বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ২৫ / ৭২ · ২,৪০১২,৫০০ / ৭,১৯১

২,৪০১.
বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?
  1. ০.৩ শতাংশ
  2. ০.০৩ শতাংশ
  3. ৩ শতাংশ
  4. ০.০০৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
০.০৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
- নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিজ্ঞানীরা অনুমান করেন যে বায়ুমন্ডলের বয়স প্রায় ৩৫ কোটি বছর।
- এর গভীরতা প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার।
- বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় এটাও উল্লেখ করেন যে এই বায়ুমন্ডলের প্রায় ৯৭ শতাংশই ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩০ কিলোমিটার এর মধ্যে সীমাবদ্ধ।
- বায়ুমন্ডলের একটির উপর আরেকটি পর্যায়ক্রমে অবস্থিত। সাধারণত উপরের স্তরের বায়ু নিচের বায়ুস্তরে ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।
- বায়ুর এই চাপের জন্যই পৃথিবীপৃষ্ঠ হতে যত উপরে উঠা যায়, বায়ুর ঘনত্ব ততই কমতে থাকে।
- তবে সমুদ্রপৃষ্ঠে এই বায়ুচাপের ঘনত্ব সব থেকে বেশি দেখা যায়।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ, 
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ, 
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ, 
- জলীয়বাষ্প ০.৪১ শতাংশ, 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড ০.০৩ শতাংশ, 
- অন্যান্য গ্যাস ০..০২ শতাংশ, 
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১ শতাংশ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪০২.
বাংলাদেশের কোন পাহাড়কে 'পাহাড়ের রানী' বলা হয়?
  1. লালমাই পাহাড়
  2. চিম্বুক পাহাড়
  3. কেওক্রাডাং পাহাড়
  4. তাজিনডং পাহাড়
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়
ব্যাখ্যা
চিম্বুক পাহাড়:
- বাংলাদেশের পাহাড়ী সৌন্দর্যের মধ্যে পাহাড়ের রানী হিসেবে সর্বোধিক পরিচিত চিম্বুক পাহাড়।
- এটি দেশের তৃতীয় বৃহত্তম পাহাড়।
- বান্দরবান জেলা শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক পাহাড়ের অবস্থান।
- সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ১৫০০ ফুট।
- বাংলার দার্জিলিং খ্যাত এই চিম্বুক পাহাড়।
- এ পাহাড় থেকে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য যেকোনো পর্যটককে মুগ্ধ করে।

উল্লেখ্য,
- চিম্বুক পাহাড়কে বাংলাদেশের পাহাড়ের রানী বলা হয়।
- চিম্বুক পাহাড়কে কালাপাহাড়ও বলা হয়।

তথ্যসূত্র:- বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৪০৩.
নিচের কোন বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়?
  1. সাময়িক বায়ু
  2. অনিয়মিত বায়ু
  3. স্থানীয় বায়ু
  4. নিয়ত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা

নিয়ত বায়ু:
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
• অয়ন বায়ু,
• পশ্চিমা বায়ু,
• মেরু বায়ু।

→ উল্লেখ্য:
- সাময়িক বায়ু: কোনো নির্দিষ্ট দিক, বা বছরের কোনো নির্দিষ্ট ঋতুতে যে বায়ুপ্রবাহ জল ও স্থলভাগের তাপের তারতম্য সৃষ্টি করে তাকেই বলা হয় সাময়িক বায়ু।
- স্থানীয় বায়ু: স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়প্রবাহ।
- অনিয়মিত বায়ু: কোনো স্থানে অধিক উত্তাপের জন্য বায়ুচাপ কমে নিম্নচাপের অথবা অত্যাধিক শীতের জন্য কোনো স্থানীয় বায়ু শীতল জলে উচ্চচাপের সৃষ্টি হয়৷ এভাবে সৃষ্টি যে বায়ুপ্রবাহ তাকে বলা হয় অনিয়মিত বায়ু প্রবাহ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪০৪.
নিচের কোন জেলায় মধুপুর গড় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. কক্সবাজার
  3. কুমিল্লা
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
মধুপুর গড়:

- মধুপুর গড় বাংলাদেশের কেন্দ্রভাগে অবস্থিত একটি বৃহৎ উত্থিত এলাকা।
- এই গড়ের দক্ষিণাংশ ভাওয়াল গড় এবং উত্তরাংশ মধুপুর গড় নামে পরিচিত।
- ভূতাত্ত্বিকভাবে এই অঞ্চলটি একটি সোপান এলাকা, যা সংলগ্ন প্লাবনভূমির তুলনায় এক থেকে দশ মিটার উঁচু।
- মধুপুর গড়ের মোট বিস্তার ৪,২৪৪ বর্গ কিমি।
- টাঙ্গাইল-গাজীপুর ও নরসিংদীর অধিকাংশ ভূমির গঠন একই রকম, যা মধুপুর গড় নামে পরিচিত।
- বনের প্রধান বৃক্ষ শাল, যার ফলে এই বনের নামকরণ হয় শালবন।
- কোচ এবং মান্ডা (গারো) নামক দুটি উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর বাস এই মধুপুর গড়ে, যারা মধুপুরের শালবনের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল।
- কোচ উপজাতী বাংলাদেশের প্রাচীনতম জনগোষ্ঠীর মধ্যে অন্যতম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১।
২,৪০৫.
পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর 'গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ' কোন মহাসাগরে অবস্থিত? 
  1. উত্তর মহাসাগর 
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর 
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন ৬৩৮০০০০০ বর্গ মাইল।
- প্রশান্ত মহাসাগর গড় গভীরতা ১৪,০৪০ ফুট।
- প্রশান্ত মহাসাগর দক্ষিণে অ্যান্টার্কটিক অঞ্চল থেকে উত্তরে আর্কটিক বৃত্ত পর্যন্ত বিস্তৃত।
- পশ্চিমে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এবং পূর্বে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে অবস্থিত।
- পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

২,৪০৬.
বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌযান চলাচলযোগ্য হ্রদ -
  1. বৈকাল হ্রদ
  2. আসাল হ্রদ
  3. টিটিকাকা হ্রদ
  4. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
সঠিক উত্তর:
টিটিকাকা হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিটিকাকা হ্রদ
ব্যাখ্যা
টিটিকাকা হ্রদ:
- টিটিকাকা হ্রদ বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌযান চলাচলযোগ্য হ্রদ।

- এটি ১২,৫০০ ফুট (৩,৮১০ মিটার) উচ্চতায় আন্দিজ পর্বতে অবস্থিত।
- হ্রদটি পেরু ও বলিভিয়া সীমানায় অবস্থিত।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম হ্রদ।
- টিটিকাকা হ্রদটির আয়তন ৩,২০০ বর্গমাইল (৮,৩০০ বর্গকিলোমিটার)।
- হ্রদটি ১২০ মাইল (১৯০ কিলোমিটার) দীর্ঘ এবং ৫০ মাইল (৮০ কিলোমিটার) চওড়া।
- টিকিনা প্রণালী হ্রদটি দুটি অংশে বিভক্ত করে।
- হ্রদটির তীরে আয়মারা, কেচুয়া, এবং উরোস আদিবাসী সম্প্রদায়ের বসবাস।
- হ্রদটির তীরে ৩০ লাখ মানুষের বাস।

উল্লেখ্য, 
- হ্রদটি মধ্য আন্দিজ পর্বতশ্রেণিতে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত,
- এই উচ্চতার কারণে এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌযান চলাচলযোগ্য হ্রদ হিসেবে স্বীকৃত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২,৪০৭.
বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল-
  1. ক) ৫৪ নটিক্যাল মাইল
  2. খ) ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
  3. গ) ১২ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
- মিয়ানমার ও ভারতের সাথে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় বাংলাদেশ ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটার টেরিটোরিয়াল সমুদ্র পেয়েছে।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশ চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করতে পেরেছে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪০৮.
সোনাহাট স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. লালমনিরহাট
  2. শেরপুর
  3. মেহেরপুর
  4. কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে ঘোষিত স্থলবন্দরের সংখ্যা ২৪টি।
- এর মধ্যে চালু বন্দরের সংখ্যা ১২টি।
- সোনাহাট স্থলবন্দর : ভুরুঙ্গমারী (কুড়িগ্রাম)
- বুড়িমারী স্থলবন্দর : পাটগ্রাম (লালমনিরহাট)
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর : নলিতাবাড়ী (শেরপুর)
- ‍মুজিবনগর স্থলবন্দর : মুজিবনগর (মেহেরপুর) প্রক্রিয়াধীন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেম স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট)
২,৪০৯.
নীলনদ কয়টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- নীল নামটি গ্রীক নিলোস থেকে এসেছে, যার অর্থ একটি উপত্যকা বা নদী উপত্যকা।
- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত দ্বারা গঠিত।
- নীল নীল এবং আতবারা যা ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি থেকে প্রবাহিত হয় এবং সাদা নীল যার প্রধান স্রোত ভিক্টোরিয়া এবং আলবার্ট হ্রদে প্রবাহিত হয়।

উল্লেখ্য,
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।

উৎস: Britannica.
২,৪১০.
স্তেপ তৃণভূমি কোথায় দেখা যায়?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. ইউরেশিয়ান অঞ্চল
  3. পশ্চিম আফ্রিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
ইউরেশিয়ান অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেশিয়ান অঞ্চল
ব্যাখ্যা
ইউরোপের পূর্বাঞ্চল ও এশিয়ার মধ্যভাগ জুড়ে বিস্তৃত তৃণভূমি স্তেপ নামে পরিচিত। একে ইউরেশিয়ান স্তেপ বা গ্রেট স্তেপ নামেও ডাকা হয়।

রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, ইউক্রেন, মোলদাভিয়া, রাশিয়া, কাজাখস্তান, মঙ্গোলিয়া, চীনের জিনজিয়াং প্রভৃতি অঞ্চলজুড়ে স্তেপ তৃণভূমি দেখা যায়।
সাধারণত স্বল্প বৃষ্টিপাত সম্পন্ন অঞ্চলে তৃণভূমি গড়ে উঠে।

অন্যদিকে,
- উত্তর আমেরিকান তৃণভূমি : প্রেইরি
- দক্ষিণ আমেরিকার তৃণভূমি : ল্যানোস ও প্যাম্পাস।
- আফ্রিকান তৃণভূমি : সাভানা।

(তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও ব্রিটানিকা)
২,৪১১.
পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরানের উল্লেখযোগ্য কোন দ্বীপটি আয়তনে সবচেয়ে বড়?
  1. হরমুজ
  2.  গেশম
  3. আবু মুসা
  4. খার্ক
সঠিক উত্তর:
 গেশম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 গেশম
ব্যাখ্যা

পারস্য উপসাগর :
-  পারস্য উপসাগর দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার একটি ভূমধ্যসাগরীয় সাগর।
- এই উপসাগরটি ইরান ও আরব উপদ্বীপের মাঝে অবস্থিত। 
- এটি হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে ওমান উপসাগরের সাথে যুক্ত।
- এর চারপাশে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, ইউএই ও ওমানসহ আটটি দেশ অবস্থিত।
- ইরানের উল্লেখযোগ্য দ্বীপ : গেশম, হরমুজ, বাহরাইন, আবু মুসা, এবং খার্ক/খার্গ এই উপসাগরে অবস্থিত।
- গেশম দ্বীপ হরমুজ প্রণালীর মধ্যে অবস্থান করে, যা তাকে ইরানের মূল ভূখণ্ড থেকে পৃথক করেছে।
- গেশম দ্বীপ  শুধু ইরানের নয়, সমগ্র পারস্য উপসাগরের বৃহত্তম দ্বীপ হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

উৎস : Britannica.com

২,৪১২.
বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা -
  1. ১৭টি
  2. ১৩টি
  3. ১৯টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
উপকূলীয় জেলা:
- বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিমি.।
- উপকূলীয় জেলা ১৯টি।
- জেলাগুলো হলো: কক্সবাজার, বাগেরহাট, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, ফেনী, গোপালগঞ্জ, যশোর, ঝালকাঠি, খুলনা, লক্ষীপুর, নড়াইল, নোয়াখালী, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা, শরীয়তপুর ও পটুয়াখালী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৪১৩.
পোর্ট সৈয়দ অবস্থিত-
  1. ক) সুয়েজ খালে
  2. খ) পারস্য উপসাগরে
  3. গ) লোহিত সাগরে
  4. ঘ) কিয়েল খালে
সঠিক উত্তর:
ক) সুয়েজ খালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুয়েজ খালে
ব্যাখ্যা
• পোর্ট সৈয়দ উত্তর -পূর্ব মিশরের বন্দর শহর।
- এটি সুয়েজ খালের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত
- শহরটি ১৮৫৯ সালে একটি নিম্ন বালুকাময় পটভূমিতে ভূমধ্যসাগরকে মনজালা (বুসায়রাত আল-মানজিলাহ) থেকে পৃথক করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৪১৪.
সাহারা মরুভূমিকে আটলান্টিক মহাসাগর থেকে পৃথক করেছে-
  1. ক) এটলাস পর্বতমালা
  2. খ) জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. গ) বেরিং প্রণালী
  4. ঘ) ডেভিস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
ক) এটলাস পর্বতমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এটলাস পর্বতমালা
ব্যাখ্যা

এটলাস পর্বতমালা আটলান্টিক মহাসগর এবং ভূমধ্যসাগরকে সাহারা মরুভূমি হতে পৃথক করেছে।
আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে জিব্রাল্টার প্রণালী।
সূত্র: worldatlas.com

২,৪১৫.
কুক আইল্যান্ডস কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগরে
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
- কুক দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত নিউজিল্যান্ডের একটি স্ব-শাসিত দ্বীপ রাষ্ট্র।
- ইহা ১৫টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত। 
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জকে ভৌগোলিকভাবে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। 
      - মাইক্রোনেশিয়া
      - মেলানেশিয়া
      - পলিনেশিয়া
মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মাইক্রোনেশিয়া।
মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।
পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামোয়া।
(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস, ব্রিটানিকা )
২,৪১৬.
‘দুবলার চর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) ফেনী
  3. গ) সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে
  4. ঘ) ভোলা জেলায়
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে
ব্যাখ্যা

দুবলার চর: সুন্দরবনের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত। এর অন্য নাম জাফর পয়েন্ট। এটি মৎস্য আহরণ, শুটকী উৎপাদন ও উপকূলীয় সবুজ বেস্টনীর জন্য বিখ্যাত।
রাজশাহী - নির্মল চর
ফেনী - মুহুরীর চর
নোয়াখালী - চর শ্রীজনী, চর শাহাবাজী,
লক্ষীপুর - চর আলেকজেন্ডার, চর গজারিয়া
ভোলা - চর মানিক, চর নিউটন, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর মনপুরা, চর নিজাম।

 
২,৪১৭.
উত্তর আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে কোন প্রণালী?
  1. বসফরাস প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. বাব-এল-মানদেব
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
• জিব্রাল্টার প্রণালী (Strait of Gibraltar): 
- জিব্রাল্টার প্রণালী (Strait of Gibraltar) হল একটি সংকীর্ণ জলপথ যা উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- এটি স্পেন ও মরক্কোর মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বব্যাপী নৌ-বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি গেটওয়ে।

অন্যদিকে,
- বসফরাস প্রণালী: কৃষ্ণসাগর ও মর্মর সাগরকে যুক্ত করে (তুরস্কে)। 
- মালাক্কা প্রণালী: ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের সংযোগকারী (মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মাঝখানে)। 
- বাব-এল-মানদেব: লোহিত সাগর ও আরব সাগরের সংযোগকারী (ইয়েমেন ও জিবুতি মাঝে)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৪১৮.
বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান -
  1. ক) পুঠিয়া, রাজশাহী
  2. খ) দূর্গাপুর, সিলেট
  3. গ) সিংড়া, নাটোর
  4. ঘ) লালপুর, নাটোর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালপুর, নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালপুর, নাটোর
ব্যাখ্যা
লালপুর:
- নাটোর জেলা গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু এলাকায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের চরমভাবাপন্ন এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- আয়তনের দিক থেকে নাটোর জেলার ৩য় বৃহত্তম উপজেলা।
- এটি ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত।
- লালপুর বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান।
- গ্রীষ্মকালে মাঝে মাঝে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড ও শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড রেকর্ড হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৪১৯.
পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল-প্রাচীর 'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. দক্ষিণ মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- পৃথিবীর গভীরতম স্থান প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা ট্রেজ।
- পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল-প্রাচীর 'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' (Great Barrier Reef) প্রশান্ত মহাসাগরের অস্ট্রেলিয়ার উত্তরপূর্ব উপকূলে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- আটলান্টিক মহাসাগর ২য় বৃহত্তম মহাসাগর।
- উত্তর বা আর্কটিক মহাসাগর আয়তনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর ও সর্বাপেক্ষা কম গভীর একটি মহাসাগর।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

২,৪২০.
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয়-
  1. ক) অয়ন বায়ু
  2. খ) মৌসুমী বায়ু
  3. গ) নিয়ত বায়ু
  4. ঘ) প্রত্যয়ন বায়ু
সঠিক উত্তর:
গ) নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
নিয়ত বায়ু:
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয় নিয়ত বায়ু।
- নিয়ত বায়ু তিন প্রকার। যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু।
- কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে সদা প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয়- অয়ন বায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
২,৪২১.
জোয়ার-ভাটার স্থিতিকাল -
  1. ক) ১২ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
  2. খ) ৬ ঘণ্টা ৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
  3. গ) ৬ ঘণ্টা
  4. ঘ) ৬ ঘণ্টা ১২ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ঘণ্টা ১২ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ঘণ্টা ১২ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা
সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়। উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়। অর্থাৎ একটি জোয়ার অথবা একটি ভাটার স্থিতিকাল হচ্ছে ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট।

যখন ‘জোয়ার-ভাটা’ একইসাথে এভাবে স্থিতিকাল জানতে চাইবে তখন একটি জোয়ার অথবা ভাটার স্থিতিকাল গণনা করবেন। প্রশ্নে ভাষাগত একটু জটিলতা আছে। এখানে মূলত একটি জোয়ার অথবা একটি ভাটার স্থিতিকাল জানতে চাওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে উত্তর হবে ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট।

আবার উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাঁটার মধ্যে ব্যবধান বললে উত্তর হবে ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট।

কয়েকটি স্যাম্পল প্রশ্ন দেখুন:

- জোয়ার ভাটার মধ্যকার ব্যবধান প্রায় কত?
উত্তর: ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট।

- জোয়ারের কত সময় পর ভাঁটা হয়?
উত্তর: ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট।

- জোয়ার-ভাটার স্থিতিকাল কত?
উত্তর: ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট।

- পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান কত?
উত্তর: ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট।

[বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) বইয়ে ৬ ঘণ্টা ৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড দেওয়া আছে যা ভুল। প্রকৃতপক্ষে এটা হবে ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট।]
২,৪২২.
পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মিলনস্থল কোথায়?
  1. গোয়ালন্দ
  2. ভৈরববাজার
  3. চিলমারি
  4. দেওয়ানগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
ভৈরববাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভৈরববাজার
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন নদীর মিলনস্থল:
পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মিলনস্থল - ভৈরববাজার (কিশোরগঞ্জ),
পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল - গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী),
ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার মিলনস্থল - চিলমারি (কুড়িগ্রাম),
পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার বিভক্তি হয়েছে - দেওয়ানগঞ্জে,
সুরমা ও কুশিয়ারার মিলনস্থল - আজমিরিগঞ্জ (হবিগঞ্জ)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৪২৩.
পাল শাসনামলের ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি 'জগদ্দল বিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. কুমিল্লা
  3. নওগাঁ
  4. নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
রাজা রামপাল কর্তৃক নির্মিত পাল শাসনামলের ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি 'জগদ্দল বিহার'।এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।
অন্যদিকে শালবন বিহার (সর্বপ্রাচীন) কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
বাসু বিহার অবস্থিত বগুড়ার শিবগঞ্জে।
উয়ারী বটেশ্বর অবস্থিত নরসিংদীতে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
২,৪২৪.
তিব্বত মালভূমি কোন শ্রেণির মালভূমি?
  1. ক) পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
  2. খ) পাদদেশীয় মালভূমি
  3. গ) মহাদেশীয় মালভূমি
  4. ঘ) ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি
সঠিক উত্তর:
ক) পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
ব্যাখ্যা
• পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি:
- পর্বতের মধ্যখানে এই প্রকারের মালভূমি দেখতে পাওয়া যায়।
- এই মালভূমির উচ্চতা প্রায় ৩,০০০ থেকে ৪,৫০০ মিটার হয়ে থাকে।
⇒ তিব্বত মালভূমি একটি পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি।
- এই পর্বতের উত্তরে কুনলুন ও দক্ষিণে হিমালয় পর্বত এবং পূর্ব-পশ্চিমের অন্যান্য পর্বত ঘিরে আছে।
- দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া, মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো এবং এশিয়ার মঙ্গোলিয়া এ ধরনের মালভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪২৫.
ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত দেশ কোনটি?
  1. হাঙ্গেরি
  2. বেলারুশ 
  3. অস্ট্রিয়া
  4. লিচেনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
বেলারুশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলারুশ 
ব্যাখ্যা

• ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্থলবেষ্টিত দেশ হল বেলারুশ (Belarus)।

- বেলারুশের আয়তন প্রায় ২০৭,৬০০ বর্গ কিলোমিটার ।
- চেক প্রজাতন্ত্রের আয়তন প্রায় ৭৮,৮৬৭  বর্গ কিলোমিটার।
- হাঙ্গেরির আয়তন প্রায় ৯৩,০২৮ বর্গ কিলোমিটার।
- লিচেনস্টাইনের আয়তন প্রায় ১৬০  বর্গ কিলোমিটার।
- ইউরোপের ১৪টি স্থলবেষ্টিত দেশ

• ইউরোপের স্থলবেষ্টিত দেশসমূহ:
- অ্যান্ডোরা;
- অস্ট্রিয়া;
-  বেলারুশ;
-  চেক প্রজাতন্ত্র;
- হাঙ্গেরি;
-  লিচেনস্টাইন;
- লুক্সেমবার্গ;
- মাল্দোবা;
- উত্তর ম্যাসেডোনিয়া;
- সান মারিনো;
- সার্বিয়া;
- স্লোভাকিয়া;
- সুইজারল্যান্ড;
- ভ্যাটিকান সিটি;

উৎস: World Atlas and the Government of Belarus.

২,৪২৬.
আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম কী?
  1. অ্যাকাঙ্কাগুয়া
  2. পুসাক জায়া
  3. ভিনসন ম্যাসিফ
  4. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো
ব্যাখ্যা
মাউন্ট  কিলিমাঞ্জারো:
- আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম ‘মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো’।
- এটি তানজানিয়ায় অবস্থিত।
- এটি উত্তর-পূর্ব তানজানিয়াতে কেনিয়ার সাথে সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি একটি মৃত আগ্নেয়গিরি।
- কিলিমাঞ্জারো তিনটি শৃঙ্গ দ্বারা গঠিত: কিবো, মাওয়েঞ্জি এবং শিরা।
- উচ্চতর শৃঙ্গটির নাম কিবো।
- কিবোর জ্বালামুখ সর্বদাই বরফে আবৃত থাকে।

অন্যদিকে-
- এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট।
- উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট ডেনালি।
- দক্ষিণ আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম অ্যাকাঙ্কাগুয়া।
- ওশেনিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম পুসাক জায়া।
- এন্টার্কটিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম ভিনসন ম্যাসিফ।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট ও  National Geographic Society.
২,৪২৭.
‘চির শান্তির শহর’ নামে পরিচিত -
  1. ক) কিটো
  2. খ) রোম
  3. গ) নাটাল
  4. ঘ) হেগ
সঠিক উত্তর:
খ) রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রোম
ব্যাখ্যা
চির শান্তির শহর নামে পরিচিত রোম। এছাড়া রোমকে সাত পাহাড়ের শহর ও নিরব শহরও বলা হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
২,৪২৮.
“হাকালুকি হাওর” কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) নেত্রকোণা
  2. খ) সিলেট
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের হাওরাঞ্চলে মোট ৩৭৩টি হাওর রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় হাওর হলো হাকালুকি হাওর। এটি সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে বিস্তৃত। এর আয়তন ২১,৫০০ হেক্টর৷
অন্যদিকে সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত টাঙ্গুয়ার হাওরের আয়তন ১১,৭০০ হেক্টর।
মৌলভীবাজারে অবস্থিত হাইল হাওরের আয়তন ১৫,৬০০ হেক্টর।
সিলেটে সর্বাধিক ১০৫টি, কিশোরগঞ্জে ৯৭টি এবং সুনামগঞ্জে ৯৫টি হাওর রয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)

২,৪২৯.
পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীটি কোন হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়েছে?
  1. টিটিকাকা হ্রদ
  2. কাস্পিয়ান সাগর
  3. বৈকাল হ্রদ
  4. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
সঠিক উত্তর:
ভিক্টোরিয়া হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিক্টোরিয়া হ্রদ
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী নীল নদ।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।

⇒ নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ কি.মি (৪,১৩৫ মাইল)।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।

উল্লেখ্য, বিশ্বের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তিস্থল:
- হোয়াংহো নদী: কুনকুন পর্বত, চিন দেশ।
- দানিয়ুব নদী: ব্ল্যাক ফরেস্ট, ইউরোপ।
- মারে ডার্লিং নদী: কোমিয়াস্কে, অষ্ট্ৰেলিয়া।
- নীলনদ: ভিক্টোরিয়া হ্রদ, আফ্রিকা মহাদেশ।
- আমাজান নদী: আন্দিজ পর্বতমালা, দক্ষিণ আমেরিকা।

উৎস: Worldatlas.
২,৪৩০.
স্পারসো-এর গবেষণা অনুযায়ী বাংলাদেশের কোন দ্বীপ ধীরে ধীরে এক হয়ে যাচ্ছে?
  1. সন্দ্বীপ, জাহাইজ্জার চর, ভাসানচর
  2. হাতিয়া, উড়িরচর, সন্দ্বীপ
  3. সন্দ্বীপ, নির্মল চর, নিঝুমদ্বীপ
  4. হাতিয়া, সন্দ্বীপ, সুবর্ণচর
সঠিক উত্তর:
সন্দ্বীপ, জাহাইজ্জার চর, ভাসানচর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্দ্বীপ, জাহাইজ্জার চর, ভাসানচর
ব্যাখ্যা

তিন যুগ ধরে সন্দ্বীপ, জাহাইজ্জার চর (বর্তমান স্বর্ণদ্বীপ) ও ভাসানচর—এই তিন দ্বীপ ধীরে ধীরে এক হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) তাদের গবেষণায় এই চিত্র তুলে ধরেছে।

এক হচ্ছে তিন দ্বীপ:
- বঙ্গোপসাগরের একটি প্রাচীন দ্বীপ হলো সন্দ্বীপ, যা স্পারসোর গবেষণায় তিন হাজার বছরের পুরোনো বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই দ্বীপটি বহু বছর ধরেই ক্ষয় ও পলিমাটি জমার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গবেষণায় দেখা যায়, ১৯৮৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সন্দ্বীপের পাশেই জেগে উঠেছে জাহাইজ্জার চর (বর্তমান স্বর্ণদ্বীপ) ও ভাসানচর।

⇒ ২০০৬ সালে মেঘনা মোহনার পলিমাটি জমে সৃষ্টি হয় ভাসানচর। এখানে বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্থানান্তরের জন্য ঘরবাড়ি ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করেছে।

⇒ গবেষণায় দেখা গেছে, উপকূলীয় ভৌগোলিক গঠন, বিশেষ করে মেঘনা মোহনার দক্ষিণাংশে দ্বীপের সৃষ্টির ইতিহাস ও বিস্তৃতি ১৯৮৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে অত্যন্ত গতিশীল ছিল।
- সন্দ্বীপ একটি পুরোনো দ্বীপ হলেও স্বর্ণদ্বীপ ও ভাসানচর তুলনামূলকভাবে নতুন এবং ক্রমাগত পলিমাটি জমে বিস্তৃত হয়েছে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের ভূমির গঠনকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়: ১. পাহাড়ি অঞ্চল (১২%), ২. গড়াঞ্চল (৮%) এবং ৩. পলল ভূমি (৮০%)। বাংলাদেশ আসলে গড়ে উঠেছে বড় বড় নদী দিয়ে আসা বিপুল পরিমাণ পলি দিয়ে।
- এই পলির বেশির ভাগই সাগরে গিয়ে পড়ে, আর কিছু অংশ সঞ্চিত হয়ে গড়ে ওঠে ভূমি।

উৎস: i) বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

২,৪৩১.
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ কোথায় অবস্থিত?
  1. কানাডা
  2. মেক্সিকো
  3. ব্রাজিল
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হল বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর সিস্টেম।
- এটি উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের তীরে প্রবাল সাগরে অবস্থিত।
- এটি আনুমানিক ৩৪৪,৪০০০ কি.মি. বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি ২,৯০০টিরও বেশি পৃথক রিফ সিস্টেম, ৭৬০টি ফ্রেঞ্জ রিফ, ৩০০টি প্রবাল রশ্মি এবং ৯০০টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এটি অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসী এবং টরেস স্ট্রেইট দ্বীপবাসীরা ব্যবহার করত।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
২,৪৩২.
সেন্টমার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয় -
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উল্লেখ্য,
- সেন্ট মার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা হয় ১৯৯৯ সালে।
- পরিবেশ অধিদপ্তর এই ঘোষণা করে।

উৎস: i) পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২,৪৩৩.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব কোনটি?
  1. সমুদ্রের পানি নিচে নেমে যাওয়া
  2. মহাশুন্যে অভিযান
  3. নতুন সড়কপথ সৃষ্টি
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
• বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব: 
→ জলবায়ু পরিবর্তন।
→ প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি।
→ মেরু অঞ্চলের বরফ গলন।
→ সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন।
→ জীববৈচিত্র্য ধ্বংস।
→ রোগব্যাধি।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধের উপায়:
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা সমাধানে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।
এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হলো:-
১. পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও কার্বন উৎপাদনের হারকে কমিয়ে আনা;
২. যানবাহন ও কল-কারখানার দূষিত গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণ;
৩. যথাযথ মাত্রায় জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার;
৪. বিকল্প জ্বালানি যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, পারমানবিক শক্তি এর পরিবর্তে সৌরশক্তি, বায়ু শক্তি, জৈব গ্যাস ব্যবহার করা;
৫. প্রাকৃতিক বন সংরক্ষণ এবং নতুন বন সৃজন;
৬. পরিবেশ বান্ধব শিল্পায়ন;
৭. জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় ও বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৩৪.
বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ K2 কোন পর্বতমালায় অবস্থিত?
  1. কারাকোরাম
  2. আন্দিজ
  3. আল্পস
  4. রকি
সঠিক উত্তর:
কারাকোরাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাকোরাম
ব্যাখ্যা

কে২: মাউন্ট গডউইন
- কে২ বা কেটু (K2) এভারেস্ট পর্বতের পর বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৮,৬১১ মিটার (২৮,২৫১ ফুট)।
- এটি হিমালয় পর্বতমালার কারাকোরাম পর্বতশ্রেণির অন্তর্গত।
- কে২ পাকিস্তান-চীন সীমান্তে বিস্তৃত।
- পর্বতটি উত্তর পাকিস্তানের গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলের বালতিস্তান ও চীনের জিনজিয়াং রাজ্যের ট্যাক্সকোরগান তাজিকের দফদার টাউনশিপের মধ্যে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় এটি জংলী পর্বত নামেও পরিচিত। 
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চেয়ে উচ্চতায় ২০০ মিটার ছোট হলো কে২। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতচূড়া। একে ‘স্যাভেজ পর্বত’ও বলা হয়।
- বিশ্বের মাত্র ১৪টি পর্বতমালার মধ্যে কে২ একটি, যেটির উচ্চতা ৮ হাজার মিটারেরও বেশি।
- কে২ পর্বতশৃঙ্গের সবচেয়ে কুখ্যাত স্থান হলো ‘বাটলনেক’ বা বরফপ্রপাত।

উৎস: Britannica.

২,৪৩৫.
চা চাষের জন্য বার্ষিক কত বৃষ্টিপাত প্রয়োজন?
  1. ৪৫০ সেমি
  2. ৫০০ সেমি
  3. ৩০০ সেমি
  4. ২৫০ সেমি 
সঠিক উত্তর:
২৫০ সেমি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০ সেমি 
ব্যাখ্যা

• চা (Tea) 
- বাংলাদেশের অর্থকরী ফসলের মধ্যে চা অন্যতম।
- দেশে উৎপাদিত চা-এর প্রায় বেশিরভাগ বিদেশে রপ্তানি হয়।
- পানি নিষ্কাশনবিশিষ্ট ঢালু জমিতে চা ভালো হয়। 
- মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেটে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে।
- এছাড়া চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে চা চাষহচ্ছে

- চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু প্রয়োজন। 
- ১৬° থেকে ১৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন।
- উর্বর লৌহ ও জৈব পদার্থ মিশ্রিত দোআঁশ মাটিতে চা চাষ ভালো হয়।

উৎস: ভূগোল পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৪৩৬.
বাংলাদেশের কোন বিভাগের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে কার্যকর বিভাগ সংখ্যা ৮টি। এর মধ্যে ৬ বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
২,৪৩৭.
নিম্নের কোন জেলায় আকস্মিক বন্যার প্রকোপ লক্ষ্য করা যায়?
  1. ক) হবিগঞ্জ
  2. খ) জামালপুর
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সাধারণত চার ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়। এগুলো হলো:
১। বৃষ্টিজনিত বন্যা
২। উপকূলীয় বন্যা
৩। নদীসৃষ্ট বন্যা
৪। আকস্মিক বন্যা।

আকস্মিক বন্যা
• এপ্রিল-মে, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে স্থানীয় পযার্য়ে স্বল্পস্থায়ী ভারি বর্ষণের দরুন পাহাড়ি নদীর পানি উপচে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এলাকায় আকস্মিক ভাবে যে বন্যা দেখা যায় তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
• এদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি প্রভৃতি আকস্মিক বন্যাপ্রবণ জেলা।
• আকস্মিক বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বন্যা সাড়াদান ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা : বাংলাদেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৩৮.
সর্বপ্রথম ‘Geography’ শব্দটি ব্যবহার করেন কে?
  1. কার্ল রিটার
  2. এরিস্টটল
  3. ইরাটোসথেনিস 
  4. ডাডলি স্ট্যাম্প
সঠিক উত্তর:
ইরাটোসথেনিস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাটোসথেনিস 
ব্যাখ্যা

• ভূগোলের ধারণা (Concept of Geography):
- মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর বর্ণনা হলো ভূগোল।
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।
- 'Geo' ও 'graphy' শব্দ দু'টি মিলে হয়েছে 'Geography' 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
- বৃটিশ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp)মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল।
 কোনো কোনো ভূগোলবিদ ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিবরণ,কেউ বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

২,৪৩৯.
মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা কত?
  1. ২৯,০৩২ ফুট
  2. ২৯,৩২০ ফুট
  3. ২৯,৩৪৮ ফুট
  4. ২৯,০২২ ফুট
সঠিক উত্তর:
২৯,০৩২ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯,০৩২ ফুট
ব্যাখ্যা
মাউন্ট এভারেস্ট:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic.
২,৪৪০.
‘The Land of a Thousand Smiles’ বলা হয় কোন দেশকে?
  1. ক) থাইল্যান্ডকে
  2. খ) ফিলিপাইনকে
  3. গ) ইন্দোনেশিয়াকে
  4. ঘ) জাপানকে
সঠিক উত্তর:
ক) থাইল্যান্ডকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) থাইল্যান্ডকে
ব্যাখ্যা
ফিলিপাইনের উপনাম “The Pearl of the Orient Sea”; আফগানিস্তান “Graveyard of Empires বা সাম্রাজ্যের কবরস্থান'' নামে পরিচিত। থাইল্যান্ড ''The Land of a Thousand Smiles” নামে পরিচিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং এর ঐতিহাসিক ঐশ্বর্যের পাশাপাশি দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ মানুষ এবং আকর্ষণীয় সংস্কৃতির কারণে এই দেশকে ''The Land of a Thousand Smiles” নামে অভিহিত করা হয়। সূত্র- worldatlas ওয়েবসাইট।
২,৪৪১.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে 'D-layer' থাকে?
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. স্ট্রাটোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. এক্সোমণ্ডল।
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
মেসোমণ্ডল (Termosphere):

- স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে স্তর রয়েছে তাকে মেসোমণ্ডল বা মেসোস্ফিয়ার বলে।
- এই স্তরের উপরে তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়া থেমে যায়। এই অংশকে বলে মেসোপস বা মেসোবিরতি।
- মেসোমণ্ডলে মূলত মেঘহীন ও জলীয়বাষ্পহীন।
- কিন্তু গ্রীষ্মকালে মেরু অঞ্চলে রাতে এই সব স্তরে মেঘ সদৃশ্য কিছু বস্তু দেখা যায় এগুলো হচ্ছে উল্কাপিন্ডের গ্যাস ও তার আবরনে জমাট বরফে আলোর প্রতিফলন মাত্র।
- সূর্যরশ্মির প্রভাবে অণুভেঙ্গে যখন আধানযুক্ত আয়ন গঠন করে যা Ionization নামে পরিচিত তার ফলে সৃষ্ট স্তরকে ডি-স্তর (D-layer) বলা হয়।
- ডি-স্তর বেতার তরঙ্গ প্রবাহে প্রতিবন্ধক তৈরী করে।
- মহাশূণ্যযানকে পৃথিবীতে ফিরে আসার সময় মেসোমন্ডলের ডি-স্তরের বাঁধাকে কাটিয়ে আসতে হয়।

উৎস:-(পৃষ্ঠা নং ১১১) ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি এ /বি এস এস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৪২.
উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোকে স্থানীয়ভাবে কী নামে ডাকা হয়?
  1. গিরিশৃঙ্গ
  2. টিলা
  3. পর্বত
  4. ঢিবি
সঠিক উত্তর:
টিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিলা
ব্যাখ্যা
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই ও মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস:
i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪৪৩.
বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা কত?
  1. ৫০টি
  2. ৫৪টি
  3. ৫৭টি
  4. ৫৯টি
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী:
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-boundary Rivers) রয়েছে।
- বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৪টি।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)।
- আন্তঃসীমান্ত নদী বলতে সাধারণত সেসমস্ত নদীকে বুঝায় যেগুলি অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমা অতিক্রম করে।
- এই সীমা একটি দেশের অভ্যন্তরস্থ বা আন্তর্জাতিক হতে পারে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৪৪৪.
পদ্মা কোথায় যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে?
  1. চাঁদপুরের নিকট
  2. শরীয়তপুরের নিকট
  3. দৌলতদিয়ার নিকট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দৌলতদিয়ার নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৌলতদিয়ার নিকট
ব্যাখ্যা
পদ্মা:
- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী পদ্মা।
- ভারতে এই নদীর নাম গঙ্গা।
- গঙ্গা নদী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভকরেছে।
- এরপর প্রথমে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পরে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে ভারতের হরিদ্বারের নিকট সমভূমিতে পড়েছে।
- এরপর ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহার রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান নামক স্থানে ভাগীরথী (হুগলি নদী) নামে এর একটি শাখা বের হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- গঙ্গা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী অঞ্চলের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এরপর দৌলতদিয়ার নিকট যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
২,৪৪৫.
মৌসুমি জলবায়ুতে শীত ও গ্রীষ্মের তাপমাত্রার পার্থক্য কতটুকু হয়?
  1. ক) ২°-৫° সে.
  2. খ) ৫°-১০° সে.
  3. গ) ১০°-১২° সে.
  4. ঘ) ১০°-১৫° সে.
সঠিক উত্তর:
খ) ৫°-১০° সে.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫°-১০° সে.
ব্যাখ্যা
• মৌসুমি জলবায়ু:
- মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ “মওসুম” থেকে যার অর্থ ঋতু।
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- ’কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু।
- ক্যারিবিয়ান সাগর, পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপসমূহের দেশগুলো, পূর্ব আফ্রিকা, পূর্ব ব্রাজিল, উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ চীন ও জাপান, থাইল্যান্ড, কম্পুচিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার অর্থাৎ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।

এছাড়াও -
- মেক্সিকো উপসাগরের উপকূলবর্তী দেশসমূহ, লাওস, মালাগাছি দ্বীপও এই জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত।

• মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য :

- মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অধিক গরম ও শীতকালে শীত পড়ে।
- জুলাই মাস সবচেয়ে বেশি গরম ও জানুয়ারি মাসে বেশি শীত পড়ে।
- গ্রীষ্মকাল আর্দ্র ও শীতকাল শুষ্ক এই জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য। তবে যখন বৃষ্টিপাত বেশি হয় তখন তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা গড়ে ২৭° সে. এর বেশি থাকে এবং শীতকালীন গড় তাপমাত্রা ১° সে. থেকে ২২° সে. এর মধ্যে থাকে।
- শীত ও গ্রীষ্মে তাপমাত্রার পার্থক্য ৫° সে.- ১০°সে. হয়

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৪৬.
নিচের কোনটি সেভেন সিস্টার্স এর অন্তর্ভূক্ত নয়?
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. নাগাল্যান্ড
  3. মেঘালয়
  4. অরুণাচল
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:

- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য 'সেভেন সিস্টার্স' নামে পরিচিত।
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য যেগুলোর অধিকাংশই বাংলাদেশের সীমান্তে অবস্থিত এবং ভারতের সাথে সংকীর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর দিয়ে যুক্ত।
- শিলিগুড়ি করিডোর চিকেন নেক নামে পরিচিত।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।
- ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া সর্বপ্রথম রাজ্যগুলোকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন।
- ১৯৭২ সালে এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- আসামের মাধ্যমে রাজ্যগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

- রাজ্যগুলাে হচ্ছে: অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।


উৎস: Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২,৪৪৭.
ভারতের কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা নেই?
  1. ত্রিপুরা
  2. মিজোরাম
  3. আসাম
  4. মণিপুর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
ব্যাখ্যা

• ভারতের মণিপুর রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা নেই।

• বাংলাদেশের স্থল সীমানা:

- ভারতের মোট ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশে সীমান্ত রয়েছে।
রাজ্যগুলো হলো:
- পশ্চিমবঙ্গ,
- ত্রিপুরা,
- মেঘালয়,
- মিজোরাম এবং
- আসাম।

- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ,
- উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম,
- পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মায়ানমার,
- বাংলাদেশের দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩২টি।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২,৪৪৮.
নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. মোজাবে মরুভূমি: যুক্তরাষ্ট্র
  2. কালাহারি মরুভূমি: নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. সাহারা মরুভূমি: আফ্রিকা
  4. গোবি মরুভূমি: তিব্বত ও চীন
সঠিক উত্তর:
গোবি মরুভূমি: তিব্বত ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবি মরুভূমি: তিব্বত ও চীন
ব্যাখ্যা
গোবি মরুভূমি:
- চীনে গোবি মরুভূমি অবস্থিত।
- গোবি মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
- মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
- এর আয়তন আনুমানিক ১৩ লক্ষ (১২ লক্ষ ৯৫ হাজার) বর্গকিলোমিটার।

কয়েকটি মরুভূমি ও এদের অবস্থান:
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি: চিলি, আর্জেন্টিনা।
- থর মরুভূমি: ভারত ও পাকিস্তান।
- মোজাবে মরুভূমি: যুক্তরাষ্ট্র।
- সাহারা মরুভূমি: আফ্রিকা।
- আতাকামা মরুভূমি : চিলি।
- কালাহারি মরুভূমি: নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি: অস্ট্রেলিয়া।

উৎস: Britannica.
২,৪৪৯.
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি কফি উৎপন্ন হয় কোন দেশে? [ জুলাই, ২০২৫]
  1. কলম্বিয়া
  2. বলিভিয়া
  3. কিউবা
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
ব্রাজিল: 
- ব্রাজিলের মোট ভূমির ৩২.৯ শতাংশ কৃষিকাজে ব্যবহার করা হয়।
- উৎপাদিত কৃষিপণ্যের মধ্যে রয়েছে কফি, সয়াবিন, গম, ধান, ভুট্টা, আখ, কোকো, সাইট্রাস ইত্যাদি।
- সাওপাওলোর প্যারাইবা উপত্যকা, রিও জাকুহী উপত্যকা, রিওগ্রান্ডে দোসুল অঞ্চলে অধিক পরিমাণে ধান উৎপাদিত হয়।
- কফি উৎপাদনে ব্রাজিল বিশ্বে প্রথম।
- কফি উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ ভিয়েতনাম।
- দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বিশাল কফি বাগান রয়েছে। 

উৎস: USA agricultre. [Link]
২,৪৫০.
আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. বায়ুপ্রবাহ
  2. সমুদ্রস্রোত
  3. মৃত্তিকার গঠন
  4. নদীর দৈর্ঘ্য
সঠিক উত্তর:
নদীর দৈর্ঘ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীর দৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা

⇒ 'নদীর দৈর্ঘ্য'- আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামক হিসেবে বিবেচিত হয় না।

আবহাওয়া ও জলবায়ু:

- কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে।
- কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।

আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ:
- অক্ষাংশ,
- উচ্চতা,
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
- বায়ুপ্রবাহ,
- সমুদ্রস্রোত,
- পর্বতের অবস্থান,
- ভূমির ঢাল,
- ‍মৃত্তিকার গঠন,
- বনভূমির অবস্থান প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৫১.
সেনেগাল দেশটি আফ্রিকার কোন অঞ্চলের?
  1. পূর্ব আফ্রিকার
  2. পশ্চিম আফ্রিকার
  3. মধ্য আফ্রিকার
  4. উত্তর আফ্রিকার
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম আফ্রিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম আফ্রিকার
ব্যাখ্যা
সেনেগাল:
- সেনেগাল পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- এটি  ১৯৬০ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল।
- এর রাজধানী- ডাকার।
-সেনেগালের ভাষা ফরাসি
- ধর্ম: ইসলাম, এছাড়াও খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারী রয়েছে।
- সেনেগালের মুদ্রা: ফ্রাঙ্ক।
- আইনসভা এককক্ষ বিশিষ্ট।
-  এটি রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য,
- পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশ:-
- ঘানা, গিনি , গিনি-বিসাউ , আইভরি কোস্ট ,  সেনেগাল , সিয়েরালিয়ন , বুরকিনা ফাসো , গাম্বিয়া , লাইবেরিয়া , মালি , মৌরিতানিয়া , নাইজার , নাইজেরিয়া।

উৎস: Britannica.
২,৪৫২.
পৃথিবীর বৃহত্তম লাইব্রেরি হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস
  2. দ্য ব্রিটিশ লাইব্রেরি
  3. প্যারিস ন্যাশনাল লাইব্রেরি
  4. নিউ ইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরি
সঠিক উত্তর:
লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর বৃহত্তম লাইব্রেরি অব কংগ্রেস।

বৃহত্তম লাইব্রেরি:
- লাইব্রেরি অব কংগ্রেস যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, ডি.সি. শহরে অবস্থিত এবং এটি ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় লাইব্রেরি হিসেবে পরিচিত এবং পৃথিবীর বৃহত্তম লাইব্রেরি।

এছাড়াও,
- ব্রিটিশ লাইব্রেরি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম লাইব্রেরি, এটি গ্রেট বৃটেনের জাতীয় লাইব্রেরি হিসেবে কাজ করে।
- ব্রিটিশ লাইব্রেরি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাগারও।

সূত্র - Britannica.
২,৪৫৩.
নিম্নের কোন দেশটি হর্ন অব আফ্রিকার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) সোমালিয়া
  2. খ) নাইজেরিয়া
  3. গ) ইথিওপিয়া
  4. ঘ) ইরিত্রিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) নাইজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

আফ্রিকা প্রচলিতভাবে পাঁচটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত - দক্ষিণ, উত্তর, মধ্য, পশ্চিম এবং পূর্ব আফ্রিকা।
- পূর্ব আফ্রিকা, যা আফ্রিকার পূর্ব বা পূর্ব আফ্রিকা নামেও পরিচিত, ১৮টি দেশ নিয়ে গঠিত বৃহত্তম অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি।
- পূর্ব আফ্রিকান অঞ্চলের মধ্যে পূর্ব আফ্রিকা সম্প্রদায়, আফ্রিকান গ্রেট লেক অঞ্চল এবং হর্ন অফ আফ্রিকা সহ অন্যান্য উপ-অঞ্চল রয়েছে।

- হর্ন অফ আফ্রিকা হল - ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া এবং জিবুতি নিয়ে গঠিত মহাদেশের পূর্বতম সম্প্রসারণ যার সংস্কৃতি এবং ইতিহাস বিগত বছরগুলিতে সংযুক্ত রয়েছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২,৪৫৪.
কক্সবাজারের জলবায়ুকে কেমন জলবায়ু বলা হয়?
  1. সমভাবাপন্ন
  2. চরমভাবাপন্ন
  3. মৃদুভাবাপন্ন
  4. নিয়তভাবাপন্ন
সঠিক উত্তর:
মৃদুভাবাপন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃদুভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু:
- সমুদ্র হতে দূরত্ব জলবায়ুতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন।
- সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য না হলেও সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়। এ কারণে সমুদ্র নিকটবর্তী জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন ও দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৫৫.
বাংলাদেশের কয়টি বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
সীমান্ত জেলা:
- বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যকর বিভাগ সংখ্যা ৮টি।
- জেলার সংখ্যা ৬৪টি।
- যার ৬ বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
- কিন্তু ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে। 

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
২,৪৫৬.
বঙ্গবন্ধু মান মন্দিরের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) নওগাঁ
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
• ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা ও কর্কটক্রান্তি রেখার ছেদবিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়
- এই স্থানেই বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মাণ করা হবে দেশের প্রথম মান মন্দির।
- ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ‘একটি স্বপ্ন’ প্রবন্ধে মানমন্দির নির্মাণের কথা বলেন। 

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর।
২,৪৫৭.
“ক্যকপ্রাং” ঝরনা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) বান্দরবন
  4. ঘ) কক্সবাজাৱ
সঠিক উত্তর:
ক) রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
“ক্যকপ্রাং” ঝরনা অবস্থিত রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে।
মারমা ভাষায় ‘ক্যকপ্রাং’ শব্দের অর্থ ‘পাথরের এলাকা’ বা ‘পাথরের চাঁই’।
২,৪৫৮.
ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে কম্পনের সৃষ্টি হয় তা কী নামে পরিচিত?
  1. ক) কম্পনবেগ
  2. খ) কম্পকেন্দ্র
  3. গ) কম্পনস্থল
  4. ঘ) ভূকম্পন
সঠিক উত্তর:
খ) কম্পকেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কম্পকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প
• ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
• ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
• কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র বলা হয়।
• সাধারণত ভূ-ত্বকের ৩২ কি.মি. এর মধ্যে ভূমিকম্পের উৎস স্থান থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে গভীরতা আরও বেশি হতে পারে। • কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।   
• ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
• ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার। 
• ভূমিকম্পনের রেখা যে কাগজে অংকিত হয়, তাকে সিসমোগ্রাফ বলে। 

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৫৯.
নিচের কোনটি উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কমিটি?
  1. UzDMC
  2. NDMC
  3. UDMC
  4. DDMC
সঠিক উত্তর:
UzDMC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UzDMC
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে উপজেলা পর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কমিটি হলো UzDMC (Upazila Disaster Management Committee)।
- এর সভাপতি হলেন সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা।

অন্যদিকে,
- NDMC : National Disaster Management Council
- DDMC : District Disaster Management Committee
- UDMC : Union Disaster Management Committee.

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
২,৪৬০.
নিচের কোনটি আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান এবং নিয়ামক?
  1. ক) আর্দ্রতা
  2. খ) বায়ুর চাপ
  3. গ) বায়ুপ্রবাহ
  4. ঘ) বায়ুর তাপ
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান যেমন : 
- বায়ুর তাপ। 
- চাপ।
- বারিপাত।
-  আর্দ্রতা ও 
- বায়ুপ্রবাহ
 - বায়ুপ্রবাহ : বায়ুপ্রবাহের জন্য কোনো এলাকার জলবায়ুতে বিশেষ বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় যেমন :
- কোনো এলাকায় যদি জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু প্রবাহিত হয় তবে ঐ এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- আমাদের দেশে বর্ষাকালে মৌসুমী বায়ু প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ হওয়ায় বর্ষাকালে এদেশে প্রচুর বৃষ্টি হয় কিন্তু শীতকালে শুষ্ক মহাদেশীয় বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টি প্রায় হয় না বললেই চলে।
• জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ : 
- অক্ষাংশ
- উচ্চতা
- বায়ুপ্রবাহ
- সমুদ্রস্রোত
- পর্বতের অবস্থান
- ভুমির ঢাল 
- মৃত্তিকার গঠন ইত্যাদি জলবায়ুর নিয়ামক।
 
 উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪৬১.
নদী অধিক বিস্তৃত মোহনাকে বলা হয় -
  1. ক) দোয়াব
  2. খ) নদীসঙ্গম
  3. গ) খাঁড়ি
  4. ঘ) মোহনা
সঠিক উত্তর:
গ) খাঁড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খাঁড়ি
ব্যাখ্যা
 খাঁড়ি - নদীর অধিক বিস্তৃত মোহনাকে বলা হয় খাঁড়ি।

• নদী সম্পর্কিত:
- মোহনাঃ নদী যখন কোন হ্রদ বা সাগরে এসে পতিত হয়, তখন সেই পতিত স্থানকে মোহনা বলে।
- দোয়াবঃ প্রবাহমান দুইটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
- নদী উপত্যকাঃ উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত যে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে উক্ত নদী উপত্যকা বলে।

উৎস:- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং ভূগোল ও পরবিশে এসএসসি পোগ্রাম (উন্মুক্ত)।
২,৪৬২.
ভূত্বকের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. সিলিকন
  2. আয়রন
  3. অক্সিজেন
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
• ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।

ভূত্বকের উপাদান: 
- অক্সিজেনের পরিমাণ – ৪৬.১%
- সিলিকনের পরিমাণ – ২৮.২%
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ – ৮.২%
- লোহার (আয়রন) পরিমাণ – ৫.৬%
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ – ৪.১%
- সোডিয়ামের পরিমাণ – ২.৩%
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ – ২.৩%
- পটাসিয়ামের পরিমাণ – ২.০%
- টাইটানিয়ামের পরিমাণ – ০.৫%
- হাইড্রোজেনের পরিমাণ – ০.১%
- অন্যান্য উপাদান – ০.৫%
 
সূত্র: World Economic Forum ওয়েবসাইট।
২,৪৬৩.
উপকূলের কোনো একটি স্থানে জোয়ারের কত ঘন্টা পর ভাঁটা হয়?
  1. ৬ ঘন্টা
  2. ১২ ঘন্টা
  3. ১৮ ঘন্টা
  4. ২৪ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
৬ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাঁটা: 
- উপকূলে কোনো একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান হলো প্রায় ১২ ঘণ্টা। 
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষন শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দের শক্তি প্রভৃতি কারনে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় পরপর এক জায়গায় ফুলে উঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা হয়। 
- জোয়ারের ৬ ঘন্টা পরে ভাঁটা হয়। 

উৎস: মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৬৪.
বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের কোন ভূ-প্রাকৃতিক সময়ে গঠিত?
  1. টারশিয়ারি যুগে
  2. সাম্প্রতিককালে
  3. প্লাইস্টোসিনকালে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালে
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৬৫.
বাংলাদেশে কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টির প্রধান কারণ কী? 
  1. নিম্নচাপ
  2. অতিবৃষ্টি
  3. উচ্চচাপ
  4. বায়ুপ্রবাহ
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা
কালবৈশাখী ঝড়: 

• কালবৈখাশী ঝড় বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
• এটি গ্রীষ্মকালীন জলবায়ুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। 
• সাধারণত বৈশাখ মাসের শেষের দিকে এ ঝড় হতে দেখা যায়। 
• কালবৈশাখী ঝড়ে বাৎসরিক এক পঞ্চমাংশ বৃষ্টিপাত হয় 
• এ ঝড়ের ফলে উষ্ণতা স্বাভাবিকের তুলনায় ৫-১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস কমে যায়।
• কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো নিম্নচাপ (Depression)। 
• নিম্নচাপের কারণে উষ্ণ বাতাস ওপরের দিকে উঠতে থাকে। এর ফলে সৃষ্ট ফাঁকা জায়গা পূরণের জন্য ঠান্ডা বাতাস প্রচন্ড বেগে ঐ ফাঁকা স্থানের দিকে অগ্রসর হয়। ফলে ঝড়ের উৎপত্তি হয়। 
• এ ঝড়ের গতিবেগ ঘন্টায় প্রায় ৪০ কি. মি. থেকে ৮০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
• এ ঝড় দেশের পূর্বাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি সংঘটিত হয় এবং এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বেশি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
২,৪৬৬.
ভারত ও পাকিস্তানের সীমানারেখা কোনটি?
  1. লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. লাইন অব কন্ট্রোল
  4. ম্যাকমোহন লাইন
সঠিক উত্তর:
লাইন অব কন্ট্রোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইন অব কন্ট্রোল
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল:
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC) ভারত ও পাকিস্তানের সীমানারেখা।
- ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের বিভাজনের সময় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
- কাশ্মীরের তৎকালীন মহারাজা প্রথমে স্বাধীন থাকতে চাইলেও পরে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশ রোধে ভারতের সহায়তার শর্তে ভারতভুক্ত হন, যার ফলে ১৯৪৭-৪৮ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালের করাচি চুক্তি একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি আনলেও ১৯৬৫ সালে সীমান্ত সংঘর্ষ ফের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়।
- এরপর ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের ফলে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হয়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তি কাশ্মীর অঞ্চলে লাইন অব কন্ট্রোল (LOC) স্থাপন করে।
- তবে ১৯৭৪ সালে ভারতের পারমাণবিক পরীক্ষা এবং পরে পাকিস্তানের একই পথে এগিয়ে যাওয়া এ বিরোধকে পারমাণবিক স্তরে নিয়ে যায়, যার ফলে উত্তেজনা আরও বাড়ে।

উল্লেখ্য,
- ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানারেখা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল। 
- ডুরান্ড লাইন হল আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত একটি সীমান্ত রেখা বা লাইন।
- ম্যাকমোহন লাইন ১৯১৪ সালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন ও তিব্বতের স্বীকৃত হয়। বর্তমানে এটি ভারত ও চীনের মধ্যে আইন স্বীকৃত সীমানা, যদিও চীন সরকার একে বিতর্কিত অংশ বলে মনে করে।

উৎস: Global Conflict Tracker
২,৪৬৭.
এল নিনো হলো -
  1. ক) সমুদ্রে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়
  2. খ) অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত
  3. গ) শীতল জলবায়ু
  4. ঘ) এক প্রকার উষ্ণ স্রোত
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক প্রকার উষ্ণ স্রোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক প্রকার উষ্ণ স্রোত
ব্যাখ্যা
এল নিনো:
- এল নিনো এক প্রকার উষ্ণ স্রোত।
- এল নিনো (El Nino) একটি স্প্যানিশ শব্দ।
- আবহাওয়া পরিবর্তনকারী এল নিনো আবারও প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর কারণে ২০২৪ হতে চলছে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর।
- এর ফলে প্রশান্ত মহাসাগরে মধ্য ও পূর্ব গ্রীষ্মমন্ডলীয় সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা বা গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং বায়ুমণ্ডলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে তাপ ঠেলে দেয়।
- এল নিনো প্রতি ২ থেকে ৭ বছর অন্তর ঘটে।
- তা বিরাজমান থাকে প্রায় ১ বছর কখনো কখনো ১৮ মাস পর্যন্ত যখন, সমুদ্র পৃষ্ঠ’র তাপমাত্রা বিস্তর পার্থক্য হয় (প্রায় ০.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস)। 
- এল নিনোর কারণে অস্ট্রেলিয়াতে খড়া দেখা দিতে পারে।
- এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলে অতিবর্ষণ ও ভারতে বর্ষাকে দুর্বল করে দিতে পারে।
- চলমান এল নিনো বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসে আটকে রাখার লক্ষ্যমাত্রাকে অতিক্রম করে যেতে পারে।
- সাধারণত যে বছর এল নিনো শুরু হয়, তার পরের বছরটিতে তীব্র গরম অনুভূত হয়।
- এর আগে ২০১৫ সালে এল নিনো হয়েছিল বলে ২০১৬ সালে বিশ্বে রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রা দেখা গিয়েছিল।

উৎস: National Geographic Society.
২,৪৬৮.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদীর নাম কী? 
  1. বলেশ্বর (পাবনা)
  2. ইছামতি
  3. বলেশ্বর (শেরপুর)
  4. গড়াই
সঠিক উত্তর:
বলেশ্বর (শেরপুর)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলেশ্বর (শেরপুর)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের নদ-নদী:
• ​বর্তমানে বাংলাদেশে নদ-নদীর (BWDB–এর হিসাবে) সংখ্যা হলো—১৪১৫টি।
• বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদীর নাম—পদ্মা। দৈর্ঘ্য ৩৫১ কিমি।
• বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদীর নাম—বলেশ্বর। (শেরপুর) দৈর্ঘ্য ০.২ কিমি।

​- সবচেয়ে বেশী নদী প্রবাহিত হচ্ছে - ঢাকা বিভাগে।
- এই বিভাগে নদীর সংখ্যা - ২২২ টি।
- সবচেয়ে বেশী নদী প্রবাহিত হচ্ছে - সুনামগঞ্জ জেলায় (৯৭টি)।
- সবচেয়ে বেশী জেলায় প্রবাহিত হচ্ছে- পদ্মা (১২টি)।
- সবচেয়ে বেশী উপজেলায় প্রবাহিত হচ্ছে - মেঘনা (৩৬টি)।

​উৎস: জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, পানি উন্নয়ন বোর্ড।

২,৪৬৯.
প্রতি দুই ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য কত মিনিট?
  1. ১ মিনিট
  2. ২ মিনিট
  3. ৪ মিনিট
  4. ৮ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৮ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মিনিট
ব্যাখ্যা

গ্রিনিচ মান সময়:
- গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ +৬ ঘন্টা।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- অর্থাৎ ২ দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৮ মিনিট।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- গ্রিনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী ও ব্রিটানিকা।

২,৪৭০.
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বদ্বীপ কোনটি?
  1. ক) আমাজন বদ্বীপ
  2. খ) সুন্দরবন
  3. গ) দানিয়ুব বদ্বীপ
  4. ঘ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা বদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা বদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা বদ্বীপ
ব্যাখ্যা
বদ্বীপ মূলত একটি নদীর অনুপ্রস্থভাবে অতিক্রম করা ধারা-উপধারা বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত ভূমি, যা আকৃতিতে কমবেশি ত্রিভুজাকার প্রান্তিক প্লাবনভূমি।
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা বদ্বীপ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বদ্বীপ।
এখানে উল্লেখযোগ্য যে, এই বদ্বীপের বাংলাদেশ অংশের আয়তন ৪৬,৬২০ কিমি,
যা সমগ্রদেশের মোট এলাকার মোটামুটি এক তৃতীয়াংশের সামান্য কিছু কম (প্রায় ৩২%)। 

উৎস: বাংলা পিডিয়া
২,৪৭১.
বাংলাদেশে আন্তঃসীমান্ত নদী কয়টি?
  1. ৫৪ টি
  2. ৫৭ টি
  3. ৫৯ টি
  4. ৭২ টি
সঠিক উত্তর:
৫৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে আন্তঃসীমান্ত নদী- ৫৭ টি।
• ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা নদী- ৫৪ টি।
• বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি, (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)। 
• আন্তর্জাতিক নদী- ১ টি। (পদ্মা)

উৎস: যৌথ নদী কমিশন, বাংলাদেশ

২,৪৭২.
ভূমিকম্পের কেন্দ্র সাধারণত ভূ-অভ্যন্তরের কত কিলোমিটারের মধ্যে হয়ে থাকে?
  1. ক) ২০-২৫ কিমি
  2. খ) ১৬-২০ কিমি
  3. গ) ১২-১৬ কিমি
  4. ঘ) ১০-১৫ কিমি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬-২০ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬-২০ কিমি
ব্যাখ্যা
• ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের ফলে আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিকম্প বলা হয়।
• ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে ভূমিকম্পের কেন্দ্র বলা হয়। কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূপৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে। এই উপকেন্দ্রে ভূমিকম্পের তীব্রতা সর্বাধিক হয়ে থাকে।
• ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের সাধারণত ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে হয়ে থাকে।
• সিসমোগ্রাফ যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয়। তবে ভূমিকম্পের তীব্রতা নির্ণয় করা হয় রিখটার স্কেলের সাহায্যে।

তথ্যসূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল।
২,৪৭৩.
‘সাইমুম’ কোন অঞ্চলের স্থানীয় বায়ু?
  1. ক) উত্তর আফ্রিকা
  2. খ) মিশর
  3. গ) আরব মালভূমি
  4. ঘ) ভারতীয় উপমহাদেশ
সঠিক উত্তর:
গ) আরব মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আরব মালভূমি
ব্যাখ্যা

কয়েকটি স্থানীয় বায়ুঃ

চিনুক - রকি পর্বতের পাদদেশ
মিস্ট্রাল - ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি
পম্পেরু - আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে
বোরা - আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূল
সিরক্কো - উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালি
সাইমুম - আরব মালভূমি
খামসিন - মিশর
লু - ভারতীয় উপমহাদেশ

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৭৪.
পদ্মানদীর প্রধান শাখা নদী কোনটি?
  1. তিস্তা
  2. আড়িয়াল খাঁ 
  3. করতোয়া
  4. আত্রাই
সঠিক উত্তর:
আড়িয়াল খাঁ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আড়িয়াল খাঁ 
ব্যাখ্যা

• পদ্মানদীর শাখা নদী- ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতী, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি। 

• মহানন্দার উপনদী পুবর্ভবা, নাগর, কুলিক, ট্যাংগন, পাগলা প্রভৃতি।
• কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী হলো- কাপ্তাই, হালদা, কাসালায়ং, রাঙখিয়াং,
• যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম। 
• মেঘনার উপনদীসমূহের মধ্যে মনু, বাউলাই, গোমতী, তিতাস, কাসনি অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি ।

২,৪৭৫.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘সাগর সেতু’ -
  1. কিংদাও হাওয়ান সেতু
  2. দঙ্গাই সেতু
  3. শেখ জাবের আল আহমদ আল সাবাহ
  4. হংকং-ঝুহাই-ম্যাকাও সেতু
সঠিক উত্তর:
হংকং-ঝুহাই-ম্যাকাও সেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হংকং-ঝুহাই-ম্যাকাও সেতু
ব্যাখ্যা
হংকং-ঝুহাই-ম্যাকাও সেতু:
- চীনের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে হংকংকে যুক্ত করতে সাগরের ওপর বানানো হয়েছে ৫৫ কিলোমিটার বা প্রায় ৩৪ মাইল দীর্ঘ একটি সেতু।
- ৯ বছরের নির্মাণকাজ শেষে ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সেতুটি।
- উদ্বোধন করেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং।
- সাগরের ওপর নির্মাণ করা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সেতু এটি।

অন্যদিকে -
- দঙ্গাই সেতু বা পূর্ব সাগর সেতু যা ৩২ কিলোমিটার লম্বা, এটি পূর্ব চীন সাগরের হ্যাংজহু উপসাগরের ওপরে অবস্থিত।
- ৪২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ চীনের কিংদাও হাওয়ান সেতু।
- শেখ জাবের আল আহমদ আল সাবাহ সেতুটির মোট দৈর্ঘ্য ৪৮.৫৩ কিলোমিটার এবং এটি ৩১ মিটার প্রশস্ত। কসওয়ে এই সেতুটি কুয়েত সিটি থেকে আরব সাগরের ওপর দিয়ে যুক্ত হয়েছে বুবিয়ান ও সুবিয়া দ্বীপের সঙ্গে। 

উৎস:  ২৩ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
২,৪৭৬.
'সাজেক ভ্যালি' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান 
  2. রাঙামাটি 
  3. খাগড়াছড়ি 
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা

সাজেক ভ্যালি:
- সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত।
- সাজেক উপত্যকা একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ।
- এটি রাঙ্গামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত।
- এর উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙ্গামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত।
- সাজেক রুইলুই পাড়া এবং কংলাক পাড়া এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।
- এখানে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে।
- সাজেক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন।
- এর আয়তন ৭০২ বর্গমাইল।
- সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উঁচুতে অবস্থিত বিজিবি ক্যাম্প।
- সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙ্গামাটির ছাদ।

উৎস: রাঙ্গামাটি জেলার ওয়েবসাইট।

২,৪৭৭.
সিরাজগঞ্জ শহর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) মেঘনা
  2. খ) যমুনা
  3. গ) পাদ্মা
  4. ঘ) ধলেশ্বরী
সঠিক উত্তর:
খ) যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যমুনা
ব্যাখ্যা
সিরাজগঞ্জ শহর যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
উৎসঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।
২,৪৭৮.
নিচের কোনটি ভঙ্গিল পর্বত? 
  1. কিলিমানজারো
  2. ভিসুভিয়াস পর্বত 
  3. ব্ল‍্যাক ফরেস্ট 
  4. হিমালয় পর্বত 
সঠিক উত্তর:
হিমালয় পর্বত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমালয় পর্বত 
ব্যাখ্যা

ভঙ্গিল পর্বত:
 - ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি।
- কোমল পাললিক - শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি এবং দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।

• চ্যুতি-স্তূপ পর্বত:
- ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত চ্যূতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।

• আগ্নেয় পর্বত: 
-  আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হলো- ইতালির ভিসুভিয়াস, কেনিয়ার কিলিমানজারো, জাপানের ফুজিয়ামা এবং ফিলিপাইনের পিনাটুবো পর্বত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ,নবম-দশম শ্রেণি

২,৪৭৯.
কুষ্টিয়া কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) গড়াই
  2. খ) যমুনা
  3. গ) মধুমতি
  4. ঘ) সুরমা
সঠিক উত্তর:
ক) গড়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গড়াই
ব্যাখ্যা
নদী তীরবর্তী বিভিন স্থান: 
- পঞ্চগড়, বগুড়া - করতোয়া।
- রাজশাহী, ফরিদপুর - পদ্মা।
- সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল - যমুনা।
- কুষ্টিয়া - গড়াই।
- খুলনা - রূপসা।
- বাগেরহাট - মধুমতি।
- সিলেট, সুনামগঞ্জ  - সুরমা।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া - তিতাস।
- নারায়ণগঞ্জ - শীতলক্ষ্যা।
- বরিশাল - কীর্তন খোলা।
- বান্দরবান - সাঙ্গু।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৪৮০.
পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফলাফল কোনটি?
  1. ক) তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি
  2. খ) দিন-রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি
  3. গ) সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি
  4. ঘ) জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
খ) দিন-রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দিন-রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বার্ষিক গতি:

- সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন ও দিন রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতি আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল সমূহ:
- দিন-রাত্রি সংঘটন ও জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি।
- বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি।
- তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি।
- সময় গণনা বা সময় নির্ধারণ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪৮১.
পদ্মা কোথায় যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে?
  1. চাঁদপুরের নিকট
  2. শরীয়তপুরের নিকট
  3. দৌলতদিয়ার নিকট
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দৌলতদিয়ার নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৌলতদিয়ার নিকট
ব্যাখ্যা

• পদ্মা:
- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী পদ্মা।
- ভারতে এই নদীর নাম গঙ্গা।
- গঙ্গা নদী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভকরেছে।
- এরপর প্রথমে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পরে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে ভারতের হরিদ্বারের নিকট সমভূমিতে পড়েছে।
- এরপর ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহার রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান নামক স্থানে ভাগীরথী (হুগলি নদী) নামে এর একটি শাখা বের হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- গঙ্গা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী অঞ্চলের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এরপর দৌলতদিয়ার নিকট যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 

২,৪৮২.
'এডেন' সমুদ্রবন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) ইয়েমেন
  3. গ) জর্ডান
  4. ঘ) মরোক্ক
সঠিক উত্তর:
খ) ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সমুদ্রবন্দর: 
- ইরান: বন্দর আব্বাস, আবাদান।
- জর্ডান: আকাবা।
- মরোক্ক: ক্যাসাব্লাঙ্কা।
- ইয়েমেন: এডেন।
- ব্রাজিল: রিও ডি জেনিরো।
- জার্মানি: হামবুর্গ।
- ফিলিপাইন: ম্যানিলা, দাভাওসিটি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৪৮৩.
গোবি মরুভূমি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. চীন
  2. মঙ্গোলিয়া
  3. ক+খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক+খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+খ
ব্যাখ্যা

গোবি মরুভূমি: 
- এটি এশিয়া মহাদেশের ২য় সর্ববৃহৎ মরুভূমি।
- গোবি মরুভূমি চীন ও মঙ্গোলিয়ায় অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৩,০০,০০০ বর্গ কিমি।

উল্লেখ্য,
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত।
- সাহারা মরুভূমি বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি।
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

২,৪৮৪.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম হাওর কোনটি?
  1. ক) পাথর চাগুলি
  2. খ) চলনবিল
  3. গ) হাইলি
  4. ঘ) বুরবুক
সঠিক উত্তর:
ঘ) বুরবুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বুরবুক
ব্যাখ্যা
• হাওর:
- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে।
- শনির হাওর ও টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- টাঙ্গুয়ার হাওর বিভিন্ন জাতের মৎস্য প্রজাতি ও অতিথি পাখির জন্য বিখ্যাত।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম হাওর- বুরবুক হাওর। এটি সিলেট জেলার জৈন্তাপুরে অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২,৪৮৫.
বাংলাদেশের প্রথম গ্যাস আবিষ্কৃত হয় কোথায়? 
  1. ভোলা 
  2. হরিপুর
  3. কৈলাসটিলা
  4. বাখরাবাদ
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১।
- এটি অনুসন্ধান করে, (বাপেক্স)।
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৪৮৬.
নিয়ত বায়ু কত প্রকার?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. ছয় প্রকার
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা
নিয়ত বায়ু:
- পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে যে বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
- নিয়ত বায়ু তিন প্রকার।যথা: পশ্চিমা বায়ু, অয়ন বায়ু , মেরু বায়ু।

পশ্চিমা বায়ু:
- কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে অয়ন বায়ু ব্যতীত আরও দুটি বায়ুপ্রবাহ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- উত্তর গোলার্ধে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়। এ বায়ুপ্রবাহকে পশ্চিমা বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে।
- কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমান বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু বলে।
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি। এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশা বলে।

অয়ন বায়ু:
 নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে যে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তা অয়ন বায়ু নামে পরিচিত।
- প্রাচীনকালে বাণিজ্য জাহাজসমূহ এই বায়ু অনুসরণ করে চলাচল করতো বিধায় এই বায়ুকে বাণিজ্য বায়ুও বলা হয়।
- অয়ন বায়ু এক প্রকার নিয়ত বায়ু যা সারাবছর একই দিকে প্রবাহিত হয়।
- অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু প্রবাহিত হয় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।

মেরু বায়ু :
- মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয় থেকে অতি শীতল ও ভারী বায়ু উত্তর গেলার্ধে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এ বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
- এ প্রবাহদ্বয়কে উত্তর সুমেরু বায়ু ও দক্ষিণ কুমেরু বায়ু বলে।

তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪৮৭.
মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত কোন দুটি টেকটোনিক প্লেটের মিলনস্থলে?
  1. ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেট
  2. ইউরেশিয়ান প্লেট ও নর্থ আমেরিকান প্লেট
  3. প্যাসিফিক প্লেট ও ইন্ডিয়ান প্লেট
  4. ইন্ডিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেট
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেট
ব্যাখ্যা

⇒ ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত।

এভারেস্ট পর্বত:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ইন্ডিয়ান এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক
সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

তথ্যসূত্র - Britannica & National Geographic.

২,৪৮৮.
আঞ্চলিক ভিত্তিতে জীবন প্রত্যাশা (Life expectancy) সবচেয়ে বেশি-
  1. ক) মোনাকো
  2. খ) উত্তর আমেরিকায়
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) মধ্য এশিয়ায়
সঠিক উত্তর:
গ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাপান
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুসারে,
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গড় আয়ুর দেশ -
১. হংকং - ৮৪.৯৩ বছর
২. জাপান - ৮৪.৬৫ বছর
৩. মোনাকো - ৮৪.৩৭ বছর
৪. সুইজারল্যান্ড - ৮৩.৮৪ বছর
৫. সিঙ্গাপুর - ৮৩.৭৩ বছর

অপশনগুলোর মধ্যে জাপানের গড় আয়ু সবচেয়ে বেশি।
২,৪৮৯.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান কোন জেলায় স্থাপিত হয়?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠিত সিমেন্ট কারখানা হলো ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
- এটি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৩৭ সালে আসাম-বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানি নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সরকার এটি জাতীয়করণ করে।
- ১৯৮২ সালে এটিকে বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থা এর নিকট ন্যস্ত করা হয়।
- এটি একটি স্বয়ং সম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।

(সূত্র: বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
২,৪৯০.
বিশ্বব্যাংক ২০০৯ সালে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য কতটি ঝুঁকির দিক চিহ্নিত করে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক চিহ্নিত বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান ঝুঁকিসমূহ:
- বিশ্বব্যাংক ২০০৯ সালে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সৃষ্ট পাঁচটি প্রধান ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে:
১) মরুকরণ
২) বন্যা
৩) ঝড়
৪) সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
৫) কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা

• বাংলাদেশের অবস্থান ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকা:
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, উষ্ণায়নের এই পাঁচটি ঝুঁকির মধ্যে তিনটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রয়েছে, যা দেশটিকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে গেছে।

বিভিন্ন ঝুঁকিতে থাকা দেশসমূহ:
• বন্যা ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো:
- বাংলাদেশ, চীন, ভারত, কম্বোডিয়া, মোজাম্বিক, লাওস, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বেনিন, রুয়ান্ডা।
• ঝড়ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো:
- ফিলিপাইন, বাংলাদেশ, মাদাগাস্কার, ভিয়েতনাম, মলডোভা, মঙ্গোলিয়া, হাইতি, সামোয়া, টোঙ্গা, চীন, হন্ডুরাস, ফিজি।
• মরুকরণ ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো:
- মালাউয়ি, ইথিওপিয়া, জিম্বাবুয়ে, ভারত, মোজাম্বিক, নাইজার, মৌরিতানিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদান, ইরাক, কেনিয়া, ইরান।
• সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো:
- সব নীচু দ্বীপদেশ, ভিয়েতনাম, মিশর, তিউনিসিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মৌরিতানিয়া, মেক্সিকো, চীন, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, সেনেগাল, লিবিয়া।
• কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো:
- সুদান, সেনেগাল, জিম্বাবুয়ে, মালি, জাম্বিয়া, নাইজার, মরক্কো, ভারত, মালাউয়ি, আলজেরিয়া, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান।

- এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
২,৪৯১.
বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর কোনটি? [জানুয়ারি,২০২৫]
  1. ২০১৫ সাল
  2. ২০২৪ সাল
  3. ২০২৫ সাল
  4. ২০২২ সাল
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সাল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর: 
- ২০২৪ সাল পৃথিবীর সবচেয়ে উষ্ণতম বছর ছিল।
- ২০২৪ সালের গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল শিল্প-পূর্ব সময়ের তুলনায়।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস (সিথ্রিএস) এই তথ্য জানিয়েছে।
- সিথ্রিএস বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবী আগের চেয়ে অনেক বেশি গরম হয়ে গেছে।
- ১৮৫০ থেকে ১৯০০ সালের গড় তাপমাত্রার তুলনায় ২০২৪ সালের গড় তাপমাত্রা ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি।
- ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী, পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বাড়ানো যাবে না, তবে এখনো এই লক্ষ্য পূরণের সম্ভাবনা রয়েছে।
- সিথ্রিএস পরিচালক কার্লো বুওনটেম্পো বলেছেন, আমরা এই প্রবণতা বদলাতে সক্ষম।

উল্লেখ্য, 
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস (সিথ্রিএস) ২০২৪ সালকে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর বলে ঘোষণা করেছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
২,৪৯২.
কোন ধরনের শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা বেশি?
  1. রূপান্তরিত শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. পাললিক শিলা
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা

শিলা:
- ভূত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত।
- গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার। যথাঃ
১.  আগ্নেয় শিলা
২. পাললিক শিলা
৩.  রূপান্তরিত শিলা।

• পাললিক শিলা
- এদের মধ্যে পাললিক শিলা গঠিত হয় পলি সঞ্চিত হয়ে। 
- পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য সমূহ হলো:
- জীবাশ্ম দেখা যায়।
- স্তর লক্ষ্য করা যায়।
- পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর।
- সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- বেলেপাথর, চুনা  পাথর, কাঁদাপাথর, কয়লা, কেওলিন, শেল প্রভৃতি পাললিক শিলার উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৯৩.
‘Tidal Forest’ হলো-
  1. ক) মিঠাপানির জলাবন
  2. খ) পাহাড়ের সংরক্ষিত বন
  3. গ) জোয়ারধৌত বন
  4. ঘ) শাল গাছের বন
সঠিক উত্তর:
গ) জোয়ারধৌত বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জোয়ারধৌত বন
ব্যাখ্যা
জোয়ারধৌত বন(Tidal forest) জোয়ারভাটার প্রভাবের আওতাভুক্ত বনভূমি। বাংলাদেশে সুন্দরবনকে জোয়ারভাটার প্লাবিত বন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
২,৪৯৪.
মিসিসিপি নদীর উৎপত্তিস্থল কোন দেশে?
  1. কানাডা
  2. মেক্সিকো
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
মিসিসিপি নদী:
- মিসিসিপি নদী হল উত্তর আমেরিকার দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী
- মিসিসিপি নদীর দৈর্ঘ্য ৬২৭০ কি.মি.
- নদীটির উৎস ইটাস্কা হ্রদ। যা আমেরিকার মিনোসোটার রাজ্যে অবস্থিত।
অর্থাৎ মিসিসিপি নদীর উৎপত্তিস্থল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- মিসিসিপি নদীর প্রশস্ত অংশ বেনা।


তথ্যসূত্র: i) ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
 ii) ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
২,৪৯৫.
Tsunami শব্দের অর্থ কী?
  1. পােতাশ্রয় ঢেউ
  2. উচ্চ জলোচ্ছ্বাস
  3. নদীর ঢেউ
  4. অগ্নুৎপাত
সঠিক উত্তর:
পােতাশ্রয় ঢেউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পােতাশ্রয় ঢেউ
ব্যাখ্যা
সুনামি (Tsunami):
- সুনামি’ জাপানি শব্দ। বাংলায় এর অর্থ পােতাশ্রয়ের ঢেউ।
- সাগর বা নদী বা অন্য কোন জলক্ষেত্রে ভূমিকম্পের, ভূমিধ্বসের কিংবা আগ্নেয়গিরির উদগীরণের প্রভাবে সৃষ্ট জলােচ্ছ্বাসকেই বলা হয় সুনামি।
- বিভিন্ন কারণে সুনামির সৃষ্টি হতে পারে।
- কারণগুলাের মধ্যে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অন্নুৎপাত, ভূমিধ্বস অন্যতম।
- তন্মধ্যে দুটি কারণ উলেখযােগ্য হলাে সমুদ্রতলের ২০-৩০ কিলােমিটার গভীরে ভূমিকম্প সংঘটন এবং টেকটোনিক প্লেটের আকষ্মিক উত্থান-পতন।
- ইতিহাসে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক সুনামি ছিল ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি । ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা উপকূলে ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি , ব্রিটানিকা এবং বাংলাপিডিয়া। 
২,৪৯৬.
নিচের কোন বিষয়টির জন্য স্থানভেদে জলবায়ুর পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়?
  1. ক) মৃত্তিকার গঠন
  2. খ) সমুদ্রস্রোত
  3. গ) বনভূমির অবস্থান
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
কিছু ভৌগোলিক বিষয়ের পার্থক্যের কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়৷ এ বিষয়গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।
এগুলো হলোঃ
১) অক্ষাংশ
২) উচ্চতা
৩) সমুদ্র থেকে দূরত্ব
৪) বায়ুপ্রবাহ
৫) সমুদ্রস্রোত
৬) পর্বতের অবস্থান
৭) ভূমির ঢাল
৮) মৃত্তিকার গঠন
৯) বনভূমির অবস্থান
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি
২,৪৯৭.
যুক্তরাজ্য থেকে ফ্রান্সকে পৃথক করছে -
  1. বাবেল মান্দেব প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. ডোভার প্রণালি
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
ডোভার প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোভার প্রণালি
ব্যাখ্যা
• ডোভার প্রণালী: 
- ডোভার প্রণালী ইংরেজিতে: Strait of Dover।
- ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের মধ্যে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ জলপ্রণালী।
- ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য পৃথক করেছে।
- এবং ইউরোপ মহাদেশ ও ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে সবচেয়ে ছোট জলপথ।
- এটি যুক্তরাজ্যের ডোভার শহর এবং ফ্রান্সের কালে (Calais) শহরের মাঝখানে অবস্থিত।
- এটি ইংলিশ চ্যানেলকে উত্তর সাগরের (North Sea) সঙ্গে যুক্ত করে।

এছাড়াও,
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম সামুদ্রিক পথ, যেহেতু ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে প্রধান নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এর নিচ দিয়ে চ্যানেল টানেল (Channel Tunnel) নির্মাণ করা হয়েছে,
- যা রেলপথের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে সংযুক্ত করে।
- ইতিহাসে এই প্রণালীতে বহু নৌ-যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

উৎস: World Atlas.
২,৪৯৮.
কোনটি নদীবিহীন দেশ?
  1. ইরাক
  2. সিরিয়া
  3. মোনাকো
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
মোনাকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোনাকো
ব্যাখ্যা
• নদীবিহীন দেশ:
- পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে যেগুলোর কোনো নদী নেই। অবশ্যই এগুলি বেশিরভাগই মরুভূমির দেশ, যেখানে বৃষ্টিপাত এবং জলের উৎস খুব কম, এবং কোনও বাস্তব নদী বা নদীর তল তৈরি করার জন্য পর্যাপ্ত জলপ্রবাহ নেই।

- নদী নেই এমন দেশগুলি হলো:
- কমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন, মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি, কিরিবাতি, নাউরু, টোঙ্গা ও টুভালু।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২,৪৯৯.
'ম্যাজিনো লাইন' কোন দুইটি দেশের সীমারেখা নির্দেশ করে?
  1. জার্মানি ও পোল্যান্ড
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  3. জার্মান ও ফ্রান্স
  4. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
জার্মান ও ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মান ও ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
ম্যাজিনো লাইন:
- জার্মান আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা ম্যাজিনো লাইন।
- ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে অবস্থিত সীমান্ত বরাবর নির্মিত দুর্ভেদ্য লাইন ম্যাজিনো লাইন।
- ফ্রান্স ১৯৩০ এর দশকে এটি নির্মাণ করে।
- জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়।
- ১৯৩৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

উৎস: Britannica.
২,৫০০.
সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন কোনটি?
  1. লাউয়াছড়া
  2. রাতারগুল
  3. রেমা-কালেঙ্গা
  4. টেংরাগিরি বন
সঠিক উত্তর:
টেংরাগিরি বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেংরাগিরি বন
ব্যাখ্যা
টেংরাগিরি বন:
- টেংরাগিরি বনাঞ্চলটি সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বনাঞ্চল।
- বনটি বরগুনার তালতলী থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই বনাঞ্চলের আয়তন ১৩ হাজার ৬৪৪ একর।
- দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শ্বাসমূলীয় বন স্থানীয়ভাবে ফাতরার বন নামে পরিচিত।
- পায়রা, বলেশ্বর ও বিষখালী-দক্ষিণের এই তিন বড় নদ-নদী এখান থেকে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- দেশের নদ-নদীতে সাগর থেকে উঠে আসা বিভিন্ন প্রজাতির মাছের ৬০ ভাগ এখান দিয়ে আসা-যাওয়া করে।
- এই বনাঞ্চলের ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার দূরে গোড়াপদ্মা উপকূলীয় সবুজবেষ্টনী এবং ৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে পাথরঘাটা উপজেলায় হরিণঘাটা সংরক্ষিত বনাঞ্চল অবস্থিত।
- বনাঞ্চল থেকে বঙ্গোপসাগরের দূরত্ব দেড় কিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
- মাছের প্রজনন ও চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ এই অংশে শত শত জেলে বন বিভাগকে ম্যানেজ করে ছোট ফাঁসের জাল দিয়ে প্রতিদিন মাছ ধরায় একদিকে দেশের বিশাল মৎস্যভান্ডার শূন্য হচ্ছে, অপর দিকে হুমকির মুখে পড়ছে শ্বাসমূলীয় এই বনাঞ্চল।

উৎস: প্রথম আলো।