বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৪৪ / ৭২ · ৪,৩০১৪,৪০০ / ৭,১৯১

৪,৩০১.
সাহেল অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. ইউরোপ
  2. পশ্চিম আফ্রিকা
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
সাহেল (Sahel):
- সাহেল অঞ্চল বলে অভিহিত পশ্চিম আফ্রিকার সাব সাহারা অঞ্চল।
- এই অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য দেশগুলো হচ্ছে মৌরিতানিয়া, মালি ও নাইজার প্রভৃতি।
- এই অঞ্চলে সাভানা বনভূমি রয়েছে।

অন্যদিকে,
- প্রেইরি (Prairie): উত্তর আমেরিকার উর্বর তৃণভূমি।
- তুন্দ্রা: সব থেকে উত্তরের স্থল বায়োম হলো তুন্দ্রা।

উৎস: Britannica.
৪,৩০২.
ভূত্বকের গড় গভীরতা কত?
  1. ক) ০৫ কি.মি.
  2. খ) ১০ কি.মি.
  3. গ) ২০ কি.মি.
  4. ঘ) ৩৫ কি.মি
সঠিক উত্তর:
গ) ২০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তা ‘ভূত্বক’ নামে পরিচিত।
- ভূত্বের গড় গভীরতা ২০ কিমি।
- মহাসাগরীয় ভূত্বকের গড় গভীরতা ০৫ কিলোমিটার এবং মহাদেশীয় পৃষ্ঠে ভূত্বকের গড় গভীরতা ৩৫ কিমি।
- মহাদেশীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) দ্বারা গঠিত যা ‘সিয়াল’ (SiAl) স্তর নামে পরিচিত।
- মহাসাগরীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) দ্বারা গঠিত যা ‘সিমা’ (SiMg) স্তর নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৩০৩.
বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান কবে আঘাত হানে?
  1. ক) ২০২০ সালের ১৫ মে
  2. খ) ২০১৮ সালের ১৬ মে
  3. গ) ২০১৯ সালের ১৮ মে
  4. ঘ) ২০২০ সালের ২০ মে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০২০ সালের ২০ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০২০ সালের ২০ মে
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের ২০ মে ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার বাতাসের গতিবেগ নিয়ে বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আমফান৷
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার সালতামামি
৪,৩০৪.
গত এক শতাব্দীতে বায়ুমন্ডলে শতকরা কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে-
  1. ক) ২.৫ ভাগ
  2. খ) ২.০৫ ভাগ
  3. গ) ২৫ ভাগ
  4. ঘ) ১৭ ভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
বায়ুর মূল উপাদান হলো অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন। এছাড়া বায়ুতে সামান্য পরিমাণে কার্বন-ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও নাইট্রাস অস্কাইড আছে। আছে জলীয় বাষ্প ও ওজন গ্যাস। গত এক শতাব্দীতে বায়ুমন্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে শতকরা ২৫ ভাগ।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ঃ অষ্টম শ্রেণি
৪,৩০৫.
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাসের নাম?
  1. জানুয়ারি
  2. মার্চ
  3. এপ্রিল
  4. জুন
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ২৬.০১⁰ সেলসিয়াস।
- গড় বৃষ্টিপাত ২০৩⁰ সেন্টিমিটার।
- উষ্ণতম মাস: এপ্রিল, গড় তাপমাত্রা ২৮° সেলসিয়াস।
- শীতলতম মাস: জানুয়ারি, গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।

উল্লেখ্য,
- দেশের উষ্ণতম স্থান: লালপুর, নাটোর।
- শীতলতম স্থান: শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা: সিলেট।
- সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়: লালাখাল, সিলেট।
- সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়: লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা: কক্সবাজার।
- সর্ব উত্তরের জেলা: পঞ্চগড়।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা: রাঙামাটি।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা: নারায়নগঞ্জ।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৩০৬.
২১ শে মার্চ দক্ষিণ গোলার্ধে কোন ঋতু বিরাজ করে?
  1. গ্রীষ্মকাল
  2. বর্ষাকাল
  3. শরৎকাল
  4. বসন্তকাল
সঠিক উত্তর:
শরৎকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরৎকাল
ব্যাখ্যা
⇒ ২১ শে মার্চ দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হওয়ায় দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে।

 উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- ২২শে ডিসেম্বরের পর পৃথিবী নিজ কক্ষপথে অগ্রসর হতে থাকে।
- ২১শে মার্চ পৃথিবী এমন অবস্থানে পৌঁছায় যখন সূর্যের রশ্মি নিরক্ষরেখা বরাবর লম্বভাবে পড়ে।
- ২১শে মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান হয়।
- জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসে উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল বিরাজ করে।
- একই সময় (জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসে) দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে।

অন্যদিকে,
উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল:
- ২১শে জুনের পর পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে দক্ষিণ মেরু সূর্যের নিকটবর্তী হতে থাকে।
- ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্যের রশ্মি নিরক্ষরেখা বরাবর লম্বভাবে পড়ে।
- এই দিনে মেরুদেশীয় অঞ্চল ছাড়া পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত্রি সমান থাকে।
- জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের শেষভাগ পর্যন্ত উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল বিরাজ করে।
- এই দুই ঋতুতে তাপমাত্রা মাঝামাঝি পর্যায়ে থাকে, যা আরামপ্রদ আবহাওয়া সৃষ্টি করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩০৭.
ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে কী বলা হয়?
  1. চোখ
  2. মুখ
  3. ফণী
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চোখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোখ
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড় হলো একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষ ও প্রাণিজগতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত।
- অনিয়মিত বায়ুর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো ঘূর্ণিঝড় ও প্রতীপ ঘূর্ণিঝড়।
- উপরের ও নিচের বায়ুর পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে এই ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় পশ্চিমা বায়ু প্রবাহ দ্বারা মধ্য অক্ষাংশ অঞ্চলের নিম্নচাপ ও উচ্চচাপ পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়।
- এই ঝড়ের সময় বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ ঘন্টায় ৬৫ কি.মি বা তারও বেশি হয়।
- এছাড়াও নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। দ্রুত উর্দ্ধগামী বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকলে ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- উত্তর গোলার্ধে প্রবল ঘূর্ণিবায়ু বাইরের থেকে কেন্দ্রের দিকে প্রবাহিত হয়। পরে প্রচন্ড শক্তিতে বায়ু আবর্তনের মাধ্যমে উপরের দিকে উঠতে থাকে।
- ঘূর্ণিঝড় উষ্ণ জলরাশি থেকে সৃষ্টি হয় যার গড় উঞ্চতা ২৭° সেলসিয়াস।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
- উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩০৮.
বায়ুমণ্ডলের ওজন স্তর অবক্ষয়ের জন্য কোন গ্যাসের ভূমিকা সর্বোচ্চ?
  1. ক) সিএফসি
  2. খ) মিথেন
  3. গ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
  4. ঘ) নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
ক) সিএফসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিএফসি
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের ওজন স্তর অবক্ষয়ের জন্য সিএফসি গ্যাসের ভূমিকা সর্বোচ্চ। 

- CFC-এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন। মূলত মিথেন বা ইথেনের ক্লোরিন ও ফ্লোরিনের জাতকসমূহকে সিএফসি বলা হয়।
- গন্ধহীন, অদাহ্য, অবিষাক্ত এবং নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট এসব যৌগের বাণিজ্যিক নাম ফ্রেয়ন।

সিএফসি (CFC) এর ব্যবহার- 
১। কীটনাশক ও পােকামাকড় দমনের জন্য বিষাক্ত দ্রবণ তৈরিতে দ্রাবক হিসাবে CFC ব্যবহার করা হয়।
২। শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ইনহেলার, মেডিক্যাল স্প্রে-প্রভূতি ক্ষেত্রে CFC ব্যবহার করা হয়।
৪। সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে CFC ব্যবহার করা হয়।
৫। CFC এর ফুটনাংক কম হওয়ায় বিভিন্ন ধরণের রেফ্রিজারেশন এবং শীতাতাপ নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হয়।
৬। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে CFC যৌগের ব্যবহার রয়েছে।

সূত্র: United States Environmental Protection Agency [লিঙ্ক]
৪,৩০৯.
কোন প্রক্রিয়ায় সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে?
  1. ক) পরিবহন
  2. খ) বিকিরণ
  3. গ) পরিচলন
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিকিরণ
ব্যাখ্যা

- বায়ুর তাপের প্রধান উৎস সূর্য।
- বিকিরণ প্রক্রিয়ায় সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে।
- বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির ৯৯.৯৭% আসে সূর্য থেকে।
- পৃথিবী তাপ হারিয়ে শীতল হয় বিকিরণ পদ্ধতি।
- ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয় পরিবহন প্রক্রিয়া।
- পানি ও বায়ুমণ্ডলের উত্তাপের বিনিময় হয় পরিচলন প্রক্রিয়ায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৩১০.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক কত সমুদ্রসীমা নটিক্যাল মাইল?
  1. ১৫ নটিক্যাল
  2. ১২ নটিক্যাল
  3. ১০ নটিক্যাল
  4. ৮ নটিক্যাল
সঠিক উত্তর:
১২ নটিক্যাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ নটিক্যাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমানা (Boundary):
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলভাগ ভারত এবং মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে অবস্থিত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।
- এ দেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয় রাজ্য, পূর্বে  আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।

অন্যদিকে,
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩১১.
’পুনর্ভবা’ কোন নদীর উপনদী?
  1. মেঘনা
  2. মহানন্দা 
  3. সুরমা
  4. কুশিয়ারা
সঠিক উত্তর:
মহানন্দা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানন্দা 
ব্যাখ্যা

পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন মহানন্দার উপনদী।

• মহানন্দা (Mahananda):
- হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিং এর নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বত হতে মহানন্দা নদী উৎপত্তি হয়েছে।
- ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে। অত:পর ভারতের পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চাপাইনবাবগঞ্জের নিকট বাংলাদেশে পুনরায় প্রবেশ করে গোদাগাড়ির কাছে পদ্মার মিলিত হয়েছে।
- পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন এর উপনদী।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৪,৩১২.
কোনটি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ?
  1. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
  2. টর্নেডো
  3. খরা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ (Climate Change-Induced Disasters):
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মুখ্য প্রভাব হলো জলবায়ু পরিবর্তন।
- আগামী দশকের যে সকল চ্যালেঞ্জ বিশ্ববাসীকে মোকাবেলা করতে হবে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর বিরূপ প্রভাব।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগগুলো হলো: সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো, সুনামির প্রকোপ বৃদ্ধি, অস্বাভাবিকভাবে ঋতু বৈচিত্র্যের চক্র নষ্ট হওয়া, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হওয়া।

• জলবায়ু পরিবর্তন: 
- কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল বা এলাকায় দীর্ঘ মেয়াদে গড় আবহাওয়ার পরিবর্তনকে জলবায়ুর পরিবর্তন বলে। 
- পৃথিবীতে প্রতিদিন যে সূর্যকিরণ পতিত হয় ভূ-পৃষ্ঠ তা শোষণ করে নেয়। শোষিত সূর্যকিরণ আবার মহাশূন্যে বিকিরিত বা প্রতিফলিত হয়। প্রকৃতির এটিই স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু প্রাকৃতিক নিয়মের এই শোষণ বিকিরণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বাঁধা বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলেই জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটে।

⇒ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ: 
- জলবায়ু পরিবর্তন হয়ে থাকে মূলত পৃথিবীর গড় তাপমাত্রার বৃদ্ধির ফলে। আর তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো -
১. জীবাশ্ম জ্বালানির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার;
২. শিল্প-কারখানার ধোঁয়া ও বিষাক্ত বর্জ্য;
৩. যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া যেমন- কার্বন মনোঅক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড;
৪. ব্যাপকহারে বনাঞ্চল ধ্বংস;
৫. তেজষ্ক্রিয় দূষণ;
৬. বনভূমি এলাকায় দাবানল;
৭. ওজোন স্তর ক্ষয় এবং
৮. মানুষের বিলাসবহুল জীবযাপনের জন্য প্রস্তুত বিভিন্ন সামগ্রী (যেমন-এয়ারকন্ডিশনার) প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩১৩.
সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয় -
  1. নিয়ত বায়ু
  2. অনিয়মিত বায়ু
  3. সাময়িক বায়ু
  4. স্থানীয় বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
নিয়ত বায়ু:
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু।

অন্যদিকে -
- সাময়িক বায়ু: কোনো নির্দিষ্ট দিক, বা বছরের কোনো নির্দিষ্ট ঋতুতে যে বায়ুপ্রবাহ জল ও স্থলভাগের তাপের তারতম্য সৃষ্টি করে তাকেই বলা হয় সাময়িক বায়ু।
- স্থানীয় বায়ু: স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়প্রবাহ।
- অনিয়মিত বায়ু: কোনো স্থানে অধিক উত্তাপের জন্য বায়ুচাপ কমে নিম্নচাপের অথবা অত্যাধিক শীতের জন্য কোনো স্থানীয় বায়ু শীতল জলে উচ্চচাপের সৃষ্টি হয়। এভাবে সৃষ্টি যে বায়ুপ্রবাহ তাকে বলা হয় অনিয়মিত বায়ু প্রবাহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩১৪.
জার্মান আক্রমন হতে রক্ষা পাবার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা কোনটি?
  1. ম্যাকমোহন লাইন
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. ম্যাজিনো লাইন
  4. সনোরা লাইন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিনো লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিনো লাইন
ব্যাখ্যা
ম্যাজিনো লাইন:
- জার্মান আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা ম্যাজিনো লাইন।
- ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে অবস্থিত সীমান্ত বরাবর নির্মিত দুর্ভেদ্য লাইন ম্যাজিনো লাইন।
- ফ্রান্স ১৯৩০ এর দশকে এটি নির্মাণ করে।
- জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়।
- ১৯৩৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

অন্যদিকে -
- ম্যাকমোহন লাইন হলো চীন ও ভারতের মধ্যে কার্যকরী সীমানা।
- ডুরান্ড লাইন আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত একটি সীমান্ত রেখা বা লাইন।
- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে পৃথককারী সীমান্তরেখা সনোরা লাইন।

উৎস: Britannica.
৪,৩১৫.
'ব-দ্বীপ' কোন ধরনের সমভূমি?
  1. সঞ্চয়জাত
  2. হিমবাহ
  3. ক্ষয়জাত
  4. কার্স্ট
সঠিক উত্তর:
সঞ্চয়জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঞ্চয়জাত
ব্যাখ্যা
সমভূমি:
- সমুদ্র সমতল থেকে প্রায় সম উচ্চতায় সুবিস্তৃত স্থলভাগকে সমভূমি বলা হয়।
- তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কয়েকশ মিটার উঁচুতেও সমভূমি গঠিত হতে পারে। 
- পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় অর্ধেক সমভূমি।
- সমভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কয়েকশত ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় অবস্থিত হতে পারে।
- সমভূমিতে মৃদু ঢাল বিশিষ্ট ভূমি, ছোট ছোট টিলা, পাহাড় এবং নদী উপত্যকার উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়।

⇒ সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশে সমভূমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- আফ্রিকা মহাদেশে সমভূমির পরিমাণ সবচেয়ে কম।
- ইউরেশিয়ার উত্তরাংশ জুড়ে পৃথিবীর বৃহত্তম সমভূমি অবস্থিত।

⇒ অবস্থান ও গঠনপ্রণালির ওপর ভিত্তি করে পৃথিবীর সমভূমিকে নিম্নলিখিত ভাগে বিভক্ত করা যায়।
১) ক্ষয়জাত সমভূমি,
২) হৈমবাহিক সমভূমি,
৩) কার্স্ট সমভূমি,
৪) সঞ্চয়জাত সমভূমি.

⇒ সঞ্চয়জাত সমভূমি:
- বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক শক্তি যেমন- নদী, বায়ুপ্রবাহ ও হিমবাহের মাধ্যমে উচ্চভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে পলিমাটি, কাঁকর, বালু, কর্দম প্রভৃতি নিম্নস্থানে সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে সঞ্চয়জাত সমভূমি বলে।
- এ জাতীয় সমভূমি যে কোনো ভূমির তুলনায় অধিক উর্বরতাসম্পন্ন। 
- 'ব-দ্বীপ' এক ধরনের সঞ্চয়জাত সমভূমি।

⇔ ব-দ্বীপ:
- নদীর গতিপথের সর্বশেষ পর্যায়ে অর্থাৎ সমুদ্রে পতিত হওয়ার পূর্বে নদীর গতি সর্বাধিক মন্থর থাকে এবং পানিতে পলির পরিমাণ থাকে সর্বাধিক।
- ফলে নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়।
- এ পলি সঞ্চিত হতে হতে বাংলা মাত্রাহীন 'ব' এর মতো যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে ব-দ্বীপ বলে.
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, পাকিস্তানের সিন্ধু, মিশরের নীল, ব্রহ্মদেশের ইরাবতী, চীনের ইয়াংসি, হোয়াংহো, উত্তর আমেরিকার মিসিসিপি, ইতালির পো প্রভৃতি নদীর মোহনায় বিস্তীর্ণ ব-দ্বীপ গঠিত হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩১৬.
উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন- 
  1. ২১ মার্চ
  2. ২১ জুন 
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২৩ জুন
সঠিক উত্তর:
২১ জুন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন 
ব্যাখ্যা

উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল ও দক্ষিণ গোলাধে শীতকাল:
- ২১ এ মার্চের পর থেকে পৃথিবী তার নিজ কক্ষপথে এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে উত্তর মেরু ক্রমশ সূর্যের দিকে হেলতে থাকে।
- এভাবে ২১ এ জুনে গিয়ে সূর্যকর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১ এ জুন উত্তর গোলার্ধে বড় দিন এবং ছোট রাত হয়।
- ঐ দিনই সূর্যের উত্তরায়ণের শেষ এবং তার পরের দিন থেকে পুনরায় সূর্য দক্ষিণ দিকে আসতে থাকে।
- দিন বড় হওয়ার কারণে উত্তর গোলার্ধে ২১ এ জুনের দেড় মাস পূর্ব থেকেই গ্রীষ্মকাল শুরু হয় এবং পরের দেড় মাস পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল স্থায়ী হয়।
- এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে ঠিক বিপরীত অবস্থা দেখা যায় অর্থাৎ শীতকাল অনুভূত হয়।
- এ সময় সূর্য হেলে থাকার কারণে এ গোলার্ধে সূর্য কম সময় ধরে কিরণ দেয়। ফলে দিন ছোট এবংরাত বড় হয়।
- দিনে ভূপৃষ্ঠ যতটুকু উত্তপ্ত হয়, রাতে তাপ বিকিরণের ফলে তা ঠান্ডা হয়ে যায়।
- এখানে তখন শীতের আবহাওয়া বিরাজ করে। দক্ষিণ গোলার্ধে এ সময়কে শীতকাল বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৪,৩১৭.
SPARSO এর পূর্ণ রূপ কোনটি?
  1. ক) Space Resource and Remote Sensing Organisation
  2. খ) Special Resource and Remote Sensing Organisation
  3. গ) Space Research and Regulatory Sensing Organisation
  4. ঘ) Space Research and Remote Sensing Organisation
সঠিক উত্তর:
ঘ) Space Research and Remote Sensing Organisation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Space Research and Remote Sensing Organisation
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র হলো SPARRSO (Space Research and Remote Sensing Organisations)।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

উৎস: SPARSO ওয়েবসাইট।
৪,৩১৮.
এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছ কোন সাগর?
  1. লোহিত সাগর
  2. আরব সাগর
  3. কাস্পিয়ান সাগর
  4. পীত সাগর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর
ব্যাখ্যা
লোহিত সাগর:
- এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ হতে পৃথক করেছে লোহিত সাগর এবং সুয়েজ খাল।
- লোহিত সাগর সৌদি আরব (এশিয়া) এবং মিশর - (আফ্রিকা) কে পৃথক করেছে।
- ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণে আফ্রিকা মহাদেশ অবস্থিত।
- ইউরোপ মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ হতে পৃথক করেছে ভূমধ্যসাগর।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৩১৯.
কোন প্রকার বায়ু চাপবলয় দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয়?
  1. স্থানীয় বায়ু
  2. সাময়িক বায়ু
  3. মৌসুমি বায়ু
  4. নিয়ত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
বায়ু:
- পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে যে বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
- নিয়ত বায়ু তিন প্রকার।
- যথা: পশ্চিমা বায়ু, অয়ন বায়ু, মেরু বায়ু।
- পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত হয় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।
- অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু প্রবাহিত হয় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।
- মেরু বায়ু প্রবাহিত হয় মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেনি।
৪,৩২০.
'কয়লা' কোন ধরণের শিলা?
  1. ক) পাললিক শিলা
  2. খ) প্রাথমিক শিলা
  3. গ) আগ্নেয় শিলা
  4. ঘ) রূপান্তরিত শিলা
সঠিক উত্তর:
ক) পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা
 • শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তা পাললিক শিলা।
- এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- পাললিক শিলা নরম ও হালকা যা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। পাললিক শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।
- পাললিক শিলার উদাহরণ- চুনাপাথর, কয়লা, নুড়িপাথর, বেলেপাথর, পলিপাথর, কর্দমপাথর, চক, কোকিনা, লবণ, জিপসাম, ডায়াটম, ডোলোমাইট ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়,
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেলে পরিণত হয় , 
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইটে পরিণত হয়, 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৩২১.
বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌচলাচলযোগ্য হ্রদ কোনটি?
  1. লেক আসাল
  2. লেক টিটিকাকা
  3. লেক বৈকাল
  4. লেক সুপিরিয়র
সঠিক উত্তর:
লেক টিটিকাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেক টিটিকাকা
ব্যাখ্যা
লেক টিটিকাকা:
- লেক টিটিকাকা দক্ষিণ আমেরিকার পেরু ও বলিভিয়ার সীমান্ত ঘেঁষে অবস্থিত। 
- এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২,৫০৭ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।
- অবস্থান: আন্দিজ আল্টিপ্লানো অঞ্চলে। 
- দৈর্ঘ্য: ১২০ মাইলের বেশি, প্রস্থ: ৫০ মাইলের বেশি। 
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে বড় হ্রদ (জলরাশি ও আয়তনের দিক থেকে)
- এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌচলাচলযোগ্য হ্রদ। 
- এটি একসময় ইনকা সভ্যতার কেন্দ্র ছিল। 

ওজোস দেল সালাদো: 
- ওজোস দেল সালাদো হল বিশ্বের সর্বোচ্চ সক্রিয় স্ট্র্যাটোভলকানো ।
- এটি চিলি এবং আর্জেন্টিনার সীমান্তে আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত।
- নেভাডো ওজোস দেল সালাদো হল চিলির সর্বোচ্চ পর্বত যার উচ্চতা ৬,৮৯৩ মিটার। 
- উল্লেখযোগ্যভাবে, ওজোস দেল সালাদোতে বিশ্বের সর্বোচ্চ হ্রদ রয়েছে, যা ৬,৩৯০ মিটার (প্রায় ২০৯৬৫ ফুট) উঁচুতে অবস্থিত।

উৎস: World Atlas.
৪,৩২২.
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উষ্ণ মরুভূমি কোনটি?
  1. ক) সাহারা
  2. খ) সোনোরান
  3. গ) কালাহারি
  4. ঘ) পাটাগোনিয়ান
সঠিক উত্তর:
ক) সাহারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাহারা
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উষ্ণ মরুভূমি সাহারা মরুভূমি। সাহারা মরুভূমিকে আফ্রিকার দুঃখ বলা হয়।
পাটাগোনিয়ান মরুভূমি অবস্থিত আর্জেন্টিনা ও চিলিতে।
কালাহারি মরুভূমিও আফ্রিকায় অবস্থিত।।
সোনোরান মরুভূমি যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে অবস্থিত।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৪,৩২৩.
'Bangladesh Climate and Disaster Risk Atlas' প্রতিবেদন অনুসারে, লবণাক্ততা ও ঘূর্ণিঝড় প্রবণ জেলা কয়টি?
  1. ১৬টি
  2. ১৩টি
  3. ১১টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) কর্তৃক প্রকাশিত Bangladesh Climate and Disaster Risk Atlas অনুসারে -
১. দেশে ভূমিকম্প ঝুঁকি প্রবণ জেলা - ৩টি।
- কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নরসিংদী।

২. বন্যা প্রবণ জেলা - ১১টি।
- টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, শরীয়তপুর ও চাঁদপুর।

৩. আকস্মিক বন্যা ও ভূমিকম্প ঝুঁকি প্রবণ জেলা - ৬টি।
- সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ।

৪. দেশে খরাপ্রবণ জেলা - ১৩টি।
- পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর, রংপুর, জয়পুরহাট, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও গাজীপুর। 

৫. খরার সঙ্গে বন্যা প্রবণ জেলা - ৬টি।
- রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও কুষ্টিয়া।

৬. বন্যা ও ভূমিকম্প প্রবণ জেলা - ৬টি।
-  লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও জামালপুর।

৭. লবণাক্ততা ও ঘূর্ণিঝড় প্রবণ জেলা - ১৬টি।
- যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরিশাল, ভোলা, বরগুনা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার।

Source: পত্রিকা রিপোর্ট ও এডিবি ওয়েবসাইট।
৪,৩২৪.
সরকার ঘোষিত মৎস্য অভয়াশ্রম কোনটি?
  1. কর্ণফুলী
  2. সাঙ্গু
  3. হালদা
  4. সালদা
সঠিক উত্তর:
হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- বাংলাদেশের সীমানায় উৎপত্তি ও সমাপ্তি হয়েছে হালদা নদী।
- চট্টগ্রামে অবস্থিত হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- এটি খাগড়াছড়ি (বাদনাতলী) থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে।
- সম্প্রতি সরকার এই নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করেছে।

তথ্যসূত্র - মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৪,৩২৫.
'হাইল হাওর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. নেত্রকোনা
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

হাইল হাওর:
​- 'হাইল হাওর' মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।

⇒ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত ‘হাইল হাওর’।
- এই বিশাল জলাধারে রয়েছে ১৪টি বিল এবং পানি নিষ্কাশনের ১৩টি নালা।
- মোট আয়তন ১০ হাজার হেক্টর।
- প্রচুর লতা ও গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ থাকায় স্থানীয়দের কাছে এটি লতাপাতার হাওর নামেও পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৩২৬.
বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমানা কত কিঃমিঃ?
  1. ৫১৩৮ কিঃমিঃ 
  2. ৪৩৭১ কিঃমিঃ
  3. ৪১৫৬ কিঃমিঃ
  4. ৩৯৭৮ কিঃমিঃ
সঠিক উত্তর:
৪১৫৬ কিঃমিঃ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৫৬ কিঃমিঃ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট ৫১৩৮ কিলোমিটার সীমারেখা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট স্থলসীমা ৪৪২৭ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমানা ২৭১ কিলোমিটার (২৮০ কিলোমিটার মাধ্যমিক ভূগোল)।
- বাংলাদেশের উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ ও ভারতের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।

৪,৩২৭.
Brown Waterfalls are situated in:
  1. ক) Australia
  2. খ) New Zealand
  3. গ) Canada
  4. ঘ) Switzerland
সঠিক উত্তর:
খ) New Zealand
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) New Zealand
ব্যাখ্যা
• ব্রাউন জলপ্রপাত: 
- ব্রাউন ফলস হল বিশ্বের দশম উচ্চতম জলপ্রপাত। 
- ২ হাজার ৭৪৩ ফুট উচ্চতার জলপ্রপাতটির অবস্থান নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ড প্রদেশের ফিওর্ডল্যান্ড ন্যাশনাল পার্কে।
- ৮০০ ফুট উচ্চতা হতে এর পানি পতিত হয়।
- এর গড় প্রস্থ ৪০ ফুট।

সূত্র: World atlas ও নিউজ বাংলা। 
৪,৩২৮.
কোন সালে ভূমিকম্প ও বন্যার কারণে ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ পরিবর্তিত হয়?
  1. ১৭৫৭ সালে
  2. ১৭৮৭ সালে
  3. ১৮৫৭ সালে
  4. ১৮৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র নদ:  
- ব্রহ্মপুত্র নদ (Brahmaputra River)  পৃথিবীর দীর্ঘতম নদনদীগুলির একটি।
- এর অববাহিকা অঞ্চল চীন (তিববত), ভারত ও বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এর উৎপত্তি শিমায়াঙ-দাঙ হিমবাহ থেকে, স্থানটি পারখা থেকে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটারের মতো দূরে।
- পারখা, মানস সরোবর হ্রদ ও কৈলাস পর্বতের মধ্যবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র।
- দক্ষিণ তিববতের শুষ্ক ও সমতল অঞ্চলের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে নদটি হিমালয়ের ‘নামছা বারওয়া’ চূড়ার সন্নিকটে বাধাপ্রাপ্ত হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৭৮৭ সালে একটি তীব্র ভূমিকম্প ও প্রলয়ংকরী বন্যার কারণে ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তিত হয়।
- এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে নদীর তলদেশের ভূ-গাঠনিক পরিবর্তন ঘটে, বিশেষত মধুপুর গড়ের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
- ফলে নদীটি তার পূর্বতন গতিপথ, যা ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত ছিল, তা পরিবর্তন করে।
- এই ঘটনার পর নদীটি পশ্চিম দিকে সরে যায় এবং বর্তমান যমুনা নদের গতিপথ গ্রহণ করে।
- এই পরিবর্তন নদীর নিম্ন অববাহিকায় ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ঐতিহাসিক মানচিত্রে এই গতিপথের পরিবর্তন স্পষ্টভাবে লক্ষণীয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৪,৩২৯.
বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টিপাত সাধারণত কোন অঞ্চলে দেখা যায়?
  1. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  2. নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
  3. মেরু অঞ্চলে
  4. পার্বত্য অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি (Frontal Rain):
- শীতল ও উষ্ণ বায়ু মুখোমুখি উপস্থিত হলে উষ্ণ বায়ু এবং শীতল বায়ু একে অপরের সঙ্গে মিশে না গিয়ে তাদের মধ্যবর্তী এলাকায় অদৃশ্য বায়ুপ্রাচীরের (Front) সৃষ্টি করে।
- বায়ুপ্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় ফলে শিশিরাঙ্কের সৃষ্টি হয়।
- ফলে উভয় বায়ুর সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটে, একে বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি বলে।
- এ প্রকার বৃষ্টিপাত সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৩৩০.
পরিবেশ অধিদপ্তর সম্প্রতি কোন উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করেছে?
  1. দোহার, ঢাকা
  2. সাভার, ঢাকা
  3. ধামরাই, ঢাকা।
  4. কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।
সঠিক উত্তর:
সাভার, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার, ঢাকা
ব্যাখ্যা

• ডিগ্রেডেড এয়ারশেড:
- পরিবেশ অধিদপ্তর গত ১৭ আগস্ট, ২০২৫ (রোববার) এক পরিপত্রে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করেছে।
- বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫-এর ক্ষমতাবলে সমগ্র সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়েছে।
- বিধি ৫ অনুযায়ী, কোনো এলাকার বায়ুমান নির্দিষ্ট মানমাত্রা অতিক্রম করে মারাত্মক দূষিত এলাকায় পরিণত হলে এলাকাটিকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা যাবে।

• কেন 'ডিগ্রেডেড এয়ারশেড' ঘোষণা করা হয়?
- বায়ুদূষণের মাত্রা নিয়মিতভাবে জাতীয় মান অতিক্রম করলে কোনো এলাকাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়।
- এই ঘোষণার পর এলাকাটিতে বিশেষ পরিবেশ আইন ও বিধি প্রযোজ্য হয়।
- শিল্পকারখানা ও প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়।
- পরিবেশ অধিদপ্তরের সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ কেন্দ্রগুলোর তথ্য-উপাত্তের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সাভারের বায়ুর বার্ষিক মানমাত্রা জাতীয় বার্ষিক নির্ধারিত মানমাত্রার প্রায় তিন গুণ অতিক্রম করেছে।
- জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যের ওপর এই মাত্রাতিরিক্ত দূষিত বায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব বিবেচনায় ঢাকা জেলার সাভার উপজেলা মারাত্মক বায়ুদূষণযুক্ত এলাকায় পরিণত হয়েছে।

- বায়ুদূষণের একটি বড় উৎস ইটভাটা।
- পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সাভার উপজেলায় ১০৭টি ইটভাটা আছে। এর মধ্যে মাত্র দুটি ইটভাটায় পরিবেশবান্ধব উপায়ে ইট তৈরি করা হয়।
-  পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (বায়ুমান ব্যবস্থাপনা) মো. জিয়াউল হক প্রথম আলোকে বলেন, ২০২৩ সালে সাভার উপজেলায় ৩৬৫ দিনের মধ্যে ১৬৪ দিনের বায়ু ছিল মানমাত্রা–বহির্ভূত। আর ঢাকার বায়ু মাত্রা–বহির্ভূত ছিল ১৫৬ দিন। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। লিংক

৪,৩৩১.
নিম্নের কোন সংস্থাটি দুর্যোগ ঝুঁকি নিরসন বিষয়ক কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. UNFPA
  2. FAO
  3. UNDRR
  4. UNESCO
সঠিক উত্তর:
UNDRR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNDRR
ব্যাখ্যা
• UNDRR:
- পূর্ণরুপ - The United Nations Office for Disaster Risk Reduction (UNDRR)
- এটি দুর্যোগ ঝুঁকি নিরসন বিষয়ক কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত।
- UNDRR দুর্যোগ ঝুঁকি কমানোর সক্ষমতা তৈরি করতে সরকার, প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত এবং নাগরিক সমাজের সাথে বিশ্বব্যাপী কাজ করে।

তথ্যসূত্র: UNDRR ওয়েবসাইট।
৪,৩৩২.
বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালে সবচেয়ে উষ্ণতম মাস কোনটি?
  1. জানুয়ারি
  2. মার্চ
  3. এপ্রিল
  4. মে
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল
ব্যাখ্যা
গ্রীষ্মকাল:
- বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল চলে মার্চ থেকে মে মাস (ফাল্গুন-জ্যৈষ্ঠ) পর্যন্ত।
- এই সময় সূর্যের উত্তরায়নের কারণে উত্তাপের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পায় এবং তাপমাত্রা দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে উত্তরের দিকে বাড়তে থাকে।
- গ্রীষ্মকালকে বাংলাদেশের সবচেয়ে উষ্ণ ঋতু হিসেবে পরিচিত।
- এ ঋতুতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১° সেলসিয়াস থাকে।
- এপ্রিল মাস হল উষ্ণতম মাস, যেখানে গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮° সেলসিয়াস থাকে।
- সমুদ্র উপকূল থেকে দেশের অভ্যন্তরে, বিশেষত উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়।
- গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুচাপের পরিবর্তন ঘটে।
- এ সময় বাংলাদেশের ওপর দিয়ে শুষ্ক এবং আর্দ্র বায়ু প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৩৩.
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেইন ফরেস্ট কোনটি?
  1. সিনহারাজা
  2. অ্যামাজন
  3. কঙ্গো
  4. কিনাবালু
সঠিক উত্তর:
কঙ্গো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঙ্গো
ব্যাখ্যা
কঙ্গো রেইনফরেস্ট:
- মধ্য আফ্রিকায় অবস্থিত কঙ্গো রেইনফরেস্ট বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেইনফরেস্ট।
- পুরো বনের আয়তন ৭ লাখ ৮১ হাজার ২৪৯ বর্গ মাইল।
- কঙ্গো রেইনফরেস্ট পৃথিবীর ৮ শতাংশ কার্বন মজুদ করে রাখতে পারে বলে একে পৃথিবীর ‘দ্বিতীয় ফুসফুস’ বলা হয়।
- এটি বেশি পরিচিত মূলত এর জীববৈচিত্র্যের কারণে। 
- এই বনে আছে ৬০০-এরও বেশি প্রজাতির উদ্ভিদ, ১০ হাজারেরও বেশি প্রজাতির প্রাণী।
- বনের ক্যানোপি ট্রির উচ্চতা প্রায় ১০০ ফুট। 
- রেইনফরেস্টের আবহাওয়া প্রায় সময়ই উত্তপ্ত থাকে। বেশির ভাগ অংশ গভীর ও ঘন বলে, মাত্র ১ শতাংশ সূর্যের আলো প্রবেশ করে বনের ভেতরে।
এছাড়া,
- সিনহারাজা ফরেস্ট রিজার্ভ শ্রীলঙ্কার একটি রেইন ফরেস্ট।
- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ব্রুনেই নিয়ে বোর্নিও রেইনফরেস্টের অবস্থান। এই রেইন ফরেস্টের বয়স প্রায় ১৪০ মিলিয়ন বছর পুরোনো বলে অনুমান করা হয়। 
- সেই হিসাবে, এটিকে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন রেইন ফরেস্ট বলা হয়। 
- এর আয়তন ২ লাখ ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- মালয়েশিয়ার সর্বপ্রথম জাতীয় উদ্যান কিনাবালু। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এবং এশিয়ার সবচেয়ে বড় দ্বীপ বোর্নিওর উত্তর দিকের শেষ প্রান্তে এর অবস্থান।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।  
৪,৩৩৪.
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা আন্তঃসীমান্ত নদী কয়টি?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী:
- আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৭ টি। 
- ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা নদী ৫৪ টি।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি, (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)। 
- আন্তর্জাতিক নদী ১ টি। (পদ্মা)
- বাংলাদেশের প্রায় সব নদীর প্রবাহের দিক উত্তর থেকে দক্ষিণে (সর্পিল গতি)।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত নদী মাতামুহুরী, ডাকাতিয়া, গোমতী।
- দুবার ভারতে ও বাংলাদেশে প্রবেশ করে আত্রাই, পুনর্ভবা ও টাঙ্গন নদী। 
- সর্বাধিক নাব্য নদী মেঘনা। 
- বাংলাদেশে উৎপত্তি হয়ে ভারতে যাওয়া নদী ১ টি (কুলিখ)।
- বাংলাদেশে উৎপত্তি ও সমাপ্তি হওয়া নদী ১ টি (হালদা)।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও যৌথ নদী কমিশনের ওয়েবসাইট।

৪,৩৩৫.
বায়ু দূষণের মানবসৃষ্ট কারণ কোনটি?
  1. অগ্ন্যুৎপাত
  2. শিল্পকারখানার ধোঁয়া
  3. দাবানল ও ধূলিঝড়
  4. গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ
সঠিক উত্তর:
শিল্পকারখানার ধোঁয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্পকারখানার ধোঁয়া
ব্যাখ্যা
বায়ু দূষণের কারণ:
বায়ু দূষণের কারণ দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে: ১. প্রাকৃতিক কারণ এবং ২. মানবসৃষ্ট কারণ। 

১.প্রাকৃতিক কারণ:
- অগ্ন্যুৎপাত: আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সালফার ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোঅক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস নির্গত হয়, যা বায়ু দূষণ ঘটায়।
- জৈব ও অজৈব পদার্থ: প্রাকৃতিক পচন প্রক্রিয়ায় নির্গত গ্যাস বায়ুকে দূষিত করে।
- দাবানল ও ধূলিঝড়: বনাঞ্চলে দাবানল বা মরু অঞ্চলে ধূলিঝড় বায়ু দূষণ সৃষ্টি করে।
- গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ: গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে নির্গত গ্যাস বায়ু দূষিত করে।

২.মানবসৃষ্ট কারণ:
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ: যুদ্ধ বা পারমাণবিক দুর্ঘটনা থেকে তেজস্ক্রিয় পদার্থের বিকিরণ বায়ু দূষিত করে (যেমন ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকির পারমাণবিক বিস্ফোরণ)।
- জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো: জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা, তেল ইত্যাদি পোড়ানোর ফলে বায়ু দূষণ ঘটে।
- শিল্পকারখানার ধোঁয়া: শিল্প কারখানাগুলো থেকে নির্গত ধোঁয়া বায়ু দূষণ সৃষ্টি করে।
- পরিত্যক্ত বর্জ্য পদার্থের দহন: পরিত্যক্ত বর্জ্য পোড়ানোও বায়ু দূষণ করে।
- বন উজাড়: বনভূমি ধ্বংসের ফলে বায়ু দূষণ বৃদ্ধি পায়।
- ইটভাটা ও কীটনাশক: ইটভাটার ধোঁয়া ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে বায়ু দূষিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৩৬.
তাজিকিস্তানের সীমান্তবর্তী দেশ নয় কোনটি?
  1. উজবেকিস্তান
  2. চীন
  3. কিরগিজস্তান
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
রাশিয়া তাজিকিস্তানের সীমান্তবর্তী দেশ নয়। 

তাজিকিস্তান:
- তাজিকিস্তান মধ্য এশিয়ার একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশ।
- ১৯৯১ সালের আগে পর্যন্ত দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত ছিল।
- আঞ্চলিক সীমান্ত: তাজিকিস্তান আফগানিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান এবং চীন দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- রাজধানী: দুশানবে।
- ভাষা: তাজিক।
- প্রধান ধর্ম: ইসলাম।

উল্লেখ্য,
- তাজিকিস্তান এক সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর স্বাধীনতা লাভ করে।
- এরপর থেকে দেশটি বিভিন্ন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে, বিশেষ করে গৃহযুদ্ধের (১৯৯২-১৯৯৭) সময়।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com
৪,৩৩৭.
নিচের কোনটির কারণে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়?
  1. খনি অঞ্চলে ভূ-পৃষ্ঠের নিচের কোনো অংশ হঠাৎ ধ্বসে পড়লে
  2. পার্বত্য অঞ্চলে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি হলে
  3. ভূ-অভ্যন্তরে বড় রকমের শিলাচ্যুতি ঘটলে
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্পের কারণ:
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় বহির্মুখী বাষ্পরাশির চাপে ভূমিকম্প হয়।
- পার্বত্য অঞ্চলে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি বা হিমবাহ অঞ্চলে হিমানী সম্প্রপাত হলে ভূমিকম্প হয়।
- খনি অঞ্চলে ভূ-পৃষ্ঠের নিচের কোনো অংশ হঠাৎ ধ্বসে পড়লে ভূমিকম্প হতে পারে।
- ভূ-গর্ভস্থ আগ্নেয় পদার্থের উর্ধ্বমুখী চাপের ফলে ভূ-কম্পন হয়।
-  ভূ-ত্বক সাতটি বৃহৎ এবং কতকগুলো ছোট প্লেট দ্বারা গঠিত।
- এই প্লেটসমূহ একে অপরের দিকে, একে অপরের বিপরীতে অথবা পরস্পর সমান্তরালভাবে সঞ্চালিত হয়।
- এইরূপ সঞ্চালনের ফলে সৃষ্ট চাপ থেকে আকস্মিকভাবে প্রচণ্ড কম্পন সৃষ্টি হয়। ভূ-পৃষ্ঠে এই কম্পন ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে।
- কোনো কারণে ভূ-অভ্যন্তরে বড় রকমের শিলাচ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়।

এছাড়াও,
- ভূ-আলোড়নের ফলে ভূ-অভ্যন্তরে প্রবল ফ্রিকশান হয়ে কোনো অংশ ধসে পড়ে ভূ-ত্বক কেঁপে ওঠে এবং ভূমিকম্প হয়।
- উত্তপ্ত ভূ-অভ্যন্তর তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে শিলাস্তরে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য স্থান পরিবর্তন করলে ভূ-ত্বক কেঁপে উঠলে ভূমিকম্প হতে পারে।
- ভূ-গর্ভে সঞ্চিত বাষ্পচাপ অধিক হলে নিম্নভাগে প্রবলভাবে ধাক্কা দেয়, এতে ভূমিকম্প দেখা দিতে পারে।
- ভূ-গর্ভে চাপ হ্রাস পেলে এর অভ্যন্তরস্থ উত্তপ্ত কঠিন পদার্থ গলে নিচের দিকে অপসারিত ও আলোড়িত হতে থাকে, এতে ভূ-ত্বক কেঁপে ওঠে।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩৩৮.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বনভূমি কী ধরনের?
  1. পত্রপতনশীল
  2. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
  3. স্রোতজ বনভূমি
  4. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃষ্টিবহুল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় বিস্তৃত বনভূমি হলো ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি।
- এছাড়া এই বনাঞ্চলের কম বৃষ্টিবহুল এলাকায় পত্রপতনশীল বৃক্ষের উপস্থিতি রয়েছে।

- এটি দেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল। এ বনের উদ্ভিদের মধ্যে চাপালিশ, তেলসুর প্রভৃতি প্রধান।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
৪,৩৩৯.
মহীঢালের গড় গভীরতা কত?
  1. ক) ১০০-১৫০ মিটার
  2. খ) ২০০-৩০০০ মিটার
  3. গ) ৩০০-৯৫০ মিটার
  4. ঘ) ৪০০-৪০০০ মিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০-৩০০০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০-৩০০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• মহীঢাল (Continental Slope):
- মহীসোপানের পরবর্তী অংশ যা খাড়া ঢালু অবস্থায় গভীর সমুদ্রে নেমে যায় তাকে মহীঢাল বলে।
- এই খাড়া ঢাল এত অধিক হয় যে কখনও দুই হতে পাঁচ ডিগ্রি কৌণিকভাবে, আবার কখনও বা সম্পূর্ণ খাড়া অবস্থায় সমুদ্রতলে নেমে যায়।
- মহীঢালের গড় গভীরতা সমুদ্রে ২০০-৩,০০০ মিটার
- ঢাল অধিক খাড়া হওয়ার জন্য খুব প্রশস্ত নয়। গড়ে মাত্র ১৬ থেকে ৩২ কিলোমিটার প্রশস্ত।
- মহীঢালের উপরিভাগ সমান নয়। খুবই বন্ধুর প্রকৃতির।
- স্থলভাগের পার্বত্য অঞ্চলে যেমন বিভিন্ন ধরনের ক্যানিয়ন থাকে তেমনি সমুদ্রতলে মহীঢালেও অসংখ্য আন্ত:সাগরীয় গিরিখাতের অবস্থান দেখা যায়। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৪০.
তিস্তা নদী কোন জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. নীলফামারী
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
ব্যাখ্যা
তিস্তা নদী (Teesta):
- ভারতের সিকিমের পাবর্ত্য অঞ্চলে তিস্তা নদী উৎপত্তি হয়েছে।
- এরপর অগ্রসর হয়ে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার ডিমলা দিয়ে প্রবেশ করেছে।
- তিস্তা নদীর বর্তমান দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৭ কিলেমিটার এবং চওড়া ৩০০ থেকে ৫৫০ মিটার।
- এ নদীতে তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ করা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৪১.
কোন দেশের সাথে সর্বোচ্চ সংখ্যক দেশের সীমান্ত রয়েছে?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. মঙ্গোলিয়া
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
সর্বাধিক সীমান্ত যুক্ত দেশ:
- বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়ার সাথে সর্বাধিক সংখ্যক দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- কিন্তু এর মধ্যে আবখাজিয়া ও দক্ষিণ ওশেটিয়া নামের দুইটি স্বাধীন স্বায়ত্তশাসিত কিন্তু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিবিহীন দেশ ও রয়েছে।
- অন্যান্য দেশগুলো হলো উত্তর কোরিয়া, চীন, কাজাখস্তান, মঙ্গোলিয়া, আজারবাইজান, জর্জিয়া, লিথুনিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, পোল্যান্ড, ইউক্রেন, বেলারুশ, ফিনল্যান্ড ও নরওয়ে।
- এর মধ্যে রাশিয়া-কাজাখস্তান বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সীমান্ত।
- চীনের সাথেও ১৪ টি স্বাধীন দেশের সীমান্ত রয়েছে। 
- তবে স্বাধীন স্বায়ত্তশাসিত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিবিহীন দুইটি দেশ সহ রাশিয়ার সাথেই সর্বোচ্ছ সংখ্যক দেশের সীমান্ত রয়েছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। [লিঙ্ক]
৪,৩৪২.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?
  1. ৭২ সে.মি.
  2. ৭৬ সে.মি.
  3. ৭৫ সে.মি.
  4. ৭৬০ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
৭৬ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ সে.মি.
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলীয় চাপ:
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হল নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপরে থাকা সম্পূর্ণ বায়ুর স্তম্ভ দ্বারা প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রয়োগ করা বল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের জন্য পারদ বারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- এটি পারদের একটি স্তম্ভের উচ্চতা দেখায়, যা নির্দিষ্ট অঞ্চলের বায়ুস্তম্ভের ওজনের সমান ভারসাম্য বজায় রাখে।
- এছাড়াও অ্যানেরয়েড ব্যারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- এতে একটি ফাঁপা ধাতব চাকতি থাকে, যা বায়ুর চাপের পরিবর্তনের সাথে সংকুচিত বা প্রসারিত হয় এবং একটি কলম ও ঘড়ি-চালিত ড্রামের সাহায্যে রেকর্ড করা হয়।
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ:
- ৭৬০ মি.মি. বা ৭৬ সে.মি. (২৯.৯২ ইঞ্চি) পারদ

উৎস: Britannica.

৪,৩৪৩.
বিশ্বের বৃহত্তম ও প্রশস্ততম নদী কোনটি?
  1. ক) নীলনদ
  2. খ) মিসিসিপি
  3. গ) আমাজন
  4. ঘ) ইয়াংসিকিয়াং
সঠিক উত্তর:
গ) আমাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমাজন
ব্যাখ্যা
বৃহত্তম ও প্রশস্ততম নদী আমাজন। বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নীলনদ। এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং। মিসিসিপি-মিসৌরি যুক্তরাষ্ট্র তথা উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম নদী।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৩৪৪.
সুন্দরবন কী ধরনের বনভূমি?
  1. চিরহরিৎ বনভূমি
  2. স্রোতজ বনভূমি
  3. পত্রপতনশীল বনভূমি
  4. সৃজিত বনভূমি
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বনভূমি হলো স্রোতজ বনভূমি বা ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট যা সুন্দরবন নামে পরিচিত। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। ‍সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।

সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৪,৩৪৫.
নিচের কোন জেলাটিতে বরেন্দ্রভূমির অবস্থান নেই?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি (Barind Tract):

- রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে বরেন্দ্রভূমি বলে।
- বঙ্গ অববাহিকার বৃহত্তম প্লাইসটোসিন ভূ-প্রাকৃতিক একক।
- অবস্থান- বৃহত্তর দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী ও বগুড়া জেলা জুড়ে বরেন্দ্রভূমির অবস্থান।
- বরেন্দ্রভূমির নামকরণের পেছনে একাধিক পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে।
- বর' শব্দের অর্থ হচ্ছে আশীর্বাদ এবং 'ইন্দ্র' শব্দের অর্থ দেবতাদের রাজা।
- অর্থাৎ ইন্দ্রের বর বা ইন্দ্রের আশীর্বাদ থেকে সাধারণভাবে বরেন্দ্র শব্দটির উৎপত্তি।
- বরেন্দ্রভূমির অবস্থান গ্রীষ্মপ্রধান মৌসুমিমন্ডলে।
- কর্কটক্রান্তি এই ভূমির দক্ষিণে অবস্থান করছে।
- এই অঞ্চলের জলবায়ু সাধারণভাবে উষ্ণ ও আর্দ্র।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।
৪,৩৪৬.
'পারকী' সমুদ্র সৈকত কোথায় অবস্থিত? 
  1. চট্টগ্রাম
  2. কক্সবাজার
  3. বরগুনা 
  4. পটুয়াখালী 
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• পারকী সমুদ্র সৈকত: 
- স্থানীয় ভাষায় “পারকীর চর” আর পর্যটনীয় ভাষায় “পারকী বীচ" বা সৈকত”। 
- চট্টগ্রাম শহর থেকে “পারকী বীচের” দূরত্ব প্রায় ২৫ কিঃমিঃ।
-  এটা মূলত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- অর্থাৎ কর্ণফুলী নদীর মোহনার পশ্চিম তীরে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এবং পূর্বদক্ষিণ তীরে পারকী সমুদ্র সৈকত।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ার থানার অর্ন্তগত একটি উপকূলীয় সমুদ্র সৈকত।
- চট্টগ্রাম সার কারখানা ও কাফকো যাওয়ার পথ ধরে এই সৈকতে যেতে হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৩৪৭.
নিচের কোন জেলার উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেনি?
  1. মাগুরা
  2. ফরিদপুর
  3. জামালপুর
  4. রাজবাড়ি
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
ব্যাখ্যা

- জামালপুর জেলার উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেনি।

কর্কটক্রান্তি রেখা:
- ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা পরস্পরকে ছেদ করেছে।

• কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - 
- চুয়াডাঙা,
- ঝিনাইদহ,
- মাগুরা,
- রাজবাড়ি,
- ফরিদপুর,
- ঢাকা,
- মুন্সীগঞ্জ,
- নারায়ণগঞ্জ,
- কুমিল্লা,
- খাগড়াছড়ি ও
- রাঙামাটি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৪,৩৪৮.
বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য -
  1. ক) ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু
  2. খ) শুষ্ক ও আরামদায়ক শীতকাল
  3. গ) উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন।
- মৌসমী জলবায়ুর প্রভাব এদেশের জলবায়ুর উপর অধিক বলে সামগ্রিকভাবে এর জলবায়ু “ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু” নামে পরিচিত।
- শুষ্ক ও আরামদায়ক শীতকাল এবং উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান  বৈশিষ্ট্য।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই
৪,৩৪৯.
করতোয়া ও আত্রাই কোন নদীর প্রধান উপনদী হিসেবে পরিচিত?
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. দুধকুমার
সঠিক উত্তর:
যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যমুনা
ব্যাখ্যা
যমুনা:
- ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে দৌলতদিয়ার কাছে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নাম ধারণ করে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।
- ধলেশ্বরী এর শাখানদী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।
- করতোয়া ও আত্রাই যমুনার প্রধান উপনদী।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৩৫০.
’সাহারা মরুভূমি’ উত্তর আফ্রিকার কতটি অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে?
  1. ১১টি
  2. ৬টি
  3. ১৫টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।

সাহারা মরুভূমি:

- প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সাহারা মরুভূমিকে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ (গরম) মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি,
- শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের মেরু মরুভূমির পরেই অবস্থান।
- এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% অংশ দখল করে রেখেছে।
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।
- এই দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, মিশর, লিবিয়া, সুদান, মরক্কো, তিউনিশিয়া, চাঁদ, মালি, নাইজার, মরিতানিয়া, পশ্চিম সাহারা।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৪,৩৫১.
বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
গ) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
• নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- ১৯৮৯ সালে ফরিদপুর শহরের উপকন্ঠে ৮৬ একর জমির উপর এক মনোরম পরিবেশে নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।

- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট) চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত।
- এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে মৎস্য সেক্টরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৎস্যচাষীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৪,৩৫২.
বাংলাবান্ধা সীমান্ত কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. পঞ্চগড়
  3. সিলেট
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর:

- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে আমদানি রপ্তানি সহজ করার জন্য ১২ জানুয়ারি, ২০০২ সালে বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনটিকে স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৪,৩৫৩.
Which is the deepest point in the Atlantic Ocean?
  1. Sunda Trench
  2. Puerto Rico Trench
  3. Mariana Trench
  4. Calypso Deep
সঠিক উত্তর:
Puerto Rico Trench
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Puerto Rico Trench
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এর আয়তন .৮১,৭৬০,০০০ বর্গ কিমি।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ।
- এর গড় গভীরতা ১১,৯৬২ ফুট এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ২৭,৪৯৩ ফুট।

গভীরতম স্থান:
- প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।
- ভূ-মধ্যসাগরের গভীরতম স্থান ক্যালিপসো ডিপ। 
- ভারত মহাসাগরের গভীরতম স্থান সুন্দা ট্রেঞ্চ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
৪,৩৫৪.
ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে — ৩টি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
- টারশিয়ারী যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের। এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং
মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

• অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারী পাহাড়কে — দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা -
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়,
- উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়।

• বাংলাদেশের মোট ভূমির,
- ১২% টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- ৮% প্লাইস্টোসিনকালের সোপান সমূহ এবং
- ৮০% সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৩৫৫.
বাংলাদেশে কখন দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রবাহিত হয়?
  1. এপ্রিল - আগস্ট
  2. মার্চ - মে
  3. জুন - সেপ্টেম্বর
  4. অক্টোবর - নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
জুন - সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুন - সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
 
উৎস: www.bmd.gov.bd
৪,৩৫৬.
কোনো স্থানের বায়ুচাপ কমে গেলে কী হয়?
  1. বায়ুপ্রবাহ কমে যায়
  2. বায়ুপ্রবাহ বেড়ে যায়
  3. বায়ুপ্রবাহ অপরিবর্তিত থাকে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ বেড়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ বেড়ে যায়
ব্যাখ্যা
• কোনো স্থানের বায়ুচাপ হঠাৎ কমে গেলে ওই এলাকায় নিম্নচাপ (Low Pressure) সৃষ্টি হয়। নিম্নচাপের দিকে আশেপাশের উচ্চচাপ এলাকা থেকে বায়ু প্রবাহিত হয়। ফলে,

- বায়ুপ্রবাহের গতি বেড়ে যায়।
- কখনও কখনও এটি ঝড় বা ঘূর্ণিঝড়েরও কারণ হতে পারে।
- নিম্নচাপ কেন্দ্রে উঠে যাওয়া বায়ু শীতল হয়ে মেঘ ও বৃষ্টির সৃষ্টি করতে পারে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৪,৩৫৭.
ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে কোন প্রণালীর অবস্থান?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. সুন্দা প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. পক প্রণালী
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
ব্যাখ্যা
পক প্রণালী:
- পক প্রণালী বঙ্গোপসাগরের একটি প্রবেশদ্বার, যা ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব অংশ এবং শ্রীলঙ্কার উত্তর অংশের মধ্যে অবস্থিত।
- প্রণালীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ পাল্ক উপসাগর নামে পরিচিত।
- প্রস্থ: ৪০ থেকে ৮৫ মাইল (৬৪ থেকে ১৩৭ কিমি)।
- দৈর্ঘ্য: ৮৫ মাইল।
- গড় গভীরতা: ১০০ মিটার (৩৩০ ফুটের কম)।
- ভারতের বৈগাই নদীসহ বেশ কয়েকটি নদী এই প্রণালীতে প্রবাহিত হয়।
- শ্রীলঙ্কার উত্তরের বাণিজ্যিক কেন্দ্র জাফনা এই প্রণালীর পাশে অবস্থিত।
- শৈলশৃঙ্খল ও ছোট ছোট দ্বীপ থাকার কারণে শুধু ছোট জাহাজ চলাচল করতে পারে।

উৎস: Britannica.
৪,৩৫৮.
বাংলাদেশে সারা বছর নাব্য নদীপথের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৮,০০০ কিমি.
  2. ৫,২০০ কিমি.
  3. ১১,০০০ কিমি.
  4. ৮,৫০০ কিমি.
সঠিক উত্তর:
৫,২০০ কিমি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,২০০ কিমি.
ব্যাখ্যা
নবম দশম শ্রেণীর ভূগোল বই এবং এসএসসি প্রোগ্রাম, (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) অনুসারে, 
উপনদী ও শাখানদীসহ বাংলাদেশের নদীগুলোর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২২,১৫৫ কিলোমিটার এবং নদীপথের দৈর্ঘ্য ৮,৪০০ কিলোমিটার যা অভ্যন্তরীণ নাব্য জলপথ নামে পরিচিত। অভ্যন্তরীণ নাব্য জলপথের মধ্যে ৫৪০০ কিলোমিটার নদীপথ সারাবছর নৌ চলাচলের জন্য উপযুক্ত। অবশিষ্ট ৩,০০০ কিলোমিটার শুধুমাত্র বর্ষাকালে ব্যবহার করা যায়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ এর তথ্যমতে,
বাংলাদেশে প্রায় ২৪,০০০ কিলোমিটার নদী, খাল এবং উপনদী রয়েছে, যা দেশের মোট ভূমির প্রায় ৭% জুড়ে বিস্তৃত। দেশের বেশিরভাগ অংশই একটি জটিল জলপথ নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত, যা বর্ষাকালে এর সর্বাধিক বিস্তার লাভ করে। এই ২৪,০০০ কিলোমিটার নদী, উপনদী এবং খালের মধ্যে শুধুমাত্র প্রায় ৫,৯৬৮ কিলোমিটার বর্ষা মৌসুমে যান্ত্রিক নৌযানের জন্য নাব্য থাকে, যা শুষ্ক মৌসুমে সংকুচিত হয়ে প্রায় ৩,৮৬৫ কিলোমিটারে নেমে আসে। অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন খাত দেশের মোট পণ্য পরিবহনের ৫০% এবং যাত্রী পরিবহনের এক-চতুর্থাংশ পরিচালনা করে।

সুতরাং, অধিক কাছাকাছি উত্তর হিসেবে - ৫,২০০ কিমি. গ্রহণ করা হলো।

উৎস:
নবম দশম শ্রেণীর ভূগোল বই, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ।
৪,৩৫৯.
বাংলাবান্ধা সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাদেশের কোন দিকের অবস্থিত?
  1. সর্ব পূর্বের
  2. সর্ব পশ্চিমের
  3. সর্ব উত্তরের
  4. সর্ব দক্ষিণের
সঠিক উত্তর:
সর্ব উত্তরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্ব উত্তরের
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী স্থান:
সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর বাংলাদেশের তেঁতুলিয়া উপজেলার ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র স্থল বন্দর যার মাধ্যমে চারটি দেশের (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভূটান)মধ্যে পণ্য আদান-প্রদানের সুবিধা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্ব-উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার মহানন্দা নদীর তীরে এ বন্দরটি অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় ১০ একর জায়গার উপর স্থলবন্দরটি অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত স্থান বাংলাবান্ধা।

এছাড়াও, সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৩৬০.
কত সালে বাংলাদেশে প্রথম নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রথম নলকূপে আর্সেনিক শনাক্ত হয় ১৯৯৩ সালে।

আর্সেনিক:
- ধূসর আভাযুক্ত সাদা রংবিশিষ্ট ভঙ্গুর প্রকৃতির একটি অর্ধধাতু বা উপধাতু হচ্ছে আর্সেনিক (Arsenic)।
- প্রকৃতিতে আর্সেনিক বিভিন্ন যৌগ আকারে পাওয়া যায়।
- ৩৩ আণবিক সংখ্যাবিশিষ্ট আর্সেনিকের আণবিক ভর ৭৪.৯২।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত আর্সেনিক একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম।
- তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে।
- বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।
- চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণ প্রবণ জেলা।
- ১৯৯৩ সালে চাপাইনবাবগঞ্জে দেশে প্রথম নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়।

সূত্র: ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
৪,৩৬১.
মহামায়া লেক কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- মহামায়া লেক চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাইয়ের দুর্গাপুর ইউনিয়নে অবস্থিত একটি কৃত্রিম লেক।
- এটির মোট আয়তন প্রায় ১১ বর্গ কিলোমিটার।
- এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম লেক হিসেবে বিবেচিত।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৪,৩৬২.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল পরিবৃত দ্বীপ কোনটি?
  1. কুতুবদিয়া
  2. সেন্টমার্টিন
  3. মহেশখালী
  4. শাহ পরীর দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল পরিবৃত দ্বীপ।
টেকনাফ থেকে ৪২ কিমি দক্ষিণে সাগরের বুকে বাংলাদেশের সর্বশেষ ভূখন্ড হলো সেন্টমার্টিন।
এ দ্বীপের আদি নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।
দ্বীপের ৯ কিমি পশ্চিমে সাগরে ডোবা একটি প্রবাল প্রাচীর আছে।
দ্বীপটি নানারকম সৌন্দর্যে ভরপুর। যেনো এক স্বপ্নপুরী।
প্রবাল, পাথর, দীর্ঘ সমূদ্র সৈকত, নারিকের গাছের সারি, জেলে পল্লী- সব কিছু মিলিয়ে সত্যিই উপভোগ করার মতো।
দ্বীপটিতে টেকনাফ থেকে ট্রলারে যাতায়াত করতে প্রায় ২ ঘন্টা সময় লাগে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৪,৩৬৩.
কোনটি জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির কারণ?
  1. পৃথিবীর কেন্দ্রমুখী বল
  2. বৃষ্টিপাত
  3. পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল
  4. বায়ুপ্রবাহ
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটার:
প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়। এগুলো হলো- 
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব এবং 
(২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।

উল্লেখ্য,
⇒ জোয়ার ও ভাটা (High Tide and Low Tide): সমুদ্র এবং উপকূলবর্তী নদীর জলরাশি প্রতিদিনই কোনো একটি সময়ে ঐ জলরাশি ধীরে ধীরে ফুলে উঠছে এবং কিছুক্ষণ পরে আবার তা ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে।
- জলরাশির এরকম নিয়মিত স্ফীতি এবং ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
৪,৩৬৪.
হিমশৈল কোথায় থাকে?
  1. উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
  2. শীতল সমুদ্রস্রোতে
  3. উষ্ণ সমুদ্রস্রোতে
  4. সমুদ্রের তলদেশে
সঠিক উত্তর:
শীতল সমুদ্রস্রোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শীতল সমুদ্রস্রোতে
ব্যাখ্যা
হিমশৈল:
⇒ শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খন্ড হল হিমশৈল। 
- শীতল সমুদ্রস্রোতের সঙ্গে যেসব হিমশৈল (Iceberg) ভেসে আসে সেগুলোর কারণে জাহাজ চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয়।
- অনেক সময় হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে জাহাজডুবির ঘটনা ঘটে।
- যেমন- যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত টাইটানিক জাহাজ ১৯১২ সালে প্রথম যাত্রাতেই হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সমুদ্রে ডুবে গিয়েছিল।

উল্লেখ্য
⇒ শীতল সমুদ্রস্রোত অপেক্ষা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতে জাহাজ ও নৌচলাচলের সুবিধা বেশি।
- উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক জাহাজ যাতায়াত করে।
- শীতল স্রোতের গতিপথে তীব্র শীত ও হিমশৈলের জন্য জাহাজ চলাচলের অসুবিধা দেখা যায়। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৩৬৫.
গ্রিনহাউজ প্রভাব নিচের কোন দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনবে?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউজ প্রভাব কানাডা, রাশিয়া, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন, দক্ষিণ আমেরিকা প্রভৃতি দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনবে।
কারণ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে ঐসব অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ একর জমি বরফমুক্ত হয়ে চাষাবাদ ও বসবাসযোগ্য হয়ে উঠবে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৪,৩৬৬.
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয় কত সালে ?
  1. ১৯৬৩
  2. ১৯৬৬
  3. ১৯৬২
  4. ১৯৫৮
সঠিক উত্তর:
১৯৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬২
ব্যাখ্যা

১৯৬২ খ্রীস্টাব্দে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

-বাঁধের সঞ্চিত পানি ব্যবহার করে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

-১৯৬২ ও ১৯৮৮ সালের মধ্যে এখানে সর্বমোট ২৩০ মেগাওয়াট (৩,১০,০০০ অশ্বশক্তি) বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন জেনারেটর বসানো হয়।

- এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম বাঁধ ও একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

-এটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম দশম শ্রেণি

৪,৩৬৭.
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে কোন ধরনের বন্যা দেখা যায়?
  1. ক) আকস্মিক বন্যা
  2. খ) উপকূলীয় বন্যা
  3. গ) বৃষ্টিজনিত বন্যা
  4. ঘ) নদীসৃষ্ট বন্যা
সঠিক উত্তর:
খ) উপকূলীয় বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উপকূলীয় বন্যা
ব্যাখ্যা
• উপকূলীয় বন্যা (Coastal Flood ):
- বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূল রেখা প্রায় ৮০০ কিলোমিটার সংলগ্ন এলাকাতে উপকূলীয় বন্যা দেখা যায়।
- বঙ্গোপসাগরের অগভীর মহাসোপান, বঙ্গোপসাগরে পূর্ব অংশের ফানেল ও মোচাকৃতির উপকূল রেখার কারণে ঘূর্ণিঝড়ের জলোচ্ছাসের উচ্চতা (সর্বোচ্চ ১০-১৫ মিটার) অধিক হওয়ার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যা হয়।
- ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল, ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায ভয়াবহ বন্যা হয় ।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৬৮.
দক্ষিণ চীন সাগরের মালিকানা দাবি করে নিচের কোন দেশগুলো?
  1. ফিলিপাইন
  2. ভিয়েতনাম
  3. মালয়েশিয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
- বর্ণিত সবগুলো।

• দক্ষিণ চীন সাগর (South China Sea):

- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র অঞ্চল।
- যা ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত কারণে আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু।​

→ ভূগোল ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব:
- দক্ষিণ চীন সাগর দক্ষিণে মালাক্কা প্রণালী থেকে শুরু হয়ে উত্তরে চীনের হাইনান দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সমুদ্রপথ,
- যেখানে প্রায় ২১% - বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবহন করা হয়।
- এছাড়া, এই অঞ্চলে প্রচুর মৎস্য সম্পদ ও সম্ভাব্য তেল-গ্যাসের খনি রয়েছে,
- যা দেশগুলোর জন্য অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ​

সীমানা বিতর্ক: 
- চীন "নাইন-ড্যাশ লাইন" নামে একটি মানচিত্র ব্যবহার করে,
- যার মাধ্যমে দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ৯০% অঞ্চল নিজেদের বলে দাবি করে।
- তবে, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানও এই অঞ্চলের বিভিন্ন অংশের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করে।
- ২০১৬ সালে হেগের আন্তর্জাতিক আদালত চীনের এই দাবিকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করে, কিন্তু চীন তা মানেনি।

উৎস: Britannica এবং বিবিসি।
৪,৩৬৯.
বাংলাদেশের মিঠাপানির একমাত্র জলাবন কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) সিলেট
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মিঠাপানির একমাত্র জলাবন হলো রাতারগুল বনভূমি। এটি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত।
- রাতারগুলের মোট আয়তন প্রায় ২০৫ হেক্টর।
- উদ্ভিদের মধ্যে হিজল, করচ, বরুন ও মুর্তা উল্লেখযোগ্য।
- শীতকাল ব্যতীত বছরের অন্যান্য সময় এ বন পানিতে নিমজ্জিত থাকে। মুর্তা বা রাতা উদ্ভিদের আধিক্যের জন্যে এই বন রাতারগুল নামে পরিচিত।
- রাতারগুলকে বাংলার আমাজন বলা হয়।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৪,৩৭০.
নিচের কোনটি বায়ু দূষণের প্রাকৃতিক কারণ?
  1. ধূলিঝড়
  2. দাবানল
  3. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক কারণ:
১. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত: আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নির্গত সালফার ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোঅক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস প্রভৃতি বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দুষিত করে।
২. জৈব ও অজৈব পদার্থ: বিভিন্ন প্রকার জৈব ও অজৈব পদার্থের স্বাভাবিক পচনের ফলে যে গ্যাস সৃষ্টি হয় তা বায়ুকে
দুষিত করে।
৩. দাবানল ও ধূলিঝড়: বিস্তৃত বনাঞ্চলে দাবানল হলে তা ব্যাপক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বায়ুকে দুষিত করে।
এছাড়া মরু এলাকায় ধূলিঝড়ও বায়ু দূষণ ঘটায়।
৪. গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ: গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে যে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে তা বায়ুকে দুষিত করে।

তথ্যসূত্র  ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৭১.
কুক প্রণালী কোন দেশে অবস্থিত?
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. রাশিয়া
  3. ইংল্যান্ড
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
কুক প্রণালী (Cook Strait): 
- কুক প্রণালী (Cook Strait) হলো নিউজিল্যান্ডের উত্তর ও দক্ষিণ দ্বীপকে পৃথককারী একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী।
- এটি তাসমান সাগর থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে শেষ হয়, এবং উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বিস্তৃত।
- সংকীর্ণতম প্রস্থ: প্রায় ১৪ মাইল (২৩ কিমি)। 
- গড় গভীরতা: প্রায় ৪২০ ফুট (১২৮ মিটার)। 
- উভয় তীরেই রয়েছে খাড়া খাড়া পাহাড়ি খাড়ি ও উপসাগর, বিশেষত দক্ষিণ দ্বীপে। 
- উত্তর দ্বীপের ওয়েলিংটন থেকে দক্ষিণ দ্বীপের ব্লেনহাইম পর্যন্ত যাতায়াত প্রধানত রেল ফেরি ও বিমানযোগে হয়
- কুক প্রণালীর তলদেশ দিয়ে বিদ্যুৎ এবং টেলিযোগাযোগ ক্যাবল সংযুক্ত আছে, যা উত্তর ও দক্ষিণ দ্বীপকে সংযুক্ত রাখে
- এই প্রণালী শুধু একটি ভৌগোলিক বিভাজক নয়, বরং এটি নিউজিল্যান্ডের পরিবহন ও অবকাঠামো নেটওয়ার্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

উৎস: Britannica.
৪,৩৭২.
নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরুর কৌণিক দূরত্ব বা উৎপন্ন কোণ কত?
  1. ১৮০°
  2. ৩৬০°
  3. ৯০°
  4. ০°
সঠিক উত্তর:
৯০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০°
ব্যাখ্যা

•  নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরুর কৌণিক দূরত্ব বা উৎপন্ন কোণ ৯০°।

অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude):
- পৃথিবী পৃষ্ঠে একটি নির্দিষ্ট স্থানের সঠিক (Absolute) অবস্থান ও উক্ত স্থানের সঠিক সময় জানবার জন্যে ভূ-বিজ্ঞানীগণ সমগ্র পৃথিবীকে মোট দুই ধরনের রেখা দ্বারা বিভক্ত করেছেন।
- এই রেখাসমূহ অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখা নামে পরিচিত।

পৃথিবীর অক্ষ ও মেরুদ্বয় (Axis & Poles of Earth):
- পৃথিবী সৌরজগতে অভিগত গোলক আকৃতির মাঝারি একটি গ্রহ।
- পৃথিবীর উত্তর বা দক্ষিণ দিক দিয়ে কাল্পনিক একটি শলাকা প্রবেশ করিয়ে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু ছেদ করে অপর প্রান্তে ঠিক নীচের দিকে বের করা হয়।
- উক্ত কাল্পনিক শলাকাটি পৃথিবীর অক্ষরেখা (Axis) এবং ঐ শলাকাটির উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্ত যথাক্রমে উত্তর মেরু (North Pole) ও দক্ষিণ মেরু (South Pole) হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরু বিন্দুর কৌণিক দূরত্ব ৯০°।
- উত্তর মেরুর অক্ষাংশের মান হলো ৯০° উত্তর অক্ষাংশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি ও ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩৭৩.
পাট চাষের জন্য তাপমাত্রা কত হওয়া প্রয়োজন?
  1. ১০° থেকে ২৫° সেলসিয়াস
  2. ১৫° থেকে ২৫° সেলসিয়াস
  3. ২০° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস
  4. ২৫° থেকে ৪০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
২০° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
পাট (Jute):
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল হলো পাট।
- এদেশে সাধারণত দেশী ও তোষা নামক দুই প্রকারের পাট চাষ হয়।
- ময়মনসিংহ, রংপুর, ফরিদপুর, কুমিল্লা, যশোর, ঢাকা, কুষ্টিয়া, জামালপুর, টাঙ্গাইল এবং পাবনা জেলায় পাট চাষ ভালো হয়।
- তাপমাত্রা: পাট চাষের জন্য অধিক তাপমাত্রা (২০° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস) প্রয়োজন। এ কারণে পাটকে উষ্ণ অঞ্চলের ফসল বলা হয়।
- বৃষ্টিপাত : পাট চাষে প্রচুর বৃষ্টিপাত প্রয়োজন। সাধারণত ১৫০ থেকে ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন।
- মৃত্তিকা: বাংলাদেশের নদী অববাহিকার পলিযুক্ত দোঁআশ মাটি পাট চাষের জন্য বিশেষ সহায়ক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৭৪.
কোনটি পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত?
  1. গ্রেট ফলস
  2. নায়াগ্রা
  3. অ্যাঞ্জেলস
  4. ভিক্টোরিয়া
সঠিক উত্তর:
অ্যাঞ্জেলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাঞ্জেলস
ব্যাখ্যা
অ্যাঞ্জেলস জলপ্রপাত:
- বিশ্বের উচ্চতম জলপ্রপাত হলো অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত।
- এটি ভেনেজুয়েলায় ক্যানাইমা জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত।
- এটির উচ্চতা ৯৭৯ মিটার।
- এ জলপ্রপাতের পানি বয়ে গেছে অয়ানতেপুই পর্বতের উপত্যকার ওপর দিয়ে চুরুন নদী হয়ে।
- এটি পানি পতনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাত।

অন্যদিকে,
- মিসৌরি নদীর গ্রেট ফলস হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-মধ্য মন্টানায় উপরের মিসৌরি নদীর উপর একটি সিরিজ জলপ্রপাত । 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক এবং কানাডার ওন্টারিওর মাঝে অবস্থিত নায়াগ্রা জলপ্রপাত। এই জলপ্রপাতটি মাত্র ৫১ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট ।
- ভিক্টোরিয়া ফলস পৃথিবীর সবচেয়ে চওড়া জলপ্রপাত। এটির উচ্চতা ১০৮ মিটার।

উৎস: Britannica.
৪,৩৭৫.
চলন বিলের মধ্য দিয়ে কোন নদী প্রবাহিত হয়েছে?
  1. ক) আত্রাই
  2. খ) মহানন্দা
  3. গ) করতোয়া
  4. ঘ) কুশিয়ারা
সঠিক উত্তর:
ক) আত্রাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আত্রাই
ব্যাখ্যা
আত্রাই নদী ব্রহ্মপুত্রের সর্বপশ্চিমের শাখা নদী।
পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরের ১০ কি.মি. উত্তরপূর্বে নদীটির উৎপত্তিস্থল। সেখান থেকে এটি যমুনা নদীর পশ্চিমে প্রবাহিত হয়।
দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলা থেকে করতোয়া নদী আত্রাই নাম ধারণ করেছে।
সূত্র : মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণী।
৪,৩৭৬.
উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন কোনটি?
  1. ক) ২৩ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ২১ মার্চ
  3. গ) ২২ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ২১ জুন
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত : ২১ জুন।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২১ জুন।
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২২ ডিসেম্বর
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত : ২২ ডিসেম্বর।
- পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান : ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৩৭৭.
কোন দেশটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. নাউরু
  2. কেনিয়া
  3. কিউবা
  4. গায়ানা
সঠিক উত্তর:
নাউরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাউরু
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া মহাদেশ:
- ওশেনিয়া হল একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল যা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের উপ-অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে।
- ওশেনিয়ায় মোট ১৪টি দেশ রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম এবং জনবহুল দেশ।

• ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, ভানুয়াতু, সামোয়া, কিরিবাতি, টোঙ্গা, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, টুভ্যালু, নাউরু।

তথসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৩৭৮.
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ কোথায় অবস্থিত ছিল?
  1. সাতক্ষীরা জেলার সর্ব দক্ষিণে
  2. সাতক্ষীরা জেলার ইছামতি নদীর মোহনায়
  3. সীমান্ত নদী রায়মঙ্গলের মোহনায়
  4. সাতক্ষীরা জেলার হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায়
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা জেলার হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা জেলার হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায়
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ: 

- অবস্থান: সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলায়।
- এটি একটি উপকূলবর্তী দ্বীপ।
- হাড়িয়াভাঙ্গা নদী দ্বারা চিহ্নিত সীমান্ত রেখা বরাবর দক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অগভীর সমুদ্রে এ ক্ষুদ্র দ্বীপটি অবস্থিত। 
- হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনা থেকে দ্বীপটির দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার। 
- দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার। 
 - ১৯৭০ সালের নভেম্বরে দ্বীপটি প্রথম দৃষ্টিগোচর হয়।
- পূর্ব নাম- পূর্বাশা বা নিউমুর।
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ এই দ্বীপটি বর্তমানে ভারতের মালিকানাধীন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
৪,৩৭৯.
বাংলাদেশের দুর্যোগের তালিকায় ‘বজ্রপাত’ অন্তর্ভুক্ত করা হয় কবে?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বাংলাদেশ -
- ১৭ মে, ২০১৬ সালে দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয় বজ্রপাতকে ১৩তম প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে।  

- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলঙ্কা, ভারত, নেপাল তুলনায় বাংলাদেশে বজ্রপাতের প্রবণতা অনেক বেশি।
- আবহাওয়াবিদদের মতে, বাংলাদেশে বজ্রপাতের মূল কারণ দেশটির ভৌগোলিক অবস্থান।
- বাংলাদেশে উত্তরাঞ্চল এবং উত্তর পশ্চিমাঞ্চল বজ্রপাত-প্রবণ এলাকাগুলোর অন্যতম।
- গ্রীষ্মকালে এ অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি থাকায় এ পরিস্থিতির তৈরি হয়।

সম্প্রতি,
- বাংলাদেশে বজ্রপাত এবং বজ্রপাতে মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশে বজ্রপাতে ২৯৭ জন নিহত হয়েছেন।
- গত এপ্রিল মাসে বজ্রপাতে দেশে মারা গেছেন ৩০ জন।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৩৮০.
বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে ভারতের কোন সংযোগ নেই?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) গাইবান্ধা
  4. ঘ) কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) গাইবান্ধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গাইবান্ধা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২ টি:
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার (রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার) সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙামাটি জেলায় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তরেখা পরস্পরকে স্পর্শ করেছে।

গাইবান্ধা সীমান্তবর্তী জেলা নয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৮১.
'সলোমান দ্বীপপুঞ্জ' কোন নিচের জলভাগের অন্তর্গত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

- 'সলোমান দ্বীপপুঞ্জ' প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।

» গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ:


• প্রশান্ত মহাসাগর:
- পাপুয়া নিউ গিনি, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, পালাউ, নাউরু, তাহিতি, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।

• আটলান্টিক মহাসাগর:
- যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কিউবা ইত্যাদি।

• ভারত মহাসাগর:
- মাদাগাস্কার, সেইসিলিশ, মরিশাস, দিয়াগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর, মালাগাছি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৪,৩৮২.
ফ্লোরিডা প্রণালীর মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে- 
  1. বঙ্গোপসাগর 
  2. পারস্য উপসাগর 
  3. মেক্সিকো উপসাগর
  4. হাডসন উপসাগর 
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো উপসাগর
ব্যাখ্যা

মেক্সিকো উপসাগর:
- মেক্সিকো উপসাগর হলো উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি বিশাল এবং প্রায় আবদ্ধ উপসাগর।
- এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দ্বারা বেষ্টিত।
- এর একদিকে মেক্সিকো, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে টেক্সাস পর্যন্ত উপকূল এবং দক্ষিণ-পূর্বে কিউবা দ্বীপ অবস্থিত।-
- এটি ফ্লোরিডা প্রণালীর মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত।
- এছাড়া, এই উপসাগরটি ইউকাটান প্রণালীর মাধ্যমে ক্যারিবিয়ান সাগরের সঙ্গে যুক্ত।
- মেক্সিকো উপসাগরে প্রচুর পরিমাণে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

অন্যদিকে,
• বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal) হচ্ছে এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় উপসাগর।
- এটি ভারত মহাসাগরের উত্তরের সম্প্রসারিত বাহু।
- বঙ্গোপসাগরের গভীরতম স্থানটি হলো সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড, যা গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি গভীর খাদ।
- এই খাদটি সুন্দরবনের কাছেই অবস্থিত।

• পার্স উপসাগর:
- এটি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত এবং প্রধানত ইরান এবং সৌদি আরব এর তীরবর্তী দেশগুলোর সাথে যুক্ত।
- এছাড়া কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকের সীমান্তেও সংযোগ রয়েছে।

• হাডসন উপসাগর:
- এটি কানাডা-এর উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি বড় উপসাগর।

উৎস:
১. Britannica;
২. বাংলাপিডিয়া।

৪,৩৮৩.
নাপিত খালি ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মৌলভীবাজার
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

ভেঙ্গি ভেলী - কাপ্তাই লেক
বালিশিরা ভেলী - মৌলভীবাজার
হালদা ভেলী - খাগড়াছড়ি
সাজেক ভ্যালী - রাঙামাটি
সাঙ্গু ভ্যালি - চট্টগ্রাম
নাপিত খালি ভ্যালি - কক্সবাজার
মাইনমুখী ভ্যালি - রাঙামাটি
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।

৪,৩৮৪.
দুই কোরিয়াকে পৃথক করেছে-
  1. ১৭ ডিগ্রী উত্তর অক্ষ রেখা 
  2. ২৪ ডিগ্রী উত্তর অক্ষ রেখা
  3. ৩৮ ডিগ্রী উত্তর অক্ষ রেখা
  4. ৪৯ ডিগ্রী উত্তর অক্ষ রেখা
সঠিক উত্তর:
৩৮ ডিগ্রী উত্তর অক্ষ রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ডিগ্রী উত্তর অক্ষ রেখা
ব্যাখ্যা
৩৮ ডিগ্রী উত্তর অক্ষ রেখা:
- উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পৃথককারী রেখা।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালে পটস্‌ডাম কনফারেন্সে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কুশীলবরা এটিকে সামরিক সীমা হিসেবে বেছে নেয়।
- এর এক পাশে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যপাশে সোভিয়েত বাহিনী অবস্থান নেয়।
- পরে ১৯৫০ সালে দুই কোরিয়ার মধ্যে সংঘাতের পর এর অস্ত্র বিরতি অনুযায়ী এটিকে দুই কোরিয়ার সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- এই লাইনের দুই কিলোমিটার এলাকাকে নিরস্ত্রীকৃত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়।
- এটি ২৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
এছাড়া,
- ১৭ ডিগ্রী উত্তর অক্ষ রেখা সাবেক উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামকে পৃথককারী রেখা।
- ২৪ ডিগ্রী উত্তর অক্ষ রেখা হলো পাকিস্তানের দাবিকৃত ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত রেখা।
- ৪৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে পৃথক করেছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 
৪,৩৮৫.
উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভক্তকারী সীমারেখা কী নামে পরিচিত?
  1. ২৭° মধ্যরেখা
  2. ২৭° অক্ষরেখা
  3. ৩৮° মধ্যরেখা
  4. ৩৮° অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
৩৮° অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮° অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
৩৮° অক্ষরেখা:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে। 
- উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

উৎস: Britannica.
৪,৩৮৬.
নাফ নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. ক) মিয়ানমার
  2. খ) ত্রিপুরা
  3. গ) আসাম
  4. ঘ) পশ্চিমবঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ক) মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
• নাফ নদী (Knaf):
- নাফ নদীর উৎপত্তি স্থল মিয়ানমার।
- এ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমার সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদীর মোহনা অত্যন্ত প্রশস্ত।
- উৎপত্তিস্থল থেকে বঙ্গোপসাগরে পতিত হওয়া পর্যন্ত এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৮৭.
গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশ ও ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণ কী? 
  1. ভূমির ঢাল নেই বলে
  2. বায়ুপ্রবাহ হিমালয়ে বাধাপ্রাপ্ত হয়
  3. বায়ুর চাপ নিম্নাঞ্চলে বেশি হওয়ায়
  4. সমুদ্র পৃষ্ঠ উত্তপ্ত হওয়ায়
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ হিমালয়ে বাধাপ্রাপ্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ হিমালয়ে বাধাপ্রাপ্ত হয়
ব্যাখ্যা
• ভূ-প্রকৃতি:
- পবর্তের অবস্থান, ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থা ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে জলবায়ুর প্রকৃতিতে পার্থক্য দেখা যায়।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, উত্তরে পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে জলবায়ুতে প্রভাব বিস্তার করে।
- গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু যখন হিমালয়ে বাধাপ্রাপ্ত হয় তখন নেপাল, বাংলাদেশ, ভারতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অধিক হয়।
- তবে এই বায়ুপ্রবাহ হিমালয় অতিক্রম করতে না পারায় উত্তর পাহাড়ের ঢালে এ সময় বৃষ্টিপাত হয় না।
- একইভাবে শীতকালে শীতল সাইবেরীয় বায়ু উচ্চ হিমালয় পবর্তে বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে উত্তর ঢালে এ সময় বৃষ্টিপাত হয় না।
- এ সময়ে দক্ষিণে শীতের তীব্রতা ইউরোপের থেকে কম হয়।

সূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৮৮.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কোন জেলার সাথে ভারতের কোনো সংযোগ নেই?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. জয়পুরহাট
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমানা:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- তিনদিকের মূলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙামাটি ও বান্দরবান)।
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

⇒ বান্দরবানের সাথে ভারতের কোন সীমান্ত নেই। 

উল্লেখ্য,
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: i) Britannica.
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৩৮৯.
তিস্তা প্লাবনভূমির অন্তর্ভুক্ত নদী কোনটি?
  1. ক) ধরলা
  2. খ) দুধকুমার
  3. গ) করতোয়া
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
তিস্তা প্লাবনভূমি:  পশ্চিমে হিমালয়ের পাদদেশীয় সমভূমি এবং পূর্ব দিকে উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর পর্যন্ত বিস্তৃত একটি বৃহৎ ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল। দক্ষিণে বগুড়া জেলার শেরপুর পর্যন্ত সম্প্রসারিত এই ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল প্রাচীন তিস্তা নদীগঠিত একটি প্লাবনভূমি। মোট আয়তন প্রায় ১৩,২৮৩ বর্গ কিলোমিটার। এ অঞ্চলের অধিকাংশ ভূমিই বর্ষা মৌসুমে অগভীরভাবে প্লাবিত হয়। তবে ঘাঘট নদী বরাবর একটি অগভীর অবভূমির (Depression) অবস্থান রয়েছে, যেখানে বন্যার গভীরতা মাঝারি ধরনের হয়ে থাকে। তিস্তা, ধরলা এবং দুধকুমার  এই তিনটি বৃহৎ নদী তিস্তা প্লাবনভূমিকে ছেদ করেছে। এই নদীত্রয়ের সক্রিয় প্লাবনভূমিসমূহ তাদের বালুতট ও দিয়ারা প্রভৃতিসহ সচরাচর ছয় কিলোমিটারের চেয়ে কম প্রশস্ত।
৪,৩৯০.
পরিবেশ দূষণের কৃত্রিম কারণ কোনটি?
  1. বন্যা
  2. খরা
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. পাহাড় কর্তন
সঠিক উত্তর:
পাহাড় কর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড় কর্তন
ব্যাখ্যা
• পরিবেশ দূষণ (Environment Pollution):
→ পরিবেশে জীবের স্বাভাবিক অবস্থা বা জীবনযাত্রায় বিঘ্ন সৃষ্টিতে সক্ষম ক্ষতিকর অবস্থার নাম দূষণ।
→ অন্যদিকে পানি, বাতাস, মৃত্তিকা বা পরিবেশের কোনো উপাদানের ভৌত, রাসায়নিক বা জৈবিক যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিবর্তনই প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণ।
→ মানুষের বহুমুখী কর্মকান্ডই পরিবেশ দূষণের সবচেয়ে বড় কারণ।

• প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের কারণ:
→ প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের কারণসমূহকে দুইটি ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা যেতে পারে। যথা-
ক. প্রাকৃতিক কারণ এবং খ. মানবসৃষ্ট কারণ।

→ প্রাকৃতিক কারণ:
১. বন্যা ও খরা 
২. ভূমিকম্প 
৩. ঘূর্ণিঝড় 
৪. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত

→ মানবসৃষ্ট কারণ:
১. গাছপালা নিধন।
২. পাহাড় কর্তন।
৩. অপরিকল্পিত নগরায়ন।
৪. কীটনাশক ব্যবহার।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৯১.
বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন (JRC) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. মার্চ, ১৯৭২
  2. নভেম্বর, ১৯৭২
  3. জানুয়ারি, ১৯৭৩
  4. মার্চ, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন (JRC):
- ১৯৭২ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবর রহমান এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর শেষে ১৯ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে যৌথ ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালের জুন মাস থেকেই যৌথ নদী কমিশন (জে.আর.সি) তার কার্যক্রম শুরু করলেও এর কার্যবিধি ১৯৭২ সালের ২৪ নভেম্বর ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়। ভারতের নয়াদিল্লীতেও অনুরূপ একটি যৌথ নদী কমিশন রয়েছে।

• বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদীঃ গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে। এ নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।

• ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের মধ্যে যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে দু’দেশের বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে অভিন্ন নদীর ব্যাপক জরিপ কার্যক্রম পরিচালন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণের বিস্তারিত প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রধান প্রধান নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের উপর সমীক্ষা পরিচালন, উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে এতদাঞ্চলের পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বাংলাদেশের সাথে ভারত সংলগ্ন এলাকায় পাওয়ার গ্রীড সংযোজনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্থায়ী ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- উক্ত ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের ২৪ নভেম্বর অংশগ্রহণকারী দুদেশের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে সর্বাধিক যৌথ ফলপ্রসূ প্রচেষ্টার মাধ্যমে অভিন্ন নদীসমূহ থেকে সর্বোচ্চ সুফল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের স্ট্যাটিউট স্বাক্ষরিত হয়।
- ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের বাংলাদেশ পক্ষের কাজ সম্পাদনে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে যৌথ নদী কমিশন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

• রূপকল্প (Vision): টেকসই পানি নিরাপত্তার লক্ষ্যে আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত বণ্টন ও যৌথ ব্যবস্থাপনা।
• অভিলক্ষ্য (Mission): আন্তঃসীমান্ত নদী অববাহিকাভূক্ত দেশ এর সাথে পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর এবং পানি সম্পদের যৌথ ব্যবস্থাপনা।

উৎস: i) যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৪,৩৯২.
নিম্নলিখিত দেশগুলির মধ্যে কোনটি ইন্দোচীন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. তাইওয়ান
  2. লাওস
  3. কম্বোডিয়া
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
- নিম্নলিখিত দেশগুলির মধ্যে তাইওয়ান ইন্দোচীন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

ইন্দোচীন:

- ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত ভিয়েতনাম, লাওস এবং কম্বোডিয়া।
- ফ্রান্স অষ্টাদশ শতকে ইন্দোচীন হিসাবে পরিচিত বর্তমান ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বােডিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত অঞ্চলটির উপর শাসন অব্যাহত রাখে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জাপান ইন্দোচীন দখল করে নেয়।
- ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনাম স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ফ্রান্স ভিয়েতনামকে ফরাসি ইউনিয়নের অধীনে একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে ১৯৪৬ সালে দেশটির উপর পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৩৯৩.
পৃথিবীর যেসব অঞ্চলে খুব বেশী শীত বা গরম আবহাওয়া থাকে না, তাকে বলে -
  1. ক) উষ্ণ জলবায়ু
  2. খ) মেরু দেশীয় জলবায়ু অঞ্চল
  3. গ) পার্বত্য জলবায়ু অঞ্চল
  4. ঘ) নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর জলবায়ু অঞ্চলকে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা হয় - উষ্ণ অঞ্চল, নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল, মেরুদেশীয় অঞ্চল এবং পার্বত্য অঞ্চল।
- এসব শ্রেণী বিভাগকে আরও কতকগুলো উপশ্রেণীতে ভাগ করা হয়।

১। নিরক্ষ রেখার উভয় পাশে ৫º-৩০° উত্তর ও দক্ষিন অক্ষাংশের মধ্যে উষ্ণ জলবায়ু দেখা যায়। এ জলবায়ু অঞ্চলের গড় তাপমাত্রা ২১° সে.। পৃথিবীর মোট ভূ-ভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এ জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
২। পৃথিবীর যেসব অঞ্চলে খুব বেশী শীত বা গরম আবহাওয়া থাকে না তাকে নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল বলে । এ অঞ্চলকে মৃদু উষ্ণ, মৃদু শীতল ও শীত প্রধান নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু অঞ্চলে ভাগ করা হয়।
৩। পৃথিবীর উভয় মেরু অঞ্চলের জলবায়ুকে মেরু দেশীয় জলবায়ু অঞ্চল বলে। এ অঞ্চলে বছরের অধিকাংশ সময়ই শীত পড়ে এবং বরফ দ্বারা ঢাকা থাক।
৪। পৃথিবীর বিভিন্ন উচ্চভূমি ও পার্বত্য অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতিগত কারনে যে মিশ্র ধরণের জলবায়ু পরিদৃষ্ট হয় তাকে পার্বত্য জলবায়ু অঞ্চল বলে।

সূত্র: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৩৯৪.
আড়িয়াল খাঁ কোন নদীর শাখা নদী?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. শীতলক্ষ্যা
  5. ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মা
ব্যাখ্যা
• আড়িয়াল খাঁ নদী:
- আড়িয়াল খাঁ নদী পদ্মা নদীর পূর্বপ্রান্তের শেষ এবং অন্যতম প্রধান শাখানদী। 
-  গোয়ালন্দঘাট থেকে প্রায় ৫১.৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে পদ্মা থেকে উৎপন্ন হয়ে  ফরিদপুর ও  মাদারীপুর জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে  বরিশাল-এর উত্তর-পূর্ব কোণে  তেঁতুলিয়া চ্যানেলে পতিত হয়েছে।
- মাদারীপুর শহর এ নদীর ডান তীরে অবস্থিত।
- এ নদী সারাবছরই নাব্য থাকে এবং  জোয়ারভাটা দ্বারা প্রভাবিত।
- মাদারীপুর পর্যন্ত স্বাভাবিক জোয়ারভাটার পরিসর ০.৩২ মিটার।
- নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ১৬০ কিমি।

এছাড়াও,
- কুমার, মাথাভাঙা, ভৈরব, গড়াই, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি পদ্মা নদীর প্রধান শাখা নদী।
- ব্রহ্মপুত্র নদীর শাখা নদী হলো শীতলক্ষ্যা।
- মেঘনা নদীর শাখা নদী হল মনু ,তিতাস, গোমতী, বাউলাই।


সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৩৯৫.
'র‍্যাডক্লিফ লাইন' কোন দুইটি দেশের সীমানা রেখা?
  1. ভারত ও চীন
  2. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

র‍্যাডক্লিফ লাইন:
- ১৯৪৭ সালে স্যার সাইবিল র‍্যাডক্লিফ কর্তৃক চিহ্নিত সীমারেখা।
- এটি ভারত ও তৎকালীন পাকিস্তানের মধ্যকার সীমারেখা।

• বিশ্বের বিখ্যাত কয়েকটি সীমারেখা:
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা রেখা- লাইন অব কন্ট্রোল।
- ভারত ও চীনের সীমানা রেখা (কাশ্মীর সীমান্তে)- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল।
- বর্তমানে ডুরান্ড লাইন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- ম্যাকমোহন লাইন- স্যার ম্যাকমোহন কর্তৃক চিহ্নিত ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা রেখা।
- সনোরা লাইন- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন- পর্তুগাল ও স্পেনের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- ব্লু লাইন- ইসরাইল ও লেবাননের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৪,৩৯৬.
ভারতীয় উপমহাদেশের স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ কোনটি?
  1. চিনুক
  2. খামসিন
  3. লু
  4. সাইমুম
সঠিক উত্তর:
লু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লু
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু (Local Wind):
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কিংবা তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূপৃষ্ঠের স্থানে স্থানে স্থানীয় বায়ুর উৎপত্তি হয়।

কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ
- রকি পর্বতের চিনুক (Chinook),
- ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল (Mistral),
- আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু (Pampero),
- আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা (Bora),
- উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো (Sirocco),
- আরব মালভূমির সাইমুম (Simoom),
- মিসরের খামসিন (Khamsin) ও
- ভারতীয় উপমহাদেশের লু (Loo)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৪,৩৯৭.
সম্প্রতি (সেপ্টেম্বর, ২০২৩) ঘূর্ণিঝড় ‘ইডালিয়া’ কোন দেশে আঘাত হানে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ব্রাজিল
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় ‘ইডালিয়া’:
- ৩১ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা উপকূলে আঘাত হেনেছে ক্যাটাগরি-৩ ঘূর্ণিঝড় ইডালিয়া।
- মেক্সিকো উপসাগর থেকে শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড়টি বিধ্বংসী বাতাস ও ঝড় নিয়ে আঘাত হানে।
- অঙ্গরাজ্যটিতে বন্যা দেখা দিয়েছে।
- আঘাতের সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল প্রতি ঘণ্টায় ১২৫ মাইল।

উৎস: ৩১ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।
৪,৩৯৮.
কোন স্থানের জলবায়ু কিসের উপর নির্ভর করে?
  1. বায়ুপ্রবাহ
  2. সমুদ্র থেকে দূরত্ব
  3. সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
জলবায়ু:
- কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে।
- কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।

জলবায়ু নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ামক:
- যে সব উপাদান আবহাওয়া এবং জলবায়ুর নিয়ন্ত্রণ ও পরিবর্তন সাধন করে তাদেরকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।

⇒ জলবায়ুর নিয়ামক:
১. অক্ষাংশ:
- বায়ুমণ্ডলের তাদের উৎস সূর্য।
- অক্ষাংশ অনুযায়ী সর্যকিরণ কোথাও লম্বভাবে আবার কোথাও তীর্যকভাবে পতিত হয়।
- নিরক্ষরেখায় সূর্যরশ্মি সারা বছর প্রায় লম্বভাবে পড়ে এবং দিন রাত্রির দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়।
- তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে অধিক উষ্ণতা বিরাজ করে।

২. সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা:
- সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ভূপৃষ্ঠের উচ্চতাও জলবায়ুকে প্রভাবিত করে।
- ফলে উচ্চতার ভিত্তিতে বায়ুর তাপমাত্রায় পার্থক্য দেখা যায়।
- একই অক্ষাংশে অবস্থিত বিভিন্ন স্থানের উচ্চতানুযায়ী তাপমাত্রার তারতম্য হয়ে থাকে।

৩. জল ও স্থলভাগের অবস্থান:
- জলভাগ অপেক্ষা স্থলভাগ স্থিতিশীল।
- তাই জল ও স্থলভাগের অবস্থানজনিত কারণে তাপের ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়।
- জলভাগের ওপর পতিত সূর্য তাপের একটা অংশ বাষ্পীভবনে ব্যয় হয় কিন্তু স্থলভাগের ওপর পতিত সূর্য তাপের খুব একটা অপচয় হয় না।
- ফলে জলভাগের চেয়ে স্থলভাগ অপেক্ষাকৃত উষ্ণ থাকে।

৪. পাহাড়-পর্বতের অবস্থান:
- পাহাড়-পবর্তের অবস্থান জলবায়ুর ওপর প্রভাব বিস্তার করে।
- পাহাড়-পর্বত কোনো স্থানের তাপ ও বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণ করে।

৫. বনভূমির অবস্থান:
- জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হলো বনভূমি।
- গভীর বনাঞ্চলে সূর্যকিরণ প্রবেশ করতে না পারায় স্থলভাগ উত্তপ্ত হয় না বলে জলবায়ু আর্দ্র থাকে।

৬. সমুদ্র থেকে দূরত্ব:
- সমুদ্রের নিকটবর্তী অঞ্চল সামুদ্রিক আবহাওয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়।
- কারণ জলভাগ অপেক্ষা সস্থলভাগ দ্রুত উষ্ণ ও শীতল হয়।
- পক্ষান্তরে, সমুদ্র থেকে দূরবর্তী অঞ্চলের জলবায়ু চরমভাবাপন্ন হয় অর্থাৎ গ্রীষ্মে অধিক গরম এবং শীতকালে ব্যাপক শীত পড়ে।

৭. সমুদ্র স্রোত:
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর সমুদ্র স্রোতের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।
শীতল স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু শীতল এবং উষ্ণ স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু উষ্ণ হয়।

৮. বায়ুপ্রবাহ:
- বায়ুপ্রবাহ জলবায়ুকে বহুলাংশে নিয়ন্ত্রণ করে।
সমুদ্র হতে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু কোনো এলাকার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে সে এলাকায় বৃষ্টিপাত হয় এবং উত্তাপ হ্রাস পায়।

৯. বৃষ্টিপাত:
- বৃষ্টিপাত আবহাওয়া ও জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো স্থানে বৃষ্টিপাত হলে সেখানে উত্তাপ হ্রাস পায়।
- কিন্তু বৃষ্টিপাত না হলে সেখানকার তাপমাত্রা উত্তপ্ত হয়ে যায়।

১০. ভূমির ঢাল:
- কোনো স্থানের জলবায়ুর ওপর ঢালের প্রভাব রয়েছে।
- যে ভূমির ঢাল সূর্যের দিকে থাকে তাতে সূর্যরশ্মি লম্বাভাবে পড়ে।
- ফলে সে স্থান বেশি উত্তপ্ত হয়।
- আবার যে ভূমির ঢাল সূর্যের বিপরীতে থাকে, তাতে সূর্যরশ্মি তীর্যকভাবে পড়ে। ফলে সে স্থান বেশি উত্তপ্ত হতে পারে না।

১১. জলীয়বাষ্প:
- জলীয়বাষ্প বায়ুমণ্ডলের তাপ সংরক্ষণে সহায়তা করে।
- বেশি জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু পৃথিবী থেকে তাপ বিকিরণে বাধার সৃষ্টি করে।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প বেশি পরিমাণে থাকলে তা দিনে খুব উষ্ণ ও রাতে খুব শীতল হতে পারে না।

১২. দিবাভাগের দৈর্ঘ্য:
- দিবাভাগে সূর্যের আলোতে ভূপৃষ্ঠ ও বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হয় এবং রাতে তাপ বিকিরণ করে পৃথিবী শীতল হয়।
- দিন বড় হলে ভূপৃষ্ঠ বেশি উত্তপ্ত হয় এবং ছোট রাতে তাপ বিকিরণের পরিমাণ কম থাকায় বায়ুমণ্ডল ক্রমান্বয়ে উত্তপ্ত হতে থাকে।

১৩. বায়ুর আর্দ্রতা:
- যে বায়ুতে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি, সে বায়ু জলবায়ুকে অধিক প্রভাবিত করতে পারে।
- ফলে উক্ত এলাকায় দিনে খুবই গরম পড়ে এবং রাতে খুবই শীত পড়ে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৯৯.
বাংলাদেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয় কোনটি?
  1. জলোচ্ছ্বাস
  2. কালবৈশাখী
  3. হিমবাহ ধ্বস
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ ধ্বস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ ধ্বস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহ:
- পৃথিবীর প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।
- এদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রভৃতি কারণে প্রায় প্রতি বছরই কোনো না কোনো দুর্যোগে আক্রান্ত হয়।
- ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন, ক্ষয়ক্ষতি হয় সম্পদ ও জীবনের।
- বাংলাদেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস, কালবৈশাখী ও টর্নেডো, বন্যা, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, খরা, আর্সেনিক, ভূমিকম্প ও সুনামি অন্যতম।
- হিমবাহ ধ্বস বাংলাদেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪০০.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান নয় কোনটি?
  1. প্রতিরোধ
  2. পূর্বপ্রস্তুতি
  3. পুনরুদ্ধার
  4. কাঠামোগত প্রশমন
সঠিক উত্তর:
পুনরুদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ হলো যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা।
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান:
১. দুর্যোগ প্রতিরোধ:
দুর্যোগের সম্ভাবনা বা ঝুঁকি কমাতে যে সকল ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তা দুর্যোগ প্রতিরোধের অংশ। এর মধ্যে পূর্বাভাস ব্যবস্থা, সতর্কতা কার্যক্রম এবং প্রতিরোধী কাঠামো তৈরি করা অন্তর্ভুক্ত থাকে।

২. দুর্যোগ প্রশমন:
দুর্যোগের সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর জন্য দুর্যোগ প্রশমনের কাজ করা হয়। এটি সরাসরি দুর্যোগের তীব্রতা কমানোর জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ, যেমন বাঁধ নির্মাণ, নিরাপত্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং পরিবেশগত বিপর্যয় রোধ করা।

৩. দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি:
দুর্যোগের প্রাক্কালে সঠিক প্রস্তুতি গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। এটি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের জনগণকে সচেতন করা, দুর্যোগের সময় দ্রুত সাহায্য পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুতি তৈরি করা এবং উপকরণ সংরক্ষণ করা ইত্যাদি বিষয়গুলির অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে,
দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে - 
- সাড়াদান,
- পুনরুদ্ধার
- উন্নয়ন।
- এইগুলো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান নয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।