বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৪৩ / ৭২ · ৪,২০১৪,৩০০ / ৭,১৯১

৪,২০১.
পৃথিবীর কোন শহর দুই মহাদেশে অবস্থিত?
  1. হ্যামারফাস্ট
  2. আস্তানা
  3. লিসবন
  4. ইস্তাম্বুল
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- দুই মহাদেশে অবস্থিত নগরী হচ্ছে তুরস্কের ইস্তানবুল
- এটি এশিয়া ও ইউরোপ দুই মহাদেশে পড়েছে।
- এর পুরোনো নাম কন্সটান্টিনোপল।
- এছাড়া এটি বাইজান্টিয়াম নামেও পরিচিত ছিল।
- রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন এখানে রোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী স্থাপন করার পর এর নামকরণ করেন কনস্টান্টিনোপল।

উৎস: ব্রিটানিকা এনসাইক্লোপিডিয়াএবং হিস্টোরি ডটকম।
৪,২০২.
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের কারণে বাংলাদেশে কোন ধরনের ক্ষতি হতে পারে?
  1. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে
  2. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমবে
  3. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  4. খরা দেখা দিবে
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়।
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে।
- ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে।
- এর ফলে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে।

⇒ গ্রীন হাউস গ্যাস:
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে -
• জলীয় বাষ্প,
• কার্বন ডাই-অক্সাইড,
• নাইট্রাস অক্সাইড,
• মিথেন,
• ওজোন,
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২০৩.
দুর্যোগের সম্ভাবনা বা ঝুঁকি কমাতে যে সকল ব্যবস্থা নেওয়া হয় তাকে বলা হয়- 
  1. দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি 
  2. দুর্যোগ প্রতিরোধ 
  3. দুর্যোগ প্রশমন
  4. দুর্যোগ উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ প্রতিরোধ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ প্রতিরোধ 
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ হলো যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা।
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান:

প্রতিরোধ (Prevention)
প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধ কার্যক্রম সফলতা বয়ে আনতে পারে। দুর্যোগ প্রতিরোধের কাঠামোগত এবং অকাঠামোগত প্রশমনের ব্যবস্থা রয়েছে। কাঠামোগত প্রশমনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণ কার্যক্রম যথা- বেড়িবাঁধ তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি বাস্তবায়নকেই বোঝায়। কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ যেমন- প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।
প্রশমন (Mitigation)
দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ী হ্রাস এবং দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে। মজবুত পাকা ভবন নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল নির্ধারণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শক্ত অবকাঠামো নির্মাণ, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর; প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন ইত্যাদি।

দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি:
দুর্যোগের প্রাক্কালে সঠিক প্রস্তুতি গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। এটি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের জনগণকে সচেতন করা, দুর্যোগের সময় দ্রুত সাহায্য পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুতি তৈরি করা এবং উপকরণ সংরক্ষণ করা ইত্যাদি বিষয়গুলির অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে,
- দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে
- সাড়াদান,
- পুনরুদ্ধার ও
- উন্নয়ন।
- এইগুলো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান নয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

৪,২০৪.
ভরা কটাল কখন হয়?
  1. ঘূর্ণিঝড়ের সময়
  2. অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে
  3. বর্ষার সময়
  4. বন্যার সময়
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে
ব্যাখ্যা
ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide):

- ভরা কটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে।
- অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ প্রবল হয় এবং পানি বেশি ফুলে ওঠে। এই ধরনের জোয়ারকে ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide) বলে।
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর একদিকে সূর্য এবং অন্যদিকে চন্দ্র একই সমান্তরালে অবস্থান করে।
- চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে মুখ্য জোয়ার হয়, সেখানেই সূর্যের আকর্ষণে গৌণ জোয়ার হয়।
= আবার চন্দ্রের বিপরীত দিকে যেখানে তার আকর্ষণে গৌণ জোয়ার হয়।
- পূর্ণিমা তিথিতে উভয় বিপরীত স্থানেই জোয়ারের বেগ সর্বাধিক হয়। একেও ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide) বলে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২০৫.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে প্লাইস্টোসিনকালের উচ্চভূমি রয়েছে?
  1. কক্সবাজার 
  2. টাঙ্গাইল
  3. হবিগঞ্জ
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা

- ভূপ্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূমিকে তিনটি প্রধান ভূ-অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- ভূপ্রকৃতির বিস্তারিত ব্যাখ্যায় সমগ্র দেশটিকে ২৪টি উপ-অঞ্চল এবং ৫৪টি একক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল,
- প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি ,
- এবং প্লাবন সমভূমি ।

• প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি :
- আনুমানিক ২৫০০০ বছর পূর্বের  সময়কে প্লাইস্টানকাল বলে।
- প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত ভূ-অঞ্চাল হল-
- লালমাই পাহাড়ি অঞ্চল,
- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ভাওয়ালের গড় ( টাঙ্গাইল)। 

• টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চলের অন্তর্গত ভূ-অঞ্চল -  
- উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল,
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% ভাগ নিয়ে টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল গঠিত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ- রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, কক্সবাজার,ও চট্টগ্রাম, জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।  

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
(ক) রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
(খ) ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেটের অন্তর্গত বন্যা প্লাবন সমভূমি।
(গ) ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।
(ঘ) নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।
(ঙ) খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং বরগুনা জেলার কিয়দংশ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।

উৎস: ভূগোল পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৪,২০৬.
নিচের কোন অঞ্চলটি নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত?
  1. নিকারাগুয়া
  2. কোস্টারিকা
  3. পানামা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু:
- পৃথিবীর জলবায়ুর পাথর্য্যের জন্য সূর্যের অবস্থান একটি বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
- কারণ তাপমাত্রা প্রাপ্তির ধরনের উপর আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রকৃতির পার্থক্য তৈরি হয়।
- নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু।

অবস্থান ও দেশসমূহ:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫০ অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০০ অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২০৭.
কোন আইন পাসের মাধ্যমে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. জরুরি অবস্থা আইন, ২০০৭
  2. জাতীয় দুর্যোগ নীতিমালা, ২০১০
  3. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২
  4. প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ আইন, ২০০৯
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর (ডিডিএম) ২০১২ সালে গঠন করা হয়।
- ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন-২০১২’ অনুমোদনের পর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৭৩ সালে গঠিত ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তর এবং ১৯৯২ সালে সৃষ্ট দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো (ডিএমবি) একীভূত হয়ে ডিডিএম গঠিত হয়।
- এই অধিদপ্তর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জরুরি সহায়তা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের দায়িত্ব পালন করে।

উল্লেখ্য, 
- এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও নীতিমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও কাজ করে।
- ডিডিএম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। 

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৪,২০৮.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয় কোনটি?
  1. আসাম
  2. মিজোরাম
  3. মেঘালয়
  4. রাজস্থান
সঠিক উত্তর:
রাজস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্থান
ব্যাখ্যা
- রাজস্থান বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয়। 

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য হচ্ছে ৫টি।
এগুলো হলো -
→ ত্রিপুরা,
→ আসাম,
→ মিজোরাম,
→ মেঘালয় ও
→ পশ্চিমবঙ্গ।

সীমান্তবর্তী স্থান:
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় রাজ্য অবস্থিত।
- পূর্ব দিকে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্য এবং মিয়ানমার রয়েছে।
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং ভারতীয় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সীমানা রয়েছে, পাশাপাশি মিয়ানমারেরও অবস্থান রয়েছে।
- পশ্চিম দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমানা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
- এর মধ্যে বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা ৩০টি, এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা ৩টি। বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলা হলো একমাত্র জেলা, যেটা ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানার সঙ্গে সংযুক্ত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২০৯.
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ-
  1. সুলাওয়েসি
  2. বোর্নিও
  3. সুমাত্রা
  4. গ্রিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- গ্রিনল্যান্ড হল বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ। 
- বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপটি তার বিশাল হিমবাহের জন্য পরিচিত।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত, 
- রাজধানী: নুউক।
- অফিসিয়াল ভাষা: গ্রিনল্যান্ডিক (ড্যানিশ এবং ইংরেজিও সাধারণত কথ্য)
- গ্রিনল্যান্ডের প্রায় অর্ধেক অংশ গ্রিনল্যান্ডের জাতীয় উদ্যান হিসেবে সুরক্ষিত।

অন্যদিকে,
ইন্দোনেশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ সমূহ হলো : 
- সুমাত্রা,
- জাভা,
- বোর্নিও 
- সুলাওয়েসি।

উৎস: National Geographic Kids,
৪,২১০.
বাংলাদেশের পদ্মা ও যমুনা নদীর শাখা নদীগুলো কোনগুলো?
  1. গড়াই ও মধুমতী
  2. মহানন্দা ও বংশী
  3. মহানন্দা ও আত্রাই
  4. গড়াই ও ধলেশ্বরী
সঠিক উত্তর:
গড়াই ও ধলেশ্বরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গড়াই ও ধলেশ্বরী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের পদ্মা নদীর শাখা - গড়াই।
• বাংলাদেশের যমুনা নদীর শাখা - ধলেশ্বরী।

• পদ্মা:

- উৎপত্তি: হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে।
- ভারতের মধ্যে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ।
- বাংলাদেশের মধ্যে প্রবাহ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ → রাজশাহী → কুষ্টিয়া → রাজবাড়ি (যমুনার সাথে মিলিত) → চাঁদপুর (মেঘনা নদীর সাথে মিলিত)।
- শাখা নদী: মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি, নবগঙ্গা, কালীগঙ্গা, চিত্রা, তেঁতুলিয়া, বিষখালী, কীর্তনখোলা, কাউখালী, আগুনমুকা।

- উপনদী: মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

• যমুনা : 
- ১৭৮৯ সালের ভূমিকম্পে ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের যে শাখাটি বের হয় সেটিই বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী যমুনা। 
- যমুনা দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়। 
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। 
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা। 
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম। 

উৎস:
i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২১১.
পৃথিবীর সমচাপ সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখাকে কী বলা হয়?
  1. ক) আইসোবার
  2. খ) আইসোথার্ম
  3. গ) আইসোহাইট
  4. ঘ) আইসোহেলাইন
সঠিক উত্তর:
ক) আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইসোবার
ব্যাখ্যা
- আইসোবার : সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোহেলাইন : সমুদ্রের সমলবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা
- আইসোহাইট : সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোথার্ম : সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : ওপেন ইউনিভার্সিটি এবং সায়েন্সডিরেক্ট ওয়েবসাইট)
৪,২১২.
পৃথিবীর কোন বায়ুমণ্ডলীয় স্তরকে "ক্ষুব্ধমণ্ডল" বলা হয়?
  1. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
  2. ট্রপোমণ্ডল
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4.  থার্মোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

 ট্রপোমণ্ডল :
- ট্রপোমণ্ডল হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর, যা সরাসরি ভূপৃষ্ঠের সাথে সংযুক্ত।
- এই স্তরেই দেখা যায় মেঘ, বৃষ্টি, ঝড়, বজ্রপাত ও অন্যান্য আবহাওয়ার ঘটনা;
- তাই ট্রপোমণ্ডলকে "ক্ষুব্ধমণ্ডল"ও বলা হয়।
- এই স্তরে প্রায় ৯০% ধূলিকণা, জলীয় বাষ্প, কুয়াশা ও মেঘ থাকে।
- এটি বায়ুমণ্ডলের মোট ভরের প্রায় ৮০% ধারণ করে।
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তকে ট্রপোবিরোতি বলা হয়।
- ট্রপোমণ্ডল ভূপৃষ্ঠ থেকে শুরু হয়ে নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৬–১৯ কিলোমিটার এবং
- মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

 উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ - নবম-দশম শ্রেণি।

৪,২১৩.
বাংলাদেশের একমাত্র কোন জেলায় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তরেখা রয়েছে?
  1. বান্দরবান
  2. মৌলভীবাজার
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। এগুলো হলো: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মেঘালয়।
- উল্লেখ্য ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলো হলো – আসাম, মিজোরাম, মণিপুর, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল ও ত্রিপুরা। এদের মধ্যে ৪টির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২ টি: ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার (রাঙামাটি, বান্দরবন ও কক্সবাজার) সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙামাটি জেলায় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তরেখা পরস্পরকে স্পর্শ করেছে। অর্থাৎ এটি তিনদেশের সীমান্ত যুক্ত হওয়া একটি সাধারণ জেলা।
- ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম উভয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সাধারণ জেলাও রাঙামাটি।
- বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের সাথে কোন দেশের সীমান্ত সংযোগ নেই।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,২১৪.
বিশ্বের চিনি ভাণ্ডার” (Sugar Bowl of the World) নামে কোন দেশটি পরিচিত?
  1. পানামা
  2. কিউবা
  3. ফিলিপাইনস
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
কিউবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউবা
ব্যাখ্যা
ভৌগলিক উপনাম: 
- বিশাল আখ চাষ, ঐতিহাসিক চিনি উৎপাদন, ও রপ্তানি নির্ভর অর্থনীতির কারণে কিউবাকে “বিশ্বের চিনি ভাণ্ডার” বলা হয়।

- কিউবার প্রধান অর্থকরী ফসল: আখ।
- কিউবার প্রধান কৃষিপণ্য হলো আখ।
- দেশটির উষ্ণ আবহাওয়া ও উর্বর মাটি আখ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
- ১৮শ ও ১৯শ শতাব্দীতে কিউবা ছিল বিশ্বের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী দেশ।
- উপনিবেশিক যুগে স্প্যানিশরা কিউবায় ব্যাপকভাবে আখ চাষ শুরু করে এবং তা ইউরোপে রপ্তানি করত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,২১৫.
নিচের কোনটি রিছাং ঝর্ণা নামে পরিচিত?
  1. ক) আলুটিলার ঝর্ণা
  2. খ) শৈলপ্রপাত ঝর্ণা
  3. গ) শুভলং ঝরণা
  4. ঘ) তৈদুছড়া ঝরনা
সঠিক উত্তর:
ক) আলুটিলার ঝর্ণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলুটিলার ঝর্ণা
ব্যাখ্যা
আলুটিলার ঝর্ণা  রিছাং ঝর্ণা নাম পরিচিত।
জেলা সদর থেকে আলুটিলা পেরিয়ে সামান্য পশ্চিমে মূল রাস্তা থেকে উত্তরে ঝর্ণা স্থানের দূরত্ব সাকুল্যে প্রায় ১১কিঃ মিঃ।
মারমা ভাষায় এর নাম রিছাং ঝর্ণা, ‘রি’ শব্দের অর্থ পানি আর ‘ছাং’ শব্দের অর্থ গড়িয়ে পড়া। 

উৎসঃ খাগড়াছড়ি জেলা ওয়েবসাইট।
৪,২১৬.
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) টেকনাফ
  4. ঘ) সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
ক) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান গাজীপুরে অবস্থিত। এটি ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত।
উৎসঃ গাজীপুর জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
৪,২১৭.
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে কোন সীমান্তটি অবস্থিত?
  1. ম্যাকমোহন লাইন
  2. লাইন অব ডিমারকেশন
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. সনেরা লাইন
সঠিক উত্তর:
ডুরান্ড লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা

Durand Line:
- ডুরান্ড লাইন হচ্ছে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যবর্তী একটি বিতর্কিত আন্তর্জাতিক সীমান্ত।
- এটি ১৮৯৩ সালে স্যার মরটিমার ডুরান্ড ও আফগান আমির আবদুর রহমান খানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- এই সীমান্তটি প্রায় ২,৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ।

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- সনেরা লাইন - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যকার সীমানা।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন ও ভারত মধ্যে সীমানা।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৪,২১৮.
নিচের কোন জেলাটি হাওরাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) কিশোরগঞ্জ
  2. খ) নেত্রকোনা
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সঠিক উত্তর:
গ) নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাটোর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭টি জেলা নিয়ে হাওর বেসিন বা হাওরাঞ্চল গঠিত।
জেলাসমূহ হলো:
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- মৌলভীবাজার
- হবিগঞ্জ
- নেত্রকোনা
- কিশোরগঞ্জ
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- হাওরাঞ্চলে মোট ৩৭৩টি হাওর রয়েছে যার মোট আয়তন ৮,৫৮,৪৬০ হেক্টর।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হাওর রয়েছে সিলেটে ১০৫টি।
- সবচেয়ে বড় হাওর হলো সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে বিস্তৃত হাকালুকি হাওর।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৪,২১৯.
নিম্নের কোনটি ধীর গতিসম্পন্ন দুর্যোগের উদাহরণ?
  1. শস্যহানি
  2. অগ্ন্যুৎপাত
  3. ভূমিকম্প
  4. বজ্রপাত
সঠিক উত্তর:
শস্যহানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শস্যহানি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ:
- উৎপত্তিগতভাবে দুর্যোগ বলতে এমন একটি অবস্থা বুঝায় যা মানুষকে মন্দ বা অকল্যাণকর পরিস্থিতির সম্মুখীন করে।
- এসব দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে মানুষকে অনেক মূল্য দিতে হয়।
- দুর্যোগ কখনো হঠাৎ সংঘটিত হয় আবার কখনো বা এক বা একাধিক ঘটনা ধীরে ধীরে দুর্যোগ সৃষ্টি করতে পারে।
- আবার অনেক সময় একটি দুর্যোগ একাধিক দুর্যোগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। যেমন- ভূমিকম্প থেকে সুনামি হতে পারে।

দুর্যোগের ধরণ:
দুর্যোগ দুই ধরনের হতে পারে।
যথা- ধীর গতিসম্পন্ন দুর্যোগ এবং দ্রুত গতিসম্পন্ন দুর্যোগ।

১. ধীর গতিসম্পন্ন দুর্যোগ:
- ধীর গতিসম্পন্ন দুর্যোগ হলো এমন একটি অবস্থা, যা মানুষের খাদ্য ও জীবিকানির্বাহের পণ্যসামগ্রী সংগ্রহের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত হয়।
- যেমন- খরা, শস্যহানি, কৃষিক্ষেতে পোকামাকড়ের আক্রমণ ইত্যাদি।
- এ ধরনের দুর্যোগ সহজেই চিহ্নিত করা যায় বলে তা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা যায়।

২. দ্রুত গতিসম্পন্ন দুর্যোগ:
- এ ধরনের দুর্যোগ আকস্মিক ঘটে থাকে বলে তা সহজে প্রতিরোধ করা যায় না।
- দ্রুত গতিসম্পন্ন দুর্যোগের ফলে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং জীবন ও সম্পদহানি ঘটে। যেমন- ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২২০.
জাপানের রাজধানী টোকিও কোন দ্বীপে অবস্থিত?
  1. কিউসু
  2. হনসু
  3. শিকোকু
  4. হোক্কাইডো
সঠিক উত্তর:
হনসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হনসু
ব্যাখ্যা
দ্বীপরাষ্ট্র জাপান:
- জাপান পূর্ব এশিয়ার উপকূলে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- জাপানের প্রধান চারটি রয়েছে।
- এগুলো হলো: শিকোকু, কিউসু, হনসু ও হোক্কাইডো।
- আয়তনে জাপানের বৃহত্তম দ্বীপ হনসু।
- রাজধানী টোকিও হনসু দ্বীপে অবস্থিত। যা বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহর।
- হনসু জাপানের মূল ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য হয়। 
- জাপানের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট ফুজি এবং এর বৃহত্তম হ্রদ, বিওয়া হ্রদ হনসু দ্বীপে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংঘর্ষ এবং পরাজয়ের পর, জাপান অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করে।
- এটি এখন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় উৎপাদক এবং বাণিজ্যিক শক্তি।
- জাপান তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রযুক্তিগত উন্নতি এবং সাংস্কৃতিক কারণে একটি অনন্য দেশ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
৪,২২১.
গ্রীন হাউস ইফেক্টের প্রভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি কোনটি হবে?
  1. সাইক্লোনের প্রবনতা বাড়বে
  2. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
  3. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  4. উত্তাপ অনেক যাবে
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়।
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে।
- ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে।
- এর ফলে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২২২.
যমুনা নদীর প্রধান উপনদী কোনটি?
  1. ক) শীতলক্ষ্যা
  2. খ) গোমতি
  3. গ) ধরলা
  4. ঘ) ধলেশ্বরী
সঠিক উত্তর:
গ) ধরলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধরলা
ব্যাখ্যা
যমুনা (Jamuna) 
• ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একটি শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পূর্বদিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের অন্যতম নদী।
• যমুনার প্রধান উপনদী হলো ধরলা, তিস্তা, করতোয়া ও আত্রাই
• এছাড়া যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা। 

অন্যদিকে, 
• মেঘনা নদীর উপনদীগুলো হলো - শীতলক্ষ্যা, গোমতি, ডাকাতিয়া, ধলেশ্বরী, ব্রহ্মপুত্র।  

তথ্যসূত্র:- ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২২৩.
’সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড‘ কী? 
  1. পাহাড়ী দ্বীপ
  2. সমুদ্র খাদ
  3. জলপ্রপাত
  4. হাওড়
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র খাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র খাদ
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- এটি একটি সমুদ্র খাদ।

- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground)  খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত,
- যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের আরও কিছু বদ্বীপমুখী খাদ দেখতে পাওয়া যায়,
- যেমন সিন্ধু নদীর মোহনার অদূরে সিন্ধু খাদ, মিসিসিপি বদ্বীপের পশ্চিম পাশে মিসিসিপি খাদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৪,২২৪.
ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত নিম্নের কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ভেনেজুয়েলা
  2. জিম্বাবুয়ে
  3. জাম্বিয়া
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত:
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত পৃথিবীর দীর্ঘতম জলপ্রপাত।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশের দুটি দেশ জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ের সীমানায় অবস্থিত।
- দুই দেশের সীমান্তবর্তী নদী ‘জাম্বেজি’ থেকেই এর উৎপত্তি।

⇒ পানি পড়ার সময় প্রচণ্ড আওয়াজ হয় বলে এর স্থানীয় নাম ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া’।
- উচ্চতা প্রায় ১০৮ মিটার এবং চওড়ায় প্রায় ১,৭০৩ মিটার।
- প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯৩৫ ঘনমিটার পানি নিচে গড়িয়ে পড়ে।

⇒ ১৮৫৫ সালে ব্রিটিশ অভিযাত্রী ডেভিড লিভিংস্টোন জলপ্রপাতটি দেখে এর নামকরণ করেন রাণী ভিক্টোরিয়ার নামে।
- সে সময় থেকেই ভিক্টোরিয়া ফলস নামে পরিচিতি পায়।
- ২০১৩ সালে জিম্বাবুয়ে সরকার পুনরায় এর নামকরণ করে ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া ফলস’।
- জলপ্রপাতের অন্যতম আকর্ষণীয় দৃশ্য এখানকার জলীয়বাষ্পে আলো পড়ে রংধনুর সৃষ্টি হওয়া।
- ১৯৮৯ সালে ইউনেসকো ‘ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত’ এবং ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া জলপ্রপাত’ উভয় নামেই বিশ্ব ঐতিহ্যর অন্তভুক্ত করে।

উৎস: Britannica.
৪,২২৫.
হবিগঞ্জের বাল্লা স্থলবন্দরের ভারতীয় অংশের নাম কি ?
  1. ক) পেট্রোপোল
  2. খ) ডাউকি
  3. গ) বিলোনিয়া
  4. ঘ) খোয়াই
সঠিক উত্তর:
ঘ) খোয়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খোয়াই
ব্যাখ্যা
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে অবস্থিত বাল্লা স্থলন্দরের ভারতীয় অংশের নাম খোয়াই, যা ত্রিপুরা জেলায় অবস্থিত।
এছাড়া পেট্রোপোল, ডাউকি ও বিলোনিয়ার স্থলবন্দরের বাংলাদেশী নাম যথাক্রমে বেনাপোল, তামাবিল এবং বিলোনিয়া।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ ও সরকারি ওয়েবসাইট।
৪,২২৬.
নিচের কোন সাগরটি আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত রয়েছে?
  1. রস সাগর
  2. স্কটিয়া সাগর
  3. ভূমধ্যসাগর
  4. ডেভিস সাগর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
→ ভূমধ্যসাগর আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত রয়েছে।
• আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean): 

- আটলান্টিক মহাসাগর উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকাকে ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশ হতে বিচ্ছিন্ন করেছে।
- এটি আফ্রিকা এবং ইউরোপ-এর পশ্চিমে এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব পাশে অবস্থিত।
- বিষুবরেখা এ মহাসাগরকে দুইটি ভাগে ভাগ করেছে;
- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর এবং দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর।
- আটলান্টিক মহাসাগরের আয়তন ৭ কোটি ৬৮ লক্ষ বর্গ কি. মি.।
- এবং গড় গভীরতা প্রায় ৩,৯২৬ মিটার।
- এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- আটলান্টিক মহাসাগর-এর নামের প্রথম অংশ গ্রিক পুরাণ অ্যাটলাস বোঝায়।
- এটি পৃথিবীর জলভাগের প্রায় ২৯% এলাকা জুড়ে রয়েছে।
- যা পৃথিবীর মোট জলভাগের প্রায় ছয় ভাগের একভাগ।
- আটলান্টিক মহাসাগর অনেকটা ইংরেজি S এর মত।
- পুয়ের্তোরিকো ট্রেঞ্চ (Puerto Rico Trench) আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম খাত।
- যার গড় গভীরতা প্রায় ৯,২১৯ মিটার।
- এ মহাসাগরের তলদেশের মধ্যভাগে শৈলশিরা (Mid-Atlantic Ridge) রয়েছে।

আটলান্টিক মহাসাগরের সাগর এবং উপসাগরসমূহ:
- ভূমধ্যসাগর, বাল্টিকসাগর, কৃষ্ণ সাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর, উত্তরসাগর,  মেক্সিকো উপসাগর।

অপরদিকে,
- দক্ষিণ মহাসাগরের সাগরসমূহ:
- ডেভিস সাগর  আমুন্ডসেন সাগর, বেলিং হুসেন সাগর, রস সাগর, স্কটিয়া সাগর, Weddell সাগর, কিং হ্যাকোন সাগর, Lazarev সাগর, ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বি এড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২২৭.
কোনটি আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলের স্থানীয় বায়ু-
  1. ক) খামসিন
  2. খ) বোরা
  3. গ) মিস্ট্রাল
  4. ঘ) চিনুক
সঠিক উত্তর:
খ) বোরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বোরা
ব্যাখ্যা
স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ। রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪,২২৮.
‘হাজার হ্রদের দেশ’ বলা হয় কোন দেশকে?
  1. ক) ইন্দোনেশিয়া
  2. খ) কানাডা
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• হাজার হ্রদের দেশ - ফিনল্যান্ড।

• অপরদিকে-
- সূর্যোদয়ের দেশ – জাপান
- হাজার দ্বীপের দেশ - ইন্দোনেশিয়া
- ম্যাপল পাতার দেশ – কানাডা।

সূত্র: ব্রিটানিকা

৪,২২৯.
দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমিতে কোন ধরনের ভূপ্রকৃতি পরিলক্ষিত হয়?
  1. টারশিয়ারি যুগের
  2. প্লাইস্টোসিনকালের
  3. সাম্প্রতিককালের
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৩০.
পূর্ব ইউরোপের দেশ কোনটি?
  1. বেলারুশ
  2. বুলগেরিয়া
  3. চেক প্রজাতন্ত্র
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:
• বেলারুশ
• বুলগেরিয়া
• চেক প্রজাতন্ত্র
• হাঙ্গেরি
• পোল্যান্ড
• মলদোভা
• রোমানিয়া
• রাশিয়া
• স্লোভাকিয়া
• ইউক্রেন

উত্তর ইউরোপের দেশসমূহ:
• নরওয়ে
• সুইডেন
• ডেনমার্ক
• ফিনল্যান্ড
• আইসল্যান্ড
• যুক্তরাজ্য
• আয়ারল্যান্ড
• লিথুয়ানিয়া
• লাটভিয়া
• এস্তোনিয়া

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

৪,২৩১.
SMOG কীভাবে সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ধোঁয়া ও বায়ু
  2. খ) কুয়াশা ও বায়ু
  3. গ) কালোধোঁয়া ও বাতাস
  4. ঘ) ধোঁয়া ও কুয়াশা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধোঁয়া ও কুয়াশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধোঁয়া ও কুয়াশা
ব্যাখ্যা
- ধোঁয়া ও কুয়াশা মিলে  SMOG সৃষ্টি হয়।
- ‘SMOG’ শব্দটি SMOKE ও FOG শব্দ দুটো থেকে এসেছে।
- মোটরগাড়ি, কলকারখানার ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য, ধূলিকণা ইত্যাদি মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- SMOG অবস্থায় বেশিক্ষণ বিরাজ করলে ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়।
- SMOG শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং মানবদেহে ক্যান্সার, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস প্রভূতি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি হয়।

 উৎস : National Geographic Society.
৪,২৩২.
বাংলাদেশের সাথে কয়টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
সীমান্তবর্তী জেলা:
বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। তার মধ্যে - 
→ একটি ভারত এবং
→ অপরটি মিয়ানমার।

- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হচ্ছে - কক্সবাজার, রাঙামাটি ও বান্দরবান।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা হচ্ছে রাঙামাটি।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
৪,২৩৩.
মানুষ প্রথম চাঁদের বুকে পা রাখে কবে?
  1. ১৫ জুন ১৯৬৮
  2. ১১ জুলাই ১৯৬৯
  3. ২০ জুলাই ১৯৬৯
  4. ১৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
২০ জুলাই ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ জুলাই ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
- নাসা প্রেরিত অ্যাপোলো-১১ মহাকাশযানে করে ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই মানুষ প্রথম চাঁদে পা রাখে।
- এদিন মার্কিন নভোচারী ‘নীল আর্মস্ট্রং’ প্রথম মানব হিসেবে চাঁদের বুকে পা রাখেন। তার কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ‘বাজ অলড্রিন’ চাঁদের বুকে পা রাখেন।
- তাদের অপর সঙ্গী ‘মাইকেল কলিন্স’ চাঁদের কক্ষপথে কমান্ড মডিউলে অবস্থান করছিলেন।
(তথ্যসূত্র: নাসা ওয়েবসাইট)
৪,২৩৪.
কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক নয়?
  1. সমুদ্রস্রোত
  2. ভূ-প্রকৃতি
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. বনভূমির অবস্থান
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় জলবায়ুর নিয়ামক নয়। 

জলবায়ু (Climate):

- কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কয়েক বছরের গড় আবহাওয়াকে জলবায়ু বলে।
- পরিবর্তনশীল আবহাওয়ায় কোনো স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ইত্যাদির ৩০-৪০ বছরের গড় অবস্থাকে সে স্থানের জলবায়ু বলা হয়। অক্ষাংশ, সমুদ্র হতে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহের দিক, ভূ-পৃষ্ঠের উচ্চতা, সমুদ্রস্রোত ইত্যাদি নিয়ামকের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন অঞ্চলে জলবায়ুর পার্থক্য দেখা যায়।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামক আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ সর্বত্র সমানভাবে কাজ করে না।

⇒ আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ -
১। অক্ষাংশ,
২। উচ্চতা,
৩। সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
৪। স্থলভাগ ও জলভাগের অবস্থান,
৫। সমুদ্রস্রোত,
৬। ভূমির ঢাল,
৭। ভূ-প্রকৃতি,
৮। বায়ুপ্রবাহ,
৯। বায়ুর চাপ এবং,
১০। বনভূমির অবস্থান

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৩৫.
পশ্চিমা বায়ুপ্রবাহজনিত স্রোত প্রবাহিত হয় -
  1. চক্রাকারে
  2. ঘূর্ণন আকারে 
  3. ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
  4. ঘড়ির কাঁটার দিকে
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর আবর্তন (Rotation of the Earth):
- আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে। পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।

- আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয। যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
- একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ুপ্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।


তথ্যসূত্র: ভূগোল (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৩৬.
নিচের কোনটি নদীভাঙনের কারণ?
  1. অপরিকল্পিত নগরায়ণ
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. নদীর গভীরতা কম
  4. গঙ্গা নদীর উপর নির্মিত ফারাক্কা বাঁধ
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
• নদীভাঙন (River Bank Erosion):
- নদীখাতে পানিপ্রবাহের কারণে পার্শ্ব ক্ষয়কে নদীভাঙন বলে।
- পলিমাটি গঠিত সমভূমি অধ্যুষিত বাংলাদেশে নদীভাঙনে প্রতি বছর প্রচুর ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট ধ্বংস হয়।
- অনেক মানুষের জীবনহানি ঘটে।

• নদীভাঙনের কারণ:
- জলবায়ু পরিবর্তন;
- নদীর প্রবাহপথ ও তীব্র গতিবে ;
- নদীর গতিপথ পরিবর্ত ;
- নদীগর্ভে শিলার উপাদান;
- রাসায়নিক দ্রব্যের উপস্থিতি;
- বাহিত শিলার কঠিনতা;
- নদীগর্ভে ফাটলের উপস্থিত;
- বৃক্ষ নিধন।

• বন্যার কারণ (Causes of Flood):
- ভৌগোলিক অবস্থান;
- নদীর গভীরতা কম;
- হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ;
- বঙ্গোপসাগরের তীব্র জোয়ার-ভাটা।
- ভূমিকম্প।
- গঙ্গা নদীর উপর নির্মিত ফারাক্কা বাঁধ;
- অপরিকল্পিত নগরায়ণ;
- জলাশয় ভরাট।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪,২৩৭.
বাংলাদেশের একমাত্র উষ্ণ পানির ঝর্ণা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র উষ্ণ পানির ঝর্ণা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের একমাত্র শীতল পানির ঝর্ণা কক্সবাজার হিমছড়িতে অবস্থিত।
- হামহাম ঝর্ণা মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।
- শুভলং ঝর্ণা রাঙ্গামাটির বরকলে অবস্থিত।
- রিসাং ঝর্ণা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- শৈলপ্রপাত ঝর্ণা বান্দরবানে অবস্থিত।
- তৈদুছড়া ঝর্ণা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট।
৪,২৩৮.
'সাড়াদান' বলতে কোন ধরনের কার্যক্রমকে বুঝায়?
  1. দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন পরিকল্পনা প্রণয়ন
  2. দুর্যোগের পর নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা
  3. দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলসমূহকে চিহ্নিতকরণ
  4. দুর্যোগ পূর্ব সময়ে উদ্ধার কার্যে ব্যবহৃত সরঞ্জাম সংগ্রহ
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের পর নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের পর নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা
ব্যাখ্যা

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৩৯.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ‘গরান’ বনভূমি কোন বিভাগে অবস্থিত?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) সিলেট
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) খুলনা
ব্যাখ্যা
- বৃহত্তর খুলনা বিভাগ প্রাকৃতি সম্পদে সমৃদ্ধ।
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ‘গরান’ বনভূমি সুন্দরবন এ বিভাগে অবস্থিত।
- এ বিভাগের দক্ষিণাংশ জুড়ে সুন্দরবনের অবস্থান।
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ‘‘ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট’’ বা লবনাক্ত জলাভূমির বন।
- পৃথিবীতে এটি একটি বিরল জাতির বন।
- এ বনটি বিশ্ববিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসভূমি।
- এ বন থেকে প্রচুর রাজস্ব আয় হয়।
- এ বন খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা প্রভৃতি জেলাকে প্রলয়ঙ্করী ঘুর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৪,২৪০.
নীলনদের অববাহিকা কতটি দেশ জুড়ে বিস্তৃত?
  1. ক) ৭
  2. খ) ১১
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৪
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী হলো আফ্রিকার নীলনদ। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৬৫০ কিলোমিটার। এটি ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে হোয়াইট নীল নামে উৎপত্তি লাভ করেছে এবং ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে। তবে সুদানে ব্লু নীল এবং আতবারা আরও দুটি ধারা এর সাথে যুক্ত হয়েছে। নীলনদের অববাহিকা ১১টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত। মিশরকে নীলনদের দান বলা হয়।
সূত্রঃ এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৪,২৪১.
ঋজুক জলপ্রপাত অবস্থিত-
  1. ক) থানচি
  2. খ) রুমা
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) বড়লেখা
সঠিক উত্তর:
খ) রুমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রুমা
ব্যাখ্যা
ঋজুক জলপ্রপাত অবস্থিত বান্দরবানের রুমায়।
৪,২৪২.
বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা কত মিলিগ্রাম?
  1. ক) ০.০১ মিলিগ্রাম
  2. খ) ০.০৫ মিলিগ্রাম
  3. গ) ০.১৫ মিলিগ্রাম
  4. ঘ) ০.৫০ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) ০.০৫ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০.০৫ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম।
- তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে। বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।
- চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা।
(তথ্যসূত্রঃ ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়)
৪,২৪৩.
কখন উত্তর গোলার্ধে ‘বাসন্ত বিষুব’ ঘটে?
  1. ২১শে মার্চ
  2. ২১শে জুন
  3. ২৩শে সেপ্টেম্বর
  4. ২২শে ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১শে মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১শে মার্চ
ব্যাখ্যা

• বাসন্ত বিষুব ও শারদ বিষুব: 
- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০০) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়। একে বিষুব বলা হয়।
- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব' নামে অভিহিত।
- অপরদিকে, ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব 'শারদ বিষুব' নামে অভিহিত হয়।

প্রকৃতপক্ষে, 
- বাসন্ত বিষুব ও শারদ বিষুব উভয় গোলার্ধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- একটি গোলার্ধে বিষুব অবস্থা চলাকালীন যে ঋতু বিরাজ করে, উক্ত ঋতু অনুসারে ঐ গোলার্ধে বাসন্ত বা শারদ বিষুব হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৪৪.
‘পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ’ (Puerto Rico Trench) কোথায় অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. ভারত মহাসাগরে
  3. ক্যারিবিয়ান সাগরে
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
ব্যাখ্যা

পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ হচ্ছে - আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের গভীরতম অংশ।

• আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর মোট আয়তনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগর।
- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এই মহাসাগরের মোট আয়তন ১০৬.৪৬ মিলিয়ন (১০৬,৪৬০,০০০) বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা ১০ হাজার ৯২৫ ফুট।

- এর পশ্চিমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ এবং পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ।
- উত্তর দিকে ‘উত্তর মহাসাগর’ এবং দক্ষিণে ‘দক্ষিণ মহাসাগর’।
- রহস্যঘেরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গল (যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি সৈকত, পুয়ের্তো রিকো দ্বীপ ও বারমুডা দ্বীপের মাঝামাঝি অংশ) এই মহাসাগরেই।
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরকে পৃথক করেছে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ পত্রিকা ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।

৪,২৪৫.
নিরক্ষরেখার অপর নাম কোনটি?
  1. বিষুব রেখা
  2. মকরক্রান্তি রেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুব রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুব রেখা
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা: 
- পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে। 
- নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো- বিষুবরেখা (Equator), ০° অক্ষরেখা (০° Latitude), মহাবৃত্ত (Great circle)। 

কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে। 
- আমাদের বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। 
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে। 

সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত: 
- উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে। 

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা: 
- দ্রাঘিমারেখার নিয়মানুসারে মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে অগ্রসর হলে প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ৪ মিনিট সময়ের ব্যবধান হয়। 
- আমরা জানি ০° দ্রাঘিমার ঠিক উল্টো দিকে ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২৪৬.
যে দেশের সাথে সবচেয়ে বেশি দেশের সীমানা রয়েছে -
  1. ভারত
  2. ব্রাজিল
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

রাশিয়া:
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
- রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী: মস্কো।
- রাষ্ট্রীয় ভাষা: রুশ।
- মুদ্রা: রুবল।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ভ্লাদিমির পুতিন।
- দেশটির পার্লামেন্ট: ডুমা।
- রাশিয়ার সম্রাটদের বলা হয় জার।

উল্লেখ্য,
- রাশিয়া ও চীনের সাথে সবচেয়ে বেশি দেশের সীমানা রয়েছে। উভয় দেশের সাথে ১৪টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।

⇒ সর্বাধিক প্রতিবেশী রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত:
• রাশিয়া:
- সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।
- সীমান্তবর্তী দেশ: আজারবাইজান, বেলারুশ, চীন, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, কাজাখস্তান, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, ইউক্রেন।

• .চীন:
- সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।
- সীমান্তবর্তী দেশ: আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, মায়ানমার, নেপাল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম।

• ব্রাজিল:
- সীমান্তবর্তী দেশ ১০টি।
- সীমান্তবর্তী দেশ: আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ফ্রান্স (ফরাসি গায়ানা), গায়ানা, প্যারাগুয়ে, পেরু, সুরিনাম, উরুগুয়ে, ভেনিজুয়েলা।

উৎস: Worldatlas.

৪,২৪৭.
মিয়ানমার হতে যে নদীগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তার নাম কী?
  1. ক) পদ্মা, নাফ, মাতামুহুরি
  2. খ) সাঙ্গু, নাফ, মাতামুহুরি
  3. গ) সাঙ্গু, নাফ, যমুনা
  4. ঘ) মেঘনা, নাফ, সুরমা
সঠিক উত্তর:
খ) সাঙ্গু, নাফ, মাতামুহুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাঙ্গু, নাফ, মাতামুহুরি
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা নদী তিনটি । নদীগুলো হলো নাফ, মাতামুহুরী ও সাঙ্গু।
Source: jugantor.com
৪,২৪৮.
পারস্য উপসাগর এর উপকূলবর্তী দেশ নয় কোনটি?
  1. ইরান
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. জর্ডান
  4. কাতার
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
ব্যাখ্যা
পারস্য উপসাগর: 
- পারস্য উপসাগর একটি মেডিটেরেনিয়ান সাগর, যা ভারত মহাসাগরের অংশ এবং পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি গালফ অব ওমানের সম্প্রসারণ এবং পূর্বদিকে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।
- উপকূলীয় দেশসমূহ: ইরান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ইরাক ও কুয়েত। 
- পারস্য উপসাগর তেল ও গ্যাস সম্পদের কারণে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ।

ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: 
- আয়তন: প্রায় ২,৫১,০০০ বর্গকিমি।
- সর্বোচ্চ গভীরতা: ৯০ মিটার।
- গড় গভীরতা: ৫০ মিটার।
- উপকূলরেখার মোট দৈর্ঘ্য: ৫,১১৭ কিমি।
- সর্বাধিক উপকূলরেখা: ইরান (১,৫৩৬ কিমি)।

উৎস: World Atlas
৪,২৪৯.
ম্যাকমোহন লাইন কোন কোন দেশের সীমানা নির্ধারণ করে?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. চীন ও ভারত
  3. চীন ও রাশিয়া
  4. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
চীন ও ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন ও ভারত
ব্যাখ্যা
• সীমারেখা:
ভারত - চীন এর মধ্যবর্তী লাইন - ম্যাকমোহন লাইন

অপরদিকে -
- লাইন অব কন্ট্রোল’ - ভারত-পাকিস্তান।
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

উৎস:ব্রিটানিকা
৪,২৫০.
At present the most gas is extracted locally from which gas field?
  1. Bibiyana gas field
  2. Kailashtilla gas field
  3. Jalalabad gas field
  4. Titas gas field
  5. Bakhrabad gas field
সঠিক উত্তর:
Bibiyana gas field
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bibiyana gas field
ব্যাখ্যা
বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র:
- ১৯৯৮ সালে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়।
- আমেরিকান তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান কোম্পানি ইউনিকল উপমহাদেশের বৃহত্তম এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে।

উল্লেখ্য,
- পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশের ২২টি গ্যাসক্ষেত্রের ১১৩টি কূপ দিয়ে দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটের কিছু বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।
- এসব কূপ থেকে ১ হাজার ৭১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন হয়েছে।
- স্থানীয়ভাবে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হয় সিলেটের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে
- মার্কিন কোম্পানি শেভরনের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই গ্যাসক্ষেত্রের ২৬টি কূপ দিয়ে দৈনিক ৭৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করে সরবরাহ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে,
- দেশীয় কোম্পানি বাপেক্স আটটি গ্যাসক্ষেত্রের ১৫টি কূপ দিয়ে ১১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন ও সরবরাহ করছে, এই গ্যাসক্ষেত্রগুলো হচ্ছে সালদা, ফেঞ্চুগঞ্জ, শাহবাজপুর, সেমুতাং, শ্রীকাইল, বেগমগঞ্জ ও রূপগঞ্জ।
- সিলেট গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি (এসজিএফএল) সিলেট, কৈলাশটিলা-১, কৈলাশটিলা-২, রশিদপুর ও বিয়ানীবাজার এই পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্রের ১১টি কূপ দিয়ে দৈনিক ১১৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন ও সরবরাহ করছে।
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি (বিজিএফসিএল) পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্রের ৪৪টি কূপ দিয়ে দৈনিক ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন ও সরবরাহ করছে। গ্যাসক্ষেত্রগুলো হচ্ছে তিতাস, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, নরসিংদী এবং ম্যাগনামা। এর মধ্যে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রটি সবচেয়ে পুরোনো।

উৎস: i) ১৯ এপ্রিল ২০২৪, কালবেলা।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,২৫১.
বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ-
  1. সেন্টমার্টিন
  2. মহেশখালী
  3. কুতুবদিয়া
  4. সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা

মহেশখালী:
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী।
- ১৫৫৯ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ফলে মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মহেশখালী দ্বীপ সৃষ্টি হয়।
- কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা মহেশখালী।
- এর আয়তন ৩৬২.১৮ বর্গ কিমি।
- ১৯৮৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রশাসন মহেশখালী থানাকে উপজেলায় রুপান্তরিত করে।
- আদিনাথ মন্দির, মৈনাক পর্বত, সোনাদিয়া দ্বীপ, রাখাইনদের কেয়াং সহ বেশ কিছু দর্শণীয় স্থান রয়েছে মহেশখালীতে।

অন্যদিকে,
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো সেন্টমার্টিন বা নারিকেল জিঞ্জিরা।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৪,২৫২.
বন্যার প্রভাবে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. সম্পদহানি
  2. ফসল উৎপাদন হ্রাস
  3. রোগ-ব্যাধির বিস্তার
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
বন্যার প্রভাব:
- বন্যার ফলে বহুমুখী ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।
- যেমন-সম্পদহানি, ফসল উৎপাদন হ্রাস, উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষিজমি লবণাক্ত হওয়া, রোগ-ব্যাধির বিস্তার, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়া, সুপেয় পানির সংকট, খাদ্য ও পুষ্টির অভাব প্রভৃতি।
- বিগত অর্ধশতাব্দীর কিছু বেশি সময়ে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ভয়াবহ বন্যা সংঘটিত হয়।
- এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৫৪, ১৯৬৩, ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০০৪, ২০০৭ সালের বন্যা।
- ১৯৯৮ সালের বন্যা ছিল সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী এবং দেশের অধিকাংশ জেলা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৫৩.
রোয়ারিং ফর্টিস অঞ্চলে কোন বায়ু প্রবাহিত হয়?
  1. প্রত্যয়ন বায়ু
  2. পশ্চিমা বায়ু
  3. নিয়ত বায়ু
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
রোয়ারিং ফর্টিস ও প্রত্যয়ন বায়ু 
- প্রত্যয়ন বায়ু পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে পুর্ব দিকে যায়।
- এই জন্য এই বায়ুকে পশ্চিমা বায়ুও বলা হয়।
- প্রত্যয়ন বায়ুর প্রবাহের দিক একই থাকে বলে এটি নিয়ত বায়ুর অন্তর্ভুক্ত।
- রোয়ারিং ফর্টিস বা গর্জনশীল চল্লিশ অঞ্চলে প্রত্যয়ন বা পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত হয়; যা একপ্রকার নিয়ত বায়ু।
- দক্ষিণ গোলার্ধের ৪০ থেকে ৪৭০ দক্ষিণ অক্ষাংশে প্রত্যয়ন বায়ুর গতিবেগ সর্বোচ্চ।
- তাই এই অঞ্চলকে রোয়ারিং ফর্টিস বা গর্জনশীল চল্লিশ বলে।

উল্লেখ্য, 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত ৪ প্রকার। যথা - 
১. নিয়ত বায়ু,
২. সাময়িক বায়ু,
৩. স্থানীয় বায়ু, 
৪. অনিয়মিত বায়ু।

- নিয়ত বায়ু আবার ৩ প্রকার। যথা -
ক. অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু,
খ. প্রত্যয়ন বায়ু বা পশ্চিমা বায়ু,
গ. মেরু বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২৫৪.
সাহারা মরুভূমি কয়টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

• সাহারা মরুভূমি:
- বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি।
- আয়তন: প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- আফ্রিকায় অবস্থান: সাহারা উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশে বিস্তৃত, যা সমগ্র আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% জুড়ে রয়েছে।
- উত্তরে: ভূমধ্যসাগর ও অ্যাটলাস পর্বতমালা।
- পূর্বে: লোহিত সাগর।
- পশ্চিমে: আটলান্টিক মহাসাগর।
- দক্ষিণে: সাহেল অঞ্চল।
- সাহারা মরুভূমির বিস্তৃত: আলজেরিয়া, মিশর, মালি, মরক্কো, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, চাদ, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, নাইজার এবং সুদান।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৪,২৫৫.
পৃথিবী থেকে উৎক্ষেপিত কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশের কোন স্তরে অবস্থান করে?
  1. স্ট্রাটোমন্ডল
  2. মেসোমন্ডল
  3. তাপমন্ডল
  4. এক্সোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
তাপমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমন্ডল
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী থেকে মহাকাশে পাঠানো কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটসমূহ তাপমন্ডলে অবস্থান করে।
- তাপমন্ডলের বিস্তৃতি ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ৮৫ কি.মি. থেকে ৬০০ কি.মি. এর মধ্যে।
- তাপমন্ডলের নিচের অংশ আয়নমন্ডল নামে পরিচিত যেখানে পৃথিবী থেকে প্রেরিত বেতার তরঙ্গ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ফিরে আসে।
(তথ্যসূত্রঃ নাসা ওয়েবসাইট)
৪,২৫৬.
দেশের প্রথম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এল এন জি) টার্মিনাল কোথায় স্থাপিত হয়েছে?
  1. ক) মংলা
  2. খ) মহেশখালী
  3. গ) সোনাদিয়া
  4. ঘ) চট্টগ্রাম বন্দর
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহেশখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এল এন জি) টার্মিনাল মহেশখালীতে স্থাপিত হয়েছে।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো
৪,২৫৭.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলা হয়-
  1. ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখাকে
  2. ১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখাকে
  3. ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখাকে
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
ক + খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + খ
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line):
- ১৮০° দ্রাঘিমারেখা বা অন্তঃরাষ্ট্রীয় তারিখরেখা (International Date Line) পৃথিবীর পশ্চিম ও পূর্ব গোলার্ধকে আলাদা করে দেয়।
- এই রেখা ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিম ও ১৮০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখার সাথে সমান্তরাল।
- সুতরাং ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিম এবং ১৮০ ডিগ্রি পূর্ব অবস্থানের দৃষ্টিকোণ থেকে একই স্থান।
- ফলে এই রেখা পৃথিবীর তারিখ ও সময় বিভাজনের কাজ করে।
- এজন্যই ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে। ১৮০° দ্রাঘিমা রেখা "Date line divider" হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘণ্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারণের এই সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৫৮.
'দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা' ছিটমহল কোন জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ক) লালমনিরহাট
  2. খ) নীলফামারী
  3. গ) কুড়িগ্রাম
  4. ঘ) ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
ক) লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
• লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ খ্রি. তারিখে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হাসিনা-মনমোহন বৈঠকে স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশীদের যাতায়াতের জন্য তিনবিঘা করিডোর বর্তমানে ২৪ ঘন্টা খোলা রাখা হচ্ছে।
- ২০১৫ সালের ছিটমহল মিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়।

সূত্র: লালমনিরহাট জেলার ওয়েবসাইট 
 
৪,২৫৯.
বিশ্বব্যাংকের মতে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ দেশ কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) জাপান
  3. গ) ফিলিপাইন
  4. ঘ) সুদান
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।
এগুলো হলো মরূকরণ, বন্যা, ঝড়, সসমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের।
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ দেশ হলো বাংলাদেশ।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৪,২৬০.
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে পৃথককারী রেখা কোনটি?
  1. ডুরান্ড লাইন
  2. র‍্যাডক্লিফ লাইন
  3. ম্যাকমোহন লাইন
  4. লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল
সঠিক উত্তর:
ডুরান্ড লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা
ডুরান্ড লাইন:
- আফগানিস্তান ও ব্রিটিশ ভারতের মধ্যকার নির্ধারিত সীমান্ত।
- ১৮৯৩ সালে এটি নির্ধারণ করা হয়। 
- বর্তমানে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত হিসেবে পরিচিত।
- ২৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই লাইন কারাকোরাম পর্বত, খাইবার পাস ইত্যাদি স্থান অতিক্রম করেছে।
- এটি আফগানিস্তানের ১২ টি প্রদেশ এবং পাকিস্তানের ৩ টি প্রদেশে বিস্তৃত।
এছাড়া,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সীমান্তরেখা।
- ম্যাকমোহন লাইন ও লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমান্তরেখা।


উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৪,২৬১.
পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ গিরিখাত কোনটি?
  1. ক) পদ্মা নদীর গিরিখাত
  2. খ) নীলনদের গিরিখাত
  3. গ) সিন্ধু নদের গিরিখাত
  4. ঘ) যমুনা নদীর গিরিখাত
সঠিক উত্তর:
গ) সিন্ধু নদের গিরিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিন্ধু নদের গিরিখাত
ব্যাখ্যা
• গিরিখাত ও ক্যানিয়ন (Gorge and Canyon):
- উর্ধ্বগতিতে নদীর প্রবল স্রোত খাড়া পর্বতগাত্র বেয়ে নিচের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এতে ভূ-পৃষ্ঠ ক্ষয় হয়ে শিলাখন্ড ভেঙ্গে পড়ে।
- শিলাগুলো পরস্পরের সঙ্গে এবং নদীখাতের সঙ্গে সংঘর্ষে মসৃণ হয়ে অনেক দূর বাহিত হয়।
- এসব পাথরের সংঘর্ষে নদীর খাত আরও গভীর ও সংকীর্ণ হতে থাকে।
- এরূপ খাতকে গিরিসংকট বা গিরিখাত বলে।
⇒ সিন্ধু নদের গিরিখাতটি পৃথিবীর একটি অন্যতম গভীর গিরিখাত (৫১৮ মিটার)।
- নদী যখন শুষ্ক অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং সেখানে যদি কোমল শিলার স্তর থাকে তাহলে গিরিখাতগুলো অত্যন্ত সংকীর্ণ ও গভীর হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৬২.
নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগের উদাহরণ?
  1. নদীভাঙন
  2. খরা
  3. বনভূমি বিনাশ
  4. বন্যা
সঠিক উত্তর:
বনভূমি বিনাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বনভূমি বিনাশ
ব্যাখ্যা
দুর্যোগের ধরন: 
♠ কোনো প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট অবস্থা যখন অস্বাভাবিক ও অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে এবং এর ফলে শস্য ও সম্পদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি ও ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে, পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন তাকে দুর্যোগ হিসাবে বিবেচনা করা যায়।
⇒ দুর্যোগ দুই ধরনের: 
• প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং 
• মানবসৃষ্ট দুর্যোগ। 

♠ প্রাকৃতিক দুর্যোগ: 
• আকস্মিকভাবে ঘটে এবং তার উপর সাধারণত মানুষের হাত থাকে না। 
• প্রাকৃতিক কোনো দুর্ঘটনা বা বিপর্যয় যখন কোনো জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তোলে তখন তাকে আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলি।
• যেমন: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত প্রভৃতি।  

♠ মানবসৃষ্ট দুর্যোগ:
• মানুষের অসচেতনতা বা দূরদৃষ্টির অভাবে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় এবং যা মানুষের প্রাণহানি ঘটানোর পাশাপাশি তার স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে, পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট করে এবং সমাজকে অস্থিতিশীল করে তোলে, তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলে।
• অনেকটা মানুষের কর্মকাণ্ডের ফল এবং মানুষ সচেতন ও সতর্ক থাকলে এ দুর্যোগ থেকে আত্মরক্ষা করতে পারে।  
• যেমন: যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনভূমি বিনাশ, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি, মরুকরণ, অগ্নিকাণ্ড প্রভৃতি।  

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৪,২৬৩.
সমুদ্র থেকে শীতল ও উচ্চচাপ বায়ু মূলভাগের দিকে প্রবাহিত হয় কোন বায়ু?
  1. স্থানীয় বায়ু
  2. মৌসুমি বায়ু
  3. সমুদ্র বায়ু
  4. স্থলবায়ু
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র বায়ু
ব্যাখ্যা
স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু:

- উপকূল এলাকায় সকালের সূর্যতাপ স্থানীয় ভূমির তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে এবং নিম্নচাপের সৃষ্টি করে।
- এসময় সমুদ্রের কাছের শীতল বায়ু স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয় যাকে বলা হয় সমুদ্রবায়ু।
- সূর্যাস্তের পর সমুদ্রের চেয়ে স্থলভাগ দ্রুত শীতল হয়। এ সময় স্থলভাগে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- স্থলভাগের এই উচ্চচাপ থেকে তখন বায়ু সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয় এবং এই বায়ুপ্রবাহকে বলা হয় স্থলবায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৬৪.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলা?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) কোয়ার্টজাইট
  3. গ) চুনাপাথর
  4. ঘ) গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
খ) কোয়ার্টজাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কোয়ার্টজাইট
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ, রাসায়নিক ক্রিয়া প্রভৃতির ফলে রূপ পরিবর্তন করে যে নতুন শিলায় পরিণত হয় তা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।

বিভিন্ন রূপান্তরিত শিলা:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।

অন্যদিকে,

- গ্রানাইট : আগ্নেয় শিলা
- কয়লা ও চুনাপাথর : পাললিক শিলা।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি)
৪,২৬৫.
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে নিচের কোন জেলা জলমগ্ন হবে?
  1. রংপুর
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. বগুড়া
  4. নোয়াখালি
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালি
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া:
- বিশ্বে অতিরিক্ত শিল্পায়নের কারণে গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলো আমাদের দেশের সমদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে,
- সাতক্ষীরা, বরিশাল ও নোয়াখালি জেলার অনেক অংশ সমুদ্রের জলমগ্ন হয়ে পড়বে।
- এছাড়া ভূনিম্নস্থ পানিতে লোনা পানি প্রবেশ করছে।
- ফলে স্বাভাবিক উদ্ভিদ জন্মানোর পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২৬৬.
নিচের কোনটি বায়ুমন্ডলের উপাদান নয়?
  1. ক) ধূলিকণা
  2. খ) বিভিন্ন প্রকার গ্যাস
  3. গ) কাঁচের কণা
  4. ঘ) জলীয়বাষ্প
সঠিক উত্তর:
গ) কাঁচের কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাঁচের কণা
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের উপাদান
• পৃথিবীপৃষ্ঠ ও তার চারদিক জুড়ে বায়ুমন্ডল বেষ্টিত। এই মন্ডল নানা রকমের গ্যাসের মিশ্রণে গঠিত হয়েছে। এই গ্যাসীয়
মিশ্রণ ভূ-পৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক ৮০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত প্রায় সমান।
• বায়ুমন্ডলে আরও রয়েছে অসংখ্য ধূলিকণার সংমিশ্রণ। এই সব কঠিন ও তরল কণিকাকে একত্রে বলা হয় রঞ্জক পদার্থ।
• বায়ুমন্ডলের বর্ণ, গন্ধ, আকার কিছুই নেই। তাই বায়ুমন্ডলের এই সব উপাদান স্বাভাবিক অবস্থায় অনুভব করা যায় না।
• সুতরাং বায়ুমন্ডলের উপাদান বলতে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণকে বুঝায়।   

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৬৭.
কোনটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ?
  1. ক) ভুটান
  2. খ) চীন
  3. গ) মিয়ানমার
  4. ঘ) নেপাল
সঠিক উত্তর:
গ) মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- একটি দেশ ভারত এবং অপরটি মিয়ানমার।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট
৪,২৬৮.
The Strait of Bosphorus is located in -
  1. Turkey
  2. Italy
  3. Spain
  4. Monaco
সঠিক উত্তর:
Turkey
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Turkey
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- তুরস্ককে বলা হয় ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র।
- এর ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
- ইস্তানবুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।
 
উল্লেখ্য,
- বসফরাস প্রণালি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরে অবস্থিত।
- কৃষ্ণসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালি।
 
উৎস: Britannica.
৪,২৬৯.
'তিনবিঘা করিডোের' কোন জেলায়?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) নীলফামারী
  3. গ) কুড়িগ্রাম
  4. ঘ) লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
তিনবিঘা করিডোর 
• লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
• এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
• পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
• ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয় এবং
• ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ আগস্ট এখানে ইউনিয়ন পরিষদের শুভ উদ্বোধন ঘটে।
• ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।
• ২০১৫ সালের ছিটমহল মিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র:- লালমনিরহাট জেলার ওয়েবসাইট।
৪,২৭০.
সিলেটের কোথায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়?
  1. জকিগঞ্জ
  2. গোয়াইনঘাট
  3. লালাখালে
  4. কোম্পানীগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
লালাখালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালাখালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত: 
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে অঞ্চলে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়।
- সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালাখালে।
- বাংলাদেশের গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার। 
- বাংলাদেশে বর্ষাকালে বৃষ্টিপাত হয় ৮০%।

উল্লেখ্য, 
- সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২৭১.
উত্তর-পূর্বাঞ্চল সীমান্ত দিয়ে প্রবেশকারী নদী দুইটির নাম কী?
  1. ক) সুরমা ও কুশিয়ারা
  2. খ) সুরমা ও তিতাস
  3. গ) কুশিয়ারা ও তিতাস
  4. ঘ) সুরমা ও কালনী
সঠিক উত্তর:
ক) সুরমা ও কুশিয়ারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুরমা ও কুশিয়ারা
ব্যাখ্যা
• ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে
- উত্তর দিক দিয়ে আগত শাখা সুরমা পশ্চিমে অবস্থিত ছাতক, সিলেট ও সুনামগঞ্জের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- এরপর আজমিরিগঞ্জের কাছে উত্তর সিলেটের সুরমা, দক্ষিণ সিলেটের কুশিয়ারা এবং হবিগঞ্জের কালনী নদী একসঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- পরে সুরমা, কুশিয়ারা ও কালনী নদীর মিলিত প্রবাহ কালনী নামে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জের ভৈরববাজারের নিকট পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে এবং চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে আরও দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- মেঘনার উল্লেখযোগ্য উপনদী হলো মনু, বাউলাই, তিতাস, গোমতী, কাসনি এবং শাখানদী জাঙ্গালিয়া ও ডাকাতিয়া।
- বাংলাদেশের মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন প্রায় ২৯,৭৮৫ বর্গকিলোমিটার।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,২৭২.
সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে কোন দেশগুলো সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে?
  1. বাংলাদেশ
  2. মিশর
  3. ভিয়েতনাম
  4. বর্নিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্নিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্নিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু পরিবর্তন:
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মুখ্য প্রভাব হলো জলবায়ু পরিবর্তন।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টিপাতের ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে।
- যেমন- অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি।
- এছাড়া অধিক গরম, খরা, এসিড বৃষ্টি প্রভৃতি দেখা দিচ্ছে।

• প্রাকৃতিক দুর্যোগ:

- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটনের হার বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততার ন্যায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটনের হার সবচেয়ে বেশি।

• সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন:
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, মিশর, ভিয়েতনাম, ফিজি, কিরিবাতি, টুভ্যালু প্রভৃতি দেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
- এছাড়া,
- কৃষি জমি লবণাক্ত হয়ে উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পাবে।
• মেরু অঞ্চলের বরফ গলন বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে বিংশ শতাব্দীতে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে শুরু করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৭৩.
নিম্নের কোনটি মাঝারি আকাশের মেঘ?
  1. সিরাস মেঘ
  2. সিরোকিউমুলাস মেঘ
  3. অল্টোস্ট্রাটাস মেঘ
  4. কিউমুলাস মেঘ
সঠিক উত্তর:
অল্টোস্ট্রাটাস মেঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অল্টোস্ট্রাটাস মেঘ
ব্যাখ্যা
মেঘ:
- মেঘকে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, আকৃতি, রঙ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর অনেকভাবেই ভাগ করা হয়।

উচ্চতা অনুসারে মেঘ:
উঁচু আকাশের মেঘ:
- যারা সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে ৬০০০ মিটারের উপরে থাকে।
- যেমন: সিরাস (Cirrus), সিরোকিউমুলাস (Cirro-Cumulus) সিরোস্ট্রাটাস (Cirro-Stratus).

মাঝারি আকাশের মেঘ:
- ২০০০ মিটার থেকে ৬০০০ মিটারের মধ্যে থাকে।
- অল্টোকিউমুলাস (Altocumulus), অল্টোস্ট্রাটাস মেঘ (Altostratus), এই মাঝারি আকাশের মেঘ।

নীচু আকাশে মেঘ:
- যারা ২০০০ মিটারের নিচে অবস্থান করে।
- যেমন: স্ট্রাটাস (Stratus), নিম্বো স্ট্রাটাস (Nimbo- status), কিউমুলো-নিম্বাস (Cumulonimbus, কিউমুলাস (Cumulus) এবং স্ট্রাটো-কিউমুলাস (Strato- cumulus).

উৎস: National Weather Service (.gov).
৪,২৭৪.
ব-দ্বীপ সমভূমি বাংলাদেশের কোন কোন জেলা নিয়ে গঠিত? 
  1. রংপুর–দিনাজপুর
  2. দিনাজপুর–জামালপুর
  3. ফরিদপুর–যশোর
  4. ময়মনসিংহ–রংপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর–যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর–যশোর
ব্যাখ্যা

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ অসংখ্যা ছোট-বড় নদী সারা দেশে জালের ন্যায় ছড়িয়ে আছে। এসব নদী সমতল ভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় প্রতি বছর বন্যার সৃষ্টি হয়। এভাবে বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে। এ প্লাবন সমভূমি উত্তর দিক থেকে ক্রমশ ঢালু হয়ে দক্ষিণে প্রায় সমুদ্র সমতলে মিশেছে। দক্ষিণের সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত।

⇒ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।
• পাদদেশীয় সমভূমি: হিমালয় পর্বত হতে বাহিত পলল দ্বারা গঠিত রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
• বন্যাপ্রবণ সমভূমি: ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেট জেলার বন্যাপ্রবণ সমভূমি।
• স্রোতজ সমভূমি: খুলনা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি। এ অঞ্চলের নদীতে প্লাবন কম হয়, তবে নিয়মিত জোয়ার-ভাটা হয়।
• উপকূলীয় সমভূমি: নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি। এখানকার পতেঙ্গা সৈকত, কক্সবাজার সৈকত এবং টেকনাফ সৈকত পর্যটনের জন্য বিশেষ প্রসিদ্ধ।
• ব-দ্বীপ সমভূমি: ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৭৫.
ম্যাকমোহন লাইন কোন দুই দেশের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ করে?
  1. ভারত ও চীন
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. চীন ও নেপাল
  4. ভারত ও নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও চীন
ব্যাখ্যা
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।

বিভিন্ন দেশের সীমানা:

- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন ও ভারত মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- সনেরা লাইন - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যকার সীমানা।

সূত্র: National Geographic ওয়েবসাইট।
৪,২৭৬.
বাংলাদেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ এলাকা টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ নিয়ে গঠিত?
  1. প্রায় ৮%
  2. প্রায় ১২%
  3. প্রায় ৫৬%
  4. প্রায় ৭৯%
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১২%
ব্যাখ্যা

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,২৭৭.
নিচের কোন জেলায় প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়?
  1. বান্দরবান 
  2. কুষ্টিয়া 
  3. কুমিল্লা 
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

⇒ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৭৮.
আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো কী কী?
  1. বায়ুর তাপমাত্রা, উচ্চতা, বনভূমি, মাটি
  2. বায়ুর তাপ, চাপ, বারিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহ
  3. বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল
  4. অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বনভূমি
সঠিক উত্তর:
বায়ুর তাপ, চাপ, বারিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর তাপ, চাপ, বারিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া:
কোনো নির্দিষ্ট স্থানের নিদিষ্ট সময়ের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ, তুষারপাত, মেঘাচ্ছন্নতা ইত্যাদি উপাদানের গড় অবস্থাকে আবহাওয়া বলে। আবহাওয়া সবসময়ই পরিবর্তনশীল।

জলবায়ু:
কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কয়েক বছরের গড় আবহাওয়াকে জলবায়ু বলে। পরিবর্তনশীল আবহাওয়ায় কোনো স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ইত্যাদির ৩০-৪০ বছরের গড় অবস্থাকে সে স্থানের জলবায়ু বলা হয়। 

আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো:
- বায়ুপ্রবাহ,
- বায়ুর তাপ,
- বায়ুর চাপ,
- বায়ুর আর্দ্রতা ও
- বারিপাত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,২৭৯.
সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় কোন জেলায়?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) পঞ্চগড়
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) নাটোর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাটোর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত হলো ২০৩ সেন্টিমিটার।
- মাস অনুসারে জুলাই মাসে সর্বাধিক (৫২৩.০ মি.মি.) এবং জানুয়ারি মাসে সর্বনিম্ন (৯ মি.মি.) বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।
‌- সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালাখালে।
- সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে।

তাছাড়া, 
- বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা - রাজশাহী।
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা - সিলেট।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান - লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের শীতলতম স্থান - শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস - এপ্রিল।
- বাংলাদেশের শীতলতম মাস - জানুয়ারি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,২৮০.
পৃথিবীর আবর্তনের বেগ সবচেয়ে বেশি কোথায়?
  1. সুমেরুবৃত্তে
  2. নিরক্ষরেখায়
  3. ক্রান্তীয় রেখায়
  4. কুমেরুবৃত্তে
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখায়
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে নিয়ত আবর্তনশীল। এই আবর্তনের গতি আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর সর্বত্র আহ্নিক গতি সমান নয়। নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে হওয়ায় এখানে আবর্তন গতিও সবচেয়ে বেশি প্রায় ১,৭০০ কিলোমিটার।
- নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তন বেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়।
- ঢাকায় পৃথিবীর আর্বতন বেগ ১,৬০০ কিলোমিটার।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,২৮১.
প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম কোন ধরনের দুর্যোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা?
  1. ক) কাঠামোগত
  2. খ) অকাঠামোগত
  3. গ) উভয়ই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অকাঠামোগত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অকাঠামোগত
ব্যাখ্যা
প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যা স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
৪,২৮২.
প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) আফ্রিকার জোহানেসবার্গে
  2. খ) ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে
  3. গ) ইটালির রোমে
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি তে
সঠিক উত্তর:
খ) ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের উদ্যোগে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - ১৯৯২ সালের ৩রা জুন থেকে ১৪ ই জুন পর্যন্ত।
Source: LiveMCQ Lecture
৪,২৮৩.
২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে সর্বপ্রথম কোন হারিকেনটি আঘাত হানে?
  1. ডেনিস
  2. ক্যাটরিনা
  3. আইভান
  4. রিটা
সঠিক উত্তর:
ক্যাটরিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাটরিনা
ব্যাখ্যা
২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঙ্গরাজ্য লুইজিয়ানার 'গ্র্যান্ড ইল' এলাকায় প্রথম আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় 'ক্যাটরিনা'।

হারিকেন:
- সাধারণত আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়গুলোকে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে হারিকেন আঘাত করে।
- এটি প্রতি ঘন্টায় ১১৯ কিলোমিটার (৭৪ মাইল প্রতি ঘন্টা) বেগে প্রবাহিত হয়।
- একটি হ্যারিকেন থেকে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যা হতে পারে।
- সাফির -সিম্পসন হারিকেন উইন্ড স্কেল হল ১ থেকে ৫ রেটিং বা বিভাগ, হারিকেনের সর্বাধিক স্থায়ী বাতাসের উপর ভিত্তি করে।
- ক্যাটাগরি যত বেশি, হারিকেনের সম্পত্তির ক্ষতির সম্ভাবনা তত বেশি।

উল্লেখ্য,
- হারিকেন ক্যাটরিনা ছিল একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় যা ২০০৫ সালের আগস্টের শেষের দিকে দক্ষিণ-পূর্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানে।
- হারিকেন এবং এর পরবর্তী সময়ে ১৮০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যায়।
- এটি মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসাবে স্থান পায়।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) NOAA ওয়েবসাইট।
৪,২৮৪.
বর্তমানে বাংলাদেশে বৃহত্তম রপ্তানীমুখী শিল্প কোনটি?
  1. ক) ঔষধ শিল্প
  2. খ) পােশাক শিল্প
  3. গ) পাট শিল্প
  4. ঘ) সিরামিক শিল্প
সঠিক উত্তর:
খ) পােশাক শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পােশাক শিল্প
ব্যাখ্যা
⇨ বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
⇨ অর্থাৎ, রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।
⇨ এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
⇨ রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
⇨ প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
⇨ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৪,২৮৫.
উপকূলীয় অঞ্চলে লোনা পানির অনুপ্রবেশের কারণে কী ধরনের ফসল সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
  1. বাদাম
  2. পাট
  3. মুগডাল
  4. ধান ও শাকসবজি
সঠিক উত্তর:
ধান ও শাকসবজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান ও শাকসবজি
ব্যাখ্যা

• লোনা পানির অনুপ্রবেশ:
- কৃষিতে লোনা পানির অনুপ্রবেশ ও লবণাক্ততা বৃদ্ধি বাংলাদেশের উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলের একটি বড় সমস্যা।
- লবণাক্ততা মাটির উর্বরতা নষ্ট করে।
- pH পরিবর্তন করে এবং উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষণ বাধাগ্রস্ত করে।
- এর ফলে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে যায় বা ফসল নষ্ট হয়ে যায়। 
- তবে কিছু লবণ-সহনশীল ফসল যেমন- স্থানীয় ধান, বাদাম, সূর্যমুখী বা মুগ ডাল টিকে থাকতে পারে।
- উপকূলীয় অঞ্চলে লোনা পানির অনুপ্রবেশের কারণে মিঠা পানির উপর নির্ভরশীল ফসলগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের মধ্যে রয়েছে:
ধান (বিশেষত উচ্চ ফলনশীল জাত),
• শীতকালীন সবজি, 
• ভুট্টা,
• গম,
• সয়াবিন,
• আলু,
• টমেটো,
• পেঁয়াজ।

উল্লেখ্য, 
- লোনা পানির অনুপ্রবেশে ক্ষতির মূল কারণ হলো:
• পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি,
• মাটির রাসায়নিক গঠন পরিবর্তন,
• এবং লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে পানি শোষণ বাধাপ্রাপ্ত হওয়া।
- অভিযোজন হিসেবে- লোনা পানির ক্ষতি কমাতে কৃষকরা এমন ফসল চাষ করতে পারেন যা লবণযুক্ত মাটিতেও ভালো জন্মায়।
- যেমন, তারা লবণ-সহনশীল ধান, বাদাম, সূর্যমুখী বা মুগ ডাল চাষ করতে পারেন।
- এছাড়া, লবণ-সহনশীল ঘাস (coastal panic grass) চাষ করে তারা বায়োমাস বা জ্বালানির কাজে ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস:
১. কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর;
২. Britannica.

৪,২৮৬.
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতে কোন ঢালে বৃষ্টিপাত ঘটে?
  1. প্রতিপদ
  2. প্রতিবাত
  3. অনুবাত
  4. অনুপাদিত
সঠিক উত্তর:
প্রতিবাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিবাত
ব্যাখ্যা
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:

- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।
- পর্বত অতিক্রমকারী বায়ু যদি পর্বতের অপর পাশে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে পৌঁছায় তখন ঐ বায়ুতে জলীয়বাষ্প কমে থাকে। ঐ বায়ু নিচে নামার ফলে আরও উষ্ণ এবং শুষ্ক হয়ে উঠে বলেই ঐ স্থানে বৃষ্টিপাত হয় না।
- এই বৃষ্টিহীন স্থানকে বলা হয় বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৮৭.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২ অনুসারে, নিচের কোনটি কারিগরি আপদ?
  1. নদী ভাঙ্গন
  2. ভবনধ্বস
  3. নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা
  4. পারমানবিক দুর্ঘটনা
সঠিক উত্তর:
পারমানবিক দুর্ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমানবিক দুর্ঘটনা
ব্যাখ্যা
‘আপদ (Hazard):
- আপদ একটি অস্বাভাবিক ঘটনা যা প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট বা কারিগরি ক্রটির কারণে ঘটতে পারে এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- এর ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত করে।
- দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, বন্যা ইত্যাদির প্রাথমিক এবং প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে অবকাঠামোর উপর যার পুনঃনির্মাণ খুব ব্যয়বহুল কাজ।
- সব চরম ঘটনাই হচ্ছে আপদ।

উল্লেখ্য,
- প্রাকৃতিক আপদ: ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বজ্রঝড়, টর্ণেডো, বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, খরা, নদী ভাঙ্গন ইত্যাদি।
- মানবসৃষ্ট আপদ: ভবনধ্বস, নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
- কারিগরি আপদ: বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ড, শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা, পারমানবিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
৪,২৮৮.
পানি প্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় নদী - 
  1. হোয়াংহো নদী
  2. নীল নদ
  3. আমাজন নদী
  4. টাইগ্রীস নদী
সঠিক উত্তর:
আমাজন নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন নদী
ব্যাখ্যা

• আমাজন নদী:
- দক্ষিণ আমেরিকার সর্ববৃহৎ নদী।
- এবং পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রবাহ ও অববাহিকার অধিকারী।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পানি প্রবাহিতকারী নদী হিসেবে পরিচিত।
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকা, ৯টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- ব্রাজিল, পেরু, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, বোলিভিয়া, গায়ানা, সুরিনাম, ফরাসি গায়ানা।
- উৎস: পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা।
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ৭,০৬২ কিলোমিটার (নীল নদীর পর দ্বিতীয় দীর্ঘতম,)
- প্রবাহের গন্তব্য: অটলান্টিক মহাসাগর।
- পানি প্রবাহ: পৃথিবীর মোট নদী প্রবাহের ২০% নিয়ন্ত্রণ।
- চ্যালেঞ্জ: বন উজাড়, পরিবেশ দূষণ।

উৎস: Britannica.

৪,২৮৯.
সকোত্রা দ্বীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. লোহিত সাগর
  2. আরব সাগর
  3. ভূমধ্যসাগর
  4. পারস্য উপসাগর
সঠিক উত্তর:
আরব সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরব সাগর
ব্যাখ্যা
- সকোত্রা দ্বীপ আরব সাগরে অবস্থিত। এটিকে ‘ভিনগ্রহের দ্বীপ বা এলিয়েন দ্বীপ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- দ্বীপটি ইয়েমেনের মালিকানাধীন। বিচিত্র ও দুর্লভ জীববৈচিত্র্যের কারণে এটিকে ‘এলিয়েন দ্বীপ’ নামে অভিহিত করা হয়।
- এই দ্বীপে প্রাপ্ত ৯০০ উদ্ভদ প্রজাতির মধ্যে ৩০০টির অধিক পৃথিবীর অন্য কোথাও দেখা যায় না।
- ইউনেস্কো ২০০৩ সালে সকোত্রা দ্বীপকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে।
(তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো এবং আল জাজিরা)
৪,২৯০.
আটলান্টিক মহাসাগরের পূর্বে কোন মহাদেশ অবস্থিত?
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক মহাসাগর:
- আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয় এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়।
- এর আয়তন ৮,৫১,৩৩,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান পোয়ের্তোরিকা ট্রেঞ্চ।
- এর গড় গভীরতা ১১,৯৬২ ফুট এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ২৭,৪৯৩ ফুট।

⇒ আটলান্টিক মহাসাগর তুলনামূলকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের চেয়ে কম প্রশস্ত এবং উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে ইংরেজি S অক্ষরের মতো বিস্তৃত।
- এ মহাসাগরের পূর্বদিকে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ অবস্থিত।
- আর্কটিক সাগরসহ এটি সবচেয়ে লম্বা মহাসাগর যা উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলকে যুক্ত করেছে।
- স্থলভাগ সংলগ্ন অনেকগুলো অগভীর সাগর যেমন- আর্কটিক, বাল্টিক, ক্যারাবিয়ান, ভূ-মধ্যসাগর এবং মেক্সিকো উপসাগর রয়েছে।
- এ মহাসাগরে পতিত নদীগুলোর মধ্যে আমাজান এবং কঙ্গো অন্যতম।
- আটলান্টিক মহাসাগরে বেশ কিছু দ্বীপ রয়েছে। এর মধ্যে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দ্বীপ গ্রীনল্যান্ড অন্যতম।
- এছাড়াও রয়েছে পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ স্যান্ডউইচ, আইসল্যান্ড, সেন্ট পল বক দ্বীপ প্রভৃতি।

উৎস: i) Britannica.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৯১.
পৃথিবীর প্রাচীনতম 'ফিঙ্ক (Finke)' নদী কোন দেশে অবস্থিত?
  1. মিশর
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. জাপান
  4. চীন 
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর প্রাচীনতম 'ফিঙ্ক'(Finke) নদী  অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।
- ধারণা করা হয়, অস্ট্রেলিয়ার ফিঙ্ক নদী পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন নদী।
- এটির বয়স ৩৫ থেকে ৪০ কোটি বছর।
- অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসী জনগণ এই নদীকে 'লারাপিনটা' নামে ডাকে।
- অস্ট্রেলিয়ায় 'অ্যালিস স্প্রিংস ওরোজেনি' গড়ে ওঠার আগে থেকেই ফিঙ্ক নদী প্রবাহিত হচ্ছে বলে ধারণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- অ্যালিস স্প্রিংস ওরোজেনি হলো একটি ভূতাত্ত্বিক গঠন।
- এ সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মধ্যভাগের পাহাড়ি অঞ্চল গঠিত হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৪,২৯২.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা হয়?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  2. পশ্চিমাঞ্চল
  3. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  4. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood):
- বন্যা বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- ধরণ ও প্রকৃতি অনুযায়ী বন্যাকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: মৌসুমী বন্যা, আকস্মিক বন্যা, উপকূলীয় বন্যা এবং নগর বন্যা।

⇒ আকস্মিক বন্যা:
- বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢলের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়, তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তথা সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় আকস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়।
- বোরো মৌসুমে এ ধরনের বন্যা হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) মে ১, ২০২৪, The Daily Star বাংলা।
৪,২৯৩.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়?
  1. বন্যা
  2. টর্নেডো
  3. অগ্নিকাণ্ড
  4. নদীভাঙন
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকাণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকাণ্ড
ব্যাখ্যা
দুর্যোগের ধারণা:
- কোনো প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট অবস্থা যখন অস্বাভাবিক ও অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে এবং এর ফলে শস্য ও সম্পদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি ও ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে, পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন তাকে দুর্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
- দুর্যোগ দুই ধরনের। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবসৃষ্ট দুর্যোগ।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং তার উপর সাধারণত মানুষের হাত থাকে না। 
- মানবসৃষ্ট দুর্যোগ অনেকটা মানুষের কর্মকাণ্ডের ফল এবং মানুষ সচেতন ও সতর্ক থাকলে তা থেকে আত্মরক্ষা করতে পারে।
- মানুষের অসচেতনতা বা দূরদৃষ্টির অভাবে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় এবং যা মানুষের প্রাণহানি ঘটানোর পাশাপাশি তার স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে, পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট করে এবং সমাজকে অস্থিতিশীল করে তোলে, তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলে।
- যেমন: যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনভূমি বিনাশ, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি, মরুকরণ, অগ্নিকাণ্ড, দূষণ প্রভৃতি। 
- প্রাকৃতিক কোনো দুর্ঘটনা বা বিপর্যয় যখন কোনো জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তোলে তখন তাকে আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলি।
- যেমন- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,২৯৪.
মিসিসিপি নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  2. ইটাস্কা হ্রদ
  3. আন্দিজ পর্বতমালা
  4. ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বত
সঠিক উত্তর:
ইটাস্কা হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইটাস্কা হ্রদ
ব্যাখ্যা
মিসিসিপি নদী:
- মিসিসিপি নদী হলো উত্তর আমেরিকার দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- মিসিসিপি নদীর দৈর্ঘ্য ৬২৭০ কি.মি.।
- নদীটির উৎস ইটাস্কা হ্রদ, যা আমেরিকার মিনোসোটার রাজ্যে অবস্থিত।
- মিসিসিপি নদীর প্রশস্ত অংশ বেনা।

⇒ বিশ্বের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তিস্থল:
- হোয়াংহো নদী: কুনকুন পর্বত, চিন দেশ।
- দানিয়ুব নদী: ব্ল্যাক ফরেস্ট, ইউরোপ।
- মারে ডার্লিং নদী: কোমিয়াস্কে, অষ্ট্ৰেলিয়া।
- তিস্তা নদী: সিকিমের পর্বত অঞ্চল।
- নীলনদ: ভিক্টোরিয়া হ্রদ, আফ্রিকা মহাদেশ।
- আমাজান নদী: আন্দিজ পর্বতমালা, দক্ষিণ আমেরিকা।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৯৫.
সাধারণত কোন মাসে আউশ ধান রোপণ করা হয়?
  1. জুলাই-আগস্ট
  2. মে-জুন
  3. মার্চ-এপ্রিল
  4. সেপ্টেম্বর-অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
মার্চ-এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্চ-এপ্রিল
ব্যাখ্যা
আউশ ধান:
- বাংলাদেশে ধান উৎপাদনের তিনটি মৌসুমের মধ্যে আউশ অন্যতম।
- আউশ ধান খরিফ-১ মৌসুমের ফসল।
- আউশ ধান বর্ষা মৌসুমে আবাদ করা হয়।
- ফলে আউশ ধান চাষের পানি সেচের প্রয়োজন হয় না।
- বৈশাখ-জ্যেষ্ঠ মাসে আউশ ধানের চারা রোপণ করা হয়।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে আউশ ধান কাটা হয়।

উল্লেখ্য,
- আউশ ধান রোপনের সময়: মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল,
- আউশ ধান উত্তোলনের সময়: মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪,২৯৬.
কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির কত ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ১৫ ভাগ
  2. ১৭ ভাগ
  3. ২০ ভাগ
  4. ২৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনজ সম্পদ: 
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন
- কিন্তু বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৯৭.
চির বসন্তের দেশ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. কানাডা
  2. ব্রাজিল
  3. ঘানা
  4. ইকুয়েডর
সঠিক উত্তর:
ইকুয়েডর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকুয়েডর
ব্যাখ্যা

ইকুয়েডর:
- দেশটির নামের অর্থ ‘নিরক্ষীয় অঞ্চল’।
- ইকুয়েডর উত্তর-পশ্চিম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ।
- দেশটির আয়তন ৯৯,১১২ বর্গ মাইল (২৫৬,৭০০ বর্গ কিমি)।
- এর রাজধানীর নাম কুইটো।
- বর্তমানে ইকুয়েডর যা আছে তার বেশিরভাগই ইনকা সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত।
- ইকুয়েডর নিরক্ষরেখায় অবস্থিত , সিয়েরা ব্যতীত বেশিরভাগ দেশই আর্দ্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু অনুভব করে।
- ওরিয়েন্ট সারা বছর ধরে একটি অস্থির সামুদ্রিক গ্রীষ্মমন্ডলীয় বায়ু দ্বারা প্রভাবিত হয়।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার চির বসন্তের দেশ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪,২৯৮.
বগাকাইন হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) মৌলভিবাজার
  3. গ) খাগড়াছরি
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
বগাকাইন হ্রদ (Bagakain Lake): 
- বান্দরবান পার্বত্য জেলার একমাত্র প্রাকৃতিক হ্রদ, সাধারণভাবে বগা লেক নামে পরিচিত।
- হ্রদটি রুমা থানার পূর্বদিকে শঙ্খ নদীর তীর থেকে ২৯ কিমি অভ্যন্তরে নাইতং মৌজায় পলিতাই পর্বতশ্রেণীর একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত।
- এর তীরগুলি পরস্পর সমান্তরাল বলে এটিকে মানুষের খনন করা দিঘি বলে মনে হয়।
- এর গভীরতা ৩৮ মিটার।
-  হ্রদটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪৫৭ মিটার ও ৬১০ মিটার উচ্চতার মধ্যবর্তী অবস্থানে একটি মালভূমিতে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,২৯৯.
'বোমাং সার্কেল' পার্বত্য চট্টগ্রামের কোন জেলা?
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. চট্টগ্রাম
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

• পার্বত্য চট্টগ্রামে সার্কেল রয়েছে ৩টি।
• এগুলো হলোঃ
- চাকমা সার্কেল (রাঙামাটি জেলা),
- মং সার্কেল (খাগড়াছড়ি জেলা) এবং
- বোমাং সার্কেল (বান্দরবান জেলা)
• পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ৩ সার্কেল প্রধানরা স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে 'রাজা' হিসেবেই পরিচিত।
• সরকারিভাবে সার্কেল প্রধানদের সার্কেল চীফ বলা হয়।
উৎসঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৪,৩০০.
জোয়ার-ভাটায় মরা কটাল (Neap Tide) কখন হয়?
  1. অষ্টমীতে
  2. দশমী
  3. পঞ্চমীতে
  4. অমাবস্যায়
সঠিক উত্তর:
অষ্টমীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টমীতে
ব্যাখ্যা

মরা কটাল (Neap Tide):
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে না।
- এ সময় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- এই সময় তারা পৃথিবীকে আড়াআড়ি আকর্ষণ করে এবং এই আকর্ষণ বেগ কম হয়।
- এ সময় চন্দ্রের আকর্ষণে চন্দ্র ও তার বিপরীত দিকে জোয়ার হয়।
- কিন্তু চন্দ্রের আকর্ষণ সূর্য হতে বেশি বলে সূর্য ও তার বিপরীত দিকে ভাঁটা হয়।
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে জোয়ারের তীব্রতা সবচেয়ে কম থাকায় এইরূপ জোয়ারকে বলা হয় মরা কটাল। 

এছাড়াও,
- চন্দ্রের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে মুখ্য ও গৌণ জোয়ার হয়। অন্যদিকে পানির উচ্চতার উপর ভিত্তি করে সংঘটিত হয় মরা কটাল এবং ভরা কটাল। মুখ্য জোয়ারকে বলা হয় প্রত্যক্ষ জোয়ার এবং চন্দ্রের বিপরীতে সৃষ্ট জোয়ারকে বলা হয় গৌণ জোয়ার। পূণির্মা ও অমাবস্যায় চন্দ্রের আকর্ষণের ভরা কটাল সংঘটিত হয়। আবার সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে মরা কটাল সংঘটিত হয়। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।