বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ১৬ / ৭২ · ১,৫০১১,৬০০ / ৭,১৯১

১,৫০১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিল -
  1. ক) সিংড়া বিল
  2. খ) বাইক্কা বিল
  3. গ) চিলপাড়া বিল
  4. ঘ) চলন বিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) চলন বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চলন বিল
ব্যাখ্যা
চলন বিল (Chalan Beel):
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিল এবং সমৃদ্ধতম জলাভূমিগুলির একটি।
- বিলটি সংলগ্ন তিনটি জেলা রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ-এর অংশবিশেষ জুড়ে অবস্থান করছে।
- এটি সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ ও পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলা দুটির অধিকাংশ স্থান জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলা ও গুমনী নদীর উত্তর পাড়ের মধ্যে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১,৫০২.
'সোনাদিয়া দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
  1. টেকনাফ
  2. মহেশখালি
  3. হাতিয়া
  4. কুতুবদিয়া
সঠিক উত্তর:
মহেশখালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালি
ব্যাখ্যা
• সোনাদিয়া দ্বীপ:
- কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সোনাদিয়া দ্বীপটি অবস্থিত।
- মহেশখালীর দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেঁষে সোনাদিয়ার অবস্থান।
- সোনাদিয়া দ্বীপটি মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ঘটিভাঙ্গা নামে একটি খাল মহেশখালী দ্বীপের সাথে একসময় সোনাদিয়াকে বিচ্ছিন্ন রাখলেও খালের ওপর সেতু নির্মিত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে।

উৎসঃ কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট।
১,৫০৩.
কোনটি মাঝারি আকাশের মেঘ?
  1. কিউমুলো-নিম্বাস
  2. সিরাস
  3. সিরোস্ট্রাটাস
  4. অল্টোকিউমুলাস
সঠিক উত্তর:
অল্টোকিউমুলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অল্টোকিউমুলাস
ব্যাখ্যা
মেঘ:
- মেঘকে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, আকৃতি, রঙ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর অনেকভাবেই ভাগ করা হয়।
- উচ্চতা অনুসারে মেঘ:

উঁচু আকাশের মেঘ:
- যারা সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে ৬০০০ মিটারের উপরে থাকে।
- যেমন: সিরাস (Cirrus), সিরোকিউমুলাস (Cirro-Cumulus) সিরোস্ট্রাটাস (Cirro-Stratus).

মাঝারি আকাশের মেঘ:
- ২০০০ মিটার থেকে ৬০০০ মিটারের মধ্যে থাকে।
- অল্টোকিউমুলাস (Altocumulus), অল্টো স্ট্রাটাস (Altostratus), এই মাঝারি আকাশের মেঘ।

নীচু আকাশে মেঘ:
- যারা ২০০০ মিটারের নিচে অবস্থান করে।
- যেমন: স্ট্রাটাস (Stratus), নিম্বো স্ট্রাটাস (Nimbo- status), কিউমুলো-নিম্বাস (Cumulonimbus, কিউমুলাস (Cumulus) এবং স্ট্রাটো-কিউমুলাস (Strato- cumulus).

উৎস: National Weather Service (.gov). [link]
১,৫০৪.
কোন দুর্যোগের সঙ্গে সুনামি সংঘটনের সম্পর্ক রয়েছে?
  1. অগ্নিকান্ড
  2. পাহাড় ধ্বস
  3. সাইক্লোন
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
সুনামি (Tsunami):
- ভূমিকম্পের সঙ্গে সুনামি সংঘটনের সম্পর্ক রয়েছে।
- বাংলাদেশে সুনামি সংঘটনের তেমন উল্লেখযোগ্য প্রচলন নেই।
- তবে অতীতে ১৭৬২ সালের ২রা এপ্রিল কক্সবাজার এবং সন্নিহিত অঞ্চলে সুনামির প্রভাব ঘটে।
- মিয়ানমারে আরাকান উপকূলে ৭.৫ রিখটার স্কেল মাত্রার ভূমিকম্প সংঘটনের ফলে সুনামির আগমন হয়।
- ১৯৪১ সালে আন্দামান সাগরে ভূমিকম্পের ফলে বঙ্গোপসাগরে সুনামি সংঘটন হয়।
- তবে এর ফলে প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয় ভারতের পূর্ব উপকূল। এর পরিণতিতে ৫,০০০ মানুষ প্রাণ হারায়।
-২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সিনুয়েলুয়ে দ্বীপে সংঘটিত ভূমিকম্পের কারণে যে সুনামির আগমন ঘটে, তার প্রভাব বাংলাদেশে ঘটতে দেখা যায় এবং লোকের মৃত্যু ঘটে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৫০৫.
বায়ুতে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিকে কী বলা হয়?
  1. শিশির
  2. মেঘ
  3. আর্দ্রতা
  4. নিম্নচাপ
সঠিক উত্তর:
আর্দ্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্দ্রতা
ব্যাখ্যা
বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity):

- বায়ুতে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিকে বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না। বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে তাই বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম।
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে।
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। যথা-
• পরম আর্দ্রতা।
• আপেক্ষিক আর্দ্রতা।
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা।
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা হলো কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫০৬.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে কোন জেলা অবস্থিত?
  1. মেহেরপুর
  2. চুয়াডাঙ্গা
  3. বান্দরবান
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের ভৌগোলিক অবস্থান:

• বাংলাদেশের সর্ব উত্তর:
- স্থান: বাংলাবান্ধা;
- উপজেলা: তেঁতুলিয়া;
- জেলা: পঞ্চগড়।

• সর্ব দক্ষিণ:
- স্থান: ছেঁড়া দ্বীপ, সেন্টমার্টিন;
- উপজেলা: টেকনাফ;
- জেলা: কক্সবাজার।

• সর্ব পশ্চিম:
- স্থান: মনাকষা;
- উপজেলা: শিবগঞ্জ;
- জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

• সর্ব পূর্ব:
- স্থান: আখাইনঠং;
- উপজেলা: থানচি;
- জেলা: বান্দরবান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫০৭.
নিয়ত বায়ু কয় প্রকারের?
  1. ২ প্রকারের
  2. ৩ প্রকারের
  3. ৪ প্রকারের
  4. ৫ প্রকারের
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকারের
ব্যাখ্যা
চাপ বলয় (Pressure Belts):
- ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অক্ষাংশের তাপের পার্থক্য এবং গোলাকার পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে বায়ুমণ্ডলে কয়েকটি চাপমন্ডলের সৃষ্টি হয়:
(১) নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়,
(২) ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়,
(৩) উপ-মেরুবৃত্তের নিম্নচাপ বলয় এবং
(৪) মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয়।

নিয়ত বায়ু (Planetary Winds): 
- নিয়ত বায়ু পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে বছরের সকল সময় একই দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ু তিন প্রকারের। যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১,৫০৮.
চা চাষের উপযোগী তাপমাত্রা হচ্ছে -
  1. ৬° থেকে ৭° সেলসিয়াস
  2. ১৬° থেকে ১৭° সেলসিয়াস
  3. ২৬° থেকে ২৭° সেলসিয়াস
  4. ২০° থেকে ৩৭° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
১৬° থেকে ১৭° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬° থেকে ১৭° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
চা (Tea):
- অর্থকরী ফসলের মধ্যে চা অন্যতম।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত চা-এর কিছু অংশ বিদেশে রপ্তানি হয়।
- পানি নিষ্কাশনবিশিষ্ট ঢালু জমিতে চা ভালো হয়।
- চা চাষের জন্য ছায়া প্রয়োজন তাই বাগানের মাঝে মাঝে ছায়াবৃক্ষ রয়েছে।
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেটে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে।
- এছাড়াও চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে চা চাষ করা হয়।

নিয়ামক :
- তাপমাত্রা: চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু প্রয়োজন। ১৬° থেকে ১৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা চা চাষের উপযোগী।
- বৃষ্টিপাত: চা চাষের জন্য ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন।
- মৃত্তিকা: উর্বর লৌহ ও জৈব পদার্থ মিশ্রিত দোঁআশ মাটিতে চা চাষ ভালো হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫০৯.
মারিয়ানা ট্রেঞ্চে অবস্থিত সর্বাধিক গভীর বিন্দু কোনটি? 
  1. Challenger Deep
  2. Challenger Abyss
  3. Pacific Deep
  4. Mariana Pit
সঠিক উত্তর:
Challenger Deep
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Challenger Deep
ব্যাখ্যা

• মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench):
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ বিশ্বের গভীরতম স্থান।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয় নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ ও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা মাপার উদ্যোগ নেয়া হয় ১৮৭৫ সালে।
- তখন গভীরতা নির্ণয় করা হয় ২৬,৮৫০ ফুট।
- পরবর্তীতে আরো কয়েকদফা মাপার পর ২০১০ সালে এর সর্বোচ্চ গভীরতা মাপা হয় ৩৬,০৭০ ফুট।
- বর্তমানে এই গভীরতাই গ্রহণযোগ্য।
- এর গভীরতম অংশকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বা Challenger Deep বলা হয়।

তথ্যসূত্র:  i) World Atlas 
ii) National Geographic Society.

১,৫১০.
কোনটি থেকে নিস উৎপন্ন হয়?
  1. ক) চুনাপাথর
  2. খ) গ্রানাইট
  3. গ) বেলেপাথর
  4. ঘ) কয়লা
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রানাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রানাইট
ব্যাখ্যা

- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রুপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টাজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হলে নিস এবং
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫১১.
জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন কপ-২৮ কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. দুবাই
  2. মস্কো
  3. হাভানা
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
দুবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুবাই
ব্যাখ্যা
জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮:
- ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে ২৮তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হবে।
- স্থান: দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- সর্বশেষ সম্মেলন কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে শারম আল শেখ, মিশর।
- কপ-২৭ সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত গরিব দেশগুলোকে ক্ষতিপুরণ দিতে ঐতিহাসিক 'লস অ্যান্ড ড্যামেজ' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,৫১২.
কোনটিকে "পৃথিবীর ফুসফুস" বলে হয়?
  1. সুন্দরবন
  2. আমাজন
  3. কঙ্গো বেসিন
  4. বোরিয়াল ফরেস্ট
সঠিক উত্তর:
আমাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন
ব্যাখ্যা
আমাজান:
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ৯ টি দেশজুড়ে এর অবস্থান।
- আমাজনের বেশিরভাগ অংশ রয়েছে - ব্রাজিলে।
- আমাজন ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা নামে নয়টি দেশে বিস্তৃত।
- আমাজনকে “পৃথিবীর ফুসফুস” বলা হয়।
- আমাজন নদী নীল নদের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী।
- আমাজান বন আমাজন নদী এবং তার উপনদীগুলোর নদী অববাহিকা জুড়ে বিস্তৃত।
- বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি এবং গরম আবহাওয়া এই বনের বৈশিষ্ট্য।

অন্যদিকে,
- তাইগা (Taiga) বা বোরিয়াল ফরেস্ট হলো পৃথিবীর বৃহত্তম বনভূমি, যা শীতল অঞ্চলে বিস্তৃত।
- এটি উত্তর গোলার্ধের অনেক অংশে, বিশেষ করে কানাডা, রাশিয়া, আলাস্কা এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় বিস্তৃত। 

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১,৫১৩.
কোন বায়ু প্রবাহিত হতে শুরু হলে বর্ষাকাল আরম্ভ হয়?
  1. ক) পশ্চিমা বায়ু
  2. খ) মৌসুমি বায়ু
  3. গ) অয়ন বায়ু
  4. ঘ) মেরু বায়ু
সঠিক উত্তর:
খ) মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল। অর্থ্যাৎ, গ্রীষ্ম ও শীতের মাঝামাঝি বৃষ্টিবহুল সময়কে বর্ষাকাল বা বর্ষা ঋতু বলে।
জুন মাসের প্রথম দিকে, দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে মৌসুমি বায়ুর আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বর্ষাকাল শুরু হয়। এই মৌসুমি বায়ু ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসার সময় প্রচুর জলীয়বাষ্প সমৃদ্ধ থাকে। এ জলীয়বাষ্প শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। বছরের মোট বৃষ্টিপাতের ৮০ ভাগ বর্ষাকালে হয়ে থাকে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিক থেকে বেঁকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে পরিণত হয়।
রেফারেন্সঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণী বোর্ড বই।

১,৫১৪.
লন্ডন কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) হাডসন
  2. খ) টেমস
  3. গ) দানিয়ুব
  4. ঘ) রাইন
সঠিক উত্তর:
খ) টেমস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টেমস
ব্যাখ্যা
টেমস নদী:

- লন্ডন টেমস নদীর তীরে অবস্থিত।
- টেমসকে ইংল্যান্ডের প্রধান নদী বলা হয়।
- টেমস নদীর দৈর্ঘ্য ৩৩০ কি.মি.

নদীর তীরবর্তী শহরসমূহ,
- ওয়াশিংটন ডিসি পটোম্যাক নদীর তীরে অবস্থিত।
- হাডসন নদীর তীরে নিউইয়র্ক সিটি অবস্থিত।
- রাইন নদীর তীরে স্ট্রাসবার্গ অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,৫১৫.
নিচের কোন দেশটি বলকান রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. ডেনমার্ক
  3. পর্তুগাল
  4. সার্বিয়া
সঠিক উত্তর:
সার্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বিয়া
ব্যাখ্যা
- বলকান রাষ্ট্র বলতে বোঝায় সেই দেশগুলোকে যেগুলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বালকান  উপদ্বীপে অবস্থিত।
• বালকান উপদ্বীপভুক্ত দেশসমূহ; 
- আলবেনিয়া
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা
- বুলগেরিয়া
- ক্রোয়েশিয়া
- কসোভো
- মন্টেনেগ্রো
- উত্তর মেসিডোনিয়া
- রোমানিয়া (আংশিক)।
- সার্বিয়া।
- স্লোভেনিয়া (আংশিক)।

উল্লেখ্য, 
- গ্রিস ও তুরস্ককে বালকান বাদ দেওয়া হয়।
- পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড ও ডেনমার্ক এই দেশগুলো পশ্চিম ও উত্তর ইউরোপে অবস্থিত এবং বলকান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৫১৬.
পৃথিবীর মোট জলভাগের মধ্যে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ক) ২.০৫ ভাগ
  2. খ) ০.৯৮ ভাগ
  3. গ) ০.৬৮ ভাগ
  4. ঘ) .০০৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) ০.৬৮ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ০.৬৮ ভাগ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর জলভাগের অবস্থানভিত্তিক বণ্টন:
- সমুদ্র : ৯৭.২৫ ভাগ
- হিমবাহ : ২.০৫ ভাগ
- ভূগর্ভস্থ পানি : ০.৬৮ ভাগ
- হ্রদ : ০.০১ ভাগ
- মাটির আর্দ্রতা : ০.০০৫ ভাগ
- বায়ুমণ্ডল : ০.০০১ ভাগ
- নদী : ০.০০০১ ভাগ
- জীবমণ্ডল : ০.০০০০৪ ভাগ।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৯২)
১,৫১৭.
‘সেফ অপারেটিং স্পেস’ বা নিরাপদ পানি সীমা বলতে কী বোঝায়?
  1. পরিবেশের জন্য নিরাপদ পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার সীমা
  2. পানির মাত্রা যেখানে বন্যার ঝুঁকি থাকে না
  3. সমুদ্রের পানির উচ্চতা নিয়ন্ত্রণের সর্বোচ্চ সীমা
  4. একটি নির্দিষ্ট নদীর পানি প্রবাহের ন্যূনতম পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
একটি নির্দিষ্ট নদীর পানি প্রবাহের ন্যূনতম পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি নির্দিষ্ট নদীর পানি প্রবাহের ন্যূনতম পরিমাণ
ব্যাখ্যা
সেফ অপারেটিং স্পেস (এসওএস) বা নিরাপদ পানি সীমা: 
- একটি নির্দিষ্ট নদীর পানি প্রবাহের ন্যূনতম পরিমাণ, যা পরিবেশগত, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক কার্যক্রম বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য।
- এটি এমন একটি মানদণ্ড, যা নির্ধারণ করে নদীটির দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পানির স্তর নিশ্চিত করা হচ্ছে কিনা।
- আন্তর্জাতিক জার্নাল ‘আইওপি সায়েন্স’এ ‘আ সেইফ অপারেটিং স্পেস ফর দ্য মেজর রিভার্স ইন দ্য বাংলাদেশ ডেল্টা’ শিরোনামে একটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।

ন্যূনতম পানির ভিত্তিতে নদীগুলোকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে:

নিরাপদ (Safe): যেসব নদী ন্যূনতম পানি প্রবাহ বজায় রাখতে সক্ষম।
সতর্কতা (Cautious): যেসব নদীতে ন্যূনতম পানি প্রবাহ রয়েছে, কিন্তু পানির প্রবাহে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন (২০% বা তার বেশি) ঘটেছে।
বিপজ্জনক (Dangerous): যেসব নদী ন্যূনতম পানি প্রবাহও পাচ্ছে না।

বাংলাদেশের ১০টি প্রধান নদীর মধ্যে:
বিপজ্জনক: গঙ্গা, গড়াই, হালদা, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র।
সতর্কতা: যমুনা, তিস্তা, আত্রাই, সুরমা, কুশিয়ারা, ইছামতী।
নিরাপদ: কোনো নদী এই ক্যাটাগরিতে নেই।

- এই গবেষণা বাংলাদেশের নদীগুলোর পরিবেশগত সংকট এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তুলে ধরে।

উৎস: বিবিসি বাংলা [২৫ নভেম্বর ২০২৪]
১,৫১৮.
ভারতের শিলং মালভূমির গারো পাহাড় হতে কোন নদীর উৎপত্তি হয়েছে?
  1. ক) কুশিয়ারা নদী
  2. খ) কংস নদী
  3. গ) সুরমা নদী
  4. ঘ) মনু নদী
সঠিক উত্তর:
খ) কংস নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কংস নদী
ব্যাখ্যা
• কংস নদী:
- কংস নদী (Kangsa River)  ভারতের মেঘালয় ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এ নদী কংসাই বা কংসবতী নামেও পরিচিত।
⇒ ভারতের শিলং মালভূমির পূর্বভাগে তুরার কাছে গারো পাহাড়ে এ নদীর উৎপত্তি।
- উৎস থেকে দক্ষিণদিকে প্রবাহিত হওয়ার পর জামালপুর জেলার উত্তর ভাগে নালিতাবাড়ী উপজেলা সদরের প্রায় ১৬ কিমি উত্তর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
- সেখান থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে সোমেশ্বরী নদীতে মিশেছে।
- কংস ও সোমেশ্বরীর মিলিত স্রোত বাউলাই নদী নামে পরিচিত।

» অন্যদিকে: 
• কুশিয়ারা নদী: 
- কুশিয়ারা নদী (Kushiyara River)  ভারতের  আসাম রাজ্যের উত্তরাঞ্চলের পর্বত থেকে উদ্ভুত হয়ে  বরাক নদী কিছু দূর পর্যন্ত নাগাপাহাড় ও মণিপুর রাজ্যের মধ্যে সীমারেখা রচনা করেছে।

• সুরমা নদীর:
- মণিপুর পাহাড়ে মাও সংসাং হতে বরাক নদীর উৎপত্তি।
- আসামের নাগা মণিপুর অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে নদীটি দুই শাখায় বিভক্ত হয়ে জকিগঞ্জ, কানাইঘাট,বিয়ানীবাজার, সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এর উত্তরের শাখাটি সুরমা পশ্চিম দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- আজমেরিগঞ্জের কাছে উত্তর সিলেটের সুরমা, আর দক্ষিণের শাখা সিলেটের কুশিয়ারা নদী এবং হবিগঞ্জে সিলেটের কালনী নদী একসঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এর পরে সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত প্রবাহ কালনী নামে দক্ষিণে কিছুদূর প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা ভৈরব বাজারে পুরাতন বহ্মপুত্রের সঙ্গে এবং চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

• মনু নদী:
- মনু নদী  ভারতের পার্বত্য ত্রিপুরা এবং বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম যেখানে আন্তর্জাতিক সীমারেখা রচনা করেছে তারই পূর্বকোণের উঁচু ভূমিতে দুটি উপনদী উৎপত্তি হওয়ার পর উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে ত্রিপুরার ফটিকরাই-এর দক্ষিণে মিলিত হয়েছে।
- এই মিলিত স্রোতধারা কৈলা (ভারত) শহরের অদূরে  মৌলভীবাজারের কুলাউড়া দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- উত্তর-পূর্ব দিকে প্রায় ২৫ কিমি প্রবাহিত হওয়ার পর ধলাই নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে ধলাই নামেই প্রথমে পশ্চিমে এবং পরে উত্তরে প্রবাহিত হওয়ার পর মনুমুখ-এর কাছে মনু নদী হিসেবে কুশিয়ারা নদীতে পড়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও সিলেট জেলা ওয়েবসাইট।
১,৫১৯.
বাংলাদেশের বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি কোনটি?
  1. হাকালুকি হাওর
  2. টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. চলনবিল
  4. নিকলী হাওর
সঠিক উত্তর:
হাকালুকি হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাকালুকি হাওর
ব্যাখ্যা

হাকালুকি হাওর:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি হাকালুকি হাওর।
- এটি বাংলাদেশের এবং এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত।
- হাওরের ৪০% বড়লেখা, ৩০% কুলাউড়া, ১৫% ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০% গোলাপগঞ্জ এবং ৫% বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তর্গত।

⇒ হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী।
- এই জলরাশি হাওরের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত কুশিয়ারা নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- বর্ষাকালে হাওর সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে বিশাল রূপ ধারন করে, এই সময় পানির গভীরতা হয় ২-৬ মিটার।

⇒ হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে। প্রায় সারাবছরই বিলগুলিতে পানি থাকে।
- হাকালুকি হাওরের বিলগুলিতে বিভিন্ন জাতের বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। তবে এক সময়ের অন্যতম আকর্ষণীয় Swamp Forest অর্থাৎ জলময় নিম্নভূমির বনাঞ্চল এখন আর তেমন নেই।
- জীববিজ্ঞানীদের মতে, হাকালুকি হাওরে ১৫০ প্রজাতির মিঠা পানির মাছ, ১২০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ বিলুপ্ত প্রায়। এখানে প্রতি বছর শীতকালে প্রায় ২০০ বিরল প্রজাতির অতিথি পাখির সমাগম ঘটে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৫২০.
নিচের কোন দেশটি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত নয়?
  1. মেক্সিকো
  2. ইকুয়েডর
  3. আর্জেন্টিনা
  4. ভেনেজুয়েলা
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
- উল্লিখিত প্রশ্নে মেক্সিকো হচ্ছে উত্তর আমেরিকার দেশ। অর্থাৎ দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত নয়।

⇒ দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
- দক্ষিণ আমেরিকার মহাদেশ ১২ টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- দেশগুলো হচ্ছে - ব্রাজিল, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, পেরু, ভেনেজুয়েলা, চিলি, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে, গায়ানা, সুরিনাম
- স্বাধীন দেশ - ১২ টি।
- জাতিসংঘভুক্ত দেশ - ১২ টি
- আয়তনে বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
- ব্রাজিল, গায়ানা এবং সুরিনাম ছাড়া সবকটিতেই স্প্যানিশ সরকারি ভাষা।
- ব্রাজিলের সরকারি ভাষা পর্তুগিজ

তথ্যসূত্র: ওয়াল্ড এটলাস।
১,৫২১.
এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) হাইল হাওড়
  2. খ) হাকালুকি
  3. গ) চলনবিল
  4. ঘ) হালদা নদী
সঠিক উত্তর:
ঘ) হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হালদা নদী
ব্যাখ্যা
• হালদা নদী:
- হালদা নদী বাংলাদেশের পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলার একটি নদী। 
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হলো হালদা নদী।
- ডিম ছাড়ার বিশেষ সময়কে তিথি বলা হয়ে থাকে।
- ডিম ছাড়ার তিথির পূর্বেই স্থানীয় জেলে এবং ডিম সংগ্রহকারীরা নদীতে অবস্থান নেন এবং ডিম সংগ্রহ করেন।
- সংগৃহীত ডিমগুলি ফোটানোর জন্য নদীর তীরে কৃত্রিম ছোট মাটির কুয়ায় নেয়া হয় এবং কার্প পোনা উৎপাদন করা হয়।
- এটি একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সরকার হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করেছে।

উৎস: মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও হাটহাজারী উপজেলা ওয়েবসাইট।
১,৫২২.
তাজিন ডং (বিজয়) কোন অঞ্চলের পাহাড়?
  1. ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের
  2. খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের
  3. গ) দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের
  4. ঘ) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের
ব্যাখ্যা
• ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, 
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তভুর্ক্ত।
- এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
  এগুলো হলো:
ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ,
খ) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

• ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- তবে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে পাহাড়গুলোর উচ্চতা ক্রমশ বেশি।
⇒ সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিন ডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং।
- এর উচ্চতা ১,২৩০ মিটার। এ অঞ্চলের পাহাড়সমূহ কৃষিকাজের জন্য উপযোগী নয়।
- তবে স্থানীয় অধিবাসীগণ সীমিত পরিসরে জুম পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে থাকেন।

খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।
- এ পার্বত্য অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ের ঢালে প্রচুর চা উৎপন্ন হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫২৩.
কোনটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়?
  1. বন্যা
  2. খড়া
  3. ভূমিকম্প
  4. শব্দ দূষণ
সঠিক উত্তর:
শব্দ দূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ দূষণ
ব্যাখ্যা
বিপর্যয় বলতে বিপদ বা আপদের সম্ভাবনাকে বুঝায়। অর্থাৎ যে সকল ঘটনা একটি এলাকার জনগণের জীবন, জীবিকা ও পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্থ করে, এমনকি একেবারে ধ্বংস করতে পারে, সে সকল ঘটনাকে বিপর্যয় বলে। 

বিপর্যয় দুই ধরনের হতে পারে। যেমন:
১. প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন ঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।
২. মানব-সৃষ্ট বিপর্যয়, যেম পানি দূষণ, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ, রাসায়নিক বিষক্রিয়া, যুদ্ধ ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫২৪.
আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান কোনটি?
  1. Milwaukee Deep
  2. Challenger Deep
  3. Java Trench
  4. Tonga Trench
সঠিক উত্তর:
Milwaukee Deep
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Milwaukee Deep
ব্যাখ্যা

আটলান্টিক মহাসাগর: 
- আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর, যার আকৃতি ইংরেজি অক্ষর “S”-এর মতো।
- আটলান্টিক মহাসাগর এর গড় গভীরতা ৩৯৩২ মিটার।
- এটি ইউরোপ ও আফ্রিকাকে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আলাদা করেছে।
- এর গভীরতম স্থান হলো পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ যা ক্যারিবিয়ান সাগরের মধ্যখানে অবস্থিত।
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ এর গভীরতম বিন্দু হচ্ছে Milwaukee Deep.
- Milwaukee Deep এর গভীরতা ৮৩৮০ মিটার।
- এই মহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ হচ্ছে : গ্রীনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, বাহামা দ্বীপপুঞ্জ, বারমুডা, জ্যামাইকা, কিউবা, আয়ারল্যান্ড, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র
- এ মহাসাগরটি প্রাচীন যুগ থেকেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, উপনিবেশ স্থাপন ও সমুদ্র অভিযানের প্রধান পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
---------------------------------------- 
অন্যদিকে,
- Challenger Deep – এটি প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা ট্রেঞ্চের সবচেয়ে গভীর বিন্দু।
-  Java Trench – এটি ভারত মহাসাগরের গভীরতম অংশ।
- Tonga Trench – এটি দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটি গভীর ট্রেঞ্চ।

উৎস: Britannica. 

১,৫২৫.
বাংলাদেশের কোন পাহাড় ‘পাহাড়ের রানী’ নামে খ্যাত?
  1. লালমাই পাহাড়
  2. চিম্বুক পাহাড়
  3. কেওক্রাডাং পাহাড়
  4. তাজিনডং পাহাড়
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়
ব্যাখ্যা

• চিম্বুক পাহাড়:
অবস্থান: বান্দরবান জেলা শহর থেকে ২৬ কিমি দূরে।
উচ্চতা: সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫০০ ফুট।
পরিচিতি: বাংলাদেশের পাহাড়ের রানী নামে পরিচিত।
বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়।
খ্যাতি: “বাংলার দার্জিলিং” নামেও পরিচিত।
অন্যান্য নাম: কালাপাহাড় নামেও ডাকা হয়।
অবস্থান জেলা: বান্দরবান।

তথ্যসূত্র: বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫২৬.
বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের নাম-
  1. টর্নেডো
  2. সাইক্লোন
  3. টাইফুন
  4. হ্যারিকেন
সঠিক উত্তর:
সাইক্লোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইক্লোন
ব্যাখ্যা

- বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়কে বলা হয় সাইক্লোন।
- প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়কে বলা হয় টাইফুন।
- আটলান্টিক মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়কে বলা হয় হ্যারিকেন।
- সাধারণত স্বল্প সময় নিয়ে স্বল্প এলাকায় টর্নেডো হয়ে থাকে। স্থলভাগে উচ্চচাপ সৃষ্টির কারণে টর্নেডো হয়।

উৎস: মাধ্যমিক ভূগোল বোর্ড বই।

১,৫২৭.
বাংলাদেশের কয়টি বিভাগের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে বর্তমানে কার্যকর বিভাগ সংখ্যা ৮টি।
- এর মধ্যে ৬ বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
- অর্থাৎ ২টি বিভাগের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।

১,৫২৮.
সৌরপর্দা বলা হয় কোন স্তরকে?
  1. ওজোন
  2. নাইট্রোজেন
  3. হিলিয়াম
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
ওজোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন
ব্যাখ্যা

• সৌরপর্দা বলা হয় ওজোনস্তরকে।

ওজোনস্তর:

- স্ট্রাটোমন্ডলের উপরের দিকে ওজোন (Ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মন্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত।
- এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার। 
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultral Violet Rays) শোষণ করে।
- জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর।
- তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌছাতে পারে না।
- এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় তাপমাত্রা (প্রায় ৭৬° সেলসিয়াস) অনেক বেশি।

• স্ট্রাটোমন্ডল (Stratosphere): 

- বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমন্ডল। 
- যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)। 
- এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
 - স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়। এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম।
- স্ট্রাটোমন্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে। এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা। বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়। 
স্ট্রাটোমন্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৫২৯.
বাংলাদেশে কোন জেলায় আকস্মিক বন্যা (Flash Flood) হয়?
  1. রাজশাহী ও সুনামগঞ্জ
  2. মৌলভীবাজার ও কুষ্টিয়া
  3. সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার
  4. কুষ্টিয়া ও নড়াইল
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

বন্যা:
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- সাধারণত বন্যা চার প্রকারের হয়ে থাকে।
- যথা:
১. মৌসুমী বন্যা,
২. আকস্মিক বন্যা,
৩. উপকূলীয় বন্যা,
৪. নগর বন্যা। 

আকস্মিক বন্যা (Flash Flood):
- বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢলের ফলে বন্যার সৃষ্টি হয়,
- এটাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তথা সিলেট, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার প্রভৃতি জেলায় আকস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়।

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৩০.
বাংলাদেশে প্রথম কোথায় চীনামাটির সন্ধান পাওয়া যায়?
  1. বিজয়পুর, নেত্রকোনা
  2. নালিতাবাড়ী, শেরপুর 
  3. হাইদগাঁও, চট্টগ্রাম 
  4. মধ্যপাড়া, দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুর, নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুর, নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা

চীনামাটি:
- চীনামাটি বা কেওলিন (Kaolin) হলো একধরণের উন্নতমানের সাদা কর্দম খনিজ, যা মূলত সিরামিক, টাইলস এবং তৈজসপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 
- এটি উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়িয়ে তৈরি করা হয়, ফলে এটি অত্যন্ত শক্ত, অভেদ্য এবং স্বচ্ছ প্রকৃতির হয়। 
- একে সাদা মাটিও বলা হয়। 
- এটি সিরামিক শিল্প, টেবিলওয়্যার (চায়ের সেট), স্যানিটারি ওয়্যার (টয়লেট), এবং কাগজ শিল্পে ফিলার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রথম ১৯৫৭ সালে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর এলাকায় চীনামাটির সন্ধান পাওয়া যায়।
- এটি দেশের সবচেয়ে বড় চীনামাটি বা সাদামাটির খনি অবস্থিত।
- এছাড়া শেরপুরের নালিতাবাড়ী, চট্টগ্রামের হাইদগাঁও ও সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জত এবং দিনাজপুরের মধ্যপাড়া, নওগাঁ জেলার পত্নীতলা ও ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।

১,৫৩১.
জন স্টুয়ার্ট মিল কোন তত্ত্বের প্রবক্তা?
  1. ক) কর্তব্যমুখী নৈতিকতা
  2. খ) জাতি রাষ্ট্র
  3. গ) ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি
  4. ঘ) ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ
ব্যাখ্যা
• মূলত জন স্টুয়ার্ট মিল [John Stuart Mill (1806-1878)]-এর হাতে ঊনবিংশ শতাব্দীর ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ বলিষ্ঠ রূপ ধারণ করে।
জে. এস. মিল ছিলেন ধ্রুপদী ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের এক একনিষ্ঠ প্রবক্তা। আবার অনেকের মতে তিনিই হলেন আলোচ্য মতবাদের শ্রেষ্ঠ প্রবক্তা।
• মিলের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী বক্তব্য ব্যক্ত হয়েছে তাঁর দু'টি কালজয়ী গ্রন্থের মাধ্যমে। এই দু'টি গ্রন্থ হল On Liberty এবং Representative Government।
• ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ বলতে রাষ্ট্রের কার্যসংক্রান্ত সেই মতবাদকে বুঝায় যা রাষ্ট্রের কার্যক্ষেত্রকে সংকুচিত করে এবং ব্যক্তিকে অধিক মাত্রায় স্বাধীনতা দান করে। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদীরা রাষ্ট্রকে ক্ষতিকর অথচ প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান মনে করে। 

তঅন্যদিকে, 
• জাতি রাষ্ট্রের প্রবক্তা ম্যাকিয়াভেলি।
• ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।
• ১৭৪৮ সালে ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কু সর্বপ্রথম তার 'The Spirit of Laws' গ্রন্থে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির আধুনিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন। যার কারণে মন্টেস্কু কে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির প্রবক্তা বলা হয়।

তথ্যসূত্র:- রাষ্ট্রিবিজ্ঞান: রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৩২.
নিউমাটোফোরের পৃষ্ঠে ছোট ছোট ছিদ্রকে কী বলা হয়?
  1. স্টোমাটা
  2. রাইজোম
  3. ভ্যাকুয়োল
  4. লেন্টিসেল
সঠিক উত্তর:
লেন্টিসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেন্টিসেল
ব্যাখ্যা

• নিউমাটোফোর:
- নিউমাটোফোর হলো জলজ বা হাইড্রোফাইট উদ্ভিদের একটি বিশেষ ধরনের মূল।
- এটি হলো মূলত “শ্বাস নেওয়ার মূল,” যা জলজ উদ্ভিদের জন্য জীবনরক্ষাকারী। 
- এ ধরনের মূলকে শ্বাসমূল বা বায়বীয় মূলও বলা হয়। 
- এই মূলগুলো জলের পৃষ্ঠের উপরে উঠে আসে, কারণ মাটির নিচে অক্সিজেনের পরিমাণ খুব কম থাকে।
- নিউমাটোফোরের মাধ্যমে উদ্ভিদ বাতাস থেকে অক্সিজেন শোষণ করতে পারে।
- যা শিকড়কে সুস্থ রাখে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধি বজায় রাখে।
- নিউমাটোফোরের পৃষ্ঠে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যেগুলোকে লেন্টিসেল বলা হয়। 
- লেন্টিসেল গ্যাসের আদান-প্রদান সহজ করে।
- এই মূলগুলো প্রধানত সমুদ্র উপকূলের লবণাক্ত বা কাদা মাটিতে বৃদ্ধি পায়।
- এছাড়াও, নিউমাটোফোর নাইট্রোজেনের মতো গ্যাস এবং লোহার মতো পুষ্টি শোষণে সহায়ক।

উৎস: Britannica. 

১,৫৩৩.
বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ প্রথম কোন জেলায় শনাক্ত হয়?
  1. কুষ্টিয়া
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. চাঁদপুর
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে আর্সেনিক:
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি ১৯৯৩ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বড়ঘরিয়া মৌজায় শনাক্ত করা হয়।
- জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তর সেখানে কয়েকটি নলকূপে পরীক্ষা চালিয়ে এ দূষণ শনাক্ত করে।
- এরপর বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, বিশেষ করে ১৯৯৫ সালে ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সেমিনারের পর।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের এই আবিষ্কার বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ নিয়ে গবেষণা ও সতর্কতার সূচনা করে।
- এরপর সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং এনজিওগুলোর মাধ্যমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও আর্সেনিক দূষণ শনাক্তের কাজ শুরু হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো। 

১,৫৩৪.
ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, কোন দেশে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. রাশিয়া
  2. কানাডা
  3. ব্রাজিল
  4. নাইজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

বনভূমি:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন হেক্টর এলাকায় বনভূমি রয়েছে। 
- পৃথিবীর মোট বনভূমির বেশির ভাগ নির্দিষ্ট কিছু দেশে অবস্থিত। 
- ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী রাশিয়ায় পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে।
- দেশটিতে ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬০ হেক্টর বনভূমি রয়েছে।
- বিশ্বের মোট বনভূমির ২০ দশমিক ৪১ শতাংশই রাশিয়ায়।
- দেশটির বনভূমির বড় অংশ রয়েছে ফার ইস্টার্ন ফেডারেল অঞ্চলে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সাইবেরিয়ান ফেডারেল অঞ্চল।
- এসব এলাকার বেশির ভাগ গাছই লার্চ, পাইন ও স্প্রুস জাতের।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

১,৫৩৫.
ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী কোনটি বায়ুপ্রবাহের দিক?
  1. উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
  2. উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের ডান দিকে
  3. উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
  4. দক্ষিণ গোলার্ধের ডান দিকে ও উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
ব্যাখ্যা
⇒ কোরিওলিস প্রভাব:
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
- বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তনের এই শক্তিকেই বলা হয় কোরিওলিস প্রভাব/শক্তি।
- গোলার্ধভিত্তিক এই পরিবর্তন কোনো প্রবাহিত চলমান বস্তুর উপর পৃথিবীর ঘূর্ণন বলের প্রভাব বলে অনুমান করা যায়।
- এই দিক পরিবর্তনকারী শক্তি -
১. বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তনে প্রভাব ফেলে যা সর্বদা লম্বভাবে ক্রিয়া করে।
২. কোরিওলিস শক্তি বায়ুর গতির উপর কোনো প্রভাব ফেলে না।
৩. কোরিওলিসের প্রভাব মেরুতে সবচেয়ে বেশি এবং বিষুবীয় এলাকায় অস্তিত্ব লোপ পায়।

⇒ পৃথিবীর আবর্তন:
- আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে।
- পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।
- আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয।
- যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
- একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ু প্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৩৬.
বাংলাদেশে কার্পজাতীয় মাছের রেণুর প্রধান উৎস কোনটি?
  1. পদ্মা
  2. হালদা
  3. মেঘনা
  4. কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর:
হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা
ব্যাখ্যা

⇒ হালদা নদী বাংলাদেশে কার্পজাতীয় মাছের রেণুর প্রধান উৎস। 

হালদা নদী: 
- হালদা বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের ছোট্ট একটি নদী। 
- এই নদীর উৎপত্তি, বিস্তার এবং সমাপ্তি সবই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।

⇒ হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম। 
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র। 
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। 
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস। 
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে। 
হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক। 

তথ্যসূত্র - মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,৫৩৭.
'সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান' কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. টাঙ্গাইল
  3. হবিগঞ্জ
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান:
- এই উদ্যান হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন পাহাড়ে অবস্থিত।
- উদ্যানের কাছাকাছি ৯টি চা বাগান আছে। উদ্যানের পশ্চিম দিকে সাতছড়ি চা বাগান এবং পূর্ব দিকে চাকলাপুঞ্জি চা বাগান অবস্থিত।
- এই ক্রান্তীয় ও মিশ্র চিরহরিৎ পাহাড়ী বনভূমি ভারতীয় উপমহাদেশ এবং উন্দো-চীন অঞ্চলের সংযোগস্থলে অবস্থিত।সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে রয়েছে প্রায় ২০০’রও বেশি গাছপালা।
- এর মধ্যে শাল, সেগুন, আগর, গর্জন, চাপালিশ, পাম, মেহগনি, কৃষ্ণচূড়া, ডুমুর, জাম, জামরুল, সিধাজারুল, আওয়াল, মালেকাস, ইউক্যালিপটাস,আকাশমনি, বাঁশ, বেত-গাছ ইত্যাদির বিশেষ নাম করা যায়।
- সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভিতর সাতটি ছড়া বা ঝর্না আছে যেখান থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে সাতছড়ি। 

জীববৈচিত্র্য:
- এ উদ্যানে ১৯৭ প্রজাতির জীব-জন্তু রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৮ প্রজাতির সরিসৃপ, ৬ প্রজাতির উভচর। আরো আছে প্রায় ১৫০-২০০প্রজাতির পাখি। এটি বাংলাদেশের একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং পাখিদের একটি অভয়াশ্রম। বনে লজ্জাবতী বানর, উল্লুক (Gibbon), চশমা পরা হনুমান (Langur), কুলু বানর (Macaque), মেছো বাঘ, মায়া হরিণ (Barking Deer) ইত্যাদি; সরিসৃপের মধ্যে সাপ; পাখির মধ্যে কাও ধনেশ, বনমোরগ, লালমাথা ট্রগন, কাঠঠোকরার, ময়না, ভিমরাজ, শ্যামা, ঝুটিপাঙ্গা, শালিক, হলুদ পাখি, টিয়া প্রভৃতির আবাস রয়েছে। এছাড়া গাছে গাছে আশ্রয় নিয়েছে অগণিত পোকামাকড়, ঝিঁঝিঁ পোকা তাদের অন্যতম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫৩৮.
কসোভো নগরীর সাথে সার্বীয়দের স্পর্শকাতর সম্পর্কের কারণ কি?
  1. ক) এর রণকৌশলগতা গুরুত্ব
  2. খ) এর ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্মৃতি
  3. গ) মুসলিম বিদ্বেষের প্রবণতা
  4. ঘ) আলেবেনীয়দের ঔদ্ধত্য
সঠিক উত্তর:
খ) এর ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্মৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এর ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্মৃতি
ব্যাখ্যা
বিগত শতকের নব্বইয়ের দশকের একেবারে শেষ প্রান্তে সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার বিভিন্ন অংশের মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ভেঙে যাওয়া দেশটির কোনো অংশ স্বাধীন হতে চায়, অপর অংশ আবার তাদের পিছু টেনে ধরে। সেই সময়ে আমাদের দেশের মানুষ বসনিয়া-হারজেগোভিনা, সার্বিয়া, কসোভো এসব নামের সাথে পরিচিত হন।


কসোভোর ইতিহাস পাশের পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর মতো। বাইজানটাইন ও সার্বিয়ানরা দীর্ঘদিন দেশটি শাসন করেছে। উসমানীয় সুলতান দ্বিতীয় মুরাদের সময় সার্বিয়ানদের বিরুদ্ধে বিখ্যাত কসোভো যুদ্ধ হয়। কসোভো সমভূমির এই যুদ্ধ ইতিহাসে ঐতিহাসিক যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত।
১৪৫৫ সালে এই অঞ্চলটি উসমানীয় সাম্রাজ্যের অংশে পরিণত হয়। এখানকার আলবেনীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ক্যাথলিক খ্রিষ্টানরা এতটাই করারোপ করেছিল যে, মানুষের জীবন যাপন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছিল। উসমানীয়দের বিজয়ের পর আলবেনীয় জনগোষ্ঠী একসাথে ইসলাম গ্রহণ করে।
পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো ৫০০ বছর উসমানীয় শাসনের অধীনে ছিল। এ সময় এ অঞ্চলে ইসলামের বিস্তার ঘটে। ফলে উসমানীয় ঐতিহ্যের প্রতিফলন পাওয়া যায় কসোভোতে।


কসোভোর দুই জনগোষ্ঠী আলবেনিয়ান ও সার্ব এদের মধ্যে কখনওই বনিবনা ছিল না। এদের দীর্ঘ দিনের রেষারেষির এক পর্যায়ে ২০০৮ সালে একতরফাভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে কসোভো। স্বাধীন কসোভোকে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বড় দেশগুলো। এ সময় সার্বিয়ার পেছনে এসে দাঁড়ায় রাশিয়া। রাশিয়ার মদদ পেয়ে সার্বিয়া রাজি হয় না কসোভোর স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিতে। কসোভোয় বসবাসকারী সার্বরাও কসোভোর স্বাধীনতা চায় না।

১৯৯০-এর দশকে যুগোশ্লাভিয়া ভেঙে যাওয়ার পরপরই স্বাধীনতার ইচ্ছা প্রকাশ করে কসোভো। সার্বিয়া এর ‘জবাব’ দেয় কসোভোর আলবেনিয়ান জনগোষ্ঠীর ওপর নিষ্ঠুর হত্যা-দমন-পীড়ন চালিয়ে। ১৯৯৯ সালে ন্যাটোর সামরিক হস্তেেপ এই হত্যাযজ্ঞের অবসান ঘটে।
কসোভো নগরীর সাথে সার্বীয়দের স্পর্শকাতর সম্পর্কের কারণ -  এর ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্মৃতি।

কসোভো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা পায় ২০০৮ সালে। এর মধ্য দিয়ে তারা হয় ‘ইউরোপের নবীনতম রাষ্ট্র’।

সূত্রঃ আলজাজিরা রিপোর্ট ও হিস্টরি.কম
১,৫৩৯.
কোনটি পাললিক শিলা?
  1. ক) গ্রাফাইট
  2. খ) চুনাপাথর
  3. গ) গ্রানাইট
  4. ঘ) ল্যাকোলিথ
সঠিক উত্তর:
খ) চুনাপাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চুনাপাথর
ব্যাখ্যা

- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তা পাললিক শিলা।
- এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- পাললিক শিলা নরম ও হালকা যা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। পাললিক শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।
- পাললিক শিলার উদাহরণ: চুনাপাথর, কয়লা, নুড়িপাথর, বেলেপাথর, পলিপাথর, কর্দমপাথর, চক, কোকিনা, লবণ, জিপসাম, ডায়াটম, ডোলোমাইট ইত্যাদি।
- অপরদিকে, গ্রানাইট ও ল্যাকোলিথ আগ্নেয় শিলার উদাহরণ।
- গ্রাফাইট রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫৪০.
বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমারেখা কোনটি?
  1. পর্তুগাল ও স্পেন
  2. রাশিয়া ও চীন
  3. ফ্রান্স ও ব্রিটেন
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
ব্যাখ্যা
• কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্ত:
- বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডা,
- যুক্তরাষ্ট্রের ও কানাডা সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে।
- একটি অংশ হলো কানাডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মূলভূখণ্ডের সীমান্ত।
- এবং অপর অংশ হলো আলাস্কার সঙ্গে উত্তর কানাডার সীমান্ত।
- এই যৌথ সীমান্ত বরাবর কানাডার ৮টি প্রভিন্স (প্রদেশ) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি অঙ্গরাজ্য অবস্থিত।
- কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র স্থলসীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ৮,৮৯৩ কিলোমিটার।
- সেন্ট লরেন্স নদী ও গ্রেট লেকস এই দুই দেশের মধ্যে সীমান্তের একটি অংশ গঠন করেছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৫৪১.
নিচের কোনটি দ্বীপ দেশ?
  1. নেপাল
  2. লিবিয়া
  3. কাজাখস্তান
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
শ্রীলঙ্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
শ্রীলঙ্কা:
- ভারত মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত ছোট একটি দ্বীপ দেশ শ্রীলঙ্কা।
- বিশ্বের কাছে ভারত মহাসাগরের অশ্রু নামে পরিচিত দ্বীপ দেশটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি।
- ১৯৪৮ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হয়ে দেশটি ‘সিলন’ থেকে নাম পরিবর্তন করে ‘শ্রীলঙ্কা’ হয়।
- ১৯৪৮ সালে ব্রিটিশ সরকার সিলন তথা শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ব্রিটিশরা ১৮১৫ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত তৎকালীন সিলন তথা শ্রীলঙ্কা শাসন করে। 
- ১৯৭৬ সালে দি লিবারেশন টাইগারস অব তামিল ইলম (এলটিটিই) গঠন করেন।
- শ্রীলংকার মুদ্রার নাম: রুপি।
- দেশটির ভাষা: দ্বীপের দুটি প্রধান জাতিগোষ্ঠী, সিংহলি এবং তামিল এবং এর দুটি প্রভাবশালী ধর্ম, বৌদ্ধ এবং হিন্দু ধর্ম, 
- দুটি প্রভাবশালী ধর্ম: বৌদ্ধ এবং হিন্দু ধর্ম।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে, (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে)।
- রাজধানী: কলম্বো
- বিখ্যাত কয়েকটি স্থান: ক্যান্ডি, সিগিরিয়া, অনুরাধাপুর, জাফনা, এডামস পিক।

উল্লেখ্য,
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি হিন্দু রাষ্ট্র।
- কাজাকাস্তান মধ্যে এশিয়ার স্থল বিশিষ্ট দেশ।
- লিবিয়া উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ।

উৎস: Britannica এবং ডেইলিস্টার।
১,৫৪২.
বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, গ্রিনহাউস প্রভাব নিচের কোন দেশে সাফল্য বয়ে আনবে?
  1. মালদ্বীপ
  2. নরওয়ে
  3. বাংলাদেশ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
ব্যাখ্যা
- বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী গ্রিনহাউস প্রভাব পৃথিবীর কয়েকটি দেশে যথা-কানাডা, রাশিয়া, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, দক্ষিণ আমেরিকা প্রভৃতি দেশগুলোর জন্য সাফল্য বয়ে আনবে।
- এ কারণে ঐসব অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ একর জমি বরফমুক্ত হয়ে চাষাবাদ ও বসবাসযোগ্য হয়ে উঠবে।
- অন্যদিকে দুর্ভোগ বাড়বে পৃথিবীর প্রায় ৪০ শতাংশ এলাকার দরিদ্র অধিবাসীদের।
- কারণ গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- সমুদ্র উপকূলবর্তী পৃথিবীর বেশ কয়েকটি বিখ্যাত শহর হবে ব্যাপক আকারে ক্ষতিগ্রস্ত। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৫৪৩.
আয়তনের দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ জেলা কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
রাঙ্গামাটি জেলা:
- রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা ২২-২৭" ও ২৩-৪৪″ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১-৫৬" ও ৯২-৩৩" পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।
- রাঙ্গামাটির উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম, দক্ষিণে বান্দরবান, পূর্বে মিজোরাম ও পশ্চিমে চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি।
- এই জেলা আয়তনের দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ জেলা।
- দেশের এক মাত্র রিক্সা বিহীন শহর।
- রাঙ্গামাটি জেলায় বাঙ্গালীসহ ১৪টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান- এই তিন পার্বত্য অঞ্চলকে নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা সৃষ্টির পূর্বের নাম ছিল কার্পাস মহল।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা থেকে১৯৮১ সালে বান্দরবান এবং ১৯৮৩ সালে খাগড়াছড়ি পৃথক জেলা সৃষ্টি করা হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার মূল অংশ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র - রাঙ্গামাটি জেলা ওয়েবসাইট।
১,৫৪৪.
নায়াগ্রা জলপ্রপাত কোন দুটি অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক এবং ওন্টারিও
  2. নিউইয়র্ক এবং কুইবেক
  3. পেনসিলভানিয়া এবং ওন্টারিও
  4. পেনসিলভানিয়া এবং কুইবেক
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক এবং ওন্টারিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক এবং ওন্টারিও
ব্যাখ্যা

নায়াগ্রা জলপ্রপাত:
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক এবং কানাডার ওন্টারিওর সীমান্তে অবস্থিত।
- নায়াগ্রা নদী এই জলপ্রপাতটির মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরে প্রবাহিত হয়।

⇒ এটি পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত জলপ্রপাত।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাতের উচ্চতা প্রায় ৫১ মিটার (১৬৭ ফুট) এবং এটি প্রতি মিনিটে প্রায় ২,৮০০ ঘনমিটার পানি পতিত হয়।
- এটি মূলত তিনটি জলপ্রপাতের সমষ্টি। সবচেয়ে বড় জলপ্রপাতটির নাম হলো হর্সশু ফলস বা কানাডা ফলস। এর পরের ফলসটির নাম আমেরিকান ফলস। অন্যটির নাম ব্রাইডল ভেইল ফলস।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাতের তিন ভাগের এক ভাগ আমেরিকায়। বাকি দুই ভাগ কানাডায়।

উৎস: Britannica.

১,৫৪৫.
ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে কোন প্রণালি?
  1. পক প্রণালি
  2. বেরিং প্রণালি
  3. মালাক্কা প্রণালি
  4. জিব্রাল্টার প্রণালি
  5. সুন্দা প্রণালি
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালি
ব্যাখ্যা
মালাক্কা প্রণালি:
- মালয় উপদ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এই প্রণালীটি ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- মালাক্কা প্রণালি বিশ্বের ব্যস্ততম শিপিং রুটগুলোর একটি।

⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী:
সুন্দা প্রণালি:
- সুমাত্রা ও জাভা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এই প্রণালীটি ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।।
- সুন্দা প্রণালি ইন্দোনেশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোর একটি।

বেরিং প্রণালি:
- এই প্রণালীটি উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- যা আলাস্কার প্রদেশ ও রাশিয়ার শাখালিন দ্বীপের মধ্যে বিস্তৃত।
- বেরিং প্রণালি বেরিং সাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করে।

পক প্রণালি:
- ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে অবস্থিত।
- এই প্রণালীটি ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- পক প্রণালি প্রায় ২৭ কিলোমিটার প্রশস্ত।
- এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Britannica.
১,৫৪৬.
এল নিনো বাংলাদেশ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক আবহাওয়ায় কীভাবে প্রভাব ফেলে?
  1. শীতকালীন তাপমাত্রা বৃদ্ধি
  2. বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়ম সৃষ্টি করে
  3. গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা কমায়
  4. ঘূর্ণিঝড় বৃদ্ধি পায়
সঠিক উত্তর:
বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়ম সৃষ্টি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়ম সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা

◉ এল নিনো বাংলাদেশ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক আবহাওয়ায় বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়ম সৃষ্টি করে।

- বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা কমানোর কোনো সরাসরি সম্পর্ক এল নিনোর সাথে পাওয়া যায় না।
- এল নিনো সাধারণত বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বাড়ায় না, বরং কিছু ক্ষেত্রে এটি ঘূর্ণিঝড়ের ফ্রিকোয়েন্সি বা তীব্রতা কমাতে পারে। - এল নিনো সাধারণত শীতকালীন তাপমাত্রার উপর সরাসরি বা উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে না বাংলাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। 
- এর প্রভাব বেশি দেখা যায় বর্ষাকালীন বৃষ্টিপাত এবং সামগ্রিক জলবায়ু প্যাটার্নে। 
- শীতকালে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ এল নিনোর সাথে সরাসরি যুক্ত নয় এই অঞ্চলে।
 
• এল নিনো:

- এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাঞ্চলীয় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে সমুদ্র পৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার একটি জলবায়ু ঘটনা,
- যা বিশ্বব্যাপী এবং আঞ্চলিক আবহাওয়ার উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। 
- বাংলাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আবহাওয়ার ক্ষেত্রে এল নিনোর প্রভাব নিম্নরূপে বিশ্লেষণ করা যায়:
- এল নিনোর সময় উষ্ণ সমুদ্র পৃষ্ঠের তাপমাত্রা এবং বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতি ঘূর্ণিঝড় গঠনের জন্য অনুকূল পরিবেশ কমিয়ে দেয়। 
- তবে, এটি সম্পূর্ণরূপে ঘূর্ণিঝড় বন্ধ করে না; শুধু তাদের ধরন বা সময় পরিবর্তন করতে পারে।
∴ সুতরাং সঠিত উত্তর  বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়ম সৃষ্টি করে।

উৎস: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এবং NOAA ওয়েবসাইট।

১,৫৪৭.
ফারাক্কা বাঁধ কোন নদীর উপর নির্মিত?
  1. তিস্তা
  2. ব্রহ্মপুত্র
  3. যমুনা
  4. গঙ্গা
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা বাঁধ:
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- যার অবস্থান বাংলাদেশ থেকে মাত্র ১৬.৫ কিলোমিটার উজানে ভারতের ভূখণ্ডে গঙ্গা নদীর ওপরে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- শেষ হয় ১৯৭৫ সালে।
- সেই বছর ২১ এপ্রিল থেকে বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।

উৎস: ১ অক্টোবর ২০১৯, বিবিসি বাংলা নিউজ।
১,৫৪৮.
বাংলাদেশের কোথায় প্লায়িস্টোসিন কালের সােপান দেখা যায়?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
গ) বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
আজ থেকে প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়। ঐ সময়ে গঠিত ভূমিরূপ প্লাইস্টোসিন কালের ভূমি নামে পরিচিত।
বাংলাদেশে অবস্থিত প্লাইস্টোসিন কালের ভূমিরূপগুলো হলো:
- রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর ও জয়পুরহাট জেলার বরেন্দ্রভূমি
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলায় অবস্থিত মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
- কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়।
- দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৮ শতাংশ হলো প্লাইস্টোসিন কালে গঠিত ভূমিরূপ।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৫৪৯.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সর্বপ্রথম  ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়? 
  1. চাঁপাই নবাবগঞ্জ
  2. ফরিদপুর
  3. বাগেরহাট
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
চাঁপাই নবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাই নবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

-  চাঁপাই নবাবগঞ্জ সর্বপ্রথম ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

আর্সেনিক (Arsenic):

- আর্সেনিক দূষণ একটি Global Problem.
- তাইওয়ানে প্রথম শনাক্তকরণ হয়।
- পৃথিবীর সকল মহাদেশের ৫০ টির মতো দেশে ভূগর্ভস্থ বা ভূউপরিস্থ পানিতে উচ্চমাত্রার আর্সেনিক শনাক্ত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তর ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে চাঁপাই নবাবগঞ্জ উপজেলার বড়ঘরিয়া মৌজায় কয়েকটি কূপে পরীক্ষা চালিয়ে সর্বপ্রথম ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি লক্ষ্য করে
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-এর মতে, পানিতে নির্ধারিত মান অনুযায়ী ০.০১ পিপিএম আর্সেনিকের মাত্রা গ্রহণযোগ্য। 
- তবে যখন কোন এলাকার পানিতে ০.০১ পিপিএম এর চেয়ে বেশি পরিমাণ আর্সেনিক থাকে তখন সেই এলাকার পানিকে আর্সেনিক দূষণযুক্ত বলে।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আর্সেনিক দূষণের মাত্রা বেশি।
- এবং উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে এ দূষণের মাত্রা কম।
- সর্বোচ্চ দূষণযুক্ত জেলাগুলো হচ্ছে চাঁদপুর (৯০%), মুন্সিগঞ্জ (৮৩%), গোপালগঞ্জ (৭৯%), মাদারীপুর (৬৯%), নোয়াখালী (৬৯%), সাতক্ষীরা (৬৭%), কুমিল্লা (৬৫%), ফরিদপুর (৬৫%), শরিয়তপুর (৬৫%), মেহেরপুর (৬০%) ও বাগেরহাট (৬০%)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বিএড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৫০.
কোন শিলাকে প্রাথমিক শিলা বলা হয়?
  1. আগ্নেয় শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. রুপান্তরিত শিলা
  4. স্তরীভূত শিলা
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় শিলা:
- পৃ্থিবীর শুরু থেকে যে সব শিলা উত্তপ্ত গলিত অবস্থা হতে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে কঠিন হয়েছে তাই আগ্নেয় শিলা।
- অগ্নিময় অবস্থা হতে এ শিলার সৃষ্টি হয়েছিল বলে একে আগ্নেয় শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলার অন্য নাম প্রাথমিক শিলা বা অস্তরীভূত শিলা।
- আগ্নেয় শিলা স্ফটিকার, অপেক্ষাকৃত ভারী, কঠিন ও কম ভঙ্গুর।
- এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না।
- আগ্নেয় শিলার উদাহরণ- গ্রানাইট, গ্যাব্রো, সায়েনাইট, ডায়োরাইট, পরফাইরি, টাফ, ব্রেসিয়া, রায়োলাইট, ব্যাসল্ট, অ্যান্ডেসাইট, ব্যাথোলিথ, ল্যাকোলিথ, ডাইক, সিল ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৫১.
কোনটি ভঙ্গিল পর্বত?
  1. আল্পস পর্বত
  2. ফুজিয়ামা পর্বত
  3. বিন্ধ্যা পর্বত
  4. কিলিমানজারো পর্বত
সঠিক উত্তর:
আল্পস পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল্পস পর্বত
ব্যাখ্যা
আল্পস পর্বত:
- আল্পস পর্বত ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি একটি বিস্তৃত পর্বতমালা যা দক্ষিণ-মধ্য ইউরোপে অবস্থিত।
- অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লিচেনস্টাইন, মোনাকো, স্লোভেনিয়া এবং সুইজারল্যান্ড নামে আটটি আল্পাইন দেশ জুড়ে রয়েছে এই পর্বতমালা।

উল্লেখ্য,
- আল্পস এক ধরনের ভঙ্গিল পর্বত।
- আল্পস পর্বতমালাকে তিনটি বিস্তৃত ভাগে ভাগ করা যায়: পূর্ব, মধ্য এবং পশ্চিম আল্পস।
- এটি একটি অবিচ্ছিন্ন পর্বতশ্রেণী এবং বিভিন্ন উচ্চতা এবং গভীরতার অসংখ্য চূড়া এবং উপত্যকা নিয়ে গঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের ভ্যালাইস ক্যান্টনে অবস্থিত ২২.৬ কিমি দীর্ঘ আলেচ হিমবাহটি আল্পসের বৃহত্তম হিমবাহ।
- এই পর্বতমালা দক্ষিণ ফ্রান্সের মোনাকোর কাছে ভূমধ্যসাগরের উত্তর থেকে সুইজারল্যান্ড, তারপর উত্তর ইতালি হয়ে দক্ষিণ জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে।
- আল্পস পর্বতশ্রেণি আলবেনিয়ায় রুক্ষ অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূলে শেষ হয়েছে।

⇒ ভঙ্গিল পর্বত:
- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
-যেমন: এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

অন্যদিকে,
- ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত চ্যূতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।
- আগ্নেয় পর্বত- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫২.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. জীবভূগোল
  2. জলবায়ুবিদ্যা
  3. ভূমিরূপবিদ্যা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক ভূগোল (Physical geography):
- ভুগোলের যে শাখায় ভৌত পরিবেশ ও এর মধ্যে কার্যরত বিভিন্ন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
- পৃথিবীর ভূমিরূপ, এর গঠন প্রক্রিয়া, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, জলবায়ু ইত্যাদি প্রাকৃতিক ভুগোলের আলোচ্য বিষয়।
১। ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology)।
২। জলবায়ুবিদ্যা (Climatology)।
৩। জীবভূগোল (Biogeography)।
৪। মৃত্তিকা ভূগোল (Soil geography)।
৫। সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography)।

তথ্যসূত্র - ভুগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৫৫৩.
'জাদিপাই' জলপ্রপাত অবস্থিত-
  1. ক) রাঙামাটিতে
  2. খ) কক্সবাজারে
  3. গ) খাগড়াছড়িতে
  4. ঘ) বান্দরবানে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবানে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রশস্ততম জলপ্রপাতগুলোর একটি হলো জাদিপাই। এটি বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলদেশের সবচেয়ে আকর্ষণীয় জলপ্রপাতগুলোর মধ্যে নাফাখুম অন্যতম। থানচি উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা রেমাক্রিতে পাহাড় ও বনের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত খরস্রোতা সাঙ্গু নদীতে অবস্থান নাফাখুমের।
- শৈলপ্রপাত জলপ্রপাত বান্দরবানে অবস্থিত।
- খাগড়াছড়ির অন্যতম সৌন্দর্য ‘রিছাং ঝর্ণা’।
- আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- হিমছড়ি জলপ্রপাত কক্সবাজারে অবস্থিত।
- হামহাম, মাধবকুন্ড জলপ্রপাত মৌলভীবাজারে অবস্থিত।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
১,৫৫৪.
খরা প্রবণ অঞ্চল কোনটি ?
  1. সিলেট
  2. রাজশাহী
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া নওগাঁ, দিনাজপুর অতি খরাপ্রবণ অঞ্চল।

-শুষ্ক মৌসুমে ২০ দিন বা তার বেশি সময় ধরে বৃষ্টিপাত না হলে তাকে খরা বলে। 

-খরার ফলে ফসলের উৎপাদন ১৫-৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে ।

-বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চল খরা প্রবণ অঞ্চল হিসেবে ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,৫৫৫.
জুলাই মাসে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণ -
  1. উত্তর-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে
  2. উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুতে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে জলীয়বাষ্প কম থাকে
  4. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু:
- বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু নামে পরিচিত।
- সুতরাং ঋতু ভেদে জলবায়ুর যে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় তাকে মৌসুমী বায়ু বলে।
- গ্রীষ্মকালে এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হতে এবং শীতকালে উত্তর-পূর্ব দিক হতে প্রবাহিত হয়।
- বায়ুর এ রূপ উৎপত্তির কারণ পানি এবং জলের উষ্ণতার তারতম্য।
- বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে অধিক তাপের জন্য উত্তর গোলার্ধের কোন স্থানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
- এ সময় দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্যের তাপ কম বলে উচ্চ চাপের সৃষ্টি হয়।
- তখন দক্ষিণের উচ্চ চাপ অঞ্চল হতে বায়ু উত্তরের নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হতে বাংলাদেশের দিকে আসে বলে একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলে।
- কিন্তু শীতকালে এর বিপরীত অবস্থা ঘটে।
- শীতকালে এ বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক হতে প্রবাহিত হয় বলে একে উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু বলে।
- অর্থাৎ ঋতুভেদে বায়ুচাপের পরিবর্তন দেখা হয়।

উল্লেখ্য,
- গ্রীষ্মকালে এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম সমূদ্রের ওপর দিয়ে আসে বলে এতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে, যার ফলে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- পক্ষান্তরে শীতকালীন মৌসুমী বায়ু সাধারণত স্থল ভাগের উপর দিয়ে আসে বলে জলীয়বাষ্প খুব কম থাকে এবং সামান্য বৃষ্টি পাত হয়।

⇒ বর্ষাকাল:
- বাংলাদেশে মধ্য জুন থেকে নভেম্বর (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল।
- বর্ষাকালেও অধিক সূর্যতাপ থাকার ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- তবে আকাশে মেঘ ও প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে অধিক তাপমাত্রা উপলব্ধি করা যায় না।
- বর্ষাকালে অধিক জলীয়বাষ্পের কারণে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত হয়।
- এই সময় গড় তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসে।
- বছরে মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ এসময় হয়।
- বর্ষার শেষ দিকে মাঝে মাঝে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৬.
বাংলাদেশে শীতকাল হলে অস্ট্রেলিয়ায় কোন ঋতু বিরাজ করবে?
  1. শরৎকাল
  2. গ্রীষ্মকাল
  3. বসন্তকাল
  4. শীতকাল
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকাল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে  ঋতু:
- উত্তর গোলার্ধে  গ্রীষ্মকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করে।
- উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।
- উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল বিরাজ করে।
- উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে।

⇒ সূর্যের উত্তরায়ণের ফলে ২১শে জুনের পূর্বের ও পরের দেড় মাস করে মোট তিন মাস উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে। একই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করে।
⇒ যেহেতু বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত এবং অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত তাই বাংলাদেশে শীতকাল হলে অস্ট্রেলিয়া গ্রীষ্মকাল বিরাজ করবে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৫৭.
পৃথিবীর উপরের কঠিন আবরণকে বলে -
  1. ক) শিলা
  2. খ) ভূ-ত্বক
  3. গ) খনিজ
  4. ঘ) তলদেশ
সঠিক উত্তর:
খ) ভূ-ত্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভূ-ত্বক
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর উপরের কঠিন আবরণকে ভূ-ত্বক বলে।
- এটি অশ্মমন্ডলের উপরিভাগ।
- এ স্তরের গড় পুরুত্ব ২০ কি. মি. হলেও মহাদেশের তলদেশে এর পুরত্ব সবচেয়ে বেশি।
- গড়ে ৩৫ কি.মি এবং সমুদ্র তলদেশে তা সর্বনিন্মে গড়ে ৫ কি.মি. (চিত্র : ২.২.১)।
- ভূ-ত্বকের ঘনত্ব হলো ২.৯ থেকে ৩.৩ গ্রাম সে.মি.।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের ওপরে ভূ-ত্বকের যে অংশ অবস্থিত তাকে স্থলভাগ বলে।
- স্থল ভাগের অনেক নিচে এবং সমুদ্র তলদেশেরও কিছুদূর পর্যন্ত ভূ-ত্বক বিস্তৃত।
- ভূ-ত্বক নানা প্রকার শিলা ও খনিজ উপাদানে গঠিত।

সূত্র: ভূমিরূপ বিদ্যা, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৫৫৮.
বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক ছিটমহল বিনিময়ের হয় কবে?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
আয়তন:
- বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত স্থল সীমানা চুক্তি  হয়।
- চু্ক্তি  অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই দু'দেশের মধ্যে পারস্পরিক ছিটমহল বিনিময়ের হয়।
- ফলে বাংলাদেশের মোট ভূখন্ডে ১০,০৪১.২৫ একর জমি যোগ হয়েছে।
- বাংলাদেশের টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল,
- অর্থনৈতিক একান্ত অঞ্চল ২০০ নটিক্যাল মাইল এবং সামুদ্রিক মালিকানা মহীসোপানের শেষ সীমানা পর্যন্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
১,৫৫৯.
নিচের কোন দেশটি সম্পূর্ণ নদীবিহীন?
  1. মাল্টা
  2. নাউরু
  3. লিবিয়া
  4. উপরোক্ত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

লিবিয়া, মাল্টা,  নাউরু নদীবিহীন দেশ।

• নদীবিহীন দেশ:
- পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে যেগুলোর কোনো নদী নেই। অবশ্যই এগুলি বেশিরভাগই মরুভূমির দেশ, যেখানে বৃষ্টিপাত এবং জলের উৎস খুব কম, এবং কোনও বাস্তব নদী বা নদীর তল তৈরি করার জন্য পর্যাপ্ত জলপ্রবাহ নেই।

- স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই এমন দেশগুলি হলো: কমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন, মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি, কিরিবাতি, নাউরু, টোঙ্গা ও টুভালু।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,৫৬০.
নিচের কোনটি আকস্মিক পরিবর্তন প্রক্রিয়া?
  1. ভূমিকম্প
  2. জলোচ্ছাস
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. বিচূর্ণীভবন
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
• আকষ্মিক পরিবর্তন প্রক্রিয়াসমূহ:
→ ভূ-গর্ভস্থ গলিত ম্যাগমাসমূহ ভূ-গর্ভে তাপ ও চাপের তারতম্য এবং অন্যান্য ভূমিরূপ গঠনকারী শক্তির প্রভাবে প্রচন্ড আলোড়িত হয়।
→ এইরূপ আকস্মিক আলোড়নের ফলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূ-কম্পন, ভূ-অভ্যন্তরে সংকোচন ও প্রসারণ ইত্যাদি নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটে। ফলে অত্যন্ত আকস্মিকভাবে, স্বল্প সময়ের জন্য, অপেক্ষাকৃত স্বল্প বিস্তৃত স্থান জুড়ে যে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়, তাকে আকস্মিক পরিবর্তন প্রক্রিয়া বলা হয়।
 → অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, সুনামি ইত্যাদি আকস্মিক পরিবর্তনকারী প্রক্রিয়া। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৬১.
১৯৭০ সালে বাংলাদেশে ৫ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটানো প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের নাম কী ছিল?
  1. ক) ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়
  2. খ) বাকেরগঞ্জ
  3. গ) নিনা
  4. ঘ) ভোলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভোলা
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালে সংঘটিত প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের নাম ছিল ভোলা। 
- ১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় আঘাতে ভোলা তছনছ হয়ে যায়। একের পর এক লোকালয় মাটির সাথে মিশে যায়।
- ভোলায় আঘাত হানা এই সামুদ্রিক ঝড় 'দ্য গ্রেট ভোলা সাইক্লোন' নামে পরিচিতি পায়। 
- তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দক্ষিণ উপকূল দিয়ে এই সাইক্লোন বয়ে গেলেও সবচেয়ে তীব্র আঘাত হেনেছিল ভোলায়।
- জাতিসংঘের আওতাধীন বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা ২০১৭ সালের ১৮মে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়গুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করে।
- তাতে ভোলায় আঘাত হানা সাইক্লোনটিকেই 'সবচেয়ে শক্তিশালী সাইক্লোন' হিসেবে চিহ্নিত করে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।
- ১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর সবোর্চ্চ ২২৪ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানা এই প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের সময় উপকূলীয় এলাকায় ১০-৩৩ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল।
- এই ঘূর্ণিঝড়ে ৫ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
 
উৎস: বিবিসি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, ভূগোল ও পরিবেশ; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৫৬২.
ঢাকা থেকে পশ্চিমে অবস্থিত একটি স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°। ঢাকায় যখন বিকেল ৩টা তখন সেই স্থানের স্থানীয় সময় কত?
  1. দুপুর ১২ টা
  2. সকাল ৯ টা
  3. রাত ১২ টা
  4. বিকেল ৩ টা
সঠিক উত্তর:
দুপুর ১২ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুপুর ১২ টা
ব্যাখ্যা
• ঢাকা থেকে স্থানটির ব্যবধান = ৪৫°
= (৪৫×৪) মিনিট 
= ১৮০ মিনিট 
= ৩ ঘন্টা

সময়ের ব্যবধান হবে ৩ ঘণ্টা 
এখানে যে স্থানটির স্থানীয় সময় নির্ণয় করতে হবে সেটা ঢাকার পশ্চিমে দিকে অবস্থিত। সুতরাং স্থানীয় সময় ঢাকার সময়ের চেয়ে কম হবে কারণ পূর্ব দিকে সূর্য আগে উদিত হয়েছে।
তাই ঢাকার সময়ের সঙ্গে ৩ ঘণ্টা বিয়োগ করতে হবে।

সেই স্থানটির সময়
= ঢাকার সময় - সময়ের পার্থক্য
= বিকেল ৩ টা -  ৩ ঘণ্টা 
= দুপুর ১২ টা

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
১,৫৬৩.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. পাথর ও ইট
  2. বালি ও কাদা
  3. চুনাপাথর ও গ্রানাইট
  4. শেল ও কর্দম
সঠিক উত্তর:
শেল ও কর্দম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেল ও কর্দম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৬৪.
বাংলাদেশের পাহাড়ি বনভূমি প্রধানত কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. সুন্দরবন
  2. খুলনা
  3. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  4. বরিশাল 
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি বা পাহাড়ি বন: 
- ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি বা পাহাড়ি বন প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং সিলেট-মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- এই বনভূমি অতিবৃষ্টির কারণে গড়ে উঠেছে।
- এর মোট আয়তন ১৩,৭৭,০০০ হেক্টর, যা বাংলাদেশের মোট আয়তনের প্রায় ৯.৩৩%।

- পাহাড়ি বনভূমিতে প্রধান গাছের মধ্যে রয়েছে—
- গর্জন, ময়না, তেলসুর, চাপালিশ, গামার, জারুল, কড়ই, সেগুন ও চম্পা।
- এছাড়া এখানে প্রচুর বাঁশ ও বেত জন্মায়।
- চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হাজারীখীল বনপ্রাণী অভয়ারণ্য অঞ্চলে বিরল প্রজাতির বৈলাম বৃক্ষ দেখা যায়। 
- বৈলাম ১০০ মিটার উচ্চতায় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃক্ষ হিসেবে পরিচিত।

- বনের শিল্প ও ব্যবহারিক গুরুত্ব অনুযায়ী, গর্জন ও জারুল রেলের স্লিপার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- গামার ও চাপালিশ আসবাবপত্র ও নৌকা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

- বনাঞ্চলের উল্লেখযোগ্য প্রাণীর মধ্যে রয়েছে—
- হাতি, চিতাবাঘ, সাম্বর ও মায়া হরিণ, বন শুকর, হনুমান, বানর, উল্লুক, সজারু, বনরুই, ধনেশ, ময়ূর, শকুন, অজগর, টিয়া ও ময়না।

উৎস:
১. বন অধিদপ্তর;
২. বাংলাপিডিয়া। 

১,৫৬৫.
ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কত মিটারের মধ্যে নিচু আকাশের মেঘ গঠিত হয়?
  1. ক) ৩,০০০ মিটার
  2. খ) ২,০০০ মিটার
  3. গ) ৬,০০০ মিটার
  4. ঘ) ৫,০০০ মিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ২,০০০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২,০০০ মিটার
ব্যাখ্যা
মেঘের প্রকারভেদ (Types of Couds) : 
উচ্চতা অনুসারে মেঘকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। যথা:
ক. উঁচু মেঘ
খ. মধ্যম উঁচু মেঘ এবং
গ. নিচু মেঘ ।

ক. উঁচু মেঘ (High Cloud) : উঁচু মেঘের উচ্চতা সাধারণত ৬,০০০ মিটার হতে ১২,০০০ মিটার ।
খ. মধ্যম উঁচু মেঘ (Medium High Cloud) : এ মেঘ ২,০০০ হতে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় উৎপন্ন হয়। 
গ. নিচু আকাশের মেঘ (Low Colud) : ভূ-পৃষ্ঠের নিকটবর্তী অঞ্চলে ২,০০০ মিটারের মধ্যে এ জাতীয় মেঘ গঠিত হয়। এটি অপেক্ষাকৃত ভারী বলে আকাশের নিচে ভেসে বেড়ায় ।
 
উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৫৬৬.
বায়ুমন্ডলের ট্রপোমণ্ডল স্তরে সংঘটিত হয় -
  1. ক) বৃষ্টিপাত
  2. খ) বায়ুপ্রবাহ
  3. গ) তুষারপাত
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা ইত্যাদি সকল কিছুই ট্রপোমণ্ডলে সংঘটিত হয়।

অন্যদিকে,
• স্ট্রাটোমন্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে। স্ট্রাটোমন্ডলের উপরের দিকে ওজোন গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মন্ডল নামে পরিচিত। এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার।
• ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করে। জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর। তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌছাতে পারে না।
• আয়নমন্ডল মূলত মেসোমন্ডলের ঊর্ধ্বাংশ থেকে তাপমন্ডলের নিম্নাংশ (৫০* থেকে ১০০ কিলোমিটার) পর্যন্ত সম্প্রসারিত।
• আয়নমন্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসে।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৬৭.
ভারতীয় উপমহাদেশের কোন দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  2. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
  3. দক্ষিণ-পূর্বাংশে
  4. উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অবস্থান:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাংশে (মাধ্যমিক ভূগোল)/ উত্তর পূর্বাংশে (জাতীয় তথ্য বাতায়ন)। 
- এবং ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।
- এদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষরেখা
- এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২০৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত্র বিস্তৃত।
- ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্থান দেশ ভাগের সময় সীমানা নির্ধারণ করেন ব্রিটিশ আইনজীবী সিরিল র‍্যাডক্লিফ।
- তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্থান তথা বর্তমান বাংলাদেশের মানচিত্র ১৯৪৭ সালেরই তৈরি।
- ব্রিটিশ বাংলার ৬৪ শতাংশ এলাকা নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

১,৫৬৮.
সাময়িক বায়ুর অন্তর্গত কোনটি?
  1. ক) মৌসুমী বায়ু
  2. খ) সমুদ্র বায়ু
  3. গ) স্থলবায়ু
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
মৌসুমী বায়ু, সমুদ্র বায়ু, স্থলবায়ু, পার্বত্য বায়ু এবং উপত্যকা বায়ু সাময়িক বায়ুর অন্তর্গত। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
১,৫৬৯.
লালমাই পাহাড়ের গড় উচ্চতা কত?
  1. ৬-১২ মিটার
  2. ৬-১৮ মিটার
  3. প্রায় ২১ মিটার
  4. প্রায় ৩০ মিটার
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২১ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২১ মিটার
ব্যাখ্যা

লালমাই পাহাড়: 
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৭০.
আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চলকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. সাভানা
  2. তুন্দ্রা
  3. প্রেইরি
  4. সাহেল
সঠিক উত্তর:
সাহেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাহেল
ব্যাখ্যা
সাহেল: 

• সাহেল অঞ্চলটি আফ্রিকার একটি বিশাল এলাকা যা আটলান্টিক উপকূল থেকে লোহিত সাগর উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত।
• আফ্রিকার দক্ষিণে সাভানা তৃণভূমি অঞ্চল এবং উত্তরে সাহারা মরুভূমির মধ্যবর্তী অঞ্চল সাহেল নামে পরিচিত।
• এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত দেশ হলো ১০টি। যথা:
- সেনেগাল
- মৌরিতানিয়া
- নাইজার
- মালি
- শাদ
- সুদান
- ইরিত্রিয়া
- নাইজেরিয়া
- বুরকিনা ফাসো

অপরদিকে,
- উত্তর আমেরিকার মধ্য অক্ষাংশের অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত তৃণভূমিকে প্রেইরি বলে।
- আর সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তের মধ্যবর্তী অঞ্চল যা প্রায় সারা বছর বরফাচ্ছন্ন থাকে তাকে তুন্দ্রা অঞ্চল বলে। 
- সাভানা হলো আফ্রিকার ঘানা, সুদান ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের তৃণভূমি অঞ্চল। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস। 
১,৫৭১.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল তুলনামূলকভাবে বৃষ্টিবহুল অঞ্চল হিসাবে স্বীকৃত?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  2. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  3. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  4. মধ্যবর্তী অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বৃষ্টিবহুল অঞ্চল:
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে ফেরেলের সূত্রানুসারে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে বেঁকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু হিসেবে প্রবাহিত হয়।
- সমুদ্র থেকে আগত হওয়ায় এই বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকে। ফলে এই মৌসুমি বায়ু হিমালয় পর্বতে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায়
- বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর- পূর্বাঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এই প্রক্রিয়ায় বর্ষাকালে দেশের সারা বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ বৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৭২.
পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে যে বেতার তরঙ্গ পাঠানো হয় তা কোন স্তরের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে?
  1. Thermosphere
  2. Troposphere
  3. Exosphere
  4. Mesosphere
সঠিক উত্তর:
Thermosphere
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thermosphere
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের স্তরসমূহ:
- ভূ-পৃষ্ঠ ও তার আশেপাশে যে বায়বীয় মন্ডল আবর্তিত আছে তাকে বায়ুমন্ডল বলে।
- বায়ুমন্ডল নানাপ্রকার গ্যাসীয় উপাদান, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কনিকা দ্বারা গঠিত।
- এই সকল স্তর মূলত ভূ-পৃষ্ঠ হতে উপরের দিকে মোট পাঁচটি পর্যায়ে রয়েছে।

⇒ বায়ুমন্ডলের এই স্তরসমূহ হলো: ট্রপোমন্ডল, স্ট্রাটোমন্ডল, মেসোমন্ডল, তাপমন্ডল ও এক্সোমন্ডল।

• তাপমন্ডল (Thermosphere):
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে তাপমন্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার বলে।
- তীব্র সৌর বিকিরনে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনী রশ্মির সংঘাতে এই অংশে বায়ু আয়নযুক্ত হয়।
- এই জন্য একে আয়নমন্ডল বা আয়নোস্ফিয়ার বলা হয়।
- পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে যে বেতার তরঙ্গ পাঠানো হয় তা এই স্তরের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে।
- এই স্তরে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা অত্যন্ত দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৮০° সেলসিয়াসে এসে পৌঁছায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৭৩.
'পার্পল লাইন' সীমারেখাটি কোন দটি দেশকে পৃথক করেছে?
  1. মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র
  2. সিরিয়া-ইসরাইল
  3. ফ্রান্স-জার্মানি
  4. লেবানন-ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া-ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া-ইসরাইল
ব্যাখ্যা
পার্পল লাইন:
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ১১৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি মালভূমি যা গোলান পর্বতমালার অংশ।
- এটি সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- সেই বছর, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোলান মালভূমিতে প্রবেশ করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার গোলান হাইটসকে সংযুক্ত করে, বা ঘোষণা করে যে এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।

অন্যদিকে -
- সিগফ্রিড লাইন ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা।
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।

উৎস: Britannica.
১,৫৭৪.
ওয়ারপো (WARPO) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৫ সালে 
  2. ১৯৯০ সালে 
  3. ১৯৯২ সালে 
  4. ১৯৯৫ সালে  
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে 
ব্যাখ্যা

ওয়ারপো (WARPO):
- ওয়ারপো হলো বাংলাদেশের একটি স্বশাসিত সরকারি সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ- Water Resources Planning Organization (পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা)।
- এটি দেশের পানি সম্পদকে সমন্বিতভাবে পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের কাজ করে থাকে।
- এর মূল লক্ষ্য টেকসই উন্নয়ন ও ন্যায্য ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- এটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর অধীনে কাজ করে।
- সংস্থাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি জাতীয় পানি নীতি ১৯৯৯ ও বাংলাদেশ পানি আইন ২০১৩-এর আওতায় দেশের সর্বোচ্চ পরিকল্পনাকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- এই সংস্থার সদর দপ্তর ৭২ গ্রিন রোড, ঢাকায় অবস্থিত। 

উল্লেখ্য,
• ওয়ারপোর প্রধান কাজগুলো হলো:
- জাতীয় পানি সম্পদ পরিকল্পনা (NWRP) প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা।
- বাংলাদেশ পানি আইন-এর সমন্বয় ও বাস্তবায়ন করা।
- সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা (IWRM)-এর জন্য কাজ করা।
- জাতীয় পানি সম্পদ ডেটাবেস ও জ্ঞানভাণ্ডার তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।
- পানি খাতের বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদন ও পর্যবেক্ষণ করা।
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতি ও প্রবিধান বাস্তবায়ন করা 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৭৫.
সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৪) মেঘ বিস্ফোরণের কারণে ভারতের কোন রাজ্যে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়?
  1. মেঘালয়
  2. আসাম
  3. নাগাল্যান্ড
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
মেঘ বিস্ফোরণ (Cloudburst):
- ক্লাউডবার্স্ট হল অল্প সময়ের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট স্বল্প জায়গায় শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রপাত সহ অতি বৃষ্টিপাত।
- এর ফলে আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধ্বস হতে পারে।
- সাধারণত যখন ১০ বর্গকিলোমিটার (৩.৮৬ বর্গ মাইল) অঞ্চলে এক ঘন্টার মধ্যে ১০ সেন্টিমিটার (৩.৯৪ ইঞ্চি) এর বেশি পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়, তাকে ক্লাউড বিস্ফোরণ বা ক্লাউডবার্স্ট বলে থাকে।
- এটি হিমালয়ান অঞ্চল এবং পার্বত্য এলাকায় বেশি ঘটে থাকে।
- সাধারণত ক্লাউডবার্স্ট বর্ষা ঋতুতে হয়ে থাকে।
- তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকের মতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এর পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

⇒ মেঘ বিস্ফোরণের বৈশিষ্ট্য:
- মেঘ বিস্ফোরণ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং খুব কম সময়ের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এটি সাধারণত খুব ছোট এলাকা জুড়ে ঘটে।
- মেঘ বিস্ফোরণের পরিধি কয়েক বর্গ কিলোমিটারের বেশি হয় না।
- মেঘ বিস্ফোরণের ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হয়।
- কখনও কখনও এটি এতটাই প্রবল হয় যে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় নদী এবং জলাশয়গুলো পানিতে ভরে যায়, যা বন্যার সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি আগস্ট, ২০২৪-এ ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ভয়াবহ মেঘ বিস্ফোরণের জন্য ত্রিপুরা সংলগ্ন বাংলাদেশের কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী সহ ১১টি জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
- উত্তর-পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য মূলত পাহাড়ি অঞ্চল, যেখানে ৩ হাজার ফুট পর্যন্ত উঁচু পাহাড় রয়েছে।
- ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়গুলো থেকে উৎপন্ন হয়ে বেশ কয়েকটি নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করা ৫৪টি আন্তর্জাতিক নদীর মধ্যে ১৫টিই ত্রিপুরা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ১৯ আগস্ট, ২০২৪ থেকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য ও সংলগ্ন বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে শুরু হয় মেঘ বিস্ফোরণ। 
- ত্রিপুরা থেকে আসা ঢল বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলকে বন্যায় বিপর্যস্ত করে ফেলে। 
- তিন দশকের বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা হচ্ছে ভারতের ত্রিপুরায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) ২৮ আগস্ট ২০২৪, প্রথম আলো।
১,৫৭৬.
কোন প্রণালীটি দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. মালাক্কা প্রণালী
  2. ফরমোজা প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. পক প্রণালী
সঠিক উত্তর:
ফরমোজা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমোজা প্রণালী
ব্যাখ্যা
• ফরমোজা প্রণালী:
- ফারমোজা প্রণালি তাইওয়ান ও চীন থেকে পৃথক করেছে।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে-
- মালাক্কা প্রণালি : আন্দামান সাগর (ভারত মহাসাগর) ও দক্ষিণ চীন সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) কে যুক্ত করেছে।
- বসফরাস প্রণালি: এশিয়াকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে।
- পক প্রণালী: ভারতকে শ্রীলংকা হতে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: World Atlas, ব্রিটানিকা। 
১,৫৭৭.
নিচের কোনটি মেঘনার উপনদী?
  1. গোমতী
  2. তিতাস
  3. বাউলাই
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
মেঘনা:
- আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
- উত্তরের শাখা সুরমা পশ্চিম দিকে সিলেট, ছাতক, সুনামগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- আজমিরীগঞ্জের কাছে উত্তর সিলেটের সুরমা, দক্ষিণ সিলেটের কুশিয়ারা নদী এবং হবিগঞ্জের কালনী নদী একসঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- পরে কালনী, সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত প্রবাহ কালনী নামে দক্ষিণে কিছুদূর প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা ভৈরববাজারের দক্ষিণে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে এবং চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে মেঘনা বিধৌত অঞ্চল হচ্ছে ২৯,৭৮৫ বর্গকিলোমিটার।
- মনু, বাউলাই, তিতাস, গোমতী মেঘনার উপনদী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৫৭৮.
নিচের কোনটি নিম্ন উচ্চতার মেঘ?
  1. ক) স্ট্রেটাস
  2. খ) সিরোকিউম্যুলাস
  3. গ) নিম্বোস্ট্রেটাস
  4. ঘ) সিরাস
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রেটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রেটাস
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো:
উঁচু উচ্চতার মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।
মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।
(তথ্যসূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
১,৫৭৯.
পৃথিবীর দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
  1. কাঞ্চনজঙ্ঘা
  2. গডউইন অষ্টিন
  3. বেননেভিস
  4. এলগন
সঠিক উত্তর:
গডউইন অষ্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গডউইন অষ্টিন
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ গডউইন অষ্টিন।

বিশ্বের শীর্ষ পর্বত:
• শীর্ষ পর্বতশৃঙ্গ: মাউন্ট এভারেস্ট
- এটি নেপাল এবং তিব্বতের সীমান্তে হিমালয়ে অবস্থিত।
- এটির উচ্চতা ৮৮৪৮.৮৬ মিটার।

• ২য় শীর্ষ পর্বতশৃঙ্গ: কে টু (K2)
- পাকিস্তান ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ K2।
- এর আরেক নাম গডউইন অষ্টিন (Godwin-Austen)।
- এটির উচ্চতা ৮৬১১ মিটার।

• ৩য় শীর্ষ পর্বতশৃঙ্গ: কাঞ্চনজঙ্ঘা
- নেপাল ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত।
- এটির উচ্চতা ৮৫৮৬ মিটার।

• ৪র্থ শীর্ষ পর্বতশৃঙ্গ: লোৎসে
- নেপাল এবং তিব্বতের সীমান্তে অবস্থিত লোটসে।
- এটির উচ্চতা ৮৫১৬ মিটার।

• ৫ম শীর্ষ পর্বতশৃঙ্গ: মাকালু পর্বত
- নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তে অবস্থিত মাকালু।
- এটির উচ্চতা ৮৪৮৫ মিটার।

উৎস: Worldatlas.
১,৫৮০.
প্রকৃতি অনুযায়ী অভিবাসনকে কয় ভাগে বিভক্ত করা হয়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর:
দুই ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ভাগে
ব্যাখ্যা
• অভিবাসন:
- প্রকৃতি অনুযায়ী অভিবাসনকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা:
১. অবাধ অভিবাসন:
- নিজের ইচ্ছায় বাসস্থান ত্যাগ করে আপন পছন্দমতো স্থানে বসবাস করাকে অবাধ অভিবাসন বলে।
২. বলপূর্বক অভিবাসন:
- প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক চাপের মুখে কিংবা পরোক্ষভাবে অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপ সৃষ্টির ফলে মানুষ বাধ্য হয়ে যে অভিগমন করে তাকে বলপূর্বক অভিবাসন বলে।

• অভিবাসনের কারণসমূহ:
- মানুষ প্রাকৃতিক,
- অর্থনৈতিক,
- রাজনৈতিক ও
- সামাজিক।

উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৮১.
অতিরিক্ত লবণাক্ততার প্রভাব কোনটি?
  1. শহরে বনাঞ্চল বৃদ্ধি
  2. মাছ চাষ বৃদ্ধি
  3. কৃষি জমি নষ্ট হওয়া
  4. শহরে অভিগমন
সঠিক উত্তর:
কৃষি জমি নষ্ট হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি জমি নষ্ট হওয়া
ব্যাখ্যা
লবণাক্ততা (Salinity):
- লবণাক্ততা বলতে মাটি ও পানিতে লবণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে যে অবস্থার সৃষ্টি হয় তাকে বুঝায়।
- সাধারণত লবণাক্ততার মাত্রা পরিমাপ করা হয় Parts Per Thousand বা পিপিটি (PPT) দ্বারা।
সমুদ্রের পানিতে লবণাক্ততার গড় মাত্রা ৩৫পিপিটি অর্থাৎ ১ কিলোগ্রাম পানিতে প্রায় ৩৫ গ্রাম লবণ থাকে।

⇒ লবণাক্ততার প্রভাব -
১. উপকূলীয় অঞ্চলের জমি কৃষিকাজের অনুপযোগী হয়ে উৎপাদন হ্রাস পাওয়া;
২. সুপেয় পানির অভাব দেখা দেওয়া;
৩. উদ্বাস্তু লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি;
৪. সম্পদহানি ও দারিদ্রতা বৃদ্ধি;
৫. বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়া;
৬. ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি;
৭. মিঠা পানির মাছের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস;
৮. গাছপালায় মড়ক লাগা ও ফসলের গোড়া পচে যাওয়া;
৯. সামাজিক বন্ধনে শিথিল হওয়া প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮২.
”বরেন্দ্রভূমি” কোন ভূ-অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত?
  1. প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি
  2. উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাদদেশীয় সমভূমি
  3. টারশিয়ারি পাহাড়ি অঞ্চল
  4. উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি
ব্যাখ্যা
• ভূপ্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূমিকে তিনটি প্রধান ভূ-অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল, প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি ,এবং প্লাবন সমভূমি 
- আনুমানিক ২৫০০০ বছর পূর্বের  সময়কে প্লাইস্টানকাল বলে।
• প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত ভূ-অঞ্চাল হল- লালমাই পাহাড়ি অঞ্চল, বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ভাওয়ালের গড়। 
• টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চলের অন্তর্গত ভূ-অঞ্চল -  উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ।
• প্লাবন সমভূমি অঞ্চলের অন্তর্গত ভূ-অঞ্চল- 
১. রংপুর দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি ।
২. ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নোয়াখালি, কুমিল্লা অঞ্চলের অন্তর্গত বন্যা প্লাবন সমভূমি।
৩. ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, ঢাকা অঞ্চলের অংশ বিশেষ নিয়ে ব-দ্বিপ সমভূমি।
৪. নোয়খালী ও ফেনী নদীর নিম্ন ভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত উপকূলীয় সমভূমি।
৫. খুলনা, পটুয়াখালী অঞ্চল ও বরগুনা জেলার অংশবিশেষ স্রোতজ সমভূমি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৫৮৩.
বাংলাদেশে আবিষ্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র রয়েছে কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

• কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লাক্ষেত্র ৫টি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।

দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• জামালগঞ্জ: জয়পুরহাট, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন:  জিএসবি, ১৯৬২।
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।

১,৫৮৪.
ভূপ্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশ কয় ভাগে বিভক্ত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূপ্রকৃতির প্রভাব অপরিসীম।
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ব-দ্বীপ।
- বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- বাংলাদেশে সামান্য পরিমাণে উচ্চভূমি রয়েছে।
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ। 
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮৫.
জাপানের বৃহত্তম দ্বীপের নাম কী?
  1. হোনশু
  2. কিউসু
  3. সিকো
  4. হোক্কাইডো
সঠিক উত্তর:
হোনশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোনশু
ব্যাখ্যা

হোনশু:
- জাপানের বৃহত্তম দ্বীপের নাম হোনশু।
- এটি জাপান সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝে অবস্থিত।
- রাজধানী টোকিও হোনশু দ্বীপে অবস্থিত।
- হোনশু জাপানের মূল ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য হয়।
- জাপানের বৃহত্তম পর্বত ফুজি এই দ্বীপে অবস্থিত।
- জাপানের সর্ববৃহৎ হ্রদ বিওয়া হনশু দ্বীপে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- প্রশান্ত মহাসাগরের 'রিং অব ফায়ারে'র পশ্চিম প্রান্তে চারটি বড় টেকটোনিক প্লেটের ওপর অবস্থান করায় জাপান বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি।

উৎস: Britannica.

১,৫৮৬.
নিচের কোনটি বায়ুর চাপ নির্ধারণকারী রেখা নির্দেশ করে?
  1. আইসোহাইট রেখা
  2. আইসোবার রেখা
  3. আইসোথার্ম রেখা
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আইসোবার রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার রেখা
ব্যাখ্যা
♣ সমচাপ রেখা (Isober Line):
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানের বায়ুর চাপ নির্ধারণ করে যখন মানচিত্রে প্রকাশ করা হয় তাকে সমচাপ রেখা মানচিত্র এবং রেখাসমূহকে সমচাপ রেখা বলে। 

সমতাপ রেখা (Isotherm line): 
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থান বা দেশের সমান বায়ুতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহকে মানচিত্রের উপর সাবলীল বক্ররেখা দ্বারা সংযুক্ত করে যে মানচিত্র তৈরি করা হয়, তাকে সমতাপ রেখা মানচিত্র বলে এবং সমান রেখাসমূহকে বলা হয় সমতাপ রেখা।

♣ সমবর্ষণ রেখা (Isohyet Line): 
ভূ-পৃষ্ঠের একই পরিমাণ বৃষ্টিপাত বিশিষ্ট স্থানসমূহকে যখন মানচিত্রে রেখা দ্বারা সংযুক্ত করা হয় তখন তাকে বলা হয় সমবর্ষণ রেখা এবং যে মানচিত্রে এ রেখাগুলো দেখানো হয় তাকে সমবর্ষণ রেখা মানচিত্র বলে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮৭.
বাংলাদেশের কোন ঋতুকে স্বতন্ত্র ঋতু বলা হয়?
  1. ক) শরৎ
  2. খ) বর্ষা
  3. গ) বসন্ত
  4. ঘ) বৈশাখ
সঠিক উত্তর:
খ) বর্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বর্ষা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের 'বর্ষাকাল'কে স্বতন্ত্র ঋতু বলা হয়।
- বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস (জ্যৈষ্ঠ - কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল। অর্থাৎ, গ্রীষ্ম ও শীতের মাঝামাঝি বৃষ্টিবহুল সময়কে বর্ষাকাল বা বর্ষা ঋতু বলে।
- বর্ষাকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে আগত জলীয়বাষ্পপূর্ণ মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। এই বায়ু হিমালয় পর্বতে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এই প্রক্রিয়ায় বর্ষাকালে দেশের সারাবছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ বৃষ্টি হয়ে থাকে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণি ও যুগান্তর রিপোর্ট।

১,৫৮৮.
এভারেস্ট শৃঙ্গের তিব্বতী ও চীনা নাম কী কী?
  1. দালাইলামা এবং চিংলু
  2. চোমোলাংমা এবং কোমোলাংমা
  3. কোমোলাংমা এবং চিংলু 
  4. চোমোলাংমা এবং এলবার্গ
সঠিক উত্তর:
চোমোলাংমা এবং কোমোলাংমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোমোলাংমা এবং কোমোলাংমা
ব্যাখ্যা

Chomolungma এবং Qomolangma হলো একটাই তিব্বতী নামের ভিন্ন ইংরেজি রোমানাইজেশন, যার অর্থ "বিশ্বের দেবী মা"।

- চীনারা ডাকে Qomolangma যা হলো চীনা পিনইন (pinyin) এর প্রতিবর্ণকরণ।
- তিব্বতিরা ডাকে Chomolungma (বা Jomolungma) যা হলো সাধারণ ধ্বনিবর্ণনায় ইংরেজিতে লেখা নাম।
- উভয়ই একই শৃঙ্গকে বোঝায়, যা তিব্বতীয় এবং চীনা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যবহৃত হয়।
- একে নেপালীরা Sagarmatha বা সাগর মাতা নামে ডাকে।

• এভারেস্ট শৃঙ্গের নামকরণ:
- ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ব্রিটিশ ভারতের মহান ট্রিগনোমেট্রিক সার্ভে (Great Trigonometric Survey) দার্জিলিং থেকে প্রায় ১৪০ মাইল দূরে এক বিশাল বরফাচ্ছন্ন পর্বতের অবস্থান চিহ্নিত করে।
- প্রথমে এটি "Gamma" নামে এবং পরে ১৮৪৭ সালে "Peak B" নামে ডাকা হয়। পরবর্তীতে পরিমাপ নিশ্চিত করার পর এটিকে "Peak XV" নাম দেওয়া হয়।

- ১৮৫৬ সালে ব্রিটিশরা এই পর্বতের উচ্চতা 29,002 ফুট (8,839.8 মিটার) ঘোষণা করে এবং নামকরণ করে "Mont Everest", যা পরে Mount Everest হিসেবে স্বীকৃত হয়। এটি স্যার জর্জ এভারেস্টের নামানুসারে রাখা হয়েছিল, যিনি ব্রিটিশ সার্ভেয়ার জেনারেলের পদে ছিলেন।

- যদিও স্যার জর্জ এভারেস্ট নিজে চাইতেন স্থানীয় নাম ব্যবহার করা হোক, তখন তিব্বত ও নেপাল বিদেশীদের জন্য বন্ধ থাকায় স্থানীয় নাম নিশ্চিত করা যায়নি।

- ২০ শতকের শুরুতে সুইডিশ অভিযাত্রী Sven Hedin তিব্বতের প্রাচীন নাম Chomolungma উন্মোচন করেন। অর্থাৎ, এভারেস্টের তিব্বতী নাম হলো Chomolungma বা Qomolangma, যার অর্থ "বিশ্বের দেবী মা"। নেপালী নাম হলো Sagarmatha, অর্থ "আকাশের দেবী"।

বর্তমানে, বিশ্বের সর্বাধিক পরিচিত নাম Mount Everest হলেও স্থানীয় নামগুলো এখনও ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও Montana State University [Link]

১,৫৮৯.
সুনামীর কারণ হলো -
  1. ক) সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
  2. খ) ঘূর্ণিঝড়
  3. গ) সমুদ্রের ঢেউ
  4. ঘ) জোয়ার ভাটা
সঠিক উত্তর:
ক) সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর - সমুদ্রতলের ভূমিকম্প।

• সুনামি:
- সুনামির (Tsunami) কারন হলো সমুদ্রতলের ভূমিকম্প।
- সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- এখানে 'tsu' অর্থ বন্দর বা harbour এবং 'nami' অর্থ সামুদ্রিক ঢেউ।
- সুনামির উৎপত্তি সমুদ্রতলে।
- সমুদ্র তলদেশে প্রবল ভূমিকম্প সংঘটিত হলে সমুদরপৃষ্ঠে বিশাল যে ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় তাকে সুনামি বলে।
- সর্বপ্রথম সুনামির কথা লিপিবদ্ধ হয় খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯০.
টারশিয়ারি যুগের অর্ন্তভুক্ত উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ স্থানীয়ভাবে কী নামে পরিচিত?
  1. ক) টিলা
  2. খ) জঙ্গল
  3. গ) পাহাড়
  4. ঘ) উচু ভূমি
সঠিক উত্তর:
ক) টিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টিলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি বর্ণনা
• ভূমির অবস্থা এবং গঠনের সময়ানুক্রমিক দিক হতে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা -
১. টারশিয়ারী যুগের পাহাড়সমূহ,
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান সমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। পাহাড়গুলাে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগােত্রীয়। এ পাহাড়গুলাে বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলােকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
• রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
• দক্ষিণ-পূর্বের এ পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
• বান্দরবানের একটি শৃঙ্গের নাম তাজিনডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১.২৮০ মিটার। এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।।

(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ 
• ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার ৫ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
উত্তরের পাহাড়গুলাে স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
• এগুলাের উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।
• এ পার্বত্য অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ের ঢালে প্রচুর চা উৎপন্ন হয়।  

তথ্যসূত্র: বাণিজ্যিক ভূগোল, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯১.
’মরিস জেসাপ অন্তরীপ’ কোথায় অবস্থিত? 
  1. গ্রিনল্যান্ড
  2. চিলি
  3. ভারত
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

অন্তরীপ:
- ভূপৃষ্ঠের কোন অংশ ক্রমশ সরু হয়ে কোন জল-অংশে প্রবেশ করলে সেই সংকীর্ণ অংশকে অন্তরীপ বলা হয়।
- মরিস জেসাপ অন্তরীপ : গ্রিনল্যান্ড।

এছাড়াও,
- ট্রাফালগার অন্তরীপ : স্পেন
- উত্তমাশা অন্তরীপ : দক্ষিণ আফ্রিকা
- হর্ন অন্তরীপ : চিলি
- গার্দাফুই অন্তরীপ সোমালিয়ায় অবস্থিত।
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

১,৫৯২.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড় কী দ্বারা গঠিত?
  1. গ্রানাইট ও ব্যাসল্ট
  2. বেলেপাথর, শেল ও কর্দম
  3. চুনাপাথর ও মার্বেল
  4. কোয়ার্টজ ও ফেল্ডস্পার
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর, শেল ও কর্দম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর, শেল ও কর্দম
ব্যাখ্যা

ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
- উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
- এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার।
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ন
- বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
- মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৯৩.
নিচের কোন দেশটি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত?
  1. হংকং
  2. মঙ্গোলিয়া
  3. তাইওয়ান
  4. তাজিকিস্তান
সঠিক উত্তর:
তাজিকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজিকিস্তান
ব্যাখ্যা
• মধ্য এশিয়া: 
- মধ্য এশিয়ার দেশ ৫ টি। যথা: 
- কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজিস্তান, তুর্কমেনিস্তান।
==============
- অপরদিকে - 
- হংকং, তাইওয়ান, মঙ্গোলিয়া হচ্ছে পশ্চিম এশিয়ার দেশ।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৫৯৪.
নিম্নের কোথায় ল্যানোস ও প্যাম্পাস তৃণভূমি দেখা যায়?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. পূর্ব ইউরোপ 
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

তৃণভূমি:
- ল্যানোস ও প্যাম্পাস হলো দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত দুটো তৃণভূমির নাম।
- তৃণভূমি হলো ঘাস দ্বারা আচ্ছাদিত সুবিস্তৃত ভূমি। সাধারণত স্বল্প বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে তৃণভূমি গড়ে উঠে।

পৃথিবীর বিখ্যাত কিছু তৃণভূমি:
- প্রেইরি উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত।
- সাভানা আফ্রিকায় অবস্থিত।
- স্টেপ পূর্ব ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত।

সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 

১,৫৯৫.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার মোট দৈর্ঘ্য -
  1. ১৭০ নটিক্যাল মাইল
  2. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২২০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার মোট দৈর্ঘ্য: ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার মোট দৈর্ঘ্য: ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার মোট দৈর্ঘ্য: ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯৬.
সাধারণত কোন অঞ্চলে মেঘ বিস্ফোরণ সবচেয়ে বেশি ঘটে?
  1. সমতল ভূমি
  2. পার্বত্য অঞ্চল
  3. মরুভূমি অঞ্চল
  4. উপকূলীয় অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য অঞ্চল
ব্যাখ্যা

মেঘ বিস্ফোরণ:
- মেঘ বিস্ফোরণের ইংরেজি শব্দ ‘ক্লাউড ব্রাস্ট’। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
​- যখন কোথাও হঠাৎ করে মেঘ জমে যায় এবং এর প্রভাবে খুবই কম সময়ের মধ্যে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয় তখন এটিকে ক্লাউড ব্রাস্ট বলা হয়। 
​- মেঘ বিস্ফোরণ সবচেয়ে বেশি ঘটে পার্বত্য এলাকায়। 
​- কারণ বজ্রঝড়ের উষ্ণ বায়ুপ্রবাহ সাধারণত পাহাড়ি ঢাল বেয়ে উপরে ওঠে।
​- এছাড়া পাহাড়ি অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে পানি গিরিখাত ও উপত্যকায় জমা হয়ে আকস্মিক ও ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে।

​সম্প্রতি, 
- পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায়, ​ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরে মেঘ বিস্ফোরণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়েছে।
​- যা ভয়াবহ প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ডেকে এনেছে।

​​তথ্যসূত্র- ব্রিটানিকা, পত্রিকা প্রতিবেদন।

১,৫৯৭.
ম্যাগমা বা গলিত শিলা ভূ-পৃষ্ঠে অথবা ভূগর্ভে ঠান্ডা হয়ে কঠিন রূপ লাভ করলে তাকে বলা হয়-
  1. ক) স্তরীভূত শিলা
  2. খ) আগ্নেয় শিলা
  3. গ) পাললিক শিলা
  4. ঘ) রূপান্তরিত শিলা
সঠিক উত্তর:
খ) আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা
ম্যাগমা বা গলিত শিলা ভূ-পৃষ্ঠে অথবা ভূগর্ভে ঠান্ডা হয়ে কঠিন রূপ লাভ করলে তাকে আগ্নেয় শিলা বলা হয়। গ্রানাইট, পেগমাটাইট, গ্রানোডায়োরাইট, টোনালাইট, ডায়োরাইট, ডলেরাইট, গ্যাব্রো প্রভৃতি বাংলাদেশের কয়েকটি আগ্নেয় শিলার উদাহরণ। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৫৯৮.
ব্রহ্মপুত্র নদ কোন জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. লালমনিরহাট
  2. কুড়িগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র নদ: 
- হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি। 
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদনদীগুলির একটি। 
- এর অববাহিকা অঞ্চল চীন (তিববত), ভারত ও বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- এরপর ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। 
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে। 
- দক্ষিণপশ্চিম তিব্বতের উৎপত্তি স্থল থেকে ব্রহ্মপুত্রের সর্বমোট দৈর্ঘ্য ২৮৫০ কিমি।
- আসামের হিমালয় অঞ্চলে ব্রহ্মপুত্র দিহাঙ নামে পরিচিত।
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা। 

উল্লেখ্য,
- ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা যমুনা নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৯৯.
'এলিফ্যান্ট পয়েন্ট' কোথায় অবস্থিত?
  1. সুন্দরবন
  2. কক্সবাজার
  3. ভোলা
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• কক্সবাজার জেলা:
- কক্সবাজারের প্রাচীন নাম পালংকী।
- একসময় এটি প্যানোয়া নামে পরিচিত ছিল।
- প্যানোয়া শব্দটির অর্থ ‘হলুদ ফুল’।
- অতীতে কক্সবাজারের আশপাশের এলাকাগুলো হলুদ ফুলে ঝকমক করত।
- 'এলিফ্যান্ট পয়েন্ট' অবস্থিত এ জেলায়।

- এটি চট্টগ্রাম থেকে ১৫৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। 
- ইংরেজ অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স ১৭৯৯ খ্রিঃ এখানে একটি বাজার স্থাপন করেন ।
- কক্স সাহেবের বাজার হতে কক্সবাজার নামের উৎপত্তি ।
- প্রধান নদনদী: মাতামুহুরী, বাঁকখালী, রেজু, কোহালিয়া ও নাফ ।
- প্রধান দ্বীপ: মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া, শাহ্পরীর দ্বীপ, ছেডাঁ দ্বীপ ও সেন্টমার্টিন।

তথ্যসূত্র: কক্সবাজার জেলার ওয়েবসাইট।
১,৬০০.
ভূ-অভ্যন্তরস্থ কোন স্তরটি অত্যধিক তাপ ও চাপে আঠালো অবস্থায় রয়েছে?
  1. গুরুমণ্ডল
  2. অন্তঃস্থ কেন্দ্রমণ্ডল
  3. বহিঃ কেন্দ্রমণ্ডল
  4. অশ্মমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
গুরুমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুমণ্ডল
ব্যাখ্যা
• গুরুমণ্ডল (Mantle):
- অশ্মমণ্ডলের অব্যবহিত পর থেকে ভূ-অভ্যন্তরে প্রায় ২,৮৮৫ কি.মি. পর্যন্ত পুরুত্ব বিশিষ্ট স্তরটিকে গুরুমণ্ডল বলে।
- এই স্তরটির গাঠনিক উপাদানগুলো হলো-সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, কার্বন ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ।
- অত্যধিক তাপ ও চাপে গুরুমণ্ডলের উপাদানগুলো কঠিন ও তরলের মাঝামাঝি আঠালো অবস্থায় রয়েছে।

- গুরুমণ্ডলের প্রধান স্তর দুইটি হলো-
→ (ক) লোহা ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ সিলিকেট খনিজ দ্বারা তৈরি উর্ধ্ব গুরুমণ্ডল (৭০০ কি.মি. বিস্তৃত) এবং
→ (খ) আয়রন অক্সাইড, ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড ও সিলিকন অক্সাইড সমৃদ্ধ নিম্ন গুরুমন্ডল। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।