বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৪২ / ৭২ · ৪,১০১৪,২০০ / ৭,১৯১

৪,১০১.
লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে কোন খাল?
  1. সুয়েজ খাল
  2. গ্রান্ড খাল
  3. পানামা খাল
  4. গোটা খাল
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল।
- ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দে লেসেপ্স হলেন সুয়েজ খাল নির্মাণের মূল পরিকল্পনাকারী।
- ১৮৫৯ সালে সুয়েজ খালের খনন কাজ শুরু হয়।
- এটি চালু হয় ১৮৬৯ সালে।
- সুয়েজ খাল লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে।
- মিশর সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করে ১৯৫৬ সালে। 
- দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় মিশরের এই জাতীয়করণের ফলেই।

উল্লেখ্য,
- পানামা খাল আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
- গ্রান্ড খাল পৃথিবীর প্রাচীনতম ও দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,১০২.
যেসব প্রক্রিয়ায় ভূমিরূপের ধীর পরিবর্তন হচ্ছে তাদেরকে প্রধানত কয়টি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠের ধীর পরিবর্তনের কারণ ও ফলাফল:
- পৃথিবীর আকস্মিক পরিবর্তনের জন্য তিনটি প্রধান ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। তা হলো- পর্বত, মালভূমি এবং সমভূমি।
- এসব ভুমিরূপ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি যেমন- সূর্যতাপ, বায়ু, বৃষ্টি, নদী প্রভৃতি দ্বারা খুব ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়ে নতুন ভূমিরূপে পরিণত হয়।
- এই পরিবর্তন প্রক্রিয়াকে ধীর পরিবর্তন বলে।
- এতে সূর্যতাপ, বায়ু, বৃষ্টি, নদী প্রভৃতি শক্তি খুব ধীরে ধীরে ভুত্বকের ক্ষয়সাধন করে থাকে।
- ফলে ভূত্বকের উপরিস্থিত শিলা ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়।
- এই শিলা অপসারিত হয়, আবার নতুন করে শিলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়। এভাবে পর্যায়ক্রমে প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে ভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে।

- যেসব প্রক্রিয়ায় ভূমিরূপের ধীর পরিবর্তন হচ্ছে তাদেরকে প্রধানত চারটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়।
• বিচূর্ণীভবন ও ক্ষয়ীভবন।
• অপসারণ।
• নগ্নীভবন।
• অবক্ষেপণ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,১০৩.
বন্যা হওয়ার প্রাকৃতিক কারণ কোনটি?
  1. ফারাক্কা বাঁধ
  2. নদীর গভীরতা কম
  3. অপরিকল্পিত নগরায়ণ
  4. জলাশয় ভরাট
সঠিক উত্তর:
নদীর গভীরতা কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীর গভীরতা কম
ব্যাখ্যা
• বন্যা হওয়ার প্রাকৃতিক কারণ নদীর গভীরতা কম।

• বন্যার কারণ (Causes of Flood):
- বন্যা হওয়ার দুটি কারণ যথা : ১. প্রাকৃতিক কারণ, ২. মানব-সৃষ্ট কারণ।

• প্রাকৃতিক কারণ:
- উজানে প্রচুর বৃষ্টি;
- ভৌগোলিক অবস্থান;
- মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব;
- নদীর গভীরতা কম;
- হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ;
- বঙ্গোপসাগরের তীব্র জোয়ার-ভাটা।
- ভূমিকম্প।

•মানব-সৃষ্ট কারণ:
- নদী অববাহিকায় ব্যাপক বৃক্ষ কর্তন ;
- গঙ্গা নদীর উপর নির্মিত ফারাক্কা বাঁধ;
- অন্যান্য নদীতে নির্মিত বাঁধের প্রভাব;
- অপরিকল্পিত নগরায়ণ;
- অপরিকল্পিত রাস্তাঘাট নির্মাণ।
- জলাশয় ভরাট।

• বন্যা :
- বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে বন্যা অন্যতম।
- এ দেশের বন্যা অর্থনৈতির ওপর ভয়াবহ  প্রভাব ফেলে।
- প্রকৃতপক্ষে এ দেশের প্রেক্ষিতে কোনো এলাকা প্লাবিত হয়ে যদি মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষতিসাধন হয় তাহলেই বন্যা হয়েছে বলে ধরা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪,১০৪.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা যায়।
 এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়/পর্বতঃ তাজিনডং (১২৮০মি.), কেওক্রাডং, মোদকমুয়াল, পিরামিড, চিম্বুক]

• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়/টিলাঃ চিকনাগুল, খাসিয়া, জয়ন্তিয়া]।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:

- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১০৫.
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কোন নদী অবস্থিত?
  1. ক) গোমতী
  2. খ) তিতাস
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) পদ্মা
সঠিক উত্তর:
খ) তিতাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিতাস
ব্যাখ্যা

নদী-মাতৃক বাংলাদেশের মধ্য- পূর্বাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী তিতাস-বিধৌত জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত সংলগ্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৮৬০ ইং সালে মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে ত্রিপুরা জেলার অর্ন্তভূক্ত ছিল। ভারত বিভাগের পর কুমিল্লা জেলার একটি মহকুমা হিসেবে থাকে। ১৯৮৪ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারী জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
শিল্প-সংস্কৃতি, শিক্ষা-সাহিত্যে দেশের অন্যতম অগ্রণী জনপদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া। সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁ, ব্যারিস্টার এ রসুল, নবাব স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা, কথা সাহিত্যিক অদ্বৈত মল্ল বর্মণ, কবি আবদুল কাদির, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তসহ বহু জ্ঞানী গুনীর জন্মধন্য জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাতীয় অর্থনীতিতেও ব্যাপক অবদান রাখছে। তিতাস গ্যাস ফিল্ড, সালদা গ্যাস ফিল্ড, মেঘনা গ্যাস ফিল্ড দেশের এক-তৃতীয়াংশ গ্যাস সরবরাহ যোগায়। আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের ২য় বৃহত্তম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। আশুগঞ্জ সার কারখানা দেশের ইউরিয়া সারের অন্যতম বৃহত্তম শিল্প কারখানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিল্প সংস্কৃতির ধারক ও বাহক এবং দলমত নির্বিশেষে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল মিলন মেলা হিসেবে এ দেশের মানচিত্রে বিশেষ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত।
উৎসঃ বাংলাদশ সরকারের ওয়েবসাইট।

৪,১০৬.
এক্সোমন্ডলে কোন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়?
  1. মিথেন ও হিলিয়াম
  2. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
  3. হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন
  4. আর্গন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

এক্সোমন্ডল (Exosphere):
- বায়ুমন্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। 
- যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমন্ডল । 
- তাপমন্ডলের উপরে প্রায় ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে বায়ুস্তর আছে তাকে এক্সোমন্ডল বলে।
- এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়।

এক্সোমন্ডলের বৈশিষ্ট্য- 
(ক) এক্সোমন্ডল, তাপমণ্ডল অতিক্রম করে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয়।
(খ) এ স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
(গ) এ স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস ধারণ করে, কেননা মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলো সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,১০৭.
দেশের মোট ভূমির শতকরা কত ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ১৮ ভাগ
  2. ২৩ ভাগ
  3. ২৫ ভাগ
  4. ২৭ ভাগ
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনজ সম্পদ:
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- কিন্তু ২০১৩-২০১৪ সালের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- যথা :
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১০৮.
বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর জলরাশিকে কয়টি মহাসাগরে ভাগ করেছেন?
  1. চারটি
  2. পাঁচটি
  3. ছয়টি
  4. সাতটি
সঠিক উত্তর:
পাঁচটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচটি
ব্যাখ্যা
মহাসাগর (Ocean):
-অতি প্রকাণ্ড ও লবণযুক্ত বিপুল জলরাশি যা পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে, তাকেই মহাসাগর বা মহাসমুদ্র বলে
-মহাসাগর পৃথিবীর মোট আয়তনের প্রায় ৭০.৯% স্থান দখল করে আছে। অর্থাৎ পৃথিবীর একভাগ স্থল ও তিনভাগ জল রয়েছে। এই একভাগ স্থলের মধ্যে ৭টি মহাদেশ রয়েছে। এবং বাকি অংশ জলে পরিপূর্ণ। এই জলের অংশকেই বিভিন্ন মহাসাগরে ভাগ করা হয়েছে এবং আলাদা আলাদা নাম দেওয়া হয়েছে।
-একটি উন্মুক্ত বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তীর্ণ জায়গায় জল জমা হয়ে থাকলেই তা মহাসাগর হয়ে যায়। মহাসাগরের অর্ধেকেরও বেশি জায়গার গড় গভীরতা ৩,০০০ মিটার বা ৯,৮০০ বর্গফুটেরও বেশি।
-বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর জলরাশিকে আলাদা আলাদা পাঁচটি ভাগে ভাগ করেছেন এবং আলাদা আলাদা নাম দিয়েছেন। এটিকেই পাঁচটি মহাসাগর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
-বিশ্বে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে:
১। প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean)
২। আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean)
৩। ভারত মহাসাগর (Indian Ocean)
৪। উত্তর বা সুমেরু মহাসাগর (Arctic Ocean)
৫। দক্ষিণ বা কুমেরু মহাসাগর (Southern Ocean)

তথ্যসূত্র: Live MCQ ক্লাস লেকচার এবং ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১০৯.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়?
  1. দক্ষিণ-পূবার্ঞ্চলে
  2. উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
  3. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
  4. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
ব্যাখ্যা
অনাবৃষ্টি ও খরা:
- কোনো এলাকা দীর্ঘদিন বৃষ্টিহীন অবস্থা থাকলে অথবা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে উক্ত এলাকাটির মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে। ফলে, উক্ত এলাকার মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় ও ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায়। মাটির এরূপ অবস্থাকে খরা বলা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়।
- খরা উপদ্রুত অঞ্চলে কৃষিজ ফসলের উৎপাদন কমে যায়।
- উপদ্রুত অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গিয়ে পানির অভাব দেখা দেয়।
- পর্যাপ্ত ফসলের অভাবে খাদ্যদ্রব্যের অভাব প্রকট হয়ে পড়ে।
- গাছপালা বিহীন শুষ্ক প্রকৃতি ও তীব্র গরমে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের অসুখের প্রাদুর্ভাব ঘটে।
- বনজ সম্পদ বৃদ্ধি তথা অধিক বৃক্ষরোপন করে ও ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রন করা যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১১০.
কোনটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা ?
  1. পার্পল লাইন
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. লাইন অব কন্ট্রোল
  4. ম্যাকমোহন লাইন
সঠিক উত্তর:
ডুরান্ড লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা

Durand Line:
- ডুরান্ড লাইন একটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত, যা আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের মধ্যে ১,৬০০ মাইল (২,৬০০ কিমি) দীর্ঘ।
- এটি ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ ভারতে এবং আফগানিস্তানের আমিরাতের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ডুরান্ড লাইনটির নামকরণ করা হয়েছে স্যার হেনরি মর্টিমার ডুরান্ডের নামে, যিনি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন।
- ডুরান্ড লাইন এর পশ্চিম প্রান্ত ইরানের সীমানায় এবং পূর্ব প্রান্ত চীনের সীমানায় শেষ হয়।
- ১২টি আফগান প্রদেশ এবং ৩টি পাকিস্তানি প্রদেশ ডুরান্ড লাইনের পাশে অবস্থিত।
- ১৮৯৪-১৮৯৬ সালে আফগান-ব্রিটিশ যৌথ জরিপের মাধ্যমে সীমান্ত নির্ধারণ করা হয়।
- ডুরান্ড লাইন পশতু অঞ্চলের দুই ভাগ সৃষ্টি করে, যা ভবিষ্যতে বিরোধের কারণ হয়।
- ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের বিভাজনের পর পাকিস্তান ডুরান্ড চুক্তির উত্তরাধিকারী হয়।

এছাড়াও,  বিভিন্ন দেশের সীমানা:
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন ও ভারত মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- সনেরা লাইন - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যকার সীমানা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

৪,১১১.
আরব মরুভূমিতে প্রবাহিত স্থানীয় বায়ু কোনটি?
  1. সিরোক্কো
  2. খামসিন
  3. টাইফুন
  4. সাইমুম
সঠিক উত্তর:
সাইমুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইমুম
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু:
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।
- রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।
- উপত্যকা ও পার্বত্য বায়ু দিনের বেলায় পর্বতের গা বেয়ে উপরের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে উপত্যকা বায়ু।
- ভূমির বন্ধুরতায় পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ ভিন্নরকম হয়। দিনের বেলায় পর্বত উপত্যকার তলদেশ থেকেও পর্বত গাত্র অনেক বেশি উষ্ণ হয়। এসময় পর্বতের পাদদেশের নিম্নচাপ ও উপত্যকার তলদেশে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয় বলেই এই ধরনের বায়ুপ্রবাহ সৃষ্ট হয়।
- অপরদিকে রাতের বেলায় তাপ বিকিরণের ফলে পর্বতগাত্র শীতল হয় এবং এ সময় উপত্যকা উষ্ণ থাকে। এসময় পর্বতের গা বেয়ে ভারী ও শীতল বায়ু উপত্যকার নিচের দিকে নেমে আসে। এই প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয় পার্বত্য বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১১২.
নিচের কোন দেশটি কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত নয়?
  1. তুরস্ক
  2. বুলগেরিয়া
  3. ইউক্রেন
  4. সার্বিয়া
সঠিক উত্তর:
সার্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বিয়া
ব্যাখ্যা

সার্বিয়া একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, তাই এটি কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত নয়।
-------------------------------
• কৃষ্ণ সাগর :
- কৃষ্ণ সাগর পূর্ব ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার কোকেশীয় অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রান্তীয় সাগর।
- এটি ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থান করে। 
- এর সীমানায় রয়েছে- বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, রাশিয়া, জর্জিয়া ও তুরস্ক।
- কৃষ্ণ সাগরের দক্ষিণ-মধ্য অংশের সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ২,২১০ মিটার (৭,২৫০ ফুট)।
- কৃষ্ণ সাগরে অবস্থিত প্রধান বন্দরগুলো হল—
- ওডেসা (ইউক্রেন), নভোরোসিস্ক (রাশিয়া), কনস্ট্যান্টা (রোমানিয়া), বার্না (বুলগেরিয়া) এবং সামসুন (তুরস্ক)। 

  উল্লেখ্য,
- কৃষ্ণ সাগর বসফরাস প্রণালীর মাধ্যমে মর্মর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।
- কৃষ্ণ সাগরকে দারদানেলিস প্রণালী ভূমধ্যসাগর ও এজিয়ান সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এটি পূর্ব ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ার মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে।
- এছাড়াও, কৃষ্ণ সাগর ক্রার্চ প্রণালী দ্বারা আজভ সাগরের সঙ্গে যুক্ত। 

উৎস:
Britannica;
কালের কণ্ঠ পত্রিকা। 

৪,১১৩.
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি নিচের নিম্নের কোন জেলায় দেখা যায়?
  1. বান্দরবান
  2. টাঙ্গাইল
  3. বাগেরহাট
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনজ সম্পদ:
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা :
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

⇒ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়। 
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।


অন্যদিকে,
• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
- এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত। 
- এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। 
- সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১১৪.
নিচের কোনটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান নয়?
  1. দুর্যোগ প্রশমন
  2. দুর্যোগ গবেষণা
  3. দুর্যোগ প্রতিরোধ
  4. দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতি
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ গবেষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ গবেষণা
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ হলো যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা।
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

⇒ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান-
- দুর্যোগ প্রতিরোধ,
- দুর্যোগ প্রশমন এবং
- দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি

⇒ দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে-
- সাড়াদান,
- পুনরুদ্ধার ও
- উন্নয়ন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১১৫.
গার্দাফুই অন্তরীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. চিলি
  2. ভারত
  3. স্পেন
  4. সোমালিয়া
সঠিক উত্তর:
সোমালিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমালিয়া
ব্যাখ্যা

অন্তরীপ:
- ভূপৃষ্ঠের কোন অংশ ক্রমশ সরু হয়ে কোন জল-অংশে প্রবেশ করলে সেই সংকীর্ণ অংশকে অন্তরীপ বলা হয়।
-গার্দাফুই অন্তরীপ সোমালিয়ায় অবস্থিত।

এছাড়াও, 
- ট্রাফালগার অন্তরীপ : স্পেন
- উত্তমাশা অন্তরীপ : দক্ষিণ আফ্রিকা
- হর্ন অন্তরীপ : চিলি
- মরিস জেসাপ অন্তরীপ : গ্রিনল্যান্ড
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারত।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস। 

৪,১১৬.
Which of the following border lies between India and Pakistan?
  1. McMahon Line
  2. Durand Line
  3. Mannerheim line
  4. Radcliffe Line
  5. Line of Actual Control
সঠিক উত্তর:
Radcliffe Line
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Radcliffe Line
ব্যাখ্যা
র‍্যাডক্লিফ লাইন:
- ১৯৪৭ সালের ৩রা জুন মাউন্টব্যাটেন তার ভারত বিভাগ পরিকল্পনা প্রকাশের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণের জন্যে ব্রিটিশ সরকার স্যার সিরিল জন র‍্যাডক্লিফকে চেয়ারম্যান করে র‍্যাডক্লিফ কমিশন গঠন করে।
- এই কমিশনের অধীন বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন ও পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে র‍্যাডক্লিফ রোয়েদাদ প্রকাশ করা হয়।
- এর ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়।
- ভারত-পাকিস্তানের সীমানাকে র‍্যাডক্লিফ লাইন বলা হয়।

অন্যদিকে -
- ম্যাকমোহন লাইন হলো চীন ও ভারতের মধ্যে কার্যকরী সীমানা।
- ম্যানারহেইম লাইন হলো ফিনল্যান্ড ও রাশিয়াকে বিভক্ত করেছে।
- ডুরান্ড লাইন আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত একটি সীমান্ত রেখা বা লাইন।
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল ভারত ও চীনের মাঝে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
৪,১১৭.
চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একইপাশে অবস্থান করে - 
  1. সপ্তমী তিথিতে
  2. অমাবস্যা তিথিতে
  3. অষ্টমী তিথিতে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা তিথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা তিথিতে
ব্যাখ্যা
তেজ কটাল বা ভরা কটাল: 
- অমাবস্যা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে থাকে এবং পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর এক পাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে। 
- ফলে এ দুই তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে থাকে এবং উভয়ের মিলিত আকর্ষণে যে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয় তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলে। 

মরা কটাল: 
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সমকোণে অবস্থান করার ফলে চন্দ্রের আকর্ষণে এ সময়ে চাঁদের দিকে জোয়ার হয়। 
- সূর্যের আকর্ষণের জন্য এ জোয়ারের বেগ তত প্রবল হয় না। এ রূপ জোয়ারকে মরা কটাল বলে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১১৮.
‘মহাবিষুব’ বলা হয় কোন দিনটিকে?
  1. ২১ সেপ্টেম্বর
  2. ২১ মার্চ
  3. ২২ জুন
  4. ২৩ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
ব্যাখ্যা
মহাবিষুব:
- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য ঠিক পূর্বদিকে ওঠে এবং ঠিক পশ্চিমদিকে অস্ত যায়।
- বছরে মাত্র এই দুটি দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১ শে মার্চ দিনটিকে উত্তর গোলার্ধে মহাবিষুব বলে।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।
- ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১১৯.
কোন ধরনের শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে?
  1. রূপান্তরিত শিলা 
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. পাললিক শিলা 
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা 
ব্যাখ্যা

- পাললিক শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। 

• পাললিক শিলা (Sedimentary Rocks):
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
- বৃষ্টি, বায়ু, তুষার, তাপ, সমুদ্রের ঢেউ প্রভৃতি শক্তির প্রভাবে আগ্নেয় শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত ও বিচূর্ণীভূত হয়ে রূপান্তরিত হয় এবং কাঁকর, কাদা, বালি ও ধুলায় পরিণত হয়।
- ক্ষয়িত শিলাকণা জলস্রোত, বায়ু এবং হিমবাহ দ্বারা পরিবাহিত হয়ে পলল বা তলানিরূপে কোনো নিম্নভূমি, হ্রদ এবং সাগরগর্ভে সঞ্চিত হতে থাকে।
- পাললিক শিলা ভূপৃষ্ঠের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ দখল করে আছে।
- তবে মহাদেশীয় ভূত্বকের আবরণের ৭৫ ভাগই পাললিক শিলা।
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে ।
- পাললিক শিলা যৌগিক, জৈবিক বা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত হতে পারে।
- বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার উদাহরণ।
- জীবদেহ থেকে উৎপন্ন হয় বলে কয়লা ও খনিজ তেলকে জৈব শিলাও বলে।
- অনেক পাললিক শিলার মধ্যে নানাপ্রকার উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর দেহাবশেষ বা জীবাশ্ম দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,১২০.
বাংলাদেশের নদীমালাকে কয়টি প্রণালীতে বিভক্ত করা যায়?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নদী-প্রণালী:
- বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ।
- দেশে বর্তমানে জীবন্ত নদ-নদীর সংখ্যা ১০০৮টি।
- সব মিলিয়ে দেশে ২২ হাজার কিলোমিটারের দীর্ঘ নদীপথ রয়েছে।
- বাংলাদেশের নদীমালাকে চারটি নদী প্রণালীতে বিভক্ত করা যায়
- যথা:
১. গঙ্গা নদী প্রণালী
২. ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী প্রণালী
৩. মেঘনা নদী প্রণালী
৪. দক্ষিণ-পূর্বাংশের নদী প্রণালী।

উৎস: i) ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৪,১২১.
নিচের কোনটি স্রোতজ বনভূমি অঞ্চলের গাছ?
  1. শাল
  2. ময়না
  3. সুন্দরি
  4. চাপালিশ
সঠিক উত্তর:
সুন্দরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরি
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে 'সুন্দরি' স্রোতজ বনভূমি অঞ্চলের গাছ।

⇒ বাংলাদেশের বনজ সম্পদ: 
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।

⇒ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- চাপালিশ, ময়না, তেলসুর প্রভৃতি এই বনের বৃক্ষ।                                     
- গাছের পাতা একসঙ্গে ঝরে যায় না।

⇒ ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- শাল, কড়ই, হিজল প্রভৃতি এই বনের বৃক্ষ।           
- গাছের পাতা একসঙ্গে ঝরে যায়।
   
⇒ স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- সুন্দরি, গরান, গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া প্রভৃতি এই বনের বৃক্ষ।    
- স্রোতময় মিঠা ও নোনা পানির সংযোগস্থলে জন্মে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১২২.
বর্তমানে বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র-
  1. ২৭টি
  2. ২৮টি
  3. ২৯টি
  4. ৩১টি
সঠিক উত্তর:
২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯টি
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সর্বশেষ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। গত ৯ আগস্ট, ২০২১ নতুন এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি (বাপেক্স) এটি আবিষ্কার করে।
- ক্ষেত্রটিতে ৬,৮০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দৈনিক এই ক্ষেত্র থেকে ১ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
৪,১২৩.
বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
  1. রানীগঞ্জে
  2. বিজয়পুরে
  3. টেকেরহাটে
  4. বাগালীবাজারে
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুরে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে — নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে। 
----------------- 
• 'চীনামাটি':
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,১২৪.
নিচের কোনটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ নয়?
  1. ভিয়েতনামের ঘূর্ণিবাত বায়ু
  2. আরব মালভূমির সাইমুম
  3. মিসরের খামসিন
  4. ভারতীয় উপমহাদেশের লু
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনামের ঘূর্ণিবাত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনামের ঘূর্ণিবাত বায়ু
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু:

- ভিয়েতনামের ঘূর্ণিবাত বায়ু স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ নয়।
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।
- রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।
- উপত্যকা ও পার্বত্য বায়ু দিনের বেলায় পর্বতের গা বেয়ে উপরের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে উপত্যকা বায়ু।
- ভূমির বন্ধুরতায় পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ ভিন্নরকম হয়। দিনের বেলায় পর্বত উপত্যকার তলদেশ থেকেও পর্বত গাত্র অনেক বেশি উষ্ণ হয়। এসময় পর্বতের পাদদেশের নিম্নচাপ ও উপত্যকার তলদেশে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয় বলেই এই ধরনের বায়ুপ্রবাহ সৃষ্ট হয়।
- অপরদিকে রাতের বেলায় তাপ বিকিরণের ফলে পর্বতগাত্র শীতল হয় এবং এ সময় উপত্যকা উষ্ণ থাকে। এসময় পর্বতের গা বেয়ে ভারী ও শীতল বায়ু উপত্যকার নিচের দিকে নেমে আসে। এই প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয় পার্বত্য বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১২৫.
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পাহাড়গুলো কী নামে পরিচিত?
  1. ক) টিলা
  2. খ) ঝুপড়ি
  3. গ) ঢিবি
  4. ঘ) শিলা
সঠিক উত্তর:
ক) টিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টিলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পাহাড়গুলো স্থানীয় ভাবে টিলা নামে পরিচিত।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। 
পাহাড়গুলাে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগােত্রীয়। এ পাহাড়গুলাে বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলােকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বের এ পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- বান্দরবানের একটি শৃঙ্গের নাম তাজিনডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১.২৮০ মিটার। এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।।

(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ : ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার ৫ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলাে স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলাের উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,১২৬.
মহানন্দা নদী কোন জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে?
  1. বান্দরবান
  2. নেত্রকোনা
  3. যশোর
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

মহানন্দা:
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তি হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত দার্জিলিং জেলার নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বতে।
- জলপাইগুড়ি জেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের সর্বত্র উত্তরের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা দিয়ে প্রবেশ করেছে।
- এরপর বাংলাবান্ধা থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বরাবর প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করেছে।
- অত:পর ভারতের পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চাপাইনবাবগঞ্জের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করে গোদাগাড়ির কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে। 
- মহানন্দার উপনদী পুনর্ভবা, নাগর, কুলিক, ট্যাংগন, পাগলা প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১২৭.
দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার উপাদানগুলো কী কী?
  1. ক) সাড়াদান, প্রশমন ও উন্নয়ন
  2. খ) প্রশমন, প্রতিরোধ, ও পূর্বপ্রস্তুতি
  3. গ) সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন
  4. ঘ) প্রশমন, উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
গ) সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবিহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় পড়ে- যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগ সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম।
দুর্যোগ প্রতিরোধ, প্রশমন ও পূর্বপ্রস্তুতি হলো দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এই ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৪,১২৮.
কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক?
  1. উচ্চতা
  2. ভূমির ঢাল
  3. মৃত্তিকার গঠন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
জলবায়ুর নিয়ামক:
- কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরে গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
- আবহাওয়া অফিস গুলোতে অনেকদিনের আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান গুলোকে পর্যবেক্ষণ করে জলবায়ু সম্পর্কে ধারনা করা হয়।
- পৃথিবীর সব স্থানের জলবায়ু একধরণের হয় না। কিছু ভৌগৌলিক কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এই বিষয় গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।

জলবায়ুর নিয়ামকগুলো হল - 
- অক্ষাংশ, 
- উচ্চতা,
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব, 
- বায়ুপ্রবাহ, 
- সমুদ্রস্রোত, 
- পর্বতের অবস্থান, 
- ভূমির ঢাল, 
- মৃত্তিকার গঠন, 
- বনভূমির অবস্থান ইত্যাদি জলবায়ুর নিয়ামক।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১২৯.
Golden Island কোথায় অবস্থিত?
  1. মহেশখালী
  2. ভোলা
  3. সন্দীপ
  4. হাতিয়া
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৮ সালে নোয়াখালীর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠে জাহাইজ্জ্যার চর।
- যার বর্তমান নাম স্বর্ণদ্বীপ বা Golden Island।
- এটি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে শুরু থেকেই চরটিকে ব্যবহার করে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতো দস্যুর দল।
- সমুদ্রের খুব কাছাকাছি হওয়ায় বছরের প্রায় আট মাসই জলমগ্ন থাকে দ্বীপটির অধিকাংশ এলাকা।
- তাই এখানে ফলস উৎপাদনে সবথেকে বড় বাধা এর মাটির লবনাক্ততা।
- তবে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে এখানে রবি শস্যের চাষাবাদ শুরু হয়েছে।
- এছাড়া প্রায় ২০টি বাথানের মাধ্যমে কয়েক হাজার গরু, মহিষ এবং ভেড়া পালন করা হচ্ছে।
- স্বর্ণদ্বীপের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ব্যবহৃত হয় পশু চারণভূমি হিসেবে।
- ২০১৩ সালে সরকার দ্বীপটি সেনাবাহিনীকে বরাদ্দ দিলে পাল্টে যায় দৃশ্যপট।

সূত্র: সময় নিউজ ও দৈনিক ইনকিলাব। 
৪,১৩০.
গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. নিতাই
  2. গণেশ্বরী
  3. সিমসাং
  4. বাঙালি
সঠিক উত্তর:
সিমসাং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিমসাং
ব্যাখ্যা
গারো পাহাড়:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম ও সবচেয়ে উঁচু পাহাড় গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণি।
- ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাগুলো এ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
- গারো পাহাড়ের মোট আয়তন প্রায় ৮ হাজার ১৬৭ বর্গকিলোমিটার।
- গারো পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম নকরেক, যা ভারত অংশে অবস্থিত।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৪ হাজার ৬৫২ ফুট বা এক হাজার ৪০০ মিটার।
- গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীটির নাম সিমসাং।
- তবে গারো পাহাড়ের প্রধান শহর তুরা।

⇒ সোমেশ্বরী/সিমসাং নদী:
- ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড়ের বিঞ্চুরীছড়া ও বাঙাছড়া প্রভৃতি ঝর্ণাধারা ও পশ্চিম দিক থেকে রমফা নদীর স্রোতধারা একত্র হয়ে সোমেশ্বরী নদীর সৃষ্টি হয়।
- এক সময় এই নদীটি সিমসাং নামে পরিচিত ছিল।
- নেত্রকোণা ও সুনামগঞ্জ জেলার নদী সুমেশ্বরী ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে নেত্রকোণার দুর্গাপুরে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বাউলাই (বালই) নদীতে মিশেছে।

অন্যদিকে,
- নিতাই নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম গারো পাহাড় জেলা এবং দক্ষিণ গারো পাহাড় জেলা এবং বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার একটি নদী।
- গণেশ্বরী নদী নেত্রকোনা জেলার কমলাকান্দা উপজেলার লেঙ্গুরা ইউনিয়নের সাত শহীদের মাজারের পাশ দিয়ে প্রবাহিত। নদীটি ভারতের মেঘালায় রাজ্যের পাহাড় থেকে উৎপত্তি হয়ে বাংলাদেশের নেত্রকোনা হয়ে প্রবেশ করেছে। 
- বাঙালি নদীর উৎপত্তি নীলফামারী জেলার তিস্তা নদী থেকে। নদীটি গাইবান্ধা ও বগুড়া অংশে এসে বাঙালি নাম ধারণ করেছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,১৩১.
ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে রিয়াদের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা কম। ঢাকার দ্রাঘিমারেখা ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা হলে রিয়াদের দ্রাঘিমারেখা কত?
  1. ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
  2. ৪৫° পশ্চিম দ্রাঘিমা
  3. ৯০° পশ্চিম দ্রাঘিমা
  4. ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
সঠিক উত্তর:
৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

২। যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়। ক্রনোমিটার নামক ঘড়ি গ্রীনিচ সময় অনুসারে চলে। তাই এই ঘড়ি দেখে কোনো স্থানের স্থানীয় সময়ের সাথে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

সমাধান:
আমরা জানি, ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে ১° ।
৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫° ।

অর্থাৎ ঢাকার থেকে রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°।
প্রশ্নে উল্লিখিত ঢাকার থেকে রিয়াদের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা কম দেখে আমরা বুঝতে পারি, রিয়াদ ঢাকার পশ্চিমে অবস্থিত। তাই ঢাকার দ্রাঘিমা থেকে ৪৫° দ্রাঘিমা বাদ দিলে রিয়াদের দ্রাঘিমারেখা পাওয়া যাবে। 
সুতরাং রিয়াদের দ্রাঘিমারেখা (৯০° - ৪৫°)= ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।

উত্তর: রিয়াদের দ্রাঘিমারেখা ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।

অন্যভাবে,
যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
গ্রীনিচের সাথে ঢাকার দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০° এবং সময়ের পার্থক্য ৬ ঘণ্টা বেশি।(GMT+6)

প্রশ্নমতে, ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে রিয়াদের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা কম, অর্থাৎ রিয়াদের স্থানীয় সময় গ্রীনিচের থেকে ৩ ঘণ্টা বেশি। (GMT+3)
∴ ৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫°।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫° কম আবার গ্রীনিচের থেকে রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫° বেশি।

এখানে, আমরা ঢাকার দ্রাঘিমা থেকে ৪৫° বিয়োগ করে বা গ্রীনিচের দ্রাঘিমার সাথে ৪৫° যোগ করে রিয়াদের দ্রাঘিমারেখা পাব।

সুতরাং রিয়াদের দ্রাঘিমারেখা (৯০° - ৪৫°)= ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। বা (০° + ৪৫°)=৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।
( ঢাকার ও রিয়াদের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক তাই বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত বা GMT+)

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৩২.
বরেন্দ্রভূমির অন্তর্ভুক্ত জেলা কোনটি?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
গ) বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি
• রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের রংপুর, গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।
• এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। এটি বঙ্গ অববাহিকায় স্নাইস্টোসিনকালের সর্ববৃহৎ উচ্চভূমি।
• প্লাবন সমভূমি থেকে বরেন্দ্রভূমির গড় উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
• এ অঞ্চলের মৃত্তিকা অসমতল। বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ উচ্চভূমি কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে। ধান এখানকার প্রধান কৃষিজ ফসল। এছাড়া পাট, ভু্ট্টা প্রভৃতি উৎপন্ন হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৩৩.
নিচের কোনটির মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের আকস্মিক পরিবর্তন সংঘটিত হয়?
  1. ক) বায়ুপ্রবাহ
  2. খ) সূর্যতাপ
  3. গ) হিমবাহ
  4. ঘ) অগ্ন্যূৎপাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্ন্যূৎপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্ন্যূৎপাত
ব্যাখ্যা
যে সমস্ত কার্যাবলীর দ্বারা প্রাকৃতিকভাবে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয় তা ভূ-প্রক্রিয়া নামে পরিচিত।
ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন আকস্মিক ও ধীর দুভাবে সংঘটিত হয়।

আকস্মিক পরিবর্তন প্রক্রিয়াসমূহ:
- ভূমিকম্প
- আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যূৎপাত
- সুনামি প্রভৃতি।

ধীর পরিবর্তন প্রক্রিয়াসমূহ:
- হিমবাহ
- বৃষ্টিপাত
- বায়ুপ্রবাহ
- সূর্যতাপ
- নদী প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি)
৪,১৩৪.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. চুনাপাথর
  3. মিথেন গ্যাস
  4. ইলমেনাইট
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
⇒ প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন। 
- এছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসে - ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন, আইসোবিউটেন, পেন্টেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি উপাদানও উপস্থিত থাকে।



ইউরিয়া উৎপাদনের মূলনীতি:
• বাংলাদেশে ৭টি সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদনে কাঁচামাল (Raw Material) হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।




ইউরিয়া উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল তথা প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে প্রাপ্ত মিথেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড উভয়ই ব্যবহৃত হয় এবং উভয়ই প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান।
যেহেতু মিথেন ছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসের অন্যান্য উপাদানও ইউরিয়া সারের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই, কাঁচামাল তথা Raw Material হিসেবে 'প্রাকৃতিক গ্যাস' অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর। অপশনে প্রাকৃতিক গ্যাস না থাকলে মিথেন উত্তর হবে।


সূত্র:
১. কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান: American Energy Information Administration [Link]
২. রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী ও নাগ।
৪,১৩৫.
নিচের কোনটি পানি দূষণের প্রাকৃতিক কারণ?
  1. ক) কারখানার বর্জ্য
  2. খ) কীটনাশক ব্যবহার
  3. গ) ভূগর্ভস্থ আর্সেনিক
  4. ঘ) ময়লা ও আবর্জনা
সঠিক উত্তর:
গ) ভূগর্ভস্থ আর্সেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূগর্ভস্থ আর্সেনিক
ব্যাখ্যা
আর্সেনিক দূষণ প্রাকৃতিক কারণে হয়ে থাকে। মাটির নিচে আর্সেনিক থাকে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে পানির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় ভূগর্ভের পানির স্তর দিন দিন নিচে নেমে যাচ্ছে। এর ফলে ভূগর্ভের পানির স্তর আর্সেনিক খনিজের সংস্পর্শে এসে পড়ছে। এজন্য আর্সেনিক দূষণ ঘটছে।
উৎসঃ প্রাথমিক বিজ্ঞান, পঞ্চম শ্রেণি
৪,১৩৬.
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বনভূমি কোন দেশে রয়েছে?
  1. ব্রাজিল
  2. রাশিয়া
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বনভূমি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে রাশিয়ায়।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের মোট বনভূমির ২০.৪১ শতাংশই রাশিয়ায়। দেশটিতে ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬০ হেক্টর বনভূমি রয়েছে। পৃথিবীর মোট আবাসযোগ্য জমির আট ভাগের এক ভাগ পড়েছে রাশিয়ায়। আয়তনের বিশালত্বের কারণে দেশটি নয়টি সময় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দেশটির বনভূমির বড় অংশ রয়েছে ফার ইস্টার্ন ফেডারেল অঞ্চলে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সাইবেরিয়ান ফেডারেল অঞ্চল। এসব এলাকার বেশির ভাগ গাছই লার্চ, পাইন ও স্প্রুস জাতের।

⇒ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা ৪.৬ বিলিয়ন হেক্টর এলাকায় বনভূমি রয়েছে। বিশ্বের শীর্ষ বনভূমির দেশ:
১. রাশিয়া,
২. ব্রাজিল,
৩. কানাডা,
৪. যুক্তরাষ্ট্র,
৫. চীন।

উৎস: i) Global Forest Resources Assessment 2025, FAO.
ii) Worldometer.

৪,১৩৭.
কোন কারণে বাংলাদেশেকে “ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুর দেশ” বলা হয়?
  1. কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে
  2. মৌসুমি বায়ুর প্রভাব অধিক হওয়া
  3. ক এবং খ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু: 
 - বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজমান।
- কিন্তু মৌসুমী বায়ুর প্রভাব এ দেশের জলবায়ুর ওপর এত বেশি যে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু 'ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু' নামে পরিচিত।

- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুর দিক পরিবর্তন হয়, তাকে মৌসুমী বায়ু বলে।
- আর এ বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলের জলবায়ুকে বলে মৌসুমী জলবায়ু।
- ক্রান্তীয় অঞ্চলে এর প্রভাব সর্বাধিক বলে এ জলবায়ুকে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুও বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৩৮.
পার্বত্য এলাকায় অত্যধিক বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যাকে কী বলা হয়?
  1. স্বাভাবিক বন্যা
  2. আকস্মিক বন্যা
  3. মৌসুমী বন্যা 
  4. জোয়ার-ভাঁটা জনিত বন্যা
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
ব্যাখ্যা
পার্বত্য এলাকায় অত্যধিক বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যাকে আকস্মিক বন্যা বলা হয়।

• বন্যা:
- বাংলাদেশের বন্যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক। অধিক বৃষ্টিপাতের দরুণ ২০১২ সালে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে আকস্মিক বন্যায় ১০০ মানুষ নিহত হয় ও প্রায় ২,৫০,০০০ লোক পানিবন্দী হয়ে পড়ে।
- ২০০৭ সালের বন্যায় বাংলাদেশের ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটসহ দেশের সকল বিভাগে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়। ফলে, বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদসহ মোট ৫০০ লোকের প্রাণহানি হয়।

- বন্যার পানিতে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়ে বিপুল পরিমাণ ফসলের ক্ষতি, মানুষসহ অন্যান্য প্রাণির প্রাণহানি, অর্থ-সম্পদ ধ্বংস এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে।
- বাংলাদেশে বিগত শতাব্দীতে বড় ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়েছে।
- ১৯৫৪ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ২০০৪ সালের বন্যা ছিল ভয়াবহ।
- এর মধ্যে ১৯৯৮ সালের দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৩৯.
টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের কোন নদীর উজানে নির্মিত?
  1. পদ্মা
  2. যমুনা
  3. কর্ণফুলী
  4. বরাক
সঠিক উত্তর:
বরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরাক
ব্যাখ্যা
টিপাইমুখ বাঁধ: 

- নদীর পানির স্তর উত্তোলন বা নৌচলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় নাব্য রক্ষার জন্য অথবা সেচ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য নদীর উপর নির্মিত প্রতিবন্ধককে বাধ বলে। 
- টিপাইমুখ বাধ ভারতের মণিপুর রাজ্যে অবস্থিত। 
- এটি বাংলাদেশের বরাক নদের উজানে নির্মিত।
- টিপাইমুখ নামের গ্রামে বরাক এবং টুইভাই নদীর মিলনস্থল। 
- এ বাধের উচ্চতা ১৬২.৮ মিটার। 
- বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বাধ: 
• তিস্তা বাঁধ লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলাধীন দুয়ানি নামক স্থানে তিস্তা নদীর উপর নির্মিত। 
• বুড়ি তিস্তা বাঁধ  নীলফামারি জেলার ডিমলা এবং জলঢাকা উপজেলায় বুড়ি তিস্তা নদীর উপর নির্মিত বাঁধ।
• টাঙ্গন বাঁধ  টাঙ্গন নদীর উপর নির্মিত।
• মনু বাঁধ মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় নির্মিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৪,১৪০.
নিচের কোনটি মিঠাপানির জলমগ্ন বনভূমি?
  1. ক) সুন্দরবন
  2. খ) প্যারাবন
  3. গ) রাতারগুল
  4. ঘ) শালবন
সঠিক উত্তর:
গ) রাতারগুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাতারগুল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মিঠাপানির একমাত্র জলাবন বা জলমগ্ন বনভূমি বা সোয়াম্প ফরেস্ট হলো রাতারগুল বনভূমি। এটি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। রাতারগুলকে বাংলার আমাজন বলা হয়।
- রাতারগুলের মোট আয়তন প্রায় ২০৫ হেক্টর। এই বনের উদ্ভিদের মধ্যে হিজল, করচ, বরুন ও মুর্তা উল্লেখযোগ্য।
- শীতকাল ব্যতীত বছরের অন্যান্য সময় এ বন পানিতে নিমজ্জিত থাকে। মুর্তা বা রাতা উদ্ভিদের আধিক্যের জন্যে এই বন রাতারগুল নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- সুন্দরবন হলো প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। প্যারাবন হলো সৃজিত ম্যানগ্রোভ বনভূমি। শালবন একটি পত্রপতনশীল বনভূমি।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৪,১৪১.
দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলনে (কপ-২৮) মূল ফোকাস ছিল -
  1. জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
  2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক
  3. ওজোনস্তর ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক
  4. মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
ব্যাখ্যা
কপ-২৮ এ জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাস বিষয়ে দুবাই জলবায়ু সম্মেলনে একমত হয়েছে প্রায় ২০০ দেশ। কপ-২৮ এর মূল ফোকাস ছিল এটি।
অন্যদিকে, জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলনে (কপ-২৯) মূল ফোকাস ছিল জলবায়ু অর্থায়ন। 

জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮:
- ৩০ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে ২৮তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হয়।
- স্থান: আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- কপ-২৮ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো জীবাশ্ম জ্বালানী থেকে সরে আসার আহবান জলবায়ু সম্মেলনে।

⇒ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP):
- COP এর পূর্ণরূপ: Conference of the parties.
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা।
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

⇒ ২০২২ সালের নভেম্বরে মিশরে 'কপ-২৭' অনুষ্ঠিত হয়।
- 'কপ-২৯' আয়োজিত হয়েছে আজারবাইজানে।
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করবে ব্রাজিল।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।
৪,১৪২.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় রয়েছে?
  1. কুতুবদিয়া
  2. নিঝুম দ্বীপ
  3. মহেশখালী
  4. সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা
মহেশখালী দ্বীপে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় রয়েছে।

মহেশখালী দ্বীপ:
- মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পার্বত্য দ্বীপ।
- এটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় অবস্থিত। 

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:

- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৪৩.
আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাসাগর কোনটি?
  1. দক্ষিণ মহাসাগর
  2. উত্তর মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• উত্তর মহাসাগর (Arctic Ocean):
- উত্তর মহাসাগরকে অনেক ক্ষেত্রে আটলান্টিক মহাসাগরের একটি সাগর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- উত্তর মহাসাগর উত্তর মেরুর বেশির ভাগ অংশকে আচ্ছাদিত করে রেখেছে।
- উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়া এ তিনটি মহাদেশের উত্তর দিকে অবস্থিত উত্তর মহাসাগর যা উত্তর মেরু অঞ্চল নামে পরিচিত।
- উত্তর মহাসাগর বা আর্কটিক মহাসাগর প্রায় সারা বছর ধরে বরফ দ্বারা আচ্ছাদিত থাকে।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাসাগর।
- উত্তর মহাসাগরের আয়তন প্রায় ১ কোটি ৪১ লক্ষ বর্গ কি. মি.।
- এবং গড় গভীরতা প্রায় ৯৩০ মিটার।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বি এড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৪৪.
নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট আপদ (hazard) নয়?
  1. বায়ু দূষণ
  2. মহামারী 
  3. ভূমিকম্প
  4. দুর্ভিক্ষ
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা

- ভূমিকম্প মানবসৃষ্ট আপদ (hazard) নয়।

​'আপদ (Hazard):
- আপদ একটি অস্বাভাবিক ঘটনা যা প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট বা কারিগরি ত্রুটির কারণে ঘটতে পারে এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- এর ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত করে।
দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, বন্যা ইত্যাদির প্রাথমিক এবং প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে অবকাঠামোর উপর যার পুনঃনির্মাণ খুব ব্যয়বহুল কাজ।
সব চরম ঘটনাই হচ্ছে আপদ।

​উল্লেখ্য,
• প্রাকৃতিক আপদ:
- ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বজ্রঝড়, টর্নেডো, বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, খরা, নদী ভাঙ্গন, কালবৈশাখী ইত্যাদি।
•  মানবসৃষ্ট আপদ:
- ভবনধ্বস, নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড, বায়ু দূষণ, দুর্ভিক্ষ, মহামারী ইত্যাদি।
• কারিগরি আপদ:
বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ড, শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা, পারমানবিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।

৪,১৪৫.
'পলল পাখা‘ জাতীয় ভূমিরূপ গড়ে উঠে -
  1. ক) পাহাড়ের পাদদেশে
  2. খ) নদীর নিম্ন অববাহিকায়
  3. গ) নদীর উৎপত্তিস্থলে
  4. ঘ) নদী মোহনায়
সঠিক উত্তর:
ক) পাহাড়ের পাদদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাহাড়ের পাদদেশে
ব্যাখ্যা
- 'পলল পাখা' জাতীয় ভূমিরূপ গড়ে উঠে পাহাড়ের পাদদেশে
- পার্বত্য কোনো অঞ্চল থেকে হঠাৎ করে কোনো নদী যখন সমভূমিতে পতিত হয় তখন শিলাচূর্ণ, পলিমাটি প্রভৃতি পাহাড়ের পাদদেশে সমভূমিতে সঞ্চিত হয়ে ত্রিকোণ ও হাতপাখার ন্যায় ভূখণ্ডের সৃষ্টি হয়। এ কারণে এরূপ পললভূমিকে পলল কোণ বা পলল পাখা বলে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৪৬.
বিশ্বের বৃহত্তম আইসবার্গের (হিমশৈল) নাম কী?
  1. A23a
  2. B-15a
  3. B-15
  4. C-19
সঠিক উত্তর:
A23a
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A23a
ব্যাখ্যা

• হিমশৈল:
- হিমশৈলকে ইংরেজিতে 'Iceberg' বলা হয়। Iceberg শব্দটি পর্তুগিজ শব্দ ‘ijsberg’ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে, যার অর্থ হল বরফের পর্বত।
- সমুদ্রের স্রোত ও তরঙ্গের আঘাতে মহাদেশীয় হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তুপ আলাদা হয়ে সমুদ্র জলে ভাসতে থাকে।
- সমুদ্র জলে ভাসমান এই পাহাড়ের মতো বিশাল আকৃতির বরফের স্তুপকে হিমশৈল বলে।
- শীতল সমুদ্রস্রোতের সঙ্গে যেসব হিমশৈল (Iceberg) ভেসে আসে সেগুলোর কারণে জাহাজ চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয়।
- অনেক সময় হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে জাহাজডুবির ঘটনা ঘটে।
- যেমন- যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত টাইটানিক জাহাজ ১৯১২ সালে প্রথম যাত্রাতেই হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সমুদ্রে ডুবে গিয়েছিল।

• বিশ্বের বৃহত্তম আইসবার্গ বা হিমশৈল: 
- A23a পৃথিবীর বর্তমান সবচেয়ে বড় আইসবার্গ হিসেবে পরিচিত। 

- এটি অ্যান্টার্কটিকা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটি বিশাল আইসবার্গ, যা ১৯৮৬ সালে অ্যান্টার্কটিকার ফিলচনার বরফ সোপান (Filchner-Ronne Ice Shelf) থেকে বিচ্ছিন্ন হয়।
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোনো হিমশৈলগুলোরও একটি। 
- ওজন: প্রায় ১ ট্রিলিয়ন টন। 
- এটি আকারে গ্রেটার লন্ডনের দ্বিগুণ।
- সম্প্রতি ২০২৫ সালের মাঝামাঝি থেকে এটি দ্রুত ভেঙে যাচ্ছে এবং গলে যাচ্ছে এবং যুক্তরাজ্যের প্রত্যন্ত দ্বীপ ‘সাউথ জর্জিয়ার’ অগভীর পানিতে আটকে যায়।  
- একসময় হিমশৈলটির আকার ছিল ৩ হাজার ৯০০ বর্গকিলোমিটার।
- স্যাটেলাইটে ধারণ করা সাম্প্রতিক সময়ের ছবিতে দেখা গেছে, এটি ধীরে ধীরে ক্ষয় হচ্ছে।
- বর্তমানে এটির আকার কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ২৩৪ বর্গকিলোমিটারে।

উল্লেখ্য, 
- B-15 হলো স্যাটেলাইট যুগে নির্ভরযোগ্যভাবে পরিমাপ করা সবচেয়ে বড় হিসেবে হিমশৈল।
- পরে এটি ভেঙে ছোট হয়ে যায়।  

তথ্যসূত্র: 
i) Guinness World Records. (Link)
ii) National Public Radio (NPR). (Link)
iii) প্রথম আলো। (Link) 
iv) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,১৪৭.
ভূমধ্যসাগরের ওপর দিয়ে যে নিম্নচাপ পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয় তাঁর পুরােভাগে যে বায়ু থাকে তাকে কোন বায়ু বলে?
  1. ক) মিস্ট্রাল
  2. খ) ফন
  3. গ) সিরক্কো
  4. ঘ) খামসিন
সঠিক উত্তর:
গ) সিরক্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিরক্কো
ব্যাখ্যা
ফ্রান্সের রােন নদীর উপত্যকা দিয়ে শীতকালে যে বায়ু দক্ষিণে সমভূমি ও দ্বীপ এলাকার দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে মিস্ট্রাল বলে। পার্বত্য অঞ্চলের যে শীতল বায়ু পাহাড়ের উপত্যকার মধ্য দিয়ে সমভূমিতে প্রবাহিত হয়, তাকে ফন বলে। (রেফারেন্সঃ একাদশ- দ্বাদশ শ্রেনীর ভূগোল)
৪,১৪৮.
'গজলডোবা বাঁধ' কোন নদীর উজানে অবস্থিত?
  1. তিস্তা
  2. সুরমা
  3. মেঘনা
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
ব্যাখ্যা
গজলডোবা বাঁধ:
- তিস্তা নদী বাংলাদেশের উত্তরাংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী।
- এই নদী হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারতের সিকিম, দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এই নদীর বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের অংশেই ব্যারেজ বা বাঁধ আছে।
- বাংলাদেশ অংশের তিস্তা নদীর বাঁধ রংপুর বিভাগের নীলফামারী জেলায়, নাম তিস্তা ব্যারেজ।
- ভারতে তিস্তা নদীর ওপর একাধিক বাঁধ আছে। তার মাঝে একটি হল জলপাইগুড়ি’র গজলডোবা বাঁধ।
- ভারত তিস্তা নদীর উজানে ১৯৯৮ সালে স্থাপন করে গজলডোবা বাঁধ।

উল্লেখ্য,
- প্রধানত তিস্তার পানি তিস্তা-মহানন্দা খালে পুনার্বাহিত করার উদ্দেশ্য নিয়েই এই বাঁধ স্থাপন করা হয়। 
- এই বাঁধের মাধ্যমে তিস্তার পানি ভারতের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় বাংলাদেশে তিস্তা সেচ প্রকল্প অচল হয়ে পড়েছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি।
৪,১৪৯.
'সলোমান দ্বীপপুঞ্জ' কোন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. পলিনেশিয়া
  2. মাইক্রোনেশিয়া
  3. মেলানেশিয়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মেলানেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেলানেশিয়া
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মারিয়ানা।

মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামোয়াত

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

৪,১৫০.
২০০৬ সালে 'সার্ক কমপ্রিহেনসিভ ফ্রেমওয়ার্ক অন ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট' নামে একটি পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক কর্ম-কাঠামো প্রণয়ন করা হয় কোথায়?
  1. ক) নয়া দিল্লি
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) কাঠমুন্ডু
  4. ঘ) মালে
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
• সার্ক কমপ্রিহেনসিভ ফ্রেমওয়ার্ক অন ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট: 
- ক্রমবর্ধমান দুর্যোগ দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত সদস্য দেশসমূহের উন্নয়নের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
- এ প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত সদস্য দেশসমূহের দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস ব্যবস্থা ও আঞ্চলিক সহযোগিতাকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে  ২০০৬ সালে ঢাকায় সার্ক কমপ্রিহেনসিভ ফ্রেমওয়ার্ক অন ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট নামে একটি পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক কর্ম-কাঠামো প্রণয়ন করা হয়।

 • এ কাঠামোর কৌশলগত লক্ষসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে পেশাদারিত্ব আনা;
- দুৰ্যোগ ঝুঁকিহাসকে কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করা বা মূলধারায় নিয়ে আসা;
- জনগোষ্ঠীভিত্তিক প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকান্ড শক্তিশালী করা;
- ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী বিশেষ করে নারী, দরিদ্র ও সুবিধা-বঞ্চিতদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা;
- সব ধরনের দুর্যোগের ক্ষেত্রে ঝুঁকিহ্রাস কর্মসূচী সম্প্রসারণ করা;
- জরুরি সাড়াপ্রদান পদ্ধতি জোরদার করা এবং সংশ্লিষ্ট জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের মধ্যে যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা ও শক্তিশালী করা।

সূত্র: জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫।
৪,১৫১.
তিস্তা নদী উৎপত্তি হয়েছে -
  1. ক) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি থেকে
  2. খ) হিমালয়ের পাদদেশ থেকে
  3. গ) ভারতের সিকিমের পাবর্ত্য অঞ্চল থেকে
  4. ঘ) আরাকান পাহাড় থেকে
সঠিক উত্তর:
গ) ভারতের সিকিমের পাবর্ত্য অঞ্চল থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারতের সিকিমের পাবর্ত্য অঞ্চল থেকে
ব্যাখ্যা
• তিস্তা :
- ভারতের সিকিমের পাবর্ত্য অঞ্চলে তিস্তা নদী উৎপত্তি হয়েছে।
- এরপর অগ্রসর হয়ে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার ডিমলা দিয়ে প্রবেশ করেছে।
- তিস্তা নদীর বর্তমান দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৭ কিলেমিটার এবং চওড়া ৩০০ থেকে ৫৫০ মিটার।
- এ নদীতে তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ করা হয়েছে। যা এ অঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৫২.
ভূ-ত্বকের গড় গভীরতা প্রায়-
  1. ক) ১০ কি.মি.
  2. খ) ১২ কি.মি.
  3. গ) ১৪ কি.মি.
  4. ঘ) ২০ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
ভূ-ত্বকের গঠন:

- ভূ-ত্বকের গড় গভীরতা প্রায় ২০ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর উপরিভাগের শক্ত আবরণ ভূ-ত্বক বিভিন্ন ধরনের খনিজ ও শিলা দ্বারা গঠিত।
- ভূ-ত্বক অশ্মমন্ডলেরই উপরিভাগ যার মধ্যে অক্সিজেন ও সিলিকনের পরিমাণ বেশি।
- আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত মোট ১০৫টি মৌলিক উপাদানের মধ্যে ২০টি উপাদান ভূ-ত্বকের প্রায় শতকরা ৯৯.৫ অংশ দখল করে আছে।
- ভূত্বকের গভীরতা সর্বত্র সমান নয়। গ্রানাইট স্তরের গড় গভীরতা ৮ কিলোমিটার।
- ভূ-ত্বক গঠনকারী শিলারাশির ঘনত্ব ২.৭৫ থেকে ৩.০ পর্যন্ত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৫৩.
বাংলাদেশের বৃহত্তম লৌহ ও ইস্পাত কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ইস্পাত শিল্প:
- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান (জাতীয়করণ) অধ্যাদেশ ১৯৭২ (প্রেসিডেন্ট অর্ডার নং ২৭ অব ১৯৭২) অনুযায়ী বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন গঠন করা হয়।
- প্রারম্ভিক ভাবে বাংলাদেশ স্টীল মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ৬২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএসইসি কার্যক্রম শুরু করে।
- পরে বিএসইসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম লৌহ ও ইস্পাত কারখানা- চট্টগ্রাম স্টিল মিল।

উৎস: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৪,১৫৪.
মানবভূগোল এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  2. নগরভূগোল
  3. প্রাণিভূগোল
  4. সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল
সঠিক উত্তর:
প্রাণিভূগোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাণিভূগোল
ব্যাখ্যা
- প্রাণিভূগোল প্রাকৃতিক ভূগোল এর অন্তর্ভুক্ত। 

মানবভূগোল (Human geography):
পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন পরিবেশে মানুষ কীভাবে বসবাস করছে, কীভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে, কেন এভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে তার কার্যকারণ অনুসন্ধান মানব ভূগোলের আলোচ্য বিষয়।

১। অর্থনৈতিক ভূগোল (Economic geography)
২। জনসংখ্যা ভূগোল (Population geography)
৩। আঞ্চলিক ভূগোল (Regional geography)
৪। রাজনৈতিক ভূগোল (Political geography)
৫। সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল (Quantitative geography)
৬। পরিবহন ভূগোল (Transport geography)
৭। নগরভূগোল (Urban geography)
৮। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster management

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,১৫৫.
আবহাওয়া বলতে কী বুঝায়? 
  1. একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী গড় অবস্থা 
  2. একটি নির্দিষ্ট দিনের বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, চাপ ইত্যাদি অবস্থা
  3. ২০-৩০ বছরের গড় তাপমাত্রা
  4. ৪০ -৫০ বছরের গড় তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
একটি নির্দিষ্ট দিনের বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, চাপ ইত্যাদি অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি নির্দিষ্ট দিনের বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, চাপ ইত্যাদি অবস্থা
ব্যাখ্যা

- আবহাওয়া হলো কোনো নির্দিষ্ট স্থানে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, চাপ, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের সামগ্রিক অবস্থা।
- এটি প্রতিদিন পরিবর্তনশীল এবং খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে একেক রকম হতে পারে।
- আবহাওয়া মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন, কৃষিকাজ, ভ্রমণসহ নানা কার্যক্রমে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
- পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশন ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা প্রতিদিনের - আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানতে পারি।
- আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করে দীর্ঘ সময়ের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে কোনো - অঞ্চলের জলবায়ু সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

অন্যদিকে,
- জলবায়ু বলতে কোনো স্থানের দীর্ঘকালীন আবহাওয়ার গড় অবস্থাকে বোঝায়, যা তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহের মতো উপাদানের ওপর নির্ভর করে।
- এটি একটি ধীর ও চলমান প্রক্রিয়া যা ৩০ থেকে ৩৫ বছরের আবহাওয়ার তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। জলবায়ু

৪,১৫৬.
'পলল পাখা' জাতীয় ভূমিরূপ গড়ে উঠে-
  1. ক) নদীর উৎপত্তিস্থলে
  2. খ) নদীর মোহনায়
  3. গ) নদীর নিম্ন অববাহিকায়
  4. ঘ) পাহাড়ের পাদদেশে
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাহাড়ের পাদদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাহাড়ের পাদদেশে
ব্যাখ্যা

- 'পলল পাখা' জাতীয় ভূমিরূপ গড়ে উঠে পাহাড়ের পাদদেশে।
- পার্বত্য কোনো অঞ্চল থেকে হঠাৎ করে কোনো নদী যখন সমভূমিতে পতিত হয় তখন শিলাচূর্ণ, পলিমাটি প্রভৃতি পাহাড়ের পাদদেশে সমভূমিতে সঞ্চিত হয়ে ত্রিকোণ ও হাতপাখার ন্যায় ভূখণ্ডের সৃষ্টি হয়।
- এ কারণে এরূপ পললভূমিকে পলল কোণ বা পলল পাখা বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,১৫৭.
‘পোর্টোরিকো’ নামটি কোন মহাসাগরের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. উত্তর মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
গভীর সমুদ্রখাত:
→ গভীর সমুদ্রের সমভূমিতে অর্থাৎ সমুদ্রের তলদেশে মাঝে মাঝে যে সুগভীর খাত থাকে সেগুলোকে গভীর সমুদ্র খাত বলে। এই সমুদ্র খাত অল্প পরিসর জায়গা জুড়ে থাকে।
→ এদের গভীরতা সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৫,৪০০ মিটারের অধিক। পাশাপাশি অবস্থিত মহাদেশীয় ও সামুদ্রিক প্লেট সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট হওয়ায় সমুদ্রখাত প্লেট সীমানায় অবস্থিত। অর্থাৎ আগ্নেয়গিরি ও ভ‚মিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে সমুদ্রখাত বেশি দেখতে পাওয়া যায়।
→ মহাসাগরগুলোর মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরে গভীর সমুদ্রখাতের সংখ্যা অধিক। এখানকার খাতগুলোর মধ্যে মারিয়ানা খাত সর্বাপেক্ষা গভীর। এর গভীরতা ১০,৮৬০ মিটার এবং এটি পৃথিবীর গভীরতম খাত।
→ এছাড়া আটলান্টিক মহাসাগরের পোর্টোরিকো খাত (৮,৫৩৮ মিটার)।
→ ভারত মহাসাগরের সুন্ডা খাত (৭,৩০৩ মিটার) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৫৮.
‘বাংলাদেশ রোড’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ভিয়েতনাম
  2. খ) মরক্কো
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) দক্ষিণ সুদান
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ সুদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ সুদান
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি দক্ষিণ সুদানের একটি সড়কের নাম রাখা হয় ‘বাংলাদেশ রোড’। যেটি নির্মান করে সেখানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা।
সূত্র: livemcq সাম্প্রতিক সমাচার-আগষ্ট, ২০২০।
৪,১৫৯.
'পলল পাখা' জাতীয় ভূমিরূপ গড়ে উঠে-
  1. ক) নদীর উৎপত্তিস্থলে
  2. খ) নদীর মোহনায়
  3. গ) নদীর নিম্ন অববাহিকায়
  4. ঘ) পাহাড়ের পাদদেশে
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাহাড়ের পাদদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাহাড়ের পাদদেশে
ব্যাখ্যা
- 'পলল পাখা' জাতীয় ভূমিরূপ গড়ে উঠে পাহাড়ের পাদদেশে।
- পার্বত্য কোনো অঞ্চল থেকে হঠাৎ করে কোনো নদী যখন সমভূমিতে পতিত হয় তখন শিলাচূর্ণ, পলিমাটি প্রভৃতি পাহাড়ের পাদদেশে সমভূমিতে সঞ্চিত হয়ে ত্রিকোণ ও হাতপাখার ন্যায় ভূখণ্ডের সৃষ্টি হয়।
- এ কারণে এরূপ পললভূমিকে পলল কোণ বা পলল পাখা বলে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৬০.
সীমান্ত বৃষ্টি বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  2. খ) ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি
  3. গ) সংঘর্ষ বৃষ্টি
  4. ঘ) পরিচলন বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
গ) সংঘর্ষ বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সংঘর্ষ বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
যখন শীতল ও উষ্ণ বায়ু মুখোমুখি উপস্থিত হয়ে একে অপরের বিপরীত দিকে পাশাপাশি চলতে থাকে তখন শীতল বায়ুর আঘাতে উষ্ণ বায়ু ঊর্ধ্বে উঠতে থাকে। ঊর্ধ্বে ওঠার ফলে উষ্ণ বায়ু প্রসারিত ও শীতল হয়ে উভয় বায়ুর সীমান্ত বরাবর বৃষ্টিপাত ঘটায়। এ জাতীয় বৃষ্টিপাতকে সংঘর্ষ বা সীমান্ত বৃষ্টি বলা হয়। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
৪,১৬১.
প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. তিতাস
  2. বিবিয়ানা
  3. বাখরাবাদ
  4. হরিপুর
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
ব্যাখ্যা
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - বিবিয়ানা।
   - এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। 
   - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - তিতাস।

- উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - তিতাস।
   - এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত।
   - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - বিবিয়ানা।

উৎস : বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২১।
৪,১৬২.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে পড়ে না?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. অগ্ন্যুৎপাত
  3. অগ্নিকান্ড
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকান্ড
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে পড়ে না- অগ্নিকান্ড।
- কারন এটি একটি মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।

• দুর্যোগ (Disaster):
- একটি বিপর্যয় যখন কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের বেশির ভাগ মানুষকে বিপদাপন্ন করে তুলে এবং তাদের নিজস্ব মোকাবিলা ক্ষমতার বাইরে চলে যায়, তখন তাকে দুর্যোগ বলে।
- বিশ্বব্যাপী দুর্যোগসমূহের প্রকারভেদ: পৃথিবীর যে কোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়।
 যেমন:
ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।

• প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়।
যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।

• মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়।
যেমন: জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৬৩.
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় কোথায়?
  1. ক) সমুদ্র উপকূলে
  2. খ) মালভূমিতে
  3. গ) গভীর সমুদ্রে
  4. ঘ) স্থলভাগে
সঠিক উত্তর:
গ) গভীর সমুদ্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গভীর সমুদ্রে
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে। গভীর সমুদ্রে উচ্চ তাপমাত্রার ফলে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়।

উচ্চ তাপমাত্রার (সাধারণত ২৭ ডিগ্রির অধিক) ফলে সমুদ্রের বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে গেলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। এতে করে পার্শ্ববর্তী উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে ভারীবায়ু দ্রুত বেগে সৃষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে ছুটে আসে এবং ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি করে।
বায়ুর গতিবেগ ৬৩ কিলোমিটারের অধিক হলে তা ঘূর্নিঝড় হিসেবে অভিহিত হয়।

(তথ্যসূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,১৬৪.
হিলি স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. শেরপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. দিনাজপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
হিলি স্থলবন্দর:
- পানামা-হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত।
- হিলি স্থলবন্দর দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপেজলার বাংলা হিলি সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি এলসিএস রয়েছে।
- ১২ জানুয়ারি ২০০২ তারিখ হিলি শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০৯ অক্টোবর ২০০৫ তারিখ স্থলবন্দর উন্নয়ন ও পরিচালনার জন্য কর্তৃপক্ষের সাথে পানামা-হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেড মধ্যে Concession Agreement (CA) স্বাক্ষরিত হয়।
- CA অনুযায়ী পোর্ট অপারেটর ০১ জানুয়ারি ২০১০ তারিখ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে;
- রাজধানী ঢাকা হতে হিলি স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কি.মি.।

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
৪,১৬৫.
বাংলাদেশে বজ্রপাতকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে কত সালে? 
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা

- ২০১৬ সালের ১৭ মে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয় বজ্রপাতকে ১৩তম প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে।

• বজ্রপাত:
- প্রাকৃতিক কারণে যেসব দুর্যোগ সংঘটিত হয় তাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলা হয়।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, নদীভাঙন, তুষারপাত, ঘূর্ণিঝড়, খরা, বজ্রপাত ইত্যাদি।
- প্রাকৃতিক কারণেই বজ্রমেঘের সৃষ্টি এবং বজ্রমেঘ থেকেই হয় বজ্রপাত। 'কিউমুলোনিম্বাস' মেঘ থেকে সাধারণত বজ্রপাতের সৃষ্টি।
-দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলঙ্কা, ভারত, নেপাল তুলনায় বাংলাদেশে বজ্রপাতের প্রবণতা অনেক বেশি।
- আবহাওয়াবিদদের মতে, বাংলাদেশে বজ্রপাতের মূল কারণ দেশটির ভৌগোলিক অবস্থান।
- ২০১৬ সালের ১৭ মে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয় বজ্রপাতকে ১৩তম প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়।

৪,১৬৬.
তাপমাত্রা নির্ভরশীল নয়-
  1. সমুদ্র স্রোতে উপর
  2. উচ্চতার উপর
  3. দ্রাঘিমার উপর
  4. ভৌগোলিক অবস্থানের উপর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমার উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমার উপর
ব্যাখ্যা
তাপমাত্রার নিয়ন্ত্রক (Controls of Temperature):

- তাপমাত্রার নিয়ন্ত্রক হচ্ছে সেই সব নিয়ামক যাদের উপর ভিত্তি করে এক অবস্থান থেকে অন্য স্থানের তাপমাত্রা ভিন্ন হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন অংশ ভিন্ন মাত্রায় সূর্যালোক পেয়ে থাকে, অক্ষাংশভেদে তাপমাত্রার তারতম্য ঘটে।
- কোন স্থানের তাপমাত্রা যে সমস্ত বিষয়ের উপর নির্ভরশীল তা নিম্নরূপ:
১. স্থল এবং জলভাগের ভিন্ন ধর্মী তাপ গ্রহণ (Differential heating of land and water);
২. সমুদ্র স্রোত (Ocean Currents);
৩. উচ্চতা (Altitude);
৪. ভৌগোলিক অবস্থান (Geographic Location)।

কিন্তু দ্রাঘিমার উপর কোন স্থানের তাপমাত্রা নির্ভরশীল নয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম,  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৬৭.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে কোন সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে?
  1. ৮° অক্ষরেখা
  2. ১০° অক্ষরেখা
  3. ২৮° অক্ষরেখা
  4. ৩৮° অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
৩৮° অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮° অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
৩৮° অক্ষরেখা:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে।
- উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

⇒ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,

উৎস: Britannica.
৪,১৬৮.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে কোন ধরনের বৃষ্টি হয়ে থাকে?
  1. পরিচলন বৃষ্টি
  2. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  3. বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
  4. ঘূর্ণি বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain):
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে পরিচলন বৃষ্টি হয়ে থাকে। 

- দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে।
- এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial region) স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্যকিরণ সারাবছর লম্বভাবে পড়ে।
- এ দুটি কারণে এখানকার বায়ুমন্ডলে সারাবছর জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে।
- জলীয়বাষ্প হালকা বলে সহজেই তা উপরে উঠে গিয়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে ঝরে পড়ে।
- তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যার সময় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।
- নাতিশীতোষ্ণমণ্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টি হয়ে থাকে। এ সময়ে এই অঞ্চলের ভূপৃষ্ঠ যথেষ্ট উত্তপ্ত হলেও উপরের বায়ুমন্ডল বেশ শীতল থাকে।
- ফলে ভূপৃষ্ঠের জলাশয়গুলো থেকে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে পতিত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,১৬৯.
মারিয়ানা ট্রেঞ্চে অবস্থিত সর্বাধিক গভীর বিন্দুটির নাম কী?
  1. Challenger Deep
  2. Challenger Abyss
  3. Pacific Deep
  4. Mariana Pit
সঠিক উত্তর:
Challenger Deep
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Challenger Deep
ব্যাখ্যা

• মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench):
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ বিশ্বের গভীরতম স্থান।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয় নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ ও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা মাপার উদ্যোগ নেয়া হয় ১৮৭৫ সালে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ জরিপ পরিচালনাকারী জাহাজ HMS Challenger।
- তখন গভীরতা নির্ণয় করা হয় ২৬,৮৫০ ফুট।
- পরবর্তীতে আরো কয়েকদফা মাপার পর ২০১০ সালে এর সর্বোচ্চ গভীরতা মাপা হয় ৩৬,০৭০ ফুট।
- বর্তমানে এই গভীরতাই গ্রহণযোগ্য।
- এর গভীরতম অংশকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বা Challenger Deep বলা হয়।

তথ্যসূত্র:  i) World Atlas 
ii) National Geographic Society.

৪,১৭০.
কিলিমাঞ্জারো পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?
  1. তানজানিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. রাশিয়া
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
তানজানিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানজানিয়া
ব্যাখ্যা

• কিলিমাঞ্জারো পর্বত:
- কিলিমাঞ্জারো পর্বত তানজানিয়ায় অবস্থিত।
- মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো হল আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যার উচ্চতা ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)। 
- এই রাজকীয় পর্বতটি একটি তুষারাবৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি তিনটি ভিন্ন শৃঙ্গ নিয়ে গঠিত: Kibo, Mawenzi, এবং Shira।
- কিলিমাঞ্জারোর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো Kibo, যার উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)।

তথ্যসূত্র: National Geographic Society এবং ব্রিটানিকা।

৪,১৭১.
পাদদেশীয় মালভূমি কিভাবে গঠিত হয়?
  1. আগ্নেয়গিরির লাভা দ্বারা
  2. নদী ও হিমবাহের ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থ সঞ্চয় দ্বারা
  3. মহাদেশীয় শীল্ডে প্রাকৃতিক উত্তলতার মাধ্যমে
  4. সমুদ্রের তীরে বালু জমায়
সঠিক উত্তর:
নদী ও হিমবাহের ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থ সঞ্চয় দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী ও হিমবাহের ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থ সঞ্চয় দ্বারা
ব্যাখ্যা

• পর্বতের ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থ জমে যে উঁচু বা সমতল ভূমি সৃষ্টি করে, সেটিই পাদদেশীয় মালভূমি।
----------------------- 
• মালভূমি:
- মালভূমি বলতে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে তুলনামূলকভাবে উঁচু, বিস্তীর্ণ ও প্রায় সমতল ভূমিকে বোঝানো হয়।
- এটি গঠিত হয় ভূ-অভ্যন্তরস্থ ও ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
- যেমন—পাত সঞ্চালন, ভূ-আন্দোলন, ক্ষয়, ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির আগ্নুৎপাত ও লাভা সঞ্চয়।

- মালভূমি উৎপত্তি অনুসারে প্রধানত তিন প্রকারে বিভক্ত:
- ভূ-গাঠনিক মালভূমি,
- সঞ্চয়জাত মালভূমি,
- এবং ক্ষয়জাত বা অবশিষ্ট মালভূমি।

- অবস্থান ও গঠন অনুযায়ী ছয় প্রকার মালভূমি রয়েছে:
- পর্বত-মধ্যবর্তী মালভূমি (Intermontane Plateau),
- পাদদেশীয় মালভূমি (Piedmont Plateau),
- চ্যুতি-সৃষ্ট মালভূমি (Horst Plateau),
- লাভা বা আগ্নেয়জাত মালভূমি (Lava Plateau),
- ক্ষয়জাত বা অবশিষ্ট মালভূমি (Erosional/Residual Plateau),
- শীল্ড বা মহাদেশীয় মালভূমি (Shield/Continental Plateau)

পাদদেশীয় মালভূমি:
- পাদদেশীয় মালভূমি হলো সেই ধরণের ভূমি যা পর্বতের পাদদেশে গঠিত হয়।
- পর্বতের শিখর থেকে বৃষ্টি, নদী বা হিমবাহের মতো প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত মাটি, পাথর ও মৃত্তিকা নিচে ভেসে আসে এবং ধীরে ধীরে জমে এক ধরনের সমতল বা হালকা উঁচু ভূমি তৈরি করে।
- এই মালভূমি অনেক সময় পাদদেশীয় পলল সমভূমি বা পর্বত জোয়ার নামে পরিচিত।
- সাধারণত এর একপাশে সমুদ্র বা সমতল ভূমি থাকে।
- উদাহরণস্বরূপ, উত্তর আমেরিকার কলোরাডো মালভূমি একটি পাদদেশীয় মালভূমি।

উৎস: ভূমিরূপ বিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৭২.
সূর্যপৃষ্ঠের উত্তাপ কত ডিগ্রি সেলসিয়াস?
  1. ৫০০০° সেলসিয়াস
  2. ৬০০০° সেলসিয়াস
  3. ৭০০০° সেলসিয়াস
  4. ৮০০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৬০০০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
সূর্য (Sun):
- সূর্য একটি নক্ষত্র।
- এর পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস।
- এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড।
- হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে।
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই।

তথ্যসূত্র - ভুগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৭৩.
টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ নয় কোনটি?
  1. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত 
  2. ভূমিকম্প
  3. সুনামি
  4. টর্নেডো
সঠিক উত্তর:
টর্নেডো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টর্নেডো
ব্যাখ্যা

• টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার ফলে টর্নেডো সৃষ্টি হয় না। 
 
টেকটোনিক প্লেট:
- টেকটোনিক প্লেট হলো পৃথিবীর ভূত্বকের অভ্যন্তরের বিশালাকার কয়েকটি প্লেট , যেগুলো ধীরে ধীরে নড়াচড়া করে। এই নড়াচড়ার ফলে ভূত্বকে নানা ধরনের ভূ-প্রাকৃতিক পরিবর্তন ঘটে।

টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার ফলাফল:
- ভূমিকম্প: প্লেটের সংঘর্ষ বা প্লেট সরে যাওয়ার ফলে সঞ্চিত শক্তি হঠাৎ মুক্ত হয়ে ভূ-কম্পন সৃষ্টি করে।
- আগ্নেয়গিরি: দুটি প্লেটের সংঘর্ষ বা বিচ্ছিন্নতার ফলে ভূ-অভ্যন্তরের গলিত ম্যাগমা ওপরে উঠে এসে আগ্নেয়গিরি সৃষ্টি করে।
- সুনামি: সমুদ্র তলের ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির ফলে সুনামি হতে পারে।

অন্যদিকে,
- টর্নেডো মূলত বায়ুমণ্ডলের ঘটনা, যা গরম ও ঠান্ডা বায়ুর কারণে সৃষ্টি হয়। এটি সম্পূর্ণভাবে জলবায়ুর সাথে সম্পর্কিত এবং ভূপৃষ্ঠ বা টেকটোনিক প্লেটের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৪,১৭৪.
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত প্রধানত কোন ধরনের ঢালে দেখা যায়?
  1. প্রতিবাত
  2. প্রতিপদ
  3. অনুপাদিত
  4. অনুবাত
সঠিক উত্তর:
প্রতিবাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিবাত
ব্যাখ্যা

শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।
- পর্বত অতিক্রমকারী বায়ু যদি পর্বতের অপর পাশে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে পৌঁছায় তখন ঐ বায়ুতে জলীয়বাষ্প কমে থাকে। ঐ বায়ু নিচে নামার ফলে আরও উষ্ণ এবং শুষ্ক হয়ে উঠে বলেই ঐ স্থানে বৃষ্টিপাত হয় না।
- এই বৃষ্টিহীন স্থানকে বলা হয় বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,১৭৫.
টাঙ্গুয়ার হাওড় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) সিরাজগঞ্জ
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
হাকালুকি হাওড় - মৌলভীবাজার ও সিলেট অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর।
টাঙ্গুয়ার হাওড় - সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
হাইল হাওড় - মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।
বুরবুক - জৈন্তাপুর, সিলেট। এটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম হাওড়।
উৎস : বাংলাপিডিয়া
৪,১৭৬.
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. সাইক্লোন
  2. উইলি উইলি
  3. হ্যারিকেন
  4. টাইফুন
সঠিক উত্তর:
হ্যারিকেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যারিকেন
ব্যাখ্যা
হ্যারিকেন:
- উত্তর আটলান্টিক ও উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়।
- হ্যারিকেন বড় এবং ঘূর্ণায়মান ঝড়। 
- এটি প্রতি ঘন্টায় ১১৯ কিলোমিটার (৭৪ মাইল প্রতি ঘন্টা) বা উচ্চতর বাতাস তৈরি করে। 
- এটি স্থলভাগের দ্রুততম প্রাণী অর্থাৎ চিতার চেয়ে দ্রুত। 
- হ্যারিকেনের বাতাস ভবন এবং গাছের ক্ষতি করতে পারে।
- উষ্ণ সাগরের জলের উপরে হ্যারিকেন তৈরি হয়।
- একটি হ্যারিকেন থেকে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যা হতে পারে।
 
অন্যদিকে -
- ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে সাইক্লোন বলা হয়।
- এশিয়া ও জাপানের উপকূলের ঘূর্ণিঝড়কে টাইফুন বলা হয়।
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলের ঘূর্ণিঝড়কে উইলি উইলি বলা হয়।
 
উৎস: NASA ওয়েবসাইট ও Redcross ওয়েবসাইট।
৪,১৭৭.
মৌসুমি বায়ু সৃষ্টির মূল কারণ কোনটি?
  1. আহ্নিক গতি
  2. বায়ুচাপের পার্থক্য
  3. বার্ষিক গতি
  4. উত্তর আয়ন ও দক্ষিণ আয়ন
সঠিক উত্তর:
উত্তর আয়ন ও দক্ষিণ আয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আয়ন ও দক্ষিণ আয়ন
ব্যাখ্যা

• মৌসুমি বায়ু এবং ঋতু পরিবর্তন:
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, তাকে মৌসুমি বায়ু বলে।
- শীত-গ্রীষ্মে ঋতুভেদে স্থলভাগ ও জলভাগের তাপের তারতম্য ঘটে ও সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়নের ফলে মৌসুমি বায়ু সৃষ্টি হয়।
- মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- এই তারতম্যের কারণে মৌসুমি বায়ু সৃষ্টি হয়, যা বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশে সর্বত্র মৌসুমি বায়ু দ্বারা বৃষ্টিপাত ঘটে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,১৭৮.
বাংলাদেশের কোথায় প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলে?
  1. নেত্রকোনায়
  2. শেরপুরে
  3. পাবনায়
  4. দিনাজপুরে
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুরে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনি।

উৎস: ১৮ জুন ২০১৯, প্রথম আলো।
৪,১৭৯.
দেশ গার্মেন্টস কোন দেশের কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. জাপান
  3. চীন
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

দেশ গার্মেন্টস দক্ষিণ কোরিয়ার দেউও (Daewoo) কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
-----------------------------
দেশ গার্মেন্টস:
- ১৯৭৭ সালে মোঃ নুরুল কাদেরের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ গার্মেন্টস বাংলাদেশের প্রথম ১০০% রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮০ সালে এটি উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করে।
- কোম্পানির প্রধান কারখানা চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় স্থাপিত।

- দক্ষিণ কোরিয়ার দেউও (Daewoo) কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি হয় এই কারখানা। 
- কারখানাটি দেশে প্রথম আধুনিক পোশাক উৎপাদনের প্রযুক্তি নিয়ে আসে।
- এছাড়া, ১৯৭৮ সালে দেশ গার্মেন্টস দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠিয়েছিলো পোশাক ব্যবসা সম্পর্কে জানার জন্য, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম। 
- দেশ গার্মেন্টস বাংলাদেশের প্রথম পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে গড়ে ওঠে এবং বিভিন্ন পুরস্কারও পায়।
- এটি আমেরিকা ও কানাডায় সবচেয়ে বেশি কোটাধারী কোম্পানি হিসেবে পরিচিত।
- বর্তমানে দেশ গার্মেন্টস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনা ব্যবহারের জন্য সুপরিচিত।

উৎস: দেশ গার্মেন্টসের ওয়েবসাইট। 

৪,১৮০.
বায়ুমন্ডলে কোন উপাদানের পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
গ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের উপাদান সমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ ভাগ
- অক্সিজেন : ২০.৭১ ভাগ
- আরগন : ০.৮০ ভাগ
- জলীয়বাষ্প : ০.৪১ ভাগ
- কার্বন ডাই-অক্সাইড : ০.০৩ ভাগ
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১ ভাগ এবং
- অন্যান্য গ্যাস : ০.০২ ভাগ।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৭০)
৪,১৮১.
থর মরুভূমি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. চীন ও মঙ্গোলিয়া
  4. চিলি ও আর্জেন্টিনা
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

থর মরুভূমি (Thar Desert): 
- অন্য নাম: Great Indian Desert।
- অবস্থান: দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর-পশ্চিম ভারত (রাজস্থান) এবং পাকিস্তানের কিছু অংশ।
- ভৌগোলিক ধরন: উপকূলীয় বা আধা-শুষ্ক মরুভূমি।
- আয়তন: প্রায় ২০০,০০০ বর্গকিমি।
- উচ্চতা: সমুদ্র সমতল থেকে ২০০-৩০০ মিটার।
- আবহাওয়া: শুষ্ক, বার্ষিক বৃষ্টিপাত ১০০-৫০০ মিমি, গ্রীষ্মে অত্যন্ত গরম, শীতে শীতল।
- প্রধান নদী: লুনা নদী।
- পৃথিবীর প্রধান শুষ্ক মরুভূমির একটি, পরিবেশ, কৃষি ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

• বিশ্বের অন্যান্য মরুভূমিসমূহ:
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা
- আতাকামা মরুভূমি : চিলি
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি : চিলি, আর্জেন্টিনা
- ভিক্টোরিয়া মরুভূমি : অস্ট্রেলিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৪,১৮২.
মহাদেশীয় এবং মহাসাগরীয় প্লেটসমূহের সঞ্চালনের জন্য কী হয়?
  1. ভূমিকম্প
  2. প্রবল বৃষ্টি
  3. টর্নেডো
  4. তুষারপাত
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
পাত সঞ্চালন:
- সঞ্চালনশীল মহাদেশীয় ও মহাসাগরীয় পাতসমূহের গতিশীলতার সময় যখন পরস্পরের সাথে সংঘর্ষ হয় তখন ভূমিকম্প হয়।
তাই পৃথিবীর ভমিূকম্প প্রবণ অঞ্চলগুলো পাতসীমা বরাবর অবস্থিত।
এছাড়া সঞ্চালনশীল পাত দুটি পরস্পর থেকে দূরে সরে যায় বা সামনে-পিছনে গতিশীল হয় তখন ভূ-গর্ভে চাপের তারতম্য ঘটে এবং ভমিূকম্প হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৮৩.
নিচের কোন দেশটি মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. পালাউ
  2. পাপুয়া নিউগিনি
  3. ফিজি
  4. সলোমন দ্বীপপুঞ্জ
সঠিক উত্তর:
পালাউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালাউ
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চল দেশসমূহ:
-
মাইক্রোনেশিয়া, 
- কিরিবাতি, 
- নাউরু, 
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, 
- পালাউ, 
- গুয়াম মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ৫৬১ বর্গ কিলোমিটার।

মেলানেশিয়া:

- "মেলানেশিয়া" শব্দটি এসেছে গ্রীক ভাষা থেকে। 
- Melan = কালো,
- Nesos = দ্বীপ,
- অর্থাৎ “কালো দ্বীপপুঞ্জ”।
- এটি দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- প্রায় ২,০০০টিরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
• মেলানেশিয়ার দেশসমূহ:
- পাপুয়া নিউগিনি,
- সলোমন দ্বীপপুঞ্জ,
- ভানুয়াতু,
- ফিজি, 
 
• ওশেনিয়া মহাদেশ:
- ওশেনিয়া মূলত চারটি ভৌগোলিক অঞ্চলে বিভক্ত:
- অস্ট্রেলেশিয়া, 
- মেলানেশিয়া, 
- মাইক্রোনেশিয়া, 
- পলিনেশিয়া, 

• অস্ট্রেলেশিয়া অঞ্চলের দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড। 
 • পলিনেশিয়া অঞ্চল দেশসমূহ: টোঙ্গা, টুভালু, সামোয়া।
[উল্লেখ্য: গুয়াম একটি স্বাধীন দেশ নয়; এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্থ অঞ্চল।]

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৪,১৮৪.
বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ৪,৭১৯
  2. ৪,১৫৮
  3. ৫,১৪৬
  4. ৫,১৩৮
সঠিক উত্তর:
৫,১৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,১৩৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান:
- পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ: বাংলাদেশ।

- বাংলাদেশের আয়তন: ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫,১৩৮ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কি.মি.।
- কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ১৫৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

এছাড়াও,
- মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় গাজীপুর, ময়মনসিংহ এবং টাঙ্গাইলে অবস্থিত।
- সমুদ্রতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে ঢাকার উচ্চতা ২৫ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে নারায়নগঞ্জ এবং রাজশাহীর উচ্চতা ৮ মিটার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,১৮৫.
কোনটি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব নয় কোনটি?
  1. সমুদ্রের পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া
  2. হিমালয়ের বরফ গলন
  3. রোগব্যাধি
  4. ভূমিক্ষয়
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মুখ্য প্রভাব হলো জলবায়ু পরিবর্তন। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টিপাতের ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে। যেমন- অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি। এছাড়া অধিক গরম, খরা, এসিড বৃষ্টি প্রভৃতি দেখা দিচ্ছে।

- প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটনের হার বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততার ন্যায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটনের হার সবচেয়ে বেশি।

- মেরু অঞ্চলের বরফ গলন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে বিংশ শতাব্দীতে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে শুরু করেছে।

- সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, মিশর, ভিয়েতনাম, ফিজি, কিরিবাতি, টুভ্যালু প্রভৃতি দেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এছাড়া কৃষি জমি লবণাক্ত হয়ে উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পাবে।

- জীববৈচিত্র্য ধ্বংস: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীতে বহু প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণিকূল বিলুপ্ত হবে। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন উদ্ভিদ ও প্রাণির বসবাসের অনুকূল পরিবেশে সরাসরি আঘাত হানার মধ্য দিয়ে ধ্বংস সাধন করছে।

- রোগব্যাধি: উষ্ণায়নের ফলে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ যেমন-ম্যালেরিয়া, এজমা, এলার্জি প্রভৃতি রোগের বিস্তার ঘটছে।

এছাড়া,
- পৃথিবীর ভূমিক্ষয়, সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া, মাটির উর্বরতা হ্রাস, প্রাকৃতিক জলাশয়ের উৎস বিনষ্ট হওয়া, খাদ্যে অনিরাপত্তা, বাস্তুসংস্থানের চক্র বিনষ্ট হওয়া, ওজোন স্তরের কার্যক্রম নষ্ট হওয়া, সমুদ্রে অক্সিজেন দ্রবীভূত হওয়ার পরিমাণ কমে যাওয়া ইত্যাদি নানা ধরনের হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে পৃথিবীবাসী।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৮৬.
বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. মুরাদনগর
  2. চান্দিনা
  3. দাউদকান্দি
  4. চৌদ্দগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মুরাদনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুরাদনগর
ব্যাখ্যা
বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র:
- ১৯৬৯ সালে কুমিল্লা জেলার বাখরাবাদ নামক স্থানে বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর  উপজেলায় অবস্থিত।
- বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে প্রাথমিক মোট মজুদ ছিল ১৭০১ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এবং প্রাথমিক উত্তোলনযোগ্য মজুদ ১২৩১.৫ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এই গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৩.৮৯%।
 এছাড়াও গ্যাস লাইন হতে কুমিল্লা ও ফেনীতে গ্যাস সরবরাহ করা হয়।
- এবং চাঁদপুর, লাকসাম, সীতাকুন্ড প্রভৃতি স্থানে গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
- বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের কূপের সংখ্যা ৬টি।

উৎস: ভূগোল  দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,১৮৭.
নিচের কোনটি প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত? 
  1. খাগড়াছড়ি পাহাড় 
  2. লালমাই পাহাড়
  3. কেওক্রাডং পর্বত
  4. তাজিনডং পর্বত
সঠিক উত্তর:
লালমাই পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমাই পাহাড়
ব্যাখ্যা

•প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

•টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উল্লেখ্য
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের অন্তর্ভুক্ত।
- খাগড়াছড়ি পাহাড়, কেওক্রাডং পর্বত ও তাজিনডং পর্বত টারশিয়ারি যুগের পাহাড়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,১৮৮.
ভূগোলের আলোচ্য বিষয় নয় কোনটি?
  1. ক) প্রকৃতি
  2. খ) পরিবেশ
  3. গ) সমাজ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ভূগোল শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Geography যা geo ও graphy শব্দ দুটোর সমন্বয়ে গঠিত। এদের মধ্যে Geo অর্থ পৃথিবী এবং graphy অর্থ বর্ণনা। তাই Grography অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা। ভূগোল একদিকে যেমন প্রাকৃতিক বিজ্ঞান অন্যদিকে তা পরিবেশ ও সমাজ বিজ্ঞান। যার কারণে ভূগোলের প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো প্রকৃতি, পরিবেশ ও সমাজ। (সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,১৮৯.
'শৈলপ্রপাত' জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) খাগড়াছড়িতে
  2. খ) কক্সবাজারে
  3. গ) মৌলভীবাজারে
  4. ঘ) বান্দরবানে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবানে
ব্যাখ্যা

- শৈলপ্রপাত জলপ্রপাত বান্দরবানে অবস্থিত।
- হামহাম, মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত মৌলভীবাজারে অবস্থিত।
- আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- রিছাং ঝর্না খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- হিমছড়ি কক্সবাজারে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৪,১৯০.
"ক" তার বাবার সঙ্গে সিলেট জয়ন্তিয়া পাহাড় দেখতে গেল। দূর থেকে দেখল পাহাড়ের প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু অনুবাত ঢালে বৃষ্টি হচ্ছে না। "ক" কোন ধরনের বৃষ্টিপাত দেখেছিল?
  1. পরিচলন বৃষ্টিপাত
  2. সংঘর্ষ বৃষ্টি
  3. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  4. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain):
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি গমনপথে কোনো উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পায় তাহলে ঐ বায়ু উপরের দিকে উঠে যায়। তখন জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে (Windward slope) বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।

⇒ ""ক" তার বাবার সঙ্গে সিলেট জয়ন্তিয়া পাহাড় দেখতে গেল। দূর থেকে দেখল পাহাড়ের  প্রতিবাত ঢালে  বৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু অনুবাত ঢালে বৃষ্টি হচ্ছে না।  "ক" শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি দেখেছিল। 



উল্লেখ্য,
- বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিভাগ:
চারটি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে একে চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়।
যথা -
১. পরিচলন বৃষ্টিপাত (Convectional Rain)
২. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain)
৩. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি (Cyclonic Rain)
৪. সংঘর্ষ বৃষ্টি (Frontal Rain)

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,১৯১.
বাংলাদেশে সর্বাধিক আর্দ্র মাস কোনটি?
  1. ডিসেম্বর
  2. সেপ্টেম্বর
  3. আগস্ট
  4. জুলাই
সঠিক উত্তর:
আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগস্ট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ুর সাধারণ চিত্র:
- গড় বার্ষিক তাপমাত্রা ২৬.১০ (৭৯০ ফা.)।
- গড় তাপমাত্রার পার্থক্য (দিবারাত্রি) ৯০ সে, 
- গড় মাসিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪০ সে. (৯৩০ ফা.) এপ্রিল মাসে; 
- গড় মাসিক সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ডিসেম্বরে ১৪০ সে (৫৭০ ফা.) 
- বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৮৭৫ মিলিমিটার;
- গড়ে বছরে ১৩৬ দিন ০.১ মিলিমিটারের অধিক বৃষ্টিপাত হয়;
- ডিসেম্বর বছরের শুষ্কতম মাস হিসাবে বিবেচিত (গড় বৃষ্টিপাত ৫ মিলিমিটার);
- সর্বাধিক আর্দ্র মাস হল আগস্ট (গড় বৃষ্টিপাত ৩৩৭ মিলিমিটার)
- গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬৫.৫%।
- গড় মাসিক আদ্রতা মার্চে ৪৫% জুন-জুলাইয়ে ৭৯% এর উন্নীত হয়;
- বাংলাদেশে বছরের কোনাে তুষার দিবস নেই।

উৎস: ব্যাচেলর অফ এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৯২.
বাংলাদেশের কোথায় প্লাইসটোসিন কালের সোপান দেখা যায়?
  1. কক্সবাজার
  2. খাগড়াছড়ি
  3. মৌলভীবাজার
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ভু-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় যথা:
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং 
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
• এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
• দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের টাংগাইলের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৯৩.
Bangladesh is in the _____ Hemisphere.
  1. ক) Southern
  2. খ) Western
  3. গ) Northern
  4. ঘ) None of the above
সঠিক উত্তর:
গ) Northern
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Northern
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। 
- ভৌগোলিকভাবে, বাংলাদেশের বড় অংশ গঙ্গা (পদ্মা), ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী এবং তাদের উপনদীর সঙ্গমস্থলে উর্বর গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপে অবস্থিত। 
- বাংলাদেশ ভারতের রাজ্যগুলোর দ্বারা সীমাবদ্ধ: উত্তর এবং পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ দ্বারা; উত্তরে আসাম; উত্তর ও উত্তর-পূর্বে মেঘালয়; পূর্বে ত্রিপুরা ও মিজোরাম। 
- দক্ষিণ-পূর্বে, এটি মিয়ানমারের সাথে একটি ছোট সীমান্ত ভাগ করে এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশ বঙ্গোপসাগরে খোলে।
- শিলিগুড়ি করিডোর দ্বারা বাংলাদেশ নেপাল ও ভুটান থেকে এবং উত্তরে সিকিম দ্বারা চীন থেকে বিচ্ছিন্ন।
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস 
৪,১৯৪.
বন বিভাগ উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে ওঠা নতুন চরে কত সাল থেকে ম্যানগ্রোভ বনায়ন শুরু করে?
  1. ১৯৬৫ সাল
  2. ১৯৬৬ সাল
  3. ১৯৬৭সাল
  4. ১৯৬৮ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সাল
ব্যাখ্যা
উপকূলীয় বনায়ন:
- বাংলাদেশ বিশ্বে সর্বপ্রথম সফল উপকূলীয় বনায়নকারী দেশ।
- উপকূলীয় জনগণের আরও অধিক সুরক্ষা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ বন বিভাগ উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে ওঠা নতুন চরে ১৯৬৬ সাল থেকে ম্যানগ্রোভ বনায়ন শুরু করে।
- বন বিভাগ কর্তৃক উপকূলীয় বনায়ণের সফলতা প্রত্যক্ষ করে সরকার উপকূলীয় ১২ লক্ষ ৩৬ হাজার একর (প্রায় ৫ লক্ষ  হেক্টর) এলাকা বনায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এর নিকট হস্তান্তর ও বন আইনের ৪ ধারায় সংরক্ষিত ঘোষণা করেছেন। 

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর।
৪,১৯৫.
'সােয়াচ অব নাে গ্রাউন্ড' কী?
  1. ক) একটি দেশের নাম
  2. খ) ম্যানগ্রোভ বন
  3. গ) একটি দ্বীপ
  4. ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো। মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে। বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা। এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মি।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,১৯৬.
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডরের মাঝখানে?
  1. মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী
  2. হরমুজ ও পক প্রণালী
  3. সুয়েজ খাল ও জিব্রাল্টার প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার ও বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান  মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী সামুদ্রিক করিডরের মাঝখানে। 

• মালাক্কা প্রণালী:
 - এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে অবস্থিত,
- যা ভারত মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম সামুদ্রিক পথগুলোর একটি, যার মাধ্যমে এশিয়া, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে তেল, গ্যাস এবং অন্যান্য পণ্য পরিবহন হয়।

• হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগরকে পূর্বের ওমান উপসাগর ও আরব  সাগরের সাথে যুক্ত করে। 
- যা মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানির প্রধান পথ।
-  বাংলাদেশের অবস্থান বঙ্গোপসাগরে এই দুটি প্রণালীর মধ্যে কৌশলগত সংযোগ তৈরি করে।

• পক প্রণালী: 
-পক প্রণালী ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালী।
- এটি বঙ্গোপসাগর ও মান্নার উপসাগরকে একসঙ্গে যুক্ত করেছে।

• সুয়েজ খাল ও জিব্রাল্টার প্রণালী:
- সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর এবং লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করে,
-  জিব্রাল্টার প্রণালী ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করে। 
- এই দুটি পথই বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে এবং ভৌগোলিকভাবে এর অবস্থানের সাথে কৌশলগতভাবে সম্পর্কিত নয়।

• হরমুজ ও পক প্রণালী বাংলাদেশের  সামুদ্রীক করিডর মধ্য অবস্থান নয়। এটি একদিকে অবস্থান করে।
- তাই এটি সঠিক উত্তর যুক্তি যসঙ্গত নয়।
 
∴ সঠিক উত্তর: মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী।

উৎস: indiannavy.nic.in.

৪,১৯৭.
তিনদিকে স্থল দ্বারা বেষ্টিত জল রাশিকে বলা হয়-
  1. মহাসাগর
  2. হৃদ
  3. সাগর
  4. উপসাগর
সঠিক উত্তর:
উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসাগর
ব্যাখ্যা
উপসাগর:
- উপসাগর হলো সাধারণত তিনদিকে স্থল দ্বারা বেষ্টিত এবং একদিকে সাগর বা মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত লবণাক্ত জলভাগ।
- স্থলভাগের অভ্যন্তরে ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণে উপসাগরের পানি সাধারণত সাগর বা মহাসাগরের তুলনায় শান্ত হয়।
- উপসাগরগুলো অন্য কোন উপসাগরের সঙ্গেও সংযুক্ত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, জেমস উপসাগর হাডসন উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।
- অপেক্ষাকৃত বিস্তৃত এবং অধিকতর গভীর উপসাগরগুলোকে ইংরেজিতে গালফ (gulf) বলা হয়।
- যেমন-পারস্য উপসাগর (Persian Gulf)।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের একটি উপসাগর (Bay)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বি এড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৯৮.
কোন জেলায় লবণাক্ততার প্রভাব দেখা যায় না?
  1. ফেনী
  2. কুমিল্লা
  3. লক্ষ্মীপুর
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
লবণাক্ততা (Salinity):
- লবণাক্ততা বলতে মাটি ও পানিতে লবণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে যে অবস্থার সৃষ্টি হয় তাকে বুঝায়।
- সাধারণত লবণাক্ততার মাত্রা পরিমাপ করা হয় Parts Per Thousand বা পিপিটি (PPT) দ্বারা।
 সমুদ্রের পানিতে লবণাক্ততার গড় মাত্রা ৩৫পিপিটি অর্থাৎ ১ কিলোগ্রাম পানিতে প্রায় ৩৫ গ্রাম লবণ থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মাটি ও পানিতে লবণাক্ততার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- বঙ্গোপসাগরের পানি জোয়ারের সময় নদীর মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের ভূমিতে প্রবেশ করে লবণাক্ততা সৃষ্টি করে।
- সাধারণত আগস্ট মাস থেকে লবণাক্ততা শুরু হয় এবং ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে।
- উপকূলীয় ১৬টি জেলার ৬৪টি উপজেলায় লবণাক্ততা দেখা যায়।
- এর মধ্যে সর্বাধিক লবণাক্ততায় আক্রান্ত খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরগুনা জেলা।
- এছাড়া বরিশাল, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, কক্সবাজার, ফেনী প্রভৃতি জেলা লবণাক্ততায় আক্রান্ত।

লবণাক্ততার কারণ:
- সাধারণত উপকূলীয় অঞ্চলের ভূমি ও পানিতে লবণাক্ততার জন্য জোয়ার-ভাটা ও সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিকে দায়ী করা হয়।
- আর সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য মানুষের বহুমুখী কর্মকাণ্ডকেই দায়ী করা হয়।

লবণাক্ততার প্রভাব -
১. উপকূলীয় অঞ্চলের জমি কৃষিকাজের অনুপযোগী হয়ে উৎপাদন হ্রাস পাওয়া;
২. সুপেয় পানির অভাব দেখা দেওয়া;
৩. উদ্বাস্তু লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি;
৪. সম্পদহানি ও দারিদ্রতা বৃদ্ধি;
৫. বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়া;
৬. ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি;
৭. মিঠা পানির মাছের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস;
৮. গাছপালায় মড়ক লাগা ও ফসলের গোড়া পচে যাওয়া;
৯. সামাজিক বন্ধনে শিথিল হওয়া প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১৯৯.
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কবে নির্মিত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৯ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পানি শক্তি দ্বারা পরিচালিত।
- কর্ণফুলী নদীর নির্ধারিত স্থানে বাধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলধারা সৃষ্টি এবং সঞ্চিত পানি সুড়ঙ্গ সদৃশ্য পথে ধাবিত করে জলের তোড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী যন্ত্র সক্রিয় করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় এ প্রকল্পটির অবস্থান।
- ১৯৫৬ সালে এ বাধের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬২ সালে কাপ্তাই বাধের নির্মাণ কাজ শেষ হয় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
- ইন্টারন্যাশানাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী এবং ইউতাহ ইন্টারন্যাশানাল ইনকর্পোরেট ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উচু এই বাধটি তৈরী করে।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ২টি ইউনিটের উৎপাদন ছিল ৮০ মেগাওয়াট।
- প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ধারায় ২৩০ মেগাওয়াট।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,২০০.
বায়ুমন্ডলে আর্গনের পরিমাণ কত?
  1. ০.০৩%
  2. ০.৪১%
  3. ০.৮১%
  4. ০.৮০%
সঠিক উত্তর:
০.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৮০%
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডলের বিভিন্ন উপাদানের তালিকা: 
- নাইট্রোজেন (N₂) - ৭৮.০২%।
- অক্সিজেন (O₂) - ২০.৭১%।
- আর্গন (A₂) - ০.৮০%।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) -০.০৩%।
- অন্যান্য গ্যাসমূহ (ওজোন, মিথেন, জেনন, নাইট্রাস অক্সাইড, নিয়ন, হিলিয়াম ও - ০.০২%।
- জলীয়বাষ্প - ০.৪১%। 
- ধূলিকণা ও কণিকা -  ০.০১%।

উৎস:
ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।