বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ১৭ / ৭২ · ১,৬০১১,৭০০ / ৭,১৯১

১,৬০১.
Dead Sea is a -
  1. ক) Sea
  2. খ) River
  3. গ) Lake
  4. ঘ) Canal
সঠিক উত্তর:
গ) Lake
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Lake
ব্যাখ্যা
ডেড সি:

- ডেড সি জর্ডানে অবস্থিত।
- মৃত সাগর বা লবণ সাগর নামেও পরিচিত।
- ডেড সি জর্ডান এবং ইসরায়েলের মধ্যে অবস্থিত দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার একটি লবণাক্ত হ্রদ।
- এই প্রাকৃতিক বিস্ময়টি সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে ৪৩০.৫ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।
- ডেড সি পৃথিবীর সবচেয়ে লবণাক্ত জলাশয়গুলির মধ্যে একটি, সাধারণ সমুদ্রের জলের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি লবণাক্ত।
- এটি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পানি হারায়। 
- উচ্চ লবণাক্ত স্তর এবং কঠোর জলবায়ু জন্যে ডেড সি তে কোনো মাছ জন্মায় না।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
১,৬০২.
খাইবার গিরিপথ কোন দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সামরিক সংযোগের জন্য প্রাচীনকাল থেকে গুরুত্বপূর্ণ?
  1. পাকিস্তান ও ভারত
  2. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  3. সুইজারল্যান্ড ও বুলগেরিয়া
  4. সুইজারল্যান্ড ও ইতালি
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

খাইবার গিরিপথ:
- গিরিপথ হলো পাহাড়ি অঞ্চলে পর্বতশ্রেণির মধ্যবর্তী সংকীর্ণ ও অনুচ্চ পথ।
- খাইবার গিরিপথ অবস্থিত পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে।
- এটি উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী একমাত্র মহাসড়ক সালান গিরিপথ দ্বারা সংযুক্ত। 
- খাইবার গিরিপথ হিন্দু কুশ পর্বতমালার অংশ এবং একসময় সিল্ক রোডের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।
- এটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের পেশোয়ারকে আফগানিস্তানের কাবুলের সঙ্গে যুক্ত করে। 
- খাইবার গিরিপথ হাজার বছরের মধ্যে পারস্য, চীন ও মধ্য এশিয়ার বাণিজ্যিক রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এবং আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট, চেঙ্গিস খান ও বিভিন্ন মুঘল শাসকের জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় প্রবেশের প্রধান পথ হিসেবে পরিচিত ছিল।
- ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে গিরিপথটি সামরিক চোক পয়েন্ট ও খাইবার রেলওয়ের অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
- বর্তমানেও এটি পাকিস্তান-আফগান সীমান্তের অন্যতম প্রধান ক্রসিং, যেখানে তোর্খাম (Torkham) পয়েন্ট বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
- পর্যটকদের জন্য এখানে বাব-ই-খাইবার (খাইবার গেট) একটি সুপরিচিত দর্শনীয় স্থান।
--------------------------
• অন্যান্য পরিচিত কিছু গিরিপথ-
- গ্রেট সেন্ট বার্নার্ড (সুইজারল্যান্ড),
- সিম্পলন (সুইজারল্যান্ড ও ইতালি),
- সেন্ট গোথার্ড (সুইজারল্যান্ড),
- ব্রেনার (সুইজারল্যান্ড),
- শিপকা (বুলগেরিয়া)। 

উৎস: Britannica. 

১,৬০৩.
IPCC এর তথ্য অনুসারে, এশিয়ায় পানির স্বল্পতার কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে কত কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে?
  1. প্রায় ১ কোটি
  2. প্রায় ১০ কোটি
  3. প্রায় ৫০ কোটি
  4. প্রায় ১০০ কোটি
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১০০ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১০০ কোটি
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: 
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে তাতে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং প্রায় -১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
- আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
- ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (IPCC)-এর তথ্য অনুসারে ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে।
- ফলে এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
- উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- যা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে অনুভূত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৬০৪.
জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. ব্লু লাইন
  2. পার্পল লাইন
  3. সনেরা লাইন
  4. ওডার-নেইস লাইন
সঠিক উত্তর:
ওডার-নেইস লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওডার-নেইস লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৬০৫.
"টিপাইমুখ বাঁধ" নির্মিত হলে বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে কৃষিকাজে ব্যাপক ক্ষতি হবে?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. রাজশাহী
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

টিপাইমুখ বাঁধ:
- নদীর পানির স্তর উত্তোলন বা নৌচলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় নাব্য রক্ষার জন্য অথবা সেচ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য নদীর উপর নির্মিত প্রতিবন্ধককে বাধ বলে।
- টিপাইমুখ বাধ ভারতের মণিপুর রাজ্যে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের বরাক নদের উজানে নির্মিত।
- যা মূলত সিলেট অঞ্চলের কৃষি ও হাওর ব্যবস্থার প্রধান পানির উৎস।
- বাঁধ নির্মিত হলে নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হবে, ফলে সিলেট অঞ্চলে কৃষিকাজে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
- টিপাইমুখ নামের গ্রামে বরাক এবং টুইভাই নদীর মিলনস্থল।
- এ বাধের উচ্চতা ১৬২.৮ মিটার।
- বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বাধ:
• তিস্তা বাঁধ লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলাধীন দুয়ানি নামক স্থানে তিস্তা নদীর উপর নির্মিত।
• বুড়ি তিস্তা বাঁধ নীলফামারি জেলার ডিমলা এবং জলঢাকা উপজেলায় বুড়ি তিস্তা নদীর উপর নির্মিত বাঁধ।
• টাঙ্গন বাঁধ টাঙ্গন নদীর উপর নির্মিত।
• মনু বাঁধ মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় নির্মিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বিডিনিউজ২৪।

১,৬০৬.
কত সালে সৃষ্ট ভূমিকম্প ও বন্যার কারণে ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ পরিবর্তিত হয়?
  1. ১৭৫৭ সালে
  2. ১৭৮৭ সালে
  3. ১৮৫৭ সালে
  4. ১৮৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র নদ:  
- ব্রহ্মপুত্র নদ (Brahmaputra River)  পৃথিবীর দীর্ঘতম নদনদীগুলির একটি।
- এর অববাহিকা অঞ্চল চীন (তিববত), ভারত ও বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এর উৎপত্তি শিমায়াঙ-দাঙ হিমবাহ থেকে, স্থানটি পারখা থেকে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটারের মতো দূরে।
- পারখা, মানস সরোবর হ্রদ ও কৈলাস পর্বতের মধ্যবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র।
- দক্ষিণ তিববতের শুষ্ক ও সমতল অঞ্চলের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে নদটি হিমালয়ের ‘নামছা বারওয়া’ চূড়ার সন্নিকটে বাধাপ্রাপ্ত হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৭৮৭ সালে একটি তীব্র ভূমিকম্প ও প্রলয়ংকরী বন্যার কারণে ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তিত হয়।
- এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে নদীর তলদেশের ভূ-গাঠনিক পরিবর্তন ঘটে, বিশেষত মধুপুর গড়ের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
- ফলে নদীটি তার পূর্বতন গতিপথ, যা ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত ছিল, তা পরিবর্তন করে।
- এই ঘটনার পর নদীটি পশ্চিম দিকে সরে যায় এবং বর্তমান যমুনা নদের গতিপথ গ্রহণ করে।
- এই পরিবর্তন নদীর নিম্ন অববাহিকায় ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ঐতিহাসিক মানচিত্রে এই গতিপথের পরিবর্তন স্পষ্টভাবে লক্ষণীয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১,৬০৭.
সম্প্রতি, কোথায় ৮.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. চিলির বিওবিও প্রদেশে
  2. রাশিয়ার পূর্ব উপকূলে
  3. যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায়
  4. ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে
সঠিক উত্তর:
রাশিয়ার পূর্ব উপকূলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়ার পূর্ব উপকূলে
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:
- ৩০ জুলাই, ২০২৫ রাশিয়ার পূর্ব উপকূলে, বিশেষ করে কামচাটকা উপদ্বীপ সংলগ্ন রুশ উপকূলে মেগাথ্রাস্ট ভূমিকম্প আঘাত হানে।
- যার মাত্রা  প্রথমে ৮.০ রিপোর্ট করা হলেও পরবর্তীতে তা ৮.৭ থেকে ৮.৮ এ উন্নীত হয়।
- এটির কেন্দ্রস্থল ছিল রাশিয়ার পেত্রোপাভলোভস্ক-কামচাতস্কি শহর থেকে ১৩৬ কিলোমিটার পূর্বে, প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে।
- এই ভূমিকম্পকে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বিংশ শতাব্দীর ষষ্ঠ সর্বোচ্চ শক্তির ভূমিকম্প হিসেবে স্থান দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯০০ সাল থেকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে ভূমিকম্পের রেকর্ড রাখা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ব জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)।
- বিশ্বের ইতিহাসে এ যাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি হয়েছিল ১৯৬০ সালে চিলির বিওবিও প্রদেশে।
- ৯ দশমিক ৫ মাত্রার সেই ভূমিকম্পে নিহত হয়েছিলেন ১ হাজার ৬৫৫ জন মানুষ এবং বাড়িঘর ভাঙার জেরে আশ্রয়হীন হন আরও ২০ লাখ মানুষ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১,৬০৮.
'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক' কোথায় গৃহীত হয়?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. জাপান
  3. ফিলিপাইন
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:
- ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-৩০ গৃহীত হয়।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।

উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট।
১,৬০৯.
'সেইন নদী’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ফ্রান্স
  2. স্পেন
  3. জার্মানি
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
'সেইন নদী’:
- সেইন নদী ফ্রান্সের একটি ঐতিহাসিক এবং গুরুত্বপূর্ণ নদী।
- নদীটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৪৮৫ মাইল (৭৮০ কিলোমিটার)।
- এটি ডিজন শহর থেকে প্রায় ১৮ মাইল (৩০ কিলোমিটার) উত্তর-পশ্চিমে উৎপত্তি লাভ করে এবং প্যারিসের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে যায়।
- শেষ পর্যন্ত এটি লে হাভরে শহরের কাছে ইংলিশ চ্যানেলে মিলিত হয়। 
- এই নদীর তীরে আইফেল টাওয়ার, নটরডেম ক্যাথেড্রাল এবং ল্যুভর জাদুঘরের মতো বিখ্যাত অনেক আধুনিক স্থাপনা গড়ে উঠেছে।

সম্প্রতি,
- সেইন নদী এক শতাব্দী পর সাঁতারের জন্য আবার উন্মুক্ত করা হয়েছে।
- অতিরিক্ত বর্জ্য পদার্থের জন্য ১৯২৩ সালে নদীটিতে সাঁতার কাটা নিষিদ্ধ করা হয়।
- গত বছর হয়ে যাওয়া প্যারিস অলিম্পিককে সামনে রেখে বছরজুড়ে ফ্রান্সের কিছু নদী পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
- তারই অংশ হিসেবে সেন নদীও পরিষ্কার করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র- ব্রিটানিকা, পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৬১০.
লোহিত সাগর কোন দুটি মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. এশিয়া ও আফ্রিকা
  2. এশিয়া ও ইউরোপ
  3. আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা
  4. উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

লোহিত সাগর:
- লোহিত সাগর হলো একটি দীর্ঘ ও সরু সমুদ্র।
- লোহিত সাগরের সর্বোচ্চ প্রস্থ প্রায় ১৯০ মাইল এবং গভীরতা প্রায় ৯,৯৭৪ ফুট (৩,০৪০ মিটার)। 
- এর আয়তন প্রায় ৪৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার।

- এটি আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে প্রাকৃতিক বিভাজন তৈরি করে।
- এর পশ্চিম তীর আফ্রিকার দেশগুলো—মিশর, সুদান, ইরিত্রিয়া ও জিবুতি দ্বারা গঠিত।
- আর পূর্ব তীর এশিয়ার দেশগুলো- আরব উপদ্বীপের সৌদি আরব ও ইয়েমেন দ্বারা ঘেরা।
- লোহিত সাগর উত্তরে সিনাই উপদ্বীপ, সুয়েজ উপসাগর এবং আকাবা (এলাত) উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত;
- এবং দক্ষিণে বাব-এল-মান্দেব প্রণালী ও এডেন উপসাগরের মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি ভারত মহাসাগরের একটি অভ্যন্তরীণ সমুদ্র হিসেবে কাজ করে।
- এটি সুয়েজ খালের মাধ্যমে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে পরোক্ষভাবে সংযুক্ত। 
- এটি আফ্রিকা ও আরব উপদ্বীপকে পৃথক করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হিসেবেও বিবেচিত।

উৎস: Britannica. 

১,৬১১.
বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৭০৬ মাইল
  2. ৭০৬ কিলোমিটার
  3. ৭১৬ মাইল
  4. ৭১৬ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৭১৬ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১৬ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪′ উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- আর দক্ষিণে রয়েছে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর। 
- বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল এবং অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,৬১২.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান নয় কোনটি?
  1. পূর্বপ্রস্তুতি
  2. সাড়াদান
  3. প্রতিরোধ
  4. প্রশমন
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান ৩টি। যথা-
১। দুর্যোগ প্রতিরোধ
২। দুর্যোগ প্রশমন
৩। দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:  
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র বলতে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত পর্যায়গুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-

ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়:
- দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়।
- এগুলো হলো: পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিরোধ এবং প্রশমন।
- এই ৩টি কার্যক্রম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।

খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়:-
- দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়।
- এগুলো হলো- সাড়া প্রদান, পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন।

- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মুকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
- অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি

১,৬১৩.
নিচের কোন জেলা দুই দেশের সীমান্তের সাথে যুক্ত আছে?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলা দুটি দেশের সীমান্তের সাথে যুক্ত আছে।

সীমান্তবর্তী জেলা:

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।  
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙ্গামাটি।
- তার মধ্যে - ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- অর্থাৎ রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।

⇒ অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি। যথা- আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
- উত্তরে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ।
- পূবে - ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ এবং মিয়ানমার।
- দক্ষিণে - বঙ্গোপসাগর, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত), মিয়ানমার।
- পশ্চিমে - ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬১৪.
'ত্রিকোণোকৃতির' মহাদেশ বলা হয় কোনটিকে?
  1. আফ্রিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. ইউরোপ
  4. ওশেনিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা (South America):
- আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
- এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান আকাঙ্কাগুয়া।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে ১২টি স্বাধীন দেশ রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম ব্রাজিল এবং ক্ষুদ্রতম সুরিনাম।
- ফকল্যান্ড দ্বীপ এ মহাদেশে অবস্থিত।
- দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম এবং পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী আমাজান।
- এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে 'চির বসন্তের দেশ বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা মহাদেশটির উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
১,৬১৫.
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক নদী কয়টি?
  1. ক) ৫৭
  2. খ) ৫৬
  3. গ) ৫৫
  4. ঘ) ৫৪
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ ও বৃষ্টিবহুল দেশ৷ ৫৭ টি আন্তর্জাতিক নদীসহ ছোট বড় প্রায় ৭০০টি নদী এ দেশে জালের মত বিস্তার করে আছে। এর মধ্যে ৫৪ টি নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে অবস্থিত।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
১,৬১৬.
যমুনার প্রধান শাখানদী কোনটি? 
  1. সুরমা 
  2. আড়িয়াল খাঁ
  3. ধলেশ্বরী
  4. ডাকাতিয়া
সঠিক উত্তর:
ধলেশ্বরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধলেশ্বরী
ব্যাখ্যা

• যমুনা নদী:
- ব্রহ্মপুত্র একসময় বিশাল স্রোতধারা নিয়ে ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ।
- যমুনা নদীও ছিল ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।
- মূলত ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্রের স্রোতধারা দেওয়ানগঞ্জের কাছে এসে ওই শীর্ণকায় খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- সেটিই আজকের যমুনা নদী।
- এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়।
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬১৭.
সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পায়?
  1. ক) ৪° সেলসিয়াস
  2. খ) ৬° সেলসিয়াস
  3. গ) ৮° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ১২° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) ৬° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায় বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা তত বেশি হ্রাস পায়। সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়। উচ্চতার জন্যই একই অক্ষাংশে অবস্থিত দুই জায়গার জলবায়ুতে পার্থক্য দেখা যায়। যেমন-দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতার ভিন্নতার জন্য এদের জলবায়ু ভিন্নরকম হয়। দিনাজপুরের চেয়ে শিলং এর তাপমাত্রা অনেক কম। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১,৬১৮.
পদ্মাসেতুর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ক) ৪.৮
  2. খ) ৫.০৩
  3. গ) ৬.১৫
  4. ঘ) ৬.৮
সঠিক উত্তর:
গ) ৬.১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬.১৫
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিমি বা ৬১৫০ মিটার। এর স্প্যান সংখ্যা ৪১ টি। প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।
১,৬১৯.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান?
  1. মধুপুর গড়
  2. ভাওয়াল বন
  3. সুন্দরবন
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সুন্দরবন ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, এটি খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় বিস্তৃত এবং ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো এই বনভূমিকে প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। 

​ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের তিনটি স্থানকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করেছে। তিনটি স্থান হলো:
১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (১৯৮৫ সালে)।
- পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার ইউনেস্কো ঘোষিত ৩২২তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

২. বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে)।
- ষাটগম্বুজ মসজিদ ইউনেস্কো ঘোষিত ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

৩. সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।

১,৬২০.
বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত?
  1. ১১° সেলসিয়াস
  2. ১৭° সেলসিয়াস
  3. ১৯° সেলসিয়াস
  4. ২১° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
২১° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
জলবায়ু:
বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ু প্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে ৩টি প্রধান ঋতুতে ভাগ করা যায়।
যথা: গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল এবং শীতকাল
• গ্রীষ্মকাল:
- মার্চ থেকে মে মাস (ফাল্গুন-জ্যৈষ্ঠ) পর্যন্ত সূর্য কর্কটক্রান্তির উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এ সময়কেই গ্রীষ্মকাল ধরা হয়।
- গ্রীষ্মকালে গড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪° সেলসিয়াস এবং
-সর্বনিম্ন ২১° সেলসিয়াস।
- গড় তাপমাত্রা মধ্য এপ্রিল ও মে মাসে সর্বাধিক বৃদ্ধি পায় যা প্রায় ২৮° সেলসিয়াস।
- গ্রীষ্মকালেই কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় দেখা যায়।
- মার্চ-এপ্রিল মাসের কালবৈশাখী অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- এ সময় গড় বৃষ্টিপাত ৫১ সে.মি এবং বাংলাদেশের বার্ষিক বৃষ্টিপাতের শতকরা ২০ ভাগ গ্রীষ্মকালে হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬২১.
ম্যাকমোহন লাইন কোন দুটি দেশের মধ্যকার সীমান্তরেখা?
  1. চীন ও নেপাল
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. ভারত ও চীন
  4. জার্মানি ও পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ভারত ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও চীন
ব্যাখ্যা

ম্যাকমোহন লাইন: 
- ম্যাকমোহন লাইন হলো চীনের তিব্বত ও ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের মধ্যে কূটনৈতিক সীমারেখা,
- এটা ১৯১৪ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:
- ভারত-পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে লাইন অফ কন্ট্রোল।
- ভারত-বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছে র‍্যাডক্লিফ লাইন।
- পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে পৃথক করেছে ডুরাল্ড লাইন।
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামকে পৃথক করেছে ম্যাকনামারা লাইন।
- জার্মানি ও ফ্রান্সকে বিভক্ত করেছে সিগফ্রেড লাইন।
- জার্মানি ও পোল্যান্ডকে পৃথক করেছে হিনডেন বার্গ লাইন।
- ভারত ও চীন এর মধ্যবর্তী লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC)।
- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পৃথক করেছে ৩৮তম প্যারালাল লাইন।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

১,৬২২.
'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৩০০০ কি.মি
  2. খ) ৪০০০ কি.মি
  3. গ) ৫০০০ কি.মি
  4. ঘ) ৬০০০ কি.মি
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০০০ কি.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০০০ কি.মি
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেরিয়ার রীফ:

- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০০০ কি.মি.।
- গ্রেট বেরিয়ার রীফের সর্বাধিক প্রস্থ ৬৫ কি.মি.।
- অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্য বরাবর প্রশান্ত মহাসাগরে গ্রেট বেরিয়ার রীফ অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চার্যের একটি।

অন্যদিকে,
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- প্রশান্ত মহাসাগর দক্ষিণে অ্যান্টার্কটিক অঞ্চল থেকে উত্তরে আর্কটিক বৃত্ত পর্যন্ত বিস্তৃত।
- পশ্চিমে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এবং পূর্বে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে অবস্থিত।
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে।
- এর আয়তন ৬৩৮০০০০০ বর্গ মাইল।
- প্রশান্ত মহাসাগর গড় গভীরতা ১৪,০৪০ ফুট।

তথ্যসূত্র - গ্রেট বেরিয়ার রীফ অর্গানাইজেশন ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
১,৬২৩.
মালাক্কা প্রণালী কোন দুটি ভূখণ্ডকে বিভক্ত করে?
  1. ভারত ও শ্রীলঙ্কা
  2. মালেশিয়া ও সুমাত্রা দ্বীপ
  3. জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া
  4. থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
মালেশিয়া ও সুমাত্রা দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালেশিয়া ও সুমাত্রা দ্বীপ
ব্যাখ্যা

• মালাক্কা প্রণালী (Strait of Malacca):
- মালাক্কা প্রণালী হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ যা আন্দামান সাগর (ভারত মহাসাগর) এবং দক্ষিণ চীন সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর)কে সংযুক্ত করে।
- এটি মালেশিয়া ও সুমাত্রাকে বিভক্ত করে।
- পশ্চিমে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ, পূর্বে পশ্চিম মালয়েশিয়া এবং দক্ষিণ থাইল্যান্ড।
- প্রণালীর মোট এলাকা প্রায় ২৫,০০০ বর্গমাইল (৬৫,০০০ বর্গকিমি)।
- দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি)।
- ফানেলের মতো আকৃতির, দক্ষিণে প্রায় ৪০ মাইল (৬৫ কিমি) চওড়া যা উত্তরদিকে প্রশস্ত হয়ে প্রায় ১৫৫ মাইল (২৫০ কিমি) পর্যন্ত পৌঁছে।
- প্রণালীর নাম এসেছে মেলারকা (প্রাক্তন মালাক্কা) বাণিজ্যিক বন্দরের নাম থেকে। ১৬ ও ১৭ শতকে এটি মালয় উপকূলে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল।
- ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরের সংযোগ হিসেবে, এটি ভারত ও চীনের মধ্যে সংক্ষিপ্ততম সমুদ্রপথ।
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম জাহাজ চলাচলের চ্যানেল।
- ক্রমান্বয়ে আরব, পর্তুগিজ, ডাচ এবং ব্রিটিশরা প্রণালীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- প্রণালীর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দর।
- প্রণালীটি মধ্যপ্রাচ্যের তেলক্ষেত্র থেকে জাপান ও পূর্ব এশিয়ার বন্দরগুলোতে বৃহৎ তেল ট্যাঙ্কার চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১,৬২৪.
বাংলাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু কোন সময় প্রবাহিত হয়?
  1. জুন থেকে সেপ্টেম্বর/অক্টোবর 
  2. মার্চ থেকে মে/এপ্রিল 
  3. নভেম্বর থেকে জানুয়ারি
  4. ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি 
সঠিক উত্তর:
জুন থেকে সেপ্টেম্বর/অক্টোবর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুন থেকে সেপ্টেম্বর/অক্টোবর 
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু: 
- বাংলাদেশের জলবায়ু মূলত সমভাবাপন্ন।
- বাংলাদেশের জলবায়ু প্রধানত মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে নির্ধারিত হয়।
- বাংলাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু জুন-সেপ্টেম্বর/অক্টোবরে প্রবাহিত হয়।
- এই সময় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বঙ্গোপসাগর থেকে আর্দ্র বায়ু নিয়ে আসে।
- সেই বায়ু দেশে প্রবেশ করলে বৃষ্টি হয় এবং জলবায়ু শীতল ও আর্দ্র অনুভূত হয়।
- মৌসুমি বায়ুটি মূলত সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়।
- গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রচুর বৃষ্টিপাত বয়ে আনে।
- শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু বয়ে আনে শুষ্ক এবং আরামদায়ক পরিবেশ। 

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশকে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু (Tropical Monsoon Climate) হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।
- বাংলাদেশট কর্কটক্রান্তি রেখার কাছাকাছি অবস্থিত।
- এখানে প্রধানত তিনটি ঋতু দেখা যায়:
• গ্রীষ্মকাল (মার্চ-জুন),
• বর্ষাকাল (জুন-অক্টোবর),
• এবং শীতকাল (নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি)।
- দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিশেষত সিলেট এলাকায় সবচেয়ে বেশী বৃষ্টিপাত হয়। 

উৎস: অর্থনৈতিক ভূগোল, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৬২৫.
East London কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ইংল্যান্ডে
  2. খ) জার্মানিতে
  3. গ) আমেরিকায়
  4. ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকায়
ব্যাখ্যা
- East London, Afrikaans Oos-Londen, port city, Eastern Cape province, South Africa.
- It lies at the mouth of the Buffalo River along the Indian Ocean.
- Buffalo Harbour, first visited by the British in 1836 and named Port Rex, was used as a supply base during the seventh Cape Frontier War (1846).
- The next year, Fort Glamorgan (now a prison) was built, and the site was annexed to Cape Colony as the Port of East London.
- It prospered after the arrival of German settlers in the late 1850s, becoming a town in 1873 and a city in 1914.

Source: Britannica
১,৬২৬.
‘হালদা নদী’ কিসের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) নদী বন্দর
  2. খ) খরস্রোত
  3. গ) প্রচুর ইলিশ
  4. ঘ) মৎস্য প্রজনন
সঠিক উত্তর:
ঘ) মৎস্য প্রজনন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মৎস্য প্রজনন
ব্যাখ্যা

- চট্টগ্রামে অবস্থিত হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- এটি খাগড়াছড়ি (বাদনাতলী) থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে।
- হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- সম্প্রতি সরকার এই নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করেছে।

সূত্রঃ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,৬২৭.
নিচের কোনটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ মরূভূমি?
  1. ক) গোবি
  2. খ) এন্টার্টিক
  3. গ) তাকলামাকান
  4. ঘ) আর্কটিক
সঠিক উত্তর:
খ) এন্টার্টিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এন্টার্টিক
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ মরূভূমির নাম এন্টার্টিক (The Antarctic desert).
- এর আয়তন প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন বর্গমাইল।
- আর সাবট্রপিকাল বা উপক্রান্তিয় অঞ্চলের সর্ববৃহৎ মরুভূমির নাম, সাহারা মরূভূমি, যার আয়তন প্রায় ৩.৫ মিলিয়ন বর্গমাইল।
 
বিশ্বের বৃহত্তম ৫টি মরূভূমি:
Antarctic - 5.5 million square miles
Arctic - 5.4 million square miles
Sahara - 3.5 million square miles 
Arabian - 1.0 million square miles 
Gobi - 0.5 million square miles 

সূত্র: ওয়াল্ড এটলাস ওয়েবসাইট।
১,৬২৮.
দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস সংক্রান্ত প্রথম বৈশ্বিক কনফারেন্স কোথায় কখন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) জেনেভা, ১৯৭৮ সালে
  2. খ) জাকার্তা, ১৯৮১ সালে
  3. গ) মার্সিলি, ১৯৯১ সালে
  4. ঘ) ইয়োকোহামা, ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইয়োকোহামা, ১৯৯৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইয়োকোহামা, ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা

- দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস সংক্রান্ত প্রথম বৈশ্বিক কনফারেন্স ১৯৯৪ সালের ২৩ থেকে ২৭ মে জাপানের ইয়োকোহামা শহরে অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে Yokohama Strategy and Plan of Action for a Safer World গৃহিত হয়।
(তথ্যসূত্র: UNDRR ওয়েবসাইট)

১,৬২৯.
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. এডেন উপসাগর
  2. বঙ্গোপসাগর
  3. আন্দামান সাগর
  4. আরব উপসাগর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত সবচেয়ে গভীর সামুদ্রিক খাদ হলো সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।
- এটি সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- এই গিরিখাতের গড় গভীরতা প্রায় ১২০০ মিটার।
- সর্বোচ্চ রেকর্ডকৃত গভীরতা প্রায় ১৩৪০ মিটার।
- এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সংরক্ষিত অঞ্চল
- বিশ্বের বৃহত্তম ডুবো গিরিখাতগুলোর মধ্যেও এটি অন্যতম।

উল্লেখ্য,
- ভারত মহাসাগরের একটি বিস্তৃত অংশ হলো বঙ্গোপসাগর।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর হিসেবে পরিচিত। 
- এটি ভারত, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের মধ্যবর্তী ত্রিভুজাকৃতির জলভাগ। 
- উপসাগরটির পশ্চিম সীমান্তে ভারত ও শ্রীলঙ্কা, উত্তরে ভারত ও বাংলাদেশ এবং পূর্বে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৬৩০.
বাংলাদেশের কোন জেলায় কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা মিলিত হয়েছে?
  1. ক) পিরোজপুর
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) মাদারীপুর
  4. ঘ) টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
খ) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা এবং ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
এই রেখা দুটি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের ভাঙ্গারদিয়া গ্রামের ধোপাডাঙ্গা মৌজার একটি ফসলি ক্ষেতের উপর মিলিত হয়েছে।
এই স্থানকে কেন্দ্র করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানমন্দির' নির্মাণ করতে যাচ্ছে।
সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক, ৩ জুলাই ২০১৯।

১,৬৩১.
কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত খরার ধরন কোনটি?
  1. ভূমিকম্পজনিত
  2. আবহাওয়াজনিত
  3. জ্যোতিষ্ক
  4. বন্যাপ্রবণ
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়াজনিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়াজনিত
ব্যাখ্যা

→ খরা ও  কৃষি:
- কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত খরা প্রধানত চার ধরনের হয়:
• আবহাওয়াজনিত;
• কৃষিজ;
• জলতাত্ত্বিক;
• সামাজিক-অর্থনৈতিক।
- এই ধরণের খরা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এক ধাপ থেকে অন্য ধাপে রূপান্তরিত হতে পারে।
- সাধারণভাবে, আবহাওয়াজনিত খরা প্রথমে শুরু হয়, পরে কৃষিজ ও জলতাত্ত্বিক খরা সৃষ্টি হয় এবং সবশেষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব দেখা দেয়।
- উদাহরণস্বরূপ, বৃষ্টি কমলে আবহাওয়াজনিত খরা শুরু হয়, যা পরে কৃষি এবং জলসম্পদকে প্রভাবিত করে। 

উল্লেখ্য,
• আবহাওয়াজনিত খরার কারণ হলো:
- নির্দিষ্ট অঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে গড় বৃষ্টিপাতের চেয়ে কম বৃষ্টি হওয়া, যা শুষ্ক ও গরম আবহাওয়া তৈরি করে;
- এবং অন্যান্য খরার সূচনাকারী কারণ হিসেবে কাজ করে।

• কৃষিজ খরা হয়:
- মাটির আর্দ্রতার অভাবে, যা ফসলের বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত জল সরবরাহে বাধা দেয়;
- ফলে ফসলের উৎপাদন হ্রাস পায় এবং খাদ্য নিরাপত্তা প্রভাবিত হয়।

• জলতাত্ত্বিক খরা হয়:
- দীর্ঘমেয়াদী বৃষ্টিপাতের অভাবে;
- নদী, হ্রদ, জলাধার ও ভূগর্ভস্থ জলস্তরের পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণেও হয়;
- এর ফলে সেচ, পানীয় জল এবং শিল্পে সংকট সৃষ্টি হয়।

• সামাজিক-অর্থনৈতিক খরা জল সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্যহীনতার কারণে হয়;
- এর ফলে খাদ্য ও জলের দাম বৃদ্ধি পায়, কৃষিক্ষেত্রে ক্ষতি হয় এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।

উৎস:
1.Britannica;
2. বাংলাপিডিয়া।

১,৬৩২.
পদ্মা নদী বাংলাদেশে কোন জেলা দিয়ে প্রবেশ করেছে?
  1. খুলনা
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. বরিশাল
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• পদ্মা নদী
পদ্মা নদী ভারত ও বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী।
ভারতে একে গঙ্গা নামে ডাকা হয়, আর বাংলাদেশে এটি পদ্মা নামে পরিচিত।
এর উৎসস্থান হলো ভারতের মধ্য হিমালয়ের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।

পদ্মা নদী প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ দিয়ে প্রবেশ করে ও পরে রাজশাহী জেলার দক্ষিণ পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে কুষ্টিয়া জেলার উত্তর-পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত প্রায় ১৪৪ কি.মি ভারত ও বাংলাদেশের সীমানা নির্দেশ করে।
এরপর এটি গোয়ালন্দ অঞ্চলে এসে ব্রহ্মপুত্র নদীর প্রধান ধারা যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়।

পদ্মা নদী অসংখ্য শাখা নদীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতী, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর বোর্ড বই, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী।
১,৬৩৩.
’কালাহারি মরুভূমি’ যে সব দেশে বিস্তৃত- 
  1. মালি, নাইজার ও চাঁদ
  2. মিশর, লিবিয়া ও সুদান
  3. নামিবিয়া, বতসোয়ানা ও দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. কেনিয়া, তানজানিয়া ও উগান্ডা
সঠিক উত্তর:
নামিবিয়া, বতসোয়ানা ও দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নামিবিয়া, বতসোয়ানা ও দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

- বতসোয়ানা,নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকায় ’কালাহারি মরুভূমি’বিস্তৃত।

কালাহারি মরুভূমি:
- কালাহারি মরুভূমি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আফ্রিকার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি অঞ্চল মরুভূমি দ্বারা আবৃত।
- কালাহারি মরুভূমি আফ্রিকার মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম।
- এবং বিশ্বের মধ্যে ষষ্ঠ বৃহত্তম মরুভূমি।
- এটি তিনটি দেশে বিস্তৃত।
- বতসোয়ানা,নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা।
- এর আয়তন প্রায় ৯,৩২,০০০ বর্গ কিমি।
- এটি বতসোয়ানার ৭০% অঞ্চল,
- নামিবিয়ার পূর্ব অংশ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তর অংশ জুড়ে বিস্তৃত।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,৬৩৪.
কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বাৎসরিক বৃষ্টিপাতের প্রায় কত অংশ সংঘটিত হয়?
  1. ক) এক-পঞ্চমাংশ
  2. খ) এক-চর্তুথাংশ
  3. গ) এক- তৃতীয়াংশ
  4. ঘ) এক-দশমাংশ
সঠিক উত্তর:
ক) এক-পঞ্চমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এক-পঞ্চমাংশ
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহের মধ্যে কালবৈশাখী ঝড় এবং টর্নেডো অন্যতম। কালবৈশাখী ঝড় গ্রীষ্মকালীন জলবায়ুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। 
• সাধারণত বৈশাখ মাসের শেষের দিকে এ ঝড় হতে দেখা যাওয়ায় একে কালবৈশাখী ঝড় বলে। 
• মার্চ-এপ্রিল মাসে সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ আকাশ কালো মেঘে ঢেকে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়। এ ঝড়ই কালবৈশাখী ঝড় নামে পরিচিত। 
• এ সময় বাৎসরিক বৃষ্টিপাতের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সংঘটিত হয়। অনেক সময় বৃষ্টিপাতের সাথে শিলাবৃষ্টিও হয়ে থাকে। দেশের পূর্বাঞ্চলে এ ঝড় অধিক হয়ে থাকে। 

তথ্যসূত্র:- ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৬৩৫.
উত্তর গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয় কখন?
  1. ২২ ডিসেম্বর
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
২১ জুন:
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত।

২২ ডিসেম্বর:
- ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত। তাই সেদিন উত্তর গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয়। 
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত।

দিন-রাত্রি সমান:

- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০°) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব’ (Vernal Spring Equinox) নামে অভিহিত।
- অপরদিকে ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব ‘শারদ বিষুব' (Autumnal Equinox) নামে অভিহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৩৬.
বাংলাদেশে কালবৈশাখী ঝড় সাধারণত কোন দিক থেকে প্রবাহিত হয়?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব
  2. উত্তর-পশ্চিম
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম
  4. উত্তর-পূর্ব
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশে কালবৈশাখী ঝড় সাধারণত উত্তর-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়।

কালবৈশাখী:
- বাংলাদেশে বৈশাখ মাসে সংঘটিত ঝড়ের নাম কালবৈশাখী।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে কালবৈশাখী ঝড় সুপরিচিত।
- কালবৈশাখী ঝড় বায়ুপ্রবাহ ও ভারী বৃষ্টিপাতের সাথে সংঘটিত হয়।
- কালবৈশাখী ঝড় ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রসহ ভূ-পৃষ্ঠের উপর আঘাত হানে।
- কালবৈশাখীকে বায়ুপুঞ্জ বজ্রঝড় অথবা পরিচলনগত বজ্রঝড় নামেও আখ্যায়িত করা যায়।
- বাংলাদেশে কালবৈশাখী সৃষ্টির প্রধান কারণ দেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু যা ঊর্ধ্বে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত আরোহন করে থাকে এবং এ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিম দিক থেকে আসা অপেক্ষাকৃত শীতল ও শুষ্ক বায়ুর সঙ্গে মিলিত বা মুখোমুখি হয়।
- উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ছোটনাগপুর মালভূমিতে সৃষ্টির পর পূর্বদিকে ধাবিত হয়ে বাংলাদেশের সীমায় উপস্থিত হয়। বিপরীতধর্মী ও অসম এ দু বায়ুপ্রবাহের মুখোমুখি হওয়ার ফলে প্রাক-কালবৈশাখীর সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বজ্র-বিদ্যুৎপূর্ণ ঝড় সৃষ্টি হয়।
- এই ঝড় বৈশাখ মাসে কখনও চৈত্র মাসে উত্তর-পশ্চিম দিক হতে আসে বলে একে কালবৈশাখী ঝড় বা গ্রীষ্মকালীন উত্তর পশ্চিম ঝড় বা বজ্রবিদ্যুৎপূর্ণ ঝড়বৃষ্টি বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৩৭.
নিচের কোন উপাদানটি বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে কম?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. ধূলিকণা ও কনিকা
  3. জলীয়বাষ্প
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
ধূলিকণা ও কনিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধূলিকণা ও কনিকা
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল:
- সবচেয়ে বেশী রয়েছে নাইট্রোজেন। যার পরিমাণ ৭৮.০২%।
- সবচেয়ে কম ধূলিকণা ও কনিকা। যার পরিমাণ ০.০১%।
- যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে, সেই আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলা হয়। 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত।
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয়বাষ্পের সংমিশ্রনে গঠিত।
- বায়ুমণ্ডল এর প্রধান উপাদান দুটি-
- নাইট্রোজেন ও
- অক্সিজেন।

• উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন: ৭৮.০২ শতাংশ।
- অক্সিজেন: ২০.৭১ শতাংশ।
- আর্গন: ০.৮০ শতাংশ।
- জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.০৩ শতাংশ।
- অন্যান্য গ্যাস: ০.০২ শতাংশ।
- ধূলিকণা ও কণিকা: ০.০১ শতাংশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।

১,৬৩৮.
নীল কেন নদ, মেঘনা কেন নদী?
  1. বাংলা ভাষা রীতি 
  2. উৎপত্তিগত
  3. জীববৃত্তীয়
  4. ঐতিহাসিক
সঠিক উত্তর:
বাংলা ভাষা রীতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা ভাষা রীতি 
ব্যাখ্যা

- নীল কেন নদ, মেঘনা কেন নদী এটি বাংলা ভাষা রীতি সাথে সম্পর্ক।
- প্রকৃতপক্ষে নদ ও নদীর সঙ্গে শাখা থাকা না থাকার কোনো সম্পর্ক নেই।
- এই দুয়ের মাঝে যা পার্থক্য আছে তা হলো ব্যাকরণগত।
- বাংলা, হিন্দি ও ফারসি ইত্যাদি ভাষার ক্ষেত্রে, পুরুষবাচক শব্দ সাধারণত অ-কারান্ত এবং নারীবাচক শব্দ আ-কারান্ত বা ই, ঈ-কারান্ত হয়। যেমন; পদ্মজ (অ-কারান্ত), পদ্মজা (আ-কারান্ত, নামের শেষে আ আছে), রজক (অ-কারান্ত) -রজকী (ঈ-কারান্ত, নামের শেষে ঈ আছে)।
- তাই যে সকল নদীর নাম পুরুষবাচক অর্থাৎ অ-কারান্ত তারা নদ আর যে সকল নদীর নাম নারীবাচক অর্থাৎ আ-কারান্তবা ঈ, ই-কারান্ত তারা নদী।
- এই কারণে আড়িয়াল খাঁ, এটি পুরুষ নাম জ্ঞাপক হলেও যেহেতু শেষে আকার রয়েছে সে জন্য এটি নদ না হয়ে নদী।
- আবার নীল স্ত্রী নাম জ্ঞাপক একটি প্রবাহ।
- যেহেতু এর শেষে আকার, একার কিছু নেই, সেই সূত্রে এটি নদ। 
- তাই মেঘনার ক্ষেত্রে নদী বলা হয়।

সুতরাং বাংলা ভাষা রীতির কারনে নীলকে নদ ও মেঘনাকে নদী বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৬৩৯.
বায়ু দূষণের প্রাকৃতিক কারণ নয় কোনটি?
  1. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  2. তেজস্ক্রিয় পদার্থ
  3. দাবানল ও ধূলিঝড়
  4. গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
• বায়ু দূষণের কারণসমূহকে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

যথা:
→ প্রাকৃতিক কারণ ও
→ মানব-সৃষ্ট কারণ।

প্রাকৃতিক কারণ (Natural Causes):
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত: আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নির্গত সালফার ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোঅক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস প্রভৃতি বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত করে।

→ জৈব ও অজৈব পদার্থ: বিভিন্ন প্রকার জৈব ও অজৈব পদার্থের স্বাভাবিক পচনের ফলে যে গ্যাস সৃষ্টি হয় তা বায়ুকে দূষিত করে।

→ দাবানল ও ধূলিঝড়: বিস্তৃত বনাঞ্চলে দাবানল হলে তা ব্যাপক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বায়ুকে দূষিত করে। এছাড়া মরু এলাকায় ধূলিঝড়ও বায়ু দূষণ ঘটায়

→ গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ: গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে যে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে তা বায়ুকে দূষিত করে।

মানব-সৃষ্ট কারণ (Man-Made Causes):
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: যুদ্ধক্ষেত্র অথবা পারমানবিক চুল্লিতে দুর্ঘটনার ফলে তেজস্ক্রিয় পদার্থের বিকিরণ হলে বায়ু দূষিত হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণ।

→ এছাড়াও জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, শিল্প-কারখানার নির্গত ধোঁইয়া, পরিত্যক্ত বর্জ্য পদার্থের দহন, বন উজার, ইটভাটা, কীটনাশক ইত্যাদি মানব-সৃষ্ট কারণসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৪০.
নিচের কোনটি নদীর দ্বারা সৃষ্ট সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ?
  1. ভি আকৃতির উপত্যকা
  2. ক্যানিয়ন
  3. জলপ্রপাত
  4. অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ
সঠিক উত্তর:
অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ
ব্যাখ্যা
নদীবাহিত পলি সঞ্চিত হয়ে সঞ্চয়জাত ভূমিরূপের সৃষ্টি করে। নদী দ্বারা সৃষ্ট সঞ্চয়জাত ভূমিরূপের মধ্যে রয়েছে:
- ব-দ্বীপ
- প্লাবন সমভূমি
- অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ
- বালুচর
- প্রাকৃতিক বাঁধ
- পাদদেশীয় পলল সমভূমি
- পলল পাখা ও পলল কোণ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
নদী দ্বারা সৃষ্ট ক্ষয়জাত ভূমিরূপের মধ্যে রয়েছে:
- ভি আকৃতির উপত্যকা
- গিরিখাত ও ক্যানিয়ন
- জলপ্রপাত প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৬৪১.
কোন ঝড়কে ইংরেজিতে নরওয়েস্টার বলা হয়?
  1. সাইক্লোন
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. কালবৈশাখী
  4. টর্নেডো
সঠিক উত্তর:
কালবৈশাখী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালবৈশাখী
ব্যাখ্যা
কালবৈশাখী: 
- কালবৈশাখী ঝড় সাধারণত মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে ঘটে। 
- মে মাসে সবচেয়ে বেশি কালবৈশাখী ঝড় হয়।
- এ ঝড়কে ইংরেজিতে নরওয়েস্টার বলা হয়।
- ১৯৮১-২০২৩ সাল পর্যন্ত মে মাসে গড়ে ১৩টি ঝড় হয়েছে।
- সর্বোচ্চ ১৮টি ঝড় হওয়ার রেকর্ড রয়েছে।
- কালবৈশাখী ঝড়ের মূল কারণ হলো ঠাণ্ডা ও উষ্ণ বাতাসের সংঘর্ষ এবং নিম্নচাপের সৃষ্টি।
- এ ঝড় প্রাকৃতিকভাবে মৌসুমি বৈশিষ্ট্যের অংশ, যা বাংলাদেশের জলবায়ুর অনন্য দিক।

কালবৈশাখী ঝড়ের কারণ:
- বায়ুর সংঘর্ষ:উত্তরে হিমালয় থেকে ঠাণ্ডা বাতাস এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর থেকে আসা উষ্ণ বাতাসের মিলনস্থলে বজ্রসহ ঘন কালো মেঘের সৃষ্টি হয়।
- চৈত্র ও বৈশাখে সূর্যের তাপে বাতাস হালকা হয়ে ওপরে উঠে যায়, যার ফলে বিকালে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়।
- হিমালয়ের উচ্চ চাপের বাতাস নিম্নচাপের দিকে ধাবিত হয়ে প্রবল ঝড় সৃষ্টি করে।

উৎস: বিবিসি বাংলা [৫ মে ২০২৪]
১,৬৪২.
নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারী যুগের পাহাড় নেই?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
- ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়।

এগুলো হলো:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
- প্লাবন সমভূমি।

- এদের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী।
- আনুমানিক প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে এগুলো গঠিত হয়।
- দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ প্রভৃতি জেলা জুড়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী অবস্থিত।
- দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১২ শতাংশ অঞ্চল টারশিয়ারি যুগে গঠিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী।
১,৬৪৩.
কত সালে ডাউকি চ্যুতিতে তীব্র ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল?
  1. ১৮৮৭ সালে
  2. ১৭৮৮ সালে
  3. ১৭৮৭ সালে
  4. ১৮৮৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র: 
- হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে ‘মানস সরোবর হ্রদ’ থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে।
- এটি তিব্বত ও আসামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ ভৈরববাজারের নিকট মেঘনা নদীতে মিলিত হয়েছে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে। 
- আজ থেকে প্রায় ৮০০ বছর আগে এই সাবডাকশন অঞ্চলে একটি বড় ভূমিকম্প হয়েছিল।
- তাতে লালমাই পাহাড়ের পাদদেশে প্রবাহিত নদীটি গতিপথ পাল্টে এখনকার মেঘনা নদীতে সরে এসেছে।
- ১৭৮৭ সালে ডাউকি চ্যুতিতে তীব্র ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৪৪.
নিম্নের কোনটি গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. মিথেন
  3. নাইট্রাস অক্সাইড
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

’নাইট্রোজেন’ গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়।

গ্রিন হাউস:
- গ্রিন হাউস হচ্ছে এক ধরনের কাচের ঘর।
- নির্দিষ্ট মাত্রায় তাপ ধরে রেখে বা সৃষ্টি করে বিভিন্ন উদ্ভিদ ও শাকসবজি জন্মাবার জন্যেই এটা তৈরি করা হয়।
- প্রধানত শীতপ্রধান দেশে এবং ইদানিং মরুময় তেল প্রধান দেশে এ ধরনের ঘর তৈরি করা হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরো ফ্লরো কার্বন।
- ‘গ্রিন হাউস ইফেক্ট' কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন সুইডিস রসায়নবিদ সোভানটে আরহেনিয়াস।

⇒ গ্রিন হাউস ইফেক্ট:
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস ইফেক্ট বলে।
- গ্রিন হাউস ইফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস ব্যবহার করেন।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো: কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরোকার্বন।
- বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাসের ক্রমাগত বৃদ্ধি বৈশ্বিক পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করছে এবং বিশ্ব উষ্ণায়নকে ত্বরান্বিত করছে।
- বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে পরিবেশের যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তাকে গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়া বলে।
- গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ায় কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে।
- ফলশ্রুতিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা ও তীব্রতা উভয়ই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- এছাড়াও গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ায় কারণে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবী থেকে বহুপ্রজাতি বিলুপ্ত হয়েছে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৪৫.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিষয়ক বিরোধের নিষ্পত্তি করেছে-
  1. Permanent Council of Arbitration
  2. Permanent Court of Arbitration
  3. International Court of Arbitration
  4. Permanent Court of Sea Arbitration
সঠিক উত্তর:
Permanent Court of Arbitration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Permanent Court of Arbitration
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশর সমুদ্রসীমা:

- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হয় নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত Permanent Court Arbitration (PCA) বা স্থায়ী সালিশী আদালতে।
-এই আদালত শুনানি শেষে ৭ জুলাই ২০১৪ রায় প্রদান করে।
- এতে বিরোধপূর্ণ ২৫,৬০২ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমার মধ্যে বাংলাদেশ ১৯,৪৬৭ এবং ভারত ৬,১৩৫ বর্গকিমি এলাকা পায়।

উল্লেখ্য,
⇒ Permanent Court Arbitration (PCA) ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশ ও কমিউনিটির মধ্যে বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য এই আদালত স্থাপন করা হয়। 
- এর সদস্য সংখ্যা ১২২ টি । বাংলাদেশ ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল এর সদস্য হয়।

সূত্র: Permanent Court Arbitration ওয়েবসাইট।
১,৬৪৬.
এশিয়া মহাদেশকে উত্তর আমেরিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. বাব-এল-মানদেব প্রণালী
  2. বসফরাস প্রণালী
  3. বেরিং প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা

• বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দুটিকে পৃথক করেছে ।
- এবং প্রশান্ত মহাসাগর ও আর্কটিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি রাশিয়া (এশিয়া মহাদেশের অংশ) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার মধ্যে অবস্থিত।

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।

• বাব এল-মান্দেব প্রণালী (Bab el-Mandeb Strait):
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- বাব এল-মান্দেব লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযোগকারী একটি প্রণালী।

• বসফরাস প্রণালী:
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica.

১,৬৪৭.
সমুদ্র স্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ কী?
  1. ক) পৃথিবীর আহ্নিক গতি
  2. খ) সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য
  3. গ) সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য
  4. ঘ) নিয়ত বায়ু প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিয়ত বায়ু প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিয়ত বায়ু প্রবাহ
ব্যাখ্যা
নিয়ত বায়ু প্রবাহই সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ। এসব বায়ু প্রবাহ সমুদ্রস্রোতের দিক ও গতি নিয়ন্ত্রণ করে।
সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির আরো কিছু কারণের মধ্যে - পৃথিবীর আহ্নিক গতি, সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য, সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য উল্লেখযোগ্য।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
১,৬৪৮.
বাংলাদেশের উচ্চতম পাহাড় -
  1. গারো পাহাড়
  2. সীতাকুণ্ড পাহাড়
  3. কুলাউড়া পাহাড়
  4. লালমাই পাহাড়
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পাহাড়:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় গারো পাহাড়।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার। 
- গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীটির নাম সিমসাং।
- নদীটির উৎপত্তি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৪০০ মিটার উচ্চতায় নকরেক অঞ্চলে, পরবর্তীতে নদীটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে প্রবাহিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং বা বিজয়, যা বান্দরবানে অবস্থিত এবং উচ্চতা ১২৩১ মিটার।
- চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবস্থিত এবং যা হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান।

তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৬৪৯.
ইউরোপ মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
  1. অ্যাকাঙ্কাগুয়া
  2. মাউন্ট ডেনালি
  3. কিলিমাঞ্জারো
  4. মাউন্ট এলব্রুস
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট এলব্রুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট এলব্রুস
ব্যাখ্যা
ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে ষষ্ঠ।
- ইউরোপ মহাদেশের উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভুমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বত এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট এলব্রুস।
- এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
- এশিয়া এবং ইউরোপ উভয় মহাদেশে রাশিয়ার অবস্থান হলেও এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী ভলগা (৩,৬৮৭ কিলোমিটার)।

এছাড়াও,
- উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট ডেনালি।
- দক্ষিণ আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম অ্যাকাঙ্কাগুয়া।
- এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট।
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম কিলিমাঞ্জারো।

সূত্র: WorldAtlas.
১,৬৫০.
বাংলাদেশ চা বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) শ্রীমঙ্গল
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) পঞ্চগর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ চা বোর্ড চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৭ সালে পূর্বেকার পাকিস্তান টি বোর্ডের স্থলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- চা বোর্ডের অধীনে দেশে বর্তমানে ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৬৫১.
পাল শাসন আমলের ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি ‘জগদ্দল বিহার’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) নওগাঁ
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গ) নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নওগাঁ
ব্যাখ্যা

পাল শাসনামলের ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি 'জগদ্দল বিহার' রাজা রামপাল কর্তৃক নির্মিত।
এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- শালবন বিহার (সর্বপ্রাচীন) কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
- বাসু বিহার অবস্থিত বগুড়ার শিবগঞ্জে।
- উয়ারী বটেশ্বর অবস্থিত নরসিংদীতে।

সূত্রঃ http://www.archaeology.gov.bd

১,৬৫২.
’ব্ল লাইন’ কোন দুই দেশের সীমারেখা?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. মিশর ও ইসরায়েল
  3. ইসরায়েল ও লেবানন
  4. চীন ও ভারত
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও লেবানন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও লেবানন
ব্যাখ্যা
Blue Line: 
- UN কর্তৃক লেবানন ও ইসরায়েলের সীমারেখা।
- এটি ২০০০ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত একটি সীমারেখা,
- যা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল যে ইসরায়েল লেবানন থেকে পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করেছে।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:

- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মান ও ফ্রান্স।
- ম্যাকনামারা লাইন: সাবেক উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল: চীন ও ভারত।
- ওডের-নিস লাইন: জার্মান ও পোল্যান্ড।
- ব্ল লাইন: লেবানন ও ইসরাইল।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মান ও পোল্যান্ড। 

উৎস: Britannica.
১,৬৫৩.
বাংলাদেশের উপর দিয়ে নিচের কোন রেখাটি অতিক্রম করেছে?
  1. ক) ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা
  2. খ) ৯০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা
  3. গ) ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  4. ঘ) ৯০.৫° উত্তর অক্ষারেখা
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে পশ্চিম-পূর্বে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা বা ট্রপিক অব ক্যান্সার (কর্কটক্রান্তি রেখা) অতিক্রম করেছে।
- এছাড়া দেশের উত্তর-দক্ষিণ বরাবর ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে। রেখা দুটি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় পরস্পরকে ছেদ করেছে।
- ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৬৫৪.
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিতে বায়ু প্রথমে কী হয়?
  1. পর্বতের ঢাল বেয়ে নিচে নামে
  2. সমান্তরালে প্রবাহিত হয়
  3. পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরে উঠে
  4. শীতল হয়ে থেমে যায়
সঠিক উত্তর:
পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরে উঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরে উঠে
ব্যাখ্যা

শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।
- পর্বত অতিক্রমকারী বায়ু যদি পর্বতের অপর পাশে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে পৌঁছায় তখন ঐ বায়ুতে জলীয়বাষ্প কমে থাকে।
- ঐ বায়ু নিচে নামার ফলে আরও উষ্ণ এবং শুষ্ক হয়ে উঠে বলেই ঐ স্থানে বৃষ্টিপাত হয় না।
- এই বৃষ্টিহীন স্থানকে বলা হয় বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৫৫.
ওজোন রক্ষায় স্বাক্ষরিত চুক্তি কোনটি?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- এটি হলো বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি বা প্রটোকল, যার পুরো নাম Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer।
- ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, কানাডার মন্ট্রিলে প্রটোকলটি গৃহীত হয় এবং কার্যকর হয় ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি। 
- মন্ট্রিল প্রটোকলের লক্ষ্য হলো পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোন স্তরের ক্ষয়কারী রাসায়নিক পদার্থের উৎপাদন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।
- প্রাথমিকভাবে, প্রটোকলটিতে ৪৬টি দেশ স্বাক্ষর করে, এই চুক্তিতে এখন পর্যন্ত বর্তমানে দুইশর কাছাকাছি দেশ এই প্রোটোকলের সাথে চুক্তিবদ্ধ আছে।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট মন্ট্রিল প্রটোকল অনুস্বাক্ষর করে।
এছাড়া, 
- কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের উপস্থিতি হ্রাস করা সম্পর্কিত।
- জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি কার্টাগেনা প্রটোকল।
- নাগোয়া প্রটোকল বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক।

উৎস: এনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটানিকা। [লিঙ্ক]
১,৬৫৬.
‘ভলগা নদী’ কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
  1. কৃষ্ণ সাগরে
  2. আরব সাগরে
  3. বাল্টিক সাগরে
  4. কাস্পিয়ান সাগরে
সঠিক উত্তর:
কাস্পিয়ান সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাস্পিয়ান সাগরে
ব্যাখ্যা
ইউরোপের ভলগা নদী:
- ইউরোপের দীর্ঘতম নদী হলো ভলগা নদী।
- ভলগা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩,৫৩০ কিলোমিটার।
- এটির রাশিয়ার ভলদাই পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে রাশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে।
- দানিয়ুব ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী যা জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট থেকে উৎপন্ন হয়ে ইউরোপের ১০টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কৃষ্ণসাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
১,৬৫৭.
ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা আন্তঃসীমান্ত নদী কয়টি?
  1. ৪৮টি
  2. ৫২টি
  3. ৫৪টি
  4. ৫৭টি
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী:
- আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৭ টি। 
- ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা নদী ৫৪ টি।
-  বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি, (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)। 
- আন্তর্জাতিক নদী ১ টি। (পদ্মা)
- বাংলাদেশের প্রায় সব নদীর প্রবাহের দিক উত্তর থেকে দক্ষিণে (সর্পিল গতি)।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত নদী মাতামুহুরী, ডাকাতিয়া, গোমতী।
- দুবার ভারতে ও বাংলাদেশে প্রবেশ করে আত্রাই, পুনর্ভবা ও টাঙ্গন নদী। 
- সর্বাধিক নাব্য নদী মেঘনা। 
- বাংলাদেশে উৎপত্তি হয়ে ভারতে যাওয়া নদী ১ টি (কুলিখ)।
- বাংলাদেশে উৎপত্তি ও সমাপ্তি হওয়া নদী ১টি (হালদা)।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও যৌথ নদী কমিশনের ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

১,৬৫৮.
ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযোগকারী জলপথ কোনটি?
  1. হরমুজ প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. ডোভার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালী
ব্যাখ্যা

মালাক্কা প্রণালী:
- এটি ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযোগকারী জলপথ।
- মালাক্কা প্রণালী সুমাত্রা এবং মালয় উপদ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ২৫,০০০ বর্গ মাইল (৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- প্রণালীটি ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি) দীর্ঘ।
- এটি দক্ষিণে মাত্র ৪০ মাইল (৬৫ কিমি) ও উত্তরে ১৫৫ মাইল (২৪৯ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভ্রমণকারী শিপিং চ্যানেলগুলির মধ্যে একটি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৬৫৯.
বাংলাদেশে শালবনের বৃহৎ অঞ্চল কোন কোন জেলায় বিস্তৃত?
  1. গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
  2. সিলেট, কক্সবাজার ও বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও কুমিল্লা
  4. বরিশাল, পটুয়াখালী ও খুলনা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
শালবন:
- শালবন  এক ধরনের বনভূমি যেখানে শালগাছ (Shorea robusta) মুখ্য উদ্ভিদ প্রজাতি।
- বনের শ্রেণীবিন্যাসে শালবনকে গ্রীষ্মমন্ডলীয় আর্দ্র পত্রঝরা বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশে মোট শালবন এলাকা প্রায় ১,২১,০০০ হেক্টর অর্থাৎ দেশের বনভূমির শতকরা প্রায় ৩২ ভাগ।
- মুল কর্তিত গাছ থেকে পুনরায় গজানোর গুণ থাকায় এগুলোকে গজারি বন ও বলা হয়। 
- মধুপুর ও বরেন্দ্র এলাকার উত্তর-দক্ষিণ প্রলম্বিত লালাভ বাদামি দ্বীপসমূহ বাংলাদেশে প্লাইসটোসিন সোপানের নমুনা বলে ধারণা করা হয়।
- মোটামুটি ব্যাপক হলেও শালবন দেশের মাত্র কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো।
- বেশির ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়। 
- এ বনাঞ্চল ভাওয়ালের গড় ও মধুপুরের গড় নামে পরিচিত। 
- বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলের শালবন এলাকা সবচেয়ে বড়, ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা নদীর মাঝে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত এ বনভূমির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৬ কি.মি এবং চওড়া ৮ থেকে ২৪ কি.মি। 
- ‘মধুপুর গড়’ নামেই এটি সুপরিচিত। 
- এছাড়া কুমিল্লা জেলায় এবং দেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর এবং রাজশাহী জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে শালবন বিদ্যমান।

উৎস:
- বাংলাপিডিয়া।
১,৬৬০.
স্টবাক জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ক্যালিফোর্নিয়া
  2. খ) ভেনিজুয়েলা
  3. গ) সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) ভারত
সঠিক উত্তর:
গ) সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
প্রায় ৩০০ মিটার উচ্চতা সহ স্টবাক জলপ্রপাতটি সুইজারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ জলপ্রপাত। গ্রীষ্মে উষ্ণ বাতাস চারদিকে জল ঘোরা করে, যাতে জলপ্রপাতগুলি সমস্ত দিকে ছড়িয়ে পড়ে।
১,৬৬১.
বাংলাদেশের কোন নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত?
  1. কর্ণফুলী
  2. হালদা
  3. সাঙ্গু
  4. মাতামুহুরী
সঠিক উত্তর:
হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র: 
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হলো হালদা নদী।
- খাগড়াছড়ির বাদনাতলী পর্বতশৃঙ্গে উৎপত্তি লাভ করা হালদা নদী কর্ণফুলী নদীর একটা উপনদী।
- এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত যা মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- এছাড়া সম্প্রতি সরকার হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- হালদা নদী বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী এবং এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখান থেকে সরাসরি রুই জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।

সূত্র: চট্টগ্রাম জেলা ও মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। 

১,৬৬২.
আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ-
  1. মাউন্ট এলব্রাস
  2. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো 
  3. মাউন্ট ডেনালি
  4. মাউন্ট অ্যাকনকাগুয়া
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো 
ব্যাখ্যা

• কিলিমাঞ্জারো পর্বত
- কিলিমাঞ্জারো পর্বত তানজানিয়ায় অবস্থিত, 
- মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো হল আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যার উচ্চতা ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)। 
- এই রাজকীয় পর্বতটি একটি তুষারাবৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি তিনটি ভিন্ন শৃঙ্গ নিয়ে গঠিত: Kibo, Mawenzi, এবং Shira।
- কিলিমাঞ্জারোর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো Kibo, যার উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)।

উৎস: National Geographic Society এবং ব্রিটানিকা।

১,৬৬৩.
মেরুজ্যোতি বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে দেখা যায় ?
  1. এক্সোমণ্ডল
  2. মেসোমণ্ডল
  3. তাপমণ্ডল
  4. ট্রপোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
ব্যাখ্যা
তাপমণ্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এই স্তরের বাতাস অত্যন্ত হালকা ও ক্ষীণ।
- তাপমণ্ডল নিচের দিক থেকে আয়নোস্ফিয়ার, এক্সোস্ফিয়ার ও ম্যাগনেটোস্ফিয়ার নামক তিনটি স্তরে বিভক্ত।
- তাপমণ্ডলের আয়নোস্ফিয়ারে মেরুজ্যোতি(Aurora) তৈরি হয়।
- পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এলাকায় রাতের আকাশে মেরুজ্যোতি দেখা যায়।
- আয়নোস্ফিয়ারে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়।

উল্লেখ্য,
বায়ুমন্ডলকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ট্রপোমণ্ডল,
২. স্ট্রাটোমন্ডল,
৩. মেসোমণ্ডল,
৪. তাপমণ্ডল ও
৫. এক্সোমণ্ডল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেনি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।
১,৬৬৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল অধিক খরা প্রবণ?
  1. উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
  2. উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
  3. দক্ষিন-পূর্ব অঞ্চল
  4. দক্ষিন-পশ্চিম অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
ব্যাখ্যা

• খরা প্রবণ অঞ্চল:
- খরা দীর্ঘকালীন শুষ্ক আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে খরা অবস্থার সৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল খরার জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। 
- এ অঞ্চলের রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর প্রভৃতি জেলা খরার জন্যে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ। 
- অনাবৃষ্টি, দীর্ঘদিন শুষ্ক আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত অপেক্ষা বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের হার অধিক হলে সাধারণত খরা দেখা দেয়।
- গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ গরমের সময় রাজশাহী এবং বিশেষ করে নাটোর জেলার লালপুরে তাপমাত্রা ৪৫° সেন্টিগ্রেড বা তারও বেশি হয়। 
- আর শীতকালে দিনাজপুর ও রংপুরের কিছু অঞ্চলে তাপমাত্রা এমনকি ৫° সেন্টিগ্রেডেরও নিচে নেমে যায়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১,৬৬৫.
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু কেমন থাকে?
  1. উষ্ণ ও আর্দ্র
  2. শীতল ও আর্দ্র
  3. শুষ্ক ও ঝড়ো
  4. শীতল ও ঝড়ো
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone। এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে, যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ।
- বিজ্ঞানী হেনরি পিডিংটন ১৮৪৮ সালে প্রথম এ শব্দটি ব্যবহার করেন।
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বড় প্রভাব ঘটে আবহাওয়াতে।
- ঘূর্ণিঝড় শুরু হওয়ার আগে বায়ু শান্ত, উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে।
- ঘূর্ণিঝড়ের মূল অংশ যখন আসে তখন প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও ঘন মেঘসহ মুষলধারে বৃষ্টি হয়।
- আর কেন্দ্রের ভিতরে অবস্থানকারী চোখ শান্ত আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের পশ্চাৎভাগে পৌঁছানোর পর আবারও ঘন মেঘ, বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়।
- এ সময় বায়ু অগ্রবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের বিপরীত দিক থেকে প্রবাহিত হয়।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের বৈশিষ্ট্য:
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
- উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত।
- এর কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয়।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৬৬.
বিশ্বব্যাংক এর মতে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য  ঝুঁকিপূর্ণ নয় কোনটি?
  1. মরুকরণ
  2. ঝড়
  3. খরা
  4. বন্যা
সঠিক উত্তর:
খরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরা
ব্যাখ্যা

• বিশ্বব্যাংক এর মতে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ - খরা।

• বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। ’আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে। উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ইত্যাদি ঝুঁকি বাড়বে।

- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলেই এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা যাবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
- ইন্টারগভার্মেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেন্ট চেঞ্জ (আইপিসিসি) এর তথ্যানুযায়ী, ২০৩০ সালের পর এদেশের নদীর প্রবাহ অনেক কমে যাবে।

• ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে: 
যথা-
→ বন্যা,
→ ঝড়,
→ মরুকরণ,
→ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং
→ কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।

- এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৬৭.
বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে কোন ধরনের বন্যার প্রকোপ বেশি?
  1. ক) আকস্মিক বন্যা
  2. খ) নদীসৃষ্ট বন্যা
  3. গ) উপকূলীয় বন্যা
  4. ঘ) বৃষ্টিজনিত বন্যা
সঠিক উত্তর:
ক) আকস্মিক বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আকস্মিক বন্যা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সাধারণত চার ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়।
এগুলো হলো:
- বৃষ্টিজনিত বন্যা
- উপকূলীয় বন্যা
- নদীসৃষ্ট বন্যা
- আকস্মিক বন্যা।

- বাংলাদেশেরে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী নদীর পানি উপচে পড়ে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে।
- এপ্রিল-মে এবং সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় পাহাড়ী নদীর উপচে পড়া পানির কারণে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
- আকস্মিক বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

অন্যদিকে,
- বৃহত্তর খুলনা ও যশোর অঞ্চলে বৃষ্টিজনিত বন্যা দেখা যায়।
- উপকূলীয় অঞ্চলে উপকূলীয় বন্যা দেখা দেয়।
- নদী সংলগ্ন জেলাসমূহে নদীসৃষ্ট বন্যা দেখা যায়।

উৎস: বন্যা সাড়াদান ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা : বাংলাদেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
১,৬৬৮.
ভারতের সাথে কোন দেশের স্থলসীমান্ত নেই?
  1. ভুটান
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. মিয়ানমার
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
শ্রীলঙ্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
ভারত:
- ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- আয়তনে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: নয়া দিল্লি।
- মুদ্রা: রুপি।
- দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত।

⇒ ভারতের স্থল সীমান্ত:
- ভারতের সাথে ৭টি দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে।
- দেশগুলো হলো: বাংলাদেশ, পাকিস্তান, চীন, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, আফগানিস্তান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৪১৪২ কিলোমিটার
- পাকিস্তানের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৩১৯০ কিলোমিটার।
- চীনের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ২৬৫৯ কিলোমিটার।
- নেপালের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ১৭৫১ কিলোমিটার।
- মিয়ানমারের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ১৬৪৩ কিলোমিটার।
- ভুটানের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ৪৩৪ কিলোমিটার।
- আফগানিস্তানের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ১০৬ কিলোমিটার।

এছাড়াও,
- ভারতের সাথে শ্রীলঙ্কার স্থলসীমান্ত নেই।
- ভারত ও শ্রীলঙ্কা পক প্রণালী দ্বারা পৃথক হয়েছে।

উৎস: World Atlas.
১,৬৬৯.
বাংলাদেশে সমুদ্রবায়ু ও স্থলবায়ু নিয়মিত প্রবাহিত হয়-
  1. নিরক্ষীয় নিম্ন ও উচ্চচাপ বলয়ের জন্য
  2. চাপ বলয়ের অবস্থান পরিবর্তনের জন্য
  3. তাপ ও চাপের পার্থক্যের জন্য
  4. বায়ুর গতিপথে পর্বতের অবস্থানের জন্য
সঠিক উত্তর:
তাপ ও চাপের পার্থক্যের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ ও চাপের পার্থক্যের জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে সমুদ্রবায়ু ও স্থলবায়ু নিয়মিত প্রবাহিত হয় তাপ ও চাপের পার্থক্যের জন্য।

স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু:
- উপকূল এলাকায় সকালের সূর্যতাপ স্থানীয় ভূমির তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে এবং নিম্নচাপের সৃষ্টি করে।
- এসময় সমুদ্রের কাছের শীতল বায়ু স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয় যাকে বলা হয় সমুদ্রবায়ু।
- সূর্যাস্তের পর সমুদ্রের চেয়ে স্থলভাগ দ্রুত শীতল হয়। এ সময় স্থলভাগে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- স্থলভাগের এই উচ্চচাপ থেকে তখন বায়ু সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয় এবং এই বায়ুপ্রবাহকে বলা হয় স্থলবায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৭০.
Which of the following is the longest marine drive in the world?
  1. ক) Cox's Bazar -Teknaf
  2. খ) Mumbai
  3. গ) Nova-Scotia
  4. ঘ) Cachi
  5. ঙ) None
সঠিক উত্তর:
ক) Cox's Bazar -Teknaf
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Cox's Bazar -Teknaf
ব্যাখ্যা
An 80-kilometer road from Cox's Bazar to Teknaf along the Bay of Bengal is billed as the world's longest Marine Drive. Prime Minister Sheikh Hasina inaugurated the coastal road in 2017, at the 28th-kilometer point of the road at Inani. Bangladesh Army constructed the Marine Drive under the supervision of the Roads and Highways Department. 

Source: News Report
১,৬৭১.
ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলার উচুঁ ভূমি-
  1. মধুপুর গড়
  2. ভাওয়ালের গড়
  3. বরেন্দ্রভূমি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মধুপুর গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুপুর গড়
ব্যাখ্যা
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়: 
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার উচুঁ ভূমি মধুপুর গড়।
- গাজীপুর জেলায় ভাওয়ালের গড় অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- সমভূমি থেকে এর উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- মাটির রং লালচে ও ধূসর।

উল্লেখ্য,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ: আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকালবলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৭২.
Sendai Framework for Disaster Risk Reduction-এর সময়কাল কোনটি?
  1. ২০১৫-২০৩০ 
  2. ২০১৮-২০৩০ 
  3. ২০২১-২০৩০
  4. ২০২১-২০২৬
সঠিক উত্তর:
২০১৫-২০৩০ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫-২০৩০ 
ব্যাখ্যা

Sendai Framework for Disaster Risk Reduction:
- সেন্দাই কর্মকাঠামো হল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অন্যান্য বিপর্যয়ের ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য একটি সমন্বিত পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
- Sendai Framework for Disaster Risk Reduction-এর সময়কাল হলো ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
- ২০১৫ সালের ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ জাপানের সেন্দাইতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলনে গৃহীত হয়েছিল।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

⇒ সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।

উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট। 

১,৬৭৩.
নিচের কোন জেলায় প্লাইস্টোসিন কালের ভূমিরূপ দেখা যায়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বান্দরবান
  3. কুমিল্লা
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।  

অন্যদিকে -
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৭৪.
ইউরোপ থেকে আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে কোনটি?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. পানামা খাল
  3. পক প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৬৭৫.
জলবায়ু পরিবর্তনের মানবসৃষ্ট কারণ কোনটি?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. বাতাসে নাইট্রাস অক্সাইড বৃদ্ধি 
  3. পৃথিবীর গতি পরিবর্তন
  4. মহাদেশীয় ড্রিফট
সঠিক উত্তর:
বাতাসে নাইট্রাস অক্সাইড বৃদ্ধি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাসে নাইট্রাস অক্সাইড বৃদ্ধি 
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণসমূহ ২ ভাগে ভাগ করা যায়।
১. প্রাকৃতিক কারণসমূহ
২. মনুষ্য সৃষ্ট কারণসমূহ

প্রাকৃতিক কারণসমূহ:
ক. মহাদেশীয় ড্রিফট
খ. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
গ. পৃথিবীর গতি পরিবর্তন
ঘ. সামুদ্রিক স্রোত
ঙ. ঘূর্ণিঝড়

মনুষ্য সৃষ্ট কারণসমূহ:
ক. কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি /কার্বন নিঃসরণ 
খ. খনিজ জ্বালানি ব্যবহার 
গ. বাতাসে নাইট্রাস অক্সাইড বৃদ্ধি 
ঘ. পাহাড় নিধন 
ঙ. বন্যভূমি উজাড়

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬৭৬.
বাংলাদেশের কোন বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বন বলা হয়?
  1. পার্বত্য বনাঞ্চাল
  2. গরান বনভূমি
  3. মধুপুর বনাঞ্চল
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য বনাঞ্চাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য বনাঞ্চাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের পার্বত্য বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বন বলা হয়।
- উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমির কারণে বাংলাদেশে চিরহরিৎ অরণ্যের সৃষ্টি হয়েছে। 
- উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা জন্ম নেয়।
- এসব গাছের পাতা একসঙ্গে ফোটে না, ঝরেও না। ফলে বনগুলো সারা বছর সবুজ থাকে। 
-  বাংলাদেশের দক্ষিণ–পূর্ব ও উত্তর–পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলে এরূপ বনভূমি অধিক মাত্রায় দেখা যায়।

• গরান বনভূমি:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ–পশ্চিমাংশে নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার–ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিদ জন্মায়, তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলা হয়।
- এ ধরনের উদ্ভিদ প্রধানত সুন্দরবনে বেশি জন্ম নেয়।
- স্যাঁতসেঁতে লোনা পানিতে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া, বায়েন, গরান ইত্যাদি বৃক্ষ জন্মায়।
- বাংলাদেশে মোট ৪,১৯২ বর্গকিলোমিটার স্রোতজ বা গরান বনভূমি রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
১,৬৭৭.
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ রাষ্ট্র কোনটি?
  1. গ্রিনল্যান্ড
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. ফিলিপাইন
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো হচ্ছে - সুমাত্রা, জাভা, বালি ইত্যাদি।
- ইন্দোনেশিয়াকে 'হাজার দ্বীপের দেশ'ও বলা হয়।
এছাড়া,
- বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ - গ্রিনল্যান্ড (ডেনমার্কের অধীন)।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৬৭৮.
পৃথিবীর দীর্ঘতম অখন্ডিত সমুদ্র সৈকতের দৈঘ্য কত?
  1. ক) ৮৫ কি.মি.
  2. খ) ১৪৫ কি.মি.
  3. গ) ১২৫ কি.মি.
  4. ঘ) ১২০ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কি.মি.
• কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতটি পৃথিবীর দীর্ঘতম অখন্ডিত সমুদ্র সৈকত। 
• কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্হিত একটি পর্যটন শহর।
• এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। কক্সবাজার তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের জন্য বিখ্যাত।
• এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত যা কক্সবাজার শহর থেকে বদরমোকাম পর্যন্ত একটানা ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত।
• এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর এবং সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশান।

তথ্যসূত্র: কক্সবাজার জেলা ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট।
১,৬৭৯.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কোন উপাদানটি খুবই ব্যয়বহুল?
  1. ক) সাড়াদান
  2. খ) দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি
  3. গ) কাঠামোগত প্রতিরোধ
  4. ঘ) অকাঠামোগত প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
গ) কাঠামোগত প্রতিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাঠামোগত প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
কাঠামোগত প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণ কার্যক্রম যেমন- বেড়িবাঁধ তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি বাস্তবায়নকে বুঝায়। কাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা খুবই ব্যয়বহুল যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
১,৬৮০.
ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, কোন দেশে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ব্রাজিল
  2. রাশিয়া
  3. কানাডা
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বনভূমি:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন হেক্টর এলাকায় বনভূমি রয়েছে। 
- পৃথিবীর মোট বনভূমির বেশির ভাগ নির্দিষ্ট কিছু দেশে অবস্থিত। 
- ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী রাশিয়ায় পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে।
- দেশটিতে ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬০ হেক্টর বনভূমি রয়েছে।
- বিশ্বের মোট বনভূমির ২০ দশমিক ৪১ শতাংশই রাশিয়ায়।
- দেশটির বনভূমির বড় অংশ রয়েছে ফার ইস্টার্ন ফেডারেল অঞ্চলে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সাইবেরিয়ান ফেডারেল অঞ্চল।
- এসব এলাকার বেশির ভাগ গাছই লার্চ, পাইন ও স্প্রুস জাতের।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
১,৬৮১.
’কুরিল দ্বীপপুঞ্জ’ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. দক্ষিণ মহাসাগরে
  3. প্রশান্ত মহাসাগরে
  4. ভারতীয় মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

কুরিল দ্বীপপুঞ্জ (Kuril Islands):
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশে, রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপ ও জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- ১৮৫৫ সালের শিমোডা চুক্তির মাধ্যমে জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে সীমা নির্ধারণ হয়, তবে ১৯৪৫ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়ন পুরো কুরিল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে।
- জাপান দক্ষিণ কুরিলের চারটি দ্বীপের ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে, যা রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু।
- কূটনৈতিক গুরুত্ব: এই দ্বীপগুলো রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের প্রধান অন্তরায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৬৮২.
কোনটি প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা নয়?
  1. ক) সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
  2. খ) টাঙ্গুয়ার হাওড়
  3. গ) সোনাদিয়া দ্বীপ
  4. ঘ) চলন বিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) চলন বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চলন বিল
ব্যাখ্যা
প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা বলতে মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাকে বোঝায়।
সরকারিভাবে ঘোষিত বর্তমানে দেশে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা - ১৩টি।
এগুলো হল:
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ,
- কক্সবাজার ও টেকনাফ উপকূলবর্তী এলাকা,
- সোনাদিয়া দ্বীপ,
- হাকালুকি হাওর,
- টাঙ্গুয়ার হাওর,
- মারজাত বাঁওড়,
- গুলশান-বারিধারা লেক,
- সুন্দরবন,
- বুড়িগঙ্গা নদী,
- শীতলক্ষ্যা নদী,
- বালু নদী,
- জাফলং-ডাউকি নদী এবং
- তুরাগ নদী।
১,৬৮৩.
ব্রহ্মপুত্র নদ কোন জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুড়িগ্রাম
  3. সিলেট
  4. গাইবান্ধা
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র নদ:
- হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে এর উৎপত্তি।
- তিব্বত, আসাম হয়ে বাংলাদেশে কুড়িগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত।
- বাংলাদেশের ভিতরে দৈর্ঘ্য: প্রায় ২৭৭ কিমি।
- প্রধান উপনদী: ধরলা, তিস্তা।
- প্রধান শাখানদী: বংশী, শীতলক্ষ্যা।
- ১৭৮৯ সালের ভূমিকম্পে তলদেশ উপরে উঠায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে যমুনা নদীর স্রোতধারা সৃষ্টি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৮৪.
ব্রহ্মপুত্র নদ কোন জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. লালমনিরহাট
  2. সিলেট
  3. কুড়িগ্রাম
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন নদীর প্রবেশ পথ:

- পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- মেঘনা ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- যমুনা ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একাট শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। 
- করতোয়া নদী পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- মহানন্দা নদী পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। 
- সাঙ্গু নদী বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ফেনী নদী ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮৫.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে চুনাপাথর পাওয়া যায়?
  1. ক) নিঝুম দ্বীপ
  2. খ) মনপুরা দ্বীপ
  3. গ) সেন্টমার্টিন দ্বীপ
  4. ঘ) শাহ্‌ পরীর দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
গ) সেন্টমার্টিন দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেন্টমার্টিন দ্বীপ
ব্যাখ্যা
- চুনাপাথর (Limestone) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ। 
- সুনামগঞ্জ জেলার টাকেরঘাট, লালঘাট ও বাগলিবাজার, সিলেট জেলার জাফলং, জকিগঞ্জ, চরগাঁ ও ভাঙ্গারহাট, জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাট ও জামালগঞ্জ, কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপ, চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় চুনাপাথর পাওয়া যায়। 
- সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে চুনাপাথর ব্যাপকহারে ব্যবহার করা হয়।
-  এছাড়া গৃহনির্মাণ, গ্লাস, ইস্পাত, কাগজ, সাবান, ব্লিচিং পাউডার, রং ও ক্যালসিয়াম কার্বাইড প্রভৃতি তৈরিতে চুনাপাথর ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮৬.
নিরক্ষরেখার অপর নাম কোনটি?
  1. ক) বিষুবরেখা
  2. খ) ০° অক্ষরেখা
  3. গ) মহাবৃত্ত
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে।

নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো-
বিষুবরেখা (Equator),
০° অক্ষরেখা ( ০° Latitude),
মহাবৃত্ত (Great circle)।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৮৭.
দক্ষিণ আমেরিকায় কোন নদী ব্রাজিল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়?
  1. আমাজন নদী
  2. ইগুয়াসু নদী
  3. প্যারাগুয়ে
  4. রিও নেগ্রো
সঠিক উত্তর:
আমাজন নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন নদী
ব্যাখ্যা

• আমাজন নদী:
- আমাজন নদী হলো দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী।
- আমাজন নদী দৈর্ঘ্য অনুযায়ী বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী (নীল নদীর পর)।
- এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,০০০ মাইল (৬,৪০০ কিমি)।
- এই নদীটি ব্রাজিলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে উত্তর-পূর্ব উপকূলে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম নদী ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত।
- এই নদীর উৎপত্তি ঘটে পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা থেকে।
- এর প্রবাহ দক্ষিণ আমেরিকার একাধিক দেশ অতিক্রম করে- যার মধ্যে কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, ভেনেজুয়েলা এবং বিশেষভাবে ব্রাজিল অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য,
- আয়তন ও জলপ্রবাহের দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম নদী।
- মহাকাশ থেকেও এর বাদামী জলের ধারা দেখা যায়, যা আটলান্টিকের নীল জলের সঙ্গে মিশে যায়।
- এর অববাহিকা (watershed) পৃথিবীর সবচেয়ে বড়।
- এছাড়া এর প্রবাহের আয়তন এবং অববাহিকার ক্ষেত্রফলের দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম নিষ্কাশন ব্যবস্থা।
-------------------------------
অন্যদিকে, 
• ব্রাজিলে নদ-নদীর সংখ্যা অনেক এবং এগুলো দেশের ভূপ্রকৃতি ও জলব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• ইগুয়াসু নদী- বিশ্ববিখ্যাত ইগুয়াসু জলপ্রপাতের জন্য পরিচিত।

• প্যারাগুয়ে নদী- প্যারাগুয়ে–পারানা–প্লাটা নদী ব্যবস্থার একটি অংশ।
- এটি দক্ষিণ ব্রাজিলের বিস্তীর্ণ এলাকার পানি নিষ্কাশনে সহায়তা করে এবং নৌপরিবহনে ভূমিকা রাখে।

• রিও নেগ্রো- আমাজন নদীর বৃহত্তম বাম উপনদী।
- এটি বিপুল পরিমাণ পানি আমাজন নদীতে সরবরাহ করে এবং আমাজন অববাহিকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

উৎস: Britannica.

১,৬৮৮.
বাংলাদেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল কোনটি?
  1. চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্রগ্রাম এর বনাঞ্চল
  2. সুন্দরবন
  3. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  4. বরেন্দ্র বনভূমি
সঠিক উত্তর:
চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্রগ্রাম এর বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্রগ্রাম এর বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনভূমি 
- একটি দেশের মোট আয়তনের তুলনায় ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যক।
- কিন্তু বাংলাদেশের মোট আয়তনের মাত্র ১৫.৫৮ শতাংশ এলাকায় বনভূমি রয়েছে।
- এর মধ্যে বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ ১০.৭৪ শতাংশ।
- একক বনভূমি হিসাবে দেশের বৃহত্তম বনভূমি - সুন্দরবন (৬০১৭ বর্গ কিমি)।
- দেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল - চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্রগ্রাম এর বনাঞ্চল।
- বাংলাদেশের মোট বনভূমি - ২২.৪২ লক্ষ হেক্টর (৫৫.৪ লক্ষ একর)।

- দিন দিন এদেশে বনভূমির পরিমাণ আশংকাজনক হারে কমছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্বক হুমকি।
- এই থেকে পরিত্রাণে জাতীয় পর্যায়ে রক্ষনাবেক্ষন এর পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায়েও বৃক্ষরোপন বৃদ্ধি ও বৃক্ষনিধন হ্রাসে আমাদের সচেতন হতে হবে।

⇒ একক বন হিসাবে বৃহত্তম বন - সুন্দরবন যার বাংলাদেশ অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ কি.মি প্রায়।

তথ্যসূত্র - পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৬৮৯.
ডেড সী কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জর্ডান
  2. ইসরাইল
  3. ইরান
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
ক + খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + খ
ব্যাখ্যা
• ডেড সি:
- ডেড সি, যা লবণ সাগর নামেও পরিচিত।
- এটি একটি লবণাক্ত হ্রদ যা দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায়, জর্ডান এবং ইসরায়েল এর মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
-  সমুদ্রপৃষ্ঠের চেয়ে ৪৩০.৫ মিটার নিচে অবস্থিত,
- যা একে পৃথিবীর সবচেয়ে নিম্নভূমির স্থলভাগ হিসেবে পরিচিত।
- এর লবণাক্ততা সাধারণ সমুদ্রের চেয়ে প্রায় দশ গুণ বেশি।
- এই হ্রদের একটি প্রধান পানির উৎস হলো জর্ডান নদী,
- তবে এর কোনো প্রাকৃতিক নিষ্কাশন পথ নেই।
- ফলে এটি প্রধানত বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পানি হারায়।
-  এই হ্রদে জীবনের অস্তিত্ব প্রায় নেই।
- শুধুমাত্র শৈবাল এবং কিছু আণুবীক্ষণিক জীব ছাড়া আর কিছু বেঁচে থাকতে পারে না।
 
উৎস: World Atlas. 
১,৬৯০.
দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা কয়টি জেলা দিয়ে প্রবাহিত হয়?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
পদ্মা নদী:
- পদ্মার অপর নাম কীর্তিনাশা।
- ভারতের মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি।
- রাজশাহীর কাছে কুষ্টিয়ার উত্তর প্রান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- তারপর গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত বঙ্গোপসাগরে ঢুকেছে।
- শাখা নদী: মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসা, পশুর (বা পসুর) বড়াল প্রধান।
- উপনদী: মহানন্দা, ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।

উল্লেখ্য,
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
- দেশের তিন বিভাগের ১২টি জেলায় প্রবাহিত নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।

অন্যদিকে,
- দেশের ২য় দীর্ঘতম নদী ইছামতী নদী (দৈর্ঘ্য ৩৩৪ কি.মি.)।
- দেশের ৩য় দীর্ঘতম নদী সাঙ্গু বা শঙ্খ নদী (দৈর্ঘ্য ২৯৪ কি.মি.)।

এছাড়াও,
- ‘বাংলাদেশ নদ-নদী: সংজ্ঞা ও সংখ্যাবিষয়ক বই’ অনুসারে,
- দেশে বর্তমানে নদ-নদীর সংখ্যা ১০০৮টি।
- দেশে নদীপথ রয়েছে: ২২ হাজার কি.মি.।
- দেশের ক্ষুদ্রতম নদী: গাঙ্গিনা নদী (দৈর্ঘ্য ০.০৩২ কি.মি.)।
- সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদী মেঘনা (৩৬টি উপজেলা)।
- সবচেয়ে বেশি নদ-নদী রয়েছে ঢাকা বিভাগে, ২২২টি।
- সবচেয়ে বেশি নদী রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়, ৯৭টি।

উৎস: i) নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট।
           ii) ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৬৯১.
বাংলাদেশে শীতল পানির ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. সীতাকুণ্ড
  3. কক্সবাজার
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঝর্ণা:
- বাংলাদেশের একমাত্র শীতল পানির ঝর্ণা কক্সবাজার হিমছড়িতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের একমাত্র উষ্ণ পানির ঝর্ণা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত।
- মৌলভীবাজার জেলার অন্যতম আকর্ষণ হামহাম ঝর্ণা।
- রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শুভলং ঝর্ণা।
- খাগড়াছড়ি জেলার প্রখ্যাত ঝর্ণা রিসাং ঝর্ণা।
- বান্দরবান জেলার পরিচিত জলপ্রপাত শৈলপ্রপাত ঝর্ণা।
- খাগড়াছড়ি জেলার আরেকটি সুন্দর ঝর্ণা তৈদুছড়া ঝর্ণা।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট।
১,৬৯২.
বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ কোনটি?
  1. ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. গাম্বিয়া
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
মালদ্বীপ:
- এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ হল মালদ্বীপ।
- এর আয়তন প্রায় ১১৬ বর্গ মাইল।
- ভারতীয় উপমহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের দেশ মালদ্বীপ।
- শ্রীলঙ্কা থেকে প্রায় ৪৫০ মাইল পশ্চিম-দক্ষিণে ১ হাজার ২০০টি ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত মালদ্বীপ।
- দ্বীপটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- মালদ্বীপ বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ।
- এ দেশের সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ উচ্চতা মাত্র দুই দশমিক তিন মিটার।
- এর মধ্যে ২৫০টি দ্বীপ ব্যবহারযোগ্য।
- এতে রয়েছে ২৮টি অ্যাটোল।
- বিষুবরেখার কাছে অবস্থিত হওয়ায় মালদ্বীপ বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ হিসেবে পরিচিত।
- দেশটিতে মাত্র একটি ঋতু।
- সারাবছরের গড় তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
১,৬৯৩.
The longest river in the country -
  1. Padma
  2. Meghna
  3. Jamuna
  4. Ichamati
সঠিক উত্তর:
Padma
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Padma
ব্যাখ্যা
 দেশের দীর্ঘতম নদী:
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
- দেশের তিন বিভাগের ১২টি জেলায় প্রবাহিত নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
- দেশে বর্তমানে জীবন্ত নদ-নদীর সংখ্যা ১০০৮টি।
- সব মিলিয়ে দেশে ২২ হাজার কিলোমিটারের দীর্ঘ নদীপথ রয়েছে।
- দেশে বর্তমানে ২০০ কিলোমিটারের বেশি নদী রয়েছে ১৪টি।
- এক কিলোমিটারের‌ও কম দৈর্ঘ্যের নদী রয়েছে ৪১টি।
- নদ-নদীর এই তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালে। 
- সবচেয়ে বেশি নদী রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়, ৯৭টি।
- ৯ আগস্ট নদী রক্ষা কমিশন তাদের ওয়েবসাইটে ৯০৭টি নদ-নদীর খসড়া তালিকা প্রকাশ করে।
- কমিশনে জমা পড়া সব মতামত ও আপত্তি নিষ্পত্তি করে ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়, যেখানে নদীর সংখ্যা বেড়েছে ১০১টি।

উৎস: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১,৬৯৪.
কোন সালে হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে?
  1. ২০৬১ সালে
  2. ২০৬২ সালে
  3. ২০৬৩ সালে
  4. ২০৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬২ সালে
ব্যাখ্যা
হ্যালির ধূমকেতু (Halley's Comet):
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। 
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ।
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে। 
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়।
- ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধুমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে।
- হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে ১৯৮৬ + ৭৬ = ২০৬২ সালে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৯৫.
কোন প্রণালীটি 'কান্নার দ্বার' হিসেবে পরিচিত?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা
বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- এই প্রণালী লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালিটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত ইয়েমেন এবং আফ্রিকার অন্তরীপে অবস্থিত জিবুতি, ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়াকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ 'কান্নার দ্বার'।

উৎস: World Atlas.
১,৬৯৬.
কোন প্রণালি উত্তর আমেরিকা থেকে এশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করেছে?
  1. ক) পক
  2. খ) ফ্লোরিডা
  3. গ) জিব্রাল্টার
  4. ঘ) বেরিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেরিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেরিং
ব্যাখ্যা
বেরিং প্রণালী আর্কটিক মহাসাগরকে বেরিং সাগরের সাথে সংযুক্ত করে এবং এশিয়া থেকে উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
প্রণালীটি ৩০ থেকে ৫০ মিটার গভীর এবং সংকীর্ণতম অংশটি প্রায় ৫৩ মাইল (৮৫ কিমি) প্রশস্ত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৬৯৭.
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান মজুদ রয়েছে কোন জেলায়?
  1. নেত্রকোণা
  2. শেরপুর
  3. দিনাজপুর 
  4. উপরের সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা

- নেত্রকোণা শেরপুর এবং দিনাজপুরে চিনামাটির মজুদ রয়েছে।

• চীনামাটি  বাংলাদেশে চীনামাটির উল্লেখযোগ্য মজুত রয়েছে।
- ১৯৫৭ সালে ময়মনসিংহ জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত (দুর্গাপুর বর্তমানে নেত্রকোনা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা) ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।
- ভূ-পৃষ্ঠের উপরে বা ভূ-পৃষ্ঠের সামান্য নিচে নেত্রকোণা জেলার বিজয়পুর (২৫ লক্ষ ৭ হাজার টন),
- জি.এস.বি ১৯৯০ সালে শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার ভূরাঙ্গা এলাকায় চীনামাটির মজুত আবিষ্কার করে।
- শেরপুর জেলার ভুরুংগা (১৩ হাজার টন) ও চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও, কাঞ্চপুর, এলাহাবাদ (১৮ হাজার টন)।
- এবং ভূ-পৃষ্ঠের অভ্যন্তরে দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় (১ কোটি ৫০ লক্ষ টন) চীনামাটির মজুত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- চীনামাটি বলতে মূলত কেয়োলিন কাদা মণিক দিয়ে গঠিত সিরামিক শিল্পে ব্যবহার্য উন্নতমানের কাদাকে বোঝানো হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১,৬৯৮.
ভূ-অভ্যন্তরের স্তর কতটি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• ভূ-অভ্যন্তরের স্তরসমূহ:
- পৃথিবীর ভূ-অভ্যন্তর তিনটি স্তরে বিন্যস্ত।
- প্রথম স্তর হচ্ছে অশ্মমন্ডল, যা সিলিকা ও এ্যালুমিনিয়াম দ্বারা গঠিত এবং এর ৭০০ কি.মি. পর্যন্তগভীর।
- এর পরের স্তর হচ্ছে গুরুমন্ডল, যা সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, কার্বন ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ দ্বারা গঠিত। যার গভীরতা প্রায় ৭০০-২৯০০ কি.মি. ।
- তৃতীয় স্তর হচ্ছে কেন্দ্রমন্ডল, যা প্রায় ২৯০০ থেকে ৬৩৭৯ কি.মি বিস্তৃত এবং লোহা, নিকেল, পারদ ও সিসা দ্বারা গঠিত। তবে প্রধান উপাদান হলো নিকেল ও লোহা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৯৯.
দেশের বৃহত্তম যুদ্ধ বিমান ঘাঁটির নাম-
  1. ক) বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশার
  2. খ) বিমান বাহনী ঘাঁটি মতিউর
  3. গ) বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু
  4. ঘ) বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল
সঠিক উত্তর:
গ) বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯৪১ সালে বার্মায় বিমান হামলা পরিচালনার জন্য ব্রিটিশ সরকার এই বিমান ঘাঁটি তৈরি করে। ১৯৬৬ সালে এই বিমান ঘাঁটির বর্তমান রানওয়ের কাজ শুরু করা হয়। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে এই ঘাঁটির রানওয়ের কাজ শেষ করা হয়। গত ০৯ এপ্রিল, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই ঘাঁটিটি তার পূর্ণাঙ্গ জনবল এবং যন্ত্রাংশসহ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধুর’ নামানুসারে “বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু” হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে এ ঘাঁটিটি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সর্ববৃহৎ যুদ্ধ বিমান ঘাঁটি এবং এক অপরিহার্য ঘাঁটি হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত।
সূত্রঃ ispr.gov.bd
১,৭০০.
কীসের সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়?
  1. সন্ধ্যাতারা
  2. ধ্রুবতারা
  3. ধূমকেতু
  4. লুব্ধক
সঠিক উত্তর:
ধ্রুবতারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্রুবতারা
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ নির্ণয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে।
সেগুলো হলো-
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে।
সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
কোনো স্থানের অক্ষাংশ = ১০০ (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি বিষুবলম্ব)।

বিষুবলম্ব:
সূর্য যেদিন যে অক্ষাংশের উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় সেটাই সেদিনের সূর্যের বিষুবলম্ব।
কোনো একদিন দক্ষিণ গোলার্ধে মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি ৫০০ এবং বিষুবলম্ব ১২০ দক্ষিণ হলে ঐ স্থানের অক্ষাংশ হবে-
অক্ষাংশ = ৯০°- (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি বিষুবলম্ব) ৯০০ (৫০০+ ১২০) ১০০ ৬২০= ২৮° দক্ষিণ।
স্থানটি যদি উত্তর গোলার্ধে হয় তবে উত্তরবাচক বিষুবলম্ব যোগ করতে হবে এবং দক্ষিণবাচক বিষুবলম্ব বিয়োগ করতে হবে। দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণবাচক বিষুবলম্ব যোগ এবং উত্তরবাচক বিষুবলম্ব বিয়োগ করতে হবে।

২। ধ্রুবতারার সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয় ধ্রুবতারার উন্নতি জেনে কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
এর সাহায্যে শুধু উত্তর গোলার্ধের কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
নিরক্ষরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি ০০ এবং উত্তর মেরুতে ঠিক মাথার উপর ধ্রুবতারার উন্নতি ৯০° হয়।
সুতরাং উত্তর গোলার্ধে কোনো স্থানের অক্ষাংশ ধ্রুবতারার উন্নতির সমান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম ও দশম শ্রেণি।