বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৫৯ / ৭২ · ৫,৮০১৫,৯০০ / ৭,১৯১

৫,৮০১.
Headley Center for Climate Prediction and Research (HCCPR)-এর প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ২০৮০ সালে বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় কত সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পাবে?
  1. ১৫ সেন্টিমিটার 
  2. ২৫ সেন্টিমিটার
  3. ৪০ সেন্টিমিটার
  4. ৫০ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
৪০ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের ঝুঁকি: 
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রতিকূল প্রভাবগুলোর কারণে ও সমুদ্র উপকূলীয় দেশ হওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী একটি বড় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা নাজুক হয়ে ওঠেছে। 
- এটি দুই কোটি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করতে পারে। 
-  International Centre for Climate Change and Development, 2020 অনুযায়ী, ১৯৭৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশে গড় তাপমাত্রা প্রায় ১.২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে
- এখানকার ৬০ শতাংশ ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে মাত্র ৫ মিটার উপরে। 
- 'Headley Center for Climate Prediction and Research (HCCPR)' এর প্রাক্কলন অনুযায়ী বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ২০৮০ সালে ৪০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পাবে।  
- ফলশ্রুতিতে, অবকাঠামো, বাসস্থান, কৃষি এবং জীবিকার ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হবে। সমুদ্র উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল ঝড় জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতেও থাকবে।
- 'Inter-governmental Panel on Climate Change (IPCC)' এর প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০৫০ সালে বাংলাদেশের ভূমির ১৭ শতাংশ এবং খাদ্য উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হারিয়ে যাবে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী ও বাংলা ট্রিবিউন। 

৫,৮০২.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের উদাহরণ?
  1. অগ্ন্যুৎপাত
  2. ভূমিকম্প
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাপী দুর্যোগসমূহের প্রকারভেদ:
- পৃথিবীর যে কোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়।

 প্রাকৃতিক দুর্যোগ: 
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়।
- অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।

• মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।
- মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়।
- জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি, প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮০৩.
কোন গাছের কাঠ থেকে দিয়াশলাই প্রস্তুত করা হয়?
  1. ধুন্দল
  2. গেওয়া
  3. গরান
  4. গর্জন
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা
শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:
কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

নিউজপ্রিন্ট কারখানা:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।

দিয়াশলাই শিল্প:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে।
- এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

রেয়ন শিল্প:
- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

পরিবহন শিল্প:
- বনভূমি থেকে প্রাপ্ত গর্জন, সেগুন, চাপালিশ, প্রভৃতি গাছের কাঠ রেলথের স্লিপার, রেলগাড়ির বগি, লঞ্চ, স্টিমার, নৌকা, বাস ও ট্রাকের বডি, বৈদ্যুতিক খুঁটি, রাস্তার পুল ইত্যাদি তৈরি করতে প্রয়োজন।

ভেষজ শিল্প:
- বনের গাছ-গাছড়া, লতাপাতা, মধু, প্রভৃতির উপর নির্ভর করে ভেষজ শিল্প গড়ে উঠেছে।

চামড়া শিল্প:
- সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮০৪.
নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ নয় কোনটি?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) ফিলিপাইন
  4. ঘ) ব্রুনাই
সঠিক উত্তর:
ক) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাপান
ব্যাখ্যা
 নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ নয় - জাপান।

• নিরক্ষীয় জলবায়ু:
-  নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু।

• অবস্থান ও দেশসমূহ:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
-  সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়। কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০° অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।

- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।

- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮০৫.
পক প্রণালী পৃথক করেছে কোন দুটি দেশকে?
  1. ভারত ও বাংলাদেশ
  2. শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ
  3. ভারত ও শ্রীলঙ্কা
  4. মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ভারত ও শ্রীলঙ্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
পক প্রণালী: 
- পক প্রণালী (Palk Strait) ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- আরব উপসাগর এবং বঙ্গোপসাগরকে সংযুক্ত করে।
- এটি শ্রীলঙ্কার মান্নার জেলা এবং ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যকে পৃথক করেছে।
- শ্রীলঙ্কা ও ভারত পৃথক করেছে।

গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী: 
- মোজাম্বিক প্রণালী – ভারত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং মাদাগাস্কার ও মোজাম্বিক কে পৃথক করেছে। 
- বসফরাস প্রণালী- এশিয়া ও ইউরোপ অংশকে পৃথক করেছে
- দার্দানিলিস প্রণালী- মর্মর সাগর ও ইজিয়ান সাগরকে যুক্ত করেছে। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৫,৮০৬.
কোন নদীর মাধ্যমে মিয়ানমারের মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়েছে? 
  1. নাফ নদী 
  2. হাড়িয়াভাঙ্গা নদী 
  3. পায়রা নদী 
  4. কর্ণফুলি নদী 
সঠিক উত্তর:
নাফ নদী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাফ নদী 
ব্যাখ্যা

সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মায়ানমারের সাথে ৩টি।
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
- মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বাংলাদেশ ঘেঁষা শহর মংডু।
- নাফ নদীর মাধ্যমে মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়ে আছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৮০৭.
আইএফআরসি এর বৈশ্বিক দুর্যোগ রিপোর্ট ২০১৮ অনুযায়ী বিশ্বের দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টম
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক নিয়মে প্রতিনিয়ত আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানসমূহের পরিবর্তন হয়। কিন্তু যখন আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানসমূহের স্থায়ী পরিবর্তন হয়, তখন তাকে জলবায়ু পরিবর্তন বলে।
• বিশ্বের সামগ্রিক পরিবেশের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।
• আইএফআরসি এর বৈশ্বিক দুর্যোগ রিপোর্ট, ২০১৮ অনুযায়ী বিশ্বের ১৭৩টি দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে অষ্টম
• জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে। যেমন- 
১। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের হার ও মাত্রা বৃদ্ধি পাছে।
২। আকস্মিক বন্যা ও ভারি বৃষ্টিপাত দেখা যাচ্ছে।
৩। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে খরা দেখা যাচ্ছে।
৪। সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে।  

তথ্যসূত্র:- পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮০৮.
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপের নাম কী?
  1. বোর্নিও
  2. গ্রীনল্যান্ড
  3. নিউ গিনি
  4. মাদাগাস্কার
সঠিক উত্তর:
গ্রীনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
গ্রিনল্যান্ড:

- সারা বছর তুষার আবৃত থাকে গ্রীনল্যান্ড।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপের নাম - গ্রীনল্যান্ড।
- দ্বীপটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র হিসাবে শাসন কাজ পরিচালনা করে।
- এর রাজধানী - নুক (Nuuk) এবং ২১ লক্ষ ৬৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার প্রায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫,৮০৯.
সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় -
  1. লালাখালে
  2. মংলায়
  3. লালপুরে
  4. রুমায়
সঠিক উত্তর:
লালাখালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালাখালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত:
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে অঞ্চলে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়।
- সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালাখালে।
- বাংলাদেশের গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার।
- বাংলাদেশে বর্ষাকালে বৃষ্টিপাত হয় ৮০%।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮১০.
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ-
  1. ক) চীন
  2. খ) কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
খ) কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কানাডা
ব্যাখ্যা
কানাডা উত্তর আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত একটি দেশ। কানাডা রাশিয়ার পরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। এর রাজধানী অটোয়া।
উৎসঃ ব্রিটানিকা
৫,৮১১.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. মৌলভীবাজার
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র:
- দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ে অবস্থিত। 
- চা-চাষিদের কাঁচা চা-পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হয়।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- ‘সমতলে চায়ের ভূবন, পঞ্চগড়ে স্বাগতম’ স্লোগানে স্মল টি গার্ডেন ওনার্স অ্যান্ড টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এই নিলাম কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয় চট্টগ্রামে।
- দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
- বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান: মালনীছড়া চা বাগান।

উৎস: i) ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, কালের কন্ঠ।
         ii) ১০ অক্টোবর, ২০১৮, কালের কন্ঠ। 
৫,৮১২.
পানি পতনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাত-
  1. ক) এঞ্জেল
  2. খ) নায়াগ্রা
  3. গ) গুয়ারিয়া
  4. ঘ) ভিক্টোরিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) গুয়ারিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গুয়ারিয়া
ব্যাখ্যা

- গুয়ারিয়া জলপ্রপাত - ব্রাজিল ও প্যারাগুয়ে সীমান্তে অবস্থিত। পানি পতনের দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাত।
- অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত অবস্থিত ভেনেজুয়েলায়। এর উচ্চতা ১০০০ মিটার। এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটিনিকা

৫,৮১৩.
মেরু অঞ্চলের জলবায়ু মূলত -
  1. তুন্দ্রা অঞ্চল
  2. সাভানা অঞ্চল
  3. সাহেল অঞ্চল
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
তুন্দ্রা অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুন্দ্রা অঞ্চল
ব্যাখ্যা
মেরু জলবায়ু সমূহ (Polar Climates):
- এ জলবায়ুতে বছরের বেশিরভাগ সময় তাপমাত্রা হিমাংকের নিচে থাকে। ফলে উদ্ভিজ্জের জন্ম ও বৃদ্ধির জন্য গ্রীষ্মকালের স্থায়িত্ব ও উত্তাপের প্রাচুর্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- উষ্ণতম মাসের গড় তাপমাত্রা ১০০ সে. এর কম থাকে।
- এই জলবায়ু মূলত দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত।
যথা -
১. তুন্দ্রা অঞ্চল এবং
২. চিরস্থায়ী বরফের আচ্ছাদনজনিত জলবায়ু।

- তুন্দ্রা অঞ্চল মেরু দেশীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত। 
- সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তের মধ্যবর্তী স্থানে এই তন্দ্রা অঞ্চল অবস্থিত।
- দক্ষিণ গোলার্ধের এন্টার্কটিকা মহাদেশ; উত্তর গোলার্ধের সুইডেন, নরওয়ে, আলাস্কা, গ্রীনল্যান্ড, রাশিয়ার উত্তরাংশ, উত্তর কানাডা ইত্যাদি তুন্দ্রা অঞ্চলের অন্তর্গত।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮১৪.
'হেভি মিনারেল' এর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে কোথায়?
  1. ক) ফুরমোন পাহাড়
  2. খ) বড় পুকুরিয়া
  3. গ) লালমাই পাহাড়
  4. ঘ) বঙ্গোপসাগর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বঙ্গোপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা
- বঙ্গোপসাগরে ভারী খনিজের (হেভি মিনারেল) সন্ধান পাওয়া গেছে। 
- ভারী খনিজের মধ্যে রয়েছে ইলমেনাইট, টাইটেনিয়াম অক্সাইড, রুটাইল, জিরকন, গার্নেট, ম্যাগনেটাইট, মোনাজাইট,কোবাল্টসহ অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ।
-  এসব মূল্যবান সম্পদ সঠিক উপায়ে উত্তোলন করতে পারলে হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব।
 
উৎস: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 
৫,৮১৫.
২০০৪ সালের ভয়ংকর সুনামি ঢেউয়ের গতি ছিল ঘণ্টায় -
  1. ১০০-২০০ কি.মি
  2. ৩০০-৪০০ কি.মি
  3. ৭০০-৮০০ কি.মি
  4. ৯০০-১০০০ কি.মি
সঠিক উত্তর:
৭০০-৮০০ কি.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০০-৮০০ কি.মি
ব্যাখ্যা
২০০৪ সালের ভয়ংকর সুনামি ঢেউয়ের গতি ছিল ঘণ্টায় ৭০০-৮০০ কি.মি।

সুনামি:
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরের উপকূলবর্তী ১৪টি দেশে হানা দিয়েছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী সুনামি।
- ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুমাত্রা থেকে ১০০ মাইল পশ্চিমে সমুদ্রগর্ভের প্রায় ১৯ মাইল নিচে উৎপন্ন হয় ৯ দশমিক ৩ মাত্রার ভূকম্পন। 
- ভূকম্পনটি ৮ থেকে ১০ মিনিট স্থায়ী হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমায় ফেলা পারমাণবিক বোমার চেয়ে ২৩ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল ভূকম্পনটি।
- দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে সুদূর আফ্রিকা পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের উপকূলে আঘাত করে এই ভয়াবহ সুনামি।
- কোথাও কোথাও প্রায় ১০০ ফুট উঁচু ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ে।

⇒ সম্প্রতি
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’:
- ২৬ মে, ২০২৪ সালের রাত ৮টার দিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম শুরু করে।
- ঘূর্ণিঝড়টির বিস্তৃতি ছিল প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
- ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর নামকরণ করেছে ওমান।
- আরবিতে যার অর্থ বালি।

উৎস: i) মে ২৬, ২০২৪, The Daily Star বাংলা।
         ii) Britannica.
৫,৮১৬.
গ্রীন হাউস গ্যাসের কোন গ্যাস বর্তমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে না?
  1. ক) কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. খ) মিথেন
  3. গ) সিএফসি
  4. ঘ) নাইট্রাস অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) সিএফসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিএফসি
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউজ গ্যাস
- যেসব গ্যাস ‍ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে তাদের ‘গ্রিনহাউজ গ্যাস’ বলা হয়।

গ্রিনহাউজ গ্যাসের মধ্যে রয়েছে:
- কার্বন ডাই-অক্সাইড
- মিথেন
- জলীয়বাষ্প
- নাইট্রাস অক্সাইড
- ওজোন
- হ্যালোকার্বন জাতীয় গ্যাস প্রভৃতি।

নাসার ওয়েবসাইট অনুসারে, 'The CFCs that destroy ozone are also potent greenhouse gases, though they are present in such small concentrations in the atmosphere (several hundred parts per trillion, compared to several hundred parts per million for carbon dioxide) that they are considered a minor player in greenhouse warming.'

• বায়ুমণ্ডলে সিএফসি ছাড়া কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড নির্গমনের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপশন অনুসারে সিএফসি সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর।

সূত্র:
১. United States Environmental Protection Agency [Link]
২. নাসা [Link]
৩. এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা [Link]
৫,৮১৭.
বিশ্বে প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনের জন্যে প্রসিদ্ধ অঞ্চল কোনটি?
  1. আমাজন অববাহিকা
  2. কঙ্গো বেসিন
  3. ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল
  4. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনের জন্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ অঞ্চল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।
- রাবার উৎপাদনের জন্যে সর্বোত্তম হলো উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু। জলবায়ুগত সুবিধার কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, ভারত প্রভৃতি দেশের সর্বাধিক রাবার উৎপাদিত হয়।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ব্যতীত দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার মধ্যাঞ্চলেও প্রচুর প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদিত হয়।
- বিশ্বে প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনে শীর্ষদেশ থাইল্যান্ড।
(তথ্যসূত্র: বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা)
৫,৮১৮.
কুসুম্বা মসজিদটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নাটোর
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
ঘ) নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নওগাঁ
ব্যাখ্যা
- কুসুম্বা মসজিদ আত্রাই নদীর পশ্চিমতীরস্থ নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার অন্তর্গত কুসুম্বা গ্রামের নাম অনুসারে পরিচিত।
- বাংলায় আফগানদের শাসন আমলে শূর বংশের শেষ দিকের শাসক গিয়াসউদ্দীন বাহাদুর শাহ-এর রাজত্বকালে জনৈক সুলায়মান মসজিদটি নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৫,৮১৯.
ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী -
  1. ক) ধরলা
  2. খ) পুনর্ভবা
  3. গ) গোমতী
  4. ঘ) তিতাস
সঠিক উত্তর:
ক) ধরলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধরলা
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী - ধরলা।

• ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra):

- ব্রহ্মপদ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এরপর এটি তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

- এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী।
- আর প্রধান শাখানদী হলো বংশী ও শীতলক্ষ্যা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮২০.
বাংলাদেশের কোন জেলাকে ‘ভেনিস অব বেঙ্গল' বলা হয়?
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
• বরিশালকে ভেনিস অব বেঙ্গল' বলা হয়। 

• প্রাচীন চন্দ্র দ্বীপের বর্তমান নাম - বরিশাল।
বরিশাল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি শহর।
বাংলার ভেনিস নামে পরিচিত এ শহরটি বরিশাল জেলায় অবস্থিত ও এটি বরিশাল বিভাগের সদর দপ্তর।
- এটি বাংলাদেশ - এর একটি অন্যতম সুন্দর শহর। কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এই শহর।
- ‘ধান - নদী – খাল এই তিনে বরিশাল' খ্যাত বরিশাল বিভাগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৮২১.
ইন্দোনেশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি?
  1. ক) হালমাহেরা
  2. খ) সুমাত্রা
  3. গ) জাভা
  4. ঘ) সুলাওয়েসি
সঠিক উত্তর:
খ) সুমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুমাত্রা
ব্যাখ্যা
• ইন্দোনেশিয়া:
- নেদারল্যান্ডের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ (১৯৪৯ সালে)।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি (স্বাধীনতার নেতৃত্ব প্রদান) সুকর্ণ।
- অন্য নাম - বাংকর্ণ 
- জেনারেল সুহার্তো (১৯৬৮-১৯৯৮) মোট ৩২ বছর রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন।

- মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী (২০০১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত)।
- তিনি মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত মহিলা প্রধান।

- বৃহত্তম দ্বীপ - সুমাত্রা।
- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।
- জনবহুল দ্বীপ - জাভা (রাজধানী জাকার্তা অবস্থিত)।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা।
৫,৮২২.
বায়ুর বিশেষ ধর্ম সংক্রান্ত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ক) জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু বিশুদ্ধ বায়ু অপেক্ষা লঘু
  2. খ) উষ্ণ বায়ু শীতল বায়ু অপেক্ষা বেশি জলীয়বাষ্প গ্রহণ করতে পারে
  3. গ) ধূলিকণাপূর্ণ বায়ুর তাপ ধারণ ক্ষমতা বিশুদ্ধ বায়ু অপেক্ষা অনেক কম
  4. ঘ) বায়ু উষ্ণ হলে প্রসারিত ও হালকা হয় এবং শীতল হলে সংকুচিত ও ভারী হয়
সঠিক উত্তর:
গ) ধূলিকণাপূর্ণ বায়ুর তাপ ধারণ ক্ষমতা বিশুদ্ধ বায়ু অপেক্ষা অনেক কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধূলিকণাপূর্ণ বায়ুর তাপ ধারণ ক্ষমতা বিশুদ্ধ বায়ু অপেক্ষা অনেক কম
ব্যাখ্যা
ধূলিকণাপূর্ণ বায়ুর তাপ ধারণ ক্ষমতা বিশুদ্ধ বায়ু অপেক্ষা অনেক বেশি। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
৫,৮২৩.
'খারগ দ্বীপ' কোন দেশে অবস্থিত? 
  1. ইন্দোনেশিয়া 
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. ইরান 
  4. ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
ইরান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান 
ব্যাখ্যা

খারগ দ্বীপ:
- খারগ হলো ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত ছোট একটি দ্বীপ,
- যার দৈর্ঘ্য প্রায় পাঁচ মাইল।
- দ্বীপটিকে ইরানের 'অয়েল লাইফলাইন' বা 'তেলের জীবনরেখা' হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- সেখানে স্থায়ী বাসিন্দা খুব কম থাকলেও ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ রপ্তানিযোগ্য অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপের মাধ্যমেই পরিবাহিত হয়।
- বড় বড় তেলবাহী ট্যাংকার ইরানের বিভিন্ন এলাকা থেকে তেল এনে এই দ্বীপে জমা করে।
- এরপর সেখান থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়,
- যার বড় একটি অংশ যায় চীনে। ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতাই হলো চীন।
- এই দ্বীপে প্রবেশ বা ব্যবহার বন্ধ হয়ে গেলে ইরানের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে।

বর্তমান পরিস্থিতিঃ 
- যুক্তরাষ্ট্র খারগ দ্বীপে বোমা হামলা চালিয়েছে ।এবং ইরানের 'ক্রাউন জুয়েল' খারগ দ্বীপে থাকা সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে।
- খারগ দ্বীপ দখলে নিতে বিশেষ বাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উৎস: worldatlas.com. the business standard.লিঙ্ক

৫,৮২৪.
পারস্য উপসাগরে প্রবেশের একমাত্র সামুদ্রিক পথ হিসেবে বিবেচিত হয় কোনটি?
  1. পক প্রণালী
  2. হরমুজ প্রণালী
  3. বেরিং প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
হরমুজ প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমুজ প্রণালী
ব্যাখ্যা
হরমুজ প্রণালী:
- হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগর (পশ্চিম) এবং আরব সাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল।
- এই প্রণালী পারস্য উপসাগরে যাওয়ার একমাত্র সামুদ্রিক প্রবেশপথ।
- এর এক পাশে ইরান, অন্য পাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- এই প্রণালীটি ৩৫ থেকে ৬০ মাইল (৫৫ থেকে ৯৫ কিমি) প্রশস্ত এবং ইরানকে (উত্তর) আরব উপদ্বীপ (দক্ষিণ) থেকে পৃথক করে।
- প্রণালিটির সবচেয়ে সরু অংশ ৩৩ কিলোমিটার (২১ মাইল) চওড়া।
- এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও কৌশলগত জলপথ।
- মধ্যপ্রাচ্য থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তেল রপ্তানি করা হয় হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে।
- যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য সংস্থা বলছে, বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এ পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
- সংস্থাটি একে ‘বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ’ বলে বর্ণনা করে।

উল্লেখ্য,
ক) পক প্রণালী- ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে অবস্থিত একটি প্রণালী, যা বঙ্গোপসাগর ও মান্নার উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
গ) বেরিং প্রণালী- এশিয়া মহাদেশ ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ পৃথক করেছে।
ঘ) জিব্রাল্টার প্রণালী- ইউরোপ মহাদেশ থেকে আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, পত্রিকা রিপোর্ট।
৫,৮২৫.
UDMC এর সভাপতি কে?
  1. জেলা প্রশাসক
  2. উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
  3. ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
  4. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
UDMC:
- UDMC এর পূর্ণ রূপ হলো Union Disaster Management Committee.
- ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে এবং
- বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয় Union Disaster Management Committee.



সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৮২৬.
পানিতে সহনীয় মাত্রায় আর্সেনিকের পরিমান -
  1. ক) ০.০১ মিগ্রা/লি
  2. খ) ০.০০১ মিগ্রা/লি
  3. গ) ০.০০৫ মিগ্রা/লি
  4. ঘ) ০.০০২ মিগ্রা/লি
সঠিক উত্তর:
ক) ০.০১ মিগ্রা/লি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০.০১ মিগ্রা/লি
ব্যাখ্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম। তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে। বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম। চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা।
(সূত্রঃ দুর্যোগকোষ)
৫,৮২৭.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর সবচেয়ে শীতল?
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. স্ট্রাটোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. থার্মোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
মেসোমণ্ডল: 
- বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে শীতল স্তর হলো মেসোমণ্ডল (Mesosphere)।
- এই স্তরটি স্ট্রাটোবিরতির উপরে শুরু হয়ে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মেসোমণ্ডলে উচ্চতা যত বাড়ে, তাপমাত্রা ততই কমে।
- এই স্তরে তাপমাত্রা প্রায় -৮৩° সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যা বায়ুমণ্ডলের অন্যান্য স্তরের তুলনায় সর্বনিম্ন।
- এজন্য মেসোমণ্ডলকে বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে শীতল স্তর বলা হয়।
- এখানেই মহাকাশ থেকে ছুটে আসা উল্কাগুলো বায়ুর সঙ্গে ঘর্ষণে পুড়ে যায় এবং পৃথিবীতে পড়ার আগেই ধ্বংস হয়।
- এই স্তরের উপরের সীমাকে মেসোবিরতি (Mesopause) বলা হয়।
- মেসোমণ্ডলের এই অতিশীতল পরিবেশ জীবজগৎকে মহাজাগতিক বস্তু থেকে রক্ষা করে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮২৮.
সবচেয়ে বড় সার কারখানা কোনটি?
  1. ক) যমুনা ফার্টি. কো. লি.
  2. খ) চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টি. ফ্যাক্টরি লি.
  3. গ) শাহজালাল ফার্টি. কো. লি.
  4. ঘ) পলাশ ইউরিয়া ফার্টি. লি.
সঠিক উত্তর:
গ) শাহজালাল ফার্টি. কো. লি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শাহজালাল ফার্টি. কো. লি.
ব্যাখ্যা
উৎপাদন অনুসারে দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানা হলো সিলের ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড। এর উৎপাদন ক্ষমতা ৫৮১,০০০ মেট্রিক টন। এটি ২০১৬ সালে স্থাপিত হয়। বর্তমানে দেশে ১৭ টি সার কারখানা রয়েছে। প্রথম ১৯৫১ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে সার কারখানা স্থাপিত হয়। চট্টগ্রামে অবস্থিত কাফকো জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত একমাত্র রপ্তানিমুখী সার কারখানা। (সূত্রঃ শিল্প মন্ত্রণালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৮২৯.
Which from the following is NOT a renewable energy resource?
  1. ক) Geothermal
  2. খ) Nuclear
  3. গ) Biomass
  4. ঘ) Solar
সঠিক উত্তর:
খ) Nuclear
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Nuclear
ব্যাখ্যা
• শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। একটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অন্যটি হচ্ছে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।

• নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- সৌরশক্তি (Solar Energy),
- জলবিদ্যুৎ (Hydropower),
- বায়ু শক্তি (Wind Energy,
- ভূতাপীয় শক্তি (Geothermal)
- জৈবিকভর (Biomass) ইত্যাদি।

• অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- পেট্রোলিয়াম (Petroleum)
- প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural gas)
- কয়লা (Coal)
- পারমাণবিক শক্তি (Nuclear energy)

• খেয়াল করুন,
- পরমাণুতে বিপুল পরিমাণ শক্তি সঞ্চিত আছে। তাই, পরমাণুর সঞ্চিত শক্তি নবায়নযোগ্য শক্তির আধার।
• অন্যদিকে,
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় সেটা ইউরেনিয়ামের উপর নির্ভর করে। ইউরেনিয়ামের পরিমাণ সীমিত। তাই, এই শক্তি নবায়নযোগ্য নয়।

তথ্যসূত্র: www.eia.gov এবং পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৩০.
নিচের কোন দেশটি লোহিত সাগরের তীরবর্তী দেশ নয়? 
  1. সুদান
  2. ইরিত্রিয়া
  3. জিবুতি
  4. মরক্কো
সঠিক উত্তর:
মরক্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরক্কো
ব্যাখ্যা

- মরক্কো লোহিত সাগরের তীরবর্তী দেশ নয়।

• লোহিত সাগর (Red Sea):

- ভারত মহাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- যা আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি সুয়েজ প্রণালী ও বাব এল-মানদেব প্রণালীর মাধ্যমে ভূমধ্যসাগর ও আরব সাগরের সাথে সংযুক্ত।
- অবস্থান ও সীমান্তবর্তী দেশসমূহ:
- লোহিত সাগরের তীরবর্তী ৬টি দেশ;
- পূর্ব তীর: সৌদি আরব ও ইয়েমেন;
- পশ্চিম তীর: মিশর, সুদান, ইরিত্রিয়া ও জিবুতি।

উৎস: Britannica.

৫,৮৩১.
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন করে-
  1. দক্ষিণ হতে উত্তর দিকে
  2. পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে
  3. উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে
  4. পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন:
- পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তনের দিক পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে। 
- সৌরজগতের মাঝারী আকারের একটি গ্রহ। 
- পৃথিবী নিজ কক্ষপথটি ডিম্বাকৃতি ও মোট ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড বা এক বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে থাকে।
- পৃথিবী নিজ অক্ষে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড সময়ে আবর্তন করে।
- পৃথিবীর একটি মাত্র উপগ্রহ হলো চন্দ্র।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৩২.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বােরাে ধান ভালাে হয়?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের খাদ্য-শস্যের মধ্যে ধানই প্রধান। এ দেশে আউশ, আমন, বােরাে প্রভৃতি ধরনের ধান চাষ হয়। বাংলাদেশের সকল জেলায় ধান উৎপাদিত হয়। রংপুর, কুমিল্লা, সিলেট, যশাের, কিশােরগঞ্জ, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহ, বগুড়া, দিনাজপুর, ঢাকা, নােয়াখালী প্রভৃতি অঞ্চলে ধান চাষ বেশি হয় তবে রংপুরে আমন ধান ও সিলেটে বােরাে ধান ভালাে হয়। (রেফারেন্সঃ কৃষি বাতায়ন)
৫,৮৩৩.
বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি কত?
  1. ক) ২৫০ নটিক্যাল মাইল
  2. খ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. গ) ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ১২ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে  মহীসোপন বলে।
- মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।

 উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রথম আলো।
৫,৮৩৪.
ফারাক্কা ব্যারেজ বাংলাদেশ সীমানা হতে কত কিলোমিটার দূরে অবস্থিত?
  1. ১৬.৫ কিলোমিটার
  2. ১৮.২ কিলোমিটার
  3. ১৪.২ কিলোমিটার
  4. ১৯.৬ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৬.৫ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬.৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা ব্যারেজ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মনোহরপুর অবস্থিত। যা  বাংলাদেশ সীমানা হতে দূরত্ব: ১৬.৫ কিলোমিটার বা ১১ মাইল দূরে অবস্থিত। 

ফারাক্কা ব্যারেজ

- নির্মাণ শুরু: ১৯৬১ সাল;
- নির্মাণ শেষ: ১৯৭১ সাল ;
- ১৯৭৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়;
- ফারাক্কা দিবস: ১৬ মে;
- প্রধান ব্যারেজের দৈর্ঘ্য ২২৪৫ মিটার এবং ১০৯ টি গেট রয়েছে যার ১৮.৩০ মিটার স্প্যান রয়েছে।
- ২৬ আগস্ট, ২০২৪ বিহার ও ঝাড়খণ্ডে বন্যার কারণে ফারাক্কা ব্যারেজের ১০৯টি গেট খুলে দিয়েছে ভারত।
- ১৯৯৬ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ফারাক্কা পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: ‘গ্লোবাল কার্বন প্রবাহ’ গবেষণা প্রকল্প।
৫,৮৩৫.
ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান-
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) আয়রন
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা

- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম।
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%,
- সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%,
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৩৬.
বাংলাদেশের কোন নদীটির ভারতীয় অংশের নাম বরাক?
  1. সুরমা
  2. তিস্তা
  3. করতোয়া
  4. ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
সুরমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরমা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নদী সুরমা ভারতের আসাম রাজ্যে প্রবাহিত হওয়ার সময় বরাক (Barak) নামে পরিচিত।

- ভারতের আসাম রাজ্যের বরাক উপত্যকা দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর এই নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে সুরমা ও কুশিয়ারা—এই দুই শাখায় বিভক্ত হয়।
- পরবর্তীতে এই দুই নদী আবার মিলিত হয়ে মেঘনা নদীর অংশ গঠন করে।

অতএব,

- বরাক = নদীটির ভারতীয় অংশ।
- সুরমা = নদীটির বাংলাদেশের অংশের একটি প্রধান শাখা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,৮৩৭.
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কয়টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে?
  1. ক) ৯টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫টি
ব্যাখ্যা
• ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে।
• এগুলো হলো:- মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা।
• এর মধ্যে বন্যা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১ নম্বরে। ঝড়ের ঝুঁকিতে ২ নম্বর এবং সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ১০ নম্বর।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৩৮.
কোনটি বাংলাদেশের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা নয়?
  1. আড়িয়াল বিল
  2. তুরাগ নদী
  3. গুলশান-বারিধারা লেক
  4. মারজাত বাওড়
সঠিক উত্তর:
আড়িয়াল বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আড়িয়াল বিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
-
⇒ এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
⇒ এলাকাগুলো:
- সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৫,৮৩৯.
নিম্নের কোনটিকে মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়?
  1. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  2. বরেন্দ্রভূমি
  3. তাজিনডং
  4. লালমাই পাহাড়
সঠিক উত্তর:
তাজিনডং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজিনডং
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৪০.
১৯৮৬ সালে বাংলাদেশে প্রথম কোথায় তেল পাওয়া গেছে?
  1. হরিপুর
  2. বরমচাল
  3. বড়পুকুরিয়া
  4. ইলিশা
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা
খনিজ তেল (Petroleum): 
- বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলে খনিজ তেল আছে বলে বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন।
- ১৯৮৬ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে প্রাকৃতিক গ্যাসের সপ্তম কূপে তেল পাওয়া গেছে।
- এ কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৬০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল তোলা হচ্ছে।
- অপরিশোধিত তেল চট্টগ্রামের তেল শোধনাগারে পরিশোধন করা হয়।
- পরিশোধিত তেল থেকে পেট্রোল, কেরোসিন, বিটুমিন ও অন্যান্য দ্রব্য পাওয়া যায়।
- মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৮৪১.
বাংলাদেশে কত সালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি ঘটে?
  1. ক) ১৯৭৪
  2. খ) ১৯৮৮
  3. গ) ১৯৮৭
  4. ঘ) ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৮
ব্যাখ্যা
 
উৎস: modmr.portal.gov.bd/
৫,৮৪২.
বাংলাদেশের নিম্নের কোন ভূমিরূপটি সবচেয়ে প্রাচীন?
  1. বরেন্দ্রভূমি
  2. প্লাবন সমভূমি
  3. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূমি
  4. উপকূলীয় সমভূমি
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ও উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূমি যেমন রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এগুলো সবচেয়ে প্রাচীন ভূমি।

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্ভুক্ত।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৪৩.
পৃথিবীতে মোট কয়টি মহাসাগর রয়েছে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. ৭ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা

মহাসাগর (Ocean):
​- উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ জলরাশি বা পানিরাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে। 
​- পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে।
​- যথা: প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean), আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean), ভারত মহাসাগর (Indian Ocean), উত্তর মহাসাগর (North Ocean), দক্ষিণ মহাসাগর (South Ocean)।
​- মহাসাগরসমূহের মধ্যে আয়তন এবং গভীরতার দিক থেকে প্রশান্ত মহাসাগর সবচেয়ে বড়। 
​- এর আয়তন ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং গড় গভীরতা, ৪,২৭০ মিটার।

​উল্লেখ্য,
​- ​আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয়। 
​- এর আয়তন ৮ কোটি ২৪ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়। এর গড় গভীরতা ৩,৯৩২ মিটার।
​- গভীরতার দিক থেকে ভারত মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয়। ভারত মহাসাগরের গড় গভীরতা ৩,৯৬২ মিটার।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৪৪.
ইউরোপের দ্বিতীয় ‍বৃহত্তম নদী কোনটি?
  1. ভলগা
  2. দানিয়ুব 
  3. ইউরাল
  4. নিপার 
সঠিক উত্তর:
দানিয়ুব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দানিয়ুব 
ব্যাখ্যা
দানিয়ুব নদী:

• ইউরোপের প্রধান নদীসমূহ:
- ভলগা (ইউরোপের দীর্ঘতম নদী),
- দানিয়ুব,
- ইউরাল,
- নিপার,
- ডন। 

• দানিয়ুব ইউরোপের দ্বিতীয় ‍বৃহত্তম নদী। 
• এর উৎপত্তি জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট এবং পতনস্থল কৃষ্ণসাগর ।
• এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৮৫৭ কিলোমিটার।
• এটি ইউরোপের ১০টি দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
• এই নদীর তীরে বুদাপেস্ট, বেলগ্রেড, ভিয়েনা, ব্রাটিস্লাভা সহ অনেক বিখ্যাত শহর অবস্থিত।
• এজন্যে এটি আন্তর্জাতিক নদী নামে পরিচিত।
• এটি ইউরোপের অন্যতম প্রধান পরিবহন পথ। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং World Atlas. 
৫,৮৪৫.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের কোন স্তরটি বেশি ব্যয়বহুল?
  1. প্রশমন 
  2. পূর্বপ্রস্তুতি
  3. সাড়াদান
  4. পুনরূদ্ধার
সঠিক উত্তর:
প্রশমন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশমন 
ব্যাখ্যা

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster Management)
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় পড়ে- যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ,দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম।

• প্রশমন (Mitigation)
⇒ দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ীহ্রাস এবং দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে।

⇒ মজবুত পাকা ভবন নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল নির্ধারণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শক্ত অবকাঠামো নির্মাণ, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর; প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত।

⇒  দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৪৬.
দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত -
  1. পাহাড়পুর
  2. চলনবিল
  3. বরেন্দ্রভূমি
  4. পলল গঠিত সমভূমি
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- ভূ-তাত্তিক সময়পঞ্জি অনুযায়ী আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বে এ সোপান অঞ্চল গঠিত হয়েছে বলে ভূ-বিজ্ঞানীরা মনে করেন।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের সুবিশাল বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই উচ্চভূমি নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
এ অঞ্চলের আয়তন ১৩,৪২৭ বর্গকিলোমিটার। মাটির রং লাল ও ধূসর।
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপান এলাকাকে আলোচনার সুবিধার্থে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: ক) বরেন্দ্রভূমি, খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং গ) লালমাই পাহাড়।

বরেন্দ্রভূমি:
- দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।
- এর আয়তন ৯,২৮৮ বর্গকিলোমিটার বা ৩৬,০০ বর্গমাইল।
- বরেন্দ্রভূমি প্লাবন সমভূমি থেকে প্রায় ৬ থেকে ১২ মিটার উঁচু।
- সমগ্র বরেন্দ্র অঞ্চলটি পুনর্ভবা, আত্রাই ও যমুনা নদী দ্বারা চারটি অংশে বিভক্ত। মাটির রং লালচে হলুদ।
- বরেন্দ্রভূমির ছোট বিনুনী আকৃতির নদীগুলো খাড়ি নামে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৪৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ও বৃহত্তম পাহাড়ের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ৮৯°৫০´ পূর্ব হতে ৯০°৫০´ পূর্ব অক্ষাংশ এবং ২৮°০৮´ উত্তর হতে ২৬°০১´ উত্তর  দ্রাঘিমাংশে এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- গারো পাহাড় মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারোখাসি পাহাড়শ্রেণীর অন্তর্গত, মেঘালয়ের রাজধানী শিলং এখানে অবস্থিত। 

অন্যদিকে,
চন্দ্রনাথ - চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড - হিন্দুদের জন্য তীর্থস্থান।
কুলাউড়া - মৌলভীবাজার - এই পাহাড়ে ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে।
চিম্বুক -বান্দরবান - ‘কালা পাহাড়’ বা ‘পাহাড়ের রানী’ নামে পরিচিত।
জৈয়ন্তিকা - সিলেট; লালমাই - কুমিল্লা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
৫,৮৪৮.
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু কেমন থাকে?
  1. শীতল
  2. শুষ্ক ও ঝড়ো
  3. উষ্ণ ও আর্দ্র
  4. শীতল ও আর্দ্র
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড়:

- ঘূর্ণিঝড় হলো একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষ ও প্রাণিজগতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত।
- অনিয়মিত বায়ুর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো ঘূর্ণিঝড় ও প্রতীপ ঘূর্ণিঝড়।
- উপরের ও নিচের বায়ুর পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে এই ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় পশ্চিমা বায়ু প্রবাহ দ্বারা মধ্য অক্ষাংশ অঞ্চলের নিম্নচাপ ও উচ্চচাপ পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়।
- এই ঝড়ের সময় বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ ঘন্টায় ৬৫ কি.মি বা তারও বেশি হয়।
- এছাড়াও নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। দ্রুত উর্দ্ধগামী বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকলে ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- উত্তর গোলার্ধে প্রবল ঘূর্ণিবায়ু বাইরের থেকে কেন্দ্রের দিকে প্রবাহিত হয়। পরে প্রচন্ড শক্তিতে বায়ু আবর্তনের মাধ্যমে উপরের দিকে উঠতে থাকে।
- ঘূর্ণিঝড় উষ্ণ জলরাশি থেকে সৃষ্টি হয় যার গড় উঞ্চতা ২৭° সেলসিয়াস।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
- উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৪৯.
নাফ নদী কোন উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. মিরসরাই
  2. টেকনাফ
  3. রামু
  4. ফটিকছড়ি
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
ব্যাখ্যা

নাফ নদী: 
- নাফ নদী একটি আন্তর্জাতিক সীমান্তরেখা হিসেবে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের সীমান্ত চিহ্নিত করে।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার দক্ষিণ‑পূর্ব কোণে প্রবাহিত এবং আরাকান (বর্তমান রাখাইন) রাজ্যের সঙ্গে সীমান্ত করে।
- নদীটি আরাকান পাহাড় থেকে শুরু হয় এবং বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) পতিত হয়।
- এই নদীর গড় প্রশস্ততা ১.৬১ কিমি থেকে ৩.২২ কিমি পর্যন্ত।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ৩৯ মিটার (১২৮ ফুট)।
- এর সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ১২০ মিটার (৪০০ ফুট)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,৮৫০.
কোনটি মেঘ বিস্ফোরণের বৈশিষ্ট্য?
  1. গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ও বজ্রপাত
  2. অল্প বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো বায়ুপ্রবাহ
  3. বজ্রপাত ও অতি বৃষ্টিপাত
  4. সমুদ্র উপকূলে ঝড়ের আঘাত
সঠিক উত্তর:
বজ্রপাত ও অতি বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বজ্রপাত ও অতি বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
মেঘ বিস্ফোরণ (Cloudburst):
- ক্লাউডবার্স্ট হল অল্প সময়ের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট স্বল্প জায়গায় শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রপাত সহ অতি বৃষ্টিপাত।
- এর ফলে আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধ্বস হতে পারে।
- সাধারণত যখন ১০ বর্গকিলোমিটার (৩.৮৬ বর্গ মাইল) অঞ্চলে এক ঘন্টার মধ্যে ১০ সেন্টিমিটার (৩.৯৪ ইঞ্চি) এর বেশি পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়, তাকে ক্লাউড বিস্ফোরণ বা ক্লাউডবার্স্ট বলে থাকে।
- এটি হিমালয়ান অঞ্চল এবং পার্বত্য এলাকায় বেশি ঘটে থাকে।
- সাধারণত ক্লাউডবার্স্ট বর্ষা ঋতুতে হয়ে থাকে।
- তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকের মতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এর পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

⇒ মেঘ বিস্ফোরণের বৈশিষ্ট্য:
- মেঘ বিস্ফোরণ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং খুব কম সময়ের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এটি সাধারণত খুব ছোট এলাকা জুড়ে ঘটে।
- মেঘ বিস্ফোরণের পরিধি কয়েক বর্গ কিলোমিটারের বেশি হয় না।
- মেঘ বিস্ফোরণের ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হয়।
- কখনও কখনও এটি এতটাই প্রবল হয় যে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় নদী এবং জলাশয়গুলো পানিতে ভরে যায়, যা বন্যার সৃষ্টি করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।
৫,৮৫১.
আগত সৌর শক্তির কত শতাংশ বায়ুমণ্ডল ভেদ করতে পারে?
  1. ক) ৭১ শতাংশ
  2. খ) ২৩ শতাংশ
  3. গ) ৪৮ শতাংশ
  4. ঘ) ২৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
আগত সৌর শক্তির প্রায় ২৩ শতাংশ বায়ুমণ্ডলে থাকা জলীয় বাষ্প, ধূলিকণা এবং ওজোন শোষণ করে নেয়  এবং 
৪৮ শতাংশ বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে যায় এবং ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে। 
অর্থাৎ, মোট আগত সৌর শক্তির প্রায় ৭১ শতাংশ পৃথিবী সিস্টেম দ্বারা শোষিত হয়। 
বাকি ২৯ শতাংশ বায়ুমণ্ডলে প্রতিফলিত হয়ে মহাকাশে ফিরে যায়। 
 
উৎস: earthobservatory.nasa.gov/
৫,৮৫২.
পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এলাকায় বাসকারী জনগোষ্ঠী যে ধরণের বন্যা কবলিত হয় তার নাম -
  1. ক) উপকূলীয় বন্যা
  2. খ) বৃষ্টিজনিত বন্যা
  3. গ) নদীসৃষ্ট বন্যা
  4. ঘ) আকস্মিক বন্যা
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকস্মিক বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকস্মিক বন্যা
ব্যাখ্যা
আকস্মিক বন্যা (Flash Flood): এপ্রিল-মে, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে স্থানীয় পর্যায়ে স্বল্পস্থায়ী ভারি বর্ষণের দরুন পাহাড়ি নদীর পানি উপচে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এলাকায় আকস্মিক ভাবে যে বন্যা দেখা যায় তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- এদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি প্রভৃতি আকস্মিক বন্যাপ্রবণ জেলা।
- ২০০২, ২০০৪, ২০০৭, ২০০৯, এবং ২০১০ সালে আকস্মিক বন্যা উত্তর পূর্ব হাওড় অঞ্চলের শীতকালীন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে।

• নদীসৃষ্ট বন্যা (Reverine Flood):
- বাংলাদেশে বর্ষা মৌসুমে প্রচুর বৃষ্টিপাত ও পানি প্রবাহের সম্মিলিত প্রভাবে বন্যা হয়।
- জুন ও জুলাই মাসে অর্থাৎ বর্ষা মৌসুমের শুরুতে ব্রহ্মপুত্র নদীখাতে সর্বোচ্চ প্রবাহ সৃষ্টি হয়।
- অপর দিকে আগষ্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে গঙ্গার পানির সর্বোচ্চ প্রবাহ সৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের প্রধান নদী দুটির পানির প্রবাহ যখন সর্বোচ্চ তখন একই সময়ে ভয়াবহ বন্যার রূপ নেয় ।

• বৃষ্টিজনিত বন্যা (Rainfall Flood):
- বৃষ্টিজনিত বন্যা দেশের দক্ষিণ, পশ্চিম অঞ্চলে অধিক দেখা যায়। ভারি বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে শহর অঞ্চলে বৃষ্টিজনিত বন্যা অধিক হয়।
- ২০১৪ সালের জুন মাসে ভারি বর্ষণের ফলে চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যা হয়।

• উপকূলীয় বন্যা (Coastal Flood ):
- বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূল রেখা (প্রায় ৮০০ কিলোমিটার সংলগ্ন এলাকাতে উপকূলীয় বন্যা দেখা যায়।
- বঙ্গোপসাগরের অগভীর মহাসোপান, বঙ্গোপসাগরে পূর্ব অংশের ফানেল ও মোচাকৃতির উপকূল রেখার কারণে ঘূর্ণিঝড়ের জলোচ্ছাসের উচ্চতা (সর্বোচ্চ ১০-১৫ মিটার) অধিক হওয়ার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যা হয়।
- ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল, ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায ভয়াবহ বন্যা হয়।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৫৩.
কোন শহরে ১৯৯২ সালের ‘বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) রিও ডি জেনেরিও
  2. খ) রোম
  3. গ) প্যারিস
  4. ঘ) হামবুর্গ
সঠিক উত্তর:
ক) রিও ডি জেনেরিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রিও ডি জেনেরিও
ব্যাখ্যা
১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে ‘বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন বা United Nations Conference on Environment and Development’ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ১১৭টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ মোট ১৭৮টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেয়।
এই সম্মেলন থেকে এজেন্ডা-২১, UNFCCC, জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত সনদ এবং পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্পর্কিত ‘রিও ঘোষণা’ গৃহিত হয়।
উৎসঃ ব্রিটানিকা
৫,৮৫৪.
ভূপৃষ্ঠে বায়ুপ্রবাহের দিক নিয়ন্ত্রিত হয় কী সুত্র অনুযায়ী?
  1. প্যাসকেলের সূত্র
  2. কেপলারের সূত্র
  3. চার্লসের সূত্র
  4. ফেরেলের সূত্র
সঠিক উত্তর:
ফেরেলের সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরেলের সূত্র
ব্যাখ্যা
• বায়ুপ্রবাহ (Movement of Wind):
- বায়ুর তাপ ও চাপের পার্থক্যের জন্য বায়ু সর্বদা একস্থান থেকে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। ভূপৃষ্ঠের সমান্তরাল বায়ু চলাচলকে বায়ুপ্রবাহ বলে।

বায়ুপ্রবাহ সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়।
১। নিম্নচাপমণ্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু ঊর্ধ্বে উত্থিত হলে বায়ুমন্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়।
এ কারণে উচ্চচাপমণ্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সর্বদা নিম্নচাপমণ্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়।

২। পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়।
এ উভয় কারণে ঘূর্ণায়মান পৃথিবীপৃষ্ঠে গতিশীল পদার্থ (যেমন- বায়ুপ্রবাহ ও জলস্রোত) সরাসরি উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।
ফেরেলের সূত্র (Ferrel's Law) অনুসারে ভূপৃষ্ঠে বায়ুপ্রবাহের দিক নিয়ন্ত্রিত হয়।

• বায়ুপ্রবাহ বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে।
যেমন-
নিয়ত বায়ু, সমুদ্র ও স্থলবায়ু ও মৌসুমি বায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
৫,৮৫৫.
নিচের কোনটি আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) স্তরবিহীন
  2. খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
  3. গ) কেলাসিত
  4. ঘ) প্রাচীনতম
সঠিক উত্তর:
খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় শিলা
সৃষ্টির প্রথমে পৃথিবী উত্তপ্ত গ্যাসীয়পিন্ড ছিল। এই গ্যাসপিন্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়। পরে আরো তাপ বিকিরণ করে উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে। এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।

আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য
১। স্তরবিহীন : উত্তপ্ত গলিত অবস্থা থেকে ঠান্ডা হয়ে জমাট বেঁধে এই জাতীয় শিলার সৃষ্টি হয় বলে এতে কোনো স্তর থাকে
না।
২। জীবাশ্মবিহীন : উত্তপ্ত গলিত পদার্থ থেকে আগ্নেয় শিলার উৎপত্তি বিধায় কোনো প্রাণি বা উদ্ভিদের অস্তিত্ব আশা করা
যায় না। এ কারণে এ জাতীয় শিলার মধ্যে জীবাশ্ম পাওয়া যায় না।
৩। কেলাসিত : উত্তপ্ত গলিত অবস্থা থেকে তাপ বিকিরণ করে এ জাতীয় শিলা তৈরি হয় বলে ক্ষেত্রবিশেষে কেলাসিত হয়
বা নির্দিষ্ট আকারে দানা বাঁধে।
৪। অপ্রবেশ্য : আগ্নেয় শিলার দানাগুলির মধ্যে কোনো ছিদ্র না থাকায় এই শিলায় পানি প্রবেশ করতে পারে না। তাই
আগ্নেয় শিলা অপ্রবেশ্য।
৫। সুদৃঢ় ও সুসংহত : উত্তপ্ত গলিত অবস্থা থেকে তাপ বিকিরণ করে উৎপন্ন হয় বলে এ শিলা সুদৃঢ় ও সুসংহত।
৬। প্রাচীনতম : আগ্নেয় শিলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম শিলা। এই শিলা থেকে অন্যান্য শিলার
উৎপত্তি হয়েছে।
৭। অপেক্ষাকৃত ভারী : আগ্নেয় শিলা অন্যান্য শিলার চেয়ে অপেক্ষাকৃত ভারী।

অন্যদিকে,
পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে  পাললিক শিলা  বলে। পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ - 
১। পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়;
২। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়;
৩। পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়;
৪। পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৫৬.
নিচের কোন জেলায় White Clay এর সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) রাঙ্গামাটি
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
চীনামাটি (White Clay or China Clay) কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূ-পৃষ্ঠে অথবা অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠে (subsurface) চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
৫,৮৫৭.
হালদার প্রধান উপনদী-
  1. টংকাবতী
  2. ধুরুং
  3. সাঙ্গু নদী
  4. খুরং
সঠিক উত্তর:
ধুরুং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধুরুং
ব্যাখ্যা
হালদা নদী :
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলার একটি নদী।
- বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়ে বঙ্গপোসাগরে পতিত হওয়া একমাত্র নদী হালদা নদী।
- হালদার প্রধান উপনদী ধুরুং খুবই খরস্রোতা।
- হালদা নদী (Halda River) পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎসারিত হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে। 
- হালদা নদী হলো দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র। 
- হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।

উৎস: হাটহাজারী উপজেলা ওয়েবসাইট।
৫,৮৫৮.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন কাজকে পর্যায়ক্রম অনুযায়ী সাজাতে হলে কোন কাজটি সর্বপ্রথমে করতে হবে?
  1. ক) পুনর্বাসন
  2. খ) দুর্যোগ প্রস্তুতি
  3. গ) ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ
  4. ঘ) দুর্যোগ প্রশমন কর্মকাণ্ড
সঠিক উত্তর:
গ) ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- ঝুঁকি অর্থ আপদ, বিপদাপন্নতার উপাদান এবং পরিবেশের আন্তঃক্রিয়া বা সম্মিলন ও সক্ষমতার ফলে উদ্ভূত সম্ভাব্য ক্ষতিকর অবস্থা। 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ কাজটি সর্বপ্রথমে করতে হবে। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য হলো
• দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করা, 
• সম্পদ এবং পরিবেশের যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা, 
• প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং 
• দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালভাবে সম্পন্ন করা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৫৯.
বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী রাষ্ট্র নয় কোনটি?
  1. ক) ইন্দোনেশিয়া
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
খ) পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্ক, থাইল্যান্ড, মায়ানমার, ইন্দোনেশিয়া বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেষে অবস্থান করছে।
source: Britannica
৫,৮৬০.
এশিয়ার ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ক) সিঙ্গাপুর
  2. খ) ব্রুনেই
  3. গ) বাহরাইন
  4. ঘ) মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
- মালদ্বীপ এশিয়া মহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্রতম। 
- এটি ভারত মহাসাগরের অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে গঠিত। 
- এর আয়তন প্রায় ১১৬ বর্গ মাইল এবং জনসংখ্যা প্রায় ৪২৭,৭৫৬।
- মালদ্বীপের রাজধানী মালে।

উৎস: ওয়াল্ড এটলাস 
৫,৮৬১.
বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা কোনটি?
  1. হাকালুকি হাওর
  2. সুন্দরবন
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. নিকলী হাওর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর: 
- টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম।
- টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তেসুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত। 
- জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ মিঠা পানির টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা।
- ভারতের মেঘালয়ের খাসিয়া, জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে টাঙ্গুয়ার হাওর মাছ, পাখি এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর এক বিশাল অভয়াশ্রম।
- বর্তমানে মোট জলমহাল সংখ্যা ৫১টি এবং মোট আয়তন ৬,৯১২.২০ একর।
- তবে নলখাগড়া বন, হিজল করচ বনসহ বর্ষাকালে সমগ্র হাওরটির আয়তন দাড়ায় প্রায় ২০.০০০ একর।
- টাঙ্গুয়ার হাওর প্রকৃতির অকৃপণ দানে সমৃদ্ধ।
- এ হাওর শুধু একটি জলমহাল বা মাছ প্রতিপালন, সংরক্ষণ ও আহরণেরই স্থান নয়।
- এটি একটি মাদার ফিশারী। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৮৬২.
২৮তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন (COP-28) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. মিশর
  2. সংযুক্ত আবর আমিরাত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইন্দোনশিয়া
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আবর আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আবর আমিরাত
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮: 
- ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে ২৮তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হবে।
- স্থান- আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- সর্বশেষ সম্মেলন কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে শারম আল শেখ, মিশর। 
- প্রথম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় জার্মানির বার্লিনে ১৯৯৫ সালে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা।
৫,৮৬৩.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. চমক
  2. কৈলাসনগর
  3. নারিফা
  4. আকবর
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৫,৮৬৪.
The smallest ocean in the World is -
  1. ক) Atlantic Ocean
  2. খ) Antarctic Ocean
  3. গ) Arctic Ocean
  4. ঘ) Indian Ocean
সঠিক উত্তর:
গ) Arctic Ocean
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Arctic Ocean
ব্যাখ্যা
- The Arctic Ocean is the smallest of the world's five ocean basins.
- With an area of about 6.1 million square miles, the Arctic Ocean is about 1.5 times as big as the United States. 
- It is bordered by Greenland, Canada, Norway, Alaska, and Russia. 
- The average depth of the Arctic Ocean is 3,953 feet and it is 18,264 feet at its deepest point.
 
Source: National Oceanic and Atmospheric Administration Website 
৫,৮৬৫.
ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহের দিকের বিচ্যুতি ঘটে নিচের কোন বলটির প্রভাবে?
  1. নিয়ত বল
  2. কোরিওলিস বল
  3. কেন্দ্রাতিক বল
  4. কেন্দ্রবিমুখী বল
সঠিক উত্তর:
কোরিওলিস বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোরিওলিস বল
ব্যাখ্যা
ফেরেলের সূত্র, বায়ুপ্রবাহের দিক ও কোরিওলিস বল
- বায়ুপ্রবাহ সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- তবে এই প্রবাহ সোজাসুজি প্রবাহিত না হয়ে ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বেঁকে যায়।

- ফেরেলের সূত্র : কোরিওলিস বলের প্রভাবে বায়ুপ্রবাহ উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে সোজাপথে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয় ।

- কোরিওলিস বল : পৃথিবীর পৃষ্ঠের সাপেক্ষে একটি সরল পথে চলমান বস্তুর (যেমন বিমান, বায়ু, ক্ষেপণাস্ত্র এবং সমুদ্রের স্রোত) আপাত বিচ্যুতিকে বোঝায়। এর শক্তি বিভিন্ন অক্ষাংশে পৃথিবীর ঘূর্ণনের গতির সমানুপাতিক।

উল্লেখ্য,
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত ৪ প্রকার। যথা -
১. নিয়ত বায়ু,
২. সাময়িক বায়ু,
৩. স্থানীয় বায়ু,
৪. অনিয়মিত বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।
৫,৮৬৬.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম জিআইএস প্রযুক্তি চালু হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
• জিআইএস (GIS):
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Geographic information systems.
- Geographical Information System (GIS) বা ভৌগোলিক তথ্য পদ্ধতি হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়। অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।
==============
 → ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান — The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।  → সত্তরের দশকে নগর পরিকল্পনায় প্রথম কম্পিউটারভিত্তিক জিআইএস ব্যবহার করা হয়।
 → ১৯৮০ সালের পর জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
 → বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৬৭.
ভারতের ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়েছে কোন নদী?
  1. ক) কর্ণফুলী
  2. খ) সাঙ্গু
  3. গ) ফেনী
  4. ঘ) নাফ
সঠিক উত্তর:
গ) ফেনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফেনী
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী (Karnaphuli):
- কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এরপর রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- এটি চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী।
- এ নদীর দৈর্ঘ্য ২৭৪ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলির প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা ও বোয়ালখালি।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
- এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।
- দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।

• সাঙ্গু (Shangu):
- সাঙ্গু নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত আরাকান পাহাড়ে উৎপন্ন হয়েছে।
- অত:পর বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

ফেনী (Feni):
- ফেনী নদী ভারতের ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়েছে।
- ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- এ নদীটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক জেলা ফেনীর নামে পরিচিত এবং ফেনী জেলাতেই অবস্থিত।

• নাফ (Knaf):
- নাফ নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার।
- এ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৮৬৮.
বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর কোনটি?
  1. পারস্য উপসাগর 
  2. বঙ্গোপসাগর
  3. গিনি উপসাগর 
  4. হাডসন বে
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপবিভাগ এবং বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর।
- এটি মূলত একটি উপকূলীয় জলাধার, যা বৃহত্তর জলভাগের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।
- বঙ্গোপসাগর টেকটোনিক প্লেটের গতির ফলে সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি ভারত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান, গভীরতা ও বিশালতা একে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও আবহাওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলভাগে পরিণত করেছে।
- পৃষ্ঠের আয়তন: ২৬,০০,০০০ বর্গকিমি।
- সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য: ২,০৯০ কিমি।
- সর্বোচ্চ প্রস্থ: ১,৬১০ কিমি।
- গড় গভীরতা: ২,৬০০ মিটার।
- সর্বাধিক গভীরতা: ৪,৬৯৪ মিটার।

উল্লেখ্য,
- Gulf (উপসাগর) হলো স্থলভাগে সমুদ্রের প্রবেশপথ। গালফগুলি প্লেট টেকটোনিক্সের ফলে তৈরি হয় এবং সাধারণত Bay (উপসাগর) এর তুলনায় বৃহত্তর এবং গভীরভাবে ইন্ডেন্টেড হয়। প্রায়শই এগুলি সরু জলপথ দ্বারা সমুদ্রের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- ১,৫০৭,৬৩৯ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে মেক্সিকো উপসাগর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি প্রান্তিক সমুদ্র এবং বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর (Gulf হিসেবে)।
- তবে সামগ্রিকভাবে বঙ্গোপসাগর বিশ্বের সবচেয়ে বড় উপসাগর (আয়তন: ২৬,০০,০০০ বর্গকিমি)।

উৎস: World Atlas.
৫,৮৬৯.
'আন্দিজ পর্বত' কোন ধরনের পর্বতের উদাহরণ?
  1. আগ্নেয় পর্বত
  2. ভঙ্গিল পর্বত
  3. চ্যুতি-স্তুপ পর্বত
  4. মালভূমি
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা

ভঙ্গিল পর্বত: 
- ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি।
- ভঙ্গিল পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ভাঁজ। 
- কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- এশিয়ার হিমালয়,
- ইউরোপের আল্পস,
- উত্তর আমেরিকার রকি এবং
- দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।

অন্যদিকে,
- আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains)-এর উদাহরণ- ইতালির ভিসুভিয়াস, জাপানের ফুজিয়ামা।
- চ্যুতি-স্তুপ পর্বত (Fault-block Mountains)-এর উদাহরণ- জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৫,৮৭০.
কোন জেলা ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমারের সাথেও সীমান্ত ভাগ করেছে?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. কক্সবাজার
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাসমূহ:
- মোট জেলা: ৬৪ (৮ বিভাগে)
- সীমান্তবর্তী জেলা: ৩২টি
- ভারতের সাথে: ৩০ জেলা
- মিয়ানমারের সাথে: ৩ জেলা
- দুই দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে: রাঙামাটি জেলা
- ঢাকা ও বরিশাল বিভাগ ব্যতীত সব বিভাগেই সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ডিএমপি নিউজ ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৮৭১.
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোনটি সঠিক?
  1. ২৪° ৩৪' থেকে ২৮°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ
  2. ৮৮° ০১' থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
  3. ৮৮° ০১' থেকে ৯১° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
  4. ২০° ৩৪' থেকে ২৪°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
৮৮° ০১' থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৮° ০১' থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- যেকোনো দেশের ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারিত হয়েছে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার ভিত্তিতে।
- বাংলাদেশ ৮৮° ০১' থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা এবং ২০° ৩৪' থেকে ২৬° ৩৮' উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে এর সর্বোচ্চ বিস্তৃতি প্রায় ৪৪০ কিলোমিটার, এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃতি প্রায় ৭৬০ কিলোমিটার।
- দেশের সীমানা চারপাশে বিভিন্ন দেশ ও সমুদ্র দিয়ে ঘেরা।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে ত্রিপুরা ও মায়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূল বাংলাদেশের অবস্থানকে ঘিরে রেখেছে।
- ভৌগোলিক বিচারে বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায়, ভারত ও মিয়ানমারের মাঝখানে।
- এর ভূখণ্ড ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল (বিবিএস ২০২০ অনুসারে)। 

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৫,৮৭২.
বঙ্গোপসাগর হলো বিশ্বের বৃহত্তম -
  1. সাগর
  2. উপসাগর
  3. হ্রদ
  4. চ্যানেল
সঠিক উত্তর:
উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসাগর
ব্যাখ্যা

বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal):
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর হলো বঙ্গোপসাগর।
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ।
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এ উপসাগরটি পশ্চিমে ভারত ও শ্রীলংকার পূর্ব উপকূল, উত্তরে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীপ্রণালী সৃষ্ট বদ্বীপ এবং পূর্বে মায়ানমার উপদ্বীপ থেকে আন্দামান-নিকোবর শৈলশিরা পর্যন্ত বিস্তৃত ভূভাগ দ্বারা বঙ্গোপসাগর তিনদিকে আবদ্ধ।
- বঙ্গোপসাগরের আয়তন ২৬,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ২,৬০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,২৫৮ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে উত্তর প্রান্তে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।

উৎস: i) World atlas.
ii) Guinness World Records.

৫,৮৭৩.
ভূমিকম্পের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. টেকটোনিক প্লেটসমূহের সঞ্চালন
  2. শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি
  3. ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক প্লেটসমূহের সঞ্চালন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক প্লেটসমূহের সঞ্চালন
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প (Earthquake): 
- পৃথিবীর কঠিন ভূত্বকের কোনো কোনো অংশ প্রাকৃতিক কোনো কারণে কখনো কখনো অল্প সময়ের জন্য হঠাৎ কেঁপে ওঠে। ভূত্বকের এরূপ আকস্মিক কম্পনকে ভূমিকম্প বলে।
- ভূকম্পন সাধারণত কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয় আবার কখনো কিছু সময় পর পর অনুভূত হয়।
- এ কম্পন কখনো অত্যন্ত মৃদু আবার কখনো অত্যন্ত প্রচণ্ড হয়।

ভূমিকম্পের প্রধান কারণ (Main causes of earthquake): 
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতকগুলো টেকটোনিক প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- অগ্ন্যুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকম্পন সৃষ্টি হয়।

অপ্রধান কারণ: 
১। শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি: কোনো কারণে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি ঘটলে বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি হলে ভূমিকম্প হয়। ১৯৩৫ সালে বিহারে এবং ১৯৫০ সালে আসামে এ কারণেই ভূমিকম্প হয়।
২। তাপ বিকিরণ: ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টি হয়ে ভূমিকম্প হয়।
৩। ভূগর্ভস্থ বাষ্প: পৃথিবীর অভ্যন্তরে অত্যধিক তাপের কারণে বাষ্পের সৃষ্টি হয়। এই বাষ্প ভূত্বকের নিম্নভাগে ধাক্কা দেওয়ার ফলে প্রচন্ড ভূকম্পন অনুভূত হয়।
৪। ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস: অনেক সময় ভূগর্ভে হঠাৎ চাপের হ্রাস বা বৃদ্ধি হলে তার প্রভাবে ভূমিকম্প হয়।
৫। হিমবাহের প্রভাব: হঠাৎ করে হিমবাহ পর্বতগাত্র থেকে নিচে পতিত হলে ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে এবং ভূমিকম্প
হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৮৭৪.
সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলাে-
  1. ক) নক্ষত্র
  2. খ) সূর্য
  3. গ) ধূমকেতু
  4. ঘ) নীহারিকা
সঠিক উত্তর:
খ) সূর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সূর্য
ব্যাখ্যা
সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থান করছে। গ্রহগুলাে মহাকর্ষ বলের প্রভাবে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে। সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ-উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলাে সূর্য। সূর্য কে ভিত্তি করে সৌরজগতের যাবতীয় কাজ-কর্ম চলে।
৫,৮৭৫.
ভূমিকম্প মোকাবেলায় কোন পরামর্শটি ঠিক নয়?
  1. ক) ঘরে হেলমেট থাকলে তা মাথায় পরা
  2. খ) খোলা জায়গায় আশ্রয় নেয়া যাবে না
  3. গ) এ সময় লিফট ব্যবহার করবেন না
  4. ঘ) গ্যাসের সুইচ বন্ধ করে দেয়া
সঠিক উত্তর:
খ) খোলা জায়গায় আশ্রয় নেয়া যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খোলা জায়গায় আশ্রয় নেয়া যাবে না
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্পে করণীয় কিছু সতর্কতামুলক টিপস

ভূমিকম্পের প্রথম ঝাঁকুনির সঙ্গে সঙ্গে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিন।

ঘরে হেলমেট থাকলে মাথায় পরে নিন, অন্যদেরও পরতে বলুন।

ঘর থেকে বের হওয়ার সময় সম্ভব হলে আশপাশের সবাইকে বের হয়ে যেতে বলুন।

দ্রুত বৈদ্যুতিক ও গ্যাসের সুইচ বন্ধ করে দিন।

কোনো কিছু সঙ্গে নেওয়ার জন্য অযথা সময় নষ্ট করবেন না।

যদি ঘর থেকে বের হওয়া না যায়, সে ক্ষেত্রে ইটের গাঁথুনি দেওয়া পাকা ঘর হলে ঘরের কোণে এবং কলাম ও বিমের তৈরি ভবন হলে কলামের গোড়ায় আশ্রয় নিন।

আধাপাকা বা টিন দিয়ে তৈরি ঘর থেকে বের হতে না পারলে শক্ত খাট বা চৌকির নিচে আশ্রয় নিন।

ভূমিকম্প রাতে হলে কিংবা দ্রুত বের হতে না পারলে সজাগ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আশ্রয় নিন ঘরের কোণে, কলামের গোড়ায় অথবা শক্ত খাট বা টেবিলের নিচে।

গাড়িতে থাকলে যথাসম্ভব নিরাপদ স্থানে থাকুন। কখনো সেতুর ওপর গাড়ি থামাবেন না।

এ সময় লিফট ব্যবহার করবেন না।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৫,৮৭৬.
প্রাকৃতিক দুর্যোগ এর অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. জলাবদ্ধতা
  2. খরা
  3. রাসায়নিক দূষণ
  4. মরুকরণ
সঠিক উত্তর:
খরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরা
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক দুর্যোগঃ
-  প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। 
 যেমন:
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়,
- জলোচ্ছাস,
- টর্নেডো,
- ভূমিকম্প,
- খরা,
- নদীভাঙন,
- সুনামি,
- আগ্নেয়গিরির,  ইত্যাদি।

• মানব- সৃষ্ট দুর্যোগ:
- মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়।
যেমন:
- জলাবদ্ধতা,
- অগ্নিকাণ্ড, 
- রাসায়নিক দূষণ,
- যুদ্ধ-বিগ্রহ,
- সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা,
- বনাঞ্চল ধ্বংস,
- পরিবেশ দূষণ,
- মরুকরণ,
- অগ্নিকাণ্ড ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৭৭.
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. বৃষ্টিপাত কম হয়
  2. তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে
  3. চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়
  4. গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত কম হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত কম হয়
ব্যাখ্যা

♦ নিরক্ষীয় জলবায়ু:
- পৃথিবীর জলবায়ুর পার্থক্যের জন্য সূর্যের অবস্থান একটি বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
- কারণ তাপমাত্রা প্রাপ্তির ধরনের উপর আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রকৃতির পার্থক্য তৈরি হয়।
- নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু।

♦ অবস্থান ও দেশসমূহ:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫০ অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০০ অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

♦ নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
• নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
• দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
• এই সকল এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয়৷
• অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়৷

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৭৮.
পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর কোনটি?
  1. গ্রেট ফ্লোরিডা রিফ
  2. গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ
  3. বেলিজ ব্যারিয়ার রিফ
  4. মেসো আমেরিকান ব্যারিয়ার রিফ
সঠিক উত্তর:
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হচ্ছে পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রবাল রিফ যা ২,৯০০ এর বেশি একক রিফের সমন্বয়ে গঠিত।
- রিফটি অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উপকূল ঘেঁষা কোরাল সাগরে অবস্থিত।
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ৯০০টির মতো প্রবাল দ্বীপ নিয়ে গঠিত এক বিরাট কাঠামো।
- এটি প্রায় ২৬০০ কিমি লম্বা।
- মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীর যে কয়েকটা প্রাণী সৃষ্ট কাঠামো খালি চোখে দেখা যায় তার মধ্যে একটা হলো এই রিফ।

অন্যদিকে -
- বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রবাল রিফ হলো মধ্য আমেরিকার উপকূলীয় সমুদ্রে অবস্থিত মেসো আমেরিকান ব্যারিয়ার রিফ।
- গ্রেট ফ্লোরিডা রিফ বিশ্বের ৩য় বৃহত্তম প্রবাল রিফ যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র বিস্তৃত রিফ সিস্টেম।
- বেলিজ ব্যারিয়ার রিফ আটলান্টিক-ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রিফ।

উৎস: Britannica.
৫,৮৭৯.
প্রতি ১° দ্রাঘিমার স্থানান্তরে সময়ের ব্যবধান কত মিনিট হয়?
  1. ১ মিনিট
  2. ৪ মিনিট
  3. ৫ মিনিট
  4. ১৫ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
ব্যাখ্যা

গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রিনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য: 
- প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হচ্ছে ৪ মিনিট। 
- পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে, এজন্যই পূর্ব দিকের স্থানগুলোতে আগে দিন হচ্ছে এবং পশ্চিম দিকের স্থানগুলোতে পরে দিন হচ্ছে। এতে বুঝা যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে যেসব দেশ পূর্ব দিকে অবস্থিত, সেসব দেশে আগে সকাল হবে এবং পশ্চিম দিকের দেশগুলোতে পরে সকাল হবে। 
- প্রতি ডিগ্রি দূরত্বের জন্য সময়ের ব্যবধান হচ্ছে ৪ মিনিট। এই প্রতিটি ডিগ্রিকে ৬০ মিনিটে ভাগ করা হয় এবং প্রতি ১ মিনিট দূরত্বের জন্য ৪ সেকেন্ড সময়ের পার্থক্য হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং গ্রিনিচ মানমন্দির ওয়েবসাইট।

৫,৮৮০.
প্রবহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে কী বলে?
  1. নদী অববাহিকা
  2. নদী উপত্যকা
  3. দোয়াব
  4. নদীগর্ত
সঠিক উত্তর:
দোয়াব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোয়াব
ব্যাখ্যা

• দোয়াব: প্রবহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
- নদীসংগম: দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে নদীসংগম বলে।
- উপনদী: পর্বত বা হ্রদ থেকে যেসব ছোট নদী উৎপন্ন হয়ে কোনো বড় নদীতে পতিত হয় তাকে সেই বড় নদীর উপনদী বলে। 
- বাংলাদেশের তিস্তা ও করতোয়া হলো যমুনা নদীর উপনদী।
- শাখানদী: মূল নদী থেকে যে সকল নদী বের হয় তাকে শাখানদী বলে। বাংলাদেশের কুমার ও গড়াই হলো পরা নদীর শাখানদী।

অপরদিকে,
- নদী উপত্যকা: যে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে উন্ন নদীর উপত্যকা বলে।
- নদীগর্ত: নদী উপতাকার তলদেশকে নদীগর্ভ বলে।
- নদী অববাহিকা: উৎপত্তি স্থান থেকে শাখাপ্রশাখার মাধ্যমে যে বিদীর্ণ অঞ্চল দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রঃ যা হ্রদে পতিত হয় সেই - সমগ্র অঞ্চলই নদীর অববাহিকা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৮১.
আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয় নিচের কোনটিকে?
  1. ক) পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়
  2. খ) সিলেট অঞ্চলের পাহাড়
  3. গ) লালমাই পাহাড়
  4. ঘ) ক+খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক+খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক+খ
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৮২.
সিডর কবে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে? 
  1. ১২ নভেম্বর, ২০০৬
  2. ২৫ নভেম্বর, ২০০৯
  3. ১৫ নভেম্বর, ২০০৭
  4. ২০ অক্টোবর, ২০০৮
সঠিক উত্তর:
১৫ নভেম্বর, ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ নভেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা

সিডর:
- সিডর (SIDR) শব্দের অর্থ চোখ।
- সিডরকে ১৯৭০ ও ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর সবচেয়ে প্রলয়ংকারী  ঘূর্ণিঝড় বিবেচনা করা হয়।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা শ্রীলঙ্কার দেওয়া নাম অনুসারে সিডরের নাম ঠিক করে।
- ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ড ভাবে আঘাত হানে।
- আঘাতের সময় সিডরের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৮৩.
লোহিত সাগর কোন দুটি দেশকে বিভক্ত করেছে?
  1. ক) মিশর ও ইসরাইল
  2. খ) ইরান ও কুয়েত
  3. গ) সৌদি আরব ও মিশর
  4. ঘ) মিশর ও তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
গ) সৌদি আরব ও মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৌদি আরব ও মিশর
ব্যাখ্যা

- এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ হতে পৃথক করেছে লোহিত সাগর এবং সুয়েজ খাল।
- লোহিত সাগর সৌদি আরব (এশিয়া) এবং মিশর (আফ্রিকা) কে পৃথক করেছে।
- ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণে আফ্রিকা মহাদেশ অবস্থিত।
- ইউরোপ মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ হতে পৃথক করেছে ভূমধ্যসাগর।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৫,৮৮৪.
আটলান্টিক মহাসাগর : বাহামা : : প্রশান্ত মহাসাগর :
  1. ক) গ্রীনল্যান্ড
  2. খ) সিচেলিস
  3. গ) পালাউ
  4. ঘ) মাদাগাস্কার
সঠিক উত্তর:
গ) পালাউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পালাউ
ব্যাখ্যা
- আটলান্টিক মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র বাহামা, তেমনি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র পালাউ।

- আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য দ্বীপরাষ্ট্রগুলো : যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, গ্রীনল্যান্ড ও কিউবা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- ভারত মহাসাগরের অন্যতম দ্বীপ সমূহের মধ্যে - মাদাগাস্কার, মরিশাস, সিচেলিস, শ্রীলঙ্কা, লাক্ষা দ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য দ্বীপরাষ্ট্রের নাম হল: ফিলিপাইন, পাপুয়া নিউগিনি, পালাউ, নাউরু ও সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।
৫,৮৮৫.
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. লালমাই পাহাড়
  2. রাঙামাটির পাহাড়
  3. সিলেটের পাহাড়
  4. খাগড়াছড়ির পাহাড়
সঠিক উত্তর:
লালমাই পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমাই পাহাড়
ব্যাখ্যা

ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
- উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
- এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার।
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ন
- বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
- মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৮৬.
Which district of Bangladesh was a part of Assam?
  1. ক) Chittagong
  2. খ) Khulna
  3. গ) Feni
  4. ঘ) Sylhet
সঠিক উত্তর:
ঘ) Sylhet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Sylhet
ব্যাখ্যা
• সিলেট জেলা:
১৮৭৪ - ১৯৪৭ পর্যন্ত সময়কালে সিলেট জেলা আসামের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির সময় গণভোটের মাধ্যমে সিলেট জেলা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা নিউজ।
৫,৮৮৭.
হাজার হ্রদের দেশ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. মিয়ানমার
  2. থাইল্যান্ড
  3. নরওয়ে
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
- নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫,৮৮৮.
‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ এর মানে -
  1. ক) একটি প্লাবনভূমি
  2. খ) একটি খেলার মাঠ
  3. গ) বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
  4. ঘ) ঢাকা সেনানিবাসের পোলো গ্রাউন্ডের নাম
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৫,৮৮৯.
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ স্থানীয়ভাবে কী নামে পরিচিত?
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. পাহাড়ী দ্বীপ
  3. নারিকেল জিঞ্জিরা
  4. ছেঁড়া দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
নারিকেল জিঞ্জিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারিকেল জিঞ্জিরা
ব্যাখ্যা

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ:
- বঙ্গোসাগরের মাঝে অবস্থিত সেন্ট মার্টিন দ্বীপ।
- এটি স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত।
- সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ টেকনাফ উপেজেলা থেকে ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মিয়ানমার উপকূল থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এটির গড় উচ্চতা ৩.৬ মিটার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৮৯০.
নিচের কোনটি চ্যুতি-স্তূপ পর্বত?
  1. ক) কিলিমাঞ্জারো পর্বত
  2. খ) হেনরী পর্বত
  3. গ) আল্পস পবর্ত
  4. ঘ) সাতপুরা পর্বত
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাতপুরা পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাতপুরা পর্বত
ব্যাখ্যা
- ভূ-আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সৃষ্ট পর্বত চ্যুতি-স্তূপ পর্বত নামে পরিচিত।
চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের মধ্যে রয়েছে:
- বিন্ধ্যা পর্বত (ভারত)
- সাতপুরা পর্বত (ভারত)
- লবণ পর্বত (পাকিস্তান)
- ব্ল্যাক ফরেস্ট (জার্মানি)।
অন্যদিকে,
- কিলিমাঞ্জারো পর্বত : আগ্নেয় পর্বত
- হেনরী পর্বত : ল্যাকোলিথ পর্বত
- আল্পস পর্বত : ভঙ্গিল পর্বত।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৮৯১.
পানামা খাল কোন দুটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক ও উত্তর মহাসাগর
  3. আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
  4. উত্তর ও প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• পানামা খাল:
- পানামা খালটির নির্মাণ কাজ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়ে ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।

- ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
-  ১৯৯৯ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।
- খালটি উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাতে অবস্থিত।
- আটালান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,৮৯২.
Climate Vulnerable Forum গঠনে উদ্যোগ নিয়েছিল-
  1. ক) শ্রীলঙ্কা
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
গ) মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

- বৈশ্বিক উষ্ণতার নেতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে গঠিত হয় Climate Vulnerable Forum।
- মালদ্বীপের উদ্যোগে ২০০৯ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর বর্তমান সদস্য ৫৫টি।
- Climate Vulnerable Forum এর বর্তমান সভাপতি বাংলাদেশ (২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত)।
- বাংলাদেশের পূর্বে সভাপতি ছিল মার্শাল আইল্যান্ড।

৫,৮৯৩.
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে কী বলে?
  1. নিয়ত বায়ু
  2. সাময়িক বায়ু
  3. স্থানীয় বায়ু
  4. অনিয়মিত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।  যথা: অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

অন্যদিকে -
• সাময়িক বায়ু: কোনো নির্দিষ্ট দিক, বা বছরের কোনো নির্দিষ্ট ঋতুতে যে বায়ুপ্রবাহ জল ও স্থলভাগের তাপের তারতম্য সৃষ্টি করে তাকেই বলা হয় সাময়িক বায়ু। 
• স্থানীয় বায়ু: স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়প্রবাহ।
• অনিয়মিত বায়ু: কোনো স্থানে অধিক উত্তাপের জন্য বায়ুচাপ কমে নিম্নচাপের অথবা অত্যাধিক শীতের জন্য কোনো স্থানীয় বায়ু শীতল জলে উচ্চচাপের সৃষ্টি হয়। এভাবে সৃষ্টি যে বায়ুপ্রবাহ তাকে বলা হয় অনিয়মিত বায়ু প্রবাহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৯৪.
কোন দেশটির সমুদ্র উপকূল নেই?
  1. কম্বোডিয়া
  2. মঙ্গোলিয়া
  3. তানজানিয়া
  4. সোমালিয়া
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলিয়া
ব্যাখ্যা

- মঙ্গোলিয়া একটি ল্যান্ডলকড দেশ। এর কোন সমুদ্র উপকূল নেই।
- চীন এবং রাশিয়ার মধ্যে অবস্থিত এবং কোনো সমুদ্র বা মহাসাগরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত নয়। 

অন্যদিকে:
- কম্বোডিয়া: সিহানুকভিল দক্ষিণ-পশ্চিম কম্বোডিয়ার একটি বন্দর শহর এবং দেশের একমাত্র গভীর জলের বাণিজ্যিক বন্দর।
- তানজানিয়া: তানজানিয়ার সমুদ্র উপকূলটি ভারতীয় মহাসাগরের তীরে অবস্থিত
- সোমালিয়া: ভারত মহাসাগর এবং অ্যাডেনের উপসাগরে

সমুদ্র বন্দরহীন দেশ:
- যেসব দেশের সাথে সমুদ্র সীমা নেই সেসব দেশকে স্থল বেষ্টিত দেশ (Landlocked country) বলে।
• এশিয়ার কয়েকটি স্থল বেষ্টিত দেশ হচ্ছে:
- আফগানিস্তান,
- আর্মেনিয়া,
- আজারবাইজান,
- ভুটান,
- তুর্কমেনিস্তান,
- কাজাখস্তান,
- কিরগিজস্তান,
- লাওস,
- মঙ্গোলিয়া,
- নেপাল,
- তাজিকিস্তান এবং
- উজবেকিস্তান।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৫,৮৯৫.
বৃষ্টিবহুল শীতকাল ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল কোন জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য?
  1. নিরক্ষীয়
  2. মৌসুমি
  3. ভূমধ্যসাগরীয়
  4. মেরুদেশীয়
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগরীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগরীয়
ব্যাখ্যা
ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল:
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের বিভিন্নতার কারণে জলবায়ুর ধরনেরও পার্থক্য দেখা যায়।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় অঞ্চল অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ৩০°-৪৫° অক্ষাংশের মধ্যে যে সকল মহাদেশসমূহের অবস্থান তাদের পশ্চিমাংশ জুড়েই ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল বিস্তৃত।
- উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া, তিউনিশিয়া, মিশরের উত্তরাংশ, মরক্কোর উত্তরাংশ, ভূ-মধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলসমূহ এই জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
- এছাড়াও তুরস্ক, স্পেন, গ্রীস, দক্ষিণ ফ্রান্স, ইতালি, ইসরাইল, সিরিয়া, দক্ষিণ ও পশ্চিম যুগোশ্লাভিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তভুক্ত।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যে আরও যে দেশসমূহ রয়েছে সেগুলো হলো- লেবানন, পর্তুগাল, আলবেনিয়া এবং দ্বীপসমূহ হলো কর্ষিকা, মাল্টা, সাইপ্রাস ইত্যাদি।
- এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, দক্ষিণ আমেরিকার চিলির মধ্যভাগ এবং উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তগত।

⇒ বৈশিষ্ট্য:
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উষ্ণ, শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল।
- এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে গড় উষ্ণতা থাকে ২০°- ২৮° সে. এবং শীতকালে উষ্ণতা ১০° সে. এর কম থাকে।
- এখানে সমুদ্র বায়ুর প্রভাবে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয়।
- সাধারণত অন্যান্য এলাকার তুলনায় সমুদ্র উপকূলে বৃষ্টিপাতের হার বেশি।
- বৃষ্টিপাত অধিক বলে এখানে শীতকালীন বৃক্ষ যেমন- জলপাই, কর্ক, তুঁত, নিম, পাইন গাছের উৎপত্তি লক্ষ্যণীয়।
- কম বৃষ্টি হয় এমন স্থানে ঝোপঝাড় জন্মে।
- প্রকৃতপক্ষে ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু স্বাস্থ্যকর ও আরামদায়ক। 

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৯৬.
The 'Sunda Strait' added -
  1. Indian Ocean and Pacific Ocean
  2. Indian Ocean and South Chinese Sea
  3. Java sea and Bay of Bangle
  4. Arab Sea and Indian Ocean
  5. Indian Ocean and Java Sea
সঠিক উত্তর:
Indian Ocean and Java Sea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Indian Ocean and Java Sea
ব্যাখ্যা
সুন্দা প্রণালী:
- সুন্দা প্রণালী ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগরকে যুক্ত করেছে।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালী ব্যতীত মালাক্কা প্রণালীও ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে,
- পক প্রণালী ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ফরমোজা প্রণালী প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী ভূম্যসাগরকে উত্তর আটলান্টিক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

উৎস: WorldAtlas.
৫,৮৯৭.
'আলেকজান্দ্রিয়া' শহরটি কোন সাগরের তীরে অবস্থিত?
  1. ক) দক্ষিণ চীন সাগর
  2. খ) ক্যারিবিয়ান সাগর
  3. গ) ভূমধ্যসাগর
  4. ঘ) লোহিত সাগর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
আলেকজান্দ্রিয়া: 

- মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।
- ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত।
- এই শহরে মিশরের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর অবস্থিত।
- আলেকজান্ডারের নাম অনুযায়ী এই শহরের নামকরণ করা হয়।
- বিখ্যাত গ্রান্থাগার বিবলিওথেকা আলেকজান্দ্রিয়া এই শহরে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৮৯৮.
বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় সিডর কত সালে আঘাত হানে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

• সিডর :
- সিডর (Sidr) এ যাবৎকালে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়সমূহের মধ্যে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী।
- ২০০৭ সালের ১৫ই নভেম্বর ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ডভাবে আঘাত করে।
- বঙ্গোপসাগরের কেন্দ্রীয় অঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভের পরই ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করতে থাকে।
- এ সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘন্টায় প্রায় ২৬০ কিমি সাফাইর-সিম্পসন (Saffire-Simpson scale) অনুযায়ী ৫ মাত্রার ঘূর্ণিঝড়ের সমতুল্য। 
- ঘূর্ণিঝড় এবং তদুপরি জলোচ্ছাসের প্রভাবে প্রায় দশ সহস্রাধিক মানুষ প্রাণ হারায়।
- বাংলাদেশের উপকূলীয় ছাড়াও ভারতের চেন্নাই, তামিলনাড়ু এবং আরও কিছু রাজ্য সিডর এর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,৮৯৯.
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু কেমন থাকে?
  1. জলীয় বাষ্পহীন
  2. শুষ্ক ও ঝড়ো
  3. উষ্ণ ও আর্দ্র
  4. শীতল ও আর্দ্র
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
ব্যাখ্যা
⇒ ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে।

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড় হলো একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষ ও প্রাণিজগতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত।
- অনিয়মিত বায়ুর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো ঘূর্ণিঝড় ও প্রতীপ ঘূর্ণিঝড়।
- উপরের ও নিচের বায়ুর পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে এই ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় পশ্চিমা বায়ু প্রবাহ দ্বারা মধ্য অক্ষাংশ অঞ্চলের নিম্নচাপ ও উচ্চচাপ পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়।
- এই ঝড়ের সময় বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ ঘন্টায় ৬৫ কি.মি বা তারও বেশি হয়।
- এছাড়াও নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। দ্রুত উর্দ্ধগামী বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকলে ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- উত্তর গোলার্ধে প্রবল ঘূর্ণিবায়ু বাইরের থেকে কেন্দ্রের দিকে প্রবাহিত হয়। পরে প্রচন্ড শক্তিতে বায়ু আবর্তনের মাধ্যমে উপরের দিকে উঠতে থাকে।
- ঘূর্ণিঝড় উষ্ণ জলরাশি থেকে সৃষ্টি হয় যার গড় উঞ্চতা ২৭° সেলসিয়াস।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
- উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৯০০.
এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI)–এর কোন মানকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়?
  1. ১০১-২০০
  2. ২০১-২৫০
  3. ২৫১-৩০০
  4. ৩০১-৪০০
সঠিক উত্তর:
৩০১-৪০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০১-৪০০
ব্যাখ্যা

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI):
- এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) হলো একটি পরিমাপ পদ্ধতি যা বাতাসের গুণমানকে সহজে বোঝার জন্য একটি সূচক ব্যবহার করে।
- এটি বিভিন্ন বায়ু দূষণকারীর ঘনত্বকে একটি সংখ্যা, রঙ এবং নামকরণে রূপান্তর করে, যা জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি বুঝতে সাহায্য করে।

⇒ AQI ইনডেক্সে ‘ভালো’ মানের বায়ুর ক্ষেত্রে স্কোর ০-৫০।
- স্কোর ৫১-১০০ হলে তাকে ‘মাঝারি’ বা ‘গ্রহণযোগ্য’ মানের বায়ু হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১০১-১৫০ স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।
- স্কোর ১৫১-২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।
- স্কোর ২০১-৩০০ হলে তাকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু ধরা হয়।
- ৩০১ থেকে তার ওপরের স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়।

 


উৎস: i) Britannica.
ii) AirNow (.gov). [link]