বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৫৭ / ৭২ · ৫,৬০১৫,৭০০ / ৭,১৯১

৫,৬০১.
শনি গ্রহের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ কোনটি?
  1. ইউরোপা
  2. গ্যানিমিড
  3. টাইটান
  4. ক্যালিস্টো
সঠিক উত্তর:
টাইটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইটান
ব্যাখ্যা

• শনি গ্রহ:
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- শনি গ্রহ উজ্জ্বল বলয় দ্বারা বেষ্টিত এবং এর ভূ-ত্বক বরফে ঢাকা।
- সূর্যের চারদিকে শনির একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ২৯.৪ বছর।
- গ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৯ গুণ বড়।
- এর উপগ্রহ রয়েছে ১৪৬টি।

উল্লেখ্য,
- টাইটান শনি গ্রহের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ।
- ১৬৫৫ সালে ডাচ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস এটি আবিস্কার করেন।
- টাইটান একমাত্র উপগ্রহ, যেটা অনেকটা পৃথিবীর মতো।
- টাইটানের বায়ুমণ্ডল অনেক ঘন। বায়ুমণ্ডলের ৯৭% হলো নাইট্রোজেন।
- অর্থাৎ পৃথিবীর পর টাইটানের বায়ুমণ্ডলই কেবল এত বেশি নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র:
i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) NASA ওয়েবসাইট।

৫,৬০২.
আকস্মিক বন্যাপ্রবণ জেলা -
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) হবিগঞ্জ
  3. গ) কিশোরগঞ্জ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সাধারণত চার ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়। এগুলো হলো:-
১। বৃষ্টিজনিত বন্যা
২। উপকূলীয় বন্যা
৩। নদীসৃষ্ট বন্যা
৪। আকস্মিক বন্যা।

আকস্মিক বন্যা
• এপ্রিল-মে, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে স্থানীয় পযার্য়ে স্বল্পস্থায়ী ভারি বর্ষণের দরুন পাহাড়ি নদীর পানি উপচে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এলাকায় আকস্মিক ভাবে যে বন্যা দেখা যায় তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
• এদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি প্রভৃতি আকস্মিক বন্যাপ্রবণ জেলা।
• আকস্মিক বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

তথ্যসূত্র: বন্যা সাড়াদান ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা : বাংলাদেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬০৩.
কত সালের দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
  1. ১৯৭৮ সাল
  2. ১৯৮২ সাল 
  3. ২০০৪ সাল
  4. ১৯৯৮ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বন্যা:
- ভৌগলিক অবস্থান ও জলবায়ুগত কারণে বাংলাদেশ বন্যা উপদ্রুত এলাকা হিসাবে চিহ্নিত।
- এশিয়ার অন্যতম ২টি বড় নদী বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- এর ফলে প্রায় প্রতি বছর বাংলাদেশ মারাত্মক বন্যায় আক্রান্ত হয়।
- বর্ষাকালে অতিবৃষ্টি, উজান থেকে আসা বরফগলা ও বৃষ্টির পানি, সেই সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে বৃষ্টি বহুল অঞ্চল মেঘালয় পাহাড়ের পাহাড়ী ঢল এবং বঙ্গোপসাগরের জোয়ার এই বন্যাকে দীর্ঘস্থায়ী ও মারাত্মক অবস্থায় নিয়ে যায়।

বন্যার ধরনের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের বন্যাকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়:
১. সাধারণ বন্যা (General Flood):
- সাধারণত বড় নদীগুলো থেকে সৃষ্ট বন্যা।
- বাংলাদেশের উত্তর ও মধ্য ভাগ এই বন্যায় বেশী আক্রান্ত হয়।

২. আকস্মিক বন্যা (Flash Flood):
- পাহাড়ী ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা যা অল্প সময়ের মধ্যে ঘটে।
- সাধারনত বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্ব অঞ্চল বিশেষ করে মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশের এলাকাসমূহ এই বন্যায় আক্রান্ত হয়।

৩. ঘূর্নিঝড়ের ফলে সৃষ্ট বন্যা বা জলোচ্ছ্বাস (Tidal Surge):
- বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় বিশেষ করে ঘূর্নিঝড় প্রবন এলাকায় এই বন্যা দেখা দেয়।

বন্যার প্রভাব (Influence of Flood in Bangladesh):
- বাংলাদেশের বন্যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক।
- বন্যার পানিতে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়ে বিপুল পরিমাণ ফসলের ক্ষতি, মানুষসহ অন্যান্য প্রাণির প্রাণহানি, অর্থ-সম্পদ ধ্বংস এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে।
- ১৯৫৪ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ২০০৪ সালের বন্যা ছিল ভয়াবহ।
- এর মধ্যে ১৯৯৮ সালের দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের ৬১% ও ১৯৯৮ সালে ৬৮% এলাকা পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। (বিবিসি বাংলা [২৪ আগস্ট, ২০১৭])
- পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যে দেখা যাচ্ছে ২০১৭ সালে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে, যেটি সর্বকালের সবচে বেশি।
- ১৯৮৮ সালে পানি ১১২ সেন্টিমিটার ও ১৯৯৮ সালে বিপদসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে বন্যার সৃষ্টি করেছিল।

উৎস:বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট & ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ সরকারের ক্লাইমেট চেঞ্জ সেল।

৫,৬০৪.
প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা কোন দুটি দেশের সীমানা নির্দেশ করে?
  1. ইসরাইল-লেবানন
  2. ভারত ও চীন
  3. পাকিস্তান ও ভারত
  4. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও চীন
ব্যাখ্যা
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল বা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা হলো ভারত ও চীনের মধ্যে বিরাজমান সীমান্তরেখা।
- ভারতের অরুণাচল, সিকিম, হিমাচল, উত্তরাখণ্ড প্রদেশ এবং লাদাখ সীমান্ত জুড়ে বিস্তৃত এই সীমারেখার দৈর্ঘ্য নিয়ে মতভেদ রয়েছে। ভারতের মতে এর দৈর্ঘ্য ৩,৪৮৮ কিমি এবং চীনের মতে ২০০০ কিমি।
- ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধে উভয় দেশ এই সীমারেখায় যুদ্ধবিরতি করে এবং সেই থেকে এই রেখা ভারত ও চীনের মধ্যে ভৌগোলিক নিয়ন্ত্রণ রেখা হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- সাম্প্রতিক সময়ে লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর দেশ দুটির মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অন্যদিকে,
- নিয়ন্ত্রণ রেখা বা লাইন অব কন্ট্রোল : পাকিস্তান ও ভারতের সীমান্তরেখা
- ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যকার সীমান্তরেখা হলো ব্লু লাইন।
(তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এবং ব্রিটানিকা)
৫,৬০৫.
দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন -
  1. ২১ মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
⇒ ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- একই দিন উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম রাত ও ছোট দিন।

⇒ ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও সবচেয়ে ছোট রাত।
- এদিন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও সবচেয়ে বড় রাত।

⇒ ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান থাকে।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৫,৬০৬.
উদ্ভিদ বৈচিত্র অনুযায়ী বাংলাদেশের বনভূমিকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি 
  4. ৬টি 
সঠিক উত্তর:
৪টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি 
ব্যাখ্যা
উদ্ভিজ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত: চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
→ (১) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি যা মূলতঃ পাহাড়ী বনভূমি নামে পরিচিত;
→ (২) ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি বা শালবন;
→ (৩) গরান বা স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন;
→ (৪) অশ্রেণীভূক্ত সরকারী মালিকানাধীন ছন জাতীয় মিশ্র জঙ্গলাকীর্ণ বনভূমি। 

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক ভূগোল (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬০৭.
নিম্নের কোন জেলাটি বাংলাদেশের ব-দ্বীপ অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. ফরিদপুর
  2. পটুয়াখালী
  3. খুলনা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ অঞ্চল:
- বাংলাদেশের সমগ্র দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল নিয়ে ব-দ্বীপ গঠিত হয়েছে।
- কুষ্টিয়া, যশোর, রাজশাহী, পাবনা ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ এবং খুলনা, পটুয়াখালী, বরিশাল ও ফরিদপুর এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীগুলো এ অঞ্চলের উপর অথবা পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- ফলে সর্বদা এ অঞ্চল নদী বিধৌত পলি দ্বারা প্লাবিত।
- নদীর মোহনায় অনেকগুলো দ্বীপের সৃষ্টি হয়েছে।
- তার মধ্যে অন্যতম হল ভোলা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ ও তালপট্টি।
- এ অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত নদীগুলো হল পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, গড়াই, আড়িয়াল খাঁ, কপোতাক্ষ, মধুমতি ইত্যাদি।
- ফলে পূর্ব অংশের ভূমি প্রায় প্রতিবছর প্লাবিত থাকে।
- অপরদিকে, খুলনা ও পটুয়ালালি জেলার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তীরে গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের প্রধান বনাঞ্চল সুন্দরবন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬০৮.
UDMC কোন পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের দায়িত্বে নিয়োজিত?
  1. ইউনিয়ন পর্যায়ে
  2. উপজেলা পর্যায়ে
  3. জাতীয় পর্যায়ে
  4. কমিউনিটি পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
- UDMC (Union Disaster Management Committee) হলো ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের দায়িত্বে নিয়োজিত।
- সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কমিটির সভাপতি ও ইউপি সচিব কমিটির সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন সেক্টরের ব্যক্তিদের নিয়ে UDMC গঠিত হয়।
- এই কমিটি দুর্যোগের ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, পূর্বপ্রস্তুতি, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার প্রভৃতি কর্মকাণ্ড করে থাকে।
- স্বাভাবিক সময়ে প্রতি মাসের অন্তত একবার UDMC এর সভা অনুষ্ঠিত হয়।
(তথ্যসূত্র: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর)
৫,৬০৯.
কোন ধরনের শিলায় স্তর নেই?
  1. আগ্নেয় শিলায়
  2. পাললিক শিলায়
  3. বিচূর্ণীত শিলায়
  4. রূপান্তরিত শিলায়
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলায়
ব্যাখ্যা

আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks):
- পৃথিবী জ্বলন্ত অবস্থা থেকে শীতল হবার সময়ে অর্ধগলিত বিভিন্ন খনিজ অত্যন্ত দ্রুত শীতল ও কঠিনাকার ধারণ করে। 
​- এইরূপে সৃষ্ট কঠিন পদার্থগুলো আগ্নেয়শিলা নামে অভিহিত। 
​- আবার ভূমিকম্পের বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত অর্ধগলিত ম্যাগমা ভূ-পৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে। 
​- ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে এলে, তাকে লাভা বলে। লাভা শীতল হয়ে জমাট বেঁধে আগ্নেয়শিলার সৃষ্টি হয়। 
​- পৃথিবী সৃষ্টির আদিতে এই শিলার সৃষ্টি হওয়ায় একে প্রাথমিক শিলা বা আদি শিলা (Primary Rock) বলা হয়। যেমন- ব্যাসল্ট, গ্রানাইট ইত্যাদি।

আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। আগ্নেয়শিলার স্তর নেই অর্থাৎ অস্তরীভূত শিলা;
২। আগ্নেয়শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই;
৩। আগ্নেয়শিলা অপ্রবেশ্য;
৪। আগ্নেয়শিলা সুদৃঢ় ও সুসংহত।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৬১০.
বাতাসের শহর হিসেবে পরিচিত কোনটি? 
  1. মেলবোর্ন
  2. শিকাগো
  3. রোম
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
শিকাগো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিকাগো
ব্যাখ্যা
- শিকাগো শহরটিকে 'বাতাসের শহর' বলা হয়। 

শিকাগো:

- শিকাগোকে "দ্য উইন্ডি সিটি" বা "বাতাসের শহর" নামে ডাকা হয়। 
- শিকাগো সিটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- ১৮৩৭ সালে শিকাগো শহর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- মিশিগান হ্রদের তীরে শিকাগো শহর অবস্থিত। 

সূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
৫,৬১১.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে ব্যয়বহুল পর্যায় কোনটি?
  1. ক) সাড়াদান
  2. খ) পুনরুদ্ধার
  3. গ) প্রশমন
  4. ঘ) প্রস্তুতি
সঠিক উত্তর:
গ) প্রশমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রশমন
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কয়েকটি পর্যায় হচ্ছে -
- পূর্ব প্রস্তুতি
- সাড়াদান
- পুনরুদ্ধার
- উন্নয়ন
- প্রতিরোধ
- প্রশমন

দুর্যোগ প্রশমনঃ
দুর্যোগের স্থায়িত্ব হ্রাসকরণ ও দুর্যোগ পূর্ব প্রস্তুতিকে দুর্যোগ প্রশমন বলে।
এই পর্যায়ের কাজগুলো হচ্ছে -
মজবুত পাকা ভবন নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল নির্ধারণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শক্ত অবকাঠামো নির্মাণ, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি।
এই কার্যক্রমগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও বাংলাদেশ সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৬১২.
গ্রীনিচ মানমন্দির বরাবর কল্পিত দ্রাঘিমারেখাটি কোন সালে মূল মধ্যরেখা হিসেবে চিহ্নিত হয়?
  1. ১৯৪৮
  2. ১৮৪৮
  3. ১৭৮৪
  4. ১৮৮৪
সঠিক উত্তর:
১৮৮৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৮৪
ব্যাখ্যা
মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian):
-মূল মধ্যরেখা প্রকৃতপক্ষে লন্ডনের গ্রীনিচ মানমন্দির বরাবর কল্পিত এক দ্রাঘিমারেখা।
-১৮৮৪ সালে এই দ্রাঘিমারেখাকে মূল মধ্যরেখা (০° দ্রাঘিমারেখা) হিসেবে স্থির করে এই রেখার পূর্ব ও পশ্চিমে অন্য দ্রাঘিমারেখাগুলোর মান নির্ধারণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গ্রীনিচ মান মন্দির বরাবর যে কল্পিত দ্রাঘিমা রেখা রয়েছে সেটির মান (০°) ধরা হয়।
- প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হয়।
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬১৩.
কোন দেশটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী?
  1. শ্বেতহস্তীর দেশ
  2. সিল্ক রুটের দেশ
  3. সোনালী প্যাগোডার দেশ
  4. বজ্রপাতের দেশ
সঠিক উত্তর:
সোনালী প্যাগোডার দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী প্যাগোডার দেশ
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ন ভৌগলিক উপনাম (দেশ)
-নিশীথ সূর্যের দেশ - নরওয়ে।
- সূর্যোদয়ের দেশ - জাপান।
- শ্বেতহস্তীর দেশ - থাইল্যান্ড।
- সিল্ক রুটের দেশ - ইরান।
- সোনালী প্যাগোডার দেশ- মায়ানমার।
- বজ্রপাতের দেশ - ভুটান।
- মুক্তার দেশ - কিউবা।
- মুক্তার দ্বীপ- বাহরাইন।
- প্রাচীরের দেশ - চীন।
- ল্যান্ড অফ মার্বেল - ইতালি।
- সমুদ্রের বধূ - গ্রেট ব্রিটেন।
- ম্যাপল পাতার দেশ - কানাডা।
- হাজার হ্রদের দেশ -ফিনল্যান্ড।
- ইউরোপের ককপিট - বেলজিয়াম।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৫,৬১৪.
কক্সবাজারের জলবায়ুকে কেমন জলবায়ু বলা হয়?
  1. চরমভাবাপন্ন
  2. মৃদুভাবাপন্ন
  3. সমভাবাপন্ন
  4. নিয়তভাবাপন্ন
সঠিক উত্তর:
মৃদুভাবাপন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃদুভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা
মৃদুভাবাপন্ন:
- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে।
- যেমন: কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন।
- সমুদ্র নিকটবর্তী জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন বা মৃদুভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।

অন্যদিকে -
- সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য না হলেও সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়।
- এ কারণে সমুদ্রের দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়।
- স্থলভাগের চেয়ে জলভাগ অনেক ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়।
- কারণ পানির আপেক্ষিক তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি।
- তবে সৌরতাপ ভূমি অপেক্ষা সমুদ্রের অনেক গভীরে প্রবেশ করে তাপ বিস্তার করে।
- এ কারণেই অনেক দীর্ঘ সময়ে সমুদ্র উত্তপ্ত হয়।
- আবার তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে সমুদ্র পুনরায় ধীরে ধীরে তাপ হারায় যা ভূমির ক্ষেত্রে আরও দ্রুত হয়।
- ফলে সমুদ্র ঠান্ডা হতেও দীর্ঘ সময় লাগে।
- মূলত এ কারণেই গ্রীষ্মকালে উপকূলীয় এলাকা ভূ-ভাগের অভ্যন্তরের তুলনায় শীতল হয় এবং শীতকালে তুলনামূলকভাবে উষ্ণ থাকে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬১৫.
বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা কোন দিক বরাবর অতিক্রম করেছে?
  1. উত্তর-দক্ষিণ
  2. দক্ষিণ-পশ্চিম
  3. পূর্ব-পশ্চিম
  4. উত্তর-পূর্ব
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-পশ্চিম
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer):
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশকে মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে অতিক্রম করেছে।

• কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রান্ত জেলাসমূহ- 
- চুয়াডাঙা
- ঝিনাইদহ
- মাগুরা
- রাজবাড়ি
- ফরিদপুর
- ঢাকা
- মুন্সীগঞ্জ
- নারায়ণগঞ্জ
- কুমিল্লা
- খাগড়াছড়ি
- রাঙামাটি

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখার ছেদবিন্দু: ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৫,৬১৬.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকাল অথবা সন্ধ্যায় কোন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত হয়?
  1. ক) শৈলোৎক্ষেপ
  2. খ) ঘূর্ণি
  3. গ) পরিচলন
  4. ঘ) বিক্ষেপণ
সঠিক উত্তর:
গ) পরিচলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরিচলন
ব্যাখ্যা
দিনের বেলায় সূ্র্যকিরণের জন্যে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।
নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial Region) স্থলভাগ অপেক্ষা জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় এখানকার বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সব সময় বেশি থাকে।
ফলে জলীয়বাষ্পপূর্ণ এই হালকা বায়ু উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে ঝরে পড়ে।
তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকাল অথবা সন্ধ্যায় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
৫,৬১৭.
তু্ন্দ্রা অঞ্চল হলো-
  1. মরুময় তৃণাচ্ছাদিত অঞ্চল
  2. বৃক্ষহীন মেরু অঞ্চল
  3. সরলবর্গীয় বনভূমি অঞ্চল
  4. ক্রান্তীয় পর্ণমোচী বৃক্ষের বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
বৃক্ষহীন মেরু অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃক্ষহীন মেরু অঞ্চল
ব্যাখ্যা
- তুন্দ্রা অঞ্চল হলো ‍বৃক্ষহীন সমতল মেরু এবং উঁচু পার্বত্য অঞ্চল।
- রাশিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র স্ক্যান্ডেনেভিয়ান অঞ্চল, অ্যান্টার্কটিকা এবং হিমালয়, আন্দিজ পর্বতমালার উপরের অংশে তুন্দ্রা অঞ্চলের উপস্থিতি রয়েছে।
- এই অঞ্চলের ভূমি বছরের অধিকাংশ সময় বরফে ঢাকা থাকে। বৃষ্টিপাত নেই বললেই চলে। গ্রীষ্মকালে কিছু বন্য ফুলজাতীয় উদ্ভিত জন্মাতে দেখা যায়।
(তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক)
৫,৬১৮.
ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেলে-
  1. শৈতপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা
  2. ঝড়ের পূর্বাভাস
  3. বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা
  4. ভালো আবহাওয়ার ইঙ্গিত
সঠিক উত্তর:
ভালো আবহাওয়ার ইঙ্গিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভালো আবহাওয়ার ইঙ্গিত
ব্যাখ্যা
ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতার উপর আবহাওয়ার সম্ভাব্য ঘটনা:
ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেলে - ভালো আবহাওয়ার ইঙ্গিত।
কমলে - বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
হঠাৎ কমে গেলে - ঝড়ের পূর্বাভাস।

উৎস:
পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৬১৯.
’দুবলার চর’ কোথায় অবস্থিত? 
  1. রাজশাহী
  2. সেন্টমার্টিন
  3. সুন্দরবন
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

’দুবলার চর’:
- দুবলার সুন্দরবনে অবস্থিত।

- সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দুবলার চর।
- কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে দুবলার চর একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ।

• বাংলাদেশের চরসমূহ:
- নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর।
- সুন্দরবন: দুবলার চর, পাটনি চর।

উৎস- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৬২০.
বাংলাদেশের ভূ-আকৃতিকে কোন গ্রীক বর্ণের মত মনে করা হয়?
  1. ক) আলফা
  2. খ) গামা
  3. গ) বিটা
  4. ঘ) ডেল্টা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেল্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেল্টা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ভূ-আকৃতিকে গ্রীক বর্ণ ডেল্টা (Δ)এর সাথে তুলনা করা যায়। 
 
ব-দ্বীপ (Delta): নদীর নিম্ন গতিতে স্রোতের বেগ খুব কমে যায় এবং নদীর পানির সঙ্গে মিশ্রিত শিলাচূর্ণ, বালি, কাদা প্রভৃতি তলানিরূপে সঞ্চিত হতে থাকে। নদীর মোহনায় সমুদ্রের লবণ মিশ্রিত পানি এ তলানি পড়তে বিশেষভাবে সাহায্য করে। নদী যদি কোনো কম স্রোত বিশিষ্ট বা স্রোতহীন সমুদ্রে পড়ে, তাহলে ঐ সমস্ত নদীর মুখে জমতে জমতে নদী মুখ প্রায় বন্ধ হয়ে যায় এবং কালক্রমে ঐ চরাভূমি সমুদ্রের পানির ওপর উঁচু হয়ে ওঠে। তখন নদী বিভিন্ন শাখায় ঐ চরাভূমিকে বেষ্টন করে সমুদ্রে পতিত হয়। নদী মোহনাস্থিত ত্রিকোণাকার এ নতুন ভূমিকে ব-দ্বীপ বলে । 
 
যখন নদী কোনো সাগর, হ্রদে বা অন্য কোনো জলাশয়ে শেষ পর্যায়ে এসে মিলিত হয়, তখন নদী পরিবাহিত পলি ঐ অংশে মাত্রাহীন ‘Δ’- এর (ল্যাটিন Δ ডেল্টা) আকারে সঞ্চিত হয়। ব-দ্বীপের আকার বিশেষভাবে নির্ভর করে নদীবাহিত পললের পরিমাণ, গঠন ও যেখানে পলি সঞ্চিত হয় সেই স্থানের প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর।
নদীর প্রধান ধারা অনেকগুলো শাখায় বিভক্ত (Distributaries)। এ সমস্ত শাখা নদীর মাধ্যমে প্রবাহ সমুদ্রে পৌঁছে। শাখা নদীসমূহ দ্রুত স্থান বদল করে ধীরে ধীরে একটি আদর্শ ব-দ্বীপের সৃষ্টি করে।
 
সূত্র: বাংলাপিডিয়া; ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৬২১.
বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা-
  1. ক) জয়পুরহাট
  2. খ) সিলেট
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) বগুড়া
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের শীতলতম মাস জানুয়ারি,
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল,
- বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা রাজশাহী,
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা সিলেট,
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৬২২.
'সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে' এটি গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের কত নম্বর সূত্র?
  1. প্রথম সূত্র
  2. দ্বিতীয় সূত্র
  3. তৃতীয় সূত্র
  4. চতুর্থ সূত্র
সঠিক উত্তর:
প্রথম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সূত্র
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- কেপলারের প্রথম সূত্র - সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
- কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র - প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
- কেপলারের তৃতীয় সূত্র - সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।
- মহাকর্ষ - যে বল মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণাকে পরস্পরের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র - মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সামানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
- বিশ্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, G-এর মান 6.673×10-11 Nm2kg2 এবং G-এর মাত্রা LMT-2 ।
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G-এর একক Nm2kg2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬২৩.
পলিনেশিয়া এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) সামোয়া
  2. খ) টুভ্যালু
  3. গ) টোঙ্গা
  4. ঘ) ভানুয়াতু
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভানুয়াতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভানুয়াতু
ব্যাখ্যা

পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামােয়া।

মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মাইক্রোনেশিয়া।

মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলােমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।

(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)

৫,৬২৪.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান কোনটি?
  1. চৌডালা
  2. শ্যামপুর
  3. মনাকাষা
  4. ভোলাহাট
সঠিক উত্তর:
মনাকাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনাকাষা
ব্যাখ্যা

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকাষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৫,৬২৫.
ফরমোজার বর্তমান নাম কী?
  1. ভূটান
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. থাইল্যান্ড
  4. তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
তাইওয়ান:
- ফরমোজার বর্তমান নাম তাইওয়ান।
- তাইওয়ান সরকারীভাবে চীন প্রজাতন্ত্র ফিনিন।
- এটি পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ, যা তাইওয়ান প্রণালীর পূর্বে চীনা মূল ভূখন্ডের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৩,৯৭৬ বর্গ মাইল (৩৬,১৯৭ বর্গ কিমি)।
- ভাষা: ম্যান্ডারিন চাইনিজ (অফিসিয়াল), তাইওয়ানিজ, ফুকিয়েন এবং হাক্কা উপভাষায়ও কথা বলা হয়।
- ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্ম, দাওবাদ, কনফুসিয়ানিজম, খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: নতুন তাইওয়ান ডলার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫,৬২৬.
পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি?
  1. গ্রিনল্যান্ড
  2. আইসল্যান্ড
  3. মাদাগাস্কার
  4. বোর্নিও
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
গ্রিনল্যান্ড:
- গ্রিনল্যান্ড উত্তর আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত একটি সুবৃহৎ দ্বীপ।
- গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ।
- এটি ডেনমার্কের একটি স্ব-নিয়ন্ত্রিত অংশ হিসেবে স্বীকৃত।
- দ্বীপটির অধিকাংশই সুমেরীয় বৃত্তের উত্তর অংশে অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬২৭.
সেন্ট লরেন্স নদী কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. এশিয়া
  4. আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

সেন্ট লরেন্স নদী:
​- সেন্ট লরেন্স নদী উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।

​⇒ এটি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়েছে।
​- এর উৎপত্তির স্থল অন্টারিও হ্রদ।
​- কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তের অংশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কানাডার কুইবেক প্রদেশ অতিক্রম করে।
​- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট লরেন্স উপসাগরে পতিত হয়।

​উৎস: Britannica.

৫,৬২৮.
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্যে দায়ী-
  1. উচ্চ তাপমাত্রা
  2. সমুদ্রের গভীরতা
  3. নিম্নচাপ
  4. ক + গ
সঠিক উত্তর:
ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + গ
ব্যাখ্যা
- ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
- উচ্চ তাপমাত্রার (সাধারণত ২৭ ডিগ্রির অধিক) ফলে সমুদ্রের বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে গেলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। এতে করে পার্শ্ববর্তী উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে ভারীবায়ু দ্রুত বেগে সৃষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে ছুটে আসে এবং ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি করে।
- বায়ুর গতিবেগ ৬৩ কিলোমিটারের অধিক হলে তা ঘূর্নিঝড় হিসেবে অভিহিত হয়।
(তথ্যসূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৬২৯.
বেনাপোল স্থলবন্দরের অবস্থান কোথায়?
  1. সিলেট
  2. দিনাজপুর
  3. যশোর
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থলবন্দর: 
- বেনাপোল স্থলবন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- বেনাপোলের বিপরীতে ভারতের দিকের অংশটি পেট্রাপোল নামে পরিচিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে বেনাপোল স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০১-০২-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করা হয়।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
- বেনাপোল সীমান্ত হতে রাজধানীর দূরত্ব প্রায় ২৪০ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৮৪ কিঃমিঃ।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। 
৫,৬৩০.
আয়তনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম স্বাধীন দেশ কোনটি?
  1. ক) নাউরু
  2. খ) মোনাকো
  3. গ) ভ্যাটিকান সিটি
  4. ঘ) টুভ্যালু
সঠিক উত্তর:
গ) ভ্যাটিকান সিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভ্যাটিকান সিটি
ব্যাখ্যা
আয়তনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশসমূহ:
- প্রথম : ভ্যাটিকান সিটি (০.৪৪ বর্গ কি.মি.)
- দ্বিতীয় : মোনাকো
- তৃতীয় : নাউরু

জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম দেশ : ভ্যাটিকান সিটি
আয়তনে বৃহত্তম দেশ : রাশিয়া
জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ : চীন।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৫,৬৩১.
বাংলাদেশের বৃহত্তম নদীবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নদীবন্দর 
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৮টি নদীবন্দর রয়েছে।
- সর্বশেষ দুটি নদী বন্দর ২৮ এপ্রিল, ২০২৪ সালে একই দিনে পৃথক পৃথক গেজেট আকারে প্রকাশ পায়। এগুলো হলো- 
১. রাজশাহী নদীবন্দর (৪৮ তম), এবং
২.ঘাষিয়াখালী নদীবন্দর (৪৭ তম)। 

- বাংলাদেশের বৃহত্তম নদীবন্দর নারায়ণগঞ্জ জেলায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- শীতলক্ষ্যা নদী উৎপন্ন হয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে এবং নারায়ণগঞ্জের কলাগাছিয়ার কাছে ধলেশ্বরী নদীতে মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের এককালীন বিখ্যাত মসলিন শিল্প শীতলক্ষ্যা নদীর উভয় তীরবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
- বর্তমানে নদীর উভয় তীরে প্রচুর পরিমাণে ভারি শিল্প-কারখানা গড়ে উঠেছে।
- ১১০ কিমি দৈর্ঘ্যের এই শীতলক্ষ্যা তার পানির স্বচ্ছতা এবং শীতলতার জন্য একদা বিখ্যাত ছিল।

তথ্যসূত্র – বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ, বাংলাপিডিয়া
৫,৬৩২.
নীল আর্মস্ট্রং যে মহাকাশ যানে করে চাঁদে অবতরণ করেন -
  1. এপোলো ১
  2. এপোলো ৭
  3. এপোলো ১১
  4. রোভার ১১
সঠিক উত্তর:
এপোলো ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপোলো ১১
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের প্রথম মানুষ বহনকারী মহাকাশ যান হচ্ছে ভস্টক-১। এতে করে রাশিয়ার ইউরি গ্যাগারিন পৃথিবীর প্রথম মানুষ হিসেবে মহাকাশ ভ্রমণ করেন।
- এপোলো ১১-এ করে নীল আর্মস্ট্রং ও এডউইন আলড্রিন চাঁদে অবতরণ করেন।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৫,৬৩৩.
বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান -
  1. লালপুর, নাটোর
  2. সিংড়া, নাটোর
  3. লালাখাল, সিলেট
  4.  পুঠিয়া, রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
লালপুর, নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালপুর, নাটোর
ব্যাখ্যা

• লালপুর:
- নাটোর জেলা গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু এলাকায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের চরমভাবাপন্ন এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- আয়তনের দিক থেকে নাটোর জেলার ৩য় বৃহত্তম উপজেলা।
- এটি ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত।
- লালপুর বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান।
- গ্রীষ্মকালে মাঝে মাঝে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড ও শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড রেকর্ড হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৬৩৪.
টর্নেডো সৃষ্টির ক্ষেত্রে দায়ী কোনটি?
  1. ক) ভূমিকম্প
  2. খ) স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টি
  3. গ) নিম্ন তাপমাত্রা
  4. ঘ) অধ্যধিক বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
খ) স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
- টর্নেডো সৃষ্টির মুখ্য কারণ হলো স্থলভাগে নিম্নচাপের সৃষ্টি।
- স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টির ফলে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু প্রবল বেগে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়ে টর্নেডোতে রূপ নেয়।
- সাধারণত স্থলভাগে সৃষ্ট ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের অধিক হলে তা টর্নেডো হিসেবে অভিহিত।
- টর্নেডোর স্থায়ীত্ব স্বল্প সময়ের জন্যে হলেও এর তাণ্ডবের মাত্রা থাকে অত্যধিক।
(তথ্যসূত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৬৩৫.
কলোরাডো নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বত
  2. ইটাস্কা হ্রদ
  3. অ্যাপেলেশিয়ান পর্বত
  4. রকি পর্বত
সঠিক উত্তর:
রকি পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রকি পর্বত
ব্যাখ্যা
কলোরাডো নদী (Colorado River):
- কলোরাডো নদী উত্তর আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী।
- এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে প্রবাহিত হয়ে মেক্সিকোতে ক্যালিফোর্নিয়া উপসাগরে গিয়ে পতিত হয়েছে।
- কলোরাডো নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৩৩০ কিলোমিটার।
- কলোরাডো নদীর উৎপত্তিস্থল কলোরাডো রাজ্যের রকি পর্বতমালা।
- এই নদী যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি রাজ্য (কলোরাডো, আরিজোনা, নিউ মেক্সিকো, ইউটা, নেভাদা, ক্যালিফোর্নিয়া, এবং হোয়াই) এবং মেক্সিকোতে প্রবাহিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কলোরাডো নদীর স্রোত এবং ভূমিক্ষয়ের কারণে বর্তমান রূপ নিয়েছে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।
- যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা রাজ্যের উত্তর দিকে অবস্থিত গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন। 
- গিরিখাতের মাঝে বয়ে যাওয়া খরস্রোতা কলোরাডো নদী গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন সৃষ্টির প্রধান উৎস। 

উৎস: Britannica.
৫,৬৩৬.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের প্রথম ধাপ কোনটি?
  1. সাড়াদান
  2. পুনরুদ্ধার
  3. প্রতিরোধ
  4. উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের প্রথম ধাপ হল প্রতিরোধ (Prevention)।
- এই ধাপের উদ্দেশ্য হল দুর্যোগের আগমনের পূর্বে তার প্রভাব কমানো এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা।
- যদিও প্রাকৃতিক দুর্যোগ পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে দুর্যোগের ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর জন্য কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।
এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:
• বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত: বন্যা বা সমুদ্রের পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে।
• আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ: মানুষকে নিরাপদে রাখার জন্য।
• মজবুত ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ: দুর্যোগের সময় কম ক্ষতি সৃষ্টির জন্য ঘরবাড়ি ও স্কুলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
• নদী খনন: বন্যা বা অন্যান্য জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমানোর জন্য।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৬৩৭.
একটি কোণ তার সম্পূরক কোণের দুই তৃতীয়াংশ হলে কোণটি কত?
  1. ক) 60°
  2. খ) 72°
  3. গ) 108°
  4. ঘ) 120°
সঠিক উত্তর:
খ) 72°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 72°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন- একটি কোণ তার সম্পূরক কোণের দুই তৃতীয়াংশ হলে কোণটি কত?

সমাধান-
মনে করি,
কোণটি = x
∴ কোণটির সম্পূরক কোণ = 180 - x

প্রশ্নমতে,
x = (2/3) × (180 - x) 
⇒ 3x = 360 - 2x
⇒ 5x = 360
⇒ x = 72
৫,৬৩৮.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলাফল নয়?
  1. ক) লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়া
  2. খ) সমুদ্রস্তরের উচ্চতা হ্রাস পাওয়া
  3. গ) মেরু অঞ্চলে বরফ গলে যাওয়া
  4. ঘ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্রস্তরের উচ্চতা হ্রাস পাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্রস্তরের উচ্চতা হ্রাস পাওয়া
ব্যাখ্যা
- গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে। যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের মাটিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাবে।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৫,৬৩৯.
'রামসার কনভেনশন' কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. বন সংরক্ষণ
  2. জীববৈচিত্র্য
  3. জলাভূমি সংরক্ষন 
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষন 
ব্যাখ্যা

- রামসার কনভেনশন জলাভূমি সংরক্ষণের সাথে সম্পর্কিত।

​রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) বা রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- এটি একমাত্র আন্তর্জাতিক চুক্তি যা শুধুমাত্র জলাভূমি সংরক্ষণের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- রামসার কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য: জলাভূমি সংরক্ষণ, টেকসই ব্যবহারের প্রচার, বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

সূত্র: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

৫,৬৪০.
বিশাল খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকালে দিগন্তরেখার আকৃতি কীরূপ দেখা যায়?
  1. বৃত্তাকার
  2. উপবৃত্তাকার
  3. চ্যাপ্টাকৃতির
  4. সরলরেখার ন্যায়
সঠিক উত্তর:
বৃত্তাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃত্তাকার
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আকৃতি:
- দিগন্ত রেখার সাহায্যে বিশাল খোলা মাঠে বা সমুদ্রের তীরে দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকালে মনে হয় আকাশ ও ভূ-পৃষ্ঠ একটি বৃত্তাকার রেখায় মিশে গেছে।
- এ বৃত্ত রেখার নাম দিগন্তরেখা। পর্বতের উপরে বা প্লেনে যত উপরে উঠা যায়, ততই দিগন্ত রেখার পরিধি বৃদ্ধি পেলেও এর আকার বৃত্তাকার থাকে।
- পৃথিবী গোলাকৃতির না হলে এরূপ হতো না।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৪১.
'চিকেন নেক' হিসেবে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডোর সংলগ্ন জেলা কোনটি?
  1. নীলফামারী
  2. লালমনিরহাট
  3. পঞ্চগড়
  4. সৈয়দপুর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

চিকেন নেক:
- 'চিকেন নেক' হিসেবে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডোর।

⇒ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাকি দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে যে সরু অংশটা, সেটাই আসলে ‘শিলিগুড়ি করিডর’ নামে পরিচিত।
- ভারতের মানচিত্রে শিলিগুড়ি শহরের কাছে অবস্থিত এই করিডরটা অনেকটা বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো দেখায় বলে এই জায়গাটাকে অনেকে ‘চিকেনস নেক’ বলেও বর্ণনা করেন।
- এই করিডরের সবচেয়ে সরু অংশটা মাত্র ২১ কিলোমিটার চওড়া, যার আশেপাশেই রয়েছে অন্তত চারটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত।
- এর সঙ্গে উত্তরে নেপাল, পূর্বে বাংলাদেশ ও ভুটান এবং উত্তরে চীন সীমান্ত।
'চিকেন নেক' হিসেবে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডোর সংলগ্ন বাংলাদেশি জেলা-পঞ্চগড়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

৫,৬৪২.
The total border district of Bangladesh is -
  1. ক) 32
  2. খ) 35
  3. গ) 34
  4. ঘ) 36
সঠিক উত্তর:
ক) 32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 32
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- এদের মধ্যে ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- একমাত্র রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৫,৬৪৩.
বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী গবেষণা কমিশন (JRC) গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

১৯৭২ সালের মার্চ মাসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের মধ্যে যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে দু’দেশের বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে অভিন্ন নদীর ব্যাপক জরিপ কার্যক্রম পরিচালন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণের বিস্তারিত প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রধান প্রধান নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের উপর সমীক্ষা পরিচালন, উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে এতদাঞ্চলের পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বাংলাদেশের সাথে ভারত সংলগ্ন এলাকায় পাওয়ার গ্রীড সংযোজনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্থায়ী ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
উৎসঃ যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।

৫,৬৪৪.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা থেকে হিমালয়ের কোন শৃঙ্খ দেখা যায়?
  1. কাঞ্চনজংঘা
  2. চিম্বুক
  3. এভারেস্ট
  4. কেওক্রাডং
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চনজংঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চনজংঘা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা। (অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
 
⇒ বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় থেকে হিমালয়ের কাঞ্চনজংঘা দেখা যায়।
- তেঁতুলিয়ায় ডাক বাংলোতে দাঁড়িয়ে মহানন্দা নদীর পাড় থেকে এবং বাংলাবান্ধা গিয়ে উত্তরের মেঘমুক্ত আকাশে তাকালেই চোখে পড়ে হিমালয়ের নয়নাভিরাম দৃশ্য।

উল্লেখ্য,
- কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতশৃঙ্গ নেপাল ও ভারতের সিকিম সীমান্তে অবস্থিত। বাংদেশের সর্ব-উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন (স্থলবন্দর) থেকে নেপালের দূরত্ব ৬১ কিলোমিটার, ভুটানের দূরত্ব ৬৪ কিলোমিটার, চীনের দূরত্ব ২শ কিলোমিটার, ভারতের দার্জিলিংয়ের দূরত্ব ৫৮ কিলোমিটার, শিলিগুড়ির দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। অন্যদিকে হিমালয়ের এভারেস্ট শৃঙ্গের দূরত্ব ৭৫ কিলোমিটার আর কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব ১১ কিলোমিটার। কিন্তু মেঘ-কুয়াশামুক্ত আকাশের উত্তর-পশ্চিমে তাকালেই দেখা মেলে বরফ আচ্ছাদিত সাদা পাহাড় কাঞ্চনজঙ্ঘা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৬৪৫.
পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বত শ্রেণি কোনটি?
  1. রকি
  2. আন্দিজ
  3. আল্পস
  4. হিমালয়
সঠিক উত্তর:
আন্দিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্দিজ
ব্যাখ্যা

• আন্দিজ পর্বত:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বত শ্রেণি আন্দিজ পর্বত। এটি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত।
- পৃথিবীর উচ্চতম পর্বত শ্রেণি হিমালয় পর্বত। এটি এশিয়ার চীন, নেপাল, ভারত, ভুটান, পাকিস্তানে অবস্থিত।
- রকি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- আল্পস ইউরোপের অস্ট্রিয়া, ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৫,৬৪৬.
'গ্রানাইট' কোন ধরনের শিলা?
  1. আগ্নেয় শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. বিচূর্ণীত শিলা
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা
- গ্রানাইট' আগ্নেয় শিলা।  

• আগ্নেয় শিলা:

→ পৃথিবী জ্বলন্ত অবস্থা থেকে শীতল হবার সময়ে অর্ধগলিত বিভিন্ন খনিজ অত্যন্ত দ্রুত শীতল ও কঠিনাকার ধারণ করে। এইরূপে সৃষ্ট কঠিন পদার্থগুলো আগ্নেয় শিলা নামে অভিহিত।
→ আবার ভূমিকম্পের বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত অর্ধগলিত ম্যাগমা ভূ-পৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে। ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে এলে, তাকে লাভা বলে।
→ লাভা শীতল হয়ে জমাট বেঁধে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়।
→ পৃথিবী সৃষ্টির আদিতে এই শিলার সৃষ্টি হওয়ায় একে প্রাথমিক শিলা বা আদি শিলা বলা হয়। যেমন- ব্যাসল্ট,
গ্রানাইট ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৪৭.
জাপানের ফুজিয়ামা কোন ধরনের পর্বত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতি-স্থপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় পর্বত
ব্যাখ্যা

• আগ্নেয় পর্বত:
- আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়। 
- একে আপ্লেয়জাত সমভূমি সঞ্চয়জাত পর্বতও বলে।
- এই পর্বত সাধারণত মোচাকৃতির (Conical) হয়ে থাকে।

• আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হলো-
- ইতালির ভিসুভিয়াস,
- কেনিয়ার কিলিমানজারো,
- জাপানের ফুজিয়ামা এবং
- ফিলিপাইনের পিনাটুবো পর্বত।

অন্যদিকে,
• ভঙ্গিল পর্বত:
- ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি।
- কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- এশিয়ার হিমালয়,
- ইউরোপের আল্পস,
- উত্তর আমেরিকার রকি এবং
- দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ। 

• চ্যুতি-স্থপ পর্বত:
- ভূআলোড়নের সময় ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে প্রসারণ এবং সংকোচনের সৃষ্টি হয়।
- এই প্রসারণ এবং সংকোচনের জন্য ভুত্বকে ফাটলের সৃষ্টি হয়।
- কালক্রমে এ ফাটল বরাবর ভুত্বক ক্রমে স্থানচ্যুত হয়।
- ভূগোলের ভাষায় একে চ্যুতি বলে। ভুত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কোথাও নিচের দিকে হয়।
- ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।

উল্লেখ্য,
- সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

৫,৬৪৮.
দুবলার চর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভোলার মনপুরায়
  2. খ) রামগতি উপজেলার দক্ষিণে
  3. গ) সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে
  4. ঘ) কুয়াকাটার দক্ষিণে
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে
ব্যাখ্যা
দুবলার চর সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত।
Source: khulna.gov.bd
৫,৬৪৯.
উঁচু মেঘের উচ্চতা সাধারণত কত মিটার উচ্চতায় উৎপন্ন হয়?
  1. ক) ১,০০০ মিটার হতে ২,০০০ মিটার
  2. খ) ২,০০০ মিটার হতে ৪,০০০ মিটার
  3. গ) ৪,০০০ মিটার হতে ৬,০০০ মিটার
  4. ঘ) ৬,০০০ মিটার হতে ১২,০০০ মিটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬,০০০ মিটার হতে ১২,০০০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬,০০০ মিটার হতে ১২,০০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• বায়ুতে ভাসমান জলীয়বাষ্প কোনো কারণে শীতল হলে অতিক্ষুদ্র পানিকণা ও তুষার কণায় পরিণত হয়ে বায়ুমন্ডলের সূক্ষ্ম ধূলিকণায় আশ্রয় নিয়ে ভেসে বেড়ায় । বাতাসে ভাসমান এরূপ ছোট ছোট পানিকণা বা তুষারকণাকে মেঘ বলে।

মেঘের প্রকারভেদ (Types of Couds): উচ্চতা অনুসারে মেঘকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। যথা—
ক. উঁচু মেঘ (High Cloud): উঁচু মেঘের উচ্চতা সাধারণত ৬,০০০ মিটার হতে ১২,০০০ মিটার ।
খ. মধ্যম উঁচু মেঘ (Medium High Cloud): এ মেঘ ২,০০০ হতে মিটার ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় উৎপন্ন হয়।
গ. নিচু আকাশের মেঘ (Low Cloud): ভূ-পৃষ্ঠের নিকটবর্তী অঞ্চলে ২,০০০ মিটারের মধ্যে এ জাতীয় মেঘ গঠিত হয়। এটি অপেক্ষাকৃত ভারী বলে আকাশের নিচে ভেসে বেড়ায়।

সূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৫০.
ওকিনাওয়া দ্বীপটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জাপান
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. মালদ্বীপ
  4. ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
জাপান:
- জাপান পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- পূর্বনাম: নিপ্পন।
- প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু, কিউসু ও ওকিনাওয়া।
- জাপানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ: হনসু।

উল্লেখ্য,
- জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপটির আগের নাম ছিল রুয়ুকুয়ু।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
- এর পর থেকে দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণেই ছিল।
- অবশেষ ১৯৭২ সালের ১৫ মে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায় জাপান।
- এর নতুন নাম হয় ওকিনাওয়া।
- দ্বীপটির আয়তন ৪৬৩ বর্গমাইল।

উল্লেখ্য,
- সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয় জাপানকে।

উৎস: Worldatlas.
৫,৬৫১.
মধুপুর বনকে কী ধরনের বন বলা হয়?
  1. চিরহরিৎ বনভূমি
  2. পত্রঝরা বনভূমি
  3. রেইন ফরেস্ট
  4. ম্যানগ্রোভ বনভূমি
সঠিক উত্তর:
পত্রঝরা বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রঝরা বনভূমি
ব্যাখ্যা
মধুপুর বনকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।

ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:

- বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
- এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

উল্লেখ্য,
• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়। বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।

• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত। এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৫২.
কোন মালভূমিকে “Roof of the earth” বলা হয়?
  1. গোলান মালভূমি
  2. দাক্ষিণাত্য মালভূমি
  3. পামীর মালভূমি
  4. কলোরাডো মালভূমি
সঠিক উত্তর:
পামীর মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পামীর মালভূমি
ব্যাখ্যা
পামির মালভূমি:
- সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০০ – ৬০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত, উপরিভাগ প্রায় সমতল বা তরঙ্গায়িত এবং চারিদিক খাড়া ঢালযুক্ত বিস্তৃত ভূমিকে মালভূমি বলে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভূমির নাম পামীর মালভূমি।
- স্থানীয় ভাষায় এর উচ্চারণ হচ্ছে ‘পমির’। যার অর্থ হচ্ছে সূর্যের পা।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা হচ্ছে প্রায় ১৬,০০০ ফুটের মতো।
- মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত পামির পর্বতমালাকে ঘিরে এ মালভূমিটির অবস্থান।
- তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, তিব্বত, চীন এবং পাকিস্তানের কিছু অংশ পর্যন্ত এ মালভূমিটি বিস্তৃত।
- সম্মিলিতভাবে পামির পর্বতশ্রেণির সংলগ্ন মালভূমিটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মালভূমি অঞ্চল।
- এ অঞ্চলটি মূলত বিভিন্ন উঁচু পর্বতের মিলনস্থল।
- এ কারণে তাই পামীর মালভূমিকে 'পৃথিবীর ছাদ (Roof of the earth)' বলা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৫,৬৫৩.
হিমছড়ি কোন শহরের নিকট অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) রংপুর
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• কক্সবাজার বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ বেলাভূমি, উচ্ছ্বসিত সমুদ্রতরঙ্গ, দিগন্তপ্রসারী ঝাউবন, উচু পাহাড়ের চূড়া, সুদৃশ্য প্যাগোডা, বৌদ্ধ মন্দির ইত্যাদি নিয়ে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত।
- ইংরেজ ক্যাপ্টেন মি. হেরাম কক্স (Captain Hiram Coxs)-এর নামানুসারে এ জায়গার নামকরণ হয় কক্সবাজার।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পথ ধরে ১০-১২ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলে হিমছড়ি পিকনিক স্পট।
- এখানকার ঝর্ণা, ঝাউবন, পাহাড় আর বনানীর সৌন্দর্য্য চিত্তাকর্ষক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৫,৬৫৪.
দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল কোথায় অবস্থিত? 
  1. আদিতমারী, লালমনিরহাট
  2. পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
  3. কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট
  4. হাতীবান্ধা, লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল:
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল,
- যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয় এবং ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ আগস্ট এখানে ইউনিয়ন পরিষদের শুভ উদ্বোধন ঘটে।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৬৫৫.
বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা হলেন-
  1. ক) গোপাল
  2. খ) অশোক
  3. গ) শশাঙ্ক
  4. ঘ) লক্ষণ সেন
সঠিক উত্তর:
গ) শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা।
তিনি নিজেকে গৌড়েশ্বর পরিচয় দিতেন। শশাঙ্ক একজন সুশাসক ছিলেন।
তার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদের নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ।
তার আমলে তাম্রলিপ্ত বন্দর গুরুত্ব লাভ করে।
বিখ্যাত চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং হিন্দু ধর্মের অনুসারী রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৬৫৬.
কোনটি কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন ব্যবস্থা?
  1. গণসচেতনতা বৃদ্ধি
  2. প্রশিক্ষণ
  3. বেড়িবাঁধ তৈরি 
  4. ক + গ
সঠিক উত্তর:
বেড়িবাঁধ তৈরি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেড়িবাঁধ তৈরি 
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান। 

• প্রতিরোধ (Prevention)
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধ কার্যক্রম সফলতা বয়ে আনতে পারে।
- দুর্যোগ প্রতিরোধের কাঠামোগত এবং অকাঠামোগত প্রশমনের ব্যবস্থা রয়েছে।
কাঠামোগত প্রশমনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণ কার্যক্রম যথা- বেড়িবাঁধ তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি বাস্তবায়নকেই বোঝায়। কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
⇒ অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ যেমন- প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদিকার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।

 উৎস: ভূগোল ‍ও পরিবেশ, এসএসসি, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৬৫৭.
শনি গ্রহ প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
  2. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  3. লোহা ও সিলিকন
  4. তামা ও দস্তা
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
ব্যাখ্যা

• শনি:
- শনি গ্রহ সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- শনি গ্রহটি বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। ।
-এই গ্রহের নামকরণ করা হয়েছে কৃষি ও সম্পদের রোমান দেবতার নামে, যিনি বৃহস্পতিরও পিতা ছিলেন।
- নিরক্ষীয় ব্যাস প্রায় ৭৪,৮৯৭ মাইল (১২০,৫০০ কিলোমিটার) হওয়ায়, শনি গ্রহ পৃথিবীর চেয়ে ৯ গুণ প্রশস্ত। 
-  শনির একদিন মাত্র ১০.৭ ঘন্টা সময় নেয় (শনির একবার ঘুরতে বা ঘুরতে যে সময় লাগে),
- শনি সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে (শনির সময়ে এক বছর) প্রায় ২৯.৪ পৃথিবী বছরে (১০,৭৫৬ পৃথিবী দিন) পূর্ণ করে।
- ৮ জুন, ২০২৩ পর্যন্ত, শনির কক্ষপথে ১৪৬টি উপগ্রহ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) কর্তৃক তাদের আবিষ্কার

তথ্যসূত্র: NASA. 

৫,৬৫৮.
বাংলাদেশের ছয় ঋতুর সঠিক অনুক্রম কোনটি?
  1. গ্রীষ্ম, বর্ষা, বসন্ত, হেমন্ত, শীত ও শরৎ
  2. বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত ও গ্রীষ্ম
  3. শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা
  4. গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এদেশে ঋতুর আবির্ভাব ঘটে এবং সেগুলি পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। ভৌগোলিক অবস্থানের দরুণ এখানকার জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ।
- যদিও বাংলাদেশের জলবায়ু প্রধানত উপক্রান্তীয় মৌসুমি প্রকৃতির তথা উষ্ণ ও আর্দ্র, তথাপি প্রচলিত বাংলা বর্ষপঞ্জিতে বছরকে ছয়টি ঋতুতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা: গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। প্রতি দু মাস অন্তর ঋতু বদল হয়।
উল্লেখ্য যে, সব সময় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ঋতুপরিবর্তন সীমাবদ্ধ থাকে না, কখনও কখনও কোনো কোনো ঋতুর শুরু ও শেষ কিংবা ব্যাপ্তিতে পরিবর্তন ঘটে।
- প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশে সুস্পষ্ট তিনটি ঋতু বিদ্যমান: মার্চ মাস থেকে মে মাস (ফাল্গুন-চৈত্র থেকে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ) পর্যন্ত বিরাজমান প্রাক মৌসুমি গ্রীষ্মকাল, জুন থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যভাগ (জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় থেকে আশ্বিন-কার্তিক) পর্যন্ত বিরাজমান মৌসুমি বায়ুসৃষ্ট বর্ষাকাল এবং মধ্য-অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষভাগ (কার্তিক-অগ্রহায়ন থেকে মাঘ-ফাল্গুন) পর্যন্ত বিরাজমান শুষ্ক শীতকাল। 

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৫,৬৫৯.
'বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি' সাধারণত কোন অঞ্চলে দেখা যায়?
  1. মধ্য ইউরোপে
  2. মেরু অঞ্চলে
  3. নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
  4. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি:
- শীতল ও উষ্ণ বায়ু মুখোমুখি উপস্থিত হলে উষ্ণ বায়ু এবং শীতল বায়ু একে অপরের সঙ্গে মিশে না গিয়ে তাদের মধ্যবর্তী এলাকায় অদৃশ্য বায়ুপ্রাচীরের (Front) সৃষ্টি করে।
- বায়ুপ্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় ফলে শিশিরাঙ্কের সৃষ্টি হয়।
- ফলে উভয় বায়ুর সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটে, একে বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি বলে।
- এ প্রকার বৃষ্টিপাত সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৬৬০.
বর্তমানে বাংলাদেশে সাইক্লোন শেল্টার কয়টি?
  1. ১৮৪১ টি
  2. ১৬৭৩ টি
  3. ১৭৭৯ টি
  4. ১৮৮১ টি
সঠিক উত্তর:
১৮৪১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৪১ টি
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে বাংলাদেশে সাইক্লোন শেল্টার ১৮৪১টি।
- কৃষি আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র ১২টি।
- আবহাওয়া স্টেশন ৩৫টি।
- আবহাওয়া কেন্দ্র ৪টি।
- রাডার স্টেশন ৫টি।
উৎসঃ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।

৫,৬৬১.
বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ০.০৩%
  2. ০.০১%
  3. ০.৪১%
  4. .০২%
সঠিক উত্তর:
০.৪১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৪১%
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল:
- বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ০.০৩%।
- বায়ুমণ্ডল এর প্রধান উপাদান দুটি- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
- সবচেয়ে বেশী রয়েছে নাইট্রোজেন। যা ৭৮.০২%।
- সবচেয়ে কম ধূলিকণা ও কনিকা। যা ০.০১%।
- জলীয় বাষ্প রয়েছে- ০.৪১%।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৬৬২.
ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ-এর উৎপাদিত সার-এর নাম কোনটি?
  1. ইউরিয়া এবং এএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. টিএসপি এবং এএসপি
  4. ডিএপি
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া এবং এএসপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া এবং এএসপি
ব্যাখ্যা
◉ ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ-এর উৎপাদিত সার-এর নাম ইউরিয়া এবং এএসপি।

ন্যাচারেল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটিড:
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ দেশের প্রথম এবং পুরাতন ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট জেলায় স্থাপিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালে এ্যামোনিয়াম সালফেট প্ল্যান্টটি স্থাপন করা হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০৬,০০০ মেট্রিক টন।

উল্লেখ্য,
- সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (এনজিএফএফ) ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর বন্ধ হয়ে যায়।
- ২০১৬ সালের ৩০ জুন কারখানাটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
- বিকল্প হিসাবে এই কারখানার পাশেই নতুন প্রযুক্তিতে শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি চালু হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
        ii) ১০ জুন ২০২৩, যুগান্তর।
৫,৬৬৩.
ওডারনীস নদী -
  1. পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
  2. পশ্চিম জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্রের মধ্যে সীমা নির্ধারক
  3. পশ্চিম জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
  4. সংযুক্ত জার্মান ও ফ্রান্সের মধ্যে সীমা নির্ধারক
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
ব্যাখ্যা
ওডারনীস নদী পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক।

ওডার নদী:
- ওডার নদী উত্তর মধ্য ইউরোপের একটি নদী।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন পথ।
- এটি চেক প্রজাতন্ত্রের ওলোমুকের কাছে উৎপত্তি লাভ করে উত্তর-পূর্বে প্রবাহিত হয়ে পোল্যান্ডে প্রবেশ করেছে।
- দেশটির দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী হিসেবে রাসিবর্জ, ওপোলে, রোকলভ এবং কোস্ত্রজিনের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সজেসিনের কাছে বাল্টিক সাগরে পতিত হয়েছে।
- নদীটি ৯১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং রাসিবর্জ পর্যন্ত নাব্য।
- ওডার নদী খালের মাধ্যমে পূর্ব জার্মানির ষ্প্রে, হাভেল এবং লাবে নদীর সাথে সংযুক্ত।

⇒ ওডার-নীস লাইন:
- ওডার-নীস লাইন হলো জার্মানি এবং পোল্যান্ডের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক সীমানা। 
- পটসডাম সম্মেলনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটি টানা হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ওডার নদী জার্মানির সীমানার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হত।
- ১৯৪৫ সালে জার্মানির পরাজয়ের পর ওডার ও নীস নদী ধরে জার্মানি ও পোল্যান্ডের একটি সাময়িক সীমান্ত নির্ধারণ করা হয়।
- পশ্চিম জার্মানি সরকার সীমান্তটি স্বীকৃতি দিতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত দেরি করে।
- ১৯৯০ সালে পশ্চিম ও পূর্ব জার্মানি একত্র হলে ১৯৪৫ সালের সীমান্তটি কার্যকর করা হয়।

উৎস: Britannica.
৫,৬৬৪.
জোয়ারের কত সময় পর ভাটা সংঘটিত হয়?
  1. ক) ৮ ঘন্টা ১৩ মিনিট
  2. খ) ৫ ঘন্টা ১৩ মিনিট
  3. গ) ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
  4. ঘ) ৭ ঘন্টা ১৩ মিনিট
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা
• সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর এক স্থানে ফুলে ওঠে এবং এক স্থানে নেমে যায়। পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
• এক স্থানে প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়।
• উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়।
• উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাঁটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
• সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলো স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার-ভাটা অধিক হয়। সাধারণত সমুদ্রের মধ্যভাগ অপেক্ষা উপকূলের কাছে অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা অধিক থাকে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৬৫.
জলবায়ু অঞ্চলকে কিসের ভিত্তিতে ভাগ করা হয়?
  1.  নদী ও পাহাড়
  2. জনসংখ্যা ও ভাষা
  3. তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত
  4. মাটি ও উদ্ভিদ
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা

জলবায়ু অঞ্চল :
- যেসব এলাকার আবহাওয়ার উপাদান যেমন তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, বায়ুচাপ ও আর্দ্রতা প্রায় একই রকম থাকে, সেগুলোকে একত্রে একটি জলবায়ু অঞ্চল বলা হয়।
- এটি নির্দিষ্ট এলাকার বহু বছরের গড় বা সামগ্রিক আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় এবং
- এককালীন আবহাওয়ার অবস্থার থেকে আলাদা হয়।
- জলবায়ু অঞ্চলকে সাধারণত চারটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়: 
- গ্রীষ্মমণ্ডলীয়,
- শুষ্ক,
- নাতিশীতোষ্ণ এবং
- মেরু জলবায়ু।
- এই ভাগ করার পদ্ধতি তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং অন্যান্য আবহাওয়াগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলবায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত, যেখানে শীতলতম মাসিক গড় তাপমাত্রা 18∘C এর উপরে থাকে।
- শুষ্ক জলবায়ুতে বৃষ্টিপাত খুব কম হয়।
- নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে চারটি ঋতু দেখা যায়—শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও শরৎ।
- এ অঞ্চলটি হালকা এবং ঠান্ডা মধ্য-অক্ষাংশ উভয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।
- মেরু অঞ্চলের জলবায়ু অত্যন্ত ঠান্ডা, এবং অধিকাংশ সময় বরফ বা তুষারে ঢাকা থাকে।

উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৬৬৬.
উত্তমাশা অন্তরীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
উত্তমাশা অন্তরীপ:
- উত্তমাশা অন্তরীপ বা Cape of Good Hope।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত। 
- এটি দক্ষিণ আফ্রিকার আটলান্টিক উপকূলে অবস্থিত কেপ পেনিনসুয়ালার একটি অন্তরীপ।
- অর্থাৎ উত্তমাশা অন্তরীপ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ভূপৃষ্ঠের কোন অংশ ক্রমশ সরু হয়ে সাগরে প্রবেশ করলে সেই সংকীর্ণ অংশকে অন্তরীপ বলা হয়।
- উত্তমাশা অন্তরীপ নামকরণ করেন পর্তুগিজ অভিযাত্রী বার্থোলোমিউ ডিয়াজ।
- তিনি ১৪৮৮ সালে প্রথম কেপ এলাকায় পৌঁছেন এবং অন্তরীপটির নাম দেন 'কেপ অব স্টর্মস'। 
- পরবর্তী সময় পর্তুগালের দ্বিতীয় জন নামটি পরিবর্তন করে কেপ অব গুড হোপ বা উত্তমাশা অন্তরীপ নামকরণ করেন।
৫,৬৬৭.
কোন বনাঞ্চল প্রতিনিয়ত লবণাক্ত পানি দ্বারা প্লাবিত হয়?
  1. পার্বত্য বন
  2. শালবন
  3. মধুপুর বন
  4. ম্যানগ্রোভ বন
সঠিক উত্তর:
ম্যানগ্রোভ বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যানগ্রোভ বন
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- এই বন সুন্দরবন নামে সমধিক পরিচিত।

⇒ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবনের ৬২ শতাংশ খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় এবং বাকী অংশ পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬১১৭ বর্গমাইল যা বাংলাদেশের মোট আয়তনের শতকরা ৪.০৭ ভাগ।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।
- বৃক্ষসমূহ চিরহরিৎ।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৬৮.
ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের কত ডিগ্রি অক্ষাংশ ‘গর্জনশীল চল্লিশা’ নামে পরিচিত?
  1. ৪০°-৪৫° উত্তর
  2. ৪০°-৪৬° উত্তর
  3. ৪০°-৪৭° দক্ষিণ
  4. ৪০°-৪৯° দক্ষিণ
সঠিক উত্তর:
৪০°-৪৭° দক্ষিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০°-৪৭° দক্ষিণ
ব্যাখ্যা

গর্জনশীল চল্লিশা:
- দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি।
- তাই এখানে পশ্চিমা বায়ু প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়।
- ৪০° - ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত অঞ্চলে পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি থাকে বলে এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ বা গর্জনশীল চল্লিশা বলে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৬৬৯.
জাতিসংঘ কৃষি ও খাদ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে গম উৎপাদন কত শতাংশ কমে যেতে পারে?
  1. ৩২ শতাংশ
  2. ২২ শতাংশ
  3. ২০ শতাংশ
  4. ২৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের কৃষি ও খাদ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বোরো ধানের উৎপাদন ১৭ শতাংশ  কমে যেতে পারে।
- এবং গম উৎপাদন ৩২ শতাংশ কমে যেতে পারে।
- পেঁয়াজ, রসুন, আলু এবং অন্যান্য অর্থকরী ফসলও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
- এর পাশাপাশি মাটির গুণগত মান নষ্ট হওয়ার কারণে কৃষিকাজের খরচ বাড়ছে। 

উল্লেখ্য,
- দেশের অর্থনীতি প্রধানত কৃষিনির্ভর, এবং দেশের ৪০ শতাংশ কর্মসংস্থান এই খাত থেকে আসে।
- তবে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ফসলের উৎপাদনশীলতা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।
- বিশেষ করে ধান, যা দেশের প্রধান খাদ্যশস্য এবং কৃষির মেরুদণ্ড হিসেবে বিবেচিত, তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের পরিবর্তনের কারণে উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। 

উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট। [লিঙ্ক]

৫,৬৭০.
FCDI প্রকল্প কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. ভূমিকম্প
  3. বন্যা
  4. খরা
সঠিক উত্তর:
বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যা
ব্যাখ্যা
• FCDI প্রকল্প:
• FCDI: Flood Control, Drainage and Irrigation Projects
• বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প হলো বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্প
• উদ্দেশ্য: বন্যাপ্রবণ এলাকার ২০% ভূমিকে রক্ষা করা।
• ১৯৬৪ সালে দেশজুড়ে ৫৮টি বন্যা প্রতিরোধ এবং নিষ্কাশন প্রকল্প সম্বলিত একটি মাস্টার প্ল্যান গৃহীত হয়েছিল।

• FCDI এর প্রধান প্রধান কয়েকটি সেচ প্রকল্প হলো:
- গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট);
- ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) প্রকল্প ;
- কর্ণফুলি বহুমুখী প্রকল্প ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া।
৫,৬৭১.
বাংলাদেশের স্থল সীমান্ত রয়েছে-
  1. শুধু মিয়ানমারের সঙ্গে
  2. শুধু ভারতের সঙ্গে
  3. ভারতের ও চীনের সঙ্গে
  4. ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে
সঠিক উত্তর:
ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান: 
- বাংলাদেশের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- আর দক্ষিণে রয়েছে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর। 
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪′ উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৭২.
কয়টি দেশের সাথে রাশিয়ার সীমান্ত রয়েছে?
  1. ১৬টি
  2. ১৫টি
  3. ১৪টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা

- আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া।
- জনসংখ্যায় বিশ্বে প্রথম দেশ চীন।
- রাশিয়া এবং চীন উভয় দেশের সাথে বিশ্বের ১৪টি করে দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- যে দেশগুলির সাথে রাশিয়া তার স্থল সীমানা ভাগ করে তাদের মধ্যে রয়েছে: উত্তর কোরিয়া, চীন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, ইউক্রেন, কাজাখস্তান, পোল্যান্ড, জর্জিয়া, মঙ্গোলিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, আজারবাইজান, বেলারুশ এবং লিথুয়ানিয়া।
- আবখাজিয়া এবং দক্ষিণ ওসেটিয়া এই দুটি দেশের সার্বভৌমত্ব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়, তারাও রাশিয়ার সাথে একটি স্থল সীমানা ভাগ করেছে।

উৎস: World Atlas।

৫,৬৭৩.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?
  1. ৭২ সে.মি.
  2. ৭৬ সে.মি.
  3. ৮৬ সে.মি.
  4. ৭৬০ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
৭৬ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ সে.মি.
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলীয় চাপ: 
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হল নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপরে থাকা সম্পূর্ণ বায়ুর স্তম্ভ দ্বারা প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রয়োগ করা বল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের জন্য পারদ বারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- এটি পারদের একটি স্তম্ভের উচ্চতা দেখায়, যা নির্দিষ্ট অঞ্চলের বায়ুস্তম্ভের ওজনের সমান ভারসাম্য বজায় রাখে।
- এছাড়াও অ্যানেরয়েড ব্যারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- এতে একটি ফাঁপা ধাতব চাকতি থাকে, যা বায়ুর চাপের পরিবর্তনের সাথে সংকুচিত বা প্রসারিত হয় এবং একটি কলম ও ঘড়ি-চালিত ড্রামের সাহায্যে রেকর্ড করা হয়।

• সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ:
- ৭৬০ মি.মি. বা ৭৬ সে.মি. (২৯.৯২ ইঞ্চি) পারদ
- ১৪.৭০ psi
- ১,০১৩.২৫ × ১০³ ডাইন/বর্গ সেন্টিমিটার
- ১,০১৩.২৫ মিলিবার
- ১ atm
- ১০১.৩২৫ কিলোপ্যাস্কেল

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,৬৭৪.
দেশে বায়ু দূষণ মনিটরিং-এর জন্য কতটি সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ স্টেশন (CAMS) রয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ১৬টি
  2. ১৭টি
  3. ১৮টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা
বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম:
- সরকার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে।
- পরিবেশ অধিদপ্তর বায়ু দূষণ মনিটরিং এর জন্য সারাদেশে ১৬টি সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ স্টেশন (Continuous Air Monitoring Station বা CAMS) ও ১৫টি কমপ্যাক্ট সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ স্টেশনের মাধ্যমে বায়ুমান পরিবীক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
- এ সকল CAMS-এ প্রাপ্ত তথ্য বিশেষণ করে মাসিক প্রতিবেদন ও বায়ুমান সূচক (Air Quality Index বা AQI) প্রকাশ করা হচ্ছে।
- এছাড়া ইটভাটার মাধ্যমে দূষণ হ্রাসের লক্ষ্যে 'ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থান (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩' প্রণয়ন করা হয়েছে।
- শিল্প দূষণ রোধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭ প্রণয়ন করা হয়েছে।
- অর্থাৎ বিভিন্ন উপায়ে বায়ু দূষণ রোধে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
- এ লক্ষ্যে আমাদেরকেও সচেতন হতে হবে।

উৎস: i) পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
ii) ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৭৫.
পদ্মা নদী কোথায় মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে?
  1. হুগলীতে
  2. গোয়ালন্দে
  3. দুর্লভপুরে
  4. চাঁদপুরে
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুরে
ব্যাখ্যা
পদ্মা নদী: 
- পদ্মা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী।
- এটি হিমালয়ে উৎপন্ন গঙ্গানদীর প্রধান শাখা।
- বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর রাজশাহী এই পদ্মার উত্তর তীরে অবস্থিত। 
- হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় (মানাকোসা ও দুর্লভপুর ইউনিয়ন) বাংলাদেশে প্রবেশ করে,এখান থেকে নদীটি পদ্মা নাম ধারণ করেছে।
- গঙ্গার অন্য শাখাটি ভাগীরথী নামে ভারতে হুগলীর দিকে প্রবাহিত হয়।
- উৎপত্তিস্থল হতে ২২০০ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মিলিত প্রবাহ পদ্মা নামে আরো পূর্ব দিকে চাঁদপুর জেলায় মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- সবশেষে পদ্মা-মেঘনার মিলিত প্রবাহ মেঘনা নাম ধারণ করে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৫,৬৭৬.
বিশ্বব্যাংক এর মতে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দিক -
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন:
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।
- এগুলো হলো: মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ।

বৈশ্বিক ঝুঁকিতে থাকা পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ১২টি করে দেশের তালিকা:
• বন্যা:
- বাংলাদেশ, চীন, ভারত, কম্বোডিয়া, মোজাম্বিক, লাওস, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বেনিন, রুয়ান্ডা।
• ঝড়:
- ফিলিপাইন, বাংলাদেশ, মাদাগাস্কার, ভিয়েতনাম, মলডোভা, মঙ্গোলিয়া, হাইতি, সামোয়া, টোঙ্গা, চীন, হন্ডুরাস, ফিজি।
• মরুকরণ:
- মালাউয়ি, ইথিওপিয়া, জিম্বাবুয়ে, ভারত, মোজাম্বিক, নাইজার, মৌরিতানিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদান, শাদ, কেনিয়া, ইরান।
• সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি:
- সব নিচু দ্বীপদেশ, ভিয়েতনাম, মিসর, তিউনিসিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মৌরিতানিয়া, মেক্সিকো, চীন, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, সেনেগাল, লিবিয়া।
• কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা:
- সুদান, সেনেগাল, জিম্বাবুয়ে, মালি, জাম্বিয়া, নাইজার, মরক্কো, ভারত, মালাউয়ি, আলজেরিয়া, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৬৭৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে শীতলতম মাস বলা হয় কোন মাস কে?
  1. জানুয়ারি
  2. জুন
  3. আগস্ট
  4. ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
• ভৌগোলিক অবস্থান:
 → বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয়সহ উত্তর-পূর্বে আসাম পাহাড়ী অঞ্চল রয়েছে এবং এর মাঝে বাংলাদেশ নীচু সমতল ভূমি। এরূপ অবস্থানের জন্য বাংলাদেশে দুটি রূপে মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাব দেখা যায়।
→ মৌসুমী জলবায়ুর প্রধান এবং অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে বায়ুর দিক পরিবর্তিত হয়।
→ নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী মাস শীত কাল বলে পরিচিত।
জানুয়ারী হচ্ছে সবচেয়ে শীতল মাস। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৭৮.
'মহাবিষুব' বলে কোন দিনটিকে?
  1. ২৩ অক্টোবর
  2. ১৪ জানুয়ারি
  3. ২১ মার্চ
  4. ২৩ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
ব্যাখ্যা
মহাবিষুব:
- মহাবিষুব (Equinox) এমন একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা, যা বছরে দুইবার ঘটে।
- এই সময় পৃথিবীর নিরক্ষরেখার উপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়, ফলে দিনের দৈর্ঘ্য এবং রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- মহাবিষুবের দুটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর।
- ২১ মার্চ দিনটি 'বসন্ত মহাবিষুব' আর ২৩ সেপ্টেম্বর দিনটি 'শরৎ মহাবিষুব' নামে পরিচিত।
- পৃথিবী তার কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ এমন স্থানে ফিরে আসে, যেখানে সূর্যের কিরণ নিরক্ষরেখার উপর সরাসরি পড়ে।
- এই সময় দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় তা বিকিরণের মাধ্যমে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল এবং দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৫,৬৭৯.
বাংলাদেশে ফুলের রাজধানী বলা হয় কোন স্থানকে?
  1. ক) শাহবাগ
  2. খ) সাভার
  3. গ) ঝিকরগাছা
  4. ঘ) ত্রিশাল
সঠিক উত্তর:
গ) ঝিকরগাছা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঝিকরগাছা
ব্যাখ্যা
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার একটি ছোট ইউনিয়ন গদখালী। বাংলাদেশে ফুলের রাজধানী বলা হয় গদখালী ইউনিয়ন কে। এই অঞ্চলের জমিতে ফুল চাষ করেন এখানকার চাষীরা। বাড়ির চার ধারে সৌখিন ফুলের বাগান নয়। মাঠের পর মাঠজুড়ে ফুলের ক্ষেত। ফুলই এখানে ফসল। উৎসঃ বিবিসি এবং সরকারি ওয়েবসাইট।
৫,৬৮০.
নিচের কোনটি মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ এর উদাহরণ?
  1. ভূমিকম্প
  2. বন্যা
  3. অগ্নিকান্ড
  4. অগ্ন্যুৎপাত
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকান্ড
ব্যাখ্যা
বিপর্যয়:
বিপর্যয় বলতে বিপদ বা আপদের সম্ভাবনাকে বুঝায়। অর্থাৎ যে সকল ঘটনা একটি এলাকার জনগণের জীবন, জীবিকা ও পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্থ করে, এমনকি একেবারে ধ্বংস করতে পারে, সে সকল ঘটনাকে বিপর্যয় বলে।

দুর্যোগ (Disaster):
একটি বিপর্যয় যখন কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের বেশির ভাগ মানুষকে বিপদাপন্ন করে তুলে এবং তাদের নিজস্ব মোকাবিলা ক্ষমতার বাইরে চলে যায়, তখন তাকে দুর্যোগ বলে

বিশ্বব্যাপী দুর্যোগসমূহের প্রকারভেদ:
পৃথিবীর যে কোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়। যেমন:
ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও
খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।

১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।
২. মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৮১.
ঋতু পরিবর্তন হয় কোনটির প্রভাবে?
  1. আহ্নিক গতি
  2. বার্ষিক গতি
  3. নিরক্ষরেখা
  4. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতি
ব্যাখ্যা
বার্ষিক গতি (Revolution):
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের আকর্ষণে পৃথিবী নিজের অক্ষের উপর অবিরাম ঘুরতে ঘুরতে একটি নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে) এবং নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে।
- পৃথিবীর এই গতিকে বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতি বলে।
- একবার সূর্যকে পূর্ণ পরিক্রমণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। একে সৌরবছর বলে। 

বার্ষিক গতির ফল:
(১) দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি,
(২) ঋতু পরিবর্তন।

⇒ ঋতু পরিবর্তন:
- তাপমাত্রার পার্থক্য অনুসারে সারাবছরকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়, এ প্রতিটি ভাগকে এক একটি ঋতু বলে।
- তাপমাত্রার পার্থক্য অনুসারে সারাবছরকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো- গ্রীষ্মকাল, শরৎকাল, শীতকাল ও বসন্তকাল।
- আমরা জানি, সমগ্র পৃথিবীকে দুটো গোলার্ধে ভাগ করা হয়েছে।
- নিরক্ষরেখার উপরের দিকের অংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং নিচের দিকের অংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ ধরা হয়।
- উত্তর গোলার্ধে যখন গ্রীষ্মকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শীতকাল।
- আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শীতকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল।
- তেমনি উত্তর গোলার্ধে যখন বসন্তকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শরৎকাল।
- আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শরৎকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন বসন্তকাল।-
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান উত্তর গোলার্ধে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৬৮২.
মধুপুর বনাঞ্চলের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) গর্জন
  2. খ) সেগুন
  3. গ) গামার
  4. ঘ) শাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাল
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর ও গাজীপুর জেলার ভাওয়াল গড়ের বনভূমি ‘শালবন’ নামে পরিচিত। 
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো ‘শাল বা গজারী’।
- এছাড়া অন্যান্য বৃক্ষের মধ্যে: বহেরা, হরিতকী, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

(সূত্রঃ বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৫,৬৮৩.
মাইক্রোনেশিয়ার অবস্থান হলাে -
  1. ক) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
  2. খ) এশিয়া ও ইউরোপের মাঝে
  3. গ) পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
  4. ঘ) আটলান্টিকের পশ্চিমে
সঠিক উত্তর:
ক) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• অঞ্চল:
- মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলটি প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলটি ফিলিপাইনের পূর্বে এবং নিউগিনি দ্বীপের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলে মাইক্রোনেশিয়া, পালাউ, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, কিরিবাতি ও নাউরু এ পাঁচটি স্বাধীন দেশ রয়েছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৫,৬৮৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে ‘খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল’ বলা হয়?
  1. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  2. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  3. দক্ষিণাঞ্চল
  4. পশ্চিমাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র (Centre বা Focus) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

⇒ ২০২০ সালে 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।

উৎস: i) ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

৫,৬৮৫.
প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়কে বলা হয়-
  1. ক) সাইক্লোন
  2. খ) টাইফুন
  3. গ) হ্যারিকেন
  4. ঘ) টর্নেডো
সঠিক উত্তর:
খ) টাইফুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টাইফুন
ব্যাখ্যা
- প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়কে বলা হয় টাইফুন।
- আটলান্টিক মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়কে বলা হয় হ্যারিকেন।
- বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়কে বলা হয় সাইক্লোন।
- সাধারণত স্বল্প সময় নিয়ে স্বল্প এলাকায় টর্নেডো হয়ে থাকে। স্থলভাগে উচ্চচাপ সৃষ্টির কারণে টর্নেডো হয়।
৫,৬৮৬.
আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী কোনটি?
  1. ক) উবাঙ্গি
  2. খ) ভোল্টা
  3. গ) নাইজার
  4. ঘ) Congo River
সঠিক উত্তর:
ঘ) Congo River
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Congo River
ব্যাখ্যা
At 2,920 miles in length, the Congo River is Africa's second longest river, after the Nile.
Source: worldatlas.com
৫,৬৮৭.
মার্বেল কোন ধরনের শিলা?
  1. আগ্নেয় শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. মিশ্র শিলা
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত শিলা :
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- কারণ এটি আগ্নেয় শিলার সাথে একত্রে ভূ-ভাগের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ গঠন করেছে।
- ভূ-ত্বাত্তিক সময় ব্যাপী মহাদেশের যে সঞ্চারণ এবং উত্থান-পতন হয়েছে এ শিলা থেকে তা জানা যায়।
- রূপান্তরিত শিলা মার্বেল পাথর, শ্লেট, গার্নেট ইত্যাদির মত মূল্যবান খনিজ সম্পদ ধারণ করে।

• রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

• রূপান্তরিত শিলার প্রকারভেদ:
ক. আগ্নেয়শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে আগ্নেয়শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়।
- যেমন: গ্রানাইট থেকে নিস (Gneiss) তৈরি হয়।
খ. পাললিক শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে, পাললিক শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়।
- যেমন: বেলেপাথর থেকে কোয়ার্টজাইট (Quartzite) তৈরি হয়।

অন্যদিকে,
- পাললিক শিলা: কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।
- আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৬৮৮.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কত সালে 'বজ্রপাতকে' দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে?
  1. ২০১৫
  2. ২০১৬
  3. ২০১৭
  4. ২০১৮
সঠিক উত্তর:
২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬
ব্যাখ্যা

বজ্রপাত:
- ১৭ মে, ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
- বজ্রপাত থেকে নিরাপদে থাকতে কতগুলো সতর্কতামূলক বার্তা প্রচার করবে মন্ত্রণালয়।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত জাতীয় পরিকল্পনায় এর আগে ১২টি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা উল্লেখ ছিল।
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের বজ্রপাত হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

৫,৬৮৯.
ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে কতটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
- ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।

টারাশয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ও উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূমি যেমন রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এগুলো সবচেয়ে প্রাচীন ভূমি।

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্ভুক্ত।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৬৯০.
ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে গড় উষ্ণতা থাকে-
  1. ১০° - ২৪° সে.
  2. ২০° - ২৮° সে.
  3. ১৫° - ১৭° সে.
  4. ২৫° - ৩৫° সে.
সঠিক উত্তর:
২০° - ২৮° সে.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০° - ২৮° সে.
ব্যাখ্যা
• ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল:
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের বিভিন্নতার কারণে জলবায়ুর ধরনেরও পার্থক্য দেখা যায়।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় অঞ্চল অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ৩০°-৪৫° অক্ষাংশের মধ্যে যে সকল মহাদেশসমূহের অবস্থান তাদের পশ্চিমাংশ জুড়েই ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল বিস্তৃত।
- উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া, তিউনিশিয়া, মিশরের উত্তরাংশ, মরোক্কোর উত্তরাংশ, ভূ-মধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলসমূহ এই জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।

• বৈশিষ্ট্য:
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উষ্ণ, শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল।
- এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে গড় উষ্ণতা থাকে ২০° - ২৮° সে. এবং শীতকালে উষ্ণতা ১০° সে. এর কম থাকে।
- এই জলবায়ু অঞ্চলে যে বৈশিষ্ট্যটি উল্লেখযোগ্য তা হলো- এখানে সমুদ্র বায়ুর প্রভাবে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৩৮ সে.মি থেকে ৭৫ সে.মি।
- সাধারণত অন্যান্য এলাকার তুলনায় সমুদ্র উপকূলে বৃষ্টিপাতের হার বেশি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৯১.
'পাতাগোনিয়া' মরুভূমি কোথায়?
  1. ক) মঙ্গোলিয়া
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) আর্জেন্টিনা
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
গ) আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য মরুভূমিসমূহ:
- থর: ভারত-পাকিস্তান
- গোবি: চীন-মঙ্গোলিয়া
- কারাকুম: তুর্কমেনিস্তান
- পাতাগোনিয়া: আর্জেন্টিনা
- আতাকামা: চিলি
- মোজাবে: যুক্তরাষ্ট্র
- তাকলামাকান: চীন

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।
৫,৬৯২.
ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা-
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ০টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- একটি ভারত এবং অপরটি মিয়ানমার।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ওয়েবসাইট।

৫,৬৯৩.
উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়কে কী বলা হয়?
  1. সাইক্লোন
  2. হ্যারিকেন
  3. টাইফুন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
টাইফুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইফুন
ব্যাখ্যা
• সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়:
- সাইক্লোন, টাইফুন ও হারিকেন সবগুলোই সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়।
• টাইফুন:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় 'টাইফুন'।
- চীন, তাইওয়ান, ফাইলিপাইন ও জাপানে প্রায় প্রতি বছরই টাইফুনের কারণে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়।
• সাইক্লোন:
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় 'সাইক্লোন' হিসেবে পরিচিত।
- সাইক্লোনের কারণে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর জানমালের ক্ষতি হয়।

• হারিকেন:

- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চল, মধ্য এবং পূর্ব উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর এবং মেক্সিকো উপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে 'হারিকেন' বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে হারিকেন আঘাত করে।

এছাড়াও,
- দক্ষিণ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরের ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় সিভিয়ার ট্রপিক্যাল সাইক্লোন।
- আর দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত মহাসাগরে একে ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বলা হয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড মেটেওরলজিক্যাল অর্গানাইজেনশনের ওয়েবসাইট এবং The Daily Star Bangla.
৫,৬৯৪.
টাঙ্গুয়ার হাওরকে রামসার সাইট ঘোষণা করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৯২ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে রামসার সাইটের সংখ্যা দুটি। এগুলো হলো:
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০৩১তম) ও
- সুন্দরবন (৫৬০তম)।
- টাঙ্গুয়ার হাওরের ৯,৫০০ হেক্টর এলাকাকে ২০০০ সালের ১০ জুলাই রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।
- সুন্দরবনের ৬০১,৭০০ হেক্টর এলাকাকে ১৯৯২ সালের ২১ মে রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।
- জলভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ বিষয়ক রামসার কনভেনশন ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে গৃহিত হয়।
- এই কনভেনশন অনুসারে পৃথিবীর বিভিন্ন সংকটাপন্ন ও তাৎপর্যপূর্ণ জলাভূমিসমূহকে রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।
(সূত্র: রামসার সাইট ওয়েবসাইট)
৫,৬৯৫.
এশিয়া ও ইউরােপকে নিচের কোন প্রণালি পৃথক করেছে?
  1. ক) পক
  2. খ) জিব্রাল্টার
  3. গ) বেরিং
  4. ঘ) দার্দানেলিস
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) দার্দানেলিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দার্দানেলিস
ব্যাখ্যা

দার্দানেলিস প্রণালী এশিয়া ও ইউরােপকে পৃথক করেছে (separates Asian Turkey from European Turkey) এবং ইজিয়ান সাগরের সাথে মারমারা উপসাগরের সাথে যুক্ত করেছে (connects the Aegean Sea to the Sea of Marmara)। সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
এছাড়াও,
বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরােপকে পৃথক করেছে (separating parts of Asian Turkey (Anatolia) from European Turkey) এবং কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা উপসাগরের সাথে যুক্ত করেছে (uniting the Black Sea and the Sea of Marmara)। সূত্রঃ ব্রিটানিকা

৫,৬৯৬.
নদী-বিধৌত অঞ্চল সবচেয়ে বেশি কোন নদীর?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) ব্রহ্মপুত্র
  4. ঘ) সুরমা
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র নদী তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন। তিব্বতে এর নাম সংপো এবং ডিহং নামে এটা আসামের উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে। অতঃপর ব্রহ্মপুত্র নামে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের মাজহিয়ালীতে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। পরবর্তীতে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ-পূর্বে বেঁকে ভৈরব বাজারের কাছে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে। এ স্থানের নাম পুরাতন ব্রহ্মপুত্র।
ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশের ৫০,৫০৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বিধৌত করেছে।

অন্যদিকে,
পদ্মা-বিধৌত অঞ্চল - ৩৪,১৮৮ বর্গকিঃমিঃ ও
মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের পরিমাণ - ২৯,৭৮৫ বর্গকিঃমিঃ।

উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল (অর্থনৈতিক ভূগোল) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৫,৬৯৭.
এশিয়াকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালি? 
  1. বেরিং প্রণালি
  2. জিব্রাল্টার প্রণালি
  3. বাবেল মান্দেব প্রণালি
  4. বসফরাস প্রণালি
সঠিক উত্তর:
বাবেল মান্দেব প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবেল মান্দেব প্রণালি
ব্যাখ্যা

বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৫,৬৯৮.
কোনটি দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোত?
  1. নিরক্ষীয় বিপরীত স্রোত
  2. উত্তর স্রোত
  3. বেঙ্গুয়েলা স্রোত
  4. সুমেরু স্রোত
সঠিক উত্তর:
বেঙ্গুয়েলা স্রোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেঙ্গুয়েলা স্রোত
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোত:
- বিষুবরেখা হতে দক্ষিণ দিকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের অধিকাংশ স্রোত প্রবাহিত হয়।
- দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোতগুলো নিম্নে দেওয়া হলো:

→ কুমেরু স্রোত বা পশ্চিমা স্রোত।
→ বেঙ্গুয়েলা স্রোত।
→ দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত।
→ ফকল্যান্ড স্রোত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৯৯.
কাজাখস্তানের রাজধানীর নাম -
  1. ক) আস্তানা
  2. খ) দুশানবে
  3. গ) লিসবন
  4. ঘ) মিনস্ক
সঠিক উত্তর:
ক) আস্তানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আস্তানা
ব্যাখ্যা
• কয়েকটি দেশের রাজধানী:
- কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানা।
- তাজাকিস্তানের রাজধানী দুশানবে।
- পর্তুগালের রাজধানী লিসবন।
- বেলারুশের রাজধানীর মিনস্ক।

সূত্র: Britannica
৫,৭০০.
নদী শাসনের ক্ষেত্রে ড্রেজিং বলতে কী বোঝায়?
  1. নদীর পানি শুকিয়ে ফেলা
  2. নদীর পাড় উঁচু করা
  3. নদী খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি
  4. নদীর গতিপথ বন্ধ করা
সঠিক উত্তর:
নদী খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

নদীশাসন:
- প্রতিবছর নানাবিধ কারণে নদীভাঙ্গন দেখা যায় যা অতি পরিচিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- নদীর এ ভাঙ্গন প্রক্রিয়া প্রতিরোধ ও নদীর পানি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করার জন্য বাঁধ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করাই হলো নদীশাসন। যেমন:- তিস্তা ব্যারেজ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলে কমবেশি নদীভাঙ্গন দেখা যায়।
- তবে নদীভাঙ্গনের ফলে সর্বোচ্চ ভূমিক্ষয় ঘটে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকায়।
- নদীভাঙ্গনের ফলে নদীর পাড়ে বসবাসকারী মানুষের পালিত পশুসম্পদ, ফসলি জমি, জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
- তাই নদীশাসনের জন ইতোমধ্যে সরকার অনেক নদীর তীরে বাঁধ দিয়ে নদীভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করছে।

⇒ নদীশাসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ:
• উপকূলীয় অঞ্চলে বনায়নের মাধ্যমে সবুজ বেষ্টনী তৈরি করে এবং ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী খনন করে নদীশাসন করা।
• নদীশাসনের জন্য নদীর পাড় থেকে অপরিকল্পিতভাবে মাটি কাটা ও পাথর তোলা বন্ধ করে নদীভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব।
• সমভূমি থেকে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি একই পথে নদীতে পতিত হওয়া রোধ করে পরিকল্পিতভাবে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলে নদীভাঙ্গন রোধ করে নদীশাসন করা যায়।
• প্রতিবছর নদীর পাড় ও বাঁধ সংস্করণ, নদী খনন, নদীর নাব্যতা ধরে রাখা ইত্যাদির মাধ্যমে নদীভাঙ্গন রোধ করা যায়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।