বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯৬ / ১২৪ · ৯,৫০১৯,৬০০ / ১২,৪২১

৯,৫০১.
বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে ১৯৭১ সালের কত তারিখে? 
  1. ৩ ডিসেম্বর
  2. ২১ নভেম্বর
  3. ২৬ মার্চ
  4. ৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে। 
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন। 
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। 
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন। 

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫০২.
ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি গঠিত কত সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৬ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের বিরোধীদলগুলোর সমন্বয়ে ‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক)’ গঠিত হয়।
- এই জোটে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, মোজাফফর ন্যাপসহ আটটি রাজনৈতিক দল যুক্ত ছিলো।
- পাকিস্তানে ফেডারেল পার্লামেন্টারি পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন, প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচন, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং শেখ মুজিবুর রহমান, খান আবদুল ওয়ালী খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি দাবিতে এই জোট গণআন্দোলনের ডাক দিয়েছিলো।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৯,৫০৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
  1. ক) ১১ টি
  2. খ) ৩২ টি
  3. গ) ৫৪ টি
  4. ঘ) ৬৪ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৪ টি
ব্যাখ্যা
জেনারেল এম এ জি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের মাধ্যমে যুদ্ধকৌশলের সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টর এবং ৬৪ টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
৯,৫০৪.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কয়টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স: 

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনকে ১১টি সেক্টর ও তার অধীন অনেক সাব-সেক্টর ছাড়াও তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়।
- ফোর্সের নামকরণ করা হয় ব্রিগেডগুলোর অধিনায়কদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে।

১: জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে 'জেড' ফোর্স
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

২: কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে 'এস' ফোর্স
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

৩: খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে 'কে' ফোর্স
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৯,৫০৫.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালের কত তারিখ থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়?
  1. ক) ২৬ মার্চ
  2. খ) ৩ মার্চ
  3. গ) ১ মার্চ
  4. ঘ) ২ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ মার্চ
ব্যাখ্যা
অসহযোগ আন্দোলন 
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পরিচালিত আন্দোলন। এ আন্দোলনে কেন্দ্রীয় শাসনের বিপরীতে স্বশাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
• ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে দিগনির্দেশনামূলক ভাষণের মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এছাড়া আওয়ামী লীগ বিভিন্ন নির্দেশের মাধ্যমে এ আন্দোলন পরিচালনা করে।
• ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু সরকার গঠনে আহবান জানানোর পরিবর্তে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ১ মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন।
• শেখ মুজিবুর রহমান এ সিদ্ধান্তকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দেন এবং এর প্রতিবাদে ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল আহবান করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
৯,৫০৬.
প্রথমবারের মতো বিশ্বের মোট কতটি দেশ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে?
  1. ১৮৬টি
  2. ১৮৭টি
  3. ১৮৮টি
  4. ১৮৯টি
সঠিক উত্তর:
১৮৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৮টি
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে।
- প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭।
৯,৫০৭.
কত সালে বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. ক) ১৭৫৩ সাল
  2. খ) ১৭৬৪ সাল
  3. গ) ১৭৭৫ সাল
  4. ঘ) ১৭৮৬ সাল
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭৬৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭৬৪ সাল
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধ:

- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে। 
- বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন। সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়। মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,৫০৮.
কত সালে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়?
  1. ক) ১৯৪৭ সালে
  2. খ) ১৯৪৮ সালে
  3. গ) ১৯৪৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস ১৯৪৭ সালে আবুল কাসেম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের, (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) একটি ইসলামি সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে দাবি তুলে তমদ্দুন মজলিস বাংলা ভাষা আন্দোলন শুরু করে। যদিও এই সংগঠনের প্রতিবাদ লেখালেখির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

ভারত এবং পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভের মাত্র ৭ মাস পরে, ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের গভর্নর মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল্যের বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা।
- এই ঘোষণা করলে সদ্য জাত রাষ্ট্রে ভাষা আন্দোলন প্রকাশ্যরূপ ধারণ করে।

[শুধুমাত্র ইতিহাস,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বইতে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত  ১৯৪৮ দেওয়া হয়েছে। অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে ১৯৪৭ সালকে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।]

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেনি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেনি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫০৯.
আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙ্গামাটি
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

রাঙ্গামাটি জেলা:
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা- রাঙ্গামাটি।
- এর আয়তন: ৬১১৬ বর্গ কিলোমিটার।
- রাঙ্গামাটি জেলার ভৌগলিক অবস্থান উত্তর অক্ষাংশের ২১৫০° হতে ২৩-৪৫০।
- এবং পূর্ব দ্রাঘিমাংশের ৯১৪৫° হতে ৯২-৫৩০।
- এ জেলার উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
- দক্ষিণে বান্দরবান, পূর্বে মিজোরাম ও পশ্চিমে চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান- ছেড়া দ্বীপ (না থাকলে সেন্টমার্টিন হবে)।
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান- আখাইনঠং (থানচি, বান্দরবন)।
- বাংলাদেশের পশ্চিমের স্থান- মনাকসা (শিবগড়, চাঁপাই নবাবগঞ্জ)।
- বাংলাদেশের বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান- জায়গীর জোত, বাংলা বান্ধা।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিভাগ- চট্টগ্রাম।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা নারায়ণগঞ্জ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,৫১০.
শের শাহ নির্মাণ করেন -
  1. কুতুব মিনার
  2. লালবাগ কেল্লা
  3. ছোট কাটরা
  4. গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড
সঠিক উত্তর:
গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড
ব্যাখ্যা
শের শাহ:
- শের শাহের শাসনকালে ভারতবর্ষের যোগাযোগ ব্যবস্থার উপযুক্ত উন্নতি সাধিত হয়।
- এজন্য তিনি সাম্রাজ্যের নানা স্থানে প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করেছিলেন। 
- তাঁর নির্মিত এসব চওড়া রাস্তার মধ্যে ‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড' অন্যতম। 
- বিখ্যাত এই গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড বাংলাদেশের সোনারগাঁও থেকে পাকিস্তানের সিন্ধু নদ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- তখনকার দিকে যাতায়াত ও পরিবহনে এই পথের গুরুত্ব ছিল অনেক। 
- তিনি এপথে গমনকারী পথচারীদের সুবিধার জন্য রাস্তার উভয় পার্শ্বে বৃক্ষরোপণ ও সরাইখানা স্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ।

অন্যদিকে -
- সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লির কুতুব মিনার নির্মাণ করেন।
- শায়েস্তা খান লালবাগ কেল্লা, ছোট কাটরা, সাতগম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।

উৎস: ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫১১.
তমদ্দুন মজলিশ সংগঠনটি কীসের সাথে জড়িত?
  1. দেশভাগ
  2. বঙ্গভঙ্গ
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. স্বাধীনতা সংগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

⇒ তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কি হবে? বাংলা নাকি উর্দু‌’।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।
৯,৫১২.
‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন -
  1. কিশোর মতিউর
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. সার্জেন্ট জহুলুল হক
  4. তোফায়েল আহমেদ
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল আহমেদ
ব্যাখ্যা

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মধ্য দিয়ে সামরিক শাসন ও আইয়ুব খান বিরোধী আন্দোলন যখন তীব্র হচ্ছিল তখন নেতৃত্বের পুরো ভাগে চলে আসে ছাত্ররা।
এ সময়ে ডাকসুর সহ-সভাপতি তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত হয় সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।
এই পরিষদ ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে এগার দফা কর্মসূচি গ্রহণ করে।
এগার দফা কর্মসূচির ভেতর ছয় দফাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ক্রমে ছয় দফা ও এগার দফার মধ্য দিয়ে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিতে থাকে।
সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫১৩.
প্রথম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. খালিদ বিন ওয়ালিদ
  2. সুলতান মাহমুদ
  3. মুহম্মদ ঘুরি
  4. মুহাম্মদ বিন কাসিম
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ বিন কাসিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ বিন কাসিম
ব্যাখ্যা
সিন্ধু বিজয়:
- আরবদের সিন্ধু বিজয় উপমহাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এটিকে দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলমানদের আগমনের সূচনালগ্ন ধরা হয়।
- এ ঐতিহাসিক ঘটনার প্রধান কুশীলব ছিলেন আরব সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম ও সিন্ধুর তৎকালীন রাজা দাহির।
- প্রথম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি ছিলেন মুহাম্মদ বিন কাসিম।

উল্লেখ্য,
- খলিফা প্রথম ওয়ালিদের সময় মুসলমানগণ সিন্ধু অভিযান করে।
- খলিফার অনুমতি নিয়ে ইরাকের গভর্ণর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এই অভিযান পাঠান।
- সিন্ধু বিজয়ের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাম্রাজ্যের বিস্তার সাধন এবং অর্থ সম্পদ লাভ।
- মুহম্মদ বিন কাসিম এক শক্তিশালী বাহিনী নিয়ে সিন্ধুদেশ আক্রমণ করেন।
- তিনি দাইবুল, নীরুন, সিওয়ান ও সিসাম দখল করে আরও উত্তরে অগ্রসর হন।
- সিন্ধুরাজ দাহির রাওয়ার দুর্গ রক্ষার চেষ্টা করেন।
- কিন্তু তিনি যুদ্ধে নিহত হন।
- রাওয়ার দখলের পর মুহম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুর রাজধানী আলোর জয় করেন।
- এরপর মুলতানও মুসলমানদের দখলে আসে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫১৪.
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (PIB) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান?
  1. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  2. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (PIB) — তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।

• প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (PIB):
- পিআইবি’র কাজ মূলত সাংবাদিকতা বিষয়ে গবেষণা, প্রকাশনা এবং দেশব্যাপী সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে প্রশিক্ষণ প্রদান করা।
- ১৯৭৬ সালের ১৮ই আগস্ট তারিখে একটি রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে পিআইবি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পরবর্তীতে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আইন-২০১৮ জাতীয় সংসদ কর্তৃক পাস হয়ে ২৯ জুলাই, ২০১৮ খ্রি. তারিখে গেজেট প্রকাশিত হয়।  

উৎস: প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (PIB) ওয়েবসাইট।
৯,৫১৫.
মোগল শাসনতান্ত্রিক প্রথা ভঙ্গ করে কে প্রথম দিউয়ানির পদটিও নিজে দখল করেন?
  1. ক) আলীবর্দ্দী খাঁ
  2. খ) সিরাজউদ্দৌলা
  3. গ) মীর জাফর
  4. ঘ) মুর্শিদকুলী খাঁন
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুর্শিদকুলী খাঁন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুর্শিদকুলী খাঁন
ব্যাখ্যা
• মুর্শিদকুলী খাঁন:
- মুর্শিদকুলী খানের (১৭১৭ খ্রি.) সুবাদারী লাভ পর্যন্ত সুবাদারী ও দিউয়ানের পদ পৃথক পৃথক ব্যক্তির উপর ন্যস্ত ছিল। 
- মুর্শিদকুলী খানই প্রথম যিনি মুগল শাসনতান্ত্রিক প্রথা ভঙ্গ করে দিউয়ানের পদটিও নিজে দখল করে নেন
- কিন্তু পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রের দুর্বলতার সুযোগে মুর্শিদকুলি খানের পরবর্তী সব সুবাদারগণই সুবাদারী ও দিউয়ানীর পদ একত্রীভ‚ত রাখেন।
- মুগল শাসনতন্ত্রে প্রদেশ শাসনের জন্য দু’টি সমপর্যায়ের পদের বিধান ছিল। একটি সুবাদারী, আরেকটি দিউয়ানি।
- সুবাদার ও দিউয়ান উভয় ব্যক্তিই সরাসরি দিল্লির সম্রাটের নিকট ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহি করতে বাধ্য ছিলেন।
- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর সুবে বাংলা প্রায় স্বাধীনভাবে শাসিত হতে থাকে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫১৬.
বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠনে কোন নৃগোষ্ঠীর প্রভাব সর্বাধিক?
  1. ক) আর্য
  2. খ) অস্ট্রিক
  3. গ) মঙ্গোলীয়
  4. ঘ) নেগ্রিটো
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
• নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক 
- ইন্দোচীন থেকে আদি অস্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত ‘অস্ট্রিক’ জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে। এই অস্ট্রিক নরগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।
- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালি রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস, নিহারঞ্জন রায়।
৯,৫১৭.
পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর নেতৃত্ব ছিলেন কে?
  1. লর্ড রিপন
  2. রবার্ট ক্লাইভ
  3. লর্ড কার্নওয়ালিস
  4. লর্ড ডালহৌসি
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা

পলাশীর যুদ্ধ: 
- সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে আরোহণ করার পর থেকে তাঁকে লড়াই করতে হয়েছে নানা কারণে মনঃক্ষুন্ন ঘরের শত্রু শওকত জং,
- ঘষেটি বেগম দরবারের শত্রু আমাত্য ও বেনিয়া সম্প্রদায় এবং বহিঃশত্রু ইংরেজদের সঙ্গে।
- নবাবের অভ্যন্তরীণ শত্রুদের কাজে লাগিয়ে ইংরেজরা নবাবকে উৎখাতের এক নীল নকশা তৈরি করে।
- পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর  নেতৃত্ব দেন- রবার্ট ক্লাইভ।
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর সঙ্গে নবাবের বাহিনীর এক যুদ্ধ সংঘঠিত হয়।
- কারণ যুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের নেতৃত্বাধীন অধিকাংশ সৈন্য নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে,
- যার ফলে নবাবের পরাজয় ঘটে।
- বন্দী অবস্থায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫১৮.
নিচের কোন দুইজন বীরশ্রেষ্ঠ ই.পি.আর. সদস্য ছিলেন?
  1. সিপাহী মোস্তফা কামাল ও মতিউর রহমান
  2. মুন্সি আব্দুর রউফ ও নূর মোহাম্মদ শেখ
  3. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ও হামিদুর রহমান
  4. রুহুল আমিন ও মোস্তফা কামাল
সঠিক উত্তর:
মুন্সি আব্দুর রউফ ও নূর মোহাম্মদ শেখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সি আব্দুর রউফ ও নূর মোহাম্মদ শেখ
ব্যাখ্যা
- মুন্সি আব্দুর রউফ ও নূর মোহাম্মদ শেখ পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের (EPR) সদস্য ছিলেন।

- মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে কে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি প্রদান করেন।
- এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য তিনজন, সাবেক ই. পি. আর. সদস্য দুইজন এবং বিমান বাহিনী ও নো বাহিনীর একজন করে।

বীরশ্রেষ্ঠ:
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : সেনাবাহিনী।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : সেনাবাহিনী।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : সেনাবাহিনী।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন : নৌবাহিনী।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বিমান বাহিনী।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ই. পি. আর.।
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ই. পি. আর.।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৯,৫১৯.
বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল প্রাচীনযুগে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. পুণ্ড্র
  2. সমতট
  3. বরেন্দ্র
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র জনপদ:
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুণ্ড্র।
- পুণ্ড্র ‘জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়। 
- পুণ্ড্র রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য।

অন্যদিকে,
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- সমতটের অন্তর্গত ছিল বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালি অঞ্চল।
- সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত হরিকেল জনপদ বিস্তৃত ছিল।

উৎস: i)বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
          ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৯,৫২০.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা কত তারিখে প্রথম উত্তোলন করা হয়?
  1. ২ মার্চ
  2. ৩ মার্চ
  3. ৭ মার্চ
  4. ১০ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ
ব্যাখ্যা
প্রথম পতাকা উত্তোলন:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ, ১৯৭১।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
৯,৫২১.
অপারেশন সার্চলাইট - এ ঢাকা শহরে গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় কাকে?
  1. ক) জেনারেল টিক্কা খান
  2. খ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  3. গ) জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা
  4. ঘ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
- অপারেশন সার্চলাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরে গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীকে
- পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথমেই ঢাকা শহরের পিলখানার ইপিআর হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের নিয়ন্ত্রণভার পাকিস্তানি সেনাদের গ্রহণ করার কথা ছিল।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আক্রমণ, বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ও রেডিও- টেলিভিশন নিয়ন্ত্রণ, স্টেট ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ, আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেফতার, ঢাকা শহরের যাতায়াত ব্যবস্থাসহ শহর নিয়ন্ত্রণ ছিল হানাদার সৈন্যদের প্রাথমিক দায়িত্ব।
- অপারেশন সার্চলাইট অপারেশনে ঢাকার বাইরে গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল খাদিম হোসেন রেজাকে। 
- সার্বিকভাবে এ পরিকল্পনার তত্ত্ববধান করেন গভর্নর লে. জেনারেল টিক্কা খান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৯,৫২২.
কার ‍মৃত্যুর পর প্রাচীন বাংলায় ‘মাৎস্যন্যায়’ অবস্থা দেখা দেয়?
  1. ক) রাজা গণেশ
  2. খ) শশাঙ্ক
  3. গ) গোপাল
  4. ঘ) হেমন্ত সেন
সঠিক উত্তর:
খ) শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে বাংলায় অরাজকতা দেখা দেয়। সর্বত্র অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, লুটতরাজ প্রভৃতিতে ছেয়ে যায়। ঐতিহাসিকরা এ অবস্থাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেন।
পুকুরে যেমন বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, এই সময়ে বাংলার অবস্থাও তেমনই ছিলো। যার কারণে এ সময়কে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলা হয়।
৭ম শতকের মাঝামাঝি থেকে ৮ম শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ১০০ বছর ‘মাৎস্যন্যায়’ অবস্থা বিরাজমান ছিলো।
৭৫০ সালে গোপাল কর্তৃক পাল শাসনামলের সূচনার মাধ্যমে ‘মাৎস্যন্যায়’ অবস্থার অবসান হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৫২৩.
সিন্ধু অভিযানে মুসলিম সেনাপতি কে ছিলেন-
  1. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ
  2. মুহাম্মদ বিন কাসেম
  3. সুলতান মাহমুদ
  4. খান জাহান আলী
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ বিন কাসেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ বিন কাসেম
ব্যাখ্যা

- সিন্ধু অভিযানে মুসলিম সেনাপতি কে ছিলেন- মুহাম্মদ বিন কাসিম। 

• সিন্ধু বিজয়:

- আরবদের সিন্ধু বিজয় উপমহাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এটিকে দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলমানদের আগমনের সূচনালগ্ন ধরা হয়।
- এ ঐতিহাসিক ঘটনার প্রধান কুশীলব ছিলেন আরব সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম ও সিন্ধুর তৎকালীন রাজা দাহির।
- প্রথম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি ছিলেন মুহাম্মদ বিন কাসিম।

উল্লেখ্য,
- খলিফা প্রথম ওয়ালিদের সময় মুসলমানগণ সিন্ধু অভিযান করে।
- খলিফার অনুমতি নিয়ে ইরাকের গভর্ণর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এই অভিযান পাঠান।
- সিন্ধু বিজয়ের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাম্রাজ্যের বিস্তার সাধন এবং অর্থ সম্পদ লাভ।
- মুহম্মদ বিন কাসিম এক শক্তিশালী বাহিনী নিয়ে সিন্ধুদেশ আক্রমণ করেন।
- তিনি দাইবুল, নীরুন, সিওয়ান ও সিসাম দখল করে আরও উত্তরে অগ্রসর হন।
- সিন্ধুরাজ দাহির রাওয়ার দুর্গ রক্ষার চেষ্টা করেন।
- কিন্তু তিনি যুদ্ধে নিহত হন।
- রাওয়ার দখলের পর মুহম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুর রাজধানী আলোর জয় করেন।
- এরপর মুলতানও মুসলমানদের দখলে আসে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫২৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত ভাস্কর্য “অঙ্গীকার” -এর অবস্থান কোথায়?
  1. ক) মেহেরপুর
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) জয়দেবপুর
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
খ) চাঁদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাঁদপুর
ব্যাখ্যা

চাঁদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়কে লেকের উপর স্বাধীনতা যুদ্ধে চাঁদপুরের শহীদের স্মরণে ১৯৮৯ সালে এ মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য অঙ্গীকার নির্মিত হয়।
যার স্থপতি প্রফেসর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ।
এর উদ্বোধক ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
এটি চাঁদপুর কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ হিসেবে বিবেচিত। 
উৎসঃ চাঁদপুর জেলা সরকারী ওয়েবসাইট।

৯,৫২৫.
সরকারের কোন মন্ত্রণালয় 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করে থাকে?
  1. ক) বাংলা একাডেমি
  2. খ) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  3. গ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
গ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য। 
- ১৯৬০ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এ পুরস্কার ঘোষণা করে।
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা। প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। 
- ২৩ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১’ ঘোষণা করা হয়। মোট ১০টি ক্যাটাগরিতে ১৪ জন বিশিষ্ট লেখক বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ লাভ করেছেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৯,৫২৬.
নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়—
  1. ১৯০৫ সালের ২০ ডিসেম্বর 
  2. ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর 
  3. ১৯০৭ সালের ১০ ডিসেম্বর
  4. ১৯১২ সালের ২৫ ডিসেম্বর 
সঠিক উত্তর:
১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর 
ব্যাখ্যা

 মুসলিম লীগ:
- নিখিল ভারত মুসলিম লীগ ছিল ব্রিটিশ ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল।
- এই দল পরবর্তীকালে ভারত উপমহাদেশে মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পেছনে প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে।
- এই দলটি ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে ঢাকার তৎকালীন নবাব নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের রাজনৈতিক অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন গঠনের প্রস্তাব দেন।
- তাঁর এই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মুসলিম লীগের জন্ম হয়।
- মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন নবাব ভিকার-উল-মুলক এবং সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান।
- মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগে যোগ দেন অনেক পরে, ১৯১৩ সালে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৯,৫২৭.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে?
  1. আওয়ামী লীগ
  2. মুসলিম লীগ
  3. পিপিপি
  4. ন্যাপ
সঠিক উত্তর:
আওয়ামী লীগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আওয়ামী লীগ
ব্যাখ্যা
১৯৭০ এর নির্বাচন:

- এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ও ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- অবশ্য ১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ের ফলে দুর্গত ও উপকূলীয় এলাকায় প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ১৭ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
- আওয়ামী লীগ দলীয় সভায় ১৯৭০ সালের ১ এপ্রিল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- একই বছরের ১৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের দলীয় নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে 'নৌকা' পছন্দ করেন।
- নির্বাচনে মোট ২৪টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের পূর্ব পাকিস্তান অংশের জন্য ১৬০টি সাধারণ আসন ও ৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ মোট বরাদ্দ ছিল ১৬৯টি আসন।
- জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৭টি সংরক্ষিত আসন সহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে।
- অবশিষ্ট দুটি আসনের মধ্যে একটি আসন পি.ডি.পি. প্রধান নূরুল আমীন এবং অপর আসনটি লাভ করেন নির্দলীয় প্রার্থী চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় চৌধুরী।
- প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে ৩০০টি সাধারণ আসন ও ১০টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ মোট ৩১০টি আসন বরাদ্দ ছিল।
- প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ ২৮৮টি সাধারন আসন ও ১০টি সংরক্ষিত আসন সহ মোট ২৯৮টি আসন লাভ করে।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, মোজাম্মেল হক ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৫২৮.
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি কে?
  1. ক) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ
  2. খ) বিচারপতি মোস্তফা কামাল
  3. গ) বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  4. ঘ) বিচারপতি এসকে সিনহা
সঠিক উত্তর:
গ) বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন আব সাদাত মো. সায়েম। তিনি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ রাষ্ট্রপতি হন।
সূত্রঃ সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
৯,৫২৯.
মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত ডা. সিতারা বেগমের পদবি কী ছিল?
  1. লেফটেন্যান্ট
  2. ক্যাপ্টেন
  3. সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট
  4. মেজর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত ডা. সিতারা বেগমের পদবি ক্যাপ্টেন ছিল। 

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছিল। এ রকম একটি হাসপাতাল ছিল ২ নম্বর সেক্টরে। এর নাম ছিল ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’।
- এখানে ডা. জাফরউল্লাহ, ডা. মোবিন, ডা. আখতার, ডা. সিতারা বেগমসহ আরও অনেক চিকিৎসক, মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রী ও সেবিকা নিয়োজিত ছিলেন। এটি প্রথমে স্থাপিত হয় সীমান্তসংলগ্ন ভারতের সোনামুড়ায়।
- পরে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তা স্থানান্তর করা হয় আগরতলার কাছাকাছি বিশ্রামগঞ্জে।
- ডা. সিতারা বেগম বাংলাদেশ হাসপাতালে অসাধ্য সাধনের মতো সব কাজ করতেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন, তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং অন্যজন তারামন বিবি।

উৎস: প্রথম আলো ও সংগ্রামের নোটবুক।
৯,৫৩০.
মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের কয়টি স্তর ছিল?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

মৌলিক গণতন্ত্র:
- 'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থাটি আইয়ুব খানের অভিনব উদ্ভাবন।
- এটি ছিল চারস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা।
- ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের চারটি স্তর ছিল। যথা-
(১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়)।
(২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে)।
(৩) জেলা কাউন্সিল।
(৪) বিভাগীয় কাউন্সিল।

উল্লেখ্য যে, 
[শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুক ও বাংলাপিডিয়া মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু  পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে  মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৩১.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে মোট কতজনকে 'বীর বিক্রম' খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ক) ৬৮ জন
  2. খ) ১৭৫ জন
  3. গ) ৪২৬ জন
  4. ঘ) ৬৭৬ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭৫ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার চারটি ক্যাটাগরিতে ৬৭৬ জন কে বীরত্ব সূচক খেতাব প্রদান করে।
- মোট খেতাবপ্রাপ্ত : ৬৭৬ জন
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭ জন
- বীরউত্তম : ৬৮ জন
- বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- বীরপ্রতীক : ৪২৬ জন।
তবে গত ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০ হাইকোর্ট বঙ্গবন্ধুর চার খুনি বীরত্ব সূচক খেতাব স্থগিতের নির্দেশ দেয়। এরা হলো:
- শরীফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- মোসলেহ উদ্দিন (বীর প্রতীক)।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৯,৫৩২.
১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্রে পাকিস্তানকে কী ধরনের রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়?
  1. ধর্মনিরপেক্ষ
  2. ইসলামি প্রজাতন্ত্র
  3. সমাজতান্ত্রিক
  4. রাজতান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
ইসলামি প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামি প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র। 
- এটিকে বিলম্বিত শাসনতন্ত্র বলা চলে।
- সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর শাসনতন্ত্র প্রণেতাগণ এ শাসনতন্ত্রটি দিতে পেরেছিলেন।
-  ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠিত হয়।
- এর অগ্রভাগে ছিল তৎকালীন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ।
- ১৯৫৫ সালের ৭ই জুলাই এ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮০ জন।
- প্রথম গণপরিষদ শাসনতন্ত্র প্রণয়নে ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। এ ব্যর্থতাকে পুঁজি করে দ্বিতীয় গণপরিষদ শাসনতন্ত্র রচনায় ব্যাপৃত হয়।
- এ পরিষদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা শাসনতন্ত্র রচনাকে ত্বরান্বিত করে।
- ১৯৫৬ সালের ৯ই জানুয়ারি গণপরিষদে শাসনতন্ত্র বিল উত্থাপিত হয়।
- এ বিলের উপর আলোচনা-সমালোচনা চলে।
- আলোচনার পর ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- অবশেষে ২রা মার্চ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- ২৩ মার্চে এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- পাকিস্তানের ইতিহাসে এ শাসনতন্ত্রটি ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,৫৩৩.
বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) Joti Basu
  2. খ) Indira Gandhi
  3. গ) Rajib Gandhi
  4. ঘ) None of them
সঠিক উত্তর:
খ) Indira Gandhi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Indira Gandhi
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিকোলাই পদগর্নি।
- ওই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন আলেক্সেই কোসিগিন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন রিচার্ড নিক্সন।
- জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন উ থান্ট।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, সপ্তম শ্রেণি।

৯,৫৩৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) ৩ নং
  2. খ) ৪ নং
  3. গ) ২ নং
  4. ঘ) ৯ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ নং
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করে। ফেনী নদী থেকে আখাউড়া-ভৈরব রেললাইনের পশ্চিমপ্রান্ত এবং ঢাকা শহর ও ফরিদপুরের অংশবিশেষ নিয়ে ২নং সেক্টর গঠিত হয়। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২নং সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত হন মেজর খালেদ মোশারফ। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর এ টি এম হায়দার ২নং সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত হন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৯,৫৩৫.
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে মোট কয়টি আসনে জয়ী হয়?
  1. ক) ১৬০ টি
  2. খ) ১৬৩ টি
  3. গ) ১৬৭ টি
  4. ঘ) ১৬৯ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৭ টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে মোট ১৬৭টি (সংরক্ষিত ৭টি মহিলা আসনসহ) আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
আওয়ামীলীগ হেরে যায় দুটি আসনে। একটি ময়মনসিংহের নুরুল আমিন এবং অপরটি রাঙামাটির চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়ের কাছে হেরে যায়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯,৫৩৬.
জর্জ হ্যারিসন কীসের দ্বারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি করেন?
  1. চলচ্চিত্র তৈরি করে
  2. ফুটবল খেলার মাধ্যমে
  3. ছবি এঁকে 
  4. গান গেয়ে
সঠিক উত্তর:
গান গেয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গান গেয়ে
ব্যাখ্যা
জর্জ হ্যারিসন গান গেয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি করেন।

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন, যে ধরণের আয়োজন এর আগে বিশ্বের মানুষ কখনও দেখেনি।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেন।
- তিনি বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।
- জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানের মতো তারকাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ অন্যরকম এক পরিচিতি পায় যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের সাধারণ মানুষের কাছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
ii) BBC।
৯,৫৩৭.
কত সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয়?
  1. ক) ১৭৬৫ সালে
  2. খ) ১৭৭২ সালে
  3. গ) ১৭৯৩ সালে
  4. ঘ) ১৭৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৭৯৩ সালের ২২শে মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
এ ব্যবস্থায় ১৭৯৩ সালের ২২শে মার্চ তারিখে নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর স্থায়ী মালিকানা প্রদান করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৫৩৮.
বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা। ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা’ দিবস পালন করা হয়-
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ৬ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ২০ মার্চ
  4. ঘ) ৭ জুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ জুন
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলসমূহের সম্মেলেনে বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন সংবলিত ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে ১৮-২০ মার্চ ১৯৬৬ আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সভায় ৬ দফা গৃহিত হয়। পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন। ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়। এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
[সূত্রঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী]
৯,৫৩৯.
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে সর্বশেষ বাংলায় এসেছিলেন-
  1. ক) পর্তুগিজরা
  2. খ) ইংরেজরা
  3. গ) ফরাসিরা
  4. ঘ) ওলন্দাজরা
সঠিক উত্তর:
গ) ফরাসিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফরাসিরা
ব্যাখ্যা
১৪৯৮ সালের ২৭মে দুঃসাহসিক পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা উত্তমাশা অন্তরীপ অতিক্রম করে তিনটি বাণিজ্য তরী নিয়ে ভারতের পশ্চিম উপকূলে কালিকট বন্দরে আগমন করেন। তারা ১৫১৬ সালে প্রথম বাংলায় আসেন।
এরপর ১৬৩০ সালে ওলন্দাজরা, ১৬৫৮ সালে ইংরেজরা এবং সবশেষে ১৬৭৪ সালে ফরাসিরা বাংলায় আগমন করে।
উৎস - বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৪০.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহিদ কে?
  1. আবদুস সালাম
  2. আবুল বরকত
  3. শফিউর রহমান
  4. রফিক উদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
রফিক উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিক উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের শহিদ:
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ ছিলেন রফিক উদ্দিন আহমেদ, তিনি বাদামতলী কমার্শিয়াল প্রেসের মালিকের ছেলে।
- একই দিনে নিহত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শহীদ বরকত ও জব্বার।
- আহতদের মধ্যে সেক্রেটারিয়েটের পিয়ন আবদুস সালাম পরে মারা যান।
- আট/নয় বছরের কিশোর অহিউল্লাহ্ও সেদিন নিহত হয়।
- ২২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহত হন রিকশাচালক সালাম এবং হাইকোর্টের কর্মচারী শফিউর রহমান।
- ২০০০ সালে তাঁদের সবাইকে রাষ্ট্রীয় একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৪১.
‘ফাগুন হাওয়ায়’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. সোহেল রানা
  2. তৌকির আহমেদ
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
ব্যাখ্যা

ফাগুন হাওয়ায় চলচ্চিত্র:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৈরি করা হয়েছে চলচ্চিত্র ‘ফাগুন হাওয়ায়’।
- চলচ্চিত্রের পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- এর নামকরণে ফুটে উঠেছে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন চলাকালে বাংলা মাস ফাল্গুনের নামটি।
- এতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও সিয়াম আহমেদ। অন্যান্য ভূমিকায় রয়েছেন ফজলুর রহমান বাবু, আবুল হায়াত ও রওনক হাসানের মতো অভিনয়শিল্পীরা।

⇒ ফাগুন হাওয়ায় ছবিতে এক মফস্বল শহরে ভাষা আন্দোলনের সময়ে মানুষের ভাবনা, আন্দোলন আর চেতনাকে রূপক অর্থে তুলে ধরেছেন তৌকীর আহমেদ।
- চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে টিটো রহমানের বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা ‘বউ কথা কও’ গল্প অবলম্বনে।

উৎস: i) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
ii) প্রথম আলো।

৯,৫৪২.
আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটিতে ছয় দফা কর্মসূচি গৃহীত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ১৯৬৬ সালের ৮ মার্চ
  3. গ) ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ১৯৬৬ সালের ১৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৬৬ সালের ১৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৬৬ সালের ১৩ মার্চ
ব্যাখ্যা
ছয় দফার প্রতিক্রিয়া:
- ১৯৬৬ সালের ১৩ মার্চ আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটিতে ছয় দফা কর্মসূচি গৃহীত হয়
- বঙ্গবন্ধু ছয় দফার পক্ষে জনমত গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন স্থানে বক্তব্য দেন এবং ছয় দফাকে ‘আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যায়িত করেন।
- ১৯৬৬ সালের ৮ মে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দেশরক্ষা আইনে গ্রেফতার করা হয়। 
- নেতাদের মুক্তির দাবিতে ৭ জুন সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতালের ডাক দেয়া হয়। 
- এই দিন পুলিশের গুলিতে ১১ জন নিহত এবং বহুসংখ্যক লোক আহত হয়।
- এ ঘটনার প্রতিবাদে ৮ জুন প্রাদেশিক পরিষদে বিরোধী দল ওয়াকআউট করে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৪৩.
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখবার জন্য ঢাকার মোট কতগুলো সড়কের নামকরণ করা হয়?
  1. ৪ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. ৭ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখবার জন্য ঢাকার মোট ৫টি  সড়কের নামকরণ করা হয়। 
- বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।

- শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি অমর করে রাখতে ১৯৭২ সালে ঢাকার মিরপুরে মোস্তফা আলী কুদ্দুসের নকশায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে দেশের নানা জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে অসংখ্য ভাস্কর্য, সৌধ ও স্মৃতিফলক। বাংলাদেশ ডাক বিভাগও ১৯৯১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তাঁদের স্মরণে প্রকাশ করেছে নয়টি ডাকটিকিটের সিরিজ। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট।
৯,৫৪৪.
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে তৈরি প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. স্টপ জেনোসাইড
  2. ধূসর যাত্রা
  3. আগামী
  4. চাকা
সঠিক উত্তর:
আগামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগামী
ব্যাখ্যা

প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে তৈরি প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'আগামী'।
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন মোরশেদুল ইসলাম ৷
- মোরশেদুল ইসলামের চলচ্চিত্র পরিচালনায় হাতেখড়ি হয়েছিল ১৯৮৪ সালে।
- যুদ্ধ পরবর্তী সময়ের গল্প তুলে ধরা হয়েছে ২৫ মিনিটের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে।
- ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে চট্টগ্রামে সিনেমাটি প্রথম প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়।
- সিনেমাটি প্রথমবার বাণিজ্যিকভাবে প্রদর্শিত হয় ফেব্রুয়ারি মাসের ১৬ তারিখে ঢাকার ব্রিটিশ কাউন্সিলে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।

৯,৫৪৫.
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের গণহত্যা কোন নামে পরিচিত?
  1. স্বাধীনতার রাত্রি
  2. কালরাত্রি 
  3. রক্তস্নাত রাত্রি
  4. মুক্তির প্রভাত
সঠিক উত্তর:
কালরাত্রি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালরাত্রি 
ব্যাখ্যা

• ২৫শে মার্চের গণহত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধ:

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে বাঙালির তথা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরলতম এবং একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়, যা 'কালরাত্রি' নামে পরিচিত।  সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র, নিরীহ, স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর ইতিহাসের নির্মমতম গণহত্যা চালায়।
- পাকিস্তান তাদের এ অভিযানের নাম দেয় 'অপারেশন সার্চলাইট'।
- ১৮ই মার্চটিক্কা খান, রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চলাইট' বা বাঙালির উপর হত্যাকাণ্ড পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করেন।
- ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় ঢাকা ত্যাগ করেন। 
- ২৫শে মার্চ গণহত্যার জন্য বেছে নেওয়া হয়। মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীকে ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চলাইটের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- ইয়াহিয়া খানের নির্দেশ মোতাবেক গভর্নর টিক্কা খানের ঘাতক সৈন্যরা ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় গণহত্যার তাণ্ডবলীলা চালায়। 
- এই গণহত্যা চলেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়, পুরনো ঢাকায়, কচুক্ষেত, তেজগাঁও, ইন্দিরা রোড, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ঢাকা বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে, রায়ের বাজার, ধানমন্ডি, কলাবাগান, কাঁঠালবাগানসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে। 
- ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় গণহত্যা শুরু হলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং তা ওয়্যারলেসযোগে চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেন। 
- নৃশংস গণহত্যার সংবাদ যাতে বিদেশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২৫ জন বিদেশি সাংবাদিককে আটক করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

৯,৫৪৬.
একুশের প্রভাতফেরীর প্রথম গানের রচয়িতা কে?
  1. ক) আ ন ম গাজীউল হক
  2. খ) আলতাফ মাহমুদ
  3. গ) মোশারেফ উদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) হাসান হাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) মোশারেফ উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোশারেফ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
১৯৫৩ সালের প্রথম শহিদ দিবসের প্রথম প্রচাতফেরীতে গাওয়া গান হলো- 
"মৃত্যুকে যারা তুচ্ছ করিল
ভাষা বাচাবার তরে
আজিকে স্মরিও তারে"
- গানটির রচয়িতা প্রকৌশলী মোশারেফ উদ্দিন আহমেদ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯,৫৪৭.
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কোন বছরে গণপরিষদে বাংলা ভাষার জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করেন?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের করাচিতে গণপরিষদের অধিবেশন শুরু হয়।
- সেদিন কুমিল্লার সন্তান ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সর্বপ্রথম পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব তুলেছিলেন।

⇒ তিনি সরকারি কাগজে বাংলা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
- ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ ওই অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তই সর্বপ্রথম রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবিতে সোচ্চার হন।
- তিনি অধিবেশনে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, গণপরিষদে যে কার্যবিবরণী লেখা হয় তা ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় লিপিবদ্ধ হয়।
- সমগ্র পাকিস্তানের ৫৬ শতাংশ মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলেন।
- অধিবেশনে ইংরেজি ও উর্দুর সঙ্গে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি তোলেন তিনি।

উৎস: প্রথম আলো।
৯,৫৪৮.
ট্রিপল সুপার ফসফেট সার কারখানাটি কোথায়?
  1. ক) ঘোড়াশাল
  2. খ) আশুগঞ্জ
  3. গ) চট্রগ্রাম
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) চট্রগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
- ট্রিপল সুপার ফসফেট সারই টিএসপি সার নামে পরিচিত। এতে সর্বাধিক পরিমাণ ফসফেট পাওয়া যায়।
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ, উত্তর পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা।
- টিএসপি কমপেস্নক্স লিঃ এর স্থাপনা তৎদকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে আরম্ভ হলেও ১৯৭৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০০,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস : www.bcic.gov.bd
৯,৫৪৯.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ১ জানুয়ারি
  2. ৫ অক্টোবর
  3. ৭ ডিসেম্বর
  4. ১৭ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
৭ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচন:
- ১৯৬২ সালে মৌলিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জাতীয় পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জনগণ সর্বপ্রথম দেশের কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ লাভ করে।
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
- ফলে সেদিন থেকেই নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু হয়।
- ১৯৭০ সালের ৫ অক্টোবর জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
- কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তানে বন্যা হয়।
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচন হয় ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর।
- এবং প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ নির্দিষ্ট হয় ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ এর পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করে।
- জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসন লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৫০.
ঐতিহাসিক ৬ দফা প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. আগরতলায়
  2. লাহোরে
  3. করাচিতে
  4. পল্টনে
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক 'ছয়দফা কর্মসূচি' পেশ করেন।
এ কর্মসূচিকে তিনি 'পূর্ব পাকিস্তানের বাঁচার দাবি' বলে অভিহিত করেন।
বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয়দফা দাবি সংক্রান্ত পুস্তিকাটির নাম 'ছয়দফা : আমাদের বাঁচার দাবি।'
উৎসঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।
৯,৫৫১.
বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত-
  1. ক) ভেড়ামারা
  2. খ) সিদ্ধিরগঞ্জ
  3. গ) গোয়ালপাড়া
  4. ঘ) আশুগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক) ভেড়ামারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভেড়ামারা
ব্যাখ্যা
- দেশের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ও সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র “পায়রা তাপবিদ্যুৎ” কেন্দ্র উদ্বোধন হয় - ২১ মার্চ ২০২২ সালে।
- এর অবস্থান পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে। ৯ জুন ২০১৪ এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৪ অক্টোবর ২০১৬।
- এটি ১,০০০ একর জমির উপর নির্মিত।
- এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
 
এর পূর্বে, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অবস্থান। 
যেহেতু অপশনে পায়রা তাপবিদ্যুৎ এর অবস্থান দেওয়া ছিল না, তাই ভেড়ামারাকে সঠিক উত্তর হিসেবের না দেওয়া হয়েছে। 
৯,৫৫২.
বাংলার শেষ কররানী শাসক কে ছিলেন?
  1. দাউদ কররানী
  2. সুলায়মান কররানী
  3. বায়েজীদ কররানী
  4. সেলিম কররানী
সঠিক উত্তর:
দাউদ কররানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাউদ কররানী
ব্যাখ্যা
কররানি শাসন:
- কররানি উপাধিধারী আফগানরা হচ্ছে একটি আফগান গোত্র।
- কররানীদের আদি নিবাস ছিল আফগানিস্তানের বঙ্গাশ নামক স্থানে। বর্তমানে এটি কুররম নামে অভিহিত।
- পাঠানদের কররানী শাখা আফগানিস্তানে করলানি নামে পরিচিত।
- ১৫৬৪ সালে তাজ খান কররানি বাংলায় কররানি বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি এক সময় শেরশাহের অধীনে চাকরি করতেন।
- ১৫৬৫ সালে তিনি বাংলার অধিপতি হওয়ার এক বছরের মধ্যে মারা যান।
- তাঁর ভাই সুলেমান কররানি প্রায় সাত বছর বাংলার সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- এই সময়ের মধ্যে তিনি বাংলাকে উত্তর-পূর্ব ভারতের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করেছিলেন।
- তাঁর আমলে বাংলায় অপেক্ষাকৃত সুশাসন ও শান্তি বিরাজ করেছে।
- সুলায়মান কররানীর জ্যেষ্ঠ পুত্র বায়েজীদ কররানী তাঁর উত্তরাধিকারী হন।
- তিনি তাঁর পিতার নীতি পরিহার করে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- বায়েজীদ কররানী মাত্র অল্প কয়েকমাস বাংলা শাসন করেন।
- ১৫৭৩ খ্রিস্টাব্দে বায়েজীদের কনিষ্ঠ ভ্রাতা দাউদ কররানীকে বাংলার সিংহাসনে অভিষিক্ত করেন।
- দাউদ তাঁর ভাইয়ের স্বাধীন নীতি অনুসরণ করে নিজের নামে খুৎবা পাঠ ও মুদ্রা প্রচলন করেন।
- ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দের ১২ জুলাই রাজমহলের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। দাউদ কররানী বন্দি হন এবং তাঁকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়।
- দাউদ কররানীর মৃত্যুদন্ডের ফলে বাংলায় স্বাধীন মুসলিম শাসনের অবসান ও মুঘল শাসনের সূচনা হয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৫৩.
বাংলা ভাষা কত সালে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে মর্যাদা পায়?
  1. ক) ১৯৫৩
  2. খ) ১৯৫৪
  3. গ) ১৯৫৬
  4. ঘ) ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬
ব্যাখ্যা
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মর্যাদা

প্রবল আন্দোলনের মুখে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। জাতীয় পরিষদে বাংলা ভাষা বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের একপর্যায়ে এর সদস্য আদেলউদ্দিন আহমদের দেওয়া সংশোধনী প্রস্তাব অনুযায়ী উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বিল পাস করা হয়। ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে মর্যাদা দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৫৪.
বাংলাদেশের বৃহত্তম বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
  2. খ) বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ
  3. গ) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন
  4. ঘ) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন:
- বিগত প্রায় চার দশকেরও অধিক সময় ধরে সর্ববৃহৎ বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে  দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পরমাণু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শী বলিষ্ঠ পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে ১৯৭৩ সালে গড়ে উঠা এ প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহত্তম বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠানের স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আর্ন্তজাতিক দায়বদ্ধতার অধীনে পরমাণু শক্তির অপব্যবহার নিরোধ এবং পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য, খাদ্য, কৃষি, শিক্ষা, শিল্পসহ জাতীয় অর্থনীতির বিভিন্ন খাতকে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন সহায়তা করে আসছে।
- এর মধ্যে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য অত্যাধুনিক পরমাণু চিকিৎসা সেবা প্রদান, আমদানীকৃত সকল খাদ্যদ্রব্যের তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষণের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ, বিকিরণজনিত নিরাপত্তা চর্চা প্রতিষ্ঠা, পারমাণবিক রশ্মি প্রয়োগের মাধ্যমে চিকিৎসাসামগ্রী ও ঔষধ জীবাণুমুক্তকরণ, খাদ্য সংরক্ষণ, উন্নতমানের পলিমারসামগ্রী উদ্ভাবন, খাদ্য ও পরিবেশের নানা উপাদানের রাসায়নিক বিশ্লেষণ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- সর্বোপরি দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জ্বালানী নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে কমিশন কাজ করে যাচ্ছে।

সূত্র:  বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।
৯,৫৫৫.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের -
  1. ক) এক-তৃতীয়াংশ
  2. খ) এক-চতুর্থাংশ
  3. গ) এক-পঞ্চমাংশ
  4. ঘ) দুই-পঞ্চমাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) এক-পঞ্চমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক-পঞ্চমাংশ
ব্যাখ্যা

পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০ : ৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত। লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
অর্থাৎ, পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং লাল বৃত্তের মাঝের অনুপাত = ১০ : ৬ : ২ = ৫ : ৩ : ১।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৯,৫৫৬.
হাজী শরিয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. মুসা শাহ
  2. মুহম্মদ জহির উদ্দীন
  3. মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন
  4. কুতুব উদ্দীন
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন:

- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরিয়ত উল্লাহ বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- হাজী শরিয়ত উল্লাহর এই সংস্কার আন্দোলনের নামই ফরায়েজি আন্দোলন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
-  শরিয়ত উল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। 
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরিয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৫৭.
”ষাট গম্বুজ মসজিদ” কোন শতাব্দীতে নির্মিত হয়?
  1. ১৫শ
  2. ১৬শ
  3. ১৩শ
  4. ১৪শ
সঠিক উত্তর:
১৫শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫শ
ব্যাখ্যা

• ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে এটি যে খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে কোনো সন্দেহ থাকে না।
- তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন। 
- এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো। 
- পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত; 
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। 
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

৯,৫৫৮.
ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয় কবে?
  1. ১০ জুলাই ১৯৯৬
  2. ২০ আগস্ট ১৯৯৬
  3. ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬
  4. ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
সঠিক উত্তর:
১২ নভেম্বর ১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ নভেম্বর ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ কুখ্যাত ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন।
- এই কুখ্যাত অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে না মর্মে ঘোষণা দেয় হয়।
- ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৯,৫৫৯.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় কোথায় সান্ধ্য আইন বলবৎ করা হয়?
  1. রাজশাহী
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে এক দুর্বার আন্দোলন গড়ে ওঠে যা ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।

⇒ সরকারি নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়।
- এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে মেনন গ্রুপ ছাত্র ইউনিয়নের অন্যতম নেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- ২৪ জানুয়ারি গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হলে ঢাকার পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
- শহরের নিয়ন্ত্রণভার সেনাবাহিনীর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অনির্দিষ্ট কালের জন্য ঢাকায় সান্ধ্য আইন বলবৎ করা হয়। 

⇒ ১৫ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হক বন্দি অবস্থায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে গুলিতে নিহত হন।
- ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা নিহত হলে ক্রুদ্ধ ও ভাবাবেগে আপ্লুত হাজার হাজার ছাত্র জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে ঢাকার রাজপথে নেমে আসে।

উল্লেখ্য,
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।
- আগরতলা মামলা বাতিল হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন।


উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৬০.
বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন চ্যানেল কোনটি?
  1. ক) বিটিভি
  2. খ) জি বাংলা
  3. গ) এটিএন বাংলা
  4. ঘ) স্টার জলসা
সঠিক উত্তর:
ক) বিটিভি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিটিভি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৭৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এটিকে রামপুরায় স্থানান্তর করা হয় এবং ৬ মার্চ থেকে পুনরায় সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রামকেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভি তার ১৪টি উপ/রিলে কেন্দ্রের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৯৫ ভাগ এলাকায় টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচার বজায় রেখেছে।
(তথ্যসূত্রঃ বিটিভি ওয়েবসাইট)
৯,৫৬১.
প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন কে?
  1. আবদুল মতিন
  2. শামসুল আলম
  3. নূরুল হক ভুঁইয়া
  4. কাজী গোলাম মাহবুব
সঠিক উত্তর:
নূরুল হক ভুঁইয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নূরুল হক ভুঁইয়া
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ভাষা ও সংস্কৃতির বিষয়ে শুরু থেকেই যে আন্দোলন ও আলোড়ন সৃষ্টি হয়, তা থেকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান জন্ম নেয়।

• প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ (১৯৪৭):
- গঠিত: ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে।
- উদ্যোগ: তমদ্দুন মজলিশ।
- উদ্দেশ্য: ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া।
- আহ্বায়ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

• দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ (১৯৪৮):
- গঠিত: ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ।
- উপস্থিত: দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও ছাত্রসমাজ।
- আহ্বায়ক: শামসুল আলম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

উৎস: ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো।

৯,৫৬২.
'বৈদেশিক বাণিজ্য' আওয়ামীলীগের ঐতিহাসিক ছয় দফার কততম দফায় অন্তর্ভূক্ত ছিল?
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৩য়
  3. গ) ৪র্থ
  4. ঘ) ৫ম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ম
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
- বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
২. ফেডারেল সরকার।
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা।
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য।
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৬৩.
মুক্তিযুদ্ধকালে অনিয়মিত বাহিনীর সরকারি নাম ছিল -
  1. ক) গণবাহিনী
  2. খ) মুক্তিযোদ্ধা
  3. গ) ফ্রিডম ফাইটার
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী

মুক্তিবাহিনী সরকারি পর্যায়ে দুভাগে বিভক্ত ছিল-

১. নিয়মিত বাহিনী ও
২. অনিয়মিত বাহিনী।

১. নিয়মিত বাহিনী:
- পূর্ব পাকিস্তানে অবস্থিত ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইউনিটগুলোর সমন্বয়ে বাঙালি সৈনিকদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয়।
- সৈন্যবলের ঘাটতি পূরণের জন্য আধা-সামরিক বাহিনী (যেমন পুলিশ, আনসার, মুজাহিদ) বা যুবকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ৮টি ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়।
- এছাড়া সেক্টর ট্রুপস গড়ে তোলা হয়। সেক্টর ট্রুপসের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০,০০০। নিয়মিত বাহিনীর সদস্যদের সেক্টর ট্রুপসে নেয়া হয়।
- নিয়মিত ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ব্যাটালিয়ন নিয়ে ৩টি ব্রিগেড গঠন করা হয়।
- এই ব্রিগেডগুলো কে ফোর্স, এস ফোর্স ও জেড ফোর্স নামে পরিচিত ছিল।
- সরকারি পর্যায়ে এদের নামকরণ করা হয় মুক্তিফৌজ (এম.এফ.)।

- নিয়মিত বাহিনীর সদস্যরা মাসিক বেতনভাতা ও সেনাবাহিনীর আইন-শৃংখলার আওতাধীন ছিল।
- নিয়মিত বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ছিল প্রায় ১৮,৬০০ জন।
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ সরকার নিয়মিত বাহিনী হিসাবে সেনাবাহিনী, বিমান ও নৌবাহিনীও গড়ে তোলে।

২. অনিয়মিত বাহিনী:
- মুক্তিযুদ্ধে নিয়মিত বাহিনীর 'মুক্তিফৌজ' (এম.এফ.) বা 'মুক্তিবাহিনীর' সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল বাংলাদেশের হাজার হাজার ছাত্র, কিশোর, যুবক, কৃষক-শ্রমিকের যুব অংশ।
- এদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে নিয়মিত বাহিনীর অধীনেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পাঠানো হতো।
- এদের কাজ ছিল পাকিস্তানি শত্রু সেনাকে ‘আঘাত করে সরে পড়া' (Hit and run)।
- অনিয়মিত বাহিনীকে সরকারিভাবে বলা হতো 'গণবাহিনী' বা এফ.এফ. (ফ্রিডম ফাইটার বা মুক্তিযোদ্ধা)
- সে সময় গ্রামে-গঞ্জের লোকজন এদেরকে ‘গেরিলা বাহিনী' বা 'গেরিলা' বলেও অভিহিত করতো।
- এই বাহিনীর জন্য কোন সামরিক আইন কার্যকর ছিল না। গেরিলা বাহিনীর সদস্যদের কোন বেতন-ভাতা দেয়া হতো না।
- অনিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লক্ষ ১২ হাজার।


তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৬৪.
চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে কবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ৩১ আগস্ট, ১৯৭৫
  2. ৩১ আগস্ট, ১৯৭৬
  3. ৩১ আগস্ট, ১৯৭৪
  4. ৩১ আগস্ট, ১৯৭৭
সঠিক উত্তর:
৩১ আগস্ট, ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ আগস্ট, ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত।
- উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

এছাড়াও, 
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- একই বছর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ পায়।

সূত্র: বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৬৫.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন -
  1. ক) তমদ্দুন মজলিশ
  2. খ) সর্বদলীয় রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  3. গ) ভাষা আন্দোলন মঞ্চ
  4. ঘ) বাংলা ভাষা আন্দোলন কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
ক) তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। এটি ছিলো ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৯,৫৬৬.
বাংলার প্রথম পাল রাজা কে?
  1. জয়পাল
  2. গোপাল
  3. রামপাল
  4. মহিপাল
সঠিক উত্তর:
গোপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল
ব্যাখ্যা
- পাল বংশ প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ। পালরা প্রায় চারশ বছর বাংলা শাসন করে।
- অষ্টম শতাব্দীতে ৭৫০ সালে গোপাল মাৎস্যনায় অবস্থার অবসান ঘটিয়ে পাল শাসনের সূত্রপাত করেন। গোপাল ৭৫০ খ্রি. থেকে ৭৮১ খ্রি. পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন।
- পাল বংশের শ্রেষ্ঠতম শাসক ছিলেন ধর্মপাল। তিনি প্রায় (৭৮১-৮২১ খ্রি.) ৪০ বছর বাংলা শাসন করেন। তার উপাধি ছিলো পরমেশ্বর, পরমভট্টারক, মহারাজাধিরাজ প্রভৃতি।
- পাল বংশের সর্বশেষ শাসক হলেন মদনপাল (১১৪৩-১১৬১ খ্রি.)।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৫৬৭.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে মোট কত জনকে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ৬৭৫ জন
  2. ৬৭৬ জন
  3. ৬৭৭ জন
  4. ৬৭৮ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৬৮.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্য মোট কতজনকে বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করা হয়েছিল?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৪ জন
  3. ৬৭৬ জন
  4. ৬৭৮ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৬৯.
ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম কোনটি?
  1. সিপাহী বিদ্রোহ
  2. ফকির সন্ন্যাসী আন্দোলন
  3. স্বদেশী আন্দোলন
  4. অসহযোগ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
সিপাহী বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে। ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম- দশম শ্রেণী।  
৯,৫৭০.
শীলাদেবীর ঘাট বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কিশোরগঞ্জ
  2. নরসিংদী
  3. বগুড়া
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
শীলাদেবীর ঘাট: 
- শীলাদেবীর ঘাট বগুড়া জেলার করতোয়া নদীতে অবস্থিত।
- স্থানটির অবস্থান মহাস্থানগড়স্থ বৈরাগীর ভিটার বিপরীত দিকে।
- স্থানীয় কাহিনী-কিংবদন্তী অনুযায়ী শীলাদেবী ছিলেন মহাস্থানগড়ের শেষ হিন্দু রাজা পরশুরামের কন্যা বা ভগ্নি।

উল্লেখ্য, 
- মুসলিম সাধক শাহ সুলতান বলখী (রঃ) মাহীসওয়ার কর্তৃক রাজা পরশুরাম পরাজিত হলে শীলাদেবী করতোয়ার এই স্থানে জলে ডুবে আত্মাহুতি দেন। এই স্থানটি তাই শীলাদেবীর ঘাট নামে পরিচিত। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
৯,৫৭১.
'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড' কবিতার রচয়িতা কে?
  1. জর্জ হ্যারিসন
  2. এ্যন্থনি ম্যাসকারেনহাস
  3. এলেন গিন্সবার্গ
  4. বব ডিলান
সঠিক উত্তর:
এলেন গিন্সবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এলেন গিন্সবার্গ
ব্যাখ্যা

সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড:
- যুক্তরাষ্ট্রের কবি এলেন গিন্সবার্গ রচিত একটি কবিতা 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড'।
- এই কবিতার লাইন সংখ্যা ১৫২ টি।
- এই দীর্ঘ কবিতার সাথে সুর দিয়ে এটিকে গানে রূপ দিয়েছিলেন তিনি।
- আমেরিকায় ফিরে গিয়ে তার বন্ধু বব ডিলান ও অন্যান্য বিখ্যাত গায়কদের সহায়তায় এই গান গেয়ে কনসার্ট করেছিলেন। 
- কবিতাটি নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানীরা এদেশে হামলা করলে প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশী জনগণ অস্থায়ী শরণার্থী হিসেবে ভারতে গমন করে। সে সময় নিরাপদে ভারতের ভূখণ্ডে অস্থায়ীভাবে প্রবেশের পথ হিসেবে শরণার্থীরা বেছে নেয় এই যশোর রোডকে।
- ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ ভারতের কলকাতা থেকে নৌকায় করে বাংলাদেশের যশোর সীমান্তে পৌছান।
- সীমান্তবর্তী শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাসকারী উদ্বাস্তুদের দুর্দশা প্রত্যক্ষ করে তিনি স্তম্ভিত হয়ে যান।
- দেশে ফিরে গিন্সবার্গ একটি কবিতা লেখেন: 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড'।

উৎস: প্রথম আলো।

৯,৫৭২.
ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান 'তমদ্দুন মজলিস' একটি -
  1. ছাত্র সংগঠন
  2. সামাজিক সংগঠন
  3. সাংস্কৃতিক সংগঠন
  4. রাজনৈতিক দল
সঠিক উত্তর:
সাংস্কৃতিক সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংস্কৃতিক সংগঠন
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৯,৫৭৩.
টুঙ্গিপাড়া কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. পদ্মা
  2. বাইগার
  3. মধুমতি
  4. পায়রা
সঠিক উত্তর:
বাইগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইগার
ব্যাখ্যা
টুঙ্গিপাড়া:
- টুঙ্গিপাড়া বাইগার নদীর তীরে অবস্থিত।
- টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৫৭৪.
প্রাচীনকালে বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন -
  1. সম্রাট অশোক
  2. শশাঙ্ক
  3. সমুদ্রগুপ্ত
  4. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
ব্যাখ্যা
সম্রাট অশোক:
- মৌর্য বংশের তৃতীয় শাসক ছিলেন সম্রাট অশোক।
- উত্তর বাংলা জয়কারী প্রথম মৌর্য সম্রাট।
- কলিঙ্গ যুদ্ধ ভয়াবহ দেখে তিনি বৌদ্ধ ধর্ম দীক্ষা লাভ করেন।
- সম্রাট অশোককে বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষক বা কনস্ট্যানটাইন বলা হয়।

অপরদিকে,
শশাঙ্ক:
- শশাঙ্ক ছিলেন গৌড়ের স্বাধীন রাজা।
- তার রাজধানী কর্ণসুবর্ণ।
- তাকে বৌদ্ধ ধর্ম বিদ্বেষী বলা হয়।
-তার মৃত্যুর পর মৎস্যন্যায় শুরু হয়।

সমুদ্র গুপ্ত: 
- সমতট ব্যতীত সমগ্র বাংলা জয় করেন সমুদ্র গুপ্ত।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।

এছাড়াও,
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ছিলেন মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠা। 
- প্রথম স্বাধীন ও শক্তিশালী রাজা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৭৫.
The Sundarban is famous for _____
  1. Mangrove Forest
  2. Birds
  3. Rivers
  4. Tigers
সঠিক উত্তর:
Mangrove Forest
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mangrove Forest
ব্যাখ্যা
⇒ সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বনভূমির জন্যে বিখ্যাত।

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- নানা ধরনের গাছপালার চমৎকার সমারোহ ও বিন্যাস এবং বন্যপ্রাণীর অনন্য সমাবেশ এ বনভূমিকে চিহ্নিত করেছে এক অপরূপ প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে।
- অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের একটি উলে­খযোগ্য কেন্দ্র হিসেবেও এটি বিবেচিত; এখান থেকে সংগৃহীত হয় নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী বনবৃক্ষ, আহরিত হয় প্রচুর পরিমাণ মধু, মোম ও মাছ।
- সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
- পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৭৬.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয় কখন?
  1. ক) ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
  2. খ) ১৯৪৮ সালের ৩ মার্চ
  3. গ) ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা হয় (এটি দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ নামেও পরিচিত) এবং আহ্বায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় গঠিত ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।
- ৪০সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।

সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, বাংলাপিডিয়া এবং ভাষা আন্দোলনে ঢাকা - আহমদ রফিক : বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৯,৫৭৭.
উপমহাদেশে ওয়ারেন হেস্টিংস এর অবদান কোনটি?
  1. প্রচলিত জমিদার পদ্ধতির পরিবর্তে ‘পাঁচসালা বন্দোবস্ত’ প্রবর্তন
  2. দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন
  3. 'একসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটি
ব্যাখ্যা
ওয়ারেন হেস্টিংস
- বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রথম গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস। 
- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেলও ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস। 
- তাঁর শাসন কালকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, প্রথমপর্ব: ১৭৭২-১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার গভর্নর হিসেবে আর দ্বিতীয় পর্ব, ১৭৭৪-১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গভর্নর জেনালের হিসেবে।
- ওয়ারেন হেস্টিংস সর্ব প্রথমেই সীমান্ত নীতি বিষয়ে পরিবর্তন সাধন করেন।

- ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ সালের ১৩ আগস্ট বাংলায় প্রথম রাজস্ব বোর্ড গঠন করেন।
- তিনি প্রচলিত জমিদার পদ্ধতির পরিবর্তে ‘পাঁচসালা বন্দোবস্ত’ (১৭৭২-১৭৭৭) প্রবর্তন করেন।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো খাজনা আদায় বৃদ্ধি এবং যথাসময়ে রাজস্ব সংগ্রহ। 
- তবে নানা কারণে এ ব্যবস্থা ফলপ্রসূ না হলে তিনি ১৭৭৭ সালে 'একসালা বন্দোবস্ত' করেন। 

- ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- দ্বৈত শাসনের দায়িত্বহীনতার ফলে  সারাদেশে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা।
- এই পরিস্থিতিতে ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৭৮.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বিখ্যাত গেরিলা দল 'ক্র্যাক প্লাটুন' কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. সেক্টর ৪
  2. সেক্টর ৩
  3. সেক্টর ২
  4. সেক্টর ১
সঠিক উত্তর:
সেক্টর ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্টর ২
ব্যাখ্যা
'ক্র্যাক প্লাটুন':

• মুক্তিযুদ্ধে স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ।
• এই বাহিনী স্বাধীনতা যুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীন অংশ নেয়।
• ভারতের মেলাঘর প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে এই বাহিনীর সদস্যরা গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। 
• গ্রেনেড ছোড়া, আত্ম-গোপন করা প্রভৃতি প্রশিক্ষনে শেখানো হতো।
• ক্র্যাক প্লাটুন গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটিএম হায়দার।
• ঢাকা শহরে এটি ৮২ টি অপারেশন পরিচালনা করে। 
• এরা “হিট এন্ড রান” পদ্ধতিতে তাঁদের অপারেশন পরিচালনা করতো। 
• এই প্লাটুনের অন্যতম সদস্য ছিলেন: শহীদ জননী জাহানার ইমাম, শহীদ রুমি ইমাম, আলতাফ মাহমুদ, পপ সম্রাট আজম খান প্রমুখ। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভস, দ্যা দেইলি স্টার বাংলা।  
৯,৫৭৯.
মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি গড়ে তুলেন -
  1. সৈয়দ আমীর আলী
  2. সৈয়দ আহামদ খান
  3. নওয়াব আবদুল লতিফ
  4. আবুল কালাম আজাদ
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
• নওয়াব আবদুল লতিফ: 
- নওয়াব আবদুল লতিফের জন্ম ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলায়।
- কলকাতা মাদ্রাসায় তিনি ইংরেজী শিক্ষা গ্রহণ করেন। 
- কর্মজীবনে আবদুল লতিফ প্রথমে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে এবং কলকাতা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।
- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত হন এবং ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে কলিকাতার প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট পদে উন্নীত হন।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের কাউন্সিল আইন অনুযায়ী বাংলায় ব্যবস্থাপক পরিষদ গঠিত হলে তিনি এর সদস্য মনোনীত হন।

- আব্দুল লতিফের উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব হচ্ছে ১৮৬৩ সালে কলকাতার মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি বা মুসলিম সাহিত্য-সমাজ প্রতিষ্ঠা।
- নওয়াব আবদুল লতিফ বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে ইংরেজি শিক্ষার বিস্তারের গুরুত্ব বুঝতে পারেন।
- তাঁর প্রচেষ্টায় কলকাতা মাদ্রাসায় অ্যাংলো-পার্সিয়ান বিভাগ খোলা হয়। সেখানে উর্দু এবং বাংলা শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৮০.
‘ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল’ এর ভাইস চেয়ারম্যান হলেন-
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. অর্থ মন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা মন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
বন্যা, নদীভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আলোচিত ‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)।
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চেয়ারপারসন করে ‘ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল’ গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এই কাউন্সিলের চেয়ারপারসন। পরিকল্পনামন্ত্রীকে কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
[সূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ]
৯,৫৮১.
হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত সর্বশেষ চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ঘেটুপুত্র কমলা
  2. দুই দুয়ারী
  3. নয় নম্বর বিপদ সংকেত
  4. আমার আছে জল
সঠিক উত্তর:
ঘেটুপুত্র কমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘেটুপুত্র কমলা
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদের চলচ্চিত্র:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৮২.
হিউয়েন সাঙ বাংলায় এসেছিলেন কবে?
  1. ক) ৬০৬ খ্রি:
  2. খ) ৬১৯ খ্রি:
  3. গ) ৬৩৭ খ্রি:
  4. ঘ) ৬৩৯ খি:
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৩৯ খি:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৩৯ খি:
ব্যাখ্যা
- খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে উত্তর-বাংলায় জৈন ধর্মের প্রসার হয়েছিল। আর মৌর্য সম্রাট অশোকের বৌদ্ধধর্ম প্রচার বাংলাদেশের হৃদয় জয় করেছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের মধ্যে পণ্ড্রর্বধনে বৌদ্ধধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল। বৌদ্ধধর্মের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে বিদেশি বৌদ্ধ শ্রমণেরা বাংলাদেশ ভ্রমণ করেন।
- পঞ্চম শতকের গোড়ায় চীনের বৌদ্ধ শ্রমণ ফা-হিয়েন বাংলায় এসেছিলেন।
- হিউয়েন সাঙ বাংলায় এসেছিলেন আনুমানিক ৬৩৯ খ্রিস্টাব্দে। তিনি দেখেছেন, সমতটের ত্রিশটি বিহারে দুহাজার শ্রমণের বাস।
- অষ্টম শতকে পাল যুগে বাংলাদেশের বৌদ্ধ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। বহুখ্যাত বৌদ্ধবিহারগুলো ঐ পর্বের বৌদ্ধধর্ম ও জ্ঞানের শ্রেষ্ঠ পরিচয় বহন করে।
- আচার্যগণ জ্ঞান-সাধনা এবং গ্রন্থ রচনা করেছেন যার অধিকাংশই তিব্বতি ভাষায় অনূদিত হয়েছিল।
- বৌদ্ধ ধর্মেরও রূপ বদলে সহজিয়া পরিচয় লাভ করেছে। বাংলার আউল-বাউলরা বাংলার সেই সহজিয়া ধর্মেরই ধারকবাহক।
- সেন-বর্মণ পর্বে বাংলাদেশে বৌদ্ধধর্মের প্রভাব কমে আসছিল।
- বৌদ্ধ ও ব্রাহ্মণ্য ধর্মের এই দ্বন্দ্ব-সংঘাত অনেক দিনের। ব্রাহ্মণেরা বৌদ্ধদের বলেছেন ‘পাষণ্ড’ যা সংঘর্ষের প্রমাণ।
- বৌদ্ধধর্ম ব্রাহ্মণ্য ধর্মের কুক্ষিগত হয়ে পড়ছিল। বৌদ্ধ বিহারে এর পরেও যা অবশিষ্ট ছিল, বখতিয়ার খিলজির নেতৃত্বে তুর্কি আক্রমণের মুখে তাও ধুয়ে মুছে গেল। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৮৩.
জাতিসংঘের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য
  2. ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর তারিখে বাংলায় ভাষণ
  3. সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু
- ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য
- ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, একই অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন
- এই ভাষণের মাধ্যমেই জাতিসংঘে বাংলা ভাষার যাত্রা শুরু হয়।
- সেই অধিবেশনে বাংলাদেশের সাথে গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ জাতিসংঘের ১৩৭ ও ১৩৮তম সদস্য হয়।

উৎস - বাংলাপিডিয়া এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৯,৫৮৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১৭টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০-১৭ জুলাই কলকাতায় তাজউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যুদ্ধাঞ্চলের অধিনায়কদের সম্মেলনে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। ১১টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
এগারোটি সেক্টর হলো:

১ নং সেক্টর:
সেক্টর এলাকা : চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা
সেক্টর কমান্ডার : মেজর জিয়াউর রহমান এবং মেজর রফিকুল ইসলাম।

২ নং সেক্টর:
সেক্টর এলাকা : ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশবিশেষ
সেক্টর কমান্ডার : মেজর খালেদ মোশাররফ এবং মেজর এ.টি.এম হায়দার।

৩ নং সেক্টর:
সেক্টর এলাকা : উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা
সেক্টর কমান্ডার : মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

৪ নং সেক্টর:
সেক্টর এলাকা : উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা
সেক্টর কমান্ডার : মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত।

৫ নং সেক্টর:
সেক্টর এলাকা : সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা
সেক্টর কমান্ডার : মেজর মীর শওকত আলী।

৬ নং সেক্টর:
সেক্টর এলাকা : সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা
সেক্টর কমান্ডার : উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

৭ নং সেক্টর:
সেক্টর এলাকা : রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ
সেক্টর কমান্ডার : মেজর নাজমুল হক এবং সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

৮ নং সেক্টর:
সেক্টর এলাকা : কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা
সেক্টর কমান্ডার : মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং মেজর এম.এ মঞ্জুর।

৯ নং সেক্টর:
সেক্টর এলাকা : বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ
সেক্টর কমান্ডার : মেজর এম. এ জলিল এবং মেজর এম. এ মঞ্জুর।

১০ নং সেক্টর:
সেক্টর এলাকা : সমুদ্র ও নৌ অঞ্চল
সেক্টর কমান্ডার : নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।

১১ নং সেক্টর:
সেক্টর এলাকা : টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা
সেক্টর কমান্ডার : মেজর এম. আবু তাহের এবং স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৯,৫৮৫.
পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) ফেনী
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- পারকী, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত। লাবনী, হিমছড়ি, ইনানী, সাবরাং ইত্যাদি বিচ কক্সবাজারে অবস্থিত‌।
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালীতে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
৯,৫৮৬.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান-এর সাথে কোন নামটি জড়িত?
  1. আসাদুজ্জামান
  2. মতিউর রহমান
  3. রুস্তম
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।
- আগরতলা মামলা বাতিল হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালের ১৭ জানুয়ারি ছাত্রনেতারা দেশব্যাপী সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘটের ডাক দিলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনেম খান ছাত্র আন্দোলন দমাতে ১৪৪ ধারা জারি করে।
- সরকারি নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
- এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ) নিহত হলে আন্দোলন আরও তীব্র হয়।
- শহীদ আসাদের আত্মদানের পর ২১, ২২ ও ২৩ জানুয়ারি শোক পালনের মধ্য দিয়ে সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ২৪ জানুয়ারি অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়।
- ১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি মিছিলে পুলিশের গুলিতে ঢাকায় সচিবালয়ের সামনের রাজপথে নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র কিশোর মতিউর রহমান ও রুস্তম শহীদ হন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) জানুয়ারি ২৪, ২০২৪, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৯,৫৮৭.
আদিনার বিখ্যাত মসজিদ কোন্ সুলতানের শাসনামলে নির্মিত হয়?
  1. গিয়াস উদ্দিন আযম শাহ্
  2.  সিকান্দার শাহ্
  3. হুসেন শাহ্ ই আজম
  4. শামস উদ্দীন মাবরুহ শাহ্
সঠিক উত্তর:
 সিকান্দার শাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 সিকান্দার শাহ্
ব্যাখ্যা

• আদিনা মসজিদ:
- আদিনা মসজিদ  পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হযরত পান্ডুয়া বা ফিরুজাবাদে অবস্থিত। 
- এটি কেবল বাংলায়ই নয়, গোটা উপমহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম মসজিদ। 
- এর পেছনের দেয়ালে প্রাপ্ত একটি শিলালিপি অনুসারে এটি ১৩৭৩ খ্রিস্টাব্দে ইলিয়াস শাহের পুত্র সিকান্দর শাহ কর্তৃক নির্মিত।
- এর আয়তন ২১১০ মিটার এবং এক সময় উচ্চতা প্রায় ১৮ মিটার, 
- আদিনা মসজিদের একটি বহুল আলোচিত অনুষঙ্গ হচ্ছে মসজিদের পেছনে সিকান্দর শাহ-এর তথাকথিত সমাধি কক্ষ।
- মসজিদটি বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত। কালের চাপ উপেক্ষা করে খিলান ছাদযুক্ত প্রবেশদ্বারসহ পশ্চিম দেয়ালের অংশবিশেষ মাত্র টিকে আছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৫৮৮.
১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে বাংলাকে অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব কে দেন?
  1. অলি আহাদ
  2. কাজী গোলাম মাহবুব
  3. আলী আজম চৌধুরি
  4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও ঘটনা প্রবাহ:
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দু ভাষায় কার্যক্রম শুরু হলে, পূর্ব বাংলা কংগ্রেসের কুমিল্লার প্রতিনিধি ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রতিবাদ জানান এবং বাংলাকেও অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তোলেন। কিন্তু মুসলিম লীগের সদস্যরা ঐ দাবি প্রত্যাখ্যান করেন।

- এর প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্রসমাজ ব্যাপকভাবে আন্দোলনে জড়ায় এবং ২৬ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট পালন করা হয়।
এরপর ২ মার্চ ১৯৪৮ সালে শিক্ষার্থী ও বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে আবারও 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।

- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

- আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা এবং পূর্ব পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করা।
- ধর্মঘটের পক্ষে 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' স্লোগানসহ মিছিল করার সময় পুলিশের লাঠিচার্জে অনেকে আহত হন। শামসুল হক, অলি আহাদ, শেখ মুজিবুর রহমান, কাজী গোলাম মাহবুবসহ অনেকেই গ্রেফতার হন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৩-১৫ই মার্চ আবার ধর্মঘট পালিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
৯,৫৮৯.
ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের জন্য কোন সরকার আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশ নেয়?
  1. ক) চীন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) জার্মান
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
-মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সরকারিভাবে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে এবং ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের জন্য ব্রিটিশ সরকার আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশগ্রহণ করে।
- ব্রিটিশ সরকারের নিরপেক্ষ নীতির কারণে ব্রিটেনের পত্র-পত্রিকায় ও বেতার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে প্রচারণা সহজতর হয়েছিল এবং
- ব্রিটেনের মাটিকে প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তোলার জন্য কোন সরকারি বাধা ছাড়াই জোরালো আন্দোলন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল।
- এসব অবস্থা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সফল করে তুলতে সহায়ক হয়েছিল।
-মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন সরকার পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন করে।

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৯০.
অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনাটি কত পৃষ্ঠার ছিল?
  1. দুই
  2. তিন 
  3. চার 
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
ব্যাখ্যা

অপারেশন সার্চলাইট:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- ২৫ মার্চ মধ্যরাতে ৩ ব্যাটেলিয়ান পাকিস্তানী সৈন্য 'অপারেশন সার্চলাইট-এ' অংশগ্রহণ করে। তারা ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা সংগঠিত করে।

⇒ পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- পাঁচ পৃষ্ঠার এই পরিকল্পনাটি রাও ফরমান আলী নিজ হাতে লিখেন।
- এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২৪-২৫ মার্চ জেনারেল হামিদ, জেনারেল এ. ও মিঠঠি, কর্নেল সাদউল্লাহ হেলিকপ্টারে করে বিভিন্ন সেনানিবাসে প্রস্ত্ততি পরিদর্শন করেন।
- সিদ্ধান্ত হয়, ২৫ মার্চ রাত ১টায় অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় অভিযানে ঢাকায় নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল রাও ফরমান আলী।
- দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল খাদিম রাজা।
- লে. জেনারেল টিক্কা খান ৩১ ফিল্ড কমান্ডে উপস্থিত থেকে অপারেশনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন। এ ছাড়া এ অভিযানকে সফল করার জন্য ইতোমধ্যে জেনারেল ইয়াহিয়া খানের দু’জন ঘনিষ্ঠ অফিসার মেজর জেনারেল ইখতেখার জানজুয়া ও মেজর জেনারেল এ.ও মিঠঠিকে ঢাকায় আনা হয়।

উল্লেখ্য,
- সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন: গভর্নর লে. জে. টিক্কা খান।
- ঢাকা শহরের দায়িত্বে: মেজর রাও ফরমান আলী।
- ঢাকার বাইরে দায়িত্বে: মেজর খাদিম হোসেন রাজা।
- ১৯৭১ সালের ১৫ মার্চ ইয়াহিয়া খান শেখ মুজিবের সাথে সমঝোতার উদ্দেশ্যে কয়েকজন জেনারেলসহ ঢাকায় আসেন।
- ১৯৭১ সালের ১৬ - ২৪ মার্চ পর্যন্ত মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক চলে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৯,৫৯১.
পূর্বে মহাস্থানগড় কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. কর্ণসুবর্ণ
  2. পুণ্ড্রনগর
  3. বঙ্গ
  4. রাঢ়
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্রনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্রনগর
ব্যাখ্যা

মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দুর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উঁচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৯,৫৯২.
স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার গঠিত পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন কে?
  1. ড. সরওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী
  2. ড. পারভেজ আলম চৌধুরী
  3. ড. আনোয়ারুল আজীজ চৌধুরী
  4. ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
- পরিকল্পনা কমিশন গঠন দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।

⇒ চেয়ারম্যান: ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।
• সদস্যবৃন্দ,
• ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ।
• ড. মোশাররফ হোসেন।
• ড. এস. আর. বোস।
• ড. আনিসুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৯৩.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য শুরু হয় কোথায়?
  1. ইসলামাবাদ হাইকোর্ট
  2. ঢাকা দায়রা জজ আদালত
  3. ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  4. লাহোর সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য'।
- তবে এটি 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবেই বেশি পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৯৪.
At present, how many Bir Bikram's are there in Bangladesh?
  1. 68
  2. 174
  3. 175
  4. 426
সঠিক উত্তর:
174
উত্তর
সঠিক উত্তর:
174
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ: ৭ জন,
• বীর উত্তম: ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম: ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক: ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।
• বীরশ্রেষ্ঠ: ৭ জন,
• বীর উত্তম: ৬৭ জন,
• বীর বিক্রম: ১৭৪ জন,
• বীর প্রতীক: ৪২৪ জন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
         ii) ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
৯,৫৯৫.
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সংক্ষিপ্ত রূপ-
  1. MEFC
  2. MEFCC
  3. MOEF
  4. MOEFCC
সঠিক উত্তর:
MOEF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MOEF
ব্যাখ্যা
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়:
- 'MOEF' এর পূর্ণরূপ Ministry of Environment and Forests.
- বাংলাদেশের পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণের গুরুত্ব অনুধাবন করে ১৯৭৩ সালে পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ, ১৯৭৩ জারি করে স্বাধীন বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমের সূচনা হয়।
- ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ সালে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি বিভাগ ও বন বিভাগ নামে দুটি বিভাগ সৃষ্টি হয়।
- পরবর্তীতে ০৩ আগস্ট ১৯৮৯ তারিখ তৎকালীন স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে পরিবেশ অধিদপ্তর নামকরণ করে বন অধিদপ্তর ও পরিবেশ অধিদপ্তর সমন্বয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সৃষ্টি হয়।
- বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলার বিষয়টি উপলদ্ধি করে ২০১৮ সালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় নামে এ মন্ত্রণালয় পুনর্গঠন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৯,৫৯৬.
প্রাচীনকালে ‘সমতট’ বলতে বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে বোঝানো হয়?
  1. কুষ্টিয়া
  2. বগুড়া
  3. বরিশাল
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• সমতট জনপদ:
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- মেঘনা-পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী ‘লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট। (অপশনে উত্তর না থাকায় এখানে উত্তর 'কোনটি নয়' হবে)
- হিউয়েন সাঙ কোন সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৯৭.
বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত বলা হয় কাকে?
  1. ক) মাইকেল মধুসুদন দত্ত
  2. খ) রাজা রামমোহন রায়
  3. গ) হাজী শরীয়তউল্লাহ
  4. ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজা রামমোহন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি হিন্দু সমাজে সতীদাহ প্রথা, বাল্যবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করতে প্রচেষ্টা চালান। তাছাড়া তিনি সব কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হন্দিুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- ১৮২৮ সালে ২০শে আগস্ট তিনি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। রাজা রামমোহন ১৮২২ সালে কোলকাতায় ‘অ্যাংলো-হিন্দু স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে ইংলিশ, দর্শন, আধুনিক বিজ্ঞান পড়ানোর ব্যবস্থা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৯৮.
বাংলাদেশের কোন সমস্যা আন্তর্জাতিকভাবে দেশের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে?
  1. সাইবার অপরাধ
  2. বাল্যবিবাহ
  3. দুর্নীতি
  4. জনসংখ্যা
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
ব্যাখ্যা

সাম্প্রতিককালে দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

• সামাজিক সমস্যা:

- এমন এক ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি যা স্বাভাবিক সামাজিক জীবনাচরণের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
- এর ফলে নাজুক সামাজিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পর্যায়ে মোকাবেলার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়।
 
• বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যা:
১. পূর্বের সামাজিক সমস্যা
- জনসংখ্যা সমস্যা, অধিক জনসংখ্যার প্রভাব
- বেকারত্ব
- দারিদ্র্য
- মাদকাসক্তি
- দুর্নীতি
- সুশাসনের অভাব

২. সাম্প্রতিক যোগ হওয়া সমস্যা
- নারীর সামাজিক নিরাপত্তাজনিত সমস্যা
- যৌন নিপীড়ন
- সাইবার অপরাধ
- কর্মজীবী নারীর সমস্যা
- জেন্ডার বৈষম্য
- যৌতুক ও বাল্যবিবাহ
- বার্ধক্য সমস্যা
- সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ
- সাইবার অপরাধের বৃদ্ধি, বিশেষ করে নারীর শিকার হওয়া

৩. বার্ধক্য সমস্যা নতুন মাত্রা পেয়েছে
-কর্মস্থলের দূরত্ব
- নগরমুখিতা
- সামাজিক দায়বদ্ধতার অভাব
- ব্যক্তিস্বার্থপরতার বৃদ্ধি
- অণু পরিবারের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া
- যৌথ বা বর্ধিত পরিবারে অনীহা

তথ্যসূত্র: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৯৯.
'উয়ারী-বটেশ্বর' গ্রামে কোন সময়ে প্রাচীন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল?
  1. প্রায় দুইশ বছর আগে
  2. প্রায় ছয়শ বছর আগে
  3. প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে
  4. প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে
সঠিক উত্তর:
প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে
ব্যাখ্যা

উয়ারী-বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম।
- উয়ারী-বটেশ্বর গ্রামে আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে (খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ থেকে ১০০ অব্দের মধ্যে) লৌহ যুগে এই প্রাচীন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন, প্রত্নতাত্ত্বিক এবং একটি দুর্গ-নগর বা বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল, যেখানে ছাপাঙ্কিত মুদ্রা, নগর পরিকল্পনা ও উন্নত বসতি স্থাপনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,৬০০.
ইউরোপীয়দের ভারত আগমনের উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. ধর্মীয়
  2. রাজনৈতিক
  3. বাণিজ্যিক
  4. সাংস্কৃতিক
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্যিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্যিক
ব্যাখ্যা
• বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন:
- সাত শতক থেকে এ অঞ্চলের সঙ্গে আরব বণিকদের ব্যবসায়-বাণিজ্য ছিল এক চেটিয়া। তারা বাণিজ্য করতো মূলত সমুদ্রপথে।
১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দে কনস্টান্টিনপোল অটোমান তুর্কিরা দখল করে নেয়। ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গে জলপথে ব্যবসায়-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়।
- প্রাচ্যের সাথে পাশ্চাত্যের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য ভিন্ন জলপথ আবিষ্কারের প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
- মূলত ব্যবসা-বাণিজ্যের একারণেই ইউরোপীয় শক্তিগুলো সমুদ্র পথে উপমহাদেশে আসার অভিযান শুরু করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।