বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৫৬ / ৭২ · ৫,৫০১৫,৬০০ / ৭,১৯১

৫,৫০১.
আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগরের নাম কী?
  1. হাডসন উপসাগর
  2. বঙ্গোপসাগর
  3. মেক্সিকো উপসাগর
  4. পারস্য উপসাগর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা

• বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগর হলো বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর।
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ।
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এ উপসাগরটি পশ্চিমে ভারত ও শ্রীলংকার পূর্ব উপকূল, উত্তরে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীপ্রণালী সৃষ্ট বদ্বীপ এবং পূর্বে মায়ানমার উপদ্বীপ থেকে আন্দামান-নিকোবর শৈলশিরা পর্যন্ত বিস্তৃত ভূভাগ দ্বারা বঙ্গোপসাগর তিনদিকে আবদ্ধ।
- বঙ্গোপসাগরের আয়তন ২৬,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ২,৬০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,২৫৮ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে উত্তর প্রান্তে বাংলাদেশ অবস্থিত। বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।

অন্যদিকে -
- মেক্সিকো উপসাগরের আয়তন ১৫,৪২,৯৮৫ বর্গ কিমি.।
- পারস্য উপসাগরের আয়তন ২,৩৭,৭৬০ বর্গ কিমি.।
- হাডসন উপসাগরের আয়তন ১২,৩০,০০০ বর্গ কিমি.।

তথ্যসূত্র: Britannica.

৫,৫০২.
'A Brief History of Time' বইটি কে লিখেছেন?
  1. আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. স্টিফেন হকিং
  3. জি ল্যামেটার
  4. জামাল নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা
স্টিফেন হকিং: 
- স্টিফেন হকিং ছিলেন একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী।
- তিনি মূলত ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কিত গবেষণার জন্য পরিচিত।
- তার গবেষণায় তিনি আপেক্ষিক তত্ত্ব (relativity theory) এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্স (quantum mechanics) – এই দুই জটিল তত্ত্বকে একত্রে প্রয়োগ করেন।

তার রচনাসমূহ:
- The Large Scale Structure of Space-Time (1973; coauthored with G.F.R. Ellis), 
- Superspace and Supergravity (1981), 
- The Very Early Universe (1983), 
- A Brief History of Time: From the Big Bang to Black Holes (1988), 
- The Universe in a Nutshell (2001), 
- A Briefer History of Time (2005), and 
- The Grand Design (2010; coauthored with Leonard Mlodinow).

উৎস: Britannica.
৫,৫০৩.
কোথায় কঠিন শিলার সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. পঞ্চগড়
  4. নীলফামারী
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কঠিন শিলা (Hard Rock):
- কঠিন শিলা (Hardrock)  পাললিক শিলা থেকে পৃথক এবং সাধারণভাবে শক্ত, ঘন, কেলাসিত আগ্নেয় অথবা রূপান্তরিত শিলাকে কঠিন শিলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- বাংলাদেশে চার ধরনের কঠিন শিলা পাওয়া যায়:
(ক) মধ্যপাড়া ভূগর্ভস্থ কঠিন শিলা
(খ) ভোলাগঞ্জ-জাফলং এর কঠিন শিলার নুড়ি
(গ) তেতুলিয়া-পঞ্চগড়-পাটগ্রাম কঠিন শিলা কনক্রিশন (concretion) এবং
(ঘ) চট্টগ্রাম-পার্বত্য চট্টগ্রামের কনক্রিশন নুড়ি।
- রংপুর জেলার রানীপুকুর ও শ্যামপুর এবং দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার সন্ধান পাওয়া গেছে।
- দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনির মজুদ ১৭১ (মি.টন)। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাপিডিয়া। 
খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো। 
৫,৫০৪.
'গড়াই নদী' কোন নদীর প্রধান শাখানদী?
  1. যমুনা নদী
  2. মেঘনা নদী
  3. পদ্মা নদী 
  4. তিস্তা নদী
সঠিক উত্তর:
পদ্মা নদী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মা নদী 
ব্যাখ্যা

• গড়াই নদী: 
- এটি গঙ্গা তথা পদ্মার একটি প্রধান শাখানদী ।  
- কুষ্টিয়ার তালবাড়িয়া নাম স্থানে এর উৎপত্তি।
- গড়াই নদীটি কুষ্টিয়া জেলার হতাশহরিপুর ইউনিয়নে প্রবহমান পদ্মা নদী হতে উৎপত্তি লাভ করে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে মধুমতি নদীতে পতিত হয়েছে। 
- কুষ্টিয়া জেলার উত্তরে হার্ডিঞ্জ সেতুর ১৯ কিলোমিটার ভাটিতে তালবাড়িয়া নামক স্থানে গড়াই নদী পদ্মা থেকে উৎপন্ন হয়েছে। 
- এই নদীটি কুষ্টিয়া জেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গণেশপুর নামক স্থানে ঝিনাইদহ জেলায় প্রবেশ করেছে।
- গড়াই নদী ভাঙন প্রবণ। এর প্রবল ভাঙনের ফলে কুষ্টিয়ার বিখ্যাত রেন-উইক কারখানা,  গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প অফিস এবং কুষ্টিয়া শহরের বাণিজ্যিক এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ।

৫,৫০৫.
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়শ্রেণী কোন যুগের ভূমিরূপ?
  1. ক) টারশিয়ারি
  2. খ) প্লাইস্টোনসিন
  3. গ) সাম্প্রতিককালের
  4. ঘ) নবোপলীয়
সঠিক উত্তর:
ক) টারশিয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টারশিয়ারি
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়।
এগুলো হলো:

- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
- প্লাবন সমভূমি।

- এদের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী।
- আনুমানিক প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে এগুলো গঠিত হয়।
- দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ প্রভৃতি জেলা জুড়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী অবস্থিত। দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২০ শতাংশ অঞ্চল টারশিয়ারি যুগে গঠিত।

- উত্তরাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি, টাঙ্গাইল-গাজীপুর-ময়মনসিংহ অঞ্চলের মধুপুর ও ভাওয়াল গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় হলো প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ।

এ ব্যতীত দেশে সমগ্র অঞ্চল সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। দেশের মোট ভূমির প্রায় ৮০ শতাংশই সাম্প্রতিককালের প্লাবন ভূমিরূপ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী।
৫,৫০৬.
বিগত এক শতাব্দীতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা কত ডিগ্রী সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. ক) ২°
  2. খ) ১°
  3. গ) ০.৮°
  4. ঘ) ০.৬°
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০.৬°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০.৬°
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানীদের হিসাবমতে বিংশ শতাব্দীর শুরুর তুলনায় একবিংশ শতাব্দীর প্রারম্ভে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ০.৬° সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। একবিংশ শতাব্দীর শেষে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২.৫° থেকে ৫.৫° বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে মেরুঅঞ্চল ও গ্রিনল্যান্ডে সঞ্চিত থাকা বরফ গলে পৃথিবীর নিম্নাঞ্চল সমুদ্রে বিলিন হয়ে যেতে পারে। (সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৫০৭.
Which canal connects the Atlantic Ocean with the Pacific Ocean?
  1. Corinth Canal
  2. Grand Canal
  3. Suez Canal
  4. Panama Canal
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Panama Canal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Panama Canal
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- এই খালটি তৈরি করা হয়েছিলো ১৯১৪ সালে।
- তৈরি করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র।
- এ খালের মালিকানা ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ছিল।
- এরপর তা পানামা রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ,
- এশিয়া থেকে আমেরিকা পর্যন্ত পণ্য আমদানি-রফতানির অন্যতম প্রধান সমুদ্রপথ পানামা খাল।

উৎস: Britannica.
৫,৫০৮.
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. চাপালিশ
  2. গরান
  3. গজারি
  4. গর্জন
সঠিক উত্তর:
গজারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারি
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর ও গাজীপুর জেলার ভাওয়াল গড়ের বনভূমি শালবন নামে পরিচিত।
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারি
- এছাড়া অন্যান্য বৃক্ষের মধ্যে রয়েছে: বহেরা, হরিতকী, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৫,৫০৯.
বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের সাথে ভারতের কোন রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে?
  1. আসাম
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. ত্রিপুরা
  4. উপরোক্ত কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত: 

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২ টি। 
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার (রাঙামাটি, বান্দরবন ও কক্সবাজার) সীমান্ত রয়েছে। 
- একমাত্র রাঙামাটি জেলায় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। 
- ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম উভয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সাধারণ জেলা রাঙামাটি। 
- বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের সাথে কোন দেশের সীমান্ত সংযোগ নেই।
- বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের জেলা ৯টি। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৫১০.
ধান চাষের জন্যে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা কত?
  1. ১১°-১৯° সেলসিয়াস
  2. ১৫°-২২° সেলসিয়াস
  3. ১৮°-২৭° সেলসিয়াস
  4. ২৫°-৩৯° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
১৮°-২৭° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮°-২৭° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:

- ধান চাষে জলবায়ু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- ধান চাষের জন্য সাধারণত বার্ষিক ১০০- ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন হয়।
- যেসব স্থানে বার্ষিক ১৭৫-২২৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয় সেখানে ধান অধিক উৎপাদন হয়। ১০০ সেন্টিমিটার এর কম বৃষ্টিপাত হলে সেচের প্রয়োজন হয়।
- ধান চাষের জন্য ১৮°-২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়।
- ধান বীজের অঙ্কুরোদগমের জন্য ১৬° সেলসিয়াস এর অধিক তাপমাত্রা এবং চারা বৃদ্ধিকালীন সময়ে ২২°-২৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকা আবশ্যক।
- ধান পাকার সময় উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়ার প্রয়োজন হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫১১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ কত?
  1. ৬২,৮৭,০০০ একর
  2. ৬৩,৬৩,০০০ একর
  3. ৬৫,১৪,০০০ একর
  4. ৬৯,৩৮,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৬৩,৬৩,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩,৬৩,০০০ একর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
৫,৫১২.
মিশর কত সালে সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করে?
  1. ১৯৫৬
  2. ১৮৮৯
  3. ১৮৫৬
  4. ১৯৪৫
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬
ব্যাখ্যা

• সুয়েজ খাল
- এটি একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল যা লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

- ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপ্সের উদ্যোগে ১৮৫৯ সালে সুযেজ খালের খননকার্য শুরু হয়।
- ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর খালটি নৌ চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত‍ করে দেওয়া হয়।

- শুরুতে খালটি ফ্রান্স ও মিশরের জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হতো। পরবর্তীতে মিশর তার ৪৪ ভাগ শেয়ার ব্রিটেনের নিকট বিক্রি করে দেয়।
- ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশরের গামাল আবদেল নাসের সরকার সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করেন।
- এর ফলে ইসরাইল, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সাথে মিশরের যুদ্ধ বেধে যায় যা ‘দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ’ বা ‘সুয়েজ যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।
- বর্তমানে সুয়েজ খাল মিশর সরকারের অধীন ‘সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
- আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসারে সুয়েজ খাল সবদেশের জন্যে সকল ধরনের বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ চলাচলের চন্যে উন্মুক্ত থাকবে।

উৎস: সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

৫,৫১৩.
বায়ুর আর্দ্রতা কিভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. বায়ুর তাপমাত্রা এবং চাপের উপর
  2. বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতার উপর
  3. বায়ুর আর্দ্রতার প্রকারের উপর
  4. বায়ুর গতি এবং তাপমাত্রার উপর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতার উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতার উপর
ব্যাখ্যা
⇒ বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতার উপর বায়ুর আর্দ্রতা নির্ধারিত হয়।

বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity):
- বায়ুতে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিকে বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না। বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে তাই বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম।
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে।
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। যথা-
• পরম আর্দ্রতা।
• আপেক্ষিক আর্দ্রতা।
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা।
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা হলো কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫১৪.
নিম্নের কোন অঞ্চল বিশ্বের রুটির ঝুড়ি নামে খ্যাত?
  1. ক) চেনাব ভ্যালি
  2. খ) সান জোয়াকিন ভ্যালি
  3. গ) লোগার ভ্যালি
  4. ঘ) ব্রহ্মপুত্র ভ্যালি
সঠিক উত্তর:
খ) সান জোয়াকিন ভ্যালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সান জোয়াকিন ভ্যালি
ব্যাখ্যা
ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট কৃষি উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগানদাতা।
এই উৎপাদনের বেশিরভাগই আসে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত সান জোয়াকিন ভ্যালি (San Joaquin Valley) থেকে, যাকে বিশ্বব্যাপী ব্রেডবাস্কেট হিসেবে উল্লেখ করা হয়। 
এজন্য সান জোয়াকিন ভ্যালি (San Joaquin Valley)কে বিশ্বের রুটির ঝুড়ি (ব্রেডবাস্কেট) বলা হয়ে থাকে। 
 
- ইউরোপের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত ইউক্রেনের উর্বর ভূমিতে গম, সানফ্লাওয়ার এবং অন্যান্য দানাদার জাতীয় শস্য প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়।
- ইউক্রেন বিশ্ববাজারে প্রতিবছর ৪০ থেকে ৫০ মিলিয়ন মেট্রিক টন খাদ্যশস্য রপ্তানি কর থাকে।
- এজন্য ইউক্রেনকে ইউরােপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়। 
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস
৫,৫১৫.
‘পুয়ের্তোরিকো ট্রেঞ্চ’ এর অবস্থান কোথায়?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. ভারত মহাসাগরে
  3. প্রশান্ত মহাসাগরে
  4. উত্তর মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ হচ্ছে - আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের গভীরতম অংশ।

• আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর মোট আয়তনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগর।
- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এই মহাসাগরের মোট আয়তন ১০৬.৪৬ মিলিয়ন (১০৬,৪৬০,০০০) বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা ১০ হাজার ৯২৫ ফুট।

- এর পশ্চিমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ এবং পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ।
- উত্তর দিকে ‘উত্তর মহাসাগর’ এবং দক্ষিণে ‘দক্ষিণ মহাসাগর’।
- রহস্যঘেরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গল (যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি সৈকত, পুয়ের্তো রিকো দ্বীপ ও বারমুডা দ্বীপের মাঝামাঝি অংশ) এই মহাসাগরেই।
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।
৫,৫১৬.
কোন দেশ ঘূর্ণিঝড় 'ফেনজল' এর নামকরণ করেন?
  1. লাওস
  2. ভিয়েতনাম
  3. মিশর
  4. সৌদি আরব
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় 'ফেনজল':
- ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’ নামকরণ করেছে 'সৌদি আরব'।
- বর্ষা–পরবর্তী মৌসুমে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড় হচ্ছে ‘ফেনজল’।
- দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে 'ফেনজল'।
- ৩০ নভেম্বর, ২০২৪ সন্ধ্যার মধ্যে ভারতের তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়ছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’।
- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত ছিল ঐসময়।
- উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছিল।

উৎস: আনন্দবাজার পত্রিকা, প্রথম আলো।
৫,৫১৭.
রাসায়নিক দূষণ কোন প্রকারের দুর্যোগ?
  1. ক) মহাকাশীয় দুর্যোগ
  2. খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ
  3. গ) প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  4. ঘ) ভূ-অভ্যন্তরস্থ প্রতিক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ 
সঠিক উত্তর:
খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ
ব্যাখ্যা
- দুর্যোগ একটি এলাকার স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রচন্ডভাবে বিঘ্ন ঘটায় এবং জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।
- ক্ষতিগ্রস্থ সমাজের পক্ষে নিজস্ব সম্পদ দিয়ে এই ক্ষতি মোকাবিলা করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে।
- দুর্যোগ কোনো স্থানের জনবসতিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়, যার ফলে ঐ জনবসতি সহজে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে না।
- পৃথিবীর যে কোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়। যেমন: ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।
১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা,
ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।
২. মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড,
রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ ইত্যাদি ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫১৮.
কোন শিলা রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল হয়?
  1. গ্রানাইট
  2. কাঁদা
  3. চুনাপাথর
  4. বেলেপাথর
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর
ব্যাখ্যা
চুনাপাথর প্রচণ্ড তাপ ও চাপের ফলে রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল তৈরি হয়।

রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।

কিছু রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
→ চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
→ কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
→ গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
→ বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, 
→ কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫১৯.
নিম্নের কোন জলপ্রপাতের সৌন্দর্য দুটি দেশ থেকে অবলোকন করা যায়?
  1. ক) নায়াগ্রা
  2. খ) ভিক্টোরিয়া
  3. গ) এঞ্জেলস
  4. ঘ) মাধবকুন্ড
সঠিক উত্তর:
ক) নায়াগ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নায়াগ্রা
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার সীমান্তে অবস্থিত বলে দুটি দেশ থেকেই এই জলপ্রপাতের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়৷
Source: worldatlas
৫,৫২০.
The Source of river Karnaphuli is?
  1. ক) The sacred region of Sikkim
  2. খ) Lusai Hills of Mizoram
  3. গ) Manas Sarovar in Tibet in the Himalayas
  4. ঘ) Naga-Manipur hill region of Assam state
সঠিক উত্তর:
খ) Lusai Hills of Mizoram
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Lusai Hills of Mizoram
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলি নদী:
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তি ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে
- বাংলাদেশের প্রবেশের পর রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলী নদী বঙ্গোপসাগরের পতিত হয়েছে।
- নদীটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২০ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলী নদীর মোহনায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর অবস্থিত।
- হালদা, কাসালং প্রভৃতি কর্ণফুলীর উপনদী।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৫,৫২১.
বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশ নয় কোনটি? 
  1. রোমানিয়া
  2. জার্মানি 
  3. লাটভিয়া 
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
রোমানিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমানিয়া
ব্যাখ্যা

- বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশ নয় রোমানিয়া।
- এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, ও লিথুয়ানিয়া-কে একত্রে বাল্টিক রাষ্ট্র বলা হয়।

• বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশসমূহের নাম:
- ডেনমার্ক,
- এস্তোনিয়া,
- ফিনল্যান্ড,
- জার্মানি,
- লাটভিয়া,
- লিথুয়ানিয়া,
- পোল্যান্ড,
- রাশিয়া (কালিনিনগ্রাদ ও সেন্ট পিটার্সবার্গ অঞ্চলের মাধ্যমে),
- সুইডেন।

উল্লেখ্য, 
- মোট ৯টি দেশ বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী।
- এর মধ্যে এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, ও লিথুয়ানিয়া-কে একত্রে বাল্টিক রাষ্ট্র বলা হয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৫,৫২২.
বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ২৮.০১°
  2. খ) ২৬.০১°
  3. গ) ২৮.০৭°
  4. ঘ) ২৬.০৭°
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬.০১°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬.০১°
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১° সেলসিয়াস।
- বাংলাদেশের গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার বা ২০৩০ মিলিমিটার।
- জানুয়ারি মাসে গড় তাপমাত্রা থাকে ১৭.৭° সেলসিয়াস।
- ডিসেম্বরের শেষে এবং জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তাপমাত্রা থাকে ৪-৭° সেলসিয়াস।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫২৩.
বাংলাদেশের সবোর্চ্চ পবর্তশৃঙ্গ তাজিওডং কী নামে পরিচিত?
  1. সুউচ্চ
  2. বিজয়
  3. পাহাড়ের রানি
  4. পিরামিড
সঠিক উত্তর:
বিজয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয়
ব্যাখ্যা
• তাজিওডং:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়।
- একত্রে বড় পাহাড় বা তাজিংডং।
- বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় এর অবস্থান।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ নবম দশম শ্রেণি।
৫,৫২৪.
সুন্দা ট্রেঞ্চ বা জাভা ট্রেঞ্চ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ চীন সাগর
  2. বঙ্গোপসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

সুন্দা ট্রেঞ্চ :
- সুন্দা ট্রেঞ্চ (Sunda Trench), যা জাভা ট্রেঞ্চ নামেও পরিচিত, এটি ভারত মহাসাগরের গভীরতম অংশ। 
- অবস্থান: এটি ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও জাভা দ্বীপের উপকূলের সমান্তরালে উত্তর-পূর্ব ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক গঠন: ইউরেশীয় প্লেট এবং ইন্দো-অস্ট্রেলীয় প্লেটের সংযোগস্থলে সাবডাকশনের ফলে এই বিশাল ফাটলটি তৈরি হয়েছে।
- গভীরতা: এর সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ৭,৪৫০ মিটার (২৪,৪৪০ ফুট)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,৫২৫.
আগ্নেয়গিরির বাইরে উৎক্ষিপ্ত হয়ে বেরিয়ে আসার পূর্ব পর্যন্ত পদার্থগুলো কী নামে পরিচিত?
  1. ম্যাগমা
  2. লাভা
  3. গ্রীবা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ম্যাগমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগমা
ব্যাখ্যা
- আগ্নেয়গিরির বাইরে উৎক্ষিপ্ত হয়ে বেরিয়ে আসার পূর্ব পর্যন্ত এই পদার্থগুলো ম্যাগমা (Magma) নামে পরিচিত। 

• আগ্নেয়গিরি:

- ভূ-গর্ভস্থ তাপ ও চাপের পরিবর্তনের ফলে ভূ-অভ্যন্তরস্থ উত্তপ্ত, ও গলিত বিভিন্ন পদার্থ, যেমন: উষ্ণ বাষ্প, গলিত শিলা, কাঁদা, ধাতু, ভষ্ম ইত্যাদি প্রবলবেগে ভূ-ত্বকের নিচের অংশে চাপ প্রয়োগ করে।
- এমতাবস্থায়, ভূ-ত্বকের দুর্বল স্থান বা ফাটলসমূহের ভিতর দিয়ে উক্ত পদার্থগুলো উৎক্ষিপ্ত হয়ে বহু দুর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূ-পৃষ্ঠের ঐ ছিদ্র পথ বা ফাটলের চারপাশে উক্ত পদার্থগুলো জমাট বেঁধে ক্রমশ উঁচু পর্বতের ন্যায় ভূমিরূপ গঠন করে।
- এইরূপ পর্বতকে আগ্নেয়গিরি বলা হয়।

উল্লেখ্য: 
- আগ্নেয়গিরি থেকে যে পদার্থগুলো বাইরে উৎক্ষিপ্ত হয়ে বেরিয়ে আসে,তাকে লাভা (Lava) বলে।
- বাইরে উৎক্ষিপ্ত হয়ে বেরিয়ে আসার পূর্ব পর্যন্ত এই পদার্থগুলো ম্যাগমা (Magma) নামে পরিচিত।
- আগ্নেয়গিরির অভ্যন্তরে বিশাল এলাকা জুড়ে ম্যাগমা অর্থাৎ উত্তপ্ত ও গলিত শিলা, কাঁদা, ভষ্ম ও বাষ্প জমাকৃত হয়ে থাকে, যাকে ম্যাগমা চেম্বার বলা হয়।
- লাভা বের হবার মুখটিকে জ্বালামুখ (Crater) বলা হয়।
- যে পথে লাভা বের হয় সেটিকে আগ্নেয় গ্রীবা (Vent) বলা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫২৬.
আমাজন নদীর অববাহিকা কোন জলবায়ুর অন্তর্গত?
  1. ভূ-মধ্যসাগরীয়
  2. মহাদেশীয়
  3. নিরক্ষীয়
  4. মৌসুমি
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয়
ব্যাখ্যা

নিরক্ষীয় জলবায়ু:
পৃথিবীর জলবায়ুর পাথর্য্যের জন্য সূর্যের অবস্থান একটি বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
কারণ তাপমাত্রা প্রাপ্তির ধরনের উপর আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রকৃতির পার্থক্য তৈরি হয়।
নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু।
অবস্থান ও দেশসমূহ : নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫ অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০০ অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত। এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৫২৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় চূড়ার নাম -
  1. ক) কেওক্রাডং
  2. খ) লুসাই
  3. গ) গারো
  4. ঘ) মোদক
সঠিক উত্তর:
গ) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গারো
ব্যাখ্যা
গারো পাহাড়:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়। 
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব- পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড় বিশ্বের অন্যতম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চলসমূহের মধ্যে একটি।
- এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীটির নাম সিমসাং।
- গারো পাহাড়েই মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলং অবস্থিত।

উল্লেখ্য।
-  বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হলো তাজিংডং (বিজয় নামেও পরিচিত)।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৫,৫২৮.
ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে কোন প্রণালি?
  1. বেরিং প্রণালি
  2. জিব্রাল্টার প্রণালি
  3. পক প্রণালি
  4. সুন্দা প্রণালি
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালি
ব্যাখ্যা
• জিব্রাল্টার প্রণালি:
- ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত এই প্রণালীটি স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে বিস্তৃত।
- জিব্রাল্টার প্রণালি ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।

⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ  প্রণালী:
• সুন্দা প্রণালি:
- সুমাত্রা ও জাভা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এই প্রণালীটি ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। ।
- সুন্দা প্রণালি ইন্দোনেশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোর একটি।

• বেরিং প্রণালি:
- এই প্রণালীটি উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- যা আলাস্কার প্রদেশ ও রাশিয়ার শাখালিন দ্বীপের মধ্যে বিস্তৃত।
- বেরিং প্রণালি বেরিং সাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করে।

• পক প্রণালি:
- ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে অবস্থিত ।
- এই প্রণালীটি ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- পক প্রণালি প্রায় ২৭ কিলোমিটার প্রশস্ত ।
- এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• মালাক্কা প্রণালি:
- মালয় উপদ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এই প্রণালীটি ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- মালাক্কা প্রণালি বিশ্বের ব্যস্ততম শিপিং রুটগুলোর একটি।

উৎস: Britannica.
৫,৫২৯.
নীল নদের পানি নিয়ে দ্বন্দ্ব কোন দুই দেশের?
  1. মিশর ও ইথিওপিয়া
  2. সোমালিয়া ও মিশর
  3. কেনিয়া ও তানজানিয়া 
  4. লিবিয়া ও উগান্ডা
সঠিক উত্তর:
মিশর ও ইথিওপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর ও ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা

⇒ নীল নদের পানি নিয়ে মিশর ও ইথিওপিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- মিশরের পানি সরবরাহের প্রধান উৎস। কিন্তু ইথিওপিয়া নদের উত্স অঞ্চলে বাঁধ নির্মাণ করছে, যা মিশরের পানি প্রবাহকে প্রভাবিত করতে পারে। এ কারণে উভয় দেশের মধ্যে একটি রাজনৈতিক সংঘাত এবং আলোচনা চলছে।

নীল নদ:

- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস ।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com

৫,৫৩০.
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে সর্বশেষ বাংলায় এসেছিলেন-
  1. ক) পর্তুগিজরা
  2. খ) ইংরেজরা
  3. গ) ফরাসিরা
  4. ঘ) ওলন্দাজরা
সঠিক উত্তর:
গ) ফরাসিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফরাসিরা
ব্যাখ্যা
১৪৯৮ সালের ২৭মে দুঃসাহসিক পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা উত্তমাশা অন্তরীপ অতিক্রম করে তিনটি বাণিজ্য তরী নিয়ে ভারতের পশ্চিম উপকূলে কালিকট বন্দরে আগমন করেন। তারা ১৫১৬ সালে প্রথম বাংলায় আসেন।
এরপর ১৬৩০ সালে ওলন্দাজরা, ১৬৫৮ সালে ইংরেজরা এবং সবশেষে ১৬৭৪ সালে ফরাসিরা বাংলায় আগমন করে।
উৎস - বাংলাপিডিয়া।
৫,৫৩১.
নীল নদের অববাহিকায় কোন দেশ অবস্থিত নয়?
  1. ইরিত্রিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. কেনিয়া
  4. ইথিওপিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ আফ্রিকা নীল নদের অববাহিকায় কোন দেশ অবস্থিত নয়।

নীল নদ:
পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী নীল নদ।
- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- নীল নামটি গ্রীক নিলোস থেকে এসেছে, যার অর্থ একটি উপত্যকা বা নদী উপত্যকা।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।
- নীল নদ ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ কি.মি (৪,১৩৫ মাইল)।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত দ্বারা গঠিত।
- নীল নীল এবং আতবারা যা ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি থেকে প্রবাহিত হয় এবং সাদা নীল যার প্রধান স্রোত ভিক্টোরিয়া এবং আলবার্ট হ্রদে প্রবাহিত হয়।

উৎস: World atlas.

৫,৫৩২.
নিচের কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক?
  1. ক) অক্ষাংশ
  2. খ) উচ্চতা
  3. গ) সমুদ্রসোত
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
জলবায়ুর নিয়ামকগুলো হল:
• অক্ষাংশ
• উচ্চতা
• সমুদ্র থেকে দূরত্ব
• বায়ুপ্রবাহ
• সমুদ্রস্রোত
• পর্বতের অবস্থান
• ভূমির ঢাল
• মৃত্তিকার অবস্থান
• বনভূমির অবস্থান

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫৩৩.
বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে কোন দেশ অবস্থিত?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. শ্রীলঙ্কা
  3.  ভারত 
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
শ্রীলঙ্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
• বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগর হল বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর ।
- বঙ্গোপসাগর বেশ কয়েকটি এশীয় দেশ দ্বারা বেষ্টিত, যার মধ্যে রয়েছে উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিমে ভারত , পূর্বে  মায়ানমার , উত্তরে  বাংলাদেশ , দক্ষিণ-পশ্চিমে  শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ-পূর্বে  ইন্দোনেশিয়া। 
- এর ভূপৃষ্ঠের আয়তন ২,৬০০,০০০ বর্গকিলোমিটার ।
- দৈর্ঘ্য ২,০৯০ বর্গকিলোমিটার ।
- প্রস্থ ১,৬১০ বর্গকিলোমিটার।
- এই উপসাগরের গড় গভীরতা ২,৬০০ বর্গকিলোমিটার ।
- সর্বোচ্চ গভীরতা ৪,৬৯৪ বর্গকিলোমিটার। 

উৎস: WorldAtlas.
৫,৫৩৪.
ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের দেশ কোনটি?
  1. আলবেনিয়া
  2. পর্তুগাল
  3. লেবানন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু:
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের বিভিন্নতার কারণে জলবায়ুর ধরনেরও পার্থক্য দেখা যায়।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় অঞ্চল অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ৩০০-৪৫০ অক্ষাংশের মধ্যে যে সকল মহাদেশসমূহের অবস্থান তাদের পশ্চিমাংশ জুড়েই ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল বিস্তৃত।
- উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া, তিউনিশিয়া, মিশরের উত্তরাংশ, মরক্কোর উত্তরাংশ, ভূ-মধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলসমূহ এই জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
- এছাড়াও তুরস্ক, স্পেন, গ্রিস, দক্ষিণ ফ্রান্স, ইতালি, ইসরাইল, সিরিয়া, দক্ষিণ ও পশ্চিম যুগোশ্লাভিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তভুক্ত।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যে আরও যে দেশসমূহ রয়েছে সেগুলো হলো- লেবানন, পর্তুগাল, আলবেনিয়া এবং দ্বীপসমূহ হলো কর্ষিকা, মাল্টা, সাইপ্রাস ইত্যাদি।
- এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, দক্ষিণ আমেরিকার চিলির মধ্যভাগ এবং উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তগত।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উষ্ণ, শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল।
- এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে গড় উষ্ণতা থাকে ২০০- ২৮০ সে. এবং শীতকালে উষ্ণতা ১০° সে. এর কম থাকে।
- এই জলবায়ু অঞ্চলে যে বৈশিষ্ট্যটি উল্লেখযোগ্য তা হলো- এখানে সমুদ্র বায়ুর প্রভাবে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৩৮ সে.মি থেকে ৭৫ সে.মি।
- সাধারণত অন্যান্য এলাকার তুলনায় সমুদ্র উপকূলে বৃষ্টিপাতের হার বেশি।
- বৃষ্টিপাত অধিক বলে এখানে শীতকালীন বৃক্ষ যেমন- জলপাই, কর্ক, তুঁত, নিম, পাইন গাছের উৎপত্তি লক্ষ্যণীয়। কম বৃষ্টি হয় এমন স্থানে ঝোপঝাড় জন্মে।
- প্রকৃতপক্ষে ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু স্বাস্থ্যকর ও আরামদায়ক।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৩৫.
রামসাগর নামীয় দীঘি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) নীলফামারী
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
রামসাগর দীঘি দিনাজপুরে অবস্থিত। 
- বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন সমূহের মধ্যে দিনাজপুরের রামসাগর অন্যতম।
- দিনাজপুরের বিখ্যাত রাজা রামনাথ আলীবর্দীখানের সময়ে ১৭৫০থেকে ১৭৫৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে দীঘিটি খনন করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
৫,৫৩৬.
সাম্প্রতিক বাংলাদেশে কোথায় ভূগর্ভে তেলের সন্ধান মিলেছে?
  1. সিলেটে জকিগঞ্জ উপজেলায়
  2. সিলেট সদর উপজেলায়
  3. সিলেটে গোয়াইনঘাট উপজেলায়
  4. ওসমানী নগর উপজেলায়
সঠিক উত্তর:
সিলেটে গোয়াইনঘাট উপজেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেটে গোয়াইনঘাট উপজেলায়
ব্যাখ্যা
সিলেট তেলের সন্ধান:
সাম্প্রতিক বাংলাদেশে সিলেটে গোয়াইনঘাট উপজেলায় ভূগর্ভে তেলের সন্ধান মিলে।

- সিলেট তামাবিল-জাফলং মহাসড়কের পাশে গোয়াইনঘাট উপজেলার আলীরগাঁও ইউনিয়নের বাঘের সড়ক এলাকায় অবস্থিত এই অনুসন্ধান কূপে দুই মাস আগে খননকাজ শুরু করে সরকারি প্রতিষ্ঠান সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড কোম্পানি। 
- বাংলাদেশে ৩৭ বছর পর আবারও ভূগর্ভে তেলের সন্ধান মিলেছে।
- সিলেটে একটি গ্যাসক্ষেত্রে কূপ খননের সময় সেখানে তেল পাওয়া যায়। ৮ই ডিসেম্বর তেলের উপস্থিতি মিলেছে।
- ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩ বিষয়টি জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।

⇒ উল্লেখ্য,
- ১৪ নভেম্বর, ২০২৩ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কূপটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
- এখান থেকে পরীক্ষামূলকভাবে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫ ব্যারেল (১৫৯ লিটার) তেলের প্রবাহ পাওয়া গেছে।
- এই কূপ থেকে দৈনিক ৫০০ থেকে ৬০০ ব্যারেল হারে তেল পাওয়া যাবে।
- এ গ্যাস ও তেলের আর্থিক মূল্য প্রায় ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- এছাড়া ওই কূপের তিনটি স্তরে নতুন গ্যাসের সন্ধানও পাওয়া গেছে।
- এ কূপে জ্বালানির মোট ৪টি স্তরের সন্ধান পাওয়া গেছে। 
- আশা করা যাচ্ছে, আগামী ২০ বছর এখান থেকে সুফল পাওয়া যাবে।
- এর আগে ১৯৮৬ সালে দেশে প্রথম তেলের সন্ধান পাওয়া যায় সিলেটের হরিপুরে। এটি পাঁচ বছর স্থায়ী হয়েছিল।

উৎস: Live MCQ সালতামামি ২০২৩।
৫,৫৩৭.
নিরক্ষরেখা অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. মূল মধ্যরেখা
  2. ট্রপিক অক ক্যাপ্রিকর্ন
  3. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
  4. বিষুবরেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
ব্যাখ্যা
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে থাকা কাল্পনিক রেখা নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বা নিরক্ষবৃত্ত রেখা নামে পরিচিত। এর মান শূন্য ডিগ্রি।
অন্যদিকে,
- মূল মধ্যরেখা হলো শূন্য ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা
- ট্রপিক অব ক্যাপ্রিকর্ন হলো সাড়ে তেইশ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষরেখা
- ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা হিসেবে গণ্য করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৫৩৮.
'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক' (২০১৫-২০৩০) এর অধীনে ২০৩০ সালের মধ্যে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের জন্য কতটি বৈশ্বিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. চারটি
  2. পাঁচটি
  3. ছয়টি
  4. সাতটি
সঠিক উত্তর:
সাতটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতটি
ব্যাখ্যা

সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:
- ১৪-১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-৩০ গৃহীত হয়।
- 'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক' (২০১৫-২০৩০) ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

• সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।

উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট।

৫,৫৩৯.
কালবৈশাখি ঝড় সাধারণত কখন সংঘটিত হয়?
  1. জানুয়ারি-ফ্রেবুয়ারি
  2. এপ্রিল-মে
  3. জুন-জুলাই
  4. সেপ্টেম্বর-অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল-মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল-মে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সাধারণত এপ্রিল-মে বা বৈশাখ-জ্যেষ্ঠ মাসে গ্রীষ্মঋতুর সময়ে ‘কালবৈশাখী ঝড়’ সংঘটিত হয়।

এই সময়ে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা শীতল ও শুষ্ক বায়ুর সংঘর্ষে ‘কালবৈশাখী ঝড়’ সংঘটিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৫,৫৪০.
নিচের কোনটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি?
  1. মধ্যভাগের মধুপুর 
  2. ভাওয়ালের গড়
  3. সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ
  4. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
সঠিক উত্তর:
সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ
ব্যাখ্যা

- সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• ভূ-প্রকৃতি:

- ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ,
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি,


• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা- (ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও (খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।


প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভ, মি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভ, মি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত।
- স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- এদের মধ্যে চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৫৪১.
The South Pole of the Earth is located in
  1. ক) Norway
  2. খ) Pacific Ocean 
  3. গ) Arctic Ocean 
  4. ঘ) Antarctica
সঠিক উত্তর:
ঘ) Antarctica
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Antarctica
ব্যাখ্যা
South Pole, southern end of the Earth’s axis, lying in Antarctica.

Source: britannica.com
৫,৫৪২.
নিচের কোন দেশটি পলিনেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ফিজি
  2. টোঙ্গা
  3. পাপুয়া নিউগিনি
  4. সলোমন দ্বীপপুঞ্জ
সঠিক উত্তর:
টোঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টোঙ্গা
ব্যাখ্যা

পলিনেশিয়া:
- মধ্য ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ১০০০টিরও বেশি দ্বীপ নিয়ে পলিনেশিয়া অঞ্চল গঠিত।
- এটিকে বৃহত্তর ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি উপ-অঞ্চল হিসেবে গণ্য করা হয়।
- পলিনেশিয়ার আদি অধিবাসীদেরকে 'পলিনেশীয়' বলা হয়।
- নিউজিল্যান্ড পলিনেশিয়ার বৃহত্তম দেশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জটিকেও পলিনেশিয়ার অন্তর্গত করা হয়; এটি পলিনেশিয়া ত্রিভুজের উত্তর শীর্ষবিন্দুটি গঠন করেছে।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নিউজিল্যান্ড, টোঙ্গা, সামোয়া, টুভালু, হাওয়াই (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য), ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া, কুক দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি। 

অন্যদিকে,
- ফিজি, পাপুয়া নিউগিনি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ মেলানেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: World Atlas.

৫,৫৪৩.
দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও এদের জলবায়ু ভিন্নতার কারণ কী?
  1. সমুদ্র থেকে দূরত্বের তারতম্য
  2. বায়ুপ্রবাহে ভিন্নতা
  3. উচ্চতার তারতম্য
  4. বনভূমির অবস্থানের তারতম্য
সঠিক উত্তর:
উচ্চতার তারতম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চতার তারতম্য
ব্যাখ্যা
• উচ্চতা (Altitude):
- সমুদ্র সমতল থেকে যতই উপরে ওঠা যায়, উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা ততই হ্রাস পায়।
- সাধারণত প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় প্রায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
- এ উচ্চতার পার্থক্যের কারণে দুই জায়গা একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও একটি অপরটির চেয়ে ভিন্ন জলবায়ু ধারণ করে।
- যেমন- দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতার তারতম্যের জন্য এদের জলবায়ু ভিন্ন রকম।
- উচ্চতা বেশি হওয়াতে শিলং-এ দিনাজপুরের চেয়ে তাপমাত্রা কম হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫৪৪.
বাংলাদেশের আয়তনের কত শতাংশ এলাকা জুড়ে বনভূমি অবস্থিত?
  1. ক) ১০%
  2. খ) ১৩%
  3. গ) ১৭%
  4. ঘ) ২৩%
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আয়তনের ১৭% এলাকা জুড়ে বনভূমি অবস্থিত।
বন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষ ৭৬ হাজার হেক্টর যা দেশের আয়তনের প্রায় ১০.৭%।
বর্তমানে দেশের মোট আয়তনের মোট ১৩.২৮% এলাকা বৃক্ষাচ্ছাদিত।
উৎসঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়
৫,৫৪৫.
বাংলাদেশের যে জেলায় সবচেয়ে বেশি চর রয়েছে -
  1. ক) লক্ষীপুর
  2. খ) নোয়াখালী
  3. গ) ভোলা
  4. ঘ) কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভোলা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চর রয়েছে ভোলা জেলায় (দ্বীপ জেলা)।
- চরফ্যাশন,
- চর নিজামউদ্দিন,
- চর বোরহানউদ্দিন
- চর কুকরী মুকরী,
- ঢালচর,
- লতার চর ও
- চর নিজাম সহ অসংখ্য চর।

বিভিন্ন জেলার চর:

• লক্ষীপুর জেলার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি চর:
- চর আলেকজান্ডার,
- চর গজারিয়া,
- তেলিয়ার চর,
- চরশাহী,
- চর আবদুল্যাহ,
- চর আবাবিল ইত্যাদি।

• নোয়াখালী জেলার কয়েকটি চর:
- ভাসানচর,
- সুবর্ণ চর,  
- চর মটুয়া,
- চর জববর, 
- চর ওয়াপদা, 
- চরজুবলী ইত্যাদি।

• কুড়িগ্রাম জেলার চরাঞ্চল:
 - চর রাজিবপুর।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর ওয়েবসাইট।
৫,৫৪৬.
জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলার সূর্যের চারপাশে গ্রহগুলোর গতি সম্পর্কিত কতটি মৌলিক সূত্র উপস্থাপন করেন?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
• কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়। যথা

• প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
• দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):
- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
• তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র):
- সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং LIVE MCQ লেকচার।
৫,৫৪৭.
'আবু মুসা দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) পারস্য উপসাগরে
  2. খ) আরব সাগরে
  3. গ) বঙ্গোপসাগরে
  4. ঘ) ক্যারিবিয়ান সাগরে
সঠিক উত্তর:
ক) পারস্য উপসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পারস্য উপসাগরে
ব্যাখ্যা
• 'আবু মুসা দ্বীপ':
- 'আবু মুসা দ্বীপ' অবস্থিত পারস্য উপসাগরে
- এটি ইরানের সিরি দ্বীপ থেকে ৩১ মাইল পূর্বে, বান্দার-ই লেঙ্গেহ ইরানের মূল ভূখণ্ডের বন্দর থেকে প্রায় ৪২ মাইল দক্ষিণে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে ৪০ মাইল পূর্বে অবস্থিত।
- এই দ্বীপে বেশ কয়েকটি মিঠা পানির কূপ রয়েছে 
- এই দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে। 
- বর্তমানে দ্বীপটি ইরানের দখলে রয়েছে।

উৎস ব্রিটানিকা ডট কম।
৫,৫৪৮.
সুন্দরবনে বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় -
  1. পাগ-মার্ক
  2. ফুটমার্ক
  3. GIS
  4. কোয়ার্ডবেট
সঠিক উত্তর:
পাগ-মার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাগ-মার্ক
ব্যাখ্যা
সুন্দরবনের বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় পাগ-মার্ক।

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- সুন্দরবনের বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় পাগ-মার্ক।
- সুন্দরবনে কয়েকটি পদ্ধতিতে এ পর্যন্ত বাঘ গণনা করা হয়েছে।
- তবে সর্বশেষ পদ্ধতিটি ছিল ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতি।
- পাগ-মার্ক বা পায়ের ছাপ পদ্ধতিতে বাঘ গণনা করা হলেও, সেই পদ্ধতিতে ভুলভ্রান্তি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হতো।
- ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতিতে এখন প্রায় সব দেশ অনুসরণ করে থাকে।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
         ii) ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বিবিসি বাংলা।
৫,৫৪৯.
নিচের কোন শহরটি দুটি মহাদেশে পড়েছে?
  1. ক) দোনেৎস্ক
  2. খ) দনবাস
  3. গ) ওরেনবার্গ
  4. ঘ) লুহান্সক
সঠিক উত্তর:
গ) ওরেনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওরেনবার্গ
ব্যাখ্যা

- রাশিয়া ও তুরস্ক দেশ দুটি এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশে পড়েছে।
- রাশিয়ার ওরেনবার্গ নগরটি উভয় মহাদেশে পড়েছে।
- তুরস্কের ইস্তাম্বুল ও কানাককালে নগর দুটিও উভয় মহাদেশে পড়েছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৫,৫৫০.
কোনটি ভারত ও পাকিস্তানের সীমারেখা নির্দেশ করে?
  1. ডুরান্ড লাইন
  2. ম্যানারহেইম লাইন
  3. ম্যাকমোহন লাইন
  4. র‍্যাডক্লিফ লাইন
সঠিক উত্তর:
র‍্যাডক্লিফ লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাডক্লিফ লাইন
ব্যাখ্যা
র‍্যাডক্লিফ লাইন:
- ১৯৪৭ সালের ৩রা জুন মাউন্টব্যাটেন তার ভারত বিভাগ পরিকল্পনা প্রকাশের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণের জন্যে ব্রিটিশ সরকার স্যার সিরিল জন র‍্যাডক্লিফকে চেয়ারম্যান করে র‍্যাডক্লিফ কমিশন গঠন করে।
- এই কমিশনের অধীন বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন ও পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে র‍্যাডক্লিফ রোয়েদাদ প্রকাশ করা হয়।
- এর ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়।
- ভারত-পাকিস্তানের সীমানাকে র‍্যাডক্লিফ লাইন বলা হয়।

অন্যদিকে -
- ম্যাকমোহন লাইন হলো চীন ও ভারতের মধ্যে কার্যকরী সীমানা।
- ম্যানারহেইম লাইন হলো ফিনল্যান্ড ও রাশিয়াকে বিভক্ত করেছে।
- ডুরান্ড লাইন আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত একটি সীমান্ত রেখা বা লাইন।

উৎস: Britannica.
৫,৫৫১.
মৌসুমি জলবায়ুতে বায়ুপ্রবাহ কোন সূত্র অনুযায়ী হয়?
  1. ওয়েবারের তত্ত
  2. ফেরেলের সূত্র
  3. কোপেনের থিওরি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ফেরেলের সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরেলের সূত্র
ব্যাখ্যা
মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য: 
- মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অধিক গরম ও শীতকালে শীত পড়ে।
- জুলাই মাস সবচেয়ে বেশি গরম ও জানুয়ারি মাসে বেশি শীত পড়ে।
- গ্রীষ্মকাল আর্দ্র ও শীতকাল শুষ্ক এই জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা গড়ে ২৭° সে. এর বেশি থাকে এবং শীতকালীন গড় তাপমাত্রা ১০ সে. থেকে ২২° সে. এর মধ্যে থাকে।
- শীত ও গ্রীষ্মে তাপমাত্রার পার্থক্য ৫০ সে. থেকে ১০০ সে. হয়।
- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়।
- দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ বলয় থেকে আসা দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু এশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যায়।
- এই বায়ুকেই বলা হয় উত্তর গোলার্ধের মৌসুমি বায়ু।
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়।
- কারণ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৫২.
”ইংলিশ চ্যানেল” কোন দুটি দেশকে পৃথক করেছে? 
  1. গ্রিনল্যান্ড– কানাডা
  2. ফ্রান্স – ব্রিটেন
  3. আয়ারল্যান্ড -পোল্যান্ড
  4. পোল্যান্ড-ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স – ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স – ব্রিটেন
ব্যাখ্যা

ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি চ্যানেল।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি প্রায় ৫৬৩ কিমি (৩৫০ মাইল) দীর্ঘ এবং এর প্রস্থে ২৪০ কিমি (১৫০ মাইল)।
- ডোভার প্রণালী হলো এই চ্যানেলের সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ।
- পূর্বদিকে এর বিস্তার কমে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার হয়ে যায় এবং সেখানে এটি ডোভার প্রণালীর মাধ্যমে উত্তর সাগরের সাথে সংযুক্ত।
- ইংলিশ চ্যানেলের প্রধান দ্বীপগুলির মধ্যে আছে আইল অভ ওয়াইট এবং চ্যানেল দ্বীপপুঞ্জ।

উৎস: Britannica.

৫,৫৫৩.
Keane Bridge is located in __________.
  1. ক) Bogra
  2. খ) Mymensingh
  3. গ) Khulna
  4. ঘ) Sylhet
সঠিক উত্তর:
ঘ) Sylhet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Sylhet
ব্যাখ্যা
ক্বীন ব্রীজ:
- সিলেট শহরের কেন্দ্রস্থলে ক্বীন ব্রীজটি অবস্থিত। এর এক দিকে দক্ষিণ সুরমা ও অপর দিকে বন্দর বাজার।
- এই ব্রীজটি সিলেট শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সুরমা নদীর উপর অবস্থিত, এবং বাংলাদেশের রাজধানী, ঢাকা শহর থেকে ২৪৬ কিলোমিটার (১৫৩ মা) উত্তরপূর্ব দিকে অবস্থিত।
- সুরমা নদীর উপর অবস্থিত কীন ব্রিজ সিলেটের প্রবেশদ্বার হিসেবেই পরিচিত। এক সময় এ ব্রিজটি সিলেটেরই অন্য পরিচয় হয়ে উঠেছিলো।
- ১৯৩৬ সালে আসামের শিক্ষামন্ত্রী খান বাহাদুর আবদুল হামিদ এবং আসামের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্য বাবু প্রমোদ চন্দ্র দত্তের উদ্যোগে ব্রিজটি তেরি হয়। - - ব্রিজটি উদ্বোধন করেন আসামের তৎকালীন গভর্নর মাইকেল কীন।
- তার নামেই ব্রিজের নামকরণ করা হয়। তবে ব্রিজটি সুরমা ব্রিজ নামেও ব্যাপক পরিচিত।
- স্টিলের তৈরী এই ব্রিজটি দৈর্ঘ্যে ৩৯৫ মিটার এবং প্রস্থে ৫.৫০ মিটার।

তথ্যসূত্রঃ www.sylhet.gov.bd
৫,৫৫৪.
নিচের কোন জেলায় শালবনের বিস্তৃতি রয়েছে?
  1. নেত্রকোনা
  2. গোপালগঞ্জ
  3. গাজীপুর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। শীতকালে এই বনভূমির গাছের পাতা ঝড়ে যায়। শালবনের প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারি।

গাজীপুর জেলার ভাওয়াল গড়, টাঙ্গাইলের জেলার মধুপুর, ময়মনসিংহ, শেরপুর, দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলা জুড়ে শালবন বিস্তৃত। শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২০ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৫,৫৫৫.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে বাতিঘর আছে?
  1. ক) নিঝুম
  2. খ) হাতিয়া
  3. গ) কুতুবদিয়া
  4. ঘ) সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
গ) কুতুবদিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুতুবদিয়া
ব্যাখ্যা

কুতুবদিয়া বাতিঘর

১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার জাহাজ চলাচলের উপযোগী করে চট্টগ্রাম নৌবন্দর গড়ে তোলে। প্রাথমিকভাবে দুটি অস্থায়ী জেটি তৈরি করা হয়েছিল। এরও বহ আগে থেকে চট্টগ্রামে জাহাজ চলাচল করতো। এই কারণে ব্রিটিশদের চট্টগ্রাম নৌবন্দর উন্নয়নের বেশ আগে থেকে কুতুবদিয়ায় বাতি ঘর তৈরি করা হয়েছিল।

বর্তমান বাতিঘর
১৮২২ খ্রিষ্টাব্দে কর্ণফুলি নদীর মোহনার ৪০ মাইল দূরে কুতুবদিয়াতে এই বাতিঘরটি নির্মাণ করা হয়। ক্যাপ্টেন হেয়ার-এর পরিচালনায় এবং ইঞ্জিনিয়র জে,এইচ,টুগুড -এর নকশায় এই বাতিঘর নির্মাণ করা হয়। ১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দে এই বাতিঘরটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। সেই সময়ে এর নির্মাণ ব্যয় ছিল ৪৪২৮ টাকা।
পাকিস্তান আমলে এই টাওয়ারটি নতুন করে নির্মাণ করা লৌহ কাঠামোর উপর। এই টাওয়ারের প্রাচীন আলোক-উৎপাদন প্রক্রিয়া বাতিল করে আধুনিক পদ্ধতি চালু করা হয়। পরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পাকিস্তান আমলেই এই বাতিঘরটি অকেজো হয়ে পড়েছিল। পরে ক্রমাগত সমুদ্রের ভাঙ্গনের মুখে এই বাতিঘরটি বিলীন হয়ে যায়।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কুতুবদিয়ার দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নে একটি নতুন বাতিঘর নির্মিত হয়েছে ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে। এই বাতিঘরটি তৈরি করা হয়েছে ইস্পাতের কৌণিক দণ্ড ব্যবহার করে। ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দের ঘূর্ণিঝড়ে একমাত্র ওয়্যারলেস যন্ত্রটি নষ্ট হয়ে গেছে।

বর্তমানে ডিজেল চালিত জেনারেটরের মাধ্যমে ১৫টি ব্যাটারিতে চার্জ করা হয়। এবং ওই ব্যাটারির মাধ্যমে বাতিঘরে আলো জ্বালনো হয়।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

৫,৫৫৬.
ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর তীরে কোন সভ্যতা গড়ে উঠে?
  1. ক) মিশরীয়
  2. খ) মেসােপটেমীয়
  3. গ) সিন্ধু
  4. ঘ) গ্রীক
সঠিক উত্তর:
খ) মেসােপটেমীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেসােপটেমীয়
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মেসােপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠে ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) নদীর তীরে।
• মেসোপটেমীয় কথাটি দ্বারা বুঝায় দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
• সুপ্রাচীন মেসোপটেমিয়া বর্তমান সময়ের যে অঞ্চলে ইরাক ও সিরিয়া আছে এই অঞ্চলে অবস্থিত এবং এই এলাকাকে সভ্যতার আঁতুরঘর হিসেবে ধরা হয়।
• মেসােপটেমীয় সভ্যতারই চারটি পর্ব ছিল।
• সেগুলাে হলাে সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাশিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা।
• মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠে নীল নদের তীরে।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
৫,৫৫৭.
নিম্নের কোনটি আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. স্ফটিকার গঠনবিশিষ্ট
  2. কঠিন ও কম ভঙ্গুর
  3. শুধুমাত্র সমুদ্রতলে গঠিত
  4. জীবাশ্ম দেখা যায় না
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র সমুদ্রতলে গঠিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র সমুদ্রতলে গঠিত
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য নয় - শুধুমাত্র সমুদ্রতলে গঠিত। 

আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks):
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিন্ড ছিল।
- এই গ্যাসপিন্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয় তাই এই শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলে।
- এ শিলায় কোনো স্তর নেই। তাই আগ্নেয় শিলার অপর নাম অন্তরীভূত শিলা। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই।

- আগ্নেয় শিলা শিলার বৈশিষ্ট্য হলো-
(ক) স্ফটিকার,
(খ) অন্তরীভূত,
(গ) কঠিন ও কম ভঙ্গুর,
(ঘ) জীবাশ্ম দেখা যায় না এবং
(ঙ) অপেক্ষাকৃত ভারী।

- আগ্নেয়গিরি বা ভূমিকম্পের ফলে অনেক সময় ভূত্বকের দুর্বল অংশে ফাটলের সৃষ্টি হয়। তখন পৃথিবীর অভ্যন্তর থেকে উত্তপ্ত গলিত লাভা নির্গত হয়ে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। এভাবে ব্যাসল্ট ও গ্রানাইট শিলার সৃষ্টি হয়।

- আগ্নেয় শিলাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা ও
(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা।

(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা (Extrusive Igneous Rocks): ভূগর্ভের উত্তপ্ত তরল পদার্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা অন্য কোনো কারণে বেরিয়ে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে বহিঃজ আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়, এদের দানা খুব সূক্ষ্ম, রং গাঢ়। এই শিলার উদাহরণ হলো ব্যাসন্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি।

(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা (Intrusive Igneous Rocks): উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূগর্ভে জমাট বাঁধলে তৈরি হয় অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা। এর দানাগুলো স্কুল ও হালকা রঙের হয়। গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫৫৮.
নিচের কোন দেশটিতে স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই?
  1. মাল্টা
  2. মালদ্বীপ
  3. কুয়েত
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• নদী বিহীন দেশ:
- কিছু দেশ এত ছোট যে সেখানে নদী থাকার জায়গাই নেই।
- অনেক ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র, শহর-রাষ্ট্র, অথবা যে-সব দেশে শুধুমাত্র মৌসুমি পানি প্রবাহ ঘটে।
- যা প্রকৃতপক্ষে স্থায়ী নদী হিসেবে বিবেচিত হয় না।
- এই মানদণ্ড অনুযায়ী, বিশ্বে মোট ১৯টি দেশ রয়েছে যেগুলোর মধ্যে কোনো স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই।

→ দেশগুলো হলো যথা:
- কোমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত,ইয়েমেন,মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি,  কিরিবাটি, নাউরু,  টোঙ্গা, টুভ্যুলু।

উৎস: World Atlas. [Link]
৫,৫৫৯.
আরব সাগরের তীরবর্তী দেশ নয় কোনটি?
  1. ক) পাকিস্তান
  2. খ) ভারত
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) কিরগিজস্তান
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিরগিজস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিরগিজস্তান
ব্যাখ্যা
আরব সাগর: 
- ভারত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশ প্রায় 1,491,000 বর্গ মাইল (3,862,000 বর্গ কিমি) এলাকা জুড়ে অবস্থিত।
- তীরবর্তী দেশসমূহ: ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ওমান, ইয়েমেন ও সোমালিয়া।
- উত্তরে ওমান উপসাগর হরমুজ প্রণালী হয়ে আরব সাগরকে পারস্য উপসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
- পশ্চিমে এডেন উপসাগর এটিকে বাব এল-মান্দেব প্রণালীর মাধ্যমে লোহিত সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
- গড় গভীরতা প্রায় 8,970 ফুট (2,734 মিটার)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৫৬০.
নিম্নলিখিত কোনটি প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টিকারী জলবায়ুগত উপাদানগুলোর মধ্যে পড়ে?
  1. মাটির লবণাক্ততা
  2. বন্যা বা জলাবদ্ধতা 
  3. মাটিতে বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি
  4. বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতি
সঠিক উত্তর:
বন্যা বা জলাবদ্ধতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যা বা জলাবদ্ধতা 
ব্যাখ্যা

• প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টিকারী জলবায়ুগত উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে-
- বন্যা বা জলাবদ্ধতা।
- অনাবৃষ্টি বা খরা।
- উচ্চতাপ।
- নিম্নতাপ।

• আর পরিবেশগত উপাদানের মধ্যে রয়েছে-
- মাটির লবণাক্ততা।
- মাটিতে বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি।
- বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৫,৫৬১.
যে সকল জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদেরকে কী বলে?
  1. গ্রহ
  2. উপগ্রহ
  3. নক্ষত্র
  4. চাঁদ
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ ও ভূ-মন্ডল:
⇒মহাবিশ্বের মহাকাশে গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, নীহারিকা, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ও উল্কা ইত্যাদিকে জ্যোতিষ্ক বলে।
-যে সকল জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদেরকে নক্ষত্র বলে। যেমন সূর্য।
-আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে। যেমন-পৃথিবী, সূর্যের আলোতে আলোকিত হয়।
- গ্রহসমূহের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান নিজস্ব আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে উপগ্রহ বলে। যেমন- চাঁদ, পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
- মহাকাশে কখনও কখনও কোন জ্যোতিষ্ক কিছু দিনের জন্য দেখা যায় আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। এসব জ্যোতিষ্ক কে ধূমকেতু বলে। যেমন- হ্যালির ধূমকেতু।
- সুদূর আকাশে স্বল্প আলোকিত মেঘের মত আস্তরণকে নীহারিকা বলে। এগুলো আসলে হালকা গ্যাসের অতিকায় পিণ্ড।
- একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।
- মেঘমুক্ত রাতের আকাশে কোটি কোটি নক্ষত্রকে উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত দীপ্তমান পথের মত দেখায় বলে একে ছায়াপথ বলে।
- মহাশূন্যের কোটি কোটি নক্ষত্র, ধূলিকণা ও বিশাল বাষ্পকুন্ডসহ নীহারিকার এক একটি দলকে বলা হয় গ্যালাক্সি।
- একটিমাত্র গ্যালাক্সিতেই প্রায় ত্রিশ হাজার কোটি নক্ষত্র রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন।
- বিজ্ঞানীরা বিশ্বভ্রহ্মান্ডে কয়েক হাজার কোটি গ্যালাক্সির আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৬২.
সুন্দরবনের অন্য নাম কী?
  1. গর্জনবন
  2. শালবন
  3. বাদাবন
  4. চিরসবুজ বন 
সঠিক উত্তর:
বাদাবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদাবন
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা দেশের আয়তনের ৪.২%, সমগ্র বনভূমির প্রায় ৪৪% এবং বন অধিদপ্তর  নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৩৮.১২%, এর মধ্যে ৬৯% স্থলভাগ ও ৩১% জলভাগ।
- এর অন্য নাম বাদাবন।
• সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- তন্মধ্যে খুলনা জেলাস্থ সুন্দরবনের আয়তন ২০৭২.২৪ বর্গ কিলোমিটার।
-  সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ইউনেস্কো ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট  এবং  বাংলাপিডিয়া।

৫,৫৬৩.
নিচের কোন দ্রব্যের ব্যবহার বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষয়কে প্রভাবিত করে?
  1. রেফ্রিজারেটর
  2. প্লাস্টিক
  3. ফোম
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণ:  
• বায়ুর মূল উপাদান হলো নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। 
• এছাড়া বায়ুতে সামান্য পরিমাণে কার্বন-ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড আছে।
• আরও আছে জলীয় বাষ্প ও ওজোন গ্যাস।
• বায়ুমণ্ডলের এই গৌণ গ্যাসগুলোকেই গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়।
♣♣
• প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এসব গ্যাস ছাড়াও মনুষ্য সৃষ্ট সিএফসি (ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন), এইচসিএফসি (হাইড্রো ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন), হ্যালন ইত্যাদিও গ্রিনহাউস গ্যাস।
 • এই গ্যাসগুলোর মধ্যে গত এক শতাব্দীতে বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই- অক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে শতকরা ২৫ ভাগ।
• একইভাবে নাইট্রাস অক্সাইডের পরিমাণ শতকরা ১৯ ভাগ; 
• এবং মিথেনের পরিমাণ ১০০ ভাগ বেড়েছে।
• যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ। এছাড়া অন্যান্য কারণও রয়েছে। 
♣♣
• আমরা যেসব দ্রব্য ব্যবহার করি, যেমন: রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, প্লাস্টিক, ফোম, এরোসল প্রভৃতির ফলেও বায়ুমণ্ডলে উৎপন্ন হচ্ছে এক ধরনের প্রিনহাউস গ্যাস (এইচসিএফসি)।
এই গ্যাসের কারণে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
• বায়ুমণ্ডলের তৃতীয় স্তর হচ্ছে ওজোন স্তর, যা ২০ কি. মি. পর্যন্ত বিস্তৃত।
• ওজোন দ্বার সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীর জীবজগতকে রক্ষা করে।
• ওজোন স্তর ক্ষয়ের কারণে ভূপৃষ্ঠে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব শতকরা পাঁচ ভাগ বৃদ্ধি পেরেছে।
• এটাও বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ার কারণ। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৫,৫৬৪.
গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জ পর্বত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) অ্যান্টার্কটিকা
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
- গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জ পর্বত অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জ কতগুলো মালভূমি ও নিচু পর্বতের সমন্বয়ে গঠিত। এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৩০০ মাইল।
- অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোসিয়াস্কো (২,২২৮ মিটার) এবং অস্ট্রেলিয়ান আল্পস গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্চ পর্বতের অংশ।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৫,৫৬৫.
পৃথিবীকে সমান দুই অংশে ভাগ করেছে কোন রেখা?
  1. ক) সমাক্ষ রেখা
  2. খ) নিরক্ষরেখা
  3. গ) মেরু রেখা
  4. ঘ) দ্রাঘিমা রেখা
সঠিক উত্তর:
খ) নিরক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয়েছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ায় এ রেখাও বৃত্তাকার।
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাবে ভাগ করেছে।
- এ রেখার উত্তরে পৃথিবীর অর্ধাংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণের অর্ধাংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়।
- এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি। এখানে দিন রাত সর্বত্র সমান।
- নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব স্থির করা হয়।

উৎসঃ ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৬৬.
বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মাণ করা দেশের প্রথম মান মন্দির কোথায় অবস্থিত?
  1. ভাঙ্গা, ফরিদপুর
  2. বোয়ালমার, ফরিদপুর
  3. সালথা, ফরিদপুর
  4. মধুখালী, ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু মান মন্দির:
- ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা ও কর্কটক্রান্তি রেখার ছেদবিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়।
- এই স্থানেই বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মাণ করা হবে দেশের প্রথম মান মন্দির।
- ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ‘একটি স্বপ্ন’ প্রবন্ধে মানমন্দির নির্মাণের কথা বলেন। 

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর।
৫,৫৬৭.
সুন্দা ট্রেঞ্চ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• সুন্দা ট্রেঞ্চ (Sunda Trench): 
- সুন্দা ট্রেঞ্চ, যা জাভা ট্রেঞ্চনামেও পরিচিত। 
- এটি পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র খাত।
- এটি ভারত মহাসাগরের গভীরতম স্থান। 
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ৩,২০০ কিলোমিটার (২,০০০ মাইল) লম্বা।
- এটি সুমাত্রা দ্বীপের পশ্চিম থেকে জাভা দ্বীপের দক্ষিণ দিয়ে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সর্বোচ্চ গভীরতা: ৭,৪৫০ মিটার (২৪,৪৪০ ফুট)
- গভীরতম পয়েন্ট: Sunda Deep বা Java Deep।

• গভীর তম স্থান: 
- প্রশান্ত মহাসাগর গভীরতম স্থান: মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।
- আটলান্টিক মহাসাগর গভীরতম স্থান: পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ।
- ভারত মহাসাগর গভীরতম স্থান: সুন্দা ট্রেঞ্চ।
- দক্ষিণ মহাসাগর গভীরতম স্থান: দক্ষিণ স্যান্ডউইচ ট্রেঞ্চ।
- ভূমধ্যসাগর গভীরতম স্থান: অফ কেপ ম্যাটাপান।
- ক্যারিবিয়ান সাগর গভীরতম স্থান: অফ কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বিএড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা ও USGS। 

৫,৫৬৮.
এশিয়া ও ইউরোপকে বিভক্তকারী পর্বতমালা -
  1. ক) অ্যাটলাস
  2. খ) কারাকোরাম
  3. গ) পিরিনিজ
  4. ঘ) ইউরাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরাল
ব্যাখ্যা
পর্বতমালা:
• এশিয়া ও ইউরোপের মাঝে ইউরাল পর্বত অবস্থিত।
- রাশিয়ায় অবস্থিত ইউরাল পর্বত এশিয়া ও ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- ইউরাল পর্বত দ্বারা রাশিয়া ইউরোপীয় ও এশীয় অংশে বিভক্ত।
- ইউরাল পর্বতের দৈর্ঘ্য প্রায় আড়াইহাজার কিলোমিটার

• অন্যদিকে,
- কারাকোরাম পর্বত অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ায়।
- পিরেনিজ পর্বত অবস্থিত স্পেন-ফ্রান্স সীমান্তে. 
- এটলাস পর্বতমালা মরক্কো ,আলজেরিয়া , এবংতিউনিসিয়ায় অবস্থিত। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৫,৫৬৯.
সূর্য অপেক্ষা পৃথিবীর উপর চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তি প্রায়-
  1. তিনগুণ
  2. দ্বিগুণ
  3. চারগুণ
  4. দশগুণ
সঠিক উত্তর:
দ্বিগুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিগুণ
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ ও মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব:
- এ মহাবিশ্বের যে কোনো পদার্থের আকর্ষণ শক্তি আছে।
- একটি বস্তু অন্য বস্তুকে আকর্ষণ করে।
- মহাবিশ্বের দুইটি বস্তুর মধ্যে পরস্পর আকর্ষণ শক্তিকে মহাকর্ষ শক্তি বা মহাকর্ষণ বলে।
- এই মহাকর্ষ শক্তির ফলে পৃথিবি সূর্যের চারদিকে এবং চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে।
- যে বস্তু যত বড় তার আকর্ষণ তত বেশি।
- কিন্তু দূরত্ব বৃদ্ধি পেলে আকর্ষণ শক্তি কমে যায়।
- পৃথিবী এবং এর নিকটতম যে কোনো বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণকে মাধ্যাকর্ষণ বলে।
- একে অভিকর্ষণ ও বলা হয়।
- সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা ২.৬০ কোটি গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব চন্দ্রের দূরত্ব থেকে অনেক বেশি।
- তাই পৃথিবীর উপর চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তি সূর্য অপেক্ষা প্রায় দ্বিগুণ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
৫,৫৭০.
প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ভাগ করা যায় না
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ বা চত্বরভূমি:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
- প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়।
- নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। 
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে মধুপুর ও ভাওয়ালের সোপানভূমি গঠিত।
- এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ৩০ মিটার। 
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত লালমাই পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন ৩৪ বর্গকিলোমিটার। এই পাহাড়ের গড় উচ্চতা ২১ মিটার। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৫৭১.
বাংলাদেশে 'অপারেশন সি-এঞ্জেল-২' সাংকেতিক নামে ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করে-
  1. ক) জাপান
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

- ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ড ভাবে আঘাত হানে।
- এই ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় মার্কিন সেনাবাহিনী পরিচালিত ত্রাণ কার্যক্রমের সাংকেতিক নাম 'অপারেশন সি-এঞ্জেল-২'।
- ২৯ এপ্রিল, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের সময় ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনী 'অপারেশন মান্না' সাংকেতিক নামে ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করে এবং এসময় বাংলাদেশে মার্কিন টাস্কফোর্স 'অপারেশন সি-এঞ্জেল' ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করে।
- 'অপারেশন মান্না' সাংকেতিক নামে বাংলাদেশে ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করে যুক্তরাজ্য।

৫,৫৭২.
গজলডোবা বাঁধ বাংলাদেশের কোন নদীর উজানে অবস্থিত?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. তিস্তা
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
ব্যাখ্যা

গজলডোবা বাঁধ:
- তিস্তা নদী বাংলাদেশের উত্তরাংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী।
- এই নদী হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারতের সিকিম, দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এই নদীর বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের অংশেই ব্যারেজ বা বাঁধ আছে।
- বাংলাদেশ অংশের তিস্তা নদীর বাঁধ রংপুর বিভাগের নীলফামারী জেলায়, নাম তিস্তা ব্যারেজ।
- ভারতে তিস্তা নদীর ওপর একাধিক বাঁধ আছে। তার মাঝে একটি হল জলপাইগুড়ি'র গজলডোবা বাঁধ।
- ভারত তিস্তা নদীর উজানে ১৯৯৮ সালে স্থাপন করে গজলডোবা বাঁধ।

অন্যদিকে,
-
ফারাক্কা ব্যারাজ এটি পদ্মা নদীর উজানে ভারতের গঙ্গায় নির্মিত একটি বড় বাঁধ।
- টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের মণিপুরে বরাক নদীর উপর নির্মিত বাঁধ।

উৎস: পত্রিকার রিপোর্টস।[লিঙ্ক]

৫,৫৭৩.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের কারণ নয়?
  1. আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত
  2. হিমাবাহ এর প্রভাব
  3. বৃষ্টিপাত
  4. ভূগর্ভস্থ বাষ্প
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্প:
• ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিকম্প বলে।
• ভূ-অভ্যন্তরস্থ শিলারাশিতে সঞ্চিত শক্তির আকস্মিক অবমুক্তির কারণে সৃষ্ট এই স্পন্দনের মাত্রা মৃদু কম্পন থেকে প্রচন্ড ঘূর্ণনের মধ্যে হতে পারে। তাই ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

• ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলো:
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।

• ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ:
- শিলাচ্যুতি,
- তাপ বিকিরণ,
- ভূগর্ভস্থ বাষ্প,
- ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস,
- হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৫,৫৭৪.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে অবস্থিত স্থান কোনটি?
  1. ক) জায়গীর জোত
  2. খ) ছেঁড়া দ্বীপ
  3. গ) মনাকষা
  4. ঘ) আখানইঠং
সঠিক উত্তর:
গ) মনাকষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মনাকষা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে- চাঁপাইনবাবগ­ঞ্জ(জেলা), শিবগঞ্জ(উপজেলা), মনাকাষা(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বে- বান্দরবান(জেলা), থানচি(উপজেলা), আখানইঠং(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে- কক্সবাজার(জেলা), টেকনাফ(উপজেলা), সেন্টমার্টিন(ইউনিয়ন), ছেঁড়া দ্বীপ(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে- পঞ্চগড়(জেলা), তেতুলিয়া(উপজেলা), বাংলাবান্ধা(ইউনিয়ন), জায়গীর জোত(স্থান)।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৫৭৫.
চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. সুন্দরবনের গেওয়া গাছের পাতা
  2. সুন্দরবনের গোলপাতা
  3. সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
  4. গর্জন, সেগুন ও চাপালিশ গাছের বাকল
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
ব্যাখ্যা
• চামড়া শিল্প:
- সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও -
বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে -
• কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিংক]
৫,৫৭৬.
কোন সংস্থা ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে নিয়মিত ভাবে মেঘচিত্র সরবরাহ করে আবহাওয়া অধিদপ্তরকে পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণে সহায়তা করে?
  1. ক) সিসিডিবি
  2. খ) স্পারসো
  3. গ) বিডিপিসি
  4. ঘ) পানি উন্নয়ন বোর্ড
সঠিক উত্তর:
খ) স্পারসো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্পারসো
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ এর পূর্বাভাস ও সতর্কীকরন এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের জন্য সরকারি পেশাভিত্তিক দপ্তর হিসেবে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর কাজ করে থাকে।
- পাশাপাশি মহাকাশ গবেষণার জন্য সরকারি আর একটি সংস্থা হচ্ছে স্পারসো ।
- স্পারসো ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে মেঘচিত্র সরবরাহ করে আবহাওয়া অধিদপ্তরকে পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণে সহায়তা করছে।

অন্যদিকে,
- পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্ৰ বন্যা সংক্রান্ত পূর্বাভাস দান ও প্রচারের ব্যবস্থা করে থাকে।
- সিসিডিবি - দুর্যোগ মোকাবেলায় বেসরকারি স্নগস্থা।
- বিডিপিসি (বাংলাদেশ দুর্যোগ প্রস্তুতি কেন্দ্র।

তথ্যসুত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫৭৭.
বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজেলা কোনটি?
  1. শ্যামনগর
  2. ঘাটাইল
  3. সাভার
  4. বরকল
সঠিক উত্তর:
শ্যামনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্যামনগর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সরকারি ওয়েবসাইটে বাগাইছড়ি ও শ্যামনগর উভয়কে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা হিসেবে দেখানো হয়েছে। 
 
রাঙামাটি জেলা ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে,
- বাঘাইছড়ি উপজেলা বাংলাদেশের পূর্ব দক্ষিণাংশের সর্ব উত্তরে সীমান্তবর্তী একটি উপজেলা। - রাঙামাটি জেলা সদর হতে এর দূরত্ব ১৪৬কি.মি.। 
- এটি আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা, যার আয়তন ৭০৩ বর্গমাইল। 
- এ উপজেলার উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, পূর্বে মিজোরাম রাজ্য, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা, দক্ষিণে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলা।
 
========================== 
 
অপরদিকে, সাতক্ষীরা জেলা ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে,
- শ্যামনগর উপজেলাটি বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরা জেলার অধীন একটি উপজেলা। 
- এর আয়তন ৪৮৩.১১ বর্গ কিঃমিঃ বা ১৮৬.৫২ বর্গমাইল (সুন্দরবন সহ ১৯৬৮.২৪ বর্গ কিঃমিঃ বা ৭৫৯.৯৪ বর্গ মাইল )।
- আবার সুন্দরবনকে যুক্ত করলে শ্যামনগর উপজেলাটি ১৯৬৮.২৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট, যার মূল ভূখন্ড ৪৮৩.১১ বর্গ কিলোমিটার এবং সুন্দরবন ১৪৮৫.১৩ বর্গ কিলোমিটার।
 
অর্থাৎ, মূল ভূখণ্ডের ভিত্তিতে বাঘাইছড়ি হলো সর্ববৃহৎ উপজেলা। 
অপশনে যদি বাঘাইছড়ি ও শ্যামনগর থাকে, তবে সঠিক উত্তর হবে বাঘাইছড়ি। আর যদি অপশনে শুধু শ্যামনগর থাকে, তবে সঠিক উত্তর হবে শ্যামনগর। 
 
উৎস: রাঙামাটি জেলা ওয়েবসাইট, সাতক্ষীরা জেলা ওয়েবসাইট।
৫,৫৭৮.
সুয়েজ খাল কোথায় অবস্থিত?
  1. মিশর
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা

• সুয়েজ খাল- 
- মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত সুয়েজ খাল মনুষ্য নির্মিত একটি কৃত্রিম খাল। 
- খালটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করে।
- ১৮৫৯ সালে শুরু হয়ে দশ বছর ধরে চলে এই খনন কাজ।
- ১৮৬৯ সালে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় এটি।
- মিশর ১৯৫৬ সালে সুয়েল খালকে জাতীয়করণ করে।

উৎস: Suez Canal Authority.

৫,৫৭৯.
নিচের কোনটি মৌসুমি বায়ুর প্রধান সৃষ্টির কারণ? 
  1. আহ্নিক গতি
  2. সমুদ্রস্রোত
  3. সূর্যের উত্তর আয়ন ও বায়ুচাপ
  4. নিয়ত বায়ুর প্রভাব
সঠিক উত্তর:
সূর্যের উত্তর আয়ন ও বায়ুচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যের উত্তর আয়ন ও বায়ুচাপ
ব্যাখ্যা

• মৌসুমি বায়ু এবং ঋতু পরিবর্তন:
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, তাকে মৌসুমি বায়ু বলে।
- শীত-গ্রীষ্মে ঋতুভেদে স্থলভাগ ও জলভাগের তাপের তারতম্য ঘটে ও সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়নের ফলে মৌসুমি বায়ু সৃষ্টি হয়।
- মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- এই তারতম্যের কারণে মৌসুমি বায়ু সৃষ্টি হয়, যা বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশে সর্বত্র মৌসুমি বায়ু দ্বারা বৃষ্টিপাত ঘটে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৫৮০.
প্রশান্ত মহাসাগরের সর্বাপেক্ষা গভীর খাতের নাম কী? 
  1. সুন্ডা খাত
  2. পোর্টোরিকো খাত
  3. মারিয়ানা খাত
  4. টাস্কারোরা
সঠিক উত্তর:
মারিয়ানা খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারিয়ানা খাত
ব্যাখ্যা
গভীর সমুদ্রখাত (Deep Oceanic Trench): 

• সমুদ্রের তলদেশে মাঝে মাঝে যে সুগভীর খাত থাকে সেগুলোকে গভীর সমুদ্র খাত বলে। 
• এদের গভীরতা সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৫,৪০০ মিটারের অধিক।
• আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে সমুদ্রখাত বেশি দেখতে পাওয়া যায়।
• মহাসাগরগুলোর মধ্যে প্রশান্তমহাসাগরে গভীর সমুদ্রখাতের সংখ্যা অধিক। 
• প্রশান্ত মহাসাগরের 'মারিয়ানা খাত (Mariana Trench)' পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা গভীর খাত।  
• এর গভীরতা ১০,৮৬০ মিটার  বা ১০.৮৬ কিলোমিটার বা ৫৯৪০ ফ্যাদম। (১ ফ্যাদম = প্রায় ৬ ফুট)।

- অপরদিকে,
• আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম খাতের মধ্যে অন্যতম হলো- পোর্টোরিকো খাত (৮,৫৩৮ মিটার)।
• ভারত মহাসাগরের সুন্ডা খাত (৭,৩০৩ মিটার) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৮১.
Irrawaddy কোন দেশের নদী?
  1. মিয়ানমার
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. নেপাল
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

- Irrawaddy River ইরাবদী নদী মিয়ানমারের (বার্মা) প্রধান নদী এবং দেশের দীর্ঘতম নদী।
- ইরাবতী নদীটি নমাই এবং মালি নদীর সঙ্গমস্থল দ্বারা গঠিত, যা উত্তর মায়ানমারের উঁচু এবং প্রত্যন্ত পাহাড়ের হিমবাহে উৎপন্ন হয়। 
- এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায়  ১,৩৫০ মাইল (২,১৭০ কিমি)।
- নদীটি সম্পূর্ণরূপে মায়ানমারের মধ্যে প্রবাহিত হয়।
- এটি উত্তর মিয়ানমারের কাচিন রাজ্যে হিমালয়ের কাছে মালি ও ন’মাই নদীর সঙ্গম থেকে উৎপন্ন হয়।
- এই নদী মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় অংশ দিয়ে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে অ্যান্ডামান সাগরে মিলিত হয়, যেখানে এটি একটি বিস্তৃত ডেল্টা গঠন করে।
- এটি মায়ানমারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,৫৮২.
আফ্রিকার কোন অঞ্চলে ’হর্ন অব আফ্রিকা’ অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলে
  2. পূর্ব আফ্রিকা অঞ্চলে
  3. পশ্চিম আফ্রিকা অঞ্চলে
  4. উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
পূর্ব আফ্রিকা অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব আফ্রিকা অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

হর্ণ অব আফ্রিকা:
- পূর্ব আফ্রিকা অঞ্চলের অংশ।
• অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ:
- ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া, জিবুতি।
- এই দেশগুলোর সংস্কৃতি ও ইতিহাস বহু বছর ধরে একে অপরের সাথে জড়িত।
- খরা প্রবণ, আধা-আবহাওয়াগত মরুভূমি, পাহাড় ও উপত্যকাসমৃদ্ধ অঞ্চল।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৫,৫৮৩.
নীল নদের উৎস কোনটি?
  1. আন্দিজ পর্বতমালা
  2. লেক ভিক্টোরিয়া
  3. মিনেসোটার হ্রদ
  4. ইথিওপিয়ার পবর্তমালা
সঠিক উত্তর:
লেক ভিক্টোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেক ভিক্টোরিয়া
ব্যাখ্যা
নীল নদ:

- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
৫,৫৮৪.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
i) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
ii) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

i) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার। তবে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে পাহাড়গুলোর উচ্চতা ক্রমশ বেশি। সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিন ডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার। এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং। এর উচ্চতা ১,২৩০ মিটার। এ অঞ্চলের পাহাড়সমূহ কৃষিকাজের জন্য উপযোগী নয়। তবে স্থানীয় অধিবাসীগণ সীমিত পরিসরে জুম পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে থাকেন ।

ii) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়। উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার। এ পার্বত্য অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ের ঢালে প্রচুর চা উৎপন্ন হয়। 

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৫৮৫.
দেশের দীর্ঘতম নদী -
  1. মেঘনা
  2. কুশিয়ারা
  3. সুরমা
  4. ইছামতি
সঠিক উত্তর:
ইছামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইছামতি
ব্যাখ্যা
ইছামতী নদী:
- জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের দীর্ঘতম নদী হচ্ছে ইছামতি।
- এর দৈর্ঘ্য ৩৩৪ কিলোমিটার।
- চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরা এই চারটি জেলার ১০টি উপজেলার ওপর দিয়ে নদীটি বয়ে গেছে।
- এটা একটি সীমান্তবর্তী নদী।
- এর উৎস ভারতে।
- নদীটি মিশেছে সাতক্ষীরার আরেক নদী রায়মঙ্গলে।
- এঁকেবেঁকে প্রবাহিত হওয়ার কারণে নদীটি এত দীর্ঘ হয়েছে। 
- চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদীর পাশাপাশি একই নামে আরও ৯টি নদী দেশের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- দেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদ ধনু। নদী রক্ষা কমিশন বলছে, এই নদের দৈর্ঘ্য ৩০৩ কিলোমিটার।
- পদ্মা নদীর উৎস ভারতে এবং নদীটি শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জে গিয়ে মেঘনায় মিশেছে। নদীটি ১২টি জেলার মধ্য দিয়ে গেছে। পদ্মার দৈর্ঘ্য ৩০০ কিলোমিটারের কাছাকাছি হবে।
- ৫২টি নদীর নাম বলা হয়েছে, যেগুলোর দৈর্ঘ্য ১০০ কিলোমিটারের বেশি।
- অন্যদিকে দেশে ১৫টি নদী আছে যাদের দৈর্ঘ্য ২০০ কিলোমিটারের বেশি।

উৎস: ২৬ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।
৫,৫৮৬.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলসেতু কোনটি?
  1. ক) ভৈরব সেতু
  2. খ) হার্ডিঞ্জ সেতু
  3. গ) ব্রহ্মপুত্র সেতু
  4. ঘ) তিস্তা সেতু
সঠিক উত্তর:
খ) হার্ডিঞ্জ সেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হার্ডিঞ্জ সেতু
ব্যাখ্যা
হার্ডিঞ্জ ব্রীজ পাবনা জেলার পাকশীর গোড়া থেকে শুরু হয়ে পদ্মার ওপর দিয়ে ওপারে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারার মাথায় গিয়ে ঠেকেছে। বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলসেতু হার্ডিঞ্জ ব্রীজ এর দৈর্ঘ্য ১.৮ কিমি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৫,৫৮৭.
'বসন্ত মহাবিষুব' বলা হয় কোন দিনটিকে?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
ব্যাখ্যা
মহাবিষুব:
- মহাবিষুব (Equinox) এমন একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা, যা বছরে দুইবার ঘটে।
- এই সময় পৃথিবীর নিরক্ষরেখার উপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়, ফলে দিনের দৈর্ঘ্য এবং রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- মহাবিষুবের দুটি দিন হলো ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর।
- ২১ মার্চ দিনটি 'বসন্ত মহাবিষুব' আর ২৩ সেপ্টেম্বর দিনটি 'শরৎ মহাবিষুব' নামে পরিচিত।
- পৃথিবী তার কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ এমন স্থানে ফিরে আসে, যেখানে সূর্যের কিরণ নিরক্ষরেখার উপর সরাসরি পড়ে।
- এই সময় দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় তা বিকিরণের মাধ্যমে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল এবং দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৫,৫৮৮.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে শৈলৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়?
  1. খুলনা
  2. সিলেট
  3. রংপুর
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
বৃষ্টিপাতের প্রকারভেদ:
-মোট ৪টি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বাকাশে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে বৃষ্টিপাত প্রধানত ৪টি ভাগে বিভক্ত।
এই ৪টি প্রকার হলো:
১. পরিচলন বৃষ্টিপাত 
২. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত 
৩. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত এবং 
৪. সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত।

শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত: 
-জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণি।
৫,৫৮৯.
কোরিয়া প্রণালির ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত
  2. জাপান সাগর এবং পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে
  3. জাপান ও কোরিয়াকে পৃথক করেছে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
কোরিয়া প্রণালি:
- কোরিয়া প্রণালী, উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।
- পূর্ব চীন সাগর থেকে জাপান সাগর (পূর্ব সাগর) পর্যন্ত কোরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণ উপকূল (উত্তর-পশ্চিম) এবং জাপানি দ্বীপ কিউশু এবং হনশু পর্যন্ত বিস্তৃত।
- 300 ফুট (90 মিটার) গভীর এই প্রণালীটি সুশিমা দ্বীপপুঞ্জ দ্বারা বিভক্ত।
- প্রণালিটি জাপান সাগর এবং পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
- পৃথক করেছে জাপান ও কোরিয়াকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৫৯০.
সুমেরুবৃত্তরেখার অক্ষাংশ কোনটি?
  1. ৬০° উত্তর
  2. ৬০° দক্ষিণ
  3. ৬৬.৫° উত্তর
  4. ৬৬.৫° দক্ষিণ
সঠিক উত্তর:
৬৬.৫° উত্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৬.৫° উত্তর
ব্যাখ্যা
সুমেরুবৃত্ত (Arctic Circle):
- ২১ শে জুন তারিখে সূর্য ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে (কর্কটক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- ঐ দিন উত্তর গোলার্ধে মেরুবিন্দু অর্থাৎ ৯০° উত্তর থেকে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে।
- এ জন্য ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে উত্তর মেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত নামে অভিহিত করা হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle):
- ২২ শে ডিসেম্বর তারিখে সূর্য ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখায় (মকরক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- উক্ত তারিখে দক্ষিণ মেরু বিন্দু অর্থ্যাৎ ৯০° দক্ষিণ থেকে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে।
- ফলে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle) নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৯১.
নিম্নের কোন রাজ্যটি ভারতের সেভেন সিস্টার্স-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অরুণাচল
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. মেঘালয়
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলাে হচ্ছে: অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া সর্বপ্রথম রাজ্যগুলোকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন।
- ১৯৭২ সালে এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- আসামের মাধ্যমে রাজ্যগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- আগে এসব রাজ্য ভারতের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

⇒ ভারতের সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যসমূহ ও রাজধানী -
১. আসাম - দিসপুর,
২. মিজোরাম - আইজল,
৩. অরুনাচল - ইটানগর,
৪. মেঘালয় - শীলং,
৫. ত্রিপুরা - আগরতলা,
৬. মণিপুর - ইম্ফল,
৭. নাগাল্যান্ড - কোহিমা।

অন্যদিকে,
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটি ভারতের সেভেন সিস্টার্স-এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট।
৫,৫৯২.
মহাকাশের কোন জ্যোতিষ্ককে 'Pillars of Creation' বলা হয়?
  1. নীহারিকা
  2. ছায়াপথ
  3. ধূমকেতু
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
নীহারিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীহারিকা
ব্যাখ্যা
নীহারিকা (Nebula):
- সৃষ্টি জগতের সকল উপাদানকে একত্রে মহাবিশ্ব বলা হয়।
- মহাকাশে বিরাজমান সকল নক্ষত্র, গ্রহ-উপগ্রহ, গ্যালাক্সি, ছায়াপথ, উল্কা, ধূমকেতু এবং জৈব ও অজৈব জগতের সকল মহাজাগতিক পদার্থসমূহকে ব্যাপক মহাবিশ্ব ও জ্যোতিষ্কমন্ডলী অর্থে 'জ্যোতিষ্ক' বলে। 

⇒ সনীহারিকা বা নেবুলা (Nebula) হলো ধুলা, হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও আয়নিত গ্যাসের আন্তর্মহাকাশীয় মেঘ।
- নীহারিকা হলো নক্ষত্রের জন্মস্থান।
- মহাকর্ষের টানে গ্যাসীয় কণাগুলো একত্র হয়ে ধীরে ধীরে নক্ষত্র গঠন করে।
- নীহারিকা প্রধানত গ্যাস, ধুলা ও প্লাজমা দ্বারা গঠিত।
- নীহারিকাগুলো মূলত অবস্থিত আন্ত নাক্ষত্রিক শূন্যস্থান বা interstellar medium (ISM)-এ।
- নীহারিকার মেঘস্তম্ভকে নক্ষত্র সৃষ্টির আধার হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- তাই নাসার বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন "Pillars of Creation"। 

⇒ পৃথিবী থেকে দূরত্বের কারণে ছোট দেখা গেলেও মূলত নীহারিকা অনেক বড়।
- এগুলো সাধারণত ০.১ আলোকবর্ষ থেকে শুরু করে অনেক বৃহৎ এলাকাজুড়ে অবস্থান করে।
- এখানে এক বছরে আলো যত পথ অতিক্রম করে তাকে ১ আলোকবর্ষ বলে।

⇒ এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে ছোটো নীহারিকা NGC 7027 মাত্র ০.১ আলোকবর্ষ।
- অন্যদিকে, আবিষ্কৃত সর্ববৃহৎ ট্যারান্টুলা নেবুলা প্রায় ১৮৬২ আলোকবর্ষ।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৯৩.
When was the Farakka dam opened?
  1. ক) 1973
  2. খ) 1974
  3. গ) 1975
  4. ঘ) 1976
সঠিক উত্তর:
গ) 1975
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 1975
ব্যাখ্যা
• ফারাক্কা বাঁধ:
- কলকাতা বন্দরের নাব্যতা ঠিক রাখা এবং ভাগীরথী ও গঙ্গা নদীর পানির প্রবাহ যাতে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে ১৯৬১ সালে ফারাক্কা ব্যারাজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় ভারত সরকার।
- বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত থেকে মাত্র ১৬.৫ কিলোমিটার দূরে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কা নামক স্থানে গঙ্গা নদীর উপর এই বাঁধ অবস্থিত।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।
- ১৯৬১ সালে গঙ্গা নদীর উপর ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় - ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয় ১৯৭৫ সালে

দৈনিক প্রথম আলো নিউজ।
৫,৫৯৪.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. ত্রাণ কার্যক্রম স্থগিত করা
  2. ত্রাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা
  3. পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা
  4. ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা
সঠিক উত্তর:
ত্রাণ কার্যক্রম স্থগিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রাণ কার্যক্রম স্থগিত করা
ব্যাখ্যা

- ত্রাণ কার্যক্রম স্থগিত করা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য নয়। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster Management):
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় পড়ে- যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম।
- সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের কার্যক্রমকে বোঝায়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য হলো তিনটি:
(ক) দুর্যোগের সময় জীবন, সম্পদ এবং পরিবেশের যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ পৌঁছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৫,৫৯৫.
সমুদ্রের অগভীর অঞ্চল থেকে সমুদ্রের তলদেশে ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে কী বলে?
  1. দ্বীপ
  2. মহাসাগরীয় খাত
  3. মহীঢাল
  4. মহীসোপান
সঠিক উত্তর:
মহীসোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহীসোপান
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের অগভীর অঞ্চল থেকে সমুদ্রের তলদেশে ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে - মহীসোপান বলে।

• মহীসোপান (Continental Shelf):
- মহাদেশসমূহের চতুর্দিকের স্থলভাগের কিছু অংশ ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে।
- এরূপ সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে সমুদ্রের তলদেশে ক্রমনি নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বা Continental Shelf বলে।
- এই অঞ্চলটি সমুদ্রের অগভীর অঞ্চল হিসাবেও পরিচিত।
- মহীসোপানের গড় সর্বোচ্চ গভীরতা ২০০ মিটার এবং মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- মহাদেশের উপকূল যদি বিস্তৃত সমভূমি হয়, তবে মহীসোপান অধিক প্রশস্ত হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৯৬.
সাম্প্রতিক সময়ে  বাংলাদেশে কোন দুর্যোগটি ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. টর্নেডো
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. জলোচ্ছাস
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ দুই ধরনের।
- যথা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং সাধারণত এর উপর মানুষের কোন হাত থাকে না।
- যেমন - বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।

মানবসৃষ্ট দুর্যোগ:
- মানুষের অসচেতনতা বা দূরদৃষ্টির অভাবে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় এবং যা মানুষের প্রাণহানি ঘটানোর পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়, তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলে।
- যেমন - যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনাঞ্চল ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ, মরুকরণ, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
- সম্প্রতি বাংলাদেশে ভূমিকম্পের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- ২০২০ সালে সিলেট অঞ্চলে বেশ কয়েকটি বড় আকারের ভূমিকম্প সংঘটি হয়।
- এই অঞ্চলটি ভূমিকম্পের উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়; অষ্টম শ্রেণীর বোর্ড বই ও প্রথম আলো রিপোর্ট।
৫,৫৯৭.
নিচের কোন দুর্যোগটির সাথে নদী বা সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলের কোন সম্পর্ক নেই?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. ভূমিকম্প
  3. বন্যা
  4. নদীভাঙ্গন
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প একটি ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগ যা মাটির নিচের টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার ফলে ঘটে এবং এর সাথে নদী বা সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলের সরাসরি সম্পর্ক নেই।

ভূমিকম্প:
- ভূপৃষ্ঠের যে গতিশীল অবস্থায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক ধ্বংস করতে সক্ষম তাকে ভূমিকম্প বলে।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা বা মাত্রা রিখটার স্কেলে পরিমাপ করা হয়।
- এর সর্বোচ্চ মাত্রা ৯।
- তবে ৬/৭ মাত্রার ভূমিকম্পেও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সাধিত হয়।
- ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহসহ বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলই এর ঝুঁকিতে আছে।
- অপরিকল্পিত ও ঘনবসতিপূর্ণ নগরী ঢাকাতে একটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পেই অসংখ্য প্রাণহানির আশংকা রয়েছে।

ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলো:
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত।
- এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।

ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ:
- শিলাচ্যুতি,
- তাপ বিকিরণ,
- ভূগর্ভস্থ বাষ্প,
- ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস,
- হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।
----------------
বন্যা (Flood):
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড় হলো একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষ ও প্রাণিজগতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত।
- ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে। গভীর সমুদ্রে উচ্চ তাপমাত্রার ফলে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়।

নদীভাঙ্গন:
- নদীভাঙ্গনের ফলে নদীর তীরবর্তী এলাকা নদীগর্ভে আন বিলীন হয়ে যায়।
- কোনো কারণে নদীর চলমান গতিপথ বাধাগ্রস্থ হলে নদীর পানির প্রবাহ তার গতিপথ পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়।
- এতে স্রোতের তোড়ে নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে ভাঙ্গন শুরু হয়। নদী ভাঙ্গনে বহু মানুষ স্থাবর সম্পদ হারিয়ে বাস্তুহারা হয়ে পড়ে।

উৎস:
- ভূগোল ও পরিবেশ- নবম -দশম শ্রেণি,
- ভূগোল ও পরিবেশ, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৯৮.
এশিয়ার কোন দেশটি স্থল বেষ্টিত?
  1. মায়ানমার
  2. উজবেকিস্তান
  3. ভিয়েতনাম
  4. তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
উজবেকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উজবেকিস্তান
ব্যাখ্যা
এশিয়ার স্থল বেষ্টিত দেশসমূহ:
- এশিয়ার মোট ১২ টি দেশ স্থল বেষ্টিত। স্থল বেষ্টিত দেশগুলো হচ্ছে -
- আফগানিস্তান।
- আর্মেনিয়া।
- আজারবাইজান।
- ভূটান।
- কাজাখস্তান।
- কিরগিস্তান।
- লাওস।
- মঙ্গোলিয়া।
- তাজিকিস্তান।
- তুর্কেমিনিস্তান।
- উজবেকিস্তান।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৫,৫৯৯.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে -
  1. বাংলাদেশের নদ-নদীর পানি কমে যাবে
  2. বাংলাদেশের বৃষ্টিপাত কমে যাবে
  3. বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে
  4. বাংলাদেশের উত্তাপ কমে যাবে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে
ব্যাখ্যা
সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন:

- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে বাংলাদেশের সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, মিশর, ভিয়েতনাম, ফিজি, কিরিবাতি, টুভ্যালু প্রভৃতি দেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
- এছাড়া কৃষি জমি লবণাক্ত হয়ে উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পাবে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬০০.
বাংলাদেশে ভূমিকম্পন প্রবণ অঞ্চলকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৩ টি
  2. ৪টি
  3. ৫ টি
  4. ২ টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূমিকম্প অঞ্চল:
- বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড (BNBC) ২০২০ এ,
- দেশকে চারটি ভূমিকম্প অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে, যেখানে মাটির গতিবিধি বিভিন্ন স্তরের।
• অঞ্চল ১: Z = ০.১২
• অঞ্চল ২: Z = ০.২
• অঞ্চল ৩: Z = ০.২৮
• অঞ্চল ৪: Z = ০.৩৬
- প্রতিটি অঞ্চলে একটি সিসমিক জোন সহগ (Z) রয়েছে, যা মাটির সর্বোচ্চ বিবেচিত ত্বরণ (PGA) নির্দেশ করে।
- এই ত্বরণ কঠোর মাটি/শিলা (সাইট ক্লাস SA) এর জন্য g (মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ) এর এককে মাপা হয়।

• গুরুত্বপূর্ণ শহরের ভূমিকম্প তথ্য:
- অঞ্চল ৪ (সর্বাধিক ভূমিকম্প প্রবণ): উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট) অন্তর্ভুক্ত। PGA = ০.৩৬৪।
- ঢাকা শহর: মাঝারি ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে (Z = ০.২)।
- চট্টগ্রাম শহর: উচ্চ ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে (Z = ০.২৮)।

• ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই এ,
- ১৯৯৩ সালে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূকম্পনীয় অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা-
- অঞ্চল ১: (মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ, রিখটার স্কেল মাত্রা ৭); উত্তর ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
- অঞ্চল ২: (মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ, রিখটার স্কেল মাত্রা ৬); মধ্য অঞ্চল
- অঞ্চল ৩: (কম ঝুঁকিপূর্ণ, রিখটার স্কেল মাত্রা ৫); দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড (BNBC) ২০২০।