বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ২৬ / ৭২ · ২,৫০১২,৬০০ / ৭,১৯১

২,৫০১.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন সম্পর্কে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) টেকনাফ উপজেলা থেকে ৯ কিমি দক্ষিণে অবস্থিত
  2. খ) স্থানীয় জনসাধারণের কাছে নারিকেল জিনজিরা নামে পরিচিত
  3. গ) সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা থেকে ৩.৬ মিটার উপরে
  4. ঘ) বাংলাদেশের সর্ব-উত্তরের ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশের সর্ব-উত্তরের ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশের সর্ব-উত্তরের ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
- সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ  বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ অংশে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে ৯ কিমি দক্ষিণে গড়ে ওঠা একটি ছোট দ্বীপ।
- মায়ানমারের উত্তর-পশ্চিম উপকূল থেকে ৮ কিমি পশ্চিমে নাফ নদীর মুখে দ্বীপটি অবস্থিত।
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান।
- স্থানীয় জনসাধারণ এটিকে নারিকেল জিনজিরা নামে চেনে।
- সর্বতোভাবে দ্বীপটি সমতল এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা থেকে ৩.৬ মিটার উপরে।
- ভৌগোলিকভাবে এটি তিনটি অংশে বিভক্ত। উত্তরাঞ্চলীয় অংশকে বলা হয় নারিকেল জিনজিরা বা উত্তর পাড়া এবং এ অংশ ২,১৩৪ মিটার দীর্ঘ ও ১,৪০২ মিটার প্রশস্ত। 

- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের ইউনিয়ন বাংলাবান্ধা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
২,৫০২.
প্রশান্তমহাসাগর দেখতে অনেকটা-
  1. ত্রিভুজাকার
  2. ডিম্বাকার
  3. বৃত্তকার
  4.  গোলাকার 
সঠিক উত্তর:
ত্রিভুজাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিভুজাকার
ব্যাখ্যা
• প্রশান্তমহাসাগর:
- প্রশান্তমহাসাগর পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর।
- এর আয়তন ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- যা মহাসাগরগুলোর মোট আয়তনের ৪৭.২০ শতাংশ।
- অন্যদিকে, এ মহাসাগরের আয়তন পৃথিবীর মোট ভূ-ভাগের ৩৫%।
- এবং সমগ্র পৃথিবীর জলভাগের ৪৫%।
- প্রশান্তমহাসাগর দেখতে অনেকটা অসম ত্রিভুজের মতো।
- এর শীর্ষদেশ বেরিং প্রণালি থেকে শুরু করে দক্ষিণ-পূর্বে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে এশিয়া ও ওশেনিয়া পর্যন্তবিশাল ত্রিভুজ সৃষ্টি করেছে। 

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫০৩.
ওজোন স্তর পৃথিবীকে কোন রশ্মি থেকে রক্ষা করে?
  1. গামা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. অতিবেগুনি রশ্মি
  4. আলফা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
অতিবেগুনি রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিবেগুনি রশ্মি
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমন্ডল:

- বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তর হলো স্ট্রাটোমন্ডল বা স্ট্রাটোস্ফিয়ার যা উর্ধ্বে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি এমনই একটি স্তর যা জলীয়বাষ্পবিহীন।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমন্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে বলা হয় স্ট্রাটোবিরতি বা স্ট্রাটোপস।
- স্ট্রাটোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ অনেক কম।
- এই স্তরেই ওজোন (O₃) গ্যাসের পরিমাণ বেশি থাকায় সূর্য হতে আগত অতিবেগুনী রশ্মি এই ওজোন স্তর শুষে নেয়।
- এই স্তরের নিম্নে উষ্ণতার তেমন পরিবর্তন না হলেও ১০ কিলোমিটার থেকে ধীরে ধীরে উষ্ণতা বাড়তে বা ওজোনোস্ফিয়ার থাকে। এই উষ্ণতা বৃদ্ধি উচ্চ স্ট্রাটোমন্ডলে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
- পৃথিবীতে প্রাণিজগতের বসবাসের উপকারী পরিবেশ তৈরিতে এই স্তরের ভূমিকা রয়েছে। এই স্তরেই সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি শোষণ করে নেয়া হয়।
- স্ট্রাটোমন্ডলে ধূলিকণার পরিমাণ নগন্য এবং মেঘ দেখাই যায় না।
- এই স্তরে আবহাওয়া শুষ্ক ও শান্ত থাকে। সাধারণত জেট বিমানগুলো এই স্তর দিয়ে চলাফেরা করতে পারে কারণ ঝড়-বৃষ্টি থাকে না।
- প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে এবং তা স্ট্রাটোমন্ডলের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌছায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫০৪.
UNESCO সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে কত সালে?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

 সুন্দরবন:
- সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি হিসেবে অখন্ড বন যা বিশ্বে সর্ববৃহৎ।
- এই বনভূমি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত ।
- ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে।
- UNESCO ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর সুন্দরবনকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবংম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ছোট ছোট দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালের ২১শে মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

উৎস: বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট।

২,৫০৫.
নাফ নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে কোন উপজেলার মধ্য দিয়ে?
  1. ক) কুতুবদিয়া
  2. খ) পেকুয়া
  3. গ) রামু
  4. ঘ) উখিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) উখিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উখিয়া
ব্যাখ্যা
• নাফ দেশের সর্বদক্ষিণে মায়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যকার সীমান্তরেখা বরাবর প্রবাহিত ৬২ কিমি দীর্ঘ একটি নদী।
• নাফ মায়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় পর্বত শ্রেণী থেকে উৎসারিত হয়ে কক্সবাজার জেলাধীন উখিয়া উপজেলার পালংখালির কাছ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। অতঃপর দক্ষিণদিকে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
• ১.৬১ কিমি থেকে ৩.২২ কিমি প্রস্থ বিশিষ্ট এ নদী জোয়ারভাটা প্রবণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,৫০৬.
বাংলাদেশের কোন সংস্থার মাধ্যমে ভূ-উপগ্রহের চিত্র ও রাডার চিত্র ব্যবহার করে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়?
  1. সিপিপি
  2. স্পারসো
  3. ডিজাস্টার ফোরাম
  4. বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
সঠিক উত্তর:
স্পারসো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পারসো
ব্যাখ্যা
উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি:
উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এগুলো হলো—
→ আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ:
- সময়মতো আবহাওয়ার তথ্য প্রচার করা।
- বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও স্পারসো (SPARSO) স্যাটেলাইট ও রাডারের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস প্রদান করে।
→ বন্যা পূর্বাভাস:
- পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র থেকে বন্যা সংক্রান্ত তথ্য প্রচার করা।
→ সরকারি সংস্থা:
- ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (CPP) সংকেত প্রদান, সতর্কীকরণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসনের কাজ করে।
- সামরিক বাহিনী জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসা, উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণে সহায়তা করে।
→ গণমাধ্যমের ভূমিকা:
- বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন (BTV) দুর্যোগ সংক্রান্ত সংকেত প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
→ বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা:
- অক্সফাম, ডিজাস্টার ফোরাম, কেয়ার বাংলাদেশ, কারিতাস, প্রশিকা, সিসিডিবি, বিডিপিসি এবং রেড ক্রিসেন্ট দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কাজ করে।
→ এছাড়া রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসুত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
২,৫০৭.
দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে কি বলে?
  1. নদীর উৎস
  2. নদীর মোহনা
  3. দোয়াব
  4. নদীসঙ্গম
সঠিক উত্তর:
নদীসঙ্গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীসঙ্গম
ব্যাখ্যা

• নদী সম্পর্কিত বিভিন্ন পারিভাষিক শব্দ ও সংজ্ঞা:

১। নদীর উৎস (Source): নদীর উৎপত্তিস্থলকে নদীর উৎস বলে।

২। নদীর মোহনা (Mouth): নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে নদীর মোহনা বলে।

৩। দোয়াব অঞ্চল: দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব অঞ্চল বলে।

৪। নদীসঙ্গম (Confluence): পার্বত্য অঞ্চলে প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদীগুলো নিজ নিজ পথে প্রবাহিত হয়।
- এক সময় ঐ নদীগুলো একটি অপরটির সাথে মিলিত হয়।
- ফলে মিলিত স্রোতধারা ক্রমশ অধিকতর বড় হয়।
- এভাবে দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে নদীসঙ্গম বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫০৮.
এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. ক) গঙ্গা 
  2. খ) ইয়াংসিকিয়াং
  3. গ) সিন্ধু
  4. ঘ) টাইগ্রীস
সঠিক উত্তর:
খ) ইয়াংসিকিয়াং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইয়াংসিকিয়াং
ব্যাখ্যা
এশিয়া মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ।
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং (৫,৯৮০ কিলোমিটার)।
 -
এ মহাদেশের আয়তন ৪ কোটি ৫০ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৯২ বর্গকিলোমিটার।
- মহাদেশ ১০º দক্ষিণ অক্ষরেখা থেকে ৮০º  উত্তর অক্ষরেখা এবং ২৫º পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ১৭০º পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা (১৮০º পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করে আরো ১০º দ্রাঘিমারেখা) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট (৮,৮৫০ মিটার)।
-এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।
-দ্বীপপুঞ্জ দ্বারা গঠিত জাপান, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া এ মহাদেশে অবস্থিত। এগুলোকে খন্ডিত রাষ্ট্রও বলা হয়।
-আয়তনে চীন বৃহত্তম (৯৫,৬১,০০০ বর্গকিলোমিটার) এবং মালদ্বীপ ক্ষুদ্রতম (২৯৮ বর্গকিলোমিটার)। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র,  এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৫০৯.
বাংলাদেশের অবস্থান এশিয়া মহাদেশের-
  1. পূর্ব- উত্তরাংশে
  2. দক্ষিণাংশে
  3. দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে
  4. উত্তরাংশে
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণাংশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণাংশে
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশের অবস্থান:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণাংশে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- এ দেশ ২০°৩৪' উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে
- এবং ৮৮°০১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
২,৫১০.
সুনামির কারণ নয় কোনটি?
  1. ভূমিকম্প
  2. ভূমিধ্বস
  3. অগ্ন্যুৎপাত
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
সুনামি:
- ঘূর্ণিঝড় সুনামির কারণ নয়।
- ‘সুনামি’  জাপানি শব্দ।
- বাংলায় এর অর্থ ‘পোতাশ্রয় ঢেউ’।
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের, ভূমিধ্বসের কিংবা আগ্নেয়গিরির উদগীরণের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসকেই বলা হয় সুনামি।
- গভীর জলে সুনামি প্রতি ঘন্টায় ৬০০ মাইল (১০০০ কিলোমিটার) গতির হতে পারে।
- সুনামির ঢেউ সাধারণত হয় ধারাবাহিক এবং একটি ঢেউয়ের চূঁড়া থেকে আরেকটি ঢেউয়ের চূড়ার দূরত্ব ১০০ মাইলের (১৬০ কিলোমিটার) মতো হতে পারে।
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সুনামি সংঘটনের সম্ভাবনা কম।
- ১৭৬২ সালের ২রা এপ্রিল কক্সবাজার এবং সন্নিহিত অঞ্চলে সুনামির প্রভাব দেখা যায়।
- ১৯৪১ সালে আন্দামান সাগরে ভূমিকম্পের ফলে বঙ্গোপসাগরে সুনামি সংঘটিত হয়। তবে এর ফলে প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয় ভারতের পূর্ব উপকূল। যার পরিণতিতে ৫,০০০ মানুষ প্রাণ হারায়।
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সিনুয়েলেষু দ্বীপে সংঘটিত ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে সমগ্র ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় বহু সংখ্যক লোকের মৃত্যু ঘটে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
২,৫১১.
নিম্নের কোনটি উপক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. নোয়াখালী
  2. চট্টগ্রাম
  3. রংপুর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু অঞ্চলের বিবরণ:
- বাংলাদেশ সমভাবাপন্ন ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলে অবস্থিত হলেও এদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের জলবায়ু লক্ষ করা যায়।
- জলবায়ুর তারতম্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে নিম্নোক্ত ছয়টি জলবায়ু অঞ্চলে বিভক্ত করা যায়। যেমন-

১. ক্রান্তীয় সামুদ্রিক জলবায়ু অঞ্চল:
- বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলীয় এলাকা ক্রান্তীয় সামুদ্রিক জলবায়ু অঞ্চরের অন্তর্গত।

২. ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল জলবায়ু অঞ্চল:
- চট্টগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চল ছাড়া সমগ্র চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলা ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল জলবায়ু অঞ্চলের অন্তভুক্ত।

৩. ক্রান্তীয় আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চল:
- পটুয়াখালী, নোয়াখালী, বরিশাল ও খুলনা জেলার উপকূলীয় অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য এলাকা, যশোরের পূর্বাংশ; ঢাকা, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, জামালপুর ও ময়মনসিংহের উত্তর-পূর্বাংশ ব্যতীত সমগ্র এলাকা; দক্ষিন-পশ্চিম ও পূর্ব সিলেট; পাবনা ও দক্ষিণ-পূর্ব বগুড়া নিয়ে এ জলবায়ু অঞ্চল গঠিত। অর্থাৎ বাংলাদেশের সমগ্র মধ্যাঞ্চল ক্রান্তীয় আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।

৪. ক্রান্তীয় মৃদু আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চল:
- পশ্চিম-দক্ষিণ বগুড়া ও পাবনা, দক্ষিণ দিনাজপুর, সমগ্র রাজশাহী ও কুষ্টিয়া এবং পশ্চিম-উত্তর যশোর অঞ্চল নিয়ে এ জলবায়ু গঠিত। বাংলাদেশের মধ্যে এ অঞ্চলই সর্বাপেক্ষা শুষ্ক ও উষ্ণ।

৫. উপক্রান্তীয় আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চল:
- রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের দক্ষিণের সামান্য অংশ ব্যতীত সমস্ত এলাকা এ জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত। এখানকার জলবায়ু চরমভাবাপন্ন। অর্থাৎ শীতের সময় অত্যধিক শীত এবং গ্রীষ্মের সময় অত্যধিক গরম পড়ে।

৬. উপক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল জলবায়ু অঞ্চল:
- সমগ্র সিলেট ও উত্তর-পূর্ব ময়মনসিংহ অঞ্চল নিয়ে এ জলবায়ু অঞ্চল গঠিত।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫১২.
 নিম্নের কোনটি মিঠাপানির জলমগ্ন বনভূমি?
  1. সুন্দরবন
  2. রাতারগুল
  3. শালবন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রাতারগুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাতারগুল
ব্যাখ্যা

 জলাবন বা জলমগ্ন বনভূমি:
- বাংলাদেশের মিঠাপানির একমাত্র জলাবন বা জলমগ্ন বনভূমি বা সোয়াম্প ফরেস্ট হলো রাতারগুল বনভূমি।
- এটি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। রাতারগুলকে বাংলার আমাজন বলা হয়।
- রাতারগুলের মোট আয়তন প্রায় ২০৫ হেক্টর। এই বনের উদ্ভিদের মধ্যে হিজল, করচ, বরুন ও মুর্তা উল্লেখযোগ্য।
- শীতকাল ব্যতীত বছরের অন্যান্য সময় এ বন পানিতে নিমজ্জিত থাকে। মুর্তা বা রাতা উদ্ভিদের আধিক্যের জন্যে এই বন রাতারগুল নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- সুন্দরবন হলো প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। প্যারাবন হলো সৃজিত ম্যানগ্রোভ বনভূমি। শালবন একটি পত্রপতনশীল বনভূমি।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বন বিভাগ ওয়েবসাইট। 

২,৫১৩.
বন অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ কত? (জুন- ২০২৫)
  1. ৩৫ লক্ষ ৭৬ হাজার হেক্টর
  2. ২৫ লক্ষ ৭৫ হাজার হেক্টর
  3. ২৭ লক্ষ ৭৫ হাজার হেক্টর
  4. ২৫ লক্ষ ৮৫ হাজার হেক্টর
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ ৭৫ হাজার হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ ৭৫ হাজার হেক্টর
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৫ লক্ষ ৭৫ হাজার হেক্টর।
- যা দেশের মোট আয়তনের ১৫.৫৮%।
- বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ ১০.৭৪%।

• জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যথা:
•. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বন অধিদপ্তর {লিংক} ।
২,৫১৪.
মাইনমুখী ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
ক) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
বলিশিরা ভ্যালি মৌলভীবাজার জেলায়; মাইনমুখী ভ্যালি রাঙামাটি জেলায় এবং হালদা ভ্যালি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
২,৫১৫.
ভুটান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদী কোনটি?
  1. ক) ব্রহ্মপুত্র
  2. খ) গঙ্গা
  3. গ) মাতামুহুরি
  4. ঘ) দুধকুমার
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুধকুমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুধকুমার
ব্যাখ্যা
আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-boundary Rivers): আন্তঃসীমান্ত নদী বলতে সাধারণত সেসমস্ত নদীকে বুঝায় যেগুলি অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমা অতিক্রম করে। এই সীমা একটি দেশের অভ্যন্তরস্থ বা আন্তর্জাতিক হতে পারে।
বর্তমানে বাংলাদেশে ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-boundary Rivers) রয়েছে।

অপশনগুলোর মধ্যে ভুটান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদী - দুধকুমার

ভারতের  পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগত রায়ডাক বা সংকোশ নদী পাটেশ্বরীর কাছে বাংলাদেশে প্রবেশ করে দুধকুমার নাম ধারণ করেছে। 
দুধকুমার নদীর উৎপত্তিস্থল তিব্বতের চুম্বি উপত্যকা থেকে।
বাংলাদেশে এই নদীর দৈর্ঘ - ৪৬ কি.মি.
ভারতের অভ্যন্তরে এর দৈর্ঘ্য - ১০৮ কি.মি.
ভুটানের অভ্যন্তরে এর দৈর্ঘ্য - ১১৩ কি.মি.
তাছাড়া চীনের অভ্যন্তরে এর দৈর্ঘ্য - ৩১ কি.মি.

সূত্র: যৌথ নদী কমিশনের ওয়েবসাইট।
২,৫১৬.
সাইক্লোনের সময় নদীবন্দরের ক্ষেত্রে কয়টি মহাবিপদ সংকেত ব্যবহৃত হয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৪টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি
ব্যাখ্যা
সতর্কতা সংকেত:
- ঝড়ের সময় আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সমুদ্রবন্দরের ক্ষেত্রে ১০টি এবং নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ৪টি সংকেত নির্ধারিত আছে। এই সংকেতগুলো সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ভিন্ন বার্তা বহন করে।
• ১ নম্বর নৌ সতর্কতা সংকেত: বন্দর এলাকা ক্ষণস্থায়ী ঝোড়ো আবহাওয়ার কবলে নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের কালবৈশাখীর ক্ষেত্রেও এই সংকেত প্রদর্শিত হয়। এই সংকেত আবহাওয়ার চলতি অবস্থার ওপর সতর্ক নজর রাখারও তাগিদ দেয়।
• ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: বন্দর এলাকায় নিম্নচাপের সমতুল্য তীব্রতার একটি ঝড়, যার গতিবেগ ঘণ্টায় অনূর্ধ্ব ৬১ কিলোমিটার বা একটি কালবৈশাখী, যার বাতাসের গতিবেগ ৬১ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। নৌযান এদের যেকোনোটির কবলে নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ৬৫ ফুট বা তার কম দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট নৌযানকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।
• ৩ নম্বর নৌ বিপৎসংকেত: বন্দর এলাকা ঝড়ে কবলিত। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একটানা ৬২-৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগের একটি সামুদ্রিক ঝড় শিগগিরই বন্দর এলাকায় আঘাত হানতে পারে। সব নৌযানকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করতে হবে।
• ৪ নম্বর নৌ মহাবিপদ সংকেত: বন্দর এলাকা একটি প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার সামুদ্রিক ঝড়ে কবলিত এবং শিগগিরই বন্দর এলাকায় আঘাত হানবে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। সব ধরনের নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে।
- ১ এবং ২ নম্বর সংকেত কালবৈশাখী এবং বর্ষাকালীন ঝড়ো হাওয়ার জন্য প্রযোজ্য। ৩ এবং ৪ নং সংকেত সমুদ্রবন্দরকেন্দ্রিক বড় ঝড় এবং ঘূর্ণিঝড় এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
• তাই নৌ বন্দরের জন্য ৪টি সতর্কতা সংকেত থাকলেও সাইক্লোন জনিত পূর্বাভাসের জন্য প্রযোজ্য সতর্কতা সংকেত ২টি এবং  মহাবিপদ সংকেত ১টি।

সূত্র: খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয় এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত ''ঘূর্ণিঝড় ও আবহাওয়ার নতুন সতর্ক সংকেত এবং গণদুর্যোগ বার্তা''।
২,৫১৭.
বেরিং প্রণালী পৃথক করেছে- 
  1. এশিয়া - ইউরোপ
  2. আফ্রিকা-এশিয়া
  3. উত্তর আমেরিকা-এশিয়া
  4. ইউরোপ - আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা-এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা-এশিয়া
ব্যাখ্যা

- বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দুটিকে পৃথক করেছে ।
- এবং প্রশান্ত মহাসাগর ও আর্কটিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি রাশিয়া (এশিয়া মহাদেশের অংশ) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার মধ্যে অবস্থিত,
- যেখানে দুটি মহাদেশের সবচেয়ে নিকটবর্তী অংশ মাত্র প্রায় ৯0 কিলোমিটার দূরে। 

• বিখ্যাত কয়েকটি প্রণালী:
- দার্দানেলিস প্রণালী:  এশিয়া - ইউরোপ পৃথক করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী: আফ্রিকা-ইউরোপ পৃথক করেছে।
- পক প্রণালী: ভারত -শ্রীলংকা পৃথক করেছে। 
- মালাক্কা প্রণালী: সুমাত্রা- মায়েশিয়া পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালী: সুমাত্রা-জাভা পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালী: ইরান-আরব আমিরাত পৃথক করেছে।
- ফ্লোরিডা প্রণালী: কিউবা-ফ্লোরিডা পৃথক করেছে।
- ডোভার প্রণালী: ফ্রান্স-ব্রিটেন পৃথক করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২,৫১৮.
ফ্লোরেস সাগর কোন মহাসাগরের অংশ?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর
  5. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
ফ্লোরেস সাগর: 
- ফ্লোরেস সাগর ইন্দোনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের একটি অংশ। 
- ফ্লোরেস সাগর, যা কথ্য ভাষায় "বাহাসা ইন্দোনেশিয়া লাউট ফ্লোরেস" নামে পরিচিত। 
- এটি প্রায় ২৪০,০০০ বর্গকিলোমিটার ভূপৃষ্ঠ জুড়ে বিস্তৃত।
- ফ্লোরেস সাগর উত্তরে সেলেবেস ( সুলাওয়েসি ) দ্বীপ এবং দক্ষিণে ফ্লোরেসের সুন্দা দ্বীপপুঞ্জ এবং সুম্বাওয়া দ্বারা বেষ্টিত।

উৎস: World Atlas.
২,৫১৯.
নিচের কোনটি বন্যা নিয়ন্ত্রণের সাধারণ ব্যবস্থার অংশ নয়?
  1. নদী খনন
  2. নদী শাসন
  3. বন্যা পূর্বাভাস উন্নয়ন
  4. নদীর তীরে বনাঞ্চল সৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
নদী খনন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী খনন
ব্যাখ্যা

- 'নদী খনন' - বন্যা নিয়ন্ত্রণে সাধারণ ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার 'ব্যয়বহুল প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা'র অন্তর্ভুক্ত। 

• বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Flood Control System):
ক. সাধারণ ব্যবস্থাপনা:
১) নদীর দুই তীরে প্রচুর বৃক্ষ রোপন করা।
২) নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
৩) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
৪) পুকুর, নালা, বিল প্রভৃতি খনন ও পুনঃখনন করে পানি সংরক্ষণ করা।
৫) বন্যা মোকাবেলার জন্য সরকারি ভাবে স্থায়ী ও দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা।

খ. ব্যয়বহুল প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা:
১) ড্রেজিং-এর মাধ্যমে নদীর পানি পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
২) জলাধার নির্মাণের মাধ্যমে পানি প্রবাহকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা।
৩) আর্ন্তজাতিক নদীসমূহে পানি প্রবাহকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রন ও নিষ্কাশন করা।
৪) সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
৫) নদী তীরে স্থায়ী ও সুদৃঢ় বাঁধ নির্মাণ করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ সংরক্ষণ করা।

গ. সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা
১) নদীর দুই তীরে বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি উপচে পড়া বন্ধ করা।
২) দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
৩) রাস্তাঘাট নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা।
৪) বন্যা প্রবল অঞ্চলে সর্বোচ্চ বন্যা লেভেলের উপরে 'আশ্রয়কেন্দ্র' প্রতিষ্ঠা করা।
৫) শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেওয়া।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫২০.
সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ক) ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার
  2. খ) ৯৭৫০ বর্গ কিলোমিটার
  3. গ) ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৩৯৮৩ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
- সুন্দরবন বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বনভূমি।
- এ বনের মোট আয়তন ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সু্ন্দরবন অবস্থিত।
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ , নবম-দশম শ্রেণি এবং বনবিভাগ।
২,৫২১.
বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল 'চলনবিল' নিম্নের কোন ভৌগলিক অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. সিলেট অববাহিকা
  2. কুমিল্লা–ত্রিপুরা সমভূমি
  3. মৃতপ্রায় ব-দ্বীপ
  4. গঙ্গা–ব্রহ্মপুত্র–মেঘনার প্লাবন সমভূমি
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা–ব্রহ্মপুত্র–মেঘনার প্লাবন সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা–ব্রহ্মপুত্র–মেঘনার প্লাবন সমভূমি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

⇒ দেশের সমগ্র সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি একই ধরনের নয় বলে একে আবার নিম্নলিখিত কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে আলোচনা করা যায়। যথা: 
ক) কুমিল্লার বা ত্রিপুরার সমভূমি
খ) পাদদেশীয় পলল সমভূমি
গ) সিলেট অববাহিকা: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভিবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার অধিকাংশ এবং কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার পূর্বদিকের সামান্য কিছু অংশ নিয়ে সিলেট অববাহিকা অঞ্চল গঠিত। এই এলাকার দক্ষিণাঞ্চলের হ্রদগুলোকে হাওড় বলে। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে এ অববাহিকার উচ্চতা প্রায় ৩ মিটার। বর্ষার সময় এ এলাকাটি পানিতে প্লাবিত হয়। হাকালুকি দেশের বৃহত্তম হাওড়।
ঘ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি: বৃহত্তর ঢাকা, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের অংশ বিশেষ নিয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত। এই অঞ্চলেও বেশ কিছু বিল ও হাওড় আছে। বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল 'চলনবিল' এই এলাকাতে অবস্থিত। এ অঞ্চলের অধিকাংশ স্থানই বর্ষার সময় পানিতে প্লাবিত হয়।
ঙ) ব-দ্বীপ: বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাংশের সমভূমিকে ব-দ্বীপ বলা হয়। এ ব-দ্বীপ অঞ্চলটি বৃহত্তর কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালীর সমস্ত অংশ এবং রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫২২.
'আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা' কোন প্রণালী অতিক্রম করেছে?
  1. দার্দানেলিস প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. ডোভার প্রণালী
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বা ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- ইহা বেরিং প্রণালী দিয়ে অতিক্রম করেছে। 
- বেরিং প্রণালি রাশিয়ার এশিয়া অংশকে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা থেকে পৃথক করেছে। অর্থাৎ বেরিং প্রণালি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
- বেরিং প্রণালি বেরিং সাগরের সাথে চুকচি সাগরের সংযোগ সাধন করেছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস, ব্রিটানিকা।
২,৫২৩.
ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ বদলে গিয়ে কোন নদীর সৃষ্টি হয়েছে?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) যমুনা
  3. গ) করতোয়া
  4. ঘ) মেঘনা
সঠিক উত্তর:
খ) যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যমুনা
ব্যাখ্যা

১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ নামক স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদ তার পুরানো গতিপথ পরিবর্তন করে দক্ষিণাভিমুখী যমুনা নদী নামে প্রবাহিত হয়ে আরিচায় গঙ্গা (পদ্মা) নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

২,৫২৪.
বিপর্যয় বলতে বুঝায়-
  1. ক) আকস্মিক ঘটনা
  2. খ) চরম প্রাকৃতিক ঘটনা
  3. গ) মানব সৃষ্ট ঘটনা
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিপর্যয় বলতে কোনো এক আকস্মিক ও চরম প্রাকৃতিক বা মানব সৃষ্ট ঘটনাকে বুঝায়। এই ঘটনা জীবন, সম্পদ ইত্যাদির উপর প্রতিকূলভাবে আঘাত করে। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
২,৫২৫.
বর্ষাকালে কাপড় দেরিতে শুকায় তার প্রধান কারণ -
  1. ক) বায়ুর তাপমাত্রা কম থাকে
  2. খ) বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে
  3. গ) আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকে
  4. ঘ) রোদের অভাব
সঠিক উত্তর:
গ) আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকে
ব্যাখ্যা
বর্ষাকালে কাপড় দেরিতে শুকায়:
- বর্ষাকাল অপেক্ষা শীতকালে ভিজা কাপড় দ্রুত শুকায় ভিজা কাপড় শুকানো অর্থ কাপড়ের জলকণা বাষ্পায়নের মাধ্যমে উবে যাওয়া।
- বর্ষাকালে বাতাসের তাপমাত্রা বেশি হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকে
- ফলে বাষ্পায়নের হার কমে যায়।
- অন্য দিকে শীত কালে বাতাসের তাপমাত্রা কম হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকে অর্থাৎ বাতাস শুকনো থাকে ফলে জলকণার দ্রুত বাষ্পায়ন হয় এবং ভেজা কাপড় দ্রুত শুকায়।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫২৬.
'জিব্রাল্টার' প্রণালী দ্বারা কোন দুই মহাদেশ পৃথক হয়েছে?
  1. ইউরোপ ও আফ্রিকা
  2. আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া
  3. ইউরোপ ও এশিয়া
  4. এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ ও আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ ও আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে। 
- জিব্রাল্টার প্রণালী হলো একটি সংকীর্ণ জলপথ যা ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
- এটি স্পেন এবং উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- দৈর্ঘ্য: ৩৬ মাইল (৫৮ কিমি)।
- সর্বনিম্ন প্রস্থ: ৮ মাইল (১৩ কিমি), যা স্পেনের পয়েন্ট মারোকি এবং মরক্কোর পয়েন্ট সিরেসের মধ্যে।
- গড় গভীরতা: ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।
- জিব্রাল্টার প্রণালী উত্তর আফ্রিকার আটলাস পর্বতমালা এবং স্পেনের উঁচু মালভূমির মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: Britannica.

২,৫২৭.
জাপান ও ভিয়েতনামে কোন বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত ঘটে?
  1. ক) নিয়ত বায়ু
  2. খ) অয়ন বায়ু
  3. গ) মৌসুমি বায়ু
  4. ঘ) পশ্চিমা বায়ু
সঠিক উত্তর:
গ) মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- মৌসুমী বায়ু। 

সাময়িক বায়ু
:
- কোনো নির্দিষ্ট দিক, বা বছরের কোনো নির্দিষ্ট ঋতুতে যে বায়ুপ্রবাহ জল ও স্থলভাগের তাপের তারতম্য সৃষ্টি করে তাকেই বলা হয় সাময়িক বায়ু।
- সাময়িক বায়ু দুই ধরনের। যথা- মৌসুমি বায়ু এবং স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।

মৌসুমি বায়ু:
- ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয় তাকে বলা হয় মৌসুমি বায়ু।
- মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি ভাষায় “মত্তসুম” শব্দ থেকে যার অর্থ হলো ঋতু। এটি একটি আঞ্চলিক বায়ু।
- সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়নের ফলে শীত ও গ্রীষ্মে ঋতুভেদে স্থলভাগ ও জলভাগের তাপের তারতম্য হয় বলেই মৌসুমি বায়ুর সৃষ্টি হয়।
- প্রধাণত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ দেখা যায়। এছাড়াও কর্কটক্রান্তি অঞ্চলে যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকার কিছু অংশ, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত ইত্যাদি অঞ্চল এই বায়ুপ্রবাহের অন্তর্গত।
- উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালে লম্বভাবে সূর্যকিরণ পতিত হওয়ার জন্য কর্কটক্রান্তির বায়ুর চাপ কমে যায় ও সুবৃহৎ নিম্নচাপ কেন্দ্র সৃষ্টি হয়।
- এ অবস্থায় দক্ষিণ গোলার্ধের ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে আগত দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে।
- এশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যাওয়া এই বায়ুকে তাই বলা হয় উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মের মৌসুমি বায়ু।
- মধ্য এশিয়ায় নিম্নচাপের দ্বারা দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমি বায়ু উৎপন্ন হয়। ফলে চীন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, জাপান, কম্বোডিয়া, লাওস ইত্যাদি দেশে বৃষ্টিপাত ঘটে।
- মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে পাকিস্তান, মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়ে বৃষ্টিপাত হয়। অপরদিকে শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করে এবং মকরক্রান্তিতে তখন নিম্নচাপ সৃষ্ট হয়।
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগ শীতল হয় বলে তখন ঐ স্থানে উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টি হয়।
- এই সময় বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয় বলে একে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু বলে এবং এই বায়ু শুষ্ক থাকে।
- মৌসুমি বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বাম দিকে বেঁকে যায় এবং উত্তর-পশ্চিমে মৌসুমি বায়ুরূপে উত্তর অস্ট্রেলিয়ার দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫২৮.
The 17th Parallel is an imaginary line between -
  1. Namibia and Angola
  2. Egypt and Sudan
  3. Iraq and Iran
  4. North Korea and South Korea
  5. North and South Vietnam
সঠিক উত্তর:
North and South Vietnam
উত্তর
সঠিক উত্তর:
North and South Vietnam
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২০তম প্যারালাল: লিবিয়া ও সুদান,
- ২২তম প্যারালাল: মিশর ও সুদান,
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৫তম প্যারালাল: মৌরিতানিয়া এবং মালি,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৩১তম প্যারালাল: ইরাক ও ইরান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,

উৎস: Britannica.
২,৫২৯.
রকি কোন জাতীয় পর্বত?
  1. ক) আগ্নেয় পর্বত
  2. খ) ভঙ্গিল পর্বত
  3. গ) ল্যাকোলিথ পর্বত
  4. ঘ) স্তূপ পর্বত
সঠিক উত্তর:
খ) ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা
উত্তর আমেরিকার রকি, এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা ইত্যাদি হলো ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ। কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়েছে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী
২,৫৩০.
কার্টাগোনা প্রটোকল কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ২০০০
  2. খ) ২০০১
  3. গ) ২০০২
  4. ঘ) ২০০৩
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০০
ব্যাখ্যা
কার্টাগোনা প্রটোকল ২০০০ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০০৩ সালে কার্যকর হয়।
Source: LiveMCQ Lecture
২,৫৩১.
নিম্নের কোনটি আহ্নিক গতির ফলাফল নয়?
  1. ক) দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি
  2. খ) জোয়ার ভাটার সৃষ্টি
  3. গ) বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি
  4. ঘ) দিবা-রাত্রির সংঘটন
সঠিক উত্তর:
ক) দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে আহ্নিক গতির ফলাফল:
দিবা-রাত্রির সংঘটন
বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি
জোয়ার ভাটার সৃষ্টি
তাপমাত্রার সৃষ্টি ইত্যাদি

বার্ষিক গতির ফলাফল:
দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি
ঋতু পরিবর্তন

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৩২.
পৃথিবীর সব স্থানে দিন-রাত্রি সমান হয় কত তারিখে?
  1. ২১ জুন ও ২২ ডিসেম্বর
  2. ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  3. ২১ জুন ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর ও ২১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

• ২২ ডিসেম্বর:
- উত্তর গোলার্ধ: সবচেয়ে ছোট দিন + সবচেয়ে বড় রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধ: সবচেয়ে বড় দিন + সবচেয়ে ছোট রাত।

• ২১ জুন:
- উত্তর গোলার্ধ: সবচেয়ে বড় দিন + সবচেয়ে ছোট রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধ: সবচেয়ে ছোট দিন + সবচেয়ে বড় রাত।

• ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর: পৃথিবীর সব স্থানে দিন-রাত্রি সমান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণী।

২,৫৩৩.
মহীসোপান কত ডিগ্রি কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে?
  1. ক) ১ ডিগ্রি
  2. খ) ৫ ডিগ্রি
  3. গ) ১৫ ডিগ্রি
  4. ঘ) ৪৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
ক) ১ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে মহীসোপান বলে। মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত। উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূলে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)
২,৫৩৪.
নদী বিহীন দেশ কোনটি?
  1. ইরাক
  2. সিরিয়া
  3. লিবিয়া
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
লিবিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিবিয়া
ব্যাখ্যা
• নদী বিহীন দেশ:
- পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে যেগুলোর কোনো নদী নেই। অবশ্যই এগুলি বেশিরভাগই মরুভূমির দেশ, যেখানে বৃষ্টিপাত এবং জলের উৎস খুব কম, এবং কোনও বাস্তব নদী বা নদীর তল তৈরি করার জন্য পর্যাপ্ত জলপ্রবাহ নেই।

- স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই এমন দেশগুলি হলো:
- কমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন, মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি, কিরিবাতি, নাউরু, টোঙ্গা ও টুভালু।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২,৫৩৫.
আবহাওয়া বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা কোনটি?
  1. UNWTO
  2. WMO
  3. WIPO
  4. IMO
সঠিক উত্তর:
WMO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WMO
ব্যাখ্যা
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO):
- আবহাওয়া বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হলো WMO. 
- WMO এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- World Meteorological Organization.
- WMO ১৯৫০ সালের ২৩শে মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫১ সালে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ২৪ আগস্ট WMO এর সদস্যপদ লাভ করে। 
===========================
অন্যদিকে,
- IMO হলো আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল বিষয়ক সংস্থা।
- WIPO হলো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- UNWTO হলো পর্যটন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা।

উৎস: WMO ওয়েবসাইট।
২,৫৩৬.
রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলের সর্ববৃহৎ শহর কোনটি?
  1. ক) সাইবেরিয়া
  2. খ) ভ্লাদিভস্টক
  3. গ) খায়বারভস্ক
  4. ঘ) বোখারা
সঠিক উত্তর:
খ) ভ্লাদিভস্টক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভ্লাদিভস্টক
ব্যাখ্যা

The Russian Far East is extraordinarily far from Russia's major population centers in Europe and is usually visited separately unless... by the Trans-Siberian Railway of course.
The largest city in the region, Vladivostok, is a full seven time zones away from Moscow, with 9,300 km of railroad between them.
The Far East is very different from popular conceptions of Russia—it is very mountainous and has an often spectacular Pacific coastline.

Source: Discovery Russia.

২,৫৩৭.
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট সমূহের কত নং অভীষ্ট জলবায়ু বিষয়ক?
  1. ৭ নং
  2. ৯ নং
  3. ১১ নং
  4. ১৩ নং
সঠিক উত্তর:
১৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ নং
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট:
- ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে এসডিজি বা এজেন্ডা ২০৩০ গৃহীত হয়।
- এসডিজির ১৭টি অভীষ্ট রয়েছে, যার মধ্যে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১৬৯টি।
- ১৭টি অভীষ্ট নিম্নরূপ:
১. সর্বত্র সকল ধরনের দারিদ্রের অবসান,
২. ক্ষুধা নিবারণ, খাদ্য নিরাপত্তা, সুষম পুষ্টি ও টেকসই কৃষি,
৩. সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতা,
৪. মানসম্পন্ন শিক্ষা,
৫. লিঙ্গ সমতা,
৬. সবার জন্য স্যানিটেশন ও সুপেয় পানি,
৭. সাশ্রয়ী নির্ভরযোগ্য, টেকসই, আধুনিক ও দূষণমুক্ত জ্বালানি,
৮. স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং সবার জন্য পূর্ণাঙ্গ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান এবং শোভন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা,
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, 
১০. বৈষম্য হ্রাস,
১১. টেকসই নগর ও সম্প্রদায়,
১২. দায়িত্বশীল ভোগ ও উৎপাদন নিশ্চিতকরণ,
১৩. জলবায়ু বিষয়ক বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় জরুরী পদক্ষেপ,
১৪. জলজ জীবনমান উন্নয়ন,
১৫. স্থলে জীবনমান উন্নয়ন,
১৬. শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ,
১৭. টেকসই উন্নয়নের জন্য অংশীদারিত্ব।

উৎস: জাতিসংঘ বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২,৫৩৮.
কোন মহাদেশে দেশের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. এশিয়া
  2. ইউরোপ
  3. আফ্রিকা
  4.  উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

• আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

» বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
• আফ্রিকা - ৫৪টি।
• এশিয়া - ৪৮টি।
• ইউরোপ - ৪৪টি।
• উত্তর আমেরিকা - ২৩টি।
• অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪টি।
• দক্ষিণ আমেরিকা - ১২টি।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২,৫৩৯.
স্যাফির-সিম্পসন স্কেল মূলত কী পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ভূমিকম্পে নির্গত শক্তি
  2. বাতাসের গতিবেগ
  3. ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা
  4. ভূমিকম্পের মাত্রা
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা
ব্যাখ্যা

স্যাফির-সিম্পসন স্কেল:
- ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বিশেষত হারিকেনের তীব্রতা পরিমাপের স্কেলের নাম স্যাফির-সিম্পসন স্কেল।
- এই স্কেলটি হার্বার্ট স্যাফির এবং রবার্ট সিম্পসন তৈরি করেন। 
- স্যাফির-সিম্পসন হারিকেন উইন্ড স্কেল হারিকেন বা ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা মাপার একটি ১ থেকে ৫-এর স্কেল যা বাতাসের গতিবেগের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এটি সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নির্দেশ করে।
- ক্যাটাগরি ৩ ও তার উপরের ঝড়কে "বড়" বা "গুরুতর" হারিকেন ধরা হয় যা ব্যাপক ক্ষতি ও প্রাণহানির কারণ হতে পারে। 

অন্যদিকে, 
- মার্সেলি স্কেল ব্যবহৃত হয় ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপে।
- বিউফোর্ট স্কেল বাতাসের গতিবেগ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) NATIONAL WEATHER SERVICE ওয়েবসাইট।

২,৫৪০.
সম্প্রতি দুটি বড় গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশের কোন জেলায় আবিষ্কৃত হয়েছে?
  1. ক) ভোলা
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ক) ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভোলা
ব্যাখ্যা
১৯৯৫ সালে বাপেক্স ভোলা দ্বীপে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র শাহবাজপুর আবিষ্কার করে। এখানে ভূগর্ভে পাঁচটি গ্যাসস্তরের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর ২০১৭ সালে ভোলা দ্বীপে দ্বিতীয় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে বাপেক্স। এটির নাম দেয়া হয় ভোলা নর্থ এবং এটি প্রথম গ্যাসক্ষেত্রটি থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে ভোলা দ্বীপের উত্তর অংশে অবস্থিত।
উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর
২,৫৪১.
নিচের কোনটি মিঠা পানির উৎস?
  1. মহাসাগর
  2. উপসাগর
  3. ভূগর্ভস্থ পানি
  4. সাগর
সঠিক উত্তর:
ভূগর্ভস্থ পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূগর্ভস্থ পানি
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথাঃ লবণাক্ত ও মিঠা পানি।
- পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত‌।
- নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস।
- বারিমন্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন নিম্নরুপ-
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমন্ডল (০.০০০০৪%)।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৪২.
পানামা খালের খনন কাজ তত্ত্বাবধান করে কোন দেশ?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) পানামা
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- পানামা খালটির নির্মাণ কাজ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়ে ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।
- ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
-  ১৯৯৯ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।
- খালটি উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাতে অবস্থিত।
- আটালান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
২,৫৪৩.
ফ্রান্স ও ব্রিটেনকে পৃথককারী প্রণালী-
  1. পক প্রণালী
  2. ডোভার প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. ডেভিস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
ডোভার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোভার প্রণালী
ব্যাখ্যা
ডোভার প্রণালী:
- ডোভার প্রণালী গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে।
- এটি ইংলিশ চ্যানেল তথা আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে। 
- ডোভার প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত সমুদ্রপ্রণালী।
- এখানে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ বাণিজ্যিক জাহাজ যাতায়াত করে।

অন্যদিকে -
- ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে পক প্রণালী।
- কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডের পৃথক করেছে ডেভিস প্রণালী।
- আরব আমিরাত ও ইরানকে পৃথক করেছে হরমুজ প্রণালী।

উৎস: Britannica.
২,৫৪৪.
নদীর বড় বোঝা বা বোল্ডার কোন প্রক্রিয়ায় বহন করে থাকে?
  1. দ্রবণ প্রক্রিয়ায়
  2. আকর্ষণ বা টানের মাধ্যমে বহন
  3. লম্ফদান প্রক্রিয়ায় বহন
  4. ভাসমান অবস্থায় বহন
সঠিক উত্তর:
আকর্ষণ বা টানের মাধ্যমে বহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকর্ষণ বা টানের মাধ্যমে বহন
ব্যাখ্যা
• আকর্ষণ বা টানের মাধ্যমে বহন:
- নদীজ লোড বা বোঝার বড় আকৃতির পদার্থ যেমন- বোল্ডার থাকতে পারে যা ভাসমান অবস্থায় রাখা সম্ভব হয় না।
- এ ধরনের ভারী ও বড় পদার্থসমূহ হচ্ছে নদীর তলদেশীয় ভার।
- নদীবাহিত বিভিন্ন দ্রব্যসমূহ নদীর তলদেশ দিয়ে স্রোতের টানে বাহিত হয় বলে একে নদীগর্ভ বোঝা বা টান বা আকর্ষণ ভার বলা হয়।
- এই টান বা আকর্ষণের দ্বারাও নদী বহন করে থাকে।
- ধারণা করা হয়, নদীর তলদেশীয় ভার মোট ভারের শতকরা ১০ ভাগের বেশি হয় না।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৪৫.
হাকালুকি হাওরের জলরাশি কোন নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়?
  1. যমুনা
  2. কুশিয়ারা
  3. মেঘনা
  4. তিস্তা
সঠিক উত্তর:
কুশিয়ারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুশিয়ারা
ব্যাখ্যা
হাকালুকি হাওর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি হাওর।
- এটি বাংলাদেশের এবং এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত।
- হাওরের ৪০% বড়লেখা, ৩০% কুলাউড়া, ১৫% ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০% গোলাপগঞ্জ এবং ৫% বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তর্গত।

⇒ হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী।
- এই জলরাশি হাওরের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত কুশিয়ারা নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- বর্ষাকালে হাওর সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে বিশাল রূপ ধারন করে, এই সময় পানির গভীরতা হয় ২-৬ মিটার।

⇒ হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে। প্রায় সারাবছরই বিলগুলিতে পানি থাকে।
- হাকালুকি হাওরের বিলগুলিতে বিভিন্ন জাতের বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। তবে এক সময়ের অন্যতম আকর্ষণীয় Swamp Forest অর্থাৎ জলময় নিম্নভূমির বনাঞ্চল এখন আর তেমন নেই।
- জীববিজ্ঞানীদের মতে, হাকালুকি হাওরে ১৫০ প্রজাতির মিঠা পানির মাছ, ১২০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ বিলুপ্ত প্রায়। এখানে প্রতি বছর শীতকালে প্রায় ২০০ বিরল প্রজাতির অতিথি পাখির সমাগম ঘটে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৫৪৬.
বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় কত মিলিমিটার?
  1. ১০৫০ মি.মি.
  2. ১৫০০ মি.মি.
  3. ২০৩০ মি.মি.
  4. ২৫০০ মি.মি.
সঠিক উত্তর:
২০৩০ মি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৩০ মি.মি.
ব্যাখ্যা

বৃষ্টিপাত:
- বাংলাদেশের জলবায়ু উষ্ণ, আদ্র এবং সমভাবাপন্ন।
- বাংলাদেশে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় ২০৩ সেন্টিমিটার বা ২০৩০ মিলিমিটার।
- তবে অঞ্চলভেদে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ভিন্ন হয়।
- উত্তর ও পশ্চিমের তুলনায় পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে যেমন সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বেশি হয়।
- দেশের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০% বর্ষাকালীন সময়ে (জুন থেকে সেপ্টেম্বর) ঘটে।
- সিলেটকে সাধারণত সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতপ্রাপ্ত এলাকা হিসেবে ধরা হয়।
- বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়- লালখাল, সিলেটে।
- আর জাতীয় তথ্য বাতায়ন অনুসারে, সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়- শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজারে।
- এছাড়া, বাংলাদেশে সর্বনিম্ম বৃষ্টিপাত হয়- লালপুর, নাটোরে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২,৫৪৭.
নিম্নলিখিত কোনটির ওপর বাংলাদেশ অবস্থিত?
  1. ট্রপিক অব ক্যপ্রিকন
  2. ট্রপিক অব ক্যানসার
  3. ইকুয়েটর
  4. আর্কটিক সার্কেল
সঠিক উত্তর:
ট্রপিক অব ক্যানসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপিক অব ক্যানসার
ব্যাখ্যা
ট্রপিক অব ক্যানসার:
- কর্কটক্রান্তি রেখা বা ট্রপিক অব ক্যানসার বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে- চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- এছাড়া বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - ভুগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
২,৫৪৮.
ভেঙ্গি ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. মৌলভীবাজার 
  3. খাগড়াছড়ি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

• কাপ্তাই থেকে প্লাবিত পার্বত্য চট্টগ্রামের উপত্যকা এলাকা — ভেঙ্গি ভ্যালি।
- এটি রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে অবস্থিত। 

• উল্লেখযোগ্য ভ্যালি বা উপত্যকা এবং এদের অবস্থানসমূহ: 
- বালিশিরা ভ্যালি: মৌলভীবাজার,
- হালদা ভ্যালি: খাগড়াছড়ি, 
- সাজেক ভ্যালি: রাঙামাটি,
- সাঙ্গু ভ্যালি: চট্টগ্রাম,
- মাইনমুখী ভ্যালি: রাঙামাটি, 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৫৪৯.
কোন সূত্র অনুসারে ভূপৃষ্ঠে বায়ুপ্রবাহের দিক নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. নিউটনের গতি সূত্র
  2. বুইস ব্যালটের সূত্র
  3. ফেরেলের সূত্র
  4. হ্যাডলির সূত্র
সঠিক উত্তর:
ফেরেলের সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরেলের সূত্র
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ (Movement of Wind): 
- বায়ুর তাপ ও চাপের পার্থক্যের জন্য বায়ু সর্বদা একস্থান থেকে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়।
- ভূপৃষ্ঠের সমান্তরাল বায়ু চলাচলকে বায়ুপ্রবাহ বলে।
- বায়ুপ্রবাহ সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়। 
- পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়।
- এ উভয় কারণে ঘূর্ণায়মান পৃথিবীপৃষ্ঠে গতিশীল পদার্থ (যেমন- বায়ুপ্রবাহ ও জলস্রোত) সরাসরি উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।
- ফেরেলের সূত্র (Ferrel's Law) অনুসারে ভূপৃষ্ঠে বায়ুপ্রবাহের দিক নিয়ন্ত্রিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৫৫০.
কোনটি দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোত?
  1. ফকল্যান্ড স্রোত
  2. উত্তর স্রোত
  3. নিরক্ষীয় বিপরীত স্রোত
  4. সুমেরু স্রোত
সঠিক উত্তর:
ফকল্যান্ড স্রোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফকল্যান্ড স্রোত
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোত:
- বিষুবরেখা হতে দক্ষিণ দিকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের অধিকাংশ স্রোত প্রবাহিত হয়।
- দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোতগুলো নিম্নে দেওয়া হলো:

→ কুমেরু স্রোত বা পশ্চিমা স্রোত।
→ বেঙ্গুয়েলা স্রোত।
→ দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত।
ফকল্যান্ড স্রোত

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫১.
আয়তনে আফ্রিকার ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
  1. কঙ্গো
  2. সিসিলিস
  3. নাইজেরিয়া
  4. আলজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
সিসিলিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিসিলিস
ব্যাখ্যা
 আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

উল্লেখ্য, 
- সিসিলিস আফ্রিকা মহাদেশের আয়তনে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র।
- এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- মোট আয়তন ৪৫৭ বর্গ কিলোমিটার।
- রাজধানীর নাম ভিক্টোরিয়া।

এছাড়া,
- আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম : আলজেরিয়া।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ : নাইজেরিয়া।
- জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম দেশ : সিসিলিস। 
- বৃহত্তম জিডিপির দেশ : নাইজেরিয়া।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট এবং  ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
২,৫৫২.
অনুভূমিক ও নদীতলের কৌণিক অবস্থানকে কী বলা হয়?
  1. গভীরতা
  2. মহীসোপান
  3. ঢাল
  4. সীমানা
সঠিক উত্তর:
ঢাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাল
ব্যাখ্যা
প্রতিটি নদী একটি খাতে প্রবাহিত হয়ে এবং এ প্রবাহ নিম্নোক্ত নিয়ম বা বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়।
যেমন- নদীর প্রস্থ ,গভীরতা, ঢাল, বেগ ও পানির ধারণকৃত অংশের সীমানা দ্বারা প্রভাবিত।
১. প্রস্থ : নদীখাতের দুই তীরের মধ্যবর্তী দূরত্ব। এটি মিটারে প্রকাশ করা হয়।
২. গভীরতা : একটি নদীখাতের তলদেশ থেকে খাড়াভাবে পানির ওপর পর্যন্ত দূরত্ব, যা মিটারে প্রকাশ করা হয়।
৩. ঢাল : অনুভূমিক ও নদীতলের কৌণিক অবস্থান।
৪. বেগ : নদীখাতে যে গতিতে পানি প্রবাহিত হয় তাকে বেগ বলে। নদীর বেগ উপরিভাগে সবচেয়ে বেশি এবং দুই তীর ও তল বরাবর ঘর্ষণের কারণে কম হয়।
৫. পানির ধারণকৃত অংশের সীমানা : নদীখাত এবং পানির সংযােগরেখার দৈর্ঘ্য।

উৎস: ব্যাচেলর অফ এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫৩.
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. শেনজেন চুক্তি
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. কিয়োটো চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা
• কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity।
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল। 
- চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল। 
- সদস্য - ১৭৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য - সিয়েরা লিওন।

উৎস: কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট। 
২,৫৫৪.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কতটি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster Management)
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় পড়ে- যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ,দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম।

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য হলো তিনটি:
(ক) দুর্যোগের সময় জীবন, সম্পদ এবং পরিবেশের যেক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বাক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ পৌঁছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা। সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের কার্যক্রমকে বোঝায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৫৫৫.
কোন বায়ু প্রবাহিত হতে শুরু হলে বর্ষাকাল আরম্ভ হয়?
  1. ক) পশ্চিমা বায়ু
  2. খ) নিয়ত বায়ু
  3. গ) মৌসুমি বায়ু
  4. ঘ) স্থানীয় বায়ু
সঠিক উত্তর:
গ) মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস (জ্যৈষ্ঠ - কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল। অর্থাৎ, গ্রীষ্ম ও শীতের মাঝামাঝি বৃষ্টিবহুল সময়কে বর্ষাকাল বা বর্ষা ঋতু বলে।
এ সময়ের গড় তাপমাত্রা ২৭°C।
জুন মাসের প্রথম দিকে মৌসুমি বায়ুর আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বর্ষাকাল শুরু হয়ে যায়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণি
২,৫৫৬.
একই পরিমাণ বৃষ্টিপাত অঞ্চলসমূহকে যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে দেখানো হয় তার নাম-
  1. আইসােপ্লিথ
  2. আইসোহাইট
  3. আইসােহ্যালাইন
  4. আইসোথার্ম
সঠিক উত্তর:
আইসোহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোহাইট
ব্যাখ্যা
সমরেখ পদ্ধতি:
- পরিমাণগত বা ঘনত্ব জ্ঞাপক একই মান বিশিষ্ট বিভিন্ন স্থানকে মানচিত্রের উপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় সেই রেখাকে সমমান রেখা বা Isopleth line বলে।
- এ রেখা সমমান বিশিষ্ট অঞ্চলের ওপর দিয়ে টানা হয়।
- প্রকৃতিক বিষয় আবহাওয়া, জলবায়ু ইত্যাদি সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের উপাত্ত প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন- সমতাপ বা সমোষ্ণরেখা, সমচাপ রেখা, সমবর্ষণ রেখা এবং সমোষ্ণ রেখা।

উল্লেখ্য,
⇒ সমোষ্ণ রেখা (Isotherm line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর সমান তাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয় সে রেখাকে সমোষ্ণ রেখা বলে।

⇒ সমচাপ রেখা (Isobar line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর বায়ুর সমচাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমচাপ রেখা (Isobar line) বলে।

⇒ সমবর্ষণ রেখা (Isohyet line):
- সম বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমবর্ষণ রেখা বলে।
- সমান উচ্চতা বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় তাকে সমোচ্চ রেখা বলে।
- এ সমস্ত রেখা কাল্পনিক।

উৎস: ব্যবহারিক ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫৭.
কোনটি স্থানীয় বায়ু-
  1. ক) পশ্চিমা বায়ু
  2. খ) মৌসুমি বায়ু
  3. গ) সায়মুম বায়ু
  4. ঘ) মেরুবায়ু
সঠিক উত্তর:
গ) সায়মুম বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সায়মুম বায়ু
ব্যাখ্যা
সায়মুম হলো আরব মালভূমিতে প্রবাহিত একটি স্থানীয় বায়ু। আরো কয়েকটি স্থানীয় বায়ু হলোঃ খামসিন (মরক্কো), সিরক্কো (উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালি), মিস্ট্রাল (ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি), চিনুক (রকি পর্বত), পাম্পেরু (আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে), লু (ভারতীয় উপমহাদেশ) ইত্যাদি।
২,৫৫৮.
'IMDMCC' এর পূর্ণরূপ কি?
  1. In-Ministerial Disaster Management Co-ordination Council
  2. In-Ministerial Disaster Management Co-ordination Committee
  3. In-Ministerial Disaster Management Co-ordination Centre
  4. In-Ministerial Disaster Management Co-operation Centre
সঠিক উত্তর:
In-Ministerial Disaster Management Co-ordination Committee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In-Ministerial Disaster Management Co-ordination Committee
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারের গৃহীত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামােসমূহ নিম্নরূপ :
- Ministry of Disaster Management and Relief (MDMR)
- National Disaster Management Council (NDMC)
- In-Ministerial Disaster Management Co-ordination Committee (IMDMCC)
- Emergency Operation Centre (EOC)
- Disaster Management Bureau (DMB)

উৎস: ব্যাচেলর অফ এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫৯.
'মংডু' কোন দুটি দেশের সীমান্ত এলাকা?
  1. ক) বাংলাদেশ-মায়ানমার
  2. খ) মিয়ানমার-চীন
  3. গ) বাংলাদেশ-ভারত
  4. ঘ) ভারত-মায়ানমার
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ-মায়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ-মায়ানমার
ব্যাখ্যা
মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বাংলাদেশ ঘেঁষা শহর মংডু।
source: kalerkantho.com
২,৫৬০.
বাংলাদেশের কোথায় চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. পাটগ্রাম
  2. বাগলীবাজার
  3. বিজয়পুর
  4. রাণীগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুর
ব্যাখ্যা
চীনামাটি: 
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের  কর্দম;
- প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূ-পৃষ্ঠে অথবা অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠে (subsurface) চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে,
- শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়,
- চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া;
- এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২,৫৬১.
নিচের কোন জ্বালানিটি ব্যবহার করে বায়ুদূষণ কমানো যায়?
  1. সিএনজি
  2. কয়লা
  3. কেরোসিন
  4. পেট্রোল
সঠিক উত্তর:
সিএনজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিএনজি
ব্যাখ্যা
বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ:
বায়ু যেমন দূষিত হয় ঠিক তেমনি দূষণও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বায়ু দূষণ প্রতিরোধের প্রথম উপায় হলো - বায়ুমন্ডলে দূষিত বায়ু মিশ্রিত হওয়ার পূর্বেই তা নিয়ন্ত্রণ করা।
- এছাড়া যানবাহন ও কল-কারখানার ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ, সিএনজি ব্যবহার, কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, অঞ্চলভিত্তিক ভূমি ব্যবহার, বৃক্ষরোপন প্রভৃতির মাধ্যমে বায়ু দূষণ প্রতিরোধ করা যায়।
- আমাদের নিজেদের অস্তিত্বের স্বার্থেই বায়ু দূষণ প্রতিরোধে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে এবং আইন মেনে চলতে হবে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৬২.
আমাজন নদী কোথায় পতিত হয়েছে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে
  2. আটলান্টিক মহাসাগরে
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাসাগরে
  4. আর্কটিক মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
আমাজন নদী:
- আমাজন নদী দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের পরে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। 
- দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৪০০ কিমি।
- নদীটি সাধারণত ১৯ - ৫০ কিলোমিটার প্রশস্ত, যার সর্বোচ্চ প্রস্থ ১০০ কিলোমিটার। 
- উৎপত্তিস্থান: পেরুর আন্দিজ পর্বতমালার নেভাদো মিস্মি (Nevado Mismi) পর্বত।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়।
- নদীটি পেরু, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, বলিভিয়া, ইকুয়েডর ও ভেনেজুয়েলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।

⇒ আমাজন নদী বিশ্বের বৃহত্তম জীববৈচিত্র্যপূর্ণ অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি কারণ এটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় রেইনফরেস্ট আমাজনের অবস্থান।
- এটি ২.৫ মিলিয়ন বিভিন্ন প্রজাতির পোকামাকড়, ২,২০০ প্রজাতির মাছ, হাজার হাজার উদ্ভিদ প্রজাতি এবং ২,৮০০ প্রজাতির পাখি এবং প্রাণীর আবাসস্থল।
- এই জলরাশি বিভিন্ন ধরণের বন্যপ্রাণীর আশ্রয়স্থল। 

উৎস: Worldatlas.
২,৫৬৩.
কোন মহাসাগরটি ইংরেজি 'S' অক্ষরের মতো?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean):
- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এ মহাসাগর আয়তনে প্রশান্তমহাসাগরের প্রায় অর্ধেক হলেও গুরুত্ব সর্বাধিক।
- কারণ পৃথিবীর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান অংশ এ মহাসাগর দিয়ে সম্পন্ন করা হয়।

⇒ এ মহাসাগরের আয়তন ৮ কোটি ২৪ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গড় গভীরতা ৩,৯৩২ মিটার এবং সর্বাধিক গভীরতা ৯,১৮৮ মিটার।
- আটলান্টিক মহাসাগর তুলনামূলকভাবে প্রশান্তমহাসাগরের চেয়ে কম প্রশস্ত এবং উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে ইংরেজি S অক্ষরের মতো বিস্তৃত।

⇒ এ মহাসাগরের পূর্বদিকে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ অবস্থিত।
- আর্কটিক সাগরসহ এটি সবচেয়ে লম্বা মহাসাগর যা উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলকে যুক্ত করেছে।
- স্থলভাগ সংলগ্ন অনেকগুলো অগভীর সাগর যেমন- আর্কটিক, বাল্টিক, ক্যারাবিয়ান, ভূ-মধ্যসাগর এবং মেক্সিকো উপসাগর রয়েছে।
- এ মহাসাগরে পতিত নদীগুলোর মধ্যে আমাজান এবং কঙ্গো অন্যতম।

⇒ আটলান্টিক মহাসাগরে বেশ কিছু দ্বীপ রয়েছে।
- এর মধ্যে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দ্বীপ গ্রীনল্যান্ড অন্যতম।
- এছাড়াও রয়েছে পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ স্যান্ডউইচ, আইসল্যান্ড, সেন্ট পল বক দ্বীপ প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৬৪.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল?
  1. ক) ধান
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) ইক্ষু
  4. ঘ) আলু
সঠিক উত্তর:
গ) ইক্ষু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইক্ষু
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে।
বাংলাদেশের অর্থকরী ফসলগুলো হলোঃ পাট, চা, ইক্ষু, তুলা, রাবার, তামাক, ফুল ইত্যাদি।
অন্যদিকে ধান, গম, ভুট্টা, তেলবীজ, আলু, সবজী, ফলমূল ইত্যাদি হলো খাদ্যশস্য।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৫৬৫.
বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা কোনটি?
  1. থানচি
  2. আলীকদম
  3. লামা
  4. রুমা
সঠিক উত্তর:
থানচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানচি
ব্যাখ্যা

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

২,৫৬৬.
যানবাহনের কালো ধোঁয়া পরিবেশকে দূষিত করে-
  1. ক) বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
  2. খ) বাতাসে ফ্লোরাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
  3. গ) বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
  4. ঘ) বাতাসে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাতাসে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাতাসে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
ব্যাখ্যা
- গাড়ি, বিভিন্ন যানবাহন, কল-কারখানা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- কার্বন মনোক্সাইড হিমোগ্লোবিনের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা খর্ব করে। যা পরিবেশকে দূষিত করে।
২,৫৬৭.
'Swatch of No Ground' কী নামে পরিচিত?
  1. ক) গঙ্গা খাদ
  2. খ) মেঘনা খাদ
  3. গ) গিরি খাদ
  4. ঘ) পদ্মা খাদ
সঠিক উত্তর:
ক) গঙ্গা খাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গঙ্গা খাদ
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground)
• সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।যযল
• এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত
• সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো। মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
• বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে। বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
• সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা। এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মি।
• সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।
• 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমি রূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
২,৫৬৮.
জিব্রাল্টার সংলগ্ন দেশ কোনটি?
  1. শ্রীলংকা
  2. ফ্রান্স
  3. ইরান
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
স্পেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেন
ব্যাখ্যা
জিব্রাল্টার:
- ভূমধ্যসাগরের তীরে স্পেন উপকূলে ব্রিটিশ শাসিত একটি ভূখণ্ড জিব্রাল্টার।
- অঞ্চলটি ব্রিটিশদের অন্যতম সামরিক ও নৌঘাঁটি।
- এর ওপর আধিপত্য বিস্তার করে আছে ‘রক অব জিব্রাল্টার’, যার পাদদেশে প্রায় ৩৪ হাজার মানুষের বসবাস।

⇒ জিব্রাল্টার নামটি নেওয়া হয়েছে আরবি জবাল তারিক বা তারিকের পাহাড় থেকে। 
- ১৭০৪ সালে স্পেনের কাছ থেকে জ্রিব্রাল্টার দখল করে ব্রিটিশরা।
- এর পর থেকেই অঞ্চলটি ব্রিটিশদের দখলে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি রয়েল নেভির গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ছিল।

⇒ জিব্রাল্টার প্রণালি বা স্ট্রেইট অব জিব্রাল্টার নামে পরিচিত প্রণালিটির পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর আর পূর্বে ভূমধ্যসাগর।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- আর পৃথক করেছে ইউরোপের স্পেন এবং আফ্রিকার মরক্কোকে।
- জিব্রাল্টার প্রণালির দৈর্ঘ্য ৬০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৪.৩ কিলোমিটার।
- বর্তমানেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এই প্রণালি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস:  Britannica.
২,৫৬৯.
বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
  1. অ্যাপোলো-১১
  2. স্পুটনিক-১
  3. স্পুটনিক-২
  4. চ্যালেঞ্জার
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক-১
ব্যাখ্যা

স্পুটনিক ১:
- স্পুটনিক ১ ছিল বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ। 
- ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন (তৎকালীন) উৎক্ষেপণ করে।
- স্পুটনিক ১ ছিল ৮৩.৬ কেজি (১৮৪ পাউন্ড) ওজনের একটি ক্যাপসুল।
- কাজাখস্তানের টিউরাটাম উৎক্ষেপণস্থল থেকে রাত ১০টা ২৯ মিনিটে উৎক্ষেপণ করা স্পুতনিকই প্রথম মানবসৃষ্ট কোনো যন্ত্র, যা অভিকর্ষ বলের বাইরে গিয়ে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের প্রথম মহাকাশচারী- ইউরি গ্যাগারিন (রাশিয়া)।

উৎস: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।

২,৫৭০.
বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ জেলা কোনটি?
  1. চাঁদপুর
  2. ভোলা
  3. নোয়াখালী
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা

ভোলা ব-দ্বীপ:
- ভোলা জেলা হলো বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রাচীন গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ।
- এই জেলার অন্তর্গত মনপুরা দ্বীপে পর্তুগিজরা বসবাস করত।
- ভোলার আদি নাম ছিল দক্ষিণ শাহবাজপুর।
- ভোলা জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়: ১৯৮৪ সালে।
- ভোলা নোয়াখালী জেলার অধীনে সাব-ডিভিশন হিসেবে স্বীকৃতি পায়: ১৮৪৫ সালে।
- বর্তমানে ভোলা জেলায়- উপজেলা: ৭টি ও ইউনিয়ন: ৭০টি
- বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ।
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপের স্থানীয় নাম: নারিকেল জিঞ্জিরা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশকে পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ অঞ্চল হিসেবে গণ্য করা হয়।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ সুন্দরবন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।[লিঙ্ক]

২,৫৭১.
ভারত-পাকিস্তানের সীমান্ত রেখার নাম কী?
  1. ম্যাকমোহন লাইন
  2. ম্যানারহেইম লাইন
  3. র‍্যাডক্লিফ লাইন
  4. ডুরান্ড লাইন
সঠিক উত্তর:
র‍্যাডক্লিফ লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাডক্লিফ লাইন
ব্যাখ্যা
র‍্যাডক্লিফ লাইন:
- ১৯৪৭ সালের ৩রা জুন মাউন্টব্যাটেন তার ভারত বিভাগ পরিকল্পনা প্রকাশের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণের জন্যে ব্রিটিশ সরকার স্যার সিরিল জন র‍্যাডক্লিফকে চেয়ারম্যান করে র‍্যাডক্লিফ কমিশন গঠন করে।
- এই কমিশনের অধীন বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন ও পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে র‍্যাডক্লিফ রোয়েদাদ প্রকাশ করা হয়।
- এর ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়।
- ভারত পাকিস্তানের সীমানাকে র‍্যাডক্লিফ লাইন বলা হয়।

অন্যদিকে -
- ম্যাকমোহন লাইন হলো চীন ও ভারতের মধ্যে কার্যকরী সীমানা।
- ম্যানারহেইম লাইন হলো ফিনল্যান্ড ও রাশিয়াকে বিভক্ত করেছে।
- ডুরান্ড লাইন আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত একটি সীমান্ত রেখা বা লাইন।

উৎস: Britannica.
২,৫৭২.
নিচের কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়?
  1. নরওয়ে
  2. সুইডেন
  3. ডেনমার্ক
  4. বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- বেলজিয়াম স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com.
২,৫৭৩.
অন্তঃজ আগ্নেয় শিলার উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) গ্রানাইট
  2. খ) ব্যাসল্ট
  3. গ) রায়োলাইট
  4. ঘ) অ্যান্ডিসাইট
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রানাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রানাইট
ব্যাখ্যা

বহিঃজ আগ্নেয় শিলা (Extrusive Igneous Rocks) : ভূগর্ভের উত্তপ্ত তরল পদার্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরির
অগ্ন্যুৎপাত বা অন্য কোনাে কারণে বেরিয়ে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে বহিঃজ আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়, এদের দানা খুব সূক্ষ্ম, রং গাঢ়। এই শিলার উদাহরণ হলাে ব্যাসল্ট, রায়ােলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি।
অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা (Intrusive Igneous Rocks) : উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূগর্ভে জমাট
বাঁধলে তৈরি হয় অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা। এর দানাগুলাে স্থুল ও হালকা রঙের হয়। গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলােরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথােলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

২,৫৭৪.
বর্তমানে লৌহ উৎপাদনে পৃথিবীর শীর্ষ দেশ- [জুলাই, ২০২৫]
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. চীন
  3. ব্রাজিল
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
 লৌহ আকরিক উৎপাদন: 
- বিশ্বের শীর্ষ লৌহ আকরিক উৎপাদনকারী দেশ অস্ট্রেলিয়া। 
- বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩৭.৬%।
- প্রধান রপ্তানি বাজার: চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম। 

উল্লেখ্য, 
- লৌহ আকরিক উৎপাদনকারী শীর্ষ দ্বিতীয় দেশ ব্রাজিল।
- লৌহ আকরিক উৎপাদনকারী শীর্ষ তৃতীয় দেশ চীন।

উৎস: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ ২০২৫। [লিঙ্ক]
২,৫৭৫.
আরিচা ফেরিঘাট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মুন্সিগঞ্জ
  2. খ) রাজবাড়ী
  3. গ) মানিকগঞ্জ
  4. ঘ) মাদারীপুর
সঠিক উত্তর:
গ) মানিকগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ফেরীঘাটের অবস্থান...
আরিচা - মানিকগঞ্জ, পাটুরিয়া - মানিকগঞ্জ।
মাওয়া - মুন্সিগঞ্জ, কাওরাকান্দি - মাদারীপুর।
দৌলতদিয়া - রাজবাড়ী, বাহাদুরবাদ - জামালপুর।
জগন্নাথগঞ্জ - জামালপুর, নগরবাড়ি - পাবনা।

২,৫৭৬.
বাংলাদেশের সিলেটের বৃষ্টিপাত কী ধরনের?
  1. শৈলোৎক্ষেপ
  2. ঘূর্ণিবাত
  3. সংঘর্ষ
  4. পরিচলন
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ
ব্যাখ্যা
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৭৭.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে কোন প্রকার বৃষ্টিপাত হয়?
  1. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  2. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি
  3. পরিচলন বৃষ্টি
  4. সংঘর্ষ বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের দেশসমূহ সারা বছর সূর্যের তাপ পায় বলে এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সেই সাথে উর্বর মৃত্তিকা এবং জলবায়ুর প্রভাবে চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়।
- এখানে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন: মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

⇒ নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
- নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
- দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
- এই সকল এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয়।
- অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৭৮.
'বনা গোলাপ' বাংলাদেশের একমাত্র কোন বনে পাওয়া যায়?
  1. রাতারগুল জলাবন
  2. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল
  3. মধুপুর বনাঞ্চল
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
রাতারগুল জলাবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাতারগুল জলাবন
ব্যাখ্যা

•  'বনা গোলাপ'/  Wild Rose:  
- 'বনা গোলাপ' যা বন্য গোলাপ, বুনো গোলাপ বা বন গোলাপ নামেও পরিচিত। 
- বৈজ্ঞানিক নাম: Rosa clinophylla বা Rosa involucrata
- বাংলাদেশের একটি বিপন্ন জলসহিষ্ণু উদ্ভিদ প্রজাতি।
- এই প্রজাতিটি বিশেষভাবে জলাভূমি ও জলাবন পরিবেশে জন্মাতে সক্ষম।
- অন্যান্য সাধারণ গোলাপ গাছ জলাবদ্ধ পরিবেশ সহ্য করতে পারে না, কিন্তু বনা গোলাপ দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকা অবস্থাও সহ্য করতে পারে। 
- বাংলাদেশে বনা গোলাপ প্রধানত সিলেট অঞ্চলের হাওর ও জলাবন এলাকায় জন্মায়।
- বিশেষ করে সিলেটের রাতারগুল জলাবনে এই প্রজাতিটি পাওয়া যায় এবং এটিকে বাংলাদেশের একমাত্র বন্য গোলাপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। 

উল্লেখ্য, 
- রাতারগুল হলো বাংলাদেশের একমাত্র স্বাদুপানির জলাবন বন, যা সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট এলাকায় অবস্থিত।
- বর্ষাকালে বনটি ২০–৩০ ফুট পর্যন্ত পানির নিচে ডুবে থাকে এবং এই ধরনের জলাবদ্ধ পরিবেশে বনা গোলাপসহ বিভিন্ন জলসহিষ্ণু উদ্ভিদ জন্মায়।

তথ্যসূত্র: 
i) IUCN. (Link) 
ii) PLANTLET. (Link) 

২,৫৭৯.
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপর কোন নেতিবাচক প্রভাবটি পড়ে?
  1. লবনাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধি
  2. কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস
  3. ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায়
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের উপর প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

১. উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবনাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধি,
২. কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস,
৩. অধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি,
৪. দেশের উত্তরাংশসহ বিস্তীর্ণ এলাকা খরায় আক্রান্ত হওয়া,
৫. ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া,
৬. আবাদী জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়া,
৭. মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ যেমন- অতিরিক্ত লবনাক্ততায় মৎস্য প্রজাতির বিলুপ্তি দেখা যাচ্ছে।
৮. যে হারে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই হারে যদি সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তাহলে প্রায় ১৫% স্থলভাগ হারানোর সম্ভাবনা আছে। এক্ষেত্রে উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ৩০ মিলিয়ন (৩কোটি) মানুষ ও নানা প্রজাতির জীবজন্তু, সম্পদ প্রভৃতি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
৯. এদেশের স্বতন্ত্র বাস্তুতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো সুন্দরবন, সেখানে প্রাণি বৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।
১০. বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৮০.
ডেড সী কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. তুরস্ক এবং গ্রিস
  2. জর্ডান এবং ইসরায়েল 
  3. লেবানন এবং সিরিয়া 
  4. ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
জর্ডান এবং ইসরায়েল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্ডান এবং ইসরায়েল 
ব্যাখ্যা

• ডেড সী:
- ডেড সী, যা লবণ সাগর নামেও পরিচিত।
- এটি একটি লবণাক্ত হ্রদ।
- জর্ডান এবং ইসরায়েল এর মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
-  সমুদ্রপৃষ্ঠের চেয়ে ৪৩০.৫ মিটার নিচে অবস্থিত,
- যা একে পৃথিবীর সবচেয়ে নিম্নভূমির স্থলভাগ হিসেবে পরিচিত।
- এর লবণাক্ততা সাধারণ সমুদ্রের চেয়ে প্রায় দশ গুণ বেশি।
- এই হ্রদের একটি প্রধান পানির উৎস হলো জর্ডান নদী,
- তবে এর কোনো প্রাকৃতিক নিষ্কাশন পথ নেই।
- ফলে এটি প্রধানত বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পানি হারায়।
-  এই হ্রদে জীবনের অস্তিত্ব প্রায় নেই।
- শুধুমাত্র শৈবাল এবং কিছু আণুবীক্ষণিক জীব ছাড়া আর কিছু বেঁচে থাকতে পারে না।
 
উৎস: World Atlas. 

২,৫৮১.
ঋতু পরিবর্তন ঘটে নিচের কোনটির ফলে?
  1. আহ্নিক গতি
  2. বার্ষিক গতি
  3. মৌসুমি বায়ু
  4. অয়ন বায়ু
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতি
ব্যাখ্যা
আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল সমূহ:
• দিন-রাত্রি সংঘটন,
• জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি,
• বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি,
• তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি,
• জীব জগতের সৃষ্টি ও বংশবিস্তার প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন ও দিন- রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৮২.
সুন্দরবন কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. চিত্রা
  2. শিবসা
  3. ডাকাতিয়া
  4. রূপসা
সঠিক উত্তর:
শিবসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিবসা
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন শিবসা নদীর তীরে অবস্থিত

শিবসা নদী
- শিবসা নদী সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান নদী। 
- মংলা-তে পসুর নদী দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে পশ্চিম শাখাটি শিবসা নামে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মোহনার কাছে কুঙ্গা নাম ধারণ করে বঙ্গোপাসাগরে পড়েছে।
- শিবসা-কুঙ্গার তীরে হিরণ পয়েন্ট অবস্থিত।
- দৈর্ঘ্য প্রায় ১০০ কিমি। উৎপত্তির পর প্রায় ২৭ কিমি পাইকগাছা উপজেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে অবশিষ্ট পথ পাইকগাছা এবং দাকোপ উপজেলার সাধারণ সীমা নির্ধারণ করে প্রবাহিত হয়েছে।
- শিবসা সুন্দরবনের অভ্যন্তরে পসুর নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- নদীটি নিয়মিত জোয়ার-ভাটা দ্বারা প্রভাবিত। পূর্ণ বর্ষার কয়েক মাস ব্যতীত নদীর পানি সারা বছরই লবণাক্ত থাকে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,৫৮৩.
নিচের কোনটি উঁচু আকাশের মেঘ?
  1. নিম্বো স্ট্রাটাস
  2. কিউমুলাস
  3. সিরোস্ট্রাটাস
  4. অল্টোকিউমুলাস
সঠিক উত্তর:
সিরোস্ট্রাটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরোস্ট্রাটাস
ব্যাখ্যা
মেঘ:
- মেঘকে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, আকৃতি, রঙ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর অনেকভাবেই ভাগ করা হয়।
- উচ্চতা অনুসারে মেঘ হলো:

উঁচু আকাশের মেঘ:
- যারা সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে ৬০০০ মিটারের উপরে থাকে।
- যেমন: সিরাস (Cirrus), সিরোকিউমুলাস (Cirro-Cumulus), সিরোস্ট্রাটাস (Cirro-Stratus).

মাঝারি আকাশের মেঘ:
- ২০০০ মিটার থেকে ৬০০০ মিটারের মধ্যে থাকে।
- অল্টোকিউমুলাস (Altocumulus), অল্টো স্ট্রাটাস (Altostratus), এই মাঝারি আকাশের মেঘ।

নীচু আকাশে মেঘ:
- যারা ২০০০ মিটারের নিচে অবস্থান করে।
- যেমন: স্ট্রাটাস (Stratus), নিম্বো স্ট্রাটাস (Nimbo- status), কিউমুলো-নিম্বাস (Cumulonimbus, কিউমুলাস (Cumulus) এবং স্ট্রাটো-কিউমুলাস (Strato- cumulus).

উৎস: National Weather Service (.gov)[লিঙ্ক]
২,৫৮৪.
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কবে নির্মিত হয়?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পানি শক্তি দ্বারা পরিচালিত।
- কর্ণফুলী নদীর নির্ধারিত স্থানে বাধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলধারা সৃষ্টি এবং সঞ্চিত পানি সুড়ঙ্গ সদৃশ্য পথে ধাবিত করে জলের তোড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী যন্ত্র সক্রিয় করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় এ প্রকল্পটির অবস্থান।
- ১৯৫৬ সালে এ বাধের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬২ সালে কাপ্তাই বাধের নির্মাণ কাজ শেষ হয় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
- ইন্টারন্যাশানাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী এবং ইউতাহ ইন্টারন্যাশানাল ইনকর্পোরেট ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উচু এই বাধটি তৈরী করে।  
- প্রাথমিক পর্যায়ে ২টি ইউনিটের উৎপাদন ছিল ৮০ মেগাওয়াট।
- প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ধারায় ২৩০ মেগাওয়াট।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৫৮৫.
উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ৩ ভাগে
  2. খ) ৪ ভাগে
  3. গ) ৫ ভাগে
  4. ঘ) ৬ ভাগে
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
পর্বত:
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়-
১. ভঙ্গিল পর্বত।
২. আগ্নেয় পর্বত।
৩. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত।
৪. উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত ।

• ভঙ্গিল পর্বত- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- চার ধরনের পর্বতের মধ্যে ভঙ্গিল পর্বত সর্বাধিক বিস্তৃত।
- ভঙ্গিল পর্বত সাধারণত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত।

• আগ্নেয় পর্বত- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত চারদিকে সঞ্চিত হয়। পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।

চ্যুতি-স্তূপ পর্বত- ভূ-আলোড়নের ফলে শিলাস্তরের সংকোচন ও প্রসারণে ভূ-ত্বক অনেক সময় খাড়াভাবে ফেঁটে যায়। যে রেখা বরাবর ফাঁটল সৃষ্টি হয় তাকে চ্যুতি রেখা বলে। দুটি ফাঁটলের মাঝের অংশ অনেক সময় উপরে ওঠে যায় বা নিচে বসে যায়। চ্যুতি বরাবর এই ধরনের পর্বতকে চ্যুতি-স্তুপ পর্বত বলে।

• উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত- ভূ-পৃষ্ঠের নরম শিলাসমূহ বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত ও অপসারিত হলে কঠিন শিলাসমূহ উঁচু হয়ে পর্বতের ন্যায় অবস্থান করে। একে উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত বলে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।




২,৫৮৬.
বাংলাদেশে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ২৫.১১° সেলসিয়াস
  2. খ) ২৬.০১° সেলসিয়াস
  3. গ) ৩০.০২° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ৩২.১৩° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬.০১° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬.০১° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১° সেলসিয়াস।
- মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।
- বালাদেশের সিলেট অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে তিনটি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(ক) গ্রীষ্মকাল, (খ) বর্ষাকাল ও (গ) শীতকাল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
২,৫৮৭.
কোন সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে পৃথিবীর সর্বাধিক জাহাজ যাতায়াত করে?
  1. ক) দক্ষিণ আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
  2. খ) ভারত মহাসাগরে
  3. গ) উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
  4. ঘ) উত্তর মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে নৌকা, জাহাজ চলাচল করতে সুবিধা হয়।
- তবে শীতল সমুদ্রস্রাত অপেক্ষা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতে জাহাজ ও নৌচলাচলের সুবিধা সবচেয়ে বেশি।
- উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক জাহাজ যাতায়াত করে।
- আটলান্টিক মহাসাগরকে প্রায় ৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা উত্তর আটলান্টিক ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের বিভক্ত করেছে।
- পৃথিবীর মোট আয়তনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগর।
- শীতল স্রোতের গতিপথে তীব্র শীত ও হিমশৈলের জন্য জাহাজ চলাচলের অসুবিধা দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল, নবম দশম শ্রেণি।
২,৫৮৮.
স্ক্যান্ডিনেভিয়া উপদ্বীপ প্রধানত কোন দুটি দেশ দ্বারা অধিকৃত?
  1. ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ড
  2. নরওয়ে ও সুইডেন
  3. সুইজারল্যান্ড ও সুইডেন
  4. আইসল্যান্ড ও নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে ও সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে ও সুইডেন
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপ উত্তর ইউরোপের বৃহৎ উপদ্বীপ।
- এটি প্রায় ১,১৫০ মাইল (১,৮৫০ কিমি) লম্বা।
- উপদ্বীপটির আয়তন ২৮৯,৫০০ বর্গ মাইল।
- আর্কটিক সার্কেলের উপর থেকে বাল্টিক সাগরের তীর পর্যন্ত এটি বিস্তৃত। 
- এটি প্রধানত নরওয়ে ও সুইডেন দ্বারা অধিকৃত।
- নরওয়ে এবং সুইডেন যথাক্রমে এই পর্বতমালার পশ্চিম এবং পূর্ব দিক ভাগ করে নেয়।

উল্লেখ্য,
- তবে ডেনমার্ককেও সাধারণভাবে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
- কারণ এর নরওয়ে এবং সুইডেনের সাথে ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে।
- এই তিনটি দেশ নর্ডিক দেশগুলোর অংশ, যার মধ্যে ফিনল্যান্ড এবং আইসল্যান্ডও অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, এনসাইক্লোপিডিয়া।
২,৫৮৯.
'সাকা হাফং' বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

সাকা হাফং: 
- সাকা হাফং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য জেলা বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে অবস্থিত একটি পাহাড়।
- স্থানীয়ভাবে এই শৃঙ্গকে 'মদক তং' নামেও ডাকা হয়।
- এর অবস্থান ভারত-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পর্বতশৃঙ্গ রয়েছে, যেগুলোর অবস্থান মূলত বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার দুর্গম এলাকায়।
- এদের মধ্যে তাজিংডং অন্যতম, এটা বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অবস্থিত এবং সরকারিভাবে একে দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বলা হয়ে থাকে।

সূত্র: প্রথম আলো। 

২,৫৯০.
'স্টবাক' জলপ্রপাতটি কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. ভেনিজুয়েলা
  4. নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• স্টবাক জলপ্রপাত:
- স্টবাক জলপ্রপাত সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত
- ইউরোপীয় মহাদেশে অবস্থিত এই জলপ্রপাতের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট।
- এটি সুইজারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।
- গ্রীষ্মে উষ্ণ বাতাস চারদিকে জল ঘোরা করে, যাতে জলপ্রপাতগুলি সমস্ত দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে,
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত জাম্বিয়া/জিম্বাবুয়ে অবস্থিত।
- 'গুয়ারিয়া' জলপ্রপাত ব্রাজিলে অবস্থিত।
- এঞ্জেল জলপ্রপাত ভেনিজুয়েলায় অবস্থিত।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অবস্থিত।
- স্ট্যানলি ও লিভিংস্টোন জলপ্রপাত কঙ্গোতে অবস্থিত।
- ইগুয়াজু জলপ্রপাত ব্রাজিল/আর্জেন্টিনা অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

২,৫৯১.
বন্যাকালীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিচের কোনটি?
  1. ক) গাছ লাগানো
  2. খ) টিউবওয়েল স্থাপন করা
  3. গ) আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া
  4. ঘ) আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা
সঠিক উত্তর:
গ) আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া
ব্যাখ্যা
বন্যা পূর্ব ব্যবস্থাপনা (Pre- Flood Management): 
ক. বনায়ন (Forestation): বিশেষ করে বন্যা প্রবণ এলাকায় বাড়ির চারপাশে কড়ই গাছসহ অন্যান্য গাছ লাগানো যেতে পারে।
খ. বসত বাটি (Settlement): বন্যা প্রবণ এলাকায় ঘরের মেঝে উঁচু করা, সম্ভব হলে ইট সিমেন্ট এর পাকা ঘর নির্মাণ করা যেতে পারে। 
গ. বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য (Pure Water and Food): বন্যার পানিতে টিউবওয়েল যাতে না ডুবে এমন স্থানে টিউবওয়েল স্থাপন করা উচিত। বন্যার সময় বাড়িতে মুড়ি, চিড়া, গুড় প্রভৃতি শুকনো খাবার মজুদ রাখতে হবে। নিরাপদ স্থানে ফসলের বীজ সংরক্ষণ করতে হবে।
ঘ. সম্পদ (Property): গবাদি পশু, মূল্যবান সম্পদ বন্যার পূর্বে মূল্যবান স্থানে সরিয়ে রাখতে হবে।
ঙ. আশ্রয়কেন্দ্র (Shelter): বন্যার সময় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে শিশু, বৃদ্ধ, গর্ভবর্তী মহিলা এবং মেয়েদের বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

বন্যাকালীন ব্যবস্থাপনা (During Flood Management): 
ক. আশ্রয় (Shelter): বন্যার সময় নিকটস্থ উঁচু স্থান, বাঁধে অথবা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে হবে। 
খ. বিশুদ্ধ পানি (Pure Water): পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বা ফিটকিরি বা ফুটিয়ে অথবা টিউবওয়েলের পানি পান করতে হবে।
গ. সুরক্ষা (Safety): কার্বলিক এসিড মিশ্রিত সাবান টুকরা ঘরের চারকোণে রাখলে সাপ ঢুকবে না।
ঘ. ত্রাণ (Relief): সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ত্রাণসামগ্রী যা পাওয়া যায় তা দিয়ে অভাব মিটাতে হবে এবং ত্রাণ প্রদানকারীদের সহায়তা প্রদান করতে হবে।

বন্যা পরবর্তী ব্যবস্থাপনা (Post Flood Management): বন্যা পরবর্তী ব্যবস্থাপনাসমূহ নিম্নরূপ:
ক. বন্যার পরপরই পানি বাহিত বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন টাইফয়েড, ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে তাই প্রতিষেধক হিসেবে টিকা দেওয়া যেতে পারে।
খ. বন্যার পানি সরে যাওয়ার সাথে সাথে নিজের বসতবাটিতে ফিরে যেতে হবে এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে বাসযোগ্য করতে হবে বা পূনঃনির্মাণ করা যাবে।
গ. স্বল্প সময়ে উৎপাদন যোগ্য ফসল চাষ, বাড়িতে শাক সবজি ফলানো, পুকুর ডোবায় মাছ সংগ্রহ অর্থাৎ জীবিকার ব্যবস্থা করতে হবে।
 
সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৯২.
শুক্র গ্রহে কত দিনে এক বছর?
  1. ৮৮ দিনে
  2. ১২৫ দিনে
  3. ২২৫ দিনে
  4. ২৫০ দিনে
সঠিক উত্তর:
২২৫ দিনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৫ দিনে
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):
- সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন। 
- সুতরাং শুক্রে ২২৫ দিনে এক বছর।
শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই। 

উল্লেখ্য,
• বুধের মতো শুক্র গ্রহকেও ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়।
- শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়।
- কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই আমরা একে ভুল করে তারা বলি।
- শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা।
- তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনই দেখা যায় না।
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমন্ডল প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইডের তৈরি।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
- সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না।
- এখানে বৃষ্টি হয় তবে এসিড বৃষ্টি। শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
২,৫৯৩.
কোনটি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ?
  1. গ্রানাইট
  2. মার্বেল
  3. চুনাপাথর
  4. বেলেপাথর
সঠিক উত্তর:
মার্বেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্বেল
ব্যাখ্যা
• রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks):
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।
যেমন: 
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস;
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

এছাড়াও,
• আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks):

- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড ছিল। এই গ্যাসপিণ্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।

যেমন: ব্যাসন্ট,রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট, গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ,।

• পাললিক শিলা (Sedimentary Rocks):
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
যেমন:
- বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
২,৫৯৪.
'তিনবিঘা করিডোর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুড়িগ্রাম
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) পঞ্চগড়
  4. ঘ) লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
তিনবিঘা করিডোরঃ
লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা। এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।

- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয় এবং
- ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ আগস্ট এখানে ইউনিয়ন পরিষদের শুভ উদ্বোধন ঘটে।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।
- ২০১৫ সালের ছিটমহল মিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়।

উৎসঃ লালমনিরহাট জেলার ওয়েবসাইট।
২,৫৯৫.
যমুনা গোয়ালন্দের কাছে _____ নদীর সাথে মিশেছে।
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) তিস্তা
  4. ঘ) সুরমা
সঠিক উত্তর:
ক) পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পদ্মা
ব্যাখ্যা

যমুনা গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদীর সাথে মিশেছে। ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।।
সূত্রঃ বাংলাদেশের মানচিত্র, সরকারী ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
যমুনা নদী মূলত ব্রহ্মপুত্রের শাখা। তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের মিলিত স্রোতধারাটি যমুনা নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের কাছে এসে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে। যমুনা বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী। যমুনা নদীর পূর্ব নাম ছিল জোনাই নদী। যমুনার শাখানদী হলো- ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা এবং উপনদীগুলো হলো- তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, বাঙ্গালী, কালজানি, ডোরসা, যমুনেশ্বরী, দুধকুমারত, গঙ্গা, তুলসী গঙ্গা, বড়াল, নারদ ইত্যাদি।
উৎসঃ ভূগোল, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উল্লেখ্য, এই উৎসে যমুনা নদীকে বাংলাদেশের প্রশস্ত নদী বলা হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য নির্ভরযোগ্য উৎস অনুযায়ী, মেঘনা বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী। বিষয়টা বিতর্কিত তাই এখানে উল্লেখ করা হলো।

২,৫৯৬.
বাংলাদেশের অধিকাংশ স্থানই এক বিস্তীর্ণ-
  1. ক) প্লাবন সমভূমি
  2. খ) ক্ষয়ীভূত সমভূমি
  3. গ) অস্তরীভূত সমভূমি
  4. ঘ) পার্বত্যভূমি
সঠিক উত্তর:
ক) প্লাবন সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্লাবন সমভূমি
ব্যাখ্যা
কয়েকটি জেলা ব্যতীত মােটামুটি সমগ্র বাংলাদেশই পদ্মা, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদীবিধৌত প্লাবন সমভূমি। প্লাবন সমভূমির মধ্যে অনেক ধরনের সঞ্চয়জাত ভূমিরুপ দেখা যায়।
২,৫৯৭.
বাংলাদেশের কোন স্থানের ভূগর্ভস্থ পানিতে লৌহের উপস্থিতি নির্ণয় করা গিয়েছে?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) পাবনা
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
গ) পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাবনা
ব্যাখ্যা
পাবনা, আটঘড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, আশুগঞ্জ প্রভৃতি স্থানের ভূগর্ভস্থ পানিতে লৌহের উপস্থিতি নির্ণয় করা গিয়েছে। গভীরতর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে সাধারণভাবে এই সমস্যার উত্তরণ ঘটানো সম্ভব। 

ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক দূষণ বর্তমানে ব্যাপক রূপ লাভ করেছে। আর্সেনিক দূষিত ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করার কারণে বর্তমানে প্রায় ২ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ।
২,৫৯৮.
কোন প্রণালি প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. পক প্রণালি
  2. জিব্রাল্টার প্রণালি
  3. সুন্দা প্রণালি
  4. ফরমোজা প্রণালি
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালি
ব্যাখ্যা

সুন্দা প্রণালী:
- জাভা (পূর্ব) এবং সুমাত্রা দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে ১৬-৭০ মাইল প্রশস্ত।
- এটি জাভা সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ) কে সংযুক্ত করে। 
- এই প্রণালীর মধ্যে বেশ কয়েকটি আগ্নেয়গিরির দ্বীপ রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল ক্রাকাটোয়া।
- এই প্রণালী ১৯৪২ সালের মার্চ মাসে মিত্রশক্তি এবং জাপানি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের স্থান ছিল।
- সুন্দা প্রণালী হল ভারত মহাসাগরকে পূর্ব এশিয়ার সাথে সংযুক্তকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ।

অন্যদিকে, 
- মালাক্কা প্রণালী ভারত মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
- বঙ্গোপসাগর ও মান্নার উপসাগরকে একসঙ্গে যুক্ত করেছে পক প্রণালী।
-  জিব্রাল্টার প্রণালী ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৫৯৯.
কত ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ কে ককর্টক্রান্তি বলা হয়?
  1. ক) ২০.৫°
  2. খ) ২১.৫°
  3. গ) ২২.৫°
  4. ঘ) ২৩.৫°
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩.৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩.৫°
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২,৬০০.
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডে কত একর ভূমি যোগ হয়?
  1. ক) ১০০৪১.২৫ একর
  2. খ) ১০৯৬৭.৩৫ একর
  3. গ) ১১৪৯৮.৩৪ একর
  4. ঘ) ১২৬৫৩.৮১ একর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০৪১.২৫ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০৪১.২৫ একর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়। ফলে বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডে ১০০৪১.২৫ একর ভূমি যোগ হয়। ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি নামে পরিচিত। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।