বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা / ৭২ · ৩০১৪০০ / ৭,১৯১

৩০১.
পার্বত্য এলাকায় নদীর পানি হঠাৎ খাড়া ঢালে নিচে পতিত হলে তাকে কী বলে?
  1. ক) খরস্রোত
  2. খ) হিমবাহ গলিত পানি
  3. গ) জলপ্রপাত
  4. ঘ) গিরিখাত
সঠিক উত্তর:
গ) জলপ্রপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জলপ্রপাত
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য এলাকায় নদীর পানি হঠাৎ খাড়া ঢালে নিচে পতিত হলে তাকে জলপ্রপাত বলা হয়।

• জলপ্রপাত:
- মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত।
- প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য আকর্ষণীয়।
- এ জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস।
- মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থ স্থান।

এছাড়াও,
- শৈলপ্রপাত জলপ্রপাত বান্দরবানে অবস্থিত।
- হামহাম জলপ্রপাত মৌলভীবাজারে অবস্থিত।
- হিমছড়ি জলপ্রপাত কক্সবাজারে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি।
৩০২.
সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে শনির সময় লাগে -
  1. ১ বছর
  2. ১১ বছর
  3. ২২ বছর
  4. ২৯ বছর
সঠিক উত্তর:
২৯ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ বছর
ব্যাখ্যা
শনি (Saturn):
- সূর্য থেকে শনির গড় দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে শনির সময় লাগে ২৯ বছর।
- এর ব্যাস প্রায় ১,২০,০০০ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৩.
যমুনা নদীর পূর্বনাম কী?
  1. লোহিত্য
  2. দোলাই
  3. জোনাই
  4. কীর্তিনাশা
সঠিক উত্তর:
জোনাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোনাই
ব্যাখ্যা
 বিভিন্ন নদীর পূর্বনাম:
- যমুনা - জোনাই নদী,
- পদ্মা - কীর্তিনাশা,
- ব্রহ্মপুত্র - লোহিত্য,
- বুড়িগঙ্গা - দোলাই নদী (দোলাই খাল)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩০৪.
বাংলাদেশে শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ১৭° সেলসিয়াস
  2. খ) ১৭.৭° সেলসিয়াস
  3. গ) ১৮° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ১১° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
আমাদের দেশে শীতকালে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে। এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১° সেলসিয়াস। জানুয়ারি শীতলতম মাস এবং এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩০৫.
বাংলাদেশের মোট নদীর দৈর্ঘ্য কতটুকু?
  1. ক) ৭০০ কিমি
  2. খ) ৬২৫৫ কিমি
  3. গ) ২১,২৫৫ কিমি
  4. ঘ) ২২,১৫৫ কিমি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২২,১৫৫ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২২,১৫৫ কিমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নদীর সংখ্যা প্রায় ৭০০। উপনদী, শাখানদী সহ বাংলাদেশের মোট নদীর দৈর্ঘ্য হচ্ছে ২২,১৫৫ কিলোমিটার৷
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী
৩০৬.
বাংলাদেশের কোন বনাঞ্চল ক্রান্তীয় চিরহরিৎ?
  1. সুন্দরবন
  2. মধুপুর বনাঞ্চল
  3. পার্বত্য বনাঞ্চল
  4. বরেন্দ্র বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। 
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমির কারণে বাংলাদেশে চিরহরিৎ অরণ্যের সৃষ্টি হয়েছে।
- উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা জন্ম নেয়।
- এসব গাছের পাতা একসঙ্গে ফোটে না, ঝরেও না। ফলে বনগুলো সারা বছর সবুজ থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩০৭.
কোন স্থানকে 'রাঙামাটির ছাদ' বলা হয়?
  1. হাজাছড়া ঝর্ণা
  2. সাজেক ভ্যালি
  3. যমচুগ বনবিহার
  4. পেদা টিংটিং
সঠিক উত্তর:
সাজেক ভ্যালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাজেক ভ্যালি
ব্যাখ্যা

• সাজেক:
- সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙামাটির ছাদ।
- সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত।
- সাজেক উপত্যকা একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ।
- সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত। সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত।
- সাজেক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন যার আয়তন ৭০২ বর্গমাইল।
- সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উঁচুতে অবস্থিত বিজিবি ক্যাম্প।
- সাজেক রুইলুইপাড়া এবং কংলাক পাড়া এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।
- সাজেকে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩০৮.
মহাকালী নদী কোন দুটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত?
  1. ক) মিয়ানমার ও বাংলাদেশ
  2. খ) পাকিস্তান ও ভারত
  3. গ) ভারত ও নেপাল
  4. ঘ) বাংলাদেশ ও ভারত
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত ও নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা
• সীমান্তবর্তী স্থান:
- মহাকালী নদী ভারত ও নেপালের সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি দুটি দেশের মাঝে সীমানা হিসেবে চিহ্নিত।
- ভারতের দাবি, মহাকালী নদীর উৎপত্তি হয়েছে লিপুলেখ থেকে।
- এর বিপরীতে নেপাল বলছে, ভারত যে নদীকে মহাকালী নদীর উৎস বলছে, সেটি আসলে ওই নদীরই একটি উপনদী।
- তাই নেপাল লিপুলেখ গিরিপথকে নিজেদের দাবি করে আসছে।
- ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে অবস্থিত নদীটির উৎপত্তিস্থল নিয়ে নেপালের সাথে ভারতের দ্বন্দ্ব চলমান রয়েছে।

উৎস: আনন্দবাজার এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩০৯.
Which strait connects the Tasman Sea and the Pacific Ocean?
  1. Cook Strait
  2. Bab al-Mandeb Strait
  3. Bosphorus Strait
  4. Panama Canal
  5. Strait of Hormuz
সঠিক উত্তর:
Cook Strait
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cook Strait
ব্যাখ্যা
কুক প্রণালী:
- কুক প্রণালী নিউজিল্যান্ডের উত্তর ও দক্ষিণ দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- তাসমান সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে কুক প্রণালী।
- এটি প্রায় ১৪ মাইল প্রশস্ত এবং ৪২০ ফুট গভীর।

উল্লেখ্য,
- ১৬৪২ সালে ডাচ নাবিক আবেল তাসমান এটিকে উপসাগর ভেবে প্রবেশ করেন।
- ১৭৭০ সালে ক্যাপ্টেন জেমস্‌ কুক এটির সত্যতা যাচাই করে প্রণালী হিসেবে অভিহিত করেন।
- তার নামানুসারে এটি কুক প্রণালী হিসেবে পরিচিত।

অন্যদিকে -
- লোহিত সাগর ও আরব সাগরকে যুক্ত করেছে বাব আল-মান্দেব প্রণালী।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি।

উৎস: World Atlas.
৩১০.
মহাসাগরীয় ভূত্বকের গড় গভীরতা কত?
  1. ০৫ কি.মি.
  2. ১০ কি.মি.
  3. ২০ কি.মি.
  4. ৩৫ কি.মি
সঠিক উত্তর:
০৫ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা

- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তা ‘ভূত্বক’ নামে পরিচিত।
- ভূত্বকের গড় গভীরতা ২০ কিমি।
- মহাসাগরীয় ভূত্বকের গড় গভীরতা ০৫ কিলোমিটার এবং মহাদেশীয় পৃষ্ঠে ভূত্বকের গড় গভীরতা ৩৫ কিমি।
- মহাদেশীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) দ্বারা গঠিত যা ‘সিয়াল’ (SiAl) স্তর নামে পরিচিত।
- মহাসাগরীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) দ্বারা গঠিত যা ‘সিমা’ (SiMg) স্তর নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)

৩১১.
বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
স্পারসো:
- বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটির ম্যান্ডেট হচ্ছে- কৃষি, বন, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অংকন, পানি সম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, পরিবেশ, ভূগোল, সমুদ্র বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা এবং উক্ত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
- মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, বন, সমুদ্রবিজ্ঞান, মহাকাশ ও বায়ুমন্ডল, পানিসম্পদ বিষয়ে গবেষণার দ্বারা নিজস্ব সক্ষমতা উন্নীতকরণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালীকরণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিবীক্ষণ ও পূর্বাভাস প্রদান করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

তথ্যসূত্র - স্পারসো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩১২.
জোয়ার-ভাটার কারণ কোনটি?
  1. সমুদ্রস্রোত ও বায়ুপ্রবাহ
  2. পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
  3. চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব।
  4. 'খ' এবং 'গ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'খ' এবং 'গ' উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' এবং 'গ' উভয়
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটার:
প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়। এগুলো হলো- 
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব এবং 
(২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।

উল্লেখ্য,
⇒ জোয়ার ও ভাটা (High Tide and Low Tide): সমুদ্র এবং উপকূলবর্তী নদীর জলরাশি প্রতিদিনই কোনো একটি সময়ে ঐ জলরাশি ধীরে ধীরে ফুলে উঠছে এবং কিছুক্ষণ পরে আবার তা ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে।
- জলরাশির এরকম নিয়মিত স্ফীতি এবং ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৩১৩.
আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা-
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. রাঙ্গামাটি
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

রাঙ্গামাটি:
- নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা ২২০- ২৭" ও ২৩০-৪৪" উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°- ৫৬" ও ৯২০- ৩৩" পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে - অবস্থিত।
- রাঙ্গামাটির উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম, দক্ষিণে বান্দরবান, পূর্বে মিজোরাম ও পশ্চিমে চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি।
- রাঙ্গামাটি জেলা আয়তনের দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ জেলা।
- দেশের একমাত্র রিক্সা বিহীন শহর, হ্রদ পরিবেষ্টিত পর্যটন শহর এলাকা।
- এ জেলায় চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, মুরং, বোম, খুমি, খেয়াং, চাক্, পাংখোয়া, লুসাই, সুজেসাওতাল, রাখাইন সর্বোপরি বাঙ্গালীসহ ১৪টি জনগোষ্ঠি -বসবাস করে।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান- এই তিন পার্বত্য অঞ্চলকে নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা সৃষ্টির পূর্বের নাম ছিল কার্পাস মহল।

এছাড়াও,
-পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা থেকে১৯৮১ সালে বান্দরবান এবং ১৯৮৩ সালে খাগড়াছড়ি পৃথক জেলা সৃষ্টি করা হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার  মূল অংশ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- প্রথাগত রাজস্ব আদায় ব্যবস্থায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় রয়েছে চাক্কা সার্কেল চীফ।
- চাক্কা রাজা হলেন নিয়মতান্ত্রিক চাকমা সার্কেল চীফ।

উৎস:  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।

৩১৪.
প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি কোনটি?
  1. বরেন্দ্রভূমি
  2. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  3. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
  4. লালমাই পাহাড়
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
→ আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
→ এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর। দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

 • নিম্নে এসব উচ্চভূমির বর্ণনা:
ক) বরেন্দ্রভূমি:
→ বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
→  এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
→ বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।

খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
→ টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
→ এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
→  সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
→ এখানকার মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়।
→ এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাব পরিচিত।

গ) লালমাই পাহাড়:
 → কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
→ এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
→ এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৫.
আফ্রিকা এবং ইউরোপ মহাদেশকে বিভক্তকারী প্রণালীর নাম কী?
  1. মালাক্কা প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বাব এল মান্দেব প্রণালী
  4. বেরিং প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
• জিব্রাল্টার প্রণালী :
- ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ,
- এটি স্পেন এবং আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।

• মালাক্কা প্রণালী :
- আন্দামান সাগর ( ভারত মহাসাগর ) এবং দক্ষিণ চীন সাগর ( প্রশান্ত মহাসাগর ) এর মধ্যে সংযোগকারী জলপথ ।
- এটি সুমাত্রা এবংমালয়েশিয়া পৃথক করে।

• বাব এল মান্দেব প্রণালী : 

- লোহিত সাগর এবং এডেন সাগর কে যুক্ত করে।
- আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশ কে বিভক্ত করে।

• বেরিং প্রণালী :
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ কে বিভক্ত করে।
-  প্রশান্ত মহাসাগর এবং  উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং worldatla
৩১৬.
ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদী -
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. বুড়িগঙ্গা
  3. বংশী
  4. ধরলা
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা
ধলেশ্বরী নদী:
- ধলেশ্বরী নদী টাঙ্গাইল জেলার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে যমুনা থেকে সৃষ্ট একটি শাখা নদী।
- নদীটির প্রবাহ সর্পিলাকৃতি এবং এর দুটি শাখা রয়েছে।
- প্রধান শাখাটি মানিকগঞ্জের উত্তর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মানিকগঞ্জের দক্ষিণে অপর শাখা কালীগঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- বুড়িগঙ্গা একসময় ধলেশ্বরীর একটি শাখা নদী ছিল এবং এর প্রবাহ পুনরায় ধলেশ্বরীতেই পতিত হতো।
- নারায়ণগঞ্জের কাছে ধলেশ্বরী শীতলক্ষ্যা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে এবং আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ষাটনলের কাছে মেঘনা নদীতে পতিত হয়ে এর নিজস্ব পরিচয় হারায়।
- নদীটির সর্বমোট দৈর্ঘ্য ১৬০ কিমি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩১৭.
‘পোর্ট ব্লেয়ার’-এর অবস্থান -
  1. ক) প্রশান্ত মহাসাগর
  2. খ) আটলান্টিক মহাসাগর
  3. গ) বঙ্গোপসাগর
  4. ঘ) কৃষ্ণসাগর 
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গোপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা
পোর্ট ব্লেয়ার

- ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ নামক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজধানী।
- বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। 
- মূল ভূ-খন্ড থেকে নৌ ও বিমান পথে যোগাযোগ আছে।
- ব্রিটিশ নৌসেনা অফিসার লেফটেন্যান্ট আর্চিবাল্ড ব্লেয়ারের নামে এই দ্বীপের নামকরণ করা হয়।


তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৩১৮.
ক্যাম্পস (Campos) কোন ধরনের ভূ-প্রকৃতি?
  1. তৃণভূমি
  2. মরুভূমি
  3. বনভূমি
  4. পাহাড়ি অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
তৃণভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃণভূমি
ব্যাখ্যা

ক্যাম্পস (Campos) তৃণভূমি:
- ক্যাম্পোস হলো দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি ক্রান্তীয় সাভানা তৃণভূমি অঞ্চল। 
- এর অবস্থান প্রধানত দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিল, উরুগুয়ে এবং আর্জেন্টিনা।
- এটি একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় বা ক্রান্তীয় সাভানা তৃণভূমি।
- এই অঞ্চলে বিস্তীর্ণ ঘাসের মাঠ, গুল্ম এবং কিছু গাছপালা দেখা যায়, যা বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসস্থল।
- ক্যাম্পস তৃণভূমি কৃষি ও পশুচারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বন বাস্তুতন্ত্রের তুলনায় বেশি বৈচিত্র্যময় এবং প্রায়শই পাম্পাস (Pampas) তৃণভূমির সাথে সংলগ্ন।

উৎস: Britannica.

৩১৯.
‘পুয়ের্তোরিকো ট্রেঞ্চ’ এর অবস্থান কোথায়?
  1. ভারত মহাসাগরে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. উত্তর মহাসাগরে
  4. আটলান্টিক মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
⇒ পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ হচ্ছে - আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের গভীরতম অংশ।

আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর মোট আয়তনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগর।
- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এই মহাসাগরের মোট আয়তন ১০৬.৪৬ মিলিয়ন (১০৬,৪৬০,০০০) বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা ১০ হাজার ৯২৫ ফুট।

- এর পশ্চিমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ এবং পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ।
- উত্তর দিকে ‘উত্তর মহাসাগর’ এবং দক্ষিণে ‘দক্ষিণ মহাসাগর’।
- রহস্যঘেরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গল (যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি সৈকত, পুয়ের্তো রিকো দ্বীপ ও বারমুডা দ্বীপের মাঝামাঝি অংশ) এই মহাসাগরেই।
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।
৩২০.
দক্ষিণ গোলার্ধে শীতলতম মাস কোনটি?
  1. জানুয়ারি
  2. এপ্রিল
  3. জুলাই
  4. ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই
ব্যাখ্যা
গোলার্ধ:
- নিরক্ষরেখা নামক একটি কাল্পনিক রেখা উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধকে বিভক্ত করে।
- বিষুবরেখাকে 0° অক্ষাংশও বলা হয়।
- এটি পৃথিবীর মাঝখানে পূর্ব এবং পশ্চিমে চলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তরে অবস্থিত স্থানগুলি উত্তর গোলার্ধের অংশ।
- নিরক্ষরেখার দক্ষিণে স্থানগুলি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

⇒ উত্তর গোলার্ধের মধ্যে রয়েছে উত্তর আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ার মূল ভূখণ্ড।
- আফ্রিকার প্রায় অর্ধেক এবং দক্ষিণ আমেরিকার একটি ছোট অংশও উত্তর গোলার্ধে রয়েছে।
⇒ আফ্রিকার বাকি অংশ, দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ অংশ এবং সমস্ত অস্ট্রেলিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

⇔ দক্ষিণ গোলার্ধ:
- দক্ষিণ গোলার্ধ হল পৃথিবীর দক্ষিণ অংশ।
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।

অন্যদিকে,
- উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জুলাই।
- উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস জানুয়ারি।

উৎস: i) Britannica.
ii) World atlas.
৩২১.
নিচের কোন জেলাতে প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমি রয়েছে?
  1. চাঁদপুর
  2. পিরোজপুর
  3. মাদারীপুর
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

⇒ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

• লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২২.
দেশজ উপাদান ব্যবহার করে আর্সেনিক মুক্ত করার পদ্ধতির আবিষ্কারক কে?
  1. ক) ড. এম.এ.বাশার
  2. খ) ড. আজাদ
  3. গ) ড. ইউনুস
  4. ঘ) ড. আবুল হুসসাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড. আবুল হুসসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড. আবুল হুসসাম
ব্যাখ্যা
ভূগর্ভস্থ আর্সেনিকযুক্ত পানি পরিশোধন যন্ত্র 'সনো ফিল্টার' আবিষ্কার করেন ড. আবুল হুসসাম। উৎসঃ প্রথম আলো
৩২৩.
শালবনের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. সেগুন
  2. গরান
  3. গজারি
  4. চাপালিশ
সঠিক উত্তর:
গজারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারি
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর ও গাজীপুর জেলার ভাওয়াল গড়ের বনভূমি ‘শালবন’ নামে পরিচিত। এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো ‘শাল বা গজারী’।
- এছাড়া অন্যান্য বৃক্ষের মধ্যে রয়েছে: বহেরা, হরিতকী, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
(তথ্যসূত্রঃ বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৩২৪.
'হার্ট আইল্যান্ড দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ইতালি
  2. ব্রিটেন
  3. জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
হার্ট আইল্যান্ড:
- হার্ট আইল্যান্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির অধীন একটি ছোট্ট দ্বীপ যা পাবলিক সেমিট্রি বা কবর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- নিউইয়র্ক সিটি কর্পোরেশন বেওয়ারিশ লাশ এখানে দাফন করে থাকে।
- ১৮৬৯ সাল থেকে হার্ট আইল্যান্ড বেওয়ারিশ লাশের সমাধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- করোনা ভাইরাসে মৃতদের মধ্যে অজ্ঞাতনামাদের হার্ট আইল্যান্ডে কবর দেওয়া হয়েছে।
- এ দ্বীপে প্রায় ১ মিলিয়ন বেওয়ারিশ মৃতের কবর দেওয়া হয়েছে।

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এবং সিএনএন পত্রিকা রিপোর্ট।
৩২৫.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের কারণ নয়?
  1. ভিত্তিশিলা চ্যুতি বা ফাটল বরাবর আকস্মিক ভূআলোড়ন হলে ভূমিকম্প হয়।
  2. আগ্নেয়গিরির লাভা প্রচন্ড শক্তিতে ভূঅভ্যন্তর থেকে বের হয়ে আসার সময়ও ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।
  3. ভূ-আলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলাচ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়।
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্পের কারণ:
⇒  ভূমিকম্পের কারণ অনুসন্ধানকালে বিজ্ঞানীরা লক্ষ করেন পৃথিবীর বিশেষ কিছু এলাকায় ভূকম্পন বেশি হয়। এ সমস্ত এলাকায় নবীন পর্বতমালা অবস্থিত। পৃথিবীর ব্যবচ্ছেদে দেখা যায় যে ভূ-ত্বক ৮টি বড় বড় টুকরা এবং ৬টি আঞ্চলিক টুকরা দ্বারা বিভক্ত। এগুলো টেকটনিক প্লেট নামে পরিচিত।
- ভূ-পৃষ্ঠে যেসব কারণে ভূমিকম্প হয়ে থাকে তার মধ্যে অন্যতম হলো এই প্লেটগুলোর বিভিন্ন রকমের স্থানান্তর বা বিচ্যুতি।

এছাড়াও অন্য যেসব কারণে ভূমিকম্প হয়:
• ভিত্তিশিলা চ্যুতি বা ফাটল বরাবর আকস্মিক ভূআলোড়ন হলে ভূমিকম্প হয়।
• আগ্নেয়গিরির লাভা প্রচন্ড শক্তিতে ভূঅভ্যন্তর থেকে বের হয়ে আসার সময়ও ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।
• ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ভূ-নিম্নস্থ শিলাস্তরে ভারের সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টির ফলে ভূকম্পন অনুভূত হয়।
• ভূ-আলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলাচ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়।
• এছাড়াও পাশাপাশি অবস্থানরত দুটি প্লেটের একটি অপরটির সীমানা বরাবর তলদেশে ঢুকে পড়ে অথবা অনুভূমিকভাবে আগে-পিছে সরে যায়। এ ধরনের সংঘাতপূর্ণ পরিবেশে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

⇒  উল্লেখিত প্রশ্নে চাওয়া হয়েভহে "নিচের কোনটি ভূমিকম্পের কারণ নয়?" এখানে 'ক' 'খ' 'গ' অপশনে তিনটাই ভূমিকম্পের কারণ দেওয়া আছে তাই সঠিক উত্তর 'ঘ'  "কোনটি নয়" হবে। 

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩২৬.
IPCC কত সালে গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯৫
  2. খ) ১৯৯০
  3. গ) ১৯৮৮
  4. ঘ) ১৯৬৮
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৮
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ৫ জুন জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP-United Nations Environment Programme) প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত। বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ডেনমার্কের ইনগার এন্ডারসন।
সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার তারিখ ৫ জুন প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয়। UNEP এবং WMO এর যৌথ উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC (Inter-governmental Panel on Climate Change) প্রতিষ্ঠিত হয়।
(সূত্রঃ UNEP ওয়েবসাইট)
৩২৭.
ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বতের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) ইউক্রেন
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ) জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
- ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বত জার্মানিতে অবস্থিত।
- উৎপত্তিগত ভাবে ব্ল্যাক ফরেস্ট চ্যুতি-স্তূপ জাতীয় পর্বত।
- এই পর্বত থেকে দানিয়ুব নদীর উৎপত্তি হয়েছে।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং ব্রিটানিকা)
৩২৮.
পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে ভূ-অভ্যন্তরের দিকে পৃথিবীর স্তরগুলো যথাক্রমে-
  1. কেন্দ্রমন্ডল, গুরুমন্ডল ও অশ্মমন্ডল
  2. কেন্দ্রমন্ডল, অশ্মমন্ডল ও গুরুমন্ডল
  3. গুরুমন্ডল, অশ্মমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল
  4. অশ্মমন্ডল, গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল
সঠিক উত্তর:
অশ্মমন্ডল, গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশ্মমন্ডল, গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর অভ্যন্তরের স্তর: 
ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ভূ-অভ্যন্তরের দিকে পৃথিবীকে তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে গঠন প্রকৃতি ও উপাদানের ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে। এগুলো হচ্ছে-ঃ
• অশ্মমন্ডল বা ভূ-ত্বক (Earth crust)
• গুরুমন্ডল (Mantle)
• কেন্দ্রমন্ডল (Core)
যা পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে ভূ-অভ্যন্তরের দিকে পৃথিবীর স্তরগুলো যথাক্রমে-অশ্মমন্ডল, গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল।

- অশ্মমন্ডল: ভূ-ত্বক পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বাইরের আবরণ যা কঠিন এবং ভূ-পৃষ্ঠ গঠন করেছে। স্তর তিনটির মধ্যে সবচেয়ে ওপরের স্তর যেটি গুরুমন্ডলের ওপরে অবস্থিত সেটিকেই অশ্মমন্ডল বলে।
-এটাই পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণ।
-এটি নানা প্রকার শিলা ও খনিজ উপাদান দ্বারা গঠিত।
- গুরুমন্ডল: কেন্দ্র মন্ডলের বহিঃভাগ থেকে অশ্বমন্ডলের (ভূ-ত্বকের) নিম্ন স্তর পর্যন্ত বিস্তৃত স্তরকে গুরুমন্ডল বলে।
- কেন্দ্রন্ডল: পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬,৪৩৪ কি.মি.। পৃথিবীর কেন্দ্রের চারিদিকে প্রায় ৩,৪৮৬ কি.মি. ব্যাসার্ধের এক গোলক অবস্থিত। এই গোলকটির নাম দেয়া হয়েছে কেন্দ্রমন্ডল। অন্তঃকেন্দ্র ও বহিঃকেন্দ্রকে একত্রে কেন্দ্রন্ডল বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৯.
কোন ধরনের দূষণে প্রতিবছর বিশ্বে সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ মারা যায়?
  1. ক) ‍মৃত্তিকা দূষণ
  2. খ) বায়ু দূষণ
  3. গ) শব্দ দূষণ
  4. ঘ) পানি দূষণ
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ু দূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ু দূষণ
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে প্রতিবছর সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ মারা যায় বায়ুদূষণের কারণে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বিশ্বে প্রতিবছর মোট মৃত্যুবরণকারী প্রতি ৮ জনের ১ জন মারা যায় বায়ুদূষণের ফলে।
- বায়ুদূষণের ফলে মানুষের মাথাপিছু গড় আয়ুষ্কাল ২.৯ বছর হ্রাস পাচ্ছে।
(তথ্যসূত্রঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট)
৩৩০.
বিশ্বের গভীরতম হ্রদের নাম কী?
  1. বৈকাল
  2. লেক সুপিরিয়র
  3. কাম্পিয়ান
  4. চিলকা
সঠিক উত্তর:
বৈকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈকাল
ব্যাখ্যা
বৈকাল: 
- বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন আর গভীরতম সুপেয় পানির হ্রদ বৈকাল।
- আয়তনের দিক থেকেও এটি বৃহত্তম।
- এর আয়তন প্রায় ১২,২০০ বর্গমাইল (৩১,৫০০ বর্গকিলোমিটার)। 
- আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম মিঠা পানির হ্রদ, যেখানে পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ মিঠা পানি রয়েছে। 
- এই হ্রদের অবস্থান রাশিয়ার সাইবেরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায়।
- প্রকৃতির অনন্য সৃষ্টি এই বৈকাল হ্রদকে ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান দেয় ইউনেস্কো।
- রুশদের কাছে বৈকাল ‘সাইবেরিয়ার মুক্তা’ নামে পরিচিত। পৃথিবীর ১৯ ভাগ বিশুদ্ধ পানি এই হ্রদে রয়েছে।
- বৈকালে পানি রয়েছে ২৩ হাজার কিউবিক কিলোমিটার, যা যুক্তরাষ্ট্রের সব কটি বড় হ্রদের মোট পানির চেয়ে বেশি।

উৎস: Britannica.
প্রথম আলো
৩৩১.
‘দেবতাখুম’ কোথায় অবস্থিত?
  1. আলীকদম
  2. রোয়াংছড়ি
  3. লামা
  4. বাঘাইছড়ি
সঠিক উত্তর:
রোয়াংছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোয়াংছড়ি
ব্যাখ্যা
দেবতাখুম:
- দেবতাখুম বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত।
- খুম অর্থ হচ্চে জলাধার।
- দেবতাখুম মূলত তারাছা খালের একটি অংশ, যার দুই পাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এবং গভীর পানির পাথুরে জায়গা।

⇒ বান্দরবানে ছোট বড় অনেক খুম আছে, যেমন থানচির আমিয়াখুম, ভেলাখুম ইত্যাদি। 
- এই খুমের দুইপাশে রয়েছে বিশাল জঙ্গল।
- উঁচু পাহাড়ের কারণে খুমের ভিতর সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছায় না, তাই খুমের যত ভিতরে যাওয়া যায় ততই শীতল মনে হয়।
- জায়গাটি খুব শান্ত এবং কোলাহলমুক্ত।
- এর পানিও বেশ স্বচ্ছ।
- বাঁশের ভেলায় চেপে এই খুমের ভিতর যাওয়ার সময় পর্যটকদেরকে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি দেয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো।
৩৩২.
কোন দেশটি ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. বাহরাইন
  2. আর্মেনিয়া
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. আলজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা
• পশ্চিম এশিয়ার দেশ:
→ পশ্চিম এশিয়া এশিয়ার একটি উপ-অঞ্চল যা মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার পশ্চিমে, পূর্ব ইউরোপের দক্ষিণে, দক্ষিণ ইউরোপের পূর্বে এবং আফ্রিকার উত্তরে অবস্থিত।
→ পশ্চিম এশিয়ায় ১৮টি দেশ রয়েছে।
→ আরব এবং তুর্কি পশ্চিম এশিয়ার দুটি বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী।
→ পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে জনবহুল দেশ তুরস্ক। 
→ সবচেয়ে কম জনবহুল সাইপ্রাস।
→ পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে উত্তরের অঞ্চল হল ককেশাস, যেখানে বর্তমান জর্জিয়া, আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান অবস্থিত।
→ ককেশাসের দক্ষিণ-পশ্চিমে হচ্ছে আনাতোলিয়া, যা এশিয়া মাইনর নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩৩৩.
পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বেশি গম উৎপাদনকারী দেশ -
  1. চীন
  2. ইউক্রেন
  3. রাশিয়া
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
সর্বাপেক্ষা বেশি গম উৎপাদনকারী দেশ:
- পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বেশি গম উৎপাদনকারী দেশ চীন।
- চীন প্রতি বছর প্রায় ১৩৬ মিলিয়ন টন গম উৎপাদন করে, যা পৃথিবীর মোট গম উৎপাদনের প্রায় ১৭%।

⇒ গম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ:
- শীর্ষ দেশ: চীন।
- ২য় দেশ: ভারত।
- ৩য় দেশ: রাশিয়া।
- ৪র্থ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- ৫ম দেশ: কানাডা।

উৎস: USDA Foreign Agricultural Service (.gov) [link]
৩৩৪.
বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?
  1. মাধ্যাকর্ষণের কেন্দ্রে বায়ুর অস্তিত্ব
  2. সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর প্রবাহ মাত্রা
  3. ভূ-পৃষ্ঠ ও তার চারিদিকের বায়বীয় আবরণ
  4. বায়ুর উর্ধ্বমুখী চাপ
সঠিক উত্তর:
ভূ-পৃষ্ঠ ও তার চারিদিকের বায়বীয় আবরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূ-পৃষ্ঠ ও তার চারিদিকের বায়বীয় আবরণ
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত আছে তাকে বায়ুমন্ডল বলে।
- বায়ুমণ্ডলের গভীরতা প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার।
বায়ুমণ্ডলের একটির উপর আরেকটি স্তর আছে। ভূ-পৃষ্ঠের কাছাকাছি বা সমুদ্রপৃষ্ঠে এই বায়ুচাপের ঘনত্ব বেশি ও উর্ধ্বদিকে এই ঘনত্ব কমতে থাকে।

- বায়ুমণ্ডলের উপাদান মূলত বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণ।
- বায়ুমণ্ডলের এই সব গ্যাসীয় উপাদানের মধ্যে শুদ্ধ উপাদান হলো অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন, বাকী উপাদান হলো কৃত্রিম বা অশুদ্ধ উপাদান।
- এই সব গ্যাসীয় উপাদান, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকাসমূহ বায়ুমন্ডলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৫.
'SPARRSO' কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  2. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. জলবায়ু ও দুর্যোগ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• SPARRSO:
- SPARRSO এর পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organization.
- স্পারসো হলো একটি রাষ্ট্রীয় সংস্থা যা জ্যোতির্বিদ্যা গবেষণা এবং বাংলাদেশে মহাকাশ প্রযুক্তির প্রয়োগের সাথে জড়িত।
- স্পারসো পরিবেশগত এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত গবেষণায় JAXA, NASA এবং ESA-এর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।
- স্পারসো হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সংস্থা।
- এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস দিতে কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- কোম্পানিটি ল্যান্ডস্যাট এবং এনওএ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে ভূমি জরিপ চালায়।
- বাংলাদেশের স্যাটেলাইট চিত্র স্পারসো-এর তত্ত্বাবধানে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৩৬.
কোন সালের ভূমিকম্পের ফলে যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ১৭৮৬ সালে
  2. খ) ১৭৮৭ সালে
  3. গ) ১৭৮৮ সালে
  4. ঘ) ১৭৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
যমুনা নদী (Jamuna): 
- ব্রহ্মপুত্র একসময় বিশাল স্রোতধারা নিয়ে ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ।
- আজকের চঞ্চলা যমুনা নদীও ছিল ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।
- মূলত ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্রের স্রোতধারা দেওয়ানগঞ্জের কাছে এসে ওই শীর্ণকায় খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- সেটিই আজকের যমুনা নদী। 
- এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়। 
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। 
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা। 
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৩৭.
আরব সাগর ও লোহিত সাগরের মধ্যস্থিত প্রণালীর নাম -
  1. জিব্রাল্টা
  2. হরমুজ
  3. বাব-এল মান্দেব
  4. পক প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বাব-এল মান্দেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব-এল মান্দেব
ব্যাখ্যা
বাব এল মান্দেব প্রণালী (Bab el-Mandeb Strait):
- বাব এল মান্দেব লোহিত সাগরে অবস্থিত একটি প্রণালী।
প্রণালীটি -
- পৃথক করে -- এশিয়া (ইয়েমেন) - আফ্রিকা (জিবুতি ও ইরিত্রিয়া)
- সংযুক্ত করে -- এডেন সাগর (আরব সাগর) ও লোহিত সাগর।

উৎসঃ ব্রিটানিকা
৩৩৮.
ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) ৭ জানুয়ারি, ১৯৯৫
  2. খ) ২ নভেম্বর, ১৯৯৬
  3. গ) ২৮ অক্টোবর, ১৯৯৭
  4. ঘ) ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- বাংলাদেশ অংশে সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গ কি.মি.।
- সমগ্র সুন্দরবন খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে বিস্তৃত।

- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯ সনে নীলকমলে World Heritage Site-এর নামফলক উন্মোচন করেন।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সনের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।
৩৩৯.
সম্প্রতি, হালদা নদীকে ‘মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হয় কবে?  
  1.  ৫ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  3. ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
  4. ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
 ৫ নভেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ৫ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

- হালদা নদীকে নতুন করে ‘মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করেছে সরকার। 
- দেশে স্বাদুপানির মৎস্য খাতে অনন্য অবদান রাখা চট্টগ্রামের এ নদীটিকে দ্বিতীয়বারের মতো হেরিটেজ ঘোষণা করে ৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে গেজেট প্রকাশ করে সরকার।

• মৎস্য হেরিটেজ:
- গেজেট অনুযায়ী হালদা থেকে কোনো প্রকার মাছ ও জলজ প্রাণী ধরা বা শিকার করা যাবে না।

- একইসঙ্গে এ নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ১৭টি খালে ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
- তবে মৎস্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে নির্দিষ্ট সময়ে মাছের নিষিক্ত ডিম আহরণ করা যাবে।

- ‘মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণার গেজেট অনুযায়ী হালদা নদীর প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসস্থল ধ্বংসকারী কার্যকলাপ রহিত করা ছাড়াও ভূমি ও পানির বৈশিষ্ট্য নষ্ট হয় এমন কাজ করা যাবে না।
- মাছ, ডলফিন ও জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর কাজ, নদীর চারপাশে বসতবাড়ি, শিল্প ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ও তরল বর্জ্য নির্গমন, নদীর বাঁক কেটে সোজা করাসহ নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ১৭টি খালে প্রজনন মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-জুলাই) মৎস্য আহরণ করা যাবে না।

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা।

৩৪০.
বাংলাদেশে সংঘটিত বন্যার রেকর্ড অনুযায়ী (১৯৭১-২০০৭) কোন সালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা প্লাবিত হয়? 
  1. ১৯৭৪
  2. ১৯৮৮
  3. ১৯৯৮
  4. ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood):
- বন্যা বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- ধরণ ও প্রকৃতি অনুযায়ী বন্যাকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: মৌসুমী বন্যা, আকস্মিক বন্যা, উপকূলীয় বন্যা এবং নগর বন্যা।

⇒ মৌসুমী বন্যা:
- বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয় তাকে মৌসুমী বন্যা বলে।
- কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে মৌসুমী বন্যা তেমন ক্ষতি করে না তবে কখনো কখনো মারাত্মক ক্ষতিকর রূপ ধারণ করে।
- মৌসুমী বন্যার মাত্রা স্বভাবিক হলে ফসল উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০০০, ২০০৪ ও ২০০৭ সালে সংঘটিত বন্যার প্রভাব সবচেয়ে ব্যাপক ছিলো।
- ১৯৮৮ সালে পানি ১১২ সেন্টিমিটার ও ১৯৯৮ সালে বিপদসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে বন্যার সৃষ্টি করেছিল।

এছাড়াও,
- গঙ্গা তথা পদ্মার পানি ১৯৮৮ সালে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৬২ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- ১৯৯৮ সালের বন্যায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৯৪ সেন্টিমিটার উপরে ছিল।
- ১৯৮৮ সালের বন্যায় মেঘনা নদীর ভৈরব বাজার পয়েন্টে পানির উচ্চতা বিপদসীমার ১৮১ সেন্টিমিটার উপরে ছিল এবং ১৯৯৮ সালে সেটি ১০৮ সেন্টিমিটার উপরে দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- ১৯৮৮ সালে যেটা হয়েছিল যে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র দুটো নদীর পানির উচ্চতা একসঙ্গে বেড়ে গিয়েছিল।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের ৬১% ও ১৯৯৮ সালে ৬৮% এলাকা পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। 

⇔ তাই বলা যায়, ১৯৯৮ সালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা প্লাবিত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) ২৪ অগাস্ট ২০১৭, BBC।
৩৪১.
বৈরাগীর ভিটা' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) জামালপুর
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ক) বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বগুড়া
ব্যাখ্যা
• বৈরাগী ভিটা বগুড়া মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- এটি আনুমানিক ২৫০০ বছর পুরনো।
- সম্প্রতি এই ভিটায় ১৪০০ বছর আগের একটি স্থাপনার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- এর পূর্বেও এখানে তিনটি বৌদ্ধমন্দিরের সন্ধান পাওয়া যায়।

সূত্র: দৈনিক নয়াদিগন্ত।
৩৪২.
'তাকলামাকান মরুভূমি' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
ঘ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
তাকলামাকান মরুভূমি মধ্য এশিয়ার অন্তর্গত চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে অবস্থিত এবং বিশ্বের বৃহত্তম বালুকাময় মরুভূমিগুলির মধ্যে অন্যতম।
•বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান - 
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান।
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
৩৪৩.
মহানন্দা নদীর উপনদী কোনটি?
  1. তিস্তা
  2. পুনর্ভবা
  3. গাঙ্গিনা
  4. হাড়িভাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
পুনর্ভবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনর্ভবা
ব্যাখ্যা
মহানন্দা (Mahananda):
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তি হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত দার্জিলিং জেলার নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বতে।
- জলপাইগুড়ি জেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের সর্বত্র উত্তরের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা দিয়ে প্রবেশ করেছে।
- এরপর বাংলাবান্ধা থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বরাবর প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করেছে।
- অত:পর ভারতের পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চাপাইনবাবগঞ্জের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করে গোদাগাড়ির কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে।
- মহানন্দার উপনদী পুনর্ভবা, নাগর, কুলিক, ট্যাংগন, পাগলা প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৪.
বাংলাদেশের কোথায় ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি রয়েছে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. টাঙ্গাইল 
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট 
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল 
ব্যাখ্যা

  • ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক)ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ)দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩৪৫.
'তাজিংডং' বা 'বিজয়' কোথায় অবস্থিত?
  1. নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান
  2. আলীকদম, বান্দরবান
  3. থানচি, বান্দরবান
  4. রুমা, বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
রুমা, বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুমা, বান্দরবান
ব্যাখ্যা
তাজিংডং:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়। একত্রে বড় পাহাড় বা তাজিংডং।
- বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় এর অবস্থান।
- তাজিংডং পর্বতের উচ্চতা প্রায় ১২৩১ মিটার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন দৈনিক কালের কন্ঠ, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭।
৩৪৬.
নিচের কোনটি ম্যানগ্রোভ বনের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) শৃঙ্খলাবদ্ধ ইকোসিস্টেম
  2. খ) লবনাক্ত সমতলভূমি
  3. গ) জোয়ার ভাটা
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- ম্যানগ্রোভ বন (Mangrove forest), জোয়ারভাটায় বিধৌত লবনাক্ত সমতলভূমি।
- উষ্ণমন্ডলীয় ও উপ-উষ্ণমন্ডলীয় অক্ষাংশের আন্তপ্লাবিত আবাসস্থলের সমন্বয়ে ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেম গঠিত।
- এ আন্তপ্লাবিত জলাভূমি বিভিন্ন স্তরের পারষ্পরিক নির্ভরশীল উপাদানসমূহ যেমন- পানি প্রবাহ, পলি, পুষ্টি উপাদান, জৈব পদার্থ এবং জীবজন্তুর সমন্বয়ে গঠিত।
- বাংলাদেশের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৩৪৭.
নিম্নের কোন দেশ কৃষ্ণ সাগরের তীরে অবস্থিত নয়?
  1. বুলগেরিয়া
  2. গ্রীস
  3. ইউক্রেন
  4. জর্জিয়া
সঠিক উত্তর:
গ্রীস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীস
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণ সাগর একটি প্রাকৃতিক অভ্যন্তরীণ জলের অববাহিকা যা ইউরোপ এবং এশিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
ছয়টি দেশ কৃষ্ণ সাগরের তীরে অবস্থিত :
- বুলগেরিয়া,
- জর্জিয়া,
- রোমানিয়া,
- রাশিয়া,
- তুরস্ক এবং
- ইউক্রেন।

অন্যদিকে, গ্রীস এজিয়ান সাগরের তীরে অবস্থিত।

উৎস: www.bsnn.org
৩৪৮.
‘চিকেনস নেক' নামে পরিচিত নিচের কোনটি?
  1. তিন বিঘা করিডোর
  2. শিলিগুড়ি করিডোর
  3. মানবিক করিডোর
  4. সেভেন সিস্টার্স
সঠিক উত্তর:
শিলিগুড়ি করিডোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিলিগুড়ি করিডোর
ব্যাখ্যা

শিলিগুড়ি করিডোর:
- শিলিগুড়ি করিডোর ভারতের অন্তর্গত পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র ভূখণ্ড।
- এই করিডোর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাকি দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
- এই করিডোর অনেকটা বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো দেখায় বলে, তা ‘চিকেনস নেক' নামেও পরিচিত।
- এ ভূখণ্ডের প্রস্থ প্রায় ২১-৪০ কিমি।
- এটি ভারতের একমাত্র অংশ, যা চারটি ভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্ত।
- এর দুপাশে নেপাল, বাংলাদেশ এবং রাজতান্ত্রিক ভুটান করিডোরের উত্তর দিকে অবস্থিত।
- ১৯৪৭ এর দেশভাগের সময় বৃহত্তর বাংলা প্রদেশ দ্বিখণ্ডিত হলে এই শিলিগুড়ি করিডোরের সৃষ্টি হয়।
- এই সংকীর্ণ করিডোরটির মাধ্যমে নয়াদিল্লির পক্ষে উত্তর–পূর্ব ভারতের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি রিপোর্ট, ব্রিটানিকা।

৩৪৯.
সিমা (Sima) স্তর কোথায় দেখা যায়?
  1. ভূত্বক
  2. গুরুমণ্ডল
  3. কেন্দ্রমণ্ডল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভূত্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূত্বক
ব্যাখ্যা
ভূত্বক (Earth's Crust):
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূঅভ্যন্তরের অন্যান্য স্তরের তুলনায় ভূত্বকের পুরুত্ব সবচেয়ে কম; গড়ে ২০ কিলোমিটার।
- ভূত্বক তলদেশে তা গড়ে মাত্র ৫ কিলোমিটার পুরু।
- সিয়াল (Sial) স্তর: সাধারণভাবে মহাদেশীয় ভূত্বকের এ স্তরকে সিয়াল (Sial) স্তর বলে, যা সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (AI) দ্বারা গঠিত।
- সিমা (Sima) স্তর: এটি সিয়াল স্তরের তুলনায় ভারী এবং এর প্রধান খনিজ উপাদান সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত।
- অনুমান করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ ও গভীর সমুদ্র তলদেশে বিদ্যমান।
- ভূত্বকের উপরের ভাগেই বাহ্যিক অবয়বগুলো দেখা যায়। যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমি ইত্যাদি।
- ভূত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৫০.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কী?
  1. মহেশখালী
  2. হাতিয়া
  3. সন্দীপ
  4. সেন্টমার্টিন
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
৩৫১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে কম আদ্রতার স্থান কোনটি?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) নাটোর
  3. গ) পাবনা
  4. ঘ) পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
গ) পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাবনা
ব্যাখ্যা
বার্ষিক গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিসীমাটি হল কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ৭৮.১% থেকে পাবনায় সবনিম্ন ৭০.৫% পর্যন্ত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৩৫২.
বাংলাদেশের কোথায় প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়?
  1. বরিশাল
  2. কুষ্টিয়া
  3. টাঙ্গাইল
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় যথা:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং 
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
• এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
• দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি,মধ্যভাগের টাঙ্গাইলের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। 


 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৩.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের খরস্রোতা নদী?
  1. গোমতী নদী
  2. মেঘনা নদী
  3. যমুনা নদী
  4. কর্ণফুলী নদী
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী নদী
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী নদী:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রধান নদী।
- এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড়ে শুরু হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।
- এই নদীর মোহনাতে বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরচট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত।
- এই নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী।
- এটি বাংলাদেশের অন্যতম খরস্রোতা নদী। 
- প্রধান উপনদী হলো কাসালং, হালদা, বোয়ালখালী।
- কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৫৪.
ভ্লাদিমির কোপেন জলবায়ু অঞ্চলকে কয়টি ভাগে ভাগ করেন?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
ভ্লাদিমির কোপেনের জলবায়ু শ্রেণিবিভাগ:
- প্রতি মাসের এবং বছরের গড় আবহাওয়া এবং শীত ও গ্রীষ্মের তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও শুষ্কতার মাত্রার উপর ভিত্তি করে ভ্লাদিমির কোপেন ১৯০১ সালে প্রথম পৃথিবীর জলবায়ুর শ্রেণিবিভাগ প্রকাশ করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৩৬ সালে সংশোধনের পর চূড়ান্তভাবে এই শ্রেণিবিভাগ প্রকাশিত হয়।
- প্রাকৃতিক উদ্ভিদকে সামগ্রিক জলবায়ুর বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ধরে এই শ্রেণিবিভাগ করা হয়।
- গড় মাসিক তাপমাত্রা ও প্রধান উদ্ভিজ্জ অঞ্চলকে মূল্যায়ন করে কোপেন জলবায়ু অঞ্চলকে ৫ ভাগে ভাগ করে ইংরেজি বর্ণমালার A থেকে E পর্যন্ত নাম দেন।

তথ্যসূত্র: (পৃষ্ঠা নং ১৪৯) ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৫.
আবহাওয়ার উপাদান নয় কোনটি?
  1. বারিপাত
  2. বায়ুর তাপ
  3. বায়ুর চাপ
  4. সমুদ্রস্রোত
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রস্রোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রস্রোত
ব্যাখ্যা
• আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো: 
- বায়ুর তাপ, 
- বায়ুর চাপ, 
- বায়ু প্রবাহ, 
- বায়ুর আর্দ্রতা, 
- বারিপাত বা বৃষ্টিপাত।

অন্যদিকে,
- সমুদ্রস্রোত ও ভূমির ঢাল আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামক।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি। 
৩৫৬.
কোন ধরনের বৃষ্টিপাতের কারণে তিব্বতের মালভূমি বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. পরিচলন বৃষ্টি
  2. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  3. বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
  4. ঘূর্ণি বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain):
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি গমনপথে কোনো উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পায়, তাহলে ঐ বায়ু উপরের দিকে উঠে যায়।
- তখন জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে (Windward slope) বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এরূপ বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- পর্বত অতিক্রম করে ঐ বায়ু যখন পর্বতের অপর পার্শ্বে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে (Leeward slope) এসে পৌঁছায়, তখন জলীয়বাষ্প কমে যায়।
- এছাড়া নিচে নামার ফলে ঐ বায়ু উষ্ণ ও আরও শুষ্ক হয়। এ দুটো কারণে এখানে বৃষ্টি বিশেষ হয় না।
- এরূপ প্রায় বৃষ্টিহীন স্থানকে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল (Rain-shadow region) বলে।
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু হিমালয় পর্বতে বাধা পেয়ে আসাতে প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- কিন্তু তার উত্তর দিকে অবস্থিত তিব্বতের মালভূমিকে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৫৭.
বিখ্যাত 'মোজাবে মরুভূমি' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) উত্তর আমেরিকা
  2. খ) উত্তর আফ্রিকা
  3. গ) দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
মোজাবে মরুভূমি উত্তর আমেরিকার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাংশ জুড়ে অবস্থিত এবং কিছু অংশ নেবাদা, এরিজোনা, উতাহ অঙ্গরাজ্য জুড়ে বিস্তৃত। 

বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান:
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা
- আতাকামা মরুভূমি : চিলি
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি : চিলি, আর্জেন্টিনা।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৩৫৮.
আল্পস পর্বতমালা কোথায় অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকায়
  2. উত্তর আমেরিকায়
  3. দক্ষিণ ইউরোপে
  4. পূর্ব ইউরোপে
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ ইউরোপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ ইউরোপে
ব্যাখ্যা
আল্পস পর্বত:
- আল্পস পর্বত ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি একটি বিস্তৃত পর্বতমালা যা দক্ষিণ-মধ্য ইউরোপে অবস্থিত।
- অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লিচেনস্টাইন, মোনাকো, স্লোভেনিয়া এবং সুইজারল্যান্ড নামে আটটি আল্পাইন দেশ জুড়ে রয়েছে এই পর্বতমালা।
- আল্পস পর্বতশ্রেণী প্রায় ১,২০০ কিমি অর্ধচন্দ্রাকার আকারে বিস্তৃত।

উল্লেখ্য,
- আল্পস এক ধরনের ভঙ্গিল পর্বত।
- আল্পস পর্বতমালাকে তিনটি বিস্তৃত ভাগে ভাগ করা যায়: পূর্ব, মধ্য এবং পশ্চিম আল্পস।
- এটি একটি অবিচ্ছিন্ন পর্বতশ্রেণী এবং বিভিন্ন উচ্চতা এবং গভীরতার অসংখ্য চূড়া এবং উপত্যকা নিয়ে গঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের ভ্যালাইস ক্যান্টনে অবস্থিত ২২.৬ কিমি দীর্ঘ আলেচ হিমবাহটি আল্পসের বৃহত্তম হিমবাহ।
- এই পর্বতমালা দক্ষিণ ফ্রান্সের মোনাকোর কাছে ভূমধ্যসাগরের উত্তর থেকে সুইজারল্যান্ড, তারপর উত্তর ইতালি হয়ে দক্ষিণ জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে।
- আল্পস পর্বতশ্রেণি আলবেনিয়ায় রুক্ষ অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূলে শেষ হয়েছে।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৯.
সুয়েজ খাল কোন দুইটি মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. ইউরোপ ও এশিয়া
  2. আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকা
  3. উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা
  4. এশিয়া ও আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খালের অবস্থান সিনাই উপদ্বীপ, মিশর।
- এর খনন কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে।
- সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা হয়েছে ১৮৬৯ সালে।
- এর দৈর্ঘ্য ১৯৩ কি.মি।
- সুয়েজ খাল মিশর জাতীয়করণ করে ১৯৫৬ সালে।
- সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে - ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে।
- সুয়েজ খাল পৃথক করেছে - এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩৬০.
মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলের শীতলতম মাস কোনটি?
  1. জানুয়ারি
  2. জুন 
  3. জুলাই
  4. ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

মৌসুমি জলবায়ু:
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু।
- ক্যারিবিয়ান সাগর, পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপসমূহের দেশগুলো, পূর্ব আফ্রিকা, পূর্ব ব্রাজিল, উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ চীন ও জাপান, থাইল্যান্ড, কম্পুচিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার অর্থাৎ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও মেক্সিকো উপসাগরের উপকূলবর্তী দেশসমূহ, লাওস, মালাগাছি দ্বীপও এই জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
- মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অধিক গরম ও শীতকালে শীত পড়ে। জুলাই মাস সবচেয়ে বেশি গরম ও জানুয়ারি মাসে বেশি শীত পড়ে। গ্রীষ্মকাল আর্দ্র ও শীতকাল শুষ্ক এই জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য। গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা গড়ে ২৭° সে. এর বেশি থাকে এবং শীতকালীন গড় তাপমাত্রা ১০ সে. থেকে ২২° সে. এর মধ্যে থাকে। শীত ও গ্রীষ্মে তাপমাত্রার পার্থক্য ৫° সে. থেকে ১০° সে. হয়।

- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ বলয় থেকে আসা দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু এশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যায়। এই বায়ুকেই বলা হয় উত্তর গোলার্ধের মৌসুমি বায়ু। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়। কারণ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

- আবার শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের মকরক্রান্তির নিকট অবস্থান করায় সেখানে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। উত্তর গোলার্ধের স্থলভাগ শীতল হওয়ার জন্য সেস্থানে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয়। উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে বায়ু দক্ষিণে নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই তাকে বলা হয় উত্তর পূর্ব মৌসুমি বায়ু এবং স্থলভাগে প্রবাহিত হয় বলে এই বায়ু জলীয়বাষ্পহীন।

- মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত বেশি হয় কিন্তু শীতকাল শুষ্ক থাকে। গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত ১২৫ সে.মি. থেকে ২০০ সে.মি.। তবে অতিবৃষ্টি, বন্যা, খরাও এই জলবায়ু অঞ্চলে দেখা যায়। কখনো কখনো পর্বতের ঢালে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে বায়ু উপরে উঠে যায় ফলে বৃষ্টিপাত হয়।

- এই জলবায়ু অঞ্চলে উর্বর ভূমি ও পলিমাটি কৃষিকাজের জন্য উপকারী। উর্বর মাটি ও বৃষ্টিপাত, পর্যাপ্ত সূর্যালোক মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে পর্ণমোচী ও চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমির বিস্তার ঘটায়। চিরহরিৎ বৃক্ষের বনাঞ্চলে ২০০ সে.মি এর বেশি বৃষ্টিপাত হয় এবং তৃণভূমি অঞ্চলে ৫° সে.মি থেকে ১০০ সে.মি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬১.
ভূমিকম্প বিবেচনায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ জেলা -
  1. ঢাকা
  2. সিলেট
  3. বরিশাল
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:
- ভূপৃষ্ঠের টেকটোনিক প্লেটগুলো একে অপরের সঙ্গে পাশাপাশি লেগে থাকে।
- কোনো কারণে এগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ হলেই তৈরি হয় শক্তি।
- এই শক্তি সিসমিক তরঙ্গ আকারে ছড়িয়ে পড়ে। যদি তরঙ্গ শক্তিশালী হয়, তাহলে সেটি পৃথিবীর উপরিতলে এসে পৌঁছায়।
- আর সেখানে পৌঁছানোর পর শক্তি অটুট থাকলে সেটা ভূত্বককে কাঁপিয়ে তোলে। এই কাঁপুনিই ভূমিকম্প।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র (Centre বা Focus) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।
- ভূমিকম্প নির্ণয় যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।

⇒ ২০২০ সালে 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।
- অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।

উৎস: i) ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৩৬২.
বিশ্বের দীর্ঘতম অবসামুদ্রিক উপবদ্বীপ কোনটি?
  1. Sunda Trench
  2. Eighty-five Ridge
  3. Bengal Fan
  4. Ganga Trough
সঠিক উত্তর:
Bengal Fan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bengal Fan
ব্যাখ্যা
- বঙ্গীয় গভীর সমুদ্র উপবদ্বীপ (Bengal Deep Sea Fan)  বিশ্বের দীর্ঘতম অবসামুদ্রিক উপবদ্বীপ বঙ্গীয় উপবদ্বীপ যা Bengal Fan নামেও পরিচিত।
- পশ্চিম প্রান্তীয় অঙ্গ নিকোবর উপবদ্বীপ (Nicobar fan) সহ এর মোট আয়তন ৩ × ১০৬ বর্গ কিমি।
- বঙ্গীয় উপবদ্বীপ ২,৮০০ থেকে ৩,০০০ কিমি দীর্ঘ, ৮৩০ থেকে ১,৪৩০ কিমি প্রশস্ত এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের তলদেশে ১৬ কিলোমিটারেরও অধিক পুরু।
- বদ্বীপীয় সম্মুখখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের মধ্য দিয়ে পলিরাশি এই উপবদ্বীপে সঞ্চিত হয়।
- বঙ্গীয় গভীর সমুদ্র উপবদ্বীপকে তিনটি অংশে বিভক্ত করা যায়:
- উচ্চতর উপবদ্বীপ (upper fan), মধ্যবর্তী উপবদ্বীপ (middle fan) এবং নিম্নতর উপবদ্বীপ (lower fan)। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৩৬৩.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইদ জামাত কোথায় হয়?
  1. ক) বায়তুল মোকাররম মসজিদ
  2. খ) জাতীয় ইদগাহ
  3. গ) শোলাকিয়া ইদগাহ
  4. ঘ) শাহ মখদুম মসজিদ
সঠিক উত্তর:
গ) শোলাকিয়া ইদগাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শোলাকিয়া ইদগাহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইদ জামাত কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়।
তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
৩৬৪.
বরেন্দ্র বলতে কোনটি বোঝায়?
  1. পূর্ববঙ্গ
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. উত্তরবঙ্গ
  4. দক্ষিণবঙ্গ
সঠিক উত্তর:
উত্তরবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরবঙ্গ
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্র:
- বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রী উত্তর বঙ্গের প্রাচীন জনপদ পুন্ড্র বা পুণ্ড্রবর্ধনের সঙ্গে সমবিস্তৃত একটি প্রাচীন ভৌগোলিক অঞ্চল।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগীয় ভূগঠন বারিন্দ ভূভাগে অবস্থিত।
- বরেন্দ্র জনপদ বলতে রাজশাহী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর এই অংশকে বোঝায়।
- কানিংহাম বরেন্দ্রর সীমানা পশ্চিমে গঙ্গা ও মহানন্দা, পূর্বে করতোয়া, দক্ষিণে পদ্মা এবং উত্তরে কুচবিহার ও তরাই অঞ্চলের মধ্যবর্তী ভূভাগ নির্দিষ্ট করেন।
- তবকাত-ই-নাসিরীতে বারিন্দকে গঙ্গার পূর্ব দিকে লখনৌতি রাজ্যের একটি অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ বরেন্দ্রভূমি:
- বঙ্গ অববাহিকায় অবস্থিত প্লাইস্টোসিনকালের চত্বরসমূহের মধ্যে বরেন্দ্রভূমি উল্লেখযোগ্য।
- এর দু'টি স্তর রয়েছে।
- প্রথমটি ৩৯.৭ মিটার উচ্চতায় এবং দ্বিতীয়টি ১৯.৮ থেকে ২২.৯ মিটার উচ্চতায়।
- বরেন্দ্র চত্বরটির মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: অপেক্ষাকৃত অধিক উচ্চতা, লালচে ও হলদেটে কর্দম মৃত্তিকা, শাখা- প্রশাখা যুক্ত নদী নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং উদ্ভিজ্জের স্বল্পতা।
- বরেন্দ্র চত্বরটি পাঁচটি উপ-অঞ্চলে বিভক্ত।
ক. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
খ. পূর্ব বরেন্দ্রভূমি,
গ. পূর্ব বরেন্দ্রভূমির মধ্যভাগ,
ঘ. পশ্চিম বরেন্দ্রভূমির মধ্যভাগ,
ঙ. পশ্চিম বরেন্দ্রভূমি (Western Barind)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৬৫.
উপমহাদেশের একমাত্র মিঠা পানির সোয়াম ফরেস্ট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গোয়াইনঘাট
  2. খ) বালাগঞ্জ
  3. গ) জকিগঞ্জ
  4. ঘ) কানাইঘাট
সঠিক উত্তর:
ক) গোয়াইনঘাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গোয়াইনঘাট
ব্যাখ্যা
রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট
• প্রকৃতির ব্যতিক্রমী সৃষ্টি রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট একটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট। পানিতে অর্ধ নিমজ্জিত হিজল, করচ, বরুনা, বেত আর মুর্তার ঘন ঝোপে প্রায় দূর্ভেদ্য উপমহাদেশের একমাত্র মিঠা পানির সোয়াম ফরেস্ট রাতারগুল।
• রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট - গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। 
• শীতল বাতাস, পাখির কলতান, নয়নাভিরাম দৃশ্য আর নৌকাযোগে নিঃশব্দে ঘুরে বেড়ানো- এ যেন এক স্বর্গ রাজ্য।  

তথ্যসূত্র:- গোয়াইনঘাট উপজেলা ওয়েবসাইট।
৩৬৬.
বাংলাদেশে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত কত?
  1. ১০৩ মিলিমিটার
  2. ২০৩ মিলিমিটার
  3. ১০৩ সেন্টিমিটার
  4. ২০৩ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
২০৩ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৩ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য: 
- উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বাংলাদেশে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১° সেলসিয়াস এবং গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার।
- মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়।
- বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে তিনটি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে। যথা- (ক) গ্রীষ্মকাল, (খ) বর্ষাকাল ও (গ) শীতকাল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৬৭.
নিম্নের কোনটি কারিগরি আপদ (Hazard)?
  1. পারমানবিক দুর্ঘটনা
  2. বজ্রঝড়
  3. ভবনধ্বস
  4. নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা
সঠিক উত্তর:
পারমানবিক দুর্ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমানবিক দুর্ঘটনা
ব্যাখ্যা
আপদ (Hazard):
- আপদ একটি অস্বাভাবিক ঘটনা যা প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট বা কারিগরি ক্রটির কারণে ঘটতে পারে এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- এর ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত করে।
- দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, বন্যা ইত্যাদির প্রাথমিক এবং প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে অবকাঠামোর উপর যার পুনঃনির্মাণ খুব ব্যয়বহুল কাজ।
- সব চরম ঘটনাই হচ্ছে আপদ।

উল্লেখ্য,
- প্রাকৃতিক আপদ: ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বজ্রঝড়, টর্ণেডো, বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, খরা, নদী ভাঙ্গন ইত্যাদি।
- মানবসৃষ্ট আপদ: ভবনধ্বস, নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
- কারিগরি আপদ: বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ড, শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা, পারমানবিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি।

উৎস: i) ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
৩৬৮.
টাইটান কোন গ্রহের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ?
  1. ক) শুক্র
  2. খ) বুধ
  3. গ) বৃহস্পতি
  4. ঘ) শনি
সঠিক উত্তর:
ঘ) শনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শনি
ব্যাখ্যা
উপগ্রহ (Satellite) : কিছু কিছু জ্যোতিষ্ক গ্রহকে ঘিরে আবর্তিত হয়, এদের উপগ্রহ বলে। মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এরা গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘােরে। এদের নিজস্ব আলাে বা তাপ নেই। এরা সূর্য বা নক্ষত্র থেকে আলাে বা তাপ পায়। চাঁদ পৃথিবী গ্রহের একমাত্র উপগ্রহ। কোনাে কোনাে গ্রহের উপগ্রহ আছে, কোনােটির নেই। বুধ ও শুক্রের কোনাে উপগ্রহ নেই। শনির উপগ্রহ সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি। টাইটান শনি গ্রহের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ।
৩৬৯.
বাংলাদেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি রয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২৪.০২ শতাংশ
  2. ২২.১৮ শতাংশ
  3. ১৮.১৯ শতাংশ
  4. ১৫.৫৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১৫.৫৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫.৫৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট আয়তনের ১৫.৫৮ শতাংশ বনভূমি রয়েছে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বনভূমি:

- পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশে প্রায় ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা উচিত। 
- মোট বনভূমির পরিমাণ ২৩ লক্ষ হেক্টর, যা দেশের মোট আয়তনের ১৫.৫৮%।
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫-এ জলাশয়, মাটি, পানি, বায়ু ও শব্দদূষণের প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আইনের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের ৩২টি জেলায় রাষ্ট্রীয় বনভূমি নেই।

⇒ যে ভূমির আয়তন ০.৫ হেক্টরের বেশি এবং সেখানে ৫ মিটারের বেশি গাছ রয়েছে (সেরিওপস ডিকান্ড্রা ছাড়া), এবং গাছের ছাউনি ১০% বা তার বেশি, তা বনভূমি হিসেবে গণ্য হবে।
- তবে, গ্রামীণ জনবসতি, কৃষি বা শহুরে ব্যবহৃত জমি বনভূমি নয়, এবং সেখানে গাছগুলোকে বন-বহির্ভূত গাছ বলা হবে।

⇒ বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বনসমূহ তিনটি অঞ্চলে বিস্তৃত:
১. বৃহত্তর চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং সিলেটের পাহাড়ি বনাঞ্চল;
২. কেন্দ্রীয় ও উত্তরাঞ্চলীয় অভ্যন্তরীণ বনাঞ্চল;
৩. দ্বীপ ও চরাঞ্চলীয় এবং উপকূলবর্তী বনাঞ্চল।

উৎস: i) বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। [link]
ii) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। [link]
৩৭০.
‘সেক্সট্যান্ট’ যন্ত্রের সাহায্যে নিচের কোনটি পরিমাপ করা হয়?
  1. ক) দ্রাঘ্রিমাংশ
  2. খ) গ্রহ থেকে গ্রহের দূরত্ব
  3. গ) সূর্যের উন্নতি কোণ
  4. ঘ) সমুদ্রের গভীরতা
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্যের উন্নতি কোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্যের উন্নতি কোণ
ব্যাখ্যা

সেক্সট্যান্টঃ
যে যন্ত্রের সাহায্য সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে।
সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।

৩৭১.
হালদা ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
খ) খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
‘হালদা ভ্যালি’ খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি উপত্যকা (Valley)। অন্যদিকে কাপ্তাই হ্রদ দ্বারা প্লাবিত রাঙামাটির একটি উপত্যকা হলাে ‘ভেঙ্গি ভ্যালি'। এছাড়াও বালিশিরা ভেলী অবস্থিত মৌলভীবাজারে, সাঙ্গু ভ্যালি অবস্থিত চট্টগ্রামে, নাপিত খালি ভ্যালি অবস্থিত কক্সবাজারে, মাইনমুখী ভ্যালি অবস্থিত রাঙামাটিতে। উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৭২.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ কোন পাহাড়ের সমগোত্রীয়?
  1. জাপানের ফুজিয়ামা
  2. আসামের লুসাই
  3. মিয়ানমারের আরাকান
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই ও মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:

- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৭৩.
মহাসাগরের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৬
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
ক) ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৩৭৪.
কোন নদী বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়ে ভারতে গিয়ে পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. আত্রাই
  2. পুনর্ভবা
  3. ট্যাঙ্গন
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী
- বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী - ৫৭টি।
- বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদী - ৫৪টি।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী - ৩টি, (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)।

- বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়ে ভারতে গিয়ে পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে - ৩টি নদী।
- এগুলো হল - আত্রাই, পুনর্ভবা এবং ট্যাঙ্গন।
- বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশকারী নদী - ১টি (কুলিখ)।

তথ্যসূত্র - পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৩৭৫.
বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন দেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ?
  1. ৩.৮%
  2. ৪.২%
  3. ৪.৮%
  4. ৫.৩%
সঠিক উত্তর:
৪.২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.২%
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা দেশের আয়তনের ৪.২%, সমগ্র বনভূমির প্রায় ৪৪% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৩৮.১২%, এর মধ্যে ৬৯% স্থলভাগ ও ৩১% জলভাগ।
- এর অন্য নাম বাদাবন।

⇒ সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- তন্মধ্যে খুলনা জেলাস্থ সুন্দরবনের আয়তন ২০৭২.২৪ বর্গ কিলোমিটার।

⇒ সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

⇒ ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ইউনেস্কো ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৩৭৬.
পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা কত?
  1. ক) ২৯,১৩৫ ফুট
  2. খ) ২৯,০৩২ ফুট
  3. গ) ২৮,৪০৯ ফুট
  4. ঘ) ২৮,৪১৯ ফুট
সঠিক উত্তর:
খ) ২৯,০৩২ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৯,০৩২ ফুট
ব্যাখ্যা
- মাউন্ট এভারেস্ট বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এই শৃঙ্গটি হিমালয়ের মহালঙ্গুর হিমাল পর্বতমালায় অবস্থিত।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে এর উচ্চতা ৮,৮৪৯ মিটার (২৯,০৩২ ফুট)।
- চীন ও নেপালের আন্তর্জাতিক সীমান্ত এভারেস্ট পর্বতের শীর্ষবিন্দু দিয়ে গেছে।
- এভারেস্ট বিজয়ী ১ম বাংলাদেশি মুসা ইব্রাহিম। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৭৭.
কোন সমুদ্র সৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) পতেঙ্গা
  3. গ) সেণ্টমার্টিন
  4. ঘ) কুয়াকাটা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
• কুয়াকাটা:
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলােকন করার মনােমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: পটুয়াখালী ওয়েবসাইট। 
৩৭৮.
হিন্ডেনবার্গ লাইন কী?
  1. ক) আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত রেখা
  2. খ) জার্মানি-পোল্যান্ডের সীমান্তরেখা
  3. গ) ভারত ও তিব্বতের সীমান্ত রেখা
  4. ঘ) জার্মানির ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টে নির্মিত প্রতিরক্ষা ব্যুহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জার্মানির ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টে নির্মিত প্রতিরক্ষা ব্যুহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জার্মানির ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টে নির্মিত প্রতিরক্ষা ব্যুহ
ব্যাখ্যা
হিন্ডেনবার্গ লাইন (Hindenburg Line):
অবস্থানঃ জার্মানি - ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট (বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, উত্তর পূর্ব ফ্রান্স সীমান্ত)।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯১৬-১৭ সালে জার্মানি কর্তৃক এর পশ্চিম ফ্রন্টে নির্মিত প্রতিরক্ষা ব্যূহ। ১৯১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর মিত্রবাহিনীর তীব্র আক্রমণে এর পতন হয়।

আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ও প্রতিরক্ষা লাইনঃ
- ওডারনিস লাইন : জার্মানি ও পোল্যান্ড
- সিগফ্রিড লাইন : জার্মানি ও ফ্রান্স
- সনোরা লাইন : যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৩৭৯.
মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাব কোথায় সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়?
  1. ক) দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া
  2. খ) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
  3. গ) মধ্য এশিয়া
  4. ঘ) উত্তর-পূর্ব এশিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর প্রায় সব মহাদেশের কোন না কোন অংশে মৌসুমী জলবায়ু পরিদৃষ্ট হলেও এশিয়ার দক্ষিন-পূর্বাংশেই এর প্রভাব বেশী পরিদৃষ্ট হয়। 
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মায়ানমার (বার্মা), থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, কম্পুচিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিন কোরিয়া, তাইওয়ান, চীন, জাপান ও ফিলিপাইনের অংশ বিশেষে এ জলবায়ু বিরাজ করে।
- এছাড়া আফ্রিকার সোয়াজিল্যান্ড, মালাগাছি ও মোজাম্বিক; উত্তর ও মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো; যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চল, জ্যামাইকা, বাহামা, হাইতি, কিউবা, পানামা, কোষ্টারিকা, নিকারাগুয়া, গুয়েতেমালা ও এলসালভেদরেও এ জলবায়ু পরিদৃষ্ট হয়।
- এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চল, দক্ষিন আমেরিকার ব্রাজিল ও উরুগুয়ের পূর্বাংশ এবং কলম্বিয়া ও ভেনিজুয়েলার
উত্তরাংশে মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল পরিদৃষ্ট হয়।
 
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৮০.
কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের কোন দিক বরাবর অতিক্রম করেছে?
  1. উত্তর-দক্ষিণ
  2. পূর্ব-পশ্চিম
  3. উত্তর-পশ্চিম
  4. দক্ষিণ-পূর্ব
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-পশ্চিম
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদ বিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৩৮১.
সাঙ্গু নদীর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১২০ কি.মি.
  2. ২৯৪ কি.মি.
  3. ৩২০ কি.মি.
  4. ৩২৪ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
২৯৪ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯৪ কি.মি.
ব্যাখ্যা
সাঙ্গু-ফেনী, নাফ, মাতামুহুরী:
- সাঙ্গু নদী উত্তর আরাকান পাহাড় থেকে নির্গত হয়ে বান্দরবান জেলার থানছি উপজেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- এটি ২৯৪ কি.মি. দীর্ঘ।
- পার্বত্য ত্রিপুরায় উৎপত্তি হয়ে ফেনী জেলায় প্রবেশ করেছে ফেনী নদী।
- সন্দ্বীপের উত্তরে ফেনী নদী বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ মিয়ানমারের সীমান্তে নাফ নদী অবস্থিত।
- এর মোহনা অত্যন্ত প্রশস্ত। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬ কি. মি। 
- এই নদী বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- লামার মাইভার পর্বতে মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তি হয়েছে।
- নদীটি কক্সবাজার জেলার চকরিয়ার পশ্চিম পাশ ঘেঁষে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কি.মি.।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের বাংলাদেশের নদ-নদী সংজ্ঞা ও সংখ্যা অনুসারে, সাঙ্গু নদী ২৯৪ কি.মি. দীর্ঘ। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৮২.
বাংলাদেশে কোন মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে শীতকাল শুষ্ক এবং ঠান্ডা হয়?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
  2. উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু
  3. উত্তর-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
  4. দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমি বায়ু
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা
মৌসুমি বায়ু:
- মৌসুমি বায়ু এমন এক প্রকার বায়ু যা ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে দিক পরিবর্তন করে।
- এর নামটি আরবি "মত্তসুম" শব্দ থেকে এসেছে, যার মানে ঋতু।
- গ্রীষ্মকালে এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হতে এবং শীতকালে উত্তর-পূর্ব দিক হতে প্রবাহিত হয়।
- ঋতু ভেদে জলবায়ুর যে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় তাকে মৌসুমী বায়ু বলে।
- বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এবং শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু শুষ্ক এবং ঠান্ডা হয়।
- অর্থাৎ বাংলাদেশে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু (শীতকালীন) প্রভাবে শীতকাল শুষ্ক এবং ঠান্ডা হয়।

উল্লেখ্য, 
- বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হতে বাংলাদেশের দিকে আসে বলে একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলে। কিন্তু শীতকালে এর বিপরীত অবস্থা ঘটে।
- শীতকালে এ বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক হতে প্রবাহিত হয় বলে একে উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু বলে।
- গ্রীষ্মকালে এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম সমূদ্রের ওপর দিয়ে আসে বলে এতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে, যার ফলে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- পক্ষান্তরে শীতকালীন মৌসুমী বায়ু সাধারণত স্থল ভাগের উপর দিয়ে আসে বলে জলীয়বাষ্প খুব কম থাকে এবং সামান্য বৃষ্টি পাত হয়।

এছাড়াও, মৌসুমি বায়ুর বৈশ্বিক প্রভাব:
- বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়, যা কৃষি উৎপাদনে সহায়ক।
- শীতকালে শুষ্ক বায়ুর প্রভাব কৃষি ও পরিবেশে পরিবর্তন আনে।
- দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি ও জীবনযাত্রার উপর মৌসুমি বায়ুর বিশাল প্রভাব রয়েছে।
- এটি বৃষ্টি সরবরাহ করায় ধান ও অন্যান্য ফসল উৎপাদনে সহায়ক।
- দক্ষিণ এশিয়া ছাড়াও আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া এবং উত্তর অস্ট্রেলিয়া মৌসুমি বায়ু প্রবাহ দেখা যায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ (এসএসসি) প্রোগ্রাম।
৩৮৩.
বাংলাদেশের উষ্ণতাম মাস কোনটি?
  1. এপ্রিল
  2. মার্চ
  3. মে
  4. জুন
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জলবায়ু :
- বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন।
- এ জলবায়ু 'ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু' নামে পরিচিত।
• শীতকাল:
- প্রতি বছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে শীতকাল।
• গ্রীষ্মকাল:
- মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল।
- এটিই দেশের উষ্ণতম ঋতু।
- এ ঋতুতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সে. এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সে. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- গড় হিসেবে উষ্ণতম মাস এপ্রিল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩৮৪.
পৃথিবীর দুই মেরু হতে সমান দূরত্বে (পৃথিবীর মাঝখানে) পূর্ব-পশ্চিমে পৃথিবীকে ঘিরে থাকা কল্পিত বৃত্তকে কী বলা হয়?
  1. কক্ষপথ
  2. বিষুবরেখা
  3. দ্রাঘিমা রেখা
  4. প্রান্তরেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
ব্যাখ্যা
• বিষুবরেখা/ নিরক্ষরেখা:
- পৃথিবীর দুই মেরু হতে সমান দূরত্বে (পৃথিবীর মাঝখানে) পূর্ব-পশ্চিমে পৃথিবীকে ঘিরে থাকা কল্পিত বৃত্তকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখাকে বলা হয় মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত।
- আহ্নিক গতি নিরক্ষরেখায় সর্বাপেক্ষা বেশি। নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। অর্থাৎ পৃথিবীর মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত এর মান ০°।
- তাহলে আমরা বলতে পারি যে, পৃথিবীর ০ ডিগ্রি অক্ষাংশকে মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলা হয়।
- নিরক্ষরেখার সমান্তরালে উত্তরে ও দক্ষিণে কতকগুলো রেখা কল্পনা করা হয়। এই রেখাগুলোকে অক্ষরেখা বা সমাক্ষরেখা বলে।
- অক্ষরেখাসমূহের দূরত্ব সর্বত্র সমান। নিরক্ষেরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বের মানকে ডিগ্রিতে প্রকাশ করলে তাকে অক্ষাংশ বলে।
- নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। নিরক্ষরেখা থেকে ৯০° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরু এবং ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু।
- এছাড়া ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রামে- কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে বলা হয় মকরক্রান্তি।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত এবং কুমেরু বৃত্ত।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি (ঘন্টা প্রতি ১৭০০ কি.মি. প্রায়)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৫.
কত সাল থেকে বাংলাদেশে ভূমিকম্প সংক্রান্ত রেকর্ড সংগ্রহ শুরু হয়?
  1. ১৫৪৮ সাল
  2. ১৫৫২ সাল
  3. ১৫৬২ সাল
  4. ১৫৭৮ সাল
সঠিক উত্তর:
১৫৪৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪৮ সাল
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:
- বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বতের পাদদেশীয় অঞ্চলে, উত্তরে আসামের খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া পাহাড় অঞ্চলে, বঙ্গোপসাগরের তলদেশে ও আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে মূলত বৃহদাকার ফাটল ও দুইটি প্লেটের মধ্যবর্তী অঞ্চলে ভূমিকম্প প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
- ১৫৪৮ সাল থেকে বাংলাদেশে ভূমিকম্প সংক্রান্ত রেকর্ড সংগ্রহ শুরু হয়।
- বাংলাদেশের ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাসমূহ ১৯৯৩ সালে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূ-কম্পন অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র একসময় বিশাল স্রোতধারা নিয়ে ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ।
- আজকের চঞ্চলা যমুনা নদীও ছিল ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।
- মূলত ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে।
- সেটিই আজকের যমুনা নদী।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রথম বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হানে ১৫৪৮ সালে।
- এর ফলে বর্তমানে চট্টগ্রাম ও সিলেটের অবস্থান যেখানে, এই অঞ্চলে নানা জায়গায় মাটি ফেটে দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়।
- সেখান থেকে দুর্গন্ধযুক্ত কাদা-পানি বেরোনোর তথ্যও পাওয়া যায়। 

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) The Business Standard।
৩৮৬.
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে কোন ধরনের বনভূমি অবস্থিত?
  1. চিরহরিৎ বনভূমি
  2. স্রোতজ বনভূমি
  3. পত্রপতনশীল বনভূমি
  4. সৃজিত বনভূমি
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বনভূমি হলো স্রোতজ বনভূমি বা ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট যা সুন্দরবন নামে পরিচিত। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। ‍সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৩৮৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাস কেন্দ্ৰ?
  1. ক) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর
  2. খ) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর
  3. গ) বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান
  4. ঘ) জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
স্পারসো:
- বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র হলো বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (SPARRSO)।
- SPARRSO এর পূর্ণরুপ: Space Research and Remote Sensing Organisations.
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) ওয়েবসাইট।
৩৮৮.
যে তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু এর মধ্যে উপস্থিত জলীয়বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত হয় সেই তাপমাত্রাকে কী বলে?
  1. হিমাঙ্ক
  2. গলনাঙ্ক
  3. শিশিরাঙ্ক
  4. কুরী তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
শিশিরাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশিরাঙ্ক
ব্যাখ্যা
সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্প: একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু সর্বাধিক যে পরিমান জলীয় বাষ্প ধারন করতে পারে তাকেই সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্প বলে।

অসম্পৃক্ত জলীয় বাষ্প: একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু সর্বাধিক যে পরিমান জলীয় বাষ্প ধারন করতে পারে তার থেকে কম থাকলে তাকেই অসম্পৃক্ত জলীয় বাষ্প বলে।

শিশিরাঙ্ক: যে তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু উপস্থিত জলীয় বাষ্প দ্বারাই সম্পৃক্ত হয়, সেই তাপমাত্রাই শিশিরাঙ্ক।
যে তাপমাত্রার বায়ু জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় তা শিশিরাঙ্ক নামে পরিচিত।
অর্থাৎ বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্প দ্বারা ঐ বায়ুতে সম্পৃক্ত করতে হলে যে তাপমাত্রা পর্যন্ত শীতল করা প্রয়োজন সেই তাপমাত্রাকে শিশিরাঙ্ক বলে।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৯.
নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে কখন পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়?
  1. শীতকালের শুরুতে
  2. গ্রীষ্মকালের শুরুতে
  3. বর্ষাকোলের শুরুতে
  4. শরৎকালের শুরুতে
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকালের শুরুতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকালের শুরুতে
ব্যাখ্যা

- নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

পরিচলন বৃষ্টিপাত (Conventional Rainfall):

- ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায় ।
- এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে নিচে নেমে আসে।এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টিপাত।
- পরিচলন বৃষ্টিতে বায়ুর তাপ হ্রাস পেয়ে যখন অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয় তখন এ ধরনের বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এসব এলাকার ঊর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
- নিরক্ষীয় এলাকায় স্থলভাগের থেকে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে লম্বভাবে সূর্যকিরণ পতিত হয়।
- এই অঞ্চলে হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে। হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু যখন শীতল বায়ুর সংস্পর্শে আসে তখন পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারা বছরই বিকেলে ও সন্ধ্যায় এ ধরনের বৃষ্টি হয়।
- নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম প্রত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯০.
প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম কি?
  1. ক) মালদ্বীপ
  2. খ) সন্দ্বীপ
  3. গ) হাতিয়া
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক বা অখন্ড রাজ্য/রাষ্ট্র ছিল না।
বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল।
যেমন- পুণ্ড্র , বরেন্দ্র, বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি।
বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৩৯১.
'সাড়াদান' বলতে কোন ধরনের কার্যক্রমকে বুঝায়?
  1. দুর্যোগ পূর্ব সময়ে উদ্ধার কার্যে ব্যবহৃত সরঞ্জাম সংগ্রহ
  2. দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলসমূহকে চিহ্নিতকরণ
  3. দুর্যোগের অব্যবহিত পরে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা
  4. দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন পরিকল্পনা প্রণয়ন
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের অব্যবহিত পরে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের অব্যবহিত পরে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা
ব্যাখ্যা
পূর্বপ্রস্তুতি (Preparedness):
- পূর্ব প্রস্তুতি বলতে দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে দুর্যোগের পূর্বেই ব্যবস্থা গ্রহণকে বোঝায়।
- ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল ও জনগোষ্ঠিকে চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগ মোকাবিলা সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রনয়ণ, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সম্পদের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, ড্রিল বা পথ নাটক অভিনয় এবং রাস্তাঘাট, যানবাহন, বেতার যন্ত্র, টর্চ-ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র ইত্যাদি দুর্যোগের পূর্বে প্রস্তুত রাখা দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতির অন্তর্ভুক্ত।

সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

পুনরুদ্ধার (Recovery):
- দুর্যোগের ফলে জৈব ও অজৈব সকল সম্পদ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইত্যাদি খাতে যে ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়, পুনঃনির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকেই পুনরুদ্ধার বলা হয়।
- এক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাহায্য ও সহায়তা প্রয়োজন হয়।

উন্নয়ন (Developement):
- দুর্যোগে বিপর্যস্ত এলাকাকে পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অব্যবহিত পর উক্ত এলাকার ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহন করা আবশ্যক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯২.
লালমাই পাহাড় কোন ধরনের পাহাড়ের অন্তর্গত?
  1. ক) টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
  2. খ) প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
  3. গ) সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. ঘ) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:

- লালমাই পাহাড় প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত।
- আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৩.
জলীয়বাষ্প একদম থাকে না কোন বায়ুতে?
  1. আর্দ্র বায়ু
  2. শুষ্ক বায়ু
  3. পশ্চিমা বায়ু
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শুষ্ক বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুষ্ক বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity):
- জলীয়বাষ্প বায়ুর একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে বায়ুর আর্দ্রতা বলে।
- বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প যখন একদম থাকে না, তাকে শুষ্ক বায়ু বলে।
- যে বায়ুতে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে, তাকে আর্দ্র বায়ু বলে।
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ থাকে প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ।
- বায়ুর আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার (Hygrometer) দ্বারা পরিমাপ করা হয়।
- বায়ুর আর্দ্রতা দু'ভাবে প্রকাশ করা যায়।যথা-
- পরম আর্দ্রতা (Absolute humidity) ও 
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা (Relative humidity)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৯৪.
পৃথিবীর বৃহত্তম কৃত্রিম খাল কোনটি?
  1. গ্রান্ড খাল
  2. সুয়েজ খাল
  3. পানামা খাল
  4. বাল্টিক খাল
সঠিক উত্তর:
গ্রান্ড খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রান্ড খাল
ব্যাখ্যা
গ্রান্ড খাল:
- পৃথিবীর বৃহত্তম কৃত্রিম খাল গ্রান্ড খাল।
- গ্রান্ড খাল চীনের বেইজিং এবং হ্যাংচ্যাং- এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
- গ্রান্ড খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮০০ কি.মি।
- এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
- এটি প্রাথমিকভাবে খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল।
- ৬০৭ সালে গ্রান্ড খাল পুনঃউদ্বোধন করা হয়। 

উৎস: Britannica.
৩৯৫.
আয়তনে বৃহত্তম মহাসাগর কোনটি?
  1. ক) ভারত মহাসাগর
  2. খ) উত্তর মহাসাগর
  3. গ) প্রশান্ত মহাসাগর
  4. ঘ) দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
• প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন - ১৬ কোটি ৮৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গড় গভীরতা - গড় - ৪,১৮৮ মি.; সর্বোচ্চ গভীরতা - ১০,৯২০ মি.
- এই মহাসাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ অবস্থিত।
- ২৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রবাল প্রাচীর অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত‌।
- আর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগরের নাম আটলান্টিক মহাসাগর। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস
৩৯৬.
মিয়ানমারের কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে?
  1. ক) রাখাইন
  2. খ) কারেন
  3. গ) তেনাসসেরিম
  4. ঘ) মান্দালয়
সঠিক উত্তর:
ক) রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাখাইন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত:

- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা - ৩২টি।
- ভারত এর সাথে ৩০টি এবং মায়ামারের সাথে ৩টি।
- রাঙামাটির জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সীমানা সংযোগ আছে।
- বান্দরবান জেলার সাথে ভারতের সংযোগ নাই তবে মায়ানমারের সাথে সীমানা সংযোগ আছে।
- মিয়ানমারের দুইটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।
• রাখাইন।
• চিন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৯৭.
ওডেসা কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) গ্রিস
  2. খ) ইতালি
  3. গ) স্পেন
  4. ঘ) ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
ওডেসা হলো কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত ইউক্রেনের প্রধান সমুদ্রবন্দর।
ওডেসা ব্যতীত ইউক্রেনের অন্যান্য সমুদ্রবন্দরের মধ্যে মারিয়োপোল, অলিভিয়া, পিভডেনি, মাইকোলেভ অন্যতম।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট)
৩৯৮.
বাংলাদেশে কোন সময়ে 'আশ্বিনের ঝড়' সংঘটিত হয়ে থাকে?
  1. গ্রীষ্মের শুরুর দিকে
  2. গ্রীষ্মের শেষের দিকে
  3. বর্ষার শুরুর দিকে
  4. বর্ষার শেষের দিকে
সঠিক উত্তর:
বর্ষার শেষের দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ষার শেষের দিকে
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রাবাহ:
- বর্ষার শেষের দিকে বঙ্গোপসাগরে মাঝে মাঝে ঝড়ের উৎপত্তি হয় এবং ঘূর্ণিঝড় উত্তর ও উত্তর-পূর্বদিক হতে অগ্রসর হয়ে বাংলাদেশের উপকূল ভাগে আঘাত হানে।
- এ ঝড়ের গতিবেগ প্রায় ১০০ মাইলেরও অধিক।
- ফলে ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত এলাকার ব্যাপক অবর্ণনীয় ক্ষতি সাধন হয়।
- বাংলাদেশে এ সময়ের ঝড়কে 'আশ্বিনের ঝড়' বলে এবং এ ঝড়ের সাথে শিলাবৃষ্টি হয়। 

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৯.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ- 
  1. নিউগিনি
  2. মালদ্বীপ
  3. মাদাগাস্কার
  4. গ্রিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

গ্রিনল্যান্ড:
- গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ।
- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রীনল্যান্ড (স্থানীয় ভাষায় কালালিত নুনাত) পরিচিত এর বিশাল তুন্দ্রা অঞ্চল ও বিশাল হিমবাহের জন্য।
- তাঁরা তাঁদের মাতৃভূমিকে বলেন কালালিত নুনাত, অর্থাৎ "গ্রীনল্যান্ডবাসীদের দেশ”।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানীর নাম নুক (ডেনিশ ভাষায় গোথহোব)।

অপরদিকে,
- মালদ্বীপ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
- নিউ গিনি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- বোর্নিও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- মাদাগাস্কার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ।

উৎস: Britannica.

৪০০.
কোন বিখ্যাত নগরীর অবস্থান দুটি মহাদেশের অংশ?
  1. আম্মান
  2. ইস্তানবুল
  3. বাকু
  4. এথেন্স
সঠিক উত্তর:
ইস্তানবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্তানবুল
ব্যাখ্যা
ইস্তানবুল:
- দুটি মহাদেশে অবস্থিত নগরী তুরস্কের ইস্তানবুল।
- শহরটি তুরস্কের উত্তর - পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- ইউরোপ-এশিয়ার প্রবেশদ্বার, আন্তঃমহাদেশীয় নগরী, রোমান, বাইজান্টাইন ও অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী।
- জনবহুল ইউরোপীয় শহর ইস্তানবুল।
- একে কন্সটান্টিনোপল বলা হয়।
- মসজিদের শহর হিসেবেও পরিচিত এটি।
- সুলায়মানি মসজিদ ইস্তাম্বুলের বৃহত্তম মসজিদ এটি।
- মসজিদটি উসমানীয় স্থাপত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

বসফরাস প্রণালি:
- কৃষ্ণ সাগর এবং মর্মর সাগরকে যুক্তকারী বসফরাস প্রণালি। 
- এই জলপ্রণালি এশিয়া ও ইউরোপের সীমানা নির্দেশ করে।
- একে ইস্তানবুল প্রণালিও বলা হয়।
- বসফরাস প্রণালি বিশ্বের নৌচলাচলে ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ। 

উৎস: Britannica & দৈনিক যুগান্তর।