বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ১৮ / ৭২ · ১,৭০১১,৮০০ / ৭,১৯১

১,৭০১.
ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার মিলনস্থল কোথায়?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. রাজবাড়ি
  3. হবিগঞ্জ
  4. কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন নদীর মিলনস্থল:
ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার মিলনস্থল - চিলমারি (কুড়িগ্রাম),
পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল - গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী),
পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার বিভক্তি হয়েছে - দেওয়ানগঞ্জে,
সুরমা ও কুশিয়ারার মিলনস্থল - আজমিরিগঞ্জ (হবিগঞ্জ),
পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মিলনস্থল - ভৈরববাজার (কিশোরগঞ্জ)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৭০২.
আকাবা কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) মিয়ানমার
  3. গ) জর্দান
  4. ঘ) ইয়েমেন
সঠিক উত্তর:
গ) জর্দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জর্দান
ব্যাখ্যা
আকাবা হলো আকাবা উপসাগরের তীরে অবস্থিত জর্দানের একমাত্র সমুদ্রবন্দর।

অন্যদিকে,
- আকিয়াব (বর্তমান নাম সিত্তে) ও ইয়াঙ্গুন : মিয়ানমারের সমুদ্র বন্দর।
- জেদ্দা ও দাম্মাম : সৌদি আরবের সমুদ্রবন্দর।
- এডেন ও হুদাইদাহ : ইয়েমেনের সমুদ্রবন্দর।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
১,৭০৩.
শিলিগুড়ি করিডোরের উভয় পাশে কোন দেশগুলো অবস্থান করছে?
  1. নেপাল ও ভুটান
  2. বাংলাদেশ ও নেপাল
  3. বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান
  4. পাকিস্তান ও ভুটান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান
ব্যাখ্যা

শিলিগুড়ি করিডোর:
- অবস্থান: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে।
- উদ্দেশ্য: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা।
- বিশেষত্ব: চেহারায় বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো হওয়ায় এটি ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত।
- প্রস্থ: প্রায় ২১–৪০ কিমি।
- ভৌগোলিক সংযোগ: ভারতের একমাত্র অংশ যা চারটি ভিন্ন দেশের সঙ্গে সংযুক্ত।
- সীমান্ত দেশসমূহ: নেপাল, বাংলাদেশ, ভুটান (উত্তরে)।
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় বৃহত্তর বাংলা প্রদেশ বিভক্ত হওয়ার ফলে করিডোরটি সৃষ্টি।
- কৌশলগত গুরুত্ব: সংকীর্ণ করিডোরটির মাধ্যমে নয়াদিল্লি উত্তর–পূর্ব ভারতের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সক্ষম।

উৎস: বিবিসি রিপোর্ট, ব্রিটানিকা।

১,৭০৪.
২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান প্রভাব কী হবে?
  1. বৃষ্টিপাত বন্ধ
  2. চরম তাপপ্রবাহের ঝুঁকি 
  3. সমুদ্রপৃষ্ঠের নিম্নতা
  4. বন্যা
সঠিক উত্তর:
চরম তাপপ্রবাহের ঝুঁকি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চরম তাপপ্রবাহের ঝুঁকি 
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ চরম তাপপ্রবাহের ঝুঁকিতে রয়েছে। 
- বিশেষত হিমালয়ের হিমবাহ গলায় শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাব বাড়বে।
- আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ মানুষ চরম জলবায়ু ঝুঁকির মুখে পড়বে।
- এর প্রভাব উচ্চ তাপমাত্রা, বন্যা, গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন ও কর্মসংস্থানেও দেখা দেবে।
- জাতিসংঘ এবং বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার কোটি কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।-
- জলপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণ কোটি কোটি মানুষের জন্য জল সংকট, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং বাস্তুচ্যুতি সৃষ্টি করবে।
- বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
- IPCC-এর মূল্যায়ন অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ খরায় উদ্বাস্তু হতে পারে। 

উৎস: The Business Standard.[লিঙ্ক]

১,৭০৫.
পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের কত শতাংশ আমাজন উৎপাদিত হয়?
  1. প্রায় ৯ শতাংশ
  2. প্রায় ২০ শতাংশ
  3. প্রায় ৩২ শতাংশ
  4. প্রায় ৪৪ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
আমাজন বনভূমি:
- বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট আমাজন বনভূমি।
- এই বনভূমি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আমাজন প্রায় ২,১২৩,৫৬২ বর্গ মাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- ইওসিন যুগে এই বনের বিকাশ ঘটেছিল।
- আমাজন বনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত নদীটিও আমাজন নদী হিসেবে পরিচিত।

⇒ আমাজন রেইনফরেস্ট ৯টি দেশে বিস্তৃত।
- দেশগুলো হলো: ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা।
- আমাজন বনের ৬৪ শতাংশ অঞ্চল শুধুমাত্র ব্রাজিলেই অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের ২০ শতাংশ উৎপাদিত হয় আমাজন বনে।
- এই কারনে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।

উৎস: i) National Geographic.
ii) World Atlas.
১,৭০৬.
'বরেন্দ্রভূমি' বলতে বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে বোঝনো হয়?
  1. মধুপুর ও ভাওয়াল গড় 
  2. সমতট অঞ্চল
  3. সিলেট অঞ্চল
  4. রাজশাহী অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী অঞ্চল
ব্যাখ্যা

• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৭০৭.
'সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক' কোথায় অবস্থিত?
  1. চকোরিয়া
  2. পতেঙ্গা
  3. টেকনাফ
  4. হাতিয়া
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
ব্যাখ্যা

- কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত।
- লাবনী, হিমছড়ি, ইনানী, সাবরাং ইত্যাদি বিচ কক্সবাজারে অবস্থিত‌।
- কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্র সৈকতের পাড়ের সাবরাং এলাকায় প্রস্তাবিত পর্যটন অঞ্চল হচ্ছে 'সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক'।
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালীতে অবস্থিত।
- পারকী, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত।
উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।

১,৭০৮.
'বগা লেক' কোন জেলায়?
  1. সিলেট
  2. কুমিল্লা
  3. নেত্রকোনা
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

- বগাকাইন হ্রদ বা বগা লেক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার স্বাদু পানির একটি হ্রদ। 
- বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে বগা লেকের  অবস্থান কেওকারাডং পর্বতের গা ঘেষে, রুমা উপজেলায়।

• দেশের অন্যান্য লেকসমূহ হলো:
- কাপ্তাই লেক: রাঙামাটি -
- বগা লেক: বান্দরবান
- মহামায়া লেক: চট্টগ্রাম
- ফয়'স লেক: চট্টগ্রাম
- ভাটিয়ারি লেক: চট্টগ্রাম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৭০৯.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা
  2. ত্রাণ কার্যক্রম বিলম্বিত করা
  3. পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা
  4. ত্রাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
ত্রাণ কার্যক্রম বিলম্বিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রাণ কার্যক্রম বিলম্বিত করা
ব্যাখ্যা
- ত্রাণ কার্যক্রম বিলম্বিত করা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য নয়। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster Management): 

- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় পড়ে- যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম।
- সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের কার্যক্রমকে বোঝায়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য হলো তিনটি:
(ক) দুর্যোগের সময় জীবন, সম্পদ এবং পরিবেশের যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ পৌঁছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৭১০.
নিচের কোন নদী মেঘনার উপনদী?
  1. ডাকাতিয়া
  2. জাঙ্গালিয়া
  3. গোমতী
  4. বংশী
সঠিক উত্তর:
গোমতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোমতী
ব্যাখ্যা
মেঘনা (Meghna):
- ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- সুরমা, কুশিয়ারা ও কালনী নদীর মিলিত প্রবাহ কালনী নামে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জের ভৈরববাজারের নিকট পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে।
- চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে আরও দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- মেঘনার উল্লেখযোগ্য উপনদী হলো মনু, বাউলাই, তিতাস, গোমতী, কাসনি।
- মেঘনার শাখানদী জাঙ্গালিয়া ও ডাকাতিয়া।
- বাংলাদেশের মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন প্রায় ২৯,৭৮৫ বর্গকিলোমিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১১.
নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় আছে?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) বগুড়া
সঠিক উত্তর:
গ) খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ:
- অবস্থান, ভূমির গঠন ও ভূ-তাত্ত্বিক সময়কাল অনুসারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে বলে এগুলোকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলা হয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শ্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অবস্থান:
- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। 

এছাড়াও - 
- কুমিল্লা, রাজশাহী এবং বগুড়ায় আছে প্লাইস্টোসিনকালের পাহাড়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১২.
কোনটি ভারতীয় সেভেন সিস্টার্সভুক্ত অঙ্গরাজ্য নয়?
  1. সিকিম
  2. নাগাল্যান্ড
  3. অরুণাচল
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
সিকিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিকিম
ব্যাখ্যা

সিকিম ভারতীয় সেভেন সিস্টার্সভুক্ত অঙ্গরাজ্য নয়।

সিকিম:

- ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য সিকিম।
- সিকিম পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার পাদদেশে অবস্থিত।
- এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত।
- সিকিমের রাজধানীর নাম গ্যাংটক।
- সিকিম প্রথমে স্বাধীন অঞ্চল হিসেবে থাকলেও বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৯৭৫ সালে ভারতের প্রজাতন্ত্রের অংশ হয়।

উল্লেখ্য,
সেভেন সিস্টার্স:
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: Britannica.

১,৭১৩.
জলবায়ুর তথ্য সাধারণত কত বছরের গড় আবহাওয়ার উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়?
  1. ১০-১৫ বছর
  2. ২০-২৫ বছর
  3. ৩০-৪০ বছর
  4. ৫০-৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০-৪০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০-৪০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও জলবায়ু:
- কোনো দেশের ভৌগোলিক অবস্থান বলতে তার অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশভিত্তিক অবস্থানকে বোঝায়।
- বাংলাদেশ ৮৮° ০১′ থেকে ৯২° ৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের প্রায় মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- তাই বাংলাদেশ ‘ক্রান্তীয় মৌসুমি’ জলবায়ুর দেশ।
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলসীমান্ত ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।

জলবায়ু ও আবহাওয়া:
- জলবায়ু বলতে কোনো অঞ্চলের দীর্ঘ সময়ের গড় আবহাওয়া বোঝায়, সাধারণত এটি ৩০ থেকে ৪০ বছরের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
- অন্যদিকে, আবহাওয়া হলো স্বল্পমেয়াদি বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা, যা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পরিবর্তনশীল হতে পারে।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১৪.
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে কোন খনিজ দ্রব্য বেশি পাওয়া যায়?
  1. চুনাপাথর
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. কয়লা
  4. খনিজ তেল
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ:
- অ্যান্টার্কটিকার বেশিরভাগ অংশই বরফ দ্বারা আবৃত তাই এটি মানুষ বসবাসের অনুপযোগী।
- বিশ্বের প্রায় ৭০% স্বাদু পানির রিজার্ভ সেখানে হিমায়িত রয়েছে।
- সর্বোচ্চ বিন্দু: ভিনসন মাসিফ।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: বেন্টলে স্যাবগ্লাসিয়াল।
- এ মহাদেশের জীবজন্তু: পেঙ্গুইন, তিমি ও সীল।
- এ মহাদেশের প্রধান সম্পদ: পাথর।
- প্রধান খনিজ দ্রব্য: কয়লা।

উল্লেখ্য,
- অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর দক্ষিণতম মহাদেশ।
- অ্যান্টার্কটিক দক্ষিণ মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত।
- এটিতে ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরু রয়েছে।
- এটি পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ। 
- এর আয়তন ১,৩২,০৯,০০০ বর্গ কি.মি.।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। 
১,৭১৫.
বাংলাদেশের গভীরতম নদী কোনটি?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) পদ্মা
  3. গ) মেঘনা
  4. ঘ) মাতামুহুরী
সঠিক উত্তর:
গ) মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেঘনা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম, বৃহত্তম, প্রশস্ত এবং গভীরতম নদী মেঘনা।
- মেঘনা হিমালয় বলয় বহির্ভূত (Non-Himalayan) নদী।
- মেঘনা মূলত সুরমা, ধলেশ্বরী, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও গঙ্গার মিলিত স্রোতধারা।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া; ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৭১৬.
নিচের কোনটি বিষমমন্ডল এর অন্তর্ভূক্ত?
  1. ট্রপোমন্ডল
  2. স্ট্রাটোমন্ডল
  3. এক্সোমন্ডল
  4. মেসোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
এক্সোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সোমন্ডল
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডলের স্তরবিন্যাস:
- ট্রপোমন্ডল।
- স্ট্রাটোমন্ডল।
- মেসোমন্ডল।
• প্রথম ৩ টি স্তর সমমন্ডলের অন্তর্ভূক্ত।
- তাপমন্ডল।
- এক্সোমন্ডল।
• পরবর্তী ২ টি স্তর বিষমমন্ডলের  অন্তর্ভূক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৭১৭.
'ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে'- ঘূর্ণিঝড়ের সময় কত নং বিপদ সংকেতের ক্ষেত্রে লাইনটি প্রযোজ্য নয়?
  1. ৭ নং
  2. ৮ নং
  3. ৯ নং
  4. ১০ নং
সঠিক উত্তর:
৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ নং
ব্যাখ্যা
• সতর্কতা ও বিপদ সংকেত:
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় সতর্কতা ও বিপদ বুঝানোর জন্য ১১টি সংকেত রয়েছে।
- তার মধ্যে প্রথম চারটি সতর্কতা ও স্থানীয় সংকেত। বাকিগুলো বিপদ সংকেত।

• ৭ নং বিপদ সংকেত:
- বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে।
- ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.।
- ঝড়টি বন্দরের উপর বা এর নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

• ৮ নং মহাবিপদ সংকেত:
- বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে।
- ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে।
- প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

• ৯ নং মহাবিপদ সংকেত:
- বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে।
- ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে।
- প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

• ১০ নং মহাবিপদ সংকেত:
- বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে।
- ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি.বা তার বেশি হতে পারে।

উৎস: ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি) ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা।
১,৭১৮.
Which of the following is the third tallest mountain in the world?
  1. ক) Kanchenjunga
  2. খ) K2
  3. গ) Everest
  4. ঘ) None of the above
সঠিক উত্তর:
ক) Kanchenjunga
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Kanchenjunga
ব্যাখ্যা
- Kanchenjunga is the tallest mountain in India.
- It is the third tallest mountain in the world, after Everest and K2.
 
Source: Britannica
১,৭১৯.
বাংলাদেশের মিঠাপানির একমাত্র জলাবন কোথায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট:
- রাতারগুল জলাবন বা রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট এবং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য।
- সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত।

⇒ বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর, আর এর মধ্যে ৫০৪ একর বনকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- সারা পৃথিবীতে স্বাদুপানির জলাবন আছে মাত্র ২২টি।
- ভারতীয় উপমহাদেশে আছে দুটি। একটি শ্রীলংকায়, আরেকটি বাংলাদেশের রাতারগুল।
- সুন্দর বিশাল এ বনের তুলনা চলে একমাত্র আমাজনের সঙ্গে।
- আমাজনের মতো এখানকার গাছ বছরে ৪ থেকে ৭ মাস পানির নিচে থাকে।
- এই বন মূলত প্রাকৃতিক বন হলেও পরবর্তিতে বাংলাদেশ বন বিভাগ, বেত, কদম, হিজল, মুর্তাসহ নানা জাতের জলসহিষ্ণু গাছ লাগিয়েছে।
- এছাড়া জলমগ্ন এই বনে রয়েছে হিজল, করচ আর বরুণ গাছ, আছে পিঠালি, অর্জুন, ছাতিম, গুটি জাম, আছে বট গাছও।
- এই বনে সাপের আবাস অনেক বেশি। এছাড়া রয়েছে বানর, গুঁইসাপ, সাদা বক, কানা বক, মাছরাঙ্গা, টিয়া, বুলবুলি, পানকৌড়ি, ঢুপি, ঘুঘু, চিল এবং বাজপাখি।

উৎস: সিলেট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
১,৭২০.
কোন দেশ ঘূর্ণিঝড় 'মোখা'র নামকরণ করে?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) ভারত
  3. গ) মিয়ানমার
  4. ঘ) ইয়েমেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
 ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা':
- আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা (World Meteorological Organization) পাঁচটি বিশেষ আঞ্চলিক আবহাওয়া সংস্থার (আরএসএমসি) সঙ্গে সমন্বয় করে ২০০৪ সাল থেকে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করেছে।
- আরএসএমসি তার সদস্যদেশগুলোর কাছ থেকে নামের তালিকা চেয়ে থাকে।
- ঘূর্ণিঝড় 'মোখা' এর নামকরণ করে 'ইয়েমেন'।
- মোখা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলে একটি বন্দর শহর।
- ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ ১৪ মে, ২০২৩ তারিখে স্থানীয় সময় বেলা ৩টার দিকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের উপকূলে আঘাত হানে।

উৎস: i) ১১ মে, ২০২৩, প্রথম আলো।
          ii) ১৫ মে, ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৭২১.
নীল নদের উৎপত্তির স্থান কোনটি?
  1. বৈকাল হ্রদ
  2. লেক ভিক্টোরিয়া
  3. আল্পস পর্বতমালা
  4. মালাউই হ্রদ
সঠিক উত্তর:
লেক ভিক্টোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেক ভিক্টোরিয়া
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- অবস্থান: আফ্রিকা মহাদেশে।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- এর দৈর্ঘ্য: ৬৬৫০ কি.মি।
- নীল নদের উৎস: লেক ভিক্টোরিয়া।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত:
• সাদা নীল।
• নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
১,৭২২.
নীল নদ কয়টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. ১০ টি
  2. ১১ টি
  3. ৯ টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
• নীল নদ:
- নীল নদীকে আফ্রিকার "পিতামহ" হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- এবং এটি আফ্রিকা ও বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত।
- তবে, কিছু গবেষক দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদীকে বিশ্বের দীর্ঘতম নদী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- আফ্রিকার মোট ভূমির প্রায় ১০%।
- এই নদী ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- কেনিয়া, উগান্ডা, তানজানিয়া, মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইথিওপিয়া, রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো এবং ইরিত্রিয়া

→ উৎস ও প্রধান শাখা:
- নীল নদ দুটি প্রধান শাখা নিয়ে গঠিত:​
• হোয়াইট নাইল (White Nile):
- এটি রুয়ান্ডা ও বুরুন্ডির উচ্চভূমি থেকে উৎপন্ন হয়।​
• ব্লু নাইল (Blue Nile):
- এটি ইথিওপিয়ার লেক তানা থেকে উৎপন্ন হয়।​
- এই দুটি শাখা খার্তুমে মিলিত হয়ে নীল নদ গঠন করে।
- যা মিশরের নীল ডেল্টার মাধ্যমে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়।

উৎস: World Atlas.
১,৭২৩.
'হর্ন অফ আফ্রিকা' অঞ্চলে কোন দেশটি অবস্থিত নয়? 
  1. ইথিওপিয়া
  2. সোমালিয়া
  3. ইরিত্রিয়া
  4. নাইজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
নাইজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

- 'হর্ন অফ আফ্রিকা' অঞ্চলে অবস্থিত নয় নাইজেরিয়া। 

​হর্ন অব আফ্রিকা:
১। ইরিত্রিয়া
২। সোমালিয়া
৩। জিবুতি এবং
৪। ইথিওপিয়া।
​- এই অঞ্চল ভৌগোলিকভাবে আফ্রিকার শৃঙ্গাকৃতি প্রান্তে অবস্থিত বলে একে "হর্ন অফ আফ্রিকা" বলা হয়।  

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস & ব্রিটানিকা।

১,৭২৪.
নিচের কোনটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্তিত?
  1. বারমুডা
  2. সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
  3. মালাগাছি
  4. দিয়াগো গার্সিয়া
সঠিক উত্তর:
সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগর:
- পাপুয়া নিউ গিনি, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, পালাউ, নাউরু, তাহিতি, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্তিত।

এছাড়াও, 
ভারত মহাসাগর:
- মাদাগাস্কার, সিসিলি, মরিশাস, দিয়াগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর, মালাগাছি ইত্যাদি ভারত মহাসাগরে অবস্তিত।

আটলান্টিক মহাসাগর:
- যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কিউবা ইত্যাদি আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্তিত।

সূত্র: Britannica.
১,৭২৫.
মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. জয়পুরহাট
  2. বগুড়া
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।

কঠিন শিলা (Hard Rock):
- পাললিক শিলা থেকে পৃথক এবং সাধারণভাবে শক্ত, ঘন, কেলাসিত আগ্নেয় অথবা রূপান্তরিত শিলাকে কঠিন শিলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।
- আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৭৪।
- গভীরতা: ১২৮ মিটার।
- মজুদ: ১৭১ মেট্রিক টন।

সূত্র: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।

১,৭২৬.
বিশ্বের ক্ষুদ্রতম সাগর কোনটি?
  1. দক্ষিণ চীন সাগর
  2. মারমারা সাগর
  3. বাল্টিক সাগর
  4. কৃষ্ণ সাগর
সঠিক উত্তর:
মারমারা সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমারা সাগর
ব্যাখ্যা
মারমারা সাগর:
- পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম সাগর হলো মারমারা সাগর।
- এটি মাত্র ১৭৫ মাইল (২৮০ কিমি) দীর্ঘ এবং প্রায় ৫০ মাইল (৮০ কিমি) প্রশস্ত।
- মোট ভূপৃষ্ঠের আয়তন মাত্র ৪৩৮২ বর্গ মাইল (১১৩৫০ বর্গ কিমি)।
- এর গড় গভীরতা ১৬২০ ফুট (৪৯৪ মিটার) এবং কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৪৪৪৬ ফুট (১৩৫৫ মিটার) গভীরতা।
- এটি তুরস্কে অবস্থিত.
- মারমারা সাগর বসফরাস প্রণালি ও দার্দানেলিস প্রনালীর মাধ্যমে কৃষ্ণসাগর ও এজিয়ান সাগরের সাথে যুক্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর বৃহত্তম সমুদ্র হলো দক্ষিণ চীন সাগর প্রায় ৩,৫০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। এটি চীন, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ভিয়েতনাম সীমান্তে অবস্থিত।

উৎস: i) Guinness World Records ওয়েবসাইট। [link]
ii) Britannica. 
১,৭২৭.
বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়-
  1. ক) জকিগঞ্জে
  2. খ) হরিপুরে
  3. গ) মনতলায়
  4. ঘ) বরকলে
সঠিক উত্তর:
খ) হরিপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হরিপুরে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের দুটি খনিজ তেলক্ষেত্র রয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্রটি হরিপুর তেলক্ষেত্র। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে। ১৯৮৭ সালে তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৪ সাল থেকে তেল উৎপাদনে স্থগিত হয়ে যায়।

উৎস: সিলেট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

১,৭২৮.
'বরেন্দ্রভূমি' কোন ভূতাত্ত্বিক কালের সোপান?
  1. প্লাইস্টোসিন
  2. টারশিয়ারি
  3. মায়োসিন
  4. সাম্প্রতিককালের প্লাবন
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিন
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্রভূমি:
​- বরেন্দ্রভূমি হলো প্লাইস্টোসিন (Pliostocene) কালের সোপান। এটি প্লাইস্টোসিন যুগের পুরোনো পলল দ্বারা গঠিত।
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

⇒ ​প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে। এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

​• - ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

​উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭২৯.
বিশ্বব্যাংক এর মতে, বাংলাদেশ বৈশ্বিক উষ্ণায়ণের কোন ঝুঁকিতে রয়েছে?
  1. ঝড়
  2. বন্যা
  3. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
  4. উল্লিখিত সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোতে
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন:
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে। 
- এগুলো হলো: মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের। 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ।

বৈশ্বিক ঝুঁকিতে থাকা পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ১২টি করে দেশের তালিকা:
⇒ বন্যা: - বাংলাদেশ, চীন, ভারত, কম্বোডিয়া, মোজাম্বিক, লাওস, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বেনিন, রুয়ান্ডা।
⇒ ঝড়:- ফিলিপাইন, বাংলাদেশ, মাদাগাস্কার, ভিয়েতনাম, মলডোভা, মঙ্গোলিয়া, হাইতি, সামোয়া, টোঙ্গা, চীন, হন্ডুরাস, ফিজি।
⇒ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি:- সব নিচু দ্বীপদেশ, ভিয়েতনাম, মিসর, তিউনিসিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মৌরিতানিয়া, মেক্সিকো, চীন, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, সেনেগাল, লিবিয়া।
⇒ মরুকরণ:- মালাউয়ি, ইথিওপিয়া, জিম্বাবুয়ে, ভারত, মোজাম্বিক, নাইজার, মৌরিতানিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদান, শাদ, কেনিয়া, ইরান।
⇒ কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা:- সুদান, সেনেগাল, জিম্বাবুয়ে, মালি, জাম্বিয়া, নাইজার, মরক্কো, ভারত, মালাউয়ি, আলজেরিয়া, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৭৩০.
মাটির উপাদান কয়টি?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪টি
ব্যাখ্যা
মাটির প্রধান উপাদান ৪টি। যথা - খনিজ পদার্র্থ, জৈব পদার্থ, পানি ও বায়ু।
বাংলাদেশ মৃত্তিকা গবেষণা ইনিস্টিটিউট - ঢাকা।
‘হোয়াইট ক্লে’- নেত্রকোনার বিজয়পুরে প্রাপ্ত সাদা রঙের একধরনের উষ্ণ মাটি।
হিউমাস হলো একধরনের জৈব সার যা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
বাংলাদেশে পীট মাটি দেখতে পাওয়া যায়- ফরিদপুরে।
১,৭৩১.
চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালীর জলবায়ুকে কেমন জলবায়ু বলা হয়?
  1. নিয়তভাবাপন্ন
  2. ক্রান্তীয়ভাবাপন্ন
  3. চরমভাবাপন্ন
  4. মৃদুভাবাপন্ন
সঠিক উত্তর:
মৃদুভাবাপন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃদুভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা
• মৃদুভাবাপন্ন:
- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে।
- যেমন: কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন।
- সমুদ্র নিকটবর্তী জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন বা মৃদুভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।

• অন্যদিকে -
- সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য না হলেও সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়।
- এ কারণে সমুদ্রের দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়।
- স্থলভাগের চেয়ে জলভাগ অনেক ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়।
- কারণ পানির আপেক্ষিক তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি।
- সৌরতাপ ভূমি অপেক্ষা সমুদ্রের অনেক গভীরে প্রবেশ করে তাপ বিস্তার করে।
- এ কারণেই অনেক দীর্ঘ সময়ে সমুদ্র উত্তপ্ত হয়।
- তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে সমুদ্র পুনরায় ধীরে ধীরে তাপ হারায় যা ভূমির ক্ষেত্রে আরও দ্রুত হয়।
- ফলে সমুদ্র ঠান্ডা হতেও দীর্ঘ সময় লাগে।
- মূলত এ কারণেই গ্রীষ্মকালে উপকূলীয় এলাকা ভূ-ভাগের অভ্যন্তরের তুলনায় শীতল হয় এবং শীতকালে তুলনামূলকভাবে উষ্ণ থাকে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৩২.
নদীখাতের দুই তীরের মধ্যবর্তী দূরত্বকে কী বলা হয়?
  1. গভীরতা
  2. প্রস্থ
  3. ঢাল
  4. সীমানা
সঠিক উত্তর:
প্রস্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্থ
ব্যাখ্যা
প্রতিটি নদী একটি খাতে প্রবাহিত হয়ে এবং এ প্রবাহ নিম্নোক্ত নিয়ম বা বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়।
যেমন- নদীর প্রস্থ ,গভীরতা, ঢাল, বেগ ও পানির ধারণকৃত অংশের সীমানা দ্বারা প্রভাবিত।
১. প্রস্থ : নদীখাতের দুই তীরের মধ্যবর্তী দূরত্ব। এটি মিটারে প্রকাশ করা হয়।
২. গভীরতা : একটি নদীখাতের তলদেশ থেকে খাড়াভাবে পানির ওপর পর্যন্ত দূরত্ব, যা মিটারে প্রকাশ করা হয়।
৩. ঢাল : অনুভূমিক ও নদীতলের কৌণিক অবস্থান।
৪. বেগ : নদীখাতে যে গতিতে পানি প্রবাহিত হয় তাকে বেগ বলে। নদীর বেগ উপরিভাগে সবচেয়ে বেশি এবং দুই তীর ও তল বরাবর ঘর্ষণের কারণে কম হয়।
৫. পানির ধারণকৃত অংশের সীমানা : নদীখাত এবং পানির সংযােগরেখার দৈর্ঘ্য।

উৎস: ব্যাচেলর অফ এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৩৩.
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান- 
  1. মনাকষা
  2. আখাইনঠং
  3. ছেঁড়া দ্বীপ
  4. বাংলাবান্ধা
সঠিক উত্তর:
ছেঁড়া দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছেঁড়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান - বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা: তেঁতুলিয়া
-জেলা: পঞ্চগড়।
- সর্ব দক্ষিণের স্থান: ছেঁড়া দ্বীপ/সেন্টমার্টিন।
- উপজেলা: টেকনাফ
-জেলা: কক্সবাজার
- সর্বপশ্চিমের:- স্থান: মনাকষা।
- উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- জেলা: চাপাইনবাবগঞ্জ।
- সর্বপূর্বের স্থান : আখাইনঠং।
- উপজেলা: থানচি।
- জেলা: বান্দরবান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৭৩৪.
‘পার্পল লাইন' কোন দুই দেশের যুদ্ধবিরতি রেখা?
  1. ফ্রান্স ও জার্মানি
  2. সিরিয়া ও ইসরাইল
  3. ইসরাইল ও লেবানন
  4. মিশর ও জর্ডান
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া ও ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া ও ইসরাইল
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- ১১৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি মালভূমি যা গোলান পর্বতমালার অংশ।
- এটি সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- পরবর্তীতে, ১৯৭৩ সালে চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি ফেরত দেয়।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

অন্যদিকে -
- সিগফ্রিড লাইন ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা।
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।
- গ্রিন লাইন ইসরাইল ও তার পার্শ্ববর্তী দেশ (ইজিপ্ট, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়া) এর মধ্যে অবস্থিত সীমারেখা। 

উৎস: Britannica.
১,৭৩৫.
আন্দিজ পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
  1. কিলিমাঞ্জারো
  2. ডেনালি
  3. আকনকাগুয়া
  4. এভারেস্ট
সঠিক উত্তর:
আকনকাগুয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকনকাগুয়া
ব্যাখ্যা

আন্দিজ পর্বতমালা: 
- আন্দিজ পর্বতমালা দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম প্রান্তজুড়ে বিস্তৃত বিশ্বের দীর্ঘতম পর্বতমালা।
- এটি ভেনেজুয়েলা থেকে শুরু করে চিলি ও আর্জেন্টিনা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- আন্দিজ পর্বতমালার মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৮,৯০০ কিলোমিটার।
- এই পর্বতমালা একটি নবীন ভাঁজ পর্বতমালার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
- আন্দিজ পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো আকনকাগুয়া।
- আকনকাগুয়া শৃঙ্গের উচ্চতা প্রায় ৬,৯৫৯ মিটার।
- আকনকাগুয়া দক্ষিণ ও পশ্চিম গোলার্ধের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- আন্দিজ পর্বতমালা নাজকা প্লেট ও দক্ষিণ আমেরিকান প্লেটের সংঘর্ষে গঠিত।
- এই পর্বতমালায় বহু সক্রিয় ও নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে।
- আন্দিজ অঞ্চলে আল্টিপ্লানো নামক বিখ্যাত উচ্চ মালভূমি অবস্থিত।
- আমাজন নদী ব্যবস্থার বহু গুরুত্বপূর্ণ উৎস আন্দিজ পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৭৩৬.
ইংলিশ চ্যানেল ও উত্তর সাগরকে সংযুক্ত করেছে কোন প্রণালি?
  1. ক) ডোভার প্রণালি
  2. খ) জিব্রাল্টার প্রণালি
  3. গ) কার্চ প্রণালি
  4. ঘ) পক প্রণালি
সঠিক উত্তর:
ক) ডোভার প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডোভার প্রণালি
ব্যাখ্যা
- ডোভার প্রণালি ইংলিশ চ্যানেল ও উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে এবং ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যকে পৃথক রেছে।
- পক প্রণালি বঙ্গোপসাগরকে পক উপসাগরের সাথে যুক্ত করেছে এবং ভারত ও শ্রীলংকাকে পৃথক করেছে।
- কার্চ প্রণালি অ্যাজব সাগর ও কৃষ্ণসাগরকে যুক্ত করেছে এবং রাশিয়া থেকে ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে পৃথক করেছে।
-  জিব্রাল্টার প্রণালি ভূমধ্যসাগর ও উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র:- ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
১,৭৩৭.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্ভূক্ত?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) টাঙ্গাইল
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
• আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলা হয়।
• এ অঞ্চলের মাটির রং লালচে ও ধূসর হওয়ায় অন্যান্য অঞ্চলের মাটি হতে সহজেই পৃথক করা যায়। দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় এর অন্তর্ভুক্ত।
• প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান বা উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। নিম্নে প্লাইস্টোসিনকালের এসব সোপান বর্ণনা করা হলো:- 

বরেন্দ্রভূমি 
রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের রংপুর, গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। এটি বঙ্গ অববাহিকায় স্নাইস্টোসিনকালের সর্ববৃহৎ উচ্চভূমি। প্লাবন সমভূমি থেকে বরেন্দ্রভূমির গড় উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ অঞ্চলের মৃত্তিকা অসমতল। বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ উচ্চভূমি কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে। ধান এখানকার প্রধান কৃষিজ ফসল। এছাড়া পাট, ভু্ট্টা প্রভৃতি উৎপন্ন হয়।

মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
উত্তরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র হতে দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদী পর্যন্ত এ উচ্চভূমি বিস্তৃত। এ অঞ্চলটি টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে গঠিত। এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। এটি প্লাইস্টোসিনকালের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চভূমি। এখানকার মাটি লালচে এবং কংকরময় বলে কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়। তবে প্রচুর পরিমাণে আনারস উৎপন্ন হয়। বনজঙ্গলে পরিপূর্ণ এ উচ্চভূমি গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র। এজন্য এটি গজারী বৃক্ষের বনভূমি হিসেবেও পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৩৮.
CDMP প্রধানত কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. জলাভূমি সংরক্ষণ
  2. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  3. করোনা মহামারি
  4. দুর্নীতি প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
CDMP (Comprehensive Disaster Management Programme) বা সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি হলো বাংলাদেশ সরকার গৃহীত একটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মডেল।
এটি ২০০৪ সালে গৃহীত হয়।

(তথ্যসূত্র: দুর্যোগকোষ : ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়)
১,৭৩৯.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের প্রথম ধাপ কোনটি?
  1. সাড়াদান
  2. পুনরুদ্ধার
  3. প্রতিরোধ
  4. উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের প্রথম ধাপ হল প্রতিরোধ (Prevention)।
- এই ধাপের উদ্দেশ্য হল দুর্যোগের আগমনের পূর্বে তার প্রভাব কমানো এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা।
- যদিও প্রাকৃতিক দুর্যোগ পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে দুর্যোগের ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর জন্য কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।
এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:
বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত: বন্যা বা সমুদ্রের পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে।
আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ: মানুষকে নিরাপদে রাখার জন্য।
মজবুত ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ: দুর্যোগের সময় কম ক্ষতি সৃষ্টির জন্য ঘরবাড়ি ও স্কুলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
নদী খনন: বন্যা বা অন্যান্য জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমানোর জন্য।



তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৪০.
এশিয়া ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে -
  1. লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল
  2. ভূমধ্যসাগর ও জিব্রাল্টার
  3. আরব সাগর ও সুয়েজ খাল
  4. লোহিত সাগর ও বসফরাস
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা
- এশিয়া ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল। 

লোহিত সাগর:

- রেড সি (লোহিত সাগর) হল এক সংকীর্ণ জলপ্রবাহ যা মিশরের সুয়েজ (Suez) থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রায় ১,২০০ মাইল (১,৯৩০ কিমি) বিস্তৃত হয়ে বাব এল-মানদেব প্রণালী পর্যন্ত গিয়েছে।
- বাব এল-মানদেব প্রণালী আডেন উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।
- ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে সুয়েজ ও আকাবা উপসাগর (Elat) রেড সি-এর উত্তরাংশের সম্প্রসারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এটি আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশকে পৃথক করেছে।
- লোহিত সাগর এর অবস্থান: পশ্চিমে রয়েছে: মিশর, সুদান, ও ইরিত্রিয়া, পূর্বে রয়েছে: সৌদি আরব ও ইয়েমেন। 
- সর্বোচ্চ প্রস্থ: ১৯০ মাইল
- সর্বোচ্চ গভীরতা: ৯,৯৭৪ ফুট (৩,০৪০ মিটার)
- মোট আয়তন: প্রায় ১,৭৪,০০০ বর্গমাইল (৪,৫০,০০০ বর্গকিমি)

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল হল একটি সমুদ্র-পৃষ্ঠ বরাবর খনন করা জলপথ, যা মিশরের সুয়েজ ভূখণ্ডের (Isthmus of Suez) উপর দিয়ে উত্তর-দক্ষিণমুখী পথে চলে গেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ভূমধ্যসাগর ও রেড সি (লোহিত সাগর)-কে সংযুক্ত করেছে।
- এটি আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশকে আলাদা করেছে।
- এটি ইউরোপ ও ভারত ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সমুদ্রপথ সরবরাহ করে।
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যস্ত জাহাজ চলাচলের পথগুলোর একটি।
- খালটির দৈর্ঘ্য ও পথ:
- মোট দৈর্ঘ্য: ১৯৩ কিমি (১২০ মাইল)
- উত্তর প্রান্তে এবং দক্ষিণ প্রান্তে ড্রেজ করা অ্যাপ্রোচ চ্যানেল রয়েছে, যা খালটিকে দুই প্রান্তের সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

উৎস: Britannica.
১,৭৪১.
কোন নির্দিষ্ট উষ্ণতায় বায়ু যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে সেই পরিমাণ জলীয়বাষ্প বায়ুতে থাকলে তাকে কী বায়ু বলে?
  1. পরিপৃক্ত বায়ু
  2. শুষ্ক বায়ু
  3. আর্দ্র বায়ু
  4. অসম্পৃক্ত বায়ু
সঠিক উত্তর:
পরিপৃক্ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিপৃক্ত বায়ু
ব্যাখ্যা
- কোন নির্দিষ্ট উষ্ণতায় বায়ু যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে সেই পরিমাণ জলীয়বাষ্প বায়ুতে থাকলে বায়ু আর জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে না। তখন এই বায়ুতে পরিপৃক্ত বা সম্পৃক্ত বায়ু বলে।
- যে বায়ুতে জলীয়বাষ্প থাকে না তাকে শুষ্ক বায়ু বলে।
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ুকে আর্দ্র বায়ু বলা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৭৪২.
বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় স্তরে?
  1. ট্রপোবিরতিতে
  2. স্ট্রাটোবিরতিতে
  3. মেসোবিরতিতে
  4. আয়নমন্ডলে
সঠিক উত্তর:
আয়নমন্ডলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নমন্ডলে
ব্যাখ্যা

তাপমণ্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ৮০ কিলোমিটার ঊর্ধ্বসীমা থেকে অর্থাৎ মেসোবিরতি থেকে তাপমন্ডলের শুরু।
- এ স্তরের উপরের সীমা ৫০০ কি.মি পর্যন্ত।
- এখানে বায়ুমন্ডল অত্যন্ত হালকা এবং বায়ুচাপ ক্ষীণ।
- তাপমন্ডলের ১০০ থেকে ৩০০ কি.মি উচ্চতায় অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন পরমাণু অত্যন্ত ছোট তরঙ্গমাপের সৌরশক্তি শোষণ
করায় উষ্ণতা প্রায় ১০০০০ সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
- তাপমন্ডলে আয়নিত এ অংশ আয়নমন্ডল নামে পরিচিত। 
- আয়নমন্ডল মূলত মেসোমন্ডলের ঊর্ধ্বাংশ থেকে তাপমন্ডলের নিম্নাংশ (৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার) পর্যন্ত সম্প্রসারিত।
- আয়নমন্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৪৩.
ওয়ার্ল্ড মেটেরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (WMO) মতে, বৈশ্বিক গড়ের প্রায় দ্বিগুণ হারে উষ্ণায়ন হচ্ছে কোন মহাদেশ বা অঞ্চল? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. আফ্রিকা মহাদেশ
  2. এশিয়া মহাদেশ
  3. ইউরোপ মহাদেশ
  4. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ
সঠিক উত্তর:
এশিয়া মহাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া মহাদেশ
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে এশিয়া মহাদেশ বৈশ্বিক গড় হারের প্রায় দ্বিগুণ উষ্ণ হচ্ছে।
- ২০২৪ সাল ছিল এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ অথবা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উষ্ণ বছর।
- এ সময়ে দীর্ঘমেয়াদি তাপপ্রবাহ এবং ভয়াবহ সমুদ্র তাপমাত্রার কারণে এ অঞ্চলের অর্থনীতি, বাস্তুতন্ত্র ও সমাজে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
- এশিয়ায় ভূমির পরিমাণ বিশাল এবং তা আর্কটিক পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় উষ্ণতা বৃদ্ধির হারও বেশি।
- স্থলভাগে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার সাধারণত সমুদ্রের চেয়ে বেশি হয়, ফলে মহাদেশটি দ্বিগুণ হারে উত্তপ্ত হচ্ছে।
- ২০২৪ সালে এশিয়ার সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা ছিল রেকর্ড পরিমাণ।
- এ সময় সমুদ্রপৃষ্ঠ প্রতি দশকে ০.২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে বেড়েছে, যা বৈশ্বিক গড়ের প্রায় দ্বিগুণ।
- বিশেষ করে উত্তর ভারত মহাসাগর ও পূর্ব চীন সাগরসহ সমুদ্রের বিস্তীর্ণ অংশে এই উষ্ণতা লক্ষ করা গেছে।
- এতে উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড মেটোরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন।[লিঙ্ক]

১,৭৪৪.
ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ কোন কোন প্লেটের সীমানার কাছে অবস্থিত?
  1. ইন্ডিয়ান ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেট
  2. অস্ট্রেলিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেট
  3. ইন্ডিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেট
  4. বার্মিজ ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেট
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ভূমিকম্পের কারণ: 
- ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ ইন্ডিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেটের সীমানার কাছে অবস্থিত।
- এ কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।
- ভূমিরূণ ও ভূঅভ্যন্তরীণ কাঠামোগত কারণে বাংলাদেশে ভূআলোড়নজনিত শক্তি কার্যকর এবং এর ফলে এখানে ভূমিকম্প হয়।
- মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক কারণে দেশের কিছু অংশ দেবে যাচ্ছে আবার কিছু অংশ কেঁপে উঠে যাচ্ছে।
- এভাবে ভূস্ফীতির ফলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বাড়ছে। পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিকম্পের কারণে ফাটলের সৃষ্টি হয়।
- ভূমিরূপজনিত কারণেও ভূমিকম্পের সম্ভাবনা দেখা দেয়।
- পাহাড়কাটাসহ মানবসৃষ্ট কারণে বাংলাদেশে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৭৪৫.
পারস্য উপসাগরের দীর্ঘতম উপকূলরেখা রয়েছে কোন দেশের সাথে?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. বাহরাইন
  4. কুয়েত 
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

পারস্য উপসাগর :
- ভূমধ্যসাগরীয় সমুদ্র পারস্য উপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ।
- পারস্য উপসাগর কয়েকটি দেশ দ্বারা বেষ্টিত, যার মধ্যে উত্তরে ইরান, এবং উত্তর-পশ্চিমে বাহরাইন, ইরাক এবং কুয়েত রয়েছে।
- দক্ষিণে, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, অবস্থিত।
- এর উপকুলরেখা প্রায় ৫,১১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- পারস্য উপসাগরের দীর্ঘতম উপকূলরেখা (১,৫৩৬ কিলোমিটার) রয়েছে ইরানের সাথে।

উল্লেখ্য,
- এটি পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি ওমান উপসাগরের একটি সম্প্রসারিত অংশ এবং পূর্বে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত।
- পারস্য উপসাগরকে আরব উপসাগর বা ইরান উপসাগরও বলা হয়।
- এটির আয়তন প্রায় ২,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সর্বোচ্চ গভীরতা ৯০ মিটার
- এর গড় গভীরতা ৫০ মিটার।

 উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,৭৪৬.
গভীর সমুদ্রখাতের গড় গভীরতা সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে কত মিটার?
  1. ক) ৫,১০০ মিটারের অধিক
  2. খ) ৫,২০০ মিটারের অধিক
  3. গ) ৫,৪০০ মিটারের অধিক
  4. ঘ) ৫,৫০০ মিটারের অধিক
সঠিক উত্তর:
গ) ৫,৪০০ মিটারের অধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫,৪০০ মিটারের অধিক
ব্যাখ্যা
• গভীর সমুদ্রখাত :
- মহাসাগরের তলদেশে বিভিন্ন স্থানে গভীর খাত থাকে। এইগুলিকে গভীর সমুদ্রখাত বলে।
- গভীর সমুদ্র খাতগুলো সাধারণত আগ্নেয়গিরি, ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অধিক দেখতে পাওয়া যায়।
- গভীর সমুদ্র খাতের গড় গভীরতা সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে ৫,৪০০ মিটারের অধিক।
- সমুদ্রতলে মোট সাতান্নটি গভীর সমুদ্রখাত রয়েছে।
- প্রশান্ত মহাসাগরেই গভীর সমুদ্রখাতের সংখ্যা অধিক।
- নিউগিনির উত্তর দিকে অবস্থিত প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাত পৃথিবীর মধ্যে গভীরতম সমুদ্র খাত এর গড় গভীরতা প্রায় ১০,৮৭০ মিটার।
- আটলান্টিক মহাসাগরের পোর্টোরিকো খাত (৮,৫৩৮ মিটার) উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৪৭.
নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত -
  1. নরওয়ে
  2. ডেনমার্ক
  3. সুইডেন
  4. বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
ব্যাখ্যা

নরওয়ে:
- নরওয়ে ইউরোপের বৃহত্তম দেশগুলির মধ্যে একটি।
- দেশটির আয়তন .৩৮৪,৪৮৩ বর্গ কিমি।
- এর রাজধানী: অসলো।
- মুদ্রা: নরওয়েজিয়ান ক্রোন।
- নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত নরওয়ে।
- উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত হওয়ায় মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত এখানে সূর্য পুরোপুরি অস্তমিত হয় না।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৭৪৮.
বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি -
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
  2. সিলেট বনাঞ্চল
  3. মধুপুর বনাঞ্চল
  4. ভাওয়াল বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল।
- দেশের মোট বনভূমির ৪০ শতাংশ রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে।
- সারা দেশে যে পরিমাণে বৃক্ষ বেড়েছে, তার ৭৮ শতাংশ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে। 
- বৃক্ষের বেশির ভাগই প্রাকৃতিক বন কেটে ও কৃষিজমিতে রোপণ করা ফলবাগান ও কাঠবাগান।
- দেশের মোট বনভূমি ও জীববৈচিত্র্যের বড় অংশ রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামে।
- হাতি, চিতাসহ দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী সেখানে এখনো বাস করে।

তথ্যসুত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২২ মার্চ ২০২২।
১,৭৪৯.
এঞ্জেল জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জিম্বাবুয়ে
  3. আর্জেন্টিনা 
  4. ভেনিজুয়েলা
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
ব্যাখ্যা
এঞ্জেল জলপ্রপাত:
- অবস্থান: বলিভার রাজ্য, ভেলিজুয়েলা। 
- উচ্চতা: পৃথিবীর সর্বোচ্চ জলপ্রপাত, ৩,২১২ ফুট (৯৭৯ মিটার) উচ্চতা।
- প্রশস্ততা: ৫০০ ফুট (১৫০ মিটার) প্রস্থ।
- ভেনেজুয়েলার রিও কারোনি নদীর উপর অবস্থিত । 
 - বিশেষত্ব: পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত।
- আমেরিকান অভিযাত্রিক জেমস অ্যাঞ্জেল ১৯৩০ সালে বহিরাগত হিসেবে এটি প্রথম দেখতে পান।
- নতুন নাম: ২০০৯ সালে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো চাভেজ আদিবাসী ভাষায় "কেরেপাকুপাই মেরু" নামকরণের প্রস্তাব দেন।
- অবস্থান: কানাইমা ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১,৭৫০.
গ্রীনহাউস গ্যাস কোনগুলো?
  1. নাইট্রোজেন ও পানি
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন
  3. পানি ও তাপ
  4. অক্সিজেন ও ধূলিকণা
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন
ব্যাখ্যা
গ্রীনহাউস গ্যাস:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warning) এর হার বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- আমরা জানি, যে বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ ক্ষেত্রে বায়ুমন্ডল হলো গ্রীনহাউস বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদ এবং সূর্যালোক ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে তোলে।
- মানুষ যখন গাছ-পালা কেটে, কাঠ-কয়লা পুড়িয়ে, কারখানার ধোঁয়া ইত্যাদির দ্বারা মিথেন, ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস তৈরি করছে তখন তাকে বলা হয় গ্রীনহাউস গ্যাস।
- বায়ুমন্ডলে তাই গ্রীনহাউস গ্যাসের পুরু চাদর তৈরি হয়েছে কারণ এই সব গ্যাস আর ফিরে যেতে পারে না।
- এই তাপ শোষণের মাত্রা যত বাড়বে পৃথিবীর উষ্ণতা ততই বাড়বে।
- উষ্ণতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াই হলো গ্রীনহাউস প্রভাব।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৫১.
বাংলাদেশের শীতলতম জেলা কোনটি?
  1. পঞ্চগড়
  2. সিলেট
  3. রংপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

শীতলতম:
- বাংলাদেশের শীতলতম মাস জানুয়ারি।
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা সিলেট।
- বাংলাদেশের শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা রাজশাহী।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল।

তথ্যসূত্র - বাংলিপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৭৫২.
বাংলাদেশে জি. কে. প্রকল্প একটি -
  1. নদী নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প
  2. জলবিদ্যুৎ প্রকল্প
  3. সেচ প্রকল্প
  4. জল পরিবহণ প্রকল্প
সঠিক উত্তর:
সেচ প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেচ প্রকল্প
ব্যাখ্যা
জি. কে. প্রকল্প:
- বাংলাদেশে জি. কে. প্রকল্প একটি সেচ প্রকল্প।
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি. কে. সেচ প্রকল্প) বাংলাদেশের একটি অন্যতম বৃহৎ সেচ প্রকল্প।

⇒ উক্ত প্রকল্প কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- জি.কে সেচ প্রকল্পের এর আওতায় চুয়াডাঙ্গা জেলায় খরিফ-২ এ সেচযোগ্য জমির পরিমান ৯০৯৩ হেক্টর লক্ষমাত্রার বিপরীতে ৯০০২ হেক্টরে ও রবি মৌসুমে সেচযোগ্য জমির পরিমান ৭৭৪২ হেক্টর লক্ষমাত্রার বিপরীতে ৬০১৮ হেক্টরে সেচ প্রদান করা হয়েছে এবং খরিফ-১ এ সেচযোগ্য জমির পরিমান ৮৪২ হেক্টর লক্ষমাত্রা অর্জনে নিবিড় মনিটরিং অব্যাহত আছে।
- ফলে তৎসংলগ্ন এলাকার জনগনের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, প্রকল্প এলাকায় দারিদ্রসীমা হ্রাসকরণ সাম্প্রতিক অর্জিত সাফল্যের অন্যতম।
- অত্র বিভাগের আওতাধীন "৬৪টি জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোটনদী, খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্প (১ম পর্যায়) (১ম সংশোধিত)” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৯৪.৬১০ কিঃমিঃ নদ-নদী, খাল, জলাশয় পুনঃখননের কাজ সমাপ্ত হয়েছে।
- এছাড়াও “ভৈরব নদ পুনঃখনন প্রকল্প (২য় পর্যায়)" এর আওতায় চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় ২৫.৪০০ কিঃমিঃ এর মধ্যে ১৭.৪০০ কিঃমিঃ পুনঃখনন করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৭৫৩.
'মাধবকুন্ড' জলপ্রপাত কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. রাঙামাটি
  3. মৌলভীবাজার
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত:
- মৌলভীবাজার জেলার বড়লখো উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত।
- প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য নয়নাভিরাম।
- জলাধারের উৎস উঁচু পাহাড়ের ঝর্ণাধারা  আর রাশি রাশি জল। সে এক অপূর্ব দৃশ্য।
- জলপ্রপাত ও আশেপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার।
- জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস।
- জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত।
- মাধবকুন্ড ইকোপার্কে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পর্যটকের সমাগম ঘটে।
- তাছাড়া এ মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে।
- হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।

উৎস: মৌলভীবাজার জেলা, ওয়েবসাইট।

১,৭৫৪.
The 'Roof of the World' is______
  1. ক) The Pamir Plateau
  2. খ) The Andes
  3. গ) The Apennines
  4. ঘ) The Alps
সঠিক উত্তর:
ক) The Pamir Plateau
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) The Pamir Plateau
ব্যাখ্যা
- পামির মালভূমিকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়।
- এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ মালভূমি যার উচ্চতা প্রায় ৭,৬৪৯ মিটার।
- পামির মালভূমি তাজিকিস্তান, চীন, আফগানিস্তান এবং কিরগিজস্তান জুড়ে বিস্তৃত।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
১,৭৫৫.
পৃথিবীর বহিরাবরণকে বলা হয়-
  1. ক) শিলা
  2. খ) কেন্দ্রমণ্ডল
  3. গ) ভূ-ত্বক
  4. ঘ) গুরুমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
গ) ভূ-ত্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূ-ত্বক
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। ভূ-অভ্যন্তরের অন্যান্য স্তরের তুলনায় ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম; গড়ে ২০ কিলোমিটার।
ভূত্বকের প্রধান উপাদান অক্সিজেন (৪২.৭%)।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৭৫৬.
হালদা ভ্যালী কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. চট্টগ্রাম
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাহাড়- গারো পাহাড়।
- বাংলাদেশের পাহাড় সমূহের গড় উচ্চতা- ২০৫০ ফুট।
- আলু টিলা পাহাড়- খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- লালমাই পাহাড়- কুমিল্লায় অবস্থিত।
- ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে- কুলাউড়া পাহাড়ে।
- কুলাউড়া পাহাড় অবস্থিত- মৌলভীবাজার জেলায়।
- চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে বাস করে- মারমা উপজাতি।
- ‘কালা পাহাড়’ বা ‘পাহাড়ের রাণী’ বলা হয়- চিম্বুক পাহাড়কে (৩য় উচ্চতম)।
- হিন্দুদের তীর্থ স্থানের জন্য বিখ্যাত- চন্দ্রনাথের পাহাড়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম- তাজিংডং বা বিজয় বা মদক মুয়াল।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ- কেওক্রাডং।
- কাপ্তাই লেক থেকে প্লাবিত রাঙ্গামাটির উপত্যকা হল- ভেঙ্গি ভ্যালী।
- সাঙ্গু ভ্যালী অবস্থিত- চট্টগ্রামে।
- হালদা ভ্যালী অবস্থিত- খাগড়াছড়িতে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৭৫৭.
পরিচলন বৃষ্টি (Conventional Rainfall) বেশি হয় কোন অঞ্চলে?
  1. শীতপ্রধান অঞ্চলে
  2. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  3. মেরু অঞ্চলে
  4. নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• পরিচলন বৃষ্টিপাত (Conventional Rainfall):
- ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়। এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে
মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে নিচে নেমে আসে। এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টিপাত।
- পরিচলন বৃষ্টিতে বায়ুর তাপ হ্রাস পেয়ে যখন অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয় তখন এ ধরনের বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এসব এলাকার ঊর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।

উল্লেখ্য: 
- নিরক্ষীয় এলাকায় স্থলভাগের থেকে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে লম্বভাবে সূর্যকিরণ পতিত হয়।
- এই অঞ্চলে হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে। হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু যখন শীতল বায়ুর সংস্পর্শে আসে তখন পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারা বছরই বিকেলে ও সন্ধ্যায় এ ধরনের বৃষ্টি হয়।
- নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

সূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৫৮.
সাগরের তলদেশে বাংলাদেশের কতটুকু পর্যন্ত মহীসোপান রয়েছে?
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ১৩০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
৩৫০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশের মহীসোপান:
- উপকূল থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সাগরের তলদেশে বাংলাদেশের মহীসোপান রয়েছে (১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার)। অর্থাৎ বাংলাদেশের উপকূলীয় ভূখণ্ড সমুদ্রে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, যার ভৌগোলিক নাম মহীসোপান।

উল্লেখ্য,
⇒ মিয়ানমার ও ভারতের দাবিকৃত সমদূরত্ব পদ্ধতিতে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ১৩০ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে সীমাবন্ধ হয়ে পড়েছিল।
-তাতে বাংলাদেশ পেত ৫০,০০০ বর্গকিলোমিটারের কম জলসীমা।
 ⇒ বঙ্গোপসাগরের জলসীমা নির্ধারণ ও সমুদ্র সম্পদের উপর অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ১৪ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সালে মিয়ানমারের বিপক্ষে জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক ট্রাইব্যুনালে এবং ভারতের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত সালিশ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করে।
⇒ বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গত ১৪ই মার্চ, ২০১২ সালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মামলায় আন্তর্জাতিক আদালত বাংলাদেশের ন্যায্যভিত্তিক দাবির পক্ষে ঐতিহাসিক রায় পায়।
-এ রায়ের ফলে বাংলাদেশ প্রায় এক লক্ষ বর্গকিলোমিটারেরও বেশি জলসীমা পেয়েছে।
 ⇒ এ রায়ের মাধ্যমে সেন্টমার্টিন্স দ্বীপকে উপকূলীয় বেজলাইন ধরে ১২ নটিক্যাল মাইল রাষ্ট্রাধীন সমুদ্র এলাকা (Territorial sea) এবং ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল বা একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive economic zone) পেয়েছে।
- প্রাপ্ত এই জলরাশি ও তলদেশে এবং তার বাইরে মহীসোপান এলাকার সকল খনিজ সম্পদে বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার নিশ্চিত হয়েছে।
 ⇒ এই হিসেবে উপকূল থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সাগরের তলদেশে বাংলাদেশের মহীসোপান রয়েছে (১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার)। অর্থাৎ বাংলাদেশের উপকূলীয় ভূখণ্ড সমুদ্রে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, যার ভৌগোলিক নাম মহীসোপান।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১,৭৫৯.
পৃথিবীর গভীরতম সমুদ্রখাত কোনটি?
  1. পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ
  2. স্যান্ডউইচ ট্রেঞ্চ
  3. মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  4. আর্কটিক বেসিন
সঠিক উত্তর:
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা
•  প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean): 
- ইংরেজি "প্যাসিফিক" মানে "শান্তিপূর্ণ"।
- কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বড় বড় এবং শক্তিশালী ঝড় এ মহাসাগরের মাধ্যমে সৃষ্ট।
- এর সমুদ্রতলে হাজার হাজার আগ্নেয়গিরি আছে, প্রায়ই বড় বড় ভূমিকম্প ঘটে।
- পৃথিবীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জুড়ে এ মহাসাগর অবস্থিত।
- সাতটি মহাদেশের একত্রিত ভাবে যে আয়তন তার থেকে এ মহাসাগরের আয়তন বেশি।
- এটি পৃথিবীর জলভাগের প্রায় ৪৬% এলাকা জুড়ে অবস্থিত।
- প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিমে মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench) পৃথিবীর গভীরতম সমুদ্রখাত যার গভীরতা প্রায় ১১,০৩৩ মিটার।

• সর্বোচ্চ গভীরতম স্থান:
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench) গভীরতা:  প্রায় ১১,০৩৩ মিটার;
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ (Puerto Rico Trench) গভীরতা: প্রায় ৯,২১৯ মিটার;
- সুন্ডাখাদ/জাভাখাদ (Sunda Trench) গভীরতা: প্রায় ৭,৭২৫ মিটার;
- স্যান্ডউইচ ট্রেঞ্চ (Sandwich trench) গভীরতা: প্রায় ৭,২৩৫ মিটার;
- ইউরেশিয়ান/আর্কটিক বেসিন (Arctic Basin) গভীরতা: প্রায় ৫,৪৫০ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বি এড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৬০.
বাংলাদেশের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয় কখন?
  1. ক) শীতকালে
  2. খ) গ্রীষ্মকালে
  3. গ) বর্ষাকালে
  4. ঘ) সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
ক) শীতকালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শীতকালে
ব্যাখ্যা
উত্তর-পূর্ব দিকে থেকে আগত শীতল মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকে এবং এসময় বৃষ্টিপাত প্রায় হয় না বললেই চলে। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
১,৭৬১.
বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল কোনটি?
  1. খুলনা অঞ্চল
  2. বরিশাল অঞ্চল
  3. চট্টগ্রাম অঞ্চল
  4. সিলেট অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
সিলেট অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট অঞ্চল
ব্যাখ্যা
- ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বিবেচনায় সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হলো দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট অঞ্চল ও ময়মনসিংহের উত্তরাংশ।
এই অঞ্চলের জেলাসমূহ হলো:
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- মৌলভীবাজার
- হবিগঞ্জ এবং
- ‍বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার উত্তরাংশ।
মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলসমূহ:
- চট্টগ্রাম
- কুমিল্লা
- ঢাকা
- টাঙ্গাইল ও
- রংপুর অঞ্চল।
কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলসমূহ:
- বরিশাল
- খুলনা ও
- ফরিদপুর সহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৭৬২.
আমাজন বেসিনের ক্রান্তীয় অতিবৃষ্টি বনাঞ্চল (Tropical Rainforest) কী নামে পরিচিত?
  1. Savanna
  2. Prairies
  3. Selvas
  4. Pampas
সঠিক উত্তর:
Selvas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Selvas
ব্যাখ্যা
আমাজন নদী:
- পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী আমাজন নদী।
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য - ৬৪০০ কি.মি।
- এটি দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদী।
- আমাজন নদী ৯টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নদীটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর অংশে অবস্থিত, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- এই নদীটি পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় উৎপন্ন হয় এবং আটলান্টিক মহাসাগরে যুক্ত হয়েছে।
- আমাজনের মূল স্রোতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- আমাজন বেসিনের ক্রান্তীয় অতিবৃষ্টি বনাঞ্চল স্থানীয়দের কাছে "Selvas" নামে পরিচিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা & Center for International Earth Science Information Network.
১,৭৬৩.
কাস্পিয়ান সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলির মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. আজারবাইজান
  2. তুরস্ক
  3. ইরান
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা
তুরস্ক কাস্পিয়ান সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।

কাস্পিয়ান সাগর:

- কাস্পিয়ান সাগর (Caspian Sea) হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্তঃমহাদেশীয় হ্রদ।
- এটি সাগরের মতো দেখতে হলেও এটি প্রকৃতপক্ষে একটি হ্রদ।
- এটি এশিয়া এবং ইউরোপের মাঝে অবস্থিত।
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগরের আয়তন ৩,৮৬,৪০০ বর্গ কিলোমিটার।
- প্রধান নদী: ভলগা, ইউরাল, কুরা ও তেরেক নদী এতে পানি সরবরাহ করে।

⇒ এটি পাঁচটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত: রাশিয়া, কাজাখস্তান, আজারবাইজান, ইরান এবং তুর্কমেনিস্তান।
- এটি এশিয়া-ইউরোপের মাঝে, ককেসাস পর্বতমালার পূর্বে এবং স্তেপ ও মধ্য এশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত।

উৎস: World Atlas. [link]
১,৭৬৪.
'CPP' এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Cyclone Preparedness Procurement
  2. খ) Critical Preparedness Policy
  3. গ) Cyclone Preparedness Program
  4. ঘ) Cyclone Preparedness Policy
সঠিক উত্তর:
গ) Cyclone Preparedness Program
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Cyclone Preparedness Program
ব্যাখ্যা
- 'CPP' এর পূর্ণরূপ Cyclone Preparedness Program।
- এটি ১৯৭২ সালে গঠিত হয়।
- এটি গঠন করে তৎকালীন বঙ্গবন্ধু সরকার ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।
- এটি গঠনের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের উপকূলীয় জনসাধারণের জান ও মাল রক্ষা।
- এর আওতাভুক্ত ১৩ টি জেলা ও ৪১ টি উপজেলা।
১,৭৬৫.
বাংলাদেশের কোন সরকারি সংস্থা সমুদ্র উপকূলে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হবার পূর্বাভাস প্রচার করে?
  1. আবহাওয়া বিভাগ
  2. রেড ক্রিসেন্ট
  3. প্রশিকা
  4. পানি উন্নয়ন বোর্ড
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়া বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়া বিভাগ
ব্যাখ্যা
পূর্বাভাস:

- বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পারসো-এর মাধ্যমে ভূ-উপগ্রহের চিত্র ও রাডার চিত্রের সাহায্যে উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণের ব্যবস্থার উন্নয়ন করা।
- পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র হতে বন্যা সংক্রান্ত পূর্বাভাস প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা।
- ঘূর্ণিঝড় পূর্ব ও পরবর্তি সংকেত দান, সতর্কীকরণ, উদ্ধার ও পূণর্বাসন ইত্যাদি কাজে সরকারি সংস্থা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি)-এর কার্যক্রমের আওতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
- জরুরি পরিস্থিতিতে আর্তদের চিকিৎসা, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও পূণর্বাসন কাজে সামরিক বাহিনীর সদস্যবৃন্দ কর্তৃক বেসামরিক প্রশাসনকে সব রকম সাহায্য ও সহযোগিতা দান করা।
- বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন সংস্থা কর্তৃক দুর্যোগ সংক্রান্ত সংকেতসমূহ প্রচারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৬৬.
মরু এলাকায় কীসের দ্বারা সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ক্ষয়ীভবন হয়ে থাকে?
  1. বৃষ্টিপাতের
  2. সূর্যরশ্মি
  3. বায়ুপ্রবাহের
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহের
ব্যাখ্যা
• ক্ষয়ীভবন:
- ভূ-ত্বকের উপরের শিলারাশি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, হিমবাহ ও সাগর তরঙ্গ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে অবিরত ক্ষয়ের মাধ্যমে সৃষ্ট ক্ষয়জাত পদার্থ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পরিবাহিত ও স্থানান্তরিত হয়। এভাবে প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ভূ-ত্বকের শিলারাশির ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ক্ষয়ীভবন বলে।
- সূর্যরশ্মি, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, হিমবাহ ও সাগর তরঙ্গ প্রভৃতি ক্ষয়ীভবনের প্রাকৃতিক নিয়ামক।

• বায়ুপ্রবাহ:
- মরু এলাকায় বায়ুপ্রবাহের দ্বারা সর্বাধিক ক্ষয়ীভবন হয়।
- মরুভূমিতে গাছপালা না থাকায় মৃত্তিকা ও শিলারাশির দৃঢ়তা খুবই কম। যার দরুণ ভূ-ত্বকের উপরিভাগ থেকে শিলারাশি ও মৃত্তিকা বায়ুর সাথে অন্যত্র চলে যায়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৬৭.
কোনটি নবায়নযােগ্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত?
  1. তেল
  2. গ্যাস
  3. সমুদ্রের ঢেউ
  4. ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের ঢেউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের ঢেউ
ব্যাখ্যা
অনবায়নযােগ্য সম্পদ:
- অনবায়নযােগ্য মানে হলাে, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না।
- এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না।
যেমন - তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম

নবায়নযােগ্য সম্পদ:

- যে জ্বালানি পুনঃপুন ব্যবহার করলে সাধারণত ফুরােয় না এমনকি অদূর ভবিষ্যতেও ঘাটতির সম্ভাবনা থাকে না, তাকে নবায়নযােগ্য জ্বালানি বলা হয়।
যেমন: সূর্যের আলাে, নদীর বহমান পানি, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, সমুদ্রের ঢেউ, বায়ু, পৃথিবীর গভীরের উত্তপ্ত ম্যাগমা।

সূত্র:- পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৬৮.
Constellation বলতে নিচের কোনটিকে বোঝানো হয়?
  1. আকাশগঙ্গা
  2. প্রক্সিমা সেন্টারাই
  3. নক্ষত্রমণ্ডলী
  4. উল্কা
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্রমণ্ডলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্রমণ্ডলী
ব্যাখ্যা
নক্ষত্রমণ্ডলী (Constellation):
- মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে।
- এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে দেখা নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে।
- প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্রদলকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে বিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে বিভিন্ন নাম দিয়েছেন। - এদের কোনোটা দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটা শিকারির মতো।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: 
- সপ্তর্ষিমণ্ডল (Great Bear),
- কালপুরুষ (Orion),
- ক্যাসিওপিয়া (Cassiopeia),
- লঘুসপ্তর্ষি (Little Bear),
- বৃহৎ কুকুরমন্ডল (Canis Major) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৭৬৯.
মৌসুমী বায়ুর অগ্রদূত বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) টর্নেডো
  2. খ) কালবৈশাখী
  3. গ) বসন্তকাল
  4. ঘ) শীতকাল
সঠিক উত্তর:
খ) কালবৈশাখী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কালবৈশাখী
ব্যাখ্যা
জুন মাসে মৌসুমী বায়ুর আগমনের সাথে সাথে কালবৈশাখী ঝড় অন্তর্হিত হয়। এজন্য একে মৌসুমী বায়ুর অগ্রদূত বলা হয়ে থাকে। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
১,৭৭০.
কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ভূমিকম্প
  2. খরা
  3. অগ্ন্যূৎপাত
  4. টর্নেডো
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যূৎপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যূৎপাত
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ।
বাংলাদেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহ হলো:
- বন্যা
- ঘূর্ণিঝড়
- টর্নেডো
- জলোচ্ছ্বাস
- নদীভাঙন
- খরা
- বজ্রপাত
- শৈত্য প্রবাহ
- ভূমিধ্বস প্রভতি।
- কোন আগ্নেয়গিরি না থাকায় এখানে অগ্ন্যূৎপাত কিংবা দাবানল সংঘটিত হয় না।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১,৭৭১.
দক্ষিণ গোলার্ধে প্রবলভাবে প্রবাহিত পশ্চিমা বায়ুর জন্য এই অঞ্চলকে কী বলা হয়?
  1. Horse Latitude
  2. Roaring Forties
  3. Trade Winds
  4. Doldrums
সঠিক উত্তর:
Roaring Forties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Roaring Forties
ব্যাখ্যা

পশ্চিমা বায়ু:
- উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে পশ্চিম বায়ু প্রবাহিত হয়।
- ৩০ অক্ষাংশে কিছু বায়ু পৃথিবীর গা-ঘেষে মেরুর দিকে ৬০অক্ষাংশ পর্যন্ত পৌঁছালে মেরু এলাকা থেকে আগত শীতল ও ভারী বায়ু মুখোমুখি হয়।
- এসময় অপেক্ষাকৃতি উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরের দিকে উঠে গেলেও এর এক অংশ মেরুবৃত্তের নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই একে পশ্চিমা বায়ু বলা হয়।
- উত্তর গোলার্ধের বিশাল স্থলভাগের জন্য স্থানীয়ভাবে পশ্চিমা বায়ু পরিবর্তনশীল।
- আবার দক্ষিণ গোলার্ধে জলাবিস্তৃতি ভূমিরূপের কারণেই পশ্চিমা বায়ু প্রবলভাবে প্রবাহিত হয় এবং এ কারণেই এই বায়ু প্রবাহের ধরণকে তখন বলা হয় প্রবল পশ্চিমা বায়ু।
- ৪০থেকে ৪৭ দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সব থেকে বেশি বলেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয়েছে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring Forties)।
- নিরক্ষীয় শান্ত বলয়ের মত ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়েও দুটি শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়।
- ৩০থেকে ৫০ উত্তর ও দক্ষিণঅক্ষাংশের মধ্যে দুটি ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়ের অবস্থান রয়েছে।
- বায়ু নিম্নদিকে প্রবাহিত হয় বলেই এই অঞ্চলে অনুভূমিক বায়ু অনুভব করা যায় না।
- প্রাচীনকালে আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে জাহাজ প্রবাহিত হবার সময় ইউরোপ থেকে আমেরিকায় অশ্ব ও অন্যান্য পশু রপ্তানি করে নিয়ে যেত।
- কিন্তু এই অঞ্চলের বায়ু প্রবাহের জন্য বাতাসের গতি যখন মন্থর হয়ে যেতো নাবিকরা তখন খাদ্য ও পানীয় জলের অনেক অভাবে তাদের অশ্বগুলো সমুদ্রে ফেলে দিতো।
- এ জন্য আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse Latitude) বলে। 
- উত্তর গোলার্ধে ৩০ থেকে ৩৫ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত অঞ্চলটিতে শীতকালেও পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৭২.
'মাধবকুন্ড জলপ্রপাত' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. হবিগঞ্জ
  2. সিলেট
  3. সুনামগঞ্জ
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত:
- মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি অবস্থিত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত।
- প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য নয়নাভিরাম।
- জলাধারের উৎস উঁচু পাহাড়ের ঝর্ণাধারা  আর রাশি রাশি জল। সে এক অপূর্ব দৃশ্য।
- জলপ্রপাত ও আশেপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার।
- জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস।
- জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত।
- মাধবকুন্ড ইকোপার্কে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পর্যটকের সমাগম ঘটে।
- তাছাড়া এ মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে।
- হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।

উৎস: মৌলভীবাজার জেলা, ওয়েবসাইট।

১,৭৭৩.
বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটির নাম কী?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
  3. আয়নোস্ফিয়ার
  4. এক্সোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমন্ডল (Stratosphere):

- বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমন্ডল।
- যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)।
- এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম।
- স্ট্রাটোমন্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে।
- স্ট্রাটোমন্ডলের উপরের দিকে ওজোন (ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মন্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত।
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultral Violet Rays) শোষণ করে।

উল্লেখ্য,
- তাপমাত্রার তারতম্যের ভিত্তিতে বায়ুমন্ডকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা - ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল এবং এক্সোমণ্ডল।
- ট্রপোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর অর্থাৎ ভূ-সংলগ্ন স্তর।
- এক্সোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের সর্বোচ্চ স্তর।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৭৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল 'শস্যগোলা' নামে পরিচিত?
  1. ক) দক্ষিণ বঙ্গ
  2. খ) পূর্ববঙ্গ
  3. গ) পশ্চিমবঙ্গ
  4. ঘ) উত্তরবঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তরবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তরবঙ্গ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের শস্যগোলা ধরা হয় উত্তরবঙ্গকে। 
- কিন্তু উত্তরবঙ্গ এখন জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে বিপর্যস্ত। 
- পানি সংকটে সেখানে এখন শস্য উৎপাদন সংকটাপন্ন। 
- খরা ও শৈত্যপ্রবাহ এখন শস্যহানির এক অনিবার্য নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
- উত্তম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এরই মধ্যে এ উত্তরাঞ্চলের অনেক জমি উৎপাদনের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছে। 
- অথচ উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক ফসলের ফলন এখনও নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।
 
উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট। 
১,৭৭৫.
ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ কোনটি?
  1. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
  2. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
  3. প্লাইস্টোসিনকালের প্লাবন সমভূমি
  4. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৭৬.
“নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল” নামে পরিচিত কোনটি?
  1. চলন বিল
  2. হাকালুকি হাওর
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
টাংগুয়ার হাওর:
- “নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল” নামে পরিচিত হাওরটি হলো টাঙ্গুয়ার হাওর,
- এটি সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’ হিসেবে স্বীকৃত একটি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি।

এছাড়াও, 
• চলন বিল:
- চলন বিল (Chalan Beel) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিল এবং সমৃদ্ধতম জলাভূমিগুলির একটি।
- বিলটি সংলগ্ন তিনটি জেলা রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ-এর অংশবিশেষ জুড়ে অবস্থান করছে।

হাকালুকি হাওর:
- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।

সূত্র: সুনামগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
১,৭৭৭.
৪৯° উত্তর অক্ষরেখা কোন দুটি দেশকে পৃথক করেছে?
  1. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. চীন ও রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা: ৪৯° উত্তর অক্ষরেখা
- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া : ৩৮° উত্তর অক্ষরেখা
- ভারত ও পাকিস্তান : ২৪° উত্তর অক্ষরেখা
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম : ১৭° উত্তর অক্ষরেখা
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
১,৭৭৮.
বিশ্বব্যাংকের জলবায়ু ঝুঁকি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২০-২০৩৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা কত হতে পারে?
  1. ২৫.৭১°C
  2. ২৬.০৩°C
  3. ২৬.৫৯°C
  4. ২৭.৩০°C
সঠিক উত্তর:
২৬.০৩°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬.০৩°C
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু:
বর্ণনা: বাংলাদেশ একটি আর্দ্র, গরম, মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চল, যেখানে গড় তাপমাত্রা ২৫.৭১°C এবং বার্ষিক বৃষ্টিপাত প্রায় ২,১৭৪.১০ মিমি। দেশটির জলবায়ু এল নিনো সাউদার্ন অসসিলেশন (ENSO) এবং ইন্ডিয়ান ওশান ডিপোল (IOD) দ্বারা প্রভাবিত হয়। ১৯৭১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা প্রতি দশকে ০.১৬°C বৃদ্ধি পায়।

প্রক্ষেপিত তাপমাত্রা: SSP3-7.0 মডেলের অধীনে, ২০২০-২০৩৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ০.৪১°C বৃদ্ধি পেয়ে ২৬.০৩°C এবং ২০৪০-২০৫৯ সাল পর্যন্ত ০.৮৯°C বৃদ্ধি পেয়ে ২৬.৫৯°C হতে পারে। 

তীব্র তাপমাত্রার ঝুঁকি: মধ্য শতাব্দী নাগাদ বাংলাদেশে তাপমাত্রার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে এবং বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতার কারণে তাপমাত্রা অনুভূত হবে আরো বেশি। ২০৪০-২০৫৯ সালের মধ্যে তাপমাত্রার সূচক ৩৫°C অতিক্রম করা দিনগুলির সংখ্যা বছরে প্রায় ১৩৩.৪৭ দিন হতে পারে।

আপেক্ষিক বৃষ্টিপাত: ১৯৭১-২০২০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মৌসুমে এবং অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ পরিবর্তিত হয়েছে। পূর্বাঞ্চলীয় বিভাগগুলো বিশেষ করে বসন্তকালে শুষ্ক হয়ে পড়েছে, এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় বিভাগগুলো বছরের অধিকাংশ সময় বৃষ্টিপাতের মুখে রয়েছে।

প্রক্ষেপিত বৃষ্টিপাত: SSP3-7.0 মডেলের অধীনে ২০৪০-২০৫৯ সালের মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলীয় বিভাগগুলোতে বসন্তকালে বৃষ্টিপাত কমবে, এবং উত্তরাঞ্চলীয় বিভাগগুলোতে গ্রীষ্ম মৌসুমে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পাবে।

জলবায়ু সম্পর্কিত বিপদ: বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বন্যা এবং উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষয় বাড়বে। এছাড়া, দেশটির প্রধান নদী সিস্টেমে বন্যার প্রাবল্য এবং উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে খরা বাড়তে পারে। জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের সিসমিক ঝুঁকিকে আরও বাড়াতে পারে, বিশেষ করে উত্তর ও পূর্ব সীমান্ত এলাকায় ভূমিকম্প এবং ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে।

উৎস: Bangladesh Climate Risk Country Profile, World Bank Climate Change Portal.
১,৭৭৯.
বারমুডা ট্রায়াঙ্গল কোন মহাসাগরে অবস্থিত? 
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে 
  2. ভারত মহাসাগরে 
  3. দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে 
  4. উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে 
সঠিক উত্তর:
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে 
ব্যাখ্যা

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল:
- ‍উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে মায়ামি, বারমুডা ও পুয়ের্তো রিকোবেষ্টিত সমুদ্রের বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে থাকা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের গভীরে একটি অস্বাভাবিক পুরু শিলাস্তর শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
- প্রায় ২০ কিলোমিটার পুরু শিলাস্তরটি বারমুডার নিচের টেকটোনিক প্লেটের ভেতরে অবস্থিত।
- বিজ্ঞানীরা মনে করেন, প্রাচীন প্যানজিয়া মহাদেশ ভেঙে যাওয়ার সময়কার ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ার ফলে এই স্তরটি তৈরি হয়েছিল।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,৭৮০.
'এল নিনো' কোন মহাসাগরের জলতাপমাত্রার পরিবর্তনের ফলে ঘটে?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

- এল নিনো হলো সাউদার্ন অসকিলেশন (ইএনএসও) নামক আবহাওয়ার ধরনের দুটি অংশ, যা ক্রান্তীয় পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর বাতাসের ধরন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার একটি অনিয়মিত কিন্তু পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন।
- এল নিনো বলতে ইএনএসওর উষ্ণায়ন পর্যায়কে বোঝায়।

অন্যদিকে,
- লা নিনা বোঝায় এর শীতলকরণ পর্যায়কে।
- এল নিনোর বছরগুলোতে তাপমাত্রা প্রায় শূন্য দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।
- লা নিনার সময়ে প্রায় একই পরিমাণে হ্রাস পায়। 
- দুই প্যাটার্নের ওঠানামার ঘটনাটি প্রায়ই একটি নিরপেক্ষ পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যায়।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৭৮১.
গ্রানাইট কোন ধরনের শিলা?
  1. রূপান্তরিত
  2. আগ্নেয়
  3. পাললিক
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- কারণ এটি আগ্নেয় শিলার সাথে একত্রে ভূ-ভাগের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ গঠন করেছে।
- ভূ-ত্বাত্তিক সময় ব্যাপী মহাদেশের যে সঞ্চারণ এবং উত্থান-পতন হয়েছে এ শিলা থেকে তা জানা যায়।
- এ শিলা সূদুর অতীতকালের প্লেট সঞ্চারণের সাক্ষ্য বহন করে।
- রূপান্তরিত শিলা মার্বেল পাথর, শ্লেট, গার্নেট ইত্যাদির মত মূল্যবান খনিজ সম্পদ ধারণ করে।

• রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

⇒ রূপান্তরিত শিলার প্রকারভেদ:
ক. আগ্নেয়শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে আগ্নেয়শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়।
- যেমন: গ্রানাইট থেকে নিস (Gneiss) তৈরি হয়।
খ. পাললিক শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে, পাললিক শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়।
- যেমন: বেলেপাথর থেকে কোয়ার্টজাইট (Quartzite) তৈরি হয়।

অন্যদিকে,
• পাললিক শিলা: কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।

• আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৮২.
কালবৈশাখী ঝড় সম্পর্কে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ক) কালবৈশাখী ঝড় বৈশাখ মাসে উত্তর-পশ্চিম দিক হতে আসে
  2. খ) কালবৈশাখী ঝড়কে গ্রীষ্মকালীন উত্তর-পশ্চিম ঝড় বলা হয়
  3. গ) কালবৈশাখী ঝড়কে উত্তর-পশ্চিম বজ্র-বিদ্যুৎপূর্ণ ঝড়বৃষ্টি বলা হয়
  4. ঘ) এপ্রিল থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) এপ্রিল থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এপ্রিল থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়
ব্যাখ্যা
মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়। জুন মাসে মৌসুমী বায়ুর আগমনের সাথে সাথে কালবৈশাখী ঝড় অন্তর্হিত হয়। এজন্য একে মৌসুমী বায়ুর অগ্রদূত বলা হয়ে থাকে। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
১,৭৮৩.
কোন দেশটির সাথে ভারতের সীমানা রয়েছে?
  1. ক) মালদ্বীপ
  2. খ) শ্রীলংকা
  3. গ) তাইওয়ান
  4. ঘ) আফগানিস্তান 
সঠিক উত্তর:
ঘ) আফগানিস্তান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আফগানিস্তান 
ব্যাখ্যা
⇨ ভারতের মোট সীমান্তবর্তী এলাকা ১৫১০৬.৭ কি.মি.
⇨ ভারতের সাথে মোট ৭টি দেশের সীমানা রয়েছে। এগুলো হলো:-
১। বাংলাদেশ 
২। চীন 
৩। পাকিস্তান 
৪। নেপাল 
৫। মায়ানমার 
৬। ভুটান 
৭। আফগানিস্তান 

তথ্যসূত্র:- https://www.mha.gov.in/sites/default/files/BMIntro-1011.pdf
১,৭৮৪.
হ্যালির ধূমকেতু খ্রিষ্টপূর্ব কত অব্দ থেকে দেখা যায়?
  1. ক) ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ
  2. খ) ২৪৫ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ
  3. গ) ২৫০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ
  4. ঘ) ২৫৫ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ
সঠিক উত্তর:
ক) ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ
ব্যাখ্যা
হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপুর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।
১,৭৮৫.
ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে কোন সমভূমি গঠিত?
  1. বদ্বীপ সমভূমি
  2. পাদদেশীয় সমভূমি
  3. স্রোতজ বনভূমি
  4. উপকূলীয় সমভূমি
সঠিক উত্তর:
বদ্বীপ সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদ্বীপ সমভূমি
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বাংলাদেশকে একটি উর্বর কৃষিপ্রধান দেশে পরিণত করেছে।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ অসংখ্যা ছোট-বড় নদী সারা দেশে জালের ন্যায় ছড়িয়ে আছে।
- এসব নদী সমতল ভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় প্রতি বছর বন্যার সৃষ্টি হয়।
- এভাবে বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমি উত্তর দিক থেকে ক্রমশ ঢালু হয়ে দক্ষিণে প্রায় সমুদ্র সমতলে মিশেছে।

⇒ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।
• পাদদেশীয় সমভূমি:  হিমালয় পর্বত হতে বাহিত পলল দ্বারা গঠিত রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।

• বন্যাপ্রবণ সমভূমি: ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেট জেলার বন্যাপ্রবণ সমভূমি।

• স্রোতজ সমভূমি:  খুলনা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।

• উপকূলীয় সমভূমি:  নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।  এখানকার পতেঙ্গা সৈকত, কক্সবাজার সৈকত এবং টেকনাফ সৈকত পর্যটনের জন্য বিশেষ প্রসিদ্ধ।

• ব-দ্বীপ সমভূমি:
- ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৮৬.
পৃথিবীর গভীরতম স্থান?
  1. ক) ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  2. খ) ডেড সী
  3. গ) বৈকাল হ্রদ
  4. ঘ) প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ক) ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা
মারিয়ানা ট্রেঞ্জ (Mariana Trench):
- মারিয়ানা ট্রেঞ্জ হচ্ছে - বিশ্বের গভীরতম স্থান।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয় নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ ও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।

- মারিয়ানা ট্রেঞ্জের গভীরতা মাপার উদ্যোগ নেয়া হয় ১৮৭৫ সালে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ জরিপ পরিচালনাকারী জাহাজ - HMS Challenger। তখন গভীরতা নির্ণয় করা হয় - ২৬,৮৫০ ফুট।
- পরবর্তীতে আরো কয়েকদফা মাপার পর ২০১০ সালে এর সর্বোচ্চ গভীরতা মাপা হয় - ৩৬,০৭০ ফুট। বর্তমানে এই গভীরতাই গ্রহণযোগ্য।
- এর গভীরতম অংশকে Challenger Deep বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস, ব্রিটানিকা ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ওয়েবসাইট।
১,৭৮৭.
গ্রিন-হাউজ ইফেক্ট বলতে বুঝায়-
  1. সূর্যালোকের অভাবে সালোক সংশ্লেষণে ঘাটতি
  2. তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
  3. প্রাকৃতিক চাষের বদলে ক্রমবর্ধমানভাবে কৃত্রিম চাষের প্রয়োজনীয়তা
  4. উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- গ্রিন হাউজ হলো এমন একটি কাঁচের ঘর যেখানে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে গাছপালা জন্মানোর জন্য উপযোগী আবহাওয়া তৈরিকরা হয়।
- সূর্যের আলো যখন এই কাঁচের ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে তখন ভিতরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- পৃথিবীও গ্রিন হাউজের মত এমন একটি আবাসস্থল যেখানে প্রতিদিনই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে যা পৃথিবী হতে দূরীভূত হচ্ছে না।
- গ্রিন হাউজের তাপমাত্রা ধরে রাখার প্রক্রিয়াটি বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রক্রিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- এ কারণেই গ্রিন হাউজ এর সাথে মিল রেখে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হিসেবে।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হলো বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
- এটিকে গ্রিন হাউজের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হয়।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের গ্যাসকে দায়ী করা হয়। এগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, মিথেন, ওজোন, জলীয়বাষ্প প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৮৮.
আর্সেনিক দূরীকরণ সনোফিল্টারের উদ্ভাবক হলেন-
  1. ক) অধ্যাপক আব্দুস সালাম
  2. খ) অধ্যাপক আব্দুল গনি
  3. গ) অধ্যাপক আবুল হুসসাম
  4. ঘ) ডক্টর মোহাম্মদ জব্বার
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক আবুল হুসসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক আবুল হুসসাম
ব্যাখ্যা
পানি থেকে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক দূর করার কাজে সোনো আর্সেনিক ফিল্টার ব্যবহার করা হয়। ২০০৬ সালে বাংলাদেশী বিজ্ঞানী অধ্যাপক আবুল হুসসাম দেশজ উপাদান ব্যবহার করে সোনো ফিল্টার আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কারের জন্য তিনি 'আউটস্ট্যান্ডিং আমেরিকান বাই চয়েস' পুরস্কার লাভ করেন।
১,৭৮৯.
জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট কোন ধরনের পর্বতের প্রকৃষ্ট উদাহরণ? 
  1. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
  2. ভঙ্গিল পর্বত 
  3. উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত 
  4. আগ্নেয় পর্বত 
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
ব্যাখ্যা
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountain):

• ভূ-আলোড়নের ফলে শিলাস্তরের সংকোচন ও প্রসারণে দুটি ফাঁটলের মাঝের অংশ অনেক সময় উপরে ওঠে যায় বা নিচে বসে যায়।এই ধরনের পর্বতকে চ্যুতি-স্তূপ পর্বত বলে। 
• চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের উৎপত্তি: তিন ধরনের পরিস্থিতিতে চ্যুতি-স্তূপ পর্বত সৃষ্টি হতে পারে। 
• প্রথমত: ভূ-ত্বকের শিলাস্তরে টানজনিত চাপের কারণে।
- উদাহরণ- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা, নিউ মেক্সিকো, ক্যালিফোর্নিয়ায় এ ধরনের স্তূপ পর্বত দেখা যায়।
• দ্বিতীয়ত: ভূ-ত্বকের কোনো অংশ ভূ-অভ্যন্তরস্থ কারণে ওপরের দিকে উঠতে থাকলে।
- যেমন- পূর্ব আফ্রিকার স্রস্ত উপত্যকার পাশ্ববর্তী উঁচু পার্বত্য স্তূপই এ ধরনের চ্যুতি-স্তূপ পর্বত।
• তৃতীয়ত: কোনো কারণে ভূ-ত্বকের এক অংশ খাড়াভাবে পাশের সমভূমির ওপরে উঠে গেলে।
- উদাহরণ- জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট, ফ্রান্সের ভোঁজ এবং ভারতের বিন্ধ্যা ও ত্রিপুরা পর্বতদ্বয় চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
• ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ: এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।
• আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ: জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।
• উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বতের উদাহরণ: আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাক হিলস্, কলোরাডোর ফ্রান্ট রেঞ্জ (কলোরাডো)। 

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৯০.
দেশের কোন অঞ্চল আকস্মিক বন্যাপ্রবণ এলাকা?
  1. ক) বৃহত্তর যশোর অঞ্চল
  2. খ) নদী তীরবর্তী অঞ্চল
  3. গ) বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল
  4. ঘ) উপকূলীয় অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সাধারণত চার ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়।
এগুলো হলো:
- বৃষ্টিজনিত বন্যা
- উপকূলীয় বন্যা
- নদীসৃষ্ট বন্যা
- আকস্মিক বন্যা।
বাংলাদেশেরে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী নদীর পানি উপচে পড়ে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে।
- এপ্রিল-মে এবং সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় পাহাড়ী নদীর উপচে পড়া পানির কারণে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
- আকস্মিক বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।
অন্যদিকে,
- বৃহত্তর খুলনা ও যশোর অঞ্চলে বৃষ্টিজনিত বন্যা দেখা যায়।
- উপকূলীয় অঞ্চলে উপকূলীয় বন্যা দেখা দেয়।
- নদী সংলগ্ন জেলাসমূহে নদীসৃষ্ট বন্যা দেখা যায়।
(তথ্যসূত্র: বন্যা সাড়াদান ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা : বাংলাদেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর)
১,৭৯১.
দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র—
  1. মেঘনা নদী
  2. হালদা নদী
  3. ইছামতি নদী
  4. হাকালুকি হাওর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা

• হালদা নদী: 
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলার একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎসারিত হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তরপূর্ব কোণ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে। 
- বাংলাদেশে প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষিত- হালদা নদী। 
- হালদা নদী হলো দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র।
- প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে হালদা নদীতে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউসের মতো কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।  
- হালদার প্রধান উপনদী ধুরুং খুবই খরস্রোতা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৭৯২.
যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে, তাদের বলে-
  1. ক) চাঁদ
  2. খ) উপগ্রহ
  3. গ) নক্ষত্র
  4. ঘ) মহাকাশ
সঠিক উত্তর:
গ) নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলাে আছে তাদের নক্ষত্র বলে। নক্ষত্রগুলাে হলাে জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে।
১,৭৯৩.
‘মশালডাঙ্গা’ ছিটমহলটি কোন জেলায় অবস্থিত ছিলো?
  1. ক) লালমনিরহাট
  2. খ) পঞ্চগড়
  3. গ) নীলফামারি
  4. ঘ) কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

ভারতীয় অংশে বাংলাদেশের ছিটমহল...
কুচবিহার - ৪৭
জলপাইগুড়ি - ৪

বাংলাদেশ অংশে ভারতের ছিটমহল...
লালমনিরহাট - ৫৯
পঞ্চগড় - ৩৬
কুড়িগ্রাম - ১২
নীলফামারি - ৪
দহগ্রাম-আঙ্গোরপোতা ছিটমহল লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত।
মশালডাঙ্গা ছিটমহল কুড়িগ্রাম জেলায় অবস্থিত।

১,৭৯৪.
জার্মানি কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা কোনটি?
  1. ক) ম্যাজিনো লাইন
  2. খ) সিগফ্রিড লাইন
  3. গ) ওডারনিস লাইন
  4. ঘ) হিন্ডারবার্গ লাইন
সঠিক উত্তর:
খ) সিগফ্রিড লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিগফ্রিড লাইন
ব্যাখ্যা
সিগফ্রিড লাইন, জার্মানির পশ্চিম সীমান্তে ১৯৩০-এর দশকে নির্মিত হয়েছিল। এটি জার্মানি কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা। এছাড়া জার্মান আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা ম্যাজিনো লাইন; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে নিরূপতি সীমারেখা ওডারনিস লাইন; এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে নিরূপতি সীমারেখা হিন্ডারবার্গ লাইন। সূত্র- ব্রিটানিকা।
১,৭৯৫.
নিম্নের কোনটি ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র?
  1. বুলগেরিয়া
  2. ইরাক
  3. তুরস্ক
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- বর্তমানে দেশটি তুর্কিয়ে (TURKIYE) প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
- আগে দেশটি ‘তুর্কি’ নামে পরিচিত ছিল।
- এক সময়ে অটোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল তুরস্ক।
- কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে দেশটি আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে বিকাশ লাভ করে।
- তুরস্কের বেশিরভাগ অংশ এশিয়া ও কিছু অংশ ইউরোপ মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- রাজধানী: আঙ্কারা।
- বৃহত্তম নগরী ইস্তাম্বুল।
- মুদ্রা: লিরা।

উল্লেখ্য,
- তুরস্ককে বলা হয় ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র
- এর ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
- ইস্তানবুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।

অন্যদিকে,
- বুলগেরিয়া ইউরোপ উপমহাদেশর দেশ।
- ইরাক এশিয়া উপমহাদেশর দেশ।
- লেবানন এশিয়া উপমহাদেশর দেশ।

উৎস: Britannica.
১,৭৯৬.
হিন্দুকুশ পর্বতমালা কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ভারত
  2. আফগানিস্তান
  3. কাজাখস্তান
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

- হিন্দুকুশ পর্বতমালা আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানে অবস্থিত একটি পর্বতমালা।

হিন্দুকুশ পর্বত:

- হিন্দুকুশ পর্বতমালা আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানে অবস্থিত একটি পর্বতমালা।
- পর্বতমালাটির সিংহ ভাগ উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে অবস্থিত।
- হিন্দুকুশ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন মধ্যযুগীয় পরিব্রাজক ইবনে বতুতা।
- এটি হিমালয় পর্বতের একটি অংশ।
- এটি প্রায় ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি) দীর্ঘ এবং ১৫০ মাইল (২৪০ কিমি) চওড়া।
- পর্বতটির সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তিরিচমির (৭৬৯০ মিটার) পাকিস্তান ও আফগানিস্তান বর্ডারের নিকটে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৭৯৭.
আয়তনে ইউরোপের সবচেয়ে ছোট দেশ কোনটি?
  1. বসনিয়া
  2. মাল্টা
  3. বেলারুশ
  4. ভ্যাটিকান সিটি
সঠিক উত্তর:
ভ্যাটিকান সিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যাটিকান সিটি
ব্যাখ্যা
ভ্যাটিকান সিটি:

- আয়তনে ইউরোপের ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
- দেশটির আয়তন ১০৯ একর।
- ভ্যাটিকান সিটি টাইবার নদীর তীরে অবস্থিত।
- ভ্যাটিকান সিটির নিজস্ব কূটনৈতিক মিশন, সংবাদপত্র, পোস্ট অফিস, রেডিও স্টেশন, ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ১০০ সুইস গার্ডের সেনাবাহিনী এবং প্রকাশনা সংস্থা রয়েছে।
- ভ্যাটিকান সিটির স্বাধীন সার্বভৌমত্ব ১৯২৯ সালের লেটারান চুক্তিতে স্বীকৃত হয়েছিল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,৭৯৮.
পৃথিবীতে ছুটে আসা উল্কার বেশির ভাগই কোন স্তরে এসে পুড়ে যায়?
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল
  2. মেসোমণ্ডল
  3. এক্সোমণ্ডল
  4. তাপমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

উল্কা ও উল্কাপিন্ড (Meteors & Meteoroids):
- উল্কা মহাশূন্যে বিচরণরত ক্ষুদ্রাকৃতি বিশিষ্ট কঠিন বস্তু।
- ক্ষুদ্রায়তনের এই উল্কাপিন্ড একত্রে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে বাতাসের সাথে সংঘর্ষে প্রজ্জ্বলিত হয়ে তুষারপাতের মতো ঝরে পড়তে থাকে।
- একে উল্কাবৃষ্টি বলে।
- উল্কা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠে পতিত হলে, তাকে উল্কাপিন্ড বলে।
- মহাকাশ থেকে প্রবেশ করলে উল্কা গুলো বায়ুমন্ডলের মেসোমন্ডল স্তরে পুড়ে যায়।

⇒ মেসোমন্ডল (Mesosphere):
- স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে স্তর রয়েছে তাকে মেসোমন্ডল বা মেসোস্ফিয়ার বলে।
- এই মন্ডলের প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত উষ্ণতা দ্রুত কমতে থাকে।
- ৮০ কিলোমিটারের পরে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করে এবং এই অংশকে বলে মেসোপস বা মেসোবিরতি।

⇒ মেসোমন্ডলে বৈশিষ্ট্যসমূহ
ক) মেসোমন্ডলের উর্ধ্বসীমায় বায়ুর তাপমাত্রা প্রায় ৬৫.৫° সেলসিয়াস।
খ) এ মন্ডলের বায়ুচাপ খুব কম।
গ) মেসোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারন করে।
ঘ) সাধারণত যে সব উল্কা মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলো এই স্তরে এসে পড়ে যায়। উল্কাপতন এলাকাটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর।

১,৭৯৯.
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?  
  1. মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি 
  2. রুমা,  বান্দরবান
  3.  জাফলং, সিলেট
  4.  মিরসরাই, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
 জাফলং, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 জাফলং, সিলেট
ব্যাখ্যা

• সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা:
- সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা সিলেটের জাফলং-এ অবস্থিত।
- এটি জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে ১ কিমি পশ্চিমে, খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। 
- এর স্থানীয় নাম মায়াবী ঝর্ণা।
- এই অবিরাম ধারার মোট তিনটি ধাপ রয়েছে, যার মধ্যে তৃতীয় ধাপে এমন একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে যার অন্য প্রান্ত এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।

তথ্যসূত্র: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।

১,৮০০.
লোহিত সাগর কোন দুইটি দেশকে পৃথক করেছে?
  1. জার্মানি এবং পোল্যান্ড
  2. ফ্রান্স এবং বেলজিয়াম
  3. কানাডা এবং ফ্রান্স
  4. সৌদি আরব এবং মিশর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব এবং মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব এবং মিশর
ব্যাখ্যা
লোহিত সাগর:
- লোহিত সাগর (Red sea) ভারত মহাসাগরের একটি বিশেষ অংশ।
- এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে লোহিত সাগর।
- লোহিত সাগর সৌদি আরব (এশিয়া) এবং মিশর (আফ্রিকা) কে পৃথক করেছে।
- এর দক্ষিণে বাব এল মান্দের প্রণালী।
- লোহিত সাগরে জলে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া আছে, যা বাতাস থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে ট্রিকোডেসামিয়াম রিথ্রিয়াম নামে এক ধরনের অজৈব যৌগ গঠন করে।
- এর রং লাল হওয়ায় এই সাগরের জল লাল দেখায়।

উৎস: World Atlas.