়?
  1. ক) Permanent Court of Arbitration
  2. খ) International Court of Justice
  3. গ) International Tribunal for the Law of the Sea
  4. ঘ) Permanent Court of Justice
সঠিক উত্তর:
গ) International Tribunal for the Law of the Sea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) International Tribunal for the Law of the Sea
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।

৫,৭০৭.
ভূ-অভ্যন্তরের আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে কোন ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়?
  1. ক) নদী ভাঙন
  2. খ) ভূমিকম্প
  3. গ) কালবৈশাখি ঝড়
  4. ঘ) বন্যা
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
• ভূ-অভ্যন্তর উত্তপ্ত বলে প্রচণ্ড তাপ ও চাপের যে তারতম্য হয়, তাতে ভূ-অভ্যন্তরে প্রচন্ড শক্তির সৃষ্টি হয় এবং ভূ-ত্বকের আকস্মিক ও ধীর পরিবর্তন হয়।
• ভূ-অভ্যন্তরের আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত প্রভৃতি হয়ে থাকে।
• এসব দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়ায় দূষণের উদ্ভব হতে পারে। যেমন- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে গ্রাম, শহর ও জনপদ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে পম্পেই নগর লাভার নিচে চাপা পড়ে। এছাড়া ছাই, ভস্ম ইত্যাদি চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে বাতাস দূষিত করে তোলে।
• আবার ভূমিকম্পের ফলে বহু মানুষ, জীবজন্তু মারা যায় এবং ঘরবাড়ি বিনষ্ট হয়। মৃতদেহসমূহ দ্রুত সরাতে না পারলে তা পচে দুর্গন্ধ এবং রোগ-জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। ফলে বায়ু, পানি এবং মৃত্তিকা দূষণ
দেখা দেয়। সুতরাং বলা যায় যে, ভূ-অভ্যন্তরস্থ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট দুর্যোগসমূহ দূষণের কারণ হিসেবে কাজ করে।   

তথ্যসূত্র:- ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭০৮.
পরিবেশ রক্ষাকারী জাতিসংঘের সংগঠন কোনটি?
  1. ক) UNICEF
  2. খ) UNEP
  3. গ) UNDP
  4. ঘ) UNESCO
সঠিক উত্তর:
খ) UNEP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) UNEP
ব্যাখ্যা
• UNEP:
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (UNEP)
- UNEP-এর পূর্ণরুপ- United Nations Environment Programme 
- (UNEP) হল বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত এজেন্ডা নির্ধারণকারী সংস্থা যা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নের পরিবেশগত মাত্রা বাস্তবায়নের প্রচার করে।
- সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।

- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-৫ জুন।
- UNEP পরিবেশগত মাইলফলকের  ৫০ তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে- ২০২২ সালে।
- (UNEP) এর নির্বাহী পরিচালক- ইঙ্গার অ্যান্ডারসন।

তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (UNEP)
৫,৭০৯.
প্রশান্ত মহাসাগরের অবস্থান -
  1. আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে
  2. আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা
  3. পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে
  4. আফ্রিকা, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• প্রশান্ত মহাসাগর:
- প্রশান্ত মহাসাগরের অবস্থান - আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে।
- মহাসাগরসমূহের মধ্যে আয়তন এবং গভীরতার দিক থেকে প্রশান্ত মহাসাগর সবচেয়ে বড়।
- এর আয়তন ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং গড় গভীরতা, ৪,২৭০ মিটার।

অপরদিকে -
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয়।
- গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়। 
- গভীরতার দিক থেকে ভারত মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭১০.
নিচের কোনটি নিয়ত বায়ুপ্রবাহ?
  1. স্থলবায়ু
  2. সমুদ্র বায়ু
  3. পার্বত্য বায়ু
  4. অয়ন বায়ু
সঠিক উত্তর:
অয়ন বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অয়ন বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ:
- বায়ুপ্রবাহ মূলত চার প্রকার। যথা-
# নিয়মিত বায়ু।
# স্থানীয় বায়ু।
# সাময়িক বায়ু।
# অনিয়মিত বায়ু।

• নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিন প্রকার। যথা-
# অয়ন বায়ু।
# মেরু বায়ু।
# পশ্চিমা বায়ু।

• সাময়িক বায়ু প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
# স্থলবায়ু ও সমুদ্র বায়ু।
# মৌসুমি বায়ু।

• স্থানীয় বায়ু হলো দুই প্রকার। যথা-
# পার্বত্য বায়ু।
# উপত্যকা বায়ু।

• অনিয়মিত বায়ু দুই প্রকার। যথা-
# ঘূর্ণিবাত বায়ু।
# প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭১১.
নিচের কোথায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনাঞ্চল রয়েছে?
  1. মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  2. বরেন্দ্র্রভূমি
  3. খুলনা অঞ্চল
  4. পার্বত্য চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি রয়েছে।
এ বনাঞ্চলের বৃক্ষের পাতা শীতকালে ঝড়ে যায় না। এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ১৩.৭৭ লক্ষ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৯.৩৩ শতাংশ। এ বনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, চাপালিশ ও তেলসুর উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৫,৭১২.
স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ কোনটি?
  1. ভিয়েতনামের ঘূর্ণিবাত বায়ু
  2. মিসরের খামসিন
  3. বাংলাদেশের মৌসুমি বায়ু
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মিসরের খামসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিসরের খামসিন
ব্যাখ্যা
• স্থানীয় বায়ু:
- স্থানীয় বায়ু: স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।

• স্থানীয় বায়ুর ‍উদাহরণ:
- রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭১৩.
মুহুরী সেচ প্রকল্প কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. ফেনী 
  3. চাঁদপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ফেনী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেনী 
ব্যাখ্যা

•মুহুরী সেচ প্রকল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেচ প্রকল্প।
- ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, পোরশুরাম, ফুলগাজী, সোনাগাজিয়ায় পানি সরবরাহের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে চল্লিশ ফুট স্লুইস গেট। 
- এটি বর্ষা মৌসুমে বন্যার সম্ভাবনা কমাতে এবং আমন ফসলের জন্য চট্টগ্রামের মিরসরাই উপ-জেলার কয়েকটি এলাকায় পানি সরবরাহ করে।
- সিডা, ইইসি এবং বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় জাপানি কোম্পানি এসআইএম ইউ জে এইচ ইউ এই প্রকল্পটি নির্মাণ করেছে।

উৎস: পানি উন্নয়ন বোর্ড।

৫,৭১৪.
আলট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে কততম?
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৮ম
  3. গ) ১৩ তম
  4. ঘ) ১৪ তম
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩ তম
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় আর বিশ্বের ১৩ তম  দেশ হিসেবে আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হলো বাংলাদেশে।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে দেশ প্রবেশ করল ‘সুপার ক্রিটিক্যাল ক্লাবে’।
- জ্বালানি সাশ্রয়ী পরিবেশবান্ধব ক্লিন কোল প্রযুক্তির বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দক্ষতা ৪৪ দশমিক ২৯ শতাংশ।
- সালফার নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে ফ্লু গ্যাস ডিসালফারাইজেশন (এফজিডি) স্থাপন করা হয়েছে।
- ফ্লাইঅ্যাশ কমাতে ৯৯ শতাংশ দক্ষতাসম্পন্ন ইলেক্ট্রো স্ট্যাটিক প্রেসিপিটেটর (ইএসপি) বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে সংযোজিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র- বাংলা ট্রিবিউন এবং সাম্প্রতিক সমাচার এপ্রিল ২০২২।
৫,৭১৫.
কোনটি জলবায়ুর উপাদান নয়?
  1. উষ্ণতা
  2. বায়ুর চাপ
  3. বায়ুর তাপ
  4. পর্বতের অবস্থান
সঠিক উত্তর:
পর্বতের অবস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বতের অবস্থান
ব্যাখ্যা

• আবহাওয়া ও জলবায়ু:
- কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে।
- কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
- কাজেই জলবায়ু কোন একটি অঞ্চলের অনেক দিনের বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তর বা ট্রপোমন্ডলের সামগ্রিক অবস্থা।

আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো-
- বায়ুর তাপ/উষ্ণতা,
- বায়ুর চাপ,
- বায়ুর আর্দ্রতা ও
- বারিপাত।

- পর্বতের অবস্থান জলবায়ুর উপাদান নয় এটি জলবায়ুর নিয়ামক।
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৭১৬.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল মাস কোনটি?
  1. ক) জুন
  2. খ) জুলাই
  3. গ) আগস্ট
  4. ঘ) মে
সঠিক উত্তর:
খ) জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জুলাই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মাসিক স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত:
- জানুয়ারি : ৯.০ মি.মি.
- ফেব্রুয়ারি : ২৫.৫ মি. মি.
- মার্চ : ৫২.৪ মি.মি.
- এপ্রিল : ১৩০.২ মি.মি.
- মে : ২৭৭.৩ মি.মি.
- জুন : ৪৫৯.৪ মি.মি.
- জুলাই : ৫২৩.০ মি.মি.
- আগস্ট : ৪২০.৪ মি.মি.
- সেপ্টেম্বর : ৩১৮.২ মি.মি.
- অক্টোবর : ১৬০.৩ মি.মি.
- নভেম্বর : ১৪২.৪ মি.মি.
- ডিসেম্বর : ৯.৬ মি.মি।

বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত হলো ২০৩ সেন্টিমিটার।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর)
৫,৭১৭.
পৃথিবীর বৃহত্তম অরণ্যের নাম কি?
  1. গোবি
  2. আতাকামা
  3. দালোল
  4. তৈগা
সঠিক উত্তর:
তৈগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈগা
ব্যাখ্যা
তৈগা (Taiga) বা বোরিয়াল বনভূমি: 
- পৃথিবীর বৃহত্তম অরণ্যের নাম তৈগা। 
- তৈগা হলো ঠান্ডা, সাব-আর্কটিক অঞ্চলের একটি বন। সাব-আর্কটিক হল উত্তর গোলার্ধের একটি অঞ্চল যা আর্কটিক সার্কেলের ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত।
- তৈগা হলো পৃথিবীর একটি গুরুত্বপূর্ণ জৈব অঞ্চল (biome), যা মূলত শীতপ্রধান অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- এটি প্রধানত চিরসবুজ শঙ্কুবাহী গাছপালা যেমন পাইনের গাছ, স্প্রুস, লার্চ ও ফার দিয়ে গঠিত।
- তৈগা রাশিয়ান ভাষায় "জলাবদ্ধ পাইন বন" প্রায় ৫০ মিলিয়ন একর বা পৃথিবীর মোট ভূমির ১৭% জুড়ে বিস্তৃত, যা এটিকে গ্রহের বৃহত্তম বায়োমে পরিণত করে ।
- এটি পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় ১৭% জায়গা জুড়ে বিস্তৃত, বিশেষ করে উত্তর গোলার্ধের কানাডা, আলাস্কা, রাশিয়া ও সাইবেরিয়াতে।
- এখানে শীত অনেক দীর্ঘ ও তীব্র ঠান্ডার হয়, আর দিনগুলো ছোট হয়।
- গ্রীষ্মকালে দিন বড় হয় ও কিছুটা গরম থাকে, তখন গাছপালা বেড়ে ওঠে।
- এখানকার গাছগুলো ঠান্ডা সহ্য করতে পারে এবং পাতাগুলো সূঁচের মতো হয়।
- বার্চ ও পপলার নামের কিছু পাতা ঝরানো গাছও দেখা যায়।
- এই অঞ্চলের প্রাণী ও উদ্ভিদ স্বল্প সময়ের গ্রীষ্মে দ্রুত বেড়ে ওঠার জন্য মানিয়ে নিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দালোল হল উত্তর ইথিওপিয়ার দালোল ওয়ারেডায় অবস্থিত একটি এলাকা, বিশ্বের সর্বনিম্ন উচ্চতার সাব-এরিয়াল আগ্নেয়গিরি , এবং এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের সম্পূর্ণ নীচে অবস্থিত।
- গোবি ও আতাকামা হলো মরুভূমির নাম। 

উৎস: Britannica. 
National Geographic.
WorldAtlas
৫,৭১৮.
বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করছে কোন দেশ? [জুলাই, ২০২৫]
  1. চীন
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প:
- যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের উৎপত্তিস্থলের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে চীন। 
- তিব্বত মালভূমির পূর্ব প্রান্তে এই বাঁধ নির্মাণ করা হবে ইয়ারলুং জ্যাংবো নদীর উপর।
- এই নদী ভারতের অরুণাচল, আসাম হয়ে বাংলাদেশে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নাম পেয়েছে।
- চীনের পাওয়ার কনস্ট্রাকশন কর্পের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বাঁধ বছরে ৩০০ বিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।]
- এই প্রকল্পে পাঁচটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মোট ব্যয় প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ইউয়ান (১৬৭.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
- গত ১৯ জুলাই, ২০২৫ এই বাঁধ নির্মাণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাঁধও চীনে অবস্থিত।
- মধ্য চীনের থ্রি গর্জেস বাঁধের উৎপাদন ক্ষমতা ৮৮ দশমিক দুই বিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা।
- তিব্বতে নির্মিতব্য বাঁধটি এর তিন গুণেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৫,৭১৯.
আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
  1. মাউন্ট এভারেস্ট
  2. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো 
  3. কিলিমিনাথো
  4. রুয়েনজুরি
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো 
ব্যাখ্যা

আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো।
- এটি তানজানিয়াতে অবস্থিত এবং এটি একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি।
---------------------------------- 
আফ্রিকা মহাদেশ:
- আফ্রিকা মহাদেশ হলো পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। 
- আফ্রিকার মোট ভূমির আয়তন প্রায় ৩০,৩৬৫,০০,০০০ বর্গকিমি (১,১৭,২৪,০০০ বর্গমাইল)।
- মহাদেশটি বিষুবরেখা দ্বারা প্রায় সমানভাবে দুই ভাগে বিভক্ত।
- ফলে আফ্রিকার বেশিরভাগ অংশ গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত।
- উত্তরে মহাদেশটি কর্কটক্রান্তি এবং দক্ষিণে মকরক্রান্তি দ্বারা সীমাবদ্ধ।
- আফ্রিকা মহাদেশে ৫৪টি দেশ রয়েছে [পশ্চিম সাহারা (১০৫,০২০ বর্গমাইল [২৭২,০০০ বর্গকিলোমিটার]) বাদ দেওয়া হয়েছে , যা মরক্কোর একটি সংযুক্ত অঞ্চল]। 

- আফ্রিকা মহাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর, উত্তরে ভূমধ্যসাগর, পূর্বে লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগর, এবং দক্ষিণে আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগরের মিশ্র জলরাশি দ্বারা বেষ্টিত।
- আফ্রিকাকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে জিব্রাল্টার প্রণালী।
- এই মহাদেশের দক্ষিণপ্রান্তে অবস্থিত উত্তমাশা অন্তরীপ (Cape of Good Hope)।

- আফ্রিকার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যর মধ্যে রয়েছে- সাহারা মরুভূমি।
- আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী নীল নদ।
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কিলিমাঞ্জারো। 
- এবং আফ্রিকার সর্বনিম্ন স্থান আসাল হ্রদ (জিবুতি)। 

উৎস: Britannica. 

৫,৭২০.
কোন সালের ভূমিকম্পের ফলে যমুনা নদী উৎপত্তি লাভ করে?
  1. ১৭৮৭ সালে
  2. ১৭৮৯ সালে
  3. ১৮৮৭ সালে
  4. ১৮৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
যমুনা (Jamuna): 
- ব্রহ্মপুত্র একসময় বিশাল স্রোতধারা নিয়ে ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ।
- আজকের চঞ্চলা যমুনা নদীও ছিল ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।
- মূলত ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্রের স্রোতধারা দেওয়ানগঞ্জের কাছে এসে ওই শীর্ণকায় খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- সেটিই আজকের যমুনা নদী। 
- এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়। 
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। 
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা। 
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৭২১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উষ্ণতম ঋতু কোনটি?
  1. বর্ষাকাল
  2. গ্রীষ্মকাল
  3. শীতকাল
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল সবচেয়ে উষ্ণ ঋতু হিসেবে পরিচিত।

• গ্রীষ্মকাল:
- বাংলাদেশে মার্চ হতে মে মাস (ফাল্গুন-জ্যৈষ্ঠ) পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল।
- এ ঋতুতে সূর্যের উত্তরায়নের ফলে উত্তাপের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- দেশের দক্ষিণাঞ্চল হতে উত্তরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়।
- এ ঋতুতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১°সেলসিয়াস।
- এপ্রিল উষ্ণতম মাস। এ মাসের গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮° সেলসিয়াস।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭২২.
কোনটি উপদ্বীপ?
  1. জার্মান
  2. কোরিয়া
  3. সৌদি আরব
  4. মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোরিয়া
ব্যাখ্যা
কোরীয় উপদ্বীপ:
- কোরীয় উপদ্বীপ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত একটি উপদ্বীপ।
- কোরীয় উপদ্বীপ উত্তর-পশ্চিম এশিয়া থেকে প্রশান্ত মহাসাগরে এসে পড়েছে।
- উপদ্বীপটি জাপান সাগর (পূর্ব সাগর) এবং হলুদ সাগর দ্বারা আবদ্ধ। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া উপদ্বীপ ভাগ করে নেয়।

উল্লেখ্য,
- উপদ্বীপের তিনদিকে পানি আর অপর অংশ স্থলভাগের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোরিয়ার তিনদিকে সাগর আর বাকি অংশ চীনের সাথে যুক্ত বিধায় কোরিয়াকে উপদ্বীপ বলা হয়।

উৎস: Britannica.
৫,৭২৩.
মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশের বৃষ্টিপাত প্রধানত কোন সময় ঘটে?
  1. জানুয়ারি–মার্চ
  2. এপ্রিল–মে
  3. জুন–অক্টোবর
  4. নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
জুন–অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুন–অক্টোবর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জলবায়ু:
- বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি সমভাবাপন্ন।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এ দেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজমান।
- তবে বিভিন্ন ঋতুর আবির্ভাব থাকায় এদেশের সামগ্রিক জলবায়ুকে ক্রান্তীয় মৌসুমিন জলবায়ু বলা হয়।
-  শীতকালে তাপমাত্রা ৭০ সেলসিয়াস পর্যন্ত নামে অপর দিকে গ্রীস্মকালে কখনও কখনও তাপমাত্রা ৪০° সেলসিয়াসের উপরেও উঠে।
- কিন্তু বার্ষিক গড় তাপমাত্রা কম বেশী ২৪° সেলসিয়াস।
- কিন্তু গ্রীষ্মকালীন গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮° সেলসিয়াস।
- শীত ও গ্রীষ্মের উত্তাপের পার্থক্য খুবই কম। এ মাসের গড় তাপমাত্রা থাকে ১৭° সেলিসিয়াসের কাছাকাছি।
- মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেট অঞ্চলে।
- নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী মাস শীত কাল বলে পরিচিত। জানুয়ারী হচ্ছে সবচেয়ে শীতল মাস।

উৎস: ভূগোল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭২৪.
মেরু জলবায়ু মূলত কয়টি শ্রেণিতে বিভক্ত?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
মেরু জলবায়ুসমূহ:
- এ জলবায়ুতে বছরের বেশিরভাগ সময় তাপমাত্রা হিমাংকের নিচে থাকে।
- ফলে উদ্ভিজ্জের জন্ম ও বৃদ্ধির জন্য গ্রীষ্মকালের স্থায়িত্ব ও উত্তাপের প্রাচুর্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- উষ্ণতম মাসের গড় তাপমাত্রা ১০° সে. এর কম থাকে।
- এই জলবায়ু মূলত দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত। যথা-
১. তুন্দ্রা অঞ্চল।
২. চিরস্থায়ী বরফের আচ্ছাদনজনিত জলবায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭২৫.
ভূতাত্ত্বিক গঠনগত কারণে বাংলাদেশ বিশেষভাবে কোন অঞ্চলে ভূমিকম্পপ্রবণ?
  1. উপকূলীয় অঞ্চল
  2. উত্তর ও পূর্বাঞ্চল
  3. পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চল
  4. দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
উত্তর ও পূর্বাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর ও পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা

• ভূতাত্ত্বিক গঠন অনুযায়ী উত্তর ও পূর্বাঞ্চল বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ।

• বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:

- বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে রয়েছে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়।
- উত্তর–দক্ষিণে বিস্তৃত এই স্বল্প ভাঁজবিশিষ্ট ভঙ্গিল প্রকৃতির পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই পাহাড় এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমভূমীয় অংশ হিসেবে ধরা হয়।

- এই পাহাড়গুলো প্রধানত—

- বেলে পাথর,
- শেল পাথর এবং
- কর্দম দ্বারা গঠিত।

- গঠনগত কারণে এসব পাহাড় ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

 
• প্লাইস্টোসিনকালের গঠন:

- বাংলাদেশে আরও রয়েছে প্রাচীন পলল দ্বারা গঠিত প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—

- বরেন্দ্রভূমি,
- মধুপুর গড়,
- ভাওয়ালের গড় এবং
- লালমাই পাহাড়।
 
• সমতল ভূমি ও ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য:

- বাংলাদেশের বৃহৎ অংশই নবগঠিত পলল সমভূমি দ্বারা আচ্ছাদিত।

- তাই ভূতাত্ত্বিক গঠনগত দিক থেকে বাংলাদেশ বিশেষভাবে— উত্তরাঞ্চল এবং পূর্বাঞ্চলে অধিক ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৫,৭২৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সম্প্রতি প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. শরীয়তপুর
  3. সুনামগঞ্জ
  4. মানিকগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
শরীয়তপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা

- শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চামটা ইউনিয়নের দিনারা গ্রামে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান মিলেছে।
- এ গ্যাসের অনুসন্ধানে কূপ খননের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
- বর্তমানে দেশে ২৮টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
- সবমিলিয়ে গ্যাসের প্রমাণিত ও সম্ভাব্য মজুতের পরিমাণ ১০ টিসিএফ বা ১০ লাখ কোটি ঘনফুট গ্যাস।
- দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৬৬ কোটি ঘনফুট।
- বার্ষিক গ্যাসের চাহিদা ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি ঘনফুট বা ১.৩৩ টিসিএফ।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

৫,৭২৭.
পরিচলন বৃষ্টি হয় -
  1. ক) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  2. খ) দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদীর অববাহিকায়
  3. গ) আফ্রিকার কঙ্গো নদীর অববাহিকায়
  4. ঘ) সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোতে
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর পরিচলন বৃষ্টিপাত হতে দেখা যায়। এছাড়া আফ্রিকার কঙ্গো নদীর অববাহিকা, দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদীর অববাহিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া অঞ্চলে প্রায় প্রত্যহ পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত হয়। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
৫,৭২৮.
নিচের কোন দুটি ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র?
  1. ক) স্পেন ও ফ্রান্স
  2. খ) অস্ট্রিয়া ও ইতালি
  3. গ) রাশিয়া ও যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ইতালি ও দক্ষিণ আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইতালি ও দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইতালি ও দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
বিশ্বে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্রের সংখ্যা দুইটি। এগুলো হলো:
দক্ষিণ আফ্রিকা ও
ইতালি।
দক্ষিণ আফ্রিকার অভ্যন্তরে ‘লেসোথ’ নামের আরেকটি স্বাধীন রাষ্ট্র অবস্থিত।
অন্যদিকে, ইতালির অভ্যন্তরে ‘ভ্যাটিকান সিটি’ ও ‘সানম্যারিনো’ রাষ্ট্রদ্বয় অবস্থিত।
(সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৫,৭২৯.
দুইটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ৪১ হলে, বৃহত্তর সংখ্যাটি কত?
  1. ক) ১৯
  2. খ) ২০
  3. গ) ১৭
  4. ঘ) ২১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ৪১ হলে, বৃহত্তর সংখ্যাটি কত?

সমাধান: 
ধরি,
ক্রমিক সংখ্যা দুইটি = ক এবং (ক + ১)

প্রশ্নমতে,
(ক + ১) - ক = ৪১
+ ২ক + ১ - ক = ৪১
২ক = ৪০
ক = ২০

∴ বৃহত্তর সংখ্যাটি = ২১
৫,৭৩০.
অর্থকরী ফসল নয় কোনটি?
  1. ক) ফুল
  2. খ) তুলা
  3. গ) তামাক
  4. ঘ) তেলবীজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) তেলবীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তেলবীজ
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রির জন্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্থকরী ফসলগুলো হলোঃ পাট, চা, ইক্ষু, তুলা, তামাক, ফুল। অন্যদিকে ধান, গম, ভুট্টা, তেলবীজ, আলু, সবজী, ফলমূল ইত্যাদি হলো খাদ্যশস্য। (সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৭৩১.
বাংলাদেশে খরা প্রবণ অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) দক্ষিণাঞ্চল
  2. খ) দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চল
  3. গ) উত্তর - পশ্চিমাঞ্চল
  4. ঘ) উত্তর - পূর্বাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর - পশ্চিমাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর - পশ্চিমাঞ্চল
ব্যাখ্যা
খরা প্রবণ অঞ্চল:
- খরা দীর্ঘকালীন শুষ্ক আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে খরা অবস্থার সৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল খরার জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- এ অঞ্চলের রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর প্রভৃতি জেলা খরার জন্যে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- অনাবৃষ্টি, দীর্ঘদিন শুষ্ক আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত অপেক্ষা বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের হার অধিক হলে সাধারণত খরা দেখা দেয়।
- গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ গরমের সময় রাজশাহী এবং বিশেষ করে নাটোর জেলার লালপুরে তাপমাত্রা ৪৫° সেন্টিগ্রেড বা তারও বেশি হয়।
- আর শীতকালে দিনাজপুর ও রংপুরের কিছু অঞ্চলে তাপমাত্রা এমনকি ৫° সেন্টিগ্রেডেরও নিচে নেমে যায়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৩২.
Which river of Bangladesh has its origin in Tibet?
  1. ক) Padma
  2. খ) Brahmaputra
  3. গ) Surma
  4. ঘ) Meghna
সঠিক উত্তর:
খ) Brahmaputra
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Brahmaputra
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র:
- হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে ‘মানস সরোবর হ্রদ’ থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে।
- এটি তিব্বত ও আসামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ ভৈরববাজারের নিকট মেঘনা নদীতে মিলিত হয়েছে।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী এবং বংশী ও শীতলক্ষ্যা প্রধান শাখা নদী।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী
৫,৭৩৩.
যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ২ থেকে ৫০ জন লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে বলা হয় -
  1. ক) পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল
  2. খ) প্রায় জনহীন অঞ্চল
  3. গ) নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল
  4. ঘ) বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল 
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল 
ব্যাখ্যা
কোনো দেশ বা অঞ্চলে যদি প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২থেকে ৫০ জন লোক বাস করে তবে তাকে বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল বলে।

• জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে পৃথিবীকে চারটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়।
যথা:
১. নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল, 
২. পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল,  
৩. বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল,
৪. প্রায় জনহীন অঞ্চল।

১. নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল: পৃথিবীর যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০০ জনের অধিক লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল বলে।
- যেমন: মোনাকো, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ,বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, চীন, জাপান, বাহরাইন, মাল্টা, বারমুডা, জার্মানি প্রভৃতি দেশ নিবিড় জনসংখ্যা অধ্যুষিত অঞ্চল।

২.পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল: পৃথিবীর যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৫০ থেকে ১০০ জন লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল বলে।
- যেমন-মিশর, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক কেনিয়া, মেক্সিকো, ইরাক, ইরান প্রভৃতি।

৩. বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল: কোনো দেশ বা অঞ্চলে যদি প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২ থেকে ৫০ জন লোক বাস করে তবে তাকে বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল বলে।
- যেমন- দক্ষিণ আফ্রিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আইসল্যান্ড, সৌদি আরব, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর আমেরিকার প্রেইরি প্রভৃতি।

৪. প্রায় জনহীন অঞ্চল: প্রায় জনহীন অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় একজনের কম লোক বাস করে। এসব এলাকা অত্যন্ত দুর্গম এবং মানুষ বসবাসের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। সাহারা ও কালাহারি মরুভূমি, আমাজান উপত্যকা, হিমালয়, রকি ও আন্দিজ পর্বতমালা এ ধরনের অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস : ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৩৪.
”শাহবাজপুর” কোন জেলার পূর্ব নাম?
  1. বরিশাল
  2. ভোলা
  3. নোয়াখালী
  4. লক্ষ্মীপুর 
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা

• ভোলা:
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত ভোলা জেলা।
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ যা বাংলা করলে ‘বাংলাদেশের দ্বীপের রাণী’ হয়।
-  বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ভোলা।
- ভোলা জেলার পূর্ব নাম দক্ষিণ শাহবাজপুর।
- হিমালয় থেকে নেমে আসা ৩টি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র বাহিত পলি দিয়ে মোহনায় গড়ে উঠেছে এ দ্বীপ।
- জেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৭৩৫.
পর্ণমোচী ও চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি দেখা যায় কোন জলবায়ু অঞ্চলে?
  1. ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল
  2. মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল
  3. নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল
ব্যাখ্যা
মৌসুমী জলবায়ু:
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু।
- ক্যারিবিয়ান সাগর, পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপসমূহের দেশগুলো, পূর্ব আফ্রিকা, পূর্ব ব্রাজিল, উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ চীন ও জাপান, থাইল্যান্ড, কম্পুচিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার অর্থাৎ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও মেক্সিকো উপসাগরের উপকূলবর্তী দেশসমূহ, লাওস, মালাগাছি দ্বীপও এই জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য:
- মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অধিক গরম ও শীতকালে শীত পড়ে।
- জুলাই মাস সবচেয়ে বেশি গরম ও জানুয়ারি মাসে বেশি শীত পড়ে।
- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়।
- মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত বেশি হয় কিন্তু শীতকাল শুষ্ক থাকে। তবে অতিবৃষ্টি, বন্যা, খরাও এই জলবায়ু অঞ্চলে দেখা যায়।
- এই জলবায়ু অঞ্চলে উর্বর ভূমি ও পলিমাটি কৃষিকাজের জন্য উপকারী।
- উর্বর মাটি ও বৃষ্টিপাত, পর্যাপ্ত সূর্যালোক মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে পর্ণমোচী ও চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমির বিস্তার ঘটায়। চিরহরিৎ বৃক্ষের বনাঞ্চলে ২০০ সে.মি এর বেশি বৃষ্টিপাত হয় এবং তৃণভূমি অঞ্চলে ৫° সে.মি থেকে ১০০ সে.মি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।

অন্যদিকে,
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অধিক বলে এখানে শীতকালীন বৃক্ষ যেমন- জলপাই, কর্ক, তুঁত, নিম, পাইন গাছের উৎপত্তি লক্ষ্যণীয়।
- নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৩৬.
"কিলিমাঞ্জারো পর্বত" কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. এশিয়া মহাদেশ
  2. আফ্রিকা মহাদেশে
  3. ইউরোপ মহাদেশে
  4. আমেরিকা মহাদেশে
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা মহাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা মহাদেশে
ব্যাখ্যা

• কিলিমাঞ্জারো পর্বত
- কিলিমাঞ্জারো পর্বত তানজানিয়ায় অবস্থিত, 
- মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো হল আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যার উচ্চতা ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)। 
- এই রাজকীয় পর্বতটি একটি তুষারাবৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি তিনটি ভিন্ন শৃঙ্গ নিয়ে গঠিত: Kibo, Mawenzi, এবং Shira।
- কিলিমাঞ্জারোর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো Kibo, যার উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)।

উৎস: National Geographic Society এবং ব্রিটানিকা।

৫,৭৩৭.
কোন প্রণালি দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. ক) মালাক্কা প্রণালি
  2. খ) বেরিং প্রণালি
  3. গ) ফরমোজা প্রণালি
  4. ঘ) বাবেল মান্দেব প্রণালি
সঠিক উত্তর:
গ) ফরমোজা প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফরমোজা প্রণালি
ব্যাখ্যা
ফরমোজা প্রণালি : দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে,
• মালাক্কা প্রণালি : আন্দামান সাগর (ভারত মহাসাগর) ও দক্ষিণ চীন সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) কে যুক্ত করেছে।
• বাবেল মান্দেব প্রণালি : লোহিত সাগর ও এডেন সাগরকে যুক্ত করেছে।
• বেরিং প্রণালি : বেরিং সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) ও চুকচি সাগর (উত্তর মহাসাগর) কে যুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও ব্রিটানিকা।
৫,৭৩৮.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ কোন সালে সমাপ্ত হবে?  
  1. ২০২৬ সালে
  2. ২০২৭ সালে
  3. ২০২৮ সালে
  4. ২০৩১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা

• গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

⇒ ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।

⇒ ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- উল্লেখ্য, ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।
- তবে, চুক্তি নবায়নের বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশ এরই মধ্যে আলোচনা শুরু করেছে। 

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।

৫,৭৩৯.
গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা প্রায় কত ডিগ্রী সেলসিয়াস?
  1. ২৪° সেলসিয়াস
  2. ২৮° সেলসিয়াস 
  3. ৩০° সেলসিয়াস
  4. ৩৫° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
২৮° সেলসিয়াস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮° সেলসিয়াস 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জলবায়ু:
- বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি সমভাবাপন্ন।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এ দেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজমান।
- তবে বিভিন্ন ঋতুর আবির্ভাব থাকায় এদেশের সামগ্রিক জলবায়ুকে ক্রান্তীয় মৌসুমিন জলবায়ু বলা হয়।
-  শীতকালে তাপমাত্রা ৭০ সেলসিয়াস পর্যন্ত নামে অপর দিকে গ্রীস্মকালে কখনও কখনও তাপমাত্রা ৪০° সেলসিয়াসের উপরেও উঠে।
- কিন্তু বার্ষিক গড় তাপমাত্রা কম বেশী ২৪° সেলসিয়াস।
- কিন্তু গ্রীষ্মকালীন গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮° সেলসিয়াস।
- শীত ও গ্রীষ্মের উত্তাপের পার্থক্য খুবই কম। এ মাসের গড় তাপমাত্রা থাকে ১৭° সেলিসিয়াসের কাছাকাছি।
- মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেট অঞ্চলে।
- নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী মাস শীত কাল বলে পরিচিত। জানুয়ারী হচ্ছে সবচেয়ে শীতল মাস।

উৎস: ভূগোল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৪০.
‘সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ২০১৫-৩০’ হচ্ছে একটি -
  1. সুনামি দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
  2. বিশ্ব উন্নয়ন কৌশল
  3. ভূমিকম্পের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
  4. দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
ব্যাখ্যা
• সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:
- ২০১৫ সালের ১৪ থেকে ১৮ মার্চ জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক : ২০১৫-২০৩০ গৃহীত হয়।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য স্থির করা হয়।

সূত্র: জাতিসংঘ দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যালয়।
৫,৭৪১.
'নদী সিকস্তি' কারা?
  1. নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণ
  2. নদীর চর জাগলে যারা দখল করতে চায়
  3. নদীতে যারা সারা বছর মাছ ধরে
  4. নদীর পাড়ে যারা বসবাস করে
সঠিক উত্তর:
নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণ
ব্যাখ্যা

নদীভাঙন:
- বর্ষাকালে নদীখাতে প্রবল বেগে পানিপ্রবাহ, নদী খাতের উভয় পার্শ্বে নরম মাটি ও ফাটলের অবস্থানের কারণে যে ক্ষয় হয়ে থাকে, তাকে নদীভাঙন বলে।
- নদী ভাঙ্গনের শিকার হয় পলিমাটি গঠিত সমভূমি অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহ।
- নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণকে নদী সিকস্তি বলে।

উল্লেখ্য:
- নদীতে ভেঙে যাওয়া জমির স্থানে নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠনকে নদী পয়স্তি বলে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৪২.
ভূপৃষ্ঠের সমবৃষ্টিপাত বিশিষ্ট স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা কোনটি?
  1. ক) আইসোথার্ম
  2. খ) আইসোহাইট
  3. গ) আইসোহেলাইন
  4. ঘ) আইসোবার
সঠিক উত্তর:
খ) আইসোহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আইসোহাইট
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠের সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখাকে আইসোহাইট বলা হয়।

অন্যদিকে:
- সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখাকে আইসোথার্ম বলা হয়।
- সমুদ্রের সমলবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা আইসোহেলাইন নামে পরিচিত।
- ভূপৃষ্ঠের সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখাকে আইসোবার বলা হয়।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : উন্মুক্ত বিশ্ব. এবং সায়েন্সডিরেক্ট ওয়েবসাইট)
৫,৭৪৩.
রাসায়নিক দূষণ কোন প্রকারের দুর্যোগ?
  1. ভূ-অভ্যন্তরস্থ প্রতিক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ
  2. মহাকাশীয় দুর্যোগ
  3. মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ
  4. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
সঠিক উত্তর:
মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাপী দুর্যোগসমূহের প্রকারভেদ:
- পৃথিবীর যে কোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়। যেমন:
ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও
খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।

⇒ প্রাকৃতিক দুর্যোগ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়।
• যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।

⇒ মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ:
- মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়।
• যেমন: জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৪৪.
আয়তনে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ জেলা কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. সিলেট
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
রাঙ্গামাটি জেলা:
- রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা ২২-২৭'' ও ২৩- ৪৪'' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১- ৫৬'' ও ৯২- ৩৩'' পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।
- রাঙ্গামাটির উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম, দক্ষিণে বান্দরবান, পূর্বে মিজোরাম ও পশ্চিমে চট্রগ্রাম ও খাগড়াছড়ি।
- এই জেলা আয়তনের দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ জেলা।
- দেশের এক মাত্র রিক্সা বিহীন শহর।
- রাঙ্গামাটি জেলায় বাঙ্গালীসহ ১৪টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান- এই তিন পার্বত্য অঞ্চলকে নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা সৃষ্টির পূর্বের নাম ছিল কার্পাস মহল।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা থেকে১৯৮১ সালে বান্দরবান এবং ১৯৮৩ সালে খাগড়াছড়ি পৃথক জেলা সৃষ্টি করা হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার মূল অংশ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র - রাঙ্গামাটি জেলা ওয়েবসাইট।
৫,৭৪৫.
নিম্নের কোন ভৌগলিক অঞ্চলটি ‘রামসার সাইট’ হিসেবে স্বীকৃত?
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. মাধবকুণ্ড
  3. বগা লেক
  4. কাপ্তাই হ্রদ
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা

টাঙ্গুয়ার হাওর  রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃত।

• রামসার সাইট:
- ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ।
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১মে, ১৯৯২)।
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই, ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।

৫,৭৪৬.
ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে কী বলে?
  1. ঘূর্ণিবলয়
  2. বৃত্ত
  3. চোখ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চোখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোখ
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড়:
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।
- ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্র পৃষ্ঠে সাধারণত ২৭° সেলসিয়াস বা এর বেশি তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- এসময় উচ্চচাপযুক্ত বায়ু প্রবলবেগে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগে যেখানে নিম্নচাপ থাকে সেদিকে ধাবিত হয়।
- এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়।
- এটি সমুদ্রপৃষ্ঠে উৎপত্তি লাভ করে মহাদেশীয় মূলভাগের দিকে অগ্রসর হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলে।
- এটি দেখতে অনেকটা মানুষের চোখের মতো।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৪৭.
'সুবিক বে' কোন  দেশে অবস্থিত? 
  1. সিঙ্গাপুর 
  2. ফিলিপাইন 
  3. কিউবা 
  4. থাইল্যান্ড 
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন 
ব্যাখ্যা
• সুবিক বে:
- সুবিক বে ফিলিপাইনের লুজন দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে, দক্ষিণ চীন সাগরের একটি উপসাগর।
- ১৯০১-১৯৯২ পর্যন্ত এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি ছিল, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভিয়েতনাম যুদ্ধ ও ঠান্ডা যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৯২ সালে ঘাঁটি হস্তান্তরের পর এলাকা একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল হিসেবে গড়ে ওঠে।
- বর্তমানে এটি একটি বন্দর, পর্যটন ও শিল্পকেন্দ্র।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৫,৭৪৮.
‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরিটি নিচের কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইথিওপিয়া
  2. ইরিত্রিয়া
  3. রাশিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইথিওপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা

• ‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরি:
- ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলের একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি হচ্ছে ‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরি।
- আগ্নেয়গিরিটি ইথিওপিয়ার আফার অঞ্চলে আদ্দিস আবাবা থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
- প্রায় ৫০০ মিটার উচ্চতার এ আগ্নেয়গিরি রিফট ভ্যালির মধ্যে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলে দীর্ঘকাল ধরে সুপ্ত থাকা একটি আগ্নেয়গিরিতে গত ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ সালে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে।
- এই অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট ছাইয়ের বিশাল মেঘ লোহিত সাগর পেরিয়ে ইয়েমেন, ওমান ও এমনকি ভারতের কিছু অংশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

৫,৭৪৯.
বাংলাদেশকে কয়টি ভূ-কম্পন অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-কম্পন অঞ্চল:
- ২০১৬ সালে প্রকাশিত 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) রিপোর্ট অনুযায়ী, সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।
- অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12

উল্লেখ্য, 
- BANGLADESH NATIONAL BUILDING CODE (BNBC) সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্প সংঘটন অঞ্চলে (Seismic Zone) বিভক্ত করে।
অঞ্চলগুলো হলো:
১. মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা -৭),
২. মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ: মধ্যাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৬),
৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা-৫)।
- পরে, ২০০৬ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও তিনটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ের সর্বশেষ সংস্করণে ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রির্পোর্ট অনুসারে, ভূমিকম্পের প্রবণতার ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে ৩টি অঞ্চলে ভাগ করে দেখানো হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ-জাতীয়-বিল্ডিং-কোড-(BNBC Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট) ওয়েবসাইট।
৫,৭৫০.
গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্র-বিদ্যুৎসহ যে ক্ষণস্থায়ী বৃষ্টিপাত হয় তা কোন জাতীয় বৃষ্টি?
  1. ক) সংঘর্ষ বৃষ্টি
  2. খ) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  3. গ) ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি
  4. ঘ) পরিচলন বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
ক) সংঘর্ষ বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সংঘর্ষ বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্র-বিদ্যুৎসহ যে ক্ষণস্থায়ী বৃষ্টিপাত হয় তা সংঘর্ষ বৃষ্টি। কারণ, দেশের উত্তর-পশ্চিমে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর সাথে শুষ্ক ও শীতল বায়ুর সংঘর্ষে এ ঝড়ের উৎপত্তি হয়। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
৫,৭৫১.
'শ্লেট' কোন ধরনের শিলা?
  1. রূপান্তরিত শিলা
  2.  আগ্নেয় শিলা
  3. মিশ্র শিলা
  4. পাললিক শিলা
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।

কিছু রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
→ চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
→ বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
→ কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
→ গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
→ কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৫২.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলা?
  1. ক) মার্বেল
  2. খ) কোয়ার্টজাইট
  3. গ) গ্রাফাইট
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
⇒ রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আগ্নেয় শিলার সাথে একত্রে ভূ-ভাগের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ গঠন করেছে।
- ভূ-ত্বাত্তিক সময় ব্যাপী মহাদেশের যে সঞ্চারণ এবং উত্থান-পতন হয়েছে এ শিলা থেকে তা জানা যায়।
- এ শিলা সূদুর অতীতকালের প্লেট সঞ্চারণের সাক্ষ্য বহন করে।
- রূপান্তরিত শিলা মার্বেল পাথর, শ্লেট, গার্নেট ইত্যাদির মত মূল্যবান খনিজ সম্পদ ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৫৩.
আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত পাহাড় কোনটি?
  1. লালমাই পাহাড় 
  2. ময়নামতি পাহাড় 
  3. চন্দ্রনাথ পাহাড়
  4. শিপ্পি পাহাড় 
সঠিক উত্তর:
শিপ্পি পাহাড় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিপ্পি পাহাড় 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পাহাড়:
- বাংলাদেশের পাহাড়, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেটের, মূলত টারশিয়ারি যুগে ভারতের এবং ইউরেশীয় টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষ ও ভাঁজ প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়েছে।
- এগুলো আসামের লুসাই ও মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়।
- পাহাড়গুলো প্রধানত বেলেপাথর, শেল ও কদম শিলায় গঠিত।
- দীর্ঘ সময় ধরে নদী, বৃষ্টি ও ভূমিরূপ পরিবর্তনের প্রভাবে পাহাড়গুলোর বর্তমান আকার তৈরি হয়েছে।

- দেশের বৃহত্তম ও উচ্চতম পাহাড় হলো গারো পাহাড়, যা বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে অবস্থিত।
- ইউরেনিয়াম খনিজ পাওয়া যায় কুলাউড়া পাহাড়ে, মৌলভীবাজার জেলায়।
- ঐতিহাসিক গুরুত্বের দিক থেকে লালমাই পাহাড় ও ময়নামতি পাহাড় কুমিল্লা অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ।
- হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত চন্দ্রনাথ পাহাড়, যা চট্টগ্রাম ও সীতাকুণ্ড এলাকায় অবস্থিত।
- পাহাড়ের রানি বা বাংলাদেশের দার্জিলিং হিসেবে খ্যাত চিম্বুক পাহাড়/কালাপাহাড় বান্দরবানে অবস্থিত। 
- বান্দরবানের শিপ্পি বা রামজু পাহাড় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৫,৭৫৪.
আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখাটি কোন মহাসাগর বরাবর কল্পনা করা হয়?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. উত্তর মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
• আর্ন্তজাতিক তারিখ:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা
হয়। 

তথ্যসূত্র ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৫৫.
বিচূর্ণীভবনের প্রভাবক কোনটি?
  1. তাপ ও তাপমাত্রা
  2. মাধ্যাকর্ষণ শক্তি
  3. বৃষ্টিপাত
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বিচূর্ণীভবন:
- বিচূর্ণীভবনের প্রভাবকসমূহ হলো তাপ ও তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, মাধ্যাকর্ষণ শক্তি, জীবজন্তু ও কীটপতঙ্গ, নদীর প্রভাব, বায়ু, হিমবাহ ও তুষারের কার্য ইত্যাদি।
- বিচূর্ণীভবন সংঘটিত হওয়ার প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে বিচূর্ণীভবন বা আবহবিকারকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা- রাসায়নিক, যান্ত্রিক ও জৈবিক বিচূর্ণীভবন। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৫৬.
ভারতের সাথে সবচেয়ে দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে কোন দেশের?
  1. বাংলাদেশ
  2. চীন
  3. পাকিস্তান
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
ভারত:
- ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- আয়তনে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: নয়া দিল্লি।
- মুদ্রা: রুপি।
- দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত।

⇒ ভারতের স্থল সীমান্ত:
- ভারতের সাথে ৭টি দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে।
- দেশগুলো হলো: বাংলাদেশ, পাকিস্তান, চীন, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, আফগানিস্তান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৪১৪২ কিলোমিটার
- পাকিস্তানের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৩১৯০ কিলোমিটার।
- চীনের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ২৬৫৯ কিলোমিটার।
- নেপালের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ১৭৫১ কিলোমিটার।
- মিয়ানমারের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ১৬৪৩ কিলোমিটার।
- ভুটানের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৪৩৪ কিলোমিটার।
- আফগানিস্তানের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ১০৬ কিলোমিটার।

এছাড়াও,
- ভারত ও শ্রীলঙ্কা পক প্রণালী দ্বারা পৃথক হয়েছে।

উৎস: World Atlas.
৫,৭৫৭.
'গ্রেট বেসিন' কোন ধরনের মরুভূমি?
  1. ক) উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি
  2. খ) উপকূলীয় মরুভূমি
  3. গ) শুষ্ক প্রায় মরুভূমি
  4. ঘ) শীতকালীন মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
ঘ) শীতকালীন মরুভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শীতকালীন মরুভূমি
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেসিন:
- গ্রেট বেসিন মরুভূমি একটি শীতকালীন মরুভূমি এবং বিশ্বের দশম বৃহত্তম মরুভূমি।

- আমেরিকার গ্রেট বেসিন মূলত শীতকালীন মরুভূমি।
- গ্রেট বেসিন হল একটি বিস্তৃত জলপ্রবাহ এলাকা যা মেক্সিকোতে নেভাদা, উটাহ, ওরেগন, আইডাহো, ক্যালিফোর্নিয়া, ওয়াইমিং এবং বাজা ক্যালিফোর্নিয়া জুড়ে রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৫,৭৫৮.
পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ কোনটি?
  1. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  2. বৈকাল হ্রদ
  3. সুপিরিয়র হ্রদ
  4. কাস্পিয়ান সাগর
সঠিক উত্তর:
বৈকাল হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈকাল হ্রদ
ব্যাখ্যা
বৈকাল হ্রদ:
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীনতম হ্রদ ও গভীরতম হ্রদ।
- এটি রাশিয়ায় অবস্থিত।
- গভীরতা প্রায় ১৬২০ মিটার।

অন্যদিকে,
কাস্পিয়ান সাগর: মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
সুপিরিয়র হ্রদ: যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।
ভিক্টোরিয়া হ্রদ: আফ্রিকায় অবস্থিত পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ এবং আফ্রিকার বৃহত্তম হ্রদ।
লেক আসাল: জিবুতিতে অবস্থিত পৃথিবীর সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ।
টিটিকাকা: বলিভিয়ায় অবস্থিত পৃথিবীর উচ্চতম হ্রদ।
মিড হ্রদ: যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ। এটি বোল্ডার বাঁধ নামেও পরিচিত।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা।
৫,৭৫৯.
বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সেক্টর কোনটি?
  1. শিল্প
  2. কৃষি
  3. শিক্ষা
  4. যোগাযোগ
সঠিক উত্তর:
কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি
ব্যাখ্যা

দেশের পরিবেশ ও উৎপাদন প্রেক্ষাপটসমূহ বিবেচনায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ খাত হচ্ছে কৃষি খাত।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দেশে বিভিন্ন রকম বিরূপ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে; যেমন-
১। গ্রীষ্মকালে অতি উচ্চ তাপমাত্রা
২। অনিয়মিত ও অসময়ে বৃষ্টিপাত
৩। অল্প সময়ে অধিক বৃষ্টি এবং তার ফলে জলাবদ্ধতা ও ভূমিধস
৪। শুষ্ক মৌসুমে কম বৃষ্টিপাত
৫। বন্যার ভয়াবহতা ও সংখ্যা বৃদ্ধি
৬। আকস্মিক বন্যা ও খরার ফলে ফসলহানি
৭। অতিরিক্ত ঠান্ডা ও গরম
৮। উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ত জমির পরিমাণ বৃদ্ধি ও ভূমিক্ষয়
৯। ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা ও সংখ্যা বৃদ্ধি
১০। কুয়াশা, শিলাবৃষ্টি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।

৫,৭৬০.
কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়?
  1. নরওয়ে
  2. ডেনমার্ক
  3. সুইডেন
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- ইতালি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া সাধারণত নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক নিয়ে গঠিত।
- অন্যদিকে, নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
- অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।
- নর্ডেন শব্দটি এই পাঁচটি দেশকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- যথা- আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
- যাদের মধ্যে ভাষাগত, সাংস্কৃতিক এবং ভৌগোলিক মিল রয়েছে।
- যা উচ্চ সাক্ষরতা, দীর্ঘ জীবন প্রত্যাশা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্যের জন্য পরিচিত।
 
তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৫,৭৬১.
বিশ্বের উচ্চতম হ্রদ 'টিটিকাকা' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. বলিভিয়া
  2. প্যারাগুয়ে
  3. গায়ানা
  4. চিলি
সঠিক উত্তর:
বলিভিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলিভিয়া
ব্যাখ্যা
বিশ্বের উচ্চতম হ্রদ 'টিটিকাকা' বলিভিয়ায় অবস্থিত।

টিটিকাকা হ্রদ:

- দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম হ্রদ টিটিকাকা।
- বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌযান চলাচলযোগ্য হ্রদ।
- হ্রদটির তীরে ৩০ লাখ মানুষের বাস।
- হ্রদটি পেরু ও বলিভিয়া সীমান্ত জুড়ে ৩ হাজার ২০০ বর্গমাইলের বেশি এলাকায় বিস্তৃত।
- হ্রদ ঘিরে আয়মারা, কেচুয়া আর উরোস আদিবাসী সম্প্রদায়ের বসবাস।
- হ্রদটি মধ্য আন্দিজ পর্বতশ্রেণিতে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত, যা এটিকে বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌযান চলাচলযোগ্য হ্রদের স্বীকৃতি দিয়েছে।

উৎস: Britannica.
৫,৭৬২.
"গোবি মরুভূমি" কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. আফ্রিকা মহাদেশে
  2. ইউরোপ মহাদেশে
  3. এশিয়া মহাদেশে
  4. অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে
সঠিক উত্তর:
এশিয়া মহাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া মহাদেশে
ব্যাখ্যা
• গোবি মরুভূমি:
- গোবি মরুভূমি মধ্য এশিয়ার একটি বিশাল মরুভূমি।
- এটি মঙ্গোলিয়া ও চীনের মধ্যে বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ১৩ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।

• বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান: 
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান।
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া। 
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র, 
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা, 

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৫,৭৬৩.
নিরক্ষরেখার অপর নাম কী?
  1. বিষুবরেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. মকরক্রান্তি রেখা
  4. ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা : 
- গোলাকার পৃথিবীর পৃষ্ঠদেশের ঠিক মাঝ বরাবর যে রেখা পূর্ব–পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে।
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ দুই ভাগে বিভক্ত করেছে।
- নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো- বিষুবরেখা (Equator), ০° অক্ষরেখা (০° Latitude), মহাবৃত্ত (Great circle)। 

উল্লেখ্য,
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে। 
- আমাদের বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৭৬৪.
নিচের কোন নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশে?
  1. কর্ণফুলী
  2. হালদা
  3. সাঙ্গু
  4. মহানন্দা
সঠিক উত্তর:
হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:

- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৬৫.
সম্প্রতি কোন সাগরে ইন্দোনেশিয়ার একটি সাবমেরিন ডুবে যায়?
  1. জাভা সাগর
  2. বালি সাগর
  3. টাইমুর সাগর
  4. বান্দা সাগর
সঠিক উত্তর:
বালি সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বালি সাগর
ব্যাখ্যা
- গত ২১ এপ্রিল ২০২১ বালি সাগরে ৫৩ জন ক্রু নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার কেআরআই নাঙ্গালা-৪০২ নামের একটি সাবমেরিন ডুবে যায়। এতে সাবমেরিনটির সকলে মারা যান।
- ২০০০ সালের ১২ আগস্ট ব্যারেন্টস সাগরে ১১৮ জন ক্রু নিয়ে রাশিয়ার কুরস্ক কে-২ নামের একটি সাবমেরিন ডুবে গিয়েছিলো।
(তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস)
৫,৭৬৬.
অস্তরীভূত শিলা কেনটি?
  1. আগ্নেয় শিলায়
  2. পাললিক শিলায়
  3. বিচূর্ণীত শিলায় 
  4. রূপান্তরিত শিলায়
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলায়
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় শিলা:
- পৃথিবী জ্বলন্ত অবস্থা থেকে শীতল হবার সময়ে অর্ধগলিত বিভিন্ন খনিজ অত্যন্ত দ্রুত শীতল ও কঠিনাকার ধারণ করে। এইরূপে সৃষ্ট কঠিন পদার্থগুলো আগ্নেয় শিলা নামে অভিহিত।

• আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
→ আগ্নেয় শিলার স্তর নেই অর্থাৎ অস্তরীভূত শিলা;
→ আগ্নেয় শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই;
→ আগ্নেয় শিলা অপ্রবেশ্য;
→ আগ্নেয় শিলা সুদৃঢ় ও সুসংহত। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৬৭.
বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, গ্রিনহাউস প্রভাব কোন দেশে সাফল্য বয়ে আনবে?
  1. বাংলাদেশ
  2. মালদ্বীপ
  3. ফিনল্যান্ড
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী গ্রিনহাউস প্রভাব পৃথিবীর কয়েকটি দেশে যথা- কানাডা, রাশিয়া, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, দক্ষিণ আমেরিকা প্রভৃতি দেশগুলোর জন্য সাফল্য বয়ে আনবে।
- এসব অঞ্চলে লক্ষ লক্ষ একর জমি বরফমুক্ত হয়ে চাষাবাদ ও বসবাসের উপযোগী হয়ে উঠবে, এটা তাদের জন্য একটি সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
- তবে বিপরীতভাবে, এই পরিবর্তন পৃথিবীর প্রায় ৪০ শতাংশ এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে।
- বিশেষ করে বাংলাদেশসহ উপকূলবর্তী বহু দেশে ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বের অনেক বিখ্যাত উপকূলবর্তী শহর ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে।
- ফলে জলবায়ু পরিবর্তন একদিকে কিছু দেশের জন্য উপকার আনলেও, অধিকাংশ দেশের জন্য এটি গুরুতর বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৭৬৮.
টাঙ্গুয়ার হাওর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জামালগঞ্জ ও দিরাই
  2. খ) জগন্নাথপুর ও দোয়ারাবাজার
  3. গ) ধর্মপাশা ও তাহিরপুর
  4. ঘ) বিশ্বম্ভরপুর ও শাল্লা
সঠিক উত্তর:
গ) ধর্মপাশা ও তাহিরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধর্মপাশা ও তাহিরপুর
ব্যাখ্যা
• টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম।
• বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর উপজেলাস্থিত জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ মিঠা পানির এ হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা।
• ভারতের মেঘালয়ের খাসিয়া, জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে সারি সারি হিজল-করচ শোভিত, পাখিদের কলকাকলি মুখরিত টাংগুয়ার হাওর মাছ, পাখি এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর এক বিশাল অভয়াশ্রম।
• বর্তমানে মোট জলমহাল সংখ্যা ৫১টি এবং মোট আয়তন ৬,৯১২.২০ একর। তবে নলখাগড়া বন, হিজল করচ বনসহ বর্ষাকালে সমগ্র হাওরটির আয়তন দাড়ায় প্রায় ২০.০০০ একর। 
• ২০০০ সালে টাঙ্গুয়ার হাওরকে ১০৩১তম রামসার সাইট হিসেবে ঘোষণা করা হয়।   

তথ্যসূত্র:- সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং রামসার সাইট ওয়েবসাইট।
৫,৭৬৯.
রিখটার স্কেলে কত মাত্রার ভূমিকম্প ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথের পরিবর্তন ঘটায়?
  1. ক) ৮.৭
  2. খ) ৬.৫
  3. গ) ৭.৩
  4. ঘ) ৭.৮
সঠিক উত্তর:
ক) ৮.৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮.৭
ব্যাখ্যা
১৮৯৭ সালের ১২ই জুন ৮.৭ মাত্রার ভূমিকম্প ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথের পরিবর্তন ঘটায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই
৫,৭৭০.
আলেকজান্দ্রিয়া বন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ইন্দোনেশিয়া
  2. খ) মালয়েশিয়া
  3. গ) কাতার
  4. ঘ) মিশর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশর
ব্যাখ্যা
মিশরের কয়েকটি বিখ্যাত সমুদ্র বন্দর হল সুয়েজ, আলেকজান্দ্রিয়া, পোর্ট সৈয়দ।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ
৫,৭৭১.
কোনটি রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়?
  1. চুনাপাথর
  2. কয়লা
  3. গ্রানাইট
  4. বেলেপাথর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা
কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

রূপান্তরিত শিলা:

- প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ। যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

⇒ রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
- এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
- এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
- কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৭২.
সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্টের চারপাশে কত কিলোমিটার এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ১৫ কিলোমিটার
  2. ১০ কিলোমিটার
  3. ১২ কিলোমিটার
  4. ৮ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন সংরক্ষিত বনের (রিজার্ভ ফরেস্ট) চারপাশে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার (ইসিএ)।
- কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
- ইসিএ ঘোষণার আলোকে ওই অঞ্চলে প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশগত মান উন্নয়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রশমন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে।
- সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে গঠিত ইসিএ এলাকায় পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৭৭৩.
ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে কী বলে?
  1. চোখ
  2. মূল কেন্দ্র
  3. ঘূর্ণিবলয়
  4. বৃত্ত
সঠিক উত্তর:
চোখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোখ
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড় হলো একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষ ও প্রাণিজগতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত।
- অনিয়মিত বায়ুর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো ঘূর্ণিঝড় ও প্রতীপ ঘূর্ণিঝড়।
- উপরের ও নিচের বায়ুর পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে এই ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় পশ্চিমা বায়ু প্রবাহ দ্বারা মধ্য অক্ষাংশ অঞ্চলের নিম্নচাপ ও উচ্চচাপ পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়।
- এই ঝড়ের সময় বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ ঘন্টায় ৬৫ কি.মি বা তারও বেশি হয়।
- এছাড়াও নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। দ্রুত উর্দ্ধগামী বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকলে ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- উত্তর গোলার্ধে প্রবল ঘূর্ণিবায়ু বাইরের থেকে কেন্দ্রের দিকে প্রবাহিত হয়। পরে প্রচন্ড শক্তিতে বায়ু আবর্তনের মাধ্যমে উপরের দিকে উঠতে থাকে।
- ঘূর্ণিঝড় উষ্ণ জলরাশি থেকে সৃষ্টি হয় যার গড় উঞ্চতা ২৭° সেলসিয়াস।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
- উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৭৪.
পাদদেশীয় পলল সমভূমি দেখা যায় বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে?
  1. রংপুর-দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা-নোয়াখালী 
  3. চট্টগ্রাম-কক্সবাজার
  4. খুলনা-বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
রংপুর-দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর-দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

পাদদেশীয় পলল সমভূমি:
- পাহাড়ের পাদদেশে নদীবাহিত পানি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমি গড়ে ওঠে তাকে পাদদেশীয় পলল সমভূমি বলে।
- বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থানই পাদদেশীয় পলল সমভূমি নামে পরিচিত।
- তিস্তা, আত্রাই, যমুনেশ্বরী প্রভৃতি নদী দ্বারা এ অঞ্চল বিধৌত।
- এসব নদী হিমালায় পর্বত হতে উৎপন্ন হয়েছে। ফলে নদীগুলো সহজেই পাহাড় হতে পলল বহন করে এ অঞ্চলে সঞ্চয় করে পাদদেশীয় পললভূমি গঠন করেছে।
- পাহাড়ের পাদদেশে দুই বা ততোধিক পলল পাখা বা কোণ মিলিত হয়েও পাদদেশীয় পলল সমভূমি গঠন করতে পারে।

উল্লেখ্য,
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
(ক) রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
(খ) ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেটের অন্তর্গত বন্যা প্লাবন সমভূমি।
(গ) ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।
(ঘ) নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।
(ঙ) খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং বরগুনা জেলার কিয়দংশ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৭৫.
ভলগা নদী কোন দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়?
  1. রাশিয়া 
  2. জার্মানি 
  3. রোমানিয়া 
  4. ইউক্রেন 
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া 
ব্যাখ্যা
ভলগা নদী (Volga River):
- ভলগা নদী (Volga River) ইউরোপের দীর্ঘতম নদী এবং পশ্চিম রাশিয়ার প্রধান জলপথ।
- এটি রাশিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং অর্থনীতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- অবস্থান: ইউরোপের পূর্ব অংশ, মূলত রাশিয়ার পশ্চিমে
- ভলগা নদীটি সম্পূর্ণরূপে রাশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। 
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ২,১৯৩ মাইল (৩,৫৩০ কিলোমিটার)
- উৎপত্তি স্থান: ভালদাই পাহাড় (Valdai Hills), মস্কোর উত্তর-পশ্চিমে
- গন্তব্য: কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়
- ভলগা নদীর অববাহিকা রাশিয়ার ইউরোপীয় অংশের প্রায় দুই-পঞ্চমাংশ অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত
- এই নদী অববাহিকায় রাশিয়ার অর্ধেক জনসংখ্যা বসবাস করে
- এটি রাশিয়ার অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড, শিল্প, কৃষি ও জাহাজ চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
- ভলগা নদীকে “রাশিয়ার জাতীয় নদী” বলা হয়।
- ভলগা নদী কেবল একটি প্রাকৃতিক জলপথ নয়, এটি রাশিয়ার আত্মপরিচয়ের একটি প্রতীক হিসেবেও পরিচিত।

উৎস: Britannica.
৫,৭৭৬.
পামীর মালভূমি কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. মধ্য এশিয়া
  2. উত্তর আফ্রিকা
  3. পশ্চিম ইউরোপ
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
মধ্য এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য এশিয়া
ব্যাখ্যা

• পামির মালভূমি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভূমির নাম পামীর মালভূমি।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা হচ্ছে প্রায় ১৬,০০০ ফুটের মতো।
- 'পামির মালভূমি' মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত।
- মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত পামীর পর্বতমালাকে ঘিরে এ মালভূমিটির অবস্থান।
- তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, তিব্বত, চীন এবং পাকিস্তানের কিছু অংশ পর্যন্ত এ মালভূমিটি বিস্তৃত।
- এ অঞ্চলটি মূলত বিভিন্ন উঁচু পর্বতের মিলনস্থল।
- এ কারণে তাই পামীর মালভূমিকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা।

৫,৭৭৭.
নিচের কোনটি "Biological Disaster" এর উদাহরণ?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. রাসায়নিক বিস্ফোরণ
  3. চিকুনগুনিয়া
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
চিকুনগুনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকুনগুনিয়া
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ: 
- প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট কারণে প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হচ্ছে বাংলাদেশ।
- দুর্যোগের ধরন ও দুর্যোগ সৃষ্টির কারণের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশে দুর্যোগঝুঁকির পরিবেশকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশ, মানব সৃষ্ট দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশ এবং জৈবিক দুর্যোগ ঝুঁকির (Biological Disaster) পরিবেশ।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকিসমূহ হলো- বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধ্বস, ভূমিকম্প এবং বজ্রপাত ।
- এছাড়াও বাংলাদেশে মানব সৃষ্ট দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশের মধ্যে বিপদজনক রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারের কারণে প্রায় চামড়া শিল্প, জাহাজভাঙ্গা শিল্প, রাসায়নিক শিল্পের দুঘর্টনা উল্লেখযোগ্য।
- মহামারি কোভিড-১৯ সহ বিগত বছরগুলোতে যেমন ২০১৭ সালের চিকুনগুনিয়া, ২০০৭ সালে ব্রার্ড ফ্লু, ২০০৪ সালের নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ জৈবিক হ্যাজার্ডের (Biological Disaster) অন্তর্ভূক্ত।
- এছাড়াও ডেঙ্গু, সোয়াইন ফ্লু, নিপাহ ভাইরাস, জিকা ভাইরাস প্রভৃতিও জৈবিক হ্যাজার্ড এর অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৭৮.
ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তিস্থল -
  1. ক) হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ
  2. খ) লুসাই পাহাড়
  3. গ) তিব্বতের মানস সরোবর
  4. ঘ) সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) তিব্বতের মানস সরোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তিব্বতের মানস সরোবর
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র নদ: 
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- এরপর ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। 
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে। 
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা। 
- এখানে উল্লেখ্য যে, ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা যমুনা নামে পরিচিত।

অন্যদিকে -
- হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে পদ্মা নদী উৎপত্তি লাভ করেছে।
- আসামের লুসাই পাহাড় থেকে মেঘনা নদী উৎপত্তি লাভ করেছে।
- সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল থেকে তিস্তা নদী উৎপত্তি লাভ করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৭৯.
দক্ষিণ আমেরিকার কোন দেশের সমুদ্রবন্দর নেই?
  1. ক) সুরিনাম
  2. খ) প্যারাগুয়ে
  3. গ) কলম্বিয়া
  4. ঘ) আর্জেন্টিনা
সঠিক উত্তর:
খ) প্যারাগুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যারাগুয়ে
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকার দুটি দেশ - প্যারাগুয়ে ও বলিভিয়ার নিজস্ব কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।
- কারণ দেশ দুটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। এদের চারপাশে কোনো সমুদ্র নেই।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৫,৭৮০.
বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট কয়টি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে?
  1. ৪ টি 
  2. ৫ টি 
  3. ৬ টি 
  4. ৭ টি 
সঠিক উত্তর:
৫ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি।
• রাজ্যগুলো হলো:
- আসাম, 
- মিজোরাম, 
- ত্রিপুরা, 
- মেঘালয় ও 
- পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ওয়েবসাইট।

৫,৭৮১.
বাংলাদেশের কোন জায়গায় পদ্মা নদী যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে?
  1. গোয়ালন্দের নিকট
  2. ভৈরবের নিকটে
  3. চাঁদপুরের নিকটে
  4. ফতুল্লার নিকটে
সঠিক উত্তর:
গোয়ালন্দের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়ালন্দের নিকট
ব্যাখ্যা
পদ্মা নদী:
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
- দেশের তিন বিভাগের ১২টি জেলায় প্রবাহিত নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।
- পদ্মার অপর নাম কীর্তিনাশা।
- ভারতের মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে গঙ্গা নদী উৎপত্তি লাভ করেছে।
- রাজশাহীর কাছে কুষ্টিয়ার উত্তর প্রান্ত দিয়ে পদ্মা নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- তারপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত বঙ্গোপসাগরে ঢুকেছে।

⇒ পদ্মা নদীর শাখা নদী: মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি।
- পদ্মা নদীর উপনদী: মহানন্দা, ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৭৮২.
নিচের কোনটি পদ্মা নদীর শাখা নদী হিসেবে পরিচিত? 
  1. তিস্তা
  2. আড়িয়াল খাঁ
  3. করতোয়া
  4. আত্রাই
সঠিক উত্তর:
আড়িয়াল খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আড়িয়াল খাঁ
ব্যাখ্যা

• পদ্মা:
- উৎপত্তি: হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে।
- ভারতের মধ্যে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ।
- বাংলাদেশের মধ্যে প্রবাহ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ → রাজশাহী → কুষ্টিয়া → রাজবাড়ি (যমুনার সাথে মিলিত) → চাঁদপুর (মেঘনা নদীর সাথে মিলিত)।
- শাখা নদী: মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি, নবগঙ্গা, কালীগঙ্গা, চিত্রা, তেঁতুলিয়া, বিষখালী, কীর্তনখোলা, কাউখালী, আগুনমুকা।

- উপনদী: মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৮৩.
বায়ুমন্ডলে ওজোন গ্যাস এর পরিমাণ কত?
  1. ক) ০.০০১
  2. খ) ০.০০০১
  3. গ) .০.০০৩
  4. ঘ) .০০০৩
সঠিক উত্তর:
খ) ০.০০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০.০০০১
ব্যাখ্যা

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৮৪.
ভূমিকম্পের উৎস স্থলকে কী বলা হয়?
  1. ক) উপকেন্দ্র
  2. খ) কম্পকেন্দ্র
  3. গ) ফাঁটল
  4. ঘ) ভূকম্পন তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
খ) কম্পকেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কম্পকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প
• ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
• ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
• কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র বলা হয়।
• সাধারণত ভূ-ত্বকের ৩২ কি.মি. এর মধ্যে ভূমিকম্পের উৎস স্থান থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে গভীরতা আরও বেশি হতে পারে। • কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।  
• ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
• ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।
• ভূমিকম্পনের রেখা যে কাগজে অংকিত হয়, তাকে সিসমোগ্রাফ বলে। 

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৮৫.
প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য কত?
  1. ৪ সেকেন্ড 
  2. ৪ মিনিট
  3. ৬ মিনিট
  4. ৮ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক টাইম জোন:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- কোন স্থান থেকে পশ্চিমে গেলে সময় কমবে আর পূর্বে গেলে সময় বাড়বে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।  

৫,৭৮৬.
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু কেমন থাকে?
  1. শীতল
  2. শুষ্ক ও ঝড়ো
  3. উষ্ণ ও আর্দ্র
  4. শীতল ও আর্দ্র
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড়ের গঠন:
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে হলে কিছু বৈশিষ্ট্য বা উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এগুলো হলো-

ক) সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
খ) মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
গ) উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৮৭.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে শুধু পর্যবেক্ষণ করা
  2. ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মাঝে ত্রাণ পৌছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা
  3. জীবন, সম্পদ এবং পরিবেশের ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা
  4. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে শুধু পর্যবেক্ষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে শুধু পর্যবেক্ষণ করা
ব্যাখ্যা
- 'দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে শুধু পর্যবেক্ষণ করা' দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য নয়।

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান।
- পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি হচ্ছে  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম।
সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের কার্যক্রমকে বোঝায়।

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য হলো তিনটি :
১। দুর্যোগের সময় জীবন, সম্পদ এবং পরিবেশের যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা;
২। প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ পৌছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
৩। দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৭৮৮.
আড়িয়াল বিল কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. নরসিংদী
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. শরীয়তপুর
সঠিক উত্তর:
মুন্সিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

আড়িয়াল বিল:
- আড়িয়াল বিল বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম জলাভূমি,
- এটির আয়তন ১৩৬ বর্গকিলোমিটার।
- এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় অবস্থিত।
- এই বিলটিতে অনেক ছোট ছোট পুকুর এবং খাল রয়েছে।
- বর্ষাকালে গাছপালা আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং স্থলসীমানা বিশিষ্ট বিশাল এলাকাটি অদ্ভুত দেখায়।
- শীতকালে বিলটি কমে গেলেও, এটি এখনও নৌযান চলাচলের উপযোগী থাকে।
- বিলটিতে প্রচুর মাছ থাকে এবং শুষ্ক মৌসুমে শুষ্ক অঞ্চলে কৃষকের ভুট্টা এবং শাকসবজি পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৭৮৯.
গ্রানাইট শিলাকে ‘সিয়াল (Sial)’ স্তর বলা হয় কেন?
  1. এতে লৌহ ও ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বেশি
  2. এতে সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ বেশি
  3. এতে ক্যালসিয়াম ও সোডিয়াম বেশি
  4.  এতে কার্বন ও অক্সিজেন বেশি
সঠিক উত্তর:
এতে সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এতে সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ বেশি
ব্যাখ্যা

সিয়াল (Sial) স্তর:
- সিয়াল হলো ভূ-ত্বকের উপরের লঘুশিলা (Light crust) স্তর।
- এই স্তরের উপরেই গাছপালা ও তৃণাদি জন্মাতে দেখা যায়।
- সিয়াল স্তরে গ্রানাইট শিলার পরিমাণ বেশি, তাই একে গ্রানাইট শিলা স্তরও বলা হয়।
- গ্রানাইট শিলায় সিলিকা (Silica) ও অ্যালুমিনিয়াম (Aluminium) এর পরিমাণ বেশি থাকায় এ স্তরের নাম সিয়াল।
- মহাদেশগুলো প্রধানত সিয়াল জাতীয় শিলা দ্বারা গঠিত।
 
ভূ-ত্বকের গঠন:
১. সিয়াল (Granite স্তর): এটি ভূ-ত্বকের সর্বোচ্চ স্তর। এর নিচে অবস্থিত কনরাড বিযুক্তি (Conrad Discontinuity)।
২. সিমা (Basalt স্তর): এটি ভূ-ত্বকের মধ্যবর্তী স্তর যা ব্যাসল্ট শিলা দ্বারা গঠিত।
৩. অলিভিন স্তর: ভূ-ত্বকের নিম্নাংশ ভারী শিলা দ্বারা গঠিত এই স্তর।

উৎস: ভূমিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৯০.
বাংলাদেশের উপকূলের দৈর্ঘ্য-
  1. ক) ৭৭১ কিলোমিটার
  2. খ) ৭১১ কিলোমিটার
  3. গ) ৭২৬ কিলোমিটার
  4. ঘ) ২৮০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ৭১১ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭১১ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট ৫১৩৮ কিলোমিটার সীমারেখা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট স্থলসীমা ৪৪২৭ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমানা ২৭১ কিলোমিটার (২৮০ কিলোমিটার মাধ্যমিক ভূগোল)।
- বাংলাদেশের উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ ও ভারতের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।

৫,৭৯১.
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ কোনটি?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. নিম্নচাপ
  4. পানির ঘনত্ব
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ:

- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রভাব। 
- প্রধান বায়ুপ্রবাহের গতি অনুসরণ করে সমুদ্রের প্রধান স্রোতগুলো প্রবাহিত হয়। 
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্রস্রোত পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে এবং প্রত্যয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। 

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৯২.
কিলিমাঞ্জারো পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইথিওপিয়া
  2. উগান্ডা
  3. কেনিয়া
  4. তানজানিয়া
সঠিক উত্তর:
তানজানিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানজানিয়া
ব্যাখ্যা

কিলিমাঞ্জারো পর্বত:
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বত। 
- অবস্থান: পূর্ব আফ্রিকা, তানজানিয়া।
- উচ্চতা: ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪৫ ফিট)।
- ধরণ: কিলিমাঞ্জারো পর্বতটি একটি নিষ্ক্রিয় তুষারাবৃত স্ট্র্যাটোভলকানো।
- তিনটি শীর্ষ: কিবো, মাসে, শিরা।
- জলবায়ু/ভূপ্রকৃতি: নিম্নভূমি বন, মধ্যভূমি লাউবাল বন, উপরের অংশে হিমবাহ ও বরফপাত।
- বিখ্যাত: পর্বতারোহী ও ট্রেকিং ডেস্টিনেশন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,৭৯৩.
নিচের কোনটি অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমনের অংশ?
  1. বেড়িবাঁধ তৈরি
  2. আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ
  3. গণসচেতনতা বৃদ্ধি
  4. নদী খনন
সঠিক উত্তর:
গণসচেতনতা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণসচেতনতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

- অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন গণসচেতনতা বৃদ্ধি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:

- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান। 

প্রতিরোধ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধ কার্যক্রম সফলতা বয়ে আনতে পারে।
- দুর্যোগ প্রতিরোধের কাঠামোগত এবং অকাঠামোগত প্রশমনের ব্যবস্থা রয়েছে।

• কাঠামোগত প্রশমনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণ কার্যক্রম যথা-
• বেড়িবাঁধ তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি বাস্তবায়নকেই বোঝায়। 
- কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

• অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন যেমন- প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।

 উৎস: ভূগোল ‍ও পরিবেশ, এসএসসি, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৭৯৪.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারা বছরই বিকেল বা সন্ধ্যায় কোন বৃষ্টি হয়ে থাকে?
  1. বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
  2. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত
  3. পরিচলন বৃষ্টি
  4. সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টি
ব্যাখ্যা

পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain):
- পরিচলন বৃষ্টি সাধারণত নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial region) বেশি দেখা যায়।
- কারণ, এই অঞ্চলে সূর্যের কিরণ সারাবছর সরাসরি পড়ে এবং জলাভূমির বিস্তৃতি বেশি হওয়ায় বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণও বেশি থাকে।
- দিনের বেলায় সূর্যের তাপে পানি দ্রুত বাষ্পে পরিণত হয়ে উপরে উঠে এবং উপরিভাগে থাকা শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে মেঘ তৈরি করে বৃষ্টিতে পরিণত হয়।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারা বছরই বিকেল বা সন্ধ্যায় এই বৃষ্টি হয়ে থাকে।
- এছাড়া, নাতিশীতোষ্ণমণ্ডলেও গ্রীষ্মের শুরুতে এ ধরনের বৃষ্টি হতে দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৯৫.
কর্কটক্রান্তি রেখা মোট কয়টি দেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১৩টি
  4. ১৭টি
সঠিক উত্তর:
১৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭টি
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer):
- কর্কটক্রান্তি রেখা হলো উত্তর গোলার্ধে বিষুবরেখার সমান্তরালে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা যা নিরক্ষরেখার প্রায় ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা প্রধানত ১৭টি দেশ, ৩টি মহাদেশ ও ৬টি জলাশয়ের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- প্রধান দেশসমূহ: আলজেরিয়া, নাইজার, লিবিয়া, মিশর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, চীন, তাইওয়ান, মেক্সিকো, বাহামা, পশ্চিম সাহারা, মৌরিতানিয়া, মালি।
- যেসব এলাকার ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে, সেসব এলাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপ অনেক বেশি। এখানে সূর্যের কিরণ লম্বভাবে পড়ে। 

উল্লেখ্য,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই রেখার অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুর অন্তর্গত এবং এখানে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করে। 

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Worldatlas.

৫,৭৯৬.
‘কান্টাস এয়ারওয়েজ লি.’ কোন দেশের বিমান সংস্থা?
  1. ক) সিঙ্গাপুর
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) ওমান
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

‘কান্টাস এয়ারওয়েজ লিমিটেড’ অস্ট্রেলিয়ার একটি জনপ্রিয় বিমান সংস্থা।
এটি ১৯২০ সালে কুইন্সল্যান্ড আউটব্যাকে প্রতিষ্ঠিত হয়, কান্টাস এয়ারওয়েজ লি. অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম অভ্যন্তরীন এবং আন্তর্জাতিক বিমান পরিচালনাকারী সংস্থা।
সূত্র: কান্টাস এয়ারওয়েজ লিমিটেড এর ওয়েবসাইট

৫,৭৯৭.
জলবায়ুর পরিবর্তনে হালদা নদীর ব্রুডমাছের ডিমের কী হচ্ছে?
  1. ডিমের পরিপক্বতা পিছিয়ে যাচ্ছে
  2. ডিমের পরিপক্বতা এগিয়ে আসছে
  3. ডিম সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে
  4. ডিম নিষিক্ত হচ্ছে না
সঠিক উত্তর:
ডিমের পরিপক্বতা এগিয়ে আসছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিমের পরিপক্বতা এগিয়ে আসছে
ব্যাখ্যা

অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে প্রভাব:
১) কম বৃষ্টিপাতের ফলে নদীতে কম পানি হচ্ছে ফলে অল্প পানিতে সহজেই মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে। এতে করে ছোট-বড়, প্রজননক্ষম সব মাছ ধরা পড়ছে। ফলে নদীতে মাছের জীববৈচিত্র্য ও স্থায়ী উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

২) তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে ফলে লবণাক্ততা ঢুকে পড়ছে মূল ভূ-খণ্ডের দিকে। এতে করে উপকূলীয় এলাকার স্বাদুপানির মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র কমে যাচ্ছে। সেই সাথে কমে যাচ্ছে উৎপাদনও।

৩) আমাদের দেশে বিল, বাঁওড়, প্লাবন ভূমিতে এপ্রিল-মে মাস হচ্ছে দেশীয় জাতের ছোট মাছের প্রজননকাল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বর্ষাকালে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বা কম হওয়ার কারণে জুলাই মাস পর্যন্তও এসব জলাশয়ে পানি হচ্ছে না। ফলে এসব মাছের প্রজনন চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে এর প্রভাব পড়ছে সমগ্র মৎস্য উৎপাদনে এবং যারা মাছ আহরণ করে তাদের পুষ্টি ও জীবীকার ক্ষেত্রে।

৪) আমাদের দেশে একমাত্র হালদা নদীতে প্রাকৃতিকভাবে রুই জাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে। বৈশাখ মাসে প্রচণ্ড গরমের পর ভারী বৃষ্টি শুরু হলে এরা ডিম ছাড়ে। তখন নদী থেকে জেলেরা নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করে এবং এই ডিম ফুটিয়ে পোনা উৎপাদন করে। জলবায়ুর পরিবর্তনে তাপমাত্রার বৃদ্ধির ফলে ব্রুডমাছের ডিমের পরিপক্বতা এগিয়ে আসছে। অন্যদিকে বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ার সময় দিন দিন পিছিয়ে যাচ্ছে। এতে করে মাছের শারীরবৃত্তীয় অবস্থার সাথে বৃষ্টিপাতের সময়ের অমিল হচ্ছে। ফলে ডিম পাওয়ার সম্ভাবনা কমে আসছে। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।

৫,৭৯৮.
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটনের অন্যতম প্রধান কারণ-
  1. ভূমির গঠন
  2. জলবায়ু
  3. ভৌগোলিক অবস্থান
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ:

- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বাংলাদেশে প্রতিবছরই বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা দিয়ে থাকে।
• বাংলাদেশে ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটনের কারণসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- ভৌগোলিক অবস্থান;
- জলবায়ু;
- ভূমির গঠন;
- নদী-নালার আধিক্য ইত্যাদি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ: 
প্রাকৃতিক দুর্যোগ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং সাধারণত এর উপর মানুষের কোন হাত থাকে না।
যেমন - বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।
 
প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহকে তিনটি বৃহৎ বিভাগভুক্ত করা যেতে পারে। যেমন- 
- বায়ুমন্ডলীয় প্রক্রিয়াসৃষ্ট climatic বাযুমন্ডলীয় দুর্যোগসমূহ (ঝড়, ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী, টর্নেডো, হারিকেন, খরা ইত্যাদি), 
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রক্রিয়া সৃষ্ট exogenetic দুর্যোগসমূহ (বন্যা, নদীতীর ভাঙন, উপকূলীয় ভাঙন, ভূমিধ্বস,  মৃত্তিকা ক্ষয় এবং প্রাকৃতিক ভূগর্ভস্থ পানি দূষণ), 
- এবং পৃথিবীপৃষ্ঠের অভ্যন্তরস্থ প্রক্রিয়াসৃষ্ট endogenetic ভূগর্ভস্থ দুর্যোগসমূহ (ভূমিকম্প এবং অগ্ন্যুৎপাত)

মানবসৃষ্ট দুর্যোগ: 
মানুষের অসচেতনতা বা দূরদৃষ্টির অভাবে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় এবং যা মানুষের প্রাণহানি ঘটানোর পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়, তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলে।
যেমন - যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনাঞ্চল ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ, মরুকরণ, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি৷

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণীর বোর্ড বই। 
৫,৭৯৯.
ভূ-ত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে কত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়?
  1. ক) ২০° সেলসিয়াস
  2. খ) ২৫° সেলসিয়াস
  3. গ) ৩০° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ৩৫° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
ভূ-পৃষ্ঠ থেকে অভ্যন্তরে প্রায় ১০০ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত প্রথম স্তরকে অশ্মমন্ডল বলে। অশ্মমন্ডলের উপরের অংশ ভূত্বক নামে পরিচিত। এর পুরুত্ব সবচেয়ে কম, গড়ে ২০ কিলোমিটার। ভূ-কম্পন তরঙ্গ থেকে জানা যায় যে, এ স্তরটি মূলত সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম উপাদান দিয়ে গঠিত যা সিয়াল নামে পরিচিত। ভূ-ত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। অশ্বমন্ডলের নিচে গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল নামে আরো দুটি প্রধান স্তর রয়েছে। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৫,৮০০.
বঙ্গোপসাগরের উত্তরে কোন দেশ অবস্থিত?
  1. শ্রীলঙ্কা
  2.  মায়ানমার 
  3. মালদ্বীপ
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

বঙ্গোপসাগর:
- ভারত মহাসাগরের উত্তর-পূর্ব উপসাগর, বঙ্গোপসাগর, প্রায় ৮,৩৯,০০০ বর্গমাইল জুড়ে বিস্তৃত।
- এর পশ্চিমে শ্রীলঙ্কা ও ভারত, উত্তরে বাংলাদেশ এবং পূর্বে মায়ানমার ও মালদ্বীপ অবস্থিত। 
- গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র সহ বেশ কয়েকটি প্রধান নদী এই উপসাগরে প্রবাহিত হয়।
- উপসাগরের জলবায়ু মৌসুমি বায়ু দ্বারা প্রভাবিত, নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত উত্তর-পূর্ব বায়ু এবং জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টিপাতকারী দক্ষিণ-পশ্চিম বায়ু প্রবাহিত হয়।
- বসন্ত এবং শরৎকালে প্রায়শই ঘূর্ণিঝড় দেখা দেয়। 
- পারস্য উপসাগর থেকে মালাক্কা প্রণালী পর্যন্ত প্রধান বাণিজ্য পথগুলি বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণে চলে যায়।
- উপসাগরটি একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রে পরিপূর্ণ, প্রচুর জলাভূমি এবং ম্যানগ্রোভ রয়েছে যা নিকটবর্তী মাছের প্রজাতির উৎপাদনশীলতায় অবদান রাখে। 
- গোদাবরী এবং মানান্দি বদ্বীপের উপকূলে পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস আবিষ্কার করা হয়েছে। 
- ভারতীয় উপমহাদেশ এশিয়ার সাথে সংঘর্ষের সময় গত ৫ কোটি বছরের মধ্যে এই উপসাগরটি তৈরি হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।